বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১৯ / ৩০৬ · ১১,৮০১১১,৯০০ / ৩০,৮৩২

১১,৮০১.
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড নিম্নের কোনটি উৎপাদন করে?
  1. ক) বিদ্যৎ
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) ফার্নেস তেল
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত সেল ইস্টার্ন পেট্রোলিয়াম লিঃ কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ চট্টগ্রামস্থ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড-এ অপরিশোধিত খনিজ তেল ও পেট্রোলিয়াম শোধন করে। 
- এখানে উপজাত হিসেবে ন্যাপথা ও ফার্নেস তেল উৎপাদিত হয় যা দেশের চাহিদা পূরণের পর রপ্তানি করা হয়।

উৎসঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট; অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
১১,৮০২.
বিবিএসের হিসাবে বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত মার্কিন ডলার?
  1. ক) ১৯২৮ ডলার
  2. খ) ১৯৭০ ডলার
  3. গ) ২০৬৪ ডলার
  4. ঘ) ২২৩০ ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সাময়িক হিসাবে ২০১৯-২০২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার। মাথাপিছু জিডিপি ১৯৭০ মার্কিন ডলার।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় এবং জিডিপি ছিলো যথাক্রমে ১৯০৯ ও ১৮২৮ মার্কিন ডলার।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)
১১,৮০৩.
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর কোনটি?
  1. জেলা পরিষদ
  2. বিভাগীয় পরিষদ
  3. সচিবালয়
  4. উপজেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
- জেলা পরিষদ হচ্ছে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর।
- জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জেলার জনগণ দ্বারা সরাসরি নির্বাচনের বিধান রাখা হয়।
- জেলা পরিষদের সভাপতি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পান এবং জেলা প্রশাসককে তার অধীনে প্রধান নির্বাহী করা হয়।
- সংসদ সদস্য এই পরিষদে পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৮০৪.
বন্দুকের গুলি ছুড়ে সিপাহি বিদ্রোহের সূচনা কে করেন?
  1. ক) বাহাদুর শাহ
  2. খ) নানা সাহেব
  3. গ) মঙ্গল পান্ডে
  4. ঘ) সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি
ব্যাখ্যা
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কতৃক শোষণ, নিপীড়ন ও সৈনিকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের পেক্ষাপটে সিপাহিদের নেতৃত্বে সশস্ত্র বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ বন্দুকের গুলি ছুড়ে বিদ্রোহের সূচনা করেন মঙ্গল পাণ্ডে নামে এক সিপাহি।
- দ্রুতই এই বিদ্রোহটি  ভারতে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল ছিল।
- এই যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন নানা সাহেব, ঝাঁসির রানি লক্ষ্ণীবাঈ, আযোদ্ধার বেগম হজরত মহল, মৌলভি আহমদ উল্লাহসহ ক্ষুব্ধ বঞ্চিত দেশীয় রাজন্যবর্গ। ১৮৫৮ সালের জুলাইয়ের মধ্যে সব আন্দোলন শেষ হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৮০৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের বিধান সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ক) ১৫৭
  2. খ) ১৪৭
  3. গ) ১৩৭
  4. ঘ) ১২৭
ব্যাখ্যা

 -মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রজাতন্ত্রের হিসাব রক্ষায় সর্বদা নিয়োজিত।
- বাংলাদেশের সংবিধানের কত ১২৭ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের হিসাব পরিচালনার জন্য একজন মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের বিধান রাখা হয়েছে।
- এর মেয়াদকাল ৫ বছর।
- সংবিধান অনুসারে মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা

অনুচ্ছেদ - ১২৭: মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
(১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর ''মহা হিসাব-নিরীক্ষক'' নামে অভিহিত) থাকিবেন এবং তাঁহাকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
(২) এই সংবিধান ও সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।

উৎসঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পৌরনীতি ২য় পত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ।

১১,৮০৬.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোথায় অবস্থিত?
  1. থানচি, বান্দরবান
  2. আলীকদম, বান্দরবান
  3. রুমা, বান্দরবান
  4. নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান
ব্যাখ্যা
তাজিংডং:

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়। একত্রে বড় পাহাড় বা তাজিংডং।
- বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় এর অবস্থান। 
- তাজিংডং পর্বতের উচ্চতা প্রায় ১২৩১ মিটার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭।
১১,৮০৭.
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনের সময় নিচের কে শহীদ হন?
  1. রফিক
  2. কামাল
  3. আসাদ
  4. মোস্তফা
ব্যাখ্যা
• ৬২ শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের মূল কারন  শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট।
- এই কমিশন গঠিত হয়েছিল ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫৮ সালে।
- আইয়ুব খানের সামরিক শাসন জারির পর।
- কমিশনের প্রধান ছিলেন তৎকালীন শিক্ষাসচিব ড. এস এম শরিফ।
- এবং সে কারণে রিপোর্টটি শরিফ কমিশন রিপোর্ট নামেই পরিচিতি পেয়েছে।
- ১৯৬২ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রদেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়। 
- ১৪৪ ধারা জারি করা হয় ঐদিন পুলিশের সংঘর্ষ বাধে।
- মোস্তফা ও বাবুল নামে দুজন ঘটনাস্থলে নিহত হয়।
- পরদিন গুলিবিদ্ধ ওয়াজিউল্লাহ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে।
- ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকার শেষ পর্যন্ত শরিফ কমিশন রিপোর্টের বাস্তবায়ন স্থগিত ঘোষণা করে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রথম আলো।
১১,৮০৮.
ফসলের বীজ অনুমোদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলকে ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

ফসলের বীজ অনুমোদনের ভিত্তিতে ফসল কে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা: উদ্যান ফসল ও মাঠ ফসল।

উদ্যান ফসল: উদ্যান শব্দের অর্থ বাগান বা বাগিচা। বাগানে যেসব ফসল ফলানো হয় তাই উদ্যান ফসল।
যেমন - লাউ, সিম, ফুলকপি ,টমেটো, আলু ইত্যাদি।

মাঠ ফসল: যে সকল ফসল সুপরিসর একটি মাঠে নির্দিষ্ট সময় ধরে চাষ করা হয় এবং ওই ফসলের উপর কৃষকের জীবন ও জীবিকা নির্ভর করে তাকেই মাঠ ফসল বলে।যেমন: ধান, গম, ভুট্টা, তুলা ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

১১,৮০৯.
প্রাচীন সমতটের রাজধানী-
  1. সুবর্ণপুর
  2. বড় কামতা
  3. মহাস্থানগড়
  4. কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা
• সমতট:
পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান।
সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।
বর্তমানে নোয়াখালি, কুমিল্লা অঞ্চল প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১১,৮১০.
সাংগ্রাই কোন সম্প্রদায়ের উৎসব?
  1. চাকমা
  2. তঞ্চঙ্গ্যা
  3. মারমা
  4. গারো
ব্যাখ্যা
মারমা:
- সাংগ্রাই উৎসব হলো মারমা জনগণের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।

- এটি মূলত বাংলা নববর্ষের সময়, অর্থাৎ এপ্রিল মাসে পালিত হয়।
- উৎসবটি মূলত বৌদ্ধ নববর্ষ উদ্‌যাপনের একটি রূপ। 

উল্লেখ্য, 
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- বাসস্থান: রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি।
- ধর্ম: বৌদ্ধ।
- সবচেয়ে বড় উৎসব: সাংগ্রাই।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান: কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান: হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান: রাজা।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া। 
১১,৮১১.
'আমাদের বাঁচার দাবি: ৬-দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক পুস্তিকা প্রচার করা হয় কার নামে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. খাজা নাজিমউদ্দীন
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের লাহোরে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। 
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
 - ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।
- ৬ দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য-পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র।
- ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন দিতে হবে। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃমোজাম্মেল হক।
১১,৮১২.
২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে অর্থসংস্থানের প্রধান খাত কোনটি?
  1. ক) অভ্যন্তরীণ ঋণ
  2. খ) রাজস্ব বোর্ডের কর রাজস্ব
  3. গ) বৈদেশিক ঋণ
  4. ঘ) কর বহির্ভূত রাজস্ব
ব্যাখ্যা
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটের মোট আকার ৬,০৩,৬৮১ কোটি টাকা।
বাজেটের অর্থসংস্থান:
- এনবিআর কর রাজস্ব : ৫৪.৭ শতাংশ
- অভ্যন্তরীণ ঋণ : ১৮.৮ শতাংশ
- বৈদেশিক ঋণ : ১৬.২ শতাংশ
- কর বহির্ভূত রাজস্ব : ৭.১ শতাংশ
- এনবিআর বহির্ভূত কর রাজস্ব : ২.৬ শতাংশ
- বৈদেশিক অনুদান : ০.৬ শতাংশ।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়ের উৎস সমূহ:
- প্রথম : মূ্ল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)
- অন্যান্য : ১.৫ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
১১,৮১৩.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. কাইয়ুম চৌধুরী
  3. জয়নুল আবেদীন
  4. মুর্তজা বশীর
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।
১১,৮১৪.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা -
  1. ক) ৫ দশমিক ২ শতাংশ
  2. খ) ৫ দশমিক ৪ শতাংশ
  3. গ) ৫ দশমিক ৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৫ দশমিক ৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২২-২৩
বাজেটের আকার : ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা

বাজেটের আয়
রাজস্ব আয় প্রাক্কলন : ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা : ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
এনবিআর বহির্ভূত কর : ১৮ হাজার কোটি টাকা
করছাড় প্রাপ্তি : ৪৩ হাজার কোটি টাকা
বৈদেশিক অনুদান : ৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা

বাজেটের খরচ
বাজেট ঘাটতি : ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ : ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা
উন্নয়ন ব্যয়: ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা

প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা : ৭ দশমিক ৫ শতাংশ
মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা : ৫ দশমিক ৬ শতাংশ

সূত্র: বাজেট ২০২২-২৩
১১,৮১৫.
বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. গোপালগঞ্জে
  2. খুলনায়
  3. গাজীপুরে
  4. মুন্সীগঞ্জে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র:
- বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র গাজীপুরে অবস্থিত।
- ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।
- অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। 
১১,৮১৬.
বর্তমানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বয়স্ক মাসিক ভাতার হার -
  1. ৫৫০ টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
ব্যাখ্যা
বয়স্ক ভাতা:
- দেশের উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- বর্তমান সরকার ২০০৯-১০ অর্থবছরে জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় উন্নীত করে।
- ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৫৭ লক্ষ ১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫৭.০১ লক্ষ থেকে ৫৮.০১ লক্ষ জনে এবং মাসিক ভাতার হার ৫০০ টাকা হতে ৬০০ টাকায় উন্নীতকরণ করা হয়।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

উৎস: i) dss.gov.bd.
         ii) ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
১১,৮১৭.
জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. কৃত্রিম সার প্রয়োগ
  2. পানি সেচ
  3. মাটিতে নাইট্রোজেন প্রয়োগ
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ
ব্যাখ্যা

জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে পানি সেচ।
- দুই-তিনবার স্বাদুপানির সেচ দিয়ে সেই পানি জমি থেকে বের করে দিলে জমির লবণাক্ততা অনেকটাই কমে যায়।
- এটা একটি প্রাকৃতিক পদ্ধতি।
- লবণাক্ততার কারণে শুকনো মৌসুমে বিশেষ করে রবি ও খরিফ-১ মৌসুমে ফসল চাষ অসম্ভব হয়ে পড়ে। এ সময়ে মাটির লবণাক্ততা ৮.০ ডিএস/মি. এর উপরে চলে যায়। এছাড়া এ সময়ে নদীর পানির লবণাক্ততা ২৫.০-৩০.০ ডিএস/মি. পর্যন্ত লক্ষ করা যায়।

উৎস: ais.gov.bd( বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস)

১১,৮১৮.
নিচের কোনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আদায় হয়ে থাকে?
  1. মাদক শুল্ক
  2. আবগারী শুল্ক
  3. স্ট্যাম্প বিক্রয়
  4. ভূমি রাজস্ব
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং - ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা। এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে। আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রধান প্রধান কার্যাবলী:
১. প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর আহরণের লক্ষ্যে শুল্ক, ভ্যাট ও আয়কর সংক্রান্ত আইন/নীতি প্রণয়ন;
২. বিদ্যমান আইন ও বিধির ব্যাখ্যা/স্পষ্টীকরণ;
৩. প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর আহরণ;
৪. আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আবগারী শুল্ক এবং আমদানি ও রপ্তানী শুল্ক আহরণে নিয়োজিত দপ্তরসমূহের কার্যক্রম পরিবীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ;
৫. অর্পিত ক্ষমতাবলে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুল্ক/কর মওকুফ করা;
৬. রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রার কৌশলগত বিভাজন;
৭. প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের আওতা ও পরিধি নির্ধারণ এবং স্বেচ্ছা প্রতিপালন উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি;
৮. রাজস্ব সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ, রাজস্ব আহরণ মনিটর এবং রাজস্ব পরিস্থিতি পর্যালোচনা;
৯. করভিত্তি সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধকল্পে পরিচালিত জরীপ/নিরীক্ষা কাজে এবং চোরাচালান দমন ও গোয়েন্দা কার্যক্রমে নিয়োজিত দপ্তরসমূহের কার্যক্রম তদারকি ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ;
১০. আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিদেশের সাথে সাধারণ সহযোগিতা চুক্তি, অনুদান ও ঋণ সংক্রান্ত চুক্তি এবং কর-সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনে সহায়তা প্রদান;
১১. বন্ডেড ওয়‍্যারহাউস ও প্রত্যর্পণ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধিতে এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে নীতি প্রণয়নে সহায়তা প্রদান;
১২. করদাতা সেবা প্রদান এবং করদাতাদের কর পরিশোধে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচী আয়োজন।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১১,৮১৯.
কোন বিভাগে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম?
  1. ক) ঢাকা বিভাগ
  2. খ) সিলেট বিভাগ
  3. গ) ময়মনসিংহ বিভাগ
  4. ঘ) রংপুর বিভাগ
ব্যাখ্যা
বিবিএসের সর্বশেষ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬ অনুসারে দেশের মধ্যে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে (১৬.২ শতাংশ)। দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে (৪৭.৩ শতাংশ)। জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য হার কুড়িগ্রাম জেলায় (৭০.৮ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম নারায়ণগঞ্জ জেলায় (২.৬ শতাংশ)।(সূত্রঃ বিবিএস খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬)
১১,৮২০.
অপারেশন ক্লিনহার্ট কত তারিখ শুরু হয়েছিল?
  1. ১০ জুন, ২০০২
  2. ১৫ জুলাই, ২০০২
  3. ১৭ অক্টোবর, ২০০২
  4. ১ নভেম্বর, ২০০২
ব্যাখ্যা
♦ অপারেশন ক্লিনহার্ট:
- দেশবাসীর উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে সন্ত্রাস নির্মূলে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
- এমন প্রেক্ষাপটে ২০০২ সালের ১৬ই অক্টোবর মধ্যরাত, কার্যত ১৭ই অক্টোবর থেকে সারাদেশে একযোগে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী।
- মধ্যরাতে মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিয়ে অভিযান শুরু হয়।
- সেনা অভিযান শুরুর আগে পুলিশকে কিছুই জানানো হয়নি। 
-  সরকারের তরফ থেকে বলা হচ্ছিল যে এটি সেনাবাহিনী-পুলিশ-বিডিআরের যৌথ অভিযান।
- প্রকৃতপক্ষে পুরো অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী।
- তৎকালীন বিভিন্ন সংবাদপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, প্রথম দিনের অভিযানে প্রায় ১৪০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল বিএনপি নেতাকর্মী।
- ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তিনজন কমিশনারকেও আটক করা হয় এসময়।
- এছাড়া চট্টগ্রামেও দুজন ওয়ার্ড কমিশনারকে আটক করা হয়।
- বিরোধী দল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও ছিলেন গ্রেফতারের তালিকায়।
- অভিযানের প্রথম দিনে বগুড়ায় এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে তার সমর্থকরা। এ সময় সেনাবাহিনী গুলি চালালে একজন রিকশাচালক নিহত হন।
- গ্রেফতারকৃতদের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, অভিযান চালানোর সময় সেনা সদস্যরা আসবাবপত্র ভাংচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করে।

উৎস: BBC News [Link]
১১,৮২১.
‘নয়ন কাজল‘ হচ্ছে উন্নত জাতের -
  1. তরমুজ
  2. বেগুন
  3. সরিষা
  4. গম
ব্যাখ্যা
• বেগুনের জাত:
- বাংলাদেশে বেগুনের বহু জাত রয়েছে। এক জাত থেকে অন্যজাতে গাছের প্রকৃতি, ফলের রং, আকার, আকৃতি প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানতঃ লম্বা ফল, গোলাকর ফল ও গোলাকার এই তিন ধরণের বেগুনের চাষ বেশী হয়ে থাকে।

• কিছু বেগুনের উন্নত জাত হলো:
- খটখটিয়া, ইসলামপুরী, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২), কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১, লাফাফা,  

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১১,৮২২.
কোন আমলে 'মসলিন কাপড়' ঢাকায় তৈরি হতো?
  1. পাল আমলে
  2. সেন আমলে
  3. মুঘল আমলে
  4. ইংরেজ আমলে
ব্যাখ্যা
মসলিন কাপড়:
- মসলিন ‘ঢাকাই মসলিন’ নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত এক ধরনের মিহি সুতিবস্ত্র।
- ঢাকা শহর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় স্থানীয় কারিগররা ফুটি কার্পাস নামক তুলা থেকে তৈরি অতি চিকন সুতা দিয়ে মসলিন প্রস্তুত করত।
- মুঘল আমলে প্রাচীন বাংলার গৌরব মসলিন কাপড় ঢাকায় তৈরী হতো।

⇒ মুঘল আমলে বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তরিত হওয়ার পর থেকে ঢাকাই মসলিনের খ্যাতি বেড়ে যায়।
- মুঘল সম্রাট ও অভিজাতরা ঢাকার মসলিন শিল্পের প্রসারে পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- সে সময়ে সম্রাট, প্রাদেশিক শাসনকর্তা এবং পদস্থ কর্মকর্তা ও অভিজাতদের ব্যবহারের জন্য প্রচুর পরিমাণে সূক্ষ্ম মসলিন বস্ত্র সংগ্রহ করা হতো।
- সম্রাট, উজির, নওয়াব ও অভিজাত শ্রেণির জন্য বোনা হতো সূক্ষ্ম ও মিহি বস্ত্র এবং দরিদ্রদের জন্য মোটা ও ভারী কাপড়।
- কাপড়ের সূক্ষ্মতা ও স্বচ্ছতা, উৎপাদনের উৎস এবং ব্যবহারভেদে ঢাকাই মসলিনের মলমল, ঝুনা, রঙ্গ, আবিরাওয়ান, খাস, শবনম, আলাবালি, তনজিব, নয়ন-সুখ, জামদানি ইত্যাদি নাম দেওয়া হতো।
- বিভিন্ন রকম মসলিনের মধ্যে জামদানি এখনো প্রচলিত।

⇒ কথিত আছে, মসলিনে তৈরি করা পোশাকগুলো এতই সূক্ষ্ম ছিল যে ৫০ মিটার দীর্ঘ মসলিনের কাপড়কে একটি দিয়াশলাই বাক্সে ভরে রাখা যেত।

উল্লেখ্য,
- ঢাকাই মসলিনের শেষ প্রদর্শনী হয়েছিল লন্ডনে ১৮৫০ সালে।
- ইতিমধ্যেই ঢাকাই মসলিনের জিআই স্বত্বের অনুমোদন পাওয়া গেছে। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
ii) প্রথম আলো।
১১,৮২৩.
বাংলাদেশে 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন' প্রণীত হয় -
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন:
- দুর্যোগ মোকাবেলা বিষয়ক কার্যক্রমকে সমন্বিত, লক্ষ্যভিত্তিক ও শক্তিশালী করা এবং সকল ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কাঠামো গড়িয়া তুলিবার নিমিত্ত বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- ২০১২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর এই আইন প্রণীত হয়।
- ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করে। 
- বাংলাদেশের সংসদে 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২' পাসের মাধ্যমে এই অধিদপ্তর গঠিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১১,৮২৪.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালে সাইমন ড্রিং কোন সংবাদপত্রের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশে এসেছিলেন?
  1. দ্য টাইমস
  2. দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ
  3. দ্য গার্ডিয়ান
  4. দ্য সানডে টাইমস
ব্যাখ্যা

• সাইমন ড্রিং: 
- ১৯৪৫ সালে ইংল্যান্ডে জন্ম সাইমন ড্রিংয়ের।
 - মাত্র ১৮ বছর বয়স থেকে তিনি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন।
 - সাংবাদিক হিসেবে প্রত্যক্ষ করেছেন ২২টি যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও বিপ্লব।
 - আমাদের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রকৃত বন্ধু এবং সহযোদ্ধার।

⇒ দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
- ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করার আগে ঢাকায় অবস্থানরত প্রায় অর্ধশত বিদেশি সাংবাদিককে আটকে ফেলে তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে।
- তাদের হোটেল থেকে সরাসরি বিমানে তুলে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় যাতে গণহত্যার কোনো খবর সংগ্রহ করতে না পারে বিশ্ব গণমাধ্যম। তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক সায়মন ড্রিং।
- পাকিস্তানি সামরিক আইন না মেনে তিনি হোটেলে লুকিয়ে পড়েন। শ্বাসরুদ্ধকর ৩২ ঘণ্টা সময় কাটে হোটেলের লবি, ছাদ, বার, কিচেনের মত জায়গায়। পরে তিনি ঘুরে ঘুরে প্রত্যক্ষ করেন গণহত্যার বাস্তব চিত্র। ২৭ মার্চ কারফিউ উঠে গেলে সায়মন ড্রিং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ঘুরে দেখেন।
- নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম খবর প্রকাশ করেন ৩০ মার্চ ১৯৭১, ডেইলি টেলিগ্রাফে।
- কলকাতা থেকে মুক্তিযুদ্ধের খবর সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিতেন লণ্ডনের টেলিগ্রাফ পত্রিকায়।
- ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর লন্ডনে ফিরে গেলেও ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত জেনে আবার তিনি ঢাকায় আসেন।
- একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই ব্রিটিশ সাংবাদিককে ২০১২ সালে মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননায় ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।

তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল, প্রথম আলো, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা ও সংগ্রামের নোটবুক। 

১১,৮২৫.
বাংলাদেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর কোনটি? 
  1. বাংলাবান্ধা 
  2. বুড়িমারী
  3. বেনাপোল 
  4. তামাবিল  
ব্যাখ্যা

• বাংলাবান্ধা বন্দর: 
- দেশে যে কয়েকটি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর রয়েছে তার মধ্যে আকারে ছোট তবে গুরুত্বপূর্ণ পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা।
 - মূলত ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে এ বন্দরের মাধ্যমে যোগসূত্র রয়েছে বাংলাদেশের।
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর।

- ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় বাংলাবান্ধা বন্দরটি বহুদেশীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। 
- বন্দরটির সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব ৫০৩ কিলোমিটার। 
- আর ভুটানের রাজধানী থিম্পুর দূরত্ব ২৮৬ কিলোমিটার ও নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দূরত্ব ৪৯৪ কিলোমিটার। 
- এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বৃহৎ নগরী শিলিগুড়ির দূরত্ব ১৬ কিলোমিটার। 
- ভারতের অন্যতম পর্যটন স্পট দার্জিলিং ও সিকিমের দূরত্ব যথাক্রমে ৭৭ ও ১৫৪ কিলোমিটার। 
- ফলে তিনটি দেশের সঙ্গে স্বল্প দূরত্বের কারণে এ বন্দরের কার্যক্রম বাড়ছে।

তথ্যসূত্র: বনিক বার্তা ও বাসস।

১১,৮২৬.
কোন সংশ্লিষ্টতার কারণে ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে আন্দোলন করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়?
  1. ক) কর্ডন প্রথা বিরোধী আন্দোলন
  2. খ) বাংলা ভাষার পক্ষে প্রচারণা
  3. গ) দাওয়ালদের বিপক্ষে আন্দোলন
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশ ভাগের পরপরই দেশের অভ্যন্তরে ধান-চাল চলাচলে ‘কর্ডন প্রথা’ চালু করা হয়। ‘কর্ডন প্রথা’ চালু করা হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব-বাংলার ১৭টি জেলাতে। যে সমস্ত জেলায় তখন ‘কর্ডন প্রথা’ চালু ছিল সেসব জেলার বাইরে কোনো ধান-চাল বেসরকারিভাবে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। প্রান্তিক চাষিদের জন্য লড়াই করতে গিয়েই তিনি ১৯৪৮-৪৯ সালে ‘দাওয়াল’ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

এ কর্ডন প্রথার বিরুদ্ধে ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে আন্দোলন করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয় এবং  ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দের ২১ শে জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু কারাগার থেকে মুক্তি পান।

অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে কিছু অংশ উদ্ধৃত করা হল -
এই সময় খাদ্য সমস্যা দেখা দিয়েছিল কয়েকটা জেলায়। বিশেষ করে ফরিদপুর, কুমিল্লা ও ঢাকা জেলার জনসাধারণ এক মহাবিপদের সম্মুখীন হয়েছিল। সরকার কর্ডন প্রথা চালু করেছিল। এক জেলা থেকে অন্য জেলায় কোনো খাদ্য যেতে দেওয়া হত না। ফরিদপুর ও ঢাকা জেলার লোক, খুলনা ও বরিশাল ধান কাটবার মরশুমে দল বেঁধে দিনমজুর হিসাবে যেত। এরা ধান কেটে ঘরে উঠিয়ে দিত। পরিবর্তে একটা অংশ পেত। এদের ‘দাওয়াল’ বলা হত। হাজার হাজার লোক নৌকা করে যেত। আসবার সময় তাদের অংশের ধান নিজেদের নৌকা করে বাড়িতে নিয়ে আসত। এমনিভাবে কুমিল্লা জেলার দাওয়ালরা সিলেট জেলায় যেত। এরা প্রায় সকলেই গরিব ও দিনমজুর। প্রায় দুই মাসের জন্য ঘরবাড়ি ছেড়ে এদের যেতে হত। যাবার বেলায় মহাজনদের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে সংসার খরচের জন্য দিয়ে যেত। ফিরে এসে ধার শোধ করত। দাওয়ালদের নৌকা খুবই কম ছিল। যাদের কাছ থেকে নৌকা নিত তাদেরও একটা অংশ দিতে হত। যখন এবার দাওয়ালরা ধান কাটতে গেল, কেউ তাদের বাধা দিল না। এরা না গেলে আবার জমির ধান তুলবার উপায় ছিল না। একসাথেই প্রায় সব ধান পেকে যায়, তাই তাড়াতাড়ি কেটে আনতে হয়। স্থানীয়ভাবে এত কৃষাণ একসাথে পাওয়া কষ্টকর ছিল। বহু বৎসর যাবৎ এই পদ্ধতি চলে আসছিল।

ফরিদপুর, ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার হাজার হাজার লোক এই ধানের উপর নির্ভর করত। দাওয়ালরা যখন ধান কাটতে যায়, তখন সরকার কোনো বাধা দিল না। যখন তারা দুই মাস পর্যন্ত ধান কেটে তাদের ভাগ নৌকায় তুলে রওয়ানা করল বাড়ির দিকে তাদের বুভুক্ষ মা-বোন, স্ত্রী ও সন্তানদের খাওয়াবার জন্য, যারা পথ চেয়ে আছে, আর কোনো মতে ধার করে সংসার চালাচ্ছে- কখন তাদের, স্বামী, ভাই, বাবা ফিরে আসবে ধান নিয়ে, পেট ভরে কিছুদিন ভাত খাবে, এই আশায়- তখন নৌকায় রওয়ানা করার সাথে সাথে তাদের পথ রোধ করা হল। ‘ধান নিতে পারবে না, সরকারের হুকুম’, ধান জমা দিয়ে যেতে হবে, নতুবা নৌকাসমেত আটক ও বাজেয়াপ্ত করা হবে। সহজে কি ধান দিতে চায়? শেষ পর্যন্ত সমস্ত ধান নামিয়ে রেখে লোকগুলিকে ছেড়ে দেওয়া হল। এ খবর পেয়ে আমার পক্ষে চুপ করে থাকা সম্ভব হল না। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ করলাম। সভা করলাম, সরকারি কর্মচারীদের সাথে সাক্ষাৎ করলাম কিন্ত কোনো ফল হল না। এদিকে খোন্দকার মোশতাক আহমদ এই কর্ডনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা শুরু করেছে বলে আমি খবর পেলাম। অনেক সভা-সমিতি, অনেক প্রস্তাব করলাম কোনো ফল হল না। এই লোকগুলি দিনমজুর। দুই মাস পর্যন্ত যে শ্রম দিল, তার মজুরি তাদের মিলল না। আর মহাজনদের কাছ থেকে যে টাকা ধার করে এনেছিল এই দুই মাসের খরচের জন্য, খালি হাতে ফিরে যাওয়ার পরে দেনার দায়ে ভিটাবাড়িও ছাড়তে হল।
... ... ...

১১,৮২৭.
মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে কখন?
  1. ক) ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর
  3. গ) ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে। 
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন। 
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। 
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন। 
- বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যূদয় হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। 


উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৮২৮.
অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কী হিসেবে অভিহিত করেন?
  1. স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী
  2. স্বার্থকামী গোষ্ঠী
  3. সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী
  4. নৈরাজ্যবাদী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
- অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বার্থকামী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
অন্যদিকে,
- অধ্যাপক মাইরন উহনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
- অধ্যাপক ফাইনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে লবি হিসেবে অভিহিত করেন।
- এলান পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
(তথ্যসূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩ : স্নাতক শ্রেণী : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১১,৮২৯.
বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট রুটের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ২৫০০.৬৭ কিমি
  2. ৩৫০০.৮১ কিমি
  3. ২০০৫.৪৪ কিমি
  4. ২৯৫৫.৫৩ কিমি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ রেলওয়ে:
- বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের একটি প্রধান রাষ্ট্রীয় পরিবহন খাত।
- এটি ১৮৬২ সালে দর্শনা-জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে শুরু হয়।
- এটি ব্রডগেজ ও মিটারগেজ ট্র্যাক পরিচালনার মধ্য দিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সংযোগ স্থাপন করেছে।
- বাংলাদেশ রেলওয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সরকারি মালিকানায় পরিচালিত হয়। 
- বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট রুটের দৈর্ঘ্য ২৯৫৫.৫৩ কিমি।
- ১৯৮২ সালে রেলওয়ে বোর্ড বিলুপ্ত হয়ে প্রশাসনিক দায়িত্ব রেলওয়ে ডিভিশনের অধীনে ন্যস্ত হয়।
- দেশের কিছু জেলায় এখনও রেলপথ নেই, যেমন কক্সবাজার, বরিশাল, সাতক্ষীরা, বান্দরবান ইত্যাদি।
- বাংলাদেশ রেলওয়ে তাদের অবকাঠামো উন্নয়ন, যেমন পদ্মা রেল সেতু নির্মাণ এবং ডাবল লাইন তৈরি করার মাধ্যমে রেলযাত্রাকে দ্রুত ও বেশি সক্ষম করে তুলেছে।
- এছাড়াও, রেলসেবা অ্যাপের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যাত্রীদের জন্য টিকেট ক্রয় এবং অন্যান্য পরিষেবা আরও সহজ ও সুবিধাজনক করা হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন [ লিঙ্ক]। 

১১,৮৩০.
হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  3. আব্দুর রউফ
  4. ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্বাবধায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। 
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১১,৮৩১.
প্রধানমন্ত্রী কোন বিধি অনুযায়ী "প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা" নিয়োগ করেন?
  1. রুলস অব বিজনেস
  2. রুলস অব প্রসিডিউর
  3. রুলস অব পার্লামেন্ট
  4. রুলস অব কমার্স
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের 'রুলস অব বিজনেস' অনুযায়ী 'প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা' পদেও নিয়োগ দিতে পারেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন এবং
- এর মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন।
- জাতীয় সংসদের নেতা ও মন্ত্রিপরিষদের প্রধান হিসেবে আইন প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রেই প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা সর্বাধিক।

এছাড়াও, 
- প্রধানমন্ত্রী শাসন বিষয়ক, আইন বিষয়ক, নিয়োগ সংক্রান্ত, বাজেট সংক্রান্ত বিবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন।
- সংবিধানের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের কমপক্ষে ৯০ শতাংশ সদস্য জাতীয় সংসদ সদস্যের মধ্য থেকে থেকে নিয়োগ প্রদান করবেন।
- এছাড়া বাইরে থেকে ১০ শতাংশ সদস্য তিনি মন্ত্রিসভায় যোগ করতে পারবেন (টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী)।

সূত্র: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ডেইলি স্টার।
১১,৮৩২.
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রবর্তন
  2. মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
  3. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. গণভোট ব্যবস্থা বিলুপ্তি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনী বিল উত্থাপন করেন খালেদা জিয়া। 
- এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এ সংশোধনীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। ১৯৯১ সালের ৬ই আগস্ট ৩০৭-০ ভোটে এ সংশোধনী বিলটি গৃহীত হয়।

• এ সংশোধনীর প্রধান প্রধান দিক:
- দ্বাদশ সংশোধনীর প্রধান দিক হল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
- নামমাত্র রাষ্ট্রপতি: এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। তিনি আইনানুসারে সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবেন। তিনি যাবতীয় বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে কাজ করবেন।
- রাষ্ট্রপতির মেয়াদ: এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ নির্ধারিত হয়। রাষ্ট্রপতি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। একাধিক্রমে তিনি ১০ বছরের বেশি মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন না।
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ: উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ দ্বাদ্বশ সংশোধনীর একটি উল্লেখযোগ্য দিক। দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা উপ-রাষ্ট্রপতির পদটি বিলোপ করা হয়। এ সংশোধনীতে বলা হয়, কোন কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পীকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- মন্ত্রিসভা গঠন: মন্ত্রিসভা গঠন পদ্ধতি সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর একটি বিশেষ দিক। এ সংশোধনীতে বলা হয় বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকবে। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করবেন। তিনি হবেন এ মন্ত্রিসভার নেতা।
- গণভোট পদ্ধতি: এ সংশোধনীতে গণভোট পদ্ধতির কথা বলা হয়। দ্বাদশ সংশোধনী দ্বারা কেবল প্রস্তাবনা, সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮, ৪৮, ৫৬ ও ১৪২ সংক্রান্ত কোন সংশোধনী বিল গণভোট আকারে পেশ করার বিধান রাখা হয়।
- তাছাড়া, সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৮৩৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কতজন সদস্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১১৮নং অনুচ্ছেদে, 'নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• সংবিধানের ১১৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

• সংবিধানের ১১৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

• সংবিধানের ১১৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং 
 (ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না; 
 (খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন না। 
 
• সংবিধানের ১১৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন। 

• সংবিধানের ১১৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।

• সংবিধানের ১১৮ (৬) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
- কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৮৩৪.
বাংলাদেশে প্রধান বিচারপতি হওয়ার যোগ্যতা- 
  1. সুপ্রীম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেটিং অভিজ্ঞতা থাকা 
  2. বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকা 
  3. উপরের কোনটিই নয়
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা

সুপ্রীম কোর্ট: 
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীমকোর্ট।
- এর রয়েছে দুটি বিভাগ, যথা: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়।
- রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিযুক্ত করেন। প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রীমকোর্ট গঠিত।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- সুপ্রীম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। 
- সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬৭ পৃষ্ঠা।

১১,৮৩৫.
'রাসেলের জন্য অপেক্ষা' শিশুতোষ চলচ্চিত্রটি কে পরিচালনা করেন? 
  1. ক) তানভীর আহমেদ
  2. খ) মোর্শেদুল ইসলাম
  3. গ) কাজী রাকাত
  4. ঘ) নূর-ই আলম
ব্যাখ্যা
- 'রাসেলের জন্য অপেক্ষা' শিশুতোষ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন নূর-ই আলম। 
- এটি সরকারি অনুদানে নির্মিত একটি শিশুতোষ চলচ্চিত্র। 
- এটি সেলিনা হোসেনের একটি উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে।  

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর ২০২২। 
১১,৮৩৬.
বাংলদেশে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এর নির্ধারিত হার কত?
  1. ক) ১০ শতাংশ
  2. খ) ১২ শতাংশ
  3. গ) ১৫ শতাংশ
  4. ঘ) ১৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়।
• মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর।
• সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
- করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়। 
- আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত সকল পণ্য ও সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপিত হবে।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।
১১,৮৩৭.
টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে কোন সাল থেকে বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়?
  1. ১৯৬৭ সাল
  2. ১৯৬৯ সাল
  3. ১৯৭৩ সাল
  4. ১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
বিশ্ব ইজতেমা:
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠে শিল্পনগরী টঙ্গীর সুবিশাল ময়দানে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব ইজতেমা।
- বিশ্ব ইজতেমা বিশ্ব তাবলিগ জামাতের সর্ববৃহৎ সমাবেশ।
- বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের প্রধান মার্কাজ হলো ঢাকার কাকরাইল মসজিদ।
- এই কাকরাইল মসজিদেই ১৯৪৬ সালে প্রথম বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়।
- ১৯৪৮ সালে অনুষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামে।
- এরপর নারায়ণগঞ্জে ১৯৫৮ সালে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়।
- তারপর টঙ্গীর পাগার নামক স্থানে ইজতেমা হয় ১৯৬৬ সালে।
- এরপর ১৯৬৭ সাল থেকে তুরাগ নদের পূর্ব তীরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে বিশ্ব ইজতেমা।
- মধ্যপ্রাচ্য, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পাকিস্তান, ভারত ও ইউরোপীয় দেশগুলোসহ বিশ্বের প্রায় ৫০-এর বেশি দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিয়ে থাকেন।
- আখেরি মোনাজাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করে থাকেন।
- বর্তমান বিশ্ব ইজতেমা ময়দান ১৯৯৫ সালে সরকার স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেয়।

উৎস: ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, কালের কন্ঠ।
১১,৮৩৮.
১৯৬২ সালে কোন শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয়?
  1. মনিরুজ্জামান মিয়া শিক্ষা কমিশন
  2. কাদের শিক্ষা কমিশন
  3. কুদরত এ খোদা শিক্ষা কমিশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:

• ১৯৬২-এর সেপ্টেম্বরে একটি আন্দোলন হয় যা ''বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে পরিচিত। 
• 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' সংঘটিত হয় শরীফ শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে।
• শরীফ শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়।
• ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে ২২ টি দফা ছিল।
• ১০ আগস্ট পূর্ব পাকিস্তান সরকার ১৪৪ ধারা জারি করলে ছাত্ররা ১৭ সেপ্টেম্বর হরতালের ডাক দেয়। 
• ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে বাবুল, গোলাম মোস্তফা, ওয়াজিউল্লাহ প্রমুখ নিহত হন এবং আহত হয় প্রায় আড়াইশ জন।
• এ আন্দোলনের ফলে সরকার শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত রাখে।
• ১৯৬১ সালের শেষ দিকে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। 
• আইয়ুব খান ১৯৬২ সালের ১ মার্চ একটি সংবিধান ঘোষণা করেন। 
• সংবিধানে প্রেসিডেন্টের হাতে সকল ক্ষমতা কেন্দ্রিভূত করা হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,৮৩৯.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়নগঞ্জ
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের ২০০শ'র মতো জাহাজ নির্মাণ কোম্পানি রয়েছে যেগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও খুলনাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
- বর্তমানে দেশে নৌপথে ছোট-বড় ১২৫০০ অধিক সংখ্যক জলযান মালামাল ও যাত্রী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়।
- এই সকল নৌযান তৈরিতে ২০টি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও ১০০টি স্থানীয় মানের শিপইয়ার্ড ও ডকইয়ার্ড রয়েছে।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিপইয়ার্ডগুলো বছরে গড়ে ১০০টি জাহাজ নির্মাণে সক্ষম।
- দেশে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০০০০ DWT ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ নির্মাণ হচ্ছে।
- বাংলাদেশে বঙ্গোপসাগরের একটি দীর্ঘ উপকূলীয় সীমারেখা ছাড়াও প্রায় ৭০০টি ছোট-বড় নদী রয়েছে।
- দেশের তিন-চতুর্থাংশ মালামাল নৌপথে পরিবহন হয়।
- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানি শুরু করে।
- বিগত কয়েক বছরে দেশের শিপইয়ার্ডগুলো ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার কয়েকটি দেশে ৪০টি জাহাজ রপ্তানি করে ১৮০ মিলিয়ন ডলার আয়ের মাধ্যমে দেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অবদান রেখেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১১,৮৪০.
নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় কত তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ৩৩তম
  2. ৪৭তম
  3. ৫৭তম
  4. ৬৫তম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার নকশায় ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১।
- এটি ১১ মে, ২০১৮ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যায়। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।

তথ্যসূত্র: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
১১,৮৪১.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০০৪
  2. ২০০৬
  3. ২০০৭
  4. ২০০৮ 
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১১,৮৪২.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে যুক্ত হতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ছাত্র শহিদ হয়েছিলেন?
  1. আসাদুজ্জামান
  2. শামসুজ্জোহা
  3. জহরুল হক
  4. জব্বার
ব্যাখ্যা
শহীদ আসাদ:
- শহীদ আসাদ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- তাই ২০ জানুয়ারি 'শহীদ আসাদ দিবস' পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- আসাদ গেট বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরের লালমাটিয়ায় অবস্থিত একটি তোরণ।
- এর আগের নাম আইয়ুব গেট। 
- পুলিশের গুলিতে আসাদ শহীদ হলে বিক্ষুদ্ধ জনতা সেই সময়ই ছুটে যান মোহাম্মদপুর তৎকালীন আইয়ুব গেটের সামনে এবং প্রতিবাদের ক্ষুদ্ধ প্রতীক হিসাবে আইয়ুব গেটের নামফলক গুড়িয়ে দিয়ে রক্ত দিয়েই লেখেন আসাদ গেট।
- আসাদের স্মৃতি রক্ষার জন্য ঢাকাবাসী আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করে আসাদ গেট রাখেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৮৪৩.
“জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি” কে ঘোষণা করেন?
  1. তিতুমীর
  2. হাজী মোহাম্মদ মহসীন
  3. দুদু মিয়া
  4. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
ব্যাখ্যা
₻ দুদু মিয়া 
• হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
• ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর জেলায় এবং তার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়।
• হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর পুত্র দুদু মিয়া।
• তিনি ধর্মীয় সংস্কারমূলক এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন।
• দুদু মিয়া ঘোষণা করেন, “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি”।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)।
১১,৮৪৪.
পরী বিবি কে ছিলেন?
  1. ক) আওরঙ্গজেবের কন্যা
  2. খ) শায়েস্তা খানের কন্যা
  3. গ) মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
  4. ঘ) সিরাজউদ্দৌলার মাতা
ব্যাখ্যা
• বিবি পরী বাংলার মুগল সুবাহদার শায়েস্তা খানের কন্যা ও বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজমের স্ত্রী।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১১,৮৪৫.
মুহুরীর চর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফেনী
  2. নোয়াখালী
  3. লালমনিরহাট
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
• 'মুহুরীর চর' ফেনী জেলায় অবস্থিত।

-  নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন চরের অবস্থান:
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি। 
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার। 
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর খাতা নিজাম প্রভৃতি। 
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর সুন্দরবন : দুবলার চর, পাটনি চর।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৮৪৬.
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য কে পাঠ করান?
  1. স্পিকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. ডেপুটি স্পিকার
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

♦ স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
• রাষ্ট্রপতি।
• সংসদ সদস্যবৃন্দ।

♦ রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
• প্রধানমন্ত্রী।
• প্রধান বিচারপতি।
• মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
• স্পিকার।
• ডেপুটি স্পিকার।

♦ প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
• আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
• পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
• মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

♦ স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
• রাষ্ট্রপতি।
• সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

১১,৮৪৭.
১৯৪৮ সালে নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লাহোর
  2. পেশোয়ার
  3. করাচি
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৮ সালে করাচিতে নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব উত্থাপিত হয়।
- ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহকে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।
- আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের জন্যে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তান সরকার পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি গঠন করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

