বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৭৮ / ৯৩ · ৭,৭০১৭,৮০০ / ৯,৩৩৪

৭,৭০১.
পৃথিবীর ছাদ বলা হয়-
  1. গোবি মালভূমিকে
  2. খর মরুভূমিকে
  3. পামির মালভূমিকে
  4. গোলান মালভূমিকে 
ব্যাখ্যা

পামীর মালভূমি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু ভূমির নাম পামীর মালভূমি।
- স্থানীয় ভাষায় এর উচ্চারণ হচ্ছে ‘পমির'।
- যার অর্থ হচ্ছে সূর্যের পা।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা হচ্ছে প্রায় ১৬,০০০ ফুটের মতো।
- মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত পামীর পর্বতমালাকে ঘিরে এ মালভূমিটির অবস্থান।
- তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান, তিব্বত, চীন এবং পাকিস্তানের কিছু অংশ পর্যন্ত এ মালভূমিটি বিস্তৃত।
- এ অঞ্চলটি মূলত বিভিন্ন উঁচু পর্বতের মিলনস্থল।
- পৃথিবীর সর্বোচ্চ কয়েকটি পর্বতের মধ্যবর্তীস্থানে অবস্থিত হওয়ায় এটি এ পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু মালভূমি হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে।
- শুধু পৃথিবীর সর্বোচ্চই নয়, তিব্বত মালভূমির সঙ্গে সম্মিলিতভাবে পামীর পর্বতশ্রেণির সংলগ্ন মালভূমিটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মালভূমি অঞ্চল।
- এ কারণে তাই পামীর মালভূমিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয়।

উৎস: Britannica.

৭,৭০২.
What is the currency of Italy?
  1. Pound
  2. Yen
  3. Euro
  4. Baht
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম:
- স্পেনের মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইতালি মুদ্রার নাম ইউরো।
- ফ্রান্সের মুদ্রার নাম ইউরো।
- যুক্তরাজ্যের মুদ্রার নাম পাউন্ড।
- যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার নাম ডলার।
- জাপানের মুদ্রার নাম ইয়েন।
- উত্তর কোরিয়ার মুদ্রার নাম উন।
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং।
- থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম বাথ।
- ফিলিপাইনের মুদ্রার নাম পেসো।
- মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট।
- ভুটানের মুদ্রার নাম গুলট্রাম।
- চীনের মুদ্রার নাম ইউয়ান।
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম ডং।
- নেপালের মুদ্রার নাম রুপি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,৭০৩.
দক্ষিণ আফ্রিকার নাটালের উপজাতি হলো-
  1. ক) জুলু
  2. খ) টোডা
  3. গ) মাউরি
  4. ঘ) তাতার
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকার নাটালের উপজাতি- জুলু।
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী- মাউরি।
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের একটি উপজাতি- টোডা।
সাইবেরিয়া, ইউক্রেন, উজবেকিস্তান অঞ্চলের মুসলিম জাতি- তাতার।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৭,৭০৪.
নিম্নের কোন দেশে বাঘ নেই?
  1. চীন
  2. নেপাল
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
বাঘ:
- বিগত শতকে বিশ্বে ১ লাখের বেশি বাঘ ছিল।
- ২০১০ সালের বিশ্বব্যাপী শুমারি অনুযায়ী বাঘ ছিল ৩ হাজার ২০০টি। 
- বন্যপ্রাণী সুরক্ষা গোষ্ঠী ও বিভিন্ন দেশ সরকারিভাবে রাশিয়া থেকে ভিয়েতনাম পর্যন্ত বিভিন্ন বনে ঘুরে বেড়ানো বাঘের শুমারি করে।
- ২০১৬ সালের এপ্রিলে প্রকাশিত সর্বশেষ শুমারিতে জানানো হয়, বিশ্বে বাঘের সংখ্যা ৩ হাজার ৮৯০টি।
- এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ভারতে। 
- ভারতের সুন্দরবন ছাড়াও কয়েকটি রাজ্যের বনে বাঘ রয়েছে।
- ভারতের আসাম, বিহার এবং অন্যান্য কিছু রাজ্যে মাঝেমধ্যে সাদা রঙের বেঙ্গল বাঘ দেখা যায়। 
- বর্তমানে পৃথিবীর মাত্র ১৩টি দেশে বাঘের অস্তিত্ব বজায় রয়েছে।
- এই ১৩টি বাঘ সমৃদ্ধ দেশকে বলা হয় টাইগার রেঞ্জ কান্ট্রি।
- দেশগুলো হচ্ছে: বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, ভুটান, নেপাল ও রাশিয়া।
- বর্তমানে বাঘের ৫টি উপ-প্রজাতির কোনো রকমে টিকে আছে।
- এগুলো হলো: বেঙ্গল টাইগার, সাইবেরিয়ান টাইগার, সুমাত্রান টাইগার, সাউথ চায়না টাইগার এবং ইন্দো-চায়না টাইগার।
- ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস।
-  চূড়ান্ত বিচারে বাঘ শিকারি বা হত্যাকারী সর্বোচ্চ ৭ বছর সর্বনিম্ন ২ বছর কারাদ- এবং জরিমানা ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

উল্লেখ্য,
- শ্রীলঙ্কাতে বাঘ নেই।

উৎস: ২৯ জুলাই ২০১৭, সমকাল। 
          ২৯ জুলাই, ২০২৩, সময়ের আলো। link]
৭,৭০৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপ পুনর্গঠনে গৃহিত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা-
  1. ক) রুজভেল্ট এইড
  2. খ) নিক্সন পরিকল্পনা
  3. গ) মার্শাল প্ল্যান
  4. ঘ) রিগ্যান ডকট্রিন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিধ্বস্ত ইউরোপ পুর্নগঠনের লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত আর্থিক প্রণোদনা মার্শাল প্ল্যান বা মার্শাল পরিকল্পনা নামে পরিচিত। তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জর্জ সি. মার্শাল এটি প্রণয়ন করেন। ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন।
১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত চার বছর মেয়াদি এই পরিকল্পনায় ১৫ বিলিয়নের মার্কিন ডলারের অধিক বরাদ্দ দেওয়া হয় যার বেশিরভাগই পায় ব্রিটেন এবং ফ্রান্স। ইউরোপ পুর্নগঠনের পাশাপাশি মার্শাল প্লানে পশ্চিম ইউরোপে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ, ন্যাটো চুক্তি স্বাক্ষর, সিআইএ এর কর্মপরিধি বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিহিত ছিলো।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৭,৭০৬.
বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (GDI)-এর প্রস্তাবক কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. চীন 
  3. জাপান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

• বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোক্তা-এর প্রস্তাবক হচ্ছে ⎯ চীন। 

বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (জিডিআই):
- জিডিআই হচ্ছে মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে ঘিরে উন্নয়ন সহযোগিতার উদ্যোগ।
- 'বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ' চীনের প্রস্তাবিত।
- মূলত জিডিআইতে উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগে (গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভন-জিডিআই) বাংলাদেশকে যুক্ত করতে চায় চীন।
- স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলা, সংযুক্তির জন্য যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতিসহ আটটি ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিয়ে জিডিআইয়ে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে শিগগিরই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করতে চায় দেশটি।

উৎস: CGTN ও প্রথম আলো ।

৭,৭০৭.
পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে কম জনবহুল দেশের নাম কী?
  1. ইয়েমেন
  2. বাহরাইন
  3. আর্মেনিয়া
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
• পশ্চিম এশিয়ার দেশ:
- পশ্চিম এশিয়া এশিয়ার একটি উপ-অঞ্চল যা মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার পশ্চিমে, পূর্ব ইউরোপের দক্ষিণে, দক্ষিণ ইউরোপের পূর্বে এবং আফ্রিকার উত্তরে অবস্থিত।
- পশ্চিম এশিয়ায় ১৮টি দেশ রয়েছে।
- আরব এবং তুর্কি পশ্চিম এশিয়ার দুটি বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী।
- পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে জনবহুল দেশ তুরস্ক। 
- সবচেয়ে কম জনবহুল বাহরাইন।
- পশ্চিম এশিয়ার সবচেয়ে উত্তরের অঞ্চল হল ককেশাস, যেখানে বর্তমান জর্জিয়া, আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান অবস্থিত।
- ককেশাসের দক্ষিণ-পশ্চিমে হচ্ছে আনাতোলিয়া, যা এশিয়া মাইনর নামে পরিচিত।

• পশ্চিম এশিয়ার দেশসমূহ:
- আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহরাইন, সাইপ্রাস, জর্জিয়া, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, প্যালেস্টাইন, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন।

সূত্র: worldpopulationreview.com।[লিংক]
৭,৭০৮.
পৃথিবীর সর্বশেষ স্বাধীন দেশ কোনটি?
  1. দক্ষিণ সুদান
  2. বুরুন্ডি
  3. সোমালিয়া
  4. মাদাগাস্কার
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ সুদান
- পৃথিবীর সর্বশেষ  স্বাধীন দেশ দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের সর্বশেষ ( ১৯৩তম ) সদস্য।
- ২০১১ সালের ৯ জুলাই, দক্ষিণ সুদান আফ্রিকার ৫৪তম স্বাধীন দেশে পরিণত হয়। 
- স্থলবেষ্টিত দক্ষিণ সুদান রাষ্ট্রটি স্বাধীনতা লাভ করে- ২০১১ সালে।
- রাষ্ট্রীয় নামঃ The Republic of South Sudan।
- রাজধানীঃ জুবা।
- ভাষাঃ ইংরেজি।
- মুদ্রাঃ পাউন্ড।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশ দক্ষিণ সুদান।
- গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স (বিশ্ব ক্ষুধা সূচক) ২০২৩  অনুযায়ী সর্বনিম্ন দেশ দক্ষিণ সুদান।
- ক্রয়ক্ষমতার সাথে মাথাপিছু জিডিপির সমন্বয় করে তৈরি এই তালিকায় দরিদ্রতম ১০টি দেশই আফ্রিকা মহাদেশের।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৭,৭০৯.
কোন দেশে 'ভেলভেট বিপ্লব' (Velvet Revolution) সংঘটিত হয়েছিল?
  1. তিউনিশিয়া
  2. স্লোভারিয়া
  3. জর্জিয়া
  4. স্লোভাকিয়া
ব্যাখ্যা
ভেলভেট বিপ্লব (Velvet Revolution):
- ভেলভেট বিপ্লব ১৯৮৯ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে চেকোস্লোভাকিয়ায় (বর্তমানে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া) সংঘটিত হয়।
- এটি ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে চলা কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ঘটায়।
- এই বিপ্লবকে Gentle Revolution-ও বলা হয়ে থাকে।
- ১৬ নভেম্বর, ব্রাটিস্লাভা শহরে ছাত্ররা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেয়।
- ১৭ নভেম্বর, প্রাগে একটি ছাত্র মিছিল হয়, যা সরকার অনুমোদন করেছিল।
- মিছিলটি ৫০ বছর আগে জার্মান অধিকৃত প্রাগের ছাত্র বিক্ষোভকে স্মরণ করতে আয়োজিত হয়েছিল।
- ছাত্ররা কমিউনিস্ট শাসনের সমালোচনা শুরু করলে পুলিশ তাদের প্রতি নৃশংস আচরণ করে।
-  এই ঘটনার পর ভেলভেট বিপ্লব শুরু হয় এবং এটি শিল্পাঞ্চলে শক্তি সঞ্চয় করে।
- "সিভিক ফোরাম" নামে একটি বিরোধী দল আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়।
- ২৭ নভেম্বর সাধারণ ধর্মঘটের মাধ্যমে জনগণ মুক্ত নির্বাচন এবং একদলীয় শাসনের অবসান দাবি করে।
- ১০ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে প্রেসিডেন্ট গুস্তাভ হুসাক পদত্যাগ করেন।
- ২৯ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে ভ্যাক্লাভ হাভেল (Václav Havel) অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৯০ সালের জুলাইয়ে হাভেল (Havel) চেকোস্লোভাকিয়ার প্রথম noncommunist নেতা হন।

অন্যদিকে, 
- রোজ বিপ্লব: জর্জিয়া, ২০০৩, নির্বাচনী কারচুপির প্রতিবাদে।
- জেসমিন বিপ্লব: তিউনিশিয়া, ২০১১, স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে।
- টিউলিপ বিপ্লব: কিরগিজস্তান, ২০০৫, নির্বাচনী কারচুপির প্রতিবাদে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
৭,৭১০.
Which political party has won the German Election 2021?
  1. ক) SPD
  2. খ) FDP
  3. গ) CDU
  4. ঘ) CSU
ব্যাখ্যা
- ২০২১ সালের জার্মান নির্বাচনে জিতেছে  - এসপিডি
- জার্মান নির্বাচনে জয় পেতে যাচ্ছেন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা ওলাফ শোলৎজ
- দীর্ঘ ১৬ বছর পর এবার সরকার গঠন করতে করেছে সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এসপিডি)।
- মোট ৬ কোটি ৪০ লাখ ভোটারের ৭৩০টি আসনের মধ্যে এসপিডি পায় ২০৫টি আসন (২৫.৮% ভোট)।
- জার্মানির ফেডারেল নির্বাচনে একজন ভোটার দুটি করে ভোট দিতে পারেন—একটি প্রার্থীকে, অন্যটি সরাসরি রাজনৈতিক দলকে।
- আঙ্গেলা ম্যার্কেলের দীর্ঘ ১৬ বছরের ঐতিহাসিক শাসনামলের পর এই নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন চ্যান্সেলর পেয়েছে  জার্মানি।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৭,৭১১.
সুরিনাম- এর রাজধানীর নাম কী? 
  1. সান্টিয়াগো
  2. জর্জ টাউন
  3. প্যারামারিবো 
  4. বোগাতো
ব্যাখ্যা

সুরিনাম: 
- অফিসিয়াল নাম: সুরিনাম প্রজাতন্ত্র (Republic Suriname).
- রাজধানী: প্যারামারিবো (Paramaribo)
- আয়তন: ১৬৩,৮২০ বর্গকিলোমিটার।
- অফিসিয়াল ভাষা : ডাচ (Dutch);
- মুদ্রা: সুরিনামি ডলার (SRD)
- সর্বোচ্চ বিন্দু : জুলিয়ানাটপ (১,২৮৬ মিটার)।
- স্বাধীনতা লাভ: ২৫ নভেম্বর, ১৯৭৫ (নেদারল্যান্ডস থেকে)।

• কয়েকটি দেশের রাজধানী: 
- বেলিজ: বেলমোপান,
- গুয়েতেমালা: গুয়েতেমালা সিটি,
- এল সালভেদর: সান সালভেদর,
- নিকারাগুয়া: মানাগুয়া,
- পানামা: পানামা সিটি,
- হন্ডুরাস: তেগুচিগালপা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসােইট।

৭,৭১২.
নিচের কোন দেশে ২০২২ সালে G-20 বাৎসরিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ক) ইতালী
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
- ২০২৩ সালে জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ভারতে।
পূর্বে ভারত ২০২২ সালের জি-২০ সম্মেলনের আয়োজক হিসেবে নির্ধারিত হলেও রিয়াদ সম্মেলনে তা পরিবর্তন করা হয়।
- ২০২১ সালে ইতালি এই সম্মেলন আয়োজন করবে।
- ২০২৪ সালে ব্রাজিলে জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
(সূত্রঃ জি-২০ ওয়েবসাইট)
৭,৭১৩.
গ্রীনল্যান্ড এর মালিকানা কোন দেশের অধীনে? 
  1. নেদারল্যান্ড
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. আইসল্যান্ড 
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

গ্রিনল্যান্ড: 
- গ্রিনল্যান্ড উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি বড় দ্বীপ। 
- এই দ্বীপটি পশ্চিম দিকে ডেভিস প্রণালী ও ব্যাফিন উপসাগর দ্বারা কানাডীয় আর্কটিক দ্বীপপুঞ্জ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
- এবং পূর্ব দিকে ডেনমার্ক প্রণালী দ্বারা আইসল্যান্ড থেকে পৃথক হয়েছে।  
- গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা ডেনমার্কের অধীনে হলেও এটি ডেনমার্ক রাজ্যের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
- গ্রিনল্যান্ডের নিজস্ব সংসদ ও সরকার থাকলেও, বৈদেশিক নীতি, প্রতিরক্ষা ও মুদ্রা সংক্রান্ত বিষয়গুলো ডেনমার্ক নিয়ন্ত্রণ করে।
- রাজা ফ্রেডরিক এক্স হলো এই অঞ্চলের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রধান।
- কিন্তু দৈনন্দিন প্রশাসন ও স্থানীয় শাসন পরিচালনা গ্রিনল্যান্ডের নিজস্ব সংসদ ও সরকারের হাতে থাকে।
- এটি ডেনমার্কের অন্তর্ভুক্ত হলেও, গ্রিনল্যান্ডবাসীরা তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরা নিতে পারে।

উৎস: Britannica. 

৭,৭১৪.
নামিবিয়া কোন দেশের উপনিবেশ ছিলো?
  1. ইতালি
  2. পর্তুগাল
  3. জার্মানি
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
- নামিবিয়া দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক মহাসাগরের তীরবর্তী একটি দেশ। দেশটি ১৮৮৪ সাল থেকে ১৯১৯ সাল পর্যন্ত জার্মানির উপনিবেশ ছিলো।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশ কমনওয়েলথের অংশ হিসেবে লীগ অব নেশন্সের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা নামিবিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেয়।
- ১৯৬৬ সাল থেকে দেশটিতে স্বাধীনতার জন্যে সশ্বস্ত্র লড়াইয়ের সূত্রপাত হয়। প্রায় পঁচিশ বছর লড়াইয়ের পর ১৯৯০ সালে নামিবিয়া দক্ষিণ আফ্রিকার নিকট থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটির রাজধানীর নাম উইন্ডহক।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৭,৭১৫.
ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল নামে পরিচিত ‘ম্যাগনাকার্টা’ অধিকার সনদে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. রানী ভিক্টোরিয়া
  2. রাজা জন
  3. দ্বিতীয় এলিজাবেথ
  4. টনি ব্লেয়ার
ব্যাখ্যা

যুক্তরাজ্য:
- ‘ইউনাইটেড কিংডম অব গ্রেট ব্রিটেন অ্যান্ড নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড’’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ যুক্তরাজ্য বা ইউকে।
- এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এই রাষ্ট্রটি গঠিত হয়েছে চারটি পৃথক দেশের সমন্বয়ে: ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড।
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কিয়ের স্টারমার (লেবার পার্টি)।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
- যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (হাউস অফ কমন্স ও হাউস অফ লর্ডস)।

⇒ ম্যাগনাকার্টা:
- ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র বলা হয় ম্যাগনাকার্টাকে।
- ইংল্যান্ডের অজনপ্রিয় রাজা জন ও বিদ্রোহী ব্যারনদের মধ্যে শান্তি বজায় রাখার জন্য যে চুক্তি করা হয়, সেটিই ম্যাগনাকার্টা বা গ্রেট চার্টার নামে পরিচিত।
- ইংল্যান্ডের টেমস নদীর পারে ১২১৫ সালের ১৫ জুন রানিমেইড নামক স্থানে বসে কিং জন চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই ম্যাগনাকার্টা বিলকে বলা হয় ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল। 

উৎস: Britannica.

৭,৭১৬.
কোন ঘটনাটি কার্টার মতবাদের প্রেক্ষাপট হিসেবে কাজ করেছিল?
  1. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  2. কিউবা মিসাইল সংকট
  3. ইরান ইসলামি বিপ্লব
  4. সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

কার্টার মতবাদ (Carter Doctrine):
- কার্টার ডকট্রিন হলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার কর্তৃক ঘোষিত একটি পররাষ্ট্রনীতি।
- ১৯৮০ সালের ২৩ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার কার্টার ডকট্রিন ঘোষণা করেন।
- কার্টার ডকট্রিন অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে বাইরের শক্তির হস্তক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের জাতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করবে এবং প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহার করবে।
- পারস্য উপসাগর থেকে জ্বালানি তেলের নিরাপদ প্রবাহ রক্ষা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কার্টার ডকট্রিন অনুসরণ করে।

• ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরে আফগানিস্তানে সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক আগ্রাসন ও আক্রমণ কার্টার মতবাদের (Carter Doctrine) প্রধান প্রেক্ষাপট হিসেবে কাজ করেছিল।
- এই আক্রমণের মাধ্যমে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সোভিয়েত প্রভাব বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি হওয়ায়মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ১৯৮০ সালের ২৩ জানুয়ারি ঘোষণা করেন যেকোনো বাহ্যিক শক্তি পারস্য উপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে তা প্রতিহত করবে।
- এই নীতি ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা আলোচনা (SALT- II) পারমাণবিক অস্ত্র চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। এই ডকট্রিনের ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র Rapid Deployment Joint Task Force গঠন করে। 

উৎস: i) Britannica.
ii) Office of the Historian (.gov) ওয়েবসাইট। 

৭,৭১৭.
আমাজন নদীর উৎস কোনটি?
  1. ব্রাজিলের গায়ানা হাইল্যান্ড
  2. বলিভিয়ার আলতিপ্লানো
  3. কলম্বিয়ার কর্ডিলেরা
  4. পেরুর আন্দিজ পর্বতমালা
ব্যাখ্যা

আমাজন নদী:
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন নদী।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬৪০০ কি.মি।
- এটি দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী।
- নদীটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে। 
- এই নদীটি - পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় উৎপন্ন হয় এবং আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্ত হয়েছে।
- আমাজনের মূল স্রোতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭,৭১৮.
মুজিবনগর সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে ‘বহির্বিশ্বে বিশেষ দূত’ হিসাবে কাকে নিয়োগ দিয়েছিলেন?
  1. ক) ড. ফারুক আজিজ খান
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমদ
  3. গ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  4. ঘ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  5. ঙ) ড. মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস -১ম পত্র বই।
৭,৭১৯.
যুক্তরাষ্ট্র উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কোন বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা প্রদান করে?
  1. ক) Generalized Service of Preferences
  2. খ) Generalized System of Preferences
  3. গ) Generalized Structure of Preferences
  4. ঘ) Generalised Scheme of Preferences
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) এর উদ্যোগে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে বিশ্ব অর্থনীতিতে একীভূত করার প্রস্তাবের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন GSP সুবিধা প্রদান করে আসছে। 

Generalized System of Preferences (GSP) হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (Trade Preference Program)। 
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।

অপরদিকে,
Generalised Scheme of Preferences (GSP) হলো  উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা (Trade Preference Program)। 
ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রদত্ত GSP সুবিধা মূলত নিম্নোক্ত তিনটির সমন্বয়ে গঠিত। যথা:
-  Standard GSP
- GSP+
- EBA 

উৎস: ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওয়েবসাইট, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।
৭,৭২০.
বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর কোন দেশে অবস্থিত? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. সৌদি আরব
  2. সিঙ্গাপুর
  3. মালয়েশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বৃহত্তম বিমান বন্দর:
- পৃথিবীর বৃহত্তম বিমানবন্দর কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
- এটি সৌদি আরবের দাম্মামে অবস্থিত।
- কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৮৩ সালে।
- ১৬ বছর পর ১৯৯৯ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় এটিকে একটি মার্কিন বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

⇒ বিশ্বের শীর্ষ ৫ বৃহত্তম বিমানবন্দর:
১. কিং ফাহদ ইন্টারন্যাশনাল (DMM)- দাম্মাম, সৌদি আরব,
- আয়তন প্রায় ৭৭৬ বর্গ কিলোমিটার।

২. ডেনভার ইন্টারন্যাশনাল (DEN)- ডেনভার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- আয়তন প্রায় ১৩৫ বর্গ কিলোমিটার।

৩. ডালাস/ফোর্ট ওয়ার্থ ইন্টারন্যাশনাল (DFW) - ডালাস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- আয়তন প্রায় ৬৯.৬ বর্গ কিলোমিটা।।

৪. অরল্যান্ডো ইন্টারন্যাশনাল (MCO) - অরল্যান্ডো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- আয়তন প্রায় ৫৩.৮ বর্গ কিলোমিটা।।

৫. ওয়াশিংটন ডুলেস ইন্টারন্যাশনাল (IAD) - ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- আয়তন প্রায় ৪৮.৬ বর্গ কিলোমিটার।

উৎস: i) World Population Review ওয়েবসাইট।
ii) Times of India.
৭,৭২১.
নিচের কোন দেশটি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে স্বর্ণমুদ্রা চালু করেছে?
  1. তুরস্ক
  2. আর্জেন্টিনা
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
ZiG: 
- ZiG হচ্ছে জিম্বাবুয়ের স্বর্ণ-সমর্থিত নতুন মুদ্রা। 
- পূর্ণ নাম: Zimbabwe Gold (ZiG)
- চালু: ৮ এপ্রিল ২০২৪ সাল 
- মুদ্রা কোড: ZWG
- প্রাথমিক মান: ১ ডলার = ১৩.৫৬ ZiG
- সমর্থন: ২.৭ টন সোনা ও $৫৪৮ মিলিয়ন রিজার্ভ

সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ:
- জনগণের আস্থা নেই: আগের মুদ্রাস্ফীতি ও সঞ্চয় ধ্বংসের স্মৃতি রয়ে গেছে।
- ডলারের প্রাধান্য: দেশের ৮০%-এর বেশি লেনদেন এখনও মার্কিন ডলারে।
- মূল্যহ্রাস: ZiG এর মান ৯৫% হ্রাস পেয়েছে।
- স্বর্ণ-সমর্থিত হলেও ZiG-এ জনগণের আস্থা নেই।
- অতীতের মতই এটি দ্রুত মূল্য হারাচ্ছে এবং মার্কিন ডলারের উপর নির্ভরতা কমছে না।
- আস্থা, স্থিতিশীলতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা না থাকলে কোনো নতুন মুদ্রা টিকতে পারে না।
- অফিসিয়াল: ১ ডলার = ২৬.৪৩ ZiG
- খোলা বাজারে: ৩০-৩২ ZiG
- স্বল্পতা: বাজারে ZiG পাওয়া যাচ্ছে না – কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকা ছাপানো কমিয়ে দিয়েছে।

সরকারের উদ্যোগ: 
- করের অর্ধেক ZiG-এ পরিশোধ বাধ্যতামূলক
- সরকারি সেবা ZiG-এ মূল্যায়ন
- ডলারে লেনদেনকারীদের জরিমানা

উৎস: Bloomberg
৭,৭২২.
জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদী প্রধানমন্ত্রী -
  1. ক) ফুমিও কিশিদা
  2. খ) সানাই তাকাইচি
  3. গ) শিনজো আবে
  4. ঘ) ইউশিহিদে সুগা
ব্যাখ্যা
- জাপানের সাবেক এবং ইতিহাসে দীর্ঘ মেয়াদী প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ৮ জুলাই ২০২২ তারিখে নারা প্রশাসনিক অঞ্চলে এক সন্ত্রাসীর গুলিতে নিহত হন। 
- আবে ২০০৬ থেকে ২০০৭ এবং আবার ২০১২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত জাপানের প্রধানমন্ত্রী এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 
- তিনি জাপানের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- আবে জুনিচিরো কোইজুমির অধীনে ২০০৫ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১২ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য বিরোধী দলের নেতা ছিলেন। 
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
 
৭,৭২৩.
প্রধান আসমানী কিতাব কতটি?
  1. ৪টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১০৮টি
ব্যাখ্যা

আসমানী কিতাব:
- আসমানী কিতাব হচ্ছে ঐ কিতাব যা যুগে যুগে মানবতার হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তাঁর বাছাইকৃত নবী- রাসূলগণের ওপর নাযিল করেছেন।
- আসমানী কিতাবই হচ্ছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ, যা বিভ্রান্ত মানবতাকে সত্য, সুন্দর ও সৎ পথের সন্ধান দিয়ে থাকে।
- আসমানী কিতাবের সর্বমোট সংখ্যা ১০৪ খানা।

​⇒ প্রধান আসমানী কিতাব ৪টি।
- এগুলো হলো: তাওরাত, জাবুর, ইনজিল, এবং কোরআন। 

উৎস: i) আসমানী কিতাব ও মালাইকা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
​ii) প্রথম আলো।

৭,৭২৪.
নিচের কোন দেশটি কাতারের উপর অবরোধ আরোপের সাথে জড়িত ছিলো না?
  1. বাহরাইন
  2. মিশর
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. কুয়েত
ব্যাখ্যা
২০১৭ সালের ৫ জুন সৌদি আরবের নেতৃত্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিশর প্রতিবেশি কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ও যোগাযোগ ছিন্ন করে।
পরবর্তীতে মালদ্বীপ, ইয়েমেন ও লিবিয়ার হাফতার সরকারও এই অবরোধে যোগ দেয়।
তবে জিসিসিভুক্ত কুয়েত ও ওমান নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে।
দেশগুলো কাতারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের অভিযোগ আনে। তখন কাতারের পাশে দাড়ায় তুরস্ক ও ইরান।
সম্প্রতি সাড়ে তিন বছরের অধিক সময় পর গত ৫ জানুয়ারি ২০২১ কুয়েতের মধ্যস্থতায় সৌদি জোট পুনরায় কাতারের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
(সূত্র: সিএনএন আর্কাইভ/রিপোর্ট)
৭,৭২৫.
'Black Lives Matter' কি?
  1. একটি গ্রন্থের নাম
  2. একটি পানীয়
  3. বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
  4. একটি NGO
ব্যাখ্যা
'Black Lives Matter' একটি বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন।

Black Lives Matter:
- 'Black Lives Matter' একটি বর্ণবাদ বিরোধী অনলাইনভিত্তিক আন্দোলন।
- সামাজিক মাধ্যমে ২০১৩ সালে এর যাত্রা শুরু হয়।
- আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি শ্বেতাঙ্গদের সহিংস আচরণের প্রতিবাদ থেকেই আফ্রো-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মাঝে এর উৎপত্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ২০১২ সালে ফ্লোরিডায় ট্রেভন মার্টিনের মৃত্যুর পরে এই স্লোগানটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- ১৭ বছর বয়সী নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গকে প্রতিবেশী ওয়াচ ভলান্টিয়ার জর্জ জিমারম্যান গুলি করে হত্যা করেছিল।
- আন্দোলনটি ২০১৩ সালে তিন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা দ্বারা শুরু হয়েছিল।
- তারা হলেন: অ্যালিসিয়া গারজা, প্যাট্রিস কুলারস এবং ওপাল টোমেটি।
- এই আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্যগুলির মধ্যে ছিল পুলিশি বর্বরতা বন্ধ করা এবং কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে সমান আচরণ করা।
- এর সমতার দাবির মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য, এলজিবিটি সম্প্রদায় এবং ভোটাধিকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন সময় এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ১৩ জুব, ২০২১, BBC।
৭,৭২৬.
ওয়াটারলু যুদ্ধ কখন সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ১৮ জুন, ১৭৯৮
  2. ১৮ জুন, ১৮১৫
  3. ২২ জুন, ১৮১৫
  4. ৫ মে, ১৮২১
ব্যাখ্যা

ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৮ জুন, ১৮১৫ সাল।
- স্থান: ওয়াটারলু, বেলজিয়াম। 
- বিবাদমান পক্ষ- নেপোলিয়ানের নেতৃত্বে ফ্রান্স বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী।
- বিজয়ী - সম্মিলিত ব্রিটিশ বাহিনী।
- বিজিত - ফ্রান্স বাহিনী।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটিশ সম্মিলিত বাহিনী গঠিত হয়- বেলজিয়ান, জার্মান ও ডাচ বাহিনীর সমন্বয়ে।
- এই বাহিনী নেতৃত্ব দেন- আর্থার ওয়েলেসলি যিনি ছিলেন ‘প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটন'।
- যুদ্ধে নেপোলিয়ানের শোচনীয় পরাজয় ঘটে।
- ২২ জুন, ১৮১৫ সালে নেপোলিয়ানকে ক্ষমতাচ্যুত করে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত 'সেইন্ট হেলেনা' দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- ৫ মে, ১৮২১ সালে নেপোলিয়ান মৃত্যুবরণ করেন। তাকে সেইন্ট হেলেনা দ্বীপে সমাহিত করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 

৭,৭২৭.
প্রথম কোন দেশে আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে?
  1. মিশর
  2. সিরিয়া
  3. তিউনেশিয়া
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত হলো আরব মুসলিম দেশগুলোতে সংঘটিত হওয়া সিরিজ বা ধারাবাহিক গণঅভ্যুত্থান।
২০১০ সালের ডিসেম্বরে সর্বপ্রথম তিউনেশিয়ায় আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে। বোয়াজিজি নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় গণবিক্ষোভ বা আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
এর ফলে ১৪ মার্চ ২০১১ তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক জাইন এল বেন আলী এর পতন ঘটে। পরবর্তীতে এই গণবিক্ষোভ মিসর, ইয়েমেন, লিবিয়ার, সিরিয়া, বাহরাইন ও মরক্কোতে ছড়িয়ে পড়ে। লিবিয়া ও সিরিয়ায় গণআন্দোলন গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম এবং দ্য গার্ডিয়ান)
৭,৭২৮.
মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশ নয় কোনটি?
  1. পাপুয়া নিউগিনি
  2. ভানুয়াতু
  3. ফিজি
  4. লাওস
ব্যাখ্যা
মেলানেশিয়া:
- 'মেলানেশিয়া' শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে।
- এর অর্থ 'কালো দ্বীপ'।
- মেলানেশিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অঞ্চল।
- এটি প্রায় ২,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।

এই অঞ্চলের দেশগুলো হলো:
১. পাপুয়া নিউগিনি,
২. সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, 
৩. ভানুয়াতু এবং 
৪. ফিজি।

উৎস: WorldAtlas.
৭,৭২৯.
'ধনতন্ত্রের সর্বোচ্চ পর্যায় হলো সাম্রাজ্যবাদ' কথাটি কে বলেছেন?
  1. ক) হিটলার
  2. খ) চেম্বারলিন
  3. গ) স্টালিন
  4. ঘ) লেনিন
ব্যাখ্যা
- প্রথম মহাযুদ্ধের কয়েক দশক পূর্ব থেকে ইউরোপীয় শক্তিগুলির মধ্যে বাণিজ্যের প্রসার এবং এ জন্য ঔপনিবেশ বিস্তার নিয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার সূচনা হয়।
- ইউরোপের শিল্পায়িত বৃহৎ ও ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলির উৎপাদন এ সময় বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। 
- ফলে উদ্বৃত্ত পণ্য রফতানির জন্য নতুন বাজারের প্রয়োজন দেখা দেয়। 
- তাই দেখা যায় ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো শিল্পপণ্য রফতানি এবং অতিরিক্ত বিনিয়োগের জন্য পুরনো উপনিবেশের সম্প্রসারণ এবং নতুন ঔপনিবেশ স্থাপনের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে ওঠে।
- ইতিহাসে এই বিষয়টাকে সাম্রাজ্যবাদ (Imperialism) বলা হয়। 
- মার্কস থেকে লেনিন পুঁজিবাদী অর্থনীতির ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন কীভাবে উদ্বৃত্ত পণ্য সংকট সৃষ্টি করে। 
- লেনিন সাম্রাজ্যবাদকে ধনতন্ত্রের আধুনিক সর্বোচ্চ পর্যায় (Highest stage of Capitalism) বলে অভিহিত করেছেন। 
 
উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস -২, এসএসইএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৩০.
CDP কতটি সূচকের ভিত্তিতে LDC এর তালিকা করে?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৩টি
ব্যাখ্যা
• CDP ৩টি সূচকের ভিত্তিতে LDC এর তালিকা করে।

Committee for Development Policy (CDP):
- ১৯৬৫ সালে CDP প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) একটি সহযোগী স্বাধীন ফোরাম।
- CDP স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অনুকূলে উন্নয়ন সহযোগিতা সম্পর্কিত নীতি পরামর্শ দিয়ে থাকে।
- এর সদস্য সংখ্যা ২৪।
- এই কমিটি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় নতুন অন্তর্ভুক্তি এবং তালিকা থেকে উত্তরণ হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন দেশ চিহ্নিত করে।
- তিন বছর পরপর LDC ভুক্ত দেশগুলোর ত্রিবার্ষিক মূল্যায়ন করা হয়।

LDC-তে অন্তর্ভুক্তি ও উত্তরণ:
- স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি বা উত্তরণের সূচকগুলো হচ্ছে,
- মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় (GNI)।
- মানব সম্পদ সূচক (HAI) পুষ্টি, স্বাস্থ্য, স্কুলে ভর্তি ও শিক্ষার হারের সমন্বয়ে তৈরি।
- আর্থিক ভঙ্গুরতা সূচক (EVI): প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক আঘাত, জনসংখ্যার পরিমাণ এবং বিশ্ববাজার থেকে একটি দেশের দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- একটি দেশ যেকোনো দুটি সূচক অর্জন করতে পারলে LDC থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৭৩১.
'কনস্টান্টিনোপল' কোন সভ্যতার রাজধানী ছিল?
  1. বাইজেন্টাইন
  2. মায়া
  3. সুমেরীয়
  4. হিব্রু
ব্যাখ্যা

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে - ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল৷
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতা ছিল।
- অঞ্চলটিকে সাধারণত পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য বলা হত।
- ৪৭৬ সালে রোমের পতনের ফলে রোমান সাম্রাজ্যের পশ্চিম অর্ধেক শেষ হয় এবং পূর্ব অর্ধেক বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হিসাবে পরিচালিত হয়।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা।
- এই সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন জাস্টিনিয়ান।
- ১৪ শতকে অটোমান তুর্কিরা দখল করতে শুরু করে এবং ১৪৫৩ সালে এটি অটোমান নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭,৭৩২.
নিচের কোনটি চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে-
  1. UNDP
  2. UNEP
  3. WWF
  4. IPCC
ব্যাখ্যা
UNEP:
- জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী (UNEP).
- UNEP-এর পূর্ণরূপ- United Nations Environment Programme.
- UNEP - সদর দপ্তর- নাইরোবি, কেনিয়া।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৫ জুন, ১৯৭২ সালে।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-৫ জুন।
- সদস্য রাষ্ট্র- ১৯৩ টি। (জুন, ২০২৫)
- UNEP এর প্রধানের পদবী- নির্বাহী পরিচালক।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক- ইনগার অ্যান্ডারসেন। (জুন, ২০২৫)
- চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে UNEP.

উৎস: UNEP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৭৩৩.
গাজা শান্তি পরিকল্পনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটি দফা প্রস্তাব করেন?
  1. ১৫
  2. ২০
  3. ১৮
  4. ১৩
ব্যাখ্যা

ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনার ২০ দফা:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা সংকট নিরসনে একটি ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেন।
- এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষই নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে বলে ট্রাম্প ঘোষণা করেন।
- পরিকল্পনাটির লক্ষ্য হলো যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, জিম্মি ও বন্দি বিনিময়, গাজার শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি স্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।

উল্লেখ্য,
এই ২০ দফা পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্যই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে “Board of Peace (বোর্ড অব পিস)” গঠনের প্রস্তাব করা হয়।
Board of Peace হলো ট্রাম্পের গাজা শান্তি পরিকল্পনায় প্রস্তাবিত একটি আন্তর্জাতিক তদারকি ও সমন্বয়মূলক কাঠামো।
এর মূল লক্ষ্য হলো—
- যুদ্ধবিরতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা।
- ইসরায়েল ও হামাস—উভয় পক্ষের চুক্তি পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করা।
- জিম্মি ও বন্দি বিনিময়, মানবিক সহায়তা প্রবাহ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় সাধন।
- ভবিষ্যতে গাজার প্রশাসন টেকনোক্র্যাটদের হাতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়াকে সহজ ও বিশ্বাসযোগ্য করা।

উৎস: বিবিসি ও রয়টার্স।

৭,৭৩৪.
কোরিয়া যুদ্ধের শেষে কোন অঞ্চলে Demilitarized Zone (DMZ) গঠিত হয়?
  1. ৩৫তম উত্তর অক্ষাংশ
  2. ৩৮তম উত্তর অক্ষাংশ
  3. ৩৯তম উত্তর অক্ষাংশ
  4. ৪৯তম উত্তর অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা

কোরিয়া বিভাজন:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- ১৯১০ সালে কোরীয় উপদ্বীপে জসন সাম্রাজ্যের ২৬তম রাজা গুজুং ছিলেন দায়িত্বে। তার শাসনামলের সময় কোরিয়া দখল করে নেয় জাপান।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে দুই পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোরিয়ার আক্রমণ করে।
- কোরিয়ার দক্ষিণ দিক থেকে আক্রমণ করে মার্কিন সেনাবাহিনী এবং উত্তর দিক থেকে আক্রমণ করে সোভিয়েত কমিউনিস্ট-এর রেড আর্মি।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের যৌথ বাহিনীর কাছে জাপানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
- ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে।

⇒ ৩৮ ডিগ্রি সীমারেখার উত্তর দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন সেনাবাহিনী কমিউনিস্ট শাসন ব্যবস্থা চালু করে এবং দক্ষিণ দিকে আমেরিকার সামরিক সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

⇒ উত্তর কোরিয়ার নেতা ১৯৫০ সালে বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া দখল করার চেষ্টা করেন, দক্ষিণ কোরিয়াও পাল্টা আক্রমণ করে বসে।
- এর মাধ্যমে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ–কোরিয়া যুদ্ধ শুরু হয়।
- দুই কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া।
- প্রায় তিন বছর ধরে কোরিয়া যুদ্ধ চলে।
- ১৯৫৩ সালে দুপক্ষের মাঝে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- কোরিয়া যুদ্ধের (১৯৫০–১৯৫৩) শেষে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ৩৮তম উত্তর অক্ষাংশ বরাবর একটি নিরাপত্তা অঞ্চলের ব্যবস্থা করা হয়, যা Demilitarized Zone (DMZ) নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.

৭,৭৩৫.
জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্তকারী সীমারেখা কোনটি?
  1. ক) সনোরা লাইন
  2. খ) সিগফ্রিড লাইন
  3. গ) ম্যাকনামারা লাইন
  4. ঘ) ডুরান্ড লাই
ব্যাখ্যা
সিগফ্রিড লাইন – জার্মানি ও ফ্রান্স

• সীমারেখা:

- সনোরা লাইন - যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ওডারনিস লাইন – জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- হিন্ডারবার্গ লাইন - জার্মানি ও পোল্যান্ডের।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৭৩৬.
দক্ষিণ সুদানের রাজধানীর নাম কী?
  1. জুবা
  2. লাটজুর
  3. আমাদি
  4. টুইক
ব্যাখ্যা
♦ দক্ষিণ সুদানঃ
বিশ্বের সর্বশেষ স্বাধীন ও জাতিসংঘভুক্ত দেশ - দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ৯ জুলাই দেশটি সুদান থেকে স্বাধীন হয় ও ১৪ জুলাই জাতিসংঘের সদস্য হয়।
- রাষ্ট্রীয় নাম - Republic of South Sudan
- রাজধানী - জুবা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৭৩৭.
জিরোসাম গেম (Zero-sum game) কোন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তত্ত্বের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) বাস্তববাদ
  2. খ) উদারতাবাদ
  3. গ) গঠনবাদ
  4. ঘ) মার্ক্সবাদ
ব্যাখ্যা
জিরো সাম গেম (Zero Sum Game) হচ্ছে বিখ্যাত ‘গেম থিওরি’র একটা অংশ। এটা দিয়ে বোঝায় যেকোনো ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক পক্ষ কোনো নির্দিষ্ট জিনিস পেতে চাইলে, এক পক্ষ যে পরিমাণ সম্পদ অর্জন করবে, অন্য পক্ষ ঠিক সে পরিমাণ সম্পদ হারাবে। এতে নিট ফলাফল শূন্য হবে।
 
জিরো সাম গেমের বৈশিষ্ট্য:
১। এ ক্ষেত্রে চাহিদার তুলনায় যোগান সব সময়ই কম থাকবে।
২। সম্পদের পরিমাণ একই থাকবে। কোনো কিছুর সংযোজন বা বিয়োজন ঘটবে না।
৩। সব পক্ষের জন্যই সম্পদের নেট পরিবর্তন হবে শূন্য।  
 
=====
উদারতাবাদ (Liberalism) হচ্ছে মানুষের প্রগতি ও মুক্তির পথে সৃষ্ট বাঁধাবিপত্তি দূর করার দাবি সম্বলিত আন্দোলন। এটি হচ্ছে মানুষের মধ্যে নিহিত তার বিপুল শক্তি ও সম্ভাবনার সার্থক বিকাশ সাধন করে তাকে তার নিজ সত্ত্বায় প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস। উদারতাবাদ মানুষের রাজনৈতিক জীবনেই সীমিত নয় বরং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনকে অন্তর্ভুক্ত করে মানবতার সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তির লক্ষ্যেই পরিচালিত।

“বাস্তববাদ” (Realism) - অনুযায়ী মানুষ স্বভাবতই বিশৃঙ্খল। মানুষ যেহেতু বিশৃঙ্খল, তাই মানুষের দ্বারা সৃষ্ট যেকোন কিছুই বিশৃঙ্খল অর্থ্যাৎ, রাষ্ট্রও বিশৃঙ্খল।
- রাষ্ট্রসমূহ তাদের অস্তিত্ব ও স্বার্থরক্ষার জন্য সবসময় কোন না কোন ভাবে দ্বন্দ্বে লিপ্ত থাকে।
- বাস্তববাদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের যেকোন মূল্যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় টিকে থাকা, অর্থ্যাৎ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্ষমতার চর্চাকে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় বাস্তববাদের ব্যাপক চর্চা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে আমেরিকার আগ্রাসন বাস্তববাদ কেন্দ্রিক রাজনীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
 
অর্থাৎ, বাস্তববাদ (Realism) আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে জিরো-সাম গেম হিসাবে বর্ণনা করে যেখানে এক পক্ষ জিতবে এবং অন্যপক্ষ অবশ্যই হারবে।
৭,৭৩৮.
ফ্রান্সে কয়টি টাইম জোন রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

ফ্রান্স:
- ফ্রান্স উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের দেশ।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূমধ্যসাগর, আল্পস এবং পিরেনিস দ্বারা বেষ্টিত। দেশটির উত্তর-পূর্বে বেলজিয়াম এবং লুক্সেমবার্গে, পূর্বে জার্মানি, সুইজারল্যান্ড এবং ইতালি ও দক্ষিণ-পূর্বে, মোনাকো এবং ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- রাজধানী: প্যারিস।
- মুদ্রা: ইউরো।
- ফ্রান্স বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক টাইম জোনে বিভক্ত দেশ।
- দেশটির মোট ১২টি (বা অ্যান্টার্টিকাতে দাবি সহ ১৩টি) টাইম জোন রয়েছে।
- ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ডটি একটি টাইম জোনে অবস্থিত হলেও ক্যারিবীয়, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের মতো বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা এর অনেক উপনিবেশ এবং overseas territories রয়েছে।
- এই অঞ্চলগুলি ক্যারিবীয়, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরে ছড়িয়ে আছে, যার ফলে ফ্রান্সের একাধিক টাইম জোন রয়েছে। 

⇒ সবচেয়ে বেশি টাইম জোনে বিভক্ত দেশসমূহ:
১) ফ্রান্স: ১৩টি।
২) রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র: ১১টি।
৩) অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য: ৯টি।
৪) কানাডা: ৬টি।
৫) ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড: ৫টি।

উৎস: i) Britannica.
ii) Worldatlas.

৭,৭৩৯.
'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' পরিচালনা করে কোন দেশ?
  1. ইসরায়েল
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরান
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
অপারেশন মিডনাইট হ্যামার:
- ২১ জুন মধ্যরাতে (২২ জুন), ২০২৫ ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় একযোগে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অভিযানের আনুষ্ঠানিক নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’।
- প্রায় ২৫ মিনিট দীর্ঘ এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ১২৫টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি থেকে উড্ডয়নের প্রায় ৩৭ ঘণ্টা উড়ে অপারেশন মিডনাইট হ্যামারে অংশ সাতটি বি-২ বোমারু বিমান।
- এই বিমানগুলো ইরানের ফরদো এবং নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনায় ১৪টি বাংকার বাস্টার বোমা ছোড়ে।
- একইসময়ে ইস্পাহানে অবস্থিত আরেকটি পরমাণু স্থাপনায় সাবমেরিন থেকে প্রায় দুই ডজন টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
- অভিযানের পর একে অভাবনীয় এক সাফল্য হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 
- যদিও ইরান প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
- সূত্রের খবর অনুযায়ী, হামলার শঙ্কায় ইরান নাকি বহুল আলোচিত ফরদো ঘাঁটি থেকে গুরুত্বপূর্ণ সবকিছু আগেই সরিয়ে নিয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
৭,৭৪০.
ডোকলাম উপত্যকা নিয়ে কোন কোন দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে?
  1. ভারত-চীন-ভুটান
  2. ভারত-চীন-রাশিয়া
  3. ভারত-চীন-নেপাল
  4. ভারত-চীন-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
ডোকলাম উপত্যকা:

• ডোকলাম উপত্যকা চীন-ভারত-ভুটান সীমান্তে অবস্থিত।
• প্রতিটি দেশই ডোকলাম উপত্যকাকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে।
• ১৬ জুন, ২০১৭ সালে চীন এ উপত্যকায় সড়ক নির্মাণ করা শুরু করলে চীন-ভারত-ভুটান সীমান্তে উত্তেজনা শুরু হয়।
• ২৭ শে জুন ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে ভুটান চীনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।
• চীন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীনের অংশ হিসাবে ডোকলামকে একটি মানচিত্র প্রকাশ করে।
• ভারত ও ভুটানের প্রচণ্ড আপত্তির মুখে চীন এখানে সড়ক নির্মাণ স্থগিত করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটিনিকা ও প্রথম আলো।
৭,৭৪১.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান রাজনৈতিক দল 'ডেমোক্রেটিক পার্টি'র লোগো কী?
  1. গাধা
  2. ঘোড়া
  3. হাতি
  4. সিংহ
ব্যাখ্যা
ডেমোক্রেটিক পার্টি:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক দল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের একটি ডেমোক্রেটিক পার্টি, অন্যটি রিপাবলিকান পার্টি।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির লোগো: গাধা।
- রিপাবলিকান পার্টির লোগো: হাতি।

উল্লেখ্য,
- জোসেফ রবিনেট বাইডেন একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম রাষ্ট্রপতি।
- ২০২০ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করে ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি তিনি ৪৬তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন সদস্য বাইডেন।

উৎস: Britannica.
৭,৭৪২.
কটকা সমুদ্রসৈকত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পটুয়াখালী
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
কটকা সমুদ্রসৈকত সুন্দরবনের বাগেরহাট জেলা অংশে অবস্থিত। স্থানীয়ভাবে এটি জামতলা সমুদ্রসৈকত নামে পরিচিত।

বাংলাদেশের বিখ্যাত কিছু সমুদ্রসৈকত:

- কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত : কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।
- পারকি সমুদ্রসৈকত : আনোয়ারা, চট্টগ্রাম
- ইনানী, কলাতলী, লাবনী সমুদ্রসৈকত : কক্সবাজার
- পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত : পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

(তথ্যসূত্র: পর্যটন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৭,৭৪৩.
রোম নগরী প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ক) অগাস্টাস সিজার
  2. খ) লেপিডাস
  3. গ) রোমিউলাস
  4. ঘ) কনস্টানটাইন
ব্যাখ্যা
- রোমান সম্রাট রোমিউলাস রোম নগরীর পত্তন করেন। তার নাম অনুসারেই এই নগরীর নামকরণ করা হয় রোম।
- ৭৫৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী সাতটি পর্বতের উপর অবস্থিত হওয়ায় একে সাত পাহাড়ের শহরও বলা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,৭৪৪.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন-
  1. ক) Nikolai Podgorny
  2. খ) Leonid Brezhnev
  3. গ) Mikhail Gorbachev
  4. ঘ) Nikita Khrushchev
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাই পোদগর্নি।
সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট ছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ। উল্লেখ্য যে, ১৯৭১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন।
উৎসঃ রাশিয়া ও ইউএস সরকারি ওয়েবসাইট
৭,৭৪৫.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কে অবদান রেখেছিলেন?
  1. নবাব সলিমুল্লাহ
  2. নবাব খাজা আলীমুল্লাহ
  3. নবার সিরাজউদ্দৌলা
  4. নবাব আলীবর্দী খান
ব্যাখ্যা
নবাব স্যার সলিমুল্লাহ:

- ১৮৭১ সালের ৭ জুন ঢাকার বিখ্যাত নবাব পরিবারে খাজা সলিমুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম নবাব খাজা আহসানউল্লাহ।
- নবাব পরিবারের মধ্যে সলিমুল্লাহ ছিলেন সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
- যৌবনকালে তিনি কিছুকাল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সরকারি চাকুরি করলেও পরে চাকুরিতে ইস্তফা দিয়ে সমাজকল্যাণমূলক কাজে আত্মনিয়োগ করেন।
- ১৯০১ সালে তাঁর পিতার মৃত্যু হলে জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে তিনি নবাবের পদসহ পারিবারিক কর্তত্ব লাভ করেন।
- ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সৎ, সাহসী ও ধার্মিক ছিলেন।
- ১৯০৬ সালে ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নবাব সলিমুল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নবাব সলিমুল্লাহ নানামুখী অবদান রাখেন।
- নবাব সলিমুল্লাহ ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৪৬.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কবে থেকে?
  1. ক) ১৮ জুলাই, ১৯১৪
  2. খ) ২৮ জুলাই, ১৯১৫
  3. গ) ২৮ জুলাই, ১৯১৪
  4. ঘ) ১১ নভেম্বর, ১৯১৮
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War - I)
• গত শতাব্দীর প্রথম ভাগে বিশ্বের পরাশক্তিগুলো প্রধানত ইউরোপে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত এই যুদ্ধটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নামে পরিচিত।
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ “মহাযুদ্ধ” বা “The Great War” নামে ইতিহাসে বিখ্যাত। এই যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্ব প্রথম সামরিক শক্তির সর্বগ্রাসী চেহারা প্রত্যক্ষ করে। এর আগে কোন যুদ্ধে এতো প্রাণহানি ঘটে নি।
• চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩৭ লাখ প্রাণহানি ঘটে রাশিয়ার।
• এছাড়া যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপের বহু দেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে নড়বড়ে অবস্থানে চলে যায়।

একনজরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
• যুদ্ধ সংঘটনকাল -- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ - ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।
• যুদ্ধ সংঘটন স্থান -- ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য।
• অক্ষশক্তি -- জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, গ্রীস ও তুরস্ক।
• মিত্রশক্তি -- রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান, চীন, সার্বিয়া, রোমানিয়া ও বেলজিয়াম প্রভৃতি দেশ।
• ফলাফল -- মিত্রশক্তি বিজয়ী।  

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
৭,৭৪৭.
গ্রেট ব্রিটেন গঠিত হয় -
  1. ক) ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড
  2. খ) ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস
  3. গ) স্কটল্যান্ড, ওয়েলস
  4. ঘ) কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
- Great Britain is made up of England, Scotland and Wales. 
- The United Kingdom (UK) is made up of England, Scotland, Wales and Northern Ireland.
- England Just like Wales and Scotland, England is commonly referred to as a country but it is not a sovereign state.

The UK – a sovereign state that includes England, Scotland, Wales and Northern Ireland.
Great Britain – an island situated off the north west coast of Europe.
British Isles – a collection of over 6,000 islands, of which Great Britain is the largest.
England – a country within the UK.

তথ্যসূত্র:- ইউকে সরকারি ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৭,৭৪৮.
'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড' শুরু হয় কবে?
  1. ৫ অক্টোবর, ২০২৩ সালে
  2. ৬ অক্টোবর, ২০২৩ সালে
  3. ৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে
  4. ৮ অক্টোবর, ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড:
- ইসরাইলে হামাস ৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে আক্রমণের মধ্য দিয়ে দুইদেশের সংঘাত শুরু হয়।
- এ লড়াইয়ের নাম দেয়া হয়েছে 'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড'।
- বস্তুত বন্যার জলের মতই সশস্ত্র হামাস বাহিনী ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডে।
- এর আগে ২০২১ সালে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ১১ দিন ধরে সংঘাত চলেছিল।
- হামাস সদস্য ইজেত আল-রাশক জানান, আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা লড়ছেন।
- ইহুদিদের এখন উৎসব পর্ব চলছে।
- সেই উৎসবের শেষ দিনে এই আঘাত হেনেছে হামাস।
- ইসরায়েলের বন্দর শহর তেল আবিবের উত্তরে পর্যন্ত রকেট হামলা করা হয়েছে।
- সেই সাথে হামাসের সশস্ত্র বাহিনী ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের দক্ষিণে।

তথ্যসূত্র - ৮ অক্টোবর, ২০২৩, বিবিসি বাংলা ও দৈনিক যুগান্তর, ০৩ নভেম্বর ২০২৩।
৭,৭৪৯.
আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন -
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৬৩ সালে
  3. ১৮৬৪ সালে
  4. ১৮৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন (১৮০৯ - ১৮৬৫):
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- এ লক্ষে ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ তিনি Emancipation Proclamation এ স্বাক্ষর করেন।
- পরবর্তীতে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৭,৭৫০.
নর্ডস্ট্রিম (Nord Stream) গ্যাস পাইপলাইনটি কোন সাগরের নিচে দিয়ে গেছে?
  1. বাল্টিক সাগর
  2. কৃষ্ণ সাগর
  3. কাম্পিয়ান সাগর
  4. ভূ-মধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
• নর্ড স্ট্রিম (Nord Stream) পাইপ লাইন: 
 - রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানির সবচেয়ে বড় পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম। 
- এই পাইপ লাইনের মাধ্যমে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাশিয়া গ্যাস সরবরাহ করে।
- নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইন বাল্টিক সমুদ্রের নিচে দিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার (৭৪৫) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।

- রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের কাছ থেকে বাল্টিক সাগরের নিচ দিয়ে এটি গিয়ে পৌঁছেছে উত্তর-পূর্ব জার্মানিতে।
- ২০১১ সালে এই পাইপলাইনের উদ্বোধন হয়। এর মাধ্যমে রাশিয়া থেকে দিনে ১৭০ ঘন মিটার গ্যাস জার্মানিতে পাঠাতে পারে।
 
উৎস: বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট ও Nord Stream ওয়েবসাইট।
৭,৭৫১.
ইসরাইল কত সালে পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইসরাইল ১৯৬৭ সালে পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।

আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- মোট ৪টি আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
⇒ ১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।
- এটি আরবিতে নাকবা (বিপর্যয়) ও হিব্রুতে মিলখেমেত হাতজমাউত (স্বাধীনতা যুদ্ধ) বলে পরিচিত।

⇒ ২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।

⇒ ৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।

⇒ ৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়োম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
- মিশরীয় ও সিরিয়ান সেনারা যুদ্ধবিরতি রেখা ভেদ করে যথাক্রমে সিনাই উপদ্বীপ ও গোলান মালভূমিতে ঢুকে পড়ে।
- যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন উভয়ে তাদের নিজ নিজ মিত্রদের এসময়ে সহায়তা করে।
- ফলে দুইটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হয়।

উৎস: World Atlas.
৭,৭৫২.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে সর্বপ্রথম বাংলায় এসেছিল কারা?
  1. ক) ইংরেজরা
  2. খ) ফরাসিরা
  3. গ) ওলন্দাজরা
  4. ঘ) পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
- ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
- পনেরো শতকের শুরু থেকেই তারা বাণিজ্যের জন্য দুঃসাহসিক সমুদ্রযাত্রা শুরু করে।
- ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে ভাস্কো ডা গামার কালিকটে পৌঁছার কয়েক দশক পরে বাংলায় পর্তুগিজদের আগমন ঘটে।
- পনেরো শতকের শেষ দিক হতেই এশিয়া থেকে মসলা আহরণের উদ্দেশ্যে ভেনিস ও আরব বণিকদের এড়িয়ে বিকল্প পথ অনুসরণের ফলেই এদেশে পর্তুগিজদের অনুপ্রবেশ ঘটে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৭,৭৫৩.
ব্রাজিলের রাজধানীর নাম কী?
  1. সাও পাওলো
  2. ব্রাসিলিয়া
  3. রিও ডি জেনেইরো
  4. বেলেম
ব্যাখ্যা
ব্রাজিল:
- ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ। 
- ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ড জুড়ে বিস্তৃত।
- রাজধানী: ব্রাসিলিয়া। 
- এটি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম দেশ, রাশিয়া, কানাডা, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরেই এর অবস্থান।
- ব্রাজিলের মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য ১৫,৭০০ কিমি, যা দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় সব দেশের সঙ্গে যুক্ত।
- দেশটি উষ্ণমণ্ডলীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ুর এক বিশাল বৈচিত্র্যময় ভূখণ্ড, যেখানে রয়েছে:অ্যামাজন রেইনফরেস্ট, যা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট।
- অ্যামাজন নদী অববাহিকা, যা বিশ্বের বৃহত্তম নদী ব্যবস্থা।
- ব্রাজিল বিশ্বের পঞ্চম সর্বাধিক জনবহুল দেশ।
- লাতিন আমেরিকার মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলে বসবাস করে।
- রাজধানী ব্রাজিলিয়া দেশটির অভ্যন্তরে অবস্থিত, তবে বেশিরভাগ জনসংখ্যা উপকূলীয় অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত।
- রিও ডি জেনেইরো আন্তর্জাতিকভাবে ব্রাজিলের অন্যতম প্রধান চিহ্ন হিসেবে পরিচিত।
- ব্রাজিল তার সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক সম্পদ, বৈচিত্র্যময় ভূপ্রকৃতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।

উৎস: Britannica.
৭,৭৫৪.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে-
  1. ২০০ নটিকেল মাইল
  2. ৩০০ নটিকেল মাইল
  3. ৩৫০ নটিকেল মাইল
  4. ৪৫০ নটিকেল মাইল
ব্যাখ্যা
• ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

- অর্থনৈতিক সীমারেখার দৈর্ঘ্য - ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
----------------- 
UNCLOS:
- UNCLOS-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention on the Law of the Sea.
- UNCLOS জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সমুদ্র বিষয়ক আইন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়।

Source: britannica.com, UN ওয়েবসাইট।
৭,৭৫৫.
'Rand' is the currency of:
  1. Bolivia
  2. South Africa
  3. Ghana
  4. Peru
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- আইনসভার নাম পার্লামেন্ট,
• উচ্চকক্ষ National Council.
• নিম্নকক্ষ National Assembly.
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী ৩টি,
• নির্বাহী রাজধানী প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী ব্লুমফন্টেইন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয় / প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দক্ষিণ আফ্রিকা মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,৭৫৬.
দক্ষিণ আফ্রিকার আইনসভা কত কক্ষ বিশিষ্ট?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
• আফ্রিকা মহাদেশের সর্ব দক্ষিণাঞ্চলের দেশ হলো - দক্ষিণ আফ্রিকা।
• দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম - Republic of South Africa
• দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী: (৩টি)
           - নির্বাহী রাজধানী - প্রিটোরিয়া,
           - বিচার বিভাগীয় রাজধানী - ব্লুমফন্টেইন ও
           - সংসদীয় রাজধানী - কেপ টাউন
• অফিসিয়াল ভাষা - ১১টি (সরকারি ওয়েবসাইট),  ১২টি (ব্রিটানিকা)
• দক্ষিণ আফ্রিকা মুদ্রার নাম - র‍্যান্ড (Rand)
• সংসদের নাম - পার্লামেন্ট (২ কক্ষ বিশিষ্ট); উচ্চকক্ষ - National Council ও নিম্নকক্ষ - National Assembly

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,৭৫৭.
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন গিরিখাত যুক্তরাষ্ট্রের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া
  2. লুইসিয়ানা
  3. অ্যারিজোনা
  4. ডেলাওয়্যার
ব্যাখ্যা
গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন:
- বিখ্যাত গিরিখাত গ্রান্ড ক্যানিয়ন উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন গিরিখাত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা রাজ্যে অবস্থিত।
- এই গিরিখাতের মধ্য দিয়ে কলোরাডো নদী বয়ে গেছে।
- এটি এর চমৎকার আকার এবং রঙের জন্য বিখ্যাত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন মূলত অনুভূমিক স্তরযুক্ত শিলা এবং লাভা প্রবাহ নিয়ে গঠিত।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়নে অনেক উপনদীর পাশের গিরিখাত এবং পার্শ্ববর্তী মালভূমিও রয়েছে।

উৎস: Britannica.
৭,৭৫৮.
চীন প্রথম পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটায় কত সালে?
  1. ক) ১৯৬৪
  2. খ) ১৯৬৫
  3. গ) ১৯৬৬
  4. ঘ) ১৯৬৭
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৪ সালের ১৬ই অক্টোবর চীন প্রথম পারমাণবিক বোমার সফল বিস্ফোরন ঘটায়। সেই দিন বিকেল তিনটায় এই পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো হয় পশ্চিম চীনের মরুভূমিতে।
- চীনে প্রথম হাইড্রোজেন বোমা পরীক্ষা কার্যকর করা হয় ১৯৬৭ সালে।
- চীন পঞ্চম পারমাণবিক অস্ত্রধারী রাষ্ট্র। 

উৎস:- CTBTO Official Website. 
৭,৭৫৯.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ম্যাগসেসে পুরস্কার পান কে?
  1. করভী রাখসান্দ
  2. তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ
  3. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  4. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ। তিনি ম্যাগসাইসাই পান ১৯৭৮ সালে। তিনি প্রধানত নারী সমবায় সমিতি গঠন ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে কাজ করেন।

বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন। এ তালিকায় রয়েছেন:
- তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ (১৯৭৮)।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ (১৯৮০)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস (১৯৮৪)।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (১৯৮৫)।
- রিচার্ড উইলিয়াম টিম (১৯৮৭)।
- মোহাম্মদ ইয়াসিন (১৯৮৮)।
- অ্যাঞ্জেলা গোমেজ এ পুরস্কার পান ১৯৯৯ সালে। 
- অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ২০০৪ সালে।
- মতিউর রহমান ২০০৫ সালে
- এম নোমান খান ২০১০ সালে।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে।
- বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২১ সালে।
- জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভী রাখসান্দ র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন ২০২৩ সালে।

উৎস: র‌্যামন ম্যাগসেসে ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
৭,৭৬০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির পক্ষ অবলম্বন করেনি কোন দেশ?
  1.  জার্মানি
  2. ইতালি
  3. স্পেন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্ব‍যুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্ব‍যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। 
- অক্ষশক্তি ও মিত্রশক্তির মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

• অক্ষশক্তির দেশসমূহ হলো:
- জাপান
- জার্মানি ও
- ইতালি।

• মিত্রশক্তির দেশসমূহ হলো:
- যুক্তরাজ্য
- ফ্রান্স
- যুক্তরাষ্ট্র
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া)
- চীন
- পোল্যান্ড প্রভৃতি।

উল্লেখ্য, 
- স্পেন
- পর্তুগাল, 
- সুইজারল্যান্ড, 
- ভ্যাটিকান সিটি, 
- আয়ারল্যান্ড, 
- সুইডেন, 
- তুরস্ক প্রভৃতি দেশ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষ বা মিত্র শক্তির পক্ষাবলম্বন না করে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিকট জাপানের আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম।

৭,৭৬১.
ব্রিটিশ সংসদের উচ্চ কক্ষের নাম কী?
  1. হাউজ অব কমন্স
  2. সিনেট
  3. পার্লামেন্ট হাউস
  4. হাউজ অব লর্ডস
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ আইন সভা:
- আইন সভার নাম পার্লামেন্ট।
- দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট: উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ।
- উচ্চ কক্ষের নাম হাউজ অব লর্ডস।
- ব্রিটিশ আইন সভার নিম্ন কক্ষের নাম হাউজ অব কমন্স।

অন্যদিকে –
- সিনেট যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ কক্ষের নাম।
- হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ যুক্তরাষ্ট্রের নিম্ন কক্ষের নাম।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৬২.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) গ্রিস
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা
হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত।
উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ সম্ভব হয়। গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফি)
৭,৭৬৩.
জাতিসংঘের ভেটো ক্ষমতাসম্পন্ন কতটি দেশের মধ্যে শতবর্ষ যুদ্ধ হয়েছিল?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
• জাতিসংঘ:
- জাতিসংঘের ছয়টি মূল অঙ্গসংস্থার মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদ অন্যতম।
- বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্ব এই পরিষদের উপর ন্যস্ত।
- এটিকে জাতিসংঘের সবচেয়ে প্রভাবশালী অঙ্গসংস্থা বিবেচনা করা হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে পাঁচটি হলো স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য।

