বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০১ / ৩০৬ · ১০,০০১১০,১০০ / ৩০,৮৩২

১০,০০১.
স্বাধীনতার রজতজয়ন্তীতে কোনটি স্থাপিত হয়?
  1. ক) রাজসিক বিহার
  2. খ) শিখা চিরন্তন
  3. গ) জাগ্রত চৌরঙ্গী
  4. ঘ) স্বোপার্জিত স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ২৫ বছর পূর্ণ হয় তথা রজতজয়ন্তী উদযাপন হয়। একে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৯৭ সালের ২৬শে মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তন স্থাপন করা হয়। এ স্থানেই ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন। রাজসিক বিহার ঢাকার ৪০০ বছর পূর্তিতে বাংলামটরে স্থাপন করা হয়। জাগ্রত চৌরঙ্গী গাজীপুর চৌরাস্তায় স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য। স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ১৯৮৯ সালে টিএসসি সড়কদ্বীপে স্থাপন করা হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১০,০০২.
আঙ্কটাড এর প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৮ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করে কোন দেশ?
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
  5. ঙ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
১২ জুন ২০১৯ জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা বা আঙ্কটাড বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০১৮ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করে চীন যার পরিমাণ ১০৩ কোটি মার্কিন ডলার। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় বিদ্যুৎ খাতে যার পরিমাণ ১০১.২ কোটি মার্কিন ডলার। (সূত্রঃ আঙ্কডাট ওয়েবসাইট)
১০,০০৩.
'অপারেশন সার্চলাইট' এর নীলনকশার সার্বিক তত্ত্বাবধান করে কে?
  1. টিক্কা খান
  2. ইয়াহিয়া খান
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. জুলফিকার আলী ভুট্টো
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চ লাইট: 

• ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চ লাইট নামে এই দেশের মানুষদের নির্বিচারে হত্যা করা শুরু করে। 
অপারেশন সার্চ লাইট এর সার্বিক তত্ত্বাবধান করে গভর্নর লে. জে টিক্কা খান।
• ১৮ মার্চ, ১৯৭১ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী ও মেজর খাদিম হোসেন নীলনকশা তৈরি করে। 
• ঢাকা শহরের দায়িত্বে ছিল: মেজর রাও ফরমান আলী।
• ঢাকার বাইরে দায়িত্বে ছিল: মেজর খাদিম হোসেন রাজা।
• ১৬ মার্চ, ১৯৭১: ইয়াহিয়া সরকার পূর্ব পাকিস্তানে গোলাবারুদ ও অস্ত্র সরবরাহ শুরু করে। 
• ১৯ মার্চ, ১৯৭১: বাঙালি সেনাদের নিরস্ত্রীকরণ শুরু এবং সার্চ লাইটের নীল নকশা অনুমোদন।
• ২৪ মার্চ, ১৯৭১: চট্টগ্রাম বন্দরে এমভি সোয়াত থেকে অস্ত্র খালাস শুরু করে।
• ২৫ মার্চ, ১৯৭১: গণহত্যা চালাতে পাকিস্তান সেনাদের উদ্দেশ্যে টিক্কা খান বলে, “এদেশের মানুষ চাই না, মাটি চাই।"

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,০০৪.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় কোন সালে? [সেপ্টেম্বর - ২০২৫]
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে। এই শুমারির উদ্দেশ্য ছিল কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের তথ্য সংগ্রহ করে নীতিনির্ধারণে সহায়তা করা।

কৃষি শুমারি:
- কৃষি শুমারি পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরণ, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
- এ তথ্য-উপাত্ত কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বেঞ্চমার্ক তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- এদেশে ১৯৬০ সালে প্রথমবারের মত নমুনা আকারে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।

সূত্র: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও BBS ওয়েবসাইট।

১০,০০৫.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. ১১৩ নং
  2. ১১৪ নং
  3. ১১৬ নং
  4. ১১৭ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭ নং অনুচ্ছেদের ১ এবং ২ নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা সন্নিবেশিত হয়েছে।

বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচারবিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে। যথা:
• ১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
• ২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ: ১১৪ থেকে ১১৬];
• ৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,০০৬.
মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে -
  1. আমদানি বৃদ্ধি পায়
  2. রপ্তানি কমে
  3. আমদানি হ্রাস পায়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মুদ্রার অবমূল্যায়ন:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়া।
- মুদ্রা ইস্যুকারী সরকার একটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে।
- এতে করে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি হ্রাস পায়।
- ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,০০৭.
রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা

১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- ১৯৭৮ সালের ৩ জুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটিই ছিল রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন।
- এর আগে সংসদ দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল।
- সরাসরি ভোটের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয়ী হয়েছিলেন।
- তিনি জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের ব্যানারে অংশ নিয়ে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
- তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমএজি ওসমানী গণতান্ত্রিক ঐক্যজোটের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
- জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ২১ এপ্রিল ১৯৭৭ থেকে ৩০ মে ১৯৮১ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১০,০০৮.
পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে কখন?
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ১০ মে
  3. গ) ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট
  4. ঘ) ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তান গণপরিষদ পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট করাচিতে।
- ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাক্ট ১৯৪৭-এর শর্তানুযায়ী দুটি গণপরিষদের একটি স্থাপিত হয় ভারতে এবং অপরটি পাকিস্তানে।
- ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তান গণপরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।
-ভারতের স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী গণপরিষদের দুটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ছিল: দেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং তা কার্যকর করার পূর্ব পর্যন্ত একটি ফেডারেল আইনসভা (সংসদ) হিসেবে কাজ করা।

সোর্স: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রফেসর মোঃ মজাম্মেল হক) এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,০০৯.
বাংলাদেশের কোন উপজেলা সর্বশেষ বিদ্যুতের আওতায় আসে?
  1. ক) সন্দীপ
  2. খ) রাঙ্গাবালি
  3. গ) লালমাই
  4. ঘ) হাতিয়া
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ যে উপজেলা বিদ্যুতের আওতায় আসে - রাঙ্গাবালি (পটুয়াখালী)
সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম যে উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় - সন্দীপ (চট্টগ্রাম)।
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
১০,০১০.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. আশুগঞ্জ ইউরিয়া সার কারখানা
  2. টিসিএল সার কারখানা
  3. গাজীপুর সার কারখানা
  4. ঘোড়াশাল–পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
ব্যাখ্যা

• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাই

১০,০১১.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RAD) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. ঢাকা
  3. বগুড়া
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

RDA: 
- পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান,
- এটি ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বগুড়া জেলায় অবস্থিত।
- একাডেমিটির মূল দায়িত্ব হলো প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কুমিল্লার কোটবাড়ীতে অবস্থিত। 

সূত্র: RDA ওয়েবসাইট। 

১০,০১২.
সম্প্রতি কোন কথাসাহিত্যিক বাংলা একাডেমি পুরস্কার ফেরত দেন?
  1. কবীর চৌধুরী
  2. হালীমা শরফুদ্দীন
  3. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
  4. জাকির তালুকদার
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি পুরস্কার:
- বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন শাখায় বছরে ৯ জনকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি বাংলা একাডেমি পুরস্কার ফেরত দিয়েছেন কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদার।
- ২০১৪ সালে তিনি কথাসাহিত্যে অবদানের জন্য এ পুরস্কার পেয়েছিলেন।
- জাকির তালুকদার তাঁর ‘মুসলমানমঙ্গল’ গ্রন্থের জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছিলেন।
- ১০ বছর পর তিনি এটি ফেরত দিলেন।
- বাংলা একাডেমি তার মান ধরে রাখতে পারেনি অভিযোগ এই কথাসাহিত্যিকের।  
- ’কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদারের ২৪টির বেশি সাহিত্যকর্ম আছে।
- এর মধ্যে ‘পিতৃগণ’, ‘কুরসিনামা’, ‘কবি ও কামিনী’, ‘ছায়াবাস্তব’, ‘রাজার সেপাই’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ২৯ জানুয়ারি ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
১০,০১৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মিশন স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. নয়াদিল্লি
  2. লন্ডন
  3. কলকাতা
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম মিশন স্থাপিত হয় কলকাতায়।
- এদিন কলকাতায় অবস্থিত পাকিস্তান উপ-দূতাবাসের তৎকালীন ডেপুটি হাইকমিশনার এম হোসেন আলী পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।
(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার)
১০,০১৪.
বাংলাদেশ নিম্নের কোন সংস্থার প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য নয়?
  1. SAARC
  2. BIMSTEC
  3. OIC
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation বা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- বর্তমান মহাসচিব গোলাম সারওয়ার।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি (বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ)।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি (বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান)।
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।

BIMSTEC (বিমসটেক):
- BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation বা বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক সংগঠন।
- এর পূর্বনাম ছিল BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation), পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে M যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারণ করে।
- ৬ জুন ১৯৯৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৪টি (বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড)।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি (বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান)।
- সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- ২০১৪ সালে ঢাকায় বিমসটেক সচিবালয় চালু করা হয়।

অন্যদিকে,
OIC:
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation বা ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।
- ১৯৭২ সালে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ওআইসি।
- ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির ২য় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ OIC-এর ৩২তম সদস্য।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
১০,০১৫.
সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইনসভা
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. মৌলিক অধিকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,০১৬.
বাংলাদেশ ফল গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) পাবনা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার বিনোদপুরে ফল গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত।
- ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উপকেন্দ্র হিসেবে এ প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয়।
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ।
- ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর ।
- ডাল গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদী।

উৎস:- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১০,০১৭.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধি লাভ করে কত জন?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ৬৮ জন
  3. গ) ১৭৫ জন
  4. ঘ) ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

==================
উল্লেখ্য,
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
এর মধ্য,
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
১০,০১৮.
৬০ বছর পূর্তিকে কী বলা হয়?
  1. সুবর্ণ জয়ন্তী
  2. হীরক জয়ন্তী
  3. রজত জয়ন্তী
  4. প্লাটিনাম জয়ন্তী
ব্যাখ্যা
জয়ন্তী:

- জুবিলীর (Jubilee) অর্থ হলো উত্সব মুখর পরিবেশে জন্মতিথি পালন। আর এটাকে বাংলায় বলা হয় জয়ন্তী।
-  ২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় : রজত জয়ন্তী।
- ৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : সুবর্ণ জয়ন্তী / স্বর্ণ জয়ন্তী।
- ৬০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : হীরক জয়ন্তী।
- ৭৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় : প্লাটিনাম জয়ন্তী।
- ১০০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : শতবর্ষ।
- ১৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : সার্ধশত।
- ২০০ বছর পূর্তিকে বলা হয় : দ্বিশতবর্ষ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,০১৯.
জাতীয় সংসদের কতটি সংশোধনী জাতীয় সংসদের ক্ষমতা, অবস্থান তথা রাষ্ট্র ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদের ৩ টি সংশোধনী জাতীয় সংসদের ক্ষমতা, অবস্থান তথা রাষ্ট্র ব্যাবস্থার সঙ্গে সরাসরী সংযুক্ত।
সেগুলো হচ্ছে-

- ৪র্থ সংশোধনী (১৯৭৫ সালে)
- ৫ম সংশোধনী (১৯৭৯ সালে)
- ১২তম সংশোধনী (১৯৯১ সালে)

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি দ্বিতীয় পত্র (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

১০,০২০.
খসড়া সংবিধান গণপরিষদে কবে উত্থাপিত হয় ?
  1. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  2. ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর
  3. ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
  4. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

এছাড়াও,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১০,০২১.
বিধবা বিবাহ আইন প্রণয়ন করেন কে?
  1. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড ডালহৌসী
  4. লর্ড ওয়েলেসলী
ব্যাখ্যা
বিধবা বিবাহ আইন:
- বিধবা বিবাহ  আইন প্রবর্তন করেন লর্ড ডালহৌসী।
- এই আইন প্রণয়ন করেন -১৮৫৪ সালে।
- বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়- ১৮৫৬ সালে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিধবা বিবাহের জন্য সামাজিক আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি বাল্যবিবাহ ও বহু বিবাহ নিষিদ্ধের পাশাপাশি বিধবা বিবাহ জন্য সংগ্রাম করেন
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তার ছেলের সাথে বিধবা বিবাহ দিয়েছিলেন।

⇒ এছাড়াও,
- লর্ড ডালহৌসী  স্বত্ব বিলোপ নীতির প্রবর্তন করেন।
- রেললাইনের প্রচলন করেন।

⇒ অপরদিকে,
- লর্ড বেন্টিংক সতীদাহ প্রথা বিলোপ করেন।
- লর্ড ক্যানিং কাগজি মুদ্রার প্রচলন করেন।
- লর্ড ওয়েলেসলী অধীনতা মুলক নীতির প্রবর্তক।
- ব্রিটিশদের প্রথম সাম্রাজ্যবাদী বড়োলাট।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,০২২.
যুক্তফ্রন্ট সরকার কত দিন ক্ষমতায় ছিল?
  1. ক) ৭৩
  2. খ) ৫৬
  3. গ) ৫৪
  4. ঘ) ৬২
ব্যাখ্যা

১৯৫৩ সালের চারটি প্রধান দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করা হয়। নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা এবং ২১ দফা দাবির ভিত্তিতে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। একুশ দফার প্রথম দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকার করা।
১৯৫৪ সালের ১১ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক নির্বাচনে ২৩৭ টি আসনের মধ্যে ২২৩ আসনে জয়লাভ করে পূর্ব বাংলায় মন্ত্রিসভা গঠন করে। মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী হন এ.কে ফজলুল হক।
বঙ্গবন্ধু হন কৃষি,সমবায়, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর গোলাম মোহাম্মদ ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট সরকার বাতিল করে কেন্দ্রের শাসন জারি করেন। যুক্তফ্রন্ট সরকার মাত্র ৫৬ দিন ক্ষমতায় ছিল।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়-নবম দশম শ্রেণি।

১০,০২৩.
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ২২ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২৮ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকবার যোগ্য হবেন না, যদি
- কোন উপযুক্ত আদালত তাঁকে অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষণা করেন,
- তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হবার পর দায় হতে অব্যাহতি লাভ না করে থাকেন;
- তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন;
- তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হয়ে থাকে;
- তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে থাকেন;
- আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা
- তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন।
 
• যেহেতু সংসদের সংখ্যা গরিষ্ঠ দলের সদস্য হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, তাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,০২৪.
বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা কবে প্রণীত হয়েছে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালের ৩১ মে তারিখে যে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিটি জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধনীতি প্রনয়ণ হয়েছিল।
- ওষুধনীতির মতো ১৯৯০ সালের প্রস্তাবিত প্রথম জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির প্রাণপুরুষও ছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও প্রথম আলো
১০,০২৫.
সংবিধান রচনা কমিটির বিদেশি আইনজীবী কে ছিলেন?
  1. টমাস হাবস
  2. স্যার টমাস উইলিয়াম
  3. জনাথন হোবস
  4. আই গাথরি
ব্যাখ্যা
সংবিধান রচনার সাথে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ-
কে এম আব্দুল রউফ - হস্ত লিখিত মূল সংবিধানের লেখক।
ড. আনিসুজ্জামান - প্রধান ভাষা বিশেষজ্ঞ।
আই গাথরি - রচনা কমিটির বিদেশি বিশেষজ্ঞ। বৃটিশ আইনজীবী।
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন - নকশ ও অঙ্গসজ্জার মূল তত্ত্বাবধায়ক।
শিল্পী হাসেম খান - নকশ ও অঙ্গসজ্জার সহযোগী।
সৈয়দ শাহ আবু শফি - সংবিধানে চামড়ার কাজ করেন।
সদর উদ্দীন আহমেদ - সংবিধানে সর্বশেষ স্বাক্ষরকারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, সরকারি তথ্য বাতায়ন।
১০,০২৬.
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় ভাষা দিবস হিসেবে পালন হত-
  1. ২২ ফ্রেব্রুয়ারি
  2. ১১ মার্চ
  3. ৭ মার্চ
  4. ১৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দেলন-১৯৪৮
 - ২১ মার্চ ১৯৪৮ রেসকোর্স ময়দানে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এর পূর্ব পাকিস্তান সফর উপলক্ষ্যে আয়োজিত একটি বিশাল সমাবেশে জিন্নাহ বলেন, ‘উর্দুই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হইবে, অন্য কোনো ভাষা নহে।
 - ২৪ মার্চ তারিখে কার্জন হলে অনুষ্ঠিত ঢাবি’র সমাবর্তনে তিনি পুনরায় ঘোষণা করেন ‘Urdu and Urdu alone shall be the state language of Pakistan.
-  ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি করাচীতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে,পূর্ব পাকিস্তানের কংগ্রেস দলের সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকে পরিষদের অন্যতম ভাষা করার দাবি জানান। 
-  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ঘটিত হয়- ২ মার্চ ১৯৪৮ (আহ্বায়ক - শামছুল হক)
-  ২৬ ও ২৯ ফ্রেবুয়ারি ১৯৪৮ - রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়।
- ১১মার্চ  ১৯৪৮ - রাষ্ট্রভাষা সংগ্রামের পক্ষ থেকে বাংলা ভাষা দিবস ঘোষণা কারা হয়।
- ১১মার্চ  ১৯৪৮ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদার দাবিতে প্রথম ধর্মঘট হয়।
- ১৫ মার্চ পূর্ব বাংলার মূখ্যমন্ত্রী খাজা নিজামুদ্দি রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সাথ ৮ দফা চুক্তি করেন। 

উৎস
:  মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ, ইতিহাস বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১০,০২৭.
মন্ত্রিসভার কত ভাগ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী রাখা যায়?
  1. ১০%
  2.  ৫%
  3. ১৫%
  4. ৩%
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন।
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,০২৮.
Which type of satellite is Bangabandhu satellite 2?
  1. Geostationary satellites
  2. Navigation satellite
  3. Earth Observatory satellite
  4. Medium Earth Orbit satellite
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট।
- ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে।
- ফলে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট প্রয়োজন হবে না।
- এই স্যাটেলাইটের লাইফ টাইম হবে ১৮ বছরের মতো।
- দেশের সমুদ্রসীমায় ‘সি রিসোর্স’ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণে এই স্যাটেলাইট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। 

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সফল উৎক্ষেপণ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭ তম গর্বিত সদস্যে। 

উৎস: i) ২৪ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর।
         ii)১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১০,০২৯.
ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদে ফিরিয়ে দেওয়া
  2. ধর্মনিরপেক্ষতা পুনর্বহাল
  3. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. সংসদীয় আসন বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [ত্রয়োদশ সংশোধন] আইন, ১৯৯৬।
- সংসদে বিলটি পাশ হয় ২৭ মার্চ, ১৯৯৬।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে আপিল বিভাগ তত্ত্বাবাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সর্ম্পকিত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করেছে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিবিসি নিউজ, ১০ মে ২০১১।

১০,০৩০.
সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট জন্যসংখ্যা -
  1. ক) ১৬ কোটি ৮২ লাখ
  2. খ) ১৬ কোটি ২৮ লাখ
  3. গ) ১৬ কোটি ২৪ লাখ
  4. ঘ) ১৬ কোটি ৪২ লাখ
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে,
- বাংলাদেশের মোট জন্যসংখ্যা - ১৬ কোটি ৮২ লাখ। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.৩৭%
- জনসংখ্যা ঘনত্বের হার - ১১৪০
- গড় আয়ুষ্কাল - ৭২.৮ বছর 
- স্বাক্ষরতার হার - ৭৫.২%।
১০,০৩১.
আইন সম্পর্কে কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. ক) যখন সংসদে কোনো বিল প্রস্তাব আকারে পাশ হয় তখন তাকে আইন বলে।
  2. খ) সংসদের বাহিরেও আইন প্রণীত হতে পারে, যেমন- প্রথা, রীতিনীতি, আদেশ, বিধি ইত্যাদি।
  3. গ) আইন কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাগে না।
  4. ঘ) সংসদ আইন পাশ করার পর রাষ্ট্রপতি তা বাতিল করতে পারেন না।
ব্যাখ্যা
আইন

১. যখন সংসদে কোনো বিল প্রস্তাব আকারে পাশ হয় তখন তাকে আইন বলে।
২. সংসদের বাহিরেও আইন প্রণীত হতে পারে। যেমন- প্রথা, রীতিনীতি, আদেশ, বিধি ইত্যাদি।
৩. আইন কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাগে।
৪. সংসদ আইন পাশ করার পর রাষ্ট্রপতি তা বাতিল করতে পারেন না।

উল্লেখ্য,
- যখন জাতীয় সংসদে অধিবেশন থাকে না অথবা সংসদ ভেঙে যায় তখন মহামান্য রাষ্ট্রপতি নির্বাহী আদেশে যে আইন প্রণয়ন করেন তা অধ্যাদেশ বা Ordinance নামে পরিচিত।
- অধ্যাদেশ একমাত্র রাষ্ট্রপতি প্রণয়ন করে।
- অধ্যাদেশ রাষ্ট্রপতি নিজেই প্রণয়ন করে বলে অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
১০,০৩২.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস): 
- দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি চালু হয়।
- অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি) এর ঢাকা ব্যুরোকে নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়।
- ঢাকায় প্রধান কার্যালয় এবং চট্টগ্রামে একটি ব্যুরো দিয়ে শুরু করে বাসস এখন রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো স্থাপন করেছে।
- জাতীয় সংবাদ সংস্থার দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় প্রতিনিধি রয়েছে।
- সংস্থাটি সারা দেশের প্রায় ৫০ জন গ্রাহকের কাছে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, উন্নয়নমূলক এবং অন্যান্য সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রায় ২৪ ঘন্টা কাজ করে।
- বাসস আন্তর্জাতিক ওয়্যার সার্ভিস এএফপি-তে সাবস্ক্রাইব করে এবং প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া (পিটিআই), অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অফ পাকিস্তান (এপিপি), চীনের সরকারী সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া, মালয়েশিয়ার বার্নামা এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রান্সডেটার সাথে সংবাদ বিনিময় করে।
- বাংলাদেশে বাংলা সংবাদপত্রের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১৯৯৯ সালে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,০৩৩.
'ট্যাক্স হলিডে' নীতির উদ্দেশ্য হলো:
  1. কর পরিশোধে উৎসাহিত করা
  2. কর পরিশোধের জন্য দিন ধার্য করা
  3. নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কর মওকুফ করা
  4. কর মেলার আয়োজন করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস প্রধানত দুইটি। যথা- কর রাজস্ব এবং করবহির্ভূত রাজস্ব।

- কর পরিশোধে ২০১২ সালের মে মাসে বাংলাদেশে ই-পেমেন্ট পদ্ধতি চালু হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশি আয় আসে ভ্যাট থেকে।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রথম প্রবর্তিত হয় ১ জুলাই, ১৯৯১।

⇒ শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করাই হচ্ছে ট্যাক্স হলিডে। অর্থাৎ, কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা। [NBR]

⇒ সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান কে কর অবকাশ দেয়া হয়েছে যারা শিল্প অঙ্গীকার করেছে এবং সকল শর্ত পূরণ করে ১ জুলাই ২০১১ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ এর মধ্যে ভৌত অবকাঠামো প্রতিষ্ঠিত করেছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি এবং এনবিআর।
১০,০৩৪.
"অপারেশন জ্যাকপট" পরিচালনা করেন কারা?
  1. সেনা বাহিনী
  2. পুলিশ বাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. নৌ-কমান্ডো বাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- মুক্তিযুদ্ধে জয় ত্বরান্বিত করার অন্যতম বড় আরেকটি পদক্ষেপ ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-কমান্ডো বাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল এটি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ই অগাস্ট প্রথম প্রহরে দেশের চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়।
- পাকিস্তানি বাহিনীর নৌযান ধ্বংস এবং নৌ-যাতায়াত ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টির মাধ্যমে পাকিস্তানি সৈন্য চলাচল, সমর-সরঞ্জাম ও রসদ পরিবহন ব্যহত করা ছিল ওই অপারেশনের প্রধান লক্ষ্য।
- এটি অত্যন্ত সফল সফল অভিযান ছিল। কারণ এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- এছাড়া বিদেশী জাহাজ ধ্বংস হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই খবর গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত হয়।
- ফলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে কোন যুদ্ধ হচ্ছে না বলে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রচারণা প্রশ্নের মুখে পড়ে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,০৩৫.
১৯৭১ সালে জর্জ হ্যারিসন কার আহবানে বাংলাদেশ কনসার্টে যোগ দেন?
  1. ডিপি ধর
  2. রবি শঙ্কর
  3. ললিত কুমার
  4. মার্ক এন্থনি
ব্যাখ্যা
কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয়ের মুখে যুদ্ধ বিরতি ঘটিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে বাধাগ্রস্ত করতে জাতিসংঘে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
- তবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের অনেক সদস্য, বিভিন্ন সংবাদপত্র, শিল্পী, সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সর্বস্তরের জনগণ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ভূমিকা পালন করে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম।
- রবি শঙ্করের আহবানে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন কন্সার্টে যোগ দেন।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
         ii) ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১, প্রথম আলো।
১০,০৩৬.
“একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার” -গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  2. খ) নজরুল ইসলাম বাবু
  3. গ) আপেল মাহমুদ
  4. ঘ) সাবিনা ইয়াসমিন
ব্যাখ্যা
“একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার” -গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু।

তার রচিত অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- 'সব কটা জানালা খুলে দাও না'
- ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা’
- ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেইখো গো মালি’ প্রভৃতি।

উৎস: প্রথম আলো।
১০,০৩৭.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ২৫০ উইকেটের মাইলফলক অর্জন করেছেন-
  1. মোস্তাফিজুর রহমান
  2. তাইজুল ইসলাম
  3. তাসকিন আহমেদ
  4. মেহেদী হাসান মিরাজ
ব্যাখ্যা

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৫০ উইকেট:
- বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করলেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
- সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ২৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি।
- একইসাথে বাঁহাতি স্পিনে ২৫০ উইকেটের মাইলফলকে তিনি পৌঁছে গেলেন টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে দ্রুততায়।
- রেকর্ড ভাগ করেছেন তারই সাবেক বোলিং কোচ রাঙ্গানা হেরাথের সাথে। 

উৎস: টিবিএস রিপোর্ট।

১০,০৩৮.
ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১০,০৩৯.
BSTI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh ‍Society for Telecommunication & Information
  2. Bangladesh Standards and Testing Institution
  3. Bangladesh Scientific Testing Institute
  4. Bangladesh Security & testing Institute
ব্যাখ্যা

• BSTI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Standards and Testing Institution
- এ উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময় পরে, ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তৎপূর্বে ১৯৫৬ সালে Colombo Plan এর অধীনে ঢাকায় Central Testing Laboratory (CTL) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ঢাকায় ১৯৬৩ সালে PSI এর অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে CTL এবং BDSI, এই দুটি সংস্থা পৃথক সত্তা হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্বে কার্যরত ছিল।

 - ১৬ই মে ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী Science & Technology Division এর অধিনস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউশন (BDSI)-কে একীভূত করে ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।

১০,০৪০.
দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সরাসরি জানাতে চালুকৃত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন -
  1. ১০৬
  2. ১০৩
  3. ৩৩৩
  4. ৯৯৯
ব্যাখ্যা

 দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সরাসরি জানাতে এখন থেকে চালু হলো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন ‘১০৬’।
-
বিনা খরচে এবং যে কোন মোবাইল বা টেলিফোন থেকে এই নাম্বারে কল করে দুদককে দুর্নীতির তথ্য, অভিযোগ জানানো যাবে।অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই নম্বরে ফ্রি কল করে দুর্নীতির তথ্য জানানো যাবে।

বিভিন্ন সেবায় হটলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস। 
- ১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার।
- ১৬৪৩০: সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার।
- ১৬১২৩: কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন।
- ১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার।
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১৬২৬৩: বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য কল সেন্টার।
- ১৬১০৮: মানবাধিকার সহায়ক কল সেন্টার।
- ১৬২৫৬: আপনার ইউনিয়নের সকল তথ্য জানতে কল করুন ইউনিয়ন সহায়তামুলক কল সেন্টারে।
- ১৩১: বাংলাদেশ রেলওয়ে কল সেন্টার।
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,০৪১.
শহিদ আসাদ কোন আন্দোলনে শহিদ হন? 
  1.  ভাষা আন্দোলন 
  2. ছয় দফা আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. মুক্তিযুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান: 
-  ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ  হয়। 

-  আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে যখন প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
- ড. জোহার মৃত্যসংবাদে সারাদেশে এমন ব্যাপক গণবিক্ষোভ সৃষ্টি হয় যে, সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দেয়।

উল্লেখ্য,
- আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হলেও তা ১৯৬৯-এর জানুয়ারিতে তুঙ্গে ওঠে এবং মধ্য জানুয়ারিতে গণআন্দোলনের রূপ নেয়।
- আইয়ুববিরোধী মিছিল মিটিং সভা সমাবেশ নিত্যদিনকার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আন্দোলন কেবলমাত্র ঢাকা শহরেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তা পল্লীগ্রামসহ সকল মফস্বল শহরেও বিস্তৃত হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০,০৪২.
সম্প্রতি ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাপ’ উদ্বোধন করেছেন কে?
  1. শেখ রেহানা
  2. সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
  3. শেখ হাসিনা
  4. সজীব ওয়াজেদ জয়
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু অ্যাপ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাপ’ উদ্বোধন করেছেন।
- এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী এবং বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
- একই সাথে আমাদের মহান স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অ্যাপটি তৈরির মহতী উদ্যোগের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

উৎস:বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
১০,০৪৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ কয়টি আসনে জয় লাভ করেছিল?
  1. ক) ২৮৯ টি
  2. খ) ২৯০ টি
  3. গ) ২৯৩ টি
  4. ঘ) ২৯৭ টি
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে।
এ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল ১৪টি। এতে আওয়ামীলীগ সবকটি আসনে (৩০০) প্রার্থী মনোনীত করে এবং ২৯৩টি আসন লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
উৎসঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট

১০,০৪৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন?
  1. ৭২(১)
  2. ৭৩
  3. ৭৩(ক)
  4. ৭৪ 
ব্যাখ্যা

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের - ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি।
- তবে এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবেন।
- নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে ও নতুন বছরের অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণদান করেন।
- রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হয়।
- সময়ে সময়ে রাষ্ট্রপতি সংসদে বাণী প্রেরণ করেন।
- তিনি সংসদ মুলতবি রাখতে পারেন এবং প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শে তিনি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- সংবিধানে বর্ণিত কয়েকটি পরিস্থিতিতে যেমন — রাষ্ট্রপতির অভিশংসন এর ক্ষেত্রে স্পিকার সংসদ আহ্বান করতে পারেন।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ: ৭৩(ক) - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ: ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,০৪৫.
‘ভায়েরা আমার (মাই ব্রাদার্স)’ বইটির ভূমিকা কে লিখেছেন?
  1. ক) আবদুল হামিদ
  2. খ) শেখ রেহেনা
  3. গ) শেখ হাসিনা
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
‘ভায়েরা আমার (মাই ব্রাদার্স)’ বইটির ভূমিকা লিখেছেন - শেখ হাসিনা।

• ভায়েরা আমার:
- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুইশত বক্তৃতা সম্বলিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ১২ জুন ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকের শুরুতে ‘ভায়েরা আমার’ শিরোনামের বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
- ‘ভাইয়েরা আমার (মাই ব্রাদার্স)’ নামটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই দিয়েছেন।এছাড়া তিনি বইটির ভূমিকাও লিখেছেন।
- প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম ভাষণগুলো সংগ্রহ, সংকলন ও সম্পাদনা করেছেন।
- জিনিয়াস পাবলিকেশন বইটি প্রকাশ করেছে।
- জাতির পিতার এই ভাষণ সমগ্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে এখন পর্যন্ত পাওয়া সকল ভাষণ অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
১০,০৪৬.
স্থাপত্য ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২ অর্জন করেন কে?
  1. ক) তানভীর করিম
  2. খ) সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  3. গ) সৈয়দ মাইনুল হোসেন 
  4. ঘ) মোস্তফা আলী কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২:
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।
- ২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-

- ক্যাটাগরি ⇒ পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান
১। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ⇒ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী, শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম), জনাব আব্দুল জলিল, জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ, মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস এবং মরহুম সিরাজুল হক।
২। চিকিৎসাবিদ্যা ⇒ অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া, অধ্যাপক ডাঃ মো. কামরুল ইসলাম।
৩। স্থাপত্যমরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। 
৪। গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ⇒ বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI)।
৫। শতভাগ বিদ্যুতায়নে সাফল্য ⇒ বিদ্যুৎ বিভাগ। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল, বাংলাদেশ বিষয়াবলি। 
১০,০৪৭.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
  2. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  3. হান্টার কমিশন
  4. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

কুদরত ই খুদা শিক্ষা কমিশন:
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন 'জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে,
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১০,০৪৮.
সুশীল সমাজের কাজ নয় কোনটি?
  1. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা
  2. প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া
  3. মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সুশীল সমাজ:
- বর্তমানে সুশীল সমাজ মানব পুঁজি গঠন, সমাজসেবা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সুশীল সমাজ সরকারের দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সচেষ্ট।
- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং সরকার সুশীল সমাজের বক্তব্য বা সুপারিশসমূহকে উপেক্ষা করতে পারে না।
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া সুশীল সমাজের দায়িত্ব।
- সুশীল সমাজ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
- প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া সুশীল সমাজের কাজ নয়।
 
তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০,০৪৯.
ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয়-
  1. ক) বিট্রিশ আমলে
  2. খ) মুঘল আমলে
  3. গ) সুলতানা আমলে
  4. ঘ) নবাবী আমলে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মোঘল-পূর্ব যুগে কিছু গুরুত্বধারন করলেও শহরটি ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করে মোঘল যুগে।
• আকবর নামা গ্রন্থে ঢাকা একটি থানা (সামরিক ফাঁড়ি) হিসেবে এবং আইন-ই- আকবরী গ্রন্থে সরকার বাজুহার একটি পরগনা হিসেবে ঢাকা বাজু উল্লিখিত হয়েছে।
• ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করে জাহাঙ্গীরনগর।
• প্রশাসনিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ হলেও সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই থেকে যায়। সকল বিদেশী পর্যটক এবং বিদেশী কোম্পানির কর্মকর্তারাও তাদের বিবরণ এবং চিঠিপত্রে ঢাকা নামটি ব্যবহার করেন।
• ঢাকার সমৃদ্ধি ও স্থাপত্য সমূহ মূলত মোঘল যুগেই শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট ও মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
১০,০৫০.
ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত কত মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে?
  1. ক) ২৪.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ১৪.৫৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ১৫.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ২২.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ২৪.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণের সংস্থান রাখা হয়েছে।
 এর বিপরীতে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত আর্থিক খাতে ৯.৮৭ লক্ষ মেট্রিক টন এবং ত্রাণমূলক (Non-monetised) খাতে ৪.৭১ লক্ষ মেট্রিক টন, সর্বমোট ১৪.৫৮ লক্ষ     মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১০,০৫১.
বাংলাদেশ টেলিভিশন সর্বপ্রথম কোন ভবন থেকে সম্প্রচার শুরু করে?
  1. ক) জাতীয় বেতার ভবন
  2. খ) ডিআইটি ভবন
  3. গ) রামপুরা টিভি ভবন
  4. ঘ) আদমজী কোর্ট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন। এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।

১৯৭৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এটিকে রামপুরায় নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয় এবং ৬ মার্চ থেকে পুনরায় সম্প্রচার শুরু করে।

১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে। ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রামকেন্দ্র চালু হয়। ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।

২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়। ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
বিটিভি তার ১৪টি উপ/রিলে কেন্দ্রের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৯৫ ভাগ এলাকায় টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচার বজায় রেখেছে।

(তথ্যসূত্র: বিটিভি ওয়েবসাইট)
১০,০৫২.
'ওয়ানগালা' ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের?
  1. সাঁওতাল
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. মণিপুরী
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকাও গাজীপুরজেলায় গারোরা বাস করে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

উল্লেখ্য, 
- সাঁওতাল ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম সোহরাই।
- খাসিয়া ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম হকতই, সেং কুটস্নেম ,সাড সুক মেনসিম , নংক্রেম।
- মণিপুরী ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম রাসলীলা (রাসপূর্ণিমা), লাই হারাউবা, বিষু, চৈরাউবা, রথযাত্রা এবং কাঙ উৎসব।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।
১০,০৫৩.
বঙ্গ জনপদ বিস্তৃত ছিল -
  1. বরিশাল
  2. ফরিদপুর
  3. ঢাকা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,০৫৪.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  3. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি:
- মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি জনযুদ্ধ।
- দেশের সর্বস্তরের মানুষ এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

⇒ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি),
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি),
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা),
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,০৫৫.
পায়রা বন্দরের কার্যক্রম কত সালে শুরু হয়?
  1. ক) ২০১২ ইং
  2. খ) ২০১৩ ইং
  3. গ) ২০১৪ ইং
  4. ঘ) ২০১৫ ইং
ব্যাখ্যা
২০১৩ সালে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দরের যাত্রা শুরু হয়েছে।
- পায়রা বন্দরটি পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এইচআর ওয়েলিংফোর্ড কর্তৃক Feasibility Study সম্পন্ন করা হয়।
- উক্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রণীত প্রতিবেদনে বন্দরটি বাস্তবায়নের সুবিধার্থে বন্দরের সকল কার্যক্রমকে ১৯টি কম্পোনেন্টে বিভাজন করা হয়েছে।
- তন্মধ্যে ১২টি কম্পোনেন্ট নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও ৭টি কম্পোনেন্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী ধাপে ধাপে বন্দরটি পূর্ণাঙ্গরুপে গড়ে তোলার কাজ চলমান রয়েছে। 
-  ধারনা করা যায় যে, এ বন্দর প্রতিষ্ঠার ফলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে যে গতি সঞ্চার হবে তাতে দেশের জিডিপি প্রায় ২% বৃদ্ধি পাবে।

সূত্র: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১০,০৫৬.
জনগণ সর্বময় ক্ষমতার উৎস- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ২২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এই সংবিধানে বাংলাদেশকে 'গণপ্রজাতন্ত্রী' হিসেবে অভিহিত করেছে এবং যার অন্যতম চারটি মূলনীতি হলো গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ।
- এই মূলনীতিগুলো বাংলাদেশের জনগণকে দীর্ঘ মুক্তির সংগ্রামে আত্মত্যাগের প্রতিফলন ঘটায়।
- বাংলাদেশে সংবিধান লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়। 
- একটি উত্তম সংবিধানে শাসন ব্যবস্থার সুষ্ঠু কিন্তু সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন অপরিহার্য।
- সে দিক থেকে বিচার করলে বাংলাদেশের সংবিধানের ১১টি বিভাগের ১৫৩টি অনুচ্ছেদে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার বণ্টন ও সমন্বয়ের স্পষ্ট দিক-নির্দেশনা রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের প্রস্তাবনার ৭(১) অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে 'প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ;।
- এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে'।

উৎস: বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,০৫৭.
আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের জন্যে কী প্রয়োজন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. বিরোধী দল
  3. সুশীল সমাজ
  4. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্টী
ব্যাখ্যা

আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের জন্যে প্রয়োজন- বিরোধী দল।

• গণতন্ত্র রক্ষা: 
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। 
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ। 
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়। 
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে। 
- জন স্টুয়ার্ট মিল তাই বলেন, "যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই"।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,০৫৮.
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) ১০টি মৌলিক কনভেনশন অনুমোদনকারী প্রথম দক্ষিণ এশীয় দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. বাংলাদেশ
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন অনুমোদনকারী:
- গত ২২ অক্টোবর, ২০২৫ আইএলওর তিন কনভেনশন অনুসমর্থন করে বাংলাদেশ, যার দুটি মৌলিক কনভেনশন। 
- কনভেনশনগুলো হলো পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কনভেনশন, ১৯৮১ (নং-১৫৫); কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার মান উন্নয়নে প্রচারণামূলক কাঠামো কনভেনশন, ২০০৬ (নং-১৮৭) এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধ বিষয়ক কনভেনশন, ২০১৯ (নং-১৯০)। 
- কনভেনশন তিনটির মধ্যে কনভেনশন ১৮৭ ও কনভেনশন ১৫৫ আইএলও'র মৌলিক কনভেনশন।
- এর মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে আইএলওর ১০টি মৌলিক কনভেনশন অনুমোদন করেছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১০,০৫৯.
বাজেটে সামগ্রিক আয় (রাজস্ব ও অনুদানসহ) -
  1. ক) ৪,১১,৯৭৮ কোটি টাকা
  2. খ) ৩,৯১,৯৭৮ কোটি টাকা
  3. গ) ৩,৪১,৯৭৮ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৩,৮১,৯৭৮ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০
১০,০৬০.
ইলবার্ট বিল প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড রিপন
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা

ইলবার্ট বিল: 
- ইলবার্ট বিল ১৮৮৩ সালে লর্ড রিপনের শাসনামলে উত্থাপিত হয়।
- তিনি ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় হিসেবে উদারপন্থী চিন্তাধারার জন্য পরিচিত ছিলেন।
- ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয়দের বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করে বিচার বিভাগে সমতা আনয়নের উদ্দেশ্যে এই বিলটি উত্থাপন করা হয়।
- বিলটি উত্থাপন করেন লর্ড রিপনের আইনমন্ত্রী সি. পি. ইলবার্ট। তবে বিলটি ইউরোপীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়, যারা ভারতীয় বিচারকদের অধীনে বিচার হতে রাজি ছিল না।
- অবশেষে ইউরোপীয়দের চাপে লর্ড রিপন বিলটি সংশোধন করে জুরি ব্যবস্থার শর্তে পাস করেন।
- এই বিতর্ক ভারতীয় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি করে এবং জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ভিত গড়ে তোলে।
- পরবর্তীতে এটি ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন (১৮৮৩) ও ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস (১৮৮৫) প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১০,০৬১.
নজরুল ইনস্টিটিউট কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. সমাজকল্যান মন্ত্রণালয়
  3. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. তথ্য ও সমপ্রচার মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
নজরুল ইনস্টিটিউট সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় অধীন।
নজরুল ইনস্টিটিউট:
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারি।
- এর সদর দপ্তর: ঢাকার ধানমন্ডির কবি ভবনে।

উদ্দেশ্য
- সংগীত ও অন্যান্য সাহিত্যকর্ম দেশ ও বিদেশ হতে সংগ্রহ,
- সংকলন, সংরক্ষণ এবং প্রকাশ করা।
- সকল সাহিত্যকর্ম অনুশীলনে উৎসাহিত করা।
- সাহিত্যকর্মের উপর গবেষণা, প্রকাশনা এবং প্রচারণার ব্যবস্থা গ্রহণ।
- সাহিত্য ও অন্যান্য ক্ষেত্রে কবির অবদান সম্পর্কে সম্মেলন।
- সংগীত ও সাহিত্য সম্পর্কিত পুস্তক রেকর্ড।
- টেপ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য লাইব্রেরি, আর্কাইভ প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: নজরুল ইনস্টিটিউট।
১০,০৬২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১৩৭
  2. ১৩৮
  3. ১৩৯
  4. ১৪০
ব্যাখ্যা

সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানে সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত ৫ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

১৪০ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
-  (১) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের দায়িত্ব হবে,
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদেরকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনা,
(খ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোনো বিষয় সম্পর্কে কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হলে কিংবা কমিশনের দায়িত্ব- সংক্রান্ত কোনো বিষয় কমিশনের নিকট প্রেরণ করা হলে সেই সম্বন্ধে রাষ্ট্রপতিকে উপদেশদান; এবং
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্বপালন।

(২) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোনো আইন এবং কোনো কমিশনের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কোন প্রবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমূহে কোনো কমিশনের সহিত পরামর্শ করবেন :
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মের জন্য যোগ্যতা ও তাতে নিয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিষয়াদি;
(খ) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদান, উক্ত কর্মের এক শাখা হতে অন্য শাখায় পদোন্নতিদান ও বদলিকরণ এবং অনুরূপ নিয়োগদান, পদোন্নতিদান বা বদলিকরণের জন্য প্রার্থীর উপযোগিতা-নির্ণয় সম্পর্কে অনুসরণীয় নীতিসমূহ;
(গ) অবসর-ভাতার অধিকারসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মের শর্তাবলীকে প্রভাবিত করে, এইরূপ বিষয়াদি; এবং
(ঘ) প্রজাতন্ত্রের কর্মের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি।

এছাড়া,
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা,
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ এবং
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,০৬৩.
সিপাহি বিদ্রোহের সূত্রপাত কোথায় হয়েছিল? 
  1. কানপুর
  2. ব্যারাকপুর
  3. মিরাট
  4. লখনৌ
ব্যাখ্যা

• সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০,০৬৪.
যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০০ জনের অধিক লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে বলা হয় -
  1. ক) বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল 
  2. খ) পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল
  3. গ) নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল
  4. ঘ) প্রায় জনহীন অঞ্চল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০০ জনের অধিক লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল বলে।

• জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে পৃথিবীকে চারটি অঞ্চলে ভাগ করা যেতে পারে। যথা-
১. নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল 
২. পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল 
৩. বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল এবং
৪. প্রায় জনহীন অঞ্চল।

১. নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল: পৃথিবীর যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটারে
১০০ জনের অধিক লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে নিবিড় জনসংখ্যা অঞ্চল বলে। মোনাকো, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ,বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, চীন, জাপান, বাহরাইন, মাল্টা, বারমুডা, জার্মানি প্রভৃতি দেশ নিবিড় জনসংখ্যা অধ্যুষিত।

২.পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল: পৃথিবীর যে সকল দেশ বা অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৫০-১০০ জন লোক বাস করে সেসব অঞ্চলকে পরিমিত জনসংখ্যা অঞ্চল বলে। যেমন-মিশর, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক কেনিয়া, মেক্সিকো, ইরাক, ইরান প্রভৃতি।

৩. বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল: কোনো দেশ বা অঞ্চলে যদি প্রতি বর্গকিলোমিটারে
২-৫০ জন লোক বাস করে তবে তাকে বিরল জনসংখ্যা অঞ্চল বলে। যেমন- দক্ষিণ আফ্রিকা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, আইসল্যান্ড, সৌদি আরব, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকার প্রেইরি প্রভৃতি।

৪. প্রায় জনহীন অঞ্চল: প্রায় জনহীন অঞ্চলে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় একজনের কম লোক বাস করে। এসব এলাকা অত্যন্ত দুর্গম এবং মানুষ বসবাসের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। সাহারা ও কালাহারি মরুভ‚মি, আমাজান উপত্যকা, হিমালয়, রকি ও আন্দিজ পর্বতমালা এ ধরনের অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

সুত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,০৬৫.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'স্নো হোয়াইট' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. ভুট্টা
  3. গম
  4. ফুলকপি
ব্যাখ্যা

• ফুলকপি ফসলের উন্নত জাত এর নামঃ স্নো হোয়াইট।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠানঃ লাল তীর সীড কোম্পানী
- জীবনকালঃ ৪০-৪৫ দিন দিন।

এ জাতের এর বৈশিষ্টঃ
১। উচ্চফলনশীল, তাপ ও আদ্রতা সহনশীল আগাম জাত।
২। খেতে মোলায়েম ও সুস্বাদু।
৩। উজ্জল সাদা রঙের ও টাইট।

এছাড়া ও
• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত: বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।
• উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: বলাকা, কাঞ্চন, দোয়েল, আকবর, সোনালিকা, সৌরভ, গৌরব, অঘ্রাণী প্রভৃতি।

উৎস: কৃষি তথ্য বাতায়ন।

১০,০৬৬.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. আখতার হামিদ খান
  2. আলতাফ হামিদ খান
  3. আব্দুল্লাহ হামিদ খান
  4. আব্দুল লতিফ খান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড):
- কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে অবস্থিত বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
- ডঃ আখতার হামিদ খান একজন উন্নয়ন কর্মী এবং সমাজ বিজ্ঞানী হিসাবে পরিচিত ছিলেন।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৯ সালের ২৭ মে।
-  মহাপরিচালক বার্ডের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা।
- বার্ড  ৯ টি অনুষদে বিভক্ত এবং প্রতিটি অনুষদ পরিচালিত হয় একজন পরিচালকের অধীনে।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- বার্ড ক্যাম্পাসে রয়েছে ৫ টি হোস্টেল, ৪ টি কনফারেন্স কক্ষ, ২ টি ক্যাফেটারিয়া, ১ টি মসজিদ, ১ টি গ্রন্থাগার ও ১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
- এটি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