১১,৮৪৮.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সৃষ্টিকর্তাকে সন্তুষ্ট রাখার উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে?
  1. মারমা
  2. ওরাওঁ
  3. হাজং
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- তারা মুঘল শাসনামলে বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং সে অঞ্চলে তাদের স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।
- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১,৮৪৯.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে?
  1. ৩টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জাতীয় আয় গণনার কাজটি করে থাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক বছর চলতি বাজার মূল্যে ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে থাকে। এ হিসাব করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো GDP ও GNI গণনা করার জন্য উৎপাদন ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

১১,৮৫০.
করোনা মহামারী সংকট মোকাবেলায় সরকার মোট কতটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে?
  1. ক) ২৪টি
  2. খ) ২৮টি
  3. গ) ২৯টি
  4. ঘ) ৩০টি
ব্যাখ্যা
- কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকার বর্তমান পর্যন্ত মোট ২৮টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
- এসব প্যাকেজের মাধ্যমে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ১,৩০,৬৪১ কোটি টাকা।
- মোট উপকারভোগীর সংখ্যা ৫,৮১,১৫,২১১ জন।
(তথ্যসূত্র: বাজেট বক্তৃতা : ২০২১-২০২২ এবং প্রথম আলো রিপোর্ট)
১১,৮৫১.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শহিদ মিনার কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
দেশের সবচেয়ে উঁচু শহীদ মিনার: 
- দেশের সবচেয়ে উঁচু শহীদ মিনার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
-
এই শহীদ মিনার প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দেয় সেই আত্মত্যাগী ভাষাশহীদদের কথা,
- যারা ভাষার জন্য বুকের তাজা রক্তে রঞ্জিত করেছেন রাজপথ।
- শহীদ মিনারের উচ্চতা ৭১ ফুট, যা দেশের শহীদ মিনারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
- ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানিয়ে এ শহীদ মিনারের স্তম্ভের উচ্চতা ৭১ ফুট করা হয়েছে।
- শহীদ মিনারের ভিত্তিমঞ্চের ব্যাস রাখা হয়েছে ৫২ ফুট যা ৫২-এর ভাষা আন্দোলনকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
- শহীদ মিনারের ভিত্তিমঞ্চে ব্যবহার করা হয়েছে ৮টি সিঁড়ি,
- যা দেশ বিভাগ থেকে শুরু করে আমাদের জাতীয় জীবনের স্বাধীনতা অভিমুখী নানা তাৎপর্যমন্ডিত ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ ও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা পর্যন্ত ৮টি ধারাবাহিক আন্দোলনের প্রতীক।
- শহীদ মিনারের মূল স্তম্ভটি তিনটি ভাগে বিভক্ত, যা প্রথমত বাংলা ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি, দ্বিতীয়ত মাটি-মানুষ, প্রতিবাদ-প্রতিরোধ আন্দোলন-সংগ্রাম এবং তৃতীয়ত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক মুক্তি, গণতান্ত্রিক চেতনা প্রভৃতি বিষয়কে নির্দেশ করে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান শহীদ মিনারটির উদ্বোধন করেন।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।[লিঙ্ক]
১১,৮৫২.
যুক্তফ্রন্টের সভাপতি কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  3. এ. কে. ফজলুল হক
  4. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
যুক্তফ্রন্ট:

- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 
- যুক্তফ্রন্ট গঠন  - ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস - সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রােডে।
- যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল ছিল ৪ টি। এগুলো হলো - 

১। আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)
২। কৃষক-শ্রমিক পার্টি (এ. কে. ফজলুল হক) 
৩। নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী) 
৪। গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)

- যুক্তফ্রন্টের সভাপতি - হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- পার্লামেন্টারি বাের্ডের সদস্য - এ.কে. ফজলুল হক, হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক - নৌকা।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৮৫৩.
অপারেশন সার্চলাইটের নীলনকশা করা হয় কত তারিখে?
  1. ১৮ মার্চ, ১৯৭১
  2. ২২ মার্চ, ১৯৭১
  3. ১৫ মার্চ, ১৯৭১
  4. ২০ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

অপারেশন সার্চলাইট:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল 'অপারেশন সার্চ লাইট'।
- ১৭ মার্চ, ১৯৭১ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা  সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- ১৮ই মার্চ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা বাঙালির ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ড পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন।

- ১৯শে মার্চ থেকে পূর্ব পাকিস্তানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের নিরস্ত্রীকরণ শুরু হয়।
- ২০শে মার্চ সরকার অস্ত্র জমা দেয়ার নির্দেশ জারি করে। ঐ দিন জেনারেল ইয়াহিয়া খান তার সামরিক উপদেষ্টা হামিদ খান, জেনারেল টিক্কা খান, জেনারেল পিরজাদা, জেনারেল ওমর প্রমুখকে নিয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে সামরিক প্রস্তুতিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেন।
- ২৪শে মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে এম ভি সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র ও রসদ খালাস শুরু হয়।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫শে মার্চ গণহত্যার জন্য বেছে নেওয়া হয়। মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীকে ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চলাইটের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৮৫৪.
অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুসারে সার্বিকভাবে জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯ টি খাতের ৬ টি খাত আবার উপখাত নিয়ে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে
যথা: সেবা খাত, কৃষিখাত ও শিল্পখাত।

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩। 
১১,৮৫৫.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর
  2. মোংলা সমুদ্রবন্দর
  3. পায়রা সমুদ্রবন্দর
  4. মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দর:
- বর্তমানে বাংলাদেশের চালু সমুদ্র বন্দর ৩টি।
- এগুলো হলোঃ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, মোংলা সমুদ্রবন্দর, পায়রা সমুদ্রবন্দর।
- অপরদিকে মাতারবাড়ি সমুদ্র বন্দর নির্মানাধীন রয়েছে।

- বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৮৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মোংলা সমুদ্রবন্দর।
- এটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্রবন্দর - পায়রা সমুদ্রবন্দর। 
- এটি ২০১৬ সালে যাত্রা শুরু করে।

- স্বাধীন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর - মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে ২০২৫ সালে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বন্দর ওয়েবসাইট।
১১,৮৫৬.
পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণে অস্থায়ী সরকারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কে?
  1. এম. এ. জি. ওসমানী
  2. এ .কে. খন্দকার
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. ব্রিগেডিয়ার মীর শওকত আলী
ব্যাখ্যা

পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণ: 
- সময়: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- স্থান: ঢাকার রেসকোর্স (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে।
- পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্য ও অস্ত্র-শস্ত্রসহ ভারতীয় ইস্টার্ন কামান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরার নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- নিয়াজী পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

উৎস: ইতিহাস এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৮৫৭.
ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে সূচনা হয়-
  1. ধর্মীয় বিভেদ
  2. অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি
  3. রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব
  4. সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা
ব্যাখ্যা

অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির সূচনা:
- ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির সূচনা হয়।
- ভাষা আন্দোলনের সময় পার্লামেন্টের মধ্যে কংগ্রেস দলীয় হিন্দু নেতৃবৃন্দ ভাষার দাবিতে কথা বলেছেন,
- আর রাজপথে অকংগ্রেসয়ীরা ধর্মীয় ভাঁওতাবাজির বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখেছেন।
- ফলে পূর্ববাংলায় হিন্দ-মুসলমান সম্প্রীতি বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ১৯৫৫ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ দলটির নাম থেকে 'মুসলিম' শব্দ বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ করা হয়।
- ফলে এ ভূখণ্ডে ধর্মনিরপেক্ষ অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির সূত্রপাত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৮৫৮.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করা হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারকে নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন খন্দকার মোশতাক আহমদ।
- ক্ষমতা দখল করার পাঁচ দিন পর স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন মোশতাক আহমদ।
- মোশতাক আহমদ পরবর্তি প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন।
- মোশতাক আহমদের ৩ মাসের শাসনকালে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনে।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমস্ত অর্জন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় এবং পাকিস্তানের ভাবধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠা শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
১১,৮৫৯.
বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইনার -
  1. শিব নারায়ণ দাশ
  2. এস এম সুলতান
  3. কামরুল হাসান
  4. আব্দুর রব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা
-১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো হয়েছিল।
- লাল-সবুজের ভেতরে হলুদ রঙে বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত ছিল সেই পতাকা।
- প্রথম জাতীয় পতাকার ডিজাইনার ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা শিব নারায়ণ দাশ।
- শিব নারায়ণ দাশের তৈরি করা বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত এই পতাকা ধরেই হয়েছিল স্বাধীনতার সংগ্রাম।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে সরকার শিল্পী কামরুল হাসানকে পতাকার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দিতে বলে।
- কামরুল হাসান ওই পতাকা থেকে মানচিত্র বাদ দিয়ে যে পতাকাটি ডিজাইন করেন সেটিই এখন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
- ২ মার্চ পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করা হয়।

তথ্য - দৈনিক ইত্তেফাক।
১১,৮৬০.
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় কত তারিখে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭২
  3. ০৩ মার্চ, ১৯৭২
  4. ০৪ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় ৪ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে। 

⇒ বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব মুদ্রা ছিল মানচিত্রখচিত ১ টাকার নোট।
- সেই সঙ্গে চালু হয় ১০০ টাকার নোট।
- এতে তখনকার অর্থসচিব কে এ জামানের স্বাক্ষর সংযুক্ত ছিলো। এ নোট বাজারে ছাড়া হয় সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের মুদ্রার নাম দেয়া হয় টাকা। এটি ছাপা হয়েছিলো ভারতীয় সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে। এর পরের সিরিজের টাকা ছাপানো হয়েছিলো যুক্তরাজ্য থেকে।
- তখনই একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা হয়েছিলো যাতে ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান ও শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী।
- এর আগ পর্যন্ত লেনদেনে পাকিস্তানি রুপি ব্যবহার করা হতো। কেউ কেউ ভারতীয় রুপিও গ্রহণ করতেন।
- স্বাধীন দেশের মুদ্রার নামকরণ করা হয় টাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২ মে ১০ টাকা মূল্যমানের নোট এবং ২ জুন বাজারে আসে ৫ টাকা মূল্যমানের নোট।
- বাংলা সিরিয়াল নম্বর দিয়ে নোট চালু হয় ১৯৭৩ সালে।
- দেশে ২ টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে।
- ৫০ ও ৫০০ টাকার নোট প্রচলন করা হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০ টাকার নোট প্রথম বাজারে আসে ১৯৭৯ সালে।
- ২০০৯ সালের ১৭ই জুলাই বাজারে আনা হয় ১০০০ টাকার নোট।
- ২০২০ সালে বাজারে আসে ২০০ টাকার নোট।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) প্রথম আলো।

১১,৮৬১.
’’বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী বলে পরিচিত হবেন’’- এটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ৬(১)
  2. অনুচ্ছেদ- ৬(২)
  3. অনুচ্ছেদ- ৫
  4. অনুচ্ছেদ- ৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-৬:  নাগরিকত্ব: 
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- ৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ: ৫(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 
- অনুচ্ছেদ ৫(২) রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে৷
- অনুচ্ছেদ-৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- ৭(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১১,৮৬২.
নূর হোসেন কোন আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান
  3. নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
  4. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা

→ নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন নূর হোসেন।

নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার আন্দোলনের উজ্জ্বলতম অধ্যায় নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা
করেন।
- তার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- টানা ৯ বছর আন্দোলনের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দুর্বার আন্দোলনেই পতন ঘটে স্বৈরশাসক এরশাদের।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এরশাদ।
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নুর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহিদ হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা৷

১১,৮৬৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী গ্রামে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার কত?
  1. ২৪.৬৭%
  2. ২৫.৭৩%
  3. ২৬.৩১%
  4. ২৭.৪৯%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী - ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী - ২৩.৫২%।
- ঢাকা বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৪০.৪২%।
- রংপুর বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম - ২৩.৫২%।
• শহর -৪১.৩০%।
• গ্রাম - ২৫.৭৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১১,৮৬৪.
বাংলাদেশে কোন ধরনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে?
  1. একদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা
  2. বহুদলীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা
  3. সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্র
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- বিভিন্ন সময়ে একাধিক রাজনৈতিক দল জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভকরে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনালগ্নেই এ দেশে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় প্রয়োজনে - বাকশাল নামে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় যা ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
- ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে সংবিধান থেকে বাকশাল ব্যবস্থা বাতিল করে বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করা হয়।
-১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

১১,৮৬৫.
‘বাংলাদেশ ব্যাংক পুরস্কার - ২০২০' লাভ করেন কোন অর্থনীতিবিদ?
  1. ক) আকবর আলি খান
  2. খ) আতিউর রহমান
  3. গ) ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
  4. ঘ) অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যা
অর্থনীতিতে বিশেষ অবদানের জন্য ‘বাংলাদেশ ব্যাংক পুরস্কার - ২০২০’ লাভ করেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১১,৮৬৬.
২০২১-২২ অর্থবছরে মােট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ তৈরি পােশাক খাত থেকে এসেছে?
  1. ক) ৮৩.৮৯ শতাংশ
  2. খ) ৮৮.২৫ শতাংশ
  3. গ) ৯৫.৮৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৮১.২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
• অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%
• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
• রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
১১,৮৬৭.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে -
  1. তমদ্দুন মজলিশ
  2. এশিয়াটিক সোসাইটি
  3. বাংলা একাডেমি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৮৬৮.
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজারস অ্যান্ড এগ্রো কেমিক্যালস লিমিটেড কোন সংস্থার অধীনে পরিচালিত হয়? 
  1. Bangladesh Power Development Board 
  2. Bangladesh Textile Mills Corporation
  3. Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation 
  4. Bangladesh Chemical Industries Corporation
ব্যাখ্যা

• Bangladesh Fertilizers & Agro Chemicals Ltd.:
- বাংলাদেশ ফার্টিলাইজারস অ্যান্ড এগ্রো কেমিক্যালস লিমিটেড হলো বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড এগ্রো কেমিক্যালস লিমিটেড (BFACL) প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জুলাই ১৯৭৬ সালে।
- এটি গঠিত হয় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC) তৈরির সময়, যখন দেশের বিভিন্ন সার কারখানাকে একত্র করা হয়।

- এর প্রধান কাজ হলো:
• ইউরিয়া সারসহ বিভিন্ন রাসায়নিক সার ও কৃষি-রাসায়নিক পণ্য উৎপাদন ও বিতরণ করা;
• যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এটি বিসিআইসির অধীনে একাধিক কারখানার দায়িত্ব পালন করে, যেমন :
• ঘোড়াশাল ও পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
• চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

১১,৮৬৯.
নিম্নের কোন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নয়?
  1. হাজং
  2. রোহিঙ্গা
  3. সাঁওতাল
  4. রাখাইন
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।

রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- বর্তমানে বেশির ভাগ রাখাইনের বসবাস কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়।
- এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও কিছু রাখাইন বাস করে।
- রাখাইনদের ভাষা আঞ্চলিকভাবে ‘র‌্যামরা’ ও ‘মারৌও’ নামে পরিচিত।
- তাদের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, জলকেলি (লেই খেখু), নববর্ষ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
রোহিঙ্গা:
- রোহিঙ্গা বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নয়।
- রোহিঙ্গা হলো পশ্চিম মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি রাষ্ট্রবিহীন ইন্দো-আর্য জনগোষ্ঠী।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসের হিসেব অনুযায়ী, ২৫ আগস্ট ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর দ্বারা শুরু হওয়া গণহত্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে প্রায় ৬,৫৫,০০০ থেকে ৭,০০,০০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৮৭০.
বাংলাদেশে কয় ধরনের রেলপথ রয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ রেলওয়ে:
- যোগাযোগের ক্ষেত্রে রেলওয়ে একটি পরিবেশ বান্ধব, নিরাপদ এবং সুলভে মালামাল পরিবহণের নির্ভরশীল মাধ্যম।
- বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের রেললাইনের দৈর্ঘ্য ২,৮৭৭ কিলোমিটার।

- বাংলাদেশে প্রধানত তিন ধরনের রেলপথ রয়েছে। যথা:
১) মিটারগেজ রেলপথ  ২) ব্রডগেজ রেলপথ  ৩) ডুয়েলগেজ রেলপথ

• ব্রডগেজ রেলপথ: ১.৬৮ মিটার প্রস্থ রেলপথকে ব্রডগেজ রেলপথ বলে। ব্রডগেজ রেলপথ যমুনা নদীর পশ্চিমাংশে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে রয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ৬৫৯ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ রয়েছে।

• ডুয়েলগেজ রেলপথ: যমুনা সেতুর উপর দিয়ে জামতৈল থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত ৪১০ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেলপথ রয়েছে।

• মিটারগেজ রেলপথ: ১ মিটার প্রস্থ রেলপথকে মিটারগেজ রেলপথ বলে। মিটারগেজ রেলপথ যমুনা নদীর পূর্বাংশে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১১,৮৭১.
গণপরিষদে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকে অন্যতম ভাষা হিসেবে প্রস্তাব করেন কে?
  1. মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ
  2. ড. এম আবদুল আলীম
  3. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- গণপরিষদে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকে অন্যতম ভাষা হিসেবে প্রস্তাব করেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

⇒ ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের করাচিতে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।
- এই অধিবেশনে বিরোধী দল দুটি সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন।"
- "প্রথম প্রস্তাবটিতে বৎসরে অন্তত একবার ঢাকায় পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠানের দাবি জানানো হয়। দ্বিতীয় প্রস্তাবটি ছিল ভাষা বিষয়ক। এটিতে উর্দু ও ইংরেজির সাথে বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহার করার দাবি উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন পূর্ব বাঙলার প্রতিনিধি ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।"
- পরে বিভিন্ন পর্যায়ে মি. দত্ত মোট তিনটি সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন গণপরিষদে, যার প্রতিটিতেই বাংলাকে সরকারি ভাষা করার প্রস্তাব ছিল।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রস্তাবটি উত্থাপনের একদিন পর ২৫শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদে তুমুল বিতর্ক হয়। প্রস্তাবটির তীব্র বিরোধিতা করেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান।
- মি. দত্তের প্রস্তাবটিই ছিল বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণের জন্য প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব।
- পরে পাকিস্তানের শাসকরা ১৯৫৬ সালে দেশটির প্রথম শাসনতন্ত্রে উর্দুর সাথে বাংলাকেও সরকারি ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য হয়েছিলো, যার মাধ্যমে বাংলা সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলো।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC.
১১,৮৭২.
বিখ্যাত ইতিহাস বিষয়ক বই ‘তবকাত-ই-নাসিরী’-এর রচয়িতা কে?
  1. মুহম্মদ কাশিম ফিরিস্তা
  2. কুতুব উদ্দিন আইবেক
  3. মিনহাজ-ই-সিরাজ
  4. বখতিয়ার খলজি
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত ইতিহাসবিষয়ক বই ‘তবকাত-ই-নাসিরী’-এর রচয়িতা মিনহাজ-ই-সিরাজ।

তবকাত-ই-নাসিরী:
- তবকাত-ই-নাসিরী মিনহাজ-ই-সিরাজ জুর্জানি রচিত মধ্যযুগের সাধারণ ইতিহাস গ্রন্থ।
- এ গ্রন্থে ইসলামের বিভিন্ন নবী-রসুলের ইতিহাস থেকে শুরু করে মিনহাজ তাঁর নিজের সময় পর্যন্ত ঘটনাবলি বর্ণনা করেছেন।
- বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার ইতিহাস পুনর্গঠনের জন্য এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ আকর গ্রন্থ।
- বাংলা মুলুকে মুসলিম শাসনের প্রথম ৫০ বছরের ইতিহাস একমাত্র এ গ্রন্থেই পাওয়া যায়।
- ১২৬০ সালে মিনহাজ-ই-সিরাজ (মিনহাজউদ্দীন আবু ওমর বিন সিরাজউদ্দীন আল-জুযানী) ২৩ খণ্ডে এই বইটি লেখা শেষ করেন।
- মামলুক সালতানাতের অষ্টম সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের নামে ফারসি ভাষায় লেখা এ বইয়ের নামকরণ হয়।
- বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয় থেকে ১২৫৯ সাল পর্যন্ত বাংলার ইতিহাসের একমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস হলো তবকাত-ই-নাসিরী।

উল্লেখ্য,
- মিনহাজ-ই-সিরাজ ছিলেন দিল্লির কাজি।
- কর্মসূত্রে সুলতানি আমলের বাংলায় এসে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করার পর দিল্লি ফিরে রচনা করেন এই বই।
- দিল্লির সুলতানের বিরুদ্ধে খলজিদের বিদ্রোহ, বখতিয়ার খলজির নেতৃত্বে বাংলায় তুর্কি অধিকার, ব্যর্থ তিব্বত অভিযান ও তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত বাংলার ৫৪ বছরের একমাত্র ইতিহাস এই বই।

এছাড়াও,
- সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের আমল থেকে মুইজ উদ্দিন কায়কোবাদ সময়কাল পর্যন্ত বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা এই বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে।
- এ ছাড়া কুতুবুদ্দিন আইবেক, সাইফুদ্দিন সুরী, চেঙ্গিস খানসহ সমসাময়িক মুসলিম বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তি ও নানা ইতিহাস তুলে ধরা হয় বইটিতে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৮৭৩.
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যের স্থপতি কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  3. রাফিউদ্দীন আহমেদ
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা
• অপরাজেয় বাংলা: 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
- সবার সম্মিলিত প্রতিরোধ ও আক্রমণে পাকবাহিনী পরাজিত হয়।
- সব শ্রেণিপেশার মানুষের অংশগ্রহণেরই প্রতীক অপরাজেয় বাংলা।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ অপরাজেয় বাংলার স্থপতি। 
- আর এটির নামকরণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ শুরু হয় ১৯৭৩ সালে।
- নির্মাণ শেষে ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়। 
- ভাস্কর্যে তিনজন ব্যক্তির অবয়বে একজনের ডান হাতে দৃঢ় প্রত্যয়ে রাইফেলের বেল্ট ধরা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি।
- এর মডেল ছিলেন আর্ট কলেজের ছাত্র মুক্তিযোদ্ধা বদরুল আলম বেনু।
- থ্রি নট থ্রি রাইফেল হাতে সাবলীল ভঙ্গিতে দাঁড়ানো অবয়বের মডেল ছিলেন সৈয়দ হামিদ মকসুদ ফজলে।
- আর নারী অবয়বের মডেল ছিলেন হাসিনা আহমেদ।

