বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৩৯ / ৯৩ · ৩,৮০১৩,৯০০ / ৯,৩৩৪

৩,৮০১.
আলজিয়ার্স চুক্তি বাতিলের পরে কোন যুদ্ধ শুরু হয়েছিল?
  1. ইরান-ইরাক যুদ্ধ
  2. আফগান যুদ্ধ
  3. ছয় দিনের যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

আলজিয়ার্স চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরাক এবং ইরান।
- চুক্তির বিষয়: শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ই জুন, ১৯৭৫।
- চুক্তি অনুমোদন হয়: ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন। 

উল্লেখ্য,
- আলজিয়ার্স চুক্তি অকার্যকর হয় ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে। এরপর ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। 

⇒ শাত-ইল-আরব:
- এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়। বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

উৎস: Britannica.

৩,৮০২.
দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস কোনটি?
  1. ক) জুলাই
  2. খ) জানুয়ারি
  3. গ) মার্চ
  4. ঘ) ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ গোলার্ধ (Southern Hemisphere) - তে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দেশগুলো অবস্থিত।
- এছাড়াও দক্ষিণ আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল প্রভৃতি দেশ সহ কিছু অঞ্চল এই অংশে অবস্থিত।
- ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- ২১ জুন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও সবচেয়ে বড় রাত।
- দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস - জানুয়ারি এবং শীতলতম মাস জুলাই।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস ও ব্রিটানিকা ডটকম।
৩,৮০৩.
পর্তুগালের রাজধানী ও মুদ্রা হিসেবে কোনটি সঠিক?
  1. ক) লিসবন, ইউরো
  2. খ) মাদ্রিদ, ইউরো
  3. গ) লিসবন, লিউ
  4. ঘ) ওয়ারশ, জলোটি
ব্যাখ্যা

পতুর্গালের রাজধানীর নাম লিসবন এবং মুদ্রার নাম ইউরো। অন্যদিকে, স্পেনের রাজধানীর নাম মাদ্রিদ এবং মুদ্রার নাম ইউরো।
পোলান্ডের রাজধানীর নাম ওয়ারশ এবং মুদ্রার নাম জলোটি। লিউ হচ্ছে রুমানিয়ার মুদ্রার নাম।
সূত্র: worldatlas.com

৩,৮০৪.
বস্তুগত সংস্কৃতি নয় কোনটি?
  1. আইন
  2. মাটির হাঁড়ি
  3. ভাষা
  4. ক+গ
ব্যাখ্যা
বস্তুগত সংস্কৃতি:
- সকল বস্তুগত জিনিসপত্র যা মানুষ দৈনন্দিন জীবন যাপনের জন্য ব্যবহার করে তাকে বস্তুগত সংস্কৃতি বলে।
- এসব বস্তুগত জিনিসের মধ্যে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, পোষাক, বাসন বা তৈজসপত্র, হাতিয়ার অন্যতম।
- সামাজিক পরিবর্তনের রেশ ধরে সভ্যতার উন্নয়নের ফলে সংস্কৃতির এসব উপাদানের মধ্যেও এসেছে পরিবর্তন।
- যেমন আগে মানুষ লাঙল, কাস্তে, মাটির হাঁড়ি, ঘরবাড়ি, লুঙ্গি, শাড়ি ইত্যাদি ব্যবহার করতো কিন্তু বর্তমানে কলের লাঙল, ধানকাটার মেশিন, স্টিলের হাড়ি পাতিল ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকে।

অন্যদিকে -
অবস্তুগত সংস্কৃতি:
- যেসব বিষয়ের বস্তুগুণ নেই অথচ আমাদের সংস্কৃতির অংশ তাকে অবস্তুগত সংস্কৃতি বলে।
- যেমন- চিন্তাভাবনা, ধ্যান-ধারণা, রীতিনীতি, সাহিত্য, দর্শন, ধর্ম, নীতিবোধ ইত্যাদি।
- মানুষের ভাষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, আইন, আদর্শ, মূল্যবোধ, প্রথা, শিল্পকলা, অভ্যাস, বিশ্বাস, সামর্থ্য ইত্যাদি উপাদানও অবস্তুগত সংস্কৃতির অংশ।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮০৫.
মার্কিন রিপাবলিকান দলের প্রতীক কী?
  1. গাধা
  2. হাতি 
  3. ঘোড়া 
  4. হরিণ 
ব্যাখ্যা

- রিপাবলিকান পার্টি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক দল
- দলটি ১৮৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- দলের প্রথম নির্বাচিত মার্কিন রাষ্ট্রপতি ছিলেন আব্রাহাম লিংকন যিনি ১৮৬১ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন
- রিপাবলিকান পার্টির প্রতীক - হাতি।
-  আমেরিকান রাজনীতিকে সার্কাসের সাথে তুলনা করার জন্য প্রাণীর চিত্রের ব্যবহার রূপক হিসেবে বোঝানো হয়েছিল।

- রিপাবলিকানরা অর্থনীতিকে উদ্দীপিত করার এবং ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক স্বাধীনতাকে এগিয়ে নেওয়ার উপায় হিসাবে কর হ্রাসের পক্ষে, এবং তারা সাধারণত রক্ষণশীল সামাজিক নীতিগুলিকে সমর্থন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৮০৬.
ইসরায়েলকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম আরব দেশ-
  1. তুরস্ক
  2. মিশর
  3. সিরিয়া
  4. সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
আরব ইসরায়েল যুদ্ধ: 
- ১৯৭৩ সালের অক্টোবর যুদ্ধ (Yom Kippur War / October War)
- যুদ্ধের সময়কাল: অক্টোবর ১৯৭৩ (প্রায় তিন সপ্তাহ)।
- ইসরায়েলি নাম: Yom Kippur War.
- আরব নাম: October War বা Ramadan War.
- ১৯৭৩ সালের তেল সংকট (Oil Crisis):
- যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করায়,
→ OPEC (তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা) এর আরব সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা (oil embargo) আরোপ করে।
- উদ্দেশ্য: ইসরায়েলকে ১৯৬৭ সালে দখলকৃত সব এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা।
- ফিলিস্তিনিদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া।
- যুদ্ধের পরে Camp David Accords স্বাক্ষরিত হয় (১৯৭৮)।
- মিশর প্রথম আরব দেশ, যারা ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয় এবং আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।

উৎস: আলজাজিরা। [লিঙ্ক]
৩,৮০৭.
ট্রাফালগার স্কয়ার কোথায় অবস্থিত?
  1. বার্থল
  2. অক্সফোর্ড
  3. লন্ডন
  4. এডিনবরা
ব্যাখ্যা

- ট্রাফালগার স্কয়ার লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার শহরে অবস্থিত।
- স্কোয়ারের নাম ১৮০৫ সালের ট্রাফালগার যুদ্ধে লর্ড নেলসনের নৌবিজয়ের স্মরণে রাখা হয়েছে।
- এটি সম্ভবত লন্ডনের সবচেয়ে বিখ্যাত স্কোয়ার।
- স্কোয়ারটি সর্বদা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং এতে কোনো বাগান নেই।
- সাতটি প্রধান সড়ক স্কোয়ারের চারপাশে সংযুক্ত, যেখানে অটোমোবাইল চলাচল করে।
- স্কোয়ারের কেন্দ্রে আছে নেলসনের স্তম্ভ (১৮৩৯–৪৩)।
- স্তম্ভের উচ্চতা: ১৮৫ ফুট (৫৬ মিটার)।
- স্তম্ভের উপরে আছে লর্ড নেলসনের ১৭ ফুট (৫ মিটার) উঁচু মূর্তি, যা ইএইচ বেইলি তৈরি করেছেন।
- স্তম্ভের চারটি কোণে আছে চারটি ব্রোঞ্জ সিংহ, যা স্যার এডউইন ল্যান্ডসিয়ার তৈরি এবং ব্যারন মারোচেটি দ্বারা ঢালাই করা।
- ট্রাফালগার স্কোয়ার ১৮২০ থেকে ১৮৪০-এর দশকের মধ্যে প্রাক্তন কিংস মিউজের স্থানে নির্মিত হয়।
- স্কোয়ারের পার্শ্বে অবস্থিত ন্যাশনাল গ্যালারি এবং সেন্ট মার্টিন-ইন-দ্য-ফিল্ডস গির্জা।
- চ্যারিং ক্রস মোড় দক্ষিণে সংলগ্ন, এবং সেখান থেকে স্ট্র্যান্ড অ্যাভিনিউ পূর্ব দিকে শহরের দিকে চলে যায়, পরে ফ্লিট স্ট্রিটে পরিণত হয়।
- ট্রাফালগার স্কোয়ারে ফুটপাত শিল্পীরা প্রায়শই শিল্প প্রদর্শন করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৮০৮.
ডোভার প্রণালী যুক্ত করেছে -
  1. ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক
  2. উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  3. বাল্টিক সাগর ও উত্তর সাগর
  4. কৃষ্ণ সাগর ও ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

ডোভার প্রণালী:
- ডোভার প্রণালী যুক্তরাজ্যকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।
- এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে। 
- প্রণালীটি ১৮ থেকে ২৫ মাইল (৩০ থেকে ৪০ কিমি) প্রশস্ত।
- এর গভীরতা ১২০ থেকে ১৮০ ফুট (৩৫ থেকে ৫৫ মিটার) পর্যন্ত। 
- ডোভার প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত সমুদ্রপ্রণালী।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৩,৮০৯.
কোন দুইটি দেশের মধ্যে ‘চিপযুদ্ধ’ চলমান রয়েছে?
  1. চীন-জাপান
  2. চীন-যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র-ভারত
ব্যাখ্যা
• চিপ-যুদ্ধ:
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক শক্তির  দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের  মধ্যে লড়াই চলছে সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ নিয়ে , যা আমাদের প্রতিদিনের জীবনে ব্যবহার্য নানা জিনিসে শক্তি যোগায়।
- সারা দুনিয়াব্যাপী ৫০,০০০ কোটি ডলারের বাজার এই সেমিকন্ডাক্টরের ।
- এই প্রযুক্তির বেশির ভাগই আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। 
- এখন এই চিপ তৈরির প্রযুক্তি হাতে পেতে চাইছে চীন।
- সেমিকন্ডাকটর আবিষ্কৃত হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে।
 -স্যামসাং বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হিসেবে তিন ন্যানোমিটারের মাপে চিপস ব্যাপকহারে উৎপাদন শুরু করে। 
- এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্য এ দুটি দেশ ‘চিপযুদ্ধে  লিপ্ত হয়েছে।

উৎস: ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
৩,৮১০.
হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনীর নাম কী ছিলো?
  1. ক) সাভাক
  2. খ) ব্ল্যাক ক্যাট
  3. গ) সোয়াট
  4. ঘ) গেস্টাপো
ব্যাখ্যা
- গেস্টাপো : হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী
- সাভাক : ইরানের শাহের গোপন বাহিনী
- ব্ল্যাক ক্যাট : ভারতের কমান্ডো বাহিনী
- সোয়াট : বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট।
(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও বাহিনীগুলোর ওয়েবসাইট)
৩,৮১১.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়?
  1. ডেনমার্ক
  2. গ্রিনল্যান্ড
  3. সুইডেন
  4. নরওয়ে
ব্যাখ্যা
⇒ 'গ্রিনল্যান্ড' স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com
৩,৮১২.
পৃথিবীর দীর্ঘতম জলপ্রপাত 'ভিক্টোরিয়া ফলস' কোন দুটি দেশে অবস্থিত?
  1. জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে
  2. চীন ও রাশিয়া
  3. কেনিয়া ও জিম্বাবুয়ে
  4. কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
জলপ্রপাত:
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত আফ্রিকা মহাদেশের দুটি দেশ জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ের সীমানায় অবস্থিত পৃথিবীর দীর্ঘতম জলপ্রপাত।
- দুই দেশের সীমান্তবর্তী নদী ‘জাম্বেজি’ থেকেই এর উৎপত্তি। 
- পানি পড়ার সময় প্রচণ্ড আওয়াজ হয় বলে এর স্থানীয় নাম ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া’। 
- উচ্চতা প্রায় ১০৮ মিটার এবং চওড়ায় প্রায় ১,৭০০ মিটার। 
- প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯৩৫ ঘনমিটার পানি নিচে গড়িয়ে পড়ে। 
- ১৮৫৫ সালে ব্রিটিশ অভিযাত্রী ডেভিড লিভিংস্টোন জলপ্রপাতটি দেখে এর নামকরণ করেন রাণী ভিক্টোরিয়ার নামে। 
- সে সময় থেকেই ভিক্টোরিয়া ফলস নামে পরিচিতি পায়। 
- ২০১৩  সালে জিম্বাবুয়ে সরকার পুনরায় এর নামকরণ করে ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া ফলস’। 
- জলপ্রপাতের অন্যতম আকর্ষণীয় দৃশ্য এখানকার জলীয়বাষ্পে আলো পড়ে রংধনুর সৃষ্টি হওয়া। 
- ১৯৮৯ সালে ইউনেসকো ‘ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত’ এবং ‘মোজি-ওয়া-তুনিয়া জলপ্রপাত’ উভয় নামেই বিশ্ব ঐতিহ্যর অন্তভুক্ত করে।
 
উৎস: Britannica. com [Link]
৩,৮১৩.
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রধান নেতা কে ছিলেন?
  1. মাও সেতুং
  2. ডেং জিয়াওপিং
  3. চিয়াং কাইশেক
  4. সান ইয়েৎ সেন
ব্যাখ্যা
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (Cultural Revolution):
- ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং- এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- এটি ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয়।
- এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- সমগ্র চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই
বিপ্লব শুরু হয়। 
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রধান নেতা ছিলেন মাও সেতুং। 

⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

অন্যদিকে -
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- চিয়াং কাইশেক চীনের পুঁজিবাদ তন্ত্রের প্রবর্তক।

উৎস: Britannica.
৩,৮১৪.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশ নিরপেক্ষ ছিল?
  1. সুইডেন
  2. অস্ট্রিয়া
  3. সার্বিয়া
  4. বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ।
- যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।

যুদ্ধের পটভূমি:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ ছিল সুইডেন।
- সুইডেন তার নিরপেক্ষতার জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সুইডেন নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com

৩,৮১৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. এডওয়ার্ড হিথ
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. নেভিল চেম্বারলেন
  4. মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেভিল চেম্বারলেন।
- নেভিল চেম্বারলেন ১৯৩৭ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৩৮ সালে তিনি মিউনিখ চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে জার্মানির নেতা আডল্ফ হিটলারের সঙ্গে সান্ত্বনামূলক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছিল। তবে ১৯৪০ সালের মে মাসে নরওয়েজিয় সংকটের কারণে জাতীয় সংসদে তার প্রতি আস্থা কমে যায়। এর ফলে, ১৯৪০ সালের ১০ মে রাজা ষষ্ঠ জর্জ উইনস্টন চার্চিলকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চার্চিলের নেতৃত্বে ব্রিটেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যুদ্ধকালীন সময়ে তার অসাধারণ নেতৃত্ব ও অবদানের জন্য তিনি ইতিহাসে চিরস্মরণীয়। ১৯৫৩ সালে সাহিত্যে তার অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।

উৎস: Britannica.

৩,৮১৬.
The Komodo dragon are found in
  1. ক) Indonesia
  2. খ) Maldives
  3. গ) South Africa
  4. ঘ) Bhutan
ব্যাখ্যা
Komodo dragon, (Varanus komodoensis), largest extant lizard species. The dragon is a monitor lizard of the family Varanidae. It occurs on Komodo Island and a few neighbouring islands of the Lesser Sunda Islands of Indonesia

Source: britannica.com
৩,৮১৭.
লোম্বক প্রণালি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. ফিলিপাইন
  3. ভিয়েতনাম
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

লোম্বক প্রণালি:
- লোম্বক প্রণালি (Lombok Strait) ইন্দোনেশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি বালি দ্বীপ এবং লোম্বক দ্বীপের মাঝে অবস্থিত একটি জলপ্রণালি, যা জাভা সাগরকে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযোগ করে।
- এর উত্তরে জাভা সাগর ও দক্ষিণে ভারত মহাসাগর।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার লেসার সুন্দা দ্বীপপুঞ্জের অংশ।

⇒ ইন্দোনেশিয়া:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তরে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখ- থেকে প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- স্থল সীমান্ত রয়েছে মালয়েশিয়া, বোর্নিও, পাপুয়া নিউগিনি ও পূর্ব তিমুর এবং সরু প্রণালী দ্বারা আলাদা হয়েছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ফিলিপাইনের সঙ্গে।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, সুলাওয়েসি, পাপুয়া নিউ গিনি।

উৎস: Britannica.

৩,৮১৮.
The total number of countries that officially use Euro as currency is:
  1. 15
  2. 16
  3. 20
  4. 28
ব্যাখ্যা
ইউরো:
- ইউরো হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক একক এবং মুদ্রা, যা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়র ণ
- ইউরো ১৯৯১ সালের মাস্ট্রিচ চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়েছিল।
- ইউরো আনুষ্ঠানিকভাবে ১লা জানুয়ারী, ১৯৯৯ সালে জারি করা হয়েছিল।
- ইউরো ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।
- ইউরো ব্যবহার সদস্য: ২০টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: ক্রোয়েশিয়া।
- ২০তম দেশ হিসেবে ১লা জানুয়ারী, ২০২৩ তারিখে ক্রোয়েশিয়া ইউরো মুদ্রা চালু করে।
- ইউরো ব্যবহারকারী দেশগুলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন। 

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৩,৮১৯.
’সভ্যতার সূতিকাগার’ বলা হয় -
  1. মিসরীয় সভ্যতা
  2. মেসোপটেমিয় সভ্যতা
  3. রোমান সভ্যতা
  4. ফিনিশীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
’সভ্যতার সূতিকাগার’ বলা হয় মেসোপটেমিয় সভ্যতাকে।

মেসোপটেমিয় সভ্যতা
:
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা ‘মেসোপটেমীয় সভ্যতা’।
- আধুনিক ইরাক রাষ্ট্রের সীমারেখার মধ্যেই প্রাচীনকালে মেসোপটেমীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- ফোরাত (ইউফ্রেটিস) ও দজলা (টাইগ্রিস) নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ হতে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের মধ্যে মেসোপটেমিয়ায় অতি উন্নত এক সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর তীরে।
- মেসোপটেমিয় সভ্যতারই চারটি পর্ব ছিল।
- সেগুলো হলো: সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যাবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা।

অন্যদিকে -
- প্রাচীন ভারতে সিন্ধু নদের তীরে গড়ে উঠেছিল সিন্ধু সভ্যতা।
- প্রাচীন রোমের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল রোমান সভ্যতা।
- ইউরােপের বলকান উপদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে ভূমধ্য সাগরের তীরে ক্ষুদ্র পার্বত্য অঞ্চলে খ্রিষ্টপূর্ব ১৬০০ নাগাদ যে সভ্যতা গড়ে ওঠেছিল মানব সভ্যতার ইতিহাসে তাই গ্রিক সভ্যতা নামে পরিচিত।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে প্রাচীন মিশরে মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠে।

উৎস: Britannica.
৩,৮২০.
দক্ষিণ মেরু কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. অ্যান্টার্কটিকা
  2. ইউরোপ
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ মেরু (South Pole):
- দক্ষিণ মেরু (South Pole) পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
- দক্ষিণ মেরু অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ৯০° দক্ষিণ অক্ষাংশে অবস্থিত
- উত্তর মেরুর ঠিক বিপরীতে এর অবস্থান।
- দক্ষিণ মেরু সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯ হাজার ৩০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ মেরুতে প্রথম পৌঁছানোর কৃতিত্বের দাবি করেছিলেন নরওয়ের অভিযাত্রী রোয়াল্ড আমুন্ডসেন (১৯১১ সালে)। তাঁর পরে, ব্রিটিশ অভিযাত্রী রবার্ট ফালকন স্কট দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছান, তবে তিনি ও তাঁর দলের সদস্যরা মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: Britannica.
৩,৮২১.
চীনে কোন সালে গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯১২ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
গণচীন:
- ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে প্রায় দুই হাজার বছরের রাজতন্ত্র উচ্ছেদ হয়ে প্রজাতন্ত্রের সূচনা হয়।
- এই দিন চীনের কিং রাজবংশের সর্বশেষ সম্রাট পুয়িকে সিংহাসন থেকে উৎখাত করা হয়।
- এর আগে ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

অন্যদিকে,
- ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং- এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- এটি ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয়।
 
উৎস: Britannica.
৩,৮২২.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. সুইডেন
  3. অস্ট্রিয়া
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

স্ক্যান্ডিনেভিয়া ও নর্ডিক দেশসমূহ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো উত্তর ইউরোপের একটি অঞ্চল, প্রধানত নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- ফিনল্যান্ডকে কিছু বিশেষজ্ঞ ভূতাত্ত্বিক ও অর্থনৈতিক কারণে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেন।
- আইসল্যান্ড ও ফারো দ্বীপপুঞ্জকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ভাষাগত কারণে, কারণ তারা নরওয়ে ও সুইডেনের নর্থ জার্মানিক ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত ভাষায় কথা বলে।
- “নর্ডিক” শব্দটি কখনো কখনো “স্ক্যান্ডিনেভিয়া” এর পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো উত্তর ইউরোপের একটি উপদ্বীপীয় অঞ্চল, যা নর্ডিক দেশগুলোর ভৌগোলিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত।
- তবে সাধারণত স্ক্যান্ডিনেভিয়াকে আরও নির্দিষ্ট করে সংজ্ঞায়িত করা হয় এবং এটি মূলত নরওয়ে, সুইডেন, এবং ডেনমার্ককে বোঝায়।
- নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্কের সাথে এই অন্যান্য অঞ্চলগুলোকে যুক্ত করলে পুরো গ্রুপকে “নর্ডিক দেশসমূহ” বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৩,৮২৩.
আফিম যুদ্ধ কোন দুইটি দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়?
  1. চীন ও আফগানিস্তান
  2. চীন ও ইংল্যান্ড
  3. চীন ও রাশিয়া
  4. ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা

আফিম যুদ্ধ: 
- আফিম যুদ্ধ ছিল চীনের সাথে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে দুটি সশস্ত্র সংঘর্ষ, যা ১৯শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে ঘটে।
- এই যুদ্ধগুলোতে পশ্চিমা শক্তি ও চীনের শাসক কিং (Qing) রাজবংশের মধ্যে লড়াই হয়।

 প্রথম আফিম যুদ্ধ (১৮৩৯–১৮৪২):
পক্ষচীন বনাম ব্রিটেন। 
- কারণ: ব্রিটিশরা চীনে অবৈধভাবে আফিম (এক ধরনের মাদক) বিক্রি করছিল। চীনা সরকার এটি বন্ধ করতে চাইলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
- ফলাফল: ব্রিটেন জয়ী হয় এবং চীনকে নানান বাণিজ্যিক সুবিধা ও হংকং দ্বীপ ব্রিটিশদের কাছে হস্তান্তর করতে হয়।

দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ (১৮৫৬–১৮৬০): 
- পক্ষ: চীন বনাম ব্রিটেন ও ফ্রান্স
- এটি আবারও চীনের বিরুদ্ধে আফিম বাণিজ্য ও বিদেশি প্রভাব নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে শুরু হয়।
- ব্রিটেন ও ফ্রান্স জয়লাভ করে, এবং তারা আরও বেশি বাণিজ্যিক সুবিধা ও কূটনৈতিক অধিকার অর্জন করে চীনের ভেতরে।

ফলাফল:
- বিদেশি দেশগুলো চীনের ওপর প্রভাব বাড়িয়ে নেয়।
- চীনকে অনেক ক্ষতিকর চুক্তি স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়, যেগুলোকে 'অবমাননাকর চুক্তি' (Unequal Treaties) বলা হয়।
- চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়ে।

উৎস: Britannica.

৩,৮২৪.
ভারত কর্তৃক সিকিম সংযুক্ত হয় -
  1. ১৯৭০
  2. ১৯৭২
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
ভারত কর্তৃক সিকিম সংযুক্ত হয় ১৯৭৫ সালে।

সিকিম:
- ভারতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম রাজ্য সিকিম।
- সিকিম পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার পাদদেশে অবস্থিত।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত।
- মাত্র ৭,০৯৬ বর্গ কিলোমিটারের ছোট্ট রাজ্যটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপার লীলাভূমি।
- সিকিমের রাজধানীর নাম গ্যাংটক।
- সিকিম প্রথমে স্বাধীন অঞ্চল হিসেবে থাকলেও বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৯৭৫ সালে ভারতের প্রজাতন্ত্রের অংশ হয়।

উল্লেখ্য,
- সিকিমে ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলে অসন্তুষ্ট হয়ে ভোট কারচুপির অভিযোগ আনে লেন্দুপ দর্জির নেতৃত্বাধীন সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেস
- ১৯৭৪ সালে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং নির্বাচনে লেন্দুপ দর্জি অস্বাভাবিক ব্যবধানে বিজয় লাভ করে।
- ৩২টি আসনের মধ্যে ৩১টি আসনেই তার দল জয়ী হয়েছিল।
- এতে সিকিমের প্রধানমন্ত্রী হন লেন্দুপ দর্জি।
- ১৯৭৫ সালের ২৭ মার্চ লেন্দুপ দর্জি কেবিনেট মিটিংয়ে রাজতন্ত্র বিলোপের প্রশ্নে একটি সাজানো গণভোটের আয়োজন করেন।
- যার ফলাফলস্বরূপ অবসান ঘটে চোগিয়াল পদের।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৭৫ ভারতের ২২তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় সিকিম।

উৎস: Britannica.
৩,৮২৫.
পঞ্চম ড্রাগনের দেশ কোনটি?
  1. ক) তাইওয়ান
  2. খ) থাইল্যান্ড
  3. গ) সুদান
  4. ঘ) ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
- ভুটান - বজ্র ড্রাগনের দেশ (Land of the Thunder Dragon)
- তাইওয়ান - পঞ্চম ড্রাগনের দেশ ( The country of the fifth dragon)
- নরওয়ে - নিশীথ সূর্যের দেশ/ ধীবরের দেশ।
৩,৮২৬.
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর কোনটি?
  1. ক) আটলান্টিক মহাসাগর
  2. খ) এন্টার্কটিক মহাসাগর
  3. গ) ভারত মহাসাগর
  4. ঘ) আর্কটিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে মোট পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে।যথা:
- প্রশান্তমহাসাগর, 
- আটলান্টিক মহাসাগর, 
- ভারত মহাসাগর, 
- উত্তর মহাসাগর (এন্টার্কটিক মহাসাগর), 
- দক্ষিণ মহাসাগর (আর্কটিক মহাসাগর)।
 
