বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৮৭ / ৯৩ · ৮,৬০১৮,৭০০ / ৯,৩৩৪

৮,৬০১.
'দ্য পাওয়ার এলিট' নামক গ্রন্থের রচয়িতা - 
  1. বারাক ওবামা
  2. চার্লস রাইট মিলস
  3. টমাস হবস
  4. কমলা হ্যারিস
ব্যাখ্যা
• গ্রন্থ:
- 'দ্য পাওয়ার এলিট' নামক গ্রন্থের রচয়িতা হচ্ছে চার্লস রাইট মিলস।
- 'দ্য পাওয়ার এলিট' গ্রন্থে আমেরিকান সমাজের প্রধান শ্রেনি সম্পর্কে তার বিশ্লেষণ প্রকাশিত হয়েছিল।
- এই বইটিতে, মিলস "অভিজাত" বা শাসক শ্রেণিকে চিহ্নিত করেছেন, সেইসব ব্যবসায়িক, সরকার এবং সামরিক নেতাদের মধ্যে যাদের সিদ্ধান্ত এবং কর্মের উল্লেখযোগ্য পরিণতি রয়েছে।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- দ্য নিউ মেন অফ পাওয়ার,
- America’s Labor Leaders, 
- আমেরিকার লেবার লিডারস,
- হোয়াইট কলার এবং
- দ্য পাওয়ার এলিট।

অন্যদিকে, 
- সপ্তদশ শতাব্দীতে টমাস হবস তার বিখ্যাত ‘The Leviathan’ গ্রন্থে সামাজিক চুক্তি মতবাদ বিষয়ে আলোচনা করেন।

Source: Britannica.com
৮,৬০২.
নিচের কোন দেশটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) কাজাখস্তান
  3. গ) জিম্বাবুয়ে
  4. ঘ) মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
জিম্বাবুয়ে দেশটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত। এর রাজধানী হারারে এবং জিম্বাবুয়ের মুদ্রার নাম ইউএস ডলার।
Source: Britannica And WSJ
৮,৬০৩.
নিচের কোনটি মহাদেশীয় মালভূমি?
  1. কলোরাডো মালভূমি
  2. পাতাগোনিয়া মালভূমি
  3. তারিম মালভূমি
  4. ভারতীয় উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা
- পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তৃর্ণ সমতল ভূমিকে মালভূমি বলে।
অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন প্রকার। যথাঃ
- পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি
- পাদদেশীয় মালভূমি
- মহাদেশীয় মালভূমি।
- সাগর বা নিম্নভূমি বেষ্টিত বিস্তীর্ণ উচ্চভূমিকে মহাদেশীয় মালভূমি বলে। এরূপ মালভূমির সাথে পর্বতের কোন সংযোগ থাকে না।
মহাদেশীয় মালভূমির মধ্যে রয়েছে:
- ভারতীয় উপদ্বীপ
- এন্টার্কটিকা
- গ্রিনল্যান্ড
- অস্ট্রেলিয়া
- স্পেন
- সৌদি আরব প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া ও উত্তর আমেরিকার কলোরাডো হলো পাদদেশীয় মালভূমি।
- তিব্বত মালভূমি, তারিম মালভূমি, মঙ্গোলিয়া, বলিভিয়া ও মেক্সিকো হলো পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৬০৪.
নিচের কোনটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র?
  1. কম্বোডিয়া
  2. আর্মেনিয়া
  3. আলজেরিয়া
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
- অপশন সমূহের মধ্যে আর্মেনিয়া একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
অন্যদিকে,
- কম্বোডিয়া, আলজেরিয়া ও কলম্বিয়ার সমুদ্রতট রয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৮,৬০৫.
১ নভেম্বর ২০১৯ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলা করে আফ্রিকার দেশ -
  1. রুয়ান্ডা
  2. ইথিওপিয়া
  3. গাম্বিয়া
  4. জাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
১১ নভেম্বর ২০১৯ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলা করে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া।
৮,৬০৬.
সুইজারল্যান্ডে কতটি ক্যান্টন রয়েছে?
  1. ২২টি
  2. ১৮টি
  3. ২৬টি
  4. ১৬টি
ব্যাখ্যা
সুইজারল্যান্ড:
- পশ্চিম ইউরোপের ছোট একটি দেশ সুইজারল্যান্ড।
- এটি সুইস কনফেডারেশন নামে পরিচিত।
- এর উত্তরে জার্মানি, পূর্বে অস্ট্রিয়া ও লিশটেনস্টাইন, দক্ষিণে ইতালি এবং পশ্চিমে ফ্রান্স।
- সুইজারল্যান্ড একটি ক্ষুদ্র পর্বতময় দেশ।
- এটি কেন্দ্রীয় আল্পস পর্বতমালা এবং উত্তরাঞ্চলীয় প্রাক-আল্পস পর্বতমালা নিয়ে গঠিত।
- রাজধানী: বের্ন।
- বিখ্যাত শহর মধ্যেগুলোর মধ্যে জেনেভা এবং জুরিখ অন্যতম।
- মুদ্রা: সুইস ফ্রাঙ্ক।
- সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে উঁচু পর্বতের নাম মন্টি রোজা।

উল্লেখ্য,
- সুইজারল্যান্ডে মোট ২৬টি ক্যান্টন রয়েছে।
- সুইজারল্যান্ডে একটি ক্যান্টন হলো একটি আঞ্চলিক বিভাগ বা রাজ্য।
- সুইজারল্যান্ডের প্রতিটি ক্যান্টনের নিজস্ব সংবিধান, সরকার এবং সংসদ রয়েছে।

উৎস: Britannica.
৮,৬০৭.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কে?
  1. জে. ডি. ভ্যান্স
  2. মার্কো রুবিও
  3. পিট হিগসিথ
  4. জোহরান মামদানি
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস ডেভিড ভ্যান্স (JD Vance)। ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট, ভ্যান্স ওহাইও থেকে নির্বাচিত সাবেক সিনেটর (২০২৩-২০২৫) এবং 'হিলবিলি এলিজি' (Hillbilly Elegy) বইয়ের লেখক।

এছাড়াও,
- জোহরান মামদানি হলেন নিউ ইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র যিনি ১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

উৎস: i) United States Mission to the United Nations (.gov).
ii) Britannica.

৮,৬০৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কবে শুরু হয়?
  1. ১৯৩৯ সালে
  2. ১৯৪০ সালে
  3. ১৯৪১ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯–১৯৪৫):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল এমন একটি সংঘাত, যা ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় সব অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, ইতালি এবং জাপান।
- মিত্রশক্তি: ফ্রান্স, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং সীমিত আকারে চীন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সমাধান না হওয়া বিরোধগুলো থেকে এই যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে।
- ২০ বছরের অস্থির বিরতির পর এটি পূর্ববর্তী বিরোধগুলোর ধারাবাহিকতায় রূপ নেয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ছিল, যেখানে ৪০ থেকে ৫০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু ঘটে।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত।

উৎস: Britannica.
৮,৬০৯.
ওয়াটারলু যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীর নেতৃত্ব কে দিয়েছিলেন?
  1. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. ডিউক অফ ওয়েলিংটন
  3. মার্শাল নে
  4. জার্মানির সম্রাট দ্বিতীয় উইলিয়াম
ব্যাখ্যা
ওয়াটারলু যুদ্ধ (Battle of Waterloo):
- বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- ওয়াটারলু যুদ্ধ ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বর্তমান বেলজিয়ামের ওয়াটারলুতে সংঘটিত হয়।
- এটি ছিল নেপোলিয়ন বোনাপার্টের নেতৃত্বাধীন ফরাসি সেনাবাহিনী এবং ডিউক অফ ওয়েলিংটনের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ-মিত্র বাহিনী ও প্রুশিয়ান সেনাবাহিনীর (জেনারেল ব্লুখারের নেতৃত্বে) মধ্যে একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধে নেপোলিয়নের চূড়ান্ত পরাজয় ঘটে।
- ওয়াটারলু যুদ্ধ ইউরোপের রাজনৈতিক ভূগোল এবং ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য,
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: Britannica.
৮,৬১০.
মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থীদের দ্বারা গঠিত ছায়া সরকার কোনটি?
  1. গভর্নমেন্ট অন ন্যাশনাল অ্যাকর্ড
  2. স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কাউন্সিল
  3. ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট
  4. ইউনিয়ন সলিডারিটি কোয়ালিশন
ব্যাখ্যা
- গত ১৬ এপ্রিল ২০২১ মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী গণতন্ত্রপন্থীরা ‘ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট’ নামে ছায়া সরকার গঠন করে।
- ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি এবং ক্ষুদ্র জাতিসমূহের রাজনীতিবিদদের নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়।
ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট সরকারের গঠন:
- প্রেসিডেন্ট : ইউ উইন মিন্ট
- স্টেট কাউন্সিলর : অং সান সুচি
- প্রধানমন্ত্রী : মং উইন খাইং থান
- ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট : দোয়া লাসি লা।
- এই সরকারের সামরিক বাহিনী হিসেবে পিপলস ডিফেন্স ফোর্স গঠন করা হয়।
- গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পুনরায় মিয়ানমারে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে।
(তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট ওয়েবসাইট এবং বিবিস ওয়ার্ল্ড)
৮,৬১১.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির উপর কোন চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. ভার্সাই চুক্তি
  3. রোম চুক্তি
  4. ব্রাসেলস চুক্তি
ব্যাখ্যা

- ১৯১৯ সালে স্বাক্ষরিত ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয় এবং তার উপর কঠোর শর্ত, যেমন বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ এবং সামরিক সীমাবদ্ধতা, আরোপ করা হয়। 

​ভার্সাই চুক্তি: 
​- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি ফলাফল জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা এবং ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা ।
- এই চুক্তির মাধ্যমেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- ২৮ জুন ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ।
- ভার্সাই চুক্তির পক্ষসমূহ ছিল মিত্রশক্তি এবং জার্মানি।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে ।

সূত্র: Britannica.com

৮,৬১২.
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্টাম্প ও কিম জং উনের মধ্যে ২০১৮ সালের কত তারিখে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ২৮ মে
  2. খ) ২৫ জুন
  3. গ) ১২ জুন
  4. ঘ) ১৮ জুন
ব্যাখ্যা
President Donald Trump and North Korean leader Kim Jong Un met at the Capella Hotel on Sentosa island in Singapore on June 12, 2018.
Source: CNBC
৮,৬১৩.
স্ট্যাচু অব পিস কোথায় অবস্থিত?
  1. জাপান
  2. জার্মান
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
"স্ট্যাচু অব পিস":
- এটি দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটি সিউলে জাপানি দূতাবাসের সামনে অবস্থিত।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানি সৈন্যদের দ্বারা কোরীয় নারীদের নির্যাতিত হওয়ার জন্য জাপানকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা এবং ঐ দুঃসহ স্মৃতিকে স্মরণে রাখতে স্থাপন করা হয়েছিল।

অপরদিকে,
- জাপানের নাগাসাকির 'Peace park' এ "পিস স্ট্যাচু" অবস্থিত।

উৎস: বর্ডারস অফ মেমোরি।
৮,৬১৪.
'ভিয়েনতিয়েন' কোন দেশের রাজধানী?
  1. জাম্বিয়া
  2. লাওস
  3. মাল্টা
  4. সুরিনাম
ব্যাখ্যা
লাওস (Laos):

- দেশটির আনুষ্ঠানিক নাম লাও পিপলস ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ।
- আয়তন: ৯১,৪২৯ বর্গ মাইল।
- জনসংখ্যা: (২০২৩ আনুমানিক) ৭,৫৫৭,০০০।
- রাজধানী: ভিয়েনতিয়েন।
- ভাষা: লাও (অফিসিয়াল), ইংরেজি, ভিয়েতনামী, ফরাসি।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম, ঐতিহ্যগত বিশ্বাস।
- মুদ্রা: কিপ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮,৬১৫.
টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয় কোথায়?
  1. কিরগিজস্তান
  2. ইরান
  3. কাজাখস্তান
  4. আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা
- ২০০৫ সালে কিরগিজস্তানে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।

ঐতিহাসিক বিপ্লবসমূহ:
- জেসমিন বিপ্লব: সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।
- আমেরিকান বিপ্লব: সংঘটিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৭৬ সালে।
- টিউলিপ বিপ্লব: সংঘটিত হয় কিরগিজস্থানে ২০০৫ সালে।
- ফরাসি বিপ্লব: সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- রুশ বিপ্লব: সংঘটিত হয় রাশিয়ায় ১৯১৭ সালে।
- ইসলামিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইরানে ১৯৭৯ সালে।
- রোজ বিপ্লব: সংঘটিত হয় জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইউক্রেনে ২০০৪ সালে।

সূত্র: Britannica.
৮,৬১৬.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ঝ্যাং ইয়ামিং
  2. শাওঝি চিউ
  3. ড্যানিয়ের ঝাং
  4. রেন ঝ্যাংফেই
ব্যাখ্যা
- বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় শর্ট ভিডিও শেয়ারিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকের প্রতিষ্ঠাতা হলেন চীনা নাগরিক ঝ্যাং ইয়ামিং।
- ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে টিকটক প্রথম চালু হয়। ঝ্যাং ইয়ামিংয় প্রতিষ্ঠিত বাইটড্যান্স কোম্পানি টিকটক অ্যাপ চালু করে।
- চীনের সাথে বাণিজ্য যুদ্ধের অংশ হিসেবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক ও উইচ্যাট নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন।
(তথ্যসূত্র: টিকটক এবং আল জাজিরা)
৮,৬১৭.
কোন দেশের সংসদকে বলা হয় 'Mother of Parliaments'?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
Mother of Parliaments:
 - যুক্তরাজ্য বা গ্রেট ব্রিটেনের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- এটি গ্রেট ব্রিটেনের আইন প্রণয়ন সম্পর্কিত কার্যক্রমের সর্বোচ্চ সংস্থা। 
- রাজা বা রানী এবং পার্লামেন্টের দু'টি কক্ষ - হাউস অব লর্ডস (House of Lords)এবং হাউস অব কমন্স (House of Commons) কে নিয়ে এই পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছে। 

অন্যদিকে,
- এ পার্লামেন্ট সুদীর্ঘকাল ধরে প্রথা পদ্ধতির মাধ্যমে নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিকাশ লাভ করেছে। 
- আধুনিক বিশ্বের অনেক স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের আইন সভা ব্রিটিশ পার্লামেন্টের অনুকরণে গড়ে উঠেছে বলে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টকে “পার্লামেন্টের জননী” (Mother of Parliaments) বলা হয়
 
উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান, বৈদেশিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬১৮.
ক্রিমিয়ার যুদ্ধে বিজয়ী হয় -
  1. ফ্রান্স
  2. ব্রিটেন
  3. অটোমান সাম্রাজ্য
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ:
- ১৮৫৩ সাল থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়ার যুদ্ধ চলে।
- রাশিয়ার সঙ্গে এই যুদ্ধ চলে তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যের মিত্রশক্তি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সারডিনিয়ার।
- ১৮৫৩ সালে ইউরোপের তুর্কি এলাকায় রাশিয়া আক্রমণ চালালে এ যুদ্ধের সূচনা হয়।
- রাশিয়া তুরস্কের নিয়ন্ত্রিত দারদানেলিস প্রণালী দিয়ে যুদ্ধ জাহাজ চলাচলের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তুরস্কের খ্রিস্টানদের রক্ষার অজুহাত তুলে এই যুদ্ধ শুরু করে।
- ব্রিটেন ও ফ্রান্স তুরস্কের সাহায্যে এগিয়ে আসে।
- প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পর ১৮৫৬ সালে এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধে রাশিয়া পরাজিত হয়। 
- যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স, ব্রিটেন ও অটোমান সাম্রাজ্য।

উৎস: Britannica.
৮,৬১৯.
CDC এর বর্তমান পরিচালক কে?
  1. ক) রবার্ট আর. রেডফিল্ড
  2. খ) ব্রেন্ডা ফিটজেরাল্ড
  3. গ) জেমস ও ম্যাসন
  4. ঘ) রোচেল পি. ওয়ালেনস্কি
ব্যাখ্যা
CDC (Centers for Disease Control and Prevention) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র।
- এটির নবনিযুক্ত ১৯তম পরিচালক হলেন রোচেল পি. ওয়ালেনস্কি।
- CDC যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের অধীন একটি এজেন্সি। এটি ১৯৪৬ সালে যাত্রা শুরু করে। এর সদরদপ্তর আটলান্টায় অবস্থিত।
- রবার্ট আর. রেডফিল্ড সিডিসি’র সদ্যসাবেক পরিচালক।
(সূ্ত্র: সিডিসি ওয়েবসাইট)
৮,৬২০.
২০২৫ সালের মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল কোন শহর? 
  1. ইস্তানবুল
  2. সমরকন্দ
  3. মরক্কো
  4. কায়রো
ব্যাখ্যা

• মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী (Capital of Culture in the Islamic World): 
- ২০২৫ সালের মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে উজবেকিস্তানের সমরকন্দ (Samarkand) শহর।
- নির্বাচনকারী সংস্থা: ইসলামিক ওয়ার্ল্ড এডুকেশনাল, সায়েন্টিফিক অ্যান্ড কালচারাল অর্গানাইজেশন (ICESCO)
- ২০২৫ সালের ২৭ মে  সমরকন্দে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে উদযাপন শুরু হয়।
- এর থিম ছিল: "Spiritual Heritage and Cultural Expressions in the Islamic World: Calligraphy, Music, Poetry, and Solidarity"

উল্লেখ্য, 
- ২০২৬ সালের জন্য  মুসলিম বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে রাশিয়ার তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কাজান।

তথ্যসূত্র:
i) ICESCO
ii) THE GOVERNMENT PORTAL OF THE REPUBLIC OF UZBEKISTAN

৮,৬২১.
ইংল্যান্ডের 'গৌরবময় বিপ্লব' (Glorious Revolution) এর ফলাফল কী ছিল?
  1. ক্যাথলিক ধর্মের পুনঃপ্রতিষ্ঠা
  2. রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি
  3. সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
  4. ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

- ১৬৮৮ সালের গৌরবময় বিপ্লবের ফলে ইংল্যান্ডে রাজা দ্বিতীয় জেমসের পতন ঘটে এবং উইলিয়াম ও মেরি সিংহাসনে বসেন। এই বিপ্লবের ফলে ইংল্যান্ডে সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। 

গৌরবময় বিপ্লব (Glorious Revolution):
- গৌরবময় বিপ্লব (Glorious Revolution) ছিল ইংল্যান্ডের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তন।
- ১৬৮৮ সালে রাজা দ্বিতীয় জেমসের স্বেচ্ছাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভে উইলিয়াম অব অরেঞ্জকে সিংহাসনে আহ্বান করা হয়। এই বিপ্লব রক্তপাতহীনভাবে সম্পন্ন হয়, তাই একে ‘গৌরবময়’ বলা হয়।
- উইলিয়াম ও মেরির অভিষেকের মাধ্যমে প্রোটেস্ট্যান্ট শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ক্যাথলিক প্রভাব কমে যায়। ১৬৮৯ সালে গৃহীত Bill of Rights রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করে এবং সংসদের অধিকার সুনিশ্চিত করে। এর ফলে সংবিধানিক রাজতন্ত্রের ভিত্তি রচিত হয় এবং গণতান্ত্রিক ধারার প্রসার ঘটে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের ধারণা সমাজে প্রতিষ্ঠা পায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও World History Online Textbook.

৮,৬২২.
বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা:
- বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত।
- ভারতের জনসংখ্যা ১৪২৫.৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব ৪৩৩.৭ জন।

অন্যদিকে, 
- জনসংখ্যায় বিশ্বে ২য় অবস্থানে আছে চীন।
- জনসংখ্যায় বিশ্বে ৩য় অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র।
- জনসংখ্যায় বিশ্বে ৪র্থ অবস্থানে আছে ইন্দোনেশিয়া।
- জনসংখ্যায় বিশ্বে .৫ম অবস্থানে আছে পাকিস্তান।
- জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।

তথ্যসূত্র - Worlddata.info
৮,৬২৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন‍?
  1. ক) জর্জ ওয়াশিংটন
  2. খ) জন এডামস
  3. গ) টমাস জেফারসন
  4. ঘ) আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘােষক ও যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জর্জ ওয়াশিংটন দেশটির প্রথম রাষ্ট্রপতি হন। আর জন এডামস, টমাস জেফারসন ও আব্রাহাম লিংকন যত্রাক্রমে দেশটির দ্বিতীয়, তৃতীয় ও ষােড়শ প্রেসিডেন্ট। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
৮,৬২৪.
বাস্তিল দুর্গ পতনের মাধ্যমে কোন রাজার শাসনকালের অবসান ঘটে?
  1. লুই চতুর্দশ
  2. লুই পঞ্চদশ
  3. লুই ষোড়শ
  4. লুই সপ্তদশ
ব্যাখ্যা
বাস্তিল দুর্গ:
- বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের অন্যতম কেন্দ্র।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের প্রতীক।
- ১৭৮৯ খ্রিষ্টাব্দে ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- বাস্তিল দুর্গের পতন রাজতন্ত্রের পতনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
- দুর্গের পতনের মাধ্যমে সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।

⇒ বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
৮,৬২৫.
কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী ‘দ্য ম্যাজিশিয়ান ও কিং বিবি’ নামে পরিচিত?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইসরায়েল
  4. সাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা
নেতানিয়াহু:
- ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর।
- তিনি তিন দশকের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি রাজনীতিতে রয়েছেন।
- পরাজয়ের মুখ থেকে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়ার অদ্ভুত ক্ষমতার জন্য নেতানিয়াহু ‘দ্য ম্যাজিশিয়ান’ নাম পেয়েছেন।
- আবার ইসরায়েলি রাজনীতিতে অন্য কারও চেয়ে বেশি সময় ধরে সক্রিয় থাকার জন্য নেতানিয়াহু পেয়েছেন ‘কিং বিবি’ নাম।
- নেতানিয়াহুর আরেকটি ডাকনাম আছে ‘মিস্টার সিকিউরিটি’।
 
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
৮,৬২৬.
সম্রাট অশোক কোন রাজবংশের শাসক ছিলেন?
  1. সেন
  2. পাল
  3. মৌর্য
  4. গুপ্ত
ব্যাখ্যা
⇒ সম্রাট অশোক মৌর্য বংশের শাসক ছিলেন।

অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬২৭.
বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মেসোপটেমীয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল বর্তমানে কোথায় অবস্থিত? 
  1. ইরানে
  2. ইরাকে
  3. গ্রিসে
  4. ইতালিতে
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (Mesopotamian Civilization):
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা মেসোপটেমিয়া সভ্যতা।
- ‘মেসোপটেমিয়া' একটি গ্রিক শব্দ যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি৷ টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী উপত্যকাটির নাম মেসোপটেমিয়া।
- মেসোপটেমিয়া দুই ভাগে বিভক্ত ছিলো: উত্তর ও দক্ষিণ। উত্তর অংশের বর্তমান নাম অ্যাসেরীয়। দক্ষিণ অংশের নাম মেসোপটেমিয়া।

⇒ বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল অবস্থিত।
- এছাড়াও সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান ও কুয়েতে এই সভ্যতার কিছু অংশ রয়েছে।
- মেসোপটেমিয়ার লোকজন বহুঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিলো।

উৎস: i) History.com
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৬২৮.
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতন কাদের মাধ্যমে হয়েছিল?
  1. পর্তুগীজদের
  2. স্প্যানিশদের
  3. তুর্কীদের
  4. ফরাসিদের
ব্যাখ্যা
বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলে কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন।
- ৩৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দ্বিতীয় রাজধানীর নামকরণ করা হয় কনস্টান্টিনোপল।
- পূর্ব রাজধানীকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল তথা পূর্ব ইউরোপ, পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল, কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল, এশিয়া মাইনরসহ পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল শাসিত হতো

⇒ বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের পতন:
- পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ইসলামী সভ্যতার উত্থান ও বিকাশের পটভূমিতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের সীমা ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে ক্রমাগত সংকুচিত হয়ে পড়তে থাকে।
- আব্বাসীয় শাসনামল পর্যন্ত ইসলামী সাম্রাজ্য পশ্চিম ইউরোপের স্পেন, সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- ১২৫৮ সালে মোঙ্গল নেতা হালাকু খানের হাতে বাগদাদের পতন ঘটার পর ইসলামী সভ্যতার নেতৃত্ব গ্রহণ করে ওসমানীয় তুর্কিরা।
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে ওসমানীয় তুর্কি খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৪৫৩ সাল ইউরোপ তথা পৃথিবীর ইতিহাসে একটি মাইল ফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬২৯.
দিয়াগো গার্সিয়া দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগর
  3. গ) ভারত মহাসাগরে
  4. ঘ) দক্ষিণ মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
দিয়াগো গার্সিয়া দ্বীপটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। এটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের দখলে। এখানে মার্কিন সপ্তম নৌবহর আছে। উৎস: আন্তর্জাতিক মানচিত্র।
৮,৬৩০.
গ্রিক পুরাণে দেবতাদের রাজা-
  1. ক) পোসাইডন
  2. খ) অ্যাপোলো
  3. গ) এরিস
  4. ঘ) জিউস
ব্যাখ্যা

- গ্রীকদের 'ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের দেবতা' আফ্রোডাইট।
- কৃষিবিষয়ক দেবী ডিমিটার।
- দেবতাদের রাজা জিউস এবং
- যুদ্ধদেবতা এরিস।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৮,৬৩১.
জহির রায়হান নিচের কোন চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন?
  1. ক) ইনোসেন্ট মিলিয়নস
  2. খ) জীবন থেকে নেওয়া
  3. গ) অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
  4. ঘ) মুক্তির গান
ব্যাখ্যা
জীবন থেকে নেওয়া জহির রায়হান পরিচালিত একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র যা ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল মুক্তি পায়৷ চলচ্চিত্রটি পারিবারিক আবহে নির্মিত হলেও এর অন্তর্নিহিত পটভূমি ছিলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম।
জহির রায়হান পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে কখনো আসেনি, সঙ্গম, কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, আনোয়ারা, বাহানা প্রভৃতি। স্টপ জেনোসাইট ও লেট দেয়ার বি লাইট তার দুটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রমাণচিত্র।
অন্যদিকে ইনোসেন্ট মিলিয়নস, অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী ও ‍মুক্তির গান চলচ্চিত্রের পরিচালক যথাক্রমে বাবুল চৌধুরী, সুভাষ দত্ত এবং তারেক মাসুদ।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো)
৮,৬৩২.
কোন চুক্তির ফলশ্রুতিতে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার স্বীকৃতি পায়?
  1. সিএফসি চুক্তি
  2. দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি
  3. প্রথম ভার্সাই চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি: 
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধিনতা যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্যারিসে যে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তাদেরকে একত্রে প্যারিস চুক্তি বা পিস অব প্যারিস বলা হয়।
- চুক্তিটি ৩ সেপ্টেম্বর ১৭৮৩ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - প্রথম পক্ষ - যুক্তরাজ্য , দ্বিতীয় পক্ষ - যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন, নেদারল্যান্ড।
- এই চুক্তির ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটে।
-প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে এবং কানাডার সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন এডামস ও জন জে এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির ফলশ্রুতিতে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার স্বীকৃতি পায়। 

উৎস: United States Department of State. [Link] 

৮,৬৩৩.
চিচেন ইৎজা কোন দেশে অবস্থিত?
  1. পেরু
  2. মেক্সিকো
  3. বলিভিয়া
  4. এল সালভেদর
ব্যাখ্যা
চিচেন ইৎজা: 
- চিচেন ইৎজা (Chichén Itzá) হচ্ছে মেক্সিকোর ইউকাটান উপদ্বীপে অবস্থিত একটি প্রাচীন মায়া শহর। 
- শহরটি খ্রিস্টীয় নবম ও দশম শতকে ফুলে-ফেঁপে উঠেছিল।
- এই শহরটি ছিল ইৎজা নামক মায়া গোত্রের অধীনে, যারা টলটেক সভ্যতার দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিল।
- শহরের অন্যতম চমৎকার স্থাপনা হলো "এল কাস্তিয়ো" (El Castillo) নামক ধাপযুক্ত পিরামিড, যেটি প্রধান প্রাঙ্গণের মাঝে ৭৯ ফুট (২৪ মিটার) উচ্চতায় দাঁড়িয়ে আছে।
- এই পিরামিডে মোট ৩৬৫টি ধাপ রয়েছে—প্রতিটি ধাপ সৌর বছরের একটি দিন প্রতিনিধিত্ব করে, যা মায়া সভ্যতার উন্নত জ্যোতির্বিদ্যার প্রমাণ।
- বসন্ত ও শরৎকালীন বিষুব দিনে সূর্যাস্তের সময় এর উত্তরদিকের সিঁড়িতে ছায়ার খেলা একটি সর্পের চলার আকৃতি সৃষ্টি করে, যার নিচে রয়েছে একটি পাথরের সাপের মূর্তি।
- চিচেন ইৎজায় অবস্থিত ত্লাচতলি (tlachtli) নামক মাঠটি পুরো আমেরিকার বৃহত্তম বল খেলার মাঠ, যেখানে মায়ারা ধর্মীয় ও প্রতীকী অর্থে এক ধরনের বল খেলা খেলত, যা প্রাক-কোলম্বীয় মেসোআমেরিকায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।

উৎস: Britannica.
৮,৬৩৪.
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) -এর একক মুদ্রা কবে চালু হয়েছে?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯
  2. ১ জুলাই, ১৯৯৯
  3. ১ মার্চ, ২০০০
  4. ১ জুলাই, ২০০০
ব্যাখ্যা
ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
- পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
- ২০০৮ সালে সাইপ্রাস ও মাল্টা এবং ২০১৫ সালে লিথুয়ানিয়া ইউরো গ্রহণ করে।
- সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করে এবং ১ জানুয়ারী ২০২৩ তারিখে ইউরো গ্রহণ করে।
- ক্রোয়েশিয়া ২০তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।

⇒ এখন পর্যন্ত ২০টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৮,৬৩৫.
বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. আফ্রিকা
  4. ইউরোপ
ব্যাখ্যা
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন:
- বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।

⇒ গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিম অ্যারিজোনার উচ্চ মালভূমি অঞ্চলে অবস্থিত।
- এই গিরিখাতের মধ্য দিয়ে কলোরাডো নদী বয়ে গেছে।
- এটি এর চমৎকার আকার এবং রঙের জন্য বিখ্যাত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মূলত অনুভূমিক স্তরযুক্ত শিলা এবং লাভা প্রবাহ নিয়ে গঠিত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে অনেক উপনদীর পাশের গিরিখাত এবং পার্শ্ববর্তী মালভূমিও রয়েছে।

উৎস: Britannica.
৮,৬৩৬.
কোন দেশগুলোতে 'ডমিনো তত্ত্ব' প্রয়োগ করা হয়েছে?
  1. সোমালিয়া, ইরিত্রিয়া, ও দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. মালি, ঘানা ও দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. চীন, মঙ্গোলিয়া ও লাইবেরিয়া
  4. ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওস
ব্যাখ্যা

• ডমিনো তত্ত্ব:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।

৮,৬৩৭.
গ্রিনল্যান্ড কোন মহাদেশের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ইউরোপ
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. এশিয়া
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

গ্রিনল্যান্ড:
- গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ।
- এটি ডেনমার্কের একটি স্বশাসিত অঞ্চল।
- গ্রিনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ।
- এর অবস্থান উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- এর অবস্থান কানাডা এবং আইসল্যান্ডের মাঝে অবস্থিত।
- আয়তনে মূল ডেনমার্কের চেয়ে গ্রীনল্যান্ড প্রায় ৫০ গুন বড়।
- রাজধানী: নুউক।
- গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা এস্কিমো হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- গ্রিনল্যান্ড ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত ডেনমার্কের একটি উপনিবেশ ছিল। ১৯৭৯ সালে গণভোটের মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড স্বায়ত্তশাসন লাভ করেছিল, তবে দ্বীপটির পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষানীতি এখনও ডেনমার্কই দেখভাল করে।
- এ দ্বীপের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে তেল ও গ্যাস। আরও আছে পৃথিবীর বিরল কিছু ধাতু, যেগুলোর বৈদ্যুতিক গাড়ি ও বায়ুকলের পাশাপাশি সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে উচ্চ চাহিদা রয়েছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৮,৬৩৮.
এ্যাংলো হিন্দু কলেজ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. হাজী মুহম্মদ মুহসিন
  2. স্যার সৈয়দ আহমদ
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায়:
 
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা, ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহন করেন।
- অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী রামমোহন, বিশেষ করে আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষায় অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেন।
- তিনি 'সম্বাদ কৌমুদী', ‘মিরাত-উল-আখবার' ও 'ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন' নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্য প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ' প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহাপুরুষ, ভারতীয় নবজাগরণের স্রষ্টা, রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬৩৯.
বৃটিশ অর্থমন্ত্রীর বাসভবনের নাম কী?
  1. ক) ১১ নং ডাউনিং স্ট্রিট
  2. খ) ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট
  3. গ) ফ্লিট স্ট্রিট
  4. ঘ) হোয়াইট হল
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়ের নাম ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট’।
অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন হচ্ছে ১১ নং ডাউনিং স্ট্রিট .
বুশ হাউস হচ্ছে লন্ডনে অবস্থিত বিবিসির প্রাক্তন প্রধান কার্যালয় এবং
যুক্তরাজ্যের রানীর বাসভবন হচ্ছে বাকিংহাম প্যালেস/উইন্ডসর ক্যাসেল।

সূত্র: যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট।
৮,৬৪০.
আর্নেস্তো চে গুয়েভারা পেশায় কী ছিলেন?
  1. ক) রাজনীতিবিদ
  2. খ) ব্যবসায়িক
  3. গ) চিকিৎসক
  4. ঘ) শিক্ষক
ব্যাখ্যা
চে গুয়েভারা ১৪ জুন ১৯২৮ সালে আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্মগ্রহন করেন।
চে গুয়েভারা ছিলেন কিউবার সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের অন্যতম  নায়ক।
তিনি পেশায় ছিলেন চিকিৎসক।
বলিভিয়ায় তিনি যে গেরিলা সংগঠনের নেতা ছিলেন - National libaration Army .
তার বিখ্যাত গ্রন্থের নাম - গেরিলা ওয়ারফেয়ার, ফিলোসফিক্যাল নোটস।


তথ্যসূত্র: www.britannica.com
৮,৬৪১.
কোন শহরকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের প্যারিস’ বলা হয়?
  1. ক) দুবাই
  2. খ) কায়রো
  3. গ) বৈরুত
  4. ঘ) ইস্ফাহান
ব্যাখ্যা
লেবাননের রাজধানী বৈরুতকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের প্যারিস’ বলা হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শহরটিতে ফরাসি সংস্কৃতির প্রভাব, অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞের বিস্তার ও পর্যটন আকর্ষণের জন্যে বৈরুতকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের প্যারিস’ নামে অভিহিত করা হয়।
(সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার)
৮,৬৪২.
শ্রীলংকার প্রশাসনিক রাজধানীর নাম কী?
  1. কলম্বো
  2. প্রিটোরিয়া
  3. ব্লুমফনটেন
  4. শ্রী জয়াবর্ধনেপুরা কোর্টে
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলংকার প্রশাসনিক রাজধানীর নাম শ্রী জয়াবর্ধনেপুরা কোর্টে।
- শ্রীলংকার বাণিজ্যিক রাজধানী হচ্ছে কলম্বো।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী হলো - প্রিটোরিয়া।
-  দক্ষিণ আফ্রিকার বিচার বিভাগীয় রাজধানী - ব্লুমফনটেন।    

সূত্র:- ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
৮,৬৪৩.
Which Spanish Dictator established a Fascist style regime after the Civil War?
  1. Miguel Prime de Rivers
  2. Francisco Franco 
  3. Juan Carlosi
  4. Jose Maria Aznar 
ব্যাখ্যা

ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো (Francisco Franco ):
- স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের পর ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো স্পেনে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- তিনি ১৯৩৬-১৯৩৯ সালের গৃহযুদ্ধে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নেতৃত্ব দেন।
- তার শাসনের অধীনে স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে 'Estado Español' নামে পরিচিত ছিল এবং প্রায়ই এটিকে "ফ্রাঙ্কোইস্ট স্পেন" বা "ফ্যাসিস্ট স্পেন" বলা হতো। 
- ১৯৭৫ সালে তাঁর মৃত্যুর পর স্পেনে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো (Francisco Franco) ছিলেন স্পেনের এক সামরিক শাসক ও স্বৈরশাসক।
- তার শাসনকাল: ১৯৩৯ – ১৯৭৫ সাল।
- স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধে (১৯৩৬-১৯৩৯) হিটলারের নাৎসি জার্মানি এবং মুসোলিনির ফ্যাসিস্ট ইতালির সমর্থন পেয়ে তিনি জয়লাভ করেন এবং  স্পেনকে একটি ফ্যাসিস্ট-অভিমুখী একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করে।

উৎস: Britannica.

৮,৬৪৪.
যুক্তরাজ্যের সরকার প্রধান কে?
  1. রানি বা রাজা
  2. রাষ্ট্রপ্রতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী দেশের কার্যনির্বাহী শাখার নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন এবং সরকার পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করেন।

- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ঋষি সুনাক (কনজারভেটিভ পার্টি)।
- তিনি ২০২২ সালের ২৫ অক্টোবর থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী: রবার্ট ওয়ালপল।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন: ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।

উল্লেখ্য, 
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
৮,৬৪৫.
'A Tale of Two Cities'-কার রচিত?
  1. উইলিয়াম সমারসেট
  2. জন মিল্টন
  3. চার্লস ডিকেন্স
  4. লর্ড বায়রন
ব্যাখ্যা
চার্লস ডিকেন্স (Charles Dickens): 
- চার্লস ডিকেন্স ঊনবিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক।
- তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক হিসেবেও গণ্য করা হয়।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যে একাধিক উপন্যাস ও চরিত্র সৃষ্টি করেন।
- ১৮১২ সালের ৭ ফেব্রয়ারি ইংল্যান্ডের ল্যান্ডপোর্টে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৭০ সালের ৯ জুন মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- ডিকেন্সের গল্পগ্রন্থ ও উপন্যাসগুলো এতই জনপ্রিয় যে এগুলো কখনই আউট অফ প্রিন্ট হয়নি।
- লিও টলস্টয়, জর্জ অরওয়েল, জিকে চেস্টারটন প্রমুখ বিশ্বখ্যাত লেখকরা ডিকেন্সের রচনার বাস্তবতাবোধ, রসবোধ, গদ্যসৌকর্য ও চরিত্র চিত্রণের দক্ষতার উচ্চ প্রশংসা করেছেন।
- তার জনপ্রিয় রচনাগুলোর মাঝে রয়েছে: Oliver Twist, Nicholas Nickleby, The Old Curiosity Shop, Martin Chuzzlewit, Dombey and Son, David Copperfield, A Tale of Two Cities, Great Expectations, Our Mutual Friend প্রভৃতি।

উৎস: Britannica.
৮,৬৪৬.
বিশ্বের বৃহত্তম মরুভূমি কোনটি?
  1. সাহারা মরুভূমি
  2. থর মরুভূমি
  3. মোজাবে মরুভূমি
  4. গোবি মরুভূমি
ব্যাখ্যা
সাহারা মরুভূমি:
- সাহারা হল বিশ্বের বৃহত্তম মরুভূমি, যার আয়তন ৩.৫ মিলিয়ন বর্গ মাইল (৯ মিলিয়ন বর্গ কিমি)।
- মরুভূমির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৮০০ কিলোমিটার এবং সর্বাধিক প্রস্থ ১,৮০০ কিলোমিটার। 
- মরুভূমিটি আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং সুদান সহ ১১টি উত্তর আফ্রিকার দেশের বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে।
- সাহারা মরুভূমির নামটি এসেছে আরবি শব্দ ‘সাহরা’ থেকে যার অর্থ ‘মরুভূমি’।।
- এটি আফ্রিকার প্রায় এক তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।
- ১৮৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু পাহাড়ী বালির টিলাগুলির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
- এই মরুভূমিতে জলের উত্স বিরল, তবে সাহারায় দুটি নদী এবং বিশটি মৌসুমী হ্রদ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৮,৬৪৭.
আফিম যুদ্ধে বিজিত পক্ষ কোনটি?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) চীন
  4. ঘ) হল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- চীনে সাম্রাজ্যবাদের বিস্তার ঘটে ১৭ শতকে। সেখানে বাণিজ্য বিস্তারে এগিয়ে ছিল পর্তুগিজরা। তারা দক্ষিণ চীনের ম্যাকাও
বন্দর দখল করে বাণিজ্য পরিচালনা করে।
- ধীরে ধীরে ইংরেজ, ফরাসি ও ডাচ কোম্পানি চীনের সমুদ্র উপকূল ধরে বসতি স্থাপন করে। এরই ধারাবাহিকতায় ক্যান্টন, হংকং, তাইওয়ান প্রভৃতি এলাকায় ইঙ্গ-ফরাসি প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
-  ১৮৩৯ সালে চীন সরকার ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে নানকিংয়ের সন্ধিতে স্বাক্ষর করে। 
- তার শর্তানুযায়ী সমুদ্র উপকূলের পাঁচটি বন্দর ইংরেজ কোম্পানির দখলে চলে যায়। 
- এই সময়ে চীনে ইংরেজদের আফিম ব্যবসা ও আফিম বাণিজ্যের বিরুদ্ধে চীনা জনগণের সংগ্রামের ফলে ঘটে যায় প্রথম ইঙ্গ-চীন যুদ্ধ ও নানকিং সন্ধি।
- পরিস্থিতি সংঘাতময় হয়ে ওঠে ১৮৫৬ সালের দিকে  ইংরেজ ও ফরাসি কোম্পানির তাবেদার জনৈক ফরাসি ধর্মযাজককে কৃত অপরাধের জন্য চীন সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে । 
- এর প্রতিবাদে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স যৌথভাবে চীনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ইতিহাসে এটাকে দ্বিতীয় চীন যুদ্ধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 
- তিয়েন্তসিন সন্ধির মাধ্যমে এ যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটলেও সন্ধির শর্তানুসারে ক্ষতিগ্রস্ত হয় চীন। 
- উপকূলবর্তী এগারোটি চীনা বন্দরে ইংরেজ ও ফরাসি শক্তির কর্তৃত্ব সুদৃঢ় হয় এ সন্ধির মাধ্যমে। 
 
- উভয় যুদ্ধে চীন ছিল বিজিত বা পরাজিত পক্ষ। 
 
Opium Wars, two armed conflicts in China in the mid-19th century between the forces of Western countries and of the Qing dynasty, which ruled China from 1644 to 1911/12.
The first Opium War (1839–42) was fought between China and Britain, and 
the second Opium War (1856–60), also known as the Arrow War or the Anglo-French War in China, was fought by Britain and France against China. 
In each case the foreign powers were victorious and gained commercial privileges and legal and territorial concessions in China. The conflicts marked the start of the era of unequal treaties and other inroads on Qing sovereignty that helped weaken and ultimately topple the dynasty in favour of republican China in the early 20th century.
 
উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ব্রিটানিকা ।
৮,৬৪৮.
‘অক্টোবর বিপ্লব’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. রুশ বিপ্লব
  2. ফরাসি বিপ্লব
  3. আমেরিকান বিপ্লব
  4. ইসলামিক বিপ্লব
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- মোট দুইটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (মার্চ, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রোমানভ রাজবংশের পতন ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। 
- একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব (নভেম্বর, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।
- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে এবং ক্ষমতা দখল করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- লেনিন বিশ্বের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের একনায়ক হয়ে ওঠেন।

উল্লেখ্য,
- রুশ বিপ্লবের ফলে ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৮,৬৪৯.
ব্যবিলনীয়দের শূন্য উদ্যান কে নির্মাণ করেন?
  1. দারিউস
  2. হাম্মুরাবি
  3. সাইরাস
  4. নেবুচাঁদনেজার
ব্যাখ্যা

ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- ব্যাবিলন প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যের শহর।
- এই শহরের ধ্বংসাবশেষ বাগদাদ থেকে প্রায় ৫৫ মাইল (৮৯ কিমি) দক্ষিণে, ইরাকের আধুনিক শহর আল-হিল্লার কাছে অবস্থিত।
- এটি ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে আমোরীয় রাজাদের শাসনের অধীনে আসে।
- শহরটি ব্যাবিলোনিয়ার রাজধানী হয়ে ওঠে এবং টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদী ব্যবস্থার প্রধান বাণিজ্যিক শহর ছিল।
- এটি নেবুচাঁদনেজার দ্বিতীয় এর অধীনে নিও-ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী হিসাবে তার সর্বশ্রেষ্ঠ গৌরব অর্জন করেছিল।
- নেবুচাঁদনেজার পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের অন্যতম হিসেবে পরিচিত- ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৮,৬৫০.
সর্বাধিক জন্মহারের দেশ কোনটি?
  1. নাইজার
  2. বাহরাইন
  3. গাম্বিয়া
  4. সুদান
ব্যাখ্যা
- UNFPA প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০২১ অনুসারে,
উচ্চ জন্মহারের শীর্ষ দেশসমূহ:
- বাহরাইন : ৪.৩%
- নাইজার : ৩.৮%
- নিরক্ষীয় গিনি : ৩.৭%
নিম্ন জন্মহারের শীর্ষ দেশসমূহ:
- লিথুয়ানিয়া : -১.৫%
- লাটভিয়া ও ভেনেজুয়েলা : -১.১%
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা : -০.৯%।
(তথ্যসূত্র: UNFPA বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০২১)
৮,৬৫১.
বিশ্বের কয়টি দেশ তাদের নামে 'প্রজাতন্ত্র' শব্দটি ব্যবহার করে?
  1. ১৫৯টি
  2. ১৪০টি
  3. ১৫১টি
  4. ১৫৮টি
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রজাতান্ত্রিক দেশ:
- প্রজাতন্ত্র হলো সরকারের একটি রূপ যেখানে জনগণ তাদের নেতাদের নির্বাচন করে বা বেছে নেয়।
- প্রজাতন্ত্রী সরকার সহ বেশিরভাগ দেশে, জনগণ সরকার প্রধানকে নির্বাচন করে।
- তারা আইন প্রণয়নের জন্য প্রতিনিধি নামে অন্য লোকদেরও নির্বাচন করে।
- বেশিরভাগ দেশই এখন সত্যিকারের প্রজাতান্ত্রিক।
- গণতন্ত্র হলো এমন সরকার যেখানে জনগণের মতামত আছে।
- প্রজাতন্ত্রকে প্রতিনিধি গণতন্ত্র হিসাবেও উল্লেখ করা হয়।
- বিশ্বের ১৫৯টি সার্বভৌম রাষ্ট্র তাদের নামে 'প্রজাতন্ত্র' শব্দটি ব্যবহার করে।

উৎস: World Population Review ওয়েবসাইট। [link]
৮,৬৫২.
দুই জার্মানি একত্রিত হয় কোন সনে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
Berlin Wall, German Berliner Mauer, barrier that surrounded West Berlin and prevented access to it from East Berlin and adjacent areas of East Germany during the period from 1961 to 1989. German Reconciliation ( German : Deutsche Wiedervereinigung ) was completed on October 9, through which the territories of the Democratic Republic of Germany ( East Germany ) were united with the Federal Republic of Germany ( West Germany ). [source: britannica & wikipedia]
৮,৬৫৩.
ঐতিহাসিক 'বদর যুদ্ধ' কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ৬২৪ সালে
  2. ৬২৫ সালে
  3. ৬২৬ সালে
  4. ৬২৭ সালে
ব্যাখ্যা
বদরের যুদ্ধ:
- ৬২৪ সালে মদিনার অদূরে বদর নামক স্থানে মক্কার কুরাইশ বাহিনীর সাথে মুসলমানদের বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ২ হিজরির ১৭ রমজান মদিনার মুসলিম ও মক্কার অমুসলিমদের মধ্যে বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধের আগে মুসলিম ও অমুসলিমদের মধ্যে বেশ কিছু খণ্ডযুদ্ধ হয়।
- কিন্তু বদর ছিল দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম বড় আকারের যুদ্ধ।
- ইসলামের এ প্রথম সামরিক যুদ্ধে প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী বিজয় লাভ করে।
- হজরত মুহাম্মদ (সা.) স্বয়ং যুদ্ধ পরিচালনা করেন। 
- ইসলামের এই প্রথম সামরিক যুদ্ধে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে মুসলমান বাহিনী বিজয়ী হয়। 

উৎস: History.com
৮,৬৫৪.
The First Industrial Revolution began in -
  1. USA
  2. Germany
  3. Russia
  4. England
  5. France
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব (Industrial Revolution):
- আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ন সংঘটিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।

প্রথম শিল্প বিপ্লব:
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০-১৮৪০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
- ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব' (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
- শিল্প বিপ্লবের ফলে পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে।
- এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে।
- ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব:

- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৮৭০-১৯১৪ সাল পর্যন্ত।
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়।
- এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়।
- এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন এর মান বৃদ্ধি পায়।
- বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।

উৎস: Britannica.
৮,৬৫৫.
মিশরীয়রা ব্যঞ্জনবর্ণের কয়টি বর্ণ আবিষ্কার করে?
  1. ১১ টি
  2. ৩৯ টি
  3. ২৩ টি
  4. ২৪ টি
ব্যাখ্যা

মিশরীয়দের লিখনপদ্ধতি ও কাগজ আবিষ্কার:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের মন্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- পরে এই কাগজের উপর তারা লিখতে শুরু করে।
- গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’। যে শব্দ থেকে ইংরেজি ‘পেপার’শব্দের উৎপত্তি।
- এখানে উল্লেখ্য নেপোলিয়ান বোনাপার্টের মিশর জয়ের সময় একটি পাথর আবিষ্কৃত হয়, যা রসেটা স্টোন নামে পরিচিত।
- এতে গ্রিক এবং ‘হায়ারোগ্লিফিক’ ভাষায় অনেক লেখা ছিল; যা থেকে প্রাচীন মিশরের অনেক তথ্য জানা যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮,৬৫৬.
'দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র' তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. রাগনার নার্কাস
  2. অ্যাডাম স্মিথ
  3. পল স্যামুয়েলসন
  4. আলফ্রেড মার্শাল
ব্যাখ্যা
দারিদ্রের দুষ্টুচক্র (vicious circle of poverty):
- দারিদ্রের দুষ্টচক্র বলতে এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে মানুষ দরিদ্রতার কবল থেকে মুক্তি পেতে চাইলেও পরোক্ষভাবে পুনরায় আবারো দারিদ্রতার ভেতরেই আবদ্ধ হয়ে যায়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে দরিদ্র থেকে আরও বেশি দরিদ্র হওয়াকেই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলা হয়। এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায় অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে।

⇒ ‘দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র’ ধারণাটির মূল প্রবক্তা হলেন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রাগনার নার্কস্।
- অনুন্নত দেশের অর্থনৈতিক অনুন্নয়নের কারণ বিশ্লেষণ প্রসঙ্গে তিনি এ ধারণাটির অবতারণা করেন।
- তার মতে, “দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র হলো এমন কতকগুলো শক্তির একত্রিভবন যারা একে অপরের সাথে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে একটি দেশকে দরিদ্র করে রাখে।”
- দারিদ্র্যের দুষ্টু চক্র সম্পর্কে অধ্যাপক রাগনার নারকস সুন্দর একটি সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।
- তিনি বলেছেন 'A country is poor because it is poor'.

উৎস: i) National Institutes of Health (NIH) (.gov) ওয়েবসাইট।
ii) The History of Economic Thought ওয়েবসাইট।
৮,৬৫৭.
মিশরীয় সভ্যতায় পাতালের দেবতা কে ছিলেন?
  1. হোরাস
  2. শেঠ
  3. আনুবিস
  4. ওসিরিস
ব্যাখ্যা

মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল: খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- মিশরে প্রথম এই সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে।
- একটি ছিল উত্তর মিশর অপরটি দক্ষিণ মিশর।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য: লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- মিশরীয় সভ্যতার প্রথম দিকে তারা ছবি এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- পিরামিড: মিশরীয় স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। গিজার গ্রেট পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি।
- স্ফিংস: এটি ফারাও খাফরের শাসনকালে নির্মিত বিশাল মূর্তি।
- মিশরীয় সভ্যতায় বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করা হত। যেমন -
• পাতালের দেবতা - ওসিরিস,
• যুদ্ধ এবং শিকারের সাথে যুক্ত আকাশের দেবতা - হোরাস,
• সহিংসতা, মরুভূমি এবং ঝড়ের দেবতা - শেঠ,
• শেয়াল দেবতা - আনুবিস,
• জ্ঞানের দেবতা - থোথ।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬৫৮.
সুইজারল্যান্ডে মোট কতটি ক্যান্টন রয়েছে?
  1. ২৩টি
  2. ২৬টি
  3. ২২টি
  4. ২৪টি
ব্যাখ্যা
সুইজারল্যান্ড:
- পশ্চিম ইউরোপের ছোট একটি দেশ সুইজারল্যান্ড।
- এটি সুইস কনফেডারেশন নামে পরিচিত।
- এর উত্তরে জার্মানি, পূর্বে অস্ট্রিয়া ও লিশটেনস্টাইন, দক্ষিণে ইতালি এবং পশ্চিমে ফ্রান্স।
- সুইজারল্যান্ড একটি ক্ষুদ্র পর্বতময় দেশ।
- এটি কেন্দ্রীয় আল্পস পর্বতমালা এবং উত্তরাঞ্চলীয় প্রাক-আল্পস পর্বতমালা নিয়ে গঠিত।
- রাজধানী: বের্ন।
- বিখ্যাত শহর মধ্যেগুলোর মধ্যে জেনেভা এবং জুরিখ অন্যতম।
- মুদ্রা: সুইস ফ্রাঙ্ক।
- সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে উঁচু পর্বতের নাম মন্টি রোজা।

উল্লেখ্য,
- সুইস সরকারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো প্রতিবছর ১ জানুয়ারি তারিখে দেশটির রাষ্ট্রপতি পরিবর্তিত হয়।
- ৬ বছরের জন্য গঠিত মন্ত্রীপরিষদের একেক জন মন্ত্রী এক বৎসরের জন্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ সুইজারল্যান্ডে একটি ক্যান্টন হলো একটি আঞ্চলিক বিভাগ বা রাজ্য।
- সুইজারল্যান্ডের প্রতিটি ক্যান্টনের নিজস্ব সংবিধান, সরকার এবং সংসদ রয়েছে।
- সুইজারল্যান্ডে মোট ২৬টি ক্যান্টন রয়েছে।
- ঐতিহাসিক কনফেডারেশনের সময় এর প্রতিটি স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল।
- তাদের পৃথক সীমানা ও রাষ্ট্রব্যবস্থাও ছিল।
- বর্তমানে এর সবগুলো সুইজারল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: Britannica.
৮,৬৫৯.
জর্জ ওয়াশিংটন কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন?
  1. রিপাবলিকান পার্টি
  2. ডেমোক্র্যাটিক পার্টি
  3. গ্রিন পার্টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জর্জ ওয়াশিংটন:
- তিনি ওয়েস্টমোরল্যান্ডে ১৭৩২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী জন্মগ্রহন করেন।
- জর্জ ওয়াশিংটন কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন না।
- তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একজন নির্দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- জর্জ ওয়াশিংটনের নামানুসারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসির নামকরণ করা হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি হিসাবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করার পর, জর্জ ওয়াশিংটন ১৭৯৭ সালে মাউন্ট ভার্ননে তার এস্টেটে অবসর গ্রহণ করেন।
- ১৭৯৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে ওয়াশিংটন মারা যান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮,৬৬০.
‘লিটল রেড বুক’ বইটির রচয়িতা কোন বিশ্বনেতা?
  1. ফিদেল কাস্ত্রো
  2. অ্যাডলফ হিটলার
  3. মাও সেতুং
  4. নেলসন মেন্ডেলা
ব্যাখ্যা

Little Red Book:
- লিটল রেড বুক (Little Red Book) বইটির রচয়িতা মাও সেতুং।
- বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- মাও সেতুং-এর নির্বাচিত উক্তি ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে প্রকাশিত এই বইটি। 
- লিটল রেড বুকের ভেতর, মোটা লাল হরফে লেখা  জুড়ে দেওয়া হয়, কমিউনিষ্ট ম্যানিফেষ্টো-এর সেই বিখ্যাত সেই স্লোগান  "দুনিয়ার মজদুর, এক হও" (Workers of the world, unite)"। 

⇒ মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।
- চীন বর্তমানে পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতির দেশ।

উৎস: Britannica.
ii) The Guardian.

৮,৬৬১.
কত সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরে বাধ্য হন?
  1. ১২০২ সালে
  2. ১২০৫ সালে
  3. ১২১২ সালে
  4. ১২১৫ সালে
ব্যাখ্যা

যুক্তরাজ্য:
- ‘ইউনাইটেড কিংডম অব গ্রেট ব্রিটেন অ্যান্ড নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড’’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ যুক্তরাজ্য বা ইউকে।
- এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এই রাষ্ট্রটি গঠিত হয়েছে চারটি পৃথক দেশের সমন্বয়ে: ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড।
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কিয়ের স্টারমার (লেবার পার্টি)।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
- যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (হাউস অফ কমন্স ও হাউস অফ লর্ডস)।

⇒ ম্যাগনাকার্টা:
- ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র বলা হয় ম্যাগনাকার্টাকে।
- যুক্তরাজ্যে প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র বা পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি এর ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ম্যাগনা কার্টা (Magna Carta) নথিতে, যা ১২১৫ সালে সই করা হয়েছিল।
- ইংল্যান্ডের রাজা জন “ম্যাগনা কার্টা” (Magna Carta) নামে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন। 
- এর প্রথম নাম ছিল ‘চার্টার অব রানিমেড’ (Charter of Runnymede)।
- পরে এটি ম্যাগনাকার্টা চার্টার নামে পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: Britannica.

৮,৬৬২.
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানী কোনটি?
  1. কেপ টাউন
  2. প্রিটোরিয়া
  3. ব্লোয়েমফন্টেইন
  4. জোহানেসবার্গ
ব্যাখ্যা

- দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
- নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
- সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
- বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

• দক্ষিণ আফ্রিকা:

- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রার নাম: র‍্যান্ড।

উৎস: Worldatlas ও Britannica.

৮,৬৬৩.
টিপিএলএফ কোন দেশের সশ্বস্ত্র গোষ্ঠী?
  1. কলম্বিয়া
  2. ইথিওপিয়া
  3. ইরাক
  4. উত্তর সাইপ্রাস
ব্যাখ্যা
- টিপিএলএফ (টিগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্ট) হলো ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলের টিগ্রে অঞ্চলের সশ্বস্ত্র গোষ্ঠী।
- অতীতে এই গোষ্ঠীটি ইথিওপিয়ার সরকার ও রাজনীতিতে সর্বাধিক প্রভাব বিস্তারকারী ছিলো। কিন্তু আবি আহমেদ ইথিওপিয়ার ক্ষমতা গ্রহণের পর তাদের প্রভাব হ্রাস পেতে শুরু করে। এতে করে টিগ্রে অঞ্চলে টিপিএলএফ নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হলে সরকারের সাথে তাদের সংঘর্ষ বাঁধে।
- টিগ্রে অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে সরকার ও টিপিএলফের মধ্যকার সংঘর্ষের ফলে ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্ট হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৮,৬৬৪.
নিচের কোনটি ‘ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল’ নামে পরিচিত?
  1. ক) বিল অব রাইটস
  2. খ) ইলবার্ট অ্যাক্ট
  3. গ) ম্যাগনাকার্টা
  4. ঘ) গুড ফ্রাইডে ট্রিটি
ব্যাখ্যা
- ম্যাগনাকার্টাকে ব্রিটেনের শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়।
- ১২১৫ সালের ১৫ই জুন টেমস নদীর তীরে রানিমেড নামক স্থানে তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজা জন ম্যাগনাকার্টায় স্বাক্ষর করেন।
- এতে ঘোষণা করা হয় কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। এর মাধ্যমে আইনের শাসনের ধারণার যাত্রা শুরু হয়।
- এটিকে ব্রিটেনের প্রথম শাসনতন্ত্রও বলা হয়।
(সূত্র: www.magnacarta800th.com)
৮,৬৬৫.
চীনা পরিভাষায় 'এ্যানিমেল ম্যান' কাদের বলা হতো?
  1. ক) কৃষকদের
  2. খ) দাসদের
  3. গ) বণিকদের
  4. ঘ) তাঁতীদের
ব্যাখ্যা
অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার মতো চৈনিক সভ্যতায়ও সামাজিক বৈষম্য ছিল। সমাজে অনেক দাস ছিল। তাদের অবস্থা ছিল
ভয়াবহ।
সরকারিভাবে গবাদি পশু আর দাসদের একই তালিকায় রাখা হতো।
চীনা পরিভাষায় এদের ‘এ্যানিমেল ম্যান’ বলা হতো।
সাধারণ কৃষক ও ভ‚মিদাসদের অবস্থান ছিল সমাজে সবেচেয়ে নিচু স্তরে।
ভূস্বামী ও কৃষকদের মধ্যে ব্যবধান ছিল আকাশপাতাল। সমাজ ছিল সম্পূর্ণভাবে অভিজাতদের নিয়ন্ত্রণে।
পিতৃতান্ত্রিক পরিবার থাকায় মেয়েদের তেমন কোনো অধিকার ছিল না।


[উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এস এস সি প্রোগ্রাম]
৮,৬৬৬.
যুক্তরাষ্ট্রের 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা

কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২ বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ আর উচ্চকক্ষ বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টি এ দু'টি দলের প্রাধান্য বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

৮,৬৬৭.
ক্রিস্টোফার কলম্বাস কোন দেশের নাবিক ছিলেন?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইতালি
  3. জার্মানি
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
ক্রিস্টোফার কলম্বাস:
- তিনি ছিলেন ইতালীয় নাবিক এবং স্পেনের নৌআভিযাত্রী। 
- আনুমানিক ১৪৫১ সালের ৩১শে অক্টোবর, ইতালির জেনোয়াতে জন্মগ্রহণ করেন।
-অন্বেষণকারী ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেন থেকে আটলান্টিক মহাসাগর জুড়ে চারটি ভ্রমণ করেছিলেন।
- তিনি ইউরোপ থেকে এশিয়ার পশ্চিমে সরাসরি জলপথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন।চিল
- তিনি এরপর আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন।
- ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেন ১৪৯২ সালে।
- যদিও তিনি তথাকথিত নিউ ওয়ার্ল্ডকে ‘আবিষ্কার’ করেননি।
- লক্ষ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই সেখানে বাস করেছিল।
- তবে তার যাত্রা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার শতবর্ষের অনুসন্ধান এবং উপনিবেশের সূচনা করে।

 উৎস: History Channel.
৮,৬৬৮.
রোহিঙ্গারা কত সালে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব হারায়?
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৬২ সালে মিয়ানমারের সামরিক সরকার নে উইন রোহিঙ্গাদের প্রতি অমানবিক নির্যাতন করে এবং একদলীয় সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থার নামে ক্ষমতা দখল করে সামরিক জান্তা সরকার।
- ১৯৭৮ সালে নে উইন সামরিক সরকার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে 'অপারেশন অড্রাগন কিং' চালায়।
- ১৯৮২ সলে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনে ১৩৫টি গোত্রের জনগোষ্ঠীকে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় কিন্তু রোহিঙ্গাদের সেই তালিকার বাইরে রাখা হয়। যার ফলে ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের কারণে রোহিঙ্গারা ওই দেশের নাগরিকত্ব হারায়।

উৎস: Britannica.
৮,৬৬৯.
রাশিয়ায় 'এক দেশ ভিত্তিক সমাজতন্ত্র' নীতিমালা গ্রহণ করেন কে?
  1. জোসেফ স্ট্যালিন
  2. ভ্লাদিমির লেনিন
  3. ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস
  4. নিকোলাই বুখারিন
ব্যাখ্যা
- রাশিয়ায় ‘এক দেশ ভিত্তিক সমাজতন্ত্র’ নীতিমালা গ্রহণ করেন জোসেফ স্ট্যালিন।

রাশিয়া:

- আয়তনে বিশ্বের বিশ্বের বৃহত্তম দেশ - রাশিয়া।
- রাশিয়ার সাথে ১৪ টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট - ভ্লাদিমির পুতিন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম - ইউনাইটেড রাশিয়া।
- রাশিয়ার সম্রাটদের বলা হয় - জার।
- রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে - ১৯১৭ সালে।
- বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র - সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন - ক্রেমলিন।
- ১৯২৮ সাল থেকে স্ট্যালিন 'এক দেশ ভিত্তিক সমাজতন্ত্র' নীতিমালা গ্রহণ করেন।
- এ সময় মার্কসীয় ধারার বিশ্ব সাম্যবাদী বিপ্লবের পরিবর্তে শুধুমাত্র সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হন তিনি।
- স্ট্যালিন উদ্ভাবিত সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এই কর্মসূচী ছিল লেনিন ও ট্রটস্কি প্রচলিত 'স্থায়ী বিপ্লব' নীতির পরিপন্থী।

সূত্র: Britannica ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান - ২ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৬৭০.
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. নিউ গিনি
  2. বোর্নিও
  3. মাদাগাস্কার
  4. গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

গ্রিনল্যান্ড:
- গ্রিনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ।
- গ্রিনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ।
- এর অবস্থান উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- এর অবস্থান কানাডা এবং আইসল্যান্ডের মাঝে অবস্থিত।
- এটি ডেনমার্কের একটি স্বশাসিত অঞ্চল। আয়তনে মূল ডেনমার্কের চেয়ে গ্রীনল্যান্ড প্রায় ৫০ গুন বড়।
- রাজধানী: নুউক।
- গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা এস্কিমো হিসেবে পরিচিত।
- গ্রীনল্যান্ডের ৮০ শতাংশ এলাকা বরফে ঢাকা।

উল্লেখ্য,
• বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ:
১. গ্রিনল্যান্ড,
২. নিউ গিনি,
৩. বোর্নিও,
৪. মাদাগাস্কার,
৫. বাফিন।
 
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৮,৬৭১.
মনরো ডকট্রিন কখন ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ১৮১৭ সালে
  2. ১৮২৩ সালে
  3. ১৮২৫ সালে
  4. ১৮৩০ সালে
ব্যাখ্যা

• মনরো ডকট্রিন (Monroe Doctrine): 
-  ২ ডিসেম্বর ১৮২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো কর্তৃক কংগ্রেসকে দেওয়া বার্ষিক ভাষণে ঘোষণা করা হয়।
- জেমস মনরো ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি।
 - তিনি ১৮১৭ থেকে ১৮২৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- তিনি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ না করতে ইউরোপীয় শক্তিগুলিকে সতর্ক করেন। 

» মনরো ডকট্রিনের মূল বক্তব্য ছিল:

১. উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কোনো স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইউরোপের কোনো দেশ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
২. এই অঞ্চলে নতুন করে কোনো উপনিবেশ স্থাপন করা যাবে না।
৩. কোনো ইউরোপীয় হস্তক্ষেপকে আমেরিকার নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে দেখা হবে।
৪. বিনিময়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যমান ইউরোপীয় উপনিবেশগুলোকে স্বীকৃতি দেবে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ করবে না।

উৎস: ব্রিটানিকা ও আল জাজিরা।

৮,৬৭২.
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে কোন দেশে?
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) কানাডা
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বিশ্বে মোট বনভূমির পরিমাণ ৪.০৬ বিলিয়ন হেক্টর যা পৃথিবীর মোট আয়তনের শতকরা প্রায় ৩১ ভাগ। দেশ অনুসারে বনভূমির পরিমাণ:
রাশিয়া – ৮১.৫ লক্ষ হেক্টর (২০.১%)
ব্রাজিল – ৪৯.৭ লক্ষ হেক্টর (১২.২%)
কানাডা – ৩৪.৭ লক্ষ হেক্টর (৮.৫%)
যুক্তরাষ্ট্র – ৩১ লক্ষ হেক্টর (৭.৬%)
চীন – ২২ লক্ষ হেক্টর (৫.৪%)।
(সূত্র: FAO ওয়েবসাইট)
৮,৬৭৩.
Who is known as Iron lady?
  1. Indira Gandhi
  2. Golda Meir
  3. Benazir Bhutto
  4. Angela Merkel
  5. Margaret Thatcher
ব্যাখ্যা
মার্গারেট থ্যাচার:
- ব্রিটেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার।
- মে, ১৯৭৯-এর নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে পশ্চিম ইউরোপের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন মার্গারেট থ্যাচার।
- তিনিই একমাত্র ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যিনি ১৯০০-এর দশকে টানা তিনটি নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন।
- থ্যাচার ১৯৭৯-১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- মার্গারেট থ্যাচার পরিচিত ছিলেন 'আয়রন লেডি' বা 'লৌহ মানবী' নামে।

উল্লেখ্য,
- বিংশ শতাব্দীর দীর্ঘতম সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেষতক তার নিজের রাজনৈতিক দল কনজার্ভেটিভ পার্টির সদস্যদের চাপে পড়ে বাধ্য হন পদত্যাগ করতে।
- অবসর জীবনে মার্গারেট প্রতিষ্ঠা করেন থ্যাচার ফাউন্ডেশন- গণতন্ত্রের প্রচার-প্রসার ঘটানোই ছিল যার উদ্দেশ্য। 

উৎস: Britannica.
৮,৬৭৪.
কনফুসিয়াস ছিলেন একজন -
  1. গ্রিক দার্শনিক
  2. রোমান দার্শনিক
  3. চীনের দার্শনিক
  4. জার্মান দার্শনিক
ব্যাখ্যা
⇒ কনফুসিয়াস:
- চীনের মহান দার্শনিক কনফুসিয়াস।
- কনফুসিয়াস ছিলেন শিক্ষক, সম্পাদক ও রাজনীতিবিদ।
- ধারণা করা হয়, ৫৫১ খ্রিষ্টপূর্বে কনফুসিয়াসের জন্ম চীনের ছুফু শহরে, যা বর্তমানে শানতোং প্রদেশের অন্তর্গত।
- চীনে কনফুসিয়ানতত্ত্বের প্রতিষ্ঠাতা তিনিই।
- কনফুসিয়ানতত্ত্বের প্রভাব শুধু রাজনীতি, সংস্কৃতি প্রভৃতি ক্ষেত্রে নয়, চীনাদের চিন্তাধারা ও আচার-আচরণেও আছে।
- কনফুসিয়াস মূলত নীতিবাদী দার্শনিক ছিলেন।
- তাঁর বিশ্বাস ছিল শিক্ষার মূল ভিত্তি হচ্ছে নীতিজ্ঞান।  

⇒ কনফুসীয় ধর্ম:
- কনফুসীয় ধর্মের উৎপত্তি চীন দেশে।
- কনফুসিয়াসের প্রধান উপদেশ বাণী- ‘তুমি যা পছন্দ করো না, অন্যকে তা করতে দিও না’।
- কনফুসিয়ানিজম চীনা জনগণ দুই সহস্রাব্দেরও বেশি সময় ধরে অনুসরণ করেছিল।
- সময়ের সাথে পরিবর্তিত হলেও, এটি এখনও শিক্ষার উপাদান, মূল্যবোধের উৎস এবং চীনাদের সামাজিক কোড।
- এর প্রভাব অন্যান্য দেশেও বিস্তৃত হয়েছে, বিশেষ করে কোরিয়া, জাপান এবং ভিয়েতনামে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
৮,৬৭৫.
যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কে?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. থিওডোর রুজভেল্ট
  3. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  4. টমাস জেফারসন
ব্যাখ্যা

রিপাবলিকান পার্টি:
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম এবং প্রথম রিপাবলিক দলের প্রেসিডেন্ট।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৮৫৬ সালে আব্রাহাম লিংকন রিপাবলিকান দলে যোগ দেন। ১৮৬০ সালে বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে রিপাবলিকান দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হন এবং ৬ নভেম্বর নির্বাচিত হন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট।

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক দল রিপাবলিকান পার্টি।
- রিপাবলিকান পার্টির লোগো: হাতি।

⇒ উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে আব্রাহাম লিংকন এবং দাসপ্রথাবিরোধী হুইগরা মিলে গড়েন নতুন রাজনৈতিক দল রিপাবলিকান পার্টি।
- ১৮৭৪ সালে থমাস ন্যাস্ট হাতিকে রিপাবলিকানদের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেন।
- তিনি তার কার্টুনে দেখান, সিংহের চামড়া পিঠে চাপিয়ে একটি গাধা বনের সব প্রাণীকে ভয় দেখাচ্ছে। সিংহের ছদ্মবেশী সেই গাধাকে দেখে সবাই ভয়ে পালাচ্ছে। কেবল স্থির ও অচঞ্চল একটি হাতি ছাড়া। হাতির এই নির্ভীক বিষয়টাই তুলে ধরেন কার্টুনশিল্পী। থমাস ন্যাস্টের এমন অর্থবহ কার্টুন দারুণ পছন্দ হয় রিপাবলিকানদের।

এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের একটি ডেমোক্রেটিক পার্টি, অন্যটি রিপাবলিকান পার্টি।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির লোগো: গাধা।
- ১৮৫৩ সালের পর থেকে ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান দল থেকেই প্রতি চার বছর অন্তর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে আসছেন।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica. [link]

৮,৬৭৬.
'গারুদা' কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. ক) গ্রীস
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
- ‘গারুদা’ ইন্দোনেশিয়ার একটি বিমান সংস্থা।
- ইন্দোনেশিয়ার পতাকা বহনকারী। 
- বিমান পরিবহন সংস্থাটিই তার প্রাথমিক সদর দপ্তর।
- ১ আগস্ট ১৯৪৭ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২৬ জানুয়ারি ১৯৪৯ ইন্দোনেশিয়ান এয়ারওয়েজ হিসেবে কার্যক্রম শুরু হয়।
- ২৮ ডিসেম্বর ১৯৪৯ গারুদা ইন্দোনেশিয়ান এয়ারওয়েজ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়।

উৎস: Garuda Indonesia: The Airlines of Indonesia।
৮,৬৭৭.
রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের শাসনামলে কতজন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৪
  3. গ) ১৫
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
• সিংহাসনে আরোহন:- ৬ ফ্রেব্রুয়ারি, ১৯৫২; রাজ্যাভিষেক:- ২ জুন, ১৯৫৩ (২৭ বছর বয়সে)। 
• দ্বিতীয় এলিজাবেথ সিংহাসনের উত্তরাধিকারের তালিকায় তৃতীয় ছিলেন।
• ৬ ফ্রেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে রাজা ষষ্ঠ জর্জের মৃত্যু হলে সিংহাসন চলে আসে তার কাছে। 
• এলিজাবেথ যুক্তরাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি রাজশাসক (৭০ বছর ২১৫ দিন)।
তাঁর শাসনামলে ১৫ জন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেন। প্রথম প্রধানমন্ত্রী কনজারভেটিভ দলের উইনস্টন চার্চিল আর সর্বশেষ লিজ ট্রাস। 
• তিনি ২ বার ঢাকা সফর করেন (১৯৬১, ১৯৮৩)।   

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতি সমাচার, অক্টোবর ২০২২।
৮,৬৭৮.
সেন্ট হেলেনা দ্বীপ কোন দেশের অধীনস্থ অঞ্চল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. পর্তুগাল
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

সেন্ট হেলেনা দ্বীপ:
- 'সেন্ট হেলেনা' দ্বীপের মালিকানা দেশ যুক্তরাজ্য। এটি যুক্তরাজ্যের অধীনস্থ অঞ্চল। 

⇒ সেন্ট হেলেনা দ্বীপ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের অবস্থিত একটি আগ্নেয়গিরির ক্রান্তীয় দ্বীপ।
- রোমান সম্রাজ্ঞী সেন্ট হেলেনার নামে দ্বীপের নামকরণ হয়।
- দ্বীপটি দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের প্রায় ১,৯৫০ কিলোমিটার (১,২১০ মাইল) এবং দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলবর্তী শহর রিও ডি জেনেরো থেকে ৪,০০০ কিলোমিটার (২,৫০০ মাইল) পূর্বে অবস্থিত।
- ১৫০২ সালে পর্তুগিজরা এটি আবিষ্কার করে।
- এর আয়তন ১২২ বর্গ কিমি।
- ১৬৫৯ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি এই দ্বীপে জেমস টাউন নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে এই শহরটিই সেন্ট হেলেনার রাজধানী।
- দ্বীপটির জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।
 
উল্লেখ্য,
- একসময় ব্রিটিশরা এ দ্বীপে কয়েদিদের নির্বাসনে পাঠাত।
- ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নকে ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- তিনি ১৮২১ খ্রিস্টাব্দে রোগাক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: Britannica.

৮,৬৭৯.
নিচের কোনটিকে ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়?
  1. ক) বিল অব রাইটস
  2. খ) ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ড
  3. গ) ম্যাগনাকার্টা
  4. ঘ) গুড ফ্রাইডে ট্রিটি
ব্যাখ্যা
- ম্যাগনাকার্টাকে ব্রিটেনের শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়।
- ১২১৫ সালের ১৫ই জুন টেমস নদীর তীরে রানিমেড নামক স্থানে তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজা জন ম্যাগনাকার্টায় স্বাক্ষর করেন।
- এতে ঘোষণা করা হয় কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়। এর মাধ্যমে আইনের শাসনের ধারণার যাত্রা শুরু হয়।
- এটিকে ব্রিটেনের প্রথম শাসনতন্ত্রও বলা হয়।
(তথ্যসূত্র: www.magnacarta800th.com)
৮,৬৮০.
কোন বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের পতন হয়?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. আগস্ট বিপ্লব
  3. অক্টোবর বিপ্লব
  4. বলশেভিক বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com
৮,৬৮১.
সিন্ধু সভ্যতা প্রথম সনাক্ত করা হয় কোথায়?
  1. আগ্রাতে
  2. বিহারে
  3. পাঞ্জাবে
  4. হরিয়ানাতে
ব্যাখ্যা

সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারোতে এবং দয়ারাম সাহানীর চেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগোমারী জেলার হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।
- উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা হলেও এর বিস্তৃতি ছিল বিশাল এলাকা জুড়ে।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পাতে এই সভ্যতার নিদর্শন সবচেয়ে বেশি আবিষ্কৃত হয়েছে।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ, ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাটের বিভিন্ন অংশে এই সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৬৮২.
কার রাজত্বকালে ইবনে বতুতা ভারতে এসেছিলেন?
  1. মুহম্মদ বিন তুঘলক
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ইবনে বতুতা:
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন।
- এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- ইবনে বতুতা ভারতে আসেন মুহম্মদ বিন তুঘলক শাসনামালে।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮,৬৮৩.
বিশ্বের কোন শহরটি মুসলমান, খ্রিষ্টান ও ইহুদি—এই তিন ধর্মের মানুষই পবিত্র হিসেবে গণ্য করে?
  1. মক্কা
  2. জেরুজালেম
  3. মদিনা
  4. দামেস্ক
ব্যাখ্যা

জেরুজালেম:
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- তিনটি ধর্মের মধ্যম এই শহর।
- ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন উভয়ই জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে।
- ফলে জেরুজালেম এখন দুই রাষ্ট্র তথা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
- জেরুজালেমকে নিয়ে স্বন্দের কেন্দ্রবিন্দু টেম্পল মাউন্ট।
- এখানেই আছে তিন ধর্মের পবিত্র স্থাপনা, যেমন: ওয়েস্টার্ন ওয়াল, চার্চ অব দি হলি সেপালচার, দি ডোম অব দি রক, আল আকসা মসজিদ।
- তাই জেরুজালেমকে পবিত্র ভূমি বলা হয়।

⇒ মুসলিমদের জন্য:
- আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত।
- মক্কা ও মদিনার পরে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদকে ইসলামের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ মসজিদটি ফিলিস্তিনের প্রাণকেন্দ্র পবিত্র জেরুজালেম নগরীতে অবস্থিত।

⇒ ইহুদিদের জন্য:
- Western wall জেরুজালেমে অবস্থিত।
- জেরুজালেমের পুরাতন শহরে, ইহুদি জনগণের কাছে এটি প্রার্থনা এবং তীর্থযাত্রার স্থান।
- ইহুদিদের বেলায় এই আল-আকসা মসজিদের কম্পাউন্ড টেম্পল মাউন্ট নাম পরিচিত।
- প্রথম মন্দিরটি ৫৮৭-৫৮৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলনীয়রা ধ্বংস করেছিল এবং দ্বিতীয় মন্দিরটি ৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমানরা ধ্বংস করেছিল।
- টেম্পল মাউন্টকে ঘিরে থাকা ‘ওয়েস্টার্ন ওয়াল’ ইহুদিদের কাছে ‘পৃথিবীর ভিত্তিপ্রস্তর’ হিসেবে স্বীকৃত ও পবিত্র স্থান।
- চুনাপাথর দিয়ে বানানো প্রাচীন এই দেয়ালটি 'প্লেস অফ উইপিং' বা 'কান্নার জায়গা' নামেও পরিচিত।

⇒ খ্রিস্টানদের জন্য:
- যীশু খ্রিস্টের জন্মস্থান বেথলেহেম জেরুজালেম শহরে।
- এই ছোট শহরেই যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়।
- যীশুর সমাধিস্থানও এখানেই।

উৎস: Britannica.

৮,৬৮৪.
যুক্তরাজ্যের হাউজ অব লর্ডসের সদস্য সংখ্যা কতজন?
  1. ক) ৬৫০ জন
  2. খ) ৫৩৮ জন
  3. গ) ৭৫০ জন
  4. ঘ) ৮০০ জন
ব্যাখ্যা

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট দুই কক্ষ বিশিষ্ট।
উচ্চকক্ষ - হাউস অব লর্ডস্‌ ও
নিম্নকক্ষ - হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস্‌।

হাউস অব লর্ডসের সদস্য সংখ্যা - ৮০০ (২০২১ সাল; তবে এই সংখ্যা পরিবর্তনশীল।)
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিকদের বাইরের লোকজনও এর সদস্য হতে পারে।
রাণীর অনুমোদন সাপেক্ষে এর সদস্য হয়।

হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস্‌ - এর সদস্য সংখ্যা - ৬৫০
এর সদস্যগণ নির্বাচনে জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন।

উৎসঃ যুক্তররাজ্যের পার্লামেন্টের ওয়েবসাইট।

৮,৬৮৫.
মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত আয়তনে সর্ববৃহৎ প্রজাতন্ত্রের নাম -
  1. তাজিকিস্তান
  2. কাজাখস্তান
  3. উজবেকিস্তান
  4. কিরগিজস্তান
ব্যাখ্যা
কাজাখস্তান:
- কাজাখস্তান মধ্য এশিয়ার একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থলবেষ্টিত দেশ। 
- এটি বিশ্বের নবম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- দেশটির উত্তরে রাশিয়া, পূর্বে চীন, দক্ষিণে কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান এবং পশ্চিমে ক্যাস্পিয়ান সাগর ও রাশিয়া।
- কাজাখস্তান প্রায় সম্পূর্ণভাবে এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- তবে দেশটির কিয়দংশ উরাল নদীর পশ্চিমে ইউরোপ মহাদেশে পড়েছে। 
- রাজধানী: নূর সুলতান।
- মুদ্রার নাম: টেঙ্গি।

উল্লেখ্য,
- ১৯২২ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত কাজাখস্তান সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল।
- ১৯৯১ সালে এটি স্বাধীনতা লাভ করে।
- স্বাধীনতার পর থেকে দেশটিতে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- ১৯৯৫ সালে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা হয়, যাতে রাষ্ট্রপতিকে একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়া হয়।

উৎস: Worldatlas.
৮,৬৮৬.
কোন দেশকে ইউরোপের ককপিট বলা হয়?
  1. ইতালি
  2. বেলজিয়াম
  3. তুর্কিয়ে
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ইউরোপের ককপিট:
- 'ককপিট' টার্মটি প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৫০০ সালের দিকে।
- যে জায়গায় মোরগ লড়াই অনুষ্ঠিত হতো, সেটিকে ককপিট বলা হতো।
- মোরগ লড়াইয়ের সময় কোনো মোরগ যাতে পালাতে না পারে, এজন্য মাটি খুঁড়ে একটি গর্তের মতো করে এই লড়াইয়ের আয়োজন করা হতো।
- এই মাটি খুঁড়ে করা গর্তের মধ্যে মোরগ লড়াই থেকে এসেছে ইংরেজি 'cockpit' শব্দটি।
- বেলজিয়ামকে ইউরোপের ককপিট বলা হয়।

⇒ সপ্তদশ শতকের দিকে আয়তনে ছোট্ট কিন্তু ভয়ঙ্কর যুদ্ধক্ষেত্রকে সৈন্যরা ককপিট নামে ডাকতো।
- প্রায়ই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে এরুপ স্থান ককপিট নামে পরিচিত।
- কৌশলগত অবস্থান, বিভিন্ন সংস্কৃতির মধ্যে যোগাযোগের দেশ হিসাবে বেলজিয়ামে অনেক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।
- তাই, বেলজিয়ামকে ইউরোপের ককপিট বা ইউরোপের রণক্ষেত্র বলা হয়।
- এখানে বিখ্যাত ওয়াটুর লু যুদ্ধসহ অনেক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

এছাড়াও,
- ইউরোপের রুগ্ন মানুষ: তুর্কিয়ে।
- ইউরোপের বুট: ইতালি।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।

উৎস: Britannica.
৮,৬৮৭.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ডি-ডে (D-Day) বলতে কোন ঘটনাকে বোঝানো হয়?
  1. জার্মানির আত্মসমর্পণ
  2. জাপানের আত্মসমর্পণ
  3. মিত্রশক্তির নরম্যান্ডি অবতরণ
  4. হিরোশিমায় বোমা হামলা
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন মিত্রশক্তি ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলে ইতিহাসের বৃহত্তম উভচর সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। এই ঘটনা 'ডি-ডে' নামে পরিচিত এবং এটি পশ্চিম ইউরোপকে নাৎসি দখলমুক্ত করার পথ প্রশস্ত করে ।  

​D-Day:
- D-Day দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।
- 'D-Day' ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪৪ সালের ৬ জুন দখলকৃত ফ্রান্স উদ্ধারের জন্য মিত্রবাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে এক অপারেশন পরিচালনা করে যার কোড নাম ছিলো Operation Overlord।
- ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার যৌথ বাহিনীর সদস্য ফ্রান্সের নরম্যান্ডি উপকূলের ৫টি সৈকতে অবতরণ করেন।
- ৬ জুন দিনটিকে ডি ডে (D-Day) হিসাবে পালন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ফ্রান্সে মিত্রপক্ষের সেনাবাহিনীর অবতরণের দিন স্থির হয়।
- ৬ জুন ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে চার হাজারেরও বেশি জাহাজে করে ১ লক্ষ ৫৬ হাজার মিত্রবাহিনীর সেনা নর্মান্ডি উপকূলে অবতরণ করে।

সূত্র: History.com

৮,৬৮৮.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ?
  1. রোমানিয়া
  2. মাল্টা
  3. ক্রোয়েশিয়া
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com.
৮,৬৮৯.
বার্লিন প্রাচীর ভাঙ্গা হয় কবে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
জার্মানি: 
- দাপ্তরিক নাম: ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি।
- স্থানীয় নাম: Bundesrepublik Deutschland
- রাজধানী: বার্লিন (Berlin)
- ভাষা: জার্মান (German) – রাষ্ট্রভাষা
- ধর্ম: খ্রিষ্টান ধর্ম (প্রধানত প্রোটেস্ট্যান্ট ও রোমান ক্যাথলিক), ইসলামও রয়েছে
- মুদ্রা: ইউরো (Euro)
- ভূমিকা: ইউরোপের সবচেয়ে জনবহুল ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী দেশগুলোর একটি। 
- অবস্থান: মধ্য ইউরোপ।
- সীমানা সংলগ্ন দেশসমূহ (৯টি): ডেনমার্ক, পোল্যান্ড, চেক রিপাবলিক, অস্ট্রিয়া, সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স, লুক্সেমবার্গ, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস।
- উত্তর দিকে বাল্টিক সাগর ও উত্তর সাগর।
- দক্ষিণে আল্পস পর্বতমালা এবং বাভারিয়া অঞ্চল্
- প্রধান নদী: রাইন, এলবে, ড্যানিউব।
- আইনসভা: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট – বুন্ডেস্ট্যাগ (Bundestag) ও বুন্ডেসরাট (Bundesrat).
- বার্লিন প্রাচীর ভাঙা: ১৯৮৯ সালে
- একীকরণ: ১৯৯০ সালে পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির পুনর্মিলন। 

উৎস: World Atlas ও Britannica.
৮,৬৯০.
কোন শহরটি নীল নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. কায়রো
  2. লন্ডন 
  3. নিউইয়র্ক
  4. বুদাপেস্ট
ব্যাখ্যা

• কায়রো- নীল নদীর তীরে অবস্থিত। 
--------------- 
• কায়রো:
- কায়রো মিশরের রাজধানী এবং আফ্রিকার বৃহত্তম শহরগুলির একটি।
- এটি নীল নদীর ব-দ্বীপের শীর্ষ ভাগে অবস্থিত, যেখানে নদী দুই শাখায় বিভক্ত—রোসেটা এবং দামিয়েটা।
- কায়রো ১,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নীল নদীর তীরে গড়ে উঠেছে। 
- এই শহরের নাম এসেছে আল-ক্বাহিরা থেকে, যার অর্থ “বিজয়ী”।
- ধারণা করা হয়, কায়রোর খুব কাছেই প্রাচীন মিশরীয় বাবিলন শহর অবস্থিত ছিল।
- কায়রো নীল ব-দ্বীপের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
---------------- 
উল্লেখ্য,
- বিশ্বের অনেক প্রধান শহরই নদীর তীরে গড়ে উঠেছে।
- হাঙ্গেরির বুদাপেস্ট এবং সার্বিয়ার বেলগ্রেড দানিয়ুব নদীর তীরে অবস্থিত।
- যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন টেমস নদীর তীরে গড়ে উঠেছে।
- ফ্রান্সের প্যারিস সিন নদীর তীরে গড়ে উঠেছে।
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থান করছে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক হাডসন নদীর তীরে গড়ে উঠেছে। 
- এবং রাশিয়ার মস্কো মস্কোভা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে।

উৎস: Britannica. 

৮,৬৯১.
তেনোচতিৎলান কোন সভ্যতার প্রধান শহর ছিল?
  1. চৈনিক সভ্যতা
  2. অ্যাজটেক সভ্যতা
  3. মায়া সভ্যতা
  4. ইনকা সভ্যতা
ব্যাখ্যা
অ্যাজটেক সভ্যতা:
- অ্যাজটেক সভ্যতা চতুর্দশ শতক থেকে ষোড়শ শতকের প্রথমার্ধ পর্যন্ত মেক্সিকোর মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে বিরাজমান ছিল।
- তেনোচতিৎলান হলো অ্যাজটেক সভ্যতার প্রধান শহর।
- কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কারের পূর্বে এটিই ছিলো আমেরিকার বৃহত্তর শহর।
- তেনোচতিৎলান শহরেই বর্তমান মেক্সিকো সিটি শহর বিকাশ লাভ করেছে।
- কৃষি ও বাণিজ্যে অ্যাজটেক সভ্যতা অনেক সমৃদ্ধ ছিলো।
- ১৫২১ সালে স্পেনিশদের দ্বারা অ্যাজটেক সভ্যতা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

সূত্র: এনসাক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
৮,৬৯২.
'মেহেরাবাদ' বিমানবন্দর কোন দেশে অবস্থিত? 
  1. ইরান 
  2. ইসরায়েল 
  3. লিবিয়া 
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

'মেহেরাবাদ' বিমানবন্দর:
- 'মেহেরাবাদ' বিমানবন্দর ইরানে অবস্থিত।

• এটি ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি বিমানবন্দর। এটি ইরানের সবচেয়ে পুরনো এবং ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলির মধ্যে একটি। 
- বর্তমানে প্রধানত ইরানের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনা করে।
- সাম্প্রতিক ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ বা সংঘাতের সময় মেহেরাবাদ বিমানবন্দর একাধিকবার ইসরায়েলি বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। হামলায় বিমানবন্দরে আগুন লাগা, ধোঁয়া উঠা, ক্ষয়ক্ষতি এবং ফ্লাইট স্থগিতের খবর পাওয়া গেছে। 

উৎস: Hindustan Times পত্রিকা। 

৮,৬৯৩.
ইলন মাস্ক নিম্নের কোনটি প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত?
  1. স্পেসএক্স
  2. টেসলা মোটরস
  3. জিপটু
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ইলন মাস্ক:
- ইলন মাস্ক একজন আমেরিকান উদ্যোক্তা।
- তাঁর জন্ম দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেটোরিয়াতে।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিদ্যা আর অর্থনীতিতে পড়ালেখা করেন।
- তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা ও টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।
- টেসলা, টুইটার ছাড়াও রকেট কোম্পানি স্পেসএক্স ও নিউরালিংকের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ইলন মাস্ক।
- ইলন মাস্ক ২০১৫ সালে অলাভজনক সংস্থা ওপেনএআই প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০১৬ সালে তিনি নিউরালিংক এবং বোরিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠান করেন।
- বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষ অবস্থান আছেন ইলন মাস্ক।

জিপটু (Zip2):
- উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি প্রথম জিপটু (Zip2) নামে একটি সফটওয়্যার কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৯৫ সালে এর পথচলা শুরু হলেও ১৯৯৯ সালে তিনি কমপ্যাক কোম্পানির কাছে জিপ-টু বিক্রি করেন।

এক্স.কম (X.com):
- হ্যারিস ফ্রিকার, এড হো এবং ক্রিস্টোফার পেইনের সঙ্গে ইলন মাস্ক এক্স.কম প্রতিষ্ঠা করেন।

পেপাল (PayPal):
- এক্স.কম কনফিনিটি ইনকরপোটেড এক হয়ে পেপালের জন্ম হয়।
- পেপাল অনলাইন পেমেন্টের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি।

স্পেসএক্স (SpaceX):
- ইলস মাস্ক ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন স্পেসএক্স।
- এর প্রথম দুটি রকেট হলো ফ্যালকন 1 এবং ফ্যালকন 9।

টেসলা মোটরস (Tesla):
- তিনি ২০০৪ সালে কোম্পানিটি চালু করেন।

টুইটার (Twitter):
- মাস্ক ২০০৯ সালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে যোগদান করেন।
- ২০২২ সালে ৪৪ বিলিয়ন ডলারে টুইটার কেনার উদ্যোগ নেন ইলন মাস্ক।

উৎস: Britannica.
৮,৬৯৪.
নেপালের পার্লামেন্টের নাম কী?
  1. সিনেট
  2. পঞ্চায়েত
  3. কংগ্রেস
  4. ফেডারেল পার্লামেন্ট
ব্যাখ্যা
- দুই কক্ষবিশিষ্ট নেপালের পার্লামেন্টের বর্তমান নাম ‘ফেডারেল পার্লামেন্ট’।
- নিম্নকক্ষ ‘হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ’ এবং উচ্চকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি’।
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র। তিনি সর্বশেষ হিন্দু রাজাও ছিলেন।
- ২০০৮ সালের ২৮ মে নেপালে সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক হিসেবে ঘোষণা করে এবং রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘোষণা করে।
- এর মাধ্যমে নেপালে ১৭৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া ২৩৯ বছরের রাজতন্ত্রের পতন ঘটে।

 সূত্র: নেপাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট,  ব্রিটানিকা, parliament.gov.np
৮,৬৯৫.
যুক্তরাষ্ট্রের Guantanamo Bay Detention Camp কোথায় অবস্থিত?
  1. বার্বাডোজ
  2. জ্যামাইকা
  3. কিউবা
  4. ফ্লোরিডা
ব্যাখ্যা

গুয়ানতানামো বে:
- গুয়ানতানামো বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগার।
​- গুয়ানতানামো বে কিউবায় অবস্থিত।
- আমেরিকান আইন-কানুন এবং মানবাধিকারের ধারাগুলোকে ফাঁকি দিতে হা স্বদেশভূমির বাইরে ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র কিউবার গুয়ানতানামো বে প্রদেশের সামরিক ঘাঁটিতে এই কারাগারটি স্থাপন করা হয়।
- ১৯০৩ সালের হাভানা চুক্তির আওতায় কিউবা থেকে ইজারা নিয়ে ওই দ্বীপ এলাকায় মার্কিন এই সামরিক ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছিল।
- এই কারাগার বন্দীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত ক্যাম্প সেভেন হলো কিউবায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ানতানামো বে কারাগারের একটি সুরক্ষিত ও গোপনীয় বন্দি শিবির।
- 'নাইন-ইলেভেন' হামলার পর ২০০২ সালের ১১ জানুয়ারি কিউবায় কারাগারটি চালু করে যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূ-খণ্ডের বাইরে কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ক্যারিবীয় সাগরে এর অবস্থান।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিভাগ এই ক্যাম্পটি বন্ধের ঘোষণা দেয়।
- কিউবার মালিকানায় থাকলেও এখানে মার্কিন নৌ ঘাঁটি রয়েছে।

​উৎস: Britannica.

৮,৬৯৬.
৯২ বছর বয়সী মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ-এর রাজনৈতিক জোট হচ্ছে -
  1. ইউএমএনও
  2. বারিসান ন্যাশনাল
  3. পার্টি পেরিকাতান
  4. পাকাতান-হারুপান
ব্যাখ্যা
মাহাথির মোহাম্মদ:
- ডাঃ মাহাথির মোহাম্মদ মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আধুনিক মালয়েশিয়ার স্থপতি।
- তিনি ১৯৮১ সালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন দল পর পর পাঁচবার সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে।
- অবসর গ্রহণের দীর্ঘ পনের বছর পর ৯২ বছর বয়েসে প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের ব্যাপক দুর্নীতি সংশ্লিষ্টতার কারণে মাহাথির মোহাম্মদ আবারও আসেন রাজনীতিতে।

⇒ মাহাথির মোহাম্মদ একুশ বছর বয়সে ইউনাইটেড মালয়স ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন নামে একটি রাজনৈতিক দলে যোগ দেন, যেটির সংক্ষিপ্ত রূপ ইউএমএনও।
- দলটি আমনো নামে বেশি পরিচিত।
- সে সময় ডাক্তারি পেশায় ছিলেন তিনি।
- রাজনীতির পাশাপাশি নিজের এলাকায় সাত বছর ধরে ডাক্তারি পেশার চর্চ্চা করেন তিনি।
- ১৯৬৪ সালে তিনি পার্লামেন্ট সদস্য হন।
- ১৯৬৯ সালে তিনি তার আসন হারান এবং তাকে দল থেকে বরখাস্ত করা হয়।

⇒ মাহাথির মোহাম্মদ ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ১৯৮০ এর দশকে মালয়েশিয়ার ব্যাপক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং রূপান্তরের জন্য তাকেই কৃতিত্ব দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে দীর্ঘ বিরতির পর তিনি ২০১৮ সালে পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- মাহাথির মোহাম্মদ-এর রাজনৈতিক জোট পাকাতান হারাপান।

⇒ ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- তিনি ২ দফায় মোট ২৪ বছর মালয়শিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি মালয়েশিয়ার রাজনীতির 'টাইটানিক' নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
৮,৬৯৭.
কোন রোমান সম্রাটের মাধ্যমে খ্রিস্টধর্ম প্রসার লাভ করে?
  1. সম্রাট কনস্টানটাইন
  2. সম্রাট আরদারিয়াস
  3. সম্রাট মেনেস
  4. সম্রাট অগাস্টাস সিজার
ব্যাখ্যা
রোমান ধর্ম:
- রোমানরা গণপ্রজাতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন।
- গ্রিকদের মতো রোমানরা বিভিন্ন দেবদেবীর উপাসনা করতো।
- রোমীয় ধর্মচর্চা ছিল রাজনৈতিক ও ইহজাগতিক।
- সম্রাট অগাস্টাস সিজার নিজেকে ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে ঘোষণা করেন।
- তিনি নিজের প্রভাব হারানোর ভয়ে খ্রিস্টধর্মের উপর বিধি নিষেধ আরোপ করেন।
- কিন্তু সম্রাট কনস্টানটাইন খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে একে রোমান সাম্রাজ্যের সরকারি ধর্মে পরিণত করেন। 
- তার হাত ধরেই খ্রিস্টধর্ম প্রসার লাভ করে।

উল্লেখ্য -
- বিখ্যাত গ্রিক দেবতা জিউস, রোমানদের নিকট আকাশের দেবতা জুপিটার হিসেবে খ্যাত।
- গ্রিক দেবতা এথেনার জায়গায় রোমীয় দেবতা মিনার্ভা স্থান দখল করে।
- রোমের প্রেমের দেবতা ছিলেন ভেনাস।
- বাতাস এবং সমুদ্রের দেবতা নেপচুন রোমানদের নিকট খুবই জনপ্রিয় ও শক্তিশালী ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা। 
৮,৬৯৮.
কোন দেশ কে হিমালয় কন্যা বলা হয়?
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
নেপাল:
 
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- আয়তন: ৫৬,৮২৭ বর্গ মাইল (১৪৭,১৮১ বর্গ কিমি)।।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- ভাষা: নেপালি (অফিসিয়াল), ইংরেজি।
- ধর্ম: হিন্দু ধর্ম; এছাড়াও বৌদ্ধ ধর্ম, ইসলাম।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- গ্রেট হিমালয়, মাউন্ট এভারেস্ট নেপালে অবস্থিত।
- নেপালকে হিমালয় কন্যা বলা হয়।
 
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
৮,৬৯৯.
Which country does not have a permanent armed force?
  1. Nicaragua
  2. Costa Rica
  3. Colombia
  4. Angola
ব্যাখ্যা
কোস্টারিকা:
- কোস্টারিকা দেশের নিজস্ব কোনো সেনাবাহিনী নেই।
- ১৯৪৯ সাল থেকে, কোস্টারিকা সেনাবাহিনীকে বিলুপ্ত করার জন্য বিশ্বের প্রথম দেশ হয়ে ওঠে।
- দেশটির সমস্ত নিরাপত্তার দায়িত্ব দেশটির পুলিশ বাহিনীর উপর ন্যস্ত।
- যুদ্ধ-বিগ্রহের ক্ষতি ও ভয়াবহতার স্মৃতি তাদের সেনাবাহিনী ছাড়া পথচলার স্বপ্ন দেখায়।
- তখন থেকেই দেশটিতে কোনো সেনাবাহিনী গড়ে ওঠেনি।

উল্লেখ্য,
- যেসব দেশে স্থায়ী সেনাবাহিনী নেই তার মধ্যে কোস্টারিকা ছাড়াও এনডােরা, ডােমিনিকা, গ্রানাডা, কিরিবাতি, নাউরু, পালাউ, সামােয়া, টুভ্যালু বিশেষভাবে উল্লেখযােগ্য।

উৎস:  i) ৮ জুন, ২০১৭, বাংলাদেশ প্রতিদিন। 
          ii) UNESCO ওয়েবসাইট।
৮,৭০০.
”রাষ্ট্র হলো আইনানুসারে সংগঠিত নির্দিষ্ট ভূখন্ডের একটি জনসমষ্টি।” উক্তিটি কার?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. জন লক
  3. উড্রো উইলসন
  4. জ্যাঁ জ্যাক রুশো
ব্যাখ্যা

”রাষ্ট্র হলো আইনানুসারে সংগঠিত নির্দিষ্ট ভূখন্ডের একটি জনসমষ্টি।”  উক্তিটি উড্রো উইলসন ।

- উড্রো উইলসন জন্মগ্রহণ করেন ২৮ ডিসেম্বর ১৮৫৬ সালে, স্টন্টন, ভার্জিনিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।
- তিনি ছিলেন একজন আমেরিকান পণ্ডিত ও রাজনীতিবিদ।
- উড্রো উইলসন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯১৩ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত।
- তিনি তার আইন প্রণেতৃত্বমূলক সাফল্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী আদর্শবাদের জন্য বিশেষভাবে স্মরণীয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দেন।
- তিনি লীগ অব নেশনসের স্রষ্টা ও প্রধান সমর্থক ছিলেন।
- লীগ অব নেশনস গঠনে ভূমিকার জন্য তিনি ১৯১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তার দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন সংবিধানের উনিশতম সংশোধনী পাস ও অনুমোদিত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হয়।
- ভার্সাই চুক্তির পক্ষে আমেরিকান জনসমর্থন আদায়ের সময়, ১৯১৯ সালের অক্টোবরে তিনি পক্ষাঘাতগ্রস্ত স্ট্রোকে আক্রান্ত হন।
- এই অসুস্থতা তার বাকি মেয়াদজুড়ে স্থায়ী ছিল।
- এর ফলে আমেরিকান ইতিহাসে রাষ্ট্রপতির অক্ষমতার সবচেয়ে গুরুতর সংকট সৃষ্টি হয়।
- উড্রো উইলসন মৃত্যুবরণ করেন ৩ ফেব্রুয়ারি ১৯২৪ সালে, ওয়াশিংটন ডিসিতে।

উৎস: ব্রিটানিকা।