বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১১ / ৩০৬ · ১,০০১১,১০০ / ৩০,৮৩২

১,০০১.
পাল চিত্রকলা বর্তমানে কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  1. কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  3. সোনারগাঁও জাদুঘর
  4. মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর
ব্যাখ্যা
পাল চিত্রকলা বর্তমানে কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটিতে সংরক্ষিত আছে।

পাল চিত্রকলা:
- পাল চিত্রকলা পাল রাজা প্রথম মহীপালের (খ্রিস্টীয় ৯৮৩) ষষ্ঠ রাজ্যাঙ্কে তালপাতার উপরে চিত্রসম্বলিত বৌদ্ধ গ্রন্থ অষ্টসাহস্রিকা-প্রজ্ঞাপারমিতা পান্ডুলিপির বারোটি রঙ্গিন চিত্র বঙ্গীয় চিত্রকলার প্রাচীনতম নিদর্শন।
- বর্তমানে দুর্লভ এই পান্ডুলিপি কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটিতে সংরক্ষিত আছে।
- পরবর্তী দুশ বছরে চিত্রসম্বলিত আরও বেশ কিছু পান্ডুলিপি পাওয়া যায়।
- এগুলিকে ‘পাল মিনিয়েচার’ বলে অভিহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পান্ডুলিপিসমূহ তালপাতায় লেখা ও চিত্রায়িত করা হয়েছে।
- তালপাতা ভঙ্গুর, এ কারণে অনেক পুথিচিত্র বর্তমানে জীর্ণ হয়ে পড়েছে।
- তুলনামূলক বিচারে দেখা যায় যে, পাল যুগের চিত্রালঙ্কৃত পান্ডুলিপিসমূহ উন্নতমানের তালপাতার (শ্রীতাড়) উপর অনুলিখিত ও চিত্রালঙ্কৃত করা হতো।
- এ চিত্রকলার অঙ্কন-নৈপুণ্য এতই উন্নত যে, এগুলিকে বঙ্গীয় চিত্রকলার প্রাথমিক নিদর্শন বলে মনে হয় না। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০০২.
লালন শাহ কত তারিখে পরলোক গমন করেন?
  1. ১৭ অক্টোবর, ১৮৮৯
  2. ১৭ অক্টোবর, ১৮৯০
  3. ১৭ অক্টোবর, ১৮৯১
  4. ১৭ অক্টোবর, ১৮৯২
ব্যাখ্যা

লালন শাহ:
- লালন শাহ (১৭৭২-১৮৯০) বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা, গায়ক।
- ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭৭২) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রণ করেন। 

⇒ লালন শাহ যৌবনকালে একবার তীর্থভ্রমণে বের হয়ে পথিমধ্যে বসন্ত রোগে আক্রান্ত হন। তখন সঙ্গীরা তাঁকে পরিত্যাগ করে চলে যায়। এমতাবস্থায় সিরাজ সাঁই নামে একজন মুসলমান ফকির তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে সেবা-শুশ্রূষা দ্বারা সুস্থ করে তোলেন। পরে লালন তাঁর নিকট বাউলধর্মে দীক্ষিত হন এবং ছেউড়িয়াতে একটি  আখড়া নির্মাণ করে স্ত্রী ও শিষ্যসহ বসবাস করেন। 

⇒ লালনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না, কিন্তু নিজ সাধনাবলে তিনি হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মের শাস্ত্র সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করেন। আধ্যাত্মিক ভাবধারায় তিনি প্রায় দুহাজার গান রচনা করেন। তাঁর গান মরমি ব্যঞ্জনা ও শিল্পগুণে সমৃদ্ধ।

⇒ লালন কোনো জাতিভেদ মানতেন না। লালনের গান এক সময় এতই জনপ্রিয় ছিল যে, তা সাধারণ মানুষ ও নৌকার মাঝিদের মুখে মুখে শুনা যেত। বহু তীর্থভ্রমণ এবং সাধু-সন্ন্যাসীদের সঙ্গলাভের পর ছেউড়িয়ার আখড়ায় বসেই লালন আজীবন সাধনা ও সঙ্গীতচর্চা করেন। লালনের লেখা গানের কোনো  পান্ডুলিপি পাওয়া যায়নি। সম্ভবত পরবর্তীকালে শিষ্যদের কেউ সেগুলি সংগ্রহ ও সংকলিত করেন।

⇒ ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭ অক্টোবর, ১৮৯০) ছেউড়িয়ায় লালন পরলোক গমন করেন। প্রতিবছর দোল পূর্ণিমা (মার্চ-এপ্রিল) ও মৃত্যু বার্ষিকীতে ভক্তবৃন্দ তাঁর মাযারে সমবেত হন এবং তিন দিন ধরে সাধুসেবা ও সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,০০৩.
ইংরেজদের বিরুদ্ধে বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন কে?
  1. ক) দুদু মিয়া
  2. খ) হাজী শরীয়তউল্লাহ
  3. গ) সাইয়িদ মীর নিসার আলী
  4. ঘ) মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন
ব্যাখ্যা
- তিতুমীরের প্রকৃত নাম সাইয়িদ মীর নিসার আলী
- পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার বশিরহাট মহকুমার চাঁদপুর (মতান্তরে হায়দারপুর) গ্রামে ১৭৮২ সালে তাঁর জন্ম। 
- তিতুমীর ইংরেজ ও ‍জমিদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়ানোর জন্যে ১৮৩১ সালের অক্টোবর মাসে নারকেলবাড়িয়ায় এক দুর্ভেদ্য বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী, ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করে।
- তিনি তাঁর মুজাহিদ বাহিনীতে বিপুল সংখ্যক মুজাহিদ নিয়োগ করে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দান করেন। 
- অচিরেই তিনি চবিবশ পরগনা, নদীয়া ও ফরিদপুর জেলায় স্বীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিতুমীর তাকি ও গোবরডাঙার জমিদারদের নিকট কর দাবি করলে তারা ইংরেজদের শরণাপন্ন হন। কলকাতা থেকে এক ইংরেজ বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরিত হয়। কিন্তু ইংরেজ ও জমিদারদের সম্মিলিত বাহিনী মুজাহিদদের নিকট শোচনীয় পরাজয় বরণ করে। 
- অবশেষে লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী, ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী মুজাহিদদের উপর আক্রমণ চালায়।
- ১৮৩১ সালের ১৯ নভেম্বর কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর কামানের গোলায় তিতুমীরের বাঁশেরকেল্লা ধ্বংস হয়ে যায় এবং তিতুমীর শহিদ হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১,০০৪.
১৯৭০ সালে পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে?
  1. ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  2. মুসলিম লীগ
  3. পিপলস পার্টি
  4. আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা
জাতীয় পরিষদ নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন (৭টি মহিলা আসনসহ) লাভ করে। 
- বাকি দু'টি আসনের মধ্যে ১টি লাভ করে পিডিপি নেতা নুরুল আমীন এবং অপর আসনটি লাভ করেন নির্দলীয় প্রার্থী রাজা ত্রিদিব রায় চৌধুরী। 
- জাতীয় পরিষদের ৩১৩টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন পেয়ে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পান। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০৫.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কতজন রাজসাক্ষী ছিল?
  1. ১১ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৪ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০৬.
সম্প্রতি (সেপ্টেম্বর, ২০২৩) ঢাকা ও প্যারিসের মধ্যে কয়টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
ঢাকা ও প্যারিস সমঝোতা চুক্তি:
- ঢাকা ও প্যারিস ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে অবকাঠামো, স্যাটেলাইটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে দুটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে ঢাকা ও প্যারিস।
- ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর উপস্থিতিতে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে বিনিময় করা হয়।
- সমঝোতা স্মারক দুটি হলো:
• বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং ফ্রান্সের ফ্রান্স ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (এফডিএ) মধ্যে ‘ইমপ্রুভিং আরবান গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রোগ্রাম’ বিষয়ে একটি ক্রেডিট সুবিধা চুক্তি।
• বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) এবং ফ্রান্সের এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস এসএএসের মধ্যে বঙ্গবন্ধু-২ আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম সম্পর্কিত সহযোগিতার বিষয়ে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই)।

উৎস: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
১,০০৭.
কতটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) ছয়টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলার চারটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট নামে নির্বাচনি জোট গঠিত হয়।
যুক্তফ্রন্টের দলগুলো হলো:
- আওয়ামী মুসলিম লীগ
- কৃষক শ্রমিক পার্টি
- নেজামে ইসলাম
- গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিলো নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ১৯৫৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জোট ২৩৭টি ‍মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১,০০৮.
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের আওতাধীন কতটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ৭টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যাদেশ ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং ২৭ অব ১৯৭২) অনুযায়ী বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গঠন করা  হয়।
- বর্তমানে আইনটি বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত। প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে।
- পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে। 
- বর্তমানে করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। 

• যেমন প্রতিষ্ঠানের নাম:
- প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ।
- জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুঃ কোম্পানী লিঃ।
- ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লিঃ।
- ইস্টার্ন কেবলস লিঃ।
- ইস্টার্ন টিউবস লিঃ।
- গাজী ওয়্যারস লিঃ।
- ন্যাশনাল টিউবস লিঃ।
- এটলাস বাংলাদেশ লিঃ।
- বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ।

উৎস: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

১,০০৯.
২০২৫ সালে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি কত শতাংশ ছিল?
  1. ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ 
  2. ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ 
  3. ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ 
  4. ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানুয়ারি মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করে।
- সময়: ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ প্রকাশ করে।
- ২০২৫ সালে দেশের গড় মূল্যস্ফীতি  ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ ছিল।
- ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
-  ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
- এর আগে নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।

উৎস:প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১,০১০.
বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কোথায়?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রসভায়
  2. কলকাতাস্থ বাংলাদেশ মিশনে
  3. বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে
  4. ৭ মার্চের জনসভায়
ব্যাখ্যা
• প্রথম জতীয় পতাকা উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের পশ্চিম গেটে বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়।
- সেদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব।
- সেই পতাকার মাঝখানে হলুদ বৃত্ত ছিল। আর বৃত্তের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র।
- সেই থেকে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চে তার বাসভবনে পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।

- ১৯৭২ সালে শিবনারায়ণ দাশের ডিজাইন করা পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয়। 
- পতাকার মাপ, রং ও তার ব্যাখ্যাসহ একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয় পটুয়া কামরুল হাসানকে। 
- কামরুল হাসান আমাদের জাতীয় পতাকার যে রূপ দিয়েছিলেন সেটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।
-  বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
 
উৎস: বিডিনিউজ ও প্রথম আলো রিপোর্ট।
১,০১১.
কোন জেলায় সবেচেয়ে বেশি ধান উৎপাদিত হয়?
  1. ক) নওগাঁ
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ধান উৎপাদন হয় ৩৭৬.০৮ লক্ষ মেট্রিক টন।

জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয় ময়মনসিংহ জেলায়। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ময়মনসিংহ জেলায় আউশ, আমন ও বোরো ধান মিলিয়ে মোট প্রায় ১৮ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়।
এছাড়া নওগাঁ, দিনাজপুর, কুমিল্লা, যশোর, সুনামগঞ্জ, রংপুর প্রভৃতি জেলায় অধিক পরিমাণে ধান উৎপাদন হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২০)
১,০১২.
গৌড়ের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. কোটিবর্ষ
  2. সোনারগাওঁ
  3. মহাস্থানগড়
  4. কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা
• গৌড় :
- প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল।
- গৌড় রাজ্য ছিল একটি স্বাধীন রাজ্যের ।
- যার অবস্থান ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে ছিল।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড় রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।

এছাড়া ও,
• রাড়দেশ এর রাজধানী ছিল - কোটিবর্ষ।
• সোনারগাঁও - বাংলার প্রাচীন রাজধানী।

উৎস : ইতিহাস, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৩.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে সদস্যপদ লাভ করে।
-
এবং একই সাথে এটি শুল্ক ও বাণিজ্য বিষয়ক সাধারণ চুক্তি (GATT)-এরও সদস্য ছিল, যা ১৯৭২ সাল থেকে কার্যকর ছিল। 

• বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO):

- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization - WTO) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যকে তদারকি ও উদারীকরণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
- এটি ১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি কার্যক্রম শুরু করে।
- WTO-এর পূর্বসূরি ছিল General Agreement on Tariffs and Trade (GATT), যা ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- মূলত এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষ সংস্থা International Trade Organization (ITO)-এর বিকল্প হিসেবে কাজ শুরু করেছিল, তবে ITO বাস্তবায়িত হয়নি।
- GATT পাঁচ দশক ধরে বৈশ্বিক বাণিজ্য উদারীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৮৬-১৯৯৪ সালের উরুগুয়ে রাউন্ড বাণিজ্য আলোচনার মাধ্যমে WTO গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- WTO বৈশ্বিক বাণিজ্যের নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা এবং বাণিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

উৎস: Britannica.

১,০১৪.
নিচের কোন উপজাতিটি বাংলাদেশের আদি জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্ত নয়?
  1. ক) কুর্মি
  2. খ) মুরং
  3. গ) রোহিঙ্গা
  4. ঘ) খিয়াং
ব্যাখ্যা
রোহিঙ্গা নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশের আদি জনগোষ্ঠী নয়। এরা মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
অন্যদিকে,
- কুর্মি উপজাতি সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের চা বাগান এলাকায় বাস করে।
- লুসাই ও খিয়াং জনগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং ব্রিটানিকা)
১,০১৫.
কার সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়?
  1. মির জাফর
  2. মীর কাসিম
  3. শুজা‑উদ‑দীন
  4. মুর্শিদকুলী খান
ব্যাখ্যা
মুর্শিদকুলী খান:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়। বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে করতলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন। পরে তিনি সুবেদার হন।
- মুর্শিদকুলী খানের রাজস্ব ব্যবস্থা ছিল যুগোপযোগী।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৬.
বাংলাদেশ সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর
  2. ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
  3. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
  4. ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
 - সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
 - ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
 - ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধান রচনার লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল ৪৩০ জন সদস্য বিশিষ্ট গণ-পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
 - এদের মধ্য থেকে ৩৪ জন সদস্য নিয়ে একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
 - ১৯৭২ সালে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল গণ-পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়।
 -  বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,০১৭.
ঐতিহাসিক ছয় দফার ২য় দফা কী ছিল?
  1. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি
  2. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা
  3. মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
  4. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১,০১৮.
এ.কে.ফজলুল হক কত সালে পূর্ব বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন?
  1. ১৯৫৪ সাল
  2. ১৯৫৫ সাল
  3. ১৯৫৬ সাল
  4. ১৯৫২ সাল
ব্যাখ্যা

এ.কে. ফজলুল হক (১৮৭৩–১৯৬২)
- তিনি ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কলকাতার মেয়র ছিলেন।
-  তিনি ১৯৩৭–১৯৪৩ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ১৯৫৬–১৯৫৮ সালে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক।
- তিনি ‘শেরে বাংলা’ বা ‘হক সাহেব’ নামে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,০১৯.
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র কোনটি?
  1. ময়নামতি
  2. পাহাড়পুর
  3. মহাস্থান গড়
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র — মহাস্থান গড়। 

• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্থান হলো মহাস্থানগড়। 
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- ১৯৬০ সালে প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতক থেকে শুরু করে বিভিন্ন যুগের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে।
-------------------- 
• সোনারগাঁও: 
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী। 
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।

• ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- এযাবৎ আবিষ্কৃত লালমাই অঞ্চলের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন হল ময়নামতি প্রত্নস্থল।
- বর্তমানে ময়নামতি অঞ্চলে যে ধ্বংশস্তুপ দেখা যায় তা প্রকৃতপক্ষে একটি প্রাচীন নগরী ও বৌদ্ধ বিহারের অবশিষ্টাংশ।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ইহা জয়কর্মান্তবসাক নামক একটি প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ ।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- ধারণা করা হয় যে খৃষ্টিয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন। 

• পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।

সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১,০২০.
কোন সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন অব্যাহত ছিল?
  1. ১৯৫২ সাল
  2. ১৯৫৩ সাল
  3. ১৯৫৪ সাল
  4. ১৯৫৬ সাল
ব্যাখ্যা
- গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাস করে।
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন অব্যাহত ছিল।
- পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অনুমোদনের মাধ্যমে এই আন্দোলন তার লক্ষ্য অর্জন করে।
- জাতীয় পরিষদে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬) এক পর্যায়ে এর সদস্য ফরিদপুরের আদেলউদ্দিন আহমদের (১৯১৩-১৯৮১) দেওয়া সংশোধনী প্রস্তাব  অনুযায়ী বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- ১৯৫২ সালের পর থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙালিদের সেই আত্মত্যাগকে স্মরণ করে দিনটি উদ্যাপন করা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে।
- এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনকে একটি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০২১.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধে পরাজিত হয়েছেন কে?
  1. ইব্রাহীম লোদী
  2. বিক্রমাদিত্য
  3. জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর
  4. বৈরাম খান
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ।
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন।
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন।
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন।
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২২.
অগ্রণী ও সফল কোন ফসলের জাত?
  1. ভুট্টা
  2. সরিষা
  3. ধান
  4. গম
ব্যাখ্যা
অগ্রণী ও সফল হলো দুটি উন্নত জাতের সরিষার জাত।
সরিষার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- সোনালী
- কল্যাণীয়া
- টরি-৭
- দৌলত
- বিনা সরিষা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও বিনা ওয়েবসাইট)
১,০২৩.
২০২২ সালের জনশুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান কত শতাংশ লোক শহরে বাস করে?
  1. ৪০.০০
  2. ৩৬.৩০
  3. ২৮.৫৮
  4. ৩১.৫১
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  
 
উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৫১%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৪৯%) থাকে গ্রামে।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।  
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।  
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।
 
উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১,০২৪.
Who is the President of the National Assembly of Bangladesh?
  1. ক) A Senior SP
  2. খ) Prime Minister
  3. গ) Speaker
  4. ঘ) Chief Whip
  5. ঙ) None
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- বাংলাদেশের জাতীয় পরিষদের সভাপতি - স্পিকার।
- সংসদের প্রধান নির্বাহী হিসেবে স্পিকারের মর্যাদা অনেক উপরে।
- সকল দেশের সংসদেই স্পিকার কে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা হয়।
- সংসদের অভিভাবক হিসেবে তিনি সরকারী এবং বিরোধী উভয় দলের নিকট শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদের কাজ পরিচালনা, শৃঙ্খলা রক্ষা ও অন্যান্য ক্ষমতা প্রয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে স্পিকার আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নন।
- স্পিকারকে দেয় পারিশ্রমিক সংযুক্ত তহবিলে দায়মুক্ত বলে গণ্য।

উৎসঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পৌরনীতি ২য় পত্র ।
১,০২৫.
রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী উভয়ই কোন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত?
  1. রাজনৈতিক প্রক্রিয়া
  2. সামাজিক প্রক্রিয়া
  3. অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া
  4. রাষ্ট্র পরিচালনা প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা

 • রাজনৈতিক দল এবং চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী: 
- রাজনৈতিক দল এবং চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উভয়েই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত।
- উভয়েই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নির্ধারক। 
- উভয়েই রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে নিজেদের দাবি ও মনোভাব ব্যক্ত করে। 
- রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী উভয়ই স্বার্থের সংহতি সাধনের সাথে জড়িত। 
- উভয়েই রাজনৈতিক নিয়োগ বা রাজনৈতিক ভূমিকায় নাগরিকদের অবতীর্ণ করানোর দায়িত্ব বহন করে। 
- রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারা উভয়ের মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়।
- বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংরক্ষণ বা পরিবর্তন, গণ-সংযোগ সাধন, তথ্য সরবরাহ, জনমত গঠন, সরকারের সমালোচনা ইত্যাদির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কার্যক্রমে সাদৃশ্য দেখা যেতে পারে। 

 তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০২৬.
'ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন' জাতীয় সংসদে পাস হয় কত সালে?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন:
- বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই আইনটি প্রণীত হয়।
- এর মাধ্যমে ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড কে একটি স্বতন্ত্র ও আইনগত স্বীকৃত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- যা প্রবাসী কর্মীদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক সেবা প্রদান করে থাকে।
- 'ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন' ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়।
- আইনটি বোর্ডের গঠন, দায়িত্ব ও কার্যক্রম নির্ধারণ করে। এতে বোর্ডের সদস্য সংখ্যা, তাদের নিয়োগ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে।
- আইনটি ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার ফান্ডের গঠন, ব্যবস্থাপনা ও ব্যয়ের দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
- প্রবাসী কর্মীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য বোর্ডকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,০২৭.
কোনটিতে নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহের অবদান নেই-
  1. ক) বারদুয়ারী
  2. খ) কদম রসুল ভবন
  3. গ) বাগেরহাটের মিঠাপুকুর
  4. ঘ) ছোট সোনা মসজিদ
ব্যাখ্যা
নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ (শাসনকাল ১৫১৯-১৫৩৩খ্রি.) ছিলেন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র। গৌড়ের বারদুয়ারী বা বড় সোনা মসজিদ ও কদম রসুল ভবনের স্থাপত্য শিল্পে অবদান রাখেন তিনি। তিনি বাগেরহাটের মিঠাপুকুর এর নির্মাতা। আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে নির্মিত হয় গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ ও গুমতিদ্বার। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১,০২৮.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে অংকিত শিল্পকর্মের নাম-
  1. উন্নত মমশির
  2. অকুতোভয়
  3. বিদ্রোহী
  4. দুরন্ত
ব্যাখ্যা

- জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে দুই হাত প্রসারিত করে বুক টান করে দাঁড়ানো এক নির্ভীক প্রতিবাদী তরুণ হচ্ছেন শহীদ আবু সাঈদ। 
- তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী বিপুল রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের উজ্জ্বলতম প্রতীক।
- ইতিহাসের অম্লান এই তরুণকে শিল্পকলায় অভিষিক্ত করেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী শহীদ কবির।
- কাজটি করার জন্য শহীদ কবির সহায়তা নেন তাঁর অনেক দিনের সহযোগী তরুণ শিল্পী ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভের (ইউডা) চারুকলার শিক্ষক ঢালী তমালকে।
- কাজটি শুরু হয় লালমাটিয়ার কিবরিয়া প্রিন্ট মেকিং স্টুডিওতে।
- তমাল ও তাঁর শিক্ষার্থীরা মিলে শহীদ কবিরের নেতৃত্বে চলে এই বিপুল কর্মযজ্ঞ।
- শিল্পকর্মটির নাম- ‘উন্নত মম শির’ ।

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]

১,০২৯.
সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কোন বাজেট থেকে প্রণয়ন করে থাকে?
  1. রাজস্ব বাজেট
  2. অ-উন্নয়ন বাজেট
  3. চলতি বাজেট
  4. উন্নয়ন বাজেট
ব্যাখ্যা

মূলধন বাজেট বা উন্নয়ন বাজেট:
- সরকারের মূলধন আয় ও ব্যয়ের হিসাব যে বাজেটে দেখানো হয় তাকে মূলধন বা উন্নয়ন বাজেট বলে।
- এ বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশের ও জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন করা।
- এ লক্ষ্যে সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস হতে অর্থসংস্থান করে।
- অভ্যন্তরীণ আয়ের উৎস হলো-রাজস্ব উদ্বৃত্ত, বেসরকারি সঞ্চয় ব্যাংক ঋণ ও অতিরিক্ত কর ধার্য করা ইত্যাদি।
- বৈদেশিক আয়ের উৎস হলো-বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক অনুদান ইত্যাদি।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায়- কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, মহিলা ও যুব উন্নয়ন, পরিবহণ ও যোগাযোগ, পল্লি উন্নয়ন ও গৃহায়ণ ইত্যাদি খাতে সরকার ব্যয় করে থাকে।
- এ বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি অর্জন।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,০৩০.
মুজিবনগর সরকারের 'স্বাস্থ্য, শ্রম ও সমাজকল্যাণ' মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ক) এম মনসুর আলী
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
এখানে, অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে বলতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে বুঝানো হয়েছে।

- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকার:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
(তার অতিরিক্ত দায়িত্ব ছিলো - প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী)
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১,০৩১.
BARD প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ২৭ মে ১৯৫৯
  2. খ) ১৭ জুন ১৯৭৯
  3. গ) ২১ জুলাই ১৯৬৯
  4. ঘ) ১৪ মে ১৯৬২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। সূচনালগ্নেই একাডেমীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খানের নেতৃত্বে নিবেদিত প্রাণ কিছু গবেষক গ্রামীণ জনগণের সাথে নিয়ে নিরন্তর পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে এ দেশে পল্লী উন্নয়নের উপযোগী কিছু মডেল কর্মসূচী উদ্ভাবন করেন। [সূত্র: bard.gov.bd]
১,০৩২.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র?
  1. ধীরে বহে মেঘনা
  2. কলমিলতা
  3. আবার তােরা মানুষ হ
  4. হুলিয়া
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র - হুলিয়া।
- এটি নির্মাণ করেন তানভীর মোকাম্মেল। 
- ষাটের দশকে প্রগতিশীল সংগঠনের কর্মীদের ওপর পশ্চিম পাকিস্তান সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনের মধ্যে হুলিয়া বুকে নিয়ে ঘরছাড়া এক তরুণকে নিয়ে লেখা কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতাকে ক্যামেরার ফ্রেমে তুলে এনেছেন তানভীর মোকাম্মেল।

অন্যদিকে,
ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'ধীরে বহে মেঘনা' চলচ্চিত্রটির পরিচালক- 'আলমগীর কবির'।
- ভারতীয় মেয়ে অনিতার প্রেমিক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়।
- সে ঢাকায় এসে যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে আরও গভীরভাবে মর্মাহত হয়।
- অভিনয়ে বুলবুল আহমেদ, ববিতা, গোলাম মোস্তফা, আনোয়ার হোসেন, খলিল উল্লাহ প্রমুখ।
- হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান আছে এ ছবিতে।

আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩): 
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
- এ চলচ্চিত্রে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয়ের চিত্র উঠে এসেছে।
- বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ববিতা, রোজী আফসারী, রওশন জামিলসহ অনেকে।
- এখানে আছে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও তরুণদের কার্যকলাপ এবং একজন আদর্শবাদী অধ্যক্ষের দৃঢ়তা।

কলমীলতা -মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পরিচালক - শহীদুল হক খান।

উৎস:
- প্রথম আলো (২০২১) পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০৩৩.
কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেল ৭(ক)
  3. অনুচ্ছেদ ৭(খ)
  4. অনুচ্ছেদ ৮
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ৭খ: 
- সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

• ৭খ অনুচ্ছেদের বিস্তারিত:
সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।

উল্লেখ্য,
৭নং অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
৭ক অনুচ্ছেদে রয়েছে - সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ এবং
৮নং অনুচ্ছেদে ''রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ'' উল্লেখিত রয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১,০৩৪.
সামাজিক সমস্যা সমাজের-
  1. খুব অল্পসংখ্যা মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে
  2. অধিকাংশ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে
  3. সব মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে
  4. কোনো মানুষকেই ক্ষতিগ্রস্থ করে না
ব্যাখ্যা
সামাজিক সমস্যা:
সুতরাং সামাজিক সমস্যা হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক ও প্রত্যাশিত জীবন যাপনের পথে বাধা সৃষ্টিকারী ও সামাজিক অগ্রগতির প্রতিকূল অবস্থা ও পরিবেশ। সামাজিক সমস্যা কোনো তাৎক্ষণিক বা ক্ষণস্থায়ী বিষয় নয়। এটি অনেকটা দীর্ঘমেয়াদি, তবে সমাধানযোগ্য।

সামাজিক সমস্যার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
সমাজবিজ্ঞানীগণ সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণের জন্য কতকগুলো বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করে থাকেন।  যেমন:
১। অবাঞ্ছিত ও ক্ষতিকর
২। সমাজের অধিকাংশ মানুষকে প্রভাবিত করে
৩। বস্তুগত ও মনোগত দিক
৪। জনগণের সচেতনতা ও পরিবর্তনের জন্য যৌথ প্রচেষ্টা
৫। সমাধান যোগ্যতা
৬। পারস্পরিক নির্ভরশীলতা
৭। সমাজ থেকে উদ্ভূত
৮। স্থায়িত্ব

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৫.
বাংলাদেশে প্রথম গণপরিষদের ডেপুটি স্পিকার কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ
  2. শাহ আবদুল হামিদ
  3. মাহমুদুল্লাহ
  4. মোহাম্মদ উল্লাহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- গণপরিষদ গঠন সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক বিধি-বিধানের সমষ্টি। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও এমন একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গণরিষদ গঠনের আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- মৃত্যু এবং অন্য কোন কারণে বা আইনে অযোগ্য বলে ঘোষিত হওয়ার ফলে সর্বমোট (১৬৯+৩০০) ৪৬৯ জন সদস্যের স্থলে ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য একটি স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের গুরুদায়িত্ব গণপরিষদের ওপর ন্যস্ত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের সভাপতিত্বে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে শাহ আবদুল হামিদ স্পিকার ও মোহাম্মদ উল্লাহ ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন
- ২ মে, ১৯৭২ শাহ আবদুল হামিদ মারা গেলে মোহাম্মদ উল্লাহ স্পিকার নির্বাচিত হন।

• গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- সরকারের আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহ্বায়ক করে ৩৪ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করেন।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) সংবিধান থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৬.
সমতটের বর্তমান অবস্থান কোথায়?
  1. বগুড়া ও রাজশাহী 
  2. বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা ও ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

সমতট:
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- মেঘনা পূর্ববর্তী এলাকায় কুমিল্লা-নোয়াখালীর সমতল অঞ্চলে ছিল সমতটের অবস্থান।
- তবে ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
- রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়োকামতা।

অন্যদিকে, 
- বৃহত্তর ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাখেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি নিয়ে ‘বঙ্গ' জনপদ গঠিত ছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,০৩৭.
পাল রাজবংশ কত বছর রাজত্ব করেন?
  1. প্রায় একশ বছর
  2. প্রায় দু'শ বছর
  3. প্রায় তিনশ বছর
  4. প্রায় চারশ বছর
ব্যাখ্যা

পাল রাজবংশ:
- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে। এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন। পালযুগে বৌদ্ধ ধর্ম প্রসার লাভ করেছিল তিববত, জাভা, সুমাত্রা ও মালয়েশিয়াতে।

