বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৭৩ / ৯৩ · ৭,২০১৭,৩০০ / ৯,৩৩৪

৭,২০১.
মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বত কোনটি?
  1. মাউন্ট তাহান
  2. মাউন্ট কোর্বু
  3. মাউন্ট কিনাবালু
  4. মাউন্ট লেদাং
ব্যাখ্যা

মাউন্ট কিনাবালু:
- অবস্থান: পূর্ব মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যে।
- উচ্চতা: ১৩,৪৩৫ ফুট (৪,০৯৫ মিটার)
- এটি মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বত।
- বিশ্ব ঐতিহ্য: কিনাবালু পার্ক নামে সংরক্ষিত।
- বিশ্ব র‍্যাংকিং: বিশ্বের ২০তম উঁচু পর্বত।
- তবে দ্বীপে অবস্থিত পর্বতের মধ্যে পৃথিবীতে তৃতীয়।
- স্থানীয় কাদাজান জনগোষ্ঠীর কাছে পবিত্র; পূর্বপুরুষদের আত্মার বাসস্থল হিসেবে বিবেচিত।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৭,২০২.
আবু গারিব বলতে কি বোঝায়?
  1. একজন বিখ্যাত দার্শনিক
  2. একটি যাদুঘর
  3. একটি জেলখানা
  4. একজন বৈজ্ঞানিক
ব্যাখ্যা
আবু গারিব বলতে বোঝায় একটি জেলখানা। 

আবু গারিব:
- আবু গারিব একটি জেলখানা।
- এটি ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- সাদ্দাম হোসেনের রাষ্ট্রপতির থাকাকালীন (১৯৭৯-২০০৩) এখানে বিপুল সংখ্যক রাজনৈতিক বন্দীকে আটক রাখা হয়।
- এটি তখন নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত হয়ে ওঠে।
- মার্কিন এবং মিত্র বাহিনীর দ্বারা ইরাকে আক্রমণের পর ২০০৩ সালের আগস্টে এটি মার্কিন সেনাবাহিনী দ্বারা পুনরায় চালু করা হয়েছিল।

উৎস: Britannica.
৭,২০৩.
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি শুরু হয় কবে?
  1. ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫
  2. ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি:
- ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয় হামাস এবং ইসরায়েলের এই যুদ্ধ
- এখন পর্যন্ত ৪৬ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজারের বেশি মানুষ।
- ১৫ মাসের সহিংসতা ও গণহত্যার পর গত ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়।
- তিনটি ধাপের চুক্তির প্রথম ধাপে ৩৩ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্ত করবে হামাস, বিনিময়ে ইসরায়েলি কারাগারে আটক কয়েকশ ফিলিস্তিনি বন্দিকে ৪২ দিনের মধ্যে মুক্তি দেওয়া হবে।
- দ্বিতীয় ধাপে, ইসরায়েল তাদের সেনাবাহিনীকে গাজা থেকে পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেবে।
- মিশর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।
৭,২০৪.
কোন দেশ বর্তমানে চেকবুক কূটনীতি ব্যবহার করছে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ভারত
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
- অর্থনৈতিক সাহায্য ও বিনিয়োগ করে সমর্থন পাওয়ার জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রসমূহ যে কূটনীতি প্রয়োগ করে তাকেই চেকবই কূটনীতি বলা হয়।
- বর্তমানে চেকবই কূটনীতির মাধ্যমে চীন কৌশলগত ও সামরিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করছে।

উৎসঃ বিবিসি নিউজ।
৭,২০৫.
'কয়েনেজ অ্যাক্ট' দ্বারা কত সালে ডলার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক মুদ্রা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৭৭৬ সালে
  2. ১৭৯২ সালে
  3. ১৮৬১ সালে
  4. ১৯৪৪ সালে
ব্যাখ্যা

মার্কিন ডলার:
- মার্কিন ডলার (USD) বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে প্রচলিত ও শক্তিশালী মুদ্রা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মুদ্রা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগে প্রধান ভূমিকা পালন করে।

• ১৭৯২ সালে কয়েনেজ অ্যাক্টের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি পায়। 
- এই আইনের মাধ্যমে দেশের প্রথম আধুনিক মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করা হয়। এই আইনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন আলেকজান্ডার হ্যামিল্টন, যিনি মার্কিন টাকশাল (Mint) প্রতিষ্ঠার কাজ চূড়ান্ত করেন। এতে বলা হয়, সরকার রূপা ও স্বর্ণ দিয়ে নির্ধারিত মানের কয়েন তৈরি করবে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর ১৯১৪ সালে প্রথমবার ডলার কারেন্সি মুদ্রিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রেটন উডস্ সম্মেলনে ডলারকে আন্তর্জাতিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়, যার ফলে পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশ তাদের মুদ্রাকে ডলারের সাথে সংযুক্ত করে।

উৎস: Britannica.

৭,২০৬.
শাং যুগের প্রধান দেবতার নাম কী ছিল?
  1. ক) শাংতি
  2. খ) জিউস
  3. গ) নুত
  4. ঘ) সেতিং
ব্যাখ্যা
শাং যুগের ধর্ম:

-
শাং যুগের প্রধান দেবতার নাম শাংতি।
- রাজকার্য ছাড়াও ধর্মীও বিষয়ে শাং রাজাদের ভূমিকা ছিল প্রধান।
- রাজার নির্দেশে পুরোহিতরা ধর্মীও দায়িত্ব পালন করতেন।
- মৃত রাজাকেও কখনও কখনও পূজা করা হতো।
- তাই রাজার সমাধিসৌধ বহু মূল্যবান জিনিস দিয়ে সাজিয়ে রাখা হতো।
- শাং যুগের মানুষ মাটি, বাতাস, নদী, বিভিন্ন দিক (পূর্ব,পশ্চিম,উত্তর,দক্ষিন) এবং পাকৃতিক শক্তিকে দেবতা মনে করতো।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২০৭.
অরেঞ্জ বিপ্লবের কেন্দ্রবিন্দু ছিল -
  1. ওডেসা
  2. লভিভ
  3. লুহানস্ক
  4. কিয়েভ
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ বিপ্লব:
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- ‘অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- সংঘটিত হয়: ২০০৪ সালে।
- এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,২০৮.
নিচের কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইতালি
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা

♦ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল:
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস।

♦ উল্লেখ্য:
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসুত্র: Britannica & History.com

৭,২০৯.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ‘ওয়াটার গেট’ কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত ছিলেন?
  1. রোনাল্ড রিগ্যান
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. আব্রাহাম লিঙ্কন
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
রিচার্ড নিক্সন:
- রিচার্ড নিক্সন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ‘ওয়াটার গেট’ কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত ছিলেন এবং একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি পদত্যাগ করেছিলেন। 

⇒ ওয়াশিংটনের একটি হোটেলের নাম ওয়াটারগেট।
- সেখানে ডেমোক্র্যাট ন্যাশনাল কমিটির কার্যালয় ছিল।
- ১৯৭২ সালে যখন নিক্সনের নির্বাচনী শিবিরের সদস্যরা ওয়াটারগেট বিল্ডিংয়ে অবস্থিত ডেমোক্রেটিক পার্টির সদর দপ্তরে অনুপ্রবেশ করে তথ্য চুরি করার চেষ্টা করেন তখন  কেলেঙ্কারী শুরু হয়।
- এই ঘটনা তদন্তের পর ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসে যে, নিক্সনের প্রশাসন এতে যুক্ত ছিল এবং তারা ঘটনার উপর প্রচ্ছন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখার চেষ্টা করেছিল।
- এই কেলেঙ্কারী শেষে, ১৯৭৪ সালে নিক্সন আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- নিক্সনের পদত্যাগের পর জেরাল্ড ফোর্ড তার স্থলাভিষিক্ত হন এবং তিনি নিক্সনকে ক্ষমা করে দেন।

অন্যদিকে -
- আব্রাহাম লিঙ্কন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি। তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত করেন।
- জর্জ ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের ১ম প্রেসিডেন্ট এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন।
- রোনাল্ড রিগ্যান মার্কিন রাজনীতিবিদ। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪০তম রাষ্ট্রপতি।

উৎস: History Channel.
৭,২১০.
"বাস্তিল দুর্গ" কোন বিপ্লবের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত?
  1. অক্টোবর বিপ্লব
  2. অরেঞ্জ বিপ্লব
  3. ফরাসি বিপ্লব
  4. শিল্পবিপ্লব
ব্যাখ্যা

বাস্তিল দুর্গ:
- বাস্তিল দুর্গ ফরাসি বিপ্লবের (French Revolution) সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসের জনগণ এই দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করে।
- এটি ছিল রাজতান্ত্রিক স্বৈরশাসন ও নিপীড়নের প্রতীক।
- দুর্গটিতে রাজবিরোধী নাগরিকদের আটক করে রাখা হতো।
- বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয়।
- ফ্রান্সে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ শুরু হয় এবং অভিজাততন্ত্রের অবসান ঘটতে থাকে।
- ১৪ জুলাই ‘বাস্তিল দিবস’ হিসেবে ফ্রান্সে জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।

সূত্র: Britannica.

৭,২১১.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্র শক্তির পক্ষে ছিল-
  1. জার্মানি
  2. হাঙ্গেরি
  3. ইতালি
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা

• বিবাদমান পক্ষ: 
- মিত্র শক্তি: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, সার্বিয়া, জাপান
- কেন্দ্রীয় শক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল: 
- মিত্র শক্তির বিজয় হয়।
- ২য় ভার্সাই চুক্তি: ১৯১৯ সালের ২৮ জুন স্বাক্ষরিত।
- স্থান ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদের হল অব মিররে।
- পক্ষ জার্মানি বনাম মিত্র শক্তি।
- আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি।
• বেলফোর ঘোষণা: 
- ব্যারন রথচাইল্ডের (ব্রিটিশ ইহুদী নেতা) কাছে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার জেমস বেলফোরের চিঠি।
- মূল কপিটি ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে।
- এ ঘোষণার প্রেক্ষিতে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্ম।

উৎস: হিস্টোরি. কম.।

৭,২১২.
ম্যানচেস্টার সমুদ্র বন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) ব্রিটেন
  4. ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা
- ব্রিটেনের  সমুদ্র বন্দর:- ম্যানচেস্টার, বিস্ট্রল, গ্লাসকো, লিভারপুল।
- মিশরের সমুদ্র বন্দর:- পোর্ট সৈয়দ, সুয়েজ, আলেকজান্দ্রিয়া।
- অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র বন্দর:- সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেন।
- পোল্যান্ডের সমুদ্র বন্দর ডানজিগ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,২১৩.
কোন দেশটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী?
  1. শ্বেতহস্তীর দেশ
  2. সিল্ক রুটের দেশ
  3. সোনালী প্যাগোডার দেশ
  4. বজ্রপাতের দেশ
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ন ভৌগলিক উপনাম (দেশ)
-নিশীথ সূর্যের দেশ - নরওয়ে।
- সূর্যোদয়ের দেশ - জাপান।
- শ্বেতহস্তীর দেশ - থাইল্যান্ড।
- সিল্ক রুটের দেশ - ইরান।
- সোনালী প্যাগোডার দেশ- মায়ানমার।
- বজ্রপাতের দেশ - ভুটান।
- মুক্তার দেশ - কিউবা।
- মুক্তার দ্বীপ- বাহরাইন।
- প্রাচীরের দেশ - চীন।
- ল্যান্ড অফ মার্বেল - ইতালি।
- সমুদ্রের বধূ - গ্রেট ব্রিটেন।
- ম্যাপল পাতার দেশ - কানাডা।
- হাজার হ্রদের দেশ -ফিনল্যান্ড।
- ইউরোপের ককপিট - বেলজিয়াম।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৭,২১৪.
জনসংখ্যার দিক থেকে আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র কোনটি? 
  1. নাইজেরিয়া
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. সিচেলিস
  4. আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা

• সিচেলিস:
- সিচেলিস আফ্রিকা মহাদেশের আয়তনে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- মোট আয়তন ৪৫৭ বর্গকিলোমিটার।
- জনসংখ্যা প্রায় এক লক্ষ। রাজধানীর নাম ভিক্টোরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম : আলজেরিয়া
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ : নাইজেরিয়া
- জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম দেশ : সিচেলিস
- বৃহত্তম জিডিপির দেশ : নাইজেরিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং  ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৭,২১৫.
বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র 'মাচুপিচু' শহরটি কে আবিষ্কার করেন? 
  1. ক) হাইরাম বিংহাম
  2. খ) ক্রিস্টোফার কলম্বাস 
  3. গ) টমাস পেন
  4. ঘ) সিমন ওনমান 
ব্যাখ্যা
মাচুপিচু
⇒ ১৯১১ সালে হাইরাম বিংহাম নামের একজন মার্কিন পুরাতত্ত্ববিদ মাচু পিচু শহরটি আবিষ্কার করেন।
⇒ পেরুতে বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র মাচুপিচু অবস্থিত।
⇒ ২০২৩ সালের ২১ ই জানুয়ারি, রাজনৈতিক দাঙ্গার সূত্র ধরে পেরুতে বিখ্যাত পর্যটনকে মাচুপিচু অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
⇒ ইনকাদের হারিয়ে যাওয়া একটি আধুনিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পন্ন শহর হচ্ছে মাচু পিচু (Machu Picchu)। যা বর্তমান বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি।
⇒ মাচু পিচুকে  কেউ কেউ সূর্যনগরীও বলেন।
⇒ মাচুপিচু শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৪০০ মিটার (৭,৮৭৫ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত। 
⇒ মাচু পিচু নির্মিত হয়েছিল প্রায় ১৪৫০ সালের দিকে।
⇒ স্প্যানিশরা ইনকা সভ্যতা আক্রমণ করে।
⇒ ১৯১১ সালে হাইরাম বিংহাম নামের একজন মার্কিন পুরাতত্ত্ববিদ মাচু পিচু শহরটি আবিষ্কার করেন।
⇒ পেরুর সরকার ১৯৮১ সালে সংরক্ষিত ঐতিহাসিক এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে। 
⇒ ইউনেস্কো ১৯৮৩ সালে মাচুপিচুকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা প্রদান করে।

উৎস: বিবিসি নিউজ এবং Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৭,২১৬.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশ নিরপেক্ষতা নীতি অনুসরণ করেছিল?
  1. জার্মানি
  2. অস্ট্রিয়া 
  3. সার্বিয়া 
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ ছিল সুইডেন।
- সুইডেন তার নিরপেক্ষতার জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সুইডেন নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ১৯১৪ সালে এবং এর পরিমাপ্তি হয় ১৯১৮ সালে।
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
- এই যুদ্ধের কারণ হিসেবে ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্য বসনিয়া-হার্জেগোভিনা দখল করা এবং আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দের হত্যাকাণ্ডকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়।
- এই যুদ্ধে অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.

৭,২১৭.
কোন সভ্যতায় সর্বপ্রথম জ্যামিতি আলোচনা শুরু হয়?
  1. মেসোপটেমীয় সভ্যতা 
  2. চীন সভ্যতা
  3. গ্রিক সভ্যতা
  4. মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতার অবদান: 
- মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ। ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে।
- মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যোগ, বিয়োগ ও ভাগের ব্যবহার জানত।

এছাড়াও,
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে। ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২১৮.
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী কোন দ্বীপে অবস্থিত?
  1. বালি
  2. বোর্নিও
  3. জাভা
  4. সুমাত্রা
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া: 
- পৃথিবীর  বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র।
- প্রধান দ্বীপগুলো হলো - সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওসি, বালি।
- ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা জাভা দ্বীপে অবস্থিত।
- বোর্নিও দ্বীপে ৩টি দেশের অংশ রয়েছে।
- ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই।
- ইন্দনেশিয়ার অংশকে কালিমানতান বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,২১৯.
বাকিংহাম প্রাসাদ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. রাশিয়া
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
  5. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা - সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সরকার প্রধান - প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান - রানি বা রাজা।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন - ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- বৃটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন - ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন - বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- সংবিধান - অলিখিত।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী - রবার্ট ওয়ালপল।
- রাষ্ট্রপ্রধান - রাজা তৃতীয় চার্লস।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - কিয়ার স্টারমার। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী - মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন: বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব: ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- যুক্তরাজ্যের পতাকে বলা হয়: ইউনিয়ন জ্যাক।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,২২০.
ইউরোপের বৃহত্তম স্থল বেষ্টিত রাষ্ট্র কোনটি?
  1. আলবেনিয়া
  2. হাঙ্গেরি
  3. পোল্যান্ড
  4. ক্রোয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র:

• স্থলবেষ্টিত দেশ হলো সেই দেশ যেখানে কোনরুপ জলসীমা নেই, অর্থাৎ চারদিকের সীমানা অন্যান্য দেশের সাথে স্থলসীমান্ত দ্বারা যুক্ত থাকে । 
ইউরােপের বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত দেশ হাঙ্গেরি।
• ইউরোপের স্থলবেষ্টিত দেশ ১৭ টি। এগুলো হল:
- অস্ট্রিয়া
- আর্মেনিয়া
- আজারবাইজান
- সুইজারল্যান্ড
- চেক প্রজাতন্ত্র
- কসোভো
- মলদোভা
- বেলারুশ
- স্লোভাকিয়া
- সার্বিয়া
- ভ্যাটিকান সিটি
- অ্যান্ডোরা
- মেসিডোনিয়া
- স্যান মেরিনো
- লিচেনস্টাইন
- লুক্সেমবার্গ
- হাঙ্গেরি

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও Live Mcq লেকচার।
৭,২২১.
ইসরায়েল সর্ব প্রথম আয়রন ডোম মোতায়েন করে -
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
আয়রন ডোম:
- আয়রন ডোম হলো বিশ্বের একটি অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- ইসরায়েলের রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস ও ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ আয়রন ডোম তৈরি করেছে।
- এ ব্যবস্থা বিশেষভাবে স্বল্পপাল্লার (শর্ট রেঞ্জ) হুমকির বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।
- স্বল্পপাল্লার রকেট, মর্টার, আর্টিলারি শেল ও ড্রোন হামলা মোকাবিলায় ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে আয়রন ডোম মোতায়েন আছে।

- ২০১১ সালে ইসরায়েল প্রথম আয়রন ডোম মোতায়েন করে।
- ইসরায়েলের এই আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পরিসীমা প্রায় ৭০ কিলোমিটার।
- এই ব্যবস্থায় তিনটি কেন্দ্রীয় উপাদান আছে, যা নিয়ে একটি আয়রন ডোম ইউনিট গঠিত।
- আয়রন ডোম ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় উপাদান তিনটি হলো—রাডার ব্যবস্থা (ডিটেকশন-ট্র্যাকিং রাডার), কন্ট্রোল ব্যবস্থা (ব্যাটল ম্যানেজমেন্ট-উইপনস কন্ট্রোল) ও মিসাইল ফায়ারিং ব্যবস্থা।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
৭,২২২.
চ্যান্সেলর কোন দেশের প্রধানমন্ত্রীর সমমর্যাদার পদ?
  1. ক) অস্ট্রিয়া
  2. খ) হাঙ্গেরি
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

চ্যান্সেলর অস্ট্রিয়া ও জার্মানির প্রধানমন্ত্রী সমমর্যাদা সম্পন্ন পদ। বর্তমানে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কুয়র্ৎস।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটিনিকা।

৭,২২৩.
ইনকা সভ্যতার রাজধানী ছিল-
  1. ভিলকাবাম্বা
  2. কুজকো 
  3. মাচু পিচু
  4. লিমা
ব্যাখ্যা

• ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার রাজধানী ছিল কুজকো।
- এই সভ্যতার স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- তাদের স্থাপত্য, সেচ ব্যবস্থা, প্রাসাদ, মন্দির ও দুর্গের অবশেষ আজও আন্দিজে দেখা যায়।
- ১৫৩২ সালে স্প্যানিশ বিজয়ীদের দ্বারা ইনকা সাম্রাজ্যের পতন ঘটে

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,২২৪.
'সাত পাহাড়ের দেশ' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. কায়রো
  2. শিকাগো
  3. রোম
  4. টোকিও
ব্যাখ্যা
সাত পাহাড়ের দেশ:
- 'সাত পাহাড়ের দেশ' নামে পরিচিত রোম।
- কারন ইতালির রাজধানী রোম নগরীতে সাতটি পাহাড় রয়েছে।
- এগুলোর নাম হলো অ্যাভেনটাইন, কেইলিয়ান, ক্যাপিটোলাইন, ইসকুইলিন, প্যালেটাইন, কুইরিনাল ও ভিমিনাল।
- এই পাহাড়গুলো নগরীর ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে।
- এজন্য রোম নগরীকে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- রোমুলাসের আদি শহর প্যালাটাইন পাহাড়ের উপর নির্মিত হয়েছিল।
- রোম রোমা প্রভিন্সিয়া (প্রদেশ), ল্যাজিও অঞ্চল এবং ইতালি দেশের রাজধানী।

উৎস: Britannica.
৭,২২৫.
ইউরোপের কোন দেশে সর্বপ্রথম রেনেসাঁ শুরু হয়?
  1. ইতালি
  2. ইংল্যান্ড
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
রেনেসাঁ:
- রেনেসাঁ মানে হলো পুনর্জন্ম বা পুনর্জাগরণ।
- মধ্যযুগে ইউরোপের সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় প্রাচীন গ্রিক ও রোমান সংস্কৃতির পুনর্জাগরণকে রেনেসাঁ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে প্রথম রেনেসাঁর সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে তা ইতালির অন্যান্য শহর এবং ইউরোপের অপরাপর দেশে বিস্তার লাভ করে।
- ১৪শ থেকে ১৬শ শতককে রেনেসাঁর সময়কাল বিবেচনা করা হয়।
- তৎকালীন সময়ে ইউরোপীয় বিত্তবান ও ধনিক শ্রেণীর পৃষ্ঠপোষকতার ফলে রেনেসাঁ সংঘটিত হয়।

উৎস: Britannica.
৭,২২৬.
ফ্রান্সে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. আধা-রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. সংসদীয় গণতন্ত্ৰ
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত
  4. সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
ব্যাখ্যা

ফ্রান্স:
- ফ্রান্স উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের দেশ।
- এটি ইউরোপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উৎপাদনকারী এবং বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্প শক্তি।
- দেশটির আয়তন প্রায় ৫৪৩,৯৪০ বর্গ কিমি (২১০,০২০ মাইল)।
- দেশটির উত্তর-পূর্বে বেলজিয়াম এবং লুক্সেমবার্গে, পূর্বে জার্মানি, সুইজারল্যান্ড এবং ইতালি ও দক্ষিণ-পূর্বে, মোনাকো এবং ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- দেশটি পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি টাইম জোনে বিভক্ত।
- দেশটিতে মোট ১৩টি টাইম জোন রয়েছে।
- রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: প্যারিস।
- মুদ্রা: ইউরো।
- ভাষা: ফরাসি (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক; এছাড়াও প্রোটেস্ট্যান্ট); এছাড়াও ইসলাম, ইহুদি ধর্ম।
- ফ্রান্সে বর্তমানে আধা-রাষ্ট্রপতি শাসিত (Semi-Presidential Republic) ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এটি ফিফথ রিপাবলিক (Fifth Republic) নামে পরিচিত।
- ১৯৫৮ সালের সংবিধানে সংসদীয় এবং রাষ্ট্রপতি উভয় ব্যবস্থার উপাদানগুলিকে একত্রিত করে একটি মিশ্র (আধা-রাষ্ট্রপতি) সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল।
- রাষ্ট্রপতি সরাসরি সার্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে হন এবং রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে কাজ করেন।
- দেশটির আইন সভা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭,২২৭.
ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমারেখার নাম কী?
  1. ডুরান্ড লাইন
  2. র‍্যাডক্লিফ লাইন
  3. ম্যাকমোহন লাইন
  4. লাইন অফ কন্ট্রোল
ব্যাখ্যা

