বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৭৬ / ৯৩ · ৭,৫০১৭,৬০০ / ৯,৩৩৪

৭,৫০১.
জাবালিয়া শহর কোথায় অবস্থিত?
  1. লেবানন
  2. ফিলিস্তিন
  3. সিরিয়া
  4. জর্ডান
ব্যাখ্যা
জাবালিয়া শহর কোথায় অবস্থিত - গাজা উপত্যকা, ফিলিস্তিন। 

সম্প্রতি,
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে জাবালিয়ার কাছে একটি শরণার্থীশিবিরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, হামলায় ৩৩ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট, World Atlas।
৭,৫০২.
৩৮° উত্তর অক্ষাংশ রেখা কোন অঞ্চলের সীমা নির্ধারণ করে?
  1. চীন এবং মঙ্গোলিয়া
  2. জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া
  3. ভিয়েতনাম এবং লাওস
  4. উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

৩৮° অক্ষরেখা:

- ৩৮তম সমান্তরাল, যা প্রায় ৩৮° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত, পূর্ব এশিয়ায় উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সীমা নির্ধারণ করে।
- এই সীমারেখা নির্বাচন করা হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে পটসডাম সম্মেলনে (জুলাই ১৯৪৫)।
- মার্কিন সামরিক পরিকল্পনাকারীরা এটিকে কোরিয়ায় অস্থায়ী সামরিক সীমানা হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন।

- উত্তরে: সোভিয়েত ইউনিয়নকে কোরিয়ার উত্তর অংশে জাপানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণ মেনে নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া।
- দক্ষিণে: মার্কিন বাহিনীকে জাপানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণ মেনে নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া।
- মূলত এই লাইনটি কোরিয়ার অস্থায়ী বিভাজন হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল

- উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

উৎস: Britannica.

৭,৫০৩.
কারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন?
  1. ক) ক্যালডীয়রা
  2. খ) অ্যাশেরীয়রা
  3. গ) ব্যাবিলনীয়রা
  4. ঘ) সুমেরীয়রা
ব্যাখ্যা
অ্যাশেরীয় সভ্যতা:
প্রাচীন মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে যার একটি হলো অ্যাশেরীয় সভ্যতা।

অ্যাশেরীয় সভ্যতার অবদান:
- বিজ্ঞান ও জ্যোতিশাস্ত্রে অ্যাশেরীয়রা অতুলনীয় অবদান রাখেন যা বর্তমান সময়েও কাজে লাগে৷
- অ্যাশেরীয়রা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রী কোণে ভাগ করে।
তারা সর্বপ্রথম পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেন।
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রসারের জন্য তারা মেসোপটেমিয়ায় সর্বপ্রথম লাইব্রেরি স্থাপন করেন যা বর্তমানে ইরাকের ‘নিনেভাহ' -তে অবস্থিত। - এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম লাইব্রেরী হিসাবে পরিচিত যা মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া লাইব্রেরী থেকেও কয়েকশ বছরের পুরনো।
- ৬২৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যবিলন হাতছাড়া হওয়ার মাধ্যমে ক্যালেডীয়দের কাছে অ্যাশেরীয় সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয় এবং ৬১৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নেবুচাঁদনেজারের হাতে পূর্ণাঙ্গরূপে পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৭,৫০৪.
কাদের বিরুদ্ধে তাবুকের যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল?
  1. কুরাইশদের
  2. রোমানদের
  3. পারস্যদের
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

তাবুকের যুদ্ধ:
- তাবুকের যুদ্ধ সংগঠিত হয় ৬৩১ খ্রিস্টাব্দ (৯ম হিজরী)।
- এটি ছিল মুসলমান এবং রোমান বাহিনীর মধ্যকার মহানবী (স.) জীবদ্দশায় পরিচালিত শেষ অভিযান।
- রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াস মুসলিম শক্তিকে দমন করতে শাম ও আরব সীমান্তে ৪০ হাজার সৈন্যের বিশাল বাহিনী মোতায়েন করেন।
- পরাক্রমশালী রোমান সাম্রাজ্যকে যুদ্ধে পরাজিত করে মুসলিম ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
- বাকি ৩টি যুদ্ধ মুসলমান এবং মক্কার কুরাইশদের সাথে সংগঠিত হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস (১ম পত্র), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭,৫০৫.
আরব বসন্তের ফলে প্রথম ক্ষমতাচ্যুত রাষ্ট্রপ্রধান কে ছিলেন?
  1. মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি
  2. জাইন আল-আবিদিন বেন আলী 
  3. হোসনি মুবারক
  4. আলী আবদুল্লাহ সালেহ
ব্যাখ্যা

আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত বলতে আরবের বিভিন্ন দেশের গণজাগরণকে বুঝায়।
- ২০১০ সালের শেষের দিকে উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়া থেকে সূচিত এই গণবিক্ষোভ ক্রমেই প্রসারিত হয় অন্যান্য দেশে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে এই অঞ্চলের বহু দেশেই দীর্ঘকাল ধরে শাসনকারী স্বৈরশাসকরা ক্ষমতা থেকে উৎখাত হন এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পরিবর্তনের ঢেউ লাগে।

⇒ তিউনিসিয়া: আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লবের মাধ্যমে।
- ২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর বুয়াজিজির আত্মাহুতির পর দেশজুড়ে ক্ষোভ বিস্ফোরিত হয়। ২০১০ সালের ১৮ ডিসেম্বর তিউনিসিয়ায় জনগণ শাসকশ্রেণির বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভের ডাক দেয়।
- ২০১১ সালের ১৪ জানুয়ারি সরকার ভেঙে দিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করে রাষ্ট্রপতি জাইন আল-আবিদিন বেন আলী পদত্যাগ করেন এবং দেশ ছেড়ে সৌদি আরবে পালিয়ে যান। পরে তিউনিসিয়ার আদালত তাকে অনুপস্থিতিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলেও তা কার্যকর হয়নি। ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের জেদ্দায় নির্বাসিত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

⇒ মিশর: দুর্নীতি, বেকারত্ব ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। ১৮ দিনের আন্দোলনের পর ১১ ফেব্রুয়ারি মুবারক পদত্যাগে বাধ্য হন। বিপ্লব চলাকালে বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হলেও পরে তা বাতিল হয়। দুর্নীতির মামলায় কিছুদিন আটক থাকলেও ২০১৭ সালে তিনি মুক্তি পান। ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কায়রোতে তার মৃত্যু হয়।

⇒ ইয়েমেন: উত্তর ইয়েমেন ও পরে একীভূত ইয়েমেন শাসন করা সালেহ উপজাতীয় ও সামরিক রাজনীতির কৌশলী খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১১ সালের আন্দোলনের পর ২০১২ সালে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। 

⇒ লিবিয়া: ১৯৬৯ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে রাজতন্ত্র উৎখাত করে ক্ষমতায় আসেন গাদ্দাফি। তেলসম্পদের ওপর ভর করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলেন তিনি। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেনগাজিতে মানবাধিকারকর্মী গ্রেফতারের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়, যা দ্রুত গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। ন্যাটো অভিযানের সহায়তায় বিদ্রোহীরা আগস্টে ত্রিপোলি দখল করে। অক্টোবরের ২০ তারিখ নিজ শহর সির্তে পালানোর সময় বিদ্রোহীদের হাতে ধরা পড়ে নিহত হন গাদ্দাফি।

⇒ সিরিয়া: ২০০০ সালে বাবার মৃত্যুর পর বিশেষ সাংবিধানিক সংশোধনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হন বাশার আল-আসাদ। ২০১১ সালে দেরা শহরে স্কুলের দেয়ালে সরকারবিরোধী গ্রাফিতি লেখাকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন শুরু হয়, তা ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়। প্রায় ১৪ বছর ধরে চলা যুদ্ধে দেশটির অর্ধেকের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীদের আকস্মিক অভিযানে সিরীয় সেনাবাহিনী ভেঙে পড়ে। দামেস্কে বিদ্রোহীরা ঢোকার পর বাশার আল-আসাদ পরিবারসহ প্লেনে করে রাশিয়ার মস্কোতে পালিয়ে যান এবং সেখানে আশ্রয় নেন।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

৭,৫০৬.
নিচের কোনটি সেভেন সিস্টার্স-এর অংশ নয়?
  1. অরুনাচল
  2. সিকিম
  3. মেঘালয় 
  4. নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা

সেভেন সিস্টার্স-এর অংশ নয়- সিকিম।

ভারতের সেভেন সিস্টার্সের রাজ্যসমূহ ও রাজধানী:
১. আসাম - দিসপুর,
২. মিজোরাম - আইজল,
৩. অরুনাচল - ইটানগর,
৪. মেঘালয় - শীলং,
৫. ত্রিপুরা - আগরতলা,
৬. মণিপুর - ইম্ফল, 
৭. নাগাল্যান্ড - কোহিমা।

উল্লেখ্য,
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।

উৎস: Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।

৭,৫০৭.
গণচীনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মাও সেতুং
  2. সান ইয়াং সেন
  3. চিয়াং কাউশেক
  4. লিও শাও চি
ব্যাখ্যা
গণচীন:
- ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে প্রায় দুই হাজার বছরের রাজতন্ত্র উচ্ছেদ হয়ে প্রজাতন্ত্রের সূচনা হয়।
- এই দিন চীনের কিং রাজবংশের সর্বশেষ সম্রাট পুয়িকে সিংহাসন থেকে উৎখাত করা হয়।
- এর আগে ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

অন্যদিকে -
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- চিয়াং কাইশেক চীনের পুঁজিবাদ তন্ত্রের প্রবর্তক।

উৎস: Britannica.
৭,৫০৮.
রোমানদের সমুদ্র ও বাতাসের দেবতা –
  1. জুপিটার
  2. ভেনাস
  3. মিনার্ভা
  4. নেপচুন
ব্যাখ্যা

• রোমান সভ্যতা:
- খ্রিস্টপূর্ব ২য় ও ১ম শতকে রোমানরা গ্রিক সাম্রাজ্য দখল করে।
- ইতালি ও ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলো জয় করে।
- লাতিন জাতি থেকে রোমান সাম্রাজ্যের বিকাশ ঘটে।
- রোম ছিল মধ্য ইটালির ল্যাটিয়াম অঞ্চলের প্রধান শহর।
- রোমান সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে গ্রিক প্রভাব স্পষ্ট ছিল। রোমান সাহিত্যচর্চা ছিল ব্যাপক।
- মলিয়ে পুটাস ও টেরেন্স ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- রোমানরা গণপ্রজাতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন।
- ধর্মীয় প্রভাব বা পুরোহিততন্ত্র দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি।
- রোমানদের আকাশের দেবতা – জুপিটার।
- জ্ঞানের দেবী – মিনার্ভা (গ্রিক এথেনার সমতুল্য)।
- প্রেমের দেবী – ভেনাস।
- সমুদ্র ও বাতাসের দেবতা – নেপচুন
- রোমানদের অন্যতম কৃতিত্ব ছিল রোমান আইন ব্যবস্থা (Roman Law)।
- দেওয়ানী ও ফৌজদারী আইন খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে সংকলিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি (১ম পত্র), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫০৯.
মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষের নাম কী?
  1. হাউজ অব কমন্স
  2. হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ
  3. সিনেট
  4. হাউজ অব লর্ডস
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস আবিষ্কার করেন।
- ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩ টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮টি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষের নাম সিনেট।
- আয়তন ও জনসংখ্যা নির্বিশেষে প্রত্যেক অঙ্গরাজ্যে ২ জন করে প্রতিনিধি সিনেটে প্রেরণ করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা ৫০।
- তাই সিনেটের মোট সদস্য সংখ্যা হলো ১০০।
- মার্কিন সিনেটে এই সমপ্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা অনেকের মতানুসারে অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ-এর মোট আসন সংখ্যা ৪৩৫টি, মেয়াদ ২ বছর।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,৫১০.
হো চি মিন নগরীর পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. সায়গন
  2. ভিয়েনতিন
  3. হ্যানয়
  4. ভিয়েনতিয়েন
ব্যাখ্যা
হো চি মিন নগরী:

- ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটির নাম আগে ছিল সায়গন।
- ১৯৭৫ সালে যখন ভিয়েতনাম যুদ্ধ শেষ হয়, তখন উত্তর ভিয়েতনামের কমিউনিষ্ট গেরিলাদের হাতে পতন ঘটে সায়গনের।
- এর এক বছর পর বিপ্লবী নেতা হো চি মিনকে সন্মান জানাতে সায়গনের নতুন নাম রাখা হয় হো চি মিন সিটি।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ২২ মার্চ ২০১৯।
৭,৫১১.
'ইয়েলো এবং রেড শার্ট' আন্দোলন হয়েছিলো কোন দেশে?
  1. ভুটান
  2. থাইল্যান্ড
  3. কম্বোডিয়া
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
'ইয়েলো এবং রেড শার্ট' আন্দোলন: 

• 'ইয়েলো এবং রেড শার্ট' আন্দোলন থাইল্যান্ডে হয়েছিল।
• ২০০৮ সালের মাঝামাঝি থেকে, হলুদ শার্ট পরিধানকারী ব্যক্তিরা সামাক সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে।
• ২০০৯ সালের শুরু দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার সমর্থকরা যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন তা রেড শার্ট বা লাল শার্ট নামে পরিচিত।
• আন্দোলনকারীরা লাল শার্ট পরিধান করতেন।
• তাই এই আন্দোলন রেড শার্ট আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি পায়।
• ২০০২ সালের নির্বাচনে থাকসিন সিনাওয়াত্রা ও তার দল 'থাই রক থাই' পার্টি বিজয়ী হয়েছিল।
• ২০০৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সেখানে সেনা অভ্যুত্থান হয়।
• লাল শার্ট আন্দোলনকারীরা United Front for Democracy Against Dictatorship এর ব্যানারে সংগঠিত হয়েছে।
• ২০০৯-১০ সালে তারা বড় আন্দোলন গড়ে তোলে।
• ২০১১ সালের জুলাই মাসে সেখানে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র: "আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ"; তারেক শামসুর রেহমান এবং ব্রিটানিকা (https://www.britannica.com/place/Thailand/Yellow-shirts-and-red-shirts)।
৭,৫১২.
প্রথম আরব দেশ হিসেবে মঙ্গল গ্রহে মহাকাশযান প্রেরণ করে -
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) কাতার
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) বাহরাইন
ব্যাখ্যা
 • মহাকাশযান:
- ২০ জুলাই ২০২০ সালে বিশ্বের প্রথম মুসলিম ও আরব দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত জাপানের তানেগামিশা উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে মঙ্গলগ্রহের উদ্দেশ্যে মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করে।
- ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রেরিত ‘আমাল’ বা ‘হোপ মিশন’ নামের মহাকাশযান মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।
- ১০ ফেব্রুয়ারি মহাকাশযানটি মঙ্গলগ্রহের প্রথম ছবি প্রেরণ করে।
- সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসেবে মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে মহাকাশযান প্রবেশ করাতে সক্ষম হয়।
- আমাল মিশনের উদ্দেশ্য মঙ্গলগ্রহের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে গবেষণা করা। মহাকাশযানটির ওজন ১.৩ টন।
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই মঙ্গলগ্রহ অভিযানের বৈজ্ঞানিক দলের প্রধান হলেন সারাহ আল আমিরি। এই প্রকল্পে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।

উৎস: সিএনএন, ডয়েচভেলে এবং স্পেস ডটকম।
৭,৫১৩.
দক্ষিণ আফ্রিকার নির্বাহী রাজধানীর নাম কী?
  1. ব্লুমফন্টেইন
  2. জোহানেসবার্গ
  3. প্রিটোরিয়া
  4. কেপ টাউন
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- আইনসভার নাম পার্লামেন্ট,
• উচ্চকক্ষ National Council.
• নিম্নকক্ষ National Assembly.
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী ৩টি,
• নির্বাহী রাজধানী প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী ব্লুমফন্টেইন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয় / প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দক্ষিণ আফ্রিকা মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,৫১৪.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কত সালে রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ক্রয় করেছিল?
  1. ১৮৪৬
  2. ১৮৬৭
  3. ১৮৯৮
  4. ১৯০৫
ব্যাখ্যা

● মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালের ৩০শে মার্চ রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ক্রয় করেছিল। 

আলাস্কা ক্রয়:
- যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ভূখণ্ড ক্রয় করে যা 'আলাস্কা ক্রয়' (Purchase of Alaska) নামে পরিচিত।
- স্বাক্ষরিত হয়: ৩০ মার্চ, ১৮৬৭।
- মূল্য: ৭.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রতি একর প্রায় ২ সেন্ট বা ০.০২ ডলার)।
- স্বাক্ষরকারী: যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম এইচ. সেওয়ার্ড এবং রাশিয়ার পক্ষে রুশ দূত এদুয়ার্ড ডি স্টোয়েকল।
- যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম এইচ. সেওয়ার্ড এই চুক্তির প্রধান উদ্যোক্তা। অনেকে এ ভূখণ্ড কেনাকে ‘সিওয়ার্ডের বোকামি’ বা ‘সিওয়ার্ডের বরফবক্স’ বলে উপহাস করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
• ১৭২৫ সালে রুশ সম্রাট পিটার দ্য গ্রেট ডেনিশ নাবিক ভিটাস বেরিংকে অনুসন্ধানের জন্য আলাস্কার উপকূল পাঠান। তখন থেকেই রাশিয়ার ওই অঞ্চলে আগ্রহ ছিল। সেখানে প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশেষ করে সমুদ্র ওটারের দামি পশম ছিল। 
- ১৭৯৯ সালে সম্রাট পল প্রথম ‘রাশিয়ান-আমেরিকান কোম্পানিকে’ আলাস্কার শাসনের একচেটিয়া অধিকার দেন। এ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠানটি সেখানে বসতি গড়ে তোলে। যেমন ১৮০৪ সালে স্থানীয় লিঙ্গিট উপজাতিকে দমন করে সিটকাকে রুশ উপনিবেশের রাজধানী করা হয়।
- ১৮৬০-এর দশকের শুরুতে জার আলেকসান্দার দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত নেন, আলাস্কা বিক্রি করলে টাকা পাওয়া যাবে এবং ব্রিটেনের হাত থেকে রক্ষা পাবে। যুক্তরাষ্ট্র তখন মহাদেশজুড়ে প্রসারিত হচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্রও তখন আলাস্কা কিনতে রাজি ছিল। 
- ১৮৬৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম সিওয়ার্ড রাশিয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করেন। যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ১৫ লাখ বর্গকিলোমিটার জমি পায়। আলাস্কা ভূখণ্ড কেনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর প্রান্তে প্রবেশাধিকার সহজ ও নিশ্চিত হয়।

⇒ আলাস্কা:
- আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য।
- এটি রাশিয়ার সবচেয়ে কাছের আমেরিকান অঙ্গরাজ্য।
- ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৯ সালে আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম রাজ্য হিসেবে যোগ হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.
iii) Al Jazeera.

৭,৫১৫.
ব্রিটেন কত সালে হংকং কে চীনের নিকট হস্তান্তর করে?
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটেন চীনের নিকট হংকং কে হস্তান্তর করে।
এর আগে ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটেনের অধীনস্থ হয় এবং ১৮৯৮ সালে চীন হংকংকে ৯৯ বছরের জন্যে ব্রিটেনের নিকট ইজারা দেয়।
হংকংয়ের পুঁজিবাদী অর্থনীতিকে সচল রাখতে চীন পঞ্চাশ বছর মেয়াদী ‘এক দেশ দুই নীতি’ গ্রহণ করেছে যার মেয়াদ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
(সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৭,৫১৬.
নিচের কোনটি দ্বীপ দেশ নয়?
  1. ক) জাপান
  2. খ) হাইতি
  3. গ) নেপাল
  4. ঘ) সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলংকা, জাপান, হাইতি, সিঙ্গাপুর এই দেশগুলো দ্বীপ দেশ।

[Source: Worldatlas]
৭,৫১৭.
আমেরিকার আদিবাসী কারা?
  1. ক) রেড ইন্ডিয়ান
  2. খ) টোডা
  3. গ) উইঘুর
  4. ঘ) পিগমি
ব্যাখ্যা
উপজাতি:
→ উইঘুর—চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম সম্প্রদায়।
→ কারেন – স্বাধীনতাকামী মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী উপজাতি।
→ গুর্খা – নেপালের যোদ্ধা জাতি।

→ টোডা - বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের।
→ পশতুন – আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
→ এক্সিমো – সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস। কুকুর চালিত স্লেজ গাড়ি - ব্যবহার করে।
→ পিগমি – পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার জাতি।
→ জুলু – দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
রেড ইন্ডিয়ান - আমেরিকার আদিবাসী।
→ মাওরী – নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম।
৭,৫১৮.
বিশ্বের শীর্ষ কন্টেইনার পোর্ট কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. সাংহাই, চীন
  2. সিঙ্গাপুর পোর্ট
  3. নিংবো-ঝুশান, চীন
  4. শেনজেন, চীন
ব্যাখ্যা
বিশ্বের শীর্ষ কন্টেইনার পোর্ট: 
২০২৩ সালের ভলিউম অনুসারে (মিলিয়ন TEU), 
i) সাংহাই, চীন -  ৪৯.১৬ মিলিয়ন TEU.
ii) সিঙ্গাপুর পোর্ট - ৩৯.০১ মিলিয়ন TEU.
iii) নিংবো-ঝুশান, চীন - ৩৫.৩০ মিলিয়ন TEU.
iv) শেনজেন, চীন - ২৯.৮৮ মিলিয়ন TEU.

উৎস: ওয়ার্ল্ড শিপিং কাউন্সিল। Link
৭,৫১৯.
Which is known as 'Pink City'?
  1. ক) Tokyo
  2. খ) Delhi
  3. গ) Jaipur
  4. ঘ) Beijing
ব্যাখ্যা
জয়পুর:

- জয়পুর 'পিংক সিটি' নামে পরিচিত।
- শহরটি রাজস্থান রাজ্যের রাজধানী।
- এটি রাজস্থানের সবচেয়ে জনবহুল শহর।
- শহরটি ১৭২৭ সালে মহারাজা সওয়াই জয় সিং দ্বারা জয়পুর রাজ্যের রাজধানী হিসাবে প্রতিস্থাপনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- জয়পুরে মিশ্র হিন্দু-মুসলিম জনসংখ্যা রয়েছে।
- শহরটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
- জয়পুরের বিখ্যাত শিল্প ও কারুশিল্পের মধ্যে রয়েছে গয়না, এনামেল, ধাতুর কাজ, এবং মুদ্রিত কাপড়, সেইসাথে পাথর, মার্বেল এবং হাতির দাঁত খোদাই করা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,৫২০.
পাপুয়া নিউ গিনির রাজধানী কোনটি?
  1. পপোনডেটা
  2. মাউন্ট হেগেন
  3. পোর্ট মোরসবি
  4. কিউঙ্গা
ব্যাখ্যা

পাপুয়া নিউ গিনি:
- পাপুয়া নিউ গিনি দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ দেশ।
- আয়তন: ১৭৮,৩৫৫ বর্গ মাইল (৪৬১,৯৩৭ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: পোর্ট মোরসবি।
- ভাষা: ইংরেজি, টোক পিসিন, হিরি মোটু (সব অফিসিয়াল) ও আদিবাসী ভাষা।
- ধর্ম: খ্রিস্টান (প্রোটেস্ট্যান্ট, রোমান ক্যাথলিক), এছাড়াও ঐতিহ্যগত বিশ্বাস।
- মুদ্রা: কাইনা।
- এটি একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র যার একটি আইনসভা রয়েছে।
- এর রাষ্ট্রপ্রধান হলেন ব্রিটিশ রাজা।
- দেশটি ১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে এবং ব্রিটিশ কমনওয়েলথে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭,৫২১.
কত সালে পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি একীভূত হয়েছিল?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি একীভূত:
- ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর
পূর্ব জার্মানি এবং পশ্চিম জার্মানি তাদের মতপার্থক্যের অবসান ঘটিয়ে ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে আবির্ভূত হয়।

⇒ বার্লিন প্রাচীর:

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।

উল্লেখ্য, 
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে পূর্ব জার্মানি ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে প্রাচীর তৈরি করা শুরু করে।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।
- ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।

উৎস: Britannica.

৭,৫২২.
Environmental Performance Index-2020 রিপোর্টে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. কানাডা
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত Environmental Performance Index-2020 রিপোর্টে মোট ১৮০টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
রিপোর্টে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : ডেনমার্ক
- দ্বিতীয় : লুক্সেমবার্গ
- তৃতীয় : সুইজারল্যান্ড।
- বাংলাদেশের অবস্থান : ১৬২তম।
- সর্বনিম্ন দেশ (১৮০তম): লাইবেরিয়া।
(তথ্যসূত্র: Environmental Performance Index-2020)
৭,৫২৩.
অস্ট্রেলিয়ার উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. জানুয়ারি
  2. নভেম্বর
  3. জুলাই
  4. জুন
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া: 
- আটটি রাজ্য এবং অঞ্চল জুড়ে অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়; দেশের বেশিরভাগ অংশে চারটি ঋতু এবং গ্রীষ্মমন্ডলীয় উত্তরে একটি আর্দ্র এবং শুষ্ক ঋতু রয়েছে।   
- অস্ট্রেলিয়ার ঋতু উত্তর গোলার্ধের ঋতুর বিপরীত সময়ে চলে।
- ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি গ্রীষ্মকাল ; মার্চ থেকে মে শরৎকাল ; জুন থেকে আগস্ট শীতকাল ; এবং সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর বসন্তকাল । 
- অস্ট্রেলিয়ার উষ্ণতম ও শীতলতম মাস – জানুয়ারি এবং জুলাই ।

উৎস: australia.com
৭,৫২৪.
ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে কোন দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে? 
  1. জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন ও যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনা
  4. থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- ১৯৮২ সালে আর্জেন্টিনার সঙ্গে সংঘটিত ফকল্যান্ড যুদ্ধের পর, দ্বীপপুঞ্জটি আবার ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণে আসে। 
- যুক্তরাজ্য ও  আর্জেন্টিনার সঙ্গে সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ।
- দ্বীপপুঞ্জটি পূর্ব ও পশ্চিম ফকল্যান্ড নামে দুটি প্রধান দ্বীপ এবং আরও ৭৭৬টি ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ইতিহাসে ফরাসি, ব্রিটিশ, স্পেনীয় ও আর্জেন্টাইনদের উপস্থিতি ছিল।
- বর্তমানে, দ্বীপপুঞ্জের অধিকাংশ জনগোষ্ঠী ব্রিটিশ।
- অর্থনীতিতে মাছ ধরা, পর্যটন ও ভেড়া পালন উল্লেখযোগ্য।

অন্যদিকে,
- কুরিল দ্বীপপুঞ্জ: রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে এই দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলছে।
- সেনকাকু দ্বীপ: চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ।
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ: চীন, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম মধ্যে মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
- পেরেজিল (লায়লা) দ্বীপ: মরক্কো ও স্পেনের মধ্যে মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।
- আবু মুসা দ্বীপ: ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে মালিকানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে।

উৎস: Britannica.

