বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩৪ / ৩০৬ · ১৩,৩০১১৩,৪০০ / ৩০,৮৩২

১৩,৩০১.
সংবিধান সংস্কার কমিশন কয়টি মূলনীতির সুপারিশ করেছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ৯ সদস্য বিশিষ্ট সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

⇒ সংবিধান সংস্কার কমিশন পাঁচটি মূলনীতির সুপারিশ করেছে।
- এই মূলনীতিগুলো হলো: সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।

⇒ সংবিধানের মূলনীতি:
- ৫.১ কমিশন সুপারিশ করছে যে, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
- ৫.২ বাংলাদেশের সমাজের বহুত্ববাদী চরিত্রকে ধারণ করে এমন একটি বিধান সংবিধানে যুক্ত করা সমীচীন। সুতরাং, কমিশন নিম্নোক্ত বিধান অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করছে "বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী, বহু-জাতি, বহু-ধর্মী, বহু-ভাষী ও বহু-সংস্কৃতির দেশ যেখানে সকল সম্প্রদাযের সহাবস্থান ও যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।

⇒ সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন একটি কার্যকর গণতন্ত্র, মৌলিক মানবধিকার সুনিশ্চিতকরণ এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাতটি প্রধান বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছে। সেগুলো যথাক্রমে:
১. ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান আদর্শ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনস্বরূপ সংবিধান ও রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে "সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র" প্রস্তাব,
২. ক্ষমতার প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা,
৩. প্রধানমন্ত্রী পদের একচ্ছত্র ক্ষমতা হ্রাস,
৪. অন্তবর্তী সরকার কাঠামোর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব,
৫. বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ,
৬. শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সুনিশ্চিতকরণ,
৭. মৌলিক অধিকারের আওতা সম্প্রসারণ, সাংবিধানিক সুরক্ষা ও বলবৎযোগ্যতা নিশ্চিতকরণ।

উৎস: i) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।
ii) সংবিধান সংস্কার কমিশন।
১৩,৩০২.
‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে কত সালে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
সুজন:
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ সালে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - সুজন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৩,৩০৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
  1. ক) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. খ) মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  4. ঘ) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩০৪.
সংবিধানের সপ্তম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাচন
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি;
তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ;
পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা;
ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ;
সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন;
অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক;
নবম - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
দশম - সংবিধানের সংশোধন;
একাদশ - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৩০৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের' মুক্তির কথা বলা আছে?
  1. ১৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ:
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।

অন্যদিকে,
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- ১৫ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৩০৬.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে এডিপির বরাদ্দ-
  1. ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি
  2. ২ লাখ ৪০ হাজার কোটি
  3. ২ লাখ ২০ হাজার কোটি
  4. ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উল্লেখ্য, 
• পরিবহণ ও যোগাযোগ খাত: ৫৮ হাজার ৯৭৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা (২৫.৬৪%)
• বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত: ৩২ হাজার ৩৯২ কোটি ২৬ লাখ টাকা (১৪.৮%)
• শিক্ষা: ২৮ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা (১২.৪২%)
• গৃহায়ন ও কমিউনিটি সুবিধাবলী খাত: ২২ হাজার ৭৭৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা (৯.৯০%)
• স্বাস্থ্যে খাত: ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা (৭.৮৯%)

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
১৩,৩০৭.
বাংলায় কররানি (আফগান) শাসনের অবসান এবং মুঘল শাসনের সূচনা হয় কোন যুদ্ধের মাধ্যমে?
  1. ক) চৌসার যুদ্ধ
  2. খ) কণৌজের যুদ্ধ
  3. গ) রাজমহলের যুদ্ধ
  4. ঘ) বিলগ্রামের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট হুমায়ুন বাংলার রাজধানী গৌড় অধিকার করে মুঘল শাসনের সূচনা করেন। কিন্তু বাংলায় তাঁর অধিকার বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।
১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দে চৌসার যুদ্ধে পরাজয়ের পর বিজয়ী আফগান নেতা শের খান গৌড় দখল করেন এবং বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলার প্রবেশ পথ রাজমহলের নিকটে বাংলার শেষ আফগান শাসক দাউদ খান ও মুঘল বাহিনীর তুমুল যুদ্ধ হয়। যা রাজমহলের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে দাউদ খান পরাজিত ও বন্দি হলে বাংলায় মুঘল শাসনের সূত্রপাত হয়।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র (উন্মুক্ত)]
১৩,৩০৮.
মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি গঠন করেন কে?
  1. ক) সৈয়দ আমির আলী
  2. খ) স্যার সৈয়দ আহমদ
  3. গ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. ঘ) নবাব ফয়জুন্নেসা
ব্যাখ্যা
বাংলার মুসলমানদের মধ্যে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারে নওয়াব আব্দুল লতিফ আন্তরিক প্রচেষ্টা চালান। এ লক্ষ্যে তিনি ১৮৬৩ সালে মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি গঠন করেন।
এছাড়া তিনি ‍মুসলমানদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের নিকট বিভিন্ন দাবী দাওয়া পেশ করেন। তার প্রচেষ্টায় মহসীন ফান্ডের অর্থ কেবল মুসলমান ছাত্রদের জন্যে ব্যয়ের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৩০৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়ার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৬৫ অনুচ্ছেদে
  2. ৬৬ অনুচ্ছেদে
  3. ৬৭ অনুচ্ছেদে
  4. ৬৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হতে পারে নিম্নলিখিত কারণে:

- নির্বাচনের পর ৯০ দিনের মধ্যে শপথগ্রহণ করতে না পারলে। তবে স্পীকার বিশেষ কারণে সময় বাড়াতে পারেন।
- সংসদের অনুমতি ছাড়া টানা ৯০টি বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলে। 
- সংসদ ভেঙে গেলে।
- সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অযোগ্য হলে।
- সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতি তৈরি হলে।
⇒ কোনো সংসদ সদস্য স্পীকারকে স্বাক্ষরযুক্ত পত্র দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। স্পীকার পত্র গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে তার আসন শূন্য হয়ে যাবে।
⇒ যদি স্পীকার পদ শূন্য থাকে বা দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম হন, সেক্ষেত্রে ডেপুটি স্পীকার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করবেন, এবং তা গ্রহণের পর ওই সদস্যের আসন শূন্য বলে গণ্য হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৩১০.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে গণরিষদ গঠনের আদেশ কে জারি করেন?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. শাহ আবদুল হামিদ
  3. মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- গণপরিষদ গঠন সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক বিধি-বিধানের সমষ্টি।
- পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও এমন একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়।

⇒ ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী গণরিষদ গঠনের আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না।
- রাজনৈতিক দল থেকে বহিঃস্কৃত ব্যক্তি গণপরিষদ থেকে বহিঃস্কৃত হতেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সংবিধান রচনার পবিত্র দায়িত্ব এ পরিষদের উপর ন্যস্ত ছিল।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩১১.
৬ষ্ঠ জনশুমারি অনুসারে, কোন সিটি কর্পোরেশনের জনসংখ্যা সর্বোচ্চ?
  1. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  3. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন 
  4. নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

• ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
১৩,৩১২.
বিশ্বের কতটি দেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন রয়েছে?
  1. ক) ৪৫ টি
  2. খ) ৪৮ টি
  3. গ) ৫৮ টি
  4. ঘ) ৬৬ টি
  5. ঙ) ৭৭ টি
ব্যাখ্যা
বিশ্বের ৫৮ টি দেশে বাংলাদেশের মোট, ৭৭ টি কূটনৈতিক মিশন রয়েছে। এর মধ্যে ৫৮ টি দূতাবাস, ৯ টি কনস্যুলেট জেনারেল, ৪ টি সহকারি হাইকমিশন, ৩ টি উপ হাইকমিশন, ২ টি স্থায়ী মিশন ও একটি কনস্যুলেট।(সূত্রঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও দৈনিক জনকণ্ঠ)
১৩,৩১৩.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্তির পরে কোন দুটি বিভাগ গঠন করা হয়েছে?
  1. কর প্রশাসন বিভাগ ও কর আইন বিভাগ
  2. রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ
  3. রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও কর আদায় বিভাগ
  4. কর নীতি বিভাগ ও পরিসংখ্যান বিভাগ
ব্যাখ্যা

রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ:
- গত ১২ মে, ২০২৫ ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ’ জারির মাধ্যমে এনবিআর ভেঙে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুটি বিভাগ সৃষ্টি করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, রাজস্ব নীতি বিভাগ কর আইন প্রয়োগ এবং কর আহরণ পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবে।
- রাজস্ব সংগ্রহের মূল কাজ করবে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
- নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনবল রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগে ন্যস্ত হবে।
- এই জনবল থেকে প্রয়োজনীয় জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে পদায়ন করা যাবে।
- এছাড়া অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত হয়ে তার জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে ন্যস্ত হবে।

উৎস: রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫।

১৩,৩১৪.
'কাঁচের দেয়াল' ছবিটি পরিচালনা করেন কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. তারেক মাসুদ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৩১৫.
যমুনা বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলার কয়টি?
  1. ক) ৭৫ টি
  2. খ) ৫৯ টি
  3. গ) ৫০ টি
  4. ঘ) ৪৫ টি
ব্যাখ্যা
যমুনা বহুমুখী সেতু বা বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু।
- ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৮.৫ মিটার প্রস্থ এই সেতুটির নির্মাণ কাজ ১৯৯৮ সালে শেষ হয়।
- এটি যমুনা নদীর পূর্ব তীরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর (ভুয়াপুর) এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে।
- বঙ্গবন্ধু সেতুতে লেনের সংখ্যা - ৪ টি, পাইলের সংখ্যা - ১২১ টি, পিলার সংখ্যা - ৫০ টি৷
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১৩,৩১৬.
চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদান রাখায় আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন যে অভিনেতা?
  1. ক) সোহেল রানা
  2. খ) ইলিয়াস কাঞ্চন
  3. গ) আহমেদ শরিফ
  4. ঘ) রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত
ব্যাখ্যা
• জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩:
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
- ২০২১ সালে চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় ২৭ ক্যাটাগরিতে ৩৪টি পুরস্কার দেওয়া হবে।
- চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদান রাখায় আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন অভিনেত্রী ডলি জহুর ও চলচ্চিত্র অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন।
- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পাচ্ছে লাল মোরগের ঝুঁটি ও নোনাজলের কাব্য,
- শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ধর।
- শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র বধ্যভূমিতে একদিন।
- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য),
- শ্রেষ্ঠ অভিনেতা যৌথভাবে মো. সিয়াম আহমেদ (মৃধা বনাম মৃধা) ও মীর সাব্বির মাহমুদ (রাতজাগা ফুল)।
- শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী যৌথভাবে আজমেরী হক বাঁধন (রেহানা মরিয়ম নূর) ও তাসনোভা তামান্না (নোনাজলের কাব্য)।
- শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে এম ফজলুর রহমান বাবু (নোনাজলের কাব্য),
- শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে শম্পা রেজা (পদ্মপুরাণ),
- শ্রেষ্ঠ অভিনেতা খল চরিত্রে মো. আবদুল মান্নান জয়রাজ (লাল মোরগের ঝুঁটি)।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
১৩,৩১৭.
একাদশ জাতীয় সংসদে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সংখ্যা কতটি?
  1. ৩৯টি
  2. ৪২টি
  3. ৪৮টি
  4. ৫০টি
ব্যাখ্যা
বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদে মোট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৫০টি।
এর মধ্যে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৩৯টি।
(সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১৩,৩১৮.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর 
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঢাকা
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Fisheries Research Institute) বাংলাদেশের মৎস্য গবেষণা, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনার জন্য নিবেদিত একটি বিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান। 
- এটি বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের মৎস্য খাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদনশীলতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে গবেষণা পরিচালনা, কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচী প্রদানে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ইনস্টিটিউটের সদরদপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত।

এছাড়াও, ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে। গবেষণা কেন্দ্রগুলো হচ্ছে:
- স্বাদুপানি কেন্দ্র ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- নদী কেন্দ্র চাঁদপুরে অবস্থিত।
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র বাগেরহাটে অবস্থিত
- লোনাপানি কেন্দ্র পাইকগাছা, খুলনায় অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কক্সবাজারে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৩,৩১৯.
রাষ্ট্রপতি কাকে শপথবাক্য পাঠ করান?
  1. সংসদ সদস্যবৃন্দ
  2. পিএসসির সদস্যবৃন্দ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রপতি যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার ।
- ডেপুটি স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতি।

⇒ স্পিকার যাদের শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

⇒ প্রধান বিচারপতি যাদের শপথ বাক্য করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৩,৩২০.
ভোট প্রদানের জন্যে সর্বনিম্ন বয়সসীমা কত?
  1. ২১ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ১৬ বছর
  4. ১৯ বছর
ব্যাখ্যা
• নাগরিকতা :
 - প্রাচীন গ্রিসে নাগরিক ও নগররাষ্ট্র ছিল অবিচ্ছেদ্য।
- ঐ সময় গ্রিসে ছোটো ছোটো অঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠে নগররাষ্ট্র।
- যারা নগর রাষ্ট্রীয় কাজে সরাসরি অংশগ্রহণ করত, তাদের নাগরিক বলা হতো।
- একইসাথে আধুনিক রাষ্ট্র পুলিশ ও সেনাবাহিনী গঠন করে জনগণকে বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে সুরক্ষা প্রদান করে এবং রাষ্ট্রের আভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে। আধুনিক রাষ্ট্র নারী।
- পুরুষ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অধিকার প্রদান করে।
- আধুনিক রাষ্ট্রে সকল নাগরিক সমানভাবে সকল অধিকার ভোগ করে।
- নাগরিক অধিকার ভোগের পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে থাকে।
-  যাদের বয়স ১৮ বছরের কম, তারা ভোটদান কিংবা নির্বাচিত হওয়ার মতো রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করতে পারে না। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৩,৩২১.
বাংলাদেশে বাজেট: অর্থনীতি ও রাজনীতি বইটির লেখক -
  1. ড. জামাল উদ্দিন
  2. আকবর আলী খান
  3. ড. সালেহউদ্দিন
  4. আতিউর রহমান
ব্যাখ্যা

- সাবেক তত্ত্ববধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান রচিত বই - বাংলাদেশে বাজেট: অর্থনীতি ও রাজনীতি।

• আকবর আলী খান রচিত আরো কিছু বই:
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- পরার্থপরতার অর্থনীতি,
- আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- পুরানো সেই দিনের কথা (আত্নজীবনী)।  

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
১৩,৩২২.
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কে আবিষ্কার করেন?
  1. ইবনে বতুতা
  2. স্যার কানিংহাম
  3. হিউয়েন সাং
  4. ফা হিয়েন
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)-এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৩২৩.
কোন মুগল সম্রাট বাংলায় মীর জুমলাকে সুবেদারির দায়িত্ব অর্পন করেন?
  1. ক) সম্রাট শাহজাহান
  2. খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. গ) সম্রাট আওরঙ্গজেব
  4. ঘ) সম্রাট হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনাকাল ছিল ১৬৫৮ - ১৭০৭ সাল।
- আওরঙ্গজেব বাংলায় মীর জুমলাকে সুবেদারির দায়িত্ব দেন।
- সুবেদার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে মীর জুমলা অহোমরাজের বিরুদ্ধে অভিযান চালনা করেন।
- এক্ষেত্রে তেমন উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত না হলেও কুচবিহার ও আসাম বিজয় মীর জুমলার কৃতিত্ব বহন করে।
- তাঁর সময়েই কুচবিহার সম্পূর্ণরূপে প্রথমবারের মতো মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে 
আসে। আসাম অভিযানের দ্বারা তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের সীমান্ত আসাম পর্যন্ত বর্ধিত করেন।
- মীর জুমলার মৃত্যুর পর প্রথমে দিলির খান (১৬৬৩ খ্রি.) ও পরে দাউদ খান (১৬৬৩-১৬৬৪ খ্রি.) অস্থায়ী সুবাদার হিসেবে বাংলা শাসন করেন।
- অতঃপর আওরঙ্গজেব তাঁর মামা শায়েস্তা খানকে (১৬৬৪-১৬৮৮ খ্রি.) বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা গেইট মীর জুমলা নির্মান করেন। বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বরের নিকটে এটি অবস্থিত। আগে এটি মীর জুমলা গেইট নামে পরিচিত ছিলো।

উৎসঃ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৩২৪.
বাংলাদেশের কোন নৃগোষ্ঠী যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য 'পাঞ্চেস’ গঠন করে?
  1. ওরাঁও
  2. রাখাইন
  3. সাঁওতাল
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
• ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে। 
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়। 
- ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।
- এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। ওরাঁও জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁড়ুখ ব্যতীত সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।
- যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গ্রাম সংগঠন আছে যাকে বলা হয় পাঞ্চেস।
- প্রতিটি গ্রামে একজন হেডম্যান বা মহাতোষ থাকে এবং একজন পুরোহিত বা নাইগাস থাকে।
-যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গ্রাম সংগঠন আছে যাকে বলা হয় পাঞ্চেস। গ্রামের বয়স্ক সাত-আটজন ব্যক্তি দ্বারা পাঞ্চেস গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]
১৩,৩২৫.
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সহ-সভাপতি ছিলেন -
  1. ক) শামসুল হক
  2. খ) এ.কে রফিকুল হোসেন
  3. গ) আলী আহমদ খান
  4. ঘ) ইয়ার মোহাম্মদ খান
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটি:
- সভাপতি :  মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- সহ সভাপতি : আতাউর রহমান খান, আলী আমজাদ খান, আলী আহমদ খান, শাখাওয়াত হোসেন ও আবদুস সালাম খান।
- যুগ্ম সম্পাদক : শেখ মুজিবুর রহমান (তখন কারাগারে আটক ছিলেন),খন্দকার মোশতাক আহমদ,এ.কে রফিকুল হোসেন ( খায়ের মিয়া ) 
- ট্রেজারার : ইয়ার মোহাম্মদ খান(যার মালিকানাধীন রোজ গার্ডেনে প্রথম সভার আয়োজন হয়)

তথ্যসূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান, (ইউ পি এল) ২০১২, পৃ. ১২১-১২২; বিডিনিউজ২৪
১৩,৩২৬.
বাংলাদেশ ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC)-র কততম সম্মেলনে সদস্যপদ লাভ করে?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

OIC:

- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

উৎস: ওইসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৩,৩২৭.
ভাষা আন্দোলন বাঙালিদের কোন রাজনৈতিক চেতনার ভিত্তি তৈরি করে?
  1. সাম্যবাদী রাজনীতি
  2. ধর্মভিত্তিক রাজনীতি
  3. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
  4. সমাজতান্ত্রিক চেতনা
ব্যাখ্যা

- ভাষা আন্দোলন বাঙালি জাতীয়তাবাদ রাজনৈতিক চেতনার ভিত্তি তৈরি করে।

• ভাষা আন্দোলন:

- বাংলা ভাষাকে কেন্দ্র করে ১৯৪৮ সালের প্রথমদিকে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- মূলত সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে এর সূচনা হলেও রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়।
- দুই পর্বে বিভক্ত এই আন্দোলন ।
- ১৯৪৮ সালে অনেকটা শিক্ষিত, বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ।
- এবং শুধু বাংলাকে রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম হলেও ১৯৫২ সালের আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে।
- বাঙালি জাতির পরবর্তীকালে সংগঠিত প্রতিটি আন্দোলনে প্রেরণা আসে ভাষা আন্দোলন থেকে।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে,।
- প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

উৎস: ইতিহাস, এএসএসএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩২৮.
ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপনের সময় সুবেদার কে ছিলেন?
  1. ইসলাম খান
  2. মীর জুমলা
  3. শায়েস্তা খান
  4. উমিদ খাঁ
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতি:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতি বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ১৬১০ সালে তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।
- তিনি এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা পাঁচবার বাংলার রাজধানী হয়।
- ১৬১০, ১৬৬০,  ১৯০৫, ১৯৪৭, ১৯৭১ সাল।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩২৯.
হুমায়ূনের শাসনকালে গৌড় কোন অঞ্চলের রাজধানী ছিল?
  1. বিহার
  2. বাংলা
  3. গুজরাট
  4. সিন্ধু
ব্যাখ্যা

হুমায়ুন:
- হুমায়ুন (১৫৩০-১৫৫৬) মুঘল সম্রাট বাবরের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার রাজধানীর নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।
- হুমায়ূন এখানে ছয়মাস অবস্থান করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৩,৩৩০.
কোনটি বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ক) পাট
  2. খ) চা
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) ধান
ব্যাখ্যা
- ধান বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল নয়।
- বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।
- পাট, চা, তুলা, রাবার, রেশম, তামাক, আখ ইত্যাদি বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল।
১৩,৩৩১.
কোন যুদ্ধে ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করা হয়?
  1. খানুয়ার যুদ্ধ
  2. গোগরার যুদ্ধ
  3. তরাইনের যুদ্ধ
  4. পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- স্থান: বর্তমান ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তরে হরিয়ানা রাজ্য।
- পক্ষ: সম্রাট বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী। 
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ২১ এপ্রিল।
- বাবরের সেনাবাহিনীতে ছিল ১২,০০০ পদাতিক, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অশ্বারোহী ও গোলন্দাজ। অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্যবাহিনীতে ছিল ১,০০,০০০ সৈন্য ও ১০০ হস্তী।
- ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর সর্বপ্রথম এই যুদ্ধে কামানের ব্যবহার করেন।
- সম্রাট বাবর এই যুদ্ধে ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন। ভারতবর্ষে তিনিই সর্বপ্রথম গোলন্দাজ বাহিনী নামে একটি বিশেষ বাহিনী গড়ে তুলেন।
- ফলাফল: শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন। ফলে উপমহাদেশে সুলতানি শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহীম লোদীকে, ১৫২৭ খ্রিস্টাব্দে খানুয়ার যুদ্ধে মেবারের রাজপুত নেতা রানা সংগ্রাম সিংহকে, ১৫২৮ খ্রিস্টাব্দে চান্দেরী অভিযানের সময় মেদেনী রাওকে এবং সর্বশেষ ১৫২৯ খ্রিস্টাব্দে গোগরার যুদ্ধে সম্মিলিত আফগান শক্তিকে পরাস্ত করার মধ্যে বাবরের উন্নত সামরিক কৌশল, রণনিপুণতা এবং একজন সফল সমর নায়কের কৃতিত্ব ফুটে উঠে। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৩২.
সর্বশেষ কোন ভাষায় 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থটি অনূদিত হয়েছে?
  1. ভুটানি ভাষা
  2. নেপালি ভাষা
  3. তিব্বতি ভাষা
  4. বর্মী ভাষা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অসমাপ্ত আত্মজীবনী:

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের লেখা প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
- প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- বইটি লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। 
- বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ভুটানের জংখা ভাষায় অনূদিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। 
- ভুটানের প্রিন্সেস ডেচেন ইয়াংজোম ওয়াংচুক এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক এবং জাতির পিতার দৌহিত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’র ভুটানিজ সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করেন।

উৎস: i) ৩১ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো। 
         ii) অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
১৩,৩৩৩.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করেন কত তারিখে? 
  1. ৯ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৮ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৭ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা

- ৬ আগস্ট, ২০২৪ তারিখ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জাতীয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করেন।

• দ্বাদশ জাতীয় সংসদ: 

- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন।
- সময়: ৬ আগস্ট, ২০২৪ তারিখ।
- ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর দেশ ছেড়ে ভারতে যান শেখ হাসিনা।
-  শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর দেশ পরিচালনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়ে।
- এতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদের অধীন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ ভাংগিয়া দিলেন।
- প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।নির্বাহী আদেশে এই সংসদ বিলুপ্ত করা হলো।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট শপথ গ্রহণের মাধ্যমে মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়।
- জুলাই গণ অভ্যুত্থান দিবস পালন করা  হয় ৫আগস্ট।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।

১৩,৩৩৪.
বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি- 
  1. এককেন্দ্রিক
  2. যুক্তরাষ্ট্রীয় 
  3. রাজতন্ত্র
  4. রাষ্ট্রপতি শাসিত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি:
- বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক, এককেন্দ্রিক ও সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার রাষ্ট্র।
- এর সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ, জনগণের সর্বোচ্চ কল্যাণ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিতের উদ্দেশ্যে সরকার কাঠামো কেন্দ্রিয় ও স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা কাঠামো ও কার্যগতভাবে কতগুলো বৈশিষ্ট্য ধারণ করেছে।
- সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক ও সংসদীয় কাঠামোর ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- অর্থাৎ এই সরকার কাঠামোয় একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সরকার থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারই রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল সূতিকাগার হিসেবে আইন প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিষয়ে ভূমিকা পালন করবে।
- সরকারের তিনটি অঙ্গ- আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার বিভাগ। প্রতিটি অঙ্গ 'নিয়ন্ত্রণ ও ভারসাম্য' নীতির মাধ্যমে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কার্যকরি। একটি বিভাগ কখনও অন্য বিভাগের কার্যে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- সংসদীয় সরকার কাঠামোর নিয়ম মেনে বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত সংসদকে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী বিভাগ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।
- আইন অনুযায়ী শাসন বিভাগের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ পদ হল রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।
- এই সরকার ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ৫৫-র ৩ অনুসারে মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবে।

উল্লেখ্য,
- এককেন্দ্রিক সরকার এক ধরনের একক, অখন্ড ও সুসংবদ্ধ সরকার ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রের ক্ষমতা সাংবিধানিকভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে। এ ধরনের শাসন ব্যবস্থায় কেন্দ্রই থাকে সকল ক্ষমতার উৎস। এককেন্দ্রিক শাসন ব্যবস্থায় আঞ্চলিক বা স্থানীয় সরকারের অস্তিত্ব থাকতে পারে, এ সরকারগুলো কিছু কিছু ক্ষমতা উপভোগ করতেও পারে। তবে তাদের ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে এ সরকারগুলো তাদের ক্ষমতা ব্যবহার করে। কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছা করলে এ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, কমাতেও পারে।
- এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থায় স্থানীয় বা আঞ্চলিক সরকারগুলোর সাংবিধানিক কোন ক্ষমতা নেই। ব্রিটেন, ফ্রান্স, জাপান, বাংলাদেশ এ ধরনের সরকারের উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার হলো এমন এক ধরনের সরকার ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে বন্টন করা হয়।এ ব্যবস্থায় ক্ষমতা বন্টন এমন প্রক্রিয়ায় হয়, যার ফলে কেন্দ্রীয় সরকার ও আঞ্চলিক সরকার প্রত্যেকেই নিজ নিজ এলাকায় স্বতন্ত্র ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৩৫.
মুজিবনগর সরকারের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন-
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) এম. মনসুর আলী
  4. ঘ) এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে এবং এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ-
রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান; উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম; প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ; অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী; স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী এএইচএম কামরুজ্জামান, পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ; প্রধান সেনাপতি কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী; চিফ অব স্টাফ কর্নের (অব.) আব্দুর রব এবং দেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং বিমান বাহিনীর প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
উৎসঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
১৩,৩৩৬.
বিবিএস এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার কত?
  1. ক) ১৫.৯
  2. খ) ১৮.৩
  3. গ) ১৮.১
  4. ঘ) ২০.০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার ১৮.১। এর মধ্যে শহর অঞ্চলে স্থূল জন্মহার ১৫.৯ এবং গ্রামাঞ্চলে স্থূল জন্মহার ২০.০। বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল মৃত্যুহার ৪.৯।
(সূত্রঃ বিবিএস SVRS Report-2019, বিবিএস ওয়েবসাইট)
১৩,৩৩৭.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. সাভার
  3. মিরপুর
  4. শাহবাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) — সাভারে অবস্থিত।

• বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।
- ক্রীড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আধুনিক ও যথোপযোগী প্রশিক্ষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়।
- রাজধানী ঢাকা থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তর- পশ্চিমে সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

সূত্র: বিকেএসপি ওয়েব সাইট।
১৩,৩৩৮.
সংবিধান অনুযায়ী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয় কোনটি? 
  1. সরকারি কর্ম কমিশন
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষক
ব্যাখ্যা

- দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়।

• সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
- যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- বাংলাদেশে এ ধরণের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা সাংবিধানিক উপায়ে প্রতিষ্ঠিত।
- এরূপ প্রতিষ্ঠান হল-
- এটর্নি জেনারেল
- নির্বাচন কমিশন
- মহাহিসাব নিরীক্ষক
- সরকারি কর্ম কমিশন

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 

১৩,৩৩৯.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মোট আসন ছিল -
  1. ২২৩টি
  2. ২৬৭টি
  3. ৩০৯টি
  4. ৩৩০টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৩৪০.
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয় -
  1. ১ নভেম্বর, ২০০৬
  2. ১১ নভেম্বর, ২০০৬
  3. ১ নভেম্বর, ২০০৭
  4. ১১ নভেম্বর, ২০০৭
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         iii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
১৩,৩৪১.
বাংলা একাডেমি কোন ভবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. বর্ধমান হাউস
  2. বঙ্গ ভবন
  3. চামেলী হাউস
  4. বাংলা ভবন
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি: 
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের  ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
- ১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
- পরের বছর পূর্ববাংলা আইনসভার নির্বাচনে বিজয়ী  যুক্তফ্রন্ট পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ গ্রহণ করে, কিন্তু অল্পদিনেই তাদের পতন হওয়ায় সে প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
- দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমির উদ্বোধন করেন।
- এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৩,৩৪২.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়ন করেন কে?
  1. শ্যামল চৌধুরী
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. তানভীর করিম
  4. শামিম শিকদার
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত অন্যতম একটি স্থান হল মেহেরপুরের মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ আম্রকাননে বাংলাদেশের অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল।
- এরপরে বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় মুজিবনগর।

- এই ঘটনাকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে ১৯৮৭ সালের ১৭ এপ্রিল এখানে উদ্বোধন করা হয় এই স্মৃতিসৌধ।
- এটির নকশা প্রণয়ন করেন স্থপতি তানভীর করিম।
- সৌধটির স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য হল ১৬০ ফুট ব্যাসের গোলাকার স্তম্ভের উপর মূল বেদিটি কেন্দ্র করে ২০ ইঞ্চি পুরু ২৩টি দেয়াল রয়েছে। যা উদীয়মান সূর্যের প্রতিকৃতি ধারণ করে।
- সৌধের ২৩টি স্তম্ভ ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ২৩ বছরের সংগ্রমের প্রতীক।
- ৩০ লাখ শহীদের স্মৃতিকে স্মরণ করে রাখতে বসানো হয়েছে ৩০ লাখ পাথর।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৩৪৩.
২০২৩ সালে বাংলাদেশে কোন দেশের দূতাবাস পুনরায় চালু হয়?
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) আর্জেন্টিনা
  3. গ) প্যারাগুয়ে
  4. ঘ) মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
- আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে ঢাকাতে দূতাবাস স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লেখা এক চিঠিতে এই ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।
- বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও গভীর করতে ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপজয়ী দেশ আর্জেন্টিনা পুনরায় ঢাকায় দূতাবাস চালু করেছে।
- আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে দূতাবাস উদ্বোধন করেন।
- ঢাকায় ১৯৭৮ সালে বন্ধ হয়ে যায় আর্জেন্টিনা দেশের দূতাবাস। 

উৎস: প্রথম আলো।
 ৩০ জানুয়ারি ২০২৩।
১৩,৩৪৪.
ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন-
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. ফয়েজ আহমেদ
  3. মোয়াজ্জেম হোসেন
  4. মাহমুদ হাসান
ব্যাখ্যা

- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
- তাঁর মেয়াদকাল ছিল ২২ অক্টোবর, ১৯৪৮ থেকে ০৮ নভেম্বর, ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
উৎসঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট।

১৩,৩৪৫.
‘সাঁওতাল’ জনগোষ্ঠীর প্রধান আবাসস্থল কোথায়?
  1. বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল
  2. রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চল
  3. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল
  4. বৃহত্তর রংপুর অঞ্চল
ব্যাখ্যা

সাঁওতালদের আবাসঃ বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় দুই লক্ষের বেশি সাঁওতাল বসবাস করেন। তাদের মূল আবাসস্থল রাজশাহীর বরেন্দ্র অঞ্চল।
- অর্থাৎ রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জে অধিকাংশ সাঁওতাল নৃগোষ্ঠীর বসবাস। বগুড়া, রংপুর, পাবনা, ময়ংমনসিংহ এবং বৃহত্তর সিলেট জেলায়ও সাঁওতালদের বসবাস রয়েছে।
- সিলেট অঞ্চলের চা-বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের একটি অংশ সাঁওতাল নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত বলে মনে করা হয়।
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও অন্যান্য পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে বনজঙ্গলের পতিত জমিতে সাঁওতালরা বসবাস শুরু করে। পরে পতিত জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ আরম্ভ করে।
সূত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (উন্মুক্ত)।

১৩,৩৪৬.
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড নিম্নের কোনটি উৎপাদন করে?
  1. ক) এলপিজি
  2. খ) বিদ্যুৎ
  3. গ) ফার্নেস তেল
  4. ঘ) এলএনজি
ব্যাখ্যা
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত সেল ইস্টার্ন পেট্রোলিয়াম লিঃ কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ চট্টগ্রামস্থ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড-এ অপরিশোধিত খনিজ তেল ও পেট্রোলিয়াম শোধন করে। 
- এখানে উপজাত হিসেবে ন্যাপথা ও ফার্নেস তেল উৎপাদিত হয় যা দেশের চাহিদা পূরণের পর রপ্তানি করা হয়।

উৎসঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট; অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৪৭.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৭ তম
  2. ২৮ তম
  3. ২৯ তম
  4. ৩০ তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৩,৩৪৮.
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের মালিকানাধীন রাবার বাগান আছে -
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৭টি
  4. ১৮টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন।
সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রাবার বাগান:

- বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের মালিকানাধীন রাবার বাগান আছে - ১৮টি।
- টাংগাইল-শেরপুর জোন (৫টি বাগান)
- চট্টগ্রাম জোন (৯টি বাগান
- সিলেট জোন (৪টি বাগান)

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন।
১৩,৩৪৯.
বাংলা সনের ৩১ দিনের মাস কয়টি?
  1. ৩ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ৫ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা
বাংলা সন:

- বাংলা একাডেমি দীর্ঘদিনের চেষ্টায় বাংলা বর্ষপঞ্জির এই সংস্কার করেছে।
- জাতির ইতিহাসের গৌরবময় দিনগুলো বাংলা ও গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জিতে অভিন্ন তারিখে সমন্বয় করতেই বাংলা বর্ষপঞ্জিতে এই সংস্কার আনা হয়েছে।
- ১৪২৬ বঙ্গাব্দ থেকে প্রথমবারের মতো আশ্বিন মাসের গণনা শুরু হয়েছে ৩১ দিন হিসাবে।
- বাংলা সনের ৩১ দিনের মাস মোট ৬টি।
- নতুন বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র ও আশ্বিন এই ছয় মাসের হিসাব হবে ৩১ দিনে।
- এখন ফাল্গুন মাস হবে ২৯ দিন এবং গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জিতে যে বছর অধিবর্ষ হবে (লিপইয়ার) সে বছর বাংলায় ফাল্গুন মাস ৩০ দিন গণনা করা হবে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৭ অক্টোবর ২০১৯।
১৩,৩৫০.
কোন রাজনৈতিক ব্যবস্থায় 'সম্মিলিত সরকার' গঠিত হয়?
  1. বহু-দলীয় ব্যবস্থা
  2. একদলীয় ব্যবস্থা
  3. দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা
  4. যুক্তরাষ্ট্রীয়
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দলের বিভিন্নরূপ:
সাধারণত রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা  প্রকার।
যথা :
• একদলীয় ব্যবস্থা :
- যখন রাষ্ট্রে একটিমাত্র দল থাকে তখন তাকে একদলীয় ব্যবস্থা বলা হয়।
- একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় একটিমাত্র দল থাকে।
- এ ধরনের ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না।
- অন্য কোন রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকে।
- কোন দলের উদ্ভব হলে তা উৎপাটন করা হয়।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পূর্বে ইতালীর ফ্যাসিষ্ট এবং জার্মানীর নাৎসী দল এই ব্যবস্থার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- একদলীয় ব্যবস্থায় দলীয় প্রধান সাধারণত সরকার প্রধান হন।

• দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা :
- দেশে মাত্র দু'টি দল থাকলে তাকে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বলে।
- একটি দল সরকার গঠন করে এবং অন্যদল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে।
- কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা দেখা যায় না।
- এমনকি বৃটেনে শ্রমিক দল ও রক্ষণশীল দল প্রধান দল হলেও সেখানে উদারনৈতিক দল ও সমাজতান্ত্রিক দলের উদ্ভব ঘটেছে।
- তবে প্রকৃতিগতভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ও বৃটেনে দ্বি-দল ব্যবস্থাই প্রচলিত আছে।

• বহু-দলীয় ব্যবস্থা :
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যখন দুটির বেশি দল, রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের লাড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে, তখন তাকে 'বহুদলীয় ব্যবস্থা' বলে।
- বহুদলীয় ব্যবস্থায় সাধারণত সাধারণ নির্বাচনে কোন দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না।
- ফলে নির্বাচনে জয় লাভের জন্য অনেক সময় সমমনা দলগুলির সমন্বয়ে 'সম্মিলিত সরকার' গঠিত হয়।
- ফ্রান্স, ইতালি, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশে এরূপ বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৫১.
আলীগড় আন্দোলনের সূত্রপাত হয় কোথায়?
  1. ক) পশ্চিম বাংলা
  2. খ) উত্তর ভারতে
  3. গ) পূর্ব বাংলা
  4. ঘ) দক্ষিণ ভারতে
ব্যাখ্যা
- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের বিপ্লবের ব্যর্থতা ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে নিরুৎসাহ ও হতাশার সৃষ্টি করে। 
- ইংরেজ শাসনকে মনে প্রাণে গ্রহণ করতে না পারায় এবং পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রতি অনীহার কারণে তারা জীবনের সর্বক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়ে এবং দুঃখ দুর্দশার আবর্তে নিপতিত হয়। 
- মুসলমানদের সেই দুর্যোগময় মুহূর্তে তাদের ত্রাণকর্তারূপে উত্তর ভারতে স্যার সৈয়দ আহমদ খানের আবির্ভাব ঘটে। 
- অধঃপতিত অবস্থা থেকে মুসলমানদের পুনরুদ্ধার ও তাদের পুনর্জাগরণের জন্য তিনি উত্তর ভারতে আলীগড়কেন্দ্রিক যে আন্দোলন সৃষ্টি করেন, ইতিহাসে তা ‘আলীগড় আন্দোলন' নামে প্রসিদ্ধ ।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩,৩৫২.
ফিস-প্লেট' শব্দটি নিচের কোনটির সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) মাছের জাল
  2. খ) সুস্বাদু খাবার
  3. গ) রেললাইন
  4. ঘ) মাছের প্লেট
ব্যাখ্যা
- ফিস-প্লেট' শব্দটির সাথে সম্পৃক্ত - রেললাইন।
- ফিস প্লেট হলো রেললাইনের দুটি বিট জোড়া দেয়ার কাজে ব্যবহৃত একটি লোহার পাত বিশেষ।
- রেলগাড়ি চলার সময় এটি মাছের ন্যায় উপর - নিচ হয় বিধায় এরূপ নামকরণ।

• রেললাইন:

- ভারতীয় উপমহাদেশে ১৮৫৩ সালের ১৬ এপ্রিল লর্ড ডালহৌসি’র সময়ে মুম্বাইয়ে প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয়।
- এর পরের বছর হাওরা থেকে হুগলি পর্যন্ত বাংলায় প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর প্রথম দর্শনা থেকে জগতী পর্যন্ত ৫৩ কি.মি. রেললাইন উদ্বোধন করা হয়।
- জর্জ স্টিফেনসনের যুগান্তকারী প্রচেষ্টায় ১৮২৫ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বে প্রথম ইংল্যান্ডে রেললাইন উদ্বোধন হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা ।

১৩,৩৫৩.
বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সদরদপ্তর ঢাকার কোন এলাকায় অবস্থিত?
  1. ক) উত্তরা
  2. খ) লাল বাগ
  3. গ) সেগুনবাগিচা
  4. ঘ) মতিঝিল
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সদরদপ্তর ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।
Source: pmo.gov.bd
১৩,৩৫৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিলের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
  2. মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা
  3. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
  4. শপথ ও ঘোষণা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিলের অন্তর্ভুক্ত নয় - মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা। 

• সংবিধানের তফসিল:

- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।

৭টি তফসিল:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
১৩,৩৫৫.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কোন দলের সদস্য হিসেবে গণপরিষদে বাংলা ভাষার দাবি উত্থাপন করেন?
  1. মুসলিম লীগ
  2. কংগ্রেস
  3. কমিউনিস্ট পার্টি
  4. গণতন্ত্রী দল
ব্যাখ্যা

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। 
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।

১৩,৩৫৬.
সংবিধানের কততম  সংশোধনীতে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তির বৈধতা নিশ্চিত করা হয়? 
  1. প্রথম সংশোধনী
  2. দ্বিতীয় সংশোধনী
  3. তৃতীয় সংশোধনী
  4. চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। 
- সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে। 
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে। 
- এতে ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ এবং ১১ টি ভাগ রয়েছে। 
- ৭টি তফসিল রয়েছে।

♣♣ বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধনীসমূহ:  
- বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়নের পর থেকে বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠী কখনও নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য আবার কখনও জনগণের প্রয়োজনে সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন করেছে। বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৭টি সংশোধনী রয়েছে। 

♠ প্রথম সংশোধনী: জুলাই, ১৯৭৩;
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করা।

♠ দ্বিতীয় সংশোধনী: সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩;
- জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান করা হয় এবং বিনা বিচারে আটকের ক্ষমতা আনয়ন করা।

তৃতীয় সংশোধনী: ১৯৭৪; 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে সম্পাদিত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তির বৈধতা নিশ্চিত করা।

♠ চতুর্থ সংশোধনী: জানুয়ারি, ১৯৭৫;  
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিলোপ করে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা আনয়ন করা।
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি এবং বাকশাল করা।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা, দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৫৭.
বাংলার সর্বশেষ স্বাধীন নবাব কে?
  1. আলীবর্দি খান
  2. মুর্শিদকুলী খান
  3. সিরাজউদ্দৌলা
  4. সরফরাজ খান
ব্যাখ্যা
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
তিনি ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ইংরেজদের নিকট পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হন। এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলি খান।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৩৫৮.
কত সাল থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে? 
  1. ২০০০ সাল
  2. ১৯৯৯ সাল
  3. ২০০১ সাল
  4. ২০১০ সাল
ব্যাখ্যা

  ইউনেস্কো ও বাংলা ভাষা:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,৩৫৯.
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন- 
  1. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. তামিম ইকবাল খান
ব্যাখ্যা

বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি:
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
- ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ।
- দুটি সেঞ্চুরি আছে সাকিব আল হাসানের ২০১৯ বিশ্বকাপে।
- একটি সেঞ্চুরি মুশফিকুর রহিমের।
- ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ।
- মুম্বাইতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ১১১ রানের ইনিংস। ওই সেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ডের মালিক হন তিনি।
- প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতকটি ছিল বিশ্বমঞ্চে তার তৃতীয়।
- একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড়ও মাহমুদউল্লাহ।

উৎস: ক্রিকইনফো এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।[লিঙ্ক]

১৩,৩৬০.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ভালুকা, ময়মনসিংহ
  2. বেনাপোল, যশোর
  3. করমজল, খুলনা
  4. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
কুমির প্রজনন কেন্দ্র:
- খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র। বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিডিনিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৩৬১.
বাংলাদেশে 'কাবিখা' কর্মসূচি চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,৩৬২.
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দেশ?
  1. ক) নেপাল
  2. খ) ভারত
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) ভুটান
ব্যাখ্যা
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল:
- সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়- বাংলাদেশ। 
- কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সাফ অনুর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ৩-০ গোলে হারিয়ে অপরাজিত থেকে শিরোপা জয় করেছে বাংলাদেশের বয়স ভিত্তিক এই দলটি। 
- এর আগে নেপালের দশরথ রঙ্গশালায় নেপালকে হারিয়ে সিনিয়র বিভাগের শিরোপা ঘরে তুলেছিল সাবিনা খাতুনের দল। 
- এবার অনুর্ধ্ব ২০ চ্যাম্পিয়নশীপে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন শামসুন্নাহার জুনিয়র।
- টুর্নামেন্টে সেরা গোল রক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের গোল রক্ষক রূপনা চাকমা।
- সর্বোচ্চ গোলদাতা আসরের ৫ গোল করা বাংলাদেশ অধিনায়ক শামসুন্নাহার জুনিয়র।
- মোস্ট ভ্যাল্যুয়েবল খেলোয়াড়ের পুরস্কারও শামসুন্নাহারের- হাতে। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
১৩,৩৬৩.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান প্রধান কোচ কে?
  1. ক) কোর্টনি ওয়ালশ
  2. খ) রাসেল ডোমিঙ্গো
  3. গ) জেমি ডে
  4. ঘ) কার্ল হুপার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান প্রধান কোচ হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো।
- তিনি ২১ আগস্ট ২০১৯ তারিখে দুই বছরের জন্যে প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন।
(সূত্র: ডেইলি স্টার)
১৩,৩৬৪.
সম্প্রতি, বাংলাদেশে কোন দুইটি গাছ রোপণ এবং বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. গামার ও কড়ই
  2. আকাশমণি ও রেইনট্রি
  3. ইউক্যালিপটাস ও গামার
  4. ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি
ব্যাখ্যা
ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি:
- সারা দেশে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমণি দুটি প্রজাতির গাছের চারা রোপণ, তৈরি করা ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে এ দুটি প্রজাতির গাছের চারা তৈরি, রোপণ এবং বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- নানা গবেষণায় দেখা গেছে এসব গাছের পানি শোষণক্ষমতা বেশি ও মাটিকে রুক্ষ করে তোলে।
- এছাড়া এসব গাছের পাতায় থাকা টক্সিন গোড়ায় পড়ে মাটিকে বিষাক্ত করে তোলে। ফলে এগুলোর চারপাশে অন্য কোনো গাছ সহজে জন্মাতে পারে না।
- তাই দেশের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আগ্রাসী প্রজাতির গাছের চারা রোপণের পরিবর্তে দেশি প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করে বনায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [Link]
১৩,৩৬৫.
হরিণ প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ফকিরহাট
  2. খ) করমজল
  3. গ) ডুলাহাজরা
  4. ঘ) চকোরিয়া
ব্যাখ্যা

হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ডুলাহাজরা, চকোরিয়া, কক্সবাজার।
(ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক/বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক)
মূলত ডুলাহাজরা কক্সবাজারের চকোরিয়া উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন
ডুলাহাজরায় অবস্থিত বাংলাদেশের প্রথম সাফারি পার্ক যা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাফারি পার্ক’ হিসাবে পরিচিত।
এখানেই হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
উল্লেখ্য, যদি অপশনে ডুলাহাজরা না থাকে, তাহলে উত্তর ‘চকোরিয়া’ হবে।

- কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত করমজল, সুন্দরবন।
- মহিষ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- গরুর প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত সাভার, ঢাকা।
- ছাগল প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত টিলাগড়, সিলেটর

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলার ওয়েবসাইট।

১৩,৩৬৬.
যমুনা ব্রীজের দৈঘ্য -
  1. ক) ৪.৮ কি. মি.
  2. খ) ৪.৫ কি. মি.
  3. গ) ৪.২ কি. মি
  4. ঘ) ৫.১ কি. মি.
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু:

- যমুনা বহুমুখী সেতু বা বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু।
- ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৮.৫ মিটার প্রস্থ এই সেতুটির নির্মাণ কাজ ১৯৯৮ সালে শেষ হয়।
- এটি যমুনা নদীর পূর্ব তীরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর (ভুয়াপুর) এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে।
- বঙ্গবন্ধু সেতুতে লেনের সংখ্যা ৪ টি, পাইলের সংখ্যা ১২১ টি, পিলার সংখ্যা ৫০টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৩৬৭.
বাংলাদেশে মাঝারি শিল্পের উদাহরণ কোনটি?
  1. তাত শিল্প
  2. দিয়াশলাই শিল্প
  3. পাট ও বস্ত্র শিল্প
  4. বাঁশ ও বেত শিল্প
ব্যাখ্যা

আকার অনুযায়ী শিল্পের শ্রেণীবিভাগ:
- বাংলাদেশের শিল্পসমূহ আকার অনুযায়ী তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত:

১. বৃহৎ শিল্প:
সংজ্ঞা: যে শিল্পে অধিক মূলধন, অনেক শ্রমিক এবং প্রচুর কাঁচামাল ব্যবহার করে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বিপুল পরিমাণ দ্রব্য উৎপাদন করা হয়।
শ্রমিক সংখ্যা: ২৩০ জনের বেশি শ্রমিক নিযুক্ত।
উদাহরণ: পাট শিল্প, বস্ত্র শিল্প, সিমেন্ট, কাগজ, সার ইত্যাদি।

২. মাঝারি শিল্প:
সংজ্ঞা: বৃহৎ ও ক্ষুদ্র শিল্পের মধ্যবর্তী অবস্থান; উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তবে মূলধন তুলনামূলকভাবে কম।
শ্রমিক সংখ্যা: ২০-২৩০ জনের মধ্যে শ্রমিক নিযুক্ত।
উদাহরণ: চামড়া শিল্প, সিগারেট শিল্প, সাবন শিল্প, দিয়াশলাই শিল্প ইত্যাদি।

৩. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প:
সংজ্ঞা: ক্ষুদ্র শিল্পে ভাড়া শ্রমিক ও বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়, কুটির শিল্প মূলত পারিবারিক শ্রমিক দ্বারা পরিচালিত এবং বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় না।
শ্রমিক সংখ্যা: সর্বোচ্চ ২০ জন।
বৈশিষ্ট্য: স্থানীয় কাঁচামাল, কম মূলধন, পরিবারের সদস্য দ্বারা উৎপাদন।
উদাহরণ: তাত শিল্প, বাঁশ ও বেত শিল্প, বিড়ি শিল্প, লবন শিল্প ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৩৬৮.
বাংলাদেশে কত ধরনের প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে?
  1. ক) ১০ ধরনের
  2. খ) ১৫ ধরনের
  3. গ) ২০ ধরনের
  4. ঘ) ২৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
দেশে ২৫ ধরনের প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। সম্প্রতি ব্যানবেইস প্রকাশিত বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০১৮ অনুসারে দেশে মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১,৩৪,১৪৭ টি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালযের সংখ্যা ৬৫,৫২৯ টি। সরকারি কলেজ সংখ্যা ৬৭৩ টি। (সূত্র: বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০১৮)
১৩,৩৬৯.
কোন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলা ভাগ হয়?
  1. ক) মেকলে কমিশন
  2. খ) সাইমন কমিশন
  3. গ) র‌্যাডক্লিফ কমিশন
  4. ঘ) মর্লি-মিন্টো কমিশন
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩রা জুন মাউন্টব্যাটেন তার ভারত বিভাগ পরিকল্পনা প্রকাশের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্যে ব্রিটিশ সরকার জুন মাসে স্যার সিরিল জন র‌্যাডক্লিফকে চেয়ারম্যান করে র‌্যাডক্লিফ কমিশন গঠন করে।
এই কমিশনের অধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন ও পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ প্রকাশ করা হয় যার ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৩,৩৭০.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রথম কে প্রচার করেন?
  1. ক) আলী জাফর
  2. খ) আবুল হাসান
  3. গ) আব্দুল লতিফ
  4. ঘ) এম এ হান্নান
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার ঘোষণা:
- গ্রেফতার হওয়ার পূর্ব মুহুর্তে ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
ঘোষণাটি ইংরেজিতে ছিলো যেন বিশ্ববাসী বুঝতে পারে।
- স্বাধীনতার এ ঘোষণা বাংলাদেশের সকল স্থানে তদানীন্তন ইপিআর এর ট্রান্সমিটার, টেলিগ্রাম ও টেলিপ্রিন্টারের মাধ্যমে প্রচার করা হয়৷
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা এম. এ. হান্নান চট্টগ্রামের বেতার কেন্দ্র থেকে একবার এবং সন্ধ্যায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বার প্রচার করেন।
- ২৭ মার্চ উক্ত বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমান পুনরায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন৷

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৩৭১.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে 'পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন' পাস করে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ পাস করে।
- এ আইনে বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে তাঁর মা-বাবার ভরণপোষণ দিতে হবে।
- কোনো মা-বাবার একাধিক সন্তান থাকলে সে ক্ষেত্রে সন্তানেরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে তাঁদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করবেন।
- আর তা না করলে তাঁদের শাস্তি পেতে হবে।

⇒ পিতামাতার ভরণপোষণ আইন ২০১৩-এর ৫ ধারার (১) অনুযায়ী, কোনো প্রবীণ ব্যক্তি তাঁর সন্তানদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আনলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
- আইনে বলা হয়, কোনো সন্তানের স্ত্রী, ছেলেমেয়ে বা নিকটাত্মীয় যদি বৃদ্ধ মা-বাবার প্রতি সন্তানকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, তাহলে তাদেরও একই শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

উৎস: পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩।
১৩,৩৭২.
বাংলাদেশ সরকারের অর্থবছরের সময়কাল- 
  1. জুন-জুলাই
  2. জুলাই-জুন
  3. জানুয়ারি- ডিসেম্বর
  4. মার্চ- ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাজেট:
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর শুরু হয় জুলাই- জুন।
- অর্থবছর শুরু হয় ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি বাজেট।
- সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই থেকে।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে প্রথম বাজেট উপস্থাপন করা হয়।
- এই বাজেটটি ছিল ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পেশ করা প্রথম বাজেট ছিল।

​উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

১৩,৩৭৩.
ফরায়েজী আন্দোলকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রুপ দেন-
  1. ক) হাজী মুহম্মদ মুহসিন
  2. খ) হাজী শরীয়ত উল্লাহ
  3. গ) দুদু মিয়া
  4. ঘ) তিতুমীর
ব্যাখ্যা
ফরায়েজী আন্দোলক:
– হাজী শরিয়ত উল্লাহ (১৭৮১-১৮৪০ খ্রি.) বর্তমান শরিয়তপুর জেলার শ্যামাইল গ্রামে ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে শরিয়ত উল্লাহর জন্ম হয়। 
– ১৭৯৯ মক্কায় যান এবং হজ্ব সম্পন্ন করেন। সেখানে তিনি ওয়াহাবি ভাবধারায় প্রভাবিত হয়েছিলেন। 
–  ১৮১৮ সালে দেশে ফিরে তিনি ফরায়েজি আন্দোলন নামে ইসলামি সংস্কার আন্দোলনের সূচনা করেন।
–  ফরায়েজি আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রতি মনোযোগী করে তাদের শক্তি জাগিয়ে তোলা।
–  ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দের শরিয়ত উল্লাহ মুত্যুবরণ করেন। 
- তার মৃত্যুর পর ফরায়েজিদের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন তাঁর পুত্র মুহসীন উদ্দিন দুদু মিয়া। 
– ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে পিতার মৃত্যুর পর দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে ‍রুপ দেন- দুদু মিয়া

 তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৭৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন কত সালে গঠিত হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
• দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ২১শে নভেম্বর পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- তবে দুদক আইন কার্যকর হয় ২০০৪ সালের ৯ মে থেকে।
- দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।।

সূত্র: দুর্নীতি দমন কমিশন।
১৩,৩৭৫.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
  3. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,৩৭৬.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. ঢাকা দায়রা জজ আদালত
  2. লাহোর সুপ্রিম কোর্ট
  3. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  4. ইসলামাবাদ হাইকোর্ট
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”।
- তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩,৩৭৭.
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দীন আহমদ
  2. এম. মনসুর আলী
  3. এ.এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এবং মুজিবনগর সরকারের কার্যক্রম:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে এ সরকারের কার্যক্রম শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, নির্দেশনা সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল 'মুজিবনগর সরকার' গঠন করা হয়।
- এটি ছিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার।
- ঐ দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ'।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল।
- শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

মুজিবনগর স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ:
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি)
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ
- অর্থমন্ত্রী: এম. মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী: এ.এইচ. এম. কামারুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৩,৩৭৮.
Who is the longest serving Finance Minister of Bangladesh?
  1. ক) MA Muhit
  2. খ) M Syeduzzaman
  3. গ) SAMS Kibria
  4. ঘ) M Saifur Rahman
  5. ঙ) None of these
ব্যাখ্যা
এম সাইফুর রহমান:

- বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদী অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান।
- তিন দফায় দেশের অর্থমন্ত্রী হয়েছিলেন।
- প্রথমবার অর্থমন্ত্রী হয়েছিলেন ১৯৮০ সালে।
- সেবার তিনি দুটি বাজেট দিয়েছিলেন।
- দ্বিতীয় দফায় অর্থমন্ত্রী হন ১৯৯১ সালে।
- তৃতীয় দফায় অর্থমন্ত্রী হয়েছিলেন ২০০১ সালে।
- সব মিলিয়ে তিনি ১২টি বাজেট দিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৩১ মে ২০২২।
১৩,৩৭৯.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা:
- ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে এক সরকারি আদেশবলে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রায় যন্ত্রসরঞ্জামহীন অবস্থায় প্রাক্তন এপিপি-র অল্পসংখ্যক কর্মকর্তা নিয়ে এই সংস্থা কার্যক্রম শুরু করে।

⇒ দেশ তখন বহির্বিশ্ব থেকে ছিল বিচ্ছিন্ন, কিন্তু শীঘ্রই ইন্ডিয়ার পিটিআই-এর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে সংস্থাটি সংবাদ সংগ্রহ শুরু করে এবং পরপরই ইউপিআই, এএফপি ও রয়টারের সংস্থাগুলির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী তার যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত হয়।
- সংশ্লিষ্ট ঘটনাক্রম ও জাতীয় সংবাদ সহজলভ্য করা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলির সার্ভিসের সহজপ্রাপ্যতা ও দেশের সংবাদ সংস্থাগুলির সার্ভিসের জন্য ১৯৭৯ সালে বাসস অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে এ সংস্থাকে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৩৮০.
রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা কোনটি?
  1. ক) পরিকল্পনা কমিশন
  2. খ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. গ) বাংলাদেশ আয়কর কমিশন
  4. ঘ) বাংলাদেশ রাজস্ব কমিশন
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
১৩,৩৮১.
'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালনা করে -
  1. মিত্র বাহিনী
  2. গেরিলা বাহিনী
  3. নৌ বাহিনী
  4. বিমান বাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
১৩,৩৮২.
যুক্তফ্রন্ট কয়টি দল নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- এ চারটি দল হল আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র।
১৩,৩৮৩.
সুবাহ্ ব্যবস্থা চালু করেন কোন মুঘল সম্রাট?
  1. ক) মুঘল সম্রাট হুমায়ুন
  2. খ) মুঘল সম্রাট আকবর
  3. গ) মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) মুঘল সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা

- মুঘল প্রদেশগুলো ‘সুবা’ নামে পরিচিত ছিল।
- সুবাহ্ ব্যবস্থা চালু হয় ১৫৭৯-১৫৮০ সালে ।
- এর প্রবর্তন করেন তৃতীয় মুঘল সম্রাট আকবর ।
- প্রথমে তার সাম্রাজ্যকে বারোটি (১২) সুবাহতে বিভক্ত করেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং ঢাকাকে সুবাহ বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে এর নাম করেন জাহাঙ্গীরনগর।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,৩৮৪.
লাহােরে অনুষ্ঠিত OIC শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কবে যােগদান করেন?
  1. ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  2. ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  3. ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
  4. ২০-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের ২২ - ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ (৩২-তম) লাভ করে।

ওআইসি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুঃ
- ১৯৭৪ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ওআইসি মহাসচিবের কাছ থেকে একটি বার্তা এলো বঙ্গবন্ধুর জন্য। আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ারি বুমেদিন তাঁর বিশেষ বিমান পাঠিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকে লাহোরে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
- বিমানে আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুতেফলিকার নেতৃত্বে আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি দল রয়েছে। দলে কুয়েতের আমিরের বিশেষ দূত হিসেবে আছেন কুয়েতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁরা বঙ্গবন্ধুকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান।

- ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রতিনিধিদল ঢাকা এলো ২২ ফেব্রুয়ারি। বঙ্গবন্ধু আলোচনায় জানালেন, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে লাহোর সম্মেলনে যোগদান সম্ভব নয়। আলাপ-আলোচনার পর প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশের সঙ্গে ঐকমত্যে উপনীত হলো যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একই সময়ে একযোগে পারস্পরিক স্বীকৃতি দেবে এবং লাহোর ও ঢাকা থেকে এ ঘোষণা একসঙ্গে প্রচার করা হবে—এটাও সিদ্ধান্ত হলো। ২৩ ফেব্রুয়ারি ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল লাহোর যাবে।

- পরবর্তীতে, ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং বঙ্গবন্ধু ২৩ ফেব্রুয়ারি সম্মেলনে যোগ দিতে লাহোর যান।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ওআইসি সম্মেলনে ভাষণ প্রদান করেন।

উৎসঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও ওআইসি ওয়েবসাইট।
১৩,৩৮৫.
আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন-
  1. ক) আব্দুল হান্নান
  2. খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  3. গ) এইচ.টি. ইমাম
  4. ঘ) আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
উৎসঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
১৩,৩৮৬.
মুঘল শাসনামলে পরগনার প্রধান নির্বাহী কর্তাকে কী বলা হত?
  1. ফৌজদার
  2. শিকদার
  3. সুবাহদার
  4. ওয়াজির
ব্যাখ্যা
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা ও শিকদার ছিলেন পরগনার প্রধান নির্বাহী কর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৩৮৭.
ঐতিহাসিক বাঘা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. খুলনা
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. সোনারগাঁও
  5. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী জেলা সদর হতে প্রায় ৪১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে বাঘা উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ।
- সুলতান নাসিরউদ্দিন নসরাত শাহ ১৫২৩ খ্রিষ্টাব্দে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- মসজিদটি ১৫২৩-১৫২৪ সালে (৯৩০ হিজরি) হুসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা আলাউদ্দিন শাহের পুত্র সুলতান নসরাত শাহ নির্মাণ করেন।
- পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় এই মসজিদের সংস্কার করা হয় এবং মসজিদের গম্বুজগুলো ভেঙ্গে গেলে ধ্বংসপ্রাপ্ত মসজিদে নতুন করে ছাদ দেয়া হয় ১৮৯৭ সালে।
 - মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত।
- সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে ১০টি গম্বুজ আছে ।
- আর ভেতরে রয়েছে ৬টি স্তম্ভ।
- মসজিদটিতে ৪টি মেহরাব রয়েছে যা অত্যন্ত কারুকার্য খচিত।
-  মসজিদের পাশে অবস্থিত বিশাল দিঘীও একটি দর্শনীয় স্থান।
- এছাড়া বাঘা মসজিদের পাশেই রয়েছে একটি মাজার শরীফ।

 উৎস:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন।[Link]
১৩,৩৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার কোথায় গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) মেহেরপুরে
  3. গ) চট্টগ্রামের কালুরঘাটে
  4. ঘ) আগরতলায়
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। [সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
১৩,৩৮৯.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের হয়-
  1. ক) আগরতলা
  2. খ) লাহোর
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) করাচি
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা

আওয়ামী লীগ এবং সামরিক বাহিনীর প্রায় ২৫০ জন সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে বাংলাকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য। সেই যুদ্ধে ভারতের সামরিক সহায়তা প্রয়োজন। 

এ কারণে ১২-১৫ জুলাই, ১৯৬৭ আগরতলায় আওয়ামী লীগ নেতা আলী রেজা এবং মুজিবুর রহমান বৈঠক করেন ভারতের ব্রিগেডিয়ার মেনন এবং মেজর মিশ্রের সাথে। ভারতের সবুজ সংকেত পাওয়ার পূর্বেই অক্টোবর, ১৯৬৭ পরিকল্পনাকারীদের একজন আমির হোসেন ৬৮ পৃষ্ঠায় গোপন তথ্য-উপাত্ত উল্লেখ করে গোয়েন্দা বিভাগে ফাঁস করে দেয়। শুরু হয় গ্রেফতার।

৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮ - আইয়ুব খান সরকার ঢাকায় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।

- শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে একটি রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলা দায়ের করা হয়।
- এ মামলার মোট আসামি ছিলেন ৩৫ জন।
- মামলাটির আনুষ্ঠানিক নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য' যা ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে বেশি পরিচিত।
- ১নং আসামি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৭নং আসামি ছিলেন সার্জেন্ট জহুরুল হক (বিমানবাহিনী)।

১৯ জুন, ১৯৬৮ - ঢাকা সেনানিবাসে এ-মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩,৩৯০.
শাহজালাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কী?
  1. কম্পোস্ট
  2. ডিএপি
  3. টিএসপি
  4. ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।

⇒ শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড:
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণে স্থাপিত দেশের অত্যাধুনিক প্রতিষ্ঠান।
- এই সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এটি সিলেট শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- এর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১৭৬০ মে.টন।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
১৩,৩৯১.
ফাইনালে কোন দেশকে পরাজিত করে বাংলাদেশ ১৩তম আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়?
  1. ক) শ্রীলংকা
  2. খ) ইংল্যান্ড
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ওযেস্ট ইন্ডিজ
ব্যাখ্যা
৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ ১৩তম আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতকে ৩ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ (অনূর্ধ্ব-১৯) জাতীয় ক্রিকেট দল প্রথম বারের মতো কোন বৈশ্বিক শিরোপা লাভ করে।
এতে ম্যান অব দ্য ফাইনাল হন বাংলাদেশের অধিনায়ক আকবর আলী। ১৭ জানুয়ারী থেকে ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হয় ১৩তম আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ-২০২০। ১৮ জানুয়ারী ২০২০ বাংলাদেশ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মোকাবেলা করে।
(সূত্রঃ ইএসপিএন ক্রিকইনফো)
১৩,৩৯২.
'বর্গী' নামে পরিচিত ছিলো কারা?
  1. ক) পর্তুগিজ জলদস্যু
  2. খ) দিনেমার
  3. গ) আরাকানের জলদস্যু
  4. ঘ) মারাঠা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ ভারতের মারাঠারা বাংলায় ‘বর্গী’ নামে পরিচিত ছিলো।
মারাঠা সৈন্যবাহিনীর সর্বনিম্ন পদধারী সৈনিকরা ‘বরগি’ নামে পরিচিত ছিলো। এই বরগি থেকেই বর্গী নামের উদ্ভব।
আঠারো শতকে বাংলায় বর্গীরা ব্যাপক লুটতরাজ চালায়।
অন্যদিকে,
- পর্তুগিজ জলদস্যু : ফিরিঙ্গি
- আরাকানের জলদস্যু : মগ
- ডেনমার্কের অধিবাসীরা : দিনেমার।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৩,৩৯৩.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ-
  1. ক) কাতার
  2. খ) ইরাক
  3. গ) সিরিয়া
  4. ঘ) ইরান
ব্যাখ্যা
ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ছিল। অন্যদিকে ইরান ও কাতার বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় যথাক্রমে ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ও ৪ মার্চ এবং সৌদি আরব ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
উৎসঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৩,৩৯৪.
ফা হিয়েন কত শতকে বাংলায় আসেন?
  1. ৩য় শতকে
  2. ৪র্থ শতকে
  3. ৫ম শতকে
  4. ৬ষ্ঠ শতকে
ব্যাখ্যা
ফা-হিয়েন:
- ফা-হিয়েন প্রাচীন চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
- তিনি মধ্য এশিয়া, ভারত ও শ্রীলংকা ভ্রমণ করেন ও তাঁর ভ্রমণ বৃত্তান্ত লিপিবদ্ধ করেন।
- ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি যখন ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তখন তাঁর বয়স সম্ভবত ৬৪ বছর।
- তিনি পঞ্চম শতকের সূচনায় বাংলায় আসেন।
- তিনি তাঁর ভ্রমণের অধিকাংশ সময়ই মধ্য ভারত বা মগধ পরিভ্রমণ অতিবাহিত করেন।
- তাঁর গন্তব্যস্থল ছিল সে সময়ের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বন্দর তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত তমলুক)।

উল্লেখ্য,
- চিনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালে গৌতমবুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন।
- ফা-হিয়েনের বর্ণনায় পাটলীপুত্র, তাম্রলিপ্তি, তক্ষশীলা, সারনাথ, মথুরা, পেশোয়ার, কুশীনগরসহ বেশ কিছু প্রসিদ্ধ স্থানের বিবরণ আছে।
- তাঁর ভ্রমণ কাহিনী থেকে গুপ্তযুগীয় ভারতের আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয় এবং পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক অবস্থার কিছু চিত্র পাওয়া যায়, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ফা-হিয়েন গুপ্ত শাসনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। 

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া। 
১৩,৩৯৫.
BRRI প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৬৬ সালে
  2. খ) ১৯৭০ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
BRRI (Bangladesh Rice Research Institute) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত। এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়। উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
(সূত্রঃ BRRI ওয়েবসাইট)
১৩,৩৯৬.
সম্প্রতি সাফ নারী ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কোন দেশ?  [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. নেপাল
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

• সাফ নারী ফুটসাল: 
- প্রথমবারের মতো আয়োজিত সাফ নারী ফুটসালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। 
- ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের শেষ দিনে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে শিরোপা জিতেছেন সাবিনা খাতুন-মনিকা চাকমারা।
- দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে আয়োজিত লিগ পদ্ধতির এই টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
- দ্বিতীয় স্থানে থাকা ভুটানের পয়েন্ট ৫ ম্যাচে ১১।

উল্লেখ্য, 
- ফুটসাল ফুটবলের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যেখানে বল নিয়ন্ত্রণ এবং দ্রুত খেলার ওপর জোর দেওয়া হয়।
- ছোট মাঠ এবং কম খেলোয়াড় (সাধারণত ৫ জন) নিয়ে এটি খেলা হয়।
- সর্বোচ্চ ১২ জন পর্যন্ত খেলোয়াড় ব্যবহার করা যায়। যত খুশি খেলোয়াড় বদলি করা যায়।
- ১৯৩০ সাল থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফুটসাল খেলা হয়ে আসছে।
- ফুটবলের মতো ফুটসালের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। 

১৩,৩৯৭.
কালনা সেতু কোন নদীর উপর অবস্থিত?
  1. ক) মধুমতি নদী
  2. খ) কালনী নদী
  3. গ) কুশিয়ারা নদী
  4. ঘ) সুগন্ধা নদী
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ছয় লেন বিশিষ্ট কালনা সেতু যে নদীর উপর নির্মিত – মধুমতি নদী।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
১৩,৩৯৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কোন তারিখে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ক) ৩০ জুলাই
  2. খ) ৩০ আগষ্ট
  3. গ) ৩০ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ৩০ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ’কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেস্কো (UNESCO)।
- ভাষণটি ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য “Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
১৩,৩৯৯.
বাংলাদেশ সরকার হালদা নদীকে "মৎস্য হেরিটেজ" ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কত তারিখে?
  1. ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  2. ১ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ৫ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ১ ডিসেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

• মৎস্য হেরিটেজ:
- ২৯ অক্টোবর ২০২৫ সরকার হালদা নদীকে 'মৎস্য হেরিটেজ' এলাকা ঘোষণা করেছে।
⇒ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় হালদা নদীকে মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করে ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে রুইজাতীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিতকরণ ও গাঙ্গেয় ডলফিনের আবাসস্থল সংরক্ষণের লক্ষ্যে খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় ও মানিকছড়ি উপজেলা, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি, রাউজান, হাটহাজারী উপজেলা এবং পাঁচলাইশ থানার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হালদা নদী এবং নদী তীরবর্তী ৯৩ হাজার ৬১২ টি দাগের ২৩ হাজার ৪২২.২৮০৫৯ একর জায়গা "হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ" হিসেবে ঘোষণা করা হলো।
- এপ্রিল-জুন মাসে হালদা নদীর বিভিন্ন স্থানে রুইজাতীয় মাছের প্রজননের ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণ নিষিক্ত ডিম পাওয়া যায়।

⇒ প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, এ নদী হতে কোনো প্রকার মাছ ও জলজ প্রাণি ধরা বা শিকার করা যাবেনা, তবে মৎস্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে প্রতি বছর প্রজনন মৌসুমে নির্দিষ্ট সময়ে মাছের নিষিক্ত ডিম আহরণ করা যাবে।
- প্রাণি ও উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংসকারী কোনো প্রকার কার্যকলাপ করা যাবেনা। 
- নদীর চারপাশের বসতবাড়ি, শিল্প প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পয়ঃপ্রণালী সৃষ্ট বর্জ্য ও তরল বর্জ্য নির্গমন করা যাবেনা। কোনো অবস্থাতেই নদীর বাঁক কেটে সোজা করা যাবেনা।
- হালদা নদীর সাথে সংযুক্ত ১৭ টি খালে প্রজনন মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-জুলাই) মৎস্য আহরণ করা যাবেনা।
- হালদা নদী এবং এর সংযোগ খালের উপর নতুন করে কোনো রাবার ড্যাম এবং কংক্রিট ড্যাম নির্মাণ করা যাবেনা।
- 'হালদা নদী মৎস্য হেরিটেজ তদারকি কমিটি' এ অনুমতি ব্যতিরেকে হালদা নদীতে নতুন পানি শোধানাগার, সেচ প্রকল্প স্থাপনের মাধ্যমে পানি উত্তোলন করা যাবেনা
- মাছের প্রাক-প্রজনন পরিভ্রমণ সচল রাখার স্বার্থে হালদা নদী এবং সংযোগ খালের পানির প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবেনা।
- সারা বছর হালদা নদীর কর্ণফুলী মোহনা থেকে নাজিরহাট ব্রিজ (অভয়াশ্রম এলাকা) পর্যন্ত ইঞ্জিন চালিত ভারী নৌযান (বালুবাহী ও পণ্যবাহী নৌকা এবং ড্রেজার) চলাচল করতে পারবে না।
- হালদা এবং তার শাখা নদীর বালুমহাল ইজারা বন্ধ করা এবং ড্রেজার দিয়ে/ক্ষতিকর পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করা যাবে না।
- নদীর অববাহিকা অঞ্চলে কোন প্রকার তামাক চাষ করা যাবে না।
- নদীর অববাহিকা অঞ্চলে কৃষি জমিতে ক্ষতিকর কোন কীটনাশক বা বালাইনাশক ব্যবহার করা যাবে না।

উৎস: i) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
ii) তথ্য অধিদফতর

১৩,৪০০.
বর্তমানে দেশে সরকারিভাবে মোট কয়টি স্থলবন্দর রয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ১৬টি
  2. ২০টি
  3. ২২টি
  4. ২৪টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে দেশে সরকারিভাবে মোট ২৪টি স্থলবন্দর রয়েছে।
- উল্লেখ্য, এর মধ্যে চলমান স্থলবন্দরের সংখ্যা ১৬টি।

⇒ ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর যেমন বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (বিএসবিকে) প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০১ সালে।
- স্বায়ত্তশাসিত এ প্রতিষ্ঠানটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।