PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি
বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি
PrepBank · পাতা ৬৩ / ৯৩ · ৬,২০১–৬,৩০০ / ৯,৩৩৪
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা লাভের পূর্বে চিলি স্পেনের উপনিবেশ ছিল।
চিলি:
- লাতিন আমেরিকার দেশ চিলি।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের একটি দেশ।
- চিলি স্পেনের একটি উপনিবেশ ছিল।
- ১৮১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশটি স্পেনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হয়।
- এর মধ্য দিয়ে চিলিতে প্রায় ৩০০ বছরের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটে।
- চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো।
- চিলিকে 'কবিদের দেশ' বা 'land of poets' বলা হয়।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
• The United Kingdom (UK) is made up of England, Scotland, Wales and Northern Ireland.
• England Just like Wales and Scotland, England is commonly referred to as a country but it is not a sovereign state.
• The UK – a sovereign state that includes England, Scotland, Wales and Northern Ireland.
• Great Britain – an island situated off the north west coast of Europe.
• British Isles – a collection of over 6,000 islands, of which Great Britain is the largest.
• England – a country within the UK.
তথ্যসূত্র: ইউকে সরকারি ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- রেজা শাহ পাহলভী কে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇒ ১৯৭৯ সালে ইরানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে ১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯ সালে ইরানের তদানীন্তন সরকারের পতনের মাধ্যমে এই বিপ্লব পূর্ণতা লাভ করে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের তৎকালীন শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভীর পতন ঘটে।
- ১ এপ্রিল ১৯৭৯ খোমেনী ইরানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য,
- শেষ ইরানি রাজবংশ ছিল পাহলভী রাজবংশ ছিল।
- ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র হিসেবে দীর্ঘ আটাশ বছর এই রাজবংশ শাসন পরিচালনা করে।
- আর ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব পর্যন্ত স্বৈরাচারী রাজতন্ত্র হিসেবে ইরান শাসন করে।
- রাজনৈতিক অস্থিরতার ফলে ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭৯ তারিখে ইরানের ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয় ও রেজা শাহ পাহলভী ইরান ছেড়ে পালিয়ে যান।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি:
- ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলের একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি হচ্ছে ‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি।
- আগ্নেয়গিরিটি ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চলে আদ্দিস আবাবা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
- প্রায় ৫০০ মিটার উচ্চতার এ আগ্নেয়গিরি রিফট ভ্যালির মধ্যে অবস্থিত।
- প্রায় ১২ হাজার বছর নিষ্ক্রিয় থাকার পর প্রথমবারের মতো গত ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ এই আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে।
- এ অগ্ন্যুৎপাতের ধোঁয়া আকাশে ১৪ কিলোমিটার পর্যন্ত ওপরে উঠে যায়।
তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]
ব্যাখ্যা
- তিনি ১৩ অক্টোবর ১৯২৫ সালে ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি কনজারভেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টদের একজন ছিলেন।
- ১৯৭৯ সালে তিনি ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- ১৯৭৯, ১৯৮৩ এবং ১৯৮৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হন মার্গারেট থ্যাচার।
- তিনি 'লৌহ মানবী' নামে পরিচিত।
- তিনি ৮ এপ্রিল ২০১৩ সালে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: Britannica.com
ব্যাখ্যা
- অমর্ত্য সেন একজন ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান অমর্ত্য সেন।
উল্লেখ্য,
- ১৯৫১ সালে আইএসসি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তিনি ভর্তি হন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে এবং তারপর অর্থনীতি নিয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন ইংল্যাণ্ডে কেম্ব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।
এছাড়াও,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
ব্যাখ্যা
- 'কর্নারস্টোন অব পিস'-এই স্মৃতিসৌধটি ওকিনাওয়া , জাপান-এ অবস্থিত।
⇒ এটি বিশ্ব শান্তি এবং সহাবস্থানের একটি শক্তিশালী প্রতীক।
- স্মৃতিসৌধটি বিশেষভাবে ওকিনাওয়া যুদ্ধ (১৯৪৫) এবং তার পরবর্তী বিশ্ব শান্তির জন্য একটি স্মরণচিহ্ন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- স্মৃতিসৌধটি ১৯৯৫ সালে নির্মিত হয়।
উৎস: Rozenberg Quarterly।
ব্যাখ্যা
• ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম ও ৪৭তম রাষ্ট্রপতি।
- পুরো জীবনে তিনি ব্যবসা ও উদ্যোক্তা দক্ষতায় শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়েছেন, বিশেষ করে রিয়েল এস্টেট, ক্রীড়া এবং বিনোদন ক্ষেত্রে।
- তিনি বিস্ময়করভাবে তার প্রথমবারের প্রচেষ্টায়ই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, যা তার জন্য প্রথম রাজনৈতিক পদ ছিল।
- একাধিক হত্যাচেষ্টার সম্মুখীন হয়ে এবং আইনের অভূতপূর্ব অপব্যবহারের পরেও তিনি দ্বিতীয়বার বিজয়ী হন।
- পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়ার্টন স্কুল অফ ফিনান্স থেকে স্নাতক করার পর, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার বাবার পথ অনুসরণ করে রিয়েল এস্টেট জগতে প্রবেশ করেন এবং নিউইয়র্ক সিটিতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।
- প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একজন সফল লেখকও।
- তিনি চৌদ্দটির বেশি বেস্টসেলার বই লিখেছেন।
- তার প্রথম বই, 'দ্য আর্ট অফ দ্য ডিল (The Art of the Deal)' (২০০৯), ব্যবসায়িক ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
- তার অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে:
Time to Get Tough
The America We Deserve
Think Like a Billionaire
How to Get Rich
Surviving at the Top
The Art of the Comeback
The Art of the Deal
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশে আমেরিকান দূতাবাস ও গুগল বুকসের ওয়েবসাইট। (Link1) (Link2)
ব্যাখ্যা
ফারাও:
- প্রাচীন মিশরের সম্রাটদের 'ফারাও' বলা হতো।
- বিশাল প্রাসাদে বসবাসকারী ফারাওদের মনে করা হতো ঈশ্বরের সন্তান।
- তাঁরা একই সঙ্গে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।
- মিশরের 'ফারাও' বা সম্রাটের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন রাজা মেনেস, প্রথমত আহমোজ, রাজা তুথমোস, সম্রাট ইখনাটন এবং প্রথম ও দ্বিতীয় র্যামেসিস।
- পরাক্রমশালী তৃতীয় র্যামেসিসের মৃত্যুর পর ফারাওদের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে।
উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• Medal of Honor:
- মেডাল অব অনার (Medal of Honor) যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার।
- এটি প্রথম কংগ্রেসের অনুমোদনে নৌবাহিনীর জন্য ১৮৬১ সালে এবং সেনাবাহিনীর জন্য ১৮৬২ সালে প্রবর্তিত হয়।
- শুরুতে এটি শুধুমাত্র সৈনিকদের জন্য ছিল, তবে পরবর্তীতে অফিসাররাও এটি পেতে শুরু করেন।
- এটি তাদের প্রদান করা হয় যারা "অসামান্য সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগ" প্রদর্শন করেন।
⇒ সেনাবাহিনীর মেডাল: এটি শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য প্রদান করা হয়।
⇒ নৌবাহিনীর মেডাল: এটি যুদ্ধ এবং অযুদ্ধক্ষেত্র উভয়ের জন্য প্রদান করা হতো।
- ১৯৪২ সালের পর থেকে এটি শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য সীমাবদ্ধ।
⇒ মেডালের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি নীল ফিতার সঙ্গে ঝুলানো থাকে।
- ফিতার কেন্দ্রে ১৩টি সাদা তারা রয়েছে।
- প্রতিটি মেডালের পেছনে "The Congress to…" খোদাই করা থাকে।
- বিজয়ীর নাম মেডালে উল্লেখ করা হয়।
⇒ উল্লেখযোগ্যতা: এটি আত্মত্যাগ, বীরত্ব এবং নিষ্ঠার সর্বোচ্চ প্রতীক।
⇒ এছাড়াও,
- ব্রিটেনের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Victoria Cross (ভিক্টোরিয়া ক্রস)।
- ফ্রান্সের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Legion of Honor (লিজিয়ন অব অনার)।
- জার্মানির সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: The Cross of Honour for Valour (দ্য ক্রস অব অনার ফর ভ্যালোর)।
- ভারতের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব: Param Vir Chakra (পরম বীর চক্র)।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ।
ব্যাখ্যা
- তাইওয়ান সরকারীভাবে নাম: রিপাবলিক অব চায়না।
- ফরমোজার বর্তমান নাম তাইওয়ান।
- অবস্থান: এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ।
- যা তাইওয়ান প্রণালীর পূর্বে চীনা মূল ভূখন্ডের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৩,৯৭৬ বর্গ মাইল (৩৬,১৯৭ বর্গ কিমি)।
- ভাষা: ম্যান্ডারিন চাইনিজ (অফিসিয়াল), তাইওয়ানিজ, ফুকিয়েন এবং হাক্কা উপভাষায়ও কথা বলা হয়।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম, দাওবাদ, কনফুসিয়ানিজম, খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: নতুন তাইওয়ান ডলার।
