বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৪৭ / ৯৩ · ৪,৬০১৪,৭০০ / ৯,৩৩৪

৪,৬০১.
'তাসনিম' কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সিরিয়া
  4. ইসরাইল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থা:
- বাংলাদেশ: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), মিডিয়া সিন্ডিকেট, ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা), ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেসন (আইএসপিআর), ইউনাইটেড নিউজ অব, বাংলাদেশ (ইউএনবি), আবাস, প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি)।
- যুক্তরাষ্ট্র: এসোসিয়েট প্রেস (এপি), ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), ক্যাবল নিউজ, নেটওয়ার্ক (CNN)।
- যুক্তরাজ্য: রয়টার্স, ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি)।
- পাকিস্তান: এসোসিয়েট প্রেস অব পাকিস্তান (এপিপি), পাকিস্তান প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (পিপিআই), ইউনাইটেড প্রেস অব পাকিস্তান (ইউপিপি)।
- চীন: সিনহুয়া।
- ফ্রান্স: এজেন্সি ফ্রান্স প্রেস (এএফপি)।
- ভারত: প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (PTI), ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়া (ইউএনআই)।
- রাশিয়া: ইতার-তাস (ITAR-TASS), রাশিয়া টুডে (Rossiya Segodnya), ইন্টারফ্যাক্স।
- ইন্দোনেশিয়া: আনতারা।
- ইরান: ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা), ইরান নিউজ এজেন্সি (আইএনএ), তাসনিম।
- ইরাক: নিউজ এজেন্সি (ইনা)।
- অষ্ট্রেলিয়া: অষ্ট্রেলিয়ান ব্রডকাষ্টিং কর্পোরেশন (এবিসি)।
- কানাডা: কানাডিয়া প্রেস (সিপি)।
- সিরিয়া: সানা।
- লিবিয়া: জানা।
- মালয়েশিয়া: বারনামা।
- মিশর: মেনা (মিডিল ইস্ট নিউজ এজেন্সি)।
- পর্তুগাল: লুসা।
- বেলজিয়াম: বেলজা।

উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৪,৬০২.
ম্যাগনাকার্টা হচ্ছে-
  1. গ্রিসের প্রথম শাসনতন্ত্র
  2. অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শাসনতন্ত্র
  3. রাশিয়ার প্রথম শাসনতন্ত্র
  4. ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র
ব্যাখ্যা

• ইংল্যান্ডের প্রথম শাসনতন্ত্র হচ্ছে ম্যাগনাকার্টা।
• ১২১৫ সালের ১৫ জুন ইংল্যান্ডে ম্যাগনাকার্টা স্বাক্ষরিত হয়।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।

৪,৬০৩.
৫০ বছর পর কোন দেশ চাঁদে মহাকাশযান প্রেরণ করেছে?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
মার্কিন মহাকাশযান:
- ৫০ বছর পর আবারও চাঁদে অবতরণ করল মার্কিন মহাকাশযান।
- স্থানীয় সময় ২২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে অবতরণ করেছে এই মহাকাশযান।
- এই প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন পর্যায়ে চাঁদে মহাকাশযান পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র।
- টেক্সাসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ইনটুইটিভ মেশিন’ এই মহাকাশযান তৈরি করেছে ও চাঁদে পাঠিয়েছে।
- ষড়ভুজ আকৃতির রোবট ‘অডিসিয়াস’ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৩ মিনিটে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করে।
- বাণিজ্যিক মহাকাশযানের মাধ্যমে পরিচালিত এই চন্দ্রাভিযানে অর্থায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণাপ্রতিষ্ঠান নাসা।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
৪,৬০৪.
পিপলস রিপাবলিক অব চায়নার প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) চিং কাইশেক
  2. খ) সানইয়াৎ সেন
  3. গ) মাও সেতুং
  4. ঘ) চু হুয়াং
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন চত্বরে পিপলস রিপাবলিক অব চায়না প্রতিষ্ঠা  করেন।
- চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নাম বললে যাঁর নাম প্রথমেই বলতে হয়, তিনি মাও সে–তুং।
- মার্কিন সহায়তাপুষ্ট শাসক চিয়াং কাইশেকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের সংগ্রামে জয়লাভের মধ্য দিয়ে তিনি ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন চত্বরে পিপলস রিপাবলিক অব চায়না প্রতিষ্ঠা করে চীনে কমিউনিস্ট শাসনের ঘোষণা দেন।
- ১৮৯৩ সালে মাও সে–তুং–এর জন্মের সময় চীনে চলছিল চিং রাজবংশের দুর্দশাগ্রস্ত শাসন।

অন্যদিকে,
সানইয়াৎ সেন - চীন প্রজাতন্ত্রের জনক ও প্রতিষ্ঠাতা। তিনি চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৬০৫.
'অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম' কোন দেশে পরিচালনা করা হয়?
  1. ইরাক
  2. পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
• অপারেশন এনডিউরিং  ফ্রিডম:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আফগানিস্তানের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান।
- তৎকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ।
- আনুষ্ঠানিকভাবে ৭ অক্টোবর, ২০০১ আফগানিস্তানে আল-কায়েদা এবং তালেবান বাহিনীর বিরুদ্ধে আমেরিকান এবং ব্রিটিশ বোমা হামলার মাধ্যমে এই সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল।
- এই অভিযানের শুরুতেই তালেবানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং আল-কায়েদাকে দুর্বল করে দেয়া হয়।
- ২ মে ২০১১ সালে ইউএস নেভি সিল পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে ওসামা বিন লাদেনের কম্পাউন্ডে অন্য একটি অভিযান শুরু করে এবং তাঁকে হত্যা করে।
- অপারেশন এনডিউরিং ফ্রিডম আনুষ্ঠানিকভাবে ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৪ সালে শেষ হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
• অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন:
- অপারেশন ওডিসি ডন: লিবিয়া আক্রমণ (২০১১ সাল)। 
- অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম: ইরাকে বহুজাতিক বাহিনীর আক্রমণ (১৯৯১ সাল)। 
- অপারেশন ডেজার্ট ফক্স: ১৯৯৮ সালে মার্কিন ও ব্রিটিশ বাহিনীর ইরাক আক্রমণ।

উৎস: ইউএস নেভাল ওয়েবসাইট।
৪,৬০৬.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইমেলা কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লন্ডন
  2. ফ্রাঙ্কফুর্ট
  3. ঢাকা
  4. কোলকাতা
ব্যাখ্যা

• ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ বইমেলা জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে আধুনিক ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলার শুরু হলেও এর মূল গোড়াপত্তন হয়েছিল ৫০০ বছর পূর্বে ১৪৬২ খ্রিস্টাব্দে। 
- প্রতি বছর অক্টোবর মাসে আয়োজিত হয় জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা।
- বিশ্ববিখ্যাত এই বইমেলার সময়সীমা সাধারণত পাঁচ দিন। 
 
উৎস: Global Book Alliance ও Economic Times.

৪,৬০৭.
নিচের কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র নয়?
  1. এস্তোনিয়া
  2. লিচেনস্টাইন
  3. লাতভিয়া
  4. লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা
• লিচেনস্টাইন বাল্টিক রাষ্ট্র নয়।

বাল্টিক রাষ্ট্র:
- উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক সাগরের পূর্বতীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে;
• এস্তোনিয়া,
• লাতভিয়া এবং
• লিথুয়ানিয়া।
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ বর্তমানে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & WorldAtlas.com
৪,৬০৮.
'জরথুস্ত্র' ধর্ম কোন সভ্যতায় প্রচলিত ছিল?
  1. রোমান সভ্যতা
  2. চৈনিক সভ্যতা
  3. অ্যাশেরীয় সভ্যতা
  4. পারস্য সভ্যতা
ব্যাখ্যা
পারস্য:
- পারস্য বর্তমানে ইরান নামে পরিচিত।
- পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় ২১ মার্চ, ১৯৩৫ সালে।
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিল জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস: প্রথমপত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬০৯.
'দই মই' কোন দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি?
  1. ইন্দোনেশিয়া 
  2. ফিলিপাইন 
  3. জাপান 
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

দই মই সংস্কার:
- 'দই মই' সংস্কার ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি।

⇒ এটি ১৯৮৬ সালে ভিয়েতনামে শুরু হয়।
- ভিয়েতনামী ভাষায় Doi Moi মানে “নতুন পুনর্গঠন” বা “নতুন পরিবর্তন”।
- ১৯৮৬ সালের ৬ষ্ঠ জাতীয় কংগ্রেসে ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট পার্টি দ্বারা চালু হয়।
- উদ্দেশ্য: সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির কিছু সীমাবদ্ধতা সরিয়ে বাজার ভিত্তিক অর্থনীতি চালু করা, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি করা ও জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়ন করা।
- এই সংস্কারের ফলে ভিয়েতনামের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়, দারিদ্র্য হ্রাস পায় এবং দেশটি বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত হয়।

উৎস: BBC.

৪,৬১০.
গ্রিনিচ মানমন্দির কোন দেশে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. চিলি
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মানমন্দির (GMT):
- গ্রিনিচ মানমন্দির (GMT) হলো আন্তর্জাতিক সময়ের মানদণ্ড,
- যা গ্রিনিচ, লন্ডন, যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচ অবসারভেটরির উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
- অবস্থান: গ্রিনিচ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- সময় জোন: GMT হলো ০ ডিগ্রী দ্রাঘিমাংশের স্থানীয় সময়, যা বিশ্ব সময় নির্ধারণে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ব্যবহার:
- বিশ্বব্যাপী সময় সমন্বয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়,
- বিশেষ করে টেলিযোগাযোগ, বিমান চলাচল, নেভিগেশন ও কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং-এ।
- ইতিহাস:১৮৮৪ সালে আন্তর্জাতিক মেরিডিয়ান সম্মেলনে GMT কে প্রধান সময় হিসাবে গ্রহণ করা হয়।
- বর্তমান অবস্থা: GMT বর্তমানে UTC (Coordinated Universal Time)-এর সমতুল্য হলেও, অনেক ক্ষেত্রে GMT ব্যবহার হয়।
- গুরুত্ব: বিশ্বব্যাপী সময়ের একটি মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে, যা বিভিন্ন দেশের সময় সমন্বয় করতে সহায়তা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৬১১.
মধ্যপ্রাচ্য বিশ্ব রাজনীতিতে প্রথম তেল অস্ত্র প্রয়োগ করে -
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
তেল অস্ত্র:
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা তখন তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
- তারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
- ১৯৭৩ সালে ইরাকের তেল সংক্রান্ত ফেডারেল আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ড. ফাদিল চালাবি।
- তিনি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো একতরফাভাবে তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- এতে তেল কোম্পানিগুলোর কোন ভুমিকাই থাকবে না।

⇒ তেল অবরোধ:
- বড় বড় তেলক্ষেত্রগুলো ছিল সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত এসব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে।
- কিন্তু সেই তেল উত্তোলন করছিল সেই বড় পশ্চিমা কোম্পানিগুলো, তেলের দামও নির্ধারণ করছিল তারাই।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা কমিয়ে দিল তেলের উৎপাদন, বাড়িয়ে দিল তেলের দাম, আর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিল।
- ১৯৭৩ সালে তেল রপ্তানিকারী আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু শিল্পোন্নত দেশের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
- তারা ঠিক করলো, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোই তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।
- এর পরিণামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুণ।
- এর সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়েছিল বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে।
- এভাবেই আরবরা তেল অবরোধ করে।

উৎস: i) World Atlas.
ii) BBC.
৪,৬১২.
কারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন?
  1. ক্যালডীয়রা
  2. ব্যাবিলনীয়রা
  3. সুমেরীয়রা
  4. অ্যাসিরীয়ারা
ব্যাখ্যা
সুমেরীয়রা প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।

• সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization):

- মেসোপটেমীয়া অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম সুমেরীয় সভ্যতা।
- বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে।
- ‘চাকা’ আবিষ্কার – সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।

- তাদের কৃষকরা প্রথম দুই চাকা বিশিষ্ট 'রথ' (Chariot) ব্যবহার শুরু করেছিল।
- উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো ।
- লিখন-পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
- কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো ৩২টি।

- তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।
- জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকা আবিষ্কারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সুমেরীয়রা।
- সুমেরীয়রা বহু ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিল। তাদের অনেক দেবতা ছিল। প্রধান দবতা ‘নাগাল’।
- ২২৩৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে লুগালজাগেসি (King Lugalzagesi) আক্কাডীয়ান রাজা ‘সারগন’ এর নিকট পরাজিত হলে সুমেরীয় সাম্রাজ্যের অবসান হয়। 
সুমেরীয়, ব্যবিলনীয়, এ্যাসিরীয়, ক্যালডীয় ও আক্কাদীয় সভ্যতা

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৪,৬১৩.
ইউরোপ মহাদেশের উচ্চতম স্থান কোনটি?
  1. মাউন্ট এভারেস্ট
  2. এলব্রুস পর্বত
  3. দেনালি
  4. আকানকাগুয়া পর্বত
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মহাদেশের উচ্চতম স্থান:
ইউরোপ মহাদেশ - এলব্রুস পর্বত,

এশিয়া মহাদেশ - মাউন্ট এভারেস্ট,
আফ্রিকা মহাদেশ - কিলিমানজারো,
উত্তর আমেরিকা - দেনালি,
দক্ষিণ আমেরিকা - আকানকাগুয়া পর্বত,
ওশেনিয়া মহাদেশ - পুঞ্জাক জায়া,
অ্যান্টার্কটিকা - ভিনসন ম্যাফিস।

উৎস: britannica.
৪,৬১৪.
Parliament of which SAARC country is unicameral?
  1. Pakistan
  2. Nepal
  3. Bhutan
  4. India
  5. Maldives
ব্যাখ্যা
মালদ্বীপ:
- ভারতীয় উপমহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের দেশ মালদ্বীপ।
- এটি ১২ শতাধিক ছোট দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- মালদ্বীপ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক জোট সার্কের সদস্য।
- মালদ্বীপ বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ।
- দ্বীপ রাষ্ট্রটির অর্থনীতি মূলত পর্যটন নির্ভর।
- এ দেশের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ উচ্চতা মাত্র দুই দশমিক তিন মিটার।
- রাজধানী: মালে।
- ভাষা: দিভেহী ও ইংরেজি।
- পার্লামেন্ট: পিপলস মজলিস।
- মুদ্রা : মালদ্বীপীয় রুপাইয়া।
- মালদ্বীপের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট।

উল্লেখ্য,
- সার্কভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের আইনসভা এককক্ষবিশিষ্ট।

অন্যদিকে,
- ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ভুটান, আফগানিস্তানের সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

উৎস: i) World Atlas.
ii) Britannica.
৪,৬১৫.
বিশ্বে প্রথম কোন শহরে সেল ফোন চালু হয়?
  1. ক) বার্লিন
  2. খ) শিকাগো
  3. গ) নিউইর্য়ক
  4. ঘ) প্যারিস
ব্যাখ্যা
১৯৮৩ সালে শিকাগো শহরে বিশ্বে প্রথম বাণিজ্যিক ভাবে সেল ফোন চালু হয়। উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং ফোর্বস ম্যাগাজিন।
৪,৬১৬.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে জাতিসংঘ গঠনের রূপরেখা, লক্ষ্য ও দায়িত্ব নির্ধারিত হয়?
  1. ক) আটলান্টিক সনদ
  2. খ) সানফ্রান্সিসস্কো সম্মেলন
  3. গ) ইয়াল্টা সম্মেলন
  4. ঘ) ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন
ব্যাখ্যা
ডাম্বারটন ওকস সম্মেলন
▪ ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৪ - ৭ অক্টোবর, ১৯৪৪ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের ডাম্বারটন ওকস ভবনে জাতিসংঘ গঠনের এযাবৎকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যা “Dumbarton Oaks Conference” নামে পরিচিত। এতে সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, চীন সহ মিত্রবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অনেক দেশ উপস্থিত ছিলো। এ সম্মেলনে কিছু প্রস্তাব গৃহীত হয়। এগুলো হলো- 
জাতিসংঘ গঠনের রূপরেখা, লক্ষ্য ও দায়িত্ব নির্ধারণ
▪ নিরাপত্তা পরিষদ গঠন এবং ৫টি স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র নির্ধারণ   

ইয়াল্টা সম্মেলন
▪ ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টাতে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যা জাতিসংঘ গঠনের ইতিহাসে “Yalta Conference”  নামে পরিচিত।
▪ এই সম্মেলনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের “ভেটো ক্ষমতা” (Veto Power) নির্ধারিত হয়। এটি ক্রিমিয়া সম্মেলন নামেও পরিচিত। 
সানফ্রান্সিসস্কো সম্মেলন
▪ ২৫ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘের সনদ রচনার উদ্দেশ্যে মিলিত হন। ২ মাসের প্রচেষ্টায় ১১১টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত জাতিসংঘ সনদ (The United Nations Charter)  রচনা করেন। ১৯৪৫ সালের ২৫ জুন এটি ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা সনদটি অনুমোদন করেন।

আটলান্টিক সনদ
১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক মহাসাগরে ব্রিটিশ রণতরী প্রিন্স অব ওয়েলসে বসে আটলান্টিক চার্টারে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
৪,৬১৭.
কবে পারস্যের নাম পরিবর্তন করে ইরান রাখা হয়?
  1. ১৯৩২ সালে
  2. ১৯৩৩ সালে
  3. ১৯৩৫ সালে
  4. ১৯৩৬ সালে
ব্যাখ্যা
ইরানের প্রাচীন নাম ও সভ্যতা:
- পারস্য বর্তমানে ইরান নামে পরিচিত।
- পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় ২১ মার্চ, ১৯৩৫ সালে।
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিল জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস: প্রথমপত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬১৮.
লিবিয়া কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. পর্তুগাল
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
লিবিয়া:
- লিবিয়া উত্তর আফ্রিকায় ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ তীরে অবস্থিত।
- রাজধানী: ত্রিপোলি।
- মুদ্রা: দিনার।
- লিবিয়ার আদিবাসী: বার্বার জাতি।
- প্রধান ভাষা: আরবী, ইতালীয় ও ইংরেজী।

⇒ লিবিয়া ইতালির উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৫০ সালে জাতিসংঘের অনুমোদনের ভিত্তিতে এবং সাইরেনিকার আমিরের নেতৃত্বে লিবিয়া একটি ফেডারেল সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯৫১ সালে লিবিয়া ইতালির কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং ঐ বছরেই ২৫ ডিসেম্বর জাতিসংঘ লিবিয়াকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে ঘোষণা করে।

⇒ বেনগাজি হলো লিবিয়ার দ্বিতীয় জনবহুল শহর।
- ভূমধ্যসাগরের সিদ্রা উপসাগরে অবস্থিত বেনগাজি লিবিয়ার একটি প্রধান সমুদ্রবন্দর।

উৎস: Britannica.
৪,৬১৯.
বিশ্বের সর্ববৃহৎ বইমেলা কোথায় আয়োজিত হয়?
  1. ফ্রাঙ্কফুর্ট, জার্মানি
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. নিউ ইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  4. প্যারিস, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ বইমেলা জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে আয়োজিত হয়।
- প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে আধুনিক ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলার শুরু হলেও এর মূল গোড়াপত্তন হয়েছিল ৫০০ বছর পূর্বে ১৪৬২ খ্রিস্টাব্দে। 
- প্রতি বছর অক্টোবর মাসে আয়োজিত হয় জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট বইমেলা।
- বিশ্ববিখ্যাত এই বইমেলার সময়সীমা সাধারণত পাঁচ দিন। 

উৎস: The Economic Times. 

৪,৬২০.
বৈরুত কোন দেশের রাজধানী শহর?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) সাইপ্রাস
  3. গ) লেবানন
  4. ঘ) জর্ডান
ব্যাখ্যা
ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত বৈরুত লেবাননের রাজধানী শহর। অন্যদিকে সিরিয়া, সাইপ্রাস ও জর্ডানের রাজধানীর নাম যথাক্রমে দামেস্ক, নিকোশিয়া এবং আম্মান।
(সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৪,৬২১.
চেঙ্গিস খানের আসল নাম কী ছিল?
  1. তাজউদ্দীন
  2. তৈমুর লং
  3. তৈমুদ্দিন 
  4. তেমুজিন 
ব্যাখ্যা

চেঙ্গিস খান:
- চেঙ্গিস খান মঙ্গোল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
- চেঙ্গিস খানের আসল নাম ছিল তেমুজিন। 
- তিনি ১১৬২ সালে মঙ্গোলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন
- ১২০৬ সালে মঙ্গোলিয়ার যাযাবর উপজাতিগুলোকে সংগঠিত করার মাধ্যমে বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান এই সাম্রাজ্যের পত্তন করেন।
- ১২০৬ সালে তাকে “চেঙ্গিস খান” উপাধি দেওয়া হয়
- চেঙ্গিস খানের সাম্রাজ্য ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহৎ স্থল সাম্রাজ্য হিসেবে পরিচিত।
- নতুন আইনসংহিতা তৈরি করেন, যাকে বলা হতো “ইয়াসা (Yassa)”। 
- চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর তার বংশধরগণ এই সাম্রাজ্যের আরো বিস্তৃতি ঘটান।
- মোঙ্গল সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরের সময় পূর্ব ইউরোপ থেকে ইন্দোচীন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো যার আয়তন ছিলো এক কোটি বর্গমাইলেরও অধিক।
- ১২২৭ সালে চেঙ্গিস খান মৃত্যুবরণ করেন। 

উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম ওয়েবসাইট। 

৪,৬২২.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে কে এক ওভারে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন?
  1. কিরণ পোলার্ড
  2. হার্শেল গিবস
  3. যুবরাজ
  4. জাসকরন মালহোত্রা
ব্যাখ্যা
ছয় বলে ছয় ছক্কা:
- ২০০৭ সালে নেদারল্যান্ডস লেগ স্পিনার ড্যান ফন বাঞ্জির এক ওভারে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার হার্শেল গিবস।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেটিই ছিল এক ওভারে সবগুলো ছয় মারার প্রথম ঘটনা।

অন্যদিকে -
- ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট ব্রডকে এক ওভারে ছয়টি ছয় মেরেছিলেন যুবরাজ।
- ২০২১ সালে মার্চে শ্রীলঙ্কার আকিলা দনাঞ্জয়াকে এক ওভারে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন পোলার্ড।
- ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ্বের চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে এক ওভারে ছয় ছক্কা হাকালেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাটসম্যান জাসকরন মালহোত্রা।

উৎস: i) ESPN Cricinfo।
ii) ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,৬২৩.
'Steam engine' is an invention of which industrial revolution?
  1. 1st Industrial Revolution
  2. 2nd Industrial Revolution
  3. 3rd Industrial Revolution
  4. 4th Industrial Revolution
  5. None of above
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব:
- বর্তমান বিশ্ব টিকে আছে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির ওপর।
- বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে শিল্পবিপ্লবের ফলে।
- এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট তিনটি শিল্পবিপ্লব ঘটেছে।

⇒ ১ম শিল্প বিপ্লব:
- ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব।
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।

⇒ ২য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৮৭০ সাল।
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়।
- এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়।
- এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন এর মান বৃদ্ধি পায়।
- বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।

⇒ ৩য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় ইন্টারনেট।
- শুরু হয় ইন্টারনেটভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লব।
- তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহজ ও দ্রুত বিনিময় শুরু হলে সারা বিশ্বের গতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
- ম্যানুয়াল জগৎ ছেড়ে যাত্রা শুরু হয় ভার্চুয়াল জগতের।

⇒ ৪র্থ শিল্প বিপ্লব:
- প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বিপ্লবকেই বলা হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব।
- যেখানে মানুষের আয়ত্তে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইন্টারনেট অব থিংস বা যন্ত্রের ইন্টারনেট, যা সম্পূর্ণ রূপেই মানবসম্পদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

উৎস: Britannica.
৪,৬২৪.
প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে কারা?
  1. ক) ব্যবিলনীয়রা
  2. খ) সুমেরীয়রা
  3. গ) এ্যাসিরীয়রা
  4. ঘ) ক্যালডীয়রা
ব্যাখ্যা
‘চাকা’ আবিষ্কার – সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।
• সুমেরীয় সভ্যতা ( Sumerian Civilization):

- মেসোপটেমীয়া অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম সুমেরীয় সভ্যতা।
- বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে।
- তাদের কৃষকরা প্রথম দুই চাকা বিশিষ্ট 'রথ' (Chariot) ব্যবহার শুরু করেছিল।
- উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো ।
- লিখন-পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
- কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো ৩২টি।
- তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।
- জলঘড়ি ও চন্দ্রপঞ্জিকা আবিষ্কারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সুমেরীয়রা।
- সুমেরীয়রা বহু ঈশ্বরবাদে বিশ্বাসী ছিল। তাদের অনেক দেবতা ছিল। প্রধান দবতা ‘নাগাল’।
- ২২৩৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে লুগালজাগেসি (King Lugalzagesi) আক্কাডীয়ান রাজা ‘সারগন’ এর নিকট পরাজিত হলে সুমেরীয় সাম্রাজ্যের অবসান হয়। 

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৪,৬২৫.
ইরানের মুদ্রার নাম কী?
  1. লিরা
  2. দিরহাম
  3. দিনার
  4. রিয়াল
ব্যাখ্যা

রিয়াল যেসব দেশের মুদ্রা:
- সৌদি আরব,
- ওমান,
- ইয়েমেন,
- কাতার,
- ইরান।

দিনার যেসব দেশের মুদ্রা:
- ইরাক,
- কুয়েত,
- জর্ডান,
- বাহরাইন,
- আলজেরিয়া,
- তিউনেশিয়া।

দিরহাম যেসব দেশের মুদ্রা:
- সংযুক্ত আরব আমিরাত,
- মরক্কো।

পাউন্ড যেসব দেশের মুদ্রা:
- মিশর,
- সিরিয়া,
- লেবানন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪,৬২৬.
'প্রথম জাতি রাষ্ট্র' আত্মপ্রকাশের সাথে কোনটি সম্পর্কিত?
  1. ম্যাগনাকার্টা
  2. পিটিশন অব রাইট
  3. ইংলিশ কমনওয়েলথ
  4. ফার্স্ট এমেন্ডমেন্ট
ব্যাখ্যা
- জাতি রাষ্ট্র হলো একক জাতিগত পরিচয় বা জাতীয় আদর্শের ভিত্তিতে গঠিত রাষ্ট্র। জাতি রাষ্ট্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো জাতীয়তাবাদী চেতনা। জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ফলেই জাতি রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটেছে।
- ১৬৪৯ সালে ব্রিটেনে ‘ইংলিশ কমনওয়েলথ’ প্রতিষ্ঠাকে বিশ্বের প্রথম জাতি রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- তবে অনেক ঐতিহাসিক ফরাসি বিপ্লবের পর ফ্রান্সে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রকে বিশ্বের প্রথম জাতি রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করেন।
- আঠারো শতকের শেষ দিক থেকে জাতি রাষ্ট্রের ধারণা প্রভাবশালী হয়ে উঠতে শুরু করে।
- জাতি রাষ্ট্রের উদ্ভবের ফলে রাজতন্ত্র, ধর্মতন্ত্র, উপনিবেশিক প্রভৃতি রাষ্ট্রের পতন তরান্বিত হয়।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণী)
৪,৬২৭.
‘I am the Revolution’ – এই বিখ্যাত উক্তিটি কার? 
  1. ফিদেল কাস্ত্রো
  2. মার্টিন লুথার কিং 
  3. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট 
  4. ভ্লাদিমির লেনিন
ব্যাখ্যা

• নেপোলিয়ন বোনাপার্ট :
- 'I am the Revoluation' উক্তিটি নেপোলিয়নের।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট একজন ফরাসি সামরিক জেনারেল এবং রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৭৬৯ সালের ১৫ আগস্ট জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবে (১৭৮৯ থেকে ১৭৯৯) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- তিনি ফ্রান্সের প্রথম কনসাল (১৭৯৯ থেকে ১৮০৪) হিসাবে কাজ করেছিলেন এবং ফ্রান্সের প্রথম সম্রাট ছিলেন। 
- নেপোলিয়নকে ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক জেনারেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে সংঘটিত ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাপতি আর্থার ওয়েলেসলির (প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটন) নিকট পরাজিত হলে নেপোলিয়নকে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- এর আগে রাশিয়া আক্রমণ করে পরাজিত হলে তাকে ভূমধ্যসাগরের সেন্ট এলবা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৮২১ সালের ৫ মে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

৪,৬২৮.
লিপজিগের যুদ্ধে পরাজয়ের পর নেপোলিয়ানকে কোন দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়?
  1. ক) সেন্ট হেলেনা
  2. খ) এলবা
  3. গ) রোবেন
  4. ঘ) পেরিজিল
ব্যাখ্যা
১৮১৩ সালে লিপজিগের যুদ্ধে ইউরোপের ষষ্ঠ কোয়ালিশিনের কাছে পরাজিত হন নেপোলিয়ান। একই বছর তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ফ্রান্স দখল করে নেয় কোয়ালিশন। পরবর্তীতে ১৮১৪ সালে নেপোলিয়ানকে এলবা দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়।
১৮১৫ সালের ওয়াটার লু যুদ্ধে নেপোলিয়নের পরাজয় হয় ও তাকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
উৎসঃ worldatlas.com
৪,৬২৯.
আলবেনিয়ার মুদ্রার নাম কী?
  1. লিরা
  2. লেক
  3. পেসো
  4. ডলার
ব্যাখ্যা
আলবেনিয়া:
- আলবেনিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
- আলেবেনীয় ভাষার দেশটির নাম 'ঈগলদের দেশ'।
- দেশটির রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: তিরানা।
- মুদ্রা: লেক।

অন্যদিকে,
- তুরস্কের মুদ্রার নাম লিরা।
- ফিলিপাইন, আর্জেন্টিনা, কিউবা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, চিলি, কলম্বিয়া, উরুগুয়ের মুদ্রার নাম পেসো। 

উৎস: Britannica.
৪,৬৩০.
ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া (Transdniestria) অঞ্চলটি কোন রাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. আর্মেনিয়া
  2. মলদোভা
  3. বেলারুশ
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা

- ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া (Transdniestria) একটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল এটি আন্তর্জাতিকভাবে মলদোভার (Moldova) অংশ হিসেবে স্বীকৃত।

ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া:
- ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া অঞ্চলটি মলদোভা-ইউক্রেন সীমান্তে নিস্টার নদীর পূর্বতীরে অবস্থিত।
- এটি মলদোভার একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী ছিটমহল।
- ট্রান্সডনিস্ট্রিয়া বিভিন্ন সময়ে অটোমান সাম্রাজ্য, রাশিয়া, ইউক্রেন এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বারা শাসিত হয়েছিল।
- এটির প্রধান শহর তিরাসপোল।
- অঞ্চলটির মোট আয়তন প্রায় সাড়ে তিন হাজার বর্গকিলোমিটার।
- মলদোভা সরকারের সাথে বিরোধের প্রেক্ষিতে ১৯৯৫ সালে অঞ্চলটিতে ১,৫০০ রুশ শান্তিরক্ষী মোতায়েন করা হয় যা এখনো সক্রিয় রয়েছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট।

৪,৬৩১.
উগান্ডার রাজধানীর নাম কী?
  1. সারায়েভো
  2. কাম্পালা
  3. বুখারেস্ট
  4. উলানবাটোর
ব্যাখ্যা
উগান্ডা:
- উগান্ডা পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ।
- আয়তন: ৯৩,২৬৫ বর্গ মাইল (২৪১,৫৫৫ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: কাম্পালা।
- ভাষা: ইংরেজি (অফিসিয়াল), সোয়াহিলি।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (বেশিরভাগই রোমান ক্যাথলিক; এছাড়াও প্রোটেস্ট্যান্ট) ও এছাড়াও ইসলাম।
- মুদ্রা: উগান্ডা শিলিং।
- দেশটি ১৯৬২ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৬৩২.
'স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব' স্লোগানটির সাথে জড়িয়ে আছে -
  1. অক্টোবর বিপ্লব
  2. ফরাসি বিপ্লব
  3. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  4. শিল্প বিপ্লব
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান: স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- বিপ্লব সংঘটিত হয়: ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সাল।
- বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে এই বিপ্লবের মাধ্যমে।
- ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক: নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৬৩৩.
The administrative capital of South Africa is -
  1. Cape Town
  2. Bloemfontein
  3. Pretoria
  4. Johannesburg
  5. None of these
ব্যাখ্যা
দক্ষিন আফ্রিকার প্রশাসনিক রাজধানীর নাম প্রিটোরিয়া।

দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দেশটির পূর্ণ সরকারি নাম দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র।
- আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.

⇒ দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- মুদ্রা: র‍্যান্ড।

অন্যদিকে -
- বৃহত্তম নগরী: জোহানেসবার্গ।

উৎস: Britannica.
৪,৬৩৪.
প্যাটাগোনিয়ান মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে
  2. আর্জেন্টিনা ও চিলিতে
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নামিবিয়া
  4. আর্জেন্টিনা ও নামিবিয়া
ব্যাখ্যা
• প্যাটাগোনিয়ান মরুভূমি:
- প্যাটাগোনিয়ান মরুভূমি অবস্থিত আর্জেন্টিনা ও চিলিতে।
- এটি আর্জেন্টিনার বৃহত্তম এবং বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম মরুভূমি।

অন্যদিকে,
- কালাহারি মরুভূমির অবস্থান আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্গত দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা এবং নামিবিয়া জুড়ে।
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ উষ্ণ মরুভূমি সাহারা মরুভূমি। সাহারা মরুভূমিকে আফ্রিকার দুঃখ বলা হয়।
- সোনোরান মরুভূমি যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে অবস্থিত।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস এবং সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৪,৬৩৫.
ইসরায়েলের প্রধান গভীর সমুদ্রবন্দর কোনটি?
  1. আকাবা
  2. হাইফা
  3. বসরা
  4. আকিয়াব
ব্যাখ্যা

হাইফা:
- হাইফা ইসরায়েলের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ও প্রধান গভীর সমুদ্রবন্দর।
- ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফা।
- ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগার হাইফা এলাকায় অবস্থিত।
- ইসরায়েলের সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি বড় অংশ এখান থেকে পরিচালিত হয়।
- ইসরায়েলের মোট পণ্য পরিবহনের প্রায় অর্ধেকই এই বন্দর দিয়ে পরিবাহিত হয়।

⇒ বিশ্বের কিছু গুরত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর:
- আকাবা: জর্ডানের সমুদ্র বন্দর।
- লাতাকিয়া: সিরিয়ার সমুদ্রবন্দর।
- আকিয়াব: মিয়ানমারের সমুদ্রবন্দর।
- আন্টওয়ার্প: বেলজিয়ামের সমুদ্রবন্দর।
- লা গুয়েরা: ভেনেজুয়েলার সমুদ্রবন্দর।
- ইরাকের সমুদ্র বন্দর: বসরা।

উৎস: Britannica.

৪,৬৩৬.
কোন দেশের সিভিল সার্ভিসের চাকরিকে ‘Iron Rice Bowl’ বলা হয়?
  1. গ্রীস
  2. ইতালি
  3. চীন
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
চীনের সিভিল সার্ভিস:
- চীনের সিভিল সার্ভিস একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা ঐতিহ্যগতভাবে চীনের সরকারের বেসামরিক কাজ সম্পাদনার জন্য মেধাভিত্তিক প্রতিযোগীতার মাধ্যমে বিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- যোগ্যতার ভিত্তিতে সিভিল সার্ভিসের প্রাচীনতম উদাহরণগুলির মধ্যে একটি হলো চীনের ইম্পেরিয়াল আমলাতন্ত্র।
- চীনে সিভিল সার্ভিসের চাকরিকে ‘Iron Rice Bowl’ বলা হয়।
- চাকরির নিরাপত্তা ও উচ্চ বেতনের জন্য এই নামকরণ করা হয়েছে।
- চীনের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা মান্দারিন ভাষায় হয় ‘Guako’। 

উল্লেখ্য,
- খ্রিষ্টপূর্ব ২০৬ অব্দে চীনের হান রাজবংশের রাজা গাওজু (Gaozu) এর শাসনামলে মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিসের উন্মেষ ঘটে। তিনি প্রথম পরীক্ষার মাধ্যমে রাজকর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা চালু করেন। এই সময়ে ইম্পেরিয়াল পরীক্ষা ব্যবস্থা (Keju বা Civil Service Examination) চালু হয়, যা মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উপর নির্ভরশীল ছিল। এই ব্যবস্থা পরবর্তীতে সুই (৫৮১-৬১৮) এবং তাং রাজবংশের (৬১৮-৯০৭) সময়ে আরও উন্নত হয়।
- পরবর্তীতে অন্যান্য রাজবংশের শাসনের সময় তা বিভিন্ন সংশোধন ও পরিমার্জনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে থাকে ও অধিক সুসংগঠিত হয়।
- সং সাম্রাজ্য (Song Dynasty – 960–1279) প্রথম যোগ্যতা (jinshi degree) ও পরীক্ষা পদ্ধতির প্রচলন ঘটায়।
- মিং সাম্রাজ্যের (Ming dynasty – 1368–1644) সময় সিভিল সার্ভিস সিস্টেম চূড়ান্ত রূপে পৌঁছায় এবং পরবর্তীতে কিং সাম্রাজ্যও এই পদ্ধতিই অনুসরণ করে। এই সময় সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাগণ নিজের এলাকায় নিয়োগ না পাওয়া, এক স্থানে তিনবছরের বেশি দায়িত্ব পালন না করা ইত্যাদি নিয়ম অন্তর্ভূক্ত হয়। তাছাড়া, উচ্চপদের জন্য যোগ্যতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু জিনিস অন্তর্ভূক্ত এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য শাস্তির বিধান করা হয়।
- আধুনিকীকরণের প্রচেষ্টার মাঝে ১৯০৫ সালে কিং রাজবংশ কর্তৃক শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা ব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়া হয় এবং পূর্বে বিদ্যমান সিভিল সার্ভিস সিস্টেমটি 1911/12 সালে রাজবংশের সাথে উৎখাত করে দেওয়া হয়েছিল।
- চীনে ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর মূলত বর্তমান রাষ্ট্রীয় সিভিল সার্ভিসের প্রচলন ঘটে। সাধারণত কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সংশ্লিষ্টরাই এই সার্ভিসে যোগদান করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৪,৬৩৭.
সম্প্রতি ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার’ পাওয়া এডওয়ার্ড এম কেনেডি সিনিয়র কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) যুক্তরাজ্য
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য প্রয়াত মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড এম কেনেডি সিনিয়রকে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
• এডওয়ার্ড এম কেনেডি সিনিয়রকে (মরনোত্তর) তার যোগ্য পুত্র এডওয়ার্ড এম টেড কেনেডি জুনিয়রের হাতে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার’ তুলে দেন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার নভেম্বর, ২০২২
৪,৬৩৮.
কোন জাতি বৃত্তকে প্রথম ৩৬০ ডিগ্রিতে ভাগ করেন?
  1. মিশরীয়রা
  2. হিব্রুরা
  3. এজিয়ানরা
  4. অ্যাসেরীয়রা
ব্যাখ্যা
অ্যাসিরীয় সভ্যতা:
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১০০০-৯০০ অব্দের মধ্যে অ্যাসিরীয় সভ্যতার পত্তন ঘটে।
- ব্যাবিলন থেকে প্রায় দু'শ মাইল উত্তরে টাইগ্রিস নদীর তীরে এই শহর গড়ে ওঠে।
- এ শহরের অধিবাসীরা অ্যাসিরীয় নামে পরিচিত ছিল।
- সামরিক ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- অ্যাসিরীয় সম্রাট বিশ্বাস করতেন তিনি দেবতা অসুরের প্রতিনিধি।
- অ্যাসিরীয়দের অর্থনীতির মূল উৎস ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে লুণ্ঠন করে আনা ধনসম্পদ।
- তারাই প্রথম বৃত্তকে ৩৬০° তে ভাগ করে।
- পৃথিবীকে সর্বপ্রথম তারা অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেছিল।
- তিন'শ বছরের এই প্রাচীন সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব ৬১২ অব্দে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
 
উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৩৯.
কোন আইন ‘ডিউটোরোনোমিক কোড’ নামে পরিচিত?
  1. হাম্বুরাবী আইন
  2. হিব্রু আইন
  3. রোমান আইন
  4. অ্যাসেরীয় আইন
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতা:
- হিব্রু সভ্যতা হলো বর্তমানের ফিলিস্তিন ও ইসরাইল অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- হিব্রু সভ্যতা জেরুজালেম নগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে।
- হিব্রু মূলত ভাষার নাম, অর্থ যাযাবর বা নিম্ন শ্রেণি।
- জাতিগতভাবে হিব্রু সভ্যতার লোকজন একটি মিশ্র জাতি।
- প্রধান ধর্মীয় নেতা: হযরত মূসা (আ)।
- হিব্রুদের আদি পুরুষ ইব্রাহিম (আ:)।
- হিব্রু দেবতা যেহোভা।
- পৃথিবীর প্রাচীন ভাষা হিব্রু ভাষা।
- হিব্রু জাতি বর্তমানে ইজরাইলে বসবাস করে।
- হিব্রু সভ্যতার অবদান ধর্ম প্রচার।
- হিব্রুদেরও আইন অনেকটা হাম্মুরাবীর আইনের দ্বারা প্রভাবিত।
- ব্যাবিলনীয় আইনের অনুকরণে তারা যে আইন তৈরী করে তা 'ডিউটোরোনোমিক কোড' নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪০.
বুচা শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ইউক্রেন
  3. গ) বেলারুশ
  4. ঘ) সুইডেন
ব্যাখ্যা
বুচা শহর যে দেশে অবস্থিত - ইউক্রেন।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের নিকটবর্তী শহর বুচা। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা শুরুর কয়েক দিনের মধ্যেই এখানে পৌঁছে যায় রুশ বাহিনী। ৫ সপ্তাহ তুমুল লড়াইয়ের পর বুচা ছাড়ে রাশিয়ান সেনারা। এর কয়েকদিন তাদের বিরুদ্ধে বেসামরিক নাগরিক হত্যার অভিযোগ আনে ইউক্রেন।

সূত্র: ডেইলি স্টার ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
৪,৬৪১.
নাগার্নো কারাবাখ কোন দুটি দেশের বিরোধপূর্ণ এলাকা?
  1. ক) রাশিয়া ও ইউক্রেন
  2. খ) আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
  3. গ) গ্রিস ও তুরস্ক
  4. ঘ) আফগানিস্তান ও তাজিকিস্তান
ব্যাখ্যা
- নাগার্নো কারাবাখ হলো ককেশাস অঞ্চলে অবস্থিত আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যকার একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- এটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত হলেও এর অধিকাংশ অধিবাসী হলো আর্মেনীয় জাতিসত্ত্বার। ফলে এর নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দেশ দুটির মধ্যে কয়েক দফায় ‍যুদ্ধ হয়।
- ১৯৯৪ সালের যুদ্ধে আর্মেনিয়া নাগার্নো কারাবাখসহ আজারবাইজানের আরো সাতটি জেলা দখল করে নেয়।
- ২০২০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর নাগার্নো কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে পুনরায় সংঘর্ষ বাঁধে।
- ৯ নভেম্বর ২০২০ রাশিয়ার মধ্যস্থতায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির ফলে আজারবাইজান তার সাতটি জেলাসহ নাগার্নো কারাবাখের কিছু অংশের উপর নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে। নাগার্নো কারাবাখের আর্মেনীয় অংশে নিরাপত্তা বিধান ও যুদ্ধ বিরতি পর্যবেক্ষণের জন্যে রাশিয়ার দুই হাজার শান্তিরক্ষী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
(তথ্যসূত্র: আনাদুলু এজেন্সি)
৪,৬৪২.
রাজনীতিবিদ হয়ে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. বার্ট্রান্ড রাসেল
  2. উইনস্টোন চার্চিল
  3. লিউ জিয়াবো
  4. কার্ল ভন অসিসকাই
ব্যাখ্যা

 উইনস্টন চার্চিল:
- উইনস্টন চার্চিল যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও লেখক।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- 'The Second World War' গ্রন্থের জন্যে তিনি ১৯৫৩ সালে নোবেল সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর অবদানের জন্য চিরকাল স্মরণীয়।

উৎস: Britannica.

৪,৬৪৩.
কোন সভ্যতায় প্রথম লৌহের ব্যবহার শুরু হয়?
  1. হিট্টাইট
  2. হেলেনেস্টিক
  3. ইনকা
  4. ইজিয়ান
ব্যাখ্যা
লৌহযুগ:
- সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে লৌহ নির্মিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে শুরু করে।
- এভাবেই লৌহযুগ নামে নতুন এক সভ্যতার বিকাশ লাভ ঘটে।
- এশিয়া মাইনরে হিট্টাইটরা (Hittites) প্রথম লোহার আবিষ্কার ও এর ব্যবহার শুরু করে।

 খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে মধ্যপ্রাচ্যে লোহার ব্যবহার শুরু হয়।
- লৌহযুগে বর্ণমালাভিত্তিক লিখন পদ্ধতির প্রচলন শুরু হয়।
- ব্যবসাবাণিজ্য ও মুদ্রা-অর্থনীতি ব্যাপকতা লাভ করে।
- জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে শুরু হওয়ার ফলে যাতায়াতব্যবস্থা সহজ হয়।
- এর ফলে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের মানুষের মধ্যে আর্থ- সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লেনদেন ও ভাবের আদান-প্রদান বৃদ্ধি পায়।
- গৃহনির্মাণ, বিভিন্ন ধরনের গৃহসামগ্রী, আসবাবপত্র, রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কুঠার, লাঙলের ফলা, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে লোহার ব্যবহারের মাধ্যমে সভ্যতার দ্রুত উত্থান ঘটে।
- লৌহযুগে গ্রিসে এক উন্নত গণতান্ত্রিক নগরসভ্যতার বিকাশ ঘটে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৪.
ভেলভেট বিপ্লবের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠা
  2. সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি চালু
  3. কমিউনিস্ট শাসনের অবসান ও সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
  4. রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

ভেলভেট বিপ্লব:
- বিপ্লবের নাম: ভেলভেট বিপ্লব (Velvet Revolution)।
- অন্য নাম: Gentle Revolution।
- সংঘটনকাল: ১৭ নভেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৮৯।
- সংঘটন স্থান: চেকোস্লোভাকিয়া (বর্তমানে: চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া)।
- বিপ্লবের কারণ: কমিউনিস্ট শাসন থেকে মুক্তি ও সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়ার জন্য ছাত্র-জনতার শান্তিপুর্ণ আন্দোলন।
- ফলাফল: কমিউনিস্ট শাসনের পতন ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সূচনা।
 
উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।

৪,৬৪৫.
Which of the following countries has recently launched the world's longest zip line, measuring 2.83km in length?
  1. ক) China
  2. খ) Japan
  3. গ) UAE
  4. ঘ) None
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের দীর্ঘতম এবং সর্বোচ্চ জিপ লাইন নির্মাণ করে - সংযুক্ত আরব আমিরাত। 
- সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বের দীর্ঘতম এবং সর্বোচ্চ জিপ লাইন উদ্বোধনের করে।
- দেশটির রাস আল খাইমাহ ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (আরএকেটিডিএ)।
- আরব আমিরাতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জাবেল জাইসের চূড়ায় এই জিপ লাইন খোলা হচ্ছে।

উৎস: ডিএমপি নিউজ।
৪,৬৪৬.
বিশ্বের গভীরতম স্থানের নাম কী?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  3. টোঙ্গা ট্রেঞ্চ
  4. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
ব্যাখ্যা
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ (Mariana Trench):
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ বিশ্বের গভীরতম স্থান।
- এর অবস্থান হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী প্রশান্ত মহাসাগরে।
- এর নামকরণ করা হয় নিকটবর্তী মারিয়ানা দ্বীপ ও অস্ট্রিয়ার তৎকালীন রানী মারিয়ানার নামে।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চের গভীরতা মাপার উদ্যোগ নেয়া হয় ১৮৭৫ সালে।
- তৎকালীন ব্রিটিশ জরিপ পরিচালনাকারী জাহাজ HMS Challenger।
- তখন গভীরতা নির্ণয় করা হয় ২৬,৮৫০ ফুট।
- পরবর্তীতে আরো কয়েকদফা মাপার পর ২০১০ সালে এর সর্বোচ্চ গভীরতা মাপা হয় ৩৬,০৭০ ফুট।
- বর্তমানে এই গভীরতাই গ্রহণযোগ্য।
- এর গভীরতম অংশকে চ্যালেঞ্জার ডিপ বা Challenger Deep বলা হয়। 

অন্যদিকে,
i) টোঙ্গা ট্রেঞ্চ:- অবস্থান - প্রশান্ত মহাসাগর; গভীরতা - ৩৫,৭০২ ফুট।
- টোঙ্গা ট্রেঞ্চ পৃথিবীর দ্বিতীয় গভীরতম স্থান।
ii)সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাত নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস, ব্রিটানিকা ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ওয়েবসাইট।
৪,৬৪৭.
'কনস্টান্টিনোপলের পতন' কোন সাম্রাজ্যের অবসান ঘটায়?
  1. বাইজেন্টাইন
  2. অটোমান
  3. পারস্যিক
  4. মিশরীয়
ব্যাখ্যা
বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতায় পরিণত হয়েছিল।
- বাইজেনটাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা জুড়ে বিস্তৃত।

⇒ কনস্টান্টিনোপল আধুনিক তুরস্কের একটি প্রাচীন শহর যা এখন ইস্তাম্বুল নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৫৩ সালে ইতালির টাইবার নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয়।
- এই নগরীর গোড়াপত্তন করেন রোমাস ও রমুলাস নামে দুই ভাই।

⇒ কনস্টান্টিনোপলের পতন:
- চতুর্দশ শতাব্দী থেকে ওসমানীয় তুর্কিদের শক্তি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ১৪৫৩ সালে ওসমানীয় খলিফা দ্বিতীয় মোহাম্মদের হাতে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপলের পতন ঘটে।
- পরবর্তী পর্যায়ে তুর্কি শক্তি সমগ্র গ্রিস অঞ্চলসহ পূর্ব ইউরোপের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তাদের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: i) History.com
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৪৮.
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ হীরক খনি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) এন্টার্কটিকা 
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ঘ) চিলি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সর্ববৃহৎ হীরক খনি রাশিয়ার ইয়াকুতিয়াতে অবস্থিত।

স্বর্ণের খনির জন্য বিখ্যাত - দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্সবার্গ।

চিলিতে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ তামার খনি অবস্থিত।

এন্টার্কটিকার প্রধান খনিজ দ্রব্য কয়লা।

তথ্যসূত্র: https://www.royalcoster.com
৪,৬৪৯.
চাগাই, লুপনোর ও পোখরানের মধ্যে সাদৃশ্য কোথায়?
  1. ক) আণবিক অস্ত্র পরীক্ষার স্থান
  2. খ) আণবিক অস্ত্র মজুদের স্থান
  3. গ) বোমারু বিমান নির্মাণ কেন্দ্র
  4. ঘ) পর্বতমালা
ব্যাখ্যা

- চাগাই, লুপনোর ও পোখরান আণবিক অস্ত্র পরীক্ষার স্থান।
- পোখরান ভারতে অবস্থিত।
- চাগাই পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে অবস্থিত।
- লুপনোর চীনের আণবিক পরীক্ষা কেন্দ্র।

উৎসঃ NDTV, ডন ও শিনহুয়া রিপোর্ট।

৪,৬৫০.
মালদ্বীপের মুদ্রার নাম কি?
  1. রুপি
  2. রুফিয়া
  3. রিঙ্গিত
  4. মালয়
ব্যাখ্যা
- লিরা : তুরস্কের মুদ্রা
- র‌্যান্ড : দক্ষিণ আফ্রিকার মুদ্রা
- রুবল : রাশিয়ার মুদ্রা
- পাউন্ড : মিশর, সিরিয়া, সুদান, দ. সুদান ও লেবাননের মুদ্রার নাম।
- ক্রোনা : সুইডেন ও  ডেনমার্ক
- রুফিয়া (rufiyaa): মালদ্বীপ 
উৎসঃ ব্রিটানিকা
৪,৬৫১.
তারকা যুদ্ধ নামে খ্যাত Strategic Defense Initiative এর প্রস্তাবক ছিলেন -
  1. ক) রিচার্ড নিক্সন
  2. খ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
  3. গ) রোনাল্ড রিগ্যান
  4. ঘ) জর্জ ডব্লিউ বুশ
ব্যাখ্যা
তারকা যুদ্ধ নামে খ্যাত Strategic Defense Initiative এর প্রস্তাবক ছিলেন রোনাল্ড রিগ্যান। 
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান প্রবর্তিত Strategic Defense Initiative (SDI) এর মূল বিষয়বস্তু ছিল পারমাণবিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত। 
 
Strategic Defense Initiative (SDI), byname Star Wars, proposed U.S. strategic defensive system against potential nuclear attacks—as originally conceived, from the Soviet Union.
- The SDI was first proposed by President Ronald Reagan in a nationwide television address on March 23, 1983.
- Because parts of the defensive system that Reagan advocated would be based in space, the proposed system was dubbed “Star Wars,” after the space weaponry of a popular motion picture of the same name.

Source: Britannica.com
৪,৬৫২.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি কোন মহাসাগর বরাবর কল্পনা করা হয়?
  1. উত্তর মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা: 

• আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা , উত্তর মেরু এবং দক্ষিণ মেরুর মধ্যে প্রসারিত কাল্পনিক রেখা। 
• পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
• এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৫৩.
কোন দেশকে কেন্দ্র করে ইনকা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল?
  1. পেরু
  2. ব্রাজিল
  3. ভেনেজুয়েলা
  4. বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৪,৬৫৪.
পারস্য কোন দেশের পুরাতন নাম?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. ইস্তাম্বুল
  4. ইয়াঙ্গুন
ব্যাখ্যা

পারস্য (Persia): 
- পারস্য হলো বর্তমান ইরান এর প্রাচীন নাম।
- ১৯৩৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে দেশের নাম ইরান গৃহীত হয়।
- পারস্য সভ্যতা ছিল প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম সমৃদ্ধ সভ্যতা।
- আচার্য সাইরাস দ্য গ্রেট ছিলেন পারস্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।

বিভিন্ন দেশের পূর্ব বা পুরাতন নাম:

- ইস্তাম্বুলের পুরাতন নাম - কনস্ট্যান্টিনোপল।
- ইয়াঙ্গুনের পুরাতন নাম - রেঙ্গুন।
- জাপানের পুরাতন নাম - নিপ্পন।
- জাম্বিয়ার পুরাতন নাম- উত্তর রোডেশিয়া।
- জিম্বাবুয়ের পূর্ব নাম - দক্ষিণ রোডেশিয়া।
- থাইল্যান্ড এর পুরাতন নাম- শ্যামদেশ।
- নেদারল্যান্ডের পুরাতন নাম - হল্যান্ড।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৪,৬৫৫.
'আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস' (ANC) পার্টির সাথে কার নাম জড়িত?
  1. ক) Nnamdi Azikiwe
  2. খ) Kwame Nkrumah
  3. গ) Nelson Mandela
  4. ঘ) Patrice Lumumba
ব্যাখ্যা
• নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত কৃষ্ণাঙ্গনেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট।
• নেলসন ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) পার্টির নেতা ছিলেন।
• ১৯৪৪ সালে তিনি ANC তে যোগ দেন।
• ১৯৯১-১৯৯৭ সময়ে তিনি ANC এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

জেনে রাখা ভাল, 
• বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে তিনি ১৯৬৩-১৯৯০ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর রোবেন দ্বীপে কারান্তরীণ ছিলেন।
• ১৯৯৪ সালের ১০ মে ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
• ১৯৯৩ সালে ম্যান্ডেলা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
• ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ম্যান্ডেলা মারা যান।
• তার ডাকনাম ছিলো মাদিবা।

তথ্যসূত্র:- নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
৪,৬৫৬.
আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ কোনটি
  1. চিলি
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. ব্রাজিল
  4. পেরু
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশ ১২ টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- দেশগুলো হচ্ছে - ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, পেরু, ভেনেজুয়েলা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, গায়ানা, সুরিনাম
- স্বাধীন দেশ - ১২ টি।
- জাতিসংঘভুক্ত দেশ  - ১২ টি
- আয়তনে বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
- ব্রাজিল, গায়ানা এবং সুরিনাম ছাড়া সবকটিতেই স্প্যানিশ সরকারি ভাষা।
- ব্রাজিলের সরকারী ভাষা পর্তুগিজ ।
 
তথ্যসূত্র: ওয়াল্ড এটলাস।
৪,৬৫৭.
কোন দেশগুলো 'I2U2 গ্রুপিং' এর সাথে যুক্ত?
  1. ভারত, ইরান, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত, আয়ারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত, ইতালি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• I2U2 সামিট:
- নতুন অর্থনৈতিক জোট: I2U2 ( I2= India, Israel) & (U2=USA, UAE).
- প্রথম বৈঠক হয়: ১৩-১৬ জুলাই, ২০২২।
- I2U2 হল চারটি দেশ- ভারত, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা গঠিত নতুন গ্রুপিং।
- I2U2 গ্রুপটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পুনঃশক্তির প্রচেষ্টার অংশ হিসাবে গঠিত হয়েছে৷ 
- ভার্চুয়ালে প্রথম I2U2 শীর্ষ সম্মেলন২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- চার দেশের নেতারা খাদ্য নিরাপত্তা সংকট ও সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।
- ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আহমেদ আলবান্না 'I2U2' গ্রুপিংকে ‘ওয়েস্ট এশিয়ান কোয়াড’ হিসাবে উল্লেখ করেন।

সূত্র: Whitehouse.gov & The New York Times.
৪,৬৫৮.
মহাত্মা গান্ধী সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
  1. Indian Happiness
  2. Indian Opinion
  3. Indian Observer
  4. Indian liberation
ব্যাখ্যা
• মাহাত্ম গান্ধী:
- অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মহাত্মা গান্ধী।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পোরবন্দ নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা মহাত্মা এই উপাধিটি রবীন্দ্রনাথ প্রদান করেন।
- ইন্ডিয়ান ওপিনিয়ন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদপত্র যেটি ১৯০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে মহাত্মা গান্ধী এবং এমএইচ নাজার সম্পাদনা করেছিলো। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও Gandhi Research Foundation. 
৪,৬৫৯.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল -
  1. সৌদি আরব
  2. কুয়েত
  3. ওমান
  4. জর্দান
ব্যাখ্যা
◉ বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল হচ্ছে সৌদি আরব। 

অভিবাসী নারী শ্রমিক: 

- বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি যান সৌদি আরবে
- মোট নারী অভিবাসীর ৬৫ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।
- এছাড়া, ২৪ শতাংশ নারী শ্রমিক যান জর্ডানে।



উৎস: জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো।
৪,৬৬০.
কোন দেশের জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট?
  1. মিয়ানমার
  2. চীন
  3. সিঙ্গাপুর
  4. ব্রুনাই
ব্যাখ্যা
মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

⇒ ১৯৬২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা দীর্ঘ ৪৭ বছর জান্তা সরকারের শাসনাধীন ছিল দেশটি।
- ২০১১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারের হাতে নামমাত্র ক্ষমতা হস্তান্তর করে সামরিক বাহিনী।
- ২০১৫ সালে অং সাং সু চি’র নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল এনএলডি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
- ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চি ও তার সরকারের পতন হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশটির দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা প্রিদাংসুর নিম্নকক্ষের নাম পিথু হুততাও ও উচ্চকক্ষের নাম অ্যামিয়োথা হুততাও।

অন্যদিকে,
- চীন, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই-এর আইনসভা এক-কক্ষ বিশিষ্ট।

উৎস: Britannica.
৪,৬৬১.
৪৯° উত্তর অক্ষরেখা কোন দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো
  2. যুক্তরাষ্ট্র–কানাডা
  3. ভারত–চীন
  4. পাকিস্তান–আফগানিস্তান 
ব্যাখ্যা

৪৯° উত্তর অক্ষরেখা:
- ৪৯° উত্তর অক্ষরেখা (49th Parallel North) মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবে কাজ করে।
- এটি ১৮১৮ সালের চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। 
- এটি পশ্চিমে জর্জিয়া প্রণালী থেকে পূর্বে লেক অফ দ্য উডস পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই সীমান্ত কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, আলবার্টা, সাসকাচোয়ান এবং ম্যানিটোবা প্রদেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, আইডাহো, মন্টানা, নর্থ ডাকোটা এবং মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য থেকে আলাদা করে।
- ১৮১৮ সালের অ্যাংলো-আমেরিকান কনভেনশন এবং ১৮৪৬ সালের ওরেগন চুক্তির মাধ্যমে এই সীমান্ত চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়।
-----------------
উল্লেখ্য, 
- বিশ্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক সীমারেখা রয়েছে, যা রাজনৈতিক এবং সামরিক কারণে পরিচিত।
- যেমন-
• ৩৮° উত্তর অক্ষরেখা উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে, যা কোরিয়া যুদ্ধে (১৯৫০) পূর্ববর্তী বিভাজনরেখা হিসেবে পরিচিত।

• দক্ষিণ এশিয়ায়, র‍্যাডক্লিফ লাইন ভারত ও পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে; 
• ডুরান্ড লাইন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমা নির্ধারণ করেছে;
• আর ম্যাকমোহন লাইন ভারত ও চীনের সীমান্ত চিহ্নিত করেছে।

• ইউরোপে, ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা জন্য ম্যাজিনো লাইন এবং জার্মানির জন্য সিগফ্রাইড লাইন তৈরি করা হয়েছিল। 

• মধ্যপ্রাচ্যে, ইসরায়েল ও প্যালেস্টাইন অঞ্চলের বিভাজনের জন্য গ্রিন লাইন স্থাপন করা হয়েছে।

উৎস: The 49th Parallel Wealth [লিঙ্ক].

৪,৬৬২.
পাম আইল্যান্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) কুয়েত
  3. গ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ঘ) ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ দুবাইয়ের শান্ত সাগরের বুকে পাম গাছ আকৃতির তিনটি দ্বীপ তৈরি করেছেন।
তিনটি গাছ আকৃতির দ্বীপকে একত্রে পাম আইল্যান্ড বলে।

উৎসঃ যুগান্তর

৪,৬৬৩.
'সর্বশ্রেষ্ঠ সুখ নীতি'র প্রবক্তা কে?
  1. নিকোলাস ম্যাকিয়াভেলি
  2. অ্যারিস্টটল
  3. জেরেমি বেন্থাম
  4. ইমানুয়েল কান্ট
ব্যাখ্যা
- জেরেমি বেন্থাম "সর্বশ্রেষ্ঠ সুখ নীতি" (Greatest Happiness Principle) -এর নীতির (১৭৮৯) প্রবক্তা।
এই নীতির অর্থ হলো কোন কিছু বা কোন কাজকে উদ্দেশ্য নয়, বরং ফলাফল দ্বারা মূল্যায়ন করতে হবে।

- জেরেমি বেন্থাম একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ও তাত্বিক। তিনি ১৭৪৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৩২ সালের ৬ জুন মারা যান।
- তার বিখ্যাত বইয়ের মধ্যে রয়েছে The Principles of Morals and Legislation.

(তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৪,৬৬৪.
’ড্রিমস ফ্রম মাই ফাদার’- বিখ্যাত বইয়ের লেখক কে?
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. জো বাইডেন
  3. বারাক ওবামা
  4. হিলারি ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
বারাক ওবামা (Barack Obama):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম রাষ্ট্রপতি।
- যিনি ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ওবামা ১৯৬১ সালের ৪ আগস্ট হাওয়াইয়ের হোনোলুলুতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতা ছিলেন কেনিয়ার একজন অর্থনীতিবিদ।
- এবং মাতা ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ার।

তার রচিত বইগুলোর মধ্যে:
- 'ড্রিমস ফ্রম মাই ফাদার’ (Dreams from My Father: A Story of Race and Inheritance),
- 'দ্য অডেসিটি অফ হোপ',
- আ গার্ল্ড প্রমাইজ।

« অপরদিকে,
• জো বাইডেন বই সমূহ:
- প্ল্যান অফ অ্যাকশন,
- দ্য ফাইট ফর দ্য ফিউচার,
- আনব্রোকেন।

উৎস: Britannica.
৪,৬৬৫.
ইউরোপের স্থলবেষ্টিত দেশ নয় কোনটি?
  1. অস্ট্রিয়া
  2. হাঙ্গেরি
  3. ডেনমার্ক
  4. লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা

- ইউরোপের স্থলবেষ্টিত দেশ নয় - ডেনমার্ক।

ডেনমার্ক উত্তর ইউরোপে অবস্থিত।
- দেশটি জুটল্যান্ড উপদ্বীপ এবং ৪০০-এরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- উত্তর সাগরের ওপারে পশ্চিমে যুক্তরাজ্য অবস্থিত।
- ডেনিশ দ্বীপ বোর্নহোম বাল্টিক সাগরের পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- নরওয়ে ও সুইডেনের সঙ্গে, ডেনমার্ক স্ক্যান্ডিনেভিয়া গঠন করে।

• ইউরোপের ১৪টি স্থলবেষ্টিত দেশ।

- ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্থলবেষ্টিত দেশ হল বেলারুশ (Belarus)।
- বেলারুশের আয়তন প্রায় ২০৭,৬০০ বর্গ কিলোমিটার ।
- চেক প্রজাতন্ত্রের আয়তন প্রায় ৭৮,৮৬৭  বর্গ কিলোমিটার।
- হাঙ্গেরির আয়তন প্রায় ৯৩,০২৮ বর্গ কিলোমিটার।
- লিচেনস্টাইনের আয়তন প্রায় ১৬০  বর্গ কিলোমিটার।

• ইউরোপের স্থলবেষ্টিত দেশসমূহ:
- অ্যান্ডোরা;
- অস্ট্রিয়া;
-  বেলারুশ;
-  চেক প্রজাতন্ত্র;
- হাঙ্গেরি;
-  লিচেনস্টাইন;
- লুক্সেমবার্গ;
- মাল্দোবা;
- উত্তর ম্যাসেডোনিয়া;
- সান মারিনো;
- সার্বিয়া;
- স্লোভাকিয়া;
- সুইজারল্যান্ড;
- ভ্যাটিকান সিটি;

উৎস: World Atlas and the Government of Belarus.

৪,৬৬৬.
ভারতের কতটি রাজ্য রয়েছে? 
  1. ২৭টি
  2. ২৮টি
  3. ২৯টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা

- ভারতের রাজ্যের সংখ্যা: ২৮টি।

​ভারত:

- সরকারের ধরন: সংসদীয় গণতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র।
- রাজধানী: নয়াদিল্লি।
- সরকার প্রধান: নরেন্দ্র মোদী।
- রাষ্ট্রপতি: দ্রৌপদী মুর্মু।
- সংবিধান গৃহীত: ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯;
- কার্যকর ২৬ জানুয়ারি ১৯৫০।
- স্বাধীনতা লাভ: ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ (ব্রিটিশ শাসন থেকে)।
- ভাষা: সরকারি ভাষা: হিন্দি ও ইংরেজি।
- মুদ্রা: ভারতীয় রুপি।
- জনসংখ্যা: জনসংখ্যায় বিশ্বের বড় দেশ।
- জাতীয় পশু: বাঘ।
- জাতীয় পাখি: ময়ূর।
- ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র।

​উল্লেখ্য, 
- ভারতের রাজ্যের সংখ্যা: ২৮টি।
- কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংখ্যা: ৮টি।
- সবচেয়ে বড় রাজ্য (আয়তনে): রাজস্থান (৩,৪২,২৩৯ বর্গ কিমি)।
- সবচেয়ে ছোট রাজ্য (আয়তনে): গোয়া (৩,৭০২ বর্গ কিমি)।
- সবচেয়ে বড় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (আয়তনে): আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ (৮,২৪৯ বর্গ কিমি)।
- সবচেয়ে ছোট কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (আয়তনে): লাক্ষাদ্বীপ (৩২ বর্গ কিমি)। 

​উৎস: ব্রিটানিকা ও ভারতীয় সরকারি ওয়েবসাইট।

৪,৬৬৭.
হিব্রু সভ্যতা কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রসিদ্ধ?
  1. ক) বাণিজ্য
  2. খ) ধর্ম সংস্কার
  3. গ) কৃষিকাজ
  4. ঘ) জ্যোতির্বিদ্যা
ব্যাখ্যা
- হিব্রু সভ্যতা বর্তমান প্যালেস্টাইনে বিকশিত হয়েছিলো। হিব্রু সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু ছিলো জেরুজালেম নগর। খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ১৮০০ অব্দে হযরত ইব্রাহিম (আ.) নেতৃত্বে হিব্রু সভ্যতার সূচনা ঘটে।
- বিশ্ব সভ্যতায় হিব্রুদের সর্বাধিক অবদান হলো ধর্মের ক্ষেত্রে। হিব্রুরাই প্রথম একেশ্বরবাদী ধর্মের সূত্রপাত করে। পরবর্তীতে খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্ম এই একেশ্বরবাদী ধর্ম গোটা পৃথিবীতে প্রচার করে।
- এছাড়া ‘ডিউটোরোনোমিক কোড’ নামে আইন প্রণয়নের জন্যেও হিব্রুরা সভ্যতা বিখ্যাত।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং ইতিহাস : এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪,৬৬৮.
ইন্দোনেশিয়া কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
  1. স্পেন
  2. পর্তুগাল
  3. ফ্রান্স
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়ার উপনিবেশবাদ:
- ইন্দোনেশিয়া দীর্ঘদিন ধরে নেদারল্যান্ডস-এর উপনিবেশ ছিল।
- প্রায় ৩৫০ বছর ধরে ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ নামে পরিচিত ছিল
- এটিকে ঔপনিবেশিক যুগে ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ বা নেদারল্যান্ডস ইস্ট ইন্ডিজ বলা হতো।
- ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৬০২ সাল থেকে নিয়ন্ত্রণ শুরু করে এবং ১৮০০ সালের পর সরাসরি নেদারল্যান্ডস সরকারের অধীনে চলে।
- ১৯৪৫ সালে ইন্দোনেশিয়া স্বাধীনতা ঘোষণা করে এবং ১৯৪৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি পায়।

উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়ার দেশটি অস্ট্রেলিয়ার ঠিক উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি নিরক্ষরেখা জুড়ে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- রাষ্ট্রীয় নাম: রিপাবলিক অব ইন্দোনেশিয়া।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- প্রধান ভাষা: বাহাসা ইন্দোনেশিয়া।
- সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত।

উৎস: Worldatlas.

৪,৬৬৯.
কোন চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল ও ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে?
  1. ক) ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  2. খ) অসলো চুক্তি
  3. গ) গুড ফ্রাইডে চুক্তি
  4. ঘ) আলজিয়ার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে স্বাক্ষরিত অসলো চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল ও প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) পরস্পরকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্নিনটন চুক্তিটি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতা করেন।
অন্যদিকে,
- আলজিয়ার্স চুক্তি (১৯৭৫) : শাত-ইল আরব জলপথ নিয়ে ইরাক-ইরান দ্বন্দ্ব নিরসন
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (১৯৭৮) : মিশর ও ইসরাইল
- গুড ফ্রাইডে চুক্তি (১৯৯৮) : উত্তর আয়ারল্যান্ডে শান্তি স্থাপন।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি এবং ব্রিটানিকা)
৪,৬৭০.
সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয় -
  1. পারস্য সভ্যতা
  2. রোমান সভ্যতা
  3. মায়া সভ্যতা
  4. মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার বিস্তৃতিকাল খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০-৫২৫ পর্যন্ত।
- আফ্রিকা মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশ যা আমাদের কাছে পরিচিত ইজিপ্ট বা মিশর নামে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে মিশরে প্রথম সাম্রাজ্যের উদ্ভব ঘটে।
- যার একটি ছিল উত্তর মিশর (নিম্ন মিশর) অপরটি ছিল দক্ষিণ মিশর (উচ্চ মিশর)।
- মানব সভ্যতার অগ্রগতি তাদের অবদানে সমৃদ্ধ।
- স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে তাদের ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা যায়।
- চিত্রকলায় আছে বিশেষ বৈচিত্রপূর্ণ অবদান।
- লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবন, সেচ ব্যবস্থা চালু, চিকিৎসা শাস্ত্র, জ্যোতিষশাস্ত্র অংক শাস্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান সভ্যতার ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করেছিল।
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৭১.
সম্প্রতি ভারতের 'অপারেশন সিঁদুর' এর জবাবে পাকিস্তান পরিচালিত অভিযানের নাম কী? [মে, ২০২৫]
  1. অপারেশন তহাফুজ
  2. অপারেশন সাফাই
  3. অপারেশন রেডলাইন
  4. অপারেশন বুনইয়ান-উন-মারসুস
ব্যাখ্যা
অপারেশন সিঁদুর:
- ২২ এপ্রিল, ২০২৫ এ ভারত-অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় ২৬ জন নিহত হন।
- এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ৭ মে "অপারেশন সিঁদুর" নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে ভারত।
- ২৬ জনের সবাই পুরুষ ছিলেন এবং এদের মধ্যে কয়েকজন সদ্যবিবাহিতও ছিলেন।
- এই প্রেক্ষাপটেই এই অভিযানের নাম 'সিন্দুর' রাখা হয়েছে এবং একে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
- ভারতের অভিযানে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়।
- এতে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার প্রায় ১০০ সদস্য নিহত হয়েছে বলে ভারতের দাবি।
- ভারতের 'অপারেশন সিঁদুর' এর জবাবে পাকিস্তান পরিচালনা করে অপারেশন 'বুনইয়ান-উন-মারসুস'।
- এর জবাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ১০ মে, ২০২৫ সালে 'বুনইয়ান-উন-মারসুস' নামে পাল্টা অভিযান শুরু করে।
- বুনইয়ান-উন-মারসুসের আক্ষরিক অর্থ ‘লোহার প্রাচীর’।
- ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এ অভিযানে ভারতের অন্তত ২৬টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।
- ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ আলোচনার পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে বলে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলার রিপোর্ট।
৪,৬৭২.
সম্প্রতি ইসরায়েল উপসাগরীয় কোন দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ক) কাতার
  2. খ) ওমান
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
• সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইসরায়েলের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
• এ প্রথম উপসাগরীয় কোনো দেশের সঙ্গে প্রথম এ ধরনের চুক্তিতে গেল ইসরায়েল।
• নতুন এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি হওয়া
উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতি সমাচার, জুলাই ২০২২।
৪,৬৭৩.
আয়াতুল্লাহ খামেনি কত সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি:
- আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
- সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখন দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ।
- দেশের সব বড় বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার সম্মতি দরকার হয়। এমনকি ইরান পারমাণবিক ক্ষমতার অধিকারী হবে কিনা অথবা জাতিসংঘের আণবিক শক্তি সংস্থাকে সহযোগিতা করবে কিনা, এসবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি দেন।
- আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

⇒ ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনের এই ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।
- ১৯৬২ সালে আলী খামেনি শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধাচরণকারী আয়াতুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর আলী খামেনি বিপ্লবী পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরকে সংগঠিত করতে সহায়তাও করেন। এই বিপ্লবী গার্ড ইরানের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- ১৯৮১ সালে দেশটির বামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ইরানের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ-আলী রাজাইকে হত্যা করে।
- রাজাইয়ের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে আলী খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আট বছর ধরে আনুষ্ঠানিক এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি।
- ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদ) আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
- আয়াতুল্লাহ খামেনি শাসনামলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ ছয়জন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করেন। 

উৎস: i) BBC.  [link]
ii) Middle East Eye.
৪,৬৭৪.
’সাদা হাতির দেশ’ বলা হয়-
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. থাইল্যান্ড
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. বাহারাইন
ব্যাখ্যা
ভৌগলিক উপনাম: 
- সাদা হাতি থাইল্যান্ডে একটি পবিত্র, রাজকীয় এবং সৌভাগ্যের প্রতীক।
- এবং সেগুলোর সাথে দেশটির ধর্ম, ইতিহাস ও সংস্কৃতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
- তাই থাইল্যান্ডকে বলা হয় সাদা হাতির দেশ।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।

উৎস: ব্রিটানিকা
৪,৬৭৫.
Who is the founder of classical economics?
  1. ক) David Ricardo
  2. খ) Adam smith
  3. গ) Paul Samuelson
  4. ঘ) J. M. Keynes
ব্যাখ্যা
অ্যাডাম স্মিথ:

- আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতিকে - 'সম্পদের বিজ্ঞান' বলেছেন।
- অ্যাডাম স্মিথের বিখ্যাত গ্রন্থ- 'The Wealth of Nations'.
- তিনি ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।

অপরদিকে,
-অধ্যাপক মার্শাল অর্থনীতিকে 'কল্যাণের বিজ্ঞান' বলে অভিহিত করেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ÖPrinciple of EconomicsÖ।
- তিনি নিও-ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।
- অর্থনীতির আধুনিক মতবাদের প্রবক্তা লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লায়নেল রবিন্স।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি- একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৬৭৬.
পিকেকে কোন দেশের কুর্দি মিলিশিয়া সংগঠন?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) ইরাক
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) ইরান
ব্যাখ্যা
কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি কুর্দি ভাষায় (Partiya Karkeren Kurdistan-PKK) পিকেকে নামে পরিচিত। এটি তুর্কি কুর্দিদের একটি রাজনৈতিক ও মিলিশিয়া সংগঠন।
১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ ওচালান এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এরা তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করে আসছে।
(সূত্র: কুর্দিস্তান প্রজেক্ট এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৪,৬৭৭.
১৯৬৪ সালে কোন দেশে প্রথম জিআইএস-এর ব্যবহার শুরু হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাজ্য
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
জিআইএস (GIS): 
- GIS-এর পূর্ণরূপ: Geographic information systems বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- বৃটিশ গবেষক সোহো (Soho) ১৮৫৪ সালে লন্ডন শহরের ভয়াবহ কলেরা রোগের উপর কাজ করেন। তিনি নিশ্চিত হন যে, কিছু পাম্পের পানি দূষিত হয়ে কলেরা ছড়াচ্ছে। লন্ডন শহরের ঐ এলাকার পানির পাম্প এবং চারপাশে কী পরিমাণ লোকের মধ্যে কলেরা ছড়াচ্ছে বা মারা যাচ্ছে সে সম্পর্কে উপাত্ত সংগ্রহ করে তা মানচিত্রে দেখান। তাঁর এ গবেষণার ফলে সমস্যা অনুধাবন করে কলেরা রোগ দূর করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা সহজ হয়।
- ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান 'The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে ESRI বাণিজ্যিকভাবে Arc/Info সফট্ওয়্যার তৈরি শুরু করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৭৮.
বিশ্বের প্রাচীনতম ইংরেজি ভাষাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?
  1. হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি
  2. কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি
  3. অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি
  4. আল-কারাওইন ইউনিভার্সিটি
ব্যাখ্যা
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি:
- অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি (University of Oxford) বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি।
- এটি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড শহরে অবস্থিত এবং ১০৯৬ সালের দিকে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় বলে ধারণা করা হয়।
- অক্সফোর্ড বিশ্বের প্রাচীনতম ইংরেজি-ভাষাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়।
- ১২শ শতাব্দীতে এটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে।
- এটি একটি কলেজ-ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে ৩৯টি স্বতন্ত্র কলেজ রয়েছে।
- কলেজগুলো শিক্ষার্থীদের আবাসন, খাদ্য, এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সুযোগ প্রদান করে।
- অক্সফোর্ড নিয়মিতভাবে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।
- গবেষণা ও শিক্ষার মানে এটি স্বীকৃত।
- অক্সফোর্ড থেকে বহু নোবেল বিজয়ী, রাজনীতিবিদ, বিজ্ঞানী, এবং সাহিত্যিক শিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
- এর মধ্যে রয়েছেন স্যার উইনস্টন চার্চিল, স্টিফেন হকিং, এবং মালালা ইউসুফজাই।
- অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ড শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- মরক্কোর ফেজে অবস্থিত আল কারাওইন বিশ্ববিদ্যালয় পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। ৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ফাতিমা আল-ফিহরি এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: Oxford University Official Website
Times Higher Education
Britannica Encyclopedia
৪,৬৭৯.
কার আক্রমণের মাধ্যমে ক্যালডীয় সভ্যতার পতন ঘটে?
  1. পারস্যদের আক্রমণ
  2. মঙ্গোলীয়দের আক্রমণ
  3. রোমানদের আক্রমণ
  4. গ্রিকদের আক্রমণ
ব্যাখ্যা

ক্যালডীয় সভ্যতা:
- ৬১২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এ্যাসিরীয়দের পতন এবং ক্যালডীয়দের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মেসোপটেমীয় সভ্যতা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়।
- মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বসবাসকারী সেমিটিক জাতিভুক্ত ক্যালডীয়রা এ সভ্যতা গড়ে তোলে বলে ইতিহাসে এটি ক্যালডীয় সভ্যতা নামে পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নেবোপালেসার এ্যাসিরীয়দের সমৃদ্ধ রাজধানী নিনেভা ধ্বংস করে পুনরায় ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী ব্যাবিলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ও তাদের সভ্যতা গড়ে তোলে বলে এ সভ্যতা নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা নামেও পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের উল্লেখযোগ্য শাসক ছিলেন সম্রাট নেবুচাঁদনেজার।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৮ অব্দে ক্যালডীয় সাম্রাজ্যের পতন ঘটিয়ে পারস্য সম্রাট কাইরাস ক্যালডীয়দের উপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে।

⇒ উল্লেখযোগ্য অবদান:
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার স্থপতি হাম্মুরাবির সংস্কৃতি অনেকটাই গ্রহণ করেছিল ক্যালডীয়রা।
- সম্রাট নেবুচাঁদনেজার তৈরি করেছিলেন আশ্চার্য সুন্দর এক বাগান, ইতিহাসে যা 'শূন্য উদ্যান' নামে পরিচিত।
- ক্যালডীয়দের প্রধান দেবতা ছিল বৃহস্পতি বা জুপিটার গ্রহ। 
- ক্যালডীয়রাই প্রথম সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত করে।
- তারাই প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে।
- বছরের দৈর্ঘ্যও তারা বের করে।
- এ যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান। তা থেকে ১২টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬৮০.
বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ধুমপান নিষিদ্ধ করে কোন দেশ?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভূটান
  3. চীন
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

ভুটানে ধূমপান নিষিদ্ধকরণ:
- ২০১০ সালে ভুটান সর্বজনীন স্থানে তামাক বিক্রি এবং ধূমপান নিষিদ্ধ করার জন্য প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছিল।
- ১৯৮৯ সালে ভুটানের ধর্মীয় কেন্দ্রস্থল বুমথাং এর স্থানীয় সরকারী নেতারা জেলায় তামাক বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা করেছিলেন।
- ৭০তম জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে আলোচনা হাইলাইট করেছে যে ধূমপানকে নিন্দনীয় বলে মনে করা হয়।
- ২০০৪ সালে দেশব্যাপী বিক্রয় নিষেধাজ্ঞার উপর ভিত্তি করে, 'তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১০' ভুটানে সমস্ত তামাকজাত পণ্যের উপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
- আইনে তামাকজাত দ্রব্যের চাষ, উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
- চলচ্চিত্রে বিধিনিষেধ সহ তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন, প্রচার ও পৃষ্ঠপোষকতার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা; ধূমপানমুক্ত পাবলিক প্লেস বা জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: Bhutan reverses sales ban on tobacco BMJ Blogs.

৪,৬৮১.
পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম সাম্রাজ্য হিসেবে অভিহিত কোনটি?
  1. ক) মোঙ্গল সাম্রাজ্য
  2. খ) অটোমান সাম্রাজ্য
  3. গ) রোমান সাম্রাজ্য
  4. ঘ) ফিনিশীয় সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
- মোঙ্গল সাম্রাজ্য পৃথিবীর ইতিহাসের বৃহত্তম সাম্রাজ্য হিসেবে অভিহিত। ত্রয়োদশ শতকের শুরুতে (১২০৬ সালে) মঙ্গোলিয়ার যাযাবর উপজাতিগুলোকে সংগঠিত করার মাধ্যমে বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান এই সাম্রাজ্যের পত্তন করেন।
- চেঙ্গিস খান ১১৬২ সালে মঙ্গোলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২২৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার আসল নাম ছিলো তেমুজিন।
- চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর তার বংশধরগণ এই সাম্রাজ্যের আরো বিস্তৃতি ঘটান। মোঙ্গল সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরের সময় পূর্ব ইউরোপ থেকে ইন্দোচীন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো যার আয়তন ছিলো এক কোটি বর্গমাইলেরও অধিক।
- ১২৫৯ সালে মেংগু খানের মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বে মোঙ্গল সাম্রাজ্য বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এতে করে চতুর্দশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে মোঙ্গল সাম্রাজ্যের বিস্তৃতি কেবল মঙ্গোলিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ওয়েবসাইট
৪,৬৮২.
Elephant pass কোথায় অবস্থিত?
  1. নেপাল
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. ভুটান
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
এলিফ্যান্ট পাস:
- এলিফ্যান্ট পাস শ্রীলঙ্কার উত্তরাঞ্চলে, জাফনা উপদ্বীপের প্রবেশদ্বারে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
- এটি মূলত শ্রীলঙ্কার কিলিনচিচি জেলার অংশ এবং শ্রীলঙ্কার মূল ভূখণ্ডের সাথে জাফনা উপদ্বীপের সংযোগকারী সড়কপথ হিসেবে ব্যবহৃত হত।

উল্লেখ্য, 
- ঐতিহাসিকভাবে, শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন অংশে ধরা হাতিগুলিকে এই উপহ্রদ পেরিয়ে জাফনা উপদ্বীপে নিয়ে যাওয়া হত, যা পরে একটি সেতুতে পরিণত হয় এবং এলিফ্যান্ট পাস নামে পরিচিত হয়।
- গৃহযুদ্ধের সময় এলিফ্যান্ট পাস ছিল শ্রীলঙ্কা সরকার এবং LTTE (লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম)-এর মধ্যে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান।  

উৎস: Lakpura LLC ও ডয়েচে বেলে।  
৪,৬৮৩.
নিচের কোন দেশটি কোয়াড গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
- কোয়াড (দ্য কোয়াড্রিল্যাটারেল সিকিউরিটি ডায়ালগ) হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চারটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত চীনবিরোধী একটি সামরিক জোট।
- কোয়াডভুক্ত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাষ্ট্র
- ভারত
- অস্ট্রেলিয়া এবং
- জাপান।
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান রোধের লক্ষ্যে ২০০৭ সালে এই জোট গঠিত হয়।
- এটিকে ‘এশিয়ান ন্যাটো’ জোট নামেও অভিহিত করা হচ্ছে।
(তথ্যসূত্র: আল জাজিরা এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
৪,৬৮৪.
নিচের কোন দেশটির মুদ্রার নাম 'দিনার'?
  1. সিরিয়া
  2. ইরাক
  3. কাতার
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা
রিয়াল যেসব দেশের মুদ্রা:
- সৌদি আরব,
- ওমান,
- ইয়েমেন,
- কাতার,
- ইরান।

দিনার যেসব দেশের মুদ্রা:
- ইরাক,
- কুয়েত,
- জর্ডান,
- বাহরাইন,
- আলজেরিয়া,
- তিউনেশিয়া।

দিরহাম যেসব দেশের মুদ্রা:
- সংযুক্ত আরব আমিরাত,
- মরক্কো।

পাউন্ড যেসব দেশের মুদ্রা:
- মিশর,
- সিরিয়া,
- লেবানন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৬৮৫.
চীন কত সালে 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)' কার্যক্রম চালু করে?
  1. ২০০৮ সালে 
  2. ২০০৯ সালে 
  3. ২০১১ সালে 
  4. ২০১৩ সালে 
ব্যাখ্যা
Belt and Road Initiative (BRI):
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে চীন 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)' কার্যক্রম চালু করে।

⇒ ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন। এ প্রকল্পকে 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।
- উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ উদ্যোগের বিশাল সংগ্রহ মূলত ভৌত অবকাঠামোর মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যোগ।

⇒ BRI এর মূল লক্ষ্য হলো চীন ও অন্যান্য দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
- প্রকল্পের উদ্দেশ্য বিশ্বের ১৫০টির বেশি দেশকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে উন্নতি সাধনের চেষ্টা করা।

উল্লেখ্য,
- চীন প্রবর্তিত 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)' কে মোকাবিলা করতে জি৭ভুক্ত দেশসমূহ নতুন যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, তার নাম PGII.
- PGII- এর পূর্ণরূপ: Partnership for Global Infrastructure and Investment.
- চীনকে মোকাবিলায় বৈশ্বিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগ অংশীদ্বারিত্ব (PGII) প্রকল্প গ্রহণকারী সংস্থার নাম – G7।
- ২০২২ সালে ৪৮তম জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত হয় 'PGII'।

উৎস: Britannica.
৪,৬৮৬.
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের কী বলা হয়?
  1. ক) তাতারু
  2. খ) মাউরি
  3. গ) জুলু
  4. ঘ) রেড ইন্ডিয়ান
ব্যাখ্যা
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় মাউরি। - জুলু উপজাতি বাস করে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাতার তুর্কি জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভূক্ত একটি উপজাতি। আর আমেরিকান অধিবাসীদের বলা হয় রেড ইন্ডিয়ান।
৪,৬৮৭.
মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রথম পর্যায় কোনটি?
  1. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  2. ক্যালেডীয় সভ্যতা
  3. সুমেরীয় সভ্যতা
  4. অ্যাসেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
• সুমেরীয়।
• ব্যাবিলনীয়।
• অ্যাসেরীয়।
• ক্যালেডীয়।
- Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'মেসোপটেমীয় সভ্যতা'।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে।
- ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়।
- বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই
অংশ ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পরে রোমানদের দখলে যায়। মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।

সুমেরীয় সভ্যতা:
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রথম পর্যায় ও সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয়।
- ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বে সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠি এবং মধ্য এশিয়া থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে।
- লিখন পদ্ধতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, আইন কানুন প্রণয়ন, ধর্মীয় অনুশাসন ইত্যাদি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
- সুমেরীয় সভ্যতায় ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের পদবী ছিল 'পাতেজী'।
- সুমেরীয়দের পরবর্তী বিখ্যাত শাসক ছিলেন সম্রাট 'ডুঙি'।
- সম্রাট ডুঙির নেতৃত্বে সুমেরীয়গণ খ্রিস্টপূর্ব ২১০০ অব্দে একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন।
- ডুঙি সুমের জাতির জন্য সর্বপ্রথম একটি বিধিবদ্ধ আইন (Code) প্রচলন করেন।
- সুমেরীয় সমাজে শিল্প ও ব্যবসা পরিচালনায় নারীদের অধিকার দেওয়া হয়েছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিকাশ এবং নিত্য নতুন আবিষ্কারের মূলে সুমেরীয়দের অবদানই অধিক ছিল।
- সুমেরীয় শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি ‘জিগগুরাট' নামক ধর্মমন্দির।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৮৮.
কোন সংকটকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘে 'শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব' পেশ করা হয়?
  1. সাইপ্রাস সংকট
  2. কোরিয়া সংকট
  3. তাইওয়ান সংকট
  4. প্যালেস্টাইন সংকট
ব্যাখ্যা
কোরিয়া সংকট:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরিয়া উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধের প্রভাবে দুই কোরিয়াকে একত্রিত করার লক্ষ্যে ২৫ জুন, ১৯৫০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পরোক্ষ নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণ করে।

- দক্ষিণ কোরিয়া আক্রমণের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী উত্তর কোরিয়া আক্রমণ করে।
- অপরদিকে, চীন সরাসরি উত্তর কোরিয়ার পক্ষ নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব (Uniting for peace resolution)' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরিয়া যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: un.org.
৪,৬৮৯.
'প্রাচীন পারস্য সাম্রাজ্য' বর্তমানে কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) ইরাক
  3. গ) ইরান
  4. ঘ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা
- পারস্য বর্তমানে ইরান নামে পরিচিত।
- পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় ২১ মার্চ, ১৯৩৫ সালে।
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিলো জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস, প্রথমপত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৯০.
which country located in the northern European region?
  1. Belarus
  2. Bulgaria
  3. Czech Republic
  4. Hungary
  5. Finland
ব্যাখ্যা
পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ
• বুলগেরিয়া
• চেক প্রজাতন্ত্র
• হাঙ্গেরি
• পোল্যান্ড
• মলদোভা
• রোমানিয়া
• রাশিয়া
• স্লোভাকিয়া
• ইউক্রেন

উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে
• সুইডেন
• ডেনমার্ক
• ফিনল্যান্ড
• আইসল্যান্ড
• যুক্তরাজ্য
• আয়ারল্যান্ড
• লিথুয়ানিয়া
• লাটভিয়া
• এস্তোনিয়া

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৪,৬৯১.
কলকাতা হাইকোর্টে প্রথম মুসলিম বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. সৈয়দ আহমদ খান
  2. সৈয়দ মাহমুদ
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. সৈয়দ আব্দুর মনির
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমীর আলী

- উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমীর আলী।
- তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি করতে চেয়েছেন। 
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীতে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- কলকাতা হাইকোর্টে প্রথম মুসলিম বিচারপতি ছিলেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- বাংলা তথা ভারতে তিনিই প্রথম মুসলমান  নেতা, যিনি বিশ্বাস করতেন মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন। 
- আকর্ষণের জন্য নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন।
- তিনি ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানান।
- ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুসলিম লীগের  সভাপতি নির্বাচিত হন।
- সৈয়দ আমীর আলী নারী অধিকারের বিষয়েও সচেতন ছিলেন। 
- বাঙালি মুসলিম রেনেসাঁসের অগ্রদূত সৈয়দ আমীর আলী ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
৪,৬৯২.
লাইন অব কন্ট্রোল কোন দুটি দেশের ভৌগোলিক সীমারেখা?
  1. ক) ভারত ও চীন
  2. খ) পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. গ) ভারত ও পকিস্তান
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মির সীমান্তে বিরাজমান ভৌগোলিক সীমারেখা।
১৯৭২ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই রেখা নির্ধারিত হয়। এটি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত সীমারেখা না হলেও এটিই কাশ্মির সীমান্তে দেশ দুটির মধ্যে ডি-ফ্যাক্টো রেখা।
(সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া)
৪,৬৯৩.
'ব্ল্যাক মানডে' কিসের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ক) পরিবেশ
  2. খ) রাজনীতি
  3. গ) যুদ্ধ
  4. ঘ) স্টক মার্কেট
ব্যাখ্যা
• ব্ল্যাক মানডে:
- ১৯২৯ সালের ৮ অক্টোবর, যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারের ধসের ধসের কবলে পড়ে ৷
- পুঁজিবাজারের এই ধস যুক্তরাষ্ট্রসহ অধিকাংশ দেশকে মহামন্দার দিকে ঠেলে দেয়।
- আবার, ১৯৮৭ সালে ১৯ অক্টোবর সোমবার বিশ্বব্যাপী আবারও পুঁজিবাজারে ভয়াবহ ধস নামে।
- হংকং শেয়ার বাজার থেকে এ বিপর্যয় শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে ইউরোপ, এশিয়া ও আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে।
- পুঁজিবাজারের আলোচিত এ ধস সোমবার ঘটেছিল বলে এ দুটি ঘটনাকে Black Monday নামে অভিহিত করা হয় ৷

উৎস: ব্রিটানিকা ।
৪,৬৯৪.
আন্তর্জাতিক পেটেন্ট আবেদনের শীর্ষে অবস্থান করছে কোন দেশ?
  1. ক) জাপান
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পেটেন্ট আবেদনের শীর্ষে অবস্থানের তালিকা:
১. চীন
২. জাপান
৩. দক্ষিণ কোরিয়া
৪. জার্মানি
৫. ফ্রান্স
৬. সুইজারল্যান্ড
৭. সুইডেন
৮ নেদারল্যান্ডস
 
উৎস: বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থার ওয়েবসাইট। 
৪,৬৯৫.
কোন আরব রাষ্ট্রটি সর্বপ্রথম ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ক) তুরস্ক
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. গ) বাহারাইন
  4. ঘ) মিশর
ব্যাখ্যা

- ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ সালে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকরণে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষর করে - সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন।
- এ পর্যন্ত ইসরাইলকে স্বীকৃতিদানকারী আরব দেশ - ৪ টি এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ - ১৯ টি।
- প্রথম আরব দেশ হিসাবে ‘মিশর’ ১৯৭৮ সালে; দ্বিতীয় আরব দেশ হিসাবে জর্ডান - ১৯৯৪ সালে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম মুসলিম দেশ হিসাবে ‘তুরস্ক' ১৯৪৯ সালে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৬৯৬.
‘গরিব প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে খ্যাত হোসে মুজিকা কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
  1. পেরু
  2. উগান্ডা
  3. নামিবিয়া
  4. উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা
হোসে মুজিকা (১৯৩৫- ২০২৫):
- বিশ্বজুড়ে বামপন্থীদের কাছে এক কিংবদন্তি ও গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত উরুগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসে মুজিকা।
- 'পেপে' নামে পরিচিত উরুগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসে মুজিকা ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত উরুগুয়ে শাসন করেন।
- সাবেক এই গেরিলা তার পরিমিত জীবনযাপনের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে 'গরিব প্রেসিডেন্ট' হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তরুণ বয়সে মুজিকা উরুগুয়ের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক শক্তি ন্যাশনাল পার্টির সদস্য ছিলেন।
- ১৯৬০-এর দশকে তিনি টুপামারোস ন্যাশনাল লিবারেশন মুভমেন্ট (এমএলএন-টি) নামে একটি গেরিলা সংগঠন গড়ে তোলেন।
- রাজনৈতিক কারণে তিনি প্রায় ১৪ বছরের বেশি সময় কারাগারে কাটিয়েছেন এবং ২০১০ সালে ৭৪ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ক্যানসারের সঙ্গে এক বছর লড়াইয়ের পর গত ১৩মে, ২০২৫ ৮৯ বছর বয়সে সদ্য প্রয়াত হয়েছেন এই আদর্শিক নেতা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৪,৬৯৭.
Who is known as the 'Lady of the Lamp'?
  1. Sorojini Naidu
  2. Hellen Killer
  3. Florence Nightingale
  4. Madame Teresa
ব্যাখ্যা
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ছিলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত।
- তিনি ছিলেন ইতালিয়ান নাগরিক।
- ১৮২০ সালের ১২ মে ইতালির ফ্লোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।

⇒ ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।
- লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে নার্সিংকে সম্পূর্ণ পেশারূপে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ১৮৬০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ যার বর্তমান নাম ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং।

উল্লেখ্য,
- তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে যুদ্ধরত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসেন।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- তিনি দিনের বেলায় কাজ করে রাতের বেলায় আহত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন।
- এ যুদ্ধে চিকিৎসা সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বলা হয় ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প‘।

⇒ ১৮৮৩ সালে রানি ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ পদক প্রদান করেন।
- প্রথম নারী হিসেবে ‘অর্ডার অব মেরিট’ খেতাব লাভ করেন ১৯০৭ সালে।
- ১৯০৮ সালে লাভ করেন লন্ডন নগরীর ‘অনারারি ফ্রিডম’ উপাধি।

উৎস: Britannica.
৪,৬৯৮.
ইমানুয়েল কান্ট কোন দেশের দার্শনিক?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. গ্রিস
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• ইমানুয়েল কান্ট:
 - ইমানুয়েল কান্ট জার্মান দার্শনিক ও নীতিবিজ্ঞানী।
- 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক তিনি।

- তার নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি।
যথা:
- সৎ ইচ্ছা,
- কর্তব্যের জন্য কর্তব্য
- শর্তহীন আদেশ।

• নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, HSC Programme, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৬৯৯.
সমুদ্র বন্দরবিহীন দেশ কোনটি?
  1. ক) লাওস
  2. খ) ভিয়েতনাম
  3. গ) জর্ডান
  4. ঘ) ইসরাইল
  5. ঙ) কেনিয়া
ব্যাখ্যা
লাওস পূর্ব এশিয়ার স্থলবেষ্টিত একটি দেশ। এর কোন সমুদ্রবন্দর নেই। বাকি দেশগুলোর সমুদ্র তট রয়েছে। (সূত্রঃ ব্রিটনিকা)
৪,৭০০.
নির্বাণ ধারণাটি কোন ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. হিন্দু
  2. খ্রিস্টান
  3. বৌদ্ধ
  4. ইসলাম
ব্যাখ্যা

নির্বাণ 
⇒  ভারতীয় ধর্মীয় চিন্তাধারায়, নির্বাণ হল নির্দিষ্ট ধ্যান অনুশীলনের চূড়ান্ত লক্ষ্য। 
⇒  যদিও এই শব্দটি বেশ কয়েকটি প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যে দেখা যায়, এটি প্রায়শই বৌদ্ধধর্মের সাথে যুক্ত , যেখানে এটি বৌদ্ধ পথের লক্ষ্য নির্দেশ করে সবচেয়ে প্রাচীন এবং সাধারণ শব্দ। নির্বাণ বলতে তৃষ্ণা, বিতৃষ্ণা এবং অজ্ঞতার নির্বাপণ এবং পরিণামে, দুঃখ এবং পুনর্জন্মকে বোঝায় এবং এর অর্থ "উড়িয়ে দেওয়া" বা "নিভে যাওয়া"।

- বৌদ্ধ ধ্যান হলো মানসিক একাগ্রতার অনুশীলন যা আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা বা নির্বাণের দিকে ধাপে ধাপে এগিয়ে নিয়ে যায়। নির্বাণ পশ্চিমা ভাষায় প্রবেশ করেছে আনন্দময় বা স্বর্গীয় অবস্থা বোঝাতে।

বৌদ্ধধর্ম :
⇒ বৌদ্ধধর্ম একটি প্রধান বিশ্বধর্ম এবং দর্শন, যা খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ থেকে চতুর্থ শতাব্দীতে উত্তর-পূর্ব ভারতে সিদ্ধার্থ গৌতম (বুদ্ধ) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো দুঃখ ও পুনর্জন্মের চক্র থেকে মুক্তি (নির্বাণ) অর্জন করা। বৌদ্ধধর্ম ধ্যান এবং নৈতিক নীতির উপর জোর দেয়। বুদ্ধ তার শিষ্যদের মাধ্যমে শিক্ষা প্রচার করেন এবং বৌদ্ধ সন্ন্যাসী সমাজ (সংঘ) প্রতিষ্ঠা করেন।

⇒বৌদ্ধধর্মের মূল শিক্ষাগুলি চারটি আর্য সত্যে সংক্ষেপিত, যার মধ্যে চতুর্থ হলো অষ্টমুখী পথ। এটি কিছু হিন্দু ধারণা যেমন কর্মের মতবাদ গ্রহণ করলেও দেবতা ও অন্যান্য ধারণা প্রত্যাখ্যান করে।

⇒ ভারতে সম্রাট অশোক খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেন, কিন্তু পরবর্তী শতাব্দীতে হ্রাস পায়। এটি শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, চীন, কোরিয়া ও জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। উনিশ শতকে ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে পশ্চিমা বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

⇒ বৌদ্ধধর্মের প্রধান দুটি শাখা হলো মহাযান এবং থেরবাদ, যা পৃথক অনুশীলন এবং ধর্মগ্রন্থের সংগ্রহ নিয়ে গঠিত। একবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বৌদ্ধধর্মের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৩৭৫ মিলিয়ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।