বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪ / ৩০৬ · ১,৩০১১,৪০০ / ৩০,৮৩২

১,৩০১.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরকে কোথায় সমাহিত করা হয়?
  1. যশোর
  2. পঞ্চগড়
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে.
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- তিনি ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন।
- তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,৩০২.
নিচের কোন ফসলের একটি জনপ্রিয় জাত হলো ‘শাহী’?
  1. পেয়ারা
  2. পেঁপে
  3. তরমুজ
  4. কাঁঠাল
ব্যাখ্যা

» বিভিন্ন ফসলের জাত:
• পেয়ারার জাত: কাজীপেয়ারা, বারিপেয়ারা-২।
• পেঁপের জাত: শাহী।
• তরমুজের জাত: পদ্মা।
• কাঁঠাল:  রুদ্রাক্ষি, সিঙ্গাপুর, সিলোন, বারোমাসী, গোলাপগন্ধা, চম্পাগন্ধা, পদ্মরাজ, হাজারী প্রভৃতি।
- তন্মধ্যে শুধুমাত্র হাজারী কাঁঠাল বাংলাদেশে আছে, বাকীগুলো আছে ভারতে।

• শাহী পেঁপে
- আঞ্চলিক নাম: শাহী পেঁপে
- শাহী পেঁপে হলো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট দ্বারা অবমুক্ত একটি উচ্চ ফলনশীল একলিঙ্গী জাত।
- যার জীবনকাল ৪-৫ মাস। 
- গাছের উচ্চতা ১.৬-২.০ মি এবং কান্ডের খুব নিচ থেকে ফল ধরা শুরু হয়।
- ফলগুলো ডিম্বাকৃতির, ওজন ৮০০-১০০০ গ্রাম, প্রতি ফলের বীজের সংখ্যা ৫০০–৫৫০।
- শাসের পুরুত্ব ২ সে.মি., রং গাঢ় কমলা থেকে লাল, এবং ফল মিষ্টি (ব্রিক্সমান ১২%) ও সুস্বাদু।
- উৎপাদন সেচসহ প্রতি হেক্টরে ৪০-৬০ টন, তবে সেচ ছাড়া উৎপাদন নেই।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। (Link1) (Link2) (Link3)

১,৩০৩.
বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের নীতিমালা অনুমোদন করে -
  1. ক) ১১ জুন, ২০২৩
  2. খ) ১২ জুন, ২০২৩
  3. গ) ১৩ জুন, ২০২৩
  4. ঘ) ১৪ জুন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপন:
- দেশে ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এই ব্যাংকের কোনো শাখা, উপশাখা, এটিএম বুথ বা কোনো স্থাপনা থাকবে না।
- মুঠোফোন অথবা ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করেই গ্রাহকদের ব্যাংক সেবা দেওয়া হবে।
- এটি গঠনে প্রয়োজন হবে ১২৫ কোটি টাকা।
- পরিচালক হতে লাগবে কমপক্ষে ৫০ লাখ টাকা।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ ১৪ জুন, ২০২৩ তারিখে ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের নীতিমালা অনুমোদন করেছে।
- সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

উৎস: ১৪ জুন, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৩০৪.
When was the first mobile financial service in Bangladesh?
  1. ক) 2003
  2. খ) 2007
  3. গ) 2011
  4. ঘ) 2013
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং
- মোবাইল ব্যাংকিং হলো বাংলাদেশে একটি নতুন প্রযুক্তি যা ৩১শে মার্চ ২০১১ থেকে শুরু হয়েছে।
- মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার (MBS) এই ধারণাটি বাংলাদেশে ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড চালু করেছে।
- এর আগে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোবাইল আর্থিক পরিষেবাগুলি অনুমোদন করেছিল।
- সেগুলো হলো ইনওয়ার্ড ফরেন রেমিট্যান্স, এম-ওয়ালেট ব্যবহার করে ক্যাশ ইন/আউট, প্রাইভেট থেকে প্রাইভেট (P2P), ব্যবসায়িক থেকে প্রাইভেট (B2P), সরকারি থেকে প্রাইভেট (G2P) পেমেন্ট ইত্যাদি, এবং আরো অনেক সেবা। 
- ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এই শিল্পে প্রবেশকারী দ্বিতীয় ব্যাংক ছিল।
- তারপর অন্য সব ব্যাংক একই ধারণা নিয়ে খোলে।
- রকেট, DBBL এর মোবাইল ব্যাঙ্কিং সিস্টেমের পুনঃব্র্যান্ডেড সংস্করণ।
- এর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল উপযুক্ত ব্যাঙ্কিং পরিষেবাগুলির সাথে দেশের ব্যাঙ্কবিহীন জনগণের কাছে পৌঁছানো এবং সঞ্চয়ের প্রচার করা।

বাংলাদেশের কিছু মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদানকারীর তালিকা
- রকেট ডাচ বাংলা ব্যাংক লি.
- bkash by Brac Bank Ltd.
- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড দ্বারা mCash.
- মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড দ্বারা মাইক্যাশ।
- ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড দ্বারা ইউক্যাশ।


উৎস: Mobile Banking in Bangladesh | Business Haunt, businesshaunt.com.
(ওয়েব সূত্র: ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড)
১,৩০৫.
কোনটি সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) দুর্নীতি দমন কমিশন
  2. খ) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
  3. গ) জাতীয় তথ্য কমিশন
  4. ঘ) মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
ব্যাখ্যা
• সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:
- যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- বাংলাদেশে এ ধরণের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা সাংবিধানিক উপায়ে প্রতিষ্ঠিত। যথা:-
১। এটর্নি জেনারেল
২। নির্বাচন কমিশন
৩। মহাহিসাব নিরীক্ষক
৪। সরকারি কর্ম কমিশন

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৩০৬.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হলো-
  1. ১ বৈশাখ
  2. ৮ ফাল্গুন
  3. ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৩০৭.
২০২৪ সালে কোন সংস্থা স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করে?
  1. বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
  2. ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  4. কোন সংস্থা পুরস্কার লাভ করেনি
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে কোন সংস্থা স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেনি।

⇒ পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন:
১. কাজী আব্দুস সাত্তার: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ।
২. বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ।
৩. বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ।
৪. ড. মোবারক আহমদ খান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
৫. ডাঃ হরিশংকর দাশ: চিকিৎসাবিদ্যা।
৬. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান: সংস্কৃতি।
৭. ফিরোজা খাতুন: ক্রীড়া।
৮. অরন্য চিরান: সমাজসেবা/জনসেবা।
৯. বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী: সমাজসেবা/জনসেবা।
১০. এস.এম. আব্রাহাম লিংকন: সমাজসেবা/জনসেবা।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,৩০৮.
মসলিনের সুতা তৈরির প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধারে কাজ করছে নিম্নের কোন সংস্থা?
  1. ক) বিটিএমসি
  2. খ) বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড
  3. গ) বিকেএমইএ
  4. ঘ) বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড
ব্যাখ্যা
তাঁত সেক্টরের উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প/কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। 
ঐতিহ্যবাহী মসলিনের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ১২.১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বাংলাদেশের সোনালি ঐতিহ্য মসলিনের সুতা তৈরির প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার' শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। 
- প্রকল্পের আওতায় মসলিন প্রযুক্তি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে গবেষণা কার্যক্রম চলমান আছে। মসলিনের সুতা তৈরির তুলা অর্থাৎ ফুটি কার্পাস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। 
- গবেষণা কার্যক্রমের অন্যান্য বিষয়ের ইতিবাচক ফলাফল শীঘ্রই পাওয়া যাবে। 
- ইতোমধ্যে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের অনুকূলে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর কর্তৃক ‘ঢাকাই মসলিন'কে ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে নভেম্বর ২০২০ এর জার্নাল নং-০৯ এ প্রকাশ করা হয়েছে। 
- সম্প্রতি উল্লেখযোগ্য ও প্রশংসনীয় অবদানের জন্য স্বীকৃতিস্বরূপ প্রকল্পটিকে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ (প্রাতিষ্ঠানিক) ক্যটাগরিতে জনপ্রশাসন পদক-২০২১ প্রদান করা হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড ওয়েবসাইট
১,৩০৯.
'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' নামে পরিচিত ছিলেন কে?
  1. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
ব্যাখ্যা
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করলেও সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ও সোনারগাঁও-এর শাসক ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে পূর্ব বঙ্গে রাজ্য সম্প্রসারণ করেন।
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই- সিরাজ আফীফ ইলিয়াস শাহকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" এবং 'সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১০.
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো অর্থনীতিতে চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য থেকে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় বা অবচয় ব্যয় বাদ দিলে যা থাকে তাকে কী বলে?
  1. মোট জাতীয় আয়
  2. নিট জাতীয় আয়
  3. মোট দেশজ উৎপাদন
  4. নিট দেশজ উৎপাদন
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় আয় (Gross National Income: GNI):
- মোট জাতীয় আয় ও মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাণগতভাবে একই অর্থ প্রকাশ করে।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের নাগরিক কর্তৃক দাবিকৃত দেশীয় ও বৈদেশিক উৎস হতে সংগৃহীত মূল্য সংযোজনকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলা যায়।
- GNI মোট দেশজ উৎপাদন এবং বৈদেশিক উৎস হতে প্রাপ্ত প্রাথমিক আয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

নিট জাতীয় আয় (Net National Income বা NNI):
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো অর্থনীতিতে চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য (GNI) থেকে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় (Capital Consumption Allowance-CCA) বা অবচয় ব্যয় (Depreciation Cost) বাদ দিলে যা থাকে তাকে নিট জাতীয় আয় বলে।

মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product বা GDP):
- GDP জাতীয় আয় নির্ধারণ, সামষ্টিক বিশ্লেষণ ও উন্নয়ন নীতি নির্ধারণের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক। GDP ধারণাটি GNP ধারণার সাথে সমজাতীয় হলেও উভয়ের মধ্যে কিছুটা তাৎপর্যপূর্ণ পার্থক্য লক্ষ করা যায়।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারমূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয়-এর সমষ্টি (includes) থেকে দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ থেকে বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলা হয়।

নিট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product বা NDP):
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) হতে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় (CCA) বা অবচয় ব্যয় (DC) বাদ দেওয়ার পর যা পাওয়া যায়, তাকে নিট দেশজ উৎপাদন বলে।

উৎস: Macroeconomics, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১১.
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ বিরতি প্রস্তাবে ভেটো দানকারি দেশ হিসেবে নিচের কোনটি অধিক যুক্তিযুক্ত?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনলে সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন তিনবার ভেটো দেয়। এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করলে তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়। [সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা]
১,৩১২.
নিচের কোন দেশের সংবিধান অলিখিত সংবিধান?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. সুইডেন
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- রাষ্ট্র পরিচালনার হাতিয়ার হলো সংবিধান।
- লেখার ভিত্তিতে সংবিধান দুই ধরনের। 

লিখিত সংবিধান:
- লিখিত সংবিধান বলতে সেই সংবিধানকে বুঝায় যার ধারা বা নিয়মাবলী কোন দলিলে লিপিবদ্ধ করা থাকে।
- যেমন: বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেন, ডেনমার্ক প্রভৃতি দেশের সংবিধান লিখিত সংবিধান।

অলিখিত সংবিধান:
- অলিখিত সংবিধান বলতে সেই সংবিধানকে বুঝায় যার ধারা বা নিয়মাবলী কোন দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে না।
- যেমন: যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড, সৌদি আরব ও ইসরায়েল প্রভৃতি দেশের সংবিধান অলিখিত সংবিধান।

উৎস: World Atlas.
১,৩১৩.
অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) মাওলানা ভাসানী
  2. খ) কমরেড মনি সিং
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দিন আহমেদ

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)
১,৩১৪.
FBCCI কী?
  1. উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট
  2. বাংলাদেশের উন্নয়নে নিয়জিত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের জোট
  3. বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি ব্যবসায়ীদের জোট
  4. বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন
ব্যাখ্যা
এফবিসিসিআই:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
- এ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে
• এলায়েন্স (Alliance) হলো উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট।
• বিডিএফ (BDF) হলো বাংলাদেশের উন্নয়নে নিয়োজিত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের জোট।
• এফআইসিসিআই (FICCI) হলো বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি ব্যবসায়ীদের জোট।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৩১৫.
২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে ভারতের কোন বিষয় সংক্রান্ত বিরোধের অবসান হয়?
  1. ছিটমহল সংক্রান্ত
  2. সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত
  3. স্থল ভূমির সীমানা নির্ধারন
  4. বন্দী বিনিময় সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র জয়:
- সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০০৯ সালে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
- ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্র সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
- মিয়ানমারের সঙ্গে মামলার রায়ে আদালতে মোট বিতর্কিত অঞ্চলের (ডিসপিউটেড এরিয়া) মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশের সার্বভৌম অঞ্চল বলে রায় দেয়।
- আবার ভারতের সঙ্গে মোট ২৫ হাজার ৬০০ বর্গ কিলোমিটার বিতর্কিত অঞ্চলের (ডিসপিউটেড এরিয়া) মধ্যে, বাংলাদেশ প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার অর্জন করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩১৬.
ব্রিটিশ বিরোধী সন্ত্রাসী আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন না-
  1. ক) সূর্যসেন
  2. খ) ইলা মিত্র
  3. গ) প্রীতিলতা
  4. ঘ) কল্পনা দত্ত
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ বিরোধী সন্ত্রাসী আন্দোলনের দুঃসাহসী বিপ্লবী ছিলেন চট্টগ্রামের মাস্টারদা, যার আসল নাম সূর্যসেন (১৮৯৪-১৯৩৪)। ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে তাঁর নেতৃত্বে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠিত হয়। এই আন্দোলনে সূর্য সেনের বিপ্লবী বাহিনীতে নারী যোদ্ধাও ছিলেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কল্পনা দত্ত ও প্রীতিলতা। প্রীতিলতা তার যোগ্যতার জন্য চট্টগ্রাম ‘পাহাড়তলী ইউরোপিয়ান ক্লাব’ আক্রমণের নেতৃত্ব দেন। এই সশস্ত্র আন্দোলন চলে ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
১,৩১৭.
‘বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৩১ 
  2. খ) অনুচ্ছেদ ২৯
  3. গ) অনুচ্ছেদ ২৭
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ৩০
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৩০: বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন উপাধি, খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে পারবে না।
- অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা
- অনুচ্ছেদ ২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ৩১: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৩১৮.
‘অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা’ যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার কত নম্বর দফায় স্থান পায়?
  1. ২ নং
  2. ৯ নং
  3. ১১ নং
  4. ১৮ নং
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো 'নৌকা'।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

⇒ এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হলো:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা।
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা।
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা।
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩১৯.
ছয় দফার 'অর্থ ও মুদ্রা' সংক্রান্ত দফা কোনটি?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 
২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।
৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। 
৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।
৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 
৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা—সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩২০.
কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন?
  1. ক) ৪৮ (৩)
  2. খ) ৫৫ (৩)
  3. গ) ৫৬ (২)
  4. ঘ) ৫৬ (৩)
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা ও কার্যাবলি 

- বাংলাদেশ সরকারের সকল নির্বাহী কার্যক্রম রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হবে। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৪)]
- তিনি সরকারি কার্যাদি বণ্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ বা নিয়ম-কানুন প্রণয়ন করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৫(৬)]
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদেরকে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬ (২)]
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৫৬(৩)]
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কের্টের প্রধান বিচারপতি, কর্ম-কমিশনের সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনার, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল, - - মহা-হিসাবরক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং বিদেশে রাষ্ট্রদূতদেরকে নিয়োগ করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৯৫]
- সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে তিনি সামরিক কর্মকর্তাদেরকে নিয়োগ করবেন এবং প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ পরিচালনা করবেন। [অনুচ্ছেদ: ৬১]

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৩২১.
আসাদ গেট কোন স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত হয়?
  1. ক) ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  2. খ) ১৯৬৬ সালের ৬-দফা আন্দোলন
  3. গ) ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা

শহীদ আসাদ দিবস ২০ জানুয়ারি।
১৯৬৯ সালের এই দিনে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
পরবর্তীতে আসাদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ঢাকার মোহাম্মদপুরে 'আইয়ুব গেট' এর নাম পরিবর্তন করে 'আসাদ গেট' নামকরণ করা হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,৩২২.
শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হকের বক্তৃতায় বিশেষভাবে কোন সম্প্রদায় মুগ্ধ হয়ে তাকে ‘শের-ই-বঙ্গাল’ উপাধি দিয়েছিল?
  1. বাঙ্গালী 
  2. লক্ষ্ণৌবাসী
  3. পাঞ্জাববাসী
  4. পেশাওয়ারাবাসী
ব্যাখ্যা

⇒ শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক:
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন। তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে জয়লাভ করে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৩২৩.
গ্যাট চুক্তির অধীনে বাংলাদেশে রপ্তানী কোটা অবসান হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৩
  2. খ) ২০০৭
  3. গ) ২০০৫
  4. ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা
২০০৪ সালের শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয়ন দেশগুলো নির্দিষ্ট কোটার অধীনে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করতো। 
কিন্তু গ্যাট চুক্তির অধীনে ২০০৫ সাল থেকে উক্ত কোটা ব্যবস্থা অবসানের ফলে সাময়িকভাবে আমাদের পোশাক রপ্তানি কিছুটা হ্রাস পেলেও তা আবার বৃদ্ধি পায়।
 
উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৩২৪.
এডিবির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার কততম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. দ্বিতীয়
  2. পঞ্চম 
  3. অষ্টম 
  4. নবম 
ব্যাখ্যা

বৃহৎ অর্থনীতিতে বাংলাদেশ:
- এডিবির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় এবং এশিয়ার নবম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।
- এডিবির পরিসংখ্যান অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ায় এখন ভারতের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে বড়।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

⇒ এশিয়ার মধ্যে নবম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হলো বাংলাদেশ। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকারের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হয়েছে। বাংলাদেশের জিডিপির আকার এখন ৪৫০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৫০ কোটি ডলার।
- এটি ২০২৪ সালের হিসাবের ভিত্তিতে করা হয়।
- এডিবির পরিসংখ্যান অনুসারে, অর্থনীতির আকারের দিক থেকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে চীন, ভারত, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তাইপে, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন।
- এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ চীন।
- এপ্রিল, ২০২৫-এ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, যা ২০২৫ বেসিক স্ট্যাটিসটিকস নামে পরিচিত। ৪৬টি দেশের জিডিপির আকারের হিসাব দিয়েছে এডিবি।

উল্লেখ্য,
- একটি দেশের অভ্যন্তরে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে গিয়ে যে পরিমাণ অর্থের মূল্য সংযোজন করে, তা জিডিপি দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- কৃষি, শিল্প ও সেবা—এই তিন উপখাত দিয়ে জিডিপি গণনা করা হয়। তবে দেশের বাইরের আয়, যেমন প্রবাসী আয় জিডিপিতে যুক্ত হয় না। 

