বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৪৮ / ৯৩ · ৪,৭০১৪,৮০০ / ৯,৩৩৪

৪,৭০১.
ক্রিমিয়ার যুদ্ধে বিজয়ী হয় -
  1. অটোমান সাম্রাজ্য
  2. ফ্রান্স
  3. ব্রিটেন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ক্রিমিয়ার যুদ্ধ:
- ১৮৫৩ সাল থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়ার যুদ্ধ চলে।
- রাশিয়ার সঙ্গে এই যুদ্ধ চলে তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যের মিত্রশক্তি ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সারডিনিয়ার।
- ১৮৫৩ সালে ইউরোপের তুর্কি এলাকায় রাশিয়া আক্রমণ চালালে এ যুদ্ধের সূচনা হয়।
- রাশিয়া তুরস্কের নিয়ন্ত্রিত দারদানেলিস প্রণালী দিয়ে যুদ্ধ জাহাজ চলাচলের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তুরস্কের খ্রিস্টানদের রক্ষার অজুহাত তুলে এই যুদ্ধ শুরু করে।
- ব্রিটেন ও ফ্রান্স তুরস্কের সাহায্যে এগিয়ে আসে।
- প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হবার পর ১৮৫৬ সালে এই যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- এই যুদ্ধে রাশিয়া পরাজিত হয়। 
- যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স, ব্রিটেন ও অটোমান সাম্রাজ্য।

উৎস: Britannica.
৪,৭০২.
ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো কোন দেশের স্বৈরশাসক ছিলেন?
  1. ইতালি
  2. স্পেন
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো (Francisco Franco ):
- ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো ছিলেন স্পেনের স্বৈরশাসক।
- স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের পর ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো স্পেনে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- তিনি ১৯৩৬-১৯৩৯ সালের গৃহযুদ্ধে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নেতৃত্ব দেন।
- তার শাসনের অধীনে স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে 'Estado Español' নামে পরিচিত ছিল এবং প্রায়ই এটিকে "ফ্রাঙ্কোইস্ট স্পেন" বা "ফ্যাসিস্ট স্পেন" বলা হতো। 
- ১৯৭৫ সালে তাঁর মৃত্যুর পর স্পেনে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো (Francisco Franco) ছিলেন স্পেনের এক সামরিক শাসক ও স্বৈরশাসক।
- তার শাসনকাল: ১৯৩৯ – ১৯৭৫ সাল।
- স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধে (১৯৩৬-১৯৩৯) হিটলারের নাৎসি জার্মানি এবং মুসোলিনির ফ্যাসিস্ট ইতালির সমর্থন পেয়ে তিনি জয়লাভ করেন এবং  স্পেনকে একটি ফ্যাসিস্ট-অভিমুখী একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করে।

উৎস: Britannica.

৪,৭০৩.
ভারতের কোন রাজ্যে “শিবসেনা” নামক সাম্প্রদায়িক সংগঠনটি ক্ষমতাসীন রয়েছে?
  1. ক) রাজস্থান
  2. খ) মহারাষ্ট্র
  3. গ) হরিয়ানা
  4. ঘ) মধ্যপ্রদেশ
ব্যাখ্যা
শিভসেনা ভারতের মহারাষ্ট্রের ক্ষমতায় আছে।
ভারতের মধ্যপ্রদেশের ক্ষমতায় আছে বিজেপি।
রাজস্থানের ক্ষমতায় আছে কংগ্রেস।

Source: timesofindia
৪,৭০৪.
কোন বিদেশী রাষ্ট্রপধান প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন?
  1. ক) পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু
  2. খ) মার্শাল জোসেফ টিটো
  3. গ) লালবাহাদুর শাস্ত্রী
  4. ঘ) রিচার্ড নিক্সন
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

- ৩১ জানুয়ারি ১৯৭৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো জাতীয় সংসদে কোন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রথম ভাষণ দেন।
- ১৮ জুন ১৯৭৪ সালে ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিভি গিরি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ভাষণ দেন।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এ পর্যন্ত এই দুজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বক্তৃতা করেন।
উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট

৪,৭০৫.
হামবুর্গ কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
'হামবুর্গ' জার্মানি এবং 'মার্শেই' ফ্রান্সের বিখ্যাত সমুদ্রবন্দরের নাম। ইতালির বিখ্যাত সমুদ্রবন্দর - নেপলস, জেনোয়া ও ভেনিস এবং যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত সমুদ্র বন্দর- কার্ডিফ, ব্রিস্টল, ম্যানচেস্টার, লিভারপুল, লন্ডন ও গ্লাসগো।
Source: Britannica
৪,৭০৬.
পঞ্চম ড্রাগনের দেশ- 
  1. ইরান
  2. জাপান
  3. জাম্বিয়া
  4. তাইওয়ান
ব্যাখ্যা

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com

৪,৭০৭.
'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' বইটির লেখক কে?
  1. কফি আনান
  2. নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. মার্টিন লুথার কিং
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা

নেলসন ম্যান্ডেলা:
- ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার এমভেজোতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন কালো জাতীয়তাবাদী নেতা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা।
- ১৯৪৪ সালে তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (ANC) যোগদান করেন।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী বিচ্ছিন্নতার বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' যা তার প্রথম জীবন এবং কারাগারে থাকা বছরগুলির বিবরণ দেয়, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে মারা যান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪,৭০৮.
মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারীর নাম কী?
  1. নলিনী
  2. ধানু
  3. নাথুরাম
  4. মুরুগেন
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারীর নাম নাথুরাম গডসে।

মহাত্মা গান্ধী:
- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতে জন্ম নেন তিনি।
- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন করা এবং ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে বিদায় করতে তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য।
- তাঁর অহিংস নীতি, নৈতিক ভিত্তি, আশ্চর্যজনক নেতৃত্বের ক্ষমতা আরও বেশি মানুষকে স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে সংযুক্ত করেছিল। 
- তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
- মহাত্মা গান্ধীকে ১৯৪৮ সালের ৩০শে জানুয়ারি নতুন দিল্লির একটি সুবৃহৎ প্রাসাদ বিড়লা হাউসের প্রাঙ্গনে হত্যা করা হয়েছিল।
- তাঁর ঘাতক ছিলেন নাথুরাম গডসে।

এছাড়াও,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান্ধীজিকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দিয়েছিলেন।
- তিনি ৫ বার নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন, পুরস্কার পাওয়ার আগে ১৯৪৮ সালে তাঁকে হত্যা করা হয়।
- ১৯৩০ সালে, তিনি আমেরিকার টাইম ম্যাগাজিন দ্বারা ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’ উপাধিতে ভূষিত হন।

উল্লেখ্য,
- মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯২০ সালে।
- ১৯২১-২২ খ্রিস্টাব্দে এই আন্দোলন সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা নামক স্থানে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে হঠাৎ করে এই আন্দোলন বন্ধের ডাক দেন।
- ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়।

উৎস: i) Hindustan Times.
         ii) Britannica.
৪,৭০৯.
ইতিহাসের বিখ্যাত ছয় দিনের যুদ্ধের প্রতিপক্ষ ছিলেন-
  1. যুক্তরাষ্ট্র - জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র - জার্মান
  3. ফ্রান্স - রাশিয়া
  4. আরব - ইসরায়েল
ব্যাখ্যা
ছয় দিনের যুদ্ধ বা তৃতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ:
- মুসলিম রাষ্ট্র ফিলিস্তিনে অনৈতিকভাবে ও জোর-জবরদস্তির মাধ্যমে ইসরায়েলকে চাপিয়ে দেওয়ার পর থেকে আরব দেশগুলোর সাথে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েলের যুদ্ধ হয়েছে বেশ কয়েকবার।
- সেগুলোর মধ্যে ১৯৬৭ সালের জুন মাসের যুদ্ধটি অন্যতম।
- ইতিহাসে এ যুদ্ধ জুন যুদ্ধ বা তৃতীয় আরব ইসরায়েল যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ১৯৬৭ সালের জুন মাসে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক তৃতীয় আরব- ইসরায়েল যুদ্ধ। 
- জুনের ৫ তারিখ থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের অবসান ঘটে ১০ জুন।
- ৬ দিন ব্যাপী বিদ্যমান থাকায় একে ৬ দিনের যুদ্ধও বলা হয়।
- যুদ্ধের দুই পক্ষ ছিল ইসরায়েল এবং আরব বিশ্বের তিন দেশ।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৪,৭১০.
আফগানিস্তানের সরকারী ভাষা কোনটি?
  1. পশতু
  2. তুর্কি
  3. আফগানি
  4. উর্দু
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ-মধ্য এশিয়ার একটি দেশ।
- আয়তন: ২৫২,০৭২ বর্গ মাইল (৬৫২,৮৬৭ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: কাবুল।
- ভাষা: পশতু, ফার্সি (উভয় সরকারী)।
- ধর্ম: ইসলাম (সরকারি; প্রধানত সুন্নি)।
- মুদ্রা: আফগানি।
- দেশটিতে দুটি আইনসভা রয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্র এবং সরকার উভয়ের প্রধান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৭১১.
কুইবেক প্রদেশ কোন দেশের অংশ?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
কুইবেক কানাডার দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রদেশ। এটির রাজধানী কুইবেক সিটি। তবে মন্ট্রিয়াল হলো বৃহত্তম শহর।ফরাসি উপনিবেশের অধীনে ছিল এই প্রদেশ। এ অঞ্চলের অধিকাংশ অধিবাসীর ভাষা ফরাসী এবং প্রদেশটির প্রধান সরকারি ভাষাও ফরাসী।
Source: quebec.ca
৪,৭১২.
নিচের কোনটি পাদদেশীয় মালভূমি?
  1. তিব্বত মালভূমি
  2. ভারতীয় উপদ্বীপ
  3. কলোরাডো মালভূমি
  4. তারিম মালভূমি
ব্যাখ্যা
- পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু খাড়া ঢালযুক্ত ঢেউ খেলানো বিস্তৃর্ণ সমতলভূমিকে মালভূমি বলে।
- অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন প্রকার।
যথাঃ
- পর্বতমধ্যবর্তী মালভূমি
- পাদদেশীয় মালভূমি
- মহাদেশীয় মালভূমি।
- উচ্চ পর্বত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে এর পাদদেশে তলানি জমে যে মালভূমির সৃষ্টি করে তাকে পাদদেশীয় মালভূমি বলে৷ পাদদেশীয় মালভূমির মধ্যে রয়েছে:
- দক্ষিণ আমেরিকার পাতাগোনিয়া
- উত্তর আমেরিকার কলোরাডো মালভূমি।
পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি:
- তিব্বত মালভূমি
- তারিম মালভূমি
বলিভিয়া
- মেক্সিকো প্রভৃতি।
মহাদেশীয় মালভূমি:
- ভারতীয় উপদ্বীপ
- স্পেন
- অস্ট্রেলিয়া
- গ্রিনল্যান্ড
- সৌদি আরব
- এন্টার্কটিকা প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৭১৩.
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ তামার খনি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চিলি
  2. ব্রাজিল
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
সরু রাষ্ট্র চিলি ও তামার খনি:
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ তামার খনি চিলিতে অবস্থিত।
- কপার খনিগুলি উত্তর চিলিতে। উত্তর-চিলির আন্দিজ বরাবর অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- 'চিলি' দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- চিলি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের পশ্চিম সমুদ্র তীর বরাবর অবস্থিত দেশ ।
- চিলি বিশ্বের সবচেয়ে সরু রাষ্ট্র। 
- এর রাজধানীর নাম সান্তিয়াগো।
- এটি উত্তরে পেরু এবং বলিভিয়া দ্বারা , এর দীর্ঘ পূর্ব সীমান্তে আর্জেন্টিনা এবং পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর দ্বারা আবদ্ধ।

অন্যদিকে,
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ হীরক খনি রাশিয়ার ইয়াকুতিয়াতে অবস্থিত।
- স্বর্ণের খনির জন্য বিখ্যাত - দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্সবার্গ।
- এন্টার্কটিকার প্রধান খনিজ দ্রব্য কয়লা।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
৪,৭১৪.
কোন মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪
• এশিয়া - ৪৮
• ইউরোপ - ৪৪
• উত্তর আমেরিকা - ২৩
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২

তথ্যসূত্র - worldatlas.com
৪,৭১৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অক্ষ শক্তির দেশ কোনটি?
  1. ক) বুলগেরিয়া
  2. খ) জাপান
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরী কর্তৃক সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটে। 

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কেন্দ্রীয় বা অক্ষ শক্তির দেশ
• জার্মানি (প্রুশিয়া সাম্রাজ্য), 
• তুরস্ক (অটোমান সাম্রাজ্য), 
• অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সম্রাজ্য ও 
•‍ বুলগেরিয়া, 
• হাঙ্গেরী। 

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির দেশ
• ফ্রান্স, 
• ব্রিটেন, 
• জাপান, 
• যুক্তরাষ্ট্র, 
• ইতালি, 
• সার্বিয়া, 
• মন্টিনিগ্রো প্রভৃতি। 
- ২৮ জুন ১৯১৯ ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে জার্মানি এবং মিত্রপক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। 
- এ চুক্তি অনুযায়ী জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ প্রদানে সম্মত করা হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা, হিস্টোরি ডটকম এবং ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭১৬.
"অপারেশন রাইজিং লায়ন" কোন দেশে পরিচালিত হয়?
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. সিরিয়া
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

‘অপারেশন রাইজিং লায়ন':
- ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানটির নাম 'অপারেশন রাইজিং লায়ন'।
- 'রাইজিং লায়ন' নামটি বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদে সিংহের প্রতীকী পরাক্রমকে তুলে ধরে, ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
- ১৩ জুন ২০২৫-এর ভোরে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ যৌথভাবে 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালনা করে।
- ইসরায়েল প্রথমে 'ড্রোন' দ্বারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা, এরপর প্রধান পারমাণবিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা করে।

উল্লেখ্য:
- এই হামলার জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়।
- এই হামলার নাম দেয়া হয় 'অপারেশন টু প্রমিজ থ্রি’।
- ইরান পাল্টা জবাবে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

৪,৭১৭.
সুমেরীয়দের উদ্ভাবিত লিপির নাম-
  1. কৌশম্বী
  2. কিউনিফর্ম
  3. গঞ্জাম
  4. কলিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• সুমেরীয় সভ্যতা :
- মেসোপটেমিয়া সভ্যতার অন্তর্গত প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা ।
- সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠী।
-  লিখন পদ্ধতি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
- তাদের উদ্ভাবিত লিপির নাম - কিউনিফর্ম।
- কিউনিফর্ম লিপিতে লেখা মহাকাব্য- গিল-গামেশ।
- নগররাষ্ট্র নিয়ে প্রথম সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত করেন- সম্রাট ডুঙি।
- তাদের  বিখ্যাত দেবতা শামাশ (সূর্যদেবতা) ।
- ইশতা নারী জাতির দেবতা নামে পরিচিত ছিল।

 উৎস: ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৪,৭১৮.
'La Tomatina' is the most popular festivals in which country?
  1. Italy
  2. Portugal
  3. Spain
  4. France
ব্যাখ্যা
লা টমাটিনা:
- লা টমাটিনা ইউরোপের দেশ স্পেনের একটি জনপ্রিয় উৎসব।

⇒ এই উৎসবে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা একে অপরের দিকে টমেটো ছুড়ে মারেন।
- প্রতিবছর এই উৎসবে অংশ নিতে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক স্পেনের বুনোল শহরে জড়ো হন।
- মেতে ওঠেন টমেটো ছোড়ার উৎসবে।
- এই উৎসবকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় খাবারের লড়াই বলা হয়ে থাকে।
- ১৯৪৫ সালের ২৯ আগস্ট লা টমাটিনার প্রথম আসর বসেছিল।
- সেই থেকে নিয়মিত এই উৎসব হচ্ছে।

উৎস: La Tomatina ওয়েবসাইট।
৪,৭১৯.
মিয়ানমারের বর্তমান সেনাপ্রধান কে?
  1. জেনারেল নে উইন
  2. জেনারেল মিন অং হ্লাইং
  3. জেনারেল থিয়েন সেইন
  4. জেনারেল মিন সোয়ে
ব্যাখ্যা
- মিয়ানমারের বর্তমান সেনাপ্রধান হলেন জেনারেল মিন অং হ্লাইং।
- তিনি দেশটির স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্র্যাটিভ কাউন্সিলেরও চেয়ারম্যান। বর্তমানে এই কাউন্সিলই মিয়ানমারের সরকার হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে।
- গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন এনএলডি (ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি) সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে।
- মিয়ানমারে ১৯৬২ সালে প্রথম সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছিলো।
- দীর্ঘ প্রায় ৫০ বছর সামরিক শাসনের পর ২০১১ সালে দেশটিতে বেসামরিক সরকার গঠিত হয়েছিলো।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৪,৭২০.
হায়ারোগ্লিফিক শব্দের অর্থ কী?
  1. অক্ষর ভিত্তিক লিপি
  2. পবিত্র লিপি
  3. ফিনিশীয় লিপি
  4. রোমান লিপি
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
-নীল নদের অববাহিকায় ৫০০০ খ্রিষ্টপূর্ব গড়ে উঠা সভ্যতা  মিশরীয় সভ্যতা।
- গ্রিক ইতিহাসবিধ হেরোডোটাস মিশরকে নীল নদের দান বলেছেন।
- মিশরের ছোট ছোট নগর রাষ্ট্র কে বলা হতো- নোম।
- মিশরীয়দের লিখন পদ্ধতির নাম -হায়ারোগ্লিফিক।
- হায়ারোগ্লিফিক  শব্দের অর্থ - পবিত্র লিপি।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য- মিশরের পিরামিড।
- ৩৬৫ দিনে বছর গণনা শুরু করেছিলো মিশরীয়রা।
 -মিশরের রাজাদের বলা হতো- ফারাও।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২১.
পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবন হয় কোন সভ্যতায়?
  1. গ্রিক সভ্যতায়
  2. সিন্ধু সভ্যতায়
  3. রোমান সভ্যতায়
  4. মিশরীয় সভ্যতায়
ব্যাখ্যা
• সিন্ধু সভ্যতার পরিমাপ পদ্ধতি:
- সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসিরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল।
- তাদের এই পরিমাপ পদ্ধতির আবিষ্কার সভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান বলে বিবেচিত।
- তারা বিভিন্ন দ্রব্য ওজনের জন্য নানা মাপের ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত।
- দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২২.
জিবুতি দেশটি কোথায় অবস্থিত?
  1. লোহিত সাগরের পাশে
  2. দক্ষিণ চীন সাগরে
  3. ভূমধ্যসাসাগরের পাশে
  4. কৃষ্ণ সাগরে
ব্যাখ্যা
জিবুতি:
- জিবুতি উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার একটি রাষ্ট্র।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এর সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণে আছে সোমালিয়া, দক্ষিণ ও পশ্চিমে ইথিওপিয়া, উত্তরে ইরিত্রিয়া আর পূর্ব দিকে আছে লোহিত সাগর ও ইয়েমেন উপসাগর।
- Horn of Africa বা আফ্রিকার শিং অঞ্চলে অবস্থিত ছোট্ট দেশ জিবুতি।
- রাজধানী জিবুতি।
- মুদ্রা: জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক।

উল্লেখ্য,
- জিবুতি ফ্রান্সের উপনিবেশ হিসেবে গণ্য ছিল।
- ১৮৯৬ থেকে ১৯৬৭ এই সময়টায় একে বলা হতো ফরাসি সোমালিল্যান্ড।
- দেশটি ১৯৭৭ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটিতে ‘লেক আবি’ ও ‘লেক আসাল’ নামে দুটি বিখ্যাত লেক রয়েছে।

উৎস: Britannica.
৪,৭২৩.
ডোমিনো তত্ত্বের প্রবর্তক আমেরিকান প্রেসিডেন্ট -
  1. ক) জর্জ ওয়াশিংটন
  2. খ) থিওডোর রুজভেল্ট
  3. গ) জেমস মনরো
  4. ঘ) ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
ব্যাখ্যা
• ডমিনো তত্ত্ব:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা   করেছিলেন
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ(১৯৫৫-১৯৭৫) এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৪,৭২৪.
মেসোপটেমীয় সভ্যতাকে কয়টি পর্যায়ে ভাগ করা যায়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
• সুমেরীয়।
• ব্যাবিলনীয়।
• অ্যাসেরীয়।
• ক্যালেডীয়।
- Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'মেসোপটেমীয় সভ্যতা'।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে।
- ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়।
- বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই
অংশ ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পরে রোমানদের দখলে যায়। মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৭২৫.
ইসরায়েলকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম মুসলিম দেশ-
  1. তুরস্ক
  2. মিশর
  3. ইরাক
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
- ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।
- ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে তুরস্ক এই স্বীকৃতি দেয়। 

উল্লেখ্য, 
• আরব ইসরায়েল যুদ্ধ: 
- ১৯৭৩ সালের অক্টোবর যুদ্ধ (Yom Kippur War / October War)
- যুদ্ধের সময়কাল: অক্টোবর ১৯৭৩ (প্রায় তিন সপ্তাহ)।
- ইসরায়েলি নাম: Yom Kippur War.
- আরব নাম: October War বা Ramadan War.
- ১৯৭৩ সালের তেল সংকট (Oil Crisis):
- যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করায়,
→ OPEC (তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা) এর আরব সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা (oil embargo) আরোপ করে।
- উদ্দেশ্য: ইসরায়েলকে ১৯৬৭ সালে দখলকৃত সব এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা।
- ফিলিস্তিনিদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।
- যুদ্ধের পরে Camp David Accords স্বাক্ষরিত হয় (১৯৭৮)।
- মিশর প্রথম আরব দেশ, যারা ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয় এবং আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

উৎস: আলজাজিরা।
৪,৭২৬.
মহাকাব্য “শাহনামা” কোন দেশের অন্যতম প্রসিদ্ধ সাহিত্য?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইরান
  3. গ) তুর্কি
  4. ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা

‘শাহনামা’ মহাকাব্যের রচয়িতা পার্সিয়ান কবি ফেরদৌসী।
এটি ফারসি ভাষায় রচিত হয়েছে।
এই মহাকাব্যটি পারস্যের বা ইরানের অন্যতম প্রসিদ্ধ সাহিত্য।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়া।

৪,৭২৭.
এখন পর্যন্ত কোন সভ্যতা পুরোপুরি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়নি?
  1. সিন্ধু সভ্যতা
  2. চীন সভ্যতা
  3. মিশরীয় সভ্যতা
  4. ব্যবিলনীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

চীন সভ্যতা:
- চীনের প্রাচীন সভ্যতা একমাত্র সভ্যতা যা কোনো সময় পুরোপুরি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়নি।
- খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ থেকে আজ পর্যন্ত চীন তার সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
- চীনা সভ্যতা পৃথিবীতে বিরাজমান সবচেয়ে পুরাতন সভ্যতা।
- চীন পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- দেশটির তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- একটি হোয়াং হো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াং জেকিয়াং নদীর তীরে, তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে।
- এই সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছিল- শাং ও চৌ রাজাদের আমলে।
- ঐ সময় বৌদ্ধধর্মের প্রসার ঘটে।
- চীনা সিল্ক, চিনা মাটির পাত্র, চিনের মহাপ্রাচীর সব কিছু চিনা সভ্যতাকে ভিন্ন বৈশিষ্ট্য দান করেছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭২৮.
Who invented 22 consonants?
  1. Mayans
  2. Phoenician
  3. Sumerians
  4. Egyptians
  5. Babylonians
ব্যাখ্যা
ফিনিশীয় সভ্যতা:
- ভূমধ্যসাগর এবং লেবানন পর্বতের মাঝে একখণ্ড সরু উপকূল অঞ্চলে ফিনিশীয় নামের ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি গড়ে উঠেছিল।
- ফিনিশীয়দের সামনে ছিল সাগর আর পিছনে ছিল পাহাড়।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে তাদের উত্থান হয়েছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের পরিচয় শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে।
- মূলত ফিনিশীয়রাই প্রথম পৃথিবীর ইতিহাসে সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তোলে।
- ফিনিশীয় নাবিকরা রাতে তারা দেখে জাহাজ চালাত।
- এ কারণে ধ্রুবতারাকে অনেকে ফিনিশীয় তারা বলে থাকে।

উল্লেখ্য,
- সভ্যতার ইতিহাসে ফিনিশীয়দের বড় অবদান হলো বর্ণমালার উদ্ভাবন।
- তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের উদ্ভাবন করে।
- আধুনিক বর্ণমালার সূচনা এখান থেকে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২৯.
কোন মহাদেশ দেখতে অনেকটা ত্রিভুজাকৃতির? 
  1. আফ্রিকা
  2. উত্তর আমেরিকা
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আমেরিকা (South America):

- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত একটি দেশ নয় - আলবেনিয়া।
- আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া ।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ১২টি স্বাধীন দেশ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম ব্রাজিল এবং ক্ষুদ্রতম সুরিনাম।
- ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
- দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী আমাজান।
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে 'চির বসন্তের দেশ বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা দেশটির উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com

৪,৭৩০.
চীনের মহাপ্রাচীর নির্মিত হয় কোন রাজ বংশের আমলে?
  1. তাং-রাজ বংশ
  2. কেকিয়াং রাজ-বংশ
  3. ঝেং রাজ-বংশ
  4. চৌ-রাজ বংশ
ব্যাখ্যা
• চীনের প্রাচীর:
- চীনের মহাপ্রাচীর নির্মিত হয় চৌ-রাজ বংশের আমলে।
- রাজা শি-হুয়াং তি এই প্রাচীর তৈরি করেন।
- হুনদের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়েছিল। 
- দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ এই প্রাচীরের উচ্চতা গড়ে ২৪ ফুট।
- এই প্রাচীরের উপর দিয়ে ৬ জন অশ্বারোহী পাশাপাশি চলতে পারতো।

এছাড়াও,
- দর্শন বিদ্যায় চিন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়।
- চৌ-রাজাদের আমলে একটি শিক্ষিত নতুন সামাজিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে।
- দার্শনিকরা ছিল এই শ্রেণিভুক্ত।
- চীনের প্রাচীন দার্শনিক ছিলেন লাওৎসে (খ্রিষ্টপূর্ব ৬০৪-৫১৭)।
- তিনি বিশ্বসভ্যতায় এক অবিস্মরণীয় মানবতাবাদী দর্শন উপহার দেন।
- কনফুসিয়াসের দর্শন খ্রিষ্টপূর্ব ২০৬ অব্দে চিনে ধর্মে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৩১.
মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে-
  1. ক) সাংস্কৃতিক অবরোধ রক্ষণ করা
  2. খ) সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা
  3. গ) রাজনৈতিক অবক্ষয় রোধ করা
  4. ঘ) অর্থনৈতিক অবক্ষয় রোধ করা
ব্যাখ্যা

• মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।
• মূল্যবোধ ও মূল্যবোধ শিক্ষার ধারণা মানুষের সামগ্রিক সামাজিক জীবনাচারের সাথে সম্পৃক্ত একটি প্রত্যয়।
• মানুষের সামাজিক আচরণের মূল অংশটি মূল্যবোধ থেকে উৎসারিত।
• তাই মূল্যবোধ শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মানুষের সামাজিক জীবনাচারের মধ্যেই বিস্তৃত ও গ্রোথিত।

৪,৭৩২.
'The Green Book' গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. কার্ল মার্ক্স
  2. মুয়াম্মর গাদ্দাফি
  3. জন লক
  4. মিশেল ওবামা
ব্যাখ্যা

বই:
- 'The Green Book' গ্রন্থটির লেখক - মুয়াম্মর গাদ্দাফি।
- বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালে।
- এটি দ্য লিটল রেড বুক (চেয়ারম্যান মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি) দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল বলে বলা হয়।

অন্যদিকে,
- “Two Tracts on Government” এর লেখক -  জন লক।
- The Light We Carry গ্রন্থের লেখক মিশেল ওবামা।

উৎস: ওয়াশিংটন পোস্ট এবং openanthropology.org।[লিঙ্ক]

৪,৭৩৩.
তাইওয়ানের সরকারি বা রাষ্ট্রীয় নাম কোনটি?
  1. ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব তাইওয়ান
  2. রিপাবলিক অব চায়না
  3. চাইনিজ তাইপে
  4. পিপলস রিপাবলিক অব তাইপে
ব্যাখ্যা
তাইওয়ান:
- তাইওয়ান সরকারিভাবে রিপাবলিক অব চায়না।
- ফরমোজার বর্তমান নাম তাইওয়ান।
- এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ, যা তাইওয়ান প্রণালীর পূর্বে চীনা মূল ভূখন্ডের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৩,৯৭৬ বর্গ মাইল (৩৬,১৯৭ বর্গ কিমি)।
- ভাষা: ম্যান্ডারিন চাইনিজ (অফিসিয়াল), তাইওয়ানিজ, ফুকিয়েন এবং হাক্কা উপভাষায়ও কথা বলা হয়।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম, দাওবাদ, কনফুসিয়ানিজম, খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: নতুন তাইওয়ান ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৭৩৪.
‘দ্য চেয়ারম্যান অব এভরিথিং’ নামে পরিচিত -
  1. ক) জো বাইডেন
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) শি জিনপিং
  4. ঘ) নরেন্দ্র মোদী
ব্যাখ্যা
• প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং:
- চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির নেতা শি চিনপিংকে ‘দ্য চেয়ারম্যান অব এভরিথিং’ উপাধি দেওয়া হয়েছে।
- ২০১২ সালে ক্ষমতায় আসার পর চিনপিং শুধু দেশের বা ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানই হননি;  বরং তিনি দলীয় বহু সুপার কমিটিরও প্রধান নিযুক্ত হয়েছেন।
- ১৯৮০ সালে চীন যখন অর্থনীতি উন্মুক্ত করতে শুরু করে, তখনই চীনা নেতারা ইংরেজিতে সরকারি উপাধি পান।
- শি চিনপিং চীনে প্রধানত তিনটি উপাধিতে পরিচিত। তা হলঃ রাষ্ট্রীয় চেয়ারম্যান (চীনা ভাষায় গুওজিয়া ঝুশি), সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের চেয়ারম্যান (চীনা ভাষায় ঝংইয়াং জুনওয়েই ঝুশি), চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (জং শুজি) জেনারেল সেক্রেটারি।

অন্যদিকে,
- চীনের ‘নেকড়ে যোদ্ধা’ কূটনীতি প্রথম শুরু করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
- শি জিনপিংয়ের অভিনব কূটনৈতিক দর্শন থেকে এই পরিভাষাটি বেছে নেয়া হয়েছে।
- নিজের মর্যাদা বাড়াতে ও ক্ষমতাকে আরও পাকাপোক্তে কৌশলের অংশ হিসেবে চীনাদের জাতীয়তাবাদী অনুভূতি শক্তিশালী করতে শি জিনপিং এমন কৌশল নিয়েছেন।

উৎস:- কালের কণ্ঠ এবং এবং দেশ রূপান্তর পত্রিকা রিপোর্ট [লিঙ্ক] ।
৪,৭৩৫.
ক্রোয়েশিয়ার মুদ্রার নাম কী?
  1. ডলার
  2. রিয়াল
  3. ইউরো
  4. ফ্রাঙ্ক
ব্যাখ্যা
→ ক্রোয়েশিয়ার মুদ্রার নাম- ইউরো 
- ২০তম দেশ হিসেবে ১লা জানুয়ারী, ২০২৩ তারিখে ক্রোয়েশিয়া ইউরো মুদ্রা চালু করে।

• ইউরো:

- ইউরো হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক একক এবং মুদ্রা, যা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।
- ইউরো ১৯৯১ সালের মাস্ট্রিচ চুক্তি থেকে উদ্ভুত হয়েছিল।
- ইউরো আনুষ্ঠানিকভাবে ১লা জানুয়ারী, ১৯৯৯ সালে জারি করা হয়েছিল।
- ইউরো ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।
- ইউরো ব্যবহার সদস্য: ২০টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: ক্রোয়েশিয়া।
- ২০তম দেশ হিসেবে ১লা জানুয়ারী, ২০২৩ তারিখে ক্রোয়েশিয়া ইউরো মুদ্রা চালু করে।
- ইউরো ব্যবহারকারী দেশগুলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন।

অপরদিকে,
- ফ্রাঙ্ক মুদ্রা ব্যবাহারী দেশ:
- সেনেগাল, মালি, গিনি, গ্যাবন, কঙ্গো, রুয়ান্ডা, ক্যামেরুন, মুরুন্ডি, জিবুতি, নাইজার, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, বেনিন ও টোগো

উৎস: EU ওয়েবসাইট ও Britannica.
৪,৭৩৬.
কোন দেশে সমুদ্র বন্দর নাই?
  1. মালদ্বীপ
  2. নেপাল
  3. গ্রীস
  4. ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা
⇒ নেপালে কোনো সমুদ্র বন্দর নেই।

নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- আয়তন: ৫৬,৮২৭ বর্গ মাইল (১৪৭,১৮১ বর্গ কিমি)।।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- ভাষা: নেপালি (অফিসিয়াল), ইংরেজি।
- ধর্ম: হিন্দু ধর্ম; এছাড়াও বৌদ্ধ ধর্ম, ইসলাম।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- গ্রেট হিমালয়, মাউন্ট এভারেস্ট নেপালে অবস্থিত।
- নেপালকে হিমালয় কন্যা বলা হয়।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
৪,৭৩৭.
কাজী নজরুল ইসলাম ও মুজাফফর আহমেদ যুগ্মভাবে কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন?
  1. ক) দৈনিক আজাদ
  2. খ) দৈনিক নবযুগ
  3. গ) আখবারে এসলামীয়া
  4. ঘ) দৈনিক পয়গাম
ব্যাখ্যা
দৈনিক নবযুগ পত্রিকা ১৯২০ সালের ১২ জুলাই প্রথম প্রকাশিত হয়। এটির মালিক ও পরিচালক ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও মুজাফফর আহমদ ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক। পত্রিকাটি প্রকাশের বছর খানেকের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৯৪২ সালে পুনরায় চালু হয়ে দুবছর পর চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।
দৈনিক নবযুগে কাজী নজরুল লিখিত কলামসমূহ নিয়ে নজরুলের ‍যুগবাণী প্রবন্ধগ্রন্থ প্রকাশিত হয় যা ব্রিটিশ সরকার রাজয়োপ্ত করে। অন্যদিকে দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন। আখবারে এসলামীয়া সম্পাদনা করেন মোহাম্মদ নইমুদ্দিন। দৈনিক পয়গামের সম্পাদক ছিলেন মুজীবুর রহমান খাঁ।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৪,৭৩৮.
জেসমিন বিপ্লব কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. তিউনিসিয়া
  2. চেকোস্লোভাকিয়া
  3. জর্জিয়া
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা

জেসমিন বিপ্লব:
- জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।

⇒ আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লবের মাধ্যমে।
- তিউনিসিয়া উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- ২০১০ এবং ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের ঢেউ শুরু হয়েছিল।
- এই বিক্ষোভ পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়।
- প্রথমে মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারকের পতন হয়।
- পরে লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি জমানার অবসান হয়।
- এক হিসাবে বলা হয় আরব বসন্তের ফলে মাত্র পৌনে দুই বছরে লিবিয়া, সিরিয়া, মিশর, তিউনিসিয়া, বাহরাইন ও ইয়েমেনের মোট ক্ষতি হয়েছে দুই হাজার ৫৬ কোটি ডলার।

⇒ আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লবের মাধ্যমে।
- ২০১০ এবং ২০১১ সালে মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভ এবং বিদ্রোহের ঢেউ শুরু হয়েছিল।
- এই বিক্ষোভ পরে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে যায়।
- ২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা থেকে বিদায় নেন মিশরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মুবারক। পরে লিবিয়ায় মুয়াম্মর আল-গাদ্দাফি জমানার অবসান হয়। জর্ডানের বাদশাহ আবদুল্লাহ নতুন প্রধানমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন।  নভেম্বরে ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি আলী আবদুল্লাহ সালেহ মনসুর আল হাদির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। লিবিয়ার ৪২ বছরের শাসক গাদ্দাফির পতন ঘটেছে। এ ছাড়া আলজেরিয়া, বাহরাইন, ইরান, মরক্কোয় বড় ধরনের বিদ্রোহ হয়। তবে লেবানন, মৌরিতানিয়া, সৌদি আরব, সুদান এবং পশ্চিম সাহারায় বড় ধরনের না হলেও বিক্ষোভ দেখা যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.

৪,৭৩৯.
'ভ্লাদিমির লেনিন' নিম্নের কোন বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন?
  1. ক) ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. খ) নভেম্বর বিপ্লব
  3. গ) জানুয়ারি বিপ্লব
  4. ঘ) অক্টোবর বিপ্লব
ব্যাখ্যা
১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়। এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে “১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব” (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।

• ফেব্রুয়ারি বিপ্লবঃ
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লবঃ
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎসঃ হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম
৪,৭৪০.
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম কী?
  1. ইউরোটেক্স
  2. ইউরোপোল
  3. ফ্রনটেক্স
  4. রেঞ্জার্স
ব্যাখ্যা
• ইউরোপীয় ইউনিয়ন:
- রোম চুক্তির মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি তথা বর্তমানের ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ইইউর প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য দেশ ছিলো ৬টি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত মোট দেশের সংখ্যা ২৭ টি।
- এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২০ টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- সদর দপ্তর- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভিসামুক্ত প্রবেশের চুক্তি শেনজেন চুক্তি।
- ম্যাসট্রিচট চুক্তির ফলে ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নামকরণ করা হয়।
- ২০০৭ সালে পর্তুগালের লিসবনে স্বাক্ষরিত চুক্তিকে লিসবন চুক্তি বলে। এই চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তি বলা হয়।
- এই চুক্তির অনুচ্ছেদ-৫০ এ বলা আছে গণভোটের মাধ্যমে কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করতে পারবে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নাম ফ্রনটেক্স।

উৎস: ইউ ওয়েবসাইট।
৪,৭৪১.
১৯৭৯ সালের ইরানের বিপ্লবের নায়ক ছিলেন কে?
  1. শাহ পাহলভী
  2. আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি
  3. আয়াতুল্লাহ দাউদ খান
  4. ইব্রাহিম রাইসি
ব্যাখ্যা
ইরানের ইসলামিক বিপ্লব:
- এই বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯৭৯ সালে। 
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের শাহ রাজতন্ত্রের পতন ঘটে।
- বিপ্লবের মাধ্যমে পাশ্চাত্যের প্রভাবমুক্ত হয়ে একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রে আবির্ভূত হয় ইরান।
- শেষ রাজা ছিলেন শাহ পাহলভী।
- ইরানের বিপ্লবের নায়ক ছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি।
- তিনি দীর্ঘদিন ফ্রান্সে নির্বাসিত ছিলেন। 
 
উৎস: Britannica.
৪,৭৪২.
Which country in the world shares its border with the most countries?
  1. ক) Brazil
  2. খ) Germany
  3. গ) Russia
  4. ঘ) Japan
ব্যাখ্যা
- চীন ও রাশিয়ার সাথে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক দেশের সীমানা রয়েছে। 
- উভয় দেশের সাথে সমান সংখ্যক ১৪টি দেশের সীমানা রয়েছে। 
- এরপর রয়েছে ব্রাজিলের অবস্থান। 

উৎস : ওয়ার্ল্ড এটলাস 
৪,৭৪৩.
’গ্লাসনস্ত নীতি’ কোথায় প্রবর্তিত হয়?
  1. জার্মানি
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়গুলির উন্মুক্ত আলোচনার খোলাখুলি নীতি যেখানে সোভিয়েতের জনগণ নির্ভয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে।
- এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট  মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- এর মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজনৈতিক কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন আসে।
-  সোভিয়ত সরকার, সরকারি কর্মকর্তাদের সমালোচনার অনুমতি দেয় ।
-  সংবাদ ও তথ্যের অবাধ প্রচারের অনুমতি দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica.
৪,৭৪৪.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন -
  1. ক) হেনরী
  2. খ) দেসমন্ড টুটু
  3. গ) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
  4. ঘ) কেনেথ আউন্ডা
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র (১৫ জানুয়ারি, ১৯২৯ - ৪ এপ্রিল, ১৯৬৮):
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা।
- তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত 'I Have a Dream' ভাষণটি প্রদান করেন।

- সেখানে তিনি এমন একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন যা বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।
- মার্টিন লুথার হলেন খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায় ধর্মীয় নেতা।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৪,৭৪৫.
'পালাউ' দেশটি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া
  2. ওশেনিয়া
  3. ইউরোপ
  4. আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

পালাউ:
- আনুষ্ঠানিকভাবে পালাউ প্রজাতন্ত্র, দ্বীপ দেশ।
- 'পালাউ' দেশটি ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৮৯ বর্গ মাইল (৪৯০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: মেলেকোক।
- ভাষা: পালাউয়ান, ইংরেজি (উভয় সরকারী)।
- ধর্ম: খ্রিস্টান ধর্ম (বেশিরভাগই রোমান ক্যাথলিক।
- মুদ্রা: মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪,৭৪৬.
ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন কোন সভ্যতার স্থাপত্যের এক অসাধারণ নির্দশন-
  1. ক) গ্রিক
  2. খ) রোমান
  3. গ) ইনকা
  4. ঘ) পারস্য
ব্যাখ্যা
সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নির্দশন। ৮০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়, যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪,৭৪৭.
Who said the words, 'Imperialism, the Highest Stage of Capitalism'?
  1. ক) Vladimir Lenin
  2. খ) Karl Marx
  3. গ) Patrick Henry
  4. ঘ) Aristotle
ব্যাখ্যা
Imperialism, the Highest Stage of Capitalism
- সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় হলো ভ্লাদিমির লেনিন লিখিত একটি বই।
- এটি তিনি ১৯১৬ সালের জানুয়ারি-জুন মাসে লিখেন।
- বইটি লেনিন লিখেন জুরিখে বসে 'পারুস' প্রকাশালয়ের জন্য।
- এই গ্রন্থে লেনিন লিখেন যে বিশ শতকের শুরু নাগাদ পুঁজিবাদ তার বিকাশের নতুন পর্বে, সাম্রাজ্যবাদের পর্বে প্রবেশ করেছে।
- তিনি প্রথমত, যুদ্ধের প্রকৃত কারণ ব্যাখ্যা করতে যাত্রা করেন; দ্বিতীয়ত, কেন সমাজতন্ত্রীরা দেশপ্রেমের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদ পরিত্যাগ করেছিল এবং যুদ্ধকে সমর্থন করেছিল; এবং তৃতীয়, কেন একা বিপ্লবই একটি ন্যায্য, গণতান্ত্রিক শান্তি আনতে পারে এই সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেন।

উৎস: Imperialism, the Highest Stage of Capitalism | work by Lenin, Britannica.
৪,৭৪৮.
সম্প্রতি হামাস কর্তৃক ইসরায়েলে অভিযানের নাম কী?
  1. অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড
  2. অপারেশন আল-আকসা স্টার্ট
  3. অপারেশন আল-আকিম ফ্লাড
  4. অপারেশন আল-আকিম ফাইট
ব্যাখ্যা
অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড:
- গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন অভিযানের ঘোষণা দিয়েছে হামাস। 
- এ লড়াইয়ের নাম দেয়া হয়েছে অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড।
- বস্তুত বন্যার জলের মতই সশস্ত্র হামাস বাহিনী ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডে।
- এর আগে ২০২১ সালে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে ১১ দিন ধরে সংঘাত চলেছিল। 
- হামাস সদস্য ইজেত আল-রাশক জানান, আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা লড়ছেন।
- ইহুদিদের এখন উৎসব পর্ব চলছে।
- সেই উৎসবের শেষ দিনে এই আঘাত হেনেছে হামাস।
- ইসরায়েলের বন্দর শহর তেল আবিবের উত্তরে পর্যন্ত রকেট হামলা করা হয়েছে।
- সেই সাথে হামাসের সশস্ত্র বাহিনী ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলের দক্ষিণে।

 উৎস: ৮ অক্টোবর, ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৪,৭৪৯.
জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে? [ফেব্রুয়ারি,২০২৬]
  1. সানায়ে তাকাইচি
  2. নারুহিতো
  3. ইয়োশিহিদে সুগা
  4. শিনজো আবে
ব্যাখ্যা

জাপান:
- জাপান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- সংবিধানিক রাজতন্ত্র (Constitutional Monarchy).
- সম্রাটের ক্ষমতা আনুষ্ঠানিক কিন্তু কার্যকর শাসন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রকৃত শাসন পরিচালিত হয়।
- বর্তমান সম্রাট: সম্রাট নারুহিতো (Emperor Naruhito)।
- রাজধানী: টোকিও (Tokyo) ১৮৬৮ সালে ইডো থেকে টোকিওতে স্থানান্তরিত হয়।
- ভৌগোলিক অবস্থান: পূর্ব এশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপদেশ; চারটি প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হোনশু, শিকোকু, কিউশু।
- জাপানের আয়তন: ৩৭৭,৯১৫ বর্গকিলোমিটার।
- সবচেয়ে বড় দ্বীপ: হোনশু।
- আয়তন প্রায় ২২৭,৯৬২ বর্গকিলোমিটার
- জনসংখ্যা (২০২৫ আনুমানিক): প্রায় ১২৩,১০৫,০০০ জন।
- জাতীয় ভাষা: জাপানি (Japanese)।
- ধর্ম: শিন্তো ও বৌদ্ধ ধর্ম প্রধান; খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারীও রয়েছে।
- জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হলেন সানায়ে তাকাইচি।
- আইনসভা: 'ডায়েট' (National Diet)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৭৫০.
'লিমা' কোন দেশের রাজধানী?
  1. ক) তুর্কেমেনিস্তান
  2. খ) আজারবাইজান
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) পেরু
ব্যাখ্যা
লিমা পেরুর রাজধানী।

• অপরদিকে-
- ফিলিপাইনের রাজধানী- ম্যানিলা।
- আজারবাইজানের রাজধানী- বাকু।
- তুর্কেমেনিস্তানের রাজধানী- আশখাবাদ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা
৪,৭৫১.
নেলসন ম্যান্ডেলা কোন দেশের বর্ণবাদ বিরোধী অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন? 
  1. কলম্বিয়া
  2. নাইজেরিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. কেনিয়া
ব্যাখ্যা

নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।
- নেলসন মেন্ডেলার রাজনৈতিক দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস।
• ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
-১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৪,৭৫২.
সম্প্রতি চাঁদে সফল অবতরণ করা যুক্তরাষ্ট্রের নভোযান ‘অডিসিয়াস’ এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান -
  1. ইনটিউটিভ চন্দ্রযান
  2. আইনস্টাইন প্রোব
  3. ইনটিউটিভ মেশিনস
  4. ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স
ব্যাখ্যা
অডিসিয়াস:
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘অডিসিয়াস’ নামের ওই মহাকাশযান চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ করে।
- পরে মহাকাশযানটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে সক্ষম হয় সেটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইনটিউটিভ মেশিনস।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বে প্রথম কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মহাকাশযান চাঁদে পৌঁছায়।

সূত্র: প্রথম আলো ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৭৫৩.
জার্মানির বর্তমান ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল কোনটি?
  1. ক) ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন
  2. খ) সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি
  3. গ) ইউনাইটেড জার্মানি
  4. ঘ) ক্রিস্টিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
- গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ জার্মানির পার্লামেন্ট (বুন্দেসট্যাগ) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (২০৬টি আসন), ফ্রি ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (৯২ টি আসন) এবং দ্য গ্রিন পার্টির (১১৮টি আসন) সমন্বয়ে গঠিত জোট জয় লাভ করে।
অন্যদিকে,
- অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের দল ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন ও ক্রিস্টিয়ান সোশ্যাল ইউনিয়ন ১৯৭টি আসন লাভ করে।
- গত ৮ ডিসেম্বর ২০২১ সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন পার্টির নেতা ওলাফ শলাৎস জার্মানির নবম চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
(তথ্যসূত্র: জার্মানির সরকারি ওয়েবসাইট)
৪,৭৫৪.
সোনালী প্যাগোডার দেশ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ভুটান
  2. মিয়ানমার
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com
৪,৭৫৫.
দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. ড. বোথা
  2. ইয়ান সলসবারি
  3. ইয়ান স্মিথ
  4. এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক
ব্যাখ্যা
এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক:
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক।
- ১৯৮৯-৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে ডি ক্লার্ক যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান। 
- ক্লার্ক বর্ণবাদের অবসান এবং ক্ষমতা হস্তান্তরে সহায়তা করার জন্য ম্যান্ডেলার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৬ সালে জোহানেসবার্গে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৯ সালে ন্যাশনাল পার্টির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি আইনজীবী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। 
- ১৯৯৭ সালে ক্লার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতি থেকে অবসর নেন। 

উৎস: Britannica.
৪,৭৫৬.
প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সপ্তম নৌবহরের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ইউকোসুক
  2. গোয়াম
  3. হাওয়াই
  4. সাতসুনা
ব্যাখ্যা
সপ্তম নৌবহর:
- মূল ভূখণ্ডের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নেভাল ফোর্স হল- সপ্তম নৌবহর।
- বর্তমানে এর প্রধান ঘাটি জাপানের ইয়াকোসুকে অবস্থিত।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিটের অংশ।
- বর্তমানে এতে ৬০-৭০ জাহাজ, ৩০০ বিমান এবং ৪০,০০০ নৌবাহিনী, মেরিন কর্পস সদস্য এবং কোস্টগার্ড সদস্য রয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৪,৭৫৭.
মায়া সভ্যতার লিখন পদ্ধতি কোনটি?
  1. হায়ারোগ্লিফিক
  2. ক্যালিওগ্রাফি
  3. মিয়ামোগ্রাফি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতা মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালা, বেলিজ, ও মেক্সিকোর কিছু অংশে খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে গড়ে উঠেছিলো।
- ২৫০ অবদি থেকে ৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মায়ার সভ্যতার ক্লাসিক যুগ ছিল।
- ৯০০ খ্রিস্টাব্দে মায়া সভ্যতার পতন ঘটে।
- মায়া সভ্যতা পাথুরে স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল।
- মায়া সভ্যতার লিখন পদ্ধতি - হায়ারোগ্লিফিক। 

এছাড়াও, 
- মিশরীয়রা একটি লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন করে।
- এই লিখন পদ্ধতিকে হায়ারোগ্লিফিক বলে যার অর্থ পবিত্র লিপি।

উৎস: ব্রিটানিকা (লিঙ্ক)।
৪,৭৫৮.
কোন সভ্যতার অধিবাসীরা দ্রব্যের ওজন পরিমাপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত-
  1. ক) ব্যাবিলনীয়
  2. খ) সিন্ধু
  3. গ) গ্রিক
  4. ঘ) মিশরীয়
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা দ্রব্যের ওজন ও পরিমাপ পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিল। তারা বিভিন্ন দ্রব্যের ওজন পরিমাপের জন্য ভিন্ন ভিন্ন আকৃতির বাটখারা ব্যবহার করত। দাগ কাটা স্কেল দিয়ে দৈর্ঘ্য মাপার পদ্ধতিও তাদের জানা ছিল। তারা তামা ও টিনের মিশ্রণে ব্রোঞ্জ তৈরি করতে শিখেছিল। এই সভ্যতার অধিবাসীরা লোহার ব্যবহার জানত না। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪,৭৫৯.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. হলুদ নদী
  2. ইয়াংজি নদী 
  3. মেকং নদী
  4. ব্রহ্মপুত্র নদ
ব্যাখ্যা

- ইয়াংজি নদী এশিয়ার দীর্ঘতম নদী, যার দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল।
- নদীটি চীনে অবস্থিত।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।
- এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম নদী।

অন্যদিকে,
- ব্রহ্মপুত্র নদী চীন, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ২,৩৯১ মাইল (৩,৮৪৮ কিমি) প্রবাহিত হয়েছে। এটি হিমালয়ের উৎস থেকে চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে ভারতে প্রবেশ করে ছোট গঙ্গা নদীর সাথে সংযোগস্থলে পৌঁছেছে। 
- মেকং নদী চীন, মায়ানমার, লাওস, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া এবং ভিয়েতনামের মধ্য দিয়ে অনেক সীমান্ত অতিক্রম করে।
- এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম হলুদ নদী, যে অঞ্চলগুলির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়, সেখানকার পরিবেশগত পরিবেশ উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: World Atlas.

৪,৭৬০.
কত সালে ফরাসি বিপ্লব শেষ হয়?
  1. ১৭৯৮
  2. ১৮৮৯
  3. ১৭৯২
  4. ১৭৯৯
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯ – ১৭৯৯):
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে। 
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ফরাসি বিপ্লব শেষ হয়- ১৭৯৯ সালে।

উৎস: Britannica.

৪,৭৬১.
'পালাউ' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. এশিয়া
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. ইউরোপ
  4. ওশেনিয়া
ব্যাখ্যা

পালাউ:
- আনুষ্ঠানিকভাবে পালাউ প্রজাতন্ত্র, দ্বীপ দেশ।
- 'পালাউ' দেশটি ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৮৯ বর্গ মাইল (৪৯০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: মেলেকোক।
- ভাষা: পালাউয়ান, ইংরেজি (উভয় সরকারী)।
- ধর্ম: খ্রিস্টান ধর্ম (বেশিরভাগই রোমান ক্যাথলিক।
- মুদ্রা: মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪,৭৬২.
২০২১ সালের টেকসই উন্নয়ন সূচকে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. ক) ডেনমার্ক
  2. খ) ফিনল্যান্ড
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্ক প্রকাশিত টেকসই উন্নয়ন সূচক-২০২১:
- শীর্ষদেশ : ফিনল্যান্ড
- সর্বনিম্ন দেশ (১৬৫তম) : মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র
- বাংলাদেশের অবস্থান : ১০৯তম।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইট)
৪,৭৬৩.
What is the world's largest landlocked country by land area?
  1. Kazakhstan
  2. Mongolia
  3. Afghanistan
  4. Chad
ব্যাখ্যা
কাজাখস্তান:

- স্থলভাগে বিশ্বের বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত দেশ কাজাখস্তান।
- এটি মধ্য এশিয়ার একটি দেশ।
- দেশটির আয়তন ১,০৫২,০৯০ বর্গ মাইল (২,৭২৪,৯০০ বর্গ কিমি)।
- এর রাজধানী নুরসুলতান।
- ভাষা: কাজাখ, রাশিয়ান।
- ধর্ম: ইসলাম (বেশিরভাগই সুন্নি), খ্রিস্টান।
- মুদ্রা: টেংগে।
- কাজাখস্তান হল একটি একক প্রজাতন্ত্র যার পার্লামেন্ট দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
- এর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসুত্র - Britannica.com
৪,৭৬৪.
ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত 'বাসেল কনভেনশন' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) সুইডেন
  2. খ) সুইজারল্যান্ড
  3. গ) নেদারল্যান্ডস
  4. ঘ) বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন (Basel Convention)
বাসেল কনভেনশনের পূর্ণনাম - Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal। অর্থ্যাৎ, এটি ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। UNEP - এর সহায়তায় সুইজারল্যান্ডের বাসেলে পরিবেশ বিষয়ক এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুমোদন: ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সাল
চুক্তি কার্যকর: ৫ মে, ১৯৯২ সাল
স্বাক্ষরকারী পক্ষ: ৫৩টি
অনুমোদনকারী পক্ষ: ১৮৯টি

বাসেল কনভেনশন ও বাংলাদেশ:
অনুমোদন - ১ এপ্রিল, ১৯৯৩ সাল
কার্যকর - ৩০ জুন, ১৯৯৩ সাল
 
উৎস: বাসেল কনভেনশন ও UNEP ওয়েবসাইট।

৪,৭৬৫.
'পিস স্ট্যাচু' কোথায় অবস্থিত?
  1. নাগাসাকি
  2. নিউইয়র্ক
  3. হো চি মিন সিটি
  4. হিরোশিমা
ব্যাখ্যা
পিস স্ট্যাচু: 

• অবস্থান: জাপানের নাগাসাকির শান্তি পার্কে।
• নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণে নিহতদের স্মরণে 'শান্তি পার্ক' স্থাপন করা হয়।
• ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র জাপানে ২টি পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
• একটি হিরোশিমায় 'লিটল বয়' ৬ আগস্ট, ১৯৪৫।
• অপরটি নাগাসাকিতে 'ফ্যাট ম্যান' ৯ আগস্ট ১৯৪৫।
• ১৯৪০ সালের ২২ সেপ্টেম্বরে জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
• জাপান কর্তৃক পার্ল হারবর আক্রমণের প্রেক্ষিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে সরাসরি ২য় বিশ্বযুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
• অন্যদিকে, স্ট্যাচু অব পিস (Statue of Peace) অবস্থিত দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে জাপানি দূতাবাসের সামনে।
• করনারস্টোন অব পিসের অবস্থান – জাপানের ওকিনাওয়ায়।
• ওকিনাওয়ার যুদ্ধে নিহতদের স্মরণে নির্মাণ ।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং Live Mcq লেকচার।
৪,৭৬৬.
নিচের কোন দেশটি ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. ক) লাটভিয়া
  2. খ) আজারবাইজান
  3. গ) বুলগেরিয়া
  4. ঘ) সুইডেন
ব্যাখ্যা
ককেশাস পর্বতমালার দক্ষিণে ট্রান্সককেশাস অঞ্চল অবস্থিত। এই অঞ্চলে তিনটি স্বাধীন রাষ্ট্র অবস্থিত। এগুলো হলো:
- জর্জিয়া
- আর্মেনিয়া এবং
- আজারবাইজান।

অন্যদিকে,
- লাটভিয়া বাল্টিক রাষ্ট্র
- বুলগেরিয়া বলকান রাষ্ট্র
- সুইডেন স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র।

(তথ্যসূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৪,৭৬৭.
মধ্যপ্রাচ্যে কখন প্রথম তেলঅস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
তেল অস্ত্র:
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা তখন তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
- তারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
- ১৯৭৩ সালে ইরাকের তেল সংক্রান্ত ফেডারেল আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ড. ফাদিল চালাবি।
- তিনি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো একতরফাভাবে তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- এতে তেল কোম্পানিগুলোর কোন ভুমিকাই থাকবে না।

⇒ তেল অবরোধ:
- বড় বড় তেলক্ষেত্রগুলো ছিল সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত এসব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে।
- কিন্তু সেই তেল উত্তোলন করছিল সেই বড় পশ্চিমা কোম্পানিগুলো, তেলের দামও নির্ধারণ করছিল তারাই।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা কমিয়ে দিল তেলের উৎপাদন, বাড়িয়ে দিল তেলের দাম, আর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিল।
- ১৯৭৩ সালে তেল রপ্তানিকারী আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু শিল্পোন্নত দেশের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
- তারা ঠিক করলো, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোই তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।
- এর পরিণামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুণ।
- এর সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়েছিল বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে।
- এভাবেই আরবরা তেল অবরোধ করে।

উৎস: i) World Atlas.
ii) BBC.
৪,৭৬৮.
'রাজা ভুল করে না'- উক্তিটি কোন দেশের সংবিধানে উল্লেখ আছে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জাপান
  3. সৌদি আরব
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন: ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন: ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন: বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
- সংবিধান: অলিখিত।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী: রবার্ট ওয়ালপল।
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: ঋষি সুনাক (কনজারভেটিভ পার্টি)।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- 'Fleet Street' সংবাদপত্র প্রকাশনার জন্য বিখ্যাত একটি সড়ক।
- 'Whitehall' লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি রাস্তা।
- এখানে ব্রিটিশ সরকারের অধিকাংশ প্রশাসনিক ভবন অবস্থিত।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব: ভিক্টোরিয়া ক্রস।
- যুক্তরাজ্যের পতাকে বলা হয়: ইউনিয়ন জ্যাক।
- 'Trafalgar Square' এর অবস্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- ব্রিটিশ শাসনতন্ত্রের বাইবেল এবং ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র বলা হয় ম্যাগনাকার্টাকে।

উল্লেখ্য,
- 'রাজা ভুল করে না'- উক্তিটি যুক্তরাজ্যের সংবিধানে উল্লেখ আছে।

উৎস: i) GOV.UK [link]
         ii) Britannica.
৪,৭৬৯.
আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
কানাডা: 
- কানাডা উত্তর আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত। 
- এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ (রাশিয়ার পর)।
- এটি মহাদেশের প্রায় দুই-পঞ্চমাংশ অংশ জুড়ে বিস্তৃত।
- যদিও আয়তন বিশাল, কানাডার জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে খুবই কম।
- সুদূরপ্রসারী বনভূমি, পর্বত ও নিসর্গ দেশটির পরিচয়ে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। 
- কানাডা আনুষ্ঠানিকভাবে ইংরেজি এবং ফরাসি ভাষায় দ্বিভাষিক, যা দেশটির ইতিহাসকে প্রতিফলিত করে। 
- কানাডা একটি বহু-সাংস্কৃতিক দেশ, যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মানুষ একত্রে বসবাস করে। 
- কানাডা প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ – বন, খনিজ, পানি ইত্যাদি। 
- এই দেশ শিক্ষা ও গবেষণায়ও অগ্রণী, এবং জ্ঞানের রপ্তানিকারক হিসেবেও খ্যাত। 
- কানাডা শুধু তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বা আয়তনের জন্য নয়, বরং একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল সমাজের জন্যও বিশ্বে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
৪,৭৭০.
মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ ঘাঁটিটি অবস্থিত?
  1. বাহরাইন
  2. কুয়েত
  3. কাতার
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত কিছু মার্কিন ঘাঁটি:
- কাতার: আল-উদেইদ (Al Udeid Air Base).
- এটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বিমানঘাঁটি।
- বাহরাইন: নৌঘাঁটি - NSA Bahrain.
- যুক্তরাষ্ট্রের ৫ম নৌবহরের ঘাঁটি।
- কুয়েত: ক্যাম্প আরিফজান (Camp Arifjan)।
- মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি কুয়েতে। 
- ইরাক:  আল-আসাদ, তাজি।
- সামরিক প্রশিক্ষণ ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম।
- সৌদি আরব: প্রিন্স সুলতান এয়ার বেস।
- ২০১৯ সাল থেকে মার্কিন সেনা মোতায়েন
- জর্ডান: Muaffaq Salti Air Base.

উৎস: U.S. Department of Defense. 
৪,৭৭১.
কোন সভ্যতা ইতিহাসে ‘শ্রেষ্ঠতম নাবিক’ হিসেবে প্রসিদ্ধ?
  1. ক) ক্যালডীয়রা
  2. খ) অ্যাসেরীয়রা
  3. গ) ফিনিশিয়রা
  4. ঘ) মিশরীয়রা
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টপূর্ব ৩ হাজার বছর পূর্বে ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী লেবানন, ইসরাইল ও ফিলিস্তিনে ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠে।
সাগর তীরবর্তী হওয়ায় ফিনিশীয়রা নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে খুবই প্রসিদ্ধ ছিলো। তাদের মূল পেশাও ছিলো নৌবাণিজ্য।
টায়ার ও সিডন ফিনিশিয়ার দুটো বিখ্যাত বন্দর।
ফিনিশীয়রা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালা উদ্ভাবন করে যা থেকে আধুনিক বর্ণমালার উদ্ভব হয়।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪,৭৭২.
কানাডার কোন প্রদেশটি ফ্রান্সের স্থায়ী উপনিবেশ (Colony) ছিলো?
  1. ক) মন্ট্রিল
  2. খ) কুইবেক
  3. গ) ভ্যাঙ্কুবার
  4. ঘ) অটোয়া
ব্যাখ্যা
By the turn of the century, the French were heavily involved in the lucrative fur trading business in Canada. On one of those fur trapping missions in 1605, the French geographer and explorer, Samuel de Champlain, established France's first settlement in western Nova Scotia. Port Royal would later be abandoned, but in 1608, he founded a permanent colony in Quebec, a colony that would later become the capital of New France.
Giovanni Caboto, an Italian navigator and explorer, known in English as John Cabot, landed along the northeastern shore of Canada in 1497. Source: worldatlas.com
৪,৭৭৩.
‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি অনুযায়ী, চীন হংকংকে কত বছর শাসন করবে?
  1. ৪০ বছর
  2. ৫০ বছর
  3. ৮০ বছর
  4. ১০০ বছর
ব্যাখ্যা
‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি:
- ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি চালু আছে চীনে।
- চীনের দুটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলের একটি হংকং, অন্যটি ম্যাকাও।
- হংকং চীনের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের একটি সমৃদ্ধিশালী দ্বীপ।
- চীনের ‘প্রবেশদ্বার’ নামে পরিচিত হংকং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

উল্লেখ্য,
- ২৪৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে চীনের কিং সাম্রাজ্যের সময় প্রথমবারের মতো হংকং চীন সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- রানি ভিক্টোরিয়ার আমলে হংকং পরিণত হয় ব্রিটিশ উপনিবেশে।
- উপনিবেশ হিসেবে ৯৯ বছরের ইজারার মেয়াদ শেষ হলে ১৯৯৭ সালে ব্রিটেন চীনের কাছে হংকংকে ফিরিয়ে দেয়।
- হংকংয়ের ব্রিটিশ উপনিবেশে পরিণত হওয়ার পেছনে আছে ‘আফিম যুদ্ধের’ ভূমিকা।
- প্রথম আফিম যুদ্ধে চীন পরাজিত হলে ১৮৪১ সালে ব্রিটেন হংকং দ্বীপ দখল করে নেয় এবং হংকংকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে।
- নানকিং চুক্তির মাধ্যমে হংকং ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ‘ক্রাউন কলোনি’তে পরিণত হয়।
- ১৯৮৪ সালে বেইজিংয়ের ‘হল অব দ্য পিপল’-এ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এবং চীনা প্রধানমন্ত্রী ঝাও জিয়াং হংকংকে চীনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।
- ঘোষণাপত্র অনুযায়ী ব্রিটেন হংকংকে ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই চীনের কাছে হস্তান্তর করতে রাজি হয়।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই মধ্যরাতে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, প্রিন্স চার্লস, চীনের প্রেসিডেন্ট জিয়াং জেমিন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাডেলিন অলব্রাইটসহ অনেক আন্তর্জাতিক নেতার অংশগ্রহণে হংকংকে শান্তিপূর্ণভাবে চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- ঘোষণাপত্রের অন্যতম শর্ত ছিল চীনের অধীনে যাওয়ার ৫০ বছর পর্যন্ত চীন হংকংকে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি অনুযায়ী শাসন করবে অর্থাৎ পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো ছাড়া হংকং পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করবে।
- ২০৪৭ সালে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতির বাধ্যবাধকতা উঠে গেলে চীন হংকংকে নিজেদের একটি প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করবে।

উৎস: Britannica.
৪,৭৭৪.
এডেন কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. ইয়েমেন
  2. কাতার
  3. ওমান
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
এডেন ইয়েমেনের সমুদ্রবন্দর।

এডেন:
- এডেন ইয়েমেনের শহর।​
- এটি এডেন উপসাগরের উত্তর উপকূলে অবস্থিত এবং আল-তাওয়াহি হারবারের পূর্ব দিকে ঘেরা একটি উপদ্বীপে অবস্থিত।
- এডেন ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনের অস্থায়ী রাজধানী।।

⇒ ইয়েমেন:
- ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র পশ্চিম এশিয়ার একটি আরব দেশ।
- দেশটি এককালে আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার সংযোগস্থল ছিল।
- আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে দক্ষিণ আরবজুড়ে দেশটির অবস্থান।
- ইয়েমেন আরব উপদ্বীপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- ইয়েমেনের সীমান্তে রয়েছে উত্তরে সৌদি আরব, পশ্চিমে লোহিত সাগর, দক্ষিণে এডেন উপসাগর ও আরব সাগর এবং পূর্ব-উত্তর পূর্বে ওমান।
- রাজধানী: এডেন।
- ভাষা: আরবি।
- মুদ্রা: ইয়েমেনি রিয়াল।

অন্যদিকে,
- কাতারের প্রধান সমুদ্রবন্দর হামাদ।
- ওমানের প্রধান সমুদ্রবন্দর সালালাহ।
- ইরাকের প্রধান সমুদ্রবন্দর উম্মে কাসর।

উৎস: i) World Atlas.
         ii) Britannica.
৪,৭৭৫.
বিশ্বে প্রথম ন্যায়পাল ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় কোন দেশে?
  1. ক) ফিনল্যান্ডে
  2. খ) ডেনমার্কে
  3. গ) সুইডেনে
  4. ঘ) নরওয়েতে
ব্যাখ্যা
- জবাবদিহিতামূলক পদ বা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৮০৯ সালে সুইডেনে প্রথম প্রবর্তিত হয়।
- ক্রমান্বয়ে অন্যান্য দেশে এই ব্যবস্থা চালু হয়। যেমন- ফিনল্যান্ডে ১৯১৯ সালে , ডেনমার্কে ১৯৫৫ সালে , নিউজিল্যান্ডে ১৯৬১ সালে , নরওয়েতে ১৯৬৩ সালে , গ্রেট ব্রিটেনে ১৯৬৭ সালে , অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৭৩ সালে।
- সুইডিশ ভাষায় Ombudsman বা ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারি মুখপাত্র বা প্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তাকে বোঝায় যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ কর্তৃক ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে।

সোর্স:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৭৭৬.
Against which country was 'Operation Desert Storm' conducted?
  1. USA
  2. Afghanistan
  3. Palestine
  4. Iran
  5. None of above
ব্যাখ্যা
অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম চালিত হয় ইরাকের বিরুদ্ধে।

অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম:

- 'অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম' এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ইরাক এবং ৩৪টি দেশের জাতিসংঘ অনুমোদিত যৌথ বাহিনীর মধ্যে।
- ১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে ইরাকের কুয়েত আগ্রাসন এবং কুয়েতি ভূ-খন্ড দখলের প্রেক্ষিতে ইরাক বাহিনীর হাত থেকে কুয়েতকে মুক্ত করাই ছিল সে যুদ্ধের উদ্দেশ্য।
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে।
- ইরাকের বিরুদ্ধে এই যুদ্ধই ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- বহুজাতিক বাহিনীর আক্রমণের মুখে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরাকি বাহিনী পরাজয় বরণ করে।
- এই যুদ্ধ প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
৪,৭৭৭.
কংগ্রেস কোন দেশের আইন সভার নাম?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
The United States Congress is the bicameral legislature of the federal government of the United States, and consists of two chambers: the House of Representatives and the Senate. The Congress meets in the United States Capitol in Washington, D.C.
৪,৭৭৮.
ওল্ড টেস্টামেন্ট (Old Testament) কোন সভ্যতার প্রধান ধর্মগ্রন্থ?
  1. পারসিক সভ্যতা 
  2. মিশরীয় সভ্যতা
  3. হিব্রু সভ্যতা
  4. গ্রীক সভ্যতা
ব্যাখ্যা

হিব্রু ধর্ম:
- তাওরাত বা ওল্ড টেস্টামেন্ট (Old Testament) হিব্রু ধর্মের (ইহুদী জাতির) প্রধান ধর্মগ্রন্থ।
- মুসা (আ:) এর নেতৃত্বে তারা একেশ্বরবাদের প্রতীক হিসেবে যেহোভার আরাধনায় আকৃষ্ট হয়।
- মুসা (আ:) এর মৃত্যুর পর হিব্রু ধর্ম কুসংস্কারে পতিত হয়। নিরাকার আল্লাহর স্থলে জেহোভাকে তারা আকার-বিশিষ্ট একেশ্বর বলে মনে করত। খ্রিস্টপূর্ব ৫৮৬ অব্দে পারস্যের হাতে জেরুজালেমের পতন ঘটলে হিব্রুরা পারস্যের অধীনস্থ হয়ে পড়ে।
- দীর্ঘদিন বন্দীদশায় থাকার পর এক পর্যায়ে হিব্রুদের মধ্যে নব চেতনার উদ্ভব হয়।
- এ যুগে ইহুদীরা জরথুস্ত্র ধর্মের প্রভাবে আসে এবং আবার একেশ্বরবাদে আকৃষ্ট হয়।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৪,৭৭৯.
ভাস্কো দা গামা দ্বিতীয়বার ভারতে আসেন কত খ্রিস্টাব্দে ? 
  1. ১৪৯৭ 
  2. ১৪৯৮
  3. ১৫০০
  4. ১৫০২
ব্যাখ্যা

• ভাস্কো দা গামা:
- ভাস্কো দা গামা ছিলেন একজন পর্তুগিজ নাবিক ও অভিযাত্রী।
- তিনি ১৪৬০ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগালের সিনেস নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন।
- ইউরোপ থেকে ভারতের সমুদ্রপথ আবিষ্কারকারী প্রথম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।
- ১৪৯৭ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগালের রাজা মানুয়েল-এর আদেশে তিনি সমুদ্রপথে ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন।
- ১৪৯৮ সালের ২০ মে তিনি ভারতের ক্যালিকট (বর্তমান কোঝিকোড়, কেরালা) বন্দরে পৌঁছান।
- তাঁর এই অভিযাত্রার ফলে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সরাসরি বাণিজ্যিক যোগাযোগের নতুন যুগ শুরু হয়।
- ভাস্কো দা গামা দ্বিতীয়বার ১৫০২ খ্রিস্টাব্দে ভারতে আসেন এবং পরবর্তীতে ১৫২৪ খ্রিস্টাব্দে ভারতে এসে মৃত্যুবরণ করেন (স্থান: কোচিন, বর্তমান কেরালা)।
- তাঁর অভিযাত্রা ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা ঘটায় ভারতে ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে।


উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম ওয়েবসাইট। 

৪,৭৮০.
স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তির মধ্যে কোন দুটি দেশ ছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান
  3. জার্মানি ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ফ্রান্স ও জার্মানি
ব্যাখ্যা
স্নায়ুযুদ্ধ:
- স্নায়ুযুদ্ধ বলতে সরাসরি কোনো যুদ্ধ বোঝায়না।
- 'যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব অথচ যুদ্ধ নয়' এ অবস্থাকে রসিকজনেরা বলেন, ঠান্ডাযুদ্ধ। এর কেতাবি নাম স্নায়ুযুদ্ধ।
- ১৯৪০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৮০ দশকের শেষ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধ শুরু হয় ১৯৪৫ সালে।
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তির মধ্যে ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধ অবসান হয়েছিলো ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে।
- সোভিয়েত ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শেষ পর্যন্ত রাশিয়া শক্ত অবস্থান নিয়েই টিকে আছে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে।

⇒ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তিতে পরিণত হয়।
- এ সময়ে মার্শাল প্ল্যানের (১৯৪৭) মাধ্যমে ইউরোপ পুনর্গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাধ্যমে দুটো বিপরীত বৈশ্বিক শক্তি ও আদর্শের বিকাশ ঘটে।
- পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিম ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট।
- একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট।
- পুরো স্নায়ুযুদ্ধের কালজুড়ে মধ্য ইউরোপের উভয় পক্ষের দেশগুলো পরস্পরের দিকে তাক করে রেখেছিল পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৪,৭৮১.
নিচের কোন দেশ মেলানেশিয়া অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. নাউরু
  2. টোঙ্গা
  3. কিরিবাতি
  4. ফিজি
ব্যাখ্যা

⇒ মেলানেশিয়া:
- 'মেলানেশিয়া' শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে এবং এর অর্থ 'কালো দ্বীপ'।
- মেলানেশিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অঞ্চল।
- এটি প্রায় ২,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এই অঞ্চলের দেশগুলো হলো: পাপুয়া নিউগিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু এবং ফিজি।

⇒ পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা,
- টুভ্যালু,
- সামোয়াত।

⇒ মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু,
- পালাউ,
- কিরিবাতি,
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৪,৭৮২.
মার্কিন কোন প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় প্রথম 'ডমিনো তত্ত্ব' প্রয়োগ করেছিলেন?
  1. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. থিওডোর রুজভেল্ট
  4. জেমস মনরো
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব:
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্য 'ডমিনো তত্ত্বটি' প্রযোজ্য ছিল।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।

⇒ ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।

⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০-৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: History.com
৪,৭৮৩.
ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়- 
  1. ১৭৮৯ সালে 
  2. ১৭৯১ সালে 
  3. ১৭৯৫ সালে 
  4. ১৮০০ সালে 
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব ইউরোপ ও পশ্চিমা সভ্যতার ইতিহাসে এক যুগান্তকারী ঘটনা।
- এর মূল স্লোগান ছিল “স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী”।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই প্যারিসে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ ও পতনের মধ্য দিয়ে এই বিপ্লবের সূচনা হয়
- খাদ্যের অভাব ও দীর্ঘদিনের শোষণের প্রতিবাদে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ এতে অংশ নেয়।
- এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- লুই নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্রের প্রতিনিধি ছিলেন।
- বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সে দীর্ঘদিনের নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়।
- এবং তার পরিবর্তে প্রজাতান্ত্রিক আদর্শের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। 
- ফরাসি বিপ্লব শুধু ফ্রান্স নয়—সমগ্র ইউরোপ ও আধুনিক বিশ্বের রাজনৈতিক চিন্তা ও রাষ্ট্রব্যবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

উল্লেখ্য,
- ফরাসি বিপ্লবের পেছনে দার্শনিকদের বড় ভূমিকা ছিল।
- রুশো ও ভলতেয়ার তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও যুক্তিবাদের ধারণা ছড়িয়ে দিয়ে বিপ্লবের মানসিক প্রস্তুতি গড়ে তোলেন।
- এই বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক ও সামরিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট এর উত্থান ঘটে। 
- এজন্য তাঁকে অনেক সময় “ফরাসি বিপ্লবের শিশু” বলা হয়।   
- এই বিপ্লবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল রোমান ক্যাথলিক চার্চের ওপর, যাকে তার গোঁড়ামি ত্যাগ করে নিজেকে নতুনভাবে পুনর্গঠন করতে বাধ্য হতে হয়।

৪,৭৮৪.
বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত ((Landlocked Country) দেশ কোনটি?
  1. ক) আজারবাইজান
  2. খ) কাজাখস্থান
  3. গ) ভ্যাটিকান সিটি
  4. ঘ) আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked Countries)
• যেসকল দেশের সাথে কোন সাগর/মহাসাগরের সীমান্ত নেই এবং সম্পূর্ণরূপে ভূমি দ্বারা বেষ্টিত এরকম দেশগুলোকে স্থলবেষ্টিত দেশ বলা হয়।
• সমুদ্রের সাথে সীমান্ত না থাকায় এই দেশগুলোর কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
স্থলবেষ্টিত বৃহত্তম দেশ - কাজাখস্থান এবং ক্ষুদ্রতম দেশ - ভ্যাটিকান সিটি ও নবীনতম দেশ - দক্ষিণ সুদান।
• দুটি দেশ “ডাবল স্থলবেষ্টিত দেশ” (অন্য স্থলবেষ্টিত দেশ দ্বারা বেষ্টিত)। যথা - উজবেকিস্তান ও লিচেনস্টেইন।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৭৮৫.
’ব্রেক্সিট’ কার্যকর করা হয় কবে?
  1. ক) ৩০ জানুয়ারি, ২০২০
  2. খ) ৩১ জানুয়ারি, ২০২০
  3. গ) ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯
  4. ঘ) ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ব্যাখ্যা
- ব্রেক্সিট হলো ‘ব্রিটিশ এক্সিট’ বা যুক্তরাজ্যের ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়া।
- ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিট কার্যকরের মাধ্যমে ৪৭ বছরের সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে যুক্তরাজ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করে।
- ২০১৬ সালের ২৩শে জুন যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটে ৫২ শতাংশ জনগণ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষে ভোট দেয়।
- এতে ২০১৯ সালের ২৯শে মার্চ ব্রেক্সিট তারিখ নির্ধারিত হলেও তা দুই দফায় বৃদ্ধি করে সর্বশেষ ৩১ জানুয়ারি ২০২০ কার্যকর হয়।
- এর আগে ১৯৭৩ সালে যুক্তরাজ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে যোগ দেয়।

সূত্র: বিবিসি
৪,৭৮৬.
'অপারেশন ওভারলর্ড’ অভিযানের মূল দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. জর্জ এস প্যাটন
  2. বার্নার্ড মন্টগোমারি
  3. ডগলাস ম্যাকআর্থার
  4. ডি আইজেনহাওয়ার
ব্যাখ্যা
• অপারেশন ওভারলর্ড (Operation Overlord):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সংঘটিত নরম্যান্ডি যুদ্ধের সাংকেতিক নাম ছিল- অপারেশন ওভারলর্ড।
- অপারেশন ওভারলর্ড এর আওতায় জার্মানির দখল করা এলাকায় মিত্র বাহিনীর হামলার পরিকল্পনা করা হয়।
- এই অভিযানের দায়িত্ব ছিলেন মার্কিন জেনারেল ডি আইজেনহাওয়ার।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু অপারেশন:
• অপারেশন গেরোনিমো (Operation Geronimo):
- আল কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে যে গোপন অপারেশনটি পরিচালিত হয়েছিল, তার কোড নাম 'অপারেশন গেরোনিমো'।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘সি সিল্ক'-এর সদস্যরা ২০১১ সালের ২ জুন ভোরবেলায় পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ শহরের একটি ভবনে এই অপারেশনটি পরিচালনা করে।
- ওই ভবনে বিন লাদেনকে পাওয়া যায় এবং তাকে হত্যা করা হয়।
- পরে তার মৃতদেহ সাগরে ভাসিয়ে দেয়া হয়।
- দীর্ঘ ১০ বছর মার্কিন গোয়েন্দারা তাকে খুঁজছিল।

• অপারেশন ডিপ ফ্রিজ (Operation Deep Freeze-ODF):
- এন্টারটিকা মহাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেসব অভিযান পরিচালিত করেছে তা ‘অপারেশন ডিপ ফ্রিজ' নামে পরিচিত।

• অপারেশন অডিসি ডন (Operation Odyssey Dawn):
- লিবিয়ায় মার্কিন তথা আন্তর্জাতিক মিলিটারি অপারেশনস-এর কোড নাম অপারেশন অডিসি ডন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্যই ছিল এই মিলিটারি অপারেশনস্।

• অপারেশন ওভারলর্ড (Operation Overlord):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সংঘটিত নরম্যান্ডি যুদ্ধের সাংকেতিক নাম ছিল- অপারেশন ওভারলর্ড।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৭৮৭.
’দক্ষিণ আফ্রিকা‘ আফ্রিকা মহাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. উত্তর-পূর্বে
  2. সর্ব দক্ষিণে
  3. উত্তর-পশ্চিমে
  4. দক্ষিণ-পূর্বে
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
- নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
- সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
- বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রার নাম: র‍্যান্ড।



উৎস: Worldatlas. ও Britannica.
৪,৭৮৮.
‘The ballot is stronger than bullet’— বিখ্যাত উক্তিটি কে করেছেন?
  1. থমাস জেফারসন
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. ডোনাল্ড ট্রাম্প
ব্যাখ্যা

বুলেট অপেক্ষা ব্যালট শক্তিশালী:
-​​ 'The ballot is stronger than bullet'- বিখ্যাত উক্তিটি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- এটি গণতন্ত্রের গভীর শক্তি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানকে অন্তর্ভুক্ত করে।
- বল প্রয়োগের উপর ব্যালট বাক্সের শক্তিতে তার বিশ্বাস শুধু তার সময়ের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটই প্রতিফলিত করে না, গণতান্ত্রিক নীতির স্থায়ী শক্তি সম্পর্কে নিরবধি জ্ঞানও প্রতিফলিত করে।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তার রাজনৈতিক দল ছিল রিপাবলিকান পার্টি।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’
- তিন মিনিটের কম সময়ের সেই ভাষণকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি। তার বিখ্যাত উক্তি - '‘Government by the people, for the people, of the people’।
- আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন। 

উৎস: History Channel.

৪,৭৮৯.
বর্তমান বিশ্বে খেজুর উৎপাদনে শীর্ষ দেশ কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. মিশর
  2. সৌদি আরব
  3. কুয়েত
  4. কাতার
ব্যাখ্যা

- আফ্রিকার দেশ মিসর বিশ্বের খেজুর উৎপাদনকারী সবচেয়ে বড় রাষ্ট্র।
- ২০২৩ সালে মিসরে ১৮ লাখ ৭০ হাজার টন খেজুর উৎপাদিত হয়।
- নীল নদের উপত্যকাজুড়ে বিস্তৃত খেজুরবাগানগুলো দেশটির অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে।

- মরুর দেশ সৌদি আরব বৈশ্বিক খেজুর উৎপাদনে দ্বিতীয়। 
- দেশটির আল-কাসিম, আল-মদিনা ও আল-আহসা অঞ্চল খেজুর উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে বছরে প্রায় ৯৫ লাখ টনের বেশি খেজুর উৎপাদিত হয়। এর বেশির ভাগই উৎপাদিত হয় মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কিছু দেশে।

উৎস: জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং প্রথম আলো।

৪,৭৯০.
'Tilt Policy' কোন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন পাকিস্তানের পক্ষে যে নীতি গ্রহণ করেন, তা Tilt Policy নামে পরিচিত। 
 
১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধ শুরুর পর নিক্সন প্রশাসনে এই সন্দেহ বদ্ধমূল হলো যে, পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক অভিযান সফল হবার পর পশ্চিম পাকিস্তানের ওপর চরম আঘাত হানা হবে। তাই যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র প্রচন্ড ভারত বিরোধী ও পাকিস্তান ঘেঁষা নীতি অনুসরণ করতে থাকে। পাকিস্তানকে যাবতীয় নৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন দানের জন্য প্রেসিডেন্ট নিক্সন হেনরি কিসিঞ্জারকে নির্দেশ দেন। নিক্সনের এ নীতিকে Tilt Policy নামে অভিহিত করা হয়েছে।
৬ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ভারতের জন্য ৮৬.৬ মিলিয়ন ডলার আর্থিক সাহায্য সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। অপর দিকে জাতিসংঘের মাধ্যমে কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগও অব্যাহত থাকে। উল্লেখ্য, ৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘে মার্কিন প্রতিনিধি জর্জ বুশ ভারতকে প্রধান আক্রমণকারী বলে উল্লেখ করেন। ৭ ডিসেম্বর হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক সম্মেলনে কিসিঞ্জারও ভারতকে আক্রমণকারী ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে অভিযুক্ত করে।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৭৯১.
বাবরি মসজিদ ভারতের কোন শহরে ছিলো?
  1. কাশি
  2. অযোধ্যা
  3. লাক্ষা
  4. বৃন্দাবন
ব্যাখ্যা
৬ ডিসেম্বর ১৯৯২ ভারতের উত্তর প্রদেশের শহর অযোধ্যায় ধ্বংস করা হয়েছিল ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ। বহু বছর ধরেই এ নিয়ে হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে বিবাদ চলছিল।
বিতর্কিত এই স্থান নিয়ে ‘রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট’ ও ‘সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড’ দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টের। অবশেষে গত ৯ নভেম্বর ২০১৯ বিতর্কিত এই জায়গায় রাম মন্দির তৈরির পক্ষে চূড়ান্ত রায় দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। সেই সাথে মসজিদ তৈরি করার জন্য মুসলিম পক্ষকে অযোধ্যার মধ্যেই পাঁচ একর জমি দেয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
অতঃপর ১০ জুন, ২০২০ শুরু হয় বিতর্কিত রাম মন্দির নির্মাণ।
উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার।
৪,৭৯২.
'গ্লাসনস্ত' শব্দটি দ্বারা কী বুঝায়?
  1. সমাজতান্ত্রিক সংগঠন
  2. সমাজতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তন
  3. গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের মিল বন্ধন
  4. মুক্ত আলোচনা
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ গ্লাস্তনস্ত নীতির প্রবর্তক। 
- সোভিয়েত নাগরিকদের ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য তিনি খোলামেলা আলোচনার যে মুক্ত ব্যবস্থা চালু করেছিলেন তাই গ্লাসনস্ত নীতি হিসেবে অভিহিত।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৪,৭৯৩.
কোন দেশের সমুদ্র বন্দর নেই?
  1. পাকিস্তান
  2. আফগানিস্তান
  3. তুরস্ক
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
সমুদ্র বন্দরহীন দেশ:
- যেসব দেশের সাথে সমুদ্র সীমা নেই সেসব দেশকে স্থল বেষ্টিত দেশ (Landlocked country) বলে।
- আফগানিস্তানে সমুদ্র বন্দর নেই।

এশিয়ার কয়েকটি স্থল বেষ্টিত দেশ হচ্ছে:
• আফগানিস্তান,
• আর্মেনিয়া,
• আজারবাইজান,
• ভুটান,
• তুর্কমেনিস্তান,
• কাজাখস্তান,
• কিরগিজস্তান,
• লাওস,
• মঙ্গোলিয়া,
• নেপাল,
• তাজিকিস্তান এবং
• উজবেকিস্তান।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৪,৭৯৪.
‘লিপুলেখ’ কোন দুটি দেশের মধ্যবর্তী বিরোধপূর্ণ অঞ্চল-
  1. ক) ভারত ও চীন
  2. খ) ভারত ও ভুটান
  3. গ) ভারত ও নেপাল
  4. ঘ) ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
ভারতের দখলে থাকা উত্তরাখন্ডের কালাপানি, লিপুলেখ ও লিমপিয়াধুরা অঞ্চলকে নিজেদের বলে দাবি করে নেপাল। এইগুলো ভারত ও নেপালের মধ্যবর্তী বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
[সূত্র: দ্য ডিপ্লোম্যাট ও কাঠমান্ডু পোস্ট]
৪,৭৯৫.
গেটিসবার্গ শহরের সাথে মার্কিন কোন প্রেসিডেন্টের নাম জড়িত?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন:
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম রিপাবলিক দলের প্রেসিডেন্ট।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাস প্রথা বিলুপ্ত করেন এবং ক্রীতদাসদের স্বাধীন নাগরিকের মর্যাদা দেন।
- ১৯ নভেম্বর ১৮৬৩ তারিখে গেটিসবার্গের ভাষণ আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন। 
- ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- শব্দ ছিল মাত্র ২৭২টি।
- কিন্তু তার শিহরণ লেগেছিল গোটা বিশ্বে।

উল্লেখ্য,
- তার বিখ্যাত উক্তি: ‘বুলেটের চাইতেও ব্যালট শক্তিশালী’ ও ‘Democracy is a government of the people, by the people and for the people’

অন্যদিকে -
- রিচার্ড নিক্সন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ‘ওয়াটার গেট’ কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত ছিলেন।
- জর্জ ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের ১ম প্রেসিডেন্ট এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা ছিলেন মার্টিন লুথার কিং।

উৎস: History Channel.
৪,৭৯৬.
মিয়ানমারের ছায়া সরকার নিম্নের কোন ভার্চুয়াল মুদ্রা হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়?
  1. Bitcoin
  2. Tether
  3. Bitcoin Cash
  4. Litecoin
ব্যাখ্যা
গত ১১ ডিসেম্বর, ২০২১ মিয়ানমারের সামরিক জান্তাবিরোধী দলগুলোর জোট বা ছায়া সরকার ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি) বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি টেদারকে (Tether) নিজেদের আনুষ্ঠানিক মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
এর ফলে তাদের তহবিল সংগ্রহ এবং পাওনা পরিশোধ সহজ হবে বলে বলা হয়েছে।
ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তাকে বিপ্লবের মাধ্যমে উৎখাতে তহবিল সংগ্রহ করতে চায় এনইউজি।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৭৯৭.
চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী দার্শনিক কে ছিলেন?
  1. কনফুসিয়াস
  2. ওয়াং ফু
  3. মেনসিয়াস
  4. ডং জংশু
ব্যাখ্যা
চীনের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী দার্শনিক কনফুসিয়াস।
তিনি একাধারে একজন দার্শনিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। কনফুসিয়াস খ্রিস্টপূর্ব ৫৫১ অব্দে জন্মগ্রহণ এবং খ্রিস্টপূর্ব ৪৭৯ অব্দে মারা যান।
(সূত্র: ব্রিটানিকা)
৪,৭৯৮.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন রাজ্যে ইলেক্টরাল ভোটারের সংখ্যা বেশি?
  1. ক) টেক্সাস
  2. খ) ক্যালিফোর্নিয়া
  3. গ) নিউইয়র্ক
  4. ঘ) অ্যারিজোনা
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের মোট ইলেক্টরাল ভোটের সংখ্যা - ৫৩৮টি।
এর মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়ায় ইলেক্টরাল ভোটারের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৫৫টি।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - টেক্সাসে -- ৩৮টি।
তৃতীয় সর্বোচ্চ - ফ্লোরিডা ও নিউইয়র্কে -- ২৯টি।
সবচেয়ে কম ইলেক্টরাল ভোট রয়েছে - আলাস্কা, নর্থ ডাকুডা, সাউথ ডাকুডা, মন্টানা ও ওয়েমিং - এ ৩টি করে।
উৎসঃ ফক্স নিউজ।

৪,৭৯৯.
গ্রেট লেকস এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. সুপিরিয়র
  2. হুরন
  3. বৈকাল
  4. ইরি
ব্যাখ্যা
গ্রেট লেকস:
- গ্রেট লেকস হলো উত্তর আমেরিকার পূর্ব-মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত একটি গভীর মিঠা পানির হ্রদের শৃঙ্খল।
- যদিও রাশিয়ার বৈকাল হ্রদ আয়তনে বড়, গ্রেট লেকসের সম্মিলিত এলাকা প্রায় ৯৪,২৫০ বর্গমাইল (২,৪৪,১০৬ বর্গকিলোমিটার)।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির পৃষ্ঠতল, যা যুক্তরাজ্যের মোট এলাকা থেকেও বড়।

• এতে পাঁচটি হ্রদ অন্তর্ভুক্ত:
- সুপিরিয়র লেক
- মিশিগান লেক
- হুরন লেক
- ইরি লেক
- অন্টারিও লেক

উৎস: Britannica.
৪,৮০০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল কোন দেশটি?
  1. স্পেন
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. জাপান
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
-  ফ্রান্স আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করেছিল।
- আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ ১৩ বছর (১৭৭৫-১৭৮৩) স্থায়ী হয়।
- আমেরিকা ও ফরাসি সৈন্য দ্বারা ব্রিটিশ সেনাপতি কর্নওয়ালিস অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত ১৭৮১ সালে তিনি আত্মসমর্পণ করেন ।
- ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব গৃহীত হয় ।
- ১৭৮৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসানের জন্য চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা প্যারিস শান্তি চুক্তি নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।