বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২৮ / ৩০৬ · ১২,৭০১১২,৮০০ / ৩০,৮৩২

১২,৭০১.
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নবাব পরিবারের সরকারি বাসভবন ছিল-
  1. লালবাগ কেল্লা
  2. কার্জন হল
  3. বঙ্গ ভবন
  4. আহসান মঞ্জিল
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:

- আহসান মঞ্জিল  বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কুমারটুলি এলাকায় ঢাকার নওয়াবদের আবাসিক প্রাসাদ ও জমিদারির সদর কাচারি ,বর্তমানে জাদুঘর।
- মোঘল আমলে এখানে জামালপুর পরগনার জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহর রঙ মহল ছিল।
- পরে তাঁর পুত্র মতিউল্লাহর নিকট থেকে রঙমহলটি ফরাসিরা ক্রয় করে এখানে একটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৮৩০ সালে খাজা আলীমুল্লাহ ফরাসিদের নিকট থেকে কুঠিবাড়িটি কিনে নেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করে এটি নিজের বাসভবনে পরিণত করেন।
- ১৮৫৯ সালে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ সালে সমাপ্ত হয়।
- আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ র নামানুসারে ভবন এর নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল।
- ওই যুগে নবনির্মিত প্রাসাদ ভবনটি রঙমহল এবং পূর্বেকার ভবনটি অন্দরমহল নামে পরিচিত ছিল।
- আহসান মঞ্জিল দেশের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১২,৭০২.
বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা নিচের কোনটি?
  1. ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান
  2. শিক্ষা আন্দোলন
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ১৪৪ ধারা অমান্য করে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার দাবিতে ছাত্ররা মিছিল করে।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭০৩.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল -
  1. ১৯৭২-১৯৭৭
  2. ১৯৭৪-১৯৭৯
  3. ১৯৭৩-১৯৭৭
  4. ১৯৭৩-১৯৭৮
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশের মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৬-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১২,৭০৪.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী কে?
  1. ক) মুসা ইব্রাহিম
  2. খ) মুহিত ইব্রাহিম
  3. গ) মোহাম্মদ মুসা
  4. ঘ) মোহাম্মদ আবদুল মুহিত
ব্যাখ্যা
- এম এ মুহিত বা মোহাম্মদ আবদুল মুহিত বাংলাদেশী পর্বতারোহী,
- তিনি ২০১১ খ্রিষ্টাব্দের ২১ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট পর্বত জয় করেন।
- এর আগে ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ২৩ মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মুসা ইব্রাহীম এভারেস্ট জয় করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১২,৭০৫.
মুঘল সম্রাট শাহজাহানের সময়ের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম একটি নিদর্শন কোনটি?
  1. দিওয়ান-ই-খাস
  2. দিওয়ান-ই-আম
  3. মতি মসজিদ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- তাঁর ত্রিশ বছরের রাজত্বকালে মোগল সাম্রাজ্য গৌরবের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- মোগল আধিপত্য বিস্তারেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
- তাঁর আমলে আহমদনগর, বিজাপুর, গোলকুণ্ডায় মোগল আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি পর্তুগিজদের দমন করে হুগলী দখল করেন।
- সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে সর্বপ্রথম পশ্চিম এশিয়ার এবং ইউরোপের সাথে ভারতবর্ষের বহির্বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- সম্রাট শাহজাহান ছিলেন সৌন্দর্য পিপাসু শিল্পমনা মানুষ।
- The Prince of Builder নামে খ্যাত সম্রাট শাহজাহানের আমলে মোগল শিল্প ও স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- সম্রাটের স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর নির্মিত স্মৃতিসৌধ তাজমহল বিশ্বের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম একটি নিদর্শন।
- তাজমহলকে ঐতিহাসিক হ্যাভেল ভারতের 'ভেনাস দ্যা মিলো' নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- এছাড়া মতি মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস, জামে মসজিদ তাঁর আমলের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম কীর্তি।
- শাহজাহানের ময়ূর সিংহাসন তাঁর শিল্পানুরাগের এক অপূর্ব নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭০৬.
নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত 'গেরিলা’ চলচ্চিত্রের পটভূমি কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
  4. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা

গেরিলা চলচ্চিত্র:
​- গেরিলা ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।
​- এটি নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত।
​- এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।
​- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্রটি।
​- যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও এবাদুর রহমান।
​- ‘গেরিলা' ছবিটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, ফেরদৌস, শতাব্দী ওয়াদুদ, এটিএম শামসুজ্জামান, পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ৷

​উৎস: প্রথম আলো।

১২,৭০৭.
বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তারের সূচনা কে করেন?
  1. আলী মর্দান খলজী
  2. তুঘরিল খান
  3. শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
  4. ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজী
ব্যাখ্যা
• বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তারের সূচনা করেন — ইখতিয়ার উদ্দীন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজী। 

• ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি তুর্কীদের খলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। 
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়। 
- তিনি — ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১২,৭০৮.
জাতীয় পাট দিবস
  1. ক) ৬ জুন
  2. খ) ৬ এপ্রিল
  3. গ) ৬ মার্চ
  4. ঘ) ৬ জুলাই
ব্যাখ্যা

- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- পাটকে বলা হয় বাংলাদেশের সোনালী আঁশ।
- পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস।
- পাট রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশ- প্রথম।
- পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশ- দ্বিতীয়।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ দেশ- ভারত।
- পাট রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ- বাংলাদেশ।

১২,৭০৯.
বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তারের সূচনা কে করেন?
  1. ক) আলী মর্দান খলজি
  2. খ) তুঘরিল খান
  3. গ) শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
  4. ঘ) ইখতিয়ারউদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি
ব্যাখ্যা
বখতিয়ার খলজী তের শতকের প্রথম দিকে নদীয়া জয় করেন এবং বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন। [সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম - দশম শ্রেণী]
১২,৭১০.
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় দেশের কতটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি রয়েছে?
  1. ৫১৭টি
  2. ৫১৮টি
  3. ৫১৯টি
  4. ৫২০টি
ব্যাখ্যা
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর:
- দেশের পুরাকীর্তির সন্ধান করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।
- এসব পুরাকীর্তি সংরক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরা অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় আছে দেশের ৫১৭টি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি।
- সারা দেশে মোট ২২টি জাদুঘর পরিচালিত হয় এ অধিদপ্তর থেকে।

উৎস: ২২ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
১২,৭১১.
দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. বাণিজ্য শুল্ক
  2. আবগারি শুল্ক
  3. আয়কর
  4. মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
কর রাজস্ব:
- বাংলাদেশ সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে কর রাজস্ব বলে।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্ব আয়ের উৎসসমূহ নিম্নরূপ:
১. বাণিজ্য শুল্ক:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক।
- দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।

২. আবগারি শুল্ক:
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাঁজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

৩. আয়কর:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর।
- জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়।
- যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল (Progressive) হারে আয়কর আদায় করা হয়।

8. মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে কর ব্যবস্থায় ভ্যাট (Value Added Tax) নামে পরিচিত।
- বর্তমানে আমাদের দেশে আমদানিকৃত দ্রব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত দ্রব্য এবং নির্ধারিত কতকগুলো সেবাখাতের ওপর ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১২,৭১২.
বাংলাদেশ কয়টি মূল প্রশাসনিক অঞ্চল এ বিভিক্ত?
  1. ৮টি
  2. ৬টি
  3. ১২টি
  4. ৬৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিচিতি:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- এই দেশের ভূখণ্ডগত বিস্তৃতি ১৪৭, ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার, যা গ্রীসের চাইতে সামান্য বড়। 
- বাংলাদেশ ৮টি মূল প্রশাসনিক অঞ্চল সমন্বয়ে গঠিত, যা বিভাগ নামে পরিচিত। এগুলো হলো বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং রংপুর বিভাগ।
- এসকল বিভাগের অধীনে রয়েছে ৬৪টি জেলা এবং এই ৬৪টি জেলাকে বিভক্ত করা হয়েছে মোট ৪৯৫টি উপজেলায়।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২ টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি ও মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি জেলার সাথে উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত - ৫১৩৮ কিমি।
- উপকূলীয় সীমানা - ৭১১ কিমি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সাথে সীমান্তদৈর্ঘ্য - ৪১৫৬ কিমি।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।
-  মিয়ানমারের সীমান্তদৈর্ঘ্য ২৭১ কিমি।
- মিয়ানমারের আরাকান ও চিন; এই দুই রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে।