⇒ গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন। তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩৮.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে -
  1. তুর্কিদের আক্রমনে
  2. হুনদের আক্রমণে
  3. গ্রীকদের আক্রমনে
  4. প্রাকৃতিক দুর্যোগে
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টীয় তিন শতকের শেষ এবং চার শতকের প্রথমদিকে সম্ভবত প্রথম চন্দ্রগুপ্ত অথবা সমুদ্রগুপ্তের মাধ্যমে বাংলায় গুপ্ত শাসন সম্প্রসারিত হয়।
- শ্রীগুপ্ত হচ্ছেন গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ।
- এল্যানের মতে, পাটলীপুত্র (মগধের অভ্যন্তরে) নগরের অদূরে শ্রীগুপ্তের রাজত্ব ছিল।
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কুমারগুপ্তের সময় (৪৩২-৪৪৮ খ্রি.) থেকে উত্তর বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে গড়ে ওঠে।
- এটির নাম ছিল তখন ‘পুন্ড্রবর্ধন ভুক্তি’।
- হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৯.
কতজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে 'বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার' - ১৪২৫ ও ১৪২৬ প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৫
  2. খ) ২৫
  3. গ) ২৯
  4. ঘ) ৪৪
ব্যাখ্যা
• কৃষিখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৪৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে 'বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার' - ১৪২৫ ও ১৪২৬ দেয়া হয়েছে।
• এর মধ্যে ১৪২৫ সালের জন্য ১৫ ব্যক্তি ও সংগঠনকে এবং ১৪২৬ সালের জন্য ২৯ ব্যক্তি ও সংগঠনকে এ পুরস্কার দেয়া হবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।      
১,০৪০.
'কল্যাণসোনা' কোন ফসলের জাত?
  1.  ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. পাট
ব্যাখ্যা

• উন্নত জাতের গম:
- আনন্দ, কাঞ্চন, আকবর, বরকত, অঘ্রাণী, সোনালিকা
- কল্যাণসোনা, প্রতিভা, গৌরব, শতাব্দী, বলাকা, দোয়েল
- সনোরা-৬৪, , ইনিয়া-৬৬, জুপাটিকা-৭৩,  সওগাত, সৌরভ
-  নুরী-৭০, , টেনোরী-৭১, নরটেনো-৬৭, প্যাভন-৭৬ 
- বারিগম-১৭ , বারিগম-১৮ , , বারিগম-১৯ 
- বারিগম-২০ , বারিগম-২১, 

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। Link

১,০৪১.
ব্যক্তি করদাতার সারচার্জ এর ক্ষেত্রে নীট পরিসম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত হলে নূন্যতম সারচার্জ-
  1. ক) ২,০০০ টাকা
  2. খ) ৩,০০০ টাকা
  3. গ) ৪,০০০ টাকা
  4. ঘ) ৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
ব্যক্তি করদাতার সারচার্জ এর ক্ষেত্রে নীট পরিসম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত হলে নূন্যতম সারচার্জ ৩,০০০ টাকা এবং ১০ কোটি টাকা অতিক্রম করলে নূন্যতম সারচার্জ ৫,০০০ টাকা করা হয়েছে।
১,০৪২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ' শহর কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ৭ নং সেক্টর 
  2. ৯ নং সেক্টর
  3. ১১ নং সেক্টর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য তৎকালীন অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এটি ছিলো যুদ্ধ পরিচালনার একটি সামরিক কৌশল।
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই সেক্টর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

⇒ সেক্টরগুলো:
- ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পাবর্ত্য চট্টগ্রাম,
- ২নং সেক্টর: ঢাকা, নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ,
- ৩নং সেক্টর: কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ, 
- ৪ নং সেক্টর: মৌলভীবাজার ও সিলেটের পূর্বাংশ, 
- ৫নং সেক্টর: সিলেট ও সুনামগঞ্জ, 
- ৬নং সেক্টর: রংপুর, দিনাজপুর,
- ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা,
- ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর,
- ৯নং সেক্টর: খুলনা, বরিশাল,
- ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,০৪৩.
সোহরাই কাদের উৎসব?
  1. সাঁওতাল
  2. চাকমা
  3. গারো
  4. খাসিয়া
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
→ সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
→ তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
→ সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
→ তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। 

→ সাঁওতালদের প্রধান উৎসব - সোহরাই।
→ সাঁওতালদের সমাজ হলো - পিতৃতান্ত্রিক।
→ সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য (তাদের ভাষায় সিং বোঙ্গা)।
→ সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
→ সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিজীবী।

→ সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। কোল ও মুন্ডারি ভাষার সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার সাদৃশ্য রয়েছে।
→ সাঁওতালদের যেমন ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই,
→ তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।
→ সাঁওতালদের মধ্যে এখনও ১২টি গোত্রবিভাগ রয়েছে। 
তাদের সামাজিক অনুষ্ঠান:
→ নববর্ষের মাস ফাল্গুনে অনুষ্ঠিত হয় স্যালসেই উৎসব, তেমনি চৈত্রে বোঙ্গাবোঙ্গি, বৈশাখে হোম, আশ্বিনে দিবি, পৌষ শেষে সোহরাই উৎসব পালিত হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,০৪৪.
সংসদে বেসরকারি বিল উত্থাপন করেন কারা?
  1. বিরোধী দলীয় সদস্যবৃন্দ
  2. সংসদ সদস্যবৃন্দ
  3. টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীবর্গ
  4. হুইপবৃন্দ
ব্যাখ্যা
আইনের খসড়া বা আইনের পাশের জন্যে সংসদে উত্থাপিত প্রস্তাবকে বিল বলে।
মন্ত্রীগণ উত্থাপিত বিলকে সরকারি বিল এবং মন্ত্রী ব্যতীত সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিলকে বেসরকারি বিল বলে। বিল পাশ হলে তা আইনে পরিণত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১,০৪৫.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত হিটম্যাপে কয়টি খাতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১১টি
  2. ১৩টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা):
- BIDA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Investment Development Authority.
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি,
- বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ বা এফডিআই আকর্ষণে  হিটম্যাপ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)।
- তথ্যনির্ভর এফডিআই হিটম্যাপটি ১৯টি সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ টানতে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেবে।
- এফডিআই হিটম্যাপে থাকা ১৯টি খাতকে তিনটি প্রধান মানদণ্ড বাজার প্রস্তুতি ও সম্ভাবনা, ইনপুট ফ্যাক্টরের প্রাপ্যতা ও জাতীয় লক্ষ্য (এসডিজি ও ইএসজি)-এর সঙ্গে কৌশলগত সংযোগের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়েছে।
- অগ্রাধিকার খাতের প্রধান হলো ছয়টি খাত হচ্ছে- কোর অ্যাপারেল, ফার্মাসিউটিক্যালস (এপিআই ছাড়া), কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, আইটি-সক্ষম সেবা, উন্নত টেক্সটাইল এবং নবায়নযোগ্য শক্তি।
- এফডিআই হিটম্যাপের কার্যকারিতা সর্বাধিক করতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ফোরাম, রোড শো এবং নীতি উন্নয়নের উদ্যোগ নেবে বিডা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,০৪৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলদেশের মোট রপ্তানি আয় কত ছিল? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়: 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলদেশের মোট রপ্তানি আয় ছিল ৪৪.৪৬৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- প্রাথমিক পণ্যের রপ্তানি আয় ১.৩৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ম্যানুফ্যাকচারড পণ্যের রপ্তানি আয় ৪৩.১১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট RMG পণ্যের রপ্তানি আয় ৩৬.১৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- নিটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় ১৯.২৮২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উইভেন (wooven) পণ্যের রপ্তানি আয় ১৯.২৮২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো রিপোর্ট।
১,০৪৭.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে ইউরেনিয়াম সরবরাহ করবে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) টিভিইএল কোম্পানি
  2. খ) পিইএল-এমইএল কোম্পানি
  3. গ) হুন্দাই কর্পোরেশন
  4. ঘ) গ্যাজপ্রম
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম সরবরাহ করবে রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান টিভিইএল জয়েন্ট স্টক কোম্পানি। ৬ এপ্রিল ২০১৯ এ লক্ষে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সঙ্গে কোম্পানিটির চুক্তি সাক্ষরিত হয়। (সূত্রঃ দৈনিক দেশ রূপান্তর)
১,০৪৮.
২০২৫ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে, মাথাপিছু জাতীয় আয়ের পরিমাণ কত ?
  1. ২,৬২৫ মার্কিন ডলার
  2. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৫৬৫ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯৯০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১,০৪৯.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন -
  1. রাষ্ট্রভাষা বাংলা পরিষদ
  2. রাষ্ট্রভাষা বাংলা কমিটি
  3. তমদ্দুন মজলিশ
  4. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১,০৫০.
বাংলাদেশের বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. ত্রিপুরা
  4. সাঁওতাল   
ব্যাখ্যা

চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- এখানে তারা আরও কয়েকটি আলাদা আদিবাসী সঙ্গে মিশ্রিত।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ১৮৬০ সালে জুমচাষ নিষিদ্ধ হলে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের পূর্বাঞ্চলে চলে যায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।

১,০৫১.
'আগুনের পরশমণি' চলচ্চিত্রের উপজীব্য বিষয় কী?
  1. ধর্মীয়
  2. সামাজিক
  3. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক
  4. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক
ব্যাখ্যা
আগুনের পরশমণি:

- মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ‘আগুনের পরশমণি’।
- দর্শকনন্দিত এই ছবির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন হ‌ুমায়ূন আহমেদ।
- ১৯৯৪ সালে সরকারি অনুদানে নির্মিত হয় এ ছবি। মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর অভিযান আর মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের সংকট ছবিটিতে তুলে ধরেছেন। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, ডলি জহুর ও আরো অনেকে।
- আগুনের পরশমণি ছবিটি ৮টি শাখায় অর্জন করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।
- শাখাগুলো হচ্ছে- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা (হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (বিপাশা হায়াত), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (সত্য সাহা), শ্রেষ্ঠ শব্দ গ্রাহক (মফিজুল হক), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (শিলা আহমেদ), শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার (হোসনে আরা পুতুল)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৫২.
ঢাকা মহানগরীতে থানার সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩০ টি
  2. খ) ৪০ টি
  3. গ) ৪৫ টি
  4. ঘ) ৫০ টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ঢাকা মহানগরীর থানার (মেট্রোপলিটন) সংখ্যা ৫০ টি। উৎস: নিকার ওয়েবসাইট
১,০৫৩.
কোন এলাকার প্রধানকে বোমাং রাজা বলা হয়?
  1. নেত্রকোনা
  2. মৌলভীবাজার
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা
পার্বত্য অঞ্চলের রাজকথন:
- ভৌগোলিকভাবে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার অবস্থান ছিল আসাম ও পার্বত্য ত্রিপুরা থেকে আরাকান ও মিয়ানমারের সীমান্ত পর্যন্ত। 
- ১৭৬০ সালে চট্টগ্রাম এলাকা মোগলদের কাছ থেকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে চলে গেলেও পার্বত্য জনগোষ্ঠীর হেডম্যানদের কর্তৃত্ব বহাল রাখা হয়।
-  ১৮৬০ সালে পার্বত্য অঞ্চলকে রেগুলেশন জেলা চট্টগ্রাম থেকে পৃথক করা হয়।
- পাহাড়ি এলাকাকে তখন পার্বত্য চট্টগ্রাম নামে অভিহিত করা হয়।
- ১৯০০ সালে পার্বত্য অঞ্চলকে চাকমা, বোমাং ও মং সার্কেলে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সার্কেলের চিফ নিযুক্ত করা হয়।
- বর্তমানে রাঙামাটি জেলার বৃহত্তর অংশ ও খাগড়াছড়ি জেলার কিছু অংশ নিয়ে চাকমা সার্কেল।
- খাগড়াছড়ি জেলার বৃহত্তর অংশ নিয়ে মং সার্কেল।
- বান্দরবান জেলার বৃহত্তর অংশ ও রাঙামাটি জেলার কিছু অংশ নিয়ে বোমাং সার্কেল রয়েছে।
- পার্বত্য অঞ্চলের এই তিন সার্কেলপ্রধান স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে রাজা হিসেবেই বিবেচিত।
- যদিও সরকারিভাবে তাঁদের সার্কেল চিফ বলা হয়। 

উল্লেখ্য,
- খাগড়াছড়ি জেলা মং সার্কেলের অন্তর্গত। 
- চাকমা সার্কেলের প্রধান ‘চাকমা রাজা’। রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ির দীঘিনালা ও রাজস্থলী উপজেলা নিয়ে চাকমা সার্কেল। 
- বোমাং সার্কেল বান্দরবানে। এ সার্কেলের প্রধান হলেন ‘বোমাং রাজা’। বম বা বনযোগী আদিবাসীরা সেখানে প্রধান।

উৎস: ১৪ অক্টোবর ২০১৯, প্রথম আলো।
১,০৫৪.
২০২৪ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সরকারী চাকরিতে সব গ্রেডে মেধার ভিত্তিতে কত শতাংশ নিয়োগ দেওয়া হবে?
  1. ৯৩%
  2. ৫৬%
  3. ৮০%
  4. ৯০%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

♦ সরকারী চাকরিতে সব গ্রেডে ৯৩% চাকরি মেধার ভিত্তিতে;

♦ বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ;
♦ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ;
♦ প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১ শতাংশ। 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এখন থেকে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরির সব গ্রেডে সরাসরি নিয়োগে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে। বাকি পদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ কোটা, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে।

 ২০১৮ সালে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডের (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি) সব কোটা বাতিল করা হয়। তবে ১৪তম থেকে ২০তম গ্রেডে (মূলত তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) কোটা ছিল। যদিও প্রতিষ্ঠান ভেদে এসব পদের কোটায় কিছু ভিন্নতা আছে। অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগও হয় আলাদা নিয়োগবিধিতে।

সূত্র- জনপ্রশাসন মন্ত্রাণালয় ও প্রথম আল পত্রিকা রিপোর্ট।
১,০৫৫.
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি' শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজি
  2. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
  3. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  4. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা

সুলতানি শাসন:
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলা প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্।
- তিনি সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। 
- এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ ‘বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় ‘বাঙালি' নামে।
- তাঁরা জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে সবাইকে শাসনকার্যে ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করেন।
- ইলিয়াসশাহী সুলতানগণ আরবদেশ, চীন ও পারস্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।
- ইলিয়াসশাহী আমলে বাংলার কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল।
- ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ১৬৩৮ সালে পূর্ব বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর রাজধানী হয় সোনারগাও।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৫৬.
বাংলাদেশে বসবাস নেই কোন নৃ-গোষ্ঠীর?
  1. সাঁওতাল
  2. তঞ্চঙ্গ্যা
  3. ম্রো
  4. মাওরি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাস করে না মাওরি নৃ-গোষ্ঠীরা।
- সাঁওতাল, তঞ্চঙ্গ্যা, ম্রো এরা সবাই বাংলাদেশে বসবাস করে।

মাওরি: 
- মাওরিরা মূলত নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী সম্প্রদায়।
- আনুমানিক ১৩০০ সালের দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপ থেকে মাওরি জনগোষ্ঠীর লোকজন এখানে আসে।
- এরপর থেকে এরা নিউজিল্যান্ডের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- বর্তমানে দেশটির মোট জনগোষ্ঠীর ২০ শতাংশ মাওরি।
- তাদের নিজস্ব ভাষায় "একে ওয়াকাপাপা" বলা হয়। 
- হাঁকা নাচকে মাওরি জনগোষ্ঠীরা প্রতিবাদের ভাষা হিসাবে ব্যবহার করে।
- এটা তাদের কাছে যুদ্ধ নৃত্য।
- তারা হাঁকা নাচের সময় "কামাতে কামাতে,কামারা কামরা" শব্দ ধ্বনি উচ্চারণ করে।
- ওয়ে টাঙ্গি চুক্তি তাদের সাথে যুক্ত।

উৎস: The Financial Express.
১,০৫৭.
মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. আতাউল গণি ওসমানী
  2. জিয়াউর রহমান
  3. কে.এম. শফিউল্লাহ
  4. খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা

জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী:
- জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।
- ১৯১৮ সালের ১ নভেম্বর সুনামগঞ্জে তাঁর জন্ম।
- তিনি ১৯৩৪ সালে সিলেট সরকারি হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং ১৯৩৮ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৩৯ সালের জুলাই মাসে দেরাদুনে ব্রিটিশ ভারতীয় সামরিক একাডেমী থেকে সামরিক কোর্স সম্পন্ন করে রাজকীয় বাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে যোগ দেন (অক্টোবর ১৯৪০)।
- ১৯৪১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন।
- ১৯৪৭ সালে সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসার কোর্স সম্পন্ন করার পর ওসমানী লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে নিয়োগের জন্য মনোনীত হন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৭ সালের ৭ অক্টোবর তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং পরদিনই লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে উন্নীত হন।
- আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। সত্তরের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,০৫৮.
সম্প্রতি ইন্টারঅপারেবল ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম (আইডিটিপি) হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে -
  1. ক) হ্যালো এসবি
  2. খ) আপন
  3. গ) আইডিয়া
  4. ঘ) বিনিময়
ব্যাখ্যা
বিনিময়

১৩ নভেম্বর, ২০২২ ইন্টারঅপারেবল ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম (আইডিটিপি) হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ‘বিনিময়’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এটি উদ্বোধন করেন।

- ‘বিনিময়’ হচ্ছে ওয়েবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম, যা একটি সেবা হিসেবে ব্যাংক, এমএফএস ও পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরের নিজস্ব অ্যাপে যুক্ত হচ্ছে।
- প্ল্যাটফর্মটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি (আইডিয়া) প্রকল্প এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে
- এটি তৈরিতে সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে ভেলওয়্যার লিমিটেড, মাইক্রোসফট বাংলাদেশ ও ওরিয়ন ইনফরমেটিকস লিমিটেড।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২ ও দৈনিক ইত্তেফাক।
১,০৫৯.
কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট পার্বত্য চট্টগ্রামের কয়টি জেলা নিয়ে আলাদা রাজ্য গঠনের ঘোষণা দেয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট:
- কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট বা কেএনএফকে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন।
- বান্দরবান ও রাঙ্গামাটির অন্তত ছয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছে তারা।
- এগুলো হলো: বম, পাংখোয়া, লুসাই, খিয়াং, ম্রো ও খুমি। 
- তাদের সাংগঠনিক প্রধান নাথান বম।
- নাথান বম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী ছিলেন।
-  তিনি রুমা উপজেলার এডেনপাড়ার অধিবাসী।
- রুমার এডেনপাড়ায় কুকি চিন ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কেএনডিও) নামের একটি বেসরকারি সংগঠনেরও প্রতিষ্ঠাতা তিনি। 
- আত্মপ্রকাশের পর কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি এবং বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা ও আলীকদম উপজেলার সমন্বয়ে পৃথক রাজ্যের দাবি করে।
 
উল্লেখ্য,
- কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) পার্বত্য চট্টগ্রামের দুই জেলার ৯ উপজেলা নিয়ে একটি আলাদা রাজ্য গঠনের ঘোষণাও দেয় তারা। 
 
উৎস: i) ৫ এপ্রিল ২০২৪, প্রথম আলো।
          ii) ২০ অক্টোবর ২০২২, বিবিসি বাংলা।
১,০৬০.
গমের সর্বাধিক চাষ হয় কোন জেলায়?
  1. পাবনা
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ৩.৪২ লক্ষ হেক্টর জমিতে মোট ১২.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপাদিত হয়।
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ঠাকুরগাঁও (১.৮৯ লক্ষ টন)
- দ্বিতীয় : পাবনা (১.০৬ লক্ষ টন)
- তৃতীয় : চাপাইনবাবগঞ্জ (১.০৫ লক্ষ টন)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১,০৬১.
সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল -
  1. ৪০৩ জন
  2. ৪১৩ জন
  3. ৪৩৪ জন
  4. ৪৯৩ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না।
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- গণপরিষদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মনোনীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাব অনুযায়ী গণপরিষদের প্রবীনতম সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ-এর সভাপতিত্বে গণপরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬২.
কারা ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে সহায়তা পেয়ে থাকেন?
  1. দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষেরা
  2. মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরা
  3. বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্ররা
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
VGF:
- VGF- এর পূর্ণরূপ: Vulnerable Group Feeding.
- VGF হলো খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের একটি ত্রাণ কর্মসূচির নাম।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

