বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০৮ / ৩০৬ · ১০,৭০১১০,৮০০ / ৩০,৮৩২

১০,৭০১.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বিকল্প সভাপতি -
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. বাণিজ্য মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৭০২.
ওয়ান ডে এবং টেস্টে ক্রিকেট- এর অভিষেক ম্যাচে 'ম্যন অফ দি ম্যাচ ; হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশি কোন ক্রিকেটার?
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) তামিম
  3. গ) মুশফিকুর রহিম
  4. ঘ) মুস্তাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
মুস্তাফিজুর রহমানের ওয়ানডে ডেব্যু হয় ভারতের বিপক্ষে ২০১৫ সালের ১৮ জুন। ওই ম্যাচে তিনি ৫ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন। তার টেস্ট ডেব্যু হয় ২০১৫ সালের ২১ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। অভিষেক টেস্টে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি ম্যাচসেরার পুরষ্কার লাভ করেন। মুস্তাফিজুর রহমান তার অভিষেক ওয়ানডে এবং টেস্ট ম্যাচে ম্যান অব দ্যা ম্যাচের পুরষ্কার লাভ করেন।
Source: espncricinfo
১০,৭০৩.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১ (১) নং অনুসারে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন কার কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ সচিবালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
- সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
• ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৪০ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• ১৪১ নং অনুচ্ছেদদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তার বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতিকে জমা দেয়। সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে -
- প্রত্যেক কমিশনকে প্রতি বছর মার্চ মাসের শুরুর দিনে বা তার আগেই, আগের বছরের (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) সব কাজকর্মের একটা রিপোর্ট তৈরি করে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিতে হবে।
(২) এই রিপোর্টের সঙ্গে একটা ছোট নোট (মেমো) থাকবে, যেখানে লেখা থাকবে—
(ক) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের পরামর্শ মানা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন মানা হলো না, তার কারণ;
(খ) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল, কিন্তু করা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন আলোচনা করা হলো না, তার কারণ;
কমিশন যতটা জানে, ততটা সব লিখে রাখবে।
(৩) যে বছর এই রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে, সেই বছর ৩১ মার্চের পর সংসদের যে প্রথম বৈঠক হবে, সেখানে রাষ্ট্রপতি এই রিপোর্ট আর সেই নোটটা সংসদে উপস্থাপন করবেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

১০,৭০৪.
বাংলাদেশের কত বছর পর পর জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:

- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশের ১০ বছর পর পর জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১০,৭০৫.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘অনিল বাগচীর একদিন’ কার?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ 'অনিল বাগচীর একদিন'।

• অনিল বাগচীর একদিন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাসের মধ্যে 'অনিল বাগচীর একদিন' বেশ ভিন্ন ধারার।
- এখানে যুদ্ধ নেই প্রত্যক্ষভাবে তবে আছে সততার ঋজু সৌধ, যা নির্মাণ করেছে অনিল নামের একটি সাদাসিধে ছেলে।
- পিতার হত্যা-সংবাদ ও বোনের অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ের খবর পেয়ে গ্রামে ফিরবে বলে অনিলের মধ্যে চাপা উত্তেজনা।
- সব মিলিয়ে উপন্যাসটি ভিন্ন আবেদন সৃষ্টি করে।
- পাকবাহিনীর সদস্যরা অনিলকে হত্যা করে।
- অনিল বাগচীর একদিন সমাপ্ত হয় চিরতরে কিন্তু বাংলাদেশে উদিত হয় স্বাধীনতার সূর্য।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বাংলাপিডিয়া।
১০,৭০৬.
'বৈসাবি' উৎসব কোথায় পালিত হয়?
  1. নেত্রকোনা
  2. মৌলভীবাজার
  3. খাগড়াছড়ি
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
বৈসাবি উৎসব:
- বৈসাবি বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- পাহাড়ে বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণ উপলক্ষে পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর প্রধানতম সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব এটি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান তিনটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব ‘বৈসাবি’।
- প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে ত্রিপুরা সম্প্রদায় ‘বৈসুক’, মারমারা ‘সাংগ্রাই’ এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা ‘বিজু’ উৎসব পালন করে।
- তিন উৎসবের আদ্যক্ষর নিয়ে এই উৎসবকে বলা হয় ‘বৈসাবি’।

সাধারণত,
- বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,৭০৭.
বিএসটিআই কত সাল থেকে ISO-এর পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে?
  1. ১৯৬৬ সাল
  2. ১৯৭৪ সাল
  3. ১৯৭৫ সাল
  4. ১৯৮১ সাল
ব্যাখ্যা

ISO-এর সাথে বিএসটিআই-এর সম্পৃক্ততা :

বিএসটিআই (BSTI) ১৯৭৪ সাল থেকে International Organization for Standardization (ISO)-এর পূর্ণ সদস্য দেশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে।

• ISO-এর পূর্ণ সদস্য হিসেবে বিএসটিআই-এর রয়েছে—

- আন্তর্জাতিক মান প্রণয়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ।
- নীতি-নির্ধারণী কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ
- আন্তর্জাতিক মান প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিফলিত করার একমাত্র মাধ্যম হলো বিএসটিআই।

• এবিএসটিআই দেশের স্থানীয় স্টেকহোল্ডারদের আগ্রহ ও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক মান প্রণয়ন কার্যক্রমে তাদেরকে যুক্ত করার দায়িত্বেও নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,৭০৮.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়-
  1. ৫ অক্টবর, ১৯৭২ সালে
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে
  3. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে
  4. ১৪ মার্চ, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৭০৯.
কোন শতকে 'ফরায়েজি আন্দোলন'-এর সূত্রপাত ঘটে?
  1. বিশ শতকে
  2. উনিশ শতকে
  3. আঠারো শতকে
  4. সতেরো শতকে
ব্যাখ্যা
• ফরায়েজি আন্দোলন:

- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লাহ বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলার শাসশাইল গ্রামে ১৭৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি দীর্ঘ বিশ বছর মক্কায় অবস্থান করেন।
- সেখানে তিনি ইসলাম ধর্মের ওপর লেখাপড়া করে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেন।
- দেশে ফিরে তিনি বুঝতে পারেন যে, বাংলার মুসলমানরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।
- তাদের মধ্যে অনৈসলামিক রীতিনীতি, কুসংস্কার, অনাচার প্রবেশ করেছে।
- ইসলাম ধর্মকে কুসংস্কার আর অনাচারমুক্ত করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন।
- এই প্রতিজ্ঞার বশবর্তী হয়ে উনিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি এক ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নামই 'ফরায়েজি আন্দোলন'।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,৭১০.
'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক পুস্তিকাটি কত তারিখে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ৬ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতাদের একটি সম্মেলন আহ্বান করেন। 
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু বিরোধীদলীয় নেতাদের সম্মেলন পকিস্তানের লাহোরে পৌছান। 
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন। 
- বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন। 
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়। 
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৭১১.
পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের বর্তমান চেয়ারম্যানের নাম কি?
  1. ক) রিয়ার এডমিরাল এম সোহাইল
  2. খ) রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক
  3. গ) রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান
  4. ঘ) রিয়ার এডমিরাল শহীদ আজাদ
ব্যাখ্যা
• পায়রা সমুদ্র বন্দর বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর।
- এটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত।
- পায়রা সমুদ্র বন্দর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ আগস্ট ২০১৬।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক। 
- ২০১৩ সালে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দরের যাত্রা শুরু হয়েছে।

সূত্র: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১০,৭১২.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি হাওর রয়েছে?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) কিশোরগঞ্জ
  4. ঘ) নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৭টি জেলা নিয়ে বাংলাদেশের হাওর বেসিন বা হাওরাঞ্চল গঠিত। এতে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে সর্বাধিক ১০৫টি, কিশোরগঞ্জে ৯৭টি এবং সুনামগঞ্জে ৯৫টি হাওর রয়েছে। সবচেয়ে বড় হাওর হলো হাকালুকি হাওর।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১০,৭১৩.
বাংলাদেশে কত বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করা হয়েছে ?
  1. ক) ১৫ বিঘা
  2. খ) ২০ বিঘা
  3. গ) ২৫ বিঘা
  4. ঘ) ৫০ বিঘা
ব্যাখ্যা

কৃষি জমির ক্ষেত্রে:

২৫ বিঘা পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) মওকুফ করে দিয়েছে ।

-২৫ বিঘার অধিক হতে ১০ একর পর্যন্ত জমির জন্য প্রতি শতাংশ জমির জন্য ৫০ পয়সা করে ।

-১০ একরের উধ্বে হলে প্রতি শতাংশ জমির জন্য ১ টাকা হারে খাজনা দিতে হবে ।

উৎস:land.gov.bd(গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ভূমি মন্ত্রণালয়)

১০,৭১৪.
স্থানীয় সরকারের প্রাথমিক স্তর -
  1. ক) সিটি কর্পোরেশন
  2. খ) জেলা প্রশাসন
  3. গ) বিভাগীয় প্রশাসন
  4. ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা

বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। এ স্তরগুলো হলো - 

শহরভিত্তিক স্থানীয় সরকার
পৌরসভা এবং
সিটি কর্পোরেশন।

গ্রামভিত্তিক স্থানীয় সরকার
ইউনিয়ন পরিষদ,
উপজেলা পরিষদ এবং
জেলা পরিষদ।

(বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রাথমিক বা সর্বনিম্ন স্তর বা তৃণমূল পর্যায়ে স্ব-শাসন প্রতিষ্ঠা করে ইউনিয়ন পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।)

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ
বান্দরবন পাহাড়ী জেলা পরিষদ
রাঙামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ
খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ


তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,৭১৫.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) এম মনসুর আলী
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামরুজ্জামান। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।
এ সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী এম মনসুর আলী এবং পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,৭১৬.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল সনদপত্র প্রদান করতে যাচ্ছে-
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল সনদপত্র:
 - ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ডিজিটাল সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষ ‘রিলিফ ভ্যালিডেশন লিমিটেড সার্টিফায়িং অথরিটির (আরভিএল সিএ)’ সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

উল্লেখ্য:
- দেশের প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিজিটাল সনদের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
- স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল সনদপত্র প্রদানের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
- ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- দেশের একমাত্র ডিজিটাল সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষ ‘রিলিফ ভ্যালিডেশন লিমিটেড সার্টিফায়িং অথরিটির (আরভিএল সিএ)’ সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়।
- এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল সনদের জন্য অনলাইনে আবেদন, উত্তোলন, ডিজিটাল স্বাক্ষরিত অনন্য পরিচয় বহনকারী সনদ পাবেন।
- আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা এই ই-সাইন সনদের আওতায় আসবে।

উৎস: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালবেলা।
১০,৭১৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় 'সফট শেল কাঁকড়া' উৎপাদনের হার বেশি?
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) খুলনা
  3. গ) বাগেরহাট
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
‘সফটশেল’ কাঁকড়া:
- বাংলাদেশে মিঠা ও লবণাক্ত পানি মিলে মোট ১৫ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয় ম্যাডক্র্যাব বা শিলা কাঁকড়া। 
- এই শিলা কাঁকড়া তার জীবদ্দশায় ১৪-১৬ বার খোলস বদল করে থাকে।
- খোলস বদল করার সময় তিন ঘণ্টার বেশি সময় এটির দেহ খোলসহীন অবস্থায় পাতলা আবরণ দিয়ে ঢাকা থাকে।
- তখন এটিকে রপ্তানীর জন্য তুলে ফেলা হয়।
- নরম এই কাঁকড়াকেই বলা হয় ‘সফটশেল’ কাঁকড়া।
- এই কাঁকড়া চাষের সাথে সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও এর আশপাশের অনেক নারী জড়িত। 
- বাংলাদেশ থেকে এই মূহুর্তে বিদেশে রপ্তানি করা মংস্য সম্পদের মধ্যে চিংড়ির পরই সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় পণ্য হচ্ছে কাঁকড়া। 
- বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলায় কাঁকড়া উৎপাদনের হার বেশি।
- জুন-অগাস্ট মাসে বিশেষ করে সফটশেল কাঁকড়ার চাহিদা বিদেশে বেশি থাকে।
- সফটশেল কাঁকড়া বছরে প্রায় ২ হাজার মেট্রিক টনের মতো উৎপাদিত হয়।
- এ খাতে আয় হয়েছে ৮৬ লাখ ৯৮৮মার্কিন ডলার।
- মূলত যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ইউরোপিয় ইউনিয়নভূক্ত কয়েকটি দেশ এবং সিঙ্গাপুরে সফটশেষ কাঁকড়া রপ্তানি করা হয়।
- সাতক্ষীরা জেলার মৎস অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, শুধু এই জেলাটিতেই ৩০ হাজার মানুষ কাঁকড়া চাষের সাথে জড়িত।

উৎস: ২৩ জুলাই, ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১০,৭১৮.
সর্বনিম্ন কত বছর বয়সে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া যায়?
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান মতে- 
- বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্রনিম্ন বয়স ১৮ বছর, 
- বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর, 
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,৭১৯.
‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের জন্য কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ?
  1. ক) SpaceX
  2. খ) Kennedy Space Center
  3. গ) Rostec
  4. ঘ) Glavkosmos
ব্যাখ্যা
রাশিয়া সরকারের সহযোগিতায় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আর্থ অবজারভেটরি ক্যাটাগরির স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হবে। এতে অপটিক্যাল ভিএইচআর-সার (Synthetic Aperture Radar-SAR) ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমি ও সমুদ্র এলাকার ছবি তোলা যাবে। 

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত মহাকাশ সংস্থা Roscosmos এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান Glavkosmos'র সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি (BSCL)।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১০,৭২০.
'শহীদ জননী' হিসেবে খ্যাত কে?
  1. কামিনী রায়
  2. সুফিয়া কামাল
  3. জাহানারা ইমাম
  4. নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
• জাহানারা ইমাম:
- জাহানারা ইমাম (১৯২৯-১৯৯৪) ছিলেন একজন বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক এবং শিক্ষাবিদ।
- তিনি 'শহীদ জননী' হিসেবে খ্যাত।
- তিনি ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য শহীদ শফি ইমাম রুমীর মা।
- একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন জাহানারা ইমাম।
- ১৯৯২-এর ১৯ জানুয়ারি দেশের ১০১ জন বরেণ্য নাগরিক একটি ঘোষণায় স্বাক্ষর করে গঠন করেছিলেন 'একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি'।
- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল বরেণ্য বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, রাজনৈতিক দল ও কর্মিবৃন্দ, দেশপ্রেমিক তরুণ সমাজ এবং প্রজন্ম '৭১ তাঁর আহবানে এগিয়ে আসেন।
- জাহানারা ইমাম ১৯৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে গণ-আদালত গড়ে তোলেন।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক তাঁর অসাধারণ ডায়েরি গ্রন্থ 'একাত্তরের দিনগুলি'।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,৭২১.
বছরের কোন সময়ে জাটকা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকে?
  1. ক) মার্চ থেকে জুলাই
  2. খ) জুন থেকে সেপ্টেম্বর
  3. গ) অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর
  4. ঘ) নভেম্বর থেকে জুন
ব্যাখ্যা
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যে নভেম্বর মাস থেকে জুন পর্যন্ত আট মাস দেশের নদী ও সাগরে দশ ইঞ্চির কম সাইজের ইলিশ মাছ বা জাটকা আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ থাকে।
এছাড়া আশ্বিন ও কার্তিক মাসে মা ইলিশের ডিম ছাড়ার জন্যে ২২ দিন মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ এবং মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট)
১০,৭২২.
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতার কথা বলা আছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ২৩
  2. খ) ৩৯ (১)
  3. গ) ২৬
  4. ঘ) ৪২ (২)
ব্যাখ্যা
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা - ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে।

• সংবিধান:

- ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হল।
- ৩৯ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে - রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৭২৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, মোট রপ্তানি আয়ের পরিমান কত?
  1. প্রায় ৫০ বিলিয়ন 
  2. প্রায় ৪৫ বিলিয়ন 
  3. প্রায় ৫৪ বিলিয়ন 
  4. প্রায় ৪৮ বিলিয়ন 
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- জাতীয় মহাসড়ক: ৪২৯৪ কিলোমিটার।
- আঞ্চলিক মহাসড়ক: ৫০৪০ কিলোমিটার।
- রেলপথ: ৩২৫৪ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫, বিবিএস।

১০,৭২৪.
বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন নিয়ে তৈরি করা জাপানি চিত্রকলা কোনটি?
  1. বঙ্গবন্ধু ১৯৭১
  2. বাংলাদেশ অ্যান্ড বঙ্গবন্ধু
  3. ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
 ‘ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু’ 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবন নিয়ে তৈরি করা জাপানি চিত্রকলার গ্রাফিক নভেল জাপানের ১৭তম আন্তর্জাতিক মাঙ্গা অ্যাওয়ার্ড আসরে ব্রোঞ্জ পদকের জন্য মনোনীত হয়েছে।
- ‘ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে এই গ্রাফিক নভেল জাপানি চিত্রকলার ‘মাঙ্গা’ ধরনে নির্মাণ করা হয়েছে।
- এটার রচয়িতা এম ই চৌধুরী শামীম ও জাপানের মাঙ্গা শিল্পী ইওয়ামোতো কেইতা। 

সূত্র- প্রথম আলো।
১০,৭২৫.
মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি কারা?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. সাঁওতাল
  4. গারো
ব্যাখ্যা
পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি:
- চাকমাদের পরিবার পিতৃতান্ত্রিক।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
- মারমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

অন্যদিকে -
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,৭২৬.
কাগমারী সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. শেরে বাংলা এ, কে, ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- কাগমারী সম্মেলন পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সম্মেলনে রূপ নেয়।

উল্লেখ্য যে,
- কাগমারী সম্মেলনের মাত্র স্বল্প সময়ের মাথায় আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,৭২৭.
প্রাচীন বাংলার কোন জনপদ বাংলাদেশের পূর্বাংশে অবস্থিত ছিল?
  1. গৌড়
  2. পুণ্ড্র
  3. হরিকেল
  4. রাঢ়
ব্যাখ্যা

হরিকেল জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার জনপদ হরিকেল বাংলাদেশের পূর্বাংশে অবস্থিত ছিল। এই জনপদটি বর্তমান সিলেট, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য জুড়ে বিস্তৃত ছিল।

উল্লেখ্য,
- খ্রিস্টীয় সাত শতকের প্রাচীন ভারতীয় লেখকগণ পূর্বভারতীয় একটি অঞ্চলকে হরিকেল বলে উলে­খ করেন।
- সাত শতকের চৈনিক পরিব্রাজক ই-ৎসিঙ্ হরিকেলের অবস্থানকে ‘পূর্বভারতের পূর্বসীমা’য় নির্দেশ করেন। চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ অঞ্চলের একটি পুরানো মন্দিরে আবিষ্কৃত কান্তিদেবের (খ্রিস্টীয় নয় শতক) অসম্পূর্ণ তাম্রলিপিটি হরিকেল সম্পর্কিত সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য দলিল।
- মহারাজাধিরাজ কান্তিদেব হরিকেলের শাসক ছিলেন।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১০,৭২৮.
বর্তমানে দেশে পৌরসভা সংখ্যা কয়টি?
  1. ৩২৭ টি
  2. ৩২৮ টি
  3. ৩২৯ টি
  4. ৩৩০ টি
ব্যাখ্যা
পৌরসভা 
• দেশে মোট পৌরসভা ৩৩০ টি। সর্বশেষ পৌরসভা সাতক্ষীরার শ্যামনগর।

 শ্যামনগর পৌরসভা
- রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ২৯ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে ৪৬.০০,০০০০,৬৪.৩১.২২৮.১৮-৭৮ নং স্মারকের এক পত্রে শ্যামনগরকে পৌরসভা ঘোষণা করে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আক্তার হোসেনকে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে।
- এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে এসংক্রান্ত চুড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
- এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) আইন, ২০২২’ এর ৯ ধারা (১) উপ-ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার জনাব মোঃ আক্তার হোসেন (আইডি নং-১৭৮৩২), উপজেলা নির্বাহী অফিসার, শ্যামনগর, সাতক্ষীরাকে শ্যামনগর পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করল।
স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ ও সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রশাসক শ্যামনগর পৌরসভার সার্বিক কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

উৎস: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১০,৭২৯.
২০ জানুয়ারি কোন দিবস পালিত হয়েছে?
  1. শহীদ আসাদ দিবস
  2. জাতীয় প্রশিক্ষণ দিবস
  3. বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস
  4. বিশ্ব হাতের লেখা দিবস
ব্যাখ্যা
♦ শহীদ আসাদ দিবসঃ
- ২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস।
- ১৯৬৯ সালের এদিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।
- তার এই আত্মত্যাগ স্বৈরশাসনবিরোধী চলমান আন্দোলনকে বেগবান করে।
- পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের।

উৎস: LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার (ফেব্রুয়ারি)।
১০,৭৩০.
মুজিব নগর সরকারকে শপথ পাঠ করান কে?
  1. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  2. সেকান্দার আলী
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৭৩১.
বাংলাদেশের অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

তথ্যসূত্র - প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১০,৭৩২.
বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তর কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)
  2. কৃষি গবেষণা অধিদপ্তর
  3. বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ সংস্থা/দপ্তর মোট ১৮টি।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সংস্থা হচ্ছে -
- BADC
- কৃষি গবেষণা অধিদপ্তর
- BARI
- BRRI
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
- জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১০,৭৩৩.
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর যৌথ মহড়ার নাম কী? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. রোয়ারিং টাইগার ২০২৫
  2. টাইগার লাইটনিং ২০২৫
  3. প্যাসিফিক ব্লু অ্যাঞ্জেল ২০২৫
  4. রোয়ার লাইটনিং ২০২৫
ব্যাখ্যা

টাইগার লাইটনিং-২০২৫:
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক আর্মি কমান্ডের ছয় দিনব্যাপী যৌথ সামরিক মহড়ার নাম ‘টাইগার লাইটনিং-২০২৫’।

⇒ এই মহড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড ও যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা ন্যাশনাল গার্ডের যৌথ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে।
- এটি ২৫-৩০ জুলাই পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিধান, সন্ত্রাস দমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মানবিক সহায়তা বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বিদ্যমান রয়েছে।
- বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ যেকোনো বৈশ্বিক হুমকি মোকাবিলায় বদ্ধপরিকর এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সমবেতভাবে কাজ করে আসছে।
- এরই ধারাবাহিকতায় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, কৌশলগত যৌথ আভিযানিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রস্তুতি জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৫ সালে টাইগার লাইটনিং অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা ন্যাশনাল গার্ডের ৬৬ জন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডের ১০০ সদস্য অংশ নিয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১০,৭৩৪.
নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ এর আয়োজক দেশ কোনটি?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. ইরান
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

⇒ নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ এর আয়োজক দেশ বাংলাদেশ।

নারী কাবাডি বিশ্বকাপ:
- বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে।
- সময়কাল: ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর।
- ভেন্যু: শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়াম।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১২টি।
- দেশগুলো হলো: বাংলাদেশ, চীনা তাইপে, জার্মানি, ইরান, ভারত, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জাঞ্জিবার।
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৬ নভেম্বর অফিসিয়াল ট্রফি উন্মোচন করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

১০,৭৩৫.
বাংলাদেশ সরকার এবং পিসিজেএসএস (PCJSS)-এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ০৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫
  2. ০৬ নভেম্বর ১৯৯৮
  3. ০২ ডিসেম্বর ১৯৯৭
  4. ০৭ ডিসেম্বর ১৯৯৮
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশ সরকার এবং পিসিজেএসএস (PCJSS)-এর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি কবে স্বাক্ষরিত হয়েছিল - ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।

♦ পার্বত্য শান্তি চুক্তি:
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- পাহাড়ি জনগণের দাবি মেনে নিতে সরকারের ব্যর্থতার ফলে তাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি নামে একটি রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে।
- পরবর্তী সময়ে এর সঙ্গে যোগ হয় শান্তি বাহিনী নামে একটি সামরিক শাখা।
- ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সালের মধ্যে শান্তি বাহিনী সামরিক দিক থেকে অধিকতর সংগঠিত হয়।
- পার্বত্য শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তির পথ সুগম হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১০,৭৩৬.
দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র কোথায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. নেত্রকোনা
  2. দিনাজপুর
  3. জামালপুর
  4. জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা
কয়লাক্ষেত্র:
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- এটিতে কয়লার আনুমানিক মজুদের পরিমাণ ১০৫৪ মেট্রিক টন।
- গভীরতা: ৬৪০-১১৫৮ মিটার। 
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২ ।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১০,৭৩৭.
উপমহাদেশে প্রথম মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন -
  1. লর্ড ওয়েলেসলি
  2. লর্ড মিন্টো
  3. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
  4. লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
- ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড বেন্টিঙ্ক এদেশে গভর্নর জেনারেল হয়ে আসেন।
- তিনি ১৮২৮ থেকে ১৮৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- বেন্টিঙ্কই প্রথম গভর্নর জেনারেল যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে এদেশে প্রজাদের কল্যাণ সাধনই শাসকের প্রধান কর্তব্য।

- তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সভ্যতার অবাধ প্রসারের পথ উন্মুক্ত হয়।
- তাঁর আমলে ১৮৩৫ সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা উপমহাদেশের প্রথম মেডিকেল কলেজ।
- উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের সময় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরন আইন ( ১৮২৯ )পাস হয় এতে তিনি রাজা রামমোহন রায় ও প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সমর্থন ও সহায়তা লাভ করেন।
- উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলায় সর্বপ্রথম ‘জুরী ব্যবস্থার’ প্রবর্তন করেন।
- তিনি লর্ড মেকলের সহায়তায় আইন কমিশন গঠন করে ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ তৈরি করেন। 
- তিনি সেনাবাহিনীতে বেত্রাঘাত নিষিদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - ১. ব্রিটানিকা।
২.  বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণী।
১০,৭৩৮.
কোন মোগল সুবেদার পর্তুগীজদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করেন?
  1. শায়েস্তা খান
  2. আজম শাহ
  3. মীর জুমলা
  4. শাহ সুজা
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ:
- পর্তুগিজরা কেবল ব্যবসা-বাণিজ্যই করত না, তারা এদেশের জমিদার ও প্রতাপশালী বার ভূঁইয়াদের সেনাবাহিনীতে চাকরী করত।
- আবার সুযোগ পেলেই জুলুম, অত্যাচার ও লুণ্ঠন করতো।
- অনেক সময় সম্রাট বা নবাবের আইন অমান্য করে বিনা শুল্কে স্বাধীনভাবে ব্যবসা চালাত। এতে তাঁরা মোগল সম্রাটের বিরাগভাজন হন। 
- তাঁরা জোর করে এদেশেরই অসহায় বালক-বালিকাদের খ্রিস্টান বানাত।
- এদেশের মানুষকে ধরে নিয়ে দাসদাসীরূপে বিক্রি করতো বিদেশের বাজারে।
- পর্তুগিজ সৈন্যরা জোর করে এদেশের মেয়ে বিয়ে করত।

- তাদের এ অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেলে সম্রাট শাহজাহান পর্তুগীজদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করেন।
- সম্রাটের নির্দেশে কাসিম খান তাদের হুগলী কুঠি থেকে বিতাড়িত করেন।
- সর্বশেষ বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপ ঘাঁটি দখল করে চিরতরে এ দেশ থেকে উচ্ছেদ করেন। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৭৩৯.
‘একুশে পদক’ কবে প্রবর্তিত হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- একুশে পদক ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
- জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- এ পুরস্কারের জন্য বিবেচ্য ক্ষেত্রগুলি হলো সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও দারিদ্য বিমোচন, শিল্প-সংস্কৃতি, সঙ্গীত, নৃত্য, চারুকলা, নাট্যাভিনয়, ভাস্কর্য, এবং ভাষা আন্দোলনে অবদান।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী আবুল বরকত রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুস সালাম ও আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,৭৪০.
পূর্ব বাংলার নাম ‘পূর্ব পাকিস্তান’ হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৪৭
  2. খ) ১৯৪৮
  3. গ) ১৯৫৪
  4. ঘ) ১৯৫৬
  5. ঙ) ১৯৫৮
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয়। এটি ছিল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার সংবিধান। এ সংবিধানের মাধ্যমে ‘পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র’ নাম ধারণ করে। পশ্চিমাঞ্চলের প্রদেশগুলোকে একত্রিত করে এক ইউনিট গঠন করা হয় এবং নামকরণ করা হয় পশ্চিম পাকিস্তান। পূর্ব বাংলার নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান। সংবিধানে সকল বিষয়ে সংখ্যাসাম্য নীতি স্বীকৃতি হয়। বাংলা এবং উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষার মর্যাদা দেয়া হয়।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১০,৭৪১.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. সংগম
  2. মেঘের অনেক রং
  3. মেহেরজান
  4. গেরিলা
ব্যাখ্যা

মেঘের অনেক রং:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র মেঘের অনেক রং।
- হারুনর রশীদ এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন।
- এটি ১৯৭৬ সালে নির্মিত হয়।
- যুদ্ধের সময় রুমা নামের একজন চিকিৎসকের স্ত্রী ধর্ষণের শিকার হয়।
- এরপর সন্তানসহ কীভাবে বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, এর মর্মস্পর্শী চিত্র রয়েছে।
- এতে অভিনয় করেছেন মাথিন, ওমর এলাহী, রওশন আরা, আদনান প্রমুখ।

উৎস: প্রথম আলো।

১০,৭৪২.
বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড) প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯১
  2. খ) ১৯৯৩
  3. গ) ১৯৯৬
  4. ঘ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড)    
• দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ায় 'বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স' প্রতিষ্ঠা করা হয়। 
• ২০১২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড)'।
• একাডেমিটি মূলত প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
 
তথ্যসূত্র: বাপার্ড ওয়েবসাইট।
১০,৭৪৩.
কার নেতৃত্বে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লায় আক্রমণ চালানো হয়?
  1. কর্নেল স্টুয়ার্ট
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. কর্নেল পাওয়েল
  4. কর্নেল স্টিফেন
ব্যাখ্যা
• তিতুমীর:
- তিতুমীর ১৭৮২ সালের ২৭ জানুয়ারি (১৪ মাঘ ১১৮২ বঙ্গাব্দ) ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার চাঁদপুর (মতান্তরে হায়দরপুর) গ্রামে একটি সুন্নী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সেখান থেকে এসে (১৮২৭) তিতুমীর তার গ্রামের দরিদ্র কৃষকদের সাথে নিয়ে জমিদার এবং ব্রিটিশ নীলকদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৮৩১ সালের ২৩শে অক্টোবর বারাসতের কাছে বাদুড়িয়ার ১০ কিলোমিটার দূরে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তারা বাঁশের কেল্লা তৈরি করেন।
 - ১৮৩১ সালের ১৯ নভেম্বর লে. কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সাথে যুদ্ধে কামানের গোলায় তার বাঁশেরকেল্লা ধ্বংস হয়ে যায় এবং তিনিসহ তার বহু অনুসারী শহিদ হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,৭৪৪.
শেখ মুজিবর রহমান কোথায় ৬ দফা কর্মসূচি পেশ করেন? 
  1. পাঞ্জাব
  2. লাহোর
  3. ইসলামাবাদ
  4. করাচি
ব্যাখ্যা
৬ দফা কর্মসূচি:

• শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলের সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। 
• তিনি ছয়দফা ভিত্তিক আন্দোলনও গড়ে তোলেন।
• ১৩ মার্চ, ১৯৬৬ আওয়ামী লীগ ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা কর্মসূচি অনুমোদন করা হয়।
• ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয়।
• ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
• ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
• ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন।
• ছয়দফার আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৭৪৫.
তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন কী নামে পরিচিত?
  1. ফারায়েজি আন্দোলন
  2. তাহরিক-ই-মুহম্মদীয়া
  3. ওয়াহাবি আন্দোলন
  4. খ+গ
ব্যাখ্যা

ওয়াহাবি আন্দোলন:
- পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় প্রায় একই সময়ে দুটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের শুরু হয়।
- পূর্ব বাংলার আন্দোলনটি ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।
- পশ্চিম বাংলার আন্দোলনের নাম ওয়াহাবি বা ‘তাহরিক-ই-মুহম্মদীয়া'।
- ওয়াহাবি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তিতুমীর।
- ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে এ আন্দোলন শুরু এবং শেষ হয় ১৮৩১ ক্রিস্টাব্দে তিতুমীরের শাহাদাৎ বরণের মধ্য দিয়ে।
- উনিশ শতকে ভারতবর্ষে মুসলমান সমাজের ধর্মীয়, সামাজিক কুসংস্কার দূর করে মুসলিম সম্প্রদায়কে ধর্মীয় অনুশাসন পালনের সঠিক পথ নির্দেশ করাই এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল।
- বাংলার ওয়াহাবিরাও তিতুমীরের নেতৃত্বে একই উদ্দেশ্যে সংগঠিত হয়েছিল।
- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত 'তাহরিক-ই-মুহম্মদীয়া' আন্দোলন বা ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তাঁর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনে বহু মুসলমান, বিশেষ করে চব্বিশ পরগনা এবং নদীয়া জেলার বহু কৃষক, তাঁতী স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দেয়।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- গোলাম মাসুমের নেতৃত্বে গড়ে তোলেন সুদক্ষ শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী।
- ইংরেজ জমিদার, নীলকরদের দ্বারা নির্যাতিত কৃষকরা দলে দলে তিতুমীরের বাহিনীতে যোগ দিলে ধর্ম সংস্কার আন্দোলন একটি ব্যাপক কৃষক আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ফলে কৃষকদের সংঘবদ্ধতা এবং তিতুমীরের শক্তি বৃদ্ধিতে শঙ্কিত হয়ে উঠে শাসক-শোষক, জমিদার শ্রেণি।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিতুমীর হজকরার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন। দেশের ফিরে তিনি ধর্মীয় সংস্কার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৭৪৬.
Which country recently added Bangladesh to the Official Security Assistance (OSA) scheme?
  1. India
  2. China
  3. Japan
  4. Russia
ব্যাখ্যা
সরকারি নিরাপত্তা সহায়তা (ওএসএ):
- প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশকে সরকারি নিরাপত্তা সহায়তা বা অফিসিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স (ওএসএ) প্রকল্পে যুক্ত করেছে জাপান।
- নতুন এই কর্মসূচিতে প্রথম বছর যে চার দেশকে জাপান যুক্ত করেছে, বাংলাদেশ তাদের অন্যতম।
- ২০২২ সালে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ‘সরকারি নিরাপত্তা সহায়তা’ প্রকল্প গ্রহণ করে জাপান।
- এর মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় উপকরণ ও সরঞ্জাম প্রদানের পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করে দেশটি।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক (২৬ আগস্ট, ২০২৩)।
১০,৭৪৭.
বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ঝিনাইদহ
  3. গোপালগঞ্জ
  4. জামালপুর
ব্যাখ্যা
আকিজ জুট মিলস:
- দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি পাটকল আকিজ জুট মিল।
- আকিজ জুট মিলের নির্বাহী পরিচালক শেখ আব্দুল হাকিম।
- এটি মুকসুদপুর, গোপালগঞ্জ-এ অবস্থিত।
- আকিজ গ্রুপের অন্যতম অঙ্গ প্রতিষ্ঠান আকিজ জুট মিলস্ লিমিটেড দেশের সোনালি আঁশ খ্যাত পাটের সুতা উৎপাদন ও রফতানিতে শুরু থেকেই তার গুণগতমান বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছে।

উৎস:  নভেম্বর ১৫, ২০২২, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১০,৭৪৮.
বাংলাদেশ কোন জোটের সদস্য নয়? [জানুয়ারি,২০২৬] 
  1. সার্ক
  2. ডি-৮
  3. জি-৭
  4. ন্যাম
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ জি-৭  জোটের সদস্য নয়। 

এছাড়াও, 
• বাংলাদেশ প্রাতিষ্ঠাকালীন সার্ক এর  সদস্য।
- বাংলাদেশ জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৩ সালে,
- এবং ওই বছরের সেপ্টেম্বরে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যামের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল প্রথম অংশগ্রহণ করে।

• Developing Eight (D-8):

- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৭ সালের ১৫ জুন।
- সদর দপ্তর: ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
- বর্তমানে D-৪-এর সদস্য দেশ ৯টি। [জানুয়ারি,২০২৬]
- যথা:- তুরস্ক, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মিশর, নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, আজারবাইজান।
• বাংলাদেশ প্রাতিষ্ঠাকালীন ডি-৮ এর  সদস্য।

 উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১০,৭৪৯.
মুসলিম নারী জারণের অগ্রদূত বলা হয় কাকে?
  1. বেগম রোকেয়া
  2. বেগম সুফিয়া কামাল
  3. জাহানারা ইমাম
  4. নবাব ফয়জুন্নেসা
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম নারী জারণের অগ্রদূত বলা হয় বেগম রোকেয়াকে।

বেগম রোকেয়া:
- ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে বেগম রোকেয়া জন্মগ্রহন করেন।
- তাঁর পিতার নাম জহিরুদ্দীন মোহাম্মদ আবু আলী সাবের ও মায়ের নাম মোসাম্মৎ বাহাতননেসা সাবেরা চৌধুরী।
- বেগম রোকেয়া তাঁর বড় ভাই ইবরাহিম সাবের এবং বড় বোন করিমুন্নেসার কাছে শিক্ষা লাভ করেন।
- বিবাহিত জীবনে তিনি তাঁর স্বামীর কাছ থেকে জ্ঞান চর্চায় উৎসাহ লাভ করেছিলেন।
- স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি তাঁর জীবনের বাকি সময় নারী শিক্ষা আর সমাজসেবায় ব্যয় করেন।
- তিনি স্বামীর নামে ভাগলপুরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন।
- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে তিনি কোলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করেন।
- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে এটি উচ্চ ইংরেজি গার্লস স্কুলে উন্নিত হয়।
- মুসলমান নারী মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার মনে নারীর প্রতি সমাজের নানা অত্যাচার ও অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে ছিল তীব্র বিদ্রোহের সুর।
- তিনি তাঁর কর্মের মধ্যে তার প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
- ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে এই মহীয়সী নারী কোলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৭৫০.
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন?
  1. চাঙ্কি পান্ডে
  2. মঙ্গল পান্ডে
  3. হারপান সিং
  4. লাল সিং
ব্যাখ্যা
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।
- ১৮৫৭ সালের সংগ্রামের নানাবিধ কারণ ছিল।
- এসব কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।

• পরোক্ষ কারণ:
- রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।
• প্রত্যক্ষ কারণ:
- ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়।
- এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো।
- গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে।
- এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু-মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে। 

সিপাহী বিদ্রোহ:
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৭৫১.
বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগের জন্য কত সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি মনোনীত করা হয়েছিল?
  1. ১১০ জন
  2. ১১৫ জন
  3. ১২০ জন
  4. ১২৫ জন
ব্যাখ্যা
বাকশাল: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ভিত্তিতে ১৯৭৫ সালের ৭ জুন একমাত্র বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাকশালের বিভিন্ন দিক, কার্যক্ষেত্র এবং সম্ভাবনা সবিস্তারে বর্ণনা করে শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর এই উদ্যোগকে ‘দ্বিতীয় বিপ্লব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারিভাবে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
- সাংগঠনিক ক্ষেত্রে বাকশালের চেয়ারম্যান হিসেবে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমান জাতীয় দলের জন্য ১৫ সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি এবং ১১৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি মনোনীত করেন। 
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,৭৫২.
একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতি বছর উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্যকে কী বলে?
  1. মোট দেশজ উৎপাদন
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন
  3. মাথাপিছু আয়
  4. নেট জাতীয় উৎপাদন
ব্যাখ্যা
মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product: GDP): 
- একটি দেশের অভ্যন্তরে দেশি বা বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা প্রতি বছর উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)।
- জিডিপি হিসাব করা হয় মূলত একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির শক্তি বা সামর্থ্য বোঝার জন্য।
- তবে দেশের কোনো ব্যক্তি যদি বিদেশে কাজ করে অথবা কোনো কোম্পানি যদি বিদেশে ব্যবসা করে দেশে টাকা পাঠায় সেই আয় মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন হিসেবে পরিগণিত হবে না অর্থাৎ জিডিপিতে অন্তর্ভুক্ত হবে না।
- মূলত জিডিপি হচ্ছে একটি দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের আর্থিক মূল্য।

মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross National Product: GNP): 
- একটি দেশের নাগরিক নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছর) যে সকল দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)।
- অর্থাৎ একটি দেশের নাগরিক নিজ দেশসহ বিশ্বের যেখানেই চাকরি বা ব্যবসা করুক না কেন যখন তাদের অর্জিত আয় দেশের অর্থনীতিতে যুক্ত হয় তখন তা মোট জাতীয় উৎপাদন হিসেবে বিবেচিত হবে।
- জিএনপি হিসাব করা হয় একটি দেশের নাগরিকদের অর্থনৈতিক অবদান বোঝার জন্য।
- যেমন-কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিদেশে চাকরি বা ব্যবসা করে অর্জিত অর্থের যে পরিমাণ অর্থ বৈধপথে বাংলাদেশে পাঠায় তা বাংলাদেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের অংশ হবে।

মাথাপিছু আয় (Per Capita Income: PCI)
- একটি দেশের মোট জাতীয় আয়কে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এর মাধ্যমে একটি দেশের মানুষের সার্বিক জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করা হয়।
- যে দেশের মাথাপিছু আয় যত বেশি সে দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মান তত উন্নত এবং অর্থনীতি তত বেশি সমৃদ্ধ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,৭৫৩.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির কয়টি ধারা রয়েছে?
  1. ৫০টি
  2. ৬৪টি
  3. ৭২টি
  4. কোন ধারা নেই
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ১৯৯৭ সালে ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটেছে।
- পার্বত্য জেলাগুলোর আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার কর্তৃক গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে এক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- শান্তিচুক্তি সম্পাদিত হয়েছিল বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির পক্ষে স্বাক্ষর করেন তাদের নেতা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা, যিনি সন্তু লারমা হিসেবে পরিচিত।
- মোট ৭২টি ধারার মধ্যে ইতোমধ্যে ৬৫টি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়েছে, ৩টি আংশিকভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ৪টি ধারা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
- অস্ত্র সমর্পণের পর শান্তিবাহিনীর প্রায় দুই হাজার সদস্যের প্রত্যেককে সরকার ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিল।
- এছাড়া শান্তি বাহিনীর সাতশর বেশি সদস্যকে পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

সূত্র- বিবিসি।  
১০,৭৫৪.
উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট কোনটি?
  1. FBCCI
  2. FICCI
  3. BDF
  4. Alliance
ব্যাখ্যা
Alliance:
- এলায়েন্স (Alliance) হলো উত্তর আমেরিকান পোশাক ক্রেতাদের জোট।

FBCCI:
- এটি বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।

BDF:
- বিডিএফ (BDF) হলো বাংলাদেশের উন্নয়নে নিয়োজিত দেশ ও প্রতিষ্ঠানের জোট।

FICCI:
- এফআইসিসিআই (FICCI) হলো বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি ব্যবসায়ীদের জোট। 

উৎস: ৩১ আগস্ট ২০২৩, ইত্তেফাক।
১০,৭৫৫.
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরী ছিলো কোনটি?
  1. মহাস্থানগড়
  2. উয়ারি-বটেশ্বর
  3. রোহিতগিরি
  4. বিক্রমপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরী ছিলো উয়ারি-বটেশ্বর। আনুমানিক প্রায় আড়াইহাজার বছর আগে নরসিংদী জেলার উয়ারি-বটেশ্বরে নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
এটি দ্বিতীয় ভারতীয় সভ্যতার অন্তর্গত। উয়ারি-বটেশ্বর ছিলো একটি নদীবন্দর ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্র।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৫১/৫২)
১০,৭৫৬.
বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন কে প্রদান করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নির্বাচন কমিশনের অধীন।
- নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন প্রদান করে।

- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শতাধিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে।

⇒ রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা চালু হয় ২০০৮ সালে।
- ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের মূল আইনে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কোনো বিধান না থাকলেও রাজনীতির প্রতি বিতশ্রদ্ধ ১/১১ সরকার ১৯৭২ সালের Representation of People Order (RPO) পরিবর্তন করে সংশোধন আকারে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের Representation of People (Amendment) Ordinance, 2008 নামক একটি আইন করে।
- এই আইনে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের একটি অতিরিক্ত অধ্যায় সংযোজন করা হয়।
- উক্ত অধ্যায়ে ৯টি ধারা (৯০এ থেকে ৯০আই) রয়েছে।
- ৯০এ অনুসারে নির্বাচনে অংশগ্রণেচ্ছু দলসমূহকে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হতে হবে।

⇒ ৯০বি(১)এ ধারার বিধি অনুসারে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন পেতে হলে:
(i) বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দরখাস্ত দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের যে কোনো একটিতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমপক্ষে একটি আসন লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(ii) উক্তরূপ নির্বাচনের যেকোন একটিতে দরখাস্তকারী দল কর্তৃক নির্বাচনে অংশগ্রহণকৃত আসনসমূহে প্রদত্ত মোট ভোট সংখ্যার ৫% ভোট লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(iii) কেন্দ্রীয় কমিটি ও অফিস, অফিসসহ কমপক্ষে ১০টি জেলা কমিটি এবং অফিসসহ কমপক্ষে ৫০টি উপজেলা/থানা কমিটি থাকতে হবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১০,৭৫৭.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা কমিশন
  3. জাতীয় শিক্ষা কমিশন
  4. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২):
- ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’ বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন।
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে,
-  কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

অন্যদিকে,
- মজিদ খান শিক্ষা কমিশন ১৯৮৩ সালে গঠিত।
- বাংলাদেশ জাতীয় শিক্ষা কমিশন- বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর মফিজউদ্দীন আহমদকে প্রধান করে একটি শিক্ষা কমিশন নিয়োগ করে।
- শামসুল হক শিক্ষা কমিশন-  বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ সালের ১৪ জানুয়ারি জারীকৃত এক আদেশবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এম শামসুল হককে চেয়ারম্যান করে ৫৬ সদস্যের একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০,৭৫৮.
মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী মারা যান কবে?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- পরে তিনি টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে গিয়ে তথাকার অত্যাচারিত কৃষকদের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং অচিরেই দলের আসাম শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন।

- ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল জন্মলাভ করে।
- নবগঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন মাওলানা ভাসানী, এবং টাঙ্গাইলের শামসুল হক হন সাধারণ সম্পাদক।
- আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হিসেবে ভাসানী তখনকার বিরোধী দল নিয়ে  যুক্তফ্রন্ট নামে একটি মোর্চা গঠন করেন।
- এ মোর্চার অপরাপর নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ।

- মওলানা ভাসানী ফারাক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি বলে মনে করেন।
- তিনি ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে এক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১০,৭৫৯.
সপ্তম শতকে গৌড়ের রাজধানী ছিল-
  1. ক) বড়কামতা
  2. খ) কোটিবর্ষ
  3. গ) পুণ্ড্রনগর
  4. ঘ) কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা
‘গৌড়’ নামটি সুপ্রাচীন হলেও এর অবস্থান সম্পর্কে সঠিক ধারণা করা যায়নি। তবে ৬ষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়। সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো। এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
‘সমতট’ এর প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল বড়কামতা।
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র। এ অঞ্চলের রাজধানী পুণ্ড্রনগর। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং এসএসসি(উন্মুক্ত)]
১০,৭৬০.
রাবার উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা-
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) পঞ্চগড়
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

কৃষি বর্ষগ্রন্থ-২০২০ অনুযায়ী,
- রাবার উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কক্সবাজার।
- পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- আলু উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা বগুড়া।
- পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা পাবনা।
- চা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার
- রেশম উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা রাজশাহী।

১০,৭৬১.
“পেঁয়াজের ভান্ডার” বলে খ্যাত কোন উপজেলা?
  1. ক) রূপসা উপজেলা
  2. খ) শৈলকুপা উপজেলা
  3. গ) সাঁথিয়া উপজেলা
  4. ঘ) মৌলভীবাজার সদর উপজেলা
ব্যাখ্যা
“পেঁয়াজের ভান্ডার” বলে খ্যাত পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
১০,৭৬২.
জুলাই গণ অভ্যুত্থানে  'মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচি পালিত হয় কবে?
  1. ২০২৪ সালের ১ আগস্ট

  2. ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট

  3. ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট

  4. ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট

ব্যাখ্যা

জুলাই গণ অভ্যুত্থান: 
- জুলাই বিপ্লব নামে পরিচিত ছাত্র-জনতার আন্দোলন হচ্ছে বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক গণঅভ্যুত্থান যা ২০২৪ সালের ৫ জুন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত অগণিত প্রাণ বিসর্জন দেয়ার মধ্য দিয়ে বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে।
- ঐতিহাসিক এই বিপ্লবের বিজয়ের ধারার সূচনা হয়েছিল সরকারি চাকুরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবির আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
- এটি পরে সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে আরো প্রবল হয়ে উঠেছিল যা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।
- পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এক জরুরি সিদ্ধান্তে 'মার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচি ৬ আগস্ট থেকে পরিবর্তন করে ৫ আগস্ট করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪) ও প্রথম আলো (৫ আগস্ট ২০২৪)

১০,৭৬৩.
বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় কবে?
  1. ক) ৬২৪ সালে
  2. খ) ৬২৫ সালে
  3. গ) ৬২৭ সালে
  4. ঘ) ৬৩১ সালে
ব্যাখ্যা
ইসলামের ইতিহাসে বদর যুদ্ধ হলো মুসলমান ও অবিশ্বাসীদের মধ্যে সংঘটিত প্রথম যুদ্ধ বা সামরিক সংঘর্ষ। ৬২৪ সালে মদিনার অদূরে বদর নামক স্থানে মক্কার কুরাইশ বাহিনীর সাথে মুসলমানদের বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী জয় লাভ করে।
৬২৫ সালে উহুদের যুদ্ধ, ৬২৭ সালে খন্দকের যুদ্ধ এবং ৬৩১ সালে তাবুকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১০,৭৬৪.
বাংলাদেশ OIC-এর সদস্য হয় কোন সনে?
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৬
ব্যাখ্যা
• OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশন।
- OIC প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালে।
- ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদর দপ্তর জেদ্দায়।
- OIC এর প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় মরক্কোতে।
- বাংলাদেশ OIC-এর সদস্য হয় ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ OIC-এর ৩২ তম সদস্য।

তথ্যসূত্র - OIC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০,৭৬৫.
দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) হবিগঞ্জ, সিলেট
  2. খ) শ্রীপুর, গাজীপুর
  3. গ) সন্দীপ, চট্রগ্রাম
  4. ঘ) আগারগাওঁ, ঢাকা
ব্যাখ্যা
• মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র:
- দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত - শ্রীপুর, গাজীপুর।
- ডমরেটরি, অ্যাস্ট্রো অবজারভেটরি, অ্যাস্ট্রো উঠানসহ এটি হয়ে উঠেছে অনন্য এক স্থাপনা।
- শ্রীপুরের বাঘের বাজার থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটারের পথ।
- এটিই দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র।
- ব্যক্তি উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চার অন্যতম পথিকৃৎ বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান মৃধা বেনু।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১০,৭৬৬.
How many direct elected seats are in Bangladesh Parliament?
  1. ক) 350
  2. খ) 300
  3. গ) 100
  4. ঘ) 50
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০ (সরাসরি ৩০০ আসন + সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫০)।

• প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারের সরাসরি ভোটের ভিত্তিতে প্রতি আসন থেকে একজন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
- সাধারণত প্রতি ৫ বছর অন্তর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৩রা জুলাই, ২০১১ তারিখে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৪৫ হতে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে সর্বোচ্চ আইন পরিষদকে বাংলায় ‘জাতীয় সংসদ’ এবং ইংরেজিতে ‘হাউজ অব্ দ্য নেশন’ বলা হয়েছে।

 সূত্র:  জাতীয় সংসদ ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৭৬৭.
বাংলাদেশে কতটি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে? (জুন-২০২৫)
  1. ১১টি
  2. ১২টি
  3. ৯টি
  4. ৮ টি
ব্যাখ্যা
• সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের কয়েকটি প্রধান শহরকে কেন্দ্র করে সিটি কর্পোরেশনগুলো গড়ে উঠেছে।
- বাংলাদেশের মোট ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

• এগুলো হলো:
- ঢাকায় দুটি (ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ),
- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
- রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন,
- খুলনা সিটি কর্পোরেশন,
- সিলেট সিটি কর্পোরেশন,
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশন,
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন,
- নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,
- কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন,
- গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
 - ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১০,৭৬৮.
দেশে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. সার
  2. সুতা
  3. তুলা
  4. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা

আমদানি পরিস্থিতি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
 - একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১০,৭৬৯.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল (পুরুষ) কবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
- তারা টাইগারস নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এই দল পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশ আইসিসি’র টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেট স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে।

⇒ ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় লাভ করে ২০০৫ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
১০,৭৭০.
নির্মাণাধীন ‘মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. রামু, কক্সবাজার
  2. মহেশখালী, কক্সবাজার
  3. কলাপাড়া, পটুয়াখালী
  4. উখিয়া, কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র:
- কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে হতে যাচ্ছে দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর। 

উল্লেখ্য,
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ নভেম্বর, ২০২৩ মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল উদ্বোধন ও প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
- ২০২৬ সালে বন্দরটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
- ২০২০ সালের ১০ মার্চ মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়।
- প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। 
- বন্দরটি ১ হাজার ৩১ একর জায়গায় বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে নির্মাণ করা হচ্ছে। 
- বন্দরের জন্য নির্মিত চ্যানেলটি ২৫০ মিটার চওড়া, ১৮.৫ মিটার গভীর এবং ১৪.৩ মিটার দীর্ঘ। 
- এই উন্নয়নের ফলে ৮০০০ থেকে ১০,০০০ কন্টেইনার জাহাজ সরাসরি জেটিতে প্রবেশ করতে পারবে।
- এ বন্দর দিয়ে এলএনজি, অপরিশেধিত তেল ও তেলপণ্য, সিমেন্ট, ক্লিঙ্কার, সার, খাদ্যশস্য, স্টিলপণ্য এবং স্ক্র্যাপ লোহা আমদানি সহজতর হবে। 
- মাতারবাড়ী বন্দর সড়ক, রেল ও নদীপথ দিয়ে সংযুক্ত থাকবে। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৭৭১.
প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ কোনটি?
  1. সমতট
  2. বঙ্গ
  3. হরিকেল
  4. পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।
- পুণ্ড্র প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ।
- পুণ্ড্র 'জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুণ্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ-৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- এখানে গুপ্তদের সুনিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থা ছিল।
- পুণ্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০,৭৭২.
সুবাদার শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম দখল করে এর নতুন নাম কী রাখেন? 
  1. জাহাঙ্গীরনগর
  2. ইসলামাবাদ
  3. মুর্শিদাবাদ
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা

• মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান:
- পর্তুগিজদের জলদস্যুতা, চাঁদাবাজি এবং বাণিজ্য ও জনজীবনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণে শায়েস্তা খান তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করে।
- বিশেষ করে আরাকান জলদস্যুদের সঙ্গে তাদের আঁতাত এবং চট্টগ্রামকে ঘাঁটি করে লুঠতরাজ চালানো মুঘল শাসনের জন্য বড় হুমকি হয়ে ওঠে।
- এর পরিপ্রেক্ষিতে শায়েস্তা খান ১৬৬৫–১৬৬৬ সালে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আরাকান ও পর্তুগিজদের পরাজিত করেন। 
- চট্টগ্রাম বিজয়ের পর ১৬৬৬ সালে শায়েস্তা খান এর নাম পরিবর্তন করে ইসলামাবাদ রাখেন।
- এর মাধ্যমে বাংলায় পর্তুগিজদের প্রভাব প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- শায়েস্তা খান ঢাকায় বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণ করেন।
- প্রদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মুঘল শাসন সুসংহতকরণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য স্থাপত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে:
• লালবাগ কেল্লা (যা কন্যার অকালমৃত্যুর কারণে অসম্পূর্ণ থেকে যায়)।
- লালবাগ কেল্লায় তার মেয়ে পরীবিবির কবর রয়েছে।
• চকবাজারে নির্মাণ করেন ছোট কাটরা,
- এছাড়া ও নির্মাণ করেন শায়েস্তা খান মসজিদ এবং সাত গম্বুজ মসজিদ। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

১০,৭৭৩.
বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন কে?
  1. ক) ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. খ) লর্ড ওয়েলেসলি
  3. গ) লর্ড ক্যানিং
  4. ঘ) লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা
১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১০,৭৭৪.
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চালু করেন?
  1. কার্ল মার্ক্স
  2. ভ্লাদিমির লেনিন
  3. জোসেফ স্ট্যালিন
  4. ম্যাক্স ওয়েবার
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা:
- আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা এসেছে মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে।
- সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিন ১৯২৮ সালে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চালু করেন।
- এটি শিল্পোন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছিল।
- পরে এই ধারণা বিভিন্ন দেশে যেমন ভারত ও চীন অবলম্বন করে।

উৎস: Britannica.
১০,৭৭৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, চরম দারিদ্রের হার-
  1. ৪.৫%
  2. ৫.৬%
  3. ৬.৫%
  4. ৭.৫%
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ [চূড়ান্ত প্রতিবেদন]
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%,
- মাথাপিছু জিডিপি: ২৬২৫ মার্কিন ডলার;
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১৭১ জন;
- জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার: ৪.২২%;
- পুরুষ-নারী অনুপাত: ৯৬.৩:১০০;
- জিডিপি'র খাত: ১৯টি;
- মুদ্রাস্ফীতি: ৯.৭৮%;
- দারিদ্রের হার: ১৮.৭%;
- স্বাক্ষরতার হার: ৭৭.৯%;
- চরম দারিদ্রের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪। 
১০,৭৭৬.
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক এবং বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা একত্রিত হয়ে গঠিত হয়-
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
  3. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  4. কর্মসংস্থান ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (BDBL) গঠিত হয় ১৬ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে Companies Act,
- 1994 অনুযায়ী একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে।
- এটি গঠিত হয় রাষ্ট্রীয় খাতে দুইটি উন্নয়নমূলক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (DFIs)- 
১) বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক (BSB) এবং
২) বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (BSRS).

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।

১০,৭৭৭.
বাংলার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় শাসন করেছিল কোন রাজ বংশ?
  1. গুপ্ত
  2. চন্দ্র
  3. সেন
  4. পাল
ব্যাখ্যা
- বাংলায় পাল শাসন (৭৫৬-১০৪৬ খ্রি.) বাংলার ইতিহাসে প্রথম দীর্ঘ চারশ বছরব্যাপী শাসন করেছিল পালবংশ।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন গোপাল।
- তার বংশধরগণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিলেন।
- গোপালদেবের আদিবাস বরেন্দ্রভূমিতে।
- এই বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন - ধর্মপাল।
- বাংলায় সেন শাসন (১০৯৮-১২২৩ খ্রি.) ।
- চন্দ্র বংশ (৯০০-১০৪৫ খ্রি.) ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, উন্মুক্ত।
১০,৭৭৮.
কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক নেই?
  1. ক) তাইওয়ান
  2. খ) ইসরাইল
  3. গ) ব্রাজিল
  4. ঘ) ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
- ইসরাইলের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক কোন প্রকার সম্পর্ক নেই। ফিলিস্তিন ইস্যুর কারণে দেশটির সাথে বাংলাদেশের কোন ধরনের সম্পর্ক গড়ে উঠেনি।
- অন্যদিকে তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে।
- ফিলিপাইন ও ব্রাজিলের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান।
(সূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১০,৭৭৯.
'আমি বিজয় দেখেছি' বইটির রচয়িতা কে?
  1. রাবেয়া খাতুন
  2. মেজর রফিকুল ইসলাম
  3. এম আর আখতার মুকুল
  4. সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই ‘আমি বিজয় দেখেছি’ এর রচয়িতা হলেন এম আর আখতার মুকুল।
তার রচিত অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে:
- একাত্তরের বর্ণমালা
- মুজিবের রক্ত লাল প্রভৃতি।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – ড. সৌমিত্র শেখর)
১০,৭৮০.
দেশের প্রথম টানেলের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ২.৪৫
  2. ৩.৩২
  3. ৩.৪০
  4. ৩.৪৩
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উল্লেখ্য,
- প্রায় ৯১ বছর আগে এই নদীর ওপর প্রথম কালুরঘাট রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছিল।
- কালুরঘাট রেলসেতু থেকে সাত কিলোমিটার ভাটিতে ১৯৮৯ সালে প্রথম সড়ক সেতু নির্মাণ করা হয়।
- ২০১০ সালে একই স্থানে কর্ণফুলী তৃতীয় শাহ আমানত সেতু নির্মাণ করা হয়।
-  কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনাল চালু হবে ২০২৬ সালে। 

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১০,৭৮১.
খিলাফত আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কে?
  1. মাওলানা মোহাম্মদ আলী
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. সৈয়দ আহমদ খান
  4. মাওলানা আতাহার আলী
ব্যাখ্যা
খিলাফত আন্দোলন:
- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খিলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রভাবে উদ্ভূত একটি প্যান-ইসলামি আন্দোলন।
- কারণ ভারতের মুসলমানেরা তুরস্কের সুলতানকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা বা ধর্মীয় নেতা বলে শ্রদ্ধা করতেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের সুলতান ব্রিটিশ বিরোধী শক্তি জার্মানির পক্ষ অবলম্বন করলে ভারতে মুসলমান সম্প্রদায় বিব্রত হন। কারণ ধর্মীয় কারণে তাঁরা খলিফার অনুগত, আবার অন্যদিকে রাজনৈতিক কারণে ব্রিটিশ সরকারের অনুগত থাকতে বাধ্য।
- কিন্তু এই যুদ্ধে জার্মানি হেরে গেলে জার্মানির পক্ষে যোগদানের কারণে শাস্তি স্বরূপ তুরস্ককে খণ্ড-বিখণ্ডিত করার পরিকল্পনা করা হয়।
- এই আন্দোলনে নেতৃত্বদেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও দুই ভাই মাওলানা শওকত আলী এবং মাওলানা মোহাম্মদ আলী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৭৮২.
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীটি গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে
  3. ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে
  4. ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী:

- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৭৮৩.
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. টাঙ্গাইল
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা):
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।
- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান।
- প্রধান কার্যালয়ের  মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 
- বিনা’র মোট ১৩ (তেরো)টি  উপকেন্দ্র রয়েছে। 
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা’র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়। 

উৎস: BINA এর ওয়েবসাইট।
১০,৭৮৪.
নিচের কোন চলচ্চিত্রের সাথে হুমায়ুন আহমেদের নামটি জড়িত নয়?
  1. শ্রাবণ মেঘের দিন
  2. দুই দুয়ারী
  3. আগুনের পরশমণি
  4. গেরিলা
ব্যাখ্যা

- হুমায়ূন আহমেদ,  (১৯৪৮-২০১২) কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদ চলচ্চিত্র নির্মাণে সার্থক
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)। 
- অন্যান্য চলচ্চিত্র :
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০),
- দুই দুয়ারী (২০০১), 
- চন্দ্রকথা (২০০৩), 
- নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭)
- আমার আছে জল (২০০৮)।

- গেরিলা চলচ্চিত্রটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত উপন্যাস 'নিষিদ্ধ লোবান' অবলম্বনে নাসিরুদ্দিন ইউসুফ নির্মাণ করেন।

[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা , ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

১০,৭৮৫.
কোন আদালতকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
  3. জজ কোর্ট
  4. নিম্ন আদালত
ব্যাখ্যা

• 'কোর্ট অব রেকর্ড’: 
 - সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছেদে, সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব রেকর্ড" হবে।
- তাই "কোর্ট অব রেকর্ড"  বলা হয় সুপ্রীম কোর্ট কে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট।
- উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত।
- উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট আবার আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারক নিয়োগ করবেন।
- প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের বিচারকদের নিয়ে আপিল বিভাগ এবং অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ ও স্থায়ী বেঞ্চ গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ কোনো কারণে শূন্য হলে আপিল বিভাগের জ্যৈষ্ঠতম বিচারক অস্থায়ীভাবে প্রধান বিচারপতির কার্যভার গ্রহণ করবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিএসএস উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৭৮৬.
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. ক) কাজী গোলাম মাহবুব
  2. খ) আবদুল মতিন
  3. গ) অলি আহাদ
  4. ঘ) গাজীউল হক
ব্যাখ্যা

- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।
- ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শামসুল আলমকে আহবায়ক করে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন (দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’) করা হয়।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় যার আহবায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া এবং ভাষা আন্দোলনে ঢাকা : আহমদ রফিক)
১০,৭৮৭.
সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. মানসিংহ
  2. কৌটিল্য
  3. টোডরমল
  4. আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
- চাণক্য খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০ অব্দে জন্ম গ্রহণ করে।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান ‘চাণক্য’ বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত।।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতির দিকপাল ও ভারতের ম্যাকিয়াভ্যালি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- চন্দ্রগুপ্তের এবং বিন্দুসারের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল অর্থশাস্ত্র ( ১৫ খন্ডে ) ও চাণক্যনীতি।
- অর্থশাস্ত্র গ্রন্থটি রাষ্ট্রশাসন ও কূটনীতিকৌশলের সার সংক্ষেপ।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ , বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৭৮৮.
বাংলাদেশে মোট উপজেলা সংখ্যা কত?
  1. ৪৯২ টি
  2. ৪৯৪ টি
  3. ৪৯৩ টি
  4. ৪৯৫ টি
ব্যাখ্যা
• উপজেলা পরিষদ :
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার এটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট উপজেলা পরিষদ।
-  উপজেলা ব্যবস্থা ১৯৮৩ সালে প্রথম প্রবর্তন করা হয়।
- মোট উপজেলা - ৪৯৫ টি।

- কিন্তু এ ব্যবস্থাটি বিভিন্ন কারণে পরবর্তীতে সময়ে স্থায়ীরূপ লাভ করেনি।
- এ সক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ পুনঃপ্রচসন এবং উক্ত আইনের অধিকতর সংশোধনকল্পে ৬ এপ্রিল ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাশ হয়।
- এ আইন 'উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন ২০০৯' নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১০,৭৮৯.
কার সভাপতিত্বে 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কর্ম পরিষদ' গঠিত হয়।
  1. কাজী গোলাম মাহবুব
  2. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া
  4. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়:
- ৩০ জানুয়ারি – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ সভা ও ছাত্র ধর্মঘটের আহ্বান জানায়।
- ৩১ জানুয়ারি – মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে সর্বদলীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কর্ম পরিষদ' গঠিত হয়।

- কর্মসূচির মধ্যে ছিল: ৪ ও ২১ ফেব্রুয়ারি হরতাল, জনসভা ও বিক্ষোভ মিছিল।
- পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী নূরুল আমিন ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেন।
- ২০ ফেব্রুয়ারি – সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভা হয়।

প্রথমে কিছু সদস্য ১৪৪ ধারা ভাঙার বিপক্ষে ছিলেন। কিন্তু আবদুল মতিন, অলি আহাদ, মোহাম্মদ তোহা, গোলাম মাহবুব প্রমুখ নেতারা অমান্যের পক্ষে জোর দেন।
অবশেষে ১৪৪ ধারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম  ও দশম শ্রেণি।
১০,৭৯০.
বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) প্রজাতন্ত্র
  2. খ) সংসদীয় সরকার পদ্ধতি
  3. গ) সংবিধানের সার্বভৌমত্ব
  4. ঘ) দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধানত ১২ টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
যথা-
১. প্রজাতন্ত্র
২. রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতি
৩. মৌলিক অধিকার
৪. সংসদীয় সরকার পদ্ধতি
৫. লিখিত সংবিধান
৬. জনগণের সার্বভৌমত্ব
৭. সংবিধানের সার্বভৌমত্ব
৮. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা
৯. দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান
১০. এককেন্দ্রিক রাষ্ট
১১. এক কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
১২. আইনের শাসন

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৭৯১.
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ এর বিভাগ পৃথক হয় কত তারিখে? 
  1. ১ নভেম্বর, ২০০৭
  2. ১ ডিসেম্বর, ২০০৭
  3. ১ নভেম্বর, ২০০৮
  4. ১ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
ব্যাখ্যা

- নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ এর বিভাগ পৃথক হয় - ১ নভেম্বর ২০০৭।

বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- ১৯৯৪ সালে সাবেক জেলা জজ মাসদার হোসেন পৃথকীকরণের জন্যে হাইকোর্টে রিট করলে আপিল বিভাগ ১৯৯৯ সালে এর চূড়ান্ত রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা প্রদান করে।
- নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ এর ভিত্তিতেই ১ নভেম্বর ২০০৭ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হয়।
- এ দিন সংশোধিত ফৌজদারি কার্যবিধি কার্যকরের মাধ্যমে স্বাধীন বিচার বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তবে এ প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণতা লাভ করেনি।
বর্তমানে অধস্তন আদালত সমূহে বিচারক নিয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি জুডিশিয়াল সার্ভিস কাউন্সিল দেখভাল করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা।

১০,৭৯২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১০,৭৯৩.
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন কোন সেক্টরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন?
  1. ২নং
  2. ১১নং
  3. ৪নং
  4. ১০নং
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ছিলেন ১০নং সেক্টরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। 

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীরশ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয়, রুহুল আমিন তাদের অন্যতম।
- তাঁর পদবী ছিল স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার।
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্ম ১৯৩৫ সালে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বাঘচাপড়া গ্রামে।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এপ্রিল মাসে তিনি ২নং সেক্টরে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১০নং নৌ সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে রূপসা নদীতে খুলনা শীপইয়ার্ডের কাছে সম্মুখ যুদ্ধে বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ পলাশকে রক্ষা করতে গিয়ে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর নিক্ষিপ্ত গোলায় এ বীর সন্তান শহিদ হন।
- সমাধিস্থল: রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১০,৭৯৪.
The Blood Telegram গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. গ্যারি জে ব্যাস
  2. মার্কাস গ্রান্ডা
  3. পল ওয়ালেচ
  4. রিচার্ড সেশন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যা বিষয়ে মার্কিন সাংবাদিক ও অধ্যাপক গ্যারি জে ব্যাস রচিত বিখ্যাত বই হলো 'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম : নিক্সন-কিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগেটেবল জেনোসাইট'।
- এটি ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয়৷
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি গণহত্যা বিষয়ে ঢাকায় কর্মরত তৎকালীন মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার কে ব্লাড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নিকট যে টেলিগ্রাম প্রেরণ করেন তা ব্লাড টেলিগ্রাম নামে পরিচিত।
- এই বিষয়ের আর্চার কে ব্লাড 'দ্য ক্রোয়েল বার্থ অব বাংলাদেশ' নামে একটি বই লিখেন।

সূত্র: আমাজন এবং বিডিনিউজ২৪।
১০,৭৯৫.
UNESCO'র ‘অ্যাওয়ার্ড অব মেরিট’ ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি পায় নিম্নের কোন মসজিদ?
  1. বাঘা শাহী মসজিদ
  2. ছোট সোনা মসজিদ
  3. হিন্দা-কসবা শাহী মসজিদ
  4. দোলেশ্বর হানাফিয়া জামে মসজিদ
ব্যাখ্যা
UNESCO'র ‘অ্যাওয়ার্ড অব মেরিট’ ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি পায় - ঢাকার কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর হানাফিয়া জামে মসজিদ।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১০,৭৯৬.
বাংলাদেশ বিশ্বের কততম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ?
  1. ৩৫তম
  2. ৩৭তম
  3. ৪১তম
  4. ৪৬তম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৪১তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।
- বাংলাদেশের জিডিপির আকার ৩০,৮৭,৩০০ কোটি টাকা।
(তথ্যসূত্র: বাজেট বক্তৃতা : ২০২১-২০২২)
১০,৭৯৭.
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার কততম সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC
- OIC এর পূর্ণরুপ হচ্ছে - The Organisation of Islamic Cooperation
- এটি হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ (মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়)।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।

- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে এবং এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের পক্ষে অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সর্বশেষ শীর্ষ সম্মেলন মক্কাতে ২০১৯ সালের ৩১ মে অনুষ্ঠিত হয়।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ.ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।

- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-তিন বছর পর পর।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ।

তথ্যসূত্র: OIC ওয়েবসাইট
১০,৭৯৮.
‘তোষা’ একজাতীয় -
  1. ধান
  2. গম
  3. পাট
  4. আখ
ব্যাখ্যা
পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- পাট বাংলার শত বর্ষের ঐতিহ্য।
- দুই ধরনের পাট বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।

উল্লেখ্য,
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উৎস: i) ২৪ মার্চ ২০২৪, বাসস।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১০,৭৯৯.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য:
- টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে (১৬,১৩৯ মিলিয়ন ডলার)। যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ২৭.৪৬ শতাংশ।
- চীনের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত (১০,০২৬ মিলিয়ন ডলার), যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ১৭.৬ শতাংশ।
- বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক ঘাটতি সবচেয়ে বেশি চীনের এবং দ্বিতীয় ভারত।
- বাংলাদেশ জাপান থেকে ২,৩৮৬ মিলিয়ন ডলার আমদানি করে যা মোট আমদানি বাণিজ্যের প্রায় ৪.০৬% শতাংশ। ।

অন্যদিকে,
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১০,৮০০.
e-GP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Electronic Government Procedures
  2. খ) Electronic Governance Process
  3. গ) Electronic Government Procurement
  4. ঘ) Electronic Goods Procurement
ব্যাখ্যা

• e-GP এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Government Procurement.
• এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন Central Procurement Unit (CPU) এর একটি সেবা।
• এর মাধ্যমে অনলাইনে সরকারি ক্রয় ও সংগ্রহ সংশ্লিষ্ট কার্যাদি সম্পন্ন করা যায়।
উৎসঃ CPTU এর ওয়েবসাইট।