ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মিশরীয় সভ্যতার যাত্রা শুরু হয়েছিল।
- রাজা মেনেস মিশরের প্রথম রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়। তিনি প্রথম ফারাও-এর মর্যাদাও লাভ করেন।
- উচ্চ মিসরের রাজধানী ছিল থিবস (Thebes)। দক্ষিণ মিসরের মেক্ষিশ শহরে নতুন রাজধানী স্থাপন করা হয়।
- রাজা মেনেসের পর থেকে তিন হাজার বছর পর্যন্ত প্রাচীন মিসরে ৩১টি রাজবংশের ইতিহাস পাওয়া যায়।
- মিসরের 'ফারাও' বা সম্রাটের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন রাজা মেনেস, প্রথম আহমোজ, রাজা থুতমোস, সম্রাট ইখনাটন, তৃতীয় আমেনহোটেপ এবং প্রথম ও দ্বিতীয় র্যামেসিস।
- মিশরীয়দের বলা হয় ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা।
- সবচেয়ে বড় পিরামিড ফারাও খুফুর পিরামিড যার উচ্চতা ৪৮১ ফুট।
- সবচেয়ে বড় মন্দির কারনাক মন্দির।
- ভাস্কর্যের অধিকাংশ নিদর্শন দেখা যায় সমাধি, সৌধ ও মন্দিরের প্রবেশ পথে।
- মন্দিরের ভেতরের দেয়াল সাজানো হতো মূর্তি খোদাই করে।
- মিশরীয় ভাস্কর্যের সবচেয়ে গৌরব 'স্ফীংস' তৈরিতে।
- এর দেহ ছিল সিংহের আর মাথা ছিল ফারাওয়ের। এর দ্বারা বুঝানো হতো ফারাও সিংহের মতো বলবান।
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।