• ম্যাকমোহন লাইন: 
- ম্যাকমোহন লাইন হলো তিব্বত ও ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া একটি কূটনৈতিক সীমারেখা। 
- ১৯১৪ সালের সিমলা সম্মেলনে তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের তত্ত্বাবধানে তিব্বত ও ভারতের প্রতিনিধিদের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তার নামানুসারে ম্যাকমোহন লাইনের নামকরণ করা হয়। 
- বর্তমানে এটি ভারত-চীন সীমান্তরেখা নামে বহুল পরিচিত। 
- কারণ, চীন বরাবরই তিব্বতকে নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে আর মূলত এ নিয়েই দেশটির সঙ্গে তাদের বিরোধের সূত্রপাত। 
- পরবর্তী সময়ে ১৯৫০ সালে চীন তিব্বতকে পুরোপুরি দখল করে নেয় এবং তখন থেকে এখন পর্যন্ত দেশটি এ সীমান্তরেখাকে কখনো স্বীকৃতি দেয়নি।
- এ সংক্রান্ত বিরোধে চীন ও ভারত ১৯৬২ সালে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চীন ভারতের কিছু এলাকা দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে তারা দখলকৃত অংশ ফিরিয়ে দেয়।

এছাড়া,
- ভারত-পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে লাইন অফ কন্ট্রোল।
- ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে র‍্যাডক্লিফ লাইন।
- পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে পৃথক করেছে ডুরাল্ড লাইন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৭,২২৮.
Q. (66-80): Choose the correct answer. 

Which street is famous for newspapers?
  1. ক) Wall Street
  2. খ) Fleet Street
  3. গ) Downing Street
  4. ঘ) Broadway
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:

- সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্র প্রধান রানি বা রাজা।
- বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন - ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- বৃটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন - ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- বৃটিশ রাজপরিবারের বাসভবন বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- রাষ্ট্রপ্রধান - রাজা তৃতীয় চার্লস।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - ঋষি সুনাক (কনজারভেটিভ পার্টি)।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী - মার্গারেট থ্যাচার।
- "Fleet Street " সংবাদপত্র প্রকাশনার জন্য বিখ্যাত একটি সড়ক।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব - ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- যুক্তরাজ্যের পতাকে বলা হয় - ইউনিয়ন জ্যাক।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
৭,২২৯.
ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন রাজ্য কোনটি?
  1. মণিপুর
  2. মিজোরাম
  3. নাগাল্যান্ড
  4. অরুণাচল
ব্যাখ্যা

→ ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন রাজ্য মিজোরাম।

সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৭,২৩০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান 'সেক্রেটারি অব স্টেট' কে?
  1. জে ডি ভ্যান্স
  2. মার্কো রুবিও
  3. মার্কো রুটে
  4. ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে 'সেক্রেটারি অব স্টেট' বলা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান 'সেক্রেটারি অব স্টেট' মার্কো রুবিও।[জানুয়ারি, ২০২৬]

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস ডেভিড ভ্যান্স (JD Vance)।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
- বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

উৎস: United States Mission to the United Nations (.gov).

৭,২৩১.
সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগের সভ্যতা?
  1. লোহা যুগ
  2. প্রস্তর যুগ
  3. মধ্যযুগ
  4. ব্রোঞ্জ যুগ
ব্যাখ্যা

সিন্ধু সভ্যতা ব্রোঞ্জ যুগের সভ্যতা। 
-------------
• সিন্ধু সভ্যতা:
- প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতা (Indus Valley Civilization) ভারতের উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন নগরভিত্তিক সভ্যতা।
- এটি মূলত সিন্ধু নদ এবং তার অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল।
- সভ্যতার সময়কাল আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩৩০০–১৩০০ অব্দ, যা ব্রোঞ্জ যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- সিন্ধু সভ্যতার প্রধান নগরগুলো হলো হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো।  
- এই নগরগুলোতে উন্নত নগর পরিকল্পনা লক্ষ্য করা যায়, যেখানে পাকা রাস্তা, দোতলা-তিনতলা বাড়ি এবং প্রতিটি বাড়িতে শৌচাগার, গোসলখানা ও কূপ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এই সভ্যতার অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর ছিল, তবে বাণিজ্যও ছিল অত্যন্ত উন্নত।

- সিন্ধু সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ অবদানগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- 
• নগর পরিকল্পনা, যেখানে পাকা রাস্তা ও সুসংগঠিত জল নিষ্কাশন ব্যবস্থার সঙ্গে বাড়িগুলো নির্মাণ করা হতো।
• এছাড়া এই সভ্যতায় দ্রব্যের ওজন মাপার জন্য বাটখারা এবং দৈর্ঘ্য মাপার জন্য স্কেল ব্যবহার করা হতো।

- এই সভ্যতার আরেকটি উল্লেখযোগ্য অবদান হলো সিলমোহর।
- সিলমোহর পাথর বা হাড়ের তৈরি হতো এবং বাণিজ্য ও প্রশাসনে ব্যবহার করা হতো।
- সিলমোহরের মাধ্যমে তারা প্রশাসনিক স্বাক্ষর এবং বাণিজ্য চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করত।

উৎস: Britannica ও ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,২৩২.
ঐতিহাসিক 'পেত্রা নগরী' এর গোড়াপত্তন করে কারা?
  1. ক) সুমেরীয়
  2. খ) নাবাতাইন
  3. গ) কাসাইট
  4. ঘ) ক্যালডীয়
ব্যাখ্যা
- নাবাতাইন ছিল আরবের একটি জাতিগোষ্ঠী।
- তারা শক্তিশালী নাবাতাইন রাজ্য এর গোড়াপত্তন করে যা খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতাব্দী থেকে ১০৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বর্তমান জর্ডান অঞ্চলে বিকাশ লাভ করেছিল।
- পেত্রা নগরী ছিল প্রাচীন এই নাবাতাইন রাজ্যের রাজধানী। 
- পেত্রা নগরী হলো বিশ্বের নতুন সপ্তম আশ্চর্য এর একটি। 
 
 
The Nabatean Kingdom was a powerful political entity which flourished in the region of modern-day Jordan between the 4th century BCE and 106 CE and is best known today for the ruins of its capital city of Petra. Although it is clear that a wealthy community was thriving in the immediate vicinity of Petra by 312 BCE (attested to by the Greek expedition mounted against it), scholars usually date the Nabatean Kingdom from 168 BCE, the date of their first known king, to 106 CE when it was annexed by the Roman Empire under Trajan (98-117 CE).
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা 
৭,২৩৩.
আফ্রিদি উপজাতি কোন দেশে বাস করে?
  1. ক) আফগানিস্তান
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যা
- আফ্রিদি স্পিন ঘর রেঞ্জের পূর্বাঞ্চল থেকে উত্তর পাকিস্তান পর্যন্ত পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী পশতুন উপজাতি।
- আফ্রিদি এবং ভারতের মুঘল রাজবংশের সৈন্যদের মধ্যে ১৬ এবং ১৭ শতকে প্রায়শই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- আফ্রিদিদের সাথে ব্রিটিশদের মুখোমুখি প্রথম অ্যাংলো-আফগান যুদ্ধের (1839-42) সময় শুরু হয়েছিল, বিশেষত যখন জেনারেল জর্জ পোলক কাবুলে যাত্রা করার সময় তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।
- ১৮৯৩ সালে খাইবার অঞ্চলের আফ্রিদিরা ডুরান্ড লাইন দ্বারা নিয়ন্ত্রণে আসে, যা আফগানিস্তান এবং ব্রিটিশ ভারতের মধ্যে উপজাতীয় অঞ্চলকে বিভক্ত করেছিল।
- ১৯৩০-এর দশকে ভারতীয় কংগ্রেস পার্টি আফ্রিদিকে ব্রিটিশ বিরোধী লাল শার্ট আন্দোলনের জন্য সমর্থন তালিকাভুক্ত করে, যা প্যান-ইসলামিজম এবং ভারতীয় জাতীয়তাবাদের সংমিশ্রণ।
- স্বাধীনতার সাথে সাথে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে আফ্রিদির ভূমি পাকিস্তানের একটি অংশে পরিণত হয়, যা পরবর্তীতে একটি স্বাধীন পাখতুনিস্তান বা পশতুন রাষ্ট্রের জন্য আফগান-সমর্থিত আন্দোলনের সম্মুখীন হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,২৩৪.
পার্ল হারবার আক্রমণের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. উড্রো উইলসন
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  3. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  4. ডুইট ডি. আইজেনহাওয়ার
ব্যাখ্যা

পার্ল হারবার আক্রমণ:
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবার আক্রমণের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট।
- তিনি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট এবং ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- তাঁর নেতৃত্বেই যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করে। 

• উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি। ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে। এরপর ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর জাপানি নৌবাহিনী হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটিতে অতর্কিত বিমান হামলা চালায়। জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়। জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।

উল্লেখ্য,
- চীন-জাপান যুদ্ধ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সম্প্রসারণের জন্য জাপানের তেল ও অন্যান্য সম্পদ দরকার ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের উপর তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় জাপান প্যাসিফিক ফ্লিটকে নিষ্ক্রিয় করতে এই আক্রমণ করে, যাতে তারা দক্ষিণে অগ্রসর হতে পারে।
- এই আক্রমণের ফলে প্রায় ২,৪০০ মার্কিন সৈন্য ও নাগরিক নিহত হয়, আহত হয় ১,১০০ এরও অধিক। অসংখ্য যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত ও বিমান ধ্বংস হয়। এর পরদিন ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট কংগ্রেসে বলেন: "a date which will live in infamy" এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

উৎস: Britannica.

৭,২৩৫.
'যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার' ব্যবস্থা বিদ্যমান কোথায়?
  1. ফ্রান্স
  2. কানাডা
  3. ব্রিটেন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের ইংরেজী প্রতিশব্দ Federation এসেছে ল্যাটিন শব্দ ফোয়েডাস (Foedus) থেকে। এর অর্থ ঐক্য বা মিলন।
সুতরাং শব্দগত অর্থে যুক্তরাষ্ট্রবলতে বোঝায় ঐক্য বা মিলনের ভিত্তিতে গঠিত রাষ্ট্রকে।
এ ক্ষেত্রে কয়েকটি রাষ্ট্রবা প্রদেশের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রাষ্ট্র- যেখানে সাংবিধানিক ভাবে কেন্দ্র ও অঞ্চলের মধ্যে ক্ষমতার বন্টন হয়ে থাকে।
কেউ কারও অধীন নয় এবং প্রত্যেকের ক্ষমতার উৎস থাকে সংবিধান।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত এ ধরনের সরকার ব্যবস্থার উদাহরণ।
কতকগুলো নির্দিষ্ট ও সাধারণ স্বার্থের ভিত্তিতে রাষ্ট্রগুলো একত্রিত হয়ে একটি কেন্দ্র বা ফেডারেশন গঠন করে থাকে।
সাধারণত প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্রবিষয়ক ক্ষমতা ব্যতীত অন্যান্য ক্ষমতা যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, কৃষি, সামাজিক উন্নয়নমূলক ক্ষমতা ইত্যাদি অঙ্গরাজ্যের হাতে ন্যস্তথাকে। 

উৎস: বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৩৬.
কলম্বিয়ার রাজধানীর নাম কী?
  1. কার্তাহেনা
  2. মেদেলিন
  3. বোগোটা
  4. কালি
ব্যাখ্যা

