বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৪৪ / ৯৩ · ৪,৩০১৪,৪০০ / ৯,৩৩৪

৪,৩০১.
কত সালে পানিপথের তৃতীয়যুদ্ধ সংগঠিত হয়?
  1. ১৭৫৭ সালে
  2. ১৫৫৬ সালে
  3. ১৭৬১ সালে
  4. ১৭৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
পানিপথের যুদ্ধ: 
- পানি পথের যুদ্ধ বাংলার প্রাচীনতম যুদ্ধ। 
- পানিপথের তিনটি যুদ্ধ
• প্রথম ১৫২৬ সালে,
• দ্বিতীয় ১৫৫৬ সালে,
তৃতীয় ১৭৬১ সালে ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত।
- ভারতের হরিয়ানা প্রদেশের পানিপথ নামক স্থানে এ যুদ্ধগুলো সংঘটিত হয়।

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- মোগল সম্রাট বাবর ও দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদির সঙ্গে বাধে পানিপথের প্রথম যুদ্ধ। ইব্রাহিম লোদির সৈন্য সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ।
- তিনি যুদ্ধের ময়দানে ৩০ থেকে ৪০ হাজার সৈন্য নামিয়ে দেন।
- বাবর মাত্র ১৫ হাজার সৈন্য নিয়ে লড়াই করেন তাদের বিরুদ্ধে।
- যুদ্ধক্ষেত্রে কামানের ব্যবহার ও নতুন কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করতে সক্ষম হন বাবর।
- যুদ্ধ জয়ের পর বাবর ভারতে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তিস্থাপন করেন।
 
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ:
- ১৫৩০ সালে সম্রাট বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র হুমায়ুন সিংহাসনে বসেন।
- সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন তাঁর পুত্র আকবর।
- সম্রাট আকবরের সঙ্গে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ হয় সম্রাট হেমচন্দ্র বিক্রমাদিত্যের (হিমু)।
 - বৈরাম খাঁ সম্রাট আকবরের পক্ষে নেতৃত্ব দেন। এ যুদ্ধেও মোগলরা বিজয় লাভ করে।

পানিপথের তৃতীয়যুদ্ধ যুদ্ধ:
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ হয় আফগানিস্তানের অধিপতি আহমদ শাহ দুররানি (আহমদ শাহ আবদালী নামেও পরিচিত) ও মারাঠাদের অধিপতি বালাজি বাজি রাও-এর মধ্যে।
- এ যুদ্ধে আহমদ শাহ আবদালী মারাঠাদের পরাজিত করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৩০২.
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা কোনটি?
  1. পার্পল লাইন
  2. লাইন অব ডিমারকেশন
  3. লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল
  4. রেডক্লিফ লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৩০৩.
নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর বিখ্যাত উক্তি কোনটি? 
  1. শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য
  2. এক দেশ, এক মানুষ, এক লক্ষ্য
  3. তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো
  4. সত্যের পথে চলতে হবে
ব্যাখ্যা

সুভাষ চন্দ্র বসু:
- পরিচয়: স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবী নেতা; পরিচিত নাম নেতাজি।
- সামরিক অবদান: আজাদ হিন্দ ফৌজ পুনর্গঠন ও নেতৃত্ব।
- সরকার প্রতিষ্ঠা: নির্বাচিত আজাদ হিন্দ সরকার গঠন।
- যুদ্ধ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইফল ও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
- সহযোগিতা: জাপানের সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্য।
- বিখ্যাত উক্তি: “তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো”।
- জাতীয় দিবস: ২০২১ সালে জন্মদিনকে জাতীয় পরাক্রম দিবস ঘোষণা।
- গুরুত্ব: সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৪,৩০৪.
জেসমিন বিপ্লব কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. মিশর
  2. ইয়েমেন
  3. তিউনিসিয়া
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা
জেসমিন বিপ্লব:
- তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ২০১১ সালে এই বিপ্লব সংঘটিত হয়।

উল্লেখ্য,
- আরব বসন্ত শুরুর পর এই বিপ্লব হয়।
- তিউনেশিয়ার জাতীয় ফুল হচ্ছে জেসমিন ফুল।
- এ কারণেই এই বিপ্লব জেসমিন বিপ্লব হিসেবে পরিচিতি পায়।

উৎস: Britannica.
৪,৩০৫.
'ওসেনিয়ান' সভ্যতা বলা হয় কোনটিকে?
  1. গ্রিক সভ্যতা 
  2. মিশরীয় সভ্যতা 
  3. রোমান সভ্যতা 
  4. মেসোপটেমীয় সভ্যতা 
ব্যাখ্যা

গ্রিক সভ্যতা: 
- ইউরোপ মহাদেশের গ্রিক রাষ্ট্রের অন্তর্গত প্রাচীন কয়েকটি শহরকে কেন্দ্র করে গ্রিক সভ্যতার উদ্ভব ঘটে। 
- বলকান উপকূলের দক্ষিণাংশে অবস্থিত গ্রিক প্রায় পাঁচ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী বিস্তৃত। 
- ভূ-প্রকৃতি দেশটিকে তিন ভাগে বিভক্ত করে দিয়েছে।
- যথা: দক্ষিণ গ্রিস, মধ্য গ্রিস ও উত্তর গ্রিস। 
- মেসিডোনিয়ান অধিপতি আলেকজাণ্ডারের শাসনামলে এ সভ্যতার সীমা ছাড়িয়ে আধুনিক মিসর, ইসরাইল, প্যালেষ্টাইন, লেবানন, সিরিয়া, ইরাক ও ইরান হয়ে ভারতবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। 
- আড্রিয়াটিক সাগর, ভূমধ্যসাগর, ইজিয়ান সাগর দ্বারা বেষ্টিত থাকার কারণে গ্রিক সভ্যতাকে 'ওসেনিয়ান' (সাগরীয়) সভ্যতা বলা হয়। 

উল্লখ্য,
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞানচর্চার সূত্রপাত করে।
- ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন গ্রিক বিজ্ঞানীরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই এবং বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয়, প্রাকৃতিক কারণে ঘটে- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         iii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৩০৬.
আয়তনের দিক থেকে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা। দেশটিতে ম্যাপল গাছের আধিক্য এবং কানাডার জনজীবনে এর সংশ্লিষ্টতার জন্যে কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- বিশ্বের মোট ম্যাপল সিরাপের ৭০ ভাগই কানাডা থেকে রপ্তানি হয়।
- কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
- দেশটির আয়তন - ৩,৮৫৫,০৮১ বর্গ মাইল (৯,৯৮৪,৬৭০ বর্গ কিমি)।
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
- টরেন্টো হচ্ছে কানাডার বৃহত্তম শহর।
- দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।

তথ্যসূত্র - কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট।
৪,৩০৭.
চীনা পরিভাষায় ‘এ্যানিমেল ম্যান’ বলা হতো কাদের?
  1. ক) দাসদের
  2. খ) কৃষকদের
  3. গ) ভূস্বামীদের
  4. ঘ) যাযাবরদের
ব্যাখ্যা
অন্যান্য প্রাচীন সভ্যতার মতো চৈনিক সভ্যতায়ও সামাজিক বৈষম্য ছিল। সমাজে অনেক দাস ছিল। তাদের অবস্থা ছিল ভয়াবহ। সরকারিভাবে গবাদি পশু আর দাসদের একই তালিকায় রাখা হতো। চীনা পরিভাষায় এদের ‘এ্যানিমেল ম্যান’ বলা হতো। সাধারণ কৃষক ও ভূমিদাসদের অবস্থান ছিল সমাজে সবেচেয়ে নিচু স্তরে। ভূস্বামী ও কৃষকদের মধ্যে ব্যবধান ছিল আকাশপাতাল। সমাজ ছিল সম্পূর্ণভাবে অভিজাতদের নিয়ন্ত্রণে। সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪,৩০৮.
‘নির্বাণ’ ধারণাটি কোন ধর্মবিশ্বাসের সাথে সংযুক্ত রয়েছে? 
  1. বৌদ্ধধর্ম
  2. খ্রিষ্টধর্ম
  3. ইহুদীধর্ম
  4. জৈন ধর্ম
ব্যাখ্যা


নির্বাণ লাভ:
- গৌতম বুদ্ধের প্রচারিত ধর্মের মূল লক্ষ্য হল নির্বাণ।
- এর অর্থ হল সম্পূর্ণরূপে নির্বাপিত হওয়া।
- বৌদ্ধধর্ম ধর্মের মূল লক্ষ্য হল নির্বাণ লাভ।
- অর্থাৎ ভবচক্র বা জন্ম- মৃত্যুর ক্রমাবর্তন দুঃখ থেকে চিরমুক্তি লাভ করা।
- নির্বাণ শান্ত লক্ষণযুক্ত।
- দুঃখের উপশমই এর স্বভাব।
- নির্বাণ পরম সুখকর।
- কামনার বশবর্তী হয়ে জীবগণ ভব হতে ভবান্তরে জন্ম নিয়ে অশেষ দুঃখভোগ করে।
- তৃষ্ণা থেকে মুক্ত হতে পারলে দুঃখ নিরোধ হয়।
- এই ভবচক্র রূপ থেকে যিনি মুক্ত তিনি নির্বাণগামী হতে পারেন।
- অতএব তৃষ্ণাক্ষয়ের দ্বারা জন্ম- মৃত্যুরূপ দুঃখময় ভবচক্রের পূর্ণ নিরোধই নির্বাণ।

উৎস: বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩০৯.
২০১৯ সালে অ্যাবেল পুরস্কার জয় লাভ করেন কে?
  1. ক) জোখা আলহারথি
  2. খ) জেফরি হিন্টন
  3. গ) ইয়ান লিকুন
  4. ঘ) জোশুয়া বেনগিও
  5. ঙ) কেসকুলা উইলেনবেক
ব্যাখ্যা
২০০৩ সাল থেকে প্রবর্তিত গণিতে অসামাণ্য অবদানের জন্য অ্যাবেল পুরস্কার ২০১৯ লাভ করেন মাকিন নারী গতিজ্ঞ কেসকুলা উহলেনবেক। তিনি প্রথম নারী হিসেবে এই পদক লাভ করেন। অ্যাবেল পুরস্কারকে বিকল্প নোবেল পুরস্কার বলা হয়। ( সূত্রঃ অ্যাবেলপ্রাইজ ওয়েবসাইট)
৪,৩১০.
কোন সেনাপতির নেতৃত্বে মুসলমানরা স্পেন বিজয় করেন?
  1. ক) খালিদ বিন ওয়ালিদ
  2. খ) ওসমান গাজী
  3. গ) তারিক বিন যিয়াদ
  4. ঘ) মুহাম্মদ বিন কাশেম
ব্যাখ্যা
- উত্তর আফ্রিকার মুসলিম গভর্নর মুসা বিন নুসাইর এর সেনাপতি তারিক বিন যিয়াদের নেতৃত্বে প্রায় ১২ হাজার মুসলিম সৈন্য ৭১১ সালে স্পেন আক্রমণ করে স্পেনের রাজা রডারিককে পরাজিত করে স্পেন দখল করেন।
- পরবর্তীতে মুসা বিন নুসাইর আরও ১২ হাজার সৈন্য নিয়ে স্পেনে প্রবেশ করলে সমগ্র স্পেন মুসলমানদের দখলে আসে।
- মুসলমানরা প্রায় আটশ বছর স্পেন শাসন করে।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস)
৪,৩১১.
নিচের কোনটি ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন?
  1. এলটিটিই (LTTE)
  2. হামাস
  3. এমএনএলএফ
  4. হিজবুল্লা
ব্যাখ্যা
হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- হামাস ১৯৮৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- হামাস ইসরাইল-ফিলিস্তিনি সংঘাতে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর ধর্মনিরপেক্ষ পদ্ধতির বিরোধিতা করেছিল এবং ফিলিস্তিনের যে কোনও অংশ হস্তান্তর করার প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।
- হামাস ইসরায়েল এবং পিএলও- এর মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির নিন্দা করেছিল।
- এর সদরদপ্তর গাজায়।

অন্যদিকে -
- ফিলিপাইনের গেরিলা সংগঠন MNLF।
- লেবাননের গেরিলা সংগঠন হিজবুল্লাহ।
- শ্রীলঙ্কার গেরিলা সংগঠন LTTE.