তথ্যসূত্র- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৭১৩.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. ক) ঝিটকা
  2. খ) কৈলাসনগর
  3. গ) কুফরী
  4. ঘ) মালা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১২,৭১৪.
স্বাধীনতার পর দেশে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর দেশে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উৎস: i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১২,৭১৫.
‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয় কবে?
  1. ক) ১ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৪ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৫ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৮ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-১৯৬)
১২,৭১৬.
কত সালে মহাস্থানগড়কে সার্ক সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২০১৩
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১৬
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ বগুড়ার মহাস্থানগড়কে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দেয়া হয় ২০১৬ সালে।
- ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থান গড় সুমহান ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে। 
- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হয়।
- এ জন্য আফগানিস্তানের বামিয়ানকে ২০১৫ সালে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
১২,৭১৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সম্প্রতি (২০২২) প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) শরীয়তপুর
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার চামটা ইউনিয়নের দিনারা গ্রামে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। 
- এ গ্যাসের অনুসন্ধানে কূপ খননের কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
- বর্তমানে দেশে ২৮টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
- সবমিলিয়ে গ্যাসের প্রমাণিত ও সম্ভাব্য মজুতের পরিমাণ ১০ টিসিএফ বা ১০ লাখ কোটি ঘনফুট গ্যাস।
- দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩৬৬ কোটি ঘনফুট।
- বার্ষিক গ্যাসের চাহিদা ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি ঘনফুট বা ১.৩৩ টিসিএফ।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১২,৭১৮.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. মনপুরা ৭০
  2. তিনকন্যা
  3. নাইওর
  4. ধানকাটা
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন: 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন জীবনের ২৯ বছর বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। 
- ঢাকা আর্ট কলেজ, ময়মনসিংহ জয়নুল সংগ্রহশালা, বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের সূচনা তার হাত ধরেই হয়েছে। 
- বাংলাদেশের চারু ও ব্যবহারিক কারুকলার প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তাকে গণ্য করা হয়।
- ১৯৪৮ সালে জয়নুল আবেদিন চিত্রশিল্পী আনোয়ারুল হক, কামরুল হাসান, খাজা শফিক আহমেদ, সফিউদ্দীন আহমেদ এবং হাবিবুর রহমানকে নিয়ে জনসন রোডের একটি বিল্ডিং-এ শুরু করেন সরকারি আর্ট ইন্সটিটিউট।
- জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে নৌকা (১৯৫৭), সংগ্রাম(১৯৫৯), বীর মুক্তিযোদ্ধা(১৯৭১), ম্যাডোনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯৭০ সালে তিনি গ্রামবাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন বিখ্যাত ৬৫ ফুট দীর্ঘ ছবি ‘নবান্ন’। 
- ‘সোনার বাংলার শ্মশান’ হওয়ার আখ্যান ছিল ‘নবান্ন’।
- এর পরপরই বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রচন্ড সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে তিন লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারান। 
- এটি নিয়ে ‘মনপুরা ৭০’ শীর্ষক ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের আরেকটি স্ক্রলচিত্র আঁকেন তিনি।
- এছাড়াও তার ভিন্নধর্মী ছবির মধ্যে আমারা দেখি সাঁওতাল দম্পতি, সাঁওতাল রমণীদ্বয়, মই দেওয়া, সংগ্রাম, বিদ্রোহী, কিংবা কাদায় পড়া কাঠবোঝাই গরুর গাড়ি ঠেলার মতো চিত্রকর্ম।

উল্লেখ্য, 
- তিনকন্যা ও নাইওর কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম এবং ধানকাটা এসএম সুলতানের চিত্রকর্ম। 

উৎস: ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলা (অক্টোবর ২৬, ২০২৩)।
১২,৭১৯.
প্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. শাহরিয়ার নাফীস
  3. মোহাম্মদ আশরাফুল
  4. রাজিন সালেহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্রিকেট অধিনায়ক:

- বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক আনোয়ারুল করিম শামীম। তিনি ১৯৭৭ সালে MCC এর বিরুদ্ধে অধিনায়কত্ব করেন।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম টি-টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন শাহরিয়ার নাফীস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৯ আগস্ট ২০১৪।
১২,৭২০.
বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ৩১তম
  2. ৩২তম
  3. ৩৩তম
  4. ৩৪তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের ৩৩তম সদস্য:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কাছে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল’ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করেছে রাশিয়া।
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।

উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১২,৭২১.
সুলতানি শাসনের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান কে ছিলেন?
  1. ক) ফিরুজ শাহ্
  2. খ) মোবারক শাহ্
  3. গ) ইলিয়াস শাহ্
  4. ঘ) হোসেন শাহ্
ব্যাখ্যা
স্বাধীন সুলতানি আমল (১৩৩৮ - ১৫৩৮):
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমল প্রায় ২০০ বছর বিদ্যমান ছিলো। এই সময় দিল্লীর সুলতানগণ বাংলাকে তাঁদের শাসনের অধীন রাখতে পারেন নি।

- বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমলের সূচনা করেছিলেন - ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ।
- তিনি ১৩৩৮ সালে সোনারগাঁয়ে স্বাধীন সুলতানি শাসনের গোড়াপত্তন করেন।

- পরবর্তীতে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ সালে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সোনারগাঁ দখলের মাধ্যমে সমগ্র বাংলা একত্রিত করে এক রাজ্যে পরিনট করেন।
- তাই তাকে বাংলায় সুলতানি শাসনের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।

- বাংলার সুলতানদের মধ্যে শেষ প্রভাবশালী শাসক ছিলেন - আলাউদ্দিন হুসেন শাহ।
- হুসেন শাহের পুত্র নুসরত শাহের শাসন আমলে প্রথম মুঘল সম্রাট বাবর বাংলা অভিযানে সৈন্য পাঠিয়েছিলেন। তাঁর আমল থেকেই সুলতানি শাসনের পতন শুরু হয়।
- ১৫৩১ সালে নুসরত শাহের মৃত্য হলে তাঁর ছেলে আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ সিংহাসনে বসেন। কিন্তু ১ বছর পরেই নুসরত শাহের ছোট ভাই গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ  আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহকে হত্যা করে ক্ষমতা দখল করেন। তাঁর ৫ বছরের শাসন-ই বাংলায় শেষ সুলতানি সময়।
- ১৫৩৮ সালে শেরশাহ গৌড় দখল করে নিলে বাংলায় ২০০ বছরের স্বাধীন সুলতানি আমলের অবসান হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭২২.
সংবিধান কার্যকর হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে বলবৎ ছিল-
  1. ক) মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
  2. খ) ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
  3. গ) ২৬শে মার্চের শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ অনুযায়ী সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন  ইত্যাদি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই আদেশে গণপরিষদকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয় নি। এ ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের উপর ন্যস্ত ছিল।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংবিধান কার্যকর হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে বলবৎ ছিল।
 
[উৎস: বাংলাদশের সংবিধান]
১২,৭২৩.
বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৬
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি  সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। 

• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ:

- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, 
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
 - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন; 
 - প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবেন।
 - সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন৷ 

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি।
- অনুচ্ছেদ- ২৪: বিশেষ শৈল্পিক কিংবা ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বা তাৎপর্যমন্ডিত স্মৃতিনিদর্শন, বস্তু বা স্থান-সমূহকে বিকৃতি, বিনাশ বা অপসারণ হইতে রক্ষা করিবার জন্য রাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷
- অনুচ্ছেদ- ২৬: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১২,৭২৪.
‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ কবে গঠিত হয়? 
  1. ৩০ জুন, ২০২৪
  2. ১ জুলাই, ২০২৪
  3. ১০ জুলাই, ২০২৪
  4. ১৫ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা

• বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন:
- বাংলাদেশে গণআন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটানোর ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে শিক্ষার্থীদের সংগঠন 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন'।
- সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে ১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে গঠিত হয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

⇒ সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন ৫ জুন, ২০২৪ হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করলে তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষের শুরু হয়।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে তাদের আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- শুরুতে এ আন্দোলন অহিংস ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেপরোয়া হলে ১৫ জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন সহিংস রূপ নেয়, যার শেষ পরিণতি ঘটে ৫ আগস্ট, ২০২৪ পতন ঘটে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী সরকার শেখ হাসিনার।

তথ্যসূত্র:
i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

১২,৭২৫.
মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ কে জারি করেন?
  1. ইয়াহিয়া খান 
  2. ইস্কান্দার মীর্জা
  3. আইয়ুব খান
  4. লিয়াকত আলী খান
ব্যাখ্যা

• মৌলিক গণতন্ত্র :
- মৌলিক গণতন্ত্র ১৯৬০-এর দশকে জেনারেল আইয়ুব খানের শাসনামলে প্রবর্তিত একটি স্থানীয় সরকার পদ্ধতি।
-মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ জারি হয় - ২৭ অক্টোবর ১৯৫৯ সাল।
-এ সরকার ব্যবস্থায় প্রশাসনিক কাঠামো ৪ স্তর বিশিষ্ট ছিল-
১. ইউনিয়ন পরিষদ।
২. থানা পরিষদ।
৩. জেলা পরিষদ।
৪. বিভাগীয় পরিষদ।
তাছাড়াও,
- একজন চেয়ারম্যান এবং প্রায়শ ১৫ জন সদস্য নিয়ে একেকটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হতো।
- সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরনের প্রতিনিধি নিয়ে দ্বিতীয় স্তরের থানা পরিষদ গঠিত হতো।
- তৃতীয় স্তরে ছিল জেলা পরিষদ। একজন চেয়ারম্যান এবং সরকারি ও বেসরকারি সদস্যদের নিয়ে এ পরিষদ গঠিত হতো।
- চতুর্থ ও শীর্ষ স্তর ছিল বিভাগীয় পরিষদ। বিভাগীয় কমিশনার পদাধিকারবলে এ পরিষদের চেয়ারম্যান থাকতেন।

উল্লেখ্য যে,
[শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস : ইতিহাস, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়  এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১২,৭২৬.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব মতে, ২০২৫ সালে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি কত শতাংশ ছিল?  
  1. ৬.৭৭শতাংশ 
  2. ৮.৭৭শতাংশ 
  3. ৭.৮০শতাংশ 
  4. ৭.৬০শতাংশ 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
- ২০২৫ সালে দেশে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭৭শতাংশ।
- বিবিএসের হিসাব অনুসারে, গত ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। 
- আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয় ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। টানা তিন মাস ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

উল্লেখ্য, 
- অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।
- এনবিআরও তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিমসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যে শুল্ক-কর কমিয়ে দেয়। বাজারে নিত্যপণ্যের আমদানিপ্রবাহ ঠিক রাখার চেষ্টা করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।[লিঙ্ক]

১২,৭২৭.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের কত শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস প্রদান করে?
  1. ৩.৬%
  2. ২.৬%
  3. ৪.৬%
  4. ৫.৬%
ব্যাখ্যা

- চলতি অর্থবছরে (২০২৫-২০২৬) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৬%, পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংক।
-  ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে।
- বিশ্বব্যাংকের গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টাস জানুয়ারি সংস্করণে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
- বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হবে ভুটানে। দেশটিতে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। 

এছাড়াও,
⇒ এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিক, অর্থাৎ গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির সাময়িক হিসাব দিয়েছে।
- বিবিএসের হিসাব অনুসারে, চলতি অর্থবছরে প্রথম প্রান্তিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ৪ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

উৎস: প্রথম আলো।

১২,৭২৮.
জুলাই আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. পীরগাছা
  2. বদরগঞ্জ
  3. তারাগঞ্জ
  4. পীরগঞ্জ
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- জুলাই আন্দোলনে আবু সাইদ ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে শহীদ হয়েছিলেন।
⇒ রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

১২,৭২৯.
১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত 'চরমপত্র' কে পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন?
  1. ক) বেলাল আহমেদ
  2. খ) এম এ আজিজ
  3. গ) এম আর আখতার মুকুল
  4. ঘ) আব্দুল মান্নান
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র: 
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপিত হয়েছিল চট্টগ্রামের কালুরঘাটে। 
- ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রটি পাকিস্তান হানাদার বিমান বাহিনীর বোমা বর্ষণের স্বীকার হয়। 
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র’ ও ‘জল্লাদের দরবার’। 
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রের মাধ্যমে চিত্রিত করা হয়েছে। 
- চরমপত্র সিরিজটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নান। 
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত 'চরমপত্র' পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন এম আর আখতার মুকুল। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৩০.
অষ্টসাহস্রিকা প্রজ্ঞাপারমিতা কী?
  1. জৈন ধর্মগ্রন্থ
  2. বৌদ্ধ পুঁথি
  3. হিন্দু ধর্মগ্রন্থ
  4. কাব্য পুঁথি
ব্যাখ্যা
পুঁথি:
- প্রজ্ঞাপারমিতা মহাযান পন্থায় বোধিসত্ত্বের অবশ্য পালনীয় কর্তব্য।
- একে অবলম্বন করে মহাযানী বৌদ্ধদের পবিত্র গ্রন্থ প্রজ্ঞাপারমিতাসূত্র রচিত হয়েছে। 
- অষ্টসাহসিকা প্রজ্ঞাপারমিতার হচ্ছে -  বৌদ্ধ পুঁথি।
- অষ্টসাহসিকা প্রজ্ঞাপারমিতার অধ্যায় - ৩২টি। 
- গ্রন্থটিতে ছয়টি পারমিতার মধ্যে প্রজ্ঞাপারমিতা সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছে। 
- প্রধান বক্তা বুদ্ধ এবং তাঁর শিষ্য সারিপুত্র ও সুভূতি প্রশ্নকর্তা।
- এতে প্রধানত মহাযানী দার্শনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
- বিখ্যাত দার্শনিক নাগার্জুনের শূন্যবাদ দর্শন এর ওপর ভিত্তি করেই প্রবর্তিত।
- ১৫৯ খ্রিস্টাব্দে গ্রন্থটি চীনা ভাষায় অনূদিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,৭৩১.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মহাস্থানগড়
  3. শাহবাগ
  4. ময়নামতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর:
- সোনারগাঁ লোকশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের "বড়সর্দারবাড়ি" নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

তথ্যসূত্র - নারায়ণগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
১২,৭৩২.
কোন উপজাতিটি বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. ক) হাজং
  2. খ) ওরাওঁ
  3. গ) টোডা
  4. ঘ) বম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ৫০ টি উপজাতি বসবাস করে।
এদের মধ্যে বম উপজাতি পার্বত্য চট্টগ্রামে, হাজংরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং ওরাওঁ উপজাতি উত্তরবঙ্গে বসবাস করে।
টোডা উপজাতি বাংলাদেশে বাস করে না। এরা ভারতের আদিবাসী সম্প্রদায়। ভারতের নীলগিরি পর্বতে এদের বসবাস। এদের সমাজে বহুস্বামী প্রথা প্রচলিত রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১২,৭৩৩.
ইউরোপের কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. বেলজিয়াম
  2. বেলারুশ
  3. জার্মানি
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২,৭৩৪.
কোনটি স্থলবন্দর নয়?
  1. ভোমরা
  2. পায়রা
  3. আখাউড়া
  4. বুড়িমারী
ব্যাখ্যা

- স্থলবন্দর নয়- পায়রা।
- এটি একটি সমুদ্র বন্দর।

• পায়রা সমুদ্র বন্দর:

- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর'।
- ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অনত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল।
- ১৩ আগস্ট, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
- এ উদ্বোধনের দ্বারা বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাইল ফলক রচিত হবে বলে আশা করা যায়।
- ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
- এটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রামনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
• ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগনা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- এটি ১২ জানুয়ারি ২০০২ স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয় এবং ১৯ মে, ২০১৩ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।

• আখাউড়া স্থলবন্দর:
- অপারেশন কার্যক্রম শুরু -১৩/০৮/২০১০ খ্রি:
- ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ
- বন্দর ঘোষণা :১২/০১/২০০২ খ্রি:

• বুড়িমারী স্থলবন্দর:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপেজলার বুড়িমারী সীমান্তে অবস্থিত।
- এ বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেখলিগঞ্জ মহাকুমার চেংড়াবান্ধা এলসিএস রয়েছে।
- ১২ জানুয়ারি ২০০২ সালে বুড়িমারী শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৯ এপ্রিল ২০১০ সালে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- স্থলবন্দরটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত।
- এ বন্দর দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সাথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা হয়।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১২,৭৩৫.
আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজ কোনটি?
  1. এনজিয়ান
  2. রায়ান
  3. বাংলার দূত
  4. স্টেলা মারিস
ব্যাখ্যা
⇒ আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজ 'স্টেলা মারিস'।

জাহাজ রপ্তানি:

- বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে 'স্টেলা মেরিস' নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানির মধ্য দিয়ে বংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে ও বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।
- জাহাজ নির্মাণশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
- তারা জার্মানির প্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়।

তথ্যসূত্র - আনন্দ শিপইয়ার্ড ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১২,৭৩৬.
‘সেকেন্ডারি মার্কেট’ কিসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. শ্রম বাজার
  2. চাকুরি বাজার
  3. স্টক মার্কেট
  4. কৃষি বাজার
ব্যাখ্যা
• পুঁজি বাজার:
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে।

এগুলো হলো -
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪),
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫)।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে নারায়ণগঞ্জে এবং ১৯৫৮ সালে ঢাকার মতিঝিলে স্থানান্তরিত হয়। 
• বাংলাদেশে শেয়ার মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) যা ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত।
• গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১২,৭৩৭.
বাংলাদেশে প্রথম জরুরি অবস্থা জারি হয়েছিল কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জরুরি অবস্থাঃ
- জরুরি অবস্থা বলতে বোঝায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থে সংকটকালীন অবস্থায় মৌলিক অধিকারে সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ।
- জরুরি অবস্থা সংবিধানে যুক্ত হয় ১৯৭৩ সালের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে।
- জরুরি অবস্থার সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ ১৪১(ক), ১৪১(খ), ১৪১(গ)।
- জরুরি অবস্থার মেয়াদ সর্বাধিক ১২০ দিন।
- বাংলাদেশে মোট ৫ বার জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে।
- ১ম বার জারি হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর, শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে খাদ্য সংকট, দুর্ভিক্ষ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জারি করা হয়েছিল। এর ফলে দেশজুড়ে বাকস্বাধীনতা সীমিত করা হয়েছিল এবং সংবাদপত্রের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। 
- ২য় বার ১৯৮১ সালের ৩০ মে, জারি করেন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার; কারণ-জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড পরবর্তী পরিস্থিতি।
- ৩য় বার ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর, জারি করেন জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ; কারণ-রাজনৈতিক অস্থিরতা।
- ৪র্থ বার ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, জারি করেন জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (দ্বিতীয়বার); কারণ-সরকারবিরোধী আন্দোলন।
- ৫ম বার  ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি, জারি করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ইয়াজউদ্দীন আহম্মেদ; কারণ- রাজনৈতিক সংকট (১/১১ নামে পরিচিত)।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস.এস.এইচ.এল., বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৩৮.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছেন -
  1. ক) করিম বিল আলিফ
  2. খ) জ্যোতিকা জ্যোতি
  3. গ) ফরিদ আহমদ দুলাল
  4. ঘ) তাপস মজুমদার
ব্যাখ্যা
• শিল্পকলার পরিচালক:
- শিল্পকলার পরিচালক হলেন জ্যোতিকা জ্যোতি।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছেন অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি।
- দুই বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাকে।
- ১৩ মার্চ, ২০২৩ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
- শোবিজের দর্শকপ্রিয় মুখ জ্যোতিকা জ্যোতি। সুন্দরী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে পা রাখেন।
- জ্যোতির অভিনয়ের শুরু ২০১০ সালে। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ব্রেকআপ’র মাধ্যমে।
- প্রথম সিনেমায় অভিনয় করেন কবরীর পরিচালনায় ‘আয়না’তে।
- ২০০৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি।
- এরপর ‘নন্দিত নরকে’, ‘জীবন ঢুলী’, ‘অনিল বাগচীর একদিন’, ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে কলকাতার সিনেমাতেও কাজ করেছেন জ্যোতিকা জ্যোতি। 

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
১২,৭৩৯.
‘নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস লিমিটেড’ কোথায় অবস্থিত?
  1. আক্কেলপুর, জয়পুরহাট
  2. তানোর, রাজশাহী
  3. ঈশ্বরদী, পাবনা
  4. শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
নর্থবেঙ্গল পেপার মিল:
- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের দিয়ার বাঘইল মৌজায় অবস্থিত নর্থবেঙ্গল পেপার মিল ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উৎপাদন শুরু করে ১৯৬৯ সালে।
- ক্রমাগত লোকসানের জন্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০০২ এটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- এই পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে উত্তরবঙ্গের চিনিকল সমূহ হতে প্রাপ্ত আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হতো।
- কর্ণফুলী পেপার মিলে বাঁশ এবং
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হয়।
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলও বর্তমানে বন্ধ।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
১২,৭৪০.
বাংলায় সুবাদারী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ইসলাম খান চিশতি
  2. মীর জুমলা
  3. শায়েস্তা খান
  4. মুর্শিদকুলী খান
ব্যাখ্যা

বাংলায় সুবাদারী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা ইসলাম খান চিশতি।

বাংলায় সুবাদারী প্রতিষ্ঠা:

- মোগল সম্রাট আকবর তাঁর সাম্রাজ্যকে অনেকগুলো প্রদেশে ভাগ করেছিলেন। এই প্রদেশগুলোকে বলা হতো 'সুবা'। সুবার শাসনকর্তাকে বলা হতো সুবাদার। আকবরের সময় থেকে বাংলায় সুবাদার নিয়োগ করা শুরু হয়। তবে বারভূঁইয়াদের দাপটে বাংলায় মোগল সুবা শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়াতে পারেনি। সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে দক্ষতার সাথে বারভূঁইয়াদের দমন করেন সুবাদার ইসলাম খান চিশতি।
- এরপর থেকে বাংলার সুবাদারদের মাধ্যমে পুরো বাংলায় মোগল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।
- ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। তিনি সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
- ইসলাম খান ঢাকাকে সুরক্ষিত করে তিনি ভূঁইয়াদের সব অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দেই মুসা খানসহ বারো ভূঁইয়াদের সবাই ইসলাম খানের নিকট বশ্যতা স্বীকার করেন।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৪১.
কে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন?
  1. ক) দেবপাল
  2. খ) ইন্দ্রগুপ্ত
  3. গ) নারায়ণগুপ্ত
  4. ঘ) বিগ্রহ পাল
ব্যাখ্যা
- দেবপাল বিদ্যা ও বিদ্বানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। বিভিন্ন দেশের বৌদ্ধ পণ্ডিতগণ  তাঁর রাজসভা অলঙ্কৃত করতেন। দেবপালের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় তখন সমগ্র এশিয়ায় বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রধান প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছিল। 

-  বৌদ্ধশাস্ত্রে পারদর্শী ইন্দ্রগুপ্ত নামক ব্রাহ্মণকে তিনি নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য বা অধ্যক্ষ নিযুক্ত করেছিলেন। এ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেই তার শাসন আমলে উত্তর-ভারতে প্রায় হারিয়ে যাওয়া বৌদ্ধধর্ম পুনরায় সজীব হয়ে ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৪২.
''মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট'' কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চাদঁপুর
  3. কক্সবাজার
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
• ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট:
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
- এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্য চাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এছাড়াও - 
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১২,৭৪৩.
২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ১,১৩,৪৫৩ কোটি টাকা
  2. খ) ৭৬,৪৫২ কোটি টাকা
  3. গ) ৯৭,৭৩৮ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৫১,৬০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে:
- অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মোট ঋণ : ১,১৩,৪৫৩ কোটি টাকা
- অভ্যন্তরীণ ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ : ৭৬,৪৫২ কোটি টাকা
- অভ্যন্তরীণ নন-ব্যাংকিং উৎস থেকে ঋণ : ৩৭,০০১ কোটি টাকা
- বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ : ৯৭,৭৩৮ কোটি টাকা
- বৈদেশিক অনুদান : ৩,৪৯০ কোটি টাকা
- মোট রাজস্ব আহরণ : ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১২,৭৪৪.
২০২৬ সালের 'বর্ষপণ্য' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে কোনটিকে?
  1. ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল
  2. আইসিটি পণ্য ও সেবা
  3. পেপার ও প্যাকেজিং পণ্য
  4. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

২০২৬ সালের বর্ষপণ্য:
- ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টসকে।
- এ বছর মেলায় পলিথিন ব্যাগ এবং একবার ব্যবহারযোগ্য (সিঙ্গেল ইউজ) প্লাস্টিক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

⇒ রপ্তানি প্রসারে প্রতি বছর একটি সম্ভাবনাময় পণ্যকে 'বর্ষপণ্য' হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।
- ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ) উদ্বোধন করা হয়েছে।
- নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) এই মেলার উদ্বোধন করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
- সেখানে পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং প্রোডাক্টসকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেন।
- পেপার ও প্যাকেজিং পণ্যকে বর্ষপণ্য ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ)। এক বিজ্ঞপ্তিতে সভাপতি মো. শাহরিয়ার বলেন, ‘এ ঘোষণা দেশের পেপার প্যাকেজিং শিল্পের জন্য একটি মাইলফলক। বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে এ শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।’

উল্লেখ্য,
- দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার ও বিপণনের পাশাপাশি শিল্পোৎপাদন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৫ সাল থেকে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

১২,৭৪৫.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত নয় কোনটি?
  1. তাহেরপুরী
  2. ডায়মন্ড
  3. সুন্দরী
  4. হীরা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১২,৭৪৬.
’দোয়েল’, ‘আকবর’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. ভুট্টা
  3. গম
  4. তামাক
ব্যাখ্যা

• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

১২,৭৪৭.
ইউনেস্কো কত সালে বাগেরহাট শহরকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি।
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- ২০ টাকার নোটে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উল্লেখ্য,
⇒ ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে),
২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে),
৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১২,৭৪৮.
খাসিয়ারা গ্রামকে কী বলে?
  1. মৌজা
  2. মহল্লা
  3. পাড়া
  4. পুঞ্জি
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:

- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,৭৪৯.
বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চর্তুথ
ব্যাখ্যা
 • মাছ উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার The State of World Fisheries and Aquaculture ২০২২ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ ৩য়,
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে ৫ম স্থান অর্জন করেছে। 
- পাশাপাশি বিশেষ সামুদ্রিক ও উপকূলীয় ক্রাস্টাশিয়ান্স ও ফিনফিস উৎপাদনে যথাক্রমে ৮ম ও ১১তম স্থান অধিকার করেছে। 
- এছাড়া বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১ম।
- তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৪র্থ এবং এশিয়ার মধ্যে ৩য় স্থান অধিকার করেছে। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১২,৭৫০.
বঙ্গবন্ধুর 'জুলিও কুরি' পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর পূর্তি হয় কত তারিখে?
  1. ক) ৫ মে, ২০২৩
  2. খ) ১৭ মে, ২০২৩
  3. গ) ২২ মে, ২০২৩
  4. ঘ) ২৩ মে, ২০২৩
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরী পদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী:
- ২৩ মে ২০২৩ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী পালন করা হয়েছে।
- শান্তি ও স্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ সর্বোচ্চ সম্মান জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করেছে।
- বিশ্বশান্তি পরিষদ ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর পদকপ্রাপক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর নাম ঘোষণা করে।
- আর পরের বছর ২৩ মে এশীয় শান্তি সম্মেলনের এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে সেই পদক বঙ্গবন্ধুকে পরিয়ে দেন পরিষদের তৎকালীন সেক্রেটারি জেনারেল রমেশচন্দ্র।
- সেই অনুষ্ঠানে রমেশচন্দ্র বলেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলার নন, তিনি বিশ্বের এবং তিনি বিশ্ববন্ধু।’
- স্বাধীন বাংলাদেশে কোনো রাষ্ট্রনেতার সেটিই ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক পদক লাভ।  

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জুন, ২০২৩।  
১২,৭৫১.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয় সীমা -
  1. ৩ লাখ
  2. ৩ লাখ ৫০ হাজার
  3. ৪ লাখ
  4. ৪ লাখ ৫০ হাজার
  5. ৪ লাখ ৭৫ হাজার
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে ব্যক্তির আয়ের প্রথম সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয় করমুক্ত।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের জন্য আয়সীমা ৪ লাখ।
- প্রতিবন্ধী করদাতার জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ।
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ অর্থবছর।
১২,৭৫২.
কোন দুইটি দেশের মধ্যে ‘চিপযুদ্ধ’ চলমান রয়েছে?
  1. চীন-জাপান
  2. চীন-যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র-ভারত
ব্যাখ্যা
• চিপ-যুদ্ধ:
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক শক্তির  দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের  মধ্যে লড়াই চলছে সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ নিয়ে , যা আমাদের প্রতিদিনের জীবনে ব্যবহার্য নানা জিনিসে শক্তি যোগায়।
- সারা দুনিয়াব্যাপী ৫০,০০০ কোটি ডলারের বাজার এই সেমিকন্ডাক্টরের ।
- এই প্রযুক্তির বেশির ভাগই আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। 
- এখন এই চিপ তৈরির প্রযুক্তি হাতে পেতে চাইছে চীন।
- সেমিকন্ডাকটর আবিষ্কৃত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে।
 -স্যামসাং বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে তিন ন্যানোমিটারের মাপে চিপস ব্যাপকহারে উৎপাদন শুরু করে। 
- এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য এ দুটি দেশ ‘চিপযুদ্ধে  লিপ্ত হয়েছে।

উৎস: ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
১২,৭৫৩.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে কয়টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক:
- ২১ নভেম্বর, ২০২৫ দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে ঢাকায় পৌঁছান।
- বাংলাদেশ ও ভুটান উভয় দেশ স্বাস্থ্য খাতে ২২ নভেম্বর, ২০২৫ দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে।
- প্রথম সমঝোতা স্মারকটি স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ-সংক্রান্ত, যা সই করে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং ভুটানের রয়্যাল সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
- দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারকটি আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ এবং অন্যান্য টেলিযোগাযোগসেবা বাণিজ্য-সম্পর্কিত।
- বাংলাদেশ সরকার ও ভুটানের রয়্যাল সরকারের মধ্যে এটি সই হয়। 

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

১২,৭৫৪.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নবাব সলিমুল্লাহ
  2. নবাব খাজা আহসানুল্লাহ
  3. নবাব আব্দুল গণি
  4. উপরের কেউ নন
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল: 
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ঢাকার নওয়াব খাজা আবদুল গণি।
- ১৮৩০ সালে তিনি ফরাসিদের নিকট থেকে পুরনো কুঠিবাড়িটি ক্রয় করেন এবং সেটিকে সংস্কার করে তার নিজস্ব বাসভবনে রূপান্তরিত করেন।
- পরবর্তীতে তিনি মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি নামক ইউরোপীয় স্থাপত্য প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে একটি বিস্তৃত মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান, এর মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল আহসান মঞ্জিল।
- ১৮৫৯ সালে এ ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং তা শেষ হয় ১৮৭২ সালে।
- খাজা আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নাম অনুসারে এই প্রাসাদের নামকরণ করেন ‘আহসান মঞ্জিল’।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১২,৭৫৫.
কোনটি বিগ্রেড ফোর্স নয়?
  1. এস ফোর্স
  2. জেড ফোর্স
  3. এম ফোর্স
  4. কে ফোর্স
ব্যাখ্যা

বিগ্রেড ফোর্স :
- তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস-এর ই পি আর পুলিশ ও সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে মুক্তি বাহিনীর নিয়মিত বাহিনী গঠন করা হয়।
- নিয়মিত সেনা ব্যাটেলিয়ান পরে তিনটি বিগ্রেডে পরিণত হয়। 
- বিগ্রেড কমান্ডার মেজর কে এম শফিউল্লাহর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষর অনুসারে বিগ্রেডের নামকরণ করা হয় এস ফোর্স
- মেজর জিয়াউর রহমানের ইংরেজি নামের আদ্যক্ষর অনুসারে বিগ্রেডের নামকরণ করা হয় জেড ফোর্স
- এবং মেজর খালেদ মোশাররফের ইংরেজি নামের আদ্যক্ষর অনুসারে বিগ্রেডের নামকরণ করা হয় কে ফোর্স।
- এম ফোর্স বিগ্রেডের ফোর্স নয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৫৬.
১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলার প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিম আসন সংখ্যা ছিল-
  1. ২২৩টি
  2. ২২২টি
  3. ৩১০টি
  4. ২৩৭টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট গঠন: 
-  ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
-  যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফাকে তাদের স্বার্থরক্ষার সনদ বলে বিবেচনা করে।
- পূর্ববাংলার প্রাদেশিক পরিষদের ২৩৭টি মুসলিম আসন ছিল।
- যুক্তফ্রন্ট পায় ২২৩টি।
- মুসলিম লীগ মাত্র ১টি আসন লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৫৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, কোন পণ্যটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রপ্তানি হয়?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. পাটজাত পণ্য
  3. নিটওয়্যার
  4. হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা

রপ্তানি পরিস্থিতি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট ৪৮,৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় অর্জিত হয় যা পূর্ববর্তী অর্থবছর ২০২৩-২৪ এর তুলনায় ৮.৬০ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে নিটওয়্যার, হস্ত শিল্পজাত দ্রব্য এবং রাসায়নিক দ্রব্যাদির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

⇒ প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১। কৃষিজাত পণ্য: ৮৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
২। হিমায়িত খাদ্য: ৪৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩। কাঁচাপাট: ১৪৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪। চা: ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ প্রধান শিল্পজাত পণ্য:
১। নিটওয়্যার: ২১,১৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২। তৈরি পোশাক (ওভেন): ১৮,১৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
৩। পাটজাত পণ্য: ৭৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
৪। প্রকৌশল দ্রব্য: ৫৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫। জুতা: ৬২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬। রাসায়নিক দ্রব্য: ২২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৭। চামড়া: ৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮। হস্ত শিল্পজাত দ্রব্য: ৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়। 
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৩.২৭% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার – ৯৬.৭৩%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে  ‘কৃষিজাত পণ্য’। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫। 

১২,৭৫৮.
আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় কবে?
  1. ২১ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  2. ২২ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  4. ২৪ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১২,৭৫৯.
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় থাকা বাংলাদেশ কত সালে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সব শর্ত পূরণ করে?
  1. ক) ২০১৬
  2. খ) ২০১৮
  3. গ) ২০১৭
  4. ঘ) ২০১৯
ব্যাখ্যা
- স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় থাকা বাংলাদেশ ২০১৮ সালে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সব শর্ত পূরণ করে।
- এরপর ১২-১৬ মার্চ ২০১৮ জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি কমিটির ত্রিবার্ষিক পর্যালোচনা সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে মানদণ্ড পূরণের স্বীকৃতি পায়।
- জাতিসংঘের তিনটি শর্তই পূরণ করে উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জন যেনো এক বিরল ঘটনা।
- এরপর ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ CDP-এর ত্রি-বার্ষিক পর্যালোচনায় বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করে। - বাংলাদেশের সাথে নেপাল এবং লাওসও উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ পায়।
- বাংলাদেশের ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণ করার কথা ছিল।
- কিন্তু করোনার প্রভাব মোকাবেলা করে প্রস্তুতি নিতে বাংলাদেশ ১৫ জানুয়ারি ২০২১ বাড়তি দুই বছর সময় চেয়ে আবেদন করে।
- তাই, বাংলাদেশ দুই বছরসহ মোট পাঁচ বছরের প্রস্তুতিকালীন সময় পাবে।
- সব কিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে।
১২,৭৬০.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে। এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৭৬১.
Who was in charge of Operation Searchlight in Dhaka city?
  1. Golam Mahmud
  2. Rao Forman Ali
  3. A.K Niyazi
  4. Tikka Khan
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান অর্থাৎ মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
১২,৭৬২.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয় কবে?
  1. ক) ১৭৬১
  2. খ) ১৫২৬
  3. গ) ১৫৫৬
  4. ঘ) ১৫৬১
ব্যাখ্যা
পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দিল্লি হতে পানি পথের দূরত্ব- ৯০ কি.মি.
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। যথা:

• পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:

- সময়কাল-১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
- পক্ষ- বারব বনাম ইব্রাহিম লোদী
- ফলাফল- ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন্
- এই যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।
- এই যুদ্ধের ফলে ভারতে মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং দিল্লি সালতানাতের পতন হয়।

• পানিপথের ‍দ্বিতীয় যুদ্ধ: 

 - সময়কাল-১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ 
- পক্ষ - আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল - হিমু পরাজিত ও নিহত হন।

• পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:

- সময়কাল - ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।

- ফলাফল - মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৬৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন
  2. খ) চিত্রশিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান
  4. ঘ) সমরজিৎ রায় চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের  সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নাল আবেদীন।
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমে তাঁর সাথে যুক্ত ছিলেন  তাদের মধ্যে অন্যতম - হাশেম খান, এ কে এম আব্দুর রউফ, সমরজিৎ রায় চৌধুরী।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে সময় লেগেছিল ৯ মাস।
- গণপরিষদের সর্বমোট ২১ টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- সংবিধানের হস্তলিপির কাজ করেছেন এ কে এম আবদুর রুউফ ।
- হাতে লেখা বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের পৃষ্ঠা ছিল ১০৯ ।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
-  ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২  হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। 

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৭৬৪.
‘জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে’ সংবিধানের -
  1. ১৩ নং অনুচ্ছেদে
  2. ২৩ক নং অনুচ্ছেদে
  3. ৪৩ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ১৯ নং অনুচ্ছেদে '‘সুযোগের সমতা’' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
- ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

