বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪০ / ৩০৬ · ১৩,৯০১১৪,০০০ / ৩০,৮৩২

১৩,৯০১.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন 'BGMEA' এর পূর্ণরুপ -
  1. Bangladesh Garments Manufact and Exporters Association
  2. Bangladesh Garment Manufacting Exported Association
  3. Bangladesh Garments Manufacturers and Exporters Associated
  4. Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
ব্যাখ্যা
• BGMEA এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
•  বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন বিজিএমইএ (BGMEA)।
•  প্রতিষ্ঠা-১৯৮৩সালে।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
১৩,৯০২.
বর্তমান কোন জেলা প্রাচীন 'বরেন্দ্র' অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক বা অখণ্ড রাষ্ট্র ছিলো না।
- সমগ্র বাংলা তখন কতগুলো ছোট ছোট অংশে বিভক্ত ছিলো।
- এসব ছোট ছোট অংশ জনপদ নামে পরিচিত। প্রাচীন শিলালিপি ও সাহিত্যগ্রন্থে প্রাচীন বাংলায় প্রায় ষোলটি জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- বরেন্দ্র ছিল উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ। অনুমান করা হয় পুন্ড্রের একটি অংশ জুড়ে বরেন্দ্র এর অবস্থান। 
- বগুড়া, রাজশাহী ও দিনাজপুর জেলার অনেক অঞ্চল এবং সম্ভবত পাবনা জেলা জুড়ে বরেন্দ্র অঞ্চল বিস্তৃত ছিল। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৩,৯০৩.
কণিষ্ক শকাব্দ প্রবর্তন করেন কবে?
  1. ৬৭ খ্রিস্টাব্দে
  2. ৭৮ খ্রিস্টাব্দে
  3. ৮৪ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১০১ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

⇒ কণিষ্ক শকাব্দ প্রবর্তন করেন ৭৮ খ্রিস্টাব্দে।

কুষাণ যুগ:

- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন ৭৮ খ্রিস্টাব্দে। 
- কণিষ্ক একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন।
- যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন।
- এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কণিষ্কের রাজধানী ছিল - পুরুষপুর (বর্তমান পেশোয়ার)।
- এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। যথা-
• 'মহাযান' ও
• 'হীনযান'।
- কণিষ্ক ২৩ বছর রাজত্ব করেন।
- তিনি ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৯০৪.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।

→ এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

→ অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৩,৯০৫.
১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের কোন ভাস্করের শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়?
  1. শামীম সিকদার
  2. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
  3. হামিদুজ্জামান খান
  4. আবদুস সুলতান
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের হামিদুজ্জামান খান ভাস্করের শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়। 

--------------------- 
• হামিদুজ্জামান খান:
- একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন- হামিদুজ্জামান খান।
- "His piece titled ‘Steps’ has found a permanent place in the Seoul Olympic Park in Korea."

• অলিম্পিকে বাংলাদেশ:
- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
- কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ সালে লস্ অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসে মার্চ পাস্টে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে নামে।
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। 
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের।

উৎস: Bengal Foundation, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯।
১৩,৯০৬.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার কোন তারিখে গঠিত হয়?
  1. ২৫শে মার্চ
  2. ২৬শে মার্চ
  3. ১৭ই এপ্রিল
  4. ১৬ই ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:

- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- যা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী। - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

অপশনে ১০ই এপ্রিল না থাকায়, অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে ১৭ই এপ্রিল উত্তর নেয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৯০৭.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, স্বীকৃত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা কত?
  1. ৫০টি
  2. ৪৫টি
  3. ৪৭টি
  4. ৫৩টি
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে,

- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)। 
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় লালমনিরহাট (১১৮ জন)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১৩,৯০৮.
নিচের কোনটি ভুট্টার জাত?
  1. শুভ্রা
  2. কানাইবাশি
  3. সোনালিকা
  4. ইরাটম
ব্যাখ্যা
ভুট্টার জাত: 
- খৈ ভুট্টা
- বর্ণালি
- মোহর
- শুভ্রা: জাতটি রবি মৌসুমে ১৩৫-১৪৫ দিনে এবং খরিফ মৌসুমে ৯৫-১১০ দিনে পাকে। ফলন প্রতি হেক্টরে রবি মৌসুমে ৪.৫-৫.৫ টন এবং খরিফ মৌসুমে ৩.৫-৪.৫ টন।
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-১
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-২
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৩
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৪
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৫
- বারি হাইব্রিড ভুট্টা-৬

উৎস: কৃষি বাতায়ন। 
১৩,৯০৯.
দেশ ভাগের পূর্বে বাংলাদেশে কয়টি বিভাগ ছিল?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভাগসমূহ:
- বাংলাদেশ আটটি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত যাদের বাংলায় বিভাগ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- বাংলাদেশের ৮টি বিভাগগুলো হলো:
• ঢাকা বিভাগ,
• চট্টগ্রাম বিভাগ,
• রাজশাহী বিভাগ,
• খুলনা বিভাগ,
• সিলেট বিভাগ,
• বরিশাল বিভাগ,
• রংপুর বিভাগ,
• ময়মনসিংহ বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- দেশ ভাগের পূর্বে বাংলাদেশে বিভাগ ছিল ৩টি: ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী।
- ১৮২৯ সালে ঢাকা বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮২৯ সালে সালে চট্টগ্রাম বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮২৯ সালে রাজশাহী বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে -
- সিলেট বিভাগ: ১৯৫৪ সাল,  
- খুলনা বিভাগ: ১৯৬০ সাল,
- বরিশাল বিভাগ: ১৯৯৩ সাল,
- রংপুর বিভাগ: ২০১০ সাল,
- সর্বশেষ ময়মনসিংহ বিভাগ: ২০১৫ সাল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৯১০.
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কত বিলিয়ন মা. ডলার অতিক্রম করে?
  1. ক) ৩৩ বিলিয়ন মা. ডলার
  2. খ) ৩২ বিলিয়ন মা. ডলার
  3. গ) ৩৭ বিলিয়ন মা. ডলার
  4. ঘ) ৩৮ বিলিয়ন মা. ডলার
ব্যাখ্যা
২৮ জুলাই ২০২০ বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করে। ৩ আগস্ট রিজার্ভ দাড়ায় ৩৭.২৮৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর আগে ০২ জুলাই ২০২০ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করে। একক মাস হিসেবে জুলাই মাসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ২.৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসায় রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করে।
(সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন)
১৩,৯১১.
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দিবেন -
  1. ক) লিটন কুমার দাস
  2. খ) সাকিব আল হাসান
  3. গ) নুরুল হাসান সোহান
  4. ঘ) মোসাদ্দেক হোসেন
ব্যাখ্যা
⇨ সাকিব আল হাসানকে অধিনায়ক করে বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিবি। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল
সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সাব্বির রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, আফিফ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, লিটন দাস, ইয়াসির আলী, নুরুল হাসান (সহ-অধিনায়ক), মোস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন, হাসান মাহমুদ, নাসুম আহমেদ, নাজমুল হোসেন। স্ট্যান্ডবাই: শরীফুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, মেহেদী হাসান, সৌম্য সরকার।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।
১৩,৯১২.
মোট কতটি ক্যাটাগরিতে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ক) ৮ টি
  2. খ) ৯ টি
  3. গ) ১০ টি
  4. ঘ) ১১ টি
ব্যাখ্যা

- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৬০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
- মোট ১০ টি ক্যাটাগরিতে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়। তবে ২০২১ সালের পুরস্কারে বঙ্গবন্ধু বিষয়ক গবেষণা নামে নতুন একটি ক্যাটাগরি যুক্ত করা হয়।
- ১৯৬০ সালে প্রথমবার ৭ জন ব্যক্তিকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

মোট ১১টি ক্যাটাগরিতে ১৫ জন বিশিষ্ট লেখক বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২১ লাভ করেছেন।

তথ্যসূত্র- বাংলা একাডেমি।

১৩,৯১৩.
কত সালে 'ষাট গম্বুজ মসজিদ' ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে মনোনীত হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ: 
- ষাটগম্বুজ মসজিদ খলিফতাবাদ শহরের সবচেয়ে বড় স্থাপত্য নিদর্শন।
- স্বনামধন্য মুসলমান সাধক ও শাসক খান জাহান আলী ১৪৫৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই মসজিদটি।
- ১৯৮৫ সালে ষাট গম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে মনোনীত হয়।
- এই মসজিদের ছাদে গম্বুজের সংখ্যা সাতাত্তরটি আর চার কোণের কর্নার টাওয়ারে গম্বুজের সংখ্যা চারটি।
- ষাটগম্বুজ মসজিদের স্থাপত্য পরিকল্পনায় দামেস্কের জামে মসজিদ ও বাংলার আদিনা মসজিদ এর প্রভাব রয়েছে।
- এই মসজিদটি খান জাহানের নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীর সবচেয়ে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,৯১৪.
কোন আমের জাতটি বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. হিমসাগর
  2. ফজলি
  3. ল্যাংড়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের খিরসাপাত আম (হিমসাগর), রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৩,৯১৫.
জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ-এর নকশাকার কে?
  1. আব্দুল হালিম চঞ্চল
  2. শহীদ কবির
  3. নাজমুল হক নাঈম
  4. মো. রাঈদ হোসেন
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ-এর নকশাকার আব্দুল হালিম চঞ্চল।

⇒ জুলাই অভ্যুত্থানের স্মরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে জেলা পর্যায়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাজধানীর শাহবাগ ও অন্য ৬৩ জেলার প্রতিটির গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হবে এই স্মৃতিস্তম্ভ। ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট ব্যাসের এই স্তম্ভে থাকছে গত বছরের জুলাইয়ের স্লোগান, কবিতা ও গ্রাফিতি।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- আগ্রাসন বিরোধী আট স্তম্ভ শহীদ আবরার ফাহাদের স্মরণে নির্মিত একটি প্রতীকী স্থাপনা যার নকশাকার হলেন স্থপতি নাজমুল হক নাঈম।
- 'অদম্য ২৪' স্মৃতিস্তম্ভটির নকশা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাঈদ হোসেন, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নির্মিত এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। 
- শহীদ আবু সাঈদ-কে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্ম 'উন্নত মম শির' -এর শিল্পী শহীদ কবির।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

১৩,৯১৬.
কাঁঠাল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) টাঙ্গাইল
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
• কাঁঠালের মোট উৎপাদন - ১০,৯৭,০০১ মে.টন।
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (২,80,15২ মে.টন)। 
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১
১৩,৯১৭.
মুঘল শাসন ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্তাকে কী বলা হত?
  1. ফৌজদার
  2. শিকদার
  3. সুবাহদার
  4. সম্রাট
ব্যাখ্যা
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্তা।
- শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৯১৮.
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা কর্মসূচী কোন ঘটনার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন
  2. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  3. ১৯৬২ সালে শিক্ষা আন্দোলন
  4. ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান :
- ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসে ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন দানা বাঁধে, তা একসময় ছড়িয়ে পড়ে শহর ও গ্রামের শ্রমিক-কৃষক ও সাধারণ মানুষের মাঝে।
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠে এক দুর্বার আন্দোলন, যা উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসের ছাত্র অসন্তোষ মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে গণআন্দোলনে পরিণত হয়।
- ৮ই ডিসেম্বর প্রধান বিরোধী দলগুলোর ডাকে গোটা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়।
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আওয়ামী লীগের ছয় দফার সাথে মিলিয়ে আরও কয়েকটি দাবি নিয়ে ১১ দফা দাবি পেশ করে।
- উনসত্তরের উত্তাল সময়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এই ১১ দফা দাবি ছিল খুবই সময়োপযোগী।
- ফলে দ্রুত এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলোর ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর থেকে 'ডাকসু' ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যৌথ উদ্যোগে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে ওঠে।

উৎস : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৩,৯১৯.
‘ডায়ামন্ড’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান 
  2. গম 
  3. আলু
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৩,৯২০.
১৯৭১ সালে ঢাকা কত নং সেক্টরের অধীন ছিল?
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধকালে ঢাকা ২ নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এছাড়া নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ ২ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
Source: dhakadiv.gov.bd
১৩,৯২১.
কোন রাজনৈতিক দলটি সবার আগে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) সিপিপি
  2. খ) আওয়ামী লীগ
  3. গ) কৃষক প্রজা পার্টি
  4. ঘ) ন্যাপ
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৫ সালে ফজলুল হক কৃষক প্রজা পার্টি গঠন করেন। তিনি অপরাপর কৃষক উপদলগুলোকে তার দলে নিয়ে আসতে সক্ষম হন।
- ১৯৪৮  সালে কমিউনিস্ট পার্টি  ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিআই) দ্বিতীয় কংগ্রেস অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিপি) গঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৭ সালের ২৪-২৫ জুলাই ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে আয়োজিত গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)’ গঠিত হয়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া, নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। 
১৩,৯২২.
পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ফরিদপুর
  2. পাবনা
  3. নাটোর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
- জেলা হিসাবে পেঁয়াজের সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় পাবনা জেলায়। 
- উৎপাদন হয়েছে ৪,৯৪,১৬৩ মে.টন। 
পেঁয়াজ উৎপাদনে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে – ফরিদপুর জেলা। 
- উৎপাদন হয়েছে ২,৬৫,১৫০ মে.টন। 
উৎস : ‘কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০’
১৩,৯২৩.
'ইমেরিটাস অধ্যাপক' এর মেয়াদ কত বছর?
  1. পাঁচ বছর
  2. চার বছর
  3. আট বছর
  4. আজীবন
ব্যাখ্যা
ইমেরিটাস অধ্যাপক (Professor Emeritus):
- একজন পূর্ণ অধ্যাপক যখন তার গবেষণার দ্বারা অনেক খ্যাতি লাভ করেন তখন তাকে এ ধরনের উপাধি প্রদান করা হয়ে থাকে।
- এই উপাধি প্রদান করা হয় মূলত অবসরে পাওয়ার পর।
- অবসরে যাওয়ার পূর্বে অর্থাৎ চাকরিকালীন অবস্থায় এ ধরনের উপাধি প্রদান করা হয় না।
- এই ধরনের উপাধির মর্যাদাগত অবস্থান (Status) অধ্যাপকের চেয়ে উপরে হয়।
- কোনো বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই ধরনের পদবি প্রদান করে থাকে।
- অধ্যাপক এক্ষেত্রে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পরিত্যাগ করে অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করতেও পারেন।
- তবে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারা তিনি এই উপাধি লাভ করেছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে তার নাম আমৃত্যু লেখা থাকবে Emeritus Faculty দের স্থলে।
- উল্লেখ্য এই পদকটিও আমৃত্যু ব্যবহার করা হয়।
- এরা নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সারা জীবন আর্থিক সুবিধা পাবেন। 
- ড. আনিসুজ্জামান স্যার একই সাথে জাতীয় অধ্যাপক এবং ইমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। 

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
১৩,৯২৪.
বর্তমানে ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. দিনাজপুর
  3. ঝিনাইদহ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
• কৃষি ফসল শীর্ষ জেলা সমূহ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৩,৯২৫.
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক নিয়ে সরাসরি কন্টেইনার জাহাজ যাচ্ছে ইউরোপের কোন দেশটিতে?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) ইতালি
  3. গ) গ্রিস
  4. ঘ) ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক নিয়ে সরাসরি কন্টেইনার জাহাজ যাচ্ছে ইউরোপে৷ এর ফলে কমবে পরিবহণ খরচ, সাশ্রয় হবে সময়৷
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপ৷ মোট রপ্তানির ৬০ শতাংশই যায় সেখানকার দেশগুলো৷
- এতদিন চট্টগ্রাম থেকে জাহাজে এসব দেশে সরাসরি পণ্য পাঠানোর সুযোগ ছিল না৷ এবারই প্রথমবারের মতো সেই দুয়ার খুলেছে৷
- চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ইউরোপের উদ্দেশে প্রথম সরাসরি জাহাজটি যাবে ইটালির রাভেনা বন্দরে৷ সেখান থেকে ইউরোপের অন্যান্য দেশের ক্রেতারা যার যার দেশে পণ্য নিয়ে যাবেন৷
- ইটালিয়ান শিপিং কোম্পানি ‘কালিপসো কোম্পানিয়া দে নাভিগাৎসিওনে এসপিএ’-এর দুইটি কন্টেইনার জাহাজ, সোঙ্গা চিতা ও কেপ ফ্লোরেস বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক পরিবহণ করবে৷
- সোঙ্গা চিতা লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী আর কেপ ফ্লোরেস মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী৷
- এর ফলে আগে যেখানে ইউরোপে পণ্য পাঠাতে কমপক্ষে ৪০ দিন লাগত তা কমে ১৬ দিনে নেমে আসবে৷ আর খরচ কমবে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ৷ 

উৎস: www.dw.com/
১৩,৯২৬.
মেজর জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন- 
  1. বিচারপতি সাহাবুদ্দিন
  2. আবদুস সাত্তার 
  3. খন্দকার মুশতাক
  4. জেনারেল এরশাদ
ব্যাখ্যা

মেজর জিয়াউর রহমান শাসানামাল:
- সাত্তার সরকার (১৯৮১-১৯৮২)  জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর উপ-রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- তিনি পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- সামরিক বাহিনীর চাপে সাত্তারের সরকার প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং তিন বাহিনীর প্রধানকে সদস্য করে একটি ‘জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল’ গঠন করে।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ সামরিক আইন জারি, সংবিধান স্থগিত, সাত্তার সরকারকে বরখাস্ত, সংসদ বাতিল এবং প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে আবির্ভূত হন।
-নৌ এবং বিমান বাহিনী প্রধানদ্বয় এরশাদের ডেপুটি নিযুক্ত হন।
- এরশাদ সামরিক আইনে পরবর্তী ৪ বছর দেশ শাসন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,৯২৭.
"Inside Bengal Politics: 1936-1947: Unpublished Correspondence of Partition Leaders" গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. হারুন-অর-রশিদ
  2. রেহমান সোবহান
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  4. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
হারুন-অর-রশিদ:
- হারুন-আর-রশিদ একজন জনপ্রিয় প্রাবন্ধিক, গবেষক, কলাম লেখক এবং বহু গ্রন্থের প্রণেতা।
- ১৯৪৭-পূর্ব ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাধীন অবিভক্ত বাংলা, পাকিস্তানি শাসনকাল, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, সমসাময়িক ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতি, এর গতিধারা ও রাজনৈতিক উন্নয়ন’ তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র।
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র গঠন সব সময় তাঁর গবেষণার কেন্দ্রীয় বিষয়।
- প্রফেসর হারুন-অর-রশিদ বর্তমানে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিতে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এনসাইক্লোপিডিয়া’ (২০ খণ্ড) রচনা প্রকল্পের প্রধান হিসেবে গবেষণাকর্মে নিয়োজিত।
- বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখার জন্য ২০২১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন।

তাঁর গবেষণা-গ্রন্থসমূহ:
- The Foreshadowing of Bangladesh.
- Inside Bengal Politics 1936-1947 : Unpublished Correspondence of Partition Leaders.
- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পুনর্পাঠ, 
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়, 
- বাংলাদেশ : রাজনীতি সরকার ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়ন (১৭৫৭-২০১৮),
- আমাদের বাঁচার দাবী’ : ৬ দফার ৫০ বছর, 
- ৭ই মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব ঐতিহ্য-সম্পদ : বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ।

উৎস: ক্যামব্রিজ ইউনাভার্সিটি প্রেস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন লাইব্রেরি ও পত্রিকার প্রতিবেদন।
১৩,৯২৮.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
  1. ১৬৬
  2. ১৫৬
  3. ১৪৬
  4. ১৩৬
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। 
- জাতিসংঘের চতুর্থ মহাসচিব অস্ট্রিয়ার কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম।
- তার সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১৩,৯২৯.
বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৮২ সালে। ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।

- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে। বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট)
১৩,৯৩০.
’নারিকেলবাড়িয়ায়’ বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন কে?
  1. রবার্ট ক্লাইভ
  2. তিতুমীর
  3. মঈনুদ্দিন
  4. সৈয়দ আহমদ
ব্যাখ্যা

তিতুমীর:
- তিতুমীর ১৮৩১ সালের অক্টোবর মাসে নারকেলবাড়িয়ায় এক দুর্ভেদ্য বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
- তিনি তাঁর মুজাহিদ বাহিনীতে বিপুল সংখ্যক মুজাহিদ নিয়োগ করে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দান করেন।
- অচিরেই মুজাহিদদের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজারে উপনীত হয়।
- সামরিক প্রস্ত্ততি সম্পন্ন করে তিতুমীর নিজেকে ‘বাদশাহ’ বলে ঘোষণা দেন।
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী,
- ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী মুজাহিদদের উপর আক্রমণ চালায়।
- মুজাহিদগণ সাবেকি ধরনের স্থানীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আধুনিক অস্ত্র সজ্জিত ইংরেজ বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়ে বাঁশের কেল্লায় আশ্রয় নেয়।
- ইংরেজরা কামানে গোলাবর্ষণ করে কেল্লা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত করে দেয়।
- বহুসংখ্যক অনুসারিসহ তিতুমীর যুদ্ধে শহীদ হন (১৯ নভেম্বর ১৮৩১)।

অন্যদিকে,
- রবার্ট ক্লাইভ ভারত উপমহাদেশে ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদের সূচনা করেন।
- সৈয়দ আহমদ খানের নেতৃত্বে আলীগড় আন্দোলন শুরু হয়।
 
 উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,৯৩১.
নিচের কোনটি দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন নাম্বার?
  1. ১০২
  2. ১০৬
  3. ১০৯
  4. ৩৩৩
ব্যাখ্যা
জরুরী সেবার হটলাইন নাম্বার সমূহ:
• জরুরী সেবা - ৯৯৯।
• শিশু সহায়তা - ১০৯৮।
• নারী ও শিশু নির্যাতন - ১০৯/১০৯২১।
• জাতীয় পরিচয়পত্র - ১০৫।
• সরকারী আইন সেবা - ১৬৪৩০।
• দুর্যোগের আগাম বার্তা - ১০৯৪১।
• দুদক হটলাইন - ১০৬।
• তথ্য সেবা - ৩৩৩।
• কৃষি কল সেন্টার - ১৬১২৩।
• সরকারি আইনগত সহায়তায় জাতীয় হেল্প লাইন - ১৬৪৩০।
• দুর্যোগ প্রারম্ভিক সতর্কতা (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়) - ১০৯০।

তথ্যসূত্র - জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি) ও বাংলাদেশ পুলিশ ওয়েবসাইট।
১৩,৯৩২.
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত ঘটে-
  1. ক) ১২০০ সালে
  2. খ) ১২০৪ সালে
  3. গ) ১২০২ সালে
  4. ঘ) ১২১২ সালে
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ শতকে ১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি কর্তৃক নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়। ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজি বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন। লক্ষ্মণ সেন পেছনের দরজা দিয়ে নৌকাযোগে বিক্রমপুরে পলায়ন করেন। তবে পূর্ব বাংলায় ত্রয়োদশ শতক জুড়ে সেন শাসন অব্যাহত ছিলো।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
১৩,৯৩৩.
'পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি'র কোন পূর্তি পালিত হয়েছে?
  1. ক) সুবর্ণ জয়ন্তী
  2. খ) রজত জয়ন্তী
  3. গ) হীরক জয়ন্তী
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- ২ ডিসেম্বর ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।
- ২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয়-  রজত জয়ন্তী (Silver Jubilee)।
- ১৯৯৭  বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর ‘পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে যে, উপজাতীয়দের ভূমি মালিকানা অধিকার নির্ধারিত হলে তাদের ভূমি ফিরিয়ে দেওয়া হবে।
- এ উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভূমির উপর মালিকানা নির্ধারণের জন্য ভূমি জরিপব্যবস্থা পরিচালিত হবে।

অন্যদিকে,
১। ২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় : রজত জয়ন্তী (Silver Jubilee)। 
২। ৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : সুবর্ণ জয়ন্তী / স্বর্ণ জয়ন্তী (Golden Jubilee)।
৩। ৬০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : হীরক জয়ন্তী (Diamond Jubilee)। 
৪। ৭৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় : প্লাটিনাম জয়ন্তী (Platinum Jubilee)। 
৫। ১০০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : শতবর্ষ (Centenary jubilee)। 
৬। ১৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : সার্ধশত (Sesquicentennial)।
৭। ২০০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : দ্বিশতবর্ষ (Bicentenary/ bicentennial)। 

উৎস : বাংলাপিডিয়া, ডিএমপি নিউজ এবং লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি, ২০২৩।
১৩,৯৩৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে কোন অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হতো?
  1. ক) রেখাপাত
  2. খ) চরমপত্র
  3. গ) হুঙ্কার
  4. ঘ) পরিক্রমা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রথমে চট্টগ্রাম, দ্বিতীয় পর্যায়ে ৩রা এপ্রিল ত্রিপুরা এবং ২৬মে কলকাতা থেকে সীমিত জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সম্প্রচার শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠানসমূহের মধ্যে ছিলো:
- চরমপত্র
- জল্লাদের দরবার
- অগ্নিশিখা
- জাগরণী
- বজ্রকণ্ঠ
- বিশেষ কথিকা প্রভৃতি।
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
- এদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিলো ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানটি। এটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান এবং এটির উপস্থাপক ছিলেন এম আর আখতার মুকুল।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক যুগান্তর)
১৩,৯৩৫.
বর্তমানে প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমা কত? (২০২৫-২০২৬ অর্থবছর)
  1. ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
  2. ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা
  3. ৪ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা
  4. ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা:

- ​সাধারণ করদাতা =৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা = ৪ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা = ৫ লক্ষ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

​উৎস: বাজেট ২০২৫-২৬।

১৩,৯৩৬.
বাংলাদেশের কোনো ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ক) ১৬ বছর
  2. খ) ১৮ বছর
  3. গ) ২০ বছর
  4. ঘ) ২১ বছর
ব্যাখ্যা
সপ্তম ভাগ: নির্বাচন
অনুচ্ছেদ-১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
(১) প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।  
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি 
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন; 
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে; 
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং  
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন। 

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৯৩৭.
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি:

- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি’।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন।
- চুক্তিতে ৭২টি ধারা আছে। এর মাধ্যমে তিনটি জেলা পরিষদ এবং আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- ২ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৭ বছর পূর্তি হয়েছে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো নিউজ।[লিঙ্ক]
১৩,৯৩৮.
নিচের কোন প্রাচীন শিক্ষাকেন্দ্রের অধ্যক্ষ ছিলেন শীলভদ্র?
  1. ক) বিক্রমশিলা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) তক্ষশিলা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) সোমপুর বিহার
  4. ঘ) নালন্দা মহাবিহার
ব্যাখ্যা
নালন্দা মহাবিহার 
- ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা মহাবিহার প্রাচীন ভারতের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র। এটিকে পৃথিবীর প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনা করা হয়।
- বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ শীলভদ্রের নিকট শিক্ষা লাভ করেন।
- হিউয়েন-সাং-এর ভ্রমণের ৩০ বছরের মধ্যে ই-ৎসিঙ (৬৭৫ থেকে ৬৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১০ বছর এখানে শিক্ষাগ্রহণ করেন) সহ কমপক্ষে ১১ জন কোরীয় ও চৈনিক তীর্থযাত্রীসহ বিশিষ্টজনেরা নালন্দা ভ্রমণ করেন বলে জানা যায়।
- বারো শতকের দিকে নালন্দা তার গুরুত্ব হারায়। 

অন্যদিকে, 
- বিক্রমশিলা মহাবিহার বা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল প্রাচীন ভারতের উচ্চশিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি ম্লান হয়ে আসার সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়টির উদ্ভব ঘটে।  বর্তমান বিহারের ভাগলপুর জেলার কাছে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- তক্ষশিলা ছিল প্রাচীন ভারতের উচ্চশিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। বৈদিক যুগে এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠা হলেও এটি বৌদ্ধযুগ পর্যন্ত স্থায়িত্ব লাভ করেছিল। এই  বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের রাওয়ালপিণ্ডির নিকটবর্তী অঞ্চলে। 