সূত্র: দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস। 
১১,৮৭৪.
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
• বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৯৯০ সালে প্রণীত হয়। 

• প্রাথমিক শিক্ষা আইন:
- সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিতকরণের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে বাধ্যতামূলকভাবে সকল শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষার সমান সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেয়। এ জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতা অপরিহার্য হওয়ায় জাতীয় সংসদ কর্তৃক ‘প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন ১৯৯০’ পাশ করা হয়েছে।
- অন্যদিকে এ আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের জন্য প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২১/০৮/১৯৯০ইং ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তীতে ৩১/১১/১৯৯২ ইং তারিখে এর নামকরণ করা হয় ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট’।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১১,৮৭৫.
কতটি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রতি বছর ‘মুক্তিযোদ্ধা পদক’ দেওয়া হয়?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযোদ্ধা পদক:
মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং চেতনা বিকাশে ব্যক্তি ও সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকাকে সম্মানিত করতে “মুক্তিযোদ্ধা পদক” চালু করা হয়।

- ৯ আগষ্ট ২০২১ ‘মুক্তিযোদ্ধা পদক’ নীতিমালা ২০২১ -এর প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।

- সাতটি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রতি বছর ১৫ ডিসেম্বর ‘মুক্তিযোদ্ধা পদক’ আনুষ্ঠানিক ভাবে দেওয়া হবে।

(উৎস: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল,২০২১-এপ্রিল,২০২২)
১১,৮৭৬.
"রাজনৈতিক দল হল নির্দিষ্ট ও স্বীকৃত নীতির ভিত্তিতে এবং সমবেত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য একত্রিত এক জনসমষ্টি।" কার প্রদত্ত সংজ্ঞা?
  1. এলান আর বল
  2. হ্যারল্ড লাসওয়েল
  3. এডমন্ড বার্ক
  4. আর এম ম্যাকাইভার
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল সম্পর্কিত সংজ্ঞা:

- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ এডমন্ড বার্ক রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, "রাজনৈতিক দল হল নির্দিষ্ট ও স্বীকৃত নীতির ভিত্তিতে এবং সমবেত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য একত্রিত এক জনসমষ্টি।"
- অধ্যাপক আর এম ম্যাকাইভার তাঁর 'দ্য মডার্ণ স্টেট' গ্রন্থে রাজনৈতিক দল সম্পর্কে বলেন, "যারা কতগুলো সুনির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং সাংবিধানিক উপায়ে সরকার গঠন করতে তৎপর হয়, তাদেরকে রাজনৈতিক দল বলা হয়।"
- হ্যারল্ড লাসওয়েল এর মতানুসারে- "রাজনৈতিক দল হল এমন একটি সংগঠন যা নির্বাচনে কর্মসূচী স্থিও কওে এবং প্রার্থী দাঁড় করায়।"
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ এডমন্ড বার্ক রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, "রাজনৈতিক দল হল নির্দিষ্ট ও স্বীকৃত নীতির ভিত্তিতে এবং সমবেত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য একত্রিত এক জনসমষ্টি।"

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৮৭৭.
রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস কোন জেলায়?
  1. বান্দরবান
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বরগুনা
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
রাখাইন জনগোষ্ঠী:
- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য।
- এরা নিজেদের 'রাক্ষাইন' নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় 'মগ' নামে পরিচিত ছিলো।
- অনেক গবেষকের মতে রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি ও কালের কণ্ঠ।
১১,৮৭৮.
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন ইপিআর (বর্তমান - বিজিবি) সদস্য 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত হন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে বিজিবি (তৎকালীন ইপিআর) খেতাব প্রাপ্তদের বিবরণ:
- মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত প্রান্তরে এক অসামান্য অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে বিজিবি (তৎকালীন ইপিআর)।
- একটি আধা সামরিক বাহিনী হয়েও সামান্য সংখ্যক সনাতন অস্ত্রকে সম্বল করে এই বাহিনীর বীর সৈনিকবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধে ৮১৭ বীর সৈনিক ইপিআর সদস্য শহীদ হন।

উল্লেখ্য,
স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ইপিআর বাহিনীর -
- ২ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাবে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয়। তারা হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ)
,
এছাড়া,
- ৮ জনকে ‘বীর উত্তম’,
- ৩২ জনকে ‘বীর বিক্রম’ এবং ,
- ৭৮ জনকে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত করা হয় ।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
১১,৮৭৯.
সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে কোন জেলায়?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
জেলা অনুযায়ী বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি লোক বাস করে ঢাকা জেলায়। ঢাকা জেলার সরকারি ওয়েবসাইট অনুযায়ী জেলার বর্তমান জনসংখ্যা ১ কোটি ২৬ লক্ষ। জনসংখ্যার ঘনত্বও সবচেয়ে বেশি ঢাকা জেলায় (৮,২২৯ জন)। দেশের সর্বনিম্ন জনবহুল জেলা হলো বান্দরবান (জনসংখ্যা প্রায় ৪ লক্ষ ও ঘনত্ব ৬৭ জন)। আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটি। (সূত্রঃ ঢাকা ও বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট)
১১,৮৮০.
আলমগীর কবির নিম্নের কোন চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন?
  1. রূপালী সৈকতে
  2. সংগ্রাম
  3. আবার তোরা মানুষ হ
  4. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
ব্যাখ্যা
আলমগীর কবির:
- বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ আলমগীর কবির।
- আলমগীর কবিরের জন্ম রাঙামাটি শহরে ১৯৩৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর।
- ১৯৮৯ সালের ২০ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।

⇒ প্রামাণ্যচিত্র দিয়ে পরিচালনা শুরু করলেও স্বাধীনতার পরে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করা শুরু করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশে তিনি বেশ কটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।
- তাঁর নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হলো ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩), সূর্যকন্যা (১৯৭৬), সীমানা পেরিয়ে (১৯৭৭), রূপালী সৈকতে (১৯৭৯), মোহনা (১৯৮২), পরিণীতা (১৯৮৪) ও মহানায়ক (১৯৮৫)।
- তাঁর পরিচালিত তিনটি চলচ্চিত্র ‘ধীরে বহে মেঘনা’, ‘সীমানা পেরিয়ে’ ও ‘রূপালী সৈকতে’ ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের ‘বাংলাদেশের সেরা ১০ চলচ্চিত্র’র তালিকায় স্থান পেয়েছে।

⇔ রূপালী সৈকতে:
- আলমগীর কবিরের চতুর্থ সিনেমা “রূপালি সৈকতে”।
- আলমগীর কবির “রুপালি সৈকতে” চলচ্চিত্রটি নির্মান করেছিলেন ১৯৭৯ সালে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৮৮১.
দুর্নীতি দমন কমিশন-এর কমিশনারগণ কার সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. দুদক চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- দুদক দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছে।
- তবে নানা সীমাবদ্ধতা কারণে দুদক দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে না।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। 

উল্লেখ্য,
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৫(১) ধারার বিধানমতে  জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করা হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।
১১,৮৮২.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার-
  1. ৩.১১ শতাংশ
  2. ৫.৩২ শতাংশ
  3. ৬.৪৮ শতাংশ
  4. ৩.৫২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.১১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৪৮ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৩২ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

১১,৮৮৩.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে বিধবা বিবাহ আইন কবে প্রবর্তিত হয়?
  1. ১৮৩৫ সালে
  2. ১৮৪৮ সালে
  3. ১৮৫৬ সালে
  4. ১৮৬১ সালে
ব্যাখ্যা

- ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে বিধবা বিবাহ আইন কবে প্রবর্তিত - ১৮৫৬।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: 

- জন্ম: ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০, বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর, 
- পশ্চিমবঙ্গ মৃত্যু: ২৯ জুলাই ১৮৯১, কলকাতা।
- পিতার নাম: ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, মাতার নাম: ভগবতী দেবী।
- উপাধি: “বিদ্যাসাগর” ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ থেকে।
- পেশা: শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক।

• সমাজ সংস্কার: 
- বিধবা বিবাহ আইন (১৮৫৬) প্রবর্তনের অন্যতম উদ্যোক্তা। 
- বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব
- নারীশিক্ষা প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা: নদিয়া, হুগলি, বর্ধমান, মেদিনীপুরে স্কুল স্থাপন করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১১,৮৮৪.
দেশের গার্মেন্টস মালিক ও রপ্তানিকারকদের জাতীয় সংগঠন কোনটি?
  1. এফবিসিসিআই
  2. জাইকা
  3. বিজিএমইএ
  4. বিএমইএজি
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ:

- বিজিএমইএ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- সংগঠনটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিজিএমইএ সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কারখানায় সামাজিক সম্মতির মাধ্যমে পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য নিবেদিত।
- বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে বিজিএমইএর নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে প্রায় চার হাজার।

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১১,৮৮৫.
বাংলাদেশ বেতারকে প্রথম কী নামকরণ করা হয়?
  1. ক) পাকিস্তান ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  2. খ) পূর্ব পাকিস্তান ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  3. গ) ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. ঘ) পাকিস্তান রেডিও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বেতারকে প্রথম নামকরণ করা হয় “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”।

বাংলাদেশে বেতার:
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- বেতার ভবন  শাহবাগে স্থানান্তরিত হয় ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১১,৮৮৬.
একনেক কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
১১,৮৮৭.
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত কোনটি?
  1. ক) শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. খ) জনপ্রশাসন
  3. গ) পরিবহন ও যোগাযোগ
  4. ঘ) সুদ পরিশোধ
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত হলো জনপ্রশাসন খাত।
শীর্ষ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত সমূহ:
- প্রথম : জনপ্রশাসন (১৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : শিক্ষা ও প্রযুক্তি (১৫.৭ শতাংশ)
- তৃতীয় : যোগাযোগ ও পরিবহন (১১.৯ শতাংশ)
- চতুর্থ : সুদ (১১.৪ শতাংশ)
- পঞ্চম : স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন (৭ শতাংশ)
- ষষ্ঠ : প্রতিরক্ষা (৬.২ শতাংশ)
- সপ্তম : সামাজিক নিরাপত্তা (৫.৭ শতাংশ)
- অষ্টম : স্বাস্থ্য (৫.৪ শতাংশ)
- নবম : কৃষি (৫.৩ শতাংশ)
- দশম : জননিরাপত্তা (৪.৮ শতাংশ)
- একাদশ : জ্বালানি ও শক্তি (৪.৫ শতাংশ)
- দ্বাদশ : গৃহায়ণ (১.১ শতাংশ)
- ত্রয়োদশ : বিনোদন ও সংস্কৃতি (০.৮ শতাংশ)
- চতুর্দশ : অন্যান্য (০.৮ শতাংশ)
- পঞ্চদশ : শিল্প ও আর্থিক সেবা (০.৭ শতাংশ)।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১১,৮৮৮.
বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন কে?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. গ) ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী
  4. ঘ) এ এইচ এম কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
• এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
• মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক (পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর হাতে বন্দি)।
• সৈয়দ নজরুল ইসলাম - উপ-রাষ্ট্রপতি (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং পদাধিকারবলে সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালন)।  
• তাজউদ্দীন আহমদ - প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। 
• খন্দকার মোশতাক আহমদ - পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
• ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী - অর্থ, শিল্প,বাণিজ্য,পরিবহন ও জাতীয় রাজস্ব মন্ত্রী। 
এ এইচ এম কামারুজ্জামান - স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১১,৮৮৯.
"ভালো আছি, ভালো থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো" - বিখ্যাত এই গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) খান আতাউর রহমান
  2. খ) রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. গ) আপেল মাহমুদ
  4. ঘ) নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
- "ভালো আছি ভালো থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখ" - রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লিখা একটি গান। 

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ(১৯৫৬-১৯৯১):
কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর জন্ম বরিশালে, ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর।
- পৈতৃক নিবাস বাগেরহাট জেলার মংলা থানার অন্তর্গত সাহেবের মেঠ গ্রাম।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ; ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’ নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন।
- ছাত্রজীবনেই তাঁর দুটি কাব্য—উপদ্রুত উপকূল (১৯৭৯) ও ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম (১৯৮১) প্রকাশিত হয়।
- তাঁর কবিতায় বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১,৮৯০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮ক নং
  2. ২৩ (ক) নং
  3. ২৪ নং
  4. ২০ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ১৮ক নং অনুচ্ছেদ: পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- ২০ নং অনুচ্ছেদ: অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
- ২৩ (ক) নং অনুচ্ছেদ: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃগোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৮৯১.
মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হলে সংবিধানের কোন ধারায় মামলার ক্ষমতা দেয়া আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০১ 
  2. অনুচ্ছেদ ১০২
  3. অনুচ্ছেদ ১০৫
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ: ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- ৪৪ (১) এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 
 - ৪৪ (২) এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১১,৮৯২.
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
রেশম:

- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক।
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়।
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন (Cocoon) থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়।
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহী জেলায় অবস্থিত।
- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না।
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে।
- রেশম তন্তু ফাইব্রেয়ন নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি।
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ।
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত।

তথ্যসূত্র - সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়শ ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
১১,৮৯৩.
‘প্রাপকের হিসাবে দেয়’ কথাটি কোন ধরণের চেকে লেখা থাকে?
  1. বাহক চেক
  2. হুকুম চেক
  3. ভ্রমণকারীর চেক
  4. দাগকাটা চেক
ব্যাখ্যা
চেকের সংজ্ঞা:
একজন আমানতকারী তার ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখার প্রতি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করার জন্য যে শর্তহীন আদেশ প্রদান করে থাকেন তাদের চেক বলে। একটি চেকের সকল বৈধ শর্তাবলী বর্তমান থাকলে ব্যাংকে চেক উপস্থাপন করা মাত্র আদেশ অনুযায়ী টাকা প্রদান করতে ব্যাংক বাধ্য থাকে। দাগকাটা চেক এ ‘প্রাপকের হিসাবে দেয়’ কথাটি চেকে লেখা থাকে।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৮৯৪.
বর্তমানে দেশে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে কয়টি? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। 

১১,৮৯৫.
১৯৫০ সালের ১১ মার্চ গঠিত “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ”-এর আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) গাজীউল হক
  2. খ) অধ্যাপক আবুল কাসেম
  3. গ) আবদুল মতিন
  4. ঘ) অলি আহাদ
  5. ঙ) গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত সময়কে ভাষা আন্দোলনের প্রস্তুতি পর্ব বলা যায়। এই সময়ে আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্র শুরু হয়। ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে মাওলানা আকরাম খানকে সভাপতি করে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ‘পূর্ববাংলা ভাষা কমিটি’ গঠন করে। এই কমিটি গঠনের প্রতিবাদ জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ আবদুল মতিনকে আহবায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১১,৮৯৬.
প্রথমবারের মতো জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল -
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঔষধনীতি:
- ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- এরপর ২০০৫ সালে এই নীতি নবায়ন করা হয় এবং ২০১৬ সালে আবার এই জাতীয় ঔষধ নীতি নবায়ন করা হয়েছে।
প্রথম ঔষধ নীতি অনুসারে ,
[ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো- অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা] উত্তর গ্রহণ করা হয়েছে।

• "জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬”:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে।

জাতীয় ঔষধনীতির লক্ষ্যসমূহ:
১। জনগণ যাতে নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন ঔষধ সহজে ক্রয়সাধ্য মূল্যে পেতে পারে তা নিশ্চিত করা।
২। ঔষধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার এবং সুষ্ঠু পরিবেশন ব্যবস্থা (Dispensing) নিশ্চিত করা।
৩। স্থানীয় সকল পদ্ধতির ঔষধ প্রস্তুতকারী শিল্পসমূহকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সেবা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা, যাতে মানসম্পন্ন ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়।
৪। দেশের উৎপাদিত ঔষধের রপ্তানি বৃদ্ধি করা।
৫। ঔষধের কার্যকর নজরদারী (Surveillance) ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: dgda.gov.bd, জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬।
১১,৮৯৭.
১৯৭০ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য 'আইন কাঠামো আদেশ' (Legal Framework Order, LFO) ঘোষণা করেন কে? 
  1. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. এ.কে. ফজলুল হক
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. ইস্কান্দার মীর্জা
ব্যাখ্যা
'আইন কাঠামো আদেশ' (Legal Framework Order, LFO):

• ইয়াহিয়া খান ১৯৭০ সালের ২৮শে মার্চ জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে নির্বাচন সংক্রান্ত আইনগত কাঠামো আদেশ ঘোষণা করেন। 

• আইন কাঠামো আদেশের বিশেষ কিছু দিক:
১. পশ্চিম পাকিস্তানে এক ইউনিট ভেঙে দিয়ে সাবেক প্রদেশগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে যা ১লা জুলাই ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হবে।
২. ১৩ জন মহিলা প্রতিনিধি নিয়ে ৩১৩ আসনের জাতীয় পরিষদ হবে, আর ৬২১ জন সদস্য নিয়ে হবে পাঁচটি প্রাদেশিক পরিষদ।
৩. নির্বাচনে এক ব্যক্তি এক ভোট নীতি গ্রহণ করা হয়।
৪. পাকিস্তানের দুই অংশের আইন ও অর্থনীতি বিষয়ক দায়িত্ব এবং ক্ষমতা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্ধারণ করবেন।
৫. ভোটার তালিকা ১৯৭০ সালের জুনের মধ্যে তৈরি হবে।
৬. সংবিধান রচনার জন্য পরিষদের প্রথম অধিবেশন থেকে ১২০ দিনের সময় ধার্য করে দেন। এ সময়ের মধ্যে কাজ সমাধা করতে ব্যর্থ হলে পরিষদ ভেঙে নতুন নির্বাচনের কথা উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে বলা হয়, সংবিধান রচনা এবং সংবিধানকে সত্যায়িতকরণ পর্যন্ত সামরিক শাসন বহাল থাকবে। নির্বাচনের নির্দেশনাবলির পাশাপাশি সংবিধানের ভিত্তি সম্পর্কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। 

• আইনগত কাঠামো আদেশের ২০ নং ধারায় সংবিধানের মূল ছয়টি নীতি বেঁধে দেয়া হয় । যথা :
- ফেডারেল পদ্ধতির সরকার;
- ইসলামি আদর্শ হবে রাষ্ট্রের ভিত্তি;
- প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটে প্রত্যক্ষ নির্বাচনে জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হবেন;
- মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে;
- নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন এলাকার অর্থনৈতিক ও অন্যান্য বৈষম্য দূর করতে হবে;
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১১,৮৯৮.
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন কোথায় পাশ হয়? 
  1. রাউন্ড টেবিল কনফারেন্সে
  2. ভারতীয় পার্লামেন্টে
  3. সাইমন কমিশনে
  4. ব্রিটিশ পার্লামেন্টে
ব্যাখ্যা

- ১৯৩৫ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে নতুন ভারত শাসন আইন পাশ হয়।

ভারত শাসন আইন:

- ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন ভারতীয়দের রাজনৈতিক আশা-আকাংখা পূরণে ব্যর্থ হয়।
- ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী ১০ বছর পর ভারতের সাংবিধানিক অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য একটি বিধিবদ্ধ কমিশন গঠনের কথা ছিল।
- এমতাবস্থায় ব্রিটিশ সরকার ১৯২৭ সালে স্যার জন সাইমনের নেতৃত্বে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিশন গঠন করে।
- যা সাইমন কমিশন নামে পরিচিত। 
- ১৯২৮ সালে কংগ্রেস নিজেই মতিলাল নেহেরুকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করে।
- এই কমিটি যে রিপোর্ট প্রকাশ করে, তা 'নেহেরু রিপোর্ট' নামে পরিচিত।
- এ রিপোর্টে মুসলমানদের দাবী-দাওয়া পূরণ না হওয়ায় মুসলিম নেতৃবৃন্দ তা বর্জন করেন।
- নেহেরু রিপোর্টের প্রতিবাদে ১৯২৯ সালে মুসলিম লীগের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ তাঁর চৌদ্দ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৩০ সালে শুরু হয়ে তিন দফায় ১৯৩২ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।
- ভারতীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে চূড়ান্ত সমঝোতার সম্ভাবনা না দেখে ১৯৩২ সালের ১৭ আগস্ট ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রামজে ম্যাকডোনাল্ড একটি সমাধান প্রদান করেন।
- এতে তিনি আইনসভায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি বণ্টনসহ ভারতের জন্য একটি ভবিষ্যত সংবিধানের রূপরেখা প্রণয়ন করেন।
- এটি ম্যাকডোনাল্ডের 'সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদ' নামে পরিচিত।
- এই ধারাবাহিকতাতে ১৯৩৫ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে নতুন ভারত শাসন আইন পাশ হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৮৯৯.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. কামরুল হাসান 
  3. মাইনুল হোসেন
  4. তানভীর কবীর
ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সম্মিলিত প্রয়াস নামে পরিচিত।
- স্থপতি সৈয়দ – মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
- তবে মূল সৌধের নির্মাণ শুরু হয় ১৯৭৮ সালে।
- ১৯৮২ সালের ১৬ ডিস্বেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করা হয়।
- জাতীয় জাতীয় স্মৃতিসৌধে সাতটি ফলক রয়েছে যা বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের সাতটি -গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট (১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৬, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯ এবং ১৯৭১) কে নির্দেশ করে।
- স্মৃতিসৌধের সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৫০ ফুট।

​উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১,৯০০.
অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণ কোনটি?
  1. অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা
  2. ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা
  3. দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

অর্থ পাচার:
- অর্থ পাচার হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের বেআইনি উপার্জনের উৎস ও মালিকানা লুকানোর চেষ্টা করে।
- এটি প্রত্যেক দেশের জন্যই একটি ক্ষরণ-জাতীয় জটিল সমস্যা হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
- অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণসমূহ:
• দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা।
• ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা।
• বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা।
• অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা।

তথ্যসূত্র - বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট ও সিপিডি ওয়েবসাইট।