বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৩০ / ৭২ · ২,৯০১৩,০০০ / ৭,১৯১

২,৯০১.
'শীলাদেবীর' ঘাট কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. কুমিল্লা
  3. নওগাঁ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
শীলাদেবীর ঘাট বগুড়ায় অবস্থিত।

• শীলাদেবীর ঘাট:
- শীলাদেবীর ঘাট  জনশ্রুতিতে বর্ণিত শীলাদেবীর ঘাট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় থেকে ২০০ মিটার পূর্ব দিকে করতোয়া নদীতে অবস্থিত।
- স্থানটির অবস্থান মহাস্থানগড়স্থ বৈরাগীর ভিটার বিপরীত দিকে।
- স্থানীয় কাহিনী-কিংবদন্তী অনুযায়ী শীলাদেবী ছিলেন মহাস্থানগড়ের শেষ হিন্দু রাজা পরশুরামের কন্যা বা ভগ্নি।

- মুসলিম সাধক শাহ সুলতান বলখী (রঃ) মাহীসওয়ার কর্তৃক রাজা পরশুরাম পরাজিত হলে শীলাদেবী করতোয়ার এই স্থানে জলে ডুবে আত্মাহুতি দেন।
- এই স্থানটি তাই শীলাদেবীর ঘাট নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,৯০২.
বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা কোনটি?
  1. রাজশাহী
  2. নাটোর
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. নওগাঁ
ব্যাখ্যা
উষ্ণতম:
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা রাজশাহী।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল।

শীতলতম:
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

তথ্যসূত্র - বাংলিপিডিয়া।
২,৯০৩.
হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে কোন নদীর উৎপত্তি হয়েছে?
  1. কর্ণফুলী নদী
  2. পদ্মা নদী
  3. মেঘনা নদী
  4. ব্রহ্মপুত্র নদ
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র নদ :
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
- আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা।

উল্লেখ্য,
- কর্ণফুলী নদী মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- পদ্মা নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯০৪.
পৃথিবীর গভীরতম স্থান কোনটি?
  1. ক) কেম্যান ট্রেঞ্চ
  2. খ) চ্যালেঞ্জার ডিপ
  3. গ) টোঙ্গা ট্রেঞ্চ
  4. ঘ) পুয়ের্টোরিকো ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর গভীরতম স্থান হলো চ্যালেঞ্জার ডিপ। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের মারিয়ানা সমুদ্রখাতের মধ্যে অবস্থিত।
- চ্যালেঞ্জার ডিপের গভীরতা প্রায় ৩৬,১৯৭ ফুট।
- টোঙ্গা ট্রেঞ্চ পৃথিবীর দ্বিতীয় গভীরতম স্থান।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
২,৯০৫.
কোনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) লবণাক্ততা
  2. খ) কালবৈশাখী ঝড়
  3. গ) পরিবেশ দূষণ
  4. ঘ) খরা
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক কারণে যেসব দুর্যোগ সংঘটিত হয় তাদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, নদীভাঙন, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, খরা, লবণাক্ততা ইত্যাদি।
অন্যদিকে রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ, পারমাণবিক বিস্ফোরণ, পরিবেশ দূষণ ইত্যাদি হলো মানবসৃষ্ট দুর্যোগ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই।
২,৯০৬.
ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ কোনটি?
  1. মালাক্কা প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. ডোভার প্রণালী
ব্যাখ্যা

মালাক্কা প্রণালী:
- এটি ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ।
- মালাক্কা প্রণালী সুমাত্রা এবং মালয় উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ২৫,০০০ বর্গ মাইল (৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- প্রণালীটি ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি) দীর্ঘ।
- এটি দক্ষিণে মাত্র ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) ও উত্তরে ১৫৫ মাইল (২৪৯ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী শিপিং চ্যানেলগুলির মধ্যে একটি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,৯০৭.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. পদ্মা
  2. ইয়াংসিকিয়াং
  3. হোয়াংহো
  4. ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা

ইয়াংসিকিয়াং:
- ইয়াংসিকিয়াং চীন ও এশিয়ার দীর্ঘতম নদী।
- এটি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এর দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল বা ৬,৩০০ কিমি।
- এই নদীটি চীনে অবস্থিত।
- এটি চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

অন্যদিকে,
- হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

২,৯০৮.
আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়গুলোকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. টর্নেডো
  2. টাইফুন
  3. সাইক্লোন
  4. হারিকেন
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড় হারিকেন:
- সাধারণত আটলান্টিক ও উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়গুলোকে হারিকেন নামে অভিহিত করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।
- এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বেগে প্রবাহিত হয়।
- একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে।

উৎস:NASA ওয়েবসাইটে এবং NOAA ওয়েবসাইট।

২,৯০৯.
জেট বিমান স্ট্রাটোমন্ডল দিয়ে চলাচল করে কেন?
  1. জলীয়বাষ্প বেশি থাকে বলে
  2. বাতাসের গতিবেগ থাকে না বলে
  3. ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে
  4. ওজোন গ্যাসের স্তর বেশি আছে বলে
ব্যাখ্যা
জেট বিমান স্ট্রাটোমন্ডল দিয়ে চলাচল করে কারণ এই স্তরে ঝড়বৃষ্টি থাকে না।

স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere):

- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

• স্ট্রাটোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ৪° সেলিসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় ৷
- এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
- ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে ।
- প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমণ্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯১০.
বাংলাদেশের শীতলতম মাস-
  1. ক) জানুয়ারি
  2. খ) মার্চ
  3. গ) মে
  4. ঘ) ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক পরিবেশের তারতম্যের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান, অঞ্চল ও জেলার অবস্থা ও অবস্থান নিম্নরুপ: 

- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান- লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস- এপ্রিল।
- বাংলাদেশের শীতলতম মাস- জানুয়ারি
- বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা- রাজশাহী।
- বাংলাদেশের শীতলতম স্থান- শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,৯১১.
এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. ইয়াংসিকিয়াং
  2. ইনিসি
  3. হোয়াং হো
  4. সালউইন
ব্যাখ্যা
ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- দৈর্ঘ্য: ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,৯১২.
কত সালে "জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন" তৈরি করা হয়?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন, ২০১০:
- বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১০ সালে 'জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন, ২০১০' তৈরি করেন।
- ১৩ অক্টোবর ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন, ২০১০ এর বিল পাশের মাধ্যমে 'বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই ট্রাস্টের মাধ্যমে বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং দুর্যোগ প্রশমন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।
- ট্রাস্টের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বিপর্যয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রশমন এবং স্থানচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হিসেবে রয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট তহবিল এর সার্বিক পরিচালনার জন্য জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন-২০১০ এর ধারা ৯ অনুযায়ী একটি ট্রাস্টি বোর্ড রয়েছে।
- ট্রাস্ট ফান্ডের সিদ্ধান্ত গ্রহনেরে ক্ষেত্রে এটি সর্বোচ্চ বোর্ড।
- ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী।
- প্রাপ্ত প্রকল্পসমূহের যাচাই-বাছাই করার জন্য জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন-২০১০ এর ধারা ১২ অনুযায়ী একটি কারিগরি কমিটি রয়েছে।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট এর কার্যাবলি:
- জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের সার্বিক ব্যবস্থাপনা;
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ট্রাস্টি বোর্ড এবং কারিগরি কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান;
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ হতে প্রাপ্ত প্রকল্পসমুহ কারিগরি কমিটিতে উপস্থাপন এবং কারিগরি কমিটি কর্তৃক  সুপারিশকৃত প্রকল্প প্রস্তাবসমুহ ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় উপস্থাপন;
- ট্রাস্টি বোর্ড এর সিদ্ধান্তসমুহ বাস্তবায়ন করা;
- ভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফোকাল পয়েন্টদের সাথে সমন্বয় সাধন;
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত সুবিধাভোগী, সিভিল সোসাইটি সাথে, এনজিও, প্রাইভেট সেক্টর এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন;
- বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ণ কার্যক্রম গ্রহণ করা।

তথ্যসূত্র: জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন-২০১০ ও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৯১৩.
গন্ডােয়ানাল্যান্ড কোন স্থানের পূর্ব নাম?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) বাগেরহাট
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
- দিগন্ত বিস্তৃত ধানক্ষেত আর গুচ্ছ গুচ্ছ লিচু বাগানের জেলা দিনাজপুর। 
- দিনাজপুর জেলার পুরাতন নাম ছিল গন্ডোয়ানাল্যান্ড। 
- এখানে ছোট যমুনা, আত্রাই, পুনর্ভবা, ঢেপা, গর্ভেশ্বরী নদ-নদী বিদ্যমান।
 
উৎস : দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট 
২,৯১৪.
কিয়োটা প্রটোকল স্বাক্ষর করেছে কোন দেশ?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) আফগানিস্তান
  4. ঘ) সুদান
ব্যাখ্যা
কিয়োটা প্রটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি যা এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে। ১৯৯৭ সালের ১২ ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটা শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়। বর্তমানে এই চুক্তি দ্বারা ১৯১ টি দেশ ও একটি সংস্থা দায়বদ্ধ রয়েছে। কানাডা ডিসেম্বর ২০১২ সালে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়। যুক্তরাষ্ট্র, আফগানিস্তান ও সুদান কিয়োটা প্রটোকলে স্বাক্ষর করেনি।
সূত্রঃ LiveMCQ Lecture
২,৯১৫.
কোনটি "Biological Disaster" এর উদাহরণ?
  1. বন্যা
  2. সোয়াইন ফ্লু
  3. খরা
  4. ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
- "Biological Disaster" এর উদাহরণ হলো সোয়াইন ফ্লু।
- এই ধরনের দুর্যোগে সাধারণত জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের মাধ্যমে পরিবেশে ব্যাপক ক্ষতি হয়, যা মানুষের স্বাস্থ্যকে সরাসরি প্রভাবিত করে।

দুর্যোগ: 

- প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট কারণে প্রতিবছর বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ।
- দুর্যোগের ধরন ও দুর্যোগ সৃষ্টির কারণের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশে দুর্যোগঝুঁকির পরিবেশকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

যথা-
→ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ,
→ মানব সৃষ্ট দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশ এবং
→ জৈবিক দুর্যোগ ঝুঁকির (Biological Disaster) পরিবেশ।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকিসমূহ হলো- বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধ্বস, ভূমিকম্প এবং বজ্রপাত ।
- এছাড়াও বাংলাদেশে মানব সৃষ্ট দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশের মধ্যে বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারের কারণে প্রায় চামড়া শিল্প, জাহাজভাঙ্গা শিল্প, রাসায়নিক শিল্পের দুঘর্টনা উল্লেখযোগ্য।
- এর মধ্যে অন্যান্য উদাহরণ হিসেবে ২০১৭ সালের চিকুনগুনিয়া, ২০০৪ সালের নিপাহ ভাইরাস, ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্লু, জিকা ভাইরাস প্রভৃতি অন্তর্ভুক্ত।
 
সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯১৬.
'বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট' প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন, ২০১০:
- বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০১০ সালে 'জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন, ২০১০' তৈরি করেন।
- ১৩ অক্টোবর ২০১০ সালে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন, ২০১০ এর বিল পাশের মাধ্যমে 'বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই ট্রাস্টের মাধ্যমে বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং দুর্যোগ প্রশমন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।
- ট্রাস্টের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বিপর্যয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রশমন এবং স্থানচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হিসেবে রয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট তহবিল এর সার্বিক পরিচালনার জন্য জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন-২০১০ এর ধারা ৯ অনুযায়ী একটি ট্রাস্টি বোর্ড রয়েছে।
- ট্রাস্ট ফান্ডের সিদ্ধান্ত গ্রহনেরে ক্ষেত্রে এটি সর্বোচ্চ বোর্ড।
- ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী।
- প্রাপ্ত প্রকল্পসমূহের যাচাই-বাছাই করার জন্য জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন-২০১০ এর ধারা ১২ অনুযায়ী একটি কারিগরি কমিটি রয়েছে।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট এর কার্যাবলি:
- জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের সার্বিক ব্যবস্থাপনা;
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ট্রাস্টি বোর্ড এবং কারিগরি কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান;
- বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ হতে প্রাপ্ত প্রকল্পসমুহ কারিগরি কমিটিতে উপস্থাপন এবং কারিগরি কমিটি কর্তৃক  সুপারিশকৃত প্রকল্প প্রস্তাবসমুহ ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় উপস্থাপন;
- ট্রাস্টি বোর্ড এর সিদ্ধান্তসমুহ বাস্তবায়ন করা;
- ভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ফোকাল পয়েন্টদের সাথে সমন্বয় সাধন;
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত সুবিধাভোগী, সিভিল সোসাইটি সাথে, এনজিও, প্রাইভেট সেক্টর এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন;
- বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ণ কার্যক্রম গ্রহণ করা।

তথ্যসূত্র: জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন-২০১০ ও বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৯১৭.
কোন স্থানকে 'রাঙামাটির ছাদ' বলা হয়?
  1. হাজাছড়া ঝর্ণা
  2. সাজেক ভ্যালি
  3. যমচুগ বনবিহার
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• সাজেক: 
- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙামাটির ছাদ।
- সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত। সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন।
- এর আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক রুইলুইপাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- সাজেকে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২,৯১৮.
'ল্যাব্রাডার স্রোত' কোন মহাসাগরীয় স্রোত?
  1. ভারত মহাসাগরীয় স্রোত
  2. প্রশান্ত মহাসাগরীয় স্রোত
  3. আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত
  4. উত্তর মহাসাগরীয় স্রোত
ব্যাখ্যা

• লাব্রাডার স্রোত: 
- সুমেরু মহাসাগর হতে অপর একটি স্রোত ডেভিস প্রণালির মধ্য দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে উত্তর আমেরিকায় লাব্রাডার উপদ্বীপের উত্তর পাশে গ্রীনল্যান্ড স্রোতের সাথে মিলিত হয়।এই মিলিত স্রোত লাব্রাডার স্রোত নামে পরিচিত।
- লাব্রাডার স্রোত নিউফাউন্ডল্যান্ডের নিকট দুটি শাখায় বিভক্ত হয়।
- উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের নীল পানি উত্তর-পূর্ব দিকে এবং এই স্রোতের পাশ দিয়ে শীতল লাব্রাডার স্রোতের সবুজ পানি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই উভয় স্রোতের মধ্যবর্তী সীমা রেখাকে হিমপ্রাচীর বলে।
- উষ্ণ ও শীতল স্রোত পাশাপাশি প্রবাহিত হওয়ার কারণে সেখানে প্রায়ই কুয়াশা এবং ঘূর্ণিবাতের সৃষ্টি হয়।

দক্ষিন আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত:
- কুমেরু স্রোত বা পশ্চিমা।
- বেঙ্গুয়েলা স্রোত।
- দক্ষিণ নিরক্ষীয় স্রোত।
- ব্রাজিল স্রোত।
- ফকল্যান্ড স্রোত।

উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরীয় স্রোত:
- উপসাগরীয় স্রোত।
- ক্যানারি স্রোত।
- উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত।
- উত্তর আটলান্টিক স্রোত।
- সুমের স্রোত।
- লাব্রাডার স্রোত।
- গ্রীনল্যান্ড স্রোত।
- গিনি স্রোত।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯১৯.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. আমুর
  2. ইয়াংসিকিয়াং
  3. হোয়াংহো
  4. মেকং
ব্যাখ্যা

ইয়াংসিকিয়াং:
- এশিয়া ও চীনের দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
- এটি পৃথিবীর ৩য় দীর্ঘতম নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল (৬,৩০০ কিমি)।
- এর অববাহিকা, পশ্চিম থেকে পূর্ব পর্যন্ত প্রায় ২,০০০ মাইল (৩,২০০ কিমি) এবং উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬০০ মাইল (১,০০০ কিমি) এরও বেশি সময় পর্যন্ত বিস্তৃত।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,৯২০.
বর্তমানে দেশে বায়ু দূষণ মনিটরিং-এর জন্য কতটি CAMS রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম:
- সরকার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে।
- পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক সারাদেশে ১৬টি সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ স্টেশন (Continuous Air Monitoring Station বা CAMS) এবং ১৫টি কমপ্যাক্ট সার্বক্ষণিক বায়ুমান মনিটরিং স্টেশন (C- CAMS) পরিচালিত হচ্ছে। 
- এ সকল CAMS-এ প্রাপ্ত তথ্য বিশেষণ করে মাসিক প্রতিবেদন ও বায়ুমান সূচক (Air Quality Index বা AQ) প্রকাশ করা হচ্ছে।
- এছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলায় একটি আন্ত:দেশীয় বায়ু মনিটরিং কেন্দ্রের মাধ্যমে আন্ত:দেশীয় বায়ু দূষণ চলাচল পরিমাপ করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তর।
২,৯২১.
শিলং এর চেয়ে দিনাজপুরের তাপমাত্রার পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় কিসের ফলে?
  1. ক) পর্বতের অবস্থান
  2. খ) উচ্চতা
  3. গ) অক্ষাংশ
  4. ঘ) বনভূমির অবস্থান
ব্যাখ্যা
সমুদ্র সমতল থেকে যত উপরে উঠা যায়, ততই উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা হ্রাস পেতে থাকে। সাধারণত প্রতি ১০০০ মিটার উচ্চতায় প্রায় ৬° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়৷
এজন্যই একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়ার পরেও উচ্চতায় পার্থক্য থাকায় দুই জায়গার একটি অপরটির চেয়ে ভিন্ন জলবায়ু সম্পন্ন হয়।
যেমনঃ উচ্চতা বেশি হওয়ায় দিনাজপুরের চেয়ে শিলং এর তাপমাত্রা কম হয়৷
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি
২,৯২২.
দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদ -
  1. আসাল হ্রদ
  2. বৈকাল হ্রদ
  3. সুপিরিয়র হ্রদ
  4. টিটিকাকা হ্রদ
ব্যাখ্যা
টিটিকাকা হ্রদ:
- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদ টিটিকাকা।
- বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদ।
- হ্রদটির তীরে ৩০ লাখ মানুষের বাস।
- হ্রদটি পেরু ও বলিভিয়া সীমান্ত জুড়ে ৩ হাজার ২০০ বর্গমাইলের বেশি এলাকায় বিস্তৃত। 
- হ্রদ ঘিরে আয়মারা, কেচুয়া আর উরোস আদিবাসী সম্প্রদায়ের বসবাস।
- হ্রদটি মধ্য আন্দিজ পর্বতশ্রেণিতে প্রায় ১২ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত, যা এটিকে বিশ্বের সর্বোচ্চ নৌযান চলাচলযোগ্য হ্রদের স্বীকৃতি দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
২,৯২৩.
সাত পাহাড়ের শহর কোনটি?
  1. ভেনিস
  2. কিটো
  3. রোম
  4. আমস্টারডাম
ব্যাখ্যা
রোম:
- ইতালির রাজধানী রোম।
- এ নগরীতে সাতটি পাহাড় রয়েছে।
- এগুলোর নাম হলো অ্যাভেনটাইন, কেইলিয়ান, ক্যাপিটোলাইন, ইসকুইলিন, প্যালেটাইন, কুইরিনাল ও ভিমিনাল। 
- এই পাহাড়গুলো নগরীর ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে। 
- এজন্য রোম নগরীকে সাত পাহাড়ের শহর বলা হয়।
- এটিকে চির শান্তির শহর এবং নীরব শহর ও বলা হয়।
এছাড়া 
- ভেনিস নিশ্চুপ সড়কের শহর, রাজপ্রাসাদের শহর, দ্বীপের নগরী ইত্যাদি নামে পরিচিত।
- কিটোকে বলা হয় চির বসন্তের শহর।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২,৯২৪.
পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ নিচের কোনটি?  
  1. সুমাত্রা 
  2. নিউগিনি
  3. গ্রিনল্যান্ড 
  4. বোর্নিও
ব্যাখ্যা

• গ্রিনল্যান্ড:
- গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রীনল্যান্ড (স্থানীয় ভাষায় কালালিত নুনাত) পরিচিত এর বিশাল তুন্দ্রা অঞ্চল ও বিশাল হিমবাহের জন্য।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানীর নাম নুক (ডেনিশ ভাষায় গোথহোব)।

অপরদিকে,
- নিউ গিনি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- বোর্নিও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

২,৯২৫.
বাংলাদেশের কোথায় ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি রয়েছে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাঙামাটি 
  4. সিলেট 
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক)ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ)দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৯২৬.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কোন পর্যায়ে প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট আপদে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি মানবিক সেবা সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ নিশ্চিত করা হয়?
  1. দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম
  2. জরুরি সাড়াদান
  3. পুনর্বাসন, পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার
  4. দুর্যোগ প্রস্তুতি
ব্যাখ্যা
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (এনপিডিএম):
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (এনপিডিএম) হলো বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক ভিশন, মিশন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পদ্ধতির দুর্যোগঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা এবং কর্মসূচির আলোকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের জন্য পরিচালিত কৌশলগত পরিকল্পনা।
- এই পরিকল্পনায় ঝুঁকি অবহিতিমূলক উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে দুর্যোগঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে এর বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

⇒ এনপিডিএম ২০২১-২০২৫ দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক সেন্দাই কর্মকাঠামো (এসএফডিআরআর) ও বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি (এসওডি)-এর মৌলিক নীতিমালার আলোকে দুর্যোগঝুঁকি ব্যবস্থাপনার পরষ্পরযুক্ত নিম্নলিখিত পাঁচটি পর্যায়ে উন্নতি বিধানের লক্ষ্য নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে।
১) দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম:
- পদ্ধতিগত উপায়ে দুর্যোগঝুঁকি নিরূপণ, বিশ্লেষণ এবং পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজের সামগ্রিক বিপদাপন্নতা ও দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস নিশ্চিত করা;
২) দুর্যোগ প্রস্তুতি:
- যে কোন প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী পর্যায়ে প্রয়োজনীয় বা যথাযথ প্রস্তুতি নিশ্চিত করা;
৩) আগাম সতর্কতা ও হুঁশিয়ারি:
- কোন আসন্ন আপদ থেকে জীবন, সম্পদ ও মূল্যবান দ্রব্যাদি রক্ষার জন্য কার্যকর সতর্কীকরণ নিশ্চিত করা;
৪) জরুরি সাড়াদান:
- প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট আপদে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি মানবিক সেবা সরবরাহের উদ্যোগ গ্রহণ নিশ্চিত করা;
৫) পুনর্বাসন, পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার:
- দুর্যোগ পরবর্তী প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আগের চেয়ে ভালো অবস্থায় প্রত্যাবর্তনের কার্যকর কৌশল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

উৎস: জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা।
২,৯২৭.
অস্ট্রেলিয়ার ভৌগলিক উপনাম কী?
  1. ম্যাপল পাতার দেশ
  2. ভূমিকম্পের দেশ
  3. হাজার হ্রদের দেশ
  4. ক্যাঙ্গারুর দেশ
ব্যাখ্যা

• ভৌগলিক উপনাম:
- অস্ট্রেলিয়া হলো ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত একটি দেশ।
- অস্ট্রেলিয়াকে ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত দ্বীপ ও বলা যায়।
- এই দ্বীপটি ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে প্রচলিত ভৌগোলিক উপনাম হলো “ক্যাঙ্গারুর দেশ” এবং “The Land Down Under”.
- দেশটিতে ক্যাঙ্গারুর প্রচুরতার কারণে অস্ট্রেলিয়াকে ক্যাঙ্গারুর দেশ বলা হয়।
- আর ডাউন আন্ডার নির্দেশ করে অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
- এছাড়া দেশটিকে আরও কিছু নামেও ডাকা হয়-
• Straya,
• Aussie,
• the Great Southern Land,
• the Sunburnt Country,
•  the Wide Brown Land. 

অন্যদিকে,
• ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়- কানাডাকে।
• ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়- জাপানকে।
• হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়- ফিনল্যান্ডকে।

উৎস: Britannica. 

২,৯২৮.
বাংলাদেশে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ৫৩টি
  2. ৫৪টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী:
- আন্তঃসীমান্ত নদী বলতে সাধারণত সেসমস্ত নদীকে বুঝায় যেগুলি অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমা অতিক্রম করে।
- এই সীমা একটি দেশের অভ্যন্তরস্থ বা আন্তর্জাতিক হতে পারে।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশে প্রবাহিত ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদী (Trans-boundary Rivers) রয়েছে।
- বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৪টি।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৯২৯.
নীহারিকার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. গ্যাস, ধুলা ও প্লাজমা দ্বারা নীহারিকা গঠিত
  2. নীহারিকায় শতকরা ৯০ ভাগ হাইড্রোজেন বিদ্যমান
  3. শতকরা ১ ভাগ কার্বন বিদ্যমান
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
নীহারিকার:
- প্রধানত গ্যাস, ধুলা ও প্লাজমা দ্বারা নীহারিকা গঠিত।
- বেশির ভাগ নীহারিকায় শতকরা ৯০ ভাগ হাইড্রোজেন, শতকরা ৯ ভাগ হিলিয়াম আছে।
- এ ছাড়া বাকি শতকরা ১ ভাগ হিসেবে রয়েছে কার্বন, নাইট্রোজেন, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও পটাসিয়াম।
- নীহারিকাগুলো মূলত অবস্থিত আন্ত নাক্ষত্রিক শূন্যস্থান বা interstellar medium (ISM)-এ।
- এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে ছোটো নীহারিকা NGC 7027 মাত্র ০.১ আলোকবর্ষ।
- আবিষ্কৃত সর্ববৃহৎ ট্যারান্টুলা নেবুলা প্রায় ১৮৬২ আলোকবর্ষ।

তথ্যসুত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ২ জুন ২০২৩।
২,৯৩০.
বাংলাদেশে বন্যার প্রাকৃতিক কারণ কোনটি?
  1. উজানে প্রচুর বৃষ্টি
  2. মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব
  3. ভৌগোলিক অবস্থান
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বন্যা (Flood): 
- বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বন্যা অন্যতম।
- এ দেশের মানুষের কাছে বন্যা যেমন ভয়াবহ তেমনি অর্থনৈতিক অবস্থার উপর অপরিসীম প্রভাব ফেলে।
- প্রকৃতপক্ষে এ দেশের প্রেক্ষিতে কোনো এলাকা প্লাবিত হয়ে যদি মানুষের জীবন ও সম্পদের ক্ষতিসাধন হয় তাহলেই বন্যা হয়েছে বলে ধরা হয়।

বন্যার প্রাকৃতিক কারণ: 
- উজানে প্রচুর বৃষ্টি
- ভৌগোলিক অবস্থান
- মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব
- নদীর গভীরতা কম
- হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ
- বঙ্গোপসাগরের তীব্র জোয়ার-ভাটা
- ভূমিকম্প

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৯৩১.
সুন্দরবনে কোন সমুদ্র সৈকত অবস্থিত?
  1. ক) পারকী সমুদ্র সৈকত
  2. খ) কটকা সমুদ্র সৈকত
  3. গ) গঙ্গামতি সমুদ্র সৈকত
  4. ঘ) ইনানী সমুদ্র সৈকত
ব্যাখ্যা
- "কটকা সমুদ্র সৈকত" সুন্দরবনে অবস্থিত।
 
- কটকা যেতে চাইলে আপনাকে প্রথমেই যেতে হবে সুন্দরবন অঞ্চলে (খুলনা, বাগেরহাটের মংলা)। কটকায় বেড়াতে যাবার প্রধান মাধ্যম বলতে গেলে শুধুই লঞ্চ। আর পর্যটকদের নিয়ে এই লঞ্চ নোঙ্গর করা হয় কটকা খালে।
 
- সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের। তবে বনে বাঘের দেখা মেলা ভার। আর তার ওপর বাঘের দেখা মিললেও নিজের নিরাপত্তার বিষয়টি তো আছেই।
- বাঘ দেখা ও নিরাপদে থাকা- এ দুই-ই সম্ভব সুন্দরবনের চমৎকার পর্যটন কেন্দ্র কটকা অভয়ারণ্য থেকে। এখানে প্রায়ই দেখা মেলে সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের। এ ছাড়া মনোরম চিত্রা হরিণের দল, বিভিন্ন জাতের পাখি, শান্ত প্রকৃতি এবং বিভিন্ন বন্য প্রাণীর উপস্থিতির কারণে পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় কটকা অভয়ারণ্য সব সময়ই আলাদা স্থান দখল করে আছে।
 
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন

২,৯৩২.
সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্কে কত সালের মধ্যে দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত লক্ষ্য স্থির করা হয়?
  1. ২০২৬ সাল
  2. ২০৩০ সাল
  3. ২০৩৫ সাল
  4. ২০৪০ সাল
ব্যাখ্যা
সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
- ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

⇒ সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট।
২,৯৩৩.
'সাকা হাফং' পর্বত শৃঙ্গ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

সাকা হাফং:
- সাকা হাফং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য জেলা বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে অবস্থিত একটি পাহাড়।
- স্থানীয়ভাবে এই শৃঙ্গকে 'মদক তং' নামেও ডাকা হয়।
- এর অবস্থান ভারত-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পর্বতশৃঙ্গ রয়েছে, যেগুলোর অবস্থান মূলত বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার দুর্গম এলাকায়।
- এদের মধ্যে তাজিংডং অন্যতম, এটা বান্দরবানের রুমা উপজেলায় অবস্থিত এবং সরকারিভাবে একে দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ বলা হয়ে থাকে।

উৎস: প্রথম আলো।

২,৯৩৪.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' একটি -
  1. প্রতিবাত ঢাল
  2. বদ্বীপ
  3. নদীর মোহনা
  4. গিরিখাত
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বেঙ্গল ফ্যান ভূমিরূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা।
- এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মিটার।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৯৩৫.
আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় -
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এগুলো টাশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত।
- পাহাড়গুলো আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়।
- এসব পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হছে। যথা- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৩৬.
পারস্য উপসাগর কোন মহাসাগরের অংশ?
  1. দক্ষিণ মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

পারস্য উপসাগর:
- ভূমধ্যসাগরীয় সমুদ্র পারস্য উপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ।
- এটি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি ওমান উপসাগরের একটি সম্প্রসারিত অংশ এবং পূর্বে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত।
- পারস্য উপসাগরকে আরব উপসাগর বা ইরান উপসাগরও বলা হয়।
- এটির আয়তন প্রায় ২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সর্বোচ্চ গভীরতা ৯০ মিটার
- গড় গভীরতা ৫০ মিটার।
- পারস্য উপসাগর কয়েকটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত, যার মধ্যে উত্তরে ইরান, এবং উত্তর-পশ্চিমে বাহরাইন, ইরাক এবং কুয়েত রয়েছে। দক্ষিণে, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, অবস্থিত।
- এর উপকুলরেখা প্রায় ৫,১১৭ কিলোমিটার, যার মধ্যে ইরানের দীর্ঘতম উপকূলরেখা (১,৫৩৬ কিলোমিটার) রয়েছে।

তথ্যসূত্র - WorldAtlas.com

২,৯৩৭.
Which forests in Bangladesh are famous for sal trees?
  1. ক) Forest of Khulna
  2. খ) Forests of mountainous Chittagong
  3. গ) Forests of Bhawal and Madhupur 
  4. ঘ) Forest of Sylhet
ব্যাখ্যা
- মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় : টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার এবং আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- মধুপুর গড় (Madhupur Tract) বনের প্রধান বৃক্ষ ছিল শাল (Shorea robusta), যার ফলে এই বনের নামকরণ হয় শালবন।
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদী ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা, বংশী, বানার এবং শীতলক্ষ্যা নদী দ্বারা মধুপুর গড় নিষ্কাশিত হয়ে থাকে।
- সবগুলি নদীই দক্ষিণপূর্বমুখী প্রবাহিত হয়ে সুবৃহৎ মেঘনা নদীতে পতিত হয়েছে.

উৎস:- বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৩৮.
ধলেশ্বরী নদী কোন নদী থেকে সৃষ্ট একটি শাখা নদী?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. মেধনা
  3.  বুড়িগঙ্গা 
  4. যমুনা
ব্যাখ্যা

ধলেশ্বরী নদী:
- ধলেশ্বরী নদী টাঙ্গাইল জেলার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যমুনা থেকে সৃষ্ট একটি শাখা নদী। 
- নদীটির প্রবাহ সর্পিলাকৃতি।
- এর দুটি শাখা রয়েছে। 
- প্রধান শাখাটি মানিকগঞ্জের উত্তর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মানিকগঞ্জের দক্ষিণে অপর শাখা কালীগঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- বুড়িগঙ্গা ধলেশ্বরী নদীর একটি শাখা নদী।
- নারায়ণগঞ্জের কাছে ধলেশ্বরী শীতলক্ষ্যা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ষাটনলের কাছে মেঘনা নদীতে পতিত হয়ে এর নিজস্ব পরিচয় হারায়। 
- নদীটির সর্বমোট দৈর্ঘ্য ১৬০ কিমি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৯৩৯.
কোন দেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্গত নয়?
  1. কিরিবাতি
  2. সামোয়া
  3. এল সালভাদর
  4. ভানুয়াতু 
ব্যাখ্যা
- এল সালভাদর মধ্য আমেরিকার দেশ। 

• ওশেনিয়া মহাদেশ:

- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।

• ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবাতি, টোঙ্গা, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, টুভ্যালু, নাউরু।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,৯৪০.
প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম 
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

প্রান্তিক হ্রদ:
- প্রান্তিক হ্রদ বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- প্রায় ২৫ একর জায়গাজুড়ে সৃষ্ট কৃত্রিম জলাশয় 'প্রান্তিক লেক'।
- এ লেকের চারিপাশ নানা প্রজাতির গাছগাছালিতে ভরপুর।
- এটি বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের পাশে হলুদিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- লেকটিতে উন্মুক্ত মাটির মঞ্চ, পিকনিক স্পট, বিশ্রামাগার এবং একটি উঁচু গোল ঘর ইত্যাদি স্থাপনা রয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৯৪১.
বাংলাদেশের উত্তরে রয়েছে-
  1. ত্রিপুরা
  2. মিজোরাম
  3. মেঘালয়
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
সীমানা:
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারেখার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার।
- এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার ।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে হাড়িয়াভাঙ্গা নদী।
- এবং দক্ষিণ-পূর্বে নাফ নদী ভারত ও মিয়ানমারের সীমানায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
- পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার;
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৪২.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা
  2. দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূণর্বাসন নিশ্চিত করা
  3. পুনরুদ্ধার ব্যতীত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা
  4. দুর্যোগকালীন সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি হলো-
(ক) দুর্যোগকালীন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূণর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৪৩.
নিচের কোন স্থানের ভৌগোলিক উপনাম ‘৩৬০ আউলিয়ার দেশ’?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
‘বারো আউলিয়ার দেশ’ হিসাবে পরিচিত - চট্টগ্রাম; ‘৩৬০ আউলিয়ার দেশ’ হিসাবে পরিচিত - সিলেট।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
২,৯৪৪.
সৌরজগতের কোন গ্রহের ভূত্বক বরফে ঢাকা?  
  1. শুক্র
  2. বুধ
  3. বৃহস্পতি
  4. শনি
ব্যাখ্যা
শনি:
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- শনি গ্রহ উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ভূ-ত্বক বরফে ঢাকা।
- সূর্যের চারদিকে শনির একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ২৯.৪ বছর। 
- গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৯ গুণ বড়।
- এর উপগ্রহ রয়েছে ২৭৪টি।
- টাইটান শনি গ্রহের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি শনি গ্রহের চারপাশে আরও ১২৮টি নতুন চাঁদের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
- এই আবিষ্কারের ফলে এখন শনির মোট চাঁদের সংখ্যা ২৭৪।

সূত্র: NASA Science (.gov) ও ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৯৪৫.
কোন প্রাণীটি রক্ষার জন্য নিঝুম দ্বীপ সামুদ্রিক এলাকা গুরুত্বপূর্ণ?
  1. চিত্রা হরিণ
  2. ডলফিন
  3. সামুদ্রিক কচ্ছপ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

নিঝুম দ্বীপ:
- নিঝুম দ্বীপ নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
- এর আয়তন ৯১ বর্গ কিলোমিটার।
- এটি বঙ্গোপসাগরের বুকে মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা এই চর হাতিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- দ্বীপের তিন দিকে সাগর অন্যদিকে মেঘনার মোহনা।
-  ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে সরকার।

উল্লেখ্য,
- নিঝুম দ্বীপ সামুদ্রিক এলাকা মূলত বিপন্ন প্রজাতির ইরাবতী ডলফিন, চিত্রা হরিণ, হ্যামারহেড হাঙ্গর, সামুদ্রিক কচ্ছপ এবং মূল্যবান ইলিশ মাছের প্রজনন ও বিচরণ ক্ষেত্র রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 
- বর্তমানে চিত্রা হরিণ নিঝুম দ্বীপের প্রধান বন্য প্রাণী। নিঝুম দ্বীপে একরপ্রতি চিত্রল হরিণের ঘনত্ব সুন্দরবনের চেয়ে তিন গুণ বেশি।
- ন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে রয়েছে এশীয় উদবিলাই, মেছোবাঘ ইত্যাদি।
- বিভিন্ন প্রজাতির পাখির মধ্যে রয়েছে নিশি বক, দেশি কানিবক, গো বক, দেশি পানকৌড়ি, ধূসর বক, কাদাখোঁচা, বালিহাঁস, কালো হাঁস ইত্যাদি।
- সরীসৃপের মধ্যে রয়েছে দেশি গুইসাপ ও নানা জাতের সামুদ্রিক কচ্ছপ। সামুদ্রিক কচ্ছপের গুরুত্বপূর্ণ প্রজননস্থল এই নিঝুম দ্বীপ। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৯৪৬.
জিব্রাল্টার প্রণালী পৃথক করেছে-
  1. ইতালি-সিসিলি
  2. আফ্রিকা-স্পেন
  3. ফ্রান্স-ব্রিটেন
  4. আমেরিকা-এশিয়া
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার:
- ভূমধ্যসাগরের তীরে স্পেন উপকূলে ব্রিটিশ শাসিত একটি ভূখণ্ড জিব্রাল্টার।
- অঞ্চলটি ব্রিটিশদের অন্যতম সামরিক ও নৌঘাঁটি।
- এর ওপর আধিপত্য বিস্তার করে আছে ‘রক অব জিব্রাল্টার’, যার পাদদেশে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষের বসবাস।
- জিব্রাল্টার নামটি নেওয়া হয়েছে আরবি জবাল তারিক বা তারিকের পাহাড় থেকে। 
- ১৭০৪ সালে স্পেনের কাছ থেকে জ্রিব্রাল্টার দখল করে ব্রিটিশরা।
- এর পর থেকেই অঞ্চলটি ব্রিটিশদের দখলে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি রয়েল নেভির গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল।
- জিব্রাল্টার প্রণালি বা স্ট্রেইট অব জিব্রাল্টার নামে পরিচিত প্রণালিটির পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর আর পূর্বে ভূমধ্যসাগর।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- আর পৃথক করেছে ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কোকে।
- জিব্রাল্টার প্রণালির দৈর্ঘ্য ৬০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৪.৩ কিলোমিটার।
- বর্তমানেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এই প্রণালি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 তথ্যসূত্র: Britannica

২,৯৪৭.
মধুপুর গড় নিম্নের কোন কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা, নোয়াখালি
  2. রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. বগুড়া,নওগাঁ
  4. টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৪৮.
গ্রীন হাউস এফেক্ট এর পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্ষতি কী হবে?
  1. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  2. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  3. প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা বৃদ্ধি
  4. শুষ্ক আবহাওয়া বৃদ্ধি 
ব্যাখ্যা

- গ্রিন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।
- গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে।
- আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৯৪৯.
বাংলাদেশের পূর্ব সীমারেখায় অবস্থিত _________
  1. মায়ানমার
  2. ভারত ও মায়ানমার
  3. ভারত ও নেপাল
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমা: 
• বাংলাদেশের উত্তরে→  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
• পূর্বে→ আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার; 
• দক্ষিণে→  বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।

- বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারত-বাংলাদেশের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমারেখার দৈর্ঘ্য ২৮০ কিলোমিটার

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৯৫০.
বাংলাদেশে বর্ষাকালের সময়সীমা ধরা হয়-
  1. মার্চ থেকে মে
  2. এপ্রিল থেকে জুন
  3. জুন থেকে অক্টোবর
  4. নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
⇒ বর্ষাকাল:
- বর্ষাকাল জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- অর্থাৎ বাংলাদেশে বর্ষাকালের সময়সীমা ধরা হয়- জুন থেকে অক্টোবর।

- জুন মাসের শেষ দিকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর আগমনের সাথে বর্ষাকাল শুরু হয়।
- জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আকাশে ৮০-৯০ শতাংশ আর্দ্রতা থাকে।
- এই সময় বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ বৃষ্টিপাত হয়।
- গড় বৃষ্টিপাত ১১৯ সেন্টিমিটার থেকে ৩৪০ সেন্টিমিটার হতে পারে।

⇒ শীতকাল:
- শীতকালে বাংলাদেশের আকাশ সাধারণত মেঘমুক্ত থাকে এবং সুন্দর আবহাওয়া থাকে।
- সাধারণত নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (কার্তিক - ফাল্গুন) পর্যন্ত সময়কে শীতকাল বলে।
- শীতকালে উপকূলীয় এবং পাহাড়ি এলাকায় সামান্য বৃষ্টিপাত হয়।
- এই সময় বৃষ্টিপাত খুব কম হয়, যা বার্ষিক বৃষ্টিপাতের দুই শতাংশের বেশি নয় এবং ১০০ মিলিমিটার এর বেশি হয় না।
- শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে, প্রায় ৩৬ শতাংশ।

⇒ গ্রীষ্মকাল:
- গ্রীষ্মকাল মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত হয়।
- মার্চে আকাশে মেঘের পরিমাণ ২০-২৫ শতাংশ থাকে, যা মে মাসে বেড়ে ৫০-৬০ শতাংশে পৌঁছায়।
- গ্রীষ্মকালীন কালবৈশাখী ঝড় বজ্র বিদ্যুৎসহ প্রবল বেগে চলে।
- এর গতি প্রতি ঘণ্টায় ৪০-৮০ কিলোমিটার, কখনও কখনও ১২৮ কিলোমিটারও হতে পারে।
- এই সময়ে গড় বৃষ্টিপাত ৫১০ মিলিমিটার হয়।

তথ্যসূত্র: - অর্থনৈতিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৫১.
নিচের কোনটি পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশ?
  1. নাউরু
  2. ভানুয়াতু
  3. সামোয়া
  4. ফিজি
ব্যাখ্যা
পলিনেশিয়া:
- মধ্য ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ১০০০টিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে পলিনেশিয়া অঞ্চল গঠিত।
- এটিকে বৃহত্তর ওশেনিয়া অঞ্চলের একটি উপ-অঞ্চল হিসেবে গণ্য করা হয়।
- পলিনেশিয়ার আদি অধিবাসীদেরকে 'পলিনেশীয়' বলা হয়।
- নিউজিল্যান্ড পলিনেশিয়ার বৃহত্তম দেশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জটিকেও পলিনেশিয়ার অন্তর্গত করা হয়; এটি পলিনেশিয়া ত্রিভুজের উত্তর শীর্ষবিন্দুটি গঠন করেছে।

⇒ পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ হচ্ছে: টোঙ্গা, টুভ্যালু, সামোয়া।

এছাড়াও,
⇒ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ:
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে ভৌগোলিকভাবে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- যথা: মাইক্রোনেশিয়া; মেলানেশিয়া; পলিনেশিয়া।

• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু; পালাউ; কিরিবাতি; মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং মাইক্রোনেশিয়া।

• মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ; ফিজি; ভানুয়াতু; ও পাপুয়া নিউগিনি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা; টুভ্যালু ও সামোয়া।

উৎস: World Atlas.
২,৯৫২.
'চৌম্বক শিলা' আবিষ্কৃত হয়েছে কোন জেলায়?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিক সময়ে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় চৌম্বক শিলা (চৌম্বক, হেমাটাইট) আবিষ্কার করেছে।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
২,৯৫৩.
ইউরোপ এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে কোন প্রণালী?
  1. হরমুজ প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বাব এল মান্দেব প্রণালী 
  4. বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা

• বসফরাস প্রণালী:
- দারদানেলিস এবং  মারমারা সাগরের পাশাপাশি বসফরাস প্রণালী তুর্কি ভূখণ্ডের মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে অবস্থিত এবং থ্রেসকে আনাতোলিয়া থেকে পৃথক করে।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে সরু প্রণালী, যা কৃষ্ণ সাগরকে মারমারা সাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
- মারমারা সাগর দারদানেলিস প্রণালীর মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর এবং এজিয়ান সাগরের সাথে সংযুক্ত । 
- প্রণালীটি ইউরেশিয়ার পশ্চিম অংশ দখল করে এবং এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সীমানা তৈরি করে উভয় মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

• বাব এল মান্দেব প্রণালী :
- লোহিত সাগর এবং এডেন সাগর কে যুক্ত করে।
- আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

• ​জিব্রাল্টার প্রণালী:
​ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ,
- স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।

• হরমুজ প্রণালী:
​পারস্য উপসাগর (পশ্চিম) এবং আরব সাগর ( দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ।
- এই প্রণালীটি ৩৫ থেকে ৬০ মাইল (৫৫ থেকে ৯৫ কিমি) প্রশস্ত এবং ইরানকে (উত্তর) আরব উপদ্বীপ (দক্ষিণ) থেকে পৃথক করে।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৯৫৪.
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত পাহাড়সমূহের গড় উচ্চতা কত?
  1. ক) ৯০ মিটার
  2. খ) ১৫৫ মিটার
  3. গ) ২৭০ মিটার
  4. ঘ) ২৪৪ মিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এদের গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটার। এগুলো টারশিয়ারী আমলের। উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত যাদের গড় উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার। পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়সমূহের গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার। (সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৯৫৫.
ট্রপোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য হিসেবে কোনটি সঠিক? 
  1. বায়ু উষ্ণ হয় উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে
  2. বেতার তরঙ্গের প্রতিফলন ঘটে
  3. সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষিত হয়
  4. উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপমাত্রা হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা

• ট্রপোমণ্ডল (Troposphere): 
- এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভুপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। 
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। 
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি (Tropopause)। 
- এই স্তর ভূপৃষ্ঠ থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬-১৯ কিলোমিটার এবং মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 

ট্রপোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর ঘনত্ব ও উষ্ণতা কমতে থাকে। সাধারণভাবে প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় ৬.৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়। 
- উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসেবেতার তরঙ্গের প্রতিফলন → এটি আইওনোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য। র গতিবেগ বেড়ে যায়। 
- নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। 
- ধূলিকণার অবস্থানের ফলে সমগ্র বায়ুমণ্ডলের ওজনের প্রায় শতকরা ৭৫ ভাগ এই স্তর বহন করে। 
- যে উচ্চতায় তাপমাত্রা বন্ধ হয়ে যায় তাকে ট্রপোবিরতি বলে। এখানে তাপমাত্রা - ৫৪° সেলসিয়াসের নিচে হতে পারে। 

অন্যদিকে, 
- বেতার তরঙ্গের প্রতিফলন → আইওনোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য। 
- অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ → এটি ওজোন স্তরের বৈশিষ্ট্য।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৯৫৬.
প্রাকৃতিক সম্পদে শীর্ষ দেশ কোনটি? [জানুয়ারি,২০২৫]
  1. কানাডা
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
প্রাকৃতিক সম্পদে শীর্ষ দেশ:

- রাশিয়া প্রাকৃতিক সম্পদের অর্থমূল্যে শীর্ষে।
- রাশিয়ার প্রাকৃতিক সম্পদের মোট মূল্য ৭৫ ট্রিলিয়ন (৭৫ লাখ কোটি) মার্কিন ডলার।
- প্রধান প্রাকৃতিক সম্পদ: কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, বিরল খনিজ ধাতু।
- ২০১৮ সালে রাশিয়ায় খনিজ সম্পদের মূল্য ছিল ১ লাখ ৪৪ হাজার কোটি ডলার।
- রাশিয়ায় বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের মজুত রয়েছে।
- রাশিয়া বিশ্বে প্রাকৃতিক গ্যাসের ২০% মজুত করে।

প্রাকৃতিক সম্পদে ধনী ১০টি দেশ:
১. রাশিয়া৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার (কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, বিরল খনিজ)
২. যুক্তরাষ্ট্র – ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলার (কয়লা, কাঠ, প্রাকৃতিক গ্যাস, স্বর্ণ, কপার)
৩. সৌদি আরব – ৩৪ ট্রিলিয়ন ডলার (তেল, কাঠ)
৪. কানাডা – ৩৩ ট্রিলিয়ন ডলার (তেল, ইউরেনিয়াম, কাঠ, প্রাকৃতিক গ্যাস, ফসফেট)
৫. ইরান – ২৭ ট্রিলিয়ন ডলার (তেল, গ্যাস)
৬. চীন – ২৩ ট্রিলিয়ন ডলার (কয়লা, বিরল ধাতু, কাঠ, তেল)
৭. ব্রাজিল – ২২ ট্রিলিয়ন ডলার (স্বর্ণ, ইউরেনিয়াম, লৌহ, কাঠ, তেল)
৮. অস্ট্রেলিয়া – ২০ ট্রিলিয়ন ডলার (কয়লা, কাঠ, কপার, লৌহ, আকরিক, স্বর্ণ, ইউরেনিয়াম)
৯. ইরাক – ১৬ ট্রিলিয়ন ডলার (তেল, ফসফেট)
১০. ভেনেজুয়েলা – ১৪ ট্রিলিয়ন ডলার (লৌহ, প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল)

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
২,৯৫৭.
দক্ষিণ গোলার্ধে শীতলতম মাস কোনটি?
  1. ক) সেপ্টেম্বর
  2. খ) জানুয়ারি
  3. গ) মার্চ
  4. ঘ) জুলাই
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ গোলার্ধ (Southern Hemisphere) - তে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দেশগুলো অবস্থিত।
- এছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল প্রভৃতি দেশ সহ কিছু অঞ্চল এই অংশে অবস্থিত।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও সবচেয়ে বড় রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা ডটকম।
২,৯৫৮.
ভারত ও মিয়ানমারের যৌথ সীমান্ত রয়েছে -
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. রাঙামাটি
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:

- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- ভারত ও মিয়ানমারের যৌথ সীমান্ত রয়েছে- রাঙামাটি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৯৫৯.
কোন স্থানের জলবায়ু নিচের কোনটির উপর নির্ভর করে না?
  1. ক) তাপমাত্রা
  2. খ) বায়ুপ্রবাহের দিক
  3. গ) সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে উচ্চতা
  4. ঘ) সমুদ্র হতে দূরত্ব
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে উচ্চতা এবং সমুদ্র হতে দূরত্ব হচ্ছে জলবায়ু নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ামক। তাপমাত্রা জলবায়ুর উপাদান। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
২,৯৬০.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে বছরে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়?
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রকৃতি:
- বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান তিনটি প্রকৃতির স্বাতন্ত্র্য পরিলক্ষিত হয়। যথা শীতকাল, গ্রীষ্মকাল ও বর্ষাকাল।
- সাধারণত বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এ দেশের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করায় ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজ করে।

⇒ বাংলাদেশে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার।
- সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত রাজশাহী অঞ্চলের লালপুরে (১১৭.৫ সেন্টিমিটার)।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট এবং মৌলভীবাজার বেশি বৃষ্টিপাত দেখা যায়, তবে বিশেষ করে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় উত্তর পূর্ব অঞ্চলের সিলেটের লালাখালে। 

উৎস: i) বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৯৬১.
উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত সমুদ্র অঞ্চলঘেঁষা এশিয়ায়(দূরপ্রাচ্যে) সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়গুলোকে বলা হয়-
  1. ক) টাইফুন
  2. খ) সাইক্লোন
  3. গ) হ্যারিকেন
  4. ঘ) জোয়ান
ব্যাখ্যা
উত্তর আটলান্টিক, উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত, ক্যারিবিয়ান সমুদ্র ও মেক্সিকো উপসাগরীয় অঞ্চলে উৎপন্ন গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়কে (আমেরিকা মহাদেশে) ‘হ্যারিকেন’, উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত সমুদ্র অঞ্চলঘেঁষা এশিয়ায় সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়গুলোকে(দূরপ্রাচ্যে) ‘টাইফুন’, দক্ষিণ এশীয় উপমহাদেশে বলা হয় সাইক্লোন এবং বাংলায় ঘূর্ণিঝড়। পাশ্চাত্যে হারিকেনকে মানুষের নামেও চিহ্নিত করা হয়, যেমন: মিচেল, এনড্রু, ক্যারল, ডরোথি এবং ইভ। সূত্র- বাংলাপিডিয়া ও বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম।
২,৯৬২.
'চেঙ্গী নদী' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. সিলেট
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
• চেঙ্গী নদী:
- খাগড়াছড়ির প্রধান নদী চেঙ্গী।
- ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে এর উৎপত্তি। রাজ্যটির আঠারমুড়া থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এটি মহালছড়িতে এসে কাপ্তাই লেকে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর অববাহিকায় রয়েছে লোগং, পানছড়ি, ভাইবোনছড়া, খাগড়াছড়ি, মাইসছড়ি ও মহালছড়ি।খাগড়াছড়ির মধ্য দিয়ে বয়ে চলা নদীটির নাম চেঙ্গি।
- এটি চিংড়ি নদী নামেও পরিচিত।
- পাহাড়ের মধ্য দিয়ে এঁকেবেঁকে চলা এই নদীর দৈর্ঘ্য ৯৬ কিলোমিটার এবং গড় প্রস্থ ৭৭ মিটার।

উৎস: মহালছড়ি উপজেলা ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৯৬৩.
নিচের কোনটি সরল নদী?
  1. পদ্মা
  2. তিস্তা
  3. গোমতী
  4. যমুনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদীখাতের ধরান অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ:
- নদীতে নিয়মিত পানি সরবরাহ, ঋতুভেদে পানি সরবরাহের হ্রাসবৃদ্ধি, ভূমিরূপ, মাটির গঠন ও বুনন এবং ভূমির ঢালের তারতম্যের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশসহ বাংলাদেশে প্রধানতঃ তিন প্রকার নদী ব্যবস্থা গড়ে উঠে, যেমন- ক) সরল নদীখাত, খ) সর্পিল নদীখাত এবং গ) বিনুনী নদীখাত।

ক) সরল নদী:
- যে সব নদ-নদী প্রবাহ পথে কোন বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মোটামুটি সোজাপথে প্রবাহিত হয় তাদেরকে সরল নদী বলা হয়।
- কঠিন শিলায় গঠিত অঞ্চল ভূ অভ্যন্তরে ভৌত পানি প্রবাহ এবং নদীতীর বাঁধা দিয়ে নদী খাত সরল করা হয়। যেমন- তিস্তা।

খ) সর্পিল নদীখাত:
- সমভূমি বিশেষ করে পলি গঠিত সমভূমি অঞ্চলে বাক বহুল নদী দৃষ্টিগোচর হয়।
- এ সব নদীর প্রবাহ পথ বেশ গভীর, আঁকাবাঁকা প্রবাহপথ, পুনঃপুনঃ খাতের দিক পরিবর্তন, বাঁকে ভাঙ্গন ক্রিয়া বিপরীতে চর গঠন এবং প্রবাহ পথ এক খাতে প্রবাহিত হয়। যেমন- পদ্মা।

গ) বিনুনী নদীখাত/চরোৎপাদী নদী:
- যে সকল নদী একাধিক শাখায় বিভক্ত হয়ে প্রবাহিত হয় তাদেরকে বিনুনী বা চরোৎপাদী নদী বলা হয়।
- বিনুনী সদৃশ বলে একে বিনুনী এবং প্রবাহ পথে চর উৎপাদিত হয় বলে চরোৎপাদিত নদী বলা হয়।
- নদীতে শেষ পর্যায়ে অতিরিক্ত সঞ্চয়জাত পললের কারণে চর পড়ে মূল স্রোত ধারাকে দ্বিধা বা বহুধা খাতে বিভক্ত করে প্রবাহিত হয়।
- এসব নদীর প্রশস্ততা বেশি, গভীরতা কম, প্রবাহ পথে চর গঠন এবং পরিশেষে একাধিক খাতে প্রবাহিত হয়ে থাকে। যেমন- যমুনা নদী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ পরিচিতি, বি.এ/বি.এস.এস. প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৬৪.
জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) মোনাকো
  2. খ) ভ্যাটিকান সিটি
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) পূর্ব তৈমুর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র ভ্যাটিকান সিটি জাতিসংঘের পর্বেক্ষক রাষ্ট্র। দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ মোনাকো জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র। সুতরাং, জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র মোনাকো।
Source: UN, WorldAtlas
২,৯৬৫.
ইউরোপের প্রবেশদ্বার বলা হয় কোন শহরকে?
  1. বার্ন
  2. মস্কো
  3. ভিয়েনা
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক প্রবেশদ্বার সমূহ:
- ভিয়েনা শহরকে 'ইউরোপের প্রবেশদ্বার' বলা হয়।
- বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার বলা হয় চট্টগ্রামকে।
- ভারতের প্রবেশদ্বার বলা হয় মুম্বাইকে।
- পাকিস্তানের প্রবেশদ্বার বলা হয় করাচিকে।
- ভূমধ্যসাগরের প্রবেশদ্বার বলা হয় জিব্রাল্টারকে।

উৎস: worldatlus.
২,৯৬৬.
বাংলাদেশ সরকারের কোন প্রতিষ্ঠানটি উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি পরিচালনা করে থাকে?
  1. সিপিপি
  2. সিসিডিবি
  3. প্রশিকা
  4. বিডিপিসি
ব্যাখ্যা
• উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি:
 উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার কতিপয় পন্থা সম্পর্কে বর্ণনা করা
হলো:
১. আবহাওয়ার তথ্যভিত্তিক পূর্বাভাস ও সর্তীকরণ যথা সময়ে প্রচার করা।
২. বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পারসো-এর মাধ্যমে ভূ-উপগ্রহের চিত্র ও রাডার চিত্রের সাহায্যে উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে পূর্বাভাস ও আগাম সতর্কীকরণের ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।

৩. পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র হতে বন্যা সংক্রান্ত পূর্বাভাস প্রচার ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা।
৪. ঘূর্ণিঝড় পূর্ব ও পরবর্তি সংকেত দান, সতর্কীকরণ, উদ্ধার ও পূণর্বাসন ইত্যাদি কাজে সরকারি সংস্থা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) এর কার্যক্রমের আওতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
৫. জরুরি পরিস্থিতিতে আর্তদের চিকিৎসা, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পূণর্বাসন কাজে সামরিক বাহিনীর সদস্যবৃন্দ কর্তৃক বেসামরিক প্রশাসনকে সব রকম সাহায্য ও সহযোগিতা দান করা।

৬. বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন সংস্থা কর্তৃক দুর্যোগ সংক্রান্ত সংকেতসমূহ প্রচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।
৭. সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কর্মরত বেসরকারি সংস্থাসমূহ যেমন- অক্সফাম, ডিজাস্টার, ফোরাম, কেয়ার বাংলাদেশ, কারিতাস, প্রশিকা, সিসিডিবি, বিডিপিসি (বাংলাদেশ দুর্যোগ প্রস্তুতি কেন্দ্র) ইত্যাদি সংস্থার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা।
এছাড়া রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৬৭.
স্থানীয় বায়ুর উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশের মৌসুমি বায়ু
  2. খ) ভিয়েতনামের ঘূর্ণিবাত বায়
  3. গ) রকি পবর্তের চিনুক
  4. ঘ) চীনের বৃষ্টিপাত ও ঝড়
ব্যাখ্যা
• স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় বায়ু: স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।

• স্থানীয় বায়ুর ‍উদাহরণ:
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৯৬৮.
কোনটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান -
  1. উন্নয়ন
  2. প্রতিরোধ
  3. সাড়াদান
  4. পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান:

•দুর্যোগ প্রতিরোধ:
- দুর্যোগের আগেই সকল প্রস্তুতি নেওয়া, এমনকি দুর্যোগ ঘটনা হওয়ার পরেও প্রতিষ্ঠিত পদক্ষেপ নেওয়া।

• দুর্যোগ প্রশমন:
- দুর্যোগ ঘটনা হলে তা সহ্য করতে এবং আবার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য দক্ষতা দেখানো এবং ব্যক্তিগত বা সামাজিক সহানুভূতি প্রদান করতে এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ।

•  দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি:
- দুর্যোগ সম্পর্কিত সম্ভাব্য ঘটনা বা প্রতিবন্ধী পরিস্থিতিতে মোকাবেলা করতে এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ।

• দুর্যোগ সংগঠনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে:
- সাড়াদান:
- দুর্যোগে ক্ষতি হলে তা সহ্য করতে এবং আবার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য ব্যক্তিগত বা সামাজিক সহানুভূতি প্রদান করতে এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ।

- পুনরুদ্ধার:
- দুর্যোগে সহায়ক হওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি পুনর্মূল্যায়ন করা এবং মানবিক সহায় প্রদান করতে এই উপাদানটি গুরুত্বপূর্ণ।

- উন্নয়ন:
- দুর্যোগ সংকটের পরে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলির উন্নতি ও উন্নয়নে এই উপাদানটির গুরুত্ব অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৬৯.
নিচের কোন জেলার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে?
  1. নেত্রকোণা
  2. বরিশাল
  3. ফরিদপুর
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম, শ্রেণি।
২,৯৭০.
‘সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক ২০১৫-৩০’ হচ্ছে একটি -
  1. সুনামি দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
  2. জাপানের উন্নয়ন কৌশল
  3. দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
  4. ভূমিকম্পের ঝুঁকি হ্রাস কৌশল
ব্যাখ্যা
• সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
- ২০১৫ সালের ১৪ থেকে ১৮ মার্চ জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক : ২০১৫-২০৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য স্থির করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যালয়।
২,৯৭১.
শারদ বিষুব কোন তারিখে ঘটে?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

বাসন্ত বিষুব (Vernal Equinox) ও শারদ বিষুব (Autumnal Equinox): 
​- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০০) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়।
​-  একে বিষুব (Equinox) বলা হয়। 
​- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব' (Vernal Spring Equinox) নামে অভিহিত।
​- অপরদিকে ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব 'শারদ বিষুব' (Autumnal Equinox) নামে অভিহিত হয়।
​- প্রকৃতপক্ষে, বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব উভয় গোলার্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 
​- একটি গোলার্ধে বিষুব অবস্থা চলাকালীন যে ঋতু বিরাজ করে, উক্ত ঋতু অনুসারে ঐ গোলার্ধে বাসন্ত বা শারদ বিষুব হয়।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৭২.
নীলনদ কোন সাগরে পতিত হয়েছে?
  1. আরব সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর
  3. লোহিত সাগর
  4. কৃষ্ণ সাগর
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল নদ পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- নীল নামটি গ্রীক নিলোস থেকে এসেছে, যার অর্থ একটি উপত্যকা বা নদী উপত্যকা।
- নীল নদের উৎস লেক ভিক্টোরিয়া (আফ্রিকা)।

উল্লেখ্য,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৮০০ কি.মি (৪,১৩৫ মাইল)।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূমধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এর সবচেয়ে দূরবর্তী উৎস বুরুন্ডির কাগেরা নদী।
- নীল নদ তিনটি প্রধান স্রোত দ্বারা গঠিত।
- নীল নীল এবং আতবারা যা ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি থেকে প্রবাহিত হয় এবং সাদা নীল যার প্রধান স্রোত ভিক্টোরিয়া এবং আলবার্ট হ্রদে প্রবাহিত হয়।

উৎস: Worldatlas.
২,৯৭৩.
অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৪ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৮ ভাগে
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে — ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
- টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং
মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

• অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারী পাহাড়কে — দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা -
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়,
- উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়।

• বাংলাদেশের মোট ভূমির,
- ১২% টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- ৮% প্লাইস্টোসিনকালের সোপান সমূহ এবং
- ৮০% সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৯৭৪.
বাংলাদেশ-ভারত ও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলার রায়ে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে মূল ভূখন্ডের কত ভাগ সমুদ্র-অঞ্চল লাভ করে?
  1. ক) ১৫.৮০ ভাগ
  2. খ) ৫৫.৯৮ ভাগ
  3. গ) ৭২.৪৫ ভাগ
  4. ঘ) ৮০.৫১ ভাগ
ব্যাখ্যা
৭ জুলাই ২০১৪ তারিখে নেদারল্যান্ডসের হেগ-এর পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট সালিশি ট্রাইব্যুনাল বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলার রায় ঘোষণা করে। এ রায়ের ফলে বঙ্গোপসাগরে ২০০ নটিক্যাল মাইলের (৩৭০ কিলোমিটার) একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাইরে মহীসোপান অঞ্চলে বাংলাদেশের অধিকারের আইনগত স্বীকৃতি নিশ্চিত হয়। ২০১২ সালে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সংগে সমুদ্রসীমা নির্ধারণী সংক্রান্ত মামলার রায় জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক ট্রাইব্যুনালে ঘোষিত হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে অমীমাংসিত ২০০ নটিক্যাল মাইলের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং ২০০ নটিক্যাল মাইলের বাহিরে মহীসোপান অঞ্চলে সকল প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার লাভ করে। এই দুইটি রায়ে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে সর্বমোট ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র-অঞ্চল লাভ করে, যা মূল ভূখন্ডের ৮০.৫১ ভাগ। সূত্র- সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বাংলাদেশের গেজেট।
২,৯৭৫.
সুয়েজ খাল কোন উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত?
  1. আরব উপদ্বীপ
  2. আলাস্কা উপদ্বীপ
  3. সিনাই উপদ্বীপ
  4. আসুয়েরো উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।

উল্লেখ্য,
- মিশরের প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিলেন ১৯৫৬ সালে।
- দখল করে নিয়েছিলেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান পথটির নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ৯ মে ২০২১, বিবিসি বাংলা।
২,৯৭৬.
বরেন্দ্রভূমিতে কোন যুগের পাহাড় পরিলক্ষিত হয়?
  1. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।

বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৭৭.
শাল বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত -
  1. ক) বরেন্দ্র বনভূমি
  2. খ) রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি
  3. গ) সুন্দরবন 
  4. ঘ) মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি 
ব্যাখ্যা

ক্রান্তিয় আদ্র পাতাঝরা বন (শাল বন):

অবস্থান: এ বন মূলত গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় অবস্থিত। তাছাড়া দেশের উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলায় অল্প কিছু শাল বন রয়েছে।

পরিমাণ: প্রায় ১,২০,০০০ হেক্টর যা দেশের আয়তনের ০.৮১% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৭.৫%।

উদ্ভিদ প্রজাতি: এ বনের মূল প্রজাতি শাল যা অনেকেই গজারী বলে জানেন। শুষ্ক মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) শাল গাছের পাতা ঝরে যায় বলে একে পত্রঝরা বনও বলা হয়। এ ছাড়া রয়েছে হরিতকি, বহেরা, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি প্রজাতির বৃক্ষ।

বন্যপ্রাণী: এ বনের উল্লেখযোগ্য বন্যপ্রাণীর মধ্যে রয়েছে মেছোবাঘ, বনবিড়াল, বানর, শিয়াল, বেজি, হনুমান, সজারু, ঈগল, কাঠবিড়ালী, সাপ, ধলাকোমর শামা, লাল বন মুরগী, সবুজঠোঁট মালকোয়া, তিলা-নাগঈগল.

সূত্র: বন অধিদপ্তর
===========================

বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুসারে -

বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ। মোটামুটি ব্যাপক হলেও শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো। বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়। এ বনাঞ্চল ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড় নামে পরিচিত। বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইলের শালবন এলাকা সবচেয়ে বড়, ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা নদীর মাঝে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত এ বনভূমির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯৬ কিমি এবং চওড়া ৮ থেকে ২৪ কিমি। ‘মধুপুর গড়’ নামেই এটি সুপরিচিত।
এছাড়া কুমিাল্লা জেলায় এবং দেশের উত্তর অঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর এবং রাজশাহী জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে শালবন বিদ্যমান।

==========================

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় অনুসারে -

মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি: ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গজারী হওয়ায় এটি গজারী বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত।
 এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গকিলোমিটার।

রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের বনভূমি: রংপুর ও দিনাজপুর জেলার প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি
অবস্থিত। এখানকার প্রধান বৃক্ষ শাল। এজন্য এটি শাল বৃক্ষের বনভূমি হিসেবে পরিচিত। এ বনভূমির আয়তন প্রায় ৩৯ বর্গকিলোমিটার। 
=========================

আমরা বাংলাপিডিয়া ও বন অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে সঠিক উত্তর হিসেবে মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি ধরে নিয়েছি।
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বইয়ে ভুল থাকতে পারে।

২,৯৭৮.
তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং বায়ুপ্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ঋতু কয়টি?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ হিসেবে পরিচিত। তবে তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত এবং বায়ুপ্রবাহের উপর ভিত্তি করে তিনটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ঋতু দেখা যায়। এগুলো হলো - গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল এবং শীতকাল

- বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার এবং গড় তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৃষ্টিপাত এবং তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।এপ্রিল মাসে গড় তাপমাত্রা প্রায় ২৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং এটি বছরের উষ্ণতম মাস।
- জানুয়ারি শীতলতম মাস। এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৭৯.
আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম ইউনিয়ন-
  1. ক) হাজীপুর
  2. খ) ধামসানী
  3. গ) বানিয়াচং
  4. ঘ) সাজেক
ব্যাখ্যা

পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সাল অনুযায়ী,
জনসংখ্যায় ও আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন - হাজীপুর, (দৌলতখান, ভোলা)।
জনসংখ্যায় বৃহত্তম ইউনিয়ন - ধামসানী, (সাভার, ঢাকা)। আয়তনে বৃহত্তম ইউনিয়ন সাজেক, (বাঘাইছড়ি, রাঙ্গামাটি)।

২,৯৮০.
নিচের কোনটি বলকান রাষ্ট্র?
  1. ক) লিথুয়ানিয়া
  2. খ) লাটভিয়া
  3. গ) এস্তোনিয়া
  4. ঘ) মন্টিনিগ্রো
ব্যাখ্যা
- বলকান হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত একটি পার্বত্য অঞ্চল। এই অঞ্চলে অবস্থিত দেশসমূহ হলো:
- ক্রোয়েশিয়া,
- সার্বিয়া,
- উত্তর মেসিডোনিয়া,
- মন্টিনিগ্রো,
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা,
- স্লোভেনিয়া,
- কসোভো,
- বুলগেরিয়া,
- আলবেনিয়া প্রভৃতি।(ব্রিটানিকার তথ্য মতে)

ওয়ার্ল্ড এটলাস এর মতে গ্রিস ও বলকান রাষ্ট্র।

অন্যদিকে,
বাল্টিক সাগর ইউরোপের উত্তর উপকূলে অবস্থিত। বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র নামে পরিচিত
- লিথুয়ানিয়া,
- লাটভিয়া ও
- এস্তোনিয়া বাল্টিক রাষ্ট্রনামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
২,৯৮১.
বজ্রপাতকে কত সালে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা

বজ্রপাত:
- ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
- বজ্রপাত থেকে নিরাপদে থাকতে কতগুলো সতর্কতামূলক বার্তা প্রচার করবে মন্ত্রণালয়।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত জাতীয় পরিকল্পনায় এর আগে ১২টি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা উল্লেখ ছিল।
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের বজ্রপাত হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

২,৯৮২.
ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে -
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. বেরিং প্রণালী
  4. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  5. ডোভার প্রণালী
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,৯৮৩.
কোন উপজাতিটি বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. ক) হাজং
  2. খ) ওরাওঁ
  3. গ) টোডা
  4. ঘ) বম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ৫০ টি উপজাতি বসবাস করে।
এদের মধ্যে বম উপজাতি পার্বত্য চট্টগ্রামে, হাজংরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং ওরাওঁ উপজাতি উত্তরবঙ্গে বসবাস করে।
টোডা উপজাতি বাংলাদেশে বাস করে না। এরা ভারতের আদিবাসী সম্প্রদায়। ভারতের নীলগিরি পর্বতে এদের বসবাস। এদের সমাজে বহুস্বামী প্রথা প্রচলিত রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২,৯৮৪.
বাবেল মান্দেব প্রণালি কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. স্পেন – মরক্কো
  2. ইয়েমেন – জিবুতি
  3. ইরান – ওমান
  4. বোর্নিও – সুলায়েসি
ব্যাখ্যা
বাবেল মান্দেব প্রণালি ইয়েমেন (এশিয়া) থেকে জিবুতি ও ইরিত্রিয়া (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে। এটি এডেন উপসাগর এবং লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।
অন্যদিকে,
স্পেন ও মরক্কোকে পৃথক করেছে জিব্রাল্টার প্রণালি।
ইরান ও ওমানকে পৃথক করেছে হরমুজ প্রণালি এবং
ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও ও সুলায়েসি দ্বীপকে পৃথক করেছে মার্কাসার প্রণালি।
(সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস)
২,৯৮৫.
আবহাওয়া অধিদপ্তরকে মেঘচিত্র সর্বরাহ করে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণে সহায়তা করে কোন সংস্থাটি?
  1. ক) বিডিপিসি
  2. খ) অক্সফাম
  3. গ) স্পারসো
  4. ঘ) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
মহাকাশ গবেষণার সরকারি প্রতিষ্ঠান স্পারসো ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে আবহাওয়া অধিদপ্তরকে নিয়মিতভাবে মেঘচিত্র সর্বরাহ করে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণে সহায়তা করে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই
২,৯৮৬.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ কোন যুগের অন্তর্ভূক্ত?
  1. টারশিয়ারি যুগের
  2. প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ
  3. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  4. মায়োসিন যুগের
ব্যাখ্যা
→ টারশিয়ারি যুগের।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলারপূর্বাংশ।
- এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় হিসেবে পরিচিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার।
- বান্দরবান জেলায় অবস্থিত তাজিং ডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এ পর্বতশৃঙ্গের উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিষ্কৃত হওয়ার পূর্বে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল বান্দরবান জেলার কিওক্রাডং,
- যার উচ্চতা ১,২৩০ মিটার।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এসব পাহাড় কৃষিকাজের উপযোগী নয়।
-  স্থানীয় অধিবাসীগণ পাহাড়ের ঢালে জুম পদ্ধতিতে সীমিত পরিসরে চাষাবাদ করে থাকে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালিয়।
২,৯৮৭.
ডোভার প্রণালী যুক্ত করেছে -
  1. ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক
  2. উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  3. বাল্টিক সাগর ও উত্তর সাগর
  4. কৃষ্ণ সাগর ও ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

ডোভার প্রণালী:
- ডোভার প্রণালী যুক্তরাজ্যকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।
- এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে। 
- প্রণালীটি ১৮ থেকে ২৫ মাইল (৩০ থেকে ৪০ কিমি) প্রশস্ত।
- এর গভীরতা ১২০ থেকে ১৮০ ফুট (৩৫ থেকে ৫৫ মিটার) পর্যন্ত। 
- ডোভার প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত সমুদ্রপ্রণালী।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২,৯৮৮.
বাংলাদেশের নদী বন্দর কতটি?
  1. ক) ৩০
  2. খ) ৩২
  3. গ) ৩৫
  4. ঘ) ৪০
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশে নদী বন্দর ৩৫টি।
- বাংলাদেশের সর্বশেষ নদীবন্দর বালাগঞ্জ, সিলেট।
- ৩৪ তম নদীবন্দর মীরসরাই রাসমতি নদীবন্দর।
- ৩৩ তম নদীবন্দর মেঘাইঘাট নাটুয়াপাড়া, সিরাজগঞ্জ।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী বন্দর নারায়ণগঞ্জ।

উৎস: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট।
২,৯৮৯.
বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন -
  1. প্রায় ৫৭১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. প্রায় ৫৮৩৮ বর্গ কিলোমিটার
  3. প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  4. প্রায় ৬৪৩৯ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
         ii) কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৯০.
পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বত-
  1. ক) মাউন্ট এভারেস্ট
  2. খ) হিমালয়
  3. গ) কাঞ্চনজঙ্ঘা
  4. ঘ) কেউক্রাডং
ব্যাখ্যা
মাউন্ট এভারেস্ট, কাঞ্চনজঙ্ঘা এই পর্বত দুটি যথাক্রমে পৃথিবীর বৃহত্তম এবং তৃতীয় বৃহত্তম পর্বত যা হিমালয় পর্বতমালার অন্তর্গত।
Source: worldatlas
২,৯৯১.
মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড় থেকে কোন নদীর উৎপত্তি?
  1. ক) হালদা
  2. খ) সাঙ্গু
  3. গ) মাতামুহুরী
  4. ঘ) মহানন্দা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তি স্থল: 

- পদ্মা নদী গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদী আসামের লুসাই পাহাড়।
- কর্ণফুলী নদী মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- করতোয়া নদী সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদী মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদী খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদী মহালড্রীম, দার্জিলিং থেকে উৎপত্তি স্থল।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৯২.
প্রবাহমান দুটো নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে বলা হয়-
  1. ক) দোয়াব
  2. খ) উপত্যকা
  3. গ) অববাহিকা
  4. ঘ) নদীগর্ভ
ব্যাখ্যা
প্রবাহমান দুটো নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলা হয়। যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় তাকে নদীর উপত্যকা বলা হয়। নদীর উপত্যকার তলদেশকে নদীগর্ভ বলে। উৎপত্তি স্থান থেকে শাখাপশাখার মাধ্যমে যে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র বা হ্রদে পতিত হয় সেই সমগ্র অঞ্চলকে নদী অববাহিকা বলে। (সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৯৯৩.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার এর সীমান্তবর্তী নদী কোনটি? 
  1. কর্ণফুলি
  2. নাফ
  3. তিস্তা
  4. সাঙ্গু
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তের দক্ষিণাংশ নাফ নদী বরাবর প্রসারিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।
----------------------------- 
• বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্ত:
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমার-এর মধ্যকার সীমানা রেখাকেই বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্ত বলা হয়।
- এই সীমান্তটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে এবং মিয়ানমারের পশ্চিমাংশে অবস্থিত।
- ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্তের পর মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের এই সীমান্তটি দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্ত। 
- বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের স্থলসীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭১ কিলোমিটার।
- এটি ভারত–বাংলাদেশ–মিয়ানমার ত্রিসীমানা বিন্দু থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সীমান্তের সর্বশেষ অংশ নাফ নদী বরাবর প্রসারিত হয়েছে।
- এই সীমান্ত বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলাকে মিয়ানমারের রাখাইন ও চিন প্রদেশ থেকে পৃথক করেছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা, যার সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমার—উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 

২,৯৯৪.
১৯৪১ সালে কোন সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংগঠন হয়?
  1. ক) আরব সাগর
  2. খ) আন্দামান সাগর
  3. গ) আটলান্টিক মহাসাগর
  4. ঘ) বঙ্গোপসাগরে কখনো ভূমিকম্প হয় নি
ব্যাখ্যা
১৯৪১ সালে আন্দামান সাগরে ভূমিকম্পের ফলে বঙ্গোপসাগরে সুনামি সংগঠন হয় যার ফলে প্রচন্ডভাবে ভারতের পূর্ব উপকূল প্রচন্ডভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই
২,৯৯৫.
বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন সেভেন সিস্টার্সের রাজ্য সংখ্যা কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন সেভেন সিস্টার্সের রাজ্য ৪টি।

সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা,  মিজোরাম রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২,৯৯৬.
নিচের কোন দেশটি মেলানেশিয়া (Melanesia)' অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) সামোয়া
  2. খ) ফিজি
  3. গ) টোঙ্গা
  4. ঘ) কিরিবাতি
ব্যাখ্যা
• মেলানেশিয়া:
- প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ ভাগ এবং অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের উত্তর-পূর্ব ভাগে অবস্থিত দ্বীপসমূহের সমষ্টি মেলোনেশিয়া নামে পরিচিত।

• মেলানেশিয়া অঞ্চলের চারটি স্বাধীন রাষ্ট্র যথা: 
 - পাপুয়া নিউগিনি,
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ,
- ভানুয়াতু ও
- ফিজি। 
এই চারটি স্বাধীন রাষ্ট্র নিয়ে মেলানেশিয়া অবস্থিত।

• অন্যদিকে,
পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ হচ্ছে-
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
২,৯৯৭.
এসডিজির অভীষ্টগুলোর মধ্যে কতটি অভীষ্ট সরাসরি ‘পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন’সংক্রান্ত?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি):
→ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) হলো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গৃহীত একটি বৈশ্বিক কর্ম পরিকল্পনা।
→ ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ইউনাইটেড নেশন্স সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সামিটে এসডিজি গৃহীত হয়।
→ এসডিজি এর প্রধান লক্ষ্যমাত্রা ১৭টি। এসডিজি এর লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জনের সময়সীমা ২০১৬-২০৩০ খ্রিস্টাব্দ।

→ ১৩ নং অভীষ্ট: জলবায়ু পরিবর্তন ও এর প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি কর্মব্যবস্থা গ্রহণ।
→ ১৪ নং অভীষ্ট: টেকসই উন্নয়নের জন্য সাগর, মহাসাগর ও সামুদ্রিক সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
→ ১৫ নং অভীষ্ট: স্থলজ বাস্তুতন্ত্রের পুনরুদ্ধার ও সুরক্ষা প্রদান এবং টেকসই ব্যবহারে পৃষ্ঠপোষণা, টেকসই বন ব্যবস্থাপনা, মরুকরণ প্রক্রিয়ার মোকাবেলা, ভূমির অবক্ষয় রোধ ও ভূমি সৃষ্টি প্রক্রিয়ার পুনরুজ্জীবন এবং জীববৈচিত্র্য হ্রাস প্রতিরোধ।

 তথ্যসূত্র: SDG ওয়েবসাইট।
২,৯৯৮.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে হাওর বেসিন অবস্থিত?
  1. ক) উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
  2. খ) দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
  3. গ) দক্ষিণাঞ্চল
  4. ঘ) উত্তর-পূর্বাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জুড়ে হাওর বেসিন অবস্থিত।
এই হাওর বেসিনে মোট ৩৭৩টি হাওর রয়েছে।
এর মধ্যে সিলেটে ১০৫টি, কিশোরগঞ্জে ৯৭টি এবং সুনামগঞ্জে ৯৫টি হাওর রয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
২,৯৯৯.
বাংলাদেশের আন্তঃসীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ৫৭ টি
  2. ৫৪ টি
  3. ৫৫ টি
  4. ৫২ টি
ব্যাখ্যা

- আন্তঃসীমান্ত নদী ৫৭ টি। 
- ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা নদী ৫৪ টি।
-  বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি, (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)। 
- আন্তর্জাতিক নদী ১ টি। (পদ্মা)
- বাংলাদেশের প্রায় সব নদীর প্রবাহের দিক উত্তর থেকে দক্ষিণে (সর্পিল গতি)।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে প্রবাহিত নদী মাতামুহুরী, ডাকাতিয়া, গোমতী।
- দুবার ভারতে ও বাংলাদেশে প্রবেশ করে আত্রাই, পুনর্ভবা ও টাঙ্গন নদী। 
- সর্বাধিক নাব্য নদী মেঘনা। 
- বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে ভারতে যাওয়া নদী ১ টি (কুলিখ)।
- বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি হওয়া নদী ১ টি (হালদা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,০০০.
বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়- সূত্রটি হলঃ
  1. ক) নিউটনের সূত্র
  2. খ) ফেরেলের সূত্র
  3. গ) প্যাসকেলের সূত্র
  4. ঘ) ডাল্টনের সূত্র
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠে বায়ুর গতিবিক্ষেপের ফলে নিয়ত বায়ুগুলো যথা- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়। বৈজ্ঞানিক ফেরেল সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন যে আবর্তন ঘটিত শক্তির প্রভাবেই বায়ুপ্রবাহের এরূপ দিক পরিবর্তন হয়। এ কারণে তাঁর নামানুসারে বায়ুপ্রবাহের এ নিয়মকে ‘ফেরেলের সূত্র’ বলা হয়। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী