বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

রোবটিক্স ও সাইবার অপরাধ

মোট প্রশ্ন৪৭৯এই পাতা৭৯প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

রোবটিক্স ও সাইবার অপরাধ

PrepBank · পাতা / · ৪০১৪৭৯ / ৪৭৯

৪০১.
সাইবার আক্রমণ এড়াতে ব্যবহার করা হয়-
  1. ফায়ারওয়াল
  2. ফার্মওয়্যার
  3. এন্টিভাইরাস
  4. ফায়ারওয়্যার
ব্যাখ্যা

- অনাদিষ্ট ও অবাঞ্ছিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- অপরদিকে, ফায়ারওয়্যার হচ্ছে কম্পিউটারের অত্যাধুনিক বাস।
- ভাইরাসের আক্রমণ রোধ করতে এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা হয়।
- ফার্মওয়্যার হলো এক ধরনের সফটওয়্যার।

৪০২.
রোবট তৈরির প্রতিষ্ঠান ফানুক (FANUC) কোন দেশের কোম্পানি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. জাপান
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালে জাপানে প্রতিষ্ঠিত ফানুক পৃথিবীর অন্যতম বড় রোবট তৈরির কোম্পানি।
৪০৩.
সনি কর্পোরেশনের তৈরি রোবট কোনটি? 
  1. আসিমো
  2. রোবোরো
  3. সোফিয়া
  4. আইবো
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স: 
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে, তাকে রোবট বলা হয়। 
- রোবটের নকশা, গঠন এবং কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় যে প্রযুক্তির শাখায়, তাকে রোবটিক্স বলা হয়। 
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির তৈরি রোবট হলো 'মুরাতা বয়'। 
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির তৈরি রোবট হলো 'আইবো'। 
- হোন্ডা কোম্পানির তৈরি রোবট হলো 'আসিমো'। 
- স্যামসাং কোম্পানির তৈরি রোবট হলো 'রোবোরো'। 
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির তৈরি রোবট হলো 'সোফিয়া'। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৪.
YASKAWA- কোন দেশের রোবট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) জাপান
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চায়না
  4. ঘ) উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা

একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বইয়ে YASKAWA আমেরিকান শীর্ষস্থানীয় রোবট উৎপাদনকারী কোম্পানি হিসেবে দেয়া আছে।
কিন্তু মূলত Yaskawa হলো জাপান ভিত্তিক রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান যা ১৯১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
অপরদিকে, Yaskawa এর Motoman Robotics Division টি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
প্রশ্নে যেহেতু সরাসরি YASKAWA সম্পর্কে বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর জাপান হবে।

[লিঙ্ক]

সূত্র: Yaskawa এর ওয়েবসাইট 

৪০৫.
'সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩'-এ কয়টি ধারা অজামিনযোগ্য রাখা হয়েছে?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩':
- সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ, দমন ও এই অপরাধের বিচার এবং আনুতোষিক বিষয়ে নতুন বিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ 'সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩' পাস হয়।
- পূর্বের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২টি ধারা বাতিল করে নতুন আইনে ৬০টি ধারা করা হয়।

• অজামিনযোগ্য ধারা:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কার্যক্রম স্থগিত করে নতুন এই আইনে চারটি অজামিনযোগ্য ধারা রাখা হয়েছে
ধারাগুলো হলো:
ধারা-১৭: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বে-আইনি প্রবেশ।
ধারা-১৯: কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ড।
ধারা-২৭: সাইবার সন্ত্রাসীকার্য সংঘটনের অপরাধ ও দণ্ড।
ধারা-৩২: হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড।

উৎস: বাসস (১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)
৪০৬.
Firewall কী protection দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Fire attacks
  2. Unauthorized access
  3. Virus attacks
  4. Data - driven attack
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- তবে ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৭.
ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ক বিভ্রান্ত করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. স্পুফিং
  2. স্নিকিং
  3. স্প্যামিং
  4. ট্রোজান
ব্যাখ্যা
ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ক বিভ্রান্ত করার পদ্ধতিকে স্পুফিং বলা হয়।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকান্তিকত ব অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪০৮.
ইভসড্রপিং কী?
  1. একটি নিরাপত্তা পদ্ধতি যা ডেটা এনক্রিপ্ট করে।
  2. একটি আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কথোপকথন শোনে।
  3. ডেটা ব্যাকআপ নিতে ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি
  4. একটি সফটওয়্যার যা নেটওয়ার্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
ব্যাখ্যা
• ইভসড্রপিং হলো একটি আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কথোপকথন শোনে।

• ইভসড্রপিং (Eavesdropping):
- এই আক্রমণে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই, তার অজ্ঞাতে সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের কথোপকথন শুনে এবং সেই তথ্যটি প্রতিযোগী সংস্থা বা শত্রু সংস্থার কাছে পৌঁছে দেয়।
- এটি একটি প্যাসিভ আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারী গোপনীয়তা বজায় রেখে পর্যবেক্ষণ করে এবং কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা নেটওয়ার্কে যুক্ত অন্যান্য ডিভাইস থেকে তথ্য চুরি করে।
- পরবর্তীতে, এই তথ্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সবকিছু জানিয়ে সক্রিয় আক্রমণও চালানো হতে পারে।
- কার্নিভো এবং নারুসের মতো বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার এই উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।
- পাবলিক ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কগুলি এই ধরনের আক্রমণের জন্য সহজ টার্গেট, কারণ যে কেউ সেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে এবং পাসওয়ার্ড অর্জন করতে পারে।
- ইভসড্রপিং ওয়্যারলেস সেন্সর নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেট অফ থিংসের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৯.
DDoS আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট পরিবর্তন করা
  2. সিস্টেমে অনধিকার প্রবেশ করা
  3. সার্ভার বা নেটওয়ার্ক অবরুদ্ধ করা
  4. ডেটাবেস ব্যাকআপ নেওয়া
ব্যাখ্যা

DDoS (Distributed Denial of Service) আক্রমণ হলো এমন একটি সাইবার আক্রমণ যেখানে আক্রমণকারী একটি সার্ভার বা নেটওয়ার্কে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক পাঠিয়ে তা অকার্যকর করে দেয়।

• DDoS Attack:
- DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
- DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
- DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
- DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪১০.
সর্বপ্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের সূচনা হয় কবে?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
 - ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর কম্পিউটার ভাইরাস এর জন্ম হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণির ছাত্র ফ্রেড কোহেন পেনসিলভেনিয়ার লেহিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তাবিষয়ক এক সেমিনারে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস দেখান। 
কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হলো "Vital Information Resources Under Seize." যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে।
- ভাইরাস নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।

উৎস:
১. শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১১.
কারো নেটওয়ার্কে ফাঁকি দিয়ে প্রবেশ করে তার তথ্যাদি নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসাকে কী বলা হয়?
  1. ক) স্নিকিং
  2. খ) ভিশিং
  3. গ) স্পুফিং
  4. ঘ) ফিশিং
ব্যাখ্যা
স্নিকিং (Sneaking)
গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

ভিশিং (Vishing)

- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বলে।

প্রতারণা বা স্পুফিং (Spoofing)
- স্পুফিং শব্দের অর্থ হলো প্রতারণা করা, ধোঁকা দেওয়া বা কূট কৌশল অবলম্বন করা। নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে । অধিকাংশ ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি প্রটোকলে কোনো ম্যাসেজের উৎস বা গন্তব্য এর সত্ত্বাসত্য নির্ণয়ের পদ্ধতি থাকে না। এ ক্ষেত্রে এই নেটওয়ার্কগুলো স্পুফিং আক্রমণের ঝুঁকিতে থাকে যেখানে প্রেরক বা গ্রাহক হোস্টের পরিচিতি যাচাই করার জন্য কোনো পূর্ব সতকর্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয় না। সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অথবা অন্য ব্যবহারকারীর পরিচিতি জাল করে সিস্টেমের সাথে কুট-কৌশল অবলম্বন করে সিস্টেমের কন্ট্রোল নিয়ে নেয়। ইন্টারনেটে বিভিন্ন ভাবে স্পুফিং হয়ে থাকে। যথা- ইমেইল স্পুফিং, গেটওয়ে স্পুফিং, আইপি স্পুফিং ইত্যাদি।

ফিশিং (Phishing) 
- ইলেকট্রোনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বা ইন্টারনেটে কোন নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বাসযোগ্য সত্ত্বার ছদ্মবেশ ধারণ করে বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে ক্রেডিক বা ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির প্রচেষ্টাকে ফিশিং (Phishing) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪১২.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণীত হয় কোন সালে?
  1. ২০১৯
  2. ২০১৮
  3. ২০২০
  4. ২০২১
ব্যাখ্যা
২০১৮ সালে আমাদের দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণীত হয়। 

• যার আংশিক উল্লেখ করা হলো-
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, প্রোগ্রাম বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোয় অনুমতি ছাড়া প্রবেশ ও ক্ষতি করা নিষিদ্ধ।
- অবৈধভাবে কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসে প্রবেশ করে তথ্য কপি করা যাবে না।
- ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতারণা, জালিয়াতি বা ছদ্মবেশ ধারণ আইনত অপরাধ।
- মুক্তিযুদ্ধ, জাতীয় পতাকা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো যাবে না।
- রাষ্ট্রের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করে এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার আইনত দণ্ডনীয়।
- ডিজিটাল মাধ্যমে কারো মানহানি, অপমান বা ভয়ভীতি প্রদর্শন নিষিদ্ধ।
- ব্যাংক, বিমা বা সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল অনুপ্রবেশ ও তথ্য চুরি করা যাবে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪১৩.
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যারকে কী বলে?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. অ্যাডওয়্যার
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ট্রোজান হর্স
ব্যাখ্যা
• Malware (ম্যালওয়্যার):
- Malware (ম্যালওয়্যার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware),
- ওয়ার্ম (Worms) ইত্যাদি।

• বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
৪১৪.
টেম্পোরারি ফাইল বেশি হলে কী ঘটে?
  1. ক) এন্টিভাইরাস কাজ করে না
  2. খ) কম্পিউটারের গতি বেড়ে যায়
  3. গ) ই-মেইল করা যায় না
  4. ঘ) কম্পিউটারের গতি কমে যায়
ব্যাখ্যা
- টেম্পোরারি ফাইল বেশি হলে কম্পিউটারের গতি কমে যায়

 • কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পােরারি ফাইল তৈরি হয়।
- অনেক দিন এ ফাইলগুলাে না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলাে কাজের গতি কমিয়ে দেয়।
- এজন্য আমাদের উচিত, সফটওয়্যার এর সাহায্য নিয়ে এই অস্থায়ী ফাইলগুলাে ডিলিট করা বা মুছে দেয়া।
- এতে হার্ডডিস্কের বেশ খানিকটা জায়গা খালি হবে আবার কম্পিউটারের কাজের গতিও অনেক বেড়ে যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪১৫.
"White hat hacker" - বলতে কী বোঝায়?
  1. যে হ্যাকার নৈতিকভাবে নিজের হ্যাকিং দক্ষতা ব্যবহার করে
  2. যে হ্যাকার ডেটা চুরি করে
  3. একটি কল্পিত হ্যাকার চরিত্র
  4. যে হ্যাকার সাইবার অপরাধ চক্রের জন্য কাজ করে
ব্যাখ্যা
• "White hat hacker" বলতে এমন হ্যাকারকে বোঝায়, যে নৈতিকভাবে ও আইন মেনে তার হ্যাকিং দক্ষতা ব্যবহার করে। তারা সাধারণত সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেমে দুর্বলতা খুঁজে বের করে তা মেরামতের উপায় জানান, যেন ম্যালিশিয়াস হ্যাকাররা (black hat hackers) ওই দুর্বলতাগুলো ব্যবহার করে আক্রমণ করতে না পারে। এরা নৈতিক হ্যাকিং করে, যার অনুমতি আগে থেকেই প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নেওয়া হয়। তাই "White hat hacker" হল একজন ভালো উদ্দেশ্যে কাজ করা হ্যাকার। সঠিক উত্তর: ক) যে হ্যাকার নৈতিকভাবে নিজের হ্যাকিং দক্ষতা ব্যবহার করে।

• হ্যাকিং:
- হ্যাকিং বলতে বোঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা। যারা এই কাজ করে থাকে তাদেরকে বলা হয় কম্পিউটার হ্যাকার বা হ্যাকার।

• হ্যাকারদের শ্রেণিবিভাগ:
১. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার,
২. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার,
৩. গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি।

• হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের কর।
- এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও (ethical hacker) বলা হয়।
- এরা সিস্টেমের কোন ক্ষতি করে না বরং সিকিউরিটি বৃদ্ধি করে।

• ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরণের হ্যাকাররা অবৈধ কাজ করে এবং ইনফরমেশন চুরি করে সাইবার অপরাধ করে।
- এদের ক্রেকারও বলে।

• গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও ব্লাক হ্যাট হ্যাকারের মাঝামাঝি এক ধরনের হ্যাকার।
- এরা নেটওয়ার্কের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানায়।
- দূর্বল দিকগুলো ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪১৬.
প্রতারণামূলকভাবে সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড ও ক্রেডিট কার্ড নম্বর অর্জন করার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করার অনুশীলনকে কী বলা হয়?
  1. Phishing
  2. Spamming
  3. Ransom ware
  4. Sniffing
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ: 
• ফ্রেকিং (Phreaking): 
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে। 
• হ্যাকিং (Hacking): 
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। 
- যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে। 

• ফিশিং (Phishing): 
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা। 

• ভিশিং (Vishing): 
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। 

র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): 
- র‍্যানসমওয়্যার এক ধরনের ম্যালওয়্যার। র‍্যানসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। 

স্নিফিং (Sniffing): 
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং। 

• স্পুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে। 

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। 
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪১৭.
যে ম্যালওয়ারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয় তা -
  1. ক) Avast
  2. খ) Ransomware
  3. গ) Keylogger
  4. ঘ) Adware
ব্যাখ্যা
Malware (ম্যালওয়ার) 
• Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)
- Keyloggers
- Rootkits
- ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

• র‍্যামসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
• বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
৪১৮.
রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নয় কোনটি?
  1. ক) Fanuc
  2. খ) Yaskawa
  3. গ) Boston Dynamics
  4. ঘ) Bugatti
ব্যাখ্যা

Bugatti হল ফরাসি গাড়ী নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান।
Fanuc- ইহা একটি আমেরিকান রোবট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, যা প্রায় সকল ধরণের রোবট প্রস্তুত করে থাকে।
Yaskawa- ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ইহা আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় শিল্প রোবট উৎপাদনকারী কোম্পানি।
Boston Dynamics- বর্তমানে গুগলের সত্ত্বাধিকারি এই কোম্পানিটি সর্বাধুনিক রোবট তৈরি করে। ১৯৯২ সালে এই প্রতিষ্ঠানটির সূচনা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৪১৯.
কোন হ্যাকাররা ভালো এবং খারাপ উভয় উদ্দেশ্যে হ্যাকিং করে?
  1. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা
• গ্রে হ্যাট হ্যাকাররাই ভালো এবং খারাপ উভয় উদ্দেশ্যে হ্যাকিং করে। এরা এমন ব্যক্তি যারা আইন ভঙ্গ করে সিস্টেমে প্রবেশ করলেও তাদের উদ্দেশ্য সবসময় ক্ষতিকর হয় না। তারা কখনো ভালো উদ্দেশ্যে, যেমন নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে বের করে রিপোর্ট করা, আবার কখনো খারাপ উদ্দেশ্যে, যেমন অনুমতি ছাড়া তথ্য দেখা বা প্রকাশ করা—এই দুই ধরণের কাজই করতে পারে। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার কেবল ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে কাজ করে এবং হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার আইন মেনে কেবল নিরাপত্তা উন্নয়নের জন্য হ্যাকিং করে। অন্যদিকে, গ্রিন হ্যাট হ্যাকার নতুন হ্যাকার, যারা শেখার পর্যায়ে থাকে। তাই সঠিক উত্তর: খ) গ্রে হ্যাট হ্যাকার।

হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:
১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪২০.
সামাজিক যোগাযোগ সাইট ব্যবহারের সময় অপরিচিত অ্যাপ্লিকেশন সম্পর্কে সঠিক আচরণ কোনটি?
  1. কোনো যাচাই ছাড়াই অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা
  2. দ্রুত অনুমতি প্রদান করা
  3. নিশ্চিত না হয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার না করা
  4. সব ধরনের অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করা
ব্যাখ্যা

• নিশ্চিত না হয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার না করা — অপরিচিত অ্যাপ্লিকেশন ক্ষতিকর হতে পারে, তাই যাচাই ছাড়া ব্যবহার না করাই নিরাপদ।

• সামাজিক যোগাযোগ:
- সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটের অধিকাংশ ব্যবহারকারী নিজেকে প্রচারমুখী করতে আগ্রহী।
- এ কারণে অনেক ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগ সাইটে ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি ও অন্যান্য উপাত্ত সংরক্ষণ করে রাখেন।
- যদি কোনো সামাজিক যোগাযোগ সাইটের অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হ্যাক বা ফাঁস হয়ে যায়, তাহলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে।
- তাই ই-মেইল সাইটের জন্য যেসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সেগুলোর অনুরূপ ব্যবস্থা সামাজিক যোগাযোগ সাইটের ক্ষেত্রেও গ্রহণ করা প্রয়োজন।
 
• সামাজিক যোগাযোগ সাইট ব্যবহারে সম্ভাব্য ঝুঁকি:
- অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে ব্যক্তিগত তথ্য অপব্যবহারের ঝুঁকি থাকে।
- ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্য অননুমোদিতভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
- পরিচয় চুরি (Identity Theft) বা প্রতারণার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়।
 
• সামাজিক যোগাযোগ সাইট ব্যবহারের সময় প্রয়োজনীয় সতর্কতা:
- কেবল বন্ধু হওয়ার যোগ্য ও পরিচিত ব্যক্তিদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।
- ভার্চুয়াল বা বিদেশে অবস্থানকারী কাউকে বন্ধু বানানোর আগে—
- তার প্রোফাইল যাচাই করা,
- পারস্পরিক বন্ধুদের মধ্যে পরিচিত কেউ আছে কি-না দেখা,
- পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
- অতিরিক্ত ব্যক্তিগত ছবি বা সংবেদনশীল তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ না করা।
- যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ই-মেইল ব্যবহারের পর অবশ্যই লগআউট করে সাইট ত্যাগ করা।
- নিজ প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার বা সাইবার ক্যাফে থেকে ইন্টারনেট ব্যবহারের পর অবশ্যই সাইন আউট করা।
- ওয়েবসাইট ব্যবহারের সময় অপরিচিত কোনো অ্যাপ্লিকেশন বা লিংকে ক্লিক না করা, নিশ্চিত না হয়ে তা ব্যবহার না করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২১.
জিমেইল একাউন্টের নিরাপত্তা শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজন?
  1. ক) ওয়ান-ওয়ে ভেরিফিকেশন
  2. খ) টু- ওয়ে ভেরিফিকেশন
  3. গ) থ্রি-ওয়ে ভেরিফিকেশন
  4. ঘ) ফোর-ওয়ে ভেরিফিকেশন
ব্যাখ্যা
দ্বিমূখী ভেরিফিকেশন
- যেসব ক্ষেত্রে দ্বিমূখী ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করা। 
- দ্বিমূূখী ভেরিফিকেশন দ্বারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জিমেইল একাউন্টটির নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা যায়। 
- কেউ এই একাউন্টে অনধিকার প্রবেশ করতে চাইলে তাকে মোবাইল কোডটি পেতে হবে এবং ব্যবহার করতে হবে।
- যেহেতু কোডটি একবার মাত্র ব্যবহার করা যাবে সুতরাং কেউ আগের কোডটি জানতে পারলেও একাউন্টটি থাকবে নিরাপদ।
- একইভাবে ইয়াহু! মেইলেও অনুরুপ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।

সূত্র: তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৪২২.
"Cryptojacking" হল এক ধরনের -
  1. সাইবার অপরাধ
  2. ভার্চুয়াল মুদ্রা
  3. ভার্চুয়াল ওয়ালেট
  4. ব্লকচেইন
ব্যাখ্যা
Cryptojacking is a type of cybercrime where a criminal secretly uses a victim’s computing power to generate cryptocurrency.
This usually occurs when the victim unwittingly installs a programme with malicious scripts which allow the cybercriminal to access their computer or other Internet-connected device, for example by clicking on an unknown link in an e-mail or visiting an infected website. Programmes called ‘coin miners’ are then used by the criminal to create, or ‘mine’, cryptocurrencies.
source - Interpol website
৪২৩.
প্লেজিয়ারিজম বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা
  2. অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া
  3. ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা
  4. বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা
ব্যাখ্যা

• প্লেজিয়ারিজম বলতে বোঝায় অন্যের লেখা, চিন্তাভাবনা, বা কোনো সৃজনশীল কাজ অনুমতি ছাড়া চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করা। এটি শুধু কপি-পেস্ট করা নয়, বরং কারও লেখা থেকে ভাব, শব্দ, বা তথ্য এমনভাবে নেওয়া যা মূল লেখকের স্বীকৃতি ছাড়াই ব্যবহার করা হয়, সেটাকেও প্লেজিয়ারিজম বলা হয়। শিক্ষার্থী, গবেষক বা লেখক যেকোনো ক্ষেত্রে এটি অসদাচরণের একটি উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়। অন্যের লেখা নিজের বলে উপস্থাপন করা নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভুল এবং আইনগত জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে। তাই লেখক বা সৃজনশীল কাজের মূল স্বত্বাধিকারীকে যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

- উত্তর: খ) অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪২৪.
Prolog প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Website Devlopment
  2. খ) Data Analysis
  3. গ) Artificial Intelligence
  4. ঘ) UX/UI Design
ব্যাখ্যা
• Prolog প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ Artificial Intelligence-এ ব্যবহৃত হয়।
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪২৫.
ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. স্নিকিং
  2. স্নিফিং
  3. ফিশিং
  4. স্প্যামিং
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪২৬.
CAPTCHA-এর একটি নতুন সংস্করণ reCAPTCHA, এটি কোন কোম্পানি তৈরি করেছে?
  1. Google 
  2. Facebook
  3. IBM
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• reCAPTCHA হলো CAPTCHA প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ, যা মূলত Google কোম্পানি তৈরি করেছে। এটি প্রথমে Luise von Ahn ও তাঁর গবেষক দল তৈরি করলেও পরে Google এটি অধিগ্রহণ করে এবং উন্নত করে। reCAPTCHA ব্যবহারকারীর মানুষ নাকি বট- তা যাচাই করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে, যেমন ছবি শনাক্তকরণ, টেক্সট বিশ্লেষণ বা ব্যাকগ্রাউন্ড আচরণ পর্যবেক্ষণ। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটগুলো স্প্যাম, ভুয়া রেজিস্ট্রেশন ও স্বয়ংক্রিয় আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত থাকে। বর্তমানে Google-এর বিভিন্ন সেবা ও অসংখ্য ওয়েবসাইটে reCAPTCHA ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Google.
 
• CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart।
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা ব্যবহারকারীদের এমন কাজগুলি উপস্থাপন করে যা মানুষের পক্ষে সমাধান করা তুলনামূলকভাবে সহজ কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটগুলির জন্য কঠিন।
- এই কাজগুলির মধ্যে প্রায়ই বিকৃত পাঠ্য সনাক্ত করা, নির্দিষ্ট চিত্র নির্বাচন করা, ধাঁধা সমাধান করা বা সাধারণ গণিত সমস্যাগুলি সম্পূর্ণ করা জড়িত।
- ক্যাপচা চ্যালেঞ্জ সফলভাবে সম্পন্ন করার মাধ্যমে, একজন ব্যবহারকারী প্রদর্শন করে যে তারা সম্ভবত মানুষ এবং একটি স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যাতে বটগুলিকে অপব্যবহার বা শোষণ করা থেকে বিরত রাখা যায়।
- CAPTCHA প্রযুক্তির বিকাশ দৃষ্টি শনাক্তকরণ (visual recognition) নামক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি শাখায় গবেষণাকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং সফটওয়্যার, রিমোট সেন্সিং, এবং রোবোটিক্স-এ।

• ক্যাপচাগুলির জন্য কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- developers.google [link]

৪২৭.
কোন কাজে রোবটিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় না?
  1. সামরিক ক্ষেত্রে
  2. জিন ফাইন্ডিং গবেষণায়
  3. ভারী শিল্প কারখানায়
  4. ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা

জিন ফাইন্ডিং গবেষণা মূলত জেনেটিক প্রযুক্তি এবং বায়োইনফরমেটিক্স এর মাধ্যমে করা হয়, যা রোবটিক্সের কাজ নয়।

রোবটিক্স (Robotics):
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।

রোবটিক্সের ব্যবহার:
- ম্যানুফ্যাকচারিং-এ,
- বিপজ্জনক কাজে,
- ভারী শিল্প কারখানায়,
- মেইল ডেলিভারির কাজে,
- নিরাপত্তার কাজে,
- পুলিশের সাহায্যকারী হিসেবে,
- সামরিক ক্ষেত্রে,
- ঘরোয়া কাজে,
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪২৮.
কারও লেখা নিজের নামে প্রকাশ করার কাজটিকে কী বলা হয়?
  1. প্লেজিয়ারিজম
  2. স্ফুফিং
  3. ফিশিং
  4. স্প্যামিং
ব্যাখ্যা

• কারও লেখা বা কোনো সৃষ্টি নিজের নামে প্রকাশ করার কাজকে প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। এটি এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক চুরি, যেখানে অন্যের লেখা, গবেষণা, ছবি বা ধারণা অনুমতি ছাড়া বা যথাযথ ক্রেডিট না দিয়ে ব্যবহার করা হয়। শিক্ষাক্ষেত্রে এটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ এটি মূল লেখক বা সৃষ্টিকর্তার শ্রম ও মেধাকে অবমূল্যায়ন করে। বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্লেজিয়ারিজম শনাক্ত করতে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। নৈতিকতার দিক থেকেও এটি ভুল, কারণ নিজের মেধা বা প্রচেষ্টার পরিবর্তে অন্যের কৃতিত্ব গ্রহণ করা হয়। তাই লেখা বা গবেষণায় অন্যের কাজ ব্যবহার করলে সবসময় যথাযথ উৎস উল্লেখ করা উচিত।

- সঠিক উত্তর: ক) প্লেজিয়ারিজম। 

 • সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

৪২৯.
'Robota' শব্দের অর্থ কী?
  1. যন্ত্র
  2. শ্রমিক
  3. স্বয়ংক্রিয়
  4. উদ্ভাবন
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক আসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৩০.
What is Machine Learning?
  1. A type of computer virus
  2. Software for data storage
  3. Human-operated machinery
  4. A branch of artificial intelligence
ব্যাখ্যা
মেশিন লার্নিং (Machine Learning):
- মেশিন লার্নিং ডেটা সায়েন্সের ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ।
- মেশিন লার্নিং হল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ডেটা থেকে শেখানোর ক্ষমতা দেয়া।
- এটি কম্পিউটারকে প্যাটার্ন এবং পর্যাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে কোন কিছুর পূর্বাভাস অনুমান করতে এবং নির্ধারিত কাজ অনুমোদন করতে অনুমতি দেয়।
- Machine Learning এর পথপ্রদর্শক Arthur Samuel.
- মেশিন লার্নিং-এ পরিসংখ্যাতগত পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে, অ্যালগরিদমগুলিকে শ্রেণিবিন্যাস বা ভবিষ্যদ্বাণী করতে এবং ডেটা মাইনিং প্রকল্পগুলিতে মূল অন্তর্দৃষ্টিগুলি উন্মোচন করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ৷ 

মেশিন লার্নিং- এর উদাহরণ:
- উদাহরণস্বরূপ, আমাদের স্মার্ট ফোনে যে আমরা ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক দেই তাও মেশিন লার্নিং ও সেনসরের এর কল্যাণে সম্ভব হয়েছে। সহজ ভাষায় বললে, মেশিন মানে আমাদের স্মার্ট ফোনটির ফিঙ্গার প্রিন্ট সেনসরটি আমাদের ফিঙ্গারপ্রিন্টের প্যাটার্ন Learn করেছে।
- আবার, বলা যায়, আমরা Google Doc- এ Voice Recognition অপশন অন করে বাংলায় কথা বললে, Google Doc নিজে নিজেই বাংলা টাইপিং শুদ্ধভাবে করতে পারে। সহজ ভাষায় বলা যায়, মেশিন হচ্ছে Google আর তাকে বিভিন্ন অ্যালগরিদম আর প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলা ভাষা শেখানো হয়েছে যাকে আমরা Natural Language Processing (NPL) বলি।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা।

আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর কয়েকটি ক্ষেত্র হলো:
১) NLP (অনুবাদ/তথ্য সমন্বয়) - Natural Language Processing,
২) Speech (স্পিচ টু টেক্সট/স্পিচ টু স্পিচ),
৩) মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং),
৪) রোবটিক্স,
৫) ভিশন (ইমেজ প্রসেসিং)।

উৎস:
১) IBM ওয়েবসাইট।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩১.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: অবৈধ কাজ করে।
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: সিকিউরিটি বৃদ্ধি করতে হ্যাক করে।
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: অবৈধ ও বৈধ উভয় কাজই করে।
  4. উল্লিখিত সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- এই ধরনের হ্যাকার কোন অবৈধ কাজ করে না।
- এরা সিকিউরিটি বৃদ্ধি করতে হ্যাক করে।

• ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- ই ধরনের হ্যাকাররা অবৈধ কাজ করে এবং ইনফরমেশন চুরি করে সাইবার অপরাধ করে থাকে।

• গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এই ধরনের হ্যাকাররা অবৈধ ও বৈধ উভয় কাজই করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
৪৩২.
হ্যাকারদের দ্বারা বিনামূল্যে কল করার জন্য ব্যবহৃত প্রাচীনতম ফোন হ্যাকিং কৌশল হিসাবে পরিচিত কোন পদ্ধতিটি?
  1. ফ্রিকিং
  2. স্প্যামিং
  3. স্পুফিং
  4. স্নিকিং
ব্যাখ্যা
• ফ্রিকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলা হয়। 
- একসময় যখন কম্পিউটার সিস্টেম প্রচলিত ছিলনা, তখন হ্যাকাররা টেলিফোনে নানা ধরনের হ্যাকিং পরিচালনা করত।
- সাধারণভাবে ফোন হ্যাকারদের ফ্রেকার (Phreaker) নামে অভিহিত করা হয়।

• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং। 
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
- স্পুফড সাইট হলো প্রকৃত সাইটের প্রায় কাছাকাছি একটি মিরর ইমেজ। 

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৩৩.
বাংলাদেশে ''তথ্য অধিকার আইন'' চালু হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৮
  2. খ) ২০০৯
  3. গ) ২০১০
  4. ঘ) ২০১১
ব্যাখ্যা
তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগনের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তথ্য অধিকার(Right to Information) আইন প্রণীত ও বাস্তবায়িত হচ্ছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা ও তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নাগরিকগণের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।

জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ২০০৯ সালে বাংলাদেশে ''তথ্য অধিকার আইন ২০০৯'' নামে একটি আইন চালু হয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( নবম - দশম শ্রেণি )
৪৩৪.
অন্যের লেখা চুরির সাথে সম্পর্কিত কোনটি?
  1. ভিশিং
  2. স্পুফিং
  3. প্লেজিয়ারিজম
  4. স্প্যামিং
ব্যাখ্যা
• প্লেজিয়ারিজম:
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হলো প্লেজিয়ারিজম।
- স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে।
- মোবাইল, টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনের সাহায্যে কলের মাধ্যমে ফিশিং করাকে বলা হয় ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং।
- যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখার জন্য অথবা ওয়েব সার্ভার অপ্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা পূর্ণ করার জন্য শত শত বা হাজার হাজার মেইল একই ঠিকানায় পাঠায় তখন তাকে স্প্যামিং বলে।
- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৫.
কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ কী?
  1. সহায়ক মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
  2. প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  3. কম্পিউটার পারফর্মেন্স এর গতি বৃদ্ধিতে।
  4. ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। 
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪৩৬.
'স্পুফিং' আক্রমণ বলতে কী বুঝায়?
  1. নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি বিভ্রান্ত করে অনৈতিক সুবিধা নেওয়া
  2. অন্যের কম্পিউটারে বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতিসাধন করা
  3. গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসা
  4. ক্রেডিক বা ডেবিট কার্ডের ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড চুরির প্রচেষ্টা
ব্যাখ্যা
• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হচ্ছে-

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে ।
- ইন্টারনেটে বিভিন্ন ভাবে স্পুফিং হয়ে থাকে। যথা: ইমেইল স্পুফিং, গেটওয়ে স্পুফিং, আইপি স্পুফিং ইত্যাদি।

• হ্যাকিং (Hacking):
- হ্যাকিং হচ্ছে অনাধিকার প্রবেশ এবং অনৈতিক কর্মকান্ড; যা অন্যের কম্পিউটারে বা ওয়েবসাইটে ঢুকে তথ্যের ক্ষতিসাধন করে।
- অর্থাৎ অবৈধভাবে বা বিনা অনুমতিতে কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা, তথ্য নষ্ট করা, তথ্য চুরি করা, তথ্যের বিকৃতি ঘটানো বা অন্যের কম্পিউটারকে বিশেষ পন্থায় সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়াকে কম্পিউটার হ্যাকিং বলে।

• ফিশিং (Phishing):
- ইলেকট্রোনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বা ইন্টারনেটে কোন নির্ভরযোগ্য বা বিশ্বাসযোগ্য সত্ত্বার ছদ্মবেশ ধারণ করে বিদ্বেষপরায়ণ হয়ে ক্রেডিক বা ডেবিট কার্ডের বিস্তারিত তথ্য, ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ডের মত সংবেদনশীল তথ্য চুরির প্রচেষ্টাকে ফিশিং (Phishing) বলে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৩৭.
ইন্টারনেটে অনুমতি ছাড়া কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ফিশিং
  2. স্প্যামিং
  3. স্পুফিং
  4. হ্যাকিং
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটে অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে হ্যাকিং বলা হয়।

• হ্যাকিং (Hacking):
- হ্যাকিং হলো অনুমতি ছাড়া কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক বা ডেটাবেজে প্রবেশ করার প্রক্রিয়া।
- সাধারণত সিস্টেমের নিরাপত্তা দুর্বলতা ব্যবহার করে হ্যাকাররা এতে প্রবেশ করে।
- হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে তথ্য চুরি, তথ্য পরিবর্তন বা সিস্টেমের ক্ষতি করা হতে পারে।
- এটি সাইবার অপরাধের একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়।

• হ্যাকিংয়ের উদ্দেশ্য:
- গোপন তথ্য সংগ্রহ করা।
- সিস্টেমের নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে বের করা।
- ডেটা পরিবর্তন বা ধ্বংস করা।
- কখনও কখনও গবেষণা বা নিরাপত্তা পরীক্ষার উদ্দেশ্যেও হ্যাকিং করা হয়।

• সাইবার নিরাপত্তা:
- হ্যাকিং প্রতিরোধের জন্য শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, ফায়ারওয়াল ও নিরাপত্তা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

• অন্যান্য অপশন:
- স্প্যামিং → ইন্টারনেটে অবাঞ্ছিত ই-মেইল বা বার্তা বারবার পাঠানোর প্রক্রিয়া।
- স্পুফিং → ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে অন্যকে প্রতারণা করার কৌশল।
- ফিশিং → ভুয়া ওয়েবসাইট বা বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৪৩৮.
বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারি করে কোন সংস্থা?
  1. বিজনেস সফটওয়্যার অ্যালায়েন্স
  2. বিজনেস সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম আই সলিউশন্স
  4. বিজনেস সিস্টেম অ্যালায়েন্স
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার সফটওয়্যার, কম্পিউটারে করা সৃজনশীল কর্ম যেমন- সিনেমা, নাটক, এনিমেশন ইত্যাদির বেলায় কপিরাইট সংরক্ষণ করার জন্য বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হয়।
- যখনই এরূপ কপিরাইট আইনের আওতায় কোনো কপিরাইটহোল্ডারের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়, তখনই কপিরাইট বিঘ্নিত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়।
- এই ধরনের ঘটনাকে সাধারণভাবে পাইরেসি বা সফটওয়্যার পাইরেসি নামে অভিহিত করা হয়।
- বড় বড় সফটওয়্যার কম্পানি তাদের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারি করার জন্য বিজনেস সফটওয়্যার অ্যালায়েন্স (BSA) নামের একটি সংস্থা তৈরি করেছে।
- বাংলাদেশেও সফটওয়্যার পাইরেসি নিষিদ্ধ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনি।
৪৩৯.
নিচের কোন হ্যাকার তথ্য চুরি ও আর্থিক ক্ষতিসাধন করে?
  1. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
  2. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  3. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  4. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার তথ্য চুরি ও আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪৪০.
সজল একটি সফটওয়্যারের সাহায্যে তার এক বন্ধুর ইমেইল অ্যাকাউন্টে অনুমান করে কিছু পাসওয়ার্ড দেয় এবং অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে সফল হয়। সজলের অপরাধটি নিচের কোনটির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ডাটা ইন্টারসেপশন
  2. ডি ডস অ্যাটাক
  3. ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক
  4. হ্যাকিং
ব্যাখ্যা
• ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক:
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট আবার অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসে অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ওইগুলো দিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে।
- সফল হলে, তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকে।
- এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ।
- প্রযুক্তির ভাষায় একে ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) বলা হয়।
- ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক থেকে পরিত্রানের জন্য কঠিন পাসওয়ার্ড, যেমন পাসওয়ার্ডে Upper case, lower case, number, symbol ইত্যাদির সংমিশ্রণ প্রয়োগ করা উচিত। 
 
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। যেমন:
• ডাটা ইন্টারসেপশন (Data Interception):
- ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে।
- এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত।
- সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস এ এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ফটো, ভিডিও, ভয়েস কল বা মেসেজ, ডকুমেন্ট, স্ট্যাটাসের আপডেট) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়।
 
• ডি ডস অ্যাটাক (DDos Attack):
- ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস হলো একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে অ্যাটাক করা। 
 
• হ্যাকিং (Hacking):
- সাইবার অপরাধীরা অসৎ উদ্দেশ্যে একটি ওয়েবসাইট, কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক ফাংশনের সম্পূর্ণ বা অংশিক নিয়ন্ত্রণ নেয়।
- সাইবার জগতের এই অপরাধ হলো হ্যাকিং যা ভালো-মন্দ উভয় ধরনেরই হতে পারে।
 
উৎস: 
১. ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]
২. IBM Website.
৪৪১.
স্নিকিং বলতে কী বোঝায়?
  1. গোপনে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ
  2. অনাকাঙ্ক্ষিত ই-মেইল পাঠানো
  3. প্রচুর ইমেইল পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা
  4. ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা গোপনে সিস্টেমে প্রবেশ করে
ব্যাখ্যা
স্নিকিং হচ্ছে গোপনে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করাকে বোঝায়।

• সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৪২.
কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক ও ডেটার উপর অননুমোদিত অধিকার লাভ করাকে কী বলে?
  1. স্প্যামিং
  2. প্লেজিয়ারিজম
  3. হ্যাকিং
  4. ভিশিং
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং: 
- কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক ও ডেটার উপর অননুমোদিত অধিকার লাভ করার উপায়কে বুঝায়। 
- যে হ্যাকিং করে তাকে হ্যাকার (Haker) বলে। 
- হ্যাকিং বৈধ ও অবৈধ হতে পারে। 
- বৈধ হ্যাকারকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার ও অবৈধভাবে হ্যাকার করাকে বলা হয় - ব্লাক হ্যাট হ্যাকার।

• স্প্যামিং: 
- অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে বুঝায়। 
- এই কাজ যারা করে তাদের স্প্যামার বলা হয়।

• প্লেজিয়ারিজম: 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকে বোঝায়।

• ভিশিং:
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪৪৩.
ফিশিং নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. অন্যের লেখা চুরি করা
  2. ভাইরাসযুক্ত ই-মেইলের মাধ্যমে গ্রাহকের ডেটা চুরি
  3. ভাইরাসযুক্ত ই-মেইলের মাধ্যমে মেমোরি দখল করা
  4. ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা
ব্যাখ্যা
• ফিশিং: 
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।
 
• স্প্যামিং:
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 
 
• স্পুপিং:
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুপিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 
 
• প্লেজিয়ারিজম: 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়াকে প্লেজিয়ারিজম বলে। 
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৪৪.
বিজ্ঞাপনগুলিকে ব্যবহার করে কম্পিউটারগুলিতে মারাত্মক ভাইরাস হানা দেবার পথ করে দেয় কোনটি?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. স্পাইওয়্যার
  3. অ্যাডওয়‍্যার
  4. র‍্যানসমওয়্যার
ব্যাখ্যা
• অ্যাডওয়‍্যার (Adware):
- অ্যাডওয়‍্যার এমন এক ধরনের সফটওয়‍্যার যা কোনো অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে সংযুক্ত থেকে তাতে আসা বিজ্ঞাপনগুলিকে দেখতে সাহায্য করে।
- প্রোগ্রামটি চলাকালীন এটি একটি বিজ্ঞাপন দেখায়।
- অ্যাডওয়‍্যার অনেকটা ম্যালওয়্যার-এর মতোই বিজ্ঞাপনগুলিকে ব্যবহার করে কম্পিউটারগুলিতে মারাত্মক ভাইরাস হানা দেবার পথ করে দেয়।
- যেখানে ব্যবহারকারীরা কাজ করছেন সেখানে পপ আপ উইন্ডোজ ক্রমাগত স্ক্রিনে প্রদর্শিত হয়।
- সাধারণত, বিনামূল্যে পাওয়া সফটওয়্যার প্রোগ্রাম এবং ইউটিলিটিগুলি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করার সময় এই ধরনের বিপদজনক অ্যাডওয়‍্যার সিস্টেমে প্রবেশ করে।

