বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১৪ / ৩০৬ · ১১,৩০১১১,৪০০ / ৩০,৮৩২

১১,৩০১.
বাংলাদেশে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা -
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৩৫টি
  4. ঘ) ৪৩টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- দেশের মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৬টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১১,৩০২.
What is the name of the private sector's largest power plant?
  1. SS power plant
  2. Rahman power plant
  3. Javanco power plant
  4. R & K power plant
ব্যাখ্যা
এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট:
- বঙ্গোপসাগরের কূল ঘেঁষে বাঁশখালীর গন্ডামারা এলাকায় স্থাপিত এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট।
- এটি দেশি-বিদেশি অর্থায়নে দেশের প্রথম বৃহৎ বেসরকারি কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প। 
- চীনা প্রতিষ্ঠান সেপকো থ্রি’র যৌথ উদ্যোগে ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার অর্থাৎ ২৮ হাজার কোটিরও বেশি টাকা ব্যয়ে তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র- এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টটি নির্মাণ করেছে দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপ।
- প্রকল্পটিতে শীর্ষস্থানীয় দেশীয় কোম্পানি এস. আলমের অংশীদারিত্বের পরিমাণ ৭০ শতাংশ এবং বাকি ৩০ শতাংশের মালিকানায় রয়েছে চীনা কোম্পানি সেপকো থ্রি ও এইচটিজি। 
- সক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- অন্যান্য পাওয়ার প্ল্যান্টের তুলনায় এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টে সাশ্রয়ে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।
- এটি পুরোপুরি উৎপাদনে থাকলে দৈনিক প্রায় ২.৯৩ কোটি ইউনিট ও মাসে প্রায় ৮৮ কোটি ইউনিটের মতো বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হবে।

উল্লেখ্য,
- বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও এসএস পাওয়ারের মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর ২০১৬ সালে এস এস পাওয়ার প্ল্যান্টের কাজ যৌথভাবে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং।
- এরপর কার্যক্রম শুরুর পর অন্যান্য বিদ্যুৎ প্রকল্পের তুলনায় খুব দ্রুতই সফলভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদনে এসেছে এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট।

উৎস: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, যুগান্তর।
১১,৩০৩.
‘সাংলান’ কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব?
  1. লুসাই
  2. মারমা
  3. খিয়াং
  4. গারো
ব্যাখ্যা

খিয়াং:
- খিয়াং পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি নৃজাতি গোষ্ঠী।আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- বর্তমানে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় এ জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- খিয়াংরা চীনা-তিববতীয় ভাষাগোষ্ঠীর তিববতি-ব্রহ্ম শাখার কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- তারা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেয়। তবে তাদের আদি দেব-দেবীদের পূজা করতেও দেখা যায়।
- বর্তমানে অনেকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে।।
- পাহাড়ের উপর খোলা জায়গায় এবং ছোট খাল বা ঝর্ণাধারার কাছে এদের গ্রামগুলি গড়ে উঠে।
- এরা ঘরকে বলে ‘ইম’ এবং গ্রামকে বলে ‘নাম’।
- খিয়াংদের সমাজব্যবস্থায় একজন নেতা থাকে যাকে বলা হয় কার্বারী।
- খিয়াংদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১১,৩০৪.
বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী কয়টি জেলার সাথে সুন্দরবন সংযুক্ত রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
১১,৩০৫.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় স্পিকার ছিলেন কে?
  1. ক) মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  2. খ) শাহ আবদুল হামিদ
  3. গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. ঘ) মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর দুপুর বেলায় বাংলাদেশ সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়। তখন গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ এবং ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ।
- ১৪ ডিসেম্বর স্পিকার হিসেবে মোহাম্মদ উল্লাহ গৃহীত সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যগণ এতে স্বাক্ষর করেন।
- প্রথমে বঙ্গবন্ধু এবং এরপর সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষর করেন।
- উল্লেখ্য, গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের স্পীকার ছিলেন - শাহ আবদুল হামিদ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১১,৩০৬.
বাংলাদেশ জেলের পরিবর্তিত নাম কী নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. প্রিজন সার্ভিস বাংলাদেশ
  2. রিহ্যাব সার্ভিস বাংলাদেশ
  3. কারেকশন সার্ভিস বাংলাদেশ
  4. কারেকশনাল জাস্টিস বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জেলের পরিবর্তিত নাম:
- বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে 'কারেকশন সার্ভিসেস বাংলাদেশ' করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- কারাগারকে সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে এই নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- এছাড়া, আইনকানুন যুগোপযোগী করার জন্য 'কারেকশন সার্ভিস অ্যাক্ট-২০২৫'-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।
- সেই সাথে, বন্দিদের সেবার মান উন্নত করতে নারায়ণগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারা হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১১,৩০৭.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-
  1. অ্যার্টনি জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি-জেনারেল:
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি-জেনারেল জনাব আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১১,৩০৮.
বাংলাদেশে বর্তমানে যে মেট্রো রেল চালু হয়েছে সেটি হচ্ছে MRT ______ নম্বর লাইন।
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
  5. 6
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:

- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি- মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- এই সম্পূর্ণরূপে উড়াল রেলপথ উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১৭ টি স্টেশনের মধ্যে  ৯টি স্টেশন বর্তমানে চালু রয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো নিউজ, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ সালে ও একাত্তর টিভি ওয়েবসাইট, ০৫ নভেম্বর ২০২৩।
১১,৩০৯.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুসারে, দেশের কোন জেলায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পরিমাণ সবচেয়ে কম?
  1. ক) মুন্সিগঞ্জ
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) মাদারীপুর
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ ১৬-তম খানা আয় ও ব্যয় জরিপ-২০১৬ অনুসারে,
সবচেয়ে কম দারিদ্র্য হারের জেলাসমূহ:
- প্রথম : নারায়ণগঞ্জ
- দ্বিতীয় : মুন্সিগঞ্জ
- তৃতীয় : মাদারীপুর।
সর্বাধিক দারিদ্র্য হারে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : কুড়িগ্রাম
- দ্বিতীয় : দিনাজপুর
- তৃতীয় : বান্দরবান।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)

১১,৩১০.
কোটাব্যবস্থা বাতিলে সংগঠিত ছাত্র আন্দোলন প্রথম শুরু হয়-
  1.  ২০২৪ সালে
  2.  ২০১৮ সালে
  3.  ২০২৩ সালে
  4.  ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
• বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পটভূমি:
- ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সাধারণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল ঘোষণায় পরিপত্র জারি করে।
- তখন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করেছিলেন, সরকার সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়।
- কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের কোটা বাতিল–সংক্রান্ত পরিপত্রটি অবৈধ ঘোষণা করেন।
- হাইকোর্টের এ ঘোষণার ফলে নতুনভাবে আবার এই আন্দোলন শুরু হয়।
- আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, কোটার যৌক্তিক সংস্কার।

উৎস: প্রথম আলো ৪ মার্চ ২০১৮।
১১,৩১১.
সুশীল সমাজ হচ্ছে-
  1. ব্যবসায়ী সম্প্রদায়
  2. শিক্ষিত শ্রেণি
  3. রাজনীতি সচেতন মধ্যবিত্ত শ্রেণি
  4. বিত্তবান শ্রেণি
ব্যাখ্যা
সুশীল সমাজ:
- সুশীল সমাজ হচ্ছে রাজনীতি সচেতন মধ্যবিত্ত শ্রেণী।
- সুশীল সমাজ হল একটি সংগঠিত গোষ্ঠী, যার সদস্যরা সরকারের কাছ থেকে নাগরিক অধিকার অর্জনের জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে একত্রিত হয়।
- সুশীল সমাজ ব্যক্তি ও সরকারের মধ্যে একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- সুশীল সমাজ কখনও কখনও সরকার ও জনগণের মধ্যকার দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১,৩১২.
বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা কোনটি?
  1. যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. শিক্ষা আন্দোলন
  4. শাসনতন্ত্র আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩১৩.
'হান্টার কমিশন' গঠন করেন কে?
  1. লর্ড হান্টার
  2. লর্ড রিপন
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
• হান্টার কমিশন:
- লর্ড রিপন 'হান্টার কমিশন' নামে শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হলো হান্টার কমিশন।
- এটি ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হান্টার কে প্রধান করে গঠিত হয়।
- এতে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১১,৩১৪.
সার্বিকভাবে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনার তত্ত্বাবধান করেন কে?
  1. মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
  2. মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  3. লে. জেনারেল টিক্কা খান
  4. লে. জেনারেল নিয়াজী
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট: 
- অপারেশন সার্চলাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরে গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় পাকিস্তানি বাহিনীর মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
- পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথমেই ঢাকা শহরের পিলখানার ইপিআর হেডকোয়ার্টার্স এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের নিয়ন্ত্রণভার পাকিস্তানি সেনাদের গ্রহণ করার কথা ছিল।
- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় রাজশাহী, যশোর, খুলনা, রংপুর, সৈয়দপুর, কুমিল্লায় সেনাবাহিনী, ইপিআর, আনসার, পুলিশের বাঙালি সদস্যদের নিরস্ত্র করার কথা উল্লেখ ছিল।
- চট্টগ্রাম বন্দর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা দখলে রাখাও তাদের লক্ষ্য ছিল।
- ঢাকার বাইরে এ অপারেশনের প্রধান দায়িত্ব পান মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- সার্বিকভাবে এ পরিকল্পনার তত্ত্বাবধান করেন গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১,৩১৫.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. কাজী গোলাম মাহবুব
  2. শামসুল আলম
  3. আবদুল মতিন
  4. নুরুল হক ভূইয়া
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক সংগঠন ও আহ্বায়ক: 
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক - আবদুল মতিন। 
• গণ-আজাদী লীগ আহ্বায়ক - কামরুদ্দিন আহমদ।
• রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ - নুরুল হক ভূইয়া।
• সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ - শামসুল আলম।
• পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি - আকরাম খাঁ। 
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ - আবদুল মতিন।
• সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ - কাজী গোলাম মাহবুব। 

উৎস: বণিকবার্তা/কলাম:
- ড. এম আবদুল আলীম: গবেষক-প্রাবন্ধিক অধ্যাপক, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (লিংক)।
১১,৩১৬.
নিচের কোন জনপদ লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল?
  1. গৌড়
  2. রাঢ়
  3. হরিকেল
  4. বঙ্গ
ব্যাখ্যা
গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সর্বপ্রথম পাণিনির গ্রন্থে গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে ‘গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩১৭.
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া কোথায় গৃহীত হয়?
  1. জাতীয় পরিষদে
  2. গণপরিষদে
  3. জাতীয় সংসদে
  4. সুপ্রিম কোর্টে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ অনুযায়ী সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন ইত্যাদি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই আদেশে গণপরিষদকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয় নি।
- এ ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের উপর ন্যস্ত ছিল।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয়।
- এ আদেশ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ।
- রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান ও উদ্বোধন করেন।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ে একটি আদর্শ সংবিধান প্রণয়ন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩১৮.
নিপোর্ট কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থনৈতিক
  2. জনসংখ্যা
  3. রোগ নির্ণয়
  4. শিক্ষা ‍উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: নিপোর্ট ওয়েবসাইট।
১১,৩১৯.
২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. জাপান
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ২০২৫ সালে (ফিসিক্যাল ইয়ার ২০২৪-২৫) বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) সবচেয়ে বেশি এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে।
 • নেদারল্যান্ডস সর্বোচ্চ FDI নিয়ে শীর্ষে রয়েছে, যা মোট FDI প্রবাহের প্রায় ২৭%।


উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) ২০২৫ অর্থবছরে ১৯.১৩% বৃদ্ধি পেয়ে ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১.৪ বিলিয়ন ডলার।
 
 উৎস: TBS ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]

১১,৩২০.
তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) ফরায়েজি
  2. খ) তাহরিক ই মুহম্মদীয়া
  3. গ) ফকির বিদ্রোহ
  4. ঘ) খিলাফত
ব্যাখ্যা
- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাহরিক ই মুহম্মদীয়া।

তিতুমীর:
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩২১.
থিয়েটার নাট্যগ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা -
  1. আলী যাকের
  2. জহরত আরা
  3. আরিফুল হক
  4. আব্দুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা
থিয়েটার নাট্যগ্রুপ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর জাতীয় আশা-আকাঙ্খার পরিপূরক হিসাবে জন্ম নিতে থাকে গ্রুপ থিয়েটার।
- সমসাময়িক ঘটনা প্রবাহকে উপজীব্য করে সামাজিক ক্রিয়ার অংশগ্রহণ করতে থাকে।
- ফলে নাটক ক্রমশঃ হয়ে ওঠে একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম।
- ১৯৮০ সালের ২৯ নভেম্বর গড়ে উঠে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান।
- সমাজ ও শিল্পের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং হাজার বছরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারায় ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে স্বপ্নের স্বদেশ বিনির্মাণে পরিচালিত এই নাট্যান্দোলনের সমন্বিত সংগঠন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান, যার বর্তমান সদস্য সংগঠন সারা দেশে প্রায় ৪০০টি।
- এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলে যাঁদের হাতে ও নেতৃত্বে তাঁরা হলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রামেন্দু মজুমদার, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন ইউসুফ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মামুনু রশীদ , আতাউর রহমান সহ অনেক অগ্রজ নাট্যজন। 

⇒ বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন (বিজিটিএফ) ২৯ নভেম্বর ১৯৮০ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকা।
- তিন কমিটি ফেডারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করে: সাধারণ কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং নির্বাহী কমিটি।

উল্লেখ্য,
- আবদুল্লাহ আল মামুন প্রয়াত নাট্যকার, অভিনেতা ও নির্মাতা।
- তিনি নাটকের দল থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- ২০০৮ সালের ২১ আগস্ট তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ওয়েবসাইট।
ii) কালের কন্ঠ।
১১,৩২২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম?
  1. খুলনা
  2. সিলেট
  3. রংপুর
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে - ঢাকা বিভাগ।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে - ময়মনসিংহ বিভাগ।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১১,৩২৩.
বাংলা ভাষায় প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) প্ল্যাটফর্মের নাম কী?
  1. শাপলা ডট এআই(shapla.ai)
  2. কাগজ ডট এআই(kagoj.ai)
  3. জুলাই ডট এআই(julyj.ai)
  4. বাংলা ডট এআই(bangla.ai)
ব্যাখ্যা

‘কাগজ ডট এআই :
- বাংলা ভাষার জন্য এই প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘কাগজ ডট এআই (kagoj.ai)’ চালু করা হয়েছে।
- একই সঙ্গে উন্মোচন করা হয়েছে নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’।
- রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ দুটি প্রযুক্তির উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
- অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।
- ‘কাগজ ডট এআই’ বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও কনটেন্ট তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিশ্চিত করবে, যা বাংলা ভাষার ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও কালের কণ্ঠ।

১১,৩২৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা' দেওয়া হয়েছে?
  1. ৩৬ নং
  2. ৪০ নং
  3. ৪১ নং
  4. ৪২ নং
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।

• অনুচ্ছেদ- ৪০: 

- আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে কোন পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের কিংবা কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার জন্য আইনের দ্বারা কোন যোগ্যতা নির্ধারিত হয়ে থাকলে;
- অনুরূপ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন আইনসঙ্গত পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের এবং যে কোন আইনসঙ্গত কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার অধিকার থাকিবে।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭: সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮: সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২: সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩: গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৩২৫.
মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিন আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
  2. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  3. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
  4. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়।
- প্রতি বছর এই দিনটি "বিজয় দিবস" হিসাবে পালিত হয়।