৭,৫২৫.
ভেনেজুয়েলার বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. নিকোলাস মাদুরো
  2. ডেলসি রদ্রিগেজ
  3. হুয়ান গুয়াইডো
  4. হোসে লুইস রমেরো
ব্যাখ্যা

ভেনেজুয়েলা:
- দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলে অবস্থিত একটি দেশ,
- যা বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুদ জন্য পরিচিত।
- অফিসিয়াল নাম: বোলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনেজুয়েলা (Bolivarian Republic of Venezuela)।
- রাজধানী: কারাকাস (Caracas)।
- বৃহত্তম শহর: কারাকাস।
- সরকার পদ্ধতি: রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপতি: ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী/ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হলেন ডেলসি রদ্রিগেজ (Delcy Rodríguez),
- তিনি দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট থেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
- মুদ্রা: বলিভার সোবেরানো (VES)।
- ভাষা: স্প্যানিশ।

উল্লেখ্য,
- ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘসময় ধরে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাস মাদুরো   কিন্তু ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আটক হওয়ার পর ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছে।

ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য:
- অ্যাঞ্জেল ফলস (Angel Falls): বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত, যা ভেনেজুয়েলার কানাইমা ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত।
- তেলের মজুদ: ভেনেজুয়েলা বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুদের (Proven Oil Reserves) অধিকারী দেশ।
- সীমান্ত বিরোধ: প্রতিবেশী গায়ানার সাথে 'এসিকুইবো' (Essequibo) অঞ্চল নিয়ে ভেনেজুয়েলার দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা, রয়টার্স এবং বিবিসি নিউজ।

৭,৫২৬.
পারস্য বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. ফ্রান্স
  2. তুরস্ক
  3. ইরান
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
পারস্য:
- পারস্য বর্তমানে ইরান নামে পরিচিত।
- পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় ২১ মার্চ, ১৯৩৫ সালে।
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিলো জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস: প্রথমপত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫২৭.
মান্দারিন কোন দেশের ভাষা?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. থাইল্যান্ড 
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন দেশের ভাষা:
- চীনের ভাষা - মান্দারিন
- থাইল্যান্ডের ভাষা - থাই৷
- ভিয়েতনামের ভাষা - ভিয়েতনামিজ৷
- জাপানের ভাষা - জাপানিজ৷

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৭,৫২৮.
'হিমার্স' কোন দেশের তৈরি রকেট লঞ্চার?
  1. ক) চীন
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- গাড়িতে স্থাপন করা উচ্চপ্রযুক্তির হালকা রকেট লঞ্চার হলো এম-১৪২ হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম বা সংক্ষেপে HIMARS (হিমার্স)। 
- হিমার্স এর প্রস্তুতকারক যুক্তরাষ্ট্র। 
- রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনকে সহযোগিতার অংশ হিসেবে এম-১৪২ হাই মোবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম (ব্যবস্থা) তথা হিমার্স দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
- ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে ও এক স্থান থেকে অন্য স্থানে এটি সহজে মোতায়েন করা যায়।
-  প্রতিটি ইউনিটে ছয়টি করে জিপিএস গাইডেড রকেট থাকে। 
- প্রায় এক মিনিটের মধ্যে অল্প কয়েকজন মিলেই পুনরায় রকেট লোড করে ফেলতে পারে।
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
 
৭,৫২৯.
নিচের কোনটি মেসোপটেমীয় সভ্যতা নয়?
  1. ক) সুমেরীয় সভ্যতা
  2. খ) পারস্য সভ্যতা
  3. গ) অ্যাসেরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) ক্যালডীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয় মেসোপটেমীয় সভ্যতাকে।
- বর্তমান ইরাকের ইউফ্রেতিস ও টাইগ্রিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৫০০০ বছর পূর্বে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতা চারটি পর্যায়ে গড়ে উঠেছিলো।
এগুলো হলো:
- সুমেরীয় সভ্যতা
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
- অ্যাসেরীয় সভ্যতা এবং
- ক্যালডীয় সভ্যতা।
- এদের মধ্যে সবার আগে গড়ে উঠেছিল সুমেরীয় সভ্যতা এবং সবার শেষে গড়ে উঠেছিল ক্যালডীয় সভ্যতা।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
৭,৫৩০.
সম্প্রতি ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ মোকাবেলায় ইসরায়েল কোন বাহিনী গঠন করে?
  1. ক) প্যাট্রিয়ট গার্ড
  2. খ) ন্যাশনাল গার্ড
  3. গ) ডিফেন্স গার্ড
  4. ঘ) কমব্যাট প্ল্যাটুন
ব্যাখ্যা
- ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে এখন প্রায় প্রতিদিনই অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।
- ইসরায়েলে গঠিত হচ্ছে নতুন এক সশস্ত্র 'ন্যাশনাল গার্ড' বাহিনী।
- এ বাহিনী ইসরায়েলের উগ্র-জাতীয়তাবাদী মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
- এই সশস্ত্র বাহিনীটি সারা ইসরায়েল জুড়ে মোতায়েন করা হবে এবং “জাতীয়তাবাদী অপরাধ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই এবং প্রশাসনকে শক্তিশালী করার জন্য কাজে লাগানো হবে।“

উৎস: BBC বাংলা, ২ এপ্রিল, ২০২৩।
৭,৫৩১.
চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে কোন মরুভুমি অবস্থিত?
  1. ক) গোবি
  2. খ) তাকলামাকান
  3. গ) আতাকামা
  4. ঘ) কারাকুম
ব্যাখ্যা
তাকলামাকান মরুভূমি চীনের জিনজিয়াংয়ে অবস্থিত।

পৃথিবীর উল্লেখযোগ্য মরুভূমিসমূহ:
- থর মরুভূমি : ভারত-পাকিস্তান
- গোবি : চীন-মঙ্গোলিয়া
- কারাকুম : তুর্কমেনিস্তান
- কিজিলকুম মরুভূমি : কাজাখস্তান-উজবেকিস্তান
- পাতাগোনিয়া : আর্জেন্টিনা
- আতাকামা : চিলি
- মোজাবে : যুক্তরাষ্ট্র


(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক)
৭,৫৩২.
ট্রাফালগার অন্তরীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. স্পেন
  3. পর্তুগাল
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন
- হর্ন অন্তরীপ : চিলি
- উত্তমাশা অন্তরীপ : দক্ষিণ আফ্রিকা
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড
- গার্দাফুই অন্তরীপ : সোমালিয়া
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৭,৫৩৩.
ইউরোপের দ্বিতীয় ‍বৃহত্তম নদী কোনটি?
  1. ভলগা
  2. দানিয়ুব 
  3. ইউরাল
  4. নিপার 
ব্যাখ্যা
দানিয়ুব নদী:

• ইউরোপের প্রধান নদীসমূহ:
- ভলগা (ইউরোপের দীর্ঘতম নদী),
- দানিয়ুব,
- ইউরাল,
- নিপার,
- ডন। 

• দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় ‍বৃহত্তম নদী। 
• এর উৎপত্তি জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট এবং পতনস্থল কৃষ্ণসাগর ।
• এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৮৫৭ কিলোমিটার।
• এটি ইউরোপের ১০টি দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
• এই নদীর তীরে বুদাপেস্ট, বেলগ্রেড, ভিয়েনা, ব্রাটিস্লাভা সহ অনেক বিখ্যাত শহর অবস্থিত।
• এজন্যে এটি আন্তর্জাতিক নদী নামে পরিচিত।
• এটি ইউরোপের অন্যতম প্রধান পরিবহন পথ। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং World Atlas. 
৭,৫৩৪.
কনফুসিয়াস কে ছিলেন?
  1. দার্শনিক
  2. বিজ্ঞানী
  3. মাঙ্গোলীয় নেতা
  4. সম্রাট
ব্যাখ্যা

কনফুসিয়াস:
- কনফুসিয়াস ছিলেন প্রাচীন চীনের প্রখ্যাত দার্শনিক এবং চিন্তাবিদ।
- চীনের লুশহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন খ্রিস্টপূর্ব ৫৫১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর।
- তিনি প্রথম চীন দেশের প্রধান বিচারপতি ও পরে প্রধানমন্ত্রী হন।
- তার দর্শন ও রচনাবলী চীনসহ পূর্ব এশিয়ার জীবন দর্শনে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব বিস্তার করেছে।
- কনফুসিয়াস মূলত নীতিবাদী দার্শনিক ছিলেন।
- তাঁর বিশ্বাস ছিল শিক্ষার মূল ভিত্তি হচ্ছে নীতিজ্ঞান।
- কনফুসিয়াসের রাষ্ট্রীয় দর্শন অত্যন্ত উদার।
- তিনি বলেছেন, রাষ্ট্র হবে বিশাল একটি পরিবারের মতোই।
- কনফুসিয়াসের রাষ্ট্রনীতিতে নিষ্ঠুরতার কোনো স্থান নেই।
- এই প্রাচীন চীনা দার্শনিক খ্রিস্টপূর্ব ৪৭৯ সালে মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৫৩৫.
“সিসিলি” - কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. ক) আদ্রিয়াটিক সাগর
  2. খ) ভারত মহাসাগর
  3. গ) লোহিত সাগর
  4. ঘ) ভূ-মধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
Sicily, Italian Sicilia, island, southern Italy, the largest and one of the most densely populated islands in the Mediterranean Sea. Together with the Egadi, Lipari, Pelagie, and Panteleria islands, Sicily forms an autonomous region of Italy.
Source: britannica.com
৭,৫৩৬.
উইন্ডহক (Windhoek) কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সাইপ্রাস
  2. নামিবিয়া
  3. পর্তুগাল
  4. লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা
দেশ:
- নামিবিয়া দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকার আটলান্টিক মহাসাগরের তীরবর্তী একটি দেশ।
- দেশটি ১৮৮৪ সাল থেকে ১৯১৯ সাল পর্যন্ত জার্মানির উপনিবেশ ছিল।
- দেশটির রাজধানীর নাম উইন্ডহক।
- মুদ্রার নাম - নামিবিয়ান ডলার,
- সংসদ - পার্লামেন্ট (২ কক্ষ বিশিষ্ট);

অন্যদিকে,
- লিথুয়ানিয়ার রাজধানী : ভিলনিয়াস,
- সাইপ্রাসের রাজধানী : নিকোশিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৫৩৭.
সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধে কোন দেশ বিজয়ী হয়?
  1. ব্রিটেন
  2. স্পেন
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- ১৭৫৬ সালে ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মধ্যে সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধের সূচনা হয়। পরবর্তীতে এই যুদ্ধে স্পেন ফ্রান্সের পক্ষে যোগ দেয়।
- ১৭৬৩ সালে প্যারিস ট্রিটি এর মাধ্যমে সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। চুক্তি অনুযায়ী স্পেন ও ফ্রান্স ব্রিটেনের নিকট তাদের বিভিন্ন উপনিবেশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
৭,৫৩৮.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কত তারিখে 'ভারত-পাকিস্তান-২০২৫' যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল?
  1. ৮ মে, ২০২৫
  2. ১০ মে, ২০২৫
  3. ১১ মে, ২০২৫
  4. ১৭ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা

পাকিস্তান- ভারত যুদ্ধ-২০২৫:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১০ মে, ২০২৫ তারিখে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ২২ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে ভারত–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাকিস্তান–সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (টিআরএফ) ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল।
- এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ৭ মে, ২০২৫ “অপারেশন সিঁদুর” নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে ভারত। ভারতের অভিযানে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার প্রায় ১০০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে ভারতের দাবি।
- অপারেশন সিঁদুর-এর জবাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ১০ মে “বুনইয়ান-উন-মারসুস” নামে পাল্টা অভিযান শুরু করে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এ অভিযানে ভারতের অন্তত ২৬টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

• ১০ মে, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে জানান এএই দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে।
- অবশেষে চার দিনের মাথায় ভারত ও পাকিস্তানের সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে।
 
উৎস: i) BBC. 
ii) The Guardian.

৭,৫৩৯.
ন্যাটো - এর সদস্য নয় কোনটি?
  1. ক) রোমানিয়া
  2. খ) স্লোভেনিয়া
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) লিথুনিয়া
  5. ঙ) আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা
NATO is an Alliance that consists of 29 independent member countries.
এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি এবং মুসলিম সদস্য দেশ - ২টি (তুরস্ক ও আলবেনিয়া)। রাশিয়া এর সদস্য নয়।
NATO website
৭,৫৪০.
শ্রীলংকার বর্তমান [অক্টোবর, ২০২৪] প্রেসিডেন্ট -
  1. রনিল বিক্রমাসিংহে
  2. মাইধ্রিপালা সিরিসেনা
  3. অনূঢ়া কুমার দিশানায়েকে
  4. মাহিন্দ্র রাজা পাকসে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

শ্রীলংকা:
- শ্রীলংকা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- এটি ভারত মহাসাগরে, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ও আরব সাগরের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
- রাজধানী: শ্রী জয়বর্ধনপুর কোট্টে।
- বৃহত্তম নগরী: কলম্বো।
- মুদ্রা: শ্রীলঙ্কান রুপি।

⇒ শ্রীলংকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরাসুরিয়া।
- শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে হরিণী অমরাসুরিয়াকে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির বামপন্থি প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমার দিশানায়েকে।
- তিনি শ্রীলংকার ১৬তম প্রধানমন্ত্রী।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।
- দেশটির ১৫তম প্রধানমন্ত্রী দীনেশ গুণবর্ধনের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন অমরাসুরিয়া।

⇒ শ্রীলংকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে।
- মার্ক্সবাদী নেতা অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে ন্যাশনাল পিপলস পাওয়ার (এনপিপি) জোটের নেতা।
- সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

উৎস: Britannica.
৭,৫৪১.
Turkey's largest city Istanbul is separated by which channel?
  1. Bosphorus strait
  2. Palk Strait
  3. Bab al-Mandab strait
  4. Strait of Malacca
  5. Strait of Hormuz
ব্যাখ্যা
তুরস্কের বৃহত্তম নগরী ইস্তাম্বুল বসফরাস প্রণালী দ্বারা বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

তুরস্ক:
- বর্তমানে দেশটি তুর্কিয়ে (TURKIYE) প্রজাতন্ত্র নামে পরিচিত।
- আগে দেশটি ‘তুর্কি’ নামে পরিচিত ছিল।
- এক সময়ে অটোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু ছিল তুরস্ক।
- কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে দেশটি আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে বিকাশ লাভ করে।
- তুরস্কের বেশিরভাগ অংশ এশিয়া ও কিছু অংশ ইউরোপ মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত। 
- রাজধানী: আঙ্কারা।
- বৃহত্তম নগরী ইস্তাম্বুল।
- মুদ্রা: লিরা।

উল্লেখ্য,
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র।
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।

উৎস: Britannica.
৭,৫৪২.
কোন শতকে বিশ্বে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়?
  1. সপ্তদশ শতকে
  2. আঠারো শতকে
  3. পঞ্চদশ শতকে
  4. উনিশ শতকে
ব্যাখ্যা
• প্রথম শিল্প বিপ্লব:
⤇ আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যে দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়ন সংঘটিত হয়, তাকে শিল্প বিপ্লব বলা হয়।
⤇ প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত।
⤇ ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়। তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।
⤇ ব্রিটিশ অর্থনৈতিক ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি (Arnold Toynbee) ১৭৬০ সাল থেকে ১৮৪০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝানোর জন্য ‘শিল্প বিপ্লব’ (Industrial Revolution) শব্দটি ব্যবহার করেন। এর পর থেকে এটি জনপ্রিয় হতে থাকে।
⤇ ইংল্যান্ডে শুরু হলেও খুব দ্রুতই ইউরোপের অন্যান্য দেশ বেলজিয়াম, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপের পাশাপাশি ১৭৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্প বিপ্লবের ছোঁয়া লাগে।
⤇ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব পণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা খুব দ্রুত পরিবর্তত হতে থাকে। এই সময় বিভিন্ন ইঞ্জিন, যন্ত্রপাতি ও তত্ত্ব আবিষ্কার হতে থাকে। ফলে বিশ্বের ইতিহাসও খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
৭,৫৪৩.
ইজিয়ান সভ্যতা গড়ে উঠেছিল কোথায়?
  1. বলকান অঞ্চলে
  2. ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে
  3. আরব অঞ্চলে
  4. স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
ইজিয়ান সভ্যতা:
- ইজিয়ান সভ্যতা গড়ে উঠে- ইজিয়ান সাগরের তীরবর্তী পূর্ব বলকান অঞ্চল নিয়ে।
- এ সভ্যতা প্রস্তর ও ব্রোঞ্জ  যুগের সভ্যতা।
-  এ সভ্যতার অপর নাম- মিনীয় (Minoan) সভ্যতা।
- মিনীয় সভ্যতা অঞ্চলটি ক্রিট , সাইক্লেড এবং আরও কিছু দ্বীপপুঞ্জ, পেলোপোনিজ , মধ্য গ্রিস, থেসালি সহ গ্রিক মূল ভূখণ্ড।
- ইজিয়ান সভ্যতা গড়ে উঠে- ৩০০০-১০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। 
- ইজিয়ান সভ্যতার কেন্দ্র ছিল- গ্রিস।
- এ সভ্যতার প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া যায়- গ্রিক কবি হোমারের ইলিয়ড ও ওডিসি মহাকাব্য।
- এ সভ্যতার পতন ঘটে- ১১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।

উৎস: Britannica.
৭,৫৪৪.
ইউক্রেনের রাজধানীর নাম কী?
  1. দোহেনস্ক
  2. কিয়েভ
  3. খারকিভ
  4. ক্রেমলিন
ব্যাখ্যা

ইউক্রেন:
- ইউক্রেন পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র।
- দেশটির আয়তন ৬০৩,৫৪৯ বর্গ কিমি।
- ভাষা: ইউক্রেনীয় (অফিসিয়াল), রাশিয়ান, রোমানিয়ান, পোলিশ, হাঙ্গেরিয়ান, বেলারুশিয়ান, বুলগেরিয়ান।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (বেশিরভাগই পূর্ব অর্থোডক্স; এছাড়াও অন্যান্য খ্রিস্টান, রোমান ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্ট), ইসলাম।
- ইউক্রেনের পশ্চিমে পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরি, দক্ষিণ-পশ্চিমে রোমানিয়া ও মলদোভা, দক্ষিণে কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগর, পূর্বে ও উত্তর-পূর্বে রাশিয়া এবং উত্তরে বেলারুস। 
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।
- ইউরোপের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত ইউক্রেনের উর্বর ভূমিতে গম, সানফ্লাওয়ার এবং অন্যান্য দানাদার জাতীয় শস্য প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয়।
- এজন্য ইউক্রেনকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়।

উৎস: Britannica.com

৭,৫৪৫.
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তার করতে কোন অপারেশন পরিচালনা করেছিলো?
  1. ক) Operation Searchlight
  2. খ) Operation Jackpot
  3. গ) Operation Rainbow
  4. ঘ) Operation Big Bird
ব্যাখ্যা
On the fateful night of March 25, 1971, the Pakistan army resorted to massacring the common people of Bangladesh. The army also conducted an operation under the code name ‘Operation Big Bird’ that night to arrest Sheikh Mujib from his residence. Upon arresting him, one Major Jaffar declared through wireless, as Siddiq Salik wrote in his book ‘Witness to Surrender’: “Big bird in the cage; others not in their nest….over.” The Pakistan army thought ensnaring Sheikh Mujib would lead to the demise of Bangladesh. But alas! Their cage was so brittle that it crumbled to pieces within nine months, and the big bird was again freed, and he charmed a new nation through his melody.
৭,৫৪৬.
বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র 'মাচুপিচু' কোন দেশে অবস্থিত? 
  1. ক) গ্রিস
  2. খ) ইতালি
  3. গ) পেরু
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
মাচুপিচু

⇒পেরুতে বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র মাচুপিচু অবস্থিত।
⇒ ২০২৩ সালের ২১ ই জানুয়ারি, রাজনৈতিক দাঙ্গার সূত্র ধরে পেরুতে বিখ্যাত পর্যটনকে মাচুপিচু অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
⇒ ইনকাদের হারিয়ে যাওয়া একটি আধুনিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পন্ন শহর হচ্ছে মাচু পিচু (Machu Picchu)। যা বর্তমান বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি।
⇒ মাচু পিচুকে  কেউ কেউ সূর্যনগরীও বলেন।
⇒ মাচুপিচু শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৪০০ মিটার (৭,৮৭৫ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত। 
⇒মাচু পিচু নির্মিত হয়েছিল প্রায় ১৪৫০ সালের দিকে।
⇒স্প্যানিশরা ইনকা সভ্যতা আক্রমণ করে।
⇒ ১৯১১ সালে হাইরাম বিংহাম নামের একজন মার্কিন পুরাতত্ত্ববিদ মাচু পিচু শহরটি আবিষ্কার করেন।
⇒ পেরুর সরকার ১৯৮১ সালে সংরক্ষিত ঐতিহাসিক এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে। 
⇒ ইউনেস্কো ১৯৮৩ সালে মাচুপিচুকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা প্রদান করে।

উৎসঃ বিবিসি নিউজ এবং Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৭,৫৪৭.
ভারত স্বাধীনতা লাভ করে-
  1. ১৪ আগস্ট ১৯৪৭
  2. ১৫ আগস্ট ১৯৪৭
  3. ১৪ জুলাই ১৯৪৭
  4. ১৫ জুলাই ১৯৪৭
ব্যাখ্যা

- ভারত যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে।
- ভারত আয়তনে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- বর্তমানে ভারতের রাজ্য সংখ্যা ২৮ টি।
- ভারতের প্রথম রাজধানী কলকাতা।
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন বা মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের নাম নবান্ন।
উৎস: পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট।

৭,৫৪৮.
বেকার হোস্টেল ঠিক কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) হুগলীতে
  2. খ) পুরাণ ঢাকায়
  3. গ) ঢাকায়
  4. ঘ) কলকাতায়
ব্যাখ্যা
১৯১০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় এই বেকার হোস্টেল। এটি সরকারি ছাত্রাবাস। বঙ্গবন্ধু কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে ডিগ্রি পড়ার সময় এই বেকার হোস্টেলে ছিলেন ১৯৪২ থেকে ৪৭ সাল পর্যন্ত। উচ্চমাধ্যমিক পাস করে তিনি ১৯৪২ সালে ভর্তি হয়েছিলেন এ কলেজে। ছিলেন ২৪ নম্বর কক্ষে। সেদিনকার এই ইসলামিয়া কলেজের নাম পরিবর্তন করে এখন নামকরণ করা হয়েছে মৌলানা আজাদ কলেজ। ১৯৪৬ সালে বঙ্গবন্ধু ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৪৭ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন এই ইসলামিয়া কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ইতিহাসে স্নাতক হয়েছিলেন। সূত্রঃ প্রথম আলো।
৭,৫৪৯.
কত সালে 'গোলাপ বিপ্লব' (Rose Revolution) সংঘটিত হয়?
  1. ক) ২০০৫
  2. খ) ২০০৩
  3. গ) ২০০৮
  4. ঘ) ২০১১
ব্যাখ্যা
গোলাপ বিপ্লব (Rose Revolution)
২০০৩ সালে জর্জিয়ায় ক্ষমতা হস্তান্তরকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া রাজনৈতিক ঘটনাবলীর সমষ্টিকে গোলাপ বিপ্লব বলে।
▪ ২০০৩ সালে সাবেক জাস্টিস মিনিস্টার এবং ইউনাইটেড ন্যাশনাল মুভমেন্ট (UNM) এর প্রধান মিখাইল সাকাশভিলি জর্জিয়ায় একটি শান্তিপূর্ণ বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন যাকে "গোলাপ বিপ্লব" বলা হয়।
▪ এর ফলে প্রেসিডেন্ট শেভার্ডনাদজের  শাসনের অবসান হয়। সাকাশভিলি পরের বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং অবিলম্বে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেন, অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা করেন এবং জাতিগত বিরোধের বিরুদ্ধে দেশকে সুরক্ষিত করার চেষ্টা করেন

অন্যদিকে, 
• ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে।  
• ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
• জেসমিন বিপ্লব : তিউনেশিয়া (২০১১)। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডট কম।
৭,৫৫০.
The smallest ocean in the World is -
  1. ক) Atlantic Ocean
  2. খ) Antarctic Ocean
  3. গ) Arctic Ocean
  4. ঘ) Indian Ocean
ব্যাখ্যা
- The Arctic Ocean is the smallest of the world's five ocean basins.
- With an area of about 6.1 million square miles, the Arctic Ocean is about 1.5 times as big as the United States. 
- It is bordered by Greenland, Canada, Norway, Alaska, and Russia. 
- The average depth of the Arctic Ocean is 3,953 feet and it is 18,264 feet at its deepest point.
 
