বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৫২ / ৭২ · ৫,১০১৫,২০০ / ৭,১৯১

৫,১০১.
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন বাংলাদেশে কোন বছরে প্রণয়ন করা হয়েছিল?
  1. ১৯৯৫ সালে 
  2. ১৯৯৬ সালে 
  3. ১৯৯৮ সালে 
  4. ১৯৯৯ সালে 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন:
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন - ১৯৯৫ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনটি পরে সংশোধন করা হয়, যা বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০ নামে পরিচিত।
-  পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের মাধ্যমে - পরিবেশ অধিদপ্তর তৈরি হয়।
-  পরিবেশ অধিদপ্তর  প্রধান হবে-  একজন মহাপরিচালক৷
-  এ আইনের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সামগ্রী উৎপাদন, বিক্রয় ইত্যাদির উপর বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়।
-  ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য উৎপাদন, আমদানি, মওজুদকরণ, বোঝাইকরণ, পরিবহণ, ইত্যাদি সংক্রান্ত বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়।
-  জাহাজ কাটা বা ভাঙার কারণে সৃষ্ট দূষণ সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ নিষেধ আরোপ করা হয়।
- জলাধার হিসেবে চিহ্নিত জায়গা ভরাট বা অন্য কোনোভাবে শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না। 
- সরকারি বা আধা সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন বা দখলাধীন বা ব্যক্তিমালিকানাধীন পাহাড় ও টিলা কাটা যাবে না।

তথ্যসূত্র: Laws of Bangladesh

৫,১০২.
নিচের কোন জ্বালানিটি পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হচ্ছে?
  1. ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. খ) তেল
  3. গ) কয়লা
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত।
- এতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি করা কয়লা।
- ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের সর্ববৃহৎ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,১০৩.
প্রবাহমান দুটো নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে কী বলে?
  1. উপত্যকা
  2. দোয়াব
  3. বদ্বীপ
  4. অববাহিকা
ব্যাখ্যা
- প্রবাহমান দুটো নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে ‘দোয়াব’ বলা হয়।
অন্যদিকে,
- যে খাতের মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় তাকে নদীর ‘উপত্যকা’ বলা হয়।
- নদীর উপত্যকার তলদেশকে ‘নদীগর্ভ’ বলে।
- উৎপত্তি স্থান থেকে শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে যে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দিয়ে নদী প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র বা হ্রদে পতিত হয় সেই সমগ্র অঞ্চলকে নদী ‘অববাহিকা’ বলে।
- নদী মোহনায় বালি, কাঁদা প্রভৃতি তলানিরূপে সঞ্চিত হয়ে যে ভূমিরূপ গড়ে তোলে তা ‘বদ্বীপ’ নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,১০৪.
আমাদের দেশে পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি
  2. গাছপালা কাটা
  3. পাহাড় কাটা
  4. নদী ভরাট করা
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা বৃদ্ধি : ক্রমাগত জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতা ও পরিবেশ দূষণ মারাত্মক আকার ধারণ করছে।
- বর্ধিত জনসংখ্যার প্রয়োজনে বনজঙ্গল, গাছপালা কেটে চাষের জমি তৈরি করা হয় বা বসতবাড়ি নির্মাণ করা হয়। গাছপালা কাটার ফলে বৃষ্টিপাত কমে যায়, খরার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়।
- অধিক জনসংখ্যা পরিবেশের ওপর অধিক চাপ সৃষ্টি করে, স্যানিটেশন ব্যবস্থাকে কলুষিত করে এবং পরিবেশের বিপর্যয় ঘটায়।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খাদ্য, বাসস্থান, যানবাহন, শিল্পকারখানা সবকিছুর চাহিদাই বৃদ্ধি পায়। অধিক খাদ্য উৎপাদন করতে অধিক কীটনাশক ও সার ব্যবহার, ভূগর্ভের পানি উত্তোলনের ফলে মৃত্তিকা দূষণ হচ্ছে। অধিক শিল্পকারখানা, যানবাহন, পানি ও বায়ুদূষণ ঘটাচ্ছে।

∴ আমাদের দেশে পরিবেশ দূষণের প্র্রধান কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি।

উৎস: এইচএসচি প্রোগ্রাম, গার্হস্থ্যবিজ্ঞান ১ম পত্র (১০ম ইউনিট), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১০৫.
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে নিচের কোনটি ঘটতে পারে?
  1. ক) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়া
  2. খ) সমুদ্রস্তরের উচ্চতা হ্রাস পাওয়া
  3. গ) এন্টার্কটিকায় বরফের সঞ্চিতি বৃদ্ধি পাওয়া
  4. ঘ) বৈশ্বিক তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়া
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে।

(তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৫,১০৬.
কত সালের বন্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৭০ সালের
  2. খ) ১৯৮৮ সালের
  3. গ) ১৯৯৮ সালের
  4. ঘ) ২০০৪ সালের
ব্যাখ্যা
বন্যা:
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ব-দ্বীপ বাংলাদেশ তথা এ ঢালু সমভূমির দেশে বিভিন্ন শতাব্দীতে বন্যা হয়েছে।
- বাংলাদেশের বন্যার ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক।
- বন্যা এলাকা প্লাবিত হয় বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষতি করে। 
- ১৯৫৪ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০৪ সালের বন্যা ছিল ভয়াবহ।
- এগুলোর মধ্যে ১৯৯৮ সালে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বন্যাটি সংঘটিত হয়।
- তখন সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১০৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের উপজেলা কোনটি?
  1. ক) তেঁতুলিয়া
  2. খ) টেকনাফ
  3. গ) শিবগঞ্জ
  4. ঘ) থানচি 
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের:
স্থান: বাংলাবান্দা
উপজেলা: তেঁতুলিয়া
জেলা: পঞ্চগড়।

• বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের:
স্থান: ছেঁড়া দ্বীপ
উপজেলা: টেকনাফ
জেলা: কক্সবাজার

• বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের: 
স্থান: আখাইনঠং
উপজেলা: থানচি 
জেলা: বান্দরবান 

• বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের: 
স্থান: মনাকষা 
উপজেলা: শিবগঞ্জ 
জেলা: চাপাইনবাবগঞ্জ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,১০৮.
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি বিস্তৃত কোন অঞ্চলে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. কুমিল্লা
  4. পার্বত্য চট্টগাম
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগাম তথা খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত।
- পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৫,১০৯.
বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট কোনটি?
  1. রাতারগুল
  2. শালবন
  3. সুন্দরবন
  4. টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট:
- বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট হলো রাতারগুল জলাবন বা রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট।
- এটি সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত।
- এই বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর।
- বনের ৫০৪ একরকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ সুন্দর বিশাল এ বনের তুলনা চলে একমাত্র আমাজনের সঙ্গে। আমাজনের মতো এখানকার গাছ বছরে ৪ থেকে ৭ মাস পানির নিচে থাকে।
- এই বন মূলত প্রাকৃতিক বন হলেও পরবর্তিতে বাংলাদেশ বন বিভাগ, বেত, কদম, হিজল, মুর্তাসহ নানা জাতের জলসহিষ্ণু গাছ লাগিয়েছে।
- এছাড়া জলমগ্ন এই বনে রয়েছে হিজল, করচ আর বরুণ গাছ, আছে পিঠালি, অর্জুন, ছাতিম, গুটি জাম, আছে বট গাছও।
- এই বনে সাপের আবাস অনেক বেশি।
- এছাড়া রয়েছে বানর, গুঁইসাপ, সাদা বক, কানা বক, মাছরাঙ্গা, টিয়া, বুলবুলি, পানকৌড়ি, ঢুপি, ঘুঘু, চিল এবং বাজপাখি।

উল্লেখ্য,
- সারা পৃথিবীতে স্বাদুপানির জলাবন আছে মাত্র ২২টি।
- ভারতীয় উপমহাদেশে আছে দুটি।
- একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,১১০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থল বন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চুয়াডাঙ্গা
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল যশোর জেলায় অবস্থিত এবং ২য় বৃহত্তম স্থলবন্দর হলো দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৫,১১১.
বাংলাদেশের  সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয় কোনটি?
  1. মিজোরাম
  2. মেঘালয়
  3.  পশ্চিবঙ্গ
  4. বিহার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য - ৫টি।
- যথা: আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

⇒ সীমান্তবর্তী স্থান:

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য নয়- বিহার।
- উত্তরে- ভারতের পশ্চিবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয় প্রদেশ।
- পূর্বে- ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম প্রদেশ এবং মিয়ানমার।
- দক্ষিণে - বঙ্গোপসাগর, আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (ভারত), মিয়ানমার।
- পশ্চিমে - ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১১২.
পৃথিবীর উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত কাল্পনিক রেখাগুলোকে কী বলা হয়?
  1. অক্ষরেখা
  2. দ্রাঘিমা রেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা

• অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা এবং দ্রাঘিমাংশ ও দ্রাঘিমা রেখা:
• দ্রাঘিমাংশ:- ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে।
দ্রাঘিমা রেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা (Latitude)।
- প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত।

অন্যদিকে,
অক্ষাংশ:- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে।
অক্ষরেখা:- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
নিরক্ষরেখা:- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
কর্কটক্রান্তি রেখা:- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
মকরক্রান্তি রেখা:- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫,১১৩.
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ কোন নদীর উপর নির্মিত হয়েছে?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. নবগঙ্গা
  4. দোনাই
ব্যাখ্যা
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ:
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ রেলসেতু।
- ২৪ হাজার ৪০০ শ্রমিক-কর্মচারীর পাঁচ বছর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এই ব্রিজ।
- পাবনা জেলার পাকশী রেলস্টেশনের দক্ষিণে পদ্মা নদীর ওপর এই সেতু অবস্থিত।
- তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের নাম অনুসারে এই সেতুর নামকরণ করা হয়।
- হার্ডিঞ্জ ব্রিজের দৈর্ঘ্য প্রায় ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার।
- ব্রিজের ওপর দুটি ব্রডগেজ রেললাইন রয়েছে। 
- এই ব্রিজে রয়েছে ১৫টি মূল স্প্যান।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পাকিস্তানি বাহিনীকে কোণঠাসা করার লক্ষ্যে মিত্রবাহিনী বিমান থেকে বোমা নিক্ষেপ করলে ব্রিজের ১২ নম্বর স্প্যানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- স্বাধীনতার পর ব্রিজটিকে মেরামত করে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,১১৪.
হাইফা কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ক) জর্ডান
  2. খ) ইসরাইল
  3. গ) বেলজিয়াম
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
হাইফা ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত ইসরাইলের প্রধান সমুদ্রবন্দর।
জর্ডানের সমুদ্রবন্দরের নাম আকাবা।
আন্টওয়ার্প বেলজিয়ামের সমুদ্রবন্দর।
জেদ্দা সৌদি আরবের সমুদ্রবন্দর।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৫,১১৫.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) পার্বত্য চট্রগ্রামের বনভূমি
  2. খ) সুন্দরবনের বনভূমি
  3. গ) টাইডাল বনভূমি
  4. ঘ) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
ব্যাখ্যা
• মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি :
-  ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত।
- এ বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্গত এবং এর আয়তন ৮৭৫ বর্গ কিমি প্রায়।

অন্যদিকে,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
- বরেন্দ্র বনভূমি হচ্ছে ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ ও বাংলাপিডিয়া।
৫,১১৬.
কোনটিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে? 
  1. সুনামি
  2. খরা
  3. বন্যা
  4. ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। 
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১১৭.
কালবৈশাখী সচরাচর কোন সময়ে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়? 
  1. জুন- জুলাই
  2. এপ্রিল-মে
  3. ফেব্রুয়ারি-মার্চ
  4. জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

কালবৈশাখী: 
- কালবৈশাখী এক ধরনের বজ্রঝড় যা সচরাচর এপ্রিল-মে (বৈশাখ) মাসে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- স্থানীয়ভাবে এ বজ্রঝঞ্ঝা কালবৈশাখী নামেই অধিক সুপরিচিত।
- ‘কাল’ শব্দের অর্থ ঋতু (season), আবার কালো বর্ণকেও বোঝানো হয়ে থাকে।
- কালবৈশাখীকে কখনও কখনও ‘কালোবৈশাখী’ নামেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে যার অর্থ কালো বর্ণের বৈশাখী মেঘ।
- মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের তাপমাত্রা পূর্ববর্তী মাসগুলির (শীতকালের মাসগুলি) তুলনায় দ্রুত বাড়তে থাকে।
- এপ্রিল মাসের মাঝামাঝিতে সারা দেশে বিশেষ করে দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে দৈনিক তাপমাত্রা সর্বোচ্চ পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
- বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর উপস্থিতি কালবৈশাখী সৃষ্টির অপরিহার্য পূর্বশর্ত।
- কালবৈশাখীর বায়ুর গড় গতিবেগ ঘন্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিমি।
- কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ গতিবেগ ঘন্টায় ১০০ কিমি-এর বেশিও হতে পারে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]

৫,১১৮.
'SPARRSO' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) মহাখালী
  4. ঘ) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা

- SPARRSO এর পূর্ণরূপ- Space Research and Remote Sensing Organisation (মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র)।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।
উৎসঃ স্পারসোর ওয়েবসাইট।

৫,১১৯.
ক্ষুদ্রতম মহাদেশ :
  1. ক) অস্ট্রেলিয়া
  2. খ) ইউরোপ
  3. গ) আফ্রিকা
  4. ঘ) দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
Word Atlas এর তথ্য অনুসারে বিভিন্ন মহাদেশের আয়তন -
১. এশিয়া - ৪৪,৫৭৯,০০০ বর্গকিলোমিটার;
২. আফ্রিকা - ৩০,৩৭০,০০০ বর্গকিলোমিটার;
৩. উত্তর আমেরিকা - ২৪,৭০৯,০০০ বর্গকিলোমিটার;
৪. দক্ষিণ আমেরিকা - ১৭,৮৪০,০০০ বর্গকিলোমিটার; 
৫. এন্টার্কটিকা - ১৪,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার;
৬. ইউরোপ - ১০,১৮০,০০০ বর্গকিলোমিটার;
৭. অস্ট্রেলিয়া - ৮,৫২৫,৯৮৯ বর্গকিলোমিটার;

অস্ট্রেলিয়া মহাদেশকে ওশেনিয়া মহাদেশও বলা হয়।
Australia is the world’s smallest continent and second least populated.
- The term Oceania is also used to describe this region in order to differentiate it from the country of Australia. However, Oceania is not a continent but is instead a continental grouping.
- অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের একমাত্র দেশ - যা একই সাথে মহাদেশও বটে।

সূত্র: ওয়ার্ড এটলাস।
৫,১২০.
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নিয়ে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মামলায় আন্তর্জাতিক আদালত কবে রায় দেন?
  1. ১৪ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সালে
  2. ১৪ই মার্চ, ২০১২ সালে
  3. ১৪ই মে, ২০১২ সালে
  4. ১৪ই জুন, ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- মিয়ানমার ও ভারতের দাবিকৃত সমদূরত্ব পদ্ধতিতে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা ১৩০ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে সীমাবন্ধ হয়ে পড়েছিল।
- তাতে বাংলাদেশ পেত ৫০,০০০ বর্গকিলোমিটারের কম জলসীমা।
- বঙ্গোপসাগরের জলসীমা নির্ধারণ ও সমুদ্র সম্পদের উপর অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ১৪ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সালে মিয়ানমারের বিপক্ষে জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক ট্রাইব্যুনালে এবং ভারতের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত সালিশ ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করে।
⇒ ১৪ই মার্চ, ২০১২ সালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মামলায় আন্তর্জাতিক আদালত বাংলাদেশের ন্যায্যভিত্তিক দাবির পক্ষে ঐতিহাসিক রায় পায়।
- এ রায়ের ফলে বাংলাদেশ প্রায় এক লক্ষ বর্গকিলোমিটারেরও বেশি জলসীমা পেয়েছে।

এছাড়াও,
- এ রায়ের মাধ্যমে সেন্টমার্টিন্স দ্বীপকে উপকূলীয় বেজলাইন ধরে ১২ নটিক্যাল মাইল রাষ্ট্রাধীন সমুদ্র এলাকা (Territorial sea) এবং ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল বা একান্ত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive economic zone) পেয়েছে।
- প্রাপ্ত এই জলরাশি ও তলদেশে এবং তার বাইরে মহীসোপান এলাকার সকল খনিজ সম্পদে বাংলাদেশের সার্বভৌম অধিকার নিশ্চিত হয়েছে।
-  এই হিসেবে উপকূল থেকে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত সাগরের তলদেশে বাংলাদেশের মহীসোপান রয়েছে (১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার)।
- অর্থাৎ বাংলাদেশের উপকূলীয় ভূখণ্ড সমুদ্রে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যার ভৌগোলিক নাম মহীসোপান।

সূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৫,১২১.
'Mobarokpur Gas Field' is located in -
  1. ক) Netrokona
  2. খ) Hobigonj
  3. গ) Moulivibazar
  4. ঘ) Pabna
  5. ঙ) None of these
ব্যাখ্যা
- মোবারকপুর গ্যাস ক্ষেত্র পাবনায়  অবস্থিত। 
- ২০১৭ এই গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। 
 
উৎস : সমকাল 
৫,১২২.
বাংলাদেশের মিঠা পানির মাছের প্রধান উৎস-
  1. ক) হাকালুকি বিল
  2. খ) তামাবিল
  3. গ) বিল ডাকাতিয়া
  4. ঘ) চলনবিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল- চলনবিল। চলন বিল বিস্তৃত পাবনা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী ও নাটোর জেলায়। এটি বাংলাদেশের মিঠা পানির মাছের প্রধান উৎস।
৫,১২৩.
ইসরাইল ও জর্ডানকে বিভক্তকারী সীমারেখা কোনটি?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. গ্রিন লাইন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা
গ্রিন লাইন:
- ইসরাইল ও জর্ডানের মধ্যকার সীমারেখা।

অন্যদিকে: 
- ভারত-চীনের মধ্যে চিহ্নিত সীমারেখা - ম্যাকমোহন লাইন।
- ডুরান্ড লাইন হল পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক সীমারেখা। 
- ইসরাইল ও সিরিয়াকে বিভক্তকারী সীমারেখা - পার্পল লাইন হলো

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,১২৪.
স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাক কী নামে পরিচিত?
  1. ট্রপোবিরতি
  2. স্ট্রাটোবিরতি
  3. মেসোবিরতি
  4. থার্মোবিরতি
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere): 
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমন্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

উল্লেখ্য, 
- এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি শুষে নেয়।
- এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না।
- ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১২৫.
নিম্নের কোনটি রূপান্তরিত শিলা?
  1. কয়লা
  2. চুনাপাথর
  3. গ্রানাইট
  4. নিস
ব্যাখ্যা

শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ, রাসায়নিক ক্রিয়া প্রভৃতির ফলে রূপ পরিবর্তন করে যে নতুন শিলায় পরিণত হয় তা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।

বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট, 
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, 
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।

অন্যদিকে,
- গ্রানাইট : আগ্নেয় শিলা
- কয়লা ও চুনাপাথর : পাললিক শিলা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি। 

৫,১২৬.
কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক) বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি
  2. খ) ওজোন সূর্যরশ্মির প্রখরতা নষ্ট করে
  3. গ) বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্প থাকে বলেই মেঘের উদ্ভব হয়
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বেশি। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
৫,১২৭.
গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় -
  1. ক) ৬ ঘন্টা আগে
  2. খ) ৬ ঘন্টা পরে
  3. গ) ৫ ঘন্টা আগে
  4. ঘ) ৫ ঘন্টা পরে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে।
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। অন্যদিকে, গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে।
সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও ভূগোল ও পরিবেশ।

৫,১২৮.
বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার বিশেষ বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. মহাদেশীয় বায়ুপ্রবাহ
  2. উত্তরের বাতাস
  3. কালবৈশাখী ঝড়
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- এপ্রিল মাসে গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮° সেলসিয়াস এবং এটি বছরের উষ্ণতম মাস।
- বাংলাদেশের গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার বিশেষ বৈশিষ্ট্য কালবৈশাখী ঝড়।
- এসময় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের প্রায় এক পঞ্চমাংশ সংঘটিত হয় এবং গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় ৫১ সেন্টিমিটার।
- এ ঋতুতে বাংলাদেশের দক্ষিণ দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুপ্রবাহ অধিক উত্তাপের ফলে উপরে উঠে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ুপ্রবাহের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়ে বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টি হয় যা কালবৈশাখী ঝড় নামে পরিচিত।
- কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে শিলাবৃষ্টিও হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- উত্তরের বাতাস ও মহাদেশীয় বায়ুপ্রবাহ বাংলাদেশের শীতকালীন আবহাওয়ার বৈশিষ্ট্য। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১২৯.
মহীসোপান কত ডিগ্রি কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে?
  1. ৮°
  2. ৫°
  3. ৩°
  4. ১°
ব্যাখ্যা
মহীসোপান:
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে মহীসোপান বলে।
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং   ভূগোল ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৩০.
নিচের কোনটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সাধারণ ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভুক্ত?
  1. নদীর দুই তীরে ঘন জঙ্গল সৃষ্টি করা
  2. পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা
  3. নদীর দু'তীরে বেড়িবাঁধ দেওয়া
  4. ড্রেজারের মাধ্যমে নদীর তলদেশ খনন
ব্যাখ্যা
বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা:
১) সাধারণ ব্যবস্থাপনা।
২) শ্রমসাধ্য ও ব্যয়বহুল প্রকৌশল ব্যবস্থাপনা।
৩) সহজ প্রকৌশলগত ব্যবস্থাপনা।

⇒ সাধারণ ব্যবস্থাপনা:
• সহজে স্থানান্তরযোগ্য বসতি তৈরি করা।
• নদীর দুই তীরে ঘন জঙ্গল সৃষ্টি করা।
• নদী-শাসন ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করা।
• বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন।
• পুকুর, নালা, বিল প্রভৃতি খনন করা এবং সেচের পানি সংরক্ষণ করা।
• প্রতি বছর বন্যা মোকাবেলার জন্য সরকারিভাবে স্থায়ী প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,১৩১.
কোনটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা?
  1. সোনাদিয়া দ্বীপ
  2. আঁড়িয়াল বিল
  3. চলন বিল
  4. কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত
ব্যাখ্যা
• প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
→ পরিবেশ অথবা জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হলে ওই এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ বলা হয়।
→ ইংরেজিতে বলা হয় - Ecologically Critical Areas (ECAs)
→ সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
→ এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
এলাকাগুলো যথাক্রমে- সুন্দরবন (১৯৯৯), কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত (১৯৯৯), সেন্টমার্টিন দ্বীপ (১৯৯৯), সোনাদিয়া দ্বীপ (১৯৯৯), হাকালুকি হাওর (১৯৯৯), টাঙ্গুয়ার হাওর (১৯৯৯), মারজাত বাঁওড় (১৯৯৯), গুলশান-বািরধারা লেক (২০০১), বুড়িগঙ্গা নদী (২০০৯), তুরাগ নদী (২০০৯), বালু নদী (২০০৯), শীতলক্ষ্যা নদী (২০০৯) ও জাফলং-ডাউকি নদী (২০১৫)।

তথ্যসূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
৫,১৩২.
সাগরকন্যা কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?
  1. ক) টেকনাফ
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) পটুয়াখালী
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা।
একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

Source: patuakhali.gov.bd
৫,১৩৩.
কয়লা রূপান্তরিত হয়ে কীসে পরিণত হয়?
  1. গ্রাফাইট
  2. স্লেট 
  3. গ্রানাইট 
  4. মার্বেল
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks):
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
যেমন:
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস;
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

৫,১৩৪.
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ কী দ্বারা গঠিত?
  1. চুনাপাথর, শেল ও বেলেপাথর
  2. মাটি, পাথর ও শিলা
  3. বেলেপাথর, শেল ও কর্দম
  4. চুনাপাথর, মার্বেল ও গ্রানাইট
ব্যাখ্যা
ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
- এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৩৫.
বাংলাদেশের সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৭১০ কিলোমিটার
  2. ৭১২ কিলোমিটার
  3. ৭১৬ কিলোমিটার
  4. ৭৩৬ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,১৩৬.
"সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড" কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পূর্বে
  2. খ) সিন্ধু নদীর মোহনার উত্তরে
  3. গ) গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে
  4. ঘ) মিসিসিপি বদ্বীপের পশ্চিমে
ব্যাখ্যা
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground)  খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। 
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের আরও কিছু বদ্বীপমুখী খাদ দেখতে পাওয়া যায়, যেমন সিন্ধু নদীর মোহনার অদূরে সিন্ধু খাদ, মিসিসিপি বদ্বীপের পশ্চিম পাশে মিসিসিপি খাদ। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
৫,১৩৭.
বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের (CO2) পরিমাণ কত?
  1. ০.৪১%
  2. ০.০৩%
  3. ২০.৭১%
  4. ৭৮.০২%
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (N₂) ও অক্সিজেন (O₂)।
- এই দুটি গ্যাস মিলিয়ে বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৯৮.৭৩ শতাংশ গঠন করে।
- নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, এটি প্রায় ৭৮.০২ শতাংশ।
- অপরদিকে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ শতাংশ, এটি জীবজগৎ শ্বাস-প্রশ্বাস ও জ্বালনির জারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- বায়ুমণ্ডলে এই দুই গ্যাসের ভারসাম্য জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

• বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহ হলো-
• নাইট্রোজেন (৭৮.০২%),
• অক্সিজেন (২০.৭১%),
• আর্গন (০.৮০%),
• কার্বন-ডাই-অক্সাইড (০.০৩%),
• জলীয় বাষ্প (০.৪১%) ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,১৩৮.
প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি কোনটি?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. লালমাই পাহাড়
  4. গারো পাহাড়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি :
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ। 
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- বরেন্দ্রভূমি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

• লালমাই পাহাড়:
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৩৯.
চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি নিচের কোন জেলায় দেখা যায়?
  1. কুমিল্লা
  2. রাঙামাটি 
  3. রংপুর 
  4. দিনাজপুর 
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ) দিনাজপুর রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

৫,১৪০.
জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে কয়টি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল (Forest of Bangladesh): 
- বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- কোনো দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- কিন্তু বাংলাদেশ বন অধিদপ্তর কর্তৃক ২০১৭ সালের হিসাব অনুযায়ী ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ শতকরা প্রায় ১৭.৪৭৯১ ভাগ।
- জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা: 
১। ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা গাছের বনভূমি (দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়), 
২। ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি (মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়, বরেন্দ্রভূমি), 
৩। স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,১৪১.
যমুনা নদী কোথায় পতিত হয়েছে?
  1. ক) পদ্মায়
  2. খ) বঙ্গোপসাগরে
  3. গ) ব্রহ্মপুত্র
  4. ঘ) মেঘনায়
ব্যাখ্যা
• যমুনা (Jamuna): 
- জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। এটি গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পূর্বদিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের অন্যতম নদী।
- যমুনার প্রধান উপনদী হলো ধরলা, তিস্তা, করতোয়া ও আত্রাই।
- এছাড়া যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা। 

অন্যদিকে, 
- মেঘনা নদীর উপনদীগুলো হলো - শীতলক্ষ্যা, গোমতি, ডাকাতিয়া, ধলেশ্বরী, ব্রহ্মপুত্র।  

তথ্যসূত্র:- ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৪২.
‘গারুদা’ কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. ক) নেপাল
  2. খ) লিবিয়া
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) ওমান
ব্যাখ্যা
গারুদা ইন্দোনেশিয়ার বিমান সংস্থার নাম।
Source: World Atlas
৫,১৪৩.
বাংলাদেশের একমাত্র খনিজ তেল আবিষ্কৃত হয় কবে?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
খনিজ তেল: 
- ১৯৮৬ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে প্রাকৃতিক গ্যাসের সপ্তম কূপে তেল পাওয়া গেছে।
- এ কূপ থেকে দৈনিক প্রায় ৬০০ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল তোলা হচ্ছে।
- অপরিশোধিত তেল চট্টগ্রামের তেল শোধনাগারে পরিশোধন করা হয়।
- পরিশোধিত তেল থেকে পেট্রোল, কেরোসিন, বিটুমিন ও অন্যান্য দ্রব্য পাওয়া যায়।
- মৌলভীবাজার জেলার বরমচালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় তেলক্ষেত্রটি অবস্থিত।
- এ ক্ষেত্র থেকে দৈনিক প্রায় ১,২০০ ব্যারেল তেল উত্তোলিত হয়।

উৎস: ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১৪৪.
বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

হরিপুর খনিজ তেলক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্র হলো হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- সিলেটের হরিপুরে ১৯৮৬ সালে এটি আবিষ্কৃত হয় এবং
- ১৯৮৭ সালে এখান থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।

উল্লেখ্য, 
- প্রাথমিক জরিপের হিসাব অনুযায়ী, হরিপুর তেলক্ষেত্রে অন্তত ১ কোটি (বা ১০ মিলিয়ন) ব্যারেল তেল মজুত রয়েছে। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত এই সাত বছরে তেলক্ষেত্রটি থেকে মোট প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়। অর্থাৎ তেলক্ষেত্রে যে মজুত, তার মাত্র ৫ শতাংশ তেল উত্তোলন করা হয়। মাটির নিচে রয়ে যায় বাকি প্রায় ৯৫ শতাংশ তেল।

সূত্র: প্রথম আল [লিঙ্ক]। 

৫,১৪৫.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউজ গ্যাস?
  1. ক) মিথেন
  2. খ) কার্বন মনোক্সাইড
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে বড় ভূমিকা পালন করছে। এক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রিনহাউসের বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদের মত।
পৃথিবীতে আসা সূর্যালোক ভূপৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডল উত্তপ্ত করে৷ মানুষের বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপ যেমন- কাঠ কয়লা পোড়ানো, গাছ কাটা, কলকারখানার ধোঁয়া ইত্যাদি কারণে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন ইত্যাদির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
এ গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রিনহাউস গ্যাস।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৫,১৪৬.
নিচের কোনটি নদ?
  1. ভৈরব
  2. আড়িয়াল খাঁ
  3. সিন্ধু
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
‘নদ’ আর ‘নদী’ 
- ‘নদ’ আর ‘নদী’ পার্থক্য শুধুমাত্র ব্যাকরণগত।
- যে সকল নদীর নাম পুরুষবাচক তারা নদ।
- যেমন - ব্রহ্মপুত্র, কপোতাক্ষ, কুমার, দুধকুমার, ভৈরব, আড়িয়াল খাঁ, সিন্ধু, নীল, আমাজন প্রভৃতি। 

- আর যে সকল নদীর নাম নারীবাচক তারা নদী।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, সুরমা, গঙ্গা, বুড়িগঙ্গা এইসব নদী।

উল্লেখ্য, 
- শাখানদী থাকা না থাকার উপর ভিত্তি করে নদ ও নদীর পার্থক্য করা হয় না। 
- নদ বা নদী; যাই হোক না কেন,  এইসব জলাধারই নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রানস্বরুপ। তাই এদেশের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যহত রাখতে নদ-নদী সহ সকল জলাশয়ের পরিবেশ সংরক্ষণে সকলের দায়িত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা আবশ্যক।

তথ্য - ১.নদী ও নারী, হুমায়ূন কবির।
২. বাংলাদেশের নদ এবং নদী, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন। লিংক
৫,১৪৭.
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে -
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. দার্দানেলিস প্রণালী
  4. পানামা খাল
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:

- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র - এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৫,১৪৮.
পশুর নদীর তীরে কোন বন্দর অবস্থিত?
  1. পায়রা বন্দর
  2. মোংলা বন্দর
  3. মাতারবাড়ি বন্দর
  4. চট্টগ্রাম বন্দর
ব্যাখ্যা
• পশুর নদী:
- পসুর নদী (Pasur River)  সুন্দরবনের এক অতি বৃহৎ নদী, প্রকৃতপক্ষে রূপসা নদীরই বর্ধিত রূপ।
- পশুর নদীর তীরে মোংলা বন্দর অবস্থিত।
- এটি আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপদ্বয়ের ডানদিক দিয়ে মংলা বন্দরের দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- প্রায় ১৪২ কি. মি. দীর্ঘ ও ৪৬০ মিটার থেকে ২.৫ কি. মি প্রশ্ন এই নদীর গভীরতা এত বেশি যে, সারা বছর সমুদ্রগামী জাহাজ এর মোহনা দিয়ে অনায়াসে মংলা সমুদ্রবন্দরে প্রবেশ করতে পারে।
- খুলনা-বরিশাল নৌপথ হিসেবে পশুর নদী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,১৪৯.
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী সীমারেখা কোনটি?
  1. সনোরো লাইন
  2. ম্যাজিনো লাইন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. হিন্ডেনবার্গ লাইন
ব্যাখ্যা

সনোরা লাইন:
- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন।
- এটি মেক্সিকোর সনোরা প্রদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্য থেকে পৃথক করেছে।
- ১৮৫৩ সালে এই সীমান্ত রেখা ভাগ করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- ম্যাজিনো লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: Britannica.

৫,১৫০.
'সালদা' গ্যাসক্ষেত্রটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. খাগড়াছড়ি
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা

- সালদা গ্যাসক্ষেত্র, তিতাস গ্যাসক্ষেত্র গ্যাসক্ষেত্র ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থিত।
- সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্রটি খাগড়াছড়িতে অবস্থিত।
- সুন্দলপুর গ্যাসক্ষেত্রটি নোয়াখালীতে অবস্থিত।
- 'কামতা' গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত গাজিপুরে।
- এটি ১৯৮১ সালে যাত্রা শুরু করে।
- মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্র অবস্থিত মৌলভীবাজারে।

৫,১৫১.
মেক্সিকো উপসাগরের পরিবর্তিত নতুন নাম কী?
  1. গালফ অব ইউএস
  2. গালফ অব আমেরিকা
  3. গালফ অব ইউরোপ
  4. গালফ অব মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
মেক্সিকো উপসাগর:
- মেক্সিকো উপসাগর অ্যাটলান্টিক মহাসাগরের একটি প্রান্তিক সাগর।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কিউবাকে পৃথক করা এই উপসাগরের প্রায় পুরোটাই পড়েছে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে।
- এ উপসাগরটি মেক্সিকো উপসাগর নামেই পরিচিত ছিল।
- সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে সম্প্রতি ‘গালফ অব মেক্সিকো’র নাম বদলে ‘গালফ অব আমেরিকা’ করেছেন।
- একই সাথে ৯ ফেব্রুয়ারি তারিখকে 'গাল্ফ অফ আমেরিকা ডে' হিসাবে চিহ্নিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৫,১৫২.
নিচের কোন জেলায় প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ রয়েছে?
  1. কুমিল্লা
  2. নাটোর
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

উৎস:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৫৩.
বাংলাদেশের কোন জেলায় গারো পাহাড় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) খুলনা
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
গারো পাহাড়:
- গারো পাহাড় বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, পূর্ব-পশ্চিম বরাবর বিস্তৃত একটি পর্বতশ্রেণী।
- গারো পাহাড় মূলত পূর্ব গারো পাহাড়, পশ্চিম গারো পাহাড় এবং দক্ষিণ গারো পাহার এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত।
- এর ভৌগোলিক অবস্থান ৮৯°৫০´ পূর্ব হতে ৯০°৫০´ পূর্ব অক্ষাংশ এবং ২৮°০৮´ উত্তর হতে ২৬°০১´ উত্তর  দ্রাঘিমাংশে এর আয়তন প্রায় ৮১৬৭ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ জেলাসমূহ গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এবং এই অঞ্চলসমূহ এই পাহাড়ের পাদদেশীয় পালিজ সমৃদ্ধ।
- গারো পাহাড়ের উত্তর এবং উত্তর পশ্চিমে রয়েছে আসাম এবং পূর্বে মেঘালয়ে খাসি পাহাড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,১৫৪.
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও যেসব প্রভাব পড়বে- 
  1. আবাদী জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া
  2. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে না নামা 
  3. কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস 
  4. বিশুদ্ধ খাবার পানি বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু পরিবর্তন:
- বাংলাদেশের উপর প্রভাব জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও বিভিন্ন নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
- নিম্নে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপরও যেসব প্রভাব পড়বে সেগুলো উল্লেখ করা হলো।
১. উপকূলীয় অঞ্চলের জমিতে লবনাক্ততার পরিমাণ বৃদ্ধি,
২. কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস,
৩. অধিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি,
৪. দেশের উত্তরাংশসহ বিস্তীর্ণ এলাকা খরায় আক্রান্ত হওয়া,
৫. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া,
৬. আবাদী জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া,
৭. মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ যেমন- অতিরিক্ত লবনাক্ততায় মৎস্য প্রজাতির বিলুপ্তি দেখা যাচ্ছে।
৮. বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৫৫.
রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয় কোনটি?
  1. চীন
  2. লাটভিয়া
  3. সুইডেন
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• সুইডেন রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়।

- রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি। যথা-
• আজারবাইজান।
• বেলারুশ।
• চীন।
• এস্তোনিয়া।
• ফিনল্যান্ড।
• জর্জিয়া।
• কাজাখস্তান।
• লাটভিয়া।
• লিথুয়ানিয়া।
• মঙ্গোলিয়া।
• উত্তর কোরিয়া।
• নরওয়ে।
• পোল্যান্ড।
• ইউক্রেন।

উৎস: Worldatlas.com.
৫,১৫৬.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের অতি তীব্র খরাপ্রবণ অঞ্চল?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. চাপাইনবাবগঞ্জ
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল:
- অতি তীব্র: রাজশাহী ও চাপাইনবাবগঞ্জ,
- তীব্র: দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর জেলা এবং টাঙ্গাইল জেলার অংশবিশেষ,
- মাঝারি: রংপুর ও বরিশাল জেলা এবং দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও যশোর জেলার অংশবিশেষ,
- সামান্য: তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার পললভূমি এলাকা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৫৭.
কর্কটক্রান্তি ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দুটি বাংলাদেশের কোন জেলায় পড়েছে?
  1. দিনাজপুর
  2. ফরিদপুর
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
- কর্কটক্রান্তি রেখাবাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- চারটি উত্তর দক্ষিণ রেখা এবং তিনটি পূর্ব পশ্চিম রেখা, সব মিলিয়ে ১২ জায়গায় ছেদ করেছে।
- ১২টি বিন্দুর ১০টি বিন্দুই পড়েছে সাগরে-মহাসাগরে, সেখানে কেউ যেতে পারে না।
- এর মধ্যে শুধু দুটি ছেদ বিন্দু পড়েছে স্থলভাগে।
- এর একটি পড়েছে সাহারা মরুভূমিতে, সেখানেও কেউ যেতে পারে না।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৫,১৫৮.
'নাগার্নো কারাবাখ' কোন দুটি দেশের করিডোর?
  1. ক) আজারবাইজান-আর্মেনিয়া
  2. খ) আর্মেনিয়া- লাটভিয়া
  3. গ) কাজখস্তান-আজারবাইজান
  4. ঘ) রাশিয়া-আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
নাগার্নো কারাবাখ হলো আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। এটি দক্ষিণ ককেশাসে আজারবাইজানের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি ছিটমহল/করিডোর। এর আয়তন প্রায় ১৭০০ বর্গমাইল।
- আর্মেনীয় খ্রিস্টান অধ্যুষিত এ অঞ্চলটি সোভিয়েত আমলে একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ছিলো। ১৯৮৮ সালে আজারবাইজান এটি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিলে আর্মেনীয় খ্রিস্টান মিলিশিয়াদের সাথে রক্তাক্ত লড়াই শুরু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হয় এবং তখন এটির নিয়ন্ত্রণ আর্মেনিয়ার হাতে চলে যায়। একই সময়ে আজারবাইজানের আরও ৭টি জেলাও আর্মেনিয়া দখল করে নেয়।
- বিরোধপূর্ণ নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ থেকে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ছয় সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ৯ নভেম্বর ২০২০ রাশিয়ার মধ্যস্থতায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির ফলে আজারবাইজান নাগার্নো কারাবাখের সাতটি অঞ্চলের পাঁচটির উপর তার নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করে।

সূত্রঃ সাম্প্রতিক সমাচার, আনাদুলো এজেন্সি ও আল-জাজিরা রিপোর্ট, এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড
৫,১৫৯.
'নরওয়েস্টার' বলতে কোনটিকে বোঝানো হয়?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. কালবৈশাখী
  3. ঝড়ো বাতাস
  4. সুনামি
ব্যাখ্যা

কালবৈশাখী ঝড়: 
- কালবৈশাখী ঝড় গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- তীব্র গতি সম্পন্ন কালবৈশাখী ঝড় দেশের প্রচুর ক্ষতি করে।
- দেশে মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বজ্রঝড় হয়।
- আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে, সব কালবৈশাখীই বজ্রঝড়।
- কিন্তু সব বজ্রঝড় কালবৈশাখী নয়।
- মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত যেসব বজ্রঝড় হয় সেগুলো আসলে কালবৈশাখী।
- এর ইংরেজি প্রতিশব্দের সঙ্গে মিলিয়ে বলা যায়, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা বায়ুর কারণে এই ঝড়বৃষ্টি হয়।
- তাই একে ইংরেজিতে ‘নরওয়েস্টার’ বলে।
- বাংলাদেশের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বৃষ্টিপাত কালবৈশাখীর দ্বারা সংঘটিত হয়।
-গ্রীষ্মকালীন বৃষ্টিপাত ধান, পাট ও আখ চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

৫,১৬০.
ফারাক্কা বাঁধ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. ত্রিপুরা
  2. আসাম
  3. মিজোরাম
  4. পশ্চিমবঙ্গ 
ব্যাখ্যা

ফারাক্কা বাঁধ:
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গা নদীর ওপর ফারাক্কা বাঁধের অবস্থান।
- ফারাক্কা বাঁধ চালু হয় ১৯৭৫ সালে।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- এর অবস্থান বাংলাদেশ থেকে ১৮ মাইল উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা।

৫,১৬১.
SPARRSO বর্তমানে কোন মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে?
  1. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  2. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  4. পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
SPARRSO:
- SPARRSO, যা সম্পূর্ণরূপে Bangladesh Space Research and Remote Sensing Organization হিসেবে পরিচিত, একটি প্রযুক্তিভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্থানান্তরিত হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা এটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্পারসোকে দেশ এবং বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য "ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট" হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
- SPARRSO ঢাকা শহরের আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য, SPARRSO বর্তমানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তথ্যসূত্র: SPARRSO এর ওয়েবসাইট।
৫,১৬২.
Which fortified border line built by France on the German-French border to prevent German invasion?
  1. Maginot Line
  2. Oder–Neisse line
  3. Durand Line
  4. Sonora Line
  5. None of above
ব্যাখ্যা
ম্যাজিনো লাইন:
- জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত বরাবর নির্মিত দুর্ভেদ্য লাইন ম্যাজিনো লাইন।
- ফ্রান্স ১৯৩০ এর দশকে এটি নির্মাণ করে।
- জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

উৎস: Britannica.
৫,১৬৩.
কক্সবাজারের জলবায়ুকে কেমন জলবায়ু বলা হয়?
  1. চরমভাবাপন্ন
  2. অনিয়তভাবাপন্ন
  3. মৃদুভাবাপন্ন
  4. নিয়তভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা

• সমুদ্র থেকে দূরত্ব:
- সমুদ্র হতে দূরত্ব জলবায়ুতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে।
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে।
- যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন।
- সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়।
- এ কারণে সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন ও দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
- স্থলভাগের চেয়ে জলভাগ অনেক ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়। কারণ পানির আপেক্ষিক তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি।
- অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সমুদ্রের পানি উত্তপ্ত হতে যে পরিমাণ তাপের দরকার হয় তার সমপরিমাণ মাটি উত্তপ্ত হতে তার থেকে কম তাপ দরকার হয়।
- তবে সৌরতাপ ভূমি অপেক্ষা সমুদ্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করে তাপ বিস্তার করে।
- এ কারণেই অনেক দীর্ঘ সময়ে সমুদ্র উত্তপ্ত হয়।
- আবার তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে সমুদ্র পুনরায় ধীরে ধীরে তাপ হারায় যা ভূমির ক্ষেত্রে আরও দ্রুত হয়। ফলে সমুদ্র ঠান্ডা হতেও দীর্ঘ সময় লাগে।
- মূলত এ কারণেই গ্রীষ্মকালে উপকূলীয় এলাকা ভূ-ভাগের অভ্যন্তরের তুলনায় শীতল হয় এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৬৪.
মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বনভূমি কোনটি?
  1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি
  2. স্রোতজ বনভূমি
  3. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ:
- বনভূমি থেকে যে সকল সম্পদ পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- যে কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- মাটির গুণাগুণ ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- যথা :
১. ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩. স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের আয়তন ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কি.মি. এবং সরকার নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৩ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১৫.৫৮%।
- বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রত বনভূমির পামিাণ প্রায় ১৬ লক্ষ হেক্টর যা দেশের আয়তনের প্রায় ১০.৭৪।
- বাংলাদেশের বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পারিমাণ দেশের মোট আয়তনের ২২.৩৭%।
- ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের বনাঞ্চল রয়েছে।
- যেমন: পাহাড়ী বন, প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন, সৃজিত উপকূলীয় বন, শালবন, জলাভূমির বন ইত্যাদি।

উৎস: i) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৬৫.
শনি গ্রহের তাপমাত্রা কত?
  1. -১১০° সেলসিয়াস
  2. -১৪০° সেলসিয়াস
  3. -১৯৫° সেলসিয়াস
  4. -২০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের তাপমাত্রা:
- প্রতিটি গ্রহের গড় তাপমাত্রা একটি গ্রহ সূর্য থেকে যত দূরে থাকে গ্রহের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ততই শীতল হতে থাকে।
- শুক্র ব্যতিক্রম, কারণ সূর্যের সান্নিধ্য এবং এর ঘন বায়ুমণ্ডল এটিকে আমাদের সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ করে তোলে।
- আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলির গড় তাপমাত্রা হল:
• বুধ: ১৬৭° সেলসিয়াস।
• শুক্র: ৪৬৪° সেলসিয়াস।
• পৃথিবী: ১৫° সেলসিয়াস।
• মঙ্গল: -৬৫° সেলসিয়াস।
• বৃহস্পতি: -১১০° সেলসিয়াস।
• শনি: -১৪০° সেলসিয়াস।
• ইউরেনাস: -১৯৫° সেলসিয়াস।
• নেপচুন: -২০০° সেলসিয়াস।
• বামন গ্রহ প্লুটো: -২২৫° সেলসিয়াস।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট। [link]
৫,১৬৬.
বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট অবস্থিত -
  1. সিলেট
  2. বাগেরহাট
  3. রাঙামাটি
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট:
- বাংলাদেশের একমাত্র মিঠাপানির জলাবন বা সোয়াম্প ফরেস্ট এবং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হলো রাতারগুল জলাবন।
- এটি সিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত।
- বনের আয়তন ৩,৩২৫.৬১ একর।
- বনের ৫০৪ একরকে ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারতীয় উপমহাদেশে স্বাদুপানির জলাবন আছে দুটি।
- একটি শ্রীলংকায়, আরেকটি বাংলাদেশের রাতারগুল।
- বিশাল এ বনের তুলনা চলে একমাত্র আমাজনের সঙ্গে।
- আমাজনের মতো এখানকার গাছ বছরে ৪ থেকে ৭ মাস পানির নিচে থাকে।
- এই বন মূলত প্রাকৃতিক বন হলেও পরবর্তিতে বাংলাদেশ বন বিভাগ, বেত, কদম, হিজল, মুর্তাসহ নানা জাতের জলসহিষ্ণু গাছ লাগিয়েছে।
- এছাড়া জলমগ্ন এই বনে রয়েছে হিজল, করচ আর বরুণ গাছ, আছে পিঠালি, অর্জুন, ছাতিম, গুটি জাম, আছে বট গাছও।
- এছাড়া রয়েছে বানর, গুঁইসাপ, সাদা বক, কানা বক, মাছরাঙ্গা, টিয়া, বুলবুলি, পানকৌড়ি, ঢুপি, ঘুঘু, চিল এবং বাজপাখি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,১৬৭.
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র কোনটি?
  1. মালদ্বীপ
  2. ভ্যাটিকান সিটি
  3. টুভ্যালু
  4. মোনাকো
ব্যাখ্যা
ভ্যাটিকান সিটি
- ভ্যাটিকান সিটি একটি নগর রাষ্ট্র।
- এটি The Holy See নামেও পরিচিত।
- ভ্যাটিকান সিটি সম্পূর্ণভাবে রোমের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
- আগে এটি ইটালির অধীনে ছিল। 
- ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৯ ইতালির সাথে Lateran pacts নামক চুক্তির মাধ্যমে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। 
- ভ্যাটিকান সিটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত বিশ্বের সবচেয়ে ছোট দেশ। 
- এর আয়তন ০.৪৪ বর্গকিমি।
- এই দেশের জনসংখ্যা প্রায় ৮০০।
- সারা বিশ্বের ক্যাথলিক চার্চগুলোর প্রাণকেন্দ্র এই ভ্যাটিকান। 

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৫,১৬৮.
ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে প্রধানত বাংলাদেশকে কয়টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?  
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা

ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত ৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ,
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি,


টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা- (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও (খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।


প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভ, মি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভ, মি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।


• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,১৬৯.
‘কান্দাহার’ কোন দেশের বিখ্যাত শহর?
  1. ক) ইরান
  2. খ) মিশর
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
কান্দাহার দক্ষিণ আফগানিস্তানের একটি শহর এবং কান্দাহার প্রদেশের রাজধানী। আফগানিস্তানের আরও কয়েকটি বিখ্যাত শহরঃ মাযার-ই-শরীফ, কাবুল, হেরাত, গজনী। সূত্র- worldatlas ওয়েবসাইট।
৫,১৭০.
আমাদের ছায়াপথের নাম -
  1. আকাশনীড়
  2. গঙ্গাখাদ
  3. আকাশগঙ্গা
  4. নীহারিকা
ব্যাখ্যা
 মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি:
- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আটটি গ্রহ তাদের নিজস্ব কক্ষপথে অবিরত আবর্তন করে।
- পৃথিবী, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালক্সি সবকিছু নিয়েই গঠিত হয় মহাবিশ্ব।
- গ্যালাক্সি মহাবিশ্বের অংশ।
- এখানে রয়েছে হাজার হাজার কোটি নক্ষত্র ও গ্রহ, উপগ্রহ।
- পৃথিবী যে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম হলো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ।
- এটি মাত্র এক লাখ আলোকবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, নিউজবাংলা২৪।
৫,১৭১.
জানুয়ারি মাসের বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সে.?
  1. ২০.৩ ডিগ্রি সে.
  2. ১৭.৭ ডিগ্রি সে.
  3. ১৮.৩ ডিগ্রি সে.
  4. ১৬.৬ ডিগ্রি সে.
ব্যাখ্যা
⇒ শীতকাল: প্রতি বছর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে শীতকাল।
- এ সময় সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে থাকায় বাংলাদেশে এর রশ্মি তির্যকভাবে পড়ে এবং উত্তাপের পরিমাণ যথেষ্ট কমে যায়।
- শীতকালীন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পরিমাণ যথাক্রমে ২৯ ডিগ্রি সে. ও ১১ ডিগ্রি সে.।
• জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের শীতলতম মাস। এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সে.
-  এ সময়ে দক্ষিণে সমুদ্র উপকূল থেকে উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কম হয়ে থাকে।
- সমতাপ রেখাগুলো অনেকটা সোজা হয়ে পূর্ব-পশ্চিমে অবস্থান করে।

তাছাড়াও
• জানুয়ারি মাসের গড় তাপমাত্রা চট্টগ্রামে প্রায় ২০ ডিগ্রি,
- দিনাজপুরে ১৬.৬ ডিগ্রি সে.।
- তবে কোনো কোনো সময় উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কম হয়ে থাকে।
• বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার এবং গড় তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।
• বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে পরিচিত।
- তবে তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং বায়ুপ্রবাহের উপর ভিত্তি করে তিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ঋতু দেখা যায়।
- এগুলো হলো - গ্রীষ্মকাল, বষার্কাল এবং শীতকাল। 
• বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- সবচেয়ে উষ্ণতম মাস এপ্রিলের গড় তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সবচেয়ে শীতল তম মাস জানুয়ারির গড় তাপমাত্রা ১৭.৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১৭২.
বর্ষাকালে সারা বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় কত ভাগ বৃষ্টি হয়ে থাকে?
  1. ক) ৫০ ভাগ
  2. খ) ৬০ ভাগ
  3. গ) ৭০ ভাগ
  4. ঘ) ৮০ ভাগ
ব্যাখ্যা
• বর্ষাকালে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে বেঁকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু হিসেবে প্রবাহিত হয়।
• সমুদ্র থেকে আগত হওয়ায় এই বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকে। ফলে এই মৌসুমি বায়ু হিমালয় পর্বতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
• এই প্রক্রিয়ায় বর্ষাকালে দেশের সারা বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ বৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫,১৭৩.
ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যেকার সীমানা কী নামে পরিচিত?
  1. সনেরা লাইন
  2. পার্পল লাইন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. লাইন অব ডিমারকেশন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:

- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫,১৭৪.
পিকো দ্বীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. উত্তর আটলান্টিক মহাসাগর 
ব্যাখ্যা

পিকো দ্বীপ(Pico Island):
- Pico Island উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত পর্তুগালের একটি আগ্নেয়গিরিময় দ্বীপ। 
- এটি Azores দ্বীপপুঞ্জের কেন্দ্রীয় গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত এবং আয়তনের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম।
- দ্বীপটি তার কালো লাভাপাথরের ভূপ্রকৃতির কারণে ‘ব্ল্যাক আইল্যান্ড’ নামেও পরিচিত।
- এখানেই অবস্থিত পর্তুগালের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ Mount Pico (উচ্চতা ২,৩৫১ মিটার বা ৭,৭১৩ ফুট), যা আজোরেস অঞ্চলেরও সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি।
- দ্বীপটির মোট আয়তন প্রায় ১৬৩ বর্গমাইল (৪৩৩ বর্গকিলোমিটার)।
- এটি Faial দ্বীপ থেকে ফায়াল চ্যানেল দ্বারা বিচ্ছিন্ন।
- এবং পর্তুগালের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ১,৫০০ কিলোমিটার পশ্চিমে এর অবস্থান।
- পিকো দ্বীপের অর্থনীতি প্রধানত কৃষিনির্ভর—বিশেষ করে দুগ্ধ উৎপাদন, গবাদিপশু পালন ও আঙ্গুর চাষ উল্লেখযোগ্য।
- এখানকার ঐতিহ্যবাহী দ্রাক্ষাক্ষেত্রের অনন্য লাভাপাথরঘেরা ভূদৃশ্যকে ২০০৪ সালে UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- দ্বীপের প্রধান নগরকেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে মাদালেনা, সাও রোক দো পিকো, সাও মাতেউস ও লাজেস।
- লাজেসে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি তিমি শিকার জাদুঘর ও গ্রন্থাগার রয়েছে।

উৎস: Britannica. 

৫,১৭৫.
ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং রিয়াদের দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ২.২০ টা হলে সেই সময় রিয়াদের স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১০.৪০ টা
  2. বিকাল ৫.২০ টা
  3. সকাল ১১.২০ টা
  4. দুপুর ১২.২০ টা
ব্যাখ্যা
সমাধান:
আমরা জানি, প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট

ঢাকা ও রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০°- ৪৫° = ৪৫°
সময়ের পার্থক্য হবে ৪৫ × ৪ = ১৮০ মিনিট অর্থাৎ ৩ ঘণ্টা
প্রশ্নে উল্লিখিত ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা দেখে আমরা বুঝতে পারি, রিয়াদ ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে এই ৩ ঘণ্টা বাদ যাবে।

প্রশ্নেমতে,
⇒ রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে
= দুপুর ২.২০টা – ৩ ঘণ্টা। [এখানে দুপুর ২.২০টা বলতে ১৪.২০টা হবে।]
= ১৪.২০টা – ৩ ঘণ্টা
= ১১.২০টা

উত্তর: রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে সকাল ১১.২০টা।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১৭৬.
ওশেনিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম কী?
  1. পুসাক জায়া 
  2. ভিনসন ম্যাসিফ
  3. অ্যাকাঙ্কাগুয়া
  4. মাউন্ট ডেনালি
ব্যাখ্যা

• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- ওশেনিয়া মহাদেশ মূলত প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝখানে অবস্থিত একটি বিশাল দ্বীপ অঞ্চল।
-  এই মহাদেশকে অস্ট্রেলিয়া, মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়া—এই চারটি প্রধান অঞ্চলে ভাগ করা হয়।
- বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম দেশ: এই মহাদেশের বৃহত্তম দেশ অস্ট্রেলিয়া এবং ক্ষুদ্রতম দেশ নাউরু (যা একটি দ্বীপ রাষ্ট্র)।
- দ্বীপ মহাদেশ: অস্ট্রেলিয়াকে একই সাথে একটি দেশ এবং একটি মহাদেশ বলা হয়।
- মাউন্ট কসিয়াসকো: এটি অস্ট্রেলিয়া মূল ভূখণ্ডের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ,
- ওশেনিয়া অঞ্চলের সর্বোচ্চ বিন্দু হলো  পুসাক জায়া।
- দীর্ঘতম নদী: অস্ট্রেলিয়ার মারে-ডার্লিং এই মহাদেশের দীর্ঘতম নদী ব্যবস্থা।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ: এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর, যা অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড উপকূলে অবস্থিত।
-  ক্যাঙ্গারু, কোয়ালা, ইমু এবং প্লাটিপাসের মতো অদ্ভুত সব প্রাণীর আদি নিবাস এই মহাদেশে।
- ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করেছিল।
- এই মহাদেশের প্রাচীন বাসিন্দাদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার 'অ্যাবোরিজিন' এবং নিউজিল্যান্ডের 'মাওরি'রা বিশেষভাবে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট।
- উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট ডেনালি।
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম অ্যাকাঙ্কাগুয়া।
- ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম পুসাক জায়া।
- এন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম ভিনসন ম্যাসিফ।

উৎস: i) World Atlas. ii) National Geographic Society.

৫,১৭৭.
উত্তর গোলার্ধের বৃহত্তম দিন কোনটি?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২২ সেপ্টেম্বর
  4. ২৩ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর : পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান থাকে।
(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,১৭৮.
গভীর সমুদ্রের সমভূমির গড় গভীরতা -
  1. ১,০০০-২,০০০ মিটার
  2. ২,০০০-৩,০০০ মিটার
  3. ৩,০০০-৪,০০০ মিটার
  4. ৪,০০০-৬,০০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• গভীর সমুদ্রে সমভূমি:
- মহাসাগরের তলদেশে মহীসোপান, মহীঢালের পরবর্তী বিস্তীর্ণ প্রায় সমতল অংশকে গভীর সমুদ্রের সমভূমি বলে।
- গভীর সমুদ্রের সমভূমির গড় গভীরতা  ৪,০০০-৬,০০০ মিটার।
- এই সমভূমির মাঝে মাঝে বহু জলমগ্ন মালভূমি, অনুন্নত পর্বত শ্রেণি রয়েছে, যেমন আটলান্টিকের মধ্যস্থান দিয়ে বিস্তৃত সুদীর্ঘ মধ্য আটলান্টিক শৈলশিরা।
- আবার কোথাও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়গিরি। আগ্নেয়গিরিগুলি হতে উৎক্ষিপ্ত নানা প্রকার পদার্থ ও সূক্ষ্ম ভস্ম গভীর সমুদ্রের সমভূমিতে স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১৭৯.
নিচের কোন জেলা হিমালয় কন্যা নামে পরিচিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

পঞ্চগড়:
- ঢাকা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দুরে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা।
- হাজার বছরের গৌরবগাথা আর প্রাচীন ইতিহাস-ঐতিহ্যের অগণিত স্মৃতিমণ্ডিত জেলা পঞ্চগড়।
- হিমালয়ের পাদদেশে জেলাটির ভৌগলিক অবস্থান হওয়ায় পঞ্চগড়কে বলা হয় হিমালয় কন্যা।
- অবস্থানগত কারণে পঞ্চগড় একটি শীতপ্রবণ জেলা।
- অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত এখানে প্রচণ্ড কুয়াশাসহ শীত পড়ে।
- আর নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত এখানকার তাপমাত্রা ৪-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।
- পঞ্চগড়ের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম খালি চোখে কাঞ্চনজঙ্ঘা দর্শন, তেঁতুলিয়া জিরো পয়েন্ট, বারো আউলিয়ার মাজার, শাহী মসজিদ, সমতল ভূমির আরগনিক চায়ের বাগান, কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেট, আনন্দ ধারা, ভিতরগড় ও মহারাজের দীঘি, বোদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দির, গোলক ধাম মন্দির, বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, পাহাড়ি স্বচ্ছ জলের মহানন্দা নদী, পাথর সমৃদ্ধ রকস মিউজিয়াম, তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, চতুর্থ চীন বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু, খয়ার বাগানসহ বিস্তৃর্ণ বনাঞ্চল ময়নামতিরচর।
- পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা থেকে নেপালের দূরত্ব মাত্র ৬১ কিলোমিটার, এভারেস্ট শৃঙ্গ ৭৫ কিলোমিটার, ভুটান ৬৪ কিলোমিটার, চীন ২০০ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিং ৫৮ কিলোমিটার ও শিলিগুড়ি ৮ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব মাত্র ১১ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - পঞ্চগড় জেলার ওয়েবসাইট।

৫,১৮০.
মেরু জলবায়ু অঞ্চলকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
মেরু জলবায়ুসমূহ:

- এ জলবায়ুতে বছরের বেশিরভাগ সময় তাপমাত্রা হিমাংকের নিচে থাকে।
- ফলে উদ্ভিজ্জের জন্ম ও বৃদ্ধির জন্য গ্রীষ্মকালের স্থায়িত্ব ও উত্তাপের প্রাচুর্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- উষ্ণতম মাসের গড় তাপমাত্রা ১০° সে. এর কম থাকে।
- এই জলবায়ু মূলত দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত। যথা-
১. তুন্দ্রা অঞ্চল।
২. চিরস্থায়ী বরফের আচ্ছাদনজনিত জলবায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৮১.
ভূমিকম্পের ফলে নিচের কোনটি পরিবর্তন হতে পারে?
  1. সমুদ্রতলের পরিবর্তন
  2. ভূ-ত্বক ফাটল
  3. নদীর গতি পরিবর্তন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্পের ফলাফল ও প্রভাব: 
• ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের দরুন ভূ-ত্বকে অসংখ্য ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি হয়।
- ভূ-ত্বকে চ্যুতি সৃষ্টির ফলে চ্যুতির মধ্যবর্তী ভূ-ভাগ নিচের দিকে নেমে যায়,
- যাকে স্রস্ত উপত্যকা (Rift Valley) বলে এবং যখন উপরের দিকে ওঠে যায় তখন তাকে হর্স্ট (Horst) বা স্তূপ পর্বত বলে।

• সমুদ্রতলের পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রতলের অনেক স্থান ওপরে উত্থিত হয় এবং স্থলভাগের অনেক স্থান সমুদ্রতলে ডুবে যায়।
- যেমন- ১৯২১ সালের ভূমিকম্পের ফলে টোকিও উপসাগরের তলদেশ ৬০ মিটার উঁচু হয়।
- এছাড়া সমুদ্রগর্ভহতে হিমালয় পর্বত উত্থিত হয়েছে।
- অপরদিকে ১৮৯৯ সালে ভারতে কচ্ছ উপসাগরের ৫০০০ বর্গকিলোমিটার স্থান সমুদ্রগর্ভে নিমজ্জিত হয়।

• নদীর গতিপথ পরিবর্তন: 
- ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয়,
- নদী শুঁকিয়ে যায় কখনও জলাভূমির সৃষ্টি হয়।
- যেমন- ১৯৫০ সালে আসামের ভূমিকম্পে দিবং নদীর গতি পথ পরিবর্তিত হয়।
- এছাড়া ১৭৮৭ সালে ভারতের আসাম রাজ্যে যে ভূমিকম্প হয় তার ফলে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদীর তলদেশ উঁচু হয়ে যায়।
- এজন্য ব্রহ্মপুত্র নদীটি তার গতিপথ ।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৮২.
দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র -
  1. ক) নেপাল
  2. খ) ভুটান
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) শ্রিলংকা
ব্যাখ্যা

- আয়তনে এশিয়ার এবং দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র মালদ্বীপ। দেশটির আয়তন প্রায় ৩০০ বর্গ কিলোমিটার।
- জনসংখ্যায় এশিয়ার এবং দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র মালদ্বীপ।
- আয়তন অনুসারে এশিয়ার দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ সিঙ্গাপুর।
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ 2021

৫,১৮৩.
কত সালে বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) কর্তৃক ১৯৮৫ সালে বড়পুকুরিয়া কয়লা ক্ষেত্র আবিষ্কার করা হয়।
- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ায় বাংলাদেশের একমাত্র কয়লাখনি ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করে ২০০৫ সালে। 
- কয়লাখনিটি বড়পুকুরিয়ায় অবস্থিত দেশের একমাত্র কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে কয়লার জোগান দিয়ে থাকে।

• বড়পুকুরিয়া কোল বেসিনের বিস্তৃতি ৬.৬৮ বর্গকিলোমিটার।  
- এই বেসিনে কয়লার মোট মজুদ ৩৯০ মিলিয়ন মেট্রিক টন।
- সমগ্র কয়লা ক্ষেত্রের উপরিভাগ বারিন্ড ক্লে স্তর (মধুপুর ক্লে) দ্বারা আবৃত রয়েছে। 
- বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি হতে প্রাপ্ত কয়লার মান উচ্চ উদ্ধায়ী বিটুমিনাস শ্রেণী হতে সাব বিটুমিনাস শ্রেণীর অন্তর্গত, যার মূল উপাদান হচ্ছে ফিক্সড কার্বন-৪৮.৪০%, এ্যাশ- ১২.৪০%, ভোলাটাইল মেটার-২৯.২০%, মোট ময়েশ্চার-১০%, ক্ষতিকারক উপাদান সালফারের পরিমাণ-০.৫৩% এবং তাপ দহন ক্ষমতা-১১,০৪০ বিটিউ পার পাউন্ড।

উৎস: i) বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেড (বিসিএমসিএল) ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৫,১৮৪.
বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান কোথায় পাওয়া গেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. নওগাঁ
  3. রাজশাহী
  4. জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা
লোহার খনির: 
- বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় পাওয়া গেছে।
- এই খনি ইসবপুর গ্রামে আবিষ্কৃত হয় এবং এটি বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) দ্বারা খুঁজে পাওয়া যায়।
- খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) সহ মূল্যবান কপার, নিকেল এবং ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি রয়েছে।
- ভূগর্ভের ১,৩০০ থেকে ১,৬৫০ ফুট গভীরে লোহার স্তর পাওয়া গেছে এবং এই খনির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিটি থেকে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ অন্যান্য মূল্যবান পদার্থ উত্তোলন সম্ভব হবে।

সূত্র: প্রথম আলো 
৫,১৮৫.
বাংলাদেশে কত সালে ঘূর্ণিঝড় 'সিডর' আঘাত হানে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

সিডর:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা শ্রীলঙ্কার দেওয়া নাম অনুসারে সিডরের নাম ঠিক করে। 
- সিডর (SIDR) শব্দের অর্থ চোখ।

⇒ সরকারি তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে ১৯৬০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মোট ৩৫টি বড় ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের হদিস পাওয়া যায়।
- এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে অন্যতম সিডর।
- এ অঞ্চলে যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে, তার নাম দেওয়া হয় ২০০৪ সালে।
- ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
- আঘাতের সময় সিডরের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার। 
- সিডরকে ১৯৭০ ও ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর সবচেয়ে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় বিবেচনা করা হয় ।

উৎস: প্রথম আলো।

৫,১৮৬.
ইউক্রেন কোন সাগরের তীরে অবস্থিত?
  1. ভূমধ্যসাগর
  2. লোহিত সাগর
  3. কৃষ্ণসাগর
  4. ঈজিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা
ইউক্রেন কৃষ্ণসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত।
আয়তনে ইউক্রেন ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। এটির আয়তন ৬০৫,৬২৮ বর্গ কিলোমিটার।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ নিপার নদীর তীরে অবস্থিত।
ওডেসা ও মারিয়াপোল কৃষ্ণসাগরের তীরে অবস্থিত ইউক্রেনের দুটো বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর।
ডনবাস ও লুহানস্ক ইউক্রেনের দুটো রুশভাষী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৫,১৮৭.
নেপালি ভাষায় সাগরমাথা (Sagarmatha) নামে পরিচিত নিচের কোনটি?
  1. K2
  2. মাউন্ট এভারেস্ট
  3. কংচেনজঙ্ঘা
  4. মানাসলু
ব্যাখ্যা

মাউন্ট এভারেস্ট:
- মাউন্ট এভারেস্ট বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি হিমালয় পর্বতমালায় নেপাল ও চীনের (তিব্বত) সীমান্তে অবস্থিত।
- এটির উচ্চতা ৮৮৪৮.৮৬ মিটার।
- নেপালি ভাষায় এটি সাগরমাথা (Sagarmatha) এবং তিব্বতি ভাষায় চোমোলুংমা (Chomolungma) নামে পরিচিত।
- আর চীনারা ডাকে কোমোলাংমা (Qomolangma) যা হলো চীনা পিনইন (pinyin) এর প্রতিবর্ণকরণ।

অন্যদিকে,
- পাকিস্তান ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ K2। এর আরেক নাম Godwin-Austen। এটির উচ্চতা ৮৬১১ মিটার।
- নেপাল ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত কংচেনজঙ্ঘা বিশ্বের ৩য় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। এটির উচ্চতা ৮৫৮৬ মিটার।
- নেপালে অবস্থিত মানাসলু। এটির উচ্চতা ৮১৬৩ মিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,১৮৮.
'মং সার্কেল' পার্বত্য চট্টগ্রামের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. চট্টগ্রাম
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্কেল রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো-
- চাকমা সার্কেল (রাঙামাটি জেলা),
- মং সার্কেল (খাগড়াছড়ি জেলা) এবং
- বোমাং সার্কেল (বান্দরবান জেলা)
- পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধানরা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবেই পরিচিত।
- সরকারিভাবে সার্কেল প্রধানদের সার্কেল চীফ বলা হয়।
উৎসঃ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৫,১৮৯.
কয়লা উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম-
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চিলি
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
কয়লা উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম চীন। 
দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ইন্দোনেশিয়া, তৃতীয় অবস্থানে আছে ভারত।
উৎস: statista.com
৫,১৯০.
নিচের কোনটি আগ্নেয় শিলা?
  1. কোয়ার্টজাইট
  2. গ্রাফাইট
  3. ব্যাসল্ট
  4. বেলেপাথর
ব্যাখ্যা
- ভূত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত। গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার। যথাঃ
- আগ্নেয় শিলা
- পাললিক শিলা ও
- রূপান্তরিত শিলা।
- পৃথিবীর সৃষ্টির আদি পর্যায়ের উত্তপ্ত অবস্থা ক্রমান্বয়ে তরল ও কঠিন আকার ধারণ করে যে শিলা গঠিত হয়েছে তা আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
বিভিন্ন আগ্নেয় শিলার মধ্যে রয়েছে:
- ব্যাসল্ট
- গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডলোরাইট
- ল্যাকোলিথ
- ব্যাথোলিথ
- ডাইক
- সিল
- রায়োলাইট
- অ্যান্ডিসাইট প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- বেলেপাথর : পাললিক শিলা
- গ্রাফাইট ও কোয়ার্টজাইট : রূপান্তরিত শিলা।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,১৯১.
ভূমিরূপ এবং এর বিবর্তন নিয়ে গবেষণা করে কোনটি?
  1. Soil geography
  2. Biogeography
  3. Geomorphology
  4. Climatology
ব্যাখ্যা
ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology):
- ভূমিরূপ এবং এর বিবর্তন নিয়ে গবেষণা করে। 
- ভূমিরূপবিদ্যা হলো ভূমিরূপ এবং এর পরিবর্তনের অধ্যয়ন।
- এটি ভূমিরূপের গঠন, গঠন প্রক্রিয়া এবং পরিবর্তনের কারণ বিশ্লেষণ করে।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠে কাজ করা শক্তি এবং ভূমিরূপ পরিবর্তনের কারণগুলো বিশ্লেষণ করা হয়।
- ভূমিরূপবিদগণ একটি গ্রহের নগ্নীভবন এবং ক্ষয়ীভবনের ভূমিরূপের পরিবর্তন সম্পর্কে আলোচনা করে। 

জলবায়ুবিদ্যা (Climatology): জলবায়ুবিদ্যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার ধরন এবং পৃথিবীতে এর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করে।
জীবভূগোল (Biogeography): পৃথিবীপৃষ্ঠের প্রাণিজগৎ এবং উদ্ভিদের বণ্টন নিয়ে জীবভূগোল আলোচনা করে।
মৃত্তিকা ভূগোল (Soil geography): মৃত্তিকা ভূগোলবিদগণ অশ্মমণ্ডলের উপরিভাগের মৃত্তিকা এবং এর বণ্টন ও বিন্যাস সম্পর্কে আলোচনা করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
ScienceDirect.
৫,১৯২.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু-
  1. ক) যমুনা সেতু
  2. খ) হার্ডিঞ্জ সেতু
  3. গ) ব্রহ্মপুত্র সেতু
  4. ঘ) তিস্তা সেতু
ব্যাখ্যা

- বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী (সড়ক এবং রেল) সেতু বাংলাদেশে দীর্ঘতম ও দক্ষিণ এশিয়ার ৫ম এবং বিশ্বের ৯২তম দীর্ঘ সেতু।
- এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং দক্ষিন এশিয়ার বৃহত্তম সেতু ছিল।

অন্যদিকে,
একক দীর্ঘতম রেল সেতু - হার্ডিঞ্জ সেতু।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া

৫,১৯৩.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল-
  1. ক) অপরিশোধিত তেল
  2. খ) ক্লিংকার
  3. গ) এমোনিয়া
  4. ঘ) মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা
- ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ইউরিয়া সার জমিতে নাইট্রোজেনের অভাব পূরণ করে।
- বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সারের মধ্যে ইউরিয়া সারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়।

(তথ্যসূত্রঃ ভুগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৫,১৯৪.
আয়তনের ভিত্তিতে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা রাঙ্গামাটির মোট আয়তন ৬১১৬.১৩ বর্গ কিলোমিটার। দেশের সবচেয়ে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ। এর মোট আয়তন ৭৫৬.২৮ বর্গ কিলোমিটার।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
৫,১৯৫.
দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কয়টি? [ডিসেম্বর- ২০২৪]
  1. ৩০টি
  2. ২৯টি
  3. ২৮টি
  4. ২৭টি
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এর মধ্যে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয় সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ গ্যাসক্ষেত্র দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে আবিষ্কৃত হয়েছে। [ডিসেম্বর- ২০২৪]
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৫,১৯৬.
সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. মাউন্ট কুসি
  2. মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো
  3. অ্যাটলাস পর্বত 
  4. মাউন্ট এটনা
ব্যাখ্যা

- মাউন্ট কুসি (Mount Koussi) সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি চাদে অবস্থিত একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি যা সাহারা মরুভূমির সর্বোচ্চ বিন্দু হিসেবে পরিচিত।

• সাহারা মরুভূমি:
- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৫,১৯৭.
শীতকালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা কত?
  1. ২৯° সেলসিয়াস
  2. ৩০° সেলসিয়াস
  3. ৩১° সেলসিয়াস
  4. ৩২° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

শীতকাল:
- নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস এদেশে শীতকাল বিরাজ করে।
- এ সময় সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করে বলে বাংলাদেশে এর রশ্মি তীর্যকভাবে পড়ে এবং উত্তাপের পরিমাণ যথেষ্ট কমে যায়।
- ফলে তাপমাত্রার পরিমাণ কম থাকে।
- কখনও শিশির এবং কুয়াশা পড়তে দেখা যায়।

⇒ এ ঋতুতে বাংলাদেশের আবহাওয়া মোটামুটি শুষ্ক, শীতল ও আরামদায়ক থাকে বলে সবচেয়ে সুন্দর ও উপভোগ্য ঋতু বলতে এ ঋতুকে বোঝায়।
- শীতকালে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন উষ্ণতার তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৯° সে. ও ১১° সে. এবং গড় তাপমাত্রা প্রায় ১৭.৭° সে.।

⇒ এসময় দক্ষিণাংশ থেকে উত্তরদিকে ক্রমশ তাপমাত্রা কম থাকে।
- এ সময় বাংলাদেশের উপর দিয়ে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ু স্থলভাগের উপর দিয়ে আসে বলে জলীয়বাষ্প খুব কম থাকে।
- তবে হিমালয় পর্বতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় তুষারকণা হতে সামান্য পরিমাণে জলীয়বাষ্প বহন করে।
- এ বায়ু দেশের পূর্বাঞ্চলের পর্বতসমূহ বাধা পেয়ে সামান্য বৃষ্টিপাত ঘটায়।
- কোন কোন বছর নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে বঙ্গোপসাগর হতে আগত ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েকদিন বৃষ্টিপাত হয়।
- শীতকালে উত্তর-পূর্ব দিক হতে শীতল মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৯৮.
কোন যুগের পাহাড় স্লেট পাথর, বেলে পাথর ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত? 
  1. প্লাবন সমভূমি যুগের
  2. টারশিয়ারি যুগের
  3. প্লাইস্টোসিনকালের 
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় স্লেট পাথর, বেলে পাথর ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত। 

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ: 

- ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ভূমিরূপ হচ্ছে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- পাহাড়ি এলাকার দীর্ঘকালের প্রাকৃতিক ভূমিক্ষয়ের ফলে পাহাড়ি এলাকার উচ্চতা কমে ক্ষয়িত অংশের দ্বারা সংলগ্ন এলাকা ভরাট হয়ে নতুন মৃত্তিকার সমতল ভূমি সৃষ্টি করছে।

• রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ অবস্থিত।
= এসকল পাহাড়কে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ ও
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড় সমূহ
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের (রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম) পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।   আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান এলাকার পাহাড়ের সাথে এদের মিল দেখা যায়।
- এ সকল পাহাড় বেলে পাথর, স্লেট পাথর ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত।
- এদের মধ্যে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিনডং(বিজয়)-র উচ্চতা ১২৩১ মিটার। এটি বান্দরবন জেলায় অবস্থিত।

• উত্তর-পূর্বাঞ্চলে (সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায়) ছোট বড় বিচ্ছিন্ন কতগুলো পাহাড় অবস্থিত।
- এ অঞ্চলের একটি উল্লেখযোগ্য পাহাড় হল সুনামগঞ্জের ছাতক পাহাড়।
- ছাতক (উপজেলা) শহরের উত্তরে প্রায় ৪০ কি.মি. স্থান জুড়ে এই টিলা পাহাড়টি অবস্থিত।
- এছাড়া মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত পাহাড়গুলো কোনোরূপ গিরিশ্রেণী গঠন করেনি। এদেরকে ত্রিপুরার পাহাড় বলা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,১৯৯.
নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পযর্ন্ত বিস্তৃত সমভূমি কোন ধরনের সমভূমি?
  1. ব-দ্বীপ সমভূমি
  2. পলল গঠিত সমভূমি
  3. উপকূলীয় সমভূমি
  4. স্রোতজ সমভূমি
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বাংলাদেশকে একটি উর্বর কৃষিপ্রধান দেশে পরিণত করেছে।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অসংখ্যা ছোট-বড় নদী সারা দেশে জালের ন্যায় ছড়িয়ে আছে।
- এসব নদী সমতল ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় প্রতি বছর বন্যার সৃষ্টি হয়।
- এভাবে বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।

⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়:
• পাদদেশীয় সমভূমি: হিমালয় পর্বত হতে বাহিত পলল দ্বারা গঠিত রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
• বন্যাপ্রবণ সমভূমি: ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট জেলার বন্যাপ্রবণ সমভূমি।
• স্রোতজ সমভূমি: খুলনা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি। এ অঞ্চলের নদীতে প্লাবন কম হয়, তবে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা হয়।
উপকূলীয় সমভূমি: নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি। এখানকার পতেঙ্গা সৈকত, কক্সবাজার সৈকত এবং টেকনাফ সৈকত পর্যটনের জন্য বিশেষ প্রসিদ্ধ।
• ব-দ্বীপ সমভূমি: ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২০০.
ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে কোন নদীর উৎপত্তি হয়েছে?
  1. নীল
  2. আমাজন
  3. দানিয়ুব
  4. কঙ্গো
ব্যাখ্যা
ভিক্টোরিয়া হ্রদ (Lake Victoria):
- আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম হ্রদ ভিক্টোরিয়া হ্রদ।
- এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।
- এটি তানজানিয়া, উগান্ডা এবং কেনিয়ার সীমান্তে অবস্থিত।
- এর আয়তন ২৬,৮২৮ বর্গমাইল (৬৯,৪৮৪ বর্গকিলোমিটার)।
- এটি নীল নদের একটি বড় উৎস।

⇒ বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তিস্থল:
- হোয়াংহো নদী: কুনকুন পর্বত, চিন দেশ।
- দানিয়ুব নদী: ব্ল্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ।
- মারে ডার্লিং নদী: কোমিয়াস্কে, অষ্ট্ৰেলিয়া।
- তিস্তা নদী: সিকিমের পর্বত অঞ্চল।
- আমাজন নদী: আন্দিজ পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকা।

উৎস: Britannica.