⇒ এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন -
- এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ,
- ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং,
- টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
ii) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১১,৩২৬.
‘মাৎস্যন্যায়’ এর সময়কাল ছিল?
  1. ক) ৫ম-৬ষ্ঠ শতক
  2. খ) ৬ষ্ঠ-৭ম শতক
  3. গ) ৭ম-৮ম শতক
  4. ঘ) ৮ম-৯ম শতক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে গৌড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। গোটা বাংলায় নেমে আসে অন্ধকারের যুগ। সপ্তম থেকে অষ্টম শতক প্রায় একশ বছর বাংলার ইতিহাসে যে অরাজকতা, নেতৃত্বের শূন্যতার সৃষ্টি হয় তাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়ে থাকে। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩২৭.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুসারে দেশে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার কত?
  1. ক) ৬২.৫%
  2. খ) ৬৩.৩%
  3. গ) ৬৪..৩%
  4. ঘ) ৬৫.২%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুসারে দেশের পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণকারীর হার ৬২.৫%। মহিলা প্রতি প্রজনন হার ২.০৫ জন। স্থূল জন্মহার ১৮.৫ এবং স্থূল মৃত্যুহার ৫.১ জব। (সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০১৯)
১১,৩২৮.
কৃষিক্ষেত্রে 'পার্চিং পদ্ধতি' কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. পোকা দমনে
  2. সার দেওয়ায়
  3. সেচ কাজে
  4. নালা তৈরিতে
ব্যাখ্যা

• পার্চিং পদ্ধতি:
- খেতের ক্ষতিকর পোকা দমনে এটা প্রাকৃতিক পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতির নাম ‘পার্চিং’ অর্থাৎ পাখির বসার জন্য দাঁড়।
- এই পদ্ধতিতে ধানখেতে পাখি বসার উপযোগী বাঁশের আগা, কঞ্চি, গাছের ডাল প্রভৃতি পুঁতে দিতে হয়।
- পাখি বাঁশের এই আগা, কঞ্চি, গাছের ডালে বসে ক্ষতিকর পোকামাকড় ধরে খায়।
- ক্ষতিকর পোকামাকড় বিশেষ করে মাজরা পোকা দমনে এই পদ্ধতি বেশ কার্যকর।
- ধানের চারা রোপণের ২০ দিনের মধ্যে খেতে পার্চিং করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, প্রথম আলো পত্রিকা।

১১,৩২৯.
আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোটনিরপেক্ষ দেশগুলোর সম্মেলনে বাংলাদেশ যোগদান করে -
  1. ক) ১৯৭১ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন ও বাংলাদেশ

- স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ অধিকাংশ জোটনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের সাহায্য ও সহযোগিতা লাভ করেছিল।
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশ জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রতি দৃঢ় আস্থা ব্যক্ত করে।
- বাংলাদেশ জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনে শরীক হয় ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে।
- এ সম্মেলনে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি তাঁর স্বভাবসিদ্ধ তেজোদীপ্ত কণ্ঠে এ সম্মেলনে সকল প্রকার উপনিবেশবাদ, নয়া-উপনিবেশবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নিন্দাজ্ঞাপন করেন।
- তিনি জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য এবং কাজে ও কথায় এর নীতি অনুসরণ করার জন্য সকল রাষ্ট্রের প্রতি আবেদন জানান।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১,৩৩০.
অপরাজেয় বাংলা কবে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
  2. ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭৯
  3. ১ জানুয়ারি ১৯৮০
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য:
অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিতে নির্মিত একটি বিশিষ্ট ভাস্কর্য, যা ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এবং মুক্তিযুদ্ধে দেশের মানুষের সংগ্রামী মনোবলকে প্রতীকায়িত করে।

ভাস্কর্যটির বৈশিষ্ট্য:
• অবস্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে।
• ভাস্কর: মুক্তিযোদ্ধা ও ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
• নামকরণ: এর নামকরণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
• নির্মাণকাল: ১৯৭৩ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর, বিজয় দিবসে এটি উদ্বোধন করা হয়।
• মাপ: ভাস্কর্যটি ৬ ফুট উঁচু বেদির উপর স্থাপিত, যার উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট এবং ব্যাস ৬ ফুট।

প্রতীকী তাৎপর্য:
• এই ভাস্কর্যটি তিনজন মুক্তিযোদ্ধার দৃঢ় অবস্থানকে চিত্রিত করে, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ছাত্রসমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের চিত্র তুলে ধরে।
• এর প্রতিচ্ছবি প্রতীকীভাবে অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়কে প্রকাশ করে।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৩৩১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান -
  1. ৩৯.৭৫ শতাংশ
  2. ৪৫.০৩ শতাংশ
  3. ৪১.৩৪ শতাংশ
  4. ৩৭.৯৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিতে:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১,৩৩২.
তুলার উন্নত জাতের একটি-
  1. সোনালিকা
  2. মানিক
  3. ডেলফোজ
  4. বর্ণালী
ব্যাখ্যা

• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১১,৩৩৩.
সম্প্রতি (সেপ্টেম্বর, ২০২৩) কোন জনগোষ্ঠী নিজেদের ভাষার বর্ণমালা তৈরি করেছে?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. খেয়াং
  4. খুমি
ব্যাখ্যা
হোয়ো:
- বান্দরবানের খেয়াং জনগোষ্ঠীর নিজেদের ভাষার বর্ণমালা তৈরি করা হয়েছে।
- এই বর্ণমালার নাম দেওয়া হয়েছে ‘হোয়ো’।
- এই বর্ণমালা দিয়ে কম্পিউটারেও লেখালেখি করা যাবে।

উল্লেখ্য,
- এতদিন খেয়াংদের ভাষার কোনো বর্ণমালা ছিল না।
- এ কারণে এই ভাষার কোনো লিখিত রূপও ছিল না।
- গত কয়েক বছর ধরে রোমান হরফে এই ভাষা লেখা হচ্ছিল।
- কিন্তু এতে খেয়াং ভাষার সবগুলো ধ্বনির ও উচ্চারণে মিল রেখে লেখা সম্ভব হচ্ছিল না।
- এ কারণে নতুন বর্ণমালা উদ্ভাবন করার প্রয়োজন দেখা দেয়।
- ফ্রেন্ডস অব এন্ডেঞ্জার্ড এথনিক ল্যাংগুয়েজেস (ফিল) নামের একটি সংগঠন এই ভাষাটিকে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করতে কারিগরি সহায়তা করে।
- দুই মাসের চেষ্টায় তারা এই কাজে সফলতা পেয়েছেন।

উৎস: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১১,৩৩৪.
ষাটগম্বুজ মসজিদে কয়টি গম্বুজ রয়েছে?
  1. ৬০ টি
  2. ৬৬ টি
  3. ৭৭ টি
  4. ৮১ টি
ব্যাখ্যা
ষাটগম্বুজ মসজিদ:

- এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- ১৫ শতকের দিকে উলঘ খান-ই-জাহান ঐতিহাসিক মসজিদের শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ষাটগম্বুজ মসজিদটিতে ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া।
- দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- এ বিশাল মসজিদের চতুর্দিকে প্রাচীর ৮ফুট চওড়া, এর চার কোনে চারটি মিনার আছে।
- মসজিদটি ছোট ইট দিয়ে তৈরী, এর দৈর্ঘ্য ১৬০ফুট, প্রস্থ ১০৮ ফুট, উচ্চতা ২২ফুট।
- মসজিদের পশ্চিম দিকে প্রধান মেহরাবের পাশে একটি দরজাসহ মোট ২৬টি দরজা আছে।
- ইউনেস্কো এ মসজিদটি বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১১,৩৩৫.
মুজিবনগর সরকারের কৃষি মন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  3. তাজউদ্দীন আহমদ
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা

• ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে।
• এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ-
- রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
- উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
- স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
- প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
- চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব এবং
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১১,৩৩৬.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব -
  1. ক) বীরশ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীর উত্তম
  3. গ) বীর বিক্রম
  4. ঘ) বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা

- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।

তথ্যসূত্র- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১,৩৩৭.
বঙ্গবন্ধু কৃত্রিম উপগ্রহ-১ কোন জায়গা থেকে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. ক) স্কটল্যান্ড
  2. খ) ভার্জিনিয়া
  3. গ) ফ্লোরিডা
  4. ঘ) টেক্সাস
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মার্কিন কোম্পানি স্পেসএক্স-এর সর্বাধুনিক রকেট ফ্যালকন-৯ বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ উপগ্রহ 'বঙ্গবন্ধু-১' স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। উৎসঃ বিবিসি
১১,৩৩৮.
আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো -
  1. ক) বিচার বিভাগ
  2. খ) নিবার্হী বিভাগ
  3. গ) আইন সভা
  4. ঘ) সুশীল সমাজ
ব্যাখ্যা
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো সুশীল সমাজ।
- এটি সরকার কাঠামোর অংশ নয় তবে সরকারের কর্মকান্ডে প্রভাব রাখতে সক্ষম।
- সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবী, বিশিষ্ট নাগরিক, বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন বা এনজিও প্রভৃতির সমন্বয়ে সিভিল সোসাইটি গঠিত হয়।
- সুশীল সমাজ হল একটি সংগঠিত গোষ্ঠী, যার সদস্যরা সরকারের কাছ থেকে নাগরিক অধিকার অর্জনের জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে একত্রিত হয়। সুশীল সমাজ ব্যক্তি ও সরকারের মধ্যে একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। 
- সুশীল সমাজ কখনও কখনও সরকার ও জনগণের মধ্যকার দ্বন্দ্বকে নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- এরা সাধারণত বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। 
সুশীল সমাজের রয়েছে চারটি মৌলিক উপাদান :
- বহুত্ববাদ বা বহুদলীয় গণতন্ত্র বা উদার গণতন্ত্র, 
- জনমত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা,
- গোপনীয়তা ও 
- বৈধতা।
 
(উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান:স্বাতক শ্রেণি ও যুগান্তর)
১১,৩৩৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কোন সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ক) সেক্টর ৯
  2. খ) সেক্টর ১০
  3. গ) সেক্টর ১১
  4. ঘ) সেক্টর ৩
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের ১০নং সেক্টর: 

-সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও অভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন ছিল ‘সেক্টর নং ১০’ এর অধীনে।
- এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন।
- এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার।
- প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নৌ-সেক্টর পরিচালিত সফলতম গেরিলা অপারেশন হলো অপারেশন জ্যাকপট।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, BBC।
১১,৩৪০.
কোন তারিখে দেশে 'জাতীয় আয়কর দিবস' পালিত হয়?
  1. ক) ৩০ অক্টোবর
  2. খ) ৩০ নভেম্বর
  3. গ) ১৫ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

- জাতীয় আয়কর দিবস ৩০ নভেম্বর।
- জাতীয় কর দিবস ৩০ অক্টোবর।
- জাতীয় ভ্যাট বা মূসক দিবস ১০ ডিসেম্বর।
- ২০১৬ সালের আগে জাতীয় আয়কর দিবস ছিল ১৫ সেপ্টেম্বর।

১১,৩৪১.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকার কোথায় অবস্থিত?
  1. শাহবাগ
  2. সেগুনবাগিচা
  3. রামপুরা
  4. আগারগাঁও
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ঢাকা শহরের সেগুনবাগিচা এলাকায় অবস্থিত।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল গবেষণা ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মাতৃভাষা নিয়ে কাজ করার উদ্দেশ্যে।
- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ২০০১ সালের ১৫ মার্চ এবং এটি উদ্বোধন করা হয় ২০১০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের প্রধানের পদবী পরিচালক। এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো মাতৃভাষার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং গবেষণা।

সূত্র: আইন মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো। 
১১,৩৪২.
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় -
  1. ৬-৮%
  2. ৮-৯%
  3. ৮-১০%
  4. ৯-১১%
ব্যাখ্যা

মুদ্রাস্ফীতি:
- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এছাড়াও,
⇒ অতি মুদ্রাস্ফীতি নিম্নলিখিত প্রভাব সৃষ্টি করে:
• সঞ্চয় হ্রাস করে
• বিনিয়োগ হ্রাস করে।
• অর্থনৈতিক পছন্দগুলিকে বিকৃত করে।
• আয়ের বৈষম্য আরও বাড়ায়।

তথ্যসূত্র -  অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

১১,৩৪৩.
ফেসবুকে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের ২য় ভাষা কোনটি?
  1. ক) মান্দি
  2. খ) মারমা
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) কক বরক
ব্যাখ্যা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ২য় বাংলাদেশি ভাষা হিসেবে বাংলার পাশাপাশি চাকমা ভাষা যুক্ত করা হলো।
ফেসবুকে চাকমা ভাষা যুক্ত করতে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করেছেন জ্যোতি চাকমা। (রেফারেন্স- যুগান্তর)

১১,৩৪৪.
বাংলাদেশি তৈরি পোশাক কেনায় শীর্ষ প্রতিষ্ঠান-  [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. সিঅ্যান্ডএ
  2. প্রাইমার্ক
  3. ইন্ডিটেক্স
  4. এইচঅ্যান্ডএম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশি তৈরি পোশাক:
- বিদায়ী (২০২৩-২৪) অর্থবছরে বাংলাদেশ ৩,৬৩৭ কোটি ডলার মূল্যের পোশাক রপ্তানি করেছে।
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানই নেয় রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের প্রায় ২৯ শতাংশ।
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাক কেনায় শীর্ষে সুইডেনের বহুজাতিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এইচঅ্যান্ডএম।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় শীর্ষ ক্রেতার তালিকায় আছে যথাক্রমে স্পেনের ইন্ডিটেক্স ও আয়ারল্যান্ডের প্রাইমার্ক।

বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের শীর্ষ ১০ ক্রেতার তালিকা:
- এইচঅ্যান্ডএম,
- ইন্ডিটেক্স,
- প্রাইমার্ক,
- ডেনমার্কের বেস্টসেলার,
- যুক্তরাজ্যের মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার,
- নেদারল্যান্ডসের সিঅ্যান্ডএ,
- জাপানের ইউনিক্লো,
- পোল্যান্ডের এলপিপি,
- যুক্তরাজ্যের নেক্সট ও
- পোল্যান্ডের পেপকো।

উৎস: প্রথম আলো (২৩ ডিসেম্বর ২০২৪)।
১১,৩৪৫.
বাংলাদেশ সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-১১৯
  2. অনুচ্ছেদ-১০২
  3. অনুচ্ছেদ-১১৮
  4. অনুচ্ছেদ-১১৭
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ-১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।
- অনুচ্ছেদ-১১৭(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ
- (ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
- (খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;
- (গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের 1[(৩)] দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।

অপরদিকে
- অনুচ্ছেদ-১০৮। "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট;
- অনুচ্ছেদ-১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ-১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা;

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১১,৩৪৬.
নিম্নের কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত?
  1. APEC
  2. SAARC
  3. ADB
  4. BIMSTEC
ব্যাখ্যা

• BIMSTEC:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-operation.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- সংস্থাটির সদর দপ্তর- ঢাকা, বাংলাদেশ।

• সদস্য দেশ এগুলো হলো:
→ বাংলাদেশ,
→ ভারত,
→ শ্রীলঙ্কা,
→ থাইল্যান্ড,
→ মিয়ানমার,
→ নেপাল ও
→ ভুটান।

অন্যদিকে,
• SAARC -এর সদর দপ্তর- নেপাল।
• APEC এর সদর দপ্তর- সিঙ্গাপুর।
• ADB এর সদর দপ্তর- ফিলিপাইন।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