অন্যদিকে,
- ১৩ নং অনুচ্ছেদে 'মালিকানার নীতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৩ক নং অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৪৩ নং অনুচ্ছেদে গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৭৬৫.
সম্প্রতি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ভারতের কোন সম্মাননা পদক লাভ করেন?
  1. পদ্মবিভূষণ পুরস্কার
  2. পদ্মভূষণ পুরস্কার
  3. পদ্মশ্রী পুরস্কার
  4. ভারতেন্দু পুরস্কার
ব্যাখ্যা
পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা:
- দেশের পাশাপাশি ওপার বাংলাতেও দারুণ শ্রোতাপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।
- ভারতের মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হলেন বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। 
- এটি ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
- ভারত সরকার ১৯৫৪ সালে পদ্ম পুরস্কার দেওয়া শুরু করে।
- ১৯৫৫ সালে এটি ‘পদ্মবিভূষণ’, ‘পদ্মভূষণ’ এবং ‘পদ্মশ্রী-এ তিনটি বিভাগে দেওয়া হয়।
- সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
 
উল্লেখ্য,
- এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ‘বঙ্গভূষণ’ পেয়েছিলেন তিনি।
- সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বাধীনতা পুরস্কার পান বন্যা।
- এছাড়া ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এ শিল্পী।
 
 উৎস: ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, যুগান্তর।
১২,৭৬৬.
বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের কত তারিখে?
  1. ১০ এপ্রিল
  2. ১৭ এপ্রিল
  3. ২৬ মার্চ
  4. ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ সরকার 'মুজিবনগর সরকার' নামেই বেশি পরিচিত। 
- অনেকে একে প্রবাসী সরকার বলেন। 
- তবে এ সরকারকে বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার বলাই শ্রেয়। 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ। 
• অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম মনসুর আলী।
• স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামারুজ্জামান।
• পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
১২,৭৬৭.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. লুই আই কান
  2. মাজহারুল ইসলাম
  3. হামিদুর রহমান
  4. শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার:
- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
১২,৭৬৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১২%
  2. ১.৩৩%
  3. ১.৩৭%
  4. ১.৩২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২,৭৬৯.
কোন মুঘল সম্রাট ’সুবাহ’ ব্যবস্থা চালু করেন?
  1. ক) সম্রাট বাবর
  2. খ) সম্রাট হুমায়ুন
  3. গ) সম্রাট আকবর
  4. ঘ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
‘সুবাহ’ 

- মুঘল প্রদেশগুলো ‘সুবাহ’ নামে পরিচিত ছিল।
- সুবাহ্ ব্যবস্থা চালু হয় ১৫৭৯-১৫৮০ সালে ।
-  সুবাহ্ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসকদের বলা হতো সুবাদার।
 - মুঘল সম্রাট আকবর এর প্রবর্তন করেন।
- প্রথমে তার সাম্রাজ্যকে বারোটি (১২) সুবাহতে বিভক্ত করেন। এগুলো হলো:
লাহাবাদ, আগ্রা, অযোধ্যা, আজমীর, আহমেদাবাদ, বিহার (রাজধানী-পাটনা), বাংলা (রাজধানী- রাজমহল), দিল্লি, কাবুল, লাহোর, মুলতান এবং মালওয়া।

- পরবর্তীতে সুবাহর সংখ্যা বাড়ানো হয় এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে উড়িষ্যা ও কাশ্মির সুবাহ্র মর্যাদা পেলে, সুবাহ্র সংখ্যা হয় সতেরোটি। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৭০.
কার সময়ে অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) লর্ড রিপন
  2. খ) লর্ড লিটন
  3. গ) লর্ড মেয়ো
  4. ঘ) লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়ো’র সময়।
এই আদমশুমারি গুণগতভাবে মানসম্পন্ন না হলেও এই আদমশুমারি থেকেই বাংলা একটি মুসলিম প্রধান রাজ্য হিসেবে প্রথম চিহ্নিত হয়।
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১২,৭৭১.
খিলাফত আন্দোলনের যুগপৎ কোন আন্দোলনটি সংঘটিত হয়?
  1. ক) স্বদেশী আন্দোলন
  2. খ) অসহযোগ আন্দোলন
  3. গ) ভারত ছাড় আন্দোলন
  4. ঘ) আলীগড় আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খেলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- মাওলানা মুহাম্মদ আলী, মাওলানা শওকত আলী, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ খেলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
- একই সময়ে চেমসফোর্ড-মন্টেগু সংস্কার আইন, রাওলাট আইন, জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড প্রভৃতি ইস্যুতে কংগ্রেসের নেতৃত্বে দেশব্যাপী অসহযোগ আন্দোলন পরিচালিত হয়।
- এ দুটি আন্দোলন তখন সমগ্র ভারতবর্ষে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ১৯২৪ সালে কামাল আতাতুর্ক তুরস্কের খেলাফত বিলুপ্ত করলে খেলাফত আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,৭৭২.
কার সময়ে সেনবংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. হেমন্ত সেন
  2. বিজয় সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. কেশব সেন
ব্যাখ্যা

বিজয় সেন:
- বিজয় সেনের সময়ই সেনবংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। 
- হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন ১০৯৮ সাল থেকে ১১৬০ সাল পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেন।
- বিজয় সেন সম্ভবত পালরাজা রামপালের রাজত্বকালে রাঢ় অঞ্চলে প্রথমে সামন্তরাজা ছিলেন।
- বিজয় সেন পালরাজা রামপালকে বরেন্দ্র উদ্ধারে সাহায্য করেছিলেন।
- বিজয়সেন প্রায় সমগ্র বাংলা জয় করে সেনদের ক্ষুদ্র রাজ্যটিকে একটি বড় রাজ্যে পরিণত করেন।
- এভাবে বিজয় সেন তাঁর সুদীর্ঘ ৬২ বছরের রাজত্বকালে বহু যুদ্ধে জয়লাভ করে প্রায় সমগ্র বাংলাদেশে একক রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- বিজয় সেন একজন প্রতিভাবান রাজা ছিলেন।
- সামান্য একজন সামন্তরাজ হিসেবে জীবন শুরু করে তিনি নিজ প্রতিভা বলে বাংলার সার্বভৌম রাজার স্থান অধিকার করেছিলেন এবং প্রায় সারা বাংলাদেশে নিজ আধিপত্য সুপতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- পালবংশের শাসনাবসানে বাংলাদেশে যে চরম বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা দেখা দিয়েছিল তা থেকে তিনি বাংলা এবং এর অধিবাসীকে রক্ষা করেছিলেন।
- তিনি একজন বীরযোদ্ধা ছিলেন যার সাহস ছিল অপরিসীম; সামরিক দূরদর্শিতা ছিল অতুলনীয়।
- তিনি পরমেশ্বরও ও মহারাজাধিরাজ উপাধি গ্রহণ করেন। 
- কবি উমাপতিধর বিজয় সেনের চারিত্রিক গুণাবলির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১২,৭৭৩.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত “সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি”র আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) মাওলানা ভাসানী
  2. খ) কমরেড মনি সিং
  3. গ) মনসুর আলী
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)

১২,৭৭৪.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) দি সিটি ব্যাংক
  2. খ) আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. গ) আইএফআইসি ব্যাংক
  4. ঘ) ন্যাশনাল ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - আরব-বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর।
- সেবা ও আর্থিক খাতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্যে ১৯৮২ সালের ১২ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারে শাখা উদ্বোধনের মাধ্যমে এবি ব্যাংকের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- প্রতিষ্ঠার পঁচিশ বছর পর ব্যাংকটির পুনরায় নামকরণ হয় এবি ব্যাংক লিমিটেড।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৭৭৫.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম জাতীয় পরিবেশ নীতি প্রণয়ন করা হয়?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় পরিবেশ নীতি:
- ১৯৯২ সালে প্রথম জাতীয় পরিবেশ নীতি প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলো তদারকির জন্য ১৯৮৯ সালে পরিবেশ মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- অতঃপর সরকার পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে; জাতীয় পরিবেশ নীতি ১৯৯২ প্রণীত হয়েছে এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ বিধিবদ্ধ করার মাধ্যমে পুরনো আইন সংশোধন করা হয়েছে।

⇒ পরিবেশ নীতির উদ্দেশ্যসমূহ নিম্নরূপ:
- পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য সংরক্ষণ ও সার্বিক উন্নয়ন।
- দেশকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ হইতে রক্ষা।
- সকল প্রকার দূষণ ও অবক্ষয়মূলক কর্মকান্ড সনাক্তকরণ ও নিয়ন্ত্রণ।
- সকল ক্ষেত্রে পরিবেশ সম্মত উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ।
- সকল জাতীয় সম্পদের টেকসই, দীর্ঘমেয়াদী ও পরিবেশ সম্মত ব্যবহারের নিশ্চিয়তা বিধান।
- পরিবেশ সংক্রান্ত সকল আন্তর্জাতিক উদ্যোগের সহিত যথাসম্ভব সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকা।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১২,৭৭৬.
জুলাই ঘোষণাপত্রের কোন অনুচ্ছেদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. ২৪ নং
  2. ২৬ নং
  3. ২৭ নং
  4. ২৮ নং
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্রের অনুচ্ছেদ ২৪-এ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

জুলাই ঘোষণাপত্র:

-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত জুলাই পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ঐতিহাসিক এই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
-  এই ঘোষণাপত্রে দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের পাশাপাশি ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- ২৮ দফা এ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

উল্লেখ্য,
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- ২৪ নম্বর দফায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সব আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

অন্যদিকে, 
- ২৬ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে একটি পরিবেশ ও জলবায়ুসহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৭ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ আছে। ২৭ নং ধারা:  বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।
- ২৮ নং ধারা: ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।