উৎস: Britannica.
৪,৩১২.
কুয়েত এর মুদ্রার নাম কি?
  1. ক) দিরহাম
  2. খ) দিনার
  3. গ) রিয়াল
  4. ঘ) লিরা
ব্যাখ্যা
দিনার কুয়েতের মুদ্রার নাম, দিরহাম সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুদ্রা, লিরা তুরষ্কের মুদ্রার নাম এবং রিয়াল সৌদি আরব এর মুদ্রার নাম।
৪,৩১৩.
আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল কী নামে পরিচিত?
  1. গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
  2. গোল্ডেন ক্রিসেন্ট
  3. গোল্ডেন ওয়েজ
  4. গোল্ডেন ভিলেজ
ব্যাখ্যা
গোল্ডেন ক্রিসেন্ট:
- আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।

অন্যদিকে -
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল: গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি (মায়ানমার ,থাইল্যান্ড ,লাওস) দেশের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- গোল্ডেন ওয়েজ: বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ।
- গোল্ডেন ভিলেজ: বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.
৪,৩১৪.
নিচের কোন দেশটি ভৌগোলিকভাবে 'হর্ন অব আফ্রিকা' অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. সেনেগাল
  2. সিচেলিস
  3. সোয়াজিল্যান্ড
  4. জিবুতি
ব্যাখ্যা
আফ্রিকা মহাদেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত হর্ন অব আফ্রিকা হলো একটি উপদ্বীপ। হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত দেশসমূহ হলো:
- ইরিত্রিয়া
- সোমালিয়া
- জিবুতি এবং
- ইথিওপিয়া।

অন্যদিকে,
সেনেগাল : পশ্চিম আফ্রিকা
সোয়াজিল্যান্ড : দক্ষিণ আফ্রিকা
সিচেলিস : ভারত মহাসাগর।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
৪,৩১৫.
বিশ্বের কোন দেশে ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক?
  1. সুইডেন
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ভোট প্রদান:
- ভোট প্রদান করার মাধ্যমে যোগ্য প্রতিনিধিকে নির্বাচন করা হয়।
- পৃথিবীতে এমনও কিছু দেশ রয়েছে যেখানে আপনাকে ভোট দিতেই হবে এবং এটা বাধ্যতামূলক।
- আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস ও ইকুয়েডোরে ভোট দিতেই হবে।
- এ ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া, পেরু, সিঙ্গাপুর, উরুগুয়ে, সুইজারল্যান্ডে এই কম্পলসারি ভোটের আইন চালু রয়েছে।

এছাড়াও,
- আর্জেন্টিনায় ১৭ থেকে ৭০ বছরের নাগরিককে অবশ্যই ভোট দিতে হবে।  
- দেশটিতে এই আইন চালু হয় ১৯১২ সালে।
- অস্ট্রেলিয়ায় ১৯২৪ সালে প্রথম কম্পলসারি ভোটের আইন চালু হয়।
- সাইপ্রাসে ১৯৬০ সাল থেকে এই আইন চালু হয়।
- ১৯৩৬ সালে ইকুয়েডোরে চালু করা হয় এই আইন।  

উৎস: Worldatlas & দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৩১৬.
Sumerian civilization is a part of which civiliazation?
  1. Mesopotamian
  2. Akkandian
  3. Egypt
  4. Hebrew
  5. Mayan
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমিয় সভ্যতা:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের সীমারেখার মধ্যেই প্রাচীনকালে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- ফোরাত (ইউফ্রেটিস) ও দজলা (টাইগ্রিস) নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ হতে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের মধ্যে মেসোপটেমিয়ায় অতি উন্নত এক সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
- সেগুলো হলো: সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা।

উৎস: Britannica.
৪,৩১৭.
নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করা হয় -
  1. ক) ৬ আগস্ট, ১৯৪৫
  2. খ) ৯ আগস্ট, ১৯৪৫
  3. গ) ৬ আগস্ট, ১৯৪৪
  4. ঘ) ৯ আগস্ট, ১৯৪৪
ব্যাখ্যা

- ৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা লিটল বয় নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র আরেক শহর নাগাসাকিতে আরো একটি পারমাণবিক বোমা ফ্যাট ম্যান নিক্ষেপ করে।
- লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান নামক পারমাণবিক বোমা দুটি নিক্ষেপের নির্দেশদাতা ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি ট্রুম্যান।

উৎস: Britannica.com

৪,৩১৮.
প্রাচ্যকে পাশ্চাত্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় কে?
  1. ক) চেঙ্গিস খান
  2. খ) কুবলাই খান
  3. গ) মার্কো পোলো
  4. ঘ) হিউয়েন সাং
ব্যাখ্যা
- ক্রয়দশ শতাব্দীর শুরুতেই চেঙ্গিস খান শক্তিশালী মঙ্গোল সাম্রাজ্যের গোড়পত্তন করেন।
- তাঁর পৌত্র কুবলাই খান চীন থেকে ইউরোপ অব্দি বিস্তৃত বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি ছিলেন।
- ইউরপীয়দের কাছে চীনের তৎকালীন নাম ছিলো ক্যাথে।
- ইতালিয় পরিব্রাজক মার্কো পোলো ১২৭১ থেকে ১২৯৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপ থেকে সিল্ক রোডে এশিয়া ভ্রমণ করেন এবং এই ভ্রমণ কাহিনী নিয়ে বই লিখেন।
- তিনি প্রথম ইউরোপীয় ছিলেন না যে প্রাচ্যে ভ্রমণ করে; কিন্তু তিনিই ছিলেন প্রথম ইউরোপীয়, যিনি প্রাচ্যকে পাশ্চাত্যের কাছে পরিচয় করিয়ে দেন।

তথ্যসূত্র: নবম ও দশম শ্রেনীর ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
৪,৩১৯.
স্পেনের রাজধানীর নাম কী?
  1. ভ্যালেন্সিয়া
  2. সেভিয়া
  3. বার্সেলোনা
  4. মাদ্রিদ
ব্যাখ্যা
স্পেন:
- স্পেন ইউরোপের বৃহত্তম দেশগুলির মধ্যে একটি
- আয়তন: ১৯৫,৩৬১ বর্গ মাইল (৫০৫,৯৮৩ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: মাদ্রিদ।
- ভাষা: কাস্টিলিয়ান স্প্যানিশ (অফিসিয়াল), কাতালান, গ্যালিসিয়ান, বাস্ক।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক)।
- মুদ্রা: ইউরো।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
৪,৩২০.
পূর্ব তিমুর কোন মহাদেশে অবস্থিত একটি দেশ?
  1. ক) ইউরোপ
  2. খ) উত্তর আমেরিকা
  3. গ) আফ্রিকা
  4. ঘ) এশিয়া
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশ:
- পূর্ব তিমুর এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত একটি দেশ।

- এশিয়া আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম এবং সর্বাধিক জনবহুল মহাদেশ।
- এশিয়া মহাদেশের আয়তন সারা বিশ্বের মোট ভূমির - ৩০% এবং মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬০% বসবাস করে।
- এশিয়া মহাদেশের আয়তন ১৪,৪৫,৭৯,০০০ বর্গ কিলোমিটার বা ৮,৮১,৯৩, ১৯০ বর্গ মাইল।
- এশিয়ার পূর্বে - প্রশান্ত মহাসাগর; উত্তরে - আর্কটিক মহাসাগর/ উত্তর মহাসাগর;
- দক্ষিণে - ভারত মহাসাগর ও পশ্চিমে - ইউরোপ মহাদেশ অবস্থিত।

- এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ - চীন এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ – জাপান।
- মোট দেশের সংখ্যা - ৪৯টি (স্বাধীন ও সার্বভৌম ৪৮টি)। 
- সর্বশেষ স্বাধীন দেশ - পূর্ব তিমুর (২০০২ সাল)

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৩২১.
২০২৪ সালে ইউরোপীয় কমিশন ইউরোপের সবুজ রাজধানী হিসেবে কোনটিকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ভ্যালেন্সিয়া, স্পেন
  2. অসলো, নরওয়ে
  3. ভেনিস, ইতালি
  4. তালিন, এস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ইউরোপের সবুজ রাজধানী:
- ইউরোপীয় কমিশন ইউরোপের সবুজ রাজধানী হিসেবে স্পেনের ভ্যালেন্সিয়াকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ইউরোপীয় কমিশনের মতে ভ্যালেন্সিয়াতে ৫০ লাখ বর্গমিটার সবুজ এলাকা রয়েছে।
- কমিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী,এর আয়তন ১৩৪ দশমিক ৬ বর্গকিলোমিটার।
- বিজয়ী শহর কর্তৃপক্ষকে পরিবেশের টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য ছয় লাখ ইউরো দেওয়া হয়।

অন্যদিকে,
- আগে সবুজ রাজধানী খেতাব পাওয়া শহরগুলো হলো - এস্তোনিয়ার রাজধানী তালিন ও নরওয়ের রাজধানী অসলো।

উৎস: রয়টার্স ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

৪,৩২২.
নিচের কোনটি বাফার রাষ্ট্র নয়?
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. মঙ্গোলিয়া
  4. চীন
ব্যাখ্যা

বাফার রাষ্ট্র :
- দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত দেশকে বাফার স্টেট বলা হয়।
- দুটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশের মধ্যস্থলে অবস্থিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক সময় বিশেষভাবে সাহায্য করে।
- দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত বেলজিয়ামের কথা উল্লেখ করতে পারি।
- বৈশ্বিক রাজনীতি ও কুটনীতিতে দুই বা ততােধিক বিবাদমান শক্তি বা দেশসমূহের মধ্যে সংঘর্ষ ও সংঘাত এড়ানাের জন্য দুইরাষ্ট্র বা শক্তির মাঝখানে যে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র সৃষ্টি করা হয় বা বজায় রাখা হয় এবং যা অস্তিত্বশীল, সে রাষ্ট্রকে বাফার রাষ্ট্র বলা হয়।
- ভারত-চীন দুটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশের মধ্যস্থলে নেপাল ও ভুটান বাফার স্টেট।
- মঙ্গোলিয়া (চীন-রাশিয়ার মাঝে) বাফার স্টেটের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
- চীন বাফার রাষ্ট্র নয়। চীন নিজেই বৃহৎ শক্তিশালী দেশ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৩২৩.
লিবিয়ার রাজধানীর নাম কী?
  1. সাবহা
  2. বেনগাজি
  3. আল-বায়দা
  4. ত্রিপোলি
ব্যাখ্যা
লিবিয়া:
- এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ।
- আয়তন: ৬৪৭,১৮৪ বর্গ মাইল (১,৬৭৬,১৯৮ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: ত্রিপোলি।
- ভাষা: আরবি (সরকারি); ইতালীয় এবং ইংরেজি।
- ধর্ম: ইসলাম (সরকারি; প্রধানত সুন্নি) ও এছাড়াও খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: লিবিয়ান দিনার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৩২৪.
নিচের কে গ্রিক দেবতা?
  1. আর্টেমিস
  2. নেফের তিতি
  3. অ্যাপোলো
  4. মাইকেরি নুস
ব্যাখ্যা

 গ্রিক দেবতার মূর্তি অ্যাপোলো ।
- গ্রীকরা বহু দেবতায় বিশ্বাসী ছিল।
- গ্রীকদের প্রধান দেবতা ছিল জিউস।
- দেবতা অ্যাপোলো ও দেবী এথেনাও ছিলেন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- গ্রীকরা বিশ্বাস করত দেবতাদের বাস উত্তর গ্রীসের অলিম্পাস পর্বতের চূড়ায়।
- আফ্রেডায়িট হচ্ছে ভালোবাসা রোমান্স এবং সৌন্দর্যের দেবী ।
- এথেনা ছিল প্রজ্ঞার দেবী ।

উৎস: Britannica.com 

৪,৩২৫.
স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র নয় কোনটি?
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইডেন
  3. নরওয়ে
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
⇒ বেলজিয়াম স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র নয়।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com
৪,৩২৬.
নিম্নের কোন দেশটি হর্ন অব আফ্রিকার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) ইথিওপিয়া
  2. খ) রুয়ান্ডা
  3. গ) সোমালিয়া
  4. ঘ) ইরিত্রিয়া
ব্যাখ্যা
- পূর্ব আফ্রিকা অঞ্চলের একটি দেশ হচ্ছে রুয়ান্ডা।
- আফ্রিকা প্রচলিতভাবে পাঁচটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত - দক্ষিণ, উত্তর, মধ্য, পশ্চিম এবং পূর্ব আফ্রিকা।
- পূর্ব আফ্রিকা, যা আফ্রিকার পূর্ব বা পূর্ব আফ্রিকা নামেও পরিচিত, ১৮টি দেশ নিয়ে গঠিত বৃহত্তম অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি।
- পূর্ব আফ্রিকান অঞ্চলের মধ্যে পূর্ব আফ্রিকা সম্প্রদায়, আফ্রিকান গ্রেট লেক অঞ্চল এবং হর্ন অফ আফ্রিকা সহ অন্যান্য উপ-অঞ্চল রয়েছে।

