বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২১ / ৩০৬ · ১২,০০১১২,১০০ / ৩০,৮৩২

১২,০০১.
বঙ্গবন্ধু মোট কতবছর জেলে কাটান?
  1. ক) ৫ বছর
  2. খ) ৯ বছর
  3. গ) ১২ বছর
  4. ঘ) ১৪ বছর
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু তার রাজনৈতিক জীবনে মোট ১২ বছর জেলে কাটান। এর পুরোটাই পাকিস্তানি শাসনামলে। অর্থাৎ পাকিস্তানের ২৪ বছরের শাসনামলের অর্ধেক সময়ই তাকে জেলে টাকাতে হয়েছে।
- বঙ্গবন্ধু সর্বপ্রথম ১৯৩৮ সালে তার এক বন্ধুকে সাহায্য করতে গিয়ে প্রথমবার সাতদিন জেল খাটেন।
- রাজনৈতিক কারনে প্রথম জেলে যান ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলা ভাষার দাবিতে হরতালের কর্মসূচি থেকে।
- সর্বশেষ ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ তিনি পাকিস্তান থেকে মুক্তি হয়ে লন্ডন গমন করেন।
(তথ্যসূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
১২,০০২.
বাঙালি ব্রিটিশ-বিরোধী বিপ্লবী নেতা “বাঘা যতীন” কোন অঞ্চল থেকে বিপ্লবী হয়ে ওঠেন?
  1. মেদিনীপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদ পুর
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (৭ ডিসেম্বর ১৮৭৯ – ১০ সেপ্টেম্বর ১৯১৫) ছিলেন একজন বাঙালি ব্রিটিশ-বিরোধী বিপ্লবী নেতা।
- তিনি বাঘা যতীন নামেই সকলের কাছে সমধিক পরিচিত।
- ভারতে ব্রিটিশ-বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন।
- বাঘা যতীন ছিলেন বাংলার প্রধান বিপ্লবী সংগঠন যুগান্তর দলের প্রধান নেতা।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত পূর্বে কলকাতায় জার্মান যুবরাজের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করে তিনি জার্মানি থেকে অস্ত্র ও রসদের প্রতিশ্রুতি অর্জন করেছিলেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে 'জার্মান প্লট' তারই মস্তিষ্কপ্রসূত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১২,০০৩.
মঙ্গল পান্ডে নামটি কোন বিদ্রোহের সাথে জড়িত?
  1. নাচোল বিদ্রোহ
  2. কৃষক বিদ্রোহ
  3. সিপাহী বিদ্রোহ
  4. নীল বিদ্র্রোহ
ব্যাখ্যা
মঙ্গল পান্ডে:
- মঙ্গল পান্ডে ছিলেন একজন সিপাহি, যার নেতৃত্বে সিপাহি বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহিদের একটি অংশ বিদ্রোহ করে।
- মঙ্গল পাণ্ডের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার ব্যারাকপুরে এই বিদ্রোহ শুরু হয়।
- ‘সিপাহি বিদ্রোহ’ নামে খ্যাত এই বিদ্রোহের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইংরেজ শাসনকে হটিয়ে দিয়ে পুরো ভারতকে দখলদার মুক্ত করা।
 
সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০০৪.
Regional Comprehensive Economic partnership (RCEP) বাণিজ্য চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশের সংখ্যা -
  1. ক) ১৩টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৬টি
ব্যাখ্যা
Regional Comprehensive Economic partnership (RCEP) বাণিজ্য চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশের সংখ্যা - ১৫টি।
উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট। 
১২,০০৫.
বিদেশি ভাষায় প্রথম মুক্তিযুদ্ধের ছবি 'JK 1971' এর পরিচালক কে?
  1. রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমন
  2. ফখরুল আরেফিন খান
  3. মাসুদ পথিক
  4. নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু
ব্যাখ্যা
বিদেশি ভাষায় প্রথম মুক্তিযুদ্ধের ছবি 'JK 1971' এর পরিচালক ফখরুল আরেফিন খান।
১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ফ্রান্সের প্যারিসের আর্লি বিমান বন্দরে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) একটি বিমান ছিনতাই করেন ফরাসি এক তরুণ। নাম জঁ ক্যা। এই ঘটনার উপর ভিত্তি করে ছবিটি নির্মিত হয়েছে। 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১২,০০৬.
হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি -
  1. সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত
  2. শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা
  3. মোহাম্মদ আজিজার রহমান
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
সংবিধানে স্বাক্ষর:
- বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- এটি একটি লিখিত দলিল।
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের সদস্য চিল মোট ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধানে গণপরিষদ সদস্যদের স্বাক্ষর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে,
- ১৫ তারিখ অনুষ্ঠানের শেষ সময় পর্যন্ত ৪ জন মাননীয় সদস্য- শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা, শ্রী সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত, মোহাম্মদ আজিজার রহমান এবং মোহাম্মদ ইব্রাহীম সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১২,০০৭.
সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় কবে?
  1. ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  2. ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  3. ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  4. ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি- মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- এই সম্পূর্ণরূপে উড়াল রেলপথ উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১৭ টি স্টেশনের মধ্যে  ৯টি স্টেশন বর্তমানে চালু রয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো নিউজ, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ সালে ও একাত্তর টিভি ওয়েবসাইট, ০৫ নভেম্বর ২০২৩।
১২,০০৮.
ছাত্র-নাগরিক হত্যার প্রতিবাদে ঘোষিত ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় কবে? 
  1. ১৬ জুলাই, ২০২৪ সালে
  2. ১৮ জুলাই, ২০২৪ সালে
  3. ৩১ জুলাই, ২০২৪ সালে
  4. ১ আগস্ট, ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

• 'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি:
- বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি- কোটা সংস্কার আন্দোলনের সহিংসতায় অনেক শিক্ষার্থীর প্রাণহানি হয়েছে।
- এমতাবস্থায় আন্দোলন দমনের জন্য সাধারণ ছাত্র ও আন্দোলনের সমন্বয়ক এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে গণগ্রেপ্তার চালানো হয়েছে।
- যা রীতিমতো দেশের সংবিধান বিরোধী ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে দাবি করা হয়েছে।
- আর এরই প্রতিবাদে ছাত্ররা তাদের কর্মসূচি 'মার্চ ফর জাস্টিস' পালন করেছে।

⇒ ৩০ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করার ঘোষণা দিয়েছে।
- ৩১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করেছে।
- ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

১২,০০৯.
'মারাং বুরু' দেবতার উপাসনা করে -
  1. মারমা
  2. সাঁওতাল
  3. লুসাই
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:

- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য তবু পর্বত দেবতাও (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,০১০.
জাতিসংঘের মতে সুশাসনের উপাদান কতটি?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৯ টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সুশাসনের ৮টি উপাদানের উল্লেখ করেছে। এগুলো হলোঃ অংশগ্রহণ, মতামতের উপর নির্ভরশীলতা, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, কার্যকরি ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা, ন্যায্যতা এবং আইনের শাসন।
জাতিসংঘের মতে এসবের মাধ্যমে মূল লক্ষ্য হলো সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের মৌলিক স্বাধীনতার উ্ন্নয়ন।
(সূত্রঃ ইউএনক্রনিকল)
১২,০১১.
সম্রাট অশোক মৌর্য বংশের কততম সম্রাট ছিলেন?
  1. চতুর্থ
  2. প্রথম
  3. তৃতীয়
  4. দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
সম্রাট অশোক:
- সম্রাট অশোক ভারতের মৌর্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় শাসক ছিলেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩ অব্দে তিনি সিংহাসনে বসেন।
- এর তের বছর পর খ্রিস্টপূর্ব ২৬১ অব্দে অশোক পার্শ্ববর্তী কলিঙ্গ রাজ্য আক্রমণ করেন।
- ভয়াবহ কলিঙ্গ ‍যুদ্ধে সাধারণ মানুষসহ প্রায় লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়।
- এ ভয়াবহতা সম্রাট অশোকের মনে গভীর প্রভাব ফেলে।
- এতে করে তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন এবং যুদ্ধ পরিহার করে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির নীতি গ্রহণ করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, স্নাতক শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০১২.
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালিকা) কোথায় অবস্থিত?
  1. টংগী, গাজীপুর
  2. কোনাবাড়ী, গাজীপুর
  3. পুলের হাট, যশোর
  4. দাউদকান্দি, কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র:
- শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী আইনের সাথে সংঘর্ষে জড়িত বা সংস্পর্শে আসা শিশু বা অভিবাবক কর্তৃক প্রেরীত শিশুদের উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনে একীভূত করার লক্ষ্যে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র পরিচারিত হচ্ছে।
- উন্নয়ন কেন্দ্রসমূহে স্বীকৃত পদ্ধতিতে আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু ও অভিবাবক কর্তৃক প্রেরীত শিশুদের কেইস ওয়ার্ক, গাইডেন্স, কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে মানসিকতার উন্নয়ন, ডাইভারশন ইত্যাদি স্বীকৃত পদ্ধতিতে রক্ষণাবেক্ষণ, ভরণপোষন, প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন করে কর্মক্ষম ও উৎপাদনশীল নাগরিক হিসেবে সমাজে পুনর্বাসিত/আদালতের  নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
- এ সকল প্রতিষ্ঠানে মোট আসন সংখ্যা ৬০০ জন।
- সমাজসেবা অধিদফতরের প্রতিষ্ঠান শাখা উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক/ বালিকা) সমূহ পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক) গাজীপুরের টংগীতে অবস্থিত।
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালিকা) গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে অবস্থিত।
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (বালক) যশোরের পুলের হাটে অবস্থিত।

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট। 
১২,০১৩.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে।
- কৃষি শুমারি পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরণ, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।

⇒ এদেশে ১৯৬০ সালে প্রথমবারের মত নমুনা আকারে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩টি। যথা: শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- ২০০৮ সালে সমগ্র দেশে শহর ও পল্লি এলাকায় সকল সাধারণ খানায় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ৪র্থ কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়।
- এটিই দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
ii) BBS ওয়েবসাইট।
১২,০১৪.
অপারেশন সার্চ লাইট যে সালে সংঘটিত হয়-
  1. ক) ১৯৬৯
  2. খ) ১৯৭১
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৭০
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,০১৫.
বর্তমানে দেশের কোন রপ্তানি পণ্যের উপর সর্বোচ্চ মার্কিন শুল্ক দিতে হয়? [আগস্ট,২০২৫]
  1. তামাকজাত  পণ্য
  2. চামড়াবিহীন বিশেষ জুতা
  3. রাবারের জুতা
  4. শিশুদের কৃত্রিম তন্তুর সোয়েটার
  5. পাটজাত পণ্য 
ব্যাখ্যা
মার্কিন বাণিজ্য কমিশনের তথ্য অনুযায়ী,
- বর্তমানে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে সবচেয়ে বেশি শুল্ক দিতে হয় প্রক্রিয়াজাত তামাক পণ্যে।
- যুক্তরাষ্ট্র এই পণ্য থেকে ৩৫০ শতাংশ শুল্ক আদায় করে।
- এখন নতুন করে ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক যুক্ত হলে তা বেড়ে দাঁড়াবে ৩৭০ শতাংশে;
- অর্থাৎ প্রতি ১০০ মার্কিন ডলার মূল্যের তামাক পণ্যে শুল্ক দিতে হবে ৩৭০ ডলার।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৭৪ হাজার ডলারের তামাকজাত পণ্য রপ্তানি করেছে।

উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
১২,০১৬.
গণহত্যা জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
‘১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর:
- ১৯৭১: গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর খুলনায় অবস্থিত।
- এখানে আছে বাঙালির মুক্তি, স্বাধীনতার স্পৃহা আর মুক্তিযুদ্ধকালের সবচেয়ে মর্মন্তুদ পর্বের অসংখ্য নিদর্শন।
- সেগুলোর সামনে দাঁড়ালে দর্শনার্থীর চোখে ভেসে ওঠে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মমুহূর্তের যন্ত্রণার দিনগুলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের উৎসাহে ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনায় এই জাদুঘর যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৫ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নগরের ২৬ সাউথ সেন্ট্রাল রোডের দ্বিতল একটি বাড়ি উপহার দেন।
- সংস্কারের পর ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ সেই বাড়িতে স্থানান্তর হয় জাদুঘরটি।
- ১৯৭১ সালের গণহত্যা-নির্যাতনের নিদর্শন সংরক্ষণ, বধ্যভূমি ও গণকবর-সংক্রান্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা, গণকবর ও বধ্যভূমি চিহ্নিত করা এবং গবেষণা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তারা।

উৎস: ২৭ মার্চ ২০১৯, প্রথম আলো।
১২,০১৭.
জুলাই সনদ কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
  2. ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
  3. ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  4. ১৯ অক্টোবর, ২০১৫
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫:
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।

১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা হয়।
- এর ফলে ৫ই আগস্ট, ২০২৪ তারিখে তৎকালীন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কিছু দোসর দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান এবং দীর্ঘকালীন দমনমূলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে।
- জনগণের বিজয়ের ফল হিসেবে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।

⇒ জুলাই জাতীয় সনদে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়েছে।
- এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের ১৭টি বিষয়ে ৩২টি রাজনৈতিক দল ও জোটের পূর্ণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে ৮৪ দফার জুলাই জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন; বাকি ৬৭টি বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কেউ কেউ বিরোধিতা করেছে এবং দিয়েছে নোট অব ডিসেন্ট।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।

১২,০১৮.
জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশে আসেন সর্বশেষ কত তারিখে?
  1. ১০ মার্চ, ২০২৫
  2. ১৫ মার্চ, ২০২৫
  3. ১৩ মার্চ, ২০২৫
  4. ২০ মার্চ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস:
- আন্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের নবম মহাসচিব।
- তিনি ইউরোপ মহাদেশের দেশ পর্তুগাল-এর নাগরিক।
- তিনি ১ জানুয়ারি, ২০১৭ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য,
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে চার দি‌নের সফরে ঢাকায় এসেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
- ১৩ মার্চ, ২০২৫ তারিখে জাতিসংঘের মহাসচিব ঢাকায় পৌঁছান।
- প্রায় সাত বছরের ব্যবধানে এটি তার বাংলাদেশে দ্বিতীয় সফর। 
-  এই সফরে জাতিসংঘ মহাসচিবের অন্যতম একটি উদ্দেশ্য ছিল রোহিঙ্গাদের প্রতি তার সমর্থন ও সহমর্মিতা জানানো।

উৎস: i) বিবিসি,
ii) Britannica.
১২,০১৯.
প্রাচ্যের ভেনিস বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. বরিশাল
  2. ভোলা
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার:
- 'প্রাচ্যের ভেনিস' নামে পরিচিত বরিশাল জেলা।
- বরিশাল জেলাকে বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়।
- কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এ শহরের পুরাতন নাম চন্দ্রদ্বীপ। 
- বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার, প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ ও প্রাচ্যের ভেনিস সহ বিভিন্ন নামে পরিচিত এই বরিশাল নগরীতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদী ও খাল।
- এই অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ অনেকাংশেই নির্ভরশীল ছিল এইসব নদী ও খালের উপর।
- ধান- নদী -খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
- এ রাজ্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে এ অঞ্চল ‘বাকলা' নামে পরিচিত ছিল।
- ‘বাকলা' অর্থ শস্য ব্যবসায়ী যা আরবী শব্দ থেকে আগত। 
- বাংলার শস্য ভান্ডার বরিশাল একদা ‘এগ্রিকালচারাল ম্যানচেস্টার' হিসেবে পরিচিত ছিল।
- প্রাচীনকাল থেকে পলি গঠিত উর্বর এ অঞ্চল ছিল কৃষির জন্য উৎকৃষ্ট এবং বসবাসের জন্য উত্তম।
- কৃষিই ছিল এ দেশের অর্থনীতির মূল উৎস।
- পর্যটক রালফ ফিস ১৫৮০ সালে বাকলাকে অত্যন্ত সম্পদশালী আখ্যায়িত করে এখানকার প্রচুর চাল, কার্পাস, রেশমবস্ত্র ও সুবৃহৎ ঘরের কথা উল্লেখ করেছেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২,০২০.
কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান করেন?
  1. ক) ৭১ নং
  2. খ) ৭২ নং
  3. গ) ৭৫ নং
  4. ঘ) ৭৬ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন। তবে এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবেন।
সাধারণভাবে এক অধিবেশনের শেষ বৈঠক ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে বিরতিকাল সর্বোচ্চ ষাট দিন হতে পারবে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
১২,০২১.
BEZA কী?
  1. ক) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ
  2. খ) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
  3. গ) বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা ।
• Bangladesh Economic Zones Authority) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত ও পরিচালিত একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
• বেজা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন একটি প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, লাইসেন্স প্রদান, পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা এবং নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
• বেজা তিন পর্যায়ের ব্যবস্থাপনা কাঠামো দ্বারা পরিচালিত:
- গভর্নিং বোর্ড,
- নির্বাহী বোর্ড,
- বেজা দপ্তর/সচিবালয়

• সার্বিক নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হলো গভর্নিং বোর্ড।
•  গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
• শিল্প, বাণিজ্য, অর্থ, পরিকল্পনা, বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ, যোগাযোগ, শ্রম ও কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও বন, কৃষি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়/ বিভাগের শীর্ষ স্থানীয়  প্রতিনিধিবৃন্দ এই বোর্ডের সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ দেশের শীর্ষ স্থানীয় চেম্বার নেতৃবৃন্দ ও বেসরকারী খাতের প্রতিনিধিবৃন্দ এই বোর্ডের সদস্য।


সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা ওয়েবসাইট।
১২,০২২.
একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে? 
  1. দ্বিতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ সংশোধনী: 
- চতুর্থ সংশোধনীর শিরোনাম: সংবিধান [চতুর্থ সংশোধন] আইন, ১৯৭৫। 
- সংসদে পাশের তারিখ: ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫ সাল। 
- চতুর্থ সংশোধনীর দ্বারা সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসন পদ্ধতি এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন করা হয়।

এছাড়া,

• দ্বিতীয় সংশোধনী: 
- দ্বিতীয় সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [দ্বিতীয় সংশোধন] আইন, ১৯৭৩। 
- সংসদে বিল পাশের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩। 
- দ্বিতীয় সংশোধনীর দ্বারা জরুরি অবস্থাকালীন নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।

• পঞ্চম সংশোধনী: 
- পঞ্চম সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [পঞ্চম সংশোধন] আইন, ১৯৭৯। 
- বিলটি সংসদে পাশের তারিখ ৬ এপ্রিল, ১৯৭৯। 
- পঞ্চম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা থেকে শুরু করে ৫ এপ্রিল, ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকান্ডের বৈধতা দান।

• ষষ্ঠ সংশোধনী: 
- ষষ্ঠ সংশোধনীর শিরোনাম ছিল সংবিধান [ষষ্ঠ সংশোধন] আইন, ১৯৮১। 
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৮ জুলাই, ১৯৮১। 
- ষষ্ঠ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল উপ-রাষ্ট্রপতির পদে থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের বিধান নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০২৩.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল সর্বপ্রথম কোন দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ ও টেস্ট সিরিজ জয়লাভ করে?
  1. শ্রীলংকা
  2. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  3. পাকিস্তান
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল সর্বপ্রথম জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ ও টেস্ট সিরিজ জয়লাভ করে।

• ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:

- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।

• টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় লাভ করে ২০০৫ সালে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে।

উৎস: i) ESPNcricinfo.
ii) ১২ মে ২০১৮, প্রথম আলো।
১২,০২৪.
সুলতান মাহমুদ কতবার ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন?
  1. ২৭ বার
  2. ২০ বার 
  3. ১৮ বার 
  4. ১৭ বার
ব্যাখ্যা

সুলতান মাহমুদ:
- সুলতান মাহমুদ ছিলেন তুর্কি বংশোদ্ভূত।
- মুহম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু অভিযানের প্রায় তিনশ বছর পর গজনির সুলতান মাহমুদ ভারত অভিযান করেন।
- গজনি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আলপ্তগীন। আলপ্তগীনের ক্রীতদাস ও জামাতা গজনীর আমির সবুক্তগীনের পুত্র ছিলেন সুলতান মাহমুদ।
- এ রাজবংশটি ইসলামের ইতিহাসে ‘গজনি রাজবংশ' নামে পরিচিত।
- সুলতান মাহমুদ ১০০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১০২৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মাত্র ২৭ বছরে ১৭ বার ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান পরিচালনা করেন।

⇒ সুলতান মাহমুদের সভাকবি ছিলেন মহাকবি ফেরদৌসী।
- ফেরদৌসীর রচিত অমর কাব্যগ্রন্থের নাম শাহনামা।
- ফেরদৌসীকে বলা হয় প্রাচ্যের হোমার।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০২৫.
অপারেশন জ্যাকপট কত তারিখে পরিচালিত হয়?
  1. ২২ই জুলাই ১৯৭১ সালে
  2. ৭ই আগস্ট ১৯৭১ সালে
  3. ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে
  4. ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট ১৯৭১ সালে।
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
১২,০২৬.
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন এম মনসুর আলী। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামরুজ্জামান এবং পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,০২৭.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কোন জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- পূর্ণরূপ Export Processing Zone. 
- EPZ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- দেশের প্রথম ইপিজেড ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে দেশে মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি, যার মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড সাভারে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- উত্তরা ইপিজেড বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড, যা নীলফামারীতে অবস্থিত। 

সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট।
১২,০২৮.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল
  2. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  3. ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল
  4. ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।
- এ অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়। এটি হল "সংবিধান কমিটি"।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৪ জন।

⇒ গণপরিষদে সংবিধান পেশ
- সংবিধান কমিটিতে ড. কামাল হোসেন ছাড়া আরও চার জন মন্ত্রী ছিলেন।
- তারা হলেন যথাক্রমে (১) সৈয়দ নজরুল ইসলাম; (২) তাজউদ্দিন আহমদ; (৩) খন্দকার মুশতাক আহমেদ; (৪) এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান।
- এ ছাড়া ৭ জন মহিলা সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন সংসদ সদস্য।
- এ কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে।
- ঐ অধিবেশনে সংবিধান কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন সংবিধান বিল আকারে গণপরিষদে পেশ করেন।
- ১৩ অক্টোবর গণপরিষদ কিছু কিছু সংশোধনীসহ এ খসড়া সংবিধানের বিধিমালা গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০২৯.
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ২য় বার গঠিত হয় কখন?
  1. ১ মার্চ, ১৯৪৮
  2. ২ মার্চ, ১৯৪৮
  3. ১ অক্টোবর, ১৯৪৮
  4. ২ অক্টোবর, ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

⇒ তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা প্রকাশিত হয়।
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।
- ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে।
- এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ১৩ ডিসেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
১২,০৩০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'মন্ত্রিসভা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫০
  2. অনুচ্ছেদ ৫২
  3. অনুচ্ছেদ ৫৫
  4. অনুচ্ছেদ ৫৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,০৩১.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব-
  1. বীরবিক্রম
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীরপ্রতীক
  4. বীরউত্তম
ব্যাখ্যা
১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাব ৪ ভাগে বিভক্ত। যথা-
১. বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
২. বীর উত্তম ৬৮ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
৩. বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
৪. বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,০৩২.
পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কি নামে পরিচিত ছিল?
  1. সোমপুর বিহার
  2. ধর্মপাল বিহার
  3. জগদ্দল বিহার
  4. শ্রী বিহার
ব্যাখ্যা
• পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করেছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। 
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- বর্তমান বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বাদলগাছি উপজেলার পাহারপুর গ্রামে অবস্থিত এই বিহার।

- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ।
১২,০৩৩.
বর্তমানে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ২৮২০ মার্কিন ডলার
  2. ২৮৪০ মার্কিন ডলার
  3. ২৭২০ মার্কিন ডলার 
  4. ২৭৪০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।
- বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রকাশ করেছে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুযায়ী -
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৫১%।

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপির সাথে বিনিয়োগ, দেশজ সঞ্চয় এবং জাতীয় সঞ্চয়-এর অনুপাত দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২৯.৩৮%, ২৩.২৫% এবং ২৯.০১%।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 

অন্যদিকে,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

১২,০৩৪.
নিচের কোন দেশকে হারিয়ে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে?
  1. কানাডা
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে: ২০১১ সালে।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে: ২০১৮ সালে।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল টেস্ট মর্যাদা লাভ করে: ২০২১ সালে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
১২,০৩৫.
প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন-
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. নিশাত মজুমদার
  3. নীহা মজুমদার
  4. মাইশা সিনথিয়া
ব্যাখ্যা
• মুসা ইব্রাহিম :
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- পেশায় তিনি একজন সাংবাদিক ও পর্বতারোহী।
- ২০১০ সালের ২৩ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন এবং লাল-সবুজ পতাকা ওড়ান মুসা।
- মূলত তার হাত ধরেই পর্বতবিজয়ী দেশের তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশের নাম।

• নিশাত মজুমদার:
- ২০১২ সালের ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টায় প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে পৃথিবীর শীর্ষচূড়া এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার।
- তার এ বিজয়ের মাধ্যমে নারীদের শক্তি ও অর্জন হিমালয় উচ্চতায় স্থান পায় বলে প্রতীয়মান হয়।
- এর আগে ২০০৩ সালে এভারেস্ট বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া কেওক্রাডং জয় করেন নিশাত।

• ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ওই বছরের ২৬ মে সকাল পৌনে ৭টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন তিনি।
- ওয়াসফিয়া নাজরীন বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন। 

- ষষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করলেন বাবর আলী।

উৎস: প্রথম আলো।
১২,০৩৬.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাঠ?
  1. চাপালিশ
  2. কেওয়া
  3. গেওয়া
  4. সুন্দরী
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ:
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ, শহর খালিশপুর, খুলনা দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি'র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর অধিনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়।
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে।
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে।
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।

[উল্লেখ্য, বর্তমানে মিলটি বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ]

উৎস: খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ ও প্রথম আলো।
১২,০৩৭.
দেশে প্রচলিত সর্বনিম্ন মূল্যমানের ব্যাংক নোট কোনটি?
  1. পাঁচ টাকা
  2. দশ টাকা
  3. এক টাকা
  4. দুই টাকা
ব্যাখ্যা

- কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয়ে থাকে সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট রয়েছে। এগুলো হলো:
- দশ টাকা
- বিশ টাকা
- পঞ্চাশ টাকা
- একশ টাকা
- দুইশ টাকা
- পাঁচশ টাকা এবং
- একহাজার টাকা।
- এদের মধ্যে সর্বনিম্ন ব্যাংক নোট দশ টাকা এবং সর্বোচ্চ ব্যাংক নোট এক হাজার টাকা।
- সর্বশেষ চালুকৃত ব্যাংকনোট হলো দুইশত টাকার নোট (১৭ মার্চ ২০২০)।
- ব্যাংক নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
অন্যদিকে,
- পাঁচ, দুই ও এক টাকার নোট হলো সরকারি নোট। এসব নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে। এসব নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়।
(তথ্যসূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রথম আলো)

১২,০৩৮.
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে কতটি রোগের প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হচ্ছে?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানোর লক্ষ্যে ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) চালু হয়। শুরুতে ছয়টি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হলেও বর্তমানে ১০টি রোগের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