উৎস: i) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
ii) প্রথম আলো।

১২,৭৭৭.
বুড়িমারী স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. শেরপুর
  3. সাতক্ষীরা
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:

- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
১২,৭৭৮.
প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয় কবে?
  1. ১৯৭১ সালের ১লা মার্চ
  2. ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ
  3. ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ
  4. ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ১লা মার্চ স্থগিত ঘোষণা করেন।
- এ ঘোষণার প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র, শ্রমিক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তথা সাধারণ মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- বিভিন্ন স্থানে জনতা পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণ করে।
- সারাদেশে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষে বহু লোক নিহত ও আহত হয়।
- ২রা মার্চ দেশব্যাপী ধর্মঘট আহ্বান করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক ছাত্র সমাবেশে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত প্রথম পতাকা উঠান ডাকসুর ভিপি আ স ম আবদুর রব।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৭৯.
নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. ফারজানা হক
  2. শারমিন আক্তার
  3. নিগার সুলতানা
  4. সালমা খাতুন
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:

- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরি করেন ফারজানা হক।
- ২২ জুলাই, ২০২৩ সালে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে ১৫৬ বলে সেঞ্চুরি করেন ফারজানা।
- তিনি ১৬০ বলে ৭ চারে করেছেন ১০৭ রান।

তথ্যসূত্র - ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১ ও দৈনিক প্রথম আলো, ২২ জুলাই, ২০২৩।
১২,৭৮০.
সেন বংশের সর্বশেষ স্বাধীন রাজা ছিলেন-
  1. লক্ষণ সেন
  2. কেশব সেন
  3. হেমন্ত সেন
  4. বিজয় সেন
ব্যাখ্যা
সেন বংশ:
- সেন বংশের রাজত্ব কাল ছিল→ ১০৭০- ১২৩০ সাল পর্যন্ত।
- সেন রাজবংশের গোড়াপত্তন করেন→ সামন্ত সেন।
- বাংলার সেন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা→ হেমন্ত সেন।
- বাংলার সর্বপ্রথম একক শাসনাধীন আসে→ বিজয় সেনের সময়।
- সেন বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা→ বিজয় সেন।
- সেন বংশের সর্বশেষ রাজা→ লক্ষণ সেন।
- বাংলার শেষ স্বাধীন হিন্দু রাজা → লক্ষণ সেন।
- সেন বংশের সর্বশেষ শাসনকর্তা → কেশব সেন।

উল্লেখ্য,
- লক্ষণ সেনের সময় রাজধানী ছিল নদীয়া বা  নবদ্বীপ।
- লক্ষণসেনের উপাধি ছিল গৌড়েশ্বর।
- কৌলীন্য প্রথার প্রবর্তক বল্লাল সেন।
- দান সাগর ও অদ্ভুত সাগর নামে দুটি গ্রন্থ লিখেছেন বল্লাল সেন।
- লক্ষণ সেনের রাজসভার কবি ছিলেন জয়দেব, ধোয়ি, হলায়ুধ মিশ্র।

উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।
১২,৭৮১.
In February 2017, which of the following country has been recognized by Bangladesh?
  1. South Sudan
  2. Kosovo
  3. South Ossetia
  4. East Timor
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, যা বর্তমানে গুরুত্বপুর্ণ নয়।

কসোভোকে স্বীকৃতি দিল বাংলাদেশ:
- ইউরোপের বলকান অঞ্চলের দেশ কসোভো।
- ১৩৮৯ সালে কসোভো যুদ্ধের পর এখানে ইসলামের আগমন ঘটে।
- এরপর থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত তা অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল।
- ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীন হয় কসোভো।
- রাজধানী প্রিস্টিনা।
- প্রধান ভাষা আলবেনীয় ও সার্বীয়।

উল্লেখ্য,
- রাশিয়া ও সার্বিয়ার প্রবল আপত্তির মধ্যে ২০১৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি কসোভোকে স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
- কসোভোকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছিল ১১৪তম।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, যুগান্তর। 
১২,৭৮২.
কোন বাঙালী শিল্পী 'দ্য কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর সূচনা সঙ্গীত পরিবেশন করেন?
  1. মোর্শেদ খান অপু
  2. শহীদ হাসান
  3. আলী আকবর খান
  4. রথীন্দ্রনাথ রায়
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিশ্বখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- বাংলাদেশের জনগণের সাহায্যার্থে কিছু করার জন্য তিনি প্রথম যোগাযোগ করেন জনপ্রিয় বিটলসের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।

উল্লেখ্য,
- ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ শুরু হয়েছিল পণ্ডিত রবিশঙ্করের একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দিয়ে।
- এ কনসার্টের জন্য তিনি তৈরি করেছিলেন ‘বাংলাদেশ ধুন’ বলে নতুন একটি সুর।
- আর তাঁর সঙ্গে সরোদে যুগলবন্দী ছিলেন ওস্তাদ আলী আকবর খান।
- তবলায় সহযোগিতা করেছিলেন বিখ্যাত আল্লারাখা।
- তানপুরায় ছিলেন কমলা চক্রবর্তী। সেদিন ম্যাডিসন স্কয়ারের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রতিবাদী গানের রাজা বব ডিলান। 
- সেদিন বব ডিলানের সঙ্গে গিটার বাজিয়েছিলেন জর্জ হ্যারিসন, ব্যাস লিওন রাসেল ও ট্যাম্বুরিন রিঙ্গো স্টার।
- সে অনুষ্ঠানে বিটলসের অন্যতম সদস্য রিঙ্গো স্টার, লিওন রাসেল, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেস্টন, ডন প্রেস্টন প্রমুখ গান গেয়েছেন, গিটার বাজিয়েছেন।

এছাড়াও,
- জন লেনন শেষ পর্যন্ত কনসার্ট ফর বাংলাদেশে অংশ নেননি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC।
১২,৭৮৩.
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের জন্য রবি মৌসুমের সময়কাল কোনটি?
  1. ক) আষাঢ় থেকে কার্তিক মাস
  2. খ) কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস
  3. গ) চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস
  4. ঘ) বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
- যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে রবি শস্য বপন করা হয়।
- কম তাপমাত্রায় বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

খরিফ-১ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময় সীমা এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত বিস্তৃত থেকে তাকে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম বলে।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিফ-১ শস্য বলে।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

খরিফ-২ মৌসুম:
- যে মৌসুমের সময়সীমা জুলাই মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে তাকে খরিফ-২ মৌসুম বা বর্ষা মৌসুম বলে।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১২,৭৮৪.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. অলি আহাদ
  2. আবদুল মতিন
  3. গোলাম মাওলা
  4. গাজীউল হক
ব্যাখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন। 

১৯৪৯-১৯৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের বিস্তার:

- ১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত সময়কে ভাষা আন্দোলনের প্রস্তুতি পর্ব বলা যায়।
- ১৯৪৮ সালের পর প্রতি বছর ১১ মার্চ প্রতিবাদ দিবস হিসেবে পালন করা হতো।
- ১৯৪৯ সালে আরবি হরফে বাংলা লেখার সরকারি ষড়যন্ত্র শুরু হয়। এ উদ্দেশে ১৯৪৯ সালের মার্চে আকরাম খাঁকে সভাপতি করে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী 'পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করে। 'পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি' গঠিত হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রতিবাদ জানায়।
- ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালে নাজিমুদ্দিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হয়ে ২৭ জানুয়ারি উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন। এর প্রতিবাদে ছাত্র সমাজ ৩০ জানুয়ারি ধর্মঘট পালন করে। ৩১ জানুয়ারি সর্বদলীয় সভায়ও সরকারি নীতির সমালোচনা করা হয়।এ সময় আবদুল মতিনকে আহবায়ক করে নতুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে এক সভায় 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়। এ পরিষদই ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববঙ্গে হরতাল আহ্বান করে।

⇒ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে গাজীউল হকের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ছাত্রসভা শুরু হয়।
- এ সভা থেকেই ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে, বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দানের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্রজনতা মিছিল করলে পুলিশের গুলিতে আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন আহমেদ, আব্দুল জববার ও আবদুস সালাম শহীদ হন।
- তখন থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস, বর্তমানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৭৮৫.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয়েছে?
  1. ৯৪(১)
  2. ৯৪(২)
  3. ৯৫(১)
  4. ৭১(২)
ব্যাখ্যা
• সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে এবং আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- ২০১৭ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়ে আসছে।
- ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়। 

উৎস:- সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশের সংবিধান।   
১২,৭৮৬.
VGF এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Vulnerable Group Fund
  2. Vulnerable General Fund
  3. Vulnerable Group Feeding
  4. Vulnerable General Feast
ব্যাখ্যা
VGF: 
- VGF এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Vulnerable Group Feeding.

- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি।
১২,৭৮৭.
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন কে?
  1. আইয়ুব খান
  2. মালিক ফিরোজ খান
  3. ইস্কান্দার মির্জা
  4. খাজা নাজিমুদ্দিন
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের সামরিক শাসন:

- আইয়ুব খান পাকিস্তানের প্রথম সামরিক শাসন প্রত্যাহার করা হয় ১৯৬২ সালের ৮ জুন। 
- পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন এবং কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা ও মন্ত্রীপরিষদ বাতিল করেন।
- ২৭ অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে সড়িয়ে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। 
- ইয়াহিয়া খান ২৫ মার্চ ১৯৬৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
১২,৭৮৮.
২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হন কারা?
  1. হুমায়ূন আহমেদ ও মাহফুজ আনাম
  2. ড. আসাদুজ্জামান ও লায়লা হাসান
  3. ড. অসীম দত্ত ও এ. এম. এম. মহীউজজামান
  4. আনিসুজ্জামান ও শফিক রেহমান
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি ২০১০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

• রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- ২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েরছেন ২ জন।
- রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় ড. অসীম দত্ত।
- রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
 
  উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১২,৭৮৯.
How many accused persons were there in the Agartala conspiracy case?
  1. ক) 34
  2. খ) 35
  3. গ) 36
  4. ঘ) 37
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য'।
- তবে এটি 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৯০.
বাংলার স্বাধীন সুলতানী যুগের প্রকৃতি প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. খ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. গ) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  4. ঘ) মুর্শিদকুলি খান
ব্যাখ্যা
১৩৩৮ সালে সোনারগাওঁয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলায় স্বাধীন সুলতানী যুগের সূচনা করেন।

- তবে, শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলা একত্র করে বৃহত্তর বা অখণ্ড স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন। যার কারণে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ (১৩৪২-১৩৫৮ খ্রি.) বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।

- তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী বাঙালি নামে পরিচিত পায়। তিনি ইলিয়াস শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা। তার উপাধি ছিলো শাহ-ই বাঙালা ও শাহ-ই বাঙালিয়ান।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,৭৯১.
পূর্ব বাংলার নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান হয় কখন?
  1. দেশভাগের সময়
  2. পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে
  3. পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধানে
  4. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশের পর বিভিন্ন পর্যায় হতে দ্রুত সংবিধান রচনার দাবি উত্থাপিত হয়।
- বিশেষ করে পূর্ব বাংলার পক্ষ থেকে সংবিধান প্রণয়নের জোড়ালো দাবি ওঠে।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয়।
- এটি ছিল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার সংবিধান।
- এ সংবিধানের মাধ্যমে 'পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র' নাম ধারণ করে।
- পশ্চিমাঞ্চলের প্রদেশগুলোকে একত্রিত করে এক ইউনিট গঠন করা হয় এবং নামকরণ করা হয় পশ্চিম পাকিস্তান।
- পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান এর মাধ্যমে পূর্ব বাংলার নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান।
- সংবিধানে সকল বিষয়ে সংখ্যাসাম্য নীতি স্বীকৃতি হয়।
- বাংলা এবং উর্দুকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়া হয়।
- তবে এই সংবিধানের মাধ্যমে পূর্ব বাংলাকে কার্যত পশ্চিম পাকিস্তানের একটি উপনিবেশ হিসেবে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়।
- পূর্ব বাংলার সুশীল সমাজ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব পরিস্থিতি অনুধাবন করে প্রতিবাদে সোচ্চার হন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৭৯২.
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি কত বঙ্গাব্দ ছিল?
  1. ২২ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ
  2. ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৬ বঙ্গাব্দ
  3. ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ
  4. ১৩ ফাল্গুন, ১৩৫৬ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা

একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহস্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৪৪ ধারা ভাঙার পন্থা হিসেবে দশজন দশজন করে ছাত্র রাস্তায় মিছিল বের করবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত। 
- বেলা সোয়া তিনটার দিকে এম.এল.এ. এবং মন্ত্রীরা মেডিকেল কলেজের সামনে দিয়ে পরিষদে আসতে থাকেন।
-  এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন।
- ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়।
- তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১২,৭৯৩.
উপমহাদেশের অফিস আদালতে ফারসির বদলে ইংরেজি চালু হয় কত সালে?
  1. ১৮৩৫
  2. ১৮১৭
  3. ১৮২৪
  4. ১৮৩৭
ব্যাখ্যা

অফিস আদালতে ফারসির বদলে ইংরেজি চালু হয় ১৮৩৭ সালে।
- ইংরেজরা তাদের শাসন পাকাপোক্ত করার জন্য দেশের মধ্যে থেকে ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত একটি অনুগত শ্রেণি তৈরিতে কোন যোগ দেয়।
- লর্ড বেন্টিঙ্ক এদেশে ইংরেজি শিক্ষার সম্প্রসারণ এর পক্ষে লর্ড মেকলে নামের একটি ইংরেজী শিক্ষা নীতির প্রস্তাব করেন।
- ১৮৩৫ সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজ এবং বোম্বাই এলফিনস্টোন ইনস্টিটিউশন স্থাপিত করেন যার উচ্চ শিক্ষার মাধ্যম ছিল ইংরেজি।
- ১৮৪৫ চাকুরীতে ইংরেজি শিক্ষিতদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি প্রবর্তিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণি

১২,৭৯৪.
পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) শরৎচন্দ্র বসু
  2. খ) খাজা নাজিমউদ্দিন
  3. গ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন খাজা নাজিমউদ্দিন। তিনি ১৯৪৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
অন্যদিকে,
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ ‍মুখ্যমন্ত্রী।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১২,৭৯৫.
বর্তমানে বিসিবির সভাপতি কে? [ আগস্ট, ২০২৫]
  1. আমিনুল ইসলাম
  2. তামিম ইকবাল খান
  3. খালেদ মাহমুদ সুজন
  4. নিজাম উদ্দিন চৌধুরী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি হয়েছেন আমিনুল ইসলাম।
- ১৬তম সভাপতি হিসেবে বিসিবির দায়িত্ব নিয়েছেন জাতীয় দলের এই সাবেক অধিনায়ক।
- বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে দেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি করা আমিনুল জাতীয় দলে খেলেছেন এক যুগের বেশি সময় ধরে।
- জাতীয় দলের জার্সি গায়ে ১৩ টেস্ট ও ৩৯ ওয়ানডেতে খেলা আমিনুলের নেতৃত্বেই ১৯৯৯ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলে বাংলাদেশ।
- ২০০২ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেওয়ার পর দেশে কোচিং শুরু করেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

১২,৭৯৬.
উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান কতজন?
  1. ২জন
  2. ৩জন
  3. ১জন
  4. ৪জন
ব্যাখ্যা
• উপজেলা পরিষদ:
- উপজেলা পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
- স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ও স্বায়ত্তশাসনের অধিকার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় মোট ৪৯৫টি উপজেলা রয়েছে।

• ইতিহাস ও আইনগত ভিত্তি:
- উপজেলা ব্যবস্থা প্রথম চালু হয়: ১৯৮২ সালে
- স্থায়িত্ব না পাওয়ায় পরবর্তীতে এটি বিলুপ্ত হয়।
- পুনরায় প্রবর্তনের জন্য: উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন, ২০০৯ পাশ হয় (তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০০৯)

• উপজেলা পরিষদের গঠন:
- আইন অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ নিম্নোক্ত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়:
- চেয়ারম্যান – সরাসরি নির্বাচিত
- ২ জন ভাইস চেয়ারম্যান – একজন পুরুষ ও একজন নারী, সরাসরি নির্বাচিত
- ইউনিয়ন পরিষদের সকল চেয়ারম্যান
- পৌরসভার মেয়র (যদি উপজেলা এলাকায় পৌরসভা থাকে)
- সংরক্ষিত নারী সদস্যগণ – ইউনিয়ন ও পৌরসভার নারী প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে নির্বাচিত

- নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন:
- ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
- সংশ্লিষ্ট নারী সদস্য বা কাউন্সিলরগণ নিজেদের মধ্য থেকে এসব আসনে নির্বাচন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৭৯৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নিচের কোন দেশটি বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলো?
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. সৌদি আরব
  3. সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. গণচীন
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারত বাংলাদেশের পক্ষে জোরালো অবস্থান গ্রহণ করেছিলো।

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাবে ভেটো প্রদান করে।
এছাড়া অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহ, ইরাক, কানাডা প্রভৃতি দেশ বাংলাদেশকে সমর্থন করে।

অন্যদিকে,
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব, ইরান প্রভৃতি দেশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে।

পশ্চিমা দেশগুলোর গণমাধ্যমসমূহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে। তবে জাতিসংঘ কার্যকর ভূমিকা গ্রহণে ব্যর্থ হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,৭৯৮.
কোন পদটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  2. চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন
  3. চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
  4. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
ব্যাখ্যা

⇒ চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সাংবিধানিক পদ নয়।

সাংবিধানিক পদ:
- সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

⇒ সাংবিধানিক পদ:
• রাষ্ট্রপতি
• স্পিকার
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ
• ডিপুটি স্পিকার
• প্রধান বিচারপতি
• সংসদ সদস্য
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
• সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২,৭৯৯.
বিবিএস চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৩৭ শতাংশ
  2. ৩.৫৫ শতাংশ
  3. ৩.৩০ শতাংশ
  4. ৫.৫০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জিডিপির চূড়ান্ত প্রতিবেদন:
- GDP প্রবৃদ্ধির হার: ৪.২২%।
- কৃষি: ৩.৩০%,
- শিল্প: ৩.৫১%,
- সেবা: ৫.০৯%।

• GDP তে অবদান:
- কৃষি: ১১.১৯%,
- শিল্প: ৩৭.৩৭%,
- সেবা: ৫১,৪৪%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১২,৮০০.
সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য প্রয়োজন হয় -
  1. ক) ৭ দিন
  2. খ) ৯ দিন
  3. গ) ১৫ দিন
  4. ঘ) ২০ দিন
ব্যাখ্যা
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
- বিল দুই প্রকার। যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।

- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল - বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।