বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৭২ / ৯৩ · ৭,১০১৭,২০০ / ৯,৩৩৪

৭,১০১.
'পালাউ' দেশটি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া মহাদেশ
  2. ওশেনিয়া মহাদেশ
  3. আফ্রিকা মহাদেশ
  4. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ
ব্যাখ্যা

পালাউ:
- আনুষ্ঠানিকভাবে পালাউ প্রজাতন্ত্র, দ্বীপ দেশ।
- 'পালাউ' দেশটি ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৮৯ বর্গ মাইল (৪৯০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: মেলেকোক।
- ভাষা: পালাউয়ান, ইংরেজি (উভয় সরকারী)।
- ধর্ম: খ্রিস্টান ধর্ম (বেশিরভাগই রোমান ক্যাথলিক।
- মুদ্রা: মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭,১০২.
'মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ' নিম্নের কোন অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. ক) মাইক্রোনেশিয়া
  2. খ) মেলানেশিয়ার
  3. গ) পলিনেশিয়া
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে ভৌগোলিকভাবে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- মাইক্রোনেশিয়া
- মেলানেশিয়া
- পলিনেশিয়া।

মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং 
- মাইক্রোনেশিয়া

মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু ও
- পাপুয়া নিউগিনি।

পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু ও
- সামোয়া।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস
৭,১০৩.
নিচের কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র?
  1. লিথুয়ানিয়া
  2. লাতভিয়া
  3. এস্তোনিয়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাল্টিক রাষ্ট্র:
- উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক সাগরের পূর্বতীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে;
• এস্তোনিয়া,
• লাতভিয়া এবং
• লিথুয়ানিয়া।
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ বর্তমানে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & WorldAtlas.com
৭,১০৪.
বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর গড় ব্যাস কত?
  1. প্রায় ১২,৮০০ কিলোমিটার
  2. প্রায় ১২,০০০ কিলোমিটার
  3. ১২,০০০ কিলোমিটার
  4. প্রায় ১৫,০০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর ব্যাস:
 - বিজ্ঞানীদের মতে, পৃথিবীর পরিধি প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার বা ২৫,০০০ মাইল। 
- পৃথিবীর গড় ব্যাস প্রায় ১২,৮০০ কিলোমিটার।

• গাণিতিক হিসার অনুযায়ী,
- পৃথিবীর পূর্ব-পশ্চিমে নিরক্ষীয় ব্যাস ১২,৭৫৭ কিলোমিটার। 
- উত্তর-দক্ষিণে মেরু ব্যাস ১২,৭১৪ কিলোমিটার। 
- পৃথিবীর ব্যাস ১২,৭৩৫.৫ কি. মি। 
- সরল হিসাবে পৃথিবীর ব্যাসকে ১২,৮০০ কিলোমিটার ধরা হয়।
- পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ ৬৪০০ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১০৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোন দেশগুলোতে ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিলো?  
  1. দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও উত্তর কোরিয়ায়
  2. সোমালিয়া, ইরিত্রিয়া, ও দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. চীন, মঙ্গোলিয়া ও উত্তর কোরিয়ায়
  4. ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে
ব্যাখ্যা
• ডমিনো তত্ত্ব (Domino Theory):
- ডমিনো তত্ত্ব-এর মূল কথা হচ্ছে কোনো একটি দেশে যদি সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে তার পাশের এবং আশেপাশের দেশগুলোও এই মতাদেশে উদ্বুদ্ধ হবে এবং এক সময় রাষ্ট্রগুলো সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তবে প্রেসিডেন আইসেনহাওয়ার এর ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিলের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো পরোক্ষভাবে ডমিনো তত্ত্ব-এর কথা বলেছিলেন।
- মূল বিষয় ছিল কোনো অবস্থাতেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অন্যত্র সমাজতন্ত্রের প্রসারকে এগিয়ে নিজে যেতে দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে সেইসব দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ কর হবে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৭,১০৬.
ধাতুর যুগের প্রথম ধাতু কোনটি?
  1. লোহা
  2. তামা
  3. সোনা
  4. রুপা
ব্যাখ্যা

ধাতুর যুগ:
- নতুন প্রস্তর যুগের শেষদিকে ভারতের আদি মানবেরা ধাতুর ব্যবহার শিখে।
- নতুন পাথরের যুগে উন্নত ধরনের হাতিয়ার তৈরি হত। এইজন্য প্রয়োজন ছিল শক্ত পাথরের। এই পাথর খুঁজতে গিয়েই এক সময় মানুষ তামার সন্ধান পায়।

উল্লেখ্য,
- স্বর্ণের সন্ধান পেয়েছিল মানুষ প্রথমেই। এর উজ্জ্বলতা তাদের আকৃষ্টও করেছিল। কিন্তু, অভিজ্ঞতা দিয়ে তারা দেখেছে অস্ত্র ও ব্যবহার্য দ্রব্য তৈরিতে স্বর্ণের চেয়ে তামা বেশি কার্যকর। এভাবেই, প্রাগৈতিহাসিক যুগের শেষদিকে ভারতে ব্যাপকভাবে তামার ব্যবহার শুরু হয়। তবে, অঞ্চলভেদে তামার ব্যবহারের তারতম্য ছিল।

⇒ প্রত্নতত্ত্ববিদগণ মনে করেন, উত্তর ভারতে প্রথম পাথরের বদলে তামার ব্যবহার শুরু হয়। এ সময় তামা দিয়ে মূলত: অস্ত্র এবং সাধারণ পাত্র তৈরি করা হতো। উত্তর ভারতের প্রায় সর্বত্রই তামার তৈরি দ্রব্য-সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। তবে, সবচেয়ে বেশি এ অঞ্চলে পাওয়া দ্রব্য সামগ্রীর মধ্যে কুঠার, তলোয়ার, হারপূণ, তীরের ফলা, বাটালি ইত্যাদির নাম করা যেতে পারে।
- তামা ব্যবহারের যুগটিকে ইতিহাসে তাম্রযুগ বলা হয়। 

⇒ তামা আবিষ্কারের বহুকাল পর মানুষ লোহার সন্ধান পায়। লোহা ব্যবহারের যুগটি পরিচিত ছিল লৌহ যুগ নামে।
- এই দুই যুগের মাঝ পর্বে আরেক ধরনের ধাতু ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ধাতুটি হচ্ছে ব্রোঞ্জ। তামা এবং টিন মিশিয়ে এই ব্রোঞ্জ তৈরি করা হতো। এ যুগে মানুষ ব্রোঞ্জ তৈরির কায়দা উদ্ভাবন করতে পেরেছিল।
- লোহা আবিষ্কারের পর তামার ব্যবহার কমে যায়।
- পণ্ডিতগণ মনে করেন, আর্যরা ভারতে প্রথম লোহার ব্যবহার শুরু করেছিল।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,১০৭.
কোন ব্যক্তি বাংলাদেশকে 'প্রাচুর্যপূর্ণ নরক' বলে অভিহিত করেন?
  1. ফা হিয়েন
  2. ইবনে বতুতা
  3. হিউয়েন সাং
  4. ইবনে খালদুন
ব্যাখ্যা
ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন। 
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
- ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতকে ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন।
- ইবনে বতুতা তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত’ অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,১০৮.
জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করে কবে?
  1. ৯ নভেম্বর, ১৯৪১
  2. ২৪ নভেম্বর, ১৯৪১
  3. ১ ডিসেম্বর, ১৯৪১
  4. ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১
ব্যাখ্যা

পার্ল হারবার আক্রমণ:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- এরপর ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।
- যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ। চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

৭,১০৯.
রাশিদুন খিলাফতের সময় মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল -
  1. দামেস্ক
  2. মক্কা
  3. ইস্তাম্বুল
  4. মদিনা
ব্যাখ্যা
রাশিদুন খিলাফত (৬৩২ খ্রি. – ৬৬১ খ্রি.):
- মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল মদিনা।
- ইসলামের চার খলিফার শাসনকাল।

• হযরত আবুবকর সিদ্দিক (রা.)
- শাসন কাল (৬৩২ খ্রি. - ৬৩৪ খ্রি.)।
- ইসলামের প্রথম খলিফা (৬৩২ খ্রি.)।

• হযরত ওমর ইবনে আল খাত্তাব(রা.)
- শাসন কাল (৬৩৪ খ্রি. - ৬৪৪ খ্রি.)।
- "ওমর দ্য গ্রেট" বলা হয় (ন্যায়পরায়ণতার জন্য )।

• হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.)
- শাসন কাল ( ৬৪৪ খ্রি. - ৬৫৬ খ্রি.)।
- সর্ব প্রথম ইসলামী মুদ্রার প্রচলন।

• হযরত আলী ইবনে আবু তালিব (রা.)
- শাসন কাল (৬৫৬ খ্রি. - ৬৬১ খ্রি.)।
- খোলাফায়ে রাশেদীনের সর্বশেষ খলিফা।
- আসাদুল্লাহ (আল্লাহর সিংহ) উপাধি লাভ।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১১০.
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের কততম প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
  1. ৪৩তম
  2. ৪৪তম
  3. ৪৫তম
  4. ৪৭তম
ব্যাখ্যা

ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
- শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫-কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।
- তিনি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

এছাড়াও,
- ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি, ২০১৭ ইংরেজি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প সবচেয়ে আলোচিত - সমালোচিত প্রেসিডেন্ট ধারা যায়।
- বিভিন্ন বিতর্কিত কাজ করে আলোচনায় থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের নিম্ন-কক্ষ হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিশংসিত হয়েছিলেন।
- অবশ্য তার আগে আরো দুইজন প্রেসিডেন্ট হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিসংশিত হয়েছিলেন।
- তারা হচ্ছেন অ্যান্ড্রু জনসন এবং বিল ক্লিনটন।

অন্যদিকে,
- জো বাইডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।


উৎস: Britannica.

৭,১১১.
Which one of the following countries does not share any border with China?
  1. Thailand
  2. Mongolia
  3. Vietnam
  4. Kazakhstan
  5. None
ব্যাখ্যা
• 'থাইল্যান্ড' এর সাথে চীনের সাথে সরাসরি সীমান্ত নেই।

চীন:

- চীন পূর্ব এশিয়ার দেশ ।
- এটি এশিয়ার সব দেশের মধ্যে বৃহত্তম।
- এটি পৃথিবীর ভূমি এলাকার প্রায় এক-চতুর্দশাংশ জুড়ে আছে।
- চীন বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশগুলির মধ্যে।
- চীনের সাথে ১৪টি দেশ যা সরাসরি এর সাথে সীমান্ত রয়েছে:
মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম , লাওস, মায়ানমার (বার্মা), ভারত , ভুটান, নেপাল, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং কাজাখস্তান।

তথ্যসূত্র- ব্রিটানিকা।
৭,১১২.
হেলেনিস্টিক সভ্যতা কোথায় বিকশিত হয়েছিলো?
  1. আলেকজান্দ্রিয়া
  2. এথেন্স
  3. রোম
  4. ইউক্যাটান উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা
- আলেকজান্ডার কর্তৃক উত্তর আফ্রিকা ও পশ্চিম এশিয়া দখলের পর গ্রিক সংস্কৃতি ও স্থানীয় সংস্কৃতির সংমিশ্রণে যে সভ্যতা বিকশিত হয় তা ‘হেলেনিস্টিক সভ্যতা’ নামে পরিচিত।
- এই সভ্যতার কেন্দ্রভূমি ছিলো প্রাচীন মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া। এজন্যে এই সভ্যতা অনেক ক্ষেত্রে ‘আলেকজান্দ্রিয়া সভ্যতা’ নামেও পরিচিত।
অন্যদিকে,
- রোম নগরীকে কেন্দ্র করে রোমান সভ্যতা, এথেন্সকে কেন্দ্র করে হেলেনিক সভ্যতা এবং ইউক্যাটান উপদ্বীপে মেসোআমেরিকান সভ্যতা বিকশিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৭,১১৩.
কিউবান বিপ্লব কোন শাসকের পতন ঘটায়?
  1. ফুলগেনসিও বাতিস্তা
  2. চে গুয়েভারা
  3. ফিদেল কাস্ত্রো
  4. অগাস্তো পিনোশে
ব্যাখ্যা
কিউবা বিপ্লব:
- কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো।
- কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফুলগেনসিও বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো।
- তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল মেক্সিকো থেকে কিউবায় আক্রমণ চালানো।

⇒ ১৯৫৬ সালের ২৫ নভেম্বর ফিদেল কাস্ত্রো ও তার বিপ্লবী সহযোগীরা কিউবার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
- পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাতিস্তার সেনাবাহিনীর আক্রমণে নাস্তানাবুদ হন।
- শুরুর দিকেই তাকে কারাবন্দী করে বাতিস্তা সরকার।
- কিউবার মানুষের মুক্তির জন্য গেরিলা যুদ্ধে নামেন কাস্ত্রো।
- এরই মধ্যে চে গুয়েভারার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলা যুদ্ধে পরিকল্পনা আরও বিস্তৃতি পায়।
- ফিদেল কাস্ত্রো তাকে গ্রেনেড তৈরির কারখানা, রুটি বানানোর জন্য চুল্লি প্রস্তুত এবং নিরক্ষর সঙ্গীদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল তৈরির দায়িত্ব দেন।
- বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তিন বছর পর চে গুয়েভারাকে ‘কাস্ত্রোর মস্তিষ্ক’ বলে আখ্যায়িত করেছিল।
- সংগঠিত হয়ে কাস্ত্রোর বিপ্লবী বাহিনী গেরিলা যুদ্ধে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- আচমকা হামলায় বাতিস্তা সরকার পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে।
- সিয়েরা পর্বতমালা, শহর পেরিয়ে তারা হাভানায় ঢুকে পড়লে বাতিস্তা সরকার পালিয়ে যায়।
- জয়ী হন কাস্ত্রো, জয় হয় বিপ্লবের।
- বিপ্লবের নেতা, ফিদেল কাস্ত্রো, ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।
- এই বিপ্লব ফুলগেনসিও বাতিস্তার পতন ঘটায়।

উৎস: Britannica.
৭,১১৪.
কোন দেশটি আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. তিউনেশিয়া
  2. নাইজার
  3. কেনিয়া
  4. জাম্বিয়া
ব্যাখ্যা
- সাহেল হলো সাহারা মরুভূমির দক্ষিণের সাব-সাহারা অঞ্চল। অর্থাৎ আফ্রিকার সাভানা তৃণভূমি অঞ্চল এবং সাহারা মরুভূমির মধ্যবর্তী অঞ্চলই সাহেল নামে পরিচিত।
এই অঞ্চলের দেশসমূহ হলো:
- নাইজার
- মালি
- শাদ
- মৌরিতানিয়া
- সুদান প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৭,১১৫.
Greatest Happiness Principle নীতির প্রবক্তা কে?
  1. জেরেমি বেন্থাম
  2. ম্যাকিয়াভেলি
  3. অ্যারিস্টটল
  4. মার্টিন হাইডেগার
ব্যাখ্যা
- জেরেমি বেন্থাম Greatest Happiness Principle নীতির (১৭৮৯) প্রবক্তা। এই নীতির অর্থ হলো কোন কিছু বা কোন কাজকে উদ্দেশ্য নয়, বরং ফলাফল দ্বারা মূল্যায়ন করতে হবে।
- জেরেমি বেন্থাম একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ও তাত্বিক। তিনি ১৭৪৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৩২ সালের ৬ জুন মারা যান।
- তার বিখ্যাত বইয়ের মধ্যে রয়েছে The Principles of Morals and Legislation.
(তথ্যসূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৭,১১৬.
নিচের কোন দেশটির পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না?
  1. কানাডা
  2. সৌদি আরব
  3. বাংলাদেশ
  4. চীন
ব্যাখ্যা
সৌদি আরব:
- সৌদি আরবের কোনো আইনসভা ও সংবিধান নেই।
- সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ।
- মুদ্রা: রিয়াল।
- ১৯৩২ সালে সৌদি আরবে আবদুল আজিজ ইবনে সউদ কর্তৃক রাজতন্ত্রের সূচনা হয়।
- সৌদি আরবই একমাত্র দেশ যার পতাকায় কালেমা লেখা আছে।
- পৃথিবীতে একমাত্র সৌদি আরবের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না।
- মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্যে পবিত্র নগরী মক্কা ও মদিনা সৌদি আরবে অবস্থিত।
- সৌদি আরবে কোন লিখিত সংবিধান নেই।
- কোরআন এবং সুন্নাহকে সৌদি আরবের সংবিধান হিসাবে গৃহীত হয়।

এছাড়াও,
- যুক্তরাজ্য, কানাডা, ইসরায়েল ও নিউজিল্যান্ডের কোনো লিখিত সংবিধান নেই।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Royal Embassy of Saudi Arabia.
৭,১১৭.
The only country in Asia that was never colonized by a European power is
  1. ক) Thailand
  2. খ) Nepal
  3. গ) Myanmar
  4. ঘ) Bhutan
ব্যাখ্যা
• এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড কখনো কোন দেশের উপনিবেশ ছিলো না। এজন্যে থাইল্যান্ডকে মুক্তভূমি বলা হয়।

• অন্যদিকে: 
- মিয়ানমার : ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিলো।
- নেপাল ও ভুটানকে  যদিও সরাসরি ব্রিটিশ উপনিবেশ বলা যায় না তবে তারা ব্রিটেনের কাছে Protectorate (আশ্রিত রাজ্য) হিসেবে ছিলো।
৭,১১৮.
কত সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসনের সমাপ্তি ঘটে?
  1. ক) ১৯৯৮ সালে
  2. খ) ১৯৯৬ সালে
  3. গ) ১৯৯৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- ১৯৬১ সালের নেলসন ম্যান্ডেলার আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র শাখা গঠন করেন।
- ১৯৬৪ সালে অন্তর্ঘাত সহ নানা অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বর্ণবাদী সরকার।
- দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর ১৯৯০ সালে মুক্তি পান।
- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন।

- ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সকল শ্রেণীর লোকের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেলসন ম্যান্ডেলা দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯৪ সালে  নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৪২ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান হয়।
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্টের নাম - এফডব্লিউডি ক্লার্ক।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।
৭,১১৯.
'এস ৪০০' ক্ষেপনাস্ত্র উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?
  1. বুলগেরিয়া
  2. ইসরায়েল
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
এস-৪০০:
- রাশিয়ার তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকরি ও আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হচ্ছে এস-৪০০।
- মূলত দেশটির আগেরকার এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে এস-৪০০ তৈরি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ‘এস-৪০০’ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশপথের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।
- ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপণের এই ক্ষেপণাস্ত্রের আওতা প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
- এটি একই সময়ে ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
- স্বল্প উচ্চতার ড্রোন থেকে শুরু করে যেকোনো উচ্চতায় যুদ্ধবিমান এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে আঘাত হানতে সক্ষম ‘এস-৪০০’।
- এই প্রযুক্তির প্রতি ইউনিটে থাকে ৯টি করে লঞ্চার, ১২০টি করে ক্ষেপণাস্ত্র এবং কমান্ড ও সাপোর্টের জন্য সরঞ্জাম ও বাহন।

উৎস: Reuters.
৭,১২০.
“পসিটিভ ফিলোসফি” গ্রন্থের লেখক কে?
  1. অগাস্ট কোঁৎ
  2. সক্রেটিস
  3. টমাস হবস
  4. উইলিয়াম রাসেল
ব্যাখ্যা
- অগাস্ট কোঁৎ ছিলেন একজন ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী ও লেখক।
- পসিটিভ ফিলোসফি ও পজিটিভ পলিটি তার বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ।
- তিনিই প্রথম সোসিওলজি শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।
- তাকে সমাজবিজ্ঞানের জনক গণ্য করা হয়।

উৎস: Britannica.com
৭,১২১.
কাকে গণচীনের জনক বলা হয়?
  1. সান ইয়েৎ সেন
  2. চিয়াং কাইশেক
  3. মাও সেতুং
  4. হো চি মিন
ব্যাখ্যা
গণচীন:
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়

অন্যদিকে -
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- চিয়াং কাইশেক চীনের পুঁজিবাদ তন্ত্রের প্রবর্তক । 

উৎস:Encyclopedia Britannica.com
৭,১২২.
নিম্নের কোন সভ্যতা মধ্য আমেরিকা অঞ্চলে বিকশিত হয় নি?
  1. অ্যাজটেক সভ্যতা
  2. ওলমেক সভ্যতা
  3. ইনকা সভ্যতা
  4. মায়া সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মেসোআমেরিকা হলো বর্তমান মেক্সিকো এবং মধ্য আামেরিকা নিয়ে গঠিত অঞ্চল। ১৬ শতকে স্পেনিশদের আর্বিভাবের পূর্বে মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকা অঞ্চল মেসোআমেরিকা হিসেবে অভিহিত।

মেসোআমেরিকা অঞ্চলে স্থানীয় আদিবাসীদের দ্বারা বেশ কয়েকটি বিখ্যাত সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো। এগুলোর মধ্যে ওলমেক সভ্যতা, মায়া সভ্যতা ও অ্যাজটেক সভ্যতা প্রধান।
এদের মধ্যে ওলমেক সভ্যতা হলো প্রথম মেসোআমেরিকান সভ্যতা এবং অ্যাজটেক সভ্যতা হলো সর্বশেষ মেসোআমেরিকান সভ্যতা।

অন্যদিকে,
ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে বিকশিত হয়েছিলো।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৭,১২৩.
দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানীর নাম কী?
  1. কেপ টাউন
  2. প্রিটোরিয়া
  3. ব্লোয়েমফন্টেইন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রা: র‍্যান্ড।

⇒ দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা: 
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উল্লেখ্য,
- মহাসাগর পৃথিবীর প্রায় ৭১% আয়তন দখল করে আছে।
- বিশ্বে পাঁচটি প্রধান মহাসাগর রয়েছে: প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, আর্কটিক মহাসাগর এবং দক্ষিণ মহাসাগর।
- আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগর উভয়ের উপকূলরেখা সহ পৃথিবীতে মাত্র তিনটি দেশ রয়েছে।
- এই দেশগুলি হলো: দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর এবং ইসরাইল।

উৎস: i) Worldatlas.
         ii) Britannica.
৭,১২৪.
কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে পাবলো পিকাসো ‘গোয়ের্নিকা’ চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন?  
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. স্পেনের গৃহযুদ্ধ
  3. মার্কিন গৃহযুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• পাবলো পিকাসো:
- বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী চিত্রশিল্পীদের একজন পাবলো পিকাসো। 
- তিনি একাধারে ছিলেন দক্ষ ভাস্কর, মৃৎশিল্পী, পোশাক পরিকল্পক ও মঞ্চসজ্জাশিল্পী। 
- পাবলো রুইজ পিকাসোর জন্ম ১৮৮১ সালের ২৫ অক্টোবর দক্ষিণ স্পেনের ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী মালাগা শহরে।
- তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি হলো 'গোয়ের্নিকা', ‘দ্য ওল্ড গিটারিস্ট’, ‘গার্ল বিফোর আ মিরর’, ‘দ্য উইপিং ওমেন’, ‘উইমেন অব আলজিয়ার্স’, ‘সেলফ পোর্ট্রেট’, ‘থ্রি মিউজিশিয়ানস’, ‘সিটেড বাথার’ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- পিকাসোর আঁকা অসংখ্য বিখ্যাত ছবির একটি বিখ্যাত ছবি হলো ‘গোয়ের্নিকা’। 
- স্পেনের গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিনি ‘গোয়ের্নিকা’ চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন। 
- ১৯৩৭ সালে স্পেনের গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জার্মান ও ইতালীয় বিমান বাহিনী স্পেনের গোয়ের্নিকা শহরে ভয়াবহ বোমা হামলা চালায়। সেই নৃশংসতার প্রতিবাদে পাবলো পিকাসো আঁকেন বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘Guernica’, যা যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী শিল্প-প্রতিবাদ হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৭,১২৫.
যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন- এটি কার উক্তি?
  1. সালজার
  2. ফ্রঙ্কো
  3. হিটলার
  4. মুসোলিনি
ব্যাখ্যা

• অ্যাডলফ হিটলার: 
- ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi)পার্টি।
- ১৯৩৩ সালে তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী ছিল গেস্টাপো (Gestapo)।
- “যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন” — উক্তিটি হিটলারের।
- মৃত্যু: ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ।

উল্লেখ্য, 
'I Have a Dream' বিখ্যাত ভাষণটি প্রদান করেন মার্টিন লুথার কিং। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৭,১২৬.
নিচের কোন ব্যক্তি কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নন?
  1. ক) নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. খ) রবার্ট মুগাবে
  3. গ) এফডব্লিউডি ক্লার্ক
  4. ঘ) মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট, মার্টিন লুথার কিং যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আন্দোলনের নেতা, রবার্ট মুগাবে জিম্বাবুয়ের কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এবং এফডব্লিউডি ক্লার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বশেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। উৎসঃ দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের সরকারি ওয়েবসাইট।
৭,১২৭.
নিচের কোনটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র?
  1. ক) ইসরাইল
  2. খ) ব্রাজিল
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) ইতালি
ব্যাখ্যা
বর্তমান বিশ্বে নয়টি দেশের নিকট পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। দেশগুলো হলো:
রাশিয়া – ৬,৩৫৭টি
যুক্তরাষ্ট্র – ৫৮০০টি
চীন – ৩২০টি
ফ্রান্স – ২৯০টি
যুক্তরাজ্য – ২১৫টি
পাকিস্তান – ১৬০টি
ভারত – ১৫০টি
ইসরাইল – ৯০টি
উত্তর কোরিয়া – ৩০/৪০টি।
১৯৪৫ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র সর্বপ্রথম পরমাণু বোমার পরিক্ষা চালায়।
(সূত্র: SIPRI ওয়েবসাইট)

তবে, ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র বানানোর কথা স্বীকার করে নি।
৭,১২৮.
ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পরিচালিত অপারেশনের নাম কী? 
  1. অপারেশন সাইলেন্ট ফোর্স
  2. অপারেশন ইউনিটি গার্ড
  3. অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভ
  4. অপারেশন স্টেডফাস্ট উইল
ব্যাখ্যা

• অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভ: 
- কয়েক মাস ধরে উত্তেজনা বাড়তে থাকা এবং কূটনৈতিক চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনিজুয়েলার নেতা নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেন।
- ৩ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে মার্কিন সেনাবাহিনীর ডেল্টা ফোর্স আটক করেছে।  
- এই অভিযানের নাম ছিল “অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভ”। 
- মাদুরো সরকার যুক্তরাষ্ট্রে মাদক ও গ্যাং সদস্য পাঠাচ্ছে বলে ট্রাম্প প্রশাসন বহুদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে ।

তথ্যসূত্র: বিবিসি ও ফক্স ফোর।

৭,১২৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কোন ঘটনার মাধ্যমে?
  1. হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা ফেলা
  2. ফ্রান্সে জার্মান হামলা
  3. জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণ
  4. ব্রিটেন কর্তৃক জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা
ব্যাখ্যা
- জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
- জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
-  অক্ষশক্তি: জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তি: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর।
- সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট, যিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

সূত্র: History.com
৭,১৩০.
দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রার নাম কী? 
  1. ইয়েন 
  2. পেসো
  3. ইউয়ান
  4. উয়ন
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ কোরিয়া:
- দক্ষিণ কোরিয়া পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- এটি কোরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত। 
- রাষ্ট্রীয় নাম: রিপাবলিক অব কোরিয়া বা কোরীয় প্রজাতন্ত্র।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে।
- রাজধানী: সিউল।
- মুদ্রা: উয়ন।
- সরকার পদ্ধতি: সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র।
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট: সিগম্যান রী।
- প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নাম: ব্লু হাউজ।

উৎস: Britannica.
৭,১৩১.
লেভিয়াথন গ্রন্থের লেখক কে?
  1. থমাস মুর
  2. থমাস হবস
  3. বার্ট্রান্ড রাসেল
  4. নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা
Leviathan:
- Leviathan গ্রন্থটি লিখেছেন Thomas Hobbes.
- গ্রন্থটি ১৬৫১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বইটি 'Social Contract' বা সামাজিক চুক্তি নিয়ে লেখা।

এছাড়া,
- Utopia গ্রন্থটির লেখক Sir Thomas More

উৎস: Britannica.
৭,১৩২.
নিচের কোন দেশটি সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার অংশ ছিলো?
  1. ক) স্লোভাকিয়া
  2. খ) মলদাভিয়া
  3. গ) স্লোভেনিয়া
  4. ঘ) লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলশ্রুতিতে ১৯১৮ সালের ১ ডিসেম্বর যুগ্লোশ্লাভিয়া গঠিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে যুগোশ্লাভিয়া নামধারণ করে ১৯২৯ সালে।
- ১৯৮০ সালে যুগ্লোশ্লাভিয়ার নেতা জোসেফ ব্রোজ মার্শাল টিটোর মৃত্যুর পর দেশটিতে জাতিগত দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এতে করে ১৯৯২ সালে সাবেক যুগোশ্লাভিয়া ভেঙে যায়।
- যুগোশ্লাভিয়া ভেঙে বর্তমানে সাতটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে।
এগুলো হলো:
- স্লোভেনিয়া
- ক্রোয়েশিয়া
- বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা
- সার্বিয়া
- উত্তর মেসিডোনিয়া
- মন্টিনিগ্রো এবং
- কসোভো (জাতিসংঘ সদস্য নয়)।
অন্যদিকে,
- মলদাভিয়া ও লিথুয়ানিয়া সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্র।
- স্লোভাকিয়া সাবেক চেকোশ্লাভিয়ান রাষ্ট্র।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৭,১৩৩.
যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করেন-
  1. ১৯৩১ সালে
  2. ১৯০২ সালে 
  3. ১৯২০ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

নারীর ভোটাধিকার লাভ:
- বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

→ উল্লেখ্য:
- ১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়া নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ড নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৮ সালে যুক্তরাজ্যের নারীরা নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

→ অন্যদিকে:
- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - Ministry for Women New Zealand ওয়েবসাইট।

৭,১৩৪.
কিগালি কোন দেশের রাজধানী?
  1. উগান্ডা
  2. অ্যাঙ্গোলা
  3. জাম্বিয়া
  4. রুয়ান্ডা
ব্যাখ্যা
কিগালি : রুয়ান্ডার রাজধানী
অন্যদিকে,
- লুসাকা : জাম্বিয়া রাজধানী
- লুয়ান্ডা : অ্যাঙ্গোলার রাজধানী
- কাম্পালা : উগান্ডার রাজধানী।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৭,১৩৫.
নিচের কোনটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার অংশ নয়?
  1. ব্যাবিলনীয়
  2. এসেরীয়
  3. ক্যালডীয়
  4. গ্রীক
ব্যাখ্যা
- গ্রীক সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতার অংশ নয়। 

• মেসোপটেমীয় সভ্যতা: 

- মূলত সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, এসেরীয় এবং ক্যালডীয় সভ্যতার সম্মিলিত রূপকেই আমরা জেনে থাকি মেসোপটেমীয় সভ্যতা হিসেবে।
- এই সভ্যতা শুরু হয়েছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ অব্দের দিকে।
- বর্তমান ইরাক থেকে শুরু করে ফার্টাইল ক্রিসেটের প্রায় পুরোটা ছিল এই সভ্যতার বিস্তার।
- এই সভ্যতার বিকাশ যে অঞ্চলে ঘটেছিল তার উত্তরে আর্মেনিয়ার পার্বত্যাঞ্চল, পশ্চিম ও দক্ষিণে আরব মরুভূমি, দক্ষিণ-পূর্বে পারস্য উপসাগর,
- পূর্বে এলাম পার্বত্যাঞ্চল এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- উত্তর ও পূর্বদিকে উচ্চ পার্বত্যাঞ্চল মেসোপটেমিয়াকে প্রাকৃতিক প্রাচীরের সুবিধা দিয়েছে।
- আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সুমেরীয়, আক্কাদীয়, আমোরাইট, ক্যাসাইট, এসেরীয় এবং ক্যালডীয় জাতিগোষ্ঠী মিলে প্রাচীনকালে এই ভূখণ্ডে একটি উন্নত সভ্যতা গড়ে তুলেছিল।
- কৃষির জন্য সেচ আর যাতায়াতের ক্ষেত্রে চাকার আবিষ্কার ছিল এই সভ্যতার জন্য যুগান্তকারী অর্জন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
৭,১৩৬.
‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) লন্ডন
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) ওয়াসিংটন
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে জর্জ হ্যারিসনের তত্ত্বাবধানে নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
জর্জ হ্যারিসনকে অনুষ্ঠানটি করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর।

[উৎসঃ বাংলাপিডিয়া]
৭,১৩৭.
'নেফারতিতি' প্রাচীন কোন সভ্যতার রানী ছিলেন?
  1. গ্রিক
  2. রোমান
  3. মিশর
  4. ব্যবলনীয়
ব্যাখ্যা
নেফারতিতি:
- নেফারতিতি ছিলেন প্রাচীন মিশরের সবচেয়ে রহস্যময়, ক্ষমতাবান ও জনপ্রিয় রানী।
- তাঁর জন্ম আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৩৭০ অব্দে।
- নেফারতিতি নামের অর্থ ‘সবচেয়ে সুন্দর মানুষটি এসেছে’। নামের মতোই সুন্দর ছিলেন তিনি।
- তিনি ছিলেন মিসরের বিখ্যাত ফারাও আখেনাতেনের রাজমহিষী।
- নেফারতিতির জন্ম আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ১৩৭০ অব্দে।

উৎস: Britannica.
৭,১৩৮.
মার্শাল প্ল্যান এর পরিচিতি হচ্ছে -
  1. ক) European Recovery Program
  2. খ) African Recovery Program
  3. গ) Asian Recovery Program
  4. ঘ) American Recovery Program
ব্যাখ্যা
• মার্শাল প্ল্যান এর পরিচিতি হচ্ছে European Recovery Program.

• প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান কংগ্রেসের কাছে প্রেরিত এক বার্তায় বলেছিলেন, যে সকল স্বাধীন জনগণ যারা সশস্ত্র সংখ্যালঘু বা বহিরাগত চাপের মারফত পদানত করার প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হবে তাদের সমর্থন করা। অর্থাৎ এখানে কমিউনিজম ভীতি কাজ করছিল।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের এই নীতি আর্থিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য ১৯৪৭ সালের জুন মাসে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট ঘোষণা করেছিলেন যে ইউরোপের পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল। ওইদিন থেকেই তা কার্যকর হয়।
- পশ্চিম ইউরোপ পুনর্গঠনের পরিকল্পনা সফল হয়েছিল।
- যুক্তরাষ্ট্র এই প্রোগ্রামের আওতায় ওই সময় ১৫ বিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা দিয়েছিল।
- এই আর্থিক সহায়তার কারণে পশ্চিম ইউরোপের জিডিপি ১৫ থেকে ২৫ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
- পরবর্তীতে অনুন্নত দেশগুলোর জন্যও মার্শাল পরিকল্পনা প্রয়োগ করা হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৭,১৩৯.
ট্রাফালগারের যুদ্ধে কোন দেশ জয়লাভ করে?
  1. ফ্রান্স
  2. স্পেন
  3. জার্মানি
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
 ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ডের সেন্ট্রাল লন্ডনে অবস্থিত।
- এটি একটি সাধারণ জনগণের মিলনস্থল।
- ১৮০৫ সালে ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও স্পেনের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে।
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে লন্ডনের কেন্দ্রস্থল একটি চত্ত্বরের নামকরণ করা হয় ট্রাফালগার স্কয়ার।

উৎস: Britannica.
৭,১৪০.
বার্লিনের দেওয়াল কোন সালে নির্মিত হয়েছিল?
  1. ১৯৪৬
  2. ১৯৪৮
  3. ১৯৬১
  4. ১৯৬২
ব্যাখ্যা
বার্লিন প্রাচীর (১৯৬১-১৯৮৯):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি প্রধানত চারভাগে বিভক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে চলে যায়।
- স্নায়ুযুদ্ধের ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের অধীনের অংশগুলো একত্রিত করে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ইউনিয়নেরে অধীনের অংশে গঠিত হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি (পূর্ব জার্মানি)। 

উল্লেখ্য,
- পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার ফলে পশ্চিম জার্মানি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠে।
- অপরদিকে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি অপেক্ষাকৃত কম উন্নত হওয়ায় এ অংশের জনগণ পশ্চিম জার্মানিতে গমন করা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে পশ্চিম জার্মানির পুঁজিবাদের ধাক্কা যেন পূর্ব জার্মানিতে না লাগে এবং অভিবাসন যেন ঠেকানো যায় সে লক্ষ্যে পূর্ব জার্মানি ১৩ আগস্ট, ১৯৬১ সালে বার্লিন শহরের মাঝ দিয়ে প্রাচীর তৈরি করা শুরু করে।
- এ প্রাচীরের দৈর্ঘ্য ছিল ১৫৫ কি.মি।

⇒ বার্লিন প্রাচীরের পতন:
- ৯ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে।
- ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি) একত্রিত হয়।

উৎস: Britannica.
৭,১৪১.
লেক আসাল কোন দেশে অবস্থিত?
  1. জর্ডান
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জিবুতি
ব্যাখ্যা
লেক আসাল হলো বিশ্বের সর্বাধিক লবণাক্ত পানির হ্রদ। এটি আফ্রিকার জিবুতিতে অবস্থিত।

পৃথিবীর প্রধান হ্রদসমূহ:
- পৃথিবীর গভীরতম ও প্রাচীনতম হ্রদ বৈকাল (রাশিয়া)।
- পৃথিবীর বৃহত্তম হ্রদ কাস্পিয়ান সাগর (মধ্য এশিয়া)
- পৃথিবীর উচ্চতম হ্রদ টিটিকাকা (বলিভিয়া)
- বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ সুপিরিয়র (যুক্তরাষ্ট্র)
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ : আফ্রিকা।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা)
৭,১৪২.
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রাজধানীর নাম কী?
  1. নাইপিদো
  2. ম্যাগওয়ে
  3. পাথেইন
  4. সিতওয়ে
ব্যাখ্যা
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিতওয়ে।

মিয়ানমার:

- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

উল্লেখ্য,
- প্রশাসনিকভাবে, মিয়ানমার সাতটি রাজ্য, সাতটি অঞ্চল এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত (Nay Pyi Taw)।
- রাজ্যগুলো হল:
১. কাচিন রাজ্য- (রাজধানী: কাচিন)।
২. কায়াহ রাজ্য- (রাজধানী: লোপেইয়া)।
৩. কিন্টা রাজ্য- (রাজধানী: হেপি)।
৪. চিন রাজ্য- (রাজধানী: হাক্কা)।
৫. মোন রাজ্য- (রাজধানী: মারগু)।
৬. রাখাইন রাজ্য- (রাজধানী: সিতওয়ে)।
৭. শান রাজ্য- (রাজধানী: তালিঙ্গি)।

এছাড়াও,
⇒ অঞ্চলগুলি হলো: আয়েয়ারওয়াদি, বাগো, ম্যাগওয়ে, মান্দালে, সাগাইং, তানিনথারি এবং ইয়াঙ্গুন।

উৎস: Britannica.
৭,১৪৩.
কোনটি বাল্টিক সাগর তীরবর্তী রাষ্ট্র নয়?
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) লাটভিয়া
  3. গ) মন্টিনিগ্রো
  4. ঘ) পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• বাল্টিক সাগর তীরবর্তী রাষ্ট্র গুলো হলোঃ
- ফিনল্যান্ড,
- এস্তোনিয়া,
- লাটভিয়া,
- লিথুনিয়া,
- পোল্যান্ড,
- সুইডেন,
- রাশিয়া,
- জার্মানি ও
- ডেনমার্ক।
• অপরদিকে, মন্টিনিগ্রো হচ্ছে বলকান রাষ্ট্র।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৭,১৪৪.
কোন আইন ‘ডিউটোরোনোমিক কোড’ নামে পরিচিত?
  1. ক) অ্যাসেরীয় আইন
  2. খ) হিব্রু আইন
  3. গ) রোমান আইন
  4. ঘ) হাম্বুরাবী আইন
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতায় তৈরি আইন ‘ডিউটোরোনোমিক কোড’ নামে পরিচিত।
এই আইন ব্যাবলনীয় আইনের অনুকরণে তৈরি হলেও তা হাম্বুরাবি আইন অপেক্ষা অধিক পরিশুদ্ধ ছিলো।
(সূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৭,১৪৫.
রাশিয়ার প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন-
  1. ক) গর্ভাচেব
  2. খ) রুশো
  3. গ) স্ট্যালিন
  4. ঘ) লেনিন
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নকারী রাশিয়া।
• ১৯২২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী যোসেফ স্ট্যালিন রাশিয়ার প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
উৎসঃ রাশিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট।

৭,১৪৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেটের মোট সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ৫০ জন
  2. ১০০ জন
  3. ২০০ জন
  4. ৪৩৫ জন
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০টি।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উল্লেখ্য,
- দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষের নাম সিনেট।
- সিনেটকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিমূলক সভা হিসেবে গণ্য করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যসমূহের সমপ্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট গঠিত হয়।
- আয়তন ও জনসংখ্যা নির্বিশেষে প্রত্যেক অঙ্গরাজ্যে ২ জন করে প্রতিনিধি সিনেটে প্রেরণ করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা ৫০। তাই সিনেটের মোট সদস্য সংখ্যা হলো ১০০।
- মার্কিন সিনেটে এই সমপ্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা অনেকের মতানুসারে অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ-এর মোট আসন সংখ্যা ৪৩৫টি, মেয়াদ ২ বছর।

উৎস: Britannica.

৭,১৪৭.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি আত্মসমর্পণ করে-
  1. ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সাল
  2. ৭ মে, ১৯৪৫ সাল
  3. ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সাল
  4. ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সাল
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি আত্মসমর্পণ করে ৭ মে, ১৯৪৫ সালে

• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তি: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- এ যুদ্ধে প্রায় ৫ কোটি মানুষ প্রাণ হারায়।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- তাই ৮ মে ভিক্টরি ইন ইউরোপ ডে পালিত হয়।
- জাপান আত্মসমর্পণের ঘোষণা দেয় ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে।
- জাপান আত্মসমর্পণ করে ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৭,১৪৮.
গ্রিনল্যান্ড কে আবিষ্কার করেন?
  1. এরিক দ্য রেড
  2. হ্যান্স এগেডে
  3. ক্রিস্টোফার কলম্বাস
  4. লেইফ এরিকসন
ব্যাখ্যা

গ্রিনল্যান্ড:
- বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বশাসিত অঞ্চল।
- এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ। এর অবস্থান উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত। এর অবস্থান কানাডা এবং আইসল্যান্ডের মাঝে অবস্থিত।
- আয়তনে এটি মূল ডেনমার্কের চেয়ে গ্রীনল্যান্ড প্রায় ৫০ গুন বড়।
- রাজধানী: নুউক।
- গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা এস্কিমো হিসেবে পরিচিত।
- গ্রীনল্যান্ডের ৮০ শতাংশ এলাকা বরফে ঢাকা।
- জনসংখ্যার ৯০ শতাংশ হচ্ছে আদিবাসী ইনুইট সম্প্রদায়ের।

উল্লেখ্য,
- ৯৮২ খ্রিস্টাব্দে নরওয়েজিয়ান অভিযাত্রী এরিক দ্য রেড গ্রিনল্যান্ড আবিষ্কার করেন।
- ১৭২১ খ্রিস্টাব্দে ড্যানিশ-নরওয়েজিয়ান মিশনারি হ্যান্স এগেডে-এর নেতৃত্বে গ্রিনল্যান্ডে ড্যানিশ উপনিবেশ শুরু হয়।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়নের যুদ্ধের পর ‘কিল চুক্তি’র মাধ্যমে ডেনমার্ক-নরওয়ে রাজ্য বিভক্ত হয়। নরওয়ে সুইডেনের অংশ হলেও গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো দ্বীপপুঞ্জ ডেনমার্কের অধীনে থেকে যায়।
- ১৯৫৩ সালে ডেনমার্ক সংবিধান পরিবর্তন করে গ্রিনল্যান্ডকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করে। ফলে এটি উপনিবেশের মর্যাদা হারায় এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ (কাউন্টি) হয়।
- ১৯৭৯ সালে গণভোটের মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডকে স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে দ্বীপটি আরও বিস্তৃত স্বায়ত্তশাসনের অনুমোদন পায়। এর ফলে তারা নিজেদের আইন ও প্রশাসনের ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণ লাভ করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৭,১৪৯.
ইরানের ইসলামী বিপ্লবের প্রধান নেতা কে?
  1. আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনী
  2. আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী
  3. আয়াতুল্লাহ নাসির খোমেনী
  4. আয়াতুল্লাহ ফয়েজুল্লাহ খোমেনী
ব্যাখ্যা

 • ইরানে ইসলামি বিপ্লব:
- ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে এবং ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে ইরানের তদানীন্তন সরকারের পতনের মাধ্যমে এই বিপ্লব পূর্ণতা লাভ করে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
- বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা - আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনী।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,১৫০.
হর্ন অব আফ্রিকার অন্তর্ভুক্ত নয় কোন দেশ?
  1. ইথিওপিয়া
  2. জিবুতি
  3. কেনিয়া
  4. ইরিত্রিয়া 
ব্যাখ্যা

হর্ন অব আফ্রিকার অন্তর্ভুক্ত নয়- কেনিয়া।

হর্ন অব আফ্রিকা (Horns of Africa):
- 'Horns of Africa' আফ্রিকার শিং হলো আফ্রিকার পূর্বতম অঞ্চল।
- আরব সাগরের দিকে প্রসারিত শিং-এর মতো আকৃতির কারণে এই অঞ্চলকে "আফ্রিকার শিং" বলা হয়। 
- হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলো হলো: ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, জিবুতি এবং সোমালিয়া।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.

