বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

টেকনিক্যাল বিষয়সমূহ

মোট প্রশ্ন৬৬০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

টেকনিক্যাল বিষয়সমূহ

PrepBank · পাতা / · ৩০১৪০০ / ৬৬০

৩০১.
উদ্ভিদের মুখ্য পুষ্টি উপাদান কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান:
- উদ্ভিদ তার বৃদ্ধি ও পরিপুষ্টির জন্য মাটি, বায়ু ও পানি থেকে কতগুলো উপাদান শোষণ করে।
- এ উপাদানগুলোর অভাবে উদ্ভিদ সুষ্ঠুভাবে বাঁচতে পারে না।
- এ উপাদানগুলোকেই উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান বলে।

উদ্ভিদের মুখ্য পুষ্টি উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এ পুষ্টি উপাদানগুলো অধিক পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।
- মুখ্য পুষ্টি উপাদান ৯টি।
- যথা- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩০২.
কৃষি বনায়ন এর মাধ্যমে উৎপাদন করা সম্ভব -
  1. কৃষিজ পণ্য
  2. কৃষিজ পণ্য ও বনজ দ্রব্য
  3. পশুপাখি
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
- কৃষি বনায়ন এর মাধ্যমে কৃষিজ পণ্য, বনজ দ্রব্য এবং পশুপাখি সবগুলোই উৎপাদন করা সম্ভব।

কৃষি বনায়ন:
-কৃষি বনায়ন হচ্ছে একই ভূমি/ভূমিখন্ড থেকে যুগপৎ কিংবা পর্যায়ক্রমিকভাবে কৃষিপণ্য/ফসল এবং বনজ দ্রব্য উৎপাদন করা।
-অন্য ভাষায় বহুবর্ষজীবী কাষ্ঠল বৃক্ষের নিচে ও আশেপাশে একবর্ষজীবী ফসল উদ্ভিদ উৎপাদন করা বা কৃষি ফসলের ভিতরে/আশেপাশে বহুবর্ষজীবী কাষ্ঠল বৃক্ষ উৎপাদন করার প্রযুক্তি হলো কৃষি বনায়ন।
-বহুবর্ষজীবী কাষ্ঠল বৃক্ষ উৎপাদনের সাথে একবর্ষজীবী শস্য কিংবা হাঁসমুরগি ও গবাদিপশু পালনও কৃষি বনায়নের আওতায় পড়ে।
-সুতরাং কৃষি বনায়ন হলো এমন এক বিজ্ঞান যেখানে বহুবর্ষজীবী কাষ্ঠল উদ্ভিদের সাথে ফসল/পশুপাখির আন্তঃসম্পর্ক এবং আন্তঃক্রিয়া বিদ্যমান।

উৎস: AFORESTRATION, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৩.
কৃষকের জানালা কীভাবে কৃষকদের সহায়তা করতে পারে?
  1. সরাসরি বিশেষ্ণজ্ঞদের সাথে কথা বলার মাধ্যমে
  2. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তথ্য সেবা প্রদানের মাধ্যমে
  3. ছবি দেখে কৃষক নিজেই সমস্যা নিরূপণ করতে পারে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- কৃষকের জানালা ব্যবহার করে ছবি দেখে কৃষক নিজেই সমস্যা নিরূপণ করতে পারে।

কৃষকের জানালা:

- 'কৃষকের জানালা' ফসলের পোকা-মাকড়, রোগ-বালাই ও সারের ঘাটতি সংক্রান্ত সমস্যায় দ্রুত ও কার্যকর সমাধান প্রাপ্তির একটি ডিজিটাল প্রয়াস।
- বর্তমান অবস্থায় এটিতে ১২০টি ফসলের এক হাজারেরও এর বেশি সমস্যার সমাধান রয়েছে।
- কৃষকের জানালায় ফসলভিত্তিক সমস্যার একাধিক, ন্যূনতম পক্ষে একটি প্রকৃত ও প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি যৌক্তিকভাবে সাজানো হয়েছে।
- এ সব ছবি দেখে কৃষক নিজেই তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সমস্যাটি প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করতে পারেন এবং চিহ্নিত সমস্যার ছবিতে ক্লিক করে লক্ষণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রকৃত সমস্যা নিরূপণ করতে পারেন।
- নিরূপিত সমস্যার আলোকে কৃষক পরবর্তীতে করণীয় ও সমাধান সম্বন্ধে অবগত হতে পারেন। 
- 'কৃষকের জানালা' ব্যবহারের বিশেষ সুবিধা হল এই যে এটির ব্যবহার খুবই সহজ। 
- এটিতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে প্রকৃত প্রতিনিধিত্বকারী ছবি যা দেখে সহজেই সমস্যা নিরূপণ সহজ হয়।

উৎস: কৃষকের জানালা ওয়েবসাইট।
৩০৪.
কোন প্রতিষ্ঠান 'Fertilizer Recommendation Guide-2018' প্রকাশ করেছে?
  1. BARI
  2. BRRI
  3. BINA
  4. BARC
ব্যাখ্যা
BARC:
- পূর্ণরূপ: Bangladesh Agricultural Research Council বা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
- Fertilizer Recommendation Guide-2018 প্রকাশ করেছে Bangladesh Agricultural Research Council(BARC).

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ওয়েবসাইট।
৩০৫.
কোন পোকা পার্থেনোজেনেসিস-এর মাধ্যমে বংশবিস্তার করতে পারে?
  1. বাদামী গাছ ফড়িং
  2. সবুজ ঘাস ফড়িং
  3. এফিড
  4. থ্রিপ্স
ব্যাখ্যা
এফিড পোকা:
- এফিড এক ধরনের শোষক পোকা যা ফসলের আগা বা শীষ, পাতা ও ফুল–ফলের নরম অংশের রস শোষণ করে থাকে।
- এফিড সাধারণত বছরে ১০ থেকে ৩০ বার পর্যন্ত পার্থেনোজেনেসিস এর মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে এবং বছরে ১ বার যৌন-প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে।

উৎস: Frontiers in Physiology Journal.
৩০৬.
লবণাক্ত জমিতে চাষ উপযোগী ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান৫২
  2. ব্রি ধান৫৪
  3. ব্রি ধান৫৬
  4. ব্রি ধান৫১
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা সহনশীল ধানের জাত অবমুক্ত করেছে। 
- বন্যাকবলিত এলাকার জন্য ধানের জাত: ব্রি ধান৫১, ব্রি ধান৫২ ও ব্রি ধান৭৯ । 
- খরা সহনশীল ধানের জাত: ব্রি ধান৫৬, ব্রি ধান৫৭ ।
- উপকূল অঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে চাষের জন্য ধানের জাত: ব্রি ধান৪০, ব্রি ধান৪১, ব্রি ধান৪৬, ব্রি ধান৪৭, ব্রি ধান৫৩, ব্রি ধান৫৪ ও ব্রি ধান৫৫ । 

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩০৭.
DAE কোন ধরনের সেবা প্রদান করে থাকে?
  1. কৃষি গবেষণা
  2. কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ
  3. কৃষি সম্প্রসারণ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
DAE:
- পূর্ণরূপ Department of Agricultural Extension বা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
- এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা একিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- কাজ: চাহিদাভিত্তিক এবং সমন্বিত কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩০৮.
উন্নত হস্তচালিত ধান বা গম মাড়াই যন্ত্র কোনটি?
  1. ন্যাপস্যাক স্প্রেয়ার
  2. প্যাডেল থ্রেসার
  3. পাওয়ার টিলার
  4. সেন্ট্রিফিউগাল পাম্প
ব্যাখ্যা
প্যাডেল থ্রেসার:
- এটি একটি উন্নত হস্তচালিত ধান বা গম মাড়াই যন্ত্র।
- এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে: টাইনযুক্ত একটি ড্রাম, ড্রামের সাথে যুক্ত একটি প্যাডেল।
- প্যাডেলের সাহায্যে ড্রামটিতে ঘূর্ণন সৃষ্টি করা হয় এবং যাতে ফসলের শীষ রাখলে টাইনের আঘাতে শস্য মাড়াই হয়।
- এটি ধান বা গম মাড়াইয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি করা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩০৯.
কলার চারা পরপর কত দূরত্বে লাগানো উচিত?
  1. ৩ মি. × ৩ মি.
  2. ২ মি. × ২ মি.
  3. ২ মি. × ৩ মি.
  4. ৩ মি. × ৪ মি.
ব্যাখ্যা
কলা চাষ:
- কলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল।
- কলা জনপ্রিয়, সস্তা ও সুস্বাদু ফল।
- এতে মানবদেহের প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
- কলার অনেক জাত সেগুলো সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কলা গাছের গুড়ি কন্দ মাটির নীচে থাকে এটিই আসল কান্ড।
- পাতার পাতাগুলি শক্ত ও ঘনভাবে বিন্যস্ত হয়ে ভুয়াকান্ডে পরিণত হয়।

⇒ কলার জমি নির্বাচন:
- কলার জন্য পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় এমন জমি নির্বাচন করতে হবে।
- সেচ ও নিষ্কাশনের সুবিধা আছে এমন জমি কলা চাষের জন্য উপযোগী।
- তবে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা আছে এমন জমি উত্তম।

⇒ জাত নির্বাচন:
- পৃথিবীতে অনেক চাষযোগ্য জাত রয়েছে।
- বাংলাদেশে কলার জাত সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. পাকা অবস্থায় খাওয়ার উপযোগী কলা: অমৃত সাগর, সবরী, অগ্নীসর, মেহের সাগর, চাম্পা, চিনি চাম্পা, কবরী, এঁটে কলা।
২. আনাজী বা সবজি কলা: ভেড়ারভোগ, চোয়াল পউশ, বেহুলা, মন্দিরা ইত্যাদি।

⇒ জমি তৈরি:
- কলার মূল ততটা গভীর না হলেও বিস্তারশীল।
- মাটিতে শিকড় যাতে ভালোভাবে ছড়িয়ে যেতে পারে সেজন্য ভালো করে তৈরি করে নিতে হবে।
- এরপর ২ মি. × ২ মি. দূরত্বে কাঠি পুঁতে রোপণের অবস্থান ঠিক করে নিতে হবে।
- কাঠিকে কেন্দ্র করে ৫০ সে.মি.× ৫০ সে.মি. গভীর করে গর্ত খুঁড়তে হয়।
- ১০-১৫ দিন গর্ত উম্মুক্ত রাখতে হবে।
- উপরের মাটির সাথে জৈব সার মিশিয়ে গর্তে দিতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১০.
নিচের কোনটি ফল প্রক্রিয়াজাতকরণের পদ্ধতি?
  1. ক্যানিং
  2. জেলী তৈরি
  3. চিনির দ্রবণ ব্যবহার
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ফল সংরক্ষণ: 
বিভিন্ন পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ফল দিয়ে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে ১-৩ বছর পর্যন্ত ফল সংরক্ষণ করা যায়।
প্রক্রিয়াজাতকরণের ফলে কখনও কখনও ফলের স্বাদ ও গন্ধের তেমন পরিবর্তন হয় না আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের খাদ্য তৈরি করা হয়।

ফল প্রক্রিয়াজাতকরণের পদ্ধতি: 
ক) ক্যানিং বা টিনজাত করে সংরক্ষণ (Canning):
- আম, আনারস, লিচু, কমলা ইত্যাদি ফলকে টিনজাত করে সংরক্ষণ করা যায়। 

খ) তাপ ও রাসায়নিক দ্রব্যের সাহায্যে সংরক্ষণ:
- উচ্চতাপমাত্রায় (১২০-১৫০° সে.) ফলের ভেতরের রোগ জীবাণু মারা যায় ও ফলের আভ্যন্তরীণ বিপাক ক্রিয়া বন্ধ হয়।
- এ প্রক্রিয়ায় খাদ্য মানের তেমন পরিবর্তন হয় না, তবে ভিটামিন বি ও সি নষ্ট হয়ে যায়।
- এভাবে উচ্চতাপ প্রয়োগ করে ফলকে অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়। 

গ) চিনির দ্রবণে ফল সংরক্ষণ: 
- চিনির ঘন রসে বিভিন্ন ফল যেমন আনারস, লিচু, পীচ, আম, আঙ্গুর, মাল্টা, কমলা, চেরি, পেঁপে, নাসপাতি ইত্যাদি ফল সংরক্ষণ করা যায়।
- ফল সংরক্ষণের জন্য চিনির দ্রবণের ঘনত্ব কমপক্ষে ৬০% হতে হবে। 
- ছোট ছোট ফল যেমন, লিচু, চেরী, কমলার কোয়া ইত্যাদি আস্ত সংরক্ষণ করা হয়।
- অন্যান্য ফল সংরক্ষণের আগে সুবিধামত ছোট টুকরা করে পাতলা রসের সাথে জ্বাল দিয়ে সিরাপের ঘনত্ব ৬০-৭০ করা হয়। 

ঘ) লবণের দ্রবণে সংরক্ষণ:
- টকস্বাদ যুক্ত ফলকে সাধারণত এই পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হয়।
- জলপাই, আমলকী, লেবু, কাঁচা আম ইত্যাদি ফল আস্ত অথবা ছোট টুকরা করে লবণ পানিতে সেদ্ধ করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত লবণ দ্রবণের ঘনত্ব ২০-২৫% না হয়।
- পরে ফলগুলো লবণ পানি থেকে উঠিয়ে বায়ুরোধী টিনে বা কাঁচের পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়।

ঙ) জৈব অম্ল ব্যবহার করে: 
- সিরকায় ৪-৬% এসিটিক এসিড থাকে যাতে জীবাণু বাঁচতে পারে না তাই ফল সংরক্ষনের জন্য সিরকা বা এসিটিক এসিড ব্যবহার করা যায়।

চ) রস হিসেবে ফল সংরক্ষণ: 
- যে কোন রসালো ফল থেকে রস বের করে তা সংরক্ষণ করা যায়।
- ফলে রস দ্রুত স্টেরিলাইজেশন করে বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করা হয়।
- এর সাথে প্রিজারভেটিভ যোগ করলে অনেকদিন ভাল থাকবে।
- আম, আনারস, লিচু, কমলা, আপেল ইত্যাদি ফল রস করে সংরক্ষণ করা যায়।

ছ) জেলী তৈরি করে সংরক্ষণ: 
- ফলের রস থেকে জেলী তৈরি করা হয়।
- চিনি ও পেকটিন ব্যবহার করা হয়।
- পেকটিন পালপ জমাট বাধতে সাহায্য করে।
- পেয়ারাতে পেকটিনের পরিমাণ বেশি বলে এতে বাড়তি পেকটিন যোগ করতে হয় না।
- পেয়ারা, কমলা, আনারস, আম, পেঁপে, স্ট্রবেরি ইত্যাদি ফল দিয়ে জেলি তৈরি করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১১.
কোনটি মাঠ ফসল?
  1. ধান, গম, ভুট্টা
  2. সরিষা, সয়াবিন, তিল
  3. চা, কফি, কোকো
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাঠ ফসল:
- বিভিন্ন ধরনের মাঠ ফসলের কৃষিতাত্ত্বিক শ্রেণিবিভাগ:
১। তন্ডুল বা দানাজাতীয় শস্য:
- এরা গ্রামিনী পরিবারের অন্তর্গত।
- এ পরিবারের খাবার উপযোগী দানা জাতীয় শস্যগুলোকেই তন্ডুল ফসল বলে।
- যেমন- ধান, গম, ভুট্টা, যব, চীনা, কাওন ইত্যাদি।

২। ডাল ফসল:
- লিগুমিনোসি পরিবারের প্যাপিলিওনেসি উপ-পরিবারের যে সমস্ত দানাজাতীয় ফসল ডালের জন্য চাষ করা হয়, সেগুলোকে ডাল ফসল বলা হয়।
- যেমন- মসুর, খেসারি, মুগ, ছোলা, মাসকালাই ইত্যাদি।

৩। তৈল ফসল:
- যে সমস্ত ফসলের বীজ থেকে তেল সংগ্রহ করা হয়।
- সেগুলোকে তৈল ফসল বলা হয়।
- যেমন- সরিষা, সয়াবিন, তিল, তিসি, সূর্যমুখী ইত্যাদি।

৪। চিনি ফসল:
- যে সমস্ত ফসলের রস থেকে মিষ্টিজাতীয় পদার্থ যেমন- চিনি, গুড়, মিছরি ইত্যাদি তৈরি করা হয়, সেগুলোকে চিনি ফসল বলে।
- যেমন- আখ, বিট, খেজুর, তাল ইত্যাদি।

৫। আঁশ ফসল:
- আঁশ পাওয়ার জন্য যে সমস্ত ফসল চাষ করা হয়, সেগুলোকে আঁশ ফসল বলা হয়।
- যেমন- পাট, তুলা, শনপাট, কেনাফ, রামী ইত্যাদি।

৬। নেশা ফসল:
- নেশাজাতীয় দ্রব্য উৎপাদানের জন্য যে সমস্ত ফসল চাষ করা হয়, সেগুলোকে নেশা ফসল বলে।
- যেমন- তামাক, গাঁজা, আফিম, কুম্ভি, হেনবেন ইত্যাদি।

৭। পানীয় ফসল: যে সকল ফসল পানীয় দ্রব্য উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয়, সেগুলোকে পানীয় ফসল বলে।
- যেমন- চা, কফি, কোকো ইত্যাদি।

৮। পশুখাদ্য ফসল:
- পশুর খাদ্যের জন্য যে সমস্ত ফসল চাষ করা হয়।
- সেগুলোকে পশুখাদ্য ফসল বলে।
- যেমন- প্যারা ঘাস, নেপিয়ার ঘাস, ভুট্টা, জোয়ার, খেসারি, মাসকালাই ইত্যাদি।

৯। সবুজ সার ফসল:
- যে সমস্ত সবুজ ফসল জন্মানোর একটা নির্দিষ্ট সময় পর মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে জৈব সার তৈরির জন্য চাষ করা হয়, সেগুলোকে সবুজ সার ফসল বলে।
- যেমন- ধইঞ্চা, শনপাট ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১২.
জমিতে জৈব সার প্রয়োগের ফলে নিচের কী ধরনের সুবিধা পাওয়া যায়?
  1. মাটির পানি ধারন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
  2. মাটির সংযুতির উন্নতি ঘটায়।
  3. মাটির অণুজীবের কার্যাবলি বাড়ায়।
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• জৈব সার:
- যেসব সার জীবের দেহ থেকে প্রাপ্ত অর্থাৎ উদ্ভিদ বা প্রাণীর ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রস্তুত করা যায়, তাদেরকে জৈব সার বলে।
- যেমন- গোবর সার, কম্পোস্ট সার, সবুজ সার, খৈল ইত্যাদি।
- গাছের প্রয়োজনীয় প্রায় সব খাদ্য উপাদানই জৈব সারে থাকে।

• জমিতে জৈব সার প্রয়োগের সুবিধা:
- জৈব সারে ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদানই থাকে।
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
- মাটির অণুজীবের কার্যাবলি বাড়ায়।
- মাটির সংযুতির উন্নতি ঘটায়।
- মাটির পানি ধারন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- মাটিতে বায়ু চলাচল বৃদ্ধি করে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩১৩.
জমিতে যেকোনো সবুজ উদ্ভিদ জন্মিয়ে কচি অবস্থায় চাষ করে মাটিতে মিশিয়ে যে সার প্রস্তুত করা হয় তাকে কী বলে?
  1. কম্পোস্ট
  2. ট্রাইকো কমপোস্ট
  3. সবুজ সার
  4. ভার্মি কমপোস্ট
ব্যাখ্যা
সবুজ সার:
- জমিতে যেকোনো সবুজ উদ্ভিদ জন্মিয়ে কচি অবস্থায় চাষ করে মাটিতে মিশিয়ে যে সার প্রস্তুত করা হয় তাকে সবুজ সার বলে।
- ধইঞ্চা, গোমটর, বরবটি, শন, কলাই এসব ফসল দ্বারা এ সার তৈরি করা যায়।
১. প্রথমে এসব ফসলের যেকোনো একটি জমিতে চাষ করতে হবে। ফুল আসার আগে তা মই দিয়ে মাটির সাথে মেশাতে হবে।
২. তারপর আরও ৩-৪ বার চাষ ও মই দিয়ে মাটি ওলটপালট করে মাটির সাথে ভালোভাবে মেশালে ২ সপ্তাহের মধ্যে সম্পূর্ণ পচে যায়।
৩. সবুজ সার যেখানে তৈরি হয় সেখানেই ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩১৪.
শীতকালীন সবজির জন্য কখন বীজতলা তৈরি করতে হবে?
  1. ভাদ্র-আশ্বিন মাসে
  2. আশ্বিন-কার্তিক মাসে
  3. ফাল্গুন-চৈত্র মাসে
  4. বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে
ব্যাখ্যা
বীজ হতে চারা উৎপাদন:
- বীজ থেকে চারা উৎপাদনের জন্য প্রথমত বীজতলা তৈরি করতে হবে।
- শীতকালীন সবজির জন্য আশ্বিন-কার্তিক মাসে আর গ্রীষ্মকালীন সবজির জন্য ফাল্গুন-চৈত্র মাসে বীজতলা তৈরি করতে হবে।
- আগাম ফসলের জন্য আরও একমাস আগে থেকে বীজতলা তৈরি করা যেতে পারে।
- টমেটো, ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, মরিচ, পুঁইশাক, পেঁপে ইত্যাদির বীজ প্রথমে বীজতলায় ফেলে চারা উৎপাদন করতে হয়।
- চারার বয়স চার সপ্তাহ থেকে একমাস হলে মূল জমিতে রোপণ করা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩১৫.
গুটি ইউরিয়ার ব্যবহারে কত ভাগ নাইট্রোজেনের সাশ্রয় হয়?
  1. ১০-২০ ভাগ
  2. ২০-৩০ ভাগ
  3. ৩০-৪০ ভাগ
  4. ৪০-৬০ ভাগ
ব্যাখ্যা
গুটি ইউরিয়ার পরিচয়:
- ধান চাষে অনেক সার ব্যবহার করা হয়।
- এর মধ্যে নাইট্রোজেন সম্বলিত ইউরিয়া প্রধান।
- দানাদার ইউরিয়া সারের সাশ্রয়ী ব্যবহারের জন্য মেশিনের সাহায্যে এটাকে গুটি ইউরিয়ায় রূপান্তর করা হয়েছে।

গুটি ইউরিয়া ব্যবহারের সুবিধা: 

- গুটি ইউরিয়া ফসলের এক মৌসুমে একবার ব্যবহার করা হয়।
- গুটি ইউরিয়ার ব্যবহারে ২০-৩০ ভাগ নাইট্রোজেনের সাশ্রয় হয়
- গুটি ইউরিয়া ধীরে ধীরে গাছকে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে।
- গুটি ইউরিয়া ব্যবহারের ফলে ফলন ১৫-২০ ভাগ বৃদ্ধি পায়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩১৬.
জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান কত? [জুন, ২০২৫]
  1. ১০.০২%
  2. ১১.০২%
  3. ১০.২০%
  4. ১১.২০%
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান।
- অন্যদিকে, শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- বর্তমানে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৩১৭.
নিম্নের কোনটি মাঠ ফসলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. সমষ্টিগতভাবে চাষ করা হয়
  2. এক সাথে সংগ্রহ করা হয়
  3. বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয়
  4. শুকিয়ে ব্যবহার করা হয়
ব্যাখ্যা
মাঠ ফসল:
- মাঠ ফসল সাধারণত সমষ্টিগতভাবে চাষ করা হয়।
- মাঠ ফসলে সাধারণত বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয় না।
- মাঠ ফসল সাধারণত এক সাথে পরিপক্ক হয় বিধায় এক সাথেই সংগ্রহ করা হয়।
- মাঠ ফসল সাধারণত শুকিয়ে ব্যবহার করা হয়, যেমন- ধান, পাট, ডাল ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• উদ্যান ফসল:
- সাধারণত প্রতিটি গাছকে এককভাবে যত্ন নেয়া হয়, যেমন- আম, জাম, কলা ইত্যাদি।
- উদ্যান ফসলে বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয়। 
- উদ্যান ফসল পর্যায়ক্রমে পরিপক্ক হয় বিধায় ধাপে ধাপে সংগ্রহ করা হয়, যেমন- টমেটো, বেগুন ইত্যাদি।
- উদ্যান ফসল সাধারণত তাজা অবস্থায় ব্যবহার করা হয়, যেমন-বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফল। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৮.
নিচের কোনটির কারণে ফসলের পাতায় গাঢ় ও হালকা হলদে-সবুজ এর ছোপ ছোপ রং বা মোজাইক হয়?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. ছত্রাক
  3. ভাইরাস
  4. নেমাটোড
ব্যাখ্যা
মোজাইক:
- ফসলের পাতায় যখন গাঢ় ও হালকা হলদে-সবুজ এর ছোপ ছোপ রং দেখা যায় তখন এই লক্ষণকে মোজাইক বলা হয়।
- ঢেড়শ ও মুগে মোজাইক রোগ দেখা যায়।
- এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগের লক্ষণ।
- অ্যাডল্ফ মেয়ার (Adolf Mayer) ১৮৮৬ সালে সর্বপ্রথম তামাক গাছের মোজাইক রোগের কারণ বর্ণনা করেন। 
- আমেরিকান বিজ্ঞানী স্ট্যানলি (Stanley) ১৯৩৫ সালে তামাক গাছের মোজাইক ভাইরাসকে পৃথক করে কেলাসিত করেন। তিনি সে জন্য ১৯৪৬ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৯.
কুমড়া জাতীয় গোত্রের সবজি কোনটি?
  1. বেগুন
  2. শসা
  3. আলু
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা
কুমড়া জাতীয় সবজি:
- কুমড়া বাংলাদেশের একটি পরিচিত সবজি।
- এ জাতীয় সবজির কিছু গ্রীষ্মকালীন ও কিছু শীতকালীন জাত আছে, যা বাংলাদেশে জন্মায়।
- আবার কিছু জাত আছে সারা বছরই সংরক্ষণ করে সবজির চাহিদা পূরণ করা যায়।
- বিভিন্ন ধরণের কুমড়া জাতীয় গোত্রের সবজিগুলো হল- মিষ্টি কুমড়া, চাল কুমড়া, লাউ, তরমুজ, শসা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২০.
ধানের জীবনকালের স্তর ও পর্যায় কয়টি?
  1. ১০টি ও ৩টি
  2. ৩টি ও ১০টি
  3. ৪টি ও ৫টি
  4. ২টি ও ৪টি
ব্যাখ্যা
ধানের জীবনকালের স্তর ও পর্যায় যথাক্রমে ১০টি ও ৩টি। 

ধানের জীবনকালের স্তর ও পর্যায়:
- সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে অধিক ধান উৎপাদনের জন্য ধান গাছের জীবনচক্রে বিভিন্ন পর্যায় ও স্তর সম্বন্ধে জানা অতীব জরুরী।
- কারণ ধান গাছের জীবনচক্রে অঙ্কুরোদগম থেকে ধান পাকা পর্যন্ত যেমন বিভিন্ন পর্যায় ও স্তর রয়েছে তেমনি ধান উৎপাদনের জন্য পরিচর্যারও তারতম্য রয়েছে।
- সার, পানি, আগাছা, পোকামাকড়, রোগজীবাণু ইত্যাদির ব্যবস্থাপনা ধান গাছের পর্যায় ও স্তর অনুসারে বিভিন্ন হয়ে থাকে।

⇒ ধান গাছের জীবনচক্রে তিনটি পর্যায়।
- এগুলোর মধ্যে আছে দৈহিক বর্ধনশীল পর্যায়, প্রজনন পর্যায় এবং ধান পাকা পর্যায়।

⇒ ধান গাছের ১০টি পর্যায়:  
১. অঙ্কুরোদগম (Germination)।
২. চারা (Seedling।
৩. রোপণ (Transplanting)।
৪. কুশি (Tillering)।
৫. কাইচ থোড় (Panicle Initiation)।
৬. থোড় (Booting)।
৭. শীষ বের হওয়া (Heading।
৮. ফুল (Flowering।
৯. দুধ অবস্থা (Milk Stage)।
১০. পরিপক্ক অবস্থা (Maturity)।

উৎস: Bangladesh Rice Knowledge Bank.
৩২১.
ফার্টিগেশন বলতে কী বুঝায়?
  1. সেচ এর সাথে হরমোনের প্রয়োগ
  2. আর্টিফিসিয়াল ফার্টিলাইজেশন
  3. সেচ এর সাথে রাসায়নিক সার প্রয়োগ
  4. সেচ এর সাথে পেস্টিসাইড প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
ফার্টিগেশন:
- ফার্টিগেশন বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন সেচ প্রযুক্তি।
- এতে সেচের পানির সাথে রাসায়নিক সার মিশিয়ে ফসলে প্রয়োগ করা হয়।
- কেবলমাত্র পানিতে দ্রবণীয় সার যেমন- ইউরিয়া, পটাশ ইত্যাদি ফার্টিগেশন পদ্ধতিতে ব্যবহার করা যায়।
- ফলে ফসলের জমিতে সেচ এবং সার একই সঙ্গে প্রয়োগ করা যায়।
- প্রতি ১৪০ লিটার পানিতে ১ কেজি সার মিশাতে হয়।
- সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিজ্ঞানীগণ উদ্যানতত্ত্ব ফসলের উপর এ পদ্ধতির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ভাল ফল পেয়েছেন।

উৎস: কৃষি প্রযুক্তি হাতবই 
৩২২.
সব মৌসুমেই চাষ করা যায় এমন ধানের জাত কোনটি?
  1. চান্দিনা
  2. মালা
  3. বিপ্লব
  4. ব্রিশাইল
ব্যাখ্যা
ধানের জাত:
বিআর ১ (চান্দিনা)
মৌসুম: আউশ ও বোরো

বিআর ২ (মালা)
মৌসুম: আউশ ও বোরো

বিআর ৩ (বিপ্লব)
মৌসুম: আউশ, আমন ও বোরো

বিআর ৪ (ব্রিশাইল)
মৌসুম: আমন 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৩.
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী প্রত্যায়িত বীজ (Certified Seed) এর জন্য কোন রঙের ট্যাগ নির্ধারণ করেছে?
  1. সাদা
  2. নীল
  3. সবুজ
  4. হলুদ
ব্যাখ্যা
মৌল বা প্রজনন বীজ (Breeder Seed):
- উদ্ভিদ প্রজনন প্রতিষ্ঠান বা কোন প্রজনন বিদের ঘনিষ্ট ও সরাসরি তত্ত্ববাবধানে উৎপন্ন এবং যা থেকে ভিত্তি শ্রেণীর বীজ উৎপাদন করা হয় তাকে প্রজনন বীজ বলে।
- এই বীজের সর্বাধিক কৌলিক বিশুদ্ধতা থাকে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার সবুজ হয়।

ভিত্তি বীজ (Foundation seed):
- বীজের পরবর্তী বিস্তার ঘটানোর জন্য মৌলিকভাবে শনাক্ত করণযোগ্য জাতের প্রাথমিক উৎসকে ভিত্তি বীজ বলে।
- ভিত্তি বীজে কৌলিক স্বাতন্ত্র্য ও জাতের বিশুদ্ধতা বিদ্যমান থাকে।
- ভিত্তি বীজ থেকে প্রত্যায়িত যে বীজ উৎপাদন করা হয়।
- এ বীজের ট্যাগের কালার সাদা হয়।

প্রত্যায়িত বীজ (Certified Seed):
- ভিত্তি বীজ থেকে প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদন করা হয়।
- যাতে বংশগত ও বাহ্যিক বিশুদ্ধতা নির্ধারিত মানে থাকে।
- বীজের গুণাবলী সংরক্ষণের জন্য প্রত্যয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী এই অনুমোদনের কাজটি করে থাকে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার নীল হয়।

মানঘোষিত বীজ (Truthfully labeled seed: TLS):
- উপরে তিনটি শ্রেণীর বীজ ছাড়া অন্য যে বীজ উৎপাদনকারী নিজেই উৎপাদন করে এবং নিজেই বীজের মাননিয়ন্ত্রণ করে এবং নিজেই ঘোষনা দেয় তাহাই মানঘোষিত বীজ।
- তিনি নিজস্বভাবে যাচাইপূর্বক ব্যাগ বা বস্তার গায়ে তথ্য লিপিবদ্ধ করবে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার হলুদ হয়।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (SCA) ।
৩২৪.
পলো কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. আগাছা দমন
  2. পোকা দমন
  3. কীটপতঙ্গ ধরা
  4. মাছ ধরা
ব্যাখ্যা
পলো:
- পলো মাছ ধরার একটি প্রাচীন পদ্ধতি।
- এটি বাঁশের শলাকা ও বেত দিয়ে তৈরি।
- এর নিচের দিকের মুখ গোলাকার ও বড় এবং উপরের দিকের মুখও গোলাকার কিন্তু ছোট। দুই মুখই খোলা থাকে।
- পলো উপরের দিকে হাত দিয়ে ধরে অগভীর পানিতে চাপ দিতে হয়।
- মাছ পলোতে আটকা পড়লে পলোর ভিতরে ছুটাছুটি করতে থাকে।
- অতঃপর উপরের মুখ দিয়ে হাত ঢুকিয়ে পলোর ভিতর থেকে মাছ ধরা হয়।
- শোল, গজার ইত্যাদি বড় মাছ পলোতে ধরা পড়ে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩২৫.
কোন পোকার আক্রমণে ধান গাছের পাতার অগ্রভাগের ৩- ৪ সে.মি. কেটে ফেলে দমন করা যায়?
  1. লেদা পোকা
  2. পামরী পোকা
  3. এফিড পোকা
  4. পাতা মোড়ানো পোকা
ব্যাখ্যা
পামরী পোকা:
লক্ষণ:
- ক্ষতিগ্রস্থ পাতায় শিরার সমান্তরালে লম্বালম্বি দাগ পড়ে।
- পূর্ণ বয়স্ক ও গ্রাব দুই অবস্থায় ধানের ক্ষতি করে।
- কীড়াগুলি পাতার দুই পর্দার মাঝে সুড়ঙ্গ করে সবুজ অংশ খাওয়ার ফলে পাতা শুকিয়ে যায়।
- বাড়ন্ত ধানের জমিতে আক্রমন বেশি হয়।

ব্যবস্থাপনা:
১। আইল বা পার্শ্ববর্তী জায়গায় আগাছা পরিস্কার করা।
২। হাত জালের সাহায্যে বয়স্ক পোকা ধরে মাটিতে পুঁতে ফেলা।
৩। আক্রান্ত ক্ষেতের ধান গাছের পাতার অগ্রভাগের ৩- ৪ সে.মি. কেটে ধ্বংস করা।
৪। শতকরা ৩৫ ভাগ পাতার ক্ষতি হলে অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করা। যেমন: ক্লোরপাইরিফস গ্রুপের পাইরিফস ২ মিলি/ লি. হারে অথবা কারটাপ গ্রুপের কাটাপ বা কারটাপ বা ফরওয়াটাপ কীটনাশক ১.৬ গ্রাম/ লি হারে পানিতে মিশিয়ে বিকালে স্প্রে করা।

উৎস: কৃষি বাতায়ন।
৩২৬.
আমাদের দেশে কখন লালশাক চাষ করা যায়?
  1. শীতকালে
  2. বর্ষাকালে
  3. গরমকালে
  4. সারা বছর
ব্যাখ্যা
লালশাক উৎপাদন: 
- আমাদের দেশে লালশাক একটি জনপ্রিয় শাক।
- বাংলাদেশের প্রায় সব এলাকায় কম বেশি লালশাকের চাষ হয়।
- এতে প্রচুর ভিটামিন আছে।
- প্রায় সব ধরনের মাটিতেই সারা বছর লালশাক আবাদ করা যায়।
- তবে দোআঁশ ও বেলে-দোআঁশ মাটি চাষের জন্য উত্তম।
- আমাদের দেশে শীতের শুরুতে লালশাকের ফলন বেশি হয়।
- গরমকালে উঁচু জমিতে লালশাক চাষ করা যায়।

জাত:
- লালশাকের অনেক জাত রয়েছে।
- তবে উন্নত দুটি জাত হলো-আলতাপাটি এবং বারি লালশাক-১।
- আলতাপাটি জাতটির পাতা ও কাণ্ড সিঁদুর লাল।
- বারি লালশাকের-১ পাতা ও কাণ্ড লাল হয়।
- এ শাকের ফুল লাল এবং বীজ গোলাকার হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৩২৭.
ধান গাছের বাদামি দাগ কোন ধরনের জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত রোগ?
  1. ভাইরাস জনিত রোগ
  2. ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ
  3. ছত্রাক জনিত রোগ
  4. পোকাজনিত রোগ
ব্যাখ্যা
• দাগ:
- ফসলের পাতায়, কাণ্ডে বা ফলের গায়ে নানা ধরনের দাগ বা স্পট দেখা দেয়।
- দাগের রং কালো, হালকা বাদামি, গাঢ় বাদামি কিংবা দেখতে পানিতে ভেজার মতো হয়।
- ফসলের এসব দাগ বিভিন্ন রোগের কারণে হয়।
- যেমন: ধান গাছের বাদামি দাগ একটি ছত্রাকজনিত রোগের লক্ষণ।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩২৮.
বীজ সংরক্ষনের জন্য উত্তম কোনটি?
  1. চটের ব্যাগ
  2. মাটির কলসী
  3. বায়ুরোধী ড্রাম
  4. পলিব্যাগ
ব্যাখ্যা
বীজ সংরক্ষণ: 
- বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ শেষে প্রাপ্ত মানসম্পন্ন বীজ পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন ধরনের পাত্র বা স্থানে রেখে দেয়াকে বীজ সংরক্ষণ বুঝায়।
- আমাদের দেশে কৃষকরা সাধারণত বীজ সংরক্ষণ করে থাকে চটের বস্তা, প্লাষ্টিক বস্তা, মাটির মটকা, ড্রাম, কলসী, টিনের পাত্র, কাচের বৈয়ম, বাশের তৈরি বেড়, ডোল, পলিব্যাগ ইত্যাদি।
- প্রচলিত পদ্ধতিসমূহ বীজ সংরক্ষণের জন্য খুব একটা ভালো নয়।
- বিশেষ করে চটের বস্তা, বেড়, ডোল, মটকা, কলসী ইত্যাদিতে বীজ সংরক্ষণ করলে বীজের আর্দ্রতা বাহিরের পরিবেশের আর্দ্রতা দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- কারণ এ সকল পাত্র বায়ুরোধী নয়।
- তবে বায়ুরোধী প্লাষ্টিক কনটেইনার, ব্যাগ, ড্রাম, কাচের বৈয়ম প্রভৃতিতে উপযুক্ত আর্দ্রতার বীজ পাত্র ভর্তি করে সংরক্ষণ করলে ৬ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত ভালো রাখা সম্ভব।
- সেক্ষেত্রে বীজ মাঝে মধ্যে পরীক্ষা করতে হবে এবং প্রয়োজনে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৯.
হাম পুলিং করা হয় কোন ফসলে?
  1. আলু
  2. কলা
  3. গম
  4. ভুট্টা
ব্যাখ্যা
হাম পুলিং:
- মাটির উপরের গাছের সম্পূর্ণ অংশকে উপড়ে ফেলাকে হাম পুলিং বলে।
- আলু সংগ্রহের ৭-১০ দিন পূর্বে হাম পুলিং করতে হবে।
- এতে সম্পূর্ণ শিকড়সহ গাছ উপরে আসবে কিন্তু আলু মাটির নিচে থেকে যাবে।
- হাম পুলিং এর ফলে আলুর ত্বক শক্ত হয়, রোগাক্রান্ত গাছ থেকে রোগ বিস্তার কম হয় ও আলুর সংরক্ষণগুণ বৃদ্ধি পায়।
- বীজ আলুতে অবশ্যই হাম পুলিং করতে হবে, তবে খাবার আলুর বেলায় হাম পুলিং জরুরি নয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৩০.
কৃষি বনায়নে গাছের সাথে চারণভূমির সমন্বিত পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. এগ্রিসিলভিপ্যাসচারাল
  2. সিলভিএগ্রোপ্যাসচারাল
  3. সিলভিপ্যাসচার
  4. এগ্রিসিলভিকালচারাল
ব্যাখ্যা
সিলভিপ্যাসচার:
- একই জমিতে গবাদি পশু এবং চারণভূমির সাথে গাছকে একত্রিত করে।
- গাছগুলি কাঠ, ফল, পশুখাদ্য এবং সেইসাথে গবাদি পশুর জন্য ছায়া এবং আশ্রয় দিতে পারে।
- গ্রীষ্মের গরম রোদ, শীতের ঠান্ডা বাতাস বা বৃষ্টিপাত থেকে প্রাণীদের কিছুটা রক্ষা করতে পারে।  

উৎস: USDA Website
৩৩১.
ফিল্ড ক্যাপাসিটি বলতে নিচের কোনটি বোঝায়?
  1. সমস্ত মাটির ছিদ্রগুলি (Pores) পানি (soil moisture or soil water) দিয়ে ভরা থাকে
  2. সমস্ত অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরে মাটিতে থাকা পানির পরিমাণ
  3. যখন মাটি গাছগুলিকে মরে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য কোনও পানি সরবরাহ করতে পারে না
  4. সর্বাধিক পরিমাণ পানি যা মাটি গাছপালা দ্বারা গ্রহণের জন্য সঞ্চয় করতে পারে
ব্যাখ্যা
স্যাচুরেশন:
- সমস্ত মাটির ছিদ্রগুলি (Pores) পানি (soil moisture or soil water) দিয়ে ভরা থাকে এবং পানি সহজেই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা মূল অঞ্চল (root zone) থেকে ঝরে যায় বা বেরিয়ে যায়।

ফিল্ড ক্যাপাসিটি:
- সমস্ত অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের পরে মাটিতে থাকা পানির পরিমাণ।

স্থায়ী উইল্টিং পয়েন্ট (PWP): 
- যখন মাটি এমনভাবে শুকিয়ে যায় যে গাছগুলিকে মরে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এটি কোনও পানি সরবরাহ করতে পারে না।

Available water holding capacity (AWC):
- এটি হল সর্বাধিক পরিমাণ পানি যা মাটি গাছপালা দ্বারা গ্রহণের জন্য সঞ্চয় করতে পারে।
- এটি ফিল্ড ক্যাপাসিটি এবং স্থায়ী ওয়েল্টিং পয়েন্টের মধ্যে ধারণ করা পানি। 

উৎস: University of Minnesota Extension.
৩৩২.
ধানের ব্যাকটেরিয়াল ব্লাইট রোগের জন্য দায়ী জীবাণু কোনটি?
  1. Fusarium oxysporum
  2. Rhizoctonia Solani
  3. Xanthomonas oryzae pv. oryzae
  4. Pyricularia oryzae
ব্যাখ্যা
• ধানের ব্যাকটেরিয়াল ব্লাইট:
- ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে গাছের কিছু কিছু অংশ খুব দ্রুত বিবর্ণ হয়।
- ফলে রোগাক্রান্ত গাছগুলো মরে যায়। অনেক সময় মৃত অংশ পঁচে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।
- এটি ধানের ব্যাকটেরিয়াজনিত পাতা পোড়া রোগ বা ঝলসানো রোগ নামেও পরিচিত।
- ধানের যতগুলো মারাত্মক রোগ রয়েছে তার মধ্যে ব্যাকটেরিয়াল ব্লাইট অন্যতম।
- এটির জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া হলো- Xanthomonas oryzae pv. oryzae  |
- জাপানের কৃষকরা সর্বপ্রথম ধানের ব্লাইট রোগের সন্ধান পান।
- বাংলাদেশে এ রোগের অস্তিত্ব প্রথম পাওয়া যায় ১৯৬৬ সালে রোপা আমন ধানে।
- এ রোগের প্রকোপের মাত্রা অনুযায়ী ধানের ফলন ৬- ৬০% কমে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষি বাতায়ন।
৩৩৩.
'অল্টারনারিয়া ব্লাইট' কোন ফসলের প্রধান রোগ?
  1. সরিষা
  2. ধান
  3. পাট
  4. ইক্ষু
ব্যাখ্যা
• পাতা ঝলসানো রোগ (Alternaria blight):
- রোগের কারণ, উৎপত্তি ও বিস্তার : Alternaria brassicae এবং Alternaria brassiaicola নামক ছত্রাক দ্বারা এ রোগের সৃষ্টি হয় এবং বীজ বিকল্প পোষক ও বায়ুর মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৬৭% এর অধিক এবং তাপমাত্রা ১২-২৫ ডিগ্রি সে. ও অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হলে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা দেয়।

• রোগের লক্ষণ:
১. এ রোগ প্রাথমিক অবস্থায় সরিষা গাছের নিচের বয়স্ক পাতায় ছোট, বাদামি গোলাকার দাগ আকারে আক্রমণ করে। পরবর্তীতে এ দাগ আকারে বড় হতে থাকে।
২. পরবর্তীতে গাছের পাতা, শুটি, কাণ্ড ও ফলে গোলাকার গাঢ় বাদামি বা কালো দাগের সৃষ্টি হয়। দাগগুলো ধূসর, গোলাকার সীমা রেখা দ্বারা আবদ্ধ থাকে। অনেকগুলো দাগ একত্রিত হয় বড় দাগের সৃষ্টি করে। আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে পাতা ঝলসে যায়।
৩. আক্রান্ত শুঁটি থেকে পাওয়া বীজ ছোট, বিবর্ণ এবং কুঁচকে যায় এবং ফলন মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৩৩৪.
মাটি পরীক্ষা না করে সার ব্যবহার করলে কোনটি ঘটতে পারে?
  1. উৎপাদন কমে
  2. খরচ বৃদ্ধি
  3. মাটির উর্বরতা ও পরিবেশ নষ্ট হয়
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
জমিতে সার প্রয়োগ: 
- ফসল উৎপাদনে সারের বিকল্প নেই।
- কেননা উদ্ভিদের খাদ্যই হচ্ছে সার। 
- চাষিরা ফসলের জমিতে সার ব্যবহারের নিয়মনীতি না মেনে অনেকেই পরিমাণের চেয়ে বেশি বা কম সার প্রয়োগ করে থাকেন।
- কাজেই গাছের বৃদ্ধি, ফুল-ফল ধারণ ও মাটিকে উর্বর রাখতে হলে মাটি পরীক্ষা করে সুষম সার ব্যবহার করতে হবে।
- কারণ মাটি পরীক্ষা না করে সার ব্যবহার করলে-
(১) একদিকে যেমন উৎপাদন কম হয় অন্যদিকে খরচ বাড়ে,
(২) এছাড়া মাটির উর্বরতা ও পরিবেশ নষ্ট হয়।
- আবার, সুষম সার প্রয়োগে-
(১) মাটিতে পুষ্টি উপাদান যোগ হ্‌
(২) মাটি উর্বর হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৩৫.
বাংলাদেশে পাট উন্নয়নের জন্য যাবতীয় গবেষণা করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. BRRI
  2. BJRI
  3. BSRI
  4. BARI
ব্যাখ্যা
কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশে অনেকগুলো কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- বেশিরভাগ গবেষণা প্রতিষ্ঠানই নির্দিষ্ট ফসলের উপরে গবেষণা করে থাকে।
- যেমন: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট(BRRI) ধানের উন্নত জাত ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য গবেষণা করে।
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) পাট উন্নয়নের জন্য যাবতীয় গবেষণা করে।
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (BSRI) ইক্ষু ও অন্যান্য চিনিফসল উন্নয়নের জন্য যাবতীয় গবেষণা করে থাকে।
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) ও পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA) বিভিন্ন ফসলের উপর গবেষণা করে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৩৬.
আমনধানের জন্য হেক্টর প্রতি ১৮ কেজি ফসফরাস এর প্রয়োজন হলে কত কেজি TSP সার ব্যবহার করতে হবে?
  1. ৪০ কেজি
  2. ৮০ কেজি
  3. ৭৫ কেজি
  4. ৯০ কেজি
ব্যাখ্যা
টিএসপি সার:
- ট্রিপল সুপার ফসফেট সারই টিএসপি সার নামে পরিচিত।
- এতে সর্বাধিক পরিমাণ ফসফেট পাওয়া যায়।
- রক ফসফেট নামক খনিজ পদার্থের সঙ্গে ফসফরিক এসিডের বিক্রিয়ায় এই সার উৎপন্ন হয়।
- এতে ৪৬ শতাংশ ফসফেট, ১৩ শতাংশ ক্যালসিয়াম ও ১.৩ শতাংশ গন্ধক বিদ্যমান থাকে।
- এই সারের রং সাধারণত ধূসর থেকে গাঢ় ধূসর হয়। এতে অম্ল স্বাদযুক্ত ঝাঁজালো গন্ধ থাকে। এটি পানিতে সহজে গলে যায়। দানাদারজাতীয় এই সার আকারে ডিম্বাকৃতি বা গোলাকার হয়।

⇒ টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) ও ডিএপি (ডাই এ্যামোনিয়াম ফসফেট)-এই দুটোই হলো ফসফেট জাতীয় রাসায়নিক সার।
- এই সার দুটোতে শতকরা ২০ ভাগ ফসফরাস থাকে।

• প্রয়োজনীয় টিএসপি সার:
- প্রয়োজনীয় ফসফরাস = ১৮ কেজি।
- টিএসপি সারের ১ কেজিতে ফসফরাস = ২০%।
- প্রয়োজনীয় টিএসপি সার = ১৮ ÷ ২০% = ৯০ কেজি।

সুতরাং আমন ধানের জন্য হেক্টর প্রতি ১৮ কেজি ফসফরাস সরবরাহ করতে ৯০ কেজি টিএসপি সার ব্যবহার করতে হবে।

উৎস: কৃষি বাতায়ন। [link]
৩৩৭.
গমের ব্লাস্ট রোগ হয় নিচের কোনটির কারণে?
  1. Magnaporthe oryzae triticum
  2. Magnaporthe oryzae
  3. Triticum aestivum
  4. Puccinia triticina
ব্যাখ্যা
রোগের নাম : গমের ব্লাস্ট রোগ (Wheat blast)
- এই রোগটি ২০১৬ সালে বাংলাদেশে মারাত্মক আকারে প্রথম দেখা যায়।
- রোগের কারণ : ম্যাগনেপরথে অরাইজি প্যাথোটাইপ ট্রিটিকাম (Magnaporthe oryzae pathotype triticum) নামক ছত্রাক দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে।
- আক্রান্ত বীজের মাধ্যমে গমের ব্লাস্ট রোগ ছড়ায়।

রোগের লক্ষণ: 
-প্রধানত: গমের শীষে ছত্রাকের আক্রমণ হয়।
-পাতায় চোখের ন্যায় ধূসর বর্ণের ছোট ছোট দাগ পড়ে।
-শীষের আক্রান্ত স্থানে কালো দাগ পড়ে।
-আক্রান্ত স্থানের উপরের অংশ সাদা হয়ে যায়।
-শীষের গোড়ায় আক্রমণ হলে পুরো শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে যায়।
-আক্রান্ত শীষের দানা অপুষ্ট হয় ও কুঁচকে যায় এবং দানা ধুসর বর্ণের হয়।
-পাতায়ও এ রোগের আক্রমন হতে পারে এবং এক্ষেত্রে পাতায় চোখের মত ধূসর বর্ণের ছোট ছোট দাগ পড়ে। 

উৎস: কৃষি বাতায়ন।
৩৩৮.
সেক্স ফেরোমন ট্র্যাপ পোকার কোন বৃদ্ধির পর্যায়ে কার্যকরী?
  1. পূর্ণাঙ্গ পোকা
  2. পিউপা
  3. লার্ভা
  4. ডিম
ব্যাখ্যা
- সেক্স ফেরোমন ফাঁদ পূর্ণাঙ্গ পোকা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। 

সেক্স ফেরোমন:
- প্রতিটি পোকার স্ত্রী পোকা পূর্ণাঙ্গ হওয়ার সাথে সাথে পুরুষ পোকাকে আকৃষ্ট করার জন্য একধরনের গন্ধ নিঃসরন করে।
- সেই গন্ধে পুরুষ পোকা স্ত্রী পোকার দিকে আকৃষ্ট হয় এবং মিলিত হয়।
- পূর্ণাঙ্গ স্ত্রী পোকা কর্তৃক নিঃসৃত উক্ত গন্ধ সেক্স ফেরোমন নামে পরিচিত।
- বিভিন্ন পোকার ফেরোমন প্রথমত: প্রাকৃতিকভাবে সনাক্ত করে পরবর্তীতে তা কৃত্রিমভাবে উৎপাদন করা হয় এবং যা বর্তমানে বানিজ্যিকভাবে পাওয়া যায়।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
৩৩৯.
নিচের কোনটি তোষা পাটের জাত?
  1. সিসি-৪৫
  2. ও-৪
  3. ডি-১৫৪-২
  4. সিভিএল-১
ব্যাখ্যা
- ও-৪ তোষা পাটের জাত। 

পাটের দেশী জাত:

জাত: ডি-১৫৪-২
চলতি নাম: সাদা পাট
বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এ জাতের গাছের কান্ডের গোড়া অপেক্ষাকৃত মোটা হলেও সহজে ঢলে পরে না এবং পাট কাটার পর রোপা আমন লাগানো সম্ভব।

জাত: সিভিএল-১
চলতি নাম: সবুজ পাট
উচ্চ ফলনশীল, সর্বাধিক জনপ্রিয় সাদা পাটের জাত।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ক্লোরোসিস রোগ তুলনামূলক ভাবে এ জাতে কম হয়, কাটিংস অন্য জাতের তুলনায় কম এবং আর্শের মান ভাল।

জাত: সিসি-৪৫
চলতি নাম: জো পাট
বিশেষ বৈশিষ্ট্য: দেশী জাত সমূহের মধ্যে এই জাতের ফসল সবচেয়ে আগে বপন করা যায়। অকাল ফুলমুক্ত ও দীর্ঘ বপনকালীন সিসি-৪৫ জাতটি ফাল্গুনের ১ম সপ্তাহ থেকে বপন করা যায়।

তোষা জাত:
জাত: ও-৪
চলতি নাম: বৈশাখী তোষা
বিশেষ বৈশিষ্ট্য: উচ্চ ফলনশীল জাত।

উৎস: বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৩৪০.
মরিচে চারা অবস্থায় ড্যাম্পিং অফ রোগ দমনের জন্য বীজ কী দিয়ে শোধন করে নিতে হবে?
  1. প্রোভেক্স
  2. ব্যাভিস্টিন
  3. সুমিথয়ন
  4. ডায়থেন
ব্যাখ্যা
মরিচের রোগ ও পোকামাকড় দমন: 
- মরিচে চারা অবস্থায় ড্যাম্পিং অফ রোগ হতে পারে।
- এ রোগ দমনের জন্য এক কেজি বীজ ৩ গ্রাম প্রোভেক্সের সাথে মিশিয়ে বীজ শোধন করে নিতে হবে।
- বীজতলা শুকনা রাখতে হবে।
- মরিচ গাছ অনেক সময় আগা থেকে গোড়ার দিকে ক্রমান্বয়ে শুকিয়ে মারা যায়। একে ডাইব্যাক রোগ বলে।
- এ রোগ দমনের জন্য ১ গ্রাম ব্যাভিস্টিন ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর ২-৩ বার স্প্রে করতে হয়।
- হলুদ মোজাইক ভাইরাস রোগ দমনের জন্য আক্রান্ত গাছ দেখামাত্র তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। রোগ প্রতিরোধী জাতের মরিচ চাষ করতে হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৩৪১.
কৃষির পরিধির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. পশু-পালন
  2. মৎস্য চাষ
  3. বনায়ন
  4. সবগুলো অন্তর্ভুক্ত
ব্যাখ্যা
কৃষির পরিধি ও পরিসর:
- কৃষি একটি আদি, আধুনিক এবং অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা।
- কারণ এর মাধ্যমেই মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো মেটানো হয়।
- মানুষের মৌলিক চাহিদা বলতে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষাকে বুঝায়।
- তাই সংগত কারণে কৃষির পরিধি ব্যাপক।
- কৃষি আমাদের খাদ্য যোগান দেয়।
- ফসল উৎপাদন, পশু-পালন, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ ও বনায়ন কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৩৪২.
শিং মাছের ক্ষত রোগ কিসের আক্রমণে হয়?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. পরজীবী
  3. ছত্রাক
  4. ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- মাছ প্রাথমিকভাবে ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হয় বলে ছত্রাক উত্তর নেওয়া হয়েছে। 

মাছের ক্ষত রোগ: 

- মাছের ক্ষত রোগের বৈজ্ঞানিক নাম এপিজুটিক আলসারেটিভ সিনড্রোম (EUS)। 
- এই রোগ মাইকোটিক গ্যানুলোম্যাটোসিস (MG), আলসারেটিভ মাইকোসিস (UM) বা রেড স্পট ডিজিজ (RSD) নামেও পরিচিত।
- ১৯৭১-৭২ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে প্রথম এই রোগ শনাক্ত হয় এবং পরে ধীরে ধীরে সমগ্র এশিয়া- প্যাসিফিক অঞ্চলে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৯৮৮ সালের মারাত্মক বন্যার পরে, বাংলাদেশে প্রথম মাছের ক্ষত রোড প্রাদুর্ভাবের খবর পাওয়া যায়।
- এতে ইন্ডিয়ান মেজর কার্প জাতীয় মাছ যেমন: রুই, কাতলা, মৃগেল ইত্যাদি প্রজাতি প্রধানত আক্রান্ত হয়।

কারণ:
- জলাশয়ের দূষিত পরিবেশ, পানির তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও পানির পিএইচ ৭ এর নিচে নামা, অ্যালকালিনিটি ৪০-৫০ পিপিএম ও ক্লোরাইডের স্বল্পতা হলে প্রাথমিক পর্যায়ে পানিতে বসবাসকারী Aphanomyces invadans নামক প্রজাতির মন্ড (এক প্রকার ছত্রাক) দ্বারা এ রোগের সংক্রমণ হয়।
- ছত্রাকের এ প্রজাতি ছাড়াও Achlya spp নামক প্রজাতি আক্রান্ত মাছের বহিঃত্বকে পাওয়ার রেকর্ড আছে।
- রোগের দ্বিতীয় স্তরের সংক্রমণ (Secondery infection) এ Aeromonas hydrophila, A. sobria, Pseodomonas spp. ও Vibrio spp. নামক ব্যাকটেরিয়ার আবির্ভাব ঘটে।
- এছাড়াও স্নেকহেড এবং এই রোগে সংবেদনশীল অন্যান্য প্রজাতির রোগাক্রান্ত মাছের ক্ষত থেকে বেশ কয়েকটি birnavirus, reovirus rhabdovirus এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

আক্রান্ত প্রজাতি:
শোল, টাকি, পুঁটি, কৈ, শিং, বাইম, কার্প জাতীয় মাছসহ প্রায় ৩২ প্রজাতির মাছ এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে।

সময়:
সাধারণত শীতকালের শুরুতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে।

লক্ষণ: 
- শুরুতে মাছের গায়ে ছোট ছোট লাল দাগ দেখা যায়; 
- লাল দাগে ঘা ও ক্ষত হয়; 
- ক্ষতে চাপ দিলে দুর্গন্ধযুক্ত পুঁজ বের হয়; মাছ খাদ্য কম খায়; 
- মাছ ভারসাম্যহীনভাবে পানির উপরে ভেসে থাকে; 
- আক্রান্ত ক্ষতের মাংস খসে হাড় বেড়িয়ে পড়ে; 
- আক্রান্ত অংশ দেহ হতে খসে পড়ে; 
- আক্রান্ত মাছ ১৫-২০ দিনের মধ্যে মারা যায়।

প্রতিরোধ ও প্রতিকার ব্যবস্থা: 
- জলাশয়ের সুস্থ ও স্বাভাবিক দূষণমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে হবে; 
- জৈব সার প্রয়োগ বন্ধ রাখতে হবে; 
- মাছের ঘনত্ব কম রাখতে হবে; 
- আক্রান্ত মাছ সরিয়ে ফেলতে হবে; 
- পাড়ের গাছের ডালপালা ছেটে দিতে হবে;
- আশ্বিন বা কার্তিক মাসে প্রতি শতকে ৩ ফুট পানির গড় গভীরতার জন্য ৫০০ গ্রাম চুন ও ৫০০ গ্রাম লবণ প্রয়োগ করলে ক্ষত রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়; 
- আক্রান্ত মাছের পুকুরে শতাংশ প্রতি ৫০০ গ্রাম চুন ও ৫০০ গ্রাম হারে লবণ তিন সপ্তাহে তিন বার প্রয়োগ করতে হবে। অথবা,
- ২-৪ পিপিএম (মিলিগ্রাম/লিটার) পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দ্রবণে আক্রান্ত মাছকে এক মিনিট গোসল করাতে হবে। অথবা, 
- প্রতি কেজি খাবারের সাথে ৫০ মিলিগ্রাম হারে অক্সিটেট্রাসাইক্লিন বা রেনামাইসিন দুই সপ্তাহ প্রয়োগ।

উৎস: মৎস্য অধিদপ্তর। 
৩৪৩.
তেলাপিয়া মাছ কোন দেশ থেকে এদেশে আনা হয়েছে?
  1. থাইল্যান্ড
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
তেলাপিয়া:
- থাইল্যান্ড থেকে এদের আনা হয়েছে।
- তেলাপিয়া বেশ খাটো এবং তুলনামূলকভাবে চওড়া আকৃতির।
- দেহ চ্যাপটা এবং রং ধূসর-নীলাভ।
- এরা দ্রুত বর্ধনশীল ও খেতে সুস্বাদু।
- এদের সাধারণত পুকুরে এককভাবে চাষ করা হয়।
- এরা ৩৪ মাসেই খাবার উপযোগী হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৪৪.
প্যাডেল থ্রেসার কোন ধরনের যন্ত্র?
  1. পেস্টিসাইড ছিটানোর যন্ত্র
  2. সার প্রয়োগ যন্ত্র
  3. মাড়াই যন্ত্র
  4. ফসল বোনার যন্ত্র
ব্যাখ্যা
প্যাডেল থ্রেসার: 
- এটি একটি উন্নত হস্তচালিত ধান বা গম মাড়াই যন্ত্র।
- এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে: টাইনযুক্ত একটি ড্রাম, ড্রামের সাথে যুক্ত একটি প্যাডেল।
- প্যাডেলের সাহায্যে ড্রামটিতে ঘূর্ণন সৃষ্টি করা হয় এবং যাতে ফসলের শীষ রাখলে টাইনের আঘাতে শস্য মাড়াই হয়।
- এটি ধান বা গম মাড়াইয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি করা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৪৫.
প্রভেক্স ২০০ কেন ব্যবহার করা হয়?
  1. পোকা দমন
  2. ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ
  3. বীজ শোধন
  4. হরমোনজনিত কারণে
ব্যাখ্যা
বীজ শোধন: 
- বপনের আগে বীজ শোধন করে নিলে বীজবাহিত অনেক রোগ প্রতিরোধ করা যায়।
- প্রতি কেজি বীজ ৩ গ্রাম প্রভেক্স ২০০-এর সাথে ভালো করে মিশিয়ে বীজ শোধন করা যায়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৪৬.
ডিএনএ কাটার জন্য বিশেষ এনজাইম -
  1. ল্যাকটেজ এন্ডোনিউক্লিয়েজ
  2. রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ
  3. লাইগেজ
  4. লাইপেজ
ব্যাখ্যা
প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন:
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে মূল DNA থেকে কেটে আলাদা করা হয়।
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে।
- যথা-Eco RI, Hind III, Bam HI ইত্যাদি।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজান অংশকে (Sequence) কেঁটে দেয়।
- ভিন্ন ভিন্ন রেস্ট্রিকশন এনজাইম ভিন্ন ভিন্ন DNA sequence বিশিষ্ট স্থানে কর্তন করে থাকে।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম এমনভাবে DNA অণু কর্তন করে যে DNA অণু দুটি স্ট্রান্ডের একটির প্রান্ত অপরটির থেকে লম্বা থাকে।
- ফলে প্রত্যাশিত DNA খন্ডটি নতুন DNA অণুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে।
- খন্ডিত DNA অণুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয়, তাই একে আঁঠালো প্রান্ত (Sticky end) বলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৭.
বেলে মাটিতে কমপক্ষে কতভাগ বালিকণা থাকে?
  1. ৫০ ভাগ
  2. ৭০ ভাগ
  3. ৯০ ভাগ
  4. ১০০ ভাগ
ব্যাখ্যা
বেলে মাটি:
- যে মাটিতে শতকরা ৭০ ভাগ বা তারও বেশি বালিকণা থাকে, তাকে বেলে মাটি বলে।
- মোটা কণাযুক্ত বেলে মাটিতে ফসলের চাষ করা যায় না।
- তবে বেলে মাটিতে প্রচুর কম্পোস্ট, গোবর ও সবুজ সার প্রয়োগ করে চিনা, কাউন, ফুটি, আলু, তরমুজ ইত্যাদি চাষ করা সম্ভব।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৪৮.
জৈব সার ব্যবহারে নিচের কোনটি ঘটে না?
  1. মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
  2. মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়
  3. মাটির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাগুণের উন্নতি হয়
  4. মাটি থেকে পুষ্টির অপচয় বেশি হয়
ব্যাখ্যা
জৈব সার:
- যেসব সার জীবের দেহ থেকে প্রাপ্ত অর্থাৎ উদ্ভিদ বা প্রাণীর ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রস্তুত করা যায়, তাদেরকে জৈব সার বলে।
- যেমন- গোবর সার, কম্পোস্ট সার, সবুজ সার, খৈল ইত্যাদি।

জৈব সার ব্যবহারে-
(১) মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
(২) মাটির ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক গুণাগুণের উন্নতি হয়।
(৩) মাটিস্থ অণুজীবের কার্যাবলি বৃদ্ধি পায়।
(৪) মাটির পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
(৫) মাটি থেকে পুষ্টির অপচয় কম হয়
(৬) মাটির উর্বরতা বাড়ে।
(৭) মাটির সংযুক্তির উন্নতি হয়।
(৮) ফসলের উৎপাদন ও গুণগতমান বৃদ্ধি পায়।
(৯) মাটির পরিবেশ উন্নত হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৪৯.
ক্ষার মাটিকে কীভাবে চাষাবাদ উপযোগী করা যায়?
  1. লবণাক্ত সার প্রয়োগ করে
  2. লবণাক্ত পানি সেচ দিয়ে
  3. পানি সেচ অথবা জৈব সার প্রয়োগ করে
  4. বার বার ধান ও পাট চাষাবাদ করে
ব্যাখ্যা
• ক্ষার মাটির বৈশিষ্ট্য:
কোন মাটিতে যখন ক্ষার জাতীয় লবণ বিশেষতঃ সোডিয়াম কার্বনেটের আধিক্য ঘটার ফলে কোলয়েড মাইসেলিতে জাতীয় আয়ন সংখ্যায় বেশি হয়ে পড়ে তখন একে ক্ষার মাটি বলা হয়।

• ক্ষার মাটি পুনরুদ্ধার পদ্ধতি:
ক্ষার মাটিকে বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে পুনরুদ্ধার সম্ভব যথাঃ
(১) জল নিস্কাশন
(২) সেচ দিয়ে প্লাবিত করা। 
(৩) চাচিয়া পরিস্কার করা। 
(৪) বাস্থবায়ন কমাবার ব্যবস্থা করা, যেমন: মালচিং প্রয়োগ করা।
(৫) সেচ খাল ও নালা পাকা করা।
(৬) পর্যাপ্ত পরিমাণে জৈব ও সবুজ সার প্রয়োগ। 
(৭) অন্য স্থান থেকে উর্বর মাটি আনয়ন করে তা ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫০.
আদা কোন মাসে লাগানো হয়?
  1. জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি
  2. মার্চ-মে
  3. জুন-জুলাই
  4. ডিসেম্বর-জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
আদা চাষ:
- আদা একটি প্রয়োজনীয় মসলা ফসল যা খাবারকে সুস্বাদু করে।
-- আদা বাড়ির পাশে পতিত জমি, পাহাড়ে চাষাবাদ করা যায়।
- বিভিন্ন ফসলের সাথে আন্তঃফসল হিসেবে চাষ করা যায়। 
- কৃষকরা সাধারণত স্থানীয় জাত চাষ করে থাকে।

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- আদার কন্দসহ গাছ আদার বৃদ্ধির জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া উপযোগী।
- আদার জন্য সুনিষ্কাশিত বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো ফলন হয়।
- তবে এটেল দোআঁশ মাটিতেও চাষ করা যায়।

⇒ জমি তৈরি ও সার প্রয়োগ:
- আদার জন্য মার্চ-এপ্রিল মাসে জমি গভীরভাবে ৫-৬ টি চাষ দিতে হবে।
- জমি তৈরি সময় গোবর সার, টিএসপি, অর্ধেক এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে।
- বাকি অর্ধেক এমপি সার দুই কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে।

⇒ রোপন পদ্ধতি:
- আদার ১-২ কুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ মার্চ থেকে মে মাসে রোপন করতে হবে।
- সাধারণত ১৫-২০ গ্রাম ওজনের কন্দ প্রতি গর্তে ১টি করে ৪০-৫০ সে.মি. সারি থেকে সারি, গাছ থেকে গাছে ২৫ সে.মি. দূরত্বে ৫ সে.মি. গভীরে রোপন করতে হবে।
- আদা রোপনের পর গাছ ও শিকড় বৃদ্ধি প্রাপ্ত হলে মাতৃ আদা তুলে নিলে গাছের কোন ক্ষতি হয় না বরং আর্থিক লাভবান হওয়া যায়।
- এই পদ্ধতিকে পিলাই তোলা বলে।

⇒ ফসল সংগ্রহ:
- আদা লাগানোর ৭-১০ মাস পর পাতা ও গাছ হলুদ হয়ে শুকিয়ে গেলে ফসল তোলার উপযোগী হয়।
- সাধারণত: ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসে আদা তোলা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫১.
দুরন্ত (Duranta) নার্সারিতে কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. উইন্ডব্রেক হিসেবে
  2. শেল্টারবেল্ট হিসেবে
  3. হেজ হিসেবে
  4. অ্যালি ক্রপিং
ব্যাখ্যা
- দুরন্ত (Duranta) নার্সারিতে হেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উঁচু হেজ তৈরির উপযোগী গাছ:

১। দুরন্ত (Duranta):
- এটি কষ্টসহিষ্ণু ও সচরাচর কাঁটাযুক্ত এবং রোদযুক্ত অথবা ছায়াময় উভয় পরিবেশে জন্মানোর উপযোগী।
- এটি কাটিং কিংবা বীজ দিয়ে বংশ বৃদ্ধিকারী গাছ।

২। কাঁটা মেহেদী (Thorn Mehedi):
- এটি মেহেদীরই কাঁটাযুক্ত প্রজাতি।
- এর কাটিং ও বীজ দিয়ে বংশ বিস্তার হয়।

৩। শ্যাওড়া (Sheora):
- এই সর্বাধিক ঝোপালো বৃক্ষকে ছাটাই দ্বারা বহু বছর ধরে হেজ এর উচ্চতায় সীমাবদ্ধ রাখা যায়।
- এর বীজ দিয়ে বংশ বিস্তার ঘটে।  

8। করঞ্জা, করমচা (Caranda):
- এই কাঁটাময় ও দুগ্ধবৎ রসযুক্ত কান্ডবিশিষ্ট ফলের গাছটিকে ছাটাই দ্বারা ঝোপালো ও নির্দিষ্ট উচ্চতায় সীমাবদ্ধ করা যায়।
- এর কাটিং ও বীজ দ্বারা বংশ বৃদ্ধি ঘটে।

৫। কামিনী (China Box):
- ছোট, চকচকে পাতাযুক্ত এই গাছটিকে হেজ হিসেবে ছেটে রাখা যায়।
- প্রধানত বীজ হতে এর চারা জন্মে।
- তবে কাটিং থেকেও চারা জন্মানো যায়। 

উৎস: CULTIVATION OF ORNAMENTAL PLANTS, Bachelor of Agriculture Education (B.Ag.Ed), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫২.
নিচের কোনটি দ্বিবীজপত্রী বীজ?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. ছোলা
ব্যাখ্যা
বীজপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে বীজকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
(ক) একবীজপত্রী বীজ:
- এসব বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে।
- যেমন; ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি। 

(খ) দ্বিবীজপত্রী বীজ:
- এসব বীজে দুটি বীজপত্র থাকে।
- যেমন: ছোলা, আম, কাঁঠাল ইত্যাদি।

(গ) বহুবীজপত্রী বীজ:
- এসব বীজে দুইয়ের অধিক বীজপত্র থাকে।
- যেমন: পাইন।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৫৩.
কৃষকদের উন্নত বীজ সরবরাহ করে কোন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান?
  1. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. বীজ প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  4. লাল তীর
ব্যাখ্যা
- কৃষক চাষাবাদের জন্য উন্নত গুণাগুণসম্পন্ন উচ্চ ফলনশীল জাতের উন্নত বীজ ব্যবহার করে লাভবান হতে চায়।
- কৃষি গবেষণা সংস্থাগুলো বীজ উন্নয়নের কাজ করে,
- বীজ প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ উন্নতজাতের বীজের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় এবং
- Bangladesh Agricultural Development Corporation (BADC) এর মতো রাষ্ট্রীয় কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বিভিন্ন স্বীকৃত প্রতিনিধির মাধ্যমে কৃষকদের উন্নত বীজ সরবরাহ করে।

উল্লেখ্য, লাল তীর বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। 

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৫৪.
কোন হাঁস মাংসের জন্য বিখ্যাত?
  1. ইন্ডিয়ান রানার
  2. খাকি ক্যাম্বেল
  3. জেন্ডিং হাঁস
  4. পিকিন
ব্যাখ্যা
- গৃহপালিত পশুর মতো হাঁস, মুরগি, কবুতর ইত্যাদিকে গৃহপালিত পাখি বলা হয়।
- আমাদের দেশি মুরগি বছরে গড়ে ৪৫টি এবং দেশি হাঁস ৭০টি ডিম পাড়ে।
- কিন্তু উন্নত জাতের লেগহর্ন, ফাওমি, আর আই আর জাতের মুরগি বছরে ২০০-২৫০টি ডিম পাড়ে।
- বিদেশি জাতের ইন্ডিয়ান রানার, খাকি ক্যাম্বেল ও জেন্ডিং হাঁস বছরে গড়ে ২৫০টি ডিম উৎপাদন করে।
- পিকিন হাঁস মাংসের জন্য বিখ্যাত।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৫৫.
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষির অগ্রগতি: 
- স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রাকালে দেশে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, একটি কৃষি কলেজ, একটি ভেটেরিনারি ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ও কয়েকটি কৃষি সম্প্রসারণ ট্রেনিং ইন্সটিটিউট ছিল।
• স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষির উন্নয়নের লক্ষ্যে
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA),
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC),
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI),
- ১৯৭২ সালে তুলা উন্নয়ন বোর্ড (CDB),
- ১৯৭৪ সালে ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট (SRI),
- ১৯৭৩ সালে মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (FDC) সহ কৃষি বিষয়ক অনেক নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৫৬.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠান কৃষি সম্পসারণ সেবা প্রদান করে থাকে?
  1. DLS
  2. DAE
  3. DoF
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- কৃষকদের কাছে প্রযুক্তি পৌঁছানোর জন্য গবেষণা ও সম্প্রসারণ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রযুক্তি উৎপাদন ও প্রসার প্রয়োজন।
- বাংলাদেশে গবেষণা এবং সম্প্রসারণ উভয়ই সরকারি খাতে রয়ে গেছে।
- ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্চ সিস্টেম (NARS) কৃষি সংক্রান্ত প্রযুক্তি তৈরির জন্য দায়ী এবং কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ (DAE), ডিপার্টমেন্ট অফ ফিশারিজ (DoF), এবং ডিপার্টমেন্ট অফ লাইভস্টক সার্ভিসেস (DLS) পাবলিক সেক্টরে উৎপাদিত প্রযুক্তি সম্প্রসারণের জন্য দায়ী।

DAE:
- পূর্ণরূপ Department of Agricultural Extension বা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
- এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা একিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- কাজ: চাহিদাভিত্তিক এবং সমন্বিত কৃষি সম্প্রসারণ সেবা প্রদান।

মৎস্য অধিদপ্তর (DoF):
- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) থেকে মৎস্য অধিদপ্তর (DoF) মৎস্য উন্নয়নে একটি অগ্রগামী সরকারি সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মৎস্য বিভাগকে বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে কেন্দ্রীয় সামুদ্রিক মৎস্য বিভাগকে মৎস্য অধিদপ্তরের সামুদ্রিক মৎস্য শাখার সঙ্গে একীভূত করা হয়।
- মৎস্য অধিদপ্তর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন।
- এর প্রধান হলেন মহাপরিচালক। 
- অধিদপ্তরের বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামো রয়েছে।
- অধিদপ্তরের অধীনে তিনটি মাছ পরিদর্শন ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ স্টেশন রয়েছে।
- এর পাশাপাশি মৎস্য অধিদপ্তরে সামুদ্রিক মৎস্য স্টেশন, মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি, মৎস্য প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কেন্দ্র এবং মাছের হ্যাচারি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৫৭.
চলতি কোনো ফসলের জাতের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কিছু কাঙ্ক্ষিত গুণের ভিত্তিতে ক্রমাগত বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জাতের উন্নতি ঘটানোকে বলে -
  1. Selection breeding
  2. Mutation breeding
  3. Cross breeding
  4. Clonal Selection
ব্যাখ্যা
চয়ন-প্রজনন (selection breeding): 
- চলতি কোনো ফসলের জাতের প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কিছু কাঙ্ক্ষিত গুণের ভিত্তিতে ক্রমাগত বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও বীজের উন্নতি বা জাতের উন্নতি ঘটানো যেতে পারে।
- এই পদ্ধতিতে উন্নয়নকে বলা হয় চয়ন-প্রজনন (selection breeding)।
- পর্যবেক্ষণ ও বাছাই এখানে মূল কৌশল।
- সংকরায়ণের পরও বেশ কয়েক প্রজন্ম (generation) পর্যবেক্ষণ ও বাছাই করা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৫৮.
সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা বা আইপিএম এর উপাদান কোনটি?
  1. উপকারী পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা
  2. আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি
  3. রাসায়নিক ব্যবস্থাপনা 
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা বা আইপিএম পরিচিতি: 
- আইপিএম বা সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা বলতে বুঝায় পরিবেশকে দূষণমুক্ত রেখে প্রয়ােজনে এক বা একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও রোগবালাই অর্থনৈতিক ক্ষতিসীমার নীচে রাখা।
- ফলশ্রুতিতে কৃষক সুস্থ ফসল ঘরে তুলতে পারেন, কৃষকের স্বাস্থ্য ভাল থাকে এবং তাদের জীবনমান উন্নত হয়।

• আইপিএম-এর অনেকগুলো উপাদান রয়েছে:
- উপকারী পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা
- বালাই সহনশীল জাতের চাষাবাদ
- আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি অনুসরণ
- বালাই দমনের যান্ত্রিক/উন্নত পদ্ধতি
- রাসায়নিক ব্যবস্থাপনা 

উৎস: Bangladesh Rice Knowledge Bank
৩৫৯.
নিচের কোনটি মরিচের একটি জাত?
  1. ধানী
  2. তুলসী মালা
  3. কাঞ্চন
  4. কুফরী
ব্যাখ্যা
জাত:
- বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় মরিচের অনেক জাত ছড়িয়ে রয়েছে।
- যেমন: বিন্দু, চল্লিশা, ধানী, উবদা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া ইত্যাদি।
- এ ছাড়া বাংলা লঙ্কা (বারি মরিচ-১) নামের অনুমোদিত জাতটি সারা বছর চাষের উপযোগী।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৬০.
মাঠ ফসলের বহুমুখীকরণ বলতে বোঝায় -
  1. ফসল বিন্যাস
  2. মিশ্র ও সাথি ফসলের চাষ
  3. খামার যান্ত্রিকীকরণ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- মাঠ ফসলের বহুমুখীকরণ বলতে কোনো একক ফসল বা একক প্রযুক্তির উপর নির্ভর না করে ফসল বিন্যাস, মিশ্র ও সাথি ফসলের চাষ ও খামার যান্ত্রিকীকরণকে বোঝায়।

শস্য বহুমুখীকরণের উদ্দেশ্য: 
১। কাঙ্ক্ষিত ফসল বিন্যাস, শস্যের আবাদ বাড়ানো এবং কৃষকের আয় ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
২। খামারের কর্মকাণ্ড সমন্বয় করা এবং কৃষি পরিবেশের উপর প্রতিকূল প্রভাব কমিয়ে আনা।
৩। প্রচলিত শস্যবিন্যাসে উন্নত ফসলের জাত ও কলাকৌশলের সংযোগ ঘটানো।
৪। বীজের সাশ্রয় করা এবং উৎপাদন খরচ কমানো।
৫। প্রযুক্তি গ্রহণে কৃষকদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা ও সমাধান করা।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৬১.
কোনো একক ফসল বা একক প্রযুক্তির উপর নির্ভর না করে ফসল বিন্যাস, মিশ্র ও সাথি ফসলের চাষ ও খামার যান্ত্রিকীকরণকে কী বলে?
  1. ফসলের বহুমুখীকরণ
  2. শস্য বিন্যাস
  3. শস্যপর্যায়
  4. রিলে চাষ
ব্যাখ্যা
ফসলের বহুমুখীকরণ: 
- মাঠ ফসলের বহুমুখীকরণ বলতে কোনো একক ফসল বা একক প্রযুক্তির উপর নির্ভর না করে ফসল বিন্যাস, মিশ্র ও সাথি ফসলের চাষ ও খামার যান্ত্রিকীকরণকে বোঝায়।
- শস্য বহুমুখীকরণের উদ্দেশ্য হচ্ছে-
১। কাঙ্ক্ষিত ফসল বিন্যাস, শস্যের আবাদ বাড়ানো এবং কৃষকের আয় ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।
২। খামারের কর্মকাণ্ড সমন্বয় করা এবং কৃষি পরিবেশের উপর প্রতিকূল প্রভাব কমিয়ে আনা।
৩। প্রচলিত শস্যবিন্যাসে উন্নত ফসলের জাত ও কলাকৌশলের সংযোগ ঘটানো।
৪। বীজের সাশ্রয় করা এবং উৎপাদন খরচ কমানো।
৫। প্রযুক্তি গ্রহণে কৃষকদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা ও সমাধান করা।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৬২.
'শ্যামা' আগাছার উপদ্রব কোন ফসলের জমিতে বেশি দেখা যায়?
  1. আলু
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. ধান
ব্যাখ্যা
• ধানক্ষেতের আগাছা:
- ধানক্ষেতে সাধারণত আরাইল, গইচা, শ্যামা প্রভৃতি আগাছার উপদ্রব হয়।
- এগুলো সরাসরি হাত/নিড়ানি দ্বারা ও ঔষধ প্রয়োগ করে দমন করতে হবে।

• আগাছা দমন:
- কমপক্ষে তিন বার ধানের জমিতে আগাছা দমন করতে হয়।
i) চারা রোপণ করার ১০-১৫ দিনের মধ্যে
ii) প্রথম আগাছা দমনের পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে
iii) থোড় বের হওয়ার পূর্বে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৬৩.
কাঁচা মরিচে কোন ভিটামিন বেশি থাকে?
  1. ভিটামিন 'সি'
  2. ভিটামিন 'এ'
  3. ভিটামিন 'ই'
  4. ভিটামিন 'বি'
ব্যাখ্যা
মরিচ:
- বাংলাদেশে মরিচ একটি মসলা ফসল।
- ঝালের জন্য কাঁচা ও পাকা মরিচ ব্যবহার করা হয়।
- কাঁচা মরিচে ভিটামিন 'সি' বেশি থাকে।
- বর্তমানে ঝালহীন এক ধরনের মরিচও পাওয়া যায়।
- একে কেপসিকাম মরিচ বলে।
- এই মরিচ সালাদ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৬৪.
SRI পদ্ধতিতে ধান চাষের ক্ষেত্রে কতদিন বয়সের চারা রোপন করতে হয়?
  1. ৮-১২ দিন
  2. ১৫-২০ দিন
  3. ২৫-৩০ দিন
  4. ৩৫-৪০ দিন
ব্যাখ্যা
SRI:
- SRI (System of Rice Intensification) হলো পানি সেচের মাধ্যমে ধান চাষের এমন একটি কৃষি পরিবেশিক পদ্ধতি যেখানে ফসল, মাটি, পানি এবং উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের ভিন্নতর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ধানের ফসল স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি হয়।
- SRI পদ্ধতিতে চাষ করার কৌশল সর্বপ্রথম ১৯৮০ সালের দিকে মাদাগাস্কারে উদ্ভাবিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে চারা উৎপাদন, রোপন, সেচ, সার, কীটনাশক কম লাগে।
- কিন্তু নিবিড় পরিচর্যা করতে হয় এবং ফলন বেশি হয়।

SRI পদ্ধতিতে ধান চাষের মূলনীতি/বৈশিষ্ট্য:
১. এ পদ্ধতিতে ধান চাষের ক্ষেত্রে ৮-১২ দিন বয়সের চারা একটি করে রোপন করতে হয়।
২. বীজতলা থেকে চারা তোলার সময় সতর্ক থাকতে হবে যাতে চারা ভেঙ্গে না যায়; চারা তোলার পর পরই রোপন করতে হবে।
৩. চারা বর্গাকারে ২৫-৪০ সে.মি দূরত্বে লাগাতে হবে; অর্থাৎ সারি থেকে সারি এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব সমান। বর্গাকারে লাগানো গাছ পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পাবে এবং আগাছা দমন সহজ হবে।
৪. জমিতে পর্যাপ্ত পরিমানে জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে এবং যদি প্রয়োজন হয় তবে রাসায়নিক সারও প্রয়োগ করতে হবে।
৫. মাটি পর্যায়ক্রমে ভিজানো ও শুকানো (AWD) পদ্ধতিতে সেচ দিতে হবে। এতে মূলের বৃদ্ধি ভালো হবে ও মাটির অনুজীবের কার্যাবলী বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও মিথেন গ্যাস উৎপাদন কম হবে।
৬. ধানের থোড় অবস্থা থেকে ফসল পাকার ১৫ দিন আগ পর্যন্ত ধানের জমিতে ১-২ সে.মি. এর একটি পানির স্তর রাখতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৫.
কোন মৌসুমে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মাটিতে লবণাক্ততা বেড়ে যায়?
  1. বর্ষা মৌসুমে
  2. শুষ্ক মৌসুমে
  3. উভয় মৌসুমে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ফসল উৎপাদনে লবণাক্ততা বৃদ্ধির প্রভাব:
- শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের মাটিতে লবণাক্ততা বেড়ে যায়

- বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় নদ-নদীর পানি প্রবাহ শুকনো মৌসুমে স্বাভাবিক মাত্রায় থাকেনা।
- ফলে নদীর পানির বিপুল চাপের কারণে সমুদ্রের লোনা পানি যতটুকু এলাকা জুড়ে আটকে থাকার কথা ততটুকু থাকেনা, পানির প্রবাহ কম থাকার কারণে সমুদ্রের লোনা পানি স্থলভাগের কাছাকাছি চলে আসে।
- ফলে লবণাক্ততা বেড়ে বেড়ে যায় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিপুল এলাকায়।
- লোনা পানির অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের একটি মারাত্মক সমস্যা।
- গবেষণায় দেখা গেছে যে, একটা সময় পরে আমাদের দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলো সমুদ্রে বিলীন হয়ে যাবে এবং লবণাক্ত হয়ে পড়বে।
- ফলে সেখানে স্বাভাবিক ফসল ফলানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৬.
ফটোলাইসিস এর ফলে নিচের কোনটি উৎপন্ন হয়?
  1. প্রোটন ও কার্বন ডাই অক্সাইড
  2. ADP+Pi
  3. প্রোটন ও অক্সিজেন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
পানির সালোকবিভাজন (Photolysis of water):
- PS-II এর ক্লোরোফিলের উপর আলোক রশ্মি পতিত হলে ম্যাঙ্গানিজ (Mn) ও ক্লোরাইড আয়ন (CI) এর উপস্থিতিতে কোষে অবস্থিত পানি ভেঙে দুটি ইলেকট্রন, প্রোটন ও অক্সিজেন উৎপন্ন হয়।
- অক্সিজেন বায়ুতে চলে যায়, প্রোটন (2H) NADP-কে বিজারিত করে NADPH+H+ উৎপন্ন করে এবং ইলেকট্রন (2e) PS-II কর্তৃক গৃহীত হয়।
- কাজেই সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় যে অক্সিজেন নির্গত হয় তা অচক্রীয় ফটোফসফোরাইলেশন পর্যায়ে পানির ভাঙ্গনের ফলে সৃষ্টি হয়।
- পানির এরূপ ভাঙ্গনকে পানির সালোকবিভাজন বা ফটোলাইসিস (Photolysis) বলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৭.
বংশ বিস্তারক উপকরণ হিসেবে উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, শাখা, কুঁড়ি, শিকড় ইত্যাদি ব্যবহার করার ফলে কী ঘটে?
  1. ফলন পেতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়
  2. মাতৃগুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে না
  3. মাতৃগুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে
  4. একই উদ্ভিদে একাধিক জাতের সংযোজন ঘটানো যায় না
ব্যাখ্যা
বংশ বিস্তারক উপকরণের গুরুত্ব:
- ফসল বীজ দ্বারা বেশির ভাগ ফসলের বিস্তার সম্ভবপর হয় না।
- অনেকক্ষেত্রে ফসল বীজ দ্বারা বংশ বিস্তার সম্ভব হলেও ফলন পেতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এজন্য জনবহুল কোনো দেশের চাহিদা দ্রুত মেটানোর জন্য বংশ বিস্তারক উপকরণ তথা কৃষিতাত্ত্বিক বা অঙ্গজ বীজের বিকল্প নেই।
- বংশ বিস্তারক উপকরণ হিসেবে উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, শাখা, কুঁড়ি, শিকড় ইত্যাদি ব্যবহার করার ফলে মাতৃগুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।
- একই উদ্ভিদে একাধিক জাতের সংযোজন ঘটানো যায়।
- যেমন- একই কুল গাছে মিষ্টি ও টক কুল এবং একই গোলাপ গাছে লাল, হলুদ, কালো ও সাদা ফুল ফোটানো সম্ভব হয়।
- কম সময়ে ও অল্প খরচে ফুল ফল পাওয়া যায় এবং বীজবাহিত রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
- ফলে কৃষিতে বংশ বিস্তারক উপকরণের গুরুত্ব অনেক বেশি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৮.
মাটিবাহিত 'ড্যাম্পিং অফ' রোগ দমনে কার্যকরী লাইমো ব্যাকটেরিয়া কোন গাছের শিকড় থেকে আহরিত হয়?
  1. অ্যালামন্ডা
  2. নিম
  3. ভুট্টা
  4. সুগারবিট
ব্যাখ্যা
- সুগারবিটের শিকড় থেকে আহরিত লাইমো ব্যাকটেরিয়া প্রজাতি উদ্ভিদের মাটিবাহিত 'ড্যাম্পিং অফ' রোগ দমনে একটি কার্যকরী ব্যাকটেরিয়াম।
- এটি পোষক উদ্ভিদ, যেমন- পালংশাক সুগারবিটের শিকড়াঞ্চলে যুক্ত হয়ে কলোনি তৈরি করে এবং জীবাণুনাশক এন্টিবায়োটি নিঃসরণের মাধ্যমে উদ্ভিদ রোগ দমন করে থাকে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৩৬৯.
উদ্ভিদ কার্বন ও অক্সিজেন কোথা থেকে গ্রহণ করে?
  1. মাটি
  2. বায়ু
  3. পানি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পুষ্টি উপাদানের উৎস: 
- উদ্ভিদ ২টি উৎস থেকে ১৭টি পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে থাকে।
- যথা- (ক) প্রাকৃতিক উৎস ও (খ) কৃত্রিম উৎস।

(ক) প্রাকৃতিক উৎস:
- মাটি, বায়ু ও পানি এ তিনটি হচ্ছে প্রাকৃতিক উৎস।
- মাটি: কার্বন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন ব্যতীত বাকি ১৪টি পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদ মাটি থেকে পেয়ে থাকে।
- বায়ু: উদ্ভিদ কার্বন ও অক্সিজেন বায়ু থেকে গ্রহণ করে।
- পানি: উদ্ভিদ হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পানি থেকে পায়। এছাড়াও উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত খনিজ পদার্থও গ্রহণ করে।

(খ) কৃত্রিম উৎস: জৈব সার ও রাসায়নিক সার হচ্ছে উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের কৃত্রিম উৎস।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৭০.
আদর্শ মাটিতে বায়ুর পরিমাণ কত?
  1. প্রায় ৫ ভাগ
  2. প্রায় ১৫ ভাগ
  3. প্রায় ২৫ ভাগ
  4. প্রায় ৩৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
বায়ু:
- বায়ু মাটির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- মাটির কণার ফাঁকে ফাঁকে বায়ু থাকে।
- উদ্ভিদের শিকড় ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও অন্যান্য অণুজীবের কর্মতৎপরতার জন্য যে অক্সিজেনের প্রয়োজন, তা মাটিতে অবস্থানরত বায়ু সরবরাহ করে।
- আদর্শ মাটিতে বায়ুর পরিমাণ হলো শতকরা প্রায় ২৫ ভাগ।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৩৭১.
নিচের কোন এসিড দ্রবণ দ্বারা বীজের সুপ্তাবস্থা ভাঙ্গা যায়?
  1. সালফিউরিক এসিড
  2. বেনজোয়িক এসিড
  3. নাইট্রিক এসিড
  4. হাইড্রোক্লোরিড এসিড
ব্যাখ্যা
অম্লদ্রব্য সহযোগে বীজের সুপ্তাবস্থা ভাঙ্গানো:
- এ পদ্ধতিতে বীজকে ঘন সালফিউরিক এসিডে ডুবিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হয়।
- ঘন সালফিউরিক এসিডের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১.৮৪ হওয়া দরকার।
- সাধারণত বীজের দ্বিগুণ পরিমাণ এসিড (নিদিষ্ট ঘনমাত্রার) একটি কাঁচ বা মাটির পাত্রে নিতে হয়।
- তারপর বীজকে উক্ত পাত্রে ঢেলে মুখ আটকাতে হবে এবং মাঝে মাঝে কোন কাঠির সাহায্যে বীজকে নাড়াচাড়া করতে হবে।
- উপযুক্ত তাপমাত্রা হলো ৬০-৮০ ফাঃ।
- সময়ের পরিমাণ ১০ মিনিট থেকে সর্বোচ্চ ৬ ঘন্টা পর্যন্ত হতে পারে।
- বীজাবরণ যখন পাতলা হয়ে আসে তখন সাবধানে এসিড ঢেলে নিতে হয় এবং তৎক্ষনাৎ বীজগুলোকে প্রবাহমান পানিতে ভালো করে ধুয়ে নিতে হয়।
- উক্ত ধোয়া বীজ ভিজা অবস্থায় সরাসরি জমিতে বপন করা চলে।
- অথবা ভালোভাবে শুকিয়ে গুদামেও রাখা চলে।

উৎস: Seed and Seed Technology, B.Ag.Ed, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭২.
কোন পোকার আক্রমণে 'ডেটহার্ট' এবং 'হোয়াইট হেড' লক্ষণ প্রকাশ পায়?
  1. মাজরা পোকা
  2. পামরী পোকা
  3. সবুজ পাতা ফড়িং
  4. বাদামী গাছ ফড়িং
ব্যাখ্যা
ধানের ক্ষতিকর পোকামাকড়: 
- প্রায় ৩৩টি প্রজাতির পোকাকে ধানের প্রধান ক্ষতিকর পোকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- তিন মৌসুমেই প্রায় একই ধরনের পোকা আক্রমন করে যদিও আক্রমনের মাত্রা ভিন্ন।
- আউশ ও আমন মৌসুমে পোকার প্রাদুর্ভাব বেশি হয়।

মাজরা পোকা: 
ক্ষতির লক্ষণ: 
১) মাজরা পোকার মথ ধানের পাতায় ডিম পাড়ে।
২) ডিম ফুটে কীড়া বের হয়ে কান্ড ছিদ্র করে ভিতরে ঢুকে কান্ডের নীচের দিকে কেটে দেয়।
৩) আক্রমন শীষ বের হবার পূর্বে হলে 'ডেটহার্ট' এবং শীষ আসার সময় হলে 'হোয়াইট হেড' লক্ষণ প্রকাশ করে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৩.
দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রতিষ্ঠান দানাশস্য, কন্দাল, ডাল, তৈলবীজ, সবজি, ফল, মসলা, ফুল ইত্যাদির উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- প্রতিষ্ঠানটি মৃত্তিকা এবং শস্য ব্যবস্থাপনা, রোগ বালাই এবং পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা, পানি এবং সেচ ব্যবস্থাপনা, কৃষি যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, খামার পদ্ধতির উন্নয়ন, শস্য সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আর্থ সামাজিক সংশ্লিষ্ট উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপণন এবং পরিমাণ নির্ধারণ বিষয়ে গবেষণা করে থাকে।
- মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- অবস্থান: জয়দেবপুর, গাজীপুর।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৭৪.
বীজ উৎপাদন প্রযুক্তি বলতে নিচের কোনটিকে বোঝায়?
  1. মানসম্মত বীজ উৎপাদন
  2. বীজ ব্যবস্থাপনা
  3. বীজ সংরক্ষণ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বীজ উৎপাদন: 
- বীজ উৎপাদন একটি প্রযুক্তিগত কর্মকাণ্ড।
- বীজ উৎপাদনের প্রথম কাজ হলো বীজের গুণাগুণ সংরক্ষণ করা।
- তাই কৃষিবিজ্ঞানীরা অবিরাম ফসলের জাতের বংশবৃদ্ধি ও গুণাগুণ সংরক্ষণের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করছেন এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি সংযোগ করছেন।
- বীজ উৎপাদন প্রযুক্তি বলতে মানসম্মত বীজ উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণকে বোঝায়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৭৫.
কোন পোকা ধানের টুংরো রোগ ছড়ায়?
  1. সবুজ পাতাফড়িং
  2. মাজরা পোকা
  3. বাদামী গাছ ফড়িং
  4. জাব পোকা
ব্যাখ্যা
ধানের টুংরো রোগ:
- ধানের টুংরো রোগটি প্রধানত আমন ও আউশ মওসুমে দেখা যায়।
- এটি একটি ভাইরাস জনিত রোগ।
- সবুজ পাতাফড়িং নামক এক ধরনের বাহক পোকা এ রোগটি ছড়ায়।
- রোগটি চারা অবস্থা থেকে ফুল আসা পর্যন্ত যে কোন সময় দেখা দিতে পারে।
- চারা অবস্থায় গাছ আক্রান্ত হলে ধানের ফলন শতকরা ৮০ ভাগ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
- এ রোগটি Rice Tungro Virus (RTV) নামক জীবাণু দ্বারা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৩৭৬.
যে জায়গায় চারাগাছ উৎপন্ন করে অন্য কোথাও রোপণের আগ পর্যন্ত তা পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. কৃষি বনায়ন
  2. এগ্রোফরেস্ট্রি
  3. সামাজিক বন
  4. নার্সারি
ব্যাখ্যা
নার্সারি: 
- বাংলাদেশে কৃষির লাভজনক যে সব সেক্টর রয়েছে তার মধ্যে নার্সারি পেশা অন্যতম।
- যে জায়গায় চারাগাছ উৎপন্ন করে অন্য কোথাও রোপণের আগ পর্যন্ত তা পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় তাকে নার্সারি বলে।
- আভিধানিক অর্থে বনজ নার্সারি হলো চারা গাছের আলয় বা চারালয়।
- আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ করে একটি আদর্শ নার্সারি থেকে সুস্থসবল ও সুন্দর চারা পাওয়া সম্ভব।
- নার্সারিতে বীজ থেকে চারা উৎপাদন করা হয়।
- আধুনিক পদ্ধতিতে কলম থেকেও উন্নতমানের চারা উৎপাদন করা হয়।
- বন নার্সারি ব্যবসার মৌসুম হলো বৈশাখ থেকে আশ্বিন মাস পর্যন্ত।
- বর্ষাকালে চারা সহজেই বাঁচে এবং দ্রুত বড় হয়।
- এজন্য এ সময়ে চারা বেশি বিক্রি হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৭.
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. থাইল্যান্ড
  2. মালয়েশিয়া
  3. ফিলিপাইন
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (IRRI): 
- আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) একটি আন্তর্জাতিক কৃষি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। 
- এটি ফিলিপাইনের লস বানোসে অবস্থিত।
- ইরি ধান-ভিত্তিক কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য ও ক্ষুধা দূরীকরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
- তাদের কাজ ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে, ইরি ধান চাষি ও ভোক্তাদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ উন্নত করা, জলবায়ু পরিবর্তন দ্বারা চ্যালেঞ্জকৃত বিশ্বে পরিবেশগত স্থায়িত্ব প্রচার করা, এবং ধান শিল্পে নারী ও যুবকদের ক্ষমতায়নকে সমর্থন করে।

উৎস: IRRI ওয়েবসাইট। 
৩৭৮.
কৃষি উন্নয়নে সরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের নাম কী?
  1. পিআরএসপি
  2. এসএফডিএফ
  3. পিকেএসএফ
  4. পিডিবিএফ
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন:
- কৃষি উন্নয়নে সরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পেন নাম এসএফডিএফ বা Small Farmers Development Foundation বা ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৯৭৫-১৯৭৬ অর্থবছরে কুমিল্লা, বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলার ৩টি সদর থানায় পরীক্ষামূলকভাবে 'ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমিহীন শ্রমিক উন্নয়ন প্রকল্প' কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- ১৯৮৮ হতে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার ১১টি উপজেলায় প্রকল্পটির কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়।
- জুন ১৯৯১ সালে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়ন সমাপ্ত হয়।
- ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়ন হয়।
- দায়দেনাসহ (with assets and liabilities) ১৯৯৪ প্রকল্পটিকে মেয়াদ সমাপনান্তে বিদ্যমান সম্পদ ও সালের কোম্পানী আইনের ২৮ ধারার বিধানমতে যৌথ মূলধন কোম্পানী ও ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর হতে নিবন্ধন গ্রহণের মাধ্যমে “ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (Small Farmers Development Foundation)” নামে একটি লিমিটেড কোম্পানীতে রূপান্তর করা হয় ৷

অন্যদিকে,
- পিডিবিএফ হলো পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন।
- পিকেএসএফ হলো পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন। 
- পিআরএসপি হলো দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৭৯.
ধানের পাতায় ডিম্বাকৃতির দাগ পড়ে কোন রোগের আক্রমণে?
  1. ব্লাইট রোগ
  2. ব্লাস্ট রোগ
  3. টুংরো রোগ
  4. কান্ড পচা রোগ
ব্যাখ্যা
ধানের ব্লাস্ট রোগ:
লক্ষণসমূহ:
১) পাতায় ডিম্বাকৃতির দাগ পড়ে।
২) দাগের চারদিকে গাঢ় বাদামি এবং মাঝের অংশ সাদা ছাই বর্ণের হয়।
৩) অনেকগুলো দাগ একত্রে মিশে গিয়ে সম্পূর্ণ পাতা মরে যায়।

দমনপদ্ধতি
১) নীরোগ বীজ ব্যবহার করা।
২) পটাশ জাতীয় সার উপরি প্রয়োগ করা।
৩) বীজ শোধন করে বোনা।
৪) জমিতে পানি ধরে রাখা।
৫) জমিতে জৈব সার প্রয়োগ করা।
৬) রোগ প্রতিরোধ জাত বিআর৩, বিআর ১৪, বিআর ১৫, বিআর ১৬, বিআর ২৪, ব্রি ধান ২৮ রোপণ করা।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৮০.
ফসলের পাতায় যখন গাঢ় ও হালকা হলদে-সবুজ এর ছোপ ছোপ রং দেখা যায় তখন এই লক্ষণকে কী বলা হয়?
  1. রিংস্পট
  2. গল
  3. নোডিউল
  4. মোজাইক
ব্যাখ্যা
মোজাইক:
- ফসলের পাতায় যখন গাঢ় ও হালকা হলদে-সবুজ এর ছোপ ছোপ রং দেখা যায় তখন এই লক্ষণকে মোজাইক বলা হয়।
- ঢেড়শ ও মুগে মোজাইক রোগ দেখা যায়।
- এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগের লক্ষণ।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৮১.
DAE কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে?
  1. সম্প্রসারণ মন্ত্রণালয়
  2. শ্রম মন্ত্রণালয়
  3. কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. গণশিক্ষা ও সম্প্রসারণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE): 
- DAE এর পূর্ণরূপ Department of Agricultural Extension বা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।  
- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা একত্রিত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে। 
- কৃষি বিভাগ ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রবর্তিত ‘‘প্রশিক্ষণ ও পরিদর্শণ (টিএন্ডভি) পদ্ধতির মাধ্যমে এবং ১৯৯০ সালের পর হতে অদ্যাবধি দলীয় সম্প্রসারণ পদ্ধতির মাধ্যমে দেশের কৃষি ও কৃষককে অত্যন্ত সফলতা ও সুনামের সাথে সেবা প্রদান করেছে।
- পরিকল্পিত এবং অংশিদারীত্বমূলক সম্প্রসারণ সেবা প্রদানের জন্য ১৯৯৬ সালে নতুন কৃষি সম্প্রসারণ নীতি (এনএইপি) বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়।
- বর্তমানে ৮টি উইং এর সমন্বয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। 
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব হলো সকল শ্রেনীর চাষীদেরকে তাদের চাহিদা ভিত্তিক ফলপ্রসু ও কার্যকর সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করা যাতে তারা তাদের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করে স্থায়ী কৃষি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৩৮২.
ভালো সাইলেজের রং কিরূপ হবে?
  1. সবুজ কালো
  2. হলুদ
  3. সবুজ লালচে
  4. সবুজ হলদে
ব্যাখ্যা
ভালো সাইলেজ:
- সাইলেজ মূলত সবুজ ঘাস সংরক্ষণ করার একটি পদ্ধতি।
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সবুজ ঘাসের পুষ্টি উপাদান সঠিক রেখে বায়ুশূন্য অবস্থায় সবুজ ঘাসকে ভবিষ্যতের জন্য প্রক্রিয়াজাত করে রাখার প্রক্রিয়াকে সাইলেজ বলা হয়।

⇒ সাইলেজের উপকারিতা:
- সাইলেজ পুষ্টিকর একটি গোখাদ্য প্রস্তুত প্রক্রিয়া যার বহুবিধ উপকারিতা রয়েছে।
- ভালভাবে পচন করা হলে সাইলেজের শর্করা খাবারকে পরিপাকযোগ্য এসিডে পরিণত, যা গরুর খাদ্যের রূপার এবং পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে দেয়।
- পাশাপাশি সাইলেজে ব্যবহৃত সকল পুষ্টি উপাদান খাবারকে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে।
- প্রাকৃতিক ভাবে চরে যাওয়া ঘাসের চেয়ে অনেক বেশি খাদ্য উপাদান পাওয়া যায়।
- এতে শক্তির অপচয় অনেক কম হবে। দুগ্ধবতী গাভীর শারীরিক এবং দুধ উৎপাদনের প্রয়োজনে প্রচুর পরিমাণে শক্তি, আমিষ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন।
- ভাল মানসম্পন্ন সাইলেজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ শক্তি, প্রোটিন, ভিটামিন, ফাইবার রয়েছে যা গাভীর দুধ উৎপাদন অনেকাংশে বাড়িয়ে দিতে পারে।
- সাইলেজ প্রক্রিয়ায় ঘাস ১২ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করে রাখা যায়।

⇒ ভাল সাইলেজের বৈশিষ্ট্য:
১. সাইলেজের রং হলুদাভ সবুজ।
২. গন্ধ-আচারের ন্যায় অম্ল সুগন্ধ। 
৩. পিএইচ ৩.৫-৪.৫। 

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩৮৩.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কী উৎপন্ন হয়?
  1. গ্লুকোজ ও পানি
  2. পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. গ্লুকোজ ও অক্সিজেন
  4. গ্লুকোজ ও কার্বন ডাইঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণে সৃষ্ট অক্সিজেনের উৎস:
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এক অণু গ্লুকোজ তৈরি হওয়ার সময় ৬ অণু অক্সিজেন (O₂) তৈরি হয়।
- বিক্রিয়াটিতে অংশগ্রহণ করে CO₂ ও H₂O অর্থাৎ বিক্রিয়ার কাঁচামাল CO₂ ও H₂O দুটি কাঁচামালে O₂ অণু উপস্থিত।
- অতএব সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নির্গত অক্সিজেনের উৎস হতে পারে দু'টি, একটি হলো CO₂ এবং অপরটি হলো H₂O।
- হিল বিক্রিয়া (Hill Reaction) ও ভ্যান নিল এর পরীক্ষা (Experiment of Van Neil) এর মাধ্যমে এটি নিঃসন্দেহে প্রমাণিত হয়েছে যে, সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উপজাত দ্রব্য হিসেবে যে অক্সিজেন নির্গত হয় তা পানি (H₂O) হতে আসে, কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) হতে নয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৪.
কৃষি কাজে কোন ধরনের স্প্রেয়ার বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. স্টায়ারার পাম্প টাইপ
  2. পিষ্টন পাইপ টাইপ
  3. সিরিঞ্জ টাইপ
  4. লিভার চালিত ন্যাপস্যাক
ব্যাখ্যা
স্পেয়ার:
স্প্রেয়ার এমন একটি যন্ত্র যা তরল পদার্থকে ভেঙ্গে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত করতে পারে।
জমিতে ফসলকে ক্ষতিকারক পোকা মাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য তরল কীটনাশক ছিটাতে স্প্রেয়ার ব্যবহৃত হয়।
স্প্রেয়ার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তবে শক্তির ব্যবহার অনুযায়ী দু'প্রকার-
ক) হস্ত চালিত স্প্রেয়ার
খ) শক্তি চালিত স্প্রেয়ার

হস্ত চালিত স্প্রেয়ার নিম্নোক্ত প্রকারের হতে পারে-
ক) সিরিঞ্জ টাইপ
খ) স্টায়ারার পাম্প টাইপ (Stirrer Pump type)
গ) লিভার চালিত ন্যাপস্যাক
ঘ) পিষ্টন টাইপ ন্যাপস্যাক

- এগুলোর মধ্যে কৃষি কাজে লিভার চালিত ন্যাপস্যাক স্প্রেয়ারের ব্যবহার বেশি।

উৎস: ফার্ম মেশিনারিজ, কৃষি শিক্ষা ব্যাচেলর (B.Ag.Ed) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৫.
কিসের মাধ্যমে অনেক ফুল পাওয়া যায়?
  1. স্টপিং
  2. টাইমিং
  3. থিনিং
  4. ডিসবাডিং
ব্যাখ্যা
স্টপিং, থিনিং এন্ড টাইমিং: 
- চারার ডগা কেটে পাশ থেকে শাখা বের হয় তাকে স্টপিং বলে।
- স্টপিং এর মাধ্যমে একাধিক শাখা তৈরি করে অনেকগুলি ফুল পাওয়া যায়।
- প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা রেখে বাকিগুলোকে কেটে ফেলাকে থিনিং বলে।
- টাইমিং হলো প্রয়োজনে বা প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে ফুল ফোটানোর সময় নিয়ন্ত্রণকে টাইমিং বলে।

ডিসবাডিং: 
- প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে গাছের ফুল সীমিত বা বড় আকারের জন্য কেন্দ্রীয় বা কয়েকটি কুঁড়ি রেখে বাকি সব কুঁড়ি বাদ দেয়াকে ডিসবাডিং বলে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৬.
নিচের কোন তথ্যটি ডিস্ক প্লাউয়ের ক্ষেত্রে সঠিক নয়?
  1. এটি আবর্জনাকে মাটির ওপরেই রাখে ফলে মাটির আর্দ্রতা রক্ষিত হয়
  2. আঠালো, ভারী কর্দম মাটিতে এ প্লাউ ভাল কাজ করে
  3. আগাছা আক্রান্ত, শক্ত শিকড়যুক্ত জমিতে এ প্লাউ উপযোগী নয়
  4. অনাবাদী জমিতে গভীর চাষ দেয়ার জন্য এটি উপযোগী
ব্যাখ্যা
ডিস্ক প্লাউ:
১। যেখানে আবহাওয়া শুষ্ক এবং মাটি শক্ত ও কংকরময়।
২। আঠালো, ভারী কর্দম মাটি ও আলগা বেলে মাটিতেও ডিস্ক প্লাউ ভাল কাজ করে। এটি আবর্জনাকে মাটির ওপরেই রাখে ফলে মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষিত হয়।
৩। খুব বেশি আগাছা আক্রান্ত, শক্ত শিকড়যুক্ত জমিতে ডিস্ক প্লাউ প্রাধান্য পায়।
৪। অনাবাদী জমিকে আবাদের আওতায় আনার নিমিত্তে গভীর চাষ দেয়ার জন্য এ প্লাউ উপযুক্ত।

উৎস: ফার্ম মেশিনারিজ, কৃষি শিক্ষা ব্যাচেলর (B.Ag.Ed) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৭.
টমেটোর হলুদ পাতা কুঁকড়ানো রোগ কীসের কারনে হয়?
  1. ভাইরাস
  2. ছত্রাক
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. ফাঙ্গাস
ব্যাখ্যা
টমেটোর হলুদ পাতা কুঁকড়ানো রোগ:
- ভাইরাসজনিত এ রোগে পাতা কিনারা থেকে মধ্যশিরার দিকে গুটিয়ে যায়।
- পাতা খসখসে হয়ে শিরাগুলো স্বচ্ছ হলুদ হয়ে কুঁকড়িয়ে যায়।
- আক্রান্ত গাছের ডগায় ছোট ছোট পাতা গুচ্ছ আকার ধারণ করে।
- এ রোগ দমনের জন্য টমেটো ক্ষেত আগাছামুক্ত রাখতে হবে, রোগমুক্ত চারা লাগাতে হবে, আক্রান্ত গাছ তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
- সাদা মাছি পোকা এ রোগের দ্রুত বিস্তার ঘটায়।
- মাছি পোকা দমনের জন্য ৭-১০ দিন পর পর এডমায়ার নামক কীটনাশক স্প্রে করতে হবে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৩৮৮.
ফল ও শাকসবজিকে আকার আকৃতি অনুযায়ী ভাগ করাকে কী বলে?
  1. গ্রেডিং
  2. প্রসেসিং
  3. প্যাকেজিং
  4. ক্যানিং
ব্যাখ্যা
গ্রেডিং করা (Grading):
- ফল ও শাকসবজিকে আকার, আকৃতি, বর্ণ ইত্যাদি বাহ্যিক গুণের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
- গ্রেডিং করা ফল ও শাকসবজির সংরক্ষণ কাল বেড়ে যায় এবং গ্রেডিং করা শাকসবজি ও ফলের বাজারমূল্য ভাল পাওয়া যায়।

প্যাকেজিং:
- প্যাকেজিং নির্ভর করে পণ্য কতদূরে এবং কিভাবে যাবে তার উপর।
- প্যাকেট এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে পরিবহনের সময় পণ্য আঘাত প্রাপ্ত না হয়।
- উন্নত বিশ্বে বাতাস চলাচলে সুবিধাযুক্ত প্লাস্টিক কাঠ বা হাডবোর্ডের বাক্সে শাকসবজি ও ফল পরিবহন করা হয়।

প্রক্রিয়াজাত করণের মাধ্যমে ফল সংরক্ষণ:
- বিভিন্ন পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ফল দিয়ে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে ১-৩ বছর পর্যন্ত ফল সংরক্ষণ করা যায়।
- প্রক্রিয়াজাতকরণের ফলে কখনও কখনও ফলের স্বাদ ও গন্ধের তেমন পরিবর্তন হয় না আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের খাদ্য তৈরি করা হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৯.
সাইলোপিটে বায়ুরোধক অবস্থায় ঘাসে কোন এসিড তৈরি হয়?
  1. অ্যাসিটিক এসিড
  2. ল্যাকটিক এসিড
  3. ইথানোয়িক এসিড
  4. টারটারিক এসিড
ব্যাখ্যা
কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ: 
- শুকনা মৌসুমে গো-খাদ্যের অভাব ঘটে।
- তাই বর্ষাকালে যখন ঘাস প্রচুর জন্মে, তখনই শুকনা মৌসুমের জন্য গো-খাদ্যের ব্যবস্থা করতে হয়।
- এ জন্য কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতিকে সাইলেজ বলা হয়।
- এতে ঘাসের পুষ্টিমানের কোনো পরিবর্তন হয় না।
- যে নির্দিষ্ট স্থানে বা গর্তে ঘাস সংরক্ষণ করা হয়, তাকে বলা হয় সাইলোপিট।
- সাইলোপিটে বায়ুরোধক অবস্থা তৈরি করতে হয়।
- বায়ুরোধক অবস্থায় ঘাসে ল্যাকটিক এসিড তৈরি হয়।
- এই ল্যাকটিক এসিড কাঁচা ঘাস সংরক্ষণে কাজ করে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৩৯০.
বাংলাদেশের কৃষির প্রধান উপখাত কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
কৃষির উপখাত:
- বাংলাদেশের কৃষির ৪টি উপখাত রয়েছে।
- যথা:
• শস্য ও শাকসবজি,
• প্রাণি সম্পদ,
• বনজ সম্পদ,
• মৎস সম্পদ।

⇒ এই উপখাত গুলোর আরো ভাগ রয়েছে।
- যেমন- মৎস্য সম্পদের অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক উৎস রয়েছে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৩৯১.
আয়তন অনুসারে কৃষি মাটিতে খনিজ উপাদানের গড় পরিমাণ কত?
  1. ৪০%
  2. ৪৫%
  3. ৫০%
  4. ৫৫%
ব্যাখ্যা
মৃত্তিকা গঠনকারী উপাদান:
- মৃত্তিকা একটি নিয়ত পরিবর্তনশীল প্রাকৃতিক মিশ্র পদার্থ।
- ক্ষয়ীভূত শিলা ও খনিজের সাথে জৈব পদার্থ এবং পানির মিশ্রণে মৃত্তিকা সৃষ্টি হয়।

• যে কোন মৃত্তিকা প্রধানত চারটি উপাদান নিয়ে গঠিত।
১। খনিজ দ্রব্য (Mineral matter),
২। জৈব দ্রব্য (Organic matter),
৩। পানি বা জলীয় অংশ (Water),
৪। বায়ু (Air)। 

⇒ খনিজ দ্রব্য (Mineral matter):
- আয়তন ও ওজন ভিত্তিতে মৃত্তিকায় খনিজ দ্রব্যের শতকরা গড় পরিমাণ যথাক্রমে ৪৫ ও ৭৩ ভাগ।
- মাটিতে খনিজ দ্রব্যের আকার বড় হলে এবং নুড়ি বা স্কুল বালিকণার পরিমাণ বাড়লে মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা কমে যায়।
- খনিজ দ্রব্য মৃত্তিকায় উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানের ভাণ্ডার।
- খনিজ দ্রব্যের বৈশিষ্ট্যের ওপর তা নির্ভরশীল।
- পাথর খন্ড, বালি কণা, পলি কণা ও কর্দম কণা সমন্বয়ে মৃত্তিকা খনিজ দ্রব্য গঠিত।

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯২.
যে সমস্ত ফসল ভূনিম্নস্থ কান্ড বা মূলের জন্য চাষ করা হয় তাদের ফলনের উপযোগী মৃত্তিকা কণা কোনটি?
  1. কর্দম কণা
  2. পানি কণা
  3. বালু কণা
  4. কোলয়ডাল কণা
ব্যাখ্যা
বালু কণা (Sand particles):
- বালু কণায় সাধারণতঃ নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ পরিলক্ষিত হয়:
১। বালুকণা স্বল্প ক্ষয়ীভূত শিলাদ্রব্যের ক্ষুদ্রাকার চূর্ণ এবং ইহাতে উদ্ভিদের জন্য অত্যাবশকীয় খাদ্যোপাদান থাকে না বললেই চলে।
২। কণাগুলো সহজে একটা আর একটার সাথে লেগে থাকে না।
৩। এদের দ্বারা গঠিত রন্ধগুলো বড় হওয়ায় বায়ু ও পানি সহজেই চলাচল করতে পারে।
৪। ইহাদের জৈব ও অজৈব পদার্থের ধারন ক্ষমতা কম।
৫। এরা ভূমিক্ষয় ত্বরান্বিত করে এবং মরুভূমি গঠনে সহায়তা করে।
৬। যে সমস্ত ফসল ভূনিম্নস্থ কান্ড বা শিকড়ের জন্য চাষ করা হয় বা গভীরমূলী, সেগুলো বেলে মাটিতে ভাল হয়। যেমন: গোলআলু, মিষ্টি আলু প্রভৃতি।
৭। এদের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল খুবই কম।
৮। এদের ক্যাটায়ন বিনিময় ক্ষমতা (CEC) ০-৫ m.e./১০০ গ্রাম মাটি।
৯। এদের কণার ব্যাস ২.০০-০.০২ মিলিমিটার।

উৎস: মৃত্তিকা বিজ্ঞান, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৩.
নীল ট্যাগ দিয়ে কোন বীজকে নির্দেশ করা হয়?
  1. প্রজনন বীজ
  2. ভিত্তি বীজ
  3. মানঘোষিত বীজ
  4. প্রত্যায়িত বীজ
ব্যাখ্যা
মৌল বা প্রজনন বীজ (Breeder Seed):
- উদ্ভিদ প্রজনন প্রতিষ্ঠান বা কোন প্রজনন বিদের ঘনিষ্ট ও সরাসরি তত্ত্ববাবধানে উৎপন্ন এবং যা থেকে ভিত্তি শ্রেণীর বীজ উৎপাদন করা হয় তাকে প্রজনন বীজ বলে।
- এই বীজের সর্বাধিক কৌলিক বিশুদ্ধতা থাকে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার সবুজ হয়।

ভিত্তি বীজ (Foundation seed):
- বীজের পরবর্তী বিস্তার ঘটানোর জন্য মৌলিকভাবে শনাক্ত করণযোগ্য জাতের প্রাথমিক উৎসকে ভিত্তি বীজ বলে।
- ভিত্তি বীজে কৌলিক স্বাতন্ত্র্য ও জাতের বিশুদ্ধতা বিদ্যমান থাকে।
- ভিত্তি বীজ থেকে প্রত্যায়িত যে বীজ উৎপাদন করা হয়।
- এ বীজের ট্যাগের কালার সাদা হয়।

প্রত্যায়িত বীজ (Certified Seed):
- ভিত্তি বীজ থেকে প্রত্যায়িত বীজ উৎপাদন করা হয়।
- যাতে বংশগত ও বাহ্যিক বিশুদ্ধতা নির্ধারিত মানে থাকে।
- বীজের গুণাবলী সংরক্ষণের জন্য প্রত্যয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী এই অনুমোদনের কাজটি করে থাকে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার নীল হয়।

মানঘোষিত বীজ (Truthfully labeled seed: TLS):
- উপরে তিনটি শ্রেণীর বীজ ছাড়া অন্য যে বীজ উৎপাদনকারী নিজেই উৎপাদন করে এবং নিজেই বীজের মাননিয়ন্ত্রণ করে এবং নিজেই ঘোষনা দেয় তাহাই মানঘোষিত বীজ।
- তিনি নিজস্বভাবে যাচাইপূর্বক ব্যাগ বা বস্তার গায়ে তথ্য লিপিবদ্ধ করবে।
- এ বীজের ট্যাগের কালার হলুদ হয়।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (SCA) ।
৩৯৪.
নিচের কোনটি বেগুনের একটি জাত?
  1. পদ্ম
  2. তারাপুরি
  3. চাঁদপুরী
  4. ফরিদপুরী
ব্যাখ্যা
বেগুনের জাত:
- বারি বেগুন-১(উত্তরা)
- বারি বেগুন-২(তারাপুরি)
- বারি বেগুন-৪(কাজল)
- বারি বেগুন-৫(নয়নতারা)

তরমুজ এর জাত:
- পদ্ম, বারি তরমুজ-১, বারি তরমুজ-২ ।

মরিচের জাত:
- ঝাল ও মিষ্টি এ ধরনের মরিচ দেখা যায়।
- ঝাল মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়া কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ খুব ঝাল।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৩৯৫.
Floriculture বলতে নিচের কোনটিকে বোঝায়?
  1. ফল চাষ
  2. ফুল চাষ
  3. সবজি চাষ
  4. গাছ উৎপাদন
ব্যাখ্যা
- উদ্যানতত্ত্ব ফসলের মধ্যে যে সব ফসল শুধু ফুলের জন্য চাষ করা হয় তাকে ফুলজাতীয় ফসল বলে।
- ফুল ও সুদৃশ্য গাছপালা উৎপাদনের কলাকৌশল পুষ্পোদ্যান বিদ্যা বা Floriculture নামে অভিহিত।

উল্লেখ্য,
- Pomology হচ্ছে ফল চাষ সম্পর্কিত।
- Olericulture হচ্ছে সবজি চাষ সম্পর্কিত।
- Arboriculture হচ্ছে গাছ (Tree) উৎপাদন সম্পর্কিত।

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৬.
শূন্য চাষ পদ্ধতি বলতে কী বুঝায়?
  1. আগাছা শূন্য জমি তৈরি
  2. বিনা চাষে ফসল ফলানো
  3. বীজ ছাড়া ফসল ফলানো
  4. সার ছাড়া ফসল ফলানো
ব্যাখ্যা
শূন্য চাষ পদ্ধতি:
- শূন্য চাষ অর্থ হচ্ছে বিনা চাষে ফসল ফলানো।
- বন্যাকবলিত এলাকায় ধানভিত্তিক ফসল বিন্যাসে শূন্য চাষ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- যেমন, বন্যার পানি নেমে গেলে মাটিতে রস থাকা অবস্থায় মসুর, ভুট্টা, রসুন ইত্যাদি রোপণ বা লাগানো যায় এবং ভালো ফলনও পাওয়া যায়।
- এতে কৃষকের ৩-৪ সপ্তাহ সময় বাঁচে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৯৭.
মিউটেশনের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিনা) কোন আইসোটোপ ব্যবহার করে?
  1. কোবাল্ট-৬০ আইসোটোপ
  2. নাইট্রোজেন-১৪ আইসোটোপ
  3. কার্বন-১৪ আইসোটোপ
  4. নাইট্রোজেন-১৫ আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিনা) মিউটেশনের মাধ্যমে উন্নত জাত উদ্ভাবনে 60Co আইসোটোপ ব্যবহার করে।
- এ জন্য গামা রে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বিনা ওয়েবসাইট।
৩৯৮.
হাইব্রিড ধান বীজের জনক কোন দেশ?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. চীন
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
চীনের কৃষি:
- পরিকল্পিত উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থার সুবিধাগুলো চীনের কৃষিব্যবস্থার উন্নয়নে খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ জনসংখ্যার দেশ হলেও চীনে খাদ্যঘাটতির কথা শোনা যায় না।
- প্রতি হেক্টরে সর্বোচ্চ পরিমাণ ধান, গম, ভুট্টা উৎপাদনের ক্ষমতা চীনা কৃষক ও বিজ্ঞানীদের কজায় রয়েছে।
- হাইব্রিড ধান বীজের জনক চীন।
- এখন পর্যন্ত চীন থেকেই সবচেয়ে বেশি হাইব্রিড ধান বীজ আমাদের দেশে আমদানি হয়।
- চীনা প্রযুক্তি শেখা ও আমাদের মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করা জরুরি হয়ে দেখা দিয়েছে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৯৯.
আরাইল, গইচা, শ্যামা প্রভৃতি আগাছার উপদ্রব কোন ফসলের ক্ষেতে দেখা যায়?
  1. আলু
  2. মুলা
  3. ধান
  4. তিল
ব্যাখ্যা
- ধানক্ষেতে সাধারণত আরাইল, গইচা, শ্যামা প্রভৃতি আগাছার উপদ্রব হয়।
- এগুলো সরাসরি হাত/নিড়ানি দ্বারা ও ঔষধ প্রয়োগ করে দমন করতে হবে।

আগাছা দমন:
- কমপক্ষে তিন বার ধানের জমিতে আগাছা দমন করতে হয়। 
i) চারা রোপণ করার ১০-১৫ দিনের মধ্যে
ii) প্রথম আগাছা দমনের পরবর্তী ১৪ দিনের মধ্যে
iii) থোড় বের হওয়ার পূর্বে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪০০.
উদ্যানতত্ত্বের যে শাখায় ফল নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে কী বলে?
  1. Floriculture
  2. Landscape
  3. Pomology
  4. Olericulture
ব্যাখ্যা
ফল বিজ্ঞান বা পোমোলজি (Pomology):
- নিষিক্ত হওয়ার পরে ফুলের গর্ভাশয় অংশ বিশেষ পরিপুষ্ট, পরিবর্ধিত ও বিকশিত হয়ে ফলে পরিণত হয়।
- অর্থাৎ এক কথায় নিষিক্ত পরিপক্ক গর্ভাশয়ই ফল।
- উদ্ভিদ বিজ্ঞানে এগুলো প্রকৃত ফল বলে।
- সব সময় নিষিক্ত পরিপক্ক গর্ভাশয় থেকে ফল উৎপন্ন হয় না।
- নিষেক ছাড়া গর্ভাশয় বিশেষ প্রক্রিয়ায় অর্থাৎ পার্থেনোজেনিটিকভাবে বা ডিম্বক সরাসরি ফলে পরিণত হয়। 
- গর্ভাশয় ছাড়াও সম্পূর্ণ পুষ্পমঞ্জুরী ফলে রূপান্তরিত হতে পারে এগুলোকে অপ্রকৃত ফল বলে। 
- প্রকৃত বা অপ্রকৃত ফল পরিণত বা পাকা অবস্থায় রান্না ছাড়াই খাওয়া হয় তাদেরকে উদ্যানতাত্বিক ফল বলে।
- উদ্যানতত্ত্বের যে শাখায় ফল নিয়ে আলোচনা করে তাকে ফল বিজ্ঞান বা পোমোলজি (Pomology) বলে।

এছাড়া,
- Floriculture হলো ফুল এবং শোভাময় উদ্ভিদ উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত। 
- Olericulture হলো সবজি চাষের বিজ্ঞান। 
- Landscape হলো বিদ্যমান নকশা পরিবর্তন করে, শোভাময় বৈশিষ্ট্য যোগ করে এবং গাছ এবং গুল্ম রোপণ করে (একটি বাগান বা জমির অন্যান্য অংশ) আরও আকর্ষণীয় করে তোলা। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।