হর্ন অফ আফ্রিকা হল - ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া এবং জিবুতি নিয়ে গঠিত মহাদেশের পূর্বতম সম্প্রসারণ যার সংস্কৃতি এবং ইতিহাস বিগত বছরগুলিতে সংযুক্ত রয়েছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৩২৭.
সম্প্রতি কোন দ্বীপ রাষ্ট্রে যুক্তরাষ্ট্র তার দূতাবাস পুনঃচালু করার ঘোষণা দেয়?
  1. ক) মাইক্রোনেশিয়া
  2. খ) পালাউ
  3. গ) সলোমন দ্বীপপুঞ্জ
  4. ঘ) মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
ওশেনিয়ার দেশ সলোমন দ্বীপপুঞ্জে ২৯ বছর পর আবারও দূতাবাস চালু করার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
- ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে দূতাবাস খুলে এবং ১৯৯৩ সালের ৩০ জুলাই বন্ধ করে দেয়।
- সম্প্রতি ২০২২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় দূতাবাস খোলার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৪,৩২৮.
সেভেন সিস্টার্সের কোন রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই?
  1. আসাম
  2. মিজোরাম
  3. অরুণাচল
  4. মেঘালয়
ব্যাখ্যা

সেভেন সিস্টার্স:
- সেভেন সিস্টার্সের অরুণাচল রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৪,৩২৯.
১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট কী?
  1. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়
  2. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস
  3. বৃটেনের আইনসভার চিফ হুইপ এর কার্যা
  4. ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
 - বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন - ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- বৃটেনের অর্থমন্ত্রীর বাসভবন - ১১ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- বৃটিশ রাজপরিবারের বাসভবন - বাকিংহাম প্যালেস (লন্ডন)।
-  সংবিধান - অলিখিত।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী - রবার্ট ওয়ালপল।
- রাষ্ট্রপ্রধান - রাজা তৃতীয় চার্লস।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
 
৪,৩৩০.
দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসন ছিল -
  1. ২২০ বছর
  2. ২৮৮ বছর
  3. ৩৪২ বছর
  4. ৪০০ বছর
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।
- দেশটির আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- যথা: উচ্চকক্ষ National Council, নিম্নকক্ষ National Assembly.
- মুদ্রা: র‍্যান্ড।

⇒ দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬১ সালের নেলসন ম্যান্ডেলার আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র শাখা গঠন করেন।
- ১৯৬৪ সালে অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় বর্ণবাদী সরকার।
- দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর ১৯৯০ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা মুক্তি পান।
- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৯৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সকল শ্রেণীর লোকের অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেলসন ম্যান্ডেলা দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৪২ বছর শ্বেতাঙ্গ শাসনে ছিল।
- ১৯৯৪ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৩৪২ বছরের শ্বেতাঙ্গ শাসনের অবসান হয়।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্টের নাম এফডব্লিউডি ক্লার্ক।

উৎস: Britannica.
৪,৩৩১.
ইন্টারফ্যাক্স কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) কানাডা
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ স্বাধীন সংবাদ সংস্থা।
Source: Encyclopedia
৪,৩৩২.
Who among these developed a system of writing for the blind?
  1. Ludwig van Beethoven
  2. Louis Braille
  3. Benjamin Franklin
  4. Davitbor
  5. None of above
ব্যাখ্যা
লুইস ব্রেইল:
- অন্ধ ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য পড়ালেখার বিশেষ পদ্ধতির নাম ব্রেইল।
- এর আবিষ্কারক লুইস ব্রেইল।
- লুইস ব্রেইল ১৮০৯ সালের ৪ জানুয়ারি প্যারিসের নিকটবর্তী কুপভেরি নামের একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিন বছর বয়সে বাবার কারখানায় খেলতে গিয়ে সুঁই জাতীয় ধারালো জিনিস দিয়ে এক মারাত্মক দুর্ঘটনায় তাঁর দুটো চোখই নষ্ট হয়ে যায়।
- তিনি অন্ধ হয়ে যান।
- ১৫ বছর বয়সে তিনি অন্ধদের লেখা ও পড়ার জন্য কাগজের ওপর মাত্র ছয়টি ডট দিয়ে একটি অতি সহজ ভাষা ও পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- ১৮২৭ সালে তিনি প্রথম ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য,
- অন্ধ লোকেরা সেই ছয়টি ডটের জাদু দিয়ে তাঁদের জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারেন।
- আগে টাইপ মেশিনে ব্রেইল অক্ষর লেখা হতো, বর্তমানে লেখা হয় কম্পিউটারে।

উৎস: Britannica.
৪,৩৩৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কে? [মে,২০২৫]
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. কমলা-হ্যারিস
  3. জেডি ভ্যান্স
  4. জেমস শেরম্যান
ব্যাখ্যা
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড জন ট্রাম্প। (মে, ২০২৫)।
- বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

• ডোনাল্ড জন ট্রাম্প:
-ডোনাল্ড জন ট্রাম্প (Donald John Trump) ১৪ জুন, ১৯৪৬ সালে।
- জন্মস্থান: কুইন্স, নিউ ইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
-জাতীয়তা: আমেরিকান।
- পেশা: ব্যবসায়ী, টিভি ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিবিদ।
- প্রধান ব্যবসা: রিয়েল এস্টেট (Trump Organization)।
- টেলিভিশন: 'The Apprentice' নামে রিয়েলিটি শো-এর হোস্ট ছিলেন (২০০৪-২০১৫)।

রাজনৈতিক জীবন:
- রাজনৈতিক দল: রিপাবলিকান পার্টি।
- প্রেসিডেন্ট পদে অভিষেক: ২০ জানুয়ারি, ২০১৭।
- ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট।
- ২০২০ নির্বাচনে পরাজয় জো বাইডেনের কাছে হেরে যান।

উৎস: Britannica.
৪,৩৩৪.
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য কবে নিউ আটলান্টিক চার্টারে স্বাক্ষর করে?
  1. ১০ জুন ২০২১
  2. ১৪ জুন ২০২১
  3. ০৪ জুলাই ২০২১
  4. ১৪ আগস্ট ২০২১
ব্যাখ্যা
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন গত ১০ জুন ২০২১ যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালে ‘নিউ আটলান্টিক চার্টারে’ স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৪১ সালের ১৪ আগস্ট আটলান্টিক মহাসাগরে প্রিন্স অব ওয়েলস রণতরীতে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট এবং তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল আটলান্টিক সনদ বা চার্টারে স্বাক্ষর করেছিলেন।
(তথ্যসূত্র: ওয়াইটহাউজ ওয়েবসাইট)
৪,৩৩৫.
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রধান নেতা কে ছিলেন?
  1. চিয়াং কাইশেক
  2. সান ইয়েৎ সেন
  3. মাও সেতুং
  4. শি ঝংজুন
ব্যাখ্যা

চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (Cultural Revolution):
- ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং - এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয় (১০ বছর স্থায়ী)।
- গণপ্রজাতন্ত্র চীন (People's Republic of China) প্রতিষ্ঠিত হয় মাও সেতুং নেতৃত্বে।
- তাকে বলা হয় গণচীনের জনক।
- সমগ্র চীনে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই বিপ্লব শুরু হয়।
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়। 
- চীন এই সময় বিদেশী পণ্য পরিহার করে শুধু নিজেদের উৎপাদিত পণ্য ব্যবহার শুরু করে।
- এর ফলে চীনের অর্থনীতি চাঙ্গা হয়।
- যদিও চীনের সমাজতন্ত্র বিরোধী জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ হত্যাকান্ড ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 

৪,৩৩৬.
কোন ব্যবস্থায় কোন কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব নেই?
  1. নৈরাজ্যবাদ
  2. বাস্তববাদ
  3. উদারতাবাদ
  4. জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
নৈরাজ্যবাদ:
- এই ব্যবস্থায় কোন কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব নেই।
- নৈরাজ্যবাদ (Anarchism) একটি মতবাদ ও দৃষ্টিভঙ্গির সমষ্টি, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই বিশ্বাস যে সরকার বা রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনা ক্ষতিকর এবং অপ্রয়োজনীয়।
- "Anarchism" শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "anarchos" থেকে, যার অর্থ "কোনো কর্তৃত্ব নেই"।
- অরাজকতাবাদীরা বিশ্বাস করেন, সরকার, আইন এবং কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব মানব স্বাধীনতার পরিপন্থী।
- এদের মতে, মানুষ নিজে নিজেই নিজের জীবন পরিচালনা করতে পারে পরস্পর সহযোগিতামূলক ভিত্তিতে, কোনো জোরপূর্বক কর্তৃত্বের প্রয়োজন নেই।
- মূলত পশ্চিমা বিশ্বে এই মতবাদের বিকাশ ঘটে এবং বিশ শতকের শুরুর দিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
- এটি সমাজতন্ত্র, কমিউনিজম, কিংবা স্বতন্ত্রবাদী মতবাদের মতো বিভিন্ন রূপে বিকশিত হয়েছে।
- কারো কাছে নৈরাজ্যবাদ মানে প্রকৃত স্বাধীনতা ও সমতার স্বপ্ন, আবার অন্যদের চোখে এটি অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার প্রতীক।

উৎস: Britannica.
৪,৩৩৭.
আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ রাশিয়া, দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ হলো কানাডা, তৃতীয় বৃহত্তম দেশ যুক্তরাষ্ট্র, চতুর্থ বৃহত্তম দেশ চীন।
Source: Worldatlas
৪,৩৩৮.
কোন দেশকে 'হাজার হ্রদের দেশ' বলা হয়?
  1. নরওয়ে
  2. ফিনল্যান্ড 
  3. সুইডেন 
  4. আইসল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ফিনল্যান্ড:
- ফিনল্যান্ড “হাজার হ্রদের দেশ” নামে পরিচিত।
- ফিনল্যান্ডকে “হাজার হ্রদের দেশ” বলা হয়, কারণ এই উত্তর ইউরোপীয় দেশে অসংখ্য ছোট-বড় হ্রদ ছড়িয়ে আছে।
- হ্রদগুলো দেশটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এই উত্তর ইউরোপীয় দেশ বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ অঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- হ্রদগুলো মূলত বরফের চাপে ভূমি দেবে গিয়ে তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে দেশের মধ্য ও পূর্ব অংশের Lakeland অঞ্চলে।
- এই হ্রদগুলো ফিনিশ সংস্কৃতি ও জীবনধারার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
- ফিনল্যান্ডের মোট এলাকার ১০% এরও বেশি অংশ জল দ্বারা আবৃত।
-  ফিনল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত। 
-----------------------------
উল্লেখ্য, 
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ক নিয়ে গঠিত।
----------------------------------------
অন্যদিকে,
- নরওয়েকে বলা হয় নিশীথ সূর্যের দেশ। 
- সুইডেন সবচেয়ে ছোট স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ।
- আইসল্যান্ডকে বলা হয় আগুনের দ্বীপ।

উৎস: Britannica.