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)
- Rootkits,
- ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

উৎস: Computer Applications in Bussiness, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪৫.
What was the name of the first industrial robot?
  1. Asimo
  2. Unimate
  3. Sophia
  4. Curio
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Unimate।

• রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• অন্যান্য:
- হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
- সনি কর্পোরেশনের রোবট 'কিউরিও'।
- 'সোফিয়া' হচ্ছে হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৪৪৬.
এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে—
  1. ডেটা মুছে ফেলা হয় 
  2. ডেটা কপি করা হয় 
  3. ডেটাকে সুরক্ষিত করা হয় 
  4. ডেটা সংকুচিত করা হয় 
ব্যাখ্যা

এনক্রিপশন (Encryption) হলো ডেটাকে একটি গাণিতিক অ্যালগরিদমের মাধ্যমে এমনভাবে রূপান্তর করা যাতে শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যবহারকারীরা (যাদের ডিক্রিপশন কী আছে) সেই ডেটা পড়তে বা অ্যাক্সেস করতে পারে। এটি ডেটা গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন—ইমেল, অনলাইন লেনদেন বা সেনসিটিভ ফাইল সুরক্ষিত করতে।

ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)

ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪৭.
'কিউরিও' রোবটটি কোন কোম্পানির তৈরি?
  1. স্যামসাং
  2. সনি
  3. হ্যানসন
  4. হোন্ডা
ব্যাখ্যা
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'
- হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'
- সনি কর্পোরেশনের রোবট 'কিউরিও'
- স্যামসাং এর রোবট 'রোবোরে'
- সোফিয়া হচ্ছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।
এই রোবটগুলো প্রায় মানুষের মতোই বিশেষ কোনো কাজ করতে পারে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৪৮.
কোন ধরনের সাইবার আক্রমণে ব্যবহারকারীর ডেটা এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়?
  1. Spyware
  2. Firewall
  3. Antivirus
  4. Ransomware
ব্যাখ্যা

• Ransomware হলো এমন একটি Malware যা ব্যবহারকারীর ডেটা এনক্রিপ্ট করে এবং তা পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্তিপণ দাবি করে।

• Ransomware:
- Ransomware একটি ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার (Malware)।
- এটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল এনক্রিপ্ট করে।
- ব্যবহারকারীকে ডেটা পুনরুদ্ধারের জন্য অর্থ (Ransom) প্রদান করতে বাধ্য করা হয়।
- অর্থ প্রদান না করলে ডেটা ডিক্রিপ্ট না-ও করা হতে পারে।
- এটি সাধারণত ফিশিং ই-মেইল, ক্ষতিকর লিংক বা সফটওয়্যার ডাউনলোডের মাধ্যমে ছড়ায়।
- WannaCry, CryptoLocker ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য Ransomware আক্রমণের উদাহরণ।

• সাইবার অপরাধে Ransomware-এর গুরুত্ব:
- এটি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করে।
- আর্থিক ক্ষতি, তথ্য ফাঁস এবং কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে।
- আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় Ransomware প্রতিরোধ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Spyware → ব্যবহারকারীর অজান্তে তথ্য সংগ্রহকারী ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- Firewall → নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করে।
- Antivirus → ভাইরাস ও Malware শনাক্ত ও অপসারণকারী সফটওয়্যার।

উৎস: Britannica, Cybersecurity & Infrastructure Security Agency, U.S. [Link}.

৪৪৯.
নিচের কোনটি হ্যাকার গ্রুপ নয়?
  1. ক) লিজার্ড স্কোয়াড
  2. খ) কজি বিয়ার
  3. গ) ড্রাগনফ্লাই
  4. ঘ) এএসআইও
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত কিছু হ্যাকার গ্রুপ:

মাস্টার্স অফ ডিসেপশন
লিজার্ড স্কোয়াড
অ্যানোনিমাস
সিরিয়ান ইলেক্ট্রনিক আর্মি
Cozy Bear
Elderwood Group and 20 others Chinese APTs
APT28
Dragonfly
Tarh Andishan/Ajax
Morpho
Chaos Computer Club

অপরদিকে,
ASIO - Australian Security Intelligence Organisation.
৪৫০.
রোবট সোফিয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. Sony Corporation
  2. Honda
  3. Hanson Robotics
  4. Murata
ব্যাখ্যা
⚪ রোবট সোফিয়া (Sophia) নির্মিত হয়েছে Hanson Robotics নামক হংকংভিত্তিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা। সোফিয়া মানুষের মতো মুখাবয়ব, অভিব্যক্তি এবং কথোপকথন করতে সক্ষম, যা তাকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি এনে দিয়েছে। ​এটি মানব-রোবট সম্পর্ক, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং রোবটিক্স গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ​

⚪ রোবট সোফিয়া:
- রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
- এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
- রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
- রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
- ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে সিঙ্গাপুরের তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া। এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৫১.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ নয়?
  1. স্পুফিং
  2. লজিক বম্ব
  3. ফায়ারওয়াল
  4. ট্রোজান এ্যাটাক
ব্যাখ্যা

ফায়ারওয়াল সাইবার অপরাধ নয়।
- Firewall হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ফিল্টার করে অননুমোদিত (Unauthorized) অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করে।

• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
- ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

• সাইবার অপরাধ:

বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে।
যেমন:
- স্পুফিং: ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪৫২.
কথোপকথন এআই এবং চ্যাটবট তৈরি করার জন্য কোন সফটওয়্যার বিশেষভাবে তৈরি?
  1. Salesforce
  2. Slack
  3. Dialogflow
  4. Zoom
ব্যাখ্যা
• কথোপকথন এআই এবং চ্যাটবট তৈরি করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি সফটওয়্যার হলো Dialogflow. Dialogflow গুগল কর্তৃক তৈরি একটি প্ল্যাটফর্ম যা ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP) ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর প্রশ্ন বুঝে তার সঠিক উত্তর দেয়। এটি বিভিন্ন ভাষা ও প্ল্যাটফর্মে ইন্টিগ্রেট করা যায় এবং সহজে কাস্টমাইজ করা যায়। অন্যদিকে, Salesforce একটি CRM সফটওয়্যার, Slack হলো যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম এবং Zoom প্রধানত ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, কথোপকথন এআই এবং চ্যাটবট তৈরির জন্য Dialogflow সবচেয়ে উপযুক্ত এবং বিশেষায়িত সফটওয়্যার।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence): 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) হলো কম্পিউটার বা যন্ত্রকে মানুষের মতো চিন্তা, বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা দেওয়ার প্রযুক্তি। 
- AI-এর গুরুত্বপূর্ণ শাখাগুলো হলো মেশিন লার্নিং (ML), রোবোটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), ও স্পিচ প্রসেসিং।
- মেশিন লার্নিং এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কম্পিউটার নিজেই শেখার ক্ষমতা অর্জন করে।
- রোবোটিক্স AI-ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র তৈরির বিজ্ঞান।
- ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP) কম্পিউটারকে মানুষের ভাষা বুঝতে ও ব্যবহার করতে শেখায়।
- কম্পিউটার ভিশন ক্যামেরার মাধ্যমে তথ্য বিশ্লেষণ করে, যেমন মানুষের চোখ কাজ করে।
- স্পিচ প্রসেসিং কম্পিউটারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাষা শোনা ও বলা শেখায়।
- AI উন্নত করতে নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়, যা মানুষের মস্তিষ্কের অনুকরণে ডিজাইন করা কৃত্রিম নিউরন (পারসেপট্রন) ব্যবহার করে।
- নিউরাল নেটওয়ার্কের তিনটি স্তর থাকে: ইনপুট স্তর, লুক্কায়িত স্তর (Hidden Layer), ও আউটপুট স্তর।
- ডিপ লার্নিং মেশিন লার্নিং-এর উন্নত রূপ, যা জটিল সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- AI-ভিত্তিক জনপ্রিয় NLP সফটওয়্যার: ChatGPT, Microsoft Copilot, Google Bard.
- AI উন্নয়নে ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রামিং ভাষা: Python, Java, C/C++, MATLAB, LISP, PROLOG, R ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৪৫৩.
সাইবার নিরাপত্তায় ‘স্নিকিং’ বলতে কী বোঝায়?
  1. অননুমোদিত প্রবেশ
  2. ক্ষতিকর প্রোগ্রাম স্থাপন
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. ফিশিং অ্যাটাক
ব্যাখ্যা

স্নিকিং বলতে গোপনে কম্পিউটার সিস্টেমে অননুমোদিত প্রবেশ করাকে বোঝায়। 
- এটি তথ্য চুরি, সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ বা ক্ষতিকারক কাজ করার উদ্দেশ্যে করা হয়।
- অন্য ধরনের আক্রমণের মতো সরাসরি ক্ষতি বা সিস্টেম ক্র্যাশ না করেও এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ এটি গোপনে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেয়।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল। ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৫৪.
ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে জমা রাখা কার কাজ?
  1. ক) রেজিস্টর
  2. খ) কাউন্টার
  3. গ) কুকিজ
  4. ঘ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
Cookies হলো ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে সংরক্ষিত হওয়া কিছু ফাইল। আপনি যখন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে যান, তখন এই কুকিজগুলো আপনার কম্পিউটারে সেভ হয়ে থাকে।
মূলতঃ আপনার পরিদর্শন করা ওয়েবসাইটগুলো আপনার কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে।

উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার।
৪৫৫.
ফার্মিং বলতে কি বোঝায়?
  1. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করা
  2. কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অনধিকার প্রবেশ
  3. ব্যবহারকারীদের স্প্যাম ইমেইল পাঠানো
  4. ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তথ্য চুরি করা
ব্যাখ্যা
• ফার্মিং বলতে বোঝায় একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তাদের ব্যক্তিগত এবং গোপনীয় তথ্য চুরি করা হয়। এটি একটি ধরনের ফিশিং আক্রমণের মত হলেও ফার্মিংয়ে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিএনএস সার্ভারে হ্যাকিং করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠানো হয়, যেখানে তারা বুঝতে পারে না যে তারা আসল ওয়েবসাইটের পরিবর্তে ভুয়া সাইটে প্রবেশ করেছে। এই পদ্ধতিতে ব্যাংক একাউন্ট, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বরসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেয় হ্যাকাররা। তাই ফার্মিং একটি মারাত্মক সাইবার জালিয়াতি যা ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষায় সচেতনতা জরুরি করে তোলে। সঠিক উত্তর হলো ঘ) ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তথ্য চুরি করা।

• ফার্মিং (Pharming):
- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।
- ফার্মিং এর কারণে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ধরনের বিরম্বনায় পড়ে এবং সময়ের অপচয় হয়।

