বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা / ৯৩ · ৩০১৪০০ / ৯,৩৩৪

৩০১.
চিলির রাজধানীর নাম কী?
  1. হাভানা
  2. সান্তিয়াগো
  3. প্রিস্টিনা
  4. বোগোটা
ব্যাখ্যা
চিলি:
- চিলি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- আয়তন: ২৯১,৯৩০ বর্গ মাইল (৭৫৬,০৯৬ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: সান্তিয়াগো।
- ভাষা: স্প্যানিশ (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: খ্রিস্টান ধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক, এছাড়াও প্রোটেস্ট্যান্ট, অন্যান্য খ্রিস্টান)।
- মুদ্রা: চিলি পেসো।
- চিলি সরু দেশ হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩০২.
কার্ল মার্ক্স কোন শহরে মারা যান?
  1. বার্লিন
  2. প্যারিস
  3. ভিয়েনা
  4. লন্ডন
ব্যাখ্যা
- কার্ল মার্ক্স ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার রচিত গ্রন্থের মধ্যে দ্য কমিউনিস্ট মেনিফ্যাস্টো, দাস ক্যাপিটাল সর্বাধিক প্রসিদ্ধ।
- মার্ক্স তার লেখনির মাধ্যমে যে মতবাদকে তুলে ধরেন তা মার্ক্সবাদ নামে পরিচিত।
- ১৮৮৩ সালের ১৪ই মার্চ তিনি লন্ডনে মারা যান।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৩০৩.
মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় ‘অসলো চুক্তি’ কোন দুই পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ইরান এবং ইসরায়েল
  2. পিএলও এবং ইসরায়েল
  3. সিরিয়া এবং লেবানন
  4. সৌদি আরব ও আমেরিকা
ব্যাখ্যা
• ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (PLO):
- সম্পূর্ণ নাম: Palestine Liberation Organization (PLO).
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৪ সাল।
- প্রধান উদ্দেশ্য: ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধিকার ও স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।
- প্রাথমিক কার্যক্রম: বিভিন্ন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীকে একত্রিত করা।
- ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধের পর PLO বিশ্বমঞ্চে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯৬০ থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত সংগঠনটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দীর্ঘকালীন গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করে।
- ১৯৯৩ সালে PLO ও ইসরায়েলের সঙ্গে অসলো চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী প্রধান রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে পরিচিত।
- জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: Britannica.
৩০৪.
লাওসের সরকারি নাম কোনটি?
  1. Democratic Republic of Laos
  2. Kingdom of Laos
  3. Republic of Laos
  4. Loas People's Democratic Republic
ব্যাখ্যা
লাওস (Laos):
- দেশটির আনুষ্ঠানিক নাম লাওস পিপলস ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক।
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ।
- আয়তন: ৯১,৪২৯ বর্গ মাইল।
- রাজধানী: ভিয়েনতিয়েন।
- ভাষা: লাও (অফিসিয়াল), ইংরেজি, ভিয়েতনামী, ফরাসি।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম, ঐতিহ্যগত বিশ্বাস।
- মুদ্রা: কিপ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩০৫.
নিচের কোনটি Schengen চুক্তিভুক্ত দেশ?
  1. ক) মেক্সিকো
  2. খ) কানাডা
  3. গ) অস্ট্রিয়া
  4. ঘ) আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

শেনজেন চুক্তি হলো অবাধ চলাচল সংক্রান্ত একটি চুক্তি;
যা লুক্সেমবার্গের শেনজেন শহরে ১৯৮৫ সালের ১৪ জুন বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ, ফ্রান্স ও পশ্চিম জার্মানির মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
এর উদ্দেশ্য ইউরোপ জুড়ে ভিসা ও সীমানামুক্ত অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা।

চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালের ২৬ মার্চ।

বর্তমানে শেনজেনভুক্ত ২৬টি দেশের নামঃ
Austria, Belgium, the Czech Republic, Denmark, Estonia, Finland, France, Germany, Greece, Hungary, Iceland, Italy, Latvia, Liechtenstein, Lithuania, Luxembourg, Malta, the Netherlands, Norway, Poland, Portugal, Slovakia, Slovenia, Spain, Sweden and Switzerland.
সূত্রঃ ইইউ ওয়েবসাইট।

৩০৬.
Green Money বলা হয় কোন মুদ্রাকে ?
  1. ডলার
  2. ইউরো
  3. পাউন্ড
  4. ইয়েন
ব্যাখ্যা
গ্রিনব্যাক (Greenback) 
- যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় কংগ্রেস ট্রেজারি বিভাগকে কাগজের মুদ্রা ইস্যু করার অনুমোদন দেয়।
- মুদ্রার পিছনে সবুজ রং মুদ্রিত হয় বলে তা গ্রিনব্যাক বা গ্রিন মানি নামে পরিচিতি লাভ করে।

[দ্রষ্টব্য: গ্রহণযোগ্য কোন রেফারেন্সে সরাসরি এটা উল্লেখ নেই যে, কোন মুদ্রাকে গ্রিন মানি বলা হয়। তবে অধিকাংশ রেফারেন্স পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনিত হওয়া যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলার গ্রিনব্যাক বা গ্রিন মানি বলা যায়।]

সূত্র: 
১. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় ওয়েবসাইট
২. হিস্টোরি.কম
৩০৭.
'নেপলস সী বীচ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মিয়ানমার
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

'নেপলস সী বীচ' যুক্তরাষ্ট্র একটি বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩০৮.
‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ চুক্তি কোন দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ফ্রান্স ও জার্মানি
  2. ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য 
  3.  জার্মানি ও ইতালি
  4. স্পেন ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

• ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’:
- অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ফ্রান্স-যুক্তরাজ্যের ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ চুক্তি কার্যকর হয়।
- ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ চুক্তি অনুসারে ফ্রান্সের উপকূল থেকে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে আসা প্রত্যেক অভিবাসীকে আটক করে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাজ্য।
- বিনিময়ে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আশ্রয় চাওয়া সমানসংখ্যক অভিবাসীকে ফ্রান্স থেকে নিয়মিত পথে আসার সুযোগ দেবে দেশটি।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ 

৩০৯.
'কারাকাস' নিম্নের কোন দেশের রাজধানী?
  1. ভেনিজুয়েলা
  2. সিয়েরা লিওন
  3. কসোভো
  4. লুইসিয়ানা
ব্যাখ্যা
ভেনিজুয়েলা:
- ভেনিজুয়েলা (venezuela) দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর উপকূলে ক্যারিবীয় সাগরের তীরে অবস্থিত ফেডারেল প্রজাতন্ত্র শাসিত একটি রাষ্ট্র।
- উত্তর প্রান্তে রয়েছে আন্দিস পর্বতমালার সুউচ্চ পর্বতাঞ্চল।
- ভেনিজুয়েলা মোট ২১টি রাজ্য নিয়ে গঠিত।
- সরকারি ভাষা: স্প্যানিশ।
- মুদ্রা: ভেনেজুয়েলান বলিভার।
- রাজধানী: কারাকাস।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: নিকোলাস মাদুরো।

অন্যদিকে,
- সিয়েরা লিওন-এর রাজধানী: ফ্রিটাউন।
- কসোভোর রাজধানী: প্রিস্টিনা।
- লুইসিয়ানার রাজধানী: ব্যাটন রুজ।

উৎস: Britannica.
৩১০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান 'সেক্রেটারি অব স্টেট' কে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. জেমস ডেভিড ভ্যান্স
  2. স্কট ব্যাসেন্ট
  3. মার্কো রুবিও
  4. ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে 'সেক্রেটারি অব স্টেট' বলা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান 'সেক্রেটারি অব স্টেট' মার্কো রুবিও।

এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৪৭তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে দায়িত্ব পালন করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও ৫০তম ভাইস প্রেসিডেন্ট জেমস ডেভিড ভ্যান্স (JD Vance)।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট।
- বাংলাদেশে নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

উৎস: United States Mission to the United Nations (.gov).

৩১১.
‘গ্রিন ব্যাক’ নামে পরিচিত-
  1. আইএমএফ
  2. মার্কিন ডলার
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
গ্রিন ব্যাক:

- মার্কিন ডলারকে অতীতে গ্রিনব্যাক বলা হতো।
- আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় ১৮৬১ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এ কাগজি মুদ্রার প্রচলন ছিলো।
- মুদ্রায় সবুজ রঙের ছাপা থাকার কারণে এ রকম নামে জনপ্রিয় হয়েছিলো।

তথ্যসূত্র - The U.S. Currency Education Program (.gov) ওয়েবসাইট।
৩১২.
নিচের কোন রাজনীতিবিদ সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. উইনস্টন চার্চিল
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
ব্যাখ্যা

উইনস্টন চার্চিল: 
- উইনস্টন চার্চিল ছিলেন একজন ব্রিটিশ রাষ্ট্রনায়ক, লেখক ও বক্তা।
- তিনি ১৮৭৪ সালের ৩০ নভেম্বর ইংল্যান্ডের উডস্টক,অক্সফোর্ডশায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ -এর সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেতৃত্ব দেন (১৯৪০–১৯৪৫)।
- তাঁর শক্তিশালী নেতৃত্ব ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তৃতা নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে ব্রিটেনের মনোবল ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- যুদ্ধ শেষে তিনি আবারও ১৯৫১–১৯৫৫ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- চার্চিল ছিলেন একজন প্রখ্যাত লেখক ও ঐতিহাসিক; তাঁর রচিত বই ও বক্তৃতা বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত।
- উইনস্টন চার্চিল ছয় খণ্ডের ‘দ্য সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার’ বইয়ের জন্য নোবেল সাহিত্য পুরস্কার পান ১৯৫৩ সালে।
- ১৯৬৫ সালের ২৪ জানুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম ওয়েবসাইট।

৩১৩.
চীনের সীমান্তবর্তী দেশ কয়টি?
  1. ১৭টি
  2. ১৮টি
  3. ১৪টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
চীন: 
- রাজধানী: বেইজিং।
- অঞ্চল: পূর্ব এশিয়া।
- ভাষা: মান্দারিন চাইনিজ (সরকারি ভাষা), অন্যান্য স্থানীয় ভাষা (ক্যানটোনিজ, শাংহাই, হাক্কা)।
- ধর্ম: বৌদ্ধধর্ম, তাওবাদ, কনফুসিয়ানিজম, কিছু ইসলাম ও খ্রিস্টান
- সরকার: একদলীয় শাসন ব্যবস্থা, কমিউনিস্ট পার্টির শাসন
- প্রধানমন্ত্রী: লি কেচিয়াং (পার্টি শাসিত, তবে শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকায় শি জিনপিং); রাষ্ট্রপতি: শি জিনপিং (পার্টির নেতা)
- অর্থনীতি: বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি, শিল্প, পরিষেবা, এবং প্রযুক্তি খাতে শক্তিশালী, বৃহত্তম প্রস্তুতকারক
- মুদ্রা: চীনা ইউয়ান (CNY).
- সীমান্তবর্তী দেশ: ১৪ টি।
উল্লেখ্য,
- তাইওয়ান: চীন তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে, তবে তাইওয়ান স্বাধীন সরকার পরিচালনা করে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভের চেষ্টা করছে।
- হংকং: ১৯৯৭ সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে হংকং চীনের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু ২০১৯ সালের পর থেকে সেখানে বৃহত্তর গণতন্ত্রের দাবিতে সহিংস প্রতিবাদ হয়েছে।
- তিব্বত: চীন তিব্বতকে নিজেদের অঞ্চল হিসেবে দাবি করে, কিন্তু তিব্বতের স্বাধীনতা আন্দোলন এখনও চলমান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩১৪.
কোন দেশটি ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পালাউ
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. ফিজি
ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়া ওশেনিয়া অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

ওশেনিয়া মহাদেশ:

- প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যভাগ ও দক্ষিণাংশের দ্বীপসমূহকে একত্রে ওশেনিয়া বলা হয়।
- ওশেনিয়া বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ।
- এই অঞ্চলকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- যথা: অস্ট্রেলিয়া (অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড), মেলানেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া এবং পলিনেশিয়া।
- ওশেনিয়া মহাদেশের স্বাধীন দেশ ১৪টি।
- দেশগুলো: অস্ট্রেলিয়া, ফিজি, কিরিবাতি, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নাউরু, নিউজিল্যান্ড, পালাউ, পাপুয়া নিউগিনি, সামোয়া, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, টোঙ্গা, টুভালু, ভানুয়াতু।

উৎস: Worldatlas.

৩১৫.
হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমা ফেলা হয় কোন যুদ্ধের সময়?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
  2. কোরিয়া যুদ্ধ
  3. ঠাণ্ডা যুদ্ধ
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো- ফ্যাটম্যান।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট- হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য,
- জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণ যুদ্ধের সূচনা করে ।
- ১ম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক উত্তেজনায় হিটলারের উত্থান ।
- জাপানী আগ্রাসন ও পার্ল হারবার আক্রমণ আমেরিকাকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়।

উৎস: History.com.
৩১৬.
কার আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়?
  1. সান ইয়েৎ সেন
  2. মাও সেতুং
  3. চিয়াং কাইশেক
  4. হো চি মিন
ব্যাখ্যা
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (Cultural Revolution):
- ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং- এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- এটি ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয়।
- এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- সমগ্র চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই
বিপ্লব শুরু হয়। 
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

অন্যদিকে -
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- চিয়াং কাইশেক চীনের পুঁজিবাদ তন্ত্রের প্রবর্তক।
- ভিয়েতনামের স্বাধীনতা সংগ্রামেরপুরোধা ব্যক্তিত্ব হো চি মিন।

উৎস: Britannica.
৩১৭.
“An eye for an eye” কোন আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. রোমান আইন
  2. হাম্মুরাবি আইন
  3. ম্যাগনা কার্টা
  4. ট্রিটি অফ ওয়েস্টফেলিয়া
ব্যাখ্যা

• কোড অব হাম্মুরাবি:
- নগররাষ্ট্র ব্যাবিলন ছিল মেসোপটেমিয়ার কেন্দ্রবিন্দু।
- ১৭৬০ খ্রিষ্টপূর্ব বেশ কয়টি ধারাবাহিক যুদ্ধের পর ব্যাবিলনের শক্তিমান রাজা হাম্মুরাবি অন্য সব বিপক্ষ নগররাষ্ট্রগুলো গুঁড়িয়ে দেন।

⇒ ২৮২টি আইনের সমন্বয়ে তৈরি, পাথরে খোদাই করা এই কোডটি ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া শাসনের জন্য তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত।
- এটি সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন।
- আইনগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী কাদামাটিতে লিখে আগুনে পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হতো।
- বিষয় অনুসারে আইনগুলো নানা শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। যেমন পারিবারিক বিষয়, বাণিজ্য, ধর্ম ও দাসপ্রথা।
- জনসাধারণ যদিও পড়তে জানত না, তবু আইনভঙ্গকারীদের দাঁত উপড়ে নেওয়া বা শূলে চড়ানোর মতো শাস্তি ভোগ করতে হতো।
- এই আইনের মুলকথা ছিল - “An eye for an eye”।

উৎস: i) History.com
ii) প্রথম আলো।

৩১৮.
Which of the following terms can be related with the fourth industrial revolution?
  1. ক) Artificial intelligence
  2. খ) Internet of things
  3. গ) robotics
  4. ঘ) a, b and c
  5. ঙ) None
ব্যাখ্যা
The Fourth Industrial Revolution is a term used by CEOs, policymakers and industry to describe technologies like artificial intelligence, quantum computing, 3D printing, nanotechnology, biotechnology, materials science, energy storage, and quantum computing. and the internet of things.

Source: CNBC, WEF
৩১৯.
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে কয়টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ১৪ টি
  2. ১৫ টি
  3. ১৭ টি
  4. ২০ টি
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়ন:
- ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের পর ১৯২২ সালে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ, তাঁর পদত্যাগের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যে ১৫টি রাষ্ট্র গঠিত হয়: রাশিয়া, বেলারুশ, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, কিরগিজিস্তান,
তাজিকিস্তান, আজারবাইজান, মলদোভা, আর্মেনিয়া, লিথুনিয়া, কাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান, জর্জিয়া, ইউক্রেন ও তুর্কমেনিস্তান।

উৎস: Britannica.
৩২০.
একাডেমি অব সায়েন্স কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস, ফ্রান্স
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. সেন্ট পিটার্সবার্গ, রাশিয়া
  4. জোহানেসবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
একাডেমি অব সায়েন্স:
- এটি রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবার্গে অবস্থিত।
- এটি একটি রাষ্ট্র মালিকানাধীন গ্রন্থাগার। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৭২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি।

উৎস: Britannica.
৩২১.
রিদ্দা কীসের নাম?
  1. এক ধরনের ক্রীড়া
  2. প্রাচীন সভ্যতা
  3. ধর্মযুদ্ধ
  4. রোবটের নাম
ব্যাখ্যা
রিদ্দা যুদ্ধ: 
- আবু বকরের (রা) স্বল্পকালীন খিলাফতের বেশীর ভাগ সময় রিদ্দার (স্বধর্ম ত্যাগের) যুদ্ধে ব্যাপৃত ছিল।
- বস্তুত মহানবী (স) এর মৃত্যুর পর হেজাজ প্রদেশ ছাড়া প্রায় সমগ্র আরব দেশ নব প্রতিষ্ঠিত মুসলিম রাষ্ট্র ও ইসলাম ধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
- এসময় কতিপয় ভণ্ড নবীর উদ্ভব ঘটে।
- মুসলমানদের একদল যাকাত দানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে।
- সমগ্র আরবে অন্তর্বিপ্লব দেখা দেয়।
- ইসলামের বিরুদ্ধে আরব গোত্রগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠে।
- ইহুদি-খ্রিস্টানগণ মাথা চাড়া দিয়ে উঠে।
- মূলত মহানবীর (স) মৃত্যুর পর ইসলাম বিরোধী শক্তিসমূহ এবং ভণ্ড নবীদের পরিচালিত আন্দোলন ইসলামের ইতিহাসে 'রিদ্দা বা স্বধর্মত্যাগী আন্দোলন'
- এবং এ আন্দোলন দমনে হযরত আবু বকর (রা) ঘোষিত যুদ্ধ 'রিদ্দা যুদ্ধ' নামে পরিচিত।
- এটি একটি ধর্মযুদ্ধ। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২২.
আটলান্টিক মহাসাগরের রুবেন দ্বীপে অন্তরীণ ছিলেন-
  1. ক) নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
  2. খ) নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. গ) জর্জ ল্যাডওয়েল টেলর
  4. ঘ) এফডব্লিউডি ক্লার্ক
ব্যাখ্যা

- ১৯৬১ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র শাখা গঠন করেন।
- ১৯৬২ সালে বর্ণবাদী সরকার তাকে গ্রেফতার করে এবং ১৯৬৪ সালে অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
- প্রচন্ড প্রতিবাদের মুখে বর্ণবাদী সরকার ১৯৯০ সালে ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
- দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের মধ্যে ১৮ বছর তিনি দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের রুবেন দ্বীপে অন্তরীণ ছিলেন।
- ১৯৯১ সালে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৯৪ সালে আফ্রিকায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে জয় লাভ করেন এবং তিনি প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন‌।
উৎসঃ দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারি ওয়েবসাইট।

৩২৩.
রাফাহ ক্রসিং সংলগ্ন মরুভূমি কোনটি?
  1. সাহারা মরুভূমি
  2. গিলফ কেবির মরুভূমি
  3. পশ্চিম মরুভূমি
  4. সিনাই মরুভূমি
ব্যাখ্যা
রাফা ও রাফা ক্রসিং
- রাফাহ ক্রসিং সিনাই মরুভূমি সংলগ্ন একটি সীমান্ত পথ।
- গাজার সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত।
- মিশর আর গাজা ভূখণ্ডের মধ্যে একমাত্র সীমান্ত পারাপারের পথ।
- শুধুমাত্র রাফা ক্রসিং দিয়েই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে বাকি বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেতেন গাজার ফিলিস্তিনিরা।

- রাফাহ ক্রসিং ছাড়াও স্থলপথে গাজার আরও দুটি ক্রসিং রয়েছে। একটি কেরেম শালম ক্রসিং আরেকটি বেইত হানুন বা ইরেজ ক্রসিং।
- এই দুটি ক্রসিং ব্যবহৃত হতো শুধু পণ্য পরিবহনে। যেগুলো পুরোপুরি ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে এবং দুটোই এখন বন্ধ।
- গত ৭ই অক্টোবর, ২০২৩ গাজার উত্তরাঞ্চলের ইরেজ সীমান্ত দিয়ে ইসরায়েলে আক্রমণ করে হামাস।
- হামাস ইসরায়েলে হামলা চালানোর সময় থেকেই ইসরায়েলের সাথে গাজার দুটি ক্রসিং বন্ধ করে দেয়া হয়।
- খোলা থাকে শুধুমাত্র রাফাহ ক্রসিং।
- এমন অবস্থায় রাফাহ ক্রসিং হয়ে উঠেছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষদের গাজা ছেড়ে যাওয়া এবং ভয়াবহ এই সংকটকালে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর একমাত্র স্থলপথ, একে তখন গাজার লাইফলাইনও বলা হয়েছিল।

অন্যদিকে, 
- মিশরের পশ্চিম মরুভূমি হল সাহারার একটি এলাকা যা নীল নদের পশ্চিমে লিবিয়ার সীমান্ত পর্যন্ত এবং দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর থেকে সুদানের সীমান্ত পর্যন্ত অবস্থিত।
- গিলফ কেবির হল মিশর এবং লিবিয়ার সীমান্তে একটি মালভূমি।
- সাহারা মরুভূমি হলো বিশ্বের বৃহত্তম গরম মরুভূমি এবং অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের পরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি। আফ্রিকার ১১ টি দেশের সীমানাজুড়ে সাহারা মরুভূমি। মিশর, মরক্কো, আলজেরিয়া, লিবিয়া, নাইজার, মালি, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, মৌরিতানিয়া, ইরিত্রিয়া, সুদানের অংশে রয়েছে এই মরুভূমি। 

তথ্যসূত্র - The Daily Star, Britannica .
৩২৪.
‘গুড নেইবার পলিসি’ মূলত কোন অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. ল্যাটিন আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

গুড নেইবার পলিসি:
- ‘গুড নেইবার পলিসি’ মূলত ল্যাটিন আমেরিকার সাথে সম্পর্কিত।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট (Franklin D. Roosevelt) 'গুড নেইবার পলিসি' (Good Neighbor Policy) গ্রহণ করেছিলেন।
- ১৯৩০-এর দশকে তিনি এই নীতি চালু করেন, যার লক্ষ্য ছিল ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর সাথে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করা, এবং আগের হস্তক্ষেপমূলক নীতি থেকে সরে আসা। 

⇒ গুড নেইবার পলিসি হলো একটি মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি।
- ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের অধীনে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য এই পলিসি গ্রহণ করা হয়েছিল।
- এর লক্ষ্য ছিল, লাতিন আমেরিকার কোনো দেশ দখল বা দমন না করা এবং তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা। 
- এটি মূলত পূর্ববর্তী হস্তক্ষেপমূলক নীতির বিপরীতে ছিল।
- এই নীতির উদ্দেশ্য ছিল লাতিন আমেরিকার সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করা, উভয় অঞ্চলের মধ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং নাৎসি প্রভাব রোধ করা। 

উৎস: Britannica.

৩২৫.
ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ কোথায় পাওয়া যায়? 
  1. চিচেন ইৎজা
  2. কলোসিয়াম
  3. মাচু পিচু
  4. কুসকো
ব্যাখ্যা

ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
-প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
-
নতুন সপ্তাশ্চর্য ‘মাচুপিচু’ (Machu Picchu) ইনকা সভ্যতার নিদর্শন।
- তারা বিশাল বিশাল পাথর দিয়ে কোনো সিমেন্ট বা চুন ছাড়াই সুনিপুণভাবে দেয়াল তৈরি করত, যা আজও বিশ্বের বিস্ময়।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ইনকাদের কোনো লিখিত লিপি ছিল না। এর বদলে তারা রঙিন সুতার গিঁট দিয়ে হিসাব রাখা ও তথ্য আদান-প্রদান করত, যাকে 'কুইপু' বলা হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং হিস্টোরি .কম।

৩২৬.
'শাত-ইল-আরব' কোন দুইটি দেশের বিরোধপূর্ণ জলপথ?
  1. সিরিয়া ও মিশর
  2. ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল
  3. জর্ডান ও সিরিয়া
  4. ইরাক ও ইরান
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- ‘শাত-ইল-আরব’ জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৩২৭.
বিশ্ব ঐতিহ্য মাচুপিচু কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কলম্বিয়া
  2. পেরু
  3. মেক্সিকো
  4. চিলি
ব্যাখ্যা
• মাচুপিচু:
মাচুপিচু হলো পেরুতে অবস্থিত ইনকা সভ্যতার একটি পার্বত্য পাথুরে শহর যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭,৭০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত।
- এই শহরটি ইনকাদের দ্বারা নির্মিত। ষোড়শ শতকে স্পেনিশদের দ্বারা ইনকা সাম্রাজ্য ধ্বংস হলেও মাচুপিচু অজানার মধ্যে থেকে যায়।
- ১৯১১ সালে মার্কিন প্রত্নতাত্ত্বিক হিরাম বিঙহাম মাচুপিচু আবিষ্কার করেন।
- এটি পৃথিবীর একটি সপ্তাশ্চর্য এবং ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য নিদর্শন।
- ইনকা সভ্যতা দ্বাদশ শতকে দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূল বরাবর আন্দিজ পার্বত্য অঞ্চলে রেড ইন্ডিয়ানদের দ্বারা গড়ে উঠে ছিলো যা ষোড়শ শতকে স্পেনিশদের দ্বারা ধ্বংস হয়।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা। 
৩২৮.
বিশ্বের প্রথম শতভাগ কাগজবিহীন প্রশাসন চালু করে-
  1. ক) নিউইয়র্কে
  2. খ) দোহায়
  3. গ) স্টকহোমে
  4. ঘ) দুবাই
ব্যাখ্যা

- বিশ্বে প্রথম মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাইয়ের সরকার ব্যবস্থাকে শতভাগ কাগজহীন হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০২১ এই ঘোষণা দেয়া হয়।
- দুবাই সরকারের সব ধরনের অভ্যন্তরীণ, বাহ্যিক লেনদেন এবং পদ্ধতি এখন শতভাগ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হবে।

৩২৯.
পাবলো পিকাসো কোন ঘটনার প্রেক্ষাপটে  ‘গোয়ের্নিকা’ চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  2. স্পেনের গৃহযুদ্ধ
  3. মার্কিন গৃহযুদ্ধ
  4. ফরাসি বিপ্লব
ব্যাখ্যা

পাবলো পিকাসো:
- বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী চিত্রশিল্পীদের একজন পাবলো পিকাসো। 
- তিনি একাধারে ছিলেন দক্ষ ভাস্কর, মৃৎশিল্পী, পোশাক পরিকল্পক ও মঞ্চসজ্জাশিল্পী। 
- পাবলো রুইজ পিকাসোর জন্ম ১৮৮১ সালের ২৫ অক্টোবর দক্ষিণ স্পেনের ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী মালাগা শহরে।
- তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি হলো 'গোয়ের্নিকা', ‘দ্য ওল্ড গিটারিস্ট’, ‘গার্ল বিফোর আ মিরর’, ‘দ্য উইপিং ওমেন’, ‘উইমেন অব আলজিয়ার্স’, ‘সেলফ পোর্ট্রেট’, ‘থ্রি মিউজিশিয়ানস’, ‘সিটেড বাথার’ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- পিকাসোর আঁকা অসংখ্য বিখ্যাত ছবির একটি বিখ্যাত ছবি হলো ‘গোয়ের্নিকা’। 
- স্পেনের গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিনি ‘গোয়ের্নিকা’ চিত্রকর্মটি অঙ্কন করেন। 
- ১৯৩৭ সালে স্পেনের গৃহযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জার্মান ও ইতালীয় বিমান বাহিনী স্পেনের গোয়ের্নিকা শহরে ভয়াবহ বোমা হামলা চালায়। সেই নৃশংসতার প্রতিবাদে পাবলো পিকাসো আঁকেন বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘Guernica’, যা যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী শিল্প-প্রতিবাদ হিসেবে পরিচিত।

উৎস: i) Britannica.
ii) Nobel Prize ওয়েবসাইট।

৩৩০.
দক্ষিণ আফ্রিকার সংসদীয় রাজধানী নিচের কোনটি?
  1. ভ্রেডেনবার্গ
  2. কেপ টাউন
  3. ওয়েলিংটন
  4. জোহানেসবার্গ
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- আইনসভার নাম পার্লামেন্ট,
• উচ্চকক্ষ National Council.
• নিম্নকক্ষ National Assembly.
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী ৩টি,
• নির্বাহী রাজধানী প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী ব্লুমফন্টেইন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয় / প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দক্ষিণ আফ্রিকা মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩৩১.
ফ্যাসিবাদের জনক বলা হয় কাকে?
  1. জোসেফ স্ট্যালিন
  2. এডলফ হিটলার
  3. কাইজার
  4. বেনিতো মুসোলিনি
ব্যাখ্যা

ফ্যাসিবাদের জনক বলা হয়- বেনিতো মুসোলিনিকে।

• বেনিতো মুসোলিনী: 

- পুরো নাম: Benito Amilcare Andrea Mussolini. 
- জন্মস্থান: ইতালি।
- রাজনৈতিক আদর্শ: ফ্যাসিবাদ (Fascism) একনায়কতান্ত্রিক, সামরিকতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী মতবাদ।
- প্রতিষ্ঠাতা: ইতালির ফ্যাসিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, ১৯১৯ সালে।
- ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত: ইতালির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে: ১৯২২-১৯৪৩।
- শাসনব্যবস্থা: একদলীয় একনায়কতন্ত্র; সংসদীয় গণতন্ত্র ধ্বংস করে ফ্যাসিস্ট একনায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ
- মূল দর্শন: রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বে কিছু নেই, সবকিছু রাষ্ট্রের অধীনে। 
- জোট: অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি জার্মানির সাথে মিত্রতা গড়ে তোলেন।
- যুদ্ধ অংশগ্রহণ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫) ফ্যাসিস্ট জোটের পক্ষে ইতালিকে নেতৃত্ব দেন।
- পতন: ১৯৪৩ সালে মিত্রবাহিনীর আক্রমণের মুখে মুসোলিনির সরকার পতন ঘটে।
- মৃত্যু: ২৮ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে ইতালির উত্তরাঞ্চলে গণবিক্ষোভের মধ্যে তিনি ও তার প্রেমিকা ক্লারেটা পেতাচিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। 

উৎস: Britannica.

৩৩২.
দক্ষিণ আমেরিকার স্থলবেষ্টিত দেশ কোনগুলো?
  1. বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে
  2. চিলি এবং উরুগুয়ে
  3. ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা
  4. ভেনিজুয়েলা এবং কলম্বিয়া
ব্যাখ্যা

- স্থলবেষ্টিত দেশ: দক্ষিণ আমেরিকায় মাত্র দুটি স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে।

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট অ্যাকনকাগুয়া (৬,৯৬১ মিটার)।
- এটি আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং এশিয়ার বাইরে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: লেগুনা ডেল কার্বন। এটি আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০৫ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: ব্রাজিল (এটি মহাদেশের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ড দখল করে আছে)।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: সুরিনাম।
- বৃহত্তম নদী: আমাজন নদী (Amazon River)। এটি জলপ্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী।
- দীর্ঘতম পর্বতমালা: আন্দিজ পর্বতমালা। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মহাদেশীয় পর্বতমালা।
- শুষ্কতম স্থান: আতাকামা মরুভূমি (চিলি)। এটি পৃথিবীর অন্যতম শুষ্কতম অঞ্চল।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: ব্রাজিল।
- কৃষি পণ্য: কফি (ব্রাজিল ও কলম্বিয়া), সয়াবিন এবং গরুর মাংস উৎপাদনে দক্ষিণ আমেরিকা বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়।
- খনিজ সম্পদ: চিলি বিশ্বের বৃহত্তম তামা উৎপাদনকারী দেশ।
- এছাড়া ভেনিজুয়েলায় বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুত রয়েছে।
- পর্যটন: পেরুর মাচু পিচু এবং ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
- অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (ভেনিজুয়েলা): বিশ্বের সর্বোচ্চ নিরবচ্ছিন্ন জলপ্রপাত (উচ্চতা ৯৭৯ মিটার)।

এছাড়াও,
- পৃথিবীর ফুসফুস: আমাজন রেইনফরেস্টকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
- স্থলবেষ্টিত দেশ: দক্ষিণ আমেরিকায় মাত্র দুটি স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ রয়েছে—বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে।
- পানামা খাল: এটি দক্ষিণ আমেরিকাকে উত্তর আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি প্রধান পথ।

উৎস: WorldAtlas.com.

৩৩৩.
নিউজিল্যান্ডের রাজধানী কোনটি?
  1. অকল্যান্ড
  2. ওয়েলিংটন
  3. ক্রাইস্টচার্চ
  4. হ্যামিল্টন
ব্যাখ্যা

নিউজিল্যান্ড:
- নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ দেশ।
- আয়তন: ১০২,৫৮৭ বর্গ মাইল (২৬৫,৭০০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: ওয়েলিংটন।
- ভাষা: ইংরেজি, মাওরি (উভয় সরকারী)।
- ধর্ম: খ্রিস্টান (প্রোটেস্ট্যান্ট, রোমান ক্যাথলিক), এছাড়াও বৌদ্ধ, হিন্দু ধর্ম।
- মুদ্রা: নিউজিল্যান্ড ডলার।
- এটি একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র যার একটি আইনসভা রয়েছে।
- এর রাষ্ট্রপ্রধান হলেন ব্রিটিশ রাজা, গভর্নর-জেনারেল প্রতিনিধিত্ব করেন এবং সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৩৩৪.
পারসিক সভ্যতার ধর্মের নামটি হলো- 
  1. ক) কনফুসীয়
  2. খ) সাংসারেক
  3. গ) জরথুস্ত্র
  4. ঘ) তাওবাদ
ব্যাখ্যা
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিলো জরথুস্ত্র। জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এই ধর্মের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।


(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩৩৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মেয়াদকাল কত?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট:
 - নির্বাহী ক্ষমতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত করা হয়।
- তিনি চার বছরের মেয়াদে তার পদে অধিষ্ঠিত থাকেন।
- একই মেয়াদের জন্য ভাইস প্রেসিডেন্ট  নির্বাচিত হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের রাজনৈতিক দলের নাম - ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতিক ছিল - গাধা।
- মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হেরিস।
- মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হেরিস ৪৯ তম ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৩৬.
Great Leap Forward ইতিহাসের এই সমালোচিত কর্মসূচিটির প্রবক্তা -
  1. ক) মহাত্মা গান্ধী
  2. খ) চে গুয়াভারা
  3. গ) কামাল পাশা
  4. ঘ) মাও সে তুং
ব্যাখ্যা
• মাও সে তুং:  
- Great Leap Forward  ইতিহাসের এই সমালোচিত কর্মসূচিটির প্রবক্তা-মাও সে তুং।
- গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রথম চেয়ারম্যান: মাও সে তুং।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন চত্বরে পিপলস রিপাবলিক অব চায়না প্রতিষ্ঠা  করেন।
- চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নাম বললে যাঁর নাম প্রথমেই বলতে হয়, তিনি মাও সে–তুং।
- ১৮৯৩ সালে মাও সে–তুং–এর জন্মের সময় চীনে চলছিল চিং রাজবংশের দুর্দশাগ্রস্ত শাসন।

অন্যদিকে,
- সানইয়াৎ সেন - চীন প্রজাতন্ত্রের জনক ও প্রতিষ্ঠাতা। তিনি চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৩৭.
কুখ্যাত ‘আবু গারিব’ কারাগারটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. সিরিয়া
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

• আবু গারিব:
- আবু গারিব একটি জেলখানা।
- এটি ইরাকের বাগদাদে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- সাদ্দাম হোসেনের রাষ্ট্রপতির থাকাকালীন (১৯৭৯-২০০৩) এখানে বিপুল সংখ্যক রাজনৈতিক বন্দীকে আটক রাখা হয়।
- এটি তখন নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত হয়ে ওঠে।
- মার্কিন এবং মিত্র বাহিনীর দ্বারা ইরাকে আক্রমণের পর ২০০৩ সালের আগস্টে এটি মার্কিন সেনাবাহিনী দ্বারা পুনরায় চালু করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৩৩৮.
ডি ডে অভিযান কোন যুদ্ধের সাথে সংশ্লিষ্ট এবং কোথায় সংগঠিত হয়েছিল?
  1. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে , জাপানের হিরোসিমায়।
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে , জাপানের নাগাসাকিতে।
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে , ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে।
  4. প্রথম বিশ্বযুদ্ধে , ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে।
ব্যাখ্যা
ডি ডে
- ডি ডে অভিযান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- ফ্রান্সের নরম্যান্ডির উপকূলে সংগঠিত হয়েছিল। 
- ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন, নাৎসি জার্মানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে প্রায় ১ লক্ষ ৫৬ হাজার মিত্রবাহিনীর সেনা ইংলিশ চ্যানেল সংলগ্ন ফ্রান্সের নরম্যান্ডি দ্বিপের উপকূলের পাঁচটি সৈকতে অবতরণ করেন।
-দিনশেষে প্রায় সাড়ে চার হাজার সৈন্য মারা যান, যা বিশ্বের সেনা ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযান। এই দিনটি ডি ডে হিসেবে পরিচিত। 
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর , দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবার পরে ১৯৪৪ সালের ৬ই জুন পর্যন্ত রাশিয়া এবং ব্রিটেন ছাড়া প্রায় পুরো ইউরোপই জার্মানির দখলে ছিল। এই দিনই প্রথম জার্মান নেতৃত্বাধীন অক্ষবাহিনী বড় কোন পরাজয়ের সম্মুখীন হয়। 

অন্যদিকে,
- ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট সকালে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় নামের নিউক্লীয় বোমা ফেলে,
- এবং এর তিন দিন পর ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরের ওপর ফ্যাট ম্যান নামের আরেকটি নিউক্লীয় বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। 

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৩৩৯.
বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট কোন দেশের ছিলেন?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. আর্জেন্টিনা
  3. ব্রাজিল
  4. উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ছিলেন আর্জেন্টিনার নাগরিক।  

ইসাবেলা পেরন: 

- পৃথিবীর প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ছিলেন ইসাবেলা পেরন।
- তিনি ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ইসাবেলা পেরন আর্জেন্টিনার সাবেক রাষ্ট্রপতি হুয়ান পেরোনের তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন। স্বামী হুয়ান পেরনের অসুস্থতার কারণে ১৯৭৪ সালে রাষ্ট্রপতির পদে বসেন তিনি এবং ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত এ পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। 

উল্লেখ্য,
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরানায়েক এবং
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।

উৎস: Britannica.
৩৪০.
নিচের কোন দেশটির কোন সমুদ্র বন্দর নেই?
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) প্যারাগুয়ে
  3. গ) আর্জেন্টিনা
  4. ঘ) চিলি
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ আমেরিকার দুটি দেশের কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
- এই দেশ দুটি হলো: প্যারাগুয়ে ও বলিভিয়া।
- এদের নিজস্ব কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। কারণ দেশ দুটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। এদের চারপাশে কোনো সমুদ্র নেই।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩৪১.
ফরমোজার বর্তমান নাম -
  1. তাইওয়ান
  2. কম্বোডিয়া
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
তাইওয়ান:
- তাইওয়ান সরকারীভাবে চীন প্রজাতন্ত্র ফিনিন।
- ফরমোজার বর্তমান নাম তাইওয়ান।
- এটি পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ, যা তাইওয়ান প্রণালীর পূর্বে চীনা মূল ভূখন্ডের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- আয়তন: ১৩,৯৭৬ বর্গ মাইল (৩৬,১৯৭ বর্গ কিমি)।
- ভাষা: ম্যান্ডারিন চাইনিজ (অফিসিয়াল), তাইওয়ানিজ, ফুকিয়েন এবং হাক্কা উপভাষায়ও কথা বলা হয়।
- ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্ম, দাওবাদ, কনফুসিয়ানিজম, খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: নতুন তাইওয়ান ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩৪২.
ভারতবর্ষে ‍মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. কুতুবউদ্দিন আইবেক
  2. তৈমুর লঙ
  3. জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর
  4. আহমদ শাহ আবদালী
ব্যাখ্যা
- ১৫২৬ সালের এপ্রিল মাসে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লোদী বংশের শাসক ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করে জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- তবে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য স্থিতিশীলতা লাভ করে সম্রাট আকবরের শাসনামলে।
- দুইশ বছরের অধিক সময় ধরে মুঘলরা ভারতবর্ষ শাসন করে।
- সর্বশেষ মুঘল সম্রাট হলেন দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর।
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস)
৩৪৩.
মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ফাতিমা শেখ
  2. বেনজির ভুট্টো
  3. বেগম ফাতেমা জিন্নাহ
  4. শ্রীমাভো বন্দরানায়েক
ব্যাখ্যা

বেনজির ভুট্টো:
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- বেনজির ভুট্টোর জন্ম ১৯৫৩ সালের ২১ জুন, করাচিতে।
- বেনজির ভুট্টো ছিলেন জুলফিকার আলি ভুট্টোর কন্যা।
- জুলফিকার আলি ভুট্টো ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের নেতা ছিলেন।
- প্রতিপক্ষের এক নেতাকে খুনের অভিযোগে ১৯৭৯ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে বেনজির ভুট্টো মাত্র ২৬ বছর বয়সে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বেনজির ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পিপিপি জয়ী হলে তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- তিনি ১৯৮৮-৯০ এবং ১৯৯৩-৯৬ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দুটি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় বেনজির ভুট্টো নিহত হন।

অন্যদিকে -
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ইসাবেলা পেরন।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরানায়েক।

উৎস: Britannica.

৩৪৪.
তাজিকিস্তানের রাজধানী কোনটি?
  1. আস্তানা
  2. দুশানবে
  3. বিশকেক
  4. আশাখাবাদ
ব্যাখ্যা
• তাজিকিস্তান,
 - রাজধানী- দুশানবে,
- মুদ্রা : সোমোনি,

• কাজাখস্তান-
- রাজধানী- আস্তানা,
- মুদ্রা- তেঙ্গে।

• তুর্কমেনিস্তান :
- রাজধানী- আশাখাবাদ,
- মুদ্রা : মানাত,

• কিরগিজিস্তান
- রাজধানী- বিশকেক,
- মুদ্রা: সোম।

উৎস: britannica.
৩৪৫.
What is the height of the world's tallest tower 'Burj Khalifa'?
  1. 824 m
  2. 826 m
  3. 828 m
  4. 884 m
  5. 882 m
ব্যাখ্যা
বুর্জ খলিফা:
- বুর্জ খলিফা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন।
- ১৬৩ তলাবিশিষ্ট এই ভবনের উচ্চতা ২,৭১৬.৫ ফুট বা ৮২৮ মিটার।
- এই বহুতল ভবনের নামকরণ করা হয়েছে আমিরাতের সাবেক প্রেসিডেন্ট খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের নামে।
- প্রথমে এর নাম ছিল বুর্জ দুবাই।
- পরে প্রেসিডেন্টের সম্মানার্থে নাম পরিবর্তন করা হয়।
- ২০০৪ সালে বুর্জ খলিফা তৈরির কাজ শুরু হয়।
- ২০০৯ সালে বুর্জ খলিফার নির্মাণ সম্পন্ন হয়।
- ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভবনের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: Britannica.
৩৪৬.
'তাহরিক-ই-মুহম্মদীয়া' আন্দোলনের সাথে কে জড়িত ছিলেন?
  1. তিতুমীর
  2. দুদু মিয়া
  3. স্যার সলিমুল্লাহ
  4. নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:

- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন 'তাহরিক-ই-মুহম্মদীয়া'।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে। এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৭.
রোমান সাম্রাজ্যের প্রথম সম্রাট কে?
  1. অগাস্টাস সিজার
  2. রাজা রোমিউলাস
  3. অগাস্টাস জুপিটার
  4. রমিউলাস অগাস্টাস
ব্যাখ্যা
রোমান সাম্রাজ্য:
- রোমান সাম্রাজ্য এর সময়কাল: ২৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ৪৭৬ খ্রিষ্টাব্দ
- প্রাচীন রোম নগরকে কেন্দ্র করে রোমান সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম রোমান সম্রাট ছিলেন - অগাস্টাস সিজার।
- অগাস্টাস সিজারের রাজত্বকালের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক যীশুখ্রিস্টের জন্ম।

উৎস: ব্রিটানিকা & বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৮.
মায়া সভ্যতা বিকশিত হয়েছিল কোথায়?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. মধ্য আমেরিকা
  3. ক্যারিবীয় অঞ্চল
  4. পূর্ব ইউরোপ
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতা ছিল প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম উন্নত ও রহস্যময় সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতার সূচনা অনেক আগে মেসোআমেরিকা নামক এক স্থানে হয়েছিল।
- এই বিশাল অঞ্চলটি মেক্সিকো এবং মধ্য আমেরিকার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত।
- মধ্য আমেরিকায় দুই সহস্রাধিক বছর ধরে বিকশিত এই সভ্যতা শিল্প, স্থাপত্য, জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিতের ক্ষেত্রে অসাধারণ অগ্রগতি সাধন করেছিল। 
- মেক্সিকো, বেলিজ, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর ও হন্ডুরাসের রেইনফরেস্টের মধ্যে এটি অবস্থিত।
- মায়ারা প্রথম তাদের সভ্যতা গড়ে তোলে প্রায় ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে (প্রাক-ধ্রুপদী যুগ)।

⇒ প্রাথমিক পর্যায়ে মায়ারা কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং প্রধানত ভুট্টা, শিম, কুমড়া ও মরিচ চাষ করত।
- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা শক্তিশালী নগর-রাষ্ট্র গড়ে তোলে, যেখানে প্রতিটি রাজ্য ছিল স্বাধীন এবং রাজা ও অভিজাত শ্রেণি দ্বারা শাসিত।
- টিকাল, পালেনকে, কোপান ও চিচেন ইৎজা ছিল এই শহরগুলোর মধ্যে বিখ্যাত, যেগুলো বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক শক্তির কেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়।

⇒ মায়া সভ্যতার অন্যতম বিস্ময়কর দিক ছিল তাদের জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিতের জ্ঞান।
- তারা অত্যন্ত উন্নত ক্যালেন্ডার ব্যবস্থা তৈরি করেছিল।
- তারা কৃষিকাজের জন্য এই ক্যালেন্ডার ব্যবহার করত।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৩৪৯.
জি-২০ জোটের বর্তমান সভাপতি-
  1. ক) জোকো উইডোডো
  2. খ) জর্জা মেলোনি
  3. গ) ইয়োশিহিদে সুগা
  4. ঘ) নরেন্দ্র মোদি
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশের সরকার ও গভর্নরদের জোট হচ্ছে জি-২০।
- এতে ১৯টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিলে ২০টি সদস্য নিয়ে জি-২০ জোট গঠিত হয়েছে। 
- ০১ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে জি-২০ এর নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
- জি-২০ এর ১৭তম সম্মেলন ১৫-১৬ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার বালি দ্বীপে অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৮তম সম্মেলন সেপ্টেম্বর, ২০২২; ভারতের নয়া দিল্লীতে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
৩৫০.
দক্ষিণ আফ্রিকার সংসদীয় রাজধানী -
  1. কেপ টাউন
  2. প্রিটোরিয়া
  3. জোহানেসবার্গ
  4. ব্লুমফন্টেইন
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- আইনসভার নাম পার্লামেন্ট,
• উচ্চকক্ষ National Council.
• নিম্নকক্ষ National Assembly.
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী ৩টি,
• নির্বাহী রাজধানী প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী ব্লুমফন্টেইন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয় / প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দক্ষিণ আফ্রিকা মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৩৫১.
ইউক্রেনের রাজধানীর নাম কী?
  1. মারিউপোল
  2. খারকিভ
  3. কিয়েভ
  4. খেরসন
ব্যাখ্যা
কিয়েভ: 
- কিয়েভ (Kyiv) ইউক্রেনের রাজধানী এবং প্রধান শহর।
- এটি ডিনিপার নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী এবং একটি বড় রেল সংযোগস্থল।
- কিয়েভের ইতিহাস গৌরবময় ও প্রাচীন।
- প্রায় এক হাজার বছর আগে এটি ছিল পূর্ব স্লাভদের প্রথম রাষ্ট্র কিয়েভান রাস (Kyivan Rus)-এর কেন্দ্রস্থল।
- সে কারণে কিয়েভ পেয়েছিল “রাশিয়ান শহরসমূহের জননী” উপাধি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় শহরটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
- তবে ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি নাগাদ এটি পুনর্নির্মিত হয়।
- ২০শ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে কিয়েভ ছিল একটি সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ১৯৯১ সালে ইউক্রেন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা লাভ করলে কিয়েভ আবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় রাজধানী হিসেবে তার মর্যাদা ফিরে পায়।

উৎস: Britannica.
৩৫২.
রোমান দেওয়ানী ও ফৌজদারী আইন কোন শতাব্দীতে সংকলিত হয়?
  1. খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী
  2. খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী
  3. খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী
  4. খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী
ব্যাখ্যা

⇒ রোমান দেওয়ানী ও ফৌজদারী আইন (সিভিল ও ক্রিমিনাল'ল) খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতেই সংকলিত হয়।

 রোমান সভ্যতা:
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় ও প্রথম শতকে রোমানরা গ্রিক সাম্রাজ্য দখল করে।
- রোমানরা ইতালি ও ইতালির পশ্চিম দিকে অবস্থিত ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলো জয় করে।
- লাতিনদের একটি ক্ষুদ্র জাতি থেকে সুবিশাল সাম্রাজ্যের বিকাশ হয়, মধ্য ইটালির ল্যাটিয়ামে রোম ছিল তাদের প্রধান শহর।
- রোমান সাহিত্য-সংস্কৃতিতে গ্রিক সভ্যতার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়.
- সে যুগে রোমান সাহিত্য চর্চা ছিল ব্যাপক।
- মলিয়ে পুটাস এবং টেরেন্স ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- রোমানরা গণপ্রজাতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। ফলে শাসনকার্যে ধর্মীয় প্রভাব বা পুরোহিততন্ত্র পাকাপোক্ত হয়ে বসতে পারেনি।
- প্রাচীন সভ্যতায় রোমানদের অন্যতম কৃতিত্ব হলো রোমান আইন ব্যবস্থা (Roman Law)।

⇒ রোমানদের উপাস্য দেবতা:
- আকাশের দেবতা: জুপিটার।
- প্রেমের দেবতা: ভেনাস।
- বাতাস এবং সমুদ্রের দেবতা: নেপচুন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৩.
যুক্তরাজ্যের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম কী?
  1. NASA
  2. UKSA
  3. ROSCOSMOS
  4. ISRO
ব্যাখ্যা
UKSA:
- যুক্তরাজ্যের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম UKSA।
- UKSA এর পূর্ণরূপ: United Kingdom Space Agency (UK Space Agency)।
- প্রসপেরো, গ্রেট ব্রিটেন কর্তৃক উৎক্ষেপিত প্রথম এবং একমাত্র আর্থ স্যাটেলাইট।

অন্যদিকে -
- ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম ISRO।
- রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম ROSCOSMOS।
- যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম NASA।

উৎস: UKSA ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৫৪.
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার দেশ কোনটি? [মার্চ, ২০২৬]
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. পাকিস্তান
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার দেশ:
- বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া। 

• মুসলিম জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ দেশ:
১. ইন্দোনেশিয়া, 
২. পাকিস্তান, 
৩. ভারত, 
৪. বাংলাদেশ, 
৫. নাইজেরিয়া।

উৎস: i) World Population Review ওয়েবসাইট। [link]
ii) The Muslim Times. [link]

৩৫৫.
'বোস্টন টি পার্টি' কোন বিপ্লবের শুরু হিসেবে বিবেচিত?
  1. অরেঞ্জ বিপ্লব
  2. অক্টোবর বিপ্লব
  3. আমেরিকান বিপ্লব
  4. টিউলিপ বিপ্লব
ব্যাখ্যা

• বোস্টন টি পার্টি:
- 'বোস্টন টি পার্টি' আমেরিকান বিপ্লবের সূচনা করে।
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিবাদ এবং এটি আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করে।

- Boston Tea party সংঘটিত হয়েছিল ১৭৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- এই পার্টিটি ছিল বোস্টনে সন অব লিবার্টিদের একটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে টি পার্টিটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
- ১৭৭০ সালের ৫ মার্চ বোস্টন রাজস্ব বিভাগের সামনে আমেরিকানদের সাথে ব্রিটিশ সৈনিকরা কর আদায়ের ইস্যুকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
- তখন ব্রিটিশরা উত্তেজিত ব্যবসায়ীদের দিকে গুলি ছুড়লে সেখানে ৫ জন নিহত হয়।
- অংশগ্রহণকারীরা কেউ কেউ আদিবাসী মার্কিনীদের ছদ্মবেশে চা আইনের বিরোধিতায়, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কর্তৃক প্রেরিত চায়ের একটি গোটা চালান ধ্বংস করে দেন।
- তারা এরপর জাহাজে উঠে পড়েন এবং চায়ের সিন্দুকগুলো বোস্টন পোতাশ্রয়ে ছুড়ে ফেলেন।
- ব্রিটিশ সরকার এর কঠোরভাবে জবাব দেয় এবং এই ঘটনাটি মার্কিন বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যায়।
- এই ঘটনাটি ১৭৭৬ সালে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধকে ত্বরান্বিত করে।

তথ্যসূত্র: History.com.

৩৫৬.
প্রথম দেশ হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধ অর্থ হিসেবে গ্রহণ করেছে কোন দেশ?
  1. বেলিজ
  2. এল সালভাদর
  3. গুয়াতেমালা
  4. নিকারাগুয়া
ব্যাখ্যা
- এল সালভেদর হচ্ছে বিশ্বের প্রথম কোন দেশ যারা বিটকয়েনকে সরকারিভাবে একটি বৈধ মুদ্রা বা কারেন্সি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

• বিটকয়েন:

- বিটকয়েন হলো ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রা বা ডিজিটাল কারেন্সি।
- এর লেনদেনের জন্য কোনো ধরনের অর্থনৈতিক বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয় না।
- ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এ মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন।
- এ মুদ্রাব্যবস্থাকে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন নামে অভিহিত করেন।
- এটি অনেকটা শেয়ারের মতো লেনদেন হয়।
- তাই এর বিনিময়মূল্য সবসময় ওঠানামা করে।
- বিটকয়েন বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল কারেন্সি।
- প্রথম দেশ হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধ অর্থ হিসেবে গ্রহণ করেছে এল সালভেদর। 

উৎস: Investpedia Webswite এবংবিবিসি বাংলা নিউজ, প্রথম আলো।
৩৫৭.
কাদের নিকট ফিনিশীয় সভ্যতার পতন ঘটেছিলো?
  1. পারসিক
  2. রোমান
  3. সেলজুক তুর্কি
  4. গ্রিক
ব্যাখ্যা
ভূমধ্যসাগর ও লেবানন পর্বতের মধ্যবর্তী স্থানে বর্তমান লেবাননে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩০০০ অব্দে ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো। ফিনিশীয়দের আদিনিবাস ছিলো পারস্য উপসাগরীয় তীরবর্তী অঞ্চলে।

উর্বর কৃষিজমির স্বল্পতার কারণে ফিনিশীয়দের জীবিকার প্রধান উৎস ছিলো বাণিজ্য। ফিনিশীয়রা সভ্যতার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা হিসেবে পরিচিত। তারাই ইতিহাসে প্রথম সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক সভ্যতা গড়ে তুলেছিলো।

ফিনিশীয় সভ্যতাকে প্রথম উপনিবেশিক সভ্যতা হিসেবে অভিহিত করা হয়। ফিনিশীয়রা উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম ভূমধ্যসাগর, ইতালি, গ্রিস প্রভৃতি অঞ্চলে বাণিজ্যিক উপনিবেশ গড়ে তুলেছিলো।

বর্তমান লেবাননে অবস্থিত টায়ার ও সিডন ফিনিশিয়ার দুটো বিখ্যাত বন্দর। ফিনিশীয়রা বর্ণমালা আবিষ্কারের জন্যেও বিখ্যাত। তারা ২২টি ব্যাঞ্জনবর্ণ সম্বলিত বর্ণমালার উদ্ভাবন করেছিল। পরবর্তীতে গ্রিকরা এই বর্ণমালার সাথে স্বরবর্ণ যোগ করে একে পূর্ণতা দান করে।

ফিনিশীয়রা ধ্রুবতারা দেখে দিক নির্ণয় করে জাহাজ চালাতো বিধায় ধ্রুবতারাকে অনেকে ফিনিশীয় তারা বলে থাকে।

খ্রিস্টপূর্ব ৩৩২ অব্দে গ্রিকবীর আলেকজান্ডার কর্তৃক ফিনিশিয়ার টায়ার নগরী ধ্বংসের মাধ্যমে ফিনিশীয় সভ্যতার পতন ঘটে।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং ইতিহাস : এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩৫৮.
মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল, তখন তার নাম ছিল-
  1. মহাস্থান
  2. কর্ণসুবর্ণ
  3. রামাবতী
  4. পুণ্ড্রবর্ধন
ব্যাখ্যা
বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রু ছিলো সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীণ।
- এই জনপদের অন্তর্গত ছিল মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
৩৫৯.
নিচের কোন রেখা উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথক করেছে?
  1. ১৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
  2. ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
  3. ৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
  4. ২৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষ রেখা:
- উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথককারী রেখা।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালে পটস্‌ডাম কনফারেন্সে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কুশীলবরা এটিকে সামরিক সীমা হিসেবে বেছে নেয়।
- এর এক পাশে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যপাশে সোভিয়েত বাহিনী অবস্থান নেয়।
- পরে ১৯৫০ সালে দুই কোরিয়ার মধ্যে সংঘাতের পর এর অস্ত্র বিরতি অনুযায়ী এটিকে দুই কোরিয়ার সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- এই লাইনের দুই কিলোমিটার এলাকাকে নিরস্ত্রীকৃত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়।
- এটি ২৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
এছাড়া,
- ১৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষ রেখা সাবেক উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামকে পৃথককারী রেখা।
- ২৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষ রেখা হলো পাকিস্তানের দাবিকৃত ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত রেখা।
- ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে পৃথক করেছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩৬০.
'লিটল বাংলাদেশের' অবস্থান কোথায়?
  1. ক) লস অ্যাঞ্জেলেস
  2. খ) পূর্ব লন্ডন
  3. গ) জাম্বুবার
  4. ঘ) ইয়ােকোহামা
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে 'লিটল বাংলাদেশ' অবস্থিত।
- শহরের প্রাণকেন্দ্রে আলেকজান্দ্রিয়া থেকে নিউ হ্যামশ্যায়ার পর্যন্ত বাংলাদেশি অধ্যুষিত পুরো এলাকাকে ‘লিটল বাংলাদেশ’ হিসেবে দেয়া হয় সরকারি স্বীকৃতি।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৬১.
ইউরোপের কোন শহর থেকে রেনেসাঁসের সূত্রপাত ঘটে?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) ফ্লোরেন্স
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) রোম
ব্যাখ্যা
রেনেসাঁস মানে হলো নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম। প্রাচীন গ্রিক ও রোমান জ্ঞানবিজ্ঞান কে জানার গভীর আগ্রহ ও উৎসাহ সৃষ্টিই রেনেসাঁস নামে পরিচিত।

পঞ্চদশ শতকে অটোমানদের নিকট বাইজান্টিয়াম সাম্রাজ্যের পতন রেনেসাঁসকে তরান্বিত করে। ইতালির ফ্লোরেন্স শহর থেকে রেনেসাঁসের প্রথম সূত্রপাত ঘটে এবং পরবর্তীতে তা ইউরোপের অন্যান্য দেশে ছড়িযে পড়ে।

রেনেসাঁসের ফলে ইউরোপের ধর্মকেন্দ্রিক যাজকতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার পতন ঘটে এবং মানবতাবাদ, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ, শিক্ষা প্রভৃতি গুরুত্ব লাভ করে।
রেনেসাঁসকে ইউরোপের মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মধ্যে সীমারেখা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩৬২.
দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. মারাইস ভিলজোয়েন
  2. চার্লস রবার্টস সোয়ার্ট
  3. এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্ক
  4. জোহানেস ডি ক্লার্ক
ব্যাখ্যা
এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক:
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক।
- ১৯৮৯-৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে ডি ক্লার্ক যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান।
- ক্লার্ক বর্ণবাদের অবসান এবং ক্ষমতা হস্তান্তরে সহায়তা করার জন্য ম্যান্ডেলার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৬ সালে জোহানেসবার্গে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৯ সালে ন্যাশনাল পার্টির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি আইনজীবী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ১৯৯৭ সালে ক্লার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতি থেকে অবসর নেন।

উৎস: Britannica.
৩৬৩.
ভারতের সাথে কোন দেশের সবচেয়ে দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে?
  1. বাংলাদেশ
  2. চীন
  3. পাকিস্তান
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
ভারতের সাথে সবচেয়ে দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের।

ভারত:
- ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- আয়তনে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: নয়া দিল্লি।
- মুদ্রা: রুপি।
- প্রেসিডেন্ট: দ্রৌপদী মুর্মু।
- প্রধানমন্ত্রী: নরেন্দ্র মোদি।
- প্রধান পর্বতমালা: হিমালয়।
- প্রধান নদী: গঙ্গা, যমুনা, সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র।

উল্লেখ্য,
- ভারতের সাথে সবচেয়ে দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৪১৪২ কিলোমিটার।
- পাকিস্তানের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৩১৯০ কিলোমিটার।
- চীনের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ২৬৫৯ কিলোমিটার।
- নেপালের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ১৭৫১ কিলোমিটার।
- মিয়ানমারের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ১৬৪৩ কিলোমিটার।

উৎস: World Atlas.
৩৬৪.
'সানশাইন পলিসি'র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার কোন প্রেসিডেন্ট?
  1. ক) কিম দায়ে জং
  2. খ) কিম ইয়ং স্যাম
  3. গ) রো মু হোয়ং
  4. ঘ) ইয়ুন সুক ইওল
ব্যাখ্যা
▪ উত্তর কোরিয়ার সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার বৈদেশিক নীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি হলো 'সানশাইন পলিসি'।
▪ ১৯৯৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং প্রথম এ নীতি ঘোষণা করেন।
▪ ২০০০ সালে এ নীতি বাস্তবায়নের কারণে কিম দায়ে জং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।
▪ ২০০৮ সাল পর্যন্ত সানশাইন পলিসি টিকে ছিল।
▪ তবে ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইনের প্রচেষ্টায় দুই কোরিয়ার শীর্ষ দুই নেতার মধ্যে কয়েক দফা সম্মেলনের মাধ্যমে এ নীতি পুন: জাগ্রত করার চেষ্টা চলেছিল।  

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা এবং Histroy.com
৩৬৫.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘সৎ প্রতিবেশি নীতি’র প্রবক্তা বলা হয়?
  1. ক) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  2. খ) জন এফ কেনেডি
  3. গ) আব্রাহাম লিংকন
  4. ঘ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
▪ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতি’র প্রবক্তা
▪ ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির পরিবর্তে সদ্ভাবমূলক নীতি প্রবর্তন করেন।
▪ ১৯৩৩ সালে প্রথম এ বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়।
▪ কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের এন্টি-কমিউনিজম নীতির ফলে ‘সৎ প্রতিবেশি নীতি’ গুরুত্ব হারায়।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
৩৬৬.
'আরব বসন্ত' বলতে কী বুঝায়?
  1. আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
  2. আরব অঞ্চলে বসন্তকাল
  3. আরব রাজতন্ত্র
  4. আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন
ব্যাখ্যা
- আরব বসন্ত হলাে আরবের বিভিন্ন দেশে শাসনব্যবস্থা ও শাসকদের বিরুদ্ধে গণজাগরণ।
- আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিশিয়া থেকে। 
- তিউনিশিয়ার পর মিশর, লিবিয়া, ইয়েমেন প্রভৃতি দেশে এই বিপ্লব ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: National Geographic & Britannica.
৩৬৭.
ফ্রান্সের বর্তমান রাষ্ট্রপতি কে? [আগস্ট,২০২৫]
  1. ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ
  2. ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
  3. নিকোলা সার্কোজি
  4. গ্যাব্রিয়েল আটাল
ব্যাখ্যা
ফ্রান্স:
-অবস্থান: ফ্রান্স পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ।
- পূর্বনাম: গল (Gaul)।
- রাজধানী: প্যারিস।
- সরকার ব্যবস্থা: আধা-রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
- ইউরোপের তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতি দেশ।
- বিখ্যাত স্থাপনা: আইফেল টাওয়ার।
- মুদ্রা: ইউরো (€)।
- ভাষা: ফরাসি (French)।
- সংবিধান গ্রহণ: ১৯৫৮ সালে।
- বিখ্যাত বিপ্লব: ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লব।
- জোট সদস্যপদ: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU), ন্যাটো, G7, G20, UN,. 

এছাড়াও
- সীমান্তবর্তী দেশ: বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ইতালি, মোনাকো, স্পেন, আন্দোরা।
- প্রধান নদী: লোয়ার, রোন, সিন, গারন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৬৮.
হিব্রুদের প্রধান দেবতা ছিলেন -
  1. জেহোভা
  2. আফ্রোদিতি
  3. আথেনা
  4. হার্মিস
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতা:
- হিব্রু জাতি প্রাচীন মিসরীয় এবং মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর প্রাচীন মানব সভ্যতায় অবদান রেখেছিল।
- হিব্রুরাই ইহুদী ধর্মের অনুসারী এবং ইসরাইলী জাতি হিসেবে সমধিক পরিচিত।
- ঐতিহাসিকদের মতে প্রাচীন ফোরাত নদীর (ইউফ্রেটিস নদী) অপর পাড় থেকে যে সব মানবগোষ্ঠী বিতাড়িত হয়ে প্যালেস্টাইনে বসতি স্থাপন করে তারাই হিব্রু জনগোষ্ঠী।
- হিব্রু শব্দের অর্থ 'বিদেশী' (Alien) থেকে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই নৃতাত্ত্বিক অর্থে হিব্রুরা কোনো নির্দিষ্ট জাতি নয়।
- মিসরীয় ও ব্যাবিলনীয় উৎস থেকে আহরিত হয়েছিল হিব্রু সভ্যতার অনেক উপাদানই।
- হিব্রু জাতি খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে তাদের আদি পুরুষ ইব্রাহিমের (আঃ) (আব্রাহাম) নেতৃত্বে উত্তর-পশ্চিম মেসোপটেমিয়ায় একত্রে বসবাস শুরু করে।
- তাওরাত বা ওল্ড টেস্টামেন্ট (Old Testament) হিব্রু ধর্মের (ইহুদী জাতির) প্রধান ধর্মগ্রন্থ।
- হিব্রুদের প্রধান দেবতা ছিলেন জেহোভা।
- জেহোভাকে তারা আকার-বিশিষ্ট একেশ্বর বলে মনে করত।
- এ যুগে ইহুদীরা জরথুস্ত্র ধর্মের প্রভাবে আসে এবং আবার একেশ্বরবাদে আকৃষ্ট হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৯.
The Battle Marathon was a part of which larger conflict?
  1. The Peloponnesian War
  2. The Greco Persian Wars
  3. The Punic Wars
  4. The Trojan War
ব্যাখ্যা

Battle of Marathon:
- ম্যারাথনের যুদ্ধ (Battle of Marathon) প্রাচীন গ্রীক ইতিহাসের একটি ঐতিহাসিক যুদ্ধ ৪৯০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে (490 B.C) গ্রিসের ম্যারাথন নামক স্থানে এথেন্স এবং পারস্য সাম্রাজ্যের মধ্যে সংঘটিত হয়।

⇒ যিশুখ্রিষ্টের জন্মের ৪৯০ বছর আগে ম্যারাথন নামক স্থানে পারস্য বনাম গ্রিসের এথেন্সের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল।
- পারস্য ছিল শক্তিশালী এক রাষ্ট্র। পারস্য এথেন্স নগর রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- এথেন্সের নাগরিকদের ধারণা ছিল শক্তিশালী পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গ্রিস যদি জিততে যদি না পারে তাহলে এথেন্সের ওপর পারসিকদের এক ভয়াবহ অত্যাচার নেমে আসবে।
- পারস্যের সেনারা যখন এথেন্সের দিকে এগিয়ে আসছিল তখন গ্রিসের আরেক রাজ্য স্পার্টার কাছে সাহায্যের আবেদন জানায়। আর এই কাজের দায়িত্ব এসে পড়লো ফিডিপাইডিসের কাঁধে। ফিডিপাইডিস ছিলেন পেশায় একজন হেরাল্ড বা হেমেরোড্রোম।
- যখন পারস্যের সেনারা এথেন্সের দিকে এগিয়ে আসছিল তখন ফিডিপাইডিস সাহায্যের বার্তা নিয়ে স্পার্টার উদ্দেশ্যে দৌড়াতে শুরু করলেন। দুই দিনে সে প্রায় ২৪০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে স্পার্টায় এই বার্তা পৌঁছে দিয়ে আবার সে একই সমান দূরত্ব পাড়ি দিয়ে দৌড়ে এথেন্সে ফিরে আসেন।
- এসেই আবার ৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ম্যারাথন নামের জায়গার উদ্দেশ্যে দৌড়ানো শুরু করেন। সেখানে পৌঁছে আবার তিনি এথেন্সের দিকে দৌড়াতে থাকেন। 
- এথেন্সে ফিরেই তিনি সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে একটা কথাই উচ্চারণ করে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন। তাঁর শেষ উচ্চারিত শব্দটি ছিল ‘নিকোমেন’। যার মানে ‘আমরা জিতেছি’।
- এখান ঠেলেই আধুনিক ম্যারাথন দৌড়ের উৎপত্তি হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- এই যুদ্ধে এথেন্সের ছোট একটি বাহিনী বিশাল পারস্য বাহিনীকে পরাজিত করে, যা গ্রিকদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয় ছিল এবং পারস্যের প্রথম আক্রমণ প্রতিহত করতে সাহায্য করেছিল।

উৎস: Britannica.

৩৭০.
নিচের কোনটি উপদ্বীপ?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. কোরিয়া
  3. কিউবা
  4. ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
কোরীয় উপদ্বীপ:
- কোরীয় উপদ্বীপ পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত একটি উপদ্বীপ।
- কোরীয় উপদ্বীপ উত্তর-পশ্চিম এশিয়া থেকে প্রশান্ত মহাসাগরে এসে পড়েছে।

অন্যদিকে,
নিউজিল্যান্ড:
- নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ–পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।

কিউবা:
- কিউবা ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেশ এবং দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম একক দ্বীপ।
- এটি ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের অন্যতম প্রভাবশালী রাজ্য।

ফিলিপাইন:
- দ্বীপপুঞ্জ দ্বারা গঠিত ফিলিপাইন।
- ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জটি তিনটি দ্বীপ গোষ্ঠীতে বিভক্ত।
- এগুলো হলো: লুসোন দ্বীপ, ভিসায়াস এবং মিন্দনাও।

আরও কিছু উপদ্বীপ:
- আরব উপদ্বীপ,
- মালয় উপদ্বীপ,
- সিনাই উপদ্বীপ,
- কামচাতকা উপদ্বীপ,
- আলাস্কা উপদ্বীপ,
 - আসুয়েরো উপদ্বীপ।

উৎস: Britannica.
৩৭১.
’জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী’- এটি কার ঘোষণা?
  1. ক) তিতুমীর
  2. খ) ফকির মজনু শাহ
  3. গ) দুদু মিয়া
  4. ঘ) হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যা
• দুদু মিয়া:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর জেলায় এবং তার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর পুত্র দুদু মিয়া।
- তিনি ধর্মীয় সংস্কারমূলক এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন।
- দুদু মিয়া ঘোষণা করেন, “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি”।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)
৩৭২.
বাংলাদেশ স্কয়ার অবস্থিত?
  1. কেনিয়া
  2. সুদান
  3. সাইবেরিয়া
  4. লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা

• লাইবেরিয়া
- 'বাংলাদেশ স্কয়ার' লাইবেরিয়ায় অবস্থিত। 
- ২০০৮ সালে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের শান্তি রক্ষীরা। 
- লাইবেরিয়া, পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের একটি দেশ। 
- লাইবেরিয়ার ভূখণ্ড নিম্ন এবং বালুকাময় উপকূলীয় সমভূমি থেকে ঘূর্ণায়মান পাহাড় এবং আরও অভ্যন্তরীণ বিচ্ছিন্ন মালভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- লাইবেরিয়া আফ্রিকার একমাত্র কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্র যা কখনো ঔপনিবেশিক শাসনের অধীন হয়নি এবং আফ্রিকার প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্র। 
- ১৮৪৭ সালে লাইবেরিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং এর সীমানা প্রসারিত করা হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৭৩.
নিচের কোন দেশের সরকার পদ্ধতি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র?
  1. ক) ইরান
  2. খ) ভুটান
  3. গ) চীন
  4. ঘ) গ্রীস
ব্যাখ্যা
সাংবিধানিক রাজতন্ত্র বিদ্যমান হচ্ছে- ভুটানে
- ভুটানের রাষ্ট্রীয় নাম- কিংডম অব ভুটান।

অন্যদিকে--
- ইরান- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।
- চীন- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।
- গ্রীস- সংসদীয় গণতন্ত্র।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
৩৭৪.
চীন সর্বাধিক কতটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত?
  1. ১৪
  2. ১৫
ব্যাখ্যা

চীন:
- চীন পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- বিশ্বের ২য় সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন। 
- রাজধানী: বেইজিং।
- মুদ্রা: ইউয়ান।
- ভাষা: মান্দারিন।
- আইনসভা: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।
- চীনের সাথে ১৪টি দেশের স্থল সীমান্ত আছে।
- দেশগুলি হলো: আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, মায়ানমার, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম।

উল্লেখ্য,
- সর্বাধিক প্রতিবেশী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত দেশ:
1. চীন ও রাশিয়া উভয়ই- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
2. ব্রাজিল- সীমান্তবর্তী দেশ ১০টি।
3. জার্মানি ও কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র- সীমান্তবর্তী দেশ ৯টি।

উৎস: Worldatlas.