রেফারেন্স:  বাংলাপিডিয়া
১৩,৯৩৯.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকীর স্লোগান কোনটি?
  1. Smart service in building Sheikh Mujib's Bangladesh.
  2. Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness.
  3. Promoting Fostering and Prosperity Inclusiveness.
  4. Bangladesh will move forward with Sheikh Hasina's development.
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী
- “ সকলের সাথে সমৃদ্ধির পথে “ ইংরেজিতে “ Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness “ 
স্লোগানকে সামনে রেখে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে পড়া অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হবে:-
-  কর্মসংস্থান তৈরিতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।
- জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।
- সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা নিশ্চিত করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা "ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০" বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে সর্বমোট ১১.৩৩ মিলিয়ন বা ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তার মধ্যে -
- জাতীয় পর্যায়ে মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ৮.০৮ মিলিয়ন বা ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার।
- প্রবাসী বা বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে - ৩.২৫ মিলিয়ন বা ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার।

তথ্য:- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী রিপোর্ট।
১৩,৯৪০.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা কত সাল ছিল?
  1. ১৩৫৯, ৯ ফাল্গুন
  2. ১৩৫৮, ৮ ফাল্গুন
  3. ১৩৭২,৭ ফাল্গুন
  4. ১৩৫৫, ৮ ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

• একুশে ফেব্রুয়ারি:
- একুশে ফেব্রুয়ারি  শহীদ দিবস ও  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- এটি বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের একাধারে মর্মান্তিক ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন।
- ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে অনেক তরুণ শহীদ হন।
- তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রফিক, জব্বার, শফিউর, সালাম, বরকত সহ অনেকেই।
- তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৯৪১.
‘মনপুরা-৭০’ চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. মুস্তফা মনোয়ার
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. মাহফুজ আহমেদ
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

• 'মনপুরা-৭০':
- 'মনপুরা-৭০' চিত্রকর্মের শিল্পী - জয়নুল আবেদিন। 
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০’।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।

জয়নুল আবেদীন:
- জন্ম: ১৯১৪ সাল, ময়মনসিংহ।
- আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি শিল্পী।
- বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা।
- উপাধি: শিল্পাচার্য, বাংলাদেশের আধুনিক চিত্রকলার জনক হিসেবে পরিচিত।

• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:
- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো।

১৩,৯৪২.
বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন কেন?
  1. আইয়ুব খানকে ক্ষমতাচ্যুত করতে
  2. বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদে
  3. জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন:

• ৩ মার্চ (১৯৭১) অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২ মার্চ ঢাকায় এবং পরদিন সারাদেশে হরতাল ডাকেন। 
• ২ মার্চ থেকে পূর্ব পাকিস্তানে লাগাতার অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
• ২ এবং ৩ মার্চ হরতালের ফলে সকল সরকারি কর্মকাণ্ড অচল হয়ে পড়ে। 
• পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ৩ মার্চ ১৯৭১ ঢাকায় পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রহণ করে। 
• সভায় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে 'স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি' শীর্ষক একটি ইশতেহার প্রচার করা হয়। ইশতেহারে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনের তিনটি লক্ষ্য চিহ্নিত করা হয়।
• ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ভাষণে পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৯৪৩.
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট কতটি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
♦ আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৩,৯৪৪.
বাংলাদেশ সরকার সর্বশেষ দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে কত সালে? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

 দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।
- ২০০৮ সালে সম্পাদিত পিআরএসপি-২ এর সরকার বদলের ফলে কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ সরকার ২০১৫ সালে দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP) প্রণয়ন করে।

উৎস: IMF .

১৩,৯৪৫.
মাস্টারদা সূর্যসেনের সহযোগী কে ছিলেন?
  1. ক) ইলা মিত্র
  2. খ) তিতুমীর
  3. গ) প্রীতিলতা
  4. ঘ) ক্ষুদিরাম
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্যসেন:
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও  সুষ্ঠ পরিকল্পনার ফসল। 
- প্রাথমিক পর্যায়ে অহিংস ও নিয়মতান্ত্রিক পথ ধরে বিপ্লবের সূচনা হলেও সময়ের ব্যবধানে সংগ্রামের অবশ্যম্ভাবী পরিণতিতে হিংসাত্মক কর্মনীতি বা বিপ্লববাদ দেখা দেয়। 
- ১৮ তারিখে গুড ফ্রাইডে থাকায় সেদিন ইউরোপীয়ান ক্লাবে ইংরেজ পদস্থ কর্মকর্তারা কেউ উপস্থিত ছিল না এবং অক্সিলিয়ারি ফোর্সের অস্ত্রাগারে ভারী অস্ত্র মিললেও কোন গুলি পাওয়া যায়নি বলে এই দুটি ক্ষেত্রে আশানুরূপ সফলতা আসেনি।
- তবে সূর্যসেনের নেতৃত্বে পুলিশের অস্ত্রাগার দখলের পর অস্ত্র ও গুলি সংগৃহীত হয়।
- অস্ত্রাগারে আগুন লাগানোর সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন বিপ্লবী হিমাংশু বিমল সেন। 
- সূর্যসেন পাহাড়ে আত্মগোপন করেন।

- তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে, বিপ্লবী দল চট্টগ্রামে গিয়ে ইংরেজদের আক্রমণ করবে। 
- ১৯৩০ সালের ২২ এপ্রিল এ সংঘটিত যুদ্ধে ১৪ জন বিপ্লবী শহীদ হন।
- সূর্যসেন এর নেতৃত্বে দলটি পাহাড়ে আত্মগোপন করেন। 
- মাস্টারদা সূর্যসেনের সহযোগী ছিলেন প্রীতিলতা ওয়াদেদ্দার।
- ১৯৩২ সালের জুন মাসে মাস্টারদা প্রীতিলতা ও কল্পনা দত্তকে বোমা সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম কারাগার ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেবার নির্দেশ প্রদান করেন। 
- কিন্তু সে পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। এই ঘটনায় ১১ জন বিপ্লবী গ্রেফতার হন। 
- ২৪ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার পাহাড়তলী ইউরোপীয়ান ক্লাবে সফল আক্রমণ চালান, তবে তিনি গুলিবিদ্ধ হন এবং সায়ানাইড খেয়ে আত্মহত্যা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৯৪৬.
বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. জামালপুর
  3. সিলেট
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- দেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র, যা ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র হলো সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- দেশে বর্তমানে মোট ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ হলো দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।
উল্লেখ্য,
- বাপেক্স জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের তারতাপাড়া গ্রামে নতুন কূপ খননের পর প্রাথমিক পরীক্ষায় গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে।
- সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এটি হতে পারে দেশের ৩০তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

১৩,৯৪৭.
পলাশীর যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়?
  1. ২৩ জুন ১৭৫৬
  2. ২৩ জুন ১৭৫৭
  3. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৭৫৭
  4. ১৭ জুলাই ১৭৫৭
ব্যাখ্যা

পলাশীর যুদ্ধ: 
- পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় ২৩ জুন ১৭৫৭।
- যুদ্ধের একপক্ষ ছিলেন বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা।
- অপরপক্ষ ছিল রবার্ট ক্লাইভ নেতৃত্বাধীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
- যুদ্ধের ফলাফল: সিরাজুদ্দৌলা পরাজিত হন।
- এই যুদ্ধের ফলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়।
- এর পর বাংলায় প্রায় দুইশ বছরের ইংরেজ শাসন শুরু হয়।
- যুদ্ধের মাধ্যমে মীর জাফরকে নবাব বানানো হয়, যিনি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পুতুলশাসক হিসেবে কাজ করেন।
- পলাশীর যুদ্ধ ইতিহাসে ভূমিকম্প-সদৃশ পরিবর্তন সূচিত করে- রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে বাংলার শাসন ব্যর্থ হয়।
-এটি মুঘল শাসন অবসানের প্রাক্কালে বাংলার প্রধান ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (নবম–দশম শ্রেণি)।

১৩,৯৪৮.
বিচারকদের চাকুরীর বয়স ৬৭ বছরের বিষয়টি সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ক) ৯৬ (১)
  2. খ) ৯৬ (২)
  3. গ) ৯৬ (৩)
  4. ঘ) ৯৬ (৪)
ব্যাখ্যা
• বিচারকদের পদের মেয়াদ:
- ৯৬ (১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
- ৯৬ (২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।
- ৯৬ (৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
- ৯৬ (৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।]]

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৯৪৯.
ম্রো ভাষায় বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী নিয়ে রচিত প্রথম বই 'নমমো তসেন কিয়াক মি' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. তাংচ্যাং ম্রো
  2. ইয়াংঙান ম্রো
  3. নুখিংসাই ম্রো
  4. ইয়ম্রেদেং ম্রো
ব্যাখ্যা
ইয়াংঙান ম্রো:
- ইয়াংঙান ম্রো 'ম্রো' সম্প্রদায়ের লেখক ও গবেষক।
- ম্রো ভাষার প্রথম ব্যাকরণ বই লিখেছেন ইয়াংঙান ম্রো।
- ম্রো ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বইটিও তাঁর লেখা।
- তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১৫।
- ইয়াংঙান ম্রো মহান মুক্তিযুদ্ধের সাত বীরশ্রেষ্ঠের জীবনী নিয়ে ম্রো ভাষার গ্রন্থ 'নমমো তসেন কিয়াকমি'- গ্রন্থটি রচনা করেন।
- পাহাড়ের পশ্চাৎপদ ম্রো জনগোষ্ঠীর মাঝে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা বীরশ্রেষ্ঠদের জীবনী তুলে ধরতে ম্রো ভাষায় রচিত হয়েছে বই।

