• ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক:
- ডিজিটাল মাধ্যমে অপরাধীরা মানুষের বিভিন্ন ধরনের অ্যাকাউন্ট যেমন- ব্যাংক, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইমেইল অ্যাকাউন্ট আবার অনেক ক্ষেত্রে ডিজিটাল ডিভাইসে অবৈধভাবে প্রবেশ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে এবং ওইগুলো দিয়ে একের পর এক অনুমান নির্ভর চেষ্টা করে।
- সফল হলে, তারা ঐ ব্যক্তির বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকে।
- এটি এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যা অবশ্যই একটি গুরুতর সাইবার অপরাধ।
- প্রযুক্তির ভাষায় একে ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) বলা হয়।
- ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক থেকে পরিত্রানের জন্য কঠিন পাসওয়ার্ড, যেমন পাসওয়ার্ডে Upper case, lower case, number, symbol ইত্যাদির সংমিশ্রণ প্রয়োগ করা উচিত।
- ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ রয়েছে, যার মাধ্যমে তথ্যের নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়। যেমন:
• ডাটা ইন্টারসেপশন (Data Interception):
- ডিজিটাল মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের সময় প্রাপক এবং প্রেরকের মধ্যবর্তী কেউ তা আড়ি পেতে চুরি করতে পারে।
- এই চুরি হবার প্রক্রিয়াটি ডেটা ইন্টারসেপশন নামে পরিচিত।
- সাধারণত সফটওয়্যার বা অ্যাপস এ এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন করা থাকলে, মধ্যবর্তী কারও পক্ষে তথ্য (ম্যাসেজ, ফটো, ভিডিও, ভয়েস কল বা মেসেজ, ডকুমেন্ট, স্ট্যাটাসের আপডেট) চুরি করা অসম্ভব হয়ে যায়।
• ডি ডস অ্যাটাক (DDos Attack):
- ডিজিটাল জগতে ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়েল অফ সার্ভিস বা ডি ডস হলো একাধিক ডিভাইস ব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট টার্গেটে অ্যাটাক করা।
• হ্যাকিং (Hacking):
- সাইবার অপরাধীরা অসৎ উদ্দেশ্যে একটি ওয়েবসাইট, কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্ক ফাংশনের সম্পূর্ণ বা অংশিক নিয়ন্ত্রণ নেয়।
- সাইবার জগতের এই অপরাধ হলো হ্যাকিং যা ভালো-মন্দ উভয় ধরনেরই হতে পারে।
উৎস:
১. ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]
২. IBM Website.