বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ২৯ / ৭২ · ২,৮০১২,৯০০ / ৭,১৯১

২,৮০১.
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের এলাকা কোনটি?
  1. তেতুলিয়া
  2. সাতক্ষীরা
  3. সেন্টমার্টিন
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের এলাকা সেন্টমার্টিন।

বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য এবং মায়ানমারের পাহাড়ী এলাকা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।
- সাংবিধানিক নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ,
- সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ (সেন্টমার্টিন)।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

⇒ সেন্টমার্টিন দ্বীপ:
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত।
- এটি একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মায়ানমারের উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- জনসংখ্যায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন।
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৮০২.
বাংলাদেশের কোন নদীতে প্রধানত বিনুনী নদীখাত দেখা যায়?
  1. যমুনা নদী
  2. গোমতী নদী
  3. বুড়িগঙ্গা নদী
  4. মেঘনা নদী
ব্যাখ্যা

যমুনা নদীকে চর উৎপাদী নদী বলা হয়।

বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থা:

- কোন উৎস হতে (পার্বত্য ভূমি, হ্রদ, বৃষ্টিবহুল স্থান, বরফ স্তুপ ইত্যাদি) নেমে আসা যে জলধারা সুদীর্ঘ খাতের মধ্যদিয়ে এঁকে বেঁকে নিয়ত প্রবাহমান, তাই নদী নামে পরিচিত।
- যে খাতের মধ্য দিয়ে জলধারা প্রবাহিত হয়, তাকে নদী উপত্যকা এবং উপত্যকার তলদেশ নদীগর্ভ নামে অভিহিত।
- অপেক্ষাকৃত ছোট নদী স্রোতস্বিনী, কোন একটি নদী অপর একটি নদীতে মিলিত হলে প্রথম নদীটিকে অপর নদীটির উপনদী এবং একটি নদী হতে অপর একটি নদীর উৎপত্তি/বিকাশ/সৃষ্টি হলে সৃষ্ট নদীটিকে মূল নদীর শাখা নদী বলে। 
- নদী যে স্থান থেকে উৎপত্তি বা সৃষ্টি হয় তাকে নদীর উৎস এবং যেখানে মিলিত হয় তাকে মোহনা বলে।
- একটি নদী ও তার উপনদীসমূহ একত্রে একটি নদী প্রণালী বা নদী ব্যবস্থা গঠন করে।
- বাংলাদেশের অধিকাংশ নদ-নদীই বার্ধক্য পর্যায়ে উপনীত হয়ে বঙ্গোপসাগরের পতিত হয়ে থাকে। 

⇒ নদীতে নিয়মিত পানি সরবরাহ, ঋতুভেদে পানি সরবরাহের হ্রাসবৃদ্ধি, ভূমিরূপ, মাটির গঠন ও বুনন এবং ভূমির ঢালের তারতম্যের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশসহ বাংলাদেশে প্রধানত তিন প্রকার নদী ব্যবস্থা গড়ে উঠে, যেমন- ক) সরল নদীখাত, খ) সর্পিল নদীখাত এবং গ) বিনুনি নদীখাত।

• সর্পিল নদীখাত:
- সমভূমি বিশেষ করে পলি গঠিত সমভূমি অঞ্চলে বাক বহুল নদী দৃষ্টিগোচর হয়। এ সব নদীর প্রবাহ পথ বেশ গভীর, আঁকাবাঁকা প্রবাহপথ, পুনঃপুনঃ খাতের দিক পরিবর্তন, বাঁকে ভাঙ্গন ক্রিয়া বিপরীতে চর গঠন এবং প্রবাহ পথ এক খাতে প্রবাহিত হয়। যেমন- পদ্মা।

• বিনুনী নদীখাত/চরোৎপাদী নদী:
- কোনো নদীর পরিবহন ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত পলি উৎস অঞ্চল থেকে নদীতে সরবরাহ হলে তা নদী খাতেই জমা হয়। নদীর ভিতর বালি, নুড়ি, কাঁকর, কর্দম ইত্যাদি সঞ্চিত হয়ে যে নতুন ভূমির সৃষ্টি হয়, তাকে বালুচর বলে। বালুচর প্রধানত দুটি কারণে সৃষ্টি হয়। প্রথমত, নদীর পানিতে যখন অতিরিক্ত বালু, কর্দম, নুড়ি ইত্যাদি মিশ্রিত থাকে তখন স্রোতের বেগ কমে যায় এবং বাহিত পদার্থসমূহ দ্রুত সঞ্চিত হয়ে বালুচরের সৃষ্টি হয়। দ্বিতীয়ত নদীখাতে অতিরিক্ত পলি সঞ্চয়নের কারণে বহুভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এরূপ বহু শাখা বিশিষ্ট পানির ধারা অনেকটা চুলের বিনুনীর মতো দেখতে। একে বিনুনী নদী বা চর উৎপাদী নদীও বলা হয়। যে সকল নদীতে পানির প্রবাহে ঋতুভিত্তিক পরিবর্তন ব্যাপক হয় সেখানে এ ধরনের নদী বিন্যাস দেখা যায়। বাংলাদেশের যমুনা নদীতে এ ধরনের বিনুনী বিন্যাস দেখা যায়। এজন্য যমুনা নদীকে চর উৎপাদী নদী বলা হয়।

• সরল নদী:
- যে সব নদ-নদী প্রবাহ পথে কোন বাধা বা প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই মোটামুটি সোজাপথে প্রবাহিত হয় তাদেরকে সরল নদী বলা হয়। কঠিন শিলায় গঠিত অঞ্চল ভূ অভ্যন্তরে ভৌত পানি প্রবাহ এবং নদীতীর বাঁধা দিয়ে নদী খাত সরল করা হয়। যেমন- তিস্তা।

উৎস: i) বাংলাদেশ ভূগোল ও সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২,৮০৩.
ফেরেলের সূত্রানুসারে বায়ু প্রবাহ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করার পর উত্তর গোলার্ধে কোন দিকে বেঁকে যায়?
  1. ক) পূর্বদিকে
  2. খ) পশ্চিমদিকে
  3. গ) বামদিকে
  4. ঘ) ডানদিকে
ব্যাখ্যা
পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে আবর্তনশীল হওয়ায় এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। এর ফলে ঘূর্ণায়মান ভূপৃষ্ঠে বায়ু প্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতসহ যেকোন গতিশীল পদার্থ সরাসরি উত্তর-দক্ষিণে প্রবাহিত না হয়ে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়।

মার্কিন আবহাওয়াবিদ উইলিয়াম ফেরেল ১৮৫৯ সালে এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং ব্রিটানিকা)
২,৮০৪.
আফ্রিকা মহাদেশকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে-
  1. বেরিং প্রণালী
  2. ডোভার প্রণালী
  3. দার্দানেলিস প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে ভূমধ্যসাগরের সংযোগকারী চ্যানেল।
- আফ্রিকা মহাদেশকে - ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে এটি।
- স্পেন এবং মরক্কোকে পৃথক করেছে।
- মরক্কোর একটি স্প্যানিশ এক্সক্লেভ; বা জেবেল মুসা (মুসা), মরক্কোতে।
- উত্তর আফ্রিকার এটলাস পর্বতমালা এবং স্পেনের উচ্চ মালভূমি দ্বারা গঠিত চাপের গভীরতায় প্রণালীটি ।
- এর গড় ১২০০ ফুট গভীরতা।

অপরদিকে,
• ডোভার প্রণালী:
- পথক করেছে: ফ্রান্স - ব্রিটেন।
- সংযুক্ত করেছে: ইংলিশ চ্যানেল ও উত্তর সাগর।

• দার্দানেলিস প্রণালী:
- পথক করেছে: এশিয়া - ইউরোপ।
- সংযুক্ত করেছে: ইজিয়ান সাগর - মরমর সাগর।

• বেরিং প্রণালী:
- পথক করেছে: আমেরিকা - এশিয়া।
- সংযুক্ত করেছে: উত্তর সাগর বেরিং সাগর।

উৎস: Britannica.

২,৮০৫.
গ্রিনিচ মানমন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. গ্রিস
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• গ্রিনিচ মান:
- গ্রিনিচ মানমন্দির যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- এর উপর দিয়ে মূল মধ্যরেখা বা শূন্য ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখা গিয়েছে।
- ১৮৮৪ সালের ১ নভেম্বর জিএমটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ সময় হিসেবে গৃহিত হয় ৷
- তবে ১৯৭২ সালে GMT এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় হিসেবে UTC (Coordinated Universal Time) গৃহিত হয়।
- গ্রিনিচ মানমন্দির অফিসিয়াল টাইম জোন হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়ের পার্থক্য +৬ ঘণ্টা। অর্থাৎ, ৬ ঘণ্টা আগে।
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে।
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রিনিচের থেকে এগিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮০৬.
নিচের কোন প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত?
  1. হরমুজ প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
⇒ বাব এল-মান্দেব প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত।

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,৮০৭.
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. নয়াদিল্লি
  2. গুজরাট
  3. কাঠমান্ডু
  4. থিম্পু
ব্যাখ্যা
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।

• সার্ক:
- গঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে।
- সচিবালয়: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা: ৮ টি।
- ২০০৬ সালের অক্টোবরে ভারতের নয়াদিল্লিতে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ২০১৬ সালে সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র, সার্ক বন কেন্দ্র এবং সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রকে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের সাথে একীভূত করা হয়।
- তখন এটির কার্যালয় নয়াদিল্লি থেকে গুজরাটের গান্ধীনগরে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।

সার্কের কিছু আঞ্চলিক কেন্দ্র সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশে অবস্থিত। যথা:
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাট, গান্ধীনগর ভারত,
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলংকা,
- সার্ক কৃষিবিষয়ক কেন্দ্র ও আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র: ঢাকা, বাংলাদেশ,
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইচআইভি/এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল,
- সার্ক শক্তি কেন্দ্র: পাকিস্তান,
- সার্ক বন গবেষণা কেন্দ্র: থিম্পু, ভুটান,
- সার্ক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান,
- সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: মালদ্বীপ।

উৎস: সার্ক ওয়েবসাইট।
২,৮০৮.
বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশে কোন দিকে অবস্থিত?
  1. উত্তর
  2. দক্ষিণপূর্ব
  3. দক্ষিণ
  4. পূর্ব
ব্যাখ্যা

বঙ্গোপসাগর বাংলাদেশে দক্ষিণে অবস্থিত।

বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর হলো বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর।
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ।
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এ উপসাগরটি পশ্চিমে ভারত ও শ্রীলংকার পূর্ব উপকূল, উত্তরে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীপ্রণালী সৃষ্ট বদ্বীপ এবং পূর্বে মায়ানমার উপদ্বীপ থেকে আন্দামান-নিকোবর শৈলশিরা পর্যন্ত বিস্তৃত ভূভাগ দ্বারা বঙ্গোপসাগর তিনদিকে আবদ্ধ।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন ২৬,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ অবস্থিত। 
- বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য এবং মায়ানমারের পাহাড়ী এলাকা এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৮০৯.
কোন প্রণালী দ্বারা তুরস্কের ইস্তানবুল শহর পৃথক হয়েছে?
  1. জাভা প্রণালী
  2. বসফরাস প্রণালী
  3. সুন্দা প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র।
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

উল্লেখ্য,
- বসফরাস প্রণালি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে অবস্থিত।
- কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালি।

উৎস: Britannica. 
২,৮১০.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রে ‘নদী খনন কার্যক্রম’ কোন স্তরে অন্তর্ভুক্ত? 
  1. প্রতিরোধ 
  2. পুনরুদ্ধার  
  3. পূর্বপ্রস্তুতি
  4. সাড়াদান
ব্যাখ্যা

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:  
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান। 
- দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে, সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন। 
- অতীতে দুর্যোগে সাড়াদানকেই সম্পূর্ণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলে ধরে নেওয়া হতো। 

• প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ কার্যক্রম সফলতা বয়ে আনতে পারে। 
- দুর্যোগ প্রতিরোধের কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত প্রশমনের ব্যবস্থা রয়েছে। 
- কাঠামোগত প্রশমনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যথা- বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকেই বোঝায়। 
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। 
- অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ, যেমন- প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।   

• দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি:
দুর্যোগের প্রাক্কালে সঠিক প্রস্তুতি গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। এটি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের জনগণকে সচেতন করা, দুর্যোগের সময় দ্রুত সাহায্য পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুতি তৈরি করা এবং উপকরণ সংরক্ষণ করা ইত্যাদি বিষয়গুলির অন্তর্ভুক্ত।

• পুনরুদ্ধার (Recovery): 
- দুর্যোগের ফলে জৈব ও অজৈব সকল সম্পদ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদি খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, পুনঃনির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বলা হয়।
- এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাহায্য ও সহায়তা প্রয়োজন হয়।

• সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।
- সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

২,৮১১.
সুরমা নদীর আদি উৎস কোন নদী?
  1. ক) যমুনা নদী
  2. খ) বরাক নদী
  3. গ) মনু নদী
  4. ঘ) কংস নদী
ব্যাখ্যা
সুরমা নদী:
- সুরমা নদীর আদি উৎস বরাক নদী।
- মণিপুর পাহাড়ে মাও সংসাং হতে বরাক নদীর উৎপত্তি।
- আসামের নাগা মণিপুর অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে নদীটি দুই শাখায় বিভক্ত হয়ে জকিগঞ্জ, কানাইঘাট,বিয়ানীবাজার, সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এর উত্তরের শাখাটি সুরমা পশ্চিম দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- আজমেরিগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, আর দক্ষিণের শাখা সিলেটের কুশিয়ারা নদী এবং হবিগঞ্জে সিলেটের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এর পরে সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে কিছুদূর প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা ভৈরব বাজারে পুরাতন বহ্মপুত্রের সঙ্গে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

অন্যদিকে -
- কংস নদী (Kangsa River) ভারতের মেঘালয় ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত এ নদী কংসাই বা কংসবতী নামেও পরিচিত।
- মনু নদী ভারতের পার্বত্য ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম যেখানে আন্তর্জাতিক সীমারেখা রচনা করেছে তারই পূর্বকোণের উঁচু ভূমিতে দুটি উপনদী উৎপত্তি হওয়ার পর উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে ত্রিপুরার ফটিকরাই-এর দক্ষিণে মিলিত হয়েছে।
- যমুনা নদীর সর্বাধিক প্রস্থ ১২০০০ মিটার(আরিচা) যমুনার প্রধান উপনদী গুলো হল তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, সুবর্ণশ্রী। করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম উপনদী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সিলেট জেলা ওয়েবসাইট।
২,৮১২.
গ্রিনল্যান্ড এর অবস্থান কোথায়?
  1. উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে
  3. ভারত মহাসাগরে
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• গ্রিনল্যান্ড: 
- গ্রিনল্যান্ড, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ।
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত। 
- যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মাঝখানে থাকা গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ হিসেবে পরিচিত।
- গ্রিনল্যান্ড ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করছে।
- গ্রীনল্যান্ড (কালাল্লিত নুনাত) তার বিশাল তুন্দ্রা এবং বিশাল হিমবাহের জন্য বিখ্যাত।
- যদিও গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের রাজ্যের অংশ।
- দ্বীপের স্বরাষ্ট্র-শাসন সরকার বেশিরভাগ অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলির নিজেরা শাসন করে।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানী নুউক (গডথাব)।

এচাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস রাজ্যের আয়তনের তিনগুণেরও বেশি, গ্রীনল্যান্ড। 
- দ্বীপের দুই-তৃতীয়াংশ আর্কটিক সার্কেলের মধ্যে অবস্থিত।
- এবং দ্বীপের উত্তর প্রান্তটি উত্তর মেরু থেকে ৫০০ মাইল।
- গ্রিনল্যান্ড কানাডার এলেসমের দ্বীপ থেকে উত্তরে মাত্র ১৬ মাইল দুরে।
- নিকটতম ইউরোপীয় দেশ হল আইসল্যান্ড, দক্ষিণ-পূর্বে ডেনমার্ক ।

উৎস: Britannica.

২,৮১৩.
আয়তনে এশিয়ার বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) কাজাখাস্তান
  3. গ) চীন
  4. ঘ) মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যা
আয়তনে এশিয়ার বৃহত্তম দেশ চীন।
চীন আয়তনে বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম দেশ।
২,৮১৪.
কানাডাতে প্রমাণ সময় রয়েছে -
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৭ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৬ টি
ব্যাখ্যা
দেশের আয়তনের উপর ভিত্তি করে প্রমাণ সময় একাধিক হতে পারে। আমর়া জানি যুক্তরাষ্ট্রে ৪টি এবং কানাডাতে ৬টি প্রমাণ সময় রয়েছে। (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল)
২,৮১৫.
বিশ্বের সবচেয়ে গভীরতম স্থান কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. উত্তর মহাসাগরে
  4. ভারত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

বিশ্বের গভীরতম স্থান প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
----------------------------------
• প্রশান্ত মহাসাগর: 
-  প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম, গভীরতম ও প্রশস্ততম মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগরের গড় গভীরতা প্রায় ১৪,০৪০ ফুট (৪,২৮০ মিটার)।
- এবং সর্বাধিক গভীরতা প্রায় ৩৬,২০১ ফুট (১১,০৩৪ মিটার)।
- আকৃতিতে এটি বৃহদাকার ত্রিভুজ এর মতো দেখতে।
- এ মহাসাগরটি এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- প্রশান্ত মহাসাগরের তথা পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম স্থান হচ্ছে- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা প্রায় ১০৫০০ মিটার।
------------------------------------------------
• মারিয়ানা ট্রেঞ্চ:
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ হল প্রশান্ত মহাসাগরের তলে থাকা পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্র খাদ।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয়েছে নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ এবং অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- এই ট্রেঞ্চের সবচেয়ে গভীর অংশে সমুদ্রের গভীরতা প্রায় ৩৫,০০০ ফুট (১০,৫০০ মিটার)।
- এই গভীরতা পৃথিবীর সবচেয়ে নিম্নতম স্থলবিন্দু, ডেড সী, থেকেও অনেক গভীর। 
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের তলদেশের গভীরতা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতার চেয়ে অনেক বেশি।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতম বিন্দু হচ্ছে- Challenger Deep.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা কিডস [লিঙ্ক]। 
২. Britannica [লিঙ্ক]। 

২,৮১৬.
মহানন্দা কোন নদীর উপনদী?
  1. মেঘনা
  2. যমুনা
  3. কর্ণফুলী
  4. পদ্মা
ব্যাখ্যা
মহানন্দা নদী:

- মহানন্দা পদ্মার একটি প্রধান উপনদী।
- নদীটি নেপালের দক্ষিণ-পশ্চিমস্থ হিমালয় থেকে উদ্ভূত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে কার্সিয়াং ও শিলিগুড়ি অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিণপূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে ভোলাহাটের কাছে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশ সীমায় প্রবেশের পর নবাবগঞ্জ (চাঁপাই নবাবগঞ্জ) শহরকে বাম তীরে রেখে গোদাগাড়ীতে গিয়ে গঙ্গায় পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৬ কিমি।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২,৮১৭.
SPARRSO কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮১
  2. ১৯৮০ 
  3. ১৯৮৪
  4. ১৯৮৮
ব্যাখ্যা

• SPARRSO:
- বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (SPARRSO) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- SPARRSO পূর্ণরূপ: Bangladesh Space Research and Remote Sensing Organization (SPARRSO)
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: SPARRSO এর ওয়েবসাইট।

২,৮১৮.
মালদ্বীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ক) প্রশান্ত
  2. খ) উত্তর
  3. গ) আটলান্টিক
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ হলাে মালদ্বীপ। এর আয়তন ২৯৮ বর্গ কিলােমিটার। উল্লেখ্য, মালদ্বীপ বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মুসলিম দেশও বটে। এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
২,৮১৯.
দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে 'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক'-এর কয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
-  ১৪ মার্চ - ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন।
- এই সম্মেলনের শেষদিন দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক: ২০১৫-৩০ গৃহীত হয়।
- এই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য এবং চারটি অগ্রাধিকারের রূপরেখা স্থির করা হয়।
- দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনে টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং যথাযথ বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই এ সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্য।

সাতটি লক্ষ্য:
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাথে সরাসরি দুর্যোগের অর্থনৈতিক ক্ষতি হ্রাস করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে গুরুতর অবকাঠামোর দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার সুবিধাগুলির মধ্যে মৌলিক পরিষেবাগুলির ব্যাঘাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা,
- ২০২০ সালের মধ্যে জাতীয় এবং স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কৌশলসহ দেশের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য তাদের জাতীয় কর্মের পরিপূরক করার জন্য পর্যাপ্ত এবং টেকসই সহায়তার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি করা,
- ২০৩০ সালের মধ্যে বহু-বিপদ প্রারম্ভিক সতর্কতা ব্যবস্থা এবং দুর্যোগ ঝুঁকির তথ্য এবং মূল্যায়নের প্রাপ্যতা এবং অ্যাক্সেস উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা।

উৎস: UNDRR ওয়েবসাইট।
২,৮২০.
বাংলাদেশের বৃহত্তর জেলা কতটি?
  1. ক) ১৭ টি
  2. খ) ২০ টি
  3. গ) ৬৪ টি
  4. ঘ) ১৯ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় পূর্ব বাংলা ভূখন্ডে মোট ১৭টি জেলা ছিলো।
- দেশ ভাগের পূর্বে পূর্ব বাংলা অংশে ১৫ টি জেলা ছিল। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় নদীয়া জেলা থেকে বৃহত্তর কুষ্টিয়াকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ফলে জেলার সংখ্যা হয় ১৬ টি।
- পরবর্তীতে গণভোটের মাধ্যমে বৃহত্তর সিলেট পাকিস্তানে যোগদান করলে জেলা হয় ১৭ টি।

- পাকিস্তান শাসনাধীন সময়ে ১৯৬৯ সালে ঢাকা জেলা থেকে টাঙ্গাইল ও বরিশাল জেলা থেকে পটুয়াখালী জেলার সৃষ্টি হয়। ফলে স্বাধীনতার পূর্বে বৃহত্তর জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯টি
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার সময় বৃহত্তর জেলা ছিলো - ১৯টি।
- পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিশেষত: ১৯৮৪ সালে প্রশাসনিক সংস্কার ও সরকারি সেবা জনগণের জন্য সহজলভ্য করার জন্য বাংলাদেশকে ৬৪ জেলায় ভাগ করা হয়।

এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে যেহেতু বাংলাদেশ বলা আছে - তাই বাংলাদেশ স্বাধীনের সময় হিসাব ধরে, সঠিক উত্তর হিসাবে ১৯টি ধরা হচ্ছে।
২,৮২১.
ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় কী নামে পরিচিত?
  1. টাইফুন
  2. সাইক্লোন
  3. বাগিও
  4. হ্যারিকেন
ব্যাখ্যা

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন-
- ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে 'সাইক্লোন'
- জাপানের উপকূলে 'টাইফুন'
- ফিলিপাইনে 'বাগিও'
- মেক্সিকো উপকূলে 'হ্যারিকেন'
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে 'সাইক্লোন' ইত্যাদি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৮২২.
পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা সরু দেশ কোনটি?
  1. পেরু
  2. আর্জেন্টিনা
  3. উরুগুয়ে 
  4. চিলি
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা সরু দেশ চিলি। 
----------------------------
• চিলি (Chile):
- চিলি দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি অত্যন্ত সরু ও দীর্ঘ দেশ। 
- চিলি অ্যান্টার্কটিকার মাত্র প্রায় ৪০০ মাইল উত্তরে অবস্থান করছে।
- এই দেশের গড় প্রস্থ প্রায় ১১০ মাইল;
- যেখানে সর্বোচ্চ প্রস্থ ২১৭ মাইল (অ্যান্টোফাগাস্টা অঞ্চলে) এবং সর্বনিম্ন প্রস্থ মাত্র ৯.৬ মাইল (পুয়ের্তো নাটালেসের কাছে)।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৩০০ কিলোমিটার। 
- এটি পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর এবং পূর্বে আন্দিজ পর্বতমালা দ্বারা সীমাবদ্ধ।
-  এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই একে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে সরু দেশ।
- এর রাজধানী: সান্তিয়াগো (Santiago).
- চিলির মুদ্রা পেসো।
- চিলি তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং প্রাচীন সভ্যতার জন্য পরিচিত।
- দেশটির সংস্কৃতি মূলত ভারতীয়, স্প্যানীয় ও আমেরিকান সাংস্কৃতিক উপাদানের সংমিশ্রণে গঠিত।
- চিলির অর্থনীতি প্রধানত খনিজ উত্তোলন, কৃষি এবং শিল্পখাতের ওপর নির্ভরশীল।
- চিলির বিশেষত্ব হচ্ছে: এটি “দীর্ঘ-সরু দেশ” হিসেবে পরিচিত। 
------------------------------
অপরদিকে,
• পেরু (Peru):
- পেরু চিলির উত্তরে অবস্থিত একটি দক্ষিণ আমেরিকান দেশ।
- এটি অ্যান্ডিজ পর্বতমালা ও অ্যামাজন বনাঞ্চল উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে।
- পেরু তুলনামূলকভাবে চওড়া ও পাহাড়ি দেশ। 

• আর্জেন্টিনা (Argentina):
- আর্জেন্টিনা দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- এটি উত্তরে বলিভিয়া ও দক্ষিণে চিলির সাথে সীমান্ত ভাগ করেছে।
- দেশটি প্রশস্ত সমভূমি ও পাম্পাস অঞ্চল নিয়ে গঠিত। 

• উরুগুয়ে (Uruguay):
- উরুগুয়ে একটি ছোট দেশ হলেও আকারে প্রায় চতুর্ভুজাকার।
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূলে, ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মাঝে।

উৎস: Britannica. 