⇒ ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে:
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যেরমাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,০৬৩.
সম্প্রতি, এফডিআই আর্কষণে বিডা প্রকাশিত হিটম্যাপে কয়টি খাতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৯টি
  2. ১৯টি
  3. ২৯টি
  4. ৩৯টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা):
- BIDA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Investment Development Authority.
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি,
- বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ বা এফডিআই আকর্ষণে হিটম্যাপ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)।
- তথ্যনির্ভর এফডিআই হিটম্যাপটি ১৯টি সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ টানতে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেবে।
- এফডিআই হিটম্যাপে থাকা ১৯টি খাতকে তিনটি প্রধান মানদণ্ড বাজার প্রস্তুতি ও সম্ভাবনা, ইনপুট ফ্যাক্টরের প্রাপ্যতা ও জাতীয় লক্ষ্য (এসডিজি ও ইএসজি)-এর সঙ্গে কৌশলগত সংযোগের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়েছে।
- অগ্রাধিকার খাতের প্রধান হলো ছয়টি খাত হচ্ছে- কোর অ্যাপারেল, ফার্মাসিউটিক্যালস (এপিআই ছাড়া), কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, আইটি-সক্ষম সেবা, উন্নত টেক্সটাইল এবং নবায়নযোগ্য শক্তি।
- এফডিআই হিটম্যাপের কার্যকারিতা সর্বাধিক করতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ফোরাম, রোড শো এবং নীতি উন্নয়নের উদ্যোগ নেবে বিডা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,০৬৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত?
  1. প্রায় ৮০ লক্ষ হেক্টর
  2. প্রায় ৮৩ লক্ষ হেক্টর
  3. প্রায় ৮৫ লক্ষ হেক্টর
  4. প্রায় ৮৯ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,০৬৫.
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কয়টি স্তরে বিভক্ত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা
- বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা তিন স্তরবিশিষ্ট।
- সেগুল হলো: প্রাথমিক স্তর, মাধ্যমিক স্তর এবং উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর।
- সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হয় ৫ বছর মেয়াদী প্রাথমিক, ৭ বছর মেয়াদী মাধ্যমিক (এর মধ্যে ২ বছর মেয়াদী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়)।
- বাংলাদেশে তৃতীয় পর্যায়ে অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ৩ থেকে ৫ বছর মেয়াদি।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয় হলো শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দফতর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, bangladesh.gov.bd.

১,০৬৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের সময়কাল কত?
  1. ক) ১ জুন থেকে ৭ জুন
  2. খ) ৭ জুন থেকে ১৫ জুন
  3. গ) ১৫জুন থেকে ২১ জুন
  4. ঘ) ২১ জুন থেকে ২৮ জুন
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- এরপর ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় এবং তারপরে প্রতি দশ বছরের ধারাবাহিকতায় নিয়মিত শুমারি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'-কে ‘জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে আদমশুমারি ও গৃহগণনার পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ১৫ হতে ২১ জুন ২০২২ সময়ে দেশব্যাপী পরিচালিত হয়, তবে আকস্মিক বন্যার কারণে শুমারির আন্তর্জাতিক প্রটোকল প্রতিপালনপূর্বক সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোণা জেলায় তথ্যসংগ্রহের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়।
- Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতির মাধ্যমে ডিজিটাল শুমারি সম্পন্ন করা হয়েছে।
- মোট জনসংখ্যা -১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,০৬৭.
বাংলাদেশে অ্যাটর্নি জেনারেলকে কে নিয়োগ করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. স্পিকার
  5. আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,০৬৮.
BEPZA-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Economic Promotion Zone Association
  2. Bangladesh Enterprise Processing Zone Agency
  3. Bangladesh Export Production Zone Administration
  4. Bangladesh Export Processing Zone Authority
ব্যাখ্যা

বেপজা:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- শিল্পায়ন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- শিল্পায়ন, বিনিয়োগ প্রচার, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করা বেপজার মূল লক্ষ্য।
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।
- ২০২১ সালের ৭ই নভেম্বর তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বেপজার উদ্দেশ্য:
• বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
• রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
• চাকরির সুযোগ তৈরি করা।
• দারিদ্র্য বিমোচন।
• প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষতা অর্জন করা।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।

১,০৬৯.
কোন নদীর উপর কালুরঘাট সেতু নির্মাণ হবে?
  1. সাঙ্গু
  2. মাতামুহুরী
  3. হালদা
  4. কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কালুরঘাট সেতু:
- চট্টগ্রামের কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতু নির্মাণ হবে।

⇒ কর্ণফুলী নদীর ওপর বিদ্যমান রেল সেতুর ৭০ মিটার উজানে নতুন সেতু নির্মিত হবে। দুই পাশে দুই লেন করে চার লেনের সেতু তৈরি হবে। এক পাশে চলবে ট্রেন, অপর পাশে বাস-ট্রাকসহ সাধারণ যানবাহন চলবে। দুই প্রান্তে নির্মাণ করা হবে ৬.২ কিলোমিটার রেলপথ (ভায়াডাক্ট)। রেলপথের জন্য নির্মাণ হবে ৪.৫৪ কিলোমিটার বাঁধ। সড়ক পথ নির্মাণ করা হবে ২.৪ কিলোমিটার। মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৭০০ মিটার। পানি থেকে সেতুর উচ্চতা ১২ দশমিক ২ মিটার। ভায়াডাক্টসহ সেতুর দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৬ কিলোমিটার।

⇒ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গত ১৪ মে, ২০২৫ তারিখে কালুরঘাট রেল কাম সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন।
- কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর ‘রেল কাম রোড সেতু’র দৈর্ঘ্য হবে ৭০০ মিটার।
- এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা।
- ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর ওপর রেল কাম রোড সেতু নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
- প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
- ২০২৬ সালের শুরুর দিকে নতুন সেতুর কাজ শুরু হয়ে ২০৩০ সালে সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরুর কথা আছে।
- প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকৌশলী আবুল কালাম চৌধুরীকে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। 
- সেতু নির্মাণের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে সহজ শর্তে ৮১ কোটি ৪৯ লাখ ১০ হাজার ডলার ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ড (ইডিসিএফ) থেকে ৭২ কোটি ৪৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট প্রমোশন ফ্যাসিলিটি (ইডিপিএস) তহবিল থেকে নয় কোটি এক লাখ ৮০ হাজার ডলার দেওয়া হবে।

উৎস: i) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 
ii) বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
১,০৭০.
'কৃষক-শ্রমিক পার্টি' কার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. এ. কে. ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
কৃষক-শ্রমিক পার্টি:
- কৃষক-শ্রমিক পার্টি আর্থ-সামাজিক কর্মসূচি সম্বলিত একটি রাজনৈতিক দল।
- দলটি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত বাংলার রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল।
- ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কৃষক প্রজা পার্টি ছিল নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতির ফসল।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মুসলমান নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে নিখিলবঙ্গ প্রজা সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৯ সালে।
- স্যার আব্দুর রহিম এ সমিতির সভাপতি এবং আরও পাঁচজন সহ-সভাপতি ছিলেন।
- এ.কে ফজলুল হক ছিলেন এ পাঁচজনের মধ্যে প্রথম সহ-সভাপতি।
- ১৯৩০ দশকের মন্দার প্রেক্ষাপটে পূর্ব বঙ্গের প্রায় সকল জেলায় প্রজা সমিতি গঠিত হয়।
- এ. কে. ফজলুল হক পূর্ব বাংলায় তার সমর্থকদের নিয়ে প্রজা সমিতি ত্যাগ করলেন এবং ১৯৩৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় কৃষক প্রজা পার্টি প্রতিষ্ঠিত করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনে কে.পি.পি-র প্রধান দু প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ।
- কৃষক ভোটাররা ফজলুল হকের প্রতি বিশাল সমর্থন জানায়।
- নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে কেপিপি তৃতীয় স্থান দখল করে।
- কংগ্রেস পায় ৫২টি আসন, মুসলিম লীগ ৩৯টি, কে.পি.পি ৩৬টি এবং অন্যান্য খন্ডিত দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২৫০ আসনের বাকিগুলি দখল করে।
- এর ফলে কে.পি.পি পূর্ব বঙ্গের একটি দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,০৭১.
VGF এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Voluntary Group Fund
  2. Vulnerable Group Feeding
  3. Village Growth Forum
  4. Voluntary Grant Fund
ব্যাখ্যা

• Vulnerable Group Feeding (VGF) বা “দুর্বল গোষ্ঠী খাদ্য কর্মসূচি”
- ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর, বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)-এর সহযোগিতায় “ Vulnerable Group Feeding (VGF) চালু করে। 
- সূচনাকালে, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ৩১.২৫ কিলোগ্রাম গম সরবরাহ করা হতো।
- এখনো পর্যন্ত VGF একটি মানবিক কর্মসূচি হিসেবে চলমান আছে, 
- যা দুর্যোগকালীন সময়ে এবং প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।

• VGF কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

• দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
• দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও শিশুদের রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা;
• নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা;
• মন্দার সময় বেকার জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা;
• দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অস্থায়ী সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখা; এবং
• অতিদরিদ্র জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: বিশ্ব ব্যাংক।

১,০৭২.
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ কবে প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ৮ মার্চ ২০২৫
  2. ১২ মার্চ, ২০২৫
  3. ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  4. ২৮ এপ্রিল, ২০২৫
ব্যাখ্যা
জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সনের ৩০ নং অধ্যাদেশ) অনুযায়ী, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ তারিখের প্রজ্ঞাপন নং ৪৮.০০.০০০০.০০১.৩৮. ০০৪.২০২৫.১৯২ দ্বারা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনসহ গণ-অভ্যুত্থানের মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করা এবং ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশে প্রণীত হয়েছে এ অধ্যাদেশ।
- এই অধ্যাদেশের দ্বিতীয় অধ্যায়ে অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা ও এর কার্যাবলীসহ নানাবিধ বিষয় অর্ন্তভূক্ত রয়েছে।
- এই অধিদপ্তর গণঅভ্যুত্থানে আজীবন শহিদ পরিবারকে সহায়তা ও আহতদের পুনর্বাসন করবে।
- অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় থাকবে ঢাকায়।

উল্লেখ্য,
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, নিহতদের পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসন এবং গণঅভ্যুত্থানের আদর্শকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন করেছে সরকার।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ নামে একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জুলাই অধিদপ্তর করার উদ্দেশ্য তুলে ধরে সরকার। তাতে বলা হয়, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণ, গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার এবং আহত ছাত্র-জনতার পুনর্বাসনসহ গণঅভ্যুত্থানের আদর্শ ও চেতনাকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করাই হবে এই অধিদপ্তরের উদ্দেশ্য।”