কলম্বিয়া:
- কলম্বিয়া দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ।
- আয়তন ৪৪০,৫৩১ বর্গ মাইল।
- রাজধানী: বোগোটা।
- ভাষা: স্প্যানিশ (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক)।
- মুদ্রা: পেসো।
- কফি দেশটির প্রধান অর্থকরী ফসল।
- কলম্বিয়া হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় পান্না উৎপাদনকারী এবং দক্ষিণ আমেরিকার সোনার বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ।
- এর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭,২৩৭.
Who invented X-ray?
  1. Stephenson
  2. Samuel Morse
  3. Thomas Alva Edison
  4. Wilhelm Roentgen
  5. James Watt
ব্যাখ্যা
এক্সরে (রঞ্জন রশ্মি):
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।

⇒ এক্সরে এর ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- স্টিফেনসন।
- বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- জেমস ওয়াট।
- ফনোগ্রাফ ও বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক- টমাস আলভা এডিসন।
- টেলিগ্রাফের আবিষ্কারক- স্যামুয়েল মোর্স।

উৎস: i) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
৭,২৩৮.
রাশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল কোনটি?
  1. ইয়েকাতেরিনবুর্গ
  2. দাগেস্তান
  3. লুহানস্ক
  4. কোচলান
ব্যাখ্যা
• রাশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল:
- রাশিয়ার দাগেস্তান মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল।
- কিছুদিন আগে ইসরায়েল থেকে একটি ফ্লাইট আসছে-এমন গুজবে রাশিয়ার দাগেস্তান প্রজাতন্ত্রের বিমানবন্দরে বিক্ষোভ হয়েছে।
- এর জেরে বিমানবন্দরটি বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমান রাশিয়ার দাগেস্তান অঞ্চল সর্বপ্রথম মুসলিম শাসনাধীন হয়। 

উৎস: প্রথম আলো প্রত্রিকা রিপোর্ট।
৭,২৩৯.
‘ডেরিয়েন গ্যাপ (Darien Gap)’ কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. পানামা ও কলম্বিয়া
  2. কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলা
  3. পানামা ও কোস্টারিকা
  4. নিকারাগুয়া ও হন্ডুরাস
ব্যাখ্যা

- ডেরিয়েন গ্যাপ (Darien Gap) ডেরিয়ান অঞ্চলে অবস্থিত, যা পূর্ব পানামা এবং উত্তর-পশ্চিম কলম্বিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি প্যান-আমেরিকান হাইওয়ের ৬০ মাইল (১০০ কিমি) দীর্ঘ একটি বিরতি প্রতিনিধিত্ব করে ,যা অন্যথায় আলাস্কা থেকে আর্জেন্টিনার দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই অঞ্চলটি ঘন গাছপালাযুক্ত জলাভূমি এবং জঙ্গল দ্বারা চিহ্নিত, যা এটি অতিক্রম করা কঠিন করে তোলে। 
- বিপদ সত্ত্বেও, ডেরিয়ান গ্যাপ উত্তরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডায় ভ্রমণকারী অভিবাসীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হয়ে উঠেছে।
- ডারিয়েন গ্যাপ বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক অভিবাসন রুটগুলির মধ্যে একটি।
- এই অঞ্চলে কোনও স্থায়ী রাস্তা বা পথ নেই এবং ঘন রেইনফরেস্ট , জলাভূমি এবং খাড়া ভূখণ্ড দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,২৪০.
গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (People's Republic of China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠা লাভ করে কত সালে?
  1. ক) ১৯৪৯
  2. খ) ১৯১১
  3. গ) ১৯৫২
  4. ঘ) ১৯১২
ব্যাখ্যা
• ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে প্রায় দুই হাজার বছরের রাজতন্ত্র উচ্ছেদ হয়ে প্রজাতন্ত্র কায়েম হয়।
• এই দিন চীনের কিং রাজবংশের সর্বশেষ সম্রাট পুয়িকে সিংহাসন থেকে উৎখাত করা হয়।
• এর আগে ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
• সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
• ১৯৪৯ সালে মাও সেতুংয়ে নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং (Mao Zedong) এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (People's Republic of China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
• মাও-সেতুং - কে গণচীনের জনক বলা হয়

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৭,২৪১.
‘গ্লাসনস্ত নীতি‘ কে প্রবর্তন করেন?
  1. ব্রেজনেভ
  2. দ্বিতীয় নিকোলাস
  3. পুতিন
  4. গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা
রাশিয়া: 
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মেয়াদ - ৬ বছর।
- সোভয়েত ইউনিয়নের স্থায়িত্বকাল - ১৯২২-১৯৯১ সাল।
- USSR (Union of Soviet Socialist Republic) বিলুপ্ত হয় - ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে।
- রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘঠিত হয় - ১৯১৭ সালে।
- রুশ বিপ্লবের স্থায়িত্ব ছিল - ১০ দিন।

-  রুশ বিপ্লবের অন্য নাম - বলশেভিক বিপ্লব, সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব, অক্টোবর বিপ্লব ও ফেব্রুয়ারি বিপ্লব।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।
- সর্বপ্রথম অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- পঞ্চবাষির্কী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রবর্তক দেশ - রাশিয়া।
- 'Imperialism, the Highest Stage of Capitalism' বইটির লেখক - ভি. আই. লেনিন।
- ‘গ্লাসনস্ত নীতি‘ প্রবর্তন  করেন - সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট গর্বাচেভ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৭,২৪২.
‘খার্গ আইল্যান্ড’ কোন দেশে অবস্থিত? 
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. ইরান
  3. সৌদি আরব
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
• 'খার্গ আইল্যান্ড' — ইরানের পারস্য উপসাগরে অবস্থিত একটি মহাদেশীয় দ্বীপ।

অবস্থান: ইরান, পারস্য উপসাগর।
বিশেষত্ব: এই দ্বীপে অবস্থিত 'অয়েল টার্মিনাল' দিয়ে ইরান তাদের প্রায় সব তেল রফতানি করে। এটি ইরানের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
সম্প্রতি ঘটনা: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল ইরানের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার হুমকি দিয়েছে।

সূত্র:
- বিবিসি রিপোর্ট।
৭,২৪৩.
ভারত সম্প্রতি কোন দেশ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ফিলিস্তিন
  3. নেপাল
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

ভারতের সেনা প্রত্যাহার:
- ভারত সরকার মালদ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করেছে।
- চীনপন্থী রাষ্ট্রপতি  মোহাম্মদ মুইজ্জু ভারতীয় সেনাদের দেশটি থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
- ভারত ও মালদ্বীপ উভয় পক্ষ সম্মত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সেনা প্রত্যাহার শুরু হয়েছে।
- মালদ্বীপে বিশাল সামুদ্রিক সীমান্ত টহল দেওয়ার জন্য মোতায়েন ছিল ভারতীয় সেনারা।

উৎস: এনডিটিভি & এএফপি পত্রিকা রিপোর্ট।
৭,২৪৪.
নিচের কোন দেশটি রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়?
  1. নরওয়ে
  2. রোমানিয়া
  3. এস্তোনিয়া
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
রাশিয়া:
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: মস্কো।
- রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ভাষা রুশ।
- দেশটির মুদ্রার নাম রুবল।
- রাশিয়া একসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে দেশটি।
- সাংবিধানিকভাবে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক দেশ রাশিয়া।

উল্লেখ্য,
- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাখস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন।

অন্যদিকে,
- রোমানিয়া রাশিয়ার সীমান্তবর্তী দেশ নয়।

উৎস: Worldatlas.
৭,২৪৫.
রোমান সাম্রাজ্য এর সময়কাল ছিল -
  1. ক) ৭২১ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ৪৯৬ খ্রিষ্টাব্দ
  2. খ) ২৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ৩২৫ খ্রিষ্টাব্দ
  3. গ) ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ঘ) ৪২৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ৪৫৬ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা
- রোমান সাম্রাজ্য এর সময়কাল: ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দ 
- প্রাচীন রোম নগরকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম রোমান সম্রাট ছিলেন - অগাস্টাস (Augustus)

সোর্স: ব্রিটানিকা।
৭,২৪৬.
ওয়েস্টার্ন ওয়াল কীসের জন্যে বিখ্যাত?
  1. শেয়ার মার্কেট
  2. বইমেলা
  3. ধর্মীয় তীর্থস্থান
  4. তথ্য-প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
- ওয়েস্টার্ন ওয়াল বা ওয়েলিং ওয়াল হলো জেরুজালেম শহরের টেম্পল মাউন্টে অবস্থিত ইহুদি ধর্মের মানুষদের একটি পবিত্র স্থান।
- এটি মুসলমানদের নিকট বোরাক ওয়াল নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্র: জুয়িশ ভার্চুয়াল লাইব্রেরি এবং ব্রিটানিকা)
৭,২৪৭.
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশন গঠিত হয় কবে?
  1. ১৮২৫ সালে
  2. ১৮৫৬ সালে
  3. ১৮৮৩ সালে
  4. ১৯০৩ সালে
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংবিধিবদ্ধভাবে ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশন গঠিত হয় ১৮৮৩ সালে The Pendleton Civil Service Reform Act-1883 এর মাধ্যমে।
১৯৭৮ সালে ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশনে সংস্কার করে একে তিনটি প্রতিষ্ঠানে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
এগুলো হলো:
- অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট
- দ্য মেরিট সিস্টেম প্রোটেকশন বোর্ড
- দ্য ফেডারেল লেবার রিলেশন অথরিটি।
(সূত্র: অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট)
৭,২৪৮.
হিটলার কর্তৃক কোন দেশ আক্রমণ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ?
  1. ক) অস্ট্রিয়া
  2. খ) সার্বিয়া
  3. গ) পোল্যান্ড
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
হিটলার কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান কারণ ছিল জার্মানির নাৎসি বাহিনী ও সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব। এডলফ হিটলার কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। এই যুদ্ধের ব্যাপ্তি ছিল ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯ থেকে ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৭,২৪৯.
কোন মহাদেশ সবচেয়ে বড়?
  1. এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. দঃ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
এশিয়া (Asia):
 
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া।
- পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এর আয়তন ১৭,২২৬,২০০ বর্গ মাইল (৪৪,৬১৪,০০০ বর্গ কিমি)।
- এশিয়া মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট।
- মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে ভূ-মধ্যসাগর ও ইউরোপ মহাদেশ অবস্থিত।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।
- দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা গঠিত জাপান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া এ মহাদেশে অবস্থিত।
- এগুলোকে খণ্ডিত রাষ্ট্রও বলা হয়।
- এ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত জাপানকে সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয়।
- এর মধ্যে আয়তনে চীন বৃহত্তম এবং মালদ্বীপ ক্ষুদ্রতম।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।
 
তথ্যসূত্র - Britammica.com
৭,২৫০.
ভুটানের সিভিল সার্ভিসের নাম কি?
  1. ফেডারেল পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  2. রয়েল সিভিল সার্ভিস কমিশন
  3. হোম সার্ভিস কমিশন
  4. সিভিল সার্ভিস কমিশন
ব্যাখ্যা
ভুটানের সিভিল সার্ভিসের নামঃ রয়েল সিভিল সার্ভিস কমিশন (RCSC)
প্রতিষ্ঠাঃ ১৯৮২ সাল
- ১ জন চেয়ারম্যান ও ৪ জন সদস্য নিয়ে কমিশন গঠিত। সর্বশেষ, ২০১০ সালে ভুটান সিভিল সার্ভিস রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন অ্যাক্ট প্রণয়ন করে।
সুত্রঃ Live MCQ সিভিল সার্ভিস ও মুজিব বর্ষের PDF
৭,২৫১.
অ্যাডলফ হিটলার কোন দেশে জন্মগ্রহন করেন?
  1. রাশিয়া
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৮৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার মৃত্যু বরণ করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

