বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১০ / ৩০৬ · ১০,৯০১১১,০০০ / ৩০,৮৩২

১০,৯০১.
“হীরে, মুক্তা, নিজামী” কোনটির উন্নত জাতের নাম?  
  1. আলু
  2. ধান
  3. পুঁই শাক
  4. মরিচ 
ব্যাখ্যা

• ফসলের উন্নত জাতের নাম:
- ধান এর উন্নত জাতের নাম-
- আশা, হীরে, মুক্তা, নিজামী, বিপ্লবী, রহমত, চান্দিনা, ময়না, প্রগতি, ইরিশাইল, ব্রিশাইল, কিরন, ইরাটম, উফসী, ইছামতী, সোনার বাংলা-১, গাজী (বি-আর ১৪)।
-------------------------
অন্যদিকে,
• আলুর উন্নত জাতের নাম- ডায়মন্ড, কুফরী, সিন্দুরী, কার্ডিনাল।
• পুঁই শাকের উন্নত জাতের নাম- সবুজ, চিত্রা।
• মিষ্টি কুমড়ার উন্নত জাতের নাম- হাজী ও দানেশ। 
---------------------
উল্লেখ্য,
• আরও কিছু ফসলের নাম ও জনপ্রিয় জাত:

• টমেটো: মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী, অপূর্ব।
• কলা: কানাইবাসি, মোহনবাসি, অগ্নিশ্বর, বীটজবা, চম্পা। 
• পাট: সিভিএল, তোষা। 
• ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্র, মোহর, সুপার সুইট কর্ন, উত্তরণ।
• গম: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, শতাব্দী, আকবর, বরকত।
• আম: মহানন্দা, মোহনভোগ, গোপালভোগ, গৌড়মতি।
• তামাক: সুমাত্রা, ম্যানিলা।
• বেগুন: উত্তরা, শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, কাজল।
• তরমুজ: পদ্মা, মধুবালা।
• সরিষা: সফল, অগ্রণী, কল্যাণীয়া।
• পেয়ারা: কাজী, স্বরূপকাঠি, কাঞ্চননগর। 
• তুলা: রুপালি, ডেলফোস। 
• মরিচ: যমুনা, চন্দ্রমুখী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১০,৯০২.
গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে -
  1. ২২ মার্চ, ১৯৭২
  2. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৬ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় - ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন - শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে (আদেশটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ২৩ মার্চ, ১৯৭২)।
- সংবিধানে স্বাক্ষরের সময় গণপরিষদের মোট সদস্য - ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৯০৩.
কোন সুবাদারের সময় রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়েছিল?
  1. ক) শাহ সুজা
  2. খ) ইসলাম খান
  3. গ) মীর জুমলা
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
- ইসলাম খান বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থা পর্যালোচনা করে উপলব্ধি করেন যে, রাজধানী রাজমহল থেকে সারা বাংলাদেশের উপর সজাগ দৃষ্টি রাখা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- বাংলায় মোগল শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকজন দক্ষ নেতা বাধার সম্মুখীন হন। আকবরের সময় মানসিংহকে নিয়োগ
- দেয়া হলেও তিনি ঈসা খানের কাছে পরাজিত হলে মোগল শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীকালে জাহাঙ্গীরের সময়
- ইসলাম খান চিশতী সমগ্র বাংলাদেশে মোগল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯০৪.
সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার "স্বাধীনতা পদক" কোন সাল হতে চালু হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১০,৯০৫.
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হচ্ছে -
  1. ক) পারমাণবিক পদার্থ
  2. খ) কয়লা
  3. গ) ডিজেল
  4. ঘ) ফার্নেস তেল
ব্যাখ্যা
• রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে:
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)
- প্রকল্প ব্যয় - ১৬,০০০ কোটি টাকা।

→ তথ্যসূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ।
১০,৯০৬.
দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- এটিই দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- প্রকল্পটির আয়তন ২০০ একর।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ এপ্রিল, ২০১৮।

১০,৯০৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগে নিচের কোনটি রয়েছে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাচন
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. কর্ম কমিশন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচনের কথা রয়েছে।
- সপ্তম ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ: 
- অনুচ্ছেদ-১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ-১১৯:নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ-১২১: প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ-১২২:ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১০,৯০৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল কোনটি?
  1. অপারেশন পদ্মা
  2. অপারেশন নির্মূল
  3. অপারেশন জ্যাকপট
  4. অপারেশন পাইথন
ব্যাখ্যা

অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে  সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।

১০,৯০৯.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. সরকারি নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার
  2. সরকারি ক্ষমতা অর্জন
  3. সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করা।
  4. গোষ্ঠীগত স্বার্থ রক্ষা করা
ব্যাখ্যা

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ার উপরে প্রভাব
বিস্তার করে।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না।
- এরা সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।
- সরকারি ক্ষমতা দখল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উদ্দেশ্য নয় বরং সরকারি  নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করাই এর উদ্দেশ্য।
- সরকারি নীতি নির্ধারণে চাপ প্রয়োগ করে গোষ্ঠীগত স্বার্থ রক্ষা করাই চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রধান উদ্দেশ্য।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

১০,৯১০.
৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয় কোন অঞ্চলকে?
  1. খুলনা
  2. বরিশাল
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
৩৬০ আউলিয়ার দেশ: 
- হযরত শাহজালাল (র.) ছিলেন উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত দরবেশ ও পীর।
- সিলেট অঞ্চলে তার মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে।
- সিলেটের প্রথম মুসলমান শেখ বোরহান উদ্দিন (র.) এর ওপর রাজা গৌড়গোবিন্দের অত্যাচার এবং এর প্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল (র.) ও তাঁর সফরসঙ্গী ৩৬০ আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- এ কারণে সিলেটকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
- কেউ কেউ সিলেটকে পূণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১০,৯১১.
'কোটিবর্ষ' রাজধানী ছিল কোন জনপদের?
  1. রাঢ়
  2. হরিকেল
  3. গৌড়
  4. বঙ্গ
ব্যাখ্যা

রাঢ়: 
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
- একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূক্ষভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূক্ষদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল।

এছাড়াও,  
হরিকেল: 
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।

গৌড়: 
- গুড় উৎপাদনের কেন্দ্র বলে গৌড় নগর ও দেশের নামের উদ্ভব হয়।
- আর হয়ত এই গৌড়নগরকে ঘিরেই পরে গৌড় জনপদ গড়ে উঠেছিল।
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।  

বঙ্গ: 
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- মহাভারত, রামায়ণ ও হরিবংশেও রয়েছে বঙ্গ প্রসঙ্গ।
- মহাভারতের আদি অন্যান্য জনপদের সাথে উচ্চারিত হয়েছে বঙ্গের নাম।
- মহাকবি কালীদাসের রঘুবংশ কাব্যে আছে বঙ্গের অবস্থান ও সীমানা সম্পর্কিত কিছু তথ্য।
- তিনি ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলেছেন। আর এ অঞ্চলই সম্ভবত টলেমির 'গঙ্গরিডাই'।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়। একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ। 

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯১২.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,৯১৩.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানের মূল দায়িত্ব প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করা?
  1. NAPE
  2. NCTB
  3. NAEM
  4. NICAR
ব্যাখ্যা
NAPE:
- NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education.
- প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার প্রশিক্ষিত ও পেশাগত দক্ষতা সম্পন্ন মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে যোগ্যতাভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় দুই বছর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আইএড) কোর্স পরিচালিত হত।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজগুলো পরিবর্তন হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে শুরু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহ কলেজ অব এডুকেশনে কশনে মৌলিক শিক্ষা একাডেমি (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ও (National Academy for Primary Education)।
- ২০০৪ সালের ১লা অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়।

⇒ নেপের প্রশাসনিক ব্যবস্থপনায় নির্বাহী কর্মকর্তা- একজন মহাপরিচালক।
- নেপ পরিচালনার জন্য ১৪ সদস্যের বোর্ড অব গভর্নরস রয়েছে।

অন্যদিকে,
• NAEM (National Academy for Educational Management) জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি।
• NICAR (National Implementation Committee for Administrative Reform) প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১০,৯১৪.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ছিল মূলত-
  1. শিল্প সংক্রান্ত বন্দোবস্ত
  2. বাণিজ্য সংক্রান্ত বন্দোবস্ত
  3. শাসন সংক্রান্ত বন্দোবস্ত
  4. ভূমি সংক্রান্ত বন্দোবস্ত
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- নির্দিষ্ট রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর স্থায়ী মালিকানা দান করে যে ভূমি বন্দোবস্ত চালু করা হয় তাকেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বলা হয়।
- ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকে পরিণত করে এবং জমিদাররা জমির মালিকানা স্বত্ব লাভ করে।
- রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেয়ার ফলে নিয়মিত রাজস্ব প্রদানের বিনিময়ে জমিদার জমিদারী ভোগের চিরস্থায়ী অধিকার লাভ করে।
- এ প্রথা চালু হওয়ার ফলে জমিদারদের প্রশাসনিক ক্ষমতা বিলুপ্ত হয়। সরকার স্বয়ং শান্তি রক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- নজরানা ও বিক্রয় ফি সমূহ বাতিল করা হয়।
- খাজনা বাকি পড়লে জমিদারদের ভূমির কিছু অংশ বিক্রি করে রাজস্ব আদায় করার ব্যবস্থা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯১৫.
'তমদ্দুন মজলিস'-এর নেতা জনাব আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন?
  1. রসায়ন বিজ্ঞান
  2. গণিত
  3. ইতিহাস
  4. পদার্থ বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