এগুলো হলো:
- শিশুদের যক্ষ্মা
- পোলিও মাইলাইটিস
- ডিফথেরিয়া
- হুপিং কাশি
- মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার
- হেপাটাইটিস-বি
- হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ
- হাম
- রুবেলা
- নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী বর্তমানে সারা দেশে সকল প্রকার টিকা গ্রহণকারী শিশুদের হার ৮৬ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১২,০৩৯.
ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় কোন দফতরের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. স্বরাষ্ট্র ও কৃষি
  2. অর্থ ও বাণিজ্য
  3. ত্রাণ ও পুনর্বাসন
  4. পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক
ব্যাখ্যা
→ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় 'অর্থ ও বাণিজ্য' দফতরের দায়িত্বে ছিলেন। 

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা ও তাদের দফতর:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম. মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড।
১২,০৪০.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামিকে ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) এম মনসুর আলী
  3. গ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
  4. ঘ) আতাউল গণি উসমানী
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় প্রধান আসামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আন্দোলন আরো তীব্র আকার ধারণ করে। যার কারণে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

১২,০৪১.
১৬ এপ্রিল, ২০২৩ সালে কোন বনভূমিকে দেশের ২৫তম বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) টেংরাগিরি বণ্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
  2. খ) চান্দপাই বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
  3. গ) পদ্মা সেতু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
  4. ঘ) বাইশারী ব্যাংডেপা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য
ব্যাখ্যা
২৫তম বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য:
- বাইশারী ব্যাংডেপা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, কক্সবাজার।

এছাড়াও আরো কিছু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যগুলো হচ্ছে -

- রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, হবিগঞ্জ।
- চর কুকরি মুকরি বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, ভোলা।
- সুন্দরবন ইষ্ট বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, বাগেরহাট।
- সুন্দরবন ওয়েস্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, সাতক্ষীরা।
- সুন্দরবন সাউথ বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, খুলনা।
- পাবলাখালী বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর
১২,০৪২.
বর্তমানে কোন জেলায় সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম?
  1. রংপুর
  2. কক্সবাজার
  3. জামালপুর
  4. মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ জেলা ভিত্তিক সাক্ষরতার হার:
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা: পিরোজপুর।
- সাক্ষরতার হার: ৮৫.৫৩%।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা: জামালপুর।
- সাক্ষরতার হার: ৬১.৭০%।

⇒ বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার:
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ বিভাগ: ঢাকা।
- সাক্ষরতার হার: ৭৮.২৪%।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন বিভাগ: ময়মনসিংহ।
- সাক্ষরতার হার: ৬৭.২৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১২,০৪৩.
‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৪’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. দিল্লি
  2. ঢাকা
  3. থিম্পু
  4. কাঠমান্ডু
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৪:
-সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) এর উদ্যোগে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৪’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সংলাপ তৃতীয় বারের মতো ১৬ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- ৮০টিরও বেশি দেশ থেকে ২০০ জনের বেশি আলোচক, ৩০০ জন প্রতিনিধি এবং ৮০০ জন অংশগ্রহণকারী একত্রিত হয়।
- ভূরাজনীতি, অপতথ্য, মানবাধিকারসহ পাঁচটি বিষয়ে সংলাপ হয়। 
- প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলন চলে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।
- এবারের প্রতিপাদ্য ছিলো, ‘একটি ভঙ্গুর বিশ্ব’।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। 
১২,০৪৪.
বাংলাদেশে প্রথম খেতাব প্রাপ্ত গ্রান্ড মাস্টার কে?
  1. নিয়াজ মোরশেদ
  2. এনামুল হক বিজয়
  3. জিয়াউর রহমান
  4. রানী হামিদ
ব্যাখ্যা

দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন 'ফিদে'র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান। 
- ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান। তিনি
- বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার ৩য় গ্র্যান্ড মাস্টার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব ৪র্থ গ্র্যান্ড মাস্টার।

উৎস: দৈনিক বণিক বার্তা। [লিঙ্ক]

১২,০৪৫.
বর্তমানে দেশে মোট জাতীয় উদ্যান আছে ______।
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৮টি
ব্যাখ্যা

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এটি ২০০৫ সালে স্থাপিত হয়। এটির মোট আয়তন প্রায় ২৪৩ হেক্টর। এটি সহ বর্তমানে দেশে মোট ১৮টি জাতীয় উদ্যান রয়েছে।
সূত্রঃ বন অধিদপ্তর।

১২,০৪৬.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে সর্বপ্রথম বণিজ্য করার উদ্দেশ্যে ভারতবর্ষে প্রথম আগমন করে-
  1. পর্তুগিজ
  2. ওলন্দাজ
  3. ইংরেজ
  4. ফরাসি
ব্যাখ্যা
• পর্তুগিজ:
- পর্তুগিজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে এদেশে আসেন, তাঁর নাম ভাস্কো-ডা-গামা। তিনি ১৪৯৮
- সালের ২৭শে মে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- উপমহাদেশে তাঁর এ আগমন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- পর্তুগিজরা ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এদেশে আসে কিন্তু ক্রমে তারা সাম্রাজ্য বিস্তারের দিকে মনোনিবেশ করে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা উপমহাদেশের পশ্চিম উপকূলের কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি বন্দরে কুঠি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- ১৫৩৮ সালে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে বাণিজ্যঘাঁটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- ১৫৭৯ সালে হুগলী নামক স্থানে তারা উপনিবেশ গড়ে তোলে।
- এরপর তারা উড়িষ্যা এবং বাংলার কিছু অঞ্চলে বসতি সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয়।
- বাংলাসহ ভারতীয় উপমহাদেশে বিভিন্ন অংশে বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা থাকলেও পর্তুগিজদের বিভিন্ন অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান তাদের
- চট্টগ্রাম ও সন্দীপের ঘাঁটি দখল করে বাংলা থেকে বিতাড়ন করেন। তাছাড়া পর্তুগিজরা বাংলায় আগত অন্যান্য
- ইউরোপীয় শক্তির সঙ্গেও পরাজিত হয়। এরপর তারা দেশ ত্যাগ করে।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২,০৪৭.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন কোনটি?
  1. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  2. তমদ্দুন মজলিশ
  3. রাষ্ট্রভাষা কমিটি
  4. পূর্ব বাংলা ছাত্র পরিষদ
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

১২,০৪৮.
ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় পরিচালনার জন্য নিয়োগ করা হয় -
  1. সচিব
  2. সদস্য
  3. উপ-চেয়ারম্যান
  4. পরিদর্শক
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০৪৯.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিশ' কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  2. ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  3. ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  4. ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।

⇒ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিস"।
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর নতুন বাস্তবতায় তমদ্দুন মজলিস কেবল বাংলা ভাষায়ই নয়, বরং একটা সার্বিক জীবন ব্যবস্থা ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা সম্পর্কে পরিচ্ছন্ন ভাষায় একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছিলো।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- তমদ্দুন মজলিসের নেতৃত্বেই ১৯৪৭ সালের পহেলা অক্টোবর প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের দোসরা মার্চ তমদ্দুন মজলিশসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের যৌথসভায় শামসুল আলমকে আহ্বায়ক করে 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ' নামে নতুন কমিটি হয়েছিলো।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড) অনুসারে, ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ তারিখে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাপিডিয়ার সূত্র অনুসারে, তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর গঠিত হয়।
স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র এই বিষয়ে অন্য যেকোনো রেফারেন্স থেকে অগ্রগণ্য হবে। অপশনে ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ না থাকলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে।

[বিস্তারিত তথ্যকল্পদ্রুম-7]

উৎস: i) ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা- ৪৯।
১২,০৫০.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ এর আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) আবদুল মতিন
  2. খ) অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা
  3. গ) কাজী গোলাম মাহবুব
  4. ঘ) শামসুল আলম
ব্যাখ্যা
⇨ ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন

অন্যদিকে, 
⇨ ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
⇨ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
⇨ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
⇨ কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
⇨ এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১২,০৫১.
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রায় দেয় -
  1. PCA
  2. ITLOS
  3. ICJ
  4. ICC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালের গোড়ার দিকে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ
- সংবিধানের ১৪৩ নং অনুচ্ছেদের (২) নং ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত Territorial Waters and Maritime Zones Act. 1974 জারি করে। যা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪। এই আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার আঞ্চলিক বা উপকূলীয় সমুদ্র অঞ্চল, সন্নিহিত বা সংলগ্ন সমুদ্র অঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, সংরক্ষিত এলাকা, মহীসোপান বিষয়ে বাংলাদেশের আইনগত কর্তৃত্বের ঘোষণা দেয়।

• বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (ITLOS) ২০১২ সালের ১৪ মার্চ তারিখে এই মামলার রায় দেয়া হয়। রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায়।

ITLOS:
- ITLOS এর পূর্ণরূপ - International Tribunal for the Law of the Sea.
- ১৯৮২ সালে সাগরের আইন সম্পর্কিত জাতিসংঘের কনভেনশন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অবস্থান: জার্মানির হামবুর্গে।

• বাংলাদেশ বনাম ভারত:
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই নেদারল্যান্ডস-এ অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (Permanent Court of Arbitration-PCA) এই রায় আদালতের রায়ে বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে ১, ১৮, ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone - EEZ) এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১২,০৫২.
রাষ্ট্রপতি বিদেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগে কার পরামর্শ নিয়ে থাকেন?
  1. ব্যাক্তিগত সচিব
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাপ্রধান
  4. স্বাধীন
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ:
⇒ সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। মন্ত্রীদের কাজ তদারক করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের মধ্যে সমন্বয় করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে কাজ করেন। তিনি যেকোনো মন্ত্রীকে তার পদ থেকে অপসারণের পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। যেমন- সংসদ অধিবেশনে নির্ধারিত দিনে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম তুলে ধরে সংসদে বক্তৃতা প্রদান করেন। এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒ সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

⇒ পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১২,০৫৩.
বিশ্বের প্রথম হাইড্রোজেন পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম হাইড্রোজেন পার্ক:
জাপানে যাত্রা শুরু হলো বিশ্বের প্রথম হাইড্রোজেন পার্কের।
→ পার্কটির নাম হচ্ছে - তাকাসাগো হাইড্রোজেন পার্ক।
→ মিত্সুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজের (এমএইচআই) তাকাসাগো হাইড্রোজেন পার্কটি পুরোদমে অপারেশন শুরু করেছে।
→ পার্কটি এমএইচআইর পশ্চিম-মধ্য জাপানের হিয়গো প্রিফেকচারের তাকাসাগো মেশিনারি ওয়ার্কসে অবস্থিত।
→ সম্প্রতি এখানে ইলেকট্রোলাইসিস পদ্ধতিতে হাইড্রোজেন উৎপাদন শুরু হয়েছে।

→ হাইড্রোজেন উৎপাদন, সংরক্ষণ এবং ব্যবহারের জন্য তাকাসাগো হাইড্রোজেন পার্কটি তিনটি এলাকায় বিভক্ত।
→ উৎপাদনের ক্ষেত্রে, নরওয়ের হাইড্রোজেন প্রো এএসে তৈরি একটি অ্যালকালাইন ইলেকট্রোলাইজার ব্যবহার হচ্ছে।
→ এর উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ১০০ এনএম৩/এইচ, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।
→ উৎপাদনকৃত হাইড্রোজেন ৩৯ হাজার এনএম৩/এইচ ধারণক্ষমতার একটি স্টোরেজে সংরক্ষণ করা হবে।

তথ্যসূত্র: কালবেলা (০৮ অক্টোবর ২০২৩)।
১২,০৫৪.
বাংলাদেশ শিশু একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার  কত সাল থেকে চালু করা হয়? 
  1. ১৯৯০ সাল
  2. ১৯৮৫ সাল
  3. ১৯৮৬ সাল
  4. ১৯৮৯ সাল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ শিশু একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার: 
- বাংলাদেশ শিশু একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার  শিশুসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমী বছরে একজন সাহিত্যসেবীকে এ পুরস্কার প্রদান করে।
- বাংলা ১৩৯৬ সন এবং ইংরেজী ১৯৮৯ খ্রি থেকে এ পুরস্কার চালু করা হয়েছে। 
- একজন কবি বা সাহিত্যিক জীবনে মাত্র একবার এ পুরস্কার লাভ করতে পারেন।
- এ পুরস্কার মরণোত্তর পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার বিধান নেই।
- শিশু একাডেমী পুরস্কারের মান নগদ ২৫ হাজার টাকা।
- পুরস্কৃত সাহিত্যিককে নগদ অর্থ, সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিংক]

১২,০৫৫.
বর্তমানে দেশে শিক্ষা বোর্ডের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে।
এগুলো হলো:
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা (৭ মে ১৯২১)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী (১৯৬১)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা (১৯৬২)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, যশোর (১৯৬৫)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম (১৯৯৫)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল (১৯৯৯)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, সিলেট (১৯৯৯)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর (স্থাপিত : ২০০৬ সালে; কার্যক্রম শুরু ২০০৯ সালে)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ (২৮ আগস্ট ২০১৭)
- বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (১৯৫৪)
- বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (১৯৭৮)।
(তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়)
১২,০৫৬.
অর্থ পাচারের কারণ নয় কোনটি?
  1. অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করা
  2. কর ফাঁকি না দেয়া
  3. কোম্পানির মুনাফা লুকানো
  4. দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতি না থাকা
ব্যাখ্যা

অর্থ পাচার:
- অর্থ পাচার হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের বেআইনি উপার্জনের উৎস ও মালিকানা লুকানোর চেষ্টা করে।
- এটি প্রত্যেক দেশের জন্যই একটি ক্ষরণ-জাতীয় জটিল সমস্যা হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
- অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণসমূহ:
• দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা।
• ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা।
• বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা।
• অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা।

⇒ উক্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র 'কর ফাঁকি না দেওয়া' সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। 

উৎস - বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট ও সিপিডি ওয়েবসাইট । 

১২,০৫৭.
বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের চুক্তি কার্যকর করার জন্য সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে পরিবর্তন করা হয়?
  1. ২নং অনুচ্ছেদ
  2. ১২নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৮নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৩নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
তৃতীয় সংশোধনী:
- তৃতীয় সংশোধনী আইন সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) আইন, ১৯৭৪ বলবৎ হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর।
- এর দ্বারা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কতিপয় ছিটমহল বিনিময় ও সীমান্ত রেখা নির্ধারণের ব্যাপারে একটি চুক্তি কার্যকর করার লক্ষ্যে সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়

২নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা 
১. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার আগে পূর্ব পাকিস্তানের যে সব এলাকা ছিল, তা বাংলাদেশের সীমানায় অন্তর্ভুক্ত। তবে ১৯৭৪ সালের সংবিধান (তৃতীয় সংশোধনী) অনুযায়ী, অন্তর্ভুক্ত ও বহির্ভূত এলাকার উল্লেখ অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. ভবিষ্যতে যে কোনো নতুন এলাকা বাংলাদেশের সীমানায় যুক্ত হলে তা-ও অন্তর্ভুক্ত হবে।

 বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ -
- ১ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্র,
- ২ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক,
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ: জাতির পিতার প্রতিকৃতি,
- ৫ নং অনুচ্ছেদ: রাজধানী,
- ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব,
- ৭ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য,
- ৭ক নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ,
- ৭খ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ সংবিধান।
১২,০৫৮.
কোনটি স্বাধীন বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) মাতারবাড়ী
  2. খ) মোংলা
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) পায়রা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।

- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বন্দর ওয়েবসাইট।
১২,০৫৯.
জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধী দলীয় নেতা কে ছিলেন?
  1. শাহ আজিজুর রহমান
  2. আসাদুজ্জামান খান
  3. কমরেড মণি সিংহ
  4. আবুল হাশিম
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধী দলীয় নেতা (দ্বিতীয় সংসদে) ছিলেন আসাদুজ্জামান খান।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় বিরোধীদলীয় নেতা পদটি একজন পূর্ণমন্ত্রীর পদমর্যাদার সমান।
- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- বাংলাদেশের প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন না।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নারী হুইপ খালেদা খানম।
- তিনি ১৯৯৬ সালে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে নির্বাচিত সদস্য।
- জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় নারী হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
১২,০৬০.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সংখ্যা কতজন ছিল?
  1. ক) ৬ জন
  2. খ) ৭ জন
  3. গ) ৮ জন
  4. ঘ) ৯ জন
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৬১.
‘গম্ভীরা’ কোন অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত?
  1. সিলেট
  2. ময়মনসিংহ
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
- ‘গম্ভীরা’ লোকসঙ্গীতের উৎপত্তি ভারতের মালদহ জেলার হিন্দু সমাজে। দেশভাগের পর রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মুসলিম সম্প্রদায় ‘গম্ভীরা’ গানের পৃষ্ঠপোষক হয়ে উঠে।
- আদিতে ‘গম্ভীরা’ গানের মূল বিষয়ে শিবের বন্দনা থাকলেও মুসলিম সমাজে এই গানের বিষয়বস্তু পরিবর্তিত হয়ে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার বিষয়বস্তু হয়ে উঠে।
- নানা-নাতির সংলাপের মাধ্যমে ‘গম্ভীরা’ গান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ প্রভৃতি জেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১২,০৬২.
স্বাধীনতাযুদ্ধকালে ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারের শিল্পী কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. এস এম সুলতান
  3. কামরুল হাসান
  4. প্রাণেশ কুমার মণ্ডল
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
- তিনি ‘পটুয়া’ নামে পরিচিত।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের সঙ্গে মিলিত হয়ে ১৯৪৮ সালে ঢাকায় একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।
- তাঁর ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ চিত্রকর্ম অবলম্বনে যথাক্রমে যুগোস্লাভিয়া সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) দুটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।

অন্যদিকে -
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে শিল্পী প্রাণেশ কুমার মণ্ডলের আঁকা একটি পোস্টার চিত্র বাংলার মায়েরা মেয়েরা সকলেই মুক্তিযোদ্ধা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,০৬৩.
বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক প্রথম রপ্তানি হয় -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইংল্যান্ড
  3. ফ্রান্স
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম ফ্রান্সে রপ্তানি হয়।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই ১৯৭৮ সালে, রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Business Standard.
১২,০৬৪.
দেশের ১৭ তম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য -
  1. বাগদা চিংড়ি
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম
  3. দিনাজপুরের কাটারিভোগ
  4. নাটোরের কাঁচাগোল্লা
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।
- এরপর একে একে ঢাকাই মসলিন, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ, বাংলাদেশি কালিজিরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম, ইলিশ, বাগদা চিংড়িসহ ১৭টি পণ্য জিআই সনদ পায়।

উল্লেখ্য,
- দেশে এ পর্যন্ত ১৭টি পণ্যকে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- দেশের ১৭ তম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেল নাটোরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি 'কাঁচাগোল্লা'।

উৎস: i) প্রথম আলো, ০৬ নভেম্বর, ২০২২।
         ii) ১০ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard. [link]
১২,০৬৫.
শশাঙ্কের মৃত্যুর পর অরাজকতার সময়কালকে কার তাম্রশাসনে 'মাৎস্যন্যায়' বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. গোপাল
  2. রামপাল
  3. ধর্মপাল
  4. মহীপাল
ব্যাখ্যা
মাৎস্যন্যায়: 
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর এক'শ বছর বাংলায় কোনো যোগ্য শাসক ছিলেন না।
- ফলে রাজ্যে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা বিরাজমান ছিল।
- একদিকে হর্ষবর্ধন ও ভাস্কর বর্মণের আক্রমণ অন্যদিকে ভূস্বামীরা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কল্পনায় একে অন্যের সাথে সংঘাতে মেতে ওঠে।
- কেন্দ্রীয় শাসন শক্ত হাতে ধরার মতো তখন কেউ ছিল না।
- এ অরাজকতার সময়কালকে ধর্মপালের 'খালিমপুর' তাম্রশাসনে 'মাৎস্যন্যায়' বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- পুকুরে বড় মাছ ছোট মাছকে ধরে গিলে ফেলার মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে বলে 'মাৎস্যন্যায়'।
- শব্দটি প্রথম কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- বাংলার সবল অধিপতিরা 'মাৎস্যন্যায়'-এর মতো ছোট রাজ্যগুলোকে গ্রাস করছিলেন।
- অষ্টম শতকের মাঝামাঝি এ অরাজকতার অবসান ঘটে পাল রাজাদের উত্থানের মধ্য দিয়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২,০৬৬.
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয় কখন?
  1. ক) ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫
  2. খ) ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯
  3. গ) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
  4. ঘ) ১৭ ডিসেম্বর ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মুশতাক আহমেদ কুখ্যাত ইমডেমনিটি অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করেন।
- এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে না মর্মে ঘোষণা দেয় হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে গৃহিত সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে জিয়াউর রহমান সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা প্রদান করে।
- পরবর্তীতে, ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে। যার ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার করা সম্ভব হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১২,০৬৭.
The 7th March speech of Bangabandhu was recognized as part of the world's documentary heritage by-
  1. ক) UNESCO
  2. খ) UNICEF
  3. গ) UNDP
  4. ঘ) UNFCCC
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড (এমওডব্লিউ) কর্মসূচির উপদেষ্টা কমিটি ৭ মার্চের ভাষণসহ মোট ৭৮টি দলিলকে 'মেমোরি অফ দা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে' যুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
• 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারি হেরিটেজ-এ অংশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
• ইউনেস্কো মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ৩০শে অক্টোবর এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
• সেদিনের ১৮ মিনিটের ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ''এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রাম"।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।
১২,০৬৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণকে মেমোরি অব দ্য ওয়াল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে স্বীকৃতি দেয় কোন সংগঠন?
  1. NSDP
  2. UNESCO
  3. HKI
  4. IDE
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের বিশ্ব স্বীকৃতি:

- বিশ্ব ইতিহাসে যে ভাষণগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই ভাষণটি সেগুলোর অন্যতম। 
- ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনন্য এবং অসাধারণ এই কারণে যে, এই ভাষণ সমগ্র বাঙালি জনগোষ্ঠীকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একতাবদ্ধ করেছিল।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে World's Documentary Heritage এর মর্যাদা দিয়ে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড’- এ অর্ন্তভুক্ত করেছে। 
- তৎকালীন শিক্ষা সচিব ও শিক্ষামন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের এ ঐতিহাসিক ভাষণকে ওয়ার্কশপে উপস্থাপনের জন্য উৎসাহিত করেন। 
- মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ স্থান করে নেওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে একটি সুদীর্ঘ পরিকল্পনা ও ইতিহাস।

তথ্যসূত্র - i) জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ..., mofa.gov.bd.
               ii) যুগান্তর, ০৭ মার্চ, ২০২১।
১২,০৬৯.
স্বর্ণা সারের আবিষ্কারক কে?
  1. ড. মকবুল আহমেদ
  2. ড. মোবারক আহমেদ
  3. ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
  4. ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক 
ব্যাখ্যা
স্বর্ণা সার:
• স্বর্ণা সারের আবিষ্কারক- ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক।
- তিনি ১৯৮৭ সালে এই জৈব সার আবিষ্কার করেন।
- যার বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার'।
- স্বর্ণা সারের ব্যবহারে মাটির প্রাকৃতিক গুণাবলি রক্ষা পায়,
- এবং উদ্ভিদের সুস্থ বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়, যা রাসায়নিক সারের তুলনায় অধিক কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব।  

⇒ অপরদিকে,
- জুটন আবিষ্কার করেন: মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- পাট থেকে ঢেউটিন তৈরি করেন: ড. মোবারক আহমেদ।
- এক ধানে দুই চাল তৈরি করেন: ড. মকবুল আহমেদ।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
১২,০৭০.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সার কারখানা কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. পলাশ সার কারখানা
  2. ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
  3. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
ব্যাখ্যা

∗ ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
• ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় অবস্থিত।
• এটি পূর্বের ঘোড়াশাল এবং পলাশ কারখানাকে একত্রিত করে ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• কারখানাটি ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।
এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদন কেন্দ্র।
• কারখানার মূল লক্ষ্য হলো:
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণ করা এবং
- আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করা।  

উল্লেখ্য,
- ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা হিসেবে পরিচিত।
- মূলত এর মুলনাম ছিল ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (NGFFL)।
- এটি ১৯৬১ সালে স্থাপিত হয় এবং ২০১২ সালে বন্ধ হয়ে যায়।
- বর্তমানে এটি শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (SFCL) নামে পরিচিত।
- নতুন কারখানাটি আধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে পরিচালিত। 
- শাহজালাল সার কারখানা বিসিআইসি-এর অধীনে পরিচালিত হয় এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদন কেন্দ্র।     

উৎস:
১. জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট ওয়েবসাইট;
২. SFCL Official Website.

১২,০৭১.
ছয় দফার কোন দফাটি রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি সংক্রান্ত?
  1. প্রথম দফা
  2. দ্বিতীয় দফা
  3. তৃতীয় দফা
  4. চতুর্থ দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১২,০৭২.
অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থান কোনটি?
  1. চট্রগ্রাম
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
• দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান, অতীশ
- অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান (৯৮০-১০৫৩) বৌদ্ধ পন্ডিত, ধর্মগুরু ও দার্শনিক।
- দশম-একাদশ শতকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি পন্ডিত দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার বিক্রমপুরের বজ্রযোগিনী গ্রামে এক রাজপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতা কল্যাণশ্রী এবং মাতা প্রভাবতী দেবী। তাঁর বাল্যনাম ছিল চন্দ্রগর্ভ।
- মায়ের নিকট এবং স্থানীয় বজ্রাসন বিহারে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি বিখ্যাত বৌদ্ধ গুরু জেতারির নিকট  বৌদ্ধধর্ম ও শাস্ত্রে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন।
- এ সময় তিনি সংসারের প্রতি বিরাগবশত গার্হস্থ্যজীবন ত্যাগ করে ধর্মীয় জ্ঞানার্জনের সঙ্কল্প করেন।
- এ উদ্দেশ্যে তিনি পশ্চিম ভারতের কৃষ্ণগিরি বিহারে গিয়ে রাহুল গুপ্তের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন,
- বৌদ্ধশাস্ত্রের আধ্যাত্মিক গুহ্যবিদ্যায় শিক্ষালাভ করে ‘গুহ্যজ্ঞানবজ্র’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- মগধের ওদন্তপুরী বিহারে মহাসাংঘিক আচার্য শীলরক্ষিতের নিকট দীক্ষা গ্রহণের পর তাঁর নতুন নামকরণ হয় ‘দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান’।
- একত্রিশ বছর বয়সে তিনি আচার্য ধর্মরক্ষিত কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ ভিক্ষুদের শ্রেণিভুক্ত হন।
- পরে দীপঙ্কর মগধের তৎকালীন শ্রেষ্ঠ আচার্যদের নিকট কিছুকাল শিক্ষালাভ করে শূন্য থেকে জগতের উৎপত্তি এ তত্ত্ব (শূন্যবাদ) প্রচার করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,০৭৩.
মেট্রোরেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ২০.১ কিমি
  2. খ) ১৮.১ কিমি
  3. গ) ২১.১ কিমি
  4. ঘ) ২৫.১ কিমি
ব্যাখ্যা
- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা : প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক প্রায় ৫ লক্ষ।
- কাজের উদ্বোধন : ২৬ জুন ২০১৬ এবং কাজ শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
- অর্থায়ন : Japan International Cooperation Agency (JICA) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়ন।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

তথ্যসূত্র:- DMTCL ওয়েবসাইট। 
১২,০৭৪.
কাকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র‘ হিসেবে অবিহিত করা হয়?
  1. ক) সৈয়দ আমীর আলীকে
  2. খ) এ কে ফজলুল হককে
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে
  4. ঘ) নওয়াব আব্দুল লতিফকে
ব্যাখ্যা
• হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী:
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র ও শিক্ষিত মানুষের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
- বাংলাদেশের তিনি ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র' নামেই পরিচিত
- রাজনীতিতে মানবিক মূল্যবোধ ও মেধার গুনুত্ব বিবেচনায় তিনি কোন আপোস করেন নি।
- দেশপ্রেম, মানব-কল্যাণ ও গণতন্ত্রের একনিষ্ঠ সাধক হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী এ দেশের রাজনীতিতে ধ্রুবতারার জ্যোতি নিয়ে বিরাজ করতে থাকবেন।

সূত্র: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৭৫.
বাকশাল সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী সকল রাজনৈতিক দল বিলুপ্ত করে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একক জাতীয় দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ বা বাকশাল গঠিত হয়৷ একইসাথে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়। এতে রাষ্ট্রপতি হন বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী হন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। বাকশালের সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী৷
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১২,০৭৬.
According to the final report of Census 2022, which district has the highest literacy rate?
  1. Jamalpur
  2. Pirojpur
  3. Dhaka
  4. Barisal
  5. Rangamati
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে: CAPI.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে: মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭২.৯৪%।
- সবচেয়ে বেশি সাক্ষরতার হার সম্পন্ন বিভাগ: ঢাকা (৭৮.২৪%)।
- সবচেয়ে কম সাক্ষরতার হার সম্পন্ন বিভাগ: ময়মনসিংহ (৬৭.২৩%)।
- সবচেয়ে বেশি সাক্ষরতার হার সম্পন্ন জেলা: পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সবচেয়ে কম সাক্ষরতার হার সম্পন্ন জেলা: জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১২,০৭৭.
কতজনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত থাকলে তা বৃহৎ শিল্প হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ২২০ জন
  2. ২৫০ জন
  3. ২৮০ জন
  4. ৩০০ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

• বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।


• মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।


• ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

• মাইক্রো শিল্প (Micro Industry):
- ‘মাইক্রো শিল্প’ (Micro Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ০১-২৫ জন বা তার চেয়ে কম সংখ্যক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

• কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

• ভারী শিল্প:
- ‘ভারী শিল্প’ বলতে এমন শিল্পপণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে বৃহৎ আকারের উদ্যোগ, বড় যন্ত্রপাতি, ভূমির বৃহৎ এলাকা, উচ্চ খরচ ইত্যাদি বিষয়গুলো জড়িত থাকবে এবং যা হালকা প্রকৌশল শিল্পের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। উদাহরণস্বরূপ জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পেট্রোলিয়াম পরিশোধন শিল্প, ইস্পাত শিল্প, মোটর গাড়ি নির্মাণ শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্প ইত্যাদি ভারী শিল্প হিসেবে গণ্য হবে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১২,০৭৮.
নিম্নের কোন চিত্রকর্মটি চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন?
  1. পাইন্যার মা
  2. চাঁদের আলো
  3. সূর্যাস্ত
  4. নদীর তীরে
ব্যাখ্যা

জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলার পার্ক রোডে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করে।
- শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত যা ১৯৯৬ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।

১২,০৭৯.
দেশে 'বাণিজ্যিক আদালত' প্রতিষ্ঠার জন্য অধ্যাদেশ জারি হয় কবে?
  1. ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  3. ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ৪ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬:
- দীর্ঘদিনের বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে দ্রুততম সময়ে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সরকার ‘বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যাদেশটি জারি করেন।
- ২ জানুয়ারি, ২০২৬ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
- মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রেখে প্রণীত এই আইনি কাঠামো দেশের ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ বা সহজ ব্যবসা সূচকে আমূল পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। 

উল্লেখ্য, 
- এই অধ্যাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো ‘সুইট ম্যানেজমেন্ট’ বা মামলা ব্যবস্থাপনা শুনানি।
- বিবাদী জবাব দাখিল করার পর প্রথম শুনানির দিনই আদালত বিচার্য বিষয়গুলো নির্ধারণ করবেন এবং কত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ হবে, তার একটি রূপরেখা তৈরি করবেন।
- চূড়ান্ত শুনানি শুরু হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: Lawyers Club Bangladesh. (Link)

১২,০৮০.
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করা হয়—
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে 
  4. ১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- এ শাসনতন্ত্রকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা হয়।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর পাকিস্তান শাসনতন্ত্র লাভ করে।
- ১৯৫৫ সালে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়।
- দ্বিতীয় গণপরিষদের নেতৃত্বে ছিলেন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- ৭ জুলাই ১৯৫৫ সালে দ্বিতীয় গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮০ জন।
- প্রথম গণপরিষদ শাসনতন্ত্র প্রণয়নে ব্যর্থ হয়েছিল।
- সেই ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় গণপরিষদ শাসনতন্ত্র রচনায় উদ্যোগ নেয়।
- ৯ জানুয়ারি ১৯৫৬ তারিখে গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়।
- বিলের ওপর আলোচনা ও সমালোচনা চলে।
- আলোচনার পর ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ সালে গণপরিষদ ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- ২ মার্চ ১৯৫৬ সালে গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ২৩ মার্চ ১৯৫৬ সালে শাসনতন্ত্র গৃহীত ও কার্যকর হয়।
-  এই শাসনতন্ত্রটি ইতিহাসে ‘১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র’ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০৮১.
নিচের কোন বিবৃতিটি সঠিক নয়?
  1. বাংলাদেশের সংবিধানের ৭নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্যের কথা উল্লেখ আছে।
  2. বাংলাদেশের সংবিধানের ৫নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানীর কথা উল্লেখ আছে।
  3. বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের কথা উল্লেখ আছে।
  4. বাংলাদেশের সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্মের কথা উল্লেখ আছে।
ব্যাখ্যা
- "বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীকের কথা উল্লেখ আছে।"- বিবৃতিটি সঠিক নয়। 
- সঠিক বিবৃতিটি হবে- ৬ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকত্বের কথা উল্লেখ আছে। 

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ২ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক,
- ৫ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাজধানীর কথা উল্লেখ আছে।
- ৬ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকত্বের কথা উল্লেখ আছে। 
- ৭ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্যের কথা উল্লেখ আছে।  

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,০৮২.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. কৈলাসনগর
  2. সুফলা
  3. ডায়মন্ড
  4. ভাতি
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১২,০৮৩.
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে?
  1. ফয়েজ উল্লাহ
  2. রোহানি বাহারিন
  3. এহসান খান
  4. সব্যসাচী হাজরা
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
⇒ ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।

⇒ ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- তৃতীয় টার্মিনালের জন্য সরকার অর্থায়ন করেছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।
- বাকি অর্থ জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে।

⇒ এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন। 
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।

⇒ ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন করা হয়।
- বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে পুরোদমে কার্যক্রম শুরু করতে ২০২৬ সাল লাগতে পারে বলে

⇒ টার্মিনালটির যাত্রী ক্যাপাসিটি ১ কোটি ৬০ লাখ।
- টার্মিনালটির ফ্লোর আয়তন ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার। 

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- মুজিববর্ষের লোগোর নকশাকার সব্যসাচী হাজরা।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla. 
১২,০৮৪.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের নাম কী?
  1. একুশে ফেব্রুয়ারি
  2. একুশের গল্প
  3. কবর
  4. আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১২,০৮৫.
বাংলার কোন সুলতানের সাথে পারস্যের কবি হাফিজের পত্রালাপ হত?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ ও পারস্যের কবি হাফিজের সাথে সম্পর্ক:
- সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের একজন উদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- তিনি নিজেও কাব্যচর্চা করতেন এবং ফারসি কবিতা রচনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন।
- রিয়াজ-উস-সালাতিনের বর্ণনায় জানা যায় যে,পারস্যের প্রখ্যাত কবি হাফিজের সাথে তাঁর পত্রালাপ হত।
- তিনি তাঁকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন।
- রিয়াজের একটি বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, একদা আজম শাহ এমন গুরুতর অসুস্থ হন যে তাঁর বাঁচার কোন সম্ভাবনা ছিল না।
- এজন্য তিনি তাঁর হারেমের প্রিয় তিনজন মহিলা সরবা, গুল ও লালা কে তাঁর মৃত্যুর পর মৃতদেহের গোসলের দায়িত্ব দেন।
- সৌভাগ্যক্রমে সুলতান সুস্থ হয়ে উঠলে হারেমের অন্য মহিলারা তাদেরকে ঈর্ষা করে গাস্সালিন বা শবরজকিনী বলে বিদ্রুপ করত।
- তারা সুলতানের কাছে অভিযোগ করলে সুলতান তাঁদের প্রশংসা করে কবিতার একটি পংক্তি রচনা করেন।
- কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও দ্বিতীয় পংক্তিটি রচনা করতে না পেরে তিনি কবি হাফিজকে এটি রচনার জন্য অনুরোধ জানান।
- কবি হাফিজ দ্বিতীয় পংক্তিটি রচনা করে পাঠান।
- এ পত্রে একটি কবিতায় গিয়াসউদ্দিনের প্রশংসা করে কবি সুলতানকে ভারতবর্ষের তোতাপাখি বলে উল্লেখ করেছেন। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০৮৬.
ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ৪১নং
  2. ৪৩নং
  3. ৪৫নং
  4. ৪৭নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের তৃতীয় ভাগ:
বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার: ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা উল্লেখ্য আছে,
অনুচ্ছেদ - ৪১
(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা - সাপেক্ষে (ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রহিয়াছে; (খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ - সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রহিয়াছে।
(২) কোন শিক্ষা - প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম - সংক্রান্ত না হইলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করিতে হইবে না।

অর্থাৎ, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

উৎস- বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,০৮৭.
ভাষা শহীদদের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য কোনটি ?
  1. ক) অপরাজেয় বাংলা
  2. খ) বাংলার অঙ্গীকার
  3. গ) মোদের গরব
  4. ঘ) দুরন্ত
ব্যাখ্যা

রাজধানীর বাংলা একাডেমির আঙিনায় 'মোদের গরব' ভাস্কর্যটি অবস্থিত। ভাষা শহীদদের সম্মানে ভাস্কর্যটি তৈরি করা হয়।
- 'অমর একুশ' ভাস্কর্যটি বাঙালিকে স্মরণ করিয়ে দেয় বাংলা ভাষা আন্দোলন। 
- ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিমূলক ভাস্কর্য গুলোর মধ্যে অন্যতম।
- ২০০৭ সালে ভাস্কর্যটির নকশা ও নির্মাণ করেন খ্যাতিনামা ভাস্কর শিল্পী অখিল পাল।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া

১২,০৮৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাকের অবদান -
  1. ক) ৩৬.৭২%
  2. খ) ৪৪.৫৩%
  3. গ) ২৯.৭২%
  4. ঘ) ৮১.২৫%
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
• অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।
• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
• রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
১২,০৮৯.
দেশের প্রথম কৃষি বান্ধব সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. হোমনা, কুমিল্লা
  2. রাজনগর, মৌলভীবাজার
  3. রামু, কক্সবাজার
  4. ফুলবাড়ী, কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
• প্রথম কৃষিবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ১৪০ একর জমিতে দেশের প্রথম কৃষিবান্ধব বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।
→ ইতোমধ্যে প্রকল্পের ভূমি লিজসহ শুরু হয়েছে সীমানা নির্ধারণ কার্যক্রম।
→  বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে এমএ গ্রিন এনার্জি লিমিটেড।
→ ফুলবাড়ী উপজেলার সোনাইকাজির চরের ১৪০ একর জমির ওপর সৌরবিদ্যুতের এই প্রকল্প স্থাপিত হলে এখান থেকে উৎপাদিত ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে, যা কুড়িগ্রাম জেলার চাহিদা মেটানোর পর অন্য এলাকারও বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্তিতে অনন্য ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র: সমকাল (১৭ নভেম্বর ২০২৩)।
১২,০৯০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ৯৮ শতাংশ
  2. ৭৮ শতাংশ
  3. ৮২ শতাংশ
  4. ৫৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১২,০৯১.
কোন খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়?
  1. বিদ্যুৎখাতে
  2. শিল্পখাতে
  3. সার উৎপাদনে
  4. গৃহস্থালি কাজে
ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানির প্রায় ৭১ ভাগ পূরণ করে থাকে।
খাত অনুযায়ী প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
- বিদ্যুৎ উৎপাদন : ৪৩.২৮ শতাংশ
- শিল্পখাত : ১৫.৭৯ শতাংশ
- গৃহস্থালি : ১৫.২৫ শতাংশ
- ক্যাপটিভ : ১৫.১২ শতাংশ
- সার উৎপাদন : ৫.৫৪ শতাংশ
- সিএনজি : ৪.১৬ শতাংশ
- বাণিজ্যিক : ০.৭৬ শতাংশ
- চা বাগান : ০.১০ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১৩৮)
১২,০৯২.
বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে কোন জেলায়?
  1. কক্সবাজার
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

 তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২,০৯৩.
চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব কী নামে পরিচিত?
  1. বৈসুক
  2. সাংগ্রাই
  3. বিজু
  4. সোহরাই
ব্যাখ্যা

চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

১২,০৯৪.
ঘূর্ণিঝড় 'মোখা' এর নামকরণ করে কোন দেশ?
  1. ক) মিয়ানমার
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) ইয়েমেন
  4. ঘ) শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা (World Meteorological Organization (WMO)) পাঁচটি বিশেষ আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থার (আরএসএমসি) সঙ্গে সমন্বয় করে ২০০৪ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করেছে।
- আরএসএমসি তার সদস্যদেশগুলোর কাছ থেকে নামের তালিকা চেয়ে থাকে।
- তালিকা পেলে দীর্ঘ সময় যাচাই-বাছাই করে সংক্ষিপ্ত তালিকা করে ডব্লিউএমওর কাছে পাঠায়।

• ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ ১৪ মে, ২০২৩ তারিখে স্থানীয় সময় বেলা ৩টার দিকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের উপকূলে আঘাত হানে।
- ঘূর্ণিঝড় 'মোখা' এর নামকরণ করে- 'ইয়েমেন'। 
- মোখা ইয়েমেনের একটি বন্দর শহরের নাম।
- ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের শহর এটি।
- ঊনবিংশ শতকে ইয়েমেনের প্রধান বন্দরে পরিণত হয় মোখা।
- শহরটি কফির বাণিজ্যের জন্য সুপরিচিত। 
 
তথ্যসূত্র: WMO (World Meteorological Organization), প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট- ১১ মে, ২০২৩,  লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুন ২০২৩।
১২,০৯৫.
আইএমএফ মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ হবে?
  1. ৩.৫ শতাংশ
  2. ৪.৫ শতাংশ
  3. ৫.৫ শতাংশ
  4. ৬.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------
⇒ আইএমএফ মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৫ শতাংশ হবে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি:
-বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) কমার আভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
-চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
- মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে এমন প্রাক্কলন করেছে আইএমএফ।
- সংস্থাটি প্রতিবছর এপ্রিলে একটি এবং অক্টোবরে আরেকটি ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র:  প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
১২,০৯৬.
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন কতজন ক্রিকেটার?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৫ জন
  3. গ) ৩ জন
  4. ঘ) ৪ জন
ব্যাখ্যা
- টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন ৪জন ক্রিকেটার। 
- তাঁরা হলেন- 
১। আমিনুল ইসলাম বুলবুল 
২। মোহাম্মদ আশরাফুল 
৩। আবুল হাসান রাজু এবং 
৪। জাকির হাসান।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২৩। 
১২,০৯৭.
বাংলাদেশ TIFA চুক্তি স্বাক্ষর করে কোন দেশের সাথে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া TIFA চুক্তি:
- ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বিনিয়োগের পথ সুগম করতে Trade and Investment Framework Agreement (TIFA) স্বাক্ষরিত হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সে দেশের বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগ বিষয়ক মন্ত্রী ডান টিহান এবং বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। - বাংলাদেশ ২০০৩ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ডিউটি এবং কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা পেয়ে আসছে।

সূত্র:- Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১২,০৯৮.
ছয়দফা কর্মসূচিতে ছিল -
  1. ক) বাংলাদেশ পরিচালনার ছয়টি নীতি বা কৌশল।
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার ছয়টি কৌশল।
  3. গ) পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।
  4. ঘ) পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।
ব্যাখ্যা
ছয়দফা কর্মসূচিতে ছিল -  পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।

• ছয় দফা:

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন৷ বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৯৯.
Mujibnagar Government was formed on -
  1. 10 April 1971
  2. 11 April 1971
  3. 17 April 1971
  4. 21 April 1971
  5. 25 April 1971
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
 
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ। 
• অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম মনসুর আলী।
• স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামারুজ্জামান।
• পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।
 
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
১২,১০০.
দাবা খেলায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. নিয়াজ মোর্শেদ
  2. রিয়াজ বিন সাত্তার
  3. জিয়াউর রহমান
  4. মনন রেজা
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- বর্তমানে মনন রেজা দেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার।
- অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্ব দাবা সংস্থার চতুর্থ ফিদে জোন কাউন্সিলের সভায় তার আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব অনুমোদন হয়।
- তিনি আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদের রেকর্ড ভেঙে।

⇒ আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে ২৪০০ রেটিং ও তিনটি নর্ম প্রয়োজন।

অন্যদিকে,
- নিয়াজ মোরশেদ আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন ১৫ বছর পাঁচ মাস বয়সে।
- ১৪ বছর তিন মাস বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন মনন।
- তাকে নিয়ে বাংলাদেশে এখন আন্তর্জাতিক মাস্টারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ।
- বাকি চারজন জিল্লুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মিনহাজ উদ্দিন, ফাহাদ রহমান।

উৎস: প্রথম আলো।