বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০২ / ৩০৬ · ১০,১০১১০,২০০ / ৩০,৮৩২

১০,১০১.
দেশের কৃষিজমির মধ্যে কোন বিভাগের কৃষিজমি সবচেয়ে বেশি লাভজনক? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. বরিশাল 
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী 
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

কৃষিজমিতে লাভ:
- সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘উৎপাদনশীল ও টেকসই কৃষি জরিপ ২০২৫’ অনুসারে, দেশের কৃষিজমির মধ্যে খুলনা বিভাগের কৃষিজমি সবচেয়ে বেশি লাভজনক।
- এই বিভাগের ৫৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ কৃষিজমিতে যে চাষাবাদ হয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- জাতীয় পর্যায়ে ৪৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ কৃষিজমি লাভজনক।
- খুলনা বিভাগের পরই রয়েছে বরিশাল ও রংপুর বিভাগ। 
- তবে লাভের দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে সিলেট বিভাগ।
- সারা দেশের মোট ১৫ হাজার ৬০০টি খানা এবং ৭২২টি প্রাতিষ্ঠানিক খামার থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে জরিপে।



উৎস: প্রথম আলো।

১০,১০২.
Who is the Head of the Govt. in Bangladesh?
  1. ক) Prime Minister
  2. খ) Chief of Justice
  3. গ) Speaker
  4. ঘ) President
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারে প্রধান:

- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন- রাষ্ট্রপতি।
- সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- জাতীয় সংসদের প্রধান হলেন স্পিকার।
- 'বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট' এর প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০,১০৩.
সিরিল জন র‌্যাডক্লিফ কোন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন?
  1. ক) নর্থ ইন্ডিয়া বাউন্ডারি কমিশন
  2. খ) বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন
  3. গ) পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশন
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
- ব্রিটিশ সরকার ১৯৪৭ সালে ভারত শাসন আইনের অধীনে সিরিল জন র‌্যাডক্লিফকে ভারতে দুটি সীমানা নির্ধারণকারী কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে।
- কমিশন দুটি হলো ‘বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন’ এবং ‘পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশন’।

- ১৯৪৭ সালের ৩ জুন র‌্যাডক্লিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন এবং ৮ জুলাই ভারত আসেন।
- তিনি ভারত বিভাগ, নতুন দুটি রাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তানের মানচিত্র এবং আন্তর্জাতিক সীমা নির্দেশ করে তাঁর রিপোর্ট পেশ করেন। - তাঁর পরিকল্পনা ভারতের ইতিহাসে র‌্যাডক্লিফ রোয়েদাদ হিসেবে পরিচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১০,১০৪.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক কোনটি?
  1. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  4. রূপালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক। -
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১০,১০৫.
সংবিধানের কততম সংশোধনীতে 'Bengali' শব্দটি পরিবর্তন করে 'Bangla' করা হয়?
  1. ৭ম সংশোধনী
  2. ৮ম সংশোধনী
  3. ৯ম সংশোধনী
  4. ১০ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংশোধন:
- সময়ের চাহিদা ও প্রয়োজনে জনগণের কল্যাণার্থে সংবিধানের সংশোধন, পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন করা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২নং অনুচ্ছেদে এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও পদ্ধতির কথা উল্লেখ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধান এ পর্যন্ত ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে।

⇒ অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

⇒ অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়;
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,১০৬.
’সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’ কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ১৪১ নং
  2. ১৪২ নং
  3. ১৫১ নং
  4. ১৪৭ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা কথা বলা হয়েছে।

- এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও-
- (ক) সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবেঃ তবে শর্ত থাকে যে,
- (অ) অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
- (আ) সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- (খ) উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ: ১৪১নং -সরকারী কর্ম কমিশনের বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ: ১৪৭ নং - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
-  অনুচ্ছেদ: ১৫১ নং- রহিতকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১০,১০৭.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. আলমগীর কবির
  3. জহির রায়হান
  4. মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন মোরশেদুল ইসলাম।

- মোরশেদুল ইসলামের চলচ্চিত্র পরিচালনায় হাতেখড়ি হয়েছিল ১৯৮৪ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট নিয়ে তৈরি 'আগামী' নামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- যুদ্ধ পরবর্তী সময়ের গল্প তুলে ধরা হয়েছে ২৫ মিনিটের এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে।
- ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে চট্টগ্রামে সিনেমাটি প্রথম প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়।
- সিনেমাটি প্রথমবার বাণিজ্যিকভাবে প্রদর্শিত হয় ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ তারিখে ঢাকার ব্রিটিশ কাউন্সিলে।

অন্যদিকে,
- তানভীর মোকাম্মেল নির্মাণ করেন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হুলিয়া’ (১৯৯৫)।

উৎস: প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।

১০,১০৮.
১৯৫৬ সালের কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী 
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. চৌধুরী মোহাম্মদ আলী
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের কোয়ালিশন সরকার:

• আওয়ামী লীগ প্রধান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ৫ দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে একটি কোয়ালিশন গঠন করেন। 
• এর ফলে ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চৌধুরী মোহাম্মদ আলী পদত্যাগ করেন।
• হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন।
• ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
• ইস্কান্দার মীর্জার গোপন ষড়যন্ত্রে রিপাবলিকান দলীয় কিছুসংখ্যক সদস্য সোহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে মন্ত্রিসভা নাজুক অবস্থার সম্মুখীন হয়।
• ১৯৫৭ সালের ১৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী পদ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১০,১০৯.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে 'সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী' হিসেবে অভিহিত করেন কে?
  1. এলান হটার
  2. আলমন্ড পাওয়াল
  3. এলান পটার
  4. মাইরন উহনার
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- এলান পটার এটাকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী বলে আখ্যায়িত করেছেন। যেমন-শিক্ষক সমিতি, ব্যবসায়ী সমিতি, ট্রেড ইউনিয়ন, শ্রমিক সংঘ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- অধ্যাপক মাইরন উহনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
- অধ্যাপক এলান আর বল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সমভাবাপন্ন সদস্যগণের সমন্বয়ে গঠিত গোষ্ঠীকে বুঝাতে চেয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি এবং  এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১১০.
'মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি' কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৮৫০  খ্রিস্টাব্দে 
  2. খ) ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে 
  3. গ) ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে
  4. ঘ) ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• নওয়াব আব্দুল লতিফ:
- কর্মজীবনে তাঁর কৃতিত্বের জন্য সরকার তাঁকে প্রথমে খান বাহাদুর পরে নওয়াব এবং নওয়াব বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে ‘মুসলমান ছাত্রদের পক্ষে ইংরেজি শিক্ষার সুফল’ শীর্ষক এক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় কোলকাতা মাদরাসায় এ্যাংলো পার্সিয়ান বিভাগ খোলা হয়।
- তাঁর প্রচেষ্টায় হিন্দু কলেজ প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তর করা হলে মুসলমান ছাত্ররা সেখানে পড়ালেখার সুযোগ পায়।
- ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি বা মুসলিম সাহিত্য সমাজ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০,১১১.
মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় -
  1. জাতীয় আয়
  2. মাথাপিছু আয়
  3. নীট জাতীয় উৎপাদন
  4. মোট দেশজ উৎপাদন
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১১২.
জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের -
  1. অর্ধেক
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. এক-চতুর্থাংশ
  4. এক-পঞ্চমাংশ
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।
১০,১১৩.
আইয়ুব খান কার নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. লিয়াকত আলী খান
  4. মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খান:
- আইয়ুব খান সামরিক শাসন যাত্রার ২১ দিনের মাথায় ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজে প্রেসিডেন্ট পদ দখল করেন।
- ১৯৬৯ সালে গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আইয়ুব খান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

⇒ ক্ষমতাদখলের পর আইয়ুব খান কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করেন। ১৯৫৯ সালে 'পোডো' (PODO) এবং 'এবডো' (EBDO) নামক দুটি আদেশ জারি করে রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ ও নির্বাচনে রাজনীতিবিদদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেন।
- জেনারেল আইয়ুব ১৯৫৯ সালে ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নামে নতুন একটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন। মৌলিক গণতন্ত্রব্যবস্থায় শাসনকাঠামোকে পাঁচটি স্তরে বিন্যস্ত করা হয়েছিল। ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা ছিল সর্বনিম্ন স্তর এবং এর সদস্যদের বলা হতো ‘মৌলিক গণতন্ত্রী’। ১৯৬৫ সালে পরোক্ষ নির্বাচনব্যবস্থায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আগে নির্বাচিত ৮০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী এ নির্বাচনে নির্বাচকমণ্ডলী হিসেবে কাজ করেন। এ নির্বাচনে বিরোধীদলীয় জোটের প্রার্থী ফাতেমা জিন্নাহকে পরাজিত করে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

