ব্যাখ্যা
- নিষিক্তকরণের পর গর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে তাকে ফল বলে।
- শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলে।
যেমন- আম, কাঁঠাল।
- গর্ভাশয় ছাড়া ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে।
যেমন- আপেল, চালতা ইত্যাদি।
- প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফলকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যেমন- সরল ফল, গুচ্ছফল ও যৌগিক ফল।
১) সরল ফল:
- ফুলের একটি মাত্র গর্ভাশয় থেকে যে ফলের উৎপত্তি তাকে সরল ফল বলে। যেমন- আম। এরা রসাল বা শুষ্ক হতে পারে।
- আবার সরল ফল দুই প্রকার।
যথা-
ক) রসাল ফল: যে ফলের ফলত্বক পুরু এবং রসাল তাকে রসাল ফল বলে। এ ধরনের ফল পাকলে ফলত্বক ফেটে যায় না।
যেমন- আম, জাম, কলা ইত্যাদি।
খ) নীরস ফল: যে ফলের ফলত্বক পাতলা এবং পরিপক্ক হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায় তাকে নীরস ফল বলে।
যেমন- শিম, ঢেঁড়স, সরিষা ইত্যাদি।
২) গুচ্ছ ফল:
- একটি ফুলে যখন অনেকগুলো গর্ভাশয় থাকে এবং প্রতিটি গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়ে একটি বোঁটার উপর গুচ্ছাকারে থাকে তখন তাকে গুচ্ছ ফল বলে।
যেমন- চম্পা, নয়নতারা, আকন্দ, আতা, শরীফা ইত্যাদি।
৩) যৌগিক ফল:
- একটি মজুরির সম্পূর্ণ অংশ যখন একটি ফলে পরিণত হয় তখন তাকে যৌগিক ফল বলে।
যেমন- আনারস, কাঁঠাল ইত্যাদি।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।