এছাড়া,
- গ্রন্থটির সঙ্গে প্রকাশিত হয়েছে ক্রামাধর্মের প্রবর্তক ক্রামাদি মেনলের আঁকা ছবির অ্যালবামও।
- ম্রো ভাষার লেখক ও গবেষক ইয়াংঙান ম্রো এই জীবনী রচনা এবং ছবির অ্যালবাম সংকলন করেছেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৯৫০.
টিকফা (TICFA) কী?
  1. Trade and Investment Corporation Frame Agreement
  2. Trade and Investment Conciliation Framework Agreement
  3. Trade and Investment Cooperation Forum Agreement
  4. Trade and Investment Coordination Framework Agreement
ব্যাখ্যা
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি হচ্ছে Trade and Investment Cooperation Forum Agreement (টিকফা)।

- ২০১৩ সালে ‘বাণিজ্য ও বিনিয়োগের’ স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে দুই দেশের মধ্যে টিকফা চুক্তি সই হয়।
- এরই মধ্যে চুক্তির এক দশক পার হতে চলেছে।
- ২০২৩ সালে ঢাকায় টিকফার সপ্তম কাউন্সিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৯৫১.
সিপাহি বিদ্রোহের সূচনা হয় কোন জেলায়?
  1. ব্যারাকপুর
  2. কানপুর
  3. মিরাট
  4. সুরাট
ব্যাখ্যা

→ সিপাহি বিদ্রোহের সূচনা হয় ব্যারাকপুরে।

সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৯৫২.
কত সালে বাংলা ভাষাকে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য:
- ভাষা আন্দোলনের ফলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে। 
- ভাষা আন্দোলনের ফলে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিকাশ ঘটে। এই আন্দোলন দ্বিজাতি তত্ত্বের ধর্মীয় চেতনার মূলে আঘাত হানে। পাকিস্তান সৃষ্টির সাম্প্রদায়িক ভিত্তি ভেঙ্গে বাঙালিরা অসাম্প্রদায়িক চেতনার আন্দোলন শুরু করে। এর ফলে ধীরে ধীরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি গড়ে ওঠে।
- এর ফলে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে দলটির শোচনীয়ভাবে পরাজয় ঘটে। এর পর আর কোন নির্বাচনে মুসলিম লীগ জয়ী হয়নি।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ২১ ফেব্রুয়ারি শোক দিবস হিসেবে ছুটি ও শহিদ দিবস ঘোষনা করে।
- ১৯৫৩ সাল থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি 'শহিদ দিবস' হিসেবে দেশব্যাপী পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর ২১শে ফেব্রুয়ারি খালি পায়ে হেঁটে শহিদ মিনারে ফুল অর্পণ করে আমরা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা ভাষা সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায়। 
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো কর্তৃক ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস' এর স্বীকৃতি দান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৯৫৩.
বাংলাদেশ স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি অনুমোদন করে -
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (Anti-Personnel Landmines Convention):
- এর আরেক নাম অটোয়া চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ মার্চ, ১৯৯৯ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: অটোয়া, কানাডা।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৬৪টি।

⇒ এর উদ্দেশ্য হলো Anti-Personnel Landmines বা স্থলমাইন ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন ও পরিবহন নিষিদ্ধ।

⇒ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে: ৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- চুক্তি অনুমোদন করে: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০০০ সালে।

উৎস: Arms Control Association ওয়েবসাইট।
১৩,৯৫৪.
সংবিধানের মৌলিক প্রয়োজনের কথা বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ১৪ নং
  2. খ) ১৫ নং
  3. গ) ১৬ নং
  4. ঘ) ১৭ নং
ব্যাখ্যা
- ১৫ নং অনুচ্ছেদ : মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ : কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ : গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- ১৭ নং অনুচ্ছেদ : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৩,৯৫৫.
মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেছিলেন -
  1. ইউসুফ আলী
  2. আবদুল মান্নান
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
→ মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান।

মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার ছিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ২৬ মার্চ ১৯৭১ স্বাধীনতা ঘোষণার পর, ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১, মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বৈদ্যনাথতলা গ্রামটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে মুজিবনগর নামে পরিচিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল, মেহেরপুরের মুক্তাঞ্চল বৈদ্যনাথতলায় সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান (এম.এন.এ)।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী (এম.এন.এ)।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে যৌথ বাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করে।
- এই যৌথ বাহিনী গঠিত হয় পুলিশ, আনসার এবং স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৯৫৬.
সম্প্রতি আইসিসি প্রকাশিত টি-২০ ফরম্যাটে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের তালিকায় কোন বাংলাদেশি ক্রিকেটার স্থান পেয়েছেন?
  1. ক) মাশরাফি বিন মরতুজা
  2. খ) মোহাম্মদ রফিক
  3. গ) সাকিব আল হাসান
  4. ঘ) মোহাম্মদ আশরাফুল
ব্যাখ্যা
- আইসিসি প্রকাশিত টি-২০ ফরম্যাটে সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের তালিকায় সাকিব আল হাসান স্থান পেয়েছেন।
- তিনি ৪০৮ পয়েন্ট নিয়ে ৩ নম্বরে অবস্থান করছেন। 
- ৫৫৭ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সেন ওয়াটসন।

তথ্যসূত্র:- আইসিসি এবং যমুনা টিভি।
১৩,৯৫৭.
“বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর” কয়টি জেলা নিয়ে গঠিত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ১টি
ব্যাখ্যা
• চট্টগ্রাম ও ফেনী এই দুই জেলার ৩টি উপজেলা নিয়ে 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর' শিল্পাঞ্চল টি গড়ে তুলা হচ্ছে।

- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর'।
- এর আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
- এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে।

উৎসঃ বেজা ওয়েবসাইট।
১৩,৯৫৮.
বাংলাদেশে প্রথম ২০০ টাকার নোট চালু হয় কোন সালে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ২০০ টাকার নোট চালু হয় ২০২০ সালে।

বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:

- বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগজের মুদ্রা চালু হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ।
- বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত ১ টাকার নোট ছিল সেটি।
- সেই সঙ্গে চালু হয় ১০০ টাকার নোট।
- এতে তখনকার অর্থসচিব কে এ জামানের স্বাক্ষর সংযুক্ত ছিলো।
- এ নোট বাজারে ছাড়া হয় সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের মুদ্রার নাম দেয়া হয় টাকা।
- এটি ছাপা হয়েছিলো ভারতীয় সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে।
- এর পরের সিরিজের টাকা ছাপানো হয়েছিলো যুক্তরাজ্য থেকে।
- তখনই একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা হয়েছিলো যাতে ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান ও শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী।

উল্লেখ্য,
- বাংলা সিরিয়াল নম্বর দিয়ে নোট চালু হয় ১৯৭৩ সালে।
- দেশে ২ টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে।
- ৫০ ও ৫০০ টাকার নোট প্রচলন করা হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০ টাকার নোট প্রথম বাজারে আসে ১৯৭৯ সালে।
- ২০০৯ সালের ১৭ই জুলাই বাজারে আনা হয় ১০০০ টাকার নোট।
- ২০২০ সালে বাজারে আসে ২০০ টাকার নোট।

⇒ ২০০ টাকার নোট:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১৭ মার্চ, ২০২০ প্রথমবারের মতো বাজারে আসে ২০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট।
- এই নোট শতভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত এবং ইউভি কিউরিং বার্নিশযুক্ত। 

উৎস: ২০ এপ্রিল ২০২২, বিবিসি বাংলা।
১৩,৯৫৯.
প্রতি বছর একুশে পদক প্রদান করে -
  1. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
  2. সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
একুশে পদক: 
- 'একুশে পদক' হলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার,
- এটা ভাষা শহীদদের স্মরণে প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারটি ১৯৭৬ সাল থেকে প্রবর্তিত হয়েছে এবং
- এটি বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রদান করা হয়।
- প্রতি বছর ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

সূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৩,৯৬০.
শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা কার হাতে ন্যস্ত থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইনসভা
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বণ্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত।
- এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৯৬১.
a2i-এর বর্তমান শ্লোগান কোনটি?
  1. ক) Access to information
  2. খ) Innovate for all
  3. গ) Aspire to Innovate
  4. ঘ) Aspire to Inspire
ব্যাখ্যা
a2i-এর বর্তমান পূর্ণরূপ - Aspire to Innovate।
a2i-এর কারিগরি সহায়তায় রয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)।
a2i-এর বর্তমান শ্লোগান ‘Innovate for all’।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।
১৩,৯৬২.
মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সাতক্ষীরায়
  2. খ) মেহেরপুরে
  3. গ) চুয়াডাঙ্গায়
  4. ঘ) নবাবগঞ্জে
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদরদপ্তর বা প্রশাসনিক কেন্দ্র।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং ১৪ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গার মুক্তাঞ্চলে সরকারের শপথ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয় হওয়া সত্ত্বেও আকাশবাণীসহ আরও দু’একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে এ তথ্য ফাঁস হয়ে যায়।
- পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণের স্থান নির্ধারিত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১৩,৯৬৩.
অপরাজেয় বাংলা কবে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
  2. খ) ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
  3. গ) ১ জানুয়ারি ১৯৮০
  4. ঘ) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০
ব্যাখ্যা
- 'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য; যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়িত করেছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত ভাস্কর্যটি ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে উদ্বোধন করা হয়
- এর ভাস্কর ছিলেন সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ।

উৎসঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট।
১৩,৯৬৪.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্যে প্রদত্ত সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরউত্তম
  2. খ) বীরবিক্রম
  3. গ) বীরশ্রেষ্ঠ
  4. ঘ) বীরপ্রতীক
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম এবং বীরপ্রতীক। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ।
সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধি পান ৭ জন, দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরউত্তম’ পান ৬৮ জন, তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরবিক্রম’ পান ১৭৫ জন এবং চতুর্থ বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরপ্রতীক’ পান ৪২৬ জন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৩,৯৬৫.
’শহিদ নূর হোসেন’ কোন আন্দোলনে শহিদ হন?
  1. ভাষা আন্দোলনে
  2. নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে
  3. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে
  4. বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনে
ব্যাখ্যা

নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন:
- জেনারেল এরশাদের ৯ বছরের শাসনামাল ছিল।
- ১৯৯০ সালে উত্তাল এবং রক্তাক্ত সপ্তাহে সেনাবাহিনী ও পুলিশের হাতে ৭০ জনের বেশি লোক নিহত হয়েছিলেন।
- শহিদ নূর হোসেন নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহিদ হন।
- কিন্তু তারও তিন বছর আগে আরেকটি গণআন্দোলন তিনি নিষ্ঠুরভাবে দমন করেছিলেন।
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নূর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহীদ হন।
- নূর হোসেনের লেখা শ্লোগান বুকে 'স্বৈরাচার নীপাত যাক' এবং পিঠে 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।
- ১৯৯০ সালের ৬ই ডিসেম্বর এক তীব্র গণআন্দোলনের মুখে বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের নয় বছরের শাসনের অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য,
- শহিদ আবুসাঈদ ২৪ গণঅভূত্থানে শহিদ হন।
- '১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ দেয়।

উৎস: বিসিসি বাংলা নিউজ।

১৩,৯৬৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ১৭%
  2. ২১%
  3. ২৫%
  4. ২৯%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩,৯৬৭.
ভাষা আন্দোলনের সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) খাজা নাজিমুদ্দীন
  2. খ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. গ) লিয়াকত আলী খান
  4. ঘ) নূরুল আমীন
ব্যাখ্যা
খাজা নাজিমুদ্দীন পূর্ব বাংলার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা সফরে আসেন।
- ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানের জনসভায় তিনিও জিন্নাহর মতো ঘোষণা করেন, 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।'
- এর প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন নতুন করে শুরু হয়ে যায়। এবার প্রতিবাদে ফেটে পড়ে ছাত্র জনতা।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০ জানুয়ারি সভা ও ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে।
- সংগ্রাম পরিষদ ৪ ফেব্রুয়ারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে।
- ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সূত্র: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৯৬৮.
ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি ইনডেক্স (NCSI) ২০২১ অনুযায়ী, সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ২য়
  3. গ) ১ম
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
১৯ আগস্ট ২০২১ তারিখে এস্তোনিয়ার ‘ই-গভর্নেন্স একাডেমি ফাউন্ডেশন’ ১৬০ টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে National Cyber Security Index (NCSI) - 2021 প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে -
জাতীয় নিরাপত্তা সাইবার সূচকে শীর্ষ দেশ - গ্রিস।
সর্বনিম্ন দেশ - দক্ষিণ সুদান।
সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - বাংলাদেশ (৩৯)।
সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন দেশ - আফগানিস্তান (১৩৩)।
সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের মধ্যে - ভারত (৪০), পাকিস্তান (৭০), শ্রীলংকা (৭১), নেপাল (৯৮), ভুটান (১১৮)।
উৎস : পত্রিকা রিপোর্ট। 
১৩,৯৬৯.
মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার কে?
  1. সিতারা বেগম
  2. তারামন বিবি
  3. আশালতা বৈদ্য
  4. নারী কমান্ডার ছিল না
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার:
- মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার আশালতা বৈদ্য।

⇒ আশালতা বৈদ্যের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি।
- মুক্তিযুদ্ধের বছর তার বয়স ছিল মাত্র পনের বছর।
- মাত্র ১৫ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধের ৮ ও ৯ নম্বর সেক্টরে কোটালীপাড়া সীমানা সাব-সেক্টরের কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিনের বাহিনীতে যোগ দেন
- তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে হেমায়েত বাহিনী/৭১ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, বরিশাল অঞ্চলে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং একমাত্র নারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৩,৯৭০.
কোন মুঘল সম্রাটের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে?
  1. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা

ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে ঢাকা গেইট নির্মিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি বাংলা।

১৩,৯৭১.
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৫ সালে একুশে পদক পান?
  1. গৌতম বুদ্ধ দাস
  2. প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু
  3. ড. নিয়াজ জামান
  4. শাহানাজ সুলতানা
ব্যাখ্যা

- শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৫ সালে একুশে পদক পান: ড. নিয়াজ জামান।

• একুশে পদক-২০২৫:
-  ২০২৫ সালে  ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।
 
তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৩,৯৭২.
দেশের প্রথম অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।


উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭১ টি। [নভেম্বর,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,৯৭৩.
বাংলাদেশ সরকারের কোন মন্ত্রণালয় ‘একুশে পদক’ প্রদান করে?
  1. ক) তথ্য মন্ত্রণালয়
  2. খ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. গ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ‘একুশে পদক-২০২২’ এর জন্য ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিকের নাম ঘোষণা করে।
• ‘একুশে পদক’ বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
• ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
• বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ এই পুরস্কার ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৩,৯৭৪.
ট্যাক্স হেভেনে সাধারণত কী থাকে না?
  1. শূন্য কর্পোরেট ট্যাক্স
  2. শেল কোম্পানি সুবিধা
  3. উচ্চ আয়কর হার
  4. ব্যাংক গোপনীয়তা 
ব্যাখ্যা

- ট্যাক্স হেভেনে উচ্চ আয়কর হার থাকেনা। বরং,  করের হার খুব কম বা শূন্য থাকে। 
- অন্যদিকে, 
- ট্যাক্স হেভেনগুলো শেল কোম্পানি, ব্যাংক গোপনীয়তার মাধ্যমে কাজ করে।

• ট্যাক্স হেভেন : 

- ট্যাক্স হেভেন হলো এমন দেশ বা অঞ্চল যেখানে বিদেশি ব্যক্তি বা কোম্পানিগুলোর জন্য করের হার খুব কম বা শূন্য, এবং আর্থিক গোপনীয়তা উচ্চমাত্রায় নিশ্চিত করা হয়।
- সাধারণত বিনিয়োগকারীদের আয়ের উৎস গোপন করে এসব কোম্পানি পরিচালিত হয় এবং একইভাবে কিছু ব্যাংকিং চ্যানেল গোপনে অর্থ লেনদেন করে থাকে।
- এ ধরনের কোম্পানি ও ব্যাংককে বলা হয় অফশোর কোম্পানি ও অফশোর ব্যাংক। 
- এ ধরনের ট্যাক্স হেভেন দেশে বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর ফাঁকি দিয়েই ডলার বা সম্পদ ক্রয় করতে পারেন। আর ওই সম্পদকে বলা হয় অফশোর সম্পদ।
- তবে নিজ নিজ দেশের আইন মেনে পরিচালিত হলে এ ধরনের কোম্পানি বা ব্যাংক বৈধ হিসেবে গণ্য হয়।

- ট্যাক্স হেভেনগুলো সাধারণত কম কর, তথ্য বিনিময়ের অভাব, স্বচ্ছতার অভাব এবং উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক কার্যকলাপের প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবের মাধ্যমে কাজ করে। 

• কার্য কৌশল: 
- ট্যাক্স হেভেনগুলো বিদেশি আয়ের উপর কম বা শূন্য কর আরোপ করে, এবং আর্থিক লেনদেনের গোপনীয়তা রক্ষা করে।
- উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যক্তি বা কোম্পানি তাদের সম্পদ বা লাভকে এই দেশগুলোতে স্থানান্তর করে কর এড়াতে পারে।
- এগুলোতে প্রায়ই শেল কোম্পানি বা ট্রাস্ট তৈরি করা হয়, যা মালিকানার তথ্য গোপন রাখে।

• প্রভাব:
- ট্যাক্স হেভেনগুলো বিশ্বব্যাপী কর অপব্যবহার সহজ করে, মানি লন্ডারিং বা জালিয়াতির সম্ভাবনা তৈরী করে। 
- অফশোর কোম্পানির সবচেয়ে খারাপ দিক হলো —  বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দরিদ্র দেশগুলোর প্রভাবশালীরা তথ্য গোপন করে এসব কোম্পানির মাধ্যমে উন্নত দেশে বৈধ ও অবৈধভাবে অর্থ পাঠিয়ে গোপন সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে।
- উদাহরণস্বরূপ,
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রকাশ্যে-গোপনে বিপুল পরিমাণ মূলধন স্থানান্তর হচ্ছে ইউএইতে। 
- বিশেষ করে এশিয়ায় আর্থিক খাতের অন্যতম বৃহৎ হাব হিসেবে পরিচিতি দুবাইয়ে পুঁজি পাচারের মাত্রা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের আলোচনায় এসেছে বারবার।

উল্লেখ্য,
- দুবাইয়ে পাচারকৃত অর্থের অন্যতম উৎস দেশ এখন বাংলাদেশ।
- সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের তথ্য বারবার সামনে এসেছে।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজের সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরির (ইইউট্যাক্স) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে আসে, বাংলাদেশে তথ্য গোপন করে দুবাইয়ে প্রপার্টি কিনেছেন ৪৫৯ বাংলাদেশী।

তথ্যসূত্র:
i) Unbiased. (Link)
ii) Kuvera. (Link)
iii) সমকাল। (Link)
iv) বনিক বার্তা। (Link)

১৩,৯৭৫.
সুন্দরবনকে ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ এর অংশ হিসাবে ঘোষণা করে কোন সংস্থা?
  1. UNICEF
  2. UNESCO
  3. WIFO
  4. WFPA
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনের ১,৩৯,৭০০ হেক্টর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এলাকাকে ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে।

- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
- একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা এবং ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- সমগ্র সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে স্থিত।
- সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বনভূমির মৃত্তিকা ও বাস্তুসংস্থান অনন্য এবং এ বনভূমিতে জোয়ারভাটার কারণে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার প্রভাব সুস্পষ্ট।
- ১৯৯৬ সালে - সুন্দরবনে তিনটি অভয়ারণ্য ও ২০১২ সালে তিনটি ডলফিন অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- এবং ২০১৪ সালে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বিধায় ১৯৯২ সালে সুন্দরবন ৫৬০তম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৯৭৬.
পল্টন ময়দানে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেছিলেন-
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. আ.স.ম. আব্দুর রব
  3. শাহজাহান সিরাজ
  4. নূরে আলম সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা

- ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ।
- ঐদিনই বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেন ডাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।

১৩,৯৭৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে, ২০২১ - ২২ অর্থবছরে, জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ৫২.০৭ %
  2. খ) ৩৬.০১ %
  3. গ) ৫১. ৯২ %
  4. ঘ) ৫১.৪৪ %
ব্যাখ্যা
সেবাখাত বাংলাদেশের অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে বড় খাত।
বর্তমানে ১৩টি খাত নিয়ে এই বৃহৎ সেবাখাত গঠিত।
জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান - ৫১.৪৪% এবং প্রবৃদ্ধির হার - ৫.৬১%। 
এতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৯.০%।

বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে ‘পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত' খাতটি সবচেয়ে বৃহৎ।
সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে জিডিপিতে এই খাতের অবদান সবেচেয়ে বেশি- ১৪.০৮%। এর প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৫৪%।
বৃহৎ সেবাখাতের অন্তর্গত সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত – ‘স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা' যার প্রবৃদ্ধির হার সেবাখাতের অন্তর্গত ১৩টি খাতের মধ্যে - সবচেয়ে বেশি - ৯.৯৪%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১৩,৯৭৮.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কতজন রাজসাক্ষী ছিলেন?
  1. ৭ জন
  2. ৯ জন
  3. ১১ জন
  4. ১৩ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামি করা হয়।
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৯৭৯.
শাপলা চত্বরের স্থপতি কে?
  1. ক) মৃণাল হক
  2. খ) মাসুদ আহমেদ
  3. গ) আবুল হোসেন
  4. ঘ) আজিজুল জলিল পাশা
ব্যাখ্যা

ঢাকার বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলের বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থিত 'শাপলা চত্ত্বর'- এর স্থপতি আজিজুল জলিল পাশা। বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এই শাপলা (জলপদ্ম প্রজাতির শালুক)। ভাস্কর্যটি একটি ঝরনা দ্বারা বেষ্টিত।
আজিজুল জলিল পাশার আরেকটি বিখ্যাত কীর্তি হচ্ছে - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে অবস্থিত - 'দোয়েল চত্বর'। এটি ১৯৭৪ সালে নির্মিত হয়েছিল।

১৩,৯৮০.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে সর্বাধিক ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি উপজাতির মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ৩১.৫ লক্ষ। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বাধিক ১৫ লক্ষ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৬ লক্ষ, ঢাকা বিভাগে ৩ লক্ষ, সিলেট বিভাগে ৩ লক্ষ, রংপুর বিভাগে ২ লক্ষ এবং বরিশাল ও খুলনা বিভাগে ২.৫ লক্ষ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১৩,৯৮১.
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) পুন্ড্রনগর
  2. খ) ময়নামতি
  3. গ) পাহাড়পুর
  4. ঘ) সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
• পুন্ড্রনগর: 
- পুন্ড্রনগর  বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র, এর প্রাচীনত্ব খ্রিস্টপূর্ব চার শতকের বলে ধরে নেওয়া হয়।
- এ নগরের সর্বপ্রথম উল্লেখ পাওয়া গেছে মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে এবং প্রত্নতাত্ত্বিক উৎখনের ফলে এ স্থানের প্রাচীনত্বের নিঃসন্দেহ প্রমাণ পাওয়া যায়।
- পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে বগুড়া জেলার মহাস্থান-এ আবিষ্কৃত ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে।
- সেন আমল পর্যন্ত না হলেও মৌর্য যুগ হতে পাল আমলের শেষ অবধি পুন্ড্রবর্ধন বিভাগের প্রশাসনিক সদর দফতর হিসেবে পুন্ড্রবর্ধনের অবস্থান অব্যাহত ছিল।

- গুপ্তযুগে বাংলায় এটি ছিল তাদের শাসনের কেন্দ্র এবং  পুন্ড্রবর্ধন ভুক্তির রাজধানী।
- করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত পুন্ড্রনগরের সঙ্গে জল ও স্থল পথে বাংলার অন্যান্য অংশের বেশ ঘনিষ্ঠ সংযোগ ছিল এবং সমগ্র প্রাচীন যুগে এটি ব্যবসায়-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে সমৃদ্ধ ছিল।
- মুসলিম যুগের প্রথম দিকেও বিখ্যাত দরবেশ শাহ সুলতান বলখী অথবা মাহীসওয়ার-এর বাসস্থান হিসেবে এ নগরের গুরুত্ব অব্যাহত ছিল।
- শাহ সুলতান বলখী প্রাচীন নগরের দক্ষিণ-পূর্বাংশে তাঁর খানকাহ নির্মাণ করেছিলেন।
- নগরটি তখন সম্ভবত প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থায় ছিল। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৯৮২.
বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল কে?
  1. ফরাসউদ্দিন আহমেদ
  2. আবদুল বাসেত মজুমদার
  3. খন্দকার মাহবুব আলম
  4. আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বর্তমান ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন। তিনি ৮ অক্টোবর ২০২০ অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা। তিনি পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি।
(তথ্যসূত্র: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট)
১৩,৯৮৩.
সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি' চরণটি কোন কবির রচনা?
  1. ক) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) জসীমউদ্দীন
  4. ঘ) মধুসূদন দত্ত
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা
তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা
ও সে স্বপ্ন দিয়ে তৈরি সে দেশ স্মৃতি দিয়ে ঘেরা
এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
ও সে সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি
সে যে আমার জন্মভূমি, সে যে আমার জন্মভূমি।
-দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বা ডি. এল. রায়

১৩,৯৮৪.
খাসিয়া উপজাতির পারিবারিক কাঠামো-
  1. মাতৃতান্ত্রিক
  2. পিতৃতান্ত্রিক
  3. ভ্রাতৃতান্ত্রিক
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা বসবাস করে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৯৮৫.
ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর কে ছিলেন? 
  1. খাজা নাজিমউদ্দীন
  2. ফিরোজ খান নুন
  3. নুরুল আমিন
  4. ইসমাইল ইব্রাহিম চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• ভাষা আন্দোলন:
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। 
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ১৪৪ ধারা অমান্য করে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে ছাত্ররা মিছিল করে।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।

১৩,৯৮৬.
মুক্তিযুদ্ধের এয়ার উইং প্রতিষ্ঠা লাভ করে ভারতের কোন রাজ্যে?
  1. মেঘালয়
  2. মিজোরাম
  3. নাগাল্যান্ড
  4. আসাম
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে বিমানবাহিনী:
- ২৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে মুক্তিযুদ্ধের এয়ার উইং প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 
- এয়ার উইংয়ের কাছে একটি ডিসি-৩ বিমান, একটি অটার বিমান এবং একটি অ্যালুয়েট হেলিকপ্টারের খুব কম মজুদ ছিল।
- তৎকালীন স্কোয়াড্রন লিডার সুলতান মাহমুদের দক্ষ নির্দেশনায় 'কিলো ফ্লাইট' নামে একটি উড়ন্ত ইউনিট গঠন করেছিলেন।
- ৯ জন বৈমানিক এবং ৫৭ জন বিমান ক্রূর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কিলো ফ্লাইট।
- বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে একটি হেলিকপ্টার, একটি যুদ্ধবিমান ও একটি পরিবহন বিমান ছিল।
- মুক্তিযুদ্ধে তারা প্রায় ৩৬টি অভিযান পরিচালনা করেন।
- বিমানবাহিনীর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি অভিযান হলো চট্টগ্রাম তেল শোধনাগার ও নারায়ণগঞ্জ তৈলাধার ধ্বংস ও কুশিয়ারা নদীতে শত্রু নৌযান ধ্বংস।

উৎস: বিমানবাহিনীর ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া। 

১৩,৯৮৭.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম গানটির প্রথম চরণ কী?
  1. আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
  2. এ জ্বলন্ত হিমায়িত হৃদয়
  3. চল চল চল, মুক্তির পথে
  4. ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম গানটির প্রথম চরণ- ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না।
---------------------------------------- 
•  ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম গান:
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত প্রথম গান হিসেবে পরিচিত “ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না”।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিবর্ষণ ও প্রথম শহীদ মিনার ধ্বংসের ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়ায় ভাষাসৈনিক আ ন ম গাজীউল হক এই গানটি রচনা করেন।
- পরের বছর, ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আরমানিটোলা ময়দানে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় গানটি সর্বপ্রথম পরিবেশিত হয়।