৪,৩৩৯.
কোন দেশটি ইন্দোচীন এর অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. ক) লাওস
  2. খ) ভিয়েতনাম
  3. গ) মালয়েশিয়া
  4. ঘ) কম্বােডিয়ার
ব্যাখ্যা
ইন্দোচীন- 
- ফ্রান্স অষ্টাদশ শতকে ইন্দোচীন হিসাবে পরিচিত বর্তমান ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বােডিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত অঞ্চলটির উপর শাসন অব্যাহত রাখে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাপান ইন্দোচীন দখল করে নেয়।
- ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনাম স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ফ্রান্স ভিয়েতনামকে ফরাসি ইউনিয়নের অধীনে একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৪৬ সালে দেশটির উপর পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৩৪০.
কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে কিন্তু কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই?
  1. তাইওয়ান
  2. ইসরায়েল
  3. কোসোভো
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা
• তাইওয়ান:
- চীনের আপত্তির কারণে বাংলাদেশের তাইওয়ানের সাথে কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।
- তবে দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- বাংলাদেশের তাইওয়ানের সাথে বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

• ইসরায়েল:
- বাংলাদেশের ইসরায়েলের সাথে কোনও আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

• কোসোভো:
- বাংলাদেশ কোসোভোকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ২০১৭ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
-  স্বীকৃতি দেওয়ার আগে থেকেই বাংলাদেশের কোসোভোর সাথে রফতানি ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে।

• নাইজেরিয়া সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৩৪১.
চীনের 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' প্রকল্প কোন দেশসমূহের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি করবে?
  1. এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা
  2. এশিয়া, আফ্রিকা, আরব
  3. এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা
  4. এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

- চীনের 'ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড' (OBOR) বা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) মূলত এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে ব্যাপক সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
- এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।

- এই প্রকল্পটি দুটি প্রধান অংশে বিভক্ত:
→ প্রথমত, 'সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট' যা স্থলপথে চীন থেকে মধ্য এশিয়া হয়ে ইউরোপ পর্যন্ত বিস্তৃত রেল ও সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে।
→ দ্বিতীয়ত, '২১শ শতকের মেরিটাইম সিল্ক রোড' যা সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া হয়ে আফ্রিকা ও ইউরোপের বন্দরগুলোর সাথে চীনের নৌ-সংযোগ প্রতিষ্ঠা করছে।

উল্লেখ্য, 
- এই বিশাল পরিকল্পনায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, রাশিয়া, জার্মানি, ইতালি, কেনিয়া, ইথিওপিয়াসহ ৭০টিরও বেশি দেশ অংশগ্রহণ করছে।
- প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে এই তিন মহাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।  

সূত্র: ব্রিটানিকা ও Businessinsider নিউজ। 

৪,৩৪২.
নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. সরোজিনী লামা
  2. কে পি শর্মা অলি
  3. সুশীলা কারকি
  4. সবিতা ভাণ্ডারি
ব্যাখ্যা

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী:
- গত ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সুশীলা কারকি।
- এর আগে ২০১৬-২০১৭ সালে তিনি প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহিষ্ণু’ অবস্থান নিয়ে আলোচিত ছিলেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি তরুণদের নেতৃত্বে নেপালে ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে কে পি শর্মা অলি নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটে।
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৭০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।
- এর পর বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ও সেনাপ্রধানের আলোচনার ভিত্তিতে সুশীলাকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- আগামী বছরের ৫ মার্চ দেশটিতে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৪,৩৪৩.
এলিফ্যান্ট পাস (Elephant Pass)’ শ্রীলঙ্কার কোন প্রদেশে অবস্থিত?
  1. পশ্চিম প্রদেশ
  2. দক্ষিণ প্রদেশ
  3. উত্তর প্রদেশ
  4. পূর্ব প্রদেশ
ব্যাখ্যা

- শ্রীলঙ্কা ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা ১৯৭৪ সালে পক প্রণালিতে নির্ধারিত হয়।
- শ্রীলঙ্কার উত্তর প্রদেশে অবস্থিত 'এলিফ্যান্ট পাস (Elephant Pass)' একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা,
- যা গৃহযুদ্ধের সময় বিশেষ কৌশলগত গুরুত্ব বহন করেছিল।
- শ্রীলঙ্কার মান্নার দ্বীপ মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

শ্রীলঙ্কা:

- রাষ্ট্রীয় নাম: ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট রিপাবলিক অব শ্রীলঙ্কা (Democratic Socialist Republic of Sri Lanka.
- স্বাধীনতা লাভ: ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে (ব্রিটিশ শাসন থেকে, সিলোন নামে);
- রাষ্ট্রব্যবস্থা: গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (unitary multiparty republic);
- শাসনপদ্ধতি: রাষ্ট্রপতি ও সংসদীয় গণতন্ত্রের সমন্বয় (রাষ্ট্রপতি নির্বাহী ক্ষমতাসম্পন্ন);
- রাজধানী: শ্রী জয়াবর্ধনপুরা কোট্টে (Sri Jayawardenepura Kotte আইনসভা); 
- কলম্বো (Colombo - নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয়);
- আইনসভা: পার্লামেন্ট (এককক্ষ বিশিষ্ট, ২২৫ আসন);
- প্রকৃতি: দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপরাষ্ট্র (ভারত মহাসাগরে, ভারতের দক্ষিণে অবস্থিত);
- রাষ্ট্রীয় ভাষা: সিংহলী (Sinhala) ও তামিল (Tamil);
- যোগাযোগের ভাষা: ইংরেজি; জাতীয় মুদ্রা: শ্রীলঙ্কান রুপি (Sri Lankan Rupee);
- জাতিগত গোষ্ঠী: সিংহলী, তামিল, মুসলিম (মুর), বার্গার;
- ধর্ম: বৌদ্ধধর্ম (প্রধানত সিংহলীদের মধ্যে প্রচলিত, রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশেষ মর্যাদাপ্রাপ্ত)।

উৎস: Britannica, এবং সরকারি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪,৩৪৪.
'ভাইমার রিপাবলিক' এর সাথে জড়িত কোন দেশ?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

ভাইমার রিপাবলিক: 
- 'ভাইমার রিপাবলিক' জার্মানির ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি ১৯১৮ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত জার্মানিতে বিদ্যমান ছিল।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির পরাজয়ের পর ভাইমার প্রজাতন্ত্র গঠন করা হয়।
- এটি জার্মান প্রগতিবাদীদের উদ্যোগে গঠিত হয়, এবং ১৯১৯ সালে এর সংবিধান রচিত হয়।
- ভাইমার প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রিডরিশ এবার্ট, তিনি ১৯২৫ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন।
- ১৯৩৩ সালে ফিল্ড মার্শাল হিন্ডেনবুর্গের মাধ্যমে অ্যাডলফ হিটলার ক্ষমতায় আসেন, এর পর জার্মানিতে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো। 

৪,৩৪৫.
পৃথিবীর কোন দেশের নাগরিকদের ‘ডাচ' বলা হয়?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) ব্রাজিল
  3. গ) নিউজিল্যান্ড
  4. ঘ) নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- ইংরেজি-ভাষী লোকেরা নেদারল্যান্ডস এবং জার্মানি উভয়ের লোকেদের বর্ণনা করতে ডাচ শব্দটি ব্যবহার করেছিl.
- এখন শুধু নেদারল্যান্ডস এর লোকেদেরই ডাচ বোঝানো হয়। 
- বিশেষত উচ্চ ডাচ শব্দগুচ্ছটি এখন দক্ষিণ জার্মানির পার্বত্য অঞ্চলের লোকেদের উল্লেখ করে। 
- নিম্ন ডাচরা এখন নেদারল্যান্ডসের সমতল ভূমির লোকদের উল্লেখ করে।
- শব্দটি এত ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল যে ১৮১৫ সালে যখন তারা একটি আনুষ্ঠানিক, পৃথক দেশ হয়ে ওঠে, তখন তারা নেদারল্যান্ডস রাজ্যে পরিণত হয়।

উৎস: Why Are People From The Netherlands Called Dutch, Dictionary.com
৪,৩৪৬.
১৪ -তম G-20 শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) জাপান
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

১৪তম (২০১৯) - জাপান
১৫তম (২১-২২ নভেম্বর, ২০২০) - সৌদি আরব
১৬তম (২০২১) - ইটালি
১৭তম (২০২২) - ভারত

৪,৩৪৭.
'ইনিড’ মহাকাব্য কে রচনা করেছেন?
  1. ক) ওভিদ
  2. খ) লিভি
  3. গ) অগাস্টাস সিজার
  4. ঘ) ভার্জিল
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা:
- রোম যুগে সাহিত্যে অবদানের জন্য প্লুটাস ও টেরেন্সর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- এরা দু'জন মিলনাত্মক নাটক রচনার ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। 
- সাহিত্য ক্ষেত্রে সবচেয়ে উন্নতি দেখা যায় অগাস্টাস সিজারের সময়। 
- এ যুগের কবি হোরাস ও ভার্জিল যথেষ্ট খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। 
- ভার্জিলের মহাকাব্য “ইনিড’ বহু ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে
- ওভিদ ও লিভি এ যুগের খ্যাতনামা কবি। 
- লিভি ইতিহাসবিদ হিসেবেও বিখ্যাত ছিলেন। 
- বিখ্যাত ঐতিহাসিক ট্যাসিটাসও এ যুগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
৪,৩৪৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কত বছর পূর্তিতে 'কর্নার স্টোন অব পিস' স্থাপিত হয়?
  1. ২৫ বছর
  2. ৫০ বছর
  3. ৭৫ বছর
  4. ১০০ বছর
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তিতে ১৯৯৫ সালে জাপানের ওকিনাওয়ায় 'কর্নার স্টোন অব পিস' স্মৃতিসৌধটি স্থাপিত হয়।
- ওকিনাওয়া প্রশাসনিক অঞ্চল হল জাপানের দক্ষিণে অবস্থিত ১০০০ কিমি দীর্ঘ রিউকিউ দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণের দুই তৃতীয়াংশ।
- এটি জাপানের দক্ষিণতম প্রশাসনিক অঞ্চল।
- এর রাজধানী ওকিনাওয়া দ্বীপের দক্ষিণে অবস্থিত নাহা নগর।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১, ৮৫, ০০০ সেনা নিয়ে ওকিনাওয়া অধিকার করে।
- প্রশাসনিক অঞ্চলটির এক তৃতীয়াংশ মানুষ প্রাণ হারান।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৪,৩৪৯.
কৌটিল্য রচিত গ্রন্থের নাম কী?
  1. ক) আইন ই আকবরী
  2. খ) অর্থশাস্ত্র
  3. গ) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
  4. ঘ) কিতাবুল হিন্দ
ব্যাখ্যা
প্রাচীন ভারতের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ, সমরবিদ কৌটিল্য কর্তৃক রচিত গ্রন্থ হলো অর্থশাস্ত্র। এই বইয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমরনীতি, কৃষি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। কৌটিল্য চাণক্য ও বিষ্ণুগুপ্ত নামেও পরিচিত। তিনি চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের মন্ত্রী ছিলেন।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৪,৩৫০.
প্যানজিয়ার অস্তিত্ব এবং তার বিভাজনের প্রক্রিয়াটি কোন তত্ত্বের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়?
  1. থিওরি অব ন্যাচার‍্যাল সিলেকশন
  2. কন্টিনেন্টাল ড্রিফট
  3. বিগ ব্যাং থিওরি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

কন্টিনেন্টাল ড্রিফট বা মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব
-
1912 সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েজেনার তার কন্টিনেন্টাল ড্রিফট বা মহীসঞ্চারণ তত্ত্বে প্যানজিয়ার অস্তিত্ব এবং বিভাজনের প্রক্রিয়াটি প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন।
-প্যানজিয়া নামটি গ্রীক শব্দ প্যানজাইয়া থেকে এসেছে, যার অর্থ "সমস্ত পৃথিবী"। 
- প্যানজিয়া ( Pangea ) ছিল একটি সুপারমহাদেশ।
- প্রারম্ভিক ভূতাত্ত্বিক সময়ে এটি পৃথিবীর প্রায় সমস্ত ভূমিকে অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
- প্যানথালাসা নামক একটি বৈশ্বিক মহাসাগর দ্বারা প্যানজিয়া বেষ্টিত ছিল। 
- প্যানজিয়া প্রাথমিক পার্মিয়ান যুগে (প্রায় 299 মিলিয়ন থেকে প্রায় 273 মিলিয়ন বছর আগে) সম্পূর্ণরূপে একত্রিত হয়েছিল।
- সুপারমহাদেশটি প্রায় 200 মিলিয়ন বছর আগে, প্রারম্ভিক জুরাসিক যুগে (201 মিলিয়ন থেকে 174 মিলিয়ন বছর আগে) বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে, অবশেষে আধুনিক মহাদেশ এবং আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগর গঠন করে।
- প্যানজিয়ার বিভাজনের প্রক্রিয়াটি প্লেট টেকটোনিক্সের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যা সহজভাবে বলেছে যে পৃথিবীর মহাদেশগুলি একসময় সুপারমহাদেশীয় প্যানজিয়াতে একত্রিত হয়েছিল ।
- প্লেট টেকটোনিক্স বলে যে পৃথিবীর বাইরের শেল বা লিথোস্ফিয়ার, বৃহৎ শক্ত প্লেট নিয়ে গঠিত যা পরে আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভিক্ত হয়েছিল ।

অন্যদিকে,
- থিওরি অব ন্যাচার‍্যাল সিলেকশন বা প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্বের প্রবক্তা ব্রিটিশ প্রকৃতিবিজ্ঞানী চার্লস রবার্ট ডারউইন। এই তত্ত্বে প্রাণের উৎপত্তি , বিকাশ ও বিবর্তন সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
- জি লেমেটার এর বিগ ব্যাং থিওরি বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বে বলা হয়েছে যে, ১৩৮০ কোটি বছর আগে একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র, প্রচণ্ড উত্তপ্ত ও ঘন বিন্দু থেকে মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৪,৩৫১.
'সান্তিয়াগো' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চিলি
  2. বলিভিয়া
  3. কলম্বিয়া
  4. উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা
রাজধানী:
 - চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো।
- এটি চিলির বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহরটির কেন্দ্র।
- চিলি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- উরুগুয়ের রাজধানী মোন্তেভিদেও।
- কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটা। 
- বলিভিয়া রাজধানী লাপাজ।

উৎস: Britannica ও World Atlas.
৪,৩৫২.
The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. অমর্ত্য সেন
  2. উইলয়াম রস্টো
  3. গুনার মিরডাল
  4. বারাক ওবামা 
ব্যাখ্যা

​The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা গুনার মিরডাল।

​গুনার মিরডাল:
- গুনার মিরডাল (Gunnar Myrdal) ছিলেন একজন সুইডিশ অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ.
​- উন্নয়নমূলক অর্থনীতিতে তার অবদান যথেষ্ট।
- তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার চিন্তাভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রতিফলিত হয় তার বেশ কিছু লেখা ও প্রকাশিত পুস্তকে।
- 'Economic Theory and Underdeveloped Regions' মিরডাল ( লিখিত এরূপ একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
- উন্নয়নের হাত ধরে যে চক্রাকার ও ক্রমযৌগিক (Circular and cumulative) কার্যকারণ সম্পর্ক রচিত হয় তা প্রতিফলিত হয়েছে তার বর্তমান তত্ত্বে।

​উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে তিনি "অর্থনৈতিক ও সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ঘটনাগুলির পারস্পরিক নির্ভরতার তাৎপর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য অর্থ ও অর্থনৈতিক
বৈষম্যের তত্ত্ব এবং তাদের তাৎপর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য" ফ্রেডরিখ হায়েকের সাথে যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।

​উৎস: Britannica.

৪,৩৫৩.
নিম্নোক্ত কোন সূত্র অনুসারে ব্যাড মানি ড্রাইভস এওয়ে গুড মানি আউট অব সার্কুলেশন?
  1. গ্রেশামস ল
  2. সেইজ ল
  3. মার্শাল ল র
  4. কেইনসিয়ান ল
ব্যাখ্যা
গ্র্যাশামের সূত্র:
- গ্র্যাশামের সূত্র অর্থনীতিতে বহুল পঠিত ও বহুল আলোচিত একটি সূত্র বা বিধি।
- এই সূত্রটি এখন আধুনিক বিশ্বে আচরণ বিজ্ঞানেও ব্যবহৃত হয় এবং মানব সম্পদ উন্নয়নে বিশেষজ্ঞরা তাকে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধি হিসেবে ব্যবহার করেন।

⇒ স্যার থমাস গ্র্যাশাম ছিলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বণিক এবং প্রথিতযশা একজন অর্থনীতিবিদ।
- তিনি বৃটিশ রাজপরিবারের উপদেষ্টাও ছিলেন এবং বৃটিশ মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার ব্যাপারে রাজাদের পরামর্শ দিতেন।
- স্যার গ্র্যাশাম রাজকীয় এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং উইল করে তার যাবতীয় সম্পত্তি গ্র্যাসাম কলেজকে দান করে দিয়ে গিয়েছিলেন।
- গ্র্যাশাম কলেজ ছিল লন্ডনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের প্রথম প্রতিষ্ঠান।

⇒ বাজারে প্রচলিত একাধিক খাদ বিশিষ্ট ধাতব মুদ্রার ব্যাপারে ভোক্তা আচরণের পূর্বাভাস হচ্ছে গ্র্যাশামের সূত্রের মূল কথা।
- গ্র্যাশামের সময় ইংল্যান্ডের বাজারে দু’ধরনের মুদ্রা ছিল।
- একটি ছিল আসল ধাতব মুদ্রা যার কোনো খাদ ছিল না, আরেকটি ছিল খাদ বিশিষ্ট মুদ্রা যা পরবর্তীকালে মুদ্রার উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে সরকার প্রচলন করেছিলেন।
- সরকারিভাবে উভয় মুদ্রাকে একই মূল্যমানের বলে গণ্য করা হয়।
- ফলে বিশুদ্ধ ধাতু দিয়ে তৈরি আসল মুদ্রাকে মানুষ তথা ভোক্তা জনগণ ভালো মুদ্রা (Good Money) এবং খাদ বিশিষ্ট মুদ্রাকে খারাপ মুদ্রা (Bad Money) হিসেবে গণ্য করতে শুরু করে।
- এর কারণ ভালো মুদ্রা খাদমুক্ত তথা মৌলিক ধাতু দিয়ে তৈরি এবং খারাপ মুদ্রা ছিল খাদযুক্ত ধাতুর তৈরি।
- মানুষ আসল ধাতুর তৈরি টাকা বা মুদ্রা মওজুত করতে শুরু করেছে।
- এতে করে ভালো মুদ্রা বাজার থেকে উঠে গেছে এবং খারাপ বা খাদযুক্ত মুদ্রায় বাজার ভর্তি হয়ে গেছে।
- এটাকেই বলা হয় Bad Money drives Good Money out of circulation, খারাপ মুদ্রা ভালো মুদ্রাকে বাজারছাড়া করে এবং এটাই গ্র্যাশামের সূত্র নামে খ্যাতি অর্জন করে।

উৎস: Britannica.
৪,৩৫৪.
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় কবে? 
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

• ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণা: 
- তারিখ: ১৫ নভেম্বর, ১৯৮৮ সাল। 
- ঘোষণাস্থল: আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া। 
- ঘোষণা প্রদানকারী: ইয়াসির আরাফাত, ফিলিস্তিনি মুক্তি সংস্থার (PLO) চেয়ারম্যান ছিলেন। 
- রাজধানী হিসেবে ঘোষণা: জেরুজালেম। 
- প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ: আলজেরিয়া। 
- এই ঘোষণা প্রথম ইন্তিফাদার (ফিলিস্তিনি গণজাগরণ) সময়কালে ফিলিস্তিনি স্বায়ত্তশাসনের দাবি সুদৃঢ় করেছিল।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা। 

৪,৩৫৫.
'ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল' কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) যুদ্ধাপরাধের বিচার
  2. খ) সীমানা সংক্রান্ত
  3. গ) নারী অধিকার
  4. ঘ) মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের বাহিনী পরিকল্পিতভাবে যে ভয়ংকর গণহত্যা চালিয়েছিল, তার মূল পরিকল্পনাকারীদের  'নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালে' বিচারের আওতায় আনা হয়।
- বিশ্বের ইতিহাসে এত বড় আকারে যুদ্ধাপরাধের বিচা্র ই প্রথম করা হয়।
- এই ট্রাইব্যুনালের অন্যতম এক তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন বেনজামিন ফেরেনজ।
- নাৎসি জার্মান যুদ্ধবন্দীদের বিচার ২১ নভেম্বর, ১৯৪৫ থেকে ১ অক্টোবর, ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত চলে জার্মানির ন্যুরেমবার্গে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা এবং বিবিসি বাংলা নিউজ।
৪,৩৫৬.
স্বাধীনতার পূর্বে ইন্দোনেশিয়া কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. পর্তুগাল
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখ- থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- স্থল সীমান্ত রয়েছে মালয়েশিয়া, বোর্নিও, পাপুয়া নিউগিনি ও পূর্ব তিমুর এবং সরু প্রণালী দ্বারা আলাদা হয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওয়েসি, পাপুয়া নিউ গিনি।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: প্রাবোও সুবিয়ান্তো।

⇒ স্বাধীনতার পূর্বে ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডসের উপনিবেশ ছিল। 
- ইন্দোনেশিয়া ১৭ আগস্ট ১৯৪৫ সালে হল্যান্ডের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- নেপোলিয়নের যুদ্ধের সমাপ্তির পর ১৮১৫ সাল থেকে নেদারল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জ জুড়ে একটি প্রভাবশালী অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- আহমেদ সুকর্ণ ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের উত্থানকালের প্রধান সারির নেতা। 
- ঔপনিবেশিক শক্তি নেদারল্যান্ডসের কাছ থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন আহমেদ সুকর্ণ। 
- ১৯৪৫ সালের ১৭ আগস্ট জাতীয়তাবাদী সংগ্রামী নেতা আহমেদ সুকর্ণ ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষের মধ্যে সন্ধি স্বাক্ষরিত হয় এবং স্বাধীন ও সার্বভৌম ইন্দোনেশিয়ার জন্ম হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৪,৩৫৭.
কোন সভ্যতায় সর্বপ্রথম পানির সাহায্যে সেচ পদ্ধতি আবিষ্কার করা হয়?
  1. সুমেরীয় সভ্যতায়
  2. ইনকা সভ্যতায়
  3. অ্যাশেরীয় সভ্যতায়
  4. রোমান সভ্যতায়
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization)
মেসোপটেমীয় অঞ্চলে সবচেয়ে প্রাচীন যে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল, তার নাম সুমেরীয় সভ্যতা।
▪ বর্তমানে ইরাকের টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস (তৎকালীন দজলা ও ফোরাত) নদীর মধ্যবর্তী উর্বর স্থানে সুমেরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন ঘটে। 

সুমেরীয়দের উল্লেখযোগ্য অবদান - 
▪ লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার - সুমেরীয়দের আবিষ্কৃত লিখন পদ্ধতির নাম “কিউনিফর্ম” (Cuneiform)।
▪ কিউনিফর্ম লিপি বাম থেকে ডানদিকে লেখাঁ হত এবং এর বর্ণের সংখ্যা ছিলো - ৩২টি।
▪ তারা বিশ্বের প্রথম মহাকাব্য হিসাবে বিবেচিত - “গিলগামেশের মহাকাব্য” (Epic of Gilgamesh) রচনা করেছিলেন।  
▪ ‘চাকা’ আবিষ্কার – সুমেরীয়রা প্রথম চাকার ব্যবহার শুরু করে।
▪ উন্নত সেচ ব্যবস্থা – টাইগ্রিস ও ইউফ্রিটিস নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষির উন্নতির জন্য তারা উন্নত সেচ ব্যবস্থার উদ্ভাবন করেছিলো। অর্থাৎ সুমেরীয় সভ্যতায় প্রথম সেচ পদ্ধতির আবিষ্কার হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৫৮.
পারমাণবিক বোমার জনক 'ওপেনহাইমার' কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক বোমার জনক 'ওপেনহাইমার' যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণ করেন। 

রবার্ট ওপেনহাইমার:
- ওপেনহাইমার ছিলেন ম্যানহাটান প্রজেক্টের কেন্দ্রীয় ব্যক্তি।
- তিনি পারমাণবিক বোমার জনক। 
- ওপেনহাইমারের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ১৯০৪ সালে।
- জার্মানি থেকে অভিবাসী হয়ে আমেরিকায় আসা এক ইহুদি পরিবারে তার জন্ম হয়েছিল।
- ওপেনহাইমার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন পড়েন।
- স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করেন ইংল্যান্ডের কেমব্রিজে।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল।
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: Britannica.
৪,৩৫৯.
হর্ন অব আফ্রিকার দেশ -
  1. আইসল্যান্ড
  2. সুইডেন
  3. ডেনমার্ক
  4. জিবুতি
ব্যাখ্যা
হর্ন অব আফ্রিকার দেশ:
- হর্ন অব আফ্রিকার দেশ-  জিবুতি , ইরিত্রিয়া , ইথিওপিয়া এবং সোমালিয়া দেশগুলির আবাসস্থল হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে , যাদের সংস্কৃতি তাদের দীর্ঘ ইতিহাস জুড়ে সংযুক্ত রয়েছে ।
- পূর্ব  আফ্রিকার একটি অঞ্চল যা মানচিত্রে দেখতে শিংয়ের মতো মনে হয়।
- সোমালিয়া অবস্থিত এই শিংয়ের শীর্ষ।
- হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলের দেশ ৪টি।
- আফ্রিকা প্রচলিতভাবে পাঁচটি অঞ্চলে বিভক্ত - দক্ষিণ , মধ্যে, পশ্চিম, এবং পূর্ব আফ্রিকা। 
- পূর্ব আফ্রিকার দেশ মোট ১৮ টি।
- হর্ন আফ্রিকা হলো একটি উপদ্বীপ।

অপরদিকে,
- আইসল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড এই দেশগুলোকে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ বলা হয়।

উৎস: Britannica. 
৪,৩৬০.
নেলসন ম্যান্ডেলা কোন প্রথম দেশের কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
  1. জাম্বিয়া
  2. কেনিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা:
- ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার এমভেজোতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন কালো জাতীয়তাবাদী নেতা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা।
- ১৯৪৪ সালে তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (ANC) যোগদান করেন।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী বিচ্ছিন্নতার বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভকরেন।
- 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' তার বই।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে মারা যান।

উৎস: Britannica.com
৪,৩৬১.
সম্প্রতি, আর্মেনিয়া-আজারবাইজান স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ কোনটি? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. কাতার
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের রাষ্ট্র আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। 
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
- বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কয়েক দশক ধরে বিবাদে লিপ্ত।
- অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডের ভেতরে অবস্থিত হলেও ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনিয়ার সমর্থনে জাতিগত আর্মেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
- আর্মেনিয়া নাগোর্নো কারাবাখের দখল নেয়ার পর কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় দুই দেশের মধ্যে।
- ২০২৩ সালে পুনরায় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজারবাইজান।

সূত্র- আল জাজিরা পত্রিকা রিপোর্ট। 

৪,৩৬২.
ফরাসি বিপ্লবের প্রধান স্লোগান কোনটি ছিল?
  1. সাম্য, ন্যায় ও স্বাধীনতা
  2. স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
  3. ভ্রাতৃত্ব, স্বাধীনতা ও ধর্ম
  4. সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও রাজতন্ত্র
ব্যাখ্যা

⇒ ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।

ফরাসি বিপ্লব:
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪,৩৬৩.
লিমা কোন দেশের রাজধানী?
  1. সুরিনাম
  2. গায়ানা
  3. কলম্বিয়া
  4. পেরু
ব্যাখ্যা
পেরু (Peru): 
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম অংশ। 
- রাজধানী: লিমা। 
- সীমান্তবর্তী দেশসমূহ: কলম্বিয়া, ব্রাজিল, বলিভিয়া, চিলি ও ইকুয়েডর। 
- পেরু একটি ক্রান্তীয় দেশ, যার উত্তরাংশ প্রায় নিরক্ষরেখাকে স্পর্শ করে।
- আন্দিজ পর্বতমালা পেরুর ভেতরে যাতায়াতে বড় বাধা সৃষ্টি করেছে।
- লিমা থেকে প্রায় ৬০০ মাইল উত্তর-পূর্বে অবস্থিত ইকুইটোস, কিন্তু পর্বতময় ভূখণ্ডের কারণে অতীতে সহজ রুট না থাকায় অনেকেই ৭,০০০ মাইল পথ ঘুরে প্রশান্ত ও আটলান্টিক মহাসাগর হয়ে যেতেন।
- পেরুর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত লেক টিটিকাকা ব্যতীত অন্যান্য সীমান্ত অঞ্চল তুলনামূলকভাবে কম জনবসতিপূর্ণ।
- দেশটির বৈচিত্র্যময় জলবায়ু ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড উচ্চতা ও সাগরধারার প্রভাব দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস: Britannica.
৪,৩৬৪.
কুয়েতের নতুন আমির হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন -
  1. শেখ মিশেল আল-আহমেদ আল-সাবাহ
  2. সাবাহ আল-আহমাদ
  3. সালিম আল-মুবারক আল-সাবাহ
  4. সাবাহ আল-আহমেদ আল-জাবের আল-সাবাহ
ব্যাখ্যা
কুয়েতের নতুন আমির শেখ মিশেল:
- কুয়েতের নতুন আমির শেখ মিশেল আল-আহমেদ আল-সাবাহ।
- যুবরাজ শেখ মিশেল দেশটির পার্লামেন্টে শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আমির হিসেবে ক্ষমতায় বসবেন।
- কুয়েতের সংবিধান অনুযায়ী, আমিরের মৃত্যুর পর যুবরাজই পরবর্তী আমির হবেন।
- তবে তাকে অবশ্যই পার্লামেন্টে শপথ গ্রহণ করতে হবে।
- যদিও ২০২১ সাল থেকে শেখ মেশালই কার্যত কুয়েত শাসন করে আসছিলেন। তবে এতদিন তিনি ছিলেন যুবরাজ।

উল্লেখ্য,
- শেখ নাওয়াফ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে কুয়েতের আমির হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- সৎভাই ও তৎকালীন আমির শেখ সাবাহ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহর মৃত্যুর পর এ দায়িত্ব পান তিনি।
- এর আগে ২০০৬ সালে শেখ নাওয়াফকে দেশটির পরবর্তী আমির হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
         ii) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,৩৬৫.
বর্ধমান কার অপর নাম?
  1. ক) মহাবীর
  2. খ) গৌতম বুদ্ধ
  3. গ) শ্রীচৈতন্য
  4. ঘ) ঋষভদেব
ব্যাখ্যা
- ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মহাবীরের আসল নাম বর্ধমান।
- তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৫৪০ অব্দে জন্মগ্রহণ এবং খ্রিস্টপূর্ব ৪৬৮ অব্দে মারা যান বলে অনুমান করা হয়।
- মহাবীর প্রবর্তিত ধর্ম হলো জৈন ধর্ম। প্রাচীন ভারতে খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে জৈন ধর্মের উদ্ভব ঘটে।
- তবে কিছু ঐতিহাসিকের মতে জৈন ধর্মের প্রবর্তক খষভদেব বা আদিনাথ।
- তাদের মতে জৈন ধর্মের প্রচারক সংখ্যা ২৩ জন এবং এদের মধ্যে মহাবীর হলেন সর্বশেষ প্রচারক।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪,৩৬৬.
ইউরোজোনে সর্বশেষ অন্তর্ভুক্ত দেশ কোনটি?  
  1. বুলগেরিয়া
  2. রোমানিয়া
  3. লিথুয়ানিয়া
  4. ক্রোয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

- ইউরোজোনে সর্বশেষ অন্তর্ভুক্ত দেশ 'বুলগেরিয়া'। 

• ইউরো:

- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
- ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
- পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
- বর্তমানে ইউরো মুদ্রা গ্রহণকারী সর্বশেষ দেশ বুলগেরিয়া। 
- প্রায় দেড় শতাব্দী পর নিজস্ব মুদ্রা লেভকে বিদায় জানিয়ে ইউরো মুদ্রা অঞ্চলের ২১তম সদস্য হিসাবে ইউরো চালু করেছে বুলগেরিয়া।
 - ১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে দেশটিতে লেভের পরিবর্তে ইউরো মুদ্রা চালু করেছে।

⇒ এখন পর্যন্ত ২১টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
- দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি,  ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া। 

তথ্যসূত্র: EU ওয়েবসাইট ও ইউরোপীয় কমিশন।

৪,৩৬৭.
আকুপাংচার হলো-
  1. জাপানের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি
  2. মিশরের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি
  3. চীনের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি
  4. ভারতের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
- সূচিবেধী চিকিৎসা বা আকুপাংচার (ইংরেজি Acupuncture) হলো শারীরিক ব্যথা ও রোগ নিরাময় করার জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের প্রাচীন চৈনিক চিকিৎসাপদ্ধতি। 
- শরীরের বহুসংখ্যক নির্দিষ্ট জায়গায় সরু লম্বা সুঁই ফুটিয়ে এই চিকিৎসাটি প্রয়োগ করা হয়। 
- বহুপূর্বে চীনা চিকিৎসাবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলো আকুপাংচার। 
- আকুপাংচার, ব্যথা উপশম, রোগ নিরাময় এবং সাধারণ স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য প্রাচীন চীনা চিকিৎসা কৌশল। 
- Acupuncture, ancient Chinese medical technique for relieving pain, curing disease, and improving general health. 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৩৬৮.
পারস্যের ধর্ম প্রচারক কে?
  1. ক) গৌতম বুদ্ধ
  2. খ) আইড্রো
  3. গ) মহাবীর
  4. ঘ) জরাস্ট্রার
ব্যাখ্যা
পারসীয় সভ্যতা
- আজকের ইরান দেশটিকে প্রাচীনকালে পারস্য বলা হতো।
- খ্রিষ্টপূর্ব ৬০০ অব্দে পারসীয়রা একটি সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এই সভ্যতা বিকাশে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছিলেন সম্রাট প্রথম দারিয়ুস।
- তিনি বিভিন্ন দেশ জয় করে পারসীয় রাজ্যকে সাম্রাজ্যে পরিণত করেছিলেন।
- সভ্যতার ইতিহাসে পারসীয়দের দুইটি বড় অবদান রয়েছে- একটি সাম্রাজ্য পরিচালনায় দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো, অন্যটি বিশেষ ধর্মীয় কাঠামো।
- বিশাল সাম্রাজ্য ঠিকমতো পরিচালনার জন্য দারিয়ুস গোটা সাম্রাজ্যকে ২১টি প্রদেশে ভাগ করেছিলেন।
- প্রতি প্রদেশের সাথে যোগাযোগ রাখার জন্য তৈরি করেছিলেন সড়ক।
- তিনি ডাক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এতে দ্রুত ঘোড়া ছুটিয়ে ডাক বিভাগের লোকেরা সকল প্রদেশের খবর রাজধানীতে পৌঁছাতে পারত।
- পারস্য সভ্যতায় চমৎকার স্থাপত্য ও মূর্তি তৈরি হয়েছিল।
- সর্বপ্রথম ব্যাপকভাবে একেশ্বরবাদী ধর্ম প্রচার করেছিলেন পারস্যের ধর্ম প্রচারক জরাস্ট্রার
- পারসীয়দের প্রশাসন পরিচালনার ধারণা পরবর্তী সময়ে বিশ্বের অনেক দেশই গ্রহণ করে।
- তাদের ধর্ম প্রভাব ফেলে বিশ্বের অনেক ধর্মের উপর।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
৪,৩৬৯.
নিচের কোন দেশটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ নয়? 
  1. পোল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. সুইডেন
  4. ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

- 'পোল্যান্ড' স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ নয়।

• স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:

- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো উত্তর ইউরোপের একটি উপদ্বীপীয় অঞ্চল, যা নর্ডিক দেশগুলোর ভৌগোলিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত। 
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
- ফিনল্যান্ডকে কিছু বিশেষজ্ঞ ভূতাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক কারণে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেন।
- আইসল্যান্ড ও ফারো দ্বীপপুঞ্জকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ভাষাগত কারণে, কারণ তারা নরওয়ে ও সুইডেনের নর্থ জার্মানিক ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত ভাষায় কথা বলে।

- “নর্ডিক” শব্দটি কখনো কখনো “স্ক্যান্ডিনেভিয়া” এর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়।
- তবে সাধারণত স্ক্যান্ডিনেভিয়াকে আরও নির্দিষ্ট করে সংজ্ঞায়িত করা হয় এবং এটি মূলত নরওয়ে, সুইডেন, এবং ডেনমার্ককে বোঝায়।
- নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্কের সাথে এই অন্যান্য অঞ্চলগুলোকে যুক্ত করলে পুরো গ্রুপকে “নর্ডিক দেশসমূহ” বলা হয়।
 
• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪,৩৭০.
বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক কে?
  1. স্বামী বিবেকানন্দ
  2. সিদ্ধার্থ গৌতম
  3. বুদ্ধ গয়া।
  4. হিয়ামো গৌতম
ব্যাখ্যা
ধর্ম:
• বৌদ্ধধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মসমূহের অন্যতম। সিদ্ধার্থ গৌতম এর প্রবর্তক।
• উপাসনালয় - বৌদ্ধ ধর্মের উপাসনালয় মঠ নামে পরিচিত।  
• পবিত্র স্থান - বুদ্ধ গয়া।
• বৌদ্ধধর্মের ধর্মগ্রন্থ - ত্রিপিটক।

অন্যদিকে,
• ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ - হিব্রু বাইবেল (তাওরাত)।
• হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ - বেদ।
• বৌদ্ধধর্মের ধর্মগ্রন্থ - ত্রিপিটক।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৭১.
হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনীর নাম কী ছিল?
  1. ক) কেজিবি
  2. খ) ফুয়েবার
  3. গ) গেস্টাপো
  4. ঘ) কিয়াসো
ব্যাখ্যা
• অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৯৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাড্লফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- হিটলারের আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

সূত্র:- হিস্টোরি ডটকম।
৪,৩৭২.
বর্তমানে বিশ্বের কোন দেশে সবচেয়ে বেশি 'World Herittage Site' রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ইতালি
  2. জার্মানি
  3. চীন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
World Herittage Site:
- বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান বা ‘World Herittage Site’ বলতে বিশেষ ধরনের (বন, পাহাড়, হ্রদ, মরুভূমি, স্মৃতিস্তম্ভ, দালান, প্রাসাদ বা শহর) একটি স্থান যা ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় লিপিবদ্ধ হয়।
- UNESCO ১৯৭৮ সালে World Heritage Sites তালিকা শুরু করে।
- UNESCO কর্তৃক ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় বর্তমানে ১২২৩টি স্থাপনা আছে।
- সবচেয়ে বেশি World Herittage Site রয়েছে ইতালিতে।

উল্লেখ্য,
⇒ সবচেয়ে বেশি World Herittage Site:
১. ইতালি - ৬০টি।
২. চীন - ৫৯টি। 
৩. জার্মানি - ৫৪টি। 
৪. ফ্রান্স- ৫৩টি। 
৫. স্পেন -৫০টি।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।
৪,৩৭৩.
ইংল্যান্ডের রানি বাস করেন-
  1. ক) এলিসি প্রাসাদে
  2. খ) মারদেকা প্রাসাদে
  3. গ) কুইন্স প্রাসাদে
  4. ঘ) বাকিংহাম প্রাসাদে
ব্যাখ্যা
- ইংল্যান্ডের রানী বিখ্যাত বাকিংহাম প্রাসাদে বাস করেন।
- বাকিংহাম প্রাসাদ ব্রিটিশ রাজ পরিবার লন্ডনের বাসস্থান এবং বর্তমানে পৃথিবীতে বিদ্যমান বৃহত্তম রাজকীয় প্রাসাদ।
- নির্মাণ কালে প্রাসাদটির নাম ছিল বাকিংহাম হাউজ।
- রানী ভিক্টোরিয়া সর্বপ্রথম এ প্রাসাদে বসবাস শুরু করেন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন এবং কার্যালয় ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৪,৩৭৪.
জেনেভা কনভেনশনের কোন চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত?
  1. ক) প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  2. খ) দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  3. গ) তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  4. ঘ) চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention):
১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল (যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে “চারটি রেডক্রস কনভেনশন” বলা হয়।)
স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে-
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের “হেগ চুক্তি সংশােধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি – জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।
৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং history.com।
৪,৩৭৫.
নিকারাগুয়ার সরকারি মুদ্রার নাম-
  1. ক) ডলার
  2. খ) পেসো
  3. গ) জলোটি
  4. ঘ) করডোবা
ব্যাখ্যা
নিকারাগুয়ান পেসো ছিল স্বাধীন নিকারাগুয়ার প্রথম সরকারি মুদ্রা। ১৯১২ সালের ২০ শে মার্চ, নিকারাগুয়া পেসো ত্যাগ করে নিকারাগুয়ান করডোবা দেশে নতুন সরকারি মুদ্রা হিসাবে চালু করেছিল। এছাড়া মার্কিন ডলার নিকারাগুয়াতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষত হোটেল এবং পর্যটন সাইটগুলিতে।
[সূত্রঃ worldatlas ওয়েবসাইট]
৪,৩৭৬.
জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর কে? [জুন, ২০২৫]
  1. ফ্রিডরিখ মেরৎস
  2. ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডনার
  3. কিয়ার স্টারমার
  4. ওলাফ শলৎস
ব্যাখ্যা
ফ্রিডরিখ মেরৎস:
- জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস।
- তিনি ৬ মে, ২০২৫ জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ৬৯ বছর বয়সী মেরৎস, যিনি ওলাফ শলৎসের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- ওলাফ শলৎস (Olaf Scholz) – জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর (এসপিডি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি)।
- ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডনার (Christian Lindner) – অর্থমন্ত্রী (এফডিপি ফ্রি ডেমোক্রেটিক পার্টি)।

উৎস: এপি নিউজ।
৪,৩৭৭.
What is the capital of Canada?
  1. ক) Montreal
  2. খ) Toronto
  3. গ) Ottawa
  4. ঘ) Edmonton
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- কানাডার রাজধানী- অটোয়া
- কানাডা কাগজ শিল্পের জন্য বিখ্যাত।
- লিলি ফুলের ও ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয় কানাডাকে।
- কানাডার জাতীয় টাওয়ারের নাম সিএন টাওয়ার।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৪,৩৭৮.
সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিলেন কোন মিশরীয় প্রেসিডেন্ট?
  1. আনোয়ার সাদাত
  2. গামাল আবদেল নাসের 
  3. হোসনি মুবারক
  4. মুহাম্মদ নাজিব
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ সালে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।

উল্লেখ্য,
- মিশরের প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিলেন ১৯৫৬ সালে।
- দখল করে নিয়েছিলেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান পথটির নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: i) Britannica.
          ii) BBC.

৪,৩৭৯.
কোন নদীর তীরে Statue of Liberty স্থাপিত?
  1. ইউটার নদী
  2. হাডসন নদী
  3. আমাজন
  4. পীত নদী
ব্যাখ্যা
- ফ্রান্স ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রকে 'স্ট্যাচু অব লিবার্টি' উপহার দেয়; যা নিউইয়র্কের হাডসন নদীর তীরে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যের নকশা তৈরি করেছিলেন ফ্রেডরিক বার্থেলি।
- এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উঁচু মূর্তি।
- ২৮ অক্টোবর, ১৯৮৬ সালে নিউইয়র্কের হাডসন নদীর তীরে Statue of Liberty এর স্থাপন সম্পন্ন হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম
৪,৩৮০.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ কোনটি?
  1. ভিয়েতনাম
  2. লাওস
  3. ব্রুনেই
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
লাওস: 
- লাওস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত দেশ।
- দেশের উত্তর অংশ অনিয়মিতভাবে গোলাকার।
- দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এটি একটি উপদ্বীপের মতো সংকীর্ণ হয়ে প্রসারিত হয়েছে।
- উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব পর্যন্ত মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৫০ মাইল (১,০৫০ কিমি)।
- রাজধানী: ভিয়েনতিয়েন (লাও ভাষায়: ভিয়াংচান)।
- এটি দেশের উত্তরাঞ্চলে মেকং নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
৪,৩৮১.
ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশ জিবুতিতে সামরিক ঘাঁটি রয়েছে কোন দেশের?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
  2. খ) ফ্রান্স ও জাপান
  3. গ) চীন ও জাপান
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• পূর্ব আফ্রিকার বাব-এল-মান্দেবের তীরে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছোট দেশ জিবুতি।
- চীন ২০১৭ সালে জিবুতিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।
- ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার জন্য আগে থেকেই দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জাপানের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

উৎস: বিবিসি নিউজ।
৪,৩৮২.
কত তারিখে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৪ মে, ১৯৪৬
  2. ১৫ মে, ১৯৪৬
  3. ১৪ মে, ১৯৪৮
  4. ১৫ মে, ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।

উল্লেখ্য,
- ইসরায়েলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল। 
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ১৪ নভেম্বর, ২০২৩, Al Jazeera.
৪,৩৮৩.
বেঙ্গল প্যাক্টের রূপকার কে?
  1. পন্ডিত মতিলাল নেহেরু
  2. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. মাওলানা শওকত আলী
ব্যাখ্যা
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ:

- সি. আর দাশ নামেও পরিচিত দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ১৮৭০ সালের ৫ নভেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- কলকাতায় জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের অন্তর্গত তেলিরবাগ গ্রামে।
- ভবানীপুরের লন্ডন মিশনারী সোসাইটি স্কুল থেকে ১৮৮৬ সালে এন্ট্রান্স পাশ করার পর চিত্তরঞ্জন দাশ কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বি. এ. ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৮৯৪ সালে তিনি ব্যারিস্টারি পরীক্ষা পাশ করে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিক থেকে তিনি রাজনীতিতে জড়িত হন। 
- অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে মহাত্না গান্ধীর ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি লাভজনক আইনজীবির পেশা পরিত্যাগ করে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে আরো বেশী সোচ্চার হয়ে ওঠেন।
- পরবর্তীতে তিনি কংগ্রেস ত্যাগ করে স্বরাজ পার্টি গঠন করেন।
- ১৯২৩ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পূর্বে তিনি নিজ প্রদেশে মুসলমান সম্প্রদায়ের সাথে একটি চুক্তি করেন যা ’বেঙ্গল প্যাক্ট' নামে পরিচিত। - 'বেঙ্গল প্যাক্ট' এ সরকারি চাকুরিতে মুসলমানদের জন্য শতকরা ৫৫ ভাগ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়।
- যতদিন মুসলমানরা ৫৫ শতাংশে না পৌঁছায়, ততদিন পর্যন্ত মোট সরকারি চাকুরির ৮০ ভাগ মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়।
- দেশবন্ধু ১৯২৫ সালের ১৬ জুন অসুস্থ অবস্থায় দার্জিলিংয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৮৪.
পৃথিবীর সর্বাধিক দ্বীপপুঞ্জের দেশ কোনটি?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) ফিলিপাইন
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র। প্রধান দ্বীপগুলো হলো সুমাত্রা, জাভা, বালি ইত্যাদি। সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৪,৩৮৫.
'গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কানাডা
  2. পাপুয়া নিউগিনি
  3. নাউরু
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশ ওশেনিয়ায় অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম ক্যানবেরা।
- দক্ষিণ গোলার্ধে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- ডার্লিং/মারে নদী অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম নদী।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়া ৬টি রাজ্য এবং ২টি প্রধান প্রধান ভূখণ্ডে বিভক্ত।
- দুটি প্রধান প্রধান ভূখণ্ড হল: অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরি এবং নর্দার্ন টেরিটরি।
- অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত, সিডনি - অস্ট্রেলিয়া এবং ওশেনিয়ার বৃহত্তম এবং সবচেয়ে জনবহুল শহর।
- মেলবোর্ন অস্ট্রেলিয়ার ২য় বৃহত্তম শহর।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪,৩৮৬.
স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কোন সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. NATO
  2. CENTO
  3. SEATO
  4. ANZUS
ব্যাখ্যা

- স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে NATO সামরিক জোট গঠিত হয়েছিল।

• স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War):
- স্নায়ুযুদ্ধ বলতে সরাসরি প্রথাগত যুদ্ধে অবতীর্ণ না হয়ে একে অপরকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক কিংবা ভিন্ন আঙ্গিকে পরাজিত করার কৌশলকে ইঙ্গিত করা হয়।
- ১৯৪৭ - ১৯৯১ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ওয়াল্টার লিপম্যান সংবাদপত্রে প্রথম cold war শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধ অবসান হয়েছিলো ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে।

⇒ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তিতে পরিণত হয়। এ সময়ে মার্শাল প্ল্যানের (১৯৪৭) মাধ্যমে ইউরোপ পুনর্গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাধ্যমে দুটো বিপরীত বৈশ্বিক শক্তি ও আদর্শের বিকাশ ঘটে। পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিম ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট। একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট।

• NATO:
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি বা ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

অন্যদিকে,

• সিটো (SEATO):
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (১৯৫৪) এশিয়ায় কমিউনিজমের বিস্তার রোধের জন্য গঠিত, কিন্তু এটি ন্যাটো বা ওয়ারশ প্যাক্টের মতো প্রভাবশালী ছিল না।
- সেন্টো (CENTO): কেন্দ্রীয় চুক্তি সংস্থা (১৯৫৫) মধ্যপ্রাচ্যে গঠিত, কিন্তু এটিও সীমিত প্রভাব ফেলে।
- আনজুস (ANZUS): যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ১৯৫১ সালে গঠিত একটি সীমিত জোট।

তথ্যসূত্র:
i) Britannica.
ii) NATO ওয়েবসাইট।

৪,৩৮৭.
কোন দেশ 'গ্রীনল্যান্ড' দ্বীপকে ক্রয় করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
গ্রীনল্যান্ড দ্বীপ:
- গ্রীনল্যান্ড বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ।
- গ্রিনল্যান্ড কিংডম অফ ডেনমার্কের অংশ।
- গ্রীনল্যান্ড উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানী নুউক।
- যুক্তরাষ্ট্র ডেনমার্কের কাছ থেকে গ্রীনল্যান্ড কিনে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে।
- গ্রীনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বশাসিত অঞ্চল।
- গ্রীনল্যান্ড এখনো ডেনমার্কের ওপর অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল।

উৎস: Britannica & বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৩৮৮.
মহামন্দা মোকাবিলার জন্য নিউ ডিল (New Deal) ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. ক) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. খ) থিওডর রুজভেল্ট
  3. গ) জন এফ. কেনেডি
  4. ঘ) আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
নিজ ডিল (New Deal)
• ১৯২৯ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে যুক্তরাষ্ট্র সহ সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মহামন্দা (Great Depression) দেখা দেয়।
• এর ফলে শেয়ার বাজারের পতন ঘটে, ব্যাংকগুলাে অর্থনৈতিক সমস্যায় জর্জরিত হতে থাকে, বেকারত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে, বেতন ও মজুরি ব্যাপকভাবে কমে যায়, ফলে জীবন ধারন দুর্বিসহ হয়ে পড়ে।
• যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে নিউ ডিল (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
• নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
৪,৩৮৯.
‘জেসমিন বিপ্লব’ কোন দেশে সংঘটিত হয়?
  1. মিশর
  2. লিবিয়া
  3. তিউনিসিয়া
  4. সুদান
ব্যাখ্যা

- তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয়।

• জেসমিন বিপ্লব:
- তিউনিসিয়ায় জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় ২০১১ সালে।
- আরব বসন্ত শুরুর পর এই বিপ্লব হয়।
- তিউনেশিয়ার জাতীয় ফুল হচ্ছে জেসমিন ফুল।
- এ কারণেই এই বিপ্লব জেসমিন বিপ্লব হিসেবে পরিচিতি পায়।

• ঐতিহাসিক বিপ্লবসমূহ:
- জেসমিন বিপ্লব: সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায় ২০১১ সালে।
- আমেরিকান বিপ্লব: সংঘটিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৭৭৬ সালে।
- ফরাসি বিপ্লব: সংঘটিত হয় ফ্রান্সে ১৭৮৯ সালে।
- রুশ বিপ্লব: সংঘটিত হয় রাশিয়ায় ১৯১৭ সালে।
- ইসলামিক বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইরানে ১৯৭৯ সালে।
- রোজ বিপ্লব: সংঘটিত হয় জর্জিয়ায় ২০০৩ সালে।
- অরেঞ্জ বিপ্লব: সংঘটিত হয় ইউক্রেনে ২০০৪ সালে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪,৩৯০.
কোন দেশের মহিলারা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. USA
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. বাহামা
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
পরবর্তীতে,
- ১৯০২ সালে - অস্ট্রেলিয়া,
- ১৯০৬ সালে - ফিনল্যান্ড এবং
- ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- যুক্তরাজ্যের নারীরা ১৯১৮ সালে প্রথম শর্ত সাপেক্ষে এবং ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে। ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।

সূত্র: Ministry for Women New Zealand (link)  ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ওয়েবসাইট (link).
৪,৩৯১.
রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায় কোনটি?
  1. জুলাই বিপ্লব
  2. সেপ্টেম্বর বিপ্লব
  3. অক্টোবর বিপ্লব
  4. নভেম্বর বিপ্লব
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে "১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব" (Russian Revolution of 1917) বলা হয়।
- এই বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে ও সমাজতন্ত্রের সূচনা ঘটে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৩৯২.
'বাবরি মসজিদ' হিন্দু উগ্রপন্থীদের হাতে কোন সালে ধ্বংস হয়?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

•বাবরি মসজিদ: 
• বাবরি মসজিদ ভারতের উত্তর প্রদেশের ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যায় অবস্থিত মুঘল আমলের একটি স্থাপত্য।
• এটি মুঘল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মীর বাকী ১৫২৮ সালে নির্মাণ করেন।
• বিতর্কিত এই স্থান নিয়ে ‘রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট’ ও ‘সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড’ দ্বারস্থ হয় সুপ্রিম কোর্টের।
• ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর হিন্দু উগ্রপন্থীদের দ্বারা বাবরি মসজিদ ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
• অবশেষে গত ৯ নভেম্বর ২০১৯ বিতর্কিত এই জায়গায় রাম মন্দির তৈরির পক্ষে চূড়ান্ত রায় দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
• সেই সাথে মসজিদ তৈরি করার জন্য মুসলিম পক্ষকে অযোধ্যার মধ্যেই পাঁচ একর জমি দেয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
• অতঃপর ১০ জুন, ২০২০ শুরু হয় বিতর্কিত রাম মন্দির নির্মাণ।

তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে।

৪,৩৯৩.
'হায়ারোগ্লিফিক’ নামক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন কারা?
  1. ক) রোমান সভ্যতা
  2. খ) মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ) সুমেরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) ফিনিশীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
• 'হায়ারোগ্লিফিক’ নামক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন মিশরীয় সভ্যতা। 

• মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক ’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের কাণ্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- সেই কাগজের ওপর তারা লিখত। গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’।
- এই শব্দ থেকে ইংরেজি পেপার শব্দের উৎপত্তি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৩৯৪.
উইন্ডহুক কোন দেশের রাজধানী?
  1. নম পেন
  2. নামিবিয়া
  3. গায়ানা
  4. নাইজার
ব্যাখ্যা
নামিবিয়া: 
- স্বাধীনতা লাভ: ২১ মার্চ, ১৯৯০ সাল। 
- রাজধানী: উইন্ডহুক (Windhoek)। 
- বার্লিন সম্মেলনের (১৮৮৪-৮৫) মাধ্যমে জার্মানি নামিবিয়াকে উপনিবেশ বানায়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে (১৯১৪) দক্ষিণ আফ্রিকা জার্মানদের পরাজিত করে নামিবিয়া দখল করে।
- ১৯২০ সাল: লীগ অব নেশন্সের অধীনে দক্ষিণ আফ্রিকা নামিবিয়াকে শাসন করে।
1948: দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসন (Apartheid) শুরু হলে, এটি নামিবিয়াতেও প্রযোজ্য হয়।
- ১৯৬৬ সাল: জাতিসংঘ দক্ষিণ আফ্রিকার দখলকে অবৈধ ঘোষণা করে, কিন্তু তারা শাসন চালিয়ে যায়।
- ১৯৬৬-১৯৮৮: স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে SWAPO (South West Africa People’s Organization)।
- ১৯৮৮ সাল: আন্তর্জাতিক চাপে দক্ষিণ আফ্রিকা নামিবিয়ার স্বাধীনতা দিতে রাজি হয়।
- ২১ মার্চ, ১৯৯০: নামিবিয়া স্বাধীনতা লাভ করে, সাম নুজোমা (Sam Nujoma) প্রথম রাষ্ট্রপতি হন।
- খনিজ সম্পদ (হীরা, ইউরেনিয়াম, তামা) এবং পর্যটন দেশটির অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি।

উৎস: Britannica.
৪,৩৯৫.
সাহারা ও লিবিয়া অঞ্চলে প্রবাহিত স্থানীয় বায়ু কোনটি?
  1. বোরো
  2. সিরক্কো
  3. খামসিন
  4. চিনুক
ব্যাখ্যা
কোন স্থানের তাপ ও চাপের পার্থক্যের কারণে স্থানীয়ভাবে যে বায়ু প্রবাহের সৃষ্টি হয় তাকে স্থানীয় বায়ু বলে।
সিরক্কো – সাহারা ও লিবিয়া
চিনুক – রকি পর্বতের মাঝামাঝি এলাকায় প্রবাহিত
খামসিন – মিশর
বোরো – আড্রিয়াটিক সাগর।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪,৩৯৬.
অপারেশন ওডিসি ডন কোন দেশে পরিচালিত অভিযানের নাম?
  1. সিরিয়া
  2. ইরাক
  3. লিবিয়া
  4. ইউক্রেন
ব্যাখ্যা
অপারেশন ওডিসি ডন:
- ২০১১ সালের ১৯ মার্চ ‘অপারেশন ওডিসি ডন’ নামে যুক্তরাষ্ট্র লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে, যা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ১৯৭৩-এর নামে অনুমোদিত ছিল।
- এর উদ্দেশ্য ছিল, মোয়ামার গাদ্দাফির সরকারের হাতে ‘নিরীহ’ বিক্ষোভকারীদের রক্ষা করা, যদিও বাস্তবে সেই সময় লিবিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে জাতিসংঘ বা পশ্চিমা শক্তিগুলোর নির্ভরযোগ্য তথ্য ছিল না।
- এই রেজুলেশনটি মূলত পশ্চিমা মিডিয়ার পক্ষপাতদুষ্ট ও ভুল প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে গৃহীত হয়।
- ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও কানাডা রেজুলেশন পাসের আগেই নিজেদের সামরিক অভিযান শুরু করে।
- পরে সব অভিযান মিলিয়ে NATO-এর নেতৃত্বে ‘অপারেশন ইউনিফাইড প্রটেক্টর’ চালানো হয়, যা সাত মাস ধরে চলে এবং হাজার হাজার বিমান হামলা হয়।
- এই ‘মানবিক হস্তক্ষেপের’ নামে বাস্তবে গাদ্দাফির সরকারকে উৎখাত করাই ছিল মূল লক্ষ্য।
- এতে বহু বেসামরিক মানুষ নিহত হয়, কিন্তু NATO ও তাদের মিত্ররা আজও কোনো দায় স্বীকার করেনি।
- গাদ্দাফির হত্যার পর লিবিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী বিশৃঙ্খলা শুরু হয়।
- দেশটি হয়ে ওঠে সন্ত্রাসী, মানবপাচারকারী ও মিলিশিয়াদের অভয়ারণ্য।
- জাতিসংঘের রেজুলেশন লঙ্ঘন করে অস্ত্র সরবরাহ ও বিদেশি হস্তক্ষেপ চলে।

উৎস: MIDDLE EAST MONITOR
৪,৩৯৭.
ফিলিপাইন অতীতে কোন দেশের উপনিবেশ ছিলো?
  1. ক) স্পেন
  2. খ) পর্তুগাল
  3. গ) নেদারল্যান্ড
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
ফিলিপাইন ষোড়শ শতকের মাঝামাঝি থেকে ১৮৯৮ সাল পর্যন্ত স্পেনের উপনিবেশ ছিলো।
১৮৯৮ সালের ১২ জুন ফিলিপাইন স্পেনের শাসন থেকে নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করলেও ১৮৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ফিলিপাইনের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
পরবর্তীতে ১৯৪৬ সালের ৪ জুলাই ফিলিপাইন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিকট থেকে পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
(সূত্র: হিস্টোরি ডটকম)
৪,৩৯৮.
ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতির নাম -
  1. মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী
  2. আব্দুর রহমান ওয়াহিদ
  3. শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
  4. এদের কেউই নন
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়া:
- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ এটি।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- এক সময়ের ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাজধানী: নুসানতারা (নতুন)।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন জোকো উইদোদো।

⇒ - ২০০৪ সালে দেশটিতে প্রথমবারের মতো সরাসরি ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন-ড. আহম্মদ সকৰ্ণ।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্ণপুত্রী ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস:Britannica.
৪,৩৯৯.
তুরস্কের আইন সভার নাম- 
  1. গ্রান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি
  2. এডুসকুন্ডা
  3. রিক্সড্যাগ
  4. লয়াজিরগা
ব্যাখ্যা

-  তুরস্কের আইন সভার নাম গ্রান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি।

আইন সভা:

- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।
- নেসেট: ইসরাইল আইনসভা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৪,৪০০.
এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ভারত
  2. চীন
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ - ভারত।
--------------------- 
• বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ — ভারত।
- দেশটির জনসংখ্যা ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।
- 'ভারত' এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।  

[স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার লাইভ (তাৎক্ষণিক) তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে।] 
--------------------------- 
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা দেওয়া হলো-

১. ভারত:
জনসংখ্যা: ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।

২. চীন:
জনসংখ্যা: ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার।

৩. যুক্তরাষ্ট্র:
জনসংখ্যা: ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ২৭ হাজার।

৪. ইন্দোনেশিয়া:
জনসংখ্যা: ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার।

৫. পাকিস্তান:
জনসংখ্যা: ২৫ কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার।

৬. নাইজেরিয়া:
জনসংখ্যা: ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার।

৭. ব্রাজিল:
জনসংখ্যা: ২১ কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার।

৮. বাংলাদেশ:
জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার।

৯. রাশিয়া:
জনসংখ্যা: ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার।

১০. ইথিওপিয়া:
জনসংখ্যা: ১৩ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২৪।