বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩১ / ৩০৬ · ১৩,০০১১৩,১০০ / ৩০,৮৩২

১৩,০০১.
বাংলাদেশের গভীরতম নদী কোনটি?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) সুরমা
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী:

- বাংলাদেশের গভীরতম নদী মেঘনা।
- মেঘনা নদীকে চিরযৌবনা নদী বলা হয় কারন, মেঘনা নদীতে সব সময় জোয়ার-ভাটা বহমান থাকে।
- মেঘনা নদী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী ও প্রশস্ততম নদী।
- চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনার শাখা নদী হলো তিতাস ও ডাকাতিয়া ।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০০২.
বাংলামতি কি?
  1. এক প্রকার ধান
  2. এক প্রকার গম
  3. এক প্রকার আম
  4. একটি নদীর নাম
ব্যাখ্যা
বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে এক প্রকার ধান।
- এটি ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
- উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি

⇒ জাতের বৈশিষ্ট্য:
১। গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
২। গাছ হেলে পড়ে না।
৩। চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
৪। ভাত ঝরঝরে।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৩,০০৩.
সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের কত তারিখ ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়?
  1. ১০ এপ্রিল
  2. ১১ এপ্রিল
  3. ১৭ এপ্রিল
  4. ১৯ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।   

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৩,০০৪.
আলুর উচ্চ ফলনশীল জাতের একটি-
  1. উত্তরণ 
  2. শুকতারা 
  3. ইরাটম
  4. কার্ডিনাল
ব্যাখ্যা

• উচ্চ ফলনশীল আলুর কয়েকটি জাত:
- হীরা,
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক,
- সুন্দরী,
- কুফরী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,

• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব,
- ইরাটম,
- ব্রিশাইল,
- ময়না,
- চান্দিনা,
- হরিধান,
- নারিফা,
- প্রগতি ইত্যাদি।

- সফল : সরিষার জাত
- উত্তরণ : ভুট্টার জাত
- ‍শুকতারা : বেগুনের জাত।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)

১৩,০০৫.
বাংলাদেশের ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য কোনটি?
  1. পাট
  2. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. তৈরি পোষাক
  4. ফার্নিচার পণ্য
ব্যাখ্যা
• বর্ষপণ্য-২০২৫:
- ২০২৫ সালের জন্য ফার্নিচার বা আসবাবপত্রকে বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

- দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার ও বিপণনের পাশাপাশি এসব পণ্যের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা আয়োজন করে আসছে বাংলাদেশ।
- মেলার যৌথ আয়োজক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ নতুন বছরের প্রথম দিন পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফসি) ২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসবাবপত্রকে ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেন তিনি।
- ভারত, নেপাল ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে বাংলাদেশের ফার্নিচার রফতানি হয়ে থাকে।
- পণ্যের পাশাপাশি সেবা খাতে বিনিয়োগ এবং রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এগিয়ে আসার জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানান প্রধান উপদেষ্টা।

উৎস: প্রথম আলো এবং BANGLADESH GOVERNMENT PRESS।
১৩,০০৬.
'প্যারা মিলিশিয়া গঠন' ৬ দফার কততম দফা ছিল?
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা

১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন। ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,০০৭.
৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে নিহত হন কত তারিখে?
  1. ১১ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  2. ১৭ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  3. ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  4. ২৩ জানুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
- আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হলেও তা ১৯৬৯-এর জানুয়ারিতে তুঙ্গে ওঠে এবং মধ্য জানুয়ারিতে গণআন্দোলনের রূপ নেয়।
- ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ দেশের সকল মৌলিক গণতন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানালে অনেকেই সে আহ্বানে সাড়া দেন।
- ছাত্র-শিক্ষকবৃন্দ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনের সংগে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
- আইয়ুব পুলিশ, ইপিআর ও সেনাবাহিনী দিয়ে ঐ আন্দোলন স্তব্ধ করার চেষ্টা করেন।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হলে আন্দোলন সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
- আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে যখন প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০০৮.
BANBEIS- কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৭৭
  4. ঘ) ১৯৮০
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর নির্দেশনায় গঠিত ড. মুহাম্মদ কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশনের ১৯৭৪ সালে প্রণীত সুপারিশের প্রেক্ষিতে স্বাধীন ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশে পৃথক একটি শিক্ষাতথ্য সংস্থা হিসেবে ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)
১৩,০০৯.
কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করে থাকে কোন প্রতিষ্ঠানটি?
  1. BRRI
  2. NAPE
  3. DAE
  4. BARI
ব্যাখ্যা
DAE:
- পূর্ণরূপ Department of Agricultural Extension বা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
- এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) পাবলিক সেক্টরে উৎপাদিত প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য দায়ী।
- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা একিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- কাজ: চাহিদাভিত্তিক এবং সমন্বিত কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,০১০.
সিলেট জেলার পোষ্টাল কোড কত?
  1. ১৫০০
  2. ২৬০০
  3. ৩১০০
  4. ৪১০০
ব্যাখ্যা
সিলেট:
- সিলেটের উত্তরে ভারতের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়, দক্ষিণে মৌলভীবাজার জেলা, পূর্বে ভারতের কাছাড় ও করিমগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা।
- সিলেট জেলা ১৭৭২ সালের ১৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৪ শতকে ইয়েমেনের সাধক পুরুষ হযরত শাহজালাল (র.) সিলেট জয় করেন এবং ইসলাম প্রচার শুরু করেন।
- সিলেট বা শ্রীহট্ট (সমৃদ্ধ হাট) বহু আগে থেকেই একটি বর্ধিষ্ণু বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে বর্তমান ছিল।
- সিলেট জেলার পোস্টাল কোড - ৩১০০।

⇒ মহান সাধক হযরত শাহজালাল (র.) ও হযরত শাহপরাণ (র.)সহ ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি সিলেট একটি প্রাচীন জনপদ।
- সুলতানী আমলে সিলেটের নাম ছিল জালালাবাদ।
- নানকার বিদ্রোহ সিলেটের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- দেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয় এই বিভাগে।
- সিলেট জেলা প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, বালুসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদে অনন্য একটি জেলা।
- দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত সিলেটের লালাখালে হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,০১১.
২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ লাভ করেন -
  1. ভীষ্মদেব চৌধুরী
  2. লাইসা আহমদ
  3. শীলা মোমেন
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর দুই বা তিনজনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

⇒ ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
- বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীকে এবং রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় অবদানের জন্য অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসাকে রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৪-এ ভূষিত করেছে।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৩,০১২.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সেনেগাল
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
১৩,০১৩.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল কবে আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ১৯৭৭ সালের ২৬ জুলাই আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৮৬ সালের মার্চে শ্রীলংকায় অনুষ্ঠিত ২য় এশিয়া কাপের অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে।
- ১৯৯৭ সালের ১৫ জুলাই ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- ২০০০ সালের ২৬শে জুন দশম দেশ হিসেবে আইসিসির টেস্ট স্ট্যাটাস বা পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ লাভ করে।
- একই বছরের ১০-১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ দল ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট ম্যাচে অংশ নেয়।
(সূত্র: বিসিবি ওয়েবসাইট)
১৩,০১৪.
বাঁশেরকেল্লা নির্মাণ করেন কে?
  1. ক) দুদু মিয়া
  2. খ) হাজী শরীয়তউল্লাহ
  3. গ) ফকির মজনু শাহ
  4. ঘ) মীর নিসার আলী
ব্যাখ্যা
- তিতুমীর ওরফে মীর নিসার আলী প্রথমে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন শুরু করেন। পরবর্তীতে তার এই আন্দোলন জমিদার ও ব্রিটিশবিরোধী রূপ লাভ করে।
- তিনি বারাসাতের নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশেরকেল্লা নির্মাণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৯ নভেম্বর লে. কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সাথে যুদ্ধে কামানের গোলায় তার বাঁশেরকেল্লা ধ্বংস হয়ে যায় এবং তিনিসহ তার বহু অনুসারী শহিদ হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩,০১৫.
মুক্তিযুদ্ধকালীন জনমত গঠনে লন্ডন তথা ইউরোপে প্রবাসী বাঙালিদের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
  3. জাফরউল্লাহ চৌধুরী
  4. হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধকালীন বিদেশে জনমত গঠন:
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশে গণহত্যা শুরু হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধের সহায়তায় এগিয়ে আসেন। 
- এর মধ্যে লন্ডন, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটনে (যেখানে বাঙালিরা সংখ্যায় বেশি ছিলেন) বাঙালিরা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন, স্মারকলিপি দেন, সংসদ সদস্যদের কাছে ধর্ণা দেন, মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের সাহায্যের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন। 
- লন্ডনে ইউরোপের অন্যান্য প্রবাসী বাঙালিরা এসে মিলিত হতেন। 
- লন্ডনে প্রবাসী বাঙালিদের নেতৃত্ব দেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

এছাড়া, 
- আবুল হাসান মাহমুদ আলী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ নিয়ে নিউইয়র্কে পাকিস্তান কনসুলেট জেনারেলের ভাইস কনসালের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- জাফরউল্লাহ চৌধুরী বিদেশে ডাক্তারি পড়া অসমাপ্ত রেখে দেশে এসে যুদ্ধকালীন মেডিকেল ক্যাম্প ও হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন।
- হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী দিল্লীতে পাকিস্তান দূতাবাসে কর্মরত ছিলেন এবং পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে পদত্যাগ করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০১৬.
বাংলাদেশের মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. জেলা প্রশাসন
  2. উপজেলা প্রশাসন
  3. ইউনিয়ন প্রশাসন
  4. বিভাগীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
 - বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো স্তরভিত্তিক।
- এর দুটি প্রধান স্তর আছে।

