ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন বিজিএমইএ (BGMEA)।
• প্রতিষ্ঠা-১৯৮৩সালে।
উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৪০ / ৩০৬ · ১৩,৯০১–১৪,০০০ / ৩০,৮৩২
⇒ কণিষ্ক শকাব্দ প্রবর্তন করেন ৭৮ খ্রিস্টাব্দে।
কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন ৭৮ খ্রিস্টাব্দে।
- কণিষ্ক একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন।
- যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন।
- এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কণিষ্কের রাজধানী ছিল - পুরুষপুর (বর্তমান পেশোয়ার)।
- এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। যথা-
• 'মহাযান' ও
• 'হীনযান'।
- কণিষ্ক ২৩ বছর রাজত্ব করেন।
- তিনি ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।
→ এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।
→ অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে,
- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় লালমনিরহাট (১১৮ জন)।
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
- মোট ১০ টি ক্যাটাগরিতে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়। তবে ২০২১ সালের পুরস্কারে বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গবেষণা নামে নতুন একটি ক্যাটাগরি যুক্ত করা হয়।
- ১৯৬০ সালে প্রথমবার ৭ জন ব্যক্তিকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
মোট ১১টি ক্যাটাগরিতে ১৫ জন বিশিষ্ট লেখক বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ লাভ করেছেন।
তথ্যসূত্র- বাংলা একাডেমি।
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাটগম্বুজ মসজিদ খলিফতাবাদ শহরের সবচেয়ে বড় স্থাপত্য নিদর্শন।
- স্বনামধন্য মুসলমান সাধক ও শাসক খান জাহান আলী ১৪৫৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই মসজিদটি।
- ১৯৮৫ সালে ষাট গম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে মনোনীত হয়।
- এই মসজিদের ছাদে গম্বুজের সংখ্যা সাতাত্তরটি আর চার কোণের কর্নার টাওয়ারে গম্বুজের সংখ্যা চারটি।
- ষাটগম্বুজ মসজিদের স্থাপত্য পরিকল্পনায় দামেস্কের জামে মসজিদ ও বাংলার আদিনা মসজিদ এর প্রভাব রয়েছে।
- এই মসজিদটি খান জাহানের নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীর সবচেয়ে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ-এর নকশাকার আব্দুল হালিম চঞ্চল।
⇒ জুলাই অভ্যুত্থানের স্মরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে জেলা পর্যায়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাজধানীর শাহবাগ ও অন্য ৬৩ জেলার প্রতিটির গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হবে এই স্মৃতিস্তম্ভ। ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট ব্যাসের এই স্তম্ভে থাকছে গত বছরের জুলাইয়ের স্লোগান, কবিতা ও গ্রাফিতি।
উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
- আগ্রাসন বিরোধী আট স্তম্ভ শহীদ আবরার ফাহাদের স্মরণে নির্মিত একটি প্রতীকী স্থাপনা যার নকশাকার হলেন স্থপতি নাজমুল হক নাঈম।
- 'অদম্য ২৪' স্মৃতিস্তম্ভটির নকশা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাঈদ হোসেন, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নির্মিত এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- শহীদ আবু সাঈদ-কে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্ম 'উন্নত মম শির' -এর শিল্পী শহীদ কবির।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।
উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।
অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
• কৃষি ফসল শীর্ষ জেলা সমূহ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
মেজর জিয়াউর রহমান শাসানামাল:
- সাত্তার সরকার (১৯৮১-১৯৮২) জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর উপ-রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- তিনি পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- সামরিক বাহিনীর চাপে সাত্তারের সরকার প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং তিন বাহিনীর প্রধানকে সদস্য করে একটি ‘জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল’ গঠন করে।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ সামরিক আইন জারি, সংবিধান স্থগিত, সাত্তার সরকারকে বরখাস্ত, সংসদ বাতিল এবং প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে আবির্ভূত হন।
-নৌ এবং বিমান বাহিনী প্রধানদ্বয় এরশাদের ডেপুটি নিযুক্ত হন।
- এরশাদ সামরিক আইনে পরবর্তী ৪ বছর দেশ শাসন করেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য।
- জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম।
- তার সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
উৎস: UN ওয়েবসাইট।
তিতুমীর:
- তিতুমীর ১৮৩১ সালের অক্টোবর মাসে নারকেলবাড়িয়ায় এক দুর্ভেদ্য বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
- তিনি তাঁর মুজাহিদ বাহিনীতে বিপুল সংখ্যক মুজাহিদ নিয়োগ করে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দান করেন।
- অচিরেই মুজাহিদদের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজারে উপনীত হয়।
- সামরিক প্রস্ত্ততি সম্পন্ন করে তিতুমীর নিজেকে ‘বাদশাহ’ বলে ঘোষণা দেন।
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী,
- ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী মুজাহিদদের উপর আক্রমণ চালায়।
- মুজাহিদগণ সাবেকি ধরনের স্থানীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আধুনিক অস্ত্র সজ্জিত ইংরেজ বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়ে বাঁশের কেল্লায় আশ্রয় নেয়।
- ইংরেজরা কামানে গোলাবর্ষণ করে কেল্লা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত করে দেয়।
- বহুসংখ্যক অনুসারিসহ তিতুমীর যুদ্ধে শহীদ হন (১৯ নভেম্বর ১৮৩১)।
অন্যদিকে,
- রবার্ট ক্লাইভ ভারত উপমহাদেশে ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদের সূচনা করেন।
- সৈয়দ আহমদ খানের নেতৃত্বে আলীগড় আন্দোলন শুরু হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
• ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা:
- সাধারণ করদাতা =৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা = ৪ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা = ৫ লক্ষ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
উৎস: বাজেট ২০২৫-২৬।
• একুশে ফেব্রুয়ারি:
- একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- এটি বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের একাধারে মর্মান্তিক ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন।
- ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে অনেক তরুণ শহীদ হন।
- তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রফিক, জব্বার, শফিউর, সালাম, বরকত সহ অনেকেই।
- তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• 'মনপুরা-৭০':
- 'মনপুরা-৭০' চিত্রকর্মের শিল্পী - জয়নুল আবেদিন।
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০’।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।
জয়নুল আবেদীন:
- জন্ম: ১৯১৪ সাল, ময়মনসিংহ।
- আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি শিল্পী।
- বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।
- উপাধি: শিল্পাচার্য, বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলার জনক হিসেবে পরিচিত।
• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:
- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো।
দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।
- ২০০৮ সালে সম্পাদিত পিআরএসপি-২ এর সরকার বদলের ফলে কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ সরকার ২০১৫ সালে দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP) প্রণয়ন করে।
উৎস: IMF .
গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- দেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র, যা ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র হলো সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- দেশে বর্তমানে মোট ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ হলো দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।
উল্লেখ্য,
- বাপেক্স জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের তারতাপাড়া গ্রামে নতুন কূপ খননের পর প্রাথমিক পরীক্ষায় গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে।
- সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এটি হতে পারে দেশের ৩০তম গ্যাসক্ষেত্র।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
পলাশীর যুদ্ধ:
- পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় ২৩ জুন ১৭৫৭।
- যুদ্ধের একপক্ষ ছিলেন বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা।
- অপরপক্ষ ছিল রবার্ট ক্লাইভ নেতৃত্বাধীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
- যুদ্ধের ফলাফল: সিরাজুদ্দৌলা পরাজিত হন।
- এই যুদ্ধের ফলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়।
- এর পর বাংলায় প্রায় দুইশ বছরের ইংরেজ শাসন শুরু হয়।
- যুদ্ধের মাধ্যমে মীর জাফরকে নবাব বানানো হয়, যিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পুতুলশাসক হিসেবে কাজ করেন।
- পলাশীর যুদ্ধ ইতিহাসে ভূমিকম্প-সদৃশ পরিবর্তন সূচিত করে- রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে বাংলার শাসন ব্যর্থ হয়।
-এটি মুঘল শাসন অবসানের প্রাক্কালে বাংলার প্রধান ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (নবম–দশম শ্রেণি)।
→ সিপাহি বিদ্রোহের সূচনা হয় ব্যারাকপুরে।
সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।
তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন:
- জেনারেল এরশাদের ৯ বছরের শাসনামাল ছিল।
- ১৯৯০ সালে উত্তাল এবং রক্তাক্ত সপ্তাহে সেনাবাহিনী ও পুলিশের হাতে ৭০ জনের বেশি লোক নিহত হয়েছিলেন।
- শহিদ নূর হোসেন নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহিদ হন।
- কিন্তু তারও তিন বছর আগে আরেকটি গণআন্দোলন তিনি নিষ্ঠুরভাবে দমন করেছিলেন।
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নূর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহীদ হন।
- নূর হোসেনের লেখা শ্লোগান বুকে 'স্বৈরাচার নীপাত যাক' এবং পিঠে 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।
- ১৯৯০ সালের ৬ই ডিসেম্বর এক তীব্র গণআন্দোলনের মুখে বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের নয় বছরের শাসনের অবসান ঘটে।
উল্লেখ্য,
- শহিদ আবুসাঈদ ২৪ গণঅভূত্থানে শহিদ হন।
- '১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ দেয়।
উৎস: বিসিসি বাংলা নিউজ।
মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার:
- মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার আশালতা বৈদ্য।
⇒ আশালতা বৈদ্যের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি।
- মুক্তিযুদ্ধের বছর তার বয়স ছিল মাত্র পনের বছর।
- মাত্র ১৫ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধের ৮ ও ৯ নম্বর সেক্টরে কোটালীপাড়া সীমানা সাব-সেক্টরের কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিনের বাহিনীতে যোগ দেন
- তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে হেমায়েত বাহিনী/৭১ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, বরিশাল অঞ্চলে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং একমাত্র নারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।
উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।
- শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৫ সালে একুশে পদক পান: ড. নিয়াজ জামান।
• একুশে পদক-২০২৫:
- ২০২৫ সালে ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।
তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।
উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭১ টি। [নভেম্বর,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।
উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ‘একুশে পদক-২০২২’ এর জন্য ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে।
• ‘একুশে পদক’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
• ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
• বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এই পুরস্কার ঘোষণা করে।
তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- ট্যাক্স হেভেনে উচ্চ আয়কর হার থাকেনা। বরং, করের হার খুব কম বা শূন্য থাকে।
- অন্যদিকে,
- ট্যাক্স হেভেনগুলো শেল কোম্পানি, ব্যাংক গোপনীয়তার মাধ্যমে কাজ করে।
• ট্যাক্স হেভেন :
- ট্যাক্স হেভেন হলো এমন দেশ বা অঞ্চল যেখানে বিদেশি ব্যক্তি বা কোম্পানিগুলোর জন্য করের হার খুব কম বা শূন্য, এবং আর্থিক গোপনীয়তা উচ্চমাত্রায় নিশ্চিত করা হয়।
- সাধারণত বিনিয়োগকারীদের আয়ের উৎস গোপন করে এসব কোম্পানি পরিচালিত হয় এবং একইভাবে কিছু ব্যাংকিং চ্যানেল গোপনে অর্থ লেনদেন করে থাকে।
- এ ধরনের কোম্পানি ও ব্যাংককে বলা হয় অফশোর কোম্পানি ও অফশোর ব্যাংক।
- এ ধরনের ট্যাক্স হেভেন দেশে বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর ফাঁকি দিয়েই ডলার বা সম্পদ ক্রয় করতে পারেন। আর ওই সম্পদকে বলা হয় অফশোর সম্পদ।
- তবে নিজ নিজ দেশের আইন মেনে পরিচালিত হলে এ ধরনের কোম্পানি বা ব্যাংক বৈধ হিসেবে গণ্য হয়।
- ট্যাক্স হেভেনগুলো সাধারণত কম কর, তথ্য বিনিময়ের অভাব, স্বচ্ছতার অভাব এবং উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক কার্যকলাপের প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবের মাধ্যমে কাজ করে।
• কার্য কৌশল:
- ট্যাক্স হেভেনগুলো বিদেশি আয়ের উপর কম বা শূন্য কর আরোপ করে, এবং আর্থিক লেনদেনের গোপনীয়তা রক্ষা করে।
- উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তি বা কোম্পানি তাদের সম্পদ বা লাভকে এই দেশগুলোতে স্থানান্তর করে কর এড়াতে পারে।
- এগুলোতে প্রায়ই শেল কোম্পানি বা ট্রাস্ট তৈরি করা হয়, যা মালিকানার তথ্য গোপন রাখে।
• প্রভাব:
- ট্যাক্স হেভেনগুলো বিশ্বব্যাপী কর অপব্যবহার সহজ করে, মানি লন্ডারিং বা জালিয়াতির সম্ভাবনা তৈরী করে।
- অফশোর কোম্পানির সবচেয়ে খারাপ দিক হলো — বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দরিদ্র দেশগুলোর প্রভাবশালীরা তথ্য গোপন করে এসব কোম্পানির মাধ্যমে উন্নত দেশে বৈধ ও অবৈধভাবে অর্থ পাঠিয়ে গোপন সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে।
- উদাহরণস্বরূপ,
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকাশ্যে-গোপনে বিপুল পরিমাণ মূলধন স্থানান্তর হচ্ছে ইউএইতে।
- বিশেষ করে এশিয়ায় আর্থিক খাতের অন্যতম বৃহৎ হাব হিসেবে পরিচিতি দুবাইয়ে পুঁজি পাচারের মাত্রা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের আলোচনায় এসেছে বারবার।
উল্লেখ্য,
- দুবাইয়ে পাচারকৃত অর্থের অন্যতম উৎস দেশ এখন বাংলাদেশ।
- সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের তথ্য বারবার সামনে এসেছে।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজের সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরির (ইইউট্যাক্স) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে আসে, বাংলাদেশে তথ্য গোপন করে দুবাইয়ে প্রপার্টি কিনেছেন ৪৫৯ বাংলাদেশী।
তথ্যসূত্র:
i) Unbiased. (Link)
ii) Kuvera. (Link)
iii) সমকাল। (Link)
iv) বনিক বার্তা। (Link)
- ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ।
- ঐদিনই বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেন ডাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
ঢাকার বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থিত 'শাপলা চত্ত্বর'- এর স্থপতি আজিজুল জলিল পাশা। বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এই শাপলা (জলপদ্ম প্রজাতির শালুক)। ভাস্কর্যটি একটি ঝরনা দ্বারা বেষ্টিত।
আজিজুল জলিল পাশার আরেকটি বিখ্যাত কীর্তি হচ্ছে - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে অবস্থিত - 'দোয়েল চত্বর'। এটি ১৯৭৪ সালে নির্মিত হয়েছিল।
ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা
তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা
ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
ও সে সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি
সে যে আমার জন্মভূমি, সে যে আমার জন্মভূমি।
-দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বা ডি. এল. রায়
• ভাষা আন্দোলন:
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ১৪৪ ধারা অমান্য করে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে ছাত্ররা মিছিল করে।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।
মুক্তিযুদ্ধে বিমানবাহিনী:
- ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে মুক্তিযুদ্ধের এয়ার উইং প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এয়ার উইংয়ের কাছে একটি ডিসি-৩ বিমান, একটি অটার বিমান এবং একটি অ্যালুয়েট হেলিকপ্টারের খুব কম মজুদ ছিল।
- তৎকালীন স্কোয়াড্রন লিডার সুলতান মাহমুদের দক্ষ নির্দেশনায় 'কিলো ফ্লাইট' নামে একটি উড়ন্ত ইউনিট গঠন করেছিলেন।
- ৯ জন বৈমানিক এবং ৫৭ জন বিমান ক্রূর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কিলো ফ্লাইট।
- বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে একটি হেলিকপ্টার, একটি যুদ্ধবিমান ও একটি পরিবহন বিমান ছিল।
- মুক্তিযুদ্ধে তারা প্রায় ৩৬টি অভিযান পরিচালনা করেন।
- বিমানবাহিনীর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি অভিযান হলো চট্টগ্রাম তেল শোধনাগার ও নারায়ণগঞ্জ তৈলাধার ধ্বংস ও কুশিয়ারা নদীতে শত্রু নৌযান ধ্বংস।
উৎস: বিমানবাহিনীর ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
• ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম গানটির প্রথম চরণ- ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না।
----------------------------------------
• ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম গান:
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত প্রথম গান হিসেবে পরিচিত “ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না”।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিবর্ষণ ও প্রথম শহীদ মিনার ধ্বংসের ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়ায় ভাষাসৈনিক আ ন ম গাজীউল হক এই গানটি রচনা করেন।
- পরের বছর, ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আরমানিটোলা ময়দানে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় গানটি সর্বপ্রথম পরিবেশিত হয়।
- এই গানের রচয়িতা গাজীউল হক নিজেই।
- গানটির প্রথম পংক্তি ছিল “ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না”।
- গানের সুরারোপ করেন তাঁর অনুজ নিজাম উল হক।
- ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত প্রেক্ষাপট ও জাতীয় শোক-প্রতিবাদের আবেগ থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে জন্ম নেওয়া এই গানটি পরবর্তীকালে আন্দোলনের এক শক্তিশালী সাংস্কৃতিক প্রতীক হয়ে ওঠে।
--------------------
অন্যদিকে,
- “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক গান।
- এটি ১৯৫২ সালে সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী রচনা করেন।
- পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদের সুরে গানটি শহীদদের স্মরণে প্রভাতফেরিতে পরিবেশিত হয়।
- গানটি এখন ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রভাতফেরির অপরিহার্য গানে পরিণত হয়েছে।
- এটি বিবিসি বাংলার জরিপে অন্যতম সেরা গান হিসেবে স্বীকৃত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
সংবিধানে তফসিল:
- সংবিধানের মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিলঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
• সংশোধিত জাতীয় বাজেট (২০২৫-২৬):
- ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- এই বৈঠকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বাজেটটি ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
- চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমায় বাজেটের শেষ নাগাদ এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।
- সংশোধিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমিয়ে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমানোর জন্য উন্নয়ন ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে।
- সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা।
- এবং দেশীয় অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা।
- সংশোধিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এছাড়া সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৩ শতাংশ।
- এই ঘাটতির মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে ৬৩ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা
বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিক বিহীন যে কোন সম্পত্তির গণপ্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হওয়া সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের ১৪৩(১)(গ) উল্লেখ আছে।
- ১৪৩(১)(ক) অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী।
- ১৪৩(১)(খ) অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী।
- ১৪৫ অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক চুক্তির কথা বলা হয়েছে।
উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান