বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩৮ / ৩০৬ · ১৩,৭০১১৩,৮০০ / ৩০,৮৩২

১৩,৭০১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলওয়ে স্টেশন কোনটি?
  1. ক) ঈশ্বরদী রেল স্টেশন
  2. খ) কমলাপুর রেল স্টেশন
  3. গ) চট্রগ্রাম রেল স্টেশন
  4. ঘ) পার্বতী রেল স্টেশন
ব্যাখ্যা
• রেলওয়ে স্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেল স্টেশন। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেল স্টেশনও। 
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিল। এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্য শৈলী অনন্য।
- এর নকশা করেছেন - মার্কিন স্থপতি রবার্ট বাউগি। 
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬০ সালে।
- চালু হয় ১৯৬৯ সালে।

উৎস: প্রথম আলো
১৩,৭০২.
সম্প্রতি (২০২৪ সাল) হাসিনা - মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে কয়টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সম্প্রতি (২০২৪ সাল) হাসিনা - মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সমঝোতা স্মারক

- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর স্বাক্ষরিত হয়েছে ১০টি সমঝোতা স্মারক।
- যার মধ্যে ৩টি সমঝোতা নবায়ন করা হয়েছে।

সমঝোতার বিষয়গুলো হলো:
১. বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল পার্টনারশিপ
২. ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ গ্রিন পার্টনারশিপ
৩. সমুদ্র সহযোগিতা ও সুনীল অর্থনীতি
৪. ভারতের ইন-স্পেস এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা
৫. দুই দেশের রেল মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সংযোগ সংক্রান্ত সমঝোতা
৬. সমুদ্র বিষয়ক গবেষণায় দুই দেশের সমঝোতা
৭. কৌশলগত ও অপারেশনাল খাতে সামরিক শিক্ষা সহযোগিতায় ডিফেন্স সার্ভিসেস স্টাফ কলেজ, ওয়েলিংটন-ইন্ডিয়া এবং মিরপুর ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের মধ্যে সমঝোতা
সমঝোতা নবায়ন তিনটি হলো:
১. স্বাস্থ্য ও ওষুধ সংক্রান্ত পুরনো সমঝোতা নবায়ন
২. মৎসম্পদের উন্নয়নে বিদ্যমান সমঝোতা নবায়ন
৩. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রশমনে ভারতের ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি ও বাংলাদেশ ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান সমঝোতা নবায়ন। 

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৭০৩.
জাতীয় স্মৃতিসৌধটি কবে উদ্বোধন করা হয় ?
  1. ক) ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
  2. খ) ১৯৮১ সালের ২৬ মার্চ
  3. গ) ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালের ২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত।
- এর নকশা প্রণয়ন করেছেন স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- এখানে মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের দশটি গণকবর রয়েছে। বিদেশি রাষ্ট্রনায়কগণ সরকারিভাবে বাংলাদেশ সফরে আগমন করলে এই স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন রাষ্ট্রাচারের   অন্তর্ভুক্ত।
- স্বাধীনতা আন্দোলনের পরিক্রমা বা পর্যায় হিসেবে সাতটি ঘটনাকে বিবেচনা করে সৌধটি নির্মিত হয়েছে।
- ১৯৭২ এর ১৬ই ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হোসেন মুহাম্মাদ এরশাদ এর উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,৭০৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সংবিধানে কী নামে অভিহিত করা হয়েছে?
  1. ক) স্বাধীনতার জন্য ঐতিহাসিক যুদ্ধ
  2. খ) জাতীয় স্বাধীনতার ঐতিহাসিক যুদ্ধ
  3. গ) জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রাম
  4. ঘ) মুক্তিসংগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের প্রস্তাবনার শুরুতেই বলা হয়েছে: 'আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষনা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;'।
- উল্লেখ্য, সামরিক শাসনকালে (১৯৭৫ - ১৯৯১) সংবিধানের এই অংশটুকু পরিবর্তন করা হয়েছিলো।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে 'জাতীয় স্বাধীনতার ঐতিহাসিক যুদ্ধ' এর পরিবর্তে বাহাত্তরের সংবিধানের সাথে মিল রেখে 'জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রাম' প্রতিস্থাপিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৭০৫.
কমলাপুর রেলস্টেশন-এর স্থপতি কে?
  1. তানভীর কবির
  2. মৃনাল হক
  3. আব্দুর রাজ্জাক
  4. বব বুই
ব্যাখ্যা
কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: i) ২২ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো।
         ii) ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, প্রথম আলো।
১৩,৭০৬.
বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে কত সালে মর্যাদা দেওয়া হয়?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি: 
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।

এছাড়াও,
- বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় ১৯৫৬ সালে।
- ১৯৫৬ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহিদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এই দিনে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৩,৭০৭.
ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) জেনারেল আইয়ুব খানের পতন
  2. খ) বাংলার স্বায়ত্তশাসন
  3. গ) ভারতের সহযোগিতায় পূর্ব বাংলাকে স্বাধীন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা

- ১৯৬৬ সালে ছয় দফা উত্থাপিত হওয়ার পর দ্রুত তা বাংলার গ্রামগঞ্জে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি ছয়দফা আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়।
- এরই প্রেক্ষাপটে দায়ের করা হয় ষড়যন্ত্রমূলক আগরতলা মামলা।
- আগরতলা মামলা ছিল সামরিক একনায়ক আইয়ুব খানের শাসনামলের এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র।
- বাঙ্গালির অধিকার আদায়ের লড়াই নস্যাৎ করতে এবং আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে রাজনীতির ময়দান হতে নির্মূল করতে পাকিস্তানী শাসক চক্র এ ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে।

- আগরতলা মামলার প্রথমদিকে শেখ মুজিবুর রহমানকে যুক্ত করা হয়নি।
- কিন্তু ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি শেখ মুজিবকে প্রধান আসামী করে পূর্বের ২৮ জনসহ মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে 'ষড়যন্ত্র পরিকল্পনা ও পরিচালনা'র অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়।
- এক্ষেত্রে অভিযোগনামায় বলা হয়, শেখ মুজিবের নেতৃত্বে ও ভারতের সহযোগিতায় অভিযুক্ত সামরিক সদস্যরা পূর্ব পাকিস্তানকে সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে পাকিস্তান হতে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র করেছিল।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৭০৮.
'আনন্দবিহার' কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. মহাস্থানগড়
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
আনন্দবিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- এ বিহার ময়নামতিতে আবিষ্কৃত সৌধমালার মধ্যে সর্ববৃহৎ।
- এ এলাকার সর্ববৃহৎ পুষ্করিণীসহ আনন্দবিহার কমপ্লেক্সটি সাত শতকের শেষ বা আট শতকের প্রথম দিকের কোনো এক সময়ে প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব কর্তৃক নির্মিত হয়।

⇒ চন্দ্রবংশীর রাজা ভবদেব এই বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঐ সময় বিহারটি এশিয়ার জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিগণিত হয়।
- সেই সময় একে বিশ্বিবদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- তার প্রমাণ হলো, বিখ্যাত চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং আনন্দ বিহারে আসেন এবং তিনি এখানে প্রায় ৪০০০ ভিক্ষু ও ময়নামতি অঞ্চলে ৩৫টি শিক্ষাকেন্দ্র দেখতে পান।
- যার কারণে তিনি কুমিল্লাবাসীকে প্রবল শিক্ষানুরাগী বলে আখ্যায়িত করেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ভারতের নালন্দের পর এশিয়ার দি¦তীয় বৃহত্তম শিক্ষাকেন্দ্র ছিলো লালমাই-ময়নামতি অঞ্চল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৭০৯.
আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিভাগ কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে। এর মধ্যে আয়তনে,
- সবচেয়ে বড় : চট্টগ্রাম বিভাগ (৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি)
- সবচেয়ে ছোট : ময়মনসিংহ বিভাগ (১০,৫৫২ বর্গ কিমি)।
জনসংখ্যায়,
- সবচেয়ে বড় : ঢাকা বিভাগ
- সবচেয়ে ছোট : বরিশাল বিভাগ
- সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।
(তথ্যসূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
১৩,৭১০.
কোন ঘটনাটি সবার শেষে ঘটেছিলো?
  1. ক) সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদ
  2. খ) লাহোর প্রস্তাব পেশ
  3. গ) জালিয়ানওযালাবাগ হত্যাকাণ্ড
  4. ঘ) ক্রিপস মিশন
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে সবার শেষের ঘটনা হলো ক্রিপস মিশন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয়দের সহায়তা লাভে উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইন্সটন চার্চিল ক্যাবিনেট মন্ত্রী স্ট্যাফোর্ট ক্রিপসের নেতৃত্বে ১৯৪২ সালের ২৩শে মার্চ ভারতে একটি প্রতিনিধি দল পাঠায়। এই প্রতিনিধি দলটিই ‘ক্রিপস মিশন’ নামে পরিচিত।
এতে ভারতীয়দের জন্যে নতুন কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই মিশন ব্যর্থ হয়।
অন্যদিকে,
- জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড : ১৯১৯ সালে
- সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদ ঘোষিত হয় : ১৯৩২ সালে
- লাহোর প্রস্তাব পেশ করা হয় : ১৯৪০ সালে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩,৭১১.
সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক শিক্ষা আইন:
- বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয় ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি প্রতি জেলার একটি করে থানায় পরীক্ষামূলকভাবে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রথমে চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,৭১২.
'আহসান মঞ্জিল' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নবাব আব্দুল লতিফ
  2. নওয়াব সলিমুল্লাহ
  3. নওয়াব আবদুল গনি
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

• আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ঢাকার নবাব নওয়াব আব্দুল গনি। তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ’র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে। এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৩,৭১৩.
বিশ্ববিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ আলাউদ্দিন খাঁ কোন জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ:

- তিনি বিশ্ববিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ।
- ১৮৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে এক সঙ্গীতপরিবারে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা সবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁও ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ।
- মাতার নাম সুন্দরী বেগম।
- তাঁর সঙ্গীতগুরু ছিলেন আগরতলা রাজদরবারের সভাসঙ্গীতজ্ঞ তানসেনের কন্যাবংশীয় রবাবী ওস্তাদ কাশিম আলী খাঁ।
- তিনি দেশিয় বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে অর্কেস্ট্রার স্টাইলে একটি যন্ত্রীদল গঠন করে নাম দেন ‘রামপুর স্ট্রিং ব্যান্ড’।
- ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- অতঃপর ভারত সরকার তাঁকে একে একে ‘সঙ্গীত নাটক আকাদেমী সম্মান’ (১৯৫২), ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৫৮) ও ‘পদ্মবিভূষণ’ (১৯৭১), বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬১) এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- তিনি ১৯৭২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৭১৪.
'The Spirit of Islam' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ আহমদ খান
  2. সৈয়দ আমির আলি
  3. আল্লামা ইকবাল
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

সৈয়দ আমির আলি:
- সৈয়দ আমির আলি উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণ, ইসলামের আধুনিক ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
- ১৮৪৯ সালে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ. ও বি.এল. ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৮৭৩ সালে লন্ডনের লিংকন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাস করে দেশে ফেরেন।

•রাজনৈতিক অবদান:
- ভারতের প্রথম মুসলিম নেতা যিনি মুসলমানদের জন্য পৃথক রাজনৈতিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন।
- ১৮৭৭ সালে কলকাতায় সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন গঠন করেন।
- মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষা ও দাবি-দাওয়া সরকারের কাছে পৌঁছানোর জন্য সংগঠিত প্রচেষ্টা শুরু করেন।
- ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানান এবং ১৯১২ সালে মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

সাহিত্যিক অবদান:
- The Spirit of Islam — ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ও আধুনিক ব্যাখ্যা।
- A Short History of the Saracens — ইসলামের অতীত গৌরব তুলে ধরা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৭১৫.
রাঙামাটির ছাদ বলা হয় -
  1. ক) সাজেক
  2. খ) বিলাইছড়ি
  3. গ) বাঘাইছড়ি
  4. ঘ) লংগদু
ব্যাখ্যা
সাজেক
- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত। সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন।
- এর আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক রুইলুইপাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- সাজেকে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙামাটির ছাদ।

উৎস: রাঙ্গামাটি জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৩,৭১৬.
সেনেগাল কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ক) ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. খ) ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. গ) ০১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  4. ঘ) ০১ জুলাই ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি:

- প্রথম দেশ : ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)
- দ্বিতীয় দেশ : ভারত (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১)
- প্রথম ইউরোপীয় দেশ : পূর্ব জার্মানি (১১ জানু ১৯৭২)
- প্রথম মুসলিম দেশ : মালয়েশিয়া (৩১ জানুয়ারি ১৯৭২)
- প্রথম আফ্রিকান দেশ : সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২)
- প্রথম আরব মুসলিম দেশ : ইরাক (৮ জুলাই ১৯৭২)
- ইরান : ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
- ইন্দোনেশিয়া : ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।

(তথ্যসূত্র: ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন)
১৩,৭১৭.
’প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ১১৮
  2. অনুচ্ছেদ- ১২১
  3. অনুচ্ছেদ- ১২০
  4. অনুচ্ছেদ- ১২২
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১২১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে  প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।

- সপ্তম ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ:
- অনুচ্ছেদ-১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ-১১৯:নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ-১২১: প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ-১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৩,৭১৮.
বর্তমান আওয়ামী লীগের সর্বপ্রথম নাম ছিলো -
  1. ক) আওয়ামী জাতীয় লীগ
  2. খ) আওয়ামী মুসলিম লীগ
  3. গ) পূর্ব পাকিস্তান সতন্ত্র জোট
  4. ঘ) আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি
ব্যাখ্যা
আওয়ামী মুসলিম লীগ:
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয় ১৯৫৫ সালে।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি নিম্নরুপ:
- প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন- সামসুল হক ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- শেখ মুজিবুর - রহমান।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সহ সভাপতি- আতাউর রহমান ও আব্দুস সালাম খান।
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের মার্চে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস প্রথম পত্র, (HSC Programme), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৭১৯.
ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয় -
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৫১ সালে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ সালে আবুল কাসেম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের, (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান)  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি তুলে তমদ্দুন মজলিস বাংলা ভাষা আন্দোলন শুরু করে।
 - যদিও এই সংগঠনের প্রতিবাদ লেখালেখির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- ভারত এবং পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের মাত্র ৭ মাস পরে, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের গভর্নর মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল্যের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা।
- এই ঘোষণা করলে সদ্য জাত রাষ্ট্রে ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রকাশ্য রূপ ধারণ করে।

[শুধুমাত্র ইতিহাস,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বইতে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত  ১৯৪৮ দেওয়া হয়েছে। অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে ১৯৪৭ সালকে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। যদি অপশনে ১৯৪৭ না থাকে তাহলে ১৯৪৮ উত্তর হবে।]

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেনি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেনি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,৭২০.
জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোথায়?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংসদীয় আসন: 
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায় ৷

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১৩,৭২১.
নাকুগাঁও স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. লালমনিরহাট
  2. শেরপুর
  3. মেহেরপুর
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে ঘোষিত স্থলবন্দরের সংখ্যা ২৪টি। এর মধ্যে চালু বন্দরের সংখ্যা ১২টি।

- নাকুগাঁও স্থলবন্দর : নলিতাবাড়ী (শেরপুর)
- সোনাহাট স্থলবন্দর : ভুরুঙ্গমারী (কুড়িগ্রাম)
- বুড়িমারী স্থলবন্দর : পাটগ্রাম (লালমনিরহাট)
- ‍মুজিবনগর স্থলবন্দর : মুজিবনগর (মেহেরপুর) প্রক্রিয়াধীন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেম স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট)
১৩,৭২২.
বাংলাদেশের কৃষির প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তি প্রধানত -
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
কৃষির প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তি:
- বাংলাদেশের কৃষির প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তি প্রধানত: তিন প্রকার-জমি, জল ও জলবায়ু।
- কৃষি উৎপাদন যেহেতু প্রধানত: একটি প্রাকৃতিক জীবন প্রক্রিয়া সেজন্য এর গতি প্রকৃতি সংশ্লিষ্ট দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ভিত্তির উপর গভীরভাবে নির্ভরশীল।

⇒ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপের কারণে আবাদযোগ্য মোট জমি ক্রমশ: কমবে, বাড়বে না।
- ফলে বর্ধিত জনসংখ্যার চাহিদা মিটানোর জন্য একই জমিতে ক্রমাগত অধিকতর খাদ্যশস্য উৎপাদন করতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।
- এর একটি পদ্ধতি হচ্ছে জলসেচের দ্বারা এক ফসলী জমিকে দুই ফসলী এবং দুই ফসলী জমিকে তিন ফসলী জমিতে রূপান্তরিত করা।

⇒ সাধারণভাবে বাংলাদেশের জলসম্পদের অভাব নেই।
- বস্তুত: বাংলাদেশকে বলাই হয় নীদমাতৃক বাংলাদেশ।
- কিন্তু লক্ষ্যণীয় যে, মৌসুম ভেদে এই জলসম্পদের ভূমিকা বদলে যায়।
- বর্ষা মৌসুমে জলসম্পদের আধিক্য বন্যার প্রকোপ বৃদ্ধি করে এবং শুল্ক মৌসুমে প্রয়োজনের তুলনায় সহজলভ্য পানির অভাব দেখা যায়।
- তবে ভূগর্ভের পানি ঠিকমত ব্যবহার করলে এমনকি শুষ্ক মৌসুমেও বাংলাদেশের শতকরা আশি ভাগ আবাদী জমিকে জলসেচের অধীনে আনা সম্ভব।

⇒ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপের কারণে বাংলাদেশে নানারকম পরিবেশগত দূষণ সৃষ্টি হচ্ছে।
- এর মধ্যে কৃষি সংশ্লিষ্ট উল্লেখযোগ্য প্রতিক্রিয়া বা পরিবেশ দূষণগুলো হচ্ছে-জমির উর্বরতা হ্রাস, পানির দূষণ, বন-উজাড়, পশুখাদ্যের অভাব মাছের অভাব ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশের অর্থনীতি, এস.এস.এইচ.এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৭২৩.
বেগম রোকেয়া পদক -২০২৫ কতজন ব্যক্তিকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. ৩জন
  2. ৪জন
  3. ৫জন
  4. ৭জন
ব্যাখ্যা

বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫:
- নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চার বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫ দেওয়া হয়েছে।
পদক প্রাপ্তরা হলেন-
- নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) - রুভানা রাকিব, 
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) - কল্পনা আক্তার, 
- মানবাধিকার শ্রেণিতে - নাবিলা ইদ্রিস, 
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) - ঋতুপর্ণা চাকমা।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৩,৭২৪.
নিচের কোনটি পেঁপের একটি জাত?
  1. ক) ওয়াশিংটন
  2. খ) ড্রামহেড
  3. গ) কাজলা
  4. ঘ) অগ্নিশ্বর
ব্যাখ্যা
ওয়াশিংটন ও রাঁচি হলো বাংলাদেশে চাষকৃত পেঁপের জাত।

অন্যদিকে,

- ড্রামহেড : বাঁধাকপির জাত
- কাজলা : বেগুনের জাত
- অগ্নিশ্বর : কলার জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই)
১৩,৭২৫.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুষ্টিয়া
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) চুয়াডাঙ্গা
  4. ঘ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর বর্তমান মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। এখানে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। তখন এটি ‍বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অধীন ছিলো। মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো। এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)
১৩,৭২৬.
ফজলে কবীর বাংলাদেশ ব্যাংকের কততম গর্ভনর?
  1. ক) দশম
  2. খ) একাদশ
  3. গ) দ্বাদশ
  4. ঘ) ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা

- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ফজলে কবীর। তিনি ১১তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন এ এন এম হামিদুল্লাহ।

উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৩,৭২৭.
কছিম উদ্দিন কোন গানের বিখ্যাত শিল্পী?
  1. ক) ভাটিয়ালি
  2. খ) গম্ভীরা
  3. গ) ভাওয়াইয়া
  4. ঘ) ধামাইল
ব্যাখ্যা
- কছিম উদ্দিন ভাওয়াইয়া গানের একজন বিখ্যাত শিল্পী। আব্বাসউদ্দিনের পর তাকে ভাওয়াইয়ানের শ্রেষ্ঠ শিল্পী বিবেচনা করা হয়।
তার বিখ্যাত গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘ওকি বাপ রে বাপ মুক্তিফৌজ কি যুদ্ধ করে বাপ রে’
- ‘নয়া ডারাতে মাছ উজাইছে, হেঙ্গা পাতেয়া দে’
- ‘বাপের বাড়ি মোর ধরলার ওপারে’ ইত্যাদি।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কছিম উদ্দিন মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে ক্যাম্পে ঘুরে গান গেয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেন।
- তিনি ১৯৩৪ সালে কুড়িগ্রাম জেলায় জন্সগ্রহণ করেন এবং ১৯৯২ সালের ২২ আগস্ট মারা যান।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ)
১৩,৭২৮.
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান-
  1. ক) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  2. খ) ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড
  3. গ) যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে। শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণে স্থাপিত দেশের অত্যাধুনিক ডিসিএস, পিএলসি সম্বলিত শক্তি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব দৈনিক ১৭৬০ মে.টন উৎপাদনক্ষমতা সম্পন্ন সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপদনকারী একটি সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। এসএফসিএল কারখানাটি সিলেট শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। অন্যদিকে যমুনা সার কারখানা এবং চিটাগাং ইউরিয়া সার কারখানা এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫ লক্ষ ৬১ হাজার মে. টন। কাফকো সার কারখানা বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে ১৯৯২ সালে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়। যমুনা ও কাফকো সার কারখানায় দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট]
১৩,৭২৯.
সম্প্রতি, কোন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশে ‘সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা’ কার্যক্রম চালু করেছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. ভূমি মন্ত্রণালয়
  3. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম:
- বিভিন্ন সনদ সত্যায়ন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর, সহজ ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে ‘সমন্বিত অনলাইন সত্যায়ন ব্যবস্থাপনা’ কার্যক্রম চালু করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা বা অন্যান্য প্রয়োজনে বিদেশ গমনেচ্ছু বাংলাদেশি নাগরিকদের সুবিধার্থে এই সেবা চালু করা হয়।
- অ্যাপোস্টিল কনভেশন, ১৯৬১ এর পক্ষভুক্ত দেশ বাংলাদেশ এবং এর নিয়ম মেনে অনলাইনে এ সত্যায়ন করা হবে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাবলিক ডকুমেন্টের সত্যায়নের সনদ হিসেবে 'ই-অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট' প্রদান করবে।

উল্লেখ্য,
- এই সেবার ফলে ঢাকাস্থ বিদেশি দূতাবাস এবং বিদেশে গমনের পর সেই দেশে অবস্থিত অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের নিকট হতে তাদের ডকুমেন্টসমূহ আর সত্যায়ন করতে হবে না।
- এছাড়া অ্যাপোস্টিল সার্টিফিকেট এ বিদ্যমান QR Code স্ক্যান করে বিশ্বের যে কোনো স্থান হতে সত্যায়নকৃত কাগজপত্রের উৎপত্তির সঠিকতা যাচাই করা যাবে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
১৩,৭৩০.
কোন শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' সংঘটিত হয়?
  1. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  2. নুরুল আমিন শিক্ষা কমিশন
  3. হান্টার কমিশন
  4. শরীফ শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২-এর সেপ্টেম্বরে আরেকটি আন্দোলন হয়, যা বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে অভিহিত।
- শরীফ শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়।
- 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' সংঘটিত হয় শরীফ শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে।
- ১৫ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে বাবুল, গোলাম মোস্তফা, ওয়াজিউল্লাহ প্রমুখ নিহত হন এবং আহত হয় প্রায় আড়াইশ জন।
- এ আন্দোলনের ফলে সরকার শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত রাখে।
- এ আন্দোলনের গুরুত্ব এ যে, এ সময় থেকে ছাত্ররাই আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়।
- তখন থেকে আজ পর্যন্ত ছাত্র সম্প্রদায় প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস রূপে পালন করে আসছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৭৩১.
বাংলাদেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোথায়?
  1. ক) ভেড়ামারা
  2. খ) ঘোড়াশাল
  3. গ) আশুগঞ্জ
  4. ঘ) কাপ্তাই
ব্যাখ্যা
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি ১৯৬২ সালে চালু হয়।
- ১৯৫৬ থেকে ১৯৬১ সালে কাপ্তাই খালে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তৈরি জলাধারের পানি প্রবাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
- এই কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৩,৭৩২.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলমানদের জন্য সংরক্ষিত আসনের কয়টি আসন যুক্তফ্রন্ট লাভ করে?
  1. ২৪৩টি
  2. ২৩৭টি
  3. ২২৩টি
  4. ২৩২টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলমানদের জন্য সংরক্ষিত আসন ছিল ২৩৭টি এবং অমুসলমানদের জন্য সংরক্ষিত আসন ছিল ৭২টি। এই দুইয়ের যোগফলে পূর্ব বাংলার আইন পরিষদের মোট আসন সংখ্যা হয় ৩০৯টি।
যুক্তফ্রন্ট মোট ২৩৬টি আসনে জয়ী হয়েছিল। মুসলিম ২২৩টি এবং অমুসলিম ১৩টি।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৩,৭৩৩.
সরকারী ভাষা হিসেবে এ দেশে ইংরেজির ব্যবহার শুরু হয় কোন সাল থেকে?
  1. ১৮২৪
  2. ১৮৫৭
  3. ১৮৩৫
  4. ১৭৬৫
ব্যাখ্যা

লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক (১৭৭৪–১৮৩৯)
- ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর-জেনারেল (১৮২৮–১৮৩৫)। 
- তিনি শিক্ষা এবং সামাজিক সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
- ১৮৩৫ সালে ইংরেজি মাধ্যমিক শিক্ষা চালু করার নীতি ঘোষণা করেন।
- বাংলা, সংস্কৃত ও ফারসি ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষাকে সরকারী শিক্ষা ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করেন।
- কলকাতা মেডিকেল কলেজ এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে সাহায্য করেন।
- তাঁর পদক্ষেপ আধুনিক শিক্ষার ভিত্তি স্থাপন করে, তাই তাঁকে “Father of Indian Education” বলা হয়।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ)

১৩,৭৩৪.
দৈনিক কত ডলার এর নিচে আয়কে চরম দারিদ্র্য হিসেবে অভিহিত করা হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ১.৫০ ডলার
  2. ২.১৫ ডলার
  3. ৩.৬৫ ডলার
  4. ৬.৮৫ ডলার
ব্যাখ্যা
- Poverty and Equity Briefs (PEBs) হলো একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন যা বিশ্বব্যাংক এবং আইএমএফ-এর বসন্ত ও বার্ষিক সভার সময় বছরে দু’বার প্রকাশিত হয়।
- এর মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশের দারিদ্র্য, সমবণ্টিত উন্নয়ন ও বৈষম্যের প্রবণতা তুলে ধরা হয়।
- জাতীয় দারিদ্র্যরেখা এবং আন্তর্জাতিক চরম দারিদ্র্যরেখা (২০১৭ সালের পিপিপির পরিভাষায় ২.১৫ ডলার) অনুসারে দারিদ্র্যের হার এবং মোট দরিদ্রের সংখ্যা, পাশাপাশি নিম্ন-মধ্যম আয়ের (৩.৬৫ ডলার) এবং উচ্চ-মধ্যম আয়ের (৬.৮৫ ডলার) দারিদ্র্যরেখা।
- শুধু আয়ের ভিত্তিতে নয়, বরং শিক্ষা ও মৌলিক সেবা প্রাপ্তির মতো অ-আর্থিক দিকগুলো থেকেও দারিদ্র্যকে মূল্যায়ন করা হয়।
- Gini Index-এর মাধ্যমে সমাজে আয় ও সম্পদের বৈষম্য বোঝা যায়।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৩,৭৩৫.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক’ কোন ভাগে দেওয়া আছে?
  1. পঞ্চম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. নবম ভাগে
  4. অষ্টম ভাগে
ব্যাখ্যা
→ অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক।
- ১২৭ (১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত) থাকবেন এবং তাঁকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন।

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১৩,৭৩৬.
মওলানা আতাহার আলী যুক্তফ্রন্টের কোন দলের নেতা ছিলেন?
  1. আওয়ামী মুসলিম লীগ
  2. কৃষক শ্রমিক পার্টি
  3. নেজামে ইসলাম পার্টি
  4. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত ৪টি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল। যথা:
⇒ আওয়ামী মুসলিম লীগের নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
⇒ কৃষক শ্রমিক পার্টির নেতা ছিলেন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক।
⇒ নেজামে ইসলাম পার্টির নেতা ছিলেন মওলানা আতাহার আলী।
⇒ বামপন্থী গনতন্ত্রী দলের নেতা ছিলেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ।

যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
- যুক্তফ্রন্ট গঠন করে ৩ এপ্রিল ১৯৫৪ সালে। 
- মন্ত্রিসভার সদস্য: ৪ জন।
⇒ মুখ্যমন্ত্রী: হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
• অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র: এ কে ফজলুল হক।
• বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার: আবু হোসেন সরকার।
• বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী: আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
• শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প: সৈয়দ আজিজুল হক।

- পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠন করা হয় ১৫ মে,১৯৫৪ সালে।
- পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভার সদস্য ১৪ জন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৪ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
১৩,৭৩৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী দুই ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৪৫,৯২,০০০ একর
  2. ৫০,০০০ একর
  3. ৫০,৮৪,০০০ একর
  4. ১,০১,৪৯,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৩,৭৩৮.
বাংলাদেশের মোট রপ্তানিতে ইপিজেডের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১০.৩০ শতাংশ
  2. ১৪.৭০ শতাংশ
  3. ২১.৮০ শতাংশ
  4. ২৭.২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে ইপিজেডের অবদান ১৪.৭০ শতাংশ।
বিগত অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৩৬৭.৪ কোটি মা. ডলার যার মধ্যে ইপিজেড থেকে রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৪৯৪.৩৭৪ কোটি ডলার।
২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে ইপিজেডের অবদান ১৮.৫৬ শতাংশ এবং ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ছিলো ১৯.৬৬ শতাংশ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক)
১৩,৭৩৯.
শিল্পখাত জিডিপির কয়টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
বৃহৎ শিল্পখাত জিডিপির ৫টি খাতের সমন্বয়ে গঠিত। যথা:
- খনিজ ও খনন
- ম্যানুফ্যাকচারিং
- বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
- পানি সরবরাহ এবং
- নিৰ্মাণ

- এর মধ্যে জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান সর্বোচ্চ। 
- স্থির মূল্যে ২০২১-২২ অর্থবছরের জিডিপিতে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ২৪.৪৫ শতাংশ, যা গত অর্থবছরে ছিল ২৩.৩৬ শতাংশ। 
- অবদানের ক্ষেত্রে এটি অর্থনীতির সবচেয়ে বড় খাত।
- তবে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে হিসাব করলে (কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত), সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি (৫১.৪৪%) ।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১৩,৭৪০.
Which emperor of Delhi granted duty-free trade rights to the British in Madras, Bengal, Bombay?
  1. Emperor Farukhshia
  2. Emperor Humayun
  3. Emperor Akbor
  4. Emperor Bahadur Shah Jafar
ব্যাখ্যা
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ইংরেজ কোম্পানির ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি পায় যখন দিল্লীর সম্রাট ফারুখশিয়ার তাদের বাংলা, বোম্বাই, মাদ্রাজে বিনা শুল্কে বাণিজ্যের অধিকার প্রদান করেন।
- এই সঙ্গে নিজস্ব মুদ্রা প্রচলনের অধিকারও তারা লাভ করে।
- সম্রাটের এই ফরমানকে ইংরেজ ঐতিহাসিক ওরমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মহাসনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলে উল্লেখ করেন।
- এই অধিকার লাভ করে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অপ্রতিরুধ্য গতিতে অগ্রসর হতে থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৭৪১.
Which is the size (closest one) of the proposed budget for the fiscal year 2013-2014 in Bangladesh?
  1. TK. 1.97 Billion
  2. TK. 2.00 Trillion
  3. TK. 2.01 Billion
  4. 2.23 Trillion
  5. None of these
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:
- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- বাজেটের স্লোগান: সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- সংসদে বাজেট পাশ: ৩০ জুন, ২০২৪।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৪।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের আকার: ৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা।
- ২০২৪-২৫ বাজেটের আকার: ৭,৯৭,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫ শতাংশ।
- রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,৪১,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,৫৬,০০০ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৪.৭% ও বাজেটের ৩৩.২%)।
- মাথাপিছু আয়: ২,৯৬১ মার্কিন ডলার।
- পরিচালন বাজেট: ৪,৩৬,২৪৭ কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেট: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬%।

⇒ সার্বিকভাবে (পরিচালন ও উন্নয়ন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত:
১। জনপ্রশাসন: ১,৭৫,৭৭৪ কোটি টাকা,
২। শিক্ষা ও প্রযুক্তি: ১,১১,১৫৭ কোটি টাকা,
৩। পরিবহন ও যোগাযোগ: ৮২,৯১৮ কোটি টাকা।

⇒ উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত:
১। পরিবহন ও যোগাযোগ: ৭৫,৮১৬ কোটি টাকা,
২। শিক্ষা ও প্রযুক্তি: ৪৬,৭৪৫ কোটি টাকা,
৩। স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন: ৪২,০১৮ কোটি টাকা।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
১৩,৭৪২.
'বাংলাদেশ স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?
  1. লাইবেরিয়া
  2. কঙ্গো
  3. সোমালিয়া
  4. সুদান
ব্যাখ্যা
- 'বাংলাদেশ স্কয়ার' লাইবেরিয়ায় অবস্থিত।- এটি একটি শিক্ষা এবং বিনোদন কেন্দ্র। এখানে বৃত্তিমূলক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে, বাচ্চাদের জন্য আছে খেলার মাঠ।

উৎস : United Nations Office for the Coordination of Humanitarian Affairs
১৩,৭৪৩.
নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানীকে ‘নবাব’ উপাধি কে প্রদান করেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ক্লাইভ
  3. মহারানী ভিক্টোরিয়া
  4. লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

- ১৮৮৯ সালে মহারানী ভিক্টোরিয়া তাঁকে ‘নবাব’ উপাধিতে ভূষিত করেন — ভারতবর্ষের প্রথম নারী হিসেবে এই সম্মান লাভ করেন।

নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী:

- নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী ছিলেন বাংলার নারীশিক্ষার প্রবর্তক, জনহিতৈষী জমিদার, সমাজসেবক, লেখিকা এবং ভারতবর্ষের প্রথম নারী যিনি ‘নবাব’ উপাধি লাভ করেন।
জন্ম ও শিক্ষা:
• জমিদারি ও প্রশাসন:
- পিতার মৃত্যুর পর পশ্চিমগাঁও-এর জমিদারি এবং মাতুল সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়ে বিশাল জমিদারির মালিক হন।
- প্রজাবৎসল ও কর্মদক্ষ জমিদার হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। 

•নারীশিক্ষা ও সমাজসেবা:
- ১৮৭৩ সালে কুমিল্লায় একটি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন — ভারত উপমহাদেশে বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত নারীশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্যতম।
- পরবর্তীকালে এটি কলেজে রূপান্তরিত হয় এবং নামকরণ করা হয় নবাব ফয়জুন্নেছা কলেজ।
- দরিদ্র নারীদের চিকিৎসার জন্য ফয়জুন্নেছা জেনানা হাসপাতাল ও দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন করেন।
- জমিদারি এলাকায় বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা নির্মাণ করেন।

• সাহিত্যকর্ম:
- আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস রূপজালাল।
- তত্ত্ব ও জাতীয় সংগীত, সংগীত সার ও সংগীত লহরী নামক গ্রন্থ রচনা করেন।
সমকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িকী (বান্ধব, ঢাকা প্রকাশ, মুসলমান বন্ধু, সুধাকর, ইসলাম প্রচারক প্রভৃতি) আর্থিকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেন।

সম্মান ও স্বীকৃতি:
- ১৮৮৯ সালে মহারানী ভিক্টোরিয়া তাঁকে ‘নবাব’ উপাধিতে ভূষিত করেন — ভারতবর্ষের প্রথম নারী হিসেবে এই সম্মান লাভ করেন।
- ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সরকার মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৭৪৪.
ঐতিহাসিক ছয় দফার 'ষষ্ঠ দফা' কী বিষয়ক ছিল?
  1. রাজস্ব
  2. বাণিজ্য
  3. বৈদেশিক মুদ্রা
  4. প্রতিরক্ষা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩,৭৪৫.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিচের কোন পুরস্কার লাভ করেন?
  1. নোবেল শান্তি পুরস্কার
  2. র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার
  3. স্বাধীনতা পুরস্কার
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়। 

⇒ ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- এর মধ্যে:
- র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার (১৯৮৪ সাল),
- স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮৭ সাল),
- নোবেল শান্তি পুরস্কার (২০০৬ সাল)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৭৪৬.
ষষ্ঠ আদমশুমারি অনুযায়ী কোন জেলায় সাক্ষরতার হার বেশি?
  1. পিরোজপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. গাইবান্ধা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
১৩,৭৪৭.
বাংলাদেশের সংবিধান দিবস কোনটি?
  1. ক) ২৩ মার্চ
  2. খ) ১২ অক্টোবর
  3. গ) ৪ নভেম্বর
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া গণপরিষদে গৃহিত হয়। এজন্য ৪ নভেম্বরকে ‘সংবিধান দিবস’ বলা হয়।
- সংবিধান কার্যকর বা প্রবর্তিত হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক - আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৩,৭৪৮.
বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান বিইউ শিম-৭ উদ্ভাবন করে?
  1. ক) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
- বিইউ শিম-৭ উদ্ভাবন করে - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। 
- ‘বঙ্গবন্ধু ধান-১০০’ উদ্ভাবন করে - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
উৎস : দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট। 
১৩,৭৪৯.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯৬
  2. খ) ১৯৯৮
  3. গ) ২০০০
  4. ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা

- ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ সেগুনবাগিচায় বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- সেগুনবাগিচার ভাড়া বাড়ি থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর শেরে বাংলা নগর আগারগাঁওয়ে সরকার প্রদত্ত জমিতে নির্মিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)

১৩,৭৫০.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. ক) সিঙ্গাপুরে
  2. খ) ভারতে
  3. গ) চীনে
  4. ঘ) জাপানে
ব্যাখ্যা
• এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট - রপ্তানির ২.৬৪%।
• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে। 
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।    

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
১৩,৭৫১.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য 'রাসা' নৃত্য?
  1. খাসিয়া
  2. চাকমা
  3. ত্রিপুরা
  4. মণিপুরী
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:
- বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মণিপুরী।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী।
- নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী নৃত্য মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই।
- মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রাসা নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসা নৃত্যের অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৭৫২.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
  2. কম্পট্রোলার ও অডিটর জেনারেল
  3. চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বাংলাদেশের সাংবিধানিক পদ নয়। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা। 

সাংবিধানিক পদ:
- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- সাংবিধানিক পদগুলো হলো:
• রাষ্ট্রপতি,
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ,
• স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার,
• প্রধান বিচারপতি,
• সংসদ সদস্য,
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার,
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
• সরকারী কর্ম-কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য,
• অ্যাটর্নি জেনারেল (একমাত্র সাংবিধানিক পদের ব্যক্তি যাকে শপথ পড়তে হয় না। রাষ্ট্রপতির অঙ্গীকার তার শপথ),
• ন্যায়পাল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৭৫৩.
বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়, সশস্ত্র বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাদে মোট কয়টি মন্ত্রণালয় আছে?
  1. ক) ৩৬
  2. খ) ৩৮
  3. গ) ৩৯
  4. ঘ) ৪৩
ব্যাখ্যা

বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা – ৪৩টি (রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়, সশস্ত্র বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাদে ৩৯টি।)।
৪৩টি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয়ের নামের শেষে ‘মন্ত্রণালয়’ শব্দটি রয়েছে।

সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
১৩,৭৫৪.
বাংলাদেশে মহিলা প্রতি প্রজনন হার কত?
  1. ক) ২.০৫
  2. খ) ২.১৫
  3. গ) ২.৩৮
  4. ঘ) ২.৫০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2018 অনুসারে ১৫-৪৯ বয়সী মহিলাদের জনপ্রতি সন্তান প্রজনন হার বা মোট প্রজনন হার ২.০৫। এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলে এই হার ২.৩৮ এবং শহরাঞ্চলে ১.৬৮। ২০১৬ ও ২০১৪ সালে (১৫-৪৯ বয়সী)মহিলা প্রতি মোট প্রজনন হার ছিলো যথাক্রমে ২.১০ ও ২.১১। (সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2018)
১৩,৭৫৫.
২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কোন সংস্থা?
  1. UNESCO
  2. UNDP
  3. UNICEF
  4. USAID
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ভাষা আন্দোলন ও ভাষাশহীদদের স্মরণে পালিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার দাবিতে ঢাকায় কয়েকজন ছাত্র-জনতা শহীদ হন।
- তাঁদের স্মরণে ২০০০ সাল থেকে এ দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রস্তাবে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। 
- এ প্রস্তাবে মাতৃভাষার উন্নয়ন ও ভাষাগত বৈচিত্র্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
- ইউনেস্কো সদস্য দেশগুলো এ দিনে ভাষাবিষয়ক প্রদর্শনীসহ নানা কর্মসূচি পালন করে।
- এটি ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত ঐতিহ্যের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংহতি জাগ্রত করে।
- দিবসটি ১৯৫২ সালের ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি বিশ্বমানবতার শ্রদ্ধা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৭৫৬.
বাংলাদেশে 'VGF কর্মসূচি' কোন সংস্থার সহযোগিতায় চালু হয়?
  1. WB
  2. WFP
  3. FAO
  4. IFAD
ব্যাখ্যা

• Vulnerable Group Feeding (VGF) বা “দুর্বল গোষ্ঠী খাদ্য কর্মসূচি”
- ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর, বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ( World Food Programme-WFP)-এর সহযোগিতায় “ Vulnerable Group Feeding (VGF) চালু করে।
- সূচনাকালে, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ৩১.২৫ কিলোগ্রাম গম সরবরাহ করা হতো।
- এখনো পর্যন্ত VGF একটি মানবিক কর্মসূচি হিসেবে চলমান আছে,
- যা দুর্যোগকালীন সময়ে এবং প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।

• VGF কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

• দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
• দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও শিশুদের রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা;
• নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা;
• মন্দার সময় বেকার জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা;
• দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অস্থায়ী সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখা; এবং
• অতিদরিদ্র জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: বিশ্ব ব্যাংক।

১৩,৭৫৭.
দেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  2. এ এম এম জামাল উদ্দীন
  3. এ কে এম জমির উদ্দীন
  4. এ এম এম ফয়সাল আহমেদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর আওতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন স্থাপিত হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে।
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

• নতুন কমিশনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে থাকছেন:
- সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সরকার,
- সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ,
- সাবেক যুগ্ম সচিব বেগম তহমিদা আহমদ
- অবসরারপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উৎস: বিডিনিউজ২৪ ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
১৩,৭৫৮.
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি কোন শতাব্দীতে ভারতবর্ষে আসেন?
  1. একাদশ
  2. দ্বাদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. চতুর্দশ
ব্যাখ্যা
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি তুর্কীদের খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।
- ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি দ্বাদশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে আসেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
-  বাংলা জয় করেন ১৩ শতকে।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলার ইতিহাস; সুলতানি আমল: আব্দুল করিম।
১৩,৭৫৯.
বঙ্গবন্ধু'র শাসনামলে বিশ্বের কতটি রাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে?
  1. ক) ৭৬ টি
  2. খ) ১১২ টি
  3. গ) ১৩০ টি
  4. ঘ) ১৪২ টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর প্রথম ভুটান ও ভারত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। এরপর বঙ্গবন্ধু শাসনামলে ১৩০ টি রাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। পাশাপাশি এ সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ ১৪ টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৭৬০.
ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য কতজন?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত নারী সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৭৬১.
নিচের কোন প্ল্যাটফর্মটি জনগন ও সরকারের মধ্যে সম্পৃক্ততা বা সেতু বন্ধন তৈরি করবে?
  1. ক) জনতার সরকার
  2. খ) জনতার জাগরণ
  3. গ) জনতার আহবান
  4. ঘ) জনতার জয়গান
ব্যাখ্যা
• “জনতার সরকার” সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণমূলক সরকার ও শাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জনগন-সরকার সম্পৃক্ততা বা সেতু বন্ধন তৈরির প্ল্যাটফর্ম।
• জনগণের সাথে সরকারের সংলাপ বা সেতুবন্ধন তৈরি করা এবং সরকারকে জনগণের কাছাকাছি নিয়ে আসা ও জনগণকে সরকারের কাছাকাছি নিয়ে আসাই “জনতার সরকার” প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য।
• সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে, সরকার ও জনগণের মধ্যে ডিজিটাল সেতু হিসেবে কাজ করবে “জনতার সরকার” প্ল্যাটফর্ম।     

তথ্যসূত্র:- https://janatarsarkar.gov.bd/ এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতি সমাচার, অক্টোবর ২০২২।   
১৩,৭৬২.
পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ক) ১৩২০ মেগাওয়াট
  2. খ) ১০০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ১৫২০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ১২৪০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
পায়রা তাপবিদ্যুৎ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ও সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র “পায়রা তাপবিদ্যুৎ” কেন্দ্র উদ্বোধন করেন - ২১ মার্চ ২০২২।
- এর অবস্থান পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে।
৯ জুন ২০১৪ এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৬।
- এটি ১,০০০ একর জমির উপর নির্মিত।
– এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন) বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে ১৫ মে ২০২০ এবং দ্বিতীয় ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ৮ ডিসেম্বর ২০২০।
- এটি নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (BCPCL)।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৭৬৩.
Who was the last Chief Minister of undivided Bengal?
  1. A.K. Fazlul Haque
  2. Husen Shahid Suhrawardy
  3. Abul Hashem
  4. Khaja Nazim Uddin
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৭৬৪.
বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩-এ বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ রান করেন?
  1. লিটন দাস
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা
২০২৩ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তিনি মোট ৩২৮ রান করেন।

আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০২৩:
- আয়োজক দেশ: ভারত।
- এটি ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১৩তম আসর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১০টি।
- মোট ম্যাচ: ৪৮টি।
- বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়: ৫ অক্টোবর-১৯ নভেম্বর।
- চ্যাম্পিয়ন: অস্ট্রেলিয়া (৬ষ্ঠ বার)।
- রানার্স আপ: ভারত।
- ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- ম্যান অব দ্যা ফাইনাল: ট্রাভিস হেড (অস্ট্রেলিয়া)।
- সর্বাধিক রান: ভিরাট কোহলি (ভারত)।
- সর্বাধিক উইকেট: মোহাম্মদ শামি (ভারত)।
- সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস: গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
- সর্বাধিক সেঞ্চুরি: কুইন্টন ডি' কক।

উল্লেখ্য,
⇒ ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০২৩ এ বাংলাদেশ:
- ২০২৩ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ ৯টি ম্যাচ খেলে ২টি ম্যাচে জয় লাভ করে।
- ২০২৩ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (৩২৮ রান)।
- বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহ করেন শরিফুল ইসলাম (১০ উইকেট)।

