বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪১ / ৩০৬ · ১৪,০০১১৪,১০০ / ৩০,৮৩২

১৪,০০১.
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তিত নাম কী?
  1. নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  2. নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়
  3. নারী ও শিশু কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন:
- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়' করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।
- ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১১৯তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয় ৷ - মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়' করা হলেও এর ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত থাকছে। - এ মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম (Ministry of Women and Children Affairs (MoWCA) অপরিবর্তিত থাকবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৪,০০২.
বঙ্গবন্ধু রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কারাগারের রোজনামচা কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ২০১৯ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৭ সালে
  4. ঘ) ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নামকরণ করেন শেখ রেহেনা। প্রচ্ছদ ও নকশা করেন তারিক সুজাত।
- তবে প্রচ্ছদে ব্যবহৃত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অঙ্কন করেন শিল্পী রাসেল কান্তি দাশ।

উৎস: কারাগারের রোচনামচা।
১৪,০০৩.
বাংলাদেশে মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার ছিলেন- 
  1. কামরুল হাসান
  2. মুর্তজা বশীর
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. শিব নারায়ণ দাস
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা:
- পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রন্থের অনুপাত = ১০ : ৬ = ৫: ৩।
-পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং লাল বৃত্তের মাঝের অনুপাত = ১০ : ৬: ২ = ৫:৩:১।
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা -বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি।

১৪,০০৪.
'রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে আছে?
  1. ক) ৪৯
  2. খ) ৫০
  3. গ) ৫১
  4. ঘ) ৫৩
ব্যাখ্যা
- 'রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ' সংবিধানের ৫০ নং অনুচ্ছেদে রয়েছে।

• সংবিধানের ৫০ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরের মেয়াদে তাঁহার পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন।
 - তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁহার উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন। 

• সংবিধানের ৫০ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে:
 - একাদিক্রমে হউক বা না হউক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকিবেন না। 

• সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- স্পীকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

• সংবিধানের ৫০ (৪) অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- রাষ্ট্রপতি তাঁহার কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁহার কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,০০৫.
কয়টি জেলায় গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের কার্যক্রম রয়েছে?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট) :
গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে (বাংলাদেশের ভূখন্ডে) সেচের জন্য  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প। 
কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ  সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত। 
এর মধ্যে ১,৪২,০০০ হেক্টর জমি সেচযোগ্য। 
উল্লিখিত চারটি জেলার সর্বমোট ১৩টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত।
 উপজেলাগুলি হলো - কুষ্টিয়া সদর, কুমারখালী, খোকসা, মিরপুর, ভেড়ামারা, চুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহ সদর, হরিণাকুন্ড, শৈলকূপা, মাগুরা সদর, শ্রীপুর এবং দৌলতপুর। 
 
প্রকল্পের ভৌগোলিক সীমারেখা উত্তরে গঙ্গা ও  গড়াই নদী, পূর্বে গড়াই-মধুমতি, দক্ষিণে  নবগঙ্গা এবং পশ্চিমে মাথাভাঙ্গা নদী পর্যন্ত বিস্তৃত।
 
 এ প্রকল্পের বিশেষত্ব হলো, গঙ্গা নদী থেকে পাম্পের সাহায্যে পানি তুলে সংযোগ  খাল ও নালার মাধ্যমে কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ করা। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নকে এ প্রকল্পে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয় নি। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে শস্যের অধিক ফলন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ছিল অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৪,০০৬.
কক্সবাজার বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের কততম জেলা হিসেবে যুক্ত হয়েছে?
  1. ৪৮ তম
  2. ৪৯ তম
  3. ৫০ তম
  4. ৫১ তম
ব্যাখ্যা
দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ:

- ১১ নভেম্বর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করেন।
- আর এর মধ্য দিয়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হবে কক্সবাজার, তথা যুক্ত হবে ঢাকাসহ সারাদেশের সঙ্গে।
- রেলপথটি বাংলাদেশকে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত করবে।
- বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের ৪৮তম জেলা হিসেবে যুক্ত হয়েছে কক্সবাজার।
- ১ ডিসেম্বর যাত্রী নিয়ে এই নতুন রেলপথে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
- ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশের ৬০টি জেলায় রেল নেটওয়ার্ক স্থাপনের লক্ষ্য আছে বাংলাদেশে রেলওয়ের।
- দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মায়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের জন্য ২০১০ সালে ৬ জুলাই দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায়।
- দোহাজারি-চকরিয়া এবং চকরিয়া-কক্সবাজার (লট-১ ও লট-২) এই দুই লটে চীনা প্রতিষ্ঠান সিআরসি (চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন) ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান তমা কনসট্রাকশন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পায়।
- এই রেললাইন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
- এর অর্থায়ন করেছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও বাংলাদেশ সরকার।

তথ্যসূত্র - ঢাকা পোস্ট, ১১ নভেম্বর ২০২৩ ও কালের কন্ঠ, ১০ নভেম্বর, ২০২৩।
১৪,০০৭.
মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কত সালে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯২ সালে
  2. খ) ২০০০ সালে
  3. গ) ২০০১ সালে
  4. ঘ) ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিচিতি
• ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়;
• সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়;
• মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বিঘ্নে সেবা প্রদানের সুবিধার্থে ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন,এলেনবাড়ী, তেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়;
• পরবর্তীতে কাজের কলেবর ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় গত ১০/১০/২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৪,০০৮.
নিম্নের কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) APEC
  2. খ) SAARC
  3. গ) CIRDAP
  4. ঘ) ADB  
ব্যাখ্যা
• CIRDAP - Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific.
• CIRDAP গঠিত হয় ৬ জুলাই, ১৯৭৯ সালে।
• CIRDAP এর সদর দপ্তর ঢাকা তে অবস্থিত, সুপ্রিমকোর্ট এর চামেলী হাউজে।
• CIRDAP এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৫ টি।
এছাড়াও
• ঢাকায়  IJSG এবং BIMSTEC - এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

অন্যদিকে
• ADB - এর সদর দপ্তর ম্যানিলা,
• APEC _এর সদর দপ্তর সিঙ্গাপুর
• SAARC - এর দপ্তর কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।

উৎস: CIRDAP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,০০৯.
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম কোন শহরে অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. নোয়াখালী
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম
•' শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম'  বগুড়া শহরে অবস্থিত।

- বগুড়া জেলার উত্তরপশ্চিমস্থ প্রান্তে বগুড়া শহরের মালগ্রাম এলাকায় এটির অবস্থান। 
- এই স্টেডিয়ামে প্রথম ২০০৬ সালে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মধ্যে টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
- এই স্টেডিয়াম এর ধারন ক্ষমতা ২০, ০০০জন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।

১৪,০১০.
বাংলাদেশ ও ভারতকে সংযুক্তকারী ‘মৈত্রী সেতু-১’ কোন নদীর উপর নির্মিত হয়েছে?
  1. ক) যমুনা নদী
  2. খ) মেঘনা নদী
  3. গ) আত্রাই নদী
  4. ঘ) ফেনী নদী
ব্যাখ্যা
নদী:
- ভারত ও বাংলাদেশকে যুক্তকারী ‘মৈত্রী সেতু-১’ ফেনী নদীর উপর অবস্থিত।
- ১ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি খাগড়াছড়ির রামগড়ের সঙ্গে ত্রিপুরার সাবরুমকে যুক্ত করেছে।
- গত ৯ মার্চ ২০২১ ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেতুটি উদ্বোধন করেন। এর আগে ২০১৫ সালের ৬ জুন দুই প্রধানমন্ত্রী এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ভারত ও বাংলাদেশকে সংযোগকারী এটি প্রথম সেতু।
- চট্টগাম সমুদ্রবন্দর থেকে সেতুটির দূরত্ব ৮০ কিলোমিটার।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে ত্রিপুরায় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পার্ক নির্মাণ করা হয়েছে।
- পার্কে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পের মতো একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভাস্কর্যও স্থাপন করা হয়েছে সেখানে। 

উৎস: দৈনিক ‍যুগান্তর।
১৪,০১১.
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে ল্যান্স নায়েক ছিলেন কতজন?
  1. এক জন
  2. দুই জন
  3. তিন জন
  4. চার জন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে ২ জন ল্যান্স নায়েক ছিলেন।
- তারা হলেন ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ এবং ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ। 

বীরশ্রেষ্ঠদের সেক্টর অনুযায়ী তাঁদের ভাগ ছিল এইভাবে:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ ১নং সেক্টরে ছিলেন।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরে ছিলেন।
- সিপাহী হামিদুর রহমান ৪নং সেক্টরে ছিলেন।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ৭নং সেক্টরে ছিলেন।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ৮নং সেক্টরে ছিলেন।
- ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমীন ১০নং সেক্টরে ছিলেন।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান পশ্চিম পাকিস্তানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করেছিলেন।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৪,০১২.
How many number of foreign branches of Sonali Bank Plc?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক -৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।
• অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

তথ্যসূত্র - সোনালী ব্যাংক পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৪,০১৩.
বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক দল (৪১ তম) হিসেবে নিবন্ধন পায় -
  1. ক) গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট
  2. খ) খেলাফতে মজলিশ
  3. গ) ইনসানিয়াত বিপ্লব
  4. ঘ) ইসলামিক ইউনিটি ফোরাম
ব্যাখ্যা
• নতুন রাজনৈতিক দল:
- বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক দল (৪১ তম) হিসেবে নিবন্ধন পায় 'ইনসানিয়াত বিপ্লব'।
- এই রাজনৈতিক দল যাঁরা প্রতিষ্ঠা করেছেন, তাঁরা মূলত চট্টগ্রামভিত্তিক সুন্নি আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত।
- দলটি নিবন্ধন পায় ৮ মে, ২০২৩ সালে।
- ইসির গেজেট অনুযায়ী ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয় গুলশান-১ নম্বরে অবস্থিত। 

- ‘ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ ২০১০ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলে ইনসানিয়াত বিপ্লব বিশ্বাস করে না।’ যদিও এই দলের নেতারা চট্টগ্রামভিত্তিক সুন্নি আন্দোলনেরও নেতৃত্বে রয়েছেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো (১৪ মে, ২০২৩)।
১৪,০১৪.
২০২০ অর্থবছর নাগাদ দারিদ্র্য হার কত শতাংশ হ্রাস করা সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অন্বিষ্ট ছিল?
  1. ক) ৮.৯ শতাংশ
  2. খ) ১২.৩ শতাংশ
  3. গ) ১৬.৯ শতাংশ
  4. ঘ) ১৮.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
প্রবৃদ্ধি ও দারিদ্র্য নিরসন: সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার অন্বিষ্ট হলো ২০২০ অর্থবছর নাগাদ দারিদ্র্য হার ১৮.৬% এবং চরম দারিদ্র্য হার ৮.৯% এ হ্রাস করা। প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর পাশাপাশি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সমন্বিত দারিদ্র্য নিরসন কৌশলের অপরিহার্য উপাদান হিসেবে মানব উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দেয়া হবে।
[সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা]
১৪,০১৫.
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন ঘটনাটি আগে ঘটে?
  1. ক) ছয় দফা ঘোষণা
  2. খ) আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা
  3. গ) গণ-অভ্যুত্থান
  4. ঘ) ভারত- পাকিস্তান দ্বিতীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

অপশনে উল্লেখিত ঘটনাগুলোর মধ্যে,
১. ভারত পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিতীয় যুদ্ধটি আগে সংঘটিত হয়। ১৯৬৫ সালে এই যুদ্ধ হয়।
তার আগে ১৯৪৭ - ৪৯ সময়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

২. ছয়দফা - ১৯৬৬ সালে ঘোষণা করা হয়।
৩. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ১৯৬৮ সালে দায়ের করা হয়েছিলো।
৪. গণ-অভ্যুত্থান বলতে এখানে বাংলাদেশ ভূখন্ডে ১৯৬৯ সালের আন্দোলন সংগ্রামকে বোঝানো হয়েছে।

১৪,০১৬.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে ’জরুরী অবস্থা’ জারির বিধান করা হয়?
  1. দ্বিতীয় সংশোধনী
  2. প্রথম সংশোধনী
  3. চতুর্থ সংশোধনী
  4. তৃতীয় সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী:
- এই সংশোধনীর দ্বারা দেশে 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এটি পাস হয়।
- এই সংশোধনীতে সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বিনা বিচারে যে কাউকে আটক রাখা যাবেনা বিধান করা হয়। 

উল্লেখ্য,
"নবম-ক ভাগ (জরুরী বিধানাবলী)
১৪১(ক) অনুচ্ছেদ অনুসারে,

• জরুরী-অবস্থা ঘোষণা:
 - রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৪,০১৭.
সম্রাট নেবুচাঁদনেজার কোন রাজবংশের ছিলেন?
  1. ক) সুমেরীয়
  2. খ) এ্যাসিরীয়
  3. গ) ক্যালডীয়
  4. ঘ) আক্কাদীয়
ব্যাখ্যা
নেবুচাদনেজার (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬৩০ — ৫৬১):
- ব্যাবিলনিয়ার ক্যালডিয়ান রাজবংশের দ্বিতীয় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি প্রশাসক হিসেবে তাঁর সামরিক জীবন শুরু করেন (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৬১০)
- মিশরের (৬০৫ খ্রিস্টপূর্ব) থেকে সিরিয়া জয় করার পরই তাঁর পিতার মৃত্যুতে সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি ৫৯৭ খ্রীস্টপূর্বাব্দে জেরুজালেম দখল করেন এবং ৫৮৬/৮৭ খ্রীস্টপূর্বাব্দে এটি পুনরুদ্ধার করেন এবং বিশিষ্ট নাগরিকদের ব্যাবিলনে নির্বাসন দেন।
- তিনি ব্যাবিলন পুনরুদ্ধার, রাস্তা পাকা, মন্দির পুনর্নির্মাণ, এবং খাল খননের জন্য সময় এবং শক্তি ব্যয় করেছিলেন। 
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান নির্মাণের কৃতিত্ব তার।

উৎস: Britannica.
১৪,০১৮.
কুমিল্লার পূর্বনাম কী?
  1. ক) নাসিরাবাদ
  2. খ) ত্রিপুরা
  3. গ) সুধারাম
  4. ঘ) সুবর্ণগ্রাম
ব্যাখ্যা
কুমিল্লার পূর্বনাম - ত্রিপুরা।

এছাড়াও -
বাংলাদেশের কয়েকটি স্থানের পূর্বনামঃ
- মুন্সীগঞ্জের পূর্বনাম - বিক্রমপুর।
- বগুড়ার পূর্বনাম - পুণ্ড্রনগর।
- বাগেরহাটের পূর্বনাম - খলিফাবাদ।
- খুলনার পূর্বনাম - জাহানাবাদ।
- বরিশালের পূর্বনাম - চন্দ্রদ্বীপ/ ইসমাইলপুর।
- চট্টগ্রামের পূর্বনাম - ইসলামাবাদ।
- ময়মনসিংহের পূর্বনাম - নসিরাবাদ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,০১৯.
পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় কবে?
  1. ২১ জুন, ১৭৫৭
  2. ২৩ জুন, ১৭৫৭
  3. ২১ জুন, ১৮৫৭
  4. ২৩ জুন, ১৮৫৭
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,০২০.
রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. রূপালী ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  4. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
• পূবালী ব্যাংক পিএলসি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪,০২১.
‘তমদ্দুন মজলিশ' প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৪৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

তমদ্দুন মজলিশের গঠনতন্ত্রে বিধৃত এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিম্নরূপ:
১. কুসংস্কার, গতানুগতিকতা ও প্রতিক্রিয়াশীলতা দূর করে ‘সুস্থ ও সুন্দর’ তমদ্দুন গড়ে তোলা;
২. যুক্তিবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত সর্বাঙ্গ সুন্দর ধর্মভিত্তিক সাম্যবাদের দিকে মানবসমাজকে এগিয়ে নেওয়া;
৩. মানবীয় মূল্যবোধ ভিত্তিক সাহিত্য ও শিল্পের মাধ্যমে নতুন সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা;
৪. নিখুঁত চরিত্র গঠন করে গণজীবনের উন্নয়নে সহায়তা করা।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
উক্ত পুস্তিকায় নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো প্রস্তাব করা হয় -

পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?
- তমদুন মজলিশ

১. বাংলা ভাষাই হবে:
(ক) পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার বাহন।
(খ) পূর্ব পাকিস্তানের আদালতের ভাষা।
(গ) পূর্ব পাকিস্তানের অফিসাদির ভাষা।
২. পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের ভাষা হবে দুটি - উর্দু ও বাংলা।
৩. বাংলাই হবে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা বিভাগের প্রথম ভাষা। ইহা পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা একশতজনই শিক্ষা করবেন।
(খ) উর্দু হবে দ্বিতীয় ভাষা। যারা পাকিস্তানের অন্যান্য অংশে চাকরী ইত্যাদি কাজে লিপ্ত হবেন, তারাই শুধু এ-ভাষা শিক্ষা করবেন। ইহা পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা ৫ হইতে ১০ জন শিক্ষা করলেও চলবে। মাধ্যমিক স্কুলের উচ্চতর শ্রেণীতে এই ভাষা দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে শিক্ষা দেওয়া যাবে।
(গ) ইংরেজী হবে পূর্ব পাকিস্তানের তৃতীয় ভাষা বা আন্তর্জাতিক ভাষা। পাকিস্তানের কর্মচারী হিসাবে যাঁরা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে চাকরী করবেন বা যারা উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় নিয়ােজিত হবেন তাঁরাই শুধু ইংরেজী শিক্ষা করবেন। তাদের সংখ্যা পূর্ব পাকিস্তানের হাজারকরা ১ জনের চেয়ে কখনাে বেশী হবে না। ঠিক একই নীতি হিসাবে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রদাশেগুলিতে ওখানের স্থানীয় ভাষা বা উর্দু ১ম ভাষা, বাংলা ২য় ভাষা, আর ইংরেজী ৩য় ভাষার স্থান অধিকার করবে।
৪. শাসনকার্য ও বিজ্ঞান-শিক্ষার সুবিধার জন্য আপাততঃ কয়েক বৎসরের জন্য ইংরেজী ও বাংলার উভয় ভাষাতেই পূর্ব পাকিস্তানের শাসনকার্য চলবে। ইতিমধ্যে প্রয়ােজন অনুযায়ী বাংলা ভাষার সংস্কার সাধন করতে হবে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