• প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।

-  মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা সচিবালয় গঠিত।
- প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর।
- অধিদপ্তরের/দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক/পরিচালক। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

১৩,০১৭.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ?
  1. ৩.৬৩ শতাংশ
  2. ৩.৬৯ শতাংশ
  3. ৩.৭৩ শতাংশ
  4. ৩.৭৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩.৬৯ শতাংশ।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এটি গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
- ৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সর্বশেষ এ হিসাব প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির এ হার ছিল ৪ দশমিক ২২ শতাংশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। 
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

১৩,০১৮.
ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩) -
  1. ভারত
  2. চীন
  3. থাইল্যান্ড
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ চীন।
- দেশটি বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩০% ধান উৎপাদন করে, যার পরিমাণ ১৪.৮৫ কোটি টন।
- ধান উৎপাদনে ২য় স্থানে রয়েছে ভারত।
- ধান উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

উৎস: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, সময় নিউজ।
১৩,০১৯.
বাংলায় সর্বপ্রথম জুরী ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন -
  1. ক) লর্ড হার্ডিঞ্জ
  2. খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. গ) উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. ঘ) লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা
উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক 
• উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের সময় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরন আইন ( ১৮২৯ )পাস হয় এতে তিনি রাজা রামমোহন রায় ও প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সমর্থন ও সহায়তা লাভ করেন।
• উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলায় সর্বপ্রথম ‘জুরী ব্যবস্থার’ প্রবর্তন করেন।
• উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলার সর্বশেষ ( ১৮২৮-১৮৩৩) এবং ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ( ১৮৩৩-১৮৩৫)।
• বেন্টিঙ্ক লর্ড মেকলের সহায়তায় আইন কমিশন গঠন করে ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ তৈরি করেন ।

অন্যদিকে,   
• লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (১৭৯৩) প্রবর্তন এবং ভারতের সিভিল সার্ভিসের জনক।
• ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭৪ সালে কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের ভূখণ্ডে এটিই প্রথম সুপ্রিম কোর্ট।
• লর্ড হার্ডিঞ্জ রবিবার সরকারি অফিসের সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণা করেন

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০২০.
জুলাই ঘোষণাপত্রে কতটি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. ১৬টি
  2. ২১টি 
  3. ২২টি 
  4. ২৮টি
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- ২৮ দফা এ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৩,০২১.
মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা দল 'ক্র্যাক প্লাটুন' কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
  1. চট্রগ্রাম
  2. খুলনা
  3. ঢাকা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
• ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ক্র্যাক প্লাটুন দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফ, বীরউত্তম এবং এটিএম হায়দার বীরউত্তম।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ২নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল ছিল যারা আসলে গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত।

 - ক্র্যাক প্লাটুন ঢাকা শহরে ছোটো বড় মিলিয়ে মোট ৮২টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।
১৩,০২২.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে রয়েছেন?
  1. ড. এ কে আব্দুল মোমেন
  2. শাহরিয়ার আলম
  3. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
  4. মুহাম্মদ হাছান মাহমুদ।
ব্যাখ্যা
- দ্বাদশ সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন মুহাম্মদ হাছান মাহমুদ।
- ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তৃতীয় মেয়াদে গত পাঁচ বছর তথ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন হাছান মাহমুদ।
- আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় মেয়াদে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন তিনি।
- এর আগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী হিসেবে এবারের নির্বাচনে চট্টগ্রাম ৭ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন হাছান মাহমুদ।
- বিগত পাঁচ বছরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল রোহিঙ্গা সংকট।
- এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু না হলেও দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে কেন্দ্র করে দেখা দেয় নতুন সংকট।
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেয় পরাশক্তিধর দেশগুলো।
- এমন বাস্তবতায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রদবদল করেন নির্বাচিত সরকারি দল আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।  
১৩,০২৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, কোন ইপিজেডে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা ইপিজেডে
  2. কর্ণফুলী ইপিজেডে
  3. আদমজী ইপিজেডে
  4. চট্টগ্রাম ইপিজেডে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, চট্টগ্রাম ইপিজেডে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। চট্টগ্রাম ইপিজেডে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।

⇒ দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩,০২৪.
'বিবিয়ানা' গ্যাসক্ষেত্রটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা।
   - এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। 
   - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস।

- উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস।
   - এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
   - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা।

উৎস : বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১।
১৩,০২৫.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  2. যমুনা ব্যাংক পিএলসি
  3. এবি ব্যাংক পিএলসি
  4. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
ব্যাখ্যা
কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- এটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।
১৩,০২৬.
বঙ্গবন্ধু'র ছয় দফা দাবীকে বলা হয় -
  1. ক) বাঙালির ম্যাগনাকার্টা
  2. খ) বাঙালির মুক্তির সনদ
  3. গ) বাঙালির স্বাধীনতার দলিল
  4. ঘ) ক+খ
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস পালিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩,০২৭.
কোন গভর্নর জেনারেল উপমহাদেশে সাম্রাজ্যবাদী বলে পরিচিত?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা
লর্ড ওয়েলেসলি:
→ ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড ওয়েলেসলি ভারত বর্ষের গভর্ণর জেনারেল নিযুক্ত হন।
→  তাঁর শাসনকালকে উপমহাদেশের ইতিহাসে সংকটময় যুগ বলা যেতে পারে। 
→ লর্ড ওয়েলেসলি ছিলেন একজন ঘোর সাম্রাজ্যবাদী শাসক।
প্রতিভাবান, বিদ্বান, আত্মমর্যাদা সম্পন্ন ও অভিজাত সুলভ লর্ড ওয়েলেসলি চেয়েছিলেন উপমহাদেশে ব্রিটিশ শক্তিকে সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী করে তুলতে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩,০২৮.
কোন সমস্যার কারণে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. তাসখন্দ
  2. পাঞ্জাব
  3. বাংলা
  4. কাশ্মীর
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ:
- ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টির পর কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে এই দুই দেশের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
- ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই কাশ্মীরকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করত।
- কাশ্মীর সমস্যাকে কেন্দ্র করে ১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।
- ৬ আগস্ট পাকিস্তান বাহিনী ভারত আক্রমণ করলে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।
- ৬ সেপ্টেম্বর ভারত লাহোর আক্রমণে অগ্রসর হয়।
- ১৭ দিন যুদ্ধের পর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২৩ সেপ্টেম্বর যুদ্ধ বিরতি ঘোষিত হয়।
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত 'তাসখন্দ চুক্তি'র মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
১৩,০২৯.
ভারতের কতটি 'ছিটমহল' বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ক) ১০৭ টি
  2. খ) ১১১ টি
  3. গ) ১১৫ টি
  4. ঘ) ১২১ টি
ব্যাখ্যা
• ছিটমহল:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়।
- ফলে বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডে ১০০৪১.২৫ একর ভূমি যোগ হয়।
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল।
- ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া। 
১৩,০৩০.
বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয় কবে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষার রাষ্ট্রভাষা স্বীকৃতি:
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করে।
- ৭ মে ১৯৫৪ অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ২১ ফেব্রুয়ারি শোক দিবস হিসেবে ছুটি ও শহীদ দিবস ঘোষণা করে।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা ভাষা সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায়।
- ১৯৬২ সালে সংবিধানে তা বহাল থাকে।
- সংবিধান প্রণয়নের আগে, ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬, আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেলউদ্দিন আহমেদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য বিল উত্থাপন করেন।
- উক্ত বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
- এই প্রক্রিয়া বাংলার ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত বিজয় ও দীর্ঘ সংগ্রামের ফলাফল হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩,০৩১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি নয়?
  1. ক) আইনের শাসন
  2. খ) জাতীয়তাবাদ
  3. গ) ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. ঘ) গণতন্ত্র
ব্যাখ্যা
•সংবিধান:
• সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি। যথা- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
• বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনা- ১টি।
• বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ- এক কক্ষবিশিষ্ট।
• সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে বিরোধীদলীয় সদস্য ছিল- ১ জন (ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত)।
• সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে মহিলা সদস্য – ১ জন (রাজিয়া আক্তার বানু)
• সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ- ২টি। যথা- হাইকোর্ট ও আপিল কোর্ট |
• গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়-- ৪ নভেম্বর।
• সংবিধান দিবস ৪ নভেম্বর।
• সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
• এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
 

১৩,০৩২.
'তাতার' কোন জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতি?
  1. তুর্কি জাতিগোষ্ঠি
  2. ইরানি জাতিগোষ্ঠি
  3. নেপালি জাতিগোষ্ঠি
  4. পশতুন জাতিগোষ্ঠি
ব্যাখ্যা
'তাতার' তুর্কি জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতি।

তাতার জাতি:
- তাতার জাতি হল তুর্কি জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতি, যারা প্রধানত ইউরোপ ও এশিয়ায় বসবাস করে।
- তাদের মঙ্গোলীয় সম্রাট চেঙ্গিস খানের বংশধর হিসেবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে।
- তাতার বলতে বুঝায় যে জনগোষ্ঠী তুর্কি ভাষায় কথা বলে।