• পাঁচটি স্থায়ী সদস্য হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স। এর মধ্যে একমাত্র এশীয় দেশ হচ্ছে চীন।
- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ হয়েছিল।
- এখানে ইংল্যান্ড যুক্তরাজ্যের অন্তর্গত একটি দেশ তাই যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে উত্তর নেওয়া হয়েছে
- পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে।
- ভেটো অর্থ আমি ইহা মানি না।
- ভেটো ক্ষমতার জন্যে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই পাঁচটি দেশের প্রত্যেকটির সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য ও চারটি অস্থায়ী সদস্যসহ কমপক্ষে ৯টি সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন হয়।

উৎস: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৭,৭৬৪.
ইউরোপীয় রেনেসাঁস বলতে কোনটিকে নির্দেশ করা হয়?
  1. ক) রাজতন্ত্র ও সামন্তবাদের পতন
  2. খ) মধ্যবিত্ত ও বুর্জোয়া শ্রেণীর উদ্ভব
  3. গ) শিল্প বিপ্লব
  4. ঘ) গ্রিক ও রোমান জ্ঞানবিজ্ঞানের পুনর্জন্ম
ব্যাখ্যা
- রেনেসাঁস মানে হলো নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান জ্ঞানবিজ্ঞান কে জানার গভীর আগ্রহ ও উৎসাহ সৃষ্টিই ‘রেনেসাঁস’ নামে পরিচিত।
- পঞ্চদশ শতকে অটোমানদের নিকট বাইজান্টিয়াম সাম্রাজ্যের পতন রেনেসাঁসকে তরান্বিত করে।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহর থেকে রেনেসাঁসের প্রথম সূত্রপাত ঘটে এবং পরবর্তীতে তা ইউরোপের অন্যান্য দেশে ছড়িযে পড়ে।
- রেনেসাঁসের ফলে ইউরোপের ধর্মকেন্দ্রিক যাজকতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার পতন ঘটে এবং মানবতাবাদ, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ, শিক্ষা প্রভৃতি গুরুত্ব লাভ করে।
- রেনেসাঁসকে ইউরোপের মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মধ্যে সীমারেখা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭,৭৬৫.
কোন শহরকে 'পবিত্র ভূমি' বলা হয়?
  1. রিয়াদ
  2. বাগদাদ
  3. জেরুজালেম
  4. দামাস্কাস
ব্যাখ্যা
জেরুজালেমকে পবিত্র ভূমি বলা হয়।

জেরুজালেম:
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন উভয়ই জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে।
- ফলে জেরুজালেম এখন দুই রাষ্ট্র তথা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
- জেরুজালেমকে নিয়ে স্বন্দের কেন্দ্রবিন্দু টেম্পল মাউন্ট।
- এখানেই আছে তিন ধর্মের পবিত্র স্থাপনা, যেমন: ওয়েস্টার্ন ওয়াল, চার্চ অব দি হলি সেপালচার, দি ডোম অব দি রক, আল আকসা মসজিদ।

⇒ মুসলিমদের জন্য:
- জেরুজালেম বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর স্মৃতি বিজড়িত স্থান ছিল। মহানবী (স) মিরাজের রাতে মসজিদুল হারাম থেকে আল আকসা মসজিদে এসেছিলেন এবং এখান থেকে তিনি মিরাজে গমন করেন। এজন্য মুসলমানদের নিকট জেরুজালেম এত পবিত্র। জেরুজালেমে মুসলমানদের পবিত্র আল আকসা মসজিদ অবস্থিত যা মুসলমানদের স্মৃতি বিজড়িত স্থান। মসজিদুল আকসা (আল আকসা মসজিদ) বা বাইতুল মুকাদ্দাস ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। এই মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের প্রথম কিবলা ছিল।

⇒ ইহুদিদের জন্য:
- Western wall জেরুজালেমে অবস্থিত। জেরুজালেমের পুরাতন শহরে, ইহুদি জনগণের কাছে এটি প্রার্থনা এবং তীর্থযাত্রার স্থান। ইহুদিদের বেলায় এই আল-আকসা মসজিদের কম্পাউন্ড টেম্পল মাউন্ট নাম পরিচিত। টেম্পল মাউন্টকে ঘিরে থাকা ‘ওয়েস্টার্ন ওয়াল’ ইহুদিদের কাছে ‘পৃথিবীর ভিত্তিপ্রস্তর’ হিসেবে স্বীকৃত ও পবিত্র স্থান। চুনাপাথর দিয়ে বানানো প্রাচীন এই দেয়ালটি 'প্লেস অফ উইপিং' বা 'কান্নার জায়গা' নামেও পরিচিত।

⇒ খ্রিস্টানদের জন্য:
- যীশু খ্রিস্টের জন্মস্থান বেথলেহেম জেরুজালেম শহরে। এই ছোট শহরেই যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়। যীশুর সমাধিস্থানও এখানেই।

উৎস: Britannica.
৭,৭৬৬.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. ফ্রেডেরিখ অ্যাবেট
  3. রিচার্ড নিক্সন
  4. উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
• উড্রো উইলসন:
- যুক্তরাষ্ট্রের ২৮ তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি ১৪ দফা বিশিষ্ট বক্তব্য প্রদান করেন।
- তাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান।
- এই প্রস্তাবনার ১৪ নং পয়েন্টে জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৯১৪-১৯১৮ সাল।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালীন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান:
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী: জর্জ লয়েড।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট: উড্রো উইলসন।
- রাশিয়ার জার: দ্বিতীয় নিকোলাস।
- জাপানের সম্রাট: যুসোহিতো।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৭,৭৬৭.
উই রিভার চুক্তিকে বলা হয় -
  1. ক) ভূমির বিনিময়ে চুক্তি
  2. খ) বন্দি বিনিময় চুক্তি
  3. গ) নদীর সীমানা চিহ্নিত চুক্তি
  4. ঘ) যুদ্ধ বিরতি চুক্তি
ব্যাখ্যা
• উই রিভার চুক্তি, ১৯৯৮:
- উই রিভার চুক্তিকে বলা হচ্ছে ভূমির বিনিময়ে চুক্তি
- ১৯৯৮ সালে দীর্ঘ ১৯ মাসের অচলাবস্থার অবসান করে ওয়াশিংটনের অদূরে একটি স্থানে ওই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও জর্দানের প্রয়াত বাদশা হোসেনও ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।

• চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হচ্ছে—
(১) ইসরাইল অধিকৃত আরব এলাকা পশ্চিম তীরের ১৩ শতাংশ এলাকা ফিলিস্তিনিদের হাতে অর্পণ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মাঝে ৩ শতাংশ এলাকা ‘সবুজ বেষ্টনী' অথবা সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করবে। ওই সবুজ বেষ্টনীতে বসবাসকারী ইসরাইলিদের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনের বিষয়টি ইসরাইল কর্তৃপক্ষের হাতে ন্যস্ত থাকবে;
(২) সন্ত্রাস দমনের ব্যপারে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে এবং নিজ নিজ বিচারব্যবস্থা অনুযায়ী সন্ত্রাসীদের বিচার করা হবে এবং ইহুদি ও ফিলিস্তিনিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি দুই সপ্তাহ অন্তর সন্ত্রাস দমনে গৃহীত পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করবে;
(৩) ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সকল প্রকার সহিংসতা ও সন্ত্রাসী তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একটি ডিগ্রি জারি করবে;
(৪) 'নিরাপত্তা সহযোগিতা' প্রশ্নে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক বিনিময়সহ অব্যাহতভাবে উভয়পক্ষ ব্যাপক দ্বি-পাক্ষিক কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৭,৭৬৮.
জৈন ধর্মের  প্রথম তীর্থঙ্করের নাম কী?
  1. ঋষভনাথ
  2. মহাবীর
  3. চন্দ্রনাথ
  4. কার্তিক
ব্যাখ্যা
জৈন ধর্ম:
- জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
-  প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর (২৪তম)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৬ষ্ঠ শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৬৯.
ক্রিস্টোফার কলম্বাস কত সালে আমেরিকা আবিষ্কার করেন?
  1. ১৪৫২ সালে
  2. ১৪৬৮ সালে
  3. ১৪৮৫ সালে
  4. ১৪৯২ সালে
ব্যাখ্যা

ক্রিস্টোফার কলম্বাস:
- তিনি ছিলেন ইতালীয় নাবিক এবং স্পেনের নৌআভিযাত্রী। 
- আনুমানিক ১৪৫১ সালের ৩১শে অক্টোবর, ইতালির জেনোয়াতে জন্মগ্রহণ করেন।
-অন্বেষণকারী ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেন থেকে আটলান্টিক মহাসাগর জুড়ে চারটি ভ্রমণ করেছিলেন।
- তিনি ইউরোপ থেকে এশিয়ার পশ্চিমে সরাসরি জলপথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন।
- তিনি এরপর আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন।
- ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেন ১৪৯২ সালে।
- যদিও তিনি তথাকথিত নিউ ওয়ার্ল্ডকে ‘আবিষ্কার’ করেননি।
- লক্ষ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই সেখানে বাস করেছিল।
- তবে তার যাত্রা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার শতবর্ষের অনুসন্ধান এবং উপনিবেশের সূচনা করে।

উৎস: History Channel.

৭,৭৭০.
’Port of Rotterdam’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
Port of Rotterdam (রটারড্যাম বন্দর):
- অবস্থান: রটারড্যাম শহর, দক্ষিণ হল্যান্ড প্রদেশ, নেদারল্যান্ডস।
- প্রতিষ্ঠিত: আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৪০ সালে (ঐতিহাসিক শিকড় রোমান যুগ পর্যন্ত বিস্তৃত)
- ধরন: গভীর সমুদ্র বন্দর (Deep-sea port), কন্টেইনার ও বাল্ক পণ্য পরিবহণে উপযোগী।
- প্রায় ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ (সমুদ্র উপকূল থেকে শহর পর্যন্ত বিস্তৃত)।
- ইউরোপে পণ্য প্রবেশের অন্যতম প্রধান বন্দর, "Gateway to Europe" নামে পরিচিত।
- উত্তর সাগরের উপকূলে অবস্থিত,
- বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ।

• বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বন্দর: 
- Port of Antwerp: এন্টওয়ার্প, বেলজিয়াম
- Port of Hamburg: হামবুর্গ, জার্মানি।
- Port of Durban: ডারবান, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- Port of Santos: সান্তোস, ব্রাজিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৭৭১.
আর্জেন্টিনা কোন দেশের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. ক) ডেনমার্ক
  2. খ) পর্তুগাল
  3. গ) বেলজিয়াম
  4. ঘ) স্পেন
ব্যাখ্যা
In 1816, Argentina’s local upstarts proclaimed their immediate independence from the remnants of the Spanish Crown; royalists vigorously objected, and it took civil war to defeat them. At the end of that war, anarchy prevailed, and when General Juan Manuel de Rosas was elected governor of the Buenos Aires Province in 1829, some level of peaceful coexistence returned as he combined all of the regional factions and provinces into one - The Argentine Confederation.
Source: Worldatlas.com
৭,৭৭২.
আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে ছোট দেশ কোনটি?
  1. মাদাগাস্কার
  2. মরিশাস
  3. সিচেলিস
  4. গাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
আফ্রিকা মহাদেশ:
- আলজেরিয়া আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ।
- আফ্রিকার ক্ষুদ্রতম দেশ সিচেলিস।
- নাইজেরিয়া জনসংখ্যার দিক থেকে আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ।
- সিচেলিস জনসংখ্যার দিক থেকে আফ্রিকার ক্ষুদ্রতম দেশ।
- আফ্রিকার সর্বোচ্চ বিন্দু তানজানিয়ার মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো।
- আফ্রিকার সর্বনিম্ন বিন্দু জিবুতির লেক আসাল।

উৎস: World Atlas.
৭,৭৭৩.
‘হায়ারোগ্লিফিক’ নামক লিখন পদ্ধতি কাদের আবিষ্কার ছিলো?
  1. ক) চীনাদের
  2. খ) আরবীয়দের
  3. গ) ফিনিশীয়দের
  4. ঘ) মিশরীয়দের
ব্যাখ্যা
‘হায়ারোগ্লিফিক’ নামক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করে মিশরীয়রা।

• মিশরীয় সভ্যতা:

- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার। নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের মন্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে। পরে এই কাগজের উপর তারা লিখতে শুরু করে।
- গ্রীকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’। যে শব্দ থেকে ইংরেজি ‘পেপার’ শব্দের উৎপত্তি।

এখানে উল্লেখ্য
- নেপোলিয়ান বোনাপার্টের মিশর জয়ের সময় একটি পাথর আবিষ্কৃত হয়, যা রসেটা স্টোন নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৭৭৪.
প্রাচীন মিশরের টলেমী রাজবংশের বিখ্যাত রানী কে ছিলেন?
  1. থুতমোস
  2. ইমেলদা
  3. ক্লিওপেট্রা
  4. আমেনহোটেপ
ব্যাখ্যা
প্রাচীন মিশরের টলেমী রাজবংশ:
- প্রাচীন মিশরের টলেমী রাজবংশের সবচেয়ে বিখ্যাত রানী ছিলেন ক্লিওপেট্রা VII।

⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৫২৫ অব্দে পারস্য রাজশক্তি মিশর অধিকার করলে মিশরীয় সভ্যতার অবসান ঘটে।
- অতঃপর ৩৩২ খ্রিঃপূর্বাব্দে গ্রীক সম্রাট আলেকজান্ডার মিশর অধিকার করেন।
- তার পর থেকে মিশরে "টলেমী রাজবংশ” প্রতিষ্ঠিত হয়।
- টলেমী রাজবংশ দীর্ঘদিন মিশর শাসন করে।
- এই বংশেরই রাণী ছিলেন বহু আলোচিত ও জগত খ্যাত রানী ক্লিওপেট্টা।
- ক্লেওপেট্রার সময় মিশর বারবার রোমানদের দ্বারা আক্রান্ত হয়। কালক্রমে রোমানরা মিশরে রোমান শাসন বিস্তার করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৭৫.
লোহার আবিষ্কার ও ব্যবহার প্রথম শুরু করে কারা?
  1. হিট্টাইটরা
  2. গ্রিকরা
  3. ব্যাবিলনীয়রা
  4. সিন্ধুরা
ব্যাখ্যা

লৌহযুগ:
- লোহার আবিষ্কার ও ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ব্রোঞ্জযুগের একচেটিয়া অধিকার ও কর্তৃত্ব হ্রাস পেয়েছিল।
- ব্রোঞ্জ ছিল দুষ্প্রাপ্য ও মূল্যবান ধাতু।
- এর ব্যবহার মূলত অভিজাত শ্রেণির হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল।
- সহজলভ্য ও দামে সস্তা হওয়ায় লোহার ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।
- সাধারণ মানুষও তাদের দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে লৌহ নির্মিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে শুরু করে।
- এভাবেই লৌহযুগ নামে নতুন এক সভ্যতার বিকাশ লাভ ঘটে।

⇒ এশিয়া মাইনরে হিট্টাইটরা (Hittites) প্রথম লোহার আবিষ্কার ও এর ব্যবহার শুরু করে।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে মধ্যপ্রাচ্যে লোহার ব্যবহার শুরু হয়।
- লৌহযুগে বর্ণমালাভিত্তিক লিখন পদ্ধতির প্রচলন শুরু হয়।
- ব্যবসাবাণিজ্য ও মুদ্রা-অর্থনীতি ব্যাপকতা লাভ করে।
- জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে শুরু হওয়ার ফলে যাতায়াতব্যবস্থা সহজ হয়।
- এর ফলে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের মানুষের মধ্যে আর্থ- সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লেনদেন ও ভাবের আদান-প্রদান বৃদ্ধি পায়।
- গৃহনির্মাণ, বিভিন্ন ধরনের গৃহসামগ্রী, আসবাবপত্র, রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কুঠার, লাঙলের ফলা, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে লোহার ব্যবহারের মাধ্যমে সভ্যতার দ্রুত উত্থান ঘটে।
- উৎপাদন ব্যবস্থায় যন্ত্রশক্তির প্রয়োগ আরও সহজ হয়।
- ফলে শিল্পবিপ্লব ত্বরান্বিত হয়।
- লৌহযুগে শিল্প, বাণিজ্য, নগরায়ন প্রভৃতিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক সামাজিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে।
- লৌহযুগে গ্রিসে এক উন্নত গণতান্ত্রিক নগরসভ্যতার বিকাশ ঘটে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৭৭৬.
আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কা কোন দেশের প্রেসিডেন্ট?
  1. ক) আর্মেনিয়া
  2. খ) বেলারুশ
  3. গ) সাইপ্রাস
  4. ঘ) আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
আলেক্সান্ডার লুকাশেঙ্কো বেলারুশের ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট। ১৯৯৪ সাল থেকে তিনি দেশটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি ইউরোপের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট।
সম্প্রতি বেলারুশে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে লুকাশেঙ্কোর বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। লুকাশেঙ্কো রাশিয়ার সমর্থনপুষ্ট।
(সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
৭,৭৭৭.
সেভেন সিস্টার্সের কোন রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই?
  1. নাগাল্যান্ড
  2. ত্রিপুরা
  3. মিজোরাম
  4. মেঘালয়
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:

- সেভেন সিস্টার্সের নাগাল্যান্ড রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৭,৭৭৮.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদানের কারণে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কত সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন?
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯২০ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা
ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া:
- কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া বলে।

⇒ বিজ্ঞানী আইনস্টাইন:
- ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।
- এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ভর শক্তি সম্পর্ক E = mc2 স্থাপন করেন তিনি।

⇒ আলোর কোয়ান্টা বা ফোটনের ধারণার ওপর ভিত্তি করে আইনস্টাইন দেখান যে কোনো বস্তুর ওপর আলো প্রতিফলিত হওয়ার পর সে বস্তু থেকে কিছু ইলেকট্রন নির্গত নয়।
- অবশ্য এ ইলেকট্রন বেরিয়ে আসার জন্য কমপক্ষে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তির দরকার হয়।
- আলো যেহেতু বিদ্যুৎ–চুম্বকীয় তরঙ্গ, বস্তুর ওপর আলোকপাতের ফলে বস্তু থেকে ইলেকট্রন নির্গত হওয়ার ঘটনাকে বলা যায় একধরনের বিদ্যুৎ–চুম্বকীয় বিকিরণ।
- এই বিশেষ ধরনের বিকিরণের নাম ফটোইলেকট্রিক ইফেক্ট। 

⇒ পদার্থ থেকে ইলেকট্রন বের করতে আনতে হলে এই আকর্ষণ বলের চেয়ে বেশি বল প্রয়োগ করতে হবে।
- আইনস্টাইন হিসাব করে দেখান যে এই শক্তির পরিমাণ আলোর কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক।
- আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে বলা যায়, শক্তি = প্ল্যাঙ্কের ধ্রুবক x কম্পাঙ্ক।
- এই আবিষ্কারের জন্য আইনস্টাইনকে ১৯২১ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- অবশ্য এই পুরস্কার ঘোষিত হয়েছিল ১৯২২ সালে।

⇒ ১৯০৫ সালে প্রকাশিত আইনস্টাইনের প্রথম গবেষণাপত্রটি ছিল: On a Heuristic Point of View Concerning the Production and Transformation of Light. Annalen der Physik, সংখ্যা ১৭ (১৯০৫), পৃষ্ঠা ১৩২-১৪৮।
- এ প্রবন্ধে আইনস্টাইন আলোর কণা ফোটনের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন।
- আলো তরঙ্গের আকারে যেমন থাকতে পারে, তেমনি থাকতে পারে গুচ্ছ গুচ্ছ কণার শক্তির আকারে। 

উৎস: i) Britannica.
ii) উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৭৭৯.
ওয়াটারলু যুদ্ধে পরাজয়ের পর নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে কোন দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল?
  1. সেন্ট হেলেনা
  2. সেন্ট এলবা
  3. কর্সিকা দ্বীপ
  4. মাদাগাস্কার
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- ওয়াটারলু যুদ্ধ ১৮১৫ সালে বেলজিয়ামের ওয়াটারলুতে সংঘটিত হয়,
- এতে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ব্রিটিশ সেনাপতি আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন) ও প্রুশিয়ান জেনারেল ব্লুচারের সম্মিলিত বাহিনীর কাছে পরাজিত হন।
- এই যুদ্ধ নেপোলিয়নের সামরিক জীবনের চূড়ান্ত পরিণতি ছিল।
- পরাজয়ের পর তাঁকে আটলান্টিক মহাসাগরের প্রত্যন্ত সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়, সেখানে তিনি বাকিজীবন কাটান।
- সেন্ট হেলেনা দ্বীপেই ১৮২১ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 
 
 সূত্র: হিস্টোরি ডট. কম ও ব্রিটানিকা।
৭,৭৮০.
চীনের মহাপ্রাচীরের নির্মাণ প্রধানত কোন রাজবংশের সময় শুরু হয়েছিল?
  1. মিং রাজবংশ
  2. হান রাজবংশ
  3. কিন রাজবংশ
  4. ট্যাং রাজবংশ
ব্যাখ্যা
চীনের মহাপ্রাচীর:
- চীনের মহাপ্রাচীর পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যগুলোর মধ্যে একটি।
- এটি চীনের উত্তর সীমান্তের সাথে দীর্ঘ একটি প্রাচীর যা প্রাচীন চীনকে বিদেশি আক্রমণ থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল।
- এটি পাথর ও ইট দিয়ে তৈরি দীর্ঘ নিরাপত্তাবেষ্টনী।
- চীনের মহাপ্রাচীরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল কিন (Qin) রাজবংশের সময়ে, চীনের প্রথম সম্রাট কিন শি হুয়াং নির্মাণ করেছিলেন।
- এর নির্মাণ প্রকল্পটি পরবর্তী বিভিন্ন রাজবংশ, বিশেষত হান (Han), তাং (Tang) এবং মিং (Ming) রাজবংশে আরও সম্প্রসারিত হয়েছিল।
- এটি ১৯৮৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান প্রাচীরটি মিং রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত হয়।
- এই প্রাচীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮৮৫০ কিলোমিটার।
- উচ্চতা ৫ - ৮ মিটার।
- প্রাচীরটি চওড়ায় প্রায় ৯.৭৫ মিটার।
- প্রশস্ত প্রাচীরের ওপর চলাচলের জন্য রাস্তা করা আছে।
- চীনের মহাপ্রাচীর মানুষের হাতে তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com [link]
৭,৭৮১.
'Dollar Diplomacy' কোন দেশের কূটনৈতিক কৌশল? 
  1. চীন
  2. স্পেন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ডলার ডিপ্লোমেসি:
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কৌশল। 
- কোন দেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে আধিপত্য দিয়ে অন্য দেশের উপর প্রভাব বিস্তার এবং নিজ উদ্দেশ্য হাসিলের অন্যতম কূটনৈতিক পদ্ধতি 'ডলার ডিপ্লোমেসি'।
- এই নীতিমালাটির প্রথম ব্যবহারিক প্রচলন করেন ২৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম টাফট এবং তার প্রশাসন।
- পরবর্তীতে ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন আগ্রাসী এই নীতি থেকে সরে আসেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য - হাওয়াই।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি - জর্জ ওয়াশিংটন।

সূত্র - Britannica.com
৭,৭৮২.
এলিসি প্রাসাদ কার বাসভবন?
  1. ক) ফরাসী প্রেসিডেন্ট
  2. খ) স্পেনের রানীর
  3. গ) ভারতের রাষ্ট্রপতির
  4. ঘ) বৃটেনের রানীর
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হলেন রাষ্ট্রপ্রধান। প্রেসিডেন্টের মেয়াদকাল পাঁচ বছর। প্যারিসে অবস্থিত প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের নাম এলিসি প্রাসাদ। সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
৭,৭৮৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম 'নাইট' পদকে সম্মানিত হন -
  1. ক) ডা. জাফরুল্লাহ
  2. খ) ড. মোহাম্মদ ইউনুস
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন৷
- তাঁর বাবার নাম মরহুম সিদ্দিক হাসান এবং মায়ের নাম - মরহুমা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন।
- সিদ্দিক হাসান ছিলেন হবিগঞ্জের সাবরেজিস্ট্রার।
- ফজলে হাসান আবেদ ব্রাক এর প্রতিষ্ঠাতা।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট'।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নাগরিক হিসেবে এই সম্মানে সম্মানিত হন বেসরকারী সংগঠন ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ফজলে হাসান আবেদ
- ব্রাক বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।

উৎস: ব্রাক এর ওয়েবসাইট।
৭,৭৮৪.
বিশ্বের প্রথম কার্বন-নেগেটিভ দেশ কোনটি?
  1. অস্ট্রিয়া
  2. জার্মানি
  3. চীন
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

কার্বন-নেগেটিভ দেশ:
- ভুটান বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম উন্নত জলবায়ুর দেশ।
- ভুটান বিশ্বের প্রথম কার্বন-নেগেটিভ দেশ।
- দেশটির ৭২ শতাংশ ভূখণ্ড বনভূমিতে পরিপূর্ণ, যা কার্বন নিঃসরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- দেশটির সংবিধানের একটি সম্পূর্ণ অনুচ্ছেদ পরিবেশ রক্ষার জন্য উৎসর্গ করা হয়েছে, যেখানে দেশের অন্তত ৬০ শতাংশ এলাকা সবসময় বনাচ্ছাদিত রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- দেশটির বন এবং নির্দিষ্ট কিছু জলাশয়ে মানুষের প্রবেশ নিষেধ। এমনকি পর্বতারোহণও সেখানে নিষিদ্ধ

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার রিপোর্ট।

৭,৭৮৫.
মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশ কোনটি?
  1. পাপুয়া নিউগিনি
  2. টোঙ্গা
  3. নাউরু
  4. ভানুয়াতু
  5. ফিজি
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মারিয়ানা।

• মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়াত

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৭,৭৮৬.
কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কত দিন যাবৎ স্থায়ী হয়েছিল? 
  1. ৭ দিন
  2. ১৩ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ২১ দিন
ব্যাখ্যা

• কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট:
- কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট (Cuban Missile Crisis) অক্টোবর ১৯৬২ সালে ঘটে।
- এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন কিউবায় পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপন শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে তীব্র মুখোমুখি অবস্থা সৃষ্টি হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জন এফ. কেনেডি এবং সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নিকিতা ক্রুশ্চেভ।
- ১৬ থেকে ২৮ অক্টোবর ১৩ দিন ধরে চলা এই সংকট শীতল যুদ্ধের সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তগুলোর একটি ছিল, যা বিশ্বকে পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল।
- শেষ পর্যন্ত কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকটের সমাধান হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৭,৭৮৭.
নিচের কোনটি একটি ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র?
  1. ইংল্যান্ড
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
♦ ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র:
- একটি স্বাধীন দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে যদি অন্য কোন স্বাধীন দেশ অবস্থান করে তবে তাকে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র বলে।
- পৃথিবীতে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র ২টি।
- এগুলো হলো ইতালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
- স্যানমেরিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র ইতালির অধিভুক্ত।

উৎস: Britannica.
৭,৭৮৮.
মিশরীয় সভ্যতার চূড়ান্ত পতন ঘটেছিল কাদের হাতে?
  1. লিবিয়দের
  2. পারসিদের
  3. রোমানদের
  4. ইংলিশদের
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতার পতন:
- প্রাচীন মিশরের বিশতম রাজবংশের শেষসম্রাট ছিলেন একাদশ রামসেস।
- এ সময় মিশরে গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়।
- ১০৮০ খ্রিঃপূর্বাব্দে থিবস শহরের প্রধান পুরোহিত বা ধর্মযাজক সিংহাসন দখল করেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫২৫ অব্দে পারস্য রাজশক্তি মিশর অধিকার করলে মিশরীয় সভ্যতার অবসান ঘটে।
-  অতঃপর ৩৩২ খ্রিঃপূর্বাব্দে গ্রীক সম্রাট আলেকজান্ডার মিশর অধিকার করেন।
- তার পর থেকে মিশরে "টলেমী রাজবংশ" প্রতিষ্ঠিত হয়। টলেমী রাজবংশ দীর্ঘদিন মিশর শাসন করে।
- এই বংশেরই রাণী ছিলেন বহু আলোচিত ও জগত খ্যাত রানী ক্লিওপেট্টা।
- ক্লেওপেট্রার সময় মিশর বারবার রোমানদের দ্বারা আক্রান্ত হয়।
- কালক্রমে রোমানরা মিশরে রোমান শাসন বিস্তার করে।

⇒ মিশরীয় সভ্যতা:
- ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে পারসিকরা সমগ্র মেসোপটেমিয়া অঞ্চলসহ, ক্যালডীয় সাম্রাজ্য অধিকার করে সভ্যতার সূচনা করে।
- পরবর্তীতে ইউরোপ এবং ভারতবর্ষ পর্যন্ত পারস্য সভ্যতার প্রভাব বিস্তার ঘটে।
- ফলে পারসিকরা যেমন অন্য দেশ ও সভ্যতা থেকে শিক্ষা সংস্কৃতি গ্রহণ করে, তেমনি পারস্যের অনেক কিছুই অন্যান্য দেশের শিক্ষা সংস্কৃতিতে বিস্তার ঘটে।
- পরবর্তী সভ্যতা ও ধর্মতত্ত্বের ওপর পারস্য প্রভাব অত্যধিক।
- বিশেষ করে ভারতবর্সের মৌর্য ও গুপ্ত শাসনামলে পারসিক স্থাপত্য কলা অনুসরণ করা হয়েছে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৮৯.
‘হর্ন অব আফ্রিকা’ বলতে আফ্রিকার কোন অঞ্চলকে বোঝায়?
  1. উত্তর-পূর্ব আফ্রিকা
  2. পশ্চিম আফ্রিকা
  3. উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকা
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

Horns of Africa:
- ‘হর্ন অব আফ্রিকা’ বা আফ্রিকার শিং হলো আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব দিকে, আরব সাগরের দিকে প্রসারিত একটি উপদ্বীপ এবং ভূ-রাজনৈতিক অঞ্চল।
- আরব সাগরের দিকে প্রসারিত শিং-এর মতো আকৃতির কারণে এই অঞ্চলকে "আফ্রিকার শিং" বলা হয়। 
- হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলো হলো: ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, জিবুতি এবং সোমালিয়া।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.

৭,৭৯০.
রুশ বিপ্লব কোন রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে?
  1. পুঁজিবাদ
  2. রাজতন্ত্র
  3. সমাজতন্ত্র
  4. সামন্তবাদ
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে "১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব" (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।

• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়

• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৭৯১.
নিচের কোনটি ককেশাস অঞ্চলের দেশ নয়?
  1. জর্জিয়া
  2. ইয়েমেন
  3. আজারবাইজান
  4. আর্মেনিয়া
ব্যাখ্যা

ককেশাস অঞ্চল:
- ককেশাস বা ককেসিয়া ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত একটি অঞ্চল।
- মূলত কৃষ্ণ সাগর এবং কাস্পিয়ান সাগরের মাঝে এর অবস্থান।
- ককেশাস অঞ্চলের দেশগুলো: রাশিয়া, জর্জিয়া, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া।

উৎস: Britannica.

৭,৭৯২.
'সংবাদপত্রের স্বাধীনতা' কোন ধরনের অধিকার?
  1. ক) অর্থনৈতিক
  2. খ) সামাজিক
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক
ব্যাখ্যা

• যে সকল অধিকার নাগরিকের সভ্য জীবনযাপনের জন্য অপরিহার্য তাকেই সামাজিক অধিকার বলে।
• সভ্য জীবনযাপনের জন্য সামাজিক অধিকার অপরিহার্য।
• কেননা সামাজিক অধিকার সমাজজীবনকে বিকশিত করে। সামাজিক অধিকারসমূহ হলোঃ
১. জীবনের অধিকার
২. ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার
৩. চিন্তা ও মতপ্রকাশের অধিকার
৪. সভা-সমিতির অধিকার
৫. চলাফেরার অধিকার
৬. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
৭. চুক্তি সম্পাদনের অধিকার
৮. আইনের চোখে সমানাধিকার
৯. সম্পত্তির অধিকার
১০. ধর্মের অধিকার
১১. পরিবার গঠনের অধিকার
১২. খ্যাতি বা সম্মান লাভের অধিকার
১৩. শিক্ষার অধিকার
১৪. নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভাষার অধিকার ও
১৫. অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার লাভের অধিকার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৭,৭৯৩.
মোহাম্মদ সোহরাব হোসাইন সরকারি কর্ম কমিশনের কততম চেয়ারম্যান?
  1. ক) ১১ তম
  2. খ) ১২ তম
  3. গ) ১৩ তম
  4. ঘ) ১৪ তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোহাম্মদ সোহরাব হোসাইন। এর মধ্যে দিয়ে তিনি কমিশনের ১৪তম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন। তিনি ১৩ তম চেয়ারম্যান ড. সাদিকের স্থলাভিষিক্ত হন।
উৎসঃ পিএসসির ওয়েবসাইট।
৭,৭৯৪.
কোন ক্ষেত্রে মিশরীয়রা 'মেটেরিয়া মেডিকা' দিয়ে অগ্রগতি সাধন করে?
  1. জ্যোতির্বিজ্ঞান
  2. দর্শন
  3. চিকিৎসাবিজ্ঞান
  4. ভূগোল
ব্যাখ্যা
- চিকিৎসাবিজ্ঞানে তাদের উন্নতির প্রমাণ হলো মেটেরিয়া মেডিকা গ্রন্থ।

মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৫২৫ অব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং এটি নীলনদের অববাহিকায় গড়ে ওঠা এক প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সভ্যতা। খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দে নারমার বা মেনেস উচ্চ ও নিম্ন মিশরকে একত্রিত করে প্রথম ফারাও হন এবং ঐক্যবদ্ধ মিশরের সূচনা করেন।

উল্লেখ্য,
- লিখনপদ্ধতি ও কাগজ আবিষ্কার ছিল মিশরীয় সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ দিক।
- তারা প্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা তৈরি করে।
- মিশরীয়রা শুরুতে চিত্রের মাধ্যমে ভাব প্রকাশ করত, যা ‘হায়ারোগ্লিফিক’ নামে পরিচিত।
- তারা ‘প্যাপিরাস’ নামে এক ধরনের কাগজ তৈরি করে তার উপর লেখা শুরু করে।
মেটেরিয়া মেডিকা:
- মিশরীয় সভ্যতায় ‘মেটেরিয়া মেডিকা’ হলো ঔষধের একটি তালিকা।
- এটি ছিল চিকিৎসাশাস্ত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ ও তাদের গুণাগুণের বর্ণনা সম্বলিত একটি গ্রন্থ।
- মিশরীয়রা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেও রোগ সারাতো এবং হাড় জোড়া লাগানো, হৃদপিণ্ডের গতি নির্ণয় করত।
- ‘মেটেরিয়া মেডিকা’ তাদের চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির প্রমাণ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৭৯৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. মার্কো রুবিও
  2. জে.ডি. ভ্যান্স
  3. স্কট ব্যাসেন্ট
  4. অ্যান্টনি ব্লিংকেন
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দায়িত্ব পালন করেন।

⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস ডেভিড ভ্যান্স (JD Vance)।

এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট।

উৎস: United States Mission to the United Nations (.gov).

৭,৭৯৬.
'মাঙ্কি পক্স' এর রোগী প্রথম শনাক্ত হয় কোন দেশে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) সেনেগাল
ব্যাখ্যা
- গত ৭ মে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত রোগীর হদিশ মেলে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে
- মাঙ্কি পক্স এক বিশেষ ধরনের বসন্ত।
- একাধিক বন্যপ্রাণীর মাধ্যমে ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। তবে এটি সবচেয়ে বেশি ছড়ায় ইঁদুরের মাধ্যমে।
- পাশাপাশি, আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি থাকলে সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের।
- শ্বাসনালি, ক্ষত স্থান, নাক, মুখ কিংবা চোখের মাধ্যমে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে সুস্থ ব্যক্তির দেহে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।
৭,৭৯৭.
যে বিপ্লবের মাধ্যমে আরব বসন্তের সূচনা হয় -
  1. রোজ বিপ্লব
  2. জেসমিন বিপ্লব
  3. অরেঞ্জ বিপ্লব
  4. ভেলভেট বিপ্লব
ব্যাখ্যা

আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়া আরব রাষ্ট্রগুলোর জনগণের বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ ও আন্দোলন সংগঠিত হয় বলে এটি আরব বসন্ত বা আর রবিউল আরাবি নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়ে ওটে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের বহু দেশেই দীর্ঘকাল ধরে শাসনকারী স্বৈরশাসকরা ক্ষমতা থেকে উৎখাত হন
- এতে মূলত সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনগুলোর প্রসার এবং আঞ্চলিক মিডিয়ার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ জেসমিন বিপ্লব:
- সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।

⇒ আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লবের মাধ্যমে।
- তিউনিসিয়া উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- ২০১০ এবং ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের ঢেউ শুরু হয়েছিল।
- এই বিক্ষোভ পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়।
- প্রথমে মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের পতন হয়।
- পরে লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি জমানার অবসান হয়।
- এক হিসাবে বলা হয় আরব বসন্তের ফলে মাত্র পৌনে দুই বছরে লিবিয়া, সিরিয়া, মিশর, তিউনিসিয়া, বাহরাইন ও ইয়েমেনের মোট ক্ষতি হয়েছে দুই হাজার ৫৬ কোটি ডলার।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

৭,৭৯৮.
অং সান সুচির রাজনৈতিক দলের নাম কী?
  1. National Democracy Alliance
  2. National Democracy League.
  3. Civic Democratic Party.
  4. National League for Democracy.
ব্যাখ্যা
অং সান সু চি 
- অং সান সু চি (১৯ জুন ১৯৪৫) একজন রাজনীতিক, কূটনীতিক, এবং লেখিকা।
- যিনি মিয়ানমারের প্রথম রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা এবং ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির নেত্রী।
- মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো তথা অনানুষ্ঠানিক প্রধান হিসেবেই তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত।
- এছাড়াও প্রথম নারী হিসেবে তিনি মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রী, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের মন্ত্রী, বিদ্যুৎশক্তি ও ক্ষমতা বিষয়ক মন্ত্রী, এবং শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে প্রেসিডেন্ট তিন চওয়ের কেবিনেটে কাজ করেন।
- ১৯৯১ সালে মিয়ানমারের অং সান সু চি নোবেল পুরস্কার পান। তবে পুরস্কার পাওয়ার সময় তিনি দেশটিতে গৃহবন্দি হিসেবে ছিলেন।

উৎস: বিবিসি।
৭,৭৯৯.
'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা -
  1. লিও টলস্টয়
  2. ডেভিড রিকার্ডো
  3. কার্ল মার্কস
  4. জেন অস্টিন
ব্যাখ্যা
'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা লিও টলস্টয়।

লিও টলস্টয়:
- লিও টলস্টয় ছিলেন একজন রাশিয়ান লেখক।
- একটি অভিজাত রাশিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণকারী, টলস্টয় আরও নৈতিক ও আধ্যাত্মিক কাজে স্থানান্তরিত হওয়ার আগে বাস্তববাদী কথাসাহিত্য এবং আধা-আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস লিখেছেন।

উল্লেখ্য,
- 'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা লিও টলস্টয়।
- স্ত্রী এবং ছেলেমেয়েদের সাথে ‘ইয়াসনায়া পলিয়ানাতে’ (Yasnaya Polyana) বসবাস করার সময়, টলস্টয় তাঁর প্রথম দুর্দান্ত উপন্যাস, War and Peace নিয়ে ১৮৬০ এর সেরা সময়টি ব্যয় করেছিলেন।
- উপন্যাসটির একটি অংশ প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৬৫ সালে, "দ্য ইয়ার 1805" শিরোনামের অধীনে।
- ১৮৬৮ এর মধ্যে, তিনি আরও তিনটি অংশ প্রকাশ করেছিলেন এবং তার এক বছর পরে, উপন্যাসটি সম্পূর্ণ হয়েছিল।
- War and Peace' -এ টলস্টয় যে বিশ্বাস বা ধারণাগুলো উৎসাহিত করেছেন, সেগুলোর মধ্যে একটি হল যে, কারও জীবনের উদ্দেশ্য এবং গুণগত মান মূলত তার প্রতিদিনের কাজকর্ম থেকে প্রাপ্ত।”

তার কিছু  বিখ্যাত কাজ:
- War and Peace (1869), Anna Karenina (1878), A Confession (1880), The Death of Ivan Ilyich (1886), Resurrection (1899)

উৎস: Britannica.
৭,৮০০.
মিশরীয় সভ্যতার 'শেয়াল দেবতা' কী নামে পরিচিত? 
  1. আনুবিস
  2. শেঠ
  3. হোরাস
  4. ওসিরিস
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল: খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- মিশরে প্রথম এই সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে।
- একটি ছিল উত্তর মিশর অপরটি দক্ষিণ মিশর।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য: লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- মিশরীয় সভ্যতার প্রথম দিকে তারা ছবি এঁকে মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- পিরামিড: মিশরীয় স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। গিজার গ্রেট পিরামিড পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের একটি।
- স্ফিংস: এটি ফারাও খাফরের শাসনকালে নির্মিত বিশাল মূর্তি।
- মিশরীয় সভ্যতায় বিভিন্ন দেবতার উপাসনা করা হত। যেমন -
• পাতালের দেবতা - ওসিরিস,
• যুদ্ধ এবং শিকারের সাথে যুক্ত আকাশের দেবতা - হোরাস,
• সহিংসতা, মরুভূমি এবং ঝড়ের দেবতা - শেঠ,
• শেয়াল দেবতা - আনুবিস,
• জ্ঞানের দেবতা - থোথ।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।