⇒ 'তমদ্দুন মজলিস'-এর নেতা জনাব আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

♦ তমদ্দুন মজলিশ:
→ তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
→ তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
→ ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।
→ মদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল
→ অধ্যাপক আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ তমদ্দুন মজলিশের সভাপতি নির্বাচিত হন।
→ উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার উদ্যোগের বিরুদ্ধে বস্ত্তত তমদ্দুন মজলিশই প্রথম প্রতিবাদ উত্থাপন করে।
→ এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
→ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
→ তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
→ ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
→ পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
→ এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১০,৯১৬.
যুক্তফ্রন্টে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন কোন দলটি ছিল?
  1. নিজাম-ই-ইসলামী
  2. বামপন্থী গণতন্ত্রী দল
  3. আওয়ামী মুসলিম লীগ
  4. কৃষক-শ্রমিক পার্টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে পাকিস্তানের মুসলিম লীগ বিরোধী পূর্ব পাকিস্তানের কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনী মোর্চা বা জোট গঠন করে।
- এই জোট 'যুক্তফ্রন্ট' নামে পরিচিত।
- ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- যুক্তফ্রন্টে মূলত চারটি রাজনৈতিক দল ছিল।

এগুলো হলো:
- মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন: আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন: কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
- মাওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন: নিজাম-ই-ইসলামী এবং
- হাজী দানেশের নেতৃত্বাধীন: বামপন্থী গণতন্ত্রী দল। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯১৭.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে কত তারিখ ছিল?
  1. ২৯ অগ্রহায়ণ, ১৩৭৭ বঙ্গাব্দ
  2. ২৯ অগ্রহায়ণ, ১৩৭৮ বঙ্গাব্দ
  3. ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৩৭৮ বঙ্গাব্দ
  4. ২৮ অগ্রহায়ণ, ১৩৭৭ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা
বিজয় দিবস
- ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪:৩১ মিনিটে পাক বাহিনীর পক্ষে লে.জেনারেল নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্য নিয়ে রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে। 
- বাংলা ক্যালেন্ডার অনুসারে দিনটি ছিল  ২৯ অগ্রহায়ণ,১৩৭৮ বঙ্গাব্দ।

উল্লেখ্য, 
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৯ টি জেলার মধ্যে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর, যেটি ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ স্বাধীন হয়।

তথ্যসূত্র- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১০,৯১৮.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো- বিশ্বব্যাংক। 
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'। 
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
১০,৯১৯.
দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে----
  1. ক) নির্বাচন কমিশনের অনুতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  2. খ) আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  3. গ) সংশ্লিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  4. ঘ) কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
- দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে কোনক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না।
- কারণ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বা The representation of the peoples Order (RPO) এ বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার না হলে সে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
- উক্ত বিধিমালার ১২(১) ধারায় বর্ণিত জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য যোগ্যতা হলো - দেশের যে কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে হবে এবং কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেতে হবে।
উৎসঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
১০,৯২০.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ১৬.৭%
  2. ১৭.২%
  3. ১৮.৭%
  4. ১৯.৪%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

১০,৯২১.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডস-২০২০ লাভ করে?
  1. ক) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
  2. খ) ভূমি মন্ত্রণালয়
  3. গ) বাংলাদেশ বেতার
  4. ঘ) বারডেম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ‘ইউনাইটেড নেশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড-২০২০’ লাভ করেছে বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়।
ভূমি মন্ত্রণালয় 'ই-মিউটেশন' কার্যক্রমের জন্য ‘স্বচ্ছ ও জবাবদিহি সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিকাশ’ ক্যাটাগরিতে 'ইউনাইটেড নেশনস পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড ২০২০' পেয়েছে।
প্রতিবছর ২৩শে জুন জাতিসংঘ পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষ্যে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১০,৯২২.
ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়নে বাংলাদেশকে কোন দেশ সহায়তা করছে?
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১০,৯২৩.
বাংলাদেশে কত শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে?
  1. ৭২.৪ শতাংশ
  2. ৭৪.৫ শতাংশ
  3. ৭৭.৯ শতাংশ
  4. ৭৯.১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ Multiple Indicator Cluster Survey-2019 অনুসারে বাংলাদেশে ৭৭.৯ শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে।
অন্যদিকে,
- ২২.১ শতাংশ মানুষ শহরাঞ্চলে বসবাস করে।
- বিভাগ অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে ২৫.৩ শতাংশ।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে ৫.৭০ শতাংশ।
(সূত্র: Multiple Indicator Cluster Survey-2019)
১০,৯২৪.
প্রথম ডিজিটাল জনশুমারী ও গৃহ গণনা অনুযায়ী দেশের মোট উপজেলা কয়টি?
  1. ৪৮০ টি
  2. ৪৮৬ টি
  3. ৪৯০ টি
  4. ৪৯৫ টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন আছে - ১২টি।
- দেশে মোট উপজেলা আছে - ৪৯৫টি।
- মেট্রো থানা আছে - ১০৫টি।
- পৌরসভা আছে - ৩২৭টি।
- ইউনিয়নের সংখ্যা - ৪৫৯৬টি।
- মোট গ্রামের সংখ্যা - ৯০০৪৯টি।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১০,৯২৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের সঙ্গে কোন তথ্যগুলো অপ্রাসঙ্গিক?
  1. ২৭নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান
  2. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
  3. পঞ্চম ভাগের ৯৩ অনুচ্ছেদ বলে প্রধানমন্ত্রী অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন
  4. দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

অন্যদিকে -
- পঞ্চম ভাগের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৯২৬.
জাতীয় কর দিবস কবে?
  1. ক) ১ নভেম্বর
  2. খ) ৩০ নভেম্বর
  3. গ) ৩১ জুলাই
  4. ঘ) ৩১ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ‘জাতীয় আয়কর দিবস’ ৩০ নভেম্বর পালন করা হয়।
১০,৯২৭.
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে?
  1. এহসান খান
  2. সব্যসাচী হাজরা
  3. ফয়েজ উল্লাহ
  4. রোহানি বাহারিন
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।
- এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।
- ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- মুজিববর্ষের লোগোর নকশাকার সব্যসাচী হাজরা।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: i) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
          ii) ৭ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
১০,৯২৮.
বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা হয় কবে?
  1. দ্বাদশ শতকের শুরুতে
  2. ত্রয়োদশ শতকের শুরুতে
  3. চতুর্দশ শতকের শুরুতে
  4. একাদশ শতকের শেষে
ব্যাখ্যা

• বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা:
- তেরো শতকের শুরুতে তুর্কিসেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি বাংলার উত্তর ও উত্তরপশ্চিমাংশে সেন শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুসলমান শাসনের সূচনা করেন।
- বখতিয়ার খলজি ১১৯৫ খ্রিষ্টাব্দে জীবিকার অন্বেষণে গজনিতে আসেন। 
- সেখানকার শাসনকর্তা মালিক হিজবরউদ্দিন তাকে মাসিক বেতনে সৈন্য বিভাগেনিযুক্ত করেন। 
- বখতিয়ার অল্পসংখ্যক সৈন্য সংগ্রহ করে পার্শ্ববর্তী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্য আক্রমণ করতে শুরু করেন।
- এ সময়ে তার কথা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ভাগ্যান্বেষী মুসলমান তার সৈন্যদলে যোগদান করে।
- ফলে বখতিয়ারের সৈন্যসংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
- এভাবে পার্শ্ববর্তী এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে তিনি দক্ষিণ বিহারে এক প্রাচীরঘেরা দুর্গের মতো স্থানে আসেন এবং আক্রমণ করেন।
- বিহার দখলের পর বখতিয়ার অনেক ধনরত্নসহ দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
- নদীয়ায় আক্রমন করে লক্ষণ সেন কে পরাজিত করে বাংলায় মুসলিম শাসন সূচনা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি। 

১০,৯২৯.
১৯৭০ সালে পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে?
  1. ক) মুসলিম লীগ
  2. খ) আওয়ামী পার্টি
  3. গ) পিপলস পার্টি
  4. ঘ) আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা

- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- জাতীয় পরিষদের ৩১৩ টি আসনের ১৬৭ আসন এবং প্রাদেশিক পরিষদের ৩১০টি আসনের ২৯৮ আসনে জয় লাভ করে আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১০,৯৩০.
ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বাংলাদেশে আঘাত হানে-
  1. ক) ৯ নভেম্বর
  2. খ) ৭ অক্টোবর
  3. গ) ৯ মে
  4. ঘ) ২ ফেব্রুয়ারী
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। এর নামকরণ করে পাকিস্তান। এতে মোট ১৭ জন মারা যায়। ১৬ টি জেলার প্রায় ২০ লাখ লোক আক্রান্ত হয় এতে। একই বছরের ৩ মে ঘূর্ণিঝড় ফণী বাংলাদেশে আঘাত হানে। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
১০,৯৩১.
BSTI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Security & testing Institute
  2. Bangladesh Scientific Testing Institute
  3. Bangladesh Standards and Testing Institution
  4. Bangladesh ‍Society for Telecommunication & Information
ব্যাখ্যা
⇒ BSTI:
- বাংলাদেশের পণ্যের মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানকারী প্রতিষ্ঠান - BSTI
- এর পূর্ণরূপ - Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI)
এ উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময় পরে, ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তার আগে ১৯৫৬ সালে Colombo Plan এর অধীনে ঢাকায় Central Testing Laboratory (CTL) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ঢাকায় ১৯৬৩ সালে PSI এর অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে CTL এবং BDSI, এই দুটি সংস্থা পৃথক সত্তা হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্বে কার্যরত ছিল।

- বিগত ১৬ই মে ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী Science & Technology Division এর অধীন সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউশন (BDSI)-কে একীভূত করে ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।

- অতঃপর ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষিপণ্য বিপণন ও শ্রেণি বিন্যাস পরিদপ্তরটি বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।
- উক্ত অধ্যাদেশটি ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ -তে পরিণত করা হয়েছে।
- বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিএসটিআই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

উৎস: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।
১০,৯৩২.
২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া নার্গিস মোহাম্মদী কোন দেশের নাগরিক?
  1. ইরাক
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরান
  4. তুর্কুিয়ে
ব্যাখ্যা
• নোবেল পুরস্কার:
→ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।
→ ২০২৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভুষিত হন - নার্গিস মোহাম্মদী (ইরান)।
→ ইরানে নারী অধিকার রক্ষা, সবার জন্য মানবাধিকার নিশ্চিত এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য তার সংগ্রামের জন্য তিনি এবারের নোবেল পুরস্কার পান।

তথ্যসূত্র: নোবেল কমিটি ওয়েবসাইট।
১০,৯৩৩.
রূপকল্প-২০৪১ এর মেয়াদ শেষে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯ শতাংশ
  2. ৯.৫ শতাংশ
  3. ৯.৭ শতাংশ
  4. ৯.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:

- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯ শতাংশ।
- গড় মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৪ মার্কিন ডলার।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর।
- এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ দাঁড়াবে ৪৬.৯ শতাংশ এবং রাজস্ব আদায়ের হার দাঁড়াবে ২৪.১শতাংশ।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- দারিদ্র্য নিরসন, আয়বৈষম্য হ্রাস, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুত ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মতো ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে এই রূপকল্প প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
১০,৯৩৪.
বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন -
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. শায়েস্তা খান
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা
বাংলা নববর্ষ: 
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। 
- এ দিনটি বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়। 
- এটি বাঙালি জাতির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব। 
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে। 
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতু নির্ভর। 
- এই কৃষি কাজের সুবিধার্থেই মুঘল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন। 
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। 
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,৯৩৫.
বাংলাদেশের জিডিপি/জিএনআই হিসাবের ভিত্তি বছর-
  1. ক) ২০০২-০৩ অর্থবছর
  2. খ) ২০০৩-০৪ অর্থবছর
  3. গ) ২০০৫-০৬ অর্থবছর
  4. ঘ) ২০০৭-০৮ অর্থবছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপি/জিএনআই হিসাবের ভিত্তি বছর ২০০৫-০৬ অর্থবছর। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জিডিপি ২৫,৩৬,১৭৭ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জিএনআই ২৬,৪৯,৭৮৭ কোটি টাকা।
১০,৯৩৬.
'সূর্য দীঘল বাড়ি' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. শেখ নিয়ামত শাকের
  2. জহির রায়হান
  3. সুভাষ দত্ত
  4. খান আতা
ব্যাখ্যা
[সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে অপশন ‘ক’ গ্রহণ করা হয়েছে।]

• ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক হলেন শেখ নিয়ামত আলী এবং মসিহউদ্দিন শাকের।
- আবু ইসহাক রচিত ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ উপন্যাস অবলম্বনে ছবিটি ১৯৭৯ সালে নির্মিত হয়।
- এটি ছিলো সরকারি অনুদানে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র।

---------------------------
• 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাস:
- আবু ইসহাক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
- ১৯৫৫সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের গ্রাম জীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রন্থ।
- বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন 'সূর্য দীঘল বাড়ী'।
- জয়গুন এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।

• উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র:
- হাসু,
- মায়মুন,
- শাফি,
- ডা. রমেশ চক্রবর্তী,
- মোরল গদু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
১০,৯৩৭.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কতটি নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থার পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ৮১টি
  2. ৬১টি
  3. ৭৯টি
  4. ৬৫টি
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার ৮১টি নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংস্থা থেকে ৫৫ হাজার ৪৫৪ পর্যবেক্ষক ৩০০ নির্বাচনি আসনে পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
- তবে ৮১টির মধ্যে ১৭টি পর্যবেক্ষক সংস্থা থেকে এবার পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৪২৭ জন মোট পর্যবেক্ষকের ৬৪ শতাংশই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর।
- এবার শুধুুমাত্র পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট নামের একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে ১০ হাজার ৫৫৯ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
- দেশীয় পর্যবেক্ষকের পাশাপাশি ৩৯টি দেশ ও সংস্থার ৫০০ বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক এবারের নির্বাচনে পর্যবেক্ষণ ও সংবাদ সংগ্রহ করবেন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১০,৯৩৮.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ উদ্ধোধন করা হয়-
  1. ক) ২৭ জানুয়ারি ১৯৭৫
  2. খ) ১৭ এপ্রিল ১৯৮৭
  3. গ) ৭ মার্চ ১৯৭৭
  4. ঘ) ২ মার্চ ১৯৮২
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার যেখানে গঠিত হয় সেখানে এই স্মৃতিসৌধটি গড়ে তোলা হয়েছে।
- এর স্থপতি তানভীর কবির।
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ উদ্বোধন হয়  ১৭ এপ্রিল ১৯৮৭ সালে ।
- তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ স্বাধীনতার স্মৃতি ধরে রাখতে ২৩ স্তরের স্মৃতিসৌধ গড়ে তোলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১০,৯৩৯.
গাজীপুরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে-
  1. ক) ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ
  2. খ) ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ
  3. গ) ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১৯শে মার্চ গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংঘটিত হয়।
- ৭ মার্চের ভাষণের পর আন্দোলন দুর্বল করতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী জয়দেবপুরের দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের তাঁদের অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু বাঙালি সৈন্যরা অস্ত্র জমা না দিয়ে জনতাকে সাথে নিয়ে চান্দিনা-জয়দেবপুর সড়ক অবরোধ করে।
- এতে পাকবাহিনী গুলিবর্ষণ করলে হুরমত, নিয়ামত, কানু মিয়া ও মনু খলিফা নিহত এবং অনেকে আহত হন। পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে ওটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ।
- এটির স্বরণে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় জাগ্রত চৌরঙ্গী নামে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য নির্মিত হয়।

(তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো এবং গাজীপুর জেলা ওয়েবসাইট)

১০,৯৪০.
জরথুস্ত্র ধর্ম কোথায় প্রচলিত ছিলো?
  1. ক) গ্রিস
  2. খ) মিশর
  3. গ) পারস্য
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিলো জরথুস্ত্র। জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে। পারস্য সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে। জরথুস্ত্রবাদীরা ছিলো অগ্নি উপাসক। এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১০,৯৪১.
মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, কত ইঞ্চির ছোট কার্প জাতীয় মাছের রেণু ও পোনা আহরণ নিষিদ্ধ?
  1. ৮ ইঞ্চি
  2. ৯ ইঞ্চি
  3. ২৩ ইঞ্চি
  4. ২৫ ইঞ্চি
ব্যাখ্যা
মৎস্য আইন:
- The Protection and Conservation of Fish Act, 1950; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
- নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে।
- পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।

⇒ এই আইন অনুসারে,
- প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া;
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে মাস পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের (১০ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
- প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের ( ১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ।
- বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে মাছ মারা যাবে না । অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে বিষ প্রয়োগ , পরিবেশ দূষণ , বাণিজ্যিক বর্জ্য বা অন্যবিধ উপায়ে মাছ ধংসের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
- মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তদপেক্ষা কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁস বিশিষ্ট ফাঁসজাল এর ব্যবহার নিষিদ্ধ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
১০,৯৪২.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সময়ে বুদ্ধিজীবীদের উপর হত্যাকান্ড পরিচালিত হয়?
  1. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. ২৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস:
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
- তাদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি।
১০,৯৪৩.
উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন কে?
  1. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. নূরুল আলম
  3. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. কামাল ফারুক
ব্যাখ্যা

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।

১০,৯৪৪.
ফোর্বসের এশিয়ার শীর্ষ ১০০ স্টার্টআপ তালিকায় বাংলাদেশের কয়টি কোম্পানি স্থান পেয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

এশিয়ার শীর্ষ ১০০ স্টার্টআপ:
- ফোর্বস ম্যাগাজিনের করা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষ ১০০টি স্টার্টআপ কোম্পানির মধ্যে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের দুটি কোম্পানি।
- রাইড শেয়ারিং কোম্পানি পাঠাও এবং চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালনকারী সম্ভব এই তালিকায় স্থান পেয়েছে।
- তালিকায় কনজ্যুমার টেকনোলজি বা ভোক্তাপ্রযুক্তি শ্রেণিতে পাঠাও এবং ভোক্তাপ্রযুক্তি খাতে ফোর্বসের তালিকায় স্থান পেয়েছে স্টার্টআপ কোম্পানি সম্ভব।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও স্টার্টআপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ।
- রাইড শেয়ারিংয়ের পাশাপাশি খাদ্য সরবরাহ, ই-কমার্স, লজিস্টিকস ও ফিনটেকসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করে পাঠাও।
- অন্যদিকে, সম্ভব বাংলাদেশের মানুষকে দক্ষতা ও লক্ষ্য অনুযায়ী উপযুক্ত চাকরি খুঁজে পেতে সাহায্য করছে।
- এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীরা ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি করে আবেদন এবং অনলাইন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১০,৯৪৫.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম এশীয় মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক:
- পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসার পর থেকে জাতির জনকের নেতৃত্বে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্থাপন এবং ক্রমান্বয়ে তা দৃঢ়তর হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশ আমাদের সমর্থন জানালেও আরব দেশগুলো, বিশেষ করে সৌদি আরব, জর্দান, মরক্কো, লিবিয়া পাকিস্তানকে সমর্থন করে গেছে।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আদম মালিকের নিমন্ত্রণে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন জুলাই মাসের ৯ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়া সফর করেন।
- সফরকালে দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতি ও বাণিজ্যসংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মত হয়।
- কাবুলে অনুষ্ঠিত ন্যামের প্রস্তুতি কমিটির সভায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে সমর্থনের জন্য ইন্দোনেশিয়াকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

উৎস: ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬, কালের কন্ঠ।
১০,৯৪৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" অন্তর্ভুক্ত করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. পঞ্চম 
  2. ষষ্ঠ
  3. অষ্টম
  4. নবম
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম সংশোধনী:
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' সন্নিবেশিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,৯৪৭.
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাসস বা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার পুরাতন পল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা ব্যতীত এর আরও ৮টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে।
- বাসস ব্যতীত অন্যান্য বাংলাদেশী সংবাদ সংস্থার মধ্যে ইউএনবি, ইনা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাসস ওয়েবসাইট। 

১০,৯৪৮.
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের কোন দেশে প্রথমবারের মতো পন্যবাহী জাহাজ যায়?
  1. ক) পর্তুগাল
  2. খ) ইতালি
  3. গ) অস্ট্রিয়া
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের দেশ ইতালিতে পন্যবাহী জাহাজ চলাচল। এর আগে ইউরোপে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশের বন্দর হয়ে পাঠানো হত।
- ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বরে ‘ক্যাপ ফ্লোরেস' নামের খালি কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজের পরীক্ষামূলক যাত্রা সফল হওয়ায় এবার নিয়মিত যাত্রার অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো কন্টেইনার ভর্তি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি সোঙ্গা চিতা' ইতালির উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যায়। 
- চট্টগ্রাম-ইতালি সরাসরি জাহাজ চলাচলের এ সেবা চালু করে ইতালির ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার প্রতিষ্ঠান আরআইএফ লাইন এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান ক্যালিপসো কোম্পানিয়া ডি নেভিগেশন।

উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ।
১০,৯৪৯.
বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে প্রথম জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. শাহ এ এম এস কিবরিয়া
  2. ফারুক চৌধুরী
  3. আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০,৯৫০.
সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1.  অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
  2. জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা
  3. পররাষ্ট্রনীতি
  4. মালিকানার নীতি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৮ (১) নং দফায় বলা হয়েছে,
- জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
• ১৮ (২) নং দফায় বলা হয়েছে,
- গনিকাবৃত্তি এবং জুয়াখেলা নিরোধের জন্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে,
- মালিকানার নীতি সম্পর্কে বলা আছে ১৩ নং অনুচ্ছেদে।
- অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম সম্পর্কে উল্লেখ আছে ২০ নং অনুচ্ছেদে।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্রনীতির কথা সম্পর্কে উল্লেখ। উক্ত অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১০,৯৫১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- 
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর 
ব্যাখ্যা

মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষবিভাগ ও জেলা:
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষবিভাগ চট্টগ্রাম।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে ২য় শীর্ষবিভাগ খুলনা।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে ২য় শীর্ষ জেলা:কুমিল্লা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১০,৯৫২.
বাংলাদেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে মাথাপিছু আয় কত হবে?
  1. ৩০৫৯ মার্কিন ডলার
  2. ৩০৪০ মার্কিন ডলার
  3. ৩৮৪০ মার্কিন ডলার
  4. ৩২৫০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- প্রাক্কলিত ব্যয় ৬,৪৯৫,৯৮০ কোটি টাকা।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে মাথাপিছু আয় হবে ৩০৫৯ মার্কিন ডলার।

• মেয়াদান্তে অর্থনীতির বড় ৩টি ক্ষেত্রের অবদান হবে:
১. কৃষিখাত - ১০.৫৬%।
২. শিল্পখাত - ৪১.৮৬%।
৩. সেবাখাত - ৪৭.৫৮%।
৪. ম্যানুফ্যাকচারিং - ৩০.২৩%।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।
১০,৯৫৩.
নিচের কোনটি সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংকে একীভূত হওয়া ব্যাংকের তালিকায় নেই?
  1. ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক
  2. ইউনিয়ন ব্যাংক
  3. সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক
  4. আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংকে একীভূত হওয়া ব্যাংকের তালিকায় নেই। 

সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে নামকরণ করা হয় সম্মিলিত ইসলামিক ব্যাংক (Sammilito Islami Bank Limited)। 
- ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।

⇒ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ হবে এই ব্যাংকের মালিক। আগে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করা হবে। তারপর যৌথ মূলধনী কোম্পানিজ ও ফার্মগুলো থেকে কোম্পানির নিবন্ধন নেওয়া হবে। তারপর ওই কোম্পানির নামে নতুন ব্যাংক ব্যবসার লাইসেন্স নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করা হবে।

⇒  ৯ অক্টোবর পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এতে সিদ্ধান্ত হয়, নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি। পরিশোধিত মূলধনের ২০ হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার। 

উৎস: i) BRAC EPL.
ii) প্রথম আলো।

১০,৯৫৪.
'৩৬ জুলাই' বলতে কোন দিনটিকে নির্দেশ করা হয়েছে?
  1. ৫ আগস্ট
  2. ১৬ আগস্ট
  3. ৬ আগস্ট
  4. ৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা
•‘৩৬ জুলাই’:
- তারিখ: ৫ আগস্ট ২০২৪।
- কর্মসূচি: ‘মার্চ টু ঢাকা’ আহ্বান জানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
- আন্দোলনের সূচনা: 
- উদ্দেশ্য: সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবি।
- প্রথম কেন্দ্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
- পরবর্তী বিস্তার: দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
- ৩১ জুলাইয়ের পর তারা নতুন সময় গণনা শুরু করে।
- সেই অনুযায়ী ৫ আগস্ট হয়ে ওঠে প্রতীকী "৩৬ জুলাই"।

উৎস: প্রথম আলো।
১০,৯৫৫.
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন কোন সেক্টর থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন? 
  1. ২নং সেক্টর
  2. ১০নং সেক্টর
  3. উভয়ই
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীরশ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয়, রুহুল আমিন তাদের অন্যতম।
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্ম ১৯৩৫ সালে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বাঘচাপড়া গ্রামে।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এপ্রিল মাসে তিনি ২নং সেক্টরে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১০নং নৌ সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১০ই ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে রূপসা নদীতে খুলনা শীপইয়ার্ডের কাছে সম্মুখ যুদ্ধে বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ পলাশকে রক্ষা করতে গিয়ে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর নিক্ষিপ্ত গোলায় এ বীর সন্তান শহিদ হন।
- নোয়াখালীতে তাঁর জন্মস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ রুহুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার ও জাদুঘর রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ভারত সরকার বাংলাদেশ নৌ বাহিনীকে দুইটি টাগবোট উপহার দেয়। এগুলোকে পরে গানবোটে রূপান্তরিত করা হয়।
- গানবোট দুটির নামকরণ করা হয় 'পদ্মা' ও 'পলাশ'।
- রুহুল আমিন নিয়োগ পান 'পলাশের' ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে।