উৎস: Britannica.com
৭,২৫২.
পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোনটি?
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
  3. চৈনিক সভ্যতা
  4. গ্রিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
• সুমেরীয়।
• ব্যাবিলনীয়।
• অ্যাসেরীয়।
• ক্যালেডীয়।
- Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'মেসোপটেমীয় সভ্যতা'।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে।
- ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়।
- বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই
অংশ ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পরে রোমানদের দখলে যায়। মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,২৫৩.
'Freedom House' কোন দেশভিত্তিক এনজিও সংস্থা?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. সুইডেন
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
Freedom House:
- ফ্রিডম হাউজ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি এনজিও সংস্থা।
- এটি মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করে।
- প্রতিষথিত হয়: ৩১ অক্টোবর, ১৯৪১ ।
- এই প্রতিষ্ঠানটির প্রত্যয় হলো একটি গণতান্ত্রিক দেশ যেখানে সরকার জনগণের নিকট দায়বদ্ধ থাকে সেখানে জনগণের স্বাধীনতার বিকাশ ঘটে।
-  সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: Freedom House ওয়েবসাইট।
৭,২৫৪.
রুশ বিপ্লবের ফলে কোন রাজবংশের পতন ঘটে?
  1. রোমানভ
  2. হোহেনজোলার্ন
  3. বোরবোঁ
  4. হ্যাবসবার্গ
ব্যাখ্যা
রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- মোট দুইটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার সাম্রাজ্যবাদী শাসনের পতন ঘটে এবং বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফেব্রুয়ারি বিপ্লব (মার্চ, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে রোমানভ রাজবংশের পতন ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়। 
- একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং পরবর্তীতে অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকরা ক্ষমতা দখল করে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটায়।

⇒ বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব (নভেম্বর, ১৯১৭):
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন।
- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি অস্থায়ী সরকারকে উৎখাত করে এবং ক্ষমতা দখল করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- লেনিন বিশ্বের প্রথম কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের একনায়ক হয়ে ওঠেন।

উল্লেখ্য,
- রুশ বিপ্লবের ফলে ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- বিপ্লবের পরে রাশিয়ায় গৃহযুদ্ধ (১৯১৭-১৯২২) শুরু হয়, যেখানে রেড আর্মি (বোলশেভিক সমর্থিত) এবং হোয়াইট আর্মি (বিপ্লব বিরোধী) একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
- রেড আর্মির বিজয়ের মাধ্যমে গৃহযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: i) History.com
ii) Britannica.
৭,২৫৫.
বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ কোনটি?
  1. টুভ্যালু
  2. সিঙ্গাপুর
  3. কিরিবিতি
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
মালদ্বীপ:
- এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ হল মালদ্বীপ।
- এটি ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ১১৬ বর্গ মাইল।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- পার্লামেন্ট: পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা: মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।
- মালদ্বীপের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট।

⇒ ১৯৬৫ সালের ২৬ জুলাই মালদ্বীপ ব্রিটিশদের কাছ থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে এবং ১৯৬৮ সালে ‘সালাতানাতে মালদ্বীপ’ থেকে ‘রিপাবলিক মালদ্বীপে’ পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ মালদ্বীপ। এ দেশের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ উচ্চতা মাত্র ১.৫ মিটার।
- এটি ১২ শতাধিক ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- দ্বীপ রাষ্ট্রটির অর্থনীতি মূলত পর্যটন নির্ভর।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
৭,২৫৬.
ইথিওপিয়ার মুদ্রার নাম কী?
  1. ডং
  2. ডোবরা
  3. গুর্দে
  4. বির
ব্যাখ্যা
ইথিওপিয়া:
- আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া।
- এর উত্তর ও উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া, পূর্বে জিবুতি ও সোমালিয়া, পশ্চিমে সুদান ও দক্ষিণে কেনিয়া।
- দেশটি পূর্বে আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিল।
- রাজধানী: আদ্দিস আবাবা।
- আইনসভা: উচ্চ কক্ষ: হাউজ অব ফেডারেশন ও নিম্নকক্ষ: হাউজ অব পিপলস রিপ্রেজেন্টেটিভস।
- মুদ্রা: বির।
- ভাষা: আমহারি।

অন্যদিকে,
- ডং: ভিয়েতনামের মুদ্রা।
- ডোবরা: সাও টোমে এবং প্রিন্সিপের মুদ্রা।
- গুর্দে: হাইতির মুদ্রা।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica
৭,২৫৭.
ইতিহাসে বিখ্যাত ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ করে -
  1. ফ্র্যাঙ্ক অজিরিও
  2. হেনরিখ শ্লিম্যান
  3. জর্ডান সত্যেন
  4. হেনরিখ লিবিভো
ব্যাখ্যা
ট্রয় নগরী:
- হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত।
- উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিখ শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ করা সম্ভব হয়।
- গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।[লিঙ্ক]
৭,২৫৮.
Who is the author of 107 Days?
  1. Geraldine Brooks
  2. Michelle Obama
  3. Kamala Harris 
  4. Jill Biden 
ব্যাখ্যা

কমলা হ্যারিস:
- কমলা হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ভারতীয়-আমেরিকান সেনেটর।
- ক্যালিফোর্নিয়ার প্রথম নারী ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি এবং প্রথম দক্ষিণ এশীয় নারী অ্যাটর্নি জেনারেল।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট; একইসঙ্গে তিনি প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ এবং এশীয় আমেরিকান ভাইস প্রেসিডেন্টও।

⇒ ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডে ১৯৬৪ সালের ২০ অক্টোবর কমলা হ্যারিসের জন্ম।
- তার মা ভারতীয় বংশোদ্ভূত, বাবা জ্যামাইকান আমেরিকান।
- ১৯৯০ সালে হ্যারিস ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যালামেডা কাউন্টির ডেপুটি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির দায়িত্ব পান।
- এরপর ২০১০ সালে ক্যালিফর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল হন। 
- সাত বছর সান ফ্রান্সিসকোর ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি এবং তারপরে ছয় বছর ক্যালিফর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল থাকার পর ২০১৬ সালে প্রথম অ-শ্বেতাঙ্গ নারী সেনেটর হিসেবে ক্যালিফর্নিয়া থেকে নির্বাচিত হন হ্যারিস।
- ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেন হ্যারিস।

⇒ '107 Days' বইটির রচয়িতা কমলা হ্যারিস।
- এটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত।
- এটি একটি রাজনৈতিক স্মৃতিকথা যা জো বাইডেনের পুনর্নির্বাচনী প্রচার থেকে তার সংক্ষিপ্ত রাষ্ট্রপতি প্রার্থীতার (জুলাই - নভেম্বর, ২০২৪ পর্যন্ত ১০৭ দিনের) অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে।
- বইটিতে তিনি তার সম্পর্ক, চ্যালেঞ্জ এবং ঐতিহাসিক মুহূর্তের কথা উল্লেখ করেছেন।

উৎস: Britannica.

৭,২৫৯.
CIRDAP সদরদপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ক) হ্যানয়
  2. খ) ব্যাংকক
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) নয়াদিল্লি
ব্যাখ্যা
- CIRDAP (Center on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific) ১৯৭৯ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পল্লী জনগণের দারিদ্র্য বিমোচন ও ভাগ্যোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির সদরদপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত। সিরডাপ কার্যালয় চামেলি হাউস নামে পরিচিত।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা বাংলাদেশসহ ১৫টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছয়টি।
(তথ্যসূত্রঃ সিরডাপ ওয়েবসাইট)
৭,২৬০.
সিরিয়ার কোন শহরে কুখ্যাত 'সেদনায়া কারাগার' অবস্থিত?
  1. হামা
  2. দামেস্ক
  3. আলেপ্পো
  4. পালমিরা
ব্যাখ্যা
সেদনায়া কারাগার:
- সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ‘মানব কসাইখানা’ নামে পরিচিত সেদনায়া কারাগারের অবস্থান।
- বাশার আল-আসাদের কারাগারগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি হলো—তাদমর ও সেদনায়া।
- তাদমর কারাগারটি পালমিরার মরুভূমিতে এবং সেদনায়া কারাগার দামেস্কের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
- মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ২০১৭ সালে সেদনায়া কারাগারকে ‘মানব কসাইখানা’ বলে আখ্যা দেয়।
- বাশার আল-আসাদ সরকারের নৃশংসতার সাক্ষী হয়ে আছে এই কারাগার।
- এখানে হাজারো সিরীয় নাগরিককে বন্দী করে রেখেছিল বাশার আল-আসাদ সরকার।
- ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর, বিদ্রোহী বাহিনী দামেস্কে অগ্রসর হওয়ার সময় কারাগারটি দখল করে এবং বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ।
৭,২৬১.
 কোন দেশে সর্ব প্রথম ‘ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র’ ব্যবহার করা হয়?
  1. ফিলিস্তিন
  2. রাশিয়া
  3. ইউক্রেন
  4. উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

ক্ষেপণাস্ত্র:
- ওরেশনিক, রাশিয়ায় যার অর্থ ‘হ্যাজেল ট্রি’ (বিশেষ ধরনের একটি বৃক্ষ) এক নতুন মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।
- ‘আরএস–২৬ রুবেজ’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় ওরেশনিক।
- ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতিতে যেতে পারে।
- এ ক্ষেপণাস্ত্রের তিন থেকে ছয়টি ওয়ারহেড (ক্ষেপণাস্ত্রের মুখ বা যে অংশ বিস্ফোরক থাকে) রয়েছে।
- ইউক্রেনের নিপ্রোতে ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রথম ব্যবহার করে রাশিয়া।

উৎস - প্রথম আলো ও ডন পত্রিকা রিপোর্ট।

৭,২৬২.
চীনের ’এক দেশ দুই নীতি' চালু থাকবে কত সাল পর্যন্ত?
  1. ২০৪৭ সাল
  2. ২০৪৯ সাল
  3. ২০২৯ সাল
  4. ২০৩৫ সাল
ব্যাখ্যা
'একদেশ, দুই নীতি':
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ পায় চীন।
- হংকং শাসনের ক্ষেত্রে যে 'এক দেশ, দুই ব্যবস্থা' নীতি অনুসরণ করা হয়ে থাকে, তা বজায় থাকবে।
- হংকং ও চীনের 'এক দেশ দুই নীতি' চালু করে ১৯৯৭ সালে।
- যা চালু থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হংকংয়ে 'এক দেশ, দুই ব্যবস্থা নীতি' বাস্তবায়ন করা হয়েছিল।
- ব্রিটেন হংকংকে ১৫৬ বছর পর চীনের কাছে হস্তান্তর করে ১৯৯৭ সালে।

উৎস: চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
৭,২৬৩.
কোন সভ্যতার আইনকে 'প্রতিশোধমূলক আইন' বলা হয়?
  1. ক) হিব্রু সভ্যতা
  2. খ) রোমান সভ্যতা
  3. গ) ক্যালডীয় সভ্যতা
  4. ঘ) সুমেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
সুমেরীয়দের প্রতিশোধমূলক আইন:
- সাধারণভাবে সুমেরীয়দের আইনকে বলা হয় 'প্রতিশোধমূলক আইন'। 
অর্থাৎ চোখের বদলে চোখ, হাতের বদলে হাত ইত্যাদি। 
- সুমেরীয়দের আইনের মূল বিষয় ছিল- 
• প্রথমত- অপরাধীকে তার কৃত অপরাধের জন্য তদ্রুপ শাস্তি দেয়া। 
• দ্বিতীয়ত- একধরণের বিচার আদালত বিদ্যমান ছিল, যেখানে বাদী বিবাদী উভয়কেই হাজির করা হতো। 
• তৃতীয়ত- ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক মর্যাদার প্রতি লক্ষ্য রাখা হতো। 

