বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২০ / ৩০৬ · ১১,৯০১১২,০০০ / ৩০,৮৩২

১১,৯০১.
ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন কোন মুঘল সম্রাট?
  1. সম্রাট বাবর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
ইসলাম খান চিশতী:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেছিলেন।
- তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- ইসলাম খান চিশতী বার ভূঁইয়াদের দমন করেন।
- সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন ১৬১০ সালে।
- ইসলাম খান চিশতী এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- তিনি বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯০২.
রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে তাঁর দায়িত্ব পালন করেন-
  1. ক) মন্ত্রীপরিষদ সচিব
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী 
  3. গ) প্রধান বিচারপতি
  4. ঘ) স্পিকার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ক্ষেত্রমতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। 

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৯০৩.
বাংলা কত খ্রিস্টাব্দে মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত হয়?
  1. ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫৭৭ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫৭৮ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৭৯ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
মুঘল শাসন:
- ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলার শেষ আফগান শাসক দাউদ খান কররানি মোগল সেনাবাহিনীর হাতে রাজমহলের যুদ্ধে পরাজিত ও নিহত হলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।
- তবে ঢাকাসহ পূর্ব বাংলার কয়েকজন প্রভাবশালী জমিদার মুঘল বাদশার আনুগত্য অস্বীকার করে সতের শতকের প্রথম দশক পর্যন্ত স্বাধীনভাবে রাজত্ব করেন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯০৪.
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ মোট কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৮ জন
  2. খ) ২১ জন
  3. গ) ২৫ জন
  4. ঘ) ৩৪ জন
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভিন্ন কাঠামোর স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।
- এই ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ। এর অধীনে রয়েছে তিনটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ মোট ২৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
এরা হলেন:
- ১ জন চেয়ারম্যান (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী)
- ১২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সদস্য
- ৬ জন বাঙালি সদস্য
- ২ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মহিলা
- ১ জন বাঙালি মহিলা সদস্য এবং
- তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ।
- এই পরিষদের মেয়াদকাল পাঁচ বছর।
- আঞ্চলিক পরিষদের সদস্যরা পার্বত্য জেলা পরিষদসমূহের সদস্যদের দ্বারা পরোক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন।
- পার্বত্য জেলা পরিষদসমূহের মোট সদস্য ৩৪ জন।
(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৯০৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম?
  1. ক) ২ক নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ৩ নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ৪ক নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২ক নং অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্রের রাষ্টধর্ম ইসলাম।
অন্যদিকে,
- ৩ নং অনুচ্ছেদ : রাষ্ট্রভাষা
- ৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ : জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১১,৯০৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১২%
  2. ১.১৪%
  3. ১.১৮%
  4. ১.২৪%
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট:
→ বাংলাদেশের মোট আয়তন - ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।
→ বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.১২%।
→ প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১,১১৯ জন।
=============
উল্লেখ্য যে,
→ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল - ১.২২%।

তথ্যসূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
১১,৯০৭.
টেস্টে পাঁচ হাজার রান করা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার কে?
  1. ক) মুশফিকুর রহিম
  2. খ) তামিম ইকবাল
  3. গ) সাকিব আল হাসান
  4. ঘ) মুমিনুল হক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলকে পৌঁছান মুশফিকুর রহিম। 
- ২০০৫ সালের মে মাসে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক মুশফিকের।
- ১৭ বছরের ক্যারিয়ারে টেস্ট খেলেছেন ৮১টি। ১৪৯ ইনিংস লেগেছে তাঁর পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁতে।
- টেস্ট ক্রিকেটে ৭টি শতক মুশফিকের। অর্ধশতক ২৬টি। সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ২১৯। ২০১৩ সালে গলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।
১১,৯০৮.
ফররুখ শিয়ারের রাজত্বকালে বাংলার সুবাদার পদ দেয়া হয় -
  1. ক) মুর্শিদকুলী খানকে
  2. খ) রুকনউদ্দিনকে
  3. গ) ইকবালকে
  4. ঘ) সুজাউদ্দিনকে 
ব্যাখ্যা
• সুবাদারি শাসন:
- সুবাদার ইসলাম খান ১৬১০ সালে বার ভুঁইয়াদের দমন করে সমগ্র বাংলায় সুবাদারী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- ১৬১৩ সালে ইসলাম খানের মৃত্যুর পর বেশ কয়েকজন সুবাদার বাংলার শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন।
- তবে ১৬৬০ সালে সুবাদার মীর জুমলা ক্ষমতা গ্রহণ করার পূর্ব পর্যন্ত কোনো সুবাদারই তেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে
পারেন নি।

- ফররুখ শিয়ারের রাজত্বকালে মুর্শিদকুলী খান বাংলার সুবাদার পদ দেয়া হয়। এদেশের রাজস্ব ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য তিনি খ্যাতিমান হয়ে আছেন।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর দুর্বল মোগল সম্রাটগণ দূরবর্তী সুবাগুলোর দিকে তেমন দৃষ্টি দিতে পারেন নি। ফলে এসব অঞ্চলের সুবাদারগণ অনেকটা স্বাধীনভাবে নিজেদের অঞ্চল শাসন করতে থাকেন।
- মুর্শিদকুলী খানও অনেকটা স্বাধীন হয়ে পরেন।
- তিনি নামেমাত্র সম্রাটের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করতেন এবং সম্রাটকে বার্ষিক ১ কোটি ৩ লক্ষ টাকা রাজস্ব পাঠাতেন।
-মুর্শিদকুলী খানের পর তাঁর জামাতা সুজাউদ্দিন খান বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- এভাবে বাংলার সুবাদারী বংশগত হয়ে পরে। আর এরই পথ ধরে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন শাসন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯০৯.
বর্তমানে দেশে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা কত?
  1. ক) ২০ লক্ষ
  2. খ) ৩৪ লক্ষ
  3. গ) ৪৪ লক্ষ
  4. ঘ) ৪৯ লক্ষ
ব্যাখ্যা
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে ১৯৯৭-৯৮ সালে দেশে প্রথম বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচি চালু হয়। শুরুতে এর সংখ্যা ছিলো ৪.০৩ লক্ষ জন এবং ভাতার পরিমাণ ছিলো মাসিক ১০০ টাকা।
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে এসে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৪৯ লক্ষ এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা।
(সূত্র: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট)
১১,৯১০.
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয় কোন সংশোধনী মাধ্যমে?
  1. দ্বাদশ সংশোধনী 
  2. একাদশ সংশোধনী 
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী 
  4. নবম সংশোধনী 
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনী আইন সংবিধান আইন,পাস হয় ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ।
- এর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়।
- যা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন হিসেবে কাজ করবে এবং সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বতোভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করবে।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা ও অনূর্ধ্ব ১০ জন উপদেষ্টার সমন্বয়ে গঠিতব্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার সমষ্টিগতভাবে রাষ্ট্রপতির নিকট দায়বদ্ধ থাকবে এবং নতুন সংসদ গঠনের পর নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের তারিখে বিলুপ্ত হবে।

অন্যদিকে, 
- তৃতীয় সংশোধনী: ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন ও রাষ্ট্রীয় সীমানা পুনঃনির্ধারণ, বেডুবাড়িকে ভারতের কাছে হস্তান্তর।
- চতুর্থ সংশোধনী: সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন। 
- ষষ্ঠ সংশোধনী: উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের নিশ্চিতকরণ।
- সপ্তম সংশোধনী: ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ই নভেম্বর পর্যন্ত সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বৈধতা দান।
- অষ্টম সংশোধনী: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতিদান।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১১,৯১১.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর আরোপিত কর হলো-
  1. সম্পূরক কর
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. সারচার্জ
  4. আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর আরোপিত করকে আবগারি শুল্ক বলা হয়। রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যাদির ব্যবহার নিরুসাহিত করার লক্ষ্যে এসব দ্রব্যাদির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

বাংলাদেশে চা, তামাক, চিনি, গুড় প্রভৃতির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। আবগারি শুল্ক এক প্রকার পরোক্ষ কর।

অন্যদিকে,
সারচার্জ হলো একপ্রকার মাশুল বা অতিরিক্ত ফি/শুল্ক। বিদ্যমান করের সাথে সারচার্জ আরোপ করা হয়।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং ব্রিটানিকা)
১১,৯১২.
আহসান মঞ্জিল কে নির্মাণ করেন?
  1. খাজা আহসানুল্লাহ
  2. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  3. নওয়াব আবদুল গনি
  4. নওয়াব কুতুব উদ্দিন
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল: 
- আহসান মঞ্জিল ঢাকা শহরের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ ছিল।
- আহসান মঞ্জিল নির্মাণ করেন নওয়াব আবদুল গনি। 
- ১৮৭২ সালে নওয়াব আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহর নামে 'আহসান মঞ্জিল' নামকরণ করেন।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত এই প্রাসাদটি বাংলার একটি প্রধান রাজনৈতিক কেন্দ্র ছিল।
- ২৩ টি গ্যালারী নিয়ে ১৯৯২ সালে দর্শনীয় স্থানটি পুন:সংস্কারের মাধ্যমে জাদুঘরে (আহসান মঞ্জিল জাদুঘর) রুপান্তর করে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৯১৩.
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ-এর সমাধিস্থল কোন জেলায়?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. রাঙ্গামাটি
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
• মুন্সী আব্দুর রউফ, বীরশ্রেষ্ঠ:
- জন্ম: ১৯৪৩ সালের ৮ মে, ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার সালামতপুর গ্রামে।।
- খেতাবের সনদ নম্বর ০২।
- মুন্সী আব্দুর রউফ ইপিআর বাহিনীতে চাকরি করতেন।
- তিনি ১৯৬৩ সালে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে যোগ দেন।
- ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। 
- ১৯৭১ সালে চট্টগ্রাম সেক্টরের অধীন ১১ নম্বর উইংয়ে কর্মরত ছিলেন। 
- তিনি সাতজন বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহীদ।
- তিনি শহীদ ২০ এপ্রিল, ১৯৭১।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের সমাধি - রাঙামাটির বুড়িঘাটে।