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর আর্কটিক মহাসাগর বা দক্ষিণ মহাসাগর। 
- এর আয়তন প্রায় ৬.১ মিলিয়ন বর্গ মাইল, যা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে প্রায় ১.৫ গুণ বড়।
 
উৎস : নোয়া ওয়েবসাইট (National Oceanic and Atmospheric Administration Website)
৩,৮২৭.
Which of the following countries is not surrounded by land?
  1. Cambodia
  2. Armenia
  3. Bolivia
  4. Liechtenstein
ব্যাখ্যা
স্থলবেষ্টিত দেশ (Landlocked Countries):
- যেসকল দেশের সাথে কোন সাগর বা মহাসাগরের সীমান্ত নেই এবং সম্পূর্ণরূপে ভূমি দ্বারা বেষ্টিত এরকম দেশগুলোকে স্থলবেষ্টিত দেশ বলা হয়।
- সমুদ্রের সাথে সীমান্ত না থাকায় এই দেশগুলোর কোন সমুদ্র বন্দর নেই।
- বর্তমানে ৪৪টি ল্যান্ডলকড দেশ রয়েছে।
- স্থলবেষ্টিত বৃহত্তম দেশ হলো কাজাখস্থান এবং ক্ষুদ্রতম দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।
 
উল্লেখ্য,
- মাত্র তিনটি দেশ এককভাবে স্থলবেষ্টিত: সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি (ইতালি দ্বারা বেষ্টিত) এবং লেসোথো (দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বারা বেষ্টিত)। 
- দ্বিগুণ স্থলবেষ্টিত বা Double Land Locked Countries দেশ দুইটি: উজবেকিস্তান ও লিচেনস্টেইন।
- বলিভিয়া হচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার স্থলবেষ্টিত দেশ। 
 
• এশিয়ার স্থল বেষ্টিত ১২টি দেশ হলো:
- আফগানিস্তান, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, ভুটান, তুর্কমেনিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান।
 
উৎস: World Atlas.
৩,৮২৮.
উত্তর ইউরোপের দেশ কোনটি?
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইডেন
  3. নরওয়ে
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ
• বুলগেরিয়া
• চেক প্রজাতন্ত্র
• হাঙ্গেরি
• পোল্যান্ড
• মলদোভা
• রোমানিয়া
• রাশিয়া
• স্লোভাকিয়া
• ইউক্রেন

উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে
• সুইডেন
• ডেনমার্ক
• ফিনল্যান্ড
• আইসল্যান্ড
• যুক্তরাজ্য
• আয়ারল্যান্ড
• লিথুয়ানিয়া
• লাটভিয়া
• এস্তোনিয়া

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৩,৮২৯.
কোন দেশকে  'The Tiger of Bicycle' বলা হয়?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. আলজেরিয়া
  3. জাম্বিয়া
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

The Tiger of Bicycle:
- 'The Tiger of Bicycle' বলা হয় ভিয়েতনামকে।

অন্যদিকে,
- Country of copper: জাম্বিয়া।
- Sugar Bowl of the World: কিউবা।
- Land of proteas: দক্ষিণ আফ্রিকা।
- Land of palms: ব্রাজিল।
- land of Fertile fields: আলজেরিয়া।

উৎস: Britannica.

৩,৮৩০.
কোনটি স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ নয়?
  1. ডেনমার্ক
  2. ফিনল্যান্ড
  3. নরওয়ে
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডেনেভিয়া (Scandinavia) 
ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক এবং ভাষাগত মিলের দিক থেকে নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক (ফারাও দ্বীপপুঞ্জ, গ্রিনল্যান্ডসহ) এই ৩টি দেশকে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ বলা হয়ে থাকে।

নর্ডিক (Nordic) 
উত্তর ইউরোপের ৫টি দেশকে একত্রে নর্ডিক দেশ বলা হয়ে থাকে। দেশগুলো হচ্ছে - ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, সুইডেন ও নরওয়ে।

নর্ডিক অঞ্চল বলতে আসলে, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

-------------------

অনেকেই পুরো অঞ্চলটাকেই স্ক্যান্ডেনিভিয়া বলে ফেলেন। তবে, উক্ত অঞ্চলের স্থানীয় মানুষজন স্ক্যান্ডেনেভিয়া (Scandinavia) ও নর্ডিক (Nordic) এই দুটিকে পুরোপুরি আলাদাভাবে দেখেন। এবং, যথার্থতার দিক থেকে দেখলেও, দুটিকে অবশ্যই আলাদা ধরতে হবে।

মানুষের জীবনযাত্রা, অর্থনীতির প্রকৃতি, ভাষা - ইত্যাদি বিষয়ে এই দুটি অঞ্চলের ব্যাপক সামঞ্জস্য বিদ্যমান ও ইউরোপের অন্যান্য অঞ্চল থেকে অনেকটাই ভিন্ন। এই কারণে অনেকেই স্ক্যান্ডেনেভিয়া ও নর্ডিক - এই দুটি অঞ্চলকে একই অঞ্চল ভেবে ভুল করে থাকে।
 
উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা 
৩,৮৩১.
RSF- প্রকাশিত বৈশ্বিক মুক্ত গণমাধ্যম সুচকে শীর্ষ দেশ কোনটি? [জুন, ২০২৫]
  1. ডেনমার্ক
  2. নরওয়ে
  3. আইসল্যান্ড
  4. ইরিত্রিয়া
ব্যাখ্যা
মুক্ত গণমাধ্যম সূচক ২০২৫:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গণমাধ্যম কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে, তার ওপর ভিত্তি করে প্যারিস ভিত্তিক সংগঠন 'রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস্' এই সূচক প্রকাশ করে আসছে।
- রাজনীতি, অর্থনীতি, আইনি সুরক্ষা, সামাজিক ও নিরাপত্তা- এই পাঁচ বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচক তৈরি করা হয়।
- ৩ মে, ২০২৫ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষ্যে আরএসএফ মুক্ত গণমাধ্যম সূচক ২০২৫ প্রকাশ করে।
- সূচকে ১৮০টি দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে।
- এবং সর্বনিম্নে ইরিত্রিয়া।
- তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম।

উল্লেখ্য,
- আরএসএফের এই বছরের সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে:
- ভারতের অবস্থান ১৫১তম, পাকিস্তান ১৫৮তম, মিয়ানমার ১৬৯তম, শ্রীলঙ্কা ১৩৯তম, নেপাল ৯০তম ও ভুটান ১৫২তম।

উৎস: ওয়াল্ড প্রেস রিপোটার্স।[লিঙ্ক]
৩,৮৩২.
স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব কোন বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিল?
  1. ফরাসি বিপ্লব
  2. রুশ বিপ্লব
  3. শিল্প বিপ্লব
  4. গৌরবময় বিপ্লব
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গ পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব দশ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- এই বিপ্লবের মূলমন্ত্র ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এ সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ১৭৯৩ সালের ২১ জানুয়ারি রাজা ষোড়শ লুইকে গিলোটিনে হত্যা করা হয়।
- লেখনীর মাধ্যমে বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

উৎস: i) ইতিহাস-৪, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৩৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু কোন দেশের আক্রমণের মাধ্যমে?
  1. জাপানের আক্রমণ মার্কিন বন্দরে
  2. জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণ
  3. ইতালির আফ্রিকা আক্রমণ
  4. সোভিয়েত ইউনিয়নের ফিনল্যান্ড আক্রমণ
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি পোল্যান্ড আক্রমণ করে, যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- অক্ষশক্তির প্রধান দেশগুলো ছিলো: জার্মানি, জাপান, ও ইতালি।
- মিত্রশক্তির প্রধান দেশগুলো ছিলো: ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি।
- ৮ ডিসেম্বর ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগ দেয়।
- ৭ মে ১৯৪৫ সালে জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ সালে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে, যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
- এই যুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত, যার ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়; অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

উৎস: হিস্টোরি ডটকম ।
৩,৮৩৪.
'দ্যা আইডিয়া অব জাস্টিস' গ্রন্থের রচয়িতা কে? 
  1. মার্থা ন্যুসবাম
  2. জোসেফ স্টিগলিটজ
  3. অমর্ত্য সেন
  4. জন রাউলস
ব্যাখ্যা
অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন অমর্ত্য সেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবী জুড়েই তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
- তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং ক্যামব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।

উৎস: Britannica.
৩,৮৩৫.
'তাস' কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. ভারত
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থা:
- বাংলাদেশ: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস), মিডিয়া সিন্ডিকেট, ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা), ইন্টার সার্ভিস পাবলিক রিলেসন (আইএসপিআর), ইউনাইটেড নিউজ অব, বাংলাদেশ (ইউএনবি), আবাস, প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি)।
- যুক্তরাষ্ট্র: এসোসিয়েট প্রেস (এপি), ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), ক্যাবল নিউজ, নেটওয়ার্ক (CNN)।
- যুক্তরাজ্য: রয়টার্স, ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন (বিবিসি)।
- পাকিস্তান: এসোসিয়েট প্রেস অব পাকিস্তান (এপিপি), পাকিস্তান প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (পিপিআই), ইউনাইটেড প্রেস অব পাকিস্তান (ইউপিপি)।
- চীন: সিনহুয়া।
- ফ্রান্স: এজেন্সি ফ্রান্স প্রেস (এএফপি)।
- ভারত: প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (PTI), ইউনাইটেড নিউজ অব ইন্ডিয়া (ইউএনআই)।
- রাশিয়া: ইতার-তাস (ITAR-TASS), রাশিয়া টুডে (Rossiya Segodnya), ইন্টারফ্যাক্স।
- ইন্দোনেশিয়া: আনতারা।
- ইরান: ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি (ইরনা), ইরান নিউজ এজেন্সি (আইএনএ)।
- ইরাক: নিউজ এজেন্সি (ইনা)।
- ইসরাইল: জিউস টেলিগ্রাফ এজেন্সি (JTA)।
- অষ্ট্রেলিয়া: অষ্ট্রেলিয়ান ব্রডকাষ্টিং কর্পোরেশন (এবিসি)।

উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৩,৮৩৬.
'সভ্যতার সংঘাত' সম্পর্কে ধারণা দেন কে?
  1. ক) জ্যা জ্যাক রুশো
  2. খ) কৌটিল্য
  3. গ) উইলিয়াম হান্টার
  4. ঘ) স্যামুয়েল পি হান্টিংটন
ব্যাখ্যা
মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী স্যামুয়েল পি হান্টিংটন ১৯৯২ সালে তার 'সভ্যতার সংঘাত' শীর্ষক থিসিস প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত 'দ্য ক্ল্যাশ অব সিভিলাইজেশন এন্ড দ্য রিমেকিং অব ওয়ার্ল্ড অর্ডার' শীর্ষক বইয়ে তিনি বিষয়টি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেন। তার মধ্যে আগামী বিশ্বে সংঘাতের মূল কারণ হবে সংস্কৃতি ও ধর্মীয় পার্থক্য। আদর্শগত কিংবা অর্থনৈতিক কারণে নয়। (সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি ডটকম)
৩,৮৩৭.
নিচের কোন দেশটি 'হর্ন অফ আফ্রিকা' এর অংশ নয়?
  1. জিবুতি
  2. কেনিয়া
  3. সোমালিয়া
  4. ইরিত্রিয়া
ব্যাখ্যা

হর্ন অফ আফ্রিকা:
- আফ্রিকার হর্ন বলতে পূর্ব আফ্রিকার অঞ্চল বোঝানো হয়।
- আফ্রিকার মানচিত্র লক্ষ্য করলে দেখা যায় এর উত্তর-পূর্ব অংশ আরব সাগরে শিং এর মত বর্ধিত হয়েছে।
- এর অংশগুলো হলো জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া এবং সোমালিয়া দেশগুলির আবাসস্থল।
- হর্ন অফ আফ্রিকা অঞ্চলের একটি অংশ সোমালি উপদ্বীপ নামেও পরিচিত।
- হর্নে ইথিওপিয়ান মালভূমির উচ্চভূমি, ওগাডেন মরুভূমি এবং ইরিথ্রিয়ান, এবং সোমালিয়ান উপকূলের মতো বিভিন্ন অঞ্চল রয়েছে এবং এটি আমহারা, টাইগ্রে, ওরোমো এবং সোমালি জনগণের আবাসস্থল।
- এর উপকূল লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর দ্বারা ঘেরা।
- এটি দীর্ঘদিন ধরে আরব উপদ্বীপ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।

৩,৮৩৮.
“Yes for the children” এর প্রতিষ্ঠাতা -
  1. ক) মাহাত্মা গান্ধী
  2. খ) নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. গ) মাও সেতুং
  4. ঘ) অ্যাডাম স্মিথ
ব্যাখ্যা
• নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম - ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি “Yes for the children” - এর প্রতিষ্ঠাতা
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। 
- ১৯৬০ সালে শ্বেতাঙ্গ নিয়ন্ত্রিত সরকার ANC এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
- ১৯৬২ সালে “Spear of the Nation” (ANC সদস্যদের নিয়ে গেরিলা আক্রমন শুরু করেন।
 - ম্যান্ডেলাকে “রোবেন দ্বীপ”– এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- পরবর্তীতে দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন তীব্র হলে ১৯৮৯ সালে শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ. ডি ক্লার্ক ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দেন।
- ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পান।
- ১৯৯৯ সালে তিনি স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে অবসরে যান ।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো - ৪৬৬ এবং কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।

- তার রচিত বই - A Long Walk to Freedom (Autobiography), Conversations With Myself, The Prison Letters of Nelson Mandela, I Am Prepared to Die, No Easy Walk to Freedom, The Struggle Is My Life, In His Own Words

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৩,৮৩৯.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ১২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট (১৮৮২ - ১৯৪৫):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৩২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।

- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতির প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই হবু সংগঠনের নাম প্রথমবারের মতো - “জাতিসংঘ (United Nations)” এই নামটি ব্যবহার করা হয় এবং ফ্রাঙ্কলিন ডি. - রুজভেল্ট এই নামকরণ করেন।
 
তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৩,৮৪০.
জো বাইডেন কোন দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছিলেন?
  1. ক) গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি
  2. খ) রিপাবলিকান
  3. গ) ডেমোক্রেটিক
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

ডেমোক্রেটিক প্রার্থী জো বাইডেন আমেরিকার ৫৯তম নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডিন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
৩রা নভেম্বর ২০২০ এর নির্বাচনে জিতে জো বাইডেন আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হন। তিনি ২০ জানুয়ারি ২০২১ এ শপথের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
উৎসঃ LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার-ডিসেম্বর, ২০২০।

৩,৮৪১.
ওয়েস্ট ইন্ডিজ কী?
  1. ক) একটি দেশের নাম
  2. খ) কয়েকটি দ্বীপসমষ্টির নাম
  3. গ) একটি ক্রিকেট দলের নাম
  4. ঘ) ভারতের একটি দ্বীপের নাম
ব্যাখ্যা
- ওয়েস্ট ইন্ডিজ অর্থ পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ।
- উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যবর্তী ক্যারিবিয়ান সাগেরর দ্বীপসমষ্টি ওয়েস্ট ইন্ডিজ নামে পরিচিত।
- ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আটলান্টিক থেকে পশ্চিম ও দক্ষিণে মেক্সিকো উপসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরকে পৃথক করে ২০০০ মাইল দীর্ঘ দ্বীপের অর্ধচন্দ্রাকৃতির গ্রুপ মহাসাগর, পূর্ব এবং উত্তরে  দ্বীপগুলি অবস্থিত।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের ফ্লোরিডার উপদ্বীপ থেকে, দ্বীপগুলি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ১২০০ মাইল তারপর ৫০০মাইল দক্ষিণে, তারপর দক্ষিণ আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে ভেনিজুয়েলার উত্তর উপকূল বরাবর পশ্চিমে প্রসারিত। 
- ক্রিকেট বিশ্ব প্রতিনিধিত্ব করা  ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ১৩ টি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত হয়।
 
উৎস:- ব্রিটানিকা।
৩,৮৪২.
পবিত্র মক্কা নগরীতে সম্প্রতি স্থাপিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঘড়িটি নির্মাণে কত কোটি ডলার খরচ হয়েছে?
  1. ১৫০
  2. ২৫০
  3. ৩০০
  4. ৩৫০
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে এটি আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।]

- মক্কায় অবস্থিত মক্কা ক্লক বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ঘড়ি।
- পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র মক্কা নগরীর কাবা শরীফের পাশেই অবস্থিত ১৩০ তলা উঁচু রয়েল ক্লক টাওয়ার।
- এই টাওয়ারের আরবি নাম ‘আবরাজ আল-বাইত’।
- এই ক্লক টাওয়ার তৈরি করতে ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে।
- এই ঘড়ির ওজন ৩৬ হাজার টন।
- এই ঘড়ি ও টাওয়ারের নকশা করেছেন জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডের স্থপতিরা।
৩,৮৪৩.
‘অপারেশন সার্চ সোর্ড’ কোন দুটি দেশের যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. রাশিয়া - ইউক্রেন যুদ্ধ
  2. চীন - জাপান যুদ্ধ
  3. ইরান - ইরাক যুদ্ধ
  4. ইসরাইল - ফিলিস্তিন যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
‘অপারেশন সার্চ সোর্ড:
- ‘অপারেশন সার্চ সোর্ড’ ইরান-ইরাক যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।
- ইরান-ইরাক যুদ্ধের অষ্টম দিনে অপারেশন স্কোর্চ সোর্ড শুরু হয়।
- ইরান-ইরাক যুদ্ধ, (1980-88), 1980-এর দশকে ইরান ও ইরাকের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘর্ষ।
- ১৯৮৮ সালের যুদ্ধবিরতি দ্বারা যুদ্ধ শেষ হয়, যদিও ১৬ আগস্ট, ১৯৯০-এ একটি আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরায় শুরু করা এবং সেনা প্রত্যাহার করা হয়নি।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।
৩,৮৪৪.
কোন সভ্যতায় সফিস্টদের আবির্ভাব ঘটে?
  1. প্রাচীন মিশরীয়
  2. প্রাচীন গ্রিস
  3. প্রাচীন চৈনিক
  4. সিন্ধু সভ্যতা
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গ্রিসের দর্শন:
- দার্শনিক চিন্তার ক্ষেত্রে গ্রিসের অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছিল।
- পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, প্রতিদিন কীভাবে এর পরিবর্তন ঘটছে এসব ভাবতে গিয়ে গ্রিসে দর্শন চর্চার সূত্রপাত।
- থালেস ছিলেন প্রথম দিককার দার্শনিক।
- তিনিই প্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন।
- গ্রিসে যুক্তিবাদী দার্শনিকের আবির্ভাব ঘটে যাদের বলা হতো সফিস্ট।
- এরা বিশ্বাস করতেন যে চূড়ান্ত সত্য বলে কিছু নেই।
- গণতান্ত্রিক নগর রাষ্ট্র এথেন্সের রাজা পেরিক্লিস এদের অনুসারী ছিলেন।
- সক্রেটিস ছিলেন এ চিন্তার দার্শনিকদের মধ্যে সবচেয়ে খ্যাতিমান।
- তার শিক্ষার মূল দিক ছিল- আদর্শ রাষ্ট্র ও সৎ নাগরিক গড়ে তোলা।
- সক্রেটিসের শিষ্য প্লেটো গ্রিক দর্শনকে চরম উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।
- প্লেটোর শিষ্য এরিস্টটলও একজন বড় দার্শনিক ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪৫.
'হলোকাস্ট' হিসেবে চিহ্নিত করা হয় কোনটিকে?
  1. সোভিয়েত ইউনিয়নের স্টালিন যুগের নিপীড়ন
  2. হিরোশিমা-নাগাসাকিতে পরমাণু বোমা হামলা
  3. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কার যুদ্ধাপরাধ
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইহুদি গণহত্যা
ব্যাখ্যা

হলোকাস্ট:
- হলোকাস্ট ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানি ও তার সহযোগীদের দ্বারা পরিচালিত ইহুদি গণহত্যা।
- এই সময় প্রায় ৬০ লক্ষ ইহুদি পুরুষ, নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়।
- এছাড়াও লক্ষ লক্ষ রোমা (জিপসি), প্রতিবন্ধী, সমকামী, রাজনৈতিক বিরোধী ও অন্যান্য গোষ্ঠীর লোকও শিকার হয়েছিল।
- এটিকে নাৎসিরা 'ইহুদি সমস্যার চূড়ান্ত সমাধান' (Final Solution) নামে অভিহিত করত।
- আউশভিৎজ, ট্রেবলিঙ্কা, সোবিবোরের মতো মৃত্যুশিবিরে গ্যাস চেম্বার ও ক্রিমেটরিয়াম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি আদর্শে ইহুদিদের "অধঃস্তন জাতি" (Untermenschen) ও জার্মান জাতির শত্রু হিসেবে দেখা হতো।
- এটি জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব (Aryan supremacy), Lebensraum (জীবনস্থান) ও ইহুদি-বিদ্বেষের (antisemitism) উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল।
- নাৎসি জার্মানির রাষ্ট্রীয় নীতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে ইহুদি জাতির প্রায় পুরো ইউরোপীয় অংশকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করেছিল।
- এটি শুধু যুদ্ধের অংশ নয়, বরং একটি স্বতন্ত্র জাতিগত যুদ্ধ ছিল।

তথ্যসূত্র - Bitannica.com

৩,৮৪৬.
’অপেরা হাউস’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কানাডা
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. ফ্রান্স
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
• সিডনি অপেরা হাউস:
- সিডনি অপেরা হাউস (Sydney Opera House) বিশ্বের অন্যতম স্বীকৃত ও প্রতীকি স্থাপত্যকীর্তি।
- এটি অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের বেনলং পয়েন্টে অবস্থিত এবং এটি সিডনি হারবার বা বন্দরের জলরেখার পাশে অবস্থিত।
- সিডনি অপেরা হাউসের সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বৈশিষ্ট্য হলো এর শঙ্খ বা পালতোলা আকৃতির ছাদ, যা জাহাজের পাল বা সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো মনে হয়। এই ছাদ নির্মাণের জন্য অত্যন্ত জটিল প্রকৌশল ও প্রযুক্তির প্রয়োজন হয়েছিল।
-২০০৭ সালে অপেরা হাউসকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক মনোনীত করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৮৪৭.
Which ancient civilization is credited with the creation of the first known code of laws?
  1. Ancient Egypt
  2. Ancient Greece
  3. The Roman Empire
  4. The Babylonian Empire
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:

- প্রাচীন মেসোপটেমিয়াতে সভ্য নগররাষ্ট্রগুলো গড়ে উঠেছিল।
- নগররাষ্ট্র ব্যাবিলন ছিল মেসোপটেমিয়ার কেন্দ্রবিন্দু এবং 
- ১৭৬০ খ্রিষ্টপূর্ব বেশ কটি ধারাবাহিক যুদ্ধের পর ব্যাবিলনের শক্তিমান রাজা হাম্মুরাবি কঠোর হাতে মেসোপটেমিয়া শাসন করেছেন।
- তিনি ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- তিনি আইন প্রণয়ন ও অপরাধের জন্য শাস্তি নির্ধারণ করেছিলেন। তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত।
- এটি সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান হল এই আইন প্রণয়ন ও সংকলন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,৮৪৮.
ব্রাজিলের প্রধান ভাষা- 
  1. মান্দারিন
  2. পর্তুগিজ
  3. স্প্যানিস
  4. ফরাসি
ব্যাখ্যা

ব্রাজিল: 
- দাপ্তরিক নাম: ফেডারেটিভ রিপাবলিক অব ব্রাজিল।
- রাজধানী: ব্রাসিলিয়া।
- দক্ষিণ আমেরিকার ও পশ্চিম গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দেশ।
- ভাষা: পর্তুগিজ (একমাত্র প্রধান পর্তুগিজভাষী দেশ দক্ষিণ আমেরিকায়)।
- মুদ্রা: ব্রাজিলিয়ান রিয়াল (Brazilian Real, BRL)।
- ধর্ম: প্রধানত খ্রিস্টান (বিশেষ করে রোমান ক্যাথলিক)।
- ১৮২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ব্রাজিল পর্তুগাল কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- প্রিন্স পেড্রো স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন; ব্রাজিল সাম্রাজ্যের প্রথম শাসক।
- প্রতি বছর ৭ই সেপ্টেম্বর ব্রাজিল স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে।
- শাসনব্যবস্থা: ফেডারেল রিপাবলিক; রাষ্ট্রপতি শাসিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব ও মধ্যভাগে অবস্থিত।
- ব্রাজিল ১০টি দেশের সাথেই সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে (ব্যতিক্রম: চিলি ও ইকুয়েডর)।
- উত্তর: ভেনিজুয়েলা, গায়ানা, সুরিনাম, ফরাসি গায়ানা।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩,৮৪৯.
কুয়েতের মুদ্রার নাম কী?
  1. দিরহাম
  2. রিয়েল
  3. পাউন্ড
  4. দিনার
ব্যাখ্যা
কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম: 
- ইউক্রেনের মুদ্রার: রিভনিয়া।
- জাপানের মুদ্রার নাম: ইয়েন।
- ইসরায়েল মুদ্রার নাম:শেকেল।
-  চীনের মুদ্রার নাম: রেন্মিন্বি।
- রাশিয়ার মুদ্রার নাম : রুবল।
- কাতারের মুদ্রার নাম: রিয়াল।
- কুয়েতের মুদ্রার নাম: দিনার। 
- তুরস্কের মুদ্রার নাম: লিরা। 
- ইরানের মুদ্রার নাম: তুমান। 
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম: ডং।
- মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম রিংগিত।
- থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম: বাথ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৮৫০.
East London কোথায় অবস্থিত?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. কানাডা
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

'East London:
- অবস্থান: ইস্ট লন্ডন দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশে অবস্থিত একটি বন্দর নগরী।
- এটি বাফেলো নদীর মোহনায়, ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠা: ১৮৩৬ সালে ব্রিটিশরা বাফেলো নদীর মোহনায় অবতরণ করে;
- এবং স্থানটিকে "পোর্ট রেক্স" নামে অভিহিত করে।
- ১৮৪৬ সালে সপ্তম কেপ ফ্রন্টিয়ার যুদ্ধের সময় এটি একটি সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- পরবর্তীতে, ১৮৪৭ সালে এখানে ফোর্ট গ্ল্যামারগান নির্মিত হয় এবং স্থানটি কেপ কলোনির অংশ হিসেবে "ইস্ট লন্ডন" নামে পরিচিতি পায়।
- ১৮৭৩ সালে এটি একটি শহর এবং ১৯১৪ সালে একটি নগরীতে উন্নীত হয়।

উৎস: Britannica.