- বিশেষ করে সামরিক বাহিনীর বিচারকার্য কঠোর ছিল। 
- অথচ সামরিক বাহিনীতে একমাত্র অভিজাতদেরই অংশগ্রহণ করার সুযোগ ছিল। 
- অন্যান্য সমাজের মতো সুমেরীয় আইনও গড়ে ওঠেছিল তাদের সামাজিক বিধি ব্যবস্থার মধ্যদিয়েই। 
- সুমেরীয়দের বিখ্যাত সম্রাট 'ডুঙি' প্রথম আইন সংকলন করেন। 
- সুমেরীদের আইন ব্যবস্থা পরবর্তী সমসাময়িক সভ্যতাগুলির উপর প্রভাব বিস্তার করে ছিল। 
- সুমেরীয় আইনের মূল অধ্যায় ছিল- 
ক. প্রতিশোধমূলক আইন,
খ. আইনে অসমতা এবং
গ. আকষ্মিক ও ইচ্ছাকৃত হত্যার স্বল্প পার্থক্য। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৬৪.
আন্দিজ পর্বতমালা কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. আফ্রিকা
  4. ওশেনিয়া
ব্যাখ্যা

আন্দিজ পর্বতমালা:
- আন্দিজ হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল বরাবর বিস্তৃত।
- আন্দিজ পর্বতমালা ৭টি দেশে অবস্থিত: আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, পেরু, ভেনেজুয়েলা।
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৪,৩০০ মাইল (৬,৯০০ কিমি)।
- প্রস্থ: ১২০-৪৩০ মাইল।
- উৎপত্তি ঘটে টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষের ফলে।
- প্রধান বিভাগ: উত্তর আন্দিজ, মধ্য আন্দিজ, দক্ষিণ আন্দিজ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,২৬৫.
Which of the following invention Alexander Graham Bell best known for?
  1. Computer
  2. Fax Machine
  3. Telephone
  4. Mobile phone
  5. None of above
ব্যাখ্যা
টেলিফোন:
- টেলিফোন মানুষের মুখের কথা তাৎক্ষণিক প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্র।
- ১৮৭৫ সালে আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন।
- টেলিফোনে পাঁচটি উপাংশ পাঁচটি।
- যথা: সুইচ, রিংগার, কী প্যাড, মাইক্রোফোন এবং স্পিকার।
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে ডাটা ট্রান্সমিট করে।
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।

⇒ টেলিফোনে সংবাদ আদান দু'পদ্ধতিতে হয়ে থাকে।
- যথা: এনালগ ও ডিজিটাল।
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দকে সরাসরি তড়িতে পরিণত করে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে তড়িৎশক্তিকে ডিজিটাল সংবাদে রূপান্তর করে।

• আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল:
- আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল ছিলেন একজন স্কটিশ বংশোদ্ভূত আমেরিকান উদ্ভাবক এবং বিজ্ঞানী।
- তিনি স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে ৩ মার্চ ১৮৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন বেল বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং উন্নত করেছিল।
- ১৮৭৬ সালে আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন।
- বেল ফটোফোন (১৮৮০) এবং গ্রাফোফোন (১৮৮৬) সহ বেশ কয়েকটি সোনিক প্রযুক্তি তৈরি করেছেন।
- তিনি ২ আগস্ট ১৯২২ সালে কানাডাতে মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে,
- ফ্যাক্স মেশিনের আবিষ্কারক হলেন আলেকজেন্ডার বেইন।
- কম্পিউটারের আবিষ্কারক হাওয়ার্ড এইকেন।
- আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ।
- সেলুলার মোবাইল ফোন আবিষ্কার করেন মার্টিন কুপার।

উৎস: Britannica.
৭,২৬৬.
চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসে -
  1. ক) সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মাধ্যমে
  2. খ) সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের মাধ্যমে
  3. গ) রোজ বিপ্লবের মাধ্যমে
  4. ঘ) ইস্তিখারা বিপ্লবের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

- চীনের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- এর নেতা ছিলেন মাও সেতুং।
- এর মাধ্যমে চীনে পুঁজিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসান হয় এবং সমাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৭,২৬৭.
 শিল্প বিপ্লব সর্বপ্রথম কোন দেশে শুরু হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. ব্রিটেন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

- শিল্প বিপ্লব ১৮ শতকে ব্রিটেনে শুরু হয়েছিল এবং সেখান থেকে বিশ্বের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে।।
- শিপ্ল বিপ্লবের ফলে গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক সমাজ শহুরে কলকারখানা নির্ভর সমাজে পরিবর্তিত হতে থাকে।
- এই পরিবর্তন মানবজীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলে।
- আঠারো শতকের দ্বিতীয়ার্ধের ইংল্যান্ডের সমাজের এরূপ পরিবর্তনকে আর্নল্ড টয়েনবি ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলেশন হিসেবে অভিহিত করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা

৭,২৬৮.
কোন দেশের পতাকায় চাঁদ ও সূর্য রয়েছে?
  1. সোমালিয়া
  2. ব্রুনাই
  3. তুরস্ক
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

নেপাল: 
নেপালের পতাকায় চাঁদ ও সূর্য রয়েছে। 
নাম: ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব নেপাল। 
রাজধানী: কাঠমান্ডু। 
আয়তন: ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫১৬ বর্গ কিলোমিটার
ভাষা: প্রধান ভাষা নেপালি। অন্যান্য ভাষারও প্রচলন রয়েছে।
গড় আয়ু: পুরুষদের ৬৯, নারীদের ৭২ বছর।

দেশটির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা:
১৭৬৮: গুর্খা শাসক পৃথ্বী নারায়ণ শাহ কাঠমাণ্ডু জয় করেন ও ঐক্যবদ্ধ একটি রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
১৮১৪-১৬: অ্যাঙ্গলো-নেপাল যুদ্ধ। পরবর্তীতে নেপালের সীমান্ত স্থাপনের চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ হয়।
১৮৪৬: নেপালে ‘রানা’ নামে পরিচিত বংশানুক্রমিক শাসনের উত্থান হয়। রাজতন্ত্রের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে দেশকে বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে তারা।
১৯৫০: দেশটির রাজাদের সঙ্গে জোট গঠন করে ভারত ভিত্তিক ‘রানা’ বিরোধী দল গড়ে ওঠে।
১৯৫১: ‘রানা’ শাসনের পতন হয়। ফলে রাজ্যটির সার্বভৌমত্ব আবার পুনরায় ফিরে আসে এবং নেপাল কংগ্রেস পার্টিতে রানা-বিরোধী বিদ্রোহীরা সরকার গঠন করে।
১৯৬০: রাজা মহেন্দ্র ক্ষমতায় আসেন এবং দেশটির সংসদ, সংবিধান ও দলীয় রাজনীতি স্থগিত করেন।
১৯৯১: প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে নেপালি কংগ্রেস পার্টি জয়ী হয়।
১৯৯৫-২০০৬: গৃহযুদ্ধ ও মাওবাদী বিপ্লবে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারায়।
২০০৮: রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় নেপাল।
২০১৫: নতুন সংবিধান গৃহীত হয়। সমকামীদের অধিকার রক্ষা করা এশিয়ার প্রথম সংবিধান এটি।

উৎস: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।
৭,২৬৯.
২০১১ সালে তিউনেশিয়ায় সংঘটিত বিপ্লব কী নামে পরিচিত?
  1. ক) টিউলিপ বিপ্লব
  2. খ) জেসমিন বিপ্লব
  3. গ) রোজ বিপ্লব
  4. ঘ) অরেঞ্জ বিপ্লব
ব্যাখ্যা
জেসমিন বিপ্লব – তিউনেশিয়া (২০১১)
রোজ বিপ্লব – জর্জিয়া (২০০৩)
টিউলিপ বিপ্লব – কিরগিজস্তান (২০০৫)
অরেঞ্জ বিপ্লব – ইউক্রেন (২০০৪-০৫)।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৭,২৭০.
Human Development Index-2020 রিপোর্টে সর্বনিম্ন দেশ কোনটি?
  1. সোমালিয়া
  2. ইয়েমেন
  3. নাইজার
  4. ইরিত্রিয়া
ব্যাখ্যা
- UNDP গত ১৫ ডিসেম্বর ২০২০ Human Development Index-2020 রিপোর্ট প্রকাশ করে। এই রিপোর্টে মোট ১৮৯টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। রিপোর্টে,
- প্রথম : নরওয়ে
- দ্বিতীয় : আয়ারল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড
অন্যদিকে,
- ১৮৯তম (সর্বনিম্ন) : নাইজার
- বাংলাদেশের অবস্থান : ১৩৩তম (স্কোর-০.৬৩২)।
(তথ্যসূত্র: Human Development Index-2020 রিপোর্ট)
৭,২৭১.
কোন দেশে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সবচেয়ে বেশি আসন রয়েছে?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. স্পেন
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের বর্তমান মোট আসন ৭০৫টি
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশের জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে পাঁচবছরের জন্যে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদস্যরা নির্বাচিত হয়ে থাকেন। ২০১৯ সালে সর্বশেষ ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত Common Assembly of the European Coal and Steel Community ১৯৬২ সালে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট নামকরণ করা হয়। ১৯৭৯ সাল থেকে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট সদস্যরা জনগণের সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে আসছেন।

দেশভিত্তিক ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের আসন:
- জার্মানি : ৯৬টি (সর্বোচ্চ)
- ফ্রান্স : ৭৯টি
- ইতালি : ৭৬টি
- মাল্টা, লুক্সেমবার্গ ও সাইপ্রাস : ৬টি করে (সর্বনিম্ন)।

ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সদরদপ্তর অবস্থিত ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গে। এখানে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের অধিবেশন বসে। এছাড়া লুক্সেমবার্গে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রশাসনিক অফিস অবস্থিত। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের বিভিন্ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডেভিড মারিয়া সাসোলি

(তথ্যসূত্র: ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট ওয়েবসাইট)
৭,২৭২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জড়িয়ে পড়ে কত সালে?
  1. ১৯৩৯ সালে
  2. ১৯৪০ সালে
  3. ১৯৪১ সালে
  4. ১৯৪৩ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- এই যুদ্ধে মিত্রশক্তি ছিল ব্রিটেন, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, পোল্যান্ড, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন।

- ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করে।
- যার ফলে ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পন করে।

উৎস: হিস্টরি.কম

৭,২৭৩.
'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল’ নামটি কোন যুদ্ধের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. আমেরিকার গৃহযুদ্ধ
  2. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  3. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
  4. ওয়াটার লু'র যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল’ নামটি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সাথে জড়িত।
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল কে লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়।
- তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,২৭৪.
'ওরাকল বোন' (Oracle Bones) কোন সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ইজিয়ান সভ্যতা
  2. ক্যালডীয় সভ্যতা
  3. চীন সভ্যতা
  4. অ্যাসিরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

চীন সভ্যতা:
- চীনের তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- প্রথমটি হোয়াং হো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াং জে কিয়াং নদীর তীরে আর তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে।
- চীনের এই প্রাচীন সভ্যতা সৃষ্টি হয় শাং রাজাদের ও চৌ রাজাদের যুগে।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে এখানে সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।
- চীনের আদি মানুষ 'পিকিং মানুষ' নামে পরিচিত।
- চীনবাসীরা হোয়াং-হো ও ইয়াংসি নদীর দুটি পাড়েই বসবাস করত। 
- তাদের লিখন পদ্ধতির নাম আইডিও গ্রাফ। 

⇒ 'ওরাকল বোন' (Oracle Bones) চীনা সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত।
- 'ওরাকল বোন' মূলত প্রাচীন চীনা শাং সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত।
- এই হাড়গুলোর উপর ভবিষ্যদ্বাণীমূলক লেখা খোদাই করা হতো যা প্রাচীন চীনা লেখার প্রাচীনতম রূপ হিসেবে পরিচিত। 
- ওরাকল হাড়টি ১০০ বছরেরও বেশি আগে চীনে আবিষ্কৃত হয়েছিল। 
- ওরাকল হাড়ের উপর লেখা হল চীনা লেখার প্রথম রূপ।
- এই হাড়গুলি তখনকার সময়ের সামাজিক, ধর্মীয় ও প্রশাসনিক জীবন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে, যেমন rulers-দের জীবন, যুদ্ধ, কৃষি, আবহাওয়া, এবং এমনকি রাজকীয় দাঁতের ব্যথার কারণও। 
 
উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) EBSCO.
iii) BBC.