তথ্যসূত্র -১.বাংলাপিডিয়া।
২.মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।লিংক
১০,৯৫৬.
'ব্রি ধান ৪৩' ধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. জিংক সমৃদ্ধ
  2. খরা সহিষ্ণু
  3. নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন
  4. জলমগ্নতা সহিষ্ণু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১০,৯৫৭.
বাংলাদেশর বর্তমানে চায়ের উৎপাদন কত?
  1. ক) ৮৫.০৫ মিলিয়ন কেজি
  2. খ) ৭৮.৯৫ মিলিয়ন কেজি
  3. গ) ৮২.১৩ মিলিয়ন কেজি
  4. ঘ) ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি
ব্যাখ্যা

২০১৯ সাল -এর হিসাব
চা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে নবম স্থানে রয়েছে।
চায়ের মোট উৎপাদন - ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি
এবং চা রপ্তানি - ০.৬০ মিলিয়ন কেজি
রপ্তানি মূল্য - ১৯৪.২৬ মিলিয়ন টাকা
সূত্রঃ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১০,৯৫৮.
রাষ্ট্রের ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম কোনটি?
  1. সামরিক অভ্যুত্থান
  2. সাধারণ নির্বাচন
  3. গণঅভ্যুত্থান
  4. মনোনয়ন
ব্যাখ্যা
প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- আর এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
-  নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

উল্লেখ্য, 
- বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা।
- এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে।
- এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশান, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৫৯.
সংবিধান সংস্কার কমিশন অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য সর্বোচ্চ মেয়াদ কত সুপারিশ করেছে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন’ গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

⇒ সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন সংবিধান সংশোধনের জন্য গণভোটের বিধান পুনর্বহালের সুপারিশ করেছে। 
- এছাড়াও, কমিশন সংবিধানের প্রস্তাবনায় জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাদ দিয়ে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে। 
- কমিশন সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে।
- বিদ্যমান সংবিধানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগের অধিকারসমূহ সমন্বিত করে ‘মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা’ নামে একটি একক সনদ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আদালতে বলবৎযোগ্য হবে এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অধিকার ও নাগরিক, রাজনৈতিক অধিকারের মধ্যে বিদ্যমান তারতম্য দূর করবে।
- পাশাপাশি, কমিশন দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রস্তাব করছে, যেখানে একটি নিম্নকক্ষ জাতীয় সংসদ (ন্যাশনাল এ্যাসেম্বলি) এবং একটি উচ্চকক্ষ (সিনেট) থাকবে এবং এখানে উভয় কক্ষের মেয়াদ হবে চার বছর।
- রাষ্ট্রীয় কার্যাবলীতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়ন এবং রাষ্ট্রীয় অঙ্গ ও প্রতিষ্ঠান সমূহের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করার জন্য একটি জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠন এবং আইনসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে কিংবা আইনসভা ভেঙে গেলে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার শপথ না নেওয়া পর্যন্ত, সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন মেয়াদের একটি অন্তর্বর্তী সরকার নিয়োগের সুপারিশ করেছে।

উৎস: i) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।
ii) সংবিধান সংস্কার কমিশন।

১০,৯৬০.
কোন পণ্যটি বাংলাদেশের একাদশ ভৌগলিক নির্দেশক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে?
  1. ক) রাজশাহীর সিল্ক
  2. খ) ফজলি আম
  3. গ) বাগদা চিংড়ি
  4. ঘ) খিরসাপাতি আম
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক। WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- একাদশ পণ্য হিসেবে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে ফজলি আম।
- বাংলাদেশে উৎপন্ন আমের মধ্যে সবচেয়ে বড় আকৃতির আম হচ্ছে ফজলি। ফল গবেষণা ইনস্টিটিউট, রাজশাহীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালে এটি জিআই নিবন্ধন পায়। এই আম লম্বায় ১২ ও প্রস্থে ৫ সেন্টিমিটারের বেশি থাকে।  
- তার আগে বাগদা চিংড়ি কে ১০ম পণ্য হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ফলে অন্য কোনো দেশ বাগদা চিংড়িকে আর তাদের পণ্য বলে পরিচয় দিতে পারবে না। সম্প্রতি পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদফতর এ স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্ববাজারে বাগদা চিংড়িকে বাংলাদেশের বিশেষায়িত পণ্য হিসেবে তুলে ধরতে ২০১৯ সালের মে মাসে মৎস্য অধিদফতর জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করে।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ: ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের - খিরসাপাত আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি ১১. ফজলি আম।

উৎস: 
প্রথম আলো।

১০,৯৬১.
গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের মালিকানা রয়েছে কত শতাংশ? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ১০% 
  2. ১৫%
  3. ২০% 
  4. ৩০%
ব্যাখ্যা

- গ্রামীণ ব্যাংকে সরকারের মালিকানা ১০ শতাংশ রয়েছে।
- অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ সংশোধনের একটি প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
- এ সংশোধনের লক্ষ্য নোবেল বিজয়ী ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানটিতে সরকারের মালিকানা ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা। 
- সংশোধনী প্রস্তাবে ব্যাংকের বোর্ডে সরকারের নিয়ন্ত্রণ কমানোর কথাও বলা হয়েছে।
- এ সংশোধনীর ফলে সরকারের হাতে চেয়ারম্যানসহ  তিনজন পরিচালক নিয়োগের ক্ষমতা কমিয়ে মাত্র একজনে নেমে আসবে।
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের খসড়া করা অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রস্তাবিত পরিবর্তনের ফলে গ্রামীণ ব্যাংকের সুবিধাভোগীদের শেয়ার মালিকানা বর্তমানের ৭৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯০ শতাংশে উন্নীত হবে।


গ্রামীণ ব্যাংক:

- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে প্রাথমিকভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনুস
২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ¡)গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
 ¡¡)বিবিসি বাংলা।[লিংক]। 

১০,৯৬২.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. ক) জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  2. খ) বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা
  3. গ) গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছরে বৃদ্ধি করা
  4. ঘ) দারিদ্র্য হার শূন্যে নামিয়ে আনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে ২০২১-২০৪১ মেয়াদে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই পরিকল্পনার মূল বিষয় হলো ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১২,৫০০ ডলারে উন্নীত করে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা। এছাড়া বৈষম্য হ্রাস, দারিদ্র্য নিরসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ প্রভৃতি এই পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য।
(সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন)
১০,৯৬৩.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ধানমন্ডি
  2. শাহবাগ
  3. শেরে বাংলা নগর
  4. আগারগাঁও 
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর/ July Memorial Museum:  
- অবস্থান: শেরে বাংলা নগর, ঢাকা। 
- ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গণভবন জনতার দখলে চলে যায়।
- এরপর সরকারি বাসভবন 'গণভবন' -কে রূপান্তর করে তৈরি করা হয়েছে।
- এটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের সংগ্রাম, দলিল-দস্তাবেজ এবং ঐতিহাসিক ঘটনাবলী সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

- ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এটির নির্মাণকাজ চলে।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর মাধ্যমে এটিকে আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। 

উল্লেখ্য, 
- জাদুঘরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো সেখানে সংরক্ষিত একটি রেড টেলিফোন, যেখানে শেখ হাসিনার ফোনালাপের অডিও রেকর্ড রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: 
i) ডেইলি স্টার। 
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। 
iiii) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
iv) প্রথম আলো। 

১০,৯৬৪.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা-
  1. ক) ১৬.৯১ কোটি
  2. খ) ১৬.৮০ কোটি
  3. গ) ১৬.৫১ কোটি
  4. ঘ) ১৭.০৮ কোটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা ১৭.০৮ কোটি
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৭%।
- পুরুষ-মহিলা অনুপাত: ১০০.২ : ১০০।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৭২.৮ বছর।
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৫.২%।
- প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৪০ জন।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১০,৯৬৫.
নিচের কোন জেলা হরিকেল জনপদের অন্তর্গত ছিল?
  1. কুমিল্লা
  2. ঢাকা
  3. নোয়াখালী
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯৬৬.
লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরের সমাধিতে সমাহিত শায়েস্তা খানের এক কন্যার আসল নাম-
  1. পরীবিবি
  2. ইরান দুখ্‌ত
  3. জাহানারা
  4. মরিয়ম
ব্যাখ্যা
• লালবাগ কেল্লা:
লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ। এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম। মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু। 

১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে। এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়। এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