৭,১৫১.
রবিশঙ্কর একজন বিখ্যাত -
  1. ক) সেতার বাদক
  2. খ) বেহালাবাদক
  3. গ) গায়ক
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

পণ্ডিত রবিশঙ্কর ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি সঙ্গীতজ্ঞ ও প্রখ্যাত সেতারবাদক । তিনি তাঁর সেতারবাদনের জন্য ছিলেন বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত।
সেতারকে যিনি নিয়ে গেছেন যন্ত্র সঙ্গীতের ইতিহাসের নতুন এক দিগন্তে
উনাকে সেতার সম্রাট রবি শঙ্কর হিসেবেও অভিহিৎ করা হয়।

১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন গার্ডেনে যে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয় তার উদ্যোক্তা ছিলেন জর্জ হ্যারিসন ও পণ্ডিত রবিশঙ্কর।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট এবং বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর 

৭,১৫২.
ইরানে ইসলামি বিপ্লব কখন সংঘটিত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
• ইরানে ইসলামি বিপ্লব:
- ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে এবং ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে ইরানের তদানীন্তন সরকারের পতনের মাধ্যমে এই বিপ্লব পূর্ণতা লাভ করে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,১৫৩.
গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে পাক ভারত উপমহাদেশে কোন ব্রিটিশ প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. ক) মি. জে এইচ বি হেলেন
  2. খ) লর্ড লিনলিথগো
  3. গ) লর্ড ক্লাইভ
  4. ঘ) ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
- The indigenous breed of cattle is common in Bangladesh.
- In pre-independent India, Lord Linlithgow brought some Hariana cattle for the improvement of the indigenous cattle.
- After the partition of India in 1947 several breeds of cattle such as Sindhi, Shahiwal, Tharparkar, etc were brought to this region.
Source: Banglapedia
৭,১৫৪.
নিচের কোন সভ্যতাটি পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক?
  1. গ্রিক সভ্যতা
  2. মিশরীয় সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. পারস্য সভ্যতা
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মহেঞ্জোদারোতে এবং পাঞ্জাবের হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।

উল্লেখ্য,
⇒ পরিমাপ পদ্ধতি:
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল।
- তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত।
- তারা বিভিন্ন দ্রব্য ওজনের জন্য নানা মাপের ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত।
- দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৫৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নিম্নকক্ষের নাম কী?
  1. ক) হাউস অফ লর্ডস
  2. খ) ডায়েট
  3. গ) হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ
  4. ঘ) সিনেট
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।
- মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ বা প্রতিনিধি পরিষদ এবং
- উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- প্রতিনিধি পরিষদের আসন সংখ্যা ৪৩৫টি, যার মেয়াদ ২ বছর।
- অন্যদিকে উচ্চকক্ষ সিনেটে আসন সংখ্যা ১০০টি, যার মেয়াদ ৬ বছর।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
৭,১৫৬.
“এটাও ইতিহাসের শিক্ষা যে, কেউ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না” -কার উক্তি ?
  1. এডলফ হিটলার
  2. কাইজার
  3. অটোভন বিসমার্ক
  4. মাও সে তুং
ব্যাখ্যা

উক্তিটি অটোভন বিসমার্কের।

- অটোভন বিসমার্ক ছিলেন প্রথম জার্মান চ্যান্সেলর(১৮৭১-৯০) ।
- তিনি আধুনিক জার্মানির প্রতিষ্ঠাতা।
- তাকে Man of blood and iron নামে অভিহিত করা হয় ।

এডলফ হিটলার ১৯৩৩-১৯৪৫ পর্যন্ত জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তিনি অস্ট্রিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- মেইন ক্যাম্প তার লিখিত আত্মজীবনী।
- যুদ্ধই জীবন যুদ্ধই সার্বজনীন এডলফ হিটলারের উক্তি।

জার্মান ও অস্ট্রিয়ান সাম্রাজ্যের সম্রাটদের কাইজার বলা হত।

উৎস: Britannica.com

৭,১৫৭.
নিম্নের কোন দেশটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত নয়?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) মিশর
  3. গ) মরক্কো
  4. ঘ) মৌরিতানিয়া
ব্যাখ্যা
আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত নয় - সিরিয়া। এটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
এছাড়াও -
- মিশর, মরক্কো, মৌরিতানিয়া আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।

• মধ্যপ্রাচ্য:

- মধ্যপ্রাচ্যে ১৮টি দেশ রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাহরাইন, সাইপ্রাস, মিশর, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, ফিলিস্তিন, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৭,১৫৮.
লাইলা দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আরব সাগরে
  2. খ) ভূমধ্যসাগরে
  3. গ) লোহিত সাগরে
  4. ঘ) বঙ্গোপসাগরে
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
লাইলা দ্বীপ এর স্পেনীয় নাম পেরিজিল। জিব্রাল্টার প্রণালির প্রবেশমুখে অবস্থিত দ্বীপটির কৌশলগত গুরুত্বের কারণে দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে স্পেন ও মরক্কোর মাঝে বিরোধ আছে।
৭,১৫৯.
'ইউরোমেইডেন বিপ্লব' কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. রোমানিয়া
  2. জর্জিয়া
  3. ইউক্রেন
  4. চেক প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
ইউরোমেইডেন বিপ্লব ইউক্রেনে সংঘটিত হয়। এই বিপ্লব রেভ্যুলেশন অব ডিগনিটি নামেও পরিচিত।

২০১৩ সালের নভেম্বরে ইউক্রেনের তৎকালীন রাশিয়াপন্থী ভিক্টর ইয়ানুকোভিচ সরকার ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর প্রত্যাখ্যান করে। রাশিয়া ও ইউরোশিয়ান ইকোনমিক ইউনিয়নে সাথে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করতে সচেষ্ট হয়।

এতে করে দেশটিতে ২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলিশ ও বিক্ষোভ কারীদের মধ্যে সংঘর্ষে ১৩০ জনের অধিক নিহত হয়। ২০১৩ সালে নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক গণবিক্ষোভ ইউরোমেইডেন বিপ্লব নামে পরিচিত।

ইউক্রেন পার্লামেন্ট ইয়ানুকোভিচকে অভিশংসিত করলে তিনি রাশিয়ার সহায়তা কামনা করেন। এতে করে রাশিয়ার সমর্থনে রুশপন্থী ইউক্রেনীয়রা ক্রিমিয়া উপদ্বীপ, লুহানস্ক ও দোনেস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের ইউরোপপন্থী সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও সশ্বস্ত্র লড়াই শুরু করে।

ফলশ্রুতিতে রাশিয়া ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে নেয় এবং ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের ডনবাস অঞ্চলে রুশপন্থী বিদ্রোহীরা লুহানস্ক পিপল'স রিপাবলিক এবং দোনেস্ক পিপল'স রিপাবলিক নামে দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের ঘোষণা দেয়।

(তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, সিএনএন এবং ব্রিটানিকা)
৭,১৬০.
হাউসা (The Hausa) কোন দেশে বসবাসরত জনগোষ্ঠী?
  1. ক) মালি
  2. খ) সুদান
  3. গ) রোয়ান্ডা
  4. ঘ) নাইজেরিয়া
  5. ঙ) নামিবিয়া
ব্যাখ্যা
The Hausa is the biggest ethnic group in Nigeria, making up 25.1% of the population. The Hausa people of Nigeria have rich cultural heritage and traditions.
Source: World Atlas.com
৭,১৬১.
আল শাবাব কোন দেশের সংগঠন?
  1. ক) কুয়েত
  2. খ) মিশর
  3. গ) সােমালিয়া
  4. ঘ) নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা
'আল-শাবাব’- এর পুরাে নাম হরকাত আল-শাবাব। এটি সােমালিয়ার একটি জঙ্গি সংগঠন। এ সংগঠনে অনেক বিদেশি যােদ্ধা আছে বলে ধারণা করা হয়। এরা সরাসরি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
৭,১৬২.
বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান ‘তক্ষশীলা’ পাকিস্তানের কোন প্রদেশে অবস্থিত?
  1. ক) সিন্ধু
  2. খ) পাঞ্জাব
  3. গ) বেলুচিস্তান
  4. ঘ) খাইবার পাখতুনখোয়া
ব্যাখ্যা
তক্ষশীলা, উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের প্রাচীন শহর। যা বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান। এর ধ্বংসাবশেষগুলি পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি থেকে প্রায় ২২ মাইল (৩৫ কিলোমিটার) উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।
[সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা]
৭,১৬৩.
'মাচ্চু পিচ্চু' কোন প্রাচীন সভ্যতার স্থাপত্য নিদর্শন?
  1. মায়া
  2. আজটেক
  3. ইনকা
  4. রোমান
ব্যাখ্যা

 • ইনকা সভ্যতা:
- ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো ইনকা সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় মাচু পিচুতে।
- সভ্যতার উত্থান-পতনকাল হচ্ছে ১৪০০-১৫৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- ইনকা সভ্যতার স্থপতি মানকো কাপেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৭,১৬৪.
আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে কবে?
  1. ১২৫৩ সালে
  2. ১২৫৫ সালে
  3. ১২৫৮ সালে
  4. ১২৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
→ ১২৫৮ খ্রি: খলীফা আল মুসতাসিম বিল্লাহর হত্যার মধ্য দিয়ে আব্বাসীয় শাসন অবসান ঘটে।

• আব্বাসীয় শাসন:

- আব্বাসীয় শাসনের সূত্রপাত হয় উমাইয়া খিলাফতের পতনের পর।
- তারা ৭৫০ থেকে ১২৫৮ পর্যন্ত সুদীর্ঘ কাল শাসন ক্ষমতায় ছিল।
- এই সময়টি ছিল ইসলামের ইতিহাসে এক গৌরবদীপ্ত অধ্যায়।
- মুসলিম সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক বিকাশে এই বংশ এক মাইলফলক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল।
- এটি ছিল মূলত ইসলামী কৃষ্টি, সভ্যতা ও সাংস্কৃতিক যুগ।
- এই বংশে সর্বমোট ৩৭ জন খলীফার আবির্ভাব ঘটেছে।

এছাড়াও,
- উমাইয়া খিলাফতকাল ছিল এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপে একক আধিপত্যের যুগ।
- কিন্তু আব্বাসীয় শাসনকালের একটি নির্দিষ্ট সময়ে মুসলিম খিলাফত ৩টি ভাগে ভাগ হয়ে যায়।
- বাগদাদ কেন্দ্রিক আব্বাসীয় খিলাফত।
- মিসরের কায়রোয়ান কেন্দ্রিক ফাতিমীয় খিলাফত।
- ও স্পেনের কর্ডোভা কেন্দ্রিক উমাইয়া খিলাফত।
- অবশেষে ১২৫৮ খ্রি: হালাকু খান কর্তৃক বর্বরোচিত আক্রমণে সর্বশেষ খলীফা আল মুসতাসিম বিল্লাহর হত্যার মধ্য দিয়ে এই খিলাফতের অবসান ঘটে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ১মপত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৬৫.
আর্থার বেলফোর কাকে বেলফোর ঘোষণার চিঠি পাঠিয়েছিলেন?
  1. ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড
  2. চাইম ওয়েজম্যান
  3. ব্লানচে ডাগডেল
  4. থিওডর হার্জল
ব্যাখ্যা
বেলফোর ঘোষণা:
- বেলফোর ঘোষণা (Balfour Declaration) ছিল একটি ঐতিহাসিক চিঠি।
- Balfour Declaration বা বেলফোর ঘোষণার নামকরণ সাবেক ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোরের নামানুসারে।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর আর্থার জেমস বেলফোর এই ঐতিহাসিক চিঠিটি একটি সিল করা খামে ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ডের কাছে পাঠিয়েছিলেন।
- ২ নভেম্বর, ১৯১৭ তারিখে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিনে একটি ইহুদী-আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যারন লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ড (Lord Rothsehild)-কে যে চিঠি লিখেছিলেন তাই ‘Balfour Declaration বা বেলফোর ঘোষণা’ নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে জায়নিস্ট তৎপরতা ও তৎকালীন বিশ্বশক্তিসমূহের সমর্থনে এই চিঠি ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের লীগ অব নেশন্সের দলীলে অন্তর্ভুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিক ‘স্বীকৃতি’ লাভ করে।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসে তুরস্কের সেনাদের হাত থেকে জেরুজালেম দখল করে ব্রিটেন।
- ১৯১৭ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিনের ভূমি ব্রিটেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- তখন ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, ফিলিস্তিনের মাটিতে ইহুদিদের জন্য একটি আলাদা রাষ্ট্র গঠনের জন্য সহায়তা করবে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইনে দুটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা অনুমোদন করে, যার ফলে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠা হয়।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ফিলিস্তিন ছেড়ে যায় ব্রিটেন, আর ইহুদিরা ঘোষণা করে নিজস্ব রাষ্ট্র ইসরায়েলের।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৭,১৬৬.
'CNN' কোন দেশেভিত্তিক বিশ্ববিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম?
  1. কাতার
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- এপি, ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), CNN যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম।

⇒ বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থা:

- বাংলাদেশ: বাসস, এনা, আইএসপিআর, ইউএনবি, আবাস, পিআইবি।
- যুক্তরাজ্য: রয়টার্স, বিবিসি।
- পাকিস্তান: এপিপি, পিপিআই, ইউপিপি।
- চীন: সিনহুয়া।
- ফ্রান্স: এএফপি।
- অষ্ট্রেলিয়া: অষ্ট্রেলিয়ান ব্রডকাষ্টিং কর্পোরেশন (এবিসি)।
- কানাডা: কানাডিয়া প্রেস (সিপি)।
- ভারত: PTI, ইউএনআই।
- রাশিয়া: ITAR-TASS, Rossiya Segodnya, ইন্টারফ্যাক্স।
- ইন্দোনেশিয়া: আনতারা।
- ইরান: ইরনা, আইএনএ।
- ইরাক: নিউজ এজেন্সি (ইনা)।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।

৭,১৬৭.
কোন দেশগুলোকে মাদক উৎপাদন এবং চোরাচালানের জন্য ‘গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল‘ বলা হয়?
  1. ক) মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও ভারত
  2. খ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওস
  3. গ) মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  4. ঘ) ইরান, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলভুক্ত দেশগুলো হলো: মায়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস।

• গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল: 

- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি দেশের অর্থাৎ মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমান্তে অবস্থিত পপি উৎপাদনকারী অঞ্চল, যাদের একসাথে বলা হয় - গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল।



তথ্যসূত্র: UNODC ওয়েবসাইট

৭,১৬৮.
কে খিলাফতের অবসান ঘটিয়ে তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন?
  1. ক) তানসু সিলার
  2. খ) মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক
  3. গ) সুলিমান ডেমিরিচ
  4. ঘ) গামাল আবদেল নাসের
ব্যাখ্যা
- আধুনিক তুরস্কের জনক খ্যাত মোস্তফা কামাল পাশা বা কামাল আতাতুর্ক ১৯২৩ সালে তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করে তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- একই সময়ে তিনি তুরস্ককে একটি আধুনিকমনস্ক রাষ্ট্রে পরিণত করতে ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেন। এর অংশ হিসেবে ধর্ম পালনের উপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
৭,১৬৯.
প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলন প্রথম শুরু হয়-
  1. ইতালিতে
  2. জার্মানিতে
  3. পর্তুগালে
  4. যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টান ধর্ম:
- খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের দুটি ধারায় বিভক্ত।
- যথা:
• ক্যাথলিক:
- পোপের অনুসারীরা সাধারণত ক্যাথলিক নামে পরিচিত।

• প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম:
- প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলন প্রথম শুরু হয় জার্মানিতে।
- প্রটেস্ট্যান্ট ধর্ম মতের প্রবক্তা মার্টিন লুথার।
- ১৫২৭ সালে মার্টিন লুথার প্রনিত গ্রন্থ 'দ্য নাইন্টি ফাইভ থিসিস' গ্রন্থে তিনি রোমন যাজকীয় নীতি, তাদের প্রচলিত খ্রীস্ট বিশ্বাস নিয়ে অনেক ভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন।
- ষোড়শ শতকে তার অনুসারীরা জার্মান স্ক্যান্ডিনেভিয়ার প্রতিষ্ঠা করে লুথিয়ান চার্চ।
- হাঙ্গেরী, স্কটল্যান্ড, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড প্রভৃতি দেশেও একই আদলে চার্চের সংস্কার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭,১৭০.
ফকল্যান্ড যুদ্ধে বিজয়ী হয় কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জার্মানি 
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড যুদ্ধ:
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধ সংঘটিত হয়- ১৯৮২ সালে।
- পক্ষসমুহ: যুক্তরাজ্য ও আজের্ন্টিনা।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল- যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: Britannica & History.com.
৭,১৭১.
কোন সভ্যতায় পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবন হয়?
  1. গ্রিক সভ্যতায়
  2. মিশরীয় সভ্যতায়
  3. চৈনিক সভ্যতায়
  4. সিন্ধু সভ্যতায়
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মহেঞ্জোদারোতে এবং পাঞ্জাবের হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।

⇒ পরিমাপ পদ্ধতি:
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল।
- তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত।
- তারা বিভিন্ন দ্রব্য ওজনের জন্য নানা মাপের ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত।
- দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৭২.
ফ্রান্সের আইন সভার উচ্চকক্ষের নাম কি?
  1. ক) সিনেট
  2. খ) কংগ্রেস
  3. গ) পার্লামেন্ট
  4. ঘ) ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের আইন সভার নাম পার্লামেন্ট। এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট, যার নিম্নকক্ষের নাম ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি এবং উচ্চকক্ষের নাম সিনেট। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, কানাডা, ভারতসহ পৃথিবীর অনেক রাষ্ট্রে দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা রয়েছে।
৭,১৭৩.
গালিভার্স ট্রাভেলস (Gulliver's Travels) উপন্যাসের লেখক কে?
  1. ড্যানিয়েল ডিফো
  2. জোনাথন সুইফট
  3. জর্জ অরওয়েল
  4. জন মিল্টন
ব্যাখ্যা

Gulliver's Travels:
- গালিভার্স ট্রাভেলস (Gulliver's Travels) হলো জোনাথন সুইফটের লেখা ১৭২৬ সালে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত ইংরেজি উপন্যাস।
- এটি একটি ব্যঙ্গাত্মক রচনা।
- এখানে লেমুয়েল গালিভার নামক একজন চরিত্রের চারটি কাল্পনিক ভ্রমণের গল্প বর্ণনা করা হয়।
- প্রতিটি ভ্রমণে তিনি অদ্ভুত ও কল্পনাপ্রসূত দেশে যান, যেখানে তিনি বিভিন্ন সমাজ ও সংস্কৃতির সম্মুখীন হন।

⇒ প্রধান ভ্রমণ ও বিষয়বস্তু:
- লিলিপুট: ছোট মানুষের দেশ, যেখানে গালিভার দৈত্যের মতো। এটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও মানব প্রকৃতির উপর কটাক্ষ।
- ব্রবডিংনাগ: দৈত্যদের দেশ, যেখানে গালিভার খুব ছোট। এটি মানুষের শারীরিক ও নৈতিক দুর্বলতার উপর আলোকপাত করে।
- ল্যাপুটা ও অন্যান্য দ্বীপ: উড়ন্ত দ্বীপে বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক ব্যঙ্গ, যা অতিরিক্ত বুদ্ধিবৃত্তিকতার সমালোচনা করে।
- হুইনহ্নমদের দেশ: যেখানে বুদ্ধিমান ঘোড়ারা শাসন করে এবং মানুষের মতো প্রাণী (ইয়াহু) অসভ্য। এটি মানব প্রকৃতির অন্ধকার দিক তুলে ধরে।

উল্লেখ্য,
- ১৬৬৭ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে নভেম্বর আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন শহরে জোনাথন সুইফট জন্মগ্রহণ করেন।
- পিতারও নাম জোনাথন সুইফট।
- পিতার মৃত্যুর কয়েক মাস পরে পুত্র জোনাথন সুইফট জন্মগ্রহণ করেন। 
- জোনাথন সুইফট ধর্মযাজক ছিলেন কিন্তু ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম চার্লসের সমর্থক ছিলেন বলে তিনি নিপীড়িত হয়ে দেশ ত্যাগ করে আয়ারল্যান্ডে এসে বসবাস করতে আরম্ভ করেন।

উৎস: Britannica.

৭,১৭৪.
ইয়াসির আরাফাত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO)-এর চেয়ারম্যান ছিলেন -
  1. ১৯৬৯-২০০৪ সাল
  2. ১৯৬৯-২০০৬ সাল
  3. ১৯৯৬-২০০৪ সাল
  4. ১৯৯৬-২০০৬ সাল
ব্যাখ্যা
ইয়াসির আরাফাত:
- মুসলিম বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা ও ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রামের মহান নেতা ইয়াসির আরাফাত।
- ইয়াসির আরাফাত একজন ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
- ইয়াসির আরাফাতের জন্ম ১৯২৯ সালে মিসরের কায়রোতে।
- তিনি ১৯৬৯-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO)-এর চেয়ারম্যান এবং ১৯৯৬-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন অথরিটির (PA) সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে তিনি ইসরায়েলি সরকারের সাথে শান্তি চুক্তিতে পিএলওকে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৪ সালে আরাফাত এবং ইজহাক রাবিন এবং ইসরায়েলের শিমন পেরেস যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

⇒ ১৯৫০ সালে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যোগ দেন রাজনীতিতে।
- ১৯৫৯ সালে কুয়েতে নির্বাসিতকালে ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মুক্তির সংগঠন ‘ফাতাহ’ গঠন করেন।
- পরবর্তী সময়ে এই সংগঠনের নাম হয় প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)।
- ১৯৬৭-৬৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে সম্মুখসারিতে থেকে যুদ্ধ করেন ইয়াসির আরাফাত।
- ১৯৬৯ সালে তিনি নির্বাচিত হন পিএলওর চেয়ারম্যান হিসেবে।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ইয়াসির আরাফাত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন।
- ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৯১ সালে মাদ্রিদ সম্মেলন, ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি এবং ২০০০ সালে ক্যাম্পডেভিড সম্মেলনের মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন তিনি।
- এই সময় হামাস ও অন্যান্য সংগঠনের উত্থান ঘটে, যারা ইয়াসির আরাফাতের ভিত্তি দুর্বল করে দিয়ে ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।
- ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ২০০২ সাল থেকে ইয়াসির আরাফাতকে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় তাঁর সদর দপ্তরে অবরুদ্ধ করে রাখে।

উল্লেখ্য,
- জীবনের শেষ দিনগুলোতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখে।
- গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: Britannica.
৭,১৭৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়?
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৯
  2. ১ নভেম্বর, ১৯৩৯
  3. ১ মার্চ, ১৯৩৯
  4. ১ জুলাই, ১৯৩৯
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:

- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
৭,১৭৬.
'পালাউ' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া
  2. ওশেনিয়া
  3. ইউরোপ
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

পালাউ:
- আনুষ্ঠানিকভাবে পালাউ প্রজাতন্ত্র, দ্বীপ দেশ।
- 'পালাউ' দেশটি ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৮৯ বর্গ মাইল (৪৯০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: মেলেকোক।
- ভাষা: পালাউয়ান, ইংরেজি (উভয় সরকারী)।
- ধর্ম: খ্রিস্টান ধর্ম (বেশিরভাগই রোমান ক্যাথলিক।
- মুদ্রা: মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭,১৭৭.
'আরসা’ কোন দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী?
  1. ক) মিয়ানমার
  2. খ) ভারত
  3. গ) নেপাল
  4. ঘ) ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
- মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)’।
- আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি' বা আরসা মতে, তারা রোহিঙ্গা মুসলিমদের অধিকার আদায়ে কাজ করছে।
- আরসার সক্রিয় অঞ্চল - উত্তর রাখাইন রাজ্য,বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তবর্তী স্থান।
- আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি' বা আরসার নেতা - আতাউল্লাহ।

অন্যদিকে,
- আবু সায়াফ ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মিন্দানাওয়ের একটি গেরিলা সংগঠন।
- আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকের মুসলিম গেরিলা সংগঠন রিনামো।

উৎস: ডয়েচভেলে, প্রথম আলো এবং ব্রিটানিকা।
৭,১৭৮.
কনস্টান্টিনোপল কোন সাম্রাজ্যের সাথে সম্পর্কিত?
  1. রোমান সাম্রাজ্য
  2. গ্রিক সাম্রাজ্য
  3. মঙ্গোল সাম্রাজ্য
  4. হ্যান সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
রোমান সাম্রাজ্য:
- কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- প্রথম দিকে ছিল এটা একটি বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ক্রমে গ্রিক সভ্যতার পতন ৪৭৬ (খ্রি.) ঘটলে এই রোম সমগ্র ইতালি ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল দখল করে এক বিশাল রোমান সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী কনস্টান্টিনোপল প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নামকরণ করা হয়েছিল সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে।

উৎস: i) History.com
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,১৭৯.
কানাডার কোন প্রদেশে সর্বপ্রথম ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপন করা হয়েছিল?
  1. নিউফাউন্ডল্যান্ড এবং ল্যাব্রাডর
  2. কুইবেক
  3. ব্রিটিশ কলাম্বিয়া
  4. আলবার্টা
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৮৬৭ সালে।
- রাজধানী: অটোয়া।
- মুদ্রার নাম: ডলার।
- রাষ্ট্রের প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস ও রাষ্ট্রের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: মার্ক কার্নি।

উল্লেখ্য,
- কানাডা ১০টি প্রদেশ এবং ৩টি অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
- কানাডাতে সর্বপ্রথম ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপন করা হয়েছিল নিউফাউন্ডল্যান্ড প্রদেশে। 
- ফরাসি অভিযাত্রী জ্যাক কার্টিয়ের ১৫৩৫ সালে এই অঞ্চলে প্রথম ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপন করেন। 

উৎস: i) Government of Canada.
ii) Britannica.
৭,১৮০.
Operation 'Al-Aqsa Flood' was operated to which country?
  1. Palestine
  2. Lebanon
  3. Syria
  4. Israel
  5. Iran
ব্যাখ্যা
হামাস কর্তৃক ইসরায়েল অভিযান:
- ৭ অক্টোবর, ২০২৩ ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়। 
- সাতই অক্টোবর ফিলিস্তিনের সশস্ত্র সংগঠন হামাস ইসরায়েলে হামলা চালায়। 
- গাজা উপত্যকা থেকে হামাস কর্তৃক ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযানের নাম 'অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড'।
- ইসরায়েলে হামাস হামলা চালানোর পরপরই গাজা উপত্যকা লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালাতে শুরু করে তেল আবিব।
- আনুষ্ঠানিক স্থল অভিযান বা যুদ্ধের দ্বিতীয় পর্যায়ের ঘোষণা আসে ২৮শে অক্টোবর, অর্থাৎ হামলা শুরুর ২১ দিন পর।
- মানবিক সহায়তার জন্য গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ২৭শে অক্টোবর একটি প্রস্তাব পাস হয়।
- এ সময় প্রস্তাবের পক্ষে ১২০টি দেশ এবং বিপক্ষে ১৪টি দেশ ভোট দেয়।
- এছাড়া ভোটদানে বিরত ছিল ৪৫টি সদস্য দেশ।

উল্লেখ্য,
- আল আকসা মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত।
- হামাস সদস্য ইজেত আল-রাশক জানান, আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা লড়ছেন।

উৎস: i) ৮ অক্টোবর, ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
         ii) ৭ নভেম্বর, ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৭,১৮১.
জিবুতি দেশটি কোথায় অবস্থিত?
  1. এডেন উপসাগরের পাশে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. দক্ষিণ আমেরিকায়
  4. দক্ষিণ চীন সাগরে
ব্যাখ্যা
জিবুতি:
- জিবুতি উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এর সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণে আছে সোমালিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিমে ইথিওপিয়া, উত্তরে ইরিত্রিয়া আর পূর্ব দিকে আছে লোহিত সাগর ও ইয়েমেন উপসাগর।
- হর্ন অব আফ্রিকা বা আফ্রিকার শিং অঞ্চলে অবস্থিত ছোট্ট দেশ জিবুতি।
- দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম শহর: জিবুতি।
- রাষ্ট্রধর্ম: ইসলাম।
- মুদ্রা: জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক।

উল্লেখ্য,
- জিবুতি ফ্রান্সের উপনিবেশ হিসেবে গণ্য ছিল।
- ১৮৯৬ থেকে ১৯৬৭ এই সময়টায় একে বলা হতো ফরাসি সোমালিল্যান্ড। 
- দেশটি ১৯৭৭ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটিতে ‘লেক আবি’ ও ‘লেক আসাল’ নামে দুটি বিখ্যাত লেক রয়েছে।

উৎস: Britannica.
৭,১৮২.
নিচের কোনটি রাজধানী শহর নয়?
  1. পালমিরা
  2. মাপুতো
  3. নাইপিদো
  4. মানাগুয়া
ব্যাখ্যা
পালমিরা:
- বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে প্রাচীন ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের শহর পালমিরা। 
- এটি বর্তমান সিরিয়ার হমস প্রদেশে অবস্থিত।

বিভিন্ন দেশের রাজধানী:
- সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক।
- হন্ডুরাস-এর রাজধানী তেগুসিগালপা।
- নিকারাগুয়ার রাজধানী মানাগুয়া।
- এল সালভাদোর-এর রাজধানী সান সালভাদর।
- মালাউই-এর রাজধানীর নাম লিলানগিয়ে।
- অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম ক্যানবেরা।
- মিশরের রাজধানীর নাম কায়রো।
- মোজাম্বিকের রাজধানীর নাম মাপুতো।
- মিয়ানমারের রাজধানী নাইপিদো।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা।
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলানবাটোর।
- নরওয়ের রাজধানী অসলো।
- সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ।
- আফগানিস্তানের রাজধানী: কাবুল।
- গ্রিসের রাজধানী অ্যাথেন্স।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন, ডি.সি.।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস।
- যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন।

উৎস: Britannica.
৭,১৮৩.
তাসখন্দ কোন দেশের রাজধানীর নাম?
  1. তাজিকিস্তান
  2. তুর্কমেনিস্তান
  3. উজবেকিস্তান
  4. কিরগিজস্তান
ব্যাখ্যা
উজবেকিস্তান:
- আনুষ্ঠানিকভাবে উজবেকিস্তান প্রজাতন্ত্র।
- দেশটি ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন করে।
- 'উজবেকিস্তান' দেশটি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত।
- উজবেকিস্তান মূলত আমু দরিয়া এবং সির দরিয়া নদীর মধ্যে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৭৩,৩৪৯ বর্গ মাইল (৪৪৮,৯৭১ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: তাসখন্দ।
- ভাষা: উজবেক (অফিসিয়াল), রাশিয়ান, তাজিক, কাজাখ।
- ধর্ম: ইসলাম (প্রধানত সুন্নি)।
- মুদ্রা: সোম।

উল্লেখ্য,
মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর রাজধানীর নাম হলো:
- কাজাখস্তান (Kazakhstan): আস্তানা (Astana)
- তুর্কমেনিস্তান (Turkmenistan): আসখাবাদ (Ashgabat)
- উজবেকিস্তান (Uzbekistan): তাসখন্দ (Tashkent)
- কিরগিজস্তান (Kyrgyzstan): বিশকেক (Bishkek)
- তাজিকিস্তান (Tajikistan): দুশানবে (Dushanbe)

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট।
৭,১৮৪.
কাদের প্রতিরোধ করার জন্য চীনের মহাপ্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল?
  1. পারস্য
  2. হুন
  3. রুশ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
চীনের মহাপ্রাচীর:
- চৌ যুগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে।
- এ যুগের লেখা অনেক গ্রন্থ পাওয়া গেছে।
- চৌ বংশের রাজা শি-হুয়াং তি-এর রাজত্বকালে নির্মিত হয়েছিল 'চীনের মহাপ্রাচীর'।
- হুনদের আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য এই প্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল
- দেড় হাজর মাইল দীর্ঘ এই প্রাচীরের উচ্চতা ছিল গড়ে ২৪ ফুট।
- এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারোহী পাশাপাশি চলতে পারত।
- চীনের মহাপ্রাচীর বিশ্বের আশ্চর্য বস্তুর একটি।

উৎস: Britannica.
৭,১৮৫.
Which one is the last state of the USA?
  1. Florida
  2. Oklahoma
  3. Alaska
  4. Hawaii
  5. Texas
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য - হাওয়াই।
- পতাকায় তারকা সংখ্যা - ৫০ টি।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- ডোনাল্ড ট্রাম্প (৪৭ তম)। (নভেম্বর, ২০২৪)
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি - জর্জ ওয়াশিংটন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,১৮৬.
CNN- এর পূর্ন রুপ কী?
  1. ক) Cable News Network
  2. খ) Current News Network
  3. গ) Control News Network
  4. ঘ) Country News Network
ব্যাখ্যা
CNN - Cable News Network. CNN একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ সংস্থা।
৭,১৮৭.
কোন চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়?
  1. ভিয়েনা চুক্তি
  2. ২য় ভার্সাই চুক্তি
  3. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  4. ইয়াল্টা চুক্তি
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
 
• যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট:
- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
 
• মিত্রশক্তি জোট:
- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র।

যুদ্ধের ফলাফল:
- মিত্র শক্তির বিজয়।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান হয়।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২৮ জুন, ১৯১৯ সালে।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।
 
উৎস: i) Britannica.
          ii) History.com
৭,১৮৮.
রাজীব গান্ধীকে হত্যাকারী নলিনী শ্রীহরণ কোন আত্মঘাতী বোমারু দলের সদস্য ছিলেন?
  1. ক) ন্যাশানাল ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট অফ বোড়োল্যান্ড (এনডিএফবি)
  2. খ) মণিপুর পিপল’স লিবারেশন ফ্রন্ট (এমপিএলএফ)
  3. গ) পিপল’স লিবারেশন আর্মি অফ মণিপুর (পিএলএ)
  4. ঘ) লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলাম (এলটিটিই)
ব্যাখ্যা
• ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী হত্যা মামলার ছয় আসামীকে মুক্তি দিয়েছে সেদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
• ১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাডুর শ্রীপেরুমবুদুরে এল টি টিই-র সদস্য এক নারী আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত হন গান্ধী।
• একটি নির্বাচনী জনসভায় রাজীব গান্ধীকে মালা দিয়ে সম্বর্ধনার ছলে নিজের গায়ে আঁটা বোমার ট্রিগার টেনেছিলেন এলটিটিই সদস্য সেই নারী হামলাকারী মিজ ধানু।
• গান্ধী ও মিজ ধানু সহ ১৬ জন ঘটনাস্থলেই মারা গিয়েছিলেন। আহত হয়েছিলেন ৪৫ জন।
• আদালতের নির্দেশে যারা মুক্তি পেলেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন নলিনী শ্রীহরণও, যিনি রাজীব গান্ধীকে হত্যার জন্য গঠিত এলটিটিই-র পাঁচ সদস্যের আত্মঘাতী বোমারু দলটির একমাত্র জীবিত সদস্য।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং বিবিসি বাংলা।
৭,১৮৯.
যুদ্ধ সম্পর্কিত আচরণ বিষয়ক প্রথম জেনেভা কনভেনশন গৃহীত হয় কখন?
  1. ক) ১৮৬৪ সালে
  2. খ) ১৮৯২ সালে
  3. গ) ১৯০৬ সালে
  4. ঘ) ১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়।

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

⇒ প্রটোকলসমূহ:
• প্রটোকল:
- ১৯৭৭ সালে; ১; আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি রক্ষার্থে গৃহীত হয়।
• প্রটোকল: ২;
- ১৯৭৭ সালে; অ-আন্তর্জাতিক সামরিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গকে রক্ষার সাথে সম্পর্ক।
• প্রটোকল: ৩;
- ২০০৫ সালে; অতিরিক্ত স্বাতন্ত্র্যসূচক প্রতীক পরিগ্রহ করা সংক্রান্ত বিষয়ে গৃহীত হয়।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.
৭,১৯০.
নিম্নের কোন রাষ্ট্র ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করে?
  1. সুইডেন
  2. রাশিয়া
  3. ব্রিটেন
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন 

- রোম চুক্তির মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি তথা বর্তমানের ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ইইউর প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য দেশ ছিলো ৬টি।
- ব্রিটেন ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি ইইউতে যোগ দেয়।
- ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ৪৭ বছরের সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করে।
- এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে পদত্যাগ করে।

- ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা ২৮টি থেকে কমে বর্তমানে ২৭টি আছে।

উল্লেখ্য,
- লিসবন চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যায়।
- ২০০৭ সালে পর্তুগালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৯ সালে কার্যকর হয়।
- এই চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তিও বলা হয়।
- এই চুক্তির ৫০ অনুচ্ছেদে, গণভোটের মাধ্যমে যেকোন সদস্য দেশকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করার অধিকার দেয়া হয়েছে।

উৎস: ইইউ ওয়েবসাইট।
৭,১৯১.
ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়- 
  1. জাপানকে
  2. তাইওয়ানকে
  3. ইরানকে
  4. জাম্বিয়াকে
ব্যাখ্যা

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com

৭,১৯২.
গুয়াম-এর গভর্নরের নাম হচ্ছে - (আগস্ট, ২০২৪)
  1. এ্যডি ক্যালভো
  2. ডোনাল্ড ডাক
  3. রন ব্লুম
  4. লু লিয়ন গুয়েরেরো
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

গুয়াম:
- গুয়াম যুক্তরাষ্ট্রের অধীনস্ত প্রশান্ত মহাসাগরের (ওশেনিয়া অঞ্চল) পশ্চিমাংশের একটি দ্বীপ।
- রাজধানী - হাগাতনা।
- রাষ্ট্রপ্রধান - যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
- সরকার প্রধানের উপাধি গভর্নর।
- বর্তমান গভর্নর  লু লিয়ন গুয়েরেরো (Lou Leon Guerrero)।
- তিনি ২০১৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।

উৎস: Governor Lou Leon Guerrero।
৭,১৯৩.
বিশ্বে আয়তনে বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত দেশ কোনটি?
  1. কাজাখস্থান
  2. আজারবাইজান
  3. আফগানিস্তান
  4. মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যা
বিশ্বে আয়তনের দিক থেকে বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত (landlocked) দেশ হলো কাজাখস্তান (Kazakhstan)

স্থলবেষ্টিত দেশ:
- যেসব দেশের সাথে সমুদ্র সীমা নেই সেসব দেশকে স্থল বেষ্টিত দেশ (Landlocked country) বলে।
- সমুদ্রের সাথে সীমান্ত না থাকায় এই দেশগুলোর কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
- স্থলবেষ্টিত বৃহত্তম দেশ হলো কাজাখস্থান এবং ক্ষুদ্রতম দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।

এশিয়ার কয়েকটি স্থল বেষ্টিত দেশ হচ্ছে:
- আফগানিস্তান,
- তুর্কমেনিস্তান,
- কাজাখস্তান,
- কিরগিজস্তান,
- লাওস,
- মঙ্গোলিয়া,
- নেপাল,
- আর্মেনিয়া,
- আজারবাইজান,
- ভুটান,
- তাজিকিস্তান এবং
- উজবেকিস্তান।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৭,১৯৪.
কোন দেশের জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট?
  1. মিয়ানমার
  2. চীন
  3. সিঙ্গাপুর
  4. ব্রুনাই
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

⇒ ১৯৬২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা দীর্ঘ ৪৭ বছর জান্তা সরকারের শাসনাধীন ছিল দেশটি।
- ২০১১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারের হাতে নামমাত্র ক্ষমতা হস্তান্তর করে সামরিক বাহিনী।
- ২০১৫ সালে অং সাং সু চি’র নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল এনএলডি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
- ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চি ও তার সরকারের পতন হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশটির দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রিদাংসুর নিম্নকক্ষের নাম পিথু হুততাও ও উচ্চকক্ষের নাম অ্যামিয়োথা হুততাও।

অন্যদিকে,
- চীন, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই-এর আইনসভা এক-কক্ষ বিশিষ্ট।

উৎস: Britannica.
৭,১৯৫.
লৌহ যুগের সূচনা আনুমানিক কখন শুরু হয়?
  1. ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  2. ১২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  3. ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  4. ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
ব্যাখ্যা

লৌহ যুগ (Iron Age):
- ব্রোঞ্জ যুগের সমাপ্তির পর মানুষ যখন লোহার আকরিক গলিয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার ও যন্ত্রপাতি তৈরি করতে শিখল, তখন থেকেই লৌহ যুগের সূচনা হয়।
- আনুমানিক ১,২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই যুগের বিস্তার শুরু হয়।

• প্রযুক্তিগত বিপ্লব:
- ব্রোঞ্জের তুলনায় লোহা ছিল অনেক বেশি সহজলভ্য এবং শক্ত। 
- লোহার তৈরি কুঠার ও লাঙল কৃষিকাজে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনে,
- যার ফলে মানুষ কঠিন মাটি চাষ করা এবং গহিন জঙ্গল পরিষ্কার করে কৃষিজমি বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়।

• সামরিক শক্তি ও সাম্রাজ্য বিস্তার:
- লোহার তৈরি তলোয়ার, বর্শা এবং বর্ম সৈন্যদের অনেক বেশি শক্তিশালী করে তোলে।
- এই যুগে হিট্টাইট (Hittites) এবং পরবর্তীকালে অ্যাসিরীয় ও পারস্য সাম্রাজ্যের মতো বিশাল শক্তিগুলোর উত্থান ঘটে।

নগরায়ন ও সমাজ:
- লোহার ব্যবহারের ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পায়, যা জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বড় বড় নগর রাষ্ট্র গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
- এই সময় বাণিজ্যের প্রসার ঘটে এবং সমাজে শ্রম বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

• লিপি ও সংস্কৃতি:
- অধিকাংশ উন্নত লিখন পদ্ধতি এবং সাহিত্যিক ঐতিহ্যের বিকাশ এই যুগে ঘটে।
- মুদ্রার প্রচলন এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নও এই সময়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট (Britannica.com) এবং হিস্টোরি ডট কম।[লিঙ্ক]

৭,১৯৬.
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র 'আই হ্যাভ এ ড্রিম' বিখ্যাত এই ভাষণটি প্রদান করেন কত সালে?
  1. ক) ১৯৬৩
  2. খ) ১৯৬৫
  3. গ) ১৮৬৩
  4. ঘ) ১৯৬২
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
• মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা। তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত ''আই হ্যাভ এ ড্রিম'' ভাষণটি প্রদান করেন।
• ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
• ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।

অন্যদিকে,
• মার্টিন লুথার হলেন জার্মানির খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায় ধর্মীয় নেতা।
• বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪ তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৭,১৯৭.
নিচের কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
চীনের সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে এবং দ্বিতীয় ভারত।    
• টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে।
• পণ্যের হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে ভারত থেকে।

অন্যদিকে, 
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৭,১৯৮.
'Smile Revolution ' কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. তিউনেশিয়া
  2. জর্জিয়া
  3. আলজেরিয়া
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
১৯৯৯ সাল থেকে ক্ষমতাসীন আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট আবদেল আজিজ বুতেফ্লিকা'র রিবুদ্ধে সংঘটিত জনবিক্ষোভ 'Smile Revolution’ হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পায়। জনবিক্ষোভের মুখে বুতেফ্লিকা আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকে সড়ে দাড়ান।
(সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৭,১৯৯.
পরী বিবি কে ছিলেন?
  1. আওরঙ্গজেবের কন্যা
  2. শায়েস্তা খানের কন্যা
  3. মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
  4. আজিমুসশানের মাতা
ব্যাখ্যা
• পরীবিবি:
- পরী বিবি ছিলেন বাংলার মুগল সুবাহদার — শায়েস্তা খান এর কন্যা।
- তিনি ছিলেন বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজম এর স্ত্রী।
- বাংলাদেশ সরকারের কাটরার ওয়াকফ পরিদপ্তরে সংরক্ষিত শায়েস্তা খানের নিজস্ব অছিয়তনামা থেকেই শায়েস্তা খানের কন্যা হিসেবে বিবি পরীকে চিহ্নিত করা যায়।
- এক লক্ষ আশি হাজার টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দের ৩মে শাহজাদা আজমের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।
- এর পর বিবি পরী আজমের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করেন।

- শাহজাদা আজম কর্তৃক ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে আরম্ভ করা লালবাগ দুর্গের নির্মাণ কাজ শায়েস্তা খান তাঁর দ্বিতীয় দফা সুবাহদারির সময়ে (১৬৭৯-৮৮ খ্রি.) চালিয়ে যান।
- কিন্তু ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে কন্যা বিবি পরীর মুত্যৃতে তিনি দুর্গ নির্মাণ একটি অশুভ লক্ষণ ভেবে বন্ধ করে দেন।
- দুর্গের অভ্যন্তরে মসজিদের পূর্ব দিকে বিবি পরীকে সমাহিত করা হয়।
- শায়েস্তা খান কন্যার সমাধির উপর একটি সুদৃশ্য সৌধ নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,২০০.
হিরোশিমা নগরীতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয় -
  1. ক) ৬ আগস্ট, ১৯৪৫
  2. খ) ৯ আগস্ট, ১৯৪৫
  3. গ) ৭ আগস্ট, ১৯৪৫
  4. ঘ) ৩ আগস্ট, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা লিটল বয় নিক্ষেপ করে।
- ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র আরেক শহর নাগাসাকিতে আরো একটি পারমাণবিক বোমা ফ্যাট ম্যান নিক্ষেপ করে।
- লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান নামক পারমাণবিক বোমা দুটি নিক্ষেপের নির্দেশদাতা ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি ট্রুম্যান।

উৎস: ব্রিটানিকা।