বাণিজ্য:
- প্রধান রফতানি: ইলেক্ট্রনিক্স, পেনেল, জাহাজ ইত্যাদি।
- প্রধান বাজার: চীন (27%), হংকং (13%), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (10%) ।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
ব্যাখ্যা
- ভ্লাদিমির লেনিনের নেতৃত্বে বলশেভিক পার্টি ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ার ক্ষমতা দখল করে। এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে “১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব” (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।
• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।
সূত্র: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম
ব্যাখ্যা
বেলারুশ 'বাল্টিক রাষ্ট্র' নয়।
বাল্টিক রাষ্ট্র:
- বাল্টিক রাষ্ট্র বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল তথা বাল্টিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহকে বুঝায়।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে।
- দেশগুলো হলো: এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া।
এছাড়াও,
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহে আঞ্চলিক পর্যায়ে সহযোগিতার জন্য কিছু আন্তঃসরকার সংস্থা রয়েছে।
⇒ বাল্টিক সাগর:
- বাল্টিক সাগর ইউরোপের উত্তরাংশে অবস্থিত।
- এর চারদিকে স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপ, ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং ডেনমার্কের দ্বীপসমূহ অবস্থিত।
- পূর্বে এটি উত্তর মহাসাগরের সাথে যুক্ত।
- কৃত্রিম শ্বেত সাগর খালের মাধ্যমে এটি শ্বেত সাগরের সাথে যুক্ত।
- বাল্টিক সাগরের সাথে যেসব দেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে: ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, রাশিয়া, সুইডেন।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা,সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- ফরাসি বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
ব্যাখ্যা
• মঙ্গোলিয়া:
- পূর্ব এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ মঙ্গোলিয়া।
- এর উত্তরে রাশিয়া এবং দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিমে চীন অবস্থিত।
- রাজধানী: উলানবাটোর।
- মুদ্রা: টোগ্রোগ।
• নাইজেরিয়া:
- নাইজেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- এর পশ্চিমে বেনিন, পূর্বে চাদ ও ক্যামেরুন, উত্তরে নাইজার এবং দক্ষিণে গিনি উপসাগর অবস্থিত।
- রাজধানী: আবুজা।
- বৃহত্তম শহর: লেগোস।
- মুদ্রা: নাইজেরিয়ান নাইরা।
• লেবানন
- লেবানন এশিয়ার মধ্যপ্রাচ্যের একটি রাষ্ট্র।
- ভূমধ্যসাগরের পাড়ে অবস্থিত পশ্চিম এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: বৈরুত।
- মুদ্রা: পাউন্ড।
অন্যদিকে,
- ইস্তাম্বুল তুরস্কের রাজধানী নয়। তুরস্কের রাজধানী হলো আনকারা।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সালে শুরু হয় ও ১৯৪৫ সালে সমাপ্তি ঘটে।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, ইতালি, জাপান
- মিত্রশক্তি: ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, এবং আংশিকভাবে চীন
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অসমাপ্ত বিরোধের ফলস্বরূপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- এটি ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষ নিহত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব বৃদ্ধি, চীনে কমিউনিস্ট শাসনের উত্থান এবং পশ্চিম ইউরোপের শক্তি হ্রাসের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে সুপারপাওয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- ৬ আগস্ট ১৯৪৫: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হিরোশিমাতে প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলে, যেখানে ৭০,০০০+ মানুষ সঙ্গে সঙ্গে নিহত হয়।
- ৯ আগস্ট ১৯৪৫: নাগাসাকিতে দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়, যা জাপানকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে।
- স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা: যুদ্ধ শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা: ভবিষ্যতে বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধের জন্য ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা বিশ্ব রাজনীতির গতিপথ চিরতরে পরিবর্তন করে দেয়।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে ভোটাররা সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অংশগ্রহণ করেন না।
- নির্বাচনের ফলাফল ভোটারদের দেওয়া ভোটে সরাসরি নির্ধারিত হয় না। জাতীয় স্তরের নির্বাচনি লড়াইয়ের বদলে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হবে একেকটি অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনি লড়াইয়ের মাধ্যমে।
- যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের একটিতে জয়ী হওয়ার অর্থ একজন প্রার্থী সেই অঙ্গরাজ্যের সবকটি ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ ভোট পেয়ে যাবেন।
- ইলেক্টোরাল কলেজের মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮টি।
- মাইন ও নেব্রাসকা এই দুটো অঙ্গরাজ্য বাদে বাকি সবগুলো রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ দিলে যে প্রার্থী ২৭০টি বা তারও বেশি ভোট পাবেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।
- প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের বেশ কয়েকটি করে ইলেক্টোরাল ভোট থাকে, যা ওই অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার মোটামুটিভাবে সমানুপাতিক হয়।
- ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ৫৪টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট রয়েছে।
তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
১. আলবেনিয়া,
২. উত্তর মেসিডোনিয়া ও
৩. সার্বিয়া।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• বদরের যুদ্ধ
- সংঘটন কাল:- ৬২৪ খিস্টাব্দ (২য় হিজরী)।
- যুদ্ধের পক্ষ:- মুসলমান এবং মক্কার কুরাইশগণ।
- ইসলামের ইতিহাসে প্রথম যুদ্ধ। ৩১৩ জন মুসলিম সৈন্য মক্কার কুরাইশদের প্রায় ১০০০ সৈন্যকে হারিয়ে দেয়। এই যুদ্ধ জয়ের ফলে ইসলাম ধর্মের্র রাজনৈতিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৭ রমজান ঐতিহাসিক বদর দিবসকে পবিত্র কোরআনে ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা সত্য-মিথ্যা প্রভেদের দিন নামে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- উহুদের যুদ্ধ ৬২৫ খ্রিস্টাব্দ (৩য় হিজরী)
- খন্দকের যুদ্ধ ৬২৭ খিস্টাব্দ (৫ম হিজরী)
- খায়বারের যুদ্ধ ৬২৯ খিস্টাব্দ (৭ম হিজরী)
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- বৈশ্বিক সুখ সূচক ২০২৫ এর শীর্ষ দেশ ফিনল্যান্ড।
- সবচেয়ে সুখী দেশের তালিকায় ১৪৭ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৪তম।
- গত বছর ১৪৩ দেশের মধ্যে ১২৯তম অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ।
- বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড।
- টানা অষ্টমবার দেশটি সুখী দেশের তালিকায় এক নম্বর স্থান দখল করেছে।
- সবচেয়ে অসুখী দেশ আফগানিস্তান।
- ২০ মার্চ 'আন্তর্জাতিক সুখ দিবস' বা 'বিশ্ব সুখী দিবস'।
- প্রতিবছর UN Sustainable Development Solutions Network ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট প্রকাশ করে আসছে।
উৎস: UN Sustainable Development Solutions Network.
ব্যাখ্যা
সোনালী ভেড়ার দেশ
- অস্ট্রেলিয়া, যাকে গোল্ডেন ফ্লিসের দেশ বলা হয়, তার বিশাল ভেড়ার জন্য এই উপাধি অর্জন করেছে।
- ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণে অবস্থিত এই দেশটি সম্ভবত স্পষ্ট ভৌগোলিক কারণে "দ্য ল্যান্ড ডাউন আন্ডার" নামেও বেশি পরিচিত।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
উৎস:
i) Britannica.
ii) world population review.
ব্যাখ্যা
- চিচেন ইৎজা হলো মেক্সিকোর ইউক্যাটান পেনিনসুলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন পাথুরে শহর যা 'মায়া সভ্যতা'এর লোকেরা তৈরি করেছিলো।
- ক্লাসিক মায়া সভ্যতার যুগে পঞ্চম শতাব্দীতে চিচেন ইৎজা তৈরি হয় বলে ধারণা করা হয়।
- সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতক পর্যন্ত চিচেন ইৎজা ছিলো মায়া সভ্যতার অন্যতম প্রধান শহর।
- চিচেন ইৎজা বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম।
- ইউনেস্কো ১৯৮৮ সালে চিচেন ইৎজাকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে।
উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- আনোয়ার সাদাত সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার পান।
⇒ মিশর ও ইসরায়েল এর বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক স্বাভাবিক করা ও শান্তিপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্য গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ক্যাম্প-ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ সালে।
- যার ফলশ্রুতিতে মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাহেন বেগিন ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনিই প্রথম মুসলিম মনীষী যিনি নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
অন্যদিকে -
- প্রফেসর আব্দুস সালাম ১৯৭৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইয়াসির আরাফাত ও শিমন পেরেজ যৌথভাবে ১৯৯৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- নাগিব মাহফুজ ১৯৮৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