উল্লেখ্য,
- পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।
- পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য বার্ড জাতীয় পল্লী উন্নয়ন পদক-২০১৩ অর্জন করে
- এছাড়া ২০২২ সালে বার্ড আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২ পাওয়ার গৌরব অর্জন করে।

উৎস: বার্ড ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১০,০৬৭.
কোন আমল থেকে সমগ্র বাংলাদেশের অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে?
  1. পাল আমল
  2. গুপ্ত আমল
  3. ইলিয়াস শাহী আমল
  4. হোসেন শাহী আমল
ব্যাখ্যা
ইলিয়াস শাহী আমল: 
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্র করতে পারেননি।
- তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ স্থানীয় জনগণের মন জয় করার জন্য উদারনৈতিক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁরা জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে সবাইকে শাসনকার্যে ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করেন।
- তাঁরা দেশীয় ভাষা ও সাহিত্যের সমাদর এবং দেশীয় কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- তাঁদের উদার নীতির ফলে বাংলাদেশে সামাজিক জীবনে এক নতুন ধারার সৃষ্টি হয়েছিল।
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ আরবদেশ, চীন ও পারস্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।
- ইলিয়াস শাহী আমলে বাংলার কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,০৬৮.
প্রাচীন জনপদ সমতটের প্রধান কেন্দ্র কোনটি ছিল?
  1. পুন্ড্রনগর
  2. ত্রিপুরা
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. বড় কামতা
ব্যাখ্যা
সমতটঃ

⇒ পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
⇒ প্রাচীন বঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের নতুন নামের আর একটি বিশাল রাজ্য। মধ্যবাংলার কিছু অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
⇒ রাজ্য রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল কর্মান্ত বা ত্রিপুরা (কুমিল্লা) জেলার ময়নামতির অদূরে বড় কামতা।
⇒ হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।
⇒ হিউয়েন সাঙ বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,০৬৯.
গারো পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ময়মনসিংহ
  3. কক্সবাজার
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
• গারো পাহাড়:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু এবং বৃহত্তম পাহাড় ময়মনসিংহের গারো পাহাড়।
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর  দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।
- গারো পাহাড় মূলত ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারোখাসি পাহাড়শ্রেণীর অন্তর্গত, মেঘালয়ের রাজধানী শিলং এখানে অবস্থিত। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
১০,০৭০.
কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সরকারের এ বহুবিধ কার্য মূলত তিনটি বিভাগের মাধ্যমে সম্পাদন করে ।
- আইন বিভাগ,   
- বিচার বিভাগ, 
- শাসন বিভাগ,  

আইনসভা:
- আইনসভা জনপ্রতিনিধিত্বমূলক সংস্থা হিসেবে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে। জনপ্রতিনিধিরা আইনসভায় জনগণের অভাব অভিযোগ তুলে ধরে।
- আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ বা আইন বিভাগ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ (House of the Nation)।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।

সূত্র: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০,০৭১.
জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  2. আবদুর রহমান বিশ্বাস
  3. শাহাবুদ্দীন আহমেদ
  4. জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

→ জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন জিয়াউর রহমান।

১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- ১৯৭৮ সালের ৩ জুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটিই ছিল রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন।
- সরাসরি ভোটের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন জিয়াউর রহমান৷
- তিনি জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের ব্যানারে অংশ নিয়ে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
- তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এমএজি ওসমানী।
- তিনি ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও যুগান্তর পত্রিকার রিপোর্ট।

১০,০৭২.
আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় -
  1. ক) ঐতিহাসিক ২১ দফায়
  2. খ) ঐতিহাসিক ৬ দফায়
  3. গ) পাকিস্তানের ১ম সংবিধানে
  4. ঘ) পাকিস্তানের ২য় সংবিধানে
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয়। 
- এ সংবিধানের মাধ্যমে পাকিস্তান ইসলামী প্রজাতন্ত্র নাম ধারণ করে। 
- পশ্চিমাঞ্চলের প্রদেশগুলোকে একত্রিত করে পশ্চিম পাকিস্তান এবং পূর্ব বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তান নাম দেয়া হয়। 
- সংবিধানে দুই প্রদেশের পূর্ণ আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন এবং সকল বিষয়ে সংখ্যাসাম্য নীতি স্বীকৃত হয়। 
- বাংলা এবং উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়

সূত্র: ইতিহাস, ওপেন স্কুল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,০৭৩.
কোনটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক চলচ্চিত্র?
  1. দুঃসম‌য়ের বন্ধু
  2. গে‌রিলা
  3. জীবন থে‌কে নেয়া
  4. পা‌য়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- জীবন থে‌কে নেয়া।
- Let there be light. 
- নির্মাতা: জহির রায়হান।

উপন্যাস: 
- আরেক ফাল্গুন: জহির রায়হান।
- আর্তনাদ: শওকত ওসমান।
- নিরন্তর ঘন্টাধ্ব‌নি :সেলিনা হো‌সেন।

গল্প ও ছোটগল্প :
- একুশের গল্প: জহির রায়হান।
- মৌন নয়: শওকত ওসমান।
- পণ্ডশ্রম: আবু ইসহাক।

উল্লেখ্য, 
- গে‌রিলা :না‌সির উদ্দীন ইউসুফ, মু‌ক্তিযুদ্ধ‌ভি‌ত্তিক চলচ্চিত্র।
- পা‌য়ের আওয়াজ পাওয়া যায়: সৈয়দ শামসুল হক,মু‌ক্তিযুদ্ধ‌ভি‌ত্তিক নাটক।
- দুঃসম‌য়ের বন্ধু : শাহ‌রিয়ার ক‌বির, প্রামান্য চিত্র, মু‌ক্তিযুদ্ধ‌ভি‌ত্তিক।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
১০,০৭৪.
বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য কতটি দাবি উপস্থাপন করেন?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সামরিক সরকার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করায় পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়।
- সারা দেশে নানারকম উদ্বেগ, উত্তেজনার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল জাতির জন্য সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ আহূত জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য বঙ্গবন্ধু চারটি দাবি তাঁর ভাষণে উপস্থাপন করেন। এগুলো হলো- 
১। চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার
২। সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া
৩। গণহত্যার তদন্ত করা এবং 
৪। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। 
এর বাইরে আরও কিছু দাবি বঙ্গবন্ধু করেন। তিনি বাংলাদেশের সকল অফিস-আদালত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন।
- এ সমাবেশে স্বাধীনতা ঘোষণা করলে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালানো হবে বলে বঙ্গবন্ধু কৌশলে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। 
- তাঁর এ ভাষণ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ‘বজ্রকণ্ঠ’ নামে প্রচারিত হয়, যা বাঙালিকে স্বাধীনতা সংগ্রামে অনুপ্রাণিত করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,০৭৫.
'কর্নওয়ালিস কোড' চালু হয় কবে?
  1. ১৭৯৩ সালে
  2. ১৮০৫ সালে
  3. ১৭৯০ সালে
  4. ১৮৩৩ সালে
ব্যাখ্যা
• কর্নওয়ালিস কোড
- কর্নওয়ালিস কোড  ১৭৯৩ সালে ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ৪৮টি রেগুলেশন বা আইন জারি করেন।
- উক্ত রেগুলেশন সাধারণভাবে কর্নওয়ালিস কোড নামে পরিচিত।
- কর্নওয়ালিস কোডের কয়েকটি উৎস হলো ১৭৭২ হতে ১৭৯০ সাল পর্যন্ত জারিকৃত রেগুলেশন ও আদেশ, হিন্দু ও মুসলিম আইন, প্রথা-প্রতিষ্ঠান, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত সংক্রান্ত বিধিমালা এবং ব্রিটিশ আইন।
- কর্নওয়ালিস কোডের লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রের উপযোগী একটি প্রাতিষ্ঠানিক আইনবিধান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রবর্তন।
- ১৭৯৩ সালের ১ মে কর্নওয়ালিস তাঁর কোড ঘোষণা করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,০৭৬.
তরমুজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
তরমুজ
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা বিভাগ (১,৬১,৩৩১ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা জেলা (১,৪৪,০১০ মে.টন)

আনারস
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৭৯১ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - টাঙ্গাইল জেলা (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।

লিচু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১
১০,০৭৭.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. মজিদ শিক্ষা কমিশন
  2. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  3. কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
  4. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

• কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১০,০৭৮.
'সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক' বাংলাদেশের কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. ক) টেকনাফ
  2. খ) মহেশখালী
  3. গ) কুতুবদিয়া
  4. ঘ) পেকুয়া
ব্যাখ্যা
সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে টেকনাফ উপজেলার সাগর তীরে অবস্থিত।
যেখানে মােট জমির পরিমান ১০৪১ একর।
পাহাড় ও সাগরের বৈচিত্রময় দৃশ্য, সুদীর্ঘ বালুকাময় সৈকত এ স্থানকে সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে পরিণত করেছে ।
সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক হবে বাংলাদেশের ট্যুরিজমের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান ও বিনােদনের কাঙ্ক্ষিত স্থান।
সাবরাং ট্যুরিজম পার্কটি সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের ট্যুরিজম খাতে এক নতুন দিগন্ত উম্মােচন হবে এবং
প্রত্যক্ষ ও পরােক্ষভাবে প্রায় ৭০,০০০ লােকের কর্মসংস্থানের সুযােগ সৃষ্টি হবে। 
উৎস : https://www.beza.gov.bd/
১০,০৭৯.
নিচের কোনটিকে 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়?
  1. চিংড়ি মাছকে
  2. ইলিশ মাছকে
  3. প্লাটিনামকে
  4. রৌপ্যকে
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে.
- তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- চিংড়ি খাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে।

উৎস: ১৬ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
১০,০৮০.
ঐতিহাসিক ছয় দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ক) বিল অব রাইটস
  2. খ) ম্যাগনাকার্টা
  3. গ) পিটিশন অব রাইটস
  4. ঘ) মুখ্য আইন
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
–পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ থেকে পূর্ব বংলার জনগণকে মুক্ত করার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- এই কর্মসূচীকে বাংলার জনগণ ম্যাগনাকার্টা হিসেবে গ্রহণ করে।
- স্বয়ং বঙ্গবন্ধু ছয় দফাকে পূর্ব পাকিস্তানের বাঁচার দাবি বলে অবিহিত করেছেন।

দফা নিম্নরুপ: 
১. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি
হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আইনসভাগুলো
হবে সার্বভৌম।
২. শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট ক্ষমতা থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
৩. দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে। অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই
দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।
৪. আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ
কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে।
৫. দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসেব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা
সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে।
৬. অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (SSC Programme ) বাংলাদেশ ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,০৮১.
During the Liberation War, Comilla was under which sector?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা
সেক্টর ও সাব সেক্টরসমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ১১টি সেক্টরের অধিনে ৬টি সাবসেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে ১নং সেক্টর গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম। 
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে ২নং সেক্টর গঠিত ছিল। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে ৩নং সেক্টর গঠিত হয়।
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে ৪নং সেক্টর গঠিত।
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে ৫নং সেক্টর গঠিত।
- ৬ নং সেক্টর  সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত।
- ৭ নং সেক্টর  রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- ১০ নং সেক্টর  নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- ১১ নং সেক্টর  টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১০,০৮২.
বাংলাদেশের জিডিপি নির্ণয়ে বৃহৎ খাত-
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জিডিপি নির্ণয়ে বৃহৎ খাত ৩টি।
• এগুলো হলোঃ
- কৃষি,
- শিল্প ও
- সেবা৷
• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.১১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৪৮ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৩২ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

১০,০৮৩.
বিদ্যুতের গ্রাহক সেবায় হটলাইন চালুকৃত হটলাইন নাম্বার নিচের কোনটি?
  1. ১৬৬৯৯
  2. ১৬৬৬৯
  3. ১৬৯৯৯
  4. ১৯৬৬৬
ব্যাখ্যা
বিদ্যুতের গ্রাহক সেবায় হটলাইন:
- বিদ্যুৎ সেক্টরের সমন্বিত গ্রাহক সেবার লক্ষ্যে হটলাইন ১৬৯৯৯ চালু করা হয়েছে।
- এখন থেকে বাংলাদেশের সব বিদ্যুৎ গ্রাহক সরাসরি হটলাইন নম্বর ১৬৯৯৯, অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপ এবং চ্যাট বট- এ তিন উপায়ে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যাবতীয় গ্রাহক সেবা নিতে পারবেন।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
- ২৪ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সেবার উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
- বিদ্যুৎ খাতের ৬টি বিতরণ সংস্থা বা কোম্পানির বিপিডিবি, আরইবি, ডেসকো, ডিপিডিসি, ওজোপাডিকো এবং নেসকো গ্রাহকরা এ সেবা পাবেন।

উৎস: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
১০,০৮৪.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের খেতাব “বীরবিক্রম” কতজনকে দেয়া হয়?
  1. ক) ৬৮ জন
  2. খ) ৮ জন
  3. গ) ১৭৫ জন
  4. ঘ) ১৬৯ জন
ব্যাখ্যা
১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জন বীর উত্তম, ১৭৫ জন বীর বিক্রম এবং ৪২৬ জন কে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়েছিল। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১০,০৮৫.
কার পৃষ্ঠোপাষকতায় 'নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়' জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠে?
  1. ক) দেবপাল
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) বিগ্রহ পাল
  4. ঘ) নারায়ণপাল
ব্যাখ্যা

ভারতের বিহারে অবস্থিত নালন্দা মহাবিহার প্রাচীন ভারতের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র। এটিকে পৃথিবীর প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় বিবেচনা করা হয়।
বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ শীলভদ্রের নিকট শিক্ষা লাভ করেন।
বাংলার পাল রাজগণ নালন্দার প্রতি তাদের পৃষ্ঠপোষকতা অব্যাহত রাখেন। এটি পরিচালনার ক্ষেত্রে ধর্মপাল বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, ভিক্ষুদের বসবাসের জন্য আরেক পাল রাজা 'দেবপাল' বৌদ্ধ মঠ নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১০,০৮৬.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করেছে?
  1. ১৩২ তম
  2. ১৩৪ তম
  3.  ১৩৬ তম
  4.  ১৩৭ তম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬-তম সদস্য রাষ্ট্র। 

- জাতিসংঘ  বিশ্বের স্বাধীন জাতিসমূহের সংগঠন।
- ১৯৪৫ সালে ৫১টি রাষ্ট্র কর্তৃক এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতিসংঘ একটি বহুপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে এবং এর সদস্য রাষ্ট্রসমূহের অধিকার এবং বাধ্যবাধকতা এর সনদে অর্ন্তভূক্ত রয়েছে।
- জাতিসংঘ মূলত একটি রাজনৈতিক আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন এবং এটি অধি-রাষ্ট্রীক (supra-national) বা কোনো বিশ্ব সরকার নয়।
- বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘ বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের সম্পর্কের সূচনা হয় ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ  শুধু একটি মুক্তিআন্দোলন নয়, এটি একটি মৌলিক মানবাধিকার দলনের বিরুদ্ধে আন্দোলন।
- বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬ তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।

উৎস: জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ অধ্যায়, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০,০৮৭.
বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার কারন- 
  1. মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো
  2. রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ওভারটেক করা 
  3. অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালক 
  4. বর্ণিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

- বর্ণিত সবগুলো 

সড়ক দুর্ঘটনার কারণ: 

- বাংলাদেশের শহরে গাড়ির সংখ্যা যে হারে বেড়েছে সে হারে দক্ষ চালক তৈরি হয়নি।
- অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালককে দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
- গাড়ি চালানোর জন্য যে সকল আইন ও নিয়মনীতি রয়েছে তাও অধিকাংশ গাড়ি চালকরা জানেন না।
- এ কারণে তারা কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশে অনেকেই কম বেতনে সনদবিহীন চালক নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এসব চালক অধিকাংশই তরুণ যারা রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় অন্য গাড়িকে ওভারটেক করে এবং বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এ কারণেও প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,০৮৮.
নিচের কোনটি খাসিয়া সম্প্রদায়ের ঐহিত্যবাহী উৎসব?
  1. ক) সাড সুক মেনসিম
  2. খ) কারাম
  3. গ) চিয়াসৎপয়
  4. ঘ) সোহরাই
ব্যাখ্যা
- সাড সুক মেনসিম খাসিয়া জনগোষ্ঠীর ঐহিত্যবাহী উৎসব।
- সাড সুক মেনসিম অর্থ হৃদয়ের আনন্দ নৃত্য। এটি মূলত নাচ উৎসব। সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধির জন্যে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে সাড সুক মেনসিম উৎসব পালন করা হয়।
অন্যদিকে,
- কারাম : ওরাঁও জনগোষ্ঠীর উৎসব।
- সোহরাই : সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর উৎসব
- চিয়াসৎপয় (গো হত্যা) : মুরংদের উৎসব।
(তথ্যসূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১০,০৮৯.
"এসএমই নীতিমালা" কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ২০১৭
  2. খ) ২০১৯
  3. গ) ২০১৫
  4. ঘ) ২০২১
ব্যাখ্যা
- ২০১৯ সালে "এসএমই নীতিমালা ২০১৯" প্রণীত হয়। 
- দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত সুরক্ষার মাধ্যমে সুষম উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬ এ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতকে শিল্প উন্নয়নের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ঘোষণা করেছে। 
- দেশের ও বৈশ্বিক বিভিন্ন নীতি ও পরিকল্পনা দলিল যেমনঃ জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬, সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, রূপকল্প ২০২১, ২০২৪ সাল নাগাদ সফলভাবে এলডিসি উত্তরণ, এসডিজি ২০৩০ এবং রূপকল্প ২০৪১-এ প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা অর্জনে এসএমই খাতের উন্নয়ন সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
 
এসএমই নীতিমালা ২০১৯ 
রূপকল্প (ভিশন)
এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

অভিলক্ষ্য (মিশন)
দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যবসা পরিবেশ উন্নয়ন, সুলভ অর্থায়ন, বাজার সুবিধা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনগত সামর্থ্য বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এসএমই খাতকে শক্তিশালীকরণ।

লক্ষ্য
সরকারের উন্নয়ন রূপকল্পসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৪ এর মধ্যে জাতীয় আয়ে (জিডিপি) এসএমই খাতের অবদান বিদ্যমান ২৫ শতাংশ থেকে ৩২ শতাংশে উন্নীতকরণ।
 
উৎস: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) এর ওয়েবসাইট
১০,০৯০.
বর্তমানে দেশের চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. প্রায় ৮৪%
  2. প্রায় ৮৮%
  3. প্রায় ৯২%
  4. প্রায় ৯৮%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প:
- বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প যাত্রা শুরু করে ১৯৫০-এর দশকে।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর এটি আরও বৃদ্ধি পায়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের ২০ শতাংশ চাহিদা মাত্র পূরণ করতে পারতো, বাকি ৮০ শতাংশ আমদানি করা হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়
- দেশে বর্তমানে ২৮৪টি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি নিবন্ধিত, যার মধ্যে ২২৯টি সক্রিয়ভাবে উৎপাদনে রয়েছে।
- এ বাজারের প্রায় ৭১ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি।
- এর মধ্যে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ইনসেপ্টা, বেক্সিমকো, রেনাটা, অপসনিন, এসকেয়ার, হেলথকেয়ার অন্যতম। বড় কোম্পানিগুলো আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণায় বিনিয়োগ এবং বিস্তৃত বিতরণ কাঠামোর মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে।

⇒ বাংলাদেশে ১৯৮২ সালে ড্রাগ অর্ডিন্যান্স জারি হওয়ার পর প্রথম বারের মতো ঔষধ বা ফার্মাসিউটিক্যালসকে ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
-  এতে বহুজাতিক কোম্পানির একচেটিয়া দাপট কমে আসে, গুণগত মান ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের মাধ্যমে দেশীয় কোম্পানিগুলো ধীরে ধীরে আস্থা অর্জন করতে থাকে।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৫৭ টিরও বেশি দেশে ঔষধ রপ্তানি করছি।
- বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির শীর্ষ ১০টি গন্তব্য হলো– মিয়ানমার, যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, কেনিয়া, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও নেপাল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, ২০১০ সালে ওষুধশিল্পের বাজার ছিল প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার, যা ২০২৪ সালে পৌঁছেছে সাড়ে ৪২ হাজার কোটিতে, ইউএস ডলারে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন। গত এক দশকে এই খাতের গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১০-১৪ শতাংশ।

উৎস: i) MedEx.
ii) বণিক বার্তা।

১০,০৯১.
বাংলাদেশ কবে ইন্টারপোলের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৪ অক্টোবর ১৯৭২ সাল
  2. ১৪ অক্টোবর ১৯৭৪ সাল
  3. ১৪ অক্টোবর ১৯৭৫ সাল
  4. ১৪ অক্টোবর ১৯৭৬ সাল
ব্যাখ্যা
ইন্টারপোল: 
- ইন্টারপোল একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা।
- পুরো নাম আন্তর্জাতিক অপরাধ পুলিশ সংস্থা বা International Criminal Police Organization.
- ইন্টারপোল বিশ্বকে একটি নিরাপদ স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে সকল দেশের পুলিশকে একসাথে কাজ করতে সহায়তা করে।
- সদস্য দেশ: ১৯৬টি 
- বাংলাদেশের সদস্যপদ লাভ: ১৪ অক্টোবর ১৯৭৬ সাল। 
- প্রতিটি সদস্য দেশ একটি ইন্টারপোল জাতীয় কেন্দ্রীয় ব্যুরো (এনসিবি) পরিচালনা করে।
- এটি তাদের জাতীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অন্যান্য দেশের সাথে এবং জেনারেল সেক্রেটারিয়েটের সাথে আমাদের নিরাপদ বিশ্বব্যাপী পুলিশ যোগাযোগ নেটওয়ার্ক I-24/7 এর মাধ্যমে সংযুক্ত করে।

উৎস: ইন্টারপোল ওয়েবসাইট।
১০,০৯২.
ই-পাসপোর্ট চালুতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় কততম দেশ?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা

ই-পাসপোর্ট:
- মালয়েশিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৯৮ সালে ই-পাসপোর্ট চালু করে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- ই-পাসপোর্ট চালু করায় বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম। 
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর, ডয়েচে ভেলে।

১০,০৯৩.
বাংলায় 'হুসেন শাহি বংশ' নামে এক নতুন বংশের শাসনপর্ব শুরু করেন-
  1. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ 
  2. রুকন উদ্দিন বরবক শাহ 
  3. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  4. শামসুদ্দিন আহমদ শাহ 
ব্যাখ্যা

• হুসেন শাহিবংশ:
- হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে বাংলার সিংহাসনে বসেন সৈয়দ হুসেন।
- সুলতান হয়ে তিনি 'আলাউদ্দিন হুসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- এভাবেই বাংলায় 'হুসেন শাহি বংশ' নামে এক নতুন বংশের শাসনপর্ব শুরু হয়।
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হুসেন শাহি আমল (১৪৯৩-১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দ) ছিল নানা কারণেতাৎপর্যপূর্ণ।
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের প্রধান সুলতান।
- পিতা সৈয়দ আশরাফ-আলহুসাইনি ও ভাই ইউসুফের সাথে তিনি তুর্কিস্তানের তিরমিজ শহর থেকে বাংলায় আসেন এবং রাঢ়ের চাঁদপাড়া গ্রামে প্রথমে বসবাস শুরু করেন।
 - হুসেন শাহ পরে রাজধানী গৌড়ে যান এবং মুজাফফর শাহের অধীনে চাকরি লাভ করেন। পরে তিনি উজির হন।
- এভাবেই তিনি বাংলার ক্ষমতায় আসেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি। 

১০,০৯৪.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিশ' প্রকাশিত পুস্তিকার নাম কী ছিল?
  1. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
  2. বাংলার রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
  3. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
  4. পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা: বাংলা না উর্দু
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
→ তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
→ তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
→ ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
→ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
→ তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলা ভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
→ ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১০,০৯৫.
সংবিধানের কয়টি ভাগ বা অধ্যায় আছে?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,০৯৬.
Bangladesh Street কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. শিকাগো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. লস অ্যাঞ্জেলেস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
  4. হিউস্টন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’:
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকার ৭৩তম স্ট্রিট নতুন করে ‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’ নামে নামকরণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের ৫৩তম স্বাধীনতা দিবসে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- স্বাধীনতা দিবস উদযাপন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্মান জানাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- এই নামকরণ প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরিচয় ও কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দেয়ার একটি মাধ্যম।
- এই উদ্যোগ বাঙালি সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরার একটি প্রতীকী পদক্ষেপ।

উল্লেখ্য, 
- নামকরণের অনুষ্ঠানে কয়েকশ বাংলাদেশি অংশ নেন।
- এবং কুইন্স বরোর কাউন্সিল সদস্য ও সড়ক নামকরণ কমিটির চেয়ারম্যান শেখর কৃষ্ণান আনুষ্ঠানিকভাবে রাস্তার নতুন নামের ফলক উন্মোচন করেন।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, যে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশিরা নিজেদের ভাষা, ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় যে সংগ্রাম ও ত্যাগ স্বীকার করেছে তা বিশ্বের সামনে বাংলাদেশের গৌরব ও মর্যাদা তুলে ধরে।
- এই নামকরণ স্থানীয় জনগণ ও পরবর্তী প্রজন্ম বাংলাদেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথে পরিচিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উৎস:
১. The Business Standard;
২. প্রথম আলো।

১০,০৯৭.
জিডিপিতে কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী কত শতাংশ?
  1. ক) ৩৯.০৬%
  2. খ) ৪০.৬%
  3. গ) ৪৬.০৪%
  4. ঘ) ৩৮.৩৯%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

তথ্যসূত্র:-অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২২।
১০,০৯৮.
বঙ্গভঙ্গের সময় এন্ড্রু ফ্রেজার কোন প্রদেশের গভর্নর ছিলেন?
  1. পূর্ববঙ্গ
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. আসাম
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
এন্ড্রু ফ্রেজার:
- এন্ড্রু ফ্রেজার ১৯০৩ সাল থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর।
- বলা হয় যে, প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে বাংলাকে দুটি প্রদেশে বিভক্তকরণের ধারণার প্রবক্তা ছিলেন মূলত ফ্রেজারই।
- ফ্রেজার বাংলার লেফটেন্যান্ট গভর্নর হওয়ার পূর্বে মধ্য প্রদেশের প্রধান কমিশনার (১৮৯৯) এবং পুলিশ কমিশনের প্রেসিডেন্ট (১৯০২) ছিলেন।
- বঙ্গভঙ্গের সময় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের গভর্নর ছিলেন তিনি। 
- বঙ্গভঙ্গের পরেও তিনি পশ্চিম বাংলার (উড়িষ্যা এবং বিহার) লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন।
- বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনায় জড়িত থাকার কারণে ফ্রেজারকে বঙ্গভঙ্গ বিরোধীরা প্রতিপক্ষ মনে করত। উ
- পনিবেশিক রাষ্ট্রের প্রতি তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে সি.এস.আই উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তিনি একজন সুদক্ষ লেখক ছিলেন।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য দুটি গ্রন্থ হলো Among Indian Rajahs and Ryots (1909) এবং India Under Curzon and After ((1911)। 

উল্লেখ্য,
-  বঙ্গভঙ্গ সাধিত হওয়ার পর (১৯০৫) সৃষ্ট দুটি নতুন প্রদেশ, যথা বেঙ্গল (এর মধ্যে বিহার ও উড়িষ্যা অন্তর্ভুক্ত ছিল) এবং পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশের জন্য দুজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করা হয়।
- ১৯১১ সালের ডিসেম্বর মাসে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হলে বাংলা পুনরায় একত্রে সংযুক্ত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০,০৯৯.
এখন পর্যন্ত (২০২৪) শেখ হাসিনা টানা কতবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন?
  1. ৩ বার
  2. ৪ বার
  3. ৫ বার
  4. ৬ বার
ব্যাখ্যা
শেখ হাসিনা:
 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৫ সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ শেখ হাসিনা।
- গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ছাত্রজীবন থেকেই শেখ হাসিনা সকল গণআন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
- শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোটবোন শেখ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান।
- ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ডে থেকে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
- ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষ করে অবশেষে তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।
- তিনি এখন পর্যন্ত (২০২৪) ৫ বার প্রধানমন্ত্রী ও ৮ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- এখন পর্যন্ত (২০২৪) শেখ হাসিনা টানা ৪ বার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
 
তথ্যসূত্র - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও দৈনিক যুগান্তর।
১০,১০০.
মেজর খালেদ মোশাররফ মুক্তিযুদ্ধে কয় নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ২ নং সেক্টর
  2. খ) ৮ নং সেক্টর
  3. গ) ৭ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৫ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সা-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- মেজর খালেদ মোশাররফ ও মেজর এটিএম হায়দার ছিলেন ২ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।

অন্যদিকে--
- মুক্তিযুুদ্ধের ৮ নং সেক্টরে সেক্টর কামান্ডার ছিলেন - মেজর আবু ওসমান ও এম এ মঞ্জর।
- মেজর নাজমুল হক ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান ছিলেন ৭ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।
- মেজর মীর শওকত আলী  ছিলেন ৫ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।

 তথ্যসূত্র:  ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।