উৎস:
i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
iii) বাংলাপিডিয়া।
১০,৯৬৭.
প্রাচীন তাম্রলিপ্ত জনপদের বর্তমান অবস্থান কোন অঞ্চলে?
  1. ক) বর্ধমান জেলা
  2. খ) মেদিনীপুর জেলা
  3. গ) মুর্শিদাবাদ জেলা
  4. ঘ) রাজশাহী ও দিনাজপুর
  5. ঙ) দিনাজপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
হরিকেল জনপদের দক্ষিণে অবস্থিত ছিলো তাম্রলিপ্ত জনপদ। বর্তমান পশ্চিম বঙ্গের মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তাম্রলিপ্ত -জনপদের প্রাণকেন্দ্র। উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণি : বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়।
১০,৯৬৮.
কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ ভারত থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছে?
  1. ক) মোস্তফা কামাল
  2. খ) হামিদুর রহমান
  3. গ) মতিউর রহমান
  4. ঘ) রুহুল আমিন
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান (১৯৫৩-১৯৭১):
- ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে।
- তাঁর পিতা আক্কাস আলী ও মাতা কায়দাছুন নেছা।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। 
- হামিদুর রহমান মুক্তি বাহিনীর সাহসী সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন সিলেট শ্রীমঙ্গল এলাকায়।
- তার পদবী ছিল - সিপাহী।
- যুদ্ধের সেক্টর ছিল - ৪ নং সেক্টর (সিলেট)।

- মুক্তিযুদ্ধে বিরচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ট খেতাবে ভূষিত হন।
- তিনি শহিদ হন - ২৮শে অক্টোবর, ১৯৭১ সালে।
- তার কবর ছিল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ধলইয়ের হাতিমারাছড়া গ্রামে দাফন করে। কিন্তু পরে সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় এবং ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
- ঝিনাইদহ জেলা শহরের স্টেডিয়ামে তার নামে, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ তার স্মরনে একটি ডাক টিকিট প্রকাশ করেছে।

তথ্যসূত্র: ঝিনাইদহ জেলার ওয়েবসাইট।
১০,৯৬৯.
'আমি কি দুঃখেরে ডরাই।
ভবে দেও দুঃখ মা, আর কত চাই।।'
- কোন ধরণের সঙ্গীতের উদাহরণ?
  1. ক) কবিগান
  2. খ) পাঁচালি
  3. গ) শ্যামাসঙ্গীত
  4. ঘ) টপ্পাগান
ব্যাখ্যা
- শাক্তসঙ্গীত/শ্যামাসঙ্গীত রচনা করে বিখ্যাত হয়েছিলেন - রামপ্রসাদ সেন
- তিনি শাক্ত পদাবলীর আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি।
- তার গানের সুর 'রামপ্রসাদি সুর' নামে পরিচিত।
- তার রচিত শ্যামাসঙ্গীতের সংখ্যা প্রায় তিনশ।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গান -
"আমি কি দুঃখেরে ডরাই।
ভবে দেও দুঃখ মা, আর কত চাই।।"

- আরেকটি বিখ্যাত গান:
"মনরে কৃষি কাজ জান না
এমন মানবজমিন রইল পতিত
আবাদ করলে ফলতো সোনা।"

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০,৯৭০.
WIPO প্রকাশিত 'Global Innovation Index-2025'-এ বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ১০০তম
  2. ১০৩তম
  3. ১০৬তম
  4. ১০৯তম
ব্যাখ্যা

Global Innovation Index-2025:
- প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর, ২০২৫।
- প্রকাশক: জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা (WIPO)।
- WIPO ১৩৯টি দেশের সূচক প্রকাশ করেছে।
- এতে একটি দেশের অবস্থান নির্ণয়ে প্রতিষ্ঠান, মানবসম্পদ ও গবেষণা, অবকাঠামো, পরিশীলিত বাজার, পরিশীলিত ব্যবসা, জ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতাসহ মোট সাতটি সূচকের মূল্যায়ন করা হয়।
- বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৫- শীর্ষ স্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ড এবং সর্বনিম্ন স্থানে রয়েছে নাইজার (১৩৯তম)।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১০৬তম।

⇒ বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৫ শীর্ষ দেশ:
১. সুইজারল্যান্ড,
২. সুইডেন,
৩. যুক্তরাষ্ট্র,
৪. দক্ষিণ কোরিয়া, 
৫. সিঙ্গাপুর।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।

১০,৯৭১.
বর্তমান রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর প্রাচীনযুগে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. হরিকেল
  2. বঙ্গ
  3. বরেন্দ্র
  4. গৌড়
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্র জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম বরেন্দ্র বা বরেন্দ্র ভূমি।
- এটি উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ। 
- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ, দার্জিলিং ও কোচবিহার এক সময় এ জনপদের আওতায় ছিল।

⇒ পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্ররাজ্যের একটি অংশজুড়ে বরেন্দ্রর অবস্থান ছিল।
- মৌর্য ও গুপ্ত আমলে প্রাদেশিক কেন্দ্র পুণ্ড্রনগরের অবস্থানও ছিল এই বরেন্দ্র এলাকায়।
- আলেকজান্ডার কানিংহামের মতে, বরেন্দ্রর সীমানা পশ্চিমে গঙ্গা ও মহানন্দা, পূর্বে করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা এবং উত্তরে কুচবিহার ও তরাইয়ের মধ্যে ছিল।

অন্যদিকে,
- বৃহত্তর ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাখেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি নিয়ে ‘বঙ্গ' জনপদ গঠিত ছিলো। এই অঞ্চলে বসবাসকারী ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠী থেকে ‘বঙ্গ’ নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল। কর্ণসুবর্ণ ছিল গৌড় রাজ্যের রাজধানী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৭২.
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন কোন কমিশনের রিপোর্টকে কেন্দ্র করে ঘটে?
  1. সাইমন কমিশন
  2. শরিফ কমিশন
  3. কুদরত-ই-খুদা কমিশন
  4. আতাউর রহমান খান কমিশন
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন: 
- শরিফ কমিশনের রিপোর্টকে কেন্দ্র করে বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন ঘটে। 

- ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের পর শরিফ কমিশন গঠন হয়।
- কমিশনের প্রধান ছিলেন ড. এস এম শরিফ।
- ২৬ আগস্ট ১৯৫৯ তার প্রতিবেদন দাখিল হয়।
- প্রতিবেদনটির সুপারিশে উচ্চশিক্ষার সংকোচন এবং ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব ছিল।
- ছাত্ররা এই সুপারিশগুলিকে সাধারণ মানুষের শিক্ষার সুযোগ বন্ধ করার ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখে প্রতিবাদ জানায়।
- ১৯৬০ সালের প্রথম দিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়।
- কিন্তু সামরিক শাসন থাকায় আন্দোলন ক্ষীণ ছিল।
- ১৯৬২ সালে সামরিক আইন প্রত্যাহারের পর শিক্ষা কমিশন প্রতিবেদন বিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়।
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল আহ্বান করা হয়।
- এদিন ছাত্ররা পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়।
- পুলিশের গুলিতে মোস্তফা ও বাবুল নামে দুজন ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং পরদিন গুলিবিদ্ধ ওয়াজিউল্লাহ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করে।
- আন্দোলনের মুখে সরকার কমিশন প্রতিবেদন বাস্তবায়ন স্থগিত ঘোষণা করে।
- এই আন্দোলন ছিল বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

উৎস: প্রথম আলো (১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। 
বাংলাপিডিয়া। 
১০,৯৭৩.
কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে গেজেট প্রকাশিত হয় কত তারিখে?
  1. ৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  2. ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  3. ৫ জানুয়ারি ২০২৫
  4. ২৪ জানুয়ারি ২০২৫
ব্যাখ্যা

কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি স্বীকৃতি:
- বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।
- রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক গেজেট প্রজ্ঞাপনে বলা হয়,
- উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয়েছে এবং এটি সবার অবগতির জন্য গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। 
- গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রজ্ঞাপিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ২৪ মে ১৯৭২ সালে সপরিবারে কলকাতা থেকে ঢাকায় আনা হয়। 
- পরবর্তীতে কাজী নজরুল ইসলাম-কে ১৯৭৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য,
- গত ৫ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে উপদেষ্টা পরিষদে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।




উৎস: বাংলাদেশ সরকারি গেজেট ও বাংলাপিডিয়া।

১০,৯৭৪.
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রবর্তন করা হয় কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার:
- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান, শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- এ ছাড়া জাতীয় জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও এ পুরস্কারে ভূষিত করার বিধান রয়েছে।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ। পুরস্কারের নগদ অর্থের পরিমান সূচনালগ্নে ছিল বিশ হাজার টাকা।
- ২০০৪ সালে তা এক লক্ষ টাকায় উন্নীত হয়। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,৯৭৫.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ বা আইনসভার নেতা কে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পীকার
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
সংসদ নেতা: 
- সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন। 
- সংসদ নেতা ও সংসদ উপনেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন।
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

অপরদিকে, 

- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১০,৯৭৬.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ‘এগারো দফা’ প্রণীত হয়?
  1. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
  4. একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা

‘উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান’ এর প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসে ‘ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ এর পক্ষ থেকে ‘এগারো দফা’ দাবী ঘোষণা করা হয়।
এই এগারো দফার মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
যার কারণে ‘এগারো দফা’ পূর্ব বাংলার সকল স্তরের জনসাধারণের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হয়।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।

১০,৯৭৭.
’এটলাস ৭০’ কোন ফসলের উচ্চ ফলনশীল জাত?
  1. বেগুন
  2. আলু
  3. বাধাঁকপি
  4. পেয়াজ
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাতঃ
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত, 
এটলাস ৭০,
টোকিও প্রাইড,
লিও ৮০ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১০,৯৭৮.
'বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী'-এর সংক্ষিপ্তরূপ কোনটি?
  1. ADP
  2. GDP
  3. GNI
  4. GNP
ব্যাখ্যা
ADP:
- ADP-এর পূর্ণরূপ: Annual Development Programme বা বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি।
- ২০২৫-২৬ বাজেট অনুসারে, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।

⇒ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) কোনো একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন নীতিমালা, কর্মসূচি, বিনিয়োগ এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ পরিচালনা ও অর্জনের জন্য ঐ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কোন একটি নির্দিষ্ট বছরে বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন খাতের প্রকল্পসমূহের তালিকা এবং তাদের জন্য আর্থিক বরাদ্দসহ প্রণীত কর্মসূচি। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী প্রতিটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে লক্ষ্য অর্জনের সুবিধার্থে পাঁচটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিভক্ত করা হয় এবং প্রত্যেকটি প্রকল্পের জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক উভয় মুদ্রায় বরাদ্দ রাখা হয়।
- প্রতি বছরের এডিপি সে বছরের জন্য জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত উন্নয়ন বাজেটের ভিত্তিতে প্রণীত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ জিএনপি বা মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP or Gross National Product):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত: এক বছরে একটি দেশে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদিত হয় তার সমষ্টি হলো মোট জাতীয় উৎপাদন। মোট উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রি ও সেবাকর্মকে তাদের গড় মূল্য দিয়ে গুণ করলে পাওয়া যায় জিএনপি। 

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন (Net National Prduct or NNP):
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন। মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়। এর ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে। দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কর্তন করতে হয়। একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে। 

⇒ Gross Domestic Product (GDP):
- একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে। অর্থাৎ, জিডিপি তে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সকল দ্রব্যসামগ্রী ও সেবাকর্মের মূল্য হিসাব করা হয়। 

⇒ নীট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product or NDP)
- নীট দেশজ উৎপাদন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি অংশ। মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন।

উৎস: i) জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৭৯.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৬.৫ মি
  2. ৪৬ মি
  3. ৪৫.৫ মি
  4. ৪৫ মি
ব্যাখ্যা

→ জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ৪৫.৭২ মিটার বা ৪৬ মিটার। 

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ  ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান শহীদদের অসামান্য ত্যাগ ও শৌর্যের স্মৃতি হিসেবে সৌধটি দাঁড়িয়ে আছে।
- ১৯৭৮ সালে স্মৃতিসৌধের নকশা নির্বাচন করা হয়।
- এর স্থপতি মঈনুল হোসেন।
- অসমান উচ্চতা ও স্বতন্ত্র ভিত্তির ওপর সাতটি ত্রিভুজাকৃতির প্রাচীর নিয়ে মূল সৌধটি গঠিত।
- সমগ্র কমপ্লেক্সটি ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর) জমি জুড়ে বিস্তৃত।
- স্মৃতিসৌধের নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১০,৯৮০.
সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্মজীবনীর নাম কী?
  1. দাস্তান-ই-জাহাঙ্গীরী
  2. জাহাঙ্গীরীনামা
  3. তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরী
  4. শাহনামা
ব্যাখ্যা
- সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁর আত্মজীবনী তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরী রচনায় তাঁর শাসনকালের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি লিপিবদ্ধ করেন।

সম্রাট জাহাঙ্গীর
- সম্রাট জাহাঙ্গীর সকল ধর্ম বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।
- ফকির, দরবেশ, জ্ঞানী-গুণীদের তিনি সমাদর করতেন।
- সাহিত্য, শিল্পকলা ও চিত্রশিল্পে তাঁর যথেষ্ট অনুরাগ পরিলক্ষিত হয়।
- তুযুক-ই-জাহাঙ্গীরী ছিল তাঁর আত্মজীবনী।
- এখানে সমসাময়িক মোগল ইতিহাসের অনেক মূল্যবান তথ্য পাওয়া যায়।
- তার সময় থেকেই ভারতে ব্রিটিশদের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের বিস্তারের সূত্রপাত ঘটে।

সূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৮১.
১৯৭১ সনের কোন তারিখে The Proclamation of Independece জারী করা হয়?
  1. ২৭ মার্চ
  2. ১০ এপ্রিল
  3. ১৪ এপ্রিল
  4. ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:

- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা।
১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয়।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন ইউসুফ আলী।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১০,৯৮২.
বখতিয়ার খলজি বাংলার কোন রাজাকে পরাজিত করেন?
  1. দীনেশ্বর সেন
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. কেশব সেন
  4. সীতাল সেন
ব্যাখ্যা
- বখতিয়ার খলজি লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে নদীয়া দখল করেন।

ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি তুর্কীদের খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।
- ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি দ্বাদশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে আসেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- বাংলা জয় করেন ১৩ শতকে।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলার ইতিহাস; সুলতানি আমল: আব্দুল করিম।
১০,৯৮৩.
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদক কে?
  1. প্রফেসর সালাউদ্দিন আহমেদ।
  2. প্রফেসর এম এন সিদ্দীক।
  3. প্রফেসর শামসুল হুদ।
  4. প্রফেসর ফকরুল আলম।
ব্যাখ্যা
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ:

- অধ্যাপক ফখরুল আলম শিক্ষক পরিচয়ের বাইরে একজন প্রথিতযশা অনুবাদক।
- বাংলা সাহিত্যকে পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন তিনি।
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' ও 'কারাগারের রোজনামচা' বই দুটি অনুবাদ করেন অধ্যাপক ফখরুল আলম।
- এর মাধ্যমে আমাদের ইতিহাস ও সংগ্রামকে পৃথিবীর সব ভাষাভাষী মানুষের জানার সুযোগ করে দিয়েছেন।

তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার, আগস্ট ১৪ ২০২০।
১০,৯৮৪.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাকে বঙ্গবন্ধু কী নামকরণ করেছিলেন?
  1. শেখ মুজিব ও রাষ্ট্র দ্রোহীতা
  2. পাকিস্তান বনাম শেখ মুজিব
  3. রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
  4. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:

- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আগরতলা মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঘোষণা করে যে, পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র উদঘাটিত হয়েছে।
- এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজন আওয়ামী লীগ নেতা, সিভিল সার্ভিসের দুইজন বাঙালি কর্মকর্তাসহ ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
- ১৮ জানুয়ারি আরেকটি প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে উক্ত মামলার ১নং আসামী বলে ঘোষণা করা হয়।
- এই মামলার বিচারের জন্য একটি স্পেশাল ট্রাইবুনাল গঠিত হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৮৫.
দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক-
  1. রিচার্ড সেশন
  2. মার্কাস ফ্রান্ডা
  3. গ্যারি জে ব্যাস
  4. পল ওয়ালেচ
ব্যাখ্যা
◉  দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক গ্যারি জে ব্যাস।

দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থ:

- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকান অধ্যাপক গ্যারি জে বাসের রচিত বইটির মূল নাম ‘দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, নিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড’।
- তবে ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ হলো আর্চার কেন্ট ব্লাডের একটি তারবার্তা।
- ১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কেন্ট ব্লাড যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে তৎকালীন চলমান নৃশংসতা বন্ধে ব্যর্থ হওয়ায় কঠোর ভাষায় একটি টেলিগ্রাম করেন, যা ইতিহাসে ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ নামে পরিচিতি পায়।
- এটি ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য,
- সাধারণ বিবেচনায় ‘দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড’ বইটি একজন বিদেশি গবেষকের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিবরণ।
- এ বইটি অন্য যেকোনো বইয়ের চেয়ে আলাদা, স্বতন্ত্র।
- কারণ, সম্ভবত এই বইয়েই প্রথম কোনো পশ্চিমা গবেষক ১৯৭১-এ সংঘঠিত বাংলাদেশের গণহত্যাকে ‘প্রমাণিত গণহত্যা’ হিসেবে বিশ্বের সামনে দাঁড় করানোর প্রয়াস পেয়েছেন।

⇒ শিরোনাম: The Blood Telegram: Nixon, Kissinger, and a Forgotten Genocide।
- লেখক: গ্যারি জে ব্যাস।
- প্রকাশক: Knopf।