৩,৮৫১.
বলকান রাষ্ট্র নয় কোনটি?
  1. ক) মাল্টা
  2. খ) স্লোভেনিয়া
  3. গ) সার্বিয়া
  4. ঘ) কসোভো
ব্যাখ্যা
বলকান পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ ‘বলকান রাষ্ট্র’ নামে পরিচিত। বলকান উপদ্বীপ অঞ্চলে বারোটি রাষ্ট্র রয়েছে-আলবেনিয়া, বসনিয়া ও হার্জেগেভিনা, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, কসোভো, মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, মন্টিনিগ্রো, রুমানিয়া এবং স্লোভেনিয়া। গ্রিস এবং তুরস্কের কিছু অংশ বলকান অঞ্চলে থাকলেও এগুলো বলকান রাষ্ট্র হিসাবে বিবেচিত হয় না। মাল্টা বলকান রাষ্ট্র নয়। সূত্র- worldatlas ওয়েবসাইট।
৩,৮৫২.
'বুজুম্বুরা' কোন দেশের রাজধানী?
  1. রুয়ান্ডা
  2. বুরুন্ডি
  3. জায়ার
  4. হাইতি
ব্যাখ্যা
বুরুন্ডি:
- আনুষ্ঠানিকভাবে বুরুন্ডি প্রজাতন্ত্র.
- বুরুন্ডি পূর্ব-মধ্য আফ্রিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- আয়তন: ১০,৭৪৭ বর্গ মাইল (২৭,৮৩৪ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: গিটেগা (রাজনৈতিক), বুজুম্বুরা (অর্থনৈতিক)।
- ভাষা: রুন্ডি (কিরুন্ডি), ফরাসি (উভয় সরকারী), সোয়াহিলি।
- ধর্ম: খ্রিস্টান ধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক, এছাড়াও প্রোটেস্ট্যান্ট, অন্যান্য খ্রিস্টান)।
- মুদ্রা: বুরুন্ডি ফ্রাঙ্ক।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৮৫৩.
দ্রাবিড় জাতির বসবাস কোথায় ছিল?
  1. মহেঞ্জোদারো
  2. আলেপ্পো
  3. কনস্টান্টিনোপল
  4. এথেন্স
ব্যাখ্যা
দ্রাবিড়:
- ভারতে আর্যদের আগমনের পূর্বে দ্রাবিড় জাতির বসবাস ছিল।
- এই জাতিগোষ্ঠী দক্ষিণে ইন্দো-আফ্রিকার নিগ্রোদের গোত্রভুক্ত।
- হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোতে যে আদিবাসীদের অস্তিত্বের কথা সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কারের ফলে জানা যায় এরাই দ্রাবিড় জাতি।
- প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগেই ভারতে দ্রাবিড়দের অবস্থান ছিল বলে অনুমান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- দ্রাবিড়দের মূল পেশা ছিল কৃষিকাজ।
- এরা আদিম অবস্থা অতিক্রম করে ভারতে নগর গড়ে তোলে এবং প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্র।
- তারা মিশর, প্যালেস্টাইন, পারস্য, মেসোপটেমিয়া, ব্যবিলনিয়া ও এশিয়া মাইনর প্রভৃতি দেশে বাণিজ্য করত।
- তাদের রপ্তানি পণ্যের মধ্যে ছিল হাতির দাঁত, স্বর্ণ, মূল্যবান পাথর, ধান, কাঠ, বানর ও ময়ূর।
- দ্রাবিড় ভাষার সাথে এখনও তামিল, তেলেগু, কানাড়ীয়, মালিয়াম প্রভৃতি অঞ্চলের ভাষার মিল রয়েছে।
- দ্রাবিড়দের সমাজ কাঠামো ছিল মাতৃতান্ত্রিক।
- দ্রাবিড় সমাজে কোন বর্ণভেদ ছিল না।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৫৪.
কার নেতৃত্বে 'গ্লাসনস্ত' বাস্তবায়িত হয়?
  1. ক) বরিস ইয়েলৎসিন
  2. খ) ব্রেজনেভ
  3. গ) মিখাইল গর্বাচেভ
  4. ঘ) স্ট্যালিন
ব্যাখ্যা
- 'গ্লাসনস্ত' বাস্তবায়িত হয় সাবেক সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভের নেতৃত্বে।
- তিনি এটি প্রবর্তন করেন ১৯৮৭ সালে।
- এটি সোভিয়েত খোলানীতি নামে পরিচিত।
- এই নীতির বিষয়বস্তু ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের জনগণ নির্ভয়ে খোলাখুলিভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবেন।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।
৩,৮৫৫.
গণচীনের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. লিও শাও চি
  2. চিয়াং কাইশেক
  3. সান ইয়াৎ সেন
  4. মাও সেতুং
ব্যাখ্যা
• চীন:
- জনসংখ্যায় বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ - চীন।
- মুদ্রার নাম - ইউয়ান।
- ভাষার নাম - মান্দারিন।
- আইনসভার নাম - ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।

- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - লি কেকিয়াং।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি - শি জিন পিং।
- আধুনিক চীনের জনক - সান ইয়াৎ সেন।
- গণচীনের প্রতিষ্ঠাতা - মাও সে তুং।
- গ্রেট হল অবস্থিত - বেইজিং, চীনে।
- ‘তিয়েন আনমেন‘ স্কয়ার অবস্থিত - বেইজিং চীন। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,৮৫৬.
জিরকন হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল কোন‌ দেশের?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স
  3. রাশিয়া
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

- জিরকন হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইল রাশিয়ার।
- গত ২৯ নভেম্বর, ২০২১ তারিখে সফলভাবে জিরকন হাইপারসনিক ক্রুজ মিসাইলের পরীক্ষা চালায় রাশিয়া।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।

৩,৮৫৭.
মালয়েশিয়া কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) পর্তুগাল
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগ ও উনবিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশরা বর্তমান মালয়েশিয়া অঞ্চলে উপনিবেশ এবং আশ্রিত রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। একে বলা হতো ব্রিটিশ মালয়।
১৯৪২ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত জাপান ধীরে ধীরে মালয়েশিয়া দখল করতে থাকে।
১৯৪৮ সালে মালয় উপদ্বীপে অবস্থিত ব্রিটিশ শাসিত অঞ্চলগুলোর সমন্বয়ে মালয় ফেডারেশন গঠিত হয় যা ১৯৫৭ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।
সিঙ্গাপুরের ব্রিটিশ উপনিবেশ ও পূর্ব মালয়েশিয়ান রাজ্য ১৯৬৩ সালে ফেডারেশনে যুক্ত হয়, আর তখনই মালয়েশিয়া স্বতন্ত্র রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা।

৩,৮৫৮.
চীনের পূর্বে ম্যাকাও কোন দেশের উপনিবেশ ছিলো?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাজ্য
  3. পর্তুগাল
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
চীনের অধীনস্ত হওয়ার পূর্বে ম্যাকাও পর্তুগালের অধীনে ছিলো।

ম্যাকাও:

- ম্যাকাও হলো দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে অবস্থিত চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল।
- ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্তুগাল চীনের নিকট ম্যাকাও হস্তান্তর করে।
- ম্যাকাও ছিলো এশিয়ায় ইউরোপের সর্বশেষ উপনিবেশ।
- বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল।
- ম্যাকাও এর মুদ্রা ম্যাকানিজ পটাকা।
- ১৫৫৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত প্রায় ৪৪২ বছর মাকাও পর্তুগীজ শাসনাধীন ছিল।
- এটি ছিল চীনে সর্বশেষ ইউরোপীয় কলোনি।
- ১৯৯৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে মাকাওয়ের সার্বভৌমত্ব ও কর্তৃত্ব চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং ২০ ডিসেম্বর থেকে চীনের পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চীনা-পর্তুগীজ যৌথ ঘোষণা ও মাকাওয়ের মৌলিক নীতি অনুসারে ২০৪৯ সাল পর্যন্ত এটি বিশেষ সার্বভৌম ক্ষমতা ভোগ করবে

উৎস: Britannica.
৩,৮৫৯.
‘সিলিকন ভ্যালি’ কোন শিল্পের জন্য বিখ্যাত?
  1. ইস্পাত
  2. অটোমোবাইল
  3. বস্ত্র
  4. তথ্যপ্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

সিলিকন ভ্যালি:
- ‘সিলিকন ভ্যালি’ তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের জন্য বিখ্যাত।

• সিলিকন ভ্যালি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত তথ্যপ্রযুক্তি ও হাই-টেক শিল্পের কেন্দ্রস্থল।
- সিলিকন ভ্যালি মূলত উন্নত প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, এবং বিশ্বখ্যাত সব টেক জায়েন্ট (যেমন: অ্যাপল, গুগল, মেটা) প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্রস্থল হিসেবে বিখ্যাত।
- এটি মূলত সিলিকন-ভিত্তিক সেমিকন্ডাক্টর, মাইক্রোপ্রসেসর ও কম্পিউটার প্রযুক্তি শিল্পের জন্য পরিচিত, যা বর্তমানে সফটওয়্যার, ইন্টারনেট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষণায় বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব দিচ্ছে।
- বর্তমান প্রযুক্তি বিশ্বের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ করা হয় সরাসরি সিলিকন ভ্যালি থেকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৯ সালে আমেস রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবাসভূমি হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে সাংবাদিক ডন হফলার তিন পর্বের একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন, যার শিরোনাম ছিল ‘সিলিকন ভ্যালি ইউএসএ’।
- পরবর্তী সময়ে এই নামেই পরিচিত হয় বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির স্বর্গ হিসেবে। 

উৎস: Britannica.

৩,৮৬০.
সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে কোন সভ্যতায়?
  1. ক্যালেডীয় সভ্যতা
  2. সুমেরীয় সভ্যতা
  3. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  4. মায়া সভ্যতা
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইনের প্রচলন হয় ব্যাবিলনে।
- সর্বপ্রথম পঞ্জিকার প্রচলন করে ব্যাবিলনীয় সভ্যতায়
- মেসোপটেমিয়ায় গড়ে ওঠা সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয় সভ্যতা।
- সুমেরীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান চাকা আবিষ্কার।
- ৭ দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করে ক্যালেডীয়রা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৬১.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে স্বার্থকামী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন-
  1. অধ্যাপক ফাইনার
  2. অধ্যাপক মাইরন উহনার
  3. অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল
  4. এলান পটার
ব্যাখ্যা
- অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বার্থকামী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
তাদের মতে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী চার ভাগে বিভক্ত। এরা হলো:
- স্বতঃস্ফুর্ত স্বার্থকামী গোষ্ঠী
- সংগঠন ভিত্তিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী
- অসংগঠিত স্বার্থকামী গোষ্ঠী
- প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থকামী গোষ্ঠী।
অন্যদিকে,
- অধ্যাপক ফাইনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে লবি হিসেবে অভিহিত করেন।
- এলান পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
- অধ্যাপক মাইরন উহনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।

(তথ্যসূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৩ : বিএসএস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৮৬২.
'ট্রাফালগার স্কয়ার' এর সাথে কার নাম জড়িয়ে আছে?
  1. নেপোলিয়ান
  2. নেলসন
  3. ওয়েলসলি
  4. ফার্দিনান্ড
ব্যাখ্যা
- ট্রাফালগার স্কয়ার যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত।
- ১৮০৫ সালের ২১ অক্টোবর আটলান্টিক মহাসাগরে স্পেনের ট্রাফালগার উপকূলে ফ্রান্স ও স্পেনের সাথে ব্রিটেনের ট্রাফালগার নৌযুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে অ্যাডমিরাল নেলসনের কৃতিত্বে ব্রিটেন জয় লাভ করে।
- ট্রাফাগাল যুদ্ধ জয় ও যুদ্ধের সেনাপতি অ্যাডমিরাল নেলসনের প্রতি সম্মান জানিয়ে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ট্রাফালগার স্কয়ার নির্মাণ করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৩,৮৬৩.
চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া প্রথম ইউক্রেন আক্রমণ করে কবে?
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  2. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  3. ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
  4. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
ব্যাখ্যা
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ:
- ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করে রাশিয়া।
- মূলত, রাশিয়ার বলয় থেকে বেরিয়ে ইউক্রেনের পশ্চিমাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রবণতা এবং ন্যাটোর সদস্যপদের আকাঙ্ক্ষা ঘিরে রূপ নেয় চূড়ান্ত সংঘাতে।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে ইউরোপের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকটের সূত্রপাত করে।
- বাস্তুচ্যুত হয়েছে ৬০ লাখেরও বেশি ইউক্রেনীয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অর্থনীতিও।
- কিয়েভের দাবি যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে ৮ লাখেরও বেশি রুশ সেনা।
- আর মস্কো বলছে- অন্তত সাত লাখ ইউক্রেনীয় সেনার প্রাণ গেছে তাদের হামলায়।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
৩,৮৬৪.
কলম্বিয়ার সরকারি ভাষা কোনটি?
  1. মেন্ডি
  2. রুশ
  3. ইতালিয়ান
  4. স্প্যানিশ
ব্যাখ্যা
কলম্বিয়া:
- কলম্বিয়া দক্ষিণ আমেরিকার একটি দেশ।
- আয়তন ৪৪০,৫৩১ বর্গ মাইল।
- রাজধানী: বোগোটা।
- ভাষা: স্প্যানিশ (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক)।
- মুদ্রা: পেসো।
- কফি দেশটির প্রধান অর্থকরী ফসল।
- কলম্বিয়া হল বিশ্বের সবচেয়ে বড় পান্না উৎপাদনকারী এবং দক্ষিণ আমেরিকার সোনার বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ।
- এর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৮৬৫.
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কী?
  1. জর্জ ওয়াশিংটন
  2. মার্টিন লুথার কিং
  3. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য - হাওয়াই।
- পতাকায় তারকা সংখ্যা - ৫০ টি।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)। (আগস্ট, ২০২৪)
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬ তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি - জর্জ ওয়াশিংটন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৮৬৬.
কোন প্রণালী আফ্রিকাকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে?
  1. বসফরাস প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- এটি পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- জিব্রাল্টার প্রণালী উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের সাইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এর প্রস্থ অবস্থানভেদে ১৩ থেকে ৩৯ কিলোমিটার হতে পারে।
- প্রণালীর মধ্যে দিয়ে একটি ৮ কিলোমিটার প্রশস্ত ও ৩০০ মিটার গভীর চ্যানেল চলে গেছে।