১৪,০২২.
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ১৯৭৮ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৬ সালে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক একটি গবেষণা প্রকল্প চালু করেন যা পরবর্তীতে টাঙ্গাইল জেলাতেও বিস্তৃত হয়।
প্রকল্পটি সফলতা লাভ করায় বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই প্রকল্পকে গ্রামীণ ব্যাংক এ রূপান্তর করে।
২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
(সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৪,০২৩.
বর্তমানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা -
  1. ৪০০০০০ টাকা
  2. ৪৭৫০০০ টাকা
  3. ৫০০০০০ টাকা
  4. ৫৫০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

​করমুক্ত আয় সীমা:

- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।

উল্লেখ্য:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর এ সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৩৭৫০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

১৪,০২৪.
২০২৫ সালে কতজন ব্যক্তিকে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ৭ জন
  2. ৮ জন
  3. ৯ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১৪,০২৫.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ময়মনসিংহে
  2. বগুড়ায়
  3. সোনারগাঁওয়ে
  4. পুরান ঢাকায়
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন
ii) বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন
১৪,০২৬.
’অ্যালায়েন্স’ কীসের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. কৃষি
  2. সিরামিক
  3. পোশাক
  4. চামড়া
ব্যাখ্যা

 যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন- Alliance।
- রানা প্লাজা ধসের ঘটনার পর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের নিরাপদ কর্ম পরিবেশ তৈরিতে আমেরিকান ক্রেতাদের নিয়ে ২০১৩ সালে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি নামের একটি জোট গঠিত হয়।
- এই জোটে গ্যাপ ও ওয়ালমার্টের মতো বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।

উৎসঃ দ্যা ডেইলি স্টার এবং বিবিসি।

১৪,০২৭.
কুমিল্লা সেনানিবাসে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য -
  1. ক) অনির্বাণ জেড
  2. খ) শিখা অনির্বাণ
  3. গ) বিজয় গাঁথা
  4. ঘ) রক্ত সোপান
ব্যাখ্যা
সেনানিবাস গুলোতে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য ও স্থাপনা:
- ঢাকা সেনানিবাস - বিজয় কেতন, শিখা অনির্বাণ, জাহাঙ্গীর গেট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস - রক্ত সোপান
- কুমিল্লা সেনানিবাস - অনির্বাণ জেড
- রংপুর সেনানিবাস - বিজয় গাঁথা।

উৎস:
বিবিসি।
১৪,০২৮.
কোনটির মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতি বন্ধ হয়?
  1. মূলধন যোগান হ্রাস করা
  2. সুদের হার কমানো
  3. সুদের হার বৃদ্ধি
  4. পণ্যের দাম হ্রাস করা
ব্যাখ্যা
মুদ্রাস্ফীতি:
- অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সাধারণত পণ্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পায়, যার ফলে মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায় অর্থাৎ, মুদ্রাস্ফীতির ফলে একই পরিমাণ অর্থ দিয়ে কম পণ্য বা সেবা কেনা যায়।

- মুদ্রাস্ফীতির কারণসমূহ:
• অর্থের যোগান বৃদ্ধি ।
• সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি।
• উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি।

- মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উপায়:
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার বাড়ানো।
• সরকারের করের হার বৃদ্ধি।
• সরকার পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,০২৯.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৫ লাখ কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা
  3. ৪ লাখ ৯৯ হাজার কোটি টাকা
  4. ৬ লাখ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ বাজেট:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেৎ উত্থাপনকারী: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের শিরোনাম: বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়।
- বাজেট ঘোষণা: ২ জুন, ২০২৫।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৫।
- বাজেটের আকার: ৭,৮৯,৯৯৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১২.৭ শতাংশ)।
- রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: ৫,৬৪,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,২৬,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২ শতাংশ)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
- সামাজিক নিরাপত্তার ঝার বৃদ্ধি: ১২.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৫.৫%।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১৪,০৩০.
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পিটস ইন্ডিয়া এ্যাক্ট পাস হয় কবে?
  1. ১৭৮৪ সালে
  2. ১৭৮৫ সালে
  3. ১৮৭৭ সালে
  4. ১৭৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
পিটস ইন্ডিয়া এ্যাক্ট:
- কোম্পানি দিউয়ানির নামে বাংলায় যে শোষণ ও উৎপীড়নের রাজত্ব কায়েম করে সে বিষয়ে ব্রিটিশ-রাজ কখনো দৃষ্টিপাত করেনি।
- কিন্তু ১৭৭০ সালে বাংলার মহাদুর্ভিক্ষ ব্রিটিশ সরকারকে কোম্পানির বিষয়াদিতে হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য করে।
- ১৭৭২ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্ট-এর মাধ্যমে পার্লামেন্ট কোম্পানি নিয়ন্ত্রিত বাংলার বঙ্গরাজ্য বিষয়ে প্রথম হস্তক্ষেপ করে।
- মার্কিন বিপ্লবের পর আমেরিকা থেকে বিতাড়িত হয়ে ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষকে বিকল্প কলোনি হিসেবে বেছে নেয়।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে পিটস ইন্ডিয়া এ্যাক্ট পাস হয় ১৭৮৪ সালে।
- ১৭৮৪ সালের পিট-এর ভারত আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া নিয়ন্ত্রিত কোম্পানির বঙ্গ রাজ্যের ওপর ব্রিটিশ সরকারের কর্তৃত্ব আরও সুদৃঢ় করা হয়।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম পিট এর নামে নামকরণ করা হয়েছিল।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,০৩১.
‘তমদ্দুন মজলিশ' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) হাজী শরিয়ত উল্লাহ
  2. খ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  3. গ) আবুল কাশেম
  4. ঘ) মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,০৩২.
রোবট নভোযান ‘অডিসিয়াস’ চাঁদের কোন মেরুতে অবতরণ করে?
  1. পূর্ব মেরু
  2. পশ্চিম মেরু
  3. দক্ষিণ মেরু
  4. উত্তর মেরু
ব্যাখ্যা
রোবট নভোযান ‘অডিসিয়াস’:
- ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো মিশনের সফল চন্দ্রাভিযানের পর ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে আবারও চাঁদের মাটিতে পা রাখল যুক্তরাষ্ট্রের নভোযান ‘অডিসিয়াস’।
- চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে ‘ইস্টার্ন’এলাকায় অবতরণ করে এটি।
- যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটের সাহায্যে মহাকাশে যাত্রা শুরু করে এটি।
- রোবট অডিসিয়াসের নকশা ও এটির পরিচালনা করেছে টেক্সাসের হিউস্টনভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ইনটুইটিভ মেশিনস। 
- বাণিজ্যিক মহাকাশযানের মাধ্যমে পরিচালিত এই চন্দ্রাভিযানে অর্থায়ন করছে নাসা। 

উল্লেখ্য,
-  সবশেষ ১৯৭২ সালে নাসা সফলভাবে চাঁদে অ্যাপোলো ১৭ মিশন পরিচালনা করে।

উৎস: ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
১৪,০৩৩.
বর্তমান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদটি বাহাত্তরের মূল সংবিধানে ছিলো না?
  1. ক) ২ক নং
  2. খ) ৩ নং
  3. গ) ৫ নং
  4. ঘ) ১৪ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২ক নং অনুচ্ছেদটি বাহাত্তরের মূল সংবিধানে ছিলো না।
১৯৮৮ সালে সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রধর্মের বিধান সংবলিত ২ক নং অনুচ্ছেদটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়।
২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা এটিতে পরিবর্তন কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়।
অন্যদিকে,
৩ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত রাষ্ট্রভাষা, ৫ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত রাজধানী এবং ১৪ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি সম্পর্কিত বিধান ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের অংশ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১৪,০৩৪.
'নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১১৯
  4. অনুচ্ছেদ ১২০
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:

- অনুচ্ছেদ ১১৫ - অধস্তন আদালতে নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ১১৬ - অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা।
- অনুচ্ছেদ ১১৬(ক) - বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন।
- অনুচ্ছেদ ১১৭ - প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২১ - প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৩ - নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৫ - নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,০৩৫.
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  2. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  3. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
  4. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি। 
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩ট।

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

অন্যদিকে, 
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড বিদেশী ব্যাংক।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪,০৩৬.
'Kherua Masjid' is located in which district?
  1. ক) Dinajpur
  2. খ) Moulavi Bazar
  3. গ) Bogura
  4. ঘ) Cumilla
ব্যাখ্যা
• খেরুয়া মসজিদ:
- এটি সুলতানী ও মোগল আমলে নির্মিতএকটি ঐতিহাসিক মসজিদ।
- খেরুয়া মসজিদ বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রত্ননিদর্শন।
- মোগল-পূর্ব সুলতানি আমলের স্থাপত্যশৈলীর সঙ্গে মোগল স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে নির্মিত এই মসজিদ।
- প্রায় ৪৩০ বছর ধরে টিকে থাকা এই মসজিদের অবস্থান বগুড়া শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে শেরপুর উপজেলা সদরের খোন্দকার টোলা মহল্লায়।
- চুন-সুরকি দিয়ে গাঁথা পাতলা লাল ইটের দেয়ালগুলো ১.৮১ মিটার চওড়া। তার ওপর ভর করেই ছাদের ওপর টিকে আছে খেরুয়া মসজিদের তিনটি গম্বুজ।
মসজিদটির নিচের অংশে ভূমি পরিকল্পনা মোগল স্থাপত্যরীতির। ওপরের অংশ মোগল-পূর্ব সুলতানিরীতিতে।