- এই গানের রচয়িতা গাজীউল হক নিজেই।
- গানটির প্রথম পংক্তি ছিল “ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না”।
- গানের সুরারোপ করেন তাঁর অনুজ নিজাম উল হক।
- ভাষা আন্দোলনের রক্তাক্ত প্রেক্ষাপট ও জাতীয় শোক-প্রতিবাদের আবেগ থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে জন্ম নেওয়া এই গানটি পরবর্তীকালে আন্দোলনের এক শক্তিশালী সাংস্কৃতিক প্রতীক হয়ে ওঠে।
--------------------
অন্যদিকে,
- “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক গান।
- এটি ১৯৫২ সালে সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী রচনা করেন।
- পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদের সুরে গানটি শহীদদের স্মরণে প্রভাতফেরিতে পরিবেশিত হয়। 
- গানটি এখন ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রভাতফেরির অপরিহার্য গানে পরিণত হয়েছে। 
- এটি বিবিসি বাংলার জরিপে অন্যতম সেরা গান হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৩,৯৮৮.
নিয়াজ মোরশেদ কত সালে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।

উৎস: i) কালের কন্ঠ।
ii) প্রথম আলো।
১৩,৯৮৯.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১১
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৩
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
• চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর,
• ঢাকা - ২ নং সেক্টর,
• রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর,
• মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর,
• সুন্দরবন - ৯ নং সেক্টর।
• নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)। ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৯৯০.
বাংলাদেশ সংবিধানের কততম তফসিল ’ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী’ সম্পর্কিত?
  1. ৫ম তফসিল
  2. ৪র্থ তফসিল
  3. ৭ম তফসিল
  4. ৬ষ্ঠ তফসিল
ব্যাখ্যা

সংবিধানে তফসিল: 
- সংবিধানের মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিলঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৩,৯৯১.
'অঘ্রাণী' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) ধান
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) বেগুন
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
• গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরভ। 
• ধানের উন্নত জাত:- ইরাটম , হীরা , মুক্তা, আশা , মালা , হরি , নারিকা-১।
• ভুট্টার উন্নত জাত:- বর্ণালি ও শুভ্রা ,উত্তরণ।
• বেগুনের উন্নত জাত:- শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১। 

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৩,৯৯২.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৪ অনুযায়ী, 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম কত চরণ জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃত?
  1. শেষের দশ চরণ
  2. প্রথম আট চরণ
  3. প্রথম দশ চরণ
  4. প্রথম চার চরণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

অনুচ্ছেদ - ০৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
 
১. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ।
২. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
৩. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
৪. উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৯৯৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী নারী সাক্ষরতার শতকরা হার কত?
  1. ৭০.৬৪%
  2. ৭১.৩৫%
  3. ৭২.৯৪%
  4. ৭৩.৭১%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা (৭৮.২৪%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন বিভাগ: ময়মনসিংহ (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা: পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা: জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১৩,৯৯৪.
৭ই মার্চ ভবন কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চ ভবন:
- ৭ই মার্চ ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- এই ভবন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে নির্মিত।
- এক হাজার শিক্ষার্থীর আবাসনে সক্ষম এই ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৮৮ কোটি টাকা।
- ভবনের রয়েছে পাঁচতলা প্রশাসনিক ব্লক, সার্ভিস ব্লক ও জাদুঘর।
- জাদুঘরে ৭ মার্চের ভাষণ, বাঙালিদের সশস্ত্র সংগ্রামের বিরল ছবি এবং স্বাধীনতাযুদ্ধে নারীদের অংশগ্রহণ ও অবদানসংক্রান্ত তথ্য রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘৭ মার্চ ভবন’ উদ্বোধন করেছেন।

উৎস: ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, প্রথম আলো।
১৩,৯৯৫.
সংশোধিত জাতীয় বাজেটে (২০২৫-২৬) জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য কত?
  1. ৪%
  2. ৫%
  3. ৬%
  4. ৭%
ব্যাখ্যা

সংশোধিত জাতীয় বাজেট (২০২৫-২৬):
- ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- এই বৈঠকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বাজেটটি ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
- চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমায় বাজেটের শেষ নাগাদ এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।

- সংশোধিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমিয়ে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমানোর জন্য উন্নয়ন ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে।
- সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা।
- এবং দেশীয় অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা।
- সংশোধিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এছাড়া সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৩ শতাংশ।
- এই ঘাটতির মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে ৬৩ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা 

১৩,৯৯৬.
শহীদ আসাদ কে ছিলেন?
  1. ভাষা আন্দোলন এর শহীদ
  2. শাসনতন্ত্র আন্দোলন এর শহীদ
  3. গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ
  4. মুক্তিযুদ্ধের এর শহীদ
ব্যাখ্যা
শহীদ আসাদ:
- শহীদ আসাদ (১৯৪২-১৯৬৯) উনিশশত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।

- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- আসাদ ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন গ্রুপ)-এর ঢাকা হল শাখার সভাপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান সংগঠক।
- আসাদের মৃত্যুতে ঊনসত্তরের গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৯৯৭.
বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিক বিহীন যে কোন সম্পত্তির মালিকানা গণপ্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হয় - এই সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ক) ১৪৩(১)(গ)
  2. খ) ১৪৩(১)(খ)
  3. গ) ১৪৩(১)(ক)
  4. ঘ) ১৪৩(২)
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে অবস্থিত প্রকৃত মালিক বিহীন যে কোন সম্পত্তির গণপ্রজাতন্ত্রের উপর ন্যস্ত হওয়া সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের ১৪৩(১)(গ) উল্লেখ আছে।
- ১৪৩(১)(ক) অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের যে কোন ভূমির অন্তঃস্থ সকল খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী।
- ১৪৩(১)(খ) অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় জলসীমার অন্তর্বর্তী মহাসাগরের অন্তঃস্থ কিংবা বাংলাদেশের মহীসোপানের উপরিস্থ মহাসাগরের অন্তঃস্থ সকল ভূমি, খনিজ ও অন্যান্য মূল্যসম্পন্ন সামগ্রী।
- ১৪৫ অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক চুক্তির কথা বলা হয়েছে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

১৩,৯৯৮.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ এর স্লোগান কী?
  1. উন্নয়নের অভিযাত্রায় দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা
  2. উন্নয়নের অভিযাত্রার পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশে
  3. উন্নয়নের অভিযাত্রার পথে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।
  4. উন্নয়নের রোল মডেলে স্মার্ট বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৩-২৪:
- ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম )।
- ঘোষণা দেয় - ১ জুন, ২০২৩,
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩,
- স্লোগান - উন্নয়নের অভিযাত্রায় দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।

- মাথাপিছু আয়: ২,৯৬১ মার্কিন ডলার।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৭৭,৫৮২ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেট (অনুন্নয়ন বাজেট): ৪,৩৬,২৪৭ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয়ের তুলনায় পরিচালন খরচ বেশি হলে এই ধরণের বাজেটকে ‘অনুন্নয়ন বাজেট’ নামে অভিহিত করা হয়।
- জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ মূলত একটি অনুন্নয়ন বাজেট।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
১৩,৯৯৯.
কত সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করে?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নির্বাচন কমিশনের অধীন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শতাধিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে।

⇒ ২০০৮ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করে।
- ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের মূল আইনে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কোনো বিধান না থাকলেও রাজনীতির প্রতি বিতশ্রদ্ধ ১/১১ সরকার ১৯৭২ সালের Representation of People Order (RPO) পরিবর্তন করে সংশোধন আকারে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের Representation of People (Amendment) Ordinance, 2008 নামক একটি আইন করে।
- এই আইনে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের একটি অতিরিক্ত অধ্যায় সংযোজন করা হয়।
- উক্ত অধ্যায়ে ৯টি ধারা (৯০এ থেকে ৯০আই) রয়েছে।
- ৯০এ অনুসারে নির্বাচনে অংশগ্রণেচ্ছু দলসমূহকে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হতে হবে।

⇒ ৯০বি(১)এ ধারার বিধি অনুসারে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন পেতে হলে:
(i) বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দরখাস্ত দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের যে কোনো একটিতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমপক্ষে একটি আসন লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(ii) উক্তরূপ নির্বাচনের যেকোন একটিতে দরখাস্তকারী দল কর্তৃক নির্বাচনে অংশগ্রহণকৃত আসনসমূহে প্রদত্ত মোট ভোট সংখ্যার ৫% ভোট লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(iii) কেন্দ্রীয় কমিটি ও অফিস, অফিসসহ কমপক্ষে ১০টি জেলা কমিটি এবং অফিসসহ কমপক্ষে ৫০টি উপজেলা/থানা কমিটি থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
- ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এটিএম শামছুল হুদার নির্বাচন কমিশন ভোটে অংশ নিতে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু করে।
- ওই বছরই প্রথম দফায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৪,০০০.
বঙ্গবন্ধু সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ক) জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন
  2. খ) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশন
  3. গ) ওআইসি সম্মেলন
  4. ঘ) কমনওয়েলথ সম্মেলন
ব্যাখ্যা
প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের ২-১০ আগস্ট কানাডার অটোয়ায় অনুষ্ঠিত ১৯তম কমনওয়েলথ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

সর্বশেষ আন্তর্জাতিক সম্মেলন হিসেবে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ২৯ এপ্রিল থেকে ৬ মে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র জ্যামাইকার কিংস্টনে ২০তম কমনওয়েলথ সরকার প্রধান সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু এই সম্মেলনে যোগ দিতে ২৬ এপ্রিল থেকে ৮ মে পর্যন্ত জ্যামাইকা সফর করেন যা ছিলো বঙ্গবন্ধুর সর্বশেষ কোন সম্মেলনে যোগদান ও বিদেশ সফর

এছাড়াও বঙ্গবন্ধু আরো তিনটি সম্মেলনে যোগ দেন।
এগুলো হলো:
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন, আলজিয়ার্স : ৫-৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩
- লাহোর ওআইসি সম্মেলন : ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশন, নিউইয়র্ক : ২৩ সেপ্টম্বর-৭ অক্টোবর ১৯৭৪।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় দৈনিক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)