১১,৩৪৭.
দ্বিতীয় সংশোধনীর বিষয়বস্তু হলো-
  1. ক) রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
  2. খ) জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান চালু করা।
  3. গ) যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন
  4. ঘ) সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী
• সংসদে উত্থাপন: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
• উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর
• সংসদে গৃহীত: ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
• রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার বিধান চালু করা হয়। এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনের ফলে -
১. সংবিধানের ২৬, ৬৩, ৭২ ও ১৪২ নং অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়; 
২. ৩৩ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত হয়, এবং 
৩. সংবিধানে একটি নতুন ভাগ, যথা ভাগ ৯ক সংযুক্ত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বই।
১১,৩৪৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত-
  1. কৃষি খাত
  2. শিল্প খাত
  3. সেবা খাত
  4. পর্যটন খাত
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।

উল্লেখ্য,
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত – কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত – শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত – শিল্পখাত;

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১১,৩৪৯.
'ফ্লোর ক্রসিং' এর বিধান সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ৭৭নং অনুচ্ছেদে
  2. ৭০নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৯নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৯নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ৭০ তম অনুচ্ছেদে ফ্লোর ক্রসিং সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটি সংসদ সদস্যদের নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বোঝায়।
- এর মাধ্যমে একজন সংসদ সদস্য যদি নিজ দলের পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের পক্ষে ভোট দেন, এটাকে ফ্লোর ক্রসিং হিসেবে গণ্য করা হয়।

অন্যদিকে: 
- ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পালদের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতার বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভের সুযোগের সমতা কথা বলা হয়েছে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৩৫০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা কোনটি?
  1. রংপুর
  2. পিরোজপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. জামালপুর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১১,৩৫১.
বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ পরিচালনা করেন কে?
  1. ফতেহ লোহানী
  2. খান আতাউর রহমান
  3. আবদুল জব্বার খান
  4. গোলাম মুস্তাফা
ব্যাখ্যা

‘মুখ ও মুখোশ’:
- বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- দিনটি ছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩১ মে, ২০২৩।

১১,৩৫২.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়?
  1. ১০ম
  2. ১২তম
  3. ১১তম
  4. ১৪তম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনী আইন বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

⇒ এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়,
- জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

তাছাড়া,
- সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।

অন্যদিকে -
- দশম সংশোধনীতে নারীদের জন্য সংসদে আসন ১৫ থেকে ৩০ এ বাড়ানো হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১১,৩৫৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাহী বিভাগ
  2. উপজাতি
  3. সুযোগের সমতা
  4. বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদসমূহ:
 
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২৩নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
- ২৩(ক) অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৩৫৪.
আনন্দবিহার কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. রাজা আনন্দদেব
  2. রাজা কুমারগুপ্ত
  3. রাজা ধর্মপাল
  4. রাজা ভবদেব
ব্যাখ্যা
আনন্দবিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- এ বিহার ময়নামতিতে আবিষ্কৃত সৌধমালার মধ্যে সর্ববৃহৎ।
- এ এলাকার সর্ববৃহৎ পুষ্করিণীসহ আনন্দবিহার কমপ্লেক্সটি সাত শতকের শেষ বা আট শতকের প্রথম দিকের কোনো এক সময়ে প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব কর্তৃক নির্মিত হয়।

⇒ দেববংশীর রাজা ভবদেব এই বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঐ সময় বিহারটি এশিয়ার জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র বিন্দুতে পরিগণিত হয়।
- সেই সময় একে বিশ্বিবদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- তার প্রমাণ হলো, বিখ্যাত চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং আনন্দ বিহারে আসেন এবং তিনি এখানে প্রায় ৪০০০ ভিক্ষু ও ময়নামতি অঞ্চলে ৩৫টি শিক্ষাকেন্দ্র দেখতে পান।
- যার কারণে তিনি কুমিল্লাবাসীকে প্রবল শিক্ষানুরাগী বলে আখ্যায়িত করেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ভারতের নালন্দের পর এশিয়ার দি¦তীয় বৃহত্তম শিক্ষাকেন্দ্র ছিলো লালমাই-ময়নামতি অঞ্চল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৩৫৫.
নির্বাচনে মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়-
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা নেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। দলগুলো ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজাম- ই-ইসলামী এবং বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।
এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা ভাসানী ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো।
১১,৩৫৬.
বাংলাদেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব কে?
  1. রেহেনা পারভীন
  2. ফাহমিদা সুলতানা
  3. ইয়াসমিন সুলতানা
  4. পারভীন জাহান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী শিক্ষা সচিব নিয়োগ পেলেন রেহানা পারভীন।
- তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন ।
- এর আগে তিনি জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (NSDA) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) ছিলেন।
- সোমবার, ১৮ আগস্ট-২০২৫, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়।
- প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: ইত্তেফাক [লিংক]

১১,৩৫৭.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ৬ষ্ঠ আদমশুমারি ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে পরিচালিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১১,৩৫৮.
মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের কতটি স্তর ছিল?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) ছয়টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র’ ব্যবস্থাটি আইয়ুব খানের অভিনব উদ্ভাবন। ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা। মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল: (১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়), (২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে), (৩) জেলা কাউন্সিল এবং (৪) বিভাগীয় কাউন্সিল। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩৫৯.
সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ক) সমাবেশের স্বাধীনতা
  2. খ) সংগঠনের স্বাধীনতা
  3. গ) পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  4. ঘ) চলাফেরার স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• ৩৬ নং অনুচ্ছেদ : চলাফেরার স্বাধীনতা
• ৩৭ নং অনুচ্ছেদ : সমাবেশের স্বাধীনতা।
• ৩৮ নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা।
• ৪০ নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৩৬০.
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে একই দিনে আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ নামে একটি আদেশ জারি করেন। স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা রক্ষার্থে এটা করা হয়।
অর্থাৎ ২৬ মার্চ থেকে এটি বলবৎ হয়।

- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।

- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

১১,৩৬১.
দেশের প্রথম 'এলিফ্যান্ট ওভারপাস' কোথায় অবস্থিত?
  1. লাংলোক, বান্দরবান
  2. লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
  3. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  4. নলিতাবাড়ী, শেরপুর
ব্যাখ্যা
এলিফ্যান্ট ওভারপাস:
- চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের বুক চিরে নির্মিত হয়েছে এশিয়ার প্রথম 'এলিফ্যান্ট ওভারপাস'।
- দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের কারণে বন্যপ্রাণী চলাচলে যেন বাধা সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এ উদ্যোগ।
- এ ওভারপাসের ওপর অংশ দিয়ে হাতি ও নিচ দিয়ে ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার রেললাইনের চুনতি, ফাঁসিয়াখালি ও মেধাকচ্ছপিয়ায় তিনটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রয়েছে।
- এর মধ্যে চুনতিতে হয়ে গেছে প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস। 

তথ্যসূত্র - ৮ অক্টোবর ২০২৩, সময় নিউজ।
১১,৩৬২.
কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশ এমডিজি-২০১০ পুরস্কার পায়?
  1. ক) শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস
  2. খ) মাতৃমৃত্যুর হার হাস
  3. গ) দারিদ্র্য বিমোচন
  4. ঘ) জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার হ্রাস
ব্যাখ্যা
শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসের ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বাংলাদেশ এমডিজি-২০১০ পুরস্কার লাভ করে ।
১১,৩৬৩.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) মেহেরপুর
  4. ঘ) চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত এবং এর পূর্ব নাম - বৈদ্যনাথতলা।
- এখানেই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) শপথ গ্রহণ করে।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।

Source: banglapedia.org
১১,৩৬৪.
নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন কে?
  1. ক) ফ্রেডেরিক বারোজ
  2. খ) ব্যামফিল্ড ফুলার
  3. গ) ক্রিস্টোফার ক্রিপস
  4. ঘ) পেথিক লরেন্স
ব্যাখ্যা
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয়। এর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, জলপাইগুড়ি, মালদহ, পার্বত্য ত্রিপুরা ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়।
এর প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিযুক্ত হন স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার। তিনি ১৯০৬ সালের ২০ আগস্ট লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী ছিলো ঢাকা। কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতার কারণে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১১,৩৬৫.
উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) জামাই ষষ্ঠী
  2. খ) ধ্রুব
  3. গ) মুখ ও মুখোশ
  4. ঘ) সংগম
ব্যাখ্যা
অমরেন্দ্রনাথ চৌধুরী পরিচালিত ‘জামাই ষষ্ঠী’ হলো উপমহাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।

- হীরালাল সেন পরিচালিত ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’ হলো উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
১১,৩৬৬.
কবে থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কার্যকর হয়?
  1. ক) ০৭ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা।
বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে একই দিনে আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ নামে একটি আদেশ জারি করেন। স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা রক্ষার্থে এটা করা হয়।
অর্থ্যাৎ ২৬ মার্চ থেকে এটি বলবৎ হয়।

- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয়।
- ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে ঘোষণা করা হয়।

- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১১,৩৬৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে স্পীকার দায়িত্ব পালন করতে পারবে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫২
  2. অনুচ্ছেদ ৫৩
  3. অনুচ্ছেদ ৫৪
  4. অনুচ্ছেদ ৪৯
ব্যাখ্যা
• ৫৪ নং অনুচ্ছেদ:
সংবিধানের ৫৪ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
সংবিধানের ৫৪ নং অনুচ্ছদের সংবিধানের ভাষায় বলা হয়েছে- 
''রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত  স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।''  

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিসংশন বিষয়ে বলা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ৪৯ - রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
অনুচ্ছেদ ৫৩- অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান
১১,৩৬৮.
চট্টগ্রামের নাম ইসলামাবাদ রাখেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. ঈশা খাঁ
  3. মীর জুমলা
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

সুবেদার শায়েস্তা খান: 
- শায়েস্তা খান ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- তার সময়ে আরাকানের মগ ও পর্তুগীজ (ফিরিঙ্গি) জলদস্যুরা মিলিত হয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা এলাকায় লুটতরাজ করে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
- তারা মানুষকে ধরে নিয়ে ইউরোপীয় বণিকদের নিকট বিক্রি করত।
- মগরা আবার অনেককে আরাকানে নিয়ে যেত এবং পুরুষদেরকে মজুরের কাজে লাগাত ও মেয়েদেরকে দাসী করে রাখত।
- তিনি মগ জলদস্যুদের বিতাড়িত করার জন্য বহু রণতরী নির্মাণ করেন এবং বিভিন্ন স্থান থেকে রণতরী সংগ্রহ করেন।
- চট্টগ্রাম থেকে মগদের বিতাড়ন ও চট্টগ্রাম জয় শায়েস্তা খানের সুবাদারির কৃতিত্বপূর্ণ কাজ।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী শায়েস্তা খান চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩৬৯.
সমতটের রাজধানী বড়কামতা কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. নোয়াখালী
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সমতট:
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- তবে ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
- রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়কামতা।
- কুমিল্লার লালমাই-ময়নামতিকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।

উল্লেখ্য,
- সমুদ্রগুপ্তের সময় থেকে (চতুর্থ শতাব্দী) এর স্বতন্ত্র অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।
- চন্দ্রবংশীয় রাজা ভবদেবের আমলে (সপ্তম শতাব্দী) ময়নামতীতে শালবন বিহার তৈরি হয়।
- বিভিন্ন সময় উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন লিপিতে ‘দেবপর্বত’কে সমতটের রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন হিউয়েন সাঙ।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১১,৩৭০.
একুশে পদক প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বাংলা একাডেমি
  2. সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়
  3. মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
একুশে পদক: 
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। 
- বাংলাদেশ সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার প্রদান করে। 
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন। 
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়। 
- ১৯৭৬ সালে সাহিত্য, সাংবাদিকতা এবং শিক্ষায় মোট ৯ জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। 

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১১,৩৭১.
আনন্দ শিপইর্য়াড কর্তৃক রপ্তানিকৃত প্রথম জাহাজ কোনটি? 
  1. এম ভি প্রিন্স অব ওয়েলস
  2. এম ভি সুন্দরবন
  3. এমভি স্টেলা ম্যারিস
  4. এম ভি মেঘনা
ব্যাখ্যা

আনন্দ শিপইয়ার্ড:
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম শিপইয়ার্ড।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি ১৯৯৯ সালে এটি বেসরকারি লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০০৯ সালে সরকারিভাবে যাত্রা শুরু করে।
- উৎপাদন সুবিধা এবং ক্ষমতা: এর উৎপাদন এলাকা ৮০,০০০ বর্গমিটার। 
- এই শিপইয়ার্ডটি বছরে ৩০,০০০ টন ইস্পাত ব্যবহার করে জাহাজ উৎপাদনের ক্ষমতা রাখে।

⇒ বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল।

উৎস: i) আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১১,৩৭২.
“আমার সোনার বাংলা” কবিতার কয়টি চরণ জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. প্রথম চার
  2. প্রথম ছয়
  3. প্রথম আট
  4. প্রথম দশ
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক:
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৪: 
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ ৷ 
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত৷ 
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা৷ 
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান। 

১১,৩৭৩.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ? 
  1. ৫১.৬২%
  2. ৩৭.৪৪%
  3. ১০.৯৪%
  4. ১২.৩৪%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%। -
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১১,৩৭৪.
বাঙালির সর্বজনীন লোকউৎসব কোনটি?
  1. ঈদ উৎসব
  2. দূর্গাপূজা
  3. বিজয় দিবস
  4. বাংলা নববর্ষ
ব্যাখ্যা
• বাংলা নববর্ষ:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালির একটি সর্বজনীন  লোকউৎসব। 
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতু নির্ভর।
- এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- নতুন সনটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৩৭৫.
খরা সহিষ্ণু ধানের জাত নিচের কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬৬
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১১,৩৭৬.
বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগজের মুদ্রা চালু হয় -
  1. ২ মার্চ, ১৯৭২
  2. ৪ মার্চ, ১৯৭২
  3. ৮ মার্চ, ১৯৭২
  4. ১২ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব কাগজের মুদ্রা চালু হয় ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ।
- বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত ১ টাকার নোট ছিল সেটি।
- সেই সঙ্গে চালু হয় ১০০ টাকার নোট।
- এতে তখনকার অর্থসচিব কে এ জামানের স্বাক্ষর সংযুক্ত ছিলো।
- এ নোট বাজারে ছাড়া হয় সেদিনই আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের মুদ্রার নাম দেয়া হয় টাকা।
- এটি ছাপা হয়েছিলো ভারতীয় সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেসে।
- এর পরের সিরিজের টাকা ছাপানো হয়েছিলো যুক্তরাজ্য থেকে।
- তখনই একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা হয়েছিলো যাতে ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, পটুয়া কামরুল হাসান ও শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী।
- এর আগ পর্যন্ত লেনদেনে পাকিস্তানি রুপি ব্যবহার করা হতো।
- কেউ কেউ ভারতীয় রুপিও গ্রহণ করতেন।
- স্বাধীন দেশের মুদ্রার নামকরণ করা হয় টাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২ মে ১০ টাকা মূল্যমানের নোট এবং ২ জুন বাজারে আসে ৫ টাকা মূল্যমানের নোট।
- বাংলা সিরিয়াল নম্বর দিয়ে নোট চালু হয় ১৯৭৩ সালে।
- দেশে ২ টাকার নোট চালু হয় ১৯৮৮ সালে।
- ৫০ ও ৫০০ টাকার নোট প্রচলন করা হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০ টাকার নোট প্রথম বাজারে আসে ১৯৭৯ সালে।
- ২০০৯ সালের ১৭ই জুলাই বাজারে আনা হয় ১০০০ টাকার নোট।
- ২০২০ সালে বাজারে আসে ২০০ টাকার নোট।