উৎস: i) Amazon.com
        ii) মার্চ ২৬, ২০২২, বণিক বার্তা।
১০,৯৮৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতির হার কত ছিল? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৮.০৩ শতাংশ
  2. ৯.০৩ শতাংশ
  3. ১০.০৩ শতাংশ
  4. ১১.০৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
গড় মূল্যস্ফীতি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১০ দশমিক ০৩ শতাংশ।
-  ২০১৩ অর্থবছর থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। 
- গত ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি চলছে। ওই অর্থবছরে ৯ শতাংশের কিছু বেশি হয় গড় মূল্যস্ফীতি।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা আরও বেড়ে হয় ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
- গত জুন মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ হয়েছে, যা বিগত ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
১০,৯৮৭.
ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে কত তারিখ?
  1. ১ মার্চ ১৯৭১ সালে
  2. ২ মার্চ ১৯৭১ সালে
  3. ৩ মার্চ ১৯৭১ সালে
  4. ৪ মার্চ ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:

- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০,৯৮৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১০,৯৮৯.
তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) সুমিত্রা দেবী
  2. খ) তারামন বিবি
  3. গ) ইলা মিত্র
  4. ঘ) মহাশ্বেতা দেবী
ব্যাখ্যা
বিশ শতকের মধ্যভাগে বাংলায় সংঘটিত তেভাগা আন্দোলন একটি কৃষক আন্দোলন। নাচোলের রানী ইলা মিত্র তেভাগা আন্দোলন একজন নেত্রী। এই আন্দোলন যখন স্তিমিত হয়ে যেতে থাকে তখন ইলা মিত্র এই আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করেন। কৃষকদের নিকট তিনি রানী মা হিসেবে পরিচিতি পান। ১৯৪৬-৪৭ এবং ১৯৪৮-৫০ দুই দফায় রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চব্বিশ পরগণা প্রভৃতি জেলায় তেভাগা আন্দোলন সংঘটিত হয়। তেভাগা আন্দোলনে দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা নিজেরা।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১০,৯৯০.
বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয় হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. সপ্তদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

চতুর্দশ সংশোধনী:
- উত্থাপন:.২০০৪ সালের ২৭ মার্চ।
- উত্থাপনকারী:আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ এই সংশোধনীটি উত্থাপন করেন।
- গৃহীত: ১৬ মে ২০০৪।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ১৭ মে ।

বিষয়বস্তু:
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়।
- এছাড়া রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং সরকারি ও আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বা ছবি প্রদর্শনের বিধান করা হয়।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে ৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩০ থেকে ৪৫টি করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,৯৯১.
‘পরী বিবি’ কে ছিলেন?
  1. আওরঙ্গজেবের কন্যা।
  2. শায়েস্তা খাঁনের কন্যা।
  3. মুর্শিদকুলি খাঁনের কন্যা।
  4. আওরঙ্গজেবের স্ত্রী।
ব্যাখ্যা
পরী বিবি:

- তিনি বাংলার মুগল সুবাহদার শায়েস্তা খান এর কন্যা।
-বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজম এর স্ত্রী।
- বাংলাদেশ সরকারের কাটরার ওয়াকফ পরিদপ্তরে সংরক্ষিত শায়েস্তা খানের নিজস্ব অছিয়তনামা থেকেই শায়েস্তা খানের কন্যা হিসেবে বিবি পরীকে (ইরান দুখত্ রহমত বানু) চিহ্নিত করা যায়।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে মসজিদের পূর্ব দিকে বিবি পরীকে সমাহিত করা হয়। শায়েস্তা খান কন্যার সমাধির উপর একটি সুদৃশ্য সৌধ নির্মাণ করেন।

তথ্যসুত্র- বাংলাপিডিয়া।
১০,৯৯২.
মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র রংপুর বিভাগ নিয়ে কত নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল?
  1. ৪ নং
  2. ৬ নং
  3. ৯ নং
  4. ১১ নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য তৎকালীন অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এটি ছিলো যুদ্ধ পরিচালনার একটি সামরিক কৌশল।
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই সেক্টর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

• ৪ নং সেক্টর:
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরাজন দত্ত, পরে ক্যাপ্টেন এ রবের স্থলাভিষিক্ত হন।

• ৬নং সেক্টর:
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়ি মাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।

• ৯নং সেক্টর:
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম জলিল, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীনের স্থলাভিষিক্ত হন।

• ১১নং সেক্টর:
- টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,৯৯৩.
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
  2. তাজউদ্দিন আহম্মদ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. খন্দকার মোস্তাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

সূত্র: Banglapedia
১০,৯৯৪.
আদমশুমারি-২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়?
  1. গাজীপুর জেলায়
  2. চট্টগ্রাম জেলায়
  3. নারায়ণগঞ্জ জেলায়
  4. ঢাকা জেলায়
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি ও গৃহগণনা শুমারি ২০১১ অনুযায়ী,
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বান্দরবান জেলায়।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা জেলায়।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।

১০,৯৯৫.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কত সালে গঠিত হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:

- ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বিঘ্নে সেবা প্রদানের সুবিধার্থে ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন,এলেনবাড়ী, তেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়।
- বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় গত ১০/১০/২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১০,৯৯৬.
চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (জুন-২০২৫)
  1. ১৬৮ টি
  2. ১৯০ টি
  3. ১৭০ টি
  4. ১৬৯ টি
ব্যাখ্যা
- চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগান - ১৭০ টি।

- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত - ৯০ টি চা বাগান।
- হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত - ২৫টি চা বাগান।
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান।
-চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২ টি চা বাগান।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ২ টি চা বাগান।
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড। লিংক
১০,৯৯৭.
পূর্ব বাংলার প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
  1. ইস্কান্দার মীর্জা
  2. চৌধুরী খালেকুজ্জামান
  3. সোহরাওয়ার্দী
  4. এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি প্রাথমিক প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০০৯ ও প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১০ - এ এসেছিল, এটি আমাদের প্রণয়ণকৃত প্রশ্ন নয়।]

পূর্ব বাংলার প্রথম গভর্নর ছিলেন - ফ্রেডেরিক চালমার্স বোর্ন (১৫ আগস্ট ১৯৪৭ - ৫ এপ্রিল ১৯৫০)।

অপশনে ফ্রেডেরিক চালমার্স বোর্ন নেই। আর অপশনে যাদের নাম রয়েছে তাদের মধ্যে চৌধুরী খালেকুজ্জামান প্রথম। সে অনুসারে উত্তর হিসেবে চৌধুরী খালেকুজ্জামান নেয়া হয়েছে।

• চৌধুরী খালেকুজ্জামান - ৪ এপ্রিল, ১৯৫৩ থেকে ৩০ মে, ১৯৫৪ পর্যন্ত পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
• ইস্কান্দার আলী মীর্জা - ৩০ মে, ১৯৫৪ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪ পর্যন্ত পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
• এ. কে. ফজলুল হক - ৯ মার্চ, ১৯৫৬ থেকে ৩১ মার্চ, ১৯৫৮ পর্যন্ত পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।

• হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কখনও পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন না। তিনি ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ওয়ার্ড স্টেটম্যান ওয়েবসাইট।
১০,৯৯৮.
নিচের কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিলো?
  1. ক) চেমসফোর্ড-মন্টেগু সংস্কার আইন
  2. খ) চট্টগ্রাম অস্ত্রগার লুন্ঠন
  3. গ) লক্ষ্ণৌ চুক্তি
  4. ঘ) সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদ
ব্যাখ্যা

- ১৯১৬ সালের ডিসেম্বরে লক্ষ্ণৌ শহরে একই সময়ে ও স্থানে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে উভয় দল ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার প্রশ্নে সমঝোতার অংশ হিসেবে লক্ষ্ণৌ চুক্তি সম্পাদন করে।
- এই চুক্তিতে কংগ্রেস প্রথমবারের মতো মুসলমানদের জন্যে পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্থা মেনে নেয়।
অন্যদিকে,
- চেমসফোর্ড-মন্টেগু সংস্কার আইন : ১৯১৯ সালে
- চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন : ১৯৩০ সালে
- সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদ : ১৯৩২ সালে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)

 
১০,৯৯৯.
বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ কোনটি? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ব্রাজিল 
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ ব্রাজিল।
- ২০২৪-২৫ বিপণন বছরে বাংলাদেশ মোট ৮.২৮ মিলিয়ন বেল তুলা আমদানি করেছে
- যা আগের বছরের তুলনায় ৫.২% বেশি।
- এর মধ্যে ব্রাজিল সরবরাহ করেছে ১.৯ মিলিয়ন বেল বা প্রায় ২৫% বাজার অংশীদারিত্ব।

অন্যদিকে,
- ভারত সরবরাহ করেছে ১.৪ মিলিয়ন বেল (১৫%)।
- ২০২৫-২৬ বিপণন বছরে বাংলাদেশের কাঁচা তুলা আমদানি আরও ১.৪% বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএ।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

১১,০০০.
বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কোন আইনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১১
  2. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৬
  3. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৭
  4. বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।