বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২৭ / ৩০৬ · ১২,৬০১১২,৭০০ / ৩০,৮৩২

১২,৬০১.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের মাধ্যমে কতটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটেছে?
  1. ৩টি
  2. ২টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টীয় প্রায় ৪ শতকের শুরুতে উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রথম গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- মগধ বা বরেন্দ্রের অধিপতি ছিলেন গুপ্তদের আদিপুরুষ শ্রীগুপ্ত।
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর একে একে সমুদ্রগুপ্ত, দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্য, ১ম কুমারগুপ্ত মহেন্দ্রাদিত্য, স্কন্ধগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের প্রবল পরাক্রান্ত শাসন লক্ষ করা যায়।
- তবে পরবর্তীকালের গুপ্ত শাসকগণ অপেক্ষাকৃত দুর্বল ছিলেন।
- তারপর হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

⇒ ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- সেই অস্থিতিশীল পরিবেশে বাংলাদেশে দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে।
- এর একটি হচ্ছে স্বাধীন 'বঙ্গ রাষ্ট্র', অপরটি 'গৌড় রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬০২.
'দেশ আজ বিশ্ব বেহায়াদের খপ্পরে'-এর চিত্রকর কে?
  1. ক) এস এম সুলতান
  2. খ) কামরুল হাসান
  3. গ) জয়নুল আবেদিন
  4. ঘ) রফিক আজাদ
ব্যাখ্যা
• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 
- 'দেশ আজ বিশ্ব বেহায়াদের খপ্পরে' স্কেচটির চিত্রশিল্পী- কামরুল হাসান
- 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' এই পোস্টারটির চিত্রশিল্পীও তিনি।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১২,৬০৩.
কোন ব্যাংক সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে?
  1. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  2. মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
  3. ব্র্যাক ব্যাংক
  4. ব্যাংক এশিয়া
ব্যাখ্যা

মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।

এছাড়াও, 
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

সূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১২,৬০৪.
সংবিধানের ১৩৪ নং অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন
  2. নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী
  3. কর্মের মেয়াদ
  4. অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৩৩ - নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী।
অনুচ্ছেদ ১৩৪ - কর্মের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ১৩৫ - অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি।
অনুচ্ছেদ ১৩৬ - কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১২,৬০৫.
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা-
  1. ক) ৪.৪ জন
  2. খ) ৫.০ জন
  3. গ) ৫.৪ জন
  4. ঘ) ৫.৫ জন
ব্যাখ্যা
- আদমশুমারির রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিলো ১৫.২৫ কোটি।।
- তখনকার হিসাবে জনসংখ্যার ঘনত্ব ৯৬৪ জন।
- নারী-পুরুষের অনুপাত ১০০ : ১০০.৩
- বাংলাদেশে হাউজহোল্ড প্রতি জনসংখ্যা বা খানা প্রতি জনসংখ্যা- ৪.৪ জন।
১২,৬০৬.
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি যে পরিষদের কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত-
  1. ক) এনইসি
  2. খ) বিসিইসি
  3. গ) নিকার
  4. ঘ) একনেক
ব্যাখ্যা
এনইসি হচ্ছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এনইসি কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত। দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ- এনইসি। জাতীয় অর্থনীতির নীতি নির্ধারণের সর্বোচ্চ ফোরাম- একনেক। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো- নিকার।
উৎসঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১২,৬০৭.
কোন দেশের সহায়তায় ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ প্রণীত হয়?
  1. ক) জাপান
  2. খ) নেদারল্যান্ডস
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
- ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি পানিসম্পদ কেন্দ্রিক একটি মহাপরিকল্পনা যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রণয়ন করা হয়েছে।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই থেকে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরুর মাধ্যমে ডেল্টা প্ল্যানের কার্যক্রমের শুরু হয়।
‍(তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং প্রথম আলো)
১২,৬০৮.
বাংলাদেশের সাথে নিচের কোন দেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ গত ৬ ডিসেম্বর ২০২০ প্রথম দেশ হিসেবে ভুটানের সাথে দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) স্বাক্ষর করেছে।
এর ফলে বাংলাদেশের ১০০টি ও ভুটানের ৩৪টি পণ্য পরস্পরের বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।
উৎসঃ Live MCQ সালতামামি, ২০২০।

১২,৬০৯.
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কোনটি?
  1. গোল্লাছুট
  2. কাবাডি
  3. ক্রিকেট
  4. ফুটবল
ব্যাখ্যা
কাবাডি:
- বাংলাদেশের জাতীয় খেলা 'কাবাডি'।
- কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় ১৯৭২ সালে।
- কোনো কোনো স্থানে কাবাডিকে আবার হাডুডু খেলাও বলে।
- এ খেলা গ্রামাঞ্চলে অধিকতর জনপ্রিয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে এশিয়ান অ্যামেচার কাবাডি ফেডারেশন গঠন করা হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয় এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১২,৬১০.
বাংলাদেশের জাতীয় শিশুনীতি অনুসারে শিশুর বয়স সীমা কত?
  1. ০-১৮ বছর
  2.  ০-৮ বছর
  3.  ১-২০ বছর
  4. ০-১২ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় শিশুনীতি অনুসারে,

• শিশুর সংজ্ঞা:
• শিশু: শিশু বলতে আঠারো বছরের কম বয়সী বাংলাদেশের সকল ব্যক্তিকে বুঝাবে।
• কিশোর কিশোরী: কিশোর কিশোরী বলতে ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে বুঝাবে।

• জাতীয় শিশুনীতি - ২০১১:
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ফেব্রুয়ারী, ২০১১ সালে জাতীয় শিশুনীতি প্রবর্তন করেন।

• পরিধি:
জাতীয় শিশু নীতি বাংলাদেশের নাগরিক সকল শিশুর ক্ষেত্রে বৈষম্যহীনভাবে প্রযোজ্য হবে।

• মূলনীতি:
-  বাংলাদেশের সংবিধান, শিশু আইন ও আন্তর্জাতিক সনদসমূহের আলোকে শিশু অধিকার নিশ্চিতকরণ।
- শিশু দারিদ্র বিমোচন।
- শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন ও বৈষম্য দূরীকরণ।
- কন্যা শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন ও বৈষম্য দূরীকরণ।
- শিশুর সার্বিক সুরক্ষা ও সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে শিশুদের অংশগ্রহণ ও মতামত গ্রহণ।

উৎস: জাতীয় শিশুনীতি - ২০১১।

১২,৬১১.
নভেরা আহমেদ কী হিসেবে পরিচিত?
  1. স্থপতি
  2. ভাস্কর
  3. নাট্যকার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

নভেরা আহমেদ:  
- নভেরা আহমেদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান ভাস্কর।
- বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর হিসেবে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নেন।
- ১৯৯৫ সালে তিনি ‘হিউমানিটি’ শিরোনামে একটি প্রশংসিত শিল্পকর্ম তৈরি করেন।
- তার আরেকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি ‘নিঃসঙ্গ’—১৯৮৯ সালে নির্মিত এটি বাংলাদেশের প্রথম নগ্ন নারী অবয়ব ভাস্কর্য বলে বিবেচিত।
- ২০১২ সালে আঁকা তার অন্যান্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘আত্মা’, ‘স্নান’ এবং ‘কক্সবাজার’।
- তার অসামান্য শিল্পকর্ম ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করে। 

সূত্র: প্রথম আলো ও বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট।

১২,৬১২.
কোন ঘটনার মাধ্যমে পাকিস্তান পূর্ব ও পশ্চিম দুই ভাগে বিভক্ত হয়?
  1. ১৯৫৬ এর শাসনতন্ত্র
  2. ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন
  3. ১৯৬২ এর শাসনতন্ত্র
  4. ১৯৫৮ এর সামরিক শাসন
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্রের মাধ্যমে পাকিস্তান পূর্ব ও পশ্চিম দুই ভাগে ভাগ হয়।

পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্ৰ:

- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর  শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন। 
- পাকিস্তান সৃষ্টির দীর্ঘ ৯ বছর পর শাসনতন্ত্র বিশেষজ্ঞগণ এ শাসনতন্ত্রটি প্রণয়ন করেছিলেন।
- পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোকে একত্রিত করে পশ্চিম পাকিস্তান এবং পূর্বাঞ্চল নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান বা পূর্ব বাংলা।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।


উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬১৩.
১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে সম্প্রচারিত “চরমপত্র” ধারাবাহিকটির পরিকল্পনাকারী কে?
  1. এম.আর আখতার মুকুল
  2. গাজী মাজহারুল ইসলাম
  3. আব্দুর রব চৌধুরি
  4. আবদুল মান্নান
ব্যাখ্যা

• স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র :
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়। এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- ১৯৭১-এর ৩০ মার্চ পাকিস্তান বিমান বাহিনী কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। ফলে এটি অচল হয়ে যায়।
- ২৫ মে তারিখ কেন্দ্রটি কলকাতায় স্থানান্তরিত হয় এবং একই দিনে সেখানে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন - আবদুল মান্নান ।
- এম.আর আখতার মুকুল, এর উপস্থাপক ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১২,৬১৪.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত করা হয় কবে?
  1. ১৪ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  2. ১৬ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  3. ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  4. ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামি করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২,৬১৫.
”স্বাধীনভাবে চলাফেরার ও মত প্রকাশ” নাগরিকের কী ধরনের অধিকার?
  1. রাজনৈতিক অধিকার
  2. অর্থনৈতিক অধিকার
  3. নৈতিক অধিকার
  4. সামাজিক অধিকার
ব্যাখ্যা

• নাগরিকের আইনগত অধিকার:
- যেসব অধিকার রাষ্ট্রের আইন কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত,সেগুলোকে আইনগত অধিকার বলে। আইনগত অধিকারকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- ক. সামাজিক খ. রাজনৈতিক ও গ. অর্থনৈতিক অধিকার।

• সামাজিক অধিকার:
- সমাজে সুখ-শান্তিতে বসবাস করার জন্য আমরা সামাজিক অধিকার ভোগ করি।
যেমন-
- জীবন রক্ষার,
- স্বাধীনভাবে চলাফেরার ও মত প্রকাশের,
- পরিবার গঠনের,
- শিক্ষার,
- আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ লাভের,
- সম্পত্তি লাভের;
- ধর্মচর্চার অধিকার ইত্যাদি।

• রাজনৈতিক অধিকার:
- নির্বাচনে ভোটাধিকার, নির্বাচিত হওয়া এবং সকল প্রকার অভাব-অভিযোগ আবেদনের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়াকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
- এসব অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

• অর্থনৈতিক অধিকার:
- জীবনধারণ করা এবং জীবনকে উন্নত ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকারকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।
যেমন-
- যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার অধিকার,
- ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার,
- অবকাশ লাভের অধিকার,
- শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১২,৬১৬.
১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণাকারী সংগঠন -
  1. ক) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
  2. খ) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  3. গ) সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি
  4. ঘ) স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার
• ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে বিকালে ছাত্রলীগ সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল ছাত্র জনসভা।
• এ সভায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ বঙ্গবন্ধুর সামনে পাঠ করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার এবং সভার ঘোষণাপত্র ও প্রস্তাব পাঠ করেন এম এ রশিদ।  
• ঘোষণাকারী সংগঠন - স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
• আর এ ইশতেহারে বলা হয়- ৫৪ হাজার ৫০৬ বর্গ মাইল বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকার সাত কোটি মানুষের জন্য আবাসভূমি হিসেবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ।
• একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ উপাধি দেওয়া হয়।
• পল্টনের এই সমাবেশ থেকে ঘোষণা করা হয় যে, ৪ মার্চ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন অর্ধবেলা হরতাল পালন করা হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
১২,৬১৭.
ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছাড়িয়ে দেয়?
  1. ক) দ্বিজাতিতত্ত্ব
  2. খ) অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
  3. গ) স্বজাত্যবোধ
  4. ঘ) বাঙালি জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলভিত্তি হচ্ছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। স্বাধীন বংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পেছনে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই তৎকালীন পূর্ব বাংলার গণতান্ত্রিক আন্দোলন সুসংহত হয় এবং অগ্রগতি লাভ করে। ভাষা আন্দোলনের চেতনাই জনগণের মধ্যে পরবর্তীকালে একাত্তরের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এক নতুন চেতনার উন্মেষ ঘটায় এবং এর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে।

উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং যুগান্তর
১২,৬১৮.
উপমহাদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা চালু করেন কে?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড বেন্টিঙ্ক
  3. রবার্ট ক্লাইভ
  4. লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
শিক্ষা সংস্কার:

- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয় কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। 
- বাংলা তথা উপমহাদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা চালুর কৃতিত্ব লর্ড বেন্টিঙ্কের।
- ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের চার্টার অনুযায়ী কোম্পানি শিক্ষার জন্য বছরে এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ করে।
- প্রথমে শুধু সংস্কৃত ও ফারসি ভাষায় শিক্ষা দান করা হতো।
- ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজি ভাষায় শিক্ষা দানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। 
- প্রতিষ্ঠিত হয় কোলকাতা মেডিকেল কলেজ, হুগলী কলেজ, ঢাকা কলেজ, কৃষ্ণনগর কলেজ, বহরমপুর কলেজ।
- প্রচলিত ভাষায় শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে আরবি, ফারসি, সংস্কৃত ভাষায় শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ব্যবস্থাও চালু করা হয়।
- ১৮৫৪ খ্রিস্টাব্দে চার্লস উডের শিক্ষা বিষয়ক নির্দেশ নামা (Education Despatch) প্রণয়ন করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬১৯.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে পুরুষ ও নারীর অনুপাত কত?
  1. ৯৮ : ১০০
  2. ১০০ : ১০৩
  3. ৯৮ :১০৩
  4. ১০০ : ৯৯
ব্যাখ্যা

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১২,৬২০.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র:
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত। 

⇒ দেশে বর্তমানে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে।
- এগুলো হলো: চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশে বর্তমানে মোট চা বাগান রয়েছে ১৭০টি।

উৎস: i) বাংলাদেশ চা বোর্ড।
         ii) প্রথম আলো।

১২,৬২১.
বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কয় স্তরবিশিষ্ট?
  1. ১ স্তর
  2. ২ স্তর
  3. ৩ স্তর
  4. ৪ স্তর
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্বশাসন:
- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় জনগণের ভোটে নির্বাচিত স্বশাসনের অধিকারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে থাকে।
- স্থানীয় সরকারের নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য থাকার কথা বলা হয়, যার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে স্বায়ত্বশাসন।
- সুতরাং স্থানীয় সরকার বলতে মূলত স্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকেই বোঝানো হয়।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও গ্রামাঞ্চলে তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।
- শহুরে স্থানীয় সরকার: সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা।
- পল্লী স্থানীয় সরকার: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬২২.
বাংলায় কররানি বংশ প্রতিষ্ঠা করেন -
  1. বায়েজিদ খান কররানি
  2. সালাউদ্দীন খান কররানি
  3. তাজ খান কররানি
  4. আলাউদ্দীন খান কররানি
ব্যাখ্যা
কররানি শাসন:
- কররানি উপাধিধারী আফগানরা হচ্ছে একটি আফগান গোত্র।
- কররানীদের আদি নিবাস ছিল আফগানিস্তানের বঙ্গাশ নামক স্থানে। বর্তমানে এটি কুররম নামে অভিহিত।
- পাঠানদের কররানী শাখা আফগানিস্তানে করলানি নামে পরিচিত।
- ১৫৬৪ সালে তাজ খান কররানি বাংলায় কররানি বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি এক সময় শেরশাহের অধীনে চাকরি করতেন।
- ১৫৬৫ সালে তিনি বাংলার অধিপতি হওয়ার এক বছরের মধ্যে মারা যান।
- তাঁর ভাই সুলেমান কররানি প্রায় সাত বছর বাংলার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- এই সময়ের মধ্যে তিনি বাংলাকে উত্তর-পূর্ব ভারতের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করেছিলেন।
- তাঁর আমলে বাংলায় অপেক্ষাকৃত সুশাসন ও শান্তি বিরাজ করেছে।
- সুলায়মান কররানীর জ্যেষ্ঠ পুত্র বায়েজীদ কররানী তাঁর উত্তরাধিকারী হন।
- তিনি তাঁর পিতার নীতি পরিহার করে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- বায়েজীদ কররানী মাত্র অল্প কয়েকমাস বাংলা শাসন করেন।
- ১৫৭৩ খ্রিস্টাব্দে বায়েজীদের কনিষ্ঠ ভ্রাতা দাউদ কররানীকে বাংলার সিংহাসনে অভিষিক্ত করেন।
- দাউদ তাঁর ভাইয়ের স্বাধীন নীতি অনুসরণ করে নিজের নামে খুৎবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলন করেন।
- ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ জুলাই রাজমহলের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। দাউদ কররানী বন্দি হন এবং তাঁকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়।
- দাউদ কররানীর মৃত্যুদন্ডের ফলে বাংলায় স্বাধীন মুসলিম শাসনের অবসান ও মুঘল শাসনের সূচনা হয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৬২৩.
NILG এর পূর্ণরূপ -
  1. National Industrial Local Group
  2. National Institute of Local Government
  3. National Identity Licence Guide
  4. National Information Local Government
ব্যাখ্যা
• NILG:
- NILG এর পূর্ণরূপ: National Institute of Local Government.
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালীকরণের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে জাতীয় স্থানীয় ইনস্টিটিউট NILG।
- এটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৬২৪.
স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ স্তর- 
  1. জেলা পরিষদ 
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. থানা পরিষদ
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা

- স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ স্তর- ইউনিয়ন পরিষদ।

• স্থানীয় সরকার:

- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হল কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্থানীয় প্রশাসন কেন্দ্রিয় সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।

উলেখ্য,
- শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২,৬২৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪ অনুসারে, পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. কুষ্টিয়া
  2. রংপুর
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪:
মোট পাট উৎপাদন: ৯৫,৮১,৫৮০ বেল।
মোট আবাদকৃত জমি: ১৭,৮৮,১১৩ একর।

বিভাগভিত্তিক সর্বোচ্চ উৎপাদন:
প্রথম: ঢাকা বিভাগ: ৩৫,৭৮,৩৪২ বেল।
দ্বিতীয়: খুলনা বিভাগ: ২৬,২৮,৩৪৮ বেল।

জেলাভিত্তিক সর্বোচ্চ উৎপাদন:
প্রথম: ফরিদপুর জেলা: ১২,৩৭,৩২০ বেল।
দ্বিতীয়: রাজবাড়ী জেলা: ৬,২১,৮৯৯ বেল।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪।
১২,৬২৬.
নিচের কোন দুইটি জেলাকে পদ্মা সেতু সংযুক্ত করেছে?
  1. শরীয়তপুর ও মাদারীপুর
  2. মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর
  3. শরীয়তপুর ও মুন্সিগঞ্জ
  4. মাদারীপুর ও শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার ও প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
১২,৬২৭.
উয়ারি-বটেশ্বর কত বছর পূর্বের প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন ও প্রাচীন দুর্গ?
  1. ক) ১০০০ বছর
  2. খ) ১৫০০ বছর
  3. গ) ২০০০ বছর
  4. ঘ) ২৫০০ বছর
ব্যাখ্যা
উয়ারি-বটেশ্বর:
⇒ অবস্থান: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অদূরে নরসিংদী জেলার বেলাব ও শিবচর উপজেলার ৪ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে উয়ারি এবং বটেশ্বর গ্রামের অবস্থান। উয়ারি ও বটেশ্বর পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ভিন্ন গ্রাম হলেও প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দেশন হিসেবে একসাথে উচ্চারণ করা হয় । গ্রাম দু'টি আশে-পশের সমতল ভূমি থেকে একটু উঁচু। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র এবং আড়িয়াল খাঁ নদীর সঙ্গমস্থলের কাছে কয়রা নদীর দক্ষিণ তীরে উয়ারি এবং বটেশ্বর গ্রামের অবস্থান। সম্প্রতি আবিষ্কৃত হলেও এটি ইতোমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থান হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

⇒ উৎপত্তি:
নব্যপ্রস্তর যুগের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নগর সভ্যতার গোড়াপত্তন হতে থাকে। মিশর, মেসোপটেমিয়া, সিন্ধু সভ্যতা অনুরূপ নগর সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত। মহাস্থানগড় এবং উয়ারি-বটেশ্বর হচ্ছে এর পরবর্তী প্রজন্মের নগর সভ্যতা। খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দে একটি দুর্গ নগর হিসেবে উয়ারি-বটেশ্বরের আত্মপ্রকাশ ঘটে বলে ধারণা করা হয়। গ্রিকো- রোমান গণিতবিদ টলেমি (Claudius Ptolemy, ১০০-১৭০খ্রি.) তাঁর Geographia গ্রন্থে উয়ারি-বটেশ্বরকে ‘সোনাগড়া’ বলে উল্লেখ করেছেন । তিনি ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডেও অনুরূপ কিছু প্রাচীন বাণিজ্যিক নগরীর উল্লেখ করেছেন। 
 
মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্গত এই জনপদে ২৫০০ বছর পূর্বে সমৃদ্ধ সংস্কৃতির স্ফূরণ ঘটেছিল। কিন্তু এ সভ্যতা আধুনিক গ্রামীণ সভ্যতার নিচে চাপা পড়েছিল দীর্ঘকাল ।
 
উৎস : সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬২৮.
২০২৩ সালের মার্চ মাসে কোন বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধুকে ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান করবে?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) চট্রগ্রাম  বিশ্ববিদ্যালয় 
  3. গ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় 
  4. ঘ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু:
-  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মান সূচক ‘ডক্টর অব লজ ডিগ্রি’ প্রদান করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
-  মুজিববর্ষ উপলক্ষে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মরণোত্তর এ ডিগ্রি প্রদান করা হবে। 
- এতে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জি।
 
এছাড়াও
- মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন, রচনা প্রতিযোগিতা, প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ, ‘বঙ্গবন্ধু ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক গ্রন্থ প্রকাশ করা হবে।

উৎস:দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা।
১২,৬২৯.
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানটির গীতিকার কে?
  1. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. আবদুল লতিফ
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা

- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানটির গীতিকার আবদুল গাফফার চৌধুরী।

• একুশের গান:
- আবদুল গাফফার চৌধুরীর অমর-কর্ম হলো ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে রচিত ‘একুশের গান’।
- গানটির প্রথম পঙ্‌ক্তি: “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো / একুশে ফেব্রুয়ারি / আমি কি ভুলিতে পারি”।
- হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ (১৯৫৩) সংকলন গ্রন্থে গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ; পরে আলতাফ মাহমুদ নতুন সুরারোপ করেন, যা বর্তমানে প্রচলিত।
- ‘রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বলতে বোঝানো হয়েছে যে, একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা।

১২,৬৩০.
BEPZA নিম্নের কোন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছে?
  1. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA)
  2. World intellectual Property Organization (WIPO)
  3. International Center for the Settlement (ICSID)
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
BEPZA:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority অথবা বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ।
- BEPZA হলো ইপিজেডগুলোতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ বৃদ্ধিও জন্য সরকার কর্তৃক ঘোষিত প্রতিষ্ঠান।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা।
- বাংলাদেশ সরকার দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচনের উদ্দেশ্যে শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) আইন ১৯৮০ (আইন নং-৩৬) এর মাধ্যমে "বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ" (বেপজা) গঠন করে।
- বেপজা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইপিজেড স্থাপনর্পবুক দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনয়ন, বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং প্রযুক্তি আহরণের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা সরকারের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য পুরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৮৩ সালে BEPZA (Bangladesh Export processing Zone Authority) কর্তৃক সর্বপ্রথম ইপিজেড (EPZ) প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে।

⇒ BEPZA বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছে। যথা:
- Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA) 
- World intellectual Property Organization (WIPO)
- International Center for the Settlement (ICSID)
- Overseas Private Investment Corporation (OPIC)। 

উৎস: i) আন্তর্জাতিক ব্যবসায়, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) BEPZA ওয়েবসাইট।
১২,৬৩১.
Which number should you dial to get information about government services? 
  1. 999
  2. 333
  3. 10678
  4. 911
ব্যাখ্যা

৩৩৩: নাগরিক সেবা হেল্পলাইন ৩৩৩
⇒ উদ্দেশ্য:
- জাতীয় তথ্য বাতায়নের সকল ওয়েবসাইটের তথ্য প্রদান;
- সকল সরকারি সেবা প্রাপ্তির পদ্ধতির তথ্য প্রদান;
- বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সম্পর্কিত তথ্য প্রদান;
- সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের তথ্য প্রদান;
- সামাজিক সমস্যা প্রতিকারে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নিকট অভিযোগ দাখিল;

এছাড়াও, বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস
- ১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার।
- ১৬৪৩০: সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার। 
- ১৬১২৩: কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন। 
- ১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ১৬২৬৩: বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য কল সেন্টার। 
- ১৬১০৮: মানবাধিকার সহায়ক কল সেন্টার। 
- ১৬২৫৬: আপনার ইউনিয়নের সকল তথ্য জানতে কল করুন ইউনিয়ন সহায়তামুলক কল সেন্টারে।
- ১৩১: বাংলাদেশ রেলওয়ে কল সেন্টার। 
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২,৬৩২.
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য কোনটি?
  1. আমরা তোমাদের ভুলব না
  2. দুর্জয় বাংলা
  3. স্বাধীনতা সংগ্রাম
  4. সাবাশ বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:

- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।
১২,৬৩৩.
কোন কমিশনের সুপারিশের প্রেক্ষিতে 'বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)' প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. এম.এ বারী শিক্ষা কমিশন
  2. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  3. বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
  4. ড. মুহাম্মদ কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস): 
- বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিতরণ ও প্রচারের একমাত্র সরকারি সংস্থা।
- ড. মুহাম্মদ কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশনের ১৯৭৪ সালে প্রণীত সুপারিশের প্রেক্ষিতে স্বাধীন বাংলাদেশে পৃথক একটি শিক্ষাতথ্য সংস্থা হিসেবে ‘বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৯৭৬-৭৭ অর্থ বৎসরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসাবে সংস্থাটি কাজ শুরু করে।
- পরবর্তীতে সংস্থাটি শিক্ষাক্ষেত্রে ধারাবাহিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে শিক্ষাতথ্য বিনির্মাণ ও সরবরাহ করে জাতীয় ও আন্তজার্তিক সংস্থাসমূহের কাছে সমাদৃত হয়েছে।
- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান কার্যক্রম ছাড়াও শিক্ষা সেক্টরে আই.সি.টি. প্রশিক্ষন ও আই.সি.টি. শিক্ষার প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

উৎস: ব্যানবেইস ওয়েবসাইট।

১২,৬৩৪.
বঙ্গবন্ধুর সরকার কতজন মুক্তিযােদ্ধাকে 'বীর বিক্রম' খেতাবে ভূষিত করে?
  1. ক) ১৭৫ জন
  2. খ) ১৭৪ জন
  3. গ) ১৭৬ জন
  4. ঘ) ১৭২ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
১২,৬৩৫.
উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা কোন বৈষম্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. শিক্ষা
  2. সাংস্কৃতিক
  3. চাকুরি
  4. সামাজিক
ব্যাখ্যা
সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বৈষম্য:

- পাকিস্তানের দু'অঞ্চলের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা।
- পূর্ব বাংলার অধিবাসীরা ছিল পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৫ শতাংশ।
- এদের ভাষা এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি ছিল হাজার বছরের পুরনো।
- অন্যদিকে পাকিস্তানের বাকি ৪৫ শতাংশ লোকের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি ছিল বিভিন্ন ধরনের।
- এদের মধ্যে মাত্র ৭.২ শতাংশ লোকের ভাষা ছিল উর্দু।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করতে চেষ্টা করে।
- উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা একটি সাংস্কৃতিক বৈষম্যে।
- এছাড়াও হাজার বছরের পুরনো বাঙালি জাতির সংস্কৃতিকে মুছে ফেলে বাঙালিদের পাকিস্তানি করণের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
- তাদের এই বৈষম্য বাঙালিরা মেনে নিতে পারেনি।
- তাই পূর্ব বাংলায় সাংস্কৃতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রথমে প্রতিবাদ এবং পরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৩৬.
বাংলাদেশের একমাত্র বালিকা উন্নয়ন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. কোনাবাড়ী
  2. টঙ্গী
  3. পুলেরহাট
  4. সাভার
ব্যাখ্যা

বালিকা উন্নয়ন কেন্দ্র: 
- বাংলাদেশের একমাত্র বালিকা উন্নয়ন কেন্দ্র গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ীতে অবস্থিত।
- এটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালিকা) নামে পরিচিত এবং কিশোর আদালত কর্তৃক প্রেরিত বা আইনের সংস্পর্শে আসা মেয়েশিশুদের পুনর্বাসন ও উন্নয়নের জন্য পরিচালিত হয়।
- কেন্দ্রটিতে ১৫০ জনের অনুমোদিত আসন থাকলেও বর্তমানে ৬৮ জন নিবাসী রয়েছে। 
- এটি সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় এবং আইন অনুযায়ী শিশুদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে কাজ করে।

উল্লেখ্য
- বাংলাদেশে মোট ৩টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে। 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক), টঙ্গী, গাজীপুর। 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালিকা), কোনাবাড়ী, গাজীপুর। 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক), পুলেরহাট, যশোর। 

সূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 

১২,৬৩৭.
বাংলাদেশে কর্মসংস্থান ব্যাংক চালু হয় কত সনে?
  1. ১৯৯৫ সনে
  2. ১৯৯৭ সনে
  3. ১৯৯৮ সনে
  4. ১৯৯৯ সনে
ব্যাখ্যা
কর্মসংস্থান ব্যাংক:
- সরকারি/বেসরকারি অন্যান্য বিশেষায়িত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার দেশের বেকার যুবদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৮ সালে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের প্রতিটি পরিবারে একজন সদস্যের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
- সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কর্মসংস্থান ব্যাংক এ দেশের যুবসমাজের বেকারত্ব দূরীকরণের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নিজেদেরকে আরো নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করতে বিগত অর্থ-বছরে দেশব্যাপী ৩৩টি আঞ্চলিক কার্যালয় ও ২৭৭টি শাখার মাধ্যমে ব্যাংকের ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- ব্যাংকের বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ১০০০.০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৫৫৯ কোটি টাকা।
- সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত পুঞ্জীভূতভাবে মোট ১৬,২৪৯.৭৫ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ এবং পুঞ্জিভুত ঋণ আদায় করা হয়েছে ১৪,৩৪০.১৪ কোটি টাকা।
- এ ঋণ সহায়তার মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে ১১,১১,৯১০ জন ঋণ গ্রহীতার কর্মসংস্থান হয়েছে। এছাড়া পরোক্ষভাবে উপকারভোগীর সংখ্যা ৪০,১৩,৯৯৫ জন। ২০২৩-২৪ অর্থ-বছরে ব্যাংক ২,৮৮৪.৫৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে।

তথ্যসূত্র - কর্মসংস্থান ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১২,৬৩৮.
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সন্দ্বীপে
  2. খ) হাতিয়ায়
  3. গ) ভোলায়
  4. ঘ) সাতক্ষীরায়
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ:
- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি  উপকূলবর্তী দ্বীপ।
- বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলার বশীরহাট থানার মধ্যকার হাড়িয়াভাঙ্গা নদী দ্বারা চিহ্নিত সীমান্ত রেখা বরাবর দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনায় অগভীর সমুদ্রে এ ক্ষুদ্র দ্বীপটি গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটি মূলত গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালীর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে।
- দ্বীপটির আকৃতি প্রায় গোলাকার এবং ভাটার সময় সমুদ্রের পানি নেমে গেলে এটিকে দেখতে অনেকটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির মতো মনে হয়।
- হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনা থেকে দ্বীপটির দূরত্ব প্রায় ২ কিলোমিটার।
- দক্ষিণ তালপট্টির সরাসরি উত্তরে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড তালপট্টি এবং দক্ষিণে উন্মুক্ত বঙ্গোপসাগর।
- দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার।
- ১৯৭০ সালের নভেম্বরে প্রলয়ঙ্করী  ঘূর্ণিঝড় গাঙ্গেয় বদ্বীপাঞ্চলের দক্ষিণ ভাগে আঘাত হানার ঠিক পর পরই দ্বীপটি প্রথম দৃষ্টিগোচর হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,৬৩৯.
বাংলাদেশ নিম্নের কোন দেশ থেকে ৯৮% পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাওয়ার নিশ্চয়তা পায়?
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) চীন
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ৯৮% পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেবে চীন। 
- এতে এখন থেকে চীনের বাজারে বাংলাদেশের ৮,৯৩০টি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। 
- ২০২০ সালে বাংলাদেশের ৯৭% পণ্যকে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেয় চীন, যা ওই বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।
- এর আওতায় বাংলাদেশের ৮৫৪৭টি পণ্য শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেয়েছে। অর্থাৎ, চীন বাংলাদেশের আরও ৩৮৩টি পণ্যকে নতুন করে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের মোট আমদানি ব্যয়ের এক-চতুর্থাংশ।
- একই সময়ে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৬৮১ মিলিয়ন ডলার। এটি আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৩.৪২% বেশি।  

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ওয়েবসাইট
১২,৬৪০.
দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ -
  1. উত্তরা, নীলফামারী
  2. মেঘনা, মুন্সিগঞ্জ
  3. আদমজী, নারায়ণগঞ্জ
  4. ঈশ্বরদী, পাবনা
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:

- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বেজা ওয়েবসাইট।
১২,৬৪১.
জিডিপির হিসাব নির্ণয়ে অন্তর্ভুক্ত হয় না-
  1. দেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের আয়
  2. রপ্তানি আয়
  3. প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে বা ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তাদের বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বলে।
• এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশে কর্মরত দেশি বিদেশি সকল নাগরিক ও কোম্পানির আয় অন্তর্ভুক্ত হয়।
• তবে বিদেশে কর্মরত সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিক ও কোম্পানির আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।
উৎসঃ অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,৬৪২.
’অদম্য বাংলা’ ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. মুস্তফা মনোয়ার
  4. গোপাল চন্দ্র পাল
ব্যাখ্যা

অদম্য বাংলা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য।
- এর স্থপতি শিল্পী গোপাল চন্দ্র পাল।
- ২০১১ সালে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১২ সালের জানুয়ারিতে তা শেষ হয়।
- অদম্য বাংলা’, ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ ও গৌরবময় ইতিহাসের এক জীবন্ত প্রতীক।
- ২৩ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যে পুরুষের পাশাপাশি এক নারীর বলিষ্ঠ ভঙ্গিমা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই যুদ্ধ ছিল সবার।

উৎস: প্রথম আলো।

১২,৬৪৩.
মুক্তিযুদ্ধে ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলা সদস্যরা কোন এলাকায় অপারেশন পরিচালনা করত?
  1. সীমান্ত এলাকায়
  2. চট্টগ্রাম
  3. ঢাকায়
  4. নদী অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
'ক্র্যাক প্লাটুন':
- মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
- এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
- ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- এরা "হিট এন্ড রান" পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো।
- এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন:
- শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, 
- মুক্তিযুদ্ধ ২ নং সেক্টর  ঢাকা, ফরিদপুর ।
- নদী অঞ্চল ১০ নং সেক্টর।
- চট্টগ্রাম ছিল ১ নং সেক্টর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।
১২,৬৪৪.
নিচের কোনটি সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল?
  1. ক) মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. খ) আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. গ) আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. ঘ) গার্মেন্টস শিল্প পার্ক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। যার মধ্যে সরকারি ৬৮টি এবং বেসরকারি ২৯টি।
• সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর (Bangabandhu Sheikh Mujib Shilpa Nagar)
- আনোয়ারা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Anowara Economic Zone)
- আড়াইহাজার অর্থনৈতিক অঞ্চল (Araihajazar Economic Zone)
- নারায়ণগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Narayanganj Economic Zone)
- আলুটিলা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (Alutila Special Tourism Zone)

• বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- মেঘনা অর্থনৈতিক অঞ্চল (Meghna Industrial Economic Zone)
- আব্দুল মোনেম অর্থনৈতিক অঞ্চল (Abdul Monem Economic Zone)
- গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (Garments Industries Park)

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট
১২,৬৪৫.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
  1. আহসান এইচ মনসুর
  2. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  3. এ. এন. হামিদুল্লাহ
  4. ফজলে কবির
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। (অক্টোবর, ২০২৫)
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১২,৬৪৬.
মুক্তিযুদ্ধে রাজশাহী জেলা কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ৬ নং
  2. ৭নং
  3. ৮ নং
  4. ৯ নং
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

- ১ নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। 
- ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। 
- ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। 
- ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। 
- ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। 
- ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,৬৪৭.
সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান- বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে? 
  1. ২৭ নং অনুচ্ছেদ 
  2. ১৭ নং অনুচ্ছেদ 
  3. ৪১ নং অনুচ্ছেদ 
  4. ১১ নং অনুচ্ছেদ 
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ, সংবিধান রচনার লক্ষ্যে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর, সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধান ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ১১টি ভাগ এবং ৭টি তফসিল নিয়ে গঠিত, যা দেশের প্রশাসনিক ও আইনগত কাঠামোকে সংজ্ঞায়িত করে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান সুরক্ষা লাভের অধিকারী। 
- এটি নিশ্চিত করে যে, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা অন্য কোনো পরিচয় নির্বিশেষে সবাই আইনের চোখে সমান এবং
- এবং সবাই সমান আইনি সাহায্য ও সুরক্ষা পাবে।

অন্যদিকে, 
• বাংলাদেশের সংবিধানে ১৭ নং অনুচ্ছেদে সকল শিশুর জন্য বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার কথা বলা আছে।

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪১- প্রত্যেক নাগরিককে তাদের নিজস্ব ধর্ম পালন, চর্চা বা প্রচারের অধিকার দেয়, তবে তা জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও অন্যান্য মৌলিক অধিকারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

• অনুচ্ছেদ ১১-তে প্রজাতন্ত্রকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়।
- এতে প্রশাসনের সব স্তরে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের নিশ্চয়তার কথা উল্লেখ আছে।
- যদিও চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এটি বাতিল হয়েছিল তবে পরবর্তীতে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আবার পুনঃস্থাপন করা হয়।

উৎস:
১. বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান;
২. পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬৪৮.
আদিনাথ মন্দির অবস্থিত কোথায়?
  1. ক) সেন্টমার্টিন
  2. খ) মহেশখালী
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) সীতাকুণ্ড
ব্যাখ্যা
কক্সবাজার শহর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার পশ্চিমে সাগরের মাঝে অবস্থিত একটি দ্বীপ মহেশখালী। মহেশখালী বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়িয়া দ্বীপ হিসেবে পরিচিত।
মহেশখালীতে রয়েছে হিন্দুদের তীর্থস্থান বিখ্যাত আদিনাথ মন্দির। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এ মন্দির সারা বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি পবিত্র স্থান।
প্রায় ৬০০ বছরের পুরনো এ প্রাচীন সভ্যতা দেখে যে কেউ মুগ্ধ হবেন।
উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১২,৬৪৯.
'মাৎস্যন্যায়' কী?
  1. অরাজকতার যুগ
  2. কুশাসনের সময়
  3. অসময়
  4. সুশাসনের সময়
ব্যাখ্যা
মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান:
- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়' নামে খ্যাত।
- মাৎস্যন্যায় একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হল অরাজক পরিস্থিতি।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হলেন।
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলা যেন পরিণত হয়েছিল মাছের রাজ্যে।
- শাসকের অভাবে সবল অত্যাচার করে দুর্বলের ওপর।
- মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কে মায়া, মমতা, সৌহার্দ্যের যে স্থান তা দখল করে নেয় হিংসা ও দ্বেষ। লামা তারানাথ লিখেছেন, সমগ্র দেশের কোনো রাজা ছিল না।
- এক চরম অরাজক পরিস্থিতিতে বাংলার ইতিহাসে অনেকটা ধূমকেতুর মতো গোপালের আবির্ভাব হয়।
- মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটান গোপাল।
- খালিমপুর তাম্রশাসনের বলা হয়েছে যে, মাৎস্যন্যায় দূর করার অভিপ্রায়ে প্রকৃতিগণ গোপালকে রাজা নির্বাচন করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৫০.
জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১৭ তম স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পান কে?
  1. মাসুদ বিন মোমেন
  2. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
  3. মো. জসীম উদ্দীন
  4. সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------- 
• জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পান — সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।

• জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি: 
- নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীকে সরকার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের নতুন স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।
- তিনি সেখানে মোহাম্মদ আব্দুল মুহিতের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
- বিসিএস (পররাস্ট্র ক্যাডার) ১৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন নোমান ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর থেকে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সূত্র- প্রথম আলো (২১ অক্টোবর ২০২৪)।
১২,৬৫১.
অপারেশন সার্চলাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. রাও ফরমান আলী
  3. জেনারেল এ এ কে নিয়াজি
  4. জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান অর্থাৎ মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
১২,৬৫২.
সোমপুর বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) জয়পুরহাট
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) নওগাঁও
  5. ঙ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার
 
দলগাছী উপজেলা তথা নওগাঁ জেলার সর্বাপেক্ষা গৌরবময় দর্শনীয় স্থান হলো সোমপুর বিহার বা পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার
• বর্তমান পাহাড়পুর ইউনিয়ন পরিষদের অর্ন্তগত পাহাড়পুর গ্রামে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত।
• পাহাড়পুর নামটি আধুনিক এর প্রাচীন নাম সোমপুর।
• বাংলাদেশে সপ্তম শতাব্দিতে (৭৭০ - ৮১০ খ্রি:) বৌদ্ধ ধর্মীয় পাল রাজ বংশের প্রতিষ্ঠা হয়।
• বৌদ্ধ ধর্মের চরম উৎকর্ষতার যুগেতাদেরই পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে এই পাহাড়পুর বিহার ও মন্দির গড়ে ওঠে।
• ঐতিহাসিক ও ভৌগলিক কারণে এই মহাবিহারটি ধ্বংসস্তুপে পরিনত হলেও আজও এই অপূর্ব বিহারটি এশিয়ার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ বৌদ্ধ বিহার বলে সগৌরবে দন্ডায়মান।
•   অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান বেশ কয়েক বছর এখানে অতিবাহিত করেন। এখানে বসে তিনি তিববতী ভাষায় ‘মাধ্যমক রত্নপ্রদীপ’ অনুবাদ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১২,৬৫৩.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য কোথায় শুরু হয়?
  1. লাহোর সুপ্রিম কোর্ট
  2. ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
  3. করাচি দায়রা জজ আদালত
  4. ঢাকা দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:

- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৫৪.
কোনটি আলুর উন্নত জাত?
  1. রূপালি
  2. ডায়মন্ড
  3. মহানন্দা
  4. সুমাত্রা
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

১২,৬৫৫.
২০২২ সালে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় রোকেয়া পদক লাভ করেন -
  1. ক) ফরিদা ইয়াসমিন
  2. খ) কামরুন নাহার বেগম
  3. গ) নাছিমা বেগম
  4. ঘ) রহিমা খাতুন
ব্যাখ্যা
রোকেয়া পদক – 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য পাঁচজন বিশিষ্ট নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২২’ প্রদান করেন। তিনি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া দিবস-২০২২ ও বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠান ২০২২ উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে পাঁচ নারীর হাতে পদক তুলে দেন। 
 
বেগম রোকেয়া পদক-২০২২ প্রাপ্তরা হলেন:
১. নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা: অধ্যাপক কামরুন নাহার বেগম (এডভোকেট), চট্টগ্রাম 
২. নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন: ফরিদা ইয়াসমিন (জন্মস্থান খুলনা), সাতক্ষীরা 
৩. সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণ: ড. আফরোজা পারভীন, নড়াইল
৪. পল্লী উন্নয়ন: নাছিমা বেগম, ঝিনাইদহ
৫. নারী শিক্ষা: রহিমা খাতুন, ফরিদপুর
১২,৬৫৬.
তমুদ্দিন মজলিশের প্রকাশিত মুখপত্র ছিল কোনটি? 
  1. গণকন্ঠ
  2. সৈনিক
  3. কন্ঠধ্বনি
  4. ইত্তেহাদ
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো সাপ্তাহিক 'সৈনিক' পত্রিকা।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।
- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণী। 

১২,৬৫৭.
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে কোন পদকে ভূষিত করে?
  1. বিশ্ব সংহতি পুরস্কার
  2. ম্যাগসেসে পুরস্কার
  3. জুলিও কুরি পুরস্কার
  4. মাদামকুরি পুরস্কার
ব্যাখ্যা
জুলিও কুরি শান্তি পদক:
 
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।
 
তথ্যসুত্র - কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
১২,৬৫৮.
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা কত টাকা?
  1. ৩ লক্ষ টাকা
  2. ৩.৫ লক্ষ টাকা
  3. ৪.০ লক্ষ টাকা
  4. ৪.৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা:
- সাধারণ করদাতা : ৩ লক্ষ টাকা।
- মহিলা, ৬৫ বছর উর্ধ্ব এবং তৃতীয় লিঙ্গ : ৩.৫ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধি করদাতা : ৪.৫ লক্ষ টাকা।
- যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা : ৪.৭৫ লক্ষ টাকা।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১২,৬৫৯.
মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে-
  1. ক) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
  3. গ) ১৯৭১ সালের ২৭ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ২২ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।
-পরবর্তীকালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়।
- এ সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শেখ মুজিবুর রহমানের নামানুসারে বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।

তথ্যসূত্র: - ইতিহাস তৃতীয় পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৬০.
রাজা রামমোহন আত্মীয়সভা গঠন করেন কেন?
  1. ক) পারস্পারিক সম্পর্ক বৃদ্ধির জন্য 
  2. খ) সামাজিক সংস্কার সাধন কল্পে
  3. গ) ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের জন্য
  4. ঘ) জনগণকে নিজের মত চাপিয়ে দেওয়ার জন্য
ব্যাখ্যা
•রাজা রামমোহন রায়:
- হিন্দুধর্মের সংস্কার তথা নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘আত্মীয় সভা’ নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্যস প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- আধুনিক ভারতের রূপকার রাজা রামমোহন রায়
- ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে ২০ আগস্ট তিনি ব্রাহ্মসমাজের উপাসনালয় স্থাপন করেন।
- ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে প্রস্তাবিত সরকারি সংস্কৃত কলেজের প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন। 
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- বেদান্তসূত্র বেদান্তসারসহ উপনিষদের অনুবাদ প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২,৬৬১.
সম্প্রতি লবণ সহিষ্ণু সয়াবিনের কয়টি জাত উৎপন্ন হয়েছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
লবণ সহিষ্ণু সয়াবিন:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরকৃবি) বিজ্ঞানীরা সয়াবিনের লবণ সহিষ্ণু উচ্চফলনশীল দু’টি জাত উদ্ভাবন করেছেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগ ‘বিইউ সয়াবিন-৩ ও বিইউ সয়াবিন-৪’ নামের এ দু’টি জাত অতি সম্প্রতি উদ্ভাবন করে।
- উদ্ভাবিত এ সয়াবিনে তেল, ভিটামিন এ,বি,সি, ও কে, এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে খনিজ পদার্থ থাকে।
- এতে যথেষ্ট পরিমাণ আইসোফ্ল্যাভিন্স থাকে যা এন্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে ক্যান্সারের ঝুঁকি, উচ্চ রক্তচাপ ও এলডিএল কোলেস্টারল কমানোসহ হৃদরোগ, মহিলাদের ‘মেনোপ্যাসাল সিম্পটম’, অবসাদ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে শ্লথ করাসহ বহুবিধ রোগের প্রতিশেধক হিসেবে কাজ করে।
- এতে বিদ্যমান ভিটামিন-কে হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপযোগী।

উৎস: ২২ আগস্ট, ২০২৩, নয়া দিগন্ত।
১২,৬৬২.
২৫ শে মার্চের নৃশংস গণহত্যার খবর চাপা দিতে কত জন বিদেশি সাংবাদিককে আটক করা হয়েছিলো?
  1. ১৫ জন
  2. ২২ জন
  3. ২৫ জন
  4. ৩০জন
ব্যাখ্যা
২৫ শে মার্চের নৃশংস গণহত্যা:
- ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় ঢাকা ত্যাগ করেন। 
- যাবার আগে সেনাবাহিনীকে পূর্বপাকিস্তানিদের উপর আক্রমণের নির্দেশ দিয়ে যান। 
- ইয়াহিয়া খানের নির্দেশ মোতাবেক গভর্নর টিক্কা খানের ঘাতক সৈন্যরা ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় গণহত্যার তাণ্ডবলীলা চালায় । 
- এই গণহত্যা চলেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়, পুরনো ঢাকায়, কচুক্ষেত, তেজগাঁও, ইন্দিরা রোড, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ঢাকা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে, রায়ের বাজার, ধানমন্ডি, কলাবাগান, কাঁঠালবাগানসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে। 
- ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় গণহত্যা শুরু হলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তা ওয়্যারলেসযোগে চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেন। 
- নৃশংস গণহত্যার সংবাদ যাতে বিদেশে ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্য ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২৫ জন বিদেশি সাংবাদিককে আটক করা হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৬৩.
'গারো উপজাতি' বাংলাদেশের কোন জেলায় বাস করে?
  1. দিনাজপুর
  2. নেত্রকোনা
  3. রাঙ্গামাটি
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
গারো: 
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে। এদের সংখ্যা প্রায় দেড়লক্ষ।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে। 

এছাড়াও, 
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।
- গারোদের প্রথাগত আইন অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী মেয়েরা।  
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১২,৬৬৪.
স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর সরকার দেশের সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার জন্য কত সালে “প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি)” গঠন করে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা

পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়।
এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭২) নামে একটি কমিটি গঠন করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী (মুজাফফর আহমদ চৌধুরী) ছিলেন এই কমিটির প্রধান।
চাকরি কাঠামো সম্পর্কে কমিটির সুপারিশ ছিল এই যে,
(ক) সাবেক অল পাকিস্তান সার্ভিস, অন্যান্য কেন্দ্রীয় সুপিরিয়ার সার্ভিস এবং সাবেক প্রাদেশিক সার্ভিসের মধ্যকার পার্থক্য বিলোপ করতে হবে। উচ্চতর ও নিম্নতর শ্রেণীগুলোর মধ্যকার পার্থক্যও বিলোপ করতে হবে এবং প্রত্যেক পেশার গ্রুপে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন গ্রেডিং প্রথা চালু করতে হবে;
(খ) বিভিন্ন গ্রুপের জন্য পদ সংরক্ষণের বর্তমান ব্যবস্থাও বিলোপ করতে হবে; এবং
(গ) সকল সিভিল সার্ভেন্টকে একটি একক শ্রেণীহীন গ্রেডিং কাঠামোয় সংগঠিত করতে হবে। সমস্ত সার্ভিস এই কাঠামোর আওতায় থাকবে যেখানে দক্ষতা ও দায়িত্বের বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উপযুক্ত সংখ্যক ভিন্ন ভিন্ন বেতন স্তর থাকবে এবং প্রতিটি পদের সঠিক গ্রেডিং সেই পদের বিশ্লেষণের দ্বারা নির্ধারিত হবে।
তবে এই সুপারিশগুলো কার্যকর করা হয় নি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।

১২,৬৬৫.
বাংলা কবে মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত হয়?
  1. ১৫৭৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫৭৭ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৭৮ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• বাংলা অধিকার:
 → ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলার শেষ আফগান শাসক দাউদ খান কররানি মোগল সেনাবাহিনীর হাতে রাজমহলের যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হলে বাংলা মোগল সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।
→ তবে ঢাকাসহ পূর্ব বাংলার কয়েকজন প্রভাবশালী জমিদার মোগল বাদশার আনুগত্য অস্বীকার করে সতের শতকের প্রথম দশক পর্যন্ত স্বাধীনভাবে রাজত্ব করেন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৬৬.
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কোন দেশ পাকিস্তানের পক্ষে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে?
  1. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধকালীন বৃহৎশক্তি সমূহ:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়।

- এই প্রস্তাব তিনবার উত্থাপিত হয়।
- কিন্তু প্রতিবারই সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় সেই প্রস্তাবে ভেটো প্রদান করে।
- ফলে পাকিস্তানপন্থী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।

১২,৬৬৭.
বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক অধিকার বিষয়ক কয়টি আর্টিকেল রয়েছে?
  1. ২০টি
  2. ১৯টি
  3. ১৮টি
  4. ২২টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- জনগণের মৌলিক অধিকারের উৎস হলো সংবিধান।
- সংবিধান জনগণের মৌলিক অধিকারের রক্ষক।
- সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার এবং অধিকারের নিশ্চয়তার বিধান সন্নিবেশিত থাকে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানে তফসিল আছে ৭টি, সংবিধানে মূলনীতি আছে ৪টি, সংবিধানে প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগের বিষয়বস্তু মৌলিক অধিকার।
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬নং থেকে ৪৭নং পর্যন্ত মোট ২২টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- উল্লেখ্য যে, ৩০ নং অনুচ্ছেদটি মৌলিক অধিকার বিষয়ক নয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,৬৬৮.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় - 
  1. ১৩ ফাল্গুন ১৩৭৮ বঙ্গাব্দে
  2. ১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে
  4. ১৮ কার্তিক ১৩৭৮ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
-বসংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ১৮ কার্তিক ১৩৭৯ বঙ্গাব্দে ও ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।

উৎস - বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,৬৬৯.
মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১১.২ কি.মি
  2. ১২.২ কি.মি
  3. ১১.৮ কি.মি
  4. ১২.৮ কি.মি
ব্যাখ্যা
• মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের র‍্যাম্পসহ দৈর্ঘ্য — ১১.৮ কি.মি.।

• মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার: 
- এই ফ্লাইওভারটি ব্যবহার করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা যেমন যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, কমলাপুর, মতিঝিল ইত্যাদি এলাকায় যাতায়াত করা যায়।
- দৈর্ঘ্য: ১১.৮ কিলোমিটার
- অবস্থান: ঢাকা শহরের কেন্দ্রীয় অংশে অবস্থিত, যা নগরীর যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- উদ্বোধন: ২০১৩ সালের ১১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ফ্লাইওভারটি উদ্বোধন করেন।
- নামকরণ: ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

ঢাকায় নির্মিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইওভার হলো:
• মিরপুর-বিমান বন্দর ফ্লাইওভার,
• মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার,
• কুড়িল ফ্লাইওভার,
• মহাখালী ফ্লাইওভার,
• বনানী ফ্লাইওভার,
• তেজগাঁও লিংক ফ্লাইওভার,
• খিলগাঁও ফ্লাইওভার। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, dailyinqilab
১২,৬৭০.
বিবিএস-এর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান - [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১১.১২ শতাংশ
  2. ১১.৪৪ শতাংশ
  3. ১১.৬২ শতাংশ
  4. ১১.৭৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ।

⇒ সর্বশেষ মে, ২০২৫-এ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

১২,৬৭১.
ওলন্দাজরা কোন দেশের অধিবাসী?
  1. ক) আইসল্যান্ড
  2. খ) নিউজিল্যান্ড
  3. গ) হল্যান্ড
  4. ঘ) ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ওলন্দাজ ও দিনেমার:-
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- তারা ‘ডাচ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠন করে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ১৬০২খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে আসে।
- তারা কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া, বাকুড়া, বলাসোর, কাশিমবাজার এবং বরানগরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- কিন্তু অপর ইউরোপীয় শক্তি ইংরেজদের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়-বাণিজ্য নিয়ে বিরোধ শুরু হয় এবং একই সঙ্গে তারা বাংলার শাসকদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে।
- ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা বিদরার যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
- ফলে ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে শেষ পর্যন্ত সকল বাণিজ্যকেন্দ্র গুটিয়ে তারা এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।
- ওলন্দাজদের মতোই দিনেমার বা ডেনমার্কের অধিবাসী একদল বণিক বাণিজ্য করার জন্য ‘ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠন করে।
- ১৬২০ খ্রিস্টাব্দে তারা দক্ষিণ ভারতের ত্রিবাঙ্কুর এবং ১৬৭৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলার শ্রীরামপুরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- কিন্তু এদেশে লাভজনক ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়ে ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্যিক সফলতা ছাড়াই দিনেমাররা এদেশ ত্যাগ করে। 

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২,৬৭২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সর্বাধিক আমদানি করা শিল্পজাত পণ্য কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. তুলা
  3. সার
  4. সুতা
ব্যাখ্যা

-বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী      

• বাংলাদেশের আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য:

ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ:
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১২,৬৭৩.
ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. মোহাম্মদ আলী
  3. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. খাজা নাজিমউদ্দীন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। 
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।

১২,৬৭৪.
মহাস্থবীর শিলভদ্র কোন মহাবিহারের আচার্য ছিলেন?
  1. আনন্দ বিহার
  2. নালন্দা বিহার
  3. গোসিপো বিহার
  4. সোমপুর বিহার
ব্যাখ্যা
◉ মহাস্থবীর শিলভদ্র নালন্দা মহাবিহারের আচার্য ছিলেন।

নালন্দা মহাবিহার:
- প্রাচীন ভারতের খ্যাতনামা বৌদ্ধ মহাবিহার নালন্দা।
- নালন্দা মহাবিহার সাত শতকে প্রসিদ্ধি অর্জনকারী বৌদ্ধ শিক্ষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্র।
- ধারণা করা হয়, গুপ্ত সম্রাটরা এ মহাবিহারের নির্মাতা।
- পঞ্চম শতাব্দী থেকে ১২০০ শতাব্দী পর্যন্ত এটি ছিল একটি বিখ্যাত শিক্ষাকেন্দ্র।
- বিহার প্রদেশের পাটনা থেকে ৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং বিহার শরিফ শহরের কাছে এর অবস্থান।
- বিহারটি সম্পর্কে জানা যায় পর্যটক জুয়ান জাং ও ইজিংয়ের লেখা ভ্রমণ-বিবরণী থেকে।
- তাঁরা সপ্তম শতাব্দীতে নালন্দায় ভ্রমণ করেন।
- চৈনিক তীর্থযাত্রী হিউয়েন-সাং পড়াশোনার জন্য এখানে কয়েক বছর অতিবাহিত করেন।
- নালন্দার পন্ডিতগণ ছিলেন স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিখ্যাত।
- হিউয়েন-সাং যখন নালন্দায় ছিলেন তখন বাঙালি বৌদ্ধ ভিক্ষু শীলভদ্র ছিলেন এর অধ্যক্ষ।
- শীলভদ্র সমতটের প্রথম প্রধান দার্শনিক।
- শীলভদ্র সন্ন্যাস জীবন শুরুর পূর্বেই যুক্তিবিদ্যা, ভাষাতত্ত্ব, সাংখ্যদর্শন ও ধর্মশাস্ত্রে অধ্যয়ন করেন।
- শীলভদ্র ছিলেন সর্বপ্রথম বাঙালি বৌদ্ধ শিক্ষক যিনি বাংলার বাইরে এরূপ দুর্লভ সম্মান অর্জন করেন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বিহারটি ইউনেসকো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,৬৭৫.
ঐতিহাসিক ছয় দফার তৃতীয় দফা কী ছিল?
  1. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা - প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌,
- দ্বিতীয় দফা - কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা - মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা - রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা - বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা - আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৭৬.
বাংলাদেশ বেতারের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. রামপুরা
  2. আগারগাঁও
  3. শাহবাগ
  4. গুলিস্তান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বেতারের সদরদপ্তর ঢাকার শেরে বাংলা নগর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
সর্বপ্রথম ১৯৩৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর নাজিমউদ্দিন রোডে অল ইন্ডিয়া রেডিও নামে বাংলাদেশ বেতারের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৬০ সালে তা শাহবাগে স্থানান্তর হয়। ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই বেতারের সম্প্রচার কার্যক্রম শাহবাগ থেকে শেরে বাংলা নগরে জাতীয় বেতার ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
২০১৭ সালে বাংলাদেশ বেতারের সদরদপ্তর শাহবাগ থেকে শেরে বাংলা নগর আগারগাঁওয়ে স্থানান্তর করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বেতার ওয়েবসাইট)
১২,৬৭৭.
মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
  5. ঙ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯।
১২,৬৭৮.
বিধবা বিবাহ প্রচলনে কোন মনীষী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. ক) রাজা রামমোহন রায়
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঘ) স্বামী বিবেকানন্দ
ব্যাখ্যা
সাহিত্য সাধনার পাশাপাশি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সমাজ সংস্কারেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ প্রচলন এবং বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধকরণে সংগ্রাম করেন।

তার প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালে লর্ড ডালহৌসি বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তার ছেলের বিয়ে দেন একজন বিধবা'র সাথে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১২,৬৭৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামি জাহাজ ‘এমভি আনসু’ কোন দেশে রপ্তানি হয়েছে?
  1. জার্মানি
  2. ডেনমার্ক
  3. ফ্রান্স
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
এমভি আনসু:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামি জাহাজ ‘এমভি আনসু’ জার্মানিতে রপ্তানি হয়েছে। 
- জাহাজটি কিনেছে জার্মান কোম্পানি এইচএস সিফার্টস জিএমবিএইচ অ্যান্ড কোং কেজিএমএস।

উল্লেখ্য,
- আনসু ৫৫০০ ডিডব্লিউটিএ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মাল্টি পারপাস মালবাহী জাহাজ।
- জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট, গভীরতা ২৪ দশমিক ২৭ ফুট, ইঞ্জিনের ক্ষমতা ২৭৫০ হর্সপাওয়ার এবং ঘন্টায় গতিবেগ ১২ নটিক্যাল মাইল।
- ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ ‘স্টেলা মারিস’ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড শিপওয়েজ লিমিটেড। 
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।
১২,৬৮০.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১৩৮ নং
  2. ১৪০ নং
  3. ১৪১ নং
  4. ১৩৭ নং
ব্যাখ্যা
কর্ম কমিশন নিয়ে সংবিধানের আলোচ্য বিষয়:
- অনুচ্ছেদ ১৩৭ - কমিশন-প্রতিষ্ঠা।

- অনুচ্ছেদ ১৩৮ - সদস্য-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ১৩৯ - পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৪০ - কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।


বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:

- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন কবে গঠিত হয় ৮ এপ্রিল, ১৯৭২।
- কর্ম কমিশন দিবস পালন করা হয় ৮ এপ্রিল।
- বর্তমানে ১৪ টি সাধারণ ও ১২ টি পেশাগত/কারিগরি, সর্বমোট ২৬ টি ক্যাডার রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১২,৬৮১.
কোন বাজেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত ব্যয়ের অনুমোদন নেওয়া হয়?
  1. সুষম বাজেট
  2. উন্নয়ন বাজেট
  3. সম্পূরক বাজেট
  4. ঘাটতি বাজেট
ব্যাখ্যা

বাজেট:
- বাজেট হচ্ছে একটি দেশের এক বছরের সম্ভাব্য সব আয়-ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব-নিকাশের বিবরণী।
- কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে কতটুকু আয় প্রাপ্তির আশা করে এবং বিভিন্ন খাতে কী পরিমাণ ব্যয় করতে চায়, তার সুবিন্যস্ত হিসাবকে সরকারি বাজেট বলে।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে এক অর্থবছর, যা ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ধরা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে বাজেট শব্দটি ব্যবহারের পরিবর্তে সমরূপ শব্দ ‘বার্ষিক আর্থিক বিবরণী’ ব্যবহার করা হয়েছে।

• সম্পূরক বাজেট:
- কোন খাতে ব্যয়ের জন্য যে টাকা বরাদ্দ করা হয় তার চাইতে বেশি ব্যয় হলে তার অনুমোদন করতে যে বিল পাশ করা হয় তাকে সম্পূরক বাজেট বলে।
- যেকোন আর্থিক বছরের শেষে এই বাজেট করা হয়। 

• সুষম বাজেট:
- যে বাজেটে আয় ও ব্যয়ের পরিমান সমান থাকে তাকে সুষম বাজেট বলে।

• অসম বাজেট:
- যে বাজেটে আয় ও ব্যয় সমান থাকে না তাকে অসম বাজেট বলে। অসম বাজেট আবার দুই প্রকার; যথা, উদ্বৃত্ত বাজেট এবং ঘাটতি বাজেট।

ক. উদ্বৃত্ত বাজেট:
- যে বাজেটে ব্যয়ের চেয়ে আয়ের পরিমাণ বেশি ধরা হয় তাকে উদ্বৃত্ত বাজেট বলা হয়।

খ. ঘাটতি বাজেট:
- যে বাজেটে আয়ের চেয়ে ব্যয়ের পরিমাণ বেশি ধরা হয় তাকে ঘাটতি বাজেট বলে।

উৎস: অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬৮২.
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের নতুন নাম কী রাখা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম
  2. বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী নুর মুহাম্মদ শেখ ক্রিকেট স্টেডিয়াম
  3. বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ক্রিকেট স্টেডিয়াম
  4. বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ ক্রিকেট স্টেডিয়াম
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের নাম বদলে করা হয়েছে জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা।
- আরও দুটি আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের নতুন নাম হয়েছে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
- নারায়ণগঞ্জের খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামের নাম বদলে হয়েছে শহীদ রিয়া গোপ ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

উৎস: প্রথম আলো (২৩ মার্চ ২০২৫)
১২,৬৮৩.
বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ কোনটি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ চীন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।

⇒ আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১২,৫৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৮.৪৬%)।
- ভারত: ৫,৯১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.৪২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৯৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৫১%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৬%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৫%)।
- জাপান: ১,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.০৫%)।
- দক্ষিণ কোরিয়া: ৭৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৭০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২,৬৮৪.
Blue Chips শব্দটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. বাজি খেলায়
  2. খুচরা বাজার 
  3. স্থানীয় বাজার
  4. শেয়ার বাজার
ব্যাখ্যা

Blue Chips:
- 'Blue Chips' শব্দটি শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন কোম্পানির শেয়ারকে বোঝায় যারা আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, দীর্ঘদিন ধরে লাভজনক, বাজারে সুনামধন্য এবং স্থিতিশীল।
- Blue Chip হলো শেয়ার বাজারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির শেয়ার।
- এগুলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।
- অর্থনৈতিক মন্দা বা সংকটের সময়ও এদের শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে কম ওঠানামা করে। উদাহরণ: Apple, Microsoft, Amazon, Coca-Cola, Google, Johnson & Johnson। বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, স্কয়ার ফার্মা, ইউনিলিভারকে Blue Chip বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিটানিকা।

১২,৬৮৫.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ১দফা ঘোষণা হয় কত তারিখে?
  1. ৩১ জুলাই
  2. ২ আগস্ট
  3. ৩ আগস্ট
  4. ৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা
• ৩ আগস্ট ২০২৪ :
- কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ঘোষণা করেন যে তাদের সরকারের সাথে আলোচনার কোন পরিকল্পনা নেই এবং হাসিনার পদত্যাগ এবং ‘সবার কাছে গ্রহণযোগ্য’ একজন ব্যক্তির নেতৃত্বে ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের দাবিতে লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- হাসিনা আলোচনার প্রস্তাব দিলেও ছাত্ররা তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে।
- বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে, প্রধান সমন্বয়কদের একজন নাহিদ ইসলাম শহিদ মিনারে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে বক্তৃতা করেন, যেখানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রিসভার পদত্যাগের জন্য একক দাবি ঘোষণা করে এবং আহ্বান জানায়। 

উল্লেখ্য,
• জুলাই গণঅভ্যুত্থান/ জুলাই বিপ্লব:
-জুলাই গণঅভ্যুত্থান/ জুলাই বিপ্লব নামে পরিচিত ছাত্র-জনতার আন্দোলন হচ্ছে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক গণঅভ্যুত্থান যা ২০২৪ সালের ৫ জুন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অগণিত প্রাণ বিসর্জন দেয়ার মধ্য দিয়ে বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।
- ঐতিহাসিক এই বিপ্লবের বিজয়ের ধারার সূচনা হয়েছিল সরকারি চাকুরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবির আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
- এটি পরে সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে আরো প্রবল হয়ে উঠেছিল যা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চূড়ান্ত রূপ লাভ করে শেখ হাসিনার পদত্যাগের মাধ্যমে।

উৎস: বাসস।
১২,৬৮৬.
বাংলাদেশের সাথে নিচের কোন দেশটির বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বিদ্যমান?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জাপান
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
- অপশনসমূহের মধ্যে যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে উদ্বৃত্ত বিদ্যমান। অর্থাৎ বাংলাদেশ যুক্তরাজ্য থেকে আমদানির তুলনায় রপ্তানি করে বেশি।
অন্যদিকে,
- ভারত, সিঙ্গাপুর ও জাপানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান।
- বাংলাদেশের সর্বাধিক বাণিজ্য ঘাটতি চীনের সাথে।
- সর্বাধিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত জার্মানির সাথে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১২,৬৮৭.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) চট্টগ্রামে অবস্থিত। 

বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই): 
- বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের বন গবেষণা বিষয়ক একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- দেশের বনজ সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে ‘‘ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি’’ নামে ১৯৫৫ সালে চট্টগ্রামে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে বন ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করে ১৯৬৮ সালে উক্ত ল্যাবরেটরিকে বন বিষয়ক একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সাল থেকে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় (বর্তমানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়)-এর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৬ সালে National Agriculture Research System (নার্স) এর আওতাভুক্ত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট। 

১২,৬৮৮.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী পূর্ণ হয় -
  1. ক) ১১ এপ্রিল, ২০২৩
  2. খ) ১১ জানুয়ারি, ২০২৩
  3. গ) ৭ এপ্রিল, ২০২৩
  4. ঘ) ১৬ এপ্রিল, ২০২৩
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল বসেছিল জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার দুই বছর পর জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছিল।
- ২০২৩ সালের ৭ই এপ্রিল জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী পূর্ণ হয়।

উৎস: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার, বাংলা ট্রিবিউন।
১২,৬৮৯.
বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিক এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানমালায় কতটি দেশের প্রধানমন্ত্রী সরাসরি উপস্থিত ছিলো?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার গত ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ ২০২১ দশদিনব্যাপী উৎযাপন কর্মসূচি গ্রহণ করে।
- দশদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের থিম ছিলো ‘মুজিব চিরন্তন’।
- এসব অনুষ্ঠানের বিভিন্ন ইভেন্টে বিদেশী/সার্কভুক্ত পাচঁটি দেশের সরকার/রাষ্ট্র প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। তার মধ্য ৩ জন প্রধানমন্ত্রী।
এরা হলেন:
- মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মুহাম্মদ সোলিহ (১৭ মার্চ)
- শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দ রাজাপাক্ষে (১৯ মার্চ)
- নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী (২২ মার্চ)
- ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং(২৪ মার্চ)
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (২৬ মার্চ)।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর)
১২,৬৯০.
তাজউদ্দীন আহমেদ হিসেবে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল সারা দেশকে কয়টি রণাঙ্গনে বিভক্ত করেছিলেন?
  1. ৪টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
♣♣ সামরিক প্রতিরোধ: 
- বাঙালি আফিসারদের মধ্যে সমন্বয় সাধনের উদ্দেশ্যে;
- ৪ এপ্রিল সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- ঐ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এম.এ.জি. ওসমানী, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর কে.এম. সফিউল্লাহ এবং কর্নেল এম. এ. রব।
- সেখানে চার সিনিয়র অফিসারকে মুক্তিযুদ্ধের দায়িত্ব দেয়া হয়:
(১) মেজর কে. এম. সফিউল্লাহ-এর কমান্ডে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ময়মনসিংহ,
(২) মেজর খালেদ মোশাররফ-এর নেতৃত্বে কুমিল্লা ও সিলেট,
(৩) মেজর জিয়াউর রহমানের কমান্ডে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং
(৪) মেজর আবু ওসমান চৌধুরীকে কুষ্টিয়া অঞ্চলে।

♠♠
- প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ ১০ এপ্রিল বেতারে তিনি যে ভাষণ দেন;
- তাতে তিনি সারা দেশকে ৮টি রণাঙ্গনে বিভক্ত করেছিলেন।   
- সেগুলো হলো:
১. মেজর খালেদ মোশাররফ- সিলেট ও কুমিল্লা অঞ্চল।
২. মেজর জিয়াউর রহমান- চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চল।
৩. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী- কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চল।
৪. মেজর কে এম সফিউল্লাহ- ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল।
৫. মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ- রাজশাহী অঞ্চল।
৬. মেজর নাজমুল হক- সৈয়দপুর অঞ্চল।
৭. মেজর নওয়াজেশ- রংপুর অঞ্চল।
৮. মেজর জলিল- ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী অঞ্চল। 

♠♠
- ১৪ এপ্রিল কর্নেল এম. এ. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর জি. মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়। 
- মে ও জুন মাসে তিনটি ব্রিগেড গঠিত হয়।
- ফোর্সগুলির নাম ছিল : ‘জেড ফোর্স’, ‘এস ফোর্স' এবং ‘কে ফোর্স'.
- অধিনায়ক ছিলেন যথাক্রমে লেঃ কর্ণেল জিয়াউর রহমান, লেঃ কর্ণেল কে. এম সফিউল্লাহ ও লেঃ কর্ণেল খালেদ মোশাররফ।

♠♠
- ১১ থেকে ১৭ জুলাই কোলকাতায় ইতোপূর্বে গঠিত ৮টি রণাঙ্গনের কমান্ডারদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- তাজউদ্দিন আহমেদ উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন।
- এই সভাতেই বাংলাদশেকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ বাহিনীর হেড কোয়ার্টার স্থাপিত হয় কোলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৯১.
একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড় কে? 
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা

বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি:
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
- ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তিনি।
- দুটি সেঞ্চুরি আছে সাকিব আল হাসানের, একটি মুশফিকুর রহিমের।
- ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ।
- মুম্বাইতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ১১১ রানের ইনিংস। ওই সেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ডের মালিক হন তিনি।
- প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতকটি ছিল বিশ্বমঞ্চে তার তৃতীয়।
- একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড়ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩।

১২,৬৯২.
কোন ক্ষেত্রে 'রাষ্ট্রপতি পুরস্কার' প্রদান করা হয়?
  1. শিল্প উন্নয়নের জন্য
  2. কৃষি উন্নয়নের জন্য
  3. বৃক্ষ রোপনের জন্য
  4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার (পূর্বনাম রাষ্ট্রপতি কৃষি উন্নয়ন পদক):
- বাংলাদেশের একটি পুরস্কার যা কৃষি উন্নয়নে গবেষণা ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেয়া হয়।
- এই পুরস্কার বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে দেয়া শুরু হয়েছিল।

রাষ্ট্রপতির পুরস্কার: 
- ২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর শিল্প উন্নয়নের জন্য রাষ্ট্রপতির পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ছয় ধরনের শিল্পের জন্য ৩টি করে মোট ১৮টি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান নীতিমালা ২০২০ অনুসরণ করে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

অন্যদিকে -
- বৃক্ষ রোপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২,৬৯৩.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে কবি নজরুল ইসলামকে ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে?
  1. ১৯৭৫
  2. ১৯৭৬
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৪ সালে কবি নজরুল ইসলামকে ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে।

কাজী নজরুল ইসলাম:

- ১৮৯৯ সালের ২৪শে মে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে কবি কাজী নজরুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯১৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীর বাঙালী পল্টনে যোগদান করে করাচি যান।
- ১৯৪২ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাকশক্তিরহিত দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন।
- বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মানসূচক ডি. লিট উপাধি প্রদান করে।
- কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কলকাতা থেকে সরকারি উদ্যোগে সপরিবার ঢাকায় আনা হয়।
- ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়।
- ১৯৭৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।
- ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (তৎকালীন পিজি হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ মে থেকে তাঁকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি’ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
- ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
১২,৬৯৪.
‘আলোকিত মানুষ চাই’ এটি কোন প্রতিষ্ঠানের স্লোগান? 
  1. জাতীয় গ্রন্ত্রকেন্দ
  2. বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
  3. সুশাসনের জন্য নাগরিক
  4. জাতীয় নাগরিক পার্টি
ব্যাখ্যা

 বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র:
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র আজ একটি দেশব্যাপী আন্দোলন।
- আলোকিত জাতীয় চিত্তের একটি বিনীত নিশ্চয়তা।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হবার একটি সপ্রাণ পৃথিবী।
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
- ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর ও উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করা, জাতীয় শক্তি হিশেবে তাদের সংঘবদ্ধ ও সমুন্নত করা এবং এরই পাশাপাশি দেশের মানুষের চিত্তের সামগ্রিক আলোকায়ন ঘটানো বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য।
• 'আলোকিত মানুষ চাই' হলো বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান।

উৎস: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট।

১২,৬৯৫.
কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকে?
  1. বম
  2. গারো
  3. ম্রো
  4. মারমা
ব্যাখ্যা
• ম্রো ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকে।

মুরং/ম্রো:
- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
- পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,৬৯৬.
‘কল্লোল’ পত্রিকা প্রথম মুদ্রিত হয় -
  1. ক) ১৯১৪ সালে
  2. খ) ১৯১৭ সালে
  3. গ) ১৯২৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
কল্লোল পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৩ সালে। পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
[সূত্রঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা]
১২,৬৯৭.
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রধান কাজ হচ্ছে -
  1. ঋণ নিয়ন্ত্রণ
  2. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
  3. শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
  4. মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
• স্টক এক্সচেঞ্জ:
• সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
-  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে - ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১২,৬৯৮.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. মন্ত্রণালয়
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. সচিবালয়
  4. বিভাগীয় প্রশাসন
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন :
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়। প্র
- তিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।

• বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ,
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১২,৬৯৯.
মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মির্জা মুহাম্মদ হাকিম
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ব্যাখ্যা
মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা - জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর।

• জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর:
- জহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবর (১৪৮৩-১৫৩০)  ভারতে মুঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- পিতার দিক থেকে আমীর তৈমুর (১৩৩৬-১৪০৫ খ্রি.) এবং মায়ের দিক থেকে চেঙ্গিজ খানের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
- ১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দে বাবুর তুর্কিস্তানের খোকন্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা উমর শেখ মির্জা ফরগানার অধিপতি ছিলেন।
- ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে পিতার মৃত্যুর পর বাবুর অল্প বয়সে ক্ষমতা লাভ করেন।
- বারবার রাজ্যহারা হয়ে তিনি মধ্যএশিয়া ত্যাগ করেন এবং ১৫০৪ খ্রিস্টাব্দে কাবুল দখল করেন।
- ১৫০৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি বাদশাহ উপাধি গ্রহণ করেন।
- ১৫১১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বাবুর প্রায় সমগ্র মধ্য এশিয়ার শাসকে পরিণত হন।
- ১৫২৬ সালের এপ্রিল মাসে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লোদী বংশের শাসক ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করে জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- তবে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য স্থিতিশীলতা লাভ করে সম্রাট আকবরের শাসনামলে।
- দুইশ বছরের অধিক সময় ধরে মুঘলরা ভারতবর্ষ শাসন করে।
- সর্বশেষ মুঘল সম্রাট হলেন দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস এবং বাংলাপিডিয়া।
১২,৭০০.
দেশের প্রথম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী কারখানার নাম কী?
  1. এসেনশিয়াল বায়োটেক অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার
  2. গ্লোব বায়োটেক অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার
  3. বাংলাদেশ ভ্যাকসিন রিসার্চ সেন্টার
  4. বাংলাদেশ ভ্যাকসিন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার
ব্যাখ্যা

• প্রথম ভ্যাকসিন প্লান্ট:
- মুন্সীগঞ্জে দেশের প্রথম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী কারখানা 'এসেনশিয়াল বায়োটেক অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার' স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।।
- মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে এই কারখানা স্থাপন করা হবে।
- পরিকল্পনা কমিশন থেকে জানা গেছে, প্রায় ৪০ একর জমিতে ৩ হাজার ১২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ভ্যাকসিন প্লান্টটি নির্মাণ করা হবে।
- চলতি বছরের মধ্যেই অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু হবে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে টিকা উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।
- প্লান্টটিতে ২০২৮ সালের মধ্যে ৬ ধরনের ও ২০২৯ সালে আরও ৯ ধরনের টিকা উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০৩০ সালে।

উৎস: নিউজ রিপোর্ট।