উৎস: i) ২০ এপ্রিল ২০২২, বিবিসি বাংলা।
ii) ২৩ মে ২০২৩, প্রথম আলো।
১১,৩৭৭.
ঐতিহাসিক ছয়দফা দাবি প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. ক) আগরতলায়
  2. খ) করাচিতে
  3. গ) লাহোরে
  4. ঘ) ঢাকায়
ব্যাখ্যা
 ছয়দফা দাবি
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে। 
- তিনি ছয়দফা ভিত্তিক আন্দোলনও গড়ে তোলেন।
- ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
- ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ছয়দফার আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৭৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'সংসদ-প্রতিষ্ঠা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৩
  2. অনুচ্ছেদ ৬৪
  3. অনুচ্ছেদ ৬৫
  4. অনুচ্ছেদ ৬৬
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ - সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬ - সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭ - সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮ - সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯ - শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০ - রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১,৩৭৯.
নিচের কোন সম্প্রদায়ে মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা চালু আছে?
  1. মণিপুরী
  2. সাঁওতাল
  3. মারমা
  4. গারো
ব্যাখ্যা

গারো:
- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম  ‘আচিক খুসিক’ বা 'মান্দি খুসিক'।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত। 
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- বর্তমানে গারোদের বেশিরভাগই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।

উল্লেখ্য,
- সাঁওতাল সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
- চাকমা পরিবার পিতৃতান্ত্রিক ও পিতৃসূত্রীয়।
- মণিপুরী উপজাতির মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক পরিবারব্যবস্থা চালু রয়েছে। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

১১,৩৮০.
ডা. মিলন কোন আন্দোলনের সময় শহিদ হয়েছিলেন?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন:
- ডা. মিলন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় শহিদ হয়েছিলেন।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর, ছাত্র-জনতা-পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর আন্দোলনের ফলে স্বৈরাচারী শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতন ঘটেছিল।
- নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর ঢাকার জিরো পয়েন্টে পুলিশের গুলিতে নূর হোসেন মারা যান। তাঁর গায়ে সাদা রঙ দিয়ে লেখা ছিল "স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক"।
- এই আন্দোলনে প্রাণ হারান নূর হোসেন, সেলিম, দেলোয়ার, তাজুল, ডা. মিলন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অনেক আন্দোলনকারী।
- শেষপর্যন্ত, স্বৈরাচারী শাসক এরশাদকে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য করা হয়।

সূত্র: প্রথম আল ও বাংলাপিডিয়া। 
১১,৩৮১.
প্রথম বিদেশী হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স” পেয়েছেন -
  1. মুহাম্মদ আল সিহার
  2. সায়েদ মোহাম্মদ আল মেহেরি
  3. মাহাথির মোহাম্মদ
  4. শ্যাম মানেকশ
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক পুরস্কারঃ
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স”। কূটনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একজন দেশি ও একজন বিদেশি কূটনীতিককে প্রতিবছর পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার লাভ করেন-
দেশি কূটনীতিকঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (UNCLOS) রিয়াল এডমিরাল (অব.) এম খোরশেদ আলম। তিনি মিয়ানমার ও ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বিদেশি কূটনীতিকঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সায়েদ মোহাম্মদ আল মেহেরি। তিনি বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্কোন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখেন।

১১,৩৮২.
নওয়াব আব্দুল লতিফকে প্রথমে কোন উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. নওয়াব
  2. খান বাহাদুর
  3. নওয়াব বাহাদুর
  4. লর্ড
ব্যাখ্যা

নওয়াব আব্দুল লতিফ:
- তিনি ১৮২৮ সালে ফরিদপুর জেলার রাজাপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- কর্মজীবনে তাঁর কৃতিত্বের জন্য সরকার তাঁকে প্রথমে ‘খান বাহাদুর’, পরে ‘নওয়াব’ এবং ‘নওয়াব বাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দ: আয়োজন করেন ‘মুসলমান ছাত্রদের পক্ষে ইংরেজি শিক্ষার সুফল’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা।
- শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান: কোলকাতা মাদরাসায় অ্যাংলো-পার্সিয়ান বিভাগ খোলার প্রচেষ্টা।
- সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদান: ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি বা মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,৩৮৩.
শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেন কে?
  1. জিল্লুর রহমান
  2. আব্দুর রাজ্জাক
  3. তোফায়েল আহমেদ
  4. আমির হোসেন আমু
ব্যাখ্যা
'বঙ্গবন্ধু' উপাধি:

- ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তি দেয়া হয় রাজবন্দীদেরও।
- শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি লাভে ঢাকায় আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি (১৯৬৯) ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দি উদ্যান) শেখ মুজিবকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
- পাঁচ লক্ষ লোকের উপস্থিতিতে উক্ত সমাবেশে ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদের প্রস্তাবনায় শেখ মুজিবকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- উক্ত সভাতেই ‘জয় বাংলা' স্লোগানের উদ্ভব ঘটে।
- সভায় ‘বঙ্গবন্ধু’ ছয়দফা ও এগার দফা দাবি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৮৪.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. এ. কে. ফজলুল হক
  2. খাজা নাজিমউদ্দিন
  3. হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী:
- তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ১৮৯২ সালে।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি (সম্মান) ও বি.সি.এল ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরে লন্ডনের গ্রেইজ ইন থেকে ব্যরিস্টার-এট-ল সম্পন্ন করেন।
- ১৯২০ সালে ইংল্যান্ড থেকে ভারতে ফিরেই তিনি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৪ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র, ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী, ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী, ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী।
- প্রথম ও প্রধান বিরোধীদল আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও সোহ্‌রাওয়ার্দীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- ১৯৫৫ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী দলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করলে সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এন.ডি.এফ) গঠন করে তিনি ১৯৬২-৬৩ সালের আইয়ুব-বিরোধী সম্মিলিত জোটের আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।
১১,৩৮৫.
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা সংঘটিত হয়-
  1. ২৮ মার্চ ২০২১
  2. ১৮ মার্চ ২০২১
  3. ১৮ মার্চ ২০২০
  4. ২৮ মার্চ ২০২০
ব্যাখ্যা
করোনা ভাইরাস:

- বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসে প্রথম মৃত্যু ঘটনা সংঘটিত হয় - ১৮ মার্চ, ২০২০।
- বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত দেশে এই প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলো।
- সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা এ তথ্য জানান।
- মারা যাওয়া ব্যক্তি বিদেশ থেকে আসা ও সংক্রমিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন জানা গেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ এপ্রিল, ২০২০।
১১,৩৮৬.
'ইরান দুখত' নামটি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. সোনারগাঁও
  2. মহাস্থানগড়
  3. কেল্লা আওরঙ্গবাদ
  4. আহসান মঞ্জিল
ব্যাখ্যা
- 'ইরান দুখত' নামটি লালবাগ কেল্লা বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ এর সাথে সম্পর্কিত।

লালবাগ কেল্লা বা কেল্লা আওরঙ্গবাদ:
- লালবাগ কেল্লার প্রথমে নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এটি পুরোনো ঢাকার লালবাগে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি মুঘল আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন।
- এই কেল্লার নকশা করেন আজম শাহ।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান।
- এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- এই পরী বিবির সাথে শাহজাদা আজম শাহের বিয়ে ঠিক হয়েছিল।
- পরী বিবির অপর নাম ছিল ইরান দুখত।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১,৩৮৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৭
  2. অনুচ্ছেদ ৯৮
  3. অনুচ্ছেদ ৯৯
  4. অনুচ্ছেদ ১০০
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১১,৩৮৮.
বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ৩১তম
  2. ৩৩তম
  3. ৩৪তম
  4. ৩৫তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের ৩৩তম সদস্য:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কাছে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল’ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করেছে রাশিয়া।
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।

উৎস: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১১,৩৮৯.
কতজন প্রতিনিধি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়?
  1. ক) ৯ জন
  2. খ) ১২ জন
  3. গ) ১৩ জন
  4. ঘ) ১৫ জন
ব্যাখ্যা
• ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- চেয়ারম্যান - ১ জন,
- নির্বাচিত সদস্য - ৯ জন এবং
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য - ৩ জন

উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১,৩৯০.
চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত-
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) হেমায়েতপুর
  3. গ) মিরসরাই
  4. ঘ) হাজারীবাগ
ব্যাখ্যা

- সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত।
- পুরাতন ঢাকার হাজারীবাগে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা ট্যানারি সমূহকে সাভারে স্থানান্তরের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে সরকার এই শিল্পনগরী প্রকল্পের অনুমোদন দেয় যা ২০০৫ সালে সমাপ্ত হওয়ার কথা।
- তবে এর মেয়াদ বাড়িয়ে তা ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।
- মোট ২০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পনগরীতে ২০৫ টি প্লট রয়েছে।

উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১১,৩৯১.
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
- সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
- বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

যথা –
খরিফ ফসল – বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
রবি ফসল – শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের ফসলের সার্বিক চিত্রটি মূলত পরবর্তী বছরের ফসল উৎপাদনের অনুমান/সম্ভাব্য (Estimation) উৎপাদন। তাই প্রকৃত উৎপাদনের তথ্যের সাথে এই পরিসংখ্যানের তথ্যের মিল থাকে না।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২।
১১,৩৯২.
সংসদ প্রণীত আইন অনুমোদন করেন কে?
  1. ক) আইনমন্ত্রী
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে। সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান। সবার উর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁকে প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়ােগ করেন। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমােদন করেন।
সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান। প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তার নামে পরিচালিত হয়। তার হাতে কোনাে নির্বাহী ক্ষমতা নেই।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি

১১,৩৯৩.
সংযুক্ত আরব আমিরাত কত সালে প্রথম ক্লাউড সিডিং পরীক্ষা করে?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ক্লাউড সিডিং
- সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৮২ সালে প্রথম ক্লাউড সিডিং পরীক্ষা করে।
- ২০০০ এর দশকের গোড়ার দিকে উপসাগরীয় দেশটির কৃত্রিম বৃষ্টির প্রোগ্রামটি কলোরাডো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর অ্যাটমোস্ফিয়ারিক রিসার্চ (এনসিএআর), দক্ষিণ আফ্রিকার উইটওয়াটারসরান্ড ইউনিভার্সিটির এবং নাসার সঙ্গে যৌথ বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত গবেষণার মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়েছিল।
- মরুর দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলীয় অঞ্চলে দুবাইয়ের অবস্থান।
- দুবাই সাধারণত খুব শুষ্ক থাকে। বছরে এখানে গড়ে ১০০ মিলিমিটারের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়। তবে মাঝে মাঝে দুবাইকে চরম বৃষ্টিপাতের সম্মুখীনও হতে হয়।
- দুবাই থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরের শহর আল-আইন। সেখানে ২৪ ঘণ্টায় ২৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
- আকাশে সঞ্চিত মেঘের চারপাশে একটি স্থির নিম্নচাপ তৈরি হয়। যার ফলে সেখানে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস জমা হতে থাকে। সেখানে আবহাওয়ার অন্যান্য উপাদানগুলো আসেতে পারে না। আবহাওয়া বিজ্ঞানে এটিকে 'কাট-অফ লো প্রেশার ওয়েদার সিস্টেম' বলা হয়।

সূত্র- বিবিসি।  
১১,৩৯৪.
নিচের কোন জেলায় কন্দ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. বান্দরবান
  2. মৌলভীবাজার
  3. কক্সবাজার
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

কন্দ:
- কন্দ বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- আবাসস্থল: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ।
- অন্যান্য জনগোষ্ঠীর লোকেরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে।
- কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা ৫টি দলে বিভক্ত। এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দ সমাজব্যবস্থা পুরুষতান্ত্রিক।
- পরিবারের পুত্রসন্তানেরাই পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- কন্দরা হিন্দুদের মতই বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় এসব দেবদেবীর নামকরণ করা হয়েছে যেমন ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১১,৩৯৫.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ৯ টি
  2. ১০ টি
  3. ১১ টি
  4. ১২ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে — ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র:
- বাংলাপিডিয়া।
১১,৩৯৬.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সংখ্যা কতজন ছিল?
  1. ৬ জন
  2. ৭ জন
  3. ৮ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৯৭.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু হয় কবে?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭০ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র: 
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপিত হয়েছিল চট্টগ্রামের কালুরঘাটে। 
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র চালু হয় ২৬ মার্চ, ১৯৭১। 
- ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রটি পাকিস্তান হানাদার বিমান বাহিনীর বোমা বর্ষণের স্বীকার হয়। 
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র’ ও ‘জল্লাদের দরবার’। 
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রের মাধ্যমে চিত্রিত করা হয়েছে। 
- চরমপত্র সিরিজটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নান। 
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত 'চরমপত্র' পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন এম আর আখতার মুকুল। 
- পরবর্তীতে, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্থায়ী সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর স্বাধীন দেশের বেতার কেন্দ্র হিসেবে এর নতুন নাম হয় 'বাংলাদেশ বেতার'।
- বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসে এবং সেদিন থেকেই স্বাধীন দেশের রেডিও হিসেবে বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার কাজ শুরু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
১১,৩৯৮.
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (LDC) থেকে বেরিয়ে যাবে -
  1. ১৪ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
  4. ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
ব্যাখ্যা

LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ এ তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা।
- এলডিসি থেকে বের হলে বাংলাদেশের কিছু বাণিজ্য ও অন্যান্য সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- LDC থেকে মুক্ত হলে বাংলাদেশ ৩টি সুবিধা হারাবে।
- বাংলাদেশ যদি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্কছাড় সুবিধা কমবে, বিদেশি ঋণের সুদের হার বাড়বে এবং দেশি শিল্পকারখানা তীব্র প্রতিযোগিতায় পড়ে অনেকগুলো বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
- কিছু দেশ ও অঞ্চলে বাংলাদেশের বাণিজ্যে শুল্কছাড় সুবিধা ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকবে, আর ওষুধ উৎপাদনে মেধাস্বত্বে ছাড় সুবিধা থাকবে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট। [link]

১১,৩৯৯.
শেখ রাসেল সেনানিবাস অবস্থিত -
  1. ক) গোপালগঞ্জ
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) মাদারীপুর
  4. ঘ) শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
শেখ রাসেল সেনানিবাস:
- শেখ রাসেল সেনানিবাস হলো বাংলাদেশের শরীয়তপুরের জাজিরায় অবস্থিত।
- পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য এই সেনানিবাস নির্মাণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই সেনানিবাসের নাম শেখ রাসেলের নামে রেখেছে।
- ২০২২ সালের ২৯ মার্চ তারিখে এই সেনানিবাস উদ্বোধন করা হয়।
- এটি ২৩৫ একর জমি জুড়ে অবস্থিত।
- এই সেনানিবাসে তিনটি প্রধান ইউনিট রয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য গঠিত ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড এই সেনানিবাসে থাকছে।

উৎস: ২৯ মার্চ, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
১১,৪০০.
নিচের কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিলো?
  1. ক) চেমসফোর্ড-মন্টেগু সংস্কার আইন
  2. খ) চট্টগ্রাম অস্ত্রগার লুন্ঠন
  3. গ) মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন
  4. ঘ) বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পাদন
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ঘটনাসমূহের মধ্যে সবার আগের ঘটনা হলো মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন। ১৯০৯ সালে মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন প্রবর্তিত হয়। এই আইনে প্রথমবারের মতো মুসলমানদের জন্যে পৃথক নির্বাচনের বিধান গৃহীত হয়।

অন্যদিকে,

- চেমসফোর্ড-মন্টেগু সংস্কার আইন : ১৯১৯ সালে
- বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পাদিত হয় : ১৯২৩ সালে
- চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন : ১৯৩০ সালে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)