⇒ আইয়ুব খানের আবিষ্কৃত মৌলিক গণতন্ত্রব্যবস্থা দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পায়নি এবং আইয়ুব খানের স্বপ্নও সফল হয়নি। ১৯৬৯ সালে গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আইয়ুব খানের পতন হয় এবং তাঁর পতনের মধ্য দিয়ে মৌলিক গণতন্ত্রব্যবস্থার অবসান ঘটে।
- ২৪ মার্চ ১৯৬৯ ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হন।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।
১০,১১৪.
’জিআর’ নিচের কোন কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. সামাজিক নিরাপত্তা
  2. সামাজিক আন্দোলন
  3. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
  4. পল্লী উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
• সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি :
-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালিন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাধীন মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে। এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

• ভিজিএফ :
-ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা।

• জিআর :
- জিআর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি মানবিক সহায়তা কমসূচি, যাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে জরুরি সাহায্য হিসেবে খাদ্যশস্য/নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। 

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের।
১০,১১৫.
তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন -
  1. তারামন বিবি
  2. মহাশ্বেতা দেবী
  3. ইলা মিত্র
  4. ইন্দু বালা
ব্যাখ্যা
তেভাগা আন্দোলন:
- তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র।
- তেভাগা আন্দোলন বাংলায় সংঘটিত বর্গাচাষীদের একটি কৃষক আন্দোলন।
- ১৯৪০ থেকে ১৯৫০ সালে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- তেভাগা আন্দোলনের দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা।
- রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চব্বিশ পরগণা প্রভৃতি জেলায় তেভাগা আন্দোলন সংঘটিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,১১৬.
সরকারের পক্ষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারিক কর্মকান্ডে প্রধান কুশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন -
  1. ক) প্রধান বিচারপতি
  2. খ) আইনমন্ত্রী
  3. গ) জাতীয় সংসদ
  4. ঘ) এটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

- অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাহী বিভাগের বা সরকারের পক্ষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারিক কর্মকান্ডে প্রধান কুশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকে।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো একটি সাংবিধানিক পদ।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারকে সংবিধান, সাধারণ আইন, আন্তর্জাতিক চুক্তি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইনগত পরামর্শ দেন।
- সরকারের পক্ষে আদালতে উপস্থিত থাকেন।
- বলা যায় অ্যাটর্নি জেনারেল হলো সরকারের আইনগত পরামর্শক।

তথ্যসূত্র -বাংলাদেশ সংবিধান

১০,১১৭.
বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. আমির গার্মেন্টস লিমিটেড
  2. রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড
  3. বৈশাখী গার্মেন্টস লিমিটেড
  4. বন্ড গার্মেন্টস লিমিটেড
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান 'রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড'।

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই, ১৯৭৮ সালে রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১০,১১৮.
শশাঙ্কের রাজধানী 'কর্ণসুবর্ণ' বর্তমানে কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মালদহ জেলায়
  2. বর্ধমান জেলায়
  3. রাজশাহী জেলায়
  4. মুর্শিদাবাদ জেলায়
ব্যাখ্যা

- শশাঙ্কের রাজধানী 'কর্ণসুবর্ণ' বর্তমানে মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত।

গৌড়:

- গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়, যার অবস্থান ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে ছিল।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড় রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায় এর অবস্থান।
- বাংলায় মুসলিম বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।
- মুসলিম যুগেও এ অঞ্চল গৌড় নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: পৌরনীতি , এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১১৯.
২৬ মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয় কবে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস:
- ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সৈন্যদের নির্বিচার গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হওয়ার পর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।
- তখন থেকেই এ দিনটি স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
- কিন্তু ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবেও উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে ২৬ মার্চ-এ ৫৪তম স্বাধীনতা দিবস বা ৫৩তম স্বাধীনতা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,১২০.
 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' গ্রন্থ দুটি কে রচনা করেন?
  1. বিজয় সেন
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. হেমন্ত সেন
ব্যাখ্যা

◉ দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর গ্রন্থ দুটি রচনা করেন রাজা বল্লাল সেন। তিনি সেন রাজবংশের একজন গুরুত্বপূর্ণ শাসক ছিলেন।     

বল্লাল সেন:
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি রাজ্য জয়ের চেয়ে দেশের ভেতরে উন্নয়ন, নতুন প্রথা চালু ও সংস্কারের কাজে অধিকতর মনোযোগী ছিলেন।
- তবে তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন।
- কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- বল্লাল সেন বিদ্যান ও বিদ্যোৎসাহী রাজা ছিলেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন ।
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন ।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে ‘অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১২১.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০৩১ সাল নাগাদ দেশের চরম দারিদ্র সীমা কত হবে?
  1. ক) ২.৬%
  2. খ) ২.৩%
  3. গ) ১.৩%
  4. ঘ) ২.৯%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা: 
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে  চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম। 
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।


সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১০,১২২.
কর্ণফুলী পেপার মিলস কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটির চন্দ্রঘোনায়
  2. খ) সিলেটের ছাতকে
  3. গ) পাবনার পাকশীতে
  4. ঘ) কুষ্টিয়ার জগতিতে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কাগজকল হলো কর্ণফুলী পেপার মিল।
এটি ১৯৫৩ সালে রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় স্থাপিত হয়।
এটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মে. টন।
এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
(সূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট)

১০,১২৩.
নিচের কোন শাসক 'গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতি' চালু করেন?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. অশোক
  3. কনিষ্ক
  4. চন্দ্রগুপ্ত প্রথম
ব্যাখ্যা
⇒ সমুদ্রগুপ্ত 'গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতি' চালু করেন।

• গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতি:
- গ্রহণ-পরিমোক্ষ নীতির অর্থ হলো- প্রথমে গ্রহণ অর্থাৎ শত্রুকে শক্তির জোরে বন্দি করা এবং তাঁর বশ্যতা আদায়ের পর মোক্ষ দান বা মুক্তি দেয়া। পরাজিত রাজা রাজ্য ফিরে পেতেন কিন্তু সার্বভৌমত্ব পেতেন না।

সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সমুদ্রগুপ্তের ইতিহাসের প্রধান উৎস।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১২৪.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।
১০,১২৫.
বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু হয়েছে কবে?
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  2. ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  3. ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  4. ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

প্রথম বাণিজ্যিক ৫-জি সেবা:
- ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে দেশের দুই শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু করেছে।
- এর মধ্য দিয়ে দেশে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে ফাইভ-জির যাত্রা শুরু হয়েছে।
- প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের সাতটি জায়গায় রবির ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে।
- পর্যায়ক্রমে দেশের বাকি অঞ্চলে এই সেবা চালু হবে।
- অন্যদিকে, গ্রামীণফোন রাজধানীসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোর বিভিন্ন জায়গায় তারা ফাইভ-জি চালু করেছে।
- পর্যায়ক্রমে টাওয়ার নামে পরিচিত বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশনগুলো (বিটিএস) ফাইভ-জির আওতায় আনা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে আশির দশকের শেষ দিকে এসে প্রথম প্রজন্মের, অর্থাৎ ওয়ান-জি প্রযুক্তি আসে সিটিসেলের মাধ্যমে।
- এরপর ১৯৯৬ সালে আসে টু-জি প্রযুক্তি। এর প্রায় ১৭ বছর পর চালু হয় থ্রি-জি।
- ফোর-জি চালু হয় ২০১৮ সালে।
- সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক ২০২১ সালে দেশে প্রথম ফাইভ-জির পরীক্ষা করেছিল।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১০,১২৬.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘প্রাচ্যের নতুন তারকা' উপাধিটি দিয়েছে -
  1. ক) খালিজ টাইমস
  2. খ) ইন্ডিয়ান টাইমস
  3. গ) বিবিসি নিউজ
  4. ঘ) নিউইয়র্ক টাইমস
ব্যাখ্যা
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা খালিজ টাইমসে  রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি মানবিক আবেদনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে 'প্রাচ্যের নতুন তারকা' হিসেবে অভিহিত করেছে।

অন্যদিকে,
• লেডি অব ঢাকা- যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক  প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’।
• মাদার অব হিউম্যানিটি- ব্রিটিশ মিডিয়া।
• কারিশম্যাটিক লিডার- মিশরের রাষ্টদূত মাহামুদ ইজ্জত।
• বিশ্ব মানবতার বিবেক- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সন্তোস
• বিরল মানবতাবাদী নেতা- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান

উৎস: প্রথম আলো।
১০,১২৭.
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ-এর স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধু কিসের মাধ্যমে জারি করেন?
  1. রেডিওর মাধ্যমে
  2. টেলিগ্রামের মাধ্যমে
  3. ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
  4. টেলিভিশনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ-এর স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধু ওয়্যারলেসের মাধ্যমে জারি করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা:
• ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড শুরু করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখনই স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
• ২৫ মার্চ রাত দেড়টার পর (অর্থাৎ ২৬ মার্চ) পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে বন্দী হবার পূর্বেই বঙ্গবন্ধু টি.এন্ড.টি ও ই.পি.আর (বর্তমান বি.জি.বি)-এর ওয়্যারলেসের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে স্বাধীনতার ঘোষণা পৌঁছে দেন।

⇒ স্বাধীনতা দিবস:
- ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস।
- ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর ২৬ শে মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৮১ সাল থেকে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