উৎস: i) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ। [link]
ii) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,০৭৩.
বাংলাদেশে গ্রামের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৮৭,১৯১ টি
  2. খ) ৮৪,৫০০ টি
  3. গ) ৮৫,৫০০ টি
  4. ঘ) ৮৩,৯০০ টি
ব্যাখ্যা
পঞ্চম আদমশুমারি(২০১১) অনুযায়ী:
- বাংলাদেশে গ্রামের সংখ্যা ৮৭,১৯১ টি
-  নারীর সংখ্যা ৭,৪৭,৯১,৯৭৮ জন 
- পুরুষের সংখ্যা ৭,৪৯,৮০,৩৮৬ জন।
১,০৭৪.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন -
  1. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  2. শাহ আবদুল হামিদ
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. খন্দকার মুশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ সরকার 'মুজিবনগর সরকার' নামেই বেশি পরিচিত। 
- অনেকে একে প্রবাসী সরকার বলেন। 
- তবে এ সরকারকে বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার বলাই শ্রেয়। 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল (১৯৭১) নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করে কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায়। 
- নতুন সরকার বৈদ্যনাথতলার নাম পাল্টে রাখেন মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে ছিল।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ মন্ত্রণালয়: এম. মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব, 
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৭৫.
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সর্বনিম্ন স্তর- 
  1. উপজেলা পরিষদ
  2. জেলা পরিষদ
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. পৌরসভা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার:
- বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল-জেলা পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- এবং সবচেয়ে নিম্ন স্তর  ইউনিয়ন পরিষদ।
- শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা এসএসসি প্রোগ্রাম, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৭৬.
বঙ্গভঙ্গের কারণে কোন প্রদেশের সৃষ্টি হয়েছে?
  1. বাংলা ও বিহার
  2. পূর্ববঙ্গ ও আসাম
  3. ঢাকা ও কলকাতা
  4. আসাম ও উড়িষ্যা
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ: 
- বঙ্গভঙ্গ ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর ব্রিটিশ গভর্নর-জেনারেল লর্ড কার্জনের শাসনামলে কার্যকর হয়।
- এটি অবিভক্ত বাংলার তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল।
- ১ সেপ্টেম্বর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর করা হয়।  
- বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম’ প্রদেশ,
- এর রাজধানী স্থাপন করা হয় ঢাকায়।

অন্যদিকে,
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ, যার রাজধানী ছিল কলকাতা। 
- আন্দোলনের চাপে ব্রিটিশ সরকার শেষ পর্যন্ত ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে, লর্ড হার্ডিঞ্জের শাসনামলে, রাজা পঞ্চম জর্জের ঘোষণার মাধ্যমে বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়। এর ফলে পুনরায় বাংলা একত্রিত হয়, তবে ব্রিটিশ সরকার দিল্লিকে ভারতের নতুন রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৭৭.
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. মেকলে শিক্ষা কমিশন
  2. কার্জন শিক্ষা কমিশন
  3. স্যাডলার শিক্ষা কমিশন
  4. হান্টার শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

প্রথম শিক্ষা কমিশন: 
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হলো হান্টার শিক্ষা কমিশন।
- এটি ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হান্টারকে প্রধান করে গঠিত হয়।
- এই কমিশনে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন এবং এটি ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড রিপনের আমলে গঠিত হয়েছিল।

উল্লখ্য, 
- লর্ড লিটনের পদত্যাগের পর লর্ড রিপন ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন।
- তার শাসনকাল ছিল ১৮৮০ থেকে ১৮৮৪ সাল।
- তিনি সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরোধী ছিলেন এবং ভারতবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে উদারনীতি গ্রহণ করেন।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনির ইতিহাস বই, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা।

১,০৭৮.
মোগল সম্রাট আকবরের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. জিজিয়া কর রহিত করেন
  2. বাংলা সন প্রবর্তন করেন
  3. দীন-ই-ইলাহি ধর্মের প্রবর্তন করেন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মোগল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- মোগল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।
- আকবর সঙ্গীতপ্রিয় ও সঙ্গীতপিপাসু ছিলেন।
- আকবরের দরবারে জ্ঞানী, গুণী, বিদ্যান, বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের কদর ও প্রাধান্য ছিল।
- তার দরবারে ভারতীয়, ইরানী তুরানী, কাশ্মীরি গায়ক ছিলেন।
- বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের তথ্য মতে, আকবরের দরবারে ৩৬ জন গায়ক ছিলেন।
- আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
- ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন সম্রাট আকবরের দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) Britannica.
১,০৭৯.
বাংলাদেশের একমাত্র কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পদ অলংকৃত করেছেন?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) ফখরুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) ইয়াজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
•শেখ মুজিবুর রহমান:

- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- আর তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পদ অলংকৃত করেছেন।
 
উৎস: - বাংলাপিডিয়া
১,০৮০.
জেলহত্যা দিবস কত তারিখে পালিত হয়?
  1. ক) ২ অক্টোবর
  2. খ) ২ নভেম্বর
  3. গ) ৩ নভেম্বর
  4. ঘ) ৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ৩ নভেম্বর জেলহত্যা দিবস পালিত হয়। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতীয় চার নেতা: সাবেক উপ-রাষ্ট্রপতি- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী- তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী- ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- এএইচএম কামরুজ্জামানকে রাষ্ট্রের হেফাজতে জেলখানায় হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি রক্ষার্থেই দিনটিকে জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
১,০৮১.
ঈশা খাঁ কে ছিলেন?
  1. ক) দিল্লির বাদশাহ
  2. খ) বাংলার বারো ভূঁইয়ার একজন
  3. গ) সুবেহ বাংলার শাসক
  4. ঘ) মুর্শিদাবাদের নবাব
ব্যাখ্যা
আকবরনামা’য় প্রাপ্ত ভাটিতে মুগলদের যুদ্ধবিগ্রহের বিবরণ অনুযায়ী ভূঁইয়াদের নিম্নলিখিত তালিকা প্রস্ত্তত করা যেতে পারে: (১) ঈসা খান মসনদ-ই-আলা, (২) ইবরাহিম নরল, (৩) করিমদাদ মুসাজাই, (৪) মজলিস দিলওয়ার, (৫) মজলিস প্রতাপ, (৬) কেদার রায়, (৭) শের খান, (৮) বাহাদুর গাজী, (৯) তিলা গাজী, (১০) চাঁদ গাজী, (১১) সুলতান গাজী, (১২) সেলিম গাজী, (১৩) কাসিম গাজী।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১,০৮২.
২০২৪ সালে কত জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়?
  1. ৭ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৪ জন
  4. ২১ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- শুরুতে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ ছিল পঁচিশ হাজার টাকা।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী  আবুল বরকত  রফিক উদ্দিন আহমদ,  আবদুস সালাম ও  আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।
- সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ (একুশ) জন বিশিষ্ট নাগরিক-কে একুশে পদক ২০২৪ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
- একুশে পদক হিসাবে ১৮(আঠার) ক্যারেট স্বর্ণ নির্মিত ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) গ্রাম ওজনের একটি পদক, ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা, একটি সম্মাননা পত্র ও একটি রেপ্লিকা প্রদান করা হবে। ["একুশে পদক" নীতিমালা ২০১৭]

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
বাংলাপিডিয়া। 
১,০৮৩.
আইয়ুববিরোধী গণঅভ্যুত্থানের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন-
  1. ক) ফিরোজ খান
  2. খ) ইয়াহিয়া খান
  3. গ) মোনায়েম খান
  4. ঘ) টিক্কা খান
ব্যাখ্যা

১৯৬২ সালের ২৮ অক্টোবর হতে ১৯৬৯ সালের ২২ মার্চ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন মোনায়েম খান ।
- তিনি ১৯৬২ হতে ১৯৬৯ সালের মধ্যে ছাত্রদের শিক্ষা আন্দোলন, আওয়ামী লীগের ছয়দফা কর্মসূচি, ১১ দফা আন্দোলন, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলনের বিরোধী ছিলেন।
- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রবল গণআন্দোলনের চাপে আইয়ুব খান ১৯৬৯ সালের ২২শে মার্চ মোনায়েম খানকে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া।

১,০৮৪.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে জনপ্রশাসন খাতে বরাদ্দের পরিমাণ -
  1. ২১.৩%
  2. ২৩.৫%
  3. ২৪.১%
  4. ২৭.২%
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২৩.৫%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৪.০%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

১,০৮৫.
সম্রাট আকবর কত খ্রিস্টাব্দে দ্বীন-ই-ইলাহী প্রবর্তন করেন?
  1. ১৫৮২ সালে
  2. ১৫৮৩ সালে
  3. ১৫৮৪ সালে
  4. ১৫৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
• সম্রাট আকবর:
– সম্রাট আকবর ১৫৮২ সালে ‘দীন-ই-ইলাহী’ নামে একেশ্বরবাদমূলক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। 
– সকল ধর্মের সারবস্তু নিয়ে এই ধর্মত গঠিত হয়।
–  এই ধর্মমতের কালেমা ছিল ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আকবর খলিফাতুল্লাহ’।
 
• দ্বীন-ই-ইলাহী রীতি-নীতি, বিধানগুলো ছিল নিম্নরূপ:
১. এই ধর্মের অনুসারীগণ পরস্পর দেখা হলে, ‘আসসালামু আলাইকুম’ এর পরিবর্তে ‘আল্লাহু আকবার’ এবং প্রত্যুত্তরে ‘ওয়া আলাইকুম আস্সালাম’ না বলে ‘জাল্লাজালালুহু’ বলা।
২. এই ধর্মীয় বিধান অনুসারে মৃত্যুর পরে নয়, মৃত্যুর পূর্বেই দাওয়াত বা আমন্ত্রণের ব্যবস্থা করা।
৩. সভ্যগণ নিজ নিজ জন্মদিন পালন এবং ভোজের আয়োজন করবেন।
৪. সভ্যগণ ভিক্ষা প্রদান করবেন কিন্তু ভিক্ষা গ্রহণ করবেন না।
৫. এই ধর্মমত গ্রহণে কাউকে বাধ্য করা হবে না। 

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
১,০৮৬.
বাংলাদেশ প্রথম একদিনের ম্যাচ কোন দেশের বিপক্ষে খেলে? 
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।

এছাড়াও
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে।
- প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিসিবি ওয়েবসাইট।

১,০৮৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন জেলা ১১ নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ময়মনসিংহ
  2. বরিশাল
  3. দিনাজপুর
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

⇒ নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল: ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও -বঙ্গোপসাগর)।
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।

• সেক্টরগুলো:
- ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পাবর্ত্য চট্টগ্রাম,
- ২নং সেক্টর: ঢাকা, নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ,
- ৩নং সেক্টর: কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ,
- ৪ নং সেক্টর: মৌলভীবাজার ও সিলেটের পূর্বাংশ,
- ৫নং সেক্টর: সিলেট ও সুনামগঞ্জ,
- ৬নং সেক্টর: রংপুর, দিনাজপুর,
- ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা,
- ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর,
- ৯নং সেক্টর: খুলনা, বরিশাল,
- ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,০৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাজনৈতিক দল থেকে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়ার বিধানটি বর্ণিত আছে?
  1. ৬৬ নং
  2. ৬৭ নং
  3. ৭০ নং
  4. ৭৭ নং
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে সেই দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান বা সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷

• ৭০ নং অনুচ্ছেদ:
- রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া -
- সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি -
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

অন্যদিকে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা,
- ৬৭ নং অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া,
- ৭৭ নং অনুচ্ছেদ: ন্যায়পাল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,০৮৯.
When did India Recognise Bangladesh?
  1. ক) 5 December 1971
  2. খ) 6 December 1971
  3. গ) 7 December 1971
  4. ঘ) 8 December 1971
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান:
- ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ৬ ডিসেম্বর গুরুত্বপূর্ণ ও ঘটনাবহুল একটি দিন।
- এদিন প্রথম দেশ হিসেবে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- লোকসভার অধিবেশনে এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দানের ঘোষণা করেন।
- এসময় লোকসভার সদস্যরা দাঁড়িয়ে ইন্দিরা গান্ধীর ঘোষণাকে স্বাগত জানান।
- একইসঙ্গে লোকসভার অধিবেশনে হর্ষধ্বনির সঙ্গে 'জয় -বাংলা' স্লোগান উচ্চারিত হয়।
- এদিন ইন্দিরা গান্ধী অধিবেশনে তার বক্তব্যে বলেন, 'বাংলাদেশের জনগণ পাকিস্তানি স্বৈরতান্ত্রিক ও গণহত্যা নির্যাতন নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলো।'

উল্লেখ্য,
- একই দিনে ভুটান ও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: ৬ ডিসেম্বর, ২০২১, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১,০৯০.
২০২২ সালের জনশুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা-
  1. ৩.৯৫জন
  2. ৩.৭৬জন
  3. ৩.৮৯জন
  4. ৩.৯৮জন
ব্যাখ্যা
 জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৬৬%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
১,০৯১.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?
  1. ১৩৬তম
  2. ১৩৭তম
  3. ১৩৮তম 
  4. ১৩৯তম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। 

বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ:
- বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সম্পর্কের সূত্রপাত ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়েই। ১৯৭১ সালের এপ্রিলে ভারত সরকার জাতিসংঘের কাছে শরণার্থীদের মানবিক সহায়তা দিতে অনুরোধ জানায়। এই অনুরোধে তৎকালীন জাতিসংঘ মহাসচিব কুর্ট ওয়াল্ডহেইম উদ্যোগী হন। জাতিসংঘ মহাসচিব উ থান্ট ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে মানব ইতিহাসে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে ঘোষণা করেন।

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়। ২৩ আগস্ট বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়া সমর্থিত একটি প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু ২৫ আগস্ট চীন ওই প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করার ফলে ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করা সম্ভব হয়নি।

⇒ ১৯৭৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পুনরায় আবেদন করে। ১৯৭৪ সালের ১০ জুন নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের সদস্য পদ লাভের প্রস্তাবটি উত্থাপিত হলে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়। চীন বাংলাদেশের বিপক্ষে না গিয়ে ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে। অতঃপর প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশসহ সাধারণ পরিষদে পাঠানো হয়। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। ওই দিনই সাধারণ পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশকে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
iii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।

১,০৯২.
মাওলানা আবুল কালাম আজাদ কোন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন?
  1. খিলাফত আন্দোলন
  2. সিপাহি বিদ্রোহ
  3. ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট
  4. ফরায়েজি আন্দোলন
ব্যাখ্যা
খিলাফত আন্দোলন:

- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খিলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রভাবে উদ্ভূত একটি প্যান-ইসলামি আন্দোলন।
- কারণ ভারতের মুসলমানেরা তুরস্কের সুলতানকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা বা ধর্মীয় নেতা বলে শ্রদ্ধা করতেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের সুলতান ব্রিটিশ বিরোধী শক্তি জার্মানির পক্ষ অবলম্বন করলে ভারতে মুসলমান সম্প্রদায় বিব্রত হন। কারণ ধর্মীয় কারণে তাঁরা খলিফার অনুগত, আবার অন্যদিকে রাজনৈতিক কারণে ব্রিটিশ সরকারের অনুগত থাকতে বাধ্য।
- খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্বদেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও দুই ভাই মাওলানা শওকত আলী এবং মাওলানা মোহাম্মদ আলী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১,০৯৩.
দিনেমার কাদের বলা হয়?
  1. ফরাসী অধিবাসীদের
  2. হল্যান্ডের অধিবাসীদের
  3. ডেনমার্কের অধিবাসীদের
  4. পর্তুগালের অধিবাসীদের
ব্যাখ্যা

দিনেমার:
- দিনেমার বলা হয় ডেনমার্কের অধিবাসীদের।
- দিনেমারগণ উপমহাদেশে বাণিজ্য করার জন্য ‘দিনেমার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দে।
- তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে দক্ষিণ ভারতের ত্রিবাঙ্কুরে ও কলকাতার শ্রীরামপুরে।

অন্যদিকে,
- ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয় হল্যান্ডের অধিবাসীদের।
- ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে।
- বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক ‘ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।

উৎস: ইতিহাস,প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৯৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'আকবর বাহিনী' গঠিত হয় কোন অঞ্চলে?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যে সকল গেরিলা বাহিনী গঠিত হয় তা হলো:
- ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী,
- টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী,
- সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী,
- ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী,
- বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী,
- ময়মনসিংহের আফসার বাহিনী প্রভৃতি।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১,০৯৫.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের নিয়মিত বৈঠক হয়-
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎসঃ ইআরডি ওয়েবসাইট।
১,০৯৬.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নের প্রধান ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. আতাহার আলীর
  2. আবুল ফজলুল হক
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের গঠন ও ১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- উক্ত নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়।
- এই ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
- যুক্তফ্রন্ট মোট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- নির্বাচনে বিজয়ের পর শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৯৭.
১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষে বাংলায় কত লোকের মৃত্যু ঘটে?
  1. ক) এক-তৃতীয়াংশ
  2. খ) এক-পঞ্চমাংশ
  3. গ) এক-চতুর্থাংশ
  4. ঘ) দুই-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
• ১৭৭০ সালের দুর্ভিক্ষে বাংলায় এক-তৃতীয়াংশ লোকের মৃত্যু ঘটে। 

- ১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দে বক্সারের যুদ্ধে উপমহাদেশের তিন শক্তি দিল্লীর সম্রাট শাহ আলম, অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা, বাংলার নবাব মীর কাশিমের পরাজয় ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্ষমতা দখল এবং অর্থনেতিক শোষণের পথ খুলে দেয়।
- কোম্পানির ক্ষমতা লাভের আগেই এ অঞ্চলের ব্যবসায় বাণিজ্য শিল্পের ক্ষতি করে নিজেদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকে।
- দেশীয় শাসকদের দুর্বলতার সুযোগে কোম্পানির ক্ষমতা দখল, দেওয়ানি লাভ এ অঞ্চলের জনগণের জন্য চরম দুর্ভাগ্যের বার্তা বয়ে নিয়ে আসে।
- এর ফলে যে দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয় তার ফল ভোগ করতে হয় জনগণকে।
- ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিদেশি কোম্পানির চরম অর্থনৈতিক শোষণে নিঃস্ব হয়ে যায় বাংলার বৃহত্তর জনগোষ্ঠি যারা কৃষি কার্যের সঙ্গে যুক্ত।
- ফলে ভেঙ্গে পড়ে কৃষি ব্যবস্থা, দেখা দেয় সারা বাংলা ব্যাপী ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
- ইতিহাসে এই দুর্ভিক্ষ ছিয়াত্তরের মন্বান্তর নামে পরিচিত। যাতে মৃত্যুবরণ করে বাংলার একতৃতীয়াংশ মানুষ।
- কোম্পানির শোষণে, কোম্পানির স্বার্থে ধ্বংস করা হয় বাংলার বস্ত্রসহ অন্যান্য শিল্প। 
- কৃষি ব্যবস্থা ধ্বংস হওয়ার ফলে বাংলার অর্থনীতি পরিপূর্ণভাবে ভেঙ্গে পড়ে। 

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৯৮.
বাংলাদেশের সর্ব প্রথম জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেটর (জিআই) পণ্য কোনটি?
  1. ইলিশ মাছ
  2. জামালপুরের নকশী কাঁথা
  3. কালোজিরা চাল
  4. জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI) পণ্য:
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,০৯৯.
১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ বিভক্তির সময় ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. লর্ড ওয়াভেল
  3. লর্ড বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
লর্ড মাউন্টব্যাটেন:
- তিনি ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- ভাইসরয় হিসেবে তাঁর কার্যকাল সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- সেসব সিদ্ধান্তের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।

উল্লেখ্য,
- তিনি গভর্নর জেনারেল হিসেবে ১৯৪৭ সালের আগস্ট থেকে ১৯৪৮ সালের জুন পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন।
- লর্ড স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- মাউন্টব্যাটেন কর্মজীবন থেকে অবসর নেওয়ার পরও ভারত বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহী ছিলেন।
- মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালে ‘আর্ল’ উপাধি প্রাপ্ত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,১০০.
আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস পালিত হয় কবে? 
  1. ২৪ জানুয়ারি
  2. ২৫ জানুয়ারি
  3. ২৬ জানুয়ারি
  4. ২৭ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস: 
- আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি পালিত হয়।
- এটি ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন (WCO) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত, যা বিশ্বব্যাপী কাস্টমস প্রশাসনের কাজকে স্বীকৃতি দেয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সুরক্ষা, সহজীকরণ ও নিরাপত্তায় কাস্টমস কর্মকর্তাদের ভূমিকা উদযাপন করে।

• ২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস: 
- প্রতিপাদ্য/থিম: “Customs protecting society through vigilance and commitment” / 'অতন্দ্র প্রহরা আর দৃঢ় অঙ্গীকারে দেশের সুরক্ষায় কাস্টমস'
- এই প্রতিপাদ্য কাস্টমসের বিভিন্ন অবদান যেমন: অবৈধ পণ্য, মাদক, জালিয়াতি পণ্য প্রতিরোধ, সমাজ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি তুলে ধরে।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক ও বাসস।