৭,২৭৫.
আমেরিকার আদি অধিবাসী কী নামে পরিচিত?
  1. রেড ইন্ডিয়ান
  2. আফ্রিদি
  3. ভাইকিং
  4. দ্রাবিড়
ব্যাখ্যা

 রেড ইন্ডিয়ান
- রেড ইন্ডিয়ান বলতে আমেরিকা মহাদেশের ভূমিপুত্রদের বোঝায়।
- কলম্বাস ভারতবর্ষে পৌঁছানোর জলপথ আবিষ্কার করতে গিয়ে বাহামা দ্বীপে এসে পৌঁছান।
- সেখানে তিনি তামাটে বর্ণের মানুষদের ভারতীয় বলে ভেবে নেন।
- তাদের নাম দেন রেড ইন্ডিয়ান।
- উল্লেখ্য রেড ইন্ডিয়ানরা ক্রমাগত ইউরোপীয় আগ্রাসনের ফলে নিজভূমে পরবাসী হয়ে যায়।
- বর্তমানে তারা সংখ্যালঘু এবং সংরক্ষিত জায়গায় বসবাস করে।

অন্যদিকে -
- আফ্রিদি- পাকিস্তানের একটি উপজাতি।।
- মাওরি- নবম থেকে একাদশ শতাব্দীতে ভাইকিংরা ছিল ডাকাত, জলদস্যু, ব্যবসায়ী, অভিযাত্রী এবং উপনিবেশ স্থাপনকারী। তারা প্রায়শই স্ক্যান্ডিনেভিয়া থেকে সমুদ্রপথে ভ্রমণ করত এবং ইউরোপ এবং তার বাইরের অঞ্চলগুলি নিয়ন্ত্রণ করত।।।
- দ্রাবিড়- দক্ষিণ ভারত, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় বসবাসকারী অনার্য জাতি।।

উৎস: Britannica.

৭,২৭৬.
কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়?
  1. সুইডেন
  2. নরওয়ে
  3. জার্মানি
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- জার্মানি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি। যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভুক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com.
৭,২৭৭.
কোন চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়?
  1. ক) প্রথম ভার্সাই চুক্তি
  2. খ) দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি
  3. গ) প্যারিস চুক্তি
  4. ঘ) বার্লিন চুক্তি
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি:
- বিধ্বংসী প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- স্থান: ফ্রান্সের ভার্সাই নগরী।
- পক্ষসমূহ: মিত্রশক্তি (ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান) এবং জার্মানি।
- এই চুক্তির জন্য জার্মানি ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়
- চুক্তির খসড়ার মূল নকশা করেন চারজন নেতা যারা ইতিহাসে বিগ ফোর হিসেবে খ্যাত। 
- এরা হলেন বৃটেনের ডেভিড লয়েড জর্জ, ফ্রান্সের জর্জেস ক্ল্যামেনকু, যুক্তরাষ্ট্রের উড্রো উইলসন এবং ইতালির ভিটোরিও অরল্যান্ডো। 
- এই চুক্তিতে জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। 

উৎস: National Geographic Society.
৭,২৭৮.
পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি একত্রীকরণ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি একত্রীকরণ করা হয় ১৯৯০ সালে।

জার্মান একত্রীকরণ:

- পূর্ব জার্মানির সৃষ্টি হয় ৭ অক্টোবর, ১৯৪৯ সালে।
- বার্লিন দেয়াল তৈরি করা হয়: ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে।
- এই দেয়াল কৃত্রিমভাবে জার্মানিকে বিভক্ত করে।
- বার্লিন দেয়ালের পতন হয়: ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে।
- জার্মান একত্রীকরণের পথ এতে করে ত্বরান্বিত হয়।
- দুই জার্মানির একত্রীকরণের ব্যাপারে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৯০ সালে।
- পূর্ব জার্মানির অবলুপ্তি ঘোষণা করা হয়: ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে।
- এতে করে দুই জার্মানি একত্রিত হয়।
- ২ ডিসেম্বর (১৯৯০) যুক্ত জার্মানির প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৭,২৭৯.
নোবেল বিজয়ী মাদার তেরেসার জন্মস্থান -
  1. ক্রিমিয়া
  2. কলকাতা
  3. আলবেনিয়া
  4. উত্তর মেসিডোনিয়া
ব্যাখ্যা
মাদার তেরেসা:
- মাদার তেরেসার আসল নাম Agnes Gonxha Bojaxhiu.
- মাদার তেরেসা ছিলেন একজন আলবেনীয়-বংশোদ্ভুত ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী এবং ধর্মপ্রচারক। 
- উত্তর মেসিডোনিয়ায় ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৮ সালে কলকাতায় আসেন।
- তিনি কলকাতায় অর্ডার স্কুলে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন।
- ১৯৬২ সালে ভারত সরকার মাদার তেরেসাকে ভারতের জনগণের সেবার জন্য তাকে পদ্মশ্রী পদক প্রদান করে।
- মাদার তেরেসা ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে -
- শান্তিতে নোবেল বিজয়ী প্রথম মুসলিম নারী শিরিন এবাদি।
- প্রথম নোবেল বিজয়ী নারী পোল্যান্ডের মাদাম কুরি: ১৯০৩ সালে (পদার্থে)। 
 - ভারতীয় উপমহাদেশে নোবেল বিজয়ী নারী মালালা ইউসুফজাঈ ।

উৎস: Noble Prize.
৭,২৮০.
‘গোল্ডেন ক্রিসেন্ট’ বলতে কোন অঞ্চলকে বোঝায়?
  1. মধ্যপ্রাচ্যের তেল খনি
  2. ল্যাটিন আমেরিকার মাদক উৎপাদন এলাকা
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল
  4. উত্তর-পূর্ব এশিয়ার স্বর্ণ খনি
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ক্রিসেন্ট (Golden Crescent): 
- ‘গোল্ডেন ক্রিসেন্ট’ বলতে মূলত দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং ইরানের পর্বতময় সীমান্ত অঞ্চলকে বোঝায়।
- এটি এশিয়ার অন্যতম প্রধান অবৈধ আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- মাদক উৎপাদন ও চোরাচালানের পথ হিসেবে ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানকে একত্রে বলা হয় গোল্ডেন ক্রিসেন্ট।

এছাড়াও,
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল: গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি (মায়ানমার ,থাইল্যান্ড ,লাওস) দেশের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল। এদের অবস্থানগত আকৃতি ত্রিভুজের মত।
- গোল্ডেন ওয়েজ: বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ।
- গোল্ডেন ভিলেজ: বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.

৭,২৮১.
‘জে–৩৬’ কোন দেশের যুদ্ধবিমান?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ইরান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
জে-৩৬ যুদ্ধবিমান:
- চীনের নতুন ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান জে-৩৬।
- স্টেলথ প্রযুক্তি রয়েছে, যা রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম।
- বি-২১ রাইডার বোমারু বিমানের মতো দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর জন্য তৈরি।
- বিমানটির ৪৫ হাজার কেজি পর্যন্ত ভার বহন করতে সক্ষম।
- আকাশ, মাটি, এবং বিমানবাহী রণতরির শত্রু লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করতে পারে।
- রাডার প্রযুক্তি অত্যাধুনিক, যা স্টেলথ যুদ্ধবিমানগুলোকে শনাক্ত করতে পারে।
- ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সহ জে-৩৬ একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করবে।
- চীনের বিমানবাহিনীর শক্তি বাড়াতে এই বিমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
৭,২৮২.
মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. ক) নিতুন কুণ্ড
  2. খ) মোস্তফা আলী কুদ্দুস
  3. গ) তানভীর কবির
  4. ঘ) শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা
ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি মোস্তফা আলী কুদ্দুস। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকবাহিনী ও তাদের এদশেীয় দোসরদের হাতে নিহত বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে এই সৌধ নির্মাণ করা হয়। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ সৌধের উদ্বোধন করেন। প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে এখানে মানুষের ঢল নামে।
(সূত্রঃ দৈনিক কালেরকণ্ঠ)
৭,২৮৩.
কোন দেশটি বিমসটেক এর সদস্য নয়?
  1. ক) ভারত
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) মিয়ানমার
  4. ঘ) শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা

- বিমসটেক (BIMSTEC-Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-Operation) বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৯৭ সালের ৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি। এগুলো হলোঃ
- বাংলাদেশ
- ভারত
- শ্রীলঙ্কা
- থাইল্যান্ড
- মিয়ানমার
- নেপাল ও
- ভুটান।
সদরদপ্তর অবস্থিত ঢাকায় (২০১৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর উদ্বোধন)।
- বর্তমান মহাসচিব ভুটানের তেনজিন লেকপেল।
(তথ্যসূত্রঃ বিমসটেক ওয়েবসাইট)

৭,২৮৪.
কোন দেশে 'অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয়?
  1. লিবিয়া
  2. ইতালিত
  3. ইউক্রেন
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

অরেঞ্জ বিপ্লব:
- 'অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সুত্রপাত।
- ২০০৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী  ইউশচেঙ্কো (Yushchenko) দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে প্রচারণা চালান।
- প্রতিবাদকারীরা ইউশচেঙ্কোর প্রচারণার রঙে (কমলা) সজ্জিত হয়ে রাজপথে নামেন।
- ডিসেম্বর ৩ তারিখে সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করে নতুন ভোটের আদেশ দেয়।
- নতুন নির্বাচনে ইউশচেঙ্কো ৫২% ভোট পেয়ে জয়ী হন।

উল্লেখ্য, 
- ২০০৪ সালের অরেঞ্জ বিপ্লব থেকে শুরু করে ২০১৪ সালের মাইদান আন্দোলন পর্যন্ত ইউক্রেন রাজনৈতিক অস্থিরতা, রাশিয়ার প্রভাব, এবং ইউরোপ ও রাশিয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে গেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

৭,২৮৫.
বার্লিন দেয়াল কত সালে নির্মিত হয়?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
বার্লিন প্রাচীর:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)।

উল্লেখ্য,
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে পূর্ব জার্মানি ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে প্রাচীর তৈরি করা শুরু করে।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।

⇒ ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি) একত্রিত হয়।

উৎস: Britannica.
৭,২৮৬.
বেলুচিস্তান কোন দেশের প্রদেশ?
  1. আফগানিস্তান
  2. তাজিকিস্তান
  3. তুর্কমেনিস্তান
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

বেলুচিস্তান:
- বেলুচিস্তান দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানের একটি প্রদেশ।
- এটি পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ।
- বেলুচিস্তান অঞ্চলটি মূলত বৃহত্তর ইরানীয় মালভূমির পূর্ব প্রান্ত।
- এর প্রায় পুরোটাই পর্বতময়।
- প্রাদেশিক রাজধানী হলো কুয়েটা।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি  ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে  ইরান হামলা করেছে পাকিস্তানভুক্ত বেলুচিস্তানে।
- তাদের দাবি, সেখানে লুকিয়ে ছিল তাদের দেশের সুন্নি বিদ্রোহী ‘জইশ আল-আদল’।
- আগে যে সংগঠনের নাম ছিল ‘জুনদুল্লাহ’।
- অন্যদিকে ১৮ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে পাকিস্তান হামলা চালিয়েছে ইরানের সিস্তান-বেলুচিস্তান প্রদেশে।
- তাদের দাবি, সেখানে বেলুচ লিবারেশন ফ্রন্টের বিদ্রোহীরা লুকিয়ে আছে।
- তারা এ হামলার নাম দিয়েছে—‘মর্গ বর শারমাচর’। 

উৎস: i) Britannica.
         ii) ১৭ জানুয়ারী ২০২৪, প্রথম আলো।

৭,২৮৭.
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে কোন দেশের মালিকানা নেই?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. কোন দেশের নেই
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ: 
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত একটি বরফ আচ্ছাদিত মহাদেশ।
- এটি পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ, আয়তন প্রায় ১৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।
- মহাদেশটির ৯৮% এলাকা বরফে ঢাকা এবং এটি পৃথিবীর ৭০% স্বাদু পানির আধার।
- আবহাওয়া: শীতলতম মহাদেশ; সর্বনিম্ন তাপমাত্রা -৮৯.২°C(ভোস্টক স্টেশন, ১৯৮৩)।
- বৃষ্টিপাত: বার্ষিক গড় মাত্র ২০ মিলিমিটার, যা এটিকে মরুভূমি হিসেবে চিহ্নিত করে।
- প্রাণিকুল: পেঙ্গুইন, সিল, তিমি, এবং সামুদ্রিক পাখি।
- উদ্ভিদকুল: শৈবাল, লাইকেন, মস।
- অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি (১৯৫৯) অনুসারে এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য উন্মুক্ত এবং সামরিকীকরণ নিষিদ্ধ।
- অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে কোন দেশের মালিকানা নেই। 
- জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে অ্যান্টার্কটিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- তবে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও পরিবেশ দূষণের ফলে এটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি (Antarctic Treaty):
স্বাক্ষরিত: ১৯৫৯।
কার্যকর: ১৯৬১।
উদ্দেশ্য: মহাদেশকে সামরিকীকরণ থেকে মুক্ত রাখা এবং বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

গবেষণা কেন্দ্র:
- অ্যান্টার্কটিকা আন্তর্জাতিক গবেষণার জন্য উন্মুক্ত।
- ১৯৫৯ সালের অ্যান্টার্কটিক চুক্তি অনুসারে এটি শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ ও বৈজ্ঞানিক কাজে ব্যবহৃত হয়।
- প্রধান গবেষণা কেন্দ্র:
মেরি বার্ড ল্যান্ড (আমেরিকা)
ভোস্টক স্টেশন (রাশিয়া)
হ্যালি স্টেশন (যুক্তরাজ্য)

উৎস: National Geographic:
Britannica
World Atlas
৭,২৮৮.
স্যার মর্টিমার হুইলার এর মতে সিন্ধু সভ্যতা শুরু হয়েছিল -
  1. ২৯৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  2. ২৭৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  3. ২৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে
  4. ৩৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- স্যার জন মার্শালের মতে সিন্ধু সভ্যতার সবচেয়ে গৌরবের সময় ছিল খ্রিস্টপূর্ব ৩২৫০ থেকে ২৭৫০ অব্দের মধ্যে।
- ঐতিহাসিক আইভার রিজনার সিন্ধু সভ্যতার উদ্ভবকাল মনে করেন ৩৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ। 
- প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার মর্টিমার হুইলারের মতে, সিন্ধু সভ্যতা শুরু হয়েছিল ২৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারোতে এবং দয়ারাম সাহানীর চেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগোমারী জেলার হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- এটি উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।
- উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা হলেও এর বিস্তৃতি ছিল বিশাল এলাকা জুড়ে।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পাতে এই সভ্যতার নিদর্শন সবচেয়ে বেশি আবিষ্কৃত হয়েছে।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ, ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাটের বিভিন্ন অংশে এই সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৮৯.
'জোয়ান অব আর্ক' নামটি কোন যুদ্ধের সাথে জড়িত?
  1. শতবর্ষ যুদ্ধ
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  3. ফরাসি যুদ্ধ
  4. ক্রিমিয়ার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
শতবর্ষ যুদ্ধ:
- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ হয়েছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।
- 'জোয়ান অব আর্ক' ছিল ফ্রান্সের সেনাপতি।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড এই যুদ্ধ শুরু করেন ফ্রান্সের সিংহাসনের দাবিতে।
- এই যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স। 

উৎস: Britannica.
৭,২৯০.
চীনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. Chen Yi
  2. Wang Yi
  3. Huang Hua
  4. Li Qiang
ব্যাখ্যা
চীন:
- মুদ্রার নাম - ইউয়ান।
- ভাষার নাম - মান্দারিন।
- আইনসভার নাম - ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - লি কিয়াং। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি - শি জিন পিং। (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
- আধুনিক চীনের জনক - সান ইয়াৎ সেন।
- গণচীনের প্রতিষ্ঠাতা - মাও সে তুং।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,২৯১.
ফ্রান্সের পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের স্থপতি কে?
  1. জকোবিন
  2. নেপোলিয়ন
  3. চার্লস দ্য গল
  4. ষোড়শ লুই
ব্যাখ্যা
চার্লস দ্য গল: 
- চার্লস দ্য গল (জন্ম: ২২ নভেম্বর ১৮৯০, লিল, ফ্রান্স — মৃত্যু: ৯ নভেম্বর ১৯৭০, কলোম্বে-লে-দেউ-এগ্লিজ) ছিলেন একজন ফরাসি সৈনিক, লেখক এবং রাষ্ট্রনায়ক। 
- তিনি ফ্রান্সের পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের স্থপতি।
- তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতা হিসেবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন এবং যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে ফ্রান্সের রাজনৈতিক কাঠামো পুনর্গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।

উৎস: Britannica.
৭,২৯২.
মাইক্রোনেশিয়ার অবস্থান হলাে -
  1. ক) পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  2. খ) এশিয়া ও ইউরোপের মাঝে
  3. গ) পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  4. ঘ) আটলান্টিকের পশ্চিমে
ব্যাখ্যা
• অঞ্চল:
- মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলটি ফিলিপাইনের পূর্বে এবং নিউগিনি দ্বীপের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলে মাইক্রোনেশিয়া, পালাউ, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, কিরিবাতি ও নাউরু এ পাঁচটি স্বাধীন দেশ রয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৭,২৯৩.
ওয়াটারলু যুদ্ধে কে পরাজিত হয়েছিলেন?
  1. জুলিয়াস সিজার
  2. আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট
  3. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
ব্যাখ্যা

ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়াম অবস্থিত।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- ওয়াটার লু যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম - আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৭,২৯৪.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভূক্ত ছিলো না নিচের কোন দেশ?
  1. বেলজিয়াম
  2. সার্বিয়া
  3. অস্ট্রিয়া
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ( ১৯১৪-১৯১৮):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি জোট ছিল: রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডট কম।
৭,২৯৫.
নিচের কোন দেশটিতে সমুদ্র বন্দর নেই?
  1. লেবানন
  2. আফগানিস্তান
  3. মিশর
  4. ইসরাইল
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ এশিয়ার ৩টি দেশ সমুদ্রবন্দরহীন।
- নেপাল, ভুটান ও আফগানিস্তান।
- লেবানন, মিশর. ইসরায়েল সমুদ্র বন্দর রয়েছে।

• আফগানিস্তান: 

- মহাদেশ: এশিয়া।
- অঞ্চল: দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার মধ্যবর্তী স্থান।
- সীমানা যুক্ত দেশসমূহ: 
• পাকিস্তান (দক্ষিণ ও পূর্বে),
• ইরান (পশ্চিমে),
• তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তান (উত্তরে),
• চীন (অত্যন্ত সরু ওয়াখান করিডোরে, পূর্ব দিকে)।

উল্লেখ্য, 
- আফগানিস্তান একটি পাহাড়ি ও খরা প্রবণ দেশ।
- হিন্দুকুশ পর্বতমালা দেশটির কেন্দ্রভাগে অবস্থিত, যা আফগানিস্তানকে পূর্ব-পশ্চিমে বিভক্ত করেছে।
- ছোট নদ-নদী, শুষ্ক উপত্যকা ও মরুভূমি রয়েছে দক্ষিণে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৭,২৯৬.
বলশেভিক বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কে?
  1. ফ্রেডরিক এঙ্গেলস
  2. ভ্লাদিমির লেনিন
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. মাও সেতুং
ব্যাখ্যা

• রুশ বিপ্লব: 
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। 
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব। 
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯৯৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে। 
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়। 
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে। 
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: History.com & Britannica.com

৭,২৯৭.
নিচের কোন দেশটি মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের?
  1. পালাউ
  2. ফিজি
  3. পাপুয়া নিউগিনি
  4. সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং
- ফেডারেল স্টেটস অব মাইক্রোনেশিয়া।

• মেলানেশিয়ার দেশসমূহ:
- ভানুয়াতু
- ফিজি
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- পাপুয়া নিউগিনি

• পলিনেশিয়ার অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলস।
৭,২৯৮.
ইউক্রেনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে?
  1. ভিক্টর ইউশ্চেঙ্কো
  2. দিমিত্রি পেসকভ
  3. আলেক্সান্দার লুকাশেঙ্কো
  4. ভলোদেমির জেলেনস্কি
ব্যাখ্যা
ইউক্রেনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট হলেন ভলোদেমির জেলেনস্কি। তিনি একজন সাবেক অভিনেতা ও কমেডিয়ান।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম সার্ভেন্ট অব দ্য পিপল।
- তিনি ২০১৯ সাল থেকে ইউক্রেনের ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- জেলেনস্কি ১৯৭৮ সালে ইউক্রেনের একটি ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৭,২৯৯.
শ্রীলঙ্কার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কী?
  1. রনিল বিক্রমসিংহে
  2. মাহিন্দা রাজাপাকসে
  3. জয় প্রেমাদাসা
  4. শ্রীকান্ত বিজয়সেনা
ব্যাখ্যা

- শ্রীলঙ্কার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম - দীনেশ গুনাবর্ধনে।
- শ্রীলঙ্কার বর্তমান প্রেসিডেন্ট - রনিল বিক্রমসিংহে।
- রনিল বিক্রমসিংহে এর পূর্বে ছয় বার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

যেহেতু জব সল্যুশনের প্রশ্ন এবং অপশনে দীনেশ গুনাবর্ধনে ছিল না, তাই উত্তর হিসেবে রনিল বিক্রমসিংহে গ্রহণ করা হয়েছে।

রনিল বিক্রমসিংহে:


- তিনি ছয় বার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্য অনেক নেতার মতোই রাজনৈতিক পরিবার থেকে এসেছেন রনিল বিক্রমাসিংহে।
- তাঁর চাচা জুনিস জয়াবর্ধনে এক দশকের বেশি সময় শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- সত্তরের দশকের মাঝামাঝিতে রাজনীতিতে আসেন তিনি।
- ১৯৭৭ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সে সময় প্রেসিডেন্ট ছিলেন জুনিস জয়াবর্ধনে।
- ওই সরকারেই সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী হন তিনি।
- তামিল গেরিলাদের হাতে সাবেক প্রেসিডেন্ট রানাসিংহে প্রেমাদাসা নিহত হওয়ার পর ১৯৯৩ সালে প্রথমবার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হন বিক্রমাসিংহে। সেবার মাত্র এক বছরের কিছু বেশি সময় ক্ষমতায় ছিলেন তিনি।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হন বিক্রমাসিংহে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১২ মে ২০২২।

৭,৩০০.
‘নির্বাণ’ ধারণাটি কোন ধর্মবিশ্বাসের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. হিন্দুধর্ম
  2. বৌদ্ধধর্ম
  3. খ্রিষ্টধর্ম
  4. ইহুদীধর্ম
ব্যাখ্যা
• 'নির্বাণ' - ধারণা বৌদ্ধধর্মের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- বৌদ্ধদের ভাষায় মানুষের মুক্তি নির্বাণ নামে পরিচিত। এই নির্বাণ লাভই বৌদ্ধদের মতে পরম প্রাপ্তি।
- বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ ৮০ বছর বয়সে নির্বাণ লাভ করেন।

বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে,

নির্বাণ শব্দের অর্থ:
- মোক্ষ; মুক্তি; ভববন্ধন থেকে পরিত্রাণ লাভ; জীবন্মুক্তি; অজ্ঞানতা থেকে মুক্তিলাভ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।