উৎস: নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• নরওয়ে,
• সুইডেন,
• ডেনমার্ক,
• ফিনল্যান্ড,
• আইসল্যান্ড,
• যুক্তরাজ্য,
• আয়ারল্যান্ড,
• লিথুয়ানিয়া,
• লাটভিয়া,
• এস্তোনিয়া,
⇒ পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ,
• বুলগেরিয়া,
• চেক প্রজাতন্ত্র,
• হাঙ্গেরি,
• পোল্যান্ড,
• মলদোভা,
• রোমানিয়া,
• রাশিয়া,
• স্লোভাকিয়া,
• ইউক্রেন,
তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
ব্যাখ্যা
Horns of Africa:
- 'Horns of Africa' আফ্রিকার শিং আফ্রিকার পূর্বতম অঞ্চল।
- Horn of Africa বলতে আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলের ৪টি দেশ বুঝায়।
- এহুলো হলো: ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, জিবুতি এবং সোমালিয়া।
অন্যদিকে,
- নাইজেরিয়া 'Horn of Africa' অঞ্চলে অবস্থিত নয়।
উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ব্যস্ততম নগরী নিউইয়র্ক।
- নিউইয়র্ক শহরকে বলা হয় বিশ্বের রাজধানী।
- এখানে জাতিসংঘের সদর দপ্তর রয়েছে।
- বৈশ্বিক বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এই শহর।
উৎস: নিওইয়র্ক টাইমস, ব্রিটানিকা
ব্যাখ্যা
উৎসঃ বার্ডের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- কৃষি বিপ্লব ছিল শিল্প বিপ্লবের পূর্ব শর্ত।
- এ বিপ্লবের ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং শ্রমিক হিসেবে কারখানায় নিয়োগের জন্য জনশক্তির অভাব হয় নি।
⇒ অষ্টাদশ শতাব্দীতে ব্রিটেনে এই বিপ্লব হয়েছিল।
- ব্রিটেনেও কৃষি বিপ্লবের চারটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
- প্রথমত, তা বৃহদায়তন এবং সুসংহত কৃষি ব্যবস্থার জন্ম দিয়েছিল।
- দ্বিতীয়ত, কৃষি বিপ্লবের ফলে চালু হয়েছিল সাধারণের ব্যবহারযোগ্য অথচ উর্বর চারণভূমিতে কৃষির প্রসার এবং সুনিবিড় পশুপালন।
- তৃতীয়ত, গ্রামীণ সমাজে এক বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটিয়েছিল কৃষিবিপ্লব। স্বনির্ভর কৃষকরা সাধারণভাবে রূপান্তরিত হয়েছিলেন কৃষি শ্রমিকে। তাঁদের জীবনযাত্রার মান নির্ভর করতে শুরু করল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের উপর। শুধু আবহাওয়াকে কেন্দ্র করে তাঁদের ভাগ্যের চাকা আবর্তিত হওয়ার দিনের অবসান ঘটাল কৃষিবিপ্লব।
- চতুর্থত, এই বিপ্লবের ফলে কৃষি উৎপাদনশীলতা বেড়েছিল উল্লেখযোগ্য হারে।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
যুদ্ধে জয়ী হয়ে একযোগে ক্ষমতায় আসেন তিন নেতা – অক্টেভিয়াস সিজার, মার্ক অ্যান্টনি এবং লেপিডাস। প্রাচীন রোমে তিনজনের মিলিত এ শাসন ‘ত্রয়ী শাসন’ নামে খ্যাত। ‘ত্রয়ী শাসন’ বেশি দিন টেকেনি।
৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমান সাম্রাজ্যের একচ্ছত্র অধিপতি হয়ে অক্টোভিয়াস সিজার ‘অগাস্টস (প্রথম সম্রাট) সিজার’ উপাধি গ্রহণ করেন। অগাস্টাস সিজারের রাজত্বকালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যীশুখ্রিস্টের জন্ম। রোমের শেষ সম্রাট ছিলেন রোমিউলাস অগাস্টুলাস।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি(উন্মুক্ত)
ব্যাখ্যা
- আধুনিক মালেশিয়ার স্থপতি যিনি মালেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন (১৯৮১ - ২০০৩ এবং ২০১৮ - ২০২০)।
- তিনি মালেশিয়াকে একটি শিল্পোন্নত দেশে রুপান্তরিত করেছেন।
- তিনি ১৯৬৪ সালে ‘United Malays National Organization' (UMNO) দল থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
- টেংকু আব্দুল রহমানের সাথে বিরোধের জের ধরে ১৯৬৯ সালে তাকে ‘UMNO’ থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে ১৯৭০ সালে আবার দলটিতে যোগদান করেন ৷
- মাহাথির মোহাম্মদ ন্যাশনাল অ্যালায়ান্সের (পিএন) মোহাম্মদ সুহাইমি আবদুল্লাহর কাছে পরাজিত হন। এই আসনের মোট ২৫ হাজার ৪৬৩ ভোটের মধ্যে সুহাইমি ১৩ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
- ৯৭ বছর বয়সী মাহাথির মাত্র ৪ হাজার ৫৬৬ ভোট পেয়েছেন। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন তিনি।
তথ্যসূত্র: Britannica & history.com
ব্যাখ্যা
- তাইওয়ান সরকারীভাবে নাম: রিপাবলিক অব চায়না।
- ফরমোজার বর্তমান নাম তাইওয়ান।
- অবস্থান: এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ।
- যা তাইওয়ান প্রণালীর পূর্বে চীনা মূল ভূখন্ডের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৩,৯৭৬ বর্গ মাইল (৩৬,১৯৭ বর্গ কিমি)।
- ভাষা: ম্যান্ডারিন চাইনিজ (অফিসিয়াল), তাইওয়ানিজ, ফুকিয়েন এবং হাক্কা উপভাষায়ও কথা বলা হয়।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম, দাওবাদ, কনফুসিয়ানিজম, খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: নতুন তাইওয়ান ডলার।
বাণিজ্য:
- প্রধান রফতানি: ইলেক্ট্রনিক্স, পেনেল, জাহাজ ইত্যাদি।
- প্রধান বাজার: চীন (27%), হংকং (13%), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (10%) ।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব (Liberty, Equality and Fraternity)-এর শ্লোগানে ১৭৮৯ সালে মহান বিপ্লব সংগঠিত হয়েছিল ফ্রান্সে।
- রাজতান্ত্রিক শোষণের বিরুদ্ধে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত এবং সশস্ত্র এ বিপ্লবের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল লুই সম্রাটের শাসন ও শোষণের পরিসমাপ্তি।
- ফ্রান্সের বর্তমান সংবিধানটিকে বলা হয় পঞ্চম প্রজাতান্ত্রিক সংবিধান (The Fifth Republic)।
- অর্থাৎ ফ্রান্সের এ 'পঞ্চম প্রজাতন্ত্র'-এর আগে আরও চারটি প্রজাতন্ত্র বা সাধারণতন্ত্র কায়েম হয়েছিল।
- ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৭৮৯ সালে।
- রাজশক্তির অপশাসন হটিয়ে মহান ফরাসী বিপ্লব যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করে তারই পথ ধরে ১৭৯২ সালে ফ্রান্সে নতুন একটি সংবিধান প্রণয়ন করা হয় এবং প্রথম প্রজাতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়।
- এরপর ১৯৪৮-এ ২য় প্রজাতন্ত্র, ১৮৭০-এ তৃতীয় প্রজাতন্ত্র, ১৯৪৬-এ চতুর্থ প্রজাতন্ত্র এবং ১৯৫৮ সালে পঞ্চম প্রজাতন্ত্রের সূত্রপাত হয়।
উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৪, বিএ ও বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
অন্যদিকে
গাম্বিয়া আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
গাম্বিয়ার রাষ্ট্রীয় নাম গাম্বিয়া ইসলামি প্রজাতন্ত্র।
গাম্বিয়ার রাজধানীর নাম বাঞ্জুল (Banjul)
[সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস]
ব্যাখ্যা
• বাবরি মসজিদ ভারতের উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যায় অবস্থিত মুঘল আমলের একটি স্থাপত্য।
• এটি মুঘল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মীর বাকী ১৫২৮ সালে নির্মাণ করেন।
• বিতর্কিত এই স্থান নিয়ে ‘রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট’ ও ‘সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড’ দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টের।
• অবশেষে গত ৯ নভেম্বর ২০১৯ বিতর্কিত এই জায়গায় রাম মন্দির তৈরির পক্ষে চূড়ান্ত রায় দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
• সেই সাথে মসজিদ তৈরি করার জন্য মুসলিম পক্ষকে অযোধ্যার মধ্যেই পাঁচ একর জমি দেয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
• অতঃপর ১০ জুন, ২০২০ শুরু হয় বিতর্কিত রাম মন্দির নির্মাণ।
তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে।
ব্যাখ্যা
- টাইগ্রিস নদীর তীরে আশুর নামে একটি শহর আসিরীয় সভ্যতা গড়ে উঠে।
-আসিরীয় সভ্যতার আদিবাসীরা আসিরীয় নামে পরিচিত।
- তারা প্র্রথম যুদ্ধরথের প্রচলন কর।
- প্রথম গোলন্দাজ বাহিনী গঠন করে- আসিরীয়রা।
- তারা বৃত্তকে ৩৬০ ডিগ্রি কোনে ভাগ করে ।
- পৃথিবীকে অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করে আসিরীয়রা।
- ইতিহসে আসিরীয়দের পরিচয়- সামরিক রাষ্ট্র হিসেবে।
- আসিরীয় সভ্যতা ধ্বংস হয়- ৬১২ অব্দ।
উৎস:
১.britannica.
২. ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর কারখানা:
- চীনকে 'পৃথিবীর কারখানা' (Factory of the World) বলা হয়।
• চীনকে বলা হয় ‘বিশ্বের কারখানা'।
- কারণ দেশটির বিভিন্ন কারখানায় তৈরি হয় ছোট-বড় নানান পণ্য। এগুলো সারা বিশ্বে রপ্তানি করা হয়।
- ১৯৭৬ সালে মাও সেতুংয়ের মৃত্যুর কয়েক দশকের মধ্যে চীনে অনেক কারখানা গড়ে ওঠে। সেগুলোই চীনের প্রবৃদ্ধির কারণ ছিল।
- কম উৎপাদন খরচ, দক্ষ শ্রমিক, উন্নত অবকাঠামো এবং বিশাল উৎপাদন ক্ষমতার কারণে চীন বিশ্বব্যাপী উৎপাদনে আধিপত্য বিস্তার করে।
উল্লেখ্য,
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে শিল্প বিপ্লবের সময় ইংল্যান্ডকে প্রথম বিশ্বের কারখানা হিসেবে গণ্য করা হতো।
উৎস: i) The Economist.
ii) Investopedia.
ব্যাখ্যা
No Fly Zone:
- আকাশসীমার কোনো অঞ্চলকে 'নো-ফ্লাই জোন' ঘোষণার অর্থ হলো সেখানে কোনো উড়োজাহাজ উড়তে পারবে না।
- সংবেদনশীল এলাকা যেমন রাজপ্রাসাদ রক্ষা করতে কিংবা কোনো খেলার আয়োজনে অথবা বড় সমাবেশের ক্ষেত্রেও স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য,
- ১৯৯১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইরাকে এমন একটি No Fly Zone স্থাপন করেছিল যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
এছাড়াও,
⇒ পৃথিবীর বিখ্যাত কয়েকটি ‘নো ফ্লাই জোন’:
- উত্তর কোরিয়া,
- কিউবা,
- মক্কা, সৌদি আরব,
- প্যারিস, ফ্রান্স,
- ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- পার্থেনন, গ্রীস,
- ডিজনি পার্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- বাকিংহাম প্যালেস এবং উইন্ডসর ক্যাসেল, যুক্তরাজ্য।
উৎস: i) De Gruyter ওয়েবসাইট।
ii) Worldatlas.
ব্যাখ্যা
- ২০১৯ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় আসেন।
- তিনি ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- তিনি ভারতের ১৪তম প্রধানমন্ত্রী।
উৎস: টাইমস্ অব ইন্ডিয়া রিপোর্ট ও নরেন্দ্র মোদী ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- কান্টাস এয়ারলাইন : অস্ট্রেলিয়া
- এয়ার ফ্রান্স : ফ্রান্স
- লুফথানসা : জার্মানি
(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
- ‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন সেলুকাসের প্রেরিত দূত।
- সিরিয়ার গ্রিক রাজা ছিলেন সেলুকাস।
- ‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা মেগাস্থিনিস।
- এই গ্রন্থে চন্দ্রগুপ্তের ব্যক্তিগত জীবন ও শাসন ব্যবস্থার বিস্তৃত বর্ণনা আছে।
- তিনি গ্রীক বিশ্বের কাছে পরিচিত ভারতের সবচেয়ে সম্পূর্ণ বিবরণ দিয়েছেন।
- মেগাস্থেনিসের কাজের প্রধান ত্রুটিগুলি ছিল -
- বিবরণে ভুল,
- ভারতীয় লোককাহিনীর একটি সমালোচনামূলক গ্রহণযোগ্যতা
- গ্রীক দর্শনের মানদণ্ডে ভারতীয় সংস্কৃতিকে আদর্শ করার প্রবণতা।
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় & ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ ধারণাটি মূলত জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসনের রাজনৈতিক ও সামরিক কৌশলের অংশ।
- যা সন্ত্রাসবাদ দমন ও প্রতিরোধে বিশ্বব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়।
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সংঘটিত ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এই ধারণা প্রবর্তন করেন।
- এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই শুরু করেন, যার নাম দেওয়া হয় War on Terror। এই লড়াইয়ের আওতায়:
• আফগানিস্তানে তালেবান সরকারকে উৎখাত করা হয়।
• ইরাকে সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হয়।
• গুয়ান্তানামো বে-তে সন্ত্রাসী সন্দেহভাজনদের আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
• USA PATRIOT Act ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ গঠনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
- এই নীতির ব্যাপক আন্তর্জাতিক ও সমালোচিত প্রভাব ছিল, এবং পরবর্তীকালে বারাক ওবামা এ ধারণাটি থেকে ধীরে ধীরে সরে আসেন।
তথ্যসূত্র: Britannica
ব্যাখ্যা
খালিস্তান রাষ্ট্র:
- খালিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যকে কেন্দ্র করে চলছে।
- শিখ সম্প্রদায়ের কিছু অংশ দাবি করছে যে পাঞ্জাবকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে একটি স্বাধীন শিখ রাষ্ট্র গঠন করতে হবে, যার নাম হবে "খালিস্তান"।
- ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির সময় থেকেই এই ধারণা আলোচনায় আসে।
- বিশেষ করে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে এই আন্দোলন সহিংস রূপ নেয় এবং এক দশকের বেশি সময় ধরে বিদ্রোহ চলে। ভারতের দৃষ্টিতে এটি একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী আন্দোলন, তবে সমর্থকদের মতে এটি একটি স্বাধীনতা সংগ্রাম।
- বর্তমানে এই আন্দোলন দেশের বাইরেও সক্রিয়, বিশেষ করে কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত শিখদের মধ্যে।
সূত্র: বিবিসি নিউজ ও দৈনিক জনকণ্ঠ।
ব্যাখ্যা
- শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ (Hundred Years' War) ছিল ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- ১৩৩৭ থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত চলা এক দীর্ঘ ও জটিল সংঘর্ষ।
- এটি মূলত ফ্রান্সের সিংহাসনের উত্তরাধিকার এবং ভূখণ্ডগত বিরোধের কারণে শুরু হয়েছিল।
• যুদ্ধের কারণ:
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড, ফ্রান্সের রাজা ফিলিপ চতুর্থের নাতি, ফ্রান্সের সিংহাসনে তার অধিকার দাবি করেছিলেন।
- ফ্রান্সের অভিজ্ঞান অনুযায়ী, তার দাবিকে অগ্রাহ্য করে ফিলিপ চতুর্থের পুত্র ফিলিপ ষষ্ঠকে সিংহাসনে বসানো হয়।
- এটি ইংল্যান্ডকে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে প্ররোচিত করে।
উল্লেখ্য,
- ফ্রান্সের রাজা চার্লস সপ্তমের নেতৃত্বে ফ্রান্স ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সফল প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- ফ্রান্সের জাতীয় পরিচয় ও শক্তি বৃদ্ধি পায়।
- ইংল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়,
- যা পরবর্তীতে 'রোজ যুদ্ধ' নামে পরিচিত গৃহযুদ্ধের সূচনা করে।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- উগান্ডা প্রজাতন্ত্র পূর্বাঞ্চলীয় আফ্রিকায় বিষুবরেখার উপর অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
- কাম্পালা উগান্ডার রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী।
- দেশটি পূর্বে কেনিয়া, উত্তরে সুদান, পশ্চিমে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, দক্ষিণ-পশ্চিমে রুয়ান্ডা এবং দক্ষিণে তানজানিয়া দ্বারা বেষ্টিত।
- উগান্ডার মুদ্রার নাম হচ্ছে শিলিং।
নিচে কিছু দেশের মুদ্রার নাম দেওয়া হলো:
দেশ ______মুদ্রার নাম
• সুইডেন - ক্রোনা
• তুরস্ক - লিরা
• লিবিয়া - দিনার
• মিশর - পাউন্ড
• নাইজেরিয়া - নাইরো
• সুদান - পাউন্ড
• কেনিয়া - শিলিং
• মোজাম্বিক - মেটিকাল
• মাদাগাস্কার - ফ্রাংক
• মালি - ফ্রাংক
• মৌরিতানিয়া - উজুইয়া
• নামিবিয়া - র্যান্ড
• সোয়াজিল্যান্ড - লিলানগিনি
• তাঞ্জানিয়া - শিলিং
• জিম্বাবুয়ে - ডলার
• কঙ্গো - জায়ার
• মরক্কো -দিরহাম
• উগান্ডা - শিলিং
• মরিসাস - রুপী
• দক্ষিণ আফ্রিকা - র্যান্ড
• ঘানা -সেডি
• আইভরিকোস্ট - ফ্রাংক
উৎস: worldatlas website.
ব্যাখ্যা
- ২০১৪ সালে রাশিয়া কর্তৃক ক্রিমিয়া অধিগ্রহণের পর থেকে দোনেস্ক ও তার পার্শবর্তী লুহাস্ক অঞ্চলে রুশ সমর্থিত মিলিশিয়ারা স্বশাসন ঘোষণা করে অঞ্চলটির উপর নিজেদের নিয়্ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
- ২০১৫ সালে মিনস্ক চুক্তির মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও সম্প্রতি অঞ্চলটিতে পুনরায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
- রাশিয়া কর্তৃক ইউক্রেন সীমান্তে ব্যাপক রণ প্রস্তুতি পরিস্থিতিকে ক্রমেই জটিল করে তুলছে। পশ্চিমাবিশ্ব ও ন্যাটো জোট রাশিয়ার ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছে।
(তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে)
ব্যাখ্যা
- গেটিসবার্গ শহরের সাথে বিখ্যাত মার্কিন প্রেসিডেন্টের আব্রাহাম লিংকন এর নাম ঐতিহাসিকভাবে জড়িত।
- আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গ ভাষণ দিয়েছিলেন।
আব্রাহাম লিংকন:
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম রিপাবলিক দলের প্রেসিডেন্ট।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাস প্রথা বিলুপ্ত করেন এবং ক্রীতদাসদের স্বাধীন নাগরিকের মর্যাদা দেন।
উল্লেখ্য,
- ১৯ নভেম্বর ১৮৬৩ তারিখে গেটিসবার্গের ভাষণ আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- শব্দ ছিল মাত্র ২৭২টি।
- কিন্তু তার শিহরণ লেগেছিল গোটা বিশ্বে।
- তার বিখ্যাত উক্তি: ‘বুলেটের চাইতেও ব্যালট শক্তিশালী’ ও ‘Democracy is a government of the people, by the people and for the people’
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
এগুলো নেপাল ও বাংলাদেশের মাঝে অবস্থিত অত্যন্ত সরু চিকেন নেক বা শিলিগুড়ি করিডোর দ্বারা ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে সংযুক্ত।
রাজ্যগুলো হলোঃ
- আসাম,
- মেঘালয়,
- অরুণাচল,
- মনিপুর,
- নাগাল্যান্ড,
- ত্রিপুরা এবং
- মিজোরাম।
(সূত্রঃ গ্লোবাল সিকিউরিটি সংস্থার ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
অপরদিকে-
- নরওয়ের মুদ্রার নাম- ইউরো।
- রাশিয়ার মুদ্রার নাম- রুবল।
- মায়ানমারের মুদ্রার নাম- বাথ।
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
ব্যাখ্যা
সিচেলিসের রাজধানী : ভিক্টোরিয়া
সাইপ্রাসের রাজধানী : নিকোশিয়া
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ : পোর্ট ব্লেয়ার
পাপুয়া নিউগিনির রাজধানী : পোর্ট মোর্সবি।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তানের হাইপারস্পেকট্রাল স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ:
- ১৯ অক্টোবর, ২০২৫ সালে চীনের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে পাকিস্তান তাদের প্রথম হাইপারস্পেকট্রাল স্যাটেলাইট (এইচএস-১) উৎক্ষেপণ করেছে।
- দেশটির মহাকাশ সংস্থা একে 'একটি যুগান্তকারী সাফল্য' বলে বর্ণনা করেছে।
- জার্নাল অব কম্পিউটেশনাল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড নিউরোসায়েন্সে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, 'হাইপারস্পেকট্রাল ইমেজিং হল এক ধরণের উন্নত ক্যামেরা বা প্রযুক্তি, যা পৃথিবী ও মহাকাশ বিজ্ঞানের জন্য উপগ্রহে ব্যবহৃত হয়।
- এটি আলোর ক্ষুদ্র পার্থক্য শনাক্ত করতে পারে, যা মানুষের চোখ, এমনকি সাধারণ উপগ্রহও দেখতে পায় না।
উৎস: সমকাল পত্রিকা রিপোর্ট।
ব্যাখ্যা
- এই হ্রদগুলি হল সুপিরিয়র, মিশিগান, হুরন, ইরি এবং অন্টারিও।
- তারা বিশ্বের সর্ববৃহৎ মিঠা পানির পৃষ্ঠভূমি নিয়ে গঠিত, যা প্রায় ৯৪,২৫০ বর্গমাইল (২৪৪,১০৬ বর্গকিলোমিটার) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি যুক্তরাজ্যের এলাকা থেকেও বড়।
- এই হ্রদগুলি কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রাকৃতিক সীমান্ত গঠন করে, তবে মিশিগান হ্রদ সম্পূর্ণরূপে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অবস্থিত।
- গ্রেট লেকস সেন্ট লরেন্স জলবিদ্যুৎ ব্যবস্থার অংশ, যা মিনেসোটার সেন্ট লুইস নদী থেকে শুরু করে হ্রদ ও সেন্ট লরেন্স নদী পেরিয়ে শেষ - পর্যন্ত আটলান্টিক মহাসাগরের গালফ অব সেন্ট লরেন্সে গিয়ে মিশেছে।
- এই হ্রদগুলি উত্তর আমেরিকার ইতিহাস ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- এগুলি অনুসন্ধান, বাণিজ্য ও বসতি স্থাপনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে কাজ করেছে।
- শিল্পোন্নয়নে তারা কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করলেও পরিবেশগত সমস্যা, যেমন দূষণ ও পরিবেশগত ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে।
উৎস: Britannica
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার কিং:
- মার্টিন লুথার কিং ছিলেন আফ্রিকান-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানবাধিকার কর্মী।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা ছিলেন মার্টিন লুথার কিং।
- তিনি বর্ণবৈষম্য বিলোপ, শান্তি ও নাগরিক অধিকারের জন্য নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করেছিলেন।
উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান-আমেরিকানদের মৌলিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট এক বিরাট মিছিলের নেতৃত্ব দেন, যা ‘1963 March on Washington’ নামে পরিচিত।
- মিছিল শেষে ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়াল মঞ্চে তিনি এ ভাষণটি দেন তা ছিল বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে।
- তিনি বলেছিলেন, ‘I have a dream that my four little children will one day live in a nation where they will not be judged by the color of their skin but by the content of their character.’
- ভাষণটি সবাই এখন 'I have a dream' শিরোনামে জানে।
- এই ভাষণে উঠে এসেছে নিগ্রোদের প্রতি অত্যাচারের কথা, তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা।
- মার্টিন লুথারের ওই ভাষণের পর আমেরিকায় বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অনেক আইন তৈরি হয়।
অন্যদিকে,
- উইনস্টন চার্চিল: We Shall Fight on the Beaches.
- নেলসন ম্যান্ডেলা: I Am Prepared to Die.
- আব্রাহাম লিঙ্কন: Gettysburg Address.
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
ব্যাখ্যা
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- কানাডা দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- তৃতীয় স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র।
- চতুর্থ স্থানে রয়েছে চীন।
- পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে ব্রাজিল, যা দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশ।
জনসংখ্যায় পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ:
- পৃথিবীর জনসংখ্যার দিক থেকে বৃহত্তম দেশ হলো ভারত।
- এছাড়া, চীন জনসংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
সূত্র:- ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।
ব্যাখ্যা
→ ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের বস্ত্রশিল্প ধ্বংস হয়।
শিল্প বিপ্লব:
- শিল্প বিপ্লব সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে সংঘটিত হয়।
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার নানা রকম কারণের মধ্যে একটি বড় কারণ ছিল পুঁজির জোগান।
- অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমে ইংল্যান্ডে এবং পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদনব্যবস্থায় যে আমূল পরিবর্তন ঘটানো হয়, তা-ই শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত।
- ১৭৬০ সালে শুরু হওয়া শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে শিল্পায়নের সূত্রপাত।
- ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে যা ব্যাপক কলেবরে বৃদ্ধি পায়।
- ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ পেয়েছে আলোকিত বিশ্ব।
- ১৮৪৫ সালে আবার শিল্প বিপ্লব কথাটি ব্যবহার করেন জার্মান সমাজতন্ত্রী দার্শনিক ফ্রেডরিখ অ্যাঙ্গেলস।
- ১৮৮০ থেকে ৮১ সালে শিল্প বিপ্লব কথাটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি তাঁর লেখা 'Lectures on the Industrial Revolution in England' গ্রন্থে ব্যবহারের মাধ্যমে।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও যুক্তরাজ্যের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ কোরিয়র রাষ্ট্রীয় নাম - রিপাবলিক অব কোরিয়া।
- দক্ষিণ কোরিয়া পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র
- স্বাধীনতা লাভ করে - ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে।
- সরকার পদ্ধতি - সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র।
- প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নাম - ব্লু হাউজ।
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট - সিগম্যান রী।
- জাপান ও কোরিয়াকে পৃথক করেছে - কোরিয়া প্রণালি।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• ওশেনিয়া (Oceania):
- ওশেনিয়া হলো প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপসমূহের একটি সম্মিলিত নাম।
- এটি মূলত এশিয়া ও আমেরিকার মধ্যবর্তী বিশাল জলভাগে বিস্তৃত দ্বীপ অঞ্চলকে নির্দেশ করে।
- সাধারণভাবে ওশেনিয়া বলতে রিউকিউ, কুরিল, আলেউটিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও জাপান দ্বীপমালাকে বোঝানো হয় না।
- তাছাড়া ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও তাইওয়ানকেও এর অন্তর্ভুক্ত ধরা হয় না, কারণ ঐ দ্বীপগুলির মানুষ ও সংস্কৃতি এশীয় মূলভূখণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ওশেনিয়াতে প্রায় ১০,০০০-এরও বেশি দ্বীপ রয়েছে।
- অস্ট্রেলিয়া বাদে (কিন্তু পাপুয়া নিউগিনি ও নিউজিল্যান্ডসহ) এর মোট স্থলভাগ প্রায় ৩,১৭,৭০০ বর্গমাইল (৮২২,৮০০ বর্গকিলোমিটার)।
• ঐতিহ্যগতভাবে ওশেনিয়াকে চারটি প্রধান অংশে ভাগ করা হয়-
(১) অস্ট্রালেশিয়া (Australasia): অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।
(২) মেলানেশিয়া (Melanesia)
(৩) মাইক্রোনেশিয়া (Micronesia)
(৪) পলিনেশিয়া (Polynesia)
তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
▪ ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে কিরগিজস্তানে নির্বাচনে কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
▪ ক্ষমতাবদলকে কেন্দ্র করে ২০০৪ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইউক্রেনে সংঘটিত কিছু সরকার বিরোধী আন্দোলনকে “কমলা বিপ্লব” বা অরেঞ্জ রেভুলুশ্যন বলে।
▪ ভেলভেট বিপ্লব সংঘটন হয় ১৭ নভেম্বর - ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সাল। সংঘটন স্থান – চেকোস্লোভাকিয়া (বর্তমানে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া)।
তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
ব্যাখ্যা
- ১৯২৫ সালে এটির প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয়। ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় খণ্ড।
- এই বইয়ে হিটলার তার রাজনৈতিক আদর্শ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত ''আই হ্যাভ এ ড্রিম'' ভাষণটি প্রদান করেন।
• ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
• ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।
তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ফোনের কথাবার্তা, হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাট, ছবি, কী তথ্য আছে সবই জানা যায়। মোবাইল যিনি ব্যবহার করছেন তিনি কিছুই জানতে পারেন না।
- সম্প্রতি বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত এই সফটওয়্যারটি নাম - পেগাসাস (Pegasus)।
- সাধারণত ফোনে একটি ওয়েবসাইটের লিংক পাঠানো হয়। সেই লিংকে ক্লিক করলেই পেগাসাস ডাউনলোড হয়ে যায়।
- হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস বা ভিডিও কল করেও পেগাসাস যে কোনো ফোনে ইনস্টল করা যায়।
সম্প্রতি ভারত, বাংলাদেশ সহ আরো অনেক দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই স্পাইওয়্যার নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
উৎস: NDTV ও আল জাজিরা প্রতিবেদন।
ব্যাখ্যা
- চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান 'চাণক্য' বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত।
- চাণক্য খ্রিস্টপূর্ব ৩৭০ অব্দে জন্ম গ্রহণ করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতির দিকপাল ও ভারতের ম্যাকিয়াভ্যালি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- চন্দ্রগুপ্তের এবং বিন্দুসারের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। - তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল অর্থশাস্ত্র (১৫ খন্ডে) ও চাণক্যনীতি।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা এস এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
- হিউম্যান কম্পোস্টিং, যা প্রাকৃতিক জৈব হ্রাস নামেও পরিচিত, একটি দাফন পদ্ধতি যা মানবদেহকে পুষ্টি সমৃদ্ধ মাটিতে হ্রাস করার সাথে জড়িত।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এবং ক্যালিফোর্নিয়া মানব কম্পোস্টিংকে ৬টি রাজ্য বৈধতা দেয়।
- মানব কম্পোস্টিং এর প্রতিষ্ঠাতা ক্যাটরিনা স্পেড।
- ক্যাটরিনা স্পেড ধারণাটি প্রকাশ করেন ২০১৩ সালে।
উৎস: দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
• সাহারা মরুভূমি:
- সাহারা মরুভূমির নামটি এসেছে আরবি শব্দ ‘সাহরা’ থেকে যার অর্থ ‘মরুভূমি’।
- এটি আফ্রিকার প্রায় এক তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।
- সাহারা হল বিশ্বের বৃহত্তম মরুভূমি, যার আয়তন ৩.৫ মিলিয়ন বর্গ মাইল (৯ মিলিয়ন বর্গ কিমি)।
- মরুভূমিটি আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং সুদান সহ ১১টি উত্তর আফ্রিকার দেশের বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে।
- সাহারা পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর দ্বারা , উত্তরে আটলাস পর্বতমালা এবং ভূমধ্যসাগর দ্বারা , পূর্বে লোহিত সাগর দ্বারা এবং দক্ষিণে সাহেল দ্বারা সীমাবদ্ধ।
উৎস: Worldatlas.com
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানের এক ব্যবসায়ী মানসুর ইজাজ ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকায় লেখা এক কলামে লিখেন যে, গত বছরের শুরুর দিকে পাকিস্তানি এক কূটনীতিককে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগে একটি ‘মেমো' পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল৷ ঐ মেমোতে সামরিক বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্কিন সহায়তা চাওয়া হয়েছিল৷
- তথ্যটি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সরকারের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়৷ যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরণের মেমোর কথা অস্বীকার করা হয়েছে৷ পরবর্তীতে ঐ কূটনীতিকের নামও প্রকাশ করেন কলামিস্ট ইজাজ৷
- সেসময়ে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হুসেইন হাক্কানিকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল বলে জানান ইজাজ৷ হাক্কানি অবশ্য এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন৷
- তবে তিনি তাঁর পদ থেকে সরে দাঁড়ান৷ সেই থেকে মেমোগেট কেলেঙ্কারি পাকিস্তানে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে৷ এর ফলশ্রুতিতে কেলেঙ্কারির আসল ঘটনা বের করতে সুপ্রিম কোর্টে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে৷
সূত্র: ডয়চে ভেলে
ব্যাখ্যা
- রোমান সম্রাটদের উপাধি ছিলো সিজার
- প্রাচীন মিশরীয় সম্রাট বা রাজাদের উপাধি ছিলো ফারাও।
- রাশিয়ার সম্রাটদের জার নামে অভিহিত করা হতো।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং হিস্টোর ডটকম।
ব্যাখ্যা
চার্লস III (জন্ম: ১৪ নভেম্বর ১৯৪৮, বাকিংহাম প্যালেস, লন্ডন):
- তৃতীয় চার্লস ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ থেকে যুক্তরাজ্যের রাজা।
- তিনি রানি এলিজাবেথ II এবং প্রিন্স ফিলিপের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- ৭৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- ৭০ বছরের মধ্যে প্রথম রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠিত হয় ৬ মে ২০২৩।
- তিনি ব্রিটেনের ৪০তম রাজা।
- সিংহাসনে বসার পর, চার্লস তার বড় ছেলে উইলিয়ামকে প্রিন্স অব ওয়েলস উপাধি প্রদান করেন।
- ব্রিটেনকে বলা হয় গণতন্ত্রের সূতিকাগার এবং সেখানে সকলের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে।
- রাজা যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্র-প্রধান।
- তবে তার ক্ষমতা প্রতীকী এবং আনুষ্ঠানিক।
- তিনি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেন।
- প্রতিদিন ব্রিটিশ সরকারের কাজের রিপোর্ট তার কাছে লাল রঙের চামড়ার একটি বাক্সে করে পাঠানো হয়, যার মধ্যে থাকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বৈঠকের আগে সে সম্পর্কে ব্রিফিং, অথবা কাগজপত্র যাতে তার স্বাক্ষর করা প্রয়োজন।
- সাধারণত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী প্রতি বুধবার বাকিংহাম প্রাসাদে গিয়ে রাজার সঙ্গে দেখা করে তার সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে রাজাকে অবহিত করেন।
- এসব বৈঠক একান্ত ব্যক্তিগত এবং সেখানে যেসব কথাবার্তা হয় সেগুলোর আনুষ্ঠানিক কোনো রেকর্ড রাখা হয় না।
- রাজা তৃতীয় চার্লস তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে জার্মানি গিয়েছিলেন যেখানে তিনি পার্লামেন্টে ভাষণ দিয়েছেন।
- তিনিই প্রথম ব্রিটিশ রাজা যিনি জার্মান পার্লামেন্টে ভাষণ দিলেন।
- ব্রিটিশ রাজা কমনওয়েলথেরও প্রধান।
- ৫৬টি স্বাধীন দেশ নিয়ে এটি গঠিত এবং এই কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মোট জনসংখ্যা প্রায় ২৫০ কোটি।
- ব্রিটেনের রাজা এই কমনওয়েলথ দেশগুলোর মধ্যে ১৪টির রাষ্ট্র-প্রধান।
- কমনওয়েলথের ১৫টি দেশে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চার্লসই রাজা।
দ্বিতীয় এলিজাবেথ:
- ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ৯৬ বছর বয়সে মারা যান।
- তিনি দীর্ঘ সত্তর বছর ব্রিটেনের সিংহাসনে আসীন ছিলেন।
- ব্রিটেনের রাজা-রানিদের প্রায় ১,২০০ বছরের ইতিহাসে কেউ এত দীর্ঘ সময় সিংহাসনে অধিষ্ঠ ছিলেন না।
উৎস: বিবিসি বাংলা
Britannica.
ব্যাখ্যা
- ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রােমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রােমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- রােমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ’ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- ৭৫৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দে জার্মান বর্বর জাতিগুলোর হাতে রোমান সম্রাজ্যের চূড়ান্ত পতন হয়।
⇒ খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দে সর্বপ্রথম লিখিত রোমান আইন প্রচলিত হয়।
- ইতিহাসের পাতায় 'Twelve Tables বা বারো বিধি' নামে পরিচিত সেই আইনের মাধ্যমে রোমে এক নতুন যুগের সূচনা হয়।
- প্রায় বারটি ধাপে রোমের সকল নাগরিকের অধিকারের নিশ্চয়তা নিয়ে প্রণীত সেই বারো টেবিল আইনটি আজও ইতিহাসবিদগণের নিকট এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিগণিত হয়।
উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- সিরিয়ার আমোরীয় জাতি ব্যাবিলনীয়ন সভ্যতা গড়ে তোলে।
- খ্রিষ্টপূর্ব-২০৫০ অব্দে ব্যাবিলনীয়ন সভ্যতা গড়ে উঠে।
- ব্যাবিলনীয়ন সভ্যতার স্থপতি- হাম্বুরাবি।
- ব্যাবিলনীয়নের প্রধান দেবতা- মারডুক।
- প্রথম পঞ্জিকার প্রচলন শুরু করে- ব্যাবিলনীরা।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান অবস্থিত- ইরাকে।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যানের নির্মাতা- রাজা নেবুচাদ।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান- পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্যের একটি।
- ব্যাবিলনীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান- আইন প্রণয়নে।
উৎস: britannica. ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- গ্রিকরা তাদের দেশকে হেলাস বলতো। হেলাস থেকে হেলেনিক শব্দের উৎপত্তি। হেলেনিক সভ্যতা কেবল গ্রিক উপদ্বীপে বিকশিত হয়।
- এই সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু ছিলো এথেন্স। খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ থেকে ৩৩৭ অব্দ পর্যন্ত হেলেনিক যুগ বিদ্যমান ছিলো।
- পরবর্তীতে আলেকজান্ডারের সময়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপে গ্রিক সাম্রাজ্য বিস্তৃত লাভ করলে গ্রিক সংস্কৃতির বিস্তৃতি ঘটে। এতে করে গ্রিক সংস্কৃতির সাথে বাহিরের সংস্কৃতির সংমিশ্রণে নতুন আরেকটি সভ্যতার উন্মেষ ঘটে যা ‘হেলেনিস্টিক সভ্যতা’ নামে পরিচিত।
- হেলেনিস্টিক সভ্যতার কেন্দ্রভূমি ছিলো মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
ব্যাখ্যা
রাজধানীসহ ভারতের ২৮টি রাজ্য:
- আসামের রাজধানী : দিসপুর
- মেঘালয়ের রাজধানী : শিলং
- ত্রিপুরার রাজধানী : আগরতলা
- মিজোরামের রাজধানী : আইজল
- নাগাল্যান্ডের রাজধানী : কোহিমা
- মণিপুরের রাজধানী : ইম্ফল
- অরুনাচলের রাজধানী : ইটানগর
- পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী : কলকাতা
- বিহারের রাজধানী : পাটনা
- ওডিশার রাজধানী : ভুবনেশ্বর
- উত্তর প্রদেশের রাজধানী : লখনৌ
- সিকিমের রাজধানী : গ্যাংটক
- তামিলনাডুর রাজধানী : চেন্নাই
- তেলেঙ্গানার রাজধানী : হায়দ্রাবাদ
- উত্তরাখণ্ডের রাজধানী : দেরাদুন
- রাজস্থানের রাজধানী : জয়পুর
- পাঞ্জাবের রাজধানী : চন্ডিগড়
- মহারাষ্ট্রের রাজধানী : মুম্বাই
- মধ্যপ্রদেশের রাজধানী : ভূপাল
- কর্ণাটকের রাজধানী : ব্যাঙ্গালুর
- ঝাড়খণ্ডের রাজধানী : রাঁচী
- হিমাচলের রাজধানী : সিমলা
- হরিয়ানার রাজধানী : চন্ডিগড়
- গুজরাটের রাজধানী : গান্ধীনগর
- অন্ধ্রপ্রদেশের রাজধানী : অমরাবতী
- ছত্রিশগড়ের রাজধানী : রায়পুর
- গোয়ার রাজধানী : পানাজি
- কেরালার রাজধানী : থিরুবনন্তপুরম।
- ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ৮টি।
এগুলো হলো:
- আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (রাজধানী- পোর্ট ব্লেয়ার)
- চন্ডিগড় (রাজধানী- চন্ডিগড়)
- দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দামান ও দিউ (রাজধানী- দামান)
- দিল্লি (রাজধানী- দিল্লি)
- জম্মু ও কাশ্মীর (রাজধানী- শ্রীনগর/জম্মু)
- লাদাখ (রাজধানী- লেহ)
- লাক্ষা দ্বীপ (রাজধানী- কাভারাত্তি)
- পুডুচেরি (রাজধানী- পুডুচেরি)।
(তথ্যসূত্র: knowindia.india.gov.in ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়:
- নালান্দা বিশ্ববিদ্যালয়কে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ও পুর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গণ্য করা
হয়।
- এটি পাল আমলে নির্মিত।
- বাঙালি বৌদ্ধ পণ্ডিত শীলভদ্র ৬৩৫ সালে নালন্দা মহাবিহারের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
অন্যদিকে,
- কারুইন বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের চালু থাকা প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়।
- এটি মরক্কোর ফেজ শহরে অবস্থিত।
এর প্রতিষ্ঠাকাল ৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে।
[ প্রশ্নে বিশ্বের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়' বললে 'নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়' উত্তর হবে এবং 'বর্তমানে চালু থাকা বিশ্বের প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়' বললে 'কারুইন বিশ্ববিদ্যালয়' উত্তর হবে।]
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং Guinness World Records.
ব্যাখ্যা
- সিরিয়ার মরুভূমি অঞ্চলে আমোরাইট নামক এক জাতি বসবাস করত। এরা এক সময় মেসোপটেমিয়ায় এসে নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এদের এই সভ্যতাকে বলে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা।
- এ সভ্যতার পত্তন হয় খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।
- আমোরাইট নেতা হাম্মুরাবী ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- ব্যাবিলনীয় সমাজের মানুষ তিন শ্রেণীতে বিভক্ত ছিল:
উচ্চ শ্রেণী: উচ্চ শ্রেণীতে অবস্থান করত রাজা, পণ্ডিত, পুরোহিত ও সৈন্য। এদের নিজস্ব জমি ছিল।
মধ্য শ্রেণী: শিল্পী ও স্বাধীন ব্যবসায়ীদের মনে করা হতো মধ্যশ্রেণীর লোক।
নিম্ন শ্রেণী: নিম্ন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিল কৃষক, সাধারণ শ্রমিক ও দাস। সাধারণত যুদ্ধবন্দিদের দাস করা হতো।
- গ্রিস, রোম, এশিয়া মাইনর, পারস্য, সিন্ধুদেশসহ প্রতিবেশী অঞ্চলগুলোর সাথে ব্যাবিলনীয়দের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল।
- পার্বত্য অঞ্চলের মানুষেরা ব্যাবিলনীয়দের কাছ থেকে শিল্পজাত দ্রব্য কিনত।
- ব্যাবিলনীয়রা আমদানি করত স্বর্ণ, রৌপ্য, তামা, কাঠ ও খনিজ লবণ।
- তারা ভারতবর্ষ থেকে হাতির দাঁত ও মরুভূমি অঞ্চল থেকে উট সংগ্রহ করত। ব্যাবিলনীয়রা ঘোড়ার ব্যবহার জানত।
উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র।
ব্যাখ্যা
- হাজার হ্রদের দেশ ফিনল্যান্ড।
- ফিনল্যান্ড নর্ডিক অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ।
- ফিনল্যান্ডের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হেলসিঙ্কি।
- দেশটি ঘন বনাঞ্চলে পূর্ণ এবং পূর্ব ও পশ্চিম ইউরোপের সীমান্ত তৈরি করে আছে।
- ফিনল্যান্ডের পশ্চিম সীমান্তবর্তী দেশ সুইডেন ও পূর্ব সীমান্তবর্তী দেশ রাশিয়া।
- ১৮০৯ সালের পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘদিন ফিনল্যান্ড সুইডেনের উপনিবেশ ছিল।
- এই সময়টাতে সুইডেন ফিনল্যান্ডকে তাদের উপনিবেশ হিসাবে ব্যবহার করতো।
- ফিনল্যান্ডের আইনসভা এডুসকুন্টা।
উল্লেখ্য,
- কয়েক হাজার বছর আগেও এটি বরফে ঢাকা ছিল।
- বরফের চাপে এখানকার ভূমি স্থানে স্থানে দেবে গিয়ে হাজার হাজার হ্রদের সৃষ্টি করেছে।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
- পাপুয়া নিউ গিনি দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ দেশ।
- আয়তন: ১৭৮,৩৫৫ বর্গ মাইল (৪৬১,৯৩৭ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: পোর্ট মোরসবি।
- ভাষা: ইংরেজি, টোক পিসিন, হিরি মোটু (সব অফিসিয়াল) ও আদিবাসী ভাষা।
- ধর্ম: খ্রিস্টান (প্রোটেস্ট্যান্ট, রোমান ক্যাথলিক), এছাড়াও ঐতিহ্যগত বিশ্বাস।
- মুদ্রা: কাইনা।
- এটি একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র যার একটি আইনসভা রয়েছে।
- এর রাষ্ট্রপ্রধান হলেন ব্রিটিশ রাজা।
- দেশটি ১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে এবং ব্রিটিশ কমনওয়েলথে যোগদান করে।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
ব্যাখ্যা
- - গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি দক্ষিণ ও পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।
- এটি অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় মরুভূমি।
- মোট আয়তন ৩৪৮,৭৫০ বর্গ কিলোমিটার।
- এটি মূলত সমতল তৃণভূমি।
- এখানে রয়েছে লবণাক্ত হৃদ, ছোট পাহাড় ও শুকনা উপত্যকা।
- সাহারা মরুভূমির মতো এখানেও হাজার বছর ধরে আদিবাসীরা বসবাস করছে।
⇒ এছাড়াও, কয়েকটি মরুভূমি ও এদের অবস্থান:
- পাতাগোনিয়া মরুভূমি: চিলি, আর্জেন্টিনা।
- থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান।
- মোজাবে মরুভূমি: যুক্তরাষ্ট্র।
- সাহারা মরুভূমি: আফ্রিক।
- আতাকামা মরুভূমি: চিলি।
- কালাহারি মরুভূমি: নামিবিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
- গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি: অস্ট্রেলিয়া।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
তথ্যসূত্র:- Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
ব্যাখ্যা
আববাসউদ্দীনের প্রধান পরিচয় একজন কণ্ঠশিল্পী হিসেবেই। তিনি আধুনিক গান, স্বদেশী গান, ইসলামী গান, পল্লিগীতি, উর্দুগান সবই গেয়েছেন, কিন্তু পল্লিগীতিতেই তাঁর মৌলিকতা ও সাফল্য সবচেয়ে বেশি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
ব্যাখ্যা
• মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর।
- নীল নদের প্লাবন, নাব্য, পানিপ্রবাহের মাপ জোয়ার-ভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- তারা অঙ্কশাস্ত্রের দুইটি শাখা জ্যামিতি এবং পাটিগণিতেরও প্রচলন করে।
- মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যোগ, বিয়োগ ও ভাগের ব্যবহার জানত।
- ৪২০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ তারা প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্যঘড়ি, ছায়াঘড়ি, পানিঘড়ি, আবিষ্কার করে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারোতে এবং দয়ারাম সাহানীর চেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগোমারী জেলার হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- জন মার্শালের নেতৃত্বে পুরাতত্ত্ব বিভাগ অনুসন্ধান চালিয়ে আরো বহু নিদর্শন আবিষ্কার করে।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।
ভৌগোলিক অবস্থান:
- উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা হলেও এর বিস্তৃতি ছিল বিশাল এলাকা জুড়ে।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পাতে এই সভ্যতার নিদর্শন সবচেয়ে বেশি আবিষ্কৃত হয়েছে।
- তা সত্ত্বেও এই সভ্যতা শুধু সিন্ধু নদীর অববাহিকা বা ঐ দুটি শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলনা।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ, ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাটের বিভিন্ন অংশে এই সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- ঐতিহাসিকরা মনে করেন যে পাঞ্জাব থেকে আরব সাগর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভূমিকায় সন্তুষ্ট হয়ে আইভরি কোস্ট তাদের একটি রাস্তার নাম দিয়েছে 'বাংলাদেশ রোড'।
- আইভরি কোস্ট পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- আয়তন: ১২৮,৩৬৪ বর্গ মাইল (৩৩২,৪৬২ বর্গ কিমি)।
- ভাষা: ফরাসি (অফিসিয়াল), বাউল, অ্যানি, বেটে, বামবারা, ড্যান।
- ধর্ম: ইসলাম, খ্রিস্টান, ঐতিহ্যগত বিশ্বাস।
- মুদ্রা: ফ্রাঙ্ক।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ডেইলি স্টার, ২৪ জুলাই ২০০৭।
ব্যাখ্যা
- ভারতের প্রথম এবং একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- ইন্দিরা গান্ধীর বাবা পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু, মা কমলা নেহরু, দাদা মতিলাল নেহরু।
- রাজনীতিতে আপসহীন, দৃঢ় মানসিকতার জন্য তিনি ‘ভারতের লৌহমানবী’ হিসেবে পরিচিতি পান।
- ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর তিনি নিজের দুই দেহরক্ষীর গুলিতে নিহত হন।
⇒ ১৯৩৮ সালে ইন্দিরা ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগ দেন।
- ১৯৪২ সালে তিনি ফিরোজ গান্ধীকে বিয়ে করেন। ফিরোজ ভারতের স্বাধীনতাসংগ্রামী, রাজনীতিক, সাংবাদিক। ইন্দিরা-ফিরোজ দম্পতির দুই ছেলে। সঞ্জয় ও রাজীব গান্ধী।
উল্লেখ্য,
- ১৯৬৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৭৭ সালের মার্চ পর্যন্ত একটানা ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা। এই সময়কালের মধ্যে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন।
এছাড়াও,
- মতিলাল ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তাঁর ছেলে জওহরলালও ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান নেতা। তিনি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- এনইউজি বা ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট হচ্ছে একটি বেসরকারি প্রশাসন।
- সেনা অভ্যুত্থানের বিরোধী অ্যাক্টিভিস্ট ও রাজনীতিবিদরা মিলে এটি গঠন করেছে।
- এনইউজি’র পক্ষে মিয়ানমারে জনসমর্থন রয়েছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এদেরকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতিনিধিত্বমূলক কার্যালয় রয়েছে এদের।
- ইউনাইটেড ইন্সটিটিউট অব পিস এর তথ্য অনুযায়ী, কারেন, কাচিন, কারেন্নি ও শিন-এরা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রশাসন ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট-এনইউজি এর সাথে সম্পৃক্ত।
উল্লেখ্য,
- ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট হচ্ছে মিয়ানমারের এক ধরনের ‘নির্বাসিত সরকার’।
- অর্থাৎ বিভিন্ন জাতিগত গোষ্ঠীর সমন্বয়ে এমন একটি সরকার গঠন করা হয়েছে যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় না থাকলেও জান্তা সরকারের বিরোধীপক্ষ হিসেবে কাজ করছে।
- পূর্বে আগে নির্বাচিত সরকারের কিছু সংসদ সদস্য ও আইনপ্রণেতা মিলে ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে তারা এই সরকার গঠন করে।
এছাড়াও,
- কোকাং এমএনডিএএ- মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি, তাং টিএনএলএ- তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি এবং আরাকান আর্মি - তিন বিদ্রোহী গোষ্ঠী মিলে একটি জোট গঠন করেছে যাকে বলা হয় থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স।
- এটি ৩বিএইচএ নামেও পরিচিত।
- এই তিনটি সশস্ত্র গোষ্ঠী ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট-এনইউজি-কে সমর্থন দিচ্ছে।
উৎস: BBC.
ব্যাখ্যা
আবার মেসােপটেমীয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
সেগুলাে হলাে সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা। মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠে নীল নদের তীরে।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- রাজীব গান্ধী ছিলেন ভারতের ষষ্ঠ এবং কনিষ্ঠতম প্রধানমন্ত্রী।
- ১৯৮৪ সালে ৩১ অক্টোবর মাত্র ৪০ বছর বয়সে মা ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পর তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন।
⇒ রাজীব গান্ধীর মাতামহ পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
- তাঁর পিতা ফিরোজ গান্ধী।
- তাঁর মাতা ইন্দিরা গান্ধী।
- ১৯৮৪ সালে অপারেশন ব্লু স্টারের প্রতিক্রিয়ায় আততায়ীর হাতে ইন্দিরা গান্ধী নিহত হলে জাতীয় কংগ্রেস নেতারা রাজীবকেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন।
⇒ রাজীব গান্ধী লাইসেন্সপ্রথা, শুল্ক ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপের জন্য অনুমতি প্রদানের নিয়মনীতি ঢেলে সাজান।
- টেলিযোগাযোগ ও শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, তথা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারের ক্ষেত্রে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিসাধনসহ নানা কাজ শুরু করেন।
- ১৯৯১ সালে একটি নির্বাচনী জনসভায় জনৈক এলটিটিই জঙ্গির আক্রমণের শিকার হন।
- এর আগে ১৯৮৮ সালে রাজীব গান্ধী প্রশাসন মালদ্বীপের সামরিক অভ্যুত্থান ব্যর্থ করে দিলে পিপলস লিবারেশন অর্গানাইজেশন অব তামিল ইলমের (PLOTE) মতো অন্য একটি জঙ্গি তামিল গোষ্ঠীর সঙ্গেও শত্রুতা সৃষ্টি হয়।
- এ শত্রুতা ও বিরোধের জেরেই ১৯৯১ সালের ২১ মে দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের শ্রীপেরামবুদুরে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় রাজীব গান্ধীকে।
- বোমা বিস্ফোরণে রাজীব গান্ধী ছাড়াও আরও ১৪ জন নিহত হন।
- পরে ১৯৯৮ সালে তার স্ত্রী সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেস সভানেত্রী নির্বাচিত হন এবং ২০০৪ সালে তার নেতৃত্বে কংগ্রেস লোকসভায় জয়লাভ করে।
- রাজীব গান্ধীর ছেলে রাহুল গান্ধী বর্তমানে কংগ্রেস নেতা।
⇒ ১৯৯১ সালের ২১শে মে রাতে তামিলনাডুর শ্রীপেরুমবুদুরে এক নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিতে যান রাজীব গান্ধী।
- বহু মানুষ সেখানে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিচ্ছিলেন মি. গান্ধীকে।
- তাদেরই মধ্যে ছিলেন এলটিটিই-র আত্মঘাতী বোমারু ধানু।
- রাজীব গান্ধীকে হত্যার জন্য বোমা বহনকারী তামিল নারীর প্রকৃত নাম তেনমুলি রাজারত্নম ওরফে ধানু।
উৎস: BBC.
ব্যাখ্যা
- ‘লি ডাক থো’ ভিয়েতনামের নেতা ছিলেন।
- উত্তর ভিয়েতনামের বিপ্লবী, জেনারেল, কূটনীতিক ও রাজনীতিবিদ লি ডাক থো।
- লে ডুক থো ছিলেন ১৯৩০ সালে ইন্দোচাইনিজ কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য, তিনি ১৯৩০-৩৬ এবং ১৯৩৯-৪৪ সালে ফরাসিদের দ্বারা কারারুদ্ধ হন।
উল্লেখ্য,
- ভিয়েতনামের এই রাজনীতিবিদকে ১৯৭৪ সালে হেনরি কিসিঞ্জারের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়।
- কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।
- প্যারিস চুক্তিতে হ্যানয়ের (তৎকালীন দক্ষিণ ভিয়েতনামের রাজধানী) প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন থো।
- ১৯৫৫ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত চলে ভিয়েতনাম যুদ্ধ।
উৎস: Britannica.
ব্যাখ্যা
কিরগিজস্তানে ২০০৫ সালে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয়।
অন্যদিকে,
২০০৩ সালে জর্জিয়ায় রোজ বিপ্লব,
২০০৪ সালে ইউক্রেনে অরেঞ্জ বা কমলা বিপ্লব এবং
২০১০ সালে তিউনিশিয়ায় আরব বসন্তের সূচনা হয়।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ষোড়শ শতকের শুরুর দিকে মার্টিন লুথার জার্মানিতে প্রচলিত পোপ নিয়ন্ত্রিত চার্চতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠে প্রতিবাদী খ্রিস্টধর্ম বা প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলনের সূচনা করেন।
- এই আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে।
অন্যদিকে,
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র হলেন বিখ্যাত মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ নেতা।
ব্যাখ্যা
- অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার ন্যায় সুমেরীয়রা অনেক দেব দেবীতে বিশ্বাসী ছিল।
- তাদের এক একটি দেবতা এক একটি নামে পরিচিত ছিল।
যেমন-
• ‘শামাশ’ (সূর্য দেবতা),
• ‘এনলিল' (বৃষ্টি, বন্যা ও বায়ুর দেবতা),
• ‘এনকি’ (পানির দেবতা),
• ‘নারগাল' (প্লেগ রোগের বিশেষ দেবতা) এবং
• ‘ইস্টারা’ (নারী জাতির দেবতা) নামে পরিচিত ছিলেন।
- তবে তাদের প্রধান দেবতা ছিল 'নাগাল'।
- সুমেরীয় সভ্যতায় মিসরীয় সভ্যতার অনেক প্রভাব থাকলেও পরকালের ধারণা বা পুনরুজ্জীবন (স্বর্গ-নরক) ধারণা জন্ম লাভ করেনি মিসরীয়দের মধ্যে।
- সম্ভবতঃ এই কারণে সুমেরীয় অঞ্চলে মৃতদেহকে কেন্দ্র করে কোন প্রকার অট্টালিকা, সমাধি বা মমির প্রবণতা দেখা যায় না।
- তাই তারা মৃতদেহকে কবর দিতো।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখ- থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- স্থল সীমান্ত রয়েছে মালয়েশিয়া, বোর্নিও, পাপুয়া নিউগিনি ও পূর্ব তিমুর এবং সরু প্রণালী দ্বারা আলাদা হয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওয়েসি, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন প্রবোও সুবিয়ানতো।
উল্লেখ্য,
- আহমেদ সুকর্ণ ইন্দোনেশিয়ার জাতির পিতা।
- তিনি ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার স্থপতি।
- তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের উত্থানকালের প্রধান সারির নেতা।
- ঔপনিবেশিক শক্তি নেদারল্যান্ডসের কাছ থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন আহমেদ সুকর্ণ।
- ১৯৪৫ সালের ১৭ আগস্ট জাতীয়তাবাদী সংগ্রামী নেতা আহমেদ সুকর্ণ ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষের মধ্যে সন্ধি স্বাক্ষরিত হয় এবং স্বাধীন ও সার্বভৌম ইন্দোনেশিয়ার জন্ম হয়।
- স্বাধীন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি হন ড. সুকর্ণ এবং প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন ড. মহম্মদ হাত্তা।
উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
ব্যাখ্যা
বাগরাম বিমানঘাঁটি:
- বাগরাম বিমানঘাঁটি আফগানিস্তানের পারওয়ান প্রদেশে বাগরাম বিমানঘাঁটি অবস্থিত।
⇒ বাগরাম বিমানঘাঁটির অবস্থান আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তরে।
- গত শতকের পঞ্চাশের দশকে বাগরাম ঘাঁটি প্রথম নির্মাণ করে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। আশির দশকে আফগান যুদ্ধের সময় আফগানিস্তানে সোভিয়েত সেনাদের প্রধান ঘাঁটি ছিল বাগরাম।
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হয়। এই হামলার পর সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে নামে যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধের অংশ হিসেবে তারা আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরু করে। মার্কিন অভিযানে তালেবানের পতনের পর বাগরাম চলে যায় যুক্তরাষ্ট্রের দখলে। মার্কিন বাহিনী ঘাঁটিটি নতুন করে গড়ে তোলে। বাগরামকে এক সুবিশাল সামরিক কমপ্লেক্সে রূপ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার করে যুক্তরাষ্ট্র। এ সময় তালেবান যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত কাবুল সরকারকে উৎখাত করে এবং মার্কিন ঘাঁটিগুলো দখলে নেয়।
- সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৫) আফগানিস্তানের বাগরাম বিমানঘাঁটি পুনর্দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
উৎস: U.S. AIR FORCES CENTRAL (.mil).
ব্যাখ্যা
- ওপেনহাইম এর মতে জনমতও আইনের উৎস।
আইন:
সমাজ স্বীকৃত ও রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়ম কানুন যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
এরিস্টটল এর মতে আইন হল পক্ষপাতহীন যুক্তি'।
• অস্টিন বলেন আইন হলো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আদেশ'।
- 'আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান' ডাইসি। -
- আইনের উৎস ৬ টি।
- ১) প্রথা ২) ধর্ম ৩) বিচার সংক্রান্ত রায় ৪) বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা ৫) ন্যায়বোধ ৬) আইনসভা।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
মার্কিন কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইনসভার নাম কংগ্রেস।
- কংগ্রেসের প্রধান কাজ আইন প্রণয়ন।
- কংগ্রেস একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস (প্রতিনিধি সভা)।
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ হলো সিনেট (Senate)।
• নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
- হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস-এর আসন সংখ্যা ৪৩৫টি।
- এর সদস্যদের মেয়াদ ২ বছর।
- এর সদস্য হতে ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
- হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
• উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
- সিনেটের আসন সংখ্যা ১০০টি।
- এর সদস্যদের মেয়াদ ৬ বছর।
- সিনেট সদস্য হতে ন্যূনতম বয়স ৩০ বছর।
- সিনেট অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- উচ্চকক্ষ বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টি এ দু'টি দলের প্রাধান্য বিদ্যমান।
উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
মেক্সিকো দক্ষিণ আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত নয়।
দক্ষিণ আমেরিকা:
- আয়তনে পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির।
- এর আয়তন ১,৭৮,৪০,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ ১২টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- দেশগুলো হলো: আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, গায়ানা, প্যারাগুয়ে, পেরু, সুরিনাম, উরুগুয়ে এবং ভেনিজুয়েলা।
- এছাড়াও রয়েছে ফ্রেঞ্চ গায়ানা (ফ্রান্সের একটি অঞ্চল) এবং ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (যুক্তরাজ্যের একটি নির্ভরশীল অঞ্চল)।
উল্লেখ্য,
- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে বড় দেশ ব্রাজিল ও সবচেয়ে ছোড় দেশ সুরিনাম।
- দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী 'আমাজন'। আমাজন নদীর উৎস স্থল আন্দিজ নেভাদা মিসমি পর্বতের চূড়া থেকে।
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে 'চির বসন্তের দেশ' বলা হয়।
উৎস: Worldatlas.
ব্যাখ্যা
• Saudi Arabian Oil Company/Saudi Aramco:
- সৌদি আরামকো বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদক কোম্পানি।
- প্রধান কার্যালয়: ধাহরান, সৌদি আরব।
- বাজার মূলধন: প্রায় ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলার।
- ২০২৪ সাল পর্যন্ত যেকোনো শিল্পের মধ্যে সর্বাধিক মুনাফাকারী কোম্পানি হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৩৩ সালে সৌদি আরব তেল খননের অনুমতি দেয়ার পর এটি শুরু হয়, তখন Chevron কোম্পানি এতে কাজ করছিল।
- ১৯৮০ সালে সৌদি সরকার পুরো কোম্পানিটির মালিকানা নেয়।
২০১৯ সালে কোম্পানিটির আইপিও একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে ২৯.৪ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করা হয়, যা ইতিহাসের সর্ববৃহৎ প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (IPO)।
তথ্যসূত্র:
i) ব্রিটানিকা। (Link1)
ii) সৌদি আরামকো কোম্পানি। (Link2)
iii) এনার্জি, তেল ও গ্যাস ম্যাগাজিন। (Link3)
ব্যাখ্যা
- এ ব্যাবিলনীয় সভ্যতা গড়ে তোলে এ্যামোরাইট নামক সেমিটিক জাতি।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে সেমিটিক জাতির অবদান সর্বাধিক। প্রকৃত পক্ষে সুমেরীয় রাজা ডুঙির মৃত্যুর পর পরই সুমেরীয় সভ্যতার পতন ঘটে।
- সুমেরীয় সভ্যতার ধ্বংসস্তুপের ওপর গড়ে ওঠে ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য বা সভ্যতা।
- অ্যামোরাইটরা আরব মরুভূমির উত্তরাঞ্চল থেকে মেসোপটেমিয়ায় এসে ১৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ব্যাবিলনে সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এই সভ্যতাকে প্রাচীন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা বলা হয়।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক কোমল পানীয় প্রস্তুতকারক দ্য কোকা-কোলা কোম্পানি।
- কোম্পানিটি তাদের অন্যতম পণ্য কোকা-কোলার জন্য অধিক পরিচিত।
- ১৯৮৬ সালে ফার্মাসিস্ট জন স্টিথ পেম্বার্টন এ পণ্যটি উদ্ভাবন করেন।
- ১৩০ বছর আগে ১৮৮৬ সালে আসা গ্রিগস ক্যান্ডলার কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে এর ২০০টিরও বেশি দেশে ৫০০টিরও অধিক ব্র্যান্ড রয়েছে।
- প্রতিদিন প্রায় ১৭০ কোটি মানুষকে কোকা-কোলা এসব ব্র্যান্ড পরিবেশন করে থাকে।
- কোম্পানি ১৮৮৯ সাল থেকে এক ধরনের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বিপণন ব্যবস্থা চালু রেখেছে, যেখানে কোম্পানিটি শুধু সিরাপজাতীয় পণ্য প্রস্তুত করে। বিশ্বব্যাপী এ সিরাপ বিপণন করা হয়।
- উত্তর আমেরিকায় দ্য কোকা-কোলা কোম্পানির নিজস্ব বিপণন কোম্পানি রয়েছে, যার নাম কোকা-কোলা রিফ্রেশমেন্ট
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া প্রদেশের আটলান্টায় ওয়ান কোকা-কোলা প্লাজায় এর সদর দফতর।
- বর্তমানে কোম্পানিটির চেয়ারম্যান ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মুহতার কেন্ট।
- আর প্রেসিডেন্ট ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জেমস কুইছে।
- প্রতিষ্ঠানটিতে এক লাখ ২৩ হাজার ২০০ কর্মী কাজ করছেন।
তথ্যসূত্র: দ্য শেয়ার বিজ।