• র‍্যানসমওয়্যার:
- ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।

• ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৫৬.
নিচের কোনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) উপসেট?
  1. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  2. ব্লকচেইন
  3. মেশিন লার্নিং
  4. ক্লাউড কম্পিউটিং
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) উপসেট হলো মেশিন লার্নিং। মেশিন লার্নিং হলো একটি প্রযুক্তি যা কম্পিউটারকে ডেটা থেকে শেখার মাধ্যমে নিজে থেকে উন্নতি করতে সাহায্য করে, যার ফলে এটি সিদ্ধান্ত নিতে বা কাজ করতে পারে মানুষের সাহায্য ছাড়াই। AI হল একটি বৃহত্তর ক্ষেত্র যা মানুষের বুদ্ধিমত্তা অনুকরণ করে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করার ক্ষমতা প্রদান করে। মেশিন লার্নিং এই AI-এর একটি শাখা, যেখানে কম্পিউটার প্রোগ্রামগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডেটা থেকে নিদর্শন শনাক্ত করে এবং নিজেকে উন্নত করে। অন্যদিকে, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ব্লকচেইন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং AI-এর উপসেট নয়; তারা পৃথক প্রযুক্তি যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। তাই মেশিন লার্নিংই AI-এর অংশ।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- চিন্তাশক্তি, বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত, একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
- কিছুদিন আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ছিল দূর ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক বিষয়।
- পৃথিবীর মানুষ ডিজিটাল বিশ্বে এমনভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে যে, হঠাৎ করে অচিন্তনীয় পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই ডেটাকে প্রক্রিয়া করার মতো ক্ষমতাশালী কম্পিউটার আমাদের হাতে চলে এসেছে।
- এই ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৪৫৭.
কোন কাজে রোবটিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় না?
  1. পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব শনাক্তকরণে
  2. পুলিশের সাহায্যকারী হিসেবে
  3. নিরাপত্তার কাজে
  4. মেইল ডেলিভারির কাজে
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়। 
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'। 
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ। 
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল। 
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট। 
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ। 
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• রোবটিক্সের ব্যবহার:
- ম্যানুফ্যাকচারিং-এ
- বিপজ্জনক কাজে
- ভারী শিল্প কারখানায়
- মেইল ডেলিভারির কাজে
- নিরাপত্তার কাজে
- পুলিশের সাহায্যকারী হিসেবে
- সামরিক ক্ষেত্রে
- ঘরোয়া কাজে
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে, ইত্যাদি

- চিকিৎসা ক্ষেত্রে জটিল অপারেশনে সার্জনদের নানা ধরণের কাজে রোবট সহায়তা করে তবে পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব শনাক্তকরণে রোবট ব্যবহৃত হয়না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৫৮.
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অন্য ব্যক্তির ডেটা চুরি বা ধ্বংস করে দেয়াকে কী বলে?
  1. ক) Browsing
  2. খ) Chatting
  3. গ) Searching
  4. ঘ) Hacking
ব্যাখ্যা
কোন ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া যদি অন্য কোন ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে বা নেটওয়ার্কে বা কম্পিউটারে প্রবেশ করে সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গ্রহণ করা, মুছে ফেলা বা এমন কোনভাবে পরিবর্তন করা যা ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকারক হয়, তাহলে তাকে হ্যাকিং বলা হয়।
৪৫৯.
ই-মেইলের মাধ্যমে কাউকে নকল ওয়েবসাইটে নিয়ে তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে নেয়াকে কী বলে?
  1. Sneaking
  2. Spoofing
  3. Phishing
  4. Vishing
ব্যাখ্যা
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। 

• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোনো ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৬০.
প্ল্যাজিয়ারিজম শনাক্ত করার জন্য কোন টুল ব্যবহার করা যায়?
  1. Turnitin
  2. Photoshop
  3. PowerPoint
  4. Grammarly
ব্যাখ্যা
• প্ল্যাজিয়ারিজম শনাক্ত করার জন্য Turnitin সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কার্যকর টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত শিক্ষাবিদ্যা ও গবেষণায় ব্যবহার করা হয় যাতে লেখা বা গবেষণাপত্রে অন্যের কাজ অননুমোদিতভাবে ব্যবহার হয়েছে কিনা তা সনাক্ত করা যায়। Turnitin লেখার বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন উৎসের সাথে তুলনা করে কোন অংশ কোথা থেকে নকল হয়েছে তা জানিয়ে দেয়। অন্যদিকে, Photoshop একটি ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, PowerPoint একটি উপস্থাপনা তৈরি করার সফটওয়্যার, আর Grammarly একটি গ্রামার এবং ভাষা সংশোধনের টুল, যা প্ল্যাজিয়ারিজম চেক করার জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই প্ল্যাজিয়ারিজম শনাক্ত করার জন্য Turnitin সবচেয়ে উপযুক্ত।

• সাইবার ক্রাইম: 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে। 
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"। 
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে। 
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়। 
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে। 
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি। 

• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে। 
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। 
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪৬১.
নিচের কোন প্রযুক্তি রাডার নেটওয়ার্কে হ্যাক করে ভুল তথ্য প্রদর্শন বা সিস্টেমকে অকার্যকর করতে সক্ষম?
  1. Suter Technology
  2. LIDAR Technology
  3. Stealth Technology
  4. GPS Technology
ব্যাখ্যা

• শত্রুপক্ষের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত বা অকার্যকর করার জন্য ব্যবহৃত অত্যন্ত উন্নত এক ধরনের সাইবার-ইলেক্ট্রনিক যুদ্ধকৌশল হলো Suter Technology।
- এটি প্রথাগত জ্যামিংয়ের মতো কেবল সিগন্যাল বাধাগ্রস্ত করে না, বরং রাডারের সিগন্যাল ব্যবহার করে সরাসরি তার নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ করে।
- এর ফলে অপারেটরের স্ক্রিনে ভুয়া তথ্য দেখানো বা পুরো সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হয়।

• Suter Technology-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি মূলত একটি সাইবার-ইনট্রুশন সিস্টেম যা শত্রুর রাডার সিগন্যালকে রিসিভ করে এবং তার মাধ্যমেই ম্যালওয়্যার পাঠায়।
- শত্রুর রাডার স্ক্রিনকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে যাতে তারা আসল বিমানকে দেখতে না পায়।
- কোনো ফিজিক্যাল অ্যাটাক বা মিসাইল ছাড়াই পুরো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অচল করে দিতে পারে।
- এই প্রযুক্তিটি মূলত বিএই সিস্টেমস (BAE Systems) দ্বারা তৈরি এবং মার্কিন বিমান বাহিনী এটি ব্যবহার করে।

অন্যান্য অপশন:
- LIDAR প্রযুক্তি: লেজার পালস ব্যবহার করে কোনো বস্তুর দূরত্ব এবং ত্রিমাত্রিক ম্যাপিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Stealth প্রযুক্তি: বিমানকে রাডারের কাছে অদৃশ্য রাখার জন্য বিমানের গঠন বা প্রলেপ পরিবর্তন করে, এটি রাডার হ্যাক করে না।
- GPS প্রযুক্তি: মূলত স্যাটেলাইটের মাধ্যমে অবস্থান নির্ণয় এবং নেভিগেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: International Defense Journals [link] এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৪৬২.
কোন ম্যালওয়্যার অননুমোদিত বিজ্ঞাপন দেখাতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ট্রোজান
  2. অ্যাডওয়্যার
  3. ওয়ার্ম
  4. স্পাইওয়্যার
ব্যাখ্যা

• অননুমোদিত বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য ব্যবহৃত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (খ)। এটি একটি ধরনের সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে ইনস্টল হয়ে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে। অ্যাডওয়্যার সাধারণত বিনামূল্যে সফটওয়্যার বা অবৈধ ডাউনলোডের সাথে লুকিয়ে আসে। এটি ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং অভ্যাস ট্র্যাক করতে পারে এবং প্রায়ই জটিল, বিরক্তিকর পপ-আপ বিজ্ঞাপন বা রিডিরেকশন ঘটায়। অ্যাডওয়্যার সরাসরি ক্ষতি না করলেও এটি সিস্টেমের কর্মক্ষমতা কমায় এবং ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই এটি নিরাপত্তার জন্য একটি সমস্যা হিসেবে গণ্য হয়।

​ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার হলো একটি সমষ্টিগত শব্দ, যা সাইবার আক্রমণে ব্যবহৃত ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রোগ্রাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- ​সাধারণত ব্যবহারকারী বিপজ্জনক লিঙ্ক বা ইমেইলের সঙ্গে সংযোগ করলে এটি ডিভাইসে ইনস্টল হয়। 
​- ম্যালওয়্যারের মধ্যে রয়েছে ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান, রুটকিট, স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার ইত্যাদি।

ম্যালওয়ারের সাধারণ ধরণ:
• স্পাইওয়্যার (Spyware):
ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে গোপনে ইনস্টল করা হয়।
ব্যক্তিগত তথ্য যেমন ওয়েবসাইটের ইতিহাস, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর সংগ্রহ করে।

• ওয়ার্ম (Worm):
একটি স্বতন্ত্র প্রোগ্রাম যা নিজেকে অন্যান্য কম্পিউটারে নকল করে সংক্রমিত করে।
ভাইরাসের মতো হোস্ট প্রয়োজন হয় না এবং সাধারণত মানুষের সাহায্য ছাড়াই নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে যায়।

• ​ট্রোজান হর্স (Trojan horse):
অনুমোদিত প্রোগ্রামের মধ্যে গোপনভাবে অননুমোদিত নির্দেশাবলী লুকিয়ে রাখে।
 
​আরও কিছু ​ম্যালওয়্যার নিয়ে বিস্তারিত দেওয়া হলো: 
• ​রুটকিট (Rootkit):
কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের মূল স্তরে সংক্রমণ ঘটায়, যা ড্রাইভ পুরোপুরি মুছে ফেলা ছাড়া সরানো যায় না।  

• ​​ভাইরাস (Virus):
কম্পিউটার প্রোগ্রামের কোডের একটি অংশ যা নিজেকে অন্য কোড বা ফাইলের সাথে সংযুক্ত করে নকল করে।
সাধারণত কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমের প্রোগ্রামে সংযুক্ত হয়ে যায়।

​• র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware):
ডিভাইস বা ডেটার অ্যাক্সেস ব্লক করে রাখে এবং মালিককে মুক্তির জন্য মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।
সাধারণত ট্রোজান হর্সের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করে ফাইল এনক্রিপ্ট করে।

• স্কেয়ারওয়্যার (Scareware):
ভুল সতর্কবার্তা দেখিয়ে ব্যবহারকারীকে আরও ম্যালওয়্যার ডাউনলোড করতে বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে প্ররোচিত করে।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৬৩.
বস্টন ডায়নামিক্সের তৈরি কোন রোবটটি দৌড়ানো ও লাফানোর ক্ষমতা রাখে?
  1. Pepper
  2. Atlas
  3. Spot
  4. Sophia
ব্যাখ্যা

বস্টন ডায়নামিক্সের তৈরি কোন রোবটটি দৌড়ানো ও লাফানোর ক্ষমতা রাখে?

সঠিক উত্তর: খ) Atlas

ব্যাখ্যা:

বস্টন ডায়নামিক্স হল একটি বিশ্বখ্যাত রোবোটিক্স প্রতিষ্ঠান, যা বিভিন্ন উন্নতমানের রোবট তৈরি করে। তাদের তৈরি রোবটগুলোর মধ্যে Atlas একটি অত্যাধুনিক হিউম্যানয়েড রোবট, যা দৌড়াতে ও লাফাতে সক্ষম।

Atlas সম্পর্কে বিস্তারিত:

  • এটি একটি বাইপেডাল (দ্বিপদী) রোবট, যার দুটি পা রয়েছে এবং এটি মানুষের মতো হাঁটতে ও দৌড়াতে পারে।
  • এটি অত্যাধুনিক সেন্সর ও হাইড্রোলিক সিস্টেম ব্যবহার করে ব্যালান্স বজায় রেখে চলাফেরা করতে পারে।
  • Atlas পার্কোর স্টাইলের লাফানো এবং ব্যাকফ্লিপ করতেও সক্ষম, যা একে অন্যান্য রোবটের চেয়ে আলাদা করে তোলে।
  • এটি বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশে চলাফেরা করতে পারে এবং এটি বিপজ্জনক উদ্ধার অভিযানে ব্যবহারের উপযোগী

অন্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:

  • Pepper:
    • এটি সফটব্যাংক রোবোটিক্সের তৈরি একটি হিউম্যানয়েড রোবট
    • Pepper মানুষের সাথে কথোপকথন করতে পারে এবং মুখের অভিব্যক্তি বুঝতে পারে, কিন্তু এটি দৌড়াতে বা লাফাতে পারে না
  • Spot:
    • Spot একটি কোয়াড্রুপেড (চারপেয়ে) রোবট, যা কুকুরের মতো হাঁটতে পারে।
    • এটি অপ্রতুল জায়গায় চলাফেরা করতে পারলেও মানুষের মতো দৌড়াতে বা লাফাতে পারে না
  • Sophia:
    • Sophia হল হ্যানসন রোবোটিক্সের তৈরি একটি সোশ্যাল রোবট
    • এটি মানুষের মতো কথা বলতে ও ভাব প্রকাশ করতে পারে, তবে দৌড়ানো বা লাফানো এর পক্ষে সম্ভব নয়

- Atlas-ই একমাত্র রোবট যা দৌড়াতে ও লাফাতে পারে, তাই সঠিক উত্তর "খ) Atlas"

সূত্র: bostondynamics [লিংক]

৪৬৪.
নিচের কোনটি Antivirus সফটওয়্যার?
  1. Malwarebytes
  2. Chrome
  3. Photoshop
  4. VLC
ব্যাখ্যা

• Malwarebytes হলো একটি Antivirus সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ডিভাইসকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। অন্য সব সফটওয়্যার সরাসরি ভাইরাস প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয় না।

• Malwarebytes:

- জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত Antivirus সফটওয়্যার।
- ভাইরাস, র‌্যানসমওয়্যার, ম্যালওয়্যার, ফিশিং থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।

• Antivirus সফটওয়্যার:
- Antivirus সফটওয়্যার হলো এমন একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা করে।
- এটি ব্যবহারকারীর সিস্টেম স্ক্যান করে সংক্রমিত ফাইল বা ডকুমেন্ট সনাক্ত করে এবং তা অপসারণ বা নিরপদ (neutralize) করতে সক্ষম।
- Antivirus সফটওয়্যার ডিভাইসের নিরাপত্তা বজায় রাখে এবং গুরুত্বপূর্ণ ডেটা রক্ষা করে।

• Antivirus সফটওয়্যারের প্রধান কার্যক্রম:
- রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন: ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার সনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্লক করা।
- স্ক্যান ও ডিটেকশন: ফাইল, সফটওয়্যার ও ইমেল চেক করে ক্ষতিকারক কোড সনাক্ত করা।
- ফাইল ক্লিনিং ও রিমুভাল: সংক্রমিত ফাইলকে পরিষ্কার করা বা কোয়ারেন্টিনে রাখা।
- সিস্টেম মনিটরিং: নতুন সফটওয়্যার ইনস্টলেশন বা ডাউনলোড পর্যবেক্ষণ।

• অপশন আলোচনা:
- Chrome: ওয়েব ব্রাউজার, যা শুধু ইন্টারনেটে ব্রাউজিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়; সরাসরি ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য নয়।
- Photoshop: ছবি ও গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার, ভাইরাস প্রতিরোধের কোনো কার্যক্রম নেই।
- VLC: মিডিয়া প্লেয়ার, অডিও এবং ভিডিও ফাইল চালানোর জন্য ব্যবহৃত; Antivirus নয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- Malwarebytes এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। 

৪৬৫.
ক্রিপ্টোলকার কম্পিউটার ভাইরাস কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯৯৭
  2. খ) ২০০৩
  3. গ) ২০১৩
  4. ঘ) ২০০৭
ব্যাখ্যা
২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে আবিষ্কার হওয়া এই ট্রোজান হর্স ভাইরাস কোনো কম্পিউটারে ঢোকার পর তার হার্ডড্রাইভের ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করে তার ডিক্রিপশন কি ভাইরাস প্রোগ্রামারের কাছে পাঠিয়ে দিত। এরপর ওই প্রোগ্রামার এনক্রিপ্ট করা ফাইলের ডিক্রিপশন কির বদলে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে ‘মুক্তিপন’ আদায় করতো।
[সূত্রঃ bangla.bdnews24.com]
৪৬৬.
নিচের কোন সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহক নিজ Computer System ব্যবহার করতে পারেন না এবং Computer System-কে ব্যবহার উপযোগী করতে অর্থ দাবি করা হয়?
  1. Phishing
  2. Denial of Service
  3. Ransomware
  4. Man-in-the-Middle
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়্যার: ইহা হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা। 

র‍্যানসমওয়্যার: ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়। 
কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে। যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়। 
ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে। যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।
 
- DoS (Denial of Service): ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে। কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
Man-in-the-Middle: দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
 
উৎস: প্রথম আলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
৪৬৭.
প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম কি?
  1. Unimate
  2. Roomba
  3. Atlas
  4. Sophia
ব্যাখ্যা

১৯৬১ সালে জেনারেল মোটর্সে ব্যবহৃত Unimate ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট।

রোবটিক্স:
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- চেক লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossurovi Univerzilni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের ব্যবহার করেন।
- যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।

• Unimate রোবট:
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার এবং জর্জ চার্লস ডেভল  মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- এটি ১৯৬১ সালে জেনারেল মোটরসের নিউ জার্সির কারখানায় প্রথম ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি গাড়ি উৎপাদনে গরম ধাতু ঢালাই ও সমাবেশের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- Unimation Inc. নামে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয় রোবটটি উৎপাদনের জন্য।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৪৬৮.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি হোম রোবট তৈরি করে?
  1. ক) FANUC
  2. খ) YASKAWA
  3. গ) BOSTON DYNAMICS
  4. ঘ) iROBOT
ব্যাখ্যা

১৯৯০ সালে এমআইটি কতৃক প্রতিষ্ঠিত iRobot নামক প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধরনের হোম রোবট তৈরি করে।

এই প্রতিষ্ঠানের তৈরি Roomba নামক রোবটটি বাসার কাজে অত্যন্ত দক্ষ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৪৬৯.
মেধাসত্ব বা সৃষ্টিশীল কাজ চুরি করাকে কী বলে?
  1. ক) Hacking
  2. খ) Spamming
  3. গ) Plagiarism
  4. ঘ) Vishing
ব্যাখ্যা
লেখাচুরি (Plagiarism):
- গবেষণাকেন্দ্রিক পরিমণ্ডলে Plagiarism অতি প্রচলিত একটি শব্দ।
- মেধাসত্ব বা সৃষ্টিশীল কাজ চুরি করাকে Plagiarism বলে।
- ভিন্ন ব্যক্তির লেখা বা যে কোন কিছু সজ্ঞানে চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াই Plagiarism ।
- অন্য ব্যক্তির আইডিয়া ধার করে নিজের কাজে ব্যবহার করতে হলে তার যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া কিংবা নাম জানা না থাকলে অন্তত ‘সংগৃহীত’ উল্লেখ করে দেওয়াই বাঞ্ছনীয় এবং ন্যূনতম ভদ্রতার পরিচায়ক।
- ছবি, গানের কথা, কবিতা, গবেষণাপত্র, প্রবন্ধ, প্রতিবেদন যে কোন গঠনমূলক রচনার ক্ষেত্রে অন্য উৎস মারফত সরাসরি বা হুবহু তথ্য ব্যবহারের প্রয়োজন হলে
মূল লেখকের নাম উল্লেখ না করা অশোভন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- Plagiarism প্রতিরোধে Paraphrasing চর্চা করা যেতে পারে।
- মূল লেখার বিষয়টিকে অপরিবর্তিত রেখে জুতসই প্রতিশব্দ সহযোগে নিজের ভাষায় সারমর্ম আকারে উপস্থাপন করাকে Paraphrasing বলে।
- তবে সেক্ষেত্রেও মূল লেখকের নাম, সম্ভব হলে সন উল্লেখপূর্বক কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা আবশ্যক।
- এছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাহায্যে কোন লেখায় Plagiarism হয়েছে কিনা তা সনাক্ত করা সম্ভব।
- Turnitin তেমনি একটি জনপ্রিয় সফ্টওয়্যার যা অনলাইনে ক্রয় করে নিজস্ব অ্যাকাউন্ট খুলে যে কেউ এর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

সূত্র: তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৪৭০.
অনাকাঙ্ক্ষিত ই-মেইল বা মেসেজ প্রেরণ করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. স্প্যামিং
  2. স্নিকিং
  3. ফ্রেকিং
  4. প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা

• প্লেজিয়ারিজম(Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবাহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 

• স্প্যামিং (Spamming): 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। 
- অনাকাঙ্ক্ষিত বাল্ক মেসেজসমূহ ব্যাপকভাবে প্রেরণে ইলেকট্রনিক মেসেজিং সিস্টেমসমূহের ব্যবহার হলো স্প্যাম বা স্প্যামিং। 

• ফ্রেকিং (Phreaking): 
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলা হয়। 
- একসময় যখন কম্পিউটার সিস্টেম প্রচলিত ছিলনা, তখন হ্যাকাররা টেলিফোনে নানা ধরনের হ্যাকিং পরিচালনা করত। 
- সাধারণভাবে ফোন হ্যাকারদের ফ্রেকার (Phreaker) নামে অভিহিত করা হয়। 

• স্নিকিং (Sneaking): 
গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং (Sneaking) বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।

৪৭১.
'Robota' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. ক) ফিনিশ
  2. খ) স্লাভিক
  3. গ) গ্রিক
  4. ঘ) ল্যাটিন
ব্যাখ্যা
Robotics শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ 'robota' থেকে যার ইংরেজি হলো robot এবং আভিধানিক অর্থ হলো শ্রমিক,দাস বা কর্মী।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৪৭২.
কারও তৈরি করা কাজ বা চিন্তাধারা নিজের বলে উপস্থাপন করাকে আইসিটির ভাষায় কি বলে?
  1. ক) হ্যাকিং
  2. খ) পাইরেসি
  3. গ) চুরি
  4. ঘ) প্লেজিয়ারিজম
ব্যাখ্যা
কারও তৈরি করা কাজ বা চিন্তাধারা নিজের বলে উপস্থাপন করাকে আইসিটির ভাষায় প্লেজিয়ারিজম বলে। এটি এক ধরনের সাইবার ক্রাইম।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
৪৭৩.
'টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন' কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  1. দুইটি ডিভাইস একসাথে কাজ করতে পারে
  2. ইন্টারনেট স্পিড দ্বিগুণ হয়
  3. অতিরিক্ত সিকিউরিটি লেয়ার প্রদান করে
  4. ব্যাটারি লাইফ বাড়ায়
ব্যাখ্যা

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যেখানে দুইটি ভিন্ন ধরণের ভেরিফিকেশন ফ্যাক্টর ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড চুরির বিরুদ্ধে একটি বাড়তি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোকে নিরাপদ রাখতে শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। থেকে যায় হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। অনলাইনের এসব অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা সংক্ষেপে টুএফএ সিস্টেম।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাধারণত দুটি ধাপে কাজ করে:
প্রথম স্তর: পাসওয়ার্ড বা পিন ইনপুট করা।
দ্বিতীয় স্তর:
- OTP (One-Time Password) মোবাইলে পাঠানো, 
- Authenticator অ্যাপে কোড তৈরি, 
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি, 
- USB Security Key.

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ- 
- পাসওয়ার্ড চুরি হলেও এক্সট্রা ভেরিফিকেশন থাকে, 
- ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে, 
- ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে, 
- Unauthorized Access প্রতিরোধ করে। 

উৎস: 
১। ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট। [লিংক] 
২। Microsoft Security Documentation on 2FA.

৪৭৪.
যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম নিজে নিজেই অন্য কম্পিউটারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কপি হয় তাকে ____ বলে।
  1. ক) Program Virus
  2. খ) Worms
  3. গ) Trojan Horse
  4. ঘ) Boot Virus
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ওয়ার্ম (Worm): কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৭৫.
"BARD AI" - কোন ধরনের প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি?
  1. ডিপ লার্নিং এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং
  2. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  3. ফেসিয়াল রিকগনিশন
  4. অগমেন্টেড রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা
• "BARD AI" - "ডিপ লার্নিং এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং" প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি।

- ডিপ লার্নিং একটি মেশিন লার্নিংয়ের শাখা, যেখানে কম্পিউটার সিস্টেমগুলো বড় পরিসরে তথ্য বা ডেটা বিশ্লেষণ করে এবং নিজের থেকে শেখে।
- এটি বিশেষভাবে নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, যা মানুষের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে।
- ডিপ লার্নিং প্রযুক্তি মূলত ছবি, ভয়েস, টেক্সট বা অন্য কোন বড় ডেটা সেটের প্যাটার্ন বা নিয়ম বের করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP) হল একটি প্রযুক্তি যা কম্পিউটারকে মানুষের ভাষা বুঝতে, বিশ্লেষণ করতে এবং তৈরি করতে সহায়তা করে।
- এই প্রযুক্তি দিয়ে কম্পিউটার মানুষের লেখা বা কথাবার্তা বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারে।
- উদাহরণস্বরূপ, গুগল সার্চ, ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট বা চ্যাটবট ব্যবহার করার সময় আমরা NLP প্রযুক্তি দেখতে পাই।

- "BARD AI" হল গুগলের একটি ভাষার ভিত্তিতে কাজ করা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি, যা ডিপ লার্নিং এবং NLP এর সংমিশ্রণ ব্যবহার করে, মানুষের ভাষা বুঝতে এবং সঠিক উত্তর তৈরি করতে সক্ষম। এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করলে, এটি প্রাসঙ্গিক উত্তর প্রদান করে।

অপশন আলোচনা:
ক) ডিপ লার্নিং এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং:
এটি দুটি প্রযুক্তির সংমিশ্রণ—ডিপ লার্নিং, যা মেশিন লার্নিংয়ের একটি শাখা, এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), যা কম্পিউটারের মাধ্যমে মানুষের ভাষা বুঝতে এবং প্রক্রিয়া করতে সহায়তা করে।

খ) কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
এটি এক ধরনের নতুন প্রযুক্তি যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের নীতির উপর ভিত্তি করে তথ্য প্রক্রিয়া করে।

গ) ফেসিয়াল রিকগনিশন:
এটি একটি প্রযুক্তি যা মানুষের মুখের বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করে এবং তাকে শনাক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

ঘ) অগমেন্টেড রিয়েলিটি:
এটি একটি প্রযুক্তি যা বাস্তব পৃথিবী এবং ভার্চুয়াল উপাদানগুলোকে একত্রিত করে ব্যবহারকারীর সামনে একটি উন্নত পরিবেশ তৈরি করে।

এখন প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে—"BARD AI" এর জন্য সঠিক প্রযুক্তি কোনটি, এই বিষয়ে বেছে নিতে হবে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৭৬.
রোবটিক্সে ব্যবহৃত "PLC" এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Programmable Logic Controller
  2. Personal Logic code
  3. Power Line Communication
  4. Portable Logic Controller
ব্যাখ্যা
• PLC এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Logic Controller.

• PLC:
- PLC হলো একটি ডিজিটাল কম্পিউটার, যা মূলত ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন এবং রোবটিক্স সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- এটি বিভিন্ন ইনপুট অনুযায়ী নির্দিষ্ট লজিক অনুসারে আউটপুট প্রদান করে।

• PLC ব্যবহারের ক্ষেত্র:
- রোবটিক্স। 
- উৎপাদন ও কারখানা অটোমেশন। 
- ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম। 
- প্যাকেজিং মেশিন। 
- এলিভেটর কন্ট্রোল সিস্টেম। 

তথ্যসূত্র:
- Intel.com
৪৭৭.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারো কাছ থেকে প্রতরণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি সংগ্রহ করাকে বা হ্যাক করাকে কী বলা হয়?
  1. ফিশিং
  2. স্প্যামিং
  3. ফার্মিং
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফিশিং:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারো কাছ থেকে প্রতরণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি যেমন- নাম, পাসওয়ার্ড, ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বা হ্যাক করাকে বলা হয় ফিশিং।
- সাধারণত ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ফিশিং করা হয়ে থাকে।
- এ পদ্ধতিতে ফিশার হ্যাকাররা ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত ব্যবহারকারীর কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের জন্য চায়।
- যদি কেউ এ ফাঁদে পা দেয় তাহলে ফিশার হ্যাকাররা তথ্য সংগ্রহ করে তাকে বিভিন্ন ধরনের বিপদে ফেলে দেয়।
- এ পদ্ধতিটা কিছুটা টোপ দিয়ে মাছ ধরার মত।

- ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।
- স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে। 
- মোবাইল, টেলিফোন কিংবা ইন্টারনেটভিত্তিক ফোনের সাহায্যে কলের মাধ্যমে ফিশিং করাকে বলা হয় ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং। 
- যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোনো ওয়েব সার্ভারকে ব্যস্ত রাখার জন্য অথবা ওয়েব সার্ভার অপ্রয়োজনীয় তথ্য দ্বারা পূর্ণ করার জন্য শত শত বা হাজার হাজার মেইল একই ঠিকানায় পাঠায় তখন তাকে স্প্যামিং বলে।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭৮.
রোবটিক্স শব্দের আভিধানিক অর্থ কি?
  1. ক) পুতুল
  2. খ) শ্রমিক
  3. গ) স্বয়ংক্রিয়
  4. ঘ) চিন্তাশীল
ব্যাখ্যা

রোবটিক্স হলো প্রযুক্তির একটি শাখা যেটি রোবট সমূহের ডিজাইন, নির্মাণ, কার্যক্রম ও প্রয়োগ নিয়ে কাজ করে।
New Collegiate ডিকশনারীর মতে “রোবট হচ্ছে একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা যা মানুষ যেভাবে কাজ করতে পারে সেভাবে কাজ করে অথবা এর কাজ দেখে মনে হয় এর বুদ্ধিমত্তা আছে।
রোবট (Robot) শব্দটি এসেছে মূলত স্লাভিক শব্দ “রোবোটা” হতে যার অর্থ হলো শ্রমিক।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান

৪৭৯.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সমস্যাকে সত্য ও মিথ্যা মানে উপস্থাপন করা যায় কী দ্বারা?
  1. ক) বাইনারি লজিক
  2. খ) ফাজি লজিক
  3. গ) কন্ট্রোল লজিক
  4. ঘ) কম্বিনেশনাল লজিক
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় সমস্যাকে সত্য ও মিথ্যা মানে উপস্থাপন করা যায় ফাজি লজিক দ্বারা।
• ফাজি লজিক:
ফাজি লজিক হলো এক ধরনের লজিক, যা সাধারণ সত্য ও মিথ্যা মানগুলোর চেয়েও বেশি কিছু শনাক্ত করতে পারে। 
- ফাজি লজিক দিয়ে প্রশ্ন বা সমস্যাকে সত্য ও মিথ্যা মানে উপস্থাপন করা যায়।
- ফাজি লজিক এমন একটি যুক্তি ব্যবস্থা যেখানে কোন সমস্যার সমাধান 1 অথবা 0 ছাড়াও আরও বিভিন্ন উপায়ে দেয়া যায়।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার গুলোতে ফাজি লজিক বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
- কিছু কিছু স্পেশাল চেকারে এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।