Source: National Oceanic and Atmospheric Administration Website 
৭,৫৫১.
ইন্দোনেশিয়ার জাতির পিতা বলা হয়-
  1. ক) ফাহিম কাররানী
  2. খ) আহমেদ আবদেল করিম
  3. গ) সোলাইমান সাদী
  4. ঘ) আহমদ সুকর্ণ
ব্যাখ্যা
আহমদ সুকর্ণ (১৯০১ - ১৯৭০):
- ১৯০১ সালের ৬ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি যৌবনে হল্যান্ডের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছেন।
- এ জন্যে সুকর্ণকে কারাগারে ও নির্বাসনে থাকতে হয়েছে।
- ১৯৭০ সালের ২১জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- সুকর্ণকে বলা হয় ইন্দোনেশিয়ার জাতির পিতা।
- ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার স্থপতি এবং তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের উত্থানকালের প্রধান সারির নেতা।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ইন্দোনেশিয়া দখল করে। কিন্তু ১৯৪৫ সালে জাপান পরাজিত হবার পর ইন্দোনেশিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করে। এ সময় স্বাধীনতাকামীরা জাপানীদের রেখে যাওয়া অস্ত্র ব্যবহার করে এবং সুকর্ণর নেতৃত্বে তারা স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- সুকর্ণ ১৯৪৯ সালে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট হন।
- তিনি ইন্দোনেশিয়ায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক সংস্কার সাধন করেন।
- সুকর্ণ জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৭,৫৫২.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত দেশ নয় কোনটি?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) অস্ট্রিয়া
  3. গ) হাঙ্গেরি
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War - I):
• গত শতাব্দীর প্রথম ভাগে বিশ্বের পরাশক্তিগুলো প্রধানত ইউরোপে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১৯১৪ সাল থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সময়ে সংঘটিত এই যুদ্ধটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধ নামে পরিচিত।
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ “মহাযুদ্ধ” বা “The Great War” নামে ইতিহাসে বিখ্যাত। এই যুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্ব প্রথম সামরিক শক্তির সর্বগ্রাসী চেহারা প্রত্যক্ষ করে। এর আগে কোন যুদ্ধে এতো প্রাণহানি ঘটে নি।
• চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সবচেয়ে বেশি প্রায় ৩৭ লাখ প্রাণহানি ঘটে রাশিয়ার।
• এছাড়া যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপের বহু দেশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে নড়বড়ে অবস্থানে চলে যায়।

একনজরে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
• যুদ্ধ সংঘটনকাল - ২৮ জুলাই, ১৯১৪ - ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ।
• যুদ্ধ সংঘটন স্থান - ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য।
• অক্ষশক্তি - জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, গ্রীস ও তুরস্ক।
• মিত্রশক্তি - রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান, চীন, সার্বিয়া, রোমানিয়া ও বেলজিয়াম প্রভৃতি দেশ।
• ফলাফল - মিত্রশক্তি বিজয়ী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
৭,৫৫৩.
‘জাপাদ-২০২৫’ নামক সামরিক মহড়া চালিয়েছে - 
  1. রাশিয়া ও চীন
  2. জাপান ও ভারত
  3. চীন ও পাকিস্তান
  4. রাশিয়া ও বেলারুশ
ব্যাখ্যা

• জাপাদ-২০২৫:
- জাপাদ-২০২৫ হলো রাশিয়া ও বেলারুশের যৌথ সামরিক মহড়া।
- এই মহড়া ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ শুরু হয় এবং ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ শেষ হয়।
- এই মহড়ায় প্রায় ১ লাখ সেনা অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে ভারী অস্ত্র, বোমারু বিমান, যুদ্ধজাহাজ এবং প্যারাট্রুপারদের সমন্বয়ে ব্যাপক সামরিক কৌশল প্রদর্শন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রসহ ২৩টি দেশের প্রতিনিধিরা মহড়া দেখতে বেলারুশে উপস্থিত ছিলেন।
- মহড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সম্ভাব্য আগ্রাসন প্রতিহত করার জন্য প্রস্তুতি প্রদর্শন।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা প্রতিবেদন।

৭,৫৫৪.
‘A Long walk to Freedom’ কার রচিত আত্মজীবনী?
  1. জওহরলাল নেহেরু
  2. আবুল কালাম আজাদ
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

 নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম - ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। 
- ১৯৬০ সালে শ্বেতাঙ্গ নিয়ন্ত্রিত সরকার ANC এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
- ১৯৬২ সালে “Spear of the Nation” (ANC সদস্যদের নিয়ে গেরিলা আক্রমন শুরু করেন।
 - ম্যান্ডেলাকে “রোবেন দ্বীপ”– এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- পরবর্তীতে দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন তীব্র হলে ১৯৮৯ সালে শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ. ডি ক্লার্ক ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দেন।
- ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পান।
- ১৯৯৯ সালে তিনি স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে অবসরে যান ।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো - ৪৬৬ এবং কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
তিনি “Yes for the children” - এর প্রতিষ্ঠাতা।

- তার রচিত বই - A Long Walk to Freedom (Autobiography), Conversations With Myself, The Prison Letters of Nelson Mandela, I Am Prepared to Die, No Easy Walk to Freedom, The Struggle Is My Life, In His Own Words

উৎস: Britannica & History.com

৭,৫৫৫.
নাগার্নো-কারাবাখ যুদ্ধে কোন দেশ মধ্যস্থতা করেছিল?
  1. ফ্রান্স
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা
নাগার্নো-কারাবাখ:
- 'নাগার্নো-কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত। কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা। বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

⇒ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

উৎস: i) Britannica.
ii) বিবিসি বাংলা।
৭,৫৫৬.
During British colonial rule, what was the region that comprises modern-day Bangladesh known as?
  1. East Pakistan
  2. Bengal Presidency
  3. West Bengal
  4. Assam-Bengal
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তান:

- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে, আধুনিক বাংলাদেশকে নিয়ে গঠিত অঞ্চলটি বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি নামে পরিচিত ছিল।
- ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান হলে, বাংলার একটি ছোট প্রদেশকে পূর্ববঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গে বিভক্ত করা হয়।
- ১৯৫৫ সালে পূর্ব বাংলার নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান করা হয়।
- ১৯৭১ সালে এটি বাংলাদেশ হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,৫৫৭.
পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি একত্রিত হয় -
  1. ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯
  2. ৯ নভেম্বর, ১৯৯০
  3. ৩ অক্টোবর, ১৯৮৯
  4. ৩ অক্টোবর, ১৯৯০
ব্যাখ্যা
বার্লিন প্রাচীর:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।

উল্লেখ্য, 
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে পূর্ব জার্মানি ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে প্রাচীর তৈরি করা শুরু করে।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।

⇒ বার্লিন প্রাচীরের পতন:
- ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি) একত্রিত হয়।

উৎস: Britannica.
৭,৫৫৮.
কিউবান বিপ্লবের মাধ্যমে কোন শাসক ক্ষমতাচ্যুত হন?
  1. ফুলগেনসিও বাতিস্তা
  2. অগাস্তো পিনোশে
  3. ফিদেল কাস্ত্রো
  4. রাফায়েল ত্রুহিয়ো
ব্যাখ্যা

• কিউবা বিপ্লব:
- কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো।
- কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো।
- তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল মেক্সিকো থেকে কিউবায় আক্রমণ চালানো।
- ১৯৫৬ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি ও তার বিপ্লবী সহযোগীরা কিউবার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
- পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাতিস্তার সেনাবাহিনীর আক্রমণে নাস্তানাবুদ হন।
- শুরুর দিকেই তাকে কারাবন্দী করে বাতিস্তা সরকার। কিউবার মানুষের মুক্তির জন্য গেরিলা যুদ্ধে নামেন কাস্ত্রো।
- এরই মধ্যে চে গুয়েভারার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলা যুদ্ধে পরিকল্পনা আরও বিস্তৃতি পায়।
- ফিদেল কাস্ত্রো তাকে গ্রেনেড তৈরির কারখানা, রুটি বানানোর জন্য চুল্লি প্রস্তুত এবং নিরক্ষর সঙ্গীদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল তৈরির দায়িত্ব দেন। আচমকা হামলায় বাতিস্তা সরকার পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে।
- সিয়েরা পর্বতমালা, শহর পেরিয়ে তারা হাভানায় ঢুকে পড়লে বাতিস্তা সরকার পালিয়ে যায়।
- বিপ্লবের ধাক্কায় ১৯৫৯ সালে পতন ঘটে কিউবার যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত একনায়ক ফ্লুজেনসিও বাতিস্তার, ১ জানুয়ারি বাতিস্তা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।
- জয়ী হন কাস্ত্রো, জয় হয় বিপ্লবের।
- বিপ্লবের নেতা, ফিদেল কাস্ত্রো, ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কিউবা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যস্থলে অবস্থিত। কিউবা ৪০০ বছর ধরে স্পেনের একটি উপনিবেশ ছিল।
- কিউবা আশপাশের অনেকগুলো ছোট দ্বীপের সঙ্গে মিলে কিউবা প্রজাতন্ত্র গঠন করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৭,৫৫৯.
'The Starry Night'  চিত্রকর্মটি কার?
  1. মাইকেল অ্যাঞ্জেলো
  2. ভিনসেন্ট ভ্যান গগ
  3. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
  4. পাবলো পিকাসো
ব্যাখ্যা

• "The Starry Night" ডাচ চিত্রশিল্পী ভিনসেন্ট ভ্যান গগের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।

• ভিনসেন্ট ভ্যান গগ:
- ভিনসেন্ট ভ্যান গগ ছিলেন একজন ডাচ চিত্রশিল্পী।

• তাঁর আঁকা আরো কিছু শিল্পকর্ম:
- The Starry Night;
- Van Gogh self-portrait;
- Café Terrace at Night;
- The Yellow House;
- Almond Blossoms ।
- Sunflowers ইত্যাদি

উৎস: ভ্যানগগ মিউজিয়াম ও ব্রিটানিকা।

৭,৫৬০.
মেসোপটেমীয়া কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) গ্রিক
  2. খ) চাইনিজ
  3. গ) সংস্কৃত
  4. ঘ) আরবি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা হল মেসোপটেমীয় সভ্যতা।
- শুধু প্রাচীন নয় গুরুত্বপূর্ণও বটে। এই সুপ্রাচীন মেসোপটেমিয়া বর্তমান সময়ের যে অঞ্চলে ইরাক ও সিরিয়া আছে এই অঞ্চলে অবস্থিত এবং এই এলাকাকে সভ্যতার আঁতুরঘর হিসেবে ধরা হয়।

- সুমের অঞ্চলটি প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার একটি অংশ যেটি বর্তমানে দক্ষিণ ইরাক।
- মেসোপটেমিয়া শব্দটি গ্রিক থেকে এসেছে এবং এর অর্থ “দুই নদীর মাঝের অঞ্চল” ।
- মেসোপটেমিয়া এলাকাটি দুইটি নদীর মাঝে অবস্থিত । এই সভ্যতাটি ৫৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ৪০০০ পর্যন্ত টিকে ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণি।
৭,৫৬১.
কোন শহরে ৩২তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) বার্লিন
  3. গ) টোকিও
  4. ঘ) সিউল
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের ২৪ জুলাই থেকে ৯ আগস্ট জাপানের রাজধানী টোকিও শহরে ৩২তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে তা একবছর পিছিয়ে ২০২১ সালের ২৩ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট সময়ে একই শহরে আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। তবে এর নাম 'টোকিও ২০২০' ই থাকবে। নতুন তারিখেও যদি তা আয়োজন করা সম্ভব না হয় তাহলে ৩২তম গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস বাতিল ঘোষিত হবে। (সূত্রঃ আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার)
৭,৫৬২.
ইউরো মুদ্রার জনক কে?
  1. রবার্ট মেন্ডেল
  2. সিগমুন্ড ফ্রয়েড
  3. রবার্ট উইলহেম উন্ড
  4. রবার্ট মুন্ডেল
ব্যাখ্যা
ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে ব্যবহৃত একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার প্রতীক '€ '।
- ইউরো মুদ্রার জনক রবার্ট মুন্ডেল।
- সর্বশেষ ক্রোয়েশিয়া ২০১৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করে এবং ২০তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে।
- এখন পর্যন্ত ২০টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া।

⇒ ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে ২০০২ সালে কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ইউরো মুদ্রা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি (Maastricht Treaty) এর মাধ্যমে নেওয়া হয়। এই চুক্তিটি ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৩ সালের ১ নভেম্বর কার্যকর হয়। স্বাক্ষর করে ১২টি ইউরোপীয় দেশ। ম্যাসট্রিক্ট চুক্তিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি আর্থিক ও অর্থনৈতিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের পরিকল্পনা করা হয়, যার অংশ হিসেবে ইউরো মুদ্রার প্রবর্তনও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে ইউরো মুদ্রার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয় এবং ২০০২ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে চালু হয়।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।
৭,৫৬৩.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় কোন দেশটি অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. রাশিয়া
  4.  জাপান
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

• যুদ্ধে কেন্দ্রীয় অক্ষশক্তি জোট:
- জার্মানি, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।

• মিত্রশক্তি জোট:
- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৮ জুন, ১৯১৯ সালে।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com

৭,৫৬৪.
‘অটোয়া‘ কোন দেশের রাজধানী?
  1. ফ্রান্স
  2. কানাডা
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
কানাডা: 
-  কানাডা - উত্তর আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
-  স্বাধীনতা লাভ করে - যুক্তরাজ্য থেকে (১৮৬৭ সালে)।
- কানাডার মুদ্রায় ব্রিটেনের রাণীর ছবি আছে।
- কানাডার রাজধানী - অটোয়া।
- কানাডার মুদ্রার নাম - ডলার।
-  আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ - কানাডা।
-  বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - জাস্টিন ট্রুডো।
- ম্যাপল পাতার দেশ - কানাডা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্ট্রি।
৭,৫৬৫.
কোনটি দেশের রাজধানী শহর নয়?
  1. আস্তানা
  2. লিসবন
  3. মিনস্ক
  4. অন্টারিও
ব্যাখ্যা
• রাজধানী:
- টরেন্টো হলো কানাডার অন্টারিও রাজ্যের রাজধানী।
- এটি অন্টারিও হ্রদের উত্তর-পশ্চিম তীরে অবস্থিত এবং কানাডা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমান্তের অংশ।
 
অপরদিকে,
- কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানা।
- পর্তুগালের রাজধানী লিসবন।
- বেলারুশের রাজধানীর মিনস্ক।
 