উৎস: ICC Cricket ওয়েবসাইট।
১৩,৭৬৫.
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২' অনুসারে বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- মোট আবাদী জমি: ১,৯৯,৭২,০০০ একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা: ৫টি।
• রাঙ্গামাটি: ১৩,৭৮,৫৫৫ একর,
• বান্দরবান: ৭,৯৭,৫১৬ একর,
• বাগেরহাট: ৫,৬৬,৫১২ একর,
• খাগড়াছড়ি: ৫,৫৪,১১৬ একর,
• খুলনা: ৫,৪৬,০৮১ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২।
১৩,৭৬৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার কোন ভাগে 'শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২য় ভাগে
  2. ৩য় ভাগে
  3. ৪য় ভাগে
  4. ৫য় ভাগে
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৭৬৭.
’বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা’ এর জনক কে?
  1. ক) Mary Parkell
  2. খ) Lithan Gilbreth
  3. গ) Henry Fayol
  4. ঘ) F.W. Taylor
ব্যাখ্যা
বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা:
- বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা, কিন্তু F. W. Taylor কেই এ ব্যবস্থাপনার পুরোধা হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তবে তিনি Henry R. Towne এর দ্বারা বেশি প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- ’বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা’ এর জনক  F. W. Taylor
- Taylor নিজেই বলেছেন যে, বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা হলো শত জ্ঞানের কাজের অবদান।
- তথাপি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার পূর্ণাঙ্গ ও পর্যাপ্ত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণে ও রূপায়নে টেলরই প্রথম ।
- F. W. Taylor ১৮৭৮ সালে মিডভ্যাল স্টিল কোম্পানিতে প্যাটার্ন মেকার (Pattern Maker) হিসেবে যোগ দেন। 
- এতে তিনি বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার নীতিসমূহ তুলে ধরেন।
- তাঁর নীতির মধ্যে রয়েছেঃ
(i) শ্রমিকগণ বৈজ্ঞানিক উপায়ে নির্বাচিত হতে হবে; প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে যে কাজের জন্য উপযোগী, যে কাজে নিয়োগ দেয়া উচিত।
(ii) পুরাতন ধ্যান-ধারণা পাল্টে ফেলে বিজ্ঞানভিত্তিক অর্থাৎ সংগঠিত জ্ঞানের প্রয়োগ করতে হবে।
(iii) কাজের পরিকল্পনাকারী ও কাজের বাস্তবায়ন কারীদের মধ্যে সু-সমন্বয় থাকতে হবে।
(iv) ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিকগণকে কাজের জন্য সমভাবে দায়িত্ব বহন করতে হবে।

উৎস: ব্যবস্থাপনা ও নীতিমালা, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৭৬৮.
নিম্নের কোনটি জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম? 
  1. জমি চাষ
  2. সাঁওতাল রমণী
  3. চরদখল
  4. হত্যাযজ্ঞ
ব্যাখ্যা

- সাঁওতাল রমণী জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম।

জয়নুল আবেদিন:

- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা, 'নবান্ন', 'মনপুরা ৭০', 'মই দেয়া', 'সাঁওতাল রমণী', 'বিদ্রোহী' এবং 'কাক'। 'দুই মহিলা' (গোয়াশ, ১৯৫৩), 'পাইন্যার মা' (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও 'মহিলা' (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
 জয়নুল আবেদিন চিত্রকর্ম: ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা, 'নবান্ন', 'মনপুরা ৭০', 'মই দেয়া', 'সাঁওতাল রমণী', 'বিদ্রোহী' এবং 'কাক'।

অন্যদিকে,
- এসএম সুলতানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম:  'প্রথম বৃক্ষরোপণ', 'চরদখল', 'জমি চাষ', 'হত্যাযজ্ঞ', এবং 'মাছ ধরা-৩। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,৭৬৯.
মুক্তিযুদ্ধে ২নং সেক্টরের সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. বাঁশতলা
  2. তরঙ্গপুর
  3. মেলাঘর
  4. হরিণা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
=১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রব।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ২নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৩নং সেক্টর:
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ, পরে মেজর এএনএম নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৪ নং সেক্টর:
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরাজন দত্ত, পরে ক্যাপ্টেন এ রবের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৫নং সেক্টর:
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

= ৬নং সেক্টর:
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়ি মাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।

= ৭নং সেক্টর:
-রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর।
- সদরদপ্তর: তরঙ্গপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নজরুল হক, পরে সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৮নং সেক্টর:
- কুষ্টিয়া, যশোর থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা,
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল,
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ।
- সদরদপ্তর: কল্যাণী।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৯নং সেক্টর:
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম জলিল, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীনের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ১০নং সেক্টর:
- সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।

= ১১নং সেক্টর:
- টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৭৭০.
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রথম নারী কমিশনার -
  1. আছিয়া খাতুন
  2. আমেনা বেগম
  3. হামিদা বানু
  4. আছমা বেগম
ব্যাখ্যা
দুদকের প্রথম নারী কমিশনার:

- দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রথম নারী কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত সচিব মোছা: আছিয়া খাতুন।
- বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে তাকে দুদকের কমিশনার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
- 'দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪' এর ৬(১) ধারার বিধান মতে তিনি এই নিয়োগ পেয়েছেন।
- আইনের ১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী কমিশনার হিসেবে আছিয়া খাতুনের বেতন-ভাতা, অনন্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতির সমান নির্ধারণ করা হয়েছে।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারের মেয়াদ পাঁচ বছর।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ১৩ জুন ২০২৩।
১৩,৭৭১.
"আমি কোথায় পাবো তারে, আমার মনের মানুষ যে রে।" - কার রচিত গান?
  1. লালন সাঁই
  2. সিরাজ সাঁই
  3. গগন হরকরা
  4. রামপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
"আমি কোথায় পাব তারে,
আমার মনের মানুষ যে রে।
হারায়ে সেই মানুষে, তার উদ্দেশে দেশ-বিদেশে-
আমি দেশ-বিদেশে বেড়াই ঘুরে;
কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে।।"

- কালজয়ী বাউল গানটির রচয়িতা ও সুর করেছন - গগন হরকরা
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি" এর সুর করেছিলেন এই গানটির থেকে প্রভাবিত হয়ে।
--------------
গগন হরকরা- পরিবারের দেওয়া নাম গগণচন্দ্র দাস হলেও ইতিহাসে যিনি গগন হরকরা নামেই প্রসিদ্ধ।
- কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে আনুমানিক ১৮৪৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন গগন।
- শিলাইদহ পোস্ট অফিসে কাজ করতেন ডাকহরকরা বা ডাকপিয়ন হিসেবে। তবে এই পরিচয় ছাপিয়ে গগন ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন তার রচিত ও সুরারোপিত কালজয়ী গানের জন্য।

তাঁর রচিত ও সুর করা আরো একটি গান: ও মন অসাড় মায়ায় ভুলে রবে। (এই গানের সুর থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "যে তোমায় ছাড়ে ছাড়ুক" - এই গানটির সুর করেন।

---------------
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের গগন হরকরার প্রভাব পড়ে যেভাবে:
- তৎকালীন ভারত উপমহাদেশের নদীয়ার (বর্তমান কুষ্টিয়া) একটি ছোট গ্রামে গগনের বাস।
- ভূ-খন্ডের এই অংশে তখন প্রতিনিধিত্ব লালন সাঁই, গ্রামীণ সাংবাদিকতার পথিকৃত কাঙাল হরিনাথ, সাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেনের মতো কালজয়ী প্রতিভাদের। শিলাহদহ এস্টেটে ঠাকুরবাড়ির জমিদারি দেখাশোনার জন্য আসতেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

- শিলাইদহ পোস্ট অফিসে ডাকহরকরার কাজের ফাঁকে গান রচনা ও গাইতেন গগন। তিনি বাউল সম্রাট ফকির লালনের অনুসারী ছিলেন।
- রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে এলে চিঠিপত্রাদি দিতে জমিদার কাচারিতে যাওয়া হতো গগনের।
- তার রচিত ও সুরারোপিত ‘আমি কোথায় পাব তারে, আমার মনের মানুষ যে রে’ গানটি শুনে মুগ্ধ হন রবীন্দ্রনাথ।

রবীন্দ্রনাথ গগণের নাম ও তার গানের বিষয়ে তার প্রবন্ধ “An Indian Folk Religion” এ উল্লেখ করেন।
- সেখানে ‘আমি কোথায় পাবো তারে’—গানটির উল্লেখ করে রবীন্দ্রনাথ বলেন, “The first Baul song, which I chanced to hear with any attention, profoundly stirred my mind.”

এই গান রবীন্দ্রনাথকে এতোটাই প্রভাবিত করে যে, তিনি এর সুরে রচনা করেন ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’
---------------
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ডাকঘর নাটকটি গগন হরকরার জীবন থেকে প্রভাবিত হয়ে লিখেছিলেন।
- নাটকের গগেন্দ্রনাথ ঠাকুর চরিত্রটি তা প্রমাণ করে।

উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট ও বিডি নিউজ২৪.কম আর্কাইভ।
১৩,৭৭২.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) শাহবাগ
  2. খ) আগারগাঁও
  3. গ) জয়দেবপুর
  4. ঘ) সাভার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত। এটি ১৯৮৭ সালে সিভিল সার্ভিস প্রশাসন একাডেমি হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এর আগে এটি সিভিল অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত ছিলো। এটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এর প্রধানের পদবী রেক্টর। এই প্রতিষ্ঠানে সিভিল সার্ভিস ক্যাডারের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। (সূত্রঃ BCSAC ওয়েবসাইট)
১৩,৭৭৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যার ঘনত্ব -
  1. ১০১৯ জন
  2. ১১১৯ জন
  3. ১১২৯ জন
  4. ১২১৯ জন
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১৩,৭৭৪.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির গীতিকার কে?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. আবদুল লতিফ
  4. আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ। সেই সুর পরিবর্তন করে আলতাফ মাহমুদ পরে এর সুরারোপ করেন। সেটি এখন বলবৎ আছে। 
- ‘রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বলতে বোঝানো হয়েছে যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।

১৩,৭৭৫.
বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের কয়টি দেশে কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রফতানি করে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১৪৫টি
  2. ১৪৮টি
  3. ১৫০টি
  4. ১৫২টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রফতানি করে।
- এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য পাঠানো হয়।
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রফতানি পণ্যের গন্তব্য হলো:
-সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই),
- সৌদি আরব,
- ভারত,
- যুক্তরাজ্য
- ও যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা। 

১৩,৭৭৬.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত মোট ধানের জাত কতটি?
  1. ক) ৭৭টি
  2. খ) ৮৯টি
  3. গ) ১০৫টি
  4. ঘ) ১১৩টি
ব্যাখ্যা
• ধানের জাত:
 - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে প্রতিকূল ও অপ্রতিকূল পরিবেশ উপযোগী উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত ১১৩টি (১০৫টি ইনব্রিড ও ৮টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।

তম্মধ্যে:
- ৫১টি জাত বোরো মওসুমের জন্য (১২টি জাত বোরো ও আউশ উভয় মওসুম উপযোগী)।
- ২৭ টি জাত বোনা এবং রোপা আউশ মওসুম উপযোগী।
- ৪৬ টি জাত রোপা আমন মওসুম উপযোগী।
- ১২টি জাত বোরো ও আউশ উভয় মওসুম উপযোগী।
- ১টি জাত বোরো, আউশ এবং রোপা আমন মওসুম উপযোগী।
- ১টি জাত বোনা আমন মওসুম উপযোগী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৩,৭৭৭.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের চূড়ায় পাট গাছের কয়টি পরস্পর যুক্ত পাতা রয়েছে?  
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি  শাপলা ফুল।
- এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পর যুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,৭৭৮.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট আমদানির পরিমান কত?
  1. ৬২ বিলিয়ন
  2. ৬১ বিলিয়ন
  3. ৫০ বিলিয়ন
  4. ৫৫ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম। 
- আগের অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- পরিমাণের দিক থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে আমদানি বেড়েছে।
- সব মিলিয়ে সোয়া ১৪ কোটি টন পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা এর আগের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১৩ কোটি ৭৬ লাখ টনের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ৫০টি শুল্ক স্টেশনে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খালাস হওয়া পণ্যের তথ্য পর্যালোচনা করে আমদানির এই চিত্র পাওয়া গেছে।

উৎস: প্রথম আলো

১৩,৭৭৯.
গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন কত?
  1. ক) ৯১ বর্গ কিলোমিটার
  2. খ) ৯ বর্গ কিলোমিটার
  3. গ) ৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৮ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সোনাদিয়া কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালী উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটিদ্বীপ।
- দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার।
- কক্সবাজার শহর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে সোনাদিয়া অবস্থিত।
- প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রশস্থ সৈকত, সৈকত ঘেষে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে থাকা সূউচ্চ বালিয়াড়ি, জালের  মতো ছোট-বড় অসংখ্য খাল বেষ্টিত ম্যানগ্রোভ বন, বিস্তির্ণ ল্যাগুন্যাল ম্যাডফ্ল্যাট, কেয়া-নিশিন্দার ঝোপ, বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি সোনাদিয়া দ্বীপের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

- সমুদ্র সৈকতের পাশ ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার সূ-উচ্চু বালিয়াড়ির তুলনা বাংলাদেশে  নেই। সমুদ্র এবং সৈকত থেকে বালিয়াড়ির দৃশ্য অপূর্ব মনে হয়।
- সোনাদিয়ার সৈকত এবং বালিয়াড়ি বিপন্ন জলপাই বর্ণের সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান। এখানে সামুদ্রিক সবুজ কাছিমও ডিম পাড়তে আসে।
- সমুদ্র সৈকতের বেলাভূমিতে পানির কিনারা ঘেষে বিচরন করে লাল কাঁকড়া এবং প্যারাবন এলাকায় শীলা কাঁকড়া পাওয়ার যায়।

- ২০০৯ সালে সোনাদিয়া দ্বীপে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় এবং পরবর্তীতে তা পটুয়াখালীর পায়রাতে সরানো হয়।

উৎস: মহেশখালী উপজেলার ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৭৮০.
ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রের নাম?
  1. ক) Agriculture Information and Communication Service
  2. খ) Agriculture Information and Communication Society
  3. গ) Agriculture Information and Communication Center
  4. ঘ) Agriculture Information and Control Center
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র- Agriculture Information and Communication Center (AICC)।

এছাড়াও 
কোভিড-19 এর অভিঘাতসহ বিভিন্ন আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় কৃষি ‍উৎপাদন বৃদ্ধি চলমান রাখা, কৃষিবিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণে অনলাইনভিত্তিক ই সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়েছে।
যেমন:
কৃষকের জানালা 
কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
কৃষি বাতায়ন
বন্ধু ফোন
Online Fertilizer Recomendation Software
Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
১৩,৭৮১.
Fazle Kabir is the _______ governor of Bangladesh bank.
  1. 9th
  2. 10th
  3. 11th
  4. 12th
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য: চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: জনাব আব্দুর রউফ তালুকদার (১২ তম)। 

অন্যদিকে -
- ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ ব্যাংকের নবম গভর্নর।
- ড. আতিউর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের দশম গভর্নর।
- ফজলে কবির বাংলাদেশ ব্যাংকের ১১তম গভর্নর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৩,৭৮২.
সংবিধান অনুযায়ী জেলা বিচারক বলতে-
  1. অতিরিক্ত দায়রা জজ অন্তর্ভুক্ত হবেন
  2. অতিরিক্ত জেলা বিচারক অন্তর্ভুক্ত হবেন
  3. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত হবেন
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অন্তর্ভুক্ত হবেন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের একাদশ ভাগের ১৫২ নং অনুচ্ছেদে বিভিন্ন বিষয় যেমন- অধিবেশন, অনুচ্ছেদ, অর্থ-বৎসর, আইন, আদালত ইতাদির অর্থ ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে যে-
'জেলা - বিচারক বলিতে অতিরিক্ত জেলা - বিচারক অন্তর্ভুক্ত হইবেন';
১৩,৭৮৩.
বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ কোনটি?
  1. কাঁঠাল গাছ
  2. তাল গাছ
  3. বট গাছ
  4. আম গাছ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়বলি:
- বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ: আম গাছ।
- জাতীয় পাখি: দোয়েল,
- জাতীয় ফল: কাঁঠাল,
- জাতীয় ফুল: শাপলা,
- জাতীয় মাছ: ইলিশ,
- জাতীয় পশু: রয়েল বেঙ্গল টাইগার,
- জাতীয় খেলা: কাবাডি,
- জাতীয় সঙ্গীত: আমার সোনার বাংলা,
- জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান: মিরপুর জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান,
- জাতীয় উদ্যান: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান,
- জাতীয় জাদুঘর: ঢাকা জাদুঘর,
- জাতীয় শিশুপার্ক: ঢাকা শিশু পার্ক,
- জাতীয় মসজিদ: বায়তুল মোকাররম মসজিদ,
- জাতীয় প্রতীক: উভয় পাশে ধানের শীষ বেষ্টিত পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল,
- জাতীয় মনোগ্রাম: লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র, বৃত্তের উপরে লেখা ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এবং নিচে লেখা ‘সরকার’। বৃত্তের দু’পাশে দুটি করে চারটি তারকা।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,৭৮৪.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. গাজীপুর
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

১৩,৭৮৫.
"কোন ব্যক্তি যদি রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে তাকেই নাগরিক বলে" - উক্তিটি কার?
  1. হ্যারল্ড জে লাস্কি
  2. হ্যান্স কেলসন
  3. লিলি উইলিয়াম
  4. ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা
- অধ্যাপক হ্যারল্ড জে লাস্কি'র মতে "কোন ব্যক্তি যদি রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করে তাকেই নাগরিক বলে।"
- তিনি আরও বলেন "সর্বজনীন কল্যাণের জন্য ব্যক্তির লব্ধ বিচারবুদ্ধির প্রয়োগই নাগরিকতা"।

- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হ্যান্স কেলসন বলেন "নাগরিকতা হচ্ছে রাষ্ট্রের সদস্য হিসেবে কোন ব্যক্তির স্ট্যাটাস বা মর্যাদা।" 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৭৮৬.
নিচের কোন আমটি বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. ক) ল্যাংরা
  2. খ) গোপালভোগ
  3. গ) ফজলি
  4. ঘ) হিমসাগর
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাপী জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেটর (জিআই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি প্রদান করে আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ব সংস্থা (World Intellectual Property Organisation-WIPO).
এ প্রক্রিয়ায় প্রথমে ওয়াইআইপিও অনুমোদিত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান (বাংলাদেশে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর-ডিপিডিটি) জিআই সনদ প্রকাশ করে।
পরবর্তীতে ওয়াইআইপিও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালে জামদানি শাড়ি, ২০১৭ সালে ইলিশ এবং ২০১৯ সালে ক্ষীরসাপাত বা হিমসাগর আম স্বীকৃতি পায়।

(সূত্রঃ ওয়াইআইপিও এবং ডিপিডিটি ওয়েবসাইট)

১৩,৭৮৭.
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ বা বাঙালি মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) ৬ দফাকে
  2. খ) ২১ দফাকে
  3. গ) ১১ দফাকে
  4. ঘ) ৩৫ দফাকে
ব্যাখ্যা
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি সরকারের চরম অবহেলা এবং এর পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক, সামরিক, শিক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি সীমাহীন বৈষম্যের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সোচ্চার হন। ১৯৬৬ সালে ঘোষণা করেন পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা। তিনি ছয় দফাকে ‘আমাদের বাঁচার দাবি’ বলে আখ্যায়িত করেন। ফলে ছয় দফার পক্ষে দ্রুত জনমত গড়ে উঠে। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৭৮৮.
ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ বাংলার সুলতান ছিলেন—
  1. ১৩২৮–১৩৩৮ সাল
  2. ১৩৩৮–১৩৪৯ সাল
  3. ১৩৪০–১৩৫০ সাল
  4. ১৩৫৫–১৩৬৫ সাল
ব্যাখ্যা

• ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ :
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ (১৩৩৮-১৩৪৯) বাংলার সুলতান।
- বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে। 
- ফখরুদ্দীন ছিলেন জাতিতে তুর্কি এবং খুব সম্ভবত তুর্কিদের কারাউনা গোত্রীয়।
- তিনি ছিলেন দিল্লির তুগলক সুলতানের অধীনে সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা (ওয়ালি) বাহরাম খানের সিলাহদার (অস্ত্রাগারের তত্ত্বাবধায়ক)।
- ১৩৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাহরাম খানের মৃত্যুর পর ফখরুদ্দীন সোনারগাঁয়ে শাসন ক্ষমতা করায়ত্ত করেন এবং স্বীয় অবস্থান সুদৃঢ় করে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন।
- স্বীয় মুদ্রায় ফখরুদ্দীন আল-সুলতানুল আযম ফখরুদ্দুনিয়া ওয়াদ-দ্বীন আবুল মুজাফফর মুবারক শাহ আল-সুলতান উপাধি গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,৭৮৯.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ফ্লোটিলার অভিযাত্রী হিসেবে যোগ দিয়েছেন- [অক্টোবর,২০২৫]
  1. ডা. বাবর আলী
  2. ড. শহিদুল আলম 
  3. রেহমান সোবাহান
  4. জিয়াউল হক
ব্যাখ্যা

- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ফ্লোটিলার অভিযাত্রী হিসেবে যোগ দিয়েছেন- ড. শহিদুল আলম।
- গাজার ওপর ইসরায়েলের অবরোধ ভাঙার উদ্দেশ্যে পাঠানো 'গ্লোবাল সুমুদ মিডিয়া ফ্লোটিলা'-তে অংশ নিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী, শিক্ষক ও মানবাধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলম।
- গত ২৭ সেপ্টেম্বর দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম গাজা ফ্লোটিলায় যোগ দেয়ার ঘোষণা দেন।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ইতালির ওট্রান্টো থেকে ফ্লোটিলার বৃহত্তম জাহাজ 'কনসায়েন্স'-এ যোগ দেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১৩,৭৯০.
পতেঙ্গায় কন্টেইনার টার্মিনাল কোন দেশের অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে?
  1. সৌদি আরব
  2. জাপান
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
পতেঙ্গায় কন্টেইনার টার্মিনাল:
- চট্টগ্রাম বন্দরের নবনির্মিত পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) পরিচালনা করবে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল (আরএসজিটিআই)।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আরএসজিটিআইর মধ্যে একটি কনসেশন চুক্তি সই হয়েছে।
- ২২ বছরের জন্য এ টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে সৌদি প্রতিষ্ঠানটি।
- ১ হাজার ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ের এ টার্মিনালের মাধ্যমে টুল পোর্ট থেকে ল্যান্ড লর্ড মডেলে প্রবেশ করতে যাচ্ছে দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনা।

উল্লেখ্য,
- প্রায় ২৬ একর জায়গায় কর্ণফুলী নদীর তীরে এ টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এর মাধ্যমে বন্দরের টার্মিনালের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চারটিতে।
- আর জাহাজ ভেড়ানোর জন্য বন্দরের মূল জেটির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১-এ। 
- পিসিটি টার্মিনালের তিনটি জেটিতে একসঙ্গে তিনটি কন্টেইনার জাহাজ ভেড়ানো যাবে।
- তেল খালাসের জন্য রয়েছে আরেকটি ডলফিন জেটি।
- এ টার্মিনাল বছরে ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের প্রায় পাঁচ লাখ কন্টেইনার বাড়তি হ্যান্ডেল করতে পারবে।
- এতে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে।

উৎস: ৭ ডিসেম্বর ২০২৩, সমকাল। 
১৩,৭৯১.
জাগ্রত চৌরঙ্গী ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. মোস্তফা মনোয়ার
  4. আবদুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত বাংলাদেশের প্রথম ভাস্কর্য।
- অবস্থান: গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে।
- নির্মাতা: ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- নির্মাণ শুরু: ১৯৭২ সালে (সহযোগী: হামিদুজ্জামান খান)।
- নির্মাণ সমাপ্তি: সেপ্টেম্বর ১৯৭৩।
- মোট উচ্চতা (ভিতসহ): ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি।
- মূল ভাস্কর্যের ডান হাতে গ্রেনেড ও বাঁ হাতে রাইফেল।
- ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন ও ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদের নাম খোদাই করা আছে এই ভাস্কর্যটিতে। 

 উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,৭৯২.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- এর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- সম্প্রতি লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিনThe Financial Times এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০ টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান এবং Best Economic Potential 2010-2011 category-তে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১৩,৭৯৩.
‘ওমর ফারুক’ ও ‘আবু উবাইদাহ' কী?
  1. ক) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুটি মিসাইল
  2. খ) বাংলাদেশ বিমানের দুটি উড়োজাহাজ
  3. গ) বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ
  4. ঘ) বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি যুদ্ধ বিমান
ব্যাখ্যা
- চীনে নবনির্মিত নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ‘ওমর ফারুক’ ও ‘আবু উবাইদাহ'
-  আধুনিক এ যুদ্ধজাহাজ দুটির প্রতিটি দৈর্ঘ্যে ১১২ মিটার এবং প্রস্থে ১২ দশমিক ৪ মিটার। 
- ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৪ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম। 
- প্রতিটি জাহাজ বিভিন্ন আধুনিক যুদ্ধ–সরঞ্জামে সুসজ্জিত। জাহাজ দুটিতে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন কামান, ভূমি থেকে আকাশে এবং ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, অত্যাধুনিক সারভাইলেন্স রাডার, ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম, সাবমেরিন বিধ্বংসী রকেট, রাডার জ্যামিং সিস্টেমসহ বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধ–সরঞ্জামাদ রয়েছে।
- গত ২০২০ সালের ১৪ জানুয়ারি চীনে নির্মিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ‘ওমর ফারুক’ ও ‘আবু উবাইদাহ’   মোংলা নেভাল জেটিতে এসে পৌঁছায়।
 
উৎস: প্রথম আলো 
১৩,৭৯৪.
'জাগ্রত চৌরঙ্গীর' স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুন্ডু
  2. শামীম শিকদার
  3. মইনুল হোসেন
  4. আবদুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা
জাগ্রত চৌরঙ্গী:

- মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- জাগ্রত চৌরঙ্গী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার অবস্থিত।
- জাগ্রত চৌরঙ্গীর স্থপতি খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- তৎকালীন গাজীপুরে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
- ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি। কংক্রিট, গ্রে ও হোয়াইট সিমেন্টের ঢালাইয়ে নির্মিত ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন এবং ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে।
- ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক সহযোগী হামিদুজ্জামান খানকে নিয়ে ১৯৭২ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। কাজ শেষ হয় ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ ডিসেম্বর ২০২০।
১৩,৭৯৫.
বর্তমানে দেশের মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার? (মার্চ-২০২৬)
  1. ২,৭২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৬৯ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮৬৯ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮০০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।

- দেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৭৬৯ মার্কিন ডলার।
- এটি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী প্রকাশ করা হয়েছে।
- এক বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৩১ মার্কিন ডলার।

- এসংক্রান্ত বিবিএস ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করেছে।

⇒ বিবিএসের তথ্যমতে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৯৩ ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২,৭৪৯ ডলারে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৭৩৮ ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) অর্থনৈতি সমীক্ষা-২০২৫।

১৩,৭৯৬.
প্রথম তৈরী শহীদ মিনার প্রথম কবে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে
  3. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে
  4. ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম শহীদ মিনার:

- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ- পূর্ব পাশে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দশটার দিকে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন।
- উদ্বোধনের দিন অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- এরপর ঢাকা কলেজেও একটি শহীদ মিনার তৈরি করা হয়, এটিও একসময় সরকারের নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
১৩,৭৯৭.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালে মোট কতজন নারীকে খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৪ জন
  3. ৬ জন
  4. ৮ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,৭৯৮.
মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে কতজন সৈন্য উপস্থিত ছিল?
  1. ক) ৯১,৫০০
  2. খ) ৯৩,০০০
  3. গ) ৯২,২০০
  4. ঘ) ৯১,০০০
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ এর ৬ ডিসেম্বর ভূটান ও ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্সের যে স্থানে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে ৯৩ হাজার সৈন্য ও অফিসারসহ আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও
বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খোন্দকার উপস্থিত ছিলেন। 
- ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে ঢাকায় আগত কাদের সিদ্দিকীও ঐ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৭৯৯.
'আউশ ধান' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. দিনাজপুর
  3. কুমিল্লা
  4. ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: রংপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৩,৮০০.
তারা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. বাগেরহাট
  4. নওগাঁ
ব্যাখ্যা
তারা মসজিদ:
- বাংলাদশের পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা-র আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত ‘তারা মসজিদ’।
- খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- সতের শতকে দিল্লি, আগ্রা ও লাহোরে নির্মিত মোঘল স্থাপত্য শৈলী অনুসরণে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
- মসজিদের কোথায়ও এর তৈরির সময় উল্লেখ নেই বলে কবে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়, তার সুস্পষ্ট কোনো নথি পাওয়া যায়নি।
- তবে, মসজিদটি তৈরির পর ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে মির্জা গোলাম পীর মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন।
- এই সময় মসজিদটির আকার বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটির পুনরায় সংস্কার করা হয়।
- এই সময় পুরনো একটি মেহরাব ভেঙে দুটো গম্বুজ আর তিনটি নতুন মেহরাব বানানো হয়।
- সব মিলিয়ে বর্তমানে এর গম্বুজ সংখ্যা পাঁচটিতে দাঁড়িয়েছে।
- এর ফলে মসজিদের জায়গা সম্প্রসারিত হয়।

⇒ মসজিদের বর্তমান আকার:
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।