৩৭৫.
আলজেরিয়ার মুদ্রার নাম কী?
  1. ডলার
  2. দিরহাম
  3. রিয়াল
  4. দিনার
ব্যাখ্যা
আলজেরিয়া:
- আলজেরিয়া আয়তনে আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ এবং বিশ্বের দশম বৃহত্তম দেশ।
- আয়তন: ২,৩৮১,৭৪১ বর্গ কিমি।
- রাজধানী: আলজিয়ার্স।
- ভাষা: আরবি (অফিসিয়াল), তামাজিট (জাতীয়), ফরাসি।
- ধর্ম: ইসলাম (সরকারি; প্রধানত সুন্নি)।
- মুদ্রা: আলজেরিয়ান দিনার।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com & Britannica.com
৩৭৬.
প্রথম ভারতীয় হিসেবে আইসিএস সদস্য হন -
  1. সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. অবনিন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. অন্নদাশংকর রায়
ব্যাখ্যা
১৮৬৩ সালের আগ পর্যন্ত কোনো ভারতীয় ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের সদস্য হতে পারে নি। পরের বছর ১৮৬৪ সালের আইসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর - ই প্রথম ভারতীয় হিসেবে আইসিএস সদস্য হন।
সুত্রঃ Live MCQ সিভিল সার্ভিস ও মুজিব বর্ষের PDF
৩৭৭.
'রামচরিতমানস' গ্রন্থের লেখক -
  1. ক) তুলসী দাস
  2. খ) আল্লামা ইকবাল
  3. গ) জালাল উদ্দীন মোহাম্মদ রুমী
  4. ঘ) অক্টাভিও পাজ
ব্যাখ্যা
রামচরিতমানস:
- রামচরিতমানস অবধি ভাষার মহাকাব্য।
- রামায়ণের উপর ভিত্তি করে ভারতীয় ভক্তি কবি তুলসীদাস দ্বারা রচিত।
- এটিকে জনপ্রিয় ভাষায় তুলসীদাস রামায়ণও বলা হয়।
- গ্রন্থটির আক্ষরিক অর্থ হল 'রামের কৃতকর্মের হ্রদ'।
- এটিকে হিন্দু সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ বলে মনে করা হয়।
- কাজটি ভারতীয় জনগণের জীবন্ত বিশ্বাস।

উল্লেখ্য,
- তুলসীদাস ছিলেন সংস্কৃতের একজন মহান পণ্ডিত।

অন্যদিকে -
- 'আল্লামা ইকবাল' ভারতের দেশাত্মবোধক গান 'সারে জাহা ছে আচ্ছা' এর রচয়িতা।
- 'জালাল উদ্দীন মোহাম্মদ রুমী' এর বিখ্যাত গ্রন্থ: মসনবী শরিফ।

উৎস: Britannica.
৩৭৮.
পিএলও কত সালে গঠিত হয়? 
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
ব্যাখ্যা

• প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO):
- প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO) হলো একটি রাজনৈতিক সংগঠন।
- যা প্যালেস্টাইনীয় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করে।
- ১৯৬৪ সালে এটি গঠিত হয়েছিল বিভিন্ন প্যালেস্টাইনীয় গোষ্ঠীর নেতৃত্ব এক কেন্দ্রীভূত করার উদ্দেশ্যে, যেগুলো পূর্বে গোপনে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম চালাত।
- তবে এর খ্যাতি মূলত ১৯৬৭ সালের ছয়দিনের যুদ্ধের পরে বৃদ্ধি পায়।
- পরবর্তীতে ৬০, ৭০ এবং ৮০-এর দশকে, এটি ইস্রায়েলের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদী গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করে এবং ১৯৯০-এর দশকে ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণ করে।
- এরপর থেকে এটি প্যালেস্টাইন কর্তৃপক্ষের (PA) প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠে, যা ১৯৯৪ সালে PLO ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে ওসলো চুক্তির ভিত্তিতে গঠন করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৩৭৯.
'শিল্প বিপ্লব' কোন শতকে সংঘটিত হয়েছিল? 
  1. ষোল শতক
  2. সতেরো শতক 
  3. আঠারো শতক
  4. একুশ শতক
ব্যাখ্যা

- শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় আঠারো শতকে।

• শিল্প বিপ্লব:
- শিল্প বিপ্লব সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে সংঘটিত হয়।
- ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার নানা রকম কারণের মধ্যে একটি বড় কারণ ছিল পুঁজির জোগান।
- শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় অষ্টাদশ শতকে।

- অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে প্রথমে ইংল্যান্ডে এবং পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি কাজে লাগিয়ে উৎপাদনব্যবস্থায় যে আমূল পরিবর্তন ঘটানো হয়, তা-ই শিল্প বিপ্লব নামে পরিচিত।

- ১৭৬০ সালে শুরু হওয়া শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে শিল্পায়নের সূত্রপাত।
- ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে যা ব্যাপক কলেবরে বৃদ্ধি পায়।
- ১৮৭০ সালে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষ পেয়েছে আলোকিত বিশ্ব।
- ১৮৮০ থেকে ৮১ সালে শিল্প বিপ্লব কথাটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন বিশিষ্ট ব্রিটিশ ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবি তাঁর লেখা
'Lectures on the Industrial Revolution in England' গ্রন্থে ব্যবহারের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৩৮০.
'ভারতের সেভেন সিস্টার্সের' কোন রাজ্যের রাজধানী ইম্ফল?
  1. নাগাল্যান্ড
  2. মণিপুর
  3. মিজোরাম
  4. অরুনাচল
ব্যাখ্যা
'ভারতের সেভেন সিস্টার্স':
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে সম্মিলিতভাবে "সেভেন সিস্টার্স" বলা হয়।
- এই নামটি ১৯৭২ সালে ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতি প্রসাদ সাইকিয়া একটি রেডিও টক শোতে ব্যবহার করেন,
- যা পরবর্তীতে তাঁর লেখা "The Land of Seven Sisters" বইয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- মণিপুর প্রদেশ: এর রাজধানীইম্ফল।
- অরুণাচল প্রদেশ: এর রাজধানী ইটানগর।
- আসাম: এর রাজধানী দিসপুর, চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত; ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিভক্ত।
- মেঘালয়: এর রাজধানী শিলং, চেরাপুঞ্জি ও মাওসিনরাম, বিশ্বের সর্বাধিক বৃষ্টিপ্রাপ্ত স্থানসমূহ এখানে অবস্থিত।
- ত্রিপুরা এর রাজধানী আগরতলা।
- নাগাল্যান্ড এর রাজধানী কোহিমা।
- মিজোরাম এর রাজধানী আইজল, পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি এবং মিজো সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত।
- নাগাল্যান্ড এর রাজধানী কোহিমা।
- বিভিন্ন উপজাতীয় সংস্কৃতি এবং হর্নবিল উৎসবের জন্য পরিচিত।

উৎস: Britannica.
৩৮১.
বেলজিয়ামের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ক) সোফি উইলমস
  2. খ) ক্রিস্টিন লাগার্দে
  3. গ) ন্যান্সি পেলোসি
  4. ঘ) উরসুলা ভন ডের লেয়েন
  5. ঙ) ম্যারি বারা
ব্যাখ্যা
বেলজিয়ামে প্রথম নারী সরকারপ্রধান হচ্ছেন দেশটির বাজেটমন্ত্রী সোফি উইলমস (৪৪)। তিনি ২০১৪ সাল থেকে দেশটির বাজেটমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
৩৮২.
আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি?
  1. ইউরোপ
  2. আফ্রিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা মহাদেশ:
- আফ্রিকা মহাদেশ আয়তনে দ্বিতীয় বৃহত্তম।
- এর আয়তন ৩ কোটি ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫৭৮ বর্গকিলোমিটার।
- এটি ৩৭ উত্তর অক্ষরেখা থেকে প্রায় ৩৫ দক্ষিণ অক্ষরেখা এবং ১৭ পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা থেকে ৫১ পূর্ব দ্রাঘিমারেখা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- মহাদেশটির সর্বোচ্চ স্থান কিলিমাঞ্জারো (৫,৯৬৩ মিটার)।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ সুদান (২৫,০৫,৮১৩ বর্গকিলোমিটার) এবং সবচেয়ে ছোট মিচেলিস (৩০৮
বর্গকিলোমিটার)।
- এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী নীলনদ (৬,৬৬৯ কিলোমিটার)।
- আফ্রিকা এবং ইউরোপ মহাদেশকে পৃথক করেছে ভূ-মধ্যসাগর।
 
উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৩.
কোন দেশটি ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত নয়?
  1. ফিনল্যান্ড
  2. অস্ট্রিয়া
  3. পোলান্ড
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা

অস্ট্রিয়া দেশটি ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত নয়।
• বাল্টিক রাষ্ট্র বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল তথা  বাল্টিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহকে বুঝায়। এগুলো হলো: এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া।
- অন্যদিকে ফিনল্যান্ড, পোলান্ড, সুইডেন ইউরোপের এই দেশগুলোর সাথে বাল্টিক সাগরের সরাসরি সীমানা রয়েছে।

বাল্টিক রাষ্ট্র:
- বাল্টিক রাষ্ট্র বলতে ইউরোপের উত্তর-পূর্ব অঞ্চল তথা  বাল্টিক সাগরের পূর্ব তীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহকে বুঝায়।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে। দেশগুলো হলো: এস্তোনিয়া, লাটভিয়া এবং লিথুয়ানিয়া।

⇒ বাল্টিক সাগর:
- বাল্টিক সাগর ইউরোপের উত্তরাংশে অবস্থিত।
- এর চারদিকে স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপ, ইউরোপ মহাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং ডেনমার্কের দ্বীপসমূহ অবস্থিত।
- পূর্বে এটি উত্তর মহাসাগরের সাথে যুক্ত।
- কৃত্রিম শ্বেত সাগর খালের মাধ্যমে এটি শ্বেত সাগরের সাথে যুক্ত।
- বাল্টিক সাগরের সাথে যেসব দেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে: ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, রাশিয়া, সুইডেন।

উৎস: Britannica.

৩৮৪.
নিচের কোন দুটি দেশ ''সানশাইন পলিসি''র সাথে সম্পর্কিত?
  1. চীন ও রাশিয়া
  2. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান
  4. উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।

- এই পলিসির মেয়াদ ছিলো ১৯৯৮-২০০৮ সাল পর্যন্ত।
- Sunshine Policy- তিনটি নীতির উপর ভিত্তি করে ছিল। যথা:
→ উত্তরের কোনো সশস্ত্র উস্কানি বরদাস্ত করা হবে না,
→ দক্ষিণ কোনোভাবেই উত্তরকে শুষে নেওয়ার চেষ্টা করবে না,
→ দক্ষিণ সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা চায়।
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।
৩৮৫.
মার্কিন 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. ১৮ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ - ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ'।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ - 'সিনেট'।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ আর উচ্চকক্ষ বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টি এ দু'টি দলের প্রাধান্য বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
৩৮৬.
আফ্রিকার ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি? 
  1. সান মারিনো
  2. সিচেলিস
  3. মোনাকো
  4. লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা মহাদেশ:
- আফ্রিকা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল মহাদেশ।:
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো (৫,৮৯৫ মিটার)।
- এটি তানজানিয়ায় অবস্থিত একটি আগ্নেয়গিরি।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: আসাল হ্রদ (Lake Assal)। এটি জিবুতিতে অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫৫ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: আলজেরিয়া (আয়তনের দিক থেকে)।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: সিচেলিস (এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র)।
- দীর্ঘতম নদী: নীল নদ (Nile River)।
- বৃহত্তম হ্রদ: ভিক্টোরিয়া হ্রদ। এটি আফ্রিকার বৃহত্তম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিষ্টি পানির হ্রদ।
- বৃহত্তম মরুভূমি: সাহারা মরুভূমি। এটি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: নাইজেরিয়া।
- খনিজ তেল: নাইজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা এবং লিবিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ।
- গিজার পিরামিড (মিশর): প্রাচীন বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি যা আজও টিকে আছে।
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত (জাম্বিয়া/জিম্বাবুয়ে): বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ও চিত্তাকর্ষক জলপ্রপাত।
- মাউন্ট কেনিয়া: আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট।
- দীর্ঘতম উপকূলরেখা: সোমালিয়ার উপকূলরেখা আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডে দীর্ঘতম।

উৎস: WorldAtlas.com.

৩৮৭.
নিচের কোনটি মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশ?
  1. নাউরু
  2. ফিজি
  3. মারিয়ানা
  4. টোঙ্গা
ব্যাখ্যা

মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু
- পালাউ
- কিরিবাতি
- মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ
- মারিয়ানা।

• মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ
- ফিজি
- ভানুয়াতু
- পাপুয়া নিউগিনি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা
- টুভ্যালু
- সামোয়াত

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৩৮৮.
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতার দিক থেকে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভুটান
  3. তাজিকিস্তান 
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় ভূমি উচ্চতার দিক থেকে ভুটান বিশ্বের শীর্ষ  রয়েছে (১০,৭৬০ ফুট)।
- ভুটানের উত্তরাঞ্চলে বৃহত্তর হিমালয়ের উঁচু, ধারালো শৃঙ্গের প্রাধান্য রয়েছে, যার মধ্যে গাংখার পুয়েনসুম দেশের সর্বোচ্চ স্থান।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৪,৮৪০ ফুট উঁচু এই পর্বতশৃঙ্গটিকে অনেকেই বিশ্বের সর্বোচ্চ অপ্রতিরোধ্য পর্বত বলে মনে করেন।
- ভুটানের জলবায়ু এবং ভূ-প্রকৃতি হিমালয়ের জন্য উপযুক্ত অন্যান্য কৃষিজাত পণ্যের পাশাপাশি গৃহপালিত, পাহাড়প্রেমী ইয়াক (ছবিতে) চাষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কার্যকলাপ করে তুলেছে।
- ভুটানের দক্ষিণাঞ্চলে পাহাড়ি এলাকা, উচ্চভূমি এবং উপত্যকা রয়েছে যেখানে দেশের বেশিরভাগ ভুটানি জনগোষ্ঠী বাস করে। 

এছাড়াও,
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতার দিক থেকে নেপাল বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে, যা সমগ্র জাতির জন্য ১০,৭১৫ ফুট। 

উৎস: worldatlas.com

৩৮৯.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ও পরবর্তী সময়ে (১৯৪০ এর দশক থেকে) বিশ্বব্যাপী সমাজতন্ত্র প্রতিহত ও সোভিয়েত আগ্রাসন মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবর্তিত বৈদেশিক নীতি (Foreign Policy) কোনটি?
  1. ক) Truman Doctrine
  2. খ) Containment Doctrine
  3. গ) Marshall Plan
  4. ঘ) Dual containment
ব্যাখ্যা
Containment, strategic foreign policy pursued by the United States in the late 1940s and the early 1950s in order to check the expansionist policy of the Soviet Union. In an anonymous article in the July 1947 issue of Foreign Affairs, George F. Kennan, diplomat and U.S. State Department adviser on Soviet affairs, suggested a “long-term, patient but firm and vigilant containment of Russian expansive tendencies” in the hope that the regime would mellow or collapse. The Truman Doctrine of 1947, with its guarantee of immediate economic and military aid to Greece and Turkey, was an initial application of the policy of containment.
Source: britannica.com
৩৯০.
বাংলাদেশ থেকে ইউনিসেফ নির্বাহী বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন -
  1. ক) ইসমত জাহান
  2. খ) নাসিমা বেগম
  3. গ) রাবাব ফাতিমা
  4. ঘ) শিরীন আক্তার
ব্যাখ্যা
১৪ জানুয়ারি, ২০২০ সালে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউনিসেফের নির্বাহী বোর্ডের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩৯১.
মরক্কো এর রাজধানী
  1. ক) আঙ্কারা
  2. খ) রাবাত
  3. গ) মাস্কট
  4. ঘ) কায়রো
ব্যাখ্যা
Located along the Atlantic Ocean at the mouth of the river Bou Regreg, Rabat is the capital of Morocco.
Source: Worldatlas
৩৯২.
আধুনিক জার্মানির জনক কে?
  1. অটো ভন বিসমার্ক
  2. এডলফ হিটলার
  3. কার্ল মার্ক্স
  4. ইমানুয়েল কান্ট
ব্যাখ্যা

• অটো ভন বিসমার্ক:
- অটোভন বিসমার্ক আধুনিক জার্মানির জনক।
- জার্মানিতে ১৮৭১ সালে ক্ষমতায় বসেন অটোভন বিসমার্ক।
- তিনি জার্মান সাম্রাজ্যের প্রথম চ্যান্সেলর।
- তাঁর হাত ধরে জার্মান রাজ্যগুলো একক রাষ্ট্রের পতাকাতলে জড়ো হয়।
- ইউরোপে অন্যতম শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জার্মানি।
- Blood and Iron Policy-এর প্রবক্তা অটো ভন বিসমার্ক।

উৎস: i) Britannica.
         ii) History Flame.

৩৯৩.
ইরাক কুয়েত দখল করে নেয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৮৯
  2. খ) ১৯৯০
  3. গ) ১৯৯১
  4. ঘ) ১৯৯২
ব্যাখ্যা
- ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক তার প্রতিবেশী দেশ কুয়েতের ওপর দুই দিনব্যাপী "কুয়েত আক্রমণ" অপারেশন পরিচালনা করে।
- এর ফলে দীর্ঘ সাত মাসব্যাপী দেশটি ইরাকের অধীনে ছিল।
- ইরাক কর্তৃক কুয়েত আক্রান্ত হলে ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহুজাতিক বাহিনী ইরাকের উপর বিমান হামলা শুরু করে যা ‘অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম’ নামে পরিচিত।
- ৫ মার্চ ১৯৯১ সালে জাতিসংঘের শর্ত মেনে ইরাক কুয়েত থেকে সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা করে।

উৎস:- History.com
৩৯৪.
অ্যাডলফ হিটলারের রাজনৈতিক দলের নাম কী ছিল?
  1. টুপাক ইয়াৎ
  2. গেস্টাপো
  3. ফুয়েবার
  4. নাৎসী
ব্যাখ্যা

অ্যাডলফ হিটলার:
- ১৮৮৯ সালের এপ্রিল মাসে অস্ট্রিয়ার ব্রাউনাউ গ্রামে অ্যাডলফ হিটলার জন্মগ্রহণ করেন।
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার মৃত্যু বরণ করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৩৯৫.
’The Art of the Deal’ গ্রন্থটি কার? 
  1. বারাক ওবামা
  2. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  3. আন্তনিও গুতেরেস
  4. হিলারি ক্লিনটন
ব্যাখ্যা

ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- The Art of the Deal বইটি ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প-এর আত্মজীবনীমূলক বই।

- এটি সাংবাদিক টনি শোয়ার্জ (Tony Schwartz)-এর সহায়তায় লেখা হয়েছিল।
- যদিও এর কৃতিত্ব মূলত ট্রাম্পকেই দেওয়া হয় এবং এটি তার ব্যবসায়িক জীবনের গল্প বলে।
- বইটি ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ট্রাম্পের রিয়েল এস্টেট সাম্রাজ্য এবং চুক্তি করার পদ্ধতি নিয়ে লেখা, যা তাকে একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ীতে পরিণত করতে সাহায্য করে।

উল্লেখ্য,
- ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম এবং বর্তমান ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
- শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫-কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।

উৎস: i) Britannica.

৩৯৬.
নিম্নের কোন দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট?
  1. চীন
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. মালদ্বীপ
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ভাষা: নেপালি।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কে পি শর্মা ওলি।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: রাম চন্দ্র পাওদেল।
- নেপালের আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- নেপালের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।

⇒ নেপালকে হিমালয় কন্যা বলা হয়।
- গ্রেট হিমালয়, মাউন্ট এভারেস্ট নেপালে অবস্থিত।
- ভারত ও চীন দ্বারা বেষ্টিত দেশটিতে এভারেস্টসহ বিশ্বের ৮টি সর্ববৃহৎ পর্বত অবস্থিত।

⇒ নেপালের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট।
- উচ্চকক্ষের নাম ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, যার সদস্য সংখ্যা ৫৯।
- নিম্নকক্ষের নাম হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ, যার সদস্য সংখ্যা ২৭৫।

অন্যদিকে,
⇒ এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
- চীন: আইনসভার নাম কংগ্রেস।
- শ্রীলঙ্কা: আইনসভার নাম পার্লামেন্ট।
- মালদ্বীপ: আইনসভার নাম মজলিস।

উৎস: Britannica.
৩৯৭.
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫-তম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. ক) রিচার্ড নিক্সন
  2. খ) বিল ক্লিনটন
  3. গ) কেনেডি
  4. ঘ) ডনাল্ড ট্রাম্প
ব্যাখ্যা
ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫-তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ২০১৬ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- তিনি ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসাবে শপথ নেন।

-  তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, বিশিষ্ট সামাজিক ব্যক্তিত্ব, লেখক হিসেবে আলোচিত।
- তিনি দ্য ট্রাম্প অর্গানাইজেশ্যানের পরিচালক এবং ট্রাম্প এন্টারটেইনম্যান্ট রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার আত্মজীবনীমূলক বইয়ের নাম - Trump: The Art of the Deal।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প সবচেয়ে আলোচিত - সমালোচিত প্রেসিডেন্ট ধারা যায়।
- বিভিন্ন বিতর্কিত কাজ করে আলোচনায় থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের নিম্ন-কক্ষ হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিশংসিত হয়েছিলেন।
- অবশ্য তার আগে আরো দুইজন প্রেসিডেন্ট হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিসংশিত হয়েছিলেন।
- তারা হচ্ছেন - অ্যান্ড্রু জনসন এবং বিল ক্লিনটন।

সূত্র: হোয়াইট হাউস ওয়েবসাইট ও ওয়াশিংটন পোষ্ট প্রতিবেদন।
৩৯৮.
'কলোসিয়াম' নাট্যশালা কোন সভ্যতায় তৈরী হয়?
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. রোমান সভ্যতা
  3. ইনকা সভ্যতা
  4. অ্যাসিরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা: 
- স্থাপত্যের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল ভূমিকা ছিল রোমের।
- এখানে ইট আর কংক্রিট দিয়ে দালানকোঠা তৈরি করা হতো।
- দালানের চার কোণায় ব্যবহার করা হতো পাথর।
- সম্রাট হাড্রিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যনথিয়ন রোমের একটি বড় স্থাপত্য নিদর্শন।
- রোমে 'কলোসিয়াম' নামে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নাট্যশালা তৈরি হয়েছিল।
- এখানে একসাথে ৫,৬০০ জন দর্শক বসতে পারত।
- ভাস্কর্যের নিদর্শন হিসেবে রোমে পাওয়া গেছে অনেক মূর্তি।
-এগুলো ছিল সম্রাট, কর্মকর্তা ও দেবতাদের মূর্তি।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি, প্রোগ্রাম , ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৯.
বেনিন প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কোনটি?
  1. পোর্তো-নোভো
  2. ওয়াগাদুগু
  3. ইয়াউন্দে
  4. ব্রিজটাউন
ব্যাখ্যা
বেনিন প্রজাতন্ত্র:
• অবস্থান: পশ্চিম আফ্রিকায়, আটলান্টিক মহাসাগরের গিনি উপসাগরের তীরে অবস্থিত।
• দৈর্ঘ্য: উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৪২০ মাইল (৬৭৫ কিমি) বিস্তৃত।

• সীমান্তবর্তী দেশ:
- উত্তর-পশ্চিমে বুরকিনা ফাসো
- পূর্বে নাইজেরিয়া
- পশ্চিমে টোগো

• রাজধানী: পোর্তো-নোভো (সরকারি রাজধানী)
• বৃহত্তম শহর: কোটোনো (প্রধান বন্দর ও কার্যত প্রশাসনিক রাজধানী)

অন্যদিকে,
ক্যামেরুনের রাজধানী- ইয়াউন্দে।
বুর্কিনা ফাসোর রাজধানী- ওয়াগাদুগু।
বার্বাডোজ এর রাজধানী-  ব্রিজটাউন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪০০.
বিশ্বের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. ইসাবেলা পেরন
  3. বেনজির ভুট্টো
  4. শ্রীমাভো বন্দর নায়েক
ব্যাখ্যা

• ইসাবেল পেরন:
- ইসাবেল পেরন  ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩১ আর্জেন্টিনা জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি আর্জেন্টাইন রাজনীতিবিদ।
- যিনি ১৯৭৪-৭৬ সালে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি ইসাবেলা পেরন। 
 
অপরদিকে,
- বেনজির ভুট্টো মুসলিম জাতির প্রথম প্রধানমন্ত্রী মহিলা হয়েছিলেন।
- শ্রীমাভো বন্দর নায়েক বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

উৎস: Britannica.