বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূরাজনীতি

মোট প্রশ্ন৪১৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূরাজনীতি

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৪১৫

২০১.
Where is 'Ground Zero'?
  1. ক) Greenwich
  2. খ) Indira Point
  3. গ) New York
  4. ঘ) Shriharikota
ব্যাখ্যা
• গ্রাউন্ড জিরো:
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক সিটির ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার জঙ্গীগোষ্ঠী আল-কায়দার বোমা হামলায়  ধ্বংস হয়ে যায়।
- পরে  ধ্বংস হওয়া স্থানটি বিশ্বব্যাপী 'গ্রাউন্ড জিরো' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- আল-কায়দার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলার প্রেক্ষিতে ইরাক ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২০২.
নেপালে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে-
  1. ক) ২০০১ সালে
  2. খ) ২০০৬ সালে
  3. গ) ২০০৮ সালে
  4. ঘ) ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
২০০৮ সালের ২৮ মে নেপালে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক হিসেবে ঘোষণা করে এবং রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে নেপালে ১৭৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ২৩৯ বছরের রাজতন্ত্রের পতন ঘটে। (সূত্রঃ নেপাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট)
২০৩.
দুশানবে কোন দেশের রাজধানী?
  1. ক) উজবেকিস্তান
  2. খ) কিরগিজস্তান
  3. গ) কাজাকিস্তান
  4. ঘ) তাজিকিস্তান
ব্যাখ্যা
- তাজাকিস্তানের রাজধানী দুশানবে।

কয়েকটি দেশের রাজধানী:

- কাজাখস্তানের নতুন রাজধানী নুর সুলতান।
- পর্তুগালের রাজধানী লিসবন।
- বেলারুশের রাজধানীর মিনস্ক।
- উজবেকিস্তানের রাজধানী হল তাশখন্দ। 
২০৪.
শিখদের উপাসনালয়ের নাম কী?
  1. ক) গুরু দুয়ারা
  2. খ) মন্দির
  3. গ) মঠ
  4. ঘ) সিনাগগ
ব্যাখ্যা
শিখ (Sikhism) 
• উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ - ১৫ শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে শিখ ধর্ম, ধর্ম এবং দর্শন প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এর সদস্যরা শিখ নামে পরিচিত। 
• প্রবর্তক - গুরু নানক।
• ধর্মগ্রন্থ - গ্রন্থ সাহেব (আদি গ্রন্থ)।
• উপাসনালয় - গুরু দুয়ারা
• পবিত্র স্থান - শিখদের পবিত্র ধর্মীয় স্থান - পাঞ্জাবের অমৃতসরে অবস্থিত ‘স্বর্ণমন্দির’। 

অন্যদিকে,
• ইহুদীদের উপাসনালয় - সিনাগগ।
• হিন্দুদের উপাসনালয় - মন্দির।
• উপাসনালয় - বৌদ্ধ ধর্মের উপাসনালয় মঠ নামে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
২০৫.
মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব রাজনীতিতে প্রথম তেল অস্ত্র প্রয়োগ করে -
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
তেল অস্ত্র:
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা তখন তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
- তারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
- ১৯৭৩ সালে ইরাকের তেল সংক্রান্ত ফেডারেল আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ড. ফাদিল চালাবি।
- তিনি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো একতরফাভাবে তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- এতে তেল কোম্পানিগুলোর কোন ভুমিকাই থাকবে না।

⇒ তেল অবরোধ:
- বড় বড় তেলক্ষেত্রগুলো ছিল সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত এসব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে।
- কিন্তু সেই তেল উত্তোলন করছিল সেই বড় পশ্চিমা কোম্পানিগুলো, তেলের দামও নির্ধারণ করছিল তারাই।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা কমিয়ে দিল তেলের উৎপাদন, বাড়িয়ে দিল তেলের দাম, আর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিল।
- ১৯৭৩ সালে তেল রপ্তানিকারী আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু শিল্পোন্নত দেশের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
- তারা ঠিক করলো, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোই তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।
- এর পরিণামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুণ।
- এর সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়েছিল বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে।
- এভাবেই আরবরা তেল অবরোধ করে।

উৎস: i) World Atlas.
ii) BBC.
২০৬.
ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া (Transdniestria) অঞ্চলটি কোন রাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. আর্মেনিয়া
  2. মলদোভা
  3. বেলারুশ
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

- ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া (Transdniestria) একটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল এটি আন্তর্জাতিকভাবে মলদোভার (Moldova) অংশ হিসেবে স্বীকৃত।

ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া:
- ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া অঞ্চলটি মলদোভা-ইউক্রেন সীমান্তে নিস্টার নদীর পূর্বতীরে অবস্থিত।
- এটি মলদোভার একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী ছিটমহল।
- ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া বিভিন্ন সময়ে অটোমান সাম্রাজ্য, রাশিয়া, ইউক্রেন এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বারা শাসিত হয়েছিল।
- এটির প্রধান শহর তিরাসপোল।
- অঞ্চলটির মোট আয়তন প্রায় সাড়ে তিন হাজার বর্গকিলোমিটার।
- মলদোভা সরকারের সাথে বিরোধের প্রেক্ষিতে ১৯৯৫ সালে অঞ্চলটিতে ১,৫০০ রুশ শান্তিরক্ষী মোতায়েন করা হয় যা এখনো সক্রিয় রয়েছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট।

২০৭.
সম্প্রতি ইসরায়েল উপসাগরীয় কোন দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ক) কাতার
  2. খ) ওমান
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
• সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
• এ প্রথম উপসাগরীয় কোনো দেশের সঙ্গে প্রথম এ ধরনের চুক্তিতে গেল ইসরায়েল।
• নতুন এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি হওয়া
উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতি সমাচার, জুলাই ২০২২।
২০৮.
লাইন অব কন্ট্রোল কোন দুটি দেশের ভৌগোলিক সীমারেখা?
  1. ক) ভারত ও চীন
  2. খ) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. গ) ভারত ও পকিস্তান
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মির সীমান্তে বিরাজমান ভৌগোলিক সীমারেখা।
১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই রেখা নির্ধারিত হয়। এটি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সীমারেখা না হলেও এটিই কাশ্মির সীমান্তে দেশ দুটির মধ্যে ডি-ফ্যাক্টো রেখা।
(সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া)
২০৯.
'ব্ল্যাক মানডে' কিসের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ক) পরিবেশ
  2. খ) রাজনীতি
  3. গ) যুদ্ধ
  4. ঘ) স্টক মার্কেট
ব্যাখ্যা
• ব্ল্যাক মানডে:
- ১৯২৯ সালের ৮ অক্টোবর, যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারের ধসের ধসের কবলে পড়ে ৷
- পুঁজিবাজারের এই ধস যুক্তরাষ্ট্রসহ অধিকাংশ দেশকে মহামন্দার দিকে ঠেলে দেয়।
- আবার, ১৯৮৭ সালে ১৯ অক্টোবর সোমবার বিশ্বব্যাপী আবারও পুঁজিবাজারে ভয়াবহ ধস নামে।
- হংকং শেয়ার বাজার থেকে এ বিপর্যয় শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে ইউরোপ, এশিয়া ও আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে।
- পুঁজিবাজারের আলোচিত এ ধস সোমবার ঘটেছিল বলে এ দুটি ঘটনাকে Black Monday নামে অভিহিত করা হয় ৷

উৎস: ব্রিটানিকা ।
২১০.
পঞ্চম ড্রাগনের দেশ- 
  1. ইরান
  2. জাপান
  3. জাম্বিয়া
  4. তাইওয়ান
ব্যাখ্যা

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com

২১১.
জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে? [ফেব্রুয়ারি,২০২৬]
  1. সানায়ে তাকাইচি
  2. নারুহিতো
  3. ইয়োশিহিদে সুগা
  4. শিনজো আবে
ব্যাখ্যা

জাপান:
- জাপান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- সংবিধানিক রাজতন্ত্র (Constitutional Monarchy).
- সম্রাটের ক্ষমতা আনুষ্ঠানিক কিন্তু কার্যকর শাসন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রকৃত শাসন পরিচালিত হয়।
- বর্তমান সম্রাট: সম্রাট নারুহিতো (Emperor Naruhito)।
- রাজধানী: টোকিও (Tokyo) ১৮৬৮ সালে ইডো থেকে টোকিওতে স্থানান্তরিত হয়।
- ভৌগোলিক অবস্থান: পূর্ব এশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপদেশ; চারটি প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হোনশু, শিকোকু, কিউশু।
- জাপানের আয়তন: ৩৭৭,৯১৫ বর্গকিলোমিটার।
- সবচেয়ে বড় দ্বীপ: হোনশু।
- আয়তন প্রায় ২২৭,৯৬২ বর্গকিলোমিটার
- জনসংখ্যা (২০২৫ আনুমানিক): প্রায় ১২৩,১০৫,০০০ জন।
- জাতীয় ভাষা: জাপানি (Japanese)।
- ধর্ম: শিন্তো ও বৌদ্ধ ধর্ম প্রধান; খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারীও রয়েছে।
- জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হলেন সানায়ে তাকাইচি।
- আইনসভা: 'ডায়েট' (National Diet)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২১২.
’ব্রেক্সিট’ কার্যকর করা হয় কবে?
  1. ক) ৩০ জানুয়ারি, ২০২০
  2. খ) ৩১ জানুয়ারি, ২০২০
  3. গ) ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯
  4. ঘ) ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ব্যাখ্যা
- ব্রেক্সিট হলো ‘ব্রিটিশ এক্সিট’ বা যুক্তরাজ্যের ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়া।
- ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিট কার্যকরের মাধ্যমে ৪৭ বছরের সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে যুক্তরাজ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করে।
- ২০১৬ সালের ২৩শে জুন যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটে ৫২ শতাংশ জনগণ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষে ভোট দেয়।
- এতে ২০১৯ সালের ২৯শে মার্চ ব্রেক্সিট তারিখ নির্ধারিত হলেও তা দুই দফায় বৃদ্ধি করে সর্বশেষ ৩১ জানুয়ারি ২০২০ কার্যকর হয়।
- এর আগে ১৯৭৩ সালে যুক্তরাজ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে যোগ দেয়।

সূত্র: বিবিসি
২১৩.
Who is the new Prime Minister of New Zealand?
  1. ক) Jacinda Ardern
  2. খ) Chris Hipkins
  3. গ) Carmel Sepuloni
  4. ঘ) Christopher Luxon
ব্যাখ্যা
ক্রিস হিপকিনস:
- নিউজিল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী- ক্রিস হিপকিনস
- লেবার পার্টি থেকে ক্রিস হিপকিনস ২০০৮ সালে প্রথম পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন।
- ২০২০ সালের নভেম্বরে তাঁকে কোভিড-১৯ মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- দেশটির পুলিশ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন ক্রিস হিপকিনস।
- এ ছাড়া তিনি শিক্ষা, জনসেবা মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। 

অন্যদিকে---
- ২০১৭ সালে প্রথম নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হন জেসিন্ডা। তখন তাঁর বয়স ছিল ৩৭ বছর।
- তিনি বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিউজিল্যান্ডের দায়িত্ব নেন।
- তিনি বিশ্বে দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি ক্ষমতায় থাকাকালে মা হয়েছেন।
- এ রেকর্ডে প্রথমস্থানে রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো। 

তথ্যসূত্র: দৈনিক পত্রিকা নিউজ।
২১৪.
নিম্নের কোন দলটি মার্কিন রাজনীতিতে ‘গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি’ নামে পরিচিত?
  1. ডেমোক্রেটিক পার্টি
  2. লিবার্টারিয়ান পার্টি
  3. কনজারভেটিভ পার্টি
  4. রিপাবলিকান পার্টি
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র: 
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে।
- আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য, আর জনসংখ্যার দিক থেকে ক্যালিফোর্নিয়া হলো বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য।
- যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে।
- সেই থেকে ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- ১৮৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে রিপাবলিকান পার্টি "গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি" বা GOP নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল হলো ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং রিপাবলিকান পার্টি। 

সূত্র: ব্রিটানিকা।

২১৫.
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সর্বপ্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. মিশর
  2. আলজেরিয়া
  3. ইরান
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
◉ ফিলিস্তিন:
- ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যা ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে ২৯ নভেম্বর, ২০১২ সালে।

এছাড়াও,
- ২০ জুন ২০১৯ আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- এর মাধ্যমে সংস্থাটি ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এর পূর্বে ফিলিস্তিন ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে

উৎস: ফিলিস্তিন সরকারের ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
২১৬.
'গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রইকা' নীতি কোন দেশে চালু হয়েছিল?
  1. ক) চীন
  2. খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্ত্ররাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি।
- পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- মিখাইল গর্ভাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম ও একমাত্র প্রেসিডেন্ট। 
- সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা।     

উৎস: হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
২১৭.
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে LOI - এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Letter of Intent
  2. Letter of Identification
  3. Letter of Inspection
  4. Letter of Iropact
ব্যাখ্যা
• Letter of Intent:
- A letter of intent (LOI) হল একটি দলিল যা এক পক্ষের অন্য পক্ষের সাথে ব্যবসা করার প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করে।
 - letter of inten একটি সম্ভাব্য চুক্তির প্রধান শর্তগুলির রূপরেখা দেয় এবং সাধারণত ব্যবসায়িক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়।
- একটি LOI-তে অন্তর্ভুক্ত শর্তাবলী হল নির্দিষ্ট শর্তাবলী, প্রয়োজনীয়তা, সময়রেখা এবং জড়িত পক্ষগুলি৷

তথ্যসূত্র: ইনভেস্টিপিডিয়া। 
২১৮.
সানশাইন পলিসি (Sunshine Policy) এর প্রবক্তা কে?
  1. কিম ইয়ং-স্যাম
  2. কিম দায়ে জং
  3. কোয়াক সাং-হুন
  4. ইউন সুক ইওল
ব্যাখ্যা
Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২১৯.
'লয়াজিরগা' কোন দেশের আইন সভা?
  1. ইরান
  2. আফগানিস্তান
  3. ডেনমার্ক
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- লয়াজিরগা : আফগানিস্তানের আইনসভা, 

এছাড়াও,
- মজলিস : ইরানের আইনসভা, 
- কংগ্রেস : যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা, 
- রিক্সড্যাগ : সুইডেনের আইনসভা, 
- ফোকেটিং : ডেনমার্কের আইনসভা, 
- আলথিং : আইসল্যান্ডের আইনসভা, 
- এডুসকুন্ডা : ফিনল্যান্ডের আইনসভা। 

উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
২২০.
পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে কবে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়ে।
- ১৯৭৭ সালে তৎকালীন পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার - একটি চুক্তি সই করেন, এটা "তোরিজোস-কার্টার চুক্তি" নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী, পানামা খাল ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে।
- পানামার কাছে হস্তান্তরের আগে খালটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল এবং
- তারা সেখানে "ক্যানাল জোন" নামে একটি বিশেষ অঞ্চল পরিচালনা করত।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর বিষয়টি পানামার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙক্ষা ছিল, যা এই চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
- খালটি বর্তমানে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: Britannica. 
২২১.
প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর হচ্ছে-
  1. ইউকোসুক
  2. হাওয়াই
  3. গোয়াম
  4. সুবিক বে
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর হচ্ছে- ইউকোসুক। 
---------------- 
• সপ্তম নৌবহর:
- মূল ভূখণ্ডের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নেভাল ফোর্স হল- সপ্তম নৌবহর।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি অংশ। 
- বর্তমানে এর প্রধান ঘাটি জাপানের ইয়াকোসুকে অবস্থিত।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিটের অংশ।
- বর্তমানে এতে ৬০-৭০ জাহাজ, ৩০০ বিমান এবং ৪০,০০০ নৌবাহিনী, মেরিন কর্পস সদস্য এবং কোস্টগার্ড সদস্য রয়েছে।

• সপ্তম নৌবহর নিয়ে কিছু অতিরিক্ত তথ্য:
- ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর সপ্তম নৌবহরের কয়েকটি জাহাজ নিয়ে 'টাস্কফোর্স ৭৪' গঠন করা হয়।
- জাহাজগুলো সিঙ্গাপুরে একত্র হয়ে বঙ্গোপসাগর অভিমুখে যাত্রা শুরু করে।
- এই বহরের জাহাজগুলোর মধ্যে প্রধান জাহাজ হল USS Enterprise.
- সপ্তম নৌবহরের আরেকটি জাহাজ USS Tripoli. 
- এটি একটি অ্যাম্ফিভিয়াস অ্যাসল্ট শিপ। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২২২.
Suez Canal is between
  1. ক) Arabian Sea and Red Sea
  2. খ) Red Sea and North Sea
  3. গ) Mediterranean Sea and North Sea
  4. ঘ) Mediterranean Sea and Red Sea
ব্যাখ্যা
• সুয়েজ খাল: 
 - ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল খনন করা হয়।
- এটি ভূমধ্য সাগরের সাথে লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।
- অন্যদিকে এই খাল মিশরের মূল ভূখন্ড থেকে সিনাই উপদ্বীপকে বিচ্ছিন্ন করেছে অর্থাৎ সুয়েজ খাল মিশর থেকে মিশরকেই পৃথক করেছে।
- মিশর ১৯৫৬ সালে সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করে।
- এটির দৈর্ঘ্য ১৯৩ কিলোমিটার।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
২২৩.
ইসরাইল রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয় কাকে? 
  1. আর্থার বেলফোর
  2. এডমন্ড বথচাইল্ড
  3. থিওডর হার্জেল
  4. ব্যারন রথচাইল্ড
ব্যাখ্যা
• ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরায়েল।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ফিলিস্তিন ছেড়ে যায় ব্রিটেন, আর ইহুদিরা ঘোষণা করে নিজস্ব রাষ্ট্র ইসরাইলের।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়, সেটা পৃথিবীর যে প্রান্তেরই ইহুদি হোক না কেন।
- ইতিহাসে ইসরায়েল বলে কোনো রাষ্ট্র ছিল না।
- ইসরাইলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ‘জুডেনস্টাট’ বা ‘ইহুদি রাষ্ট্র’ নামে ১৮৯৬ সালে তিনি যে বই লেখেন, তা হিটলারের ‘মেইন ক্যাম্ফে’র মতোই বিপজ্জনক।
- হার্জেল লেখেন, ‘আমরা সেখানে (ফিলিস্তিনে) এশিয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপের দুর্গপ্রাচীর বানাব।’
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরায়েল রাষ্ট্র যেদিন প্রতিষ্ঠা হয়, ঠিক সেদিনই স্বীকৃতি দিয়েছিল আমেরিকা।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা। 
২২৪.
নিচের কোন দেশটি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভুক্ত নয়?
  1. ক) ইউক্রেন
  2. খ) কিরগিজস্তান
  3. গ) আফগানিস্তান
  4. ঘ) এস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কেবল আফগানিস্তান সাবেক সােভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশ ছিল না।

সোভিয়েত ইউনিয়ন:
- ১৯২২ সালে এক চুক্তির মাধ্যমে রাশিয়ান কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান ভ্লাদিমির লেনিনি সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন করেন।
- ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর এই চুক্তি সম্পন্ন হয়। প্রথম রাশিয়া,বেলারুশ, ইউক্রেন ও কাকেশাসীয় অঞ্চলের ইউনিট বর্তমান জর্জিয়া, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান মিলে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে। পাশাপাশি অন্যান্য দেশেরও সোভিয়েত ইউনিয়নে অন্তর্ভুক্তির জন্য নমনীয় নীতি রাখা হয়।
- যার ফলে ১৯৪০ সাল নাগাদ সোভিয়েত ইউনিয়নের সদস্য সংখ্য ১৫ এর কোঠায় গিয়ে পৌঁছায়। দেশগুলো হল: 

১. রাশিয়া
২. ইউক্রেন
৩. বেলারুশ
৪. মলদোভা
৫. এস্তোনিয়া
৬. লাটভিয়া
৭. লিথুয়ানিয়া
৮. জর্জিয়া
৯. আর্মেনিয়া
১০. আজারবাইজান
১১.উজবেকিস্তান
১২. কাজাখস্তান
১৩. কিরগিজস্তান
১৪. তাজাকিস্তান 
১৫. তুর্কমেনিস্তান।

পরবর্তীতে, 
- ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সােভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সােভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২২৫.
বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ভারত
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

ভারত:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ ভারত।
- এর প্রধান কারণ হলো জনসংখ্যা ও ভোটারসংখ্যা, যা অন্য যেকোনো দেশে নেই।
- প্রায় ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারত বিশ্বের সবথেকে জনবহুল দেশ।
- নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ৯৬ কোটি ৯০ লক্ষ।

উল্লেখ্য,
- ভারতের পার্লামেন্ট দুই কক্ষ বিশিষ্ট।
- 'রাজ্যসভা' নামক উচ্চ কক্ষ ও 'লোকসভা' নামক নিম্ন কক্ষ নিয়ে ভারতীয় সংসদ গঠিত।
- ভারতীয় লোকসভার সদস্য ৫৪৩টি এবং রাজ্যসভার সদস্য ২৪৫টি।
- লোকসভার মোট ৫৪৩ আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন হয় ২৭২ আসন।
- এছাড়া, ভারতীয় সংবিধান বিশ্বের বৃহত্তম ও সর্বাধিক বিস্তারিত ব্যাখ্যাসমৃদ্ধ সংবিধান।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।

২২৬.
বিখ্যাত 'ওয়াশিংটন কনসেনসাস' এর প্রতিষ্ঠিতা - 
  1. ক) জন উইলিয়ামসন
  2. খ) বারাক ওবামা
  3. গ) এডালিসো পিয়ান
  4. ঘ) জন প্রেক্টিসিয়াস
ব্যাখ্যা
ওয়াশিংটন কনসেনসাস - ১৯৮৯ সালে ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জন উইলিয়ামসন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।

• ওয়াশিংটন কনসেনসাস:
- The Washington Consensus - বা ওয়াশিংটন ঐক্য হচ্ছে, বিশ্বের বড় বড় অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান যেমন - বিশ্বব্যাংক, আই.এম.এফ, U.S. Treasury প্রভৃতি কর্তৃক অনুমোদিত কতিপয় (দশটি) মুক্তবাজার (free-marke) অর্থনৈতিক পলিসি যা বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ এবং ল্যাটিন আমেরিকার দেশ সমূহের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রণীত। 
- সঙ্কটে থাকা বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য Washington Consensus প্রয়োগ করার সুপারিশ করা হয়।
- কোন দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণকারী বিভিন্ন বিষয়, যেমন - বিনিময় হার, মুক্ত বাণিজ্য, জিডিপি, সুদের প্রকৃত হার ইত্যাদি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এই অর্থনৈতিক পলিসিসমূহ নির্ধারিত ও সুপারিশ করা হয়ে থাকে।
- ১৯৮০- এর দশকে Washington Consensus ধারনাটি জনপ্রিয় ছিল।

উৎস:
ব্রিটানিকা।
২২৭.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কত সালে রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ক্রয় করেছিল?
  1. ১৮৬৫
  2. ১৮৬৭ 
  3. ১৮৬৬
  4. ১৮৬৮
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালের ৩০শে মার্চ রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ক্রয় করেছিল। 

আলাস্কা ক্রয়:
- যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ভূখণ্ড ক্রয় করে যা 'আলাস্কা ক্রয়' (Purchase of Alaska) নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৩০ মার্চ, ১৮৬৭।
- মূল্য: ৭.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রতি একর প্রায় ২ সেন্ট বা ০.০২ ডলার)।
- স্বাক্ষরকারী: যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম এইচ. সেওয়ার্ড এবং রাশিয়ার পক্ষে রুশ দূত এদুয়ার্ড ডি স্টোয়েকল।
- যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম এইচ. সেওয়ার্ড এই চুক্তির প্রধান উদ্যোক্তা। অনেকে এ ভূখণ্ড কেনাকে ‘সিওয়ার্ডের বোকামি’ বা ‘সিওয়ার্ডের বরফবক্স’ বলে উপহাস করেছিলেন।

উৎস:  Britannica.

২২৮.
ইউক্রেনের রাজধানীর নাম কি?
  1. ক) kazan
  2. খ) kiev
  3. গ) aden
  4. ঘ) crimea
ব্যাখ্যা
• ইউক্রেন পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র।
- আয়তনে ইউক্রেন ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- এটির আয়তন ৬০৫,৬২৮ বর্গ কিলোমিটার।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ নিপার নদীর তীরে অবস্থিত।
- দোনবাস ও লুহানস্ক ইউক্রেনের দুটো রুশভাষী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল।

সূত্র: হিস্টোরি ডটকম।
২২৯.
বেলফোর ঘোষণা কোন বিষয় সম্পর্কিত ছিল?
  1. আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপন
  2. অটোমান সাম্রাজ্যকে ভেঙে ভাগাভাগি করা
  3. ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠা
  4. স্বাধীন আরব রাষ্ট্র গঠনে সমর্থন
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭):
- তারিখ: ২ নভেম্বর, ১৯১৭
- বেলফোর ঘোষণা ছিল ব্রিটিশ সরকারের প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন।
- এটি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোর থেকে লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড (দ্বিতীয় ব্যারন রথসচাইল্ড), অ্যাংলো-ইহুদি সম্প্রদায়ের এক নেতার কাছে চিঠি আকারে প্রেরিত হয়।
- ঘোষণাটি ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসের প্রতিশ্রুতি দিলেও, এর সুনির্দিষ্ট অর্থ বিতর্কিত।
- এটি সাইকস-পিকট চুক্তি এবং হুসেইন-ম্যাকমোহন পত্রাচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হয়।
- মূল কপিটি ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে। 
- এ ঘোষণার প্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম।

হুসেন-ম্যাকমোহন চিঠিপত্র (১৯১৫-১৯১৬)
- হুসেন-ম্যাকমোহন চিঠিপত্র হলো ১৯১৫-১৬ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মক্কার আমির হুসেন ইবনে আলী এবং মিসরের ব্রিটিশ হাইকমিশনার স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের মধ্যে বিনিময় হওয়া একধরনের আলোচনা।
- এই চিঠিপত্রে ব্রিটিশ সরকার কার্যত অটোমান সাম্রাজ্যের বিরোধিতায় আরবদের সহযোগিতার বিনিময়ে স্বাধীন আরব রাষ্ট্র গঠনে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেয়। 
- পরে এই প্রতিশ্রুতি সাইকস-পিকট চুক্তি (১৯১৬) এবং বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭) দ্বারা পরস্পরবিরোধী হয়ে পড়ে।
- সাইকস-পিকট চুক্তি ছিল ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে গোপন চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের অঞ্চলগুলো ভাগাভাগির পরিকল্পনা করেছিল।
- অন্যদিকে, বেলফোর ঘোষণা প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার ব্রিটিশ সমর্থন ঘোষণা করে।

উৎস: Britannica.
২৩০.
নিম্নের কোন দেশে এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা রয়েছে?
  1. কানাডা
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকারের শ্রেণিবিভাগ:
- কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকার দুই ধরনের হতে পারে। যথা- এককেন্দ্রিক সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার।

এককেন্দ্রিক সরকার:
- যে শাসনব্যবস্থায় সরকারের সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং কেন্দ্র থেকে দেশের শাসন পরিচালিত হয়, তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে।
- এতে কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতার বণ্টন করা হয় না।
- এ সরকার ব্যবস্থায় আঞ্চলিক সরকারের কোনো স্বতন্ত্র অস্তিত্ব নেই।
- রাষ্ট্রে বিভিন্ন প্রদেশ বা প্রশাসনিক অঞ্চল থাকতে পারে।
- তবে তারা কেন্দ্রের প্রতিনিধি বা সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশ, জাপান, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি দেশে এককেন্দ্রিক সরকার প্রচলিত আছে।

অপরদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় বলতে সেই ধরনের সরকারকে বোঝায়, যেখানে একাধিক অঞ্চল বা প্রদেশ মিলে একটি সরকার গঠন করে।
- এ ধরনের সরকার ক্ষমতা বণ্টনের নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও ক্ষমতার কিছু অংশ প্রদেশ বা আঞ্চলিক সরকারের এবং জাতীয় বিষয়গুলো কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে।
- ফলে প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় উভয় সরকারই মৌলিক ক্ষমতার অধিকারী হয় এবং স্ব-স্ব ক্ষেত্রে স্বাধীন ও স্বতন্ত্র থেকে দেশ পরিচালনা করে।
- ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা প্রভৃতি দেশে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার পদ্ধতি রয়েছে।

তথ্যসূত্র: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুসাশন বই, ব্রিটানিকা।
২৩১.
আফিম যুদ্ধ কোন দুই দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. চীন ও ব্রিটেন 
  2. ফ্রান্স ও চীন
  3. চীন ও জাপান
  4. ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা

আফিম যুদ্ধ চীন ও ইংল্যান্ড- এই দুইটি দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়।

আফিম যুদ্ধ:
- আফিমের চোরাচালানকে কেন্দ্র করে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, তাই আফিম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উনিশ শতকের গোড়া থেকে চীনের সঙ্গে ব্যবসায়ে ঘাটতি মেটাতে বঙ্গদেশ থেকে চীনে আফিম রপ্তানি শুরু করে।
- চীনা শাসকরা ১৮৩৯ সালে আফিম আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অবৈধ উপায়ে এ ব্যবসা অব্যাহত রাখে।
- কোম্পানির অবৈধ আফিম ব্যবসার কারণে চীন ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ বাধে।
- ১ম যুদ্ধে চীনারা পরাজিত হয় এবং চীন ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়।

উৎস: Britannica.

২৩২.
কোন অঞ্চলের জন্য ' ডমিনো' তত্ত্বটি  ছিল?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার
  2. উত্তর-পূর্ব এশিয়ার
  3. পূর্ব আফ্রিকায় 
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• ডমিনো তত্ত্ব:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।

২৩৩.
নাইন-ইলেভেন হামলার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে?
  1. রোনাল্ড রেগান
  2. জর্জ ডব্লিউ বুশ
  3. বারাক ওবামা
  4. জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা
নাইন-ইলেভেন:

- ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন নামেও পরিচিত।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা।
- ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০১ সালে তৎকালীন আল-কায়দা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে।
- হামলার পরিকল্পনা অনুযায়ী ২টি বিমান দিয়ে আঘাত করে নিউইয়র্কে অবস্থিত ১১০ তলা বিশিষ্ট ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে।
- ১ টি পেন্টাগনে ও ১ টি পেনসিলভেনিয়ায় ।
- ধ্বংসস্তূপটি কে গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়।
- ২০০১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ।
- এই হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বুশ সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য Department of Homeland Security বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২৩৪.
AFTA - এর কার্যক্রম শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

AFTA:
- AFTA-এর পূর্ণরূপ: ASEAN Free Trade Area.
- AFTA হলো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মুক্ত বাণিজ্য গোষ্ঠী।
- ১৯৯২ সালে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত চতুর্থ আসিয়ান শীর্ষ সম্মেলনে ASEAN মুক্ত বাণিজ্য এলাকা (AFTA) গঠনে সম্মত হয়।
- AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৮ জানুয়ারি, ১৯৯২।
- AFTA যাত্রা শুরু করে: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৬টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১১টি।
- এগুলো হলো: ব্রুনাই, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, লাওস,মায়ানমার ও পুর্ব তিমুর। 

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।

২৩৫.
'IPEF' (Indo-Pacific Economic Framework)-এর যাত্রা শুরু হয় কত সালে?
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২০ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

• মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২০২২ সালের মে মাসে জাপানের টোকিওতে এক সম্মেলনের মাধ্যমে এই ফ্রেমওয়ার্কের সূচনা করেন।

IPEF:
IPEF এর পূর্ণরুপ Indo-Pacific Economic Framework.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এশিয়া নীতির অংশ হিসাবে ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেমওয়ার্কে ১৪টি দেশ যোগদান করে। এ অঞ্চলে চীনের আগ্রাসী প্রভাবের পালটা হিসাবে নতুন এই বাণিজ্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ অবশ্য বাইডেনের এ উদ্যোগ থেকে শেষ পর্যন্ত বাদ পড়েছে। 
আইপিইএফে যে ১৪টি দেশ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য, সেগুলো হলো :

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, 
- ভারত, 
- জাপান, 
- দক্ষিণ কোরিয়া, 
- অস্ট্রেলিয়া, 
- ব্রুনাই, 
- ইন্দোনেশিয়া, 
- মালয়েশিয়া, 
- নিউজিল্যান্ড, 
- ফিলিপাইন, 
- সিঙ্গাপুর, 
- থাইল্যান্ড ,
- ভিয়েতনাম, 
- ফিজি ।
 
উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

২৩৬.
গোল্ডেন ক্রিসেন্ট খ্যাত অন্তর্ভূক্ত দেশ কোনটি?
  1. মায়ানমার
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
→ গোল্ডেন ক্রিসেন্ট:
- আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।

→গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল:

- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি দেশ।
- মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী ও চোরাচালানকারী অঞ্চল।
- এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।

→ গোল্ডেন ওয়েজ:
- বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত।
→ গোল্ডেন ভিলেজ:
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.
২৩৭.
নিচের কোন দেশটি দুটি মহাদেশে অবস্থিত?
  1. কাজাখস্তান
  2. তুরস্ক
  3. আজারবাইজান
  4. লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- তুরষ্ক একটি ইউরোশিয়ান রাষ্ট্র।
- এর ইস্তাম্বুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালি দ্বারা।
- তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা।
- ইস্তাম্বুল তুরস্কের বৃহত্তম শহর।
- আধুনিক তুরস্কের জনক মোস্তফা কামাল পাশা।
- তুরস্কের বিখ্যাত বন্দর ইসকানদারুন।
- তুরস্কের মুদ্রার নাম লিরা।
- বিখ্যাত ট্রয় নগরী তুরস্কে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
২৩৮.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন -
  1. হেনরী
  2. দেসমন্ড টুটু
  3. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
  4. কেনেথ আউন্ডা
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র (১৫ জানুয়ারি, ১৯২৯ - ৪ এপ্রিল, ১৯৬৮):
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা।
- তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত 'I Have a Dream' ভাষণটি প্রদান করেন।

- সেখানে তিনি এমন একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন যা বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।
- মার্টিন লুথার হলেন খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায় ধর্মীয় নেতা।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
২৩৯.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট 'দাস প্রথা' নিষিদ্ধ করেন?
  1. থমাস জেফারসন
  2. আব্রাহাম লিঙ্কন
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন দাসপ্রথা বিলুপ্তির লক্ষ্যে, ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ সালে তিনি 'Emancipation Proclamation' এ স্বাক্ষর করেন।
- মূলত এই ঘোষণার মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- এই ঘোষণাকে স্থায়ী বা সাংবিধানিক আইনে পরিণত করতে লিংকন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী আনেন।
- ২ ডিসেম্বর ১৮৬৫ মার্কিন কংগ্রেসের হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ এ ১৩তম সংশোধনী পাস হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রে সাংবিধানিকভাবে ১৮৬৫ সালে স্থায়ীভাবে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়।

সূত্র: হিস্টোরি ডট কম এবং নিউইয়র্ক টাইমস।
২৪০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি কোন সংস্থায় অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা দেয়?
  1. ক) UNICEF
  2. খ) WHO
  3. গ) UNO
  4. ঘ) WIPO
ব্যাখ্যা
করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রাথমিক পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১৪ এপ্রিল ২০২০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা দেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় যুক্তরাষ্ট্র দ্বি-বার্ষিক প্রায় ৮৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ প্রদান করে যা যেকোন দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ। ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্ত ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। (সূত্রঃ ওয়াশিংটন পোস্ট)
২৪১.
বেলফোর ঘোষণা মাধ্যমে কোন রাষ্ট্রটি জন্ম হয়?
  1. ফিলিস্তিন
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. ভ্যাটিকান সিটি
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা: 
- তারিখ: ২ নভেম্বর, ১৯১৭
- বেলফোর ঘোষণা ছিল ব্রিটিশ সরকারের প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের জন্য একটি জাতীয় আবাস প্রতিষ্ঠার পক্ষে সমর্থন।
- এটি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোর থেকে লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড (দ্বিতীয় ব্যারন রথসচাইল্ড), অ্যাংলো-ইহুদি সম্প্রদায়ের এক নেতার কাছে চিঠি আকারে প্রেরিত হয়।
- ঘোষণাটি ইহুদি জনগণের জন্য একটি জাতীয় আবাসের প্রতিশ্রুতি দিলেও, এর সুনির্দিষ্ট অর্থ বিতর্কিত।
- এটি সাইকস-পিকট চুক্তি এবং হুসেইন-ম্যাকমোহন পত্রাচারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হয়।
- মূল কপিটি ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে।
- এ ঘোষণার প্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম।

উল্লেখ্য
- এর ফলে  ইহুদিদের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ তৈরি হয়।
- আরব জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে অসন্তোষ ও বিরোধ জন্ম নেয়।
- মধ্যপ্রাচ্যে আরব-ইহুদি সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী রূপ নেয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।


২৪২.
রোবেন দ্বীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ক) প্রশান্ত মহাসাগর
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগর
  3. গ) ভারত মহাসাগর
  4. ঘ) দক্ষিণ মহাসাগর
ব্যাখ্যা
- রোবেন দ্বীপ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বীপ। 
- এখানে  ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত নেলসন ম্যান্ডেলা দীর্ঘ ২৭ বছর কারাগার জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আকর্ষণীয় রাষ্ট্রনায়কদের একজন, যিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদের অবসান ঘটিয়ে বহু বর্ণ ভিত্তিক গণতন্ত্র      প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন এক জীবন্ত কিংবদন্তী।
- বর্ণবাদের অবসানের পর ১৯৯৪ সালের ১০ই মে নতুন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
- শুধু দক্ষিণ আফ্রিকায় নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায়ও তিনি ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৯৩ সালে তাঁকে শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা, বিবিসি রিপোর্ট।
২৪৩.
ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে রাশিয়াকে যুক্ত করা কার্চ সেতুটি কত কিলোমিটার?
  1. ক) ১৯ কিলোমিটার
  2. খ) ২০ কিলোমিটার
  3. গ) ২১ কিলোমিটার
  4. ঘ) ২২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়া উপদ্বীপ

•ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে রাশিয়াকে যুক্ত করা কার্চ সেতুটি ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ।
• রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে ক্রিমিয়াকে যুক্ত করা কার্চ সেতুতে গত ৮ অক্টোবর বিস্ফোরণ ঘটে। - 
• ২০১৮ সালের ১৫ মে কার্চ সেতুর উদ্বোধন করেন পুতিন।
•ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে রাশিয়াকে যুক্ত করা কার্চ সেতুটি ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ।
•ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে রাশিয়াকে যুক্ত করা কার্চ সেতুটি ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ।

উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
২৪৪.
কোন দেশকে ইউরােপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়?
  1. ক) ইউক্রেন
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) পোল্যান্ড
  4. ঘ) বেলারুশ
ব্যাখ্যা
- ইউরোপের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত ইউক্রেনের উর্বর ভূমিতে গম, সানফ্লাওয়ার এবং অন্যান্য দানাদার জাতীয় শস্য প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়।
- ইউক্রেন বিশ্ববাজারে প্রতিবছর ৪০ থেকে ৫০ মিলিয়ন মেট্রিক টন খাদ্যশস্য রপ্তানি কর থাকে।
- এজন্য ইউক্রেনকে ইউরােপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়। 
- ইউরোপের কৃষিপণ্য চাহিদার উল্লেখযোগ্য অংশ ইউক্রেন থেকে সরবরাহ হওয়ায় ইউক্রেনকে ইউরোপের ব্রেডবাস্কেট বলা হয়।

- ইউক্রেন কৃষ্ণসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত।
- এটির আয়তন ৬০৫,৬২৮ বর্গ কিলোমিটার।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ নিপার নদীর তীরে অবস্থিত।
- ওডেসা ও মারিয়াপোল কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত ইউক্রেনের দুটো বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর।

সূত্র:- ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও প্রথম আলো।
২৪৫.
সামপ্রতি, কোন দেশ বাংলাদেশের উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচি বন্ধ ঘোষণা করেছে?(মার্চ ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত
  4. সুইজার‌ল্যান্ড
ব্যাখ্যা
সুইজারল্যান্ড:
- সুইজারল্যান্ডের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সুইস ইনফো জানিয়েছে, বাজেট প্রত্যাশিত বরাদ্দ না মেলায় বাংলাদেশ সহ তিনটি দেশের উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচি বন্ধ ঘোষণা করেছে।
- নির্বাহী সংস্থা ফেডারেল কাউন্সিল কে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কমানোর বিষয়টি জানানো হয়।
- অপর দুটি দেশ: আলবেনিয়া, জাম্বিয়া।
- সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড  কো অপারেশন ( এসডিএস) ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন কর্মসূচি শেষ করবে।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক, ১ ফেব্রুয়ারি)
২৪৬.
'ফকল্যান্ড দ্বীপ' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) আফ্রিকা
  2. খ) ইউরোপ
  3. গ) উত্তর আমেরিকা
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড দ্বীপ দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।

• দক্ষিণ আমেরিকা: 
- আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির । 
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান সেরো আকাঙ্কাগুয়া। 
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ ১২টি দেশ নিয়ে গঠিত। 
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম দেশ ব্রাজিল। যার আয়তন ৮৫,১৫,৭৯৯ বর্গ কিলোমিটার।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ সুরিনাম। 
- ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী 'আমাজন'। আমাজন নদীর উৎস স্থল আন্দিজ নেভাদা মিসমি পর্বতের চূড়া থেকে।
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে ‘চির বসন্তের দেশ' বলা হয়।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও World Atlas.
২৪৭.
স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন 'Containment Doctrine' এর প্রবক্তা কে?
  1. Henry Kissinger
  2. Henry S. Truman
  3. George Kennan
  4. Dwight D. Eisenhower
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: জো বাইডেন।

Containment Doctrine:
- Containment Doctrine হলো একটি কৌশলগত পররাষ্ট্র নীতি যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে শুরু করে।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন 'Containment Doctrine' এর প্রবক্তা ছিলেন জর্জ এফ কেনান।
- তিনি জুলাই ১৯৪৭ একটি সংখ্যায় বেনামী নিবন্ধে লিখেছিলেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত "রাশিয়ার বিস্তৃত প্রবণতাকে দীর্ঘমেয়াদী, ধৈর্যশীল কিন্তু দৃঢ় এবং সজাগ নিয়ন্ত্রণে রাখা" এই আশায় যে শাসন ব্যবস্থা শান্ত হবে বা পতন ঘটবে।

উৎস: Britannica.
২৪৮.
'আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না'-এই স্লোগানটি কোন আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ক) ফিলিস্তিন লাইভস স্বাধীনতা
  2. খ) ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার
  3. গ) পুওর লাইভস ম্যাটার
  4. ঘ) পোস্টকলোনিয়াল মুভমেন্ট
ব্যাখ্যা
• আন্দোলন:
- ২০২০ সালের ২৬ মে মিনিয়াপোলিসে পুলিশ কর্মকর্তারা জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গের ঘাড়ে হাঁটু চেপে হত্যা করলে দেশটিতে বিক্ষোভের ঢল নামে।
- নিহত হওয়ার আগে ফ্লয়েড অনুনয় করে বলেছিলেন–  'আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না' (আই কান্ট ব্রিদ) মৃত জর্জ ফ্লয়েডের এই কথাগুলোই হয়ে উঠেছে প্রতিবাদীদের স্লোগান।
- পুলিশি নির্মমতা হত্যার প্রতিক্রিয়ায় গড়ে উঠেছে BlackLivesMatter (কৃষ্ণাঙ্গদের জীবনও মূল্যবান) নামের আন্দোলন।

উৎস: যুগান্তর পত্রিকা নিউজ।
২৪৯.
যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?
  1. রাজা তৃতীয় চার্লস
  2. থেরেস মে
  3. ঋষি সুনাক
  4. বরিস জনসন
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ঋষি সুনাক (কনজারভেটিভ পার্টি)
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন: ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন: বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- বৃটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন: ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব: ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- যুক্তরাজ্যের পতাকে বলা হয়: ইউনিয়ন জ্যাক।
- ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র বলা হয় ম্যাগনাকার্টাকে।

উৎস: Britannica.
২৫০.
স্ট্রেটেজিক ডিফেন্স ইনিসিয়েটিভ বা তারকাযুদ্ধের সাথে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের নাম জড়িত?
  1. ক) রিচার্ড নিক্সন
  2. খ) রোনাল্ড রিগ্যান
  3. গ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  4. ঘ) বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
Strategic Defence Initiative বা তারকাযুদ্ধ
• Strategic Defence Initiative বা কৌশলগত প্রতিরক্ষা উদ্যোগ হলো মিসাইল ডিফেন্স সিসটেম।
• ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান SDI উপস্থাপন করেন।
• এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি নিরাপত্তা কৌশল, যার মাধ্যমে আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ও সাবমেরিন পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
• এ কর্মসূচি হলো কতকগুলো অস্ত্র ও সমর সরঞ্জামের সমাহার, যা মহাকাশ, বায়ুমণ্ডল ও ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর উপর আঘাত হানার উদ্দেশ্যে মহাকাশ কিংবা ভূ-পৃষ্ঠে স্থাপিত হবে।
• এ ব্যবস্থা মহাশূন্যভিত্তিক হওয়ায় একে তারকাযুদ্ধ (Star Wars) বলে অভিহিত করা হয়।

অন্যদিকে,
• রিচার্ড নিক্সন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। যিনি ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত ছিলেন।
• বসনিয়া সংকট সমাধানে ফ্রান্সের প্যারিসে ১৪ ই ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন বিল ক্লিনটন।
• হ্যারি এস ট্রুম্যান ছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২৫১.
নিচের কোনটি ভারতের সেভেন সিস্টার্স অন্তর্ভুক্ত রাজ্য নয়?
  1. মেঘালয়
  2. মিজোরাম
  3. হায়দ্রাবাদ
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
'ভারতের সেভেন সিস্টার্স':
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সম্মিলিতভাবে "সেভেন সিস্টার্স" বলা হয়।
- এই নামটি ১৯৭২ সালে ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া একটি রেডিও টক শোতে ব্যবহার করেন,
- যা পরবর্তীতে তাঁর লেখা "The Land of Seven Sisters" বইয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- ভারতের সেভেন সিস্টার্স অন্তর্ভূক্ত রাজ্য সমূহ:
- অরুণাচল প্রদেশ, আসাম, মেঘালয়, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড এবং ত্রিপুরা।
- হায়দ্রাবাদ ভারতের সেভেন সিস্টার্স অন্তর্ভূক্ত রাজ্য নয়।

• এগুলোর রাজধানী:

- মণিপুর প্রদেশ: রাজধানী ইম্ফল।
- অরুণাচল প্রদেশ: রাজধানী ইটানগর।
- আসাম: এর রাজধানী দিসপুর,
- মেঘালয়: এর রাজধানী শিলং।
- ত্রিপুরা এর রাজধানী আগরতলা।
- নাগাল্যান্ড এর রাজধানী কোহিমা।
- মিজোরাম এর রাজধানী আইজল।

উৎস: Britannica.
২৫২.
ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি -
  1. ক) অস্ট্রেলিয়া
  2. খ) ইতালি
  3. গ) কিউবা
  4. ঘ) কানাডা
ব্যাখ্যা
এক নজরে কানাডা
• ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা। দেশটিতে ম্যাপল গাছের আধিক্য এবং কানাডার জনজীবনে এর সংশ্লিষ্টতার জন্যে কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
• কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে। বিশ্বের মোট ম্যাপল সিরাপের ৭০ ভাগই কানাডা থেকে রপ্তানি হয়।
• কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
• এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
• কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
• কানাডা'র রাষ্ট্রপ্রধান হলো ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস। 
• কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
• কানাডার জাতীয় প্রতীক শ্বেতপদ্ম।

অন্যদিকে,
• মুক্তার দেশ/পৃথিবীর চিনির আঁধার (Land of Pearl) - কিউবা।
• চির সবুজের দেশ (Country of Eternal Green) - নাটাল (দ.আফ্রিকা)।
• পশমের দেশ/ক্যাঙ্গারুর দেশ - অস্ট্রেলিয়া। 
• মার্বেলের দেশ/ল্যান্ড অব মার্বেল/ইউরোপের বুট - ইতালি।

তথ্যসূত্র: কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২৫৩.
চীনে 'এক দেশ দুই নীতি' চালু থাকবে কত সাল পর্যন্ত?
  1. ক) ১৯৯৭ সাল
  2. খ) ২০৩১ সাল
  3. গ) ২০৩৯ সাল
  4. ঘ) ২০৪৭ সাল
ব্যাখ্যা

- নানকিং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৮৪২ সালে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বৃটিশরা চীন থেকে হংকং দ্বীপ লাভ করে।
- চীনে 'এক দেশ দুই নীতি' চালু হয় ১৯৯৭ সালে এবং এই নীতি চালু থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
উৎসঃ চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।

২৫৪.
কার নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) লিউ শাওকি
  2. খ) লি জিয়ানিয়ান
  3. গ) মাও-সেতুং
  4. ঘ) গান কিংলিং
ব্যাখ্যা
• ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে প্রায় দুই হাজার বছরের রাজতন্ত্র উচ্ছেদ হয়ে প্রজাতন্ত্র কায়েম হয়।
• এই দিন চীনের কিং রাজবংশের সর্বশেষ সম্রাট পুয়িকে সিংহাসন থেকে উৎখাত করা হয়।
• এর আগে ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
• সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
• ১৯৪৯ সালে মাও সেতুংয়ে নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং (Mao Zedong) এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (People's Republic of China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
• মাও-সেতুং - কে গণচীনের জনক বলা হয়

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
২৫৫.
ব্রিটেনে ক্ষমতাসীন দল-
  1. ক) কনজারভেটিভ পার্টি
  2. খ) লেবার পার্টি
  3. গ) ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি
  4. ঘ) ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি
ব্যাখ্যা
১২ ডিসেম্বর ২০১৯ ব্রিটেনে সর্বশেষ পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে মোট ৬৫০ টি আসনের মধ্যে কনজারভেটিভ পার্টি ৩৬৫ টি আসন লাভ করে জয়ী হয়ে বরিস জনসনের নেতৃত্বে সরকার গঠন করে। অন্যদিকে লেবার পার্টি ২০৩ টি আসন লাভ করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কনজারভেটিভ পার্টির নেতা বরিস জনসন। (সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
২৫৬.
কমিউনিজম রোধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোন কোন দেশে ‘ডমিনো থিয়োরি’ প্রয়োগ করেছিল?
  1. মালি, ঘানা ও লাইবেরিয়ায়
  2. চীন, উত্তর কোরিয়া ও মঙ্গোলিয়ায়
  3. ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে
  4. সোমালিয়া, সুদান, ও ইরিত্রিয়ায়
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কমিউনিজম রোধে বেশ কয়েকটি দেশে 'ডমিনো থিয়োরি' প্রয়োগ করেছিল।
- প্রধানত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, বিশেষত ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।  

• ডমিনো তত্ত্ব:

- ডমিনো তত্ত্ব-এর মূল কথা হচ্ছে কোনো একটি দেশে যদি সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে তার পাশের এবং আশেপাশের দেশগুলোও এই মতাদেশে উদ্বুদ্ধ হবে এবং এক সময় রাষ্ট্রগুলো সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তবে প্রেসিডেন আইসেনহাওয়ার এর ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিলের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো পরোক্ষভাবে ডমিনো তত্ত্ব-এর কথা বলেছিলেন। মূল বিষয় ছিল কোনো অবস্থাতেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অন্যত্র সমাজতন্ত্রের প্রসারকে এগিয়ে নিজে যেতে দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে সেইসব দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ কর হবে। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
২৫৭.
মিশর ও সুদানের মধ্যে সীমানা নিরূপণকারী অক্ষরেখা-
  1. ক) ১৭° উত্তর অক্ষরেখা
  2. খ) ২২° উত্তর অক্ষরেখা
  3. গ) ২৪° উত্তর অক্ষরেখা
  4. ঘ) ২৫° উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
১৯৯৯ সালের ১৯ জানুয়ারি মিশর ও ব্রিটেন ‘সুদান কনভেনশনে’ স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির প্রথম নিবন্ধে বলা হয়েছে সুদান বলতে অক্ষাংশের ২২ তম সমান্তরালের দক্ষিণে সমস্ত অঞ্চলকে বোঝায়। ১৯৫৬ সালে, যখন মিশর সুদানের স্বাধীনতা স্বীকৃতি দিয়েছে, সুদান কনভেনশনে বর্ণিত অক্ষাংশের ২২ তম সমান্তরাল ছিল মিশর এবং সুদানের মধ্যে সীমান্তে রেখা। অর্থাৎ, মিশর ও সুদানের মধ্যে সীমানা নিরূপণকারী রেখা ২২° উত্তর অক্ষরেখা। সূত্র- The North America Post।
২৫৮.
বিশ্বে কোন শহরে সর্ব প্রথম পাতাল রেল চালু হয়?
  1. বার্লিন
  2. লন্ডন
  3. প্যারিস
  4. মাদ্রিদ
ব্যাখ্যা
পাতাল রেল:
- পৃথিবীর প্রথম পাতাল রেল চালু হয় লন্ডনে।
- এই পথ ১৮৬৩ সালে চালু হয়।
- ১৮৯০ সালে এই পথে প্রথম ইলেকট্রিক্যাল ট্রেন চলাচল শুরু করে।
- বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৫০টি শহরে পাতালরেল আছে।

উল্লেখ্য,
- এশিয়ায় সর্বপ্রথম জাপানের টোকিও পাতাল রেলপথ চালু হয়।
- সম্প্রতি ভারতে গঙ্গা নদীর নিচ দিয়ে মেট্রো চলাচল শুরু হতে চলেছে ভারতের কলকাতা শহরে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২৫৯.
২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলী কী নামে পরিচিত?
  1. ক) গোলাপ বিপ্লব
  2. খ) টিউলিপ বিপ্লব
  3. গ) কিউবা বিপ্লব
  4. ঘ) কমলা বিপ্লব
ব্যাখ্যা
❖ গোলাপ বিপ্লব (Rose Revolution)
▪ ২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সমষ্টিকে গোলাপ বিপ্লব বলে।
▪ ২০০৩ সালে সাবেক জাস্টিস মিনিস্টার এবং ইউনাইটেড ন্যাশনাল মুভমেন্ট (UNM) এর প্রধান মিখাইল সাকাশভিলি জর্জিয়ায় একটি শান্তিপূর্ণ বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন যাকে "গোলাপ বিপ্লব" বলা হয়।
▪ এর ফলে প্রেসিডেন্ট শেভার্ডনাদজের  শাসনের অবসান হয়। সাকাশভিলি পরের বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং অবিলম্বে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন এবং জাতিগত বিরোধের বিরুদ্ধে দেশকে সুরক্ষিত করার চেষ্টা করেন।  

অন্যদিকে, 
▪ ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
▪ ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে। 

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
২৬০.
গ্রেট ডিপ্রেশন কত সালে শুরু হয়?
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রেট ডিপ্রেশন: 
- গ্রেট ডিপ্রেশন ছিল একটি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা।  
- এটি ১৯২৯ সালে শুরু হয়ে প্রায় ১৯৩৯ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।
- এটি শিল্পোন্নত পশ্চিমা বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং গভীর অর্থনৈতিক সংকট হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়েছিল, কিন্তু পরে পুরো বিশ্বের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে।
- যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেট ডিপ্রেশন ছিল গৃহযুদ্ধের পর সবচেয়ে কঠিন সংকট।
- গ্রেট ডিপ্রেশন অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব ফেলেছিল এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বব্যাপী উৎপাদনে ব্যাপক পতন ঘটে।
- মারাত্মক বেকারত্ব পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
- প্রায় প্রতিটি দেশে তীব্র মূল্যহ্রাস (ডিফ্লেশন) দেখা দেয়।

উৎস: Britannica.
২৬১.
'পিংপং ডিপ্লোমেসি' কোন দুটি দেশের সাথে সম্পর্কিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  4. উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• পিংপং ডিপ্লোমেসি:
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের সম্পর্ক উন্নয়নে টেবিল টেনিস বা পিংপং খেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং - এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- কোনো কিছুতেই অবস্থার উন্নতি হচ্ছিলো না। ১৯৭১ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেবিল টেনিস প্রতিযোগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে।
- এর আগে গোপনে দুই দেশের সরকারের যোগাযোগ হলেও এই ঘটনা প্রকাশ্যে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার দুয়ার খুলে দেয়।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস টীমের ১৫ সদস্য চীন ভ্রমণে যায় এবং ৭ দিন অবস্থান করে ১৭ তারিখে হংকং ফিরে আসে।
- এই সময়ে তারা সেখানে প্রেসিডেন্ট জু এনলাই, সর্বোচ্চ নেতা মাও সেতুংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন। বিশ্ব মিডিয়ায় যা আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- এই ঘটনার সূত্র ধরেই, ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গোপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
ইতিহাসে এই ঘটনা পিংপং ডিপ্লোমেসি নামে পরিচিত।

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
২৬২.
নিচের কোনটি মধ্যপ্রাচ্যর একটি দেশ?
  1. নাইজেরিয়া
  2. কাতার
  3. আফগানিস্তান
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
মধ্যপ্রাচ্য: 
- কাতার মধ্য প্রাচ্যর দেশ।

- মধ্যপ্রাচ্য একটি ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে বৈচিত্র্যময় অঞ্চল,
- যা উত্তর আফ্রিকা এবং পশ্চিম এশিয়ার ১৭টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত।
- এই অঞ্চলে প্রায় আধা বিলিয়নেরও বেশি মানুষ বসবাস করে,
- যার মোট জনসংখ্যা প্রায় ৪৯৩ মিলিয়ন।
- মধ্যপ্রাচ্যকে ব্যাপকভাবে “সভ্যতার পিতৃভূমি” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে,
- কারণ বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতাগুলো উর্বর হ্রদক্ষেত্র (Fertile Crescent) এবং নীল উপত্যকায় উদ্ভূত হয়েছিল।
- মধ্যপ্রাচ্যের ১৭টি দেশের নাম:
- সৌদি আরব, ইরান, তুরস্ক, ইরাক, সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন, ইসরায়েল, ফিলিস্তিন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান, কাতার, ইয়েমেন, মিশর, লিবিয়া।

উৎস: World atlas.
২৬৩.
'হিউম্যান রাইটস ওয়াচ' কোন দেশভিত্তিক সংগঠন?
  1. ক) জাপান
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) স্পেন
ব্যাখ্যা
• হিউম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ:
- হিউম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ - যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থা।
- এটি বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ, পরামর্শ ইত্যাদি বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।
- হিউম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ - মানবাধিকার রক্ষায় ভিক্টিমের পক্ষে আইনী সহায়তাও প্রধান করে থাকে।
- এটি ১৯৭৮ সালে হেলসিংকি ওয়াচ নামে যাত্রা শুরু করে এবং ১৯৮৮ সালে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ নামধারণ করে।
- এর হেডকোয়ার্টার্স নিউইয়র্কের এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ে অবস্থিত।
- ১৯৯৭ সালে সংস্থাটি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: হিউম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ ওয়েবসাইট।
২৬৪.
কোনটিকে বজ্র ড্রাগনের দেশ বলা হয়?
  1. ক) থাইল্যান্ড
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) ভুটান
  4. ঘ) চিলি
ব্যাখ্যা
- বজ্র ড্রাগনের দেশ : ভুটান
- ল্যান্ড অব পয়েটস : চিলি
- মুক্তভূমি/শ্বেত হস্তির দেশ : থাইল্যান্ড
- হাজার দ্বীপের দেশ : ইন্দোনেশিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ও দেশগুলোর ওয়েবসাইট।
২৬৫.
কোয়ান্টাস(Qantas) কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) নেদারল্যান্ড
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়ার বিমান সংস্থার নাম Qantas; রাশিয়ার বিমান সংস্থার নাম Aeroflot; ডাচ বা নেদারল্যান্ডের বিমান সংস্থার নাম KLM; এবং কলম্বিয়ার বিমান সংস্থার নাম Avianca।
[সূত্র : বিভিন্ন দেশের বিমান সংস্থার ওয়েবসাইট]
২৬৬.
২০২৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য কপ-২৮ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ক) গ্লাসগো, স্কটল্যান্ড
  2. খ) শারম আল শেখ, মিশর
  3. গ) আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ঘ) দোহা, কাতার
ব্যাখ্যা
- ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।
- ৭ থেকে ১৮ নভেম্বর ২০২২ সালে ২৭তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয়েছে শারম আল শেখ, মিশর। ( এখন পর্যন্ত এটিই সর্বশেষ সম্মেলন )
- ১ থেকে ১২ নভেম্বর ২০২১ সালে ২৬তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৬ অনুষ্ঠিত হয় স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে।

উল্লেখ্য যে, 
- প্রথম জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় জার্মানির বার্লিনে ১৯৯৫ সালে।
- ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক কপ-২১ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো প্যারিস চুক্তিতে অনুমোদন দেয়। 
- কপ-২৭ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত গরিব দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দিতে ঐতিহাসিক ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
২৬৭.
'অক্টোবর বিপ্লব' কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. ইউক্রেন
  3. রাশিয়া
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে '১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: Britannica.
২৬৮.
জাপানের হিরোশিমাতে নিক্ষেপ করা পারমাণবিক বোমার নাম কী?
  1. লিটলম্যান
  2. ফ্যাটবয়
  3. লিটলবয়
  4. ফ্যাটম্যান
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমা শহরে ‘লিটলবয়’ নামে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে যা ছিল পৃথিবীতে প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার।
- তার তিনদিন পর ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে ‘ফ্যাটম্যান’ নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয়।
- পারমাণবিক বোমার তেজস্ক্রিয়তায় জাপানে লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানির পাশাপাশি শহর দুটি বসবাসের পরিত্যক্ত হয়ে যায়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান জাপানে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

সূত্র: হিস্টোরি ডটকম।
২৬৯.
''Imperialism is the Highest Stage of Capitalism'' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. অ্যাডাম স্মিথ
  2. কার্ল মার্কস
  3. ম্যাক্স ওয়েবার
  4. ভি. আই লেনিন
ব্যাখ্যা

ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন:
- ১৯১৭ সালে প্রকাশিত হওয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা ভ্লাদিমির ইলিচ-উলিয়ানোভ লেনিন কর্তৃক পুঁজিবাদের স্বরূপ উন্মোচনকারী একটি বিখ্যাত বই।
- পুরোপুরি অর্থনীতি নির্ভর না হলেও লেনিনের তত্ত্বেও অর্থনীতির একটি কার্যকর ভূমিকা ছিল।
- তিনি এ তত্ত্ব উপস্থাপন করার জন্য আশ্রয় করেছেন ''Imperialism is the Highest Stage of Capitalism'' নামক গ্রন্থের।
- ১৯১৭ সালে ভি. আই লেনিন কর্তৃক রচিত 'Imperialism, the Highest Stage of Capitalism' গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
- এটি পুঁজিবাদের একটি বিখ্যাত বই।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৭০.
'কালাপানি' কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?
  1. ভারত ও নেপাল
  2. ভুটান ও ভারত
  3. বাংলাদেশ ও ভারত
  4. নেপাল ও চীন
ব্যাখ্যা
কালাপানি:

- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল যা উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।
- যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন - তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০২০।
২৭১.
'বারাক এমএক্স' আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরী করেছে -
  1. ইরান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইসরায়েল
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

বারাক এমএক্স:
- বারাক এমএক্স আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে ইসরায়েল।
-
অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএআই) এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করে।
- বারাক এমএক্স এর ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ১৫০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
- এর রাডার ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত কামান, মর্টার ও রকেট হামলাও শনাক্ত করতে সক্ষম।
- বারাক এমএক্সে রয়েছে উন্নত নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা।
- এর থ্রিডি রাডার সর্বোচ্চ ৪৬০ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত কার্যকর।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা প্রতিবেদন।

২৭২.
নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয় কোন দেশকে?
  1. কানাডা
  2. নরওয়ে
  3. জাপান
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা
নিশীথ সূর্যের দেশ: 
- নরওয়ের উত্তরাঞ্চলে গ্রীষ্মকালে সূর্য মাঝরাতেও অস্ত যায় না,
- যা একটি প্রকৃতির বিস্ময়।
- এই সৌন্দর্যমণ্ডিত ঘটনাই  উপাধি দিয়েছে নিশীথ সূর্যের দেশ নরওয়ে।

•ভূ-অবস্থান ও অক্ষাংশ:
- নরওয়ের উত্তরাংশ আর্কটিক সার্কেলের ভেতরে অবস্থিত।
- এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে (মে থেকে জুলাই) এমন সময় আসে যখন সূর্য একেবারেই অস্ত যায় না।

উৎস: ব্রিটানিকা
২৭৩.
সর্বপ্রথম সাতটি রাজ্যকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন কে?
  1. দিলীপ পদগাঁওকর
  2. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  3. জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া
  4. শরণ সিং
ব্যাখ্যা
• সেভেন সিস্টার্স: 
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৫৫,৫১১ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭ শতাংশ।
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন। 
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- আসামের মাধ্যমে রাজ্যগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- আগে এসব রাজ্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

রাজ্যগুলাে হচ্ছে:
→ আসাম,
→ অরুণাচল,
→ মেঘালয়,
→ ত্রিপুরা,
→ মণিপুর,
→ মিজোরাম ও
→ নাগাল্যান্ড।

সূত্র: দৈনিক কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো।
২৭৪.
১১নং ডাউনিং স্ট্রিট কী?
  1. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়
  2. ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়
  3. বৃটেনের আইনসভার চিফ হুইপ এর কার্যালয়
  4. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীকে 'Chancellor of Ex-chequer' বলা হয়।
- ৯নং ডাউনিং স্ট্রিট: বৃটেনের আইনসভার চিফ হুইপ এর কার্যালয়।
- ১০নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
- ১১নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়।
- ১২নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস।
- যুক্তরাজ্যের রানীর বাসভবন হচ্ছে বাকিংহাম প্যালেস/উইন্ডসর ক্যাসেল।
- ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে বলা হয় 'হোয়াইট হল'।

সূত্র:- যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট।
২৭৫.
নিচের কোনটি জাপানের সবচেয়ে বৃহত্তম দ্বীপ?
  1. ওকিনাওয়া
  2. হোক্কাইডো
  3. হোনশু
  4. কিউশু
ব্যাখ্যা
জাপান:
- সংবিধানিক রাজতন্ত্র (Constitutional Monarchy).
- সম্রাটের ক্ষমতা আনুষ্ঠানিক কিন্তু কার্যকর শাসন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- রাজধানী: টোকিও (Tokyo) ১৮৬৮ সালে ইডো থেকে টোকিওতে স্থানান্তরিত হয়।
- ভৌগোলিক অবস্থান: পূর্ব এশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপদেশ; চারটি প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হোনশু, শিকোকু, কিউশু।
- জাপানের আয়তন: ৩৭৭,৯১৫ বর্গকিলোমিটার।
- সবচেয়ে বৃহত্তম দ্বীপ: হোনশু।
- আয়তন প্রায় ২২৭,৯৬২ বর্গকিলোমিটার
- জনসংখ্যা (২০২৫ আনুমানিক): প্রায় ১২৩,১০৫,০০০ জন।
- জাতীয় ভাষা: জাপানি (Japanese)।
- ধর্ম: শিন্তো ও বৌদ্ধ ধর্ম প্রধান; খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারীও রয়েছে।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: Shigeru Ishiba (মে, ২০২৫)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৭৬.
’এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল’ নিয়ে কোন দুই দেশের মধ্যে সংঘাত হয়? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  2. থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  3. ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন
  4. থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
‘এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল’: 
- থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সংঘাত শুরু হয়।
- এই অঞ্চল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে শত বছরের বেশি সময় ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে।
- এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গলে মিলিত হয়েছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওসের সীমানা।
- বন–জঙ্গলে ঘেরা এই অঞ্চলে অনেক মন্দির রয়েছে।
- কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ৮১৭ কিলোমিটারের সীমান্ত রয়েছে।
- কম্বোডিয়া একসময় ফরাসি উপনিবেশের অংশ ছিল।
- ১৯০৭ সালে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে একটি সীমানারেখা নির্ধারণ করে দেয় ঔপনিবেশিক সরকার।
- তবে পরে ওই মানচিত্র নিয়ে আপত্তি তোলে ব্যাংকক।
- তাদের অভিযোগ, ১১ শতকে নির্মিত প্রেয়াহ বিহার মন্দির কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডে পড়েছে।

উৎস: আলজাজিরা ওয়েবসাইট।
২৭৭.
১৯৬৭ সালে তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল কতদিন?
  1. ক) চারদিন
  2. খ) ছয়দিন
  3. গ) আটদিন
  4. ঘ) দশদিন
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৭ সালের ৫-১০ জুন সংঘটিত ছয়দিনের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল জর্ডান নিয়ন্ত্রিত পূর্ব জেরুজালেম শহর দখল করে নেয়।
- এর আগে ১৯৪৮ সালের যুদ্ধে জেরুজালেম শহরের পশ্চিম ও পূর্ব অংশের নিয়ন্ত্রণ নেয় যথাক্রমে ইসরাইল ও জর্ডান।
- ২০১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জেরুজালেম শহরকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং বিবিসি বাংলা।
২৭৮.
নর্ডিক অঞ্চলে অবস্থিত দেশ কোনটি?
  1. ক) নরওয়ে
  2. খ) নেদারল্যান্ডস
  3. গ) সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) ইতালি
ব্যাখ্যা
▪ স্ক্যান্ডেনেভিয়া অঞ্চল:- (৩টি দেশ) নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক (ফারাও দ্বীপপুঞ্জ সহ)। 
উল্লেখ্য, এসকল দেশের যে বিশেষ অঞ্চল রয়েছে, সেগুলোও এই স্ক্যান্ডেনেভিয়া অঞ্চলের অন্তর্গত।
▪ নর্ডিক  অঞ্চল:- (৫টি দেশ) নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ড।    

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 
২৭৯.
হুথি বিদ্রোহীরা কোন দেশের সমর্থনপুষ্ট?
  1. ক) সৌদি আরব
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ইরান
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যাঃ হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের মুসলিম শিয়া মতাবলম্বী জনগোষ্ঠী। ইরান এদের সমর্থন করে যাচ্ছে। এদের বাস মূলত উত্তর ইয়েমেনে। এদের প্রথম উথান ঘটে ১৯৮০ সালের দিকে। পরবর্তীতে ২০১১ সালে আরব বসন্তের পর সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের সাথে এদের বনিবনা না হওয়ায় এরা রাজধানী সানা সহ দেশের অধিকাংশ এলাকা দখল করে নেয়। এতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে সামরিক হামলা শুরু করে। এর মাধ্যমে শুরু হয় ইয়েমেনের চলমান গৃহযুদ্ধ। এই যুদ্ধে হুথি বিদ্রোহীরা ইরান সরকারের নিকট হতে সামরিক, আর্থিক ও রাজনৈতিক সাপোর্ট পেয়ে আসছে।
২৮০.
কাকে 'Chancellor of Ex-chequer' বলা হয়?
  1. ক) জাপানের অর্থমন্ত্রীকে
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীকে
  3. গ) রাশিয়ার অর্থমন্ত্রীকে
  4. ঘ) যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীকে
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীকে 'Chancellor of Ex-chequer' বলা হয়। ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর কার্যালয় ১১নং ডাইনিং স্ট্রিট। উৎসঃ যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট।
২৮১.
দ্য ইউনাইটেড কিংডম গঠিত -
  1. ক) ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড
  2. খ) স্কটল্যান্ড, ওয়েলস
  3. গ) ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস
  4. ঘ) ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• Great Britain is made up of England, Scotland and Wales. 
• The United Kingdom (UK) is made up of England, Scotland, Wales and Northern Ireland.
• England Just like Wales and Scotland, England is commonly referred to as a country but it is not a sovereign state.

• The UK – a sovereign state that includes England, Scotland, Wales and Northern Ireland.
• Great Britain – an island situated off the north west coast of Europe.
• British Isles – a collection of over 6,000 islands, of which Great Britain is the largest.
• England – a country within the UK.

তথ্যসূত্র: ইউকে সরকারি ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
২৮২.
বৈশ্বিক সুখ সূচক ২০২৫ এর সর্বনিম্ন দেশ কোনটি? [জুন, ২০২৫]
  1. মালি
  2. পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান
  4. দক্ষিণ সুদান
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক সুখ সূচক ২০২৫: 
- বৈশ্বিক সুখ সূচক ২০২৫ এর শীর্ষ দেশ ফিনল্যান্ড।
- সবচেয়ে সুখী দেশের তালিকায় ১৪৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৪তম।
- গত বছর ১৪৩ দেশের মধ্যে ১২৯তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ।
- বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড।
- টানা অষ্টমবার দেশটি সুখী দেশের তালিকায় এক নম্বর স্থান দখল করেছে।
- সবচেয়ে অসুখী দেশ আফগানিস্তান।
- ২০ মার্চ 'আন্তর্জাতিক সুখ দিবস' বা 'বিশ্ব সুখী দিবস'।
- প্রতিবছর UN Sustainable Development Solutions Network ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট প্রকাশ করে আসছে।

উৎস: UN Sustainable Development Solutions Network.
২৮৩.
চিরশান্তির শহর কোনটি?
  1. ক) রোম
  2. খ) ভেনিস
  3. গ) এথেন্স
  4. ঘ) অসলো
ব্যাখ্যা
• চির শান্তির শহর নামে পরিচিত রোম।
এছাড়া রোমকে পোপের শহর, সাত পাহাড়ের শহর ও নিরব শহরও বলা হয়।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
২৮৪.
ইন্দোচীন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ফিলিপাইন
  2. কম্বোডিয়া
  3. লাওস
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
- ইন্দোচীন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয় ফিলিপাইন। 

ইন্দোচীন: 

- ইন্দোচীন অঞ্চলটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ঐতিহাসিক ভূখণ্ড।
- এটি ভিয়েতনাম, লাওস এবং কম্বোডিয়া নিয়ে গঠিত।
- ১৭৮০-এর দশকে ফ্রান্স এই অঞ্চলটি তার উপনিবেশ হিসেবে অধিকার করে এবং ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এটি ফ্রান্সের শাসনাধীন ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ইন্দোচীনকে দখল করে নেয়, কিন্তু ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনাম স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- এর পর, ফ্রান্স আবার ভিয়েতনামকে ফরাসি ইউনিয়নের অধীনে একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং ১৯৪৬ সালে তাদের শাসন পুনঃস্থাপন করে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৮৫.
গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন কে?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. শি জিনপিং
ব্যাখ্যা

'গ্লাসনস্ত' নীতি:
- গ্লাসনস্ত অর্থ 'খোলা দুয়ার'।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পুনর্গঠনের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তার জন্য রাজনৈতিক সংস্কার ও গণসমর্থন প্রয়োজন ছিল। আর এজন্য গ্লাসনস্ত নীতি গ্রহণ করা হয়।
- সেভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাস্তনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- এর মধ্যে গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি এবং পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- সোভিয়েত নাগরিকদের ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য তিনি খোলামেলা আলোচনার যে মুক্ত ব্যবস্থা চালু করেছিলেন তাই গ্লাসনস্ত নীতি হিসেবে অভিহিত।
- মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৯০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: হিস্টোরি.কম

২৮৬.
ইন্তিফাদা কী?
  1. ক) গণঅভ্যুত্থান
  2. খ) বর্ণবাদী আন্দোলন
  3. গ) সামরিক ঘাঁটি
  4. ঘ) শান্তি বাহিনী
ব্যাখ্যা
• ইন্তিফাদা:
- ফিলিস্তিনী গণঅভ্যুত্থানকে ইন্তিফাদা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
- এটি একটি আরবি শব্দ।
- ফিলিস্তিনী জনগণের উপর ইহুদী অত্যাচারের ও দখলের প্রতিবাদে ফিলিস্তিনী তরুণরা এই ইন্তিফাদার নাম দিয়েছিলেন।
- এই ইন্তিফাদা একাধিক সময়ে পরিচালিত হয়েছে।
- পশ্চিম তীর ও গাঁজা এলাকা দখলের প্রতিবাদে ফিলিস্তিনী তরুণ প্রথম ইন্তিফাদা পরিচালনা করে ১৯৮৭ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত।
- দ্বিতীয় ইন্তিফাদা পরিচালিত হয় ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত।
- প্রথম ইন্তিফাদার কারণে মাদ্রিদে ১৯৯১ সালে ফিলিস্তিন সংক্রান্ত শান্তি আলোচনা শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত অসলোতে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এমনকি পিএলও ইসরাইলকে স্বীকৃতিও দিয়েছিল।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
২৮৭.
বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী রাষ্ট্র নয় কোনটি?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) শ্রীলঙ্কা
  3. গ) মিয়ানমার
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী রাষ্ট্র ৫টি। দেশগুলো হলো - 
- বাংলাদেশ, 
- ভারত, 
- মিয়ানমার,
- শ্রীলঙ্কা, 
- ইন্দোনেশিয়া

কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী দেশসমূহ হলো - 
- ইউক্রেন
- তুরস্ক
- রাশিয়া
- রোমানিয়া
- জর্জিয়া ও
- বুলগেরিয়া।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২৮৮.
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে কবে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাস:
- ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বে চারটি সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রিপাবলিক (রাশিয়া, ট্রান্স ককেশাসিয়ান ফেডারেশন, ইউক্রেন ও বেলারুশ) একত্রিত হয়ে ইউনিয়ন অব সোভিয়েত স্যোশালিস্ট রিপাবলিক (ইউএসএসআর) বা সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন করে।
- ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে। এর মধ্যে দিয়ে স্নায়ু যুদ্ধের অবসান হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এগুলো হলো: রাশিয়া, ইউক্রেন, বেলারুশ, মোলদাভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, জর্জিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তান।

উৎস: Britannica.
২৮৯.
'Ayers Rock' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জাপান
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
'Ayers Rock' অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ায়। অস্ট্রেলিয়াকে ক্যাঙ্গারুর দেশ বলা হয়। অস্ট্রেলিয়া শব্দের অর্থ এশিয়ার দক্ষিণাঞ্চল। অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম কোসিয়াস্কো। উৎসঃ অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট।
২৯০.
কোন আরব-ইসরাইল যুদ্ধকে ছয় দিনের যুদ্ধ বলা হয়?
  1. প্রথম আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  3. তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  4. চতুর্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- ১৯৬৭ সালে তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধ মাত্র ছয় দিন স্থায়ী হয়েছিল।
- একে তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ বা ছয় দিনের যুদ্ধ বলা হয়।
- ১৯৬৭ সালের ৫ জুন ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়ে মিসরীয় বিমানবাহিনীর ৯০ শতাংশ ধ্বংস করে দেয়।
- ৬ জুন ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে গাজার পতন হয়। তখন ওই উপত্যকা মিসরের শাসনে ছিল।
- ৭ জুন ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সুয়েজ খালের পূর্ব তীর দখল করে।
- ৮ জুন ইসরায়েলি সেনারা সুয়েজ খালের তীরে পৌঁছায়।
- ৯ জুন ইসরায়েলিরা সুরক্ষিত গোলান হাইটসে অভিযান শুরু করে।
- এক দিনের প্রচণ্ড লড়াই শেষে তারা সিরীয় বাহিনীকে হটিয়ে গোলান মালভূমি দখল করে নেয়।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
প্রথম আলো।
২৯১.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন কত সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে?
  1. ক) ১৯৬৫
  2. খ) ১৯৬৩
  3. গ) ১৯৬৯
  4. ঘ) ১৯৭০
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

- ৫৮তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২২ সালের ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন। 

তথ্যসূত্র:- সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, প্রথম আলো।
২৯২.
আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত গোপন অপারেশনের নাম কী?
  1. ক) Operation Geronimo
  2. খ) Operation Deep Freeze
  3. গ) Operation Odyssey Dawn
  4. ঘ) Operation Overlord
ব্যাখ্যা
• অপারেশন গেরোনিমো (Operation Geronimo): 
- আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে যে গোপন অপারেশনটি পরিচালিত হয়েছিল, তার কোড নাম 'অপারেশন গেরোনিমো'।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সি সিল্ক'-এর সদস্যরা ২০১১ সালের ২ জুন ভোরবেলায় পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ শহরের একটি ভবনে এই অপারেশনটি পরিচালনা করে।
- ওই ভবনে বিন লাদেনকে পাওয়া যায় এবং তাকে হত্যা করা হয়।
- পরে তার মৃতদেহ সাগরে ভাসিয়ে দেয়া হয়।
- দীর্ঘ ১০ বছর মার্কিন গোয়েন্দারা তাকে খুঁজছিল।

• অন্যদিকে: 
• অপারেশন ডিপ ফ্রিজ (Operation Deep Freeze-ODF):
- এন্টারটিকা মহাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেসব অভিযান পরিচালিত করেছে তা ‘অপারেশন ডিপ ফ্রিজ' নামে পরিচিত।

• অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn):
- লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম অপারেশন অডিসি ডন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।

অপারেশন ওভারলর্ড (Operation Overlord):
-  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সংঘটিত নরম্যান্ডি যুদ্ধের সাংকেতিক নাম ছিল- অপারেশন ওভারলর্ড।

সুত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান। 
২৯৩.
Which method was commonly used by the fascist regimes worldwide to maintain their power?
  1. Free press and open debate
  2. Propaganda and censorship
  3. Decentralized government
  4. Judicial independence
ব্যাখ্যা

⇒ বিশ্বজুড়ে ফ্যাসিস্ট শাসনগুলোর ক্ষেত্রে ক্ষমতা রক্ষার সবচেয়ে সাধারণ ও কার্যকর উপায় ছিল প্রচার এবং সেন্সরশিপ।

ফ্যাসিবাদ:
- ফ্যাসিস্ট শাসনগুলো প্রায়শই নাগরিকদের মধ্যে একদৃষ্টিভাবে তাদের অধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচারযন্ত্র এবং জনমত নিয়ন্ত্রণের কৌশল ব্যবহার করেছিল।
- তারা গণমাধ্যম, সংবাদপত্র, রেডিও, সিনেমা ইত্যাদির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছিল যাতে সরকার বিরোধী মত প্রকাশ না করে।
- প্রচারযন্ত্র ব্যবহারে তারা নেতার ব্যাক্তিত্বকে মহান ও অবিসংবাদিত অবস্থায় উপস্থাপন করেছে, যাতে জনগণ নেতাকে প্রশ্ন করতে না পারে।
- স্বাধীন বিচারব্যবস্থা বা জনমতের মুক্ত আদান-প্রদান তারা প্রতিহত করেছিল, কারণ এতে তাদের অবৈধতা সামনে আসতে পারে।
- এমনভাবে খবর ও তথ্য পরিবেশন করা হতো যেন শুধুমাত্র শাসকগোষ্ঠীর দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার পায়।
- তারা গোপন পুলিশ বাহিনী ব্যবহার করেও জনমত দমন করেছিল।
- তবে তার কার্যকারিতা অনেকাংশে প্রচার ও সেন্সরের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করেছিল।
- ফলে জনগণ একটি তৈরি তথ্যবহুল বিশ্বে বসবাস করত, যেখানে বাস্তবতা ও সংবাদ তারা জানতেন না।
- সবকিছু ছিল শাসকগোষ্ঠীর দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে সাজানো।
- এই পদ্ধতি তাদের ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদী ও অচ্যালনীয় করে তুলেছিল, কারণ কোনও বিকল্প তথ্য বা বিরোধী মত পানির মুখে আসতে পারত না।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

২৯৪.
কোন দেশকে গ্রেভইয়ার্ড অব এম্পায়ার বলা হয়?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) ফিলিস্তিন
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
• আফগানিস্তান:
- গ্রেভইয়ার্ড অব এম্পায়ার বা বড় বড় সাম্রাজ্যের পতন স্থল হলো- আফগানিস্তান।
- দেশটিতে অতীতে যতগুলো সাম্রাজ্যবাদী শক্তি আগ্রাসন চালাতে এসেছিলো প্রত্যেকটি দেশকেই নতি স্বীকার করে আফগানিস্তান ত্যাগ করতে হয়েছে।
  যেমন:
- ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নকে আফগানিস্তান ত্যাগ করতে হয়েছে।
- ২০২১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আফগানিস্তান ত্যাগ করতে হয়েছে।
- এই জন্য আফগানিস্তানকে   গ্রেভইয়ার্ড অব এম্পায়ার বলা হয়।

উৎস: দ্যা ডিপ্লোম্যাট রিপোর্ট ও যুগান্তর পত্রিকা।
২৯৫.
কোন সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে?
  1. ক) লেবানন যুদ্ধ
  2. খ) কোরীয় সংকট
  3. গ) সুয়েজ খাল সংকট
  4. ঘ) ফকল্যান্ড যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
কোরিয়া যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
▪ যুদ্ধ সংঘটনকাল — ২৫ জুন, ১৯৫০ — ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ — সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত — উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত — দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ ফলাফল — জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
▪ যুদ্ধের ফলাফল — কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ "শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace)  প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
▪ দীর্ঘ তিন বছর যুদ্ধ চলার পর জাতিসংঘের তত্ত্ববধানে ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই দুই কোরিয়ার সীমান্তবর্তী নিরপেক্ষ অঞ্চল ”পানমুনজাম” - এ সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন ও যুক্তরাষ্টে্র  মধ্যে যুদ্ধবিরিতি চুক্তি "Armistice Agreement" স্বাক্ষরিত হয় এবং কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। এতে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই কোরিয়ার কেউ স্বাক্ষর করে নি।  

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।   
২৯৬.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রবাল প্রাচীর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুইন্সল্যান্ড
  2. খ) সিডনি
  3. গ) এজবাস্টন
  4. ঘ) মেলবোর্ন
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ। এটি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে অবস্থিত। উৎসঃ অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট।
২৯৭.
ভারতের আণবিক বোমা পরীক্ষার স্থান-
  1. ক) পোখরান
  2. খ) লুপনার
  3. গ) চাগাই
  4. ঘ) আমচিটকা
ব্যাখ্যা
প্রথম ভারতীয় আণবিক বোমা পরীক্ষা হয় ১৯৭৪ সালে রাজস্থানের পোখরানে৷ যার কোড নাম ছিল ‘স্মাইলিং বুদ্ধ’। সূত্র-''India's Nuclear Weapons Program - Smiling Buddha: 1974''।
২৯৮.
নিচের কোন দেশটি সর্বাধিক রাষ্ট্রের সাথে সীমান্তযুক্ত?
  1. ভারত
  2. মিয়ানমার
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

- চীন সর্বাধিক রাষ্ট্রের সাথে সীমান্তযুক্ত।

চীন:
- চীন পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
 - বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন।
- রাজধানী: বেইজিং।
- মুদ্রা: ইউয়ান।
- ভাষা: মান্দারিন।
- আইনসভা: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: শি জিন পিং।
- চীনের সাথে ১৪টি দেশের স্থল সীমান্ত আছে।
- দেশগুলি হলো: আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, ও লাওস, মঙ্গোলিয়া, মায়ানমার, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২৯৯.
নিচের কোন দেশের সংবিধান অলিখিত?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. ব্রিটেন
  4. আমেরিকা
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- লিখিত সংবিধান : লিখিত সংবিধান বলতে সেই সংবিধানকে বুঝায় যার ধারা বা নিয়মাবলী কোন দলিলে লিপিবদ্ধ করা থাকে। যেমন : ফ্রান্স, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি  প্রভৃতি দেশের সংবিধান লিখিত সংবিধান।

- অলিখিত সংবিধান : অলিখিত সংবিধান বলতে সেই সংবিধানকে বুঝায় যার ধারা বা নিয়মাবলী কোন দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে না। যেমন : যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড, সৌদি আরব ও ইসরায়েল প্রভৃতি দেশের সংবিধান অলিখিত সংবিধান।

উৎস: ওয়াল্ড এটলাস।
৩০০.
সেভেন সিস্টার্স-এর অংশ নয় কোন রাজ্য?
  1. অরুনাচল
  2. সিকিম
  3. মিজোরাম
  4. মনিপুর
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টারের অংশ নয় সিকিম।

সেভেন সিস্টার্স (Seven Sisters)  :
সেভেন সিস্টার্স (Seven Sisters)   হলো ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যের সমষ্টিগত নাম। এই রাজ্যগুলো হলো:

- আসাম (Assam)।
- অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) ।
- মণিপুর (Manipur)।
- মেঘালয় (Meghalaya)।
- মিজোরাম (Mizoram) ।
- নাগাল্যান্ড (Nagaland) ।
- ত্রিপুরা (Tripura) ।

চিকেনস নেক’:
- ভারতের মানচিত্রে শিলিগুড়ি শহরের কাছে অবস্থিত এই করিডরটা অনেকটা বাঁকানো মুরগির ঘাড়ের মতো দেখায় বলে এই জায়গাটাকে অনেকে ‘চিকেনস নেক’ বলেও বর্ণনা করেন।

- এই করিডরের সবচেয়ে সরু অংশটা মাত্র ২১ কিলোমিটার চওড়া, যার আশেপাশেই রয়েছে অন্তত চারটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত। এই দেশগুলো হল চীন, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশ।

উৎস:গ্লোবাল সিকিউরিটি সংস্থা।