ব্যাখ্যা
'জল' শব্দের সমার্থক শব্দ- অম্বু।
• ‘পানি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অম্বু, জল, নীর, সলিল, অপ, উদক, তোয়, জীবন ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- তোয়দ - মেঘ,
- সরিৎ - নদী,
- নীর - পানি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২০ / ২৮ · ১,৯০১–২,০০০ / ২,৮২৪
'জল' শব্দের সমার্থক শব্দ- অম্বু।
• ‘পানি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
অম্বু, জল, নীর, সলিল, অপ, উদক, তোয়, জীবন ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- তোয়দ - মেঘ,
- সরিৎ - নদী,
- নীর - পানি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
অগ্নি/আগুন শব্দের প্রতিশব্দঃ
অনল, বহ্নি, পাবক, হুতাশন, জ্বলন, কৃশানু, শিখাবৎ, বায়ুসখা, সপ্তাংশু ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
সুধাংশু - শব্দটি চন্দ্রের প্রতিশব্দ।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে,
সপ্তাংশু (বিশেষ্য) = অগ্নি।
(তৎসম বা সংস্কৃত) সপ্ত+অংশু; (বহুব্রীহি সমাস)
• 'পানি' এর সমার্থক শব্দ- জল, বারি, সলিল, নীর।
অন্যদিকে,
• 'বিদ্যুৎ'এর সমার্থক শব্দ - চপলা, শম্পা, অনুভা, অণুপ্রভা।
• 'সাগর' এর সমার্থক শব্দ- পাথার, অর্ণব, সায়র।
• 'দেহ' এর সমার্থক শব্দ- অবয়ব, গা, বপু, তনু।
উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'সিংহ' এর প্রতিশব্দ - কেশরী।
• ‘সিংহ' এর সমার্থক শব্দ:
- পশুরাজ, কেশরী, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ।
অন্যদিকে,
কুরঙ্গ = হরিণ শব্দের প্রতিশব্দ।
কুঞ্জর = ‘হাতি’ এর প্রতিশব্দ।
'অলক' হচ্ছে 'চুল' শব্দের প্রতিশব্দ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ভাত' এর প্রতিশব্দ- তণ্ডুল।
[মূল প্রশ্নে শব্দটি 'তণডুল' দেয়া আছে। তবে অপশন অনুসারে 'তণডুল' শব্দটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হলো।]
• তণ্ডুল 'বিশেষ্য পদ'।
অর্থ:
- খোসাছাড়ানো ধান, চাল।
• 'ভাত' এর প্রতিশব্দ শব্দ: রাঁধা চাল; খাওয়ার যোগ্য সিদ্ধ করা চাল; অন্ন।
অন্যদিকে,
----------------
• প্রভঞ্জন (বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়):
অর্থ:
- ঝড়ঝাপটা, বায়ু।
- পবনদেব।
- নাশক, ভঞ্জনকারী।
• মহি (বিশেষ্য পদ):
অর্থ:
- পৃথিবী, ধরণি।
• অভিধান অনুসারে 'অলিপিক' বানানটি অশুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান।
• সমার্থক শব্দগুচ্ছ: শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ।
- শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ হল ‘নদী’ শব্দের সমার্থক রূপ।
- এছাড়া ও ‘নদী’ শব্দের বেশ কিছু সুন্দর সমার্থক রূপ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
- এর মধ্যে রয়েছে: নদ, নদনদী, তটিনী, প্রবাহিণী, স্রোতস্বিনী, স্রোতস্বতী, নির্ঝরণী, গাঙ, সমুদ্রকান্তা, সমুদ্রদয়িতা, স্রোতবহা, মন্দাকিনী, স্রোতোবহ, কল্লোলিনী - ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• ‘সিন্ধু’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো- সাগর, সমুদ্র।
• ‘অর্ণব’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো- সমুদ্র, সাগর, সিন্ধু, পারাবার, জলধি, বারিধি।
• ‘দীর্ঘিকা’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো- দীঘি, বৃহৎ পুষ্করিণী, বড় পুকুর।
• ‘প্রণালি’ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো- পদ্ধতি, রীতি, প্রক্রিয়া, কৌশল, ব্যবস্থা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বামেতর (বিশেষণ পদ):
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- ডান;
- ডাহিন;
- দক্ষিণ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুৎ, প্রভঞ্জন।
অন্যদিকে,
'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, অশনি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
• 'কদলী' শব্দের অর্থ - কলা, রম্ভা।
অন্যদিকে,
'কাক' শব্দের অর্থ - বায়স, পরভৃৎ।
'বৃক্ষ' শব্দের অর্থ - গাছ, পাদপ, তরু।
'মধুবন' শব্দের অর্থ - বৃন্দাবনের অরণ্যবিশেষ, কোকিল।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'দিনেশ' শব্দের অর্থ - 'সূর্য, দিবাকর'।
অন্যদিকে,
'সন' শব্দের অর্থ- 'বৎসর'।
'দীনেশ' শব্দের অর্থ - 'দরিদ্রের আশ্রয় বা সহায়। ঈশ্বর, সৃষ্টিকর্তা'।
'শীকর' শব্দের অর্থ - বাতাসে ভাসমান জলকনা, জলবিন্দু।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
• 'মেঘ' শব্দের প্রতিশব্দ:
- ঘন, বারিদ, জলধর, অম্বুদ, পয়োধর, নীরদ, জলদ, জীমূত, তোয়দ, পর্জন্য, পয়োদ, বলাহক, তোয়ধর।
অন্যদিকে,
'সমুদ্র' এর অন্যান্য প্রতিশব্দ = বরুণ, পাথার, অর্ণব, দরিয়া, পারাবার, পয়োধি, সিন্ধু, সাগর ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'মন্বন্তর' শব্দের অর্থ:
১) পুরাণ-মতে ব্রহ্মার চতুর্দশ মানসপুত্রের (মনুর) একেক জনের শাসনকাল।
২) (বাংলায়) আকাল, দুর্ভিক্ষ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'শুভ্র' শব্দের অর্থ - শ্বেত, সাদা, শুক্ল, ধবল।
অন্যদিকে,
'প্রাংশু' শব্দের অর্থ - দীর্ঘকায়; উন্নত।
'হালকা' শব্দের অর্থ - ভারী নয় এমন; ফিকে।
'প্রাচীন' শব্দের অর্থ - অনাধুনিক, অভিজ্ঞ, বৃদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
সমার্থক শব্দ:
শশক = খরগোশ।
অন্যদিকে,
ঘোড়া = অশ্ব, ঘোটক, তুরগ, তুরঙ্গ, তুরঙ্গম, বাজী, হয় ইত্যাদি।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যকরণ ও নির্মিতি - ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
• 'বেসাতি' শব্দের অর্থ - দোকানদারি।
অন্যদিকে,
- 'বনবাস' শব্দের অর্থ - অরণ্যে বসবাস।
- 'সর্বাঙ্গীন' শব্দের অর্থ- 'সর্বাঙ্গব্যাপী'।
- 'চূড়া' শব্দের অর্থ : শীর্ষদেশ, শিখর।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
‘পুলিন’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- তীর, তট, বেলাভূমি, সৈকত, ধার, বালুকাবেলা, কিনারা, পাড়।
অন্যদিকে,
‘আনন্দ’ শব্দের আরো কিছু সমার্থক শব্দ:
- খুশি, আমোদ, মজা, হর্ষ, আহ্লাদ, স্ফূর্তি, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস।
‘ঠাট্টা’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- বিদ্রুপ, শ্লেষ, মশকরা, উপহাস, রসিকতা।
‘দীপ্তি’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- রশ্মি, শিখা, আলোকচ্ছটা, কর, প্রভা, কিরণ, জ্যোতি, অংশু।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• 'প্রসন্ন' (বিশেষণ):
অর্থ:
- সন্তুষ্ট; সদয় ; নির্মল, পবিত্র।
• 'প্রসন্ন' এর বিপরীত শব্দ- ক্ষুণ্ণ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ এবং অভিগম্য অভিধান।
• ‘বিভাবরী’ শব্দের অর্থ - রাত্রি।
- ‘বিভাবরী’ এর সমার্থক শব্দ হলো
- রাত্রি,
- রজনী,
- ক্ষণদা,
- নিশা,
- যামিনী
অন্যদিকে,
অচিন অর্থ হলো অচেনা; অজানা।
আহব' শব্দের অর্থ - যুদ্ধ।
উৎস: ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
নির্ঝরিণী নদী শব্দের সমার্থক শব্দ
সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হলো :
সাগর
সিন্ধু
সায়র
দরিয়া
জলধি
অকূল
পাথার
বারিধি
রত্নাকর
নীলম্বু
পয়োধি
বারীন্দ্র
অর্ণব
পারাবার
উৎস : নবম দশম শ্রেণির ব্যাকরণ (নতুন)
পৃথিবী এর সমার্থক শব্দ হল মেদিনী।
পৃথিবী এর অন্যান্য সমার্থক শব্দগুলো হলো: ধরা, ধরণি, ধরিত্রী, ব্রহ্মাণ্ড, বসুমতি, ভুবন, দুনিয়া, অবনী, মর্তলোক ইত্যাদি।
অন্যগুলোর সমার্থক শব্দ নিম্নরূপ :
শকুন্ত - পাখি
পাতক - পাপ
পর্বত - মহীধর, অদ্রি
উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি, ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ
• 'মেঘ' এর সমার্থক শব্দ:
- বারিদ, জলধর, অম্বুদ, পয়োধর, নীরদ, জলদ, জীমূত, তোয়দ, পর্জন্য, পয়োদ, বলাহক, তোয়ধর।
অন্যদিকে,
• ‘জল’ এর সমার্থক শব্দ:
অম্বু, জীবন, নীর, পানি, সলিল, উদক, বারি, অপ, তোয়, অর্ণঃ।
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
'পাথর' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- পাষাণ, প্রস্তর, শিলা, উপল, অশ্ম, কঙ্কর।
অন্যদিকে,
'হাতি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গজ, হস্তী, করী, দ্বিপ, বারণ, মাতঙ্গ, কুঞ্জর, দন্তী, দ্বিরদ, পিল।
‘ঘোড়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অশ্ব, ঘোটক, হয়, বাজী, তুরঙ্গ।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ঋত্বিক শব্দের প্রতিশব্দ :যাজ্ঞিক, যজ্ঞকর্তা, যাজক, হোমী, হোমক, হোত্রী।
- ইচ্ছা শব্দের অর্থ বাঞ্ছা।
- অংশ শব্দের অর্থ প্রভা।
- মনজিল শব্দের অর্থ গন্তব্য।
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা(সৌমিত্র শেখর)
সূর্য: আদিত্য, রবি, তপন, দিবাকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, সবিতা ইত্যাদি।
চাঁদ: শশী, শশধর, শশাঙ্ক, শুধাংশু, হিমাংশু, সুধাকর, সুধাংশু, হিমাংশু, সোম, বিধু, ইন্দু, নিশাকর ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
অরুণ - সূর্য।
২ - তরুণ সূর্য; বালার্ক; নবোদিত সূর্য।
৩ - উষা বা সন্ধ্যাকালীন সূর্যের দীপ্তি।
উল্লেখ্য যে, দিনমণি, রবি, ভানু এরা সূর্যের সমার্থক শব্দ। তবে অরুণ দ্বারা নতুন সূর্য বা ভোরের সূর্যকেই বুঝায়।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান