বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২৫ / ৩০৬ · ১২,৪০১১২,৫০০ / ৩০,৮৩২

১২,৪০১.
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিশ্বাসী কয়টি মূলনীতিতে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র এই চারটি মূলনীতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিশ্বাসী।
উৎসঃ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।
১২,৪০২.
কোন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়?
  1. স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ
  2. চিকিৎসাবিদ্যা
  3. ক্রীড়া
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার
- দেশের ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়।
- সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর ৬ টি ক্যাটাগরিতে ১০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এই পুরস্কার দেয়া হয়।
- ক্যাটাগরি সমূহ:
১. স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. সংস্কৃতি,
৩. সমাজসেবা,
৪. চিকিৎসাবিদ্যা,
৫.বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৬.ক্রীড়া।

উল্লেখ্য,
- চিকিৎসাবিদ্যায় স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪ পেয়েছেন ডা. হরিশংকর দাশ।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১২,৪০৩.
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য কোনটি?
  1. অপরাজেয় বাংলা
  2. অদম্য বাংলা
  3. অদম্য সহসিকতা
  4. বাংলার অদম্য
ব্যাখ্যা
• অদম্য বাংলা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ভাস্কর্য।
- এর স্থপতি শিল্পী গোপাল চন্দ্র পাল।
- ২০১১ সালে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয় সাপেক্ষে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১২ সালের জানুয়ারিতে তা শেষ হয়।
- অদম্য বাংলা’, ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ ও গৌরবময় ইতিহাসের এক জীবন্ত প্রতীক।
- ২৩ ফুট উচ্চতার এই ভাস্কর্যে পুরুষের পাশাপাশি এক নারীর বলিষ্ঠ ভঙ্গিমা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, এই যুদ্ধ ছিল সবার।

উৎস: প্রথম আলো।
১২,৪০৪.
নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত “সোমপুর বিহার” এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গোপাল
  2. ধর্মপাল
  3. মহীপাল
  4. বিগ্রহপাল
ব্যাখ্যা
• পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা — শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৪০৫.
জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক এর কথা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২
  2. অনুচ্ছেদ ৩
  3. অনুচ্ছেদ ৪
  4. অনুচ্ছেদ ৫
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক এর কথা বলা হয়েছে। 

প্রথম ভাগ - প্রজাতন্ত্র
অনুচ্ছেদ ৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
- প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত হলো "আমার সোনার বাংলা"র প্রথম দশ চরণ।
- জাতীয় পতাকা সবুজ রঙের, যার ওপর একটি লাল বৃত্ত স্থাপিত।
- জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান শাপলা ফুল, শাপলার চারপাশে ধানের শীষ দিয়ে বেষ্টিত, এর শীর্ষে পাটগাছের তিনটি সংযুক্ত পাতা,  দু’পাশে দুটি করে তারকা রয়েছে।
- জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত সকল বিধান আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে।

এছাড়াও -
- ৩ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ভাষার কথা বলা হয়েছে। 
- ২ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার কথা বলা হয়েছে।
- ৫ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানীর কথা বলা হয়েছে।

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৪০৬.
'ডায়মন্ড' কোন ফসলের উন্নতজাত?
  1. টমেটো
  2. আলু
  3. বেগুন
  4. তামাক
ব্যাখ্যা

• ডায়মন্ড হলো আলুর একটি উন্নতজাত।
আলুর অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:

- কার্ডিনাল
- ললিতা
- গ্রানোলা
- বিনেলা
- আইলসা
- চমক
- ধীরা
- আরিন্দা
- রাজা
- বারাকা ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই।

১২,৪০৭.
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের কততম সংসদ নির্বাচন? 
  1. ১১ তম 
  2. ১২ তম
  3. ১৩ তম
  4. ১৪ তম
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬: 
- ১২ই ফেব্রুয়ারি,২০২৬ তারিখে  অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।
- একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট আয়োজনেরও ঘোষণা দিয়েছেন সিইসি।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
 - জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।

প্রসঙ্গত, 
- নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায়, ভোটগ্রহণের সময় একঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা করা হয়েছে।
- তফসিল ঘোষণা থেকে ভোট গ্রহণের দিনের মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ দিনের পার্থক্য থাকে।
 - এবার সেই সময় বাড়িয়ে করা হয়েছে দুই মাস।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।

১২,৪০৮.
মুক্তিযুদ্ধে আত্মসমর্পনের দলিল কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. রেসকোর্স ময়দানে
  2. শেরে বাংলানগরে
  3. ভিক্টোরিয়া পার্কে
  4. ঢাকা স্টেডিয়ামে
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু  ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার সামনে বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
- তাঁর এই ভাষণের পর সারা দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে।
- শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।
- ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পূর্বাঞ্চলের কমান্ডার জেনারেল এ কে নিয়াজিকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
- ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। 
- ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া নয়টার সময় মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত দুই পক্ষের মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়। 
- শেষপর্যন্ত জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্সের যে স্থানে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে ৯৩ হাজার সৈন্য ও অফিসারসহ আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। 

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
          ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, প্রথম আলো।
১২,৪০৯.
বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন কয়টি?
  1. ৭০টি 
  2. ৭১টি
  3. ৮১টি
  4. ৮০টি
ব্যাখ্যা

বিশ্বে বাংলাদেশের প্রায় ৮১টি কূটনৈতিক মিশন রয়েছে, এর মধ্যে -
- আফ্রিকা - ৯টি, 
- আমেরিকা - ৯টি, 
- পূর্ব এশিয়া - ৭টি, 
- পূর্ব ইউরোপ- ৬টি, 
- দক্ষিণ এশিয়া- ১২টি, 
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া- ৯টি, 
- পশ্চিম এশিয়া- ১৩টি,
- পশ্চিম ইউরোপ- ১৬টি।

উৎস:  বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

১২,৪১০.
‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটি কে আঁকেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. মুর্তাজা বশির
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা

মনপুরা ৭০:
- ‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটি আঁকেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস 'গোর্কি'তে ১০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সাগর, নদী, খাল-বিলে ভেসে ছিল অসংখ্য লাশ আর এক কোটি মৃত গবাদিপশু। ঘরবাড়ি, স্বজন হারিয়ে পথে বসেন উপকূলের লাখো মানুষ। উপকূলীয় দ্বীপচরসহ বহু এলাকার ঘরবাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে বিরান জনপদে পরিণত হয়।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন এই প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়বিধ্বস্ত মনপুরা ঘুরে ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসাত্মক ও ধ্বংসাত্মক প্রভাবকে ২৮ ফুট লম্বা ‘মনপুরা ৭০’ নামে একটি শিল্পকর্ম চিত্রিত করেন।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়াতে (বর্তমান নেত্রকোণা) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় খেতাব হেলাল-ই-ইমতিয়াজ অর্জন করেন এবং ১৯৭১ সালে সেটি বর্জন করেন।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে 'শিল্পাচার্য' উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক (বাংলাদেশ) সম্মান লাভ করেন।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁও এ একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংকিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- তাঁর আরো কিছু বিখ্যাত শিল্পকর্ম: ম্যাডোনা, দুর্ভিক্ষ, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, বিদ্রোহী, মনপুরা, নবান্ন, মহিলা ইত্যাদি।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

১২,৪১১.
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত? 
  1. ঢাকা
  2. নেত্রকোণা 
  3. শেরপুর
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি:
- বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি নেত্রকোনার বিরিশিরিতে অবস্থিত।
• ১৯৭৭ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের 'বিশেষ এলাকা উন্নয়ন' শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার নেত্রকোনা মহকুমার দূর্গাপুর থানাধীন বিরিশিরিতে 'উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী' নামক এ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তীকালে জাতীয় সংস্কৃতির মূল স্রোতধারার সংগে সংগতি রেখে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান হিসেবে এর উপর গবেষণা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে একাডেমীকে ১৬-৭-১৯৭৯ তারিখে 'তথ্য সম্প্রচার, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের 'ক্রীড়া ও সংস্কৃতি' বিভাগে ন্যাস্ত করা হয়।
- এ একাডেমীতে উপজাতীয় সংস্কৃতি চর্চা করা হয়।
- এর প্রথম পরিচালক ছিলেন সিস বিভা সাংমা।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত।
- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি,
মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি ওয়েবসাইট।

১২,৪১২.
কতজন ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ, ২০২৫' প্রদান করা হয়েছে?
  1. ৮ জন
  2. ৭ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা

- ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে 'বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ, ২০২৫' প্রদান করা হয়েছে ।
- বাংলা একাডেমির সাধারণ পরিষদের ৪৮তম বার্ষিক সভায় সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে বাংলা একাডেমি সাম্মানিক ফেলোশিপ দেওয়া হয়েছে।
- প্রতিবছর নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তারা সাম্মানিক পুরস্কার পেয়ে থাকেন।
- ফেলোশিপ প্রাপ্তরা হচ্ছেন:
- ফিলিপ গাইন (সাংবাদিকতা), 
- মাহবুব উল্লাহ (অর্থনীতি),
- সমর মজুমদার (শিল্পকলা),
- পারভীন হাসান (ইতিহাস),
- মেরিনা তাবাসসুম (শিল্পকলা),
- মতেন্দ্র মানখিন (সাহিত্য) এবং
- বিজন কুমার শীল (বিজ্ঞান)।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

১২,৪১৩.
সরকারি গেজেটভুক্ত বর্তমানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা কত জন?
  1. ৮৩২ জন
  2. ৮৩৬ জন
  3. ৮৩৮ জন
  4. ৮৪৪ জন
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এর শহীদদের গেজেট:
- জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের গেজেট অনুসারে, জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬।

⇒ "জুলাই যোদ্ধা" অর্থ জুলাই গণ অভ্যুত্থান চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে আহত ছাত্র-জনতা।
- এছাড়া "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ" অর্থ "তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি।"

উল্লেখ্য,
- ৮৩৪ জনের নাম শহীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে গেজেট প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরে সেখানে যুক্ত করা হয় আরও ১০ জনের নাম।
- গত ৩০শে জুন, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত সরকারি গেজেট অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ছিল ৮৪৪ জন।
- তবে সরাসরি জুলাই আন্দোলনে যুক্ত না থাকা এবং চারজনের নাম গেজেটে দুইবার উল্লেখ থাকায় গত ৩রা অগাস্ট, ২০২৫ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই তালিকা থেকে আটজনের নাম বাতিল করে।
- মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বিবিসি।

১২,৪১৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, জিডিপিতে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৬১%
  2. ৫.৮৪%
  3. ৮.১৮%
  4. ১১.২%
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.২০ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ২.৬১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৫৬ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.২৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮৪ শতাংশ।
 
উল্লেখ্য,
-জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত সেবাখাত এবং সবচেয়ে ছোট খাত কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮%।

অন্যদিকে,
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
   
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১২,৪১৫.
কোন শাসক ভারতে মুসলিম শাসন স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) মুহম্মদ বিন কাসিম
  2. খ) সুলতান মাহমুদ গজনী
  3. গ) মুহম্মদ ঘুরী
  4. ঘ) কুতুবউদ্দিন আইবেক
ব্যাখ্যা
কুতুবইদ্দিন আইবেক মুহম্মদ ঘুরীর একজন ক্রীতদাস হিসেবে জীবন শুরু করেন। তিনি ঘুরীর অনুমতিক্রমে ভারত বিজয়ের পর দিল্লিতে মুসলিম শাসনের গোড়াপত্তন করেন।
উপমহাদেশে স্থায়ী মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কুতুবউদ্দিন আইবেক। দানশীলতার জন্য তাকে ‘লাখবক্স’ বলা হত।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১২,৪১৬.
দেশে প্রতিবন্ধী ভাতা চালু হয় কোন অর্থবছর থেকে?
  1. ২০০৬-২০০৭ অর্থবছর
  2. ২০০৪-২০০৫ অর্থবছর
  3. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
  4. ২০০৮-২০০৯ অর্থবছর
ব্যাখ্যা

প্রতিবন্ধী ভাতা: 
​- ২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা চালু করা হয়।

​​- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
​- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়।
​- পরবর্তীতে এ আইনটি বাতিল করে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রবর্তন করা হয়। 
 
​​উল্লেখ্য, 
- অনগ্রসর মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা চালু হয়।
​- ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা  চালু হয়।

​উৎস: জাতীয় সমাজ সেবা অধিদপ্তর।

১২,৪১৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী কোন বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী - ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী - ২৩.৫২%।
- ঢাকা বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৪০.৪২%।
- রংপুর বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম - ২৩.৫২%।
• শহর -৪১.৩০%।
• গ্রাম - ২৫.৭৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১২,৪১৮.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৫.৫ শতাংশ
  2. ৬.৫ শতাংশ
  3. ৭.৫ শতাংশ
  4. ৬.৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ((জিডিপির ৩.৭%))।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
- পরিচালন ঋণ হিসাবে ১২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

উৎস: বিবিএস।

১২,৪১৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী তিন ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৪৫,৯৪,০০০ একর
  2. ৪৭,৬০,০০০ একর
  3. ৪৯,০০০ একর
  4. ৫১, ১২,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:

- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩, ১২,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫১,৬০,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৬৬,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৪,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫৩,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১২,৪২০.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নিচের কোন চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়?
  1. ক) একাত্তরের যীশু
  2. খ) স্টপ জেনোসাইট
  3. গ) হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. ঘ) আলোর মিছিল
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কলকাতায় মোট চারটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়।
এগুলো হলো:
- স্টপ জেনোসাইড (জহির রায়হান)
- এ স্টেট ইজ বর্ন (জহির রায়হান)
- লিবারেশন ফাইটার্স (আলমগীর কবির)
- ইনোসেন্ট মিলিয়নস (বাবুল চৌধুরী)।

পাকিস্তানী বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যাকে বিশ্বে তুলে ধরা এসব চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্দেশ্য ছিলো। জহির রায়হান এই চারটি চলচ্চিত্রের নামকরণ করেছিলেন জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র হিসেবে।

অন্যদিকে,

- একাত্তরের যীশু : ১৯৯৩ সালে
- হাঙর নদী গ্রেনেড : ১৯৯৭ সালে
- আলোর মিছিল : ১৯৭৪।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১২,৪২১.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী দেশে আমদানির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে -
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত (১৩.৪২%)।
- তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২,৪২২.
প্রথম সাধারণ নির্বাচন ১৯৭৩-এ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ মোট আসন ছিল কতটি?
  1. ৩০০ টি
  2. ৩১০ টি
  3. ৩১৫ টি
  4. ৩৩০ টি
ব্যাখ্যা

প্রথম সাধারণ নির্বাচন :
- ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর গণপরিষদ ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ মোট আসন ৩১৫টি।
- এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ১টি, বাংলাদেশ জাতীয়লীগ ১টি এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা ৫টি আসনে জয়লাভ করেন। 
- নির্বাচনে রাজনৈতিক দল সমূহের প্রার্থী ছিল ১,০৮৯ জন ও স্বতন্ত্র ছিল ১২০ জন।
- অর্থাৎ মোট প্রার্থী ছিল ১,২০৯ জন।
- নারী প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল মোট ১৫ জন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৪২৩.
এলাহাবাদ চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কোন অঞ্চলের দিউয়ানি লাভ করেছিল?
  1. উড়িষ্যা
  2. বাংলা
  3. বিহার
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৬৫ সালে।
- রবার্ট ক্লাইভ ও মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল।
- সম্রাট শাহ আলমকে কোম্পানি প্রতি বছর ২৬ লক্ষ টাকা দান করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এই চুক্তির ফলে রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর, অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।

⇒ কোম্পানির সরাসরি দিউয়ানির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যে অর্থ ও লোকবল প্রয়োজন তা যেমন ছিলনা, তেমনি এদেশীয় ভাষা ও আইন কানুন সম্পর্কে কোম্পানির কর্মচারীদের জ্ঞানও ছিল না।
- তাই রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব সরাসরি গ্রহণ তাদের জন্য সম্ভব ছিল না।
- এ সকল দিক চিন্তা করেই তারা দ্বৈত শাসন নীতি প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৪২৪.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা?
  1. এএফপি
  2. বাসস
  3. পিটিআই
  4. এপি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বা বাসস বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি।
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি) এর ঢাকা ব্যুরোকে নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়।
- ঢাকার পুরাতন পল্টনে এর সদরদপ্তর অবস্থিত।
- ঢাকা ব্যতীত এর আরও ৮টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে।
- বাসস আন্তর্জাতিক ওয়্যার সার্ভিস এএফপি-তে সাবস্ক্রাইব করে এবং প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া (পিটিআই), অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি), চীনের সরকারী সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া, মালয়েশিয়ার বার্নামা এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রান্সডেটার সাথে সংবাদ বিনিময় করে।
- বাংলাদেশে বাংলা সংবাদপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৯৯৯ সালে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

অন্যদিকে,
- এএফপি (Agence France-Presse বা AFP) হলো ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।
- পিটিআই হলো ভারতের বৃহত্তম সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া।
- এপি (Associated Press বা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস) হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিখ্যাত আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা।

 উৎস: বাসস ওয়েবসাইট।

১২,৪২৫.
সুপ্রিম কোর্টে বিচারক হতে হলে অ্যাডভোকেট হিসেবে ন্যূনতম কত বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়?
  1. ৬ বছর
  2. ৯ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
• সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম হলো সুপ্রীম কোর্ট।
- এই আদালতের প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি।
- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে—হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যদি ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে কাজ করেন অথবা বিচার বিভাগীয় কোনো পদে ১০ বছর চাকরি করেন, তবে তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৪২৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন কে? 
  1. শিল্পী মনোয়ার হোসেন
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. এ.কে.এম আব্দুর রউফ
  4. হাসেম খান
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। 
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান হাতে লিখে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক - এ.কে.এম আব্দুর রউফ। 
- এ কে এম আবদুর রউফ ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধা।
- হস্তলিখিত সংবিধানের পৃষ্ঠা ছিল ৯৩, তবে স্বাক্ষরসহ ১০৯ পৃষ্ঠা।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'। 
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১২,৪২৭.
বাংলাদেশে কয়টি সামুদ্রিক মৎস্যক্ষেত্র রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

সমুদ্র মৎস্যক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে সমুদ্র মৎস্যক্ষেত্র রয়েছে ৪ টি।
- সেগুলো হচ্ছে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড, মিডল গ্রাউন্ড, সাউথ প্যাচেন ও সাউথ অব সাউথ প্যাচেস।

উল্লেখ্য, 
- সমুদ্র অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, উপকূলব্যাপী ৭১০ কিমি দীর্ঘ তটরেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত একান্ত অর্থনৈতিক এলাকয় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ উন্নয়নের বিশাল সুযোগ রয়েছে।
- এই এলাকায় মৎস্য আহরন মোট ১৮৭ ও চিংড়ি আহরণে মোট ৩৮ টি ট্রলার অর্থাৎ সর্বমোট ২২৫ টি বাণিজ্যিক ট্রলার বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে মৎস্য সম্পদ আহরণে নিয়োজিত রয়েছে।
- এর বাইরে মোট ৫২ হাজার ৫১৪ টি যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক নৌযানে মৎস্য আহরনে নিয়োজিত প্রায় ২ দশমিক ৭০ লাখ মৎস্যজীবীর পরিবারের ন্যূনতম ১৩ দশমিক ৫০ লাশ মানুষের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২,৪২৮.
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত প্রথম প্রামাণ্যচিত্র কোনটি? 
  1. এ স্টেট ইজ বর্ন 
  2. মুক্তির গান
  3. দ্য লিবারেশন স্ট্রাগল
  4. স্টপ জেনোসাইড
ব্যাখ্যা

জহির রায়হান:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত প্রথম প্রামাণ্যচিত্র হচ্ছে- স্টপ জেনোসাইড।
- স্টপ জেনোসাইড জহির রায়হান নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র।
- জহির রায়হান (১৯৩৫–১৯৭২) ছিলেন বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের এক বহুমুখী প্রতিভা।
- তিনি ঔপন্যাসিক, গল্পকার, সাংবাদিক এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে অসাধারণ অবদান রেখে গেছেন।
- জহির রায়হান বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।
- তাঁর লেখনী ও নির্মাণ বাঙালির ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সংগ্রামকে নতুন মাত্রায় তুলে ধরেছে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি নিখোঁজ হন। 
- তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
অন্যদিকে, 
- এ স্টেট ইজ বর্ন- জহির রায়হানের নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র। 
- মুক্তির গান তারেক মাসুদের নির্মিত  প্রামাণ্যচিত্র।
- দ্য লিবারেশন স্ট্রাগল হচ্ছে তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত প্রামাণ্যচিত্র। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

১২,৪২৯.
ছয়দফার কোন দফায় পাকিস্তানের দুই অংশের জন্যে দুটো পৃথক মুদ্রা প্রচলনের কথা বলা হয়?
  1. তৃতীয় দফা
  2. চতুর্থ দফা
  3. পঞ্চম দফা
  4. ষষ্ঠ দফা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
ছয়দফা দাবীসমূহ হলো:
প্রথম দফা:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
দ্বিতীয় দফা:
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
তৃতীয় দফা:
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
চতুর্থ দফা:
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
পঞ্চম দফা:
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
ষষ্ঠ দফা:
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।

- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১২,৪৩০.
সমুদ্রতীরে গড়ে উঠেছে কোন সভ্যতা?
  1. ক) চীন সভ্যতা
  2. খ) মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ) মেসােপটেমীয় সভ্যতা
  4. ঘ) গ্রীক সভ্যতা
ব্যাখ্যা
গ্রিক সভ্যতা:
- পুরাে গ্রিসে একক কোনাে রাজ্য বা সাম্রাজ্য গড়ে উঠেনি।
- উঁচু উঁচু পাহাড়ের মধ্যে এক একটি নগর তৈরি হয়েছিল।
- এজন্য প্রতিটি নগর পরিণত হয় পৃথক রাষ্ট্রে।
- এ কারণে গ্রিসের রাষ্ট্রগুলােকে বলা হয় নগররাষ্ট্র।
- নদী না থাকায় কৃষি জমি ছিল না তেমন।
- তাই সমুদ্রের তীরে বিকাশ ঘটা নগররাষ্ট্রগুলাের প্রধান আয় ছিল বাণিজ্য। বাণিজ্য করতে গিয়ে তারা অনেক দেশ দখল করে নেয়।
- গ্রিসে সভ্যতা গড়ে উঠেছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ অব্দে।
- গ্রিসের দুইটি গুরুত্বপূর্ণ নগররাষ্ট্রের একটি এথেন্স আর অন্যটি স্পার্টা। দুইটি নগররাষ্ট্রের কাঠামাে ছিল আলাদা।
- এথেন্সে গড়ে উঠেছিল গণতন্ত্র। আর স্পার্টায় সামরিকতন্ত্র। ধর্ম, স্থাপত্য, ভাস্কর্য নির্মাণ, দর্শন ও বিজ্ঞান সকল ক্ষেত্রেই গ্রিস বিশেষ করে এথেন্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১২,৪৩১.
জাতীয় সংসদে সর্বোচ্চ কত শতাংশ মন্ত্রী সংসদ সদস্য না হয়েও নিযুক্ত হতে পারেন?   
  1. ৫%
  2. ৮%
  3. ১০%
  4. ১৫%
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৬(২) অনুযায়ী বলা হয়েছে:
- "প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।"
- অর্থাৎ কমপক্ষে ৯০% (নয়-দশমাংশ) মন্ত্রী হতে হবে সংসদ সদস্য। 
- বাকী সর্বোচ্চ ১০% (এক-দশমাংশ) মন্ত্রী হতে পারেন সংসদ সদস্য না হলেও, তবে তাঁদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হতে হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১২,৪৩২.
'ব্রি ধান ৬৪' কোন জাতের ধান?
  1. জলমগ্নতা সহিষ্ণু
  2. এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
  3. খরা সহিষ্ণু
  4. জিংক সমৃদ্ধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১২,৪৩৩.
সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা হলেন-
  1. ক) শের শাহ
  2. খ) হুসেন শাহ
  3. গ) ইলিয়াস শাহ
  4. ঘ) জালাল খাঁ
ব্যাখ্যা
শূর শাসনের সূচনা করেন আফগান শাসক শের শাহ। তিনি ১৫৩৮ সালে বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন। চৌসা(১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দ) ও কণৌজের(১৫৪০ খ্রিস্টাব্দ) যুদ্ধে শের শাহ মুঘল সম্রাট হুমায়ূনকে পরাজিত করে দিল্লীর সিংহাসন দখল করেন। শের শাহ বাংলায় ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থার প্রচলন করেন। তিনি ‘দাম’ নামক মুদ্রার প্রচলন করেন। সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা তিনি। পাট্টা ও কাবুলিয়াত প্রথা চালু করেন শের শাহ। সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
১২,৪৩৪.
'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলী আমাদের সংবিধানের কোন আর্টিক্যালে উল্লেখ আছে?
  1. ক) ৮০
  2. খ) ৮১ (১)
  3. গ) ৮১ (২)
  4. ঘ) ৮২ (১)
ব্যাখ্যা

 'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলী আমাদের সংবিধানের ৮১ (১) আর্টিক্যালে উল্লেখ আছে ।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

১২,৪৩৫.
বাংলাদেশের ৬২তম GI পন্য কোনটি?
  1. কুমারখালীর বেডশীট
  2. বগুড়ার দই
  3. কালিগঞ্জের তোয়ালে
  4. কুমিল্লার রসমালাই
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি। জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে।

⇒ বাংলাদেশের ৬২তম GI পন্য কালিগঞ্জের তোয়ালে। 
- আবেদনকারী: বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড।

উৎস: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। [link]

১২,৪৩৬.
সংবিধানের কোন সংশোধনীকে “First distortion of Constitution’’ হিসেবে অভিহিত করা হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. নবম সংশোধনী
  3. পঞ্চম সংশোধনী
  4. সপ্তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয় এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।

অন্যদিকে:
 
- একাদশ সংশোধনী: বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির পদে বৈধতা দান।
- নবম সংশোধনী: উপ-রাষ্ট্রপতির প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান ও রাষ্ট্রপতির মেয়াদ সীমাবদ্ধকরণ।
- সপ্তম সংশোধনী: সামরিক শাসনের সময়কালের সকল আদেশ বৈধ ঘোষণা।

সূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
১২,৪৩৭.
ছয়দফা প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. করাচি
  2. লাহোর
  3. দিল্লি
  4. কলকাতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়।

⇒ ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচীর মূল বক্তব্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৪৩৮.
নভেরা আহমেদের পরিচয় কী হিসাবে?
  1. কবি
  2. নাট্যকার
  3. কণ্ঠশিল্পী
  4. ভাস্কর
ব্যাখ্যা
নভেরা আহমেদ (মার্চ ২৯, ১৯৩৯ –  মে ৬, ২০১৫):
- তিনি ছিলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্যশিল্পের অন্যতম অগ্রদূত এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথম বাংলাদেশী আধুনিক ভাস্কর।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার তাকে একুশে পদক প্রদান করে।
- তিনি প্রায় ৪৫ বছর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্যারিসে বসবাস করেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৬ মে, ২০২০)।
১২,৪৩৯.
কোন ক্ষেত্রে স্পিকার কাস্টিং ভোট প্রয়োগ করেন?
  1. শুধুমাত্র বাজেট পাসের সময়
  2. যখন কোনো সদস্য অনুপস্থিত থাকে
  3. পক্ষে ও বিপক্ষে ভোটের সংখ্যা সমান হলে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

কাস্টিং ভোট:
- কাস্টিং ভোট (Casting Vote) হলো একটি নির্ণায়ক বা চূড়ান্ত ভোট।
- এই ভোটের মাধ্যমে অচলাবস্থা দূর করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।

⇒ উল্লেখ্য:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
• উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১২,৪৪০.
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মহেশপুর, ঝিনাইদহ
  2. খ) সাভার, ঢাকা
  3. গ) ভালুকা, ময়মনসিংহ
  4. ঘ) কালিগঞ্জ, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ঢাকার সাভারে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই প্রতিষ্ঠানে উন্নত জাতের ষাঁড়ের জাত উন্নয়ন এবং পশুখাদ্য বিষয়ে গবেষণা করা হয়।

(তথ্যসূত্র: কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার ওয়েবসাইট)
১২,৪৪১.
The Architect of 'Shaheed Minar' is
  1. ক) Munir Chowdhury
  2. খ) Hamidur Rashid
  3. গ) Mainul Hossain
  4. ঘ) Hamidur Rahman
  5. ঙ) Kaiyum Chowdhury
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার:

- বর্তমান শহীদ মিনারের নকশা ও পরিকল্পনা করেন শিল্পী হামিদুর রহমান।
-  বর্তমান শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ বরকতের মা হাসিনা বেগম।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বর্তমান শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পূর্ববঙ্গ সরকারের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার, মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং ভাষাশহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।
- বর্তমান শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয় ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে।
- ১৯৯৭ সালে প্রথম যুক্তরাজ্যের এডিনবার্গের ওল্ডহ্যামে এবং ১৯৯৯ সালে লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,৪৪২.
ঢাকার বর্তমান শহীদ মিনার কে উন্মোচন করেন?
  1. শহীদ বরকতের মা
  2. শহীদ জব্বারের মা
  3. শহীদ শফিউরের মা
  4. শহীদ শফিউরের বাবা
ব্যাখ্যা

শহীদ মিনার:
- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।

১২,৪৪৩.
পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে কোন ভাষায় কার্যক্রম শুরু হয়?
  1. ইংরেজি
  2. বাংলা
  3. উর্দু
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের প্রথম থেকেই শিক্ষিত বাঙালি সমাজ বাংলা ভাষার দাবি নিয়ে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
- এ সময় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের এক সভায় শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে বাংলাকে গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার  ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন এবং বাংলাকেও অধিবেশনের অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
- কিন্তু মুসলিম লীগের সকল সদস্য এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে।
- এ ঘটনায় পূর্ব বাংলার শিক্ষার্থীরা ব্যাপকভাবে প্রতিবাদ করতে থাকে।
- ২৬ ও ২৯শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে ঢাকার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়।
- ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২,৪৪৪.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিশ' প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  2. খ) ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  3. গ) ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  4. ঘ) ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ
• তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
• তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

বিঃদ্রঃ - যদি কোথাও তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠার তারিখ ২ সেপ্টেম্বর না থেকে ১ সেপ্টেম্বর থাকে তাহলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর করতে হবে। অনুরুপ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি কখন প্রকাশিত হয় জানতে চাইলে ১৬ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে। আর যদি ১৬ সেপ্টেম্বর না থাকে তাহলে হবে ১৫ সেপ্টেম্বর।  

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৪৪৫.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্যে প্রদত্ত সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. বীরউত্তম
  2. বীরবিক্রম
  3. বীরশ্রেষ্ঠ
  4. বীরপ্রতীক
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম এবং বীরপ্রতীক।
এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ।
সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধি পান ৭ জন, দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরউত্তম’ পান ৬৮ জন, তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরবিক্রম’ পান ১৭৫ জন এবং চতুর্থ বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরপ্রতীক’ পান ৪২৬ জন।
(উৎস: বাংলাপিডিয়া)
১২,৪৪৬.
দেশের প্রথম নারী সিজিএ কে?
  1. নাহিদ সুলতানা
  2. শারমিন চৌধুরী
  3. ফাহমিদা ইসলাম
  4. নিশাত ইসলাম
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম নারী সিজিএ:
- দেশের প্রথম নারী সিজিএ ফাহমিদা ইসলাম।
- তিনি বাংলাদেশের উপ–মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ১৯৯১ সালে বিসিএস নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়া ফাহমিদা ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতার আগে ১৯৭০ সালে প্রথম নারী অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (এজি) ছিলেন সেলিমা আর আহমেদ।
- তবে স্বাধীনতার পর ফাহমিদা ইসলামই প্রথম নারী সিজিএ।
- ১৯৮৬ সালে এজি পদটিকেই সিজিএ করা হয় এবং ২০১৪ সালে পদটিকে করা হয় গ্রেড-১।

উৎস: ২৭ জুলাই ২০২৩, প্রথম আলো
১২,৪৪৭.
ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিরাজগঞ্জ
  3. সিলেট
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ সিরাজগঞ্জ-এ সংঘটিত হয়। 

সলঙ্গা বিদ্রোহ:
- মূলত জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা থেকে সূত্রপাত হয় ভারতবর্ষে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের।
- জালিয়ানওয়ালাবাগের পথ ধরে ব্রিটিশ বেনিয়াদের নৃশংসতার আরেক রক্তাক্ত অধ্যায় রচিত হয় সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায়।
- ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি তরুণ নেতা মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ এর নেতৃত্বে তৎকালীন পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহকুমার সলঙ্গা হাটে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সূচনা ঘটে।

- আন্দোলনরত জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে ব্রিটিশ পুলিশ, নিহত হন কয়েক শ মানুষ।
- নিহতদের ব্রিটিশ পুলিশ সিরাজগঞ্জের রহমতগঞ্জে গণকবর দেয়।

⇒ বিদেশি পণ্য বর্জন ও স্বদেশি পণ্য ব্যবহার করার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের সলঙ্গা হাটে গণহত্যা সংঘটিত হয়।
- মূলত জালিয়ান ওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা থেকে সূত্রপাত হয় ভারতবর্ষে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের। জালিয়ান ওয়ালাবাগের পথ ধরে ব্রিটিশ বেনিয়াদের নৃশংসতার আরেক রক্তাক্ত অধ্যায় রচিত হয় সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায়।
- ২৭ জানুয়ারি ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস পালিত হয়। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
১২,৪৪৮.
পরিবেশবান্ধব কারখানার 'লিড' সনদ দেয় কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ইউজবিটি
  2. ইউকেএএস
  3. ইউএসপি
  4. ইউএসজিবিসি
ব্যাখ্যা
দেশের পরিবেশবান্ধব কারখানা:
- ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএসজিবিসি যে সনদ দেয়, সেটির নাম ‘লিড’।
- লিডের পূর্ণরূপ: লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) এ সনদ দেয়।
- ২০১২ সালে পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তা সাজ্জাদুর রহমান মৃধার হাত ধরে প্রথম পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার যাত্রা শুরু দেশে।
- বর্তমানে দেশে তৈরি পোশাক খাতে লিড সবুজ কারখানা ২১৩টি।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব স্থাপনার সনদ দিয়ে থাকে।
- তাদের মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি)।

উৎস: ১৬ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
১২,৪৪৯.
কোন নাবিকের আগমনের পর পর্তুগিজরা উপমহাদেশে আসতে শুরু করে?
  1. আলভারেঞ্জ ক্যাব্রাল
  2. ম্যাজিলান
  3. ভাস্কো-দ্য-গামা
  4. আলবুকার্ক
ব্যাখ্যা

উপমহাদেশে পর্তুগিজদের আগমন:
- বাণিজ্যকে মূলধন করে পর্তুগাল থেকে পর্তুগিজরা এ উপমহাদেশে আসলেও ক্রমে তাঁরা সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখে।
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
- এরপর ১৪৮৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ, আলভারেঞ্জ ক্যাব্রাল ও ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে আলবুকার্ক গোয়াতে আগমন করেন।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- কলম্বাস এবং ম্যাজিলানও বিখ্যাত পর্তুগিজ নাবিক ছিলেন।
- উপমহাদেশে আসার অল্পদিনের মধ্যেই তাঁরা এদেশের পশ্চিম উপকূলের কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি বন্দরে, সিংহলের নানাস্থানে এবং বাংলার হুগলী বন্দরে তাঁদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন।
- তাঁদের নৌ ও সেনাবাহিনী খুব শক্তিশালী ছিল।

⇒ পর্তুগিজরা বাংলাদেশের চট্টগ্রামেও বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং কুঠিগুলোকে দুর্গে পরিণত করে।
- পর্তুগিজরাই প্রথম ইউরোপীয় যাঁরা ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য কাজে এদেশে সুদূরপ্রসারী ও স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৪৫০.
মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. জিয়াউর রহমান
  3. আতাউল গণি ওসমানি
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি:

- জেনারেল মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানি বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।
- ১৯১৮ সালের ১ নভেম্বর সুনামগঞ্জে তাঁর জন্ম।
- তিনি ১৯৩৪ সালে সিলেট সরকারি হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ১৯৩৮ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৩৯ সালের জুলাই মাসে দেরাদুনে ব্রিটিশ ভারতীয় সামরিক একাডেমী থেকে সামরিক কোর্স সম্পন্ন করে রাজকীয় বাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে যোগ দেন (অক্টোবর ১৯৪০)।
- ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন।
- ১৯৪৭ সালে সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসার কোর্স সম্পন্ন করার পর ওসমানী লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে নিয়োগের জন্য মনোনীত হন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং পরদিনই লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত হন।
- আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। সত্তরের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,৪৫১.
COMESA হচ্ছে একটি -
  1. ক) শান্তি ফোরাম
  2. খ) সামরিক জোট
  3. গ) বাণিজ্যিক জোট
  4. ঘ) পরিবেশবাদী সংগঠন
ব্যাখ্যা
COMESA
• COMESA - এর পূর্ণরূপ ‘Common Market for Eastern and Southern Africa.
• এটি পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি দেশের বাণিজ্য জোট। 
• প্রতিষ্ঠা:- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৯৪ সাল।
• সদস্য সংখ্যা:- ২১টি।
• সদরদপ্তর:- লুসাকা, জাম্বিয়া।   

তথ্যসূত্র: COMESA ওয়েবসাইট
১২,৪৫২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণাকারী সংগঠন -
  1. ছাত্রলীগ
  2. স্বাধীন বাংলা ছাত্র ইউনিয়ন
  3. ছাত্র ঐক্য পরিষদ
  4. স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার:
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে বিকালে ছাত্রলীগ সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল ছাত্র জনসভা।
- এ সভায় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ বঙ্গবন্ধুর সামনে পাঠ করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার এবং সভার ঘোষণাপত্র ও প্রস্তাব পাঠ করেন এম এ রশিদ।  
- ঘোষণাকারী সংগঠন: স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।
- এ ইশতেহারে বলা হয়: ৫৪ হাজার ৫০৬ বর্গ মাইল বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকার সাত কোটি মানুষের জন্য আবাসভূমি হিসেবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ।
- একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ উপাধি দেওয়া হয়।
- পল্টনের এই সমাবেশ থেকে ঘোষণা করা হয় যে, ৪ মার্চ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন অর্ধবেলা হরতাল পালন করা হবে।

উৎস:- i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
১২,৪৫৩.
'হাওর কন্যা' বলা হয় -
  1. কিশোরগঞ্জ
  2. নেত্রকোনা
  3. সুনামগঞ্জ
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা
হাওর কন্যা:
- সুনামগঞ্জ, দ্য ডটার অব হাওর কন্যা' নামে ব্র্যান্ডিং হচ্ছে সুনামগঞ্জের লোকসংস্কৃতি ও পর্যটন শিল্প।
- দেশের ৬টি জেলাকে ব্র্যান্ডিং করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দ্য ডটার অব হাওর কন্যা নামে ব্র্যান্ডিং হয় সুনামগঞ্জ।
- বৈষ্ণব কবি রাধারমণ, মরমি কবি হাসন রাজা, বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের মতো মরমি কবি ও বাউলের হৃদয়স্পর্শী অনেক সঙ্গীতের সৃষ্টি হয়েছে এখানে।
- টাঙ্গুয়ার হাওরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, তাহিরপুর সীমান্তের লাউড়ের গড়ের বারেকের টিলা, শাহ আরেফিনের (রহ.) মাজার, রাজারগাঁওয়ের অদ্বৈত প্রভুর মন্দিরসহ পুরো হাওরের রূপ-সৌন্দর্যকে ব্র্যান্ডিং করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ টু আই প্রোগ্রাম বিভাগ।
- 'সুনামগঞ্জ, দ্য ডটার অব হাওর কন্যা' বাংলায় যেটি হবে 'হাওর কন্যা সুনামগঞ্জ'।

উৎস: ১০ জানুয়ারি, ২০১৭, সমকাল। 
১২,৪৫৪.
১৯৫২ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে যে জন্য বিখ্যাত-
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধ
  2. খ) ভাষা আন্দোলন
  3. গ) গণঅভ্যুত্থান
  4. ঘ) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
 
উৎস : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী
১২,৪৫৫.
’আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান’ – সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৭
  2. অনুচ্ছেদ-২৬
  3. অনুচ্ছেদ-২৫
  4. অনুচ্ছেদ-২৮
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ- ২৭: সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-২৬: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ-২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
- অনুচ্ছেদ-২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ-২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১২,৪৫৬.
মুজিবনগর সরকারের অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) এম মনসুর আলী
  3. গ) এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

• মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী - এএইচএম কামারুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মোশতাক আহমদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড।
১২,৪৫৭.
খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন -
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১২,৪৫৮.
দেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে প্রধান কোনটি?
  1. ক) এমওপি
  2. খ) টিএসপি
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ডিএপি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া সার প্রধান।
- দেশে মোট উৎপাদিত মোট সারের ৮৫ ভাগের অধিক ইউরিয়া সার।
- এছাড়া অন্যান্য সারের মধ্যে টিএসপি ও ডিএপি উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮-২০১৯ সালে দেশের সার কারখানাগুলোতে ৭.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত। তবে দেশে ইউরিয়া সারের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৭ লক্ষ মেট্রিক টন অধিক।
(তথ্যসূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১২,৪৫৯.
যুক্তফ্রন্টের স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন-
  1. ক) শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) আতাউর রহমান খান
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী (স্বরাষ্ট্র, সংস্থাপন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, স্বায়ত্তশাসন, নির্বাচন ও পার্লামেন্টারি বিষয়সহ) দায়িত্বে ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক। যুক্তফ্রন্টের কৃষিঋণ, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২,৪৬০.
প্রথম স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ব্যক্তি কে ছিলেন?
  1. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
  4. সকলেই
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার:
- স্বাধীনতা পদক বা স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়।
- ২০২৪ সালে ১০ জনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।
- পুরস্কারের নগদ অর্থের পরিমান সূচনালগ্নে ছিল বিশ হাজার টাকা।
- ২০০৪ সালে তা এক লক্ষ টাকায় উন্নীত হয়।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

পুরস্কার প্রাপ্তির সাল: ১৯৭৭
১ মরহুম মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী (মরণোত্তর): সমাজকল্যাণ
২ মরহুম কাজী নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর): সাহিত্য
৩ মরহুম শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন (মরণোত্তর): চারুকলা
৪ মরহুম ড. মোকাররম হোসেন খন্দকার (মরণোত্তর): বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
৫ জনাব মাহবুব আলম চাষী: পল্লীউন্নয়ন
৬ ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান চৌধুরী: চিকিত্সা বিজ্ঞান
৭ ডা. মোঃ জাফরুল্লাহ চৌধুরী: জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ
৮ বেগম রুনা লায়লা: সঙ্গীত
৯ হাবিলদার মোস্তাক আহমদ: ক্রীড়া
১০ মরহুম এনায়েত করিম (মরণোত্তর): জনসেবা

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৪৬১.
রাজনৈতিক দল এবং চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উভয়েই কোন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত?
  1. রাজনৈতিক প্রক্রিয়া
  2. সামাজিক প্রক্রিয়া
  3. অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া
  4. রাষ্ট্র পরিচালনা প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
 - রাজনৈতিক দল এবং চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উভয়েই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত।
- উভয়েই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নির্ধারক।
- উভয়েই রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে নিজেদের দাবি ও মনোভাব ব্যক্ত করে।
- রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী উভয়ই স্বার্থের সংহতি সাধনের সাথে জড়িত।
- উভয়েই রাজনৈতিক নিয়োগ বা রাজনৈতিক ভূমিকায় নাগরিকদের অবতীর্ণ করানোর দায়িত্ব বহন করে।
- রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারা উভয়ের মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়।
- বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংরক্ষণ বা পরিবর্তন, গণ-সংযোগ সাধন, তথ্য সরবরাহ, জনমত গঠন, সরকারের সমালোচনা ইত্যাদির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কার্যক্রমে সাদৃশ্য দেখা যেতে পারে।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৪৬২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় হেমায়েত বাহিনী কোন জেলায় সক্রিয় ছিল?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) টাঙ্গাইল
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:

- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
• কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
• আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
• বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
• হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
• হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
• আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
• লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
• জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১২,৪৬৩.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) এর নেতা কে ছিলেন?
  1. আইয়ুব খান
  2. ইস্কান্দার মির্জা
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. জুলফিকার আলী ভূট্টো
ব্যাখ্যা
জাতীয় পরিষদের নির্বাচন:
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে দুটি রাজনৈতিক দল প্রধান হয়ে দেখা দেয়।
- নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন আওয়ামী লীগ লাভ করে।
- বাকি ২টি আসনের ১টি পায় পিডিপি (পাকিস্তান ডেমোক্রাটিক পার্টির নূরুল আমিন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- অপরটি পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে)।
- ১০ দিন পর অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পশ্চিম পাকিস্তানে ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে।
- ১৯৭০ সালে পিপিপির নেতা ছিলেন জুলফিকার আলী ভূট্টো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্ৰ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৪৬৪.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান খোলা বাজারে ন্যায্য দামে পণ্যদ্রব্য বিক্রি করে?
  1. ক) টিসিবি
  2. খ) বিএডিসি
  3. গ) বিএসটিআই
  4. ঘ) ক্যাব
ব্যাখ্যা
- টিসিবি খোলা বাজারে সরকারের পক্ষ থেকে ন্যায্যমূল্যে বিভিন্ন পণ্য-দ্রব্যাদি বিক্রি করে থাকে।
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এছাড়া, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সরবরাহ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ করা, চাহিদা ও যোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে আপদকালীন সময়ের জন্য বিভিন্ন পণ্য মজুদ করা, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করা প্রভৃতি টিসিবির কাজ।

(তথ্যসূত্র: টিসিবি ওয়েবসাইট)
১২,৪৬৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিহার কোনটি?
  1. সোমপুর বিহার
  2. শালবন বিহার
  3. আনন্দ বিহার
  4. সীতাকোট বিহার
ব্যাখ্যা
সীতাকোট বিহার:
- সীতাকোট বিহার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- বিহারটি দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- বিহারটিতে মোট কক্ষের সংখ্যা ৪১টি।
- এখানে পাহাড়পুর, শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সংগে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
- সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিহার।

অন্যদিকে -
- শালবন বিহার দেব বংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব কর্তৃক আনুমানিক ৮ম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে।
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- অষ্টম শতকে দেবরাজা আনন্দদেব 'আনন্দ বিহার' নির্মাণ করেন।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৪৬৬.
বাংলাদেশের আইনসভার মোট সদস্যসংখ্যা কত?
  1. ৩০০ জন
  2. ৩৫০ জন
  3. ২৭০ জন
  4. ৩২০ জন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট। জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন ।
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। 
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- এ সকল নির্বাচনী এলাকা থেকে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে একজন করে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন।
- নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- তবে মহিলা সদস্যগণ ইচ্ছা করলে ৩০০ আসনের যে কোনোটিতে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমেও নির্বাচিত হতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,৪৬৭.
Islam Khan transferred the capital of Bengal of Dhaka from where?
  1. Rajmahal
  2. Tanda
  3. Sonargaon
  4. Kolkata
ব্যাখ্যা
ইসলাম খান চিশতি:
- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।

উল্লেখ্য,
- ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- তিনি সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।

⇒ সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন।
- বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন শাহ সুজা।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১২,৪৬৮.
বর্তমানে বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ১৭৩ জন
  2. ১৭৪ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ১৭৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৪৬৯.
বাংলায় সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. বিজয় সেন
  2. সামন্ত সেন
  3. লক্ষণ সেন
  4. হেমন্ত সেন
ব্যাখ্যা

সেন বংশ:
- বাংলার পাল যুগের অবসানের পর বার শতকের দ্বিতীয় ভাগে সেন শাসনের সূচনা হয়।
- তারা এদেশে ছিলেন বহিরাগত।
- সেনদের পূর্বপুরুষদের আদি বাস ছিল দাক্ষিণ্যাত্যের কর্নাটে।
- বাংলায় সেনবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হেমন্ত সেন।
- তিনি শেষ বয়সে কর্নাট থেকে এসে রাঢ় অঞ্চলে গঙ্গা নদীর তীরে বসতি স্থাপন করেন।
- তিনি পাল রাজা রাম পালের অধীনে একজন সামন্ত রাজা ছিলেন।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৪৭০.
নবম T20 বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
নবম আইসিসি T-20 বিশ্বকাপ - ২০২৪

• আয়োজক দেশ: যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ
• সময়কাল:  ২⎯২৯ জুন, ২০২৪
• অংশগ্রহণকারী দল: ২০টি 
• মোট ম্যাচ: ৫৫টি 
• উদ্বোধনী ম্যাচ: যুক্তরাষ্ট্র বনাম কানাডা
• ফাইনাল ম্যাচ: ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা 
• চ্যাম্পিয়ন দল: ভারত
• রানার্স আপ দল: দক্ষিণ আফ্রিকা 
• ম্যান অব দ্যা ফাইনাল: বিরাট কোহলি (ভারত)  
• ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট: যশপ্রীত বুমরা (ভারত) 
• সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: রহমানুল্লাহ গুরবাজ (আফগানিস্তান)
• সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি: ফজলহক ফারুকি (আফগানিস্তান) ও আর্শদ্বীপ সিং (ভারত) 
• হ্যাটট্রিক (মোট ৩টি): প্যাট কামিন্স: ২টি (অস্ট্রেলিয়া) , ক্রিস জর্ডান: ১টি (ইংল্যান্ড) 
•  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে টানা দুই ম্যাচে টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিকের রেকর্ড করেন প্যাট কামিন্স। 
•  সর্বোচ্চ মেডেন অভার:  লোকি ফার্গুসন (নিউজিল্যান্ড)।

উৎস: আইসিসি ওয়েবসাইট।
১২,৪৭১.
বাংলাদেশের কোন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়?
  1. ক) অষ্টম
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সপ্তম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়।

• জাতীয় সংসদ:
- ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।
- এ সপ্তম জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সংসদ সদস্যগণ প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং তিনি তার জবাব দেন।
- প্রথম দিকে এ প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য সময় বরাদ্দ ছিল ১৫ মিনিট।
- পরে তা বাড়িয়ে ৩০ মিনিট করা হয়।
- সরকারি দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট এবং বিরোধী দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট ধার্য করা হয় ।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
১২,৪৭২.
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে কয়টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ১৯টি
  2. ৩টি
  3. ৬টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
• জিডিপিতে খাত
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
• কৃষিখাত
• শিল্পখাত
• সেবাখাত।

- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১২,৪৭৩.
বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৮৪০ সালে
  2. ১৮৪৮ সালে
  3. ১৮৫৪ সালে
  4. ১৮৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:

- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে মোট ১৬৮টি চা বাগানে চা চাষ করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি চা রপ্তানি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১২,৪৭৪.
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প কোনটি?
  1. পাট
  2. চা
  3. তৈরি পোশাক
  4. চামড়া
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

অন্যদিকে,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
⇒ সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২,৪৭৫.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন প্রণয়ন করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৫০ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
'রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (The State Acquisition and Tenancy Act, 1950):
- 'রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (১৯৫১ সনের ২৮নং আইন' যা ১৯৫০ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনে পূর্ববাংলায় জমিতে খাজনা সংগ্রাহক ও অন্যান্য স্বার্থধারীদের তালুক অধিগ্রহণের বিধান, তালুকে প্রজাদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত আরও অন্যান্য বিষয়ের আইনগত সম্পর্ক সংজ্ঞায়িত করার বিধান রয়েছে।
- আইনটি পাশের আগে এদেশের কৃষিসংক্রান্ত আইন বলতে প্রধানত ছিল ১৭৯৩ সালের বঙ্গীয় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবিধান ও বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন, ১৮৮৫।
- দেশ বিভাগের পর পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব বিল প্রণয়ন করে ১৯৪৮ সালের ৩১ মার্চ তা প্রকাশ করা হয়।
- তারপর এই বিলটিকে আইন পরিষদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
- এই পরিপ্রেক্ষিতে বিলটি পাস হওয়ার পর ১৬ মে ১৯৫১ সালে বিলে প্রয়োজনীয় অনুমোদনমূলক সম্মতি পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- এই আইনের আওতায় সরকার দেশের একমাত্র জমিদারে পরিণত হয় এবং সরকার পর্যায়ক্রমে জমিতে সকল খাজনা-আদায়ি স্বার্থ অধিগ্রহণ করে।
- এই আইনের ৩ নং ধারা বলবৎ হওয়ায় জমির সকল মালিক সরকারের প্রত্যক্ষ প্রজায় পরিণত হয়।
- এই আইনবলে সরকার হাটবাজার, ফেরি ও মাছ উৎপাদনমূলক জলভাগের মালিক ও ব্যবস্থাপক হয়।
- এই আইনে ১৫২টি ধারা রয়েছে।
- এগুলি পাঁচটি অংশ ও উনিশটি অধ্যায়ে বিভক্ত।

উৎস: ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১২,৪৭৬.
বাংলাদেশে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শুল্কহার কত?
  1. ক) ৩০%
  2. খ) ২৯%
  3. গ) ২৫%
  4. ঘ) ২০%
ব্যাখ্যা
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - চীন থেকে। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ - এর সংখ্যা/ধাপ - ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।  
 
উৎস: বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)
১২,৪৭৭.
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে -
  1. চিলি
  2. আর্জেন্টিনা
  3. ভেনিজুয়েলা
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
১২,৪৭৮.
ঐতিহাসিক 'একুশে ফেব্রুয়ারি' বাংলা কত তারিখ ছিল?
  1. ক) ২৮ ফাল্গুন
  2. খ) ১৮ ফাল্গুন
  3. গ) ৮ ফাল্গুন
  4. ঘ) ১৫ ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
• একুশে ফেব্রুয়ারি: 
- একুশে ফেব্রুয়ারি  শহীদ দিবস ও  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- এটি বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের একাধারে মর্মান্তিক ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন।
⇒ ১৯৫২ সালের এ দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৯) বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন।
- তাই এ দিন শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।
- বঙ্গীয় সমাজে বাংলা ভাষার অবস্থান নিয়ে বাঙালি মুসলমানের আত্ম-অন্বেষায় যে ভাষাচেতনার উন্মেষ ঘটে, তারই সূত্র ধরে বিভাগোত্তর পূর্ববঙ্গের রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভাষা-বিক্ষোভ শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সালের মার্চে এ নিয়ে সীমিত পর্যায়ে আন্দোলন হয় এবং ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি তার চরম প্রকাশ ঘটে।
- ওই দিন সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাজপথে বেরিয়ে এলে পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালায়।
- এতে আবুল বরকত, আবদুল জববার ও আবদুস সালামসহ কয়েকজন ছাত্রযুবা হতাহত হন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১২,৪৭৯.
নির্বাচিত হবার পর কোন সংসদ সদস্যের অযোগ্যতা প্রকাশ পেলে তার সংসদ সদস্য পদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে-
  1. ক) জাতীয় সংসদ
  2. খ) নির্বাচন কমিশন
  3. গ) সুপ্রিমকোর্ট
  4. ঘ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদের ৪ নং দফা অনুযায়ী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হবার পর যদি কোন সংসদ সদস্যের ৬৬ (২) দফায় বর্ণিত কোন অযোগ্যতা প্রকাশ পায়, সেক্ষেত্রে তা নিষ্পত্তির জন্যে নির্বাচন কমিশনে প্রেরণ করা হয় এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই এক্ষেত্রে চূড়ান্ত বলে গণ্য।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১২,৪৮০.
নিচের কোন জন একই সাথে বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন?
  1. ক) কর্ণেল শাফায়াত জামিল
  2. খ) ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ
  3. গ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
  4. ঘ) সার্জেন্ট গোলাম মোস্তফা
  5. ঙ) হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্যে একই সাথে বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন সার্জেন্ট গোলাম মোস্তফা। মুক্তিযুদ্ধে তিনি ১১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের আলফা কোম্পানিতে নিয়োজিত ছিলেন। উনার বাড়ি ঢাকার দোহার থানায়।তিনি ১০ অক্টোবর ২০১৯ মারা যান। (সূত্রঃ দৈনিক সমকাল)
১২,৪৮১.
মুক্তিযুদ্ধে নারীদের বিশেষ অবদানের জন্য কতজন নারীকে বীরত্বসূচক 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৩ জন
  2. ২ জন
  3. ১ জন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে নারী, শিশু ও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী:
- মুক্তিযুদ্ধে নারীদের বিশেষ অবদানের জন্য দুজন মহিলাকে বীরত্বসূচক 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রদান করা হয়।
- তারা হলেন-ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম (২নং সেক্টর) এবং তারামন বিবি (১১নং সেক্টর)।
- খেতাবহীন বীর মহিলা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সুনামগঞ্জের খাসিয়া সম্প্রদায়ের -কাঁকন বিবি পরিচিত, যার আসল নাম ছিল কাঁকাত হেনিনচিতা।
- তিনি 'মুক্তিবেটি' নামেও পরিচিত।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক সেনা বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হন প্রায় তিন লাখ নারী।
- এই নারীরা মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা পালন করেন এবং তাদের ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রীয়ভাবে 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১২,৪৮২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
  1. নাটোর
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

- মোট আখ উৎপাদন- ২,৯৩,৩৬,৯৪.৬৯ মে. টন
- মোট আখ আবাদ হয়েছে- ১,৬৭,৩৪৫.৩৪ একর।

- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপন্ন হয় - নাটোর জেলা (৯৩২,০০৬.৪২ মে. টন)
- নাটোর জেলা- ২০২৩-২৪ বছরে মোট ৫১,৫০৬.১৩ একর জমিতে আখের আবাদ হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।
১২,৪৮৩.
সেনাবাহিনী কতজন সদস্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদক প্রাপ্ত হয়েছেন?
  1. ৬৮ জন
  2. ৫০ জন
  3. ৪৯ জন
  4. ৫১ জন
ব্যাখ্যা

১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

এবার আমাদের প্রশ্নে আসা যাক,
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদক প্রাপ্ত -
সেনাবাহিনী - ৪৮ [লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিমকে বাদ দিয়ে]
নৌ বাহিনী - ৮
বিমান বাহিনী - ৬
গণবাহিনী - ৫

এছাড়া, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন কর্ণেল জামিল। তিনি ২০০৯ সালে বীর উত্তম উপাধি পান।
অর্থাৎ, শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদকপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী থেকে - ৪৮ জন
এবং কর্ণেল জামিলসহ ‘বীর উত্তম’ পদকপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী থেকে - ৪৯ জন।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।

১২,৪৮৪.
পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে আসেন কবে?
  1. ক) ৮ জানুয়ারি
  2. খ) ৯ জানুয়ারি
  3. গ) ১০ জানুয়ারি
  4. ঘ) ১২ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বঙ্গবন্ধু লন্ডন যান। সেখান থেকে ব্রিটিশ রাজকীয় কমেট বিমানে করে ১০ জানুয়ারি দিল্লি হয়ে দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা আসেন। এদিনটিকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
১২,৪৮৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১২,৪৮৬.
সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ
  2. খ) বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
  3. গ) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।

এগুলো হলো:
- প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
- দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)
- তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা
- চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী
- পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ
- ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
- সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে চারটি তফসিল ছিলো। ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল যুক্ত করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১২,৪৮৭.
বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের জন্য পরিচালিত অপারেশনটির নাম কী?
  1. অপারেশন কিলো ফ্লাইট
  2. অপারেশন বিগ ফিশ
  3. অপারেশন বিগ বার্ড
  4. অপারেশন জ্যাকপট
ব্যাখ্যা
অপারেশন বিগ বার্ড:

- ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের জন্য পরিচালিত অপারেশনটির নাম অপারেশন 'বিগ বার্ড'।
- ২৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান রাতের অন্ধকারে গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন।
- সেই কালরাত্রিতেই জেনারেল রাও ফরমান আলী খানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সামরিক অভিযানের কোড ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে ঢাকায় ও দেশের অন্যান্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে ব্যাপক তাণ্ডব ও নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালানো করা হয়।
- ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- রাত ১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়।
- এর কয়েক মিনিটের মধ্যে ওয়্যারলেসে ৫৭ ব্রিগেডের মেজর জাফর জানায়-‘বিগ বার্ড ইন দ্য কেজ, অন্যান্য পাখিরা নীড়ে নেই, ওভার’।
- অতঃপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঢাকা থেকে রাওয়ালপিন্ডির লয়ালপুর জেলে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বে তিরান্নবই হাজার পাকিস্তানি সেনাসদস্য ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- ০৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান।

তথ্যসূত্র - যুগান্তর, ১০ জানুয়ারি ২০২২।
১২,৪৮৮.
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  2. রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  3. এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
  4. ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড:
- দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)।
- এটি ১৯৬২ সালে গভর্নমেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস ল্যাবরেটরি (GPL) নামে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭৯ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ফার্মাসিউটিক্যালস প্রোডাকশন ইউনিট (PPU) রাখা হয়।
- ১৯৮৩ সালে জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ওষুধ উৎপাদনের লক্ষ্যে এটি আধুনিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি হাসপাতাল, সিভিল সার্জন অফিস, ইউনিসেফ, WHO, আইসিডিডিআরবি প্রভৃতি সংস্থায় মানসম্পন্ন ওষুধ সরবরাহ করছে।
- এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড ওয়েবসাইট।

১২,৪৮৯.
'স্বাধীনতা পদক' প্রদান করে -
  1. ক) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
  2. খ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. গ) গবেষণা ও প্রশিক্ষণ মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।

• স্বাধীনতা পদক:

- ‘স্বাধীনতা পদক’ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পদক প্রদান করা হচ্ছে।
- স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তদের প্রত্যেককে আঠারো ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, পাঁচ লক্ষ টাকা এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।
-  ২০২৩ সালে নয় ব্যক্তি ও একটি সংস্থাকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৩ স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়।

অন্যদিকে,
- একুশে পদক প্রদান করা হয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
১২,৪৯০.
বাংলাদেশের প্রথম নারী মেজর জেনারেল-
  1. ক) নাজমুন আরা সুলতানা
  2. খ) ডা. সুসানে গীতি
  3. গ) নাজনীন আক্তার পান্না
  4. ঘ) জোহরা বেগম
ব্যাখ্যা
৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী মেজর জেনারেল হোন ডা. সুসানে গীতি। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।
১২,৪৯১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কতটি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৬ টি
  4. ঘ) ২ টি
ব্যাখ্যা


বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম - লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
বৃত্তের উপর দিকে লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের দু'পাশে দু'টি করে মোট চারটি তারকা।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন সাহা।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৪৯২.
উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম চিকিৎসক কে?
  1. ডা. ফিরোজা বেগম
  2. ডা. রওশন আরা
  3. ডা. কাজী জোহরা বেগম
  4. ডা. কানিজ হাসিনা
ব্যাখ্যা

- এই প্রশ্নের ভাষাগত কিছু ত্রুটি রয়েছে।
- প্রশ্নটি হবার কথা ছিল 'উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসক কে?'
- উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম চিকিৎসক সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
- কিন্তু উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসক ডা. কাজী জোহরা বেগম।
- তাই অপশন বিবেচনায় ডা. কাজী জোহরা বেগম উত্তর নেওয়া হয়েছে।

• ডাঃ কাজী, জোহরা বেগম (১৯১২-২০০৭):
- ডাঃ জোহরা বেগম কাজী প্রথম আধুনিক বাঙালি মুসলিম মহিলা চিকিৎসক।
- তিনি ভারতের যুক্ত প্রদেশের রঞ্জনগাঁওয়ে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯১২ সালের ১৫ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। 
- একজন রাজনীতিক হিসেবে সুপরিচিত তাঁর পিতা ডাঃ কাজী আব্দুস সাত্তার ছিলেন বর্তমান মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার গোপালপুর গ্রামের কাজী পরিবারের সদস্য।
- একজন মেধাবী ছাত্রী হিসেবে জোহরা বেগম বাল্যকাল থেকেই প্রথম স্থান অধিকার করে সকল পর্যায়ের সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতেন।
- ১৯৩৫ সালে দিল্লির হার্ডিং মহিলা মেডিক্যাল কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে শীর্ষ স্থান অধিকার করে তিনি এম.বি.বি.এস ডিগ্রি লাভ করেন এবং ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় কর্তৃক প্রদত্ত পদকে ভূষিত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।
- দীর্ঘকাল মানবতার সেবায় নিঃস্তার্থ কর্মকান্ডের স্তীকৃতিস্তরূপ ডাঃ জোহরা কাজীকে তমঘা-ই-পাকিস্তান (১৯৬৪), বেগম রোকেয়া পদক (২০০২) এবং একুশে পদক (২০০৮) প্রদান করা হয়।
- ২০০৭ সালের ৭ নভেমতর জোহরা কাজীর মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, অধ্যাপক ডা. জোহরা বেগম কাজী : উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম মহিলা চিকিৎসক বই।।

১২,৪৯৩.
'কৈলাসনগর' ও 'তাহেরপুরী' উন্নত জাতের -
  1. পেঁয়াজ
  2. কলা
  3. গম
  4. আলু
ব্যাখ্যা
- উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:  সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

এছড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফসলের জাত: 
→ উচ্চ ফলনশীল কলার জাত: সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।
→ উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সুন্দরী, কুফরী, চমক, মরিনী, মুলটা ইত্যাদি। 
→ উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
→ উচ্চ ফলনশীল আমের জাত: মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১২,৪৯৪.
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. লালমনিরহাট
  2. কুড়িগ্রাম
  3. গোপালগঞ্জ
  4. জামালপুর
ব্যাখ্যা

• ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে স্থাপিত হবে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১২,৪৯৫.
বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৬.৯৪
  2. খ) ৭.২১
  3. গ) ৭.২৫
  4. ঘ) ৭.৮৮
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখা কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে আগের অর্থবছরের চেয়ে প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার প্রভাবে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে।
- ২০২৩ অর্থবছরের জন্য সরকার বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরেছিল ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ।
- এরপর অর্থ মন্ত্রণালয় তা ৬ দশমিক ৫০ শতাংশে সংশোধন করে।
- গত ২০২১-২২ অর্থবছরে চুড়ান্ত হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ১০ শতাংশ।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
- আর মহামারীর ধাক্কায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে গিয়েছিল ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশে।

সূত্র: ডেইলি স্টার। 
১২,৪৯৬.
Which is the name of the first artificial intelligence (AI) robot news reader in the country?
  1. ক) Oporajita
  2. খ) Renesa
  3. গ) Lisa
  4. ঘ) Mina
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ পাঠিকা:

- দেশে প্রথমবারের মত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) রোবট সংবাদ পাঠিকার নাম অপরাজিতা।
- চ্যানেল ২৪ এর বুধবার সন্ধ্যা ৭টার বুলেটিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায়।
- সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে সংবাদ সঞ্চালনার বিষয়টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
- চলতি বছরের এপ্রিলে ‘ফেদা’ নামের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায় কুয়েত নিউজ।
- ৯ জুলাই ভারতের একটি বেসরকারি ওড়িশা টেলিভিশন লিমিটেড (ওটিভি) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায়।
- এর নাম ছিল লিসা। 

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৯ জুলাই ২০২৩।
১২,৪৯৭.
উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. বিভাগীয় কমিশনার
  2. জেলা প্রশাসক
  3. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
  4. উপজেলা চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা

উপজেলা প্রশাসন:
- উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা প্রশাসনের মধ্যমণি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- ২০০৮ সালের জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিনি উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

• স্থানীয় প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান:-
- উপজেলা প্রশাসন -UNO বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
- বিভাগীয় প্রশাসন - Divisional Commissioner বা বিভাগীয় কমিশনার
- জেলা প্রশাসন - Deputy Commissioner বা ডিসি বা জেলা প্রশাসক।

• একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনার দায়দায়িত্ব বর্তায় জেলা প্রশাসনের হাতে।
- একজন ডেপুটি কমিশনার জেলা প্রশাসনের প্রধান।
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১২,৪৯৮.
মুক্তিযুদ্ধকালে কোলকাতার ৮, থিয়েটার রােডে “বাংলাদেশ বাহিনী” কখন গঠন করা হয়?
  1. এপ্রিল ১০, ১৯৭১
  2. এপ্রিল ১১, ১৯৭১
  3. এপ্রিল ১২, ১৯৭১
  4. এপ্রিল ১৩, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া বৈঠক ও মুক্তিফৌজ গঠনের প্রেক্ষাপট:
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাক বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার পর বাঙালি সেনা অফিসাররা বিদ্রোহ করেন। বিদ্রোহী অফিসারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন:
- খালেদ মোশাররফ, 
- শাফায়াত জামিল, 
- জিয়াউর রহমান,
- এস এম রেজা, 
- কে এম সফিউল্লাহ।
এদের উপস্থিতিতে এম.এ.জি. ওসমানী তেলিয়াপাড়া, যা ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের অস্থায়ী হেডকোয়ার্টার ছিল, সেখানে একটি বৈঠক করেন।

বৈঠক ও আলোচনার মূল বিষয়সমূহ:
স্থান: তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলো
তারিখ: ৪ এপ্রিল
অংশগ্রহণকারীরা: ভারতীয় বিএসএফ-এর পূর্বাঞ্চলীয় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার ভি সি পান্ডে এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত:
- বিদ্রোহী অফিসাররা যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
- মুক্তিফৌজ গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যা সকল বিদ্রোহী ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বৈঠকের স্থান অনুসারে এই যুদ্ধকৌশলকে "তেলিয়াপাড়া রণকৌশল" নামকরণ করা হয়, যা মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্যে গৃহীত প্রথম রণকৌশল হিসেবে পরিচিত।

পরবর্তী ঘটনা: 
- বৈঠকের পর কোনো লিখিত সিদ্ধান্ত সংরক্ষণ করা হয়নি, তবে মৌখিকভাবে সংগঠন, নেতৃত্ব ও যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়।
- ১১ এপ্রিল নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বেতার ভাষণে এই সভার সিদ্ধান্তের কিছু অংশ উচ্চারিত হয়।
- সভা শেষে কর্নেল ওসমানী তাঁর রিভলভার থেকে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন।

তাহলে বলা যায় যে,
তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিদ্রোহী বাঙালি ইউনিটগুলোকে সমন্বয় করে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রথম বাহিনী গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায় ১১ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে।

তথ্যসূত্র:
- মূলধারা ৭১, 
- বাংলাপিডিয়া, 
- তেলিয়াপাড়া উপজেলা ওয়েবসাইট।
১২,৪৯৯.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে কতজন মুক্তযোদ্ধার খেতাব বহাল রয়েছে?
  1. ৬৭০ জন
  2. ৬৭২ জন
  3. ৬৭৪ জন
  4. ৬৭৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৫০০.
বাংলাদেশ সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে, ’প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল’ বিষয়টি সন্নিবেশিত?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ- ১১৫
  3. অনুচ্ছেদ- ১১৮
  4. অনুচ্ছেদ- ১২১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান: 
 - ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: অনুচ্ছেদ-১১৭, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। 
• প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ: 
- অনুচ্ছেদ: ১১৭। (১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারবেনঃ

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১১৫। অধস্তন আদালতে নিয়োগ;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা;
- অনুচ্ছেদ- ১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব;
- অনুচ্ছেদ- ১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ;
- অনুচ্ছেদ- ১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা;
- অনুচ্ছেদ- ১২২। ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৬। অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা;
- অনুচ্ছেদ- ১১৬ক। বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।