২,৮২৩.
অস্ট্রেলিয়ার উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. জানুয়ারি
  2. মার্চ
  3. এপ্রিল
  4. জুলাই
ব্যাখ্যা
গোলার্ধ:
- নিরক্ষরেখা নামক একটি কাল্পনিক রেখা উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধকে বিভক্ত করে।
- বিষুবরেখাকে 0° অক্ষাংশও বলা হয়।
- এটি পৃথিবীর মাঝখানে পূর্ব এবং পশ্চিমে চলে।
- নিরক্ষরেখার উত্তরে অবস্থিত স্থানগুলি উত্তর গোলার্ধের অংশ।
- নিরক্ষরেখার দক্ষিণে স্থানগুলি দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

⇒ উত্তর গোলার্ধের মধ্যে রয়েছে উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়ার মূল ভূখণ্ড।
- আফ্রিকার প্রায় অর্ধেক এবং দক্ষিণ আমেরিকার একটি ছোট অংশও উত্তর গোলার্ধে রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- আফ্রিকাই একমাত্র মহাদেশ যেখানে পৃথিবীর চারটি গোলার্ধের প্রতিটিতে অংশ রয়েছে।

⇔ দক্ষিণ গোলার্ধ:
- দক্ষিণ গোলার্ধ হল পৃথিবীর দক্ষিণ অংশ।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।
- দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশ এবং সমস্ত অস্ট্রেলিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জুলাই।
- উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস জানুয়ারি।

উৎস: i) Britannica.
ii) World atlas.
২,৮২৪.
কাসালং কোন নদীর উপনদী?
  1. পদ্মা
  2. যমুনা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. কর্ণফুলি
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলি নদী:
- কর্ণফুলী নদীবাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী। 
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তি ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে।
- বাংলাদেশের প্রবেশের পর রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদী বঙ্গোপসাগরের পতিত হয়েছে।
- নদীটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২০ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর মোহনায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর অবস্থিত। 
- হালদা, কাসালং প্রভৃতি কর্ণফুলীর উপনদী।

উল্লেখ্য,
- পদ্মা নদীর উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।
- ব্রহ্মপুত্র নদীর উপনদী: ধরলা ও তিস্তা। 
- যমুনার নদীর উপনদী: ধরলা, তিস্তা, করতোয়া, আত্রাই।

উপনদী (Tributary):
- বিভিন্ন উৎস হতে যখন ছোট ছোট নদী উৎপত্তি লাভ করে কোনো বড় নদীতে মিলিত হয় তখন এ ছোট নদীগুলোকে সে বড় নদীর উপনদী বলে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৮২৫.
মৌসুমি জলবায়ুতে বায়ুপ্রবাহ কোন সূত্র অনুযায়ী হয়?
  1. ওয়েবারের তত্ত
  2. কোপেনের থিওরি
  3. ফেরেলের সূত্র
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা
মৌসুমি জলবায়ুতে বায়ুপ্রবাহ ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী হয়।

• মৌসুমি জলবায়ু:

- মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ “মওসুম” থেকে যার অর্থ ঋতু।
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়।
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু।

• মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য:
- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।

- দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ুএশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়। এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়। কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮২৬.
বাংলাদেশে কবে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র সিলেটের হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র।
- ১৯৫৫ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- এ পর্যন্ত এখানে সর্বমোট ৭টি গ্যাসকূপ খনন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৮২৭.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. সিলেটে
  2. মৌলভীবাজারে
  3. কুমিল্লায়
  4. চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
হরিপুর তেলক্ষেত্র (Haripur Oilfield):
- বাংলাদেশ একটি প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ এলাকা হওয়া সত্ত্বেও এদেশে খনিজ তেলের আবিষ্কার তুলনামূলকভাবে কম ঘটেছে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- সিলেট গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিলেট-৭ কূপ খননের সময় অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
- ১৯৯৪ সালের জুলাই মাস থেকে হরিপুর তেলক্ষেত্রে তেল উৎপাদন স্থগিত রয়েছে।
- সাতবছরে এই তেলক্ষেটি হতে প্রায় ০.৫৬ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৮২৮.
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. মৌলভীবাজার
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
⇒ টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
• উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

⇒ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
- বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
- এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
- রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
- মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮২৯.
How many major tectonic plates are there on earth surface?
  1. ৯টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• আলফ্রেড ওয়েগেনার ১৯১২ সালে মহাদেশীয় সঞ্চালন তত্ত্ব (Continental Drift Theory) প্রস্তাব করেন, যা পরবর্তীতে টেকটোনিক প্লেট তত্ত্বের ভিত্তি তৈরি করে। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ বিশাল প্লেটে বিভক্ত, যা ধীরে ধীরে সরে যায় এবং ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি ও পাহাড় গঠনের জন্য দায়ী।

• টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।

- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত। প্লেটগুলো হলো:
• ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
• উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
• দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
• আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
• অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
• ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
• প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate)

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৮৩০.
বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া ভারতের ছিটমহল কয়টি?
  1. ১২১টি
  2. ১৬১টি
  3. ১১১টি
  4. ৫১টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সাথে এবং
- ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সাথে যুক্ত হয়।

• ছিটমহল বিনিময়:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়।
- ফলে বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডে ১০০৪১.২৫ একর ভূমি যোগ হয়।
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিলো। 
- ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিলো।  
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সাথে এবং
- ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সাথে যুক্ত হয়।
- দুদেশের যৌথ জরিপ অনুযায়ী ১৬২টি ছিটমহলে সাড়ে ৫৫ হাজারের মত মানুষ ছিল।
- দু দেশের সরকারের হিসেব অনুযায়ী ভারতের মধ্যে বাংলাদেশের ৫১টি এবং বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল।
- এর মধ্যে জরিপে বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ছিটমহলে সাড়ে ৪১ হাজার এবং ভারতের মধ্যে থাকা ছিটমহলে ১৪ হাজার মানুষের বসবাসের তথ্য ছিল।
- ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি এবং ২০১১ সালের প্রটোকল অনুযায়ী ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের ৬৮ বছর পর দুটি দেশের মধ্যেকার সীমান্ত সমস্যার নিষ্পত্তি হয়েছে ২০১৫ সালে।
- বাংলাদেশে ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়েছে ৩১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে।
- এর ফলে বাংলাদেশের ভেতরকার ভারতের ছিটমহলগুলো বাংলাদেশের ভূমি হিসেবে এবং ভারতের ভিতরকার বাংলাদেশের ছিটমহলগুলো ভারতের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

উৎস: বিবিসি বাংলা, বাংলাপিডিয়া।
২,৮৩১.
মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. সিলিকন (Si) ও আয়রন (Fe)
  2. সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Ma)
  3. সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al)
  4. ম্যাগনেসিয়াম (Ma) ও আয়রন (Fe)
ব্যাখ্যা

অশ্মমন্ডল (Lithosphere) ও ভূ-ত্বক (Earth's Crust):
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগ থেকে ভূ-অভ্যন্তরে প্রায় ৬০ থেকে ১০০ কি.মি. গভীর পর্যন্ত কঠিন স্তরটিকে অশ্মমন্ডল বলা হয়।
​- অশ্মমন্ডলের সর্বাপেক্ষা বাইরের স্তর অর্থাৎ যে স্তরটির উপর আমরা বসবাস করি, তাকে ভূ-ত্বক বলা হয়।
- ভূ-ত্বকের গড় পুরুত্ব ২০ কিলোমিটার, মহাদেশীয় ভূ-ত্বক গড়ে ৩৫ কি.মি. এবং মহাসাগরীয় ভূ-ত্বক গড়ে মাত্র ৫ কি.মি. পুরু। 
​- মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের প্রধান গাঠনিক উপাদান সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (AL) হওয়ায় এই স্তরকে সিয়াল স্তর (Sial) বলা হয়। 
​- অপরদিকে, মহাসাগরীয় ভূ-ত্বকের প্রধান গাঠনিক উপাদান সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Ma) হওয়ায় এই স্তরকে সিমা স্তর (Sima) নামে অভিহিত করা হয়।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৩২.
বিশ্বের  সর্বোচ্চ জলপ্রপাত কোনটি?
  1. ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
  2. নায়াগ্রা জলপ্রপাত
  3. অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত
  4. গুয়ারিয়া জলপ্রপাত
ব্যাখ্যা
• অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত:
- বিশ্বের  সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।
- এর উচ্চতা ১০০০ মিটার(প্রায়)।
- এটি ভেনেজুয়েলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
• গুয়ারিয়া জলপ্রপাত: 
- পানি পতনের দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রপাত।
- ব্রাজিল ও প্যারাগুয়ে সীমান্তে অবস্থিত।

• নায়াগ্রা জলপ্রপাত: 
- আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলপ্রপাত।
- এটি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অবস্থিত।

• ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত: 
- বিশ্বের সবচেয়ে চওড়া জলপ্রপাত।
- এটি জাম্বিয়ায় অবস্থিত কিন্তু জিম্বাবুয়ের ভিক্টোরিয়া সিটি প্রান্ত থেকে সবচেয়ে ভালো ভাবে দেখা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৮৩৩.
”আড়িয়াল বিল” কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. শ্রীমঙ্গল
  2. মুন্সিগঞ্জ 
  3. সুনামগঞ্জ
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা

• আড়িয়াল বিল:
- আড়িয়াল বিল বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম জলাভূমি,
- এটির আয়তন ১৩৬ বর্গকিলোমিটার।
- এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলায় অবস্থিত।
- এই বিলটিতে অনেক ছোট ছোট পুকুর এবং খাল রয়েছে।
- বর্ষাকালে গাছপালা আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং স্থলসীমানা বিশিষ্ট বিশাল এলাকাটি অদ্ভুত দেখায়।
- শীতকালে বিলটি কমে গেলেও, এটি এখনও নৌযান চলাচলের উপযোগী থাকে। 
- বিলটিতে প্রচুর মাছ থাকে এবং শুষ্ক মৌসুমে শুষ্ক অঞ্চলে কৃষকের ভুট্টা এবং শাকসবজি পাওয়া যায়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৮৩৪.
ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঠানো বেতারতরঙ্গ কোন স্তরে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে?
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল
  2. খ) আয়নমন্ডল
  3. গ) মেসোমন্ডল
  4. ঘ) এক্সোমন্ডল
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের উপরের দিকে ৮০ কি.মি. থেকে ৫০০ কি.মি. পর্যন্ত স্তর হলো তাপমন্ডল। তাপমন্ডলের নিচের অংশকে বলা হয় আয়নমন্ডল।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঠানো বিভিন্ন বেতারতরঙ্গ আয়নমন্ডলের বিভিন্ন আয়নে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৮৩৫.
আফ্রিকার মুক্তভূমি বলা হয় কোন দেশকে?
  1. ক) লিবিয়া
  2. খ) লাইবেরিয়া
  3. গ) সুদান
  4. ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা
আফ্রিকার মুক্তভূমি নামে পরিচিত লাইবেরিয়া আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের উপনিবেশ থেকে ১৮৬২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী স্বাধীনতা লাভ করে। মার্কিন গৃহযুদ্ধের পর আফ্রিকান ক্রীতদাসদের লাইবেরিয়ায় মুক্তভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেই সূত্রে লাইবেরিয়াকে মুক্তভূমি বলা হয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
২,৮৩৬.
বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান- 
  1. হাইড্রোজেন ও নাইট্রোজেন
  2. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
  3. কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও নাইট্রোজেন
  4. কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও আর্গন
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলের উপাদান:
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (N2) ও অক্সিজেন (O2)।
- এই দুটি গ্যাস মিলিয়ে বায়ুমণ্ডলের প্রায় ৯৮.৭৩ শতাংশ গঠন করে।
- নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, এটি প্রায় ৭৮.০২ শতাংশ।
- অপরদিকে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রায় ২০.৭১ শতাংশ, এটি জীবজগৎ শ্বাস-প্রশ্বাস ও জ্বালনির জারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- বায়ুমণ্ডলে এই দুই গ্যাসের ভারসাম্য জীবজগতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহ হলো-
- নাইট্রোজেন (৭৮.০২%),
- অক্সিজেন (২০.৭১%),
- আর্গন (০.৮০%),
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড (০.০৩%),
- জলীয় বাষ্প (০.৪১%) ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৮৩৭.
নিচের কোনটি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ?
  1. ক) বৈলাম
  2. খ) গেওয়া
  3. গ) চাপালিশ
  4. ঘ) গজারি
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ হলো সমুদ্র উপকূলের লোনা পানিতে জন্মানো উদ্ভিদ। এসব উদ্ভিদের শ্বাসমূল থাকে।
বাংলাদেশের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি। সুন্দরবনে জন্মানো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সুন্দরী
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- গোলপাতা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
বৈলাম, তেলসুর ও গজারি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ নয়।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
২,৮৩৮.
গোবী মরুভূমি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ভারত
  2. খ) সুদান
  3. গ) চীন
  4. ঘ) আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
গোবী মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
- মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
- মরুভূমিটি আনুমানিক ১৩ লক্ষ (১২ লক্ষ ৯৫ হাজার) বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট।

উৎসঃ ব্রিটানিকা ডটকম।
২,৮৩৯.
হালদা কোন নদীর প্রধান উপনদী?
  1. কর্ণফুলী
  2. সাঙ্গু
  3. মাতামুহুরী
  4. ফেনী
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী:
- আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রায় ২৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
- কর্ণফুলীর প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা এবং বোয়ালখালী।
- কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিয়ে 'কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র' স্থাপন করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৮৪০.
মংডু কোন দুটি দেশের সীমান্ত এলাকা?
  1. বাংলাদেশ - ভারত
  2. মায়ানমার - চীন
  3. ভারত - মায়ানমার
  4. বাংলাদেশ-মায়ানমার
ব্যাখ্যা
সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং মায়ানমারের সাথে ৩টি।
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে।
- মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বাংলাদেশ ঘেঁষা শহর মংডু।
- নাফ নদের মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।[ লিঙ্ক]
২,৮৪১.
গগল্যান্ড (Gogland) দ্বীপটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ফিনল্যান্ড উপসাগর
  2. খ) কৃষ্ণ সাগর
  3. গ) মেক্সিকো উপসাগর
  4. ঘ) বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা
- Gogland বা Hogland Island বাল্টিক সাগরের পূর্বদিকে ফিনল্যান্ড উপসাগরে অবস্থিত।
- ইহা রাশিয়ার  নিয়ন্ত্রণাধীন একটি দ্বীপ। 
 
উৎস: artsandculture.google.com
২,৮৪২.
বাংলাদেশের জলবায়ু কী ধরনের?
  1. উপক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
  2. ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
  3. আদ্র মৌসুমী জলবায়ু
  4. ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু  
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জলবায়ু:
- বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু নামে পরিচিত।
- ঋতু ভেদে জলবায়ুর যে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় তাকে মৌসুমী বায়ু বলে।
- গ্রীষ্মকালে এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে প্রবাহিত হয়।
- আর শীতকালে উত্তর-পূর্ব দিক হতে প্রবাহিত হয়।
- বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে অধিক তাপের জন্য উত্তর গোলার্ধের কোন স্থানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
- তখন দক্ষিণের উচ্চ চাপ অঞ্চল হতে বায়ু উত্তরের নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম দিক হতে বাংলাদেশের দিকে আসে বলে একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলে।
- শীতকালে এ বায়ু উত্তর-পূর্ব দিক হতে প্রবাহিত হয় বলে একে উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু বলে।
- অর্থাৎ ঋতুভেদে বায়ুচাপের পরিবর্তন দেখা হয়।
- গ্রীষ্মকালে এ বায়ু দক্ষিণ-পশ্চিম সমূদ্রের ওপর দিয়ে আসে বলে এতে প্রচুর জলীয়বাষ্প থাকে, যার ফলে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- পক্ষান্তরে শীতকালীন মৌসুমী বায়ু সাধারণত স্থল ভাগের উপর দিয়ে আসে বলে জলীয়বাষ্প খুব কম থাকে এবং সামান্য বৃষ্টি পাত হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৪৩.
কক্সবাজারের জলবায়ুকে বলা হয় -
  1. মৃদুভাবাপন্ন
  2. নিয়তভাবাপন্ন
  3. অনিয়তভাবাপন্ন
  4. চরমভাবাপন্ন
ব্যাখ্যা
মৃদুভাবাপন্ন:

- কক্সবাজারের জলবায়ুকে বলা হয় মৃদুভাবাপন্ন।
- জলভাগের অবস্থান কোনো এলাকার জলবায়ুকে মৃদুভাবাপন্ন করে। যেমন- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, পটুয়াখালী সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত হওয়ায় এসব স্থানের জলবায়ু মৃদুভাবাপন্ন।
-  সমুদ্রের নিকটবর্তী এলাকায় শীত-গ্রীষ্ম তেমন পার্থক্য না হলেও সমুদ্র উপকূল থেকে দূরের এলাকায় শীত ও গ্রীষ্ম উভয়ই বেশি হয়। এ কারণে সমুদ্র নিকটবর্তী জলবায়ুকে সমভাবাপন্ন ও দূরবর্তী জলবায়ুকে মহাদেশীয় চরমভাবাপন্ন জলবায়ু বলা হয়।
- স্থলভাগের চেয়ে জলভাগ অনেক ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়। কারণ পানির আপেক্ষিক তাপ ধারণ ক্ষমতা বেশি। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সমুদ্রের পানি উত্তপ্ত হতে যে পরিমাণ তাপের দরকার হয় তার সমপরিমাণ মাটি উত্তপ্ত হতে তার থেকে কম তাপ দরকার হয়।
- তবে সৌরতাপ ভূমি অপেক্ষা সমুদ্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করে তাপ বিস্তার করে। এ কারণেই অনেক দীর্ঘ সময়ে সমুদ্র উত্তপ্ত হয়।
- আবার তাপ বিকিরণের ক্ষেত্রে সমুদ্র পুনরায় ধীরে ধীরে তাপ হারায় যা ভূমির ক্ষেত্রে আরও দ্রুত হয়। ফলে সমুদ্র ঠান্ডা হতেও দীর্ঘ সময় লাগে। মূলত এ কারণেই গ্রীষ্মকালে উপকূলীয় এলাকা ভূ-ভাগের অভ্যন্তরের তুলনায় শীতল হয় এবং শীতকালে তুলনামূলকভাবে উষ্ণ থাকে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৪৪.
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. মাটিরাঙ্গা, খাগড়াছড়ি
  2. রুমা, বান্দরবান
  3. জাফলং, সিলেট
  4. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা:
- সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা সিলেটের জাফলং-এ অবস্থিত।
- এটি জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে ১ কিমি পশ্চিমে, খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। 
- এর স্থানীয় নাম মায়াবী ঝর্ণা।
- এই অবিরাম ধারার মোট তিনটি ধাপ রয়েছে, যার মধ্যে তৃতীয় ধাপে এমন একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে যার অন্য প্রান্ত এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়নি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
২,৮৪৫.
নিরক্ষরেখার উপর সূর্য কিভাবে কিরণ দেয়?
  1. ক) কৌণিকভাবে
  2. খ) তির্যকভাবে
  3. গ) লম্বভাবে
  4. ঘ) আড়াআড়িভাবে
ব্যাখ্যা
সূর্যকিরণের মাত্রা অক্ষাংশভেদে বিভিন্ন রকম হয়।
নিরক্ষরেখার উপর সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়।
নিরক্ষরেখা থেকে যতই উত্তর বা দক্ষিণে যাওয়া যায়, সূর্যকিরণ তির্যকভাবে পড়তে থাকে। এর ফলে নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণ উভয় মেরুর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কমতে থাকে৷
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি
২,৮৪৬.
মাদাগাস্কার দ্বীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত? 
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. উত্তর মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
মাদাগাস্কার দ্বীপ:
- ভারত মহাসাগরের পশ্চিম দিকে মাদাগাস্কার দ্বীপ অবস্থিত। 
- মাদাগাস্কার , আফ্রিকার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত দ্বীপ দেশ । 
- গ্রীনল্যান্ড , নিউ গিনি এবং বোর্নিওর পরে মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ ।
- ইন্দোনেশিয়ার পর এটিই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপরাষ্ট্র। 
- এই দ্বীপকে আফ্রিকান মহাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে মোজাম্বিক চ্যানেল।
- দ্বীপটি আফ্রিকার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৪৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 
- মাদাগাস্কারের উপকূলরেখা প্রায় ৪,৮২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। 
- দ্বীপের দৈর্ঘ্য প্রায় ১,৫৭০ কিলোমিটার, 
- গড় প্রস্থ প্রায় ৫৭০ কিলোমিটার, এবং
- আয়তন ৫,৮৭,২৯৫ বর্গ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
২,৮৪৭.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী বিদেশি রাজ্য কয়টি?
  1. ৫ টি
  2. ৭ টি
  3. ৮ টি
  4. ৯ টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সীমানায় ভারতের রাজ্য মোট ৫টি এবং মায়ানমারের রাজ্য ২টি মোট ৭টি বিদেশি রাজ্য রয়েছে।

• ভারতের রাজ্যসমূহ:

- পশ্চিমবঙ্গ (রাজধানী- কলকাতা)
- আসাম (রাজধানী- দিসপুর),
- মেঘালয় (রাজধানী- শিলং), 
- ত্রিপুরা (রাজধানী- আগরতলা),
- মিজোরাম (রাজধানী- আইজল)।

• মায়ানমারের রাজ্যসমূহ:
- চিন (রাজধানী- হাখা)। 
- রাখাইন (রাজধানী- সিত্তে)। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,৮৪৮.
Which division of Bangladesh has no border with India?
  1. ক) Rajshahi
  2. খ) Khulna
  3. গ) Chittagong
  4. ঘ) Barisal
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লিখিত বরিশাল বিভাগ ছাড়া বাকি ৩টি বিভাগের সাথে ভারতের স্থল সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- এদের মধ্যে ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার সাথে মিয়ানমারের স্থলসীমান্ত রয়েছে।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের স্থলসীমান্ত রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
২,৮৪৯.
নিচের কোন নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশে?
  1. হালদা
  2. মেঘনা
  3. নাফ
  4. পদ্মা
ব্যাখ্যা
হালদা নদী: 
- হালদা বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের ছোট্ট একটি নদী। 
- এই নদীর উৎপত্তি, বিস্তার এবং সমাপ্তি সবই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।
⇒ হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম। 
- হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র। 
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়। 
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস। 
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে। 
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
২,৮৫০.
কোনটি দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ের অংশ?
  1. পূর্ব প্রস্তুতি
  2. প্রশমন
  3. সাড়াদান
  4. প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র বলতে দুর্যোগ মোকাবেলার সাথে পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত পর্যায়গুলোকে বুঝানো হয়ে থাকে।
 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায় এবং
খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়।

ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়: দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিরোধ এবং প্রশমন।   

খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়: দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়ে তিন ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়। এগুলো হলো- সাড়া প্রদান, পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন।



উৎস: একাদশ শ্রেনীর ভূগোল বোর্ড বই, ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৫১.
Which of the following is known as 'Black Gold'?
  1. Radioactive sand
  2. Shrimp
  3. Uranium
  4. Jute
  5. Gold
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু খনিজ:
- কক্সবাজারে তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায় যাকে ‘কালো সোনা’ বলা হয়।
- বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পাহাড়ে ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি অবস্থিত চট্টগ্রামের কুতুবদিয়ায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের White Gold হিসেবে পরিচিত চিংড়ি মাছ।
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
২,৮৫২.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ৭২সেন্টিমিটার
  2. ৭৬সেন্টিমিটার
  3. ৭৩সেন্টিমিটার
  4. ৭৪সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলীয় চাপ:
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হল নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপরে থাকা সম্পূর্ণ বায়ুর স্তম্ভ দ্বারা প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রয়োগ করা বল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের জন্য পারদ বারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এটি পারদের একটি স্তম্ভের উচ্চতা দেখায়, যা নির্দিষ্ট অঞ্চলের বায়ুস্তম্ভের ওজনের সমান ভারসাম্য বজায় রাখে।
- এছাড়াও অ্যানেরয়েড ব্যারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এতে একটি ফাঁপা ধাতব চাকতি থাকে, যা বায়ুর চাপের পরিবর্তনের সাথে সংকুচিত বা প্রসারিত হয় এবং একটি কলম ও ঘড়ি-চালিত ড্রামের সাহায্যে রেকর্ড করা হয়।
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ:
- ৭৬০ মি.মি. বা ৭৬ সে.মি. (২৯.৯২ ইঞ্চি) পারদ

উৎস: Britannica.

