বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০ / ৩০৬ · ৯০১১,০০০ / ৩০,৮৩২

৯০১.
Mapped in Bangladesh (MiB) ওয়েবসাইটটি বাংলাদেশের কোন শিল্পকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে?
  1. তৈরি পোশাক শিল্প
  2. ওষুধ শিল্প
  3. সিমেন্ট শিল্প
  4. পর্যটন শিল্প
ব্যাখ্যা
Mapped in Bangladesh (MiB): 
- বাংলাদেশে ম্যাপড ইন বাংলাদেশ (MiB) হল বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী আরএমজি শিল্পের সর্বপ্রথম ব্যাপক প্রাথমিক তথ্য ভান্ডার।
- MiB একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল যা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী করতে তথ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করে।
- এটি উদ্যোগ যা স্বচ্ছতা এবং ট্রেসেবিলিটির মাধ্যমে শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন এবং কাজের পরিবেশের উন্নতি সাধনে বিশ্বাস করে।
- MiB একটি বহুপক্ষীয় Project Advisory Committee (PAC) দ্বারা পরিচালিত, যেখানে ব্র্যান্ড, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, শিল্প সমিতি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত।
- MiB বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।
- MiB নিয়মিতভাবে তথ্য হালনাগাদ করার জন্য ক্রাউডসোর্সিং পদ্ধতি ব্যবহার করে।

উৎস: Mapped in Bangladesh (MiB) ওয়েবসাইট।
৯০২.
'বাহার' কিসের উন্নত জাতের নাম?
  1. ক) কলা
  2. খ) বাঁধাকপি
  3. গ) বেগুন
  4. ঘ) টমেটো
ব্যাখ্যা

- উন্নত জাতের টমেটো হল - মিন্টু , বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর ইত্যাদি উন্নত জাতের টমেটো।
- অগ্নিশ্বর, কানাইবাশি, মোহনবাঁশি, বীটজবা ইত্যাদি উন্নত জাতের কলার নাম।
- শুকতারা হলো উন্নত জাতের বেগুন।
- গোল্ডেন ক্রস উন্নত জাতের বাঁধাকপি।

তথ্যসূত্র:- ais.gov.bd।

৯০৩.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না?
  1. ক) ৮ নং সেক্টর
  2. খ) ৯ নং সেক্টর
  3. গ) ১০ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের জুলাই মাসে ‍মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
এর মধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্র অঞ্চল ও নদীপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯০৪.
দানা জাতীয় ফসলের মধ্যে বাংলাদেশে কোনটির উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. সরিষা
ব্যাখ্যা
দানা জাতীয় ফসলের উৎপাদন:
⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
• দেশের ২৮৮.২০ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪০৬.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে আউশ ধান উৎপন্ন হয় ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ধান উৎপন্ন হয় ১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ধান উৎপন্ন হয় ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন। 
• দেশের ৭.৭০ লক্ষ একর জমিতে মোট ১১.৭২ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপন্ন হয়।
• দেশের ১২.৭২ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪৮.৭৬ লক্ষ মেট্রিক টন ভুট্টা উৎপন্ন হয়। 
• দেশের ১১.৪৪ লক্ষ একর জমিতে মোট ৬.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন সরিষা উৎপন্ন হয়। 
  
- অর্থাৎ, দানা জাতীয় ফসলের মধ্যে বাংলাদেশে ধানের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
৯০৫.
‘প্রাথমিক শিক্ষার উপবৃত্তি প্রকল্প’ -এর অধীনে শতকরা কত ভাগ ছাত্র/ছাত্রীকে উপবৃত্তি দেয়া হয়?
  1. ৩০%
  2. ৩৫%
  3. ৪০%
  4. এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি তৎকালীন সময়ের। সে সময় ৪০% শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পেত।]

প্রাথমিকে উপবৃত্তি:
- প্রাথমিক শিক্ষার বিস্তার ও মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯৩ সালে শিক্ষার জন্য খাদ্য কর্মসূচি এবং ১৯৯৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্প চালু করা হয়।
- ২০০২ সালে দুটি কর্মসূচিকে একীভূত করে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প চালু করে সরকার।
- উপবৃত্তি প্রকল্পের সুফল বিবেচনায় ২০০৮ সালে পুনরায় প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প (২য় পর্যায়) গ্রহণ করা হয়।
- এ প্রকল্পে তৃতীয় পর্যায়ে সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীর লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি ৩০ লক্ষ নির্ধারণ করা হয়।
- পরবর্তীতে দুই দফায় প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯০৬.
মুজিব শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ১০ দিনের অনুষ্ঠান 'মুজিব চিরন্তন'-এর সময়কাল -
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি - ০২ মার্চ
  2. ১৭ মার্চ - ২৬ মার্চ
  3. ২৬ মার্চ - ০৪ এপ্রিল
  4. ১০ এপ্রিল - ১৯ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
মুজিব চিরন্তন:
- বাঙালি জাতির মুক্তি ও স্বাধীনতার অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মগ্রহণ করেন ১৭ই মার্চ ১৯২০ সালে।
- সে অনুযায়ী ২০২০ সাল সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে দেশে-বিদেশে তার জন্মশতবার্ষিকী আয়োজনের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ২০২১ সালে ১৭-২৬ মার্চ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে।
- এ অনুষ্ঠানে দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও অংশ নেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ।
- আয়োজিত এই ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মূল থিম ছিল 'মুজিব চিরন্তন'।
- এছাড়া প্রতিদিন বিভিন্ন থিমে ছিল আলোচনা অনুষ্ঠান।

উৎস: ১৭ মার্চ, ২০২১, প্রথম আলো।
৯০৭.
কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক ছিলেন -
  1. বল্লাল সেন
  2. কেশব সেন
  3. হেমন্ত সেন
  4. বিজয় সেন
ব্যাখ্যা

কৌলিন্য প্রথা ও বল্লাল সেন:
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যায় যে, কৌলিন্য প্রথার সাথে বল্লাল সেনের সম্পর্কের তেমন কোনো যুক্তিযুক্ত ভিত্তি নেই।
- বাংলাদেশে কৌলিন্য প্রথার বহুল প্রচলন দেখা যায় আঠারো ও উনিশ শতকে।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে 'অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০৮.
কত তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিবপিডিয়ার মোড়ক উন্মোচন করেন?
  1. ক) ৯ জুলাই, ২০২৩
  2. খ) ১০ জুলাই, ২০২৩
  3. গ) ১১ জুলাই, ২০২৩
  4. ঘ) ১২ জুলাই, ২০২৩
ব্যাখ্যা
মুজিবপিডিয়াl:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জ্ঞানকোষ ‘মুজিবপিডিয়ার’ মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এতে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক ও কর্মময় জীবন এবং তাঁর সুদীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঠিক তথ্য-উপাত্ত রয়েছে।
- মুজিবপিডিয়ার অন্তর্ভুক্ত বঙ্গবন্ধু পরিবার সংক্রান্ত ভুক্তিগুলো সংশোধন ও সম্পাদনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই। 
- ১০ জুলাই, ২০২৩ তারিখে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ সময় মুজিবপিডিয়ার প্রধান সম্পাদক কামাল চৌধুরী, সম্পাদক ফরিদ কবির, নির্বাহী সম্পাদক আবু মো. দেলোয়ার হোসেন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বইটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান দি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন। 

উৎস: ১০ জুলাই ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৯০৯.
নিচের কোনটি পরোক্ষ কর?
  1. আয়কর
  2. বাড়ি কর
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. দান কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর- পরোক্ষ কর।
কর:
- কর হলো একটি বাধ্যতামূলক আর্থিক পরিশোধ, যা সরকার জনগণ ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ব্যয় করে। 
• কর প্রধানত দুই প্রকার:

প্রত্যক্ষ কর :
- এই কর সরাসরি ব্যক্তির আয়, সম্পদ বা অন্যান্য আর্থিক উপার্জনের উপর আরোপিত হয়। 
যেমন:
• আয়কর ,
• সম্পত্তি কর ,
• সম্পত্তি লাভ কর,

পরোক্ষ কর :
- এই কর পণ্য ও সেবার উপর আরোপিত হয় এবং সাধারণত ভোক্তা পণ্য বা সেবা ক্রয়ের সময় পরিশোধ করে। উদাহরণস্বরূপ:
যেমন:
মূল্য সংযোজন কর ,
• শুল্ক,
• ব্যবসায় কর,

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১০.
নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অবদান রাখায় কতজনকে বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ এ ভূষিত করা হয়েছে?
  1. ৫ জনকে
  2. ৪ জনকে
  3. ৬ জনকে
  4. ৭ জনকে
ব্যাখ্যা

• বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:
- ২০২৪ সালে ৪ জন নারীকে 'বেগম রোকেয়া পদক' প্রদান করা হয়।
• নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চার জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম  রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন:
- পারভীন হাসান,
- তাসলিমা আখতার,
- রাণী হামিদ,
- শিরিন পারভিন হক।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৯১১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে বসবাসকারী মুসলমান জনসংখ্যা কত শতাংশ?
  1. ৮৯.১৪%
  2. ৯০.৬৯%
  3. ৯১.০৮%
  4. ৯২.৩৬%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা,
• মুসলমান - ৯১.০৮%।
• হিন্দু - ৭.৯৬%।
• বৌদ্ধ - ০.৬১%।
• খ্রিষ্টান - ০.৩০%।
• অন্যান্য - ০.০৬%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৯১২.
চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) -তে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. এডিবি
  2. জাইকা
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
Fourth Primary Education Development Program বা চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) 
- পিইডিপি-৪ প্রোগ্রামের লক্ষ্য প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিশুকে একটি অন্তর্ভুক্তি ও সমতামূলক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। 
- কর্মসূচীটি শিক্ষার গুণগত মান জোরদার, শিক্ষায় প্রবেশাধিকার উন্নত করা এবং বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার উন্নতির উপর দৃঢ় মনোযোগ দিয়ে পূর্ববর্তী কর্মসূচির অর্জনের উপর ভিত্তি করে গড়ে তুলবে।
- কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে জাইকা, এডিবি, বিশ্বব্যাংক সহ ৬টি সহযোগী সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকার। 
- পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়ে গণিত ও বিজ্ঞান শিক্ষার মানোন্নয়নে পিইডিপি-২ এবং পিইডিপি-৩ কর্মসূচিতে বাংলাদেশকে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে জাইকা।
- পিইডিপি-৪ প্রকল্পের মেয়াদ জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত।
- প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৩৮ হাজার ২৯১ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। 
- পিইডিপি-৪সহ বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় দেশের ২৪,৫৮৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১,০৯,৯৮১ টি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
- পিইডিপি-৪-এর  আওতায় ১,৬৫,১৭৪ জন শিক্ষক নিয়োগ ও পদায়ন করা হবে।
- এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, যাকে সংক্ষেপে আমরা ডিপিই বলে থাকি। 

তথ্য - প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৯১৩.
বাৎসরিক কত টাকার বিনিময়ে কোম্পানি বাংলা বিহার উড়িষ্যার দিওয়ানি লাভ করে?
  1. ২৭ লক্ষ
  2. ৩২ লক্ষ
  3. ২৩ লক্ষ
  4. ২৬ লক্ষ
ব্যাখ্যা
• কোম্পানির দেওয়ানি লাভ:
- মুগল শাসনতন্ত্রে প্রদেশ শাসনের জন্য দু'টি সমপর্যায়ের পদের বিধান ছিল।
- একটি সুবাদারী, আরেকটি দিউয়ানি।
- সুবাদার ও দিউয়ান উভয় ব্যক্তিই সরাসরি দিল্লির সম্রাটের নিকট ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য ছিলেন।
- তাঁরা একে অপরকে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতেন, কিন্তু একে অন্যকে তাঁর অধীন করতে পারতেন না।
- সুবাদারের দায়িত্ব ছিল বিচার, প্রতিরক্ষা ও সাধারণ প্রশাসন পরিচালনা।
- আর দিউয়ানের দায়িত্ব ছিল মূলত রাজস্ব (খাজনা) শাসন। 
- বক্সার যুদ্ধের ফলে রবার্ট ক্লাইভ দিল্লির সম্রাটের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে।
- ১৭৬৫ সালে ক্লাইভ দ্বিতীয়বার ভারতবর্ষে এসে প্রথমেই পরাজিত অযোধ্যার নবাব এবং দিল্লির সম্রাটের দিকে নজর দেন।
- তিনি অযোধ্যার পরাজিত নবাবের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করেন।
- বিনিময়ে আদায় করে নেন কারা ও এলাহাবাদ জেলা দুইটি।
- যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ আদায় করেন পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।
- অপরদিকে তিনি দেওয়ানি শর্তসংবলিত দুইটি চুক্তি করেন।
- একটি দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের সঙ্গে।
- এতে কোম্পানিকে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি দান করা হয়।
- এর বিনিময়ে ছাব্বিশ লক্ষ টাকা নবাব প্রতিবছর সম্রাটকে পাঠাবেন। 


উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
৯১৪.
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রথম যুক্ত করা হয়েছিল সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  3. দশম সংশোধনী
  4. ষোড়শ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ সংশোধনী: 
- শিরোনাম: সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬
- পাস হয়: ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ।
- বিষয়বস্তু: একটি নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করে, যা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।
- সংবিধানে ৫৮(ক), ৫৮(খ), ৫৮(গ), ৫৮(ঘ), ৫৮(ঙ), এই ৫টি অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়।
-  জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- গত ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পত্রিকা।

৯১৫.
জনতা ব্যাংক পিএলসি কোন কোন ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত হয়?
  1. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড ও ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  2. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড ও ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  3. পিপলস ব্যাংক লিমিটেড ও অস্ট্রেলেশিয়া ব্যাংক লিমিটেড
  4. ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড ও এগ্রো ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা

জনতা ব্যাংক পিএলসি:  
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- ১৯৭২ সালের ব্যাংক জাতীয়করণ অধ্যাদেশ (রাষ্ট্রপতির আদেশ-২৬) অনুযায়ী তৎকালীন ইউনাইটেড ব্যাংক লিমিটেড ও ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড-এর সমন্বয়ে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়।
- ২০০৪-০৫ সালে গৃহীত Enterprise Growth and Bank Modernization Project (EGBMP) শীর্ষক রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সংস্কার কর্মসূচির ভিত্তিতে এবং বিদ্যমান কোম্পানি আইন মোতাবেক ‘জনতা ব্যাংক লিমিটেড’ গঠন করা হয়।
- ১৫ নভেম্বর ২০০৭ তারিখ থেকে জনতা ব্যাংক লিমিটেড-এর কার্যক্রম শুরু হয়।
-  ঢাকায় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে ২৭টি বিভাগ রয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও জনতা ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট। 

৯১৬.
মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান কে ছিলেন?
  1. বেনজীর ভুট্টো
  2. ফাতিমা আরা
  3. ড. ফাহমিদা মির্জা
  4. বেগম খালেদা জিয়া
ব্যাখ্যা

• বেগম খালেদা জিয়া :
-  বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন।
- ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
-  তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান।
- বেগম জিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বেগম জিয়া। 

- ১৯৯৬ সালে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর খালেদা জিয়া টানা দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হন, কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং পুনরায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতির কারণে, তিনি এক মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেন। 
- ১৯৯৯ সালে বেগম জিয়ার নেতৃত্বেবিএনপি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ঐক্যজোটের সাথে চারদলীয় জোট গঠন করে।
- ফোর্বস ম্যাগাজিন নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে তার ভূমিকার জন্য ২০০৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারীদের তালিকায় তাকে ২৯ নম্বরে স্থান দেয়।
- ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে ( শ্রীলংকা) ।
- বিশ্বের প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী  ছিলেন বেনাজীর ভুট্টো।

উৎস: বিএনপি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯১৭.
নিচের কোন সূচকটি প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানের পরিমাপক?
  1. ক) পঠন ও গণিতের দক্ষতা
  2. খ) ছেলে ও মেয়ে শিশুর অনুপাত
  3. গ) বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার
  4. ঘ) অসমর্থ্যদের অভিযোজন উপকরণ
ব্যাখ্যা
প্রাথমিকে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকল্পে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিবছর  Annual Primary School Census (APSC) প্রকাশ করে থাকে। 
প্রকাশিত প্রতিবেদনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো GPI (Gender Parity Index) অর্থাৎ ছেলে ও মেয়ে শিশুর অনুপাত। 
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক: 
- Student Teacher Ratio (STR)
- Net Enrollment Rate (NER)
- Student-Classroom Ratio
- National Student Assessment (NSA)
 
বাংলাদেশে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের উপাদান:
গুণগত শিক্ষার জন্য যে সকল উপাদান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো হচ্ছে
- স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি;
- মানসম্মত শিক্ষক নিয়োগ;
- যুক্তিসঙ্গত শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত নিশ্চিতকরণ;
- শিক্ষকের যুক্তিসঙ্গত বেতন-ভাতা প্রদান করা;
- শিক্ষকের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা;
- সময়োপযোগী শিক্ষক প্রশিক্ষণ শিক্ষাক্রম চালু করা;
- মানসম্মত মৌলিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা;
- যথাযথ মনিটরিং ও ফিডব্যাক ব্যবস্থা পরিচালনা করা;
- কার্যকর নেতৃত্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা;
- অভিভাবক শিক্ষক সম্পর্ক নিবিড়তর করা;
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত পরিমাণে শিক্ষা উপকরণ (Teaching Aids) থাকা;
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি (Equipments) থাকা;
- গঠনকালীন ও চূড়ান্ত (Formative and Summative) উভয় ধরনের মূল্যযাচাই-এ যথোপযুক্ত পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগ করা;
- পাবলিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ মানের বস্তুনিষ্ঠতা প্রতিষ্ঠা করা।
 
উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট; স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯১৮.
‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয় কোন তারিখে?
  1. ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ 
  4. ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

উৎস: প্রথম আলো।

৯১৯.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপন করা হয়-
  1. ক) মুজিবনগর, মেহেরপুর
  2. খ) সিতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  3. গ) কালুরঘাট, চট্টগ্রাম
  4. ঘ) রাউজান, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্থায়ী সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর স্বাধীন দেশের বেতার কেন্দ্র হিসেবে এর নতুন নাম হয় ‘বাংলাদেশ বেতার’।
- বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসে এবং সেদিন থেকেই স্বাধীন দেশের রেডিও হিসেবে বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার কাজ শুরু হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৯২০.
ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং সর্বপ্রথম কোন অপারেশনের খবর বহির্বিশ্বে প্রকাশ করেন?
  1. অপারেশন ফ্লায়িং ফ্ল্যাগস
  2. অপারেশন বিগবার্ড
  3. অপারেশন কিলো ফ্লাইট
  4. অপারেশন সার্চলাইট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং:
- সাইমন ড্রিং (জন্ম ১৯৪৫) একজন ব্রিটিশ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও পরিচালক এবং ২৫শে মার্চ বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সংবাদদাতা।
- দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অপারেশন সার্চলাইট নামে বাঙালিদের ওপরে সশস্ত্র আক্রমণ ও গণহত্যা, ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা ইত্যাদি পটভূমিতে শুরু হয় ৯ মাসব্যাপী বাঙালিদের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ, যাতে ৩০ লক্ষ বাঙালিকে জীবনদান ও কয়েক লক্ষ মা-বোনকে সম্ভ্রম বিসর্জন দিতে হয়।

⇒ ২৫শে মার্চ রাতে বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পূর্বে শাহবাগস্থ তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২শর মতো বিদেশী সাংবাদিককে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা কঠোর প্রহরায় বিশেষ কক্ষে আবদ্ধ করে রাখে। তাঁদের মধ্যে লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার প্রতিনিধি সাইমন ড্রিংও ছিলেন।
- সকলকে পরের দিন প্লেনে তুলে পাঠিয়ে দেয়া হলেও সাইমন ড্রিং ও এসোসিয়েটেড প্রেসের ফটোগ্রাফার মাইকেল লরেন্ট  লুকিয়ে থেকে নিজেদের সাময়িকভাবে রক্ষা করতে সক্ষম হন।
- ২৭শে মার্চ কিছু সময়ের জন্য কারফিউ তুলে নেয়া হলে তাঁরা দুজন ঢাকা শহরে বেড়িয়ে পড়েন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল (বর্তমান জহুরুল হক হল), জগন্নাথ হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বঙ্গবন্ধুর ৩২নং ধানমন্ডির বাস ভবন, রেসকোর্সের কালীবাড়ি মন্দির, পুরনো ঢাকার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকাসহ ২৫শে মার্চ রাত থেকে শুরু করে পাকহানাদারদের দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত ঢাকা নগরীর বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাইমন ড্রিং একটি প্রতিবেদন তৈরি করেন।
- এটি ৩০শে মার্চ, ১৯৭১ লন্ডন থেকে প্রকাশিত দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'Tanks Crush Revolt in Pakistan 7,000 slaughtered: Homes burned' শিরোনামে প্রথম পৃষ্ঠায় তিন কলামে সাইমন ড্রিং (তখন বয়স ২৭)-এর ছবিসহ সবিস্তার ছাপা হয়।
- বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ২৫শে মার্চের অপারেশন সার্চলাইটের হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সাংবাদিকের এটিই ছিল প্রথম প্রতিবেদন।
- এটি প্রকাশিত হওয়ার পর ঢাকায় সে রাতে ও পরবর্তী দুদিন পাকবাহিনী কী নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসলীলা চালিয়েছিল, সে সম্বন্ধে বিশ্ববাসী জানতে পারে।

উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা।

৯২১.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
  2. ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
  3. ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
  4. ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- দ্রুতগতির এই উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার।
- এক্সক্সপ্রেসওয়ের ১১.৫ কিলোমিটার অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হয়।
- ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়।
- বিদেশি বিনিয়োগে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিবহন খাতে এটাই প্রথম প্রকল্প।
- সম্পূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত আগামী বছরের জুনে চালু করার লক্ষ্য
ঠিক করেছে সরকার ।
- পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‍্যাম্প) করার ব্যবস্থা থাকছে।
- কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশে ওঠা নামার জন্য মোট ১৫টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প আগামীকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
- প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও হালকা ট্রাককে ৮০, বাস ও মিনিবাস ১৬০, মাঝারি ট্রাক ৩২০ এবং ভারি ট্রাক বা ট্রেইলরে ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩ ও দৈনিক যুগান্তর, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
৯২২.
বঙ্গবন্ধু কত সালে প্রথম আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামীলীগ: 
- ১৯৬৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনটি ছিল অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা দলীয়  ফোরামে পাস হয়।
- ১৮ থেকে ২০ মার্চ হোটেল ইডেনে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান।
- আর প্রথমবারের মতো সাধারণ সম্পাদক হন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের সংখ্যা ছিল এক হাজার ৪৪৩ জন।
- বর্তমানে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। 

উৎস- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
৯২৩.
“তাজহাট জমিদার” বাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. মানিকগঞ্জ
  3. বগুড়া
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
তাজহাট জমিদার বাড়ি:
- রংপুর জেলার তাজহাট, ডিমলা, কাকিনা, মন্থনা, পীরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু জমিদার বংশ ছিল। তাদের ছিল বিশাল আয়তনের বেশ কিছু প্রাসাদ।
- রংপুর জেলার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত ছিল তাজহাট জমিদার বাড়ি।
- এটি তাজহাট রাজবাড়ি নামেও পরিচিত।

- তৎকালীন জমিদার মহারাজা কুমার গোপাল রায় প্রাসাদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- এটি নির্মাণে সময় লেগেছিল প্রায় ১০ বছর।
- পাঞ্জাব থেকে আগত মান্নালাল রায় এই জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

- তাজহাট জমিদার বাড়ি একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ।
- ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত রংপুর হাইকোর্ট ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একটি শাখা বা বেঞ্চ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই প্রাসাদ।

- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ তাজহাট জমিদার বাড়িকে একটি সংরক্ষিত স্থাপনা তথা স্থাপত্য হিসেবে ঘোষণা করে।
- এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুধাবন করে ২০০৫ সালে রংপুর জাদুঘরকে সরিয়ে এই প্রাসাদের দোতলায় নিয়ে আসে।

উৎস: বাংলা ট্রিভিউন এবং জাগো নিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
৯২৪.
গুপ্ত শাসনের অবসানের পর বাংলায় কোন স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়?
  1. বঙ্গ
  2. রাঢ় 
  3. গৌড়
  4. ক ও গ উভয়ই 
ব্যাখ্যা
গুপ্ত পরবর্তী বাংলা: 
- ষষ্ঠ শতকের প্রথমার্ধেই বিভিন্ন যোদ্ধা জাতির সঙ্গে সংঘাত ও সংঘর্ষের মধ্যদিয়ে গুপ্ত শাসনের অবসান ঘটে।
- সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের পর সারা উত্তর ভারতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাজবংশের উদ্ভব হয়।
- এই সুযোগে বাংলায় দুইটি স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়।
- এর একটি হলো বঙ্গ। দ্বিতীয় রাজ্যের নাম গৌড়। 
- বঙ্গের অবস্থান দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা ও পশ্চিম-বাংলার দক্ষিণাঞ্চলে।
- গৌড়ের অবস্থান ছিল বাংলার পশ্চিম ও উত্তর বাংলা নিয়ে।
- এ গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ যা বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯২৫.
দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানির সিংহভাগ পূরণ হয় কিসের মাধ্যমে?
  1. ক) আমদানিকৃত তেল
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) এলএনজি
  4. ঘ) সৌর বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানির প্রায় ৭১ ভাগ পূরণ করে থাকে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ ১০৪১.৮ বিলিয়ন ঘনফুট।
খাত অনুযায়ী প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
- বিদ্যুৎ উৎপাদন : ৪৩.২৮ শতাংশ
- শিল্পখাত : ১৫.৭৯ শতাংশ
- গৃহস্থালি : ১৫.২৫ শতাংশ
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১৩৮)
৯২৬.
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের কোন বন্দরে জাহাজে করে রপ্তানি পণ্যের পরিবহন শুরু হয়?
  1. ক) ভেনিস
  2. খ) রোটেরডাম
  3. গ) রেভেনা
  4. ঘ) মার্সিন
ব্যাখ্যা
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের দেশ ইতালিতে পন্যবাহী জাহাজ চলাচল। এর আগে ইউরোপে পণ্য রপ্তানির ক্ষত্রে বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশের বন্দর হয়ে পাঠানো হত।

২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বরে ‘ক্যাপ ফ্লোরেস' নামের খালি কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজের পরীক্ষামূলক যাত্রা সফল হওয়ায় এবার নিয়মিত যাত্রার অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো কন্টেইনার ভর্তি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি সোঙ্গা চিতা' ইতালির রেভেনা বন্দরের উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যায়। 

চট্টগ্রাম-ইতালি সরাসরি জাহাজ চলাচলের এ সেবা চালু করে ইতালির ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার প্রতিষ্ঠান আরআইএফ লাইন এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান ক্যালিপসো কোম্পানিয়া ডি নেভিগেশন।


সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
৯২৭.
কোন পদ্ধতিতে চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়?
  1. PAPI
  2. CATI
  3. CAPI
  4. CAWI
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক শুমারি:
- অর্থনৈতিক শুমারি হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সুনির্ধারিত অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে একটি নির্দিষ্ট সমগ্রকের (Population) সকল অর্থনৈতিক ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ গণনা পদ্ধতি।
- অর্থনৈতিক শুমারির মূল লক্ষ্য হলো সময়ের বিবর্তনে একটি দেশের অর্থনীতিতে যে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক শুমারির মাধ্যমে কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অকৃষি খাত বিশেষ করে শিল্প ও সেবা খাতকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যে মানসম্মত পরিসংখ্যান প্রণয়ন করা।

⇒ বাংলাদেশে ১ম অর্থনৈতিক শুমারি ১৯৮৬ সালের ২৭-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এ শুমারির নাম ছিল “কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও অক্ষম ব্যক্তিদের শুমারি-১৯৮৬"।
- ২য় অর্থনৈতিক শুমারিতে ২০০১ এবং ২০০৩ সালে দুটি পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। শহর এলাকায় ২০০১ সালে এবং পল্লী এলাকায় ২০০৩ সালে।
- ৩য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ বাংলাদেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি।
- Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতিতে মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
- Allocation of Business অনুযায়ী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনা করে থাকে।
- পরিসংখ্যান আইন ২০১৩ অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর তথ্য উপাত্তের মাধ্যমে দেশের শিল্প উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা যাবে, সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, বদ্বীপ পরিকল্পনা, পরবর্তী ৯ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ এর আলোকে পরিকল্পনা পরিবীক্ষণ, জাতীয় অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও সম্পদ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

অন্যদিকে,
- PAPI (Paper and Pencil Interviewing): প্রথাগত কাগজ-কলম ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি।
- CATI (Computer-Assisted Telephone Interviewing): টেলিফোনের মাধ্যমে কম্পিউটার সহায়তায় তথ্য সংগ্রহ।
- CAWI (Computer-Assisted Web Interviewing): ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ ফর্ম পূরণ করে তথ্য সংগ্রহ।

উৎস: পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
৯২৮.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৩) উদ্ভাবিত কাঁঠালের জাতের নাম -
  1. বারি কাঁঠাল-৫
  2. বারি কাঁঠাল-৬
  3. বারি কাঁঠাল-৭
  4. বারি কাঁঠাল-৮
ব্যাখ্যা
বারি কাঁঠাল-৬:
- কাঁঠালের চারা রোপণের মাত্র দেড় বছরেই পাওয়া যাবে ফল।
- বছরের বারমাসই ধরবে কাঁঠাল।
- থাকবে না আঠাও।
- এমন নতুন কাঁঠালের জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বিজ্ঞানীরা।
- জাতটির নাম দেওয়া হয়েছে বারি কাঁঠাল-৬।
- গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) একদল ফলবিজ্ঞানী কাঁঠালের নতুন জাতটি উদ্ভাবন করেছেন।
- এর আগে তাঁরা কাঁঠালের পাঁচটি জাত উদ্ভাবন করেন।
- সেগুলো হলো বারি কাঁঠাল-১, বারি কাঁঠাল-২, বারি কাঁঠাল-৩, বারি কাঁঠাল-৪ ও বারি কাঁঠাল-৫।
- সম্প্রতি উচ্চফলনশীল বারি কাঁঠাল–৬ জাতটি অবমুক্ত করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় বীজ বোর্ড।

উৎস: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৯২৯.
জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের উত্তম ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) সমাজ
  2. খ) রাজনৈতিক দল
  3. গ) পরিবার ব্যবস্থা
  4. ঘ) নির্বাচন
ব্যাখ্যা
- নির্বাচন অতি পরিচিত একটি প্রত্যয়।
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা অপরিহার্য।
- নির্বাচন হল যেকোন স্তরে প্রতিনিধি বাছাইয়ের সর্বোত্তম পদ্ধতি। 
- নির্বাচনের প্রাণ হল নির্বাচক বা ভোটার।
- সাংবিধানিকভাবে নির্ধারিত নাগরিকগণ নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
- বাংলাদেশেও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান।
- নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও তাদের প্রার্থীগণ ইশতেহার ঘোষণা করে। তার প্রেক্ষিতে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশ করে।
- ভোটারগণ প্রার্থীর যোগ্যতা ও সক্ষমতা দেখে ভোট প্রদান করে থাকে।
- নির্বাচন অনুষ্ঠান যেকোন সরকারের জন্য একটি বিশাল কর্মকান্ড।
- সাধারণত নির্দিষ্ট মেয়াদ অন্তর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যেমন:  বাংলাদেশে ৫ বছর, আমেরিকায় ৪ বছর পর পর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৩০.
ভারতীয় উপমহাদেশে লর্ড বেন্টিঙ্কের শাসনকালকে কোন যুগ হিসেবে বর্ণনা করা যায়?
  1. যুদ্ধের যুগ
  2. অর্থনৈতিক সংকটের যুগ
  3. সংস্কারের যুগ
  4. ধর্মীয় গোঁড়ামীর যুগ
ব্যাখ্যা

⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে লর্ড বেন্টিঙ্কের শাসনকালকে সংস্কারের যুগ হিসেবে বর্ণনা করা যায়।

লর্ড বেন্টিঙ্ক:
- লর্ড বেন্টিঙ্ক ভারতীয় উপমহাদেশে গভর্নর জেনারেল হয়ে আসেন ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে।
- প্রথম জীবনে তিনি নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে ওয়াটারলুর যুদ্ধ বিজেতা ডিউক অফ ওয়েলিংটনের সেনা বাহিনীতে ছিলেন।
- লর্ড বেন্টিঙ্ক যখন ভারতীয় উপমহাদেশে গভর্নর জেনারেল হিসেবে আসেন তখন তাঁর এদেশে সামরিক নৈপুণ্য দেখানোর কোনো সুযোগ ছিল না।
- কারণ সে সময়টা ছিল সংস্কারের যুগ।
- বেন্টিঙ্কই প্রথম গভর্নর জেনারেল যিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে এদেশে প্রজাদের কল্যাণ সাধনই শাসকের প্রধান কর্তব্য।
- তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সভ্যতার অবাধ প্রসারের পথ উন্মুক্ত হয়।
- বেন্টিঙ্কের সমাজ সংস্কার ধর্মীয় গোঁড়ামী ও নিপীড়নের হাত থেকে এদশের জনগণকে রক্ষা করেছিল।
- তাঁর শিক্ষা সংস্কার পরবর্তীকালে এদেশীয়দের মনোজগতে এক বিরাট আলোড়ন ও পরিবর্তন নিয়ে আসে যা এদেশের সমাজ ও সভ্যতার অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে তুলেছিল।
- তাই আজও লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক উপমাহদেশের ব্রিটিশ যুগের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩১.
খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব কে দেন?
  1. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ 
  2. মাওলানা শওকত আলী
  3. মাওলানা মোহাম্মদ আলী
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
খিলাফত আন্দোলন:
- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খিলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রভাবে উদ্ভূত একটি প্যান-ইসলামি আন্দোলন।
- কারণ ভারতের মুসলমানেরা তুরস্কের সুলতানকে মুসলিম বিশ্বের খলিফা বা ধর্মীয় নেতা বলে শ্রদ্ধা করতেন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের সুলতান ব্রিটিশ বিরোধী শক্তি জার্মানির পক্ষ অবলম্বন করলে ভারতে মুসলমান সম্প্রদায় বিব্রত হন।
- কারণ ধর্মীয় কারণে তাঁরা খলিফার অনুগত, আবার অন্যদিকে রাজনৈতিক কারণে ব্রিটিশ সরকারের অনুগত থাকতে বাধ্য।
- খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও দুই ভাই মাওলানা শওকত আলী এবং মাওলানা মোহাম্মদ আলী।
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩২.
বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী -
  1. ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক
  2. নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  3. এশিয়া ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  4. বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম :
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (BDTF) হল একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা ফোরাম যা বাংলাদেশ সরকার এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে আগ্রহী আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বার্ষিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণ করে - বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী - বিশ্বব্যাংক।
-  ১৯৭৪ সালের অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ২০০১ সালের আগ পর্যন্ত এ সম্মেলনকে ‘প্যারিস কনসোর্টিয়াম’ বলা হতো।

উৎস: Economic Relations Division.
৯৩৩.
বেপজার উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. চাকরির সুযোগ তৈরি করা
  2. রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা
  3. বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বেপজা:
- BEPZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- শিল্পায়ন, রপ্তানি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়ানোর লক্ষ্যে ১৯৮০ সালে বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- শিল্পায়ন, বিনিয়োগ প্রচার, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করা বেপজার মূল লক্ষ্য।
- বেপজার বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান। (জুলাই, ২০২৫)
- ২০২১ সালের ৭ই নভেম্বর তিনি নির্বাহী চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বেপজার উদ্দেশ্য:
• বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
• রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
• চাকরির সুযোগ তৈরি করা।
• দারিদ্র্য বিমোচন।
• প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষতা অর্জন করা।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।
৯৩৪.
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) শামিম শিকদার
  3. গ) মাইনুল হোসেন
  4. ঘ) কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৯৩৫.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৬
  2. ১৯৯৮
  3. ২০০০
  4. ২০০৮
ব্যাখ্যা

- ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ সেগুনবাগিচায় বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- সেগুনবাগিচার ভাড়া বাড়ি থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর শেরে বাংলা নগর আগারগাঁওয়ে সরকার প্রদত্ত জমিতে নির্মিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)

৯৩৬.
দেশের দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নাম কী হবে?
  1. সিলেট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
  2. চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
  3. রাজশাহী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
  4. বরিশাল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
- চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নগরীর লালখানবাজার থেকে শাহ আমানত বিমানবন্দর বা পতেঙ্গা সৈকত পর্যন্ত নির্মিত হবে।
- দক্ষিণ চট্টগ্রামের সঙ্গে নগরীর সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে কর্ণফুলী টানেলের সঙ্গে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে।
- এর দৈর্ঘ্য হবে ১৬ কিলোমিটার।
- বাস্তবায়নকালঃ জুলাই-২০১৭ হতে জুন-২০২৪।

উৎস: চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৯৩৭.
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কোন নবাবের সময়কালে?
  1. ক) মীর জাফর
  2. খ) মীর কাশিম
  3. গ) মীর মদন
  4. ঘ) সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে বাংলার নবাব মীর কাশিম, মুঘল সম্রাট শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলার সম্মিলিত বাহিনীর সাথে মেজর মনরো নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধে ইংরেজদের নিকট মীর কাশিমের সম্মিলিত বাহিনী শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
- বক্সারের যুদ্ধকে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজদের নিকট হারানো বাংলার স্বাধীনতাকে পুনরুদ্ধারের শেষ প্রচেষ্টা বিবেচনা করা হয়।
- এই যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলার নামমাত্র টিকে থাকা স্বাধীনতা পুরোপুরি বিনষ্ট হয়।
- অন্যদিকে ভারতে ইংরেজদের সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ আরও সুগম হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৩৮.
'বিক্রমশীল' কার উপাধি ছিল?
  1. গোপাল
  2. ধর্মপাল
  3. দেবপাল
  4. রামপাল
  5. মহীপাল
ব্যাখ্যা
ধর্মপাল: 
- গোপালের মৃত্যুর পর ধর্মপাল (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) সিংহাসনে বসেন।
- নাম, যশ ও খ্যাতির দিক থেকে পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই ছিলেন এগিয়ে।
- তার রাজ্য বিহার পর্যন্ত সম্প্রসারিত ছিল।
- ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) রাজত্ব করেন।
- ধর্মপাল ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ সার্বভৌম উপাধি পরমেশ্বর, পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন।
- ভাগলপুরের পূর্ব দিকে তিনি একটি বৌদ্ধ বিহার বা মঠ নির্মাণ করেন।
- ধর্মপালের দ্বিতীয় নাম বা উপাধি ছিল 'বিক্রমশীল'।
- এ নামানুসারে বিহারটি 'বিক্রমশীল বিহার' নামে খ্যাত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯৩৯.
বাংলাদেশে কয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান আছে?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান:

- বাংলাদেশে ৬ টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান আছে।
১. বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি),
২. ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো),
৩. নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো),
৪. বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি),
৫. ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ও
৬. ঢাকা ইলেকট্রিসিটি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)।

তথ্যসূত্র - বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৯৪০.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ লাখ টাকা ও ৩ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১.৫ লাখ টাকা ও ৬ মাসের কারাদণ্ড
  3. ২ লাখ টাকা ও ১ বছরের কারাদণ্ড
  4. ৫০ হাজার টাকা ও ১ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর গেজেট জারি করেছে সরকার।
- এতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জোটগতভাবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান যুক্ত করাসহ বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।
- নভেম্বর ৪, ২০২৫ তারিখে আইন মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেছে।
- এর আগে গত ২৩ অক্টোবর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

⇒ সংশোধনের গেজেট প্রকাশের পর এবারের জাতীয় নির্বাচনে যুক্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন বিধান।
- সংশোধিত অধ্যাদেশে ‘না ভোট’ পুনরায় চালু হওয়া থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারকে নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য করার মতো নানা বিধান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী মূল পরিবর্তনগুলো হল-আদালত ঘোষিত ফেরারি আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না।
- আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ, বিমান ও কোস্ট গার্ড) যুক্ত হয়েছে।
- একক প্রার্থীর আসনে ‘না ভোট’ ফিরছে। সমান ভোট পেলে লটারির বদলে হবে পুনঃভোট।
- জোটগত নির্বাচনে নিজ দলের প্রতীকে ভোট বাধ্যতামূলক।
- এছাড়াও নির্বাচনী জামানত ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হযেছে।
- আচরণবিধি লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান থাকবে।
- আইটি সাপোর্টে পোস্টাল ভোটিং পদ্ধতি যুক্ত হয়েছে।
- অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুরো আসনের ভোট বাতিলের ক্ষমতা ইসিকে দেওয়া হয়েছে।
- হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে নির্বাচিত হওয়ার পরও ইসি ব্যবস্থা নিতে পারবে-এমন বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

৯৪১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, চরম দারিদ্র্যের হার কত শতাংশ?
  1. ৪.৭%
  2. ৫.১%
  3. ৫.৬%
  4. ৬.২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯৪২.
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজার মূল্যের সমষ্টিকে কী বলে?
  1. GDP
  2. GNI
  3. NNP
  4. NNI
ব্যাখ্যা
মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product বা GDP):
একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে। 

মোট জাতীয় আয় (Gross National Income বা GNI):
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজার মূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলে। একে মোট জাতীয় উৎপাদনও (GNP) বলে।

নিট জাতীয় আয় (Net National Income বা NNI) / নিট জাতীয় উৎপাদন (NNP):
কোনো দেশের মোট জাতীয় আয় থেকে মূলধন ব্যবহারজনিত অবচয় পুরণের ব্যয় (Capital Consumption Allowance বা Depreciation) বাদ দিলে যা থাকে তাকে নিট জাতীয় আয় বলে।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯৪৩.
সম্প্রতি, কোন দেশ বাংলাদেশ থেকে পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

আমদানিতে বিধিনিষেধ:
- ১১ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে চার ধরনের পাটপণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত। 
​- সেগুলো হলো পাট ও পাটজাতীয় পণ্যের কাপড়, পাটের দড়ি বা রশি, পাটজাতীয় পণ্য দিয়ে তৈরি দড়ি বা রশি এবং পাটের বস্তা বা ব্যাগ। 
​- নতুন এই বিধিনিষেধের ফলে এসব পণ্য ভারতে রপ্তানি করতে হলে সমুদ্রপথে মুম্বাইয়ের নভসেবা বন্দর দিয়ে এসব পণ্য পাঠাতে হবে।
​- বাংলাদেশ থেকে উল্লেখিত এসব পণ্য যে পরিমাণ ভারতে রপ্তানি হয়, তার ১ শতাংশের কাছাকাছি যায় সমুদ্রপথে। বাকিটা স্থলপথে রপ্তানি হয়।

​উল্লেখ্য,
​- ভারতীয় ভোগ্যপণ্যের বড় বাজার বাংলাদেশ।
​- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাবে, ভারতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ মোট ১৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। 
​- বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ আসে ভারত থেকে। 
​- অন্যদিকে ভারত থেকে বাংলাদেশ ৯০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করে। এর বড় অংশ শিল্পের কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য।

​তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৯৪৪.
চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. কাইয়ুম চৌধুরী
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদীন
  4. এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
শিশু স্বর্গ:
- বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান প্রতিষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'।
- এস এম সুলতান তার জীবনের সঞ্চয় দিয়ে শিশুদের জন্যে একটি নৌকা তৈরি করে এতে 'শিশু স্বর্গ' নামে ভ্রাম্যমাণ চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান খোলেন।
- পরবর্তীতে নড়াইলের মাছিমদিয়ায় এস এম সুলতানের গ্রামে বাংলাদেশ সরকার সুলতান কমপ্লেক্স তৈরি করে।
- সেখানে 'শিশু স্বর্গ' নামে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখার একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়া এস এম সুলতান চারুপীঠ এবং নন্দকানন নামে আরো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, সমকাল।
৯৪৫.
ঐতিহাসিক ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ বাংলা কত তারিখ ছিল?
  1. ক) ৩১ পৌষ
  2. খ) ২৯ মাঘ
  3. গ) ৯ মাঘ
  4. ঘ) ৮ ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রফিক, সালাম ও বরকতসহ অনেকেই মাতৃভাষার জন্য রক্ত দেন; প্রাণ দেন। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো এই দিনকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি দেয়।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ছিলো ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।

৯৪৬.
সংসদীয় সরকার কোন প্রকৃতির?
  1. ক) নমনীয়
  2. খ) অনমনীয়
  3. গ) জটিল
  4. ঘ) স্বেচ্ছাচারী
ব্যাখ্যা

সংসদীয় সরকারের গুণাবলি : সংসদীয় সরকার আধুনিককালে জনপ্রিয় শাসন ব্যবস্থা। এ সরকারের গুণাবলি নিয়ে আলােচনা করা হলাে :
১। দায়িত্বশীলতা : মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় মন্ত্রিপরিষদ আইনসভার নিকট দায়ী থাকে, ফলে
সরকার দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে ।
২। নমনীয়তা : সংসদীয় সরকার নমনীয় প্রকৃতির। কেননা প্রয়ােজনবােধে যে কোন সময় সরকার মন্ত্রিসভার পরিবর্তন করতে পারে ।
৩। প্রতিনিধিত্ব মূলক শাসন ব্যবস্থা : মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার জন প্রতিনিধিত্ব মূলক শাসন ব্যবস্থা ।
নিবার্চিত প্রতিনিধিদের দ্বারা এটি গঠিত হয় । জনমতের উপর ভিত্তি করে শাসন পরিচালনা করে ।
৪। শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক : সংসদীয় সরকারের শাসন বিভাগ ও আইন
বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে । মন্ত্রিসভা অতি সহজে আইন পরিষদে আইন পাস করে নিতে
পারে। কেননা মন্ত্রিপরিষদের সদস্যগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্য ।
৫। সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা : শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযােগিতা থাকায় এ সরকার ব্যবস্থা
সুষ্ঠু শাসন প্রতিষ্ঠায় সক্ষম।
৬। স্বেচ্ছাচার বিরােধী : সংসদীয় শাসন ব্যবস্থায় মন্ত্রিসভার ক্ষমতায় টিকে থাকা না থাকা নির্ভর করে আইন সভার আস্থা ও অনাস্থার ওপর। মন্ত্রীগণ সংসদের আস্থা অর্জনের জন্য শাসন কার্য পরিচালনায় মনােযােগী হয় । ফলে স্বেচ্ছাচারী সরকার প্রতিষ্ঠার আশংঙ্কা দূর হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯৪৭.
কারাগারের রোজনামচা দিনলিপির ভূমিকা কে লিখেছেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. শেখ হাসিনা
  3. শেখ রেহেনা
  4. তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
কারাগারের রোজনামচা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দিনলিপি গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে ।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন ।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- নামকরণ করেন শেখ রেহেনা।

উৎস: কারাগারের রোজনামচা।
৯৪৮.
প্রথম ওপেনার হিসেবে অভিষেক টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. ক) তামিম ইকবাল
  2. খ) জাকির হাসান
  3. গ) লিটন দাশ
  4. ঘ) নাঈমুর রহমান দুর্জয়
ব্যাখ্যা
অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি:
- বাংলাদেশের প্রথম ওপেনার হিসেবে অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- জাকির হাসান। 
- বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি আছে আমিনুল ইসলাম বুলবুল, মোহাম্মদ আশরাফুল ও আবুল হাসান রাজুর ।
- তবে জাকির তাদের সবার থেকে আলাদা, কারণ তিনি সেঞ্চুরিটা করলেন ওপেন করতে নেমে। 
- জাকির আরেকটি রেকর্ডেও নাম উঠিয়েছেন।
- অভিষেকে টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ইতিহাসের কেবল দ্বিতীয় ওপেনার তিনি।
- পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৭৫ সালে এই কৃতী গড়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ল্যান্স বাইচান।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার। 
৯৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের বিধান করা হয়?
  1. চতুর্দশ সংশোধনী
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. ষোড়শ সংশোধনী
  4. সপ্তদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• পঞ্চদশ সংশোধনী আইন:
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ২৫ জুন সংসদে পাস হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা আবারও প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল।
- সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে ৫০-এ উন্নীতকরণ করা হয়।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৫০.
‘আবছায়া’ চলচ্চিত্রটি কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষায় নির্মিত হচ্ছে?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) গারো
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) রাখাইন
ব্যাখ্যা
আবছায়া
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গারো নারীদের ১৫ জনের একটি দল যুদ্ধ করেছিল পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে।
- লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা এই গারো নারী মুক্তিযোদ্ধার জীবনের গল্পে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ‘আবছায়া’ নির্মাণ করছেন শরিফুল ইসলাম পলাশ।
- গারোদের ‘আচিক’ ভাষায় নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। 
-  ১১ নম্বর সেক্টরের ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন নিরঞ্জন সিংহ চৌহানের গড়া কমলা ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন একদল গারো নারী।
- তাঁরা সবাই নেত্রকোনার সীমান্তঘেঁষা কলমাকান্দার লেঙ্গুরার বাসিন্দা। এ দলটির নেতৃত্ব দিয়েছেন মল্লিকা ঘাগ্রা।
- অন্যদের মধ্যে ছিলেন তুষি হাগিদক, মগ্ধলিনা নেংমিঞ্জ, সঞ্চিতা জরিনা রেমা, পরিচয় চিসিম, সেলিনা হাউই, রিতা নকরেক, জিতা নকরেক, টুরটুরি নকরেক, ছায়া বনোয়ারি, সুজানা জাম্বিল, মুকুল আজিম, রচিতা হাগিদক, বেঞ্জিনা নকরেক ও হাসিনা বনোয়ারিসহ ১৫ জন।
 - ‘আবছায়া’র চিত্রনাট্য লিখেছেন গারো ভাষার কবি মতেন্দ  মানখিন।
- ‘আবছায়া’ শরিফুল ইসলাম পলাশের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণাধর্মী তৃতীয় প্রামাণ্য চলচ্চিত্র।
- এর আগে ২০২১ সালে গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার রনি হিজড়ার জীবনের গল্পে ‘অগ্নিঝরা দিনের না বলা কথা’ নির্মাণ করেন।
- রাজবাড়ির তিন সহোদরা মুক্তিযোদ্ধা গীতা, ইরা ও ভক্তি করের গল্পে ‘রণাঙ্গনের তিন কন্যা’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন। 

উৎস: কালেরকণ্ঠ পত্রিকা।
৯৫১.
৭ই মার্চ এর ভাষণ বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে কোন সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. UNDP
  2. UNESCO
  3. WIPO
  4. USAIDS
ব্যাখ্যা
- ২০১৭ সালে '১৯৭১ সালে ৭ই মার্চ এর ভাষণ'কে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো(UNESCO).
- এটি 'Memory of the World International Heritage Register' এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ৭ই মার্চ এর ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন ও অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৫২.
Which was the first Bangladeshi film to win the National Film Award for Best Picture?
  1. Lathial
  2. Shurjo Dighal Bari
  3. Dhire Bohe Meghna
  4. Jibon Theke Neya
ব্যাখ্যা

•  জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (National Film Award) :
- কোনো বিশেষ চলচ্চিত্রে বিশেষ নির্মাণকুশলতার স্বীকৃতি দিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
- ১৯৭৬ সালের ২৪ মার্চ প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা করেন তথ্যসচিব এ বি এম গোলাম মোস্তফা।
- ‘লাঠিয়াল’ সিনেমাকে ১৯৭৫ সালের সেরা সিনেমা হিসেবে নির্বাচন করেন বিচারকেরা।
- সিনেমাটি পরিচালনার পাশাপাশি প্রযোজনাও করেছেন প্রযোজক ও নির্মাতা নারায়ণ ঘোষ মিতা।
- সেরা সিনেমা, সেরা সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেতাসহ সর্বোচ্চ পাঁচটি পুরস্কার পায় সিনেমাটি।

উৎস: প্রথম আলো, ২৪ মার্চ ২০১৪ ।

৯৫৩.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন -
  1. ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
  2. ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
  4. ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:

- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৫৪.
মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালে কোথায় লং মার্চের নেতৃত্ব দেন?
  1. ঢাকায়
  2. কুমিল্লায়
  3. ফারাক্কা অভিমুখে
  4. কলকাতায়
ব্যাখ্যা
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী: 
- জন্ম: ১৮৮০, ধনপাড়া, সিরাজগঞ্জ, ব্রিটিশ ভারত সময়।
- মৃত্যু: ১৭ নভেম্বর ১৯৭৬, সন্তোষ, টাঙ্গাইল, বাংলাদেশ।
- ১৯১৯: অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মাধ্যমে রাজনীতিতে আসেন।
- ১৯৩৭: মুসলিম লীগে যোগদান; আসাম শাখার সভাপতি।
- ১৯৪৯: পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
- ১৯৫৭: ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠন।
- ১৯৭৬: ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন। 

উল্লেখ্য, 
- “ভাসানী সাহেব” ভাসানচরের কৃষকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত উপাধি।
- মার্কিনপন্থি ও সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে ছিলেন।
- চীনপন্থি পররাষ্ট্রনীতির পক্ষে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৫৫.
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় যুক্ত হবে -
  1. ১২ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ১২ ডিসেম্বর, ২০২৬
  4. ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা
LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ এ তালিকা থেকে বেরিয়ে যাবে।
- এলডিসি থেকে বের হলে বাংলাদেশের কিছু বাণিজ্য ও অন্যান্য সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- LDC থেকে মুক্ত হলে বাংলাদেশ ৩টি সুবিধা হারাবে।
- বাংলাদেশ যদি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্কছাড় সুবিধা কমবে, বিদেশি ঋণের সুদের হার বাড়বে এবং দেশি শিল্পকারখানা তীব্র প্রতিযোগিতায় পড়ে অনেকগুলো বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
- কিছু দেশ ও অঞ্চলে বাংলাদেশের বাণিজ্যে শুল্কছাড় সুবিধা ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকবে, আর ওষুধ উৎপাদনে মেধাস্বত্বে ছাড় সুবিধা থাকবে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট। [link]
৯৫৬.
কোন দুটি ব্যাংক একীভূত করে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ঢাকা ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা
  2. বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা
  3. আব্দুল্লাহ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংক
  4. ঢাকা ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক:
- বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থাকে একীভূত করে ১৬/১১/২০০৯ খ্রি. তারিখে শতভাগ রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিশেষায়িত বাণিজ্যিক ব্যাংক (পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি) হিসেবে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) "কোম্পানি আইন ১৯৯৪ (১৯৯৪ সালের ১৮নং আইন)" এর আওতায় ১৬ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মস-এ রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হয় এবং ব্যাংক পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ১৯ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে ব্যাংকিং লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিডিবিএল এর মধ্যে ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে সম্পাদিত Vendors Agreement মোতাবেক বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (বিএসআরএস) ও বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের সকল সম্পদ-দায় বিডিবিএল এর নিকট হস্তান্তরিত হয় এবং ০৩ জানুয়ারি, ২০১০ খ্রি. তারিখে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

⇒ প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী:
- দেশের অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই), অবকাঠামো, ইউটিলিটি, পরিবহন, যোগাযোগ এবং অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পসহ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদান;
- আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা এবং সঞ্চয়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা;
- দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা।

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৯৫৭.
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নামে বিভক্ত করা হয়েছে কত সালে?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানীতে পরিণত হয়।
- ১৯৭৭ সালে "পৌরসভা অধ্যাদেশ, ১৯৭৭" প্রবর্তনের মাধ্যমে শহর এলাকা ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত হয় এবং ওয়ার্ড কমিশনারদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওয়ার্ড কমিশনাররা তাদের সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতেন।
- ১৯৭৮ সালে, ঢাকা পৌরসভা কর্পোরেশনের মর্যাদা লাভ করে এবং বিদ্যমান চেয়ারম্যান কর্পোরেশনের মেয়র হন।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে সামরিক আইন জারির মাধ্যমে পৌর কর্পোরেশন বাতিল করা হয়।
- ১৯৮৩ সালে ঢাকা পৌর কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৭৭ প্রবর্তনের মাধ্যমে কর্পোরেশনটি আইনসম্মত হয়।
- ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত সরকার কর্তৃক প্রশাসক/মেয়র নিযুক্ত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে, ঢাকা পৌর কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন রাখা হয় এবং ১০টি জোনে বিভক্ত করা হয়।
- স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯, (সংশোধন-২০১১) অনুসারে, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) নামে বিভক্ত করা হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৫৮.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের শিরোনাম কী?
  1. বৈষম্যহীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  2. বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  3. টেকসই ও দারিদ্র্য মুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  4. বৈষম্যহীন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
৯৫৯.
নিচের কোন উপজাতিটি বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. ক) মাহাতো
  2. খ) গুর্খা
  3. গ) মাসাই
  4. ঘ) তঞ্চঙ্গা
ব্যাখ্যা
- মাসাই উপজাতি বাংলাদেশে বসবাস করে না। এরা আফ্রিকার তাঞ্জানিয়ায় বসবাসকারী একটি উপজাতি।
- বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। এগুলো হলো:
- ওরাওঁ
- কোচ
- কোল
- খাসিয়া/খাসি
- খিয়াং
- খুমি
- গারো
- চাক
- চাকমা
- ডালু
- তঞ্চঙ্গা
- ত্রিপুরা
- পাংখোয়া/পাংখো
- বম
- বর্মণ
- মণিপুরী
- মারমা
- পাহাড়ী/মালপাহাড়ী
- মুন্ডা
- ম্রো/মুরং
- রাখাইন
- লুসাই
- সাঁওতাল
- হাজং
- মাহাতো/কুর্মি মাহাতো/বেদিয়া মাহাতো
- কন্দ
- কড়া
- গঞ্জু
- গড়াইত
- গুর্খা
- তেলী
- তুরি
- পাত্র
- বাগদী
- বানাই
- বড়াইক/বাড়াইক
- বেদিয়া
- ভিল
- ভূমিজ
- ভূঁইমালী
- মালো/ঘাসিমালো
- মাহালী
- মুসহর
- রাজোয়াড়
- লোহার
- শবর
- হুদি
- হো
- খারিয়া/খাড়িয়া
- খারওয়ার/খেড়োয়ার।
(সূত্র: বাংলাদেশ গেজেট ও ব্রিটানিকা)
৯৬০.
প্রাচীন সমতট জনপদের কেন্দ্র ছিল কোথায়?
  1. পুণ্ড্রনগর
  2. কোটিবর্ষ
  3. পাহাড়পুর
  4. লালমাই
ব্যাখ্যা
সমতট:
- সমতট ছিল দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার একটি প্রাচীন জনপদ, এর নামের অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সপ্তম শতকে চীনা পর্যটক হিউয়েন সাঙ সমতটে এসেছিলেন এবং তিনি বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার বর্ণনা রেখে গেছেন।
- তাঁর বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই ছিল সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল এবং মেঘনা নদীর পূর্ববর্তী অঞ্চলকে সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- এর কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা এটি ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন সমতট গঠিত ছিল।

অন্যান্য প্রাচীন জনপদগুলোর অবস্থান:
- বঙ্গ জনপদ: বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- গৌড় জনপদ: বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বহরমপুর এলাকায় এটি বিস্তৃত ছিলো।
- হরিকেল জনপদ: সিলেট ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৬১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সত্য নয়?
  1. এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা
  2. বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  3. এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
  4. রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা:
 - বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান। তার নেতৃত্বেই নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।

- তবে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা বহুদলীয়।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম  শ্রেণি এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৯৬২.
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোথায় আত্মসমর্পণ করেন?
  1. পল্টনে
  2. টিএসসি
  3. ঢাকা সেনানিবাসে
  4. রেসকোর্স ময়দানে
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডার প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

উৎস:বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬৩.
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি কোন লর্ডের শাসনামলে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড মেয়ো
  3. লর্ড রিপন 
  4. লর্ড ওয়েলেসলি 
ব্যাখ্যা

লর্ড মেয়ো:
- লর্ড মেয়ো ১৮৬৯ - ৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- তিনি মেয়ো-র পঞ্চম আর্ল-এর পুত্র।
- পিতার উত্তরাধিকারী ষষ্ঠ আর্ল ভারতে আসেন লর্ড মেয়ো হিসেবে এবং তাঁর অব্যবহিত পূর্বসূরিদের অনুসৃত অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি অব্যাহত রাখেন।

উল্লেখ্য,
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি লর্ড মেয়োর শাসনামলে অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়োর উদ্যোগে এই প্রথম অ-সমলয় আদমশুমারি পরিচালিত হয়েছিল।
- তিনি ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯৬৪.
পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম সাধারণ নির্বাচন ছিল কোনটি?
  1. ১৯৪৮ সালের নির্বাচন
  2. ১৯৫৪ সালের নির্বাচন
  3. ১৯৬২ সালের নির্বাচন
  4. ১৯৭০ সালের নির্বাচন
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন: 
- পাকিস্তানের ইতিহাসে ১৯৭০ সালের নির্বাচন ছিল প্রথম সাধারণ নির্বাচন
- জেনারেল আইয়ুব খান গণ-আন্দোলনের মুখে পাকিস্তানের আরেকজন সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পাকিস্তানের রাজনীতি থেকে বিদায় নেন।
- জেনারেল ইয়াহিয়া খান সামরিক শাসন জারি করে জাতির উদ্দেশে প্রথম ভাষণে ঘোষণা দিয়েছিলেন, যত শীঘ্র সম্ভব সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭০ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে সর্বপ্রকার বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে পুনরায় রাজনৈতিক তৎপরতার অনুমতি দেওয়া হয়।
- পাশাপাশি ৫ই অক্টোবর জাতীয় পরিষদ ও ২২শে অক্টোবর প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হলেও শেষ পর্যন্ত তা পিছিয়ে ৭ই ডিসেম্বর এবং ১৭ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।
- তবে ১২ই নভেম্বর পূর্ব পাকিস্তানের উপকূলবর্তী এলাকায় ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হওয়ায় ঐ সব এলাকায় ১৯৭১ সালের ১৭ই জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯৬৫.
বখতিয়ার খলজি বাংলা আক্রমণের সময় বাংলার রাজা কে ছিলেন?
  1. রামপাল
  2. বল্লাল সেন
  3. লক্ষণ সেন
  4. কেশব সেন
ব্যাখ্যা
বখতিয়ার খলজির নদীয়া অধিকার: 
- বখতিয়ার খলজি বিহার দখল করার পর বাংলার দৃষ্টি দেন।
- এ সময় বাংলার রাজা ছিলেন সেন বংশীয় রাজা লক্ষ্মণ সেন।
- তিনি তখন রাজধানী নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন।
- বখতিয়ার খলজি শুধু দুর্ধর্ষ যোদ্ধাই ছিলেন না, তিনি একজন কৌশলী সমরবিদও ছিলেন।
- তাই তিনি ঝাড়খণ্ডের দুর্গম জঙ্গলের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হন।
- তিনি বিরাট বাহিনীকে ছোট ছোট দলে বিভক্ত করে নিজে একটি ছোট দলের অগ্রভাগে ছিলেন।
- কথিত আছে যে, বখতিয়ার খলজি এতই ক্ষিপ্রতার সাথে অগ্রসর হয়েছিলেন যে, তাঁর সাথে মাত্র ১৮ জন অশ্বারোহী সৈনিক তাল রেখে আসতে পেরেছিলেন।
- ফলে তিনি যখন নদীয়া পৌঁছলেন, তখন লোকেরা ভাবল যে, কিছু ঘোড়াব্যবসায়ী হয়ত রাজ দরবারে যাচ্ছে।
- বখতিয়ার খলজি কোথাও কোনো বাধা না পেয়ে সোজা রাজপ্রাসাদের প্রধান ফটকে গিয়ে উপস্থিত হন। 
- এ সময় রাজা লক্ষ্মণ সেন মধ্যাহ্ন ভোজনে বসেছিলেন।
- খবর পেয়ে তিনি ধরে নেন যে, তাঁর সৈন্যবাহিনী পরাজিত হয়েছে।
- তাই তিনি খালি পায়ে পেছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে নদীপথে পূর্ব-বাংলার বিক্রমপুরে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেনের বিপুল ধন-সম্পদ বখতিয়ার খলজি লাভ করেন।
- এভাবে নদীয়া অধিকারে করেন বখতিয়ার খলজি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৬.
VGD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Vulnerable Group Development
  2. Voluntary Group Development
  3. Valuable Group Development
  4. Vulnerable Growth Development
ব্যাখ্যা

- VGD-এর পূর্ণরূপ -  Vulnerable Group Development Programme (VGD).
-  VGD হলো বাংলাদেশের একটি সামাজিক নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য হ্রাস কর্মসূচি।
- সময়কাল: ০১ আগস্ট ২০১৯ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০।
- উদ্দেশ্য: দরিদ্র ও অসহায় নারীদের ক্ষমতায়ন এবং জীবিকা পরিবর্তন করা।
- তহবিলের উৎস: মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর (জিওবি)।

উৎস: National Development Programme (NDP).

৯৬৭.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম?
  1. সিলেট বিভাগ
  2. বরিশাল বিভাগ
  3. চট্টগ্রাম বিভাগ
  4. ঢাকা বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে,
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্য হার ২০.৫ শতাংশ এবং চরম দারিদ্র্য হার ১০.৫ শতাংশ।

- বিভাগ অনুসারে ঢাকা বিভাগে উচ্চ দারিদ্র্য হার (১৬ শতাংশ) ও নিম্ন দারিদ্র্য হার (৭.২ শতাংশ) উভয়ই সবেচেয়ে কম।
- রংপুর বিভাগে উচ্চ দারিদ্য হার (৪৭.২ শতাংশ) এবং নিম্ন দারিদ্র্য হার (৩০.৫ শতাংশ) উভয়ই সবচেয়ে বেশি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১)
৯৬৮.
বাংলাদেশের কোন হাওর “রামসার সাইট” হিসেবে স্বীকৃত?
  1. বুরবুক হাওর
  2. হাকালুকি হাওর
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. হাইল হাওড়
ব্যাখ্যা
ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।

বাংলাদেশ ও রামসারঃ
বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎসঃ রামসার ওয়েবসাইট
৯৬৯.
নিচের কোনটি প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ?
  1. পাহাড়পুর
  2. মধুপুর
  3. ময়নামতি
  4. মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র:
- পুণ্ড্র শব্দের অর্থ আখ বা ইক্ষু।
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।

উল্লেখ্য,
- পুণ্ড্রই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরসভ্যতা।
- পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি এখানে পাওয়া যায়।
- লিপিটির নাম মহাস্থান ব্রাহ্মীলিপি।
- ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম শিলালিপি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭০.
নিচের কোনটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. খাসিয়া
  2. ত্রিপুরা
  3. মারমা
  4. লুসাই
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৭১.
ছাত্র ও নাগরিকদের হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে ছাত্ররা ‘মার্চ ফর জাস্টিস' কত তারিখে পালন করা হয়?
  1. ২৬ জুলাই
  2. ৩১ জুলাই
  3. ২২ জুলাই
  4. ১৮ জুলাই
ব্যাখ্যা
• ছাত্র-জনতার জুলাই অভ্যুত্থানের কালপঞ্জি:

• ৩১ জুলাই ২০২৪:
- হত্যা, গণগ্রেফতার, হামলা, মামলা, জোরপূর্বক গুম এবং ছাত্র ও নাগরিকদের হত্যার প্রতিবাদে সারাদেশে ছাত্ররা ‘মার্চ ফর জাস্টিস' নামে প্রতিবাদ করেছে।
- শিক্ষার্থীদের নয়টি সুনির্দিষ্ট দাবির পক্ষে দেশব্যাপী আদালত প্রাঙ্গণ, ক্যাম্পাস এবং রাস্তায় দুপুর ১২ টায় বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
- সকাল ১১টা ২০ মিনিটে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেটের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভের সমর্থনে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট থেকে কোর্ট পয়েন্টের দিকে মিছিল করে।
- দুপুর সোয়া ১টার দিকে বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হাইকোর্টের দিকে মিছিল করে। 
- সকাল ১১টা নাগাদ বিক্ষোভকারীরা চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে জড়ো হতে শুরু করে।
- পুলিশ ব্যারিকেড সত্ত্বেও, প্রায় ২০০ জন বিক্ষোভকারী চত্বরে প্রবেশ করে এবং অবস্থান নেয়।
- ৫০ থেকে ৬০ জন বিএনপিপন্থী আইনজীবী ছাত্রদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
- অন্যদিকে আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবীরা পাল্টা মিছিল করেন।

উৎস: বাসস।
৯৭২.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. ত্রয়োদশ
  2. চতুর্দশ
  3. পঞ্চদশ
  4. ষোড়শ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- সংশোধনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। 

এছাড়া,
- চতুর্দশ সংশোধনী ৪৫ টি নারী আসন সংরক্ষণ,
- ষোড়শ সংশোধনী বিচারপতিদের অভিসংশন ক্ষমতা এবং
- সপ্তদশ সংশোধনী ৫০ টি নারী আসন সংক্রান্ত।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১ [লিঙ্ক]
৯৭৩.
বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর?
  1. ক) সোনা মসজিদ
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) বেনাপোল
  4. ঘ) হিলি
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - বেনাপোল।

• স্থলবন্দর:
-  বাংলাদেশের  বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল ।
- এটি যশোর জেলায় অবস্থিত।
- ২য় বৃহত্তম স্থলবন্দর হলো দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মোট স্থলবন্দরের সংখ্যা ২৫টি।
- যার মধ্যে চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১২ টি।
- সর্বশেষ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে দেশের ২৫তম স্থলবন্দর হিসেবে মুজিবনগর স্থলবন্দরের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৭৪.
'কাঞ্চন’ ও ’গৌরভ' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. টমেটো
  3. বেগুন
  4. বাধাঁকপি
ব্যাখ্যা
• গম:
- গমের উন্নত জাত: কাঞ্চন, আকবর, আঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরভ, বলাকা, দোয়েল ইত্যাদি।
এছাড়াও - 
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৯৭৫.
বাংলাদেশের আইনসভার কার্যকাল কত বছর?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
 - জাতীয় সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৯৭৬.
কোনটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার?
  1. বাংলা একাডেমি পুরস্কার
  2. স্বাধীনতা পুরস্কার
  3. একুশে পদক
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার
- দেশের ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রবর্তিত হয়।
- স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর ৬ টি ক্যাটাগরিতে ১০ জন বিশিষ্ট নাগরিককে এই পুরস্কার দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৯৭৭.
রাষ্ট্রের উপাদান নয় কোনটি?
  1. সরকার
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. জনসমষ্টি
  4. সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা
⇒ সেনাবাহিনী রাষ্ট্রের উপাদান নয়।

রাষ্ট্রের উপাদান:
- রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়। যথাঃ
• জনসমষ্টি।
• নির্দিষ্ট নির্দিষ্ট ভূখন্ড।
• সরকার।
• সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও
সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭৮.
কোনটি বাঙালির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত?
  1. ক) একুশ দফা
  2. খ) উনিশ দফা
  3. গ) এগারো দফা
  4. ঘ) ছয় দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়। ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয় দফা দিবস পালিত হয়। (সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৯৭৯.
ম্রো জনগোষ্ঠীর মধ্যে অধিকাংশ মানুষ কোন ধর্ম অনুসরণ করে?
  1. বৌদ্ধ
  2. ইসলাম
  3. খ্রিস্টান
  4. হিন্দু
ব্যাখ্যা

ম্রো জনগোষ্ঠী:
- ম্রো পার্বত্য চট্টগ্রামের সর্বপ্রাচীন জাতি এবং বান্দরবান জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতি।
- ম্রোদের আদি নিবাস মায়নামারের আরাকান রাজ্য।
- আনুমানিক ১৪৩০ খ্রিঃ অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ৫৯২ বছর আগে ম্রোরা বান্দরবান জেলার লামা, আলীকদম, থানছি ও নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায় আশ্রয় নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান। তবে মেয়েরা সামাজিক জীবনে কর্তৃত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- ম্রোরা মূলতঃ প্রকৃতি পূজারী হলেও অধিকাংশই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
- তবে কয়েক বছর আগে ম্রোদের মধ্যে একটা নতুন ধর্ম ‘ক্রামা’ আর্বিভাবের ফলে বর্তমানে ম্রোদের একটি অংশ ক্রামা ধর্মের অনুসারি।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।

৯৮০.
“প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে” - কোন অনুচ্ছেদে বর্ণীত হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ২১
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ২৮(২)
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ২৯
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ১৯
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ২৯ঃ সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা --
“(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।
(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।
(৩) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই-
(ক) নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশ যাহাতে প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব লাভ করিতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে তাঁহাদের অনুকূলে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন করা হইতে,
(খ) কোন ধর্মীয় বা উপ-সমপ্রদায়গত প্রতিষ্ঠানে উক্ত ধর্মাবলম্বী বা উপ-সমপ্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিয়োগ সংরক্ষণের বিধান-সংবলিত যে কোন আইন কার্যকর করা হইতে,
(গ) যে শ্রেণীর কর্মের বিশেষ প্রকৃতির জন্য তাহা নারী বা পুরুষের পক্ষে অনুপযোগী বিবেচিত হয়, সেইরূপ যে কোন শ্রেণীর নিয়োগ বা পদ যথাক্রমে পুরুষ বা নারীর জন্য সংরক্ষণ করা হইতে, রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।”
৯৮১.
সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশের কোন বিশেষায়িত ইউনিটটি তদন্ত সংস্থার মর্যাদা পেয়েছে -
  1. ক) SWAT
  2. খ) ATU
  3. গ) RAB
  4. ঘ) CBB
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি তদন্ত সংস্থার মর্যাদা পেয়েছে- জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে গড়ে তোলা পুলিশের বিশেষায়িত অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)। তাদের অ্যাপের নাম ‘Inform ATU’।
৯৮২.
PRSP-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বেকারত্ব হ্রাস করা
  2. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
  3. দারিদ্র্য হ্রাস করা
  4. শিক্ষার হার বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ হলো: Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হলো আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র।
- দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP) দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- মার্চ ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে। এর শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের কৌশল’।
- একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য সুশাসনকে প্রধান সোপান হিসাবে গণ্য করে প্রথম যাত্রা শুরু হয়।
- আইপিআরএসপিকে প্রাথমিক সোপান হিসাবে গণ্য করে অক্টোবর ২০০৫ সালে অধিকতর ও ব্যাপক কর্মসূচি ও কৌশল প্রণয়নে কাজ সম্পন্ন করা হয়। এই দলিলটির শিরোনাম ছিল ‘আনলকিং দ্য পটেনশিয়াল: দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের জাতীয় কৌশল’ যা পিআরএসপি নামে বহুল প্রচারিত।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়। উন্নয়ন সংক্রান্ত নীতির ধারাবাহিক স্বাক্ষর হিসাবে গৃহীত এ দলিলের শিরোনাম হলো ‘দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।

উৎস: i) পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৯৮৩.
’আদিনা মসজিদ‘ নির্মাণ করেন কে?
  1. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. সিকান্দার শাহ
  4. সুলতান ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
• মধ্যযুগ: 
- মধ্যযুগে বাংলার সুলতানদের রাজধানী প্রথমে ছিল গৌড়,
- পরে পান্ডুয়া এবং এরপর আবার গৌড়।
- কাজেই এ দুই শহরেই মুসলিম ঐতিহ্যের স্থাপত্য নিদর্শন গড়ে উঠেছিল।
- ১৩৬৯ সালে সুলতান সিকান্দার শাহ 'আদিনা মসজিদ' নির্মাণ করেন।
- এ মসজিদের উত্তর পাশে সিকান্দার শাহের কবর নির্মিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
- 'পাঁচ পীরের দরগাহ' সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি স্থাপত্যকলার একটি সুন্দর নিদর্শন।
- বারদুয়ারী মসজিদ নির্মাণ শুরু করেন হোসেন শাহ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯৮৪.
দেশের সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত। এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র।
বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

(সূত্র: খুলনা ও ময়মনসিংহ জেলা ওয়েবসাইট এবং বিডিনিউজ)
৯৮৫.
সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগ 'রিট' (Writ) জারি করতে পারে?
  1. আপীল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
  4. বর্নিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

- সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ  'রিট' (Writ) জারি করতে পারে।

- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কারো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে হাইকোর্ট তা বলবত করতে পারে এবং বিচার বিভাগীয় পর্যাচলোনাকে কার্যকর করতে পারে, যা হাইকোর্ট বিভাগের 'রিট এখতিয়ার' নামে পরিচিত।

রিট (Writ) জারি:

- রিট শব্দটির অর্থ হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত আদেশ।
- রিট হল এমন এক আদেশ যার মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হত বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে।
- সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিকার প্রাপ্তির জন্য যে পিটিশন দায়ের করে, তা রিট পিটিশন নামে পরিচিত।
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কারো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে হাইকোর্ট তা বলবত করতে পারে এবং বিচার বিভাগীয় পর্যাচলোনাকে কার্যকর করতে পারে, যা হাইকোর্ট বিভাগের 'রিট এখতিয়ার' নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ  খান।

৯৮৬.
কোন মুঘল সম্রাট ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন?
  1. জাহাঙ্গীর
  2. বাবর
  3. আকবর
  4. হুমায়ুন
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতী:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ১৬১০ সালে তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।
- তিনি এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮৭.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিব আল হাসানের (মে,২০২৪) উইকেট সংখ্যা কয়টি?
  1. ৬০০ টি
  2. ৭০০ টি
  3. ৮০০ টি
  4. ৯০০ টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে সাকিবের অনন্য রেকর্ড
- ৭০০ উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিব আল আল হাসান নতুন এক রেকর্ড গড়েছেন।

- ১৪ হাজার রান এবং ৭০০ উইকেটে নিয়ে এমন এক রেকর্ড গড়েছেন, যা বিশ্ব ক্রিকেটেই অলরাউন্ডারদের মধ্যে বিরল।
- হিউস্টনে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে একটি উইকেট নিয়েই বিশ্বরেকর্ড গড়ে ফেলেছেন তিনি।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিবের এখন ৭০০ উইকেট। করেছেন ১৪ হাজারের বেশি রান।
- সব মিলিয়ে সবাইকে পেছনে ফেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৪ হাজার রান এবং ৭০০ উইকেটের ডাবল রেকর্ডের মালিক শুধু সাকিব। 

উৎস:- ক্রিকইনফো।
৯৮৮.
এ.কে ফজলুল হককে 'শেরে বাংলা' উপাধি দেওয়া হয় কোথায়?
  1. লাহোরে
  2. রাওয়ালপিন্ডিতে
  3. কোলকাতায়
  4. ঢাকায়
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামের সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯২৫ সালে তিনি বাংলার মন্ত্রী সভার সদস্য মনোনীত হন।
- ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- সে থেকে তিনি শের-ই-বাংলা নামেই পরিচিত। 
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে জয়লাভ করে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- বাংলার নয়নমণি শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল প্রায় ৮৯ বছর বয়সে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৮৯.
বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে কতজন চিকিৎসক ছিলেন?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
• খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ৩৪ জন সদস্যের মধ্যে ২৪ জন আইনজীবী, ৪ জন প্রফেসর, ৩ জন সমাজকর্মী ও ১ জন ডাক্তার (ডা. ক্ষিতীশ চন্দ্র মণ্ডল), সাংবাদিক, কৃষিবিদ ছিলেন।
-এই কমিটিতে একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য ছিলেন ন্যাপ (মোজাফফর) থেকে ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত সদস্য সুরঞ্জিন সেনগুপ্ত। 
- কমিটিতে ৭ জন গণপরিষদ মহিলা সদস্য থেকে ১ (রাজিয়া বানু) অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- সুরঞ্জিন সেনগুপ্ত ছাড়া বাকি সবাই ছিল আওয়ামী লীগের।
- কমিটিকে পরবর্তী ১০ জুনের মধ্যে গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া উপস্থাপন করতে বলা হয়।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৯০.
সম্প্রতি সনাক্তকৃত 'উদয়ী-জিরিয়া' এক ধরনের-
  1. ক) দ্বীপ
  2. খ) পাখি
  3. গ) হরিণ
  4. ঘ) বালুচর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের পাখি তালিকায় এবার যোগ হলো নতুন একটি পাখি যার নাম উদয়ী-জিরিয়া।
- লম্বা পায়ের এ পাখিটি মূলত সৈকতপাখি। জলাভূমির আশপাশে আপনমনে ঘুরে বেড়ায়।
- পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে উড্ডয়নকালে সে বাংলাদেশে যাত্রাবিরতি নিয়েছে।
- উদয়ী-জিরিয়ার ইংরেজি নাম Oriental Plover বৈজ্ঞানিক নাম Charadrius veredus। সম্প্রতি পটুয়াখালীর কুয়াকাটা থেকে এ পাখির ছবিটি তুলে রেকর্ড করেছেন আলোকচিত্রী সুলতান আহমেদ।

উৎস: বাংলা নিউজ, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৯৯১.
রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১ প্রদান করা হয়েছে কয়টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে?
  1. ১০ টি
  2. ১৫ টি
  3. ২০ টি
  4. ২১ টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১
- দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০ শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১।

- ২০১৪ সালের জন্য প্রথম ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ দেওয়া হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর সপ্তমবারের মতো রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র- প্রথম আলো।
৯৯২.
'কণিষ্ক' কোন বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন?
  1. পাল
  2. মৌর্য
  3. গুপ্ত
  4. কুষাণ
ব্যাখ্যা
কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯৩.
বাংলাদেশের ছয় ঋতুর সঠিক অনুক্রম কোনটি?
  1. গ্রীষ্ম, বর্ষা, বসন্ত, হেমন্ত, শীত ও শরৎ
  2. বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত ও গ্রীষ্ম
  3. শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা
  4. গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ছয় ঋতুর সঠিক অনুক্রম হলো: গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত।

বাংলাদেশ ষড়ঋতু:
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এদেশে ঋতুর আবির্ভাব ঘটে এবং সেগুলি পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়।
- ভৌগোলিক অবস্থানের দরুণ এখানকার জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।
- যদিও বাংলাদেশের জলবায়ু প্রধানত উপক্রান্তীয় মৌসুমি প্রকৃতির তথা উষ্ণ ও আর্দ্র, তথাপি প্রচলিত বাংলা বর্ষপঞ্জিতে বছরকে ছয়টি ঋতুতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:
গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত।
প্রতি দু মাস অন্তর ঋতু বদল হয়।
উল্লেখ্য যে,
সব সময় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ঋতুপরিবর্তন সীমাবদ্ধ থাকে না, কখনও কখনও কোনো কোনো ঋতুর শুরু ও শেষ কিংবা ব্যাপ্তিতে পরিবর্তন ঘটে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৯৪.
রাষ্ট্রের মূল উপাদান নয় -
  1. জনসমষ্টি
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. সরকার
  4. শিক্ষা
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্র গঠনের উপাদান:
- বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রদত্ত রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের কয়েকটি উপাদান লক্ষ্য করা যায়।
- রাষ্ট্রের মূল উপাদান চারটি।
- এগুলো হল- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখন্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব।
- এদের যেকোন একটি অনুপস্থিত থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হওয়া সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, 
- জনগণের সার্বিক কল্যাণে রাষ্ট্র নানাবিধ কাজ করে থাকে যে গুলোকে রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ বা কল্যাণমূলক কাজ বলা হয়।
- শিক্ষার বিস্তার বা স্বাস্থ্য সেবা দান হচ্ছে তত্ত্বগতভাবে ঐচ্ছিক কাজ।
- বর্তমানে কালে অবশ্য এই কাজগুলো রাষ্ট্রের জন্য অবশ্যপালনীয় হিসাবে বিবেচিত।

উৎস:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯৫.
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনুবাদ করেছে-
  1. ক) সামার ইনস্টিটিউট অব স্পিচ
  2. খ) সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস
  3. গ) সামার ইনস্টিটিউট অব হিস্টরি
  4. ঘ) ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ২২টি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনুবাদ হয়েছে।
- এ কাজ করেছে আন্তর্জাতিক সংগঠন সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (সিল)।
- সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস,অস্ট্রেলিয়া (সিল) ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষার সুরক্ষায় গবেষণার কাজ করে। 
- বিশেষ করে যেসব ভাষা বিপন্ন, সেগুলোর প্রয়োজনমতো বর্ণমালা বা ব্যাকরণ তৈরির কাজও করে প্রতিষ্ঠানটি। 
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণটিকে  World’s Documentary Heritage এর মর্যাদা দিয়ে International Memory of the World Register-এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।

 উৎস: প্রথম আলো আর্কাইভ।
৯৯৬.
১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসন ছিল কতটি?
  1. ১০
  2. ১৫
  3. ৩০
  4. ৫০
ব্যাখ্যা

১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের বৈশিষ্ট্য:
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের একটি মূল দলিল।
- এ সংবিধানটি উৎকৃষ্ট এবং বিভিন্ন দিক দিয়ে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত।
- মূল সংবিধান একটি সুলিখিত দলিল।
- এতে ১টি প্রস্তাবনা, ৪টি তফসিল, ১১টি ভাগ এবং ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানে দেশের জন্য একটি এক-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার বিধান করা হয়।
- এতে ৩০০ জন নির্বাচিত আসন রাখা হয়।
- এবং ১৫ জন সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- মোট ৩১৫ জন সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হবে।
- পরবর্তীতে সংরক্ষিত মহিলা আসন বৃদ্ধি করে ৩০ জন।
- এবং চতুর্দশ সংশোধনীতে বৃদ্ধি করে তা ৪৫ জন এবং বর্তমানে ৫০ জন করা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের মূল টানেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.১০ কিমি
  2. ৩.৩২ কিমি
  3. ৩.৬৬ কিমি
  4. ৩.৮৭ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:

- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
৯৯৮.
ইংরেজ ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার মধ্যে পলাশীর যুদ্ধের তারিখ কোনটি?
  1. ২৩ জুন, ১৭৫৭
  2. ২৩ জুন, ১৭৫৬
  3. ২৩ জুন, ১৭৫৮
  4. ২১ মে, ১৭৫৫
ব্যাখ্যা

• পলাশীর যুদ্ধ: 
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯৯.
কোনটি মৎস্য শিল্পে 'সাদা সোনা' নামে পরিচিত?
  1. ইলিশ
  2. সাদাপাথর
  3. চিংড়ি
  4. চিনামাটি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে.
- তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- চিংড়ি খাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ১৬ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
১,০০০.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র 'মুক্তির গান' কে পরিচালনা করেছেন?
  1. তারেক মাসুদ
  2. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. আলমগীর কবির
ব্যাখ্যা
মুক্তির গান:
- 'মুক্তির গান' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র।
- এই প্রামাণ্যচিত্র তারেক মাসুদ ও তার স্ত্রী ক্যাথেরিন মাসুদ পরিচালনা করেন।

- প্রামাণ্যচিত্রটি ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায়।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার জন্য চলচ্চিত্রটি প্রশংসিত হয়েছে।
- এটি দক্ষিণ এশিয়া চলচ্চিত্র পুরস্কারে বিশেষ উল্লেখ পুরস্কার এবং ২০তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে পুরস্কার লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে একাত্তরের যীশু, গেরিলা প্রভৃতি প্রধান।
- চাষী নজরুল ইসলাম ওরা ১১ জন’, ‘সংগ্রাম’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’, ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, প্রভৃতি সিনেমা নির্মাণ করেন।
- আলমগীর কবির পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে ‘রূপালি সৈকত’, ‘ধীরে বহে মেঘনা’, ‘লিবারেল ফাইটার্স’, ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে’ প্রভৃতি প্রধান।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।