বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৩৪ / ৭২ · ৩,৩০১৩,৪০০ / ৭,১৯১

৩,৩০১.
নিচের কোন বিভাগ ব্যতীত সকল বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে?
  1. বরিশাল
  2. সিলেট
  3. খুলনা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সীমান্তবর্তী অঞ্চল:
→ বাংলাদেশের ৮ টি বিভাগে মোট জেলার সংখ্যা হল ৬৪।
→ সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে ৩২ টি। এই সীমান্তবর্তী জেলাগুলো ভারত ও মিয়ানমার এর সাথে।
→ ভারতের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে ৩০ টি জেলার আর মিয়ানমারের সাথে রয়েছে ৩টি জেলার।
→ এদের মধ্যে ১টি জেলার (রাঙ্গামাটি) আবার দুই দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
→ ঢাকা ও বরিশাল বিভাগ ব্যতীত সকল বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: ডিএমপি নিউজ (১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০)।
৩,৩০২.
উত্তর গোলার্ধের উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. ক) জুলাই
  2. খ) এপ্রিল
  3. গ) মার্চ
  4. ঘ) ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জুলাই
- উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস - জানুয়ারী
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারী
- দক্ষিণ গোলার্ধে শীতলতম মাস - জুলাই

অতিরিক্ত:
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল।
- মার্চ মাস থেকে মে মাস পর্যন্ত সূর্যের উত্তর গোলার্ধে অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের সূর্য রশ্মি খাড়াভাবে পতিত হয়। ফলে তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই সময়কালকে গ্রীষ্মকাল বলা হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস, বাংলাপিডিয়া & নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল বই ।
৩,৩০৩.
২০১৩ সালে ঢাকার সাভারের রানা প্লাজা ধস কোন ধরনের দুর্যোগের উদাহরণ?
  1. প্রাকৃতিক দুর্যোগ
  2. মানবসৃষ্ট দুর্যোগ
  3. প্রযুক্তিগত দুর্যোগ
  4. জৈবিক দুর্যোগ
ব্যাখ্যা
দুর্যোগের ধরণ: 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলো প্রাকৃতিক কারণে সৃষ্ট বিপর্যয়, যেমন ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙন এবং তুষারপাত।
- এসব দুর্যোগ প্রকৃতির অপ্রতিরোধ্য শক্তির কারণে ঘটে এবং মানবজীবন ও পরিবেশে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।

অপরদিকে,
- মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মানুষের কর্মকাণ্ড বা অবহেলার ফলে সৃষ্ট বিপর্যয়, যেমন যুদ্ধ, পারমাণবিক বিস্ফোরণ, রাসায়নিক দূষণ, অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণ ইত্যাদির মাধ্যমে ঘটে। উদাহরণস্বরূপ, ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ এবং ২০১৩ সালে ঢাকার সাভারের রানা প্লাজা ধস উল্লেখযোগ্য মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। উভয় ধরনের দুর্যোগই মানবজীবন ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

সূত্র: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইস এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৩০৪.
Which of the following naval route is known as the Suez Canal of Bangladesh?
  1. ক) Gabkhan Channel
  2. খ) Rabnabad Channel
  3. গ) Kornofuli Channel
  4. ঘ) Hatiya Channel
ব্যাখ্যা
গাবখান চ্যানেলটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ।
• ঝালকাঠি জেলার মাঝখান দিয়ে বয়ে চলা গাবখান নদীর উপর নির্মিত এই সেতুটি ৫ম বাংলাদেশ-চীনমৈত্রী সেতু হিসেবে পরিচিত।
- যেটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে গাবখান চ্যানেলের উপর দিয়ে।
- এ সেতুর নির্মাণশৈলী একে দেশের অন্যান্য সেতু থেকে আলাদা করেছে।
- গাবখান চ্যানেলটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ যা বাংলার  সুয়েজখাল নামে পরিচিত।

সূত্র: ঝালকাঠি জেলার ওয়েবসাইট
৩,৩০৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমে অবস্থিত স্থান কোনটি?
  1. মনাকষা
  2. শিবগঞ্জ
  3. শিবচর
  4. বাংলাবান্ধা 
ব্যাখ্যা

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের বিভাগ: রাজশাহী।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে পশ্চিমের স্থান: মনাকষা।

উল্লেখ্য, 
• সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের বিভাগ: রংপুর।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা হিসেবে পরিচিত পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের উপজেলা: তেতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের স্থান হলো: বাংলাবান্ধা।

• সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের জেলা: বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা: থানচি।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের স্থান হলো আখাইনঠং।  

• সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের  বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের জেলা: কক্সবাজার।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের উপজেলা: টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের স্থান: ছেঁড়াদ্বীপ।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৩,৩০৬.
বায়ুমন্ডলের প্রধান উপাদান দুটি কী কী?
  1. ক) অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন ও মিথেন
  3. গ) নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড
  4. ঘ) অক্সিজেন ও আরগন
ব্যাখ্যা
- বায়ুমন্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুটি- অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন।
- বায়ুমন্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকি শতকরা ১.২৭ ভাগ অন্যান্য গ্যাস, জলীয়বাষ্প ও কণিকাসমূহ জায়গা জুড়ে আছে।
- জীবজগৎ পরস্পর অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ ও ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে আছে।
- ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগৎ কে রক্ষা করে।
- বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেন এর পরিমান শতকরা ৭৮.০২।
- বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন এর পরিমান শতকরা ২০.৭১।

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩০৭.
বাংলাদেশের কতটি “ছিটমহল” ভারতের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
  1. ক) ১৬২টি
  2. খ) ১১১টি
  3. গ) ৫১টি
  4. ঘ) ১০১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল এবং ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল রয়েছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৩,৩০৮.
পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পটুয়াখালী
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) হাতিয়া
ব্যাখ্যা
পতেঙ্গা চট্টগ্রাম শহরের ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত একটি সমূদ্র সৈকত। এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত। পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত। গুলিয়াখালি, পারকি সমুদ্র সৈকতও চট্টগ্রামে অবস্থিত। আর ইনানী, লাবনী, হিমছড়ি, টেকনাফ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অবস্থিত। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত। নিঝুমদ্বীপ নোয়াখালীতে অবস্থিত। উৎস: parjatan.gov.bd
৩,৩০৯.
পৃথিবীর কত ডিগ্রি অক্ষাংশকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলা হয়?
  1. ০ ডিগ্রি
  2. ২৩.৫ ডিগ্রি
  3. ৬৬.৫ ডিগ্রি
  4. ৯০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
 বিষুবরেখা/ নিরক্ষরেখা/মহাবৃত্ত:
- পৃথিবীর দুই মেরু হতে সমান দূরত্বে (পৃথিবীর মাঝখানে) পূর্ব-পশ্চিমে পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কল্পিত বৃত্তকে বলা হয় নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।
- বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখাকে বলা হয় মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত।
- আহ্নিক গতি নিরক্ষরেখায় সর্বাপেক্ষা বেশি। নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। অর্থাৎ পৃথিবীর মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত এর মান ০°।
- তাহলে আমরা বলতে পারি যে, পৃথিবীর ০ ডিগ্রি অক্ষাংশকে মহাবৃত্ত বা গুরুবৃত্ত বলা হয়।

- নিরক্ষরেখার সমান্তরালে উত্তরে ও দক্ষিণে কতকগুলো রেখা কল্পনা করা হয়। এই রেখাগুলোকে অক্ষরেখা বা সমাক্ষরেখা বলে।
- অক্ষরেখাসমূহের দূরত্ব সর্বত্র সমান। নিরক্ষেরেখা থেকে উত্তরে বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের মানকে ডিগ্রিতে প্রকাশ করলে তাকে অক্ষাংশ বলে। 
- নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখার মান ০°। নিরক্ষরেখা থেকে ৯০° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় সুমেরু এবং ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় কুমেরু।
- এছাড়া ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রামে- কর্কটক্রান্তি এবং ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষাংশে বলা হয় মকরক্রান্তি।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশকে বলা হয় যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত এবং কুমেরু বৃত্ত।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি (ঘন্টা প্রতি ১৭০০ কি.মি. প্রায়)।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১০.
কোন নদীকে প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক সমৃদ্ধ 'মৎসখনি' বলা হয়?
  1. পদ্মা নদী
  2. হালদা নদী
  3. কর্ণফুলী নদী
  4. মেঘনা নদী
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার।
- এটি দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস।
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে।
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
- এতে হালদা নদী জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ ঐতিহ্যগত স্থান হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হবে।
- হালদায় মাছের অভয়াশ্রমের পাশাপাশি প্রকৃতিতে আসবে নতুন প্রাণ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সমকাল পত্রিকার নিউজ।
৩,৩১১.
'মাউন্ট এলব্রুস' কোন মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. ইউরোপ
  3. ওশেনিয়া
  4. এন্টার্কটিকা
ব্যাখ্যা
ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে ষষ্ঠ।
- ইউরোপ মহাদেশের উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভুমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- ইউরোপ মহাদেশ ৪৫টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশে রাশিয়ার অবস্থান হলেও এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী ভলগা (৩,৬৮৭ কিলোমিটার)।
- ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট এলব্রুস।

অন্যদিকে -
- এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট।
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম কিলিমাঞ্জারো।
- উত্তর আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম মাউন্ট ডেনালি।
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম অ্যাকাঙ্কাগুয়া।
- ওশেনিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম পুসাক জায়া।
- এন্টার্কটিকার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম ভিনসন ম্যাসিফ।

উৎস: World Atlas.
৩,৩১২.
BCCSAP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan
  2. Bangladesh Climate Change System and Action Plan
  3. Bangladesh Coastal Climate Strategy and Action Plan
  4. Bangladesh Climate Control Strategy and Action Plan
ব্যাখ্যা

◉ BCCSAP এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan. এটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের জাতীয় কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা।

BCCSAP: 
​- BCCSAP-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan.
​- এটি বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০০৯ সালে প্রণীত একটি নীতিগত দলিল, এর উদ্দেশ্য জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় একটি সুসংগঠিত কৌশল নির্ধারণ করা। 
​- এই কর্মপরিকল্পনা ছয়টি মূল ক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে গঠিত: খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, গবেষণা ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনা, কম-কার্বন উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানগত সক্ষমতা বৃদ্ধি।
​- BCCSAP-এর আওতায় ৪৪টি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, এগুলো স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। 
​- এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।  

​সূত্র: International Climate Finance Cell ওয়েবসাইট।

৩,৩১৩.
কোনটি সামাজিক পরিবর্তনের উপাদান নয়?
  1. ক) শিক্ষা
  2. খ) শিল্পায়ন
  3. গ) বাসস্থান
  4. ঘ) নগরায়ন
ব্যাখ্যা
• বাসস্থানের তুলনায় শিক্ষা, শিল্পায়ন এবং নগরায়ন সামাজিক পরিবর্তনের সাথে বেশি সম্পৃক্ত।
• তাই সামাজিক পরিবর্তনের উপাদান নয় বাসস্থান।
• কেননা বাসস্থান হলো মানুষের মৌলিক উপাদান।
•  শিক্ষা, শিল্পায়ন ও নগরায়ন হলো সামাজিক পরিবর্তনের উপাদান।
এছাড়াও

• সমাজ পরিবর্তনের সাথে মূল্যবোধের পরিবর্তন ঘটে।
• এর অন্যতম কারণ হলো শিক্ষার উন্নয়ন, শিল্পায়ন, নগরায়ন, প্রযুক্তির বিকাশ ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩১৪.
কোথায় ট্রপোমন্ডলের পুরুত্ব সবচেয়ে কম?
  1. বিষুব অঞ্চলে
  2. ক্রান্তীয় অঞ্চলে
  3. মেরু অঞ্চলে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মেরু অঞ্চলে ট্রপোমন্ডলের বিস্তৃতি সবচেয়ে কম।

ট্রপোমন্ডল:

- ট্রপোমন্ডল ভূপৃষ্ঠের নিকটতম স্তর।
- মেঘ, বৃষ্টি, বজ্রপাত, তুষারপাত সবই এই স্তরে ঘটে।
- তাই এই স্তরকে ক্ষুব্ধমন্ডলও বলা হয়।  
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে এই স্তরের বিস্তৃতি প্রায় ১৬-১৯ কিমি।
- মেরু অঞ্চলে এই স্তরের বিস্তৃতি প্রায় ৮ কিমি।
- বায়ুমণ্ডলের মোট ওজনের প্রায় ৭৫% ই এই স্তর বহন করে। 
- এই স্তরের শেষ প্রান্তের নাম ট্রপোবিরতি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৫.
বরেন্দ্রভূমির আয়তন কত?
  1. ১০,৩২০ বর্গকিলোমিটার
  2. ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার
  3. ৮,৯০৩ বর্গকিলোমিটার
  4. ৭,৯০৩ বর্গকিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৬.
বায়ুমন্ডলে নিচের কোনটির পরিমান কম?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. জলীয়বাষ্প
  3. আরগন
  4. অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডল:
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়।
বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ
- জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ
- অন্যান্য গ্যাস: ০..০২ শতাংশ
- ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৩,৩১৭.
‘প্যারা বন’ নামে কোন ধরণের বন পরিচিত?
  1. চিরহরিৎ বন
  2. পাতাঝরা বন
  3. উপকূলীয় বন
  4. বাঁশঝাড় বন
ব্যাখ্যা

• উপকূলীয় বনায়ন:
- অবস্থান: নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকা। উপকূলীয় এলাকায় জেগে উঠা চর ভূমিতে ১৯৬৫ সাল থেকে এ বন সৃষ্টি করা হচ্ছে।
- এ বনকে প্যারা বনও বলা হয়।
- এ বন ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা হতে উপকূলীয় এলাকার জান-মাল রক্ষা করে।
- পরিমাণ: প্রায় ১,৯৬,০০০ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ১.৩৬% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ১২.৫০%।
- উদ্ভিদ প্রজাতি: কেওড়া, ছৈলা, বাইন, গোলপাতা ইত্যাদি। প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনের মত এ বন জোয়ার-ভাটায় প্লাবিত হয়।
- বন্যপ্রাণী: হরিণ, মেছোবাঘ, শিয়াল ইত্যাদি।
- বনের পাখি: কালালেজ জৌরালী, দেশি গাঙচষা, কালামাথা কাস্তেচরা, খয়রাপাখ মাছরাঙা ইত্যাদি।
- মাছ: এ বন উপকূলীয় মৎস্য ভান্ডারেরও একটি বিরাট উৎস। ভেটকি, পারসে, গলদা, বাগদা ইত্যাদি।

 তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। Link

৩,৩১৮.
কোনটি ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা বনভূমির বৈশিষ্ট্য?
  1. উষ্ণ তাপমাত্রা
  2. কম বৃষ্টিপ্রবল অঞ্চল
  3. অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চল
  4. সমভূমির বনভূমি
ব্যাখ্যা
• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
- বাংলাদেশের দক্ষিণাংশ অর্থাৎ রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম এবং সিলেটের পাহাড়ি এলাকায় এই ধরনের বনভূমি দেখা যায়।
পাহাড়ের প্রবল বৃষ্টিপাত সম্পন্ন অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা গাছের বনভূমি পাওয়া যায়।
- এখানকার প্রধান বৃক্ষ চাপালিশ, তেলসুর, ময়না, গর্জন, জারুল, গামার, কড়ই, সেগুন প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩১৯.
বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা -
  1. ১২ কিলোমিটার
  2. ২২.২২ কিলোমিটার
  3. ৪২.০৪ কিলোমিটার
  4. ২২২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩২০.
নিচের কোনটি স্বল্পস্থায়ী প্রাকৃতিক দুর্যোগ?
  1. ক) বন্যা
  2. খ) ঘূর্ণিঝড়
  3. গ) টর্নেডো
  4. ঘ) কালবৈশাখী ঝড়
ব্যাখ্যা
- সাধারণত স্থলভাগে সৃষ্ট ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের অধিক হলে তা টর্নেডো হিসেবে অভিহিত।
- টর্নেডোর স্থায়ীত্বকাল থাকে খুবই স্বল্প সময়ের এবং এর পরিধিও ক্ষুদ্র এলাকায় ব্যাপ্ত থাকে। কিন্তু এর তাণ্ডবের মাত্রা থাকে অত্যধিক।
- টর্নেডো সৃষ্টির মুখ্য কারণ হলো স্থলভাগে নিম্নচাপের সৃষ্টি।
- স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়ে টর্নেডোতে রূপ নেয়।
(তথ্যসূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৩২১.
পাহাড়ি এলাকায় কোন ধরনের বন্যা দেখা যায়?
  1. ক) মৌসুমি বন্যা
  2. খ) আকস্মিক বন্যা
  3. গ) জোয়ারসৃষ্ট বন্যা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক বন্যা সৃষ্টি হতে দেখা যায়।

বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যাকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়:
i) মৌসুমি বন্যা (monsoon flood) - এই বন্যা ঋতুগত, নদনদীর পানি ধীরে ধীরে উঠানামা করে এবং বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত করে জানমালের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে;
ii) আকস্মিক বন্যা (flash flood) - আকস্মিক পাহাড়ি ঢল অথবা স্বল্প সময়ে সংঘটিত প্রবল বৃষ্টিপাত থেকে কিংবা প্রাকৃতিক অথবা মানবসৃষ্ট বাঁধ ভেঙে সংঘটিত হয়; 
iii) জোয়ারসৃষ্ট বন্যা (tidal flood): সংক্ষিপ্ত স্থিতিকাল বিশিষ্ট এই বন্যার উচ্চতা সাধারণত ৩ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং ভূভাগের নিষ্কাশন প্রণালীকে আবদ্ধ করে ফেলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৩,৩২২.
“বঙ্গবন্ধু দ্বীপ” কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মেঘনা মোহনায়
  2. খ) বঙ্গোপসাগরে
  3. গ) টেকনাফের দক্ষিণে
  4. ঘ) পটুয়াখালীর দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দ্বীপ (যা পুটুনির দ্বীপ নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার মংলা উপজেলার সুন্দরবনের অংশ 'দুবলার চর' থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে প্রথম নতুন জেগে ওঠা একটি চরের দেখা পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত, মালেক ফরাজী নামের এক মৎস শিকারী।
- এ সময় তিনি জনমানবহীন এ দ্বীপের নাম দেন ‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’ এবং সেখানে একটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দিয়ে আসেন।
- পরবর্তীতে ২০০৪ সালের পর থেকে দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বড় হচ্ছে এবং না ডুবে স্থিতিশীল অবস্থায় আসছে।

সূত্র: প্রথম আলো আর্কাইভ।
৩,৩২৩.
জেদ্দা সমুদ্রবন্দর কোন সাগরের তীরে অবস্থিত?
  1. ক) পারস্য উপসাগর
  2. খ) ওমান উপসাগর
  3. গ) লোহিত সাগর
  4. ঘ) আকাবা উপসাগর
ব্যাখ্যা
- জেদ্দা সমুদ্রবন্দর সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলে লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত। এটি সৌদি আরবের বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।
লোহিত সাগরের অন্যান্য সমুদ্রবন্দরসমূহ:
- পোর্ট সুদান (সুদান)
- পোর্ট সুয়েজ (মিশর)
- পোর্ট হুদাইদাহ (ইয়েমেন)
- পোর্ট আসেব (ইরিত্রিয়া)।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৩,৩২৪.
কুমিল্লার লালমাই পাহাড় কোন ভূতাত্ত্বিক যুগের?
  1. ক) টারশিয়ারি যুগের
  2. খ) প্লাইস্টোসিন যুগের
  3. গ) ক্রিটেশাস যুগের
  4. ঘ) সাম্প্রতিককালের
ব্যাখ্যা

আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
এই অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর। দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টির বিস্তৃতি।
এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার। এ পাহাড়ের মাটি লাল এবং নুড়ি, বালি ইত্যাদি দ্বারা গঠিত।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি

৩,৩২৫.
ইতালির ভিসুভিয়াস একটি-
  1. ক) সমুদ্র সৈকত
  2. খ) ঝুলন্ত ব্রিজ
  3. গ) আগ্নেয়গিরি
  4. ঘ) জলপ্রপাত
ব্যাখ্যা

- ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন সাধনকারী প্রক্রিয়া বা শক্তিগুলোর মধ্যে অগ্নুৎপাত অন্যতম।
- যে আগ্নেয়গিরি থেকে মাঝে মাঝে বা সবসময় অগ্নুৎপাত হয় তাকে সক্রিয় বা জীবন্ত আগ্নেয়গিরি বলে।
যেমন:
• ইতালির ভিসুভিয়াস,
• হাওয়াই দ্বীপের মাওনালেয়া ও মাওনাকেয়া,
• কোটোপ্যাক্সি ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩২৬.
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (SPARRSO) কতসালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৫ সালে 
  2. ১৯৮২ সালে 
  3. ১৯৮৯ সালে 
  4. ১৯৮০ সালে 
ব্যাখ্যা

• SPARRSO:
- বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (SPARRSO) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- SPARRSO পূর্ণরূপ: Bangladesh Space Research and Remote Sensing Organization (SPARRSO)
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।

উৎস: SPARRSO এর ওয়েবসাইট।

৩,৩২৭.
জাতিসংঘ তথ্যমতে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে বাংলাদেশের কত শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে?
  1. ১০%
  2. ১৩%
  3. ১৭%
  4. ২০%
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- জাতিসংঘ তার সতর্কীকরণে বলেছে পরবর্তী ৫০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে তাতে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে এবং প্রায় ১৭ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
- ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর তথ্য অনুসারে ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে।
- ফলে এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
- উচ্চ তাপমাত্রার প্রভাবে ঘন ঘন বন্যা, ঝড়, অনাবৃষ্টি এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- যা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে অনুভূত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩২৮.
চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম কী?
  1. আইটকেন
  2. ফ্লেবিস
  3. গ্যানিমেড
  4. ডিমোস
ব্যাখ্যা

চাঁদ (Moon):
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার।
- চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে নিজ কক্ষপথে ২৯ দিনে একবার আবর্তন করে।
- চাঁদের ব্যাস ৩.৪৭৫ কিলোমিটার। ১৯৬৯ সালের ২১ শে জুলাই সর্বপ্রথম মানুষ চাঁদে অবতরণ করেন।
- চাঁদে পানি, বায়ু, উদ্ভিদ বা প্রাণী নেই। চাঁদে বহু সমতলভূমি, পাহাড় পর্বত ও বৃহদাকার গর্তের উপরিভাগ দেখা যায়।
- চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম আইটকেন
- চাঁদের আকাশ দিনে-রাতে একই রকম কালো।
- চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। সূর্যের আলোতে চাদ আলোকিত হয়।
- চাঁদের যে পৃষ্ঠে সূর্যালোক পড়ে সে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০০" সেলসিয়াস এর ওপরে এবং অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৫০ সেলসিয়াসের নীচে।

তথ্যসূত্র - 
১. Baylor University Media Release. [Link]
২. বাংলা ট্রিবিউন। [Link]

৩,৩২৯.
সুন্দরবনের আয়তন বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের কত শতাংশ?
  1. ৩.৯%
  2. ৪.২%
  3. ৪.৬%
  4. ৫.৪%
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা দেশের আয়তনের ৪.২%, সমগ্র বনভূমির প্রায় ৪৪% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%, এর মধ্যে ৬৯% স্থলভাগ ও ৩১% জলভাগ।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- তন্মধ্যে খুলনা জেলাস্থ সুন্দরবনের আয়তন ২০৭২.২৪ বর্গ কিলোমিটার।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

৩,৩৩০.
কোন নদীর তীরে ৪টি দেশের রাজধানী শহর অবস্থিত?
  1. দানিয়ুব
  2. আমাজান
  3. টেমস
  4. ভলগা
ব্যাখ্যা
দানিয়ুব নদী:
- দানিউব ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। 
- জার্মানির সোয়ার্টজওয়াল্ড অঞ্চলে এর উৎপত্তি।
- সেখান থেকে এটি পূর্বদিকে প্রায় ২৮৫০ কিমি প্রবাহিত হয়ে রুমানিয়ার উপকূলে কৃষ্ণ সাগরে পতিত হয়েছে।
- মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের ১০টি দেশের ওপর দিয়ে নদীটি বয়ে গেছে।
- নদীটি জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, স্লোভাকিয়া, মলদোভা, ইউক্রেন এবং রোমানিয়ার ১০টি ইউরোপীয় দেশের মধ্য দিয়ে গেছে ।
- এই নদীর তীরে চারটি রাজধানী শহর অবস্থিত।
- চারটি রাজধানী হলো: ভিয়েনা, ব্রাতিস্লাভা, বুদাপেস্ট, বেলগ্রেড।
- এটি ইউরোপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।

উৎস: WorldAtlas.
৩,৩৩১.
বাংলাদেশে জি-কে প্রকল্প একটি-
  1. জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
  2. নদী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প
  3. জল পরিবহন প্রকল্প
  4. সেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা
জি. কে. প্রকল্প:
- বাংলাদেশের প্রথম 'সেচ প্রকল্প' গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প।
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট) গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে সেচের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার ১,৯৭,৫০০ হেক্টর জমি এ সেচ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।
- প্রকল্পের আওতায় সেচযোগ্য এলাকা রয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ১০৭ হেক্টর।
- উল্লিখিত চারটি জেলার সর্বমোট ১৩টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত।
- এ প্রকল্পের বিশেষত্ব হলো, গঙ্গা নদী থেকে পাম্পের সাহায্যে পানি তুলে সংযোগ খাল ও নালার মাধ্যমে কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ করা।
- প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে শস্যের অধিক ফলন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ছিল অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
- ১৯৫১ সালে প্রাথমিক জরিপের পর ১৯৫৪ সালে জি-কে সেচ প্রকল্প অনুমোদন পায়।
- চালু হয় ১৯৬২-৬৩ সালে।
- সমগ্র প্রকল্প এলাকাটি দুটি অঞ্চলে বিভক্ত, কুষ্টিয়া অঞ্চল এবং যশোর অঞ্চল।
- এই প্রকল্পের মাধ্যমে বৃহত্তম যশোর ও কুষ্টিয়া জেলার খরিপ মৌসুমে অর্থাৎ রোপা আমন মৌসুমে সেচ প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
৩,৩৩২.
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঋতু বৈচিত্রের পরিবর্তনের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. অতিবৃষ্টি
  2. ভূমিক্ষয়
  3. তীব্র খরা
  4. বন্যা
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঋতু বৈচিত্রের পরিবর্তন:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূল বা বিরূপ আবহাওয়া বিরাজ করে।
- শীতকালে অতি শৈত্য বা কম শৈত্য পড়া, গ্রীষ্মকালে অতি উচ্চ তাপমাত্রা, খরা, লবণাক্ততা, বন্যা বা জলাবদ্ধতা হলো বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনে প্রতিকূল পরিবেশ ও বিরূপ আবহাওয়া।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রের আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।
- ফলে অতিবৃষ্টি, অসময়ে বৃষ্টি, বন্যা, তীব্র খরা, নদীর নাব্যতা সংকট, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি সমস্যা দিন দিন প্রকট হচ্ছে।
- এর সবগুলোই কৃষি খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাবফেলছে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৩৩.
পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান থাকে -
  1. ২১ মার্চ ও ২২ ডিসেম্বর
  2. ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  3. ২১ জুন ও ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২১ জুন ও ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• দিন-রাত্রি সমান:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৩৪.
চিহুয়ান কোন ধরনের মরুভূমি?
  1. শীতল মরুভূমি
  2. উপকূলীয় মরুভূমি
  3. উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি 
  4. শুষ্ক প্রায় মরুভূমি
ব্যাখ্যা

- চিহুয়ান উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি।

• উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি:
- আমেরিকার চিহুয়ান, সোনোরান, মোজাভি ও গ্রেট বেসিন মূলত এই প্রকারের মরুভূমি।
- এসব মরুভূমি সারা বছরই খুব উষ্ণ ও শুষ্ক থাকে।
- গ্রীষ্মকালে খুব গরম হয় এবং শীতকালে সামান্য বৃষ্টিপাত হয়।

- এখানে গড় তাপমাত্রা ২০-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ৪৩-৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং কখনো সর্বনিম্ন ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ নেমে আসে।
- এ ধরনের মরুভূমিতে সর্বোচ্চ ২৮ সেমি বৃষ্টিপাত হয়।
- মাটি সাধারণত পাথুরে হয়ে থাকে। এ মরুভূমিতে গাছপালা খুব কম।
- প্রাণিকূলের মধ্যে ক্যাঙ্গারু, ইঁদুর, পোকামাকড়, সরীসৃপ জাতীয় কিছু প্রাণি দেখতে পাওয়া যায়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩,৩৩৫.
কোনটি মানবসৃষ্ট দুর্যোগের উদাহরণ?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. অগ্ন্যুৎপাত
  3. নদীভাঙন
  4. অগ্নিকান্ড
ব্যাখ্যা

• দুর্যোগ:
- যে অবস্থা অস্বাভাবিক ও অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, পরিবেশের ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটে তাই দুর্যোগ।
- এর ফলে বাহ্যিকভাবে ক্ষতিসাধন, জীবনহানি কিংবা পরিবেশগতভাবে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেয়। 
 
• দুর্যোগ বিভিন্নভাবে ও বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। প্রধানত দুর্যোগ দুই ধরনের-
১/ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও
২/ মানবসৃষ্ট দুর্যোগ।
 
• প্রাকৃতিক দুর্যোগ:
- প্রাকৃতিক কারণে যে সকল দুর্যোগ সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং সাধারণত এর উপর মানুষের কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না।
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহ।
 
• মানবসৃষ্ট দুর্যোগ:
- মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
- মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
- যেমন- যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
 
উৎস- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়; অষ্টম শ্রেণীর বোর্ড বই।

৩,৩৩৬.
'সােয়াচ অব নাে গ্রাউন্ড' কী?
  1. একটি দেশের নাম
  2. ম্যানগ্রোভ বন
  3. একটি দ্বীপ
  4. সাবমেরিন ক্যানিয়ন
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- এগুলো যথাক্রমে হিমালয়ের দক্ষিণ ও উত্তর দিক থেকে আসছে।
- বর্তমান অবস্থায় স্বল্প পরিমাণের ঘোলাটে স্রোত আর বালি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মাধ্যমে মহীসোপান থেকে গভীর সমুদ্রে পলল পরিবহণের প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৩৭.
কোন বায়ুর প্রভাবে বর্ষাকালে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়?
  1. উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু
  2. উত্তর-পশ্চিম বায়ু
  3. দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
  4. পশ্চিমা বায়ু
ব্যাখ্যা
মৌসুমি বায়ু:

- দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বর্ষাকালে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত সংঘটিত হয়।
- ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যে বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয় তাকে বলা হয় মৌসুমি বায়ু।
- মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি ভাষায় "মত্তসুম” শব্দ থেকে যার অর্থ হলো ঋতু। এটি একটি আঞ্চলিক বায়ু।
- সূর্যের উত্তরায়ণ ও দক্ষিণায়নের ফলে শীত ও গ্রীষ্মে ঋতুভেদে স্থলভাগ ও জলভাগের তাপের তারতম্য হয় বলেই মৌসুমি বায়ুর সৃষ্টি হয়।
- প্রধাণত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ দেখা যায়।
- এছাড়াও কর্কটক্রান্তি অঞ্চলে যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, উত্তর অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকার কিছু অংশ, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত ইত্যাদি অঞ্চল এই বায়ুপ্রবাহের অন্তর্গত।
- উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকালে লম্বভাবে সূর্যকিরণ পতিত হওয়ার জন্য কর্কটক্রান্তির বায়ুর চাপ কমে যায় ও সুবৃহৎ নিম্নচাপ কেন্দ্র সৃষ্টি হয়।
- এ অবস্থায় দক্ষিণ গোলার্ধের ক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে আগত দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে।
- এশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যাওয়া এই বায়ুকে তাই বলা হয় উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মের মৌসুমি বায়ু।
- মধ্য এশিয়ায় নিম্নচাপের দ্বারা দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমি বায়ু উৎপন্ন হয়। ফলে চীন, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, জাপান, কম্বোডিয়া, লাওস ইত্যাদি দেশে বৃষ্টিপাত ঘটে।
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পাকিস্তান, মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়ে বৃষ্টিপাত হয়।
- অপরদিকে শীতকালে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করে এবং মকরক্রান্তিতে তখন নিম্নচাপ সৃষ্ট হয়।
- উত্তর গোলার্ধে স্থলভাগ শীতল হয় বলে তখন ঐ স্থানে উচ্চচাপ বলয় সৃষ্টি হয়।
- এই সময় বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক থেকে প্রবাহিত হয় বলে একে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু বলে এবং এই বায়ু শুষ্ক থাকে।
- মৌসুমি বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বাম দিকে বেঁকে যায় এবং উত্তর-পশ্চিমে মৌসুমি বায়ুরূপে উত্তর অস্ট্রেলিয়ার দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৩৮.
সমভূমি থেকে মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এর গড় উচ্চতা কত?
  1. প্রায় ৬ মিটার
  2. প্রায় ১২ মিটার
  3. প্রায় ২১ মিটার
  4. প্রায় ৩০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।

মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এখানকার মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য তেমন উপযোগী নয়। এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৩৯.
বাংলাদেশের কোথায় চীনামাটির সন্ধান পাওয়া যায়?
  1. রাজশাহী
  2. পাবনা
  3. দিনাজপুর
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
চীনামাটি:
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের  কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৩,৩৪০.
ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. সূর্য সারা বছর লম্বভাবে কিরণ দেয়
  2. সারা বছর রৌদ্রকরোজ্জল আবহাওয়া
  3. ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর দিক পরিবর্তন হয়
  4. সারা বছর অধিক তাপ ও বৃষ্টিপাত হয়
ব্যাখ্যা
ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল;
- -সাধারনত মহাদেশীয় ভূ-ভাগের ৩০° থেকে ৪৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে যে বিশেষ ধরণের জলবায়ু পরিলক্ষিত হয় তা হচ্ছে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু অঞ্চল।
- ভূমধ্যসাগরের উভয় তীরের ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে এই ধরনের জলবায়ু দেখা যায়।
- বৃষ্টিহীন উষ্ণ গ্রীষ্মকাল, বৃষ্টিপাতযুক্ত আর্দ্র শীতকাল, মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশ এবং রৌদ্রকরোজ্জল আবহাওয়া এ জলবায়ু অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট।
- এই অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ৩৮-৭৬ সে.মি. এবং গড় উষ্ণতা গ্রীষ্মকালে ২১০-২৭° সে. এবং শীতকালে সাধারনত: ৪০-১০° সে. হয়ে তাকে।

উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৪১.
দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত সংঘটিত হয় কবে?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২২ ডিসেম্বর
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২১ জুন
ব্যাখ্যা
• উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত - ২২ ডিসেম্বর।
• দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত  - ২২ ডিসেম্বর।
• উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত - ২১ জুন।
• দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত - ২১ জুন।
• পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান - ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
৩,৩৪২.
২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সুনামি কতটি দেশে আঘাত হানে?
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ১৫
  4. ১৪
ব্যাখ্যা
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয়, তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্নক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ
৩,৩৪৩.
নিচের কোনটির দ্বারা ‍ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তন সংঘটিত হয়?
  1. নদী
  2. হিমবাহ
  3. সূর্যতাপ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠ সর্বদা পরিবর্তনশীল। যে সমস্ত কার্যাবলির কারণে প্রাকৃতিকভাবে ‍ভূমিরূপের পরিবর্তন সাধিত হয় তা ভূ-প্রক্রিয়া নামে পরিচিত।
- ভূপৃষ্ঠের পরিবর্তন ধীর ও আকস্মিক দুভাবে সংঘটিত হয়ে থাকে।
ভূপৃষ্ঠের ধীর পরিবর্তন যেসব শক্তির দ্বারা সংঘটিত হয় সেগুলো হলো:
- সূর্যতাপ
- বায়ুপ্রবাহ
- বৃষ্টিপাত
- নদী
- হিমবাহ প্রভৃতি।
- ধীর পরিবর্তন সাধারণত বিস্তৃত এলাকাজুড়ে হয়ে থাকে।
অন্যদিকে,
- ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত প্রভৃতি কারণে ভূপৃষ্ঠের আকস্মিক পরিবর্তন সাধিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৩৪৪.
গোমতী নদী কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. রংপুর
  3. চাঁদপুর
  4. ফেনী
ব্যাখ্যা
গোমতী নদী:
- নদীটির উৎপত্তিস্থল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উত্তর-পূর্বপ্রান্তীয় পার্বত্য অঞ্চল ডুমুর নামক স্থানে।
- এটি কুমিল্লা সদর উপজেলার কটক বাজারের কাছে বাংলাদেশ ভূখন্ডে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশ ভূখন্ডে গোমতী নদীর মোট দৈর্ঘ্য ১৩৫ কিমি।
- গোমতীর গুরুত্বপূর্ণ উপনদীসমূহের একটি  ডাকাতিয়া এবং এর শাখা নদীর নাম বুড়ি।
- আকস্মিক  বন্যা এ নদীর একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং এ বন্যা মোটামুটি নিয়মিত বিরতিতে সংঘটিত হয়ে থাকে। এজন্য এ নদী একসময় ‘কুমিল্লা শহরের দুঃখ’ হিসেবে পরিচিত ছিল।
- গোমতী নদীতে জোয়ার ভাটা হয় না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া। 
৩,৩৪৫.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কোন ধরনের বিজ্ঞান?
  1. মানবিক বিজ্ঞান
  2. মনস্তাত্ত্বিক বিজ্ঞান
  3. ব্যবহারিক বিজ্ঞান
  4. তাত্ত্বিক বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান যার আওতায় যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগ সাড়াদল ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি কার্যক্রম কে বুঝায়।

-এটি একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান। 

-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য তিনটি। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৩৪৬.
বায়ুর ঘর্ষণ বলের মাত্রা কীসের উপর নির্ভরশীল?
  1. ভূ-পৃষ্ঠের অসমতার উপর
  2. কোরিওলিস প্রভাবের উপর
  3. বায়ুর গতির উপর
  4. মাধ্যাকর্ষণ শক্তির উপর
ব্যাখ্যা
• ঘর্ষণশক্তি:
- বায়ুপ্রবাহের গতিতে ঘর্ষণশক্তির প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ।
- বায়ু যখন ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন অসমতল ভূমিরূপের কারণে সংঘর্ষ ও ঘর্ষণের সৃষ্টি করে।
- ঘর্ষণ বলের মাত্রা ভূ-পৃষ্ঠের অসমতার উপর নির্ভরশীল। 

- আকাশচুম্বি অট্টালিকাসমৃদ্ধ নগরী অথবা পাহাড়ী অসমগঠনে ঘষর্ণ মাত্রা বেশি হয়।
- অন্যদিকে সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুপ্রবাহ মসৃন তলের উপর কম ঘর্ষণের সৃষ্টি করে।
- এছাড়াও মাধ্যাকর্ষণ ও কেন্দ্রবিমুখী বলও বায়ুপ্রবাহের উপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৪৭.
নিচের কোনটি উঁচু উচ্চতার মেঘ?
  1. ক) অল্টোস্ট্রেটাস
  2. খ) স্ট্রেটাস
  3. গ) সিরোকিউম্যুলাস
  4. ঘ) কিউম্যুলাস
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:

উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।

নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
৩,৩৪৮.
স্পারসো হচ্ছে-
  1. ক) মহাকাশ গবেষণা সরকারি সংস্থা
  2. খ) স্যাটেলাইট
  3. গ) উপগ্রহ
  4. ঘ) মহাকাশ গবেষণা বেসরকারী সংস্থা
ব্যাখ্যা
মহাকাশ গবেষণার সরকারি প্রতিষ্ঠান স্পারসো ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে আবহাওয়া অধিদপ্তরকে নিয়মিতভাবে মেঘচিত্র সর্বরাহ করে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণে সহায়তা করে।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
৩,৩৪৯.
নিচের কোনটি বন্যার মানব সৃষ্ট কারণ-
  1. ক) মূল নদীর গভীরতা কম
  2. খ) ভূমিকম্প
  3. গ) অপরিকল্পিত নগরায়ন
  4. ঘ) ভৌগােলিক অবস্থান
ব্যাখ্যা

মানবসৃষ্ট কারণঃ
১) নদী অববাহিকায় ব্যাপক বৃক্ষ কর্তন।
২) গঙ্গা নদীর উপর নির্মিত ফারাক্কা বাঁধ।
৩) অন্যান্য নদীতে নির্মিত বাঁধের প্রভাব।
৪) অপরিকল্পিত নগরায়ণ।

৩,৩৫০.
জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি সম্পর্কিত কয়টি সূত্র প্রদান করেন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।

- সূত্র তিনটি:
প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র): - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৫১.
বাংলাদেশের সাইক্লোন শেল্টারের পূর্ব নাম-
  1. ক) মুজিব বাসস্থান
  2. খ) মুজিব ঢিবি
  3. গ) মুজিব আশ্রায়ণ
  4. ঘ) মুজিব কেল্লা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাইক্লোন শেল্টারের পূর্ব নাম মুজিব কেল্লা।
- দেশে বর্তমানে প্রায় ১৮৪১টি সাইক্লোন শেল্টার আছে।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা।
৩,৩৫২.
বাংলাদেশের কয়টি জেলার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে ( চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

⇒ বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়াও,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশের ওপর দিয়ে গিয়েছে।
- এটি পার্শ্ববর্তী ভারতের গুজরাট, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিসগড়, ঝাড়খন্ড, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে গেছে।
-  যেসব এলাকার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে, সেসব এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপ অনেক বেশি।
- এখানে সূর্যের কিরণ লম্বভাবে পড়ে। 

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রথম আলো।
৩,৩৫৩.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা কোনটি?
  1. থানচি
  2. তেঁতুলিয়া
  3. শিবগঞ্জ
  4. মনাকষা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
সর্ব উত্তর:
- স্থান: বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
- জেলা: পঞ্চগড়।

• সর্ব পূর্ব:
- স্থান: আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা: বান্দরবান।

• সর্ব পশ্চিম:
- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

• সর্ব দক্ষিণ:
- স্থান: ছেড়াদ্বীপ।
- উপজেলা: টেকনাফ।
- জেলা: কক্সবাজার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৩৫৪.
বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপ যন্ত্র-
  1. ব্যারোমিটার
  2. থার্মোমিটার
  3. হাইগ্রোমিটার
  4. অ্যানেমোমিটার
ব্যাখ্যা
বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity):
- জলীয়বাষ্প বায়ুর একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে বায়ুর আর্দ্রতা বলে।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প যখন একদম থাকে না, তাকে শুষ্ক বায়ু বলে।
- যে বায়ুতে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে, তাকে আর্দ্র বায়ু বলে।
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ থাকে প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ।
- বায়ুর আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার (Hygrometer) দ্বারা পরিমাপ করা হয়।
- বায়ুর আর্দ্রতা দু'ভাবে প্রকাশ করা যায়।
- যথা- পরম আর্দ্রতা (Absolute humidity) ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা (Relative humidity)।

উল্লেখ্য, 
- ব্যারোমিটার বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- থার্মোমিটার তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অ্যানেমোমিটার  বাতাসের গতি (speed) ও দিক (direction) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৩৫৫.
আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়গুলো কী নামে পরিচিত?
  1. সাইক্লোন
  2. টাইফুন
  3. হারিকেন
  4. উইলি উইলি
ব্যাখ্যা
হারিকেন:
- সাধারণত আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়গুলোকে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।
- এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বেগে প্রবাহিত হয়।
- একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে।
- সাফির -সিম্পসন হারিকেন উইন্ড স্কেল হল ১ থেকে ৫ রেটিং বা বিভাগ, হারিকেনের সর্বাধিক স্থায়ী বাতাসের উপর ভিত্তি করে।
- ক্যাটাগরি যত বেশি, হারিকেনের সম্পত্তির ক্ষতির সম্ভাবনা তত বেশি।

অন্যদিকে -
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় 'সাইক্লোন' হিসেবে পরিচিত। সাইক্লোনের কারণে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর জানমালের ক্ষতি হয়।
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় 'টাইফুন'। চীন, তাইওয়ান, ফাইলিপাইন ও জাপানে প্রায় প্রতি বছরই টাইফুনের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলের ঘূর্ণিঝড়কে উইলি উইলি বলা হয়।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) NOAA ওয়েবসাইট।
৩,৩৫৬.
সমুদ্র থেকে দূরবর্তী অঞ্চলের জলবায়ু কোন ধরনের জলবায়ু বলে?
  1. ক) সমভাবাপন্ন জলবায়ু
  2. খ) মৌসুমি জলবায়ু
  3. গ) শীতপ্রধান জলবায়ু
  4. ঘ) মহাদেশীয় জলবায়ু
ব্যাখ্যা

সমুদ্র থেকে দূরত্ব - জলবায়ুর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়। এসব এলাকায় শীতকালে তীব্র শীত এবং গ্রীষ্মকালে তীব্র গরম অনুভূত হওয়ায় সমুদ্র থেকে দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় বা চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
আবার,
জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু রাজশাহীর তুলনায় মৃদুভাবাপন্ন।
সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য হয় না বলে এ ধরনের জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন জলবায়ু বলে।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির ভূগোল ও পরিবেশ বই।

৩,৩৫৭.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আমাদের দেশে কর্মরত বেসরকারি সংস্থা-
  1. ক) Christian Commission for Development in Bangladesh
  2. খ) Bangladesh Disaster Preparedness Centre
  3. গ) Caritas Bangladesh
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আমাদের দেশে কর্মরত বেসরকারি সংস্থাসমূহ যেমনঃ প্রশিকা, সিসিডিবি, বিডিপিসি, কারিতাস, অক্সফাম, কেয়ার বাংলাদেশ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৩,৩৫৮.
কোন স্তরে ওজোন (O3) গ্যাস বেশি পরিমাণে আছে?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. স্ট্রাটোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere): 
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমন্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

স্ট্রাটোমন্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Stratosphere): 
(ক) এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাস বেশি পরিমাণে আছে। এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ৪° সেলিসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।
(খ) এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক। ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে।
(গ) প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমন্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,৩৫৯.
ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশ নয় কোনটি?
  1. মিশর
  2. আলজেরিয়া
  3. সিরিয়া
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• সুইজারল্যান্ড হচ্ছে একটি ইউরোপীয় স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ, যার কোনো সমুদ্রতীর নেই।
• তাই সুইজারল্যান্ড ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী দেশ নয়।

• ভূমধ্যসাগর (Mediterranean Sea) ইউরোপ, আফ্রিকা এবং এশিয়ার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
• ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলো হলো:
- ইউরোপে: স্পেন, ফ্রান্স, ইতালি, গ্রিস, তুরস্ক (আংশিক ইউরোপে), ইত্যাদি।
- আফ্রিকায়: মিশর, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মরক্কো, লিবিয়া।
- এশিয়ায়: তুরস্ক, সিরিয়া, লেবানন, ইসরায়েল, ফিলিস্তিন।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা।
৩,৩৬০.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদী কয়টি?
  1.  ৫১ টি
  2.  ৫৪ টি
  3.  ৫৭ টি
  4.  ১০৩ টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদী: গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
- এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
- আবহমানকাল ধরে নদীমাতৃক বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা আবর্তিত হচ্ছে এসকল নদীর পানিকে ঘিরে।
- এ তিনটি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় ১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যার মাত্র ৭ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। এসকল নদীর অন্যান্য অববাহিকাভূক্ত দেশ হচ্ছে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীন।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।

৩,৩৬১.
চিহুয়ান কোন ধরনের মরুভূমি?
  1. উপকূলীয় মরুভূমি
  2. শীতল মরুভূমি
  3. শুষ্ক প্রায় মরুভূমি
  4. উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি
ব্যাখ্যা

- চিহুয়ান উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি।

• উষ্ণ ও শুষ্ক মরুভূমি:
- আমেরিকার চিহুয়ান, সোনোরান, মোজাভি ও গ্রেট বেসিন মূলত এই প্রকারের মরুভূমি।
- এসব মরুভূমি সারা বছরই খুব উষ্ণ ও শুষ্ক থাকে।
- গ্রীষ্মকালে খুব গরম হয় এবং শীতকালে সামান্য বৃষ্টিপাত হয়।

- এখানে গড় তাপমাত্রা ২০-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ৪৩-৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং কখনো সর্বনিম্ন ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এ নেমে আসে।
- এ ধরনের মরুভূমিতে সর্বোচ্চ ২৮ সেমি বৃষ্টিপাত হয়।
- মাটি সাধারণত পাথুরে হয়ে থাকে। এ মরুভূমিতে গাছপালা খুব কম।
- প্রাণিকূলের মধ্যে ক্যাঙ্গারু, ইঁদুর, পোকামাকড়, সরীসৃপ জাতীয় কিছু প্রাণি দেখতে পাওয়া যায়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৬২.
জোয়ার-ভাঁটার তেজকটাল কখন হয়?
  1. একাদশীতে
  2. পঞ্চমীতে
  3. অমাবস্যায়
  4. অষ্টমীতে
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাঁটার তেজকটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে।
তেজকটালে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে একই সরল রেখায় থাকে।
চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণে সৃষ্টি হয় তেজকটাল।
৩,৩৬৩.
নিচের কোনটি মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ? 
  1. অগ্ন্যুৎপাত
  2. ভূমিকম্প
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. অগ্নিকান্ড
ব্যাখ্যা

• দুর্যোগ (Disaster):
- একটি বিপর্যয় যখন কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের বেশির ভাগ মানুষকে বিপদাপন্ন করে তুলে এবং তাদের নিজস্ব মোকাবিলা ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তখন তাকে দুর্যোগ বলে।
- বিশ্বব্যাপী দুর্যোগসমূহের প্রকারভেদ: পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়।
 যেমন:
ক)প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও
খ) মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ।

• প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।
• মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৬৪.
তেঁতুলিয়া উপজেলা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রংপুর
  2. পঞ্চগড়
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
তেঁতুলিয়া উপজেলা:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা হচ্ছে তেঁতুলিয়া উপজেলা।
- এই উপজেলা পঞ্চগড় জেলার অন্তর্গত।
- এর উত্তরে ভারত, পূর্বে ভারত ও পঞ্চগড় সদর উপজেলা, দক্ষিণে ভারত এবং পশ্চিমে ভারত সীমান্ত।
- এ উপজেলা প্রায় ২৬০২৪’ ও ২৬০৩৮’উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮০২০’ ও ৮৮০৩২’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত।
- উপজেলা ইংরেজী ১৮৬০ সন হতে ১৮৬৯ সন পর্যন্ত রংপুর জেলার একটি মহুকুমা হিসেবে প্রশাসনিক ইউনিটের মর্যাদা লাভ করে।
- শিল্প, বাণিজ্য ও নদী বন্দর হিসেবে তেঁতুলিয়া ছিল সুবিখ্যাত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৩৬৫.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থাপিত প্রথম ইউনিটের ক্ষমতা কত মেগা ওয়াট?
  1. ৮০০ মেগা ওয়াট
  2. ১০০০ মেগা ওয়াট
  3. ১২০০ মেগা ওয়াট
  4. ১৪০০ মেগা ওয়াট
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে।
- এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে রাশিয়া।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।
- তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থাপিত প্রথম ইউনিটের ক্ষমতা ১২০০ মেগা ওয়াট।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
- মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রাশিয়া সরকার ঋণ দিচ্ছে ১১.৪ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম-২৩৫।

তথ্যসূত্র - রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৩,৩৬৬.
বাংলাদেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোন নদীর ওপর স্থাপিত হয়েছে?
  1. নাফ
  2. মেঘনা
  3. কর্ণফুলী
  4. যমুনা
ব্যাখ্যা

কর্ণফুলী নদী:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর মধ্যে অন্যতম কর্ণফুলী।
- এটি মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- পাহাড়ি এ নদী চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর প্রধান উপনদী হালদা, কাসালং, বোয়ালখালি, চেঙ্গী, শিলক, রাঙখিয়াং ইত্যাদি।
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
- দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি এই নদীর তীরে চট্টগ্রামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৬৭.
নিচের কোন দেশটি ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত নয়? 
  1. জ্যামাইকা 
  2. গ্রানাডা
  3. ভেনিজুয়েলা
  4. হাইতি
ব্যাখ্যা

- ভেনিজুয়েলা ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত নয়।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ।

• ক্যারিবিয়ান দেশসমূহ:

- উত্তর আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলের সার্বভৌম দেশ: মোট ১৩টি। যথা-
- হাইতি,
- জামাইকা,
- সেন্ট কিটস ও নেভিস,
- সেন্ট লুসিয়া,
- সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস,
- ত্রিনিদাদ ও টোবাগো,
- অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা
- বাহামাস
- বার্বাডোস।
- কিউবা
- ডমিনিকা
- ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র
- গ্রানাডা।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩,৩৬৮.
’চর আলেকজান্ডার’ কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. ফেনী
  2. লক্ষ্মীপুর
  3. নোয়াখালী
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন চরসমূহ:
- সুন্দরবনের চরসমূহ: দুবলার চর, পাটনি চর।
- লক্ষ্মীপুর জেলার চরসমূহ: চর গজারিয়া, চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলার চরসমূহ: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি
- নোয়াখালী জেলার চরসমূহ: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলার চর: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলার চর: নির্মল চর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৩৬৯.
টর্নেডো শব্দটি এসেছে-
  1. ক) Toonida
  2. খ) Tunioda
  3. গ) Tonada
  4. ঘ) Tornada
ব্যাখ্যা
টর্নেডো শব্দটি এসেছে স্প্যানিশ শব্দ 'Tonada'/Tronada থেকে, যার অর্থ হলো Thunder storm বা বজ্রঝড়।
According to Oxford Dictionary,
Mid 16th century (denoting a violent thunderstorm of the tropical Atlantic Ocean): perhaps an alteration of Spanish tronada thunderstorm’ (from tronar ‘to thunder’) by association with Spanish tornar to turn’.
-------------------
ঝড়ের বেগ ঘন্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি হলে এটাকে টর্নেডো বলা হয়।
- টর্নেডোর সবচেয়ে ক্ষতিকারক দিক হলো এটি হঠাৎ করে অল্প সময়ের মধ্যে প্রচন্ড ধ্বংসযজ্ঞ করে ফেলতে পারে৷

- স্মরণকালের ভয়াবহ টর্নেডোর মধ্যে একটি হলো ১৯৬৯ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকা জেলার ডেমরা থানায়।
- ঐ টর্নেডোতে বাতাসের গতিবেগ ছিলো ঘন্টায় ৬৪৪ কিলোমিটার।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম অধ্যায় ও Oxford Dictionary।

অপশনে Tronada না থাকায় বোর্ড বইয়ে প্রদত্ত শব্দ Tonada এখানে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর।
৩,৩৭০.
পৃথিবীর বৃহত্তম আগ্নেয় দ্বীপ কোনটি?
  1. আইসল্যান্ড
  2. আতাকামা
  3. কোসেগায়না
  4. অ্যারিজোনা
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরি
- ভূ-ত্বকের শিলাস্তর সর্বত্র একইরকম না হওয়ায় শিলাস্তরের দুর্বল অংশ ভূ-গর্ভের চাপে ফেটে ভূ-গর্ভ হতে ভূ-পৃষ্ঠ পর্যন্ত বিশাল নলাকৃতির ছিদ্রপথের সৃষ্টি হয়।
- এই ছিদ্রপথে গলিত ম্যাগমা, উত্তপ্ত প্রস্তর খন্ড, কর্দম, ধুম, ভস্ম, গলিত ধাতব পদার্থ ইত্যাদি প্রবলবেগে ভূ-পৃষ্ঠে নির্গত হয়ে সুরঙ্গপথের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে একে অগ্ন্যুৎপাত বলে।

আগ্নেয় দ্বীপ:
- সমুদ্র তলদেশে অগ্ন্যুৎপাতের সময় নির্গত লাভা সঞ্চিত হয়ে দ্বীপের সৃষ্টি করে।
যেমন- আইসল্যান্ড পৃথিবীর বৃহত্তম আগ্নেয় দ্বীপ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও Guinnessworldrecords ।
৩,৩৭১.
নিচের কোন প্রক্রিয়া রূপান্তরিত শিলা গঠনে সাহায্য করে?
  1. ভূ-আন্দোলন
  2. অগ্ন্যুৎপাত
  3. ভূমিকম্প
  4. উপরোক্ত সব
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks):
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।

যেমন:
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস;
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য:
- তাপ ও চাপে আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তন হয়ে রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয় বলে উহা সাধারণত কেলাসিত।
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা তাপ ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয় বলে এর কাঠিন্যতা বৃদ্ধি পায়। ফলে অন্যান্য শিলার তুলনায় রূপান্তরিত শিলা বেশি শক্ত ও মজবুত হয়।
- ইহা জীবাশ্মবিহীন শিলা। পাললিক শিলা অতিরিক্ত তাপ ও চাপে রূপান্তরিত হবার সময় উহার মধ্যকার জীীশ্মগুলির অস্তিত্ব অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিলুপ্ত হয়।
- সমান্তরাল গঠন এই শিলার একটি বৈশিষ্ট্য। কারণ ইহার উপাদানগুলি সাধারণত সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। এই সমান্তরাল অবস্থান আনুভূমিক, তির্যক বা বক্র যে কোন ভাবেই হতে পারে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

৩,৩৭২.
কোন জেলার উত্তর সীমান্ত অঞ্চল জুড়ে 'সুসাং পাহাড়' অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) বান্দরবন
ব্যাখ্যা
- সুসাং পাহাড়  ভারতের পশ্চিম মেঘালয়ের গারো পাহাড়-এর দক্ষিণমুখী সম্প্রসারিত পাহাড়শ্রেণী।
- বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার উত্তর সীমান্ত অঞ্চল জুড়ে এটি পশ্চিমে কুরি বিল থেকে পূর্বে ভোগাই নদী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- গারো পাহাড়ের পাদদেশীয় এই সুসাং পর্বতমালা গারো পাহাড় উদ্ভূত নদনদী সৃষ্ট উপত্যকা দ্বারা বিচ্ছিন্ন  প্রলম্বিত টিলা দ্বারা গঠিত।
- গারো পাহাড়, খাসিয়া পাহাড় ও জৈন্তিয়া পাহাড় নিয়ে গঠিত সুউচ্চ শিলং ম্যাসিফ-এর (Shillong massif) দক্ষিণ দিকের সরু পাহাড়-টিলার একটি অংশ বাংলাদেশ ভূখন্ডে ঢুকেছে।
- প্রায় ১৮ কিলোমিটার প্রলম্বিত বৃহৎ ডাউকি চ্যুতি (Dauki fault) এই পাদদেশীয় পাহাড়সমূহকে মেঘালয় মালভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে। 
উৎস: বাংলাপিডিয়া
৩,৩৭৩.
পানামা খাল কোন দুইটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. আটলান্টিক ও উত্তর মহাসাগর
  2. আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত ও উত্তর মহাসাগর
  4. ভারত ও প্রশান্ত মাহসাগর
ব্যাখ্যা

পানামা খাল:
- এটি বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা খাল আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- আর উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে।
- এই কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ও  ব্রিটানিকা।

৩,৩৭৪.
ইতালির ভিসুভিয়াস ও কেনিয়ার কিলিমানজারো কোন শ্রেণির পর্বত?
  1. ভঙ্গিল
  2. ক্ষয়জাত
  3. সঞ্চয়জাত
  4. আগ্নেয়
ব্যাখ্যা
পর্বত (Mountains):
- সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটার-এর অধিক উঁচু, সুবিস্তৃত, খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- অপর দিকে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু, স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।
- পর্বতের ভূ-প্রকৃতি বন্ধুর, ঢাল খুব খাড়া এবং সাধারণত চূড়া বিশিষ্ট হয়।
- কোনো কোনো পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে, যেমন- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো।
- আবার কিছু পর্বত অনেকগুলো পৃথক শৃঙ্গসহ ব্যাপক এলাকা জুড়ে অবস্থান করে, যেমন- হিমালয় পর্বতমালা।

• পর্বতের প্রকারভেদ:
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা:
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains),
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains),
( গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains) এবং
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)।

⇒ আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৭৫.
SPARSO প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৪
  2. খ) ১৯৮০
  3. গ) ১৯৮৪
  4. ঘ) ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র হলো SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations)।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

উৎস: SPARSO ওয়েবসাইট।
৩,৩৭৬.
বিশ্বব্যাংকের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে নিম্নের কোনটি বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হবে?
  1. ওশেনিয়া
  2. দক্ষিণ এশিয়া
  3. সাব-সাহারান আফ্রিকা
  4. ল্যাটিন আমেরিকা
ব্যাখ্যা

বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হবে দক্ষিণ এশিয়া:
- বিশ্বব্যাংকের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হবে।
- ২৪ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ অ্যান্ড আদার সাউথ এশিয়ান কান্ট্রিজ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স উইল বি প্রাইভেট সেক্টর লেড’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এটি বলা হয়।

⇒ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হবে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলো।
- আর এর মধ্যেই সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। 
- বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানকে এর ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলা করতে হবে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ চরম তাপমাত্রার ঝুঁকিতে পড়বে এবং প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ গুরুতর বন্যার ঝুঁকিতে থাকবে।
- উপকূলে পানি ও মাটির লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর সরাসরি প্রভাব পড়ছে।

উৎস: i) বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট। [link]
ii) প্রথম আলো।

৩,৩৭৭.
GPS এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. General Positioning System
  2. Global Positioning System
  3. Global Processing System
  4. General Pointing System
ব্যাখ্যা
GPS:

- GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System.
- Global Positioning System (GPS) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে উদ্ভাবিত একটি প্রযুক্তি।
- প্রথম দিকে এর প্রয়োগ ছিল পুরোপুরি সামরিক।
- পরে জনসাধারণের নিমিত্তে এর ব্যবহার উন্মুক্ত করা হয়। এটি একটি কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- যেকোন আবহাওয়াতে পৃথিবী যেকোনো চলমান অবস্থান আর সময়ের তথ্য সরবরাহ করাটা এর মূল কাজ।

তথ্যসূত্র - GPS.gov.
৩,৩৭৮.
মাউন্ট এভারেস্ট কোন দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে গঠিত হয়েছে? 
  1. ইন্ডিয়ান প্লেট ও ইউরেশিয়ান
  2. ইউরেশিয়ান প্লেট ও আফ্রিকান প্লেট 
  3. প্যাসিফিক প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেট
  4. ইন্ডিয়ান প্লেট ও অ্যান্টার্কটিক প্লেট 
ব্যাখ্যা

• এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল।
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উল্লেখ্য,
- ইউরেশিয়ান প্লেট বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটিনেন্টাল প্লেট, যা ইউরোপ এবং এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: i) ব্রিটানিকা। 
ii) National Geographic।

৩,৩৭৯.
'বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' নয় কোনটি?
  1. বালু নদী
  2. গুলশান-বারিধারা লেক
  3. তুরাগ নদী
  4. নিঝুম দ্বীপ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উল্লেখ্য,
- 'নিঝুম দ্বীপ 'বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' নয়।

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৩,৩৮০.
কঠিন শিলা সমৃদ্ধ জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. গাইবান্ধা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

কঠিন শিলা  
- বাংলাদেশে রয়েছে প্রিক্যাম্ব্রিয়ান যুগীয় গ্রানোডায়োরাইট, কোয়ার্জ ডায়োরাইট, নিস প্রভৃতি কঠিন শিলার বিশাল মজুত। 
- জি.এস.বি দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া নামক স্থানে ভূ-পৃষ্ঠের ১৩২ মিটার থেকে ১৬০ মিটার গভীরতায় এ সকল কঠিন শিলার মজুত আবিষ্কার করে।
- এ শিলাসমূহের বিশুদ্ধ অবস্থায় আর.কিউ.ডি (Rock Quality Designation) ৬০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- উত্তর কোরিয়া সরকারের সহায়তায় এ খনির উন্নয়ন কাজ পরিচালিত হচ্ছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো।

৩,৩৮১.
’পালংকি’ কোন পর্যটন এলাকার প্রাচীন নাম?
  1. কক্সবাজার
  2. কুয়াকাটা
  3. নিঝুম দ্বীপ
  4. সেন্টমার্টিন
ব্যাখ্যা
•  কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত:
→ কক্সবাজার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি পর্যটন শহর।
→  এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত।
→ কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত।
→ এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত যা কক্সবাজার শহর থেকে বদরমোকাম পর্যন্ত একটানা ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। 
→ আধুনিক কক্সবাজারের নাম রাখা হয়েছে ল্যাঃ কক্স (মৃত্যু ১৭৯৮) এর নামানুসারে যিনি ব্রিটিশ আমলে ভারতের সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। এককালে কক্সবাজার পানোয়া নামেও পরিচিত ছিল যার আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে হলুদ ফুল। এর আরো একটি প্রাচীন নাম হচ্ছে পালংকি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন কপোরেশন।
৩,৩৮২.
বাংলাদেশে সবচেয়ে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৬১ সাল
  2. খ) ১৯৭০ সাল
  3. গ) ১৯৮৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯১ সাল
ব্যাখ্যা
১৯৬০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বাংলাদেশে ৫০টির অধিক সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে।
- এর মধ্যে সবচেয়ে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ছিলো ১৯৭০ সালে আঘাত হানা সাইক্লোন। এতে প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়।
- এছাড়াও ১৯৬১, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৮৫, ১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের ঘূর্ণিঝড়ও ব্যাপক মাত্রার ছিলো। ১৯৯১ সালে সংঘটিত ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ২২৫ কিমি।

(তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৩৮৩.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমারেখা নির্ধারিত হয়েছিলো কোন রেখার সাহায্যে?
  1. ক) সিগফ্রিড লাইন
  2. খ) হিন্ডেনবার্গ লাইন
  3. গ) ওডেরনিস লাইন
  4. ঘ) ম্যাজিনো লাইন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মিত্রশক্তি কর্তৃক জার্মানি ও পোল্যান্ডের মাঝে নিরূপিত সীমারেখা হলো ওডারনিস লাইন (Oder–Neisse Line)।
এছাড়া,
- সিগফ্রিড লাইন (Siegfried Line): জার্মানি ও ফ্রান্স
- হিন্ডেনবার্গ লাইন (Hindenburg Line): জার্মানি - ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট (বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, উত্তর পূর্ব ফ্রান্স সীমান্ত)।
- ম্যাজিনো লাইন (Maginot Line): জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং History.com ওয়েবসাইট।
৩,৩৮৪.
নিচের কোন দেশটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) মরিশাস
  2. খ) পূর্ব তীমুর
  3. গ) মাল্টা
  4. ঘ) সামোয়া
ব্যাখ্যা
- উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে মরিশাস আফ্রিকা মহাদেশের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। মরিশাস ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। মরিশাসের রাজধানী পোর্ট লুইস।
অন্যদিকে,
- পূর্ব তীমুর এশিয়ান দ্বীপ রাষ্ট্র
- মাল্টা ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত ইউরোপের একটি দ্বীপরাষ্ট্র
- সামোয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৩,৩৮৫.
পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান থাকে -
  1. ক) ২২ ডিসেম্বর
  2. খ) ২৩ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ২১ জুন
  4. ঘ) ২৫ মার্চ
ব্যাখ্যা
• সবচেয়ে বড়ো দিন ২১ জুন।
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত।
- বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।
- আবার ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩,৩৮৬.
মেঘনা নদীর উপনদী কোনটি?
  1. মহানন্দা
  2. তিস্তা
  3. ধরলা
  4. ডাকাতিয়া
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী:
- মেঘনা বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশস্ততম নদী।
- মেঘনার উৎপত্তি: আসামের লুসাই পাহাড় হতে বরাক নদী নামে।
- বাংলাদেশে প্রবেশ: সুরমা ও কুশিয়ারা নামে সিলেট জেলা দিয়ে ।
- সুরমা ও কুশিয়ারা মিলিত হয়েছে আজমিরীগঞ্জে এবং নামধারণ করেছে কালনী।
- কালনী ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের মিলিত স্রোতের নাম: মেঘনা (ভৈরববাজার)।
- উপনদী: ব্রহ্মপুত্র, গোমতী, শীতলক্ষা, ধলেশ্বরী, ডাকাতিয়া, বাউলাই।

অন্যদিকে,
- ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra) নদের প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা।
- পদ্মা নদীর উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৩৮৭.
‘গর্জনশীল চল্লিশ’-এর অবস্থান কোনটি?
  1. ৪০° থেকে ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ
  2. ৪০° থেকে ৫০° দক্ষিণ অক্ষাংশ
  3. ৪০° থেকে ৪৭° উত্তর অক্ষাংশ
  4. ৪০° থেকে ৫০° উত্তর অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা

গর্জনশীল চল্লিশ:
- দক্ষিণ গোলার্ধে জলভাগের পরিমাণ বেশি।
- তাই এখানে পশ্চিমা বায়ু প্রবল বেগে প্রবাহিত হয়।
- ৪০° - ৪৭° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত অঞ্চলে পশ্চিমা বায়ুর গতিবেগ সর্বাপেক্ষা বেশি থাকে।
​- এ অঞ্চলকে গর্জনশীল চল্লিশ (Roaring forties) বলে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৮৮.
দুর্যোগ প্রশমন বলতে কী বোঝায়? 
  1. দুর্যোগ পরবর্তী উদ্ধার অভিযান
  2. আবহাওয়ার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ
  3. দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
  4. দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ বিতরণ
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ প্রশমন (Mitigation): 
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। 
- মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।
- দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৮৯.
নিচের কোন নদীগুলাের উৎপত্তি ও সমাপ্তি বাংলাদেশে?
  1. ক) মনু ও সালদা
  2. খ) সালদা ও গােমতী
  3. গ) ফেনী ও সাঙ্গু
  4. ঘ) হালদা ও সাঙ্গু
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
মনু, সালদা, গোমতী হলো ভারত থেকে আগত নদী। 
সাঙ্গু হলো মিয়ানমার থেকে আগত নদী।
হালদা নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশে।

অতএব, এখানে সঠিক উত্তর - কোনটিই নয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৯০.
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু দেশ কোনটি?
  1. নেপাল
  2. তিব্বত
  3. বলিভিয়া
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

ভুটান:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতার দিক দিয়ে ভুটানের অবস্থান বিশ্বে শীর্ষে, অর্থাৎ এটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু দেশ।
- দেশটির গড় উচ্চতা প্রায় ১০ হাজার ৭৬০ ফুট।
- ভুটানের উত্তরাঞ্চলে রয়েছে গ্রেটার হিমালয় রেঞ্জের উঁচু উঁচু সব চূড়া।
- ভুটানের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ গাংখার পুনসুমের অবস্থানও এখানে।

উল্লেখ্য, 

- বিশ্বের উচ্চতম বৃক্ষ - রেড উড (ক্যালিফোর্নিয়া)।
- বিশ্বের উচ্চতম প্রাণী - জিরাফ।
- বিশ্বের উচ্চতম পর্বতমালা - হিমালয়।
- বিশ্বের উচ্চতম পর্বত শৃঙ্গ - এভারেস্ট (নেপাল)।
- বিশ্বের উচ্চতম মালভূমি - পামির।
- বিশ্বের উচ্চতম জলপ্রপাত - অ্যাঞ্জেল (ভেনিজুয়েলা)।
- বিশ্বের সর্বাধিক দরিদ্র মানুষের বসবাস - ভারত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

৩,৩৯১.
ধলেশ্বরী নদীর শাখা নদী কোনটি?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. বংশী
  4. ধরলা
ব্যাখ্যা

ধলেশ্বরী নদী:
- ধলেশ্বরী নদী টাঙ্গাইল জেলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যমুনা থেকে সৃষ্ট একটি শাখা নদী।
- নদীটির প্রবাহ সর্পিলাকৃতি এবং এর দুটি শাখা রয়েছে।
- প্রধান শাখাটি মানিকগঞ্জের উত্তর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মানিকগঞ্জের দক্ষিণে অপর শাখা কালীগঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- বুড়িগঙ্গা একসময় ধলেশ্বরীর একটি শাখা নদী ছিল এবং এর প্রবাহ পুনরায় ধলেশ্বরীতেই পতিত হতো।
- নারায়ণগঞ্জের কাছে ধলেশ্বরী শীতলক্ষ্যা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ষাটনলের কাছে মেঘনা নদীতে পতিত হয়ে এর নিজস্ব পরিচয় হারায়।
- নদীটির সর্বমোট দৈর্ঘ্য ১৬০ কিমি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩,৩৯২.
নিচের কোনটি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ নয়? 
  1. গ্রাফাইট
  2. গ্রানাইট 
  3. কোয়ার্টজাইট 
  4. মার্বেল
ব্যাখ্যা

- গ্রানাইট রূপান্তরিত শিলা নয়। এটি আগ্নেয় শিলার অন্তর্ভুক্ত। 
- অন্যদিকে, গ্রাফাইট, কোয়ার্টজাইট, মার্বেল রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ। 

• রূপান্তরিত শিলা:

- অনেক সময় প্রচন্ড তাপ ও চাপের জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আগ্নেয় ও পাললিক শিলা নতুন এক ধরনের শিলায় রূপান্তরিত হয় এবং আগের তুলনায় কঠিন ও কেলাসিত হয়, এই শিলাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- পূর্বের রূপ ও অবস্থার পরিবর্তন হয় বলে একে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- রূপান্তরিত শিলা মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- যেমন- চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাঁদা পরিবর্তিত হয়ে শ্লেট, গ্রানাইট পরিবর্তিত হয়ে নীসে, কয়লা পরিবর্তিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
- রূপান্তরিত শিলা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- রূপান্তরিত শিলা মার্বেল পাথর, শ্লেট, গার্নেট ইত্যাদির মত মূল্যবান খনিজ সম্পদ ধারণ করে।

• রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। রূপান্তরিত শিলা স্ফটিক যুক্ত;
২। এই শিলা অত্যন্ত কঠিন;
৩। এই শিলায় জীবাশ্ম নেই;
৪। কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়।

• আগ্নেয় শিলা: 
- পৃথিবীর সৃষ্টির আদি পর্যায়ের উত্তপ্ত অবস্থা ক্রমান্বয়ে তরল ও কঠিন আকার ধারণ করে যে শিলা গঠিত হয়েছে তা আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
বিভিন্ন আগ্নেয় শিলার মধ্যে রয়েছে:
- ব্যাসল্ট
- গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডলোরাইট
- ল্যাকোলিথ
- ব্যাথোলিথ
- ডাইক
- সিল
- রায়োলাইট
- অ্যান্ডিসাইট প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী। 

৩,৩৯৩.
আহ্নিক গতির বেগ কোনো অক্ষাংশে সর্বাপেক্ষা বেশি?
  1. সুমেরু বিন্দুতে
  2. কর্কটক্রান্তি রেখায়
  3. নিরক্ষরেখায়
  4. মেরু প্রদেশে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে অনবরত পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে।
- পৃথিবীর এই আবর্তনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়।
- নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে পৃথিবীর মোট ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘন্টা সময় প্রয়োজন। এই সময়কে সৌরদিন বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এই গতিবেগ মেরুদ্বয়ের দিকে ক্রমশ কমে আসতে থাকে এবং ৯০° উত্তর ও ৯০° দক্ষিণ মেরুবিন্দু দ্বয়ে প্রায় স্তিমিত হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯৪.
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে কত তারিখে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
  2. ২৬ মার্চ, ২০১৪
  3. ২৭ অক্টোবর, ২০১৪
  4. ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৪
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত যা বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। 
- এটি সুন্দরবনের দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের গভীরে অবস্থিত যা গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের একটি অংশ।
- এটি গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- এর আয়তন: ১,৭৩৮ বর্গ কিলোমিটার। 
- এই গিরিখাতটির গড় গভীরতা প্রায় ১২০০ মিটার। 
- এটি ডলফিন, তিমি, হাঙ্গর, সামুদ্রিক কচ্ছপ এবং বিপন্ন সামুদ্রিক প্রজাতির প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র। 

• সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডকে ২০১৪ সালের ২৭ অক্টোবর মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া (MPA) বা সামুদ্রিক সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। 
- এটি বাংলাদেশের প্রথম মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ২টি। যথা: সোয়াচ অব নো-গ্রাউন্ড মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া ও সেন্টমার্টিন মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া। 

উৎস: i) বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) IUCN ওয়েবসাইট।
iii) The Daily Star Bangla.

৩,৩৯৫.
সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয় -
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের সমুদ্রবক্ষে একমাত্র উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিঃশেষ ও পরিত্যক্ত হয় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর।
- সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৯৬ সালে ব্রিটিশ তেল কোম্পানি কেয়ার্ন এনার্জি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
- কোম্পানিটি ১৯৯৮ সালে সেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু করে।
- ২০০৭-০৮ সালে সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদনে ধস নামে।

উল্লেখ্য,
-  পেট্রোবাংলার এমআইএস রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রায় ৪৮৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হয়।

উৎস: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, প্রথম আলো।
৩,৩৯৬.
কোন দেশ দুটি মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মিশর
  2. সিরিয়া
  3. তুরস্ক
  4. আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র।
- এটি দুইটি মহাদেশে অবস্থিত।
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

উৎস: Britannica.
৩,৩৯৭.
চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজারের পাহাড়সমূহ কোন যুগের পাহাড়?
  1. ক) সাম্প্রতিক কালের পাহাড়
  2. খ) প্লাইস্টোসিন কালের পাহাড়
  3. গ) টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তভুর্ক্ত।

• ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
১।টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২।প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
৩।সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
• এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
• রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তভুর্ক্ত।
• এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো: ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
• আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
• এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
• দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
• প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তভুর্ক্ত।
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।
• এই অঞ্চলের মোট আয়তন ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের বৃহত্তম এ এলাকার নদীগুলো প্রায়ই গতি পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন পললভূমি গঠিত হতে দেখা যায়।
• এ সমভূমির গড় উচ্চতা প্রায় ৯ মিটার।
• প্লাবন সমভূমি পলি দ্বারা গঠিত বলে এ অঞ্চলের মাটির উর্বরতা তুলনামূলকভাবে অন্য এলাকার চেয়ে অনেক বেশি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯৮.
নিম্নের কোন দেশ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে মরুকরণের ঝুঁকিতে রয়েছে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. মোজাম্বিক
  3. ভারত
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• বৈশ্বিক উষ্ণায়ন:
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে। 
- এগুলো হলো: মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের। 
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ।

বৈশ্বিক ঝুঁকিতে থাকা পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ১২টি করে দেশের তালিকা:
• বন্যা:
- বাংলাদেশ, চীন, ভারত, কম্বোডিয়া, মোজাম্বিক, লাওস, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, বেনিন, রুয়ান্ডা।

• ঝড়:
- ফিলিপাইন, বাংলাদেশ, মাদাগাস্কার, ভিয়েতনাম, মলডোভা, মঙ্গোলিয়া, হাইতি, সামোয়া, টোঙ্গা, চীন, হন্ডুরাস, ফিজি।

• মরুকরণ:

- মালাউয়ি, ইথিওপিয়া, জিম্বাবুয়ে, ভারত, মোজাম্বিক, নাইজার, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদান, শাদ, কেনিয়া, ইরান।

• সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি:
- সব নিচু দ্বীপদেশ, ভিয়েতনাম, মিসর, তিউনিসিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, চীন, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, সেনেগাল, লিবিয়া।

• কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা:
- সুদান, সেনেগাল, জিম্বাবুয়ে, মালি, জাম্বিয়া, নাইজার, মরক্কো, ভারত, মালাউয়ি, আলজেরিয়া, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৩৯৯.
চা চাষের জন্য কত সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত আবশ্যক?
  1. ১১০ - ২০০ সেন্টিমিটার
  2. ১৭৫ - ২৫০ সেন্টিমিটার
  3. ২২০ - ৩১০ সেন্টিমিটার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
চা চাষ:
- চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বিশেষ উপযোগী।
- সাধারণত যেসব স্থানে ২৬০-২৮° সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকে সেসব স্থান চা চাষের উপযুক্ত।
- গাছের বৃদ্ধিকালীন সময়ে ২০° সেলসিয়াস এর অধিক তাপমাত্রা প্রয়োজন।
- চা চাষের জন্য ১৭৫ - ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত আবশ্যক।
- বাতাসের আর্দ্রতা ৭০-৯০% আবশ্যক।
- অতিবৃষ্টি এবং অনাবৃষ্টি বা খরা কোনোটিই চা গাছের জন্য উপযুক্ত নয়।
- চা গাছের জন্য যেমন প্রচুর পানি প্রয়োজন তেমনি উপযুক্ত নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও থাকতে হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪০০.
ক্রিসমাস দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. ভারত মহাসাগরে
  3. আটলান্টিক মহাসাগরে
  4. আর্কটিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
ক্রিসমাস দ্বীপ:
- ক্রিসমাস দ্বীপ (Christmas Island) ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অস্ট্রেলীয় অঞ্চল।
- এটি অস্ট্রেলিয়ার ১,৪০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এবং ইন্দোনেশিয়ার জাভা থেকে ৩৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে থেকে অবস্থিত।

⇒ ক্রিসমাস দ্বীপের আয়তন প্রায় ১৩৫ বর্গকিলোমিটার এবং এটি একটি অত্যন্ত দুর্গম ও সুরক্ষিত দ্বীপ, যা তার প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণীর জন্য বিখ্যাত।
- লাল কাঁকড়া জন্য বিখ্যাত ক্রিসমাস দ্বীপ।
- প্রতি বছর ডিম পাড়ার মৌসুমে সমুদ্র থেকে উঠে আসে হাজার হাজার লাল কাকড়া।
- দ্বীপটির উপকূলের দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৩ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ৪৬ কিলোমিটার জুড়ে আছে ক্রিসমাস আইল্যান্ড জাতীয় উদ্যান। 

উৎস: Britannica.