বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ২০ / ৭২ · ১,৯০১২,০০০ / ৭,১৯১

১,৯০১.
সম্প্রতি UNHCR প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলবায়ু সংকটের কারণে গত এক দশকে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা কত? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১০ কোটি
  2. ১৫ কোটি
  3. ২৫ কোটি
  4. ২৮ কোটি
ব্যাখ্যা

এক দশকে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা:
- সম্প্রতি UNHCR প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জলবায়ু সংকটের কারণে গত এক দশকে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ২৫ কোটি।

⇒ জলবায়ু সংকটের কারণে মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়া নিয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা UNHCR। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ বছর ২৫ কোটি হিসাবে প্রতিদিন বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ।
- ‘নো স্কেপ-২: দ্য ওয়ে ফরওয়ার্ড’ বা ‘পালানোর পথ নেই-২: আগামীর দিশা’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যা, ঝড়, খরা ও তীব্র তাপমাত্রার মতো আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঘটনা ও সংঘাত বাড়ছে। পাশাপাশি ধীরে ধীরে আঘাত হানা বিভিন্ন দুর্যোগ, যেমন বন উজাড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, বাস্তুসংস্থান ধ্বংস, খাবার ও পানির নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলছে।
- সংঘাত ও জলবায়ুর কারণে মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে—এমন দেশের সংখ্যা ২০০৯ সাল থেকে তিন গুণ হয়েছে বলে জানিয়েছে UNHCR।
- ২০৪০ সাল নাগাদ চরম জলবায়ু বিপর্যয়ের মুখে পড়া দেশের সংখ্যা ৩ থেকে বেড়ে ৬৫–তে পৌঁছাতে পারে। আর ২০৫০ সাল নাগাদ গাম্বিয়া, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, সেনেগাল ও মালির ১৫টি শরণার্থীশিবির বছরে প্রায় ২০০ দিন বিপর্যয়কর তাপমাত্রার মুখে পড়তে পারে।

উৎস: প্রথম আলো। [link]

১,৯০২.
ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই-
  1. ক) শিলা
  2. খ) শিলামন্ডল
  3. গ) ভূ-ত্বক
  4. ঘ) অশ্মমন্ডল
ব্যাখ্যা
ভুপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। ভূঅভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব সবচেয়ে কম; গড়ে ২০ কিলোমিটার। ভূত্বক মহাদেশের তলদেশে গড়ে ৩৫ কিলােমিটার এবং সমুদ্র তলদেশে তা গড়ে মাত্র ৫ কিলােমিটার পুরু। (রেফারেন্সঃ Geophysics)
১,৯০৩.
কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় কোন খনিজ পাওয়া গেছে?
  1. জিরকন
  2. ম্যাগনেটাইট
  3. মোনাজাইট
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রায় ৭১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চলের বঙ্গোপসাগরে রয়েছে অনেক সামুদ্রিক সম্পদ।
- এর তলদেশে ৪৪২ প্রজাতির মৎস্য, ৩৩৬ প্রজাতির মলাঙ্কস (Mollusks), ১৯ প্রজাতির চিংড়ি, নানারকম কাঁকড়া এবং বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক জলজ উদ্ভিদ রয়েছে।
- কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় পারমাণবিক খনিজ জিরকন, মোনাজাইট, ইলমেনাইট, ম্যাগনেটাইট, রিওটাইল ও লিউকক্সেন পাওয়া গেছে।
- এছাড়া সমুদ্র তলদেশে রয়েছে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৯০৪.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের বৈশিষ্ট্য?
  1. মানুষের উপর নিয়ন্ত্রন থাকে
  2. আকস্মিকভাবে ঘটে
  3. শুধুমাত্র শহরে ঘটে
  4. মানুষের কল্পনায় সৃষ্টি হয়
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ:
- যে অবস্থা অস্বাভাবিক ও অসহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করে এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, পরিবেশের ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটে তাই দুর্যোগ।
- এর ফলে বাহ্যিকভাবে ক্ষতিসাধন, জীবনহানি কিংবা পরিবেশগতভাবে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেয়। 
 
• দুর্যোগ বিভিন্নভাবে ও বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। প্রধানত দুর্যোগ দুই ধরনের-
১/ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও
২/ মানবসৃষ্ট দুর্যোগ।
 
•প্রাকৃতিক দুর্যোগ
- প্রাকৃতিক কারণে যে সকল দুর্যোগ সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং সাধারণত এর উপর মানুষের কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না।
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহ।
 
মানবসৃষ্ট দুর্যোগ
- মানুষের অসচেতনতা বা দূরদৃষ্টির অভাবে যে দুর্যোগ সৃষ্টি হয় তাকে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ বলে।
- মানুষের প্রাণহানি ঘটানোর পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়।
- যেমন- যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
 
উৎস- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়; অষ্টম শ্রেণীর বোর্ড বই।
১,৯০৫.
সাভানা তৃণভূমি কোথায় দেখা যায়?
  1. ক) আফ্রিকা
  2. খ) দক্ষিণ আমেরিকা
  3. গ) সাইবেরিয়া
  4. ঘ) পূর্ব ইউরোপ
ব্যাখ্যা
সাভানা হলো আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির দক্ষিণে অবস্থিত একটি বিস্তৃত তৃণভূমি। এটির আয়তন প্রায় ৫০ লক্ষ বর্গমাইল।

এটি সাহারা মরুভূমি ও কালাহারি মরুভূমির মধ্যবর্তী স্থানে সুদান, দক্ষিণ সুদান, কেনিয়া, তাঞ্জানিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা প্রভৃতি দেশজুড়ে বিস্তৃত।

(তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক)
১,৯০৬.
তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হলে কোন ফসলের ওপর তার বিরূপ প্রভাব পড়ে? 
  1. সরিষা
  2. মসুর
  3. ছোলা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

শৈত্যপ্রবাহ: 
- বাংলাদেশে ক্রমান্বয়ে শীতকালের ব্যাপ্তি ও শীতের তীব্রতা দুইই কমে আসছে।
- বেশির ভাগ রবি ফসলেরই স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়ে ফলনের ওপর তার বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ছে।
- এ ছাড়া শীত মৌসুমে উষ্ণ প্রবাহ দেখা দিলে বেশি সংবেদনশীল ফসল যেমন গমের ফলন খুব কমে যায় এবং গম উৎপাদন অলাভজনক হয়।
- হঠাৎ তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হলে সরিষা, মসুর, ছোলা ইত্যাদি ফসলের ওপর তার বিরূপ প্রভাব পড়ে এবং এসব ফসলের পরাগায়ন ব্যাহত হয়ে ফলন খুব কমে যায়
- শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কুয়াশাচ্ছন্ন থাকলে অনেক ফসল বিশেষ করে গমের পরাগায়ন (পলিনেশন) ও গর্ভধারণ (ফার্টিলাইজেশন) না হওয়ায় আংশিক বা সম্পূর্ণ ফসল চিটা হয়ে যায় এবং পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে যায়।

এছাড়াও,
- শৈত্যপ্রবাহের ফলে আমের মুকুল নষ্ট হয় ও নারিকেলের ফলধারণ ব্যাহত হয়।
- বদ্ধ জলাশয়ে কৃত্রিম প্রজনন সমস্যা হতে পারে ফলে সময়মতো পুকুরে ছাড়ার জন্য পোনা মাছ পাওয়া যাবে না।
- তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়ামের ওপরে হলে কিশোর চিংড়ির মৃত্যু হার বাড়বে।
- মাছ ও চিংড়ি প্রজননে ব্যাঘাত ঘটতে পারে বা মাইগ্রেশন ব্যাঘাত ঘটতে পারে।

উৎস: কৃষি সার্ভিস তথ্য।[লিঙ্ক]

১,৯০৭.
পর্তুগাল - স্পেনের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ক) ম্যাকমোহন লাইন
  2. খ) পার্পল লাইন
  3. গ) সনেরা লাইন
  4. ঘ) লাইন অব ডিমারকেশন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:

- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল - স্পেনের মধ্যে সীমানা
- মেক্সিকো -যুক্তরাষ্টের মধ্যকার সীমানা সনেরা লাইন
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত -পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন - ভারত মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল -সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১,৯০৮.
বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় আইলা কখন সংঘটিত হয়?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

• ঘূর্ণিঝড় আইলা:
- ২০০৯ সালের ২৫শে মে পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানা প্রবল ঘূর্ণিঝড় আইলা।
- যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০-৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
- আইলা হলো ২০০৯ সালে উত্তর ভারত মহাসাগরে জন্ম নেওয়া একটি ঘূর্ণিঝড়।
- ২১ মে ভারতের কলকাতা থেকে ৯৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে এর উৎপত্তি।
- তবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ এবং ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাংশে আইলা আঘাত হানে ২৫ মে।
- মালদ্বীপের আবহাওয়াবিদরা এর নাম আইলা দেন।
- ‘আইলা’ শব্দের অর্থ ডলফিন বা শুশুকজাতীয় জলচর প্রাণী।
- নামটি এই ঘূর্ণিঝড়ের জন্য নির্ধারণ করেন জাতিসংঘের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের আবহাওয়াবিদদের সংস্থা ‘ইউএন এস্কেপ’-এর (UN Escape) বিজ্ঞানীরা। 
- ঘূর্ণিঝড় আইলার ব্যাস ছিল প্রায় ৩০০ কিলোমিটার, যা ঘূর্ণিঝড় সিডর থেকে ৫০ কিলোমিটার বেশি।
- এটি ১০ ঘণ্টা সময় নিয়ে উপকূল অতিক্রম করে।
-  বাংলাদেশে আইলা পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালীর হাতিয়া, নিঝুম দ্বীপ, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করেছে।
- আইলার প্রভাবে খুলনা ও সাতক্ষীরায় ৭১১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হয়েছে। এই দুই অঞ্চলে প্রাণ হারিয়েছে মোট ১৯৩ জন।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।

১,৯০৯.
'হালদা ভ্যালি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
হালদা ভ্যালি অবস্থিত - খাগড়াছড়ি।

অন্যদিকে,
- হালদা ভ্যালি - খাগড়াছড়ি।
- সাজেক ভ্যালি - রাঙামাটি।
- বালিশিরা ভ্যালি - মৌলভীবাজার।
- সাঙ্গু ভ্যালি - চট্টগ্রাম।
- ভেঙ্গি ভ্যালি - রাঙামাটি।
- নাপিত খালি ভ্যালি - কক্সবাজার।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক পত্রিকা।
১,৯১০.
আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশের বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. পেরু
  2. ব্রাজিল
  3. চিলি
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশ ১২ টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- দেশগুলো হচ্ছে - ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, পেরু, ভেনেজুয়েলা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, গায়ানা, সুরিনাম।
- স্বাধীন দেশ - ১২ টি।
- জাতিসংঘভুক্ত দেশ  - ১২ টি
- আয়তনে বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- ব্রাজিল, গায়ানা এবং সুরিনাম ছাড়া সবকটিতেই স্প্যানিশ সরকারি ভাষা।
- ব্রাজিলের সরকারী ভাষা পর্তুগিজ। 
 
তথ্যসূত্র: ওয়াল্ড এটলাস।
১,৯১১.
দুর্যোগের আগাম বার্তা মোবাইলে আইভিআর (Interactive Voice Response) পদ্ধতিতে জানতে কোন কোড ডায়েল করতে হয়?
  1. ১০৯০
  2. ১০৯৮
  3. ১৬৪৩০
  4. ৯৯৯
ব্যাখ্যা
দুর্যোগের আগাম বার্তা এবং ইন্টারেকটিভ ভয়েস রেসপন্স (IVR):

- দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মোবাইর ফোনের মাধ্যমে দুর্যোগের আগাম বার্তা চাহিদা মোতাবেক অবহিতকরেণর জন্য টোল ফ্রি Interactive Voice Response (IVR) পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।
- যে কোন মোবাইল ফোন হতে ১০৯০ টোল ফ্রি নম্বরে ডায়াল করে, 
১ ডায়াল করলে সমুদ্রগামী জেলেদের জন্য আবহাওয়া বার্তা;
২ ডায়াল করলে নদী বন্দরসমূহের জন্য সতর্ক সংকেত;
৩ ডায়াল করলে দৈনন্দিন আবহাওয়া বার্তা;
৪ ডায়াল করলে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্ক সংকেত;
৫ ডায়াল করলে দেশের বন্যা তথা বিভিন্ন নদ/নদীর পানি হ্রাসবৃদ্ধি অবস্থা সম্পর্কিত তথ্য অবহিত হওয়া যাবে।

এছাড়াও কিছু জরুরি সেবা নম্বর- 
জরুরি সেবা - ৯৯৯
শিশু সহায়তা- ১০৯৮
নারী ও শিশু নির্যাতন- ১০৯
জাতীয় পরিচয়পত্র-১০৫
সরকারি আইন সেবা-১৬৪৩০
দুদক হটলাইন- ১০৬

তথ্যসূত্র: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। লিঙ্ক 
১,৯১২.
বগা লেক কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. থানটি
  2. রুমা
  3. আলীকদম
  4. রোয়াংছড়ি
ব্যাখ্যা

- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার স্বাদু পানির একটি হ্রদ। 
- বান্দরবান শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে বগা লেকের  অবস্থান কেওকারাডং পর্বতের গা ঘেষে, রুমা উপজেলায়।

• দেশের অন্যান্য লেকসমূহ হলো:
- কাপ্তাই লেক: রাঙামাটি -
- বগা লেক: বান্দরবান
- মহামায়া লেক: চট্টগ্রাম
- ফয়'স লেক: চট্টগ্রাম
- ভাটিয়ারি লেক: চট্টগ্রাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৯১৩.
আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় কত অংশ জুড়ে বিস্তৃত?
  1. এক-চতুর্থাংশ
  2. এক-পঞ্চমাংশ
  3. এক-ষষ্ঠাংশ
  4. এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা

আটলান্টিক মহাসাগর:
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম মহাসাগর।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।
- আটলান্টিক মহাসাগর পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশে পৌঁছে উত্তর আমেরিকা এবং পশ্চিমে দক্ষিণ আমেরিকা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি উত্তরে আর্কটিক মহাসাগর থেকে দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিকার কাছে দক্ষিণ মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: Britannica.

১,৯১৪.
পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী কোনটি?
  1. ক) আন্দিজ পর্বতমালা
  2. খ) হিমালয় পর্বতমালা
  3. গ) কারাকোরাম পর্বতমালা
  4. ঘ) রকি পর্বতমালা
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী হলো উত্তর আমেরিকার রকি পর্বতমালা।
- এই পর্বতমালা ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
- কোমল পাললিক শিলায় ভাঁজ পড়ে ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়েছে।

• পর্বতমালা:

- পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী হলো দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার সাতটি দেশজুড়ে বিস্তৃত।

- দৈর্ঘ্যে বিশ্বে ৬ষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে  হিমালয় পর্বতমালা।
- তবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ ‘মাউন্ট এভারেস্ট’ হিমালয়ে অবস্থিত।
- কারাকোরাম পর্বত অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ায়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
১,৯১৫.
'চিত্রা' নদী কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. নড়াইল
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা

• 'চিত্রা' নদী নড়াইল জেলায় অবস্থিত।

এছাড়াও,
- আড়িয়াল খাঁ: মাদারীপুর।
- চেঙি : খাগড়াছড়ি।
- ভৈরব: ঝিনাইদহ।
- কীর্তনখোলা : বরিশাল।
- বুড়িগঙ্গা: ঢাকা।
- গোমতী: কুমিল্লা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৯১৬.
বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল -
  1. উত্তর-পূর্বাঞ্চল
  2. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  3. দক্ষিণ পূর্বাঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল:
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল খরার জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- এই অঞ্চলের রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর প্রভৃতি জেলা খরার জন্যে অত্যধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- অনাবৃষ্টি, দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত অপেক্ষা বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার অধিক হলে সাধারণত খরা দেখা দেয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষ করে রাজশাহী, রংপুর এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কিছু অংশ খরাপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে খরার কারণসমূহ:
- স্বল্প বৃষ্টিপাত: বার্ষিক বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে মাটি আর্দ্রতা হারায় এবং কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- তীব্র গ্রীষ্মকাল: উচ্চ তাপমাত্রা মাটির আর্দ্রতা দ্রুত হ্রাস করে, খরার পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন: বৈশ্বিক উষ্ণায়নে বৃষ্টিপাতের ধরণ বদলে খরার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- নদীপ্রবাহের হ্রাস: নদীপ্রবাহ কমে যাওয়ায় পানির স্তর নেমে যায় এবং পানি সংকট দেখা দেয়।
- আবহাওয়ার চক্র: মাটির আর্দ্রতা কম থাকায় রবি ফসল উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী ও ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯১৭.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরকে স্ট্রাটোমণ্ডল বলা হয়?
  1. প্রথম স্তর
  2. দ্বিতীয় স্তর
  3. তৃতীয় স্তর
  4. চতুর্থ স্তর
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল:
- বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তর হলো স্ট্রাটোমন্ডল বা স্ট্রাটোস্ফিয়ার যা উর্ধ্বে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি এমনই একটি স্তর যা জলীয়বাষ্পবিহীন।
- স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমন্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে বলা হয় স্ট্রাটোবিরতি বা স্ট্রাটোপস।
- স্ট্রাটোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ অনেক কম।
- এই স্তরেই ওজোন (O₃) গ্যাসের পরিমাণ বেশি থাকায় সূর্য হতে আগত অতিবেগুনী রশ্মি এই ওজোন স্তর শুষে নেয়।
- এই স্তরের নিম্নে উষ্ণতার তেমন পরিবর্তন না হলেও ১০ কিলোমিটার থেকে ধীরে ধীরে উষ্ণতা বাড়তে বা ওজোনোস্ফিয়ার থাকে। এই উষ্ণতা বৃদ্ধি উচ্চ স্ট্রাটোমন্ডলে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
- পৃথিবীতে প্রাণিজগতের বসবাসের উপকারী পরিবেশ তৈরিতে এই স্তরের ভূমিকা রয়েছে। এই স্তরেই সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনী রশ্মি শোষণ করে নেয়া হয়।
- স্ট্রাটোমন্ডলে ধূলিকণার পরিমাণ নগন্য এবং মেঘ দেখাই যায় না।
- এই স্তরে আবহাওয়া শুষ্ক ও শান্ত থাকে। সাধারণত জেট বিমানগুলো এই স্তর দিয়ে চলাফেরা করতে পারে কারণ ঝড়-বৃষ্টি থাকে না।
- প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে এবং তা স্ট্রাটোমন্ডলের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত পৌছায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯১৮.
দেশে প্রথমবারের মতো কোন জেলার জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার?
  1. রাজশাহী
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
 - পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

• অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১ দশমিক ৬৫ একর জলাভূমি।
এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা মৌজার ১৫ দশমিক শূন্য ৮ একর জলাভূমি।

-  জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মানবসৃষ্ট চাপে এই জলাভূমির জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্য প্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।
- একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, গবেষক ও প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জীববৈচিত্র্য শিক্ষাক্ষেত্রে পরিণত হবে।

উৎস: প্রথম আলো লিংক
১,৯১৯.
ব্রক্ষপুত্র কোথায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. লালমনিরহাট
  2. নীলাফামারী
  3. গাইবান্ধা
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

• ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা:
- তিব্বতের মানস সরোবরে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে।
- আসাম হয়ে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলায় এটি প্রবেশ করেছে।
- ব্রহ্মপুত্রের প্রধান ধারাটি এক সময়ে ময়মনসিংহের মধ্য দিয়ে উত্তর-পশ্চিমদিক থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকে আড়াআড়িভাবে প্রবাহিত হতো।
- কিন্তু ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতার বাইরে চলে যায় এবং নতুন স্রোতধারার একটি শাখা নদীর সৃষ্টি হয়।

⇒ এই নতুন স্রোত ধারাটি যমুনা নামে পরিচিত হয়। 
- এটি দক্ষিণে গোয়ালন্দ পর্যন্ত যমুনা নদী বলে পরিচিত।
- যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী-বুড়িগঙ্গা।
- ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের উপনদী। 
- করতোয়া ও আত্রাই হলো যমুনার উপনদী। 
- ব্রহ্মপুত্রের দৈর্ঘ্য ২৮৯৭ কি.মি.। 
- এর অববাহিকার আয়তন ৫,৮০,১৬০ বর্গ কি.মি. যার ৪৪,০৩০ বর্গ কি.মি. বাংলাদেশে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়-৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২৫ সালের সংস্করণ)

১,৯২০.
হরমুজ প্রণালী কোন দেশকে আরব উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে?
  1. ইরান
  2. ওমান
  3. জর্ডান
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালী।
- হরমুজ প্রণালী আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- এই প্রণালীর ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।
- হরমুজ প্রণালী সংকীর্ণ হতে পারে।
- কিন্তু জ্বালানী তেল বহনের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাহাজ চলাচল করার জন্য বিখ্যাত হরমুজ প্রণালী।
- পৃথিবীতে যে পরিমাণ জ্বালানী তেল রপ্তানি হয়, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১,৯২১.
বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ জলমহাল গ্রুপ 'টাঙ্গুয়ার হাওর' এর অবস্থান কোন কোন উপজেলা নিয়ে?
  1. ক) দিরাই এবং তাহিরপুর
  2. খ) জগন্নাথপুর এবং বিশ্বম্ভরপুর
  3. গ) ধর্মপাশা এবং জামালগঞ্জ
  4. ঘ) ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর (Tanguar Haor)  
• টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলাস্থিত জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির এ হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
• এ হাওরটিতে ছোটবড় ১২০টি বিল রয়েছে। ৪৬টি গ্রামসহ পুরো হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
• কেবল সুনামগঞ্জ নয়, গোটা বাংলাদেশেই হাওরটি শীতের অতিথি পাখিদের ‘স্বর্গরাজ্য’ হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর এখানে প্রায় ২০০ প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন ঘটে।
• টাঙ্গুয়ার হাওরকে ২০০০ সালের ১০ জুলাই ১০৩১তম রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।

তথ্যসূত্র:- সুনামগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৯২২.
এশিয়ার প্রলয়ঙ্করী সুনামীর উৎস কোথায় ছিল?
  1. ভারতের অস্ত্র উপকূলে
  2. থাইল্যান্ডের ফুকেটে
  3. ইন্দোনেশিয়ার বালিতে
  4. ইন্দোনেশিয়ার আচেহতে
ব্যাখ্যা
সুনামি:

- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর এশিয়ার প্রলয়ঙ্করী সুনামী ঘটে।
- উৎপত্তি স্থল ছিল ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে।
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি আচেহ প্রদেশে ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে  সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। 
- এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৯২৩.
বাংলাদেশের ছয় ঋতুর সঠিক অনুক্রম কোনটি?
  1. ক) গ্রীষ্ম, বর্ষা, বসন্ত, হেমন্ত, শীত ও শরৎ
  2. খ) বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত ও গ্রীষ্ম
  3. গ) শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা
  4. ঘ) গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এদেশে ঋতুর আবির্ভাব ঘটে এবং সেগুলি পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের দরুণ এখানকার জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।
- যদিও বাংলাদেশের জলবায়ু প্রধানত উপক্রান্তীয় মৌসুমি প্রকৃতির তথা উষ্ণ ও আর্দ্র, তথাপি প্রচলিত বাংলা বর্ষপঞ্জিতে বছরকে ছয়টি ঋতুতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা: গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। প্রতি দু মাস অন্তর ঋতু বদল হয়।
উল্লেখ্য যে, সব সময় নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ঋতুপরিবর্তন সীমাবদ্ধ থাকে না, কখনও কখনও কোনো কোনো ঋতুর শুরু ও শেষ কিংবা ব্যাপ্তিতে পরিবর্তন ঘটে।
- প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশে সুস্পষ্ট তিনটি ঋতু বিদ্যমান: মার্চ মাস থেকে মে মাস (ফাল্গুন-চৈত্র থেকে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত বিরাজমান প্রাক মৌসুমি গ্রীষ্মকাল, জুন থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যভাগ (জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় থেকে আশ্বিন-কার্তিক) পর্যন্ত বিরাজমান মৌসুমি বায়ুসৃষ্ট বর্ষাকাল এবং মধ্য-অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষভাগ (কার্তিক-অগ্রহায়ন থেকে মাঘ-ফাল্গুন) পর্যন্ত বিরাজমান শুষ্ক শীতকাল। 