অন্যদিকে,
- বসফরাস প্রণালী পৃথক করেছে এশিয়া ও ইউরোপকে আর সংযুক্ত করেছে মরমর সাগর ও কৃষ্ণ সাগর।
- বেরিং প্রণালী সংযুক্ত করেছে বেরিং সাগর ও উত্তর সাগর আর পৃথক করেছে এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে।
- পক প্রণালী সংযুক্ত করেছে ভারত মহাসাগর ও আরব সাগর আর পৃথক করেছে ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৩,৮৬৭.
লাতাকিয়া কোন দেশের সমুদ্রবন্দর?
  1. সিরিয়ার
  2. ইরানের
  3. ইরাকের
  4. তুরস্কের
ব্যাখ্যা
লাতাকিয়া:
- লাতাকিয়া হচ্ছে সিরিয়ার প্রধান সমুদ্রবন্দর।
- এটি ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত সিরিয়ার লাতাকিয়া শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর।
- লাতাকিয়া বন্দরটি ১৯৫০ সালে আধুনিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি সিরিয়ার প্রধান বাণিজ্যিক ও সামরিক সমুদ্রবন্দর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সিরিয়া:
- আনুষ্ঠানিকভাবে সিরিয়ান আরব প্রজাতন্ত্র।
- সিরিয়া মধ্যপ্রাচ্যের ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূল বরাবর অবস্থিত।
- আয়তন: ৭১,৪৯৮ বর্গ মাইল (১৮৫,১৮০ বর্গ কিমি)।
- সীমান্তবর্তী দেশ: তুরস্ক, ইরাক, জর্ডান, লেবানন ও ইসরায়েল।
- রাজধানী: দামেস্ক।
- ভাষা: আরবি (অফিসিয়াল), কুর্দি, আর্মেনিয়ান।
- ধর্ম: ইসলাম (প্রধানত সুন্নি), এছাড়াও খ্রিস্টান।
- মুদ্রা: সিরিয়ান পাউন্ড।
- দেশটি ১৯৬২ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৮৬৮.
ফরাসী বিপ্লব সংঘটিত হয় - 
  1. ১৩ জুলাই, ১৭৮৮
  2. ১৪ জুলাই, ১৭৮৮
  3. ১৩ জুলাই, ১৭৮৯
  4. ১৪ জুলাই, ১৭৮৯
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লব আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে। 
- 'স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী'- ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।

অন্যদিকে,
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,৮৬৯.
'ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) সিন্ধু নদ
  2. খ) নীল নদ
  3. গ) ইউফ্রেটিস
  4. ঘ) শাত-ইল-আরব
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যান বা ঝুলন্ত বাগান ইরাকের ইউফ্রেটিস নদীর তীরে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে নির্মিত হয়।
সম্রাট নেবুচাদনেজার সম্রাজ্ঞীর প্রেরণায় এটি নির্মাণ করেন।
প্রথমে নির্মাণ করা হয় বিশাল এক ভিত, যার আয়তন ছিল ৮০০ বর্গফুট।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৩,৮৭০.
Which country is called the land of poets?
  1. Cuba
  2. South Africa
  3. Brazil
  4. Algeria
  5. Chile
ব্যাখ্যা
চিলি:
- লাতিন আমেরিকার দেশ চিলি।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের একটি দেশ।
- চিলি স্পেনের একটি উপনিবেশ ছিল।
- ১৮১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশটি স্পেনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হয়।
- এর মধ্য দিয়ে চিলিতে প্রায় ৩০০ বছরের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটে।
- চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো।
- চিলিকে 'কবিদের দেশ' বা 'land of poets' বলা হয়।

অন্যদিকে,
- Sugar Bowl of the World: কিউবা।
- Land of proteas: দক্ষিণ আফ্রিকা।
- Land of palms: ব্রাজিল।
- land of Fertile fields: আলজেরিয়া।

উৎস: Britannica.
৩,৮৭১.
হিরোহিতো কোন দেশের সম্রাট ছিলেন?
  1. তাইওয়ান
  2. হংকং
  3. জাপান
  4. পেরু
ব্যাখ্যা
মিচিনোমিয়া হিরোহিতো
- মিচিনোমিয়া হিরোহিতোর জন্ম ১৯০১ সালের ২৯ এপ্রিল জাপানের টোকিওর আওয়ামা রাজপ্রাসাদে।
- সম্রাট মেইজি তখন জাপানের সাম্রাজ্য পরিচালনা করতেন, যিনি ছিলেন হিরোহিতোর দাদা। হিরোহিতোর বাবা ছিলেন তখনকার যুবরাজ ইওশিহিতো।
- যিনি ১৯১২ সালে সম্রাট মেইজি মারা যাওয়ার পর সম্রাট তাইশো হিসেবে রাজসিংহাসন গ্রহণ করেন।
- ১৯১৬ সালে হিরোহিতোকে জাপান সাম্রাজ্যের যুবরাজ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরই মধ্যে তিনি জাপানের সামরিক বাহিনী ও নৌবাহিনীতে সহকারী লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং গ্র্যান্ড কর্ডন অফ দ্য অর্ডার অফ ক্রাইস্যান্থেমাম হিসেবে সম্মানিত হন।
- ১৯১৪ সালের দিকে তিনি পদোন্নতি পেয়ে সামরিক বাহিনীতে লেফটেন্যান্ট ও নৌবাহিনীতে উপ-লেফটেন্যান্ট পদ পান এবং এরপর ১৯১৬ সালে তিনি সামরিক বাহিনীর ক্যাপ্টেন ও নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট পদে উন্নীত হন।
- ১৯২১ সালে, হিরোহিতো এবং ৩৪ জন সৈনিক ছয় মাস পশ্চিম ইউরোপে ভ্রমণ করেন; যেটি ছিল প্রথমবারের মতো জাপানি যুবরাজের বিদেশ ভ্রমণ।
- জাপানে ফিরে আসার পর তিনি দেখতে পেলেন, তার বাবা, সম্রাট তাইশো মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
- তাই হিরোহিতো জাপানের রাজতন্ত্রে রিজেন্ট পদ গ্রহণ করে সম্রাটের দায়িত্বগুলো পালন করা শুরু করলেন।
- সম্রাট তাইশোর মৃত্যুর পর ১৯২৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর হিরোহিতো জাপানের ১২৪তম সম্রাট হন।
- তিনি যখন ক্ষমতায় আসেন তখন জাপান পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী দেশগুলোর একটি ছিল। অর্থনীতির দিক থেকে ৯ম, নৌবাহিনীর শক্তির দিক থেকে ৩য়।
- নিজের প্রণীত সংবিধান অনুসারে একজন স্বর্গীয় ও অতিশক্তিশালী ব্যক্তি থেকে খুব কম ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতীকী ব্যক্তিতে পরিণত হন সম্রাট হিরোহিতো।
- ১৯৭১ সালে তিনি ইউরোপ ভ্রমণ করেন, যা জাপানের সম্রাটদের ইতিহাসে প্রথম।
- তার ছেলে আকিহিতো পরবর্তীতে সম্রাট হিসেবে আবির্ভূত হন।
- হিরোহিতো ১৯৮৯ সালের ৭ জানুয়ারি জাপানের রাজপ্রাসাদে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩,৮৭২.
জার্মান সাম্রাজ্যের প্রথম চ্যান্সেলর কে ছিলেন?
  1. দ্বিতীয় উইলিয়াম 
  2. অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
  3. অটো ভন বিসমার্ক
  4. অ্যাডলফ হিটলার 
ব্যাখ্যা
অটো ভন বিসমার্ক:
- জন্ম: ১ এপ্রিল, ১৮১৫ সাল, প্রুশিয়া (বর্তমান জার্মানি)।
- মৃত্যু: ৩০ জুলাই, ১৮৯৮, হামবুর্গের কাছে।
- প্রুশিয়ার প্রধানমন্ত্রী: ১৮৬২–৭৩ এবং ১৮৭৩–৯০ সাল।
- অটো ভন বিসমার্ক ছিলেন জার্মান সাম্রাজ্যের প্রথম চ্যান্সেলর (১৮৭১–৯০ সাল)।
- সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর বিসমার্ক শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেন।
- তার কূটনৈতিক দক্ষতার মাধ্যমে তিনি প্রায় দুই দশক ধরে ইউরোপে শান্তি বজায় রাখতে সক্ষম হন।
- দেশীয় রাজনীতিতে তিনি ভূমি-মালিক শ্রেণির একনায়কতান্ত্রিক প্রবণতা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হন।
- তার শাসন এই শ্রেণির প্রভাবের অধীন ছিল।
- অটো ভন বিসমার্ক কূটনৈতিক দক্ষতা ও জার্মান ঐক্যের জন্য ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়।

উৎস: Britannica.
৩,৮৭৩.
ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় কাকে?
  1. জন লককে
  2. নেপোলিয়ানকে
  3. রুশোকে
  4. ভলতেয়ারকে
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
- চতুর্দশ লুইয়ের শাসনামলে (১৬৫১-১৭১৫ খ্রি.) ফ্রান্স একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- তবে তার সাম্রাজ্যবাদী নীতি দেশকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়।
- তার পুত্র পঞ্চদশ লুই (১৭১৫-১৭৭৪ খি.) এর অমিতব্যায়িতা জন্য এই দুর্বলতা আরও বৃদ্ধি পায়।
- ষোড়শ লুই ১৭৭৪ সালে সিংহাসনে বসে ক্রমশ এক অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন।
- আর্থ সামাজিক বৈষম্য রাজনৈতিক দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ১৭৮৯ সলে এক বিষ্ফোরক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
- ঐতিহাসিক আলফ্রেড কোবান (Alfred Cobban) এই অবস্থাকে অনেক ছোট বড় খরস্রোতা নদীর সংমিশ্রণে হঠাৎ ফুলে ফেঁপে ওঠা বিধ্বংসী বন্যার সঙ্গে তুলনা করেছেন। 
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল কারাদুর্গ আক্রমণ ও এর পতনের মধ্য দিয়ে সূচিত হয় বিশ্ব ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় যা বিখ্যাত হয়েছে ফরাসি বিপ্লব নামে।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় - নেপোলিয়ানকে।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৭৪.
ইয়েমেনে যুদ্ধরত বিদ্রোহীগোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) পলিসারিও ফ্রন্ট
  2. খ) তানজিম আল জিহাদ
  3. গ) হুথি আনসারুল্লাহ
  4. ঘ) মরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট
ব্যাখ্যা
- সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে হুথি আনসারুল্লাহ বিদ্রোহীগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধরত।
- ২০১৪ সালে সৌদি সমর্থিত ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদির সাথে হুথিদের বিরোধের ফলে হুথিরা ইয়েমেনের অধিকাংশ এলাকা দখল করে নেয়।
- এর ফলে মনসুর হাদির সমর্থনে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট ২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে।
- হুথিরা শিয়া মতালম্বী। এরা ইরান সরকারের নিকট থেকে সকল ধরনের সহায়তা পেয়ে থাকে।
অন্যদিকে,
- পলিসারিও ফ্রন্ট : পশ্চিম সাহারার স্বাধীনতাকামী বিদ্রোহীগোষ্ঠী
- তানজিম আল জিহাদ : আল কায়েদার ইরাকি শাখা
- মরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট : ফিলিপাইনের মুসলিম গেরিলা সংগঠন।
(তথ্যসূত্রঃ মিডল ইস্ট মনিটর)
৩,৮৭৫.
মাওরি ভাষায় নিউজিল্যান্ডকে কী বলা হয়?
  1. কিউইল্যান্ড
  2. প্যাসিফিকা
  3. হাকা
  4. আওতিয়ারোয়া
ব্যাখ্যা

নিউজিল্যান্ড:
- নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, 
- মাওরি ভাষায় একে 'আওতিয়ারোয়া' (Aotearoa) বলা হয়,
- এর অর্থ "দীর্ঘ সাদা মেঘের দেশ"।
- রাজধানী: ওয়েলিংটন (Wellington).
- বৃহত্তম শহর: অকল্যান্ড (Auckland)।
- সরকার পদ্ধতি: সংসদীয় গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- মুদ্রা: নিউজিল্যান্ড ডলার (NZD)।
- রাষ্ট্রপ্রধান: ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস (গভর্নর জেনারেলের মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করেন)।
- নারীর ভোটাধিকার: ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।

এছাড়াও,
-  নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী 'মাওরি' সংস্কৃতি দেশটির পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। 'হাকা' (Haka) নাচ বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
- কিউই (Kiwi): কিউই পাখি দেশটির জাতীয় প্রতীক এবং নিউজিল্যান্ডের মানুষকে আদর করে 'কিউই' বলা হয়।
- রাগবি দেশটির প্রধান খেলা।

উৎস:  ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ।

৩,৮৭৬.
কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বন্দর কোনটি?
  1. ক) মারিউপল বন্দর
  2. খ) ওডেসা বন্দর
  3. গ) চাবাহার বন্দর
  4. ঘ) মালমো বন্দর
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী ওডেসা বন্দর

⇨ ওডেসা যে দেশের সমুদ্র বন্দর – ইউক্রেন।
⇨ ক্রেমলিন ও কিয়েভের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি মতে ইউক্রেনের ওডেসা বন্দর থেকে খাদ্যশস্য রপ্তানি শুরু হয়।উল্লেখ্য,
খাদ্যশস্য রপ্তানিতে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত• গোটা বিশ্বকে খাদ্য সংকট থেকে বাঁচাতে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির জন্য কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলো খুলে দিতে ২২ জুলাই ২০২২ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
• এতে মধ্যস্থতা করে জাতিসংঘ ও তুর্কিয়ে।
• জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও তুর্কিয়ের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এর উপস্থিতে রাশিয়ার পক্ষে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু এবং ইউক্রেনের পক্ষে দেশটির অবকাঠামো বিষয়ক মন্ত্রী ওলেকসান্দার কুবরাকভ সেই চুক্তিতে সই করেছেন।চুক্তি অনুযায়ী -
i) পণ্যবাহী জাহাজ যাত্রা শুরুর আগে ইউক্রেনীয় বন্দরগুলোতে শস্য ভর্তির কাজ নিরীক্ষণ করবে তুর্কিয়ে, ইউক্রেন ও জাতিসংঘ। জাহাজগুলো কৃষ্ণসাগর অতিক্রম করে তুর্কিয়ের বসফরাস প্রণালির দিকে যাবে।
ii) জাতিসংঘ, ইউক্রেন, রাশিয়া ও তুর্কিয়ের প্রতিনিধিরা ইস্তাম্বুলের একটি যৌথ সমন্বয় কেন্দ্র থেকে জাহাজ পর্যবেক্ষণ করবেন।
iii) ইউক্রেনে প্রবেশকারী জাহাজগুলোও একইভাবে যৌথ সমন্বয় কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালনা করা হবে, যাতে তারা ইউক্রেনে অস্ত্র বহন করতে না পারে। রাশিয়া ও ইউক্রেন অত্যাবশ্যক শস্য পরিবহনে নিযুক্ত কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ বা বন্দরগুলোতে আক্রমণ করবে না।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২ ও বিবিসি বাংলা।
৩,৮৭৭.
ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে কোন দুর্গের পতন ঘটে?
  1. বাস্তিল দুর্গ
  2. ভার্সাই দুর্গ
  3. নটরডেম দুর্গ
  4. ফন্টেইনব্লু দুর্গ
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৩,৮৭৮.
ভারতের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতির নাম কী?
  1. ক) ইন্দিরা গান্ধী
  2. খ) প্রতিভা পাতিল
  3. গ) দ্রৌপদি মুর্মু
  4. ঘ) সোনিয়া গান্ধী
ব্যাখ্যা
প্রতিভা দেবীসিং পাতিল ১২তম ও প্রথম ‍নারী রাষ্ট্রপতি।
- ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রাসাদ। তিনি ১৯৫০-১৯৬২ মেয়াদে ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- ড. জাকির হোসেন ভারতের ৩য় ও প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রপতি।
- প্রণব মুখার্জী ১৩তম ও প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি।

• ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি দেশটির প্রথম আদিবাসী রাষ্ট্রপতি। 
- ১৯৫৮ সালের ২০ জুন ময়ুরভাঞ্জ জেলার বাইদাপোসি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন এবং বৃহৎ আদিবাসী গোষ্ঠী সাঁওতাল সম্প্রদায়ের।
- তিনি স্বাধীন ভারতে জন্ম নেয়া প্রথম ভারতীয় রাষ্ট্রপতি।
- ঝাড়খণ্ডের প্রাদেশিক গভর্নর হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তার নিকটতম প্রার্থী ছিল যশবন্ত সিনহা।

(সূত্র: ভারতের সরকারি ওয়েবসাইট)
৩,৮৭৯.
প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. গ্রিস
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা

গণতন্ত্রের সূচনা:
- 'গণতন্ত্র' পরিভাষাটি ইংরেজি 'Democracy' থেকে এসেছে।
- গ্রিক শব্দ Demos অর্থ হলো জনগণ আর Kritos অর্থ শাসনক্ষমতা বা কর্তৃত্ব।
- ব্যুৎপত্তিগত অর্থে গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন।
- খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে সলোন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় গ্রিসের নগররাষ্ট্র এথেন্সে।
- গ্রিক সভ্যতার এথেন্স নগররাষ্ট্র ছিলো তখন গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীলতার ধারক।
- অ্যাথেন্সকে সাধারণত গণতন্ত্রের জন্মস্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও কালের কণ্ঠ, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮।

৩,৮৮০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. স্ট্যালিন
  2. লেলিন
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. গ্লাডস্টোন
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সালে শুরু হয় ও ১৯৪৫ সালে সমাপ্তি ঘটে।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, ইতালি, জাপান
- মিত্রশক্তি: ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, এবং আংশিকভাবে চীন
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অসমাপ্ত বিরোধের ফলস্বরূপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- এটি ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, যেখানে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষ নিহত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন। 

উৎস: Britannica.
৩,৮৮১.
'Horn of Africa' অঞ্চলে অবস্থিত নয় কোন দেশটি?
  1. ক) জিবুতি
  2. খ) নামিবিয়া
  3. গ) ইরিত্রিয়া
  4. ঘ) সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
- 'Horn of Africa'- তে অবস্থিত দেশগুলো হলো জিবুতি, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া এবং সোমালিয়া। 
- Horn of Africa এর দেশগুলো Eastern Africa বা পূর্ব আফ্রিকার অংশ।
- Horn of Africaকে Somali peninsula বা সোমালিয়া উপদ্বীপও বলা হয়।

সূত্র: World Atlas ও Britannica
৩,৮৮২.
পম্পেই নগরী কোন দেশে অবস্থিত ছিলো?
  1. তুরস্ক
  2. গ্রিস
  3. ইতালি
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
- পম্পেই ইতালির ক্যাম্পানিয়ায় অবস্থিত ছিলো।

ইতালি:
- ইতালি ১৮৬১ সালের ১৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এক দশকের বিপ্লবের পর ইউরোপের তুরিনে ইতালি রাজ্য প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে।
- প্রথম রাজা হিসেবে ভিক্টর ইমানুয়েল তাতে অধিষ্ঠিত হন।
- বর্তমানের ইতালির রাজধানী রোম,
- এটা প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্যেরও রাজধানী ছিল।
- ইতালির মুদ্রার নাম ইউরো এবং রোমের সীমানার ভেতরে ভ্যাটিকান সিটি অবস্থিত।
- এছাড়া, রোমের কাছেই ভিসুভিয়াস পর্বতের পাদদেশে প্রাচীন পম্পেই নগরির ধ্বংসাবশেষও রয়েছে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।
৩,৮৮৩.
গ্রিকবীর আলেকজান্ডার কবে মারা যান?
  1. ক) খ্রিস্টপূর্ব ৩৫৬ অব্দে
  2. খ) খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৬ অব্দে
  3. গ) খ্রিস্টপূর্ব ৩২৪ অব্দে
  4. ঘ) খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ অব্দে
ব্যাখ্যা
- গ্রিকবীর আলেকজান্ডার খ্রিস্টপূর্ব ৩৫৬ অব্দে বর্তমান গ্রিসের উত্তরাঞ্চলের (প্রাচীন ম্যাসিডোন রাজ্য) ‘পেলা’ শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতার নাম দ্বিতীয় ফিলিপস এবং মাতার নাম অলিম্পিয়াস।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৬ অব্দে আলেকজান্ডার ম্যাসিডোনের সিংহাসনে বসেন।
- উত্তর আফ্রিকা, পশ্চিম এশিয়া ও পারস্য জয়ের পর খ্রিস্টপূর্ব ৩২৭-২৬ অব্দে আলেকজান্ডার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন।
- ভারতবর্ষ অভিযান শেষে ফেরার পথে খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ অব্দের ১৩ জুন মাত্র ৩৩ বছর বয়সে আলেকজান্ডার ব্যাবিলনে মারা যান।
(তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
৩,৮৮৪.
ডমিনো তত্ত্বের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করা
  2. পুঁজিবাদের প্রসার ঘটানো
  3. ইউরোপে যুদ্ধ রোধ করা
  4. আফ্রিকায় উপনিবেশ স্থাপন
ব্যাখ্যা

ডমিনো তত্ত্ব:
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।
- ডমিনো তত্ত্বের মূল উদ্দেশ্য ছিল কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করা।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্য 'ডমিনো তত্ত্বটি' প্রযোজ্য ছিল।

⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০-৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: History.com

৩,৮৮৫.
চন্দ্রযান - ১ মহাশূন্যে পাঠানো হয় কবে?
  1. ক) ২০০৬ সালে
  2. খ) ২০০৭ সালে
  3. গ) ২০০৮ সালে
  4. ঘ) ২০০৯ সালে
  5. ঙ) ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
ভারতের প্রথম চন্দ্র অভিযান চন্দ্রযান-১ ২০০৮ সালের ২২ অক্টোবর মহাশূন্যে পাঠানো হয়। তবে সেটি চাঁদে প্রবেশ করেনি। এরপর ২০১৯ সালের ২২ জুলাই চন্দ্রযান-২ চাঁদে পাঠানো হলে তা চাঁদে অবতরণের পূর্বেই ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। (সূত্রঃ ইসরো ওয়েবসাইট)
৩,৮৮৬.
হিটলার জার্মান চ্যান্সেলর নিযুক্ত হন কত সালে -
  1. ক) ১৯৩৩ সালে
  2. খ) ১৯৩৫ সালে
  3. গ) ১৯৩২ সালে
  4. ঘ) ১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
• অ্যাডলফ হিটলার:
- অ্যাডলফ হিটলার ১৯৩৩ সালে জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৫ সালের এপ্রিলে আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত তিনি জার্মানির চ্যান্সেলর ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম নাৎসী (Nazi) পার্টি।
- হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনী গেস্টাপো নামে পরিচিত।
- হিটলারের আত্মজীবনীর নাম Mein Kamph.
- যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন বলেছেন- হিটলার।
- হিটলার আত্মহত্যা করেন- ৩০ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে।

সূত্র:- হিস্টোরি ডটকম।
৩,৮৮৭.
দক্ষিণ আফ্রিকার বিচার বিভাগীয় রাজধানীর নাম কী?
  1. নাটালন্টেইন
  2. কেপ টাউন
  3. প্রিটোরিয়া
  4. ব্লোয়েমফন্টেইন
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- আইনসভা: দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট , উচ্চকক্ষ: National Council ও নিম্নকক্ষ: National Assembly।
- মুদ্রার নাম: র‍্যান্ড।

• রাজধানী: ৩টি, যথা -
- নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া, 
- সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন,
- বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উৎস: Britannica.com
৩,৮৮৮.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি ছিল কোনটি?
  1. বেলজিয়াম
  2. জার্মানি
  3. অস্ট্রিয়া
  4. বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

⇒ যুদ্ধে অক্ষ শক্তিজোট:
- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।

⇒ মিত্রশক্তি জোট:
- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

৩,৮৮৯.
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ছিলেন-
  1. অর্থনীতিবিদ
  2. সাংবাদিক
  3. পরিবেশবাদী নেতা
  4. বর্ণবৈষম্যে বিরোধী নেতা
ব্যাখ্যা

• মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র: 
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র ছিলেন একজন আমেরিকান বাপ্তিস্ট ধর্মযাজক, সামাজিক অধিকারকর্মী ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা।
- তিনি আফ্রিকান-আমেরিকানদের প্রতি বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন।
- জন্মস্থান: আটলান্টা, জর্জিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- “I Have a Dream” ভাষণ (১৯৬৩)।
- ওয়াশিংটনে মার্চ ফর জবস অ্যান্ড ফ্রিডম নামক বিশাল সমাবেশে কিং তাঁর বিখ্যাত ভাষণ দেন।
- এই ভাষণে তিনি জাতিগত ঐক্য ও সমতার স্বপ্ন ব্যক্ত করেন:
- “I have a dream that one day this nation will rise up and live out the true meaning of its creed...”
-  নোবেল শান্তি পুরস্কার (১৯৬৪)।
- বর্ণবৈষম্য বিলুপ্তিতে অহিংস ভূমিকার জন্য মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি এই পুরস্কারে ভূষিত হন।
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর জানুয়ারির তৃতীয় সোমবার “Martin Luther King Jr. Day” হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: Britannica.

