ব্যাখ্যা
অন্যদিকে 'ভূষণ্ডির কাক' বাগ্ধারাটির অর্থ = দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি/বিচক্ষণ ব্যক্তি।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৪ / ১৬ · ১,৩০১–১,৪০০ / ১,৫৫৯
• 'ঊর্ধ্বচারী' শব্দের অর্থ - উচ্চাকাঙ্ক্ষী।
উল্লেখ্য,
"ঊর্ধ্বচারী"
- এটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
অন্যদিকে,
ঊর্ধ্বলোক - স্বর্গ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
Two heads are better than one (proverb): It is easier for two people who help each other to solve a problem than it is for one person to solve, it's helpful to have the advice or opinion of a second person.
Consultation- A meeting to discuss something or to get advice, A meeting with an expert, such as a medical doctor, in order to seek advice.
Source: Oxford Dictionary.
• 'শিকায় তোলা' বাগ্ধারাটির অর্থ মুলতবি বা স্থগিত।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
- রাম ধোলাই - প্রচণ্ড পিটুনি।
- লেজে গোবরে - বিশৃঙ্খলা।
- লবেজান করা - নাজেহাল করা।
- শরতের শিশির - সুসময়ের বন্ধু / ক্ষণস্থায়ী।
- শাপে বর - অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।
- শবরীর প্রতীক্ষা - দীর্ঘকাল ধরে।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'ছুঁচোর কেত্তন' - এ 'ছুঁচো' বলতে বোঝায়- ইদুরজাতীয় প্রাণী।
• ‘ছুঁচোর কেত্তন’ বাগধারার অর্থ - অবিরাম কলহ।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- 'রামগরুড়ের ছানা' - গোমড়ামুখো লোক।
- 'লগন চাঁদা' - ভাগ্যবান।
- 'কালে ভদ্রে' - কদাচিৎ।
- 'গোঁফ খেজুরে' - নিতান্তই অলস।
- ‘কুয়োর ব্যাঙ’ - সংকীর্ণমনা লোক।
- ‘খয়ের খাঁ’ - চটুকার।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,
• 'অর্ধচন্দ্র' বাগ্ধারার অর্থ - গলাধাক্কা।
অন্যদিকে,
• 'অমাবস্যার চাঁদ' অর্থ - দুর্লভ।
• 'অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী' অর্থ - অহেতুক গর্ব।
• 'আকাশকুসুম' অর্থ - কাল্পনিক বস্তু।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।
• 'কেঁচেগণ্ডূষ' বাগ্ধারার অর্থ - নতুন করে আরম্ভ করা।
অন্যদিকে,
- আমড়া কাঠের ঢেঁকি - অপদার্থ।
- সীমাবদ্ধ জ্ঞান - কুপমণ্ডূক।
- কেবলা হাকিম - অনভিজ্ঞ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'কেঁচে গণ্ডূষ' বাগ্ধারার অর্থ - নতুন করে আরম্ভ করা।
অন্যদিকে,
• 'কেঁচো খুঁড়তে সাপ' অর্থ- বিপজ্জনক পরিণতি।
• 'কাঁচা হাত' অর্থ- অপটু।
• 'গড্ডলিকা-প্রবাহ' অর্থ- অন্ধ অনুকরণ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ‘ধর্মের ষাঁড়’ বাগ্ধারার অর্থ - নিষ্কর্মা, নিশ্চিন্ত বেকার, অকর্মণ্য।
বাগ্ধারার ব্যাখ্যা:
- বৌদ্ধযুগে ধর্মের নামে মানত করে ষাঁড় বা ছাগল ছেড়ে দেওয়ার রীতি ছিল, এখনও বাঙালি সমাজে এই রীতি পরিলক্ষিত হয়।
- বিভিন্ন হাটবাজারে মুক্ত অবস্থায় দুয়েকটি ষাঁড় বা পাঁঠা এখনও দেখা যায়, যেগুলো ধর্মের নামে ছেড়ে দেওয়া।
- এরা যত্রতত্র তরিতরকারির ডালা বা খেতের ফসল খেলেও মানুষ তাদের ওপর অত্যাচার করে না।
- তবে ষাঁড়ের বদলে এ ধরনের আচরণ মানুষের মধ্যে পাওয়া গেলে ধর্মের ষাঁড় বলা হয়।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- 'কালে ভদ্রে' বাগধারাটির অর্থ = কদাচিৎ।
- ‘ডাকাবুকো’ বাগধারাটির অর্থ = নির্ভীক।
- ‘কূপমুন্ডক’ বাগধারার অর্থ = সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
- ‘কানকাটা’ বাগধারাটির অর্থ = বেহায়া।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ডোল ভরা আশা আর কুলো ভরা ছাই = আশা অনেক কিন্তু ফল শূন্য।
----------------------------------------
• গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ ও তাদের অর্থ:
- অকাল কুষ্মাণ্ড: অপদার্থ বা অকেজো।
- অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ: বেশি ভক্তি দেখানোর পেছনে হীন উদ্দেশ্য থাকে।
- আপন গায়ে কুকুর রাজা: নিজের এলাকায় সবাই শক্তিশালী।
- ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়: অদম্য ইচ্ছা থাকলে কাজ করা সম্ভব।
- উভয় সংকট: বরের ঘরের পিসী, কনের ঘরের মাসী।
- কাজের সময় কাজি, কাজ ফুরালে পাজি: প্রয়োজনে তোষামোদ, পরে অবজ্ঞা।
- কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাস: শৈশবে না শেখালে বড় হয়ে শেখানো যায় না।
- কষ্ট বিনা কেষ্ট মেলে না: পরিশ্রম ছাড়া সফল হওয়া যায় না।
- ঘর পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়: একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে পরবর্তী সময়ে ভয় পায়।
- নুন আনতে পান্তা ফুরায়: চরম অভাব।
- বিনা মেঘে বজ্রপাত: অপ্রত্যাশিত বিপদ।
- শাক দিয়ে মাছ ঢাকা: কৌশলে কোনো বড় সত্য লুকানোর চেষ্টা।
- সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে: নিজের ক্ষতি না করে কাজ হাসিল করা।
- হাতি ঘোড়া গেল তল, ভেড়া বলে কত জল: বড় বড় লোক যেখানে ব্যর্থ, সেখানে ছোটদের অহংকার।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'শিরে সংক্রান্তি' বাগ্ধারার অর্থ - আসন্ন বিপদ।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
• 'অকাল কুষ্মাণ্ড' বাগ্ধারাটির অর্থ - অপদার্থ।
• 'অক্ষরে অক্ষরে' বাগ্ধারাটির অর্থ - সম্পূর্নভাবে।
• 'আঠারো মাসে বছর' বাগ্ধারাটির অর্থ - দীর্ঘসূত্রিতা।
• 'আকাশের চাঁদ' বাগ্ধারাটির অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা
• 'যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা' অর্থ - অপছন্দের ভালোমন্দ সবই খারাপ।
অন্যদিকে,
------------------
• 'যত দোষ নন্দ ঘোষ' অর্থ- দুর্বলের প্রতি সর্বদা দোষারোপ।
• 'নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা' অর্থ- নিজের ত্রুটি অন্যের ওপর চাপানো।
• 'চালুনি বলে ছুঁচ তোর দেখি ছ্যাঁদা' অর্থ- দোষী হয়েও অপরের সামান্য ত্রুটির সমালোচনা করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• "কুল কাঠের আগুন" বাগ্ধারার অর্থ - তীব্র জালা।
অন্যদিকে,
'উড়নচণ্ডী' বাগ্ধারার অর্থ - অমিতব্যয়ী।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
কাঠের পুতুল - ব্যক্তিত্বহীন মানুষ।
কূপমণ্ডুক - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
কেতাদুরস্ত - পরিপাটি।
কেউকেটা - তুচ্ছ ব্যক্তি।
খয়ের খাঁ - তোষামোদকারী।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• ইঁদুর কপালে একটি বাগধারা।
• 'ইঁদুর কপালে' বাগধারাটির অর্থ = নিতান্তই মন্দ ভাগ্য।
উদাহরণ: তার মত ইঁদুর কপালে লোক খুব কমই দেখেছি।
এরুপ অন্যান্য কিছু বাগধারা হলো:
- 'জোর-কপাল' বাগধারাটির অর্থ = সুপ্রসন্ন ভাগ্য।
- 'আট কপালে' বাগধারাটির অর্থ = হতভাগ্য।
- ‘একাদশে বৃহস্পতি’ বাগধারাটির অর্থ = সৌভাগ্যের বিষয়।
- ‘অদৃষ্টের পরিহাস’ বাগধারাটির অর্থ = ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
পাথরে পাঁচকিল বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে- প্রবল সৌভাগ্য।
অন্যদিকে-
পাঁয়তারা ভাজা - অর্থ ফন্দি আঁটা,
পাশকাটানো - অর্থ এড়িয়ে চলা এবং
পামপট্টি দেয়া - অর্থ খুশি করা।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-মোহসীনা নাজিলা।
• 'সাতেও না পাঁচেও না' বাগ্ধারাটির অর্থ = নির্লিপ্ত।
অন্যদিকে,
আদায় কাঁচকলায় = ঘাের শত্রুতা।
দা-কুমড়া = শত্রুতা।
অহি নকুল (সাপে-নেউলে) = ভীষণ শত্রুতা।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'দহরম মহরম' বাগ্ধারার অর্থ- অন্তরঙ্গতা।
অন্যদিকে,
• 'দা-কুমড়া সম্বন্ধ' অর্থ- শত্রুভাব।
• 'দাঁত ফোটানো' অর্থ- কঠিন বিষয় আয়ত্ত করা।
• 'দুমুখো সাপ' অর্থ- শত্রু-মিত্র উভয়ের পক্ষাবলম্বন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
মানিকজোড় - বকজাতীয় পাখি; দুই জন ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা দুষ্ট লোক যারা প্রায়ই একত্রে থাকে।
মেনিমুখো - লাজুক; লজ্জাশীল।
কাঠের পুতুল - ব্যক্তিত্বহীন মানুষ।
গোঁফ খেজুরে - অতিশয় অলস; অত্যন্ত কুড়ে।
কাঠের পুতুল, গোঁফ খেজুরে, মেনিমুখো এই বাগধারাগুলো দিয়ে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বুঝানো হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
• 'উড়নপেকে' বাগ্ধারাটির অর্থ - অপব্যয়ী।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
- 'আকাশের চাঁদ' বাগ্ধারাটির অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
- 'দফা নিকেশ' বাগ্ধারাটির অর্থ - সমূহ সর্বনাশ।
- ‘নয় ছয়’ বাগ্ধারাটির অর্থ - অপব্যয়।
- 'ডিমে রোগা' বাগ্ধারার অর্থ - সর্বদা রুগ্ণ।
- "রাশভারী" বাগ্ধারার অথ - গ্মভীর প্রকৃতি।
- 'তিলেতিলে' বাগ্ধারার অর্থ - ধীরে ধীরে।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'অমাবস্যার চাঁদ' বাগ্ধারার অর্থ - দুর্লভ।
অন্যদিকে,
• 'আকাশকুসুম' অর্থ- কাল্পনিক বস্তু।
• 'আষাঢ়ে গল্প' অর্থ - আজগুবি গল্প।
• 'অন্ধের যষ্টি/নড়ি' অর্থ - একমাত্র সম্বল।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'শিরে সংক্রান্তি' বাগ্ধারার অর্থ - আসন্ন বিপদ।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বান্ধারা:
'অকাল কুষ্মাণ্ড' বান্ধারাটির অর্থ - অপদার্থ।
'অক্ষরে অক্ষরে' বান্ধারাটির অর্থ - সম্পূর্নভাবে।
'আঠারো মাসে বছর' বান্ধারাটির অর্থ - দীর্ঘসূত্রিতা।
'আকাশের চাঁদ' বান্ধারাটির অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা
• 'হাড়হদ্দ' বাগ্ধারার অর্থ - সবকিছু।
অন্যদিকে,
সপ্তকাণ্ড রামায়ণ - বৃহৎ বিষয়।
শরতের শিশির - ক্ষণস্থায়ী।
হস্তিমূর্খ - নিরেট মূর্খ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'দাঁত ফোটানো' বাগ্ধারার অর্থ - কঠিন বিষয় আয়ত্ত করা।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
- কেউকেটা = বিশিষ্ট ব্যক্তি।
- কূপমণ্ডূক = সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
- উনপাঁজুরে = দুর্বল ও ব্যক্তিত্বহীন।
- ডাকাবুকো = নির্ভীক।
- দেঁতো হাসি - কৃত্রিম হাসি।
উৎস: ভাষা শিক্ষা ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'নকড়া ছকড়া করা' বাগ্ধারার অর্থ - তুচ্ছ জ্ঞান করা।
অন্যদিকে,
'নয়-ছয়' অর্থ - অপচয়/বিশৃঙ্খল অবস্থা।
'ছক্কাপাঞ্জা করা' অর্থ - বড়ো বড়ো কথা বলা।
'ধামাধরা' অর্থ - তোষামুদে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• “কলকে পাওয়া” বাগ্ধারার অর্থ স্বীকৃতি পাওয়া।
•কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- শাখের করাত = উভয় সংকট।
- আটকপালে = হতভাগ্য।
- কাঁচা টাকা = নগদ উপার্জন।
- কেতাদুরস্ত = পরিপাটি।
- কৈ মাছের প্রাণ = যা সহজে মরে না।
- গোবর গণেশ = মূর্খ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা- হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমী, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ছুঁচোর কেত্তন' বাগ্ধারার অর্থ - অবিরাম কলহ।
অন্যদিকে,
ছাগল টাঙানো - লম্বা জায়গা নেওয়া।
জবরজং - এলোমেলো।
ছিনিমিনি খেলা - নষ্ট করা।
উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'অমাবস্যার চাঁদ' বাগ্ধারার অর্থ- দুর্লভ বস্তু।
অন্যদিকে,
• 'আকাশ কুসুম' অর্থ- অসম্ভব কল্পনা।
• 'আকাশ পাতাল' অর্থ- প্রচুর ব্যবধান।
• 'আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া' অর্থ- দুর্লভ বস্তু প্রাপ্তি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
সাধারণত বাংলা ভাষায় প্রবাদ-প্রবচনগুলো যেভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তার বিকৃতি বা রূপের পরিবর্তন করা হলে তা ভুল বলে গণ্য হবে।
যেমনঃ 'গরিবের কথা তেতো হলে ফলে' বাক্যটি ভুল। এতে প্রবাদ-প্রবচন বিকৃতিজনিত ভুল প্রয়োেগ ঘটেছে।
- শুদ্ধ বাক্যটি হলো- গরিবের কথা বাসি হলে ফলে (নগণ্য লোকের পরামর্শও কাজে লাগে)।
অপশনের অন্যান্য প্রবাদ প্রবচন ও এর অর্থ:
- গাইতে গাইতে গায়েন, বাজাতে বাজাতে বায়েন = অধ্যবসায়ের ফলে দক্ষতা অর্জন,
- গোদের ওপরে বিষফোঁড়া = কষ্টের ওপর আরো কষ্ট,
- ঘরের লক্ষ্মী পায়ে ঠেলা = কাম্য বস্তুকে অবহেলা করা।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'জবরজং' বাগ্ধারার অর্থ - জমকালো কিন্তু বেমানান।
অন্যদিকে,
জগদ্দল পাথর - গুরুভার।
ছক্কাপাঞ্জা করা - বড়ো বড়ো কথা বলা।
চুনোপুটি - সামান্য ব্যক্তি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- ‘তুলকালাম’ বাগধারাটির অর্থ ‘সাংঘাতিক ঘটনা’
- ‘সাপে নেউলে’ বাগধারাটির অর্থ ‘ভীষণ শক্রতা’
- ‘তুমলকান্ড’ বাগধারাটির অর্থ ‘খন্ডপ্রলয়’
- ‘জগাখিচুড়ি’ বাগধারাটির অর্থ ‘বিশৃঙ্খল’
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]