ব্যাখ্যা
আগুন শব্দের সমার্থক শব্দ অনল, বহ্নি, অগ্নি, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, বৈশ্বানর, কৃশানু, শিখাবৎ, শিখিন, বায়ুসখা, হুতভুক, পিঙ্গল, বিশ্বপা, হিমারাতি, দহন, বৈশ্বানর, অনিলসখ, সপ্তাংশু, সর্বভূক, সর্বশুচি।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৯ / ২৮ · ১,৮০১–১,৯০০ / ২,৮২৪
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান, অনুসারে,
শব্দজোড় সমার্থক নয়: দীপ - দ্যুতি।
’দীপ’ শব্দের অর্থ: প্রদীপ।
’ দ্যুতি’ শব্দের অর্থ: আলো, কিরণ, জ্যোতি দীপ্তি।
অন্যদিকে,
’তোড়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ: গোছা, স্তবক (ফুলের তোড়া)।
’আবৃত’ শব্দের সমার্থক শব্দ: আচ্ছাদিত।
’খরা’ শব্দের সমার্থক শব্দ: অনাবৃষ্টি। রৌদ্র।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'ঢেউ' এর সমার্থক শব্দ:
- ঊর্মি, তরঙ্গ, ঢেউ, কল্লোল, হিল্লোল, বীচি, লহর, লহরী, উল্লোল, মহোর্মি।
অন্যদিকে,
- 'ঝটিকা' হচ্ছে ঝড় শব্দের সমার্থক শব্দ।
- 'সরোবর' হচ্ছে ‘জলাশয়’ শব্দের সমার্থক শব্দ।
- 'চপল' চঞ্চল শব্দের প্রতিশব্দ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, বনানী, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- কমল, উৎপল, পঙ্কজ, কুমুদ, কুবলয়, শতদল, অরবিন্দ, রাজীব, নলিনী, সরোজ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
"অকাল কুষ্মাণ্ড" - এর 'কুষ্মাণ্ড' বলতে বোঝায়- গর্ভাশয়।
উল্লেখ্য,
"অকাল কুষ্মাণ্ড" বাগধারার অর্থ অপদার্থ,অকেজো।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণী (২০১৯ সংস্করণ)।
শম্বর শব্দের অর্থ হরিণ ।
- হরিণ এর সমার্থক শব্দ গুলো হলো: শম্বর, মৃগ, কুরঙ্গ, সুনয়ন, ঋষ্য, সারঙ্গ, এণ ।
- সিংহ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো:পশুরাজ,কেশরী, মৃগেন্দ্র, মৃগরাজ, হর্যক্ষ, মৃগপতি, হরি ।
- বাঘের সমার্থক শব্দ- ব্যাঘ্র, শের, শার্দুল, দ্বীপী, বাঘ, গুহাশয়, হিংস্র পুরূষ।
উৎস : ভাষা শিক্ষা ( হায়াৎ মামুদ), বাংলা একাডেমি অভিধান।
’মরুত’ শব্দের অর্থ- বায়ু, বাতাস।
অন্যদিকে,
’সলিল’ শব্দের অর্থ- পানি।
’উদধি ’ শব্দের অর্থ- মেঘ, সমুদ্র।
'পাবক' শব্দের অর্থ- অগ্নি'।
এছাড়াও
• 'বাতাস' শব্দের সমার্থক শব্দ:
বায়ু, হাওয়া, পবন, সমীর, সমীরণ, অনিল, মরুত, প্রভঞ্জন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
• পাকা শব্দটি দিয়ে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করা যায়।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'পাকা বুদ্ধি ছেলেটার'- এখানে 'পাকা' শব্দটি'- পরিণত বুদ্ধি নির্দেশ করছে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'তনু' শব্দের অর্থ - দেহ, শরীর।
অন্যদিকে,
'তুরগ' শব্দের অর্থ - তুর গম্+অ] বি. ঘোড়া, অশ্ব।
'শৈল' শব্দের অর্থ - শিলাজাত (শৈলগিরি), শিলাসম্বন্ধীয় পর্বতসংক্রান্ত।
'তীর' শব্দের অর্থ - কূল, তট, পাড়।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
নিবিদ (বিশেষণ):
অর্থঃ দেবদেবী-সংক্রান্ত অতি প্রাচীন কাব্যবিষয়ক।
সুত্র: বাংলা একাডেমী অভিধান।
অচল শব্দের অর্থ পাহাড়, যার সমার্থক শব্দ হলো - নগ, পর্বত, অদ্রি, গিরি, ভূধর, শৈল, মহীধর, শৃঙ্গী ইত্যাদি।
[সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
'দ্রুম' শব্দের সমার্থক - গাছ,পণী, পাদপ, মহীরুহ, বৃক্ষ, শাখী, উদ্ভিদ।
'মহী' শব্দের সমার্থক- পৃথীবি, জগৎ, অবনী, মেদিনী, ক্ষিতি, ধরা।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
• ‘যা উচ্চারণ করা কঠিন’ এক কথায় বলে - দুরুচ্চার্য।
অন্যদিকে,
• ‘যা বাক্যে প্রকাশযোগ্য নয়’ এক কথায় বলে - অনির্বচনীয়।
• ‘যা উচ্চারণ করা যায় না’ এক কথায় বলে - অনুচ্চার্য।
• ‘যা প্রকাশ করা হয় নি’ এক কথায় বলে - অব্যক্ত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'চুল' এর প্রতিশব্দ:
- কেশ,
- অলক,
- চিকুর,
- কুন্তল,
- কবরী।
অন্যদিকে,
'চক্ষু' শব্দের প্রতিশব্দ - লোচন।
'চাঁদ' শব্দের প্রতিশব্দ - শশী।
'মীনাক্ষী' শব্দের অর্থ - 'মাছের মতো সুন্দর চোখবিশিষ্ট।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি ( ২০২২ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, ভাষা শিক্ষা- হায়াৎ মামুদ।
আদিত্য : রবি, সূর্য, তপন, দিবাকর, ভাস্কর, ভানু, মার্তণ্ড, সবিতা, ইত্যাদি।
চপলা : বিদ্যুৎ; তড়িৎ; চঞ্চলা; চপলা; সৌদামিনী, ইত্যাদি।
অভ্র : আকাশ, অম্বর, গগন, নভ, আসমান, অন্তরীক্ষ, ব্যোম, ইত্যাদি।
অচল : পাহাড়, গিরি, শৈল, অদ্রি, ভূধর, শৈল, নগ, ইত্যাদি।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ও অভিগম্য অভিধান।
'হাতি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গজ, হস্তী, করী, দ্বিপ, বারণ, মাতঙ্গ, কুঞ্জর, দন্তী, দ্বিরদ, পিল।
অন্যদিকে,
‘ঘোড়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অশ্ব, ঘোটক, হয়, বাজী, তুরঙ্গ।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'সূর্য' শব্দের অর্থ কিরণমালী।
যেসব শব্দের অর্থ অভিন্ন বা প্রায় সমান, সেসব শব্দকে সমর্থক বা প্রতিশব্দ বলে।
• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ:
রবি, সবিতা, দিবাকর, আদিত্য, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, দিনপতি ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- প্রভা অর্থ - কিরণ।
- বিধু অর্থ - চাঁদ।
- দ্যুলোক - স্বর্গ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'মৃগয়া' শব্দের 'মৃগ' বলতে 'পশু' বোঝানো হয়।
• উল্লেখ্য,
'মৃগ' শব্দের অর্থ - হরিণ, পশু।
'মৃগয়া' শব্দের অর্থ - হরিণ শিকার; বন্য পশুপাখি শিকার।
অন্যদিকে,
• 'বানর' শব্দের অর্থ - বাঁদরসুলভ স্বভাববিশিষ্ট, শাখামৃগ, মর্ব।
• 'সিংহ' শব্দের অর্থ - মৃগেন্দ্র, স্ত্রী. সিংহী /শিংহি।
• 'বন' শব্দের অর্থ - অরণ্য, জঙ্গল, কানন, কুঞ্জ, গহন, বিপিন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'আকাশ' এর প্রতিশব্দ:
- অন্তরিক্ষ,
- আসমান,
- অম্বর,
- গগন,
- অনন্ত,
- নভোঃ,
- নভোমণ্ডল,
- ব্যোম ইত্যাদি।
-----------------------
অন্যদিকে,
• রাত্রি শব্দের প্রতিশব্দ:
রজনী; ত্রিযামা; যামিনী; রাত; নিশা; নিশীথিনী; ক্ষণদা; শর্বরী; বিভাবরী।
• ‘বাতাস’ শব্দের প্রতিশব্দ:
- বায়ু, হাওয়া, সমীর, অনিল, মরুৎ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা
সূর্য - সবিতা, রবি, ভানু, প্রভাকর, দিবাকর, দিবাবসু, দিনকর, দিনপতি৷
আলো - আলোক, বিভা, কিরণ, দীপ্তি, প্রভা, জ্যোতি, ময়ূখ, রওশন, নুর, আভা৷
দিন - অহ্ন, দিবস, দিবা, অহ, অষ্টপ্রহর, আটপ্রহর।
কন্যা - মেয়ে, নন্দিনী, দুহিতা, আত্মজা, সুতা, তনয়া, তনজা, ঝি, বেটি৷
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
• 'ইতি':
- বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- শেষ, খতম, অবসান, রফা।
- চিঠির শেষে ব্যবহৃত সমাপ্তিসূচক শব্দ।
- সমাপ্তি।
আবার,
• যবনিকা (বিশেষ্য পদ):
অর্থ:
- সমাপ্তি,
- পর্দা,
- আড়াল ইত্যাদি।
অর্থ্যাৎ,
• 'ইতি' শব্দের সমার্থক শব্দ- যবনিকা।
--------------------
অন্যদিকে,
• শ্রান্তি অর্থ: পরিশ্রমজাত ক্লান্তি।
• 'ভাতি' অর্থ: শোভা; দীপ্তি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
পর্বত শব্দের সমার্থক শব্দঃ
শৈল, গিরি, পাহাড়, অচল, অটল, অদ্রি, চূড়া, ভূধর, নগ, শৃঙ্গী, শৃঙ্গধর, মহীধর, মহীন্দ্র।
ভুজ অর্থ হাত।
কুঞ্জর অর্থ হস্তী।
দামিনী অর্থ বিদ্যুৎ
মারুত অর্থ বায়ু।
অম্বু অর্থ পানি।
বারিদ অর্থ মেঘ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।
• 'আহ্লাদ' শব্দের অর্থ - হর্ষ, আনন্দ, আমোদ, মজা।
অন্যদিকে,
- 'সমীহ' শব্দের অর্থ - সমাদর, খাতির।
- ন্যাকামি- জেনে না জানার ভান ধরা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'মেঘ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- জলধর, জীমূত, বারিদ, নীরদ, পয়োদ, ঘন, তোয়দ, পয়োধর, বলাহক, তোয়ধর ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• 'সাদা' এর সমার্থক শব্দ - সফেদ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ:
চন্দ্র, চন্দ্রমা; নিশাকর; নিশাকান্ত; শশধর; হিমাংশু; সুধাংশু; সুধাকর; ইন্দু; বিধু; শশী; সোম; মৃগাঙ্ক।
অন্যদিকে,
• ‘পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ: অদ্রি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বলাহক (বিশেষ্য)
১. মেঘ
২. পর্বত।
মেঘ : আকাশে ভাসমান বাষ্পীভূত পানি; জলধর; জীমূত; বারিদ
অর্থ্যাৎ, বলাহক, জীমূত ও বারিদ - শব্দগুলো প্রতিশব্দ।
অন্যদিকে,
উদক্ - উত্তর দিক দেশ বা কাল।
উদক - পানি; জল; বারি