• স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

উৎস: i) হাসান হাফিজর রহমান (সম্পাদিত), বাংলাদেেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র।
         ii) বাংলাপিডিয়া.
১০,১২৮.
কত সালে বঙ্গীয় আইন সভার সদস্য সংখ্যা ২১ জন করা হয়?
  1. ১৮৯০ সালে
  2. ১৮৯১ সালে
  3. ১৮৯২ সালে
  4. ১৮৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গীয় আইন সভা:
- সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট ভারত শাসন আইন নামক একটি আইন পাস করা হয়।
- এই আইনে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানো হয়।
- ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্রিটিশ রাজ্যের উপর ন্যস্ত করা হয়।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
- ভারতবর্ষে ১৭৭২ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্ট-এর আওতায় চার সদস্য বিশিষ্ট গভর্নর জেনারেল অ্যান্ড কাউন্সিলকে ক্ষুদ্র পরিসরের আইনসভা বলা যেতে পারে।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৬১ সালে ভারত সরকারকে বাংলায় প্রতিনিধিত্বমূলক আইনসভা স্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
- এর ফলে ১৮৬১ সালের ১আগস্ট ভারতীয় কাউন্সিল আইন ঘোষিত হয়।
- বঙ্গীয় আইনসভা প্রতিষ্ঠার ঘোষণাও দেওয়া হয়।
- ১৮৬২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গীয় আইনসভার কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই আইনসভায় লেফটেনেন্ট গভর্নর পদাধিকার বলে সভাপতি, ১২ জন মনোনীত সদস্য, যার মধ্যে চারজন মাত্র বাঙালি ছিলেন, বাকি ৮ জনের ৪ জন সরকারি সদস্য, ৪ জন বেসরকারি সদস্য ছিলেন।
- ১৮৯২ সালে ১৩ জনের স্থলে এই সভার সদস্য ২১ জন করা হলো।
- তবে এই প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করার বিধান ছিল না।
- কিন্তু তারপরও বাংলার প্রতিনিধিত্বমূলক আইনসভাই বাংলাকে গণতান্ত্রিক আইনসভার পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১২৯.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদান্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা কত মেগাওয়াটে পৌঁছাবে?
  1. ২৫,০০০ মেগাওয়াট
  2. ২৮,০০০ মেগাওয়াট
  3. ৩০,০০০ মেগাওয়াট
  4. ৩২,০০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১০,১৩০.
বাংলামতি কী?
  1. একটি উপন্যাসের নাম
  2. একটি নদীর নাম
  3. একটি নাটকের নাম
  4. একটি ফসলের নাম
ব্যাখ্যা

বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে এক প্রকার ধান।
- এটি ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
- উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি

⇒ জাতের বৈশিষ্ট্য:

১। গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
২। গাছ হেলে পড়ে না।
৩। চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
৪। ভাত ঝরঝরে।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১০,১৩১.
প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ হচ্ছে -
  1. পাহাড়পুর
  2. মহাস্থানগড়
  3. ময়নামতি
  4. উয়ারী-বটেশ্বর
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র:
- পুণ্ড্র শব্দের অর্থ আখ বা ইক্ষু।
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- খুব সম্ভবত পুণ্ড্র বলে একটি জনগোষ্ঠী এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরসভ্যতা।
- পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি এখানে পাওয়া যায়।
- লিপিটির নাম মহাস্থান ব্রাহ্মীলিপি।
- ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম শিলালিপি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,১৩২.
'মুজিব: একটি জাতির রূপকার' চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য রচনা করেছেন কে?
  1. শামা জাইদি
  2. নীতিশ রায়
  3. দয়াল নিহালানি
  4. শ্যাম বেনেগাল
ব্যাখ্যা
মুজিব: একটি জাতির রূপকার (MUJIB: THE MAKING OF A NATION):
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'মুজিব: একটি জাতির রূপকার'।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৩ অক্টোবর ২০২৩ সালে।
- ১৯ মে ২০২২ সালে ফ্রান্সে ৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির প্রাথমিক ট্রেলার মুক্তি পায়।
- বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ভারতের খ্যাতিমান নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল।
- এর নির্মাণ ব্যয় ৮৩ কোটি টাকা। বাংলাদেশ মোট অর্থের ৫০ কোটি ও ভারত ৩৩ কোটি টাকা দিয়েছে।
- এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন শামা জাইদি ও অতুল তিওয়ারি।
- এটি বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি তিনটি ভাষায় করা হয়েছে।
- চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।

অন্যদিকে-
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র 'চিরঞ্জীব মুজিব'।
- দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র 'মুজিব আমার পিতা'।
- বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরবর্তী ঘটনা নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র '৫৭০'।
- ৭ই মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত সোহেল রানা বয়াতি নির্মিত চলচ্চিত্র 'তর্জনী'।
- ১৯৭১ এর ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সেই দৃপ্ত ভাষণ নিয়ে গুণী নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন নির্মাণ করেছেন তথ্যচিত্র 'দ্য স্পিচ'।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
১০,১৩৩.
কোন সময়ে শীতকালীন শস্যের চাষাবাদ করা হয়?
  1. জ্যৈষ্ঠ থেকে কার্তিক
  2. আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
  3. শ্রাবণ থেকে পৌষ
  4. চৈত্র থেকে ভাদ্র
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন ফসলকে রবিশস্য বা শীতকালীন শস্য ধরা হয়।

রবি মৌসুমে উৎপন্ন ফসলের মধ্যে রয়েছে:
- বোরো ধান
- গম
- মসুর ডাল
- যব
- সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষিশিক্ষা : সপ্তম শ্রেণী)

১০,১৩৪.
সিপাহী বিদ্রোহের সূচনাকারী কে ছিলেন?
  1. লক্ষ্মীবাঈ
  2. চাঙ্কি পান্ডে
  3. কুনওয়ার সিং
  4. মঙ্গল পাণ্ডে
ব্যাখ্যা
সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৩৫.
মুজিবনগর দিবস কত তারিখে?
  1. ক) ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১৫ এপ্রিল
  3. গ) ১৭ এপ্রিল
  4. ঘ) ২০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর দিবস:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
- ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii)প্রথম আলো, ১৭ এপ্রিল ২০২২।
১০,১৩৬.
‘কারাগারের রোজনামচা' গ্রন্থটির নামকরণ করেন কে?
  1. শেখ হাসিনা
  2. শেখ রেহানা
  3. শেখ ফজলুল হক মনি
  4. শেখ সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
ব্যাখ্যা
• কারাগারের রােজনামচা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দিনলিপি গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- নামকরণ করেন শেখ রেহানা।
- প্রচ্ছদ ও নকশা করেন তারিক সুজাত।
- তবে প্রচ্ছদে ব্যবহৃত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অঙ্কন করেন শিল্পী রাসেল কান্তি দাশ।

উৎস: কারাগারের রোচনামচা ও মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ।
১০,১৩৭.
নিচের কোনটি লর্ড ডালহৌসীর অবদান?
  1. দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
  2. স্বত্ববিলোপ নীতি
  3. সুপ্রিম কোর্ট স্থাপন ব্যবস্থা
  4. ইন্ডিয়ান পেনাল কোড
ব্যাখ্যা
লর্ড ডালহৌসী:
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ইংল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত যত সাম্রাজ্যবাদী শাসক এ উপমহাদেশে প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে লর্ড ডালহৌসী ছিলেন ঘোর সাম্রাজ্যবাদী।

তার অবদান সমূহ
- স্বত্ববিলোপ নীতি ছিল একটি সাম্রাজ্যবাদী নীতি। লর্ড ডালহৌসি এই সাম্রাজ্যবাদী নীতিটি প্রবর্তন করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই লর্ড ডালহৌসি বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন।
- ১৮৫০ সালে গ্রেট ইন্ডিয়ান পেনিনসুলার রেলওয়ে নামক কোম্পানি মুম্বাই থেকে থানা পর্যন্ত ৩৩ কিমি দীর্ঘ রেললাইন স্থাপন করতে থাকে। লাইনটি উদ্বোধন করা হয় ১৬ এপ্রিল ১৮৫৩ সালে। এটিই ছিল ব্রিটিশ ভারতে রেলওয়ের প্রথম যাত্রা। ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়ে কোম্পানি কর্তৃক নির্মিত হাওড়া থেকে হুগলি পর্যন্ত ৩৮ কিমি রেললাইনের উদ্বোধন হয় ১৮৫৪ সালে এবং এর মাধ্যমে চালু হয় বাংলার প্রথম রেললাইন। তাঁরই সময়ে কলকাতা হতে পেশোয়ার পর্যন্ত গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড পুনরায় চালু হয়। 
- কলকাতা হতে আগ্রা পর্যন্ত প্রথম টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা ও পেনী পোস্টকার্ড ব্যবস্থা চালু করেন।
- তিনি বনভূমি সংরক্ষণ নীতি প্রবর্তন করেন।

অন্যদিকে,
• বেন্টিঙ্ক লর্ড মেকলের সহায়তায় আইন কমিশন গঠন করে ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ তৈরি করেন ।
• ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭৪ সালে কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের ভূখণ্ডে এটিই প্রথম সুপ্রিম কোর্ট।


উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৩৮.
উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের স্টেশন-
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ৮টি
ব্যাখ্যা
- মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-৬ এর স্টেশন ১৭টি।
- ঢাকার উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের (এমআরটি-৬) দৈর্ঘ্য ২১.২৬ কিলোমিটার।
- ঢাকার উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রথম মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-৬) এর দৈর্ঘ্য ২০.১০ কিলোমিটার।
- উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু হয় ২৮ ডিসেম্বর ২০২২।
- উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের দৈর্ঘ্য ১১.৭৩ কিলোমিটার।
- উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেলের স্টেশন ৯টি। 
- আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত চালু হবে ২০২৩ সালের শেষের দিকে।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১০,১৩৯.
আতাউর রহমান খানের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন?
  1. কৃষি ও সমবায়
  2. শিল্প ও বাণিজ্য
  3. শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
  4. বেসামরিক সরবরাহ
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আতাউর রহমান খানকে মুখ্যমন্ত্রী করে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তানে সরকার গঠন করে।
- ১৬ সেপ্টেম্বর আতাউর রহমান খানের মন্ত্রীসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজএইড দপ্তরের মন্ত্রীত্ব লাভ করেন।
- কিন্তু দলীয় কাজে মনোযোগ দানের উদ্দেশ্যে ১৯৫৭ সালের ৩০ মে বঙ্গবন্ধু মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
- এর আগে ১৯৫৪ সালের ১৫ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কৃষি ও সমবায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
(তথ্যসূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও বাংলাপিডিয়া)
১০,১৪০.
মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কোন দেশের অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) জাপান
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত ১২শ মেগাওয়াট ক্ষমতার মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুকেন্দ্র জাপান সরকারের আর্থিক সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ৩৬ হাজার কোটি টাকার মধ্যে জাইকা ২৯ হাজার কোটি টাকা অর্থায়ন করছে।
কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল) এটি বাস্তবায়ন করছে। এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্যে অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি করা হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হওয়ার কথা।
(সূত্র: সিপিজিসিবিএল ওয়েবসাইট)
১০,১৪১.
বাংলাদেশের জ্বালানি তৈল শোধনাগারটি অবস্থিত-
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) খুলনায়
  4. ঘ) সিলেটে
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র জ্বালানি তেল পরিশোধন স্থাপনা, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান এবং একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রাম শহরের প্রান্তে কর্ণফুলি নদীর তীরে ১৫ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা প্রারম্ভিক ব্যয়ের মাধ্যমে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১০,১৪২.
“Desk Government” কি?
  1. ক) নির্বাচিত সরকার
  2. খ) স্বৈরতান্ত্রিক সরকার
  3. গ) ছায়া সরকার
  4. ঘ) আমলাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ ''Bureaucracy''। ইংরেজি ''Bureaucracy'' শব্দটি এসেছে ফরাসি থেকে। ফরাসিতে শব্দটি এসেছে ফরাসি 'Bureau' এবং গ্রিক 'Kratos' শব্দের সমন্বয়ে। 'Bureau' শব্দের অর্থ ডেস্ক বা অফিস এবং 'Kratos' শব্দের অর্থ শাসন বা রাজনৈতিক ক্ষমতা। সুতরাং আমলাতন্ত্রের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ''Desk government'' বা ''দাপ্তরিক সরকার''। আক্ষরিক অর্থে আমলাতন্ত্র বলতে বুঝায় আমলা বা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের শাসন। বাস্তবে আমলারা পরস্পর সুশৃঙ্খলভাবে সংযুক্ত এবং রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১০,১৪৩.
ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ কত বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব পায়?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলন: 
- বর্তমানে বিমসটেক এর সভাপতি বাংলাদেশ। 
- আগামী দুই বছরের জন্য বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব পেল বাংলাদেশ।
- ২০২৫ সালের ৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনে এ দায়িত্ব বুঝে নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. ইউনূস তার বক্তব্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকরি বিমসটেকের ওপর জোর দেন এবং আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার উপস্থাপন করেন।
- তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation.
- BIMSTEC বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংগঠন।
- সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি। এগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ। এগুলো হলো- ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: BIMSTEC  ওয়েবসাইট ও পত্রিকা প্রতিবেদন।

১০,১৪৪.
বিজিএমইএ-এর বর্তমান সভাপতি কে? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. মাহমুদ হাসান খান
  2. রুবানা হক
  3. সিদ্দিকুর রহমান
  4. কামাল উদ্দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। (অক্টোবর, ২০২৫)

বিজিএমইএ:
- বিজিএমইএ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- সংগঠনটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিজিএমইএ সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কারখানায় সামাজিক সম্মতির মাধ্যমে পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য নিবেদিত।
- বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে বিজিএমইএর নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে প্রায় চার হাজার।

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০,১৪৫.
তৈরি পোশাক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক সংখ্যা কত?
  1. ক) ২০ লক্ষ
  2. খ) ৩০ লক্ষ
  3. গ) ৪০ লক্ষ
  4. ঘ) ৫৫ লক্ষ
ব্যাখ্যা
তৈরি পোশাক শিল্প দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী খাত। এই খাতে নিয়োজিত জনশক্তি বা শ্রমিকের সংখ্যা ৪০ লক্ষের অধিক যাদের অধিকাংশই হলো নারী শ্রমিক।
(সূত্র: বিবিএস পরিসংখ্যান পকেটবুক-২০১৯)
১০,১৪৬.
ভাষা শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. বরিশাল
  4. মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• প্রথম ভাষা শহীদ:
- একুশের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ। 
- তিনি ছিলেন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
- তাঁর বাবার নাম আবদুল লতিফ এবং মায়ের নাম রাফিজা খানম। 
- রফিক উদ্দিনের জন্ম ১৯২৬ সালে, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলায়। 
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি শহীদ হন। 
- ঘটনার সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের কারণে ছাত্ররা ঢাকা মেডিকেল কলেজের ব্যারাকে আশ্রয় নেন। 
- ওই সময় পুলিশের গুলিতে তাঁর মাথার খুলি উড়ে যায়।
- মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তখনই মারা যান তিনি।
- ম্যাজিস্ট্রেট ওবায়দুল্লাহর উপস্থিতিতে তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান আজিমপুর মসজিদের ইমাম হাফেজ আবদুল গফুর।
- আত্মীয়স্বজনকে না জানিয়ে গোপনে আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। 
- ভাষা শহীদ রফিক ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদক পান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো

১০,১৪৭.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রথম বছর কতটি দেশ পালন করে?
  1. ১৮২টি
  2. ১৮৪টি
  3. ১৮৬টি
  4. ১৮৮টি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:

- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭।
১০,১৪৮.
কোন বাংলাদেশি দুইবার এভারেস্ট শৃঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন ?
  1. ক) মুসা ইব্রাহীম
  2. খ) নিশাত মজুমদার
  3. গ) এম. এ মুহিত
  4. ঘ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম নারী এভারেস্ট জয়ী নিশাত মজুমদার (১৯মে, ২০১২)।
- দ্বিতীয় নারী এভারেস্ট জয়ী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম।
- এভারেস্টের দুই দিক দুইবার জয় করেন এম এ মুহিত।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১০,১৪৯.
নিচের কোনটি তফসিলভুক্ত ব্যাংক নয়?
  1. বেসিক ব্যাংক লি.
  2. কর্মসংস্থান ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
অ-তফসিলি ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংকসমূহ হলো:
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
- কর্মসংস্থান ব্যাংক
- গ্রামীণ ব্যাংক
- জুবিলি ব্যাংক এবং
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে,
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক হলো তফসিলভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড হলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১০,১৫০.
কোন শাসককে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়?
  1. রামপাল
  2. মদনপাল
  3. ধর্মপাল
  4. গোপাল
ব্যাখ্যা
রামপাল:
- রামপাল রাজা হয়েই বরেন্দ্র পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন।
- এই সময় কৈবর্তদের নেতা ছিলেন ভীম। প্রথম চেষ্টায় রামপাল ব্যর্থ হন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের উপর রামপালের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তাঁর রাজত্বের শেষের দিকে তিনি কামরূপ এবং উড়িষ্যার উপরও প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন।
- রামপালকে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়।
- কবি সন্ধ্যাকর নন্দী ‘রামচরিত’ নামে রামপালের জীবনী লিখেন।
- রামপালের মৃত্যুর পর পাল সাম্রাজ্যের গৌরব দ্রুত বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৫১.
'মণিপুরী' ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বসবাস করছে?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী।
- নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য। মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাসা (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

সুত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,১৫২.
বাংলাদেশের বীমা খাতের জন্য প্রণীত জাতীয় বীমা নীতি কোনটি?
  1. জাতীয় বীমা নীতি ২০১০
  2. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৩
  3. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪
  4. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৫
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪:
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালে জাতীয় বীমা নীতি প্রণয়ন করে, যা দেশের বীমা খাতের উন্নয়ন, সুরক্ষা এবং ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে।
- এই নীতির লক্ষ্য বীমা খাতকে আরও শক্তিশালী করা, জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে বীমার ভূমিকা নিশ্চিত করা।
- বীমাযোগ্য ঝুঁকিসমূহ নিরসনে বীমা সম্বন্ধে মানুষের সচেতনতা সৃষ্টি, বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উন্নয়ন, আর্থিক শৃংখলা বজায়, বীমা সেবা পরিচালনায় পেশাদারিত্ব সৃষ্টি এবং বীমা সেবার সাথে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ করে বীমা খাতকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা প্রদান সম্ভব হবে।

উৎস: জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,১৫৩.
প্রথম 'Poverty Reduction Strategy Papers' গ্রহণ করা হয়-
  1. ক) ২০১১ সালে
  2. খ) ২০০১ সালে
  3. গ) ২০০৫ সালে
  4. ঘ) ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
- উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

উৎস: IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

১০,১৫৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স কত বছর?
  1. ২২ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩৩ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর। 

উল্লেখ্য,
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন।
- যেহেতু বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার, তাই স্পিকার হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,১৫৫.
মহীপাল কোন খ্রিস্টাব্দে ক্ষমতায় আরোহণ করেন?
  1. ৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে
  2. ৯৯১ খ্রিস্টাব্দে
  3. ৯৯৩ খ্রিস্টাব্দে
  4. ৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
মহীপাল:
- বিগ্রহপালের পর তাঁর পুত্র মহীপাল ৯৯৫ খ্রিস্টাব্দে ক্ষমতায় আরোহণ করেন।
- তিনি কম্বোজ এবং চন্দ্রবংশের হাত থেকে 'অনাধিকৃত বিলুপ্ত' পিতৃরাজ্য যেমন বিহার, উত্তর বাংলা পুনরুদ্ধার করেন।
- তিনি রাজ্য সম্প্রসারণ ও জনহিতকর কাজ এবং বৌদ্ধ তীর্থস্থানে কীর্তি স্থাপনসহ নানা কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর নামে 'মহীপাল গীত' প্রচলিত ছিল।
- মহীপালের মৃত্যুর পর পাল রাজ্যে আবার অশান্তি সৃষ্টি হয়।
- ফলে শুধু বাংলা নয় বিহারেও পাল রাজশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। দেশের ভেতরেও ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ্ব-সংঘাত বেড়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৫৬.
বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মান করা দেশের প্রথম মান মন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সালথা, ফরিদপুর
  2. খ) বোয়ালমার, ফরিদপুর
  3. গ) ভাঙ্গা, ফরিদপুর
  4. ঘ) মধুখালী, ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদবিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়। এই স্থানেই বঙ্গবন্ধুর নামে নির্মান করা হবে দেশের প্রথম মান মন্দির।
১০,১৫৭.
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের পক্ষে কে উপস্থিত ছিলেন?
  1. এম এ জি ওসমানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. কাদের সিদ্দিকী
  4. এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- বাংলাদেশ ও ভারতের সম্মিলিত যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়। 
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন। 
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লেফট্যানেন্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। 
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে মুক্তিবাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন। 
- পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়। 
এছাড়া,
- এম এ জি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান ছিলেন।
- তাজউদ্দীন আহমেদ অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী মুক্তিযুদ্ধকালীন কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান ছিলেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৫৮.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের অন্তর্বর্তীকালীনসহ দেশের কততম বাজেট?
  1. ৫১তম
  2. ৫৪তম
  3. ৫৩তম
  4. ৫২তম
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:
- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৪-তম)।
- আওয়ামী লীগ সরকারের বাজেট: ২৫-তম,
- বাজেটের স্লোগান/শিরোনাম: ‘‘সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকার’’,
- সংসদে বাজেট উত্থাপনের তারিখ: ৬ জুন, ২০২৪ সাল (জ্যৈষ্ঠ ২৩, ১৪৩১),
- বাজেট উত্থাপনকারী: সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী (তাঁর প্রথম বাজেট পেশ),
- সংসদে বাজেট পাশের তারিখ: ৩০ জুন, ২০২৪,
- বাজেট কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জুলাই, ২০২৪,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাসের তারিখ: ১০ জুন, ২০২৪ (৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা),
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা,
- অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৬.৭৫ শতাংশ (২০২৩-২৪ এর অর্জিত সাময়িক– ৫.৮২%),
- বাজেটের আকার: মোট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ১৪.২০%)।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
১০,১৫৯.
সুন্দরবনে কাঠুরিয়া ও গোলপাতা সংগ্রহকারীদের বলা হয় -
  1. ক) বাওয়ালি
  2. খ) মৌয়াল
  3. গ) কাঠুরে
  4. ঘ) উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাওয়ালি:
- সুন্দরবনে কাঠুরিয়া ও গোলপাতা সংগ্রহকারীদের বলা হয় বাওয়ালি ৷
- বন বিভাগ থেকে পাস নিয়ে সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাওয়ালিরা সুন্দরবনে অবস্থান করেন।
- তবে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর সুন্দরবনে কাঠ কাটার মৌসুম আর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি গোলপাতা কাটার মৌসুম।

• মৌয়াল সুন্দরবনের গহীনে মধু সংগ্রহ করেন এঁরা। সাতক্ষীরা জেলার মুন্সীগঞ্জ ও শ্যামনগরেই এদের বসবাস।
- এপ্রিল থেকে জুলাই মাসে বনবিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে এরা একেক যাত্রায় সাধারণত পনের দিন বনের ভেতর মধু সংগ্রহ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ডিডাব্লিউ।
১০,১৬০.
‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- সংশপ্তক’: মহান মুক্তিযুদ্ধকে স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য।
- উদ্দেশ্য: মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক।
- অবস্থান: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রন্থাগার ভবনের সামনে।
- কাঠামো: চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য, উচ্চতা ১৫ ফুট।
- স্থাপিত হয়: ২৬ মার্চ ১৯৯০।
- স্থপতি: হামিদুজ্জামান খান।
- চিত্রনাট্য: যুদ্ধে এক হাত ও এক পা হারানো বীর, পঙ্গুত্ববরণ সত্ত্বেও বন্দুক হাতে লড়াই করে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন; দৈনিক প্রথম আলো।

১০,১৬১.
রাষ্ট্র গঠনের প্রথম উপাদান কোনটি?
  1. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
  2. জনসমষ্টি
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. সরকার
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের উপাদান:
• রাষ্ট্রের চারটি উপাদান থাকে।

• জনসমষ্টি:
- রাষ্ট্র গঠনের প্রথম উপাদান জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি ব্যতীত রাষ্ট্র হতে পারে না।
- তবে একটি রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হতে হবে তার কোন ধরা বাঁধা নিয়ম নেই।

• ভূখন্ড:
- রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান হল ভূখন্ড।
- জনসমষ্টিকে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ভূখন্ড আবশ্যক। ভূখন্ড বলতে রাষ্ট্রের ভূমি, নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, সামুদ্রিক জলসীমা বোঝায়।

• সরকার:
- রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদান সরকার।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার তিন ধরনের কাজ করে। যথা- আইন সংক্রান্ত, শাসন সংক্রান্ত ও বিচার সংক্রান্ত।

• সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল সার্বভৌমত্ব।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।
- সার্বভৌমত্ব ব্যতীত কোন দেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে না। যেমন- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পূর্বে বাংলাদেশের অন্যান্য উপাদান থাকা সত্ত্বেও সার্বভৌম ক্ষমতা না থাকায় বাংলাদেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে নি। 

উৎস: পৌরনীতি, দ্বাদশ শ্রেণি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৬২.
বিবিএস SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে কত সংখ্যক লোক বাস করে?
  1. ক) ১,১২৫ জন
  2. খ) ১,১০৩ জন
  3. গ) ১,১৪০ জন
  4. ঘ) ১,১৫৯ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে:
- মোট জনসংখ্যা : ১৬.৮২ কোটি
- জনসংখ্যার ঘনত্ব : ১,১৪০ জন
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.৩৭ শতাংশ
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার : ১.৩০ শতাংশ
- নারী-পুরুষ অনুপাত : ১০০.২ : ১০০।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিএস SVRS Report-2020)
১০,১৬৩.
'খরিপ মৌসুম' বলতে বোঝানো হয় -
  1. কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  2. আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
  3. চৈত্র থেকে আষাঢ়
  4. শ্রাবণ থেকে আষাঢ়
ব্যাখ্যা
খরিপ মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
-  যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১০,১৬৪.
সিঙ্গাপুরী ও কবরী কিসের উন্নত জাত?
  1. ক) সরিষা
  2. খ) কলা
  3. গ) আম
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
সিঙ্গাপুরী ও কবরী কলার উন্নত জাত।

• কলা:

- কলা বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফল। এ ফল সারা বছর ধরে পাওয়া যায়। আবাদি জমি ও ফলের উৎপাদনের দিক থেকে এ ফলের  অবস্থান বাংলাদেশে প্রথম স্থানে রয়েছে।

• কলার উন্নত জাত:
- কলার উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে: সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১০,১৬৫.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রায়তন শিল্প কোনটি?
  1. সিমেন্ট শিল্প
  2. কাগজ শিল্প
  3. লবন শিল্প
  4. সার শিল্প
ব্যাখ্যা
আকার অনুযায়ী শিল্পের শ্রেণীবিভাগ (Classification of industry according to size):
- বাংলাদেশের শিল্পসমূহ আকার অনুযায়ী বা আকারের ভিত্তিতে মূলত তিন প্রকার।

১। বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- বৃহৎ শিল্প বলতে বড় শিল্প বোঝায় অর্থাৎ যে শিল্পে অধিক মূলধন, অনেক শ্রমিক ও প্রচুর পরিমান কাঁচামাল ব্যবহার করে আধুনিক তথা উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে বিপুল পরিমাণ দ্রব্য সামগ্রী উৎপাদন করা হয় তাকে বৃহৎ অথবা বৃহদায়তন শিল্প বলা হয়। এখানে উল্লেখ্য বাংলাদেশ শিল্প আইন অনুযায়ী যে শিল্প কারখানায় ২৩০ জনের অধিক শ্রমিক কাজ করে তাকে বৃহৎ শিল্প বলে।
- পাট, বস্ত্র, সিমেন্ট, কাগজ, সার ইত্যাদি বাংলাদেশের শিল্পের উদাহরণ।

২। মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- বাংলাদেশে শিল্প আইন বা কারখানা আইন অনুযায়ী যে কারখানায় ২০ জনের বেশি কিন্তু ২৩০ জনের কম শ্রমিক নিয়োজিত আছে তাকে মাঝারি শিল্প বলে।
- মাঝারি শিল্প, বৃহৎ শিল্পের ন্যায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তবে মূলধন তুলনামূলক ভাবে বৃহৎ শিল্প অপেক্ষা কম ব্যবহার করে।
- বাংলাদেশে বহু সংখ্যক মাঝারি শিল্প গড়ে উঠেছে এবং উঠছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো চামড়া শিল্প, সিগারেট শিল্প, সাবানশিল্প, দিয়াশলাই শিল্প ইত্যাদি।

৩। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প (Small and cottage industries):
- সাধারণ অর্থে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প একই অর্থে ব্যবহৃত হয় তবে সুক্ষ্ম অর্থে এ দুয়ের পার্থক্য আছে। বাংলাদেশে কারখানা ও শিল্প আইন অনুযায়ী যে কারখানায় সর্বোচ্চ ২০ জন শ্রমিক কাজ করে তাকে ক্ষুদ্র বা কুটির শিল্প বলে।
- তবে এখানে উল্লেখ্য ক্ষুদ্র শিল্পে ভাড়া করা শ্রমিক ও বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়, তাছাড়া ক্ষেত্রবিশেষে উন্নত প্রযুক্তিও ব্যবহার হয়।
- কুটির শিল্প মূলত পারিবারিক শ্রমিক দ্বারা পরিচালিত হয় এবং বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় না। মোট কথা স্থানীয় কাঁচামাল কম মূলধন ও পারিবারের সদস্য দ্বারা কুটির শিল্প বিভিন্ন দ্রব্য উৎপাদন করে থাকে।
- বাংলাদেশে তাত শিল্প, বাঁশ ও বেত শিল্প, বিড়ি শিল্প, লবন শিল্প ইত্যাদি হল কুটির শিল্প।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৬৬.
রাষ্ট্রের উপাদান নয় কোনটি?
  1. সরকার
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. জনসমষ্টি
  4. জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রের উপাদান:
- জাতীয়তাবাদ রাষ্ট্রের উপাদান নয়।
- রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়। যথাঃ
• জনসমষ্টি।
• নির্দিষ্ট ভূখণ্ড।
• সরকার।
• সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও
সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৬৭.
‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা কে ছিলেন?
  1. কৌটিল্য
  2. ফাহিয়েন
  3. হিউয়েন সাঙ
  4. মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
- মেগাস্থিনিস গ্রিক ভাষায় রচিত ইন্ডিকা গ্রন্থে মৌর্য সাম্রাজ্য বিশেষ করে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের শাসনব্যবস্থা বর্ণনা করেন।

মেগাস্থিনিস:
 - ‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন সেলুকাসের প্রেরিত দূত। 
- সিরিয়ার গ্রিক রাজা ছিলেন সেলুকাস। 
- ‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা মেগাস্থিনিস। 
- এই গ্রন্থে চন্দ্রগুপ্তের ব্যক্তিগত জীবন ও শাসন ব্যবস্থার বিস্তৃত বর্ণনা আছে।
- তিনি গ্রীক বিশ্বের কাছে পরিচিত ভারতের সবচেয়ে সম্পূর্ণ বিবরণ দিয়েছেন। 

সূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় & ব্রিটানিকা।
১০,১৬৮.
IDRA এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Income Tax Development and Regulatory Authority
  2. Insurance Development and Regulation Authority
  3. Insurance Design and Regulatory Authority
  4. Insurance Development and Regulatory Authority
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১০,১৬৯.
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে জমিদারি প্রথার বিলোপ ঘটে -
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০
- এই আইনের আওতায় সরকার দেশের একমাত্র জমিদারে পরিণত হয় এবং সরকার পর্যায়ক্রমে জমিতে সকল খাজনা-আদায়ি স্বার্থ অধিগ্রহণ করে।
- ১৯৫১ ইং সনের ১৬ মে, এই আইন পাস এর মাধ্যমে এদেশ থেকে জমিদারি প্রথার বিলোপ ঘটে।
- এই আইনে ১৫২টি ধারা রয়েছে।
- এগুলি পাঁচটি অংশ ও উনিশটি অধ্যায়ে বিভক্ত। 

- আইনটি পাশের আগে এদেশের কৃষিসংক্রান্ত আইন বলতে প্রধানত ছিল ১৭৯৩ সালের বঙ্গীয় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবিধান ও বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন, ১৮৮৫।
- লর্ড কর্নওয়ালিস বাংলায় ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইন করেন যার ফলে জমিদাররা শাসক শ্রেণীরূপে প্রভাব বিস্তার করতে থাকে।

তথ্য - ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১০,১৭০.
সংসদের নেতা কে?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. চিপ হুইপ
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানই প্রধানমন্ত্রী। 
- সংসদ সদস্য পদের যোগ্যতা ও প্রধানমন্ত্রী পদের যোগ্যতা একই।
- ২৫ বছর বয়স্ক যে কোন বাংলাদেশী নাগরিক সংসদ সদস্য থাকা সাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগ পেতে পারেন।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি বা রাষ্ট্রপ্রধান সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদ নেতা।
- সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভেঙ্গে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দেন।
- তার নেতৃত্বে সংসদে আইন প্রণীত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,১৭১.
‘শিখা অনির্বাণ’ ও ‘শিখা চিরন্তন’ অবস্থিত যথাক্রমে -
  1. ক) ঢাকা সেনানিবাস ও চট্টগ্রাম সেনানিবাস
  2. খ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা সেনানিবাস
  3. গ) ঢাকা সেনানিবাস ও সাভার স্মৃতিসৌধ
  4. ঘ) ঢাকা সেনানিবাস ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ ও ভাস্কর্যের অবস্থান
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি সৌধ - ঢাকার মিরপুর;
শিখা অনির্বাণ - ঢাকা সেনানিবাস।
শিখা চিরন্তন - সোহরাওয়ার্দী উদ্যান;
জাগ্রত চৌরাঙ্গী - জয়দেবপুর।
শাবাশ বাংলাদেশ - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়;
বিজয়-৭১ - ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
রক্তসোপান - রাজেন্দ্র সেনানিবাস, গাজীপুর;
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি.এস.সি.

১০,১৭২.
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড - এর প্রধান কাঁচামাল কোনটি?
  1. ক) বালি
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) চুনাপাথর
  4. ঘ) সিলিকা
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। ইহা ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত। ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে। বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।
বর্তমানে এর উৎপাদন ক্ষমতা - ১,৯০,০০০ মেট্রিক টন এবং ''চুনাপাথর'' এর প্রধান কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
Source: BCIC website.

১০,১৭৩.
বাংলাদেশের সংবিধান-
  1. দুষ্পরিবর্তনীয়
  2. সুপরিবর্তনীয়
  3. অপরিবর্তনীয়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সুপরিবর্তনীয় সংবিধান : 
- এ সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন করা অপেক্ষাকৃত সহজ।
- কোন ধরনের জটিল প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়াই এই সংবিধানের কোন নিয়ম বা ধারা সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায়। তবে আইনসভার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হয়।
- ব্রিটিশ সংবিধান সুপরিবর্তনীয় সংবিধান।

দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান:
- যে সংবিধানের কোন নিয়ম বা ধারা সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না তাই দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
- এটি সংশোধনের জন্য জটিল পদ্ধতি অনুসরন করতে হয়। সংসদ সদস্যদের দুই তৃতীয়াংশের ভোট প্রয়োজন।
- যেমন :- বাংলাদেশ, ভারত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০,১৭৪.
সম্প্রতি, ভূমি মন্ত্রণালয় ভাসানচরকে কোন উপজেলার অন্তর্গত করে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. হাতিয়া
  2. সন্দ্বীপ
  3. উখিয়া 
  4. টেকনাফ
ব্যাখ্যা

ভাসানচর:
- ভূমি মন্ত্রণালয় ভাসানচরকে সন্দ্বীপ উপজেলার অন্তর্গত করে।
- সময়: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬]
-
ভূমি মন্ত্রণালয় চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত দিয়েছে, ভাসানচরের ৬টি মৌজা চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার অন্তর্গত।
- এর মধ্য দিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়া ও চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমানা বিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ হয়েছে।
- ভাসানচরের ইতিহাস মূলত সন্দ্বীপের ন্যায়ামস্তি ইউনিয়নের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসনিক নথি অনুযায়ী, ১৯৯২ সালের দিকে ন্যায়ামস্তি ইউনিয়ন ভয়াবহ নদীভাঙনের কবলে পড়ে সম্পূর্ণভাবে সাগরে বিলীন হয়ে যায়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।[লিঙ্ক]

১০,১৭৫.
অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিল কে?
  1. জেনারেল টিক্কা খান
  2. জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  3. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  4. জেনারেল এএকে নিয়াজী
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার সাংকেতিক নাম ছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্বে ছিল: জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্বে ছিল: জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিল: জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
১০,১৭৬.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় কত সালে?
  1. ১৮৬২
  2. ১৮৬৭
  3. ১৮৭২
  4. ১৮৭৬
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:
- ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে ১৮৭২ সালে। 
- পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সেই সময় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লাখ। 
- -প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে।
- কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে এক বছর পিছিয়ে যায়।
- ২০২২ সালে এটিকে জনশুমারি নাম দেয়া হয়।
- ২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৫১৬ জন। 
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা। [লিঙ্ক]
১০,১৭৭.
২০২৫ সালের নজরুল পুরস্কার লাভ করেন -
  1. অধ্যাপক আনোয়ারুল হক
  2. ড. অসীম দত্ত
  3. এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
  4. রাজিয়া সুলতানা
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

⇒ নজরুল পুরস্কার ২০২৫:
- বাংলা একাডেমি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টি নিয়ে গবেষণায় বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারীকে নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করেছে।
- নজরুল পুরস্কারের অর্থমূল্য (প্রতিটি) ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা। 

অন্যদিকে,
- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন ড. অসীম দত্ত ও শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১০,১৭৮.
‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল -
  1. ১ আগস্ট, ১৯৭১
  2. ১১ আগস্ট, ১৯৭১
  3. ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
  4. ১১ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়ের মুখে যুদ্ধ বিরতি ঘটিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে বাধাগ্রস্ত করতে জাতিসংঘে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
- তবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের অনেক সদস্য, বিভিন্ন সংবাদপত্র, শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সর্বস্তরের জনগণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ভূমিকা পালন করে।
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' আয়োজন করে তা থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
         ii) ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১, প্রথম আলো।
১০,১৭৯.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. পরিবহন ও যোগাযোগ
  3. জনপ্রশাসন
  4. চিকিৎসা
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২৩.৫%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৪.০%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।

তথ্যসূত্র- জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

১০,১৮০.
৭ই মার্চের ভাষণে কোন দাবিটি ছিলো না?
  1. ক) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার
  2. খ) গণহত্যার তদন্ত করা
  3. গ) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর
  4. ঘ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে বঙ্গবন্ধু এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন।
এ ভাষণে তিনি চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলোঃ চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার, সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া, গণহত্যার তদন্ত করা এবং নির্বাচত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড এ অন্তর্ভুক্ত করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
১০,১৮১.
কোন শতকে বাংলায় কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
  1. সপ্তম শতক
  2. দশম শতক
  3. একাদশ শতক
  4. ত্রয়োদশ শতক
ব্যাখ্যা
- বাংলার পাল রাজা দ্বিতীয় মহীপালের শাসনামলে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত অন্ত:কলহের সময় এক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় যা `কৈবর্ত বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত।
- কৈবর্ত হলো বরেন্দ্র অঞ্চলের একটি জেলে সম্প্রদায়। ১০৮০ সালে দিব্য এর নেতৃত্বে কৈবর্তরা বরেন্দ্র অঞ্চলে পালদের পরাজিত করে ক্ষমতা দখল করে।
- তবে কৈবর্ত শাসন ছিলো স্বল্পস্থায়ী। ১০৮২ সালে দ্বিতীয় মহীপালের ভাই রামপাল কৈবর্ত শাসক ভীমকে পরাজিত করে বরেন্দ্র অঞ্চলে পাল শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন।
(সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১০,১৮২.
বাংলাদেশে কোন অর্থ বছরে প্রতিবন্ধী ভাতা চালু করা হয়?
  1. ২০০৪-২০০৫ অর্থবছর
  2. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
  3. ২০০৬-২০০৭ অর্থবছর
  4. ২০০৭-২০০৮ অর্থবছর
ব্যাখ্যা

প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবন্ধী।
- বাংলাদেশে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রণীত হয়।
- বর্তমানে (নভেম্বর, ২০২৫) প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার: ৯০০/- টাকা।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর।

⇒ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পূরণ।
২. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
৩. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন।
৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান।
৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
৬. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জরিপ করে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।

১০,১৮৩.
জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির রাজনৈতিক দল কোনটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. জনতাবাদী সমাজতান্ত্রিক দল
  2. কনস্টিটিউশনাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি
  3. কনজারভেটিভ পার্টি 
  4. লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি
ব্যাখ্যা

জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির রাজনৈতিক দল  লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।
-সম্প্রতি, জাপানের সাধারণ নির্বাচনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দল দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে তারা দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
- এই নির্বাচনে ৪৬৫ আসনের নিম্নকক্ষে তাকাইচির লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৩১৬টি আসনে জয়ী হয়েছে,
- যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩৩টি আসনের চেয়ে অনেক বেশি।৩৬ বছরের মধ্যে এবারই প্রথম জাপানে শীতকালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।

১০,১৮৪.
ন্যাপের প্রথম সাধারণ সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মওলানা ভাসানী
  3. খালেদ মাহমুদ
  4. মাহমুদুল হক ওসমানী
ব্যাখ্যা

• ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি:
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)  বাংলাদেশের একটি বামপন্থী রাজনৈতিক দল।
- মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ১৯৫৭ সালের জুলাই মাসে এই দলটি গঠিত হয়।
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের কাগমারিতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে  আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে মতবিরোধ দেখা দেয়।
- এ প্রশ্নে দলের ডানপন্থী নেতা-কর্মীরা সোহরাওয়ার্দীর পক্ষাবলম্বন করেন এবং বামপন্থী অংশ মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে স্বাধীন ও জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি এবং পূর্ব-পাকিস্তানের সর্বাধিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন।
- আওয়ামী লীগের বামপন্থী অংশের উদ্যোগে ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে ২৪-২৫ জুলাই গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ সম্মেলনে পাকিস্তান ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হয়।
- ন্যাপের সভাপতি নির্বাচিত হন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং সম্পাদক নির্বাচিত হন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০,১৮৫.
নিচের কোনটি বারোমাসি সবজি?
  1. ক) গাজর
  2. খ) করলা
  3. গ) টমেটো
  4. ঘ) বেগুন
ব্যাখ্যা
উৎপাদন মৌসুমের উপর ভিত্তি করে শাকসবজিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
- শীতকালীন সবজিঃ টমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, শিম, গাজর ইত্যাদি।
- গ্রীষ্মকালীন সবজিঃ করলা, পটল, ধুন্দুল,পুঁইশাক ইত্যাদি।
- বারোমাসি সবজিঃ বেগুন, ঢেঁড়স, পেঁপে, কাঁচকলা ইত্যাদি।

[উৎসঃ কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি]
১০,১৮৬.
গণতন্ত্রে বিরোধী দল গঠনমূলক সমালোচনা করে কেন?
  1. ক) ব্যবসায়িক সুবিধা নিতে
  2. খ) ভয়-ভীতির কারণে
  3. গ) জনমত গঠনের জন্য
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
▪ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
▪ সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
▪ বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে। 
▪ রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে কোন দুর্বলতা চিহৃিত করতে পারলে, সেগুলো ব্যবহার করে বিরোধী দল নিজেদের পক্ষে জনমত গঠনের চেষ্টা করতে পারে।
▪ বিরোধী দল যদি তাদের যুক্তির স্বপক্ষে শক্তিশালী জনমত গড়ে তুলতে পারে তাহলে পরবতীর্ নির্বাচনে তাদের ক্ষমতায় আসার পথ সুগম হয়।
১০,১৮৭.
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান কে?
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড( বিসিবি):
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড গঠন হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সদর দপ্তর ঢাকা।
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশে প্রথম অংশগ্রহণ করে ১৭ মে ১৯৯৯।
- বাংলাদেশের প্রথম জয় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।
- বিশ্বকাপে প্রথম অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

⇒ উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক শামীম কবির।
- টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজি আশরাফ হোসেন লিপু।

উৎস: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
১০,১৮৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী খাদ্যশস্যে আবাদকৃত জমির হার কত?
  1. ক) ৭৫.৮০%
  2. খ) ৭৭.৩১%
  3. গ) ৮১.৫০%
  4. ঘ) ৮৫.০৭%
ব্যাখ্যা
মোট আবাদকৃত জমির শতকরা হার (২০২২):

- খাদ্যশস্যে আবাদকৃত জমির হার ৭৭.৩১%।
- আঁশজাতীয় ফসল (পাঁট, তুলা ইত্যাদি) আবাদকৃত জমির হার - ৪.৩৫%। 
- তৈলবীজ (সরিষা, সয়াবিন ইত্যাদি) আবাদকৃত জমির হার - ৩.০৯%।
- মসলা আবাদকৃত জমির হার - ২.৫৩%।
- ফলের আবাদকৃত জমির হার - ২.৪৮%।
- ডালের আবাদকৃত জমির হার - ২.৩০%।
- ভেষজ ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের আবাদকৃত জমির হার - ১.০২%।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২২।
১০,১৮৯.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'- গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) মাহবুবুল আলম চৌধুরী
  2. খ) আলতাফ মাহমুদ
  3. গ) আবদুল লতিফ
  4. ঘ) আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'- গানটির রচয়িতা 'আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী'।

- গানটি ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে রচিত গান।
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি'(১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ।
- গানটির বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
১০,১৯০.
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ সালে 'ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন' প্রণয়ন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
- চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে।
- এই আইনের ৪ ধারার ১ উপধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি কোনো পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপান করতে পারবেন না, অর্থাৎ উন্মুক্ত স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: i) ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০৫। 
ii) প্রথম আলো।

১০,১৯১.
ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস কবে?
  1. ক) ১২ এপ্রিল
  2. খ) ১৬ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ৯ ডিসেম্বর
  5. ঙ) ১২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সেই সূত্র ধরে ২০১৬ সালে ১২ ডিসেম্বরকে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস ঘোষণা করে সরকার। তখন থেকে ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালিত হযে আসছে।(সুত্র: দৈনিক প্রথম আলো)
১০,১৯২.
কার সভাপতিত্বে 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
  2. খ) আবুল কাশেম
  3. গ) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. ঘ) অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা
ব্যাখ্যা
- ৩১শে জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এ সভায় একুশে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী হরতাল, জনসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

- তমুদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় আবুল কাশেমের নেতৃত্বে। 
- তমুদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় যার আহ্বায়ক মনোনীত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,১৯৩.
সংবিধান সংস্কার কমিটি সংসদে উচ্চকক্ষের জন্য কয়টি আসনের সুপরিশ করেছেন?
  1. ১০০টি 
  2. ১০৫টি 
  3. ৩৫০টি
  4. ৪০০টি
ব্যাখ্যা

- নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন। 

• সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

তথ্যসূত্র: সংবিধান সংস্কার কমিশন। (Link)

১০,১৯৪.
দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন কে? 
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস 
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড মিন্টো
  4. লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা
• ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

• ওয়ারেন হেস্টিংস:

- বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস।
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেলও ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস।
- তাঁর শাসন কালকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, প্রথমপর্ব: ১৭৭২-১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার গভর্নর হিসেবে আর দ্বিতীয় পর্ব, ১৭৭৪-১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গভর্নর জেনালের হিসেবে।
- ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালের ১৩ আগস্ট বাংলায় প্রথম রাজস্ব বোর্ড গঠন করেন।
- তিনি প্রচলিত জমিদার পদ্ধতির পরিবর্তে 'পাঁচসালা বন্দোবস্ত' (১৭৭২-১৭৭৭) প্রবর্তন করেন।
- তবে নানা কারণে এ ব্যবস্থা ফলপ্রসূ না হলে তিনি ১৭৭৭ সালে 'একসালা বন্দোবস্ত' করেন।
- ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে সারাদেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।
- এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৯৫.
তারা মসজিদের নির্মাতা কে?
  1. ইসা খান
  2. নবাব সলিমুল্লাহ
  3. মির্জা গোলাম পীর
  4. শাহ সুজা
ব্যাখ্যা

তারা মসজিদ:
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

১০,১৯৬.
বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক কে? (অক্টোবর-২০২৫)
  1. অধ্যাপক অনু মোহাম্মদ 
  2. অধ্যাপক সলিমুল্লাহ
  3. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
  4. অধ্যাপক রেজা এলাহি চৌধুরি
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমীর প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ।  
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক- অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।


উৎস:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা একডেমি।

১০,১৯৭.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দকৃত সাধারণ আসন ছিল কয়টি?
  1. ১৬০ টি
  2. ১৬২ টি
  3. ১৬৭ টি
  4. ১৬৯ টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
- জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দকৃত ১৬২ টি সাধারণ আসনে একমাত্র আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলই সবকয়টি আসনে প্রার্থী দাঁড় করাতে পারেনি।

⇒ উক্ত ১৬২টি আসনে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য দলের প্রার্থী -
• মুসলিমলীগ - ৯৩।
• মুসলিম লীগ - ৬৫।
• মুসলিম লীগ - ৫০।
• জামায়াতে ইসলামী - ৬৯।
• জমিয়াতুল উলামা ও নেজামে ইসলামী - ৪৫।
• পিডিপি - ৮১।
• ন্যাপ - ৩৬।
• স্বতন্ত্র - ১০৯।
• অন্যান্য ছোট দলসহ সর্বমোট প্রার্থী সংখ্যা ছিল - ৭৬৯ জন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,১৯৮.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. টিলাগড়
  2. চকোরিয়া
  3. সাভার
  4. ভালুকা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
- ১৯৫৯-৬০ খ্রি. সালে ২৬১৩ একর  অনাবাদি জমির উপর খামারটি স্থাপিত হয়।
- বর্তমানে খামারে মোট জমির পরিমান ৭৯২.৮৭ একর।
- কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, বিভিন্ন সংকরজাতের ও দেশি জাতের গরু পালনের মাধ্যমে দেশের গবাদিপশুর জাত উন্নয়নের সাথে সাথে দেশীয় গরুর জাত সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

⇒ বিভিন্ন প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র: চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র: ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র: টিলাগড়, সিলেট। 
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র: সুন্দরবনের করমজল, ময়মনসিংহের ভালুকায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০,১৯৯.
বাংলাদেশের বিচারপতিদের অভিশংসন ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত হয় সংবিধানের যে সংশোধনীতে- 
  1. ষোড়শ
  2. পঞ্চদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. চতুর্দশ
ব্যাখ্যা

• বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা: 
- বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর কার্যকর হয়। মূল সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৬(২)-এ বিচারকদের অপসারণের জন্য পার্লামেন্টের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রেজুলেশন পাসের ব্যবস্থা ছিল। 
- ১৯৭৫ সালে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে সরিয়ে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির হাতে নেয়া হয়।
- ১৯৭৯ সালের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এটি পরিবর্তিত হয় এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল চালু করা হয়। এই কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি বিচারক অপসারণ করতে পারতেন। 
- ২০১৪ সালে ষোড়শ সংশোধনী এই পরিবর্তনকে উল্টিয়ে দেয় এবং পার্লামেন্টকে পুনরায় অপসারণের ক্ষমতা প্রদান করে। 
- পরবর্তীতে, ২০১৬ সালের ৫ই মে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশন এই সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। ২০১৭ সালে আপিল বিভাগ এই রায় বহাল রাখে। ফলে, সংশোধনীটি বাতিল হয় এবং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার হয়।

• সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী:
- ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরে এই সংশোধনী আনা হয়। 
- ষোড়শ সংশোধনীর আলোচ্য বিষয়:  ৭২ এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে। এর মধ্য দিয়ে ৪০ বছর পর সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছে ন্যস্ত হয়।

• সংশোধনীর মূল বিধানসমূহ: 
ষোড়শ সংশোধনীটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৬-এ নিম্নলিখিত পরিবর্তন আনে:

- অনুচ্ছেদ ৯৬(১): বিচারপতিরা ৬৭ বছর বয়স পর্যন্ত পদে থাকবেন।
- অনুচ্ছেদ ৯৬(২): বিচারপতিকে অপসারণ করা যাবে শুধুমাত্র প্রমাণিত অসদাচরণ বা অক্ষমতার ভিত্তিতে। এর জন্য পার্লামেন্টের মোট সদস্যের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রেজুলেশন পাস করতে হবে, এবং প্রেসিডেন্ট সেই রেজুলেশন অনুসারে আদেশ দেবেন।
- অনুচ্ছেদ ৯৬(৩): পার্লামেন্ট আইন প্রণয়ন করে রেজুলেশনের প্রক্রিয়া, তদন্ত এবং অসদাচরণ/অক্ষমতার প্রমাণের নিয়ম নির্ধারণ করতে পারবে।
- অনুচ্ছেদ ৯৬(৪): বিচারপতিরা প্রেসিডেন্টের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারবেন।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান এবং বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি।  

১০,২০০.
সংবিধান অনুসারে অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ করেন -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জাতীয় সংসদ
  3. আইনমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধান অনুসারে অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ করেন রাষ্ট্রপতি।

অ্যাটর্নি জেনারেল:

- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।