তথ্যসূত্র: বগুড়া জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
১৪,০৩৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
  2. খ) অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
  3. গ) অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর
  4. ঘ) নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতার পর খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি একটি খসড়া সংবিধান তৈরি করতে সক্ষম হয়।
- গণপরিষদ ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর এটি গ্রহণ করে এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান।
- সংবিধান তৈরির জন্য ১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ কমিটি অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান তৈরি করে এবং তা গণপরিষদে উত্থাপিত হয়। 
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- গণপরিষদে সদস্যগণ পক্ষে-বিপক্ষে মত দেন অবশেষে পরিমার্জিত হয়ে উক্ত সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়- 
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য' উল্লেখ করা হয়।
অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর।
অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
১৪,০৩৮.
বাংলাভাষাকে পাকিস্তান গণপরিষদ কোন তারিখে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৯ মে ১৯৫৪
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩
  3. ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাশ করে।
প্রশ্নে তথ্যগত ভুল ছিলো।
প্রশ্নে যদি বলা হতো জাতীয় পরিষদ কবে স্বীকৃতি দেয় তবে উত্তর - (১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সাল) নেওয়া যেতো।
যেহেতু- প্রশ্নে গণপরিষদ বলা হয়েছে তাই উত্তর - ৯ মে ১৯৫৪ নেওয়া হয়েছে। 

• বাংলা ভাষার স্বীকৃতি:
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাশ করে।
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,০৩৯.
ঐতিহাসিক ছয় দফার চতুর্থ দফাটি কী ছিল?
  1. অর্থবিষয়ক
  2. বৈদেশিক মুদ্রা
  3. শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪,০৪০.
দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কত ভাগ মহিলা শিক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ৬০%
  3. গ) ৪০%
  4. ঘ) ৩৯%
ব্যাখ্যা

নতুন সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬০ ভাগ মহিলা শিক্ষক নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
Source: dhakatribune.com
উল্লেখ্য যে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ৬০% নারী কোটার বিষয়টিও এই নীতিমালারই অংশ।

১৪,০৪১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃ্দ্ধি অর্জনের লক্ষমাত্রা কত?
  1. ৫.৬ শতাংশ
  2. ৫.৫ শতাংশ
  3. ৬.৫ শতাংশ
  4. ৭.৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

১৪,০৪২.
কাদের নবান্ন উৎসবের নাম ‘নয়াভাত খানা’?
  1. ক) তঞ্চঙ্গ্যা
  2. খ) খাসিয়া
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) মারমা
ব্যাখ্যা
তঞ্চঙ্গ্যাদের নবান্ন উৎসবের নাম ‘নয়াভাত খানা’। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
১৪,০৪৩.
মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত? 
  1. দ্বিতীয় তফসিল
  2. পঞ্চম তফসিল
  3. সপ্তম তফসিল
  4. ষষ্ঠ তফসিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।
যথা:
• প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)।
• তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
• পঞ্চম তফসিল : শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল : শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
• ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে প্রথম চারটি তফসিল ছিলো। ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল যুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৪,০৪৪.
বর্তমানে বাংলাদেশের দ্রুততম মানবী কে? [ আগস্ট,২০২৫]
  1. সাফিনা হোসেন
  2. শিরিন আক্তার
  3. রুমি খান
  4. তানজিনা রহমান
ব্যাখ্যা

৪৮তম জাতীয় অ্যাথলেটিকস ২০২৫:
- নারী ১০০ মিটার স্প্রিন্ট। 
- দ্রুততম মানবী: শিরিন আক্তার (বাংলাদেশ নৌবাহিনী)
- সময়: ১২.০১ সেকেন্ড। 
- দ্বিতীয় স্থান: সুমাইয়া দেওয়ান (১২.১৫ সেকেন্ড)।

• পুরুষদের ১০০ মিটার স্প্রিন্ট: 
- দ্রুততম মানব: মোহাম্মদ ইসমাইল (বাংলাদেশ নৌবাহিনী)।
- সময়: ১০.৬১ সেকেন্ড।

উল্লেখ্য,
 - গত চারবারের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান এইবার অংশগ্রহণ করেননি।

​উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক]

১৪,০৪৫.
বর্তমানে বাংলাদেশে কয়টি ইউনেস্কো স্বীকৃত ‘অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ রয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৬টি ইউনেস্কো স্বীকৃত ‘অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’ রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭), ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩) ও টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প (২০২৫)।

⇒ বাউল সংগীত:
- বাউল সংগীত হলো আধ্যাত্ববাদের চেতনাপুষ্ট লোক সংগীতের এক বিশেষ ধারা যা হিন্দু শাস্ত্রের ভক্তিবাদ ও একই সাথে সুফি সংগীত দ্বারা প্রভাবিত।
- ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

⇒ ঐতিহ্যবাহী জামদানী বুনন:
- জামদানি হস্তচালিত তাঁতে সুতায় বোনা এক বিশেষ নকশার কাপড় যা অতীতে মসলিন নামে প্রচলিত ছিল। এটি বাংলাদেশের বুননশিল্পের সর্বাপেক্ষা শৈল্পিক নিদর্শন যা অন্যতম সময় সাপেক্ষ ও শ্রমঘন কুটির শিল্প।
- বংলাদেশের সাংস্কৃতিতে জামদানির অপরিসীম ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০১৩ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র অষ্টম অধিবেশনে ঐতিহ্যবাহী জামদানি বুনন্ শিল্পকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

⇒ পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভযাত্রা:
- প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে মঙ্গলের আহ্বান আর শুচিতার কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয় যা মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে পরিচিত।
- বাঙালি ঐতিহ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রার অপরিসীম প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো ২০১৬ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র এগারোতম অধিবেশনে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাজাত্রা-কে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

⇒ সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি বুনন:
- শীতল পাটি হলো ঐতিহ্যবাহী হাতে তৈরি মাদুর যা মুরতা নামের এক বিশেষ ধরণের বেত গাছের চিকন ফালি দিয়ে তৈরি করা হয়ে থাকে। সাধারণত আসন, বিছানার আবরণ বা নামাজের পাটি হিসেবে বাংলাদেশ সকল জায়গায় শীতল পাটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষুদ্র আকারে ছড়িয়ে চিটিয়ে থাকলেও এই শিল্পের সাথে জড়িত বৃহৎ জনগোষ্ঠী মূলতঃ বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট জেলার নিন্মাঞ্চলে বসবাস করে।
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের শীতলপাটি বুনন শিল্পের ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কোর ২০১৭ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র বারোতম অধিবেশনে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি বুননশিল্পকে Intangible Cultural Heritage হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

⇒ ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’:
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- বাংলাদেশের ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ শিল্পের ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কোর ২০২৩ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র ১৮তম অধিবেশনে ঢাকা শহরের রিকশা ও রিকশাচিত্রকে Intangible Cultural Heritage হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

⇒ টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প:
- দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত। 
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
ii) প্রথম আলো।

১৪,০৪৬.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করা
  2. কোনো দলীয় সংগঠন না থাকা
  3. নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
  4. দলীয় কর্মসূচি প্রণয়ন করা
ব্যাখ্যা

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।

♦ চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:

⇒ দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই। এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়। সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষণ।

⇒ দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই। এটি নির্দলীয় সংগঠন। এরা শুধু গোষ্ঠীর স্বার্থ পূরণের জন্য চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে।

⇒ নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না। তবে অনেক সময় তাদের পছন্দের প্রার্থীকে অর্থ কিংবা জনবল দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে। এছাড়াও কোন কোন দেশে চাপসৃষ্টিকারী কোন কোন গোষ্ঠীকে পছন্দের দলের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিতে দেখা যায়।

⇒ সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।

⇒ সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,০৪৭.
Who is the proponent of the Bengal Pact?
  1. Pandit Motilal Nehru
  2. Fazlul Haque
  3. Abdul Latif
  4. Chittaranjan Das
  5. Subhas Chandra Bose
ব্যাখ্যা
চিত্তরঞ্জন দাশ:
- চিত্তরঞ্জন দাশ সাধারণ্যে দেশবন্ধু বলে আখ্যায়িত।

⇒ তিনি বিশ শতকের বাংলার সবচেয়ে প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অন্যতম।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
- অনুশীলন সমিতির মতো বিপ্লবী সংগঠনের সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন।
- এস.এন ব্যানার্জী, বি.সি পাল ও অরবিন্দ ঘোষের সহকর্মী হিসেবে তিনি বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)-কে বাংলায় বিপ্লবী কর্মকান্ড বিস্তৃত করতে সদ্ব্যবহার করেন।
- ১৯১৭ সালে ভবানীপুরে অনুষ্ঠিত বাংলার প্রাদেশিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন তিনি।
- তিনি ব্যাঙ্গল প্যাক্ট এর প্রবক্তা।

⇒ চিত্তরঞ্জন দাস বাংলার বহু রাজনৈতিক নেতার রাজনৈতিক গুরু।
- তাদের মধ্যে সুভাষচন্দ্র বসু, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বিধানচন্দ্র রায়, শরৎচন্দ্র বসু, যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত প্রভৃতি ব্যক্তিবর্গ উল্লেখযোগ্য।
- তিনি সব সময় ব্রিটিশবিরোধী লড়াইকে জোরদার করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে নিজের মত প্রকাশ করেছেন।
- একসময় তিনি কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে 'স্বরাজ দল' নামের একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই স্বরাজ দলের প্রার্থী হিসেবেই ১৯২৪ সালে কলকাতা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন।
- এ সময়ে তিনি নারী শিক্ষা, বিধবা বিবাহ ইত্যাদির পক্ষে অনেক কাজ করেন।
- বাংলার এই বলিষ্ঠ নেতা মাত্র ৫৫ বছর বয়সে ১৯২৫ সালের জুন মাসে মারা যান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,০৪৮.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির গীতিকার কে?
  1. আবদুল লতিফ
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির গীতিকার 'আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী'।
- গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি'(১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- গানটির বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বিবিসি রিপোর্ট ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪,০৪৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মোট কতটি খাত রয়েছে?
  1. ১৫টি
  2. ১৮টি
  3. ১৯টি
  4. ২০টি
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক সমীক্ষা: ২০২৫
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, বাংলাদেশের অর্থনীতির মোট খাত ১৯টি। (২০১৫-১৬ ভিত্তি বছর)

» ১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫-০৬ ভিত্তি বছরের খাত ছিল ১৫ টি।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৪,০৫০.
পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের মোট আসন ছিল কয়টি?
  1. ক) ২৫০
  2. খ) ২৭৫
  3. গ) ৩০০
  4. ঘ) ৩০৯
ব্যাখ্যা

পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদে আসন ছিল ৩০৯টি। 
- ১৯৫৪ সালের মার্চের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান পরিষদের নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের (সর্বমােট আসন ছিল ৩০৯ টি) মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২১৫ টি (পরে স্বতন্ত্র থেকে ৮ জন যােগ দিলে আসন সংখ্যা হয় ২২৩ টি) । 
- তন্মধ্যে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ ১৪০ টি, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের কৃষক শ্রমিক পার্টি ৩৪ টি, নেজামী ইসলাম পার্টি ১২ টি, যুবলীগ ১৫ টি, গণতন্ত্রী দল ১০ টি, কমিউনিস্ট পার্টি ৪ টি ও পরে যােগ দেওয়া স্বতন্ত্র ৮টি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪,০৫১.
'ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ' কত শতকে সংঘটিত হয়?
  1. ষোড়শ শতক
  2. সপ্তাদশ শতক
  3. অষ্টাদশ শতক
  4. ঊনবিংশ শতক
ব্যাখ্যা
• 'ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ' অষ্টাদশ শতকে সংঘটিত হয়।
• ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ১৭৬০ থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

• ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
- তবে এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- ফকির মজনু শাহের যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি, অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
- অপরদিকে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রধান নেতা ছিলেন ভবানী-পাঠক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,০৫২.
'ওয়ানগালা' কাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব?
  1. গারো
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

অন্যদিকে -
- সোহরাই হলো সাঁওতালদের উৎসব।
- বৈসুক হলো ত্রিপুরাদের উৎসব।
- সাংগ্রাই হলো মারমাদের উৎসব।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
১৪,০৫৩.
কোন সময়কালকে মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ?
  1. ক) ২০১৯ - ২০ সালকে
  2. খ) ২০২০ - ২১ সালকে
  3. গ) ২০২১ - ২২ সালকে
  4. ঘ) ২০২২ - ২৩ সালকে
ব্যাখ্যা
- ‘মুজিব বর্ষ’ হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ, ১৯২০)।
- মুজিব বর্ষের সময়কাল ১৭ মার্চ ২০২০—১৭ মার্চ ২০২১।
- ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এর ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
- ২০২০ সাল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ।
- সরকারিভাবে বছরটি মুজিব বর্ষ হিসেবে উদ্‌যাপিত হচ্ছে। অত্যন্ত আনন্দের কথা যে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ শুধু বাংলাদেশে উদ্‌যাপিত হচ্ছে না, জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থাও (ইউনেসকো) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 
এর ফলে বাংলাদেশ ইউনেসকোর সদস্যভুক্ত যেকোনো দেশের সঙ্গে যৌথভাবে কিংবা ইউনেসকো সদস্যভুক্ত যেকোনো দেশ আলাদাভাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপন করতে পারবে।

সূত্রঃ প্রথম আলো
১৪,০৫৪.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা কয়টি?
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,০৫৫.
শশাঙ্ক কত খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গৌড় রাজ্যের অধিপতি ছিলেন?
  1. ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দ
  2. ৬২০ খ্রিস্টাব্দ
  3. ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ
  4. ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে উত্তর বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ এবং মগধ গৌড় জনপদ রূপে পরিচিতি লাভ করে।
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন পরবর্তী বিশৃঙ্খল অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করে শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে গৌড় অঞ্চল অধিকার করে ‘স্বাধীন গৌড় রাজ্য’ স্থাপন করেন।
- তার রাজধানী ছিলো কর্ণসুবর্ণ।
- ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড় রাজ্যের অধিপতি ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,০৫৬.
সম্প্রতি কোন আবিষ্কারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পেটেন্ট অর্জন করেছে?
  1. ক) পাটের জিনতত্ত্ব
  2. খ) ধানের জিনতত্ত্ব
  3. গ) হিগস-বোসন কণা
  4. ঘ) ডায়রিয়ার ভ্যাকসিন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের প্রথিতযশা বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে পাটের জীবন রহস্য উন্মোচন করেন।
- এছাড়া তিনি পেঁপে, রাবার ও এক ধরনের ছত্রাকেরও জীবন রহস্য উদঘাটন করেন।
-পাটের আঁশের মান, দৈর্ঘ্য ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দায়ী চারটি জিনের পেটেন্ট (কৃতিস্বত্ব) পেয়েছে বাংলাদেশ।
-এ ছাড়া যেকোনো উদ্ভিদ বা ফল থেকে যাতে দ্রুত রস, জৈব জ্বালানি ও প্রসাধনী তৈরি করা যায়, সেই কাজেও সাফল্য পেয়েছেন ওই বিজ্ঞানী দল। এ জন্য তাঁরা একধরনের ছত্রাকের তিনটি জিন শনাক্ত করে সেগুলোর পেটেন্ট পেয়েছেন।

-বিশ্ব কৃতিস্বত্ব কর্তৃপক্ষের (ডব্লিউআইপিও) কাছ থেকে পাট ও ছত্রাকের এই সাতটি জিনের কৃতিস্বত্ব পাওয়ার একটি অর্থনৈতিক গুরুত্ব আছে। তা হচ্ছে বিশ্বের কোথাও এ নিয়ে কোনো বাণিজ্যিক গবেষণা হলে বাংলাদেশের অনুমতি নিতে হবে। বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নিয়ম অনুযায়ী এই উদ্ভাবন থেকে কোনো আয় হলে তার একটি অংশ বা র‍য়্যালটি বাংলাদেশকে দিতে হবে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও হংকং এবং ইউরোপের ২৮টি দেশ এই পেটেন্টকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তবে ভারত, চীন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও ব্রাজিল এখনো তা দেয়নি।

সূত্রঃ প্রথম আলো।

১৪,০৫৭.
আইয়ুব বিরোধী রাজনৈতিক জোট ছিল না কোনটি?
  1. ক) এনএমএফ
  2. খ) কপ
  3. গ) নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন
- ১৯৫৮ সালের অক্টোবরে জেনারেল আইয়ুব খান পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- ঐদিন সামরিক আইন তুলে নেয়া হয়।
- আইয়ুব খা নিজে ‘কনভেনশন মুসলিম লীগ' নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- পশ্চিম পাকিস্তানে কাউন্সিল মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলামী দল সক্রিয় হয়।
- আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী গণআন্দোলন পরিচালিত হয়। 

 এন.ডি.এফ 

সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এন. ডি. এফ গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া।

COP

- ১৯৬৪ সালের জুলাই মাসে আইয়ুব বিরোধী মঞ্চে সমবেত হওয়ার লক্ষ্যে গঠন করা হয় ‘সম্মিলিত বিরোধী দল' (Combined Opposition Party COP)।

স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস
- স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াস বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৬২ সালেই ছাত্রলীগের মধ্যে গঠিত হয়েছিল। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যেই সশস্ত্র যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য বঙ্গবন্ধুর পরামর্শে বাঙালি সৈন্যদের মধ্যেও নিউক্লিয়াস গঠিত হয়েছিল ১৯৬৪ সালে, যার বিস্তৃত বিবরণ পাওয়া যাবে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট স্বঘোষিত ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের দায়ের করা ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান’ মামলায়।

এনএসএফ

- আইয়ুব খানের শাসনামল থেকেই শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসের সূচনা হয়।
- ওই সময়ে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ফেডারেশন (এনএসএফ) নামে একটি ছাত্রসংগঠন গঠিত হয়।
- আইয়ুব খানের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন ও শরীফ কমিশন শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য এই সংগঠন গড়ে উঠে।
- পূর্ব বাংলার গভর্নর মোনায়াম খানপন্থি জাতীয় ছাত্র ফেডারেশন (এনএসএফ)।