২,৮৫৩.
নিম্নের কোন অঞ্চলে টাইফুন হয়?
  1. কিউবা
  2. মিয়ানমার
  3. তাইওয়ান
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ।
- বিজ্ঞানী হেনরি পিডিংটন ১৮৪৮ সালে প্রথম এ শব্দটি ব্যবহার করেন।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।

⇒ টাইফুন:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় 'টাইফুন'।
- চীন, তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও জাপানে প্রায় প্রতি বছরই টাইফুনের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।

⇒ হারিকেন:
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চল, মধ্য এবং পূর্ব উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে 'হারিকেন' বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।

⇒ সাইক্লোন:
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় 'সাইক্লোন' হিসেবে পরিচিত।
- সাইক্লোনের কারণে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর জানমালের ক্ষতি হয়।

উল্লেখ্য,
যেসব এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হয় না:
- পৃথিবীর বিষুব রেখা বরাবর সাগরে সাধারণত কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় না।
- বিষুব রেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়।
- অন্যদিকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরেও কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় না।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
২,৮৫৪.
বিশ্বব্যাংক ২০০৯ সালে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: 
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি।
- অতিরিক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের কারণে বিশ্ব উষ্ণতা বাড়ছে, এর প্রভাব বাংলাদেশে ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ভূমি প্লাবনে দেখা যাচ্ছে।
- জাতিসংঘের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৫০ বছরের মধ্যে দেশের ১৭% ভূমি পানিতে ডুবে যাবে এবং প্রায় ৩ কোটি মানুষ জলবায়ু উদ্বাস্তু হবে। নদীর প্রবাহ কমে গিয়ে পানি সংকট দেখা দেবে।
- শস্য উৎপাদন হ্রাস পাবে এবং দক্ষিণ এশিয়ার কোটি মানুষ খাদ্য ও পানির ঝুঁকিতে পড়বে। বিশ্ব উষ্ণায়ন ধনী-দরিদ্র দেশের বৈষম্যও বাড়িয়ে দেবে।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
- এগুলো হলো-মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।
- এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।  

২,৮৫৫.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের প্রভাবে পরিবর্তন হয় না?
  1. নদীর গতিপথ পরিবর্তন
  2. সমুদ্রতলের পরিবর্তন
  3. তাপমাত্রা পরিবর্তন
  4. ভূমির উত্থান ও অবনমন
ব্যাখ্যা
⇒ তাপমাত্রার পরিবর্তন ভূমিকম্পের প্রভাবের  সাথে সম্পর্কিত নয়।

ভূমিকম্পের ফলাফল ও প্রভাব (Results and Effects of Earthquake):

ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের দরুন ভূ-ত্বকে অসংখ্য ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি হয়। ভূ-ত্বকে চ্যুতি সৃষ্টির ফলে চ্যুতির মধ্যবর্তী ভূ-ভাগ নিচের দিকে নেমে যায়, যাকে Rift Valley বলে এবং যখন উপরের দিকে ওঠে যায় তখন তাকে হর্স্ট (Horst) বা স্তূপ পর্বত বলে।
সমুদ্রতলের পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রতলের অনেক স্থান ওপরে উত্থিত হয় এবং স্থলভাগের অনেক স্থান সমুদ্রতলে ডুবে যায়।
নদীর গতিপথ পরিবর্তন:
- ভূমিকম্পের ফলে নদীর গতি পরিবর্তিত হয়, নদী শুঁকিয়ে যায় কখনও জলাভূমির সৃষ্টি হয়। 
ভূমির উত্থান ও অবনমন:
- ভূমিকম্পের ফলে উচ্চভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হয় অথবা সমভূমি অঞ্চল অবনমিত হয় এবং পানি জমে হ্রদের সৃষ্টি করে। সমুদ্রের তলদেশের কোনো স্থান উঁচু হয়ে সমুদ্রের মধ্যে দ্বীপের সৃষ্টি করে।
ভাঁজের সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের ফলে ভূ-পৃষ্ঠে ভাঁজের সৃষ্টি হয়।
হিমানী সম্প্রপাত:
- ভূ-কম্পনের ফলে পর্বতগাত্র থেকে বৃহৎ বরফ খন্ডগুলো নিচে পতিত হয়।
ভূ-পাত:
- ভূমিকম্পের ফলে পার্বত্য অঞ্চলের বিশাল শিলাখন্ড নিচে পতিত হয় এবং পর্বতের পাদদেশে ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বন্যার সৃষ্টি:
- ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা কমে যায় অথবা সাথে সাথেই পানির উচ্চতা বেড়ে ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে ঢেউয়ের আকারে সমুদ্র উপকূলে বন্যার সৃষ্টি করে।
মানবীয় ক্ষয়ক্ষতি:
- সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাস ও সুনামির জন্য প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়। পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিধ্বসের দরুণ পাহাড়ের পাদদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং অনেক সময় ভূমিতে ফাটল সৃষ্টি হলে রাস্তাঘাট অকেজো হয়ে পড়ে। নগর এবং গ্রামীন জনপদে বহু ঘরবাড়ি ধবংস হয়ে যায়। ধ্বংসস্তুপের তলায় চাপা পড়ে মারা যায় গৃহপালিত পশু ও মানুষ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৫৬.
পর্বত গাত্রে শিলাখন্ড ভেঙ্গে কীসের প্রভাবে নিচে পড়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়?
  1. মাধ্যাকার্ষণ
  2. তাপ
  3. বিচূর্ণীভবন
  4. চাপ
ব্যাখ্যা
মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে:
→ উচ্চ পর্বত গাত্রের খাড়া ঢালে প্রকান্ড শিলাখন্ড কোনো প্রকারে ভেঙ্গে আলগা হলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে নিচে পড়ে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়।
→ পতিত শিলার আঘাতে পাদদেশের শিলাও চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়।
→ আবার চলার পথে ভূ-পতিত শিলা অন্যান্য উচ্চ স্থানের শিলাগুলো দ্বারা সদা চূর্ণ-বিচূর্ণ হচ্ছে।
→ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সর্বদা যান্ত্রিক বিচূর্ণীভবন ঘটছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৫৭.
বাংলাদেশকে কতটি ভূমিকম্প অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূমিকম্প অঞ্চল:
বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড (BNBC) ২০২০ এ, 
দেশকে চারটি ভূমিকম্প অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে, যেখানে মাটির গতিবিধি বিভিন্ন স্তরের।
অঞ্চল ১: Z = ০.১২
অঞ্চল ২: Z = ০.২
অঞ্চল ৩: Z = ০.২৮
অঞ্চল ৪: Z = ০.৩৬

- প্রতিটি অঞ্চলে একটি সিসমিক জোন সহগ (Z) রয়েছে, যা মাটির সর্বোচ্চ বিবেচিত ত্বরণ (PGA) নির্দেশ করে।
- এই ত্বরণ কঠোর মাটি/শিলা (সাইট ক্লাস SA) এর জন্য g (মাধ্যাকর্ষণ ত্বরণ) এর এককে মাপা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ শহরের ভূমিকম্প তথ্য:
অঞ্চল ৪ (সর্বাধিক ভূমিকম্প প্রবণ): উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট) অন্তর্ভুক্ত। PGA = ০.৩৬g।
ঢাকা শহর: মাঝারি ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে (Z = ০.২)।
চট্টগ্রাম শহর: উচ্চ ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলে (Z = ০.২৮)।

ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই এ, 
১৯৯৩ সালে সমগ্র বাংলাদেশকে তিনটি ভূকম্পনীয় অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা-
অঞ্চল ১: (মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ, রিখটার স্কেল মাত্রা ৭); উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
অঞ্চল ২: (মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ, রিখটার স্কেল মাত্রা ৬); মধ্য অঞ্চল
অঞ্চল ৩: (কম ঝুঁকিপূর্ণ, রিখটার স্কেল মাত্রা ৫); দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড (BNBC) ২০২০
২,৮৫৮.
বাক্স ও দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত হয় কোন গাছের কাঠ হতে?
  1. গরান
  2. মেহগনি
  3. বাঁশ
  4. গেওয়া
ব্যাখ্যা
দিয়াশলাই শিল্প:
- বাংলাদেশে দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত হয় গেওয়া গাছের কাঠ হতে।
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।
• নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।
• রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

অন্যদিকে,
- ধুন্দল গাছের কাঠ থেকে পেন্সিল প্রস্তুত করা হয়।
- গরান গাছের ছাল হতে রং প্রস্তুত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৫৯.
নিচের কোনটি আমাজন নদীর উৎপত্তিস্থল? 
  1. ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
  2. পামীর মালভূমি
  3. আন্দিজ পর্বতমালা
  4. টাঙ্গানিকা হ্রদ
ব্যাখ্যা

- আমাজন নদীর উৎপত্তিস্থল আন্দিজ পর্বতমালা।

• আমাজন নদী (Amazon River): 

- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকা, ৯টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- ব্রাজিল, পেরু, কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা, ইকুয়েডর, বোলিভিয়া, গায়ানা, সুরিনাম, ফরাসি গায়ানা। 
- উৎস: পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৭,০৬২ কিলোমিটার (নীল নদীর পর দ্বিতীয় দীর্ঘতম,)
- প্রবাহের গন্তব্য: অটলান্টিক মহাসাগর।
- বেসিন আকার: প্রায় ৭ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার।
- জৈব বৈচিত্র্য: জাগুয়ার, প্যারাট, এবং অসংখ্য উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল।
- পানি প্রবাহ: পৃথিবীর মোট নদী প্রবাহের ২০% নিয়ন্ত্রণ।
- চ্যালেঞ্জ: বন উজাড়, পরিবেশ দূষণ।

উৎস: Britannica.

২,৮৬০.
Which country has the most mangrove forests?
  1. ক) Brazil
  2. খ) Bangladesh
  3. গ) Australia
  4. ঘ) Indonesia
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীতে ১০২টি দেশে ম্যানগ্রোভের অস্তিত্ব থাকলেও কেবলমাত্র ১০টি দেশে ৫০০০ বর্গ কিমি এর বেশি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে। 
- পৃথিবীর সমগ্র ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের ৪৩% ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া এবং নাইজার এ অবস্থিত এবং এদের প্রত্যেকটি দেশে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ২৫% হতে ৬০% ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে। 
- বাংলাদেশে অবস্থিত ম্যানগ্রোভ বন (সুন্দরবন) পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত।
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া 
২,৮৬১.
বৈকাল হ্রদ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কানাডা
  2. মেক্সিকো
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• হ্রদ (Lake):
- চারদিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত বিস্তীর্ণ প্রাকৃতিক জলরাশিকে হ্রদ (Lake) বলে।
- বৈকাল হ্রদ অবস্থিত - রশিয়ায়।

এছাড়াও - 
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ অবস্থিত -  আফ্রিকায়।
- সুপিরিয়র হ্রদ অবস্থিত - যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬২.
'ভি' আকৃতির উপত্যকা নিচের কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি হয়ে থাকে?   
  1. পার্শ্বক্ষয়ের ফলে
  2. পার্শ্বক্ষয় তলদেশের ক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে 
  3. তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি হলে
  4. পাহাড়ি ভূমিধসের প্রভাবে 
ব্যাখ্যা

- সাধারণত পার্বত্য অঞ্চলে প্রবাহিত নদীর স্রোতের বেগ প্রবল থাকে।
- এই অবস্থায় ক্ষয় ও বহন উভয় প্রক্রিয়া কার্যকর থাকলেও ক্ষয় কার্যের প্রাধান্য থাকে এবং নদী খাত 'V' অক্ষরের ন্যায় হয়।

• 'V' আকৃতির উপত্যকা সৃষ্টি প্রক্রিয়া:
- পার্বত্য অঞ্চলে নদীর স্রোতের গতিবেগ বেশি।
- তলদেশের ক্ষয় পার্শ্বক্ষয়ের চেয়ে বেশি।
- নদী উপত্যকার মধ্যভাগ ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে ইংরেজি 'V' অক্ষরের মতো আকৃতি ধারণ করে।
- পরে পার্শ্বক্ষয় বৃদ্ধি পেলে উপত্যকা প্রশস্ত হতে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৮৬৩.
ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল কবে?
  1. ১৭৮৭ সালে
  2. ১৭৮৯ সালে
  3. ১৮৮৭ সালে
  4. ১৮৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র নদ: 
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। 
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 
- ধরলা ও তিস্তা প্রধান উপনদী। 
- ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
- ১৭৮৭ সালের আগে এটি ময়মনসিংহের উপর দিয়ে আড়াআড়িভাবে বয়ে যেত‌।
- পরবর্তীতে এর নতুন শাখা নদীর সৃষ্টি হয়, যা বর্তমানে যমুনা নামে পরিচিত। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
          ii) ২০ জুলাই, ২০১৯, প্রথম আলো।
২,৮৬৪.
বাংলাদেশ ভৌগলিকভাবে কোন অক্ষাংশে অবস্থিত?
  1. ২০°৩৪' থেকে ২৬°৩৮' উত্তর
  2. ২০°৩৪' থেকে ২৮°৩৮' উত্তর
  3. ২২°৩০' থেকে ২৮°০১' উত্তর 
  4. ২২°৩৪' থেকে ২৬°০১' উত্তর 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়াও,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশের ওপর দিয়ে গিয়েছে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রথম আলো।

২,৮৬৫.
সমুদ্র বন্দরের জন্য সতর্ক সংকেত কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

• সতর্ক সংকেত:
- ঝড়ের সময় আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের ক্ষেত্রে ১১টি এবং নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ৪টি সংকেত নির্ধারিত আছে।
এই সংকেতগুলো সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ভিন্ন বার্তা বহন করে।
- সমুদ্রবন্দর সমূহের জন্যে সংকেত ১১টি।
এগুলো হলো:
• ১-নং দূরবর্তী সতর্ক সংকেত,
• ২-নং দূরবর্তী হুশিয়ারি সংকেত,
• ৩-নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত,
• ৪-নং স্থানীয় হুশিয়ারি সংকেত,
• ৫-নং বিপদ সংকেত,
• ৬-নং বিপদ সংকেত,
• ৭-নং বিপদ সংকেত,
• ৮-নং মহাবিপদ সংকেত,
• ৯-নং মহাবিপদ সংকেত,
• ১০-নং মহাবিপদ সংকেত,
• ১১-নং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশে নদীবন্দর সমূহের জন্যে দুর্যোগের সংকেত চারটি।
এগুলো হলো:
• ১-নং নৌ সতর্ক সংকেত,
• ২-নং নৌ হুশিয়ারি সংকেত,
• ৩-নং নৌ বিপদ সংকেত,
• ৪-নং নৌ মহাবিপদ।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

২,৮৬৬.
'পৃথিবীর ফুসফুস' বলা হয় কোন বনকে?
  1. সুন্দরবন
  2. আমাজন বন
  3. কঙ্গো রেইনফরেস্ট
  4. বোর্নিও রেইনফরেস্ট
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয় আমাজন রেইনফরেস্টকে। এই বিশাল রেইনফরেস্ট থেকে পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের প্রায় ২০% আসে। 

​আমাজন বন:
- দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত আমাজন বন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বনাঞ্চল।
- আমাজন পৃথিবীর বৃহত্তম রেইন ফরেস্ট।
- এটি মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘনবর্ধন বনাঞ্চল।
- এর আয়তন প্রায় ২.৬ মিলিয়ন বর্গ মাইল।
- আমাজন নদী সহ অনেক নদী বনের পাশ দিয়ে গেছে।
- আমাজন রেইনফরেস্টে পাওয়া গেছে ১৬,০০০ প্রজাতি এবং ৩৯০ বিলিয়ন বিভিন্ন রকমের গাছ যারা প্রায় ৫৫ মিলিয়ন বছর ধরে টিকে রয়েছে।
- ইওসিন যুগে এই বনের বিকাশ ঘটেছিল।
- আমাজন বনকে বলা হয় পৃথিবীর ফুসফুস।

⇒ আমাজন বন ৯টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত।
- ৯টি দেশ: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনিজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- এর মধ্যে আমাজন বনের ৬৪% রয়েছে ব্রাজিলে।

উৎস: World Atlas.

২,৮৬৭.
কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে বাংলাদেশের কোন দিক দিয়ে? 
  1. পূর্ব-দক্ষিণ
  2. উত্তর-দক্ষিণ 
  3. পশ্চিম-উত্তর
  4. পূর্ব-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকের দক্ষিণ অংশে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ২০৩৪' উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখা এবং ৮৮০১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা থেকে ৯২৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের প্রায় মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩৫) অতিক্রম করেছে।
- যা এদেশকে ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- বাংলাদেশের তিনদিকের স্থলভাগ ভারত এবং মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত এবং দক্ষিণে অবস্থিত বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।

২,৮৬৮.
BCCSAP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Climate Change System and Action Plan
  2. Bangladesh Climate Control Strategy and Action Plan
  3. Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan
  4. Bangladesh Coastal Climate Strategy and Action Plan
ব্যাখ্যা

BCCSAP: 
​- BCCSAP-এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan.
​- এটি বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০০৯ সালে প্রণীত একটি নীতিগত দলিল, এর উদ্দেশ্য জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় একটি সুসংগঠিত কৌশল নির্ধারণ করা। 
​- এই কর্মপরিকল্পনা ছয়টি মূল ক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে গঠিত: খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, অবকাঠামো উন্নয়ন, গবেষণা ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনা, কম-কার্বন উন্নয়ন এবং প্রতিষ্ঠানগত সক্ষমতা বৃদ্ধি।
​- BCCSAP-এর আওতায় ৪৪টি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, এগুলো স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়। 
​- এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।  

​সূত্র: International Climate Finance Cell ওয়েবসাইট।  

২,৮৬৯.
কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতা ছিল কে?
  1. ক) কৈবর্ত
  2. খ) অশোক
  3. গ) দিব্য
  4. ঘ) কানু কৈবর্ত
ব্যাখ্যা
রাজা দ্বিতীয় মহিপালের (৯৯৫-১০৪৩) শাসনামলে কৈবর্ত বিদ্রোহ হয়। অনেকে শুধু জেলে সম্প্রদায়কে কৈবর্ত বললেও প্রকৃতপক্ষে জেলে, কৃষক এবং শ্রমজীবী মানুষকে সাধারণত কৈবর্ত বলা হতো।
পাল রাজাদের এক সামন্ত দিব্যর নেতৃত্বে কৈবর্তরা রাজ্যের বরেন্দ্রীয় অংশ দখল করে নেয়।
রাজা দ্বিতীয় মহীপাল কৈবর্তবাহিনীকে আক্রমন করতে দিয়ে নিজে নিহত হন।
উৎস - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
২,৮৭০.
নিচের কোনটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি?
  1. দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া
  2. তিব্বত মালভূমি
  3. ভারতীয় উপদ্বীপ
  4. উত্তর আমেরিকার কলোরাডো
ব্যাখ্যা
মালভূমি:
- কয়েকটি পাহাড়ের সম্মিলিতস্থানে যে সমতল অঞ্চল তৈরি হয় তাই মালভূমি।
- পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তৃর্ণ সমতল ভূমিকে মালভূমি বলে।

⇒ অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন প্রকার। যথা:
• পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি,
• পাদদেশীয় মালভূমি,
•মহাদেশীয় মালভূমি।

⇒ পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি:
- পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি পর্বত দ্বারা বেষ্টিত থাকে।
- এশিয়ার তিব্বত মালভূমি একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি।
- এটি উত্তরে কুনলুন পর্বতমালা এবং দক্ষিণে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত।
- এছাড়া তারিম মালভূমি, মঙ্গোলিয়া, বলিভিয়া ও মেক্সিকো পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি।

অন্যদিকে,
- দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া এবং উত্তর আমেরিকার কলোরাডো মালভূমি হলো পাদদেশীয় মালভূমি।
- ভারতীয় উপদ্বীপ, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, গ্রিনল্যান্ড, সৌদি আরব, এন্টার্কটিকা প্রভৃতি হলো মহাদেশীয় মালভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৭১.
ভরা কটাল বা তেজ কটাল কখন হয়?
  1. চন্দ্র এবং সূর্য এক সরলরেখায় অবস্থান করলে
  2. চন্দ্র পৃথিবীর বিপরীত পাশে অবস্থান করলে
  3. সূর্য পৃথিবীর পাশে অবস্থান করলে
  4. চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে অবস্থান করলে 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা:
- পৃথিবীর সঙ্গে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের প্রভাবে সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়।
- জোয়ার-ভাটা হলো সমুদ্রপানির সেই ওঠানামা, যা মহাকর্ষ শক্তি ও কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে ঘটে।
- সমুদ্রের পানি এক জায়গায় ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলা হয়।
- প্রতিদিন সমুদ্রের একই স্থানে সাধারণত দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা দেখা যায়।

- যদিও সূর্য চন্দ্রের তুলনায় অনেক বড় (চন্দ্র অপেক্ষা প্রায় ২.৬ কোটি গুণ এবং পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ), সূর্য পৃথিবী থেকে অনেক দূরে (প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার) এবং চন্দ্র পৃথিবী থেকে তুলনামূলকভাবে কাছাকাছি (প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার) অবস্থানে থাকে। তাই পৃথিবীতে চন্দ্রের আকর্ষণ সূর্যের চেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে, ফলে জোয়ার-ভাটায় চাঁদের প্রভাব প্রধান।

- জোয়ার-ভাটা প্রধানত চার ধরনের:

ভরা কটাল বা তেজ কটাল:
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময়ে চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে, তাদের মিলিত তীব্র আকর্ষণ শক্তির কারণে সমুদ্রে প্রচণ্ড ও উঁচু জোয়ার সৃষ্টি হয়।
- এই জোয়ারকে ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলা হয়।
- এই সময়ে ভাটার তীব্রতাও বেশি থাকে। প্রতি মাসে অমাবস্যা ও পূর্ণিমার সময় এটি ঘটে।
- সিজিগি বা Syzygy অবস্থায়, অর্থাৎ চাঁদ, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় থাকলে, সমুদ্রের পানি স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক উঁচুতে ওঠে এবং ভাটার সময় জল খুব কমে যায়।
- মূলত মহাকর্ষ শক্তির প্রভাবে সমুদ্রে ব্যাপক জলস্ফীতি ঘটে, যা উপকূলীয় অঞ্চলে জোয়ারের প্রবলতা বৃদ্ধি করে।

• মুখ্য জোয়ার:
- মুখ্য জোয়ার (Direct Tide) হলো সেই জোয়ার, যা পৃথিবীর সেই স্থানে ঘটে যেখানে চাঁদের আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
- চাঁদ ও পৃথিবীর পারস্পরিক মহাকর্ষের কারণে এই জোয়ার সৃষ্টি হয় এবং চাঁদ যে পাশে অবস্থান করে, সেই পাশেই জলরাশি ফুলে ওঠে।
- মুখ্য জোয়ার সাধারণত প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘটে এবং গৌণ জোয়ারের চেয়ে শক্তিশালী।

• গৌণ জোয়ার: 
- গৌণ জোয়ার (Neap Tide) হলো সেই জোয়ার, যা পৃথিবীর সেই অংশে সৃষ্টি হয় যা মুখ্য জোয়ারের ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থান করে।
- চাঁদের সরাসরি আকর্ষণ না থাকলেও, পৃথিবীর আবর্তনের কারণে তৈরি কেন্দ্রাতিগ বলের প্রভাবে এই অঞ্চলের জলরাশি ফুলে ওঠে। 
- গৌণ জোয়ার হলো চাঁদের বিপরীত পাশে সৃষ্টি হওয়া জোয়ার, যা পৃথিবীর ঘূর্ণন ও কেন্দ্রাতিগ বলের কারণে ঘটে। 
- এটি মুখ্য জোয়ারের তুলনায় কিছুটা দুর্বল হয়।

