বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৪৯ / ৯৩ · ৪,৮০১৪,৯০০ / ৯,৩৩৪

৪,৮০১.
বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রেলসেতু কোন দেশে অবস্থিত?
  1. মেক্সিকো
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রেলসেতু ভারতে অবস্থিত।


চেনাব রেলসেতু:
- বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু রেলসেতু চেনাব রেলসেতু।
- জম্মু ও কাশ্মীরে চেনাব নদীর ওপর রেলসেতুটি অবস্থিত।
- ইস্পাতের তৈরি এই রেলসেতু তৈরি করেছেন ভারতীয় প্রকৌশলীরা।
- এই রেলসেতুর উচ্চতা আইফেল টাওয়ারের চেয়ে বেশি।
- এর উচ্চতা ১,১৭৭ ফুট।
- চেনাব নদীর উপরে অবস্থিত সেতুর উচ্চতা হল ৩৫৯ মিটার
- সেতুটির দৈর্ঘ্য হল ১,৩১৫ মিটার।

উল্লেখ্য,
বিশ্বের ২য় সর্বোচ্চ সেতু: নাজিহে রেলওয়ে সেতু।
- উচ্চতা ১০১৭ ফুট।
- চীনের গুইঝৌয়ে অবস্থিত।
- উজিয়াং নদীর ৩১০ মিটার উঁচুতে এটি দাঁড়িয়ে আছে।

বিশ্বের ৩য় সর্বোচ্চ সেতু: জিয়াংজিহে রেলওয়ে সেতু।
- উচ্চতা ২৯৫ মিটার বা ৯৬৮ ফুট।
- চীনের গুইঝৌতে অবস্থিত।

বিশ্বের ৪র্থ সর্বোচ্চ সেতু: বেইপানজিয়াং রেলসেতু কিংলং সেতু।
- উচ্চতা ৯৬৮ ফুট।
- চীনের গুয়াংঝাও বাঁধের নিচে বেইপান নদীতে অবস্থিত
- নদীতে থেকে প্রায় ৩০০ মিটার উঁচুতে এটি অবস্থিত। 

বিশ্বের ৫ম সর্বোচ্চ সেতু: বেইপানজিয়াং রেলসেতু শুইবাই।
- উচ্চতা ৯০২ ফুট। 
- চীনের গুইঝৌতে অবস্থিত।

উৎস: i) ২১ জুন, ২০২৪, The Hindu.
         ii) ১৬ জুন, ২০২৪, Hindustan Times.
৪,৮০২.
Who is the new Prime Minister of New Zealand?
  1. ক) Jacinda Ardern
  2. খ) Chris Hipkins
  3. গ) Carmel Sepuloni
  4. ঘ) Christopher Luxon
ব্যাখ্যা
ক্রিস হিপকিনস:
- নিউজিল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী- ক্রিস হিপকিনস
- লেবার পার্টি থেকে ক্রিস হিপকিনস ২০০৮ সালে প্রথম পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন।
- ২০২০ সালের নভেম্বরে তাঁকে কোভিড-১৯ মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- দেশটির পুলিশ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন ক্রিস হিপকিনস।
- এ ছাড়া তিনি শিক্ষা, জনসেবা মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। 

অন্যদিকে---
- ২০১৭ সালে প্রথম নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হন জেসিন্ডা। তখন তাঁর বয়স ছিল ৩৭ বছর।
- তিনি বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিউজিল্যান্ডের দায়িত্ব নেন।
- তিনি বিশ্বে দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি ক্ষমতায় থাকাকালে মা হয়েছেন।
- এ রেকর্ডে প্রথমস্থানে রয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো। 

তথ্যসূত্র: দৈনিক পত্রিকা নিউজ।
৪,৮০৩.
নিচের কোন দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির সুবিধা বিদ্যমান?
  1. ক) কিউবা
  2. খ) ভিয়েতনাম
  3. গ) উজবেকিস্তান
  4. ঘ) সােমালিয়া
ব্যাখ্যা

বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রাশিয়ার ২০টির বেশি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।
প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে -
- শুধু ভিয়েতনামে সামরিক ঘাঁটির সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে। Cam Ranh Air Force Base ও Cam Ranh Naval Base - ১৯৭৯ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত রাশিয়া (সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন) নিয়মিতভাবে ব্যবহার করে আসছিলো। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের শেষের দিকে নৌবাহিনী ও ২০১৪ সাল থেকে বিমানবাহিনী পুনরায় বেস দুটি ব্যবহার শুরু করে।

- উজবেকিস্তানে সোভিয়েত সময়কাল বাদে ২০০৬ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত Karshi-Khanabad Air Base কে রাশিয়া বিমান বাহিনীর ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করে। ২০১২ সালে উজবেকিস্তান সরকার দেশটিতে অবস্থিত সকল ধরণের বৈদেশিক সামরিক উপস্থিতি নিষিদ্ধ (ban) করে।
- কিউবাতে ২০০২ সাল পর্যন্ত Lourdes SIGINT station রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি ছিলো।
- সোমালিয়াতে রাশিয়ার কোন সামরিক ঘাঁটি নেই। আফ্রিকার দেশ সুদানের সাথে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটি নির্মাণের চুক্তি হয়েছে গত নভেম্বর, ২০২০ - এ।

উৎসঃ রয়টার্স প্রতিবেদন ও মিলিটারি ম্যাগাজিন।

৪,৮০৪.
বিশ্বের বৃহত্তম গ্রন্থাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ওয়াশিংটন ডি.সি.
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা
দ্য লাইব্রেরি অব কংগ্রেস (The Library Of Congress):
- বিশ্বের বৃহত্তম লাইব্রেরি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লাইব্রেরি অব কংগ্রেস।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গ্রন্থাগার যা ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই লাইব্রেরিতে বিশ্বের ৪৫০টি ভাষার প্রায় ১৬২ মিলিয়নের অধিক বই রয়েছে।

উৎস: Britannica.
৪,৮০৫.
‘আইন হল পক্ষপাতহীন যুক্তি' উক্তিটি কার?
  1. ক) জন অস্টিন
  2. খ) ডাইসি
  3. গ) এরিস্টটল
  4. ঘ) রুশো
ব্যাখ্যা
আইন:
→ সমাজ স্বীকৃত ও রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত নিয়ম কানুন যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
→ এরিস্টটল এর মতে ‘আইন হল পক্ষপাতহীন যুক্তি'।
→ অস্টিন বলেন 'আইন হলো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আদেশ'।
→ ‘আইনের দৃষ্টিতে সকলে সমান' – ডাইসি।

আইনের উৎসসমূহ:
→ আইনের উৎস ৬ টি।
১) প্রথা ২) ধর্ম ৩) বিচার সংক্রান্ত রায় ৪) বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা ৫) ন্যায়বোধ ৬) আইনসভা।
→ ওপেনহাইম এর মতে জনমতও আইনের উৎস।

বিভিন্ন ধরনের আইন:
প্রাকৃতিক আইন –
→ যে আইন নৈতিকতার অংশ হিসেবে মানবজাতির স্বার্থে পরিচালিত হয়ে তাদের দায়িত্বসমূহ নিয়ে গবেষণা করে।
→ প্রাচীন গ্রীক দর্শনে সর্বপ্রথম এ আইন সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যায়।
→ গ্রীক দার্শনিক এরিস্টটল প্রাকৃতিক আইনের জনক।
→ প্রাকৃতিক আইনের উদ্ভব হয় গ্রীক, খ্রিষ্টান ও মধ্যযুগীয় ধর্মতত্ত্ব থেকে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৪,৮০৬.
মাচু পিচু কোন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষের নিদর্শন?
  1. ইনকা সভ্যতা
  2. মায়া সভ্যতা
  3. অ্যাজটেক সভ্যতা
  4. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মাচু পিচু:
- মাচু পিচু প্রাচীন ইনকা ধ্বংসাবশেষের একটি স্থান, যা পেরুর কুসকো শহর থেকে প্রায় ৫০ মাইল (৮০ কিমি) উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি আন্দিজ পর্বতমালার কর্ডিলেরা দে ভিলকাবাম্বা অঞ্চলে অবস্থিত।
- উরুবাম্বা নদীর উপত্যকার ওপরে, দুটি উঁচু শৃঙ্গ—মাচু পিচু ("প্রাচীন শৃঙ্গ") এবং হুয়াইনা পিচু ("নতুন শৃঙ্গ")—এর মাঝখানে একটি সংকীর্ণ স্থানে গড়ে উঠেছে।
- উচ্চতা: ৭,৭১০ ফুট (২,৩৫০ মিটার)।
- এটি প্রাক-কলম্বিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান ধ্বংসাবশেষ, যা প্রায় সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে।
- ১৯৮৩ সালে মাচু পিচুকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হিসেবে ঘোষণা করে।

এছাড়া, 
- মায়া সভ্যতা মধ্য আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিল।
- অ্যাজটেক সভ্যতা বর্তমান মেক্সিকো অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- মেসোপটেমিয়া মধ্যপ্রাচ্যের টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল, আধুনিক ইরাকের বৃহত্তর অংশ গঠন করে।

উৎস: Britannica.
৪,৮০৭.
সক্রেটিস সততাকে কীসের সাথে তুলনা করেছেন?
  1. সাহস
  2. জ্ঞান
  3. মধ্যপন্থা
  4. বিশ্বাস
ব্যাখ্যা
- সততা হলো মানব চরিত্রের স্থায়ী ও অর্জিত প্রবণতা।
- কর্তব্য করার অভ্যাসের ফলেই সততা জন্মে। নৈতিক আদর্শ অনুসারে ভালো কাজ নির্বাচন ও সম্পাদনের মাধ্যমে যে অভ্যাস গড়ে উঠে তা-ই হলো সততা।
- গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস সততাকে জ্ঞানের সাথে তুলনা করেছেন।
- অ্যারিস্টটলের মতে সততা হলো মধ্যপন্থা নির্বাচন করার অভ্যাস। তার মতে সততা এক ধরনের পরিমিতিবোধ যা দুটি অসদাচারের মধ্যবর্তিকা।
(তথ্যসূত্র: সিভিক এডুকেশন-১ : স্নাতক শ্রেণী : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪,৮০৮.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের স্থিতিকাল -
  1. ক) ৬ বছর
  2. খ) ৫ বছর
  3. গ) ৭ বছর
  4. ঘ) ৪ বছর
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯১৪ সালে শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
- এটি ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংঘাত যাতে ইউরোপের বেশিরভাগ অংশের পাশাপাশি এশিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দূরবর্তী দেশগুলি জড়িত। 
- জার্মানি, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি এবং তুরস্কের কেন্দ্রীয় শক্তি - ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইতালি, জাপান এবং পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রবাহিনীর সাথে লড়াই করেছিল।
- ১৯১৮ সালে কেন্দ্রীয় শক্তির পরাজয়ের মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। অর্থ্যাৎ প্রায় ৪ বছর ধরে এই যুদ্ধ চলে।

- ২৮ জুন, ১৯১৪ সালে বসনিয়ান সার্ব গ্যাভরিলো প্রিন্সিপ দ্বারা সারাজেভোতে আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্দিনান্দ এবং তার স্ত্রী সোফির হত্যার স্ফুলিঙ্গ হিসাবে কাজ করেছিল যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা করেছিল।
- জার্মানির সমর্থনের আশ্বাসে, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি জুলাইয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করে এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানায়।
- ২৮ জুলাই যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর, অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি বেলগ্রেডে বোমাবর্ষণ শুরু করে।
- ১৯১৪ সালের আগস্টে বেলজিয়াম ও ফ্রান্সে জার্মানির আক্রমণ শুরু হয়।
- ২৮ আগস্ট, ১৯১৪ সালে নৌ যুদ্ধ শুরু হয়। জার্মান সাবমেরিন ২০ অক্টোবর বাণিজ্যিক ট্রাফিক আক্রমণ শুরু করে এবং ইংল্যান্ড নৌ অবরোধের সাথে প্রতিক্রিয়া জানায়।
- ১১ নভেম্বর ১৯১৮ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৪,৮০৯.
নিম্নের কোন দলটি মার্কিন রাজনীতিতে ‘গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি’ নামে পরিচিত?
  1. ডেমোক্রেটিক পার্টি
  2. লিবার্টারিয়ান পার্টি
  3. কনজারভেটিভ পার্টি
  4. রিপাবলিকান পার্টি
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্র: 
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে।
- আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য, আর জনসংখ্যার দিক থেকে ক্যালিফোর্নিয়া হলো বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য।
- যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা লাভ করে ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে।
- সেই থেকে ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন।
- ১৮৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে রিপাবলিকান পার্টি "গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি" বা GOP নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল হলো ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং রিপাবলিকান পার্টি। 

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৪,৮১০.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আনবিক বোমা নিক্ষেপের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন?
  1. ফ্রাংক্‌লিন রুজভেল্ট
  2. উড্রো উইলসন
  3. হ্যারি এস ট্রুম্যান
  4. আইজেনহাওয়ার
ব্যাখ্যা
হিরোশিমা ও নাগাসাকির ট্র্যাজেডি:
- ১৯৪৫ সালের ৮ মে জার্মানি যুদ্ধে আত্মসমর্পণ করলেও জাপানে সম্রাট হিরোহিতোর বাহিনী ছিল নাছোড়বান্দা।
- তারা সমান তালে লড়ে যাচ্ছিল মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- যুক্তরাষ্ট্রের পার্ল হারবারে হামলার জন্য মিত্রবাহিনীর অন্যতম অংশীদার যুক্তরাষ্ট্রের চরম ক্ষোভ ছিল জাপানের ওপর।
- মানুষের ইতিহাসে সবচেয়ে ন্যক্কারজনক ঘটনার নজির স্থাপন করে ৬ ও ৯ আগস্ট যথাক্রমে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে নিক্ষেপ করা হয় লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান নামের দুটি ধ্বংসাত্মক আনবিক বোমা।
- ৬ আগস্ট সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হিরোশিমায় প্রথম বোমাটি নিক্ষেপ করা হলে তাৎক্ষণিক প্রাণ যায় ১ লাখ বিশ হাজার মানুষের। আর তার দ্বিগুণ মানুষ মারা যায় এর একটু পরে।
- স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান আনবিক বোমা নিক্ষেপের এ পাশবিক সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন
- এনোলা গে নামের বিমানটি থেকে যখন হিরোশিমায় প্রথম পারমাণবিক বোমাটি নিক্ষেপ করা হয় তখন থমকে গিয়েছে বিশ্ব মানবতা এর ধ্বংসযজ্ঞ দেখে।
- পরপর দুটি আঘাত সইতে না পেরেই জাপানিরা ১৫ আগস্ট এসে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮১১.
‘অরেঞ্জ বিপ্লব' কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ বিপ্লব:
- ‘অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
- এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সুত্রপাত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৮১২.
আরব বসন্ত কোন বিপ্লবের ফলাফল?
  1. ক) জেসমিন বিপ্লব
  2. খ) টিউলিপ বিপ্লব
  3. গ) রোজ বিপ্লব
  4. ঘ) অরেঞ্জ বিপ্লব
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত জেসমিন বিপ্লবের ফলাফল।
জেসমিন বিপ্লব তিউনিসিয়ায় সংঘটিত হওয়া একটি জনপ্রিয় বিপ্লব।
- এতে দুর্নীতি, দারিদ্র্য এবং রাজনৈতিক দমন -পীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- জিন আল-আবিদাইন বেন আলী ২০১১ সালের জানুয়ারিতে পদত্যাগ করবেন।
- পরবর্তীতে এই গণবিক্ষোভ মিসর, ইয়েমেন, লিবিয়া, সিরিয়া, বাহরাইন ও মরক্কোতে ছড়িয়ে পড়ে। লিবিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনে গণআন্দোলন গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
- ২০১০ সালের ডিসেম্বরে ‘বোয়াজিজি’ নামে এক ফলবিক্রেতা কর্তৃক নিজ শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে তিউনেশিয়ায় আরব বসন্তের সূত্রপাত ঘটে।
এর ফলে ১৪ মার্চ ২০১১ আরব বিশ্বে সর্বপ্রথম তিউনেশিয়ার স্বৈরশাসক ‘জাইন এল বেন আলী’ এর পতন ঘটে।
- গণমাধ্যমে "জেসমিন বিপ্লব" নামে পরিচিত হওয়া বিদ্রোহের সাফল্য মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে একই ধরনের আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা
৪,৮১৩.
'লিমা' কোন দেশের রাজধানী?
  1. পেরু
  2. চিলি
  3. সুরিনাম
  4. কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা
লিমা হলো পেরুর রাজধানী এবং সর্ববৃহৎ শহর। 

কিছু তথ্য:
- পেরু দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ।
- লিমা প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে আন্দিজ পর্বতমালার পাদদেশে অবস্থিত।
- এটি পেরুর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষাগত কেন্দ্র।
- শহরটির ঐতিহাসিক কেন্দ্র ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান হিসেবে স্বীকৃত।

উল্লেখ্য,
চিলি, কলম্বিয়া এবং সুরিনাম তিনটিই দক্ষিণ আমেরিকার দেশ।

চিলি:
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের তীর ঘেঁষে অবস্থিত একটি দীর্ঘ, সরু দেশ।
- চিলির রাজধানী হলো সান্তিয়াগো।

কলম্বিয়া:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত।
- কলম্বিয়ার রাজধানী হলো বোগোতা।

সুরিনাম:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার উপকূলীয় অঞ্চলের রাষ্ট্র।
- সুরিনামের রাজধানী হলো প্যারামারিবো।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৪,৮১৪.
জাপান পার্ল হারবারে আক্রমন করে কত তারিখে?
  1. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে
  2. ১২ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে
  3. ৯ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে
  4. ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার :
প্রশান্ত মহাসাগরে হাওয়াই দ্বীপের  কাছে  অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ঘাটিঁ।
- ১৯৩০-এর দশকের শেষের দিকে, প্রশান্ত মহাসাগরে আমেরিকান পররাষ্ট্র নীতি সমর্থনের উপর নির্ভরশীল ছিল।
- ১৯৩১ সালের প্রথম দিকে টোকিও সরকার চীনা প্রদেশের উপর তার নিয়ন্ত্রণ প্রসারিত করেছিল।
- ১৯৩৯ সালের জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের সাথে ১৯১১ সালের বাণিজ্য ও নৌচলাচল চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দেয় । 
-  ১৯৪১ সালের জুলাই মাসে, জাপানিরা সমগ্র ইন্দোচীন দখল করে নেয় এবং অক্ষশক্তির ( জার্মানি এবং ইতালি ) সাথে একটি জোটে প্রবেশ করে ।
- জাপানিরা বিশ্বাস করত যে মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর নিরপেক্ষ হয়ে গেলে, সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া বিজয়ের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
-  ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন হাওয়াই দ্বীপের পার্ল হারবার নৌঘাঁটিতে ভয়াবহ বিমান হামলা চালায় জাপানিরা।
- মার্কিন এই নৌঘাঁটিতে হামলায় প্রাণ যায় প্রায় ২ হাজার মানুষের।
- এরপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

উৎস:  britannica


৪,৮১৫.
সর্বপ্রথম কোন দেশের মহিলাদের ভোটাধিকার প্রদান করা হয়?
  1. ব্রিটেন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

নারীদের ভোটাধিকার: 
- প্রাচীন গ্রিস ও রোমে, এবং এমনকি ১৮শ শতকের শেষ দিকে ইউরোপের উদীয়মান গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও নারীরা ভোট দিতে পারতেন না।
- ১৮৩২ সালে যুক্তরাজ্যে যখন সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার কিছুটা সম্প্রসারিত হয়, তখনও নারীদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়।
- ১৯শ শতকে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের ভোটাধিকার নিয়ে বড় আন্দোলন শুরু হয়। 
- তবে এই দুটি দেশ সবার আগে নারী ভোটাধিকার দেয়নি। 
- ১৮৯৩ সালে সর্বপ্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করা হয়। 
- অস্ট্রেলিয়া ১৯০২ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে। 
- ফিনল্যান্ড ১৯০৬ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে। 
- নরওয়ে ১৯১৩ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে। 
- সুইডেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কিছু স্থানীয় নির্বাচনে তাদের ভোটদানের অধিকার ছিল।
- নারীদের ভোটাধিকার ছিল দীর্ঘ ও কঠিন আন্দোলনের ফল।
- আজকে যেটা নারীদের মৌলিক অধিকার, এক সময় সেটা অর্জন করতে বহু নারী আন্দোলন, সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগ করেছেন।

উৎস: Britannica. 

৪,৮১৬.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পশ্চিমবঙ্গের কোন স্থানে 'বাংলাদেশ ভবন' উদ্বোধন করেন?
  1. ক) আসানসোল
  2. খ) কলকাতা
  3. গ) মুর্শিবাদ
  4. ঘ) শান্তি নিকেতন
ব্যাখ্যা
শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ একই মঞ্চে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি৷
Source: dw.com
৪,৮১৭.
স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সর্বপ্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. মিশর
  2. আলজেরিয়া
  3. ইরান
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
◉ ফিলিস্তিন:
- ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ যা ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে ২৯ নভেম্বর, ২০১২ সালে।

এছাড়াও,
- ২০ জুন ২০১৯ আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- এর মাধ্যমে সংস্থাটি ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এর পূর্বে ফিলিস্তিন ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে

উৎস: ফিলিস্তিন সরকারের ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৮১৮.
পেড্রো সানচেজ কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) স্পেন
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
পেড্রো সানচেজ স্পেনের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। তিনি ২০১৮ সাল থেকে স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তার রাজনৈতিক দল স্পেনিশ স্যোশালিষ্ট ওয়ার্কার্স পার্টি। ইতালির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গিউসিপ্পি কন্তে। (সূত্রঃ স্পেনের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ওয়েবসাইট এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৪,৮১৯.
আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
  1. সাও টোমে ও প্রিনসিপে
  2. মরিশাস
  3. সিচেলিস
  4. কাবো ভার্দে
ব্যাখ্যা

আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশগুলো :
- আয়তনে ক্ষুদ্রতম দেশ সিচেলিস - ৪৪৬ বর্গ কিমি।

- দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ সাও টোমে ও প্রিনসিপে - ১,০০১ বর্গ কিমি।
- তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ কোমোরোস - ১,৮৬১ বর্গ কিমি।
- চতুর্থ ক্ষুদ্রতম দেশ মরিশাস - ২,০০৭ বর্গ কিমি।
- পঞ্চম ক্ষুদ্রতম দেশ কাবো ভার্দে - ৪,০৩৩ বর্গ কিমি।

• আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশগুলো:
- আয়তনে বৃহত্তম দেশ আলজেরিয়া - ২,৩৮১,৭৪১ বর্গ কিমি।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কঙ্গো (ডি.আর. কঙ্গো) - ২,৩৪৫,০০০ বর্গ কিমি।
- তৃতীয় বৃহত্তম দেশ সুদান - ১,৮৪০,৬৮৭ বর্গ কিমি।
- চতুর্থ বৃহত্তম দেশ লিবিয়া - ১,৬৭৬,১৯৮ বর্গ কিমি।
- পঞ্চম বৃহত্তম দেশ চাদ - ১,২৮৪,০০০ বর্গ কিমি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৮২০.
কোনটি মধ্য এশিয়ার রাষ্ট্র নয়?
  1. উজবেকিস্তান
  2. তুর্কমেনিস্তান
  3. ইরাক
  4. তাজিকিস্তান
ব্যাখ্যা
মধ্য এশিয়ার দেশ: 
- কাজাখস্তান,
- তুর্কমেনিস্তান,
- উজবেকিস্তান,
- কিরগিজস্তান,
- তাজিকিস্তান।

অন্যদিকে -
- ইরাক মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র।

উৎস: Britannica.
৪,৮২১.
‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কেনিয়া
  2. তানজানিয়া
  3. নাইজেরিয়া
  4. ইথিওপিয়া
ব্যাখ্যা

‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি:
- ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলের একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি হচ্ছে ‘হায়লি গুব্বি’ আগ্নেয়গিরি।
- আগ্নেয়গিরিটি ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চলে আদ্দিস আবাবা থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ইরিত্রিয়া সীমান্তের কাছে অবস্থিত।
- প্রায় ৫০০ মিটার উচ্চতার এ আগ্নেয়গিরি রিফট ভ্যালির মধ্যে অবস্থিত।
- প্রায় ১২ হাজার বছর নিষ্ক্রিয় থাকার পর প্রথমবারের মতো গত ২৩ নভেম্বর, ২০২৫ এই আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে।
- এ অগ্ন্যুৎপাতের ধোঁয়া আকাশে ১৪ কিলোমিটার পর্যন্ত ওপরে উঠে যায়।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

৪,৮২২.
নাগার্নো-কারাবাখ কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. আর্মেনিয়া ও তুরস্ক
  2. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
  3. আজারবাইজান ও জর্জিয়া
  4. আজারবাইজান ও ইরান
ব্যাখ্যা

নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য:
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

৪,৮২৩.
চাবাহার সমুদ্র বন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) পাকিস্তান
  2. খ) মালয়েশিয়া
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) লিবিয়া
ব্যাখ্যা
আরব সাগরের তীরে অবস্থিত চাবাহার সমুদ্র বন্দর ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বন্দর। এই বন্দর দিয়ে ইরান ভারত, চীনসহ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে খনিজ তেল রপ্তানি করে থাকে। বন্দর আব্বাস পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের আরেকটি সমুদ্রবন্দর। করাচি ও গাদোয়ার হল পাকিস্তানের সমুদ্রবন্দর। বেনগাজি ও সুইইটেনহাস যথাক্রমে লিবিয়া ও মালয়েশিয়ার সমুদ্রবন্দর। (সূত্রঃ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারি ওয়েবসাইট)
৪,৮২৪.
আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ কে ছিলেন?
  1. মুহাম্মদ দাউদ
  2. ইনায়েতউল্লাহ খান
  3. মুহাম্মদ জহির শাহ
  4. মুহাম্মদ নাদির শাহ
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- আফগানিস্তানে বসবাসরত সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠী হল পশতু জাতি।
- রাজধানী: কাবুল।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।
- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।

উল্লেখ্য,
- আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ ছিলেন জহির শাহ।
- ১৯৩৩ সালে জহির শাহ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর আফগানিস্তানে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়।
- তাঁর প্রধানমন্ত্রী ও চাচাতো ভাই মুহাম্মদ দাউদ ১৯৭৩ সালে অভ্যুত্থান ঘটালে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং রাজনৈতিক সংকট চরমে পৌঁছায়।
- এরপর থেকে আর কোনো দিন আফগানিস্তানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি।

এছাড়াও, 
- ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে।
- ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
৪,৮২৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য কতটি?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮টি।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প।

⇒ প্রচলিত তথ্য মতে ১৪৯৩ সালের ১৫ মার্চ কলম্বাস আমেরিকা মহাদেশ আবিষ্কার করেন।
- কলম্বাসের হাত ধরেই আমেরিকা মহাদেশে ইউরোপিয়ান সাম্রাজ্যবাদীদের বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্কের সূত্রপাত ঘটে।
- ১৬০৭ সালে ব্রিটেন জেমসটাউনে সর্ব প্রথম কলোনি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।

⇒ ১৭৭৫ সালের এপ্রিলে লেক্সিংটন ও কনকর্ডের যুদ্ধের মাধ্যমে সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়।
- ১৭৭৪ সালে ফিলাডেলফিয়ায় এক সম্মেলনে ঔপনিবেশিক তেরোটি রাজ্যের মধ্যে জর্জিয়া বাদে বারোটা রাজ্য একত্রিত হয়ে ব্রিটিশদের নিজেদের দাবি ও অধিকার আদায়ের আবেদন করেন। কিন্তু আবেদন ফলপ্রসূ না হওয়ায় ১৭৭৫ সালে তেরোটি উপনিবেশ মিলে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। জর্জ ওয়াশিংটনকে করা হয় প্রধান সেনাপতি এবং ওই বছরই ল্যাকজিন্টনে আমেরিকানরা ব্রিটিশদের সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়।
- ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ফিলাডেলফিয়ায় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেসে থমাস জেফারসনের নেতৃত্বে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্ম দেয়।
- ১৭৭৬ সালে জর্জ ওয়াশিংটন বিরাট বাহিনী নিয়ে প্রচুর শক্তি সঞ্চয় করে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং অতি সহজেই বোস্টন থেকে ব্রিটিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ ভাবে তাড়িয়ে ৪ জুলাই আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৭৮৩ সালে প্যারিস চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা স্বীকার করে।
- তেরোটি উপনিবেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে একত্রিত হয়, পরবর্তীতে ১৭৮৭ সালে মার্কিন সংবিধান গৃহীত হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com
৪,৮২৬.
স্ট্যাচু অব লিবার্টির মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা কত?
  1. ক) ৯৩ ফুট
  2. খ) ১২০ ফুট
  3. গ) ১৫১ ফুট
  4. ঘ) ৩০৫ ফুট
ব্যাখ্যা
স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ ফ্রান্সের জনগণের পক্ষ থেকে ভাস্কর্যটি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে উপহার দেওয়া হয়।
- এর মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট এবং বেদীসহ মোট উচ্চতা ৩০৫ ফুট।
- রোমান দেবী লিবার্টাসের আদলে গড়া ভাস্কর্যটির নকশা করেন ফরাসি স্থপতি ফ্রেডরিক বার্থোল্ডি। 
- স্ট্যাচু অব লিবার্টির মুকুটে আছে সাতটি কাঁটা, যা সূর্য, সাত মহাদেশ বা সাত সমুদ্রকে নির্দেশ করে। এর পায়ের কাছে পড়ে থাকা ভাঙা শিকল যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথা রহিতকরণের প্রতীক।
- ১৮৮৬ সালের ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো,২৮ অক্টোবর ২০২২।
৪,৮২৭.
প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ১৮৭৭–১৮৭৮ সালে
  2. ১৮৮২–১৮৮৩ সালে
  3. ১৮৯৪–১৮৯৫ সালে
  4. ১৯০৪–১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা

প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধ (First Sino-Japanese War):
- প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮৯৪–১৮৯৫ সালে।

• প্রথম চীন-জাপান যুদ্ধ ১৮৯৪ সালের ২৫ জুলাই শুরু হয়ে ১৮৯৫ সালের ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত চলেছিল।
- কোরিয়া অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ এবং প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে চীনের কিং রাজবংশ এবং জাপান সাম্রাজ্যের মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়। 
- দীর্ঘ প্রায় এক বছর স্থায়ী এই যুদ্ধে জাপানের বিজয় হয় এবং শিমোনোসেকি চুক্তির মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটে। 

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধ ১৯৩৭ সালে শুরু হয়ে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত চলেছিল। 

উৎস: Britannica.

৪,৮২৮.
সবচেয়ে বেশি পামওয়েল উৎপন্ন হয় কোথায়?
  1. ক) ইন্দোনেশিয়া
  2. খ) ইরান
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক পাম ওয়েল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ ইন্দোনেশিয়া। দ্বিতীয় মালেশিয়া।
উৎসঃ সাম্প্রতিক সমাচার, লাইভ এমসিকিউ।

৪,৮২৯.
'ফ্রাঙ্ক' কোন দেশের পুরাতন মুদ্রার নাম?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) বেলজিয়াম
  3. গ) লুক্সেমবার্গ
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ফ্রাঙ্ক, মূলত একটি ফরাসি মুদ্রা কিন্তু এখন বেশ কয়েকটি দেশের আর্থিক একক, বিশেষ করে সুইজারল্যান্ড, বেশিরভাগ ফরাসী এবং প্রাক্তন বেলজিয়ান বিদেশী অঞ্চল এবং কিছু আফ্রিকান রাজ্য; এক সময় এটি ফ্রান্স, বেলজিয়াম এবং লুক্সেমবার্গের মুদ্রাও ছিল।
বর্তমানে এসকল দেশে 'ইউরো' মুদ্রা প্রচলিত আছে।  

উৎস: Britannica.
৪,৮৩০.
‘সেন্ট হেলেনা’ দ্বীপটি কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. উত্তর মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
সেন্ট হেলেনা দ্বীপ:

- সেন্ট হেলেনা দ্বীপ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১২২ বর্গ কিমি।
- সেন্ট হেলেনার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য (দক্ষিণ-পশ্চিম-উত্তরপূর্ব) 10.5 মাইল (17 কিমি) এবং সর্বাধিক প্রস্থ 6.5 মাইল (10 কিমি)। 
- সেন্ট হেলেনা  এর জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ ,
- সেন্ট হেলেনা দ্বীপ রাজধানী ও বন্দর জেমসটাউন।
- এটি সতেরো শতকে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মালিকানাধীন ছিল।
- দ্বীপটির জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।
- উল্লেখ্য, ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নকে ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। তিনি ১৮২১ খ্রিস্টাব্দে রোগাক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অপরদিকে, আটলান্টিক মহাসাগরে অন্তর্গত অন্যান্য দ্বীপসমূহ হলো: 
- সেন্ট হেলেনা, যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, গ্রিনল্যান্ড, কিউবা ইত্যাদি। 


Image Source: ব্রিটানিকা

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪,৮৩১.
যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ কোনটি?
  1. সিনেট
  2. স্টেট কাউন্সিল
  3. হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস
  4. ক্যাবিনেট
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ জুলাই ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস ৪ জুলাই (Independence Day)।
- এর মোট ৫০টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য হাওয়াই (১৯৫৯)।
- যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পতাকায় ৫০টি তারকা রয়েছে (৫০ অঙ্গরাজ্যের প্রতীক)।
- এর আইনসভা কংগ্রেস, যা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস।
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় ১৮৬৩ সালে (Emancipation Proclamation)।
- যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি—জর্জ ওয়াশিংটন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৮৩২.
নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনীমূলক বই 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা:
- জন্ম সাল: ১৮ জুলাই, ১৯১৮ সাল।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার কালো জাতীয়তাবাদী নেতা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা।
- তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (ANC) যোগদান করেন ১৯৪৪ সালে।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' যা তার প্রথম জীবন এবং কারাগারে থাকা বছরগুলির বিবরণ দেয়।
- ১৯৯৪ সালে বইটি প্রকাশিত হয়েছিল।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে মারা যান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৮৩৩.
ইউরোপ মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
  1. হাঙ্গেরি
  2. ভ্যাটিকান সিটি
  3. মোনাকো
  4. লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা
ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে ষষ্ঠ।
- এর আয়তন ১০,১৮০,০০০ বর্গ কিমি।
- ইউরোপ মহাদেশের উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- ইউরোপ মহাদেশ ৪৪টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশে রাশিয়ার অবস্থান হলেও এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী ভলগা।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৪,৮৩৪.
বিজ্ঞানের চর্চা প্রথম শুরু হয় কোথায়?
  1. ক) ইংল্যান্ডে
  2. খ) চীনে
  3. গ) মিশরে
  4. ঘ) গ্রিসে
ব্যাখ্যা
- প্রাচীন গ্রিসে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে প্রথম বিজ্ঞানের চর্চা শুরু হয়।
- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন এবং চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণের কারণ গ্রিকরাই প্রথম নির্ণয় করে।
- চাদের নিজস্ব আলো নেই এবং পৃথিবী একটি গ্রহ যা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয় এ সত্য গ্রিকরাই প্রথম উদঘাটন করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নকম-দশম শ্রেণী)
৪,৮৩৫.
'ট্রয় নগরী' বর্তমানে কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরাক
  2. গ্রীস
  3. তুরস্ক
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

ট্রয় নগরী:
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অস্তিত্ব এবং এর ধ্বংসের ইতিহাস প্রাচীন গ্রীক হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড-এ পাওয়া যায়।
- ট্রয় নগরী ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয়।
- ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুদ্ধের কারণ ছিল হেলেন নামের এক সুন্দরী মহিলাকে কেন্দ্র করে, যিনি ট্রয়ের রাজা প্রিয়াম এর পুত্র পারিস দ্বারা অপহৃত হন।
- গ্রীক রাজা মেনেলাউস তার স্ত্রীর ফিরিয়ে আনার জন্য ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন।

• ট্রয়ের ঘোড়া (Trojan Horse):
- ট্রয়ের ঘোড়া ছিল গ্রীক বাহিনীর একটি কৌশল। তারা একটি বিশাল কাঠামো, যা একটি ঘোড়ার মতো দেখতে, ট্রয়ের শহরে রেখে যায়। এতে গ্রীক সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল। ট্রয়ের বাসিন্দারা এটি উপহার মনে করে শহরে নিয়ে আসে। রাতের বেলায় সৈন্যরা বের হয়ে শহরের দরজা খুলে দেয়, এবং গ্রীক বাহিনী ট্রয় ধ্বংস করে। এটি প্রতারণা ও কৌশলের প্রতীক হয়ে আছে।

উৎস: Britannica ওয়েবসাইট। 

৪,৮৩৬.
'যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন' - এটি কার উক্তি?
  1. অ্যাডলফ হিটলার
  2. বেনিতো মুসোলিনী
  3. ভ্লাদিমির পুতিন
  4. জর্জ ডব্লিউ বুশ
ব্যাখ্যা
'যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন'- অ্যাডলফ হিটলার।

অ্যাডলফ হিটলার:
- অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ শহরে ১৮৮৯ শহরে জন্মগ্রহণ করেন অ্যাডলফ হিটলার। 
- ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে জার্মান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর উদীয়মান রাজনৈতিক দল হিসেবে আলোচনায় আসে ‘জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টি’।
- ১৯২০ সালে দলের নাম পরিবর্তন করে ‘ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টি’ করা হয়, যা পরে নাৎসি পার্টি নামে পরিচিতি পায়।
- ১৯২১ সালে নাৎসি পার্টির নেতৃত্ব নেন হিটলার এবং ২৫ দফা ঘোষণা করেন। 
- ১৯৩৩ সালের ৩০ জানুয়ারি চ্যান্সেলর হন হিটলার।

উল্লেখ্য
- ১৯৩৪ সালে চ্যান্সেলর ও প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব একাই পালন করতে শুরু করেন হিটলার।
- নিজেকে জার্মানির ‘ফুয়েরার বা সর্বোচ্চ নেতা’ ঘোষণা করেন। এভাবে চ্যান্সেলর থেকে একনায়ক হয়ে ওঠেন হিটলার।
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর পোল্যান্ড আক্রমণ করে জার্মান বাহিনী।
- এরপর ৩ সেপ্টেম্বর নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ব্রিটেন ও ফ্রান্স।
- এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়।
- ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল বাংকারে নিজের কপালের ডান পাশে গুলি করে আত্মহত্যা করেন তিনি।

তথ্যসূত্র: Britannica, পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৮৩৭.
'গ্লাসনস্ত ও পেরেস্ত্রইকা' নীতি কোন দেশে চালু হয়েছিল?
  1. ক) চীন
  2. খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্ত্ররাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি।
- পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- মিখাইল গর্ভাচেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম ও একমাত্র প্রেসিডেন্ট। 
- সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা।     

উৎস: হিস্টোরি ওয়েবসাইট।
৪,৮৩৮.
হিটলারের রাজনৈতিক দলের নাম কী ছিল?
  1. ফুয়েবার
  2. গেস্টাপো
  3. নাৎসী পার্টি
  4. টুপাক ইয়াৎ
ব্যাখ্যা
অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৮৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার মৃত্যু বরণ করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৮৩৯.
পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা হিসেবে বিবেচিত কোনটি?
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. অ্যাসেরীয় সভ্যতা
  3. ফিনিশীয় সভ্যতা
  4. সুমেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা হলো মেসোপটেমিয়া সভ্যতা। বর্তমান ইরাক, সিরিয়া ও তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে ইউফ্রেতিস ও তাইগ্রিস নদীর মধ্যবর্তী অববাহিকায় মেসোপটেমীয় সভ্যতা বিকশিত হয়।
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে উঠা প্রথম সভ্যতা হলো সুমেরীয় সভ্যতা। আনুমানিক প্রায় ছয় হাজার বছর পূর্বে বর্তমান ইরাকে সুমেরীয় সভ্যতার বিকাশ লাভ করেছিলো।
- সুমেরীয় সভ্যতার পর পর্যায়ক্রমে মেসোপটেমিয়ায় ব্যাবিলনীয়, অ্যাসেরীয় এবং ক্যালডীয় সভ্যতা বিকশিত হয়।
- সভ্যতাগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময়ে বিকশিত হলেও একই স্থানে গড়ে উঠায় এদের একত্রে মেসোপটেমীয় সভ্যতা হিসেবে অভিহিত করা হয়।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা)
৪,৮৪০.
নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র কে?
  1. মাহমুদ মামদানি
  2. জোহরান মামদানি
  3. আব্দুল্লাহ ফারুক
  4. হাসান মেহেদি
ব্যাখ্যা

- নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম মেয়র জোহরান মামদানি।

• জোহরান মামদানি:

- বয়স: ৩৪, 
-  তিনি উগান্ডায় জন্মগ্রহণ করেছেন এবং দ্বৈত নাগরিকত্ব বজায় রেখেছেন।
- তাঁর পিতা প্রফেসর মাহমুদ মামদানি, যিনি একজন প্রখ্যাত উগান্ডিয়ান শিক্ষাবিদ। 
- তাঁর মা মীরা নাইর একজন খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা।
 - মাহমুদ মামদানি উগান্ডায় বড় হয়েছেন এবং দেশের প্রধান ও প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় মেকেরেরে ইউনিভার্সিটিতে এক দশকেরও বেশি সময় কাজ করেছেন।
 - প্রফেসর মামদানি তাঁর উপনিবেশবিরোধী গবেষণার জন্য পরিচিত, যা আফ্রিকার উপনিবেশবাদের প্রভাব এবং এটি শাসন, পরিচয় ও ন্যায়ের ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলেছে তা বিশ্লেষণ করে।

উল্লেখ্য,
- নিউ ইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন জোহরান মামদানি।
 - যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মুসলমান ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত নেতা নিউ ইয়র্ক শহরের মেয়র নির্বাচিত হলো।
 - গত ১০০ বছরের মধ্যে নিউ ইয়র্কের সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হলেন ৩৪ বছর বয়সী মামদানি।

তথ্যসূত্র: বিবিসি।

৪,৮৪১.
রাশিয়ার যে শহরে হাসপাতালে আক্রমণ করার পর বাধ্য হয়ে রাশিয়া চেচনিয়ার সাথে শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে তার নাম -
  1. Budennovsk
  2. Keldavisk
  3. Dasanova
  4. Gariev
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

রাশিয়ার যে শহরে হাসপাতালে আক্রমণ করার পর বাধ্য হয়ে রাশিয়া চেচনিয়ার সাথে শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে তার নাম Budennovsk। 

উৎস: Refworld- Human Rights Watch World Report 1996.
৪,৮৪২.
হাইফা সমুদ্র বন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরান
  2. লিবিয়া
  3. ইসরায়েল
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

হাইফা সমুদ্র বন্দর:
- হাইফা সমুদ্র বন্দর উত্তর-পশ্চিম ইসরায়েলে অবস্থিত।
- এটি ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান গভীর-সমুদ্র বন্দর।
- বন্দরটি ১৯৩৩ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- প্রতি বছর প্রায় ২০ মিলিয়ন টন পণ্যবাহী জাহাজ বন্দর দিয়ে যাতায়াত করে, যা ইসরায়েলের অন্য যেকোনো বন্দরের চেয়ে বেশি।

ইসরায়েল:
- ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত।
- আয়তন: এর স্বীকৃত ভূমির আয়তন অর্থাৎ পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা বাদ দিয়ে, প্রায় ২২,০৭২ বর্গকিলোমিটার (৮,৫২২ বর্গমাইল)।
- সীমান্তবর্তী দেশ: মিশর, জর্ডান, সিরিয়া, লেবানন।
- ভাষা: হিব্রু।
- ধর্ম: ইহুদি।
- মুদ্রা: নতুন ইসরায়েলি শেকেল (NIS)।

তথ্যসূত্র - Bitannica.com

৪,৮৪৩.
"হাজার হ্রদের দেশ" হিসেবে পরিচিত কোন দেশ?
  1. এস্তোনিয়া
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. ফিনল্যান্ড
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

ফিনল্যান্ডকে হাজার হ্রদের দেশ বলা হয়।

- ফিনল্যান্ড উত্তর ইউরোপের একটি দেশ। 
- উত্তর-পশ্চিমে সুইডেন, দক্ষিণে এস্তোনিয়া, পূর্বে রাশিয়া এবং উত্তরে নরওয়ে অবস্থিত।
- ফিনল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ, যার রাজধানী হেলসিঙ্কি।
- দেশটিতে ১৮৭,০০০ এরও বেশি হ্রদ রয়েছে। 
- ফিনল্যান্ডের হাজার হাজার হ্রদের কারণেই দেশটির ডাকনাম "হাজার হ্রদের দেশ"। 
- জনসংখ্যার সাথে হ্রদের সংখ্যার তুলনা করলে দেখা যায় যে প্রতি ২৬ জন ফিনের জন্য একটি হ্রদ রয়েছে। 
- ফিনল্যান্ডের ভূমি এলাকার ১০% জল। 

উৎস: world atlas.

৪,৮৪৪.
গণতন্ত্র সর্বপ্রথম প্রচলিত হয় কোথায়?
  1. যুক্তরাজ্যে
  2. আমেরিকায়
  3. গ্রিসে
  4. প্যারিসে
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্র সর্বপ্রথম প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স শহরে প্রচলিত হয়।

গণতন্ত্রের সূচনা:

- ‘গণতন্ত্র’ পরিভাষাটি ইংরেজি ‘Democracy’ থেকে এসেছে। গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- সরকার বা শাসনব্যবস্থা যখন সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত নিয়ে পরিচালিত হয়, তখন তাকে গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বলা হয়।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- এখানে সোলন এবং ক্লিসথেনিস নামক দুই রাজনৈতিক নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- এ জন্য ক্লিসথেনিসকে আখ্যায়িত করা হয় ‘অ্যাথেনিয়ান গণতন্ত্রের জনক’।

উল্লেখ্য,
- গণতন্ত্র হল একটি সরকার ব্যবস্থা যেখানে আইন, নেতৃত্ব, নীতি এবং রাষ্ট্র পরিচালনা, পররাষ্ট্রনীতি ইত্যাদি প্রণয়ন করতে জনগণ দ্বারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- গণতন্ত্র হল এমন একটি সমাজ যেখানে নাগরিকরা সার্বভৌম এবং সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রপতি আব্রাহাম লিঙ্কন এর মতে, “Democracy is the government of the people, by the people, for the people.”। ‘‘গণতন্ত্র হল জনগণের, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য সরকার।’’

উৎস: Britannica.
৪,৮৪৫.
কত সালে আরব বসন্ত শুরু হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত (Arab Spring):
- মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে রাজতন্ত্র ও একনায়কতন্ত্র উচ্ছেদ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন ২০১০ সালে শুরু হয়, সেগুলোকে একত্রে আরব বসন্ত বলে ।
- আফ্রিকার দেশ তিউনিশিয়ায় আরব বসন্তের সূচনা হয়েছিল।
- তাই তিউনিশিয়াকে আরব বসন্তের সূতিকাগার বলা হয়।
- পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যম ২০১১ সালে প্রথম মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংঘটিত গণআন্দোলনকে “আরব বসন্ত” ( Arab Spring ) আখ্যা দেয়।
- ২০১৩ সালের দিকে এসে আরব বসন্তের আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।
- আরব বসন্তের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কয়েকটি দেশে যেমন তিউনিশিয়া, মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন, বাহরাইন, মরক্কো, সিরিয়া প্রভৃতি দেশে - ক্ষমতা বদল বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি পরিবর্তন ঘটেছে।
- এই তথাকথিত আরব বসন্তের জেরে সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া প্রভৃতি দেশে চরম রাজনৈতিক অস্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৮৪৬.
JKLF এর পূর্ণনাম কী?
  1. ক) Jammu Kashmir Liberation Front
  2. খ) Jammu Kashmir Liberty Front
  3. গ) Jammu Kashmir Liberaty Fedaration
  4. ঘ) Jammu Kashmir Liberal Front
ব্যাখ্যা
- JKLF (Jammu-Kashmir Liberation Front) হলো ভারতের কাশ্মীর রাজ্যের স্বাধীনতাকামী গেরিলা সংগঠন।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা আমানুল্লাহ খান এবং মকবুল ভাট। এটি ১৯৭৭ সালে ব্রিটেনের বার্মিংহামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভারত সরকার ২০১৯ সালে ইয়াছিন মালিককে গ্রেফতার ও JKLF কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র:- সাউথ এশিয়া টেরোরিজম পোর্টাল।
৪,৮৪৭.
কিতাবুল রেহেলা গ্রন্থের লেখক কে?
  1. আল বেরুনী
  2. ইবনে সিনা
  3. আল-খাওয়ারিজমি
  4. ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা

ইবনে বতুতা:
- ১৩০৪ সালে ইবনে বতুতা জন্মগ্রহণ করেন।
- ইবনে বতুতা (মরক্কো ) ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের আমলে ।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- তাঁর রচিত গ্রন্থ- ইবনে জুযাই, কিতাবুল রেহালা।
- মেগান্থিসিস প্রাচীন গ্রীসের একজন পর্যটক এবং ভূগোলবিদ।
-  ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন।
- তিনি একটানা ৩০ বছর ঘুরে বেড়ান বিশ্বের নানা প্রান্ত। এ সময় ভ্রমণ করেন প্রায় ১,২০,০০০ কিলোমিটার।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা এস এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া ।

৪,৮৪৮.
উত্তর -দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. ৩৮ তম অক্ষরেখা
  2. ১৭ তম উত্তর অক্ষরেখা
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. ম্যাকমোহন লাইন
ব্যাখ্যা
৩৮ তম অক্ষরেখা:
- দুই কোরিয়ার মধ্যকার সীমারেখা হলো ৩৮ তম অক্ষরেখা।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮  তম অক্ষরেখায় বিভক্ত করে।
- ১৯১০ সাল থেকে কোরিয়া জাপানের উপনিবেশে ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয়ের পর উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে দুই কোরিয়ার জন্ম হয়।

এছাড়াও
- ১৭ তম অক্ষরেখা-  দক্ষিণ ও উত্তর ভিয়েতনাম বিভক্তকারী রেখা।
- ম্যাজিনো লাইন - জার্মান ও ফ্রান্স সীমান্তে ফ্রান্স কর্তৃক নির্মিত সীমারেখা।
- ম্যাকমোহন লাইন- ভারত ও চীনের মধ্যবর্তী সীমারেখা।

উৎস: Britannica.
৪,৮৪৯.
‘মাজার-ই-শরীফ’ কোন দেশের বিখ্যাত শহর?
  1. ভারত
  2. ইরান
  3. আফগানিস্তান
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের অন্যতম প্রধান শহর মাজার–ই–শরিফ। 
- মাজার–ই–শরিফ আফগানিস্তানের চতুর্থ বৃহত্তম শহর।
- দেশটির বালখ প্রদেশের রাজধানী এটি।

• কান্দাহার দক্ষিণ-মধ্য আফগানিস্তানের শহর।
- এটি দক্ষিণ আফগানিস্তানের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং
- কাবুল , হেরাত এবং কোয়েটা (পাকিস্তান) থেকে মহাসড়কের সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- কান্দাহারের একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে, যদিও এটি ঐতিহ্যগতভাবে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- আফগানিস্তানের আরও কয়েকটি বিখ্যাত শহর: কাবুল, হেরাত, গজনী।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৪,৮৫০.
লিবিয়ার জাতিসংঘ সমর্থিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. মোহাম্মদ শতায়েহ
  2. আব্দুল্লাদেজ বুতেফ্লিকা
  3. ফয়েজ আল সিরাজ
  4. খলিফা হাফতার
ব্যাখ্যা
লিবিয়ার ত্রিপলিভিত্তিক জাতিসংঘ সমর্থিত গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল অ্যাকর্ড (জিএনএ) সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হলেন ফয়েজ আল সিরাজ।
প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ফয়েজ আল সিরাজ দেশটির প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলেরও প্রধান।
তুরস্ক ও কাতার এই সরকারকে সমর্থন করছে।
অন্যদিকে, যুদ্ধবাজ নেতা খলিফা হাফতার নেতৃত্বাধীন সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফ্রান্স।
(সূত্র: আল জাজিরা)
৪,৮৫১.
ইসরাইলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
  2. নাফতালি বেনেট
  3. ইয়ার লাপিড
  4. রবিন রিভলিন
ব্যাখ্যা
- ইসরাইলের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেব গত ১৩ জুন ২০২১ দায়িত্বগ্রহণ করেন ইয়ামিনা পার্টির নেতা নাফতালি বেনেট। এর মাধ্যমে লিকুদ পার্টির নেতা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু‘র ১২ বছরের প্রধানমন্ত্রীত্বের অবসান হয়।
- নাফতালি বেনেট পরবর্তী দু্ই বছর দেশটির ১৩তম প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। দুইবছর পর বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ইয়াশ আদিত পার্টির নেতা ইয়ার লাপিড প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন।
- মনসুর আব্বাস নেতৃত্বাধীন ইসলামিক আরব লিস্ট ইসরাইলের বর্তমান কোয়ালিশন সরকারের অন্যতম শরিক।
(তথ্যসূত্র: আল জাজিরা)
৪,৮৫২.
নর্ডস্ট্রিম-১ কোন দেশের মালিকানাধীন গ্যাস পাইপলাইন?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. কনাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• নর্ডস্ট্রিম-১ রাশিয়ার দেশের মালিকানাধীন গ্যাস পাইপলাইন। 

• নর্ডস্ট্রিম-১: 
- রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানির সবচেয়ে বড় পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম ১। 
- এটির মাধ্যমে ইউরোপে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ করে।
- নর্ড স্ট্রিম-১ পাইপলাইন বাল্টিক সমুদ্রের নিচে দিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার (৭৪৫) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবার্গ এলাকা থেকে জার্মানির উত্তর-পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত প্রসারিত।
- ২০১১ সালে এই পাইপলাইনের উদ্বোধন হয়।
- এটি রাশিয়া থেকে দিনে ১৭০ ঘন মিটার গ্যাস জার্মানিতে পাঠাতে পারে।

সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা ও Nord Stream ওয়েবসাইট (লিঙ্ক) ।
৪,৮৫৩.
'বি-৫২' কোন দেশের বিমান?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
বি-৫২:
- এটিকে স্ট্র্যাটোফোর্ট্রেসও বলা হয়।
- এটি এক ধরণের মার্কিন বোমারু বিমান।
- ১৯৪৮ সালে এর ডিজাইন করা হয়েছিল।
- ১৯৫২ সালে এটি প্রথম উড্ডয়ন করা হয়েছিল।
- ১৯৫৫ সালে প্রথম সামরিক পরিষেবা দেয় ।

উৎস: Britannica.
৪,৮৫৪.
’গুলট্রাম’ কোন দেশের মুদ্রা?
  1. ভিয়েতনাম
  2. ভুটান
  3. চীন
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
মুদ্রা:
- ভুটানের মুদ্রার নাম গুলট্রাম।
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম 'ডং'।
- চীন মুদ্রার নাম ইউয়ান।
- নেপালের মুদ্রার নাম নেপালিজ রুপি।

সূত্র: সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৪,৮৫৫.
ব্যাবিলন কোন দুই নদীর মাঝে অবস্থিত ছিল?
  1. দানিয়ুব ও ভলগা
  2. নীল ও টাইগ্রিস
  3. টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস
  4. সিন্ধু ও গঙ্গা
ব্যাখ্যা

ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- ব্যাবিলন প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্যের শহর।
- এই শহরের ধ্বংসাবশেষ বাগদাদ থেকে প্রায় ৫৫ মাইল (৮৯ কিমি) দক্ষিণে, ইরাকের আধুনিক শহর আল-হিল্লার কাছে অবস্থিত।
- এটি ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে আমোরীয় রাজাদের শাসনের অধীনে আসে।
- শহরটি ব্যাবিলোনিয়ার রাজধানী হয়ে ওঠে এবং টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদী ব্যবস্থার প্রধান বাণিজ্যিক শহর ছিল।
- এটি নেবুচাদনেজার দ্বিতীয় এর অধীনে নিও-ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের রাজধানী হিসাবে তার সর্বশ্রেষ্ঠ গৌরব অর্জন করেছিল।
- নেবুচাঁদনেজার পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের অন্যতম হিসেবে পরিচিত- ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪,৮৫৬.
'The Spirit of Islam' গ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. সৈয়দ আমীর আলী
  2. স্যার সৈয়দ আহমদ
  3. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
ব্যাখ্যা
→ 'The Spirit of Islam' গ্রন্থটি রচনা করেন সৈয়দ আমীর আলী।

• সৈয়দ আমীর আলী:

- ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণে উদ্যোগী এবং ইসলামের ইতিহাস ও সমাজ বিষয়ক লেখক।
- তিনি ১৮৪৯ সালের ৬ এপ্রিল উড়িষ্যার কটকে জন্মগ্রহণ করেন।
- সৈয়দ আমীর আলী ১৯২৮ সালের ৩ আগস্ট ইংল্যান্ডে মারা যান।
- সন্তানেরা তাঁর নির্দেশানুযায়ী তাঁর ব্যক্তিগত কাগজপত্র নষ্ট করে ফেলেন।
- তাঁর ‘আত্মজীবনী ‘ইসলামিক কালচার’।
- ১৯০৮ সালে তিনি মুসলিম লীগের লন্ডন শাখা প্রতিষ্ঠা করেন এবং এর সভাপতি হন।

• তার প্রবন্ধগুলির মধ্যে:
- ‘এ ক্রাই ফ্রম দি ইন্ডিয়ান মোহামেডানস’ (১৮৮২)
-‘দি রিয়েল স্ট্যাটাস অব উইমেন ইন ইসলাম’ (১৮৯১)।
- 'The Spirit of Islam'।

অপরদিকে,
• নওয়াব আবদুল লতিফ:
- উনিশ শতকের বাংলার মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত ও সমাজসেবক।
- ফরিদপুর জেলার রাজাপুর গ্রামে জন্ম  গ্রহন করেন। 
- ১৮৭৭ সালে ‘খানবাহাদুর’ উপাধী পায়।
- ১৮৮০ সালে ‘নওয়াব’ উপাধী পায়।
- ১৮৮৩ সালে সি.আই.ই. এবং ১৮৮৭ সালে উচ্চতর সম্মানের প্রতীক ‘নওয়াব বাহাদুর খেতাবে ভূষিত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৮৫৭.
How many chambers does Japan's parliament have?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা
জাপানের পার্লামেন্ট:

- জাপানের পার্লামেন্টের নাম- ডায়েট।
- জাপানের পার্লামেন্ট 'ডায়েট' দুই কক্ষ বিশিষ্ট।
- উচ্চকক্ষ হাউস অফ কাউন্সিলর (House of Councillors).
- হাউস অফ কাউন্সিলর ২৪২ আসন।
- নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস ( House of Representatives).
- হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস ৪৬৭ আসন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৮৫৮.
রুয়ান্ডা গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

রুয়ান্ডা গণহত্যা:
- ১৯৯৪ সালের এপ্রিল-জুলাই মাসে রুয়ান্ডা গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল।
- মাত্র ১০০ দিনের মধ্যে প্রায় আট লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়, যাদের বেশিরভাগই ছিল সংখ্যালঘু তুতসি সম্প্রদায়ের।
- গণহত্যা পরিচালনাকারীরা ছিল হুতু সম্প্রদায়ের।
- গণহত্যার প্রভাবে রুয়ান্ডায় যেসব পরিবর্তন এসেছিল তার অন্যতম একটি হলো দেশটিতে ইসলাম ধর্মের উত্থান।
- রুয়ান্ডার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জুভেনাল হাবিয়ারিমানাকে বহনকারী বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সূত্রপাত হয়েছিল এই গণহত্যার।
- প্রেসিডেন্ট ছিলেন সংখ্যাগুরু হুতু সম্প্রদায়ের।
- প্রেসিডেন্ট হাবিয়ারিমানাকে হত্যার পেছনে তুতসিদের হাত আছে বলে দোষারোপ করেছিল হুতুরা।
- আর তারপরই হুতু চরমপন্থিরা তুতসিদের ওপর চড়াও হয়ে তাদের নির্বিচারে হত্যা করে।
- মধ্যপন্থি কিছু হুতু যারা তুতসিদের কাউকে কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন তারাও হত্যার শিকার হন।
- গণহত্যার পর মূলত ক্ষমতা নেয় তুতসি বাহিনী।

তথ্যসূত্র: Britannica.com

৪,৮৫৯.
বলশেভিক বিপ্লবের তাত্ত্বিক উন্নয়ন ঘটান কে?
  1. ক) ভি.আই লেনিন
  2. খ) চার্লস্‌ ওয়েন
  3. গ) কার্ল মার্ক্স
  4. ঘ) মিখাইল বাকুনিন
ব্যাখ্যা
বলশেভিক বিপ্লবের তাত্ত্বিক উন্নয়নঃ অনেক সীমাবদ্ধতা হেতু তাত্ত্বিক পক্ষে বিপ্লবের পদ্ধতিগত দিক ও পরিসীমা নির্ধারণ সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ফলে প্রাথমিক দিকের সমাজতন্ত্রীদের কাল্পনিক সমাজতন্ত্রী বলা হয়। তাদের সমাজতান্ত্রিক মতবাদের নানা ক্ষেত্রে বাস্তব ও পরিপূর্ণ রূপরেখা, যৌক্তিক প্রয়োগ পদ্ধতি এবং সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনে সফলতা অর্জনের পথ পরিক্রমা নিশ্চিত করেন ''কার্ল মার্কস''। বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের জনক খ্যাত কার্ল মার্কসের নির্দেশিত পথকে সামনে রেখেই ১৯ শতকের শেষদিকে ইউরোপের নানা দেশে গড়ে ওঠে বিভিন্ন ধরনের সমাজতান্ত্রিক দল। বলতে গেলে রাশিয়ার বলশেভিক পার্টি তেমনিভাবেই গড়ে ওঠা একটি রাজনৈতিক দল। এক্ষেত্রে লেনিন মার্কসের নির্দেশিত পথে কাজ করেন বলেই সফলতার মুখ দেখে বলশেভিক আন্দোলন।
উৎসঃ একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস (২য় পত্র - উন্মুক্ত) বোর্ড বই।
৪,৮৬০.
'The Poverty of Philosoph' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. পল সেমুয়েলসন
  2. কার্ল মার্ক্স
  3. ফ্রিড্রিখ এঙ্গেলে
  4. অ্যাডাম স্মিথ
ব্যাখ্যা
কার্ল মার্ক্স:
- কার্ল মার্ক্স ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার রচিত গ্রন্থের মধ্যে 'দ্য কমিউনিস্ট মেনিফ্যাস্টো', 'দাস ক্যাপিটাল' সর্বাধিক প্রসিদ্ধ
- ফ্রিড্রিখ এঙ্গেলের সাথে যৌথভাবে তিনি কমিউনিস্ট মেনিফ্যাস্টো গ্রন্থটি রচনা করেন যা সমাজতন্ত্রের বাইবেল নামে পরিচিত।
- তার আরেকটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ' The Poverty of Philosophy '.
- মার্ক্স তার লেখনির মাধ্যমে যে মতবাদকে তুলে ধরেন তা মার্ক্সবাদ নামে পরিচিত।
- ১৮৮৩ সালের ১৪ই মার্চ তিনি লন্ডনে মারা যান।
- মার্ক্সের ইতিহাস দর্শন ঐতিহাসিক বস্তুবাদ বলে পরিচিত।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৪,৮৬১.
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে LOI - এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Letter of Intent
  2. Letter of Identification
  3. Letter of Inspection
  4. Letter of Iropact
ব্যাখ্যা
• Letter of Intent:
- A letter of intent (LOI) হল একটি দলিল যা এক পক্ষের অন্য পক্ষের সাথে ব্যবসা করার প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করে।
 - letter of inten একটি সম্ভাব্য চুক্তির প্রধান শর্তগুলির রূপরেখা দেয় এবং সাধারণত ব্যবসায়িক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়।
- একটি LOI-তে অন্তর্ভুক্ত শর্তাবলী হল নির্দিষ্ট শর্তাবলী, প্রয়োজনীয়তা, সময়রেখা এবং জড়িত পক্ষগুলি৷

তথ্যসূত্র: ইনভেস্টিপিডিয়া। 
৪,৮৬২.
কোন সভ্যতা লেখার পদ্ধতি হিসেবে 'কিউনিফর্ম' ব্যবহার করেছিল?
  1. সুমেরীয় সভ্যতা
  2. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  3. অ্যাসেরীয় সভ্যতা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
কিউনিফর্ম (Cuneiform):
- কিউনিফর্ম সুমেরীয়দের তৈরি প্রাচীন লিপি।
- কিউনিফর্ম বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন ও চিত্রের সমন্বয়ে লেখার পদ্ধতি।
- এই লিপির আকৃতি কীলক বা ছোট্ট তীরের মতো হওয়ার কারণে এদের কিউনিফর্ম বা কীলক লিপি বলা হয়।
- এটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত কোনো বর্ণমালা নয় এবং এতে নির্দিষ্ট বা ধরাবাঁধা কোনো অক্ষরও নেই।
- কাদামাটির চার কোনা পাতে লেখার পর আগুনে পুড়িয়ে একে স্থায়ী করা হতো।
- এটি প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতায় ব্যবহার করা হতো।
- হামুরাবীর আইনবিধি এই লিখন পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ করা হয়।

⇒ সুমেরীয়দের পর আক্কাদিয়ানরাও তাদের ভাষা লেখার জন্য এই লিখন পদ্ধতি গ্রহণ করে।
- সুমেরীয় ও আক্কাদিয়ান বাদে অ্যাসিরিয়ান, ব্যাবিলনিয়ান, এব্লেইট, আমোরাইট, অ্যালামাইট, হাত্তিক, হুররিয়ান, উরার্তিয়ান, হিট্টাইট, লুউইয়ান ভাষা এই লিখন পদ্ধতিতে লেখা হতো।
- কিউনিফর্ম লিপিকে প্রথম সংস্কার করেন পারস্য সম্রাট দারিয়ুস।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) World History Encyclopedia.
৪,৮৬৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ‘Bay of Pigs Invasion’ অভিযানের লক্ষ্য ছিল কোন শাসককে উৎখাত করা? 
  1. সাদ্দাম হোসেন
  2. হুগো চাভেজ
  3. ফিদেল কাস্ত্রো
  4. হোসনি মোবারক
ব্যাখ্যা

• Bay of Pigs Invasion: 
- Bay of Pigs Invasion হলো ১৯৬১ সালের ১৭-১৯ এপ্রিল কিউবার দক্ষিণ উপকূলে (Bay of Pigs-এ) ঘটে যাওয়া একটি ব্যর্থ সামরিক অভিযান।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের CIA-নেতৃত্বাধীন এবং প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডির অনুমোদিত অপারেশন ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল ফিদেল কাস্ত্রোর কমিউনিস্ট সরকারকে উচ্ছেদ করা।
- ১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রো ক্ষমতায় আসার পর কিউবা মার্কিন-বিরোধী হয়ে ওঠে।
- কাস্ত্রো মার্কিন কোম্পানির সম্পত্তি জাতীয়করণ করে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে ঘনিষ্ঠ হয়।
- প্রেসিডেন্ট আইজেনহাওয়ারের সময় ১৯৬০ সালে CIA অ্যান্টি-কাস্ত্রো অপারেশন শুরু করে।
- কেনেডি ক্ষমতায় আসার পর এটি অনুমোদন করেন। 
- আক্রমণকারী বাহিনী ছিল প্রায় ১,৪০০ জন নির্বাসিত কিউবান নাগরিক, যাদের CIA গুয়াতেমালায় প্রশিক্ষণ দিয়েছিল। 
- তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা প্রশিক্ষিত এবং মার্কিন সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত ছিল।
- আক্রমণকারী বাহিনী কাস্ত্রোর সেনাদের দ্বারা পরাজিত হয়।
- এই ঘটনা অক্টোবর ১৯৬২-এর কিউবা সংকটের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৪,৮৬৪.
সানশাইন পলিসি (Sunshine Policy) এর প্রবক্তা কে?
  1. কিম ইয়ং-স্যাম
  2. কিম দায়ে জং
  3. কোয়াক সাং-হুন
  4. ইউন সুক ইওল
ব্যাখ্যা
Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৮৬৫.
সেভেন সিস্টার্সের কোন প্রদেশটি চীন তাদের অংশ দাবি করে?
  1. নাগাল্যান্ড
  2. অরুণাচল
  3. মিজোরাম
  4. মণিপুর
ব্যাখ্যা
◉ সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- এই সাত রাজ্যের আয়তন ২,৬২,১৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা ভারতের মোট এলাকার প্রায় ৭.৯৭ শতাংশ।
- এ অঞ্চলের জনসংখ্যা ভারতের মোট জনসংখ্যার ৩.৭৮ শতাংশ।
- ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া সর্বপ্রথম রাজ্যগুলোকে একত্রে ‘সেভেন সিস্টার্স’ নামে উল্লেখ করেন।
- ১৯৭২ সালে এই সাত রাজ্যকে সেভেন সিস্টার্সের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- আসামের মাধ্যমে রাজ্যগুলো ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- আগে এসব রাজ্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
- রাজ্যগুলাে হচ্ছে: অরুণাচল, আসাম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা।
- অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে দাবি করে আসছে চীন।
- তবে ভারত এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
- তাদের দাবি, অরুণাচল প্রদেশ বরাবরই ভারতের অংশ।

উৎস: Ministry of Home Affairs ওয়েবসাইট।
৪,৮৬৬.
'বৈশ্বিক লিঙ্গবৈষম্য প্রতিবেদন' অনুসারে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) আইসল্যান্ড
  3. গ) নরওয়ে
  4. ঘ) নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক লিঙ্গবৈষম্য প্রতিবেদন:
১৩ জুলাই ২০২২ বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম ১৪৬টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে বৈশ্বিক লিঙ্গবৈষম্য প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 
প্রতিবেদন অনুসারে -
    শীর্ষ দেশ – আইসল্যান্ড।
    সর্বনিম্ন দেশ - আফগানিস্তান।
    বাংলাদেশের অবস্থান - ৭১তম।
 
উৎস: বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম ওয়েবসাইট। 
৪,৮৬৭.
নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত পারমাণবিক বোমার নাম কী?
  1. ডেস্ট্রয়ার
  2. প্যাট্রিয়ট
  3. লিটল বয়
  4. ফ্যাট ম্যান
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক বোমা লিটল বয় এবং ফ্যাটম্যান:

⇒ লিটল বয়:
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- এটি ছিল বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র, যা যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়।
- বিস্ফোরণের সময় প্রায় ৭০,০০০-৮০,০০০ মানুষ তাৎক্ষণিক মারা যায় এবং পরবর্তী সময়ে আরও হাজার হাজার মানুষ তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে মৃত্যুবরণ করে।

⇒ ফ্যাটম্যান:
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫, তিন দিন পর যুক্তরাষ্ট্র নাগাসাকি শহরের ওপর ফ্যাটম্যান নামক দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- এতে প্রায় ৪০,০০০-৭৫,০০০ মানুষ মারা যায় এবং অনেক মানুষ আহত ও তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

⇒ লিটল বয় ও ফ্যাটম্যানের প্রভাব:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এই বোমাগুলোর ব্যবহারে জাপান আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
- এটি প্রথমবারের মতো যুদ্ধক্ষেত্রে গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র ব্যবহারের নজির স্থাপন করে।
- মানব ইতিহাসে এই ঘটনাগুলো ছিল সবচেয়ে বিধ্বংসী, যা বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করে।
- পারমাণবিক বোমা ব্যবহারের আদেশ দেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান।
- লিটল বয় এবং ফ্যাটম্যান পারমাণবিক অস্ত্রের বিধ্বংসী ক্ষমতার নজির স্থাপন করেছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৪,৮৬৮.
'লয়াজিরগা' কোন দেশের আইন সভা?
  1. ইরান
  2. আফগানিস্তান
  3. ডেনমার্ক
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- লয়াজিরগা : আফগানিস্তানের আইনসভা, 

এছাড়াও,
- মজলিস : ইরানের আইনসভা, 
- কংগ্রেস : যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা, 
- রিক্সড্যাগ : সুইডেনের আইনসভা, 
- ফোকেটিং : ডেনমার্কের আইনসভা, 
- আলথিং : আইসল্যান্ডের আইনসভা, 
- এডুসকুন্ডা : ফিনল্যান্ডের আইনসভা। 

উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৪,৮৬৯.
ভারতীয় বৌদ্ধ ধর্ম কোন সাম্রাজ্যের হাত ধরে মধ্য এশিয়া, চীন বিস্তার লাভ করে?
  1. কুষাণ সাম্রাজ্য
  2. পুষ্যভূতি সাম্রাজ্য
  3. বৈদিক সাম্রাজ্য
  4. গুপ্ত সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
সাম্রাজ্যের ধর্ম:
- মৌর্য সাম্রাজ্যের পর কুষাণ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা ভারতীয় সংস্কৃতি ও সভ্যতার উপর সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রভাব বিস্তার করে।
- এ সময় ইউফ্রেটিস হতে গঙ্গা নদী পর্যন্ত ভূ-ভাগ কুষাণ শাসনাধীন হলে ভারতে এক মিশ্র সভ্যতার উদ্ভব হয়।
- কুষাণ সাম্রাজ্যকে আশ্রয় করে ভারতীয় বৌদ্ধ ধর্ম মধ্য এশিয়া, চীন বিস্তার লাভ করে। 
- রোম সাম্রাজ্যের সাথে ভারতের বাণিজ্য জলপথে ও স্থলপথে ব্যাপকতা লাভ করে। 
- কুষাণ সম্রাটগণ ভারতীয় সংস্কৃতিকে আশ্রয় করে বহির্দেশে তার প্রচারে ব্রতী হয়েছিলেন। 
- কুষাণ শ্রেষ্ঠ কনিষ্ক কুষাণ সাম্রাজ্যের ভারতীয়করণ সম্পন্ন করেন। 
- তিনি অন্তর্বাণিজ্য ও বহির্বাণিজ্যের বিস্তার ঘটান, প্রসার ঘটান বৌদ্ধধর্মের এবং শিক্ষা, শিল্পকলা ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। 
 
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় &  বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস। [লিঙ্ক]
৪,৮৭০.
কোথায় তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. কাজাকিস্তান
  2. উজবেকিস্তান
  3. পাকিস্তান
  4. কিরগিজস্তান
ব্যাখ্যা
• তাসখন্দ চুক্তি: 
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।
৪,৮৭১.
দক্ষিণ আমেরিকার কোন দেশটি চির বসন্তের দেশ নামে পরিচিত?
  1. চিলি
  2. পেরু
  3. ইকুয়েডর
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
ইকুয়েডর:
- দেশটির নামের অর্থ ‘নিরক্ষীয় অঞ্চল’।
- ইকুয়েডর উত্তর-পশ্চিম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ।
- দেশটির আয়তন ৯৯,১১২ বর্গ মাইল (২৫৬,৭০০ বর্গ কিমি)।
- এর রাজধানীর নাম কুইটো।
- বর্তমানে ইকুয়েডর যা আছে তার বেশিরভাগই ইনকা সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত।
- ইকুয়েডর নিরক্ষরেখায় অবস্থিত , সিয়েরা ব্যতীত বেশিরভাগ দেশই আর্দ্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু অনুভব করে।
- ওরিয়েন্ট সারা বছর ধরে একটি অস্থির সামুদ্রিক গ্রীষ্মমন্ডলীয় বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার চির বসন্তের দেশ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৮৭২.
ক্রিস্টোফার কলম্বাস কত সালে আমেরিকা আবিষ্কার করেন?
  1. ১৪১৮ সালে
  2. ১৪৩২ সালে
  3. ১৪৯২ সালে
  4. ১৪৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
ক্রিস্টোফার কলম্বাস:
- তিনি ছিলেন ইতালীয় নাবিক এবং স্পেনের নৌআভিযাত্রী।
- আনুমানিক ১৪৫১ সালের ৩১শে অক্টোবর, ইতালির জেনোয়াতে জন্মগ্রহণ করেন।
-অন্বেষণকারী ক্রিস্টোফার কলম্বাস স্পেন থেকে আটলান্টিক মহাসাগর জুড়ে চারটি ভ্রমণ করেছিলেন।
- তিনি ইউরোপ থেকে এশিয়ার পশ্চিমে সরাসরি জলপথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছিলেন।চিল
- তিনি এরপর আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন।
- ক্রিস্টোফার কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করেন ১৪৯২ সালে।
- যদিও তিনি তথাকথিত নিউ ওয়ার্ল্ডকে ‘আবিষ্কার’ করেননি।
- লক্ষ লক্ষ মানুষ ইতিমধ্যেই সেখানে বাস করেছিল।
- তবে তার যাত্রা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার শতবর্ষের অনুসন্ধান এবং উপনিবেশের সূচনা করে।

উৎস: History Channel.
৪,৮৭৩.
গোলান মালভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্ত
  2. জর্ডান-ইসরাইল সীমান্ত
  3. ইসরাইল-ফিলিস্তিন সীমান্ত
  4. ইসরাইল-মিশর সীমান্ত
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- সিরিয়া ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি দখল করে। 
- ইসরাইল-সিরিয়া সীমান্ত রেখা পার্পল লাইন নামে পরিচিত।
- গোলান মালভূমি পশ্চিমে জর্ডান নদীর উপত্যকা সংলগ্ন একটি পাহাড়ি এলাকা।
- ঐতিহাসিকভাবে এটি দক্ষিণ-পশ্চিম সিরিয়ার অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালে এটি ইসরায়েলের সামরিক দখলে আসে।
- ১৯৮১ সালের ডিসেম্বরে ইসরায়েল এই অঞ্চলের অংশ একতরফাভাবে সংযুক্ত করে। তবে, এই পদক্ষেপটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়।
- এটি কৌশলগত এবং ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- এর উচ্চভূমি এবং পানি সম্পদ এলাকাটিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ করেছে।

উৎস: Britannica.
৪,৮৭৪.
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজার এর রাজধানী কোনটি?
  1. ক) নিয়ামে
  2. খ) ওয়াগাতায়গোও
  3. গ) আবুজা
  4. ঘ) বামাকো
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের রাজধানী:

- বানজুল : গাম্বিয়ার রাজধানী।
- নোয়াকচট: মৌরিতানিয়ার রাজধানী।
- নিয়ামে : নাইজারের রাজধানী।
- লুসাকা : জাম্বিয়ার রাজধানী।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৮৭৫.
'মারিয়ানা' সমুদ্র খাতের অবস্থান -
  1. ক) ভারত মহাসাগরে
  2. খ) প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. গ) উত্তর মহাসাগরে
  4. ঘ) দক্ষিণ মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগরে গভীর সমুদ্র খাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- সর্বাপেক্ষা গভীরতম সমুদ্র খাত মারিয়ানা খাত।
- এটি গুয়াম দ্বীপের ৩২২ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- ভারত মহাসাগরের গভীরতম খাত 'সুন্দা খাত'।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম খাত পোর্টেরিকো খাত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৭৬.
‘হারেৎজ’ কোন দেশের প্রভাবশালী সংবাদপত্র?
  1. সিরিয়া
  2. ফিলিস্তিন
  3. ইসরায়েল
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
'হারেৎজ’ পত্রিকা:
সংবাদপত্রের নাম: হারেৎজ (Haaretz)।
দেশ: ইসরায়েল।
প্রতিষ্ঠিত: ১৯১৮ সালে।
ভাষা: মূলত হিব্রু, তবে এর একটি ইংরেজি সংস্করণও রয়েছে।
ধরণ: দৈনিক পত্রিকা।
প্রকাশনা সদর দফতর: তেল আবিব, ইসরায়েল।

উল্লেখ্য,
- হারেৎজ পত্রিকা ইসরায়েলের অন্যতম প্রভাবশালী ও প্রাচীনতম দৈনিক।
- ইসরায়েলের নীতির সমালোচনা ও ফিলিস্তিনি ইস্যুতে স্বাধীন মতামত প্রকাশের জন্য পরিচিত।
- সম্প্রতি, গাজায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনে ইসরায়েলকেই অভিযুক্ত করেছে হারেৎজ।
- প্রভাবশালী এই সংবাদপত্রটি বলেছে, হামাস নয়, গাজায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরায়েল।
- এছাড়া গাজায় নতুন করে আক্রমণ চালানোর উদ্দেশ্য ছিল জিম্মি, জীবিত এবং মৃতদের মুক্তি দেওয়া বলে নেতানিয়াহু যে দাবি করেছেন সেটিকেও আরেকটি মিথ্যা বলেও নিন্দা জানিয়েছে হারেৎজ।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৪,৮৭৭.
প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার বর্তমান ভৌগলিক অবস্থা কোথায়?
  1. প্যারাগুয়ে
  2. ইরাক
  3. পাকিস্তান
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

মেসোপটেমীয় সভ্যতাঃ
‘মেসোপটেমীয়া’ একটি গ্রিক শব্দ,যার অর্থ - দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
- টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উপত্যকাটির নাম- মেসোপটেমিয়া।
- গ্রীক লেখকগণ মূলত এর নামকরণ করেন।
- মেসোপটেমিয়া দুই ভাগে বিভক্ত ছিলো - উত্তর ও দক্ষিণ। উত্তর অংশের বর্তমান নাম - অ্যাসেরীয় ও দক্ষিণ অংশের নাম - মেসোপটেমিয়া।
- তবে এটি একটি অভিন্ন এলাকা হিসাবেই পরিচিত ছিলো।
- এই অঞ্চলটিতেই খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিলো।
- বর্তমান ভৌগোলিক অবস্থান - বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়ার বেশিরভাগ অঞ্চল অবস্থিত।
- এছাড়াও সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান ও কুয়েতে - এই সভ্যতার কিছু অংশ রয়েছে। মেসোপটেমিয়ার লোকজন বহু-ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিলো।

উৎসঃ হিস্টোরি.কম ও ব্রিটানিকা।

৪,৮৭৮.
'অকাস' (AUKUS) জোটের সদস্য দেশ-
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৮টি
ব্যাখ্যা

- অস্ট্রেলিয়া (A), যুক্তরাজ্য (UK) ও যুক্তরাষ্ট্র (US) এই তিনটি দেশের নামের আদ্যক্ষর দিয়ে গঠিত সামরিক জোট অকাস।
- ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে নতুন সামরিক জোটটি গঠিত হয়।
- এই চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়াকে তাদের পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন প্রযুক্তি প্রদান করবে এবং এরই আওতায় অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাডিলেড ডকইয়ার্ডে আটটি সাবমেরিন তৈরি করা হবে।
- এরপূর্বে ১৯৫৮ সালে কেবল যুক্তরাজ্যকে এই প্রযুক্তির প্রদান করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- এছাড়াও এ চুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি সাইবার নিরাপত্তা ইত্যাদি বিষয়েও সহায়তা করা হবে।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৪,৮৭৯.
মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশ প্রথমবারের মতো FIFA World Cup আয়োজন করে?
  1. কুয়েত
  2. সৌদি আরব
  3. কাতার
  4. বাহরাইন
ব্যাখ্যা
ফিফা বিশ্বকাপ:
- ২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে কাতার
-  কাতার এবং ইকুয়েডরের মধ্যে উদ্বোধনী ম্যাচ আল খোরের আল বাইত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৬ সালে ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো (উত্তর আমেরিকা)।
- কানাডা, মেক্সিকো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই তিনটি দেশ একসঙ্গে ফিফা বিশ্বকাপ এর ২৩তম আসরটি আয়োজন করবে।
- ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ৪৮টি দল অংশগ্রহণ করবে।

উৎস: ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৮৮০.
'গারুদা' কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. ক) জাপান
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে বড় দেশ হলো ইন্দোনেশিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা জাভা দ্বীপে অবস্থিত।
- এর প্রধান দ্বীপ সুমাত্রা, বোর্নিও, জাভা, সুলাওসি, নিউগিনি, বালি প্রভৃতি‌। 
- 'গারুদা' হলো এর জাতীয় বিমান সংস্থা।

Source: Garuda-Indonesia.com; britannica

৪,৮৮১.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) পেন্টাগন
  2. খ) হোয়াইট হাউজ
  3. গ) এলিসি প্রাসাদ
  4. ঘ) ক্রেমলিন
ব্যাখ্যা
হোয়াইট হাউজ – ‍যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন।
পেন্টাগন – মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর।
ওভাল অফিস – মার্কিন প্রেসিডেন্টের অফিস।
এলিসি প্রাসাদ – ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন।
ক্রেমলিন – রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন।
(সূত্র: দেশগুলোর ওয়েবসাইট)
৪,৮৮২.
সভ্যতার ইতিহাসে রোমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান-
  1. পিরামিড নির্মাণ
  2. বর্ণমালার আবিষ্কার
  3. আইন প্রণয়ন
  4. দার্শনিক চিন্তা
ব্যাখ্যা
• রোমান সভ্যতা: 
- বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে রোমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান হচ্ছে আইন প্রণয়ন।

- খ্রিষ্টপূর্ব পাঁচ শতকের মাঝামাঝি সময়ে রোমানরা ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনগুলো সুষ্ঠুভাবে একসঙ্গে সাজাতে সক্ষম হন।
- ৫৪০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে ১২টি ব্রোঞ্জ পাতে সর্বপ্রথম আইনগুলো খোদাই করে লিখিত হয়।
- রোমান আইনের দৃষ্টিতে সকল মানুষ সমান।
- রোমান আইনকে তিনটি শাখায় ভাগ করা হয়েছে। যেমন-
• বেসামরিক আইন:
- এই আইন পালন করা রোমান নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল।
- এই আইন লিখিত অলিখিত দুই রকম ছিল।
• জনগণের আইন: 
- জনগণের আইন এ আইন সকল নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- তাছাড়া ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার বিষয়টি এই আইনে ছিল।
- তবে এর মাধ্যমে দাসপ্রথাও স্বীকৃতি লাভ করে।
- সিসেরো এ আইনের প্রণেতা।
• প্রাকৃতিক আইন:
- এ আইনে মূলত নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে।
- খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে সম্রাট জাস্টিনিয়ান প্রথম সমস্ত রোমান আইনের সংগ্রহ ও সংকলন প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা,  নবম- দশম শ্রেণি।
৪,৮৮৩.
 অটোমান সাম্রাজ্যের অবসান ঘটে কোন চুক্তির মাধ্যমে? 
  1. মুনস্টার চুক্তি
  2. ওয়েস্টফালিয়া শান্তি চুক্তি
  3. লুজান চুক্তি
  4. ওসানব্রাক চুক্তি
ব্যাখ্যা
লুজান চুক্তি:
-প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তকারী চূড়ান্ত চুক্তি হিসেবে গণ্য করা হয়। এতে একদিকে তুরস্কের ( অটোমান সাম্রাজ্যের উত্তরসূরি ) প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেছিলেন এবং অন্যদিকে ব্রিটেন , ফ্রান্স , ইতালি , জাপান অন্যদিকে গ্রিস , রোমানিয়ারা স্বাক্ষর করেছিল।
- লুজান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়- ২৪ জুলাই ১৯২৩ সালে।
- চুক্তি টি স্বাক্ষরিত হয় সুইজারল্যান্ডের লুজান শহরে।
- চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে বর্তমান তুরস্কের সীমানা।
- এ চুক্তির ফলে তুরস্ক স্বাধীনতা লাভ করে।
- অটোমান বা ওসমানীয় খেলাফতের অবসান ঘটে।

লুজান চুক্তিতে বিষয়বস্তু ছিল:
১. গ্রিসের সঙ্গে সীমানা নির্ধারণ করা হয় এই চুক্তির মাধ্যমে।
২. তুরস্কে বসবাসরত অমুসলিমদের সংখ্যালঘু হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে তাদেরকে তুরস্কের নাগরিকত্ব দেয়া হয়। 
৩. তুরস্কে বসবাসরত গ্রীক নাগরিকদেরকে গ্রিসে ফেরত নেওয়া এবং গ্রিসে বসবাসরত তুর্কি নাগরিকদেরকে তুরস্কে ফেরত আনার সিদ্ধান্ত হয়।  
৪. ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং ইতালি তাদের দখলকৃত তুর্কি ভূখণ্ড ছেড়ে যায়। 
৫. উসমানীয় সম্রাজ্যের যে ঋণ ছিল তা শুধু তুরস্কের উপের না চাপিয়ে বরং উসমানীয় থেকে জন্ম নেওয়া নতুন দেশগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হয়।
৬. ৪০০ বছর ধরে চলে আসা তুরস্ক-ইরান সীমান্ত অপরিবর্তিতই থেকে যায়।  

উল্লেখ্য: চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হবে, ২০২৩ সালে ( কারণ আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে যেকোনো চুক্তির মেয়াদ ১০০ বছর । ১০০ বছর পর যেকোনো মেয়াদে শেষ হয়ে যায় ) 

উৎস: britannica
৪,৮৮৪.
খুলাফায়ে রাশেদীনের সময়কাল -
  1. ১০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
রাশিদুন খিলাফত:
- রাশিদুন খিলাফত ছিল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর মৃত্যুর পর প্রতিষ্ঠিত চারটি প্রধান খিলাফতের মধ্যে প্রথম।
- ৬৩২ সালে মহানবীর (সাঃ) এর মৃত্যুর পর এই শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ইসলামের প্রথম চার খলিফাকে খুলাফায়ে রাশেদীন বা রাশিদুন খলিফা বলা হয়।

⇒ 'খোলাফায়ে রাশেদীন'রা হলেন:
১. হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা) (৬৩২-৬৩৪ খ্রি.),
২. হযরত ওমর ফারুক (রা) (৬৩৪-৬৪৪ খ্রি.),
৩. হযরত উসমান (রা) (৬৪৪-৬৫৬ খ্রি.) এবং,
৪. হযরত আলী (রা) (৬৫৬-৬৬১ খ্রি.)।

⇒ উক্ত চারজন খলিফা ছিলেন রাসূলুল্লাহর (সঃ) ঘনিষ্ঠ সহচর।
- তাঁরা নবীর (স) শিক্ষা ও আদর্শের পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করেছেন।
- তাঁদের শাসন ছিল ন্যায় ও ইনসাফে পরিপূর্ণ।
- এ সময় রাজধানী ছিল মদিনা।
- তাঁদের ত্রিশ বছরের খিলাফত কালই ইসলামী শাসনব্যবস্থার আদর্শ সোনালী যুগ।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮৫.
মাদার তেরেসা কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. আলবেনিয়া
  2. মেসেডোনিয়া
  3. সার্বিয়া
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
মাদার তেরেসা:
- মাদার তেরেসার আসল নাম Agnes Gonxha Bojaxhiu.
- মাদার তেরেসা ছিলেন একজন আলবেনীয়-বংশোদ্ভুত ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী এবং ধর্মপ্রচারক।
- মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৭ আগস্ট অটোমান সাম্রাজ্যের আলবেনিয়া রাজ্যের স্কপিয়ে (বর্তমানে উত্তর মেসিডোনিয়া প্রজাতন্ত্রে) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৮ সালে কলকাতায় আসেন।
- তিনি কলকাতায় অর্ডার স্কুলে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন।
- তিনি ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- মাদার তেরেসা প্রথম পুরস্কার পান ১৯৬২ সালে পদ্মশ্রী পুরস্কার,
- ১৯৭১ সালে পোপ জন শান্তি পুরস্কার,
- ১৯৭২ সালে জওহরলাল নেহরু পুরস্কার,
- দুস্থ মানবতার সেবায় আত্মোৎসর্গের স্বীকৃতিস্বরূপ মাদার তেরেসা ১৯৭৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন,
- ১৯৮০ সালে ভারতরত্ন পুরস্কার।

উৎস: Britannica.
৪,৮৮৬.
ইনকা সভ্যতা কোন মহাদেশে অবস্থিত ছিল?
  1. আফ্রিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. ইউরোপ
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

ইনকা সভ্যতা:
- ইনকা সভ্যতা ছিল দক্ষিণ আমেরিকার পেরু, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, ও চিলি অঞ্চলে বিস্তার লাভ করা একটি প্রাচীন ও উন্নত সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা আমেরিকার বৃহত্তম প্রাক-কলম্বিয়ান সভ্যতা।
- এই সভ্যতা পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় ১৩শ থেকে ১৬শ শতাব্দী পর্যন্ত বিকশিত হয়।
- ইনকা সভ্যতার বিস্ময়কর স্থাপত্য ও প্রকৌশলের সেরা উদাহরণ হলো মাচু পিচু।
- এটি ইনকা সম্রাট পাচাকুতির দ্বারা নির্মিত একটি রাজকীয় এস্টেট বা ধর্মীয় স্থান।
- মাচু পিচু নিখুঁতভাবে কাটা পাথরের দেওয়াল ও টেরেসের জন্য পরিচিত।
- ইনকা সভ্যতার মাচু পিচু নগরীটি পৃথিবীর ৭ম আশ্চর্যের একটি। 
- এই স্থাপনাটি এখন ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: Britannica.

৪,৮৮৭.
বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত’ বলে আখ্যায়িত করেন কে?
  1. ইবনে বতুতা
  2. ফা হুয়ান
  3. হিউয়েন সাং
  4. আলেকজান্ডার
ব্যাখ্যা
বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত’ বলে আখ্যায়িত করেন ইবনে বতুতা।

ইবনে বতুতা:

- মরক্কোর পর্যটক ছিলেন ইবনে বতুতা।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন। 
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
- ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতকে ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন।
- ইবনে বতুতা তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত’ অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৮৮৮.
নরেন্দ্র মোদি ভারতের কততম প্রধানমন্ত্রী?
  1. ১৪ তম
  2. ১৬ তম
  3. ১৮ তম
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
- নরেন্দ্র মোদি ভারতের ১৪ তম প্রধানমন্ত্রী। 
- সম্প্রতি (১৯ এপ্রিল থেকে ১ জুন, ২০২৪ ) ভারতে অষ্টাদশ ( ১৮ )  লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  জোটগতভাবে নরেন্দ্র মোদির  বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২৯২টি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠন করবে। 
- ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জহরলাল নেহেরু।
- বিশ্বের বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশ ভারতে দেড় মাসব্যাপী মোট ৯৭ কোটি নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছে ৬৪ কোটি ২০ লাখের মতো ভোটার। তাদের মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ৩১ কোটি ২০ লাখের মতো।
- স্পিতি উপত্যকা ভারতের হিমাচল প্রদেশের লাহুল-স্পিতি জেলার ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম তাশিগাং এ অবস্থিত। ১৫,২৫৬ ফুট উঁচুতে স্পিতি উপত্যকায় বিশ্বের সর্বোচ্চ উঁচু ভোট কেন্দ্র রয়েছে। 

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো, Business Standard।
৪,৮৮৯.
কোন দেশে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে 'বাংলাদেশ স্ট্রিট’?
  1. আইভরি কোস্ট
  2. সিয়েরা লিওন
  3. লাইবেরিয়া
  4. বেনিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্ট্রিট:
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরীর জ্যাকসন হাইটস এলাকার ৭৩ স্ট্রিটের নাম বদলে রাখা হয়েছে 'বাংলাদেশ স্ট্রিট'।
- সড়কটির নতুন নামকরণ উপলক্ষে অনুষ্ঠানে কয়েক শ অভিবাসী বাংলাদেশি যোগ দেন।
- অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন কুইন্স বরোর ১৫ ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল মেম্বার ও নিউইয়র্ক শহরের সড়ক নামকরণ কমিটির চেয়ারম্যান শেখর কৃষ্ণান।
- জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ স্ট্রিটকে বাংলাদেশ স্ট্রিট করার প্রস্তাব আসে ২০২১ সালের সিটি কাউন্সিল নির্বাচনের সময়।
- জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ সোলায়মান এক মেলায় প্রথম এ দাবি তোলেন।
- এর আগে নিউইয়র্কে বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যামাইকায় একটি সড়কের নাম 'বাংলাদেশ অ্যাভিনিউ' রাখা হয়েছে।
- ব্রঙ্কসের স্টালিং অ্যাভিনিউয়ের নাম বদলে রাখা হয়েছে 'বাংলা বাজার অ্যাভিনিউ'।

অন্যদিকে,
- আইভরি কোস্টে 'বাংলাদেশ সড়ক / Bangladesh Road' নামে একটি সড়ক আছে।
- ২০০২ সালে পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ সিয়েরা লিওনে অফিসিয়াল ভাষা হিসাবে বাংলা ভাষার নাম ঘোষণা করা হয়।
- তাছাড়া সিয়েরা লিওনে 'বাংলাদেশ' নামে একটি রাস্তা রয়েছে।
- 'বাংলাদেশ স্কয়ার' লাইবেরিয়ায় অবস্থিত।

[প্রশ্ন ও অপশন বিবেচনায় আইভরি কোস্ট সবচেয়ে কাছাকাছি হওয়ায় উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো, ২৭ মার্চ, ২০২৩।
৪,৮৯০.
দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল কোন সভ্যতাটি?
  1. ক) হেলেনিস্টিক
  2. খ) মায়া সভ্যতা
  3. গ) হিব্রু সভ্যতা
  4. ঘ) ইনকা সভ্যতা
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা (Inca Civilization)
• দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একমাত্র বিখ্যাত সভ্যতা হচ্ছে ‘ইনকা সভ্যতা’। এটি অন্যান্য সভ্যতার তুলনায় সাম্প্রতিক সময়ের সভ্যতা।
• সভ্যতাটির উত্থান-পতনকাল হচ্ছে ১৪০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
• দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুর দক্ষিন-পূর্বাঞ্চলে এই সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে। পরবর্তীতে তা উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছিল।
• ইনকা সভ্যতার রাজধানী ছিল - কুজকো (Cuzco)ও তাদের প্রধান ভাষার নাম ছিল - কুয়েচুয়া (Quechua)।
• ইনকা সভ্যতার সবচেয়ে বড় নিদর্শন মাচুপিচু (Machu Picchu) যা সম্ভবত ১৪৫০ সালের দিকে নির্মিত হয়েছিল।  

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৪,৮৯১.
যুক্তরাজ্যের প্রথম সাংবিধানিক দলিল কোনটি?
  1. বিল অব রাইটস
  2. এক্ট অব সেটেলম্যান্ট
  3. ম্যাগনাকার্টা
  4. পিটিশন অব রাইটস
ব্যাখ্যা
ম্যাগনাকার্টা:
- যুক্তরাজ্যের প্রথম সাংবিধানিক দলিল ম্যাগনাকার্টা।
- ম্যাগনা কার্টা হলো রাজার ক্ষমতা খর্ব করার একটি ঐতিহাসিক দলিল।
- ম্যাগনাকার্টাকে ব্রিটেনের শাসনতন্ত্রের বাইবেল বলা হয়।
- ১২১৫ সালের ১৫ই জুন টেমস নদীর তীরে রানিমেড নামক স্থানে তৎকালীন ইংল্যান্ডের রাজা জন ম্যাগনাকার্টায় স্বাক্ষর করেন।
- এতে ঘোষণা করা হয় কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়।
- এর মাধ্যমে আইনের শাসনের ধারণার যাত্রা শুরু হয়।
- এটিকে ব্রিটেনের প্রথম শাসনতন্ত্রও বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- এটি প্রাথমিকভাবে সফল হয়নি।
- নথিটি ১২১৬, ১২১৭ এবং ১২২৫ সালে পুনরায় পরিবর্তন সহ জারি করা হয়েছিল।
- অবশেষে এটি আইন ব্যবস্থার ভিত্তি হিসাবে কাজ করে।
- পরবর্তী প্রজন্ম ম্যাগনা কার্টাকে নিপীড়ন থেকে স্বাধীনতার প্রতীক হিসাবে উদযাপন করে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৪,৮৯২.
বিখ্যাত ধর্মপ্রবর্তক জরথুষ্ট্র কোন সভ্যতার সাথে সম্পর্কিত?
  1. পারস্য সভ্যতা
  2. মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ্রিক সভ্যতা
  4. ক্যালডীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

জরথুষ্ট্র :
• জরথুষ্ট্র একজন ধার্মিক ও দার্শনিক।
• তিনি পারসীয়দের ধর্মের(পারসিক) সন্ধান দেন।
- জরথুষ্ট্র নামক একজন ধার্মিক ও দার্শনিক পারসীয়দের নতুন ধর্মের সন্ধান দেন।
- তার প্রচারিত এ ধর্মকে বলা হয় জরথুষ্ট্রবাদ।
- জরথুষ্ট্রবাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হচ্ছে 'জেন্দআবেস্তা'।
- জরথুষ্ট্রবাদের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের মধ্যে প্রচলিত বহু দেবতা ও যাদুবিদ্যার অবসান এবং ধর্মে নৈতিকতা ও দার্শনিক আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা।

পারস্য সভ্যতা:

- আজকের ইরান দেশটি প্রাচীনকালে পারস্য নামে পরিচিত ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৯ অব্দ থেকে ৩০০ অব্দের মধ্যে এখানে পারস্য সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- সভ্যতার ইতিহাসে দুটি ক্ষেত্রে পারসীয়দের অবদান ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রথমটি সুষ্ঠু ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দ্বিতীয় ধর্মীয় ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারণা নিয়ে আসা।
- সুন্দরভাবে সাম্রাজ্য পরিচালনা করার জন্য সম্রাট দারিয়ুস একটি দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন।
- সম্রাট দারিয়ুস চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেন।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়নেরও সম্রাটের দৃষ্টি ছিল।
- সম্রাট দারিয়ুস ১২ মাসে বছর ও ৩০ দিনে মাস গণনার রীতি চালু করে পারসীয় দিনপঞ্জি তৈরি করেন।
- পারসীয়গণ লিখার জন্য ৩৯টি কিউনিফর্ম চিহ্ন ব্যবহার করত।
- পারস্য স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো পিরামিডের আকৃতিতে তৈরি সম্রাট কাইরাসের সমাধি।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৯৩.
বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর কোনটি?
  1. সাংহাই
  2. সিঙ্গাপুর
  3. রটারডাম
  4. দুবাই
ব্যাখ্যা

বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর:
- বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর হলো চীনের সাংহাই বন্দর।

• বিশ্ব বাণিজ্য মহাদেশ জুড়ে পণ্যের বিশাল প্রবাহ পরিচালনার জন্য দক্ষ এবং সুসংযুক্ত সমুদ্রবন্দরগুলির উপর নির্ভর করে। বিশ্বের বৃহত্তম বন্দরগুলি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে, বার্ষিক লক্ষ লক্ষ কন্টেইনার প্রক্রিয়াজাত করে এবং কাঁচামাল, তৈরি পণ্য এবং প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনকে সহজতর করে। এই বন্দরগুলি বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, অর্থনীতি, বাণিজ্য নীতি এবং শিপিং খরচকে প্রভাবিত করে।
- ইয়াংজি নদীর মোহনায় অবিস্তত সাংহাই বন্দরটির আয়তন ৩ হাজার ৬১৯ বর্গ কিলোমিটার।  
- এই পরিচালনা করে সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল পোর্ট গ্রুপ (এসআইপিজি)। 
- এই বন্দরে মাসে প্রায় দুই হাজার কন্টেইনার জাহাজ আসা-যাওয়া করে। চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যের একচতুর্থাংশ এই বন্দর দিয়েই পরিচালিত হয়।
- একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক শিপিং হাব হিসেবে, সাংহাই বন্দর চীনা নির্মাতাদের এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান বাজারের সাথে সংযুক্ত করে।

⇒ বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম সমুদ্রবন্দর:
১. সাংহাই বন্দর, চীন। 
২. সিঙ্গাপুর বন্দর, সিঙ্গাপুর। 
৩. নিংবো-ঝোশান বন্দর, চীন। 
৪. শেনজেন বন্দর, চীন। 
৫. কিংডাও বন্দর, চীন। 

উৎস: i) FREIGHTS LOGISTICS ওয়েবসাইট।
ii) World Shipping Council ওয়েবসাইট।

৪,৮৯৪.
বিশ্বে তুলা আমদানিতে দ্বিতীয় শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. বাংলাদেশ
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
২০২০ সালে বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক দেশসমূহ:
- প্রথম : চীন (২০ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : বাংলাদেশ (১১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : ভিয়েতনাম (৯.৮ শতাংশ)
- চতুর্থ : তুরস্ক (৬.২ শতাংশ)
- পঞ্চম : পাকিস্তান (৩.৪ শতাংশ)।
- বিশ্বে তুলা রপ্তানিতে শীর্ষদেশ : যুক্তরাষ্ট্র।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এক্সপোর্ট ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার)
৪,৮৯৫.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে কোন দেশ ইউরো একক মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করে?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) মোনাকো
  4. ঘ) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা

ইউরো হল ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রা। ১লা জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে ইউরো মুদ্রা চালু হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ১৯টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু আছে।
এছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাহিরে মন্টিনিগ্রো, অ্যান্ডোরা, মোনাকো, ভ্যাটিকান সিটি, সানমেরিনো একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো ব্যবহার করে।

উৎসঃ ৭ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

৪,৮৯৬.
Which country has 12 time zones?
  1. France
  2. Russia
  3. China
  4. Australia 
ব্যাখ্যা

ফ্রান্স:
- ফ্রান্স উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের দেশ।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূমধ্যসাগর, আল্পস এবং পিরেনিস দ্বারা বেষ্টিত। দেশটির উত্তর-পূর্বে বেলজিয়াম এবং লুক্সেমবার্গে, পূর্বে জার্মানি, সুইজারল্যান্ড এবং ইতালি ও দক্ষিণ-পূর্বে, মোনাকো এবং ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- রাজধানী: প্যারিস।
- মুদ্রা: ইউরো।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: সেবাস্তিয়ান লেকর্নু।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: ইমানুয়েল মাক্রোঁ।
- সংবাদ সংস্থা: এজেন্সি ফ্রান্স প্রেস (এএফপি)।
- বিমান সংস্থা: এয়ার ফ্রান্স।

উল্লেখ্য,
- ফ্রান্স বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক টাইম জোনে বিভক্ত দেশ।
- দেশটির মোট ১২টি (বা অ্যান্টার্টিকাতে দাবি সহ ১৩টি) টাইম জোন রয়েছে।
- ফ্রান্সের মূল ভূখণ্ডটি একটি টাইম জোনে অবস্থিত হলেও ক্যারিবীয়, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের মতো বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা এর অনেক উপনিবেশ এবং overseas territories রয়েছে।
- এই অঞ্চলগুলি ক্যারিবীয়, প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরে ছড়িয়ে আছে, যার ফলে ফ্রান্সের একাধিক টাইম জোন রয়েছে। 

⇒ সবচেয়ে বেশি টাইম জোনে বিভক্ত দেশসমূহ:
১) ফ্রান্স: ১৩টি।
২) রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র: ১১টি।
৩) অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্য: ৯টি।
৪) কানাডা: ৬টি।
৫) ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড: ৫টি।

উৎস: i) Britannica.
ii) Worldatlas.

৪,৮৯৭.
পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে কবে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়ে।
- ১৯৭৭ সালে তৎকালীন পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার - একটি চুক্তি সই করেন, এটা "তোরিজোস-কার্টার চুক্তি" নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী, পানামা খাল ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে।
- পানামার কাছে হস্তান্তরের আগে খালটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল এবং
- তারা সেখানে "ক্যানাল জোন" নামে একটি বিশেষ অঞ্চল পরিচালনা করত।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর বিষয়টি পানামার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙক্ষা ছিল, যা এই চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
- খালটি বর্তমানে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: Britannica. 
৪,৮৯৮.
প্রাচীন মিশরীয়দের চিত্রলিপির নাম-
  1. সুমেরীয় লিপি
  2. হায়ারোগ্লিফিক লিপি
  3. কিউনিফর্ম লিপি
  4. চৈনিক লিপি
ব্যাখ্যা
মিশরীয় লিপি: 
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় 'হায়ারোগ্লিফিক' বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের কাণ্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় 'প্যাপিরাস'।
- এই শব্দ থেকে ইংরেজি পেপার শব্দের উৎপত্তি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৯৯.
নিম্নের কোনটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ নয়?
  1. ইরান
  2. কাজাখস্তান
  3. সাইপ্রাস
  4. বাহরাইন
ব্যাখ্যা

মধ্যপ্রাচ্য:
- মধ্যপ্রাচ্য বলতে সাধারণত পশ্চিম এশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত একটি ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চল বোঝায়।
- মধ্যপ্রাচ্য ভূমধ্যসাগর, লোহিত সাগর, পারস্য উপসাগর, এবং কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি এশিয়া ও আফ্রিকার মধ্যে একটি সেতু হিসেবে কাজ করে।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো তেল ও গ্যাস সম্পদের জন্য বিখ্যাত।
- সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, এবং UAE বিশ্বের তেল উৎপাদন ও রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত, শান্তি আলোচনা, এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতির কেন্দ্রবিন্দু। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ, এবং ইয়েমেন সংকট এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

⇒ মধ্যপ্রাচ্যের ১৭টি দেশ:
- বাহরাইন, সাইপ্রাস, মিশর, ইরান, ইরাক, ইসরাইল, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, ওমান, ফিলিস্তিন, কাতার, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন।

উল্লেখ্য,
- উত্তর আফ্রিকা কখনো কখনো মধ্যপ্রাচ্যের অংশ হিসেবে গণ্য হয় যেমন মিশর।

অন্যদিকে,
- কাজাখস্তান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ নয়, এটি মধ্য এশিয়ার দেশ।

উৎস: Worldatlas.

৪,৯০০.
প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর হচ্ছে-
  1. ইউকোসুক
  2. হাওয়াই
  3. গোয়াম
  4. সুবিক বে
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর হচ্ছে- ইউকোসুক। 
---------------- 
• সপ্তম নৌবহর:
- মূল ভূখণ্ডের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নেভাল ফোর্স হল- সপ্তম নৌবহর।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি অংশ। 
- বর্তমানে এর প্রধান ঘাটি জাপানের ইয়াকোসুকে অবস্থিত।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিটের অংশ।
- বর্তমানে এতে ৬০-৭০ জাহাজ, ৩০০ বিমান এবং ৪০,০০০ নৌবাহিনী, মেরিন কর্পস সদস্য এবং কোস্টগার্ড সদস্য রয়েছে।

• সপ্তম নৌবহর নিয়ে কিছু অতিরিক্ত তথ্য:
- ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর সপ্তম নৌবহরের কয়েকটি জাহাজ নিয়ে 'টাস্কফোর্স ৭৪' গঠন করা হয়।
- জাহাজগুলো সিঙ্গাপুরে একত্র হয়ে বঙ্গোপসাগর অভিমুখে যাত্রা শুরু করে।
- এই বহরের জাহাজগুলোর মধ্যে প্রধান জাহাজ হল USS Enterprise.
- সপ্তম নৌবহরের আরেকটি জাহাজ USS Tripoli. 
- এটি একটি অ্যাম্ফিভিয়াস অ্যাসল্ট শিপ। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]