বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৪৫ / ৭২ · ৪,৪০১৪,৫০০ / ৭,১৯১

৪,৪০১.
'কার্জন লাইন' কোন দুটি দেশের মধ্যকার সীমারেখা?
  1. ক) জার্মানি ও পোল্যান্ড
  2. খ) ভারত ও চীন
  3. গ) পোল্যান্ড ও রাশিয়া
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• সীমারেখা:
- ‘আলপাইন লাইন'- ইতালি - ফ্রান্স।
- ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ - ভারত-পাকিস্তান।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - ভারত ও চীন।
- ভারত- চীন এর মধ্যবর্তী লাইন - ম্যাকমোহন লাইন।
- কার্জন লাইন - পোল্যান্ড-রাশিয়া।
- ওডারনিস লাইন - জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- 'ম্যাজিনো লাইন' - জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: ব্রিটানিকা
৪,৪০২.
কোনটি ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ত্রিপুরা
  2. মণিপুর
  3. নাগাল্যান্ড
  4. বিহার
ব্যাখ্যা

• সেভেন সিস্টার্স:
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্স বলা হয়।
- রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মেঘালয়, অরুণাচল, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৪০৩.
টারশিয়ারি যুগের অন্তর্ভুক্ত পাহাড় আছে কোন অঞ্চলে?
  1. রাঙামাটি
  2. কুমিল্লা
  3. পটুয়াখালি
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
→ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
→ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
→ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
• এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তভুর্ক্ত।
• এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো: ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪০৪.
ভূমিক্ষয়ের একটি কারণ-
  1. প্রবল বাতাস
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. টাইফুন
  4. ঝড়
ব্যাখ্যা
• বায়ু প্রবাহের প্রভাবসমূহ: 
- বায়ুমন্ডলে নানা রকম গ্যাসীয় উপাদান ও অন্যান্য উপাাদনসমূহের ঘনত্বের সমন্বয়ে বায়ু একটি অনন্য প্রাকৃতিক শক্তি।
- বায়ুপ্রবাহের নানা গতি ও প্রকৃতির জন্য প্রবল বাতাস, ঝড়, হারিকেন, টাইফুন, হাওয়া, বজ্রঝড় ইত্যাদি আবহাওয়ার অবস্থা দৃশ্যমান হয়।
-বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, ঘনত্ব ইত্যাদির কারণে বায়ুপ্রবাহ প্রভাবিত হয়।
 - ক্ষমতাকেও এই বায়ুপ্রবাহ প্রভাবিত করে। যেমন- উপকূলীয় অঞ্চলে সমুদ্র হাওয়া ও ভূমির তাপ শোষণ ক্ষমতায় বায়ু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রণের কাজ করে।
- বায়ুপ্রবাহের কারণে নানারকম নৌযান, আকাশযান, যুদ্ধবিমান, মহাকাশযান পরিবহনের গতি নির্ধারিত হয়।
- বায়ুপ্রবাহের শক্তি দ্বারাই বায়ু ঘূর্ণনযন্ত্র চালিত হয়,ফলে পৃথিবীব্যাপি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে।
- বায়ুপ্রবাহের কারণেই বেশ কিছু জনপ্রিয় খেলা যেমন-ঘুড়ি ওড়ানো, স্নোকাইটিং, ঘুড়ি সাফিং ইত্যাদি সারা পৃথিবীতে প্রচলিত রয়েছে।
- এছাড়াও শুষ্ক আবহাওয়ায় ভূমিক্ষয়ের একটি বড় কারণ হলো বায়ুপ্রবাহ। বায়ুপ্রবাহের প্রভাবেই ছোট বালুকণা ও ধূলিকণা বায়ুসঞ্চালন দ্বারা একস্থান থেকে আরেক স্থানে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪০৫.
অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন নয়- 
  1. গণসচেতনতা বৃদ্ধি
  2. প্রশিক্ষণ
  3. পূর্বপ্রস্তুতি
  4. আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান। 

• প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ কার্যক্রম সফলতা বয়ে আনতে পারে।
- দুর্যোগ প্রতিরোধের কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত প্রশমনের ব্যবস্থা রয়েছে।
- কাঠামোগত প্রশমনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যথা- বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকেই বোঝায়। 
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
• অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন যেমন- প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

 উৎস: ভূগোল ‍ও পরিবেশ, এসএসসি, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪০৬.
সাধারণত বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় হ্রাস পায় -
  1. ৪° সেলসিয়াস
  2. ৬° সেলসিয়াস
  3. ৮° সেলসিয়াস
  4. ৭° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
• উচ্চতা :
- উচ্চতা যত বৃদ্ধি পায় বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা তত বেশি হ্রাস পায়।
- সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- উচ্চতার জন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত দুই জায়গার জলবায়ুতে পার্থক্য দেখা যায়।
যেমন: দিনাজপুর ও শিলং একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও শুধু উচ্চতা ভিন্নতার জন্য এদের জলবায়ু ভিন্নরকম হয়। দিনাজপুরের চেয়ে শিলং এর তাপমাত্রা অনেক কম।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪০৭.
কোন সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যায়?
  1. ১৭৮৭ সালে
  2. ১৭৮৯ সালে
  3. ১৮৭৮ সালে
  4. ১৮৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra) নদ:
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে।
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা।

⇒ ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
- সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা বর্তমানে যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৪,৪০৮.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সমুদ্রসীমার মীমাংসা হয়েছে কোন আদালতে?
  1. ক) আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
  2. খ) স্থায়ী সালিশি আদালত
  3. গ) আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত
  4. ঘ) সমুদ্র আইন আদালত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বনাম ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলা হয় নেদারল্যান্ডস এ অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালতে (Permanent Court of Arbitration-PCA)।
এই সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলার রায় হয় ২০১৪ সালের ৮ জুলাই।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধ ছিল ২৫,৬০২ বর্গকিলোমিটার। এই মামলার রায়ে বাংলাদেশ পায় ১৯,৪৬৭ বর্গকিলোমিটার।
উৎসঃ প্রথম আলো।
৪,৪০৯.
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. নীল নদ
  2. আমাজন নদী
  3. ইয়াংজি নদী
  4. মিসিসিপি নদী
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস ।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

অন্যান্য দীর্ঘতম নদীসমূহ,
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬৪০০ কি.মি।
- ইয়াংজি নদীর দৈর্ঘ্য- ৬৩০০ কি.মি।
- মিসিসিপি নদীর দৈর্ঘ্য- ৫৯৭১ কি.মি।
- কঙ্গো নদীর দৈর্ঘ্য ৪৭০০ কি.মি।

তথ্যসূত্র- Britannica.com & Worldatlas.com
৪,৪১০.
ভারতের কোন রাজ্যে কর্ণফুলী নদী উৎপত্তি লাভ করেছে?
  1. মিজোরাম
  2. ত্রিপুরা
  3. মেঘালয়
  4. আসাম
ব্যাখ্যা

কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড়ের মমিত জেলার শৈতা গ্রাম থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে এবং মিজোরাম থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। 

কর্ণফুলী নদী:

- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে ।
- এই নদীর মোহনাতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত।
- এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী।
- উপ- নদী (Tributary): ইছামতি, হালদা, তুইলিয়ান পুই অথবা সাজাল লুই, থেগা অথবা কাওপুই, শুভলং-মরম ছড়া, ভান্দরজুরি খাল, শাইলক খাল, হীরার ছড়া।
- শাখা-নদী (Distributary): নাই।

⇒ ১৯৬৪ সালে কর্ণফুলী নদীর ওপর বাঁধ দিয়ে রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় কাপ্তাই বাঁধ তৈরি করা হয়।
- এই বাঁধে সঞ্চিত পানি ব্যবহার করে কাপ্তাই জলবিদ্যুেকন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪১১.
প্রকৃতি অনুযায়ী অভিবাসনকে কয় ভাগে বিভক্ত করা হয়?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
• প্রকৃতি অনুযায়ী অভিবাসনকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা:
- অবাধ অভিবাসন:
নিজের ইচ্ছায় বাসস্থান ত্যাগ করে আপন পছন্দমতো স্থানে বসবাস করাকে অবাধ অভিবাসন বলে।
- বলপূর্বক অভিবাসন: প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক চাপেরর মুখে কিংবা পরোক্ষভাবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক চাপ সৃষ্টির ফলে মানুষ বাধ্য হয়ে যে অভিগমন করে তাকে বলপূর্বক অভিবাসন বলে।
- অভিবাসনের কারণ: মানুষ প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক কারণে অভিগমন করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪১২.
গ্রান্ড খাল কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন খাল ও তাদের অবস্থান:
গ্রান্ড খাল - চীন
কিয়েল খাল – জার্মানি।
প্রিন্সেস জুলিয়ানা খাল – হল্যান্ড।
গোটা খাল – সুইডেন।
সুয়েজ খাল- মিশর।
পানামা খাল- পানামা।

উৎস: Britannica
৪,৪১৩.
মানবসৃষ্ট কারণে সংঘটিত দুর্যোগ কোনটি?
  1. মরুকরণ
  2. বন্যা
  3. নদীভাঙন
  4. ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

• মানবসৃষ্ট কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- রাসায়নিক দূষণ, 
- যুদ্ধ, 
- পারমাণবিক বিস্ফোরণ, 
- মরুকরণ, 
- অগ্নিকাণ্ড, 
- জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, 
- বন উজারকরণ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
প্রাকৃতিক কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে:
- ভূমিকম্প, 
- অগ্ন্যুৎপাত, 
- নদীভাঙন, 
- তুষারপাত, 
- ঘূর্ণিঝড়, 
- খরা, 
- জলোচ্ছ্বাস, 
- বন্যা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়: অষ্টম শ্রেণি।

৪,৪১৪.
পৃথিবীর গভীরতম খাতের নাম কী?
  1. ক) অ্যারাবিয়ান ট্রেঞ্চ
  2. খ) সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
  3. গ) পুয়ের্তোরিকো সমুদ্রখাত
  4. ঘ) মারিয়ানা সমুদ্রখাত
ব্যাখ্যা
• গভীর সমুদ্রের সমভূমিতে সৃষ্ট গভীর খাত বা গর্তকে সমুদ্রখাত বলে। পৃথিবীর গভীরতম সমুদ্রখাত হলো মারিয়ানা সমুদ্রখাত।
• এর গভীরতা প্রায় ১০,৮৭০ মিটার। এটি প্রশান্ত মহাসাগরে গুয়াম দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।

অন্যদিকে, 
• পুয়ের্তোরিকো (৮,৫৩৮ মি.) আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি সমুদ্রখাত।
• গঙ্গাখাত বা সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড হলো বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি সমুদ্রখাত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪১৫.
বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ২৪০০ বর্গমাইল
  2. ১৯৫০ বর্গমাইল
  3. ৯২৫ বর্গমাইল
  4. ২০০ বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবনের মোট আয়তন ৩৮৬০ বর্গমাইল বা ১০০০০ বর্গকি.মি প্রায়।
- এর মধ্যে ৩/৫ অংশ বা ২৩১৮ বর্গমাইল বা ৬০০০ বর্গকি.মি বাংলাদেশ অংশে পড়েছে।
- কাছাকাছি অপশন হিসাবে ক) ২৪০০ বর্গমাইল অপশনটি নেওয়া হলো।

উল্লেখ্য,
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ৭৯৮ তম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশের জাতীয় বন।

উৎস: বাংলাদেশ বনবিভাগ ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৪,৪১৬.
বাংলাদেশে ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটনের কারণ নয় কোনটি?
  1. অপরিকল্পিত নগরায়ন
  2. ভূমির গঠন
  3. জলবায়ু
  4. ভৌগোলিক অবস্থান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ।
- বাংলাদেশে প্রতিবছরই বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা দিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটনের কারণসমূহের মধ্যে রয়েছে:-
১। ভৌগোলিক অবস্থান
২। জলবায়ু
৩। ভূমির গঠন
৪। নদী-নালার আধিক্য ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি , অষ্টম শ্রেণি।
৪,৪১৭.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ঝড়, বৃষ্টি ও শিশির সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ট্রপোমণ্ডলে
  2. খ) মেসোমণ্ডলে
  3. গ) স্ট্রাটোমণ্ডলে
  4. ঘ) ওজোনমণ্ডলে
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডল:
  - বায়ুমণ্ডলের গঠনকারী উপাদানসমূহের প্রকৃতি, উষ্ণতার পার্থক্য ও অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদানের তারতম্যের জন্য বায়ুমন্ডলকে ৫টি স্তরে ভাগ করা যায়।
- ভূ-পৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে এই পাঁচটি স্তর হলো- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল,মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল।
- ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৮০ কিলোমিটারর মধ্যে সমমণ্ডল অবস্থিত যা তিনটি স্তর অর্থাৎ ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডল নিয়ে গঠিত।
- বিষমমন্ডল প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত যা ২টি স্তর নিয়ে গঠিত।
- এগুলো হলো- তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল।
- বায়ুমণ্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমণ্ডল
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪১৮.
'নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্ৰা ক্ৰমশ কমার' প্রধান নিয়ামক -
  1. সমুদ্র থেকে দূরত্ব
  2. বায়ুপ্রবাহ
  3. উচ্চতা
  4. অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
♣ জলবায়ুর নিয়ামক:  
• পৃথিবীর সব অঞ্চলের জলবায়ু একই রকম নয়।
• এর কোনো অঞ্চল উষ্ণ এবং কোনো অঞ্চল শীতল।
• আবার কোনো স্থান বৃষ্টিবহুল এবং কোনো স্থান বৃষ্টিহীন।
• কিছু ভৌগোলিক বিষয়ের পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর এরকম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
• এই বিষয়গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।
• যথা: 
- অক্ষাংশ, 
- উচ্চতা,
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব,
- স্থলভাগ ও জলভাগের অবস্থান, 
- সমুদ্রস্রোত,   
- ভূমির ঢাল,   
- ভূ-প্রকৃতি, 
- বায়ুপ্রবাহ,  
- বায়ুর চাপ এবং 
- বনভূমির অবস্থান।   
 
♣ অক্ষাংশ (Latitude):  
• সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়।
• নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়।
• নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে। 
• এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্ৰা ক্ৰমশ কমতে থাকে।   

উৎস:
ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৪১৯.
“বঙ্গবন্ধু দ্বীপ” কোথায় অবস্থিত?
  1. মেঘনা মােহনায়
  2. সুন্দরবনের দক্ষিণে
  3. পদ্মা এবং যমুনার সংযােগস্থলে
  4. টেকনাফের দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দ্বীপ:
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ সুন্দরবনের দক্ষিণে অবস্থিত।
- বঙ্গবন্ধু দ্বীপ যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।

⇒ ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ' এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।
- এটি নতুন পর্যটন আকর্ষণীয় স্থান।

উৎস:১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,৪২০.
বাংলাদেশের প্রথম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) ঈশ্বরদী
  3. গ) মংলা
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এর সরকারি ইপিজেড সংখ্যা ৮ টি।
-চট্টগ্রাম প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রথম এবং বৃহত্তম ইপিজেড।
- ঢাকা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ২য় বৃহত্তম।
- ঈশ্বরদী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৩য় বৃহত্তম৷
- কুমিল্লা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৪র্থ বৃহত্তম।
- মংলা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল। ৫ম বৃহত্তম।
- আদমজী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৬ষ্ঠ বৃহত্তম।
-  উত্তরা প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৭ম বৃহত্তম।
- কর্ণফুলী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল, ৮ম বৃহত্তম ৷ 
- নতুন ৩টি অনুমোদন হয়েছে পটুয়াখালি, যশোর, গাইবান্ধা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৪২১.
নাফ নদী কোন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত নির্দেশ করে?
  1. ভারত
  2. মিয়ানমার
  3. ভুটান
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

নাফ নদী:
- নাফ নদীর উৎপত্তিস্থল: মিয়ানমার।
- উৎস অঞ্চল: আরাকান ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী পাহাড়সমূহ।
- পতনস্থল: বঙ্গোপসাগর। 
- নাফ নদী বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্ত নির্দেশ করে।
- বাংলাদেশ অংশে নদীটি টেকনাফ সীমান্ত গঠন করেছে।
- নাফ নদীর মোহনা অত্যন্ত প্রশস্ত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণতম উপজেলা টেকনাফ, যা নাফ নদীর ডান তীরে অবস্থিত।
- মিয়ানমারের আকিয়াব (সিত্তে) বন্দর নাফ নদীর বাম তীরে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,৪২২.
'অগ্ন্যুৎপাত' কোন প্রকারের দুর্যোগ?
  1. ক) ভূ-অভ্যন্তরস্থ প্রতিক্রিয়ার ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ
  2. খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ
  3. গ) প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  4. ঘ) মহাকাশীয় দুর্যোগ
ব্যাখ্যা
- বিপর্যয় বলতে বিপদ বা আপদের সম্ভাবনাকে বুঝায়। 
- পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্থ করে এমনকি একেবারে ধ্বংস করতে পারে, সে সকল ঘটনাকে বিপর্যয় বলে।
 -পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়। যেমন: ক) প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।
১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।
২. মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি।
- একটি এলাকায় সংঘটিত যে কোনো বিপর্যয় বা আপদ যখন উক্ত এলাকার অধিবাসীগণ তাদের নিজস্ব চেষ্টা ও সম্পদের সাহায্যে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয় না, কেবল তখনই সেই আপদটি দুর্যোগে পরিণত হয়।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত  বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪২৩.
বিশ্বের দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. বাংলাদেশ-ভারত
  2. রাশিয়া-চীন 
  3. রাশিয়া-কাজাখস্তান
  4. যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা
ব্যাখ্যা

বিশ্বের দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে অবস্থিত। এই সীমান্তটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত, যা আলাস্কা থেকে কানাডা পর্যন্ত বিস্তৃত। 

পৃথিবীর দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত:
১. আমেরিকা ও কানাডা: দৈর্ঘ্য ৮৮৯৩ কিলোমিটার।
২. কাজাকিস্তান ও রাশিয়া: দৈর্ঘ্য ৭৬৪৪ কিলোমিটার।
৩. আর্জেন্টিনা ও চিলি: দৈর্ঘ্য ৬৬৯১ কিলোমিটার।
৪. চীন ও মঙ্গোলিয়া: দৈর্ঘ্য ৪৬৩০ কিলোমিটার।
৫. ভারত ও বাংলাদেশ: দৈর্ঘ্য ৪১৪২ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
- বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম স্থল সীমান্ত হলো স্পেন এবং মরক্কো।

উৎস: World Atlas.

৪,৪২৪.
জলীয় বাষ্পপূর্ণ বায়ু কোনো এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে সে এলাকায় _______।
  1. প্রচন্ড শীত অনুভূত হয়
  2. প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়
  3. চরমভাবাপন্ন জলবায়ুর থাকে
  4. মহাদেশীয় জলবায়ুর বিরাজ করে
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ (Wind movement):
- বায়ুপ্রবাহ কোনো এলাকার জলবায়ুর উপরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু কোনো এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে সে এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- যেমন- বাংলাদেশে বর্ষাকালে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আবার শীতকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে শুষ্ক মহাদেশীয় বায়ু প্রবাহিত হওয়ার কারণে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।
 
উল্লেখ্য
⇒ জলবায়ুর নিয়ামক (Factors of Climate)
- পৃথিবীর সব অঞ্চলের জলবায়ু একই রকম নয়। এর কোনো অঞ্চল উষ্ণ এবং কোনো অঞ্চল শীতল।
- আবার কোনো স্থান বৃষ্টিবহুল এবং কোনো স্থান বৃষ্টিহীন।
- কিছু ভৌগোলিক বিষয়ের পার্থক্যের কারণে স্থানভেদে জলবায়ুর এরকম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- এই বিষয়গুলোকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।
- কিছু জলবায়ুর নিয়ামকের নাম হল-
- অক্ষাংশ (Latitude),
- উচ্চতা (Altitude),
- সমুদ্র থেকে দূরত্ব (Distance from the sea),
- বায়ুপ্রবাহ (Wind movement),
- সমুদ্রস্রোত (Ocean currents),
- পর্বতের অবস্থান (Location of the mountains),
- ভূমির ঢাল (Slope of the land),
- মৃত্তিকার গঠন (Composition of the soil),
- বনভূমির অবস্থান (Location of the forest) ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪২৫.
নিচের কোনটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি?
  1. ক) তিব্বত মালভূমি
  2. খ) পাতাগোনিয়া মালভূমি
  3. গ) কলোরাডো মালভূমি
  4. ঘ) ভারতীয় উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা
পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তৃর্ণ সমতল ভূমিকে মালভূমি বলে।
অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন প্রকার। যথাঃ
পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি
পাদদেশীয় মালভূমি
মহাদেশীয় মালভূমি।
এদের মধ্যে পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি পর্বত দ্বারা বেষ্টিত থাকে। এশিয়ার তিব্বত মালভূমি একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি। এটি উত্তরে কুনলুন পর্বতমালা এবং দক্ষিণে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত।
এছাড়া তারিম মালভূমি, মঙ্গোলিয়া, বলিভিয়া ও মেক্সিকো পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি।
অন্যদিকে,
দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া এবং উত্তর আমেরিকার কলোরাডো মালভূমি হলো পাদদেশীয় মালভূমি।
ভারতীয় উপদ্বীপ, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, গ্রিনল্যান্ড, সৌদি আরব, এন্টার্কটিকা প্রভৃতি হলো মহাদেশীয় মালভূমি।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৪২৬.
"প্রবাল দ্বীপ" নামে পরিচিত কোনটি?
  1. সন্দ্বীপ
  2. মহেশখালী
  3. সেন্টমার্টিন
  4. কুতুবদিয়া
ব্যাখ্যা
প্রবাল দ্বীপ:
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন।
- সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
- মায়ানমারের উত্তর-পশ্চিম উপকূল থেকে ৮ কিমি পশ্চিমে নাফ নদীর মুখে দ্বীপটি অবস্থিত।
- স্থানীয়দের কাছে এটি ''নারিকেল জিঞ্জিরা'' নামে পরিচিত।
- সমস্ত দ্বীপ জুড়ে ভাটার পানি স্তরের অত্যন্ত কাছাকাছি ক্ষুদ্র খাড়িসমূহে বিভিন্ন ধরনের জীবিত ছোট ছোট প্রবাল গোষ্ঠী দেখা যায়।
- মৃত প্রবাল গোষ্ঠীগুলি ক্ষুদ্র জলমগ্ন নিম্নভূমিতে জোয়ারভাটা উভয় সময়েই দেখা যায়।
- দেশের এই একমাত্র প্রবাল দ্বীপটির উত্থানের শুরু হয়েছিল কমপক্ষে গত সর্বোচ্চ হিমবাহ যুগ থেকে (অর্থাৎ আনুমানিক ৪০,০০০ বৎসর পূর্বে)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী। এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৪২৭.
’টাঙ্গুয়ার হাওর’ কখন রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ২১ মে, ১৯৯২ সালে
  2. ১০ জুলাই, ২০০০ সালে
  3. ২১ জুলাই, ২০০০ সালে
  4. ১০ সেপ্টেম্বর, ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
রামসার সাইট:
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট।
৪,৪২৮.
বন্যার প্রভাবে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. সম্পদহানি
  2. ফসল উৎপাদন হ্রাস
  3. রোগ-ব্যাধির বিস্তার
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

• বন্যার প্রভাব:
- বন্যার ফলে বহুমুখী ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।
- যেমন-সম্পদহানি, ফসল উৎপাদন হ্রাস, উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষিজমি লবণাক্ত হওয়া, রোগ-ব্যাধির বিস্তার, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়া, সুপেয় পানির সংকট, খাদ্য ও পুষ্টির অভাব প্রভৃতি।
- বিগত অর্ধশতাব্দীর কিছু বেশি সময়ে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ভয়াবহ বন্যা সংঘটিত হয়।
- এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৫৪, ১৯৬৩, ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ১৯৯৮, ২০০৪, ২০০৭ সালের বন্যা।
- ১৯৯৮ সালের বন্যা ছিল সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং দেশের অধিকাংশ জেলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪২৯.
বাংলাদেশের পর্বতের সাথে গঠনগত মিল রয়েছে কোন পর্বতের?
  1. হিমালয়
  2. ভিসুভিয়াস
  3. ফুজিয়ামা
  4. বিন্ধ্যা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পর্বতের সাথে গঠনগত মিল:
- বাংলাদেশের পর্বতের সাথে গঠনগত মিল রয়েছে হিমালয় পর্বতের।
- বাংলাদেশে মূলত হিমালয় অঞ্চলের প্রভাবে কিছু গঠন সম্পর্কিত বিশেষত্ব রয়েছে, বিশেষত এর ভূপৃষ্ঠের অস্থিরতা এবং টেকটনিক প্লেটের সংযোগের মাধ্যমে।

উল্লেখ্য,
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ ভাগ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৩০.
মার্বেল কোন ধরনের শিলা?
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত শিলা:
- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
 
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
 
রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
যেমন-
→ চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল,
→ বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
→ কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট,
→ গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে,
→ কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
 
তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৩১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের টারশিয়ারিযুগের পাহাড়?
  1. কিওক্রাডং
  2. তাজিনডং
  3. ক ও খ
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। 
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪৩২.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে তীব্র শীত অনুভূত হয়? 
  1. দক্ষিণ অঞ্চলে 
  2. পশ্চিম অঞ্চলে 
  3. উত্তর অঞ্চলে 
  4. পূর্বা অঞ্চলে 
ব্যাখ্যা

শীতকাল:
- বাংলাদেশে নভেম্বর মাসের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি (কার্তিক-ফাল্গুন) পর্যন্ত সময় শীতকাল।
- এই সময় তাপমাত্রা কমতে থাকে। জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা সর্বনিম্ন থাকে এবং এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭° সেলসিয়াস।
- শীতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯০ সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১° সেলসিয়াস।
- শুষ্ক শীতকাল এবং উপকূলীয় ও পাহাড়ি এলাকায় সামান্য বৃষ্টিপাত এই দেশের শীতকালের বৈশিষ্ট্য।
- দেশের উত্তরাঞ্চলে তীব্র শীত অনুভূত হয়।
- এসময় বাতাসের সর্বনিম্ন আর্দ্রতা শতকরা প্রায় ৩৬ ভাগ থাকে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৩৩.
দেশের ১৩ তম প্রাকৃতিক দুর্যোগ-
  1. ক) অগ্নিকাণ্ড
  2. খ) ভূমিধস
  3. গ) বজ্রপাত
  4. ঘ) টর্নেডো
ব্যাখ্যা

- ১৭ মে ২০১৬ সালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বজ্রপাতকে দেশের ১৩ তম প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘোষণা করে।
- যার ফলে বাংলাদেশে বর্তমানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলৌ ১৩টি।
- বর্তমানে বিশ্বে বজ্রপাতে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় বাংলাদেশে।

উৎস: প্রথম আলোর ওয়েবসাইট।

৪,৪৩৪.
নিচের কোনটির ভর অধিক?
  1. লাল বামন
  2. সূর্য
  3. পালসার
  4. কৃষ্ণগহ্বর
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণগহ্বর (Black hole):
যদিও তত্ত্ব অনুযায়ী সব ভরের ব্ল্যাক হোল থাকা সম্ভব, বাস্তবে আমরা চারটি প্রাথমিক ধরণের ব্ল্যাক হোল দেখতে পাই।

১. মিনি ব্ল্যাক হোল (Mini Black Hole):
- ভর: সূর্যের ভরের ৩ গুণের কম।
- অবস্থান: বিরল বা অনুপস্থিত।
- হকিং বিকিরণের কারণে দ্রুত বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- কোনো প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় এদের উৎপত্তি দেখা যায়নি।

২. স্টেলার-মাস ব্ল্যাক হোল (Stellar-Mass Black Hole):
- ভর: সূর্যের ভরের ৩ থেকে ৫০ গুণ।
- গঠন: একক নক্ষত্রের মহাকর্ষীয় পতন বা দুটি নিউট্রন তারার সংঘর্ষ।
- এটি নক্ষত্রের মৃত্যুর একটি স্বাভাবিক ফল।

৩. ইন্টারমিডিয়েট ব্ল্যাক হোল (Intermediate Black Hole):
- ভর: সূর্যের ভরের ৫০ থেকে ৫০,০০০ গুণ।
- এই ভর পরিসরে ব্ল্যাক হোলের জন্য কোনো সাধারণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া নেই।
- সাম্প্রতিক গবেষণায় সম্ভাব্য অস্তিত্বের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

৪. সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল (Supermassive Black Hole):
- ভর: সূর্যের ভরের ৫০,০০০ থেকে বিলিয়ন গুণ।
- সাধারণ, প্রতিটি গ্যালাক্সির কেন্দ্রে বিদ্যমান।
- এটি গ্যালাক্সির কেন্দ্রের মূল কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত।

- স্টেলার-মাস ব্ল্যাক হোল এবং সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল সবচেয়ে সাধারণ।

পালসার: 
- পালসার এর ভর সূর্যের ১.১৮ থেকে ১.৯৭ গুণের মধ্যে, তবে বেশিরভাগ পালসারের ভর সূর্যের ১.৩৫ গুণ বেশি ।

লালবামন: 
- সূর্যের প্রায় ০.০৮ থেকে ০.৬ গুণ পর্যন্ত ভর রয়েছে। 

উৎস: Science Questions with Surprising Answers
Britannica.
৪,৪৩৫.
পজিটিভ ও নেগেটিভ আয়ন সৃষ্টি হয় বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে?
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল
  2. মেসোমণ্ডল
  3. তাপমণ্ডল
  4. এক্সোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

তাপমণ্ডল: 
- তাপমণ্ডলের নিম্ন অংশকে আয়নমণ্ডল (Ionosphere) বলা হয়।
- এটি মেসোবিরতির উপরের তাপমণ্ডলের অংশ, যেখানে তীব্র সৌর বিকিরণ বায়ুর অণু ও পরমাণুকে আঘাত করে তাদের আয়নে পরিণত করে।
- এই স্তরে বায়ু আয়নিত থাকে, অর্থাৎ এতে পজিটিভ ও নেগেটিভ আয়ন সৃষ্টি হয়।
- আয়নমণ্ডল মূলত তাপমণ্ডলের ৬০ কিলোমিটার থেকে শুরু হয়ে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি বেতার তরঙ্গ প্রতিফলনে সহায়তা করে বলে রেডিও যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- আয়নমণ্ডল সৌর রশ্মি ও মহাকাশীয় বিকিরণ থেকে পৃথিবীকে আংশিকভাবে রক্ষা করে।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪৩৬.
পৃথিবীর বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান বনাঞ্চলের বেশিরভাগ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. আর্জেন্টিনা
  3. চিলি
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
আমাজন বনভূমি:
- পৃথিবীর কোন দেশে বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান বনাঞ্চল বা রেইনফরেস্ট হলো আমাজন বনভূমি।
- এই বনভূমি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আমাজন প্রায় ২,১২৩,৫৬২ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ইওসিন যুগে এই বনের বিকাশ ঘটেছিল।
- আমাজন বনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত নদীটিও আমাজন নদী হিসেবে পরিচিত।

⇒ আমাজন রেইনফরেস্ট ৯টি দেশে বিস্তৃত।
- দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- আমাজন বনের ৬৪ শতাংশ অঞ্চল শুধুমাত্র ব্রাজিলেই অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উৎপাদিত হয় আমাজন বনে।
- এই কারনে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।

উৎস: World Atlas.
৪,৪৩৭.
মুহুরীর চর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নোয়াখালী 
  2. রাজশাহী
  3. ফেনী
  4. লক্ষ্মীপুর
ব্যাখ্যা

মুহুরীর চর: 
- নদীর মধ্যভাগে বা মোহনায় পলি সঞ্চয়ের ফলে যে নতুন ভূখণ্ড জেগে ওঠে, তাকে চর বলা হয়।
- বাংলাদেশে নদীভাঙন ও পলি জমার কারণে নিয়মিত নতুন নতুন চরের সৃষ্টি হয়।
- এর মধ্যে মুহুরীর চর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- এই চর ফেনী জেলার বিলোনিয়া সংলগ্ন মুহুরী নদীতে বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তে গড়ে উঠেছে।
- এই চরের মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ বিদ্যমান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বহু চর রয়েছে—
• ভোলা জেলায় রয়েছে-  চরফ্যাশন, চর মানিক ও চর কুকড়ি মুকড়ি।
• নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত চর হচ্ছে- ভাসান চর ও সুবর্ণ চর।
- ফেনী জেলায় গড়ে উঠেছে মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলায় আছে- নির্মল চর।
- সুন্দরবন এলাকায় রয়েছে- দুবলার চর, পাখির চর, পাটনি চর ও কটকা চর

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৪,৪৩৮.
'কুমিল্লা জেলা' সাম্প্রতিককালের কোন প্লাবন সমভূমির অন্তর্গত?
  1. পাদদেশীয় সমভূমি
  2. বন্যাপ্রবণ সমভূমি
  3. উপকূলীয় সমভূমি
  4. ব-দ্বীপ সমভূমি
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বাংলাদেশকে একটি উর্বর কৃষিপ্রধান দেশে পরিণত করেছন
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অসংখ্যা ছোট-বড় নদী সারা দেশে জালের ন্যায় ছড়িয়ে আছে।
- এসব নদী সমতল ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় প্রতি বছর বন্যার সৃষ্টি হয়।
- এভাবে বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমি উত্তর দিক থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে দক্ষিণে প্রায় সমুদ্র সমতলে মিশেছে।
- দক্ষিণের সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত।
- সমুদ্র সমতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার, বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার, ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার, নারায়নগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি।
- স্থানীয়ভাবে এসব জলাভূমি ও নিম্নভূমিকে বিল, ঝিল বা হাওড় বলে।
- রাজশাহীর চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল এবং সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা ও শেরপুর জেলার বিল ও হাওড় অন্যতম।
- মেঘনা নদীর মোহনায় রয়েছে হাতিয়া ও সদ্বীপ।
- এছাড়া বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে আরোও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।
- এসব দ্বীপের মাটি উর্বর এবং মানব বসতির উপযোগী।

⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।
• পাদদেশীয় সমভূমি:
- হিমালয় পর্বত হতে বাহিত পলল দ্বারা গঠিত রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
• বন্যাপ্রবণ সমভূমি:
- ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট জেলার বন্যাপ্রবণ সমভূমি।
• স্রোতজ সমভূমি:
- খুলনা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।
- এ অঞ্চলের নদীতে প্লাবন কম হয়, তবে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা হয়।
• উপকূলীয় সমভূমি:
- নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
- এখানকার পতেঙ্গা সৈকত, কক্সবাজার সৈকত এবং টেকনাফ সৈকত পর্যটনের জন্য বিশেষ প্রসিদ্ধ।
• ব-দ্বীপ সমভূমি:
- ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৩৯.
গোবি মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) মঙ্গোলিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• গোবি মরুভূমি:
• গোবি মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
• মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
• মরুভূমিটি আনুমানিক ১৩ লক্ষ (১২ লক্ষ ৯৫ হাজার) বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট।

• বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান - 
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া।
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র।
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৪,৪৪০.
Conference of Parties বা COP - 28 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে কোথায়?
  1. ক) মিশর
  2. খ) স্কটল্যান্ড
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
• ১ থেকে ১২ নভেম্বর ২০২১ সালে ২৬তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৬ অনুষ্ঠিত হয় স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে।
• ৬ থেকে ১৮ নভেম্বর ২০২২ সালে ২৭তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয় শারম আল শেখ, মিশর।
• ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে ২৮তম জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন বা কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

তথ্যসূত্র:- UNFCCC ওয়েবসাইট।
৪,৪৪১.
‘বুশ হাউজ’ অবস্থিত -
  1. ক) আমেরিকা
  2. খ) কানাডা
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) ইসরাইল
ব্যাখ্যা
‘বুশ হাউজ’ অবস্থিত লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অল্ডউইচ নামক জায়গায়। সেই জায়গাটা লন্ডনের সাবেক নগর পরিষদ ১৯১৯ সালে ভাড়া দিয়েছিল আরভিং টি. বুশকে যিনি ছিলেন আমেরিকান একটি সংস্থা – নিউ ইর্য়কের বুশ টার্মিনাল কোম্পানির মালিক। নগর পরিষদ সেখানে মিঃ বুশকে নতুন একটি বিশাল বাণিজ্য কেন্দ্র গড়ে তোলার অনুমতি দিয়েছিল।
৭০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বুশ হাউস থেকে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস-এর সংবাদ প্রচারিত হতো।
সূত্রঃ বিবিসি বাংলা
৪,৪৪২.
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্পেস অবজারভেটরি সেন্টার’ স্থাপন করা হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) গোপালগঞ্চ
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখার মিলনস্থল ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার ভাঙ্গারদিয়া গ্রামে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্পেস অবজারভেটরি সেন্টার’ স্থাপন করা হচ্ছে।
- বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিক উপলক্ষ্যে ১০০ মিটার উচু এই টাওয়ারের মাধ্যমে টেলিস্কোপের সাহোয্যে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করা যাবে। মহাকাশ নিয়ে গবেষণারও সুযোগ থাকবে এতে।
(সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড)
৪,৪৪৩.
'ডোরাহ্‌ পাস (Dorah Pass)' কোন দুটি দেশকে সংযুক্ত করেছে?
  1. ক) আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  2. খ) আফগানিস্তান ও তাজিকিস্তান
  3. গ) আফগানিস্তান ও ইরান
  4. ঘ) আফগানিস্তান ও চীন
ব্যাখ্যা
ডোরাহ পাস (Dorah Pass):
- ডোরাহ পাস (Dorah Pass) ডুরাল্ড লাইনে অবস্থিত একটি উপত্যকা।
- ডোরাহ পাস (Dorah Pass) আফগানিস্তানের বাদকসানকে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুয়ানের চিত্রাল জেলাকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ৪৫৫৪ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও পাকিস্তানি ওয়েবসাইট।
৪,৪৪৪.
নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগ?
  1. জলোচ্ছ্বাস
  2. অগ্নিকাণ্ড
  3. নদীভাঙন
  4. ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
মানবসৃষ্ট কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ, পারমাণবিক বিস্ফোরণ, মরুকরণ, অগ্নিকাণ্ড, জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, বনউজারকরণ ইত্যাদি।
অন্যদিকে, প্রাকৃতিক কারণে সংঘটিত দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, নদীভাঙন, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা ইত্যাদি।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৮৯)
৪,৪৪৫.
পৃথিবী তার কক্ষপথে কত ডিগ্রি হেলে থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে?
  1. ২২.৫°
  2. ২৩.৫°
  3. ২৪.৫°
  4. ২৫.৫°
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আবর্তন:

- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণ সৃষ্টি করে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
- আহ্নিক গতির ফলে দিবা- রাত্রির সংঘটন, বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি ও দিবাভাগে তাপমাত্রার তারতম্য ঘটে থাকে।
- ডিম্বাকৃতির কক্ষপথে পরিভ্রমনকালে ৪ জুলাই পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যকার এই দূরত্ব সর্বাপেক্ষা বেশি থাকে। একে পৃথিবীর অপসূর (Aphelion) বলা হয়।
- ৩রা জানুয়ারি পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যকার এই দূরত্ব সর্বাপেক্ষা কম থাকে যাকে পৃথিবীর 'অনুসূর' (Perihelion) অবস্থান বলা হয়।
- বার্ষিক গতির ফলে দিবা-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি ও ঋতু পরিবর্তন সংঘটিত হয়ে থাকে।
- প্রতি চার বছর অন্তর ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিনে গণনা করা হয়, যা অধিবর্ষ (Leap Year) নামে অভিহিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৪৬.
মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল নিচের কোনটি?
  1. ক) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  2. খ) মধ্যাঞ্চল
  3. গ) দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্প (Earthquake): বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের মধ্যে ভূমিকম্প সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। ভৌগোলিক অবস্থান এবং ভূ-গাঠনিক কারণে ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এদেশ। ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশকে তিনটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। এগুলো হলো-
- রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৭ হলে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ,
- মাত্রা ৬ হলে মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এবং
- মাত্রা ৫ হলে কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে গণ্য হবে।

• দেশের কোন অঞ্চল কোন মাত্রার ভূমিকম্প ঝুঁকির অন্তর্ভুক্ত তা নিম্নে দেখানো হলো:
১. মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত।
২. মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের মধ্যাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত।
৩. কম ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল- দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল এর অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৪৭.
৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে কী বলে?
  1. কুমেরুবৃত্ত
  2. মকরক্রান্তি
  3. কর্কটক্রান্তি
  4. সুমেরুবৃত্ত
ব্যাখ্যা

অক্ষাংশ:
- ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি বলে।
- ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে মকরক্রান্তি।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলে সুমেরুবৃত্ত এবং
- ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলে কুমেরুবৃত্ত।
- বিষুবরেখাকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৪,৪৪৮.
দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায় নয় কোনটি?
  1. পুনরুদ্ধার 
  2. সাড়া প্রদান
  3. উন্নয়ন
  4. প্রশমন
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: 
-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ৩টি। যথা-
১। দুর্যোগ প্রতিরোধ
২। দুর্যোগ প্রশমন
৩। দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:  
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়:
- দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়।
- এগুলো হলো: পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন।
- এই ৩টি কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান ।

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়:-
- দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়।
- এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।

- সুতরাং দুর্যোগকে কার্যত মুকাবেলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই এর ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়।
- দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন।
- অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি

৪,৪৪৯.
বর্তমানে সুন্দরবনে কতটি ম্যানগ্রোভ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে?
  1. ক) ৩৫
  2. খ) ৪৫
  3. গ) ৫০
  4. ঘ) ৫৫
ব্যাখ্যা

- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)। কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।

- সুন্দরবনের গাছপালার অধিকাংশই ম্যানগ্রোভ ধরনের এবং এখানে রয়েছে বৃক্ষ, লতাগুল্ম, ঘাস, পরগাছা এবং আরোহী উদ্ভিদসহ নানা ধরনের উদ্ভিজ্জ। অধিকাংশই চিরসবুজ হওয়ার কারণে এদের সবার শারীরবৃত্তিক ও গঠনগত অভিযোজন কমবেশি একই রকম।

- অধিকাংশ বৃক্ষের আছে ঊর্ধ্বমুখী শ্বাসমূল (pneumatophore), যার সাহায্যে এরা শ্বসনের জন্য বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে।

- এ বনের প্রধান বৃক্ষ প্রজাতি সুন্দরী এবং গেওয়া (Excoecaria agallocha)। ১৯০৩ সালে ডি. প্রেইন সুন্দরবনের গাছপালার উপর লিখিত তাঁর গ্রন্থে ২৪৫ গণের অধীনে ৩৩৪টি উদ্ভিদ প্রজাতি লিপিবদ্ধ করেছেন; এর মধ্যে ১৭টি ফার্নজাতীয় (pteridophytes), ৮৭টি একবীজপত্রী (monocotyledons) এবং অবশিষ্ট ২৩০টি দ্বিবীজপত্রী (dicotyledons)। প্রজাতিগুলির মধ্যে ৩৫টি শিমগোত্রীয়, ২৯টি তৃণজাতীয়, ১৯টি হোগলাজাতীয় এবং ১৮টি সিজজাতীয় (euphorbias) উদ্ভিদ অন্তর্ভুক্ত।

- আজ পর্যন্ত জানা প্রায় ৫০টি প্রকৃত ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে কেবল সুন্দরবনেই আছে ৩৫টি প্রজাতি। অধিকাংশ ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ চিরসবুজ, খাটো, গুল্মজাতীয় অথবা লম্বা বৃক্ষজাতীয়। এদের অনেকেই বনের তলদেশ খালি না রেখে সাধারণত দলবদ্ধভাবে জন্মায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৪৫০.
নদীবিহীন দেশ কোনটি?
  1. সিরিয়া
  2. সৌদি আরব
  3. উজবেকিস্তান
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• নদীবিহীন দেশ:

- পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেগুলোর কোনো নদী নেই। অবশ্যই এগুলি বেশিরভাগই মরুভূমির দেশ, যেখানে বৃষ্টিপাত এবং জলের উৎস খুব কম, এবং কোনও বাস্তব নদী বা নদীর তল তৈরি করার জন্য পর্যাপ্ত জলপ্রবাহ নেই।

- স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই এমন দেশগুলি হলো:
- কমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, কিরিবাতি, নাউরু, টোঙ্গা ও টুভালু।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৪,৪৫১.
কোন প্রণালি প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. ক) পক প্রণালি
  2. খ) জিব্রাল্টার প্রণালি
  3. গ) সুন্দা প্রণালি
  4. ঘ) ফরমোজা প্রণালি
ব্যাখ্যা
- সুন্দা প্রণালি ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) কে যুক্ত করেছে। এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালি ব্যতীত মালাক্কা প্রণালিও ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
অন্যদিকে,
- পক প্রণালি ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ফরমোজা প্রণালি প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালি ভূম্যসাগরকে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৪,৪৫২.
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. কঠিন শিলা
  4. চুনাপাথর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। এটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

​প্রধান খনিজ সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
​-  ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে। ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের নতুন গ্যাসক্ষেত্র (২৯তম)।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

​এছাড়াও, 
​- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।
​- জাফলং ও তামাবিল অঞ্চলে চুনাপাথর পাওয়া যায়।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি এবং পেট্রোবাংলা।

৪,৪৫৩.
SPARRSO এর পূর্ণরূপ -
  1. Space Research and Revolution Sensitivity Organization
  2. Space Research and Remote Sensing Organization
  3. Space Research and Revolution Sensing Organization
  4. Space Research and Remote Sensitivity Organization
ব্যাখ্যা
SPARRSO:
- SPARRSO এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organization.
- স্পারসো হলো একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা যা জ্যোতির্বিদ্যা গবেষণা এবং বাংলাদেশে মহাকাশ প্রযুক্তির প্রয়োগের সাথে জড়িত।
- স্পারসো পরিবেশগত এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত গবেষণায় JAXA, NASA এবং ESA-এর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।
- স্পারসো হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সংস্থা।
- এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দিতে কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- কোম্পানিটি ল্যান্ডস্যাট এবং এনওএ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে ভূমি জরিপ চালাচ্ছে।
- বাংলাদেশের স্যাটেলাইট চিত্র স্পারসো-এর তত্ত্বাবধানে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৪৫৪.
বাংলাদেশের কয়টি জেলায় একটি মাত্র সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি সংসদীয় আসনের মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। 
- জেলাগুলো হল রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি। 

উৎসঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
৪,৪৫৫.
এশিয়া মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে গিয়েছে কোন ভৌগোলিক রেখা?
  1. ৪৫° পূর্ব-পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা
  2. ১২০° উত্তর-পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা
  3. ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা
  4. ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা
ব্যাখ্যা
• এশিয়া মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

• এশিয়া (Asia):
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া।
- পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এর আয়তন ১৭,২২৬,২০০ বর্গ মাইল (৪৪,৬১৪,০০০ বর্গ কিমি)।
- মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে ভূ-মধ্যসাগর ও ইউরোপ মহাদেশ অবস্থিত।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।
- এর মধ্যে আয়তনে চীন বৃহত্তম এবং মালদ্বীপ ক্ষুদ্রতম।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৪৫৬.
জুম চাষ পদ্ধতি বাংলাদেশের কোন জেলায় দেখা যায়?
  1. রাজশাহী
  2. রাঙামাটি
  3. সাতক্ষীরা
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- জুমচাষ (Shifting cultivation) পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- এক্ষেত্রে সাধারণত পাহাড়ের গায়ে কিছু স্থানে চাষ করার পর কয়েক বছর সেই স্থানের উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য রেখে দিয়ে আবার পাহাড়ের অন্য স্থানে গিয়ে চাষ করা হয়।
- জুম চাষিদের জুমিয়া বলা হয়।
- জুম চাষ পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জীবন-জীবিকার প্রধান অবলম্বন।
- বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার হেক্টর ভূমি এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়।
- সাধারণভাবে জন্মানো প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, ভুট্টা, কাউন, তিল, শসা, মিষ্টিকুমড়া, তরমুজ, বরবটি, তুলা, কলা, আদা, হলুদ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলায় (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) জুম চাষ হয়।
- জুম চাষের বিকল্প পদ্ধতি হচ্ছে সল্ট।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) কালের কন্ঠ।
৪,৪৫৭.
তাজিংডং(বিজয়) কোন অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান
  3. সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
তাজিংডং (বিজয়):

- এটি টারশিয়ারি যুগের পাহাড়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং।
- এটি বিজয় নামেও পরিচিত।
- স্থানীয় ভাষায় তাজিং অর্থ বড় আর ডং অর্থ পাহাড়, একত্রে 'বড় পাহাড়'।
- তাজিংডং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে সাইচল পর্বতসারিতে অবস্থিত।
- তাজিংডং এর উচ্চতা: ১২৩১ মি. বা ৪০৩৯ ফুট [সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল]।
- ১৩৭২ মি. বা ৪৫০০ ফুট [সূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন]।
- ১০০৩ মিটার [সূত্র: জেলা প্রশাসক কার্যালয়, বান্দরবান]।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি।
৪,৪৫৮.
পাদদেশীয় পললভূমি দেখা যায় বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে?
  1. কুমিল্লা-নোয়াখালী
  2. খুলনা-বাগেরহাট
  3. চট্টগ্রাম-কক্সবাজার
  4. রংপুর-দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বাংলাদেশকে একটি উর্বর কৃষিপ্রধান দেশে পরিণত করেছন
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ অসংখ্যা ছোট-বড় নদী সারা দেশে জালের ন্যায় ছড়িয়ে আছে।
- এসব নদী সমতল ভূমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্রায় প্রতি বছর বন্যার সৃষ্টি হয়।
- এভাবে বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমি উত্তর দিক থেকে ক্রমশ ঢালু হয়ে দক্ষিণে প্রায় সমুদ্র সমতলে মিশেছে।
- দক্ষিণের সুন্দরবন অঞ্চল প্রায় সমুদ্র সমতলে অবস্থিত।
- সমুদ্র সমতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার, বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার, ময়মনসিংহের উচ্চতা ১৮ মিটার, নারায়নগঞ্জ ও যশোরের উচ্চতা ৮ মিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি।
- স্থানীয়ভাবে এসব জলাভূমি ও নিম্নভূমিকে বিল, ঝিল বা হাওড় বলে।
- রাজশাহীর চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল এবং সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা ও শেরপুর জেলার বিল ও হাওড় অন্যতম।
- মেঘনা নদীর মোহনায় রয়েছে হাতিয়া ও সদ্বীপ।
- এছাড়া বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে আরোও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।
- এসব দ্বীপের মাটি উর্বর এবং মানব বসতির উপযোগী।

⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়।
• পাদদেশীয় সমভূমি:
- হিমালয় পর্বত হতে বাহিত পলল দ্বারা গঠিত রংপুর ও দিনাজপুরের পাদদেশীয় সমভূমি।
• বন্যাপ্রবণ সমভূমি:
- ঢাকা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট জেলার বন্যাপ্রবণ সমভূমি।
• স্রোতজ সমভূমি:
- খুলনা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে স্রোতজ সমভূমি।
- এ অঞ্চলের নদীতে প্লাবন কম হয়, তবে নিয়মিত জোয়ার-ভাটা হয়।
• উপকূলীয় সমভূমি:
- নোয়াখালী ও ফেনী নদীর নিম্নভাগ থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত চট্টগ্রামের উপকূলীয় সমভূমি।
- এখানকার পতেঙ্গা সৈকত, কক্সবাজার সৈকত এবং টেকনাফ সৈকত পর্যটনের জন্য বিশেষ প্রসিদ্ধ।
• ব-দ্বীপ সমভূমি:
- ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা এবং ঢাকা অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে ব-দ্বীপ সমভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৫৯.
পৃথিবীর ‍বৃহত্তম মহীসোপান কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) উত্তর আমেরিকার পশ্চিম উপকূল
  2. খ) এশিয়ার পূর্ব উপকূলে
  3. গ) আফ্রিকার উত্তর উপকূলে
  4. ঘ) ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূল
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে মহীসোপান বলে।
- মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।
- মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
- উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।

(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
৪,৪৬০.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের জেলাগুলো গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী?
  1. দক্ষিণাঞ্চলের
  2. উত্তরাঞ্চলের
  3. পূর্বাঞ্চলের
  4. পশ্চিমাঞ্চলের
ব্যাখ্যা
গম (Wheat):
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী
- এছাড়া দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, বগুড়া প্রভৃতি অঞ্চলে গম চাষ ভালো হয়।
- গম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারেনি তাই প্রতিবছর গম আমদানি করতে হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৬১.
নিচের কোনটি যমুনা নদীর উপনদী?
  1. আত্রাই
  2. শীতলক্ষ্যা
  3. ধলেশ্বরী
  4. বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
যমুনা (Jamuna):
- ব্রহ্মপুত্র একসময় বিশাল স্রোতধারা নিয়ে ছিল দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদ।
- যমুনা নদীও ছিল ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী।
- মূলত ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্রের স্রোতধারা দেওয়ানগঞ্জের কাছে এসে ওই শীর্ণকায় খাল দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- সেটিই আজকের যমুনা নদী।
- এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দের নিকট পদ্মার সাথে মিলিত হয়।
- এরপর এই মিলিত স্রোত দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পদ্মা নামে প্রবাহিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।
- যমুনার উপনদীগুলোর মধ্যে ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই অন্যতম।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৪৬২.
নিচের কোনটি অ-কাঠামোগত প্রতিরোধের উদাহরণ?
  1. বেড়িবাঁধ নির্মাণ
  2. নদী খনন
  3. পাকা ঘর নির্মাণ
  4. গণসচেতনতা বৃদ্ধি 
ব্যাখ্যা

• সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ অ-কাঠামোগত প্রতিরোধের অংশ।

• প্রতিরোধ (Prevention):

- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও, ক্ষয়ক্ষতি কমানোর উদ্দেশ্যে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।
- এই প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমগুলো সঠিকভাবে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করলে দুর্যোগজনিত ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা সম্ভব।

 
• দুর্যোগ প্রতিরোধের ধরন:

- দুর্যোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে—

- কাঠামোগত প্রতিরোধ,
- অ-কাঠামোগত প্রতিরোধ।
 
• কাঠামোগত প্রতিরোধ:

- কাঠামোগত প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। যেমন—

- বেড়িবাঁধ নির্মাণ,
- আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ,
- পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি,
- নদী খনন।

- এই ব্যবস্থাগুলো বাস্তবায়নে তুলনামূলকভাবে বেশি ব্যয় প্রয়োজন হয়।

• অ-কাঠামোগত প্রতিরোধ:

- অ-কাঠামোগত প্রতিরোধে মূলত মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। যেমন—

- প্রশিক্ষণ প্রদান,
- গণসচেতনতা বৃদ্ধি,
- পূর্বাভাস ব্যবস্থা উন্নয়ন,
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন।

- এই ধরনের প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৪,৪৬৩.
মেসেটা মালভূমি কোন উপদ্বীপে অবস্থিত?
  1. আইবেরীয় উপদ্বীপ
  2. বলকান উপদ্বীপ
  3. স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপ
  4. আরব উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা

মালভূমি:
- সমুদ্র সমতল থেকে অতি সুউচ্চ, বিস্তীর্ণ, প্রায় সমতল ভূমিরূপকে মালভূমি বলে।
- সমুদ্র পৃষ্ট হতে মালভূমির উচ্চতা কয়েকশত মিটার হতে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ও ভূ- পৃষ্ঠস্থ বিভিন্ন ভূমি গঠন প্রক্রিয়ার কারণে মালভূমির সৃষ্টি হতে পারে।
- যেমন: পাত সঞ্চালন, ভূ-আন্দোলন, ভূ-পৃষ্ঠের ক্ষয়সাধন, ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত ও লাভা সঞ্চয়ের মাধ্যমে মালভূমি গঠিত হয়ে থাকে।
- পৃথিবীর মোট ভূমির শতকরা পাঁচ ভাগ জুড়ে মালভূমি অবস্থিত।

⇒ মেসেটা মালভূমি (Meseta Central):
- মেসেটা মালভূমি স্পেনের একটি বিশাল মালভূমি।
- এটি আইবেরিয়ান উপদ্বীপের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি বিশাল মালভূমি। 
- এটি একটি চ্যুতি-সৃষ্ট মালভূমি।
- এটি প্রায় ২,১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
-  এর গড় উচ্চতা প্রায় ৬৬০ মিটার। 
- স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ এই মালভূমির কেন্দ্রে অবস্থিত। 

উৎস: Britannica.

৪,৪৬৪.
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কোন ঝুকিপূর্ণ দিকটি চিহ্নিত করেনি?
  1. ঝড়
  2. বন্যা
  3. মরূকরণ
  4. টর্নেডো
ব্যাখ্যা
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।

• এগুলো হলো
→ মরূকরণ,
→ বন্যা,
→ ঝড়,
→ সসমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং
→ কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।

- এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টি তে নাম আছে বাংলাদেশের।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ দেশ হলো বাংলাদেশ।

সূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৪,৪৬৫.
Line of Control কোন দুটি দেশের মধ্যবর্তী সীমারেখা?
  1. ভারত - পাকিস্তান
  2. ভারত - নেপাল
  3. পাকিস্তান - আফগানিস্তান
  4. নেপাল - ভুটান
ব্যাখ্যা
লাইন অফ কন্ট্রোল:
- LOC এর পূর্ণরূপ হল লাইন অফ কন্ট্রোল। 
- LOC হল ভারত ও পাকিস্তান দ্বারা শাসিত প্রাক্তন রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীরের অংশগুলির মধ্যে সামরিক কমান্ড লাইন। 
- ভারত ও পাকিস্তান উভয়ের জন্য, নিয়ন্ত্রণ রেখা আইনত স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সীমানা নয়, বরং একটি বাস্তব সীমান্ত।
- LOC হল একটি 740 কিলোমিটার দীর্ঘ সীমানা বা সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা যা জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্তকে বিভক্ত করে।
- এটি মূলত যুদ্ধবিরতি লাইন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল.
- কিন্তু 3 জুলাই 1972 সালে স্বাক্ষরিত সিমলা চুক্তির পরে এটিকে 'নিয়ন্ত্রণ রেখা' হিসাবে পুনঃনির্ধারিত করা হয়েছিল।

উৎস: Living on the Line of Control, The British Academy.
৪,৪৬৬.
নিম্নের কোনটি উঁচু উচ্চতার মেঘ?
  1. কিউম্যুলাস
  2. নিম্বাস
  3. স্ট্রেটাস
  4. সিরাস
ব্যাখ্যা

মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:

• উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

• মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

• নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

সূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। 

৪,৪৬৭.
বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে কোন ফসল আবাদে সর্বাধিক পানি সেচের প্রয়োজন হয়?
  1. ক) রোপা আমন ধান
  2. খ) আউশ ধান
  3. গ) বোরো ধান
  4. ঘ) বোনা আমন ধান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ধান উৎপাদনের প্রধান মৌসুম তিনটি। এগুলো হলো:
- আউশ
- আমন ও
- বোরো।
- তিন মৌসুমেই ধান চাষে পানি সেচের প্রয়োজন হয়। এদের মধ্যে বোরো ধান রবি বা শীতকালীন ফসল। যার কারণে শীতকালে বৃষ্টিপাতের অনুপস্থিতির কারণে বোরো ধান চাষে তুলনামূলক অধিক পানি সেচের প্রয়োজন হয়।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৪,৪৬৮.
The key factor in determining the weather is the quantity of ____  in the atmosphere.
  1. ক) Water vapor
  2. খ) Oxygen
  3. গ) Carbon Dioxide
  4. ঘ) Hydrogen
ব্যাখ্যা
• Humidity, the amount of water vapour in the air. It is the most variable characteristic of the atmosphere and constitutes a major factor in climate and weather.
 
Source: Britannica
৪,৪৬৯.
কোন প্রজাতিকে সুন্দরবনের ফ্ল্যাগশিপ প্রজাতি বলা হয়?
  1. রয়েল বেঙ্গল টাইগার
  2. কুমির
  3. মায়া হরিণ 
  4. বানর 
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, যা জলাভূমির বন হিসেবেও পরিচিত।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গকিমি।
- এর মধ্যে বাংলাদেশে বিস্তৃত সুন্দরবনের আয়তন ২,৪০০ বর্গমাইল বা ৬২%।
- সুন্দরবনের প্রাণীবৈচিত্র্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ।
- এখানে সবচেয়ে বিখ্যাত হলো- রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
- সুন্দরবনের ফ্ল্যাগশিপ প্রজাতি হলো- রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
- কারণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার এই ম্যানগ্রোভ পরিবেশে টিকে থাকতে অভিযোজিত হয়েছে।
- এছাড়া এর সাঁতার কাটার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে। 

উল্লেখ্য,
• সুন্দরবন যে এলাকাগুলো জুড়ে রয়েছে: সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, বরগুনা।
• সুন্দরবনের অভয়ারণ্য বা restricted area এর মধ্যে রয়েছে: হিরণ পয়েন্ট, আলকী দীপ।

• সুন্দরবনের প্রধান ম্যানগ্রোভ গাছগুলো হলো:
- সুন্দরী, গেওয়া, গড়ান, পশুর, বাইন, হেঁতাল, গোলপাতা, কেওড়া, ধুন্দুল।
-  এই গাছগুলো লবণাক্ত পরিবেশে টিকে থাকে এবং বনটির বাস্তুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• সুন্দরবনের বিখ্যাত প্রাণী:
- চিত্রা ও মায়া হরিণ, বানর, বনবিড়াল, সজারু, বন্য শূকর, বিভিন্ন ধরনের পাখি (যেমন মদনটাক, মাছরাঙ্গা, শঙ্খচিল), কুমির, সাপ, গাঙ্গেয় ডলফিন, এবং ভোঁদড়সহ নানা স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ ও জলজ প্রাণী।

উৎস:
১. বন অধিদপ্তর,
২. বাংলাপিডিয়া;
৩. জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৪,৪৭০.
জোয়ার-ভাটার মরা কটাল কখন হয়?
  1. পঞ্চমীতে
  2. অষ্টমীতে
  3. সপ্তমীতে
  4. অমাবস্যায়
ব্যাখ্যা
• মরা কটাল (Neap Tide):
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়।
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না।
- এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল (Neap Tide) বলে। 
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে জোয়ার-ভাটার মরা কটাল হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭১.
কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডের মাঝে কোন উপসাগর অবস্থিত?
  1. আলাস্কা উপসাগর
  2. হাডসন উপসাগর
  3. ল্যাব্রাডর উপসাগর
  4. ব্যাফিন উপসাগর
ব্যাখ্যা

ব্যাফিন উপসাগর
- ব্যাফিন উপসাগর উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি প্রান্তিক সাগর।

- এই উপসাগরটি  বেফিন দ্বীপ ও গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণ–পশ্চিম উপকূলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি ডেভিস প্রণালী ও ল্যাব্রাডর সাগর হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত এবং 
- ন্যারেস প্রণালীর মাধ্যমে উত্তর মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত।
- বছরের অধিকাংশ সময় উপসাগরটি বরফে আচ্ছাদিত থাকে এবং
- ভাসমান বরফ ও হিমশৈলের কারণে এখানে নৌ চলাচল অত্যন্ত সীমিত। 

উৎস : ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ব্রিটানিকা।

৪,৪৭২.
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে 'সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি” কোথায় দেখা যায়?
  1. চলনবিল
  2. সিলেট অঞ্চলের হাওড়
  3. সুনামগঞ্জ নিচু প্লাবন ভূমি
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- হাওর এলাকা: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ জেলার নিচু প্লাবন ভূমি।
-  চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা- (ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও (খ) উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভ, মি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভ, মি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশ নদীবিধৌত এক বিস্তীর্ণ প্লাবন সমভূমি।
- এর কিছুসংখ্যক পরিত্যক্ত অশ্বখুরাকৃতি নদীখাত।
- স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- এদের মধ্যে চলনবিল, মাদারিপুর বিল ও সিলেট অঞ্চলের হাওড়সমূহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪৭৩.
'দেখার হাওর' বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. মৌলভীবাজার
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

দেখার হাওর:
- 'দেখার হাওর' (ডেকার হাওর) বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- এটি সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ (দক্ষিণ সুনামগঞ্জ), দোয়ারাবাজার ও ছাতক-এই চার উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত একটি অন্যতম বৃহত্তম ও ফসলি হাওর।
- এই হাওরটি বোরো ধানের জন্য বিখ্যাত এবং স্থানীয়ভাবে একে 'বোরোর শস্য ভাণ্ডার' বলা হয়।
- ভরা বর্ষায় হাওরের সৌন্দর্য মানুষের নজর কাড়ে। পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকেরা বোরো রোপণ করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
ii) প্রথম আলো।

৪,৪৭৪.
ভূপৃষ্ঠের সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা কোনটি?
  1. আইসোহেলাইন
  2. আইসোথার্ম
  3. আইসোহাইট
  4. আইসোবার
ব্যাখ্যা
আইসোথার্ম : সমতাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।

অন্যদিকে,
- আইসোবার : সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা
- আইসোহেলাইন : সমুদ্রের সমলবণাক্ততা সম্পন্ন স্থানসমূহের সংযোগকারী রেখা
- আইসোহাইট : সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহের যোগকারী রেখা

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : উন্মুক্ত বিশ্ব. এবং সায়েন্সডিরেক্ট ওয়েবসাইট)
৪,৪৭৫.
বাংলাদেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা কয়টি? [মে - ২০২৫] 
  1. ২৮টি
  2. ২৬টি
  3. ২৭টি
  4. ২৯টি
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৪,৪৭৬.
বাংলাদেশের কোন জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ?
  1. সিলেট
  2. কুমিল্লা
  3. রাজশাহী
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

⇒ দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৪,৪৭৭.
নিচের কোনটি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নয়?
  1. ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে
  2. এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে
  3. ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে
  4. প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে তাতে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে
- আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
- ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে
- ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে
- উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- যা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে অনুভূত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৪৭৮.
উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় -
  1. হারিকেন
  2. উইলি উইলি
  3. টাইফুন
  4. সাইক্লোন
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ।
- বিজ্ঞানী হেনরি পিডিংটন ১৮৪৮ সালে প্রথম এ শব্দটি ব্যবহার করেন।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।

⇒ হারিকেন:
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চল, মধ্য এবং পূর্ব উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে 'হারিকেন' বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।

⇒ টাইফুন:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় 'টাইফুন'।
- চীন, তাইওয়ান, ফাইলিপাইন ও জাপানে প্রায় প্রতি বছরই টাইফুনের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।

⇒ সাইক্লোন:
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় 'সাইক্লোন' হিসেবে পরিচিত।
- সাইক্লোনের কারণে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর জানমালের ক্ষতি হয়।

উল্লেখ্য,
যেসব এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হয় না:
- পৃথিবীর বিষুব রেখা বরাবর সাগরে সাধারণত কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় না।
- বিষুব রেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়।
- অন্যদিকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরেও কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় না।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
         ii) মে ১১, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 
৪,৪৭৯.
ডারবান সমুদ্রবন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সিরিয়া
  2. ইরাক
  3. জর্ডান
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
ডারবান সমুদ্রবন্দর:
- ডারবান সমুদ্রবন্দরটি দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত।
- এটি সাব সাহারান আফ্রিকার বৃহত্তম এবং ব্যস্ততম শিপিং টার্মিনাল বা বন্দর।

⇒ বিশ্বের কিছু গুরত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর:
- আকাবা: জর্ডানের সমুদ্র বন্দর।
- লাতাকিয়া: সিরিয়ার সমুদ্রবন্দর।
- আকিয়াব: মিয়ানমারের সমুদ্রবন্দর।
- আন্টওয়ার্প: বেলজিয়ামের সমুদ্রবন্দর।
- লা গুয়েরা: ভেনেজুয়েলার সমুদ্রবন্দর।
- ইরাকের সমুদ্র বন্দর: বসরা।

উৎস: Britannica.
৪,৪৮০.
কোন শহরকে "সাত পাহাড়ের শহর" বলা হয়?
  1. প্যারিস
  2. ইস্তাম্বুল
  3. রোম
  4. লিসবন
ব্যাখ্যা
সাত পাহাড়ের দেশ:
- 'সাত পাহাড়ের দেশ' নামে পরিচিত রোম।
- কারন ইতালির রাজধানী রোম নগরীতে সাতটি পাহাড় রয়েছে।
- এগুলোর নাম হলো অ্যাভেনটাইন, কেইলিয়ান, ক্যাপিটোলাইন, ইসকুইলিন, প্যালেটাইন, কুইরিনাল ও ভিমিনাল।
- এই পাহাড়গুলো নগরীর ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে।
- এজন্য রোম নগরীকে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয়।

• কয়েকটি ভৌগলিক উপনাম: 
-
মুক্তার দেশ- কিউবা,
- নীলনদের দেশ - মিশর,
- ধীবরের দেশ - নরওয়ে,
- বজ্রপাতের দেশ- ভূটান,
- সিল্ক রুটের দেশ – ইরান,
- পিরামিডের দেশ - মিশর,
- সূর্যোদয়ের দেশ জাপান,
- ভূমিকম্পের দেশ - জাপান,
- শ্বেতহস্তীর দেশ – থাইল্যান্ড।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৪৮১.
হেমন্ত ঋতু কোন কোন মাস নিয়ে গঠিত?
  1. ক) বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ
  2. খ) আষাঢ়-শ্রাবণ
  3. গ) ভাদ্র-আশ্বিন
  4. ঘ) কার্তিক-অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা
হেমন্ত ঋতু কার্তিক-অগ্রহায়ণ, শরৎ ঋতু ভাদ্র-আশ্বিন মাস নিয়ে গঠিত।
৪,৪৮২.
পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ কোনটি?
  1. ভিক্টোরিয়া
  2. সুপিরিয়র
  3. টাঙ্গানাইকা
  4. বৈকাল
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ (Lake Baikal)
- অবস্থান: সাইবেরিয়া, রাশিয়া
- সর্বোচ্চ গভীরতা: ১,৬৪২ মিটার (৫,৩৮৭ ফুট)
- গড় গভীরতা: প্রায় ৭৪৪.৪ মিটার। 
- আয়তন: প্রায় ৩১,৫০০ বর্গকিমি
- UNESCO World Heritage Site (তালিকাভুক্ত: ১৯৯৬ সালে)। 

অপরদিকে,
- টাঙ্গানিকা হ্রদ (Lake Tanganyika): আফ্রিকা (গ্রেট রিফট ভ্যালি)
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ: পূর্ব আফ্রিকা – উগান্ডা, কেনিয়া ও তানজানিয়া সীমান্তে।
- আয়তনে আফ্রিকার ১ম এবং বিশ্বের ২য় বৃহত্তম মিঠা পানির হ্রদ (আয়তনে)।
- সুপিরিয়র হ্রদ:যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির হ্রদ আয়তনে)।
- কাস্পিয়ান সাগর (Caspian Sea): ইউরোপ-এশিয়া সীমানা
- ভোস্তক হ্রদ (Lake Vostok): আন্টার্কটিকা।
- বরফের নিচে লুকানো, উচ্চচাপে সম্পূর্ণ ডুবন্ত। 

উৎস: World Atlas.
৪,৪৮৩.
বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র কবে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৪ জুন, ১৯৭৫
  2. ১ জুলাই, ১৯৭৫
  3. ১৪ জুন, ১৯৭৬
  4. ১ জুলাই, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

• ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। 

» সেগুলো হলো:
- রাঙামাটির বেতবুনিয়া (১৯৭৫),
- গাজীপুরের তালিবাবাগ (১৯৮২),
- ঢাকার মহাখালী (১৯৯৫), ও
- সিলেট (১৯৯৭)।
- ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জুন, শেখ মুজিবুর রহমান রাঙামাটির বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহটি কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেছিলেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৪৮৪.
ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী নিম্নের কোন অঞ্চল প্লাইস্টোসিনকালের ভূমির অন্তর্ভুক্ত?
  1. বরেন্দ্র ভূমি
  2. লালমাই পাহাড়
  3. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:

- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৮৫.
সমান বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলগুলো মানচিত্রে যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে দেখানো হয় তার নাম -
  1. আইসোবার
  2. আইসোথার্ম
  3. আইসোহাইট
  4. আইসোহেলাইন
ব্যাখ্যা
আইসোহাইট:
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলগুলো মানচিত্রে যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে দেখানো হয় সেই রেখাকে সমবর্ষণ বা আইসোহাইট (Isohyets) রেখা বলে। 
- ভূপৃষ্ঠের সর্বত্র বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সমান নয়।
- কোথাও বেশি বৃষ্টিপাত হয়, কোথাও কম বৃষ্টিপাত হয়।
- ভূপৃষ্ঠের যে সব জায়গায় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এক রকম, সেই সব জায়গাগুলিকে যে রেখার সাহায্যে যুক্ত করে মানচিত্রে দেখানো হয় তাকে সমবর্ষণরেখা (Isohyets) বা আইসোহাইট বলে।

অন্যদিকে -
আইসোথার্ম: সমতাপ সম্পন্ন স্থানসমূহকেবিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।
আইসোবার: সমচাপ বিশিষ্ট স্থানসমূহের যোগকারী রেখা।
আইসোহেলাইন: সসমুদ্রের বিভিন্ন স্থানের সমলবণাক্ততা নির্দেশ করতে মানচিত্রে যে রেখা ব্যবহার করা হয়।

উৎস: Britannica.
৪,৪৮৬.
নীল নদ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. লোহিত সাগর
  2. কৃষ্ণ সাগর
  3. ভূমধ্যসাগর
  4. আরব সাগর
ব্যাখ্যা

নীল নদ:
পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীল নদ।
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- নীল নামটি গ্রীক নিলোস থেকে এসেছে, যার অর্থ একটি উপত্যকা বা নদী উপত্যকা।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- নীল নদ ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

উৎস: World atlas.

৪,৪৮৭.
পার্বত্য এলাকায় সংঘটিত আকস্মিক বন্যার স্থায়িত্বকাল কত হয়ে থাকে?
  1. ৫ - ৬ ঘণ্টা
  2. ৫ - ৬ দিন
  3. ২ - ৩ দিন
  4. ২ - ৩ মাস
ব্যাখ্যা
• বন্যার শ্রেণিবিভাগ ও বৈশিষ্ট্য:

• বাংলাদেশে বন্যার প্রভাব:
- বাংলাদেশের বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক।
- অধিক বৃষ্টিপাতের দরুণ ২০১২ সালে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে আকস্মিক বন্যায় ১০০ মানুষ নিহত হয় ও প্রায় ২,৫০,০০০ লোক পানিবন্দী হয়ে পড়ে।
- ২০০৭ সালের বন্যায় বাংলাদেশের ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটসহ দেশের সকল বিভাগে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়। ফলে, বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদসহ মোট ৫০০ লোকের প্রাণহানি হয়।
- ১৯৫৪ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ২০০৪ সালের বন্যা ছিল ভয়াবহ। এর মধ্যে ১৯৯৮ সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৮৮.
মরু এলাকায় কীসের দ্বারা সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ক্ষয়ীভবন হয়ে থাকে?
  1. বায়ুপ্রবাহ
  2. সূর্যরশ্মি
  3. বৃষ্টিপাত
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ক্ষয়ীভবন:
- ভূ-ত্বকের উপরের শিলারাশি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, হিমবাহ ও সাগর তরঙ্গ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে অবিরত ক্ষয়ের মাধ্যমে সৃষ্ট ক্ষয়জাত পদার্থ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবাহিত ও স্থানান্তরিত হয়। এভাবে প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ভূ-ত্বকের শিলারাশির ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্ষয়ীভবন বলে।
- সূর্যরশ্মি, বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত, নদীপ্রবাহ, হিমবাহ ও সাগর তরঙ্গ প্রভৃতি ক্ষয়ীভবনের প্রাকৃতিক নিয়ামক।

• বায়ুপ্রবাহ:
- মরু এলাকায় বায়ুপ্রবাহের দ্বারা সর্বাধিক ক্ষয়ীভবন হয়।
- মরুভূমিতে গাছপালা না থাকায় মৃত্তিকা ও শিলারাশির দৃঢ়তা খুবই কম। যার দরুণ ভূ-ত্বকের উপরিভাগ থেকে শিলারাশি ও মৃত্তিকা বায়ুর সাথে অন্যত্র চলে যায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৮৯.
পৃথিবীর সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ কোনটি? 
  1. সুপিরিয়র হ্রদ
  2. কাস্পিয়ান সাগর
  3. গ্রেট লেকস
  4. আসাল হ্রদ
ব্যাখ্যা
আসাল হ্রদ:

• আসাল হ্রদের অবস্থান: জিবুতি। 
• বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি পৃথিবীর সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ।
• এটি সমুদ্র সমতলের ১৫৭ মিটার (৫১৫ ফুট) নীচে অবস্থিত যা আফ্রিকার নিম্নতম বিন্দু।  
• জিবুতির রাজধানী থেকে ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে আফ্রিকার সবচেয়ে শুষ্ক ও উষ্ণ অঞ্চলে 'আসাল হ্রদ অবস্থিত। 

অপরদিকে,
• সুপিরিয়র হ্রদ: 
- অবস্থান: যুক্তরাষ্ট্র - কানাডা; 
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম সুপেয় পানির হ্রদ।

• গ্রেট লেকস: 
- অবস্থান: যুক্তরাষ্ট্র - কানাডা।
- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবাস্থত ৫টি লেককে একত্রে গ্রেট লেকস বলে, এগুলো হলো - সুপিরিয়র, হিউরন, মিসিগান, ইরি ও অন্টারিও। 

• কাস্পিয়ান সাগর: 
- অবস্থান: আজারবাইজান, রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কিমেনিস্তান, ইরান। 
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ।
- এটি লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- দৈর্ঘ্য: ১১৯৯ কিলোমিটার।
- এটি মূলত ভূ-বেষ্টিত সাগর।

তথ্যসূত্র: ব্রিটিনিকা।
৪,৪৯০.
’লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল’ কোন দুটি দেশের সীমানা বিভক্তকারী রেখা?
  1. পাকিস্তান - চীন
  2. ভারত - পাকিস্তান
  3. পাকিস্তান - আফগানিস্তান
  4. ভারত - চীন
ব্যাখ্যা
ভারত – চীন – পাকিস্তান - আফগানিস্তান সীমান্ত বিভক্তকারী রেখা: 
- ম্যাকমেহান (ভারত-চীন);
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল (ভারত-চীন);
- 'লাইন অব কন্ট্রোল (ভারত-পাকিস্তান);
- ডুরান্ড লাইন (পাকিস্তান-আফগানিস্তান);

উৎস: ব্রিটানিকা, BBC.
৪,৪৯১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়?
  1. ক) চিকনাগুল  
  2. খ) পিরামিড
  3. গ) গারো পাহাড়  
  4. ঘ) খাসিয়া
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ  হচ্ছে— মোদকমুয়াল (১,০০০ মিটার) ও পিরামিড (৯১৫ মিটার), তাজিওডং (বিজয়),কিওক্রাডং।
⇒ রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
⇒  এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
⇒বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম তাজিওডং (বিজয়), যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
⇒বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হচ্ছে কিওক্রাডং, যার উচ্চতা ১,২৩০ মিটার।
⇒ এ অঞ্চলের পাহাড়গুলো বেলে পাথর, কর্দম ও শেল পাথর দ্বারা গঠিত।
⇒উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ :চিকনাগুল, খাসিয়া ও জয়ন্তিয়া প্রধান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি
৪,৪৯২.
কেওক্রাডং পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. খাগড়াছড়ি
  3. চট্রগ্রাম
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
কেওক্রাডং পর্বত : 
- কেওক্রাডং বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত।
- বান্দরবানের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত।
- কেওক্রাডং শব্দটি মারমা ভাষা থেকে এসেছে।
- মারমা ভাষায় কেও মানে 'পাথর', কাড়া মানে 'পাহাড়' আর এবং ডং মানে 'সবচেয়ে উঁচু'।
- অর্থাৎ কেওক্রাডং মানে সবচেয়ে উঁচু পাথরের পাহাড়।
- অধুনা রাশিয়া কর্তৃক পরিচালিত এসআরটিএম উপাত্ত এবং জিপিএস গণনা থেকে দেখা গেছে এর উচ্চতা ৯৭৪ মিটার (৩,১৯৬ ফুট)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৪৯৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের জেলাগুলোতে গম চাষ বেশি প্রসার লাভ করেছে?
  1. ক) পূর্বাঞ্চলের
  2. খ) পশ্চিমাঞ্চলের
  3. গ) দক্ষিণাঞ্চলের
  4. ঘ) উত্তরাঞ্চলের
ব্যাখ্যা

বর্তমানে খাদ্য-শস্যের প্রয়ােজনীয়তায় বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই গম চাষ হয়।
তবে, উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলাে গম চাষের জন্য বিশেষ উপযােগী।
- দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, বগুড়া প্রভৃতি অঞ্চলে গম চাষ ভালাে হয়।
রেফারেন্স - ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি।

৪,৪৯৪.
টাইটানিক জাহাজ কোন মহাসাগরে নিমজ্জিত হয়?
  1. ক) আটলান্টিক মহাসাগর
  2. খ) প্রশান্ত মহাসাগর
  3. গ) ভারত মহাসাগর
  4. ঘ) লোহিত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
টাইটানিক জাহাজ’ নিমজ্জিত হয়েছিল আটলঅন্টিক মহাসাগরে (১৫ এপ্রিল ১৯১২ সালে)।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
৪,৪৯৫.
বিশ্বের গভীরতম স্থান কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে  
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. উত্তর মহাসাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

মারিয়ানা ট্রেঞ্জ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্জ হচ্ছে বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্জের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ জরিপ পরিচালনাকারী জাহাজ - HMS Challenger।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
-পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা -মাপা হয় - ৩৬,০৭০ ফুট। বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে Challenger Deep বলা হয়।
- মারিয়ানা বাদে আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সমুদ্রখাদ:

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস, ব্রিটানিকা ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ওয়েবসাইট।

৪,৪৯৬.
'মিন্দানাও দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ফিলিপাইন
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. থাইল্যান্ড
  4. শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
• মিন্দানাও:
- মিন্দানাও হলো ফিলিপাইনের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ, যা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি আয়তনে প্রায় ৯৭,৫৩০ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি চারপাশে প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন সাগর দ্বারা বেষ্টিত, যেমন:

- পূর্বে: ফিলিপাইন সাগর। 
- দক্ষিণে: সেলেবেস সাগর। 
- পশ্চিমে: সুলু সাগর। 
- উত্তর-পশ্চিমে: বোহল সাগর। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪,৪৯৭.
Which of these is not one of the 13 countries crossed by the Equator?
  1. ক) Republic of the Congo
  2. খ) Egypt
  3. গ) Uganda
  4. ঘ) Kenya
ব্যাখ্যা
The Equator passes through 13 countries: 
Ecuador, Colombia, Brazil, Sao Tome & Principe, Gabon, Republic of the Congo, Democratic Republic of the Congo, Uganda, Kenya, Somalia, Maldives, Indonesia and Kiribati. 
At least half of these countries rank among the poorest in the world.
 
Source: Britannica. pbs.org
৪,৪৯৮.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা কোনটি?
  1. শায়েস্তাগঞ্জ
  2. শিবগঞ্জ
  3. আলী নগর
  4. তারাগঞ্জ
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৪,৪৯৯.
ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তরেখার নাম কি?
  1. ডুরান্ড রেখা
  2. র‍্যাডক্লিফ রেখা
  3. ইন্দো-চীন-লাইন
  4. ম্যাকমোহন রেখা
ব্যাখ্যা
- ম্যাকমোহন লাইন ও লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তরেখা।

- ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান ও ব্রিটিশ ভারতের মধ্যকার নির্ধারিত সীমান্ত।
- র‍্যাডক্লিফ লাইন ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সীমান্তরেখা।


উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৪,৫০০.
পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য -
  1. ১০ মিনিট
  2. ৮ মিনিট
  3. ৬ মিনিট
  4. ৪ মিনিট
ব্যাখ্যা
• গ্রিনিচ মান:
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘন্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘন্টা আগে
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা।
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
- গ্রীনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত। 
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গেছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয়।
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রীনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।