• মরা কটাল:
- অষ্টমী বা সপ্তমী তিথিতে চাঁদ ও সূর্য পৃথিবীর সাথে সমকোণে অবস্থান করলে তাদের বিপরীতমুখী আকর্ষণ শক্তির প্রভাবে সমুদ্রের জলরাশি খুব বেশি ফুলে ওঠে না।
- এই সময়ে সৃষ্টি হওয়া মৃদু বা দুর্বল জোয়ার-ভাটাকে মরা কোটাল বা Neap Tide (নিপ টাইড) বলা হয়।
- সাধারণত শুক্লপক্ষ ও কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী বা সপ্তমী তিথিতে এটি ঘটে।
- মরা কোটালে সূর্যের আকর্ষণ চাঁদের আকর্ষণের বিপরীতে কাজ করে, ফলে জলস্তর খুব বেশি উঁচু হয় না এবং ভাটার তীব্রতা কমে যায়, পানি অনেক কম নামে।
- তাই এটি 'মরা জোয়ার' বা 'মৃদু জোয়ার' নামেও পরিচিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৮৭২.
সাইক্লোনে বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় কত থাকে?
  1. ক) ৫০ কিলোমিটার বা তার বেশি
  2. খ) ৫৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
  3. গ) ৬০ কিলোমিটার বা তার বেশি
  4. ঘ) ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
ব্যাখ্যা
সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়।
- বঙ্গোসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৭৩.
নিচের কোনটি সীমান্তবর্তী জেলা নয়?
  1. কক্সবাজার
  2. কিশোরগঞ্জ
  3. হবিগঞ্জ
  4. রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানামারের স্থলসীমান্ত বিদ্যমান।
- এর মধ্যে ভারতের সাথে হবিগঞ্জ ও রাঙামাটিসহ ৩০টি জেলার এবং মিয়ানমারের সাথে রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার সীমান্ত বিদ্যমান।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।
অন্যদিকে, কিশোরগঞ্জ সীমান্তবর্তী জেলা নয়।
(সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
২,৮৭৪.
২৩°.৩০' দক্ষিণ অক্ষরেখার অপর নাম কী?
  1. সুমেরুবৃত্ত
  2. মকরক্রান্তি রেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. কুমেরুবৃত্ত
ব্যাখ্যা
• মকরক্রান্তি রেখা: ২৩.৫° বা ২৩°.৩০' দক্ষিণ অক্ষরেখা।

অন্যদিকে,
- কর্কটক্রান্তি রেখা: ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
- সুমেরুবৃত্ত: ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
- কুমেরুবৃত্ত: ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
২,৮৭৫.
ভূমিকম্পের কেন্দ্র উপকেন্দ্রের সঙ্গে কয় ধরনের পরিমাপ সম্পর্কযুক্ত?
  1. ক) ৩ ধরনের
  2. খ) ৪ ধরনের
  3. গ) ৫ ধরনের
  4. ঘ) ৬ ধরনের
ব্যাখ্যা
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র উপকেন্দ্রের সঙ্গে তিন ধরনের পরিমাপ সম্পর্কযুক্ত।

• ভূমিকম্প:

- ১৫৪৮ সাল থেকে বাংলাদেশে এবং তৎসংলগ্ন এলাকাতে ভূমিকম্প সংক্রান্ত রেকর্ড সংগ্রহ শুরু হয়।                 
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র উপকেন্দ্রের সঙ্গে তিন ধরনের পরিমাপ সম্পর্কযুক্ত।
- অগভীর কেন্দ্র (০-৭০ কিলােমিটার), মধ্য পর্যায়ের কেন্দ্র (৭০- ৩০০ কিলােমিটার) এবং গভীর কেন্দ্র (১,৩০০ কিলােমিটার)।
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উপকেন্দ্র না থাকলেও সংলগ্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব হিসেবে বাংলাদেশেও ভূকম্পন অনুভূত হয়।

এছাড়াও,
- সমগ্র বাংলাদেশকে ৪টি ভূ-কম্পন অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- ২০২০ সালের 'Bangladesh National Building Code' (BNBC) রিপোর্টে ৪টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে।
- অঞ্চলগুলো হলো -
১) খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল।)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36
২) গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28
৩) মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)
এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.2
৪) কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল -- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৮৭৬.
কোনটি জলবায়ুর উপাদান নয়?
  1. ক) আর্দ্রতা
  2. খ) বায়ুপ্রবাহ
  3. গ) সমুদ্রস্রোত
  4. ঘ) উষ্ণতা
ব্যাখ্যা
কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুর তাপ, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘাচ্ছন্নতা, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন সামগ্রিক অবস্থাকে সেই দিনের আবহাওয়া বলে।
কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে। কাজেই জলবায়ু কোন একটি অঞ্চলের অনেক দিনের বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তর বা ট্রপোমন্ডলের সামগ্রিক অবস্থা।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদানগুলো হলো-
বায়ুর তাপ/উষ্ণতা,
বায়ুর চাপ,
বায়ুর আর্দ্রতা ও
বারিপাত।
অপশন গুলোতে সমুদ্রস্রোত জলবায়ুর উপাদান নয় এটি জলবায়ুর নিয়ামক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৭৭.
দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমিতে কোন যুগের পাহাড় দেখা যায়?
  1. সাম্প্রতিককালের
  2. টারশিয়ারি যুগে
  3. প্লাইস্টোসিনকালের
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।

মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
- টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর এবং গাজীপুর জেলার ভাওয়ালের গড় নিয়ে এলাকাটি গঠিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের দ্বিতীয় বৃহত্তম উঁচুভূমি।
- সমভূমি থেকে এর গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- এটি দেশের গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

লালমাই পাহাড়: 
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
- এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার।
- গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭৮.
'তিব্বত মালভূমি' কোন শ্রেণির মালভূমি?
  1. পাদদেশীয় মালভূমি
  2. পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি
  3. ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি
  4. মহাদেশীয় মালভূমি
ব্যাখ্যা

মালভূমি:
- পর্বত থেকে কম উচ্চতার তবে সমভূমি থেকে অধিক উচ্চতার খাড়া ঢালযুক্ত বিস্তীর্ণ সমতল ভূমিকে মালভূমি বলে। 
​- মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে। 
​- অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন ধরনের। যথা- 
​(ক) পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি;
​(খ) পাদদেশীয় মালভূমি;
​(গ) মহাদেশীয় মালভূমি।

পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি: 
​- পর্বতের মধ্যখানে এই প্রকারের মালভূমি দেখতে পাওয়া যায়। 
​- এই মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৩,০০০ থেকে ৪,৫০০ মিটার হয়ে থাকে। 
​- তিব্বত মালভূমি একটি পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি। 
​- এই পর্বতের উত্তরে কুনলুন ও দক্ষিণে হিমালয় পর্বত এবং পূর্ব-পশ্চিমের অন্যান্য পর্বত ঘিরে আছে। 
​- দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো এবং এশিয়ার মঙ্গোলিয়া এ ধরনের মালভূমি।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৭৯.
সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ কোনটি?
  1. ক) হুরন হ্রদ
  2. খ) লেক আসাল
  3. গ) বৈকাল হ্রদ
  4. ঘ) টিটিকাকা হ্রদ
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ হলো জিবুতিতে অবস্থিত লেক আসাল।
অন্যদিকে,
- বৈকাল পৃথিবীর গভীরতম (১,৬২০ মিটার) এবং প্রাচীনতম হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর : পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ
- টিটিকাকা (বলিভিয়া) : পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ
- সুপিরিয়র (যুক্তরাষ্ট্র) : বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ।
(তথ্যসূত্রঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা)
২,৮৮০.
ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোগকারী প্রণালী কোনটি?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. পানামা খাল
  4. পক প্রণালী
ব্যাখ্যা
জিব্রাল্টার প্রণালী:

- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,৮৮১.
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাঁচটি
  4. সাতটি
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন -
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।
• এগুলো হলো- 
- মরুকরণ,
- বন্যা,
- ঝড়,
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং
- কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা।

উল্লেখ্য,
- এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
- সেই তালিকার ৫টি ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে নাম আছে বাংলাদেশের।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে বাংলাদেশ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৮২.
রোম কে বলা হয় -
  1. সাত পাহাড়ের শহর
  2. চির শান্তির শহর
  3. নীরব শহর
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ন ভৌগলিক উপনাম (শহর)
- উদ্যানের শহর - শিকাগো।
- বিগ এ্যাপল - নিউওইয়র্ক।
- গোলাপী শহর -জয়পুর, রাজস্থান।
- চির বসন্তের নগরী - কিটো, ইকুয়েডর।
- সাত পাহাড়ের শহর - রোম।
- চির শান্তির শহর - রোম।
- নীরব শহর - রোম।
- নিষিদ্ধ শহর - লাসা, তিব্বত।
- মসজিদের শহর - ঢাকা ও ইস্তাম্বুল।
- মন্দিরের শহর - বেনারস।
- স্বর্ণ নগরী - জোহান্সবার্গ।
- সম্মেলনের শহর - জেনেভা।
- গ্রানাইটের শহর - এভারডিন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
২,৮৮৩.
এশিয়াকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. বেরিং প্রণালী 
  2. হরমুজ প্রণালী 
  3. ফ্লোরিডা প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা

বসফরাস প্রণালী:
- পৃথক করেছে: এশিয়া ও ইউরোপ।
- সংযুক্ত করেছে: কৃষ্ণ সাগর ও মরমর সাগর।
- বসফরাস প্রণালী ১৯ মাইল দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ প্রস্থ উত্তর প্রান্তে ২.৩ মাইল।

অপরদিকে,
- বেরিং প্রণালী: আমেরিকা-এশিয়া পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালী: ইরান-আরব আমিরাত পৃথক করেছে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী: কিউবা-ফ্লোরিডা পৃথক করেছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২,৮৮৪.
বাংলাদেশের সর্বপূর্বে অবস্থিত উপজেলা কোনটি?
  1. ক) জকিগঞ্জ
  2. খ) থানচি
  3. গ) নাইক্ষ্যংছড়ি
  4. ঘ) টেকনাফ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বপূর্বের:
- স্থান : আখাইনঠং
- উপজেলা : থানচি
- জেলা : বান্দরবান
সর্বপশ্চিমের:
- স্থান : মনাকষা
- উপজেলা : শিবগঞ্জ
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ
সর্বদক্ষিণের:
- স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ
- উপজেলা : টেকনাফ
- জেলা : কক্সবাজার
সর্বউত্তরের:
- স্থান : বাংলাবান্দা
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া
- জেলা : পঞ্চগড়।
(সূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
২,৮৮৫.
চিম্বুক পাহাড় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) রাঙ্গামাটি
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

- চিম্বুক পাহাড় অবস্থিত বান্দরবান জেলায়।
- বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুকের পরিচিত অনেক পুরনো। পাহাড়ের এই দৃশ্যটি অতি চমৎকার। এ পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য যেকোনো পর্যটককে মুগ্ধ করবে।
- এটিকে কালাপাহাড়ও বলা হয়।
- এটিকে বাংলাদেশের পাহাড়ের রানী বলা হয়।

উৎস: bandarban.gov.bd

২,৮৮৬.
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র বিভক্তকারী সীমারেখা কোনটি?
  1. ক) হিন্ডারবার্গ লাইন
  2. খ) ম্যাকনামারা লাইন
  3. গ) সনোরা লাইন
  4. ঘ) ডুরান্ড লাইন
ব্যাখ্যা
• সীমারেখা: 
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র বিভক্তকারী সীমারেখা - সনোরা লাইন।

এছাড়াও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা: 
- ওডারনিস লাইন – জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- হিন্ডেনবার্গ লাইন – জার্মানি ও ফ্রান্স (ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট)
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
২,৮৮৭.
'লাইন অব ডিমারকেশন' কোন দুইটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা?
  1. ভারত ও চীন
  2. পর্তুগাল ও স্পেন
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাগিনট লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- সিগফ্রেড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- হিনডেন বার্গ লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ): ভারত ও পাকিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন,
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,
- ইংলিশ চ্যানেল: ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স,
- ওডার-নাইসে লাইন: পূর্বতন পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ড,
- গ্রেট চ্যানেল: ভারত (আন্দামান, নিকোবর) ও সুমাত্রা,
- ডানকান প্যাসেজ: গ্রেট আন্দামান ও লিটন আন্দামান,

তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
২,৮৮৮.
স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ কোনটি?
  1. আরব মালভূমির সাইমুম
  2. মিসরের খামসিন
  3. ভারতীয় উপমহাদেশের লু
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্থানীয় বায়ু:
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও বিবিধ ভৌগোলিক কারণে যে বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ।
- রকি পবর্তের চিনুক, ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় মালভূমি থেকে প্রবাহিত মিস্ট্রাল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের পম্পাস অঞ্চলের উত্তরে পাম্পেরু, আড্রিয়াটিক সাগরের পূর্ব উপকূলে বোরা, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালিতে সিরাক্কা, আরব মালভূমির সাইমুম, মিসরের খামসিন ও ভারতীয় উপমহাদেশের লু কয়েকটি স্থানীয় বায়ুর উদাহারণ।
- উপত্যকা ও পার্বত্য বায়ু দিনের বেলায় পর্বতের গা বেয়ে উপরের দিকে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে উপত্যকা বায়ু।
- ভূমির বন্ধুরতায় পার্বত্য অঞ্চলে বায়ুপ্রবাহ ভিন্নরকম হয়। দিনের বেলায় পর্বত উপত্যকার তলদেশ থেকেও পর্বত গাত্র অনেক বেশি উষ্ণ হয়। এসময় পর্বতের পাদদেশের নিম্নচাপ ও উপত্যকার তলদেশে উচ্চচাপ সৃষ্টি হয় বলেই এই ধরনের বায়ুপ্রবাহ সৃষ্ট হয়।
- অপরদিকে রাতের বেলায় তাপ বিকিরণের ফলে পর্বতগাত্র শীতল হয় এবং এ সময় উপত্যকা উষ্ণ থাকে। এসময় পর্বতের গা বেয়ে ভারী ও শীতল বায়ু উপত্যকার নিচের দিকে নেমে আসে। এই প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয় পার্বত্য বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮৯.
এশিয়াকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে -
  1. ক) বেরিং প্রণালী
  2. খ) সুয়েজ খাল
  3. গ) লোহিত সাগর
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

লােহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
এবং বেরিং প্রণালী এশিয়া এবং উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।
উল্লেখ্য, বেরিং প্রণালীর একদিকে অবস্থান করছে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত রাশিয়ার উলেনা এবং অপর পাশে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্গত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা। এই প্রণালীটির সংকীর্ণতম অংশটি মাত্র ৮২ কিমি চওড়া।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ

২,৮৯০.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে কর্মরত বেসরকারি সংস্থা-
  1. ক) অরবিস
  2. খ) রোটারী
  3. গ) ডিজাস্টার ফোরাম
  4. ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আমাদের দেশে কর্মরত বেসরকারি সংস্থাসমূহ যেমনঃ অক্সফাম, ডিজাস্টার ফোরাম, প্রশিকা, সিসিডিবি, বিডিপিসি, কারিতাস, কেয়ার বাংলাদেশ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
২,৮৯১.
কোন প্রণালি কৃষ্ণসাগর ও অ্যাজভ সাগরকে সংযুক্ত করেছে?
  1. ডোভার প্রণালি
  2. দার্দানেলিস প্রণালি
  3. বেরিং প্রণালি
  4. কার্চ প্রণালি
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণসাগর ও অ্যাজভ সাগর কার্চ প্রণালি দ্বারা পরস্পরের সাথে যুক্ত। এই প্রণালি রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে পৃথক করেছে।
অ্যাজভ সাগরের তীরে ইউক্রেনের মারিয়াপোল ও রাশিয়ার রোস্টভ সমুদ্রবন্দর অবস্থিত। ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কার্চ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
২,৮৯২.
পামীর মালভূমি সম্পর্কে কোনটি সত্য নয়?
  1. ক) পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি
  2. খ) উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার
  3. গ) পৃথিবীর ছাদ বলা হয়
  4. ঘ) সিরিয়া ও ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত
ব্যাখ্যা
▪ পৃথিবীর উচ্চতম মালভূমি হলো পামীর মালভূমি।
▪ এটি মধ্য এশিয়ার তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, চীন ও আফগানিস্তানে অবস্থিত।
▪ পামীর মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৭,৬৪৯ মিটার।
▪ পামীর মালভূমিকে ‘পৃথিবীর ছাদ’ বলা হয়।

অন্যদিকে
সিরিয়া ও ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত গোলান মালভূমি।
▪ এশিয়ার তিব্বত মালভূমি একটি পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি। এটি উত্তরে কুনলুন পর্বতমালা এবং দক্ষিণে হিমালয় পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২,৮৯৩.
কোন দেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. টুভ্যালু
  2. কেনিয়া
  3. কিউবা
  4. গায়ানা
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া মহাদেশ:
- ওশেনিয়া হল একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল যা অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরের উপ-অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে।
- ওশেনিয়ায় মোট ১৪টি দেশ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং জনবহুল দেশ।

• ওশেনিয়ার দেশসমূহ:
- অস্ট্রেলিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি, নিউজিল্যান্ড, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবাতি, টোঙ্গা, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, টুভ্যালু, নাউরু।

তথসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২,৮৯৪.
COP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Conference of the Parties
  2. Commission of the Parties
  3. Conference of the Protocol
  4. Conference of the People
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.

- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

উল্লেখ্য,
- কপ-২৮ জলবায়ু সম্মেলন ২০২৩ সালে ৩০ নভেম্বর-১২ ডিসেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হয়।
- কপ- ২৯, ২০২৪ সালে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
২,৮৯৫.
গম্বুজাকৃতির পর্বতের উদাহরণ কোনটি?  
  1. কিলিমাঞ্জারো 
  2. হেনরী 
  3. ফুজিয়ামা
  4. অ্যাপালেচিয়ান
ব্যাখ্যা

- হেনরী পর্বত গম্বুজাকৃতির পর্বত।  

• ল্যাকোলিথ পর্বত (Lacolith Mountain): 

- পৃথিবীর অভ্যন্তরের ম্যাগমা বা গলিত শিলারউপাদানসমূহের সাথে বিবিধ গ্যাস মিশ্রিত অবস্থায় থাকে। 
- এ গ্যাস অনেক সময় ঊর্ধ্বপ্রবাহী হয়ে ভূপৃষ্ঠের দিকে আসতে চেষ্টা করে। 
- এ গ্যাসের সাথে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগমাও থাকে। 
- কিন্তু প্রায়ই তা ওপরে আসার পথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ভূত্বকের নিচেই সঞ্চিত হতে থাকে।
- আস্তে আস্তে চাপ পড়ার ফলে ভূত্বকের শিলা ভেঙে পর্বতের ন্যায় উঁচু হয়ে উঠে এবং তার নিচের ম্যাগমা ক্রমেই কঠিন আকার ধারণ করে।
- এটি দেখতে গম্বুজের মত। এ পর্বতকে ল্যাকোলিথ বা গম্বুজ পর্বত বলে।  
- অনেক ক্ষেত্রে ভূআলোড়নও এ জাতীয় পর্বত গঠনে প্রভাব বিস্তার করে। 

উদাহরণ : আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ডাকোটা প্রদেশের ব্ল‍্যাক হিলস (Black Hills) এবং উতাহ প্রদেশের হেনরী পর্বত ল্যাকোলিথ পর্বতের উদাহরণ।

• ল্যাকোলিথ পর্বতের বৈশিষ্ট্য:
i) ল্যাকোলিথ পর্বত গম্বুজাকৃতির।
(ii) এ ধরনের পর্বতের উচ্চতা কম এবং ঢাল সামান্য খাড়া থাকে।
(iii) এ পর্বত অল্প অঞ্চলব্যাপী অবস্থান করে।
(iv) ল্যাকোলিথ পর্বতে কোনো শৃঙ্গ থাকে না।

অন্যদিকে
জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ। 

• আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।
- পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
- লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।


তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী।  

২,৮৯৬.
'নিশিথ সূর্যের দেশ' হিসেবে পরিচিত কোন দেশ?
  1. নরওয়ে
  2. জাপান
  3. ফিনল্যান্ড
  4. কানাডা 
ব্যাখ্যা
'নিশিথ সূর্যের দেশ':

• নরওয়েকে 'নিশিথ সূর্যের দেশ' বলা হয়। 
• নরওয়ে উত্তর মেরুতে অবস্থিত হওয়ায় মে থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সূর্য অস্ত যায় না। ফলে সবসময়ই আকাশ আলোকিত রাখে, অর্থাৎ এ সময় এখানে সূর্য কখনো সম্পূর্ণ অস্তমিত হয় না । 
• নরওয়ে'তে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সূর্য ওঠে না।  

- অপরদিকে,
• সাদা হাতির দেশ বলা হয় - থাইল্যান্ডকে। 
• সূর্যোদয়ের দেশ - জাপান। 
• ম্যাপল পাতার দেশ - কানাডা।  
• হাজার হ্রদের দেশ - ফিনল্যান্ড।  

তথ্যসূত্র: ব্রিটিনিকা।
২,৮৯৭.
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির গড় উচ্চতা কত?
  1. প্রায় ৯ মিটার
  2. প্রায় ১৯ মিটার
  3. প্রায় ২১ মিটার
  4. প্রায় ৩০ মিটার
ব্যাখ্যা
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তর্ভুক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্ৰহ্মপুত্ৰ, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।
- এই অঞ্চলের মোট আয়তন ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম এ এলাকার নদীগুলো প্রায়ই গতি পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন পললভূমি গঠিত হতে দেখা যায়।
- এ সমভূমির গড় উচ্চতা প্রায় ৯ মিটার।
- প্লাবন সমভূমি পলি দ্বারা গঠিত বলে এ অঞ্চলের মাটির উর্বরতা তুলনামূলকভাবে অন্য এলাকার চেয়ে অনেক বেশি।
- এ এলাকাতে বিচ্ছিন্নভাবে বিল-ঝিল, হাওড়- বাঁওড় ছড়িয়ে রয়েছে যা দেশের ভূ-প্রকৃতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
- দেশের সমগ্র সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি একই ধরনের নয় বলে একে আবার নিম্নলিখিত কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে আলোচনা করা যায়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯৮.
নিচের কোন নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতে নয়?
  1. ক) মহানন্দা
  2. খ) কর্ণফুলী
  3. গ) সাঙ্গু
  4. ঘ) ফেনী
ব্যাখ্যা
মহানন্দা: হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং এর নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বত হতে মহানন্দা নদী উৎপত্তি
হয়েছে। ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা
দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে। অত:পর ভারতের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে
চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মার মিলিত হয়েছে। নাগর, ট্যাংগন ও
পুণর্ভবা এর উপনদী।

কর্ণফুলী: কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এরপর রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার
উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এটি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান নদী। এ নদীর দৈর্ঘ্য
২৭৪ কিলোমিটার। কর্ণফুলির প্রধান উপনদী কাসালং, হালদা ও বোয়ালখালি। রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই নামক স্থানে কর্ণফুলী
নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০
মেগাওয়াট। দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দরটি বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।

সাঙ্গু: সাঙ্গু নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত আরাকান পাহাড়ে উৎপন্ন হয়েছে। অত:পর
বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

ফেনী: ফেনী নদী ভারতের ত্রিপুরার পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়েছে। ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে
স›দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এ নদীটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক জেলা ফেনীর নামে পরিচিত এবং
ফেনী জেলাতেই অবস্থিত।

উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৮৯৯.
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর নামকরণ করেছে কোন দেশ?
  1. ওমান
  2. মালদ্বীপ
  3. মিয়ানমার
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’:
- ২৬ মে, ২০২৪ সালের রাত ৮টার দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করে।
- ঘূর্ণিঝড়টির বিস্তৃতি ছিল প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
- ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এর নামকরণ করেছে ওমান।
- আরবিতে যার অর্থ বালি।

উৎস: ইত্তেফাক, ২৫ মে ২০২৪ ও বণিক বার্তা, ২৭ মে ২০২৪।
২,৯০০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. দিনাজপুর
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• কয়লা:
- বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কয়লা খনি।
- এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে।
- এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

উৎস: পার্বতীপুর উপজেলা ওয়েবসাইট।