অন্যদিকে -
- কুর্দি জাতি পশ্চিম এশিয়ার কুর্দিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় একটি ইরানি জাতিগোষ্ঠী, যারা দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক, উত্তর-পশ্চিম ইরান, উত্তর ইরাক এবং উত্তর সিরিয়ায় বাস করে।
- মাউরি: নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী।
- উইঘুর: চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম সম্প্রদায়।
- কারেন: স্বাধীনতাকামী মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী উপজাতি।
- গুর্খা: নেপালের যোদ্ধা জাতি।
- টোডা: বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের।
- পশতুন: আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
- এক্সিমো: সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস (কুকুর চালিত স্লেজ গাড়ি ব্যবহার করে)।
- পিগমি: পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার উপজাতি।
- জুলু: দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
- রেড ইন্ডিয়ান: আমেরিকার আদিবাসী।
- আফ্রিদি: বর্তমান পাকিস্তানের এক পশতুন নৃগোষ্ঠী, যাদের কিছু অংশ আফগানিস্তানেও বসবাস করে।

উৎস: i) Britannica.
        ii) History.com.
১৩,০৩৩.
কোন উপজাতির ক্ষেত্রে সম্পত্তির উত্তরাধিকার নীতি মাতৃসূত্রীয়?
  1. ত্রিপুরা
  2. চাকমা
  3. রাখাইন
  4. গারো
ব্যাখ্যা
গারো:
- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। তাদের সমাজে মাতা হলো পরিবারের প্রধান। মায়ের বংশ সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির মালিক হয়। 
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

অন্যদিকে,
- অপশনের বাকি ৩টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় সম্পত্তির উত্তরাধিকার নীতি পিতৃসূত্রীয়। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
১৩,০৩৪.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ক) ৪৫.৬৮ মিটার
  2. খ) ৪৫.৭১ মিটার
  3. গ) ৪৫.৭৯ মিটার
  4. ঘ) ৪৫.৭২ মিটার
ব্যাখ্যা
- জাতীয় স্মৃতিসৌধের সর্বোচ্চ বিন্দুর উচ্চতা ৪৫.৭২ মিটার।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত।
- ১৯৭৮ সালে সৌধ নির্মাণের উদ্দেশ্যে নকশার জন্য একটি জাতীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সাতান্ন জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে স্থপতি মঈনুল হোসেনের নকশাটি নির্বাচিত হয়।
- মঈনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি।
- অসমান উচ্চতা ও স্বতন্ত্র ভিত্তির ওপর সাতটি ত্রিভুজাকৃতির প্রাচীর নিয়ে মূল সৌধটি গঠিত।
-  সমগ্র কমপ্লেক্সটি ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর) জমি জুড়ে বিস্তৃত। একে ঘিরে আছে আরও ১০ হেক্টর (২৪.৭ একর) সবুজ ভূমি। 
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,০৩৫.
ক্রলিং পেগ কী?
  1. বৈদেশিক মুদ্রার অতিমূল্যায়ন
  2. সামরিক সরঞ্জাম
  3. স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  4. দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ক্রলিং পেগ:
- ‘ক্রলিং পেগ’হচ্ছে দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের একটি পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে একটি মুদ্রার বিনিময় হারকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
- এক্ষেত্রে মুদ্রার দরের একটি সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা থাকে।
- ফলে একবারেই খুব বেশি বাড়তে পারবে না, আবার কমতেও পারবে না।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুইবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।
- সম্প্রতি বাংলাদেশের বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির হারে লাগাম টানার লক্ষ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- নতুন মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ৮ শতাংশ করা হয়েছে।
- সেই সঙ্গে ডলারের বিনিময় মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্রলিং পেগ নামে নতুন একটি পদ্ধতি ব্যবহারের চিন্তা করা হচ্ছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, ডিসেম্বর, ২০২৩ শেষে দেশে এখন সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.৪১ শতাংশ। 

উৎস: ১৭ জানুয়ারী ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
১৩,০৩৬.
"জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর"- কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তরঃ মোট ১৩টি।

১. বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন;
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো;
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ;
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর;
৫. যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মস্ নিবন্ধক;
৬. আমদানি - রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অফিস;
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড;
৮. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইসস্টিটিউট;
৯. বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল;
১০. দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস্ অব বাংলাদেশ;
১১. দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ডস্ অব বাংলাদেশ;
১২. ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ;
১৩. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন।

উৎসঃ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৩,০৩৭.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. পরিবহন ও যোগাযোগ
  3. জনপ্রশাসন
  4. স্বাস্থ্য
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- করমুক্ত আয়সীমা - ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- GDP'র প্রবৃদ্ধি - ৭.৫%।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ - জনপ্রশাসন খাতে (১,৬৭,৮৮০ কোটি টাকা)।
- শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ - ১,০৪,১৩৭ কোটি টাকা।
- পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে বরাদ্দ - ৮৭, ৬২৯ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৩-২৪।
১৩,০৩৮.
ছয় দফা দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ৪ জুন
  2. ৫ জুন
  3. ৬ জুন
  4. ৭ জুন
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩,০৩৯.
বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনি আবিস্কৃত হয় কোথায়?
  1. সিলেট
  2. নেত্রকোনা
  3. দিনাজপুর
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,০৪০.
কার প্রস্তাবনায় ‘All India Muslim League’ গঠিত হয়?
  1. নবাব সলিমুল্লাহ
  2. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. ফজলুল হক
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নবাব সলিমুল্লাহ:
- ঢাকার আহসান মঞ্জিলে ১৮৭১ সালের ৭ জুন নবাব সলিমুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা এবং পিতামহের নাম যথাক্রমে নওয়াব স্যার খাজা আহসানুল্লাহ ও নওয়াব স্যার খাজা আব্দুল গণি।
- ১৮৯৩ সালে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের চাকরি নেন।
- ১৯০১ সালে পিতার মৃত্যুর পর জীবিত জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে তিনি ঢাকা নওয়াব এস্টেট এর কর্তৃত্ব লাভ করেন।
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর নওয়াব সলিমুল্লাহর প্রস্তাবনায় ‘All India Muslim League’ গঠিত হয়।
- তিনি এর সহ-সভাপতি এবং গঠনতন্ত্র তৈরি কমিটির সদস্য মনোনীত হন।
- লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকা সফরে এলে নওয়াব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে মুসলিম নেতৃবৃন্দ ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি তাঁর কাছে বিভিন্ন দাবি পেশ করেন।
- সেদিনই ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং মুসলিমদের জন্য একজন শিক্ষা অফিসার নিয়োগের প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ছিলেন একজন দানশীল ব্যক্তি। আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে তিনি অকাতরে দান করতেন।
- ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতার চৌরঙ্গীর বাসভবনে নওয়াব সলিমুল্লাহর মৃত্যু হয়।

তথসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,০৪১.
ওয়ারী বটেশ্বর কিসের জন্য প্রসিদ্ধ?
  1. ক) মন্দির
  2. খ) প্রত্নস্থান
  3. গ) প্রাচীন বিহার
  4. ঘ) মসজিদ
ব্যাখ্যা
নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলায় উয়ারি ও বটেশ্বর নামের দুটি গ্রামে আবিষ্কৃত প্রত্নতত্ত্ব আনুমানিক ২৫০০ বছর আগেরকার বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি ১৯৩০ সালে একজন স্কুল শিক্ষক কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। ১৯৯৬ সালে জরিপ কাজ শেষে ২০০০ সাল থেকে এখানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর নিয়মিত খনন কাজ শুরু করে।
(সূত্র: নরসিংদী জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
১৩,০৪২.
সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে কত সালে এরশাদ সরকার ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

জেনারেল এরশাদ:
- রক্তপাতহীন এক সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- তিনি তখন সেনাবাহিনীর প্রধান। রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেই তিনি দেশে সামরিক আইন জারি করেন।

⇒ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ দেশে সামরিক শাসন জারি করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সরিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে নেন জেনারেল এরশাদ। 
- তিনি সামরিক ফরমান জারি করার পর রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ, জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিসভা বাতিল করেন এবং স্থগিত করেন সংবিধানের কার্যকারিতা।
- জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে থাকেন। নানা অপতৎপরতার মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার প্রচেষ্টা চালাতে থাকেন।
- কিন্তু ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই জেনারেল এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠন জোটবদ্ধ হয়ে আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যায়। 
- ধীরে ধীরে এরশাদবিরোধী আন্দোলন গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
- গণআন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর জেনারেল এরশাদ দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন।
- প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। 

উৎস: i) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।
ii) প্রথম আলো।

১৩,০৪৩.
পিটের ইন্ডিয়া এ্যাক্ট কত সালে পাস হয়?
  1. ১৭৫৮ সালে
  2. ১৭৬২ সালে
  3. ১৭৭৮ সালে
  4. ১৭৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
পিটের ইন্ডিয়া এ্যাক্ট (১৭৮৪ খ্রিঃ):
- রেগুলেটিং এ্যাক্ট-এর ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম পিট একটি আইন পাস করেন যা ইতিহাসে 'পিট এর ইন্ডিয়া এ্যাক্ট' নামে পরিচিত।
- এ আইন দ্বারা পার্লামেন্ট উপমহাদেশ শাসনের সকল ক্ষমতা গ্রহণ করে।
- এ আইনের বলে ব্রিটিশ সরকারের নিযুক্ত ৬ জন এবং ইংল্যান্ডের মন্ত্রী সভার ১ জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত 'বোর্ড অফ কন্ট্রোল' এর উপর উপমহাদেশ শাসন ও পর্যবেক্ষণের ভার অর্পিত হয়।
- গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা বাড়ানো হয়।
- সুপ্রীম কোর্টের ক্ষমতা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়।
- এছাড়া, কোম্পানির তিনজন ডাইরেক্টর নিয়ে একটি সাগর বঙ্গোপসাগর ইংরাজী সাইন ভারতবর্ষ, ওয়ারেন হেস্টিংসের সময় 'সিক্রেট কমিটি'ও গঠিত হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৪৪.
রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার কত দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৩০-৪৫ দিন
  2. ৪৫-৬০ দিন
  3. ৬০-৯০ দিন
  4. ৯০-১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি:

- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,০৪৫.
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. হরিপুর
  3. দিনাজপুর
  4. মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৬ সালে চীনা কারিগরি সহায়তায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির পাশে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়।

বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি:
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর বাজার হইতে দক্ষিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অবস্থিত।
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই কয়লা খনি থেকে বার্ষিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়। 
- কিন্তু গত ১৩-১৪ অর্থ বছরে এই খনি থেকে ৯৩৩০০০ মেট্রিন টন বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলিত হয়  এবং সেগুলো বিক্রয় করে ৮৯৮ কোটি টাকা আয় হয়।
- উত্তোলিত কয়লা দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানী করার পর স্থানীয় বিভিন্ন শিল্প কারখানায় বিক্রয় করা হয়।
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়।
- সেখানে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে প্রায় দুইশত'র অধিক কর্মকর্তা/কর্মচারী রয়েছে। 
- বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার  একটি প্রসিদ্ধ স্থান।

উৎস: দিনাজপুর জেলার ওয়েবসাইট।  
১৩,০৪৬.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ নতুন কয়টি দেশে মিশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
মিশন স্থাপন:
- বর্তমানে বিশ্বের ৬০টি দেশে বাংলাদেশের ৮৪টি কূটনৈতিক মিশন রয়েছে।
- সম্প্রতি, বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও কূটনৈতিক সংযোগ বাড়াতে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার নতুন ৫টি দেশে মিশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে।
-  নতুন মিশনগুলো যেসব শহরে স্থাপন করা হবে:
⇒ ডাবলিন, আয়ারল্যান্ড;
⇒ অসলো, নরওয়ে;
⇒ বুয়েনস এইরেস, আর্জেন্টিনা;
⇒ ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি;
⇒ সাওপাওলো, ব্রাজিল।

- ক্রমপরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিবেশ, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে এই মিশন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [Link]
১৩,০৪৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৯১
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে। 
-------------------------------- 
• বাংলাদেশের সংবিধান:

- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান প্রবর্তিত হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

• ১৫৩ নং অনুচ্ছেদ: প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ;  

১৫৩ (১)-
এই সংবিধানকে "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান" বলিয়া উল্লেখ করা হইবে এবং ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসের ১৬ তারিখে ইহা বলবৎ হইবে, যাহাকে এই সংবিধানে "সংবিধান-প্রবর্তন" বলিয়া অভিহিত করা হইয়াছে।

১৫৩(২)-
বাংলায় এই সংবিধানের একটি নির্ভরযোগ্য পাঠ ও ইংরাজীতে অনুদিত একটি নির্ভরযোগ্য অনুমোদিত পাঠ থাকিবে এবং উভয় পাঠ নির্ভরযোগ্য বলিয়া গণপরিষদের স্পীকার সার্টিফিকেট প্রদান করিবেন।

১৫৩(৩)- 
এই অনুচ্ছেদের (২) দফা-অনুযায়ী সার্টিফিকেটযুক্ত কোন পাঠ এই সংবিধানের বিধানাবলীর চূড়ান্ত প্রমাণ বলিয়া গণ্য হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, বাংলা ও ইংরাজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলা পাঠ প্রাধান্য পাইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,০৪৮.
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বৈদেশিক অনুদান কত?
  1. ক) ৪,১৬৮ কোটি টাকা
  2. খ) ৫,১৯০ কোটি টাকা
  3. গ) ৪,৪৫৬ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৪,৮৭৬ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বৈদেশিক অনুদান ৪,১৬৮ কোটি টাকা।
১৩,০৪৯.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামি মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে কত সালে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,০৫০.
পলাশির যুদ্ধ কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. নদীয়া
  3. ভাগীরথী নদীর তীরে
  4. হুগলির তীরে
ব্যাখ্যা
পলাশির যুদ্ধ: 
- পলাশির যুদ্ধ ১৭৫৭সালের ২৩শে জুন।
- ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশির আমবাগানে এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

- রবার্ট ক্লাইভ তার অবস্থান সুদৃঢ় করে সন্ধি ভঙ্গের অজুহাতে সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- নবাবের পক্ষে দেশপ্রেমিক মীর মদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিন ফ্রে প্রাণপণ যুদ্ধ করেন।
- যুদ্ধে মীর মদন নিহত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৫১.
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন -
  1. খালেদ মোশাররফ
  2. কে.এম শফিউল্লাহ
  3. আতাউল গণি ওসমানী
  4. জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
⇒ জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।

জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী:

- তিনি ১৯১৮ সালে ১ নভেম্বর সুনামগঞ্জে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৩৪ সালে সিলেট সরকারি হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ১৯৩৮ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৩৯ সালের জুলাই মাসে দেরাদুনে ব্রিটিশ ভারতীয় সামরিক একাডেমী থেকে সামরিক কোর্স সম্পন্ন করে রাজকীয় বাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে যোগ দেন (অক্টোবর ১৯৪০)।
- ১৯৪৭ সালে সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসার কোর্স সম্পন্ন করার পর ওসমানী লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে নিয়োগের জন্য মনোনীত হন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং পরদিনই লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত হন।
- আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। সত্তরের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,০৫২.
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি কোনটি?
  1. রাজনৈতিক দল
  2. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. আমলাতন্ত্র
  4. ছাত্র সংগঠন
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দল:
- রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাবলির ব্যাপারে রাজনৈতিক দল গুলি নিজ-নিজ দলীয় মতাদর্শের উপর ভিত্তি করে সেসব সমস্যার সমাধানকল্পে নীতি ও কর্মসূচি নির্ধারণ করে।
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হল রাজনৈতিক দল।
- নির্ধারিত নীতি ও কর্মসূচির স্বপক্ষে জনমত গঠন করা রাজনৈতিক দলের উল্লেখযোগ্য কাজ।
- প্রতিটি দল সভা-সমিতি, পত্র-পত্রিকা, পুস্তক-পুস্তিকা, রেডিও-টিভি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রভৃতির মাধ্যমে প্রচারকার্য চালিয়ে নিজস্ব নীতি ও কর্মসূচির সমর্থনে জনমত গঠনের চেষ্টা করে।
- আধুনিক গণতন্ত্রে প্রতিটি স্বীকৃত রাজনৈতিক দলের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করা।
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হচ্ছে রাষ্ট্র সরকারি ক্ষমতা করায়ত্ব করে নিজ নীতি ও আদর্শকে বাস্তবে রূপায়িত করা।
- নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের সমর্থন পেলে সেই উদ্দেশ্যকে সফল করে তোলার সুযোগ উপস্থিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০৫৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৪৮টি
  2. ৫০টি
  3. ৫১টি
  4. ৫২টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ তে বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে।
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৩,০৫৪.
একটি রাষ্ট্র গঠনের প্রথম উপাদান কোনটি?
  1. ক) সার্বভৌমত্ব
  2. খ) জনসমষ্টি
  3. গ) সরকার
  4. ঘ) ভূ-খন্ড  
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর প্রত্যেক রাষ্ট্র চারটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো:
- জনসমষ্টি
- নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
- সরকার এবং
- সার্বভৌমত্ব।

- এদের মধ্যে রাষ্ট্র গঠনের প্রথম উপাদান হলো জনসমষ্টি। রাষ্ট্র গঠনের জন্যে এটি একান্ত অপরিহার্য উপাদান।
- রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান হলো সার্বভৌমত্ব।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী 
১৩,০৫৫.
In which year was Bangladesh Primary Education Act enacted?
  1. in 1973
  2. in 1974
  3. in 1990
  4. in 1991
  5. in 1992
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক শিক্ষা:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করে।
- ১ জানুয়ারী, ১৯৯৩ থেকে সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কার্যকর হয়।
- ১৯৭৪ সালে কুদরাত-এ-খুদা প্রণীত ‘বাংলাদেশ শিক্ষা কমিশন' ১৯৮৩ সালের মধ্যে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে সর্বজনীন, বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার সুপারিশ করে।
- ১৯৮১ সালে পৃথক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয়
- অন্যদিকে এ আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের জন্য প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২১ আগস্ট, ১৯৯০ ইং ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কোস/সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তীতে ৩১ নভেম্বর, ১৯৯২ ইং তারিখে এর নামকরণ করা হয় ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট'।
- তার পূর্বে ১ জানুয়ারি, ১৯৯২ সালে প্রাথমিকভাবে ৬৮ টি উপজেলায় এই আইন চালু হয়।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৩,০৫৬.
বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে জামদানি শাড়ি কত সালে স্বীকৃতি পায়?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

• বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি।
- জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৩,০৫৭.
দেশের প্রথম টানেল কোন নদীর তলদেশে নির্মিত হয়েছে?
  1. পদ্মা নদী
  2. ফেনী নদী
  3. কর্ণফুলী নদী
  4. যমুনা নদী
ব্যাখ্যা
⇒ বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে প্রথম নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল চালু হয়েছে।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,০৫৮.
রাবনাবাদ চ্যানেলে কোন সমুদ্রবন্দর অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. মংলা
  3. পায়রা
  4. মাতারবাড়ী
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর: 
- পায়রা বন্দর বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের তৃতীয় সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬, সমুদ্র বন্দরটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ৷
- এটি আমদানী ও রপ্তানীর জন্য একটি সরকারী রুট।
- ৫ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৩ পাস হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,০৫৯.
’স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. মুস্তফা মনোয়ার
  3. মৃণাল হক
  4. শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুলার রোডে সলিমুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল ও বুয়েট সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে বাংলাদেশের ইতিহাসের ধারক স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি স্থাপিত।

• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,০৬০.
গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ কে নির্মাণ করেন?
  1. ক) সুলতান সিকান্দার শাহ
  2. খ) ফখরুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. গ) আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
  4. ঘ) গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
ব্যাখ্যা
• হোসেন শাহী বংশ:
- আলাউদ্দীন হুসেন শাহ বাংলায় হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি আরাকান ও চট্টগ্রাম দখল করেন। তার সময়ে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হতো।
- তিনি বাংলাকে রাজদরবারের ভাষা হিসেবে স্থান দেন।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- তিনি অনেক জনকল্যাণমূলক কাজও করেন। যে কারণে তাকে নৃপতি তিলক, জগৎভূষণ, কৃষ্ণাবতার বলা হতো।

- আলাউদ্দীন হুসেন শাহের রাজত্বকালে নির্মিত মসজিদসমূহের মধ্যে গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে।
- ড. আবু মুহাম্মদ হবিবুল্লাহ-এর মতে মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
- দীর্ঘ ২৬ বছর রাজত্ব করার পর আলাউদ্দীন হোসেন শাহ ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৬১.
‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’ এ শুমারি রেফারেন্স পয়েন্ট কোনটি?
  1. ১৪ জুন রাত ১২টা
  2. ১৪ জুন দুপুর ১২টা
  3. ২২ জুন রাত ১২টা
  4. ১৫ জুন দুপুর ১২টা
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা: 
- ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে। পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে।
- এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে।
- কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।
- পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সেই সময় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লাখ।
- ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’-এর প্রকল্প পরিচালক দিলদার হোসেন সাংবাদিকদের জানান,
- জনশুমারিতে প্রধান ৩৫টি প্রশ্ন থাকবে, এর পাশাপাশি আরও ১০টি তথ্য নেওয়া হবে।
- ফলে জনশুমারিতে মোট ৪৫টি তথ্য নেওয়া হয়। জনশুমারির ওপর যে কোনো দেশের সঠিক পরিকল্পনা নির্ভর করে। 
- ২০২২ সালের ১৫ থেকে ২১ জুন দেশব্যাপী ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২’  অনুষ্ঠিত হয়। 
- শুমারি শুরুর আগে ১৪ জুন রাত ১২টাকে শুমারি রেফারেন্স পয়েন্ট/সময় হিসেবে ধার্য করা হয়েছে। 

উৎস: BBS ওয়েবসাইট।
১৩,০৬২.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে -
  1. ক) হিমায়িত খাদ্য
  2. খ) চিংড়ি
  3. গ) পাট ও পাটজাত পণ্য
  4. ঘ) কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

উল্লেখ্য,
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ২.৮৯%।
- ‘শিল্পজাত পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: ‘কৃষিজাত পণ্য’ (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’ (০.৮৬%)। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৩,০৬৩.
"দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন"-এর প্রধান কে?
  1. ড. আবদুল মোমেন
  2. ড. বদিউল আলম মজুমদার
  3. ড. ইফতেখারুজ্জামান
  4. সফর রাজ হোসেন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন:
- ৩ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বিদ্যমান দুর্নীতি দমন কমিশনকে কার্যকর, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাবনার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনক্রমে "দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন" গঠন করা হয়েছে।

⇒ উক্ত কমিশনের প্রধান: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
- এছাড়াও উক্ত কমিশনের সদস্য- জনাব মাসুদ আহমেদ, অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম, অধ্যাপক মোস্তাক খান, জনাব মাহদীন চৌধুরী, ড. মাহবুবুর রহমান, জনাব ফারজানা শারমিন, ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

অন্যদিকে,
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার।
- পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. আবদুল মোমেন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৩,০৬৪.
মুজিবনগর সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান -
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) এম হোসেন আলী
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমদ
  4. ঘ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মেহেরপুর জেলায় মুজিব নগর অবস্থিত।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিব নগর সরকার গঠিত হয় -  ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- সরকার শপথ গ্রহন করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যপক ইউসুফ আলী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,০৬৫.
বিবিএস প্রকাশিত 'বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২' অনুসারে, দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা কোনটি?
  1. ডাসার, মাদারীপুর
  2. হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ
  3. নলছিটি, ঝালকাঠি
  4. বোদা, পঞ্চগড়
  5. শিবচর, মাদারীপুর 
ব্যাখ্যা

দেশের সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা:
• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত 'বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২' অনুসারে,
- দেশের সবচেয়ে দরিদ্র জেলা মাদারীপুর এবং সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা মাদারীপুরের ডাসার। 
- মাদারীপুর জেলার দারিদ্র্যের হার ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ।
- অন্যদিকে, দেশের সবচেয়ে ধনী থানা ঢাকার পল্টন; জেলা হিসেবে সবচেয়ে ধনী নোয়াখালী।

⇒ দেশের সবচেয়ে দরিদ্র ১০টি উপজেলা : 
১) ডাসার, মাদারীপুর - দারিদ্র্য হার ৬৩.২%
২) হালুয়াঘাট,ময়মনসিংহ - দারিদ্র্য হার ৫৯.৬%
৩) কালকিনি, মাদারীপুর - দারিদ্র্য হার ৫৬.৩%
৪) রাজৈর, মাদারীপুর- দারিদ্র্য হার ৫৬%
৫) শিবচর, মাদারীপুর - দারিদ্র্য হার ৫৫.১%
৬) নলছিটি, ঝালকাঠি - দারিদ্র্য হার ৫৩.৮%
৭) গৌরীপুর, ময়মনসিংহ -দারিদ্র্য হার ৫২.৯%
৮) মাদারীপুর সদর, দারিদ্র্য হার ৫০%
৯) বেলাব, নরসিংদী - দারিদ্র্য হার ৪৯.৫%
১০) বোদা, পঞ্চগড় -দারিদ্র্য হার ৪৮.২%। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট। [link]

১৩,০৬৬.
জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. নাহিদ ইসলাম
  2. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. আসিফ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
- জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- ৫ই আগস্ট, ২০২৫, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে '৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যার মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- জুলাই ঘোষণাপত্র।

১৩,০৬৭.
৭ম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ- ২০২৪ এর সেরা গোলকিপার পুরস্কার অর্জন করেন -
  1. রূপনা চাকমা
  2. লাজোম চাকমা
  3. ঋতুপর্ণা চাকমা
  4. মনিকা চাকমা
ব্যাখ্যা
সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪:
- সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৭ থেকে ৩০ অক্টোবর, ২০২৪, নেপালে।
- টুর্নামেন্টে মোট ৭টি দল অংশ নেয় এবং ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
- ফাইনালে বাংলাদেশ নেপালকে ২-১ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
- নেপাল রানার্স আপ হয়।
- বাংলাদেশের ঋতুপর্ণা চাকমা সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন,
- সেরা গোলকিপার হন রূপনা চাকমা।

সূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,০৬৮.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত হয় কত নং সেক্টর?
  1. ৩নং সেক্টর
  2. ৪নং সেক্টর
  3. ৫নং সেক্টর
  4. ২নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
২ নং সেক্টরঃ
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে। নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।
১৩,০৬৯.
জাহাজ কেনার জন্য বাংলাদেশকে সাড়ে ২৩ কোটি ডলারের ঋণ দিচ্ছে কোন দেশ?
  1. জাপান
  2. চীন
  3. ভারত
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশকে সাড়ে ২৩ কোটি ডলারের সরবরাহকারী ঋণ দিচ্ছে - চীন।
- জাহাজ কেনার জন্য সাড়ে ২৩ কোটি ডলারের সরবরাহকারী ঋণ দিচ্ছে চীন।
- এই ঋণ পরিশোধের সময় ১৫ বছর।
- এর মধ্যে চার বছর গ্রেস পিরিয়ড।
- সব মিলিয়ে সুদের হার ২ দশমিক ২ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (২৭ আগস্ট, ২০২৩)।
১৩,০৭০.
বর্তমানে BSFIC-এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনি কলের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ১২ টি
  2. খ) ১৩ টি
  3. গ) ১৪ টি
  4. ঘ) ১৫ টি
ব্যাখ্যা
• চিনিকল:
- ১৯৭২ সনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশবলে বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন গঠিত হয়।
- ১ জুলাই, ১৯৭৬ সনে বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন গঠন করা হয়।
- কর্পোরেশনটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান এবং ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা করপোরেশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম চিনিকল - নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ চিনিকল - কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- BSFIC-এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনি কলের সংখ্যা - ১৫ টি

• কর্পোরেশনের আওত্তাধীন চিনি কলসমূহের ঠিকানা

- পঞ্চগড় সুগার মিলস লি:
- ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লি-
- শ্যামপুর সুগার মিলস লি-
- জয়পুরহাঁট সুগার মিলস লি-
- সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি-
- রংপুর সুগার মিলস লি-
- ফরিদপুর সুগার মিলস লি:
- নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- পাবনা সুগার মিলস লি:
- রাজশাহী সুগার মিলস লি-
- নাটোর সুগার মিলস লি-
- জিল বাংলা সুগার মিলস লি:
- কুষ্টিয়া সুগার মিলস লি:
- মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস লি:
  
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন।
১৩,০৭১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট আয়তনের কত শতাংশ বনভূমি?
  1. ক) প্রায় ১৭.৪৫ শতাংশ
  2. খ) প্রায় ১৬.১৫ শতাংশ
  3. গ) প্রায় ১৮.১৫ শতাংশ
  4. ঘ) প্রায় ১৯.০৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বন সংরক্ষণ:
- বন অধিদপ্তরে ২০১৮-১৯ এর তথ্যানুসারে সরকার নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৫,৭৫,১৯৬ হেক্টর (গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুসারে),
- যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১৭.৪৫ শতাংশ।
- বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ১৮,৮০,৪৯৪ হেক্টর,
- যা দেশের আয়তনের প্রায় ১২.৭৪ শতাংশ।
- দেশে বনসহ বৃক্ষাচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২২.৩৭ শতাংশ। 

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৩,০৭২.
'ধোলাই খাল' কে খনন করেন?
  1. ক) শায়েস্তা খান
  2. খ) শেরশাহ
  3. গ) ঈশা খান
  4. ঘ) ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
ধোলাই খাল
- এটি পুরানো ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক আবাসিক এলাকা।
- তৎকালীন ঢাকার প্রধান জলপথ ও নগর রক্ষা পরিখা ছিল এ ধোলাই খাল।
- নগর রক্ষার পরিখা নির্মাণ ও জলপথ হিসেবে ব্যবহারের জন্য ঢাকার প্রথম সুবেদার ইসলাম খান ধোলাই খাল খনন করিয়েছিলেন।
- অতীতে ধোলাই খাল শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং ঐতিহাসিক  লালবাগ দুর্গ, আহসান মঞ্জিল ও  বড় কাটরা এবং ছোট কাটরাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এর চারপাশে গড়ে ওঠে।
- খালটি শহরকে সুরক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নৌ যোগাযোগের সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে খনন করা হয়। 
- ১৮৩২ সালে মি. ওয়াল্টার নামে ঢাকার একজন কালেক্টর নারায়ণগঞ্জ যাতায়াতের সুবিধার্থে খালটির উপর একক স্প্যানের একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করেন।
- এটি ছিল সে সময়ের প্রকৌশল সাফল্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
- ১৮৬৭ সালে খালে চলাচলকারী যানবাহনের ওপর টোল আরোপ করা হয়।
- সময়ের বিবর্তনে কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্ববহ জলপথটি পার্শ্ববর্তী বাড়িঘর থেকে নিক্ষিপ্ত ময়লা-আবর্জনা দিয়ে স্থানে স্থানে ভরাট হয়ে যায়।
- খালটির কিছু অংশ এখনও উন্মুক্ত স্থান হিসেবে দেখা যায়।
- কিন্তু পুরানো ঢাকায় এটিকে একটি ভূগর্ভস্থ নর্দমায় রূপান্তর করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,০৭৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে, অসচ্ছল তথা প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়?
  1. ১৯(১) নং
  2. ৩৯ নং
  3. ১৫(ঘ) নং
  4. ১৮ক নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৫(ঘ) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, অসচ্ছল তথা প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান করা হয়।

সংবিধানের ১৫(ঘ) নং অনুচ্ছেদ:
- সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার৷


অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়।
- এ আইন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সংরক্ষণে অনন্য দলিল।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫, ১৭, ২০ এবং ২৯ অনুচ্ছেদে অন্যান্য নাগরিকদের সাথে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমসুযোগ ও অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ দায়-দায়িত্বের অংশ হিসেবে ২০০৫-০৬ অর্থ বছর হতে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- শুরুতে ১,০৪,১৬৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ২০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদফতর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-০৬ অর্থবছর।

কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রতি পূরণ;
- ২. অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
- ৩. দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
- ৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
- ৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অমত্মর্ভুক্তকরণ।

⇒ ২০২৩-২৪ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতাভোগী: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতাভোগী: ৫৫০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রীদের মাসিক শিক্ষা উপবৃত্তির হার: ৯০০ টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ৯৫০ টাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৯৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।
- ১৯(১) নং অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
         ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
১৩,০৭৪.
'ইলিশা-১' দেশের কততম গ্যাসক্ষেত্র?
  1. ২৭তম
  2. ২৮তম
  3. ২৯তম
  4. ৩০তম
ব্যাখ্যা
২৯ তম গ্যাসক্ষেত্র:
- ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের ২৯তম এবং সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ভোলা জেলার তৃতীয় গ্যাসক্ষেত্র।
- সেখানকার অন্য দুটি হলো শাহবাজপুর ও ভোলা নর্থ গ্যাসক্ষেত্র।
- নতুন গ্যাসক্ষেত্রটিতে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত রয়েছে।
- বাংলাদেশি মুদ্রায় এই গ্যাসের বাজারমূল্য ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- ধারণা করা হচ্ছে ২৬ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত এখান থেকে গ্যাস পাওয়ার যাবে।
- সম্প্রতি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম বাপেক্সের হয়ে কূপটি খনন করে।
- এই কূপের তিন স্তরে ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত আছে বলে ধারণা করছে বাপেক্স।

উৎস: ২১মে, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৩,০৭৫.
The president of _____ will attend the Golden Jubilee Celebration of Bangladesh's Victory Day.
  1. ক) Sri Lanka
  2. খ) Maldives
  3. গ) India
  4. ঘ) France
ব্যাখ্যা
Indian President Ram Nath Kovind will attend the Golden Jubilee Celebration of Bangladesh's Victory Day in Bangladesh on December 16.
President Kovind will be visiting Bangladesh at the invitation of his Bangladesh counterpart Abdul Hamid.
source: daily newspaper
১৩,০৭৬.
বাঙালি মুসলমান সমাজে নারীর স্বাতন্ত্র্য ও নারী স্বাধীনতার পক্ষে প্রথম প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর ছিলেন -
  1. জাহানারা ইমাম
  2. সুফিয়া কামাল
  3. বেগম রোকেয়া
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা

• রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন, 
- রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন,  (১৮৮০-১৯৩২)  সাহিত্যিক, শিক্ষাব্রতী, সমাজসংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার অন্তর্গত পায়রাবন্দ ইউনিয়নে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জহীরুদ্দীন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের এবং মাতা রাহাতুন্নেসা সাবেরা চৌধুরানী।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- ১৮৯৮ সালে রোকেয়ার বিয়ে হয় বিহারের ভাগলপুর নিবাসী উর্দুভাষী সৈয়দ সাখাওয়াৎ হোসেনের সঙ্গে।
- তিনি ছিলেন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, তদুপরি সমাজসচেতন, কুসংস্কারমুক্ত এবং প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন।
- স্বামীর মৃত্যুর পর নিঃসঙ্গ রোকেয়া নারীশিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেন।
- ১৯০৯ সালের ১ অক্টোবর স্বামীর প্রদত্ত অর্থে পাঁচটি ছাত্রী নিয়ে তিনি ভাগলপুরে ‘সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল গার্লস’ স্কুল স্থাপন করেন।  
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম  বা মুসলিম মহিলা সমিতি। 
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন  নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land  বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।
- বাঙালি মুসলমান সমাজে নারীর স্বাতন্ত্র্য ও নারী স্বাধীনতার পক্ষে প্রথম প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর বেগম রোকেয়া।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি মুসলমানদের নবজাগরণের সূচনালগ্নে নারীশিক্ষা ও নারী জাগরণে তিনিই প্রধান নেতৃত্ব দেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,০৭৭.
বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন কে জারি করেন?
  1. কর্ণেল তাহের
  2. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. জিয়াউর রহমান
  4. হোসেন মোহাম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম সামরিক শাসন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি হয় ১৯৭৫ সালে।
- বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করে খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ফলে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনাবসান ঘটে।
- খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে একটি সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়, দেশে সামরিক আইন জারি করা হয়।

⇒ ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দেড় দশক কাল বাংলাদেশে সামরিক শাসন চলেছিল।
- এ সামরিক শাসন ছিল কখনো প্রত্যক্ষ কখনো পরোক্ষ।
- সামরিক শাসন কালে সংবিধান, আইনের শাসন, বিচার বিভাগ, ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, অর্থনীতি সকল ক্ষেত্রেই সামরিক বাহিনীর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সামরিকীকরণ প্রক্রিয়ার ফলে বেসামরিক রাজনৈতিক কর্তৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব হয় নি।
- ১৯৭৫ সালে প্রথম সামরিক সরকারের শুরু থেকেই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বসহ সরকার ও প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সামরিকায়নের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- জেনারেল এরশাদের আমলে এ প্রক্রিয়া প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,০৭৮.
বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৩নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে তিনি পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েকদিন পূর্বে বক্সার হিসাবে সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক হিসাবে পদোন্নতি পান।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৮ এপ্রিল অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই সমাহিত করে।
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৩,০৭৯.
কান্তজীউ মন্দির বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
কান্তজীউ মন্দির:
- দিনাজপুর জেলার কাহারোল থানার কান্তনগর গ্রামে অবস্থিত কান্তজীউ মন্দির বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত হিন্দু ধর্মীয় স্থাপত্য।
- অনেকের মতে, কান্তনগরে অবস্থিত হওয়ায় এই মন্দিরের নামকরণ করা হয়েছে “কান্তজীউ মন্দির”।
- জনশ্রুতি রয়েছে যে, শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ অধিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল।
- দিনাজপুরের তৎকালীন জমিদার প্রাণনাথ রায় ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে পোড়ামাটির কারুকাজে সুসজ্জিত এই মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- তবে তিনি তাঁর জীবদ্দশায় এই মন্দির নির্মাণ শেষ করে যেতে পারেননি।
- পরবর্তীতে তাঁর পালক পুত্র রাম নাথ রায় ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেন।
- টেরাকোটার অলংকরণ ও স্থাপত্যশৈলীর জন্য এটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও পত্রিকা রিপোর্ট। 
১৩,০৮০.
‘রূপকথা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান 
  2. গম 
  3. আলু 
  4. তামাক
ব্যাখ্যা

‘রূপকথা’ ধানের একটি উন্নত জাত।

ধানের উন্নত জাত:
- রূপকথা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বরেন্দ্র এলাকার দেশীয়জাতের ধান।
- এছাড়াও, বরেন্দ্র এলাকার কিছু দেশীয়জাতের ধানের নাম: পঙ্খীরাজ, গোবিন্দভোগ, জামাইভোগ, মোগাইবালাম, রূপকথা, রাঁধুনীপাগল, পাঙ্গাস।
- এগুলা মঙ্গার ধান হিসেবেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- এ দেশের প্রধান খাদ্যশস্য চাল তথা ধান।
- বিভিন্ন প্রতিকূল জলবায়ুতে ধানের উৎপাদন বজায় রাখতে স্বল্প জীবৎকাল, লবণ-বন্যা-খরাসহিষ্ণু বিভিন্ন ধানের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) যৌথ প্রচেষ্টায় এসব ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।
- উল্লেখযোগ্য জাতগুলোর মধ্যে কয়েকটি হলো ব্রি ধান ৬২, ৮৮; স্বল্প জীবৎকাল বিনা ধান ৭, বন্যাসহিষ্ণু বিনা ধান ১১, ১২, লবণাক্ততাসহিষ্ণু বিনা ধান ১০, খরাসহিষ্ণু বিনা ধান ১৪, ১৯, ২১ ইত্যাদি।

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) BBC.

১৩,০৮১.
বঙ্গবন্ধু টানেলের এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৩২ কিমি
  2. ৪.১৫ কিমি
  3. ৫.৩৫ কিমি
  4. ৬.২৯ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
 
- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।
 
তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
১৩,০৮২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী মাথাপিছু জাতীয় আয়-
  1. ক) ২,৭২৩ মার্কিন ডলার
  2. খ) ২,৮৯৪ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২,৮২৪ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২,৯১১ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- মাথাপিছু জিডিপি ২,৭২৩ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জাতীয় আয় ২,৮২৪ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৫%।
- মুদ্রাস্ফিতি/ মূল্যস্ফিতি ৫.৮৩%।
১৩,০৮৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতিবন্ধী করদাতার জন্য করমুক্ত আয়েরসীমা কত?
  1. ৩,২০,০০০ টাকা
  2. ৫,০০,০০০ টাকা
  3. ৪,০০,০০০ টাকা
  4. ৪ ,৭৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
→ প্রতিবন্ধী করদাতার জন্য করমুক্ত আয়েরসীমা ৪ ,৭৫,০০০ টাকা

• করমুক্ত আয় সীমা:

- বর্তমানে ব্যক্তির আয়ের প্রথম সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয় করমুক্ত।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের জন্য আয়সীমা ৪ লাখ।
- প্রতিবন্ধী করদাতার জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ।
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

 উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩,০৮৪.
বাংলাদেশের জিডিপির দ্রুত বর্ধনশীল খাত কোনটি?
  1. কৃষি খাত
  2. সেবা' খাত
  3. শিল্প খাত
  4. মৎস্য খাত
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ২.৬১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮৪ শতাংশ।
 
উল্লেখ্য,
-জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত সেবাখাত এবং সবচেয়ে ছোট খাত কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮%।

অন্যদিকে,
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
   
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৩,০৮৫.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে মোট কত শতাংশ ভোট  লাভ করে?  
  1. ৭৪.৬০%
  2. ৭৪.৮০%
  3. ৭৫.১০%
  4. ৭৫.৮০%
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল:

• ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। 
• সংরক্ষিত ৭ টি মহিলা আসন বাদে জাতীয় পরিষদে ১৬২টি আসনের মধ্যে ১৬০টি আসন লাভ করে আওয়ামী লীগ।  
• অপরদিকে সংরক্ষিত ৭টি মহিলা আসনসহ ১৬৯ আসনের মধ্যে মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
• বাকি ২টি আসনের ১টি পায় পিডিপি (পাকিস্তান ডেমোক্রাটিক পার্টির নূরুল আমিন), তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। 
অপরটি পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে)।
• আবার পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ মোট ২৯৮টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। 
মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে ৭৫.১০% এবং প্রাদেশিক পরিষদে ৭০.৪৮% ভোট পায়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,০৮৬.
সংবিধান কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন করার বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-  ১৪৭ 
  2. অনুচ্ছেদ- ১৪২
  3. অনুচ্ছেদ- ১৪৫
  4. অনুচ্ছেদ- ১৪১
ব্যাখ্যা

- ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন করার বিধান রয়েছে।

• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা: 
-  ১৪২ নং:  সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারে।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবে।
- এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
- ১৪১ ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা;
- ১৪১ খ: জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ;
- ১৪১গ: জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ;
- ১৪৫: চুক্তি ও দলিল;
- ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি;
- ১৪৭: কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৩,০৮৭.
গারোদের আদি নিবাস কোথায় ছিলো?
  1. ক) আরাকান
  2. খ) উত্তর ভারত
  3. গ) তিব্বত
  4. ঘ) দক্ষিণ ভারত
ব্যাখ্যা
গারোরা বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসবাস করে। তারা তিব্বত থেকে এদেশে আসে। এরা নৃতাত্ত্বিকভাবে মঙ্গোলয়েড জাতিগোষ্ঠীর। নিজেদের গারোরা মান্দি বলে পরিচয় দিয়ে থাকে। তাদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তবে গারো ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
১৩,০৮৮.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. পঞ্চগড়
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

চা নিলাম কেন্দ্র:
- চট্টগ্রাম ও সিলেটের পরে ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- এই নিলাম কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড় ও পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১৩,০৮৯.
Which of the following is a payment system of Bangladesh?
  1. ক) BTGS
  2. খ) ITGS
  3. গ) BDTGS
  4. ঘ) RTGS
ব্যাখ্যা
RTGS এর পূর্ণরূপ - Real Time Gross Settlement.

নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং দক্ষ আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমকে সহজতর করার জন্য, বাংলাদেশ ব্যাংক তার ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগের অংশ হিসাবে ২৯ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (BD-RTGS) সিস্টেম চালু করেছে। 
 
RTGS হল একটি ইলেকট্রনিক সেটেলমেন্ট সিস্টেম যেখানে একটি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাঙ্কে রিয়েল-টাইমে তহবিল স্থানান্তর করা হয়।
 
উৎস : বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট
১৩,০৯০.
মুজিবনগর সরকার শপথ নেয় -
  1. ক) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ঘ) ৭ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।
-পরবর্তীকালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়।
- এ সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শেখ মুজিবুর রহমানের নামানুসারে বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।

তথ্যসূত্র: - ইতিহাস তৃতীয় পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,০৯১.
জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ অনুযায়ী বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) মোট বাজেটের কত শতাংশ?
  1. ৩৩.১%
  2. ৩৩.২%
  3. ৩৩.৩%
  4. ৩৩.৪%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:

- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ৩০ জুন, ২০২৪ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৪।
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি : ২,৫১,৬০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৪.৭% ও বাজেটের ৩৩.২%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
১৩,০৯২.
‍মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ধীরে বহে মেঘনা’-এর পরিচালক কে?
  1. ক) হুমায়ুন আহমেদ
  2. খ) আলমগীর কবির
  3. গ) নারায়ণ ঘোষ মিতা
  4. ঘ) নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ধীরে বহে মেঘনা’-এর পরিচালক আলমগীর কবির। তিনি রূপালী সৈকত নামে আরও একটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন।
এছাড়া হুমায়ুন আহমেদ ‘আগুনের পরশমনি’ এবং ‘শ্যামল ছায়া’ নামক দু’টি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক জননন্দিত চলচ্চিত্রের পরিচালক, নারায়ণ ঘোষ মিতা ‘আলোর মিছিল’ নামক এবং নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু ‘একাত্তরের যীশু’ এবং ‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক।
সূত্র : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩,০৯৩.
সংবিধানের ৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকগণ কী বলে পরিচিত হবেন?
  1. বাংলাদেশী
  2. বাঙালী
  3. বাঙাল
  4. বাংলা
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের মোট এগারটি ভাগ রয়েছে। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগ প্রজাতন্ত্র -(১-৭খ)।
- অনুচ্ছেদ ৬(১) অনুযায়ী -  বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- অনুচ্ছেদ ৬(২)  অনুযায়ী - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ।

১৩,০৯৪.
পার্বত্য জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা-
  1. ক) সন্তু লারমা
  2. খ) ত্রিদিব রায়
  3. গ) দেবাশীষ রায়
  4. ঘ) মানবেন্দ্র লারমা
ব্যাখ্যা

১৯৭৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিনিধি ও কর্মীরা মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) প্রতিষ্ঠা করেন।
- মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ছিলেন একজন বাংলাদেশী আদিবাসী নেতা ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।
- পাহাড়ি জনতার প্রাণের দাবিতে তিনি সারা জীবন আন্দোলন করে গেছেন।
- ১৯৯৭ সালে ২রা ডিসেম্বর তার আন্দোলনের সফলতা অর্জিত হয় শান্তিচুক্তির মাধ্যমে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৩,০৯৫.
বর্তমানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দেশের কততম রাষ্ট্রপতি?
  1. ২০তম
  2. ২১তম
  3. ২২তম
  4. ২৩তম
ব্যাখ্যা
২২তম রাষ্ট্রপতি:

- বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন- মো. সাহাবুদ্দিন। 
- এ নির্বাচনের নির্বাচনি কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে একমাত্র প্রার্থী সাহাবুদ্দিনকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
- দুদকের সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
- ১৯৪৯ সালে পাবনায় জন্মগ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
- ২০০৬ সালে তিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসরে যান।
- ব্যক্তিজীবনে তিনি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু নামেই বেশি পরিচিত।
- পেশায় আইনজীবী মো. সাহাবুদ্দিন ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) ক্যাডারে যোগ দেন।
- বিচারকের বিভিন্ন পদে চাকরি শেষে ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর নেন।

তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
১৩,০৯৬.
ছয় দফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় -
  1. ১২ মার্চ, ১৯৬৬
  2. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ৬ দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলার কারণ - এটি বাঙালির ন্যায্য অধিকারের সনদ।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা,
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১'।
১৩,০৯৭.
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর 'একুশে পদক-২০২৩' অর্জন করেন কোন ক্যাটাগরিতে?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধ
  2. খ) সমাজসেবা
  3. গ) গবেষণা
  4. ঘ) শিক্ষা
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৩
- 'একুশে পদক' বাংলাদেশের দ্বিতীয় সম্মানজনক বেসামরিক পুরস্কার।
- ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদকের প্রচলন করা হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার ঘোষণা করে।
- ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তারিখে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় 'একুশে পদক-২০২৩' এর জন্য ১৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়েছে। 
- পদকপ্রাপ্তরা হলেন:

- ক্রমিক নং ⇒ ক্ষেত্র ⇒ পদকপ্রাপ্তের নাম:
১। ভাষা আন্দোলন ⇒ খালেদা মনযুর-ই-খুদা
২। ভাষা আন্দোলন ⇒ বীর মুক্তিযোদ্ধা এ. কে. এম. শামসুল হক (মরণোত্তর)
৩। ভাষা আন্দোলন ⇒ মো. মজিবুর রহমান 
8। শিল্পকলা (সঙ্গীত) ⇒ মনোরঞ্জন ঘোষাল
৫। শিল্পকলা (সঙ্গীত) ⇒ গাজী আবদুল হাকিম
৬। শিল্পকলা (সঙ্গীত) ⇒ ফজল-এ-খুদা (মরনোত্তর)
৭। শিল্পকলা (অভিনয়) ⇒ মাসুদ আলী খান
৮। শিল্পকলা (অভিনয়) ⇒ শিমুল ইউসুফ 
৯। শিল্পকলা (আবৃতি) ⇒ জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় 
১০। শিল্পকলা (চিত্রকলা) ⇒ নওয়াজীশ আলী খান 
১১। শিল্পকলা (চিত্রকলা) ⇒ কনক চাঁপা চাকমা 
১২। মুক্তিযুদ্ধ ⇒ মমতাজ উদ্দীন (মরণোত্তর)
১৩। সাংবাদিকতা ⇒ মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর)
১৪। শিক্ষা ⇒ অধ্যাপক ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর)
১৫। শিক্ষা ⇒ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর 
১৬। সমাজসেবা ⇒ মো. সাইদুল হক 
১৭। সমাজসেবা ⇒ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন 
১৮। রাজনীতি ⇒ অ্যাড. মঞ্জুরুল ইসলাম (মরণোত্তর)
১৯। রাজনীতি ⇒ আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর)
২০। ভাষা ও সাহিত্য ⇒ ড. মনিরুজ্জামান 
২১। গবেষণা ⇒ ড. মো. আবদুল মজিদ।  

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
১৩,০৯৮.
কোনটি রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি?
  1. উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ
  2. মুদ্রাস্ফীতি রোধ
  3. বাজেট প্রণয়ন
  4. নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি :
- অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রে বসবাসরত জনগণের অধিকার সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেগুলোকে অপরিহার্য বা মুখ্য কাজ বলা হয়। রাষ্ট্রের অপরিহার্য
• কাজগুলো নিম্নরূপ:
- দেশ রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনা ।
-  রাষ্ট্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ ও অন্যান্য আধা-সামরিক বাহিনী গড়ে তোলা।
- জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
- বিদেশে অবস্থানরত দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সেবা প্রদান করা ইত্যাদি হচ্ছে রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিষয়ক অপরিহার্য কাজ।
- আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্রের মৌলিক কাজ।
- অর্থ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
 - রাষ্ট্র বাজেট প্রণয়ন,
- মুদ্রা প্রবর্তন ও মুদ্রা বিনিয়োগের ব্যবস্থা,
- গণনা ও পরিমাপের একক নির্ধারণ
- মুদ্রাস্ফীতি রোধ,
- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে।

• রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি :
- মহাসড়ক নির্মাণ,
- শিক্ষানীতি প্রণয়ন,
- রোগ প্রতিষেধক টিকা প্রদান।
 জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বিশুদ্ধ পানীয়জলের সুব্যবস্থা।
- পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা,
- রোগ প্রতিরোধক ,
- প্রতিষেধক টিকা প্রদান,
 - যৌতুক ও বর্ণ বা গোত্রপ্রথা দূরীকরণ,
- বাল্যবিবাহ রোধ,
- জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ,
- কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান,
- সার, বীজ, কীটনাশক সরবরাহ, সেচের ব্যবস্থা করা,
- খাদ্য গুদামজাতকরণ
- দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যথা: রাস্তাঘাট, সেতু, সড়ক, রেলপথ, নৌ-চলাচল, বিমান যোগাযোগ।
- গ্রামীণ উন্নয়ন, কালোবাজারি রোধ,
- খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ,
- নারী ও শিশু পাচার রোধ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৩,০৯৯.
বাংলাদেশে কোন সাংবিধানিক পদে এখনও নিয়োগ দেওয়া হয়নি?
  1. ন্যায়পাল
  2. নির্বাচন কমিশনার
  3. মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল:
- স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরের বেশী সময় অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশে এখনও ন্যায়পাল নিয়োগ করা হয় নি। 
- সরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের ঈপ্সিত সেবামূলক কার্যাবলী, জনগণের প্রতি সরকারী কর্মচারীগণের জবাবদিহি ও সর্বোপরি সরকারী প্রশাসনব্যবস্থার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে যথাশীঘ্র ন্যায়পাল পদে নিয়োগদান বাঞ্ছনীয়।
- উপযুক্ত ন্যায়পাল নিয়োগের পর তাঁকে আইনানুগভাবে কাজ করতে দিলে দেশে সরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের দক্ষতা, জবাবদিহি ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,১০০.
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ) কবে গঠিত হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ):
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ) ২০১০ সালে গঠিত হয়।

⇒ একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য বাংলাদেশে ২০১০ সালের মার্চে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে।
- সবশেষ ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য পুনর্গঠন করে একই ট্রাইব্যুনাল।
- ২০১০ সালে গঠনের পর নানা আলােচনা এবং ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- 'The International Crimes (Tribunals) Act, 1973' আইনের অধীনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটক, গ্রেফতার, বিচার এবং সাজা দেওয়া হয়।
- ১৯৭৩ সালের এই আইনটি মূলত বাংলাদেশ কোলাবরেটর (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) অর্ডার ১৯৭২-কে প্রতিস্থাপিত করেছে।
- আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন ১৯৭৩, যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি রাষ্ট্রীয় আইন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা এবং তাদের সহযোগী রাজাকার বাহিনী জনগণের প্রতি যে নৃশংসতা চালিয়েছিল, তাদের বিচারের উদ্দেশ্যে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে এ আইনে সংশোধনী আনে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ।
- স্বাধীনতার ৩৯ বছর পরে ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, তদন্ত সংস্থা এবং আইনজীবী প্যানেল গঠন করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।

উৎস: i) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)।
ii) BBC.