৩,৮৯০.
পূর্বে আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিলো কোন দেশ?
  1. ক) মিশর
  2. খ) ইয়েমেন
  3. গ) ইথিওপিয়া
  4. ঘ) মরক্কো
ব্যাখ্যা
- ইথিওপিয়া অতীতে এক সময় আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিলো।
- আবিসিনিয়া ইথিওপিয়ার একটি অঞ্চল যা এক সময় সাম্রাজ্য ছিলো, তখন বর্তমান ইথিওপিয়া এর অন্তর্ভুক্ত ছিলো। ফলে তখন ইথিওপিয়া আবিসিনিয়া নামে পরিচিতি পায়।
- তবে তখনো কিছু কিছু ভাষা বিশেষত আরব্য ইতিহাস চর্চায় ইথিওপিয়া বুঝাতে আবিসিনিয়া নামটি ব্যবহৃত হয়। ইথিওপিয়া আফ্রিকার সবচেয়ে প্রাচীনতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
- ১৯৩৫-১৯৪১ (ইতালির অধীন) এ ছয় বছর ব্যতীত ইথিওপিয়া কখনো পরাধীনতার অধীনে ছিলো না। ইথিওপিয়া জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
- এর প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ ২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার লাভ করে।
(সূত্রঃ বিবিসি ওয়ার্ল্ড, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৩,৮৯১.
ভারত ও পাকিস্তানের অমীমাংসিত সীমানারেখাকে বলা হয়?
  1. ক) Line of Access Control
  2. খ) Line of Actual Control
  3. গ) Line of Control
  4. ঘ) Line of No Crossing
ব্যাখ্যা
- ভারত ও পাকিস্তানের অমীমাংসিত সীমানারেখাকে বলা হয়  Line of Control.
- ভারত ও চীনের অমীমাংসিত সীমানারেখাকে বলা হয়  Line of Actual Control.
 
ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
ব্লু লাইন : ইসরাইল ও লেবানন
সনোরা লাইন : যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
ওডারনিস লাইন : জার্মানি ও পোল্যান্ড
সিগফ্রিড লাইন : জার্মানি ও ফ্রান্স
হিন্ডারবার্গ লাইন : জার্মানি ও ফ্রান্স
গ্রিন লাইন : ইসরাইল ও জর্ডান।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও আটলান্টিক কাউন্সিল ওয়েবসাইট)
৩,৮৯২.
কোন নদীর তীরে রোম নগরী স্থাপিত হয় -
  1. টাইগ্রিস
  2. ইউফ্রেটিস
  3. ভাগিরতী
  4. টাইবার
ব্যাখ্যা
রোমান সাম্রাজ্য:
- গ্রিক সভ্যতার সমসাময়িক রোমান সভ্যতা হেলেনিক ও হেলেনিস্টিক সভ্যতার অনেক সংস্কৃতি গ্রহণ করেছে। 
- ঐতিহাসিকদের ধারণা, ৭৫৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোম নগরী প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- রাজা রোমুলাস এর নামানুসারে রোম নগরীর নামকরণ করা হয়। 
- টাইবার নদীর তীরে অবস্থিত প্রাচীন রোম নগরী। 
- কারণ রোম নগরীর সঙ্গে ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়া-এই তিনটি মহাদেশের বিস্তৃত যোগাযোগ ছিল। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,৮৯৩.
অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ নামে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে কোন দুটি দেশ? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স
  2. ফ্রান্স ও জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  4.  ইতালি ও স্পেন
ব্যাখ্যা

• ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’:
- অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ফ্রান্স-যুক্তরাজ্যের ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ চুক্তি কার্যকর হয়।
- ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ চুক্তি অনুসারে ফ্রান্সের উপকূল থেকে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে আসা প্রত্যেক অভিবাসীকে আটক করে ফেরত পাঠাবে যুক্তরাজ্য।
- বিনিময়ে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আশ্রয় চাওয়া সমানসংখ্যক অভিবাসীকে ফ্রান্স থেকে নিয়মিত পথে আসার সুযোগ দেবে দেশটি।
- গত জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁ যৌথভাবে ‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ পাইলট প্রকল্পটি ঘোষণা করেছিলেন।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ ও বিবিসি। (Link)

৩,৮৯৪.
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সচিবালয় ভবনের নাম কী?
  1. রাইটার্স বিল্ডিং
  2. নবান্ন
  3. রাইসিনা হিল
  4. জনপদ রোড
ব্যাখ্যা
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বর্তমান সচিবালয় ভবনের নাম নবান্ন। এটি হাওড়া জেলার শিবপুরের শরৎ চ্যাটার্জী রোডে অবস্থিত ১৫ তলা বিশিষ্ট একটি সরকারি ভবন।
- তবে ২০১৩ সালের পূর্বে রাজ্য সরকারের সচিবালয় ছিলো কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিংয়ে যা ১৭৮০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নির্মাণ করেছিলো।
- রাইসিনা হিল হলো ভারতের রাষ্ট্রপতির বাসভবন।
(তথ্যসূত্র: ভারতের সরকারি ওয়েবসাইট)
৩,৮৯৫.
সর্বপ্রথম পৃথিবীর মানচিত্র অঙ্কন করেন -
  1. অ্যানাক্সিম্যালাম
  2. হিপোক্রেটিস
  3. পিথাগোরাস
  4. অ্যানাক্সিম্যান্ডার
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর মানচিত্র:
- গ্রিক দার্শনিক অ্যানাক্সিম্যান্ডার সর্বপ্রথম পৃথিবীর মানচিত্র আঁকেন।
- তার এ মানচিত্রটিকে একটু উন্নত করেন হেক্টিয়াস অফ মিলেটাস।
- তিনি এশিয়ার শেষ প্রান্ত ভারতের অবস্থানও দেখিয়েছিলেন। 
- গ্রিক দার্শনিকরাই প্রথম প্রমাণ করেছিলেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ যা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।

অন্যদিকে,
- বিখ্যাত গণিতবিদ পিথাগোরাস গ্রিক নাগরিক।
- বিখ্যাত চিকিৎসাবিজ্ঞানী হিপোক্রেটিস গ্রিক নাগরিক।
 
উৎস: ব্রিটানিকা এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৮৯৬.
গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল অঞ্চল বাংলাদেশের কোন দিকে অবস্থিত?
  1. পশ্চিমে
  2. পূর্বে
  3. উত্তরে
  4. দক্ষিণে
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল:
- মিয়ানমার, লাওস ও থাইল্যান্ডের সীমানা মিলে গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল। 
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত।
- মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি সীমানা রয়েছে।

অন্যদিকে,
- মাদক উৎপাদন ও চোরাচালানের পথ হিসেবে ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানকে একত্রে বলা হয় গোল্ডেন ক্রিসেন্ট।
- এই অঞ্চল বাংলাদেশের পশ্চিমে।
- আর গোল্ডেন ওয়েজ হচ্ছে ভারতের হিমাচল প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, নেপাল ও ভুটানের কিছু অংশ।
- এই অংশ বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: প্রথম আলো অনলাইন নিউজ।

৩,৮৯৭.
ভ্যাটিকান সিটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. টেমস
  2. হাডসন
  3. টাইবার
  4. পটোম্যাক
ব্যাখ্যা
ভ্যাটিকান সিটি:
- আয়তনে ইউরোপ মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- দেশটির আয়তন ১০৯ একর।
- ভ্যাটিকান সিটি টাইবার নদীর তীরে অবস্থিত।
- ভ্যাটিকান সিটির নিজস্ব কূটনৈতিক মিশন, সংবাদপত্র, পোস্ট অফিস, রেডিও স্টেশন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ১০০ সুইস গার্ডের সেনাবাহিনী এবং প্রকাশনা সংস্থা রয়েছে।
- ভ্যাটিকান সিটির স্বাধীন সার্বভৌমত্ব ১৯২৯ সালের লেটারান চুক্তিতে স্বীকৃত হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৮৯৮.
গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান 'লুম্বিনী' গ্রামটি বর্তমানে কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভুটান
  2. খ) নেপাল
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
- গৌতম বুদ্ধে ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের প্রচালক। 
- গৌতম বুদ্ধের পূর্বনাম ছিল সিদ্ধার্থ।
- গৌতম গোত্রজাত বলে তিনি গৌতম নামে পরিচিত।
-  ভারতের উত্তর প্রদেশের এবং বিহারের উত্তরে নেপালের তরাই অঞ্চলে কপিলাবস্তুর লুম্বিনী গ্রামে শাক্যবংশে তাঁর জন্ম হয়। 
- তাঁর জন্ম তারিখ সম্পর্কে পন্ডিতদের মধ্যে মতভেদ আছে। তবে বিভিন্ন সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এখন প্রায় সব পন্ডিতই মনে করেন যে, গৌতম বুদ্ধ ৫৮৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। 
- তাঁর পিতা শুদ্ধধন ছিলেন শাক্য জাতির গোষ্ঠী নেতা। তাঁর মাতার নাম মায়া দেবী। 
- বাল্যকালে গৌতম অস্ত্র ও শাস্ত্র উভয় বিষয়েই শিক্ষালাভ করেছিলেন। 
- ষোল বছর বয়সে গোপা নামে এক সুন্দরী কন্যার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। 
- ২৯ বছর বয়সে তাঁর এক পুত্র সন্তান জন্মলাভ করে। তখন গৌতম সংসার ত্যাগ করে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করেন। সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করে প্রথমে তিনি আলারাকালাম নামে এক সন্ন্যাসীর কাছে ধ্যান ও তপস্যাবিদ্যা অর্জন করেন। 
- কিছুদিন পর তিনি পাঁচজন সন্ন্যাসীর সঙ্গে ছয় বছর কঠোর ধ্যান ও কৃচ্ছসাধন করেন এবং এ পথে মুক্তি লাভ করা যাবেনা বুঝতে পেরে তা ত্যাগ করেন। 
- এবার তিনি উরুবিল্ব নামক স্থানে এক পিপল গাছের নিচে সাধনা করতে থাকেন। ৪৯ দিন সাধনার পর তিনি দিব্যজ্ঞান বা বোধি লাভ করে বুদ্ধ (জ্ঞানী) বলে পরিচিত হন।
- বারাণসীর কাছে সারনাথে গৌতম বুদ্ধ তাঁর ভূতপূর্ব পাঁচ সঙ্গীর কাছে প্রথম তাঁর ধর্মমত প্রচার করেন। এই ঘটনা ‘ধর্মচক্র প্রবর্তন' রূপে আখ্যায়িত। 
- এরপর তিনি বরাণসী, রাজগৃহ প্রভৃতি স্থানে তাঁর ধর্মমত প্রচার করেন। মগধের রাজা বিম্বিসার তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন।
-  বুদ্ধের ধর্মমত প্রধানত মগধে প্রচারিত হলেও উত্তর প্রদেশের কোশল দেশেই তাঁর ধর্মের বিকাশ ঘটে। 
গৌতম বুদ্ধ প্রায় ২১ বছর কোশল দেশে তাঁর ধর্মপ্রচার করেছিলেন। 
 
উৎস: ইতিহাস -১, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৮৯৯.
গুয়ানতানামো বে নৌ ঘাঁটিটি কোন দেশে অবস্থিত?
  1. পানামা
  2. কিউবা
  3. হাইতি
  4. পেরু
ব্যাখ্যা

- গুয়ানতানামো বে কিউবার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত একটি মার্কিন নৌ ঘাঁটি। 

​গুয়ানতানামো বে কারাগার:
- গুয়ানতানামো বে কারাগার কিউবায় অবস্থিত।
- এটি কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে ক্যারিবীয় সাগরের তীরে অবস্থিত এবং
- কিউবা সরকারের কাছ থেকে ১৯০৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটি ভাড়া নেয়।
- পরবর্তীতে, ২০০২ সালে সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের অংশ হিসেবে সেখানে বন্দিদের আটক রাখা শুরু হয়,
- এতে বেশিরভাগই আফগানিস্তান, ইরাক, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে বন্দী করা হয়েছিল।
- গুয়ানতানামো বে কারাগারটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

৩,৯০০.
হাইডেলবার্গ মানব কোন যুগের প্রতিনিধি?
  1. মধ্য প্রস্তর যুগ
  2. নিম্ন প্রাচীন প্রস্তর যুগ
  3. নব্য প্রস্তর যুগ
  4. ধাতু যুগ
ব্যাখ্যা

হাইডেলবার্গ মানব:
- নিম্ন প্রাচীন প্রস্তর যুগের প্রতিনিধি হাইডেলবার্গ মানব।
- হোমো হাইডেলবার্গেনসিস নামে এরা পরিচিত ছিল।
- এরা ছিল জাভা ও পিকিং মানুষের সমসাময়িক।

⇒ আফ্রিকা, ইউরোপ এবং সম্ভবত এশিয়ায় ৬০০,০০০ থেকে ২০০,০০০ বছর আগেকার জীবাশ্ম থেকে এদের ধারনা পাওয়া যায়। 
- ড্যানিয়েল হার্টম্যান ১৯০৭ সালে জার্মানির হাইডেলবার্গে মায়ার নামক স্থানে এই প্রজাতির মানুষের চোয়ালের কিছু হাড় আবিষ্কার করেন।
- মায়ার অঞ্চলে আবিষ্কৃত হয় বলে এদের মায়ার মানুষও বলা হয়।
- মনের ভাব প্রকাশ করত মুখে বিভিন্ন রকম শব্দ তুলে ও অঙ্গভঙ্গির মাধ্যেমে।
- এদের চোয়াল ছিল নিম্নমুখী ও অনেক শক্তিশালী।

উৎস: Britannica.