উৎস:- ব্রিটানিকা.কম।
৭,৫৬৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশ নিরপেক্ষ ছিল?
  1. বেলজিয়াম
  2. যুগোশ্লোভিয়া
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পুরো যুদ্ধ জুড়ে মাত্র ১৪টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে নিরপেক্ষ ছিল।
- দেশগুলো হলো: সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, স্পেন, পর্তুগাল, আয়ারল্যান্ড, তুরস্ক, আফগানিস্তান, ইয়েমেন, ভ্যাটিকান সিটি, লিচেনস্টাইন, অ্যান্ডোরা, মোনাকো, সৌদি আরব, সান মারিনো ।
- উল্লেখ্য যে, সুইজারল্যান্ড সবচেয়ে বেশি নিরপেক্ষ দেশ ছিল যে সশস্ত্র নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছিল।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ যুদ্ধ।
- হিটলারের আগ্রাসী নাৎসি জার্মানি যখন ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর পোল্যান্ড আক্রমণ করে, তখন এই যুদ্ধ শুরু হয়। 
- এই যুদ্ধে মিত্রশক্তি আর অক্ষশক্তি নামে দুটি বিপরীত সামরিক জোটের সৃষ্টি হয়। 
- প্রায় ত্রিশটি দেশের ১০ কোটিরও বেশি সামরিক সদস্য এ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- গণহত্যা ও প্রথম পারমানবিক বোমার প্রয়োগে ৫ থেকে ৮ কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করে।

• মিত্রশক্তি: ১৯৪১ সালের পর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়ন একত্রে বৃহৎ তিন নামে পরিচিত হয় এবং চীন মিলে মিত্রশক্তি গঠন করে। পরবর্তীতে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ব্রাজিল, কানাডা চেকোস্লাভিয়া, ইথিওপিয়া, গ্রীস, ভারত, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড এবং যুগোশ্লোভিয়া এই জোটে যোগ দেয়।
• অক্ষশক্তি: অক্ষশক্তির প্রধান তিনটি রাষ্ট্র হলো জার্মানি, ইতালি এবং জাপান। এই বৃহৎ রাষ্ট্রগুলির সাথে সাথে তাদের ইউরোপ, আফ্রিকা, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত কলোনিগুলোও অক্ষশক্তির অংশ হয়ে যায়।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল:
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- কম্পিউটার, জেট ইঞ্জিন এবং পারমাণবিক শক্তির মতো উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিজ্ঞান ও শিল্পের অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।
- দুই পরাশক্তি আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন এর মধ্যে শীতল যুদ্ধ শুরু হয়।
- হলোকাস্ট: ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ঘটনা ছিল হলোকাস্ট। হিটলারের নাৎসি শাসনের সময় প্রায় ৬ মিলিয়ন ইহুদিকে হত্যা করা হয়েছিল। মানব বর্বরতার ভয়াবহতা এখনো এই হলোকাস্টের দ্বারা স্পষ্টভাবে আলোকিত করা হয়েছে।
- মানচিত্রের পরিবর্তন: যুদ্ধের কারনে পৃথিবীর মানচিত্র পরিবর্তিত হয়ে যায়। পুরানো সাম্রাজ্যের পতনের সাথে সাথে নতুন জাতি গড়ে ওঠে।
- এ যুদ্ধে সবচেয়ে ভয়াবহ প্রয়োগ ছিল পারমানবিক বোমা। এর ধ্বংসলীলার মধ্য দিয়েই জার্মানি ও জাপানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে ১৯৪৫ সালে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। সমগ্র ইউরোপ দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে ছোট ছোট রাষ্ট্রের জন্ম হয়। পশ্চিম ইউরোপের দেশ সমূহ নিয়ে NATO গঠিত হয়। এভাবেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নাটকের পরিসমাপ্তি ঘটে।

উৎস: i) History.com
ii) Worldatlas.

৭,৫৬৭.
পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর কোনটি?
  1. গ্রেট ফ্লোরিডা রিফ
  2. গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
  3. বেলিজ ব্যারিয়ার রিফ
  4. মেসো আমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ হচ্ছে পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রবাল রিফ যা ২,৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- রিফটি অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূল ঘেঁষা কোরাল সাগরে অবস্থিত।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ৯০০টির মতো প্রবাল দ্বীপ নিয়ে গঠিত এক বিরাট কাঠামো।
- এটি প্রায় ২৬০০ কিমি লম্বা।
- মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীর যে কয়েকটা প্রাণী সৃষ্ট কাঠামো খালি চোখে দেখা যায় তার মধ্যে একটা হলো এই রিফ।

অন্যদিকে -
- বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবাল রিফ হলো মধ্য আমেরিকার উপকূলীয় সমুদ্রে অবস্থিত মেসো আমেরিকান ব্যারিয়ার রিফ।
- গ্রেট ফ্লোরিডা রিফ বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম প্রবাল রিফ যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র বিস্তৃত রিফ সিস্টেম।
- বেলিজ ব্যারিয়ার রিফ আটলান্টিক-ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রিফ।

উৎস: Britannica.
৭,৫৬৮.
রামসার কনভেনশন কোথায় গৃহীত হয়?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) আর্জেন্টিনা
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ইরানের রামসার শহরে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন গৃহীত হয়। এটি কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।

বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
বাংলাদেশের টাঙ্গুয়ার হাওর ও সুন্দরবন রামসার সাইট।

(তথ্যসূত্র: রামসার কনভেনশন ওয়েবসাইট)
৭,৫৬৯.
প্রিন্সেস ডায়না কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
  1. দিল্লী
  2. লন্ডন
  3. প্যারিস
  4. লাহোর
ব্যাখ্যা
প্রিন্সেস ডায়ানা:
- ডায়ানা ফ্রান্সিস স্পেনসার জন্মেছিলেন ১৯৬১ সালের পয়লা জুলাই নরফোক জেলার স্যানড্রিংহামে।
- ২৯শে জুলাই ১৯৮১ লন্ডনের সেন্ট পলস গির্জায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন লেডি ডায়ানা ও যুবরাজ চার্লস।
- প্রিন্সেস ডায়ানার স্বেচ্ছাসেবী কাজ তাকে খুবই জনপ্রিয় করে তোলে।
- এইডস আক্রান্তদের বিষয়ে সচেতনতা গড়ে তোলার কাজে তাঁর অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৭ সালে ৩১ শে অগাস্ট ফ্রান্সের প্যারিসের পন্ট দে ল'আলমা টানেলে একটি মারাত্মক গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান প্রিন্সেস ডায়ানা। 

উৎস: Britannica.
৭,৫৭০.
পারস্য বর্তমানে কোন নামে পরিচিত?
  1. ইরাক
  2. তুরস্ক
  3. ইরান
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

পারস্য:
- পারস্য বর্তমানে ইরান নামে পরিচিত।
- পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় ২১ মার্চ, ১৯৩৫ সালে।
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিল জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস: প্রথমপত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৭১.
কিউবা বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. সিমন বলিভার
  2. হো চি মিন
  3. ফিদেল কাস্ত্রো
  4. আলবের্তো ফুজিমোরি
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রো নেতৃত্বে বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত।

কিউবা:
- সরকারি নাম: কিউবান রেপাবলিক।
- রাজধানী: হাভানা (Havana)।
- অবস্থান: ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- আয়তন: প্রায় ১০৬,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- ভাষা: স্প্যানিশ (সরকারি ভাষা)।
- মুদ্রা: কিউবান পেসো।
- ধর্ম: প্রধানত ক্যাথলিক এবং অন্যান্য খ্রিস্টান সম্প্রদায়।
- শাসন ব্যবস্থা: একদলীয় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।

• ভৌগোলিক অবস্থান:
- ক্যারিবিয়ান সাগরের বৃহত্তম দ্বীপ।
- দক্ষিণে মেক্সিকো, উত্তরে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা প্রদেশের নিকটে।
- পূর্বে হাইতি, পুয়ের্তো রিকো সহ অন্যান্য ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের পাশে্

উল্লেখ্য
- স্পেনের উপনিবেশ ছিল ১৫০০ থেকে ১৮৯৮ সাল পর্যন্ত।
- ১৯০২ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ।
- ১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রো নেতৃত্বে বিপ্লবের মাধ্যমে সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত।

উৎস: Britannica, World Atlas. 
৭,৫৭২.
এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. ইয়াংসিকিয়াং নদী
  2. হোয়াংহো নদী
  3. মেকং নদী
  4. আমুর নদী
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া।
- পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- আয়তন: ১৭,২২৬,২০০ বর্গ মাইল (৪৪,৬১৪,০০০ বর্গ কিমি)।
- এশিয়া মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট।
- মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে ভূ-মধ্যসাগর ও ইউরোপ মহাদেশ অবস্থিত।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।
- দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা গঠিত জাপান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া এ মহাদেশে অবস্থিত।
- এগুলোকে খণ্ডিত রাষ্ট্রও বলা হয়।
- আয়তনে এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম দেশ চীন এবং ক্ষুদ্রতম দেশ মালদ্বীপ।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,৫৭৩.
'টায়ার ও সিডন' কোন সভ্যতার বিখ্যাত দুটি শহর?
  1. সিন্ধু সভ্যতা
  2. ফিনিশীয় সভ্যতা
  3. অ্যাজটেক সভ্যতা
  4. ইনকা সভ্যতা
ব্যাখ্যা
সভ্যতা:
- খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩ হাজার বছর পূর্বে ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী লেবাননে ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো।
- ফিনিশীয় সভ্যতার বিখ্যাত দুটো বন্দর শহর হলো টায়ার ও সিডন।
- সাগর তীরবর্তী হওয়ায় ফিনিশীয়রা নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে খুবই প্রসিদ্ধ ছিলো। তাদের মূল পেশাও ছিলো নৌবাণিজ্য।
- ফিনিশীয়রা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালা উদ্ভাবন করে যা থেকে আধুনিক বর্ণমালার উদ্ভব হয়।

অন্যদিকে,
- অ্যাজটেক সভ্যতার শহর : তেহুচিটলান।
- ইনকা সভ্যতার শহর : মাচুপিচু।
- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো সিন্ধু সভ্যতার শহর।

উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক]
৭,৫৭৪.
কিউবার মিসাইল সংকট - এর সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন -
  1. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  2. লিন্ডোন বি. জনসন
  3. রিচার্ড নিক্সন
  4. জন এফ. কেনেডি
ব্যাখ্যা
জন এফ. কেনেডি:
- যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫-তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৯৬১ - ৬৩ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- কিউবার মিসাইল সংকট (১৯৬২) - এর সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯৬২ সালে কিউবায় সোভিয়েত মিসাইল স্থাপনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার উপক্রম হয় যা “কিউবার মিসাইল সঙ্কট” (Cuban missile crisis) নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম
৭,৫৭৫.
সিকিম কত সালে ভারতের রাজ্যে পরিণত হয়?
  1. ১৯৫০ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
সিকিম: 
- সিকিম ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পূর্ব হিমালয়ে অবস্থিত একটি রাজ্য।
- এটি ভারতের অন্যতম ক্ষুদ্রতম রাজ্য।
- উত্তরে ও উত্তর-পূর্বে চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল অবস্থিত।
- রাজধানী: গ্যাংটক (দক্ষিণ-পূর্ব সিক্কিমে অবস্থিত)।
- আয়তন: ২,৭৪০ বর্গমাইল (৭,০৯৬ বর্গকিমি)।
- সিকিম দীর্ঘ সময় ধরে স্বাধীন রাজনৈতিক সত্তা ছিল।
- ১৯৫০ সালে এটি ভারতের একটি সংরক্ষিত রাজ্য (প্রটেক্টোরেট) হয়।
- ১৯৭৫ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের রাজ্যে পরিণত হয়।
- সিকিমের আকার ছোট হলেও এর ভৌগোলিক অবস্থান আন্তর্জাতিক সীমান্তের সংলগ্ন হওয়ায় এটি ভারতের জন্য অত্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: Britannica.
৭,৫৭৬.
বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ 'অ্যাডাম স্মিথ' কোন দেশে জন্মগ্রহন করেছিলেন?
  1. স্কটল্যান্ড
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানী
  4. ইতালী
ব্যাখ্যা

অ্যাডাম স্মিথ: 
- অ্যাডাম স্মিথ ছিলেন একজন বিখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, নীতিবিদ এবং রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ।
- তিনি স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত।

• প্রধান বই:
- এডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে Wealth of Nations গ্রন্থটি রচনা করেন। তাঁর লেখা 'Wealth of nations' বইটি তাঁকে আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত করেছে। এই বইয়ে তিনি অর্থনীতির মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেন। বইটিতে স্মিথ শ্রমের বিভাজন, উৎপাদনশীলতা এবং মুক্ত বাজারের মতো বিষয়গুলিকে সম্বোধন করেন।
- এডাম স্মিথ ১৭৫৯ সালে তাঁর  ‘Theory of Moral Sentiment’ গ্রন্থটি রচনা করেন। বইটিতে তিনি বুঝাতে চেয়েছিলেন মানুষ কীভাবে সঠিক এবং ভুল নির্ধারণ করে। কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষ কিছু জিনিসকে নৈতিকভাবে প্রয়োজনীয়, বাকিগুলো নৈতিকভাবে নিষিদ্ধ, আবার কিছু কিছু জিনিসকে নৈতিকভাবে উদাসীন খুঁজে পায়।

• তাঁর প্রধান মতবাদসমূহ:
- অদৃশ্য হাত (Invisible Hand): তাঁর মতে, মানুষের স্ব-স্বার্থ বা নিজেদের স্বার্থ পূরণের আকাঙ্ক্ষা সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির মূল চালিকাশক্তি।
- মুক্ত বাজার ও সীমিত রাষ্ট্র: অবাধ বাণিজ্য এবং অর্থনীতিতে সরকারের কম হস্তক্ষেপের পক্ষে ছিলেন।
- শ্রম বিভাগ: উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষীকরণের কথা বলেন। 
এছাড়াও,
- 'Economics is the science of wealth'- উক্তিটি অ্যাডাম স্মিথের। 

উৎস: i) Investopedia ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

৭,৫৭৭.
রোমান সভ্যতা গড়ে ওঠে—
  1. নীল নদীর তীরে
  2. টাইবার নদীর তীরে
  3. দানিউব নদীর তীরে
  4. ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
ব্যাখ্যা
• রােমান সভ্যতা:
- গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রােমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- প্রথম দিকে রােম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
- রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ রােমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রােমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রোমের অর্থনীতি ছিলো দাসদের উপর নির্ভরশীল।

সভ্যতায় রোমের অবদান:
- রোম শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য সর্বক্ষেত্রে গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
- তারা এসব বিষয়ে গ্রিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ করেছে।
- তবে সামরিক সংগঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন ও প্রকৌশল বিদ্যায় তারা গ্রিক ও অন্যান্য জাতির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল।
- রোমানদের সবচেয়ে বড় অবদান আইনের ক্ষেত্রে।
- রোমান আইনের ভিত্তি ছিলো - The Twelve Tables.

সূত্র: Britannica ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৭৮.
'War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. কার্ল মার্কস
  2. জেন অস্টিন
  3. মন্টেস্কু
  4. লিও টলস্টয়
ব্যাখ্যা
• রাশিয়ান ঔপন্যাসিক লিও টলস্টয়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- War and Peace, Anna Karenina, A Confession ইত্যাদি।
• তাঁর 'War and Peace' উপন্যাসে ফ্রান্স কর্তৃক রাশিয়া দখলের কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৭,৫৭৯.
Benghazi is a port city of which country?
  1. Egypt
  2. Jordan
  3. Libya
  4. Morocco
  5. Mali
ব্যাখ্যা
লিবিয়া:
- লিবিয়া উত্তর আফ্রিকায় ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত।
- রাজধানী: ত্রিপোলি।
- মুদ্রা: দিনার।
- লিবিয়ার আদিবাসী: বার্বার জাতি।
- প্রধান ভাষা: আরবী, ইতালীয় ও ইংরেজী।

⇒ লিবিয়া ইতালির উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৫০ সালে জাতিসংঘের অনুমোদনের ভিত্তিতে এবং সাইরেনিকার আমিরের নেতৃত্বে লিবিয়া একটি ফেডারেল সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯৫১ সালে লিবিয়া ইতালির কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং ঐ বছরেই ২৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ লিবিয়াকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করে।

বেনগাজি হলো লিবিয়ার দ্বিতীয় জনবহুল শহর।
- ভূমধ্যসাগরের সিদ্রা উপসাগরে অবস্থিত বেনগাজি লিবিয়ার একটি প্রধান সমুদ্রবন্দর।

উৎস: Britannica.
৭,৫৮০.
হযরত মুহাম্মদ (স.) কোন বংশে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) হাশেমী বংশ
  2. খ) কুরাইশ বংশ
  3. গ) ওসমানীয় বংশ
  4. ঘ) যোহাইব বংশে
ব্যাখ্যা
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ২০ এপ্রিল ১২ই রবিউল আউয়াল তারিখে মক্কার কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মক্কার হেরা গুহায় গভীর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। ৬১০ খ্রিস্টাব্দে ৪০ বছর বয়সে তিনি নবুয়ত প্রাপ্ত হন।
৬২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মদিনা হিজরত করেন। ৬২৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি মক্কার কুরাইশদের সাথে বিখ্যাত হুদাইবিয়ার সন্ধি করেন। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে (১২ই রবিউল আউয়াল) তিনি ইন্তেকাল করেন।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস)
৭,৫৮১.
সিঙ্গাপুর নিচের কোন দেশের সাথে ফেডারেশন গঠন করেছিল?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. মালয়েশিয়া
  3. ফিলিপাইন
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
সিঙ্গাপুর: 
- সিঙ্গাপুর হল একটি নগর-রাষ্ট্র যা মালয় উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত, বিষুব রেখার প্রায় ৮৫ মাইল উত্তরে।
- এটি প্রধান সিঙ্গাপুর দ্বীপ এবং প্রায় ৬০টি ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- মূল দ্বীপটি উপদ্বীপ মালয়েশিয়া থেকে জোহর প্রণালী দ্বারা পৃথক করা হয়েছে এবং এর দক্ষিণ সীমানা ইন্দোনেশিয়ার রিয়াউ-লিঙ্গা দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি সিঙ্গাপুর প্রণালী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সিঙ্গাপুর একটি প্রধান বন্দর শহর হিসাবে কৌশলগত অবস্থানের জন্য পরিচিত, যা মালাক্কা প্রণালীতে আধিপত্য বিস্তার করে, যা ভারত মহাসাগরকে দক্ষিণ চীন সাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
- এই অবস্থানটি একটি বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র হিসাবে এর বৃদ্ধি এবং সমৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রেখেছে।
- সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম বন্দর এবং বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম বন্দর।
- এটি মালয় উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে এর কেন্দ্র অবস্থানের জন্য এটি মালাক্কা প্রণালীতে আধিপত্য বিস্তার করে , যা ভারত মহাসাগরকে দক্ষিণ চীন সাগরের সাথে সংযুক্ত করে ।
- একসময় ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং এখন কমনওয়েলথের সদস্য।
- সিঙ্গাপুর প্রথম ১৯৬৩ সালে মালয়েশিয়ার ফেডারেশনে যোগ দেয়। 
- ৯ আগস্ট, ১৯৬৫ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয় ।

উৎস: Britannica.
৭,৫৮২.
প্রথম কোথায় গণতন্ত্রের সূচনা হয়?
  1. গ্রিসে
  2. ইতালিতে
  3. ডেনমার্কে
  4. যুক্তরাজ্যে
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্রের সূচনা:
- 'গণতন্ত্র' পরিভাষাটি ইংরেজি 'Democracy' থেকে এসেছে।
- গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- ব্যুৎপত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো তখন গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।
- অ্যাথেন্সকে সাধারণত গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও কালের কণ্ঠ।
৭,৫৮৩.
রোমান সভ্যতার স্থাপত্য নিদর্শন ‘কলােসিয়াম হলো - 
  1. ক) নাট্যশালা 
  2. খ) বিশ্ববিদ্যালয় 
  3. গ) উপাসনালয়
  4. ঘ) খেলার মাঠ 
ব্যাখ্যা
• রোমান স্থাপত্য:
- রোমানদের দ্বারা নির্মিত কলােসিয়াম সবচেয়ে বড় স্থাপত্য।
- ৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপেশিয়ানের আমলে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়।
- শেষ হয় ৮০ খ্রিস্টাব্দে দশম রোমান সম্রাট টাইটাস ম্যাঙ্মিাসের সময়ে।
- ‘কলােসিয়াম' হলো নাট্যশালা যেখানে পুরাণনির্ভর নাটক প্রদর্শিত হতো।
- স্থানীয়ভাবে এটি অ্যামফিথিয়েট্রাম ফ্ল্যাভিয়াম নামেও পরিচিত।
- রোমানদের সময়ের বিখ্যাত সব গ্ল্যাডিয়েটর এখানে লড়তেন। 
- মূল ৬ একর জমির ওপর নির্মিত কলোসিয়ামটি ১৮৯ মিটার দীর্ঘ।
- ১৫৬ মিটার চওড়া এ স্থাপনাটির বাইরের দেয়ালের উচ্চতা ৪৮ মিটারের বেশি।
- সম্রাট হাড্রিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যনথিয়ন রোমের একটি বড় স্থাপত্য নিদর্শন।
- এখানে একসাথে ৫,৬০০ জন দর্শক বসতে পারত।
- ভাস্কর্যের নিদর্শন হিসেবে রোমে পাওয়া গেছে অনেক মূর্তি।
- এগুলো ছিল সম্রাট, কর্মকর্তা ও দেবতাদের মূর্তি।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কালেরকন্ঠ ।
৭,৫৮৪.
‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ প্রধানত কোন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে?
  1. ইরাক যুদ্ধ
  2. সিরিয়া গৃহযুদ্ধ
  3. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  4. রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং (Coalition of the willing):
- ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ হলো রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে গঠিত একটি জোট।
- এটি ইউক্রেনকে শক্তিশালী সমর্থন, শান্তি চুক্তি রক্ষা এবং নিরাপত্তা গ্যারান্টি প্রদানের জন্য কাজ করে।
-  ২ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ‘Coalition of the Willing’ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
- এর লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তির পর ইউক্রেনে শান্তি বজায় রাখা এবং রাশিয়ার ভবিষ্যৎ আক্রমণ প্রতিরোধ করা।
- সদস্য: ৩৫টি দেশ (ইউরোপীয় দেশগুলো ছাড়াও কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, তুরস্ক ইত্যাদি)।

⇒ ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।  
- NATO মহাসচিব মার্ক রুটে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) শীর্ষ কর্মকর্তারা, এবং জোটভুক্ত ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
- উদ্দেশ্য: ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা।

উৎস: i) The Guardian.
ii) NATO ওয়েবসাইট।

৭,৫৮৫.
হিটলারের শাসনামলে 'গোপন পুলিশ বাহিনী' হিসেবে পরিচিত ছিল—
  1. এস.এস
  2. সীমান্ত বাহিনী
  3. স্টর্ম ট্রুপার
  4. গেস্টাপো
ব্যাখ্যা
অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৮৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
-১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার মৃত্যু বরণ করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

উৎস: Britannica.com.
৭,৫৮৬.
কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটকালীন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন-
  1. হ্যারি এস ট্রুম্যান
  2. জন এফ কেনেডি
  3. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা

জন এফ কেনেডি:
- কিউবার ক্ষেপনাস্ত্র সঙ্কটকালীন প্রেসিডেন্ট ।
- পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট ।

অন্যদিকে,
• ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট জাতিসংঘের প্রস্তাবক ছিলেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- একনাগাড়ে ১২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন।

• হ্যারি এস ট্রুম্যান- হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমা ফেলার নির্দেশ দেন।

• রিচার্ড নিক্সন- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট ।
- ১৯৭২ সালের ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত ছিলেন।

• রোনাল্ড রিগ্যান- হলিউড অভিনেতা ছিলেন।
- তারকা যুদ্ধ প্রকল্প শুরু করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসােইট।

৭,৫৮৭.
স্নায়ুযুদ্ধকালীন যুক্তরাষ্ট্রের 'Containment Doctrine' এর প্রবক্তা কে?
  1. হেনরি কিসিঞ্জার
  2. জর্জ কেনান
  3. জন এফ. কেনেডি
  4. হ্যারি ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
Containment Doctrine: 
- Containment Doctrine হল একটি কৌশলগত পররাষ্ট্র নীতি এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে শুরু করে।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে এই নীতির প্রবক্তা ছিলেন জর্জ এফ. কেনান। 

উল্লেখ্য, 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন, তিনি কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দিয়েছিল ফ্রান্স।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ক্রীতদাস প্রথা বিলোপের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- ১৮৬৩ সালে তার প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করা হয়।

সূত্র - Britannica.com
৭,৫৮৮.
দক্ষিণ আফ্রিকার মুদ্রার নাম কি?
  1. ক) ক্রোনার
  2. খ) পেসো
  3. গ) ক্রুজিরা
  4. ঘ) র‍্যান্ড
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ আফ্রিকার মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।
- ক্রোনা আইসল্যান্ড এবং সুইডেনের মুদ্রার নাম।
- ক্রুজিরো ব্রাজিলের পূর্বতন মুদ্রার নাম, বর্তমান মুদ্রা রিয়াল।
- পেসো হলো আর্জেন্টিনা, চিলি, কলম্বিয়া, উরুগুয়ে ও কিউবার মুদ্রার নাম।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সরকারি ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

৭,৫৮৯.
২০১১ সালে মিশরের তাহরির স্কোয়ারে কত দিনের বিপ্লব সংঘটিত হয়?
  1. ৬ দিন
  2. ১১ দিন
  3. ১৮ দিন
  4. ৩৬ দিন
ব্যাখ্যা
২০১১ সালে মিশরের তাহরির স্কোয়ারে ১৮ দিনের বিপ্লব সংঘটিত হয়।

মিশরের বিপ্লব: তাহরির স্কোয়ারে ১৮ দিন

- মিশরের তাহরির স্কোয়ারে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি বিপ্লব শুরু হয়।

⇒ মিশরে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ক্ষমতাসীন ছিলেন হোসনি মুবারক, যিনি একদিকে দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দাবি করলেও, তার শাসনামলে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির অভিযোগ বেড়ে যায়।
- ২০১১ সালে, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া ও অন্যান্য আরব দেশগুলিতে ঘটে যাওয়া বিদ্রোহের প্রেক্ষিতে, মিশরের জনগণও প্রতিবাদে নেমে আসে।
- ২৫ জানুয়ারি, ২০১১, মিশরের পুলিশ দিবসে, বিরোধী আন্দোলনকারীরা তীব্র প্রতিবাদ শুরু করে। তাদের দাবী ছিল মুবারকের সরকারের পতন এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার।
- এই প্রতিবাদ মিশরের রাজধানী কায়রোর তাহরির স্কোয়ারে কেন্দ্রীভূত হয়ে ওঠে, যা বিপ্লবের প্রধান স্থান হয়ে ওঠে।

⇒ ১৮ দিনের মধ্যে, লাখ লাখ মানুষ সেখানে জড়ো হয়, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে।
- তারা মুবারকের সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়, এবং দ্রুতই আন্দোলনটি এক গণতান্ত্রিক সংগ্রামে পরিণত হয়।
- ১৮ দিনের প্রতিরোধ এবং চাপের পর, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১-এ হোসনি মুবারক পদত্যাগ করেন।

⇒ এই বিপ্লব "আরব বসন্ত" নামে পরিচিত আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলন উজ্জীবিত করে।
- এটি ছিল মূলত স্বৈরশাসন, দুর্নীতি এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্থবিরতার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদ। 

উৎস: BBC.
৭,৫৯০.
রাশিয়া ও ক্রিমিয়াকে সংযুক্ত সেতুর নাম কী?
  1. কালিনিনগ্রাদ সেতু
  2. সেন্ট পিটার্সবার্গ সেতু
  3. কার্চ সেতু
  4. ভলগা সেতু
ব্যাখ্যা
কার্চ সেতু:
- ক্রিমিয়া একসময় ইউক্রেনের অংশ ছিল।
- ২০১৪ সালে ভূখণ্ডটি দখল করে নেয় রাশিয়া।
- এর পরপরই ক্রিমিয়াকে নিজেদের ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় মস্কো।
- চার বছরের মাথায় চালু করা হয় কার্চ সেতু।
- ক্রিমিয়া সেতু নামেও এই স্থাপনা পরিচিত।
- ক্রিমিয়া ও রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সেতু।
- ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সঙ্গে রাশিয়াকে যুক্ত করা এই সেতু ১২ মাইল বা প্রায় ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- ২০১৮ সালের ১৫ মে সাগরে কার্চ প্রণালির ওপর নির্মাণ করা এ সেতু উদ্বোধন করা হয়।
- এটা ইউরোপের সবচেয়ে দীর্ঘ সেতু।
- এতে সড়ক ও রেলপথ যুক্ত রয়েছে।
- কার্চ সেতু বানাতে খরচ হয়েছে ৩৬০ কোটি ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পর থেকে কার্চ সেতুর কৌশলগত গুরুত্ব বহুলাংশে বেড়ে যায়।
- ইউক্রেনে নিয়োজিত রুশ সেনাদের অস্ত্র ও রসদ সরবরাহে ব্যবহার করা হয় সেতুটি।

উৎস: i) Britannica.
ii) Reuters.
৭,৫৯১.
বিশ্বের বৃহত্তম বন 'আমাজন' নিচের কোন দেশের অংশ নয়?
  1. সুরিনাম
  2. প্যারাগুয়ে
  3. পেরু
  4. বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
আমাজন বন:

• আমাজন রেইনফরেস্ট হল বিশ্বের বৃহত্তম বন। 
• আমাজন বনাঞ্চল হল একটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় রেইনফরেস্ট যা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর দিকে অবস্থিত।
• এটি ৯ টি দেশ জুড়ে বিস্তৃত।
• দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, বলিভিয়া, ইকুয়েডর, পেরু, কলম্বিয়া, ভেনিজুয়েলা, সুরিনাম, ফ্রেঞ্চ গায়ানা এবং গায়ানা।
• এর আয়তন প্রায় 2,300,000 বর্গ মাইল (6,000,000 বর্গ কিমি) যার প্রায় (৬০%) ব্রাজিলে অবস্থিত এবং সেই দেশের প্রায় অর্ধেক জুড়ে রয়েছে।
• বিশ্বের মোট প্রাণী বৈচিত্র্যের ১০ ভাগের এক ভাগের আবাসস্থল আমাজন।
• এটি বিশ্বের ২০% মিঠাপানির উৎস।
• এটি বিশ্বের ২০% অক্সিজেনের উৎস।
• পৃথিবীর ফুসফুস নামে খ্যাত এই বন।

উৎস: ব্রিটানিকা, আমাজনের ওয়েবসাইট। 
৭,৫৯২.
‘লিভিং হিস্ট্রি (Living History)’ আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের লেখক?
  1. ক) জিমি কার্টার
  2. খ) বারাক ওবামা
  3. গ) বিল ক্লিনটন
  4. ঘ) হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
২০০৩ সালে হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন তার বহুল প্রত্যাশিত হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ প্রকাশ করেন।
সূত্রঃ ব্রিটানিকা
৭,৫৯৩.
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের রাজনৈতিক দল -
  1. ন্যাশনাল ইউনাইটেড
  2. কনজারভেটিভ রাশিয়া
  3. ন্যাশনাল ফ্রন্ট
  4. ইউনাইটেড রাশিয়া
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল:
- ভ্লাদিমির পুতিন ২০০০ সাল থেকেই রাশিয়ার ক্ষমতায় রয়েছে।
- প্রথমে তার পূর্বসূরি বরিস ইয়েলতসিনের দ্বারা ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন, আর ২০০০ সালের মার্চে তিনি প্রথমবার নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এর রাজনৈতিক দলের নাম ইউনাইটেড রাশিয়া।
- রাশিয়ার বর্তমান ক্ষমতাসীন এ দলটি ১ ডিসেম্বর, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ডুমা রাশিয়ান পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ গঠন করে এবং স্টেট কাউন্সিল ছিল উচ্চকক্ষ।

উৎস: রয়টার্স ও বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
৭,৫৯৪.
চতুর্থ আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ কী নামে পরিচিত?
  1. ক) Gulf War
  2. খ) Arab Revolt in Palestine
  3. গ) Yom Kippur War
  4. ঘ) Six-Day War
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ (Yom Kippur War)
যুদ্ধ সংঘটন কাল: ৬ অক্টোবর ২৫ অক্টোবর, ১৯৭৩ সাল। 
এই যুদ্ধকে চতুর্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ বলা হয়। 
এই যুদ্ধ "Yom Kippur War" নামে পরিচিত। 
প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষসমূহ – ইসরায়েল এবং মিশর ও সিরিয়ার নেতৃত্বে আরও কয়েকটি আরব দেশ।
ফলাফল – ইসরায়েল বিজয়ী।  এই যুদ্ধে দখলকৃত অঞ্চল মিলিয়ে ইসরায়েলের আয়তন আগের তুলনায় ৪ গুণ বৃদ্ধি পায়।

মিশর ও সিরিয়া ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে তাদের হারানো অঞ্চল ফিরে পাওয়ার উদ্দেশ্যে ৬ অক্টোবর, ১৯৭৩ সালে দুই দিক থেকে ইসরায়েল আক্রমণ করে। 
মিশর সিনাই উপদ্বীপে ও সিরিয়া গোলান মালভূমি অঞ্চলে প্রায় একই সময়ে ইহুদীদের সবচেয়ে পবিত্র রাতে (Yom Kippur)
অতর্কিত হামলা শুরু করে।
প্রথম দিকে ইসরায়েল ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হলেও পরে ইসরায়েল ঘুরে দাঁড়ায়। পাল্টা আক্রমণ করে ইসরায়েলি বাহিনী এরিয়েল শেরনের নেতৃত্ব কায়রো ও দামেস্কের কাছাকাছি পর্যন্ত চলে আসে। সৌদি আরব, জর্ডান, ইরাক প্রভৃতি রাষ্ট্র সিরিয়া ও মিশরের সাহায্যে সৈন্য প্রেরণ করে।

আরব রাষ্ট্রগুলো এই যুদ্ধের সময় ‘তেল অস্ত্র’ প্রয়োগ করে। তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্রগুলো একই সাথে ৫% তেল উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেয়।
২৫ অক্টোবর, ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। ইসরায়েল গোলান মালভূমির আরও বেশ
কিছু অঞ্চল নিজেদের দখলে নেয়।
১৯৭৮ সালে ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলের সাথে মিশরের ৩০ বছর ধরে চলা যুদ্ধাবস্থার অবসান হয়।
এর ফলে প্রথম আরব দেশ হিসাবে মিশর ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয় এবং বিনিময়ে সিনাই উপদ্বীপের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়।
 
উৎস: ব্রিটানিকা, লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
৭,৫৯৫.
কোন দেশের মন্ত্রিসভার অর্ধেক সদস্যই নারী?
  1. ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. খ) সিঙ্গাপুর
  3. গ) তিউনিশিয়া
  4. ঘ) আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
South Africa’s cabinet is now 50% women for the first time ever. French President Emmanuel Macron joined in by appointing 17 women to his cabinet of 35 ministers in 2017.
Source: World Economic Forum
৭,৫৯৬.
নিচের কোনটি ইসরাইলের সমুদ্রবন্দর?
  1. হাইফা
  2. এডেন
  3. বন্দর আব্বাস
  4. আকাবা
ব্যাখ্যা
ভ্যানকুভার সমুদ্র বন্দর অবস্থিত - কানাডার।
এডেন সমুদ্র বন্দর অবস্থিত - ইয়েমেন।
বন্দর আব্বাস সমুদ্র বন্দর অবস্থিত - ইরান।
হাইফা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত - ইসরায়েল।
পোর্ট সৈয়দ সমুদ্র বন্দর অবস্থিত - মিশর।
আকাবা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত - জর্ডান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৫৯৭.
Which of the following countries has successfully test-launched its first hypersonic aircraft?
  1. ক) India
  2. খ) China
  3. গ) Russia
  4. ঘ) United States
ব্যাখ্যা
• চীন:
- চীন তার প্রথম অত্যাধুনিক হাইপারসনিক বিমানের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে যা পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে পারে এবং বর্তমান প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্র-বিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে পারে ।
- বেইজিং-এ অবস্থিত এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন চায়না অ্যারোস্পেস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি কর্পোরেশনের অংশ, দ্য চায়না একাডেমি অফ অ্যারোস্পেস অ্যারোডাইনামিকস (CAAA) আগস্ট, 2018-এ ''স্টারি স্কাই-2'' বিমানের প্রথম পরীক্ষা চালায়।
- হাইপারসনিক যানবাহনগুলি কেবল উচ্চ-গতির নয়, তারা শব্দের কমপক্ষে পাঁচগুণ গতিতে ভ্রমণ করে।
- এটি প্রায় 30 মিনিটের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে দ্রুত ভ্রমণ করার জন্য যথেষ্ট।

উৎস: সিএনএন এবং ইকোনমিক টাইমস।
৭,৫৯৮.
শ্রীলঙ্কার আইনসভার নাম ​​​​​​কী?
  1. ফকেটিং
  2. বুন্দেসতাগ
  3. টেম্পল ট্রিস
  4. পার্লামেন্ট
ব্যাখ্যা
শ্রীলঙ্কার আইনসভার নাম ​​​​​​পার্লামেন্ট। এর মোট আসন সংখ্যা ২২৫টি। 

বিভিন্ন দেশের আইনসভার নাম:
- ডেনমার্কের আইনসভার নাম ফকেটিং।
- নরওয়ের আইনসভার নাম স্টরটিং।
- ফিনল্যান্ডের আইনসভার নাম এডুসকুন্তা।
- জার্মানির আইনসভার নাম বুন্দেসতাগ। 
- বেলজিয়ামের আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট।

সূত্র- ব্রিটানিকা।
৭,৫৯৯.
'ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার' হলো-
  1. বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন
  2. পরিবেশ আন্দোলন
  3. ভ্যাকসিন কর্মসূচি
  4. দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার হলো একটি বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন।
২০১৩ সালে মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ ট্রভয়ের মার্টিনের হত্যাকারী জর্জ জিমারম্যানকে বেকসুর খালাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অংশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলনের উৎসপাত ঘটে।
সম্প্রতি জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সমগ্র বিশ্বে ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে। এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্যে হলো বিশ্বব্যাপী বর্ণবাদ বা কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি বৈষম্যের অবসান।
(উৎসঃ ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার ওয়েবসাইট)
৭,৬০০.
বাদশা ফাহাদের পর সৌদি বাদশা কে হন? 
  1. খালেদ
  2. ফয়সাল
  3. আব্দুল আজিজ
  4. আবদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
বাদশা ফাহাদের পর সৌদি বাদশা হন আবদুল্লাহ।

আবদুল্লাহ:

- ফাহাদ ইবনে আবদুল আজিজ আল সৌদ ১৯৮২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের রাজা ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ২০০৫ সালে তার মৃত্যুর পর তার সৎ ভাই আবদুল্লাহ আবদুল আজিজ আল সৌদ রাজা ও প্রধানমন্ত্রী হন।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালে আব্দুল্লাহর মৃত্যুর পর তার সৎ ভাই সালমান আবদুল আজিজ আল সৌদ রাজা ও প্রধানমন্ত্রী হন।
- তার ছেলে মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের বর্তমান ক্রাউন প্রিন্স।

⇒ সৌদি আরব:
- আরব উপদ্বীপের সুবিশাল অংশজুড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের অবস্থান।
- এর উত্তরে জর্দান ও ইরাক, উত্তর-পূর্বে কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন, পূর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ-পূর্বে ওমান এবং দক্ষিণে ইয়েমেন।
- ১৯৩২ সালে ইবনে সাউদ সৌদি আরবে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- সৌদি আরব দুই পবিত্র মসজিদের ভূমি হিসেবেও পরিচিত (মক্কা এবং মদিনা)।
- তেল-গ্যাসের বিশাল মজুদ রয়েছে সৌদি আরবে।
- দেশটির সমৃদ্ধির প্রধান কারণ এটিই।
- রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর: রিয়াদ।
- দাপ্তরিক ভাষা : আরবি।
- মুদ্রা: সৌদি রিয়াল।
- জাতিসংঘে যোগদান: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫।
- সৌদি আরবের কোনো আইনসভা ও সংবিধান নেই।
- সৌদি আরবই একমাত্র দেশ যার পতাকায় কালেমা লেখা আছে।
- পৃথিবীতে একমাত্র সৌদি আরবের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না।

উৎস: Britannica.