উৎস: প্রথম আলো।

১,৩২৫.
নিচের কোন নৃগোষ্ঠী ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই?
  1. ক) চাকমা ভাষা
  2. খ) সাঁওতালী ভাষা
  3. গ) মুন্ডা ভাষা
  4. ঘ) মণিপুরী ভাষা
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ভাষা সমূহের মধ্যে সাঁওতালী ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
দেবনাগিরি, বাংলা, রোমান, ইংরেজি প্রভৃতি হরফে সাঁওতালী ভাষা লেখা হয়।
অন্যদিকে, চাকমা, মুন্ডা এবং মণিপুরী ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৩২৬.
Recently, Dhaka Central Jail has been shifted to ______.
  1. Keraniganj
  2. Tangi
  3. Utttara
  4. Gazipur
ব্যাখ্যা
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার:
- ২৯ জুলা্‌ ২০১৬ সালে রাতন ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডস্থ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বন্দি ও স্টাফ নতুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরাণীগঞ্জে স্থানান্তর হয়।
- ১০ এপ্রিল, ২০১৬ সালে কেরাণীগঞ্জে নতুন কারাগার উদ্বোধন করা হয়।
- কেরাণীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মোট জমির পরিমান ১৯৪.৪১ একর।
- অনুমোদিত মোট জনবল: ৯৩৩ জন।
- বন্দীর মোট ধারণক্ষমতা: ৪৫৯০ জন।

তথ্যসূত্র - ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ওয়েবসাইট।
১,৩২৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, জিডিপিতে সর্বাধিক নিয়োজিত জনশক্তি রয়েছে কোন খাতে?
  1. কৃষিখাতে
  2. শিল্পখাতে
  3. সেবাখাতে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কৃষিখাত: 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.২০%,
- যা নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.৩৩%। 

• শিল্পখাত: 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.৫৬%,
- যা নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.০২%। 

• সেবাখাত: 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.২৪%,
- যা নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৬৫%।

সূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৩২৮.
EVM এর পূর্ণরূপ -
  1. Electronic Voting Machine
  2. Efficient Voting Machine
  3. Elastic Voting Machine
  4. Elemental Voting Machine
ব্যাখ্যা
EVM:
- EVM এর পূর্ণরূপ: Electronic Voting Machine বা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন।
- গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট প্রয়োগে মেশিন বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি অণুসৃত হয় বলে সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম নামে পরিচিত।
- এতে একটি মেশিনে প্রায় চার হাজারটি পর্যন্ত ভোট দেয়া যায়।
- সর্বোচ্চ ৬৪ জন প্রার্থীর তালিকা থাকে।
- বাটন চাপ দিয়ে অক্ষরজ্ঞানহীন ব্যক্তিও ভোট দিতে পারে।
- একটি ভোট দিতে আনুমানিক ১৪ সেকেন্ড সময় লাগে। 
- ভোট গ্রহণের স্থান হিসেবে ভোট কেন্দ্রেই মূলতঃ ইভিএম ব্যবহার করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- ইভিএম পদ্ধতি প্রথম চালু হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৬০ সালে। 
- পাইল্যাব বাংলাদেশ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইভিএম মেশিন তৈরি করে থাকে।
- ২০০৭ সালে ঢাকার অফিসার্স ক্লাবের কার্যকরী সংসদের নির্বাচনে এ পদ্ধতি প্রথম ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, যুগান্তর।
১,৩২৯.
১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র
  2. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার
  3. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প
  4. কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
- ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র-এ কে ফজলুল হক।
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার-আবু হোসেন সরকার।
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী-আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরি।
৪. সৈয়দ আজিজুল হক-শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প।
- পরবর্তীতে ১৫ মে,১৯৫৪ সালে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৪ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
১,৩৩০.
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও
  2. সাভার
  3. সেগুনবাগিচা
  4. শাহবাগ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র: 
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
- ক্যাডার ও নন-ক্যাডারভুক্ত সকল সরকারি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ১৯৮৪ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত।
- সরকারের একজন সচিব এর প্রধান কর্মকর্তা।
- তাঁর পদবী রেক্টর।

উৎস : বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) ওয়েব সাইট। 

১,৩৩১.
কোন মোগল সম্রাটকে শেরশাহ যুদ্ধে পরাজিত করে দিল্লির সিংহাসনে বসেন?
  1. ক) জাহাঙ্গীর 
  2. খ) আকবর
  3. গ) হুমায়ুন
  4. ঘ) বাবর
ব্যাখ্যা
• শেরশাহ:
- শেরশাহের জম্ম ১৪৭২ খ্রিস্টাব্দে।
- বাল্যকালে তার নাম ফরিদ। তাঁর পিতা হাসান খান শূর বিহারের অন্তর্গত সাসারামের জায়গীরদার ছিলেন।
- তিনি বিহারের শাসনকর্তা বাহারাম খানের অধীনে কর্মরত থাকাকালীন নিজগুণে তাঁর আস্থা অর্জনে সক্ষম হন। এ সময় একটি বাঘ হত্যা করে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিলে ফরিদ ‘শের খান’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- পরবর্তীকালে চৌসার যুদ্ধে সম্রাট হুমায়ুনকে পরাজিত করে ‘শেরশাহ’ উপাধি ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে বসেন তিনি। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৩২.
মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০০৪ সাল
  2. ২০০৬ সাল
  3. ২০০৮ সাল
  4. যৌথভাবে পুরস্কার পাননি
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।

⇒ ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- এর মধ্যে রয়েছে:
- স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।


উৎস: ইউনূস সেন্টার।
১,৩৩৩.
National Academy for Primary Education (NAPE) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. চট্টগ্রাম
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
• National Academy for Primary Education (NAPE):
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত। 
- ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ও
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)"
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা  শুরু করে।
- উক্ত কলেজগুলোতে ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব আর্টস ইন এডুকেশন (বিএ ইন এডুকেশন) কোর্স চালু হয়।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকাস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি সরকারী কবি নজরুল কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়।
- অন্য চারটি কলেজ অব এডুকেশন (চট্টগ্রাম, ফেণি, রংপুর ও যশোর) টিচার্স ট্রেনিং কলেজে উন্নীত হয়।
- এছাড়া ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
 - ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম  পরিচালনা করে।

সূত্র: নেপ ওয়েবসাইট।
১,৩৩৪.
বর্তমানে সরকার কতটি পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে?
  1. ক) ১১টি
  2. খ) ১৩টি
  3. গ) ১৭টি
  4. ঘ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
- ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা-২০১৩’ এর অধীনে বাংলাদেশ সরকার দেশে ১৭টি পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে।
এগুলো হলো:
- ধান
- চাল
- গম
- ভুট্টা
- সার
- চিনি
- মরিচ
- হলুদ
- পেঁয়াজ
- আদা
- রসুন
- ডাল
- ধনে
- আলু
- আটা
- ময়দা
- তুষ-খুদ-কুঁড়া।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৮৮ এবং প্রথম আলো)
১,৩৩৫.
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে কোন সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) তমদ্দুন মজলিস
  2. খ) ভাষা পরিষদ
  3. গ) মাতৃভাষা পরিষদ
  4. ঘ) আমরা বাঙালি
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১,৩৩৬.
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধানকে বলা হয় -
  1. মহাপরিচালক
  2. পরিচালক
  3. রেক্টর
  4. মহাসচিব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধানকে বলা হয়- রেক্টর।
• বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র :
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
- ক্যাডার ও নন-ক্যাডারভুক্ত সকল সরকারি কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ১৯৮৪ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত।
- সরকারের একজন সচিব এর প্রধান কর্মকর্তা।
- তাঁর পদবী রেক্টর।

উৎস: বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) ওয়েবসাইট।
১,৩৩৭.
শিক্ষকের কোন দিকে নজর দেয়া উচিত?
  1. সংবাদ দেয়া
  2. অনুসন্ধিৎসু মনের উন্নয়ন ঘটানো
  3. ছাত্রদের ব্যক্তিত্বের উন্নয়ন ঘটানো
  4. ছাত্রদের ক্লাস করতে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
শিক্ষক:

- শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত যোগ্যতা অর্জন করানোর জন্য কিংবা কার্যকর শিখনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো শিক্ষক।
- কিন্তু দেখা যায়, শিক্ষকের যথাযথ প্রস্তুতির অভাবে শিক্ষার্থীর উন্নয়ন পরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন হয় না।
- আবার প্রশিক্ষণ উপকরণ, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষকের মান ইত্যাদির ন্যূনতার কারণেও শিক্ষকের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ব্যাহত হয়।
- তাই একজন শিক্ষকের প্রয়োজনীয় বিষয়বস্তু ও কার্যকর শিখন শেখানো কৌশল সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকা অত্যাবশ্যক।
- শিক্ষকের উচিত ছাত্রের অনুসন্ধিৎসু মনের উন্নয়ন ঘটানো।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৩৮.
বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ?
  1. ৩৪তম
  2. ৩৫তম
  3. ৩৬তম
  4. ৩৭তম
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা বাংলাদেশ:
- ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি বিশ্বব্যাংকের মানদন্ড অনুযায়ী বাংলাদেশ নিম্ন- মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে।
- ২০২১ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুযায়ী স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের জন্য চূড়ান্ত স্বীকৃতি লাভ করেছে।
- ১৪ বছরে দেশে জিডিপি'র গড় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬.৭ শতাংশের বেশি।
- বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।
- যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান Centre for Economics and Business Research এর ডিসেম্বর, ২০২২ মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০৩৭ সালে বিশ্বের ২০তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে।
- বর্তমানে দেশে স্টার্টআপের সংখ্যা ২৫০০ এবং এ খাতে বিনিয়োগ এসেছে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার।
- বর্তমানে দেশে মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৮ কোটির অধিক।
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটি।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
১,৩৩৯.
ন্যায়পাল কীরূপ ক্ষমতার অধিকারী?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রীর ন্যায়
  2. খ) আইনমন্ত্রীর ন্যায়
  3. গ) সংসদ সদস্যের ন্যায়
  4. ঘ) সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের ন্যায়
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল

'ন্যায়পাল' শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Ombudsman'। এর অর্থ হলো প্রতিনিধি বা মুখপাত্র। অর্থাৎ, ন্যায়পাল অন্যের জন্য কথা বলবেন। ন্যায়পাল বা Ombudsman-এর পদ সর্বপ্রথম সৃষ্টি হয় ১৮০৯ সালে, সুইডেনে। ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল পদ প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়পালের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

সুইডিশ ভাষায় Ombudsman বা ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারি মুখপাত্র বা প্রতিনিধি বা সরকারি কর্মকর্তাকে বোঝায় যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন। 

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পাল হলো সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত কমিশনার বা কর্মকর্তা যিনি সরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্ত করেন। বছর শেষে ন্যায়পাল তার দায়িত্ব পালন সম্পর্কিত একটি বার্ষিক রিপোর্ট প্রদান করবেন এবং তা সংসদে উপস্থাপন করা হবে। ন্যায়পাল সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের ন্যায় ক্ষমতার অধিকারী।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৩৪০.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামী কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। 
- তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৩৪১.
ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৩৪২.
মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. চাকমা
  2. লুসাই
  3. মারমা
  4. খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৪৩.
বাংলাদেশ কত সালে LDC হতে উত্তরণ করবে?
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২৫ সালে
  3. ২০২৬ সালে
  4. ২০২৭ সালে
ব্যাখ্যা

LDC (Least Developed Countries):
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- তিনটি সূচককে মানদন্ড হিসেবে নিয়ে LDC কর্যক্রম পরিচালনা  করে থাকে। সেগুলো হলো:
১. আয় সূচক
২. মানব সম্পদ সূচক
৩. অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দুর্বলতা সূচক

- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৪টি দেশ রয়েছে।
- সপ্তম দেশ হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (LDC) তালিকা থেকে বের হয় - ভুটান(১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩)।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৩৪৪.
মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ২ নং সেক্টরে
  2. ৬ নং সেক্টরে
  3. ৮ নং সেক্টরে
  4. ১১ নং সেক্টরে
ব্যাখ্যা
• তারামন বিবি:
- বাংলাদেশের দুইজন বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি।
- তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন।
- তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন যার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু তাহের (বীর উত্তম)।
- মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
- মৃত্যুবরণ করেন - ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার।
১,৩৪৫.
বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা কে দেন?
  1. রাণি মেরী
  2. লর্ড হার্ডিঞ্জ 
  3. লর্ড কার্জন
  4. সম্রাট পঞ্চম জর্জ
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ রদ:
- ১৯১০ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের নতুন ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 
- তিনি বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা লক্ষ্য করে বঙ্গভঙ্গ রদের বিষয়ে গোপন তৎপরতা শুরু করেন।
- ব্রিটেনের সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের পক্ষে মত দেন।
- ১৯১১ সালে সম্রাট পঞ্চম জর্জ ও রাণি মেরী ভারত সফরে আসেন।
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে বঙ্গভঙ্গ রদের কথা ঘোষণা করেন।
- এবং পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে পুনরায় এক করেন।
- এই সফরে সম্রাট পঞ্চম জর্জ আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ফলে কার্জনের বাংলা বিভক্তির ব্যবস্থা বাতিল হয়।
- ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, প্রেসিডেন্সি ও বর্ধমানের পাঁচটি বাংলা ভাষাভাষী বিভাগ নিয়ে বাংলা প্রদেশ পুনর্গঠন করা হয়।
- ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারতের বড় লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ভাগ হবার পূর্বে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, মধ্যপ্রদেশ, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বাংলা প্রেসিডেন্সি। বঙ্গভঙ্গের এই পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল।
- বাংলা প্রেসিডেন্সির আয়তন অনেক বড় হওয়ার কারণে ১৮৫৩ থেকে ১৯০৩ সাল পর্যন্ত এর সীমানা পুনর্বিন্যাসের অনেক প্রস্তাব ব্রিটিশ সরকারি মহলে উপস্থাপন করা হয়।
- প্রকৃতপক্ষে ১৯০৩ সালে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯০৪ সালে ভারত সচিব এটি অনুমোদন করেন এবং ১৯০৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৩৪৬.
মৌলিক গণতন্ত্র কয় স্তরবিশিষ্ট ছিলো?
  1. তিন
  2. দুই
  3. চার
  4. পাঁচ
ব্যাখ্যা
• আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র:
- জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে ক্ষমতাকুক্ষিগত করার পর পাকিস্তানের শাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোরআমুল পরিবর্তন করার উদ্যোগ নেন।
- তিনি প্রচলিত গণতান্ত্রিক পদ্ধতি পরিত্যাগ করে এক অদ্ভুত ও নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন।
- তার এই নির্বাচনের মূলভিত্তি ছিল 'মৌলিক গণতন্ত্র'।
- মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে একধরনের সীমিত গণতন্ত্র,
- যাতে কেবল নির্দিষ্টসংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার ছিল।
- ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়।
- প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
১,৩৪৭.
নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয় কত তারিখ?
  1. ১ আগস্ট, ১৯৭১
  2. ৭ আগস্ট, ১৯৭১
  3. ১৪ আগস্ট, ১৯৭১
  4. ২৯ আগস্ট, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের পাশে এসে দাঁড়ানোর অসাধারণ একটি উদ্যোগের নাম 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছিল সেই ঐতিহাসিক কনসার্টটি।
- ম্যনহাটনের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে হওয়া সেই কনসার্টের অন্যতম দুই উদ্যোক্তা ছিলেন ইংল্যান্ডের সাড়া জাগানো ব্যান্ড দল দ্য বিটলস ব্যান্ডখ্যাত পশ্চিমা সঙ্গীতের অগ্রগণ্য শিল্পী জর্জ হ্যারিসন ও ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য অংশ সেই কনসার্টের ৫০ বছর পূর্তিতে নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছে একটি উৎসবের।
- ৩১ জুলাই শনিবার বিকালে জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে 'ফ্রেন্ডস অব ফ্রিডম' নামে একটি সংগঠন এই উৎসবের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৬ জুলাই ২০২১।
১,৩৪৮.
সংবধিানের কোথায় প্রশাসনের সর্বস্তরের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৭ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২০ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৬০ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধানে ১১ নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনের সর্বস্তরে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে,
“প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷”
অন্যদিকে,
- ৭ নং অনুচ্ছেদ : সংবিধানের প্রাধান্য
- ২০ নং অনুচ্ছেদ : অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
- ৬০ নং অনুচ্ছেদ : স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)

১,৩৪৯.
দেশের ৩৭তম নদীবন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে কোনটিকে?
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) নারায়ণগঞ্জ
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
৫ এপ্রিল ২০২২ গাজীপুরকে দেশের ৩৭তম নদীবন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 
এবং ১৩ এপ্রিল ২০২২ তা গ্যাজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
১,৩৫০.
Liberation Fighters প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতা কে?
  1. ক) আলমগীর কবির
  2. খ) জহির রায়হান
  3. গ) বাবুল চৌধুরী
  4. ঘ) তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা
Liberation Fighters হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র। এটির পরিচালক আলমগীর কবির। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই এটি নির্মিত হয়।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য প্রামাণ্যচিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide (জহির রায়হান)
- Innocent Millions (বাবুল চৌধুরী)
- A State Is Born (জহির রায়হান)
- মুক্তির গান (তারেক মাসুদ)
- Nine Months To Freedom (এস সুখদেব)
- ১৯৭১ (তানভীর মোকাম্মেল)
- স্মৃতি একাত্তর (তানভীর মোকাম্মেল)
- Deadline Bangladesh (গীতা মেহতা)।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১,৩৫১.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার কোথায় আত্মসমর্পণ করে?
  1. রমনা পার্কে
  2. পল্টন ময়দানে
  3. তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে
  4. ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
ব্যাখ্যা
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান:
• ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।  
• রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানের পক্ষে আত্মসমর্পণ করেন জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী।
• আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে ৯৩ হাজার সৈন্য উপস্থিত ছিলেন।
• যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
• আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার। 
• ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে ঢাকায় আগত কাদের সিদ্দিকীও ঐ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫২.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ‘প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা’ কথা উল্লেখ রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ১২১
  2. অনুচ্ছেদ- ১২৪
  3. অনুচ্ছেদ- ১২২
  4. অনুচ্ছেদ- ১৪১
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ- ১২১; প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাবে না।

নির্বাচন:
১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা;
১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব
১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ;
১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা;
১২২। ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা;
১২৩। নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়;
১২৪। নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা;
১২৫। নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা;
১২৬। নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৩৫৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক কতটি?
  1. ক) ৬০টি
  2. খ) ৫৭টি
  3. গ) ৫৯টি
  4. ঘ) ৫২টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক ৫৯টি এবং বাংলাদেশে ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৩৪টি।
নতুন তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদনঃ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বাংলাদেশ ব্যাংক এর ৪০২ তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় দেশের ৬০ তম তফসিলি ব্যাংক হিসেবে চুড়ান্তভাবে অনুমোদন পায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড। এর প্রধান উদ্যোক্তা হলেন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন। বর্তমানে দেশে ৬০টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণীজ্যিক ব্যাংক, ৩টি সরকারি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বাকি ৫১টি বেসরকারি ব্যাংক যার মধ্য়ে ৯টি বিদেশি মালিকানাধীন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
১,৩৫৪.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের কথা সংবিধানে উল্লেখ আছে –
  1. ৩ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৪ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৭খ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হলো উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