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১,৯২৪.
“নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল” নামে কোন স্থানটি পরিচিত?
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. চলন বিল
  3. হাকালুকি হাওর
  4. উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর:
- “নয় কুড়ি কান্দার ছয় কুড়ি বিল” নামে পরিচিত হাওরটি হলো টাঙ্গুয়ার হাওর,
- এটি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে স্বীকৃত একটি আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।

অন্যদিকে - 
হাকালুকি হাওর:
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।

• চলন বিল:
- চলন বিল (Chalan Beel) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল এবং সমৃদ্ধতম জলাভূমিগুলির একটি।
- বিলটি সংলগ্ন তিনটি জেলা রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ-এর অংশবিশেষ জুড়ে অবস্থান করছে।

সূত্র: সুনামগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
১,৯২৫.
নিচের কোনটি আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) নোয়াখালী
  3. গ) বরগুনা
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়। এগুলো হলো:-
১। বৃষ্টিজনিত বন্যা
২। উপকূলীয় বন্যা
৩। নদীসৃষ্ট বন্যা
৪। আকস্মিক বন্যা।

আকস্মিক বন্যা
• এপ্রিল-মে, সেপ্টেম্বর-নভেম্বর মাসে স্থানীয় পযার্য়ে স্বল্পস্থায়ী ভারি বর্ষণের দরুন পাহাড়ি নদীর পানি উপচে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত এলাকায় আকস্মিক ভাবে যে বন্যা দেখা যায় তাকে আকস্মিক বন্যা বলে।
• এদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি প্রভৃতি আকস্মিক বন্যাপ্রবণ জেলা।
• আকস্মিক বন্যায় হাওরাঞ্চলের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বন্যা সাড়াদান ও প্রস্তুতি পরিকল্পনা : বাংলাদেশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯২৬.
Name of the Canal/strait joining the Red Sea with the Mediteranean Sea is
  1. ক) Panama
  2. খ) Suez
  3. গ) Kiel
  4. ঘ) None
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:

- এটি একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল যা লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে যুক্ত করেছে। 
- ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দ্য লেসেন্সের উদ্যোগে ১৮৫৯ সালে সুয়েজ খালের খননকার্য শুরু হয়।
- ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর খালটি নৌ চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
- শুরুতে খালটি ফ্রান্স ও মিশরের জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হতো।
- পরবর্তীতে মিশর তার ৪৪ ভাগ শেয়ার ব্রিটেনের নিকট বিক্রি করে দেয়।
- ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের গামাল আবদেল নাসের সরকার সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।
- এর ফলে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সাথে মিশরের যুদ্ধ বেধে যায় যা ‘দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ' বা 'সুয়েজ যুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
- বর্তমানে সুয়েজ খাল মিশর সরকারের অধীন ‘সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ' নামে একটি কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
- আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুসারে সুয়েজ খাল সবদেশের জন্যে সকল ধরনের বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজ চলাচলের চন্যে উন্মুক্ত থাকবে।

তথ্যসূত্র - সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১,৯২৭.
ডেড সী বা মৃত সাগর কী?
  1. মৃত সাগর
  2. একটি হ্রদ
  3. একটি সাগর
  4. একটি নদী
ব্যাখ্যা
ডেড সি:
- ডেড সি জর্ডানে অবস্থিত।
- ডেড সি জর্ডান এবং ইসরায়েলের মধ্যে অবস্থিত দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি লবণাক্ত হ্রদ।
- এই প্রাকৃতিক বিস্ময়টি সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে ৪৩০.৫ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
- ডেড সি পৃথিবীর সবচেয়ে লবণাক্ত জলাশয়গুলির মধ্যে একটি, সাধারণ সমুদ্রের জলের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি লবণাক্ত।
- এটি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি হারায়।
- উচ্চ লবণাক্ত স্তর এবং কঠোর জলবায়ু জন্যে ডেড সি তে কোনো মাছ জন্মায় না।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১,৯২৮.
'ম্যাজিনো লাইন' কোন দুটি দেশের মধ্যকার সীমারেখা?
  1. ক) জার্মানি ও অস্ট্রিয়া
  2. খ) জার্মানি ও পোল্যান্ড
  3. গ) জার্মানি ও ফ্রান্স
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• সীমারেখা:
- ম্যাজিনো লাইন : জার্মানি-ফ্রান্স।
- সিগফ্রিড লাইন : জার্মানি-ফ্রান্স।
- ওডারনিস লাইন : জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ম্যানারহেইম লাইন : ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া।  

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা। 
১,৯২৯.
SPARRSO কী?
  1. মহকাশ গবেষণা সংস্থা
  2. বন্যা সতর্কীকরণ কেন্দ্র
  3. ভূমিকম্প পূর্বাভাস কেন্দ্র
  4. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা সংস্থা
ব্যাখ্যা
SPARRSO (Space Research and Remote Sensing Organisations) হলো বাংলাদে সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র।
এটি বাংলাদেশের একমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগের পূর্বাভাস কেন্দ্র। SPARRSO ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: SPARSO ওয়েবসাইট)
১,৯৩০.
কোনটি দ্বারা কোনো স্থানের গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের উপাত্ত প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) আইসোহাইট
  2. খ) আইসোবার
  3. গ) আইসোথার্ম
  4. ঘ) আইসোহেলাইন
ব্যাখ্যা
পরিমাণগত বা ঘনত্ব জ্ঞাপক একই মান বিশিষ্ট বিভিন্ন স্থানকে মানচিত্রের উপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় সেই রেখাকে সমমান রেখা বা Isopleth line বলে। এ রেখা সমমান বিশিষ্ট অঞ্চলের ওপর দিয়ে টানা হয়। 

প্রাকৃতিক বিষয় আবহাওয়া, জলবায়ু ইত্যাদি সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের উপাত্ত প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যেমন- সমতাপ বা সমোষ্ণরেখা, সমচাপ রেখা, সমবর্ষণ রেখা।

সমোষ্ণ রেখা (Isotherm line):  ভূপৃষ্ঠের ওপর সমান তাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যুক্ত করা
হয় সে রেখাকে সমোষ্ণ রেখা বলে ।
সমচাপ রেখা (Isobar line):  ভূপৃষ্ঠের ওপর বায়ুর সমচাপ বিশিষ্ট স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমচাপ রেখা (Isobar line) বলে।
সমবর্ষণ রেখা (Isohyet line): সম বৃষ্টিপাত যুক্ত স্থানগুলোর ওপর দিয়ে যে রেখা টানা হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে । সমান উচ্চতা বিশিষ্ট স্থানগুলোকে মানচিত্রের ওপর যে রেখা দ্বারা যোগ করা হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা বলে।
 
সমবর্ষণ রেখা (Isohyet Line) : ভূ-পৃষ্ঠের একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত বিশিষ্ট স্থানসমূহকে যখন মানচিত্রে রেখা দ্বারা সংযুক্ত করা হয় তখন তাকে বলা হয় সমবর্ষণ রেখা এবং যে মানচিত্রে এ রেখাগুলো দেখানো হয় তাকে সমবর্ষণ রেখা মানচিত্র বলে। সমবর্ষণ রেখা দ্বারা কোনো স্থানের গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের উপাত্ত ইঞ্চিতে প্রকাশ করা হয়। আবহাওয়াবিদ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা সমবর্ষণ রেখার মাধ্যমে দৈনিক বৃষ্টিপাতের পরিমাপের সাথে বিভিন্ন বছরের বিভিন্ন সময়ে বৃষ্টিপাতের পরিমাপের পার্থক্য অনুধাবন করা যায়। 
 
উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৯৩১.
কত সালে 'বজ্রপাতকে' দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা

বজ্রপাত:
- ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।
- বজ্রপাত থেকে নিরাপদে থাকতে কতগুলো সতর্কতামূলক বার্তা প্রচার করবে মন্ত্রণালয়।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত জাতীয় পরিকল্পনায় এর আগে ১২টি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা উল্লেখ ছিল।
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের বজ্রপাত হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

১,৯৩২.
'মারে ডার্লিং' নদী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ঘানা
  2. খ) ব্রাজিল
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়ার নদীসমূহ:

- 'মারে ডার্লিং' নদী অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থিত।
- মারে নদীর দৈর্ঘ্য ২৫০৮ কি.মি.
- ডার্লিং নদীর দৈর্ঘ্য ১৪৭২ কি.মি.
- মুরুমবিজি নদীর দৈর্ঘ্য ১৭৮৫ কি.মি.
- লাচান নদীর দৈর্ঘ্য ১৪৪৮ কি.মি. 
- কুপার ক্রিক নদীর দৈর্ঘ্য ১৩০০ কি.মি.

বিভিন্ন নদীসমূহ,
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি. এবং আফ্রিকাতে অবস্থিত।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬৪০০ কি.মি. এবং দক্ষিন আমেরিকাতে অবস্থিত।
- ইয়াংজি নদীর দৈর্ঘ্য ৬৩০০ কি.মি.। নদীটি চীনে অবস্থিত।
- মিসিসিপি নদীর দৈর্ঘ্য ৫৯৭১ কি.মি. এবং উত্তর আমেরিকাতে অবস্থিত।
- কঙ্গো নদীর দৈর্ঘ্য ৪৭০০ কি.মি.। নদীটি আফ্রিকাতে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
১,৯৩৩.
অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু কোন বায়ুপ্রবাহের অংশ?
  1. ক) সাময়িক বায়ু
  2. খ) অনিয়মিত বায়ু
  3. গ) নিয়ত বায়ু
  4. ঘ) স্থানীয় বায়ু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ:
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়।
- যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়।
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়।

- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার।
• নিয়ত বায়ু
• সাময়িক বায়ু
• স্থানীয় বায়ু
• অনিয়মিত বায়ু

নিয়ত বায়ু:
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ু।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৩৪.
বান্দরবান, খাগড়াছড়ি অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কোন যুগের পাহাড়?
  1. ক) টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  2. খ) প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  3. গ) সাম্প্রতিক কালের পাহাড়
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
- বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
- উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
- এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার ।

• ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ, 
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- এ পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কদম দ্বারা গঠিত।
⇒ রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগের অন্তভুর্ক্ত।
- এ পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
  এগুলো হলো:
ক) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ,
খ) উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশ সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমির অন্তভুর্ক্ত।
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি অঞ্চলটি পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, মেঘনা প্রভৃতি নদ-নদী ও এদের উপনদী, শাখানদী বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত।
- এই অঞ্চলের মোট আয়তন ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের বৃহত্তম এ এলাকার নদীগুলো প্রায়ই গতি পরিবর্তনের কারণে নতুন নতুন পললভূমি গঠিত হতে দেখা যায়। 
- এ সমভূমির গড় উচ্চতা প্রায় ৯ মিটার।
- প্লাবন সমভূমি পলি দ্বারা গঠিত বলে এ অঞ্চলের মাটির উর্বরতা তুলনামূলকভাবে অন্য এলাকার চেয়ে অনেক বেশি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৩৫.
হালদা নদী কিসের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) মাতৃ মৎস ভাণ্ডার
  2. খ) পর্যটন
  3. গ) রামসার সাইট
  4. ঘ) নদী বন্দর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মৎস্য খনি বা মাতৃ মৎস ভাণ্ডার খ্যাত ছোট একটি নদীর নাম হালদা। এই নদী পৃথিবীর একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী যেখানে রুই জাতীয় মাছ ডিম ছাড়ে এবং নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর

১,৯৩৬.
'পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি'র ২৫ বছর পূর্তি হয় -
  1. ক) ২ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে
  2. খ) ২ ডিসেম্বর, ২০২১ সালে
  3. গ) ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  4. ঘ) ১২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
• পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- ২ ডিসেম্বর ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি’।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি’।

 উৎস: লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার ও প্রথম আলো।
১,৯৩৭.
মহানন্দার উপনদী কোনটি?
  1. পুনর্ভবা
  2. নাগর
  3. কুলিক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মহানন্দা (Mahananda):
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দার্জিলিং জেলার নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বতে।
- জলপাইগুড়ি জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের সর্বত্র উত্তরের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করেছে।
- এরপর বাংলাবান্ধা থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বরাবর প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করেছে।
- অত:পর ভারতের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে।
- মহানন্দার উপনদী পুনর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন, পাগলা প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৩৮.
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিলের (NDMC) সভাপতি কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. ত্রাণ মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

NDMC: 
​- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিল (NDMC) বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটি, 
​- এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রী। 
​- এই কাউন্সিল দুর্যোগ পূর্ব প্রস্তুতি, প্রতিক্রিয়া, পুনর্বাসন এবং অভিযোজন কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 
​- NDMC-এর অধীনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কাঠামো গঠিত হয়েছে।
​- প্রধানমন্ত্রী সভাপতি হিসেবে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুমোদন, বাজেট বরাদ্দ, এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় নিশ্চিত করেন।  

​বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ের কমিটি: 
- NDMC = National Disaster Management Council.
- NDMAC = National Disaster Management Advisory Committee
- DDMC = District Disaster Management Committee
- UZDMC = Upazila Disaster Management Committee.
- UDMC = Union Disaster Management Committee

সূত্র: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

১,৯৩৯.
আমাজন নদীর উৎস কোনটি?
  1. ইউরাল পর্বতমালা
  2. আন্দিজ পর্বতমালা
  3. আল্পস পর্বতমালা
  4. ব্রাজিলের উচ্চভূমি
ব্যাখ্যা

আমাজন নদী (Amazon River):
- এটি দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত।
- পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা আমাজন নদীর উৎস
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭,০৬২ কিলোমিটার।
- আমাজন নদী বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এই নদী জাগুয়ার, প্যারাট এবং অগণিত প্রজাতির মাছ, উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল।
- পৃথিবীর মোট নদীর পানিপ্রবাহের প্রায় ২০% আমাজন নদী নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলাধার নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত।
- আমাজন নদী বন উজাড়, জলদূষণ ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া হেকে রক্ষা করে।
- এটি ৬টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে- 
- ব্রাজিল,
- পেরু,
- কলম্বিয়া,
- ভেনেজুয়েলা,
- ইকুয়েডর,
- বোলিভিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ও worldatlas।

১,৯৪০.
আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগরের নাম কী?
  1. হাডসন উপসাগর
  2. বঙ্গোপসাগর
  3. মেক্সিকো উপসাগর
  4. পারস্য উপসাগর
ব্যাখ্যা

• বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর হলো বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর।
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ।
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এ উপসাগরটি পশ্চিমে ভারত ও শ্রীলংকার পূর্ব উপকূল, উত্তরে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীপ্রণালী সৃষ্ট বদ্বীপ এবং পূর্বে মায়ানমার উপদ্বীপ থেকে আন্দামান-নিকোবর শৈলশিরা পর্যন্ত বিস্তৃত ভূভাগ দ্বারা বঙ্গোপসাগর তিনদিকে আবদ্ধ।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন ২৬,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের সবচেয়ে উত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ অবস্থিত। বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।

অন্যদিকে -
- মেক্সিকো উপসাগরের আয়তন ১৫,৪২,৯৮৫ বর্গ কিমি.।
- পারস্য উপসাগরের আয়তন ২,৩৭,৭৬০ বর্গ কিমি.।
- হাডসন উপসাগরের আয়তন ১২,৩০,০০০ বর্গ কিমি.।

তথ্যসূত্র: Britannica.

১,৯৪১.
বাংলাদেশের কৃষি কোন প্রকার? 
  1. ধান-প্রধান বাণিজ্যিক
  2. স্বয়ংভোগী মিশ্র
  3. ধান প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
  4. শস্য চাষ ও পশুপালন ভিত্তিক
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থা ধান প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী প্রকারের।
• স্বয়ং ভোগী কৃষি ব্যবস্থা:
- শুধুমাত্র মানুষ নিজ নিজ প্রয়োজন মেটানোর জন্য যে যে ব্যববস্থা করে থাকে তাকেই স্বয়ং ভোগী চাষ ব্যবস্থা বলে।
• ধান প্রধান নিবিড় কৃষি ব্যবস্থা:
- আর্দ্র মৌসুমী ভাবাপন্ন ঘনবসতিপূর্ণ এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ, ময়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চীন, জাপান,  উত্তর ও দক্ষিন কোরিয়া প্রভৃতি দেশে নিবিড় কৃষি ব্যবস্থা চালু আছে।

উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৪২.
মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা কোনটি?
  1. পঞ্চগড়
  2. খুলনা
  3. যশোর
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সীমান্তবর্তী জেলা:

- বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। তার মধ্যে - 
 → একটি ভারত এবং
 → অপরটি মিয়ানমার।

 → ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা -৩২টি।
 → ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার সংযোগ রয়েছে।
 → মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত থাকা জেলাগুলো হলো - কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবান।
 → ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১,৯৪৩.
মিসিসিপি নদীর উৎপত্তিস্থল -
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. ইটাস্কা হ্রদ
  3. সুপিরিয়র হ্রদ
  4. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
ব্যাখ্যা
মিসিসিপি নদী:
- মিসিসিপি নদী হলো উত্তর আমেরিকার দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- মিসিসিপি নদীর দৈর্ঘ্য ৬২৭০ কি.মি.।
- নদীটির উৎস ইটাস্কা হ্রদ, যা আমেরিকার মিনোসোটার রাজ্যে অবস্থিত।
- মিসিসিপি নদীর প্রশস্ত অংশ বেনা।

উল্লেখ্য,
⇒ বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তিস্থল:
- হোয়াংহো নদী: কুনকুন পর্বত, চিন দেশ।
- দানিয়ুব নদী: ব্ল্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ।
- মারে ডার্লিং নদী: কোমিয়াস্কে, অষ্ট্ৰেলিয়া।
- তিস্তা নদী: সিকিমের পর্বত অঞ্চল।
- নীলনদ: ভিক্টোরিয়া হ্রদ, আফ্রিকা মহাদেশ।
- আমাজান নদী: আন্দিজ পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকা।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪৪.
বাংলাদেশের কোথায় টারশিয়ারি যুগের পাহাড় দেখা যায়?
  1. কুমিল্লা
  2. গাজীপুর
  3. রাঙামাটি
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো:
• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
• সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

অন্যদিকে -
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি প্লাইস্টোসিনকালের সোপানের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৪৫.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন মহাসাগরের উপর দিয়ে গেছে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. উত্তর মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৯৪৬.
বাংলাদেশের কোথায় গন্ধক পাওয়া যায়?
  1. দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া
  2. কক্সবাজারের কুতুবদিয়া
  3. মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায়
  4. দিনাজপুরের মধ্যপাড়া
ব্যাখ্যা
গন্ধকের খনি:
- বাংলাদেশে শুধুমাত্র কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে গন্ধক পাওয়া গেছে।
- সালফিউরিক এসিড, বারুদ ও কীটনাশক তৈরিতে গন্ধক ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও,
- দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ গ্রানাইট পাথরের খনি।
 - বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পাহাড়ে ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে।

উৎস: ভুগোল ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৯৪৭.
ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় কোনটি?
  1. অরুণাচল
  2. মিজোরাম
  3. মেঘালয়
  4. আসাম
ব্যাখ্যা
⇒ সেভেন সিস্টার্সের অরুণাচল রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে - আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১,৯৪৮.
Ben Nevis পর্বতের গঠন কোন ধরনের শিলার সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. চুনাপাথর ও স্যান্ডস্টোন
  2. গ্রানাইট ও অ্যান্ডেসাইট
  3. শেল ও স্লেট 
  4. ডোলোমাইট ও বেসাল্ট
ব্যাখ্যা

Ben Nevis পর্বতের গঠন গ্রানাইট ও অ্যান্ডেসাইট  শিলার সঙ্গে সম্পর্কিত।
-----------------------
বেন নেভিস (Ben Nevis):
- বেন নেভিস হলো ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের সর্বোচ্চ পর্বত। 
- এটি স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ড কাউন্সিল এলাকায় অবস্থিত। 
- এই পর্বত গ্র্যাম্পিয়ান পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।

- পর্বতটির চূড়া প্রায় ১০০ একর (৪০ হেক্টর) আয়তনের একটি মালভূমি;
- যার দক্ষিণাংশ তুলনামূলকভাবে মৃদু ঢালযুক্ত, কিন্তু উত্তর-পূর্ব দিকে রয়েছে খাড়া ও প্রায় উল্লম্ব মুখ।

- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে (Carboniferous Period) পৃথিবীর অভ্যন্তরস্থ ম্যাগমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এখানে বিশাল আগ্নেয়গিরি গঠন করেছিল।
- পরবর্তীতে আগ্নেয় কার্যকলাপ নিস্তেজ হয়ে গেলে, গভীরে জমে থাকা ম্যাগমা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে গ্রানাইট (Granite) শিলায় পরিণত হয়। 
- এই গ্রানাইট স্তরের ওপর আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ থেকে নির্গত লাভা ঠান্ডা হয়ে অ্যান্ডেসাইট (Andesite) শিলা তৈরি করে।

- ফলে Ben Nevis পর্বতের গঠন হয় দুটি স্তরের সমন্বয়ে—
- নিচের স্তর: গভীর আগ্নেয় শিলা — গ্রানাইট,
- উপরের স্তর: বাহ্যিক আগ্নেয় শিলা — অ্যান্ডেসাইট। 

- দীর্ঘ সময়ের ক্ষয় ও ভাঙনের ফলে এই শিলাগুলো ভূপৃষ্ঠে উন্মোচিত হয়ে বর্তমান আকৃতি লাভ করে।
- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হিমবাহ ক্ষয় ও আবহবিকার প্রক্রিয়ায় এর বর্তমান গম্বুজাকৃতি শীর্ষ গঠিত হয়েছে। 

উৎস: Britannica. 

১,৯৪৯.
বাংলাদেশের মোট সীমানা কত?
  1. ক) ৫১৩৮ কিলোমিটার
  2. খ) ৫১৫০ কিলোমিটার
  3. গ) ৫১৪৪ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৫১৪০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্বমোট সীমারেখা - ৫১৩৮কি.মি.[সূত্র:বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ],৪৭১২ কি.মি. [সূত্র:মাধ্যমিক ভূগোল]
বাংলাদেশের সর্বমোট স্থলসীমা - ৪৪২৭ কি.মি.[সূত্র:বি.জি.বি.] ,৩৯৯৫কি.মি. [সূত্র:মাধ্যমিক ভূগোল]
বাংলাদেশ-ভারত সীমারেখা - ৪১৫৬কি.মি. [সূত্র:বি.জি.বি.], ৩৭২৫কি.মি. [সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল]
বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমারেখা - ২৭১কি.মি.[সূত্র:বি.জি.বি.], ২৮০কি.মি.[সূত্র:মাধ্যমিক ভূগোল]
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা - ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪ কি.মি.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা - ১২ নটিক্যাল মাইল
১,৯৫০.
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫: 
​- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন - ১৯৯৫ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের মাধ্যমে - পরিবেশ অধিদপ্তর তৈরি হয়।
- পরিবেশ অধিদপ্তর প্রধান হবে- একজন মহাপরিচালক। 
- এ আইনের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সামগ্রী উৎপাদন, বিক্রয় ইত্যাদির উপর বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়।
- ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য উৎপাদন, আমদানি, মওজুদকরণ, বোঝাইকরণ, পরিবহণ, ইত্যাদি সংক্রান্ত বাধা নিষেধ আরোপ করা হয়।
- জাহাজ কাটা বা ভাঙার কারণে সৃষ্ট দূষণ সংক্রান্ত বাধা-নিষেধ নিষেধ আরোপ করা হয়।

সূত্র: Laws of Bangladesh

১,৯৫১.
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. সিগফ্রিড লাইন
  2. লাইন অফ কন্ট্রোল
  3. হিন্ডারবার্গ লাইন
  4. সনোরা লাইন
ব্যাখ্যা

• লাইন অফ কন্ট্রোল:
- লাইন অফ কন্ট্রোল (Line of Control বা LoC) হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা।
- লাইনটি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর গঠিত হয়।
- এবং ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত সিমলা চুক্তি অনুযায়ী ‘নিয়ন্ত্রণ রেখা’ নামে পরিচিতি পায়।
- LoC প্রায় ৭৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এই লাইন ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণাধীন জম্মু ও কাশ্মীরের অংশকে বিভক্ত করে।
- রেখাটি মূলত সামরিক কমান্ড লাইন হিসেবে কাজ করে।
- ভারতীয় পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং পাকিস্তানি পাশে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
- অনেক অংশে এটি শক্তভাবে নির্দেশিত তারের বেড়া দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। 
- এটি একটি কার্যকরী সীমান্ত হলেও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। 
- LoC মূলত যুদ্ধবিরতি লাইন হিসেবে গঠিত হলেও পরবর্তীতে নিয়ন্ত্রণ রেখা হিসেবে পুনঃনির্ধারিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্তকারী সীমারেখা- সিগফ্রিড লাইন।
- আর জার্মানি ও পোল্যান্ডকে বিভক্তকারী লাইন হচ্ছে- হিন্ডারবার্গ লাইন।
- মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী রেখা হচ্ছে- সনোরা লাইন।

উৎস: Britannica. 

১,৯৫২.
কোন প্রণালী দ্বারা ইস্তানবুল শহর ইউরোপ ও এশিয়ায় বিভক্ত হয়েছে?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. বাবেল মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র।
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালী: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালী: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বাবেল মান্দেব প্রণালী: আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.
১,৯৫৩.
দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. ফেব্রুয়ারি  
  2. এপ্রিল 
  3. জানুযারি
  4. নভেম্বর
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ গোলার্ধ:
- দক্ষিণ গোলার্ধ হল পৃথিবীর দক্ষিণ অংশ।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।

অন্যদিকে,
- উত্তর গোলার্ধে উষ্ণতম মাস জুলাই।
- উত্তর গোলার্ধে শীতলতম মাস জানুয়ারি।

উৎস: Britannica ও World atlas.

১,৯৫৪.
কোনটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর?
  1. গ্রেট ফ্লোরিডা রিফ
  2. মেক্সিকো রিফ
  3. গ্রেট বেরিয়ার রিফ
  4. মেসো আমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রিফ:
- গ্রেট বেরিয়ার রিফ হলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর।
- এটি ২৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় শহর কুইন্সল্যান্ডের কোরাল সাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ায় কুইন্সল্যান্ডের সমুদ্রতটে গড়ে ওঠা এই প্রবাল প্রাচীরটি প্রায় ৩৪,৪৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার স্থান জুড়ে অবস্থিত।
- অর্থাৎ 'গ্রেট বেরিয়ার রিফ' নামের প্রবাল প্রাচীরটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের তীর ঘেঁষে উত্থিত হয়েছে।
- UNESCO এটিকে ১৯৮১ সালে বিশ্ব হেরিটেজ সাইটেও অন্তর্ভুক্ত করে।

সূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
১,৯৫৫.
বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি অনুসারে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত কয়টি শ্রেণিতে বিভক্ত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি অনুসারে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত ৪টি শ্রেণিতে বিভক্ত।
- স্বাভাবিকভাবে ভাসমান মেঘ ঘনীভূত হয়ে পানির ফোঁটা ফোঁটা আকারে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূপৃষ্ঠে পতিত হলে তাকে বৃষ্টিপাত বলে।
- বৃষ্টিপাতের কারণ হলো—
(১) বাতাসে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতি,
(২) ঊর্ধ্ব গমন এবং
৩) বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা হ্রাস পাওয়ার।

জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু যে কারণে উপরে উঠে ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাতে পরিণত হয়। সেই অনুসারে বৃষ্টিপাতের শ্রেণিবিভাজন করা হয়ে থাকে।
বৈশিষ্ট্য ও প্রকৃতি অনুসারে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতকে প্রধানত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
যথা - 
১) পরিচলন বৃষ্টি,
২) শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি,
৩) বায়ুপ্রাচীরজনিত বৃষ্টি ও
(৪) ঘূর্ণি বৃষ্টি।

তথ্যসুত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৫৬.
পলিনেশিয়া (Polynesia) — অঞ্চলের অন্তর্গত দেশ কোনটি?
  1. টোঙ্গা
  2. অস্ট্রেলিয়া 
  3. ভানুয়াতু
  4. কিরিবাতি
ব্যাখ্যা

ওশেনিয়া (Oceania):
- ওশেনিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি বিস্তীর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল। 
- মহাদেশটি অসংখ্য ছোট-বড় দ্বীপ ও একটি প্রধান মূলভূমি—Australia—নিয়ে গঠিত।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মহাদেশ হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে মোট ১৪টি স্বাধীন রাষ্ট্র রয়েছে।
- আয়তন ও জনসংখ্যা—উভয় দিক থেকেই অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়ার বৃহত্তম দেশ।
- অন্যদিকে, আয়তনের দিক থেকে সবচেয়ে ছোট দেশ হলো Nauru।
- আর জনসংখ্যার হিসেবে সবচেয়ে ছোট দেশ Tuvalu।
- অর্থনৈতিক ও সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি New Zealand-ও এই অঞ্চলের অন্যতম উন্নত ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র।

• ওশেনিয়াকে সাধারণত চারটি অংশে ভাগ করা হয়: 
- অস্ট্রালাসিয়া — (অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড);
- মেলানেশিয়া (Melanesia) — ফিজি, নিউ গিনি, ভানুয়াতু; 
-  মাইক্রোনেশিয়া (Micronesia) — কিরিবাতি, নাউরু, পালাউ;
- পলিনেশিয়া (Polynesia) — নিউজিল্যান্ড, টোঙ্গা, সামোয়া, হাওয়াই। 

উৎস: Britannica. 

১,৯৫৭.
সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল কোন দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. মিয়ানমার ও ভারত
  2. বাংলাদেশ ও মিয়ানমার
  3. ভারত ও নেপাল
  4. বাংলাদেশ ও ভারত
ব্যাখ্যা
সাঙ্গু (Shangu):
- সাঙ্গু নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত আরাকান পাহাড়ে উৎপন্ন হয়েছে।
- বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৫৮.
বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র (SPARRSO) সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
  1. ১৯৭৮ সালে 
  2. ১৯৭৯ সালে 
  3. ১৯৮০ সালে 
  4. ১৯৮৫ সালে 
ব্যাখ্যা

• SPARRSO:
- SPARRSO এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organization.
- স্পারসো হলো একটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা যা জ্যোতির্বিদ্যা গবেষণা এবং বাংলাদেশে মহাকাশ প্রযুক্তির প্রয়োগের সাথে জড়িত।
- এটি পরিবেশগত এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত গবেষণায় JAXA, NASA এবং ESA-এর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি সংস্থা।
- অবস্থান: আগারগাঁও, ঢাকা। 
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস দিতে কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- কোম্পানিটি ল্যান্ডস্যাট এবং এনওএ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে ভূমি জরিপ চালায়।
- বাংলাদেশের স্যটেলাইট চিত্র গুলো স্পারসোর তত্ত্বাবধানে থাকে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।  

১,৯৫৯.
গ্রীণল্যান্ড কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) এশিয়া
  2. খ) ইউরোপ
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
Greenland is a constituent country within the Kingdom of Denmark. It is located between Atlantic and Arctic Oceans. Although it has politically and culturally been associated with Europe, it belongs to the North American continent.
Source: worldatlas
১,৯৬০.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয়?
  1. ক) শ্রীমঙ্গল
  2. খ) লালপুর
  3. গ) টেকনাফ
  4. ঘ) বাংলাবান্ধা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত হয় ৮০%।
- জুন থেকে অক্টোবর মাসে সাধারণত বৃষ্টিপাত হয় ৭০ থেকে ৮০%
‌- সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালাখালে।
- সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।
- বাংলাদেশের গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার বা ২০৩০ মিলিমিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৬১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল কোনটি?
  1. ক) চলন বিল
  2. খ) বাইক্কা বিল
  3. গ) আড়িয়াল বিল
  4. ঘ) ভবদহ বিল
ব্যাখ্যা
• চলন বিল:
⇒ চলন বিল (Chalan Beel) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিল এবং সমৃদ্ধতম জলাভূমিগুলির একটি।
- বিলটি সংলগ্ন তিনটি জেলা রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ-এর অংশবিশেষ জুড়ে অবস্থান করছে।
- এটি সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ ও পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলা দুটির অধিকাংশ স্থান জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলা ও গুমনী নদীর উত্তর পাড়ের মধ্যে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১,৯৬২.
সেভেন সিসটার্স ভুক্ত কয়টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত আছে?
  1. ক) ৫ টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৬ টি
  4. ঘ) ৪ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে ভারতের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত চারটি রাজ্যসহ মোট ৫টি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে। এগুলো হলো:
- পশ্চিমবঙ্গ
- আসাম
- মেঘালয়
- ত্রিপুরা এবং
- মিজোরাম৷
এর মধ্যে আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম হলো সেভেন সিস্টার্সভুক্ত।
সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মণিপুর, অরুণাচল ও নাগাল্যান্ড রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
১,৯৬৩.
বর্তমানে বিশ্বের দীর্ঘতম সেতুর নাম কী? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. তিয়ানজিন গ্র্যান্ড ব্রিজ
  2. দানিয়াং–কুনশান গ্র্যান্ড ব্রিজ
  3. ক্যাংডে গ্র্যান্ড ব্রিজ
  4. চাংহুয়া-কোহশিউং ভায়াডাক্ট
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বিশ্বের দীর্ঘতম সেতু - দানিয়াং–কুনশান গ্র্যান্ড ব্রিজ। 

[বিশ্বের দীর্ঘতম এই সেতু চীনে অবস্থিত যার মোট  দৈর্ঘ্য ১৬৪ কিলোমিটার। এর পাশাপাশি সবচেয়ে দীর্ঘ ১০টি সেতুর ৬টিই এশিয়ার দেশ চীনে অবস্থিত। তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে তাইওয়ানের চাংহুয়া-কোহশিউং ভায়াডাক্ট, যার দৈর্ঘ্য ১৫৭ কিলোমিটার।]

২০২৪ সালে বিশ্বের দীর্ঘ সেতুগুলো- 

১. দানিয়াং–কুনশান গ্র্যান্ড ব্রিজ: বিশ্বের দীর্ঘতম এই সেতু চীনে অবস্থিত। দৈর্ঘ্য ১৬৪ কিলোমিটার।

২. চাংহুয়া-কোহশিউং ভায়াডাক্ট: তাইওয়ানের এই সেতুর দৈর্ঘ্য ১৫৭ কিলোমিটার।

৩. তিয়ানজিন গ্র্যান্ড ব্রিজ: ১১৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই সেতুর অবস্থান চীনে।

৪. ক্যাংডে গ্র্যান্ড ব্রিজ: চীনের এই সেতুর দৈর্ঘ্য ১০৫ কিলোমিটার।

৫. ওয়েনান ওয়েইহে গ্র্যান্ড ব্রিজ: এটির অবস্থান চীনে। দৈর্ঘ্য ৭৯ কিলোমিটার।

৬. বাং না এক্সপ্রেসওয়ে: থাইল্যান্ডের এই সেতুর দৈর্ঘ্য ৫৪ কিলোমিটার।

৭. বেইজিং গ্র্যান্ড ব্রিজ: চীনের এই সেতুর দৈর্ঘ্য ৪৮ কিলোমিটার।

৮. মেট্রো ম্যানিলা স্কাইওয়ে সিস্টেম: ফিলিপাইনের এই সেতুর দৈর্ঘ্য ৩৯ কিলোমিটার।

৯. লেক পন্টচারট্রেন কজওয়ে: দৈর্ঘ্য ৩৮ কিলোমিটার। অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রে।

১০. উহান মেট্রো ব্রিজ: চীনের উহানে অবস্থিত এই সেতুর দৈর্ঘ্য ৩৭ কিলোমিটার।

সূত্র:
- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৯৬৪.
বাংলাদেশের প্রধান ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রধান ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চল: 
ভূ-প্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায় –
১) টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
২) প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ ও
৩) সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- আজ থেকে প্রায় ২ মিলিয়ন বছরেরও আগে এ সকল পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা – দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং উত্তর ও উত্তর–পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৮% এলাকা নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়।
- সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।

সাম্প্রতিক কালের প্লাবন সমভূমি:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০% ভূমি নদী বিধৌত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
- বছরের পর বছর বন্যার পানির সঙ্গে পরিবাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে এ প্লাবন সমভূমি গঠিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯৬৫.
'কপোতাক্ষ' কোন নদীর শাখানদী?
  1. যমুনা নদী
  2. গড়াই নদী
  3. ভৈরব নদী
  4. মেঘনা নদী
ব্যাখ্যা

• ভৈরব নদী:
 - ভৈরব অর্থ ভয়াবহ। একসময় গঙ্গা ও পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ এই নদকে প্রমত্তা রূপ দিয়েছিল।
- সেই থেকেই নামটির উৎপত্তি।
- খুলনা ও যশোর শহর এই নদীর তীরে অবস্থিত।
- ভৈরব নদী যশোর-খুলনা এলাকার দীর্ঘতম নদী। 
- মালদহের যেস্থানে শ্রুতকীর্তি গঙ্গায় পড়েছে, তারই অপর পাড়ে ভৈরবের উৎপত্তি।
- ভৈরব নদের দৈর্ঘ্য ২৫০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৬০ মিটার এবং এর প্রকৃতি সর্পিলাকার।

- চলার পথে ভৈরব বহু নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। 
- নদীটির উল্লেখযোগ্য দুটি শাখা হচ্ছে ইছামতি ও কপোতাক্ষ।
- কালিগংগার পর বৈখালী পর্যন্ত কালিন্দী নদী নামে পরিচিত। 
- তারপর মোহনার নিকট এই নদী রায়মংগল নামে পরিচিত। 
- পূর্বে রায়মংগল এবং পশ্চিমে হাড়িয়াভাংগা মোহনা দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। 

- এই নদের তীরে খুলনা, যশোর শহর ছাড়াও রয়েছে মুজিবনগর, মেহেরপুর, গাড়াবাড়িয়া, চুয়াডাঙা, বড়বাজার, কোটচাঁদপুর, চৌগাছা, দৌলতপুর ও বাগেরহাট। 
- সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে নদটি পবিত্র। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও কালের কণ্ঠ।  (Link1) (Link2) (Link3)

১,৯৬৬.
সীমান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ১৬ মার্চ, ১৯৭৪ সালে।
  2. ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
  3. ১৬ জুন, ১৯৭৪ সালে।
  4. ১৬ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
ব্যাখ্যা
মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি:
- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
- ৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে।
- এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture এবং প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিবেদন। লিঙ্ক
১,৯৬৭.
'ফকল্যান্ড দ্বীপ' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ আমেরিকা
  2. খ) উত্তর আমেরিকা
  3. গ) আফ্রিকা
  4. ঘ) এশিয়া
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ আমেরিকা: 
- আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির । 
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান সেরো আকাঙ্কাগুয়া। 
- ফকল্যান্ড দ্বীপ দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আটলান্টিক সাগরে অবস্থিত বিরোধপূর্ণ ফকল্যান্ড দ্বীপকে আর্জেন্টিনার সমুদ্রসীমার অংশ বলে রায় দিয়েছে জাতিসংঘের মহিসোপানের সীমা নির্ধারণবিষয়ক কমিশন।
- জাতিসংঘের ঘোষণার মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার সমুদ্র এলাকা ১৭ লাখ বর্গ কিলোমিটার বেড়েছে। 

অন্যদিকে,
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ ১২টি দেশ নিয়ে গঠিত। 
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম দেশ ব্রাজিল। যার আয়তন ৮৫,১৫,৭৯৯ বর্গ কিলোমিটার।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ সুরিনাম। 
- ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী 'আমাজন'।
- আমাজন নদীর উৎস স্থল আন্দিজ নেভাদা মিসমি পর্বতের চূড়া থেকে।
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে ‘চির বসন্তের দেশ' বলা হয়।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও World Atlas এবং প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।
১,৯৬৮.
'Seismic Risk Zone' কী?
  1. বন্যাপ্রবণ অঞ্চল
  2. আগ্নেয়গিরি সক্রিয় অঞ্চল
  3. সুনামিপ্রবণ অঞ্চল
  4. ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল
ব্যাখ্যা

সিসমিক রিস্ক জোন:
- সিসমিক রিস্ক জোন এমন অঞ্চলকে নির্দেশ করে যেখানে ভূমিকম্প ঘটার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- এই এলাকা ভূগর্ভস্থ টেকটোনিক প্লেটের সঞ্চালন বা সংঘর্ষজনিত কারণে ভূমিকম্পের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
- সর্বশেষ ২০২০ সালে প্রকাশিত রির্পোটে সমগ্র বাংলাদেশকে চারটি ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চলে বা Seismic Zone এ বিভক্ত করা হয়েছে।

অঞ্চলগুলো হলো:
১. খুবই গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সিলেট, ময়মনসিংহ সহ উত্তরাঞ্চল)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.36

২. গুরুতর ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- উচ্চ মধ্য, উত্তর-পশ্চিম অংশ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রংপুর ইত্যাদি জেলা)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.28

৩. মাঝারী ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- নিম্ন মধ্য এবং উত্তর পশ্চিম অংশ (ঢাকা, কুমিল্লা, নাটোর, নোয়াখালী, পাবনা, সুন্দরবন ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.20

৪. কম ভূমিকম্প প্রবন অঞ্চল:
- দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চল (রাজশাহী, বরিশাল, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা ইত্যাদি)।
- এসব অঞ্চলের Seismic Zone Coefficient (Z) = 0.12

উৎস: বাংলাদেশ-জাতীয়-বিল্ডিং-কোড ওয়েবসাইট।

১,৯৬৯.
জোয়ার-ভাটার তেজকটাল কখন হয়?
  1. ক) একাদশীতে
  2. খ) অমাবস্যায়
  3. গ) পঞ্চমীতে
  4. ঘ) অষ্টমী
ব্যাখ্যা
- পূর্ণিমা ও অমাবস্যার তিথিতে পৃথিবী, চন্দ্র ও সূর্য প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে। এ সময় চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত আকর্ষণের জন্য জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে। ফলে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় একে তেজকটাল বলে।

- আর অষ্টমীর তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে। তাই চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাঁটা হয়। চন্দ্র পৃথিবীর নিকট থাকায় তার কার্যকরী শক্তি সূর্য অপেক্ষা বেশি। কিন্তু চন্দ্রের আকর্ষণে যে জোয়ার হয়, সূর্যের আকর্ষণের তা বেশি স্ফীত হতে পারে না। ফলে মরা কটাল হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৭০.
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা কয়টি?
  1. ৩০
  2. ৩২
  3. ৩৩
  4. ৩৪
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা:
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমার দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
-  মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের ২টি রাজ্যের সীমান্ত আছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৯৭১.
পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ কোনটি?
  1. কাস্পিয়ান সাগর
  2. বৈকাল হ্রদ
  3. মানস সরোবর
  4. ডেড সী
ব্যাখ্যা
বৈকাল হ্রদ:
- বৈকাল হ্রদ রাশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ।
- এর গভীরতা প্রায় ১৬৪২ মিটার।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম হ্রদ।
- ১৯৯৬ সাল ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে।

অন্যদিকে,
- কাস্পিয়ান সাগর পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহত্তম লবণাক্ত হ্রদ। এর গভীরতা প্রায় ১০২৫ মিটার।
- মানস সরোবর হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত বিখ্যাত মিষ্টি পানির হ্রদ। এর গভীরতা প্রায় ৯০ মিটার।
- জর্ডানের ডেড সী বিশাল লবণাক্ত জলভূমি। এর গভীরতা প্রায় ৩০৪ মিটার।

তথ্যসূত্র - WorldAtlas.com
১,৯৭২.
সর্বপ্রথম ‘Geography’ শব্দের প্রয়োগকারী কে ছিলেন?
  1. টলেমি
  2. হেরোডোটাস 
  3. ইরাটোসথেনিস
  4. গ্যালিলিও 
ব্যাখ্যা

• ভূগোলের ধারণা:
- মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর বর্ণনা হলো ভূগোল।
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।
- 'Geo' ও 'graphy' শব্দ দু'টি মিলে হয়েছে 'Geography' 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।
- বৃটিশ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp)মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল।
 কোনো কোনো ভূগোলবিদ ভূগোলকে বলেছেন পৃথিবীর বিবরণ,কেউ বলেছেন পৃথিবীর বিজ্ঞান।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,৯৭৩.
'ফালুজা' শহরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) ইরাক
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) লিবিয়া
ব্যাখ্যা
ফালুজা শহরটি ইরাকে অবস্থিত।
অপরদিকে -
- দামেস্ক, আলেপ্পো, পালমিরা, ইদলিব ও কোবানি শহরগুলো সিরিয়ায় অবস্থিত।

এছাড়াও -
- কানকুন শহরটি মেক্সিকোতে অবস্থিত।
- ক্রেমলিন শহরটি মস্কোতে অবস্থিত।
- গুয়ান্তানামো বে বন্দিশালা কিউবায় অবস্থিত।
- তাহরিয়ার স্কোয়ার কায়রো, মিশরে অবস্থিত।
- ট্রাফালগার স্কোয়ার শহরটি লন্ডনে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১,৯৭৪.
কবে দিন-রাত্রি সমান হয়?
  1. ২৩শে সেপ্টেম্বর
  2. ২১শে জুন
  3. ২১শে মার্চ
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
২৩শে সেপ্টেম্বর:
- ২১শে জুনের পর উত্তর মেরু সূর্য থেকে দূরে সরতে থাকে এবং দক্ষিণ মেরু নিকটে আসতে থাকে।
- এতে উত্তর গোলার্ধে ক্রমশ দিন ছোটো ও রাত বড়ো এবং দক্ষিণ গোলার্ধে দিন বড়ো ও রাত ছোটো হতে থাকে।
- ২৩শে সেপ্টেম্বর পৃথিবী এমন এক স্থানে অবস্থান করে যখন উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে।
- এই দিন সূর্যরশ্মি নিরক্ষরেখায় লম্বভাবে (৯০° কোণে) সুমেরুবৃত্তে ও কুমেরুবৃত্তে ৬৬.৫° কোণে এবং মেরুদ্বয়ে ০° কোণে পতিত হয়।
- তাই ২৩শে সেপ্টেম্বর তারিখে পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান হয়।

২১শে মার্চ:
- ২২শে ডিসেম্বরের পর পৃথিবী আপন কক্ষপথে আরও অগ্রসর হলে উত্তর মেরু ক্রমশ সূর্যের নিকট আসে এবং দক্ষিণ মেরু দূরে সরে যায়।
- এতে উত্তর গোলার্ধে দিন বড়ো ও রাত ছোটো হতে থাকে।
- অবশেষে ২১শে মার্চ পৃথিবী আপন কক্ষপথের এমন এক স্থানে পৌঁছে যেখানে উভয় মেরু সূর্য থেকে সমান দূরে থাকে।
- ২১শে মার্চের দিন ২৩শে সেপ্টেম্বরের মতো দিবা-রাত্রি সমান হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৯৭৫.
’বসফরাস প্রণালী’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তুরস্ক
  2. ইরান
  3. স্পেন
  4. মরক্কো
ব্যাখ্যা

⇒ বসফরাস প্রণালী তুরস্কে অবস্থিত। 

বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.

১,৯৭৬.
সার্কে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কয়টি আঞ্চলিক সংস্থার সমন্বয়ে পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
২০১৬ সালে সার্কের বর্তমান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (SAARC Disaster Management Centre (SDMC) ৪টি আঞ্চলিক সংস্থার সমন্বয়ে পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
এর বর্তমান সদরদপ্তর - গুজরাট, ভারত।

৪টি আঞ্চলিক সংস্থা হচ্ছে -
১) সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (নয়া দিল্লী),
২) সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র (ঢাকা),
৩) সার্ক বন কেন্দ্র (থিম্পু) ও
৪) সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (মালে)।
উল্লেখ্য, বর্তমানে উপরের ৪টি সংস্থাই বিলুপ্ত (২০১৬ সাল থেকে)।
 
উৎসঃ  সার্ক ওয়েবসাইট।
১,৯৭৭.
'দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) পটুয়াখালী
  3. গ) বরগুনা
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ (South Talpatti Island)  
• সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভূক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান (continental shelf) এলাকায় জেগে ওঠা একটি  উপকূলবর্তী দ্বীপ।
• বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলা এবং পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলার বশীরহাট থানার মধ্যকার হাড়িয়াভাঙ্গা নদী দ্বারা চিহ্নিত সীমান্ত রেখা বরাবর দক্ষিণে হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনায় অগভীর সমুদ্রে এ ক্ষুদ্র দ্বীপটি গড়ে উঠেছে।
• এটির  ভৌগোলিক অবস্থান ২১°৩৭´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°১২´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
• দ্বীপটি মূলত  গঙ্গা-পদ্মা নদীপ্রণালী-এর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে। দ্বীপটির আকৃতি প্রায় গোলাকার এবং ভাটার সময় সমুদ্রের পানি নেমে গেলে এটিকে দেখতে অনেকটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির মতো মনে হয়। হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনা থেকে দ্বীপটির দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মূল স্রোতধারা দ্বীপটির পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দক্ষিণ তালপট্টির সরাসরি উত্তরে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড তালপট্টি এবং দক্ষিণে উন্মুক্ত বঙ্গোপসাগর।
• দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গ কিলোমিটার। জোয়ারভাটার উঠানামায় দ্বীপটির জেগে থাকা ভূ-ভাগের আয়তন প্রায় ৭ বর্গ কিমি থেকে ১৪ বর্গ কিমি পর্যন্ত হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে।
• ১৯৭০ সালের নভেম্বরে প্রলয়ঙ্করী  ঘূর্ণিঝড় গাঙ্গেয় বদ্বীপাঞ্চলের দক্ষিণ ভাগে আঘাত হানার ঠিক পর পরই দ্বীপটি প্রথম দৃষ্টিগোচর হয়।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১,৯৭৮.
বাংলাদেশের মাঝামাঝি দিয়ে কোন অক্ষরেখা অতিক্রম করেছে?
  1. বিষুবরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা) অতিক্রম করেছে।

• কর্কটক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়
- পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
 
অন্যদিকে,
- নিরক্ষরেখা (Equator): 
- পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুইটি গোলার্ধে বিভক্তকারী কাল্পনিক অক্ষরেখাটি নিরক্ষরেখা নামে অভিহিত। 
- অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা ও দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- ভূ-গোলাককে পূর্ব- পশ্চিমে বেষ্টনকারী সর্বাপেক্ষা বৃহৎ অক্ষরেখা নিরক্ষরেখা। নিরক্ষরেখার মান হলো ০০। এই অক্ষরেখার অপর নাম সমূহ হলো- বিষুবরেখা (Equator) ও মহাবৃত্ত (Great Circle)। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ভূগোল ও পরিবেশ, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৭৯.
বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে কয়টি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জলবায়ুকে মৌসুমি বায়ুপ্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও বার্ষিক তাপমাত্রার ভিত্তিতে তিনটি ঋতুতে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- গ্রীষ্মকাল, বর্ষাকাল ও শীতকাল।
বাংলাদেশে মার্চ-মে (ফাল্গুন-জ্যৈষ্ঠ) পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল।
জুন-অক্টোবর (জ্যৈষ্ঠ-কার্তিক) পর্যন্ত বর্ষাকাল
এবং নভেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারি মাস (কার্তিক-ফাল্গুন) পর্যন্ত সময়কালকে শীতকাল বলা হয়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
১,৯৮০.
বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারন করে-
  1. মেসোমন্ডল
  2. স্ট্রাটোমন্ডল
  3. ট্রপোমন্ডল
  4. তাপমন্ডল
ব্যাখ্যা
•মেসোমন্ডল (Mesosphere):
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে স্তর রয়েছে তাকে মেসোমন্ডল বা মেসোস্ফিয়ার বলে।
- এই মন্ডলের প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত উষ্ণতা দ্রুত কমতে থাকে।
- ৮০ কিলোমিটারের পরে উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করে এবং এই অংশকে বলে মেসোপস বা মেসোবিরতি।
মেসোমন্ডলের বৈশিষ্ট্যগুলো :
ক) মেসোমন্ডলের উর্ধ্বসীমায় বায়ুর তাপমাত্রা প্রায় ৬৫.৫° সেলসিয়াস।
খ) এ মন্ডলের বায়ুচাপ খুব কম।
গ) মেসোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারন করে।
ঘ) সাধারণত যে সব উল্কা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলো এই স্তরে এসে পড়ে যায়। উল্কাপতন এলাকাটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮১.
যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
  1. স্নোডন
  2. বেন নেভিস
  3. স্লিভ ডোনার্ড
  4. হেলভেলিন
ব্যাখ্যা
বেন নেভিস:
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হল বেন নেভিস।
- এর উচ্চতা প্রায় ১,৩৪৫ মিটার (৪,৪১৩ ফুট)।
- বেন নেভিস স্কটিশ হাইল্যান্ডসের লোচাবার এলাকায় অবস্থিত, ফোর্ট উইলিয়াম শহরের কাছে।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গটি গ্র্যাম্পিয়ান পর্বতমালার অংশ।

উল্লেখ্য,
- বেন নেভিসসহ যুক্তরাজ্যে ২০০ টিরও বেশি পর্বত রয়েছে যার বেশিরভাগই স্কটল্যান্ডে।
- প্রকৃতপক্ষে, যুক্তরাজ্যের ২০০টি সর্বোচ্চ পর্বতের মধ্যে ১৯২টি স্কটল্যান্ডে পাওয়া যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Global Adventure Challenges.
১,৯৮২.
বাংলাদেশের ও মায়ানমারের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত অভিন্ন নদী কতটি?
  1. ৬টি 
  2. ৩টি
  3. ৪টি 
  4. ৫টি 
ব্যাখ্যা

আন্তঃসীমান্ত নদী:
- বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদী:
- গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
- এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন। 
- এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
- আবহমানকাল ধরে নদীমাতৃক বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা আবর্তিত হচ্ছে এসকল নদীর পানিকে ঘিরে।
- এ তিনটি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় ১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যার মাত্র ৭ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
- এসকল নদীর অন্যান্য অববাহিকাভূক্ত দেশ হচ্ছে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীন।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।

১,৯৮৩.
'আকাবা' সমুদ্রবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জর্ডান
  2. খ) ইয়েমেন
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) স্কটল্যান্ড
ব্যাখ্যা

- আকাবা সমুদ্রবন্দর অবস্থিত জর্ডানে।
- মন্ট্রিল, কুইবেক, ভ্যাঙ্কুভার সমুদ্রবন্দর অবস্থিত কানাডায়।
- গ্লাসগো সমুদ্র বন্দর অবস্থিত স্কটল্যান্ডে।
- এডেন সমুদ্রবন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি ওয়েবসাইট।

১,৯৮৪.
নিচের কোনটি পাদদেশীয় মালভূমি?
  1. ক) এন্টার্কটিকা
  2. খ) ভারতীয় উপদ্বীপ
  3. গ) গ্রিনল্যান্ড
  4. ঘ) কলোরাডো
ব্যাখ্যা
পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তৃর্ণ সমতলভূমিকে মালভূমি বলে। অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন প্রকার। যথাঃ পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি, পাদদেশীয় মালভূমি এবং মহাদেশীয় মালভূমি।
এদের মধ্যে উচ্চ পর্বত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে এর পাদদেশে তলানি জমে যে মালভূমির সৃষ্টি করে তাকে পাদদেশীয় মালভূমি বলে৷ দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া এবং উত্তর আমেরিকার কলোরাডো মালভূমি হলো পাদদেশীয় মালভূমি।
অন্যদিকে তিব্বত, তারিম, বলিভিয়া ও মেক্সিকো হলো পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি। ভারতীয় উপদ্বীপ, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, গ্রিনল্যান্ড, সৌদি আরব, এন্টার্কটিকা প্রভৃতি হলো মহাদেশীয় মালভূমি।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী
১,৯৮৫.
কোন প্রকার মাটি চাষের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযোগী?
  1. বেলে
  2. দোঁ-আশ
  3. এঁটেল
  4. কংকর
ব্যাখ্যা
- ফসল উৎপাদনের জন্য দো-আঁশ মাটি উত্তম, কারণ এই মাটিতে বালি, পলি, কর্দমকণা প্রায় সমান অনুপাতে বিদ্যমান থাকে। 
- এ মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে তাই চাষের জন্য সর্বাপেক্ষা উপযোগী। 
- এ মাটির পানি ধারণ ও শোষণ ক্ষমতা উভয় বেশি। 
- বাংলাদেশের অধিকাংশ মাটি দো-আঁশ মাটি। 
- কৃষিক্ষেত্রে দো-আঁশ মাটিকে আদর্শ মাটি বলা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, অষ্টম শ্রেণি।
১,৯৮৬.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবনের জন্য বিখ্যাত?
  1. মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
  2. সিলেট অঞ্চলের বনভূমি
  3. উপকূলীয় বনভূমি
  4. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের বনভূমি:
- বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি, ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি ও গরান বা স্রোতজ বনভূমি (সুন্দরবন) এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
• মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গ কিলোমিটার।
- শাল জাতীয় এক ধরনের গজারী এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ।
• পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
• উপকূলীয় অঞ্চল যেমন -  খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ বন বিভাগের ওয়েবসাইট।

১,৯৮৭.
দারফুর হলো____একটি অঞ্চলের নাম।
  1. সুদানের
  2. উগান্ডার
  3. সিরিয়ার
  4. ইয়েমেনের
ব্যাখ্যা

• দারফুর হলো সুদানের একটি অঞ্চল। 

- এখানে ২০০৩ থেকে চলমান দারফুর সংকট এখনও মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।
- ২০২৩ থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও RSF গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে, যার কারণে নাগরিক হতাহত, শরণার্থী বৃদ্ধি এবং জীবিকা হুমকির মুখে।
- আন্তর্জাতিকভাবে এটি নজরকাড়া কারণ এখানে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ উঠেছে এবং ICC তদন্ত করছে।
- ভূগোল ও প্রাকৃতিক সম্পদের কারণে দারফুর সুদানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৯৮৮.
মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে উত্তর ভারত মহাসাগরের উত্তর উপকূল বরাবর যে স্রোত প্রবাহিত হয় তার নাম -
  1. মোজাম্বিক স্রোত
  2. মৌসুমী স্রোত
  3. মাদাগাস্কার স্রোত
  4. আগুলহাস স্রোত
ব্যাখ্যা
• মৌসুমী স্রোত (Monsoon Current):
- উত্তর ভারত মহাসাগরের উত্তর উপকূল বরাবর যে স্রোত মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে প্রবাহিত হয় তাকে মৌসুমী স্রোত বলে।
- গ্রীষ্মকালে এটি পশ্চিম হতে পূর্বদিকে এবং শীতকালে একই পথে বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়।
- তাই মৌসুমী স্রোত দু’প্রকার, যেমন- গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন মৌসুমী স্রোত।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮৯.
শীতল মরুভূমি কোনটি?
  1. ক) সাহারা
  2. খ) লাদাখ
  3. গ) থর
  4. ঘ) দাহনা
ব্যাখ্যা
শীতল মরুভূমির মধ্যে লাদাখ(ভারত), তাকলামান(চীন), প্যাটাগোনিয়া(আর্জেন্টিন, চিলি) উল্লেখযোগ্য।
Source: Britannica
১,৯৯০.
বায়ুর জলীয়বাষ্প সম্পৃক্ত অবস্থায় পৌছানোর পর কি সৃষ্টি হয়?
  1. ক) মেঘ
  2. খ) কুয়াশা
  3. গ) শিশির
  4. ঘ) বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
শিশির: 

- নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বায়ুমন্ডলের জলীয়বাষ্পের ধারণক্ষমতা নির্দিষ্ট। তাপমাত্রা কমলে বায়ুতে জলীয়বাষ্পের ধারণক্ষমতা হ্রাস পায় । 
- এই নির্দিষ্ট ধারণক্ষমতার সম্পূর্ণটা থাকলেই তাকে সম্পৃক্ত বাষ্প বলে, তার কম থাকলে তাকে অসম্পৃক্ত বাষ্প বলে। 
- কোনো কারনে বায়ুর জলীয়বাষ্প  সম্পৃক্ত অবস্থায় পৌছানোর পরে ধারনক্ষমতার অতিরিক্ত জলীয়বাষ্প শিশির আকারে বিভিন্ন জায়গায় জমতে থাকে।

তথ্যসূত্র: একাদশ শ্রেনীর পদার্থ বিজ্ঞান বই।
১,৯৯১.
'ছেঁড়াদ্বীপ' কোন উপজেলার অন্তর্গত?
  1. উখিয়া
  2. টেকনাফ
  3. কুতুবদিয়া
  4. রামু
ব্যাখ্যা

১. সবচেয়ে পূর্বের স্থান-
- স্থান: আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা: বান্দরবান।
 
২. সবচেয়ে পশ্চিমের স্থান-
- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাপাইনবাবগঞ্জ।
 
৩. সবচেয়ে দক্ষিণের স্থান-
- স্থান: ছেঁড়া দ্বীপ।
- উপজেলা: টেকনাফ।
- জেলা: কক্সবাজার।
 
৪. সবচেয়ে উত্তরের স্থান-
- স্থান: বাংলাবান্দা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
- জেলা: পঞ্চগড়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন

১,৯৯২.
নিচের কোন দেশটিতে নদী নেই?  
  1. টোঙ্গা
  2. কোমোরোস 
  3. জিবুতি
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

• নদী বিহীন দেশ:
- কিছু দেশ এত ছোট যে সেখানে নদী থাকার জায়গাই নেই।
- অনেক ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র, শহর-রাষ্ট্র, অথবা যে-সব দেশে শুধুমাত্র মৌসুমি পানি প্রবাহ ঘটে।
- যা প্রকৃতপক্ষে স্থায়ী নদী হিসেবে বিবেচিত হয় না।
- এই মানদণ্ড অনুযায়ী, বিশ্বে মোট ১৯টি দেশ রয়েছে যেগুলোর মধ্যে কোনো স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই।

• নদী বিহীন দেশগুলো হলো যথা:
- কোমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত,ইয়েমেন,মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি,  কিরিবাটি, নাউরু,  টোঙ্গা, টুভ্যুলু।

উৎস: World Atlas. 

১,৯৯৩.
’কালপুরুষ’ কী?
  1. নক্ষত্রমণ্ডলী
  2. অধিবাসী
  3. প্রণালী
  4. চিত্রকর্ম
ব্যাখ্যা
• নক্ষত্রমণ্ডলী (Constellation):
- মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে।
- এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে দেখা নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে। প্রাচীনকালে
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকেকাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে বিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নামদিয়েছেন।
- এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো।
- এদের মধ্যে সপ্তর্ষিমন্ডল (GreatBear),
- কালপুরুষ (Orion),
- ক্যাসিওপিয়া (Cassiopeia),
- লঘুসপ্তর্ষি (Little Bear), বৃহৎ কুকুরমণ্ডল (Canis Major) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

• কালপুরুষ:
- আকাশের সবচেয়ে পরিচিত তারামন্ডল হিসেবে গণ্য হতে পারে।
- এই মন্ডলটি খুব সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
- শিকারী নামে সুপরিচিত এই মন্ডলের উল্লেখযোগ্য তারাগুলো মহাকাশের বিষুবীয় অঞ্চলে অবস্থান করায় পৃথিবীর সব অঞ্চল থেকে একে দেখা যায়।
- উত্তর গোলার্ধে শীত শেষ সময় হতে বসন্তের প্রাথমিক সময় পর্যন্ত কালপুরুষ মন্ডলটি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৯৯৪.
আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম বিভাগ কোনটি?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
এর মধ্যে আয়তনে:
- সবচেয়ে বড় : চট্টগ্রাম বিভাগ (৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি)
- সবচেয়ে ছোট : ময়মনসিংহ বিভাগ (১০,৫৫২ বর্গ কিমি)।
জনসংখ্যায়:
- সবচেয়ে বড় : ঢাকা বিভাগ
- সবচেয়ে ছোট : বরিশাল বিভাগ
- সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।
(তথ্যসূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
১,৯৯৫.
ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি? 
  1. থেমস
  2. ডানিউব
  3. ভলগা
  4. রাইন
ব্যাখ্যা

ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ হলো পৃথিবীর দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
- এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বে ষষ্ঠ।
- ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত আর্কটিক মহাসাগর, পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর, দক্ষিণে (পশ্চিম থেকে পূর্বে) ভূমধ্যসাগর, কৃষ্ণ সাগর ও কুমা-মানিচ নিম্নচাপ এবং পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত।

- এই মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি। 
- ইউরোপের সবচেয়ে বড় দেশ হলো রাশিয়া, যা আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই বৃহত্তম। 
- এশিয়া ও ইউরোপ উভয় মহাদেশে অবস্থিত রাশিয়ার অংশ ইউরোপের অন্তর্ভুক্ত।

- ইউরোপের বৃহত্তম দ্বীপ হলো গ্রিনল্যান্ড, যা ডেনমার্কের অধীনে রয়েছে, তবে ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত।
- এই মহাদেশের দীর্ঘতম নদী হলো ভলগা নদী।
- এবং দীর্ঘতম পর্বতমালা হলো আল্পস পর্বতমালা।
- ইউরোপের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো মাউন্ট এলব্রুস।
- আর সর্বনিম্ন স্থান হলো কাস্পিয়ান সাগর। 

উৎস: World Atlas ও Britannica. 

১,৯৯৬.
আকস্মিক বন্যার ফলে দেশের কোন জেলাসমূহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. নীলফামারী
  3. নেত্রকোনা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

কৃষিতে বন্যার প্রভাব: 
- দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রায় ৪ হাজার বর্গকিলোমিটার ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা এ ধরনের আকস্মিক বন্যার শিকার।
- মৌসুমি বন্যা উপকূলীয় এলাকায় সমস্যার সৃষ্টি করে না। কিন্তু বন্যাপ্রবণ এলাকায় এর প্রভাব খুব বেশি।
- ফসল ছাড়াও জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করে। জোয়ারজনিত বন্যা উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি করে।
- জমিতে লবণাক্ত পানির জলাদ্ধতার সৃষ্টি করে, যা ফসল চাষের জন্য অনুপযোগী।
- সুনামগঞ্জ, সিলেট, নেত্রকোনা, নীলফামারী ইত্যাদি জেলা আকস্মিক বন্যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস: কৃষি সার্ভিস তথ্য।[লিঙ্ক]

১,৯৯৭.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য কত?
  1. ২০০ কি.মি
  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ১৫৫ কি.মি
  4. ১২ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশের আয়তন: ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.।
- পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ: বাংলাদেশ।
- মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় গাজীপুর, ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইলে অবস্থিত।
- সমুদ্রতল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা ৩৭.৫০ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে বগুড়ার উচ্চতা ২০ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে ঢাকার উচ্চতা ২৫ মিটার।
- সমুদ্রতল থেকে নারায়নগঞ্জ এবং রাজশাহীর উচ্চতা ৮ মিটার।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৫,১৩৮ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কি.মি.।
- বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা  উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৯৯৮.
'ট্রপিক অব ক্যান্সার' বাংলাদেশের কোন দিকে অতিক্রম করেছে?
  1. পূর্ব-পশ্চিমে
  2. পূর্ব-দক্ষিণে
  3. উত্তর-দক্ষিণে
  4. উত্তর-পশ্চিমে
ব্যাখ্যা
'ট্রপিক অব ক্যান্সার' বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিমে অতিক্রম করেছে।

ট্রপিক অব ক্যান্সার:

- ট্রপিক অব ক্যান্সার বা কর্কটক্রান্তি রেখা।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- এটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে (কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ) অতিক্রম করেছে।

⇒ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে -
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৯৯.
ভূ-অভ্যন্তরের কত মিটার গভীরতায় ১° সে. তাপ বৃদ্ধি পায়?
  1. ২০ মিটার
  2. ২৫ মিটার
  3. ৩০ মিটার
  4. ৩৫ মিটার
ব্যাখ্যা
• ভূ-পৃষ্ঠের চাপের হ্রাস:
→ পৃথিবীর অভ্যন্তরের দিকে ক্রমান্বয়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। সাধারণত প্রতি ৩০ মিটার গভীরতায় ১° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
→ ভূ-অভ্যন্তরে ৯৬০ কি.মি গভীরতায় শিলাগুলো এত উত্তপ্ত হয় যে গলিত অবস্থায় থাকার পরিবেশ থাকলেও ভূ-পৃষ্ঠস্থ চাপের দরুণ স্থিতিস্থাপক অবস্থায় থাকে।

→ আবার ভূ-গর্ভের সঞ্চিত বাষ্পরাশি সর্বদা ভূ- পৃষ্ঠে আসতে চায়। ফলে ভূ-ত্বকের তলদেশে প্রবল ঊর্ধ্বচাপ পড়ে।
→ ঊধ্বচাপের প্রভাবে উপরিস্থিত ভূ-ত্বকের নিম্নস্থ কঠিন শিলার উপর চাপ বহুগুণে কমে যায়। ভূ-পৃষ্ঠের এই ধরনের চাপ হ্রাস অগ্ন্যুৎপাতে সহায়তা করে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,০০০.
ম্যানারহেইম লাইন যে দুটি দেশের মধ্যকার সীমারেখা -
  1. ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
  2. ভারত ও চীন
  3. জার্মানি ও ফ্রান্স
  4. উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
- ফিনল্যান্ড ও রাশিয়াকে পৃথক করেছে ম্যানারহেইম লাইন।
- এই লাইন ফিনল্যান্ড ও রাশিয়ার মধ্যকার সীমারেখা।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- ভারত-পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে লাইন অফ কন্ট্রোল।
- পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে পৃথক করেছে ডুরাল্ড লাইন।
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামকে পৃথক করেছে ম্যাকনামারা লাইন।
- জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্ত করেছে সিগফ্রেড লাইন।
- জার্মানি ও পোল্যান্ডকে পৃথক করেছে হিনডেন বার্গ লাইন।
- ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে র‍্যাডক্লিফ লাইন।
- ভারত ও চীন এর মধ্যবর্তী লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC)।
- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথক করেছে ৩৮তম প্যারালাল লাইন।

উৎস: ব্রিটানিকা।