ব্যাখ্যা
- ইতালি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
অর্থ: ঈষৎ বেগুনি আভাবিশিষ্ট লাল রং। magenta.
কুইনাইন = স্পেনিশ ভাষা থেকে আগত শব্দ।
কেন্দ্র = গ্রিক ভাষা থেকে আগত শব্দ।
লামা = তিব্বতি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৯ / ১১ · ৮০১–৯০০ / ১,০৫৭
• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন-
- মহাযাত্রা: 'মহাসমারোহে যাত্রা' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ 'মৃত্যু'।
- জলধি: 'জল ধারণ করে এমন' অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র 'সমুদ্র' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
- রাজপুত: 'রাজার পুত্র' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে 'জাতি বিশেষ'।
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• "সন্দেশ"
- শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে 'সংবাদ'।
- কিন্তু রূঢ়ি অর্থে 'মিষ্টান্ন বিশেষ'।
রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী - হস্ত + ইন, অর্থ - হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা।
এইরকম:
• প্রবীণ - শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি 'অভিজ্ঞতাসম্পন্ন 'বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী - হস্ত + ইন, অর্থ - হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা।
- প্রবীণ - শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি 'অভিজ্ঞতাসম্পন্ন • বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ - শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে 'সংবাদ'। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে 'মিষ্টান্ন বিশেষ'।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১. যৌগিক শব্দ:
- যেসব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ অনুযায়ী হয়ে থাকে, তাকে বলা হয় যৌগিক শব্দ। যেমন:
- কৃ + তব্য = কর্তব্য, অর্থ- যা করা উচিত।
- বাবু + আনা = বাবুয়ানা, অর্থ- যিনি বাবুর ভাব নিয়ে চলেন।
২. রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ:
- যে সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ। উদাহরণ:
- 'সন্দেশ' শব্দের মূল অর্থ 'সংবাদ' পরিবর্তিত হয়ে 'মিষ্টান্ন' অর্থ ব্যবহার হয়।
- 'চিকন' শব্দের মূল অর্থ 'চকচকে' পরিবর্তিত হয়ে 'সরু' অর্থ ব্যবহার হয়।
৩. যোগরূঢ় শব্দ:
- সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ তার ব্যাসবাক্যের কোনো অর্থ প্রকাশ না করে, তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় যোগরূঢ় শব্দ। যেমন:
- জলদ: মূল অর্থ যে জল দেয়, ব্যবহারিক অর্থ হলো মেঘ,
- পঙ্কজ: শব্দের অর্থ যা পঙ্কে জন্মে, কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ পদ্ম।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উৎসঃ মাধ্যমিক ব্যাকরণ বই।
সংখ্যাবাচক শব্দ ৪ প্রকার।
যথা-
অংকবাচক,
পরিমাণ বা গণনাবাচক,
ক্রম বা পূরণবাচক ও
তারিখবাচক শব্দ।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
• হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ- হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
• গবেষণা: গো+এষণা, অর্থ- গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
• বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।
• তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়। যেমন- বাদাম তেল।
• প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
• সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে ‘সংবাদ’। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’।
অন্যদিকে,
- যৌগিক শব্দ: মধুর।
- যোগরূঢ় শব্দ: সরোজ।
- মৌলিক শব্দ: গোলাপ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
কয়েকটি শব্দের উৎস:
কুইনাইন - পেরু
নাৎসি - জার্মান
চুরুট - তামিল
• অর্থগতভাবে শব্দসমূহ তিন ভাগে বিভক্ত।
যথা:
১. যৌগিক শব্দ,
২. রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ,
৩. যোগরূঢ় শব্দ।
• যৌগিক শব্দ:
যৌগিক শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই অর্থাৎ একই রকম।
যেমন:
- বাংলা 'মিতালি' শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ 'মিতার ভাব, বন্ধুত্ব' (মিতা শব্দের পরে 'ভাব' অর্থে তদ্ধিত প্রত্যয় 'আলি' যোগে 'মিতালি' শব্দটি গঠিত হয়েছে) এবং শব্দটি এই অর্থেই ভাষায় ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ 'মিতালি' শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই। ফলে 'মিতালি' বাংলাতে যৌগিক শব্দ।
এরূপ শব্দ হলো: গায়ক, কর্তব্য, বাবুয়ানা, মধুর, দৌহিত্র, চিকামারা ইত্যাদি।
-----------------
• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ তার ব্যাসবাক্যের কোনো অর্থ প্রকাশ না করে, তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় যোগরূঢ় শব্দ।
যেমন:
- 'অসুখ' ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-'সুখের অভাব'। ব্যবহারিক অর্থ-'রোগ'। তাই 'অসুখ' একটি যোগরূঢ় শব্দ।
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিদ পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়। তাই 'পঙ্কজ' একটি যোগরূঢ় শব্দ।
- শাখার ন্যায় মৃগ শাখামৃগ সমাসবদ্ধ শব্দটি ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলে বিচরণ করে এবং লম্বা লেজ ও লোমাবৃত দেহবিশিষ্ট মাঝারি আকৃতির স্তন্যপায়ী বৃক্ষচর প্রাণীকে বোঝায়। তবে ব্যবহারীক অর্থে শাখামৃগ শব্দটি শুধু 'বানর'কে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই 'শাখামৃগ' একটি যোগরূঢ় শব্দ।
এরূপ-
আরো কিছু শব্দ হলো: মন্দির, জলদ, রাজপুত, জলধি, মহাযাত্রা ইত্যাদি।
---------------
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ।
যেমন: গবেষণা, তৈল, প্রবীণ, সন্দেশ, জেঠামি, বাঁশি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ -হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
- বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।
- তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়। যেমন - বাদাম তেল।
- প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে ‘সংবাদ’। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
তৎসম একটি পারিভাষিক শব্দ। এর অর্থ [তৎ = তার, সম = সমান] তার সমান।
এখানে ‘তার’ বলতে ‘সংস্কৃত’র সমান বোঝানো হয়েছে।
অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার যেসব শব্দ সরাসরি এসে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে, সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ।
উদাহরণ- চন্দ্র, সূর্য, ধর্ম, বৃক্ষ, মানব, পুত্র, রাত্রি, পর্বত, ভূমি, সিংহ, তাপসী, প্রশ্ন, পাত্র, জলধি ইত্যাদি।
এছাড়াও,
'গিন্নী' অর্ধতৎসম শব্দ।
'বাজনা' শব্দটি সংস্কৃত 'বাদ্য' থেকে এসেছে। এটি তদ্ভব শব্দ।
'খোকা' তুর্কি শব্দ।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।
• যৌগিক শব্দ:
যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, তাদের যৌগিক শব্দ বলে। অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যাদের অর্থ পরিবর্তিত হয় না, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন-
- গায়ক: (গৈ + ণক) (অক) অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য: (কৃ + তব্য) অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা: (বাবু + আনা) অর্থ: বাবুর ভাব।
- দৌহিত্র: (দুহিতা + ষ্ণ্য)- অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা: (চিকা + মারা)- অর্থ: দেওয়ালের লিখন।
অন্যদিকে,
• মৌলিক শব্দ: গোলাপ, লাল, নীল, হাত, পা, তিন ইত্যাদি।
• রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ: সন্দেশ, জ্যাঠামি, প্রবীণ, অতিথি, কুশল, গবাক্ষ, দুহিতা, পাঞ্জাবি, বাঁশি, রাখাল, স্নাতক, তৈল ইত্যাদি।
• যোগরূঢ় শব্দ: জলদ, পঙ্কজ, মন্দির, রাজপুত, অন্ন, জলধি, মহাযাত্রা, সরোজ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-uসংস্করণ)।
সংখ্যাবাচক শব্দ চার প্রকার
যথাঃ
অংকবাচক
পরিমাণ বা গণনাবাচক
ক্রম বা পূরণবাচক
তারিখবাচক
তারিখবাচক শব্দঃ বাংলা মাসের তারিখ বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে তারিখবাচক শব্দ বলে।
যেমন - পয়লা বৈশাখ, বাইশে শ্রাবণ ইত্যাদি।
তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
বাকি গুলো বাঙলার নিজস্ব ভঙ্গিতে গঠিত
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
আলমারি - পর্তুগিজ ভাষার শব্দ
চাকু - তুর্কি শব্দ
লুঙ্গি - বর্মী বা মায়ানমারের শব্দ
রিক্সা - জাপানি
• সাধিত শব্দ - প্রভাত। এখানে, ভাত এর সাথে 'প্র' উপসর্গ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করেছে।
• গঠন বিবেচনায় বাংলা শব্দকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. মৌলিক শব্দ ও
২. সাধিত শব্দ।
• মৌলিক শব্দ:
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করলে অর্থপূর্ণ কোনো অংশ থাকে না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন,
- গাছ, পাখি, ফুল, হাত, কলম, আসল, গোলাপ ইত্যাদি।
• সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলােকে সাধিত শব্দ বলে।
- উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন - পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ সদস্য, নীলাকাশ, ডুবুরি, চলন্ত ইত্যাদি।
- শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ হয়ে থাকে।
যেমন - ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• অর্ধ-তৎসম শব্দ:
বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে।
- তৎসম মানে সংস্কৃত আর অর্ধ-তৎসম মানে আধা সংস্কৃত।
যেমন :
জ্যোছনা, ছেরাদ্দ, গিন্নী, কুচ্ছিত, বোষ্টম শব্দগুলো অর্ধ-তৎসম শব্দ; যা এসেছে যথাক্রমে সংস্কৃত শব্দ জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিণী, কুৎসিত, বৈষ্ণব থেকে।
উল্লেখ্য,
নবম-দশম শ্রেণির নতুন সংস্করণে অর্ধ-তৎসম শব্দ উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে,
অন্ধকার, রাত্রি ও কিরণ তৎসম শব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন:
• পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিত পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু 'পঙ্কজ' শব্দটি একমাত্র 'পদ্মফুল' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
• রাজপুত: 'রাজার পুত্র' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে 'জাতিবিশেষ'।
• মহাযাত্রা: 'মহাসমারোহে যাত্রা' অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ 'মৃত্যু'।
• জলধি: 'জল ধারণ করে এমন' অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র 'সমুদ্র' অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- 'হস্তী' - হস্ত + ইন, অর্থ - হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- 'গবেষণা' (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা।
- 'প্রবীণ' - শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি 'অভিজ্ঞতাসম্পন্ন • বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- 'সন্দেশ' - শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থ - 'সংবাদ'। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে 'মিষ্টান্ন বিশেষ'।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যেসব শব্দ ব্যুৎপত্তিগত অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হাতি: এখানে ব্যুৎপত্তি অর্থ হচ্ছে: হাত আছে যার। কিন্তু ব্যবহারিক দিক থেকে একটি বিশেষ জন্তু বোঝায়।
- 'গো': এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো- যে গমন করে, কিন্তু এর ব্যবহারিক অর্থ হলো 'গরু'।
তেমনি-
• কুশল (অর্থ-নিপুণ, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-যে কুশ আহরণ করে)।
• শুশ্রূষা (অর্থ-রোগীর সেবা, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-শোনার ইচ্ছা)।
• সন্দেশ (অর্থ-মিষ্টান্ন, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-সমস্ত দেশ থেকে যা আসে অর্থাৎ খবর)।
• হরিণ (অর্থ-পশু বিশেষ, ব্যুৎপত্তিগত অর্থ-যে হরণ করে)।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকারণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু তুর্কি শব্দঃ
- বাবা,
- মুচলেকা,
- লাশ,
- সওগাত,
- উজবুক,
- কাঁচি,
- কাবু,
- কুর্নিশ,
- কুলি (মজুর),
- কোর্মা,
- খাতুন,
- চকমক,
- চাকু,
- তালাশ,
- তােপ,
- বন্দুক,
- বাবুর্চি,
- বারুদ,
- বাহাদুর,
- বেগম,
- বোঁচকা ইত্যাদি।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'জাহাজ' শব্দটি 'আরবি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- ইঞ্জিনচালিত সমুদ্রগামী বড়ো নৌযান, অর্ণবপোত।
অন্যদিকে,
ফারসি শব্দ - দারোগা, চশমা, খোদ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- গঠনগতভাবে শব্দ দুই প্রকার। যথা- মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ।
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
- মৌলিক শব্দ গুলোই হচ্ছে ভাষার মূল উপকরণ। যেমন- গোলাপ, লাল, নাক, তিন, নীল ইত্যাদি।
- অর্থগতভাবে শব্দসমূহ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা- যৌগিক শব্দ, রূঢ়ি শব্দ ও যোগরূঢ় শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
কতিপয় মিশ্র শব্দ-
খ্রিস্টাব্দ = ইংরেজি + তৎসম
চৌ-হদ্দি = ফারসি + আরবি
হাট-বাজার = বাংলা + ফারসি
কালি-কলম = সংস্কৃত + আরবি
পকেট-মার = ইংরেজি + বাংলা
ডাক্তার-খানা = ইংরেজি + ফারসি
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণী ও বাংলা একাডেমি অভিধান।
• 'ভোগদখল' মিশ্র শব্দটি 'সংস্কৃত এবং আরবি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- (ভূসম্পত্তির ক্ষেত্রে) অধিকারে রেখে বসবাস।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• গোলাপ সাধিত শব্দ নয়।
• গোলাপ একটি মৌলিক শব্দ।
• শব্দের গঠনমূলক শ্রেণিবিভাগ:
• মৌলিক শব্দ:
- যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
- যেমন- গোলাপ, নাক, লাল, তিন।
• সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা হলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে।
- সাধারণত একাধিক শব্দের সমাস হয়ে কিংবা প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগ হয়ে সাধিত শব্দ গঠিত হয়ে থাকে।
উদাহরণ: চাঁদমুখ (চাঁদের মতো মুখ), নীলাকাশ (নীল যে আকাশ), ডুবুরি (ডুব্+উরি), চলন্ত (চল্ + অন্ত), প্রশাসন (প্র+শাসন), গরমিল (গর+মিল) ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- ‘হাত’ + ‘ল’ (প্রত্যয়)।
- ‘ফুল’ + ‘এল’ (প্রত্যয়)।
- ‘পানি’ + ‘সা’ (প্রত্যয়)।
- শব্দগুলো সাধিত শব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০১৮সংস্করণ) ও ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
মৌলিক শব্দঃ
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙ্গে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন - গোলাপ, নাক, তিল, হাত, ফুল ইত্যাদি।
অন্যদিকে, গায়ক শব্দটি একটি যৌগিক শব্দ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
রূঢ়ি শব্দ:
- যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী - হস্ত + ইন, অর্থ - হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা।
এইরকম:
- প্রবীণ - শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি 'অভিজ্ঞতাসম্পন্ন • বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ - শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে 'সংবাদ'। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে 'মিষ্টান্ন বিশেষ'।
অন্যদিকে,
যৌগিক শব্দ - কর্তব্য, বাবুয়ানা।
যোগরূঢ় শব্দ - আদিত্য।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• 'সুহৃদ' - যোগরূঢ় শব্দ।
- সুহৃদ = সুন্দর হৃদয় যার; হৃদয় অর্থ হৃৎপিন্ডকে বুঝায়।
- আর সু এখানে সুন্দর।এর অর্থ দাঁড়ায় - সুন্দর হৃৎপিন্ড যার।
- কিন্তু ব্যবহারিক অর্থে সুহৃদ বলতে আমরা - বন্ধু/সখা/ বড় মনের অধিকারিকে বুঝি।
- তাই সুহৃদ যোগরূঢ় শব্দ।
• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে।
যেমন-
- পঙ্কজ ( যা পঙ্কে বা কাদায় জন্মে); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ- পদ্ম।
- মহাযাত্রা ( মহাসমারোহে যাত্রা); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ- 'মৃত্যু'
- রাজপুত ( রাজার পুত); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ জাতি বিশেষ।
- সুহৃদ (সুন্দর হৃদয় যার); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ - বন্ধু, সখা।
- জলধি (জল ধারণ কর এমন); কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ 'সমুদ্র' ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
• মৌলিক শব্দ:
যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেগুলোকে মৌলিক শব্দ বলে।
যেমন গোলাপ, নাক, লাল, তিন।
রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে সব শব্দ গঠনের উপাদান অর্থাৎ প্রকৃতি-প্রত্যয় অনুসারে অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোন বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে।
যেমন:
- 'সন্দেশ' শব্দটির প্রকৃতি- প্রত্যয় (সম্+দেশ) অনুসারে অর্থ হলো সংবাদ। কিন্তু সন্দেশ বলতে আমরা বুঝি এক ধরনের মিষ্টি।
আবার, যেমন- গবেষণা (গো+ এষণা) অর্থ- গরু খোজা; গভীরতম অর্থ- ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
এরূপ- বাঁশি, তৈল, প্রবীণ ইত্যাদি৷
যৌগিক শব্দ:
যে সব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই, সেসব শব্দকে যৌগিক শব্দ বলে।
অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যাদের অর্থ পরিবর্তিত হয় না, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন-
- গায়ক (মূল শব্দ) - গৈ+অক (শব্দ গঠন অর্থ) - যে গান করে (অর্থ)।
- মধুর = মধু + র; অর্থ - মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
প্রত্যেকটি ভাষার শব্দ ভান্ডারে ঐতিহ্যসূত্রে বা উত্তরাধিকারসূত্রে পরিবর্তিত বা অপরিবর্তিতভাবে কিছু প্রাচীন শব্দ থেকেই যায়।
এর সঙ্গে থাকে প্রাচীন বা চলমান সময়ের ধার করা শব্দ। পাশাপাশি ধর্মপ্রচার, রাজ্যজয়, সাংস্কৃতিক বা ব্যবহারিক সূত্রে বিভিন্ন ভাষার শব্দের আদান-প্রদানও চলতে থাকে।
উৎসগত দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
যথাঃ
১. সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ
২. প্রাকৃত বা তৎভব শব্দ
৩. বাংলা বা দেশি শব্দ ও
৪. বিদেশি বা বিভিন্ন ভাষার শব্দ।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খন্ড)।
মাধ্যমিক ব্যাকরণ বইয়ের নতুন সংস্করনেও (২০২১) ৪ শ্রেণীর কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, এখানে "অর্ধ-তৎসম" শ্রেণিটিকে রাখা হয় নি।
অন্যদিকে,
মাধ্যমিক ব্যাকরণ পুরাতন সংস্করণ ও হায়াৎ মামুদের ভাষা শিক্ষা বই অনুসারে,
উৎসগত দিক থেকে শব্দ ৫ প্রকার।
যথা-
১. তৎসম শব্দ,
২. অর্ধতৎসম শব্দ,
৩. তদ্ভব শব্দ,
৪. দেশি শব্দ ও
৫. বিদেশি শব্দ।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমাদের সিদ্ধান্তঃ
১. যেহেতু ভাষা ও ব্যাকরণের জন্য বাংলা একাডেমীর তথ্য সবচেয়ে বেশি গ্রহনযোগ্য, তার উপর মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণের নতুন সংস্করনে একই ধরণের তথ্য দেওয়া আছে, তাই আমরা ৪ প্রকারকে সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হচ্ছে। এখন থেকে ৪ প্রকারকেই সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হবে।
২. যদি প্রশ্নের অপশনে ৪ প্রকার না থাকে, সেক্ষেত্রে ৫ প্রকারকে সঠিক উত্তর হিসাবে ধরা হবে।
তারিখবাচক শব্দগুলোর প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থকে ৪ পর্যন্ত (পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা) হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়। বাকি শব্দগুলো বাংলার নিজস্ব ভঙ্গিতে গঠিত।
সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।