অন্যদিকে, 
- এনএমএফ নামে রাজনৈতিক জোট নেই।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
          ii) প্রথম আলো,০৯ অক্টোবর, ২০২১।
          ii) বাংলাপিডিয়া।
১৪,০৫৮.
জাতিগতভাবে বাঙালির নৃতাত্ত্বিক পরিচয় কী?
  1. ক) কৃষ্ণকায়
  2. খ) দ্রাবিড়ীয়
  3. গ) অস্ট্রেলীয়
  4. ঘ) সংকর জাতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বসবাসকারী মানুষের প্রাক-ইতিহাস যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ সমর্থিত নয়। 
- আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার অভাবে জীবাশ্মবিজ্ঞানের গবেষণা এখানে তেমন হয়নি। আর সেকারণেই বাংলাদেশের মানুষের আদি পরিচয় ও জন্ম-উৎস এখনো অনেকটা অমীমাংসিত ।
- এ অঞ্চলে প্রথম অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর লোকরা আসে এবং সেটি সম্ভবত পাঁচ-ছয় হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে। 
- এরপর একে একে দ্রাবিড়, আর্য, মঙ্গোল, শক, সেন, বর্মণ, তুর্কি, পাঠান, ইরানি, আরবীয়, আবিসিনীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ, মগ, ওলন্দাজ, আলপাইন প্রভৃতি ধারার মানুষদের আগমন ঘটে। 
- এসব নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর মিলন-মিশ্রণে বাঙ্গালীরা একটি সংকর জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে। 
- অনেকের মতে সংকর জনগোষ্ঠী হওয়া সত্ত্বেও বাঙ্গালীদের দেহবৈশিষ্ট্যে আদি অস্ট্রেলীয় বা অস্ট্রিক তথা ভেড্ডিড জনগোষ্ঠীর দৈহিক বৈশিষ্ট্য বেশি প্রকট।
 
উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৪,০৫৯.
বাংলাদেশ রেলওয়ে কয়টি অঞ্চলে বিভক্ত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
রেলওয়ে অঞ্চল ও বিভাগ
- রেলওয়ে অঞ্চল  ২টি: 
১.রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল, 
২.রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল,

 রেলওয়ে বিভাগ ৪টি:
১) কমলাপুর, ঢাকা।
২) পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।
৩) পাকশী, পাবনা।
৪) লালমনিরহাট। 

উৎস:বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।[লিঙ্ক]
১৪,০৬০.
বর্তমানে ঢাকার অবস্থান বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহরের তালিকায় কততম? 
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

• বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগর: 
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের ‘ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টস ২০২৫’ প্রতিবেদনে ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। 
- দ্বিতীয় অবস্থানেই রয়েছে ঢাকা। 
- ইউনাইটেড নেশনস ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স এ প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।
- প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে গত ১৮ নভেম্বর। 
- তবে প্রতিবেদনে আভাস দেওয়া হয়েছে, ২০৫০ সালে সবচেয়ে জনবহুল নগরের বৈশ্বিক তালিকায় জাকার্তা আবারও দ্বিতীয় স্থানে নেমে যাবে। 
- ওই সময় নগরটির (জাকার্তার) জনসংখ্যা হবে ৫ কোটি ১৮ লাখ। 
- জাকার্তাকে ছাড়িয়ে প্রথম স্থানে উঠে আসবে ঢাকা।

• ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টস ২০২৫: 
১) জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
২) ঢাকা, বাংলাদেশ
৩) টোকিও, জাপান
৪) নয়াদিল্লি, ভারত
৫) সাংহাই, চীন
৬) গুয়াংঝু, চীন
৭) কায়রো, মিশর
৮) মানিলা, ফিলিপাইন
৯) কলকাতা, ভারত
১০) সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টস ২০২৫ ও প্রথম আলো। (Link)

১৪,০৬১.
বর্তমানে 'বীর বিক্রম' খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ১৭৩ জন
  2. ১৭৪ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ১৭৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,০৬২.
বাংলাদেশের ষষ্ঠ জাতীয় জনশুমারি ও গৃহ গণনা কোন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১০ জুন থেকে ১৬ জুন, ২০২২
  2. খ) ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
  3. গ) ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই, ২০২২
  4. ঘ) ২০ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই, ২০২২
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২। তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় - ২৭ জুলাই ২০২২।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১৪,০৬৩.
ঋণ সালিশী বোর্ড গঠন করেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

শেরে বাংলা ফজলুল হক: 
- এ.কে ফজলুল রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র ১৯৩৫ সালে
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩)।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ১৯৫৪ সালে।
- পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি ‘Bengal Agricultural Debtors' Act’ ১৯৩৮ কার্যকর করেন। 
- তিনি বাংলার সব এলাকায়  ঋণ সালিশি বোর্ডও স্থাপন করেছিলেন।

এছাড়াও, 
-হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। 
- স্বাধীন পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪,০৬৪.
চাকমা সমাজে কে পাড়ার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে?
  1. ক) মারাক
  2. খ) নায়কি
  3. গ) কার্বারি
  4. ঘ) সাংমা
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- বাংলাদেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। 
- নৃতাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক।
- তাদের মুখমণ্ডল গোলাকার, নাক চ্যাপ্টা, চুল সোজা এবং কালো, গায়ের রং ঈষৎ হলদেটে।
- বাংলাদেশের বাইরেও চাকমারা ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও অরুণাচলে বসবাস করে।

সামাজিক জীবন:
- চাকমা সমাজে মূল অংশ পরিবার।
- কয়েকটি চাকমা পরিবার নিয়ে গঠিত হয় ‘আদাম’ বা ‘পাড়া’।
- পাড়ার প্রধানকে বলা হয় কার্বারি।
- কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- মৌজার প্রধানকে বলা হয় হেডম্যান।
- কার্বারি ও হেডম্যান মিলে যথাক্রমে পাড়া ও মৌজার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে
- কয়েকটি মৌজা মিলে চাকমা সার্কেল গঠিত হয় এবং এর প্রধান হলেন চাকমা রাজা।
- চাকমা সমাজে রাজার পদটি বংশানুক্রমিক।
- চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক । চাকমা পরিবারে পিতাই প্রধান।
- তারপরে মা ও জ্যেষ্ঠপুত্রের স্থান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
১৪,০৬৫.
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. সেনা প্রধান
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শাসন ক্ষমতার মধ্যমণি।
- তাঁকে কেন্দ্র করেই প্রজাতন্ত্রের সকল শাসন ও প্রশাসন পরিচালিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও শাসনকার্য পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও তা সংসদে পেশ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,০৬৬.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, চীন থেকে আমদানির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ২৮.৪৬%
  2. ২৯.৩৭%
  3. ৩০.৮১%
  4. ৩১.২৫%
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
⇒ বাংলাদেশের আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।

⇒ দ্বিতীয় অবস্থানে আছে: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%।

⇒ তৃতীয় অবস্থানে আছে: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণ: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪,০৬৭.
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন কে?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. আইয়ুব খান
  3. জিয়াউল হক
  4. ইস্কান্দার মির্জা
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,০৬৮.
'বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী' কোথায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. পাবনা
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর প্রধান কার্যালয়, গাজীপুরে অবস্থিত।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঁচটি শাখার মাধ্যমে বীজ পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার: ৭টি (ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)।
- এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট।
১৪,০৬৯.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম হলো-
  1. ক) ভাদ্র-অগ্রহায়ণ
  2. খ) শ্রাবণ-আশ্বিন
  3. গ) কার্তিক-ফাল্গুন
  4. ঘ) চৈত্র-বৈশাখ
ব্যাখ্যা
• ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি  মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা: রবি মৌসুম এবং খরিপ মৌসুম।
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য। কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য। চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১৪,০৭০.
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক কত খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল হয়ে ভারতে আসেন?
  1. ১৮২৮ সালে
  2. ১৮২৯ সালে
  3. ১৮৩০ সালে
  4. ১৮৩১ সালে
ব্যাখ্যা
লর্ড বেন্টিঙ্ক:

- ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড বেন্টিঙ্ক এদেশে গভর্নর জেনারেল হয়ে আসেন।
- প্রথম জীবনে তিনি নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে ওয়াটারলুর যুদ্ধ বিজেতা ডিউক অফ ওয়েলিংটনের সেনা বাহিনীতে ছিলেন।
- তিনি যখন এদেশে গভর্নর জেনারেল হিসেবে আসেন তখন তাঁর এদেশে সামরিক নৈপুণ্য দেখানোর কোনো সুযোগ ছিল না।
- কারণ সে সময়টা ছিল সংস্কারের যুগ। তাই নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, বেন্টিঙ্কই প্রথম গভর্নর জেনারেল যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে এদেশে প্রজাদের কল্যাণ সাধনই শাসকের প্রধান কর্তব্য।
- তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সভ্যতার অবাধ প্রসারের পথ উন্মুক্ত হয়।
- বেন্টিঙ্কের সমাজ সংস্কার ধর্মীয় গোঁড়ামী ও নিপীড়নের হাত থেকে এদশের জনগণকে রক্ষা করেছিল।
- তাঁর শিক্ষা সংস্কার পরবর্তীকালে এদেশীয়দের মনোজগতে এক বিরাট আলোড়ন ও পরিবর্তন নিয়ে আসে যা এদেশের সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে তুলেছিল।
- তাই আজও লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক উপমাহদেশের ব্রিটিশ যুগের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,০৭১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরীর ক্ষমতা পায়?
  1. ২৮(১) অনুচ্ছেদ
  2. ২৮(২) অনুচ্ছেদ
  3. ২৮(৩) অনুচ্ছেদ
  4. ২৮(৪) অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার অংশে বিশেষ উদ্দেশ্যে মৌলিক অধিকার রহিত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
- সংবিধানের ২৮(৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'নারী ও শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হতে এ অনুচ্ছেদের কোনোকিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করবে না।'

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ২৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, বাসস্থান বা পেশাগত কারণে রাষ্ট্র কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।
- সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষ সমান অধিকার লাভ করবে। 
- সংবিধানের ২৮(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী- পুরুষভেদে বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না’।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,০৭২.
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদন হয় -
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বোরো ধান
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রাজশাহী বিভাগ (৩৩,৮৩,৫২১ মে.টন)। 
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে  বেশি উৎপাদন - ময়মনসিংহ জেলা (১০,৭৭,২৪২ মে.টন)। 

আউশ ধান
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - সিলেট বিভাগ (৬,১৭,২৫৬ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - সিলেট জেলা (১,৯৬,৭২১ মে.টন)।

আমন ধান
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (২৯,৬৪,৪৮১ মে.টন)। 
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - দিনাজপুর জেলা (৬,৯৬,৪১২ মে.টন)। 

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১
১৪,০৭৩.
বর্তমানে তৃতীয় লিঙ্গ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা কত টাকা?
  1. ৩,৫০.০০০ টাকা
  2. ৪,০০,০০০ টাকা
  3. ৪,৭৫,০০০ টাকা
  4. ৫,০০,০০০টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লক্ষ টাকা।
• তৃতীয় লিঙ্গ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,০৭৪.
নিচের কোন অঞ্চলটি হরিকেল জনপদের অন্তর্গত ছিল?
  1. ঢাকা
  2. দিনাজপুর
  3. ফরিদপুর
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রাচীন বাংলার জনপদ:
- হরিকেল:
- সপ্তম শতকের লেখকরা হরিকেল নামে অপর একটি জনপদের বর্ণনা করেছেন।
- এ জনপদের অবস্থান ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তে।
- সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই জনপদ বিস্তৃত ছিল।

অপরদিকে,
- সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের প্রতিবেশী জনপদ হিসেবে সমতটের অবস্থান।
- কেউ কেউ মনে করেন, সমতট বর্তমান কুমিল্লার প্রাচীন নাম।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী অঞ্চলকেই সম্ভবত বলা হতো সমতট।
- কুমিল্লা শহরের ১২ মাইল পশ্চিমে বড় কামতা এর রাজধানী ছিল।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্রী, বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রভূমি নামে প্রাচীন বাংলায় অপর একটি জনপদের কথা জানা যায়।
- এটিও উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ।
- অনুমান করা হয়, পুন্ড্রের একটি অংশ জুড়ে বরেন্দ্রর অবস্থান ছিল।
- বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলার অনেক অঞ্চল এবং সম্ভবত পাবনা জেলাজুড়ে বরেন্দ্র অঞ্চল বিস্তৃত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইহিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,০৭৫.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ণ কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য কে ছিলেন?
  1. মযহারুল ইসলাম
  2. বেগম রাজিয়া বানু
  3. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  4. ড. আনিসুজ্জামান
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান লেখার পর এর বাংলা ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামানকে আহবায়ক, সৈয়দ আলী আহসান এবং মযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি কমিটি গঠন করে পর্যালোচনার ভার দেয়া হয়।
- গণপরিষদ ভবন, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, সেখানে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে সহযোগিতা করেন ব্রিটিশ আইনসভার খসড়া আইন-প্রণেতা আই গাথরি।
- সংবিধান ছাপাতে ১৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিলো। শিল্পী হাশেম খান অলংকরণের দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৪,০৭৬.
বর্তমানে বিএফআইডিসির মালিকানাধীন দেশে রাবার বাগান রয়েছে কতটি? [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ২০টি
  2. ১৮টি
  3. ১৫টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা

-  বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।

রাবার বাগান: 

- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫৯ সালে  জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।
- বনবিভাগ ১৯৬০ সালে ২৮৭ হেক্টর জমিতে রাবার চাষের একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করে।
- উক্ত প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের রামুতে ৩০ একর  এবং চট্টগ্রামের রাউজানে ১০ একর মোট ৪০ একর বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে এদেশে রাবার চাষের যাত্রা শুরু হয়।
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।


উৎস: বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

১৪,০৭৭.
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরিচালিত প্রথম জাতীয় নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরিচালিত প্রথম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- সাধারণত যেকোন প্রতিষ্ঠিত সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্ব পর্যন্ত বিদায়ী সরকারের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রথা লক্ষণীয়।
- এ স্বল্পস্থায়ী সরকার দৈনন্দিন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে এবং নীতি নির্ধারণী কার্যক্রম থেকে বিরত থাকে, যাতে এ সরকারের কার্যাবলী নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- কোনো সাংবিধানিক সংশোধনী ছাড়াই ১৯৯০ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়েছিল।
- সংবিধানে ত্রয়োদশ সংশোধনীর অধীনে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,০৭৮.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক সাহিত্যকর্ম নয় কোনটি? 
  1. আরেক ফাল্গুন
  2. আর্তনাদ
  3. ধীরে বহে মেঘনা
  4. কবর
ব্যাখ্যা

• ইতিহাসভিত্তিক সাহিত্যকর্ম: 
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতা কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি (মাহবুব উল আলম চৌধুরী)।
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম নাটক হলো মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর'।
- প্রথম উপন্যাস- আরেক ফাল্গুন (জহির রায়হান)।
- শওকত ওসমান রচিত  ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস- ‘আর্তনাদ’। 
- ভাষা আন্দোলন পরবর্তীকালে ভাষা আন্দোলন নিয়েই বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক এবং প্রবন্ধ রচিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- আলমগীর কবির নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত চলচ্চিত্র হলো 'ধীরে বহে মেঘনা'।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৪,০৭৯.
"বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়" বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনীর সাথে সম্পৃক্ত?
  1. দ্বিতীয় সংশোধনী
  2. তৃতীয় সংশোধনী
  3. চতুর্থ সংশোধনী
  4. পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
তৃতীয় সংশোধনী: 
- বলবৎ হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর।
- এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়।

অন্যদিকে: 
- দ্বিতীয় সংশোধনী - গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর। এই আইনের ফলে (১) সংবিধানের ২৬, ৬৩, ৭২ ও ১৪২ নং অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়; (২) ৩৩ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত হয়, এবং (৩) সংবিধানে একটি নতুন ভাগ, যথা ভাগ ৯ক সংযুক্ত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়। 

- চতুর্থ সংশোধনী - গৃহীত হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি। সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়; বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থলে আনা হয় একদলীয় ব্যবস্থা; জাতীয় সংসদের কতক ক্ষমতা খর্ব করা হয়; বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকটা খর্ব হয়; সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষা ও প্রয়োগের এখতিয়ার থেকে বঞ্চিত হয়।

- পঞ্চম সংশোধনী - অনুমোদিত হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল। এতে বলা হয় যে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারিখসহ ওই দিন থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল তারিখ পর্যন্ত (ঐ দিনসহ) সামরিক আইন কর্তৃপক্ষের যে কোনো ঘোষণা বা আদেশ বলে সম্পাদিত সংবিধানের সকল সংশোধনী, সংযুক্তি, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন ও বিলুপ্তি বৈধভাবে সম্পাদিত বলে বিবেচিত হবে এবং কোনো কারণেই কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনালে এসবের ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,০৮০.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কত সালে শিল্পনীতি প্রণয়ন করা হয়?
  1. ক) ১৯৯০
  2. খ) ১৯৮২
  3. গ) ১৯৭৬
  4. ঘ) ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৩ সালে প্রথম শিল্প ও বিনিয়োগ নীতি হয়। 
- এরপর ১৯৭৫ সালে সেটি সংশোধিত হয়। 
- ১৯৮২ সাল থেকে 'শিল্পনীতি' নামকরণ করে শিল্পনীতি প্রণয়ন করা হয়।
-  এরপর সংশোধিতসহ ৭ বার শিল্পনীতি তৈরি করা হয়। 
- বর্তমানে ২০১৬ সালের নীতি বহাল রয়েছে।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড 
১৪,০৮১.
বর্তমানে দেশে কতটি নন-লাইফ বীমাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৪৬টি
  2. ৪৫টি
  3. ৩৬টি
  4. ৩৫টি
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।

উল্লেখ্য,
⇒ ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ বীমাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট।
ii) বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। link
১৪,০৮২.
সবচেয়ে বেশি উৎপাদণরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে -
  1. ক) ঢাকা ইপিজেডে
  2. খ) কুমিল্লা ইপিজেডে
  3. গ) চট্টগ্রাম ইপিজেডে
  4. ঘ) ঈশ্বরদী ইপিজেডে
ব্যাখ্যা
-  ইপিজেডসমূহে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ৪৬৩টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে - ৬৮টি। উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ১৩৯টি।
-  সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - চট্টগ্রাম ইপিজেডে;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৫৩টি।
- দ্বিতীয় - ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ৯৪টি।
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - ঈশ্বরদী ইপিজেডের;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৯টি।

উৎস : অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
১৪,০৮৩.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় কবে?
  1. ১ ডিসেম্বর, ২০০৭
  2. ৫ ডিসেম্বর, ২০০৭
  3. ৮ ডিসেম্বর, ২০০৭
  4. ১০ ডিসেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান:
- ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে তিনি জম্ম গ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে।
- হামিদুর রহমানের পদবী ছিল সিপাহী।
- ১৯৭১ সালে হামিদুর রহমান মুক্তিবাহিনীর সাহসী সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন সিলেট শ্রীমঙ্গল এলাকায়।
- ১৯৭১ সালের ২৮শে অক্টোবর সম্মুখ যুদ্ধে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত হন।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর ১০ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,০৮৪.
নিম্নলিখিত কোন জেলায় জন সংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম?
  1. পটুয়াখালী
  2. খাগরাছড়ি
  3. রাঙামাটি
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরুপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১৪,০৮৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য খেতাব প্রাপ্ত ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. পোল্যান্ড
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,০৮৬.
’রবিশস্য’ বলতে কী বুঝায়?
  1. গ্রীষ্মকালীন শস্যকে
  2. বর্ষাকালীন শস্যকে
  3. হেমন্তকালীন শস্যকে
  4. শীতকালীন শস্যকে
ব্যাখ্যা

রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবিশস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে কম তাপমাত্রায় রবি শস্য বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গমমসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।

১৪,০৮৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি উদ্যান কোথায়?
  1. মুক্তাগাছা
  2. গাজীপুর
  3. নেত্রকোনা
  4. ভোলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), তদানিন্তন পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ,  এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের কৃষি খাতের অন্যান্য উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হতে কার্যক্রমের দিক থেকে ভিন্নতর বিবেচিত হওয়ায় ১৯৭৫ সালে বিএডিসি’কে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়।
- কিন্তু ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে বিএডিসি নাম পুনর্বহাল করা হয়।
- কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএডিসি’র ভিত্তি ঢাকা শহর কেন্দ্রিক হলেও এর সেবার পরিধি সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত। - মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।
- কর্পোরেশনের সাধারণ ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা এবং অন্যান্য বিষয়াবলী সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে পরিচালনাপর্ষদ এর উপর ন্যস্ত। কর্পোরেশনের সাংগঠনিক কাঠামো ৫টি উইং এর সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো: বীজ ও উদ্যান, ক্ষুদ্রসেচ, সার ব্যবস্থাপনা, অর্থ এবং প্রশাসন।
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন জরিপে বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি উদ্যান কাশিমপুর, গাজীপুর। 

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ওয়েবসাইট।
১৪,০৮৮.
নির্বাচন কমিশনারগণকে নিয়োগ প্রদান করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।

⇒ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১৪,০৮৯.
ধোলাই খাল কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. আত্রাই
  2. করতোয়া
  3. বুড়িগঙ্গা
  4. মেঘনা
ব্যাখ্যা
ধোলাই খাল
- ধোলাই খাল পুরানো ঢাকায়  বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক-আবাসিক এলাকা।
- অতীতে ধোলাই খাল শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং ঐতিহাসিক  লালবাগ দুর্গ,  আহসান মঞ্জিল ও  বড় কাটরা এবং  ছোট কাটরাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এর চারপাশে গড়ে ওঠে।
- ঢাকার প্রথম মুগল সুবাদার ইসলাম খান কর্তৃক ১৬০৮-১৬১০ খ্রিস্টাব্দে খননকৃত একটি খালের নামানুসারে এলাকাটির নামকরণ করা হয়।
- ১৮৩২ সালে মি. ওয়াল্টার নামে ঢাকার একজন কালেক্টর নারায়ণগঞ্জ যাতায়াতের সুবিধার্থে খালটির উপর একক স্প্যানের একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করেন।
- এটি ছিল সে সময়ের প্রকৌশল সাফল্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
- ১৮৬৭ সালে খালে চলাচলকারী যানবাহনের ওপর টোল আরোপ করা হয়।
- ঢাকা মিউনিসিপালিটির অংশ হিসেবে এখনকার ধোলাই খাল এলাকার আয়তন মাত্র ৫৫০ বর্গগজ।
- এর উত্তরে টিপু সুলতান রোড, দক্ষিণে ভিক্টোরিয়া পার্ক, পূর্বে নারিন্দা এবং পশ্চিমে ইংলিশ রোড। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া। 
১৪,০৯০.
বাংলাদেশ ইউনেস্কোর কোন মেয়াদে নির্বাহী বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে?
  1. ২০২২-২৬ মেয়াদে
  2. ২০২৩-২৫ মেয়াদে
  3. ২০২৩-২৭ মেয়াদে
  4. ২০২৪-২৭ মেয়াদে
ব্যাখ্যা
- প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৪২তম সাধারণ সম্মেলনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে ইউনেস্কোর নির্বাহী বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- এর মধ্য দিয়ে দুই বছর পর ২০২৩-২৭ মেয়াদে বোর্ডে ফিরল বাংলাদেশ।
- আন্তঃসরকারি সমুদ্রবিজ্ঞান কমিশনের নির্বাহী পরিষদে এবং ২০২২ সালের জুলাইতে ইন্টারগভর্মেন্টাল কমিটি ফর সেফগার্ডিং অব দ্য ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজেস-এ নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।
- প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে ১৯৭২ সালে এটিতে যোগদান করে বাংলাদেশ।
 
তথ্য সূত্র- ইউএনবি।  
১৪,০৯১.
কোন শাসককে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়?
  1. মহীপাল
  2. দেবপাল
  3. ধর্মপাল
  4. রামপাল
ব্যাখ্যা

পাল বংশের ইতিহাস:
- রামপালকে পাল বংশের ‘শেষ মুকুট’ বলে অভিহিত করা হয়।
- পাল সাম্রাজ্যের ইতিহাসে দুঃসময়ে বিগ্রহপালের পর তাঁর পুত্র মহীপাল ৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে ক্ষমতায় আরোহণ করেন।
- তিনি কম্বোজ এবং চন্দ্রবংশের হাত থেকে ‘অনাধিকৃত বিলুপ্ত' পিতৃরাজ্য যেমন বিহার, উত্তর বাংলা পুনরুদ্ধার করেন।
- মহীপালের মৃত্যুর পর পাল রাজ্যে আবার অশান্তি সৃষ্টি হয়।
- রামপালের মৃত্যুর পর তার দুই পুত্র তৃতীয় গোপাল ও কিছু সময় বাংলার শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন। তারা ছিলেন দুর্বল ও অযোগ্য।
- ফলে বার শতকের শেষ দিকে সেন বংশের উত্থানের ফলে পাল রাজত্বের অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,০৯২.
শেখ মুজিবুর রহমানকে কত তারিখ 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেয়া হয়?
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
  3. ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
  4. ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
'বঙ্গবন্ধু' উপাধি:

- ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তি দেয়া হয় রাজবন্দীদেরও।
- শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি লাভে ঢাকায় আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দি উদ্যান) শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেয়া হয়।
- পাঁচ লক্ষ লোকের উপস্থিতিতে উক্ত সমাবেশে ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদের প্রস্তাবনায় শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- উক্ত সভাতেই ‘জয় বাংলা' স্লোগানের উদ্ভব ঘটে।
- সভায় ‘বঙ্গবন্ধু’ ছয়দফা ও এগার দফা দাবি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,০৯৩.
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলব না।' গানটির রচয়িতা-
  1. ক) গোবিন্দ হালদার
  2. খ) আবদুল লতিফ
  3. গ) আব্দুল জব্বার
  4. ঘ) নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
গোবিন্দ হালদার রচিত কয়েকটি বিখ্যাত গান:
- 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি....'
- 'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলব না।'
- 'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে.....' 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,০৯৪.
সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,০৯৫.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খাজা নাজিমউদ্দিন
  3. চিত্তরঞ্জন দাশ
  4. এ.কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,০৯৬.
বাংলাদেশের শীর্ষ আমদানি পণ্য কোনটি?
  1. টেক্সটাইলস ও টেক্সটাইল সামগ্রী
  2. মেশিনারিজ ও মূলধনী যন্ত্রপাতি
  3. মিনারেল প্রোডাক্টস
  4. রাসায়নিক সামগ্রী
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ৫৪.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করে।
শীর্ষ আমদানি পণ্যসমূহ (মার্কিন ডলার):
- প্রথম : টেক্সটাইলস ও টেক্সটাইল সামগ্রী (১০.২ বিলিয়ন)
- দ্বিতীয় : মিনারেল প্রোডাক্টস (৭.৫৫ বিলিয়ন)
- তৃতীয় : মেশিনারিজ ও মূলধনী যন্ত্রপাতি (৬.৯৮ বিলিয়ন)।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৪,০৯৭.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টর কেবল নৌ কমান্ড দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১ নং সেক্টর
  2. খ) ১০ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
১৪,০৯৮.
নিচের কোন জেলায় সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) ভোলা
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবন অবস্থিত। এছাড়া পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার কিছু অংশেও সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে।

সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ। ‍সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।

সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
১৪,০৯৯.
আইয়ুব খান কত সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ জারি করেন?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১:
- আইয়ুব খান ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ জারি করেন।
- এই আইনে উত্তরাধিকার, বিবাহ রেজিস্ট্রেশন, বহুবিবাহ, তালাক, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, স্ত্রীর ভরণপোষণ প্রভৃতি বিষয়ে বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- উত্তরাধিকার আইনে কারো দাদার পূর্বে পিতা মৃত্যু বরণ করলেও সে তার দাদার সম্পত্তির অংশ পাবে মর্মে বিধান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,১০০.
গারোদের সমাজব্যবস্থা কোন ধরনের?
  1. পিতৃতান্ত্রিক
  2. মাতৃতান্ত্রিক
  3. শ্রেণিভিত্তিক
  4. গণতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
- গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। মায়ের হাতেই সম্পত্তি ও পরিবারের কর্তৃত্ব থাকে।

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় গারোদের বাস।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিব্বতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।