বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

শিল্প উৎপাদন সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন২৬২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিল্প উৎপাদন সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ২৬২

১০১.
BSTI-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Security & testing Institute
  2. Bangladesh Scientific Testing Institute
  3. Bangladesh Standards and Testing Institution
  4. Bangladesh ‍Society for Telecommunication & Information
ব্যাখ্যা
⇒ BSTI:
- বাংলাদেশের পণ্যের মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানকারী প্রতিষ্ঠান - BSTI
- এর পূর্ণরূপ - Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI)
এ উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময় পরে, ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তার আগে ১৯৫৬ সালে Colombo Plan এর অধীনে ঢাকায় Central Testing Laboratory (CTL) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ঢাকায় ১৯৬৩ সালে PSI এর অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে CTL এবং BDSI, এই দুটি সংস্থা পৃথক সত্তা হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্বে কার্যরত ছিল।

- বিগত ১৬ই মে ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী Science & Technology Division এর অধীন সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউশন (BDSI)-কে একীভূত করে ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।

- অতঃপর ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষিপণ্য বিপণন ও শ্রেণি বিন্যাস পরিদপ্তরটি বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।
- উক্ত অধ্যাদেশটি ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ -তে পরিণত করা হয়েছে।
- বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিএসটিআই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

উৎস: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।
১০২.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. আকিজ সিমেন্ট কারখানা
  2. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  3. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  4. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
-  এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

অপরদিকে,
- লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা:
- ছাতক লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট ফ্যাক্টরি বাংলাদেশে তথা এশিয়া মহাদেশের অন্যতম মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানি।
- শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- আকিজ সিমেন্ট কারখানা।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১০৩.
বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প পার্ক কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. সিরাজদিখান 
  2. মিরসরাই 
  3. গজারিয়া
  4. শ্রীনগর 
ব্যাখ্যা

ওষুধ পার্ক:
- বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প পার্ক (API Industrial Park) মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
-
এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে স্থাপিত।
- ২০০৮ সালে সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায়, ওষুধশিল্পের পার্ক স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদিত হয়।
-পার্কটির মূল উদ্দেশ্য হলো-
• দেশীয় ওষুধ কোম্পানির ব্যবসা প্রসার, 
• পণ্য বৈচিত্র্য সৃষ্টি,
• এবং মান উন্নয়নের জন্য গবেষণা।
-পার্কটি দেশের ওষুধের কাঁচামাল আমদানি নির্ভরতা কমানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- এছাড়া, এর উদ্দেশ্য হলো ওষুধের রপ্তানি বাড়ানো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথমবার ওষুধ রপ্তানি শুরু করে ১৯৯২ সালে।
- তখন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পেনিসিলিনের কাঁচামাল ইরান, হংকং, ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠাত।
- পরের বছর তারা প্যারাসিটামল ও অন্যান্য ১৮ ধরনের ওষুধ রাশিয়ায় রপ্তানি করে;
- এটি দেশের ওষুধ শিল্পের জন্য একটি বড় মাইলফলক ছিল।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ১৪৭টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।
- বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে বেশি ওষুধ রপ্তানি করে- মিয়ানমারে।
- শ্রীলংকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চপরিমানে রপ্তানি করে।

উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া;
২. The Daily Star Bangla;
৩. প্রথম আলো। 

১০৪.
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

রপ্তানী বাজার: 
- বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, সদ্য বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ৮৭৬ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।
- মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- উল্লেখ্য, এই বাজারে রপ্তানি হওয়া বাংলাদেশি পণ্যের ৮৭শতাংশই তৈরি পোশাক।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ তৃতীয় স্থানে রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১০৫.
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোথায় নির্মিত হয়?
  1. বরগুনা, বরগুনা জেলা
  2. রামপাল, বাগেরহাট
  3. বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
  4. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র,
- এটি ২০০৬ সালে স্থাপিত হয়।
- কেন্দ্রটি কয়লা ভিত্তিক এবং বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে সংগৃহীত কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

উল্লেখ্য, 
- এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট। 
- কেন্দ্রটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (BPDB)।

সূত্র: বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১০৬.
টিসিবি কোন মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিচালিত হয়?
  1. খাদ্য মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. কৃষি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) 'বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের' অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।

⇒  ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮নং আদেশের মাধ্যমে টিসিবি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
- উদ্দেশ্য কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
- বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।

তথ্যসূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।

১০৭.
জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. সীতাকুণ্ড
  2. মীরসরাই
  3. আনােয়ারা
  4. আড়াইহাজার
ব্যাখ্যা
SEZ:
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.
- এসইজেড (SEZ) একটি বিশেষ ভৌগলিক অঞ্চল যা শুল্কমুক্ত ছিটমহল হিসাবে বিবেচিত হয়।
- ​​বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইপিজেড বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন (Special Economic Zone) বা এসইজেড (SEZ) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‌
- যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এস ই জেডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, যা জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ১,০০০ একর জমিতে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ করা হচ্ছে।

উৎস: i) BSEZ ওয়েবসাইট।
ii) The Business Standard.
১০৮.
‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট- ২০২৫’ এর আয়োজক কোন প্রতিষ্ঠান? 
  1. বেজা 
  2. বেপজা
  3. বিইইডা
  4. বিডা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা।
- বিইডা নামে কোন প্রতিষ্ঠান নেই। সুতরাং সঠিক উত্তর কোনটিই নয়।

• ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট–২০২৫’:
- আয়োজক- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)
- অনুষ্ঠানের তারিখ: ৭ থেকে ১০ এপ্রিল ২০২৫।
- উদ্বোধন করেন- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
- অংশগ্রহণকারী দেশ-৫০টি
- অংশগ্রহণকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠান-২০০০+
- সম্মেলনে পুরস্কার পাওয়া ৪টি প্রতিষ্ঠান- বিকাশ, ফেব্রিক লাগবে, ওয়ালটন ও স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- সম্মেলনে 'সম্মানসূচক নাগরিকত্ব' প্রদান করা হয়- কিহাক সাং-কে। 
- কিহাক সাং চেয়ারম্যান- কোরিয়ার বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান কর্পোরেশন। 

উল্লেখ্য, 
- স্টারলিঙ্কের ইন্টারনেট পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু- ৯ এপ্রিল ২০২৫। 
- এ সম্মেলনে প্রথম ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে- স্টারলিঙ্ক।
- স্টারলিঙ্ককে বাংলাদেশে অনুমোদন দেয়া হয়- ২৯ মার্চ ২০২৫
- বিনিয়োগ সম্মেলনে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ চুক্তি করে-হানডা কোম্পানি, চীন (১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

উৎস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

১০৯.
ঘোড়াশাল সার কারখানায় কোন সার উৎপাদিত হয়?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. অ্যামোনিয়া সালফেট 
ব্যাখ্যা

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১১০.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কোন জেলায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- পূর্ণরূপ Export Processing Zone. 
- EPZ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- দেশের প্রথম ইপিজেড ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে দেশে মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি, যার মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড সাভারে অবস্থিত।

এছাড়াও,
- উত্তরা ইপিজেড বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড, যা নীলফামারীতে অবস্থিত। 

সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট।
১১১.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাঠ?
  1. চাপালিশ
  2. কেওয়া
  3. গেওয়া
  4. সুন্দরী
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ:
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ, শহর খালিশপুর, খুলনা দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি'র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর অধিনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়।
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে।
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে।
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।

[উল্লেখ্য, বর্তমানে মিলটি বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ]

উৎস: খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ ও প্রথম আলো।
১১২.
কতজনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত থাকলে তা বৃহৎ শিল্প হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ২২০ জন
  2. ২৫০ জন
  3. ২৮০ জন
  4. ৩০০ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

• বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।


• মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।


• ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

• মাইক্রো শিল্প (Micro Industry):
- ‘মাইক্রো শিল্প’ (Micro Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ০১-২৫ জন বা তার চেয়ে কম সংখ্যক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

• কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

• ভারী শিল্প:
- ‘ভারী শিল্প’ বলতে এমন শিল্পপণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে বৃহৎ আকারের উদ্যোগ, বড় যন্ত্রপাতি, ভূমির বৃহৎ এলাকা, উচ্চ খরচ ইত্যাদি বিষয়গুলো জড়িত থাকবে এবং যা হালকা প্রকৌশল শিল্পের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। উদাহরণস্বরূপ জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পেট্রোলিয়াম পরিশোধন শিল্প, ইস্পাত শিল্প, মোটর গাড়ি নির্মাণ শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্প ইত্যাদি ভারী শিল্প হিসেবে গণ্য হবে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১১৩.
বাংলাদেশে কবে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১। [মে,২০২৫]
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এবং প্রথম আলো।
১১৪.
হিলি স্থল বন্দরটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. বিরামপুর, দিনাজপুর
  2. ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
  3. হাকিমপুর, দিনাজপুর
  4. পাঁচ বিবি, জয়পুর হাট
ব্যাখ্যা
হিলি স্থলবন্দর:
- হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলসিএস রয়েছে।
- দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরটি ২৬ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল। এটি যশোর জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
- চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

এছাড়াও,
⇒ কয়েকটি স্থলবন্দর ও অবস্থান দেওয়া হলো:
- ভোমরা স্থল বন্দর- সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা।
- সোনামসজিদ স্থল বন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বিবির বাজার স্থল বন্দর- কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা।
- আখাউড়া স্থল বন্দর- আখাউড়া, ব্রাম্মণবাড়িয়া।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর- পাট গ্রাম, লালমনিহাট।
- দর্শনা স্থল বন্দর- দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- তামাবিল স্থল বন্দর- গোয়াইনঘাট, সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর- ভুরুঙ্গামারী, কুুুড়িগ্রাম।

উৎস: i) অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১১৫.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেডে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়?
  1. চট্টগ্রাম ইপিজেড
  2. ঢাকা ইপিজেড
  3. ঈশ্বরদী ইপিজেড
  4. কর্ণফুলী ইপিজেড
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে। যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- বর্তমানে বেপজার অধীনস্থ অঞ্চলগুলোয় ৫৬৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ৪৫০টি প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। বাকি ১১৩টি প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়ন হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

⇒ সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড। দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) আওতাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড ) ও বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোর রপ্তানি বেড়েছে ১৬ শতাংশ, যা দেশের মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশ।
- বর্তমানে ইপিজেডে উৎপাদিত পণ্য ১২০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- চালু শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে ৩৩% তৈরি পোশাক, ১৮% গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ এবং ৯% টেক্সটাইল উৎপাদন ও রপ্তানি করে, বাকি ৪০% প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রনিক্স এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম থেকে শুরু করে আসবাবপত্র এবং ফ্যাশন এক্সেসরিজসহ বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১১৬.
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?  (আগস্ট-২০২৫)
  1. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য
  2. হস্তশিল্প
  3. নীট পোষাক
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা

• নীট পোষাক :
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য নীট পোষাক (আগস্ট-২০২৫)
- এখাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

• ওভেন পোষাক:
ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

• হোম টেক্সটাইল : 
হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.১৮%।

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১১৭.
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঘোড়াশাল
  2. কাপ্তাই
  3. আশুগঞ্জ
  4. বাখরাবাদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত চট্টগ্রামের কাপ্তাইয়ে ৷
- ১৯৬২ সালে কর্ণফুলী নদীর তীরে ৪৬ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট নিয়ে কেন্দ্রটির যাত্রা শুরু হয়৷
- বর্তমানে এই কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট৷
- কর্ণফুলি নদীর নির্ধারিত স্থানে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলাধার সৃষ্টি এবং পানির এই শক্তিকে গতিশক্তিতে রুপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এজন্য ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উঁচু বাঁধ তৈরি করা হয়। এই বাধেঁর পাশে ১৬ টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট একটি জল নির্গমনপথ বা স্পীলওয়ে রয়েছ।

উৎস: রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ওয়েবসাইট।
১১৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সর্বাধিক আমদানি করা শিল্পজাত পণ্য কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. তুলা
  3. সার
  4. সুতা
ব্যাখ্যা

-বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী      

• বাংলাদেশের আমদানি হওয়া শিল্পজাত পণ্য:

ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ:
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১১৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামি জাহাজ ‘এমভি আনসু’ কোন দেশে রপ্তানি হয়েছে?
  1. জার্মানি
  2. ডেনমার্ক
  3. ফ্রান্স
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
এমভি আনসু:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামি জাহাজ ‘এমভি আনসু’ জার্মানিতে রপ্তানি হয়েছে। 
- জাহাজটি কিনেছে জার্মান কোম্পানি এইচএস সিফার্টস জিএমবিএইচ অ্যান্ড কোং কেজিএমএস।

উল্লেখ্য,
- আনসু ৫৫০০ ডিডব্লিউটিএ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মাল্টি পারপাস মালবাহী জাহাজ।
- জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট, গভীরতা ২৪ দশমিক ২৭ ফুট, ইঞ্জিনের ক্ষমতা ২৭৫০ হর্সপাওয়ার এবং ঘন্টায় গতিবেগ ১২ নটিক্যাল মাইল।
- ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ ‘স্টেলা মারিস’ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড শিপওয়েজ লিমিটেড। 
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।
১২০.
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার কোনটি?
  1. কর্ণফুলী রিফাইনারি লিমিটেড
  2. মেঘনা রিফাইনারি লিমিটেড
  3. যমুনা রিফাইনারি লিমিটেড
  4. ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, কোন ইপিজেডে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা ইপিজেডে
  2. কর্ণফুলী ইপিজেডে
  3. আদমজী ইপিজেডে
  4. চট্টগ্রাম ইপিজেডে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, চট্টগ্রাম ইপিজেডে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। চট্টগ্রাম ইপিজেডে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।

⇒ দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২২.
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. হরিপুর
  3. দিনাজপুর
  4. মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০০৬ সালে চীনা কারিগরি সহায়তায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির পাশে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়।

বড়পুকুরিয়া কয়লার খনি:
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর বাজার হইতে দক্ষিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অবস্থিত।
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই কয়লা খনি থেকে বার্ষিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়। 
- কিন্তু গত ১৩-১৪ অর্থ বছরে এই খনি থেকে ৯৩৩০০০ মেট্রিন টন বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলিত হয়  এবং সেগুলো বিক্রয় করে ৮৯৮ কোটি টাকা আয় হয়।
- উত্তোলিত কয়লা দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানী করার পর স্থানীয় বিভিন্ন শিল্প কারখানায় বিক্রয় করা হয়।
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়।
- সেখানে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে প্রায় দুইশত'র অধিক কর্মকর্তা/কর্মচারী রয়েছে। 
- বড় পুকুরিয়া কয়লা খনিটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার  একটি প্রসিদ্ধ স্থান।

উৎস: দিনাজপুর জেলার ওয়েবসাইট।  
১২৩.
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পথ প্রদর্শক কে?
  1. এম নাসির উদ্দিন
  2. নুরুল কাদের
  3. আনিসুর রহমান সিনহা
  4. গুল আহমদ খান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের গোড়াপত্তন:
- বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পথ প্রদর্শক নুরুল কাদের।
- ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় প্রায় ৯ একর জমির ওপর ‘দেশ গার্মেন্টস’ গড়ে তুলেছিলেন নুরুল কাদের। 
- এটিই দেশের প্রথম তৈরি পোশাকের কারখানা।
- ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা পথ ঘুরে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার দাইয়ু করপোরেশনের সঙ্গে মিলে গড়ে তোলেন দেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানির কারখানা দেশ গার্মেন্টস। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পদযাত্রার সূচনা করেন দুই উদ্যোক্তা—রিয়াজ উদ্দিন ও এম নুরুল কাদের। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জিনস রপ্তানির নেপথ্য কারিগর ছিলেন চট্টগ্রামের উদ্যোক্তা এম নাসির উদ্দিন।
- শিল্প হিসেবে তৈরি পোশাকের বিকাশের অন্যতম বড় চালক ধরা হয় আনিসুর রহমান সিনহাকে। ১৯৮৪ সালে যাত্রা করে তার প্রতিষ্ঠিত কারখানা ওপেক্স।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বণিক বার্তা।

১২৪.
শাহজালাল সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কী?
  1. কম্পোস্ট
  2. ডিএপি
  3. টিএসপি
  4. ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।

⇒ শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড:
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণে স্থাপিত দেশের অত্যাধুনিক প্রতিষ্ঠান।
- এই সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এটি সিলেট শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- এর দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১৭৬০ মে.টন।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
১২৫.
সেকেন্ডারী মার্কেট কীসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. শ্রমবাজার
  2. চাকরি বাজার
  3. স্টক মার্কেট
  4. কৃষি বাজার
ব্যাখ্যা

• BSEC: 
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি।
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

তথ্যসূত্র: BSEC ওয়েবসাইট।  

১২৬.
ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান- [মার্চ, ২০২৬]
  1. ১ম 
  2. ২য় 
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ 
ব্যাখ্যা

ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ইলিশ মাছ উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষে রয়েছে।
- মোট ইলিশের প্রায় ৮৬ শতাংশই দেশে উৎপাদিত হয়। 
- দেশের বিভিন্ন নদী ও অভয়াশ্রমে মা ও জাটকা ইলিশ সংরক্ষণের ব্যবস্থা, অভয়াশ্রম সম্প্রসারণ এবং সঠিক জাল ব্যবহারের কারণে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বিশেষ করে প্রতি বছর ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ধরা নিষিদ্ধ থাকায় ইলিশের বৃদ্ধি হয়েছে।
- বর্তমানে দেশে ১২৫-১৩০টি উপজেলায় ইলিশ পাওয়া যায়।
- এবং প্রায় ৭ হাজার বর্গকিলোমিটারের অভয়াশ্রমে মাছ ধরা আইনত নিষিদ্ধ।
- এই সাফল্যের কারণে বাংলাদেশকে ইলিশ উৎপাদনের রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
------------------- 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পণ্যে বিশ্বে উৎপাদন ও অবস্থান –
- বাংলাদেশ মৎস্য ও কৃষিক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।

• জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) তথ্য অনুযায়ী, বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ (Aquaculture) উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।
• এছাড়া অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ আহরণে বাংলাদেশ তৃতীয়।

• বাংলাদেশ আলু উৎপাদনে বিশ্বের মধ্যে সপ্তম অবস্থানে আছে।
- এশিয়ায় আলু উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশটি তৃতীয় স্থানে রয়েছে। 

• বাংলাদেশ তেলাপিয়া উৎপাদনে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। 

• বাংলাদেশ ধান উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে।

উৎস:
১) বনিক বার্তা,
২) দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা, 
৩) প্রথম আলো পত্রিকা [ লিঙ্ক], 
৪) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১২৭.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- এর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- সম্প্রতি লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিনThe Financial Times এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০ টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান এবং Best Economic Potential 2010-2011 category-তে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১২৮.
দেশের প্রথম অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।


উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭১ টি। [নভেম্বর,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২৯.
’অ্যালায়েন্স’ কীসের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. কৃষি
  2. সিরামিক
  3. পোশাক
  4. চামড়া
ব্যাখ্যা

 যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন- Alliance।
- রানা প্লাজা ধসের ঘটনার পর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের নিরাপদ কর্ম পরিবেশ তৈরিতে আমেরিকান ক্রেতাদের নিয়ে ২০১৩ সালে অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি নামের একটি জোট গঠিত হয়।
- এই জোটে গ্যাপ ও ওয়ালমার্টের মতো বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।

উৎসঃ দ্যা ডেইলি স্টার এবং বিবিসি।

১৩০.
উৎপাদন খাতে নিয়োজিত মাঝারি শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদের মূল্য কত হতে হয়?
  1. ৮ কোটি টাকা
  2. ১০ কোটি টাকা
  3. ১২ কোটি টাকা
  4. ১৫ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

উৎপাদন খাতে নিয়োজিত মাঝারি শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১৫ কোটি টাকা হতে হয়। 

মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):

- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ২ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৫১-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১৩১.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. গাজীপুর 
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৩২.
BCIC-এর অধীনে পরিচালিত একমাত্র সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. ছাতক সিমেন্ট কারখানা
  2. মোংলা সিমেন্ট কারখানা
  3. লাফার্জ-সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  4. মেঘনা সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- ইহা ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১৩৩.
বাংলাদেশ থেকে প্রথম রপ্তানি করা জাহাজ কোনটি?
  1. এমভি স্টেলা মেরিস
  2. এমভি স্টেলার মেরি
  3. এমভি স্টেলার
  4. এমভি স্টেলার মেরিস
ব্যাখ্যা

জাহাজ রপ্তানি:
বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো জাহাজ রপ্তানি করা হয় ২০০৮ সালে।
• জাহাজটির নাম ছিল MV স্টেলা মেরিস (Stella Maris).
• এটি নির্মাণ করেছিল আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেড।
• বাংলাদেশের আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেড যুক্তরাজ্যের এনজিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেডকে ৬,১০০ ডিডব্লিউটির এই জাহাজটি রপ্তানি করেছে।
• এটি ডেনমার্কের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল।
• এই জাহাজটি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের রপ্তানিকৃত সবচেয়ে বড় জাহাজ হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য, 
- জলবায়ু পরিবর্তন জাহাজ শিল্পকে প্রভাবিত করে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া ও স্রোতের পরিবর্তন বন্দরের অবকাঠামো ও সমুদ্রপথে সমস্যা সৃষ্টি করে;
- পাশাপাশি জাহাজ শিল্প নিজেও গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনে অবদান রাখে।

উৎস:
১. The Business Standard;
২. প্রথম আলো।

১৩৪.
বাংলাদেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান রয়েছে কয়টি? [জুন,২০২৫]
  1. ১৯০ টি
  2. ১৮০ টি
  3. ১৭০ টি
  4. ১৭৫টি
ব্যাখ্যা
নিবন্ধিত চা বাগান:
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭০ টি। [জুন,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- হাবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত ২৫টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩৫.
সোনাহাট স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. কুড়িগ্রাম
  3. রংপুর
  4. শেরপুর
ব্যাখ্যা
সোনাহাট স্থলবন্দর: 
- এটি  কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সীমান্তে অবস্থিত।
- সোনাহাট স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ী জেলার গোলকগঞ্জ সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে ২৫ অক্টোবর, ২০১২ খ্রিঃ তারিখের স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।
- পরবর্তীতে ০৯ জুন ২০১৮ খ্রিঃ তারিখে সোনাহাট স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: সোনাহাট স্থলবন্দর ওয়েবসাইট।
১৩৬.
Which one of the following minerals is found at Gopalpur area of Netrokona district? 
  1. Coal
  2. White clay
  3. Lime stone
  4. Hard rock
  5. None
ব্যাখ্যা
সাদা মাটি/চীনামাটি:
- সাদা মাটি বা চীনামাটি (kaolin) একটি বিশেষ ধরনের মাটি যা প্রধানত সিলিকেট মিনারেল থেকে তৈরি।
- এই সাদা মাটি চীনামাটি হিসেবেও পরিচিত।
- এটি সাধারণত সাদা রঙের, কিন্তু এর গুণমান ও বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন হতে পারে।
- এই মাটি সিরামিক, পেপার, পেইন্ট, ওষুধ, প্রসাধনী এবং অন্যান্য অনেক শিল্পে ব্যবহার করা হয়।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর এবং গোপালপুর এলাকা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি, চট্টগ্রাম জেলার হায়দগাঁও এবং চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাইটুল ইজ্জত এলাকায় সাদা মাটির তলদেশে বা তলদেশে সাদা মাটির খনি রয়েছে।
- তবে এখানে পাওয়া সাদা মাটি সাধারণত উচ্চ মানের নয় এবং তাই এটি উচ্চ মানের আমদানিকৃত সাদা মাটির সাথে মিশিয়ে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২১ সালের ১৭ জুন জিআই পণ্য সনদ পায় নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরের পর্যটন স্পট সাদা মাটি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
১৩৭.
ঘোড়াশাল সার কারখানায় কোন সার উৎপাদিত হয়?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. অ্যামোনিয়া সালফেট 
ব্যাখ্যা

• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। 

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৩৮.
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএ (BGMEA) এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
  2. Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Alliance
  3. Bangladesh Garment Makers and Exporters Association
  4. Bangladesh Garment Manufacturers and Entrepreneurs Association
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরুর পর থেকে সমিতিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে আসছে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ এর কাছাকাছি।

তথ্যসূত্র: BGMEA ওয়েবসাইট।
১৩৯.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেডে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ঢাকা ইপিজেড
  2. চট্টগ্রাম ইপিজেড
  3. মোংলা ইপিজেড
  4. কর্ণফুলী ইপিজেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ইপিজেড (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০ টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।
- সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টিী সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।

অন্যদিকে,
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪০.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল -
  1. মিথেন গ্যাস
  2. এ্যামোনিয়া
  3. ক্লিংকার
  4. অপরিশোধিত তৈল
ব্যাখ্যা

• ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।

ইউরিয়া সার:
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া প্রধান। 
- নাইট্রোজেনজাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে।
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়। 
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন প্রধানত লাভ করে।
- এই সারে ৪০-৪৭ শতাংশ নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে।
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে।
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্র - রন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে।
- ফলে রোগাক্রান্ত ও বিনষ্ট শিকড়যুক্ত উদ্ভিদ সতেজ হয়ে যায়।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বিসিআইসি ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৪১.
মেঘনা গ্যাস ফিল্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. সিলেট
  3. ভোলা
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
মেঘনা গ্যাস ফিল্ড:
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় মেঘনা গ্যাস ফিল্ড অবস্থিত।

- ১৯৯৭ সালে পেট্রোবাংলা মেঘনা গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে।
- পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী এ গ্যাস ক্ষেত্রটির মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ ১০১ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ)।
- ১৯৯৭ সালে মেঘনা ফিল্ড থেকে বাণিজ্যিক গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হয়।
- কিন্তু অত্যাধিক পানি উৎপাদনের কারণে ১০ আগস্ট, ২০০৭ সাল থেকে এ ক্ষেত্রটির গ্যাস উৎপাদন স্থগিত করা হয়।
- পরবর্তীতে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে পূন:সম্পাদন করে (ডুয়াল কমপ্লিশন) ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১০ সাল থেকে শর্ট ট্রিং থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হয়।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সালে কূপটির লং স্ট্রিং দিয়ে দৈনিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হলেও অতিরিক্ত পানি উৎপাদনের জন্য ১৬ মে, ২০১৬ সাল থেকে গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করে দেয়া হয়।
- বর্তমানে শুধুমাত্র শর্ট স্ট্রিং দিয়ে গড়ে দৈনিক ৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে।
- এপ্রিল ৩০, ২০২৫ পর্যন্ত মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৮৩.০৩৭ বিলিয়ন ঘনফুট বা শতকরা ৮২.২১%।

উল্লেখ্য
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১। [জুন,২০২৫]
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪২.
বাংলাদেশ-ভুটানের যৌথ উদ্যোগে দেশের কোন জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে? 
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া 
  3. কুড়িগ্রাম
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও ভুটান আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদার করার লক্ষ্যে কুড়িগ্রাম-গেলেফু করিডোর উন্নয়নে সম্মত হয়েছে।
- বাংলাদেশ-ভুটানের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে।
- বাংলাদেশের সঙ্গে জিটুজি অংশীদারত্বে নির্মাণাধীন কুড়িগ্রাম স্পেশাল ইকোনমিক জোন ভুটানের আসন্ন 'গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি'র সঙ্গে যুক্ত হয়ে সীমান্ত-পারাপারের নতুন অর্থনৈতিক প্রবাহ সৃষ্টি করবে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১৪৩.
দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. শাহ সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  2. বসুন্ধরা সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  3. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  4. শাহজালাল সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

⇒ ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪৪.
সিমেন্ট শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়-
  1. ডিনামাইট
  2. চুনাপাথর 
  3. কয়লা
  4. চীনা মাটি
ব্যাখ্যা

• চুনাপাথর :
- চুনাপাথর (Limestone)  এক প্রকার পাললিক শিলা যা প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দ্বারা গঠিত।
- প্রকৃতিতে ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট সহযোগে অথবা ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেটের উপস্থিতি ব্যতীত খনিজ ক্যালসাইট হিসেবে চুনাপাথর পাওয়া যায়। 
- বাংলাদেশে চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় (surface) এবং অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় (sub-surface) বা ভূগর্ভস্থ উভয় প্রকার মজুত রয়েছে। 
- কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিনস দ্বীপ এবং  সুনামগঞ্জ জেলার ভাঙ্গেরঘাট-লালঘাট-টাকেরঘাট এলাকায় চুনাপাথরের ভূ-পৃষ্ঠীয় ও ভূ-পৃষ্ঠের স্বল্পগভীরতায় মজুত রয়েছে।  
- জয়পুরহাট জেলার জয়পুরহাটে রয়েছে চুনাপাথরের অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠীয় বা ভূগর্ভস্থ মজুত।
- বাংলাদেশে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ১৯৫৭ সালে সর্বপ্রথম চুনাপাথরের মজুত আবিষ্কৃত হয়।
- সিমেন্ট তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে চুনাপাথর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪৫.
ঘোড়াশাল সার কারখানার উৎপাদিত সারের নাম-
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. এমওপি
  4. জিপসাম 
ব্যাখ্যা

•ঘোড়াশাল সার কারখানা: 
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) নরসিংদী জেলায় অবস্থিত।
- পূর্বেকার ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (ইউএফএফএল) এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (পিইউএফএফএল) একীভূত হয়।
- একিভূত হয়: ০১-০৭-২০২১ খ্রি.।
-  ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) গঠিত হয়।
- উৎপাদিত সার: ইউরিয়া।

উল্লেখ্য,
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলায়।
- পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৫ সালে নরসিংদী জেলায়। 

উৎস: বিসিসিআই এবং প্রথম আলো।

১৪৬.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের হার কত (সাময়িক ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর)?
  1. ৩.৩৪%
  2. ৫.৩৪%
  3. ৩.৮৪%
  4. ৪.৩৪%
ব্যাখ্যা
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব:

• শিল্প (Industry) খাতঃ
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।

উল্লেখ্য,
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫১%।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.৮৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়াও, 

সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের হার ১.৭৯ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের হার ৪.৫১% শতাংশ।

উৎস: বিবিএস ।
১৪৭.
সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে কোন কোম্পানি?
  1. বার্মা অয়েল কোম্পানি
  2. শেল অয়েল কোম্পানি
  3. টার্নার মরিসন অ্যান্ড কোম্পানি
  4. হোয়াইট হল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা অয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯ টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজ তেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, 
-সম্প্রতি সিলেটের হরিপুরে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
-এ কূপ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো , চানেল২৪।
১৪৮.
দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. নোয়াখালী
  4. ভোলা
ব্যাখ্যা

 • গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ হচ্ছে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

১৪৯.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উদ্ভিদের নাম কী?
  1. বৈলাম
  2. ইউক্লিপটাস
  3. শাল
  4. কেওড়া
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ বৈলাম স্থানীয় পর্যায়ে বইলাম নামেও পরিচিত।
- ভৌগোলিকভাবে এটি বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ায় পাওয়া যায়।
- আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লাল তালিকায় বৈলাম বিশ্বব্যাপী একটি মহাবিপদাপন্ন প্রজাতির গাছ।
- বন উজাড়, মাতৃবৃক্ষের অপ্রতুলতা ও অতিরিক্ত কাঠ আহরণের ফলে বর্তমানে বাংলাদেশে বৈলাম গাছ দুষ্প্রাপ্য ও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। - সাধারণত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার, কাপ্তাই, বিলাইছড়ির সংরক্ষিত বন ছাড়াও দেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও নার্সারি এটি সংরক্ষণ করছে।

উৎস: i) পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বণিক বার্তা।

১৫০.
SEZ-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Standard Economic Zone
  2. Special Economic Zone
  3. Strategic Economic Zone
  4. Sustainable Economic Zone
ব্যাখ্যা

SEZ:
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.

⇒ একটি দেশের নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত সেই সকল অঞ্চল যেগুলি দেশের আন্যান্য অঞ্চলের তুলজ অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রচলিত সরকারী নীতি নিয়মের ব্যাপারে অধিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করে তাদের SEZ বলে।
- উদ্দেশ্য:
(i) দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা,
(ii) রপ্তানী বৃদ্ধি করা,
(iii) সরকারী নিয়মনীতির জটিলত নেই বলে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ বোধ করা।
(iv) উৎপাদনমূলক ও পরিষেবামূলক শিল্পে সুলঙ্গে আন্তর্জাতিক গুণমানের পণ্য উৎপাদন করা।
(v) সহজে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা ও দেশের অর্থনৈতি উন্নতি তরান্বিত করা।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।

১৫১.
সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, বৃহৎ শিল্পে শ্রমিক সংখ্যা কত?
  1. ৩০০ জনের অধিক
  2. ২৫০ জনের অধিক
  3. ২০০ জনের অধিক
  4. ১৫০ জনের অধিক
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ২ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৫১-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ২ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১৬-৫০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাইক্রো শিল্প (Micro Industry):
- ‘মাইক্রো শিল্প’ (Micro Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ০১-২৫ জন বা তার চেয়ে কম সংখ্যক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাইক্রো শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১৫ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

⇒ ভারী শিল্প:
- ‘ভারী শিল্প’ বলতে এমন শিল্পপণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে বৃহৎ আকারের উদ্যোগ, বড় যন্ত্রপাতি, ভূমির বৃহৎ এলাকা, উচ্চ খরচ ইত্যাদি বিষয়গুলো জড়িত থাকবে এবং যা হালকা প্রকৌশল শিল্পের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। উদাহরণস্বরূপ জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পেট্রোলিয়াম পরিশোধন শিল্প, ইস্পাত শিল্প, মোটর গাড়ি নির্মাণ শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্প ইত্যাদি ভারী শিল্প হিসেবে গণ্য হবে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
১৫২.
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো-
  1. পদ্মা রিফাইনারি লিমিটেড
  2. ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
  3. যমুনা রিফাইনারি লিমিটেড
  4. কর্ণফুলী রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- ১৯৬০ সালে খ্যাতনামা শিল্পোদ্যোক্তা জনাব আব্বাস খলিলি'র নেতৃত্বে সর্বপ্রথম একটি প্রকল্প আকারে তৈল শোধনাগার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৬৩ কোম্পানী আইন ১৯১৩ অনুসারে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে নিবন্ধিত হয়।
- ১৯৬৮ সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
-বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।

উৎস: ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৫৩.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ কল কোনটি?
  1. খুলনা নিউজ প্রিন্ট মিল
  2. সিলেট মন্ড কাগজ মিল
  3. কর্ণফুলি পেপার মিল 
  4. চন্দ্রঘোনা কাগজ মিল
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি পেপার মিল:
কর্ণফুলি পেপার মিল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজের কল।
- ১৯৫১ সালে পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন-এর অধীনে ৬৭.৫৭ মিলিয়ন রুপি ব্যয়ে চট্টগ্রাম চন্দ্রঘোনায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ওই সময়ে পূর্ব পাকিস্তান এ ৩১টি হাতে তৈরি কাগজের এন্টারপ্রাইজ এবং ১২২ জন শ্রমিকসহ একটি কার্বন কাগজ তৈরির ইউনিট ছিল।
- এই সকল প্রতিষ্ঠানে কাজ করত ৫৫ জন পুরুষ, ৫১ জন মহিলা ও ১৬ জন শিশুশ্রমিক।
- কর্ণফুলি পেপার মিলটি শিল্প আইনের অধীনে নিবন্ধিত প্রথম কাগজশিল্প যা ত্রিশ হাজার শ্রমিক নিয়ে এশিয়ার সর্ববৃহৎ কাগজ-কল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মিলটি আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জার্মানি, সুইডেন এবং ইতালির সহযোগিতায় ও বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- বাৎসরিক ৩০,০০০ টন ধারণক্ষমতা নিয়ে ১৯৫৩ সালে মিলটিতে উৎপাদন আরম্ভ হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫৪.
নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড রাষ্ট্রীয়করণ করা হয় কবে?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৩৩ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
• নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড: 
- অবস্থান: গোপালপুর, লালপুর, নাটোর,
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৩৩ সালে,
- রাষ্ট্রীয়করণ: ১৯৬৫ সালে।
- অনুমোদিত জনবল: ১,২৩৮ জন।
- বর্তমানে কর্মরত: ৯৭০ জন।
- ট্রেনিং কমপ্লেক্স: ১টি।
- উৎপাদন তথ্য (সর্বশেষ মৌসুম): 
- নিজস্ব খামার থেকে আখ সংগ্রহ: ৩৪,০০০ মেট্রিক টন,
- মোট আখ মাড়াই: ২,৫৯,৩১২ মেট্রিক টন,
- উৎপাদন হয়েছে: ১৯,৯৬৩.৭০ মেট্রিক টন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫৫.
বর্তমানে চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৭৬ শতাংশ
  2. ৭৯ শতাংশ
  3. ৮১ শতাংশ
  4. ৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ঔষধ শিল্প:

- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে -
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) প্রথম আলো।
১৫৬.
বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

• Bangladesh Sugar & Food Industries Corporation.

- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালের ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠিত হয়। 

- বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা বিএসএফআইসি পরিচালিত হচ্ছে। 

- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১৫টি চিনিকল, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে করপোরেশনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। এছাড়াও কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড এর সাথে একটি ডিস্টিলারি প্লান্ট ও একটি জৈবসার কারখানা রয়েছে।

উৎস: বিএসএফআইসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫৭.
কোন খাতে দেশের সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদন
  2. গৃহস্থালি 
  3. শিল্প
  4. সার উৎপাদন
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
-  বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৭২.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (৪১.০০%),
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭০.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%),
- ক্যাপটিভ: ১৪৯.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৭%),
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ৯৭.৮ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার তথ্যমতে দেশে গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি।
- উত্তোলনরত ২০টি, উৎপাদনে যায়নি ৪টি, এবং উৎপাদন স্থগিত রয়েছে ৫টি।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ii) প্রথম আলো।

১৫৮.
বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
  1. রানীগঞ্জে
  2. বিজয়পুরে
  3. টেকেরহাটে
  4. বাগালীবাজারে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 
----------------- 
• 'চীনামাটি':
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫৯.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি চালু সার কারখানা রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে, তার মধ্যে ৭টি সার কারখানা রয়েছে। 

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

এছাড়া,
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত  পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার। তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে। উল্লেখ্য যে, ১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে সারা দেশে কৃষকদের মাঝে সার বিতরনের মত স্পর্শকাতর বিষয়টি বিসিআইসি’র উপর ন্যাস্ত হয়। বিসিআইসি অত্যন্ত আস্তা এবং সফলতার সাথে এই গুরু দয়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।

১৬০.
দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের সর্বাধিক ব্যবহার কোন খাতে হয়?  [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদন
  2. গৃহস্থালি
  3. শিল্প
  4. সার উৎপাদন
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
-  বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে।

- জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৭২.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (৪১.০০%),
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭০.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%),
- ক্যাপটিভ: ১৪৯.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৭%),
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ৯৭.৮ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার তথ্যমতে দেশে গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি।
- উত্তোলনরত ২০টি, উৎপাদনে যায়নি ৪টি, এবং উৎপাদন স্থগিত রয়েছে ৫টি।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।

তথ্যসূত্র:  i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ii) প্রথম আলো।

১৬১.
দেশ গার্মেন্টস কোন দেশের কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. জাপান
  3. চীন
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

দেশ গার্মেন্টস দক্ষিণ কোরিয়ার দেউও (Daewoo) কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
-----------------------------
দেশ গার্মেন্টস:
- ১৯৭৭ সালে মোঃ নুরুল কাদেরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ গার্মেন্টস বাংলাদেশের প্রথম ১০০% রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে এটি উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে।
- কোম্পানির প্রধান কারখানা চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় স্থাপিত।

- দক্ষিণ কোরিয়ার দেউও (Daewoo) কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি হয় এই কারখানা। 
- কারখানাটি দেশে প্রথম আধুনিক পোশাক উৎপাদনের প্রযুক্তি নিয়ে আসে।
- এছাড়া, ১৯৭৮ সালে দেশ গার্মেন্টস দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠিয়েছিলো পোশাক ব্যবসা সম্পর্কে জানার জন্য, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম। 
- দেশ গার্মেন্টস বাংলাদেশের প্রথম পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে গড়ে ওঠে এবং বিভিন্ন পুরস্কারও পায়।
- এটি আমেরিকা ও কানাডায় সবচেয়ে বেশি কোটাধারী কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।
- বর্তমানে দেশ গার্মেন্টস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত এবং আধুনিক ব্যবস্থাপনা ব্যবহারের জন্য সুপরিচিত।

উৎস: দেশ গার্মেন্টসের ওয়েবসাইট। 

১৬২.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি কোথায় অবস্থিত?
  1. পোড়াবাড়ী, গাজীপুর
  2. শিমুলতলী, গাজীপুর
  3. তেজগাঁও, ঢাকা
  4. আনোয়ারা, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি: 
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড হলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটি গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- বিএমটিএফ-এ রয়েছে ১৯টি কার্যকরী কারখানা।
- সেনাবাহিনী প্রধান এর বোর্ড চেয়ারম্যান ।
- সেনাবাহিনী প্রধান বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

১৬৩.
বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র কয়টি?  [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে মোট ৫টি কয়লা ক্ষেত্র বিদ্যমান: বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, ফুলবাড়ি, খালাশপীর ও জামালগঞ্জ। 

» কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।  
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।

» দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।


তথ্যসূত্র: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।

১৬৪.
বিকেএমইএ (BKMEA) কোন খাতের প্রতিনিধিত্ব করে?
  1. চামড়া খাত
  2. নিটওয়্যার খাত
  3. ইলেকট্রনিক্স খাত
  4. কৃষি খাত
ব্যাখ্যা

• BKMEA :
- The Bangladesh Knitwear Manufacturers & Exporters Association (BKMEA), একটি শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে, বাংলাদেশের নিটওয়্যার খাতের প্রতিনিধিত্ব করে।
- বিকেএমইএ ১৯৯৬ সালে একদল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, 
- বর্তমানে প্রায় ২৫৪০টি নিটওয়্যার সদস্য কারখানার প্রতিনিধিত্ব করে। 
- এটি বিশ্ব পোশাক বাজারে বাংলাদেশের নিটওয়্যার খাতের প্রচার ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বিকেএমই অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

১৬৫.
বাংলাদেশের বৃহত্তম রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৫ কিমি
  2. ৬.১ কিমি
  3. ৫.২ কিমি
  4. ৪.৮ কিমি 
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু

- ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলসেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে।
- প্রকল্পের নকশা প্রণয়নসহ সেতুর নির্মাণ ব্যয় প্রথমে ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা।
- ২০২৩ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল।
- পরে ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
- প্রকল্পের শুরুতে এই সেতুর নাম ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু।
- অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত বছরের ডিসেম্বরে সেতুর নাম পাল্টে যমুনা রেলসেতু রাখা হয়।
- নতুন রেলসেতু ৫০টি পিলারের ওপর ৪৯টি স্প্যানে নির্মিত হয়েছে।
- এই সেতুতে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, তারা সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল নির্ধারিত করে দিয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৬৬.
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানীকারক গার্মেন্টস-
  1. নোভা গার্মেন্টস
  2. রিয়াজ গার্মেন্টস
  3. ডিজি গার্মেন্টস
  4. ঢাকা অ্যাপারেল লিমিটেড
ব্যাখ্যা
রিয়াজ গার্মেন্টস:
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানি করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসি মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রাঁ, বাংলাদেশি টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- রিয়াজ গার্মেন্টস দেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস।

- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি টিকে না থাকলেও পোশাকশিল্পের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ও তাঁর রিয়াজ গার্মেন্টসের নাম।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]
১৬৭.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় কবে? 
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা

• গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

১৬৮.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার কোথায় অবস্থিত?
  1. শিবপুর উপজেলায় 
  2. বেলাব উপজেলায় 
  3. পলাশ উপজেলায় 
  4. মনোহরদী উপজেলায় 
ব্যাখ্যা

• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
→ দেশের বৃহত্তম সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
→ এটি নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় অবস্থিত।
→ দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।
→ ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
→ সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
→ এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
→ এটি দেশে 'অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ' সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস:- বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট।

১৬৯.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
১৭০.
বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায়?
  1. লাকসাম
  2. সৈয়দপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. আখাউড়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেলওয়ে:
- বাংলাদেশ রেলপথ সরকারি মালিকানা ও সরকার কর্তৃক পরিচালিত দেশের একটি মুখ্য পরিবহন সংস্থা।
- দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে অবস্থিত।
- এ কারণে সৈয়দপুরকে রেলওয়ে শহর বলা হয়।
- সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাটি ১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই রেলওয়ে কারখানাকে কেন্দ্র করেই মূলত সৈয়দপুর শহরের গোড়া পত্তন হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- নাট-বল্টু থেকে শুরু করে রেলওয়ের ব্রডগেজ ও মিটারগেজ লাইনের বগি মেরামতসহ সব কাজ করা হয়। 
- ১১০ দশমিক ২৯ একর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত কারখানাটিতে রয়েছে ২৮টি শপ (উপকারখানা)।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ইত্তেফাক পত্রিকা নিউজ।
১৭১.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত (সাময়িক ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর)?
  1. ৫.৭৩%
  2. ৩.৩৪%
  3. ৬.৭৩%
  4. ৪.৩৪%
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব:
- শিল্প (Industry) খাত - সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫১%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.৮৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে, জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১.৭৯ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৪.৫১% শতাংশ।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।

১৭২.
জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ
  2. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
  3. সাভার, ঢাকা
  4. আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
Special Economic Zone (SEZ):
- একটি দেশের নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত সেই সকল অঞ্চল যেগুলি দেশের আন্যান্য অঞ্চলের তুলজ অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রচলিত সরকারী নীতি নিয়মের ব্যাপারে অধিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করে তাদের SEZ বলে। উদ্দেশ্য:
(i) দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা,
(ii) রপ্তানী বৃদ্ধি করা,
(iii) সরকারী নিয়মনীতির জটিলত নেই বলে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ বোধ করা।
(iv) উৎপাদনমূলক ও পরিষেবামূলক শিল্পে সুলঙ্গে আন্তর্জাতিক গুণমানের পণ্য উৎপাদন করা।
(v) সহজে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা ও দেশের অর্থনৈতি উন্নতি তরান্বিত করা।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম স্পেশাল ইকোনমিক জোন বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।
১৭৩.
’বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি’ বাংলাদেশের কোন উপজেলা অবস্থিত?
  1. বীরগঞ্জ
  2. পার্বতীপুর
  3. ফুলবাড়ী
  4. হাকিমপুর
ব্যাখ্যা

• বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি:
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নের ভবানীপুর বাজারের দক্ষিণে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লা খনি, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়। 
- এই খনি থেকে প্রতিবছর প্রায় ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়ে থাকে। 
- বড়পুকুরিয়া খয়লাখনির কয়লা দ্বারা খনি সংলগ্ন স্থানে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নামে একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলা হয় ।
- সেখানে উত্তোলিত কয়লা দ্বারা ৪৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করা হচ্ছে ।

উৎস: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।

১৭৪.
লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণে ডেনমার্ক দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে মূল কনসেশন চুক্তি কত বছরের জন্য সই হয়েছে?
  1. ৩০ বছর
  2. ৩৩ বছর
  3. ৩৬ বছর
  4. ৩১ বছর
ব্যাখ্যা

- লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণে ডেনমার্ক দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে মূল কনসেশন চুক্তি ৩৩ বছরের জন্য সই হয়েছে।

• লালদিয়ার চুক্তির এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে-
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার। শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।
-আট লাখ একক কনটেইনার ওঠানো নামানো পর্যন্ত প্রতি একক কনটেইনারে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২১ ডলার করে মাশুল পাবে।
- আর আট লাখের বেশি ৯ লাখ একক কনটেইনার ওঠানো-নামানো পর্যন্ত প্রতি একক কনটেইনারের জন্য ২৩ ডলার করে পাবে বন্দর। - এই দুটি স্তর ছাড়া আরও একটি স্তর রয়েছে। যেমন ৯ লাখের বেশি কনটেইনার ওঠানো-নামানো হলে বন্দরকে আরেকটি স্তরে মাশুল দেবে এপিএম টার্মিনালস। তবে সেই হার কত, তা প্রকাশ করা হয়নি।
- সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় একসঙ্গে তিনটি জাহাজ ভেড়ানোর তিন জেটির এই টার্মিনাল নির্মাণের জন্য - কোম্পানিটি ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পর ২৫০ কোটি টাকা 'আপফ্রন্ট ফি' (এককালীন ফি) পাবে বন্দর।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা। [লিঙ্ক]

১৭৫.
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (JFCL) কোথায় অবস্থিত?
  1.  তারাকান্দি, জামালপুর
  2. আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. চর পলাশ, নরসিংদী
  4. পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

যমুনা সার কারখানার: 
- জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্হিত।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বিসিআইসি’র এ সংস্থার অধীনে ১১ টি চালু কারখানা আছে।
- চালু কারখানাসমূহের মধ্যে ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত  পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার। তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন।

১৭৬.
দেশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. মৌলভীবাজার
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭০ টি। [মে,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- হাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত ২৫টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় চা বোর্ড। [লিঙ্ক]
১৭৭.
ভ্যাট (VAT) প্রথম কোন দেশে চালু হয়েছিল? 
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. আর্জেন্টিনা
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax) সংক্ষেপে ভ্যাট (VAT) নামে পরিচিত।
- এতে ব্যবসায়ীরা নিট অংশটুকু কর কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করে।
- বর্তমানে ভ্যাট হলো বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় রাজস্ব উৎস।
- ভ্যাট (Value Added Tax বা VAT) প্রথম চালু হয়েছিল ফ্রান্সে। এটি ১৯৫৪ সালে ফ্রান্সে প্রবর্তিত হয়।আধুনিক ভ্যাট সিস্টেমের উদ্ভাবক ফরাসি কর কর্মকর্তা মরিস লরে (Maurice Lauré)।
উল্লেখ্য, VAT ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন জার্মান শিল্পপতি উইলহেল্ম ফন সিমেন্স ১৯১৮ সালে।
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো VAT ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। 

উৎস: National Board of Revenue (NBR) Official Website.

১৭৮.
দেশের একমাত্র ‘ফসফেটিক‘ সার কারখানা হচ্ছে -
  1. ঘোড়াশাল সার কারখানা
  2. টিএসপি সার কারখানা
  3. আশুগঞ্জ সার কার‌খানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
ব্যাখ্যা
• টিএসপি সার কারখানা:
- অবস্থান - পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- এটি দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা।
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎকাতলীন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০  মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৭৯.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, কোনটি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্প?
  1. হস্ত ও কারু শিল্প তাঁতজাত শিল্প
  2. ইলেকট্রিক ও ইলেক্টনিক শিল্প
  3. মৎস্য শিল্প
  4. চা শিল্প
ব্যাখ্যা

অগ্রাধিকার শিল্প:
- 'অগ্রাধিকার শিল্প (Priority Sector)' বলতে সে সমস্ত শিল্প গণ্য হবে যে শিল্পখাতগুলো বিকাশমান এবং ক্রমবর্ধমানভাবে দেশের সামগ্রিক রপ্তানিতে অবদান রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।
- কোন কোন শিল্পখাত/শিল্প উপ-খাত অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত/উপ-খাত হিসেবে চিহ্নিত হবে তা সময়ে সময়ে সরকার কর্তৃক ঘোষিত হবে।

⇒ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্পখাতসমূহ:
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান, পরিবেশসম্মত জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, পর্যটন শিল্প, হোম টেক্সটাইল শিল্প, উইন্ড মিল, ভেষজ ঔষধ শিল্প, হাসপাতাল ও ক্লিনিক, এলইডি, সিএফএল বাল্ব উৎপাদন, চা শিল্প, বীজ শিল্প, প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ, সিমেন্ট শিল্প, লজিস্টিকস শিল্প খাত।

অন্যদিকে,
⇒ বিশেষ উন্নয়নমূলক শিল্পখাত:
- ইলেকট্রিক ও ইলেক্টনিক শিল্প; সিরামিক শিল্প; মৎস্য শিল্প; প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং শিল্প; জুয়েলারি শিল্প; পেপার ও পেপার প্রোডাক্টস; রাবার শিল্প; রেশম শিল্প; হস্ত ও কারু শিল্প তাঁতজাত শিল্প; সোলার এনার্জি; কাজুবাদাম (কাঁচা এবং প্রক্রিয়াকৃত); জীবন্ত ও প্রক্রিয়াজাত কাঁকড়া; খেলনা শিল্প; আগর শিল্প। হালাল মাংস ও মাংসজাত পণ্য এবং অন্যান্য হালাল পণ্য, রিসাইকেল্ডড পণ্য।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২।

১৮০.
দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড-
  1. কোরিয়ান ইপিজেড
  2. উত্তরা ইপিজেড
  3. কর্ণফুলী  ইপিজেড
  4. ঈশ্বরদী ইপিজেড
ব্যাখ্যা

• কোরিয়ান ইপিজেড:
- দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড কোরিয়ান ইপিজেড।
- এটি চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত।
- কোরিয়ান ইপিজেড-এর প্রতিষ্ঠাতা কিয়াক সুং।
- চট্টগ্রামে কোরিয়ান ইপিজেড এর কার্যক্রম ১৯৯৫ সালে শুরু হয়।
- প্রথমে দুই দেশের সরকার উদ্যোগ নিলেও কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান গ্রুপ শিল্পাঞ্চলটি গড়ে তোলে বেসরকারিভাবে।
- ইয়াংওয়ান করপোরেশন পরিচালিত কেইপিজেডে বর্তমানে ৪৮টি শিল্পে ৩৪ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।
- এই ইপিজেডের ৫২ শতাংশ জমি বনায়ন ও পরিবেশের জন্য নির্ধারিত।
- ফলে এটিকে বড় পরিবেশবান্ধব ইপিজেড বলা হয়।

উৎস: বণিক বার্তা এবং বেজা ওয়েবসাইট।

১৮১.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. প্রিমিয়ার সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  2. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  3. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  4. লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

১৮২.
বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া প্রথম সমুদ্র জাহাজ কোনটি?
  1. সোনার বাংলা
  2. বিএনএস পদ্মা
  3. স্টেলা মেরিস
  4. বাংলার দূত
ব্যাখ্যা
জাহাজ রপ্তানি: 
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল। 
- এরপর ২০১০ সালে জাহাজ রপ্তানিতে যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নাম।
- ওই বছরের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জার্মানিতে একটি সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে।
- জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল ১২৩ কোটি টাকা। 

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট ,২৪ জুন, ২০২৪।
১৮৩.
বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. গোয়াইনঘাট 
  2. আশুগঞ্জ
  3. পলাশ 
  4. ফেঞ্চুগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা কোথা স্থাপিত হয়- সিলেট জেলার ফঞ্চুগঞ্জে।
- এটি ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা নামে পরিচিত।

ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা:

- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)।
- এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- দেশের প্রথম সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।
- বিলুপ্ত হয় ৩০ জুন ২০১২ সালে।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 

অন্যদিকে -
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি যমুনা নদী হতে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরত্বে ১৯৯২ সালে তারাকান্দি, জামালপুর জেলায় স্থাপিত হয়। 
- আশুগঞ্জ ফার্টিরাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ ঢাকা শহর হতে ১১০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে এবং আশুগঞ্জ রেলষ্টেশন থেকে ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে,  আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১৯৮১ সালে কারখানাটি স্থাপিত হয়।
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ কারখানাটি চিটাগাং শহর থেকে ২৪ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং কর্ণফূলী নদীর দক্ষিণ তীরে ১৯৮৭ সালে রাঙ্গাদিয়া, থানা- আনোয়ারা, চট্টগ্রাম  জেলায় স্থাপিত হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৮৪.
বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস:
- বাংলাদেশের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুরে অবস্থিত।

⇒ নিরাপত্তা মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে যে কোন স্বাধীন জাতির সার্বভৌমত্বের অন্যতম প্রতীক। দেশের ব্যাংক নোট ও কারেন্সী নোট এবং মূল্যবান নিরাপত্তা দলিলাদি দেশে মুদ্রণের উদ্দেশ্যে ১৯৮১ সনে গাজীপুরে সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস স্থাপনের কাজ শুরু হয়। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এর ২৭.১১.৮৩ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। ১৯৮৮ সনের জুন মাস থেকে ১ টাকার কারেন্সী নোট এবং একই বছরের নভেম্বর মাস থেকে ১০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোট পরীক্ষামূলক উৎপাদনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের পদযাত্রা শুরু হয়। ১৯৮৮-১৯৮৯ সনে ২৮৮ মিলিয়ন পিস নোট উৎপাদিত হয়।

⇒ ব্যাংক ও কারেন্সী নোট ছাড়াও চেক, স্ট্যাম্প সরকারী বিল, বন্ড, শেয়ার, স্টক, ঋণপত্র, নিরাপত্তা প্রত্যায়নপত্র, জমাদানের প্রত্যায়নপত্র, লগ্নিকারী বিশেষ প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের ইউনিট এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের জন্য পূর্বোক্ত ধরনের দলিলাদি ছাপানো হচ্ছে।
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে 'বাংলাদেশ ব্যাংক' ১৯৭২ সালে ৪ মার্চ ১ টাকা ও ১০ টাকার কাগজের নোট প্রচলন করেন।
- স্বাধীনতার পর বিদেশ থেকে কাগজের নোট মুদ্রণ করা হতো।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে গাজীপুরে 'দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ' প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ১৯৮৮ সাল থেকে শুরু হয় আন্তর্জাতিক মানের কাগজের নোট মুদ্রণ।
- বর্তমানে বাংলাদেশের কাগজের নোট স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করছে।

উৎস: দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিঃ।
১৮৫.
দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোনটি?
  1. জাপানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. আড়াইহাজার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত। এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৮৬.
দেশের প্রথম কাগজ কল স্থাপিত হয়েছিল কোন জেলায়? 
  1. পাবনা
  2. রাঙামাটি
  3. খুলনা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড। 
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এদেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যসূত্র: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।

১৮৭.
বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন কোনটি?
  1. BGMA
  2. BGM
  3. FBCCI
  4. BGMEA
ব্যাখ্যা

বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।

১৮৮.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি: 
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড হলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটি গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- বিএমটিএফ-এ রয়েছে ১৯টি কার্যকরী কারখানা।
- সেনাবাহিনী প্রধান এর বোর্ড চেয়ারম্যান ।
- সেনাবাহিনী প্রধান বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

১৮৯.
BEPZA কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
 ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু- ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড- ঢাকার সাভারে।
- বাংলাদেশে একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড - উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত

সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট।
১৯০.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান কত? (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪)
  1. ৩৭.৮৯ শতাংশ
  2. ৩৭.৯৫ শতাংশ
  3. ৩৮.৩২ শতাংশ
  4. ৩৮.৬৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিতে:
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে –
- শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ।
- পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৯১.
দেশে প্রয়োজনীয় ঔষধের কত শতাংশ দেশে উৎপাদন হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৭৫ শতাংশ
  2. ৮১ শতাংশ
  3. ৮৭ শতাংশ
  4. ৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ওষুধশিল্প:
- দেশে প্রয়োজনীয় ঔষধের ৯৮ শতাংশ দেশে উৎপাদন হয়।

⇒ স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। 
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় শ্রীলঙ্কায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
         ii) প্রথম আলো।

১৯২.
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রের ইতিহাস:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র।
- ১৯৫৫ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।

এছাড়া,
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):

- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৯৪.
বর্তমানে BSFIC -এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলের সংখ্যা কতটি?
  1. ১৩টি
  2. ১৫টি
  3. ১৭টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা

 BSFIC :
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (BSFIC) হলো দেশের চিনি ও খাদ্য শিল্প খাতের সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- BSFIC-এর পূর্ণরূপ : Bangladesh Sugar and Food Industry Corporation.
- এটি ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- এর সদর দপ্তর ঢাকায় (চিনিশিল্প ভবন) অবস্থিত।
- বর্তমানে BSFIC -এর নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলের সংখ্যা- ১৫টি , একটি ডিস্টিলারি প্ল্যান্ট এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে।

   উল্লেখ্য,
- এর কাজ হলো চিনি উৎপাদন, গুড়, মোলাসেস এবং অন্যান্য খাদ্য ও শিল্পজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করা।
- প্রতিষ্ঠানটি আখ চাষ ও সরবরাহে কৃষকদের সহায়তা প্রদান করে এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- এছাড়াও, চিনি শিল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে।
- কিন্তু, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আখের ফলন কমে যায়।
- অনিয়মিত বৃষ্টি, খরা, বন্যা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে চিনির উৎপাদন ও সরবরাহে প্রভাব পড়ে।

  উৎস : বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ওয়েবসাইট।

১৯৫.
বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১৭০টি
  2. ১৭১টি
  3. ১৭২টি
  4. ১৭৩টি
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।

উল্লেখ্য,
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো। একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।

• ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১৯৬.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাঠ?
  1. চাপালিশ
  2. কেওয়া
  3. গেওয়া
  4. সুন্দরী
ব্যাখ্যা
• খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি:
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ড্রাস্টিজ কর্পোরেশন (BCIC)।
১৯৭.
 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কত সালে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- সম্প্রতি লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিনThe Financial Times এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০ টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান এবং Best Economic Potential 2010-2011 category-তে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

⇒ সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।

১৯৮.
বাংলাদেশের উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে-
  1. জামালগঞ্জে
  2. জকিগঞ্জে
  3. বিজয়পুরে
  4. রানীগঞ্জে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে- জামালগঞ্জে।
-------------------------
• খনিজ সম্পদ কয়লা ও বাংলাদেশ: 
- বাংলাদেশে দ্বিতীয় প্রধান খনিজ পদার্থ - কয়লা।
- বাংলাদেশে এ যাবৎকাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রধান কয়লার খনি - পাঁচটি।
- সেগুলোর মধ্যে, 
১.দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র,
২.জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র,
৩.রংপুর জেলার খালাশপীর কয়লাক্ষেত্র, 
৪. ফুলবাড়ী, দিনাজপুর এবং
৫.দিনাজপুরের দীঘিপাড়ায় অবস্থিত কয়লাক্ষেত্র।

- এই পাঁচটি কয়লাক্ষেত্রে বর্তমানে মোট ৩৩০০ মিলিয়ন মে. টন কয়লা মজুদ আছে।

এছাড়াও, 
- পীট কয়লা পাওয়া গেছে-ফরিদপুর, খুলনা, সিলেট, বি-বাড়িয়া, এবং ময়মনসিংহ।
- বাংলাদেশে প্রধান খনিজ পদার্থ - প্রাকৃতিক গ্যাস।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবি: গ্যাসক্ষেত্র - ২৯ টি। সর্বশেষ ইলিশা গ্যাসক্ষেত্র, পাবনা।
- সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবি: হয় -১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
-  সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র -তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- সমুদ্র উপকূলীয় গ্যাসক্ষেত্র - সাঙ্গু ও কুতুবদিয়া।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 

তথ্যসূত্র - খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১৯৯.
BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা -৭টি

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC):

- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি  শিল্প কারখানা চালু রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট। 

২০০.
বিসিআইসির (BCIC) অধীনে বর্তমানে কতটি কারখানা চলমান রয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি 
  3. ১২টি 
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বিসিআইসির (BCIC) অধীনে বর্তমানে ১১টি কারখানা চলমান রয়েছে।

⇒ চলমান কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।