তথ্যসূত্র: চিরন্তন ৭১, প্রথম আলো।
১১,৯১৪.
বর্তমানে দেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় কতটি পণ্য রয়েছে?
  1. ক) ২৫৬টি
  2. খ) ২৬৫টি
  3. গ) ২৬৭টি
  4. ঘ) ২৬৯টি
ব্যাখ্যা
দেশে রপ্তানির তালিকায় নতুন দুটি পণ্য যোগ হয়েছে। দুটিই প্লাস্টিকশিল্পের কাঁচামাল - পেট রেজিনপিভিসি (পলিভিনাইল ক্লোরাইড)। বাংলাদেশে এ দুটি পণ্য এত দিন ছিল শতভাগ আমদানিনির্ভর।
দেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় এত দিন ছিল ২৬৭টি পণ্য। এর বেশির ভাগই পোশাক খাতের। এ দুটি পণ্য যোগ হওয়ায় সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৬৯

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
১১,৯১৫.
লালন শাহ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) মাগুরা
  2. খ) যশোর
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
বাউল সম্রাট লালন শাহ ১৭৭২ সালে ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে অন্য একটি মতে তার জন্ম কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীতে।
তিনি প্রায় দুইহাজার বাউল গান রচনা করেন। কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়াতে লালনের আখড়া অবস্থিত।
এখানেই ১৮৯০ সালে তিনি মারা যান।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১১,৯১৬.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার কে?
  1. এন এস সাহা
  2. নিত্যানন্দ সাহা
  3. কামরুল হাসান
  4. মাইনুল হোসেন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম
- লাল বৃত্তের মাঝখানে হলুদ রংঙের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরে  লেখা ’গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’, নিচে  লেখা ’সরকার’ এবং বৃত্তের দুপাশে ২ টি করে মোট ৪ টি তারকা।
- ডিজাইনার - নিত্যানন্দ সাহা (এনএন সাহা)

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার - কামরুল হাসান।
- জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল, তার উপর ৩ টি পরস্পর সংযুক্ত পাট পত্রক এবং তার দুপাশে ২ টি করে তারকা।  
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৯১৭.
কোন নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে প্রাকৃতিক সীমান্ত গঠন করে?
  1. নাফ নদী 
  2. হাড়িয়াভাঙ্গা নদী
  3. মাতামুহুরী নদী 
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

নাফ নদী:
- নাফ নদী বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ-পূর্ব কোণ দিয়ে প্রবাহিত একটি প্রধান নদী।
- এটি মিয়ানমারের আরাকান অঞ্চলের সঙ্গে বাংলাদেশের কক্সবাজারকে বিভক্ত করে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের ও মিয়ানমারের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমান্ত নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- নদীটি নাইক্ষ্যংছড়ি, উখিয়া ও টেকনাফ হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়।
- নাফ নদীর ডান তীরে বাংলাদেশের টেকনাফ উপজেলা অবস্থিত।
- আর বাম তীরে মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দর অবস্থিত।
- নদীটির প্রস্থ ১.৬১ থেকে ৩.২২ কিলোমিটার। 
- নদীটি জোয়ার-ভাটা প্রবণ, যার তীরবর্তী সমভূমি যেমন কদমভূমি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য, 
- মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবাহিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নদীর মধ্যে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী রয়েছে।
- আর বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী হচ্ছে- হাড়িয়াভাঙ্গা নদী। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১১,৯১৮.
বর্তমানে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল -
  1. ক) ৩৮
  2. খ) ৩৯
  3. গ) ৪০
  4. ঘ) ৪১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনে বর্তমানে ৩৯টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন রয়েছে। (সেপ্টেম্বর, ২০২১)
- সর্বশেষ নিবন্ধিত দল হচ্ছে বাংলাদেশ কংগ্রেস। ৯ মে ২০১৯ সালে নিবন্ধিত হয়।
- ২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করে।
- ২০০৮ সালে ৪২টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দেয় ইসি।
তার মধ্যে,
- ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল হয় - ২০০৯ সালে।
- ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল হয় - ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর।
- জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করা হয় - ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর এবং
- প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল (পিডিপি)র নিবন্ধন বাতিল করে - ১৫ ডিসেম্বর ২০২০।
- সর্বশেষ ২৮ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখে নিবন্ধন বাতিল হয় - জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলের।

সূত্রঃ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট ও দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট।
১১,৯১৯.
২০ মে ২০২২ খাদ্য, জ্বালানি ও অর্থসংক্রান্ত 'গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপের' (GCRG) প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাপী খাদ্য, বিদ্যুত ও আর্থিক সংকট মোকাবেলায় কয়টি প্রস্তাব উত্থাপন করেন?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
২০ মে ২০২২ খাদ্য, জ্বালানি ও অর্থসংক্রান্ত 'গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপের' (GCRG) প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাপী খাদ্য, বিদ্যুত ও আর্থিক সংকট মোকাবেলায় ৪টি প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

প্রথম প্রস্তাবে তিনি বলেন, ‘প্রথমত, আমাদের অবশ্যই বিশ্বব্যাপী সংহতি জোরদার করতে হবে এবং একটি সু-সমন্বিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। জি-৭, জি-২০, ওইসিডি, এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।’
তিনি বলেন, আমরা সংকট মোকাবেলায় কার্যকর সুপারিশ প্রণয়নের জন্য তাদের প্রচেষ্টায় আমাদের পূর্ণ সমর্থন দেব।

দ্বিতীয়ত, অবিলম্বে বিশ্বব্যাপী লজিস্টিক এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে বাধাগুলো মোকাবেলা করা প্রয়োজন।
তিনি আরো বলেন, এ প্রয়াস পণ্যের ক্রমবর্ধমান মূল্য নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। বিশেষ করে স্বল্পোন্নত দেশ ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলির বৈশ্বিক বাণিজ্য ও রপ্তানি আয় পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সমর্থনও থাকতে হবে।
তিনি বলেন, উন্নত অর্থনীতি এবং বহুপাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে এবং শুল্ক-মুক্ত-কোটা-মুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার এবং আরও সহজলভ্য অর্থায়ন প্রদান করতে হবে।

তৃতীয় প্রস্তাবে, শেখ হাসিনা বলেন, কার্যকর খাদ্য সঞ্চয় ও বিতরণ ব্যবস্থার জন্য কৃষি খাতের জন্য প্রযুক্তি সহায়তা এবং বিনিয়োগের উপর আরও বেশি গুরুত্ব প্রদান করা অপরিহার্য।
তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ক্ষেত্রে বিশেষ করে এলডিসিতে অনেক সম্ভাব্য ব্যবসার সুযোগ রয়েছে।
তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন, ‘এই এজেন্ডাকে এগিয়ে নিতে আমরা বিদ্যমান উত্তর-দক্ষিণ, দক্ষিণ-দক্ষিণ এবং ট্রায়াঙ্গুলার সহযোগিতার সুবিধা নিতে পারি। এই বিষয়ে বেসরকারি খাতের সাথে সম্পৃক্ততাও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হবে।’

পরিশেষে, তিনি ৪৮-সদস্যের জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ফোরামের সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করেন, আমরা অনেক এসআইডি এবং নিন্মাঞ্চলীয় জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশের সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।এসব দেশে কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থা গুরুতর চাপের মধ্যে রয়েছে।

সূত্র: rtvonline.com ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
১১,৯২০.
নেজামে ইসলাম পার্টির নেতা কে ছিলেন?
  1. শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. মওলানা আতাহার আলী
  3. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:

- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল 'যুক্তফ্রন্ট' নামে জোট গঠন করে।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল। যথা:
১. আওয়ামী মুসলিম লীগ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক।
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি মওলানা আতাহার আলী।
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল হাজী মোহাম্মদ দানেশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
১১,৯২১.
বাংলাদেশ কখন বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (IOC) সদস্যপদ লাভ করে? 
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা

• অলিম্পিক গেমস: 
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।

• বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি.
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- কার্যালয়: পুরানা পল্টন, ঢাকা।  
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে।
- একটি বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য ১ জন ক্রীড়াবিদ প্রেরণ করে।
- সাইদুর রহমান ডন ছিলেন সেই প্রতিযোগী। 

তথ্যসূত্র: 
i) Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট। 
ii) Olympics.
iii) Britannica. 

১১,৯২২.
উন্নত জাতের ভুট্টার নাম কী?
  1. আনন্দ ও বরকত
  2. মুক্ত ও জবা
  3. উত্তরণ ও শুভ্র
  4. চমক ও কার্ডিনাল
ব্যাখ্যা
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।
১১,৯২৩.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা: 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা — ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিজের ৭০টি চিত্রকর্ম নিয়ে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি একটি দ্বিতল ভবনের রূপ লাভ করে।
- এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে বাঁধ দিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।
- প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা অসংখ্য দর্শনার্থী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা এবং উদ্যান পরিদর্শনে আসেন।
- বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
১১,৯২৪.
বাংলাদশের পণ্য মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান হলো -
  1. TCB
  2. TIB
  3. BSTI
  4. BCIC
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা হলো BSTI (Bangladesh Standards and Testing Institution)।
এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

[উৎস: BSTI ওয়েবসাইট]
১১,৯২৫.
কোন ঘটনার ফলশ্রুতিতে বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে?
  1. দেশভাগ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. লাহোর প্রস্তাব
  4. যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। ভাষা আন্দোলন বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা।
- ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৯২৬.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানে উল্লেখিত নিচের কোন মৌলিক অধিকারটি রহিত করা যায় না?
  1. ক) চলাফেরার স্বাধীনতা
  2. খ) সংগঠনের স্বাধীনতা
  3. গ) বৃত্তির স্বাধীনতা
  4. ঘ) ধর্মীয় স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১৪১(খ) নং উপদফায় জরুরি অবস্থার সময় সরকারকে সংবিধানের ৩৬ (চলাফেরার স্বাধীনতা), ৩৭ (সমাবেশের স্বাধীনতা), ৩৮ (সংগঠনের স্বাধীনতা), ৩৯ (চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতা), ৪০ (পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা) এবং ৪২ (সম্পত্তির অধিকার) নং অনুচ্ছেদ অকার্যকর রাখার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

৪১ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত ধর্মীয় স্বাধীনতা এর আওতাধীন নয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১১,৯২৭.
Begumganj gas field is located in which district?
  1. Noakhali
  2. Brahmanbaria
  3. Sylhet
  4. Moulvibazar
  5. Chattogram
ব্যাখ্যা
• কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র: এটি সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

• হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।

• বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।

• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র: এটি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।

• কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র: এটি চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।

• বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র: এটি নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১,৯২৮.
দেশের ২৮ তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. সিলেট
  2. ভোলা
  3. কুমিল্লা
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
৯ আগস্ট, ২০২১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জে দেশের ২৮ তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেয় জ্বালানি বিভাগ।
সূত্র: দৈনিক পত্রিকা
১১,৯২৯.
বঙ্গবন্ধু জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্য মনোনীত হন কবে?
  1. ৪ অক্টোবর ১৯৭২ সালে
  2. ৮ অক্টোবর ১৯৭২ সালে
  3. ১০ অক্টোবর ১৯৭২ সালে
  4. ১২ অক্টোবর ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
জুলিও কুরি শান্তি পদক:

- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

তথ্যসুত্র- কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
১১,৯৩০.
ঘোড়াশাল সার কারখানায় কোন সার উৎপাদিত হয়?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. অ্যামোনিয়া সালফেট 
ব্যাখ্যা

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১১,৯৩১.
বেকার হোস্টেলের সাথে নিচের কোন ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট?
  1. মওলানা ভাসানী
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. এ কে ফজলুল হক
  4. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব
ব্যাখ্যা
বেকার হোস্টেল:
- ১৯১০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় বেকার হোস্টেল।
- ছাত্রাবাসটি ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯১০ সালে এডওয়ার্ড নরম্যান বেকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- ছাত্রাবাসটি পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার ৮ স্মিথ লেনে অবস্থিত।
- বঙ্গবন্ধু কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে ডিগ্রি পড়ার সময় এই বেকার হোস্টেলে ছিলেন ১৯৪২-৪৭ সাল পর্যন্ত।
- উচ্চমাধ্যমিক পাস করে তিনি ১৯৪২ সালে ভর্তি হয়েছিলেন এ কলেজে।
- তিনি ছিলেন ২৪ নম্বর কক্ষে।
- এই ইসলামিয়া কলেজের নাম পরিবর্তন করে এখন নামকরণ করা হয়েছে মৌলানা আজাদ কলেজ।
- ১৯৪৬ সালে বঙ্গবন্ধু ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হন।
- ১৯৪৭ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন এই ইসলামিয়া কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ইতিহাসে স্নাতক হয়েছিলেন।

উৎস: ২৯ আগস্ট ২০১৯, প্রথম আলো।
১১,৯৩২.
প্রাচীনকালে কুমিল্লা কোন জনপদের অন্তর্গত ছিল?
  1. সমতট 
  2. বঙ্গ
  3. হরিকেল
  4. রাঢ়
ব্যাখ্যা

কুমিল্লা জেলা:
- কুমিল্লা জেলা ২৩°০১' থেকে ২৩°৪৭' ৩৬" উত্তর অক্ষাংশে এবং ৯০°৩৯' থেকে ৯১°২২' পূর্ব দ্রাঘিমাংশে বিস্তৃত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা কুমিল্লা জেলা অতিক্রম করেছে।
- এই জেলার কিছু অংশ গঠিত হয়েছে প্লাবন ভূমি দ্বারা এবং কিছু অংশ পাহাড়ি বৈশিষ্ট্যময়, বাকি অংশ সমতলভূমি।
- এ জেলার অধিকাংশ এলাকার ভূ-তাত্ত্বিক গঠন হয়েছে প্লাইস্টোসিন ও হলোসীন বা বর্তমান যুগেই।

⇒ কুমিল্লা জেলা মেঘনা সমভূমি হতে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সমুদ্রতীর থেকে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশের গড় উচ্চতা প্রায় ২৫ ফুট, আর মেঘনা সমভূমির পশ্চিম ভাগের গড় উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট।
- সুতরাং জেলার এই সমভূমির ঢাল মৃদু এবং পশ্চিম দিকে কুমিল্লা শহরের পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত, উত্তর-দক্ষিণে প্রলম্বিত লালমাই পাহাড় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমার নিম্ন জলাভূমি ব্যতীত সমগ্র সমভূমিটিকে সাধারণ ভাবে পশ্চিম-ঢাল সম্বলিত একটি সমতল ভূমি বলা যেতে পারে।

⇒ প্রাচীনকালে এটি সমতট জনপদের অন্তর্গত ছিল এবং পরবর্তীতে এটি ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ হয়েছিল। 
- ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পরবর্তী সময়ে ১৯৬০ সালে ত্রিপুরা জেলার নামকরণ করা হয় কুমিল্লা এবং তখন থেকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কালেক্টর পদটির নামকরণ হয় ডেপুটি কমিশনার।
- ১৯৮৪ সালে কুমিল্লার দু'টি মহকুমা চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে পৃথক জেলা হিসেবে পুনর্গঠন করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,৯৩৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কোনটি?
  1. ক) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি
  2. খ) পররাষ্ট্র সংক্রান্ত
  3. গ) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  4. ঘ) অর্থ ও মুদ্রা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 
২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।
৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। 
৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।
৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 
৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা—সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৩৪.
র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (RAB) পরিবর্তিত নতুন নাম—
  1. সিকিউরিটি রেসপন্স ফোর্স (SRF)
  2. সিকিউরিটি ইন্টারভেনশন ফোর্স (SIF)
  3. স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (SIF)
  4. স্পেশাল ইন্টারভেনশন ব্যাটালিয়ন (SIB)
ব্যাখ্যা

• র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম 'স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স' (এসআইএফ) রাখা হচ্ছে।

• র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব):
- র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ফোর্স।
- ২০০৪ সালের ২৬ শে মার্চ র‌্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এলিট ফোর্স র‍্যাবের আত্মপ্রকাশ ঘটে। 
- জঙ্গি দমন, সন্ত্রাস দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদকমু্ক্ত সমাজ গড়তে র‌্যাব সর্বদা সোচ্চার।
- র‌্যাব বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, কোষ্ট গার্ড ও আনসার বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত।

⇒ ২০০৩ সালের ১২ জুলাই বিদ্যমান আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন সংশোধনের মাধ্যমে র‌্যাব গঠন করা হয়।
- সংশোধনী আইনটি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (সংশোধনী) আইন ২০০৩ নামে পরিচিত।
- আর্মড পুলিশ বাহিনীর সংশোধনী আইনের (আইন ৩৭, ২০০৩) শৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে র‌্যাব গঠন করা হয়।

⇒ মূলত দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমন এবং আইনশৃঙ্খলার মানোন্নয়নে গঠন করা হয়েছিল র‍্যাব।
- আত্মপ্রকাশের পর র‍্যাবের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআইয়ে র‍্যাবের বেশ কয়েক জন কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। 
 
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া। 
iii) প্রথম আলো।

১১,৯৩৫.
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  2. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. জেনারেল টিক্কা খান
  4. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান অর্থাৎ মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
১১,৯৩৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. জনপ্রশাসন
  2. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  3. পরিবহন ও যোগাযোগ
  4. চিকিৎসা
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২২.০%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৩.৭%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ১১.৫%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত পরিবহন ও যোগাযোগ ২৭.৩%।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত ভর্তুকি ও প্রণোদনা ২০.৫%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ অর্থবছর।
১১,৯৩৭.
স্বদেশী আন্দোলনের তাৎপর্য কী ছিল?
  1. দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক চেতনা
  2. ব্রিটিশদের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা
  3. হিন্দু-মুসলমান বিরোধ নিষ্পত্তি
  4. সাম্প্রদায়িকতার উন্মেষ
ব্যাখ্যা
স্বদেশী আন্দোলনের তাৎপর্য ছিল দেশপ্রেম ও রাজনৈতিক চেতনা।

স্বদেশী আন্দোলন:

- স্বদেশী আন্দোলন ছিলো একটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন।
- ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করে যা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে।
- বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতার অংশ হিসেবে ১৯০৫ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- তাছাড়া এ আন্দোলন শুরুতে তরুণদের দেশপ্রেম, ঔপনিবেশিক শক্তিবিরোধী শাড়িপূর্ণ নিষ্ঠা ও আদর্শ নিয়ে শুরু হলেও ক্রমে তা থেকে চরম ও সশস্ত্র ধারার ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্ম নেয়।
- ফলে ব্রিটিশ শক্তি শেষ পর্যন্ত বঙ্গভঙ্গ বাতিল করতে বাধ্য হয়।

⇒ স্বদেশী আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন।
- পরে বিলেতি শিক্ষা বর্জনও এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়।
- কংগ্রেস নেতারা গ্রামে-গঞ্জে-শহরে প্রকাশ্য সভায় বিলেতি পণ্য পুড়িয়ে ফেলে।
- সঙ্গে সঙ্গে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে উঠে বাংলার নিজস্ব তাঁতবস্ত্র, সাবান, লবণ, চিনি ও চামড়ার দ্রব্য তৈরির কারখানা।
- অপর দিকে বিলেতি শিক্ষা বর্জন এবং আন্দোলনের সাথে যুক্তদের বিভিন্ন সরকারি স্কুল-কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার ফলে প্রয়োজনে গড়ে উঠে জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধকারী শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গানগুলো রচনা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় এবং রজণীকান্ত সেন প্রমুখ।
- আমাদের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি রবীন্দ্রনাথ ঐ সময় রচনা করেন।
- তবে মুসলমানরা বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলো, তাই তারা স্বদেশী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়নি।
- যার কারণে স্বদেশী আন্দোলনের ফলে বাংলার হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের অবনতি হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৩৮.
কীসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
  1. সামাজিক চেতনা
  2. দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  3. মমত্ববোধ
  4. বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
→ বাঙ্গালি জাতিয়তাবাদ পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল।
 
• ভাষা আন্দোলন:

- ভাষা আন্দোলন জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটায়।
- পাকিস্তানের ৫৬ ভাগ মানুষের ভাষাছিল বাংলা।
- পশ্চিম পাকিস্তানের জনগণের সাথে ধর্ম  ছাড়া বাঙালীদের  কোন বন্ধন নেই।
- ১৯৫২ সালে আত্মাহুতির মাধ্যমে যে জাতীয়তাবাদী চেতনার উন্মেষ হয়েছিল।
- সেই চেতনা ১৯৫৪ এর নির্বাচনে ২১ দফার জয় হয়অ
- বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পায়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের গভর্ণর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ;
- ঢাকার পল্টন ময়দানে ঘোষণা করেন "উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা"।
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ অধিবেশনে;
- বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন পূর্ব বাংলার সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
- ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে খাজা নাজিমউদ্দিন জিন্নাহর কথার পুনরাবৃত্তি করেন। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য়পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববদ্যালয়।
১১,৯৩৯.
ঢাকেশ্বরী মন্দির কোন রাজাদের শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সেন 
  2. শাহী
  3. নবাবী
  4. গুপ্ত
ব্যাখ্যা

ঢাকেশ্বরী মন্দির:
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত ঢাকেশ্বরী একটি মন্দির।
- এই মন্দিরটি বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির হিসেবে পরিচিত।

⇒ ঢাকার পুরোনো ইতিহাস ঐতিহ্য এবং সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো ঢাকার শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির।
- মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য রয়েছে একটি সিংহদ্বার। সিংহদ্বারটি নহবতখানা তোরণ নামে অভিহিত।

⇒ ধারণা করা হয়, সেন রাজবংশের রাজা বল্লাল সেন ১২শ শতাব্দীতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- তবে সেই সময়কার নির্মাণশৈলীর সঙ্গে এর স্থাপত্যকলার মিল পাওয়া যায় না বলেও অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন।
- এটি ঢাকার আদি ও প্রথম মন্দির।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,৯৪০.
বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অতি দারিদ্র্যের হার কত হতে পারে? [মে, ২০২৫]
  1. ৫.৩ শতাংশ
  2. ৭.৪ শতাংশ
  3. ৯.৩ শতাংশ
  4. ১০.৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
দারিদ্র্যের হার:
- সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক 'বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট' শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
- এই প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশে এ বছর আরও ৩০ লাখ মানুষ ‘অতিদরিদ্র’ হবে। 
- ২০২৫ সালে অতি দারিদ্র্যের হার বেড়ে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ হবে, যা আগে ছিল ৭ দশমিক ৭ শতাংশ।
- প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় দারিদ্র্য হার গত বছরে ছিল ২০ দশমিক ৫০ শতাংশ। ২০২৫ সালে তা বেড়ে ২২ দশমিক ৯ শতাংশ হবে।
- বিশ্বব্যাংকের হিসাবটি বিবেচনায় আনলে ২০২৫ সাল শেষে অতি গরিব মানুষের সংখ্যা হবে ১ কোটি ৫৮ লাখের মতো।
- অন্যদিকে জাতীয় দারিদ্র্য হার বা গরিব মানুষের সংখ্যা হবে ৩ কোটি ৯০ লাখের মতো।

উল্লেখ্য,
- আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যরেখা দিয়ে গরিব মানুষ চিহ্নিত করা হয়।
- ক্রয়ক্ষমতা সমতা (পিপিপি) অনুসারে, দিনে ২ দশমিক ১৫ ডলার আয় করে প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা কেনার সামর্থ্য না থাকলে অতি দরিদ্র হিসেবে ধরা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় দারিদ্র্যসীমার মানদণ্ড হলো খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্য ও সেবা কেনার জন্য একজন মানুষের প্রতি মাসে গড়ে ৩ হাজার ৮২২ টাকা খরচ করার সামর্থ্য যদি না থাকে, তাহলে তিনি দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাবেন বা গরিব হয়ে যাবেন।
- এর পাশাপাশি দারিদ্র্য পরিমাপে ১১৯ ধরনের বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় আনেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কর্মকর্তারা।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
১১,৯৪১.
বাংলাদেশের কোন জেলায় রাষ্ট্রীয় বনভূমির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. খুলনা
  2. সিলেট
  3. রাঙ্গামাটি
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- কোনো দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৫ লক্ষ ৭৫ হাজার হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের ১৫.৫৮%।
- বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০.৭৪%।
- বাংলাদেশে মোট ৩৫টি জেলায় রাষ্ট্রীয় বনভূমি রয়েছে।
- এর মধ্যে রাঙ্গামাটিতে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে। 
- আর লালমনিরহাটে সবচেয়ে কম।
- অন্য জেলায় বনভূমির পরিমাণ মধ্যম বা তুলনামূলকভাবে কম বেশি।

উল্লেখ্য, 
- জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি:
- বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- এসব গাছের পাতা একসঙ্গে  ঝরে যায়না।
- ফলে বনগুলো সারা বছর সবুজ থাকে।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে।
- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়। গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন:
- সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা ও লোনা পানি এবং প্রচুর বৃষ্টিপাতের জন্য এ অঞ্চল সমৃদ্ধ।

উৎস:
১. প্রথম আলো;
২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি;
৩. জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১১,৯৪২.
বাংলাদেশ কত তারিখে খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ১৫ জুন, ১৯৭২
  2. ৮ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১৫ এপ্রিল, ১৯৭৩
  4. ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে।

FAO:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা FAO-এর পূর্ণরুপ: Food and Agriculture Organization.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কুইবেক, কানাডা।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৬।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৫টি (১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ/Dr. Qu Dongyu (চীনের নাগরিক)।

⇒ জাতিসংঘের অন্যতম মূলসংস্থা ECOSOC-এর তত্ত্বাবধানে ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে কানাডার কুইবেকে এক সম্মেলনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এই সংস্থা গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে - বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ক্ষুধা নির্মুল করা এবং সবাইকে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য,
-  FAO প্রতিষ্ঠার তারিখ হিসেবে ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।

১১,৯৪৩.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. রাষ্ট্রীয় স্বার্থ উদ্ধার
  2. গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার
  3. সরকারি স্বার্থ উদ্ধার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সামনে বৃহত্তম জাতীয় কল্যাণ সাধনের কোন মহান উদ্দেশ্য থাকে না।
- সংকীর্ণ ও সমজাতীয় বিশেষ গোষ্ঠীগত ।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে উৎপত্তির ভিত্তিতে কোন বিশেষ রাজনৈতিক মতাদর্শের অস্তিত্ব পরিলক্ষিত হয় না।
- কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অঙ্গীকার থাকে না।
- এ সমস্ত গোষ্ঠীর অঙ্গীকার থাকে গোষ্ঠীগত স্বার্থ বা কল্যাণের প্রতি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৪৪.
“ওদের ৩০ লাখ মেরে ফেলো। বাদ বাকিরা আমাদের হাত থেকেই খেয়ে বেঁচে থাকবে।” - কার উক্তি?
  1. ক) টিক্কা খান
  2. খ) ইয়াহিয়া খান
  3. গ) আইয়ুব খান
  4. ঘ) উপরের কেউ নন
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight)

২৫ মার্চ ১৯৭১ দিবাগত রাতে পুরো প্রজন্ম নিশ্চিহ্নের চক্রান্ত হিসেবে Operation Searchlight এর মাধ্যমে শুরু হয় পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে নিষ্ঠুরতম গণহত্যা। ২৫ মার্চের কালরাতের নিষ্ঠুরতার প্রস্তাব করা হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। ১৮ মার্চ সকালে ঢাকা সেনানিবাসে GOC কার্যালয়ে বসে জেনারেল রাজা ও কুখ্যাত মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশনের যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করেন। ঐ পরিকল্পনার ৬টি লক্ষ্য ছিল –

১. সারা পূর্ব পাকিস্তানে একযোগে অপারেশন সার্চলাইট শুরু করতে হবে।
২. সর্বোচ্চ সংখ্যক রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতা। সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ব্যক্তিবর্গ ও শিক্ষকদের হত্যা করতে হবে।
৩. ঢাকায় অপারেশন ১০০ ভাগ সফল হতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দখল এবং তল্লাশী করতে হবে।
৪. সেনা বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখার প্রয়োজনে যুদ্ধ অস্ত্র প্রয়োজন ব্যবহার করা হবে।
৫. টেলিফোন, টেলিভিশন, রেডিও ও টেলিগ্রাফসহ সকল অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দিতে হবে।
৬. অস্ত্র ও গোলাবারুদ কেড়ে নিয়ে সবল পূর্ব পাকিস্তানি বাঙালি সৈন্য ধ্বংস করতে হবে।

"Operation Searchlight" ছিল সামরিক অভিযানের সাংকেতিক নাম। এর লক্ষ্য ছিল একযোগে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রধারী বাঙালি সমাজকে ধ্বংস করাসহ ব্যাপক নরহত্যা চালানো। এটি সম্ভব হলে বাঙালি জাতি অভিযান প্রতিহত করার জন্য প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবে না। তাহলে শেখ মুজিবকে মাথা নত করিয়ে স্বাধীনতার পরিবর্তে রাজনৈতিক সমাধান করা সম্ভব হবে। 

১৯৭২ সালে প্রকাশিত সাংবাদিক রবার্ট পেইনের ম্যাসাকার বইতে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ যেদিন Operation Searchlight প্রস্তাব করা হয় সেদিন ইয়াহিয়া খান বলেছিলেন –

“ওদের ৩০ লাখ মেরে ফেলো। বাদ বাকিরা আমাদের হাত থেকেই খেয়ে বেঁচে থাকবে।”

অপারেশন সার্চ লাইট শুরু হলে ২৬ মার্চ ১ম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো।
১১,৯৪৫.
১৯৭১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে সাহায্য করেছিলেন-
  1. প্রফুল্ল চন্দ্র সেন
  2. অজয় মুখোপাধ্যায়
  3. সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়
  4. জ্যোতি বসু
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে অজয় মুখোপাধ্যায় আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে সাহায্য করেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের নেতৃবৃন্দ:

প্রেসিডেন্ট: বরাহগিরি ভেঙ্কট গিরি।
প্রধানমন্ত্রী: ইন্দ্রিরা গান্ধী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী: সরদার সরণ সিং।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী: অজয় মুখোপাধ্যায়।
যৌথবাহিনীর সর্বাধিনায়ক: জেনারেল স্যাম মানকেশ।
যৌথবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান: জগজিৎ সিং আরোরা।
জাতিসঙ্গে নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি: সমর সেন।
১১,৯৪৬.
আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট কয়টি বিধান বাতিল করেছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
- কিন্তু যে অংশটি বাতিল করা হয়েছে তার ফলে দেশের সংবিধানে আবারো নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরে আসার পথ তৈরি হয়েছে এবং সংবিধানের কিছু ক্ষেত্রে সংশোধনীর জন্য গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।
- আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে
- ওই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- বাকীগুলো পরবর্তী সংসদের হাতে ছেড়ে দিয়েছে।
- তবে আইনজীবীরা বলছেন হাইকোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে করা বিধান বাতিল হলেও সংবিধানে এখনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরছে না।
- বরং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যে সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত করা হয়, সেই ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগ যে আদেশ দিয়েছিল, তার ওপর একটি রিভিউ পিটিশন আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় আছে।
- ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ওই রায় দিয়েছিলেন।
- ২০২৪ সালের ১৮ই আগস্ট সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট করেন বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন।
- উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ হয়েছিলো সংসদে। 

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ ডিসেম্বর ২০২৪)
১১,৯৪৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার বেশি?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. বরিশাল
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
শিক্ষা: 
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী,
- জাতীয় পর্যায়ে ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০%।
- পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রে এ হার যথাক্রমে ৭৬.৭১% ও ৭২.৯৪%।
- একই বয়সী জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে দেশের পল্লি এলাকায় সাক্ষরতার হার ৭১.৬৮% ও শহর এলাকায় ৮১.৪৫%;
- এ থেকে স্পষ্ট যে পল্লির তুলনায় শহরাঞ্চলে সাক্ষরতার হার বেশি।
- বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ হার ঢাকায় সর্বোচ্চ ৭৮.২৪% এবং ময়মনসিংহে সর্বনিম্ন ৬৭.২৩%।
- অন্যদিকে জাতীয় পর্যায়ে ৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৪.০৮% যা পুরুষের ক্ষেত্রে ৭৫.৮৩% ও নারীর ক্ষেত্রে ৭২.৩৮%।
- এছাড়া দেখা যায় যে, দেশে ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের সাক্ষরতার হার ৭০.১৯% যা পুরুষের ক্ষেত্রে ৭২.৬৩% ও নারীর ক্ষেত্রে ৬৭.৮৯%।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
১১,৯৪৮.
সংসদের কোরাম সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৭১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৭৩ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৭৫ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭৮ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• কোরাম:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- জাতীয় সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সময়ে উপস্থিত সংসদ সংখ্যা ৬০ জনের কম বলে যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় তাহলে তিনি অনূন্য ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখবেন কিংবা মুলতবি করবেন।

উল্লেখ্য,
- কোরাম বলতে বুঝায় একটি বৈধ সভার শুরু হতে শেষ পর্যন্ত ভোটদানের অধিকারী সদস্যের একটি নূন্যতম সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা প্রতিনিধি উপস্থিত থাকা এবং নূন্যতম এই সংখ্যা সংগঠনের আইন নিয়ম দ্বারা পূর্বেই নির্ধারিত করে দেওয়া।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ৭১: দ্বৈত সংসদ-সদস্যতায় বাধা।  
- অনুচ্ছেদ ৭৩: সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী
- অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১১,৯৪৯.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে নির্মিত যাত্রাপালা কোনটি?
  1. মিয়া ভাই
  2. বঙ্গবন্ধু
  3. নিঃসঙ্গ লড়াই
  4. খোকা
ব্যাখ্যা
যাত্রাপালা ‘নিঃসঙ্গ লড়াই’:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে তৈরি হয়েছে যাত্রাপালা ‘নিঃসঙ্গ লড়াই’।
- পাকিস্তানের লায়ালপুর জেলখানার বন্দি থাকা অবস্থায় তার জীবনীভিত্তিক কাহিনী নিয়েই গড়ে উঠেছে যাত্রাপালাটি।
- এর পালাকার মাসুম রেজা। নির্দেশনা দিয়েছেন সাইদুর রহমান লিপন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ যাত্রাপালাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।
- পালাটি পরিচালনা করছে সাইদুর রহমান লিপন।
- বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করবেন মিঠুন ইসলাম। ইয়াহিয়া চরিত্রে এস এম শফি, জুলফিকার আলী ভুট্টোর চরিত্রে আফসারুজ্জামান রনি অভিনয় করেছেন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৯ জানুয়ারি, ২০২২।
১১,৯৫০.
সিলেট অঞ্চলে প্রচলিত লোকসঙ্গীত কোনটি?
  1. ক) ভাওয়াইয়া গান
  2. খ) আলকাপ গান
  3. গ) ধামাইল গান
  4. ঘ) গম্ভীরা গান
ব্যাখ্যা
সিলেট অঞ্চলে লোকসঙ্গীত সমূহের মধ্যে ধামাইল গান অন্যতম। ধামাইল (ধামালী) মূলত নারীদের আচারকেন্দ্রিক নাচ-গান। সিলেট ও ময়মনসিংহ জেলায় হিন্দু মেয়েরা ব্রত, পালা-পার্বণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এবং জন্ম, বিবাহ প্রভৃতি সামাজিক উৎসবে ঘটা করে ধামাইল নাচ-গান করে থাকে।

সুরের দিক থেকে ভাটিয়ালি ঠাটের অন্তর্গত হলেও ধামাইল গানে দীর্ঘ টান বা মীড়ের দোলা নেই। করতালি দ্বারা গানের তাল রক্ষা করা হয়, স্বতন্ত্র বাদ্যযন্ত্রের প্রয়োজন হয় না।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১১,৯৫১.
BAEC- এর পূর্ণরূপ-
  1. Bangladesh Atomic Energy Commission
  2. Bangladesh Agricultural Extension Council
  3. Bangladesh Aeronautical Engineering Council
  4. Bureau of Atomic Energy and Chemistry
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC): 
- পূর্ণরূপ: Bangladesh Atomic Energy Commission.
- ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানে পরমাণু শক্তির ব্যবহার বিষয়ক গবেষণার জন্য একটি ছোট পরীক্ষাগার দিয়ে যাত্রা শুরু।
• AECD (Atomic Energy Centre, Dhaka):
- ১৯৬৪ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির মাধ্যমে বাংলাদেশে পরমাণু পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ক তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক গবেষণার ভিত্তি তৈরি হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্রপতির আদেশ এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে এটি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি আইন, ২০১৭ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

উৎস: BAEC ওয়েবসাইট। [LINK]
১১,৯৫২.
বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়ার দাবিতে প্রথম ধর্মঘট হয় কখন?
  1. ১১ মার্চ ১৯৪৭
  2. ১১ মার্চ ১৯৪৮
  3. ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রথম ধর্মঘট: 
১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ঢাকায় সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়, যা ভাষা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত।

• ধর্মঘটের পটভূমি ছিল গণপরিষদের ভাষা তালিকা থেকে বাংলা বাদ দেওয়া, মুদ্রা ও ডাকটিকিটে বাংলা ব্যবহার না করা, এবং নৌবাহিনীর নিয়োগ পরীক্ষায় উর্দুকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদ।

• প্রধান দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা ও পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।

• ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগানে মিছিল করার সময় শওকত আলী, কাজী গোলাম মাহবুব, শেখ মুজিবুর রহমানসহ কয়েকজন গ্রেপ্তার হন।
ছাত্রনেতা আব্দুল মতিন, আবদুল মালেক উকিলসহ অনেকে মিছিলে অংশ নেন, এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বড় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

• ১২-১৫ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ধর্মঘট পালিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৫৩.
বঙ্গবন্ধু ‘জুলিও কুরি’ পুরস্কার লাভ করেন ১৯৭২ সালের-
  1. ১৫ জানুয়ারি
  2. ১৮ অক্টোবর
  3. ১০ অক্টোবর
  4. ৭ মার্চ
ব্যাখ্যা
জুলিও কুরি শান্তি পদক:

- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

তথ্যসুত্র- কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
১১,৯৫৪.
নিচের কোন পদটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  2. চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন
ব্যাখ্যা

⇒ চেয়ারম্যান, দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিক পদ নয়।

সাংবিধানিক পদ:
- সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

⇒ সাংবিধানিক পদ:
• রাষ্ট্রপতি
• স্পিকার
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ
• ডিপুটি স্পিকার
• প্রধান বিচারপতি
• সংসদ সদস্য
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
• সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য।

উৎস - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,৯৫৫.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংঘটিত হয় কোথায়?
  1. হালিশহর, চট্টগ্রাম
  2. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  3. মুজিবনগর, মেহেরপুর
  4. নলিতাবাড়ী, শেরপুর
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১৯শে মার্চ গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংঘটিত হয়।
- ৭ মার্চের ভাষণের পর আন্দোলন দুর্বল করতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী জয়দেবপুরের দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের তাঁদের অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু বাঙালি সৈন্যরা অস্ত্র জমা না দিয়ে জনতাকে সাথে নিয়ে চান্দিনা-জয়দেবপুর সড়ক অবরোধ করে।
- এতে পাকবাহিনী গুলিবর্ষণ করলে হুরমত, নিয়ামত, কানু মিয়া ও মনু খলিফা নিহত এবং অনেকে আহত হন। পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে ওটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ।
- এটির স্বরণে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় জাগ্রত চৌরঙ্গী নামে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য নির্মিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো এবং গাজীপুর জেলা ওয়েবসাইট)

 
১১,৯৫৬.
জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে নিচের কোনটি?
  1. গণমাধ্যম
  2. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. রাজনৈতিক দল
  4. সামরিক বাহিনী
ব্যাখ্যা

⇒ জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে রাজনৈতিক দল।

রাজনৈতিক দল:
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হল রাজনৈতিক দল।
- নির্ধারিত নীতি ও কর্মসূচির স্বপক্ষে জনমত গঠন করা রাজনৈতিক দলের উল্লেখযোগ্য কাজ।
- প্রতিটি দল সভা-সমিতি, পত্র-পত্রিকা, পুস্তক-পুস্তিকা, রেডিও-টিভি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রভৃতির মাধ্যমে প্রচারকার্য চালিয়ে নিজস্ব নীতি ও কর্মসূচির সমর্থনে জনমত গঠনের চেষ্টা করে।
- রাজনৈতিক দলের একটি স্থায়ী সংগঠন থাকে এবং এ সংগঠনের মাধ্যমে এটি কাজ করে।
- একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দ একই মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ করে। 
- সমমতাদর্শে অনুপ্রাণিত, ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়।
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে।
- এই কর্মসূচিকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য দলগুলো নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়।
- রাজনৈতিক দল মাত্রই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়।
- প্রত্যেক দল সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সাধনে আত্মনিয়োগ করে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, মোজাম্মেল হক।

১১,৯৫৭.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কোন উইংটি বাজেট, জনবল ও হিসাবরক্ষণ দেখাশোনা করে?
  1. সরেজমিন উইং
  2. গবেষণা উইং
  3. প্রশাসনিক উইং
  4. পরিকল্পনা উইং
ব্যাখ্যা

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশাসনিক উইং:
- এ উইং এর কাজ হচ্ছে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, বরাদ্দকৃত অর্থের ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব ও নিরীক্ষা নিশ্চিত করা ও নথিপত্র সংরক্ষণ।
- একজন পরিচালক এ উইং এর দায়িত্বে আছেন।

⇒ এ উইং এর প্রধান দায়িত্বগুলো হলো:
◉ সকল উইং এর বার্ষিক রাজস্ব বাজেট তৈরির কাজ সমন্বয় করা;
◉ মাঠ পর্যায়ের সকল অফিসসহ অত্র অধিদপ্তরের সকল প্রকার রাজস্বের হিসাব ও এর প্রতিবেদন রক্ষণাবেক্ষণ করা;
◉ বর্তমানে প্রচলিত সরকারি নিয়ম ও বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় সকল রাজস্ব ও প্রকল্প হিসাবের নিরীক্ষণ নিশ্চিত করা;
◉ বার্ষিক উন্নয়ন বাজেটের পরিমাণ প্রকল্প ছকে গ্রহণ করা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে সেগুলো পুর্নবিন্যাস করার জন্য পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইংকে উপদেশ প্রদান করা;
◉ ডিএই এর ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশ অনুযায়ী জনবল নিয়োগ ও বদলীর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ডিএই এর জনবলের হালনাগাদ রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ করা;
◉ দ্রব্যসামগ্রী সময়মতো সংগ্রহ, সরবরাহ, ঠিক মতো সংরক্ষণ ও হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা এবং অফিসের জন্য সকল প্রকার সরবরাহ, গুদামজাতকৃত দ্রব্য, যন্ত্রপাতি ও সম্পত্তির রেকর্ড রক্ষণাবেক্ষণ করা;
◉ ডিএই এর কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের সরকারি বিধান মোতাবেক আর্থিক ও প্রশাসনিক জটিলতা ও সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা করা।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 

১১,৯৫৮.
বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার কোনটি?
  1. পদ্মা রিফাইনারী লিমিটেড
  2. ইস্টার্ন রিফাইনারী লিমিটেড
  3. যমুনা রিফাইনারী লিমিটেড
  4. বাংলাদেশ রিফাইনারী লিমিটেড
ব্যাখ্যা

জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার:
- বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারী লিমিটেড (ইআরএল)।
-  চট্টগ্রাম শহরের প্রান্তে  কর্ণফুলি নদীর তীরে অবস্থিত ইস্টার্ন রিফাইনারী ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই পরিশোধনাগারে জ্বালানি তেল শোধনের সক্ষমতা বছরে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টন।
- তবে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সক্ষমতার চেয়ে ৩৫ হাজার টন বেশি তেল শোধন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
- সম্প্রতি, ইআরএলের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ নামে একটি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেক।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া, পত্রিকা প্রতিবেদন।

১১,৯৫৯.
পূর্ব বাংলার মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. শিক্ষা আন্দোলন
  3. ছয়দফা আন্দোলন
  4. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৯৬০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কত নং সেক্টরের অধীনে ক্র্যাক প্লাটুন গঠিত হয়েছিলো?
  1. ২ নং সেক্টর
  2. ৩ নং সেক্টর
  3. ১০ নং সেক্টর
  4. ১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফ এই বাহিনী গড়ে তুলেন।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: কালেরকণ্ঠ এবং একাত্তরের দিনগুলি : জাহানারা ইমাম)
১১,৯৬১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ীি, বাংলাদেশের কোন বিভাগে তামাক উৎপন্ন হয় সবচেয়ে বেশি?
  1. বরিশাল 
  2. রংপুর 
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা 
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১১,৯৬২.
জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ অনুসারে দেশে শিল্পোন্নত জেলা-
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১৪টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ২২টি
ব্যাখ্যা

• জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ অনুসারে বাংলাদেশে শিল্পোন্নত জেলা ১৪টি।
• এগুলো হলোঃ
- ঢাকা,
- গাজীপুর,
- নারায়ণগঞ্জ,
- নরসিংদী,
- টাঙ্গাইল,
- বগুড়া,
- চট্টগ্রাম,
- কক্সবাজার,
- নোয়াখালী,
- চাঁদপুর,
- কুমিল্লা,
- ফেনী,
- লক্ষীপুর ও
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
উৎসঃ জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬।

১১,৯৬৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হয়েছে?
  1. ৯৪ (১) নং
  2. ৯৫ (১) নং
  3. ৯৬ (১) নং
  4. ১০৮ নং
ব্যাখ্যা
সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।
- সংবিধানের ৯৬ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।'
- সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব্ রেকর্ড' হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৯৬৪.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন-
  1. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. মওদুদ আহমেদ
  4. খন্দকার মোশতাক
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:

- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১১,৯৬৫.
বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু হয় কবে থেকে?
  1. ক) ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছর
  2. খ) ১৯৯৬-৯৭ অর্থবছর
  3. গ) ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর
  4. ঘ) ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছর
ব্যাখ্যা
- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে ১৯৯৭-৯৮ সালে দেশে প্রথম বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচি চালু হয়।
- শুরুতে এর ভাতা প্রাপ্তদের সংখ্যা ছিলো ৪.০৩ লক্ষ জন এবং ভাতার পরিমাণ ছিলো মাসিক ১০০ টাকা।
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে এসে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৫৭ লক্ষ এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা।
(তথ্যসূত্র: বাজেট বক্তৃতা : ২০২১-২০২২ অর্থবছর)
১১,৯৬৬.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে -
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে এবং আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এর ইনডেক্স:
i) DSE Broad Index,
ii) DSEX Shariah Index,
iii) DS30 Index,
iv) DSE CDSET Index.

উৎস: DSE ওয়েবসাইট।
১১,৯৬৭.
Which Mughal emperor is laid to rest in Yangon?
  1. Sher Shah
  2. Bahadur Shah
  3. Elias Shah
  4. Babur
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ:
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ছিলেন সর্বশেষ মুঘল সম্রাট।
- ১৮৩৭ সালে তিনি দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মোগল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- তাই ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মুঘল বংশের পতনের যুগ বলা হয়। 
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৬৮.
প্রাচীন বাংলার কোন জনপদ ‘দণ্ডভুক্তি’ নামে পরিচিত ছিলো?
  1. সমতট
  2. চন্দ্রদ্বীপ
  3. তাম্রলিপ্ত
  4. হরিকেল
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে তাম্রলিপ্ত অন্যতম। এই জনপদের অবস্থান ছিলো হরিকেল ও রাঢ়ের দক্ষিণে।
- বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুক এলাকা ছিলো তাম্রলিপ্ত জনপদের কেন্দ্রস্থল। তাম্রলিপ্ত প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বন্দর ছিলো।
- সপ্তম শতক হতে তাম্রলিপ্ত জনপদ ‘দণ্ডভুক্তি’ নামে পরিচিত হতে থাকে। দণ্ড মানে হলো পথ আর ভুক্তি অর্থ প্রদেশ। সেই সময় উৎকলে যাওয়ার একমাত্র পথ হওয়ায় এই প্রদেশের নাম হয় ‘দণ্ডভুক্তি’।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং আনন্দবাজার পত্রিকা)
১১,৯৬৯.
স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনে
- প্রথম : ময়মনসিংহ
- দ্বিতীয় : কুমিল্লা
- তৃতীয় : যশোর।
(সূত্র: মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ : ২০১৮-১৯)
১১,৯৭০.
কত সালে 'Bangladesh Academy for Rural Development' প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা
BARD:
- BARD (Bangladesh Academy for Rural Development) বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
- এটি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে অবস্থিত।।
- বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

উৎস: বার্ড ওয়েবসাইট।
১১,৯৭১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, স্বাক্ষরতার হার-
  1. ৭৩.২০%
  2. ৭২.৮০%
  3. ৭৪.৮০%
  4. ৭৬.৮০%
ব্যাখ্যা

• ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা:
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন বাংলাদেশে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে CAPI- Computer Assisted Personal Interviewing পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- গণনায় মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

 জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুযায়ী:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- স্বাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

১১,৯৭২.
পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল প্রধানত বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে। পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়। তবে পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম। বাংলাদেশের অন্যান্য অর্থকরী ফসলের মধ্যে রয়েছে চা, আখ, তামাক, তুলা, রাবার ইত্যাদি৷
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, গ্লোবাল ট্রেড ও বাংলাদেশ পাট গবেষণা কেন্দ্র ওয়েবসাইট]
১১,৯৭৩.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রণে সর্বপ্রথম কখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা

- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রণে সর্বপ্রথম ১৯৯৬ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

• তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
- ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রণে সর্বপ্রথম ১৯৯৬ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।

উল্লেখ্য,
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস:- আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১১,৯৭৪.
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে দুটি বিভাগ কোনগুলো? 
  1. হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ
  2. আপিল ও বিচার বিভাগ
  3. দেওয়ানি ও ফৌজদারি
  4. নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালত
ব্যাখ্যা

- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে — হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম হলো সুপ্রীম কোর্ট।
- এই আদালতের প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি।
- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে—হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য, 
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ প্রদান করেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৭৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'অপারেশন কিলো ফ্লাইট' পরিচালনা করে কোন বাহিনী?
  1. গেরিলা বাহিনী
  2. বিমান বাহিনী
  3. সেনাবাহিনী
  4. নৌবাহিনী
ব্যাখ্যা

→ অপারেশন কিলো ফ্লাইট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অপারেশনগুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম।

অপারেশন কিলো ফ্লাইট:
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুক্তিবাহিনীর বিমান উইং এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্ম ও গোড়াপত্তনের ইতিহাস।
- ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত পরিত্যক্ত এক বিমানঘাঁটিতে জন্ম হয়েছিল যে ইতিহাসের, সেই ইতিহাস শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
- এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা।
- ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ডেইলি স্টার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২।

১১,৯৭৬.
সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতির অবসরের বয়সসীমা কত?
  1. ৬০ বছর
  2. ৬৩ বছর
  3. ৬৫ বছর
  4. ৬৭ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতিসহ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর।

• বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচারকদের পদের মেয়াদ: একজন বিচারপতি ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত তার পদে বহাল থাকেন।

প্রধান বিচারপতি:
- দেশের বর্তমান ও ২৬তম প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

⇒ সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি। প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।
- প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- প্রধান বিচারপতি ৬৭ বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেন।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

উৎস: i) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১১,৯৭৭.
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা জীবন রহস্য উন্মোচন করেন-
  1. ডঃ মাকসুদুল আলম
  2. ডঃ মাকসুদুর রহমান
  3. মাকসুদ আলম পাটোয়ারী
  4. মাকসুদ শাহ কোরেশী
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- মাকসুদুল আলম ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।
- ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জীবনরহস্য আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।
- পাট ছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
 
উল্লেখ্য,
- ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম মারা গেছেন। 
 
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২২ ডিসেম্বর ২০১৪, প্রথম আলো।
১১,৯৭৮.
সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৩) জেএমপির ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে স্যানিটেশনের আওতায় কত শতাংশ মানুষ রয়েছে?
  1. ২১ শতাংশ
  2. ২২ শতাংশ
  3. ২৩ শতাংশ
  4. ২৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্যানিটেশনের আওতায় মানুষ:
- জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) জয়েন্ট মনিটরিং প্রোগ্রাম (জেএমপি)।

জেএমপির ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী,
- বাংলাদেশে স্যানিটেশনের আওতায় আছে ২৩ শতাংশ মানুষ।
- বাংলাদেশে হাত ধোয়া বা স্বাস্থ্যবিধির আওতায় রয়েছে ৪২ শতাংশ।
- শহরে নিরাপদ পানির আওতায় থাকা মানুষের হার ৪৭ শতাংশ।

অন্যদিকে -
বিবিএস এর ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী,
- বাংলাদেশে স্যানিটেশনের আওতায় মানুষ ৫০ শতাংশের বেশি হবে।
- বাংলাদেশে হাত ধোয়া বা স্বাস্থ্যবিধির আওতায় রয়েছে ৫০ শতাংশের বেশি হবে।
- শহরে নিরাপদ পানির আওতায় থাকা মানুষের হার  ৫৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- সরকারের অভিযোগ, জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) তৈরি করা এই বৈশ্বিক প্রতিবেদনে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে।
- সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জেএমপির ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে সুপেয় পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন দুই বছর আগে দেওয়া প্রতিবেদনের চেয়ে কমিয়ে দেখানো হয়েছে। 

উৎস: ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
১১,৯৭৯.
বাংলার নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন -
  1. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. ইলিয়াস শাহ
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা
• বাংলা নববর্ষ:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালি জাতির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব।
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা - ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতু নির্ভর।
- এই কৃষি কাজের সুবিধার্থেই মুঘল সম্রাট আকবর — ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৮০.
বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য কী?
  1. ক) অনুকূল বাণিজ্য শর্ত
  2. খ) আমদানি ব্যয় কম
  3. গ) শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি
  4. ঘ) জনশক্তি রপ্তানি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য হলো শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি। 
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের মোট রপ্তানি দ্রব্যের শতকরা ৮০ ভাগই ছিল কাঁচামাল ও কৃষিজাত দ্রব্য। 
- বর্তমানে রপ্তানি আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ শিল্পজাত দ্রব্য থেকে অর্জিত হয়।
 
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্বল্প মূল্যের কৃষিজাত পণ্যদ্রব্য রপ্তানি করে কিন্তু উচ্চ মূল্যের মূলধনজাত দ্রব্যসামগ্রী আমদানি করে। এজন্য বাণিজ্য শর্ত সবসময়ই বাংলাদেশের প্রতিকূলে থাকে।
 
 
বাংলাদেশের অর্থনীতি অতিমাত্রায় আমদানিনির্ভর। জনসাধারণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ভোগ্যপণ্য এবং দ্রুত শিল্পোন্নয়নের লক্ষ্যে শিল্পজাত পণ্য ও মূলধনী যন্ত্রপাতি বাবদ আমদানি ব্যয় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সে তুলনায় প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য, চা, চামড়া, হিমায়িত খাদ্য প্রভৃতি রপ্তানি করে দ্রুত আয় বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে এসব অধিকাংশ পণ্য-দ্রব্যের চাহিদা স্থিতিস্থাপক কিন্তু যোগানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিযোগী অনেক শক্তিশালী দেশ রয়েছে। যেমন— ভারত, চীন, শ্রীলংকা, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশ রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিযোগী।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, অর্থনীতি ২য় পত্র; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৮১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার কত?
  1. ২৫%
  2. ৩০.৬৯%
  3. ৩৫.৩৪%
  4. ৩৯%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:  
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ১৫ হতে ২১ জুন ২০২২ সময়ে দেশব্যাপী পরিচালিত হয়। 
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি। 

⇒ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫ বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী - ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী - ২৩.৫২%।

⇒ ঢাকা বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৪০.৪২%।
⇒ রংপুর বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম - ১৭.৬৯%।

⇒ শহর (ইন্টারনেট ব্যবহারকারী) - ৪১.৩০%।
- গ্রাম (ইন্টারনেট ব্যবহারকারী) - ২৫.৭৩%।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১১,৯৮২.
বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক, ২০২৫- এ বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ৩৩তম
  2. ৩৫তম
  3. ৩৬তম
  4. ৩৭তম
ব্যাখ্যা

• বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক, ২০২৫:
- প্রতিবেদনের শিরোনাম: 2025 Military Strength Ranking.
- প্রকাশ: জানুয়ারি, ২০২৫। 
- প্রকাশক: গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার।
- অন্তর্ভুক্ত দেশ: ১৪৫টি। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী-
• শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
• সর্বনিম্ন দেশ: ভুটান।
• বাংলাদেশের অবস্থান: ৩৫তম।

উৎস: বৈশ্বিক সামরিক শক্তি সূচক, ২০২৫।

১১,৯৮৩.
বাংলাদেশের অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কয়টি?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
• ইউনেস্কো বাংলাদেশের চারটি বিষয়কে অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে। এগুলো হলোঃ
- বাউল গান (২০০৮),
- জামদানি শিল্প (২০১৩),
- মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৭) এবং
- শীতল পাটি (২০১৭)।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১১,৯৮৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution] এর বিধান আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪ক
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ৭ক
  4. অনুচ্ছেদ ৭খ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের প্রাধান্য:
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের বিধান:সংবিধানের প্রাধান্য:
(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে৷ 
(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে৷ 

-সংবিধানের প্রাধান্য [Supremacy of the Constitution]
- সংবিধানের প্রাধান্য অর্থ হলো সংবিধানের আদেশসমূহ সকল প্রেক্ষাপটে বহাল থাকবে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধান হলো প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
- এছাড়া কোন কার্য সংবিধানের বিধানের সাথে অসামঞ্জস্য হয়, তাহলে উক্ত কার্য অবৈধ হবে এবং কোন অবস্থাতে তার বৈধতা দেওয়ার সুযোগ নেই।
- যদি কোন আইন অসাংবিধানিক হয়, তাহলে অসামঞ্জস্যতা দূর করে তা পুনরায় প্রণয়ন করা যায়।

এছাড়াও,
অনুচ্ছেদ-৪ক এর বিধান→ জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
অনুচ্ছেদ-৭ক এর বিধান → সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
অনুচ্ছেদ-৭খ এর বিধান → সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৯৮৫.
কত সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে?
  1. ১৭৬০ সালে
  2. ১৭৬১ সালে
  3. ১৭৬৪ সালে
  4. ১৭৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
কোম্পানির দেওয়ানি লাভ: 
- ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে।
- ১৭৬৫ সালে মীর জাফরের মৃত্যুর পর তার পুত্র নাজিম-উদ-দৌলাকে শর্তসাপেক্ষে বাংলার সিংহাসনে বসানো হয়।
- শর্ত থাকে যে, তিনি তার পিতার মতো ইংরেজদের নিজস্ব পুরাতন দস্তক অনুযায়ী বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে দেবেন এবং দেশীয় বণিকদের অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা বাতিল করবেন।
- এ সময়ে ইংরেজ কোম্পানি মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার রাজস্ব বা খাজনা ও কর আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব অর্থাৎ দেওয়ানি লাভ করে।
- ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর ইংরেজরাই বাংলার সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১,৯৮৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সংবিধানের প্রাধান্য' উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৮ নং
  2. ৭ নং
  3. ৬ নং
  4. ৫ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ৭নং অনুচ্ছেদে 'সংবিধানের প্রাধান্যের' কথা বলা হয়েছে। 

• বাংলাদেশ সংবিধান:
-  অনুচ্ছেদ- ৭(১): প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ;
- এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷ 
- (২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন;
- এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে৷

• সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ:
 ১। প্রজাতন্ত্র;
২। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা;
২ক। রাষ্ট্রধর্ম;
৩। রাষ্ট্রভাষা;
৪। জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক;
৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি;
৫। রাজধানী;
৬। নাগরিকত্ব;
৭। সংবিধানের প্রাধান্য;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১১,৯৮৭.
BGMEA কী?
  1. বাংলাদেশ আমদানি ও রপ্তানি অধিদপ্তর
  2. বাংলাদেশ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন
  3. বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি
  4. বাংলাদেশ পেশাজীবী হিসাববিজ্ঞানীদের জাতীয় সংস্থা
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- এর বর্তমান সভাপতি: রফিকুল ইসলাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরুর পর থেকে সমিতিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে আসছে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ এর কাছাকাছি।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
১১,৯৮৮.
'কনর্সাট ফর বাংলাদেশ' আয়োজনকারী জর্জ হ্যারিসন কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে জর্জ হ্যারিসনের তত্ত্বাবধানে নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
-  জর্জ হ্যারিসন ছিলেন যুক্তরাজ্যের নাগরিক।
- জর্জ হ্যারিসনকে অনুষ্ঠানটি করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন বিখ্যাত সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১১,৯৮৯.
প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার প্রাইমারী এডুকেশন টেকিং ওভার অ্যাক্টের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করেন।
- এই আইনের মাধ্যমে তখন ৩৬,১৬৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করা হয়।

- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

(তথ্যসূত্র: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)
১১,৯৯০.
ডাকসেবার বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ কততম অবস্থানে রয়েছে? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. ৬৮তম
  2. ১১৯তম
  3. ৭৮তম
  4. ১২৮তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
ডাকসেবার বৈশ্বিক র‌্যাংকিং:

- বাংলাদেশ এখন ১৭৪টি দেশের মধ্যে ৬৮তম অবস্থানে রয়েছে, যা ৫১ ধাপ এগিয়ে। [জানুয়ারি,২০২৫]
- এটি ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (UPU) কর্তৃক প্রকাশিত সমন্বিত ডাক উন্নয়ন সূচক-২০২৪ (IPD) প্রতিবেদন অনুযায়ী।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ পোস্টের স্কোর বর্তমানে ৫৪, যা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ পোস্টের স্কোর ৫৪, ১৭৪টি দেশের মধ্যে ৬৮ তম অবস্থানে রয়েছে।
আগের বছরগুলোর স্কোর ও অবস্থান ছিল:
- ২০২৩: স্কোর ১৮.৩০, অবস্থান ১১৯তম (১৭২টি দেশের মধ্যে)
- ২০২২: স্কোর ১৩.৯০, অবস্থান ১৩৩তম (১৭২টি দেশের মধ্যে)
- ২০২১: স্কোর ১০.০২, অবস্থান ১৪৩তম (১৬৮টি দেশের মধ্যে)
- ২০২০: স্কোর ১৫.৮০, অবস্থান ১২৮তম (১৭০টি দেশের মধ্যে)

বিশ্বের শীর্ষ ৩ দেশ:
- ১ম জার্মানি: স্কোর ১০৮.৬
- ২য় সুইজারল্যান্ড: স্কোর ১০৮.৬
- ৩য় জাপান: স্কোর ১০৫.৯

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
১১,৯৯১.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধে কে পরাজিত ও নিহত হয়?
  1. বাবর
  2. ইব্রাহিম লোদী
  3. হুমায়ুন
  4. শেরশাহ
ব্যাখ্যা

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবঢ় বনাম ইব্রাহিম লোদী। 
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ। 
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। 
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন। 
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন। 
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

এছাড়াও,
- পানিপথের ২য় যুদ্ধ: ১৫৫৬  খ্রিস্টাব্দ।
- পানিপথের ৩য় যুদ্ধ: ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দ।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৯২.
নিচের কোন জেলায় রাজবংশী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. কক্সবাজার
  2. বান্দরবান
  3. দিনাজপুর
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:

- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১,৯৯৩.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ কার নিকট দায়বদ্ধ থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতির কাছে
  2. জাতীয় সংসদের কাছে
  3. প্রধান বিচারপতির কাছে
  4. কারো নিকট নয়
ব্যাখ্যা

মন্ত্রিপরিষদ:
- শাসন বিভাগের কেন্দ্রে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ (Cabinet)।
- প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান ও মন্ত্রিপরিষদের কেন্দ্রবিন্দু।
- তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ দেশের শাসনকার্য পরিচালনা করে।
- সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
- তিনি তাঁর কাজের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্য নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত।
- তিনি সংসদের নিকট দায়বদ্ধ। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৯৪.
অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে বাংলাদেশ কত তারিখে নতুন মুদ্রানীতি চালু করে?
  1. ২০ জুন, ২০২৩
  2. ১৯ জুন, ২০২৩
  3. ১৮ জুন, ২০২৩
  4. ১৭ জুন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
নতুন মুদ্রানীতি:
- বাংলাদেশের মুদ্রানীতিতে বড় পরিবর্তন এনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের জন্য সংকোচনমূলক নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ১৮ জুন, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আগামী ছয় মাসের জন্য এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর 'আব্দুর রউফ তালুকদার'।
- আব্দুর রউফ তালুকদার মুদ্রানীতিতে চারটা বিষয়ে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে।
- মে মাসে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.৯৪%।
- এতদিন ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত ৯ অথবা ১০ শতাংশের বেশি ব্যাংকগুলো সুদ নিতে পারতো না।
- এর সাথে মিল রেখে তাদের আমানত সংগ্রহ করতে হতো।
- কিন্তু এখন থেকে ঋণে সুদের হারের সর্বোচ্চ সীমা আর থাকছে না।
- এখন থেকে ঋণের সুদের হার হবে বাজার ভিত্তিক।
- তবে এজন্য একটি রেফারেন্স রেট থাকবে।
- বর্তমানে ট্রেজারি বিলের ছয় মাসের গড় সাত দশমিক ১০ শতাংশ।

উৎস: বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
১১,৯৯৫.
ঢাকার আহসান মঞ্জিল কে নির্মাণ করেন?
  1. নবাব আব্দুল লতিফ
  2. নবাব আব্দুল গণি
  3. শায়েস্তা খান
  4. নবাব কুতুব উদ্দিন
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গণি। তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ’র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে। এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) বাংলাপিডিয়া।

১১,৯৯৬.
দেশে কোথায় উন্মুক্ত কারাগার নির্মাণ করা হবে?
  1. কক্সবাজার
  2. চট্রগ্রাম
  3. গাজীপুর
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
উন্মুক্ত কারাগার 
- মালয়েশিয়ার কমিউনিটি রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগামের (সিআরপি) আদলে উন্মুক্ত কারাগার নির্মাণের জন্য কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলায় ১৬০ একর জমি বন্দোবস্ত পাওয়া গেছে।
- উন্মুক্ত কারাগার নির্মাণের কার্যক্রম শিগগিরই শুরু করা হবে।
- ইতিমধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) অত্যাধুনিক অস্ত্র, যানবাহন, আকাশযান ও জলযান দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছে।
- অত্যাধুনিক অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে
• অ্যালকোটান (কাঁধে বহনযোগ্য রকেট লাঞ্চার) ৪০টি,
• এটিজিডব্লিউ (ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র) ১২টি,
• স্নাইপার রাইফেল ১৩২টি,
• এএএমজি (বিমানবিধ্বংসী মেশিনগান) ৩টি, এপিসি আমর্স ২৮টি।

সূত্র- প্রথম আলো। 
১১,৯৯৭.
লর্ড ডালহৌসি প্রবর্তিত 'স্বত্ববিলোপ নীতি'র মাধ্যমে প্রথম কোন রাজ্যটি ব্রিটিশরা দখল করে?
  1. অযোধ্যা
  2. নাগপুর
  3. সাতারা
  4. ঝাঁসি
ব্যাখ্যা

- লর্ড ডালহৌসি প্রবর্তিত 'স্বত্ববিলোপ নীতি' (Doctrine of Lapse) অনুসারে ব্রিটিশরা প্রথম যে রাজ্যটি দখল করে সাতারা।
- ১৮৪৮ সালে, যখন সেখানকার রাজা কোনো বৈধ পুরুষ উত্তরাধিকারী না রেখে মারা যান। এটি ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য ডালহৌসির একটি প্রধান কৌশল, যার মাধ্যমে একাধিক রাজ্য ব্রিটিশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। 

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ:

- স্বত্ববিলোপ নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করে ডালহৌসী প্রথমেই ব্রিটিশ প্রভাবাধীন সাতারা রাজ্যটি দখল করেন ১৮৪৮ খ্রিঃ,
- এরপর ১৮৫৩ সালে নাগপুরের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে তাঁর রাজ্যটি গ্রাস করা হয়, এক্ষেত্রে ডালহৌসীর যুক্তি ছিল যে, নাগপুর রাজ্যটি নাকি ইংরেজরাই সৃষ্টি করেছিল।
- ঝাঁসির রাজা গঙ্গাধর রাও-এর প্রয়াণ হলে ডালহৌসী তাঁর দত্তক পুত্রকে মেনে নিতে রাজি হলেন না এবং ঝাঁসির রানির মতামতকে উপেক্ষা করেই ঝাঁসি রাজ্যটি দখল করা হল।
এছাড়া ভগৎপুর, করৌলী, সম্বলপুর, উদয়পুর, বাগৎ প্রভৃতি রাজ্যগুলি একই কারণে গ্রাস করা হয়, যদিও উদয়পুর কোম্পানির সৃষ্ট দেশীয় রাজ্য ছিল না।

উৎস: দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস ১ম পত্র বই, বাংলাপিডিয়া।

১১,৯৯৮.
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কী নামে লিপিবব্ধ করেছে?
  1. ক) The Declaration Of Independence
  2. খ) The best Address to the Nation
  3. গ) The Greatest Leaders Address
  4. ঘ) Worlds Documentary Heritage
ব্যাখ্যা
- ৩০ অক্টোবর ২০১৭ খিস্টাব্দে ইউনেস্কো কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তিকরণে ওয়ার্ল্ড ডেমোক্রেসি হেরিটেজের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে Worlds Documentary Heritage নামে ইউনেস্কো কর্তৃক মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তিকরণে ওয়ার্ল্ড ডেমোক্রেসি হেরিটেজের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 
- ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনন্য এবং অসাধারণ এই কারণে যে, এই ভাষণ সমগ্র বাঙালি জনগোষ্ঠীকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একতাবদ্ধ করেছিল।
- বঙ্গবন্ধুর সেই জাদুকরী ভাষণ দেশের জনগণের মাঝে এমনভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল যে, সেই সময়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালনকারী সব জনগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ তাদের মনোজাগতিক উদ্দীপনার অংশ হিসাবে পরিগণিত হয়েছিল।
- আর এ কারণেই এ ভাষণের গুরুত্ব অনুধাবন করে ইউনেস্কো কর্তৃক মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার কমিটি চেয়ারপারসন থেকে শুরু করে সবাই একবাক্যে বঙ্গবন্ধুর এই ঐতিহাসিক ভাষণকে স্বীকৃতির জন্য নির্বাচিত করে।
- মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ স্থান করে নেওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে একটি সুদীর্ঘ পরিকল্পনা ও ইতিহাস।

উৎস:- ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট এবং পত্রিকা রিপোর্ট। 
১১,৯৯৯.
'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৪৭
  2. খ) ১৯৪৮
  3. গ) ১৯৪৯
  4. ঘ) ১৯৫২
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয় ১ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
- দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামসুল আলম।
- 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয় ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি। যার আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।

উৎসঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র।

১২,০০০.
“দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে।” - ছয় দফার কত নং দফায় এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
⇨ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৬ ফেবু্রয়ারি ঐতিহাসিক মুক্তির বাণী তথা ‘ছয় দফা’ কর্মসূচি পেশ করেন।
আওয়ামী লীগের ছয় দফা ছিল ঐতিহাসিক দাবি।
⇨ এ ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল।

নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল:-
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা হবে। সরকার হবে সংসদীয় পদ্ধতির, সর্বদলীয় ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকদের ভোটে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা গঠিত হবে।

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশির সম্পর্ক প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম
ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা:
বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। বৈদেশিক বাণিজ্য ও সাহায্য সম্পর্কে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর সরকার আলাদা আলোচনা বা সম্পর্ক করতে পারবে।

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে।


তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।