উল্লেখ্য,
- ১ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্র,
- ২ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক,
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ: জাতির পিতার প্রতিকৃতি,
- ৫ নং অনুচ্ছেদ: রাজধানী,
- ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব,
- ৭ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য,
- ৭ক নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ,
- ৭খ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৩৫৫.
কত সালে বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

শিশুশ্রম মুক্ত শিল্প খাত:
- ২০০৫ সালে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক এবং চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করা হয়। 

⇒ বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী, ১৪ বছরের নিচে কোনো শিশুকে কাজ করানো নিষিদ্ধ এবং ১৮ বছরের নিচে বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ নিষিদ্ধ। তবে এ আইন সব খাতে প্রযোজ্য নয়; যেমন, কৃষি খামার, গৃহকর্ম এবং ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো এ আইনের আওতার বাইরে। 
- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় (এসডিজি) শিশু শ্রমিকদের নিয়োগ ও ব্যবহার, শোষণ, পাচার এবং সব ধরনের সহিংসতা, নির্যাতন ও শিশুশ্রমের অবসান ঘটানোর কথা বলা হয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- ২০২১ সালে দেশে ৬টি শিল্পখাতকে শিশুশ্রম মুক্ত ঘোষণা করা হয়। খাতগুলো হচ্ছে- ট্যানারি শিল্প, গ্লাস, সিরামিক, জাহাজ পুন:প্রক্রিয়াজাতকরণ, রপ্তানিমুখী চামড়া শিল্প ও পাদুকা এবং রেশম শিল্প।

উৎস: i) সমকাল।
ii) প্রথম আলো।

১,৩৫৬.
‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাসে
  2. চট্টগ্রাম সেনানিবাসে
  3. কুমিল্লা সেনানিবাসে
  4. যশোর সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।
১,৩৫৭.
'অর্থবিল' সম্পর্কে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮০
  2. অনুচ্ছেদ ৮১
  3. অনুচ্ছেদ ৮৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯৩
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলচনা করা হয়েছে।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৮০: আইন প্রণয়ন পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮৭ : বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।
-  অনুচ্ছেদ  ৯৩ :  অধ্যাদেশপ্রণয়ন-ক্ষমতা।

সূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৩৫৮.
Which Bangladeshi scientist has won the Ramon Magsaysay Award 2021?
  1. Firdausi Qadri
  2. Janatul Firdusai
  3. Mahmudul Haque
  4. Jafar Iqbal
ব্যাখ্যা
র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২১:

- এশিয়ার নোবেল খ্যাত র‌্যামন ম্যাগসেসে ২০২১ পুরস্কার পেয়েছেন আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. ফেরদৌসী কাদরী।
- ড. ফেরদৌসী ১৯৮৮ সালে আইসিডিডিআর,বিতে যোগ দেন।
- 'সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, ইমিউনোলোজি, টিকার উন্নয়ন ও ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ওপর ড. ফেরদৌসীর অবদান আছে' উল্লেখ করে র‌্যামন ম্যাগসেসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আরও জানানো হয়েছে— নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, শিক্ষা ও চিকিৎসার কম সুযোগ-সুবিধার কারণে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোর প্রধান রোগ কলেরা ও টাইফয়েড। ড. ফেরদৌসী রোগ দুইটি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
- সাশ্রয়ী মূল্যে ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন (ওসিভি) ও প্রাপ্তবয়স্ক, শিশু এমনকি নয় মাস বয়সী শিশুদের জন্য টাইফয়েডের টিকা (ভিআইটিসিভি) তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
- ড. ফেরদৌসী ২০১৪ সালে ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস প্রতিষ্ঠা করেন।
- এখানে বায়োমেডিকেল গবেষণা, ট্রেনিং কোর্স ও টেস্টিং সেন্টার পরিচালনা করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের স্থানীয় ও ভিজিটিং বিজ্ঞানীদের কাজের একটি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার, ৩১ আগস্ট, ২০২১।
১,৩৫৯.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ৬৮ জন
  2. ৬৭ জন
  3. ১৭৪ জন
  4. ১৭৫ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে খেতাব:
- বীরত্বসূচক খেতাব বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ৪৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরত্বসূচক খেতাবের জন্য নির্বাচন করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ পূর্বের ৪৩ জনসহ মোট ৫৪৬ জন মুক্তিযোদ্ধা খেতাবের জন্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়। যথা:

• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii)  বাংলাপিডিয়া।
১,৩৬০.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন উৎপাদনের শীর্ষ জেলা কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. যশোর 
  2. ঝিনাইদহ 
  3. কুষ্টিয়া 
  4. মেহেরপুর
ব্যাখ্যা

ড্রাগন ফল উৎপাদন:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন উৎপাদনের শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ৩২ হাজার ৭৬৮ মেট্রিক টন ড্রাগন। 

• উৎপাদনের ২য় স্থানে রয়েছে যশোর। ২০২৪-২৫  অর্থবছরে উৎপাদন হয় ১২ হাজার ৫৫৩ মেট্রিক টন ড্রাগন। আর তৃতীয় শীর্ষ জেলা রাজশাহীতে উৎপাদন হয় ৪ হাজার ৪৭৭ মেট্রিক টন ড্রাগন।

⇒ ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এই ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। এই গাছের কোন পাতা নেই। ড্রাগন ফলের গাছ সাধারনত ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সিটিউট (বারি) কতৃক উদ্ভাবিত ড্রগন ফলের নতুন জাতটি হলো বারি ড্রাগন ফল-১ যা দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়াতে জনপ্রিয় ফল। এ ফলের আকার বড়, পাকলে খোসার রং লাল হয়ে যায় ,শাঁস গাঢ় গোলাপী রঙের, লাল ও সাদা এবং রসালো প্রকৃতির । ফলের বীজগুলো ছোট ছোট কালো ও নরম । একটি ফলের ওজন ১৫০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কৃষি বাতায়ন। 

১,৩৬১.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর কোনটি?
  1. বুড়িমারী স্থলবন্দর
  2. ভোমরা স্থলবন্দর
  3. বেনাপোল স্থলবন্দর
  4. সোনাহাট স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা

• বেনাপোল স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থলবন্দর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

⇒ কয়েকটি স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১,৩৬২.
নিচের কোনটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য?
  1. দলীয় সংগঠনবিহীন
  2. দলীয় কর্মসূচিবিহীন
  3. নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা রাজনৈতিক দলের তুলনায় সাধারণত কম হয় এবং অভিন্ন স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে গোষ্ঠীর সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ থাকে।
- সাংগঠনিক দিক থেকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক দল অপেক্ষা দুর্বল।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সরকারি সিদ্ধান্তকে নিজেদের স্বার্থের অনুকূলে প্রভাবিত করাই হল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রধান উদ্দেশ্য।

চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
• দলীয় সংগঠনবিহীন,
• দলীয় কর্মসূচিবিহীন,
• নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া,
• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা,
• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়,
• সমজাতীয় মনোভাব,
• বেসরকারি সংগঠন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৬৩.
বাংলায় হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কোন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. শান্তি চুক্তি
  2. লাহোর চুক্তি
  3. বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি
  4. বসু-সোহরাওয়ার্দী চুক্তি
ব্যাখ্যা
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের উদ্যোগে ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে একটি চুক্তি হয়। এ চুক্তিই বেঙ্গল প্যাক্ট বা বাংলা চুক্তি নামে পরিচিত।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৬৪.
বাংলাদেশে White gold কোনটি?
  1. ইলিশ
  2. পাট
  3. রূপা
  4. চিংড়ি
ব্যাখ্যা
White gold:
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,৩৬৫.
বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর কোথায় নির্মিত হবে?
  1. খুলনা
  2. কক্সবাজার
  3. চট্রগ্রাম
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর:
- বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি ধলঘাট এলাকায়।
- বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে ১ হাজার ৩১ একর জায়গার নির্মাণ করা হচ্ছে এই বন্দরটি।
- মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প ২০২০ সালের ১০ মার্চ একনেক সভায় অনুমোদন দেয়া হয়।
- ১১ নভেম্বর, ২০২৩ মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল উদ্বোধন ও প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
- এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় সড়ক নির্মাণ করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটির ব্যয় ২৪ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা নির্ধারণ করে। 
- এ প্রকল্পে অর্থায়ন করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।
- মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ হলে ৮ হাজার ২০০ টিইইউএস ক্ষমতাসম্পন্ন কন্টেনার বহনকারী জাহাজ নোঙ্গর করতে পারবে।
- ২০২৯ সালের মধ্যেই বন্দরটি চালু হতে পারে। 

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৩৬৬.
বাংলাদেশের ইপিজেডগুলোতে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ আসে?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
ইপিজেডে বিদেশি বিনিয়োগ:
- বাংলাদেশের ইপিজেডগুলোতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ আসে চীন থেকে।
- এ পর্যন্ত বেপজার ইপিজেডগুলোতে ৩৮টি দেশ থেকে বিনিয়োগ এসেছে।
- সবচেয়ে বেশি এসেছে চীন থেকে। চীনের মোট ১০৮টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে ইপিজেডে।
- এরপর বিনিয়োগ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ৬১টি, জাপানের ২৯টি, ভারতের ১৯টি, যুক্তরাজ্যের ১৯টি, যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি ও শ্রীলঙ্কার ৭টি প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য,
- বেপজার অধীনে বর্তমানে ৮টি ইপিজেড ও বেপজার অর্থনৈতিক অঞ্চলে মোট ৪৪৯ শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে।
- এর বাইরে পটুয়াখালী ও যশোরে দুটি ইপিজেড স্থাপনের কাজ চলছে। আর গাইবান্ধায় একটি ইপিজেড স্থাপনের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ২৯ শতাংশই এসেছে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) থেকে।
- গত অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ১৪৬ কোটি ৮২ লাখ ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, যার মধ্যে ৪২ কোটি ৪৩ লাখ ডলার ইপিজেডগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
- বেপজা রপ্তানি করেছে ৭০৭ কোটি ডলারের পণ্য, এবং ২০২৪ সালে ২৮টি নতুন বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো
১,৩৬৭.
প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা কে?
  1. ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী
  2. অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী
  3. ড. মসিউর রহমান
  4. সালমান ফজলুর রহমান
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাগণের নাম ও দায়িত্ব
ড. মসিউর রহমান - অর্থনৈতিক উপদেষ্টা।
ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী -  বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা।
অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী - আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা। 
সালমান ফজলুর রহমান - বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা। 
ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী - শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা। 
সজীব আহমেদ ওয়াজেদ-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা। 
মেজর জেনারেল (অবঃ) তারিক আহমেদ সিদ্দিক - নিরাপত্তা উপদেষ্টা। 

সূত্র- প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
১,৩৬৮.
‘মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী সিডিএ ফ্লাইওভার’ কত তারিখে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  2. ১৪ নভেম্বর ২০২৩
  3. ১৫ নভেম্বর ২০২৩
  4. ১৬ নভেম্বর ২০২৩
ব্যাখ্যা
মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী সিডিএ ফ্লাইওভার:
- চট্টগ্রাম নগরের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নাম 'মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী সিডিএ ফ্লাইওভার'।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে গণভবন থেকে বন্দরনগরীর প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন।
- এক্সপ্রেসওয়েটি ৪ হাজার ২৯৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত।
- এই এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য ১৫.২০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৬.৫০ মিটার।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু টানেলের সঙ্গে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হওয়ার মাধ্যমে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে চট্টগ্রাম শহরের নতুন সড়ক নেটওয়ার্ক সৃষ্টি হবে। 
- এর মাধ্যমে চট্টগ্রাম শহর থেকে যাত্রীরা মাত্র ২০ মিনিটে বিমানবন্দরে যাতায়াত করতে পারবে।
- এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারের সংযোগের ফলে উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হওয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামের যানজট সমস্যা নিরসন হবে।

উৎস: ১৪ নভেম্বর ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
১,৩৬৯.
নিচের কোনটি বিশেষায়িত ব্যাংক?
  1. ক) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. গ) আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
অন্যদিকে,
বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড হলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড এবং আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,৩৭০.
২০২২ সালে 'ভাষা আন্দোলন' বিভাগে একুশে পদক লাভ করেন কে?
  1. ক) খালেদ মাহমুদ খান
  2. খ) মোস্তফা এম. এ. মতিন
  3. গ) অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান
  4. ঘ) কিউ. এ. বি. এম রহমান
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২২:
জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে একুশে পদক প্রবর্তন করা হয়।
একুশে পদক প্রবর্তন করা হয় ১৯৭৬ সাল থেকে।
একুশে পদকের প্রদেয় পুরষ্কার এককালীন নগদ ৪ লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র।
২০২২ সালে একুশে পদক লাভ করেন ২৪ জন ব্যক্তি।
এ বছরের একুশে পদক ঘোষণা করা হয় - ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
একুশে পদক দেয়া হয় ১১ টি বিভাগে।

ভাষা আন্দোলনে একুশে পদক লাভ করেন ২ জন ব্যক্তিত্ত্ব। যথা:
- মোস্তফা এম. এ. মতিন (মরণোত্তর)
- মির্জা তোফাজ্জল হোসেন (মুকুল) (মরণোত্তর)

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
১,৩৭১.
৬-দফা দাবি কে উত্থাপন করেন -
  1. এ কে ফজলুল হক
  2. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. মওলানা ভাসানী
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা: 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনাকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা রুহুল কুদ্দুস।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

উল্লেখ্য,
- প্রতিবছর ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা পালিত হয়।
- ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন আওয়ামী লীগের ডাকে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় হরতাল চলাকালে পুলিশ ও ইপিআর নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়।
- এতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, মুজিবুল হকসহ অনেকে শহীদ হন। 

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii)  ৭ জুন ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৩৭২.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের কয়টি মন্ত্রণালয় ছিল?
  1. ১২টি
  2. ১৩টি
  3. ১৪টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- এই সরকার প্রবাসী সরকার নামে পরিচিত ছিল।
- এই সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।

⇒ সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ৯ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের এই অস্থায়ী সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয়।
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।

উল্লেখ্য,
- শুধু মন্ত্রণালয় বললে ১২টি কিন্তু বিভাগ ও মন্ত্রণালয় বললে ১৫টি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৭৩.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে মোট কয়জনকে বীরবিক্রম উপাধি দেয়া হয়?
  1. ১৭৪ জন
  2. ১৭৫ জন
  3. ১৭৬ জন
  4. ১৭৭ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১,৩৭৪.
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে কে অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়ায় আরোহণ করেন?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. মুসা ইব্রাহিম
  3. বাবর আলী
  4. ইকরামুল ইসলাম শাকিল
ব্যাখ্যা

- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে  অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়ায় আরোহণ করেন বাবর আলী।

• অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী: 

- হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত অন্নপূর্ণা-১ বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- এর উচ্চতা ৮০৯১ মিটার।
- পর্বতারোহীদের মৃত্যুর হার বিবেচনায় বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে অন্নপূর্ণা-১ পর্বত জয় করেছেন বাবর আলী।
- পর্বতারোহী বাবর আলী পেশায় চিকিৎসক।
- তিনি চট্টগ্রামভিত্তিক পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক।
- ১৯ মে, ২০২৪ তারিখে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।
- গত বছর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একই অভিযানে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্ট এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ উচ্চতার লোৎসে পর্বত জয় করেন।

উল্লেখ্য,
-  এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

১,৩৭৫.
‘যুক্তফ্রন্ট’ কখন গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৫২ সালে
  2. খ) ১৯৫৩ সালে
  3. গ) ১৯৫৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
• ‘যুক্তফ্রন্ট’:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
 
• দলগুলো ছিল:
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক-শ্রমিক পার্টি
- মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন নেজাম-ই-ইসলামী এবং
- হাজী দানেশের বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।

- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- ২১ দফার প্রথম দফা ছিল - বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি। 
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৭৬.
‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয় -
  1. ক) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালকে
  2. খ) ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টকে
  3. গ) সুপ্রিমকোর্টকে
  4. ঘ) জজ কোর্টকে
ব্যাখ্যা
‘কোর্ট অব রেকর্ড’:
- সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশের সুপ্রিমকোর্ট একটি কোর্ট অব রেকর্ড বা লেখ্য আদালত।
- অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের যাবতীয় কর্ম ও বৈচারিক কার্যধারা স্থায়ীভাবে নথিবদ্ধ ও রক্ষিত হয়।
- আদালত অবমাননার জন্যে এই আদালত শাস্তি প্রদান করতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৩৭৭.
ইখতিয়ার উদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি বাংলার কোন স্থানে প্রথম মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) নদীয়া
  2. খ) মুর্শিদাবাদ
  3. গ) মেদিনীপুর
  4. ঘ) বাকুড়া
ব্যাখ্যা
বখতিয়ার খলজি:

- ইখতিয়ার উদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি তের শতকের প্রথম দিকে বাংলাদেশের একাংশে (প্রধানত নদীয়ায়) মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ইসলাম ধর্মের মোড়কে বাংলায় মুসলিম সভ্যতার আগমন এ দেশের ঐতিহ্যবাহী সমাজ, সংস্কৃতি তথা সামগ্রিক জীবনধারায় গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশীরের (দস্ত-ই- মার্গ) অধিবাসী ছিলেন।
- প্রথমে তিনি গজনিতে উপস্থিত হয়ে শিহাবউদ্দীন ঘুরীর অধীনে সৈন্য বিভাগে চাকুরি প্রার্থী হন কিন্তু সেখানে বিফল হয়ে তিনি দিল্লিতে চলে যান এবং সেখানকার শাসনকর্তা কুতবউদ্দীন আইবেকের কাছে চাকুরি প্রার্থী হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৭৮.
দোয়েল চত্বর-এর স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুন্ডু
  2. মোস্তফা মনোয়ার
  3. মৃণাল হক
  4. আজিজুল জলিল পাশা
ব্যাখ্যা
দোয়েল চত্বর:
- দোয়েল চত্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার ভিতরে কার্জন হলের সামনে অবস্থিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে দোয়েল চত্বর।
- এটি বাংলাদেশের জাতীয় বৈশিষ্ট্যের ধারক ও বাহক যা দেশের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করে।
- দোয়েল চত্বরের স্থপতি হলেন আজিজুল জলিল পাশা।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৩৭৯.
অষ্টম শতাব্দীতে নির্মিত শালবন বিহার কোথায়?
  1. ক) পাহাড়পুরে
  2. খ) ময়নামতিতে
  3. গ) নাটোরে
  4. ঘ) রাঙ্গামাটিতে
ব্যাখ্যা
- ময়নামতির প্রাচীন নাম ছিলাে রােহিতগিরি যা দেব রাজাদের রাজধানী ছিলাে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ এই স্থানটি বর্তমানে কুমিল্লার ময়নামতির বলে ধারণা করেন।
- বাংলাদেশে অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কুমিল্লার শালবন বিহার যা দেব সাম্রাজ্যের কীর্তি। এটি দেববংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব খ্রিস্টীয় আট শতকে নির্মাণ করেন। সুতরাং, এর আসল নাম ''ভবদেব মহাবিহার''।
- বিহারে মােট ১১৫টি ভিক্ষুকক্ষ ও মধ্যভাগে প্রধান মন্দির সহ অনেকগুলাে মন্দির রয়েছে।

উৎসঃ শালবন বিহারের নাম-ফলক ও বড় কামতা ইউনিয়ন ওয়েবসাইট
১,৩৮০.
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস দেশ কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

• প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস দেশ:
- বর্তমানে প্রবাসী আয়ের শীর্ষ উৎস হয়ে উঠেছে সৌদি আরব।
- সৌদি আরবের পেছনে রয়েছে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও মালয়েশিয়া। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই-নভেম্বর, ২০২৫ সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ১৫৮ কোটি, মালয়েশিয়া থেকে ১৪৩ কোটি এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১০৩ কোটি ডলার এসেছে। উল্লেখ্য, সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি কাজ করেন সৌদি আরবে।

উৎস: প্রথম আলো

১,৩৮১.
রাজনৈতিক দলের দলীয় কর্মীদের দ্বারা সম্পাদিত কাজ কোনটি?
  1. ভোট গ্রহণ
  2. আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ
  3. প্রার্থী মনোনয়ন
  4. ভোট গণনা
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দলের নির্বাচনসংক্রান্ত কাজ:
- আধুনিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা তথা গণতান্ত্রিক অথবা একনায়কতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থায় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- একনায়কতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থার চেয়ে গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থায় নির্বাচনের গুরুত্ব অধিকতর।
- এ সকল নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি, প্রার্থী মনোনয়ন, নির্বাচনে দলীয় কর্মসূচি প্রণয়ন, নির্বাচনি প্রচার ও ভোট সংগ্রহ দলের এবং দলীয় কর্মীদের দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে

অন্যদিকে,
- ভোট গণনা, ভোট গ্রহণ ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের কাজ নির্বাচন কমিশন নির্বাচনকালীন সকারের সহায়তায় করে থাকে।

• রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দল হচ্ছে একটি দেশের জনগোষ্ঠীর সেই অংশ যারা একটি আদর্শ বা কিছু নীতি বা কর্মসূচির ভিত্তিতে সংগঠিত হয়।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ক্ষমতায় গিয়ে দলের নীতি ও আদর্শ অনুযায়ী দেশ পরিচালনা এবং নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা।

• রাজনৈতিক দলের ভূমিকা:
- নেতৃত্ব তৈরি করা। 
- সরকার গঠন করা। 
- জনমত গঠন করা। 
- জনগণকে রাজনৈতিক শিক্ষাদান।
- সরকারের গঠনমূলক বিরোধিতা করা।
- সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস:পৌরনীতি ও নাগরিকতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
১,৩৮২.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার? 
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৪
ব্যাখ্যা
সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন — ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় — ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ — ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে — ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন — ৮ বর্গ কিলোমিটার।

- পরীক্ষায় যদি — ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
১,৩৮৩.
বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ ক্রয়ের  চুক্তি সাক্ষর করেছে?
  1. তুরস্ক
  2. চীন
  3. ফ্রান্স
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ইতালির সাথে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ‘ইউরোফাইটার টাইফুন’ ক্রয়ের  চুক্তি সাক্ষর করেছে।

ইউরোফাইটার টাইফুন:
- অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান 'ইউরোফাইটার টাইফুন' কেনার জন্য ইতালির লিওনার্দো এসপিএ কোম্পানির সঙ্গে একটি 'লেটার অফ ইনটেন্ট' বা প্রাথমিক সম্মতিপত্র সই করেছে বাংলাদেশ।
- বিমান বাহিনীকে আধুনিক ও শক্তিশালী করার পথে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।

⇒ ইউরোফাইটার টাইফুন টুইন-ইঞ্জিন, ক্যানার্ড-ডেল্টা উইং, মাল্টিরোল ফাইটার।
- এটি পুরোপুরি সুইং-রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট।
- ইউরোফাইটার টাইফুন একইসঙ্গে এয়ার-টু-এয়ার এবং এয়ার-টু-সারফেস সক্ষমতা প্রদান করে এবং একযোগে ব্যবহারযোগ্য।
- এটি স্থলভাগে আঘাত হানতেও সমানভাবে সক্ষম। গাইডেড বোমা, প্রিসিশন স্ট্রাইক অস্ত্র এবং রিয়েল-টাইম ব্যাটেলফিল্ড ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, সব মিলিয়ে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এটি ভয়ংকর।
- বিশ্বের ৯টি দেশের বিমান বাহিনীর কাছে এই যুদ্ধবিমান আছে। দেশগুলো হলো যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, স্পেন, অস্ট্রিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, ওমান ও কাতার।

⇒ ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ঢাকার বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে এই চুক্তি সই হয়।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রোও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য,
- 'ওয়ারপাওয়ারবাংলাদেশ ডট কম'-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর হাতে ২১২টি আকাশযান রয়েছে। এর মধ্যে ৪৪টি যুদ্ধবিমান।

উৎস: i) BBC.
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

১,৩৮৪.
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের একক বড় বাজার- [আগস্ট, ২০২৫]
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. রাশিয়া
  4. চীন
ব্যাখ্যা
রপ্তানী বাজার: 
- বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের একক বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, সদ্য বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৮৭৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।
- মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- উল্লেখ্য, এই বাজারে রপ্তানি হওয়া বাংলাদেশি পণ্যের ৮৭শতাংশই তৈরি পোশাক।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
১,৩৮৫.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির স্কিম কোনটি?
  1. দেশী স্কিম
  2. সুগতি স্কিম
  3. অগ্রগতি স্কিম
  4. সমতা স্কিম
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন পেনশন:
- দেশের মানুষের জন্য সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনা।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে।
• প্রবাস স্কিম,
• প্রগতি স্কিম,
• সুরক্ষা ও
• সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক এতে অংশ নিতে পারবেন।
- অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা নিজ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেল, তাঁতিরা এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
- দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা (যাদের বর্তমান আয়সীমা বছরে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
-  সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।

তথ্যসূত্র – ডেইলী স্টার।
১,৩৮৬.
চাকমা মৌজা প্রধান হলেন- 
  1. আদাম
  2. কার্বারী
  3. হেডম্যান
  4. মেম্বার 
ব্যাখ্যা

- মৌজা প্রধান হলেন 'হেডম্যান'।

চাকমা জাতিসত্তা: 

- পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোর মধ্যে চাকমারা জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম। 
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলাতে তাদের বসবাস রয়েছে।
- এছাড়া চাকরিসূত্রে চাকমারা ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বসবাস করছে। 
- আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের মিজোরাম, ত্রিপুরা, আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ও দিল্লীসহ বিভিন্ন রাজ্যে অনেক চাকমা বসবাস করে।
- খাগড়াছড়ি জেলার কিছু অংশ এবং রাঙ্গামাটি জেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে চাকমা সার্কেল যার প্রধান হলেন চাকমা চীফ বা চাকমা রাজা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের আরও দুটি সার্কেলের মতো চাকমা সার্কেলও অনেক মৌজা নিয়ে গঠিত। 
- চাকমা ভাষায় গ্রামকে আদাম বা পাড়া বলা হয়। 
- গ্রাম প্রধানের উপাধি হলো 'কার্বারী'। 
- কয়েকটি 'আদাম' বা গ্রাম নিয়ে গঠিত হয় এক-একটি মৌজা।
- মৌজা প্রধান হলেন 'হেডম্যান'।
- যার নেতৃত্বে মৌজার অধিবাসীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খাজনা আদায়, বিভিন্ন সামাজিক বিরোধের বিচারসহ এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম এবং জনগণের ভালমন্দ দেখভালের কাজগুলো পরিচালিত হয়। 

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০১৮ বোর্ড বই।

১,৩৮৭.
Bangladesh signed the United Nations Deep Sea Agreement on -
  1. 19 September, 2023
  2. 20 September, 2023
  3. 21 September, 2023
  4. 22 September, 2023
ব্যাখ্যা
গভীর সমুদ্র চুক্তি:
- জাতিসংঘ ‘গভীর সমুদ্র চুক্তি’ সই করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি অব এরিয়াস বিয়ন্ড ন্যাশনাল জুরিসডিকশন’ (বিবিএনজে) শীর্ষক এ সন্ধিপত্রে সই করেন তিনি।
- চুক্তিতে অতিরিক্ত মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এতে জেনেটিক সম্পদের ব্যবস্থাপনা এবং সংরক্ষণকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং উল্লেখ করা হয়েছে যে এগুলো মানবজাতির ‘কমন হেরিটেজ’-এর অংশ।
- চুক্তিটি গভীর সমুদ্রে দূষণ প্রতিরোধ, হ্রাস এবং নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১,৩৮৮.
স্বাধীনতা লগ্নে বাংলাদেশের জেলা ছিল কয়টি?
  1. ক) ১৯
  2. খ) ২১
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৬৪
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় পূর্ব বাংলা ভূখন্ডে মোট ১৭টি জেলা ছিলো।
- দেশ ভাগের পূর্বে পূর্ব বাংলা অংশে ১৫ টি জেলা ছিল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় নদীয়া জেলা থেকে বৃহত্তর কুষ্টিয়াকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে জেলার সংখ্যা হয় ১৬ টি।
- পরবর্তীতে গণভোটের মাধ্যমে বৃহত্তর সিলেট পাকিস্তানে যোগদান করলে জেলা হয় ১৭ টি।

- পাকিস্তান শাসনাধীন সময়ে ১৯৬৯ সালে ঢাকা জেলা থেকে টাঙ্গাইল ও বরিশাল জেলা থেকে পটুয়াখালী জেলার সৃষ্টি হয়। ফলে স্বাধীনতার পূর্বে বৃহত্তর জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯টি
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময় বৃহত্তর জেলা ছিলো - ১৯টি।
- পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিশেষত: ১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক সংস্কার ও সরকারি সেবা জনগণের জন্য সহজলভ্য করার জন্য বাংলাদেশকে ৬৪ জেলায় ভাগ করা হয়।

এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে যেহেতু বাংলাদেশ বলা আছে - তাই বাংলাদেশ স্বাধীনের সময় হিসাব ধরে, সঠিক উত্তর হিসাবে ১৯টি ধরা হচ্ছে।

১,৩৮৯.
Which one is the New Year festival of the Tripura tribe?
  1. Bijhu
  2. Wangala
  3. Buisu
  4. Sangrai
  5. None
ব্যাখ্যা
ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
১,৩৯০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কয়টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- ১০ই এপ্রিল সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এ ছাড়া বেশ কিছু সাব-সেক্টর এবং তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
- এসব সেক্টরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা, সেনাসদস্য, পুলিশ, ইপিআর, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যগণ যোগদান করেন।
- প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল।
- এরা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল।
- এসব বাহিনীতে দেশের ছাত্র, যুবক, নারী, কৃষক, রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিল।
- ভারতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ শেষে যোদ্ধাগণ দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পাকিস্তানি সামরিক ছাউনি বা আস্তানায় হামলা চালায়।
- মুক্তিযুদ্ধে সরকারের অধীন বিভিন্ন বাহিনী ছাড়াও বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৩৯১.
‘আসামীর হাজতবাস কারাদন্ড ভোগের সময় থেকে বাদ দেয়ার সাম্প্রতিক নির্দেশটি দিয়েছেন?
  1. ক) আপীল বিভাগ
  2. খ) অ্যাটর্নী জেনারেল
  3. গ) হাইকোর্ট বিভাগ
  4. ঘ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- আসামির হাজতবাস কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
- প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 
- আপিল বিভাগ বলেছে, হাজতবাসের মেয়াদকাল কারাদণ্ড ভোগের সময় থেকে বাদ যাবে। হাজতকালীন ও কারাদণ্ড ভোগের সময় যোগ করে যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ শেষ হয়ে যায়, তাহলে তাকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর (১ নভেম্বর, ২০২১)।
১,৩৯২.
প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান কোন নেতাকে ‘হিলাল-ই-পাকিস্তান’ উপাধিতে ভূষিত করেন?
  1. ক) এ কে ফজলুল হক’কে
  2. খ) মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী’কে
  3. গ) আবুল হাশেম’কে
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী’কে
ব্যাখ্যা
অবিভক্ত বাংলার জাতীয় নেতা শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। ১৯৩৫-৩৬ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। তিনিই ছিলেন এ পদে অধিষ্ঠিত প্রথম বাঙালি মুসলমান। ১৯৩৭ সালে শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব(লাহোর প্রস্তাব) পেশ করেন। প্রধানমন্ত্রীত্বকালে তিনি ‘ঋণ সালিশী বোর্ড’ গঠন করেন। ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে জয়লাভ করেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন। ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টর-অব-ল এবং ১৯৫৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানী প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান তাঁকে ‘হিলাল-ই-পাকিস্তান’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন]
১,৩৯৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড ফোর্স ছিল কয়টি?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) সাতটি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড ফোর্স ছিল তিনটি। যথা: জেড ফোর্স, এস ফোর্স, কে ফোর্স।

• কে ফোর্স:

- সর্বাধিনায়ক ছিলেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন- তাজউদ্দীন আহমদ।
- প্রধান সেনাপতি ছিলেন- কর্নেল (জেনারেল) মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী।
- অধিনায়ক ছিলেন- মেজর (পরে মে. জেনারেল) খালেদ মোশাররফ, বীর উত্তম।

তথ্যসূত্র: চিরন্তন ১৯৭১, প্রথম আলো।
১,৩৯৪.
According to Economic Review 2024, what is the contribution of the agriculture sector to GDP?
  1. 11.32%
  2. 11.62%
  3. 11.12%
  4. 11.42%
  5. 11.02%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৩৯৫.
কে 'অপারেশন সার্চলাইট' এর নীলনকশা তৈরি করেন?
  1. ক) মো: আলী জিন্নাহ
  2. খ) ইয়াহিয়া
  3. গ) ভুট্রো
  4. ঘ) টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে যে অভিযানের মাধ্যমে গণহত্যা চালায় তা অপারেশন সার্চলাইট নামে পরিচিত। এর নীল নকশা প্রস্তুত করেন জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী।
ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলো রাও ফরমান আলী। ২৫শে মার্চ রাতে পাকহানাদার বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালায়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
১,৩৯৬.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ধানমন্ডি
  2. সাভার
  3. ভালুকা
  4. জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট BRRI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rice Research Institute.
- এর প্রধান কার্যালয়: জয়দেবপুর, গাজীপুর। 
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১,৩৯৭.
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ
  2. খুলনা 
  3. রাজশাহী
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:
- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ। 
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) বিবিসি বাংলা।

১,৩৯৮.
ভারতীয় উপমহাদেশের সাধারণ জনগণের মাঝে শিক্ষার দ্যুতি ছড়ানোর জন্য কে তাঁর সমুদয় সম্পত্তি ওয়াক্‌ফ করে যান?
  1. হাজী শরীয়তুল্লাহ্
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
ব্যাখ্যা

হাজী মুহম্মদ মুহসীনঃ
- তিনি ১৭৩২ সালে হুগলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- শিক্ষানুরাগী এ দানবীর তার অর্থ দিয়ে বহু বিদ্যাপিঠ স্থাপন করে গেছেন।
- হুগলিতে ‘হুগলি মহসিন কলেজ’ ও ‘চট্টগ্রামের সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ’ প্রতিষ্ঠার সময় মহসিনের ওয়াকফকৃত অর্থ ব্যবহৃত হয়।
- ১৭৬৯-৭০ সালের সরকারি দলিল অনুযায়ী তৎকালীন দুর্ভিক্ষের সময় তিনি অনেক লঙ্গরখানা স্থাপন করেন।
- তিনি ‘মহসিন ফান্ড' নামক তহবিল প্রতিষ্ঠা করেন ১৮০৬ সালে।
- বঙ্গের হাতেম তাই নামে খ্যাত মুহসিন তাঁর অগাধ সম্পত্তি জনকল্যাণে দান করে যান।
- ভারতীয় উপমহাদেশের সাধারণ জনগণের মাঝে শিক্ষার দ্যুতি ছড়ানোর জন্য তাঁর সমুদয় সম্পত্তি ওয়াক্‌ফ করে যান।
- ১৮০৬ সালের ২৬ এপ্রিল তাঁর বিশাল সম্পত্তি থেকে ১,৫৬,০০০ টাকা নিয়ে মুহসিন ট্রাষ্ট গঠন করেন।
- মুহসীন জীবিত অবস্থাতেই খুলনা ও যশোর এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য বহু দীঘি, পুকুর ও খাল খনন করেন।
- জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রে তাঁর স্মরণীয় দান হচ্ছে হুগলীতে দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন।
- দরিদ্রদের মাঝে বিনামুল্যে ওষুধপত্র বিতরণ, চিকিৎসা প্রদান এবং চিকিৎসার জন্য অর্থ সাহায্য অন্যতম।
- বঙ্গের হাতেম তাই নামে খ্যাত মুহসিন তাঁর অগাধ সম্পত্তি জনকল্যাণে দান করে যান।
- দানশীলতার জন্য তিনি দানবীর খেতাব পেয়েছিলেন। 
- গরীব, দুঃখী, অন্ধ, এতিম, বৃদ্ধ অসহায়দের তিনি উদারভাবে দান করতেন।
- তাঁর দানের ক্ষেত্রে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃষ্টান এমনকি চোর-ডাকাতও ভেদাভেদ ছিলনা।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৯৯.
খাসিয়া সম্প্রদায় কোথায় বসবাস করে?
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. হবিগঞ্জ
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা
খাসিয়া সম্প্রদায়:
- খাসিয়া (বা খাসি) বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
 - তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত। 
- খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
১,৪০০.
BANBEIS এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Bangladesh Bureau of Education and Information Statistics.
  2. খ) Bangladesh Bureau of Educational Information Statistics.
  3. গ) Bangladesh Bureau of Education and Information Science.
  4. ঘ) Bangladesh National Bureau of Education & Information Statistics.
ব্যাখ্যা
BANBEIS বা Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষাতথ্য সংগ্রহ ও বিতরণ সংক্রান্ত একমাত্র সরকারি প্রতষ্ঠান। এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ঢাকার পলাশীতে অবস্থিত। (সূত্র: ব্যানবেনইস ওয়েবসাইট)