বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৬৫ / ৯৩ · ৬,৪০১৬,৫০০ / ৯,৩৩৪

৬,৪০১.
থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম কী? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা
  2.  অনুতিন চার্নভিরাকুল
  3. স্রেত্থা থাভিসিন
  4. থাকসিন শিনাওয়াত্রা
ব্যাখ্যা

- থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন অনুতিন চার্নভিরাকুল।
- শুক্রবার (৫-সেপ্টেম্বর) পার্লামেন্টে ভোটাভুটিতে জয় পান নির্মাণ খাতের এই বড় ব্যবসায়ী।

- চূড়ান্ত দাপ্তরিক ফলাফলে দেখা যায়, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ৪৯২ জন আইনপ্রণেতার মধ্যে ৩১১ জনের ভোট পান ভুমজয়থাই পার্টির এই নেতা। রক্ষণশীল বিরোধী দলটি পার্লামেন্টের তৃতীয় বৃহত্তম দল।

- পার্লামেন্ট অনুতিন চার্নভিরাকুলকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে।’

- ৫৮ বছর বয়সী অনুতিন আগে দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তিনি সম্ভবত সবচেয়ে বেশি পরিচিত ২০২২ সালে গাঁজা আইন সিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য।

উৎস: প্রথম আলো [লিংক]

৬,৪০২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় কবে?
  1. ১৯১৪ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯৪০ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫): 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সালে শুরু হয় ও ১৯৪৫ সালে সমাপ্তি ঘটে। 
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, ইতালি, জাপান
- মিত্রশক্তি: ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, এবং আংশিকভাবে চীন
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অসমাপ্ত বিরোধের ফলস্বরূপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- এটি ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষ নিহত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বৃদ্ধি, চীনে কমিউনিস্ট শাসনের উত্থান এবং পশ্চিম ইউরোপের শক্তি হ্রাসের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে সুপারপাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- ৬ আগস্ট ১৯৪৫: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হিরোশিমাতে প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলে, যেখানে ৭০,০০০+ মানুষ সঙ্গে সঙ্গে নিহত হয়।
- ৯ আগস্ট ১৯৪৫: নাগাসাকিতে দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়, যা জাপানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে।
- স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা: যুদ্ধ শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা: ভবিষ্যতে বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধের জন্য ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা বিশ্ব রাজনীতির গতিপথ চিরতরে পরিবর্তন করে দেয়।

উৎস: Britannica.
৬,৪০৩.
BCE এর পুর্ণরূপ লিখুন?
  1. Before common Era
  2. British Chartered Executive
  3. Bureau of Child Education
  4. Bhutan Centre for Environment
ব্যাখ্যা

BCE:
- BCE-এর পূর্ণরূপ: Before Common Era.

• Before Common Era বলতে খ্রিস্টপূর্বাব্দ বা যীশু খ্রীষ্টের জন্মের আগের সময়কালকে বোঝানো হয়।
- বাংলায় একে 'সাধারণ যুগের পূর্বে' বা 'খ্রিস্টপূর্ব' বলা হয়ে থাকে।
- এটি BC (Before Christ) এর একটি ধর্মনিরপেক্ষ বা অ-ধর্মীয় বিকল্প রূপ। 

উল্লেখ্য,
- CE হচ্ছে common era বা current era এর সংক্ষিপ্ত রুপ।
- BCE হচ্ছে before common era বা current era.
- জুলিয়ান বা গ্রেগরিয়ান বর্ষ গণনার এ পদ্ধতিটি AD (anno domini) ও BC (before christ) এর বিকল্প হিসেবে সালের সাথে লিখা হয়।

উৎস: Britannica.

৬,৪০৪.
শিখধর্মের প্রবর্তক কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) পাঞ্জাব
  2. খ) অমৃতসরে
  3. গ) লাহোরে
  4. ঘ) কৃষ্ণনগরে
ব্যাখ্যা
- শিখধর্ম  হলো গুরু নানক (১৪৬৯-১৫৩৮/৯) প্রবর্তিত ধর্ম। এ ধর্মের মূলকথা নিরাকার এক ঈশ্বরের উপাসনা করা। 
- শিখদের প্রধান মন্দির পাঞ্জাবের অমৃতসরের স্বর্ণমন্দির। সেখানকার ‘অকাল তখত সাহেব’ মন্দিরটি সর্বাধিক গুরুতপূর্ণ। ওখান থেকে শিখ সম্প্রদায়ের জন্য ধর্মীয় ও দৈনন্দিন জীবনযাপন সম্পর্কিত নির্দেশাবলি জারি করা হয়। এই নির্দেশগুলিকে বলা হয় ‘হুকুমনামা’। 
- শিখধর্মের প্রবর্তক গুরু  নানক পাকিস্তানের লাহোরের তালওয়ান্দি গ্রামে ১৪৬৯ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর নামানুসারে ওই গ্রামের নাম হয়েছে নানকানা সাহেব। 
- সৃষ্টিকর্তার একত্ব এবং মানুষের ভ্রাতৃত্ব গুরু নানকের শিক্ষার মূলনীতি। তিনি পুরোহিততন্ত্র, মূর্তিপূজা ও বর্ণাশ্রম প্রথার বিরোধী ছিলেন। 
- গুরু নানক তাঁর এই শিক্ষা ও আদর্শ প্রচারের লক্ষ্যে ১৪৯৯ খ্রিস্টাব্দে প্রথমে ভারতবর্ষ ভ্রমণ করেন। পরে চীন, ভুটান, মধ্যপ্রাচ্য ও আরব দেশ ঘুরে পশ্চিমবঙ্গের মালদহে আসেন। সেখান থেকে কৃষ্ণনগর এবং বাংলাদেশের সিলেট হয়ে ঢাকায় পদার্পণ করেন। ঢাকার রায়েরবাজারে  কুমার সম্প্রদায়ের মধ্যে তিনি প্রথম ধর্ম প্রচার করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৪০৫.
‘শাত-ইল-আরব’ জলপথের অবস্থান কোথায়?
  1. পারস্য উপসাগরে
  2. আরব সাগরে
  3. ভারত মহাসাগরে
  4. বঙ্গোপসাগরে
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:

- ‘শাত-ইল-আরব’ জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে। 
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৬,৪০৬.
আবু মুসা দ্বীপ নিয়ে কোন দুইটি দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে? 
  1. ইরান ও ইরাক
  2. ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. সিরিয়া ও ইসরাইল
  4. ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

আবু মুসা দ্বীপপুঞ্জ:
- আবু মুসা দ্বীপ পারস্য উপসাগরের প্রবেশপথের কাছে একটি ছোট দ্বীপ, ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত উভয়ই দাবি করে।
- আবু মুসা পারস্য (আরব) উপসাগরের একটি দ্বীপ যা ৫৫ ° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এবং ২৫ ° ৫১ ′ উত্তর এবং ২৫ ° ৫৪ ′ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইরানের সিরি দ্বীপ থেকে ৩১ মাইল (৪৯ কিলোমিটার) পূর্বে, ইরানের মূল ভূখণ্ডের বন্দর-ই লেঙ্গেহ থেকে প্রায় ৪২ মাইল (৬৮ কিলোমিটার) দক্ষিণে অবস্থিত।
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে ৪০ মাইল (৬৪ কিলোমিটার) পূর্বে অবস্থিত।
- আবু মুসার মোট আয়তন প্রায় ৪ বর্গমাইল (১০ বর্গকিলোমিটার)।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ থেকে আরব আমিরাতের শারজাহ ও ইরানের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়।
- ১৯০৩ সালে ব্রিটেন ইরানি কর্মকর্তাদের সরিয়ে শারজাহের পক্ষে দাঁড়ায়।
- ১৯৬৮ সালে ব্রিটেনের প্রত্যাহার ঘোষণায় ইরান দাবি জানায়।
- ১৯৭১ সালে ইরান–শারজাহ একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।
- মোটামুটি ২০ বছর এই চুক্তি কার্যকর ছিল।
- ১৯৯২ সালে ইউএই ইরানের বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ তোলে।
- ইউএই আন্তর্জাতিক আদালতে যেতে চায় কিন্তু ইরান তা প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যদিকে,
- শাত-ইল-আরব হল ইরান ও ইরাকের মধ্যকার বিরোধপুর্ণস্থান।
- গোলান মালভূমি নিয়ে বিরোধ চলছে সিরিয়া ও ইসরাইলের মধ্যে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও এনসাইক্লোপিডিয়া।

৬,৪০৭.
'ওসেনিয়ান' সভ্যতা বলা হয় কোনটিকে?
  1. পারস্য সভ্যতা
  2. মায়া সভ্যতা
  3. সিন্ধু সভ্যতা
  4. গ্রিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা
গ্রিক সভ্যতা:
- ইউরোপ মহাদেশের গ্রিক রাষ্ট্রের অন্তর্গত প্রাচীন কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে গ্রিক সভ্যতার উদ্ভব ঘটে।
- বলকান উপকূলের দক্ষিণাংশে অবস্থিত গ্রিক প্রায় পাঁচ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী বিস্তৃত।
- ভূ-প্রকৃতি দেশটিকে তিন ভাগে বিভক্ত করে দিয়েছে।
- যথা: দক্ষিণ গ্রিস, মধ্য গ্রিস ও উত্তর গ্রিস।
- মেসিডোনিয়ান অধিপতি আলেকজাণ্ডারের শাসনামলে এ সভ্যতার সীমা ছাড়িয়ে আধুনিক মিসর, ইসরাইল, প্যালেষ্টাইন, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইরান হয়ে ভারতবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল।
- আড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর, ইজিয়ান সাগর দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে গ্রিক সভ্যতাকে 'ওসেনিয়ান' (সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়।

উল্লখ্য,
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞানচর্চার সূত্রপাত করে।
- ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন গ্রিক বিজ্ঞানীরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই এবং বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয়, প্রাকৃতিক কারণে ঘটে- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪০৮.
কাতালোনিয়া কোন দেশের শাসন থেকে মুক্তি চেয়েছে?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) স্পেন
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা

- কাতালোনিয়া স্পেনের একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত একটি অঞ্চল। এর রাজধানী বার্সেলোনা।
- স্পেনের অন্যতম সমৃদ্ধশালী অঞ্চল এটি।
- অনেক দিন ধরেই কাতালুনিয়ানরা নিজেদের স্বাধীনতার দাবি করে আসছিলো। 
- ২০১৭ সালে আয়োজিত এক গণভোটের মাধ্যমে কাতালুনিয়া স্পেন থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়, তবে কেন্দ্র এই রায়কে অসাংবিধানিক বলে বাতিল করে দিয়েছে। 
উৎসঃ প্রথম আলো এবং বিবিসি

৬,৪০৯.
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে কবে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাস:
- ১৯২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের নেতৃত্বে চারটি সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রিপাবলিক (রাশিয়া, ট্রান্স ককেশাসিয়ান ফেডারেশন, ইউক্রেন ও বেলারুশ) একত্রিত হয়ে ইউনিয়ন অব সোভিয়েত স্যোশালিস্ট রিপাবলিক (ইউএসএসআর) বা সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠন করে।
- ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে। এর মধ্যে দিয়ে স্নায়ু যুদ্ধের অবসান হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এগুলো হলো: রাশিয়া, ইউক্রেন, বেলারুশ, মোলদাভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, জর্জিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তান।

উৎস: Britannica.
৬,৪১০.
পারসিয়ান বা প্রাচীন ইরানিদের প্রধান ধর্ম ছিল-
  1. ইহুদি ধর্ম
  2. জরথুস্ট্রবাদ
  3. হিন্দুধর্ম
  4. খ্রিস্টধর্ম
ব্যাখ্যা

পারস্য সভ্যতা:-
- বর্তমান ইরানকে কেন্দ্র করে এই বিশাল ও শক্তিশালী সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল।
- এটি প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং সুসংগঠিত সাম্রাজ্য ছিল।
- পারস্য সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন করেন সম্রাট সাইরাস (Cyrus the Great)।

• সাম্রাজ্য বিস্তার ও শাসন পদ্ধতি:
- সম্রাট সাইরাস থেকে শুরু করে সম্রাট প্রথম দারিউস (Darius I) পর্যন্ত পারস্য সাম্রাজ্য এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিশাল অংশে বিস্তৃত ছিল।

• সম্রাট সাইরাসের সিলিন্ডার (Cyrus Cylinder): এটিকে বিশ্বের প্রথম 'মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র' হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সম্রাট সাইরাস যখন ব্যাবিলন জয় করেন, তখন তিনি সেখানকার বন্দি হিব্রুদের মুক্তি দেন এবং সবাইকে নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দান করেন।

• ধর্ম ও দর্শন: পারস্যদের ধর্মের নাম ছিল 'জরথুস্ট্রবাদ' (Zoroastrianism)।
• স্থাপত্যকলা: পারস্য স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো 'পারসেপোলিস' (Persepolis) নামক বিশাল প্রাসাদ।
- মুদ্রার প্রচলন: সম্রাট দারিউস সর্বপ্রথম বাণিজ্য সহজ করার জন্য 'দারিক' (Daric) নামক স্বর্ণমুদ্রা এবং রৌপ্যমুদ্রার প্রচলন করেন।
- পারস্যরা প্রথম সুশৃঙ্খলভাবে একটি বিশাল নৌবাহিনী ও পদাতিক বাহিনী গড়ে তুলেছিল। তাদের বিশেষ একটি বাহিনী ছিল যার নাম 'ইমমোর্টালস' (Immortals) বা অমর বাহিনী।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪১১.
'Ayers Rock' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জাপান
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
'Ayers Rock' অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ায়। অস্ট্রেলিয়াকে ক্যাঙ্গারুর দেশ বলা হয়। অস্ট্রেলিয়া শব্দের অর্থ এশিয়ার দক্ষিণাঞ্চল। অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম কোসিয়াস্কো। উৎসঃ অস্ট্রেলিয়ার সরকারি ওয়েবসাইট।
৬,৪১২.
কোন দেশটি এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত?
  1. ইথিওপিয়া
  2. জাপান
  3. বেলজিয়াম
  4. আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া,
- এটি পৃথিবীর পূর্ব ও উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত,
- এশিয়া মহাদেশ ৪৮টি দেশ নিয়ে গঠিত,
- সর্বশেষ স্বাধীন রাষ্ট্র: পূর্ব তিমুর,
- এশিয়ার বৃহত্তম সাগর: দক্ষিণ চীন সাগর,
- এশিয়ার গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ,
- সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৫০ মিটার),
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংজি,
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত,
- দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা গঠিত জাপান, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া এ মহাদেশে অবস্থিত,
- আয়তনে বৃহত্তম: চীন এবং
- আয়তনে ক্ষুদ্রতম: মালদ্বীপ।

উৎস: World Atlas.
৬,৪১৩.
উয়ারি বটেশ্বর সভ্যতা কত বছর পূর্বে গড়ে উঠেছিলো?
  1. ক) আড়াই হাজার বছর
  2. খ) দুই হাজার বছর
  3. গ) তিন হাজার বছর
  4. ঘ) এক হাজার বছর
ব্যাখ্যা
নরসিংদী জেলার বেলাবো উপজেলার উয়ারি-বটেশ্বর গ্রামে আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বের নগর সভ্যতার নির্দশন পাওয়া গেছে। খ্রিস্টপূর্ব ৭০০ বছর পূর্বে গঙ্গা নদীর অববাহিকায় ভারতীয় উপমহাদেশের যে দ্বিতীয় নগর সভ্যতা গড়ে উঠে উয়ারি বটেশ্বর সেটিরই অংশ। স্থানটিতে এখনো খনন কাজ চলমান রয়েছে। বাংলাদেশে আবিষ্কৃত সভ্যতা সমূহের মধ্যে উয়ারি বটেশ্বরই সবচেয়ে প্রাচীন বলে ধারণা করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী)
৬,৪১৪.
আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কোনটি? 
  1. কানাডা 
  2. আমেরিকা 
  3. চীন 
  4. রাশিয়া 
ব্যাখ্যা
• কানাডা:
- উত্তর আমেরিকা মহাদেশ অবস্থিত।
- ১৮৬৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করে যুক্তরাজ্য থেকে।
- কানাডার মুদ্রায় ব্রিটেনের রাণীর ছবি আছে।
- কানাডা ও আমেরিকার সীমান্ত রেখার নাম ৪৯ ডিগ্রি অক্ষরেখা।
- কানাডার মুদ্রার নাম- ডলার।
- আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা।
- রাজধানী: অটোয়া।
- ম্যাপল পাতার দেশ হিসেবে পরিচিত।

উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি।
৬,৪১৫.
Which country is known as the land of maple leaves?
  1. ক) France
  2. খ) Australia
  3. গ) Canada
  4. ঘ) Bhutan
ব্যাখ্যা
কানাডা:

- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা। দেশটিতে ম্যাপল গাছের আধিক্য এবং কানাডার জনজীবনে এর সংশ্লিষ্টতার জন্যে কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- বিশ্বের মোট ম্যাপল সিরাপের ৭০ ভাগই কানাডা থেকে রপ্তানি হয়।
- কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
- টরেন্টো হচ্ছে কানাডার বৃহত্তম শহর।
- কানাডা'র রাষ্ট্রপ্রধান হলো ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।
- দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- কানাডার জাতীয় প্রতীক শ্বেতপদ্ম।

তথ্যসূত্র - কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট।
৬,৪১৬.
বিশ্বে খনিজ তেলের রিজার্ভে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ভেনেজুয়েলা
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
বিশ্বে খনিজ তেলে রিজার্ভে শীর্ষ দেশসমূহ:
- প্রথম : ভেনেজুয়েলা
- দ্বিতীয় : সৌদি আরব
- তৃতীয় : কানাডা
- চতুর্থ : ইরান
- পঞ্চম : ইরাক।
(সূত্র: US Today Archive)
৬,৪১৭.
Martina Hingis is a
  1. ক) Movie actress
  2. খ) Singer
  3. গ) Tennis player
  4. ঘ) Writer
ব্যাখ্যা
মার্টিনা হিঙ্গিস:

- তিনি পেশাদার টেনিস খেলোয়াড়।
- মার্টিনা হিঙ্গিস ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে বর্তমান স্লোভাকিয়ায় জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি "ওপেন" যুগে একটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম একক শিরোপা জয়ের জন্য সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি এবং বিশ্ব নম্বরে থাকা সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হয়েছিলেন।
- তিনি পাঁচটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম একক শিরোপা জিতেছেন।
- তিনি ১৯৯৩ সালের জুনিয়র ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতে সর্বকনিষ্ঠ গ্র্যান্ড স্লাম জুনিয়র টাইটেলিস্ট হন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬,৪১৮.
'Liberty, Equality, Fraternity' is the motto of -
  1. ক) French revolution
  2. খ) American revolution
  3. গ) Russian revolution
  4. ঘ) German revolution
ব্যাখ্যা
- আলোকিত যুগের একটি উত্তরাধিকার, নীতিবাক্য 'Liberty, Equality, Fraternity' প্রথম ফরাসি বিপ্লবের সময় আবির্ভূত হয়েছিল।
- এটি তৃতীয় প্রজাতন্ত্রের অধীনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল।
- বৈপ্লবিক স্লোগান Fraternity সবচেয়ে ভালো অনুবাদ করা হয় 'ভ্রাতৃত্ব' হিসেবে।
- ভ্রাতৃত্ব পরামর্শ দেয় যে দেশের নাগরিকরা একাত্মতায় আবদ্ধ ছিল।
- এটি সহ নাগরিকদের প্রতি ভালবাসা এবং উদ্বেগের সাথে জাতীয়তাবাদকে একত্রিত করেছে।
- লিবার্টি মানে ভাঙ্গা চেইন এবং ফ্রিজিয়ান ক্যাপ এবং সমতা উইংড নারী এবং আইন ট্যাবলেট।


উৎস: Liberty, Equality, Fraternity - France Diplomatie, France Diplomatie.
৬,৪১৯.
আব্দুল মালিক উমাইয়া খিলাফতের কোন শাখায় অন্তর্ভুক্ত?
  1. হাশিমী
  2. কুরাইশ
  3. হানাফীয়া
  4. মারওয়ানী
ব্যাখ্যা
উমাইয়া খিলাফত:
- আব্দুল মালিক উমাইয়া খিলাফতের মারওয়ানী শাখায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- আব্দুল মালিক ছিলেন উমাইয়া বংশের একজন শ্রেষ্ঠতম শাসক।
- ব্যাপক সামরিক দক্ষতা, কূটনীতি, রাষ্ট্রজ্ঞান ও প্রশাসনিক যোগ্যতা তাকে উমাইয়া বংশের শ্রেষ্ঠ শাসকের মর্যাদা দিয়েছে।
- তার স্থাপত্য রুচিবোধ ছিল প্রশংসার দাবিদার ও উল্লেখযোগ্য।
- তিনি উমাইয়া সাম্রাজ্যকে অভ্যন্তরীণ বিশৃংখলা ও গৃহযুদ্ধ হতে নিরাপদ করে রাষ্ট্রের সম্প্রসারণ ঘটান।
- রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করার জন্য তিনি ব্যাপক সংস্কার সাধন করেন।

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪২০.
সুমেরীয়দের লিখন পদ্ধতির নাম কী?
  1. ক) হায়ারোগ্লিফিক
  2. খ) কিউনিফর্ম
  3. গ) হিব্রু
  4. ঘ) ক্যারোগ্লিফিক
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কিউনিফর্ম লিপি (ইংরেজি: Cuneiform script) বিশ্বের প্রাচীন লিপিগুলোর মধ্যে অন্যতম। সুমেরিয়ানরা এটির আবিষ্কারক।
৬,৪২১.
ষষ্ঠ আরব দেশ হিসেবে ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে-
  1. আমিরাত
  2. সুদান
  3. বাহরাইন
  4. মরক্কো
ব্যাখ্যা

• ১৯৭৯ সালে প্রথম আরব দেশ হিসেবে মিশর ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
• ১৯৯৪ সালে দ্বিতীয় আরব দেশ হিসেবে জর্ডান ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
• সংযুক্ত আরব আমিরাত (৩য়), বাহারাইন (৪র্থ), সুদান (৫ম) এবং মরক্কো (৬ষ্ঠ) দেশ হিসেবে ২০২০ সালে ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

৬,৪২২.
নিউজিল্যান্ডের নারীরা কত সালে ভোটাধিকার লাভ করেন?
  1. ১৮৮৮ সালে
  2. ১৮৯০ সালে
  3. ১৮৯২ সালে
  4. ১৮৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

নিউজিল্যান্ডের নারীদের ভোটাধিকার লাভ:
- বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

⇒ নিউজিল্যান্ড:
- নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ–পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- নিউজিল্যান্ডের রাজধানী ওয়েলিংটন।
- নিউজিল্যান্ডের আদি অধিবাসী জাতির নাম মাওরি।
- নিউজিল্যান্ডের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন ইংল্যান্ডের ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস।
- কিউই পাখি নিউজিল্যান্ডের একটি জাতীয় প্রতীক।
- নিউজিল্যান্ডের অধিবাসীদেরকেও মাঝে মাঝে 'কিউই' নামে ডাকা হয়।
- নিউজিল্যান্ড মুদ্রার নাম হলো নিউজিল্যান্ড ডলার।

উৎস: Britannica.

৬,৪২৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য কয়টি?
  1. ৪৯টি
  2. ৫০টি
  3. ৫১টি
  4. ৫২টি
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য - হাওয়াই।
- পতাকায় তারকা সংখ্যা - ৫০টি।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- ডোনাল্ড ট্রাম্প (৪৭ তম)। (জুলাই, ২০২৫)
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি - জর্জ ওয়াশিংটন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৬,৪২৪.
নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সাথে কোন দ্বীপটি জড়িত?
  1. ফকল্যান্ড দ্বীপ
  2. সেনকাকু দ্বীপ
  3. সেন্ট হেলেনা দ্বীপ
  4. ওকিনাওয়া দ্বীপ
ব্যাখ্যা
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন একাধারে ফ্রান্সের অবিসংবাদিত সম্রাট ও তুখোড় সেনাপ্রধান।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন।
- ফ্রান্সকে ইউরোপের শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করতে নেপোলিয়ন সক্ষম হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।

সেন্ট হেলেনা দ্বীপ:
- সেন্ট হেলেনা যুক্তরাজ্যের অন্তর্গত দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের একটি আগ্নেয়গিরির ক্রান্তীয় দ্বীপ।
- রোমান সম্রাজ্ঞী সেন্ট হেলেনার নামে দ্বীপের নামকরণ হয়।
- একসময় ব্রিটিশরা এ দ্বীপে কয়েদিদের নির্বাসনে পাঠাত।

উৎস: Britannica.
৬,৪২৫.
চৌদ্দ দফার সাথে কার নাম জড়িত?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. উড্রো উইলসন
  3. থিওডর রুজভেল্ট
  4. জন অ্যাডামস
ব্যাখ্যা
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন কংগ্রেসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন চৌদ্দটি দফা সম্বলিত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বন্ধ করা এবং বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
- চৌদ্দ দফার ১৪ নং দফায় জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। এছাড়া অন্যান্য দফায় ইউরোপিয়ান উপনিবেশগুলোর স্বাধীনতার কথা অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
৬,৪২৬.
Port of Valencia কোথায় অবস্থিত?
  1. স্পেন
  2. ইতালি
  3. মরক্কো
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
Port of Valencia
- Port of Valencia স্পেনে অবস্থিত।

⇒ ভ্যালেন্সিয়া স্পেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর।
- এটি মেডিটেরানীয় সাগরের তীরে অবস্থিত।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও নৌ পরিবহন কেন্দ্র, যেখানে কন্টেইনার, কৃষি পণ্য (যেমন কমলা) এবং তেল পরিবহন হয়।
- বন্দরটি ক্রুজ লাইন এবং যাত্রী পরিবহন ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়।
- আধুনিক অবকাঠামো ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের কারণে এটি স্পেন এবং মধ্যপ্রাচ্য-এর গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলোর মধ্যে একটি।

উৎস: Britannica.
৬,৪২৭.
নাথু লা পাস (Nathula Pass) কোন দুটি দেশকে সংযুক্ত করেছে?
  1. ক) ভারত ও নেপাল
  2. খ) মিয়ানমার ও চীন
  3. গ) চীন ও ভারত
  4. ঘ) নেপাল ও ভূটান
ব্যাখ্যা
নাথু লা পাস (Nathula Pass) - চীন ও ভারতের মধ্যে অবস্থিত একটি গিরিপথ।
- এটি তিব্বত ও সিকিম সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি চীনের পুরাতণ সিল্ক রোডের একটি অংশ।
- এটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৪,৪৫০ ফুট উপরে অবস্থিত।
- বর্তমানে চীন-ভারতের বাণিজ্যের অন্যতম রূট হিসাবে এই গিরিপথটি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: সিকিমের সরকারি ওয়েবসাইট।
৬,৪২৮.
কোন দেশে 'তালেবান' নামক রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত?
  1. সুদান
  2. তিউনেশিয়া
  3. ইয়েমেন
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
তালেবান গোষ্ঠী:
- ১৯৯৪ সালে আফগান প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল তালেবান গোষ্ঠী।
- পশতু ভাষায় তালেবান মানে হচ্ছে 'ছাত্র'।
- আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত রাশিয়ার সেনারা ফিরে যাওয়ার পর ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে উত্তর পাকিস্তানে এই তালেবান আন্দোলনের জন্ম।
- এই আন্দোলনে মূলত পশতুন অর্থাৎ পশতুভাষীদের প্রাধান্য।
- এই মাদ্রাসাগুলো পরিচালিত হতো সৌদি অর্থে - এবং সেখানে খুবই কট্টর সুন্নী মতাদর্শের ইসলামই প্রচার করা হতো।
- তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ইসলামি আইনে দেশ পরিচালনা এবং যে কোনো ধরনের বিদেশি প্রভাব দূর করা।
- ১৯৯৮ সাল নাগাদ তালেবান আফগানিস্তানের প্রায় ৯০ শতাংশ অঞ্চলে তাদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- তাদের সবচেয়ে ভয়াবহ কাণ্ড ছিল ২০০১ সালে আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলে বিখ্যাত বামিয়ান বুদ্ধের মূর্তি ধ্বংস করা।
- ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আল কায়েদার হামলার পর সারা বিশ্বের মনোযোগের কেন্দ্রে চলে আসে আফগানিস্তানের তালেবান।

⇒ আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান (Islamic Emirate of Afghanistan)।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৯ সালে তৃতীয় ব্রিটিশ-আফগান যুদ্ধশেষে আফগানিস্তান দেশটি ব্রিটেন থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে।
- এক বিধ্বংসী সামরিক অভিযানে ২০০১ সালে তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর গত ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানের সামরিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার নেটো মিত্ররা।
- ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারীতে যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবানের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়।
- ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
ii) ৫ অগাস্ট ২০২১, BBC.
৬,৪২৯.
মালাক্কা প্রণালী কোন অঞ্চলের প্রধান বাণিজ্য পথ?
  1. পূর্ব এশিয়া-ইউরোপ
  2. ইউরোপ-আফ্রিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা-আফ্রিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা-পূর্ব ইউরোপ
ব্যাখ্যা

মালাক্কা প্রণালী:
- মালাক্কা প্রণালী মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার মধ্যবর্তী একটি সংকীর্ণ পথ যা এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে সবচেয়ে ছোট সমুদ্রপথ হিসেবে কাজ করে।
- এটি উত্তরে ভারত মহাসাগরের আন্দামান সাগরকে দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- এটি বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচল পথ মালাক্কা প্রণালী। 
- মালাক্কা প্রণালী ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সামুদ্রিক পথ হিসেবে কাজ করে। 
- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরে জাহাজ চলাচলের প্রধান এই জলপথটি এশিয়ার বড় সব অর্থনীতির দেশকে সরাসরি যুক্ত করেছে। এই দেশগুলো হলো- চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, জাপান, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়া। ফলে এটি এশিয়ার অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের জন্য একটি প্রধান বাণিজ্যপথেও পরিণত হয়েছে। 
- এটি বৈশ্বিক বাণিজ্যের ৪০%-এর বেশি এবং চীনের জ্বালানি আমদানির ৮০% বহন করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) OBSERVER RESEARCH FOUNDATION ওয়েবসাইট।

৬,৪৩০.
যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা কে বিলুপ্ত করেন?
  1. ক) আব্রাহাম লিংকন
  2. খ) জন এফ কেনেডি
  3. গ) টমাস জেফারসন
  4. ঘ) জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
- দাস প্রথা নিষিদ্ধ করাকে কেন্দ্র ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধ সংঘটিত হয়। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিপাবলিকান পার্টির নেতা আব্রাহাম লিঙ্কন।
- লিঙ্কন ও তার দলের মনোভাব ছিলো দাস প্রথা নিষিদ্ধের পক্ষে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণের কৃষিপ্রধান রাজ্যগুলো আফ্রিকান দাসদের উপর বহুলাংশে নির্ভরশীল ছিলো। ফলে লিঙ্কন ক্ষমতাগ্রহণের তিনমাসের পরই দক্ষিণের সাতটি রাজ্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা হয়ে কনফেডারেট গঠন করে। এদের সাথে পরবর্তীতে আরো চারটি রাজ্য যোগ দেয়।
- যুদ্ধে শেষ পর্যন্ত কনফেডারেটরা ইউনিয়নিস্টদের নিকট পরাজিত হয়।
- আব্রাহাম লিঙ্কন ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল এক কনফেডারেট সমর্থক আততায়ীর হাতে নিহত হন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।
৬,৪৩১.
আমেরিকার সবচেয়ে বড় সংবাদ পত্র কোনটি?
  1. ক) ডেইলি সান
  2. খ) ইউএসএ টুডে
  3. গ) নিউইয়র্ক টাইমস
  4. ঘ) ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল
ব্যাখ্যা
আমেরিকার বৃহত্তম সংবাদ পত্র হচ্ছে ইউ এস এ টুডে, দ্বিতীয় বৃহত্তম হলো নিউ ইয়র্ক টাইমস৷
Source: World Atlas
৬,৪৩২.
বিশ্বের দীর্ঘতম একক রেলপথ কোনটি?
  1. ট্রান্স-ইউরোপিয়ান
  2. ইউরোস্টার এক্সপ্রেস
  3. ট্রান্স সাইবেরিয়ান
  4. কুম্ব্রেস অ্যান্ড টলটেক সিনিক রেলরোড
ব্যাখ্যা

- ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলপথ হলো বিশ্বের দীর্ঘতম একক রেল ব্যবস্থা।
- এটি রাশিয়ার মস্কো এবং ভ্লাদিভোস্টকের মধ্যে বিস্তৃত।
- মূল দৈর্ঘ্য: ৫,৭৭১ মাইল (৯,২৮৮ কিমি)।
- নাখোদকার বন্দর স্টেশনের সংযোগসহ মোট দৈর্ঘ্য: ৫,৮৬৭ মাইল (৯,৪৪১ কিমি)।
- রেলপথটি সাইবেরিয়া অঞ্চলের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।
- এটি রাশিয়ান সাম্রাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৪৩৩.
নিচের কোনটি মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশ?
  1. ফিজি
  2. পাপুয়া নিউগিনি
  3. নাউরু
  4. টোঙ্গা
ব্যাখ্যা

→ মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ

→ মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

→ পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়াত

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৬,৪৩৪.
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা কে? [জুন, ২০২৫]
  1. হাসান রুহানি
  2. ইব্রাহিম রাইসি
  3. মাসুদ পেজেশকিয়ান
  4. আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি
ব্যাখ্যা
ইরান:
- দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত ইরান।
- খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীতে বর্তমান ইরান ছিল বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্য পারস্যের কেন্দ্র। 
- ইরান ভৌগোলিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত।
- ইরানের স্থল সীমান্ত রয়েছে সাতটি দেশের সাথে: আফগানিস্তান, পাকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, তুরস্ক এবং ইরাক।
- রাজধানী: তেহরান।
- সরকারি ভাষা: ফারসি।
- ধর্ম: শিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত মুসলমান।
- সর্বোচ্চ নেতা: আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei)।
- প্রেসিডেন্ট : মাসুদ পেজেশকিয়ান (Masoud Pezeshkian)।
- মুদ্রা: রিয়াল।

⇒ ১৫০১ সাল থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত রাজতান্ত্রিক ইরানকে রাজারা শাসন করতেন।
- ১৯৩৫ সালের ২১ মার্চ পারস্যের নামকরণ হয় ‘ইরান’। 
- ১৯৭৯ সালে গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ইরানে একটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র স্থাপন করে।

⇒ ইরানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার আছে।
- পারস্য উপসাগরের অন্যান্য তেলসমৃদ্ধ দেশের মতো ইরানের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তিও তেল।

- বিশ্বের সবচেয়ে পর্বতময় দেশগুলোর একটি।
- হিমালয়ের পরই এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ‘দামভান্দ’ ইরানে অবস্থিত।

উৎস: i) Britannica.
ii) National Geographic.
৬,৪৩৫.
অলিম্পিক খেলার প্রচলন শুরু হয়েছে প্রাচীন কোন সভ্যতায়?
  1. ক) রোমান সভ্যতা
  2. খ) গ্রিক সভ্যতা
  3. গ) পারস্য সভ্যতা
  4. ঘ) ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
অলিম্পিক খেলা
- বড় কোন প্রয়োজনে বিচ্ছিন্ন নগর রাষ্ট্রগুলোর ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি।
- এই চিন্তা হতে প্রাচীন গ্রীকরা একটা উৎসব অনুষ্ঠানের চিন্তা করলেন।
- যার ফসল হিসেবে শুরু হলো অলিম্পিক খেলা ৭৭৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- প্রতি চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এ খেলায় বিভিন্ন নগর রাষ্ট্রের খেলোয়াড়রা অংশ নিত।
- এ খেলার সূত্র ধরে পারস্পরিক শত্রুতার বদলে গ্রিকদের মাঝে একটি সাংস্কৃতিক ঐক্য গড়ে ওঠে।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৩৬.
বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অঞ্চলগুলোর মধ্যে বর্তমান কোন দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. তুরস্ক
  2. ব্রাজিল
  3. পেরু
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে - ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল৷
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতা ছিল।
- অঞ্চলটিকে সাধারণত পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য বলা হত।
- ৪৭৬ সালে রোমের পতনের ফলে রোমান সাম্রাজ্যের পশ্চিম অর্ধেক শেষ হয় এবং পূর্ব অর্ধেক বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হিসাবে পরিচালিত হয়।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা।
- এই সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন জাস্টিনিয়ান।
- ১৪ শতকে অটোমান তুর্কিরা দখল করতে শুরু করে এবং ১৪৫৩ সালে এটি অটোমান নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

তথ্যসূত্র -  Britannica.com

৬,৪৩৭.
কোন দেশে Gross National Happiness প্রচলিত?
  1. নেপাল
  2. জাপান
  3. তাইওয়ান
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা
GNH (Gross National Happiness):
- Gross National Happiness (GNH) এর প্রচলন আছে ভুটানে।
- ১৯৭০ এর দশকের শেষের দিকে ভুটানের ৪র্থ রাজা জিগমে সিংয়ে ওয়াংচুক প্রথম 'গ্রস ন্যাশনাল হ্যাপিনেস' শব্দগুচ্ছটি তৈরি করেছিলেন।
- তিনি বলেছিলেন, "গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্টের চেয়ে মোট জাতীয় সুখ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।" 
- ধারণাটি বোঝায় যে টেকসই উন্নয়নের অগ্রগতির ধারণাগুলির প্রতি একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নেওয়া উচিত এবং সুস্থতা ও সুখের অ-অর্থনৈতিক দিকগুলিকে সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

GNH (Gross National Happiness) সূচকের গঠন:
- ফ্রেমওয়ার্কটিতে GNH এর নয়টি ডোমেন রয়েছে।
- সেগুলি হল মনস্তাত্ত্বিক সুস্থতা, স্বাস্থ্য, সময়ের ব্যবহার এবং ভারসাম্য, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং স্থিতিস্থাপকতা, সুশাসন, সম্প্রদায়ের জীবনীশক্তি, পরিবেশগত বৈচিত্র্য এবং স্থিতিস্থাপকতা এবং জীবনযাত্রার মান।
- নয়টি ডোমেনের মধ্যে সূচক হিসাবে ৩৩টি GNH শর্ত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উৎস: The Oxford Poverty and Human Development Initiative (OPHI) ওয়েবসাইট।
৬,৪৩৮.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় কী নামে পরিচিত?
  1. পেন্টাগন
  2. ওভাল অফিস
  3. ক্যাবিনেট রুম
  4. ক্যাপিটেল হিল
ব্যাখ্যা
ওভাল অফিস:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ওভাল অফিস নামে পরিচিত।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরের ১৬০০পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউতে হোয়াইট হাউস অবস্থিত।
- পুরো ভবনটি মূলত তিনটি আলাদা ভাগে বিভক্ত—ওয়েস্ট উইং, ইস্ট উইং ও এক্সিকিউটিভ রেসিডেন্স। ভবনের মোট আয়তন প্রায় ৫৫ হাজার বর্গফুট।

⇒ ওভাল অফিসটি বর্তমানে প্রেসিডেন্টের প্রধান দপ্তর।
- ডিম্বাকৃতির এই কক্ষের জানালাগুলো বুলেটপ্রুফ কাঁচ দিয়ে তৈরি।
- কক্ষটির অন্দরসজ্জা ও আসবাব প্রেসিডেন্টের পছন্দ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়।

⇒ কেবিনেট রুমে প্রেসিডেন্ট তাঁর মন্ত্রীসভার সঙ্গে বৈঠক করেন। হোয়াইট হাউসের রীতি অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট সব সময় টেবিলের মাঝখানে বসেন।

অন্যদিকে,
- পেন্টাগন হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর ভবন। 

উৎস: Britannica.
৬,৪৩৯.
মার্কিন গৃহযুদ্ধের সময় কে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
  1. ইউলিসিস এস. গ্রান্ট
  2. জন টাইলার
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. টমাস জেফারসন
ব্যাখ্যা
মার্কিন গৃহযুদ্ধ (American Civil War):
- দক্ষিণের ১১টি রাজ্য বনাম যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য রাজ্যের মধ্যে যে যুদ্ধ হয়েছিল ইতিহাসে তা ‘আমেরিকার গৃহযুদ্ধ’ নামে পরিচিত।
- মার্কিন গৃহযুদ্ধ (American Civil War) ৪ বছর স্থায়ী ছিল।
- ১২ এপ্রিল, ১৮৬১ - ২৬ মে, ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় রাষ্ট্রপতি ছিলেন আব্রাহাম লিংকন। তিনি ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ১৬তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

⇒ এই যুদ্ধের মূল কারণ ছিল দাসপ্রথা নিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে মতবিরোধ।
- উত্তরাঞ্চল দাসপ্রথা বিলোপের পক্ষে ছিল, যেখানে দক্ষিণাঞ্চল তাদের অর্থনীতির জন্য দাসপ্রথার উপর নির্ভরশীল ছিল।
- দাস প্রথার অবসান এবং দক্ষিণের রাজ্যগুলো দাস প্রথা অবসানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য সব রাজ্যের সিদ্ধান্ত না মেনে স্বাধীনভাবে নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে কিনা সে প্রশ্নেই শুরু হয়েছিলে এই বিবাদ।
- ১৮৬০ সালে দাসপ্রথাবিরোধী রিপাবলিকান পার্টির সদস্য আব্রাহাম লিংকনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ফলে ১১টি দক্ষিণ রাজ্য বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় যার ফলে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।

⇒ ১৮৬১ সালে ফোর্ট সামটারে আক্রমণের মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৮৬৩ সালে লিংকন এক ঘোষণার মাধ্যমে কনফেডারেট রাজ্যগুলোতে দাসদের মুক্ত ঘোষণা করেন, যা যুদ্ধের উদ্দেশ্যকে দাসপ্রথা বিলোপের দিকে মোড় দেয়। 
- ১৮৬৫ সালের এপ্রিলে কনফেডারেট জেনারেল রবার্ট ই. লি ভার্জিনিয়ার অ্যাপোম্যাটাক্স কোর্ট হাউসে ইউনিয়ন জেনারেল ইউলিসিস এস. গ্রান্টের কাছে তার সৈন্যদের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে যুদ্ধের কার্যকরভাবে সমাপ্তি ঘটে। 
- ১৮৬৩ সালে লিংকন এই ঘোষণার মাধ্যমে কনফেডারেট রাজ্যগুলোতে দাসদের মুক্ত ঘোষণা করেন, যা যুদ্ধের উদ্দেশ্যকে দাসপ্রথা বিলোপের দিকে মোড় দেয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৬,৪৪০.
সিন্ধু সভ্যতার অন্তর্গত হরপ্পা নগরী গড়ে উঠেছিল কোথায়?
  1. নীলনদের তীরে
  2. রাভী নদীর তীরে
  3. ইউফ্রেটিস নদীর তীরে
  4. হোয়াংহো নদীর তীরে
ব্যাখ্যা
• সিন্ধু সভ্যতা:
-সিন্ধু নদের অববাহিকায় গড়ে উঠা সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম পরিকল্পিত নগর সভ্যতাকে সিন্ধু সভ্যতা বলে।
- সিন্ধু সভ্যতা গড়ে তুলেছিল- দ্রাবিড় জাতি।
- সিন্ধু সভ্যতার দুটি  শহর ছিল- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো।
- হরপ্পা অঞ্চল আবিষ্কৃত হয় -  ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে।
- মহেঞ্জোদারো অঞ্চলে আবিষ্কৃত হয় -  ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে।
- সিন্ধুর উপনদী রাভীর তীরে গড়ে উঠেছিল হরপ্পা নগরী। 
- সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কার করেন- স্যার জন মার্শাল, রাখালদাশ বন্দ্যোপাধ্যায়।
-  এ সভ্যতাকে তাম্র যুগের সভ্যতা বলা হয়।
 - এ সভ্যতা ছিল কৃষি নির্ভর।
- হরপ্পা নগরী গড়ে উঠে সিন্ধুর উপনদী- রাভীর তীরে।
- সিন্ধু সভ্যতার হাড় ও পাথরের তৈরি সিলমোহর পাওয়া যায়।
- এ সভ্যতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল- পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা।
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীগণ পরিমাপের জন্য বাটখারা ব্যবহার করতেন।

উৎস: ইতিহাস-১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৪১.
২০১৯ সালে বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক দেশ কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) মিসর
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
SIPRI (Stockholm Inrernational Peace Research Institute) এর ২০১৯ সালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র আমদানিকারক দেশ হলো সৌদি আরব। আমদানিতে ২য়, তয়, ৪র্থ ও ৫ম যথাক্রমে ভারত, মিসর, আলজেরিয়া এবং অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে অস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ পাঁচটি দেশ হলো যথাক্রমে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি এবং চীন। (সূত্রঃ SIPRI ওয়েবসাইট)
৬,৪৪২.
কনস্টান্টিনোপল নগরী কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. রমুলাস
  2. কনস্টানটাইন
  3. পিথাগোরাস
  4. জুলিয়াস সিজার
ব্যাখ্যা
রোমান সাম্রাজ্য:
- কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।
- প্রথম দিকে ছিল এটা একটি বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ক্রমে গ্রিক সভ্যতার পতন ৪৭৬ (খ্রি.) ঘটলে এই রোম সমগ্র ইতালি ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল দখল করে এক বিশাল রোমান সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
- এই বিশাল সাম্রাজ্য শাসনের জন্য রোমান সম্রাট কনস্টানটাইন কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বাইজান্টিয়াম নামক স্থানে দ্বিতীয় রাজধানী কনস্টান্টিনোপল প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নামকরণ করা হয়েছিল সম্রাট কনস্টানটাইনের নামানুসারে।

উৎস: i) History.com
         ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৪৩.
'অপারেশন বারবারোসা' কী ছিল?
  1. মিত্রবাহিনীর নরম্যান্ডি আক্রমণ
  2. জাপানের পার্ল হারবার আক্রমণ
  3. জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ
  4. জার্মানির যুক্তরাজ্য আক্রমণের পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
অপারেশন বারবারোসা:
- 'অপারেশন বারবারোসা' ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণের সাংকেতিক নাম।
- এটি ছিল ইতিহাসের বৃহত্তম সামরিক আক্রমণগুলির মধ্যে একটি যা ১৯৪১ সালের ২২ জুন শুরু হয়েছিল।
- জার্মানির লক্ষ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নকে দ্রুত পরাজিত করা এবং পূর্বে নিজেদের সাম্রাজ্য প্রসারিত করা।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় পূর্ব ফ্রন্টের যুদ্ধ বা জার্মানীর রাশিয়া আক্রমণ।
- ১৯৪১ সালে ২২ জুন জার্মানীর হিটলার 'অপারেশন বারবারোসা' নামে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন অভিযান শুরু করেছিলেন।
- এই অভিযানে ১৯টি প্যানযার ডিভিশন, ৩ হাজার ট্যাংক, ২৫০০ বিমান এবং ৭০০০ কামান অংশ গ্রহণ করে।
- সর্বমোট ত্রিশ লক্ষ সৈনিক সাথে ৬ লক্ষ মোটরযান এবং ৬-৭ লক্ষ ঘোড়া ব্যবহার হয়েছিল এই অভিযানে।
- তিনটি দলে ভাগ হয়ে তিনটি ভাগের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ফিল্ড মার্শাল ভব লিন, ভন বক এবং ভন রান্সডেট।
- মাত্র ১৭ দিনের মধ্যেই তারা ৩ লাখ রাশিয়ান সৈনিককে বন্দি করা ছাড়াও আড়াই হাজার ট্যাঙ্ক, ১ হাজার ৪০০ আর্টিলারি গান এবং ২৫০টি রুশ ফাইটার প্লেন বিধ্বস্ত করে জার্মানরা।

উল্লেখ্য,
- সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতা জোসেফ স্ট্যালিনের নেতৃত্ব নাৎসিদের অপারেশন বারবারোসাকে ব্যর্থ করে দেয়।
- রাশিয়ার কঠোর শীত ও সোভিয়েত পাল্টা আক্রমণে জার্মানি পিছু হটে।

উৎস: Britannica.
৬,৪৪৪.
সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা-
  1. ক) অশোক
  2. খ) শের শাহ
  3. গ) আকবর
  4. ঘ) মুহম্মদ বিন তুঘলক
ব্যাখ্যা

শূর শাসনের সূত্রপাত করেন আফগান শাসক শের শাহ। বিহারের শাসনকর্তা সুলতান মুহম্মদের মৃত্যুর পর শের শাহ বিহারের শাসন করেন।
১৫৩৮ সালে তিনি বাংলার সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
শের শাহের আমলের কিছু উল্লেখযোগ্য কীর্তিঃ
- শের শাহ বাংলায় ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থার প্রচলন করেন।
- তিনি ‘দাম’ নামক মুদ্রার প্রচলন করেন।
- সড়ক-ই-আজম বা বিখ্যাত গ্রান্ড ট্রাংক রোডের নির্মাতা তিনি।
- পাট্টা ও কাবুলিয়াত প্রথা চালু করেন শের শাহ।
[সূত্র- বাংলাপিডিয়া]

৬,৪৪৫.
কোন দেশটি আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগর উভয়ের উপকূল রেখায় অবস্থিত?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. ভারত
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রা: র‍্যান্ড।

⇒ দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উল্লেখ্য,
- মহাসাগর পৃথিবীর প্রায় ৭১% আয়তন দখল করে আছে।
- বিশ্বে পাঁচটি প্রধান মহাসাগর রয়েছে: প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, আর্কটিক মহাসাগর এবং দক্ষিণ মহাসাগর।
- আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগর উভয়ের উপকূলরেখা সহ পৃথিবীতে মাত্র তিনটি দেশ রয়েছে।
- এই দেশগুলি হলো: দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর এবং ইসরাইল।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Britannica.
৬,৪৪৬.
কোন দেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট আদালত কক্ষে মারা যান?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) লিবিয়া
  4. ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা
মিশরে ২০১৩ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বিচারাধীন প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুরসির ‘আকস্মিক মৃত্যু’ হয়েছে।
 ২০১৯ সালের ১৭ জুন ‘আদালতের এজলাসে হঠাৎ পড়ে গিয়ে’ তিনি মারা যান।
মুরসির বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

[উৎস : পত্রিকার রিপোর্ট ]
৬,৪৪৭.
মধ্যপ্রাচ্যে MBS নামে পরিচিত ব্যক্তিটি কে?
  1. জর্ডানের রাজা
  2. দুবাইয়ের শাসক
  3. মিশরের প্রেসিডেন্ট
  4. সৌদি ক্রাউন প্রিন্স
ব্যাখ্যা

 সৌদি আরবের ক্রাউন: 
- MBS-এর পূর্ণরূপ হলো মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ (Mohammed bin Salman Al Saud),
- যিনি সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স এবং প্রধানমন্ত্রী।
- বলা হয়ে থাকে দেশটির ক্ষমতার সব চাবিকাঠি তার হাতেই। বিরোধী গোষ্ঠীসহ বিভিন্ন নাগরিকের ওপর হত্যা, নিপীড়ন চালানোর অনেক অভিযোগ এই সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে।
- সাবেক যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফকে অপসারণ করে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসা সালমানি।
-‍ ‘টাইগার স্কোয়াড’ নামের একটি নৃশংস গ্যাং পরিচালনা করেন সালমান, যাকে অপহরণ ও হত্যার মতো কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করেন তিনি।

উৎস: আলজাজিরা। [লিঙ্ক]

৬,৪৪৮.
এশিয়ার কোন দেশটি মেমোগেট কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত?
  1. মালদ্বীপ
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

• মেমোগেট কেলেঙ্কারি (Memo gate scandal) পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত।
- এটি একটি নাম সাক্ষরবিহীন চিঠিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট রাজনৈতিক ও সামরিক সংকট ছিল,
- যা ২০১১ সালে ওবামা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছিল পাকিস্তানের সামরিক অভ্যুত্থান ঠেকানোর জন্য সাহায্য চেয়ে। 

পাকিস্তান: 
রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান (Islamic Republic of Pakistan),
- স্বাধীনতা লাভ: ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ (ব্রিটিশ শাসন থেকে),
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা: ২৩ মার্চ ১৯৫৬,
- রাষ্ট্রধর্ম: ইসলাম,
- রাষ্ট্রপতি: ডা. আরিফ আলভি,
- প্রধানমন্ত্রী: শাহবাজ শরিফ,
- আইনসভা: মজলিস-ই-শূরা (দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ),
- উচ্চকক্ষ: সিনেট,
- নিম্নকক্ষ: জাতীয় পরিষদ (National Assembly),
- মূল প্রদেশ: ৪টি — বেলুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখোয়া, সিন্ধু, পাঞ্জাব।
- প্রশাসনিক ইউনিট: মোট ৫টি (৪ প্রদেশ + গিলগিত-বাল্টিস্তান, আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর, ইসলামাবাদ ক্যাপিটাল টেরিটরি),
- ভাষা (সরকারি): উর্দু,
- সীমান্তবর্তী দেশ: ভারত, আফগানিস্তান, চীন, ইরান,
- প্রধান নদী: ইন্দুস নদী (পাকিস্তানের জীবনরেখা)।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৬,৪৪৯.
 সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশে সরকার বিরোধী 'জেন-জি আন্দোলন' হয়েছে? (সেপ্টেম্বর ২০২৫)
  1. ভারত
  2. ভুটান
  3. মিয়ানমার
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

জেন-জি আন্দোলন:
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপালে সরকারবিরোধী জেন-জি আন্দোলন  হয়েছে।
- নেপালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে জেন-জিরা আন্দোলন শুরু করে।
- পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে নিহত হয়েছে ১৯ জন।
- আহত হয়েছেন ১০০ এর বেশি ।
-  ১৯ জনের প্রাণহানির পর প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন।
- তিনি ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।ছিলেন।

উৎস - প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট। 

৬,৪৫০.
'অপারেশন রাইজিং লায়ন' কোন দেশের বিরুদ্ধে পরিচালনা করা হয়?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
 অপারেশন রাইজিং লায়ন (Operation Rising Lion):
- “অপারেশন রাইজিং লায়ন” ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে পরিচালিত হয়।
- এই অভিযানটি ২০২৫ সালের ১৩ জুন শুরু হয় এবং লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কারখানা এবং সামরিক সক্ষমতায় আঘাত করা।
- বিমান হামলায় ২০০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (IDF)।
- এছাড়া, এই অভিযানে আইআরজিসি (IRGC) ও অন্যান্য উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বিজ্ঞানীদের লক্ষ্য করা হয়।
- ২৪ শে জুন, ২০২৫ দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর বিপরীতে ইরানের পরিচালিত অভিযানের নাম ‘ট্রু প্রমিজ ৩’। এর মাধ্যমে ইসরায়েলের ডজনখানেক সামরিক ঘাঁটি ও বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৬,৪৫১.
একজন রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন- 
  1. রুজভেল্ট
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. বার্ট্রান্ড রাসেল
  4. নেলসন ম্যান্ডেলা
ব্যাখ্যা

• উইনস্টন চার্চিল:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ১৮৭৪ সালের ৩০ নভেম্বর ইংল্যান্ডের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন উইনস্টন চার্চিল।
- ১৯৫৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৪০-১৯৪৫ ও ১৯৫১-১৯৫৫ এই দুই মেয়াদে ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

• তার বিখ্যাত বই:
 - দ্য স্টোরি অব দ্য মালাকান্দ ফিল্ড ফোর্স।
- মাই আর্লি লাইফ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৪৫২.
‘সভ্যতার সংঘাত’ বিষয়ক তত্ত্ব সম্পর্কে ধারণা দেন কে?
  1. স্যামুয়েল পি হান্টিংটন
  2. ফ্রান্সিস ফুকুয়ামা
  3. উইলিয়াম হান্টার
  4. জ্যা জ্যাক রুশো
ব্যাখ্যা

- 'সভ্যতার সংঘাত' সম্পর্কে ধারণা দেন স্যামুয়েল পি হান্টিংটন।

• 'সভ্যতার সংঘাত' ধারণা:

মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামুয়েল পি হান্টিংটন ১৯৯২ সালে তার 'সভ্যতার সংঘাত' শীর্ষক থিসিস প্রকাশ করেন।
পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত 'দ্য ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশন এন্ড দ্য রিমেকিং অব ওয়ার্ল্ড অর্ডার' শীর্ষক বইয়ে তিনি বিষয়টি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন।
তার মধ্যে আগামী বিশ্বে সংঘাতের মূল কারণ হবে সংস্কৃতি ও ধর্মীয় পার্থক্য।
আদর্শগত কিংবা অর্থনৈতিক কারণে নয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডটকম।

৬,৪৫৩.
কত সালে ব্রিটেন থেকে আফগানিস্তান সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. ১৯০৯ সালে
  2. ১৯১১ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯২১ সালে
ব্যাখ্যা
১৯১৯ সালে আফগানিস্তান দেশটি ব্রিটেন থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।

আফগানিস্তান:

- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান (Islamic Emirate of Afghanistan)।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৯ সালে তৃতীয় ব্রিটিশ-আফগান যুদ্ধশেষে আফগানিস্তান দেশটি ব্রিটেন থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে।
- ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।
- আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ।

উৎস: National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
৬,৪৫৪.
কানাডা'র রাষ্ট্রপ্রধান হলো -
  1. ক) জাস্টিন টোডো
  2. খ) লিজ ট্রাস
  3. গ) ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস
  4. ঘ) ঋষি সুনাক
ব্যাখ্যা
এক নজরে কানাডা
• ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা। দেশটিতে ম্যাপল গাছের আধিক্য এবং কানাডার জনজীবনে এর সংশ্লিষ্টতার জন্যে কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
• কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে। বিশ্বের মোট ম্যাপল সিরাপের ৭০ ভাগই কানাডা থেকে রপ্তানি হয়।
• কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
• এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
• কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
• কানাডা'র রাষ্ট্রপ্রধান হলো ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস। 
• কানাডার রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
• কানাডার জাতীয় প্রতীক শ্বেতপদ্ম।

তথ্যসূত্র: কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট।
৬,৪৫৫.
সর্ববৃহৎ অবিচ্ছিন্ন স্থল সাম্রাজ্য ছিল কোনটি?
  1. ব্রিটিশ সাম্রাজ্য
  2. অটোমান সামাজ্য
  3. বাইজেনটাইন সাম্রাজ্য
  4. মঙ্গোল সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
মঙ্গোল সাম্রাজ্য:
- ১২০০ শতকের শুরুতে মঙ্গোল সেনাপতি চেঙ্গিস খান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য।
- চেঙ্গিস খান মঙ্গোল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। 
- মঙ্গোলরা তাকে জাতির জনক হিসেবে মান্য করে।
- চেঙ্গিস খানের আদিনাম তিমুজিন।
- ১২০০ শতকের শেষে এসে প্রায় সমস্ত পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া এবং মধ্য ইউরোপ পর্যন্ত এটি বিস্তৃত ছিল। 
- এটি ইতিহাসের সর্ববৃহৎ অবিচ্ছিন্ন স্থলসাম্রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এই সাম্রাজ্য প্রায় ৯ মিলিয়ন বর্গ মাইল (২৩ মিলিয়ন বর্গ কিমি) অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল।
- ১২১৯ থেকে ১২২২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে উত্তর-পূর্ব ইরানে চেঙ্গিস খানের সামরিক অভিযানের মাধ্যমে মুসলিম ভূখণ্ডে মঙ্গোলীয়দের অভিযান শুরু হয়।
- ১২৯৪ সালের মধ্যে তাদের সাম্রাজ্য চারভাগে বিভক্ত হয়- ১. ইউয়ান সাম্রাজ্য ২. চাগতাই খানাত ৩. সোনালি সাম্রাজ্য (Golden Horde), ৪. ইলখানদের এলাকা।

উল্লেখ্য, ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রায় ১২ মিলিয়ন বর্গ মাইল এরও বেশি অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল। কিন্তু তা অবিচ্ছিন্ন ছিল না। 

উৎস: i) Britannica.
৬,৪৫৬.
পূর্ব তিমুর স্বাধীনতা লাভ করে কোন দেশ থেকে?
  1. মালয়েশিয়া
  2. ফিলিপাইন
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. পর্তুগাল
ব্যাখ্যা
পূর্ব তিমুর:
- আনুষ্ঠানিক নাম "ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব টিমর-লেস্টে,"
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র।
- এটি তিমুর দ্বীপের পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- দেশটির আয়তন প্রায় ১৪,৯১৯ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ১.৩ মিলিয়ন।
- রাজধানী দিলি, এবং দেশটির প্রধান ভাষা টেটুন এবং পর্তুগিজ।
- পূর্ব তিমুর ২০০২ সালে ইন্দোনেশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটির অর্থনীতি কৃষিভিত্তিক এবং প্রধান রপ্তানি পণ্য কফি।
- এটি একটি সংবিধানিক প্রজাতন্ত্র, যেখানে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

উৎস: Britannica
৬,৪৫৭.
'শ্রী বিজয় পুরম' ভারতের কোন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের রাজধানী?
  1. দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দামান ও দিউ
  2. আন্দামান ও নিকোবার
  3. লাক্ষাদ্বীপ
  4. লাদাখ
ব্যাখ্যা
আন্দামান ও নিকোবার দ্বীপপুঞ্জ:
- বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত এই দ্বীপপুঞ্জ।
- জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি দখল করেছিলো।
- বর্তমানে এটি ভারতের কেন্দ্রশাসিত।
- রাজধানী: শ্রী বিজয় পুরম।
- মুদ্রা: রুপি।

⇒ ৫৭২টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত, যেগুলির মধ্যে মাত্র ৩৮টি জনবসতিপূর্ণ।
- অঞ্চলটি ইন্দোনেশিয়ার আচেহ থেকে ১৫০ কিমি উত্তরে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ আন্দামান সাগর দ্বারা থাইল্যান্ড ও মায়ানমারের থেকে বিচ্ছিন্ন।
- এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটি দু'টি দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এগুলি হল: আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ।
- ১৪৫ কিলোমিটার প্রশস্ত তিন ডিগ্রি চ্যানেল (১০° উত্তর অক্ষরেখার সঙ্গে সমান্তরাল) এই দুই দ্বীপপুঞ্জকে পৃথক করেছে।
- আন্দামান সাগর উভয় দ্বীপপুঞ্জেরই পূর্ব দিকে এবং বঙ্গোপসাগর পশ্চিম দিকে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
⇒ এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটির রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ার।
- আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারের নাম পরিবর্তন করে ‘শ্রী বিজয় পুরম’ করেছে ভারত সরকার।
- জাতিকে ঔপনিবেশিক ছাপ থেকে মুক্ত করতে নামের এ পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে নয়া দিল্লি।
- আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের প্রবেশ পথ এই পোর্ট ব্লেয়ার।

এছাড়াও,
⇒ বর্তমানে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ৮টি। এগুলো হলো:
১. লাদাখ (রাজধানী: লেহ), 
২. জম্মু ও কাশ্মীর (রাজধানী: শ্রীনগর/জম্মু), 
৩. দিল্লি (রাজধানী: দিল্লি), 
৪. দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দামান ও দিউ (রাজধানী: দামান),
৫. পুডুচেরি (রাজধানী: পুডুচেরি),
৬. চন্ডিগড় (রাজধানী: চন্ডিগড়),
৭. আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (রাজধানী: শ্রী বিজয় পুরম),
৮. লাক্ষাদ্বীপ (রাজধানী: কাভারাত্তি)।

উৎস: Britannica.
৬,৪৫৮.
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট লিখিত সংবিধান কোন দেশের?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. ভারত
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের সবচাইতে ছোট লিখিত সংবিধান হচ্ছে 'যুক্তরাষ্ট্র' এর সংবিধান।
- সংবিধানটি প্রণয়ণ করা হয় ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ১৭৮৭ সালে এবং কার্যকর হয় ৪ মার্চ, ১৭৮৯ সালে।
- সংবিধানটি মোট ২৭ বার সংশোধন করা হয়।
- নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত প্রথম সংশোধনকে বলা হয় - Bill of Rights.
- যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান রচনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জেমস মেডিসন।
- জেমস মেডিসনকে সংবিধান রচনার জনক বলা হয়ে থাকে। 

Source: Britannica
৬,৪৫৯.
প্রাচীন মিশরীয় সম্রাট বা রাজাদের উপাধি ছিল -
  1. নারমার
  2. জার
  3. ইখনাটন
  4. ফারাও
ব্যাখ্যা
ফারাও:
- প্রাচীন মিশরের সম্রাটদের 'ফারাও' বলা হতো।
- ফারাও শব্দের অর্থ বড় বাড়ি।
- বিশাল প্রাসাদে বসবাসকারী ফারাওদের মনে করা হতো ঈশ্বরের সন্তান।
- তাঁরা একই সঙ্গে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।
- মিশরের 'ফারাও' বা সম্রাটের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন রাজা মেনেস, প্রথমত আহমোজ, রাজা তুথমোস, সম্রাট ইখনাটন এবং প্রথম ও দ্বিতীয় র‍্যামেসিস।
- পরাক্রমশালী তৃতীয় র‍্যামেসিসের মৃত্যুর পর ফারাওদের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬,৪৬০.
কোন রাজ্যটি ভারতের সেভেন সিস্টার্সের অন্তর্ভূক্ত?
  1. সিকিম
  2. চণ্ডীগড়
  3. পাঞ্জাব
  4. নাগাল্যান্ড
ব্যাখ্যা
সেভেন সিস্টার্স:

- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য 'সেভেন সিস্টার্স' নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন।
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- আসামের মাধ্যমে রাজ্যগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।
৬,৪৬১.
আফ্রিকার পার্ল বলা হয় কোন দেশকে?
  1. ক) উগান্ডা
  2. খ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. গ) কেনিয়া
  4. ঘ) মিসর
ব্যাখ্যা

উগান্ডার সৌন্দর্য, বর্ণিল পরিবেশ এবং জীবনের বিচিত্র ধরণ দেখে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল একে পার্ল অব আফ্রিকা নাম দেন।
উৎসঃ বিবিসি

৬,৪৬২.
পাপুয়া নিউগিনি কোন দেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাস্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• পাপুয়া নিউগিনি:
- পাপুয়া নিউগিনি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।

- এটি ওশেনিয়া মহাদেশের মেলানেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত।
- স্বাধীনতার আগে পাপুয়া নিউগিনি অস্ট্রেলিয়ার অধীন ছিল।
-  ১৯০৫ সালে পাপুয়া নিউগিনি ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণ থেকে অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রনে আসে।
- ১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার নিকট থেকে দেশটি পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
- বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভাষার দেশ - পাপুয়া নিউগিনি।
- দেশটিতে প্রায় ৮৪০টি ভাষা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৬,৪৬৩.
Thirty Years War নিরসনে কোন চুক্তি সম্পাদিত হয়?
  1. পোটসডাম চুক্তি
  2. উত্তরের শান্তি চুক্তি
  3. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  4. ভার্সাই চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফালিয়া চুক্তির মাধ্যমে ত্রিশ বছরের যুদ্ধ সমাপ্ত হয়।

ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ ছিল ইউরোপের ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধগুলোর সর্বশেষ উদাহরণ।
- মূলত প্রোটেস্টান্ট জার্মানির ওপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গদের প্রভাব বজায় রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চাভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের আধিপত্য বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গদের পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের প্রধান শক্তিতে পরিণত করার প্রচেষ্টার ফলে এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়। ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা এবং ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের প্রায় সব দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ ত্রিশ বছর ধরে চলা এই সংঘাতে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৬৪৮ সালে যুদ্ধের বিপর্যস্ত অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি পৃথক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে। ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর স্বাক্ষরিত ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মযুদ্ধের অবসান ঘটে। 

অন্যদিকে: 

- প্রথম ভার্সাই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ব্রিটেন ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। - দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে। 
- উত্তরের শান্তি চুক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং নেটিভ আমেরিকান উপজাতিদের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছিল।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৬,৪৬৪.
ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি কোথায় অবস্থিত?
  1. মেক্সিকো
  2. জাপান
  3. ইতালি
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- ভিসুভিয়াস পর্বত (ইতালীয়: Monte Vesuvio, লাতিন ভাষায়: Mons Vesuvius) ইতালির নেপলস উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি আগ্নেয়গিরি
- নেপলস থেকে ৯ কিলোমিটার পূর্বে সমুদ্রউপকূলের খুব কাছে এর অবস্থান।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৬,৪৬৫.
'Alliance' কোন দেশভিত্তিক গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলোর সংগঠন?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের
  2. জার্মানির
  3. যুক্তরাজ্যের
  4. কানাডার
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন 'Alliance'।
'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি। প্রতিষ্ঠাকালে সংস্থাটির বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার মেয়াদ ছিল ৫ বছর।
অপরদিকে,‌ বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন 'Accord'।
৬,৪৬৬.
সাহিত্যে প্রথম নারী নোবেল বিজয়ী –
  1. ক) মেরি কুরি
  2. খ) সেলমা লাগেরলফ
  3. গ) ইলিনয় অস্ট্রম
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সেলমা লাগেরলফ (১৮৫৮৮-১৯৪০):
- সুইডেনের ভার্মল্যান্ডের ওস্ট্রা এমটারউইকে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তার বাবা একজন চাকুরীজীবী ছিলেন।
- তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাওয়া প্রথম নারী।
- তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান - ১৯০৯ সালে।
- তিনি একজন শিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন এবং ল্যান্ডসক্রোনার একটি স্কুলে কাজ করার সময় পার্ট টাইম জব হিসেবে লেখক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৬,৪৬৭.
বজ্রপাতের দেশ বলা হয় কোন দেশ কে?
  1. বাংলাদেশ
  2. থাইল্যান্ড
  3. জাপান
  4. ভুটান
ব্যাখ্যা

ভুটান:
- দক্ষিণ-মধ্য এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ ভুটান।
- থিম্পু ভুটানের রাজধানী।
- ২০০৮ সালে বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়।
- বজ্রপাতের দেশ বলা হয় ভুটানকে।

• বিভিন্ন দেশের ভৌগোলিক উপনাম:
- ক্যাঙ্গারুর দেশ- অস্ট্রেলিয়া।
- পিরামিড ও নীলনদের দেশ- মিশর।
- ম্যাপল পাতা ও লিলি ফুলের দেশ- কানাডা।
- সোনালি আঁশের দেশ- বাংলাদেশ।
- ভূমিকম্পের দেশ- জাপান।
- ভাটির দেশ- বাংলাদেশ।
- মরুভূমির দেশ- আফ্রিকা।
- মুক্তার দেশ- কিউবা।
- শ্বেতহস্তীর দেশ- থাইল্যান্ড।
- হাজার হ্রদের বা দ্বীপের দেশ- ফিনল্যান্ড।
- সাত পাহাড়ের দেশ- রোম, ইতালি।
- সূর্য উদয়ের দেশ- জাপান।
- নিশীথ সূর্যের দেশ- নরওয়ে।
- ল্যান্ড অব মার্বেল- ইতালি।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন- নিউজিল্যান্ড।
- অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ- আফ্রিকা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৬,৪৬৮.
আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু কোন দেশের বর্ণবাদী শাসনবিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের
  2. নাইজেরিয়ার
  3. দক্ষিণ আফ্রিকার
  4. রুয়ান্ডার
ব্যাখ্যা
• আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু:
- আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনবিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- ডেসমন্ড টুটু ছিলেন স্বদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত সেরা ব্যক্তিত্বদের একজন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসনবিরোধী সংগ্রামের প্রধান নায়ক নেলসন মান্ডেলার সমসাময়িক।
- ১৯৪৮ সাল হতে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গরা গাত্রবর্ণের ভিত্তিতে মানুষকে আলাদা করে যে বৈষম্যমূলক বর্ণবাদী শাসন চালিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক শক্তি।
- বর্ণবাদী শাসনের অবসান ঘটাতে দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষের সংগ্রামে তিনি যে অবদান রাখেন, সেজন্য তাকে ১৯৮৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়।

সূত্র: বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।
৬,৪৬৯.
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের দীর্ঘতম শাটডাউন কতদিন ছিল?
  1. ৩৪দিন
  2. ৩৭দিন
  3. ৪০দিন
  4. ৪৩দিন
ব্যাখ্যা

• ২০২৫ সালের, ১ অক্টোবর শুরু হওয়া শাটডাউনটি ৪৩ দিন দিয়ে শেষ হয়েছে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দীর্ঘতম সরকারী শাটডাউন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দীর্ঘতম সরকারী শাটডাউন:
- শাটডাউন শুরু: ১ অক্টোবর ২০২৫
- শেষ: ১২ নভেম্বর ২০২৫
- মোট সময়: ৪৩ দিন
- কারণ: বাজেট বিল পাসে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান পাক্ষিক মতপার্থক্য

- যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ অচলাবস্থার (শাটডাউন) অবসান ঘটিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১২ নভেম্বর, ২০২৫ সালে একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন।
- এর কয়েক ঘণ্টা আগে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে খাদ্যসহায়তা আবার চালু, লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারীর বকেয়া বেতন পরিশোধ এবং উড়োজাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের পক্ষে ভোট দেন কংগ্রেস সদস্যরা।

- রিপাবলিকান–নিয়ন্ত্রিত প্রতিনিধি পরিষদে ২২২–২০৯ ভোটে প্রস্তাবটি পাস হয়। 

উৎস: প্রথম আলো ও রয়েটার্স।

৬,৪৭০.
বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ কোনটি?
  1. আলাস্কা উপদ্বীপ
  2. ইন্দোচীন
  3. আফ্রিকার হর্ন
  4. আরব উপদ্বীপ
ব্যাখ্যা

আরব উপদ্বীপ:
- আরব উপদ্বীপ হলো বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ।
- এর আয়তন ১,২৫০,০০৬ বর্গ মাইল।
- এটি এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত।
- এবং আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি বিস্তীর্ণ আরব অঞ্চল।
- আরব উপদ্বীদের উত্তর অংশটি খ্রিস্টপূর্ব ৫২৫-৪০০ পর্যন্ত পারস্য সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।
- দক্ষিণ অংশটি প্রাচীন ইয়েমেন, সাবা ও শিমার রাজত্বের অধীন ছিল।
- এর পূর্বদিকে আরব উপসাগর,
- পশ্চিমে লোহিত সাগর,
- উত্তর-পশ্চিমে এডেন উপসাগর, ওমান উপসাগর এবং
- দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ভারত মহাসাগর অবস্থিত।

• বিশ্বের বৃহত্তম উপদ্বীপ:
1. আরব উপদ্বীপ,
2. ডেকান (ভারতীয়) উপদ্বীপ,
3. ইন্দোচীন,
4. আফ্রিকার হর্ন,
5. আলাস্কা উপদ্বীপ।

উৎস: World Atlas.

৬,৪৭১.
নিচের কোনটি নদীবিহীন দেশ?
  1. ইরাক
  2. মালদ্বীপ
  3. সিরিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
নদীবিহীন দেশ:
- পৃথিবীতে এমন কিছু দেশ আছে যেগুলোর কোনো নদী নেই।
- এগুলি বেশিরভাগই মরুভূমির দেশ।
- ১৯টি বিভিন্ন দেশ যেখানে স্থায়ী প্রাকৃতিক নদী নেই।
- যেমন: কমোরোস, জিবুতি, লিবিয়া, বাহামাস, বাহরাইন, কুয়েত, মালদ্বীপ, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইয়েমেন, মাল্টা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, কিরিবাতি, নাউরু, টোঙ্গা, টুভালু।
 
উৎস: WorldAtlas.
৬,৪৭২.
ফ্লোরিডা প্রণালী কোন দুটি দেশের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

• ফ্লোরিডা প্রণালী: 
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ যা মেক্সিকো উপসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত করে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবাকে পৃথক করেছে।  
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা কীজের (Florida Keys) উত্তরে এবং কিউবার দক্ষিণে অবস্থিত, যা পূর্বদিকে বাহামাস দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি একটি L-আকৃতির চ্যানেল যা ফ্লোরিডা উপদ্বীপকে কিউবা এবং গ্রেট বাহামা ব্যাঙ্ক থেকে পৃথক করে।



- ১৫১৩ সালে স্প্যানিশ অভিযাত্রী জুয়ান পন্সে দে লিওন প্রথমবার এই প্রণালী দিয়ে যাত্রা করেন।
এখান দিয়ে ফ্লোরিডা কারেন্ট (Florida Current) প্রবাহিত হয়, যা গাল্ফ স্ট্রিমের প্রারম্ভিক অংশ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৬,৪৭৩.
কোন আরব-ইসরাইল যুদ্ধকে ছয় দিনের যুদ্ধ বলা হয়?
  1. প্রথম আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  2. দ্বিতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  3. তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ
  4. চতুর্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- ১৯৬৭ সালে তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধ মাত্র ছয় দিন স্থায়ী হয়েছিল।
- একে তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধ বা ছয় দিনের যুদ্ধ বলা হয়।
- ১৯৬৭ সালের ৫ জুন ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়ে মিসরীয় বিমানবাহিনীর ৯০ শতাংশ ধ্বংস করে দেয়।
- ৬ জুন ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে গাজার পতন হয়। তখন ওই উপত্যকা মিসরের শাসনে ছিল।
- ৭ জুন ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সুয়েজ খালের পূর্ব তীর দখল করে।
- ৮ জুন ইসরায়েলি সেনারা সুয়েজ খালের তীরে পৌঁছায়।
- ৯ জুন ইসরায়েলিরা সুরক্ষিত গোলান হাইটসে অভিযান শুরু করে।
- এক দিনের প্রচণ্ড লড়াই শেষে তারা সিরীয় বাহিনীকে হটিয়ে গোলান মালভূমি দখল করে নেয়।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
প্রথম আলো।
৬,৪৭৪.
মিশরীয় সভ্যতার চিত্রলিপিকে কী বলা হয়?
  1. ওডিসি
  2. হায়ারোগ্লিফিক
  3. প্যাপিরাস
  4. ক্যালিওগ্রাফি
ব্যাখ্যা

• মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।

- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক ’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের কাণ্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- সেই কাগজের ওপর তারা লিখত। গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’।
- এই শব্দ থেকে ইংরেজি পেপার শব্দের উৎপত্তি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৪৭৫.
২০২১ সালে কোন দেশটি WHO এর সদস্যপদ ত্যাগ করবে?
  1. ক) চীন
  2. খ) ইসরাইল
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা
২০২১ সালের ৬ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র WHO (World Health Organization) এর সদস্যপদ ত্যাগ করবে। এ লক্ষ্যে ২০২০ সালের ৭ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘ মহাসচিবকে আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রদান করে।
এর আগে করোনা মহামারি মোকাবেলায় ব্যর্থতা এবং চীনের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে গত মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প WHO তে অর্থায়ন বন্ধ ও সদস্যপদ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
যুক্তরাষ্ট্র WHO তে প্রতিবছর প্রায় ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করে থাকে যা সংস্থাটির মোট বাজেটের প্রায় ১৫ শতাংশ।
তবে নবনির্বাচিত ৪৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার দায়িত্ব গ্রহণের পর পুনরায় WHO তে যোগদানের ঘোষণা দিয়েছেন।
(সূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজ রিপোর্ট।)
৬,৪৭৬.
কানাডার দুটি সরকারি ভাষা-
  1. ইংরেজি ও স্প্যানিশ
  2. ইংরেজি ও ফরাসি
  3. ইংরেজি ও জার্মান
  4. ফরাসি ও চীনা
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- কানাডা উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৮৬৭ সালে।
- রাজধানী: অটোয়া।
- মুদ্রার নাম: ডলার।
- রাষ্ট্রের প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস ও রাষ্ট্রের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: মার্ক কার্নি। 
- কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডার সরকারি ভাষা দুটি,-  ইংরেজি ও ফরাসি।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৬,৪৭৭.
'Land of Golden Pagodas' দেশ নামে পরিচিত-
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. থাইল্যান্ড
  3. মিয়ানমার
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

সোনালী প্যাগোডার দেশ:
- মিয়ানমারে অসংখ্য সোনালী রঙের প্যাগোডা ও স্তূপ ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতীক।
- এই বিরল ও বিস্ময়কর স্থাপত্যিক ঐতিহ্যের কারণে দেশটিকে 'Land of Golden Pagodas' বলা হয়।

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com

৬,৪৭৮.
Strategic Defense Initiative-এর প্রস্তাবক ছিলেন -
  1. জিমি কার্টার
  2. বিল ক্লিনটন
  3. জেমস অ্যালান আব্রাহামসন
  4. রোনাল্ড রিগ্যান
ব্যাখ্যা

Strategic Defense Initiative:
- Strategic Defense Initiative-এর প্রস্তাবক ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান।
- রোনাল্ড রিগ্যান ১৯৮৩ সালের ২৩ মার্চ ভূমি ও মহাকাশে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা হাতে নেন যা SDI (Strategic Defense Initiative) নামে পরিচিত।
- একে সমালোচকরা নক্ষত্র যুদ্ধ (Star War) এর পরিকল্পনা হিসেবেও অভিহিত করেন।
- এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিল, পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে মহাকাশে বা পৃথিবীতে ধ্বংস করার মাধ্যমে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষা করা।
- তাই, একে সমালোচকরা 'নক্ষত্র যুদ্ধ' (Star Wars) হিসেবেও অভিহিত করেন।
⇒ তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৬ সালের অক্টোবর মাসে আইসল্যান্ডের রাজধানী রিকজাভিকে (Reykjavík) এক শীর্ষ বৈঠকে বসেছিলেন।
- এটি ইতিহাসে “Reykjavik Summit” নামে পরিচিত।
- এই বৈঠকটি ইতিহাসে “Reykjavik Summit” নামে পরিচিত।
- এই বৈঠকে তারা পরমাণু অস্ত্র সীমিতকরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের “Strategic Defense Initiative (SDI)” বা ‘তারকাযুদ্ধ’ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

উলেখ্য, 
- বৈঠকে আনুষ্ঠানিক কোনো চুক্তি সম্পন্ন হয়নি কারণ রোনাল্ড রিগ্যান SDI বা ‘তারকাযুদ্ধ’ প্রকল্প পরিত্যাগ করতে রাজি হননি।
- তবে, এর সরাসরি ফলশ্রুতিতে ১৯৮৭ সালে INF Treaty (Intermediate-Range Nuclear Forces Treaty) স্বাক্ষরিত হয় যা ইউরোপ থেকে মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সরিয়ে নেওয়ার ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

⇒ ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং ঠান্ডাযুদ্ধের সমাপ্তির পর SDI প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে যায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং পরবর্তীতে রাশিয়ার সাথে সম্পর্কের উন্নতি এই প্রকল্পটির গুরুত্ব কমিয়ে দেয়, ফলে এটি কার্যকরভাবে স্তিমিত হয়ে যায়।
- তবে, SDI প্রকল্পের ধারণা এবং এর বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উদ্যোগগুলো পরবর্তীতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির বিকাশে কিছুটা প্রভাব ফেলেছিল।

উৎস: Britannica.

৬,৪৭৯.
নেলসন ম্যান্ডেলা কোন দ্বীপে কারান্তরীণ ছিলেন?
  1. ক) গ্যালাপোগাস দ্বীপে
  2. খ) কর্সিকা দ্বীপে
  3. গ) সেন্ট হেলেনা দ্বীপে
  4. ঘ) রোবেন দ্বীপে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬১ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র শাখা গঠন করেন।
- ১৯৬২ সালে বর্ণবাদী সরকার তাকে গ্রেফতার করে এবং ১৯৬৪ সালে অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
- প্রচন্ড প্রতিবাদের মুখে বর্ণবাদী সরকার ১৯৯০ সালে ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
- দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের মধ্যে ১৮ বছর তিনি দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের রোবেন দ্বীপে অন্তরীণ ছিলেন।
- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে জয় লাভ করেন এবং তিনি প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন‌।

উৎসঃ দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারি ওয়েবসাইট।

৬,৪৮০.
ফরাসি বিপ্লবের সময় 'থার্ড এস্টেট' বলতে কাদের বোঝানো হতো?
  1. অভিজাত শ্রেণি 
  2. রাজা ও তার পরিবার
  3. সাধারণ মানুষ
  4. ভিক্ষুক শ্রেণি
ব্যাখ্যা

- ফরাসি সমাজে 'থার্ড এস্টেট' ছিল সুবিধা বঞ্চিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষ, তাদের উপর করের বোঝা চাপানো হতো কিন্তু কোনো রাজনৈতিক অধিকার ছিল না।

ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব:
- সময়কাল- ১৭৮৯-১৭৯৯ সাল পযর্ন্ত।
- স্লোগান - স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব।
- ফরাসি বিপ্লবের সময়ে ফ্রান্সের রাজা ছিলেন - ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় - নেপোলিয়ানকে।
- বাস্তিল দূর্গের আক্রমনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয়।
- দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনির মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শুরু হয় বাস্তিল দূর্গের পতনের মাধ্যমে - ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।

৬,৪৮১.
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন কত সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে?
  1. ক) ১৯৬৫
  2. খ) ১৯৬৩
  3. গ) ১৯৬৯
  4. ঘ) ১৯৭০
ব্যাখ্যা
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন
- মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক ও বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী, একাডেমিশিয়ান, বিশেষজ্ঞ প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বৈশ্বিক নিরাপত্তাগত পলিসি, চ্যালেঞ্জ ও সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।
- ১৯৬৩ সাল থেকে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

- ৫৮তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন ২০২২ সালের ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পর মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রধান দুই উদ্যোক্তা এভাল্ড ভন ক্লাইস্ট ও হোর্স্ট টেল্টশিক এই সম্মেলনকে বিশ্বজনীন রূপ দেওয়ার প্রয়াসে নতুন রূপরেখা তৈরি করেন। 

তথ্যসূত্র:- সিকিউরিটি কনফারেন্স সংস্থা ওয়েবসাইট, প্রথম আলো।
৬,৪৮২.
‘কুতুব মিনার‘ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চীন
  2. খ) ভারত
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) বার্মা
ব্যাখ্যা
- কুতুব মিনার ভারতের দিল্লিতে অবস্থিত।
- শাহী দিল্লির আইকনিক স্থাপত্য কুতুব মিনারের নির্মাণ শুরু করেছিলেন কুতুবউদ্দিন আইবক, যিনি ছিলেন মুহম্মদ ঘোরীর একজন সেনাপতি।
১১৯২ সালে মুহম্মদ ঘোরীর কাছে পৃথ্বীরাজ চৌহানের পরাজয়ের পরই দিল্লিতে হিন্দু শাসনের অবসান হয়, আর তার কয়েক বছর পরেই শুরু হয় এই মিনারের নির্মাণকাজ।

উৎসঃ বিবিসি
৬,৪৮৩.
আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত গোপন অপারেশনের নাম কী?
  1. ক) Operation Geronimo
  2. খ) Operation Deep Freeze
  3. গ) Operation Odyssey Dawn
  4. ঘ) Operation Overlord
ব্যাখ্যা
• অপারেশন গেরোনিমো (Operation Geronimo): 
- আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে যে গোপন অপারেশনটি পরিচালিত হয়েছিল, তার কোড নাম 'অপারেশন গেরোনিমো'।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সি সিল্ক'-এর সদস্যরা ২০১১ সালের ২ জুন ভোরবেলায় পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ শহরের একটি ভবনে এই অপারেশনটি পরিচালনা করে।
- ওই ভবনে বিন লাদেনকে পাওয়া যায় এবং তাকে হত্যা করা হয়।
- পরে তার মৃতদেহ সাগরে ভাসিয়ে দেয়া হয়।
- দীর্ঘ ১০ বছর মার্কিন গোয়েন্দারা তাকে খুঁজছিল।

• অন্যদিকে: 
• অপারেশন ডিপ ফ্রিজ (Operation Deep Freeze-ODF):
- এন্টারটিকা মহাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেসব অভিযান পরিচালিত করেছে তা ‘অপারেশন ডিপ ফ্রিজ' নামে পরিচিত।

• অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn):
- লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম অপারেশন অডিসি ডন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।

অপারেশন ওভারলর্ড (Operation Overlord):
-  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সংঘটিত নরম্যান্ডি যুদ্ধের সাংকেতিক নাম ছিল- অপারেশন ওভারলর্ড।

সুত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান। 
৬,৪৮৪.
দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের নিচের কোন দেশটির ভাষা স্পেনিশ নয়?
  1. কলম্বিয়া
  2. আর্জেন্টিনা
  3. ব্রাজিল
  4. উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকার দেশসমূহের মধ্যে ব্রাজিলের অফিসিয়াল ভাষা পর্তুগিজ। দেশটি অতীতে পর্তুগালের উপনিবেশ ছিলো।

অন্যদিকে,
- কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ের ভাষা স্পেনিশ।
গায়ানার ভাষা : ইংরেজি
ফ্রেঞ্চ গায়ানার ভাষা : ফরাসি
- সুরিনামের ভাষা : ডাচ।
- অন্যান্য দেশসমূহের ভাষা : স্পেনিশ।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট)
৬,৪৮৫.
বিশ্বের সর্বাধিক 'ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট' কোন দেশে রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ইতালি
  2. চীন
  3. ভারত
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা

• সর্বাধিক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানভুক্ত দেশ: 
- হেরিটেজ সাইট বা ঐতিহ্যবাহী স্থান বলতে মূলত বোঝানো হয় বিশেষ ধরনের (মরুভূমি,দালান, পাহাড়,বন, স্মৃতিস্তম্ভ,হ্রদ,প্রাসাদ )। 
- ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা রয়েছে এসব স্থান।
- ইউনেস্কোর একটি প্রকল্প আছে, যার নাম ‘আন্তর্জাতিক বিশ্ব ঐতিহ্য প্রকল্প’।
- এই প্রকল্পের আওতায় ২১টি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি তালিকা প্রণয়নের কাজ করেন।
- এই প্রকল্পের কাজ হলো বিশ্বের নানা স্থানে ছড়িয়ে থাকা অনন্যসাধারণ সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক গুরুত্ববিশিষ্ট স্থানসমূহ চিহ্নিত করা।
- একই সঙ্গে তা একটি বৈশ্বিক তালিকায় নাম লিপিবদ্ধ করা। তালিকাভুক্ত স্থানসমূহকে পরবর্তী সময়ে শ্রেণীভুক্ত করা হয়।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই কমবেশি আছে ‘ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’।
- ইতালিতে বিশ্বের সর্বাধিক ‘ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট’ আছে। [ডিসেম্বর, ২০২৫]
 
• ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি World Heritage Sites থাকা দেশসমূহ: 
১) ইতালি → ৬০ টি
২) চীন → ৫৯ টি
৩) জার্মানি → ৫৪ টি
৪) ফ্রান্স → ৫৩ টি
৫) স্পেন → ৫০ টি

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ ওয়েবসাইট ও পত্রিকা।  (Link)

৬,৪৮৬.
সর্বপ্রথম বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছিল কোন দেশে?
  1. গ্রেট ব্রিটেন
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
বাজেট বৃত্তান্ত: 
- বাজেট হচ্ছে একটি দেশের সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের হিসাব।
- গ্রেট ব্রিটেনে সর্বপ্রথম বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- বাজেট শব্দটি এসেছে ফরাসি শব্দ বোওগেট থেকে। যার অর্থ চামড়ার ব্যাগ।
- ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায় ১৭২০ সালে ব্রিটেনের পার্লামেন্টে প্রথম জাতীয় বাজেট ও রাজস্বনীতি উত্থাপন করেন স্যার রবার্ট ওয়ালপোল।
- ১৮৩৩ সালে ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী কমন্স সভায় সর্বপ্রথম বাজেট পদ্ধতির গোড়াপত্তন করেন।
- আধুনিক বাজেটের প্রবর্তক ভারতীয় ভাইসরয়ের নির্বাহী পরিষদের অর্থসদস্য স্যার জেমস উইলসন।
- ১৮৬০ সালের ৭ এপ্রিল জেমস উইলসন কলকাতায় ভারতে ব্রিটিশ সরকারের প্রথম বাজেট বক্তৃতা দেন এবং ১৮৬০-৬১ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন। তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭২ সালের ৩০ জুন একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছিলেন।

উৎস: The Daily Star বাংলা (১২ জুন, ২০১৯)। 
বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ জুন, ২০২১)। 
৬,৪৮৭.
কোন বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে?
  1. রুশ বিপ্লব
  2. ফরাসি বিপ্লব
  3. হাইতি বিপ্লব
  4. শিল্প বিপ্লব
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৬,৪৮৮.
বলশেভিক বিপ্লবের প্রধান নেতা হিসেবে কে পরিচিত?
  1. লেনিন
  2. স্টালিন
  3. কার্ল মার্ক্সের 
  4. ম্যাক্সিম গোর্কি
ব্যাখ্যা

• রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে "১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব" (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে ও সমাজতন্ত্রের সূচনা ঘটে।

• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র: i) Britannica
ii) History.com

৬,৪৮৯.
অস্ট্রেলিয়া কোন দেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কানাডা
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহ‌ৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- বিখ্যাত জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।

উল্লেখ্য,
- অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- ১৯০১ সালে অস্ট্রেলিয়া ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বাধীন কমনওয়েলথ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান- ব্রিটেনের রাজা/রাণী।

উৎস: Britannica.
৬,৪৯০.
১৯৯৪ এর নববর্ষের ‍দিনে কার নেতৃত্বাধীন বাহিনী কাবুল শহর আক্রমন করে?
  1. নজবুল্লাহ
  2. আহমেদ শাহ মাসুদ
  3. আব্দুর রশীদ দোস্তাম
  4. গুলবুদ্দীন হেকমতিয়ার
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যার বর্তমান গ্রহণযোগ্যতা নেই। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

১৯৯৪ এর নববর্ষের ‍দিনে আব্দুর রশীদ দোস্তাম-এর নেতৃত্বাধীন বাহিনী কাবুল শহর আক্রমন করে।

আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান (Islamic Emirate of Afghanistan)।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- আফগানিস্তানে বসবাসরত সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠী হল পশতু জাতি।
- রাজধানী: কাবুল।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৯ সালে তৃতীয় ব্রিটিশ-আফগান যুদ্ধশেষে আফগানিস্তান দেশটি ব্রিটেন থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে।
- ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।

উৎস: National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
৬,৪৯১.
সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয় বিশ্বের কোন শহরকে?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) রোম
  4. ঘ) লাস ভেগাস
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসকে সিটি অব লাভ বলা হয়।
অন্যদিকে,
রোম : সাত পাহাড়ের শহর
নিউইয়র্ক : বিগ অ্যাপল/গগণচুম্বি অট্টালিকার শহর
লাসভেগাস : সিটি অভ সিন।
৬,৪৯২.
ইরাকের প্রাচীন নগরী 'ব্যাবিলন' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) নীলনদ
  2. খ) ইউফ্রেটিস
  3. গ) টাইগ্রিস
  4. ঘ) শাত-ইল-আরব
ব্যাখ্যা
তৃতীয় সহস্রাব্দের শেষের দিকে মেসোপটেমিয়ার ইউফ্রেটিস নদীর তীরে অবস্থিত, ইরাকের প্রাচীন নগরী ব্যাবিলনের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায়।
- যা ইরাকের বাগদাদ থেকে প্রায় ৫৫ মাইল কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত 
- এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে চিহ্নিত। 

খ্রিস্টপূর্ব ৫,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, সেই সময় আরাে কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এই নগর সভ্যতাগুলাের আলাদা আলাদা নাম থাকলেও, একই ভূখণ্ডে গড়ে ওঠার কারণে এদেরকে একত্রে মেসােপটেমীয় সভ্যতা বলা হয়।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসােপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত। 
- মেসােপটেমীয়ার অন্তর্ভুক্ত সভ্যতাসমূহ প্রাচীন মেসােপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
যেমন: সুমেরীয়, ব্যবিলনীয়, এ্যাসিরীয়, ক্যালডীয় ও আক্কাদীয় সভ্যতা।


উৎস: Britannica এবং মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৯৩.
Who has written 'Das Kapital'?
  1. Max Weber
  2. G.W.F Hegel
  3. Karl Marx
  4. Freidrich Engels
  5. Aristotle
ব্যাখ্যা
কার্ল মার্কস:
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সমাজতন্ত্র ও আধুনিক কমিউনিজমের জনক।
- তিনি লন্ডনে ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।

তার উল্লেখযোগ্য বই -
- The Communist Manifesto যা ১৮৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বই Das Kapital-এর লেখকও ছিলেন।
- মার্কস ও এঙ্গেলস-এর লেখাগুলো মার্কসবাদ নামে পরিচিত।
- কার্ল মার্ক্স এবং ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস-এর বিখ্যাত একটি বই 'The German Ideology'।

⇒ দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ:
- কার্ল মার্কস হলেন দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদের জনক।
- কার্ল মার্কস মনে করেন বস্তু সত্য।
- মার্কসবাদের মৌলিক উপাদানগুলির মধ্যে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ।
- দুটি পরস্পরবিরােধী শক্তির সংঘাতজনিত প্রক্রিয়াকে দ্বন্দ্ববাদ (Dialectics) বলা হয়।
- হেগেল প্রথম দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করেন।
- হেগেলের দ্বন্দ্ববাদ কার্ল মার্কস স্বীকার করে নিলেও সমাজ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মার্কস হেগেল কে অনুসরণ করেননি।
- তিনি নিজেই তার 'দাস ক্যাপিটাল' (Das Kapital) গ্রন্থে লিখেছেন যে, "My dialectics is opposite to Hegel's"!

উৎস: Britannica.
৬,৪৯৪.
মার্কিন রাজনীতিবিদ জোহরান মামদানির জন্মস্থান কোন দেশে?
  1. ভারত
  2. উগান্ডা
  3. সোমালিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• জোহরান মামদানি:
- জোহরান মামদানি উগান্ডায় ভারতীয় মা–বাবার সন্তান হিসেবে জন্মগ্রহণ করেছেন। উগান্ডা ও যুক্তরাষ্ট্রেরও নাগরিক তাঁরা।
- জোহরানের জন্ম উগান্ডায়।
- শিশু মামদানি বড় হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে।
- সাত বছর বয়সে মা–বাবার হাত ধরে তিনি নিউইয়র্কে চলে আসেন।
- বাবার নাম মাহমুদ মামদানি। তিনি ভারতে জন্ম নেওয়া উগান্ডার শিক্ষাবিদ ও নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
- জোহরানের মা মিরা নায়ার বিখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা।
- জোহরানের বয়স যখন পাঁচ বছর, তখন তাঁর পরিবার উগান্ডা থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় চলে যায়।
- সেখান থেকে নিউইয়র্ক।
- ২০১৮ সালের মধ্যে জোহরান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন, কিন্তু উগান্ডার নাগরিকত্বও রাখেন।
- তিনি এখনো নিয়মিতভাবে তাঁর পরিবারসহ উগান্ডা সফর করেন।
- অতিসম্প্রতি, জুলাইয়ে রমা দুওয়াজির সঙ্গে তাঁর বিয়ের অনুষ্ঠান উদ্‌যাপন করতে উগান্ডায় গিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- জোহরান মামদানি নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মেয়র হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণ করবেন ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে।
- ৪ নভেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত যে নির্বাচনে তিনি জিতেছেন, তা বিশ্বব্যাপী নজর কেড়েছে।

উৎস: প্রথম আলো। Link

৬,৪৯৫.
কোনটি মিশরীয় সভ্যতার অবদান?
  1. হায়ারোগ্লিফিক লিপি
  2. সৌর পঞ্জিকা
  3. প্যাপিরাস কাগজ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল নীল নদের তীরে।
- এই সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর। 
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে। 
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে। 
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা। 
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- তাদের চিত্রলিপিকে বলা হয় হায়ারোগ্লিফিক।
- চিকিৎসা শাস্ত্রে মিশরীয়রাই সর্বপ্রথম ‘মেটেরিয়া মেডিকা' বা ঔষুধের তালিকা প্রণয়নে সক্ষম হয়।
- প্যাপিরাস হলো পুরু কাগজের অনুরূপ একটি উপাদান যা প্রাচীন কালে লেখার পৃষ্ঠ হিসাবে ব্যবহৃত হত।
- প্রাচীন মিশরীয়রা প্যাপাইরাস গাছ থেকে প্যাপিরাস কাগজ তৈরি করেছিলেন। 

উৎস: i) Britannica.
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৯৬.
কার নেতৃত্বে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা আবিষ্কার করা হয়?
  1. ক) অঘলেম টুরেসি
  2. খ) সারাহ গিলবার্ট
  3. গ) হ্যামিল্টন বিনেট
  4. ঘ) আদর পুনেওয়ালা
ব্যাখ্যা
- আজ অবধি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা দ্বারা উদ্ভাবিত COVID-19 ভ্যাকসিনের দুই বিলিয়ন ডোজ 170 টিরও বেশি দেশে প্রকাশ করা হয়েছে।
- এটি বিশ্বব্যাপী মহামারী প্রতিক্রিয়ার একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক চিহ্নিত করে।
- ব্রেকথ্রুটি হৃদয়ে মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের সাথে যুক্তরাজ্যের গবেষণা এবং উদ্ভাবন কাউন্সিলের দীর্ঘ এবং স্বল্পমেয়াদী অর্থায়ন সমর্থন দ্বারা সমর্থিত হয়।
- সারাহ গিলবার্ট, জেনার ইনস্টিটিউটের ভ্যাকসিনোলজির অধ্যাপক এবং ভ্যাকসিন প্রকল্পের প্রধান বিজ্ঞানী, ভ্যাকসিনের বিকাশের তীব্র প্রাথমিক দিন থেকে মূল পরীক্ষার ফলাফল পর্যন্ত যাত্রা বর্ণনা করেছেন যা প্রমাণ করে যে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা কাজ করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৪৯৭.
'হাম্মুরাবির কোড' কোন সভ্যতার অবদান?
  1. মিশরীয়
  2. ব্যাবিলনীয়
  3. ক্যালডীয়
  4. অ্যাজটেক
ব্যাখ্যা
'হাম্মুরাবির কোড' ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবদান।

হাম্মুরাবি কোড:

- নগররাষ্ট্র ব্যাবিলন ছিল মেসোপটেমিয়ার কেন্দ্রবিন্দু।
- ১৭৬০ খ্রিষ্টপূর্ব বেশ কয়টি ধারাবাহিক যুদ্ধের পর ব্যাবিলনের শক্তিমান রাজা হাম্মুরাবি অন্য সব বিপক্ষ নগররাষ্ট্রগুলো গুঁড়িয়ে দেন।
- রাজা হাম্মুরাবি ১৭৯২ থেকে ১৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ব্যাবিলন শাসন করেন।

⇒ ২৮২টি আইনের সমন্বয়ে তৈরি, পাথরে খোদাই করা এই কোডটি ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া শাসনের জন্য তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত।
- এটি সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন।
- আইনগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী কাদামাটিতে লিখে আগুনে পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হতো।
- বিষয় অনুসারে আইনগুলো নানা শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। যেমন পারিবারিক বিষয়, বাণিজ্য, ধর্ম ও দাসপ্রথা।
- জনসাধারণ যদিও পড়তে জানত না, তবু আইনভঙ্গকারীদের দাঁত উপড়ে নেওয়া বা শূলে চড়ানোর মতো শাস্তি ভোগ করতে হতো।

উৎস: i) History.com
ii) প্রথম আলো।
৬,৪৯৮.
The currency of Japan is known as
  1. ক) Yen
  2. খ) Dollar
  3. গ) Renminbi
  4. ঘ) Ringgit
ব্যাখ্যা
- ইয়েন : জাপানের মুদ্রা

এছাড়াও 
- ইউয়ান : চীনের মুদ্রা
- রিঙ্গিত : মালয়েশিয়ার মুদ্রা
- উন : দক্ষিণ কোরিয়ার মুদ্রা।

(তথ্যসূত্র: দেশগুলোর সরকারি ওয়েবসাইট)
৬,৪৯৯.
ফিনিশীয় সভ্যতা কোন সাগরের তীরে গড়ে উঠেছিল?
  1. লোহিত সাগর
  2. কৃষ্ণসাগর
  3. ভূমধ্যসাগর
  4. মৃতসাগর
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন ফিনিশীয় সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব প্রায় তিন হাজার বছর পূর্বে ভূমধ্যসাগরের তীরে গড়ে উঠেছিলো। ভূমধ্যসাগর ও লেবানন পর্বতের মধ্যবর্তী স্থানে এ সভ্যতা গড়ে উঠে।
- টায়ার ও সিডন এ সভ্যতার দুটো বিখ্যাত বন্দর।
- আলেকজান্ডারের দ্বারা ফিনিশীয় সভ্যতার পতন ঘটে।
- ফিনিশীয়রা সভ্যতার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে পরিচিত। এছাড়া বর্ণমালা আবিষ্কারের জন্যেও ফিনিশীয়রা বিখ্যাত।
- তারা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালার উদ্ভাবন করেছিল।

(সূত্র: মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৬,৫০০.
১৯৭৯ সালের ইরানের বিপ্লবের নায়ক ছিলেন কে?
  1. ইব্রাহিম রাইসি
  2. আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি
  3. আয়াতুল্লাহ দাউদ খান
  4. শাহ পাহলভী
ব্যাখ্যা
ইরানের ইসলামিক বিপ্লব:
- এই বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯৭৯ সালে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের শাহ রাজতন্ত্রের পতন ঘটে।
- বিপ্লবের মাধ্যমে পাশ্চাত্যের প্রভাবমুক্ত হয়ে একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রে আবির্ভূত হয় ইরান।
- শেষ রাজা ছিলেন শাহ পাহলভী।
- ইরানের বিপ্লবের নায়ক ছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি।
- তিনি দীর্ঘদিন ফ্রান্সে নির্বাসিত ছিলেন।

উৎস: Britannica.