ব্যাখ্যা
- চুক্তির নেপথ্যে তিন ব্যক্তি ইয়াসির আরাফাত, আইজ্যাক রবিন ও ইসরায়েলের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিমন পেরেজ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
[উৎস: দৈনিক প্রথমআলো]
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৪ / ৯৩ · ৩,৩০১–৩,৪০০ / ৯,৩৩৪
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারন সংক্ষিপ্ত আকারে উল্লেখ করা হল:
♦ ১৮৬৭ সালে অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি যৌথ সাম্রাজ্য (Austro-Hungarian Empire) গড়ে তুলে। ১৮৭৮ সালে বসনিয়া হার্জেগোভিনায় এই সাম্রাজ্যের কঠোর মিলিটারি শাসনের অধিভুক্ত হয় এবং দেশটির নাগরিকগণ প্রচন্ড নিগ্রহের শিকার হন।
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় যৌথ সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ড ও তাঁর স্ত্রী সোফিয়া বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে সার্বিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে নিহত হন। এই হত্যাকান্ড “সারায়েভো হত্যাকান্ড” (Sarajevo Killing) নামে ইতিহাস খ্যাত হয়ে আছে।
♦ ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ড ও তাঁর স্ত্রী সোফিয়ার হত্যাকারীর নাম - গ্যাব্রিলো প্রিন্সিপ (Gavrilo Princip)। এই ঘটনার জের ধরে অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি ক্ষিপ্ত হয়ে ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই সার্বিয়া আক্রমণ করে। আর এভাবেই শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
- সার্বিয়া আক্রমনের এক সপ্তাহের মধ্যেই ইউরোপের প্রধান প্রধান দেশগুলো দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে যায় এবং পরস্পরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়।
♦ ১৮৮২ সালে জার্মান চ্যান্সেলর বিসমার্কের উদ্যোগে জার্মানি, ইতালি ও অস্ট্রিয়া-হাঙেরীর মধ্যে সামরিক সহায়তা বিষয়ক “Triple Alliance” চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই প্রতিরক্ষা চুক্তির ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশ নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে সঙ্কিত হয় যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করে।
♦ জার্মানি - ফ্রান্সের পারস্পরিক সন্দেহ ও ঈর্ষা, অস্ট্রিয়া ও রাশিয়ার তীব্র সংঘর্ষ, বলকান অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধিতে অস্ট্রিয়ার ক্ষোভ, ইউরোপের প্রধান প্রধান শক্তিবর্গের দুটি বিবাদমান শিবিরে বিভক্ত হয়ে যাওয়া, ইঙ্গ - জার্মান নৌপ্রতিযোগিতার জন্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদি বহু কারণের সম্মিলিত ফল হল বিশ্বযুদ্ধ।
উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ১৯১৪ সালে এবং এর পরিমাপ্তি হয় ১৯১৮ সালে।
- ইউরোপের কয়েকটি ক্ষুদ্র ও দুর্বল রাষ্ট্র ব্যতীত প্রায় সকল রাষ্ট্রই এ যুদ্ধে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল ইউরোপের বাইরেও এর বিস্তার ঘটেছিল।
- এই ব্যাপকতার জন্য এবং এই যুদ্ধের নাশকতার জন্য একে মহাযুদ্ধ বা বিশ্বযুদ্ধ বলা হয়।
- ১৯১৪ সালে বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভা শহরে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকান্ডকে বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ বা আশু কারণ বলে মনে করা হয়।
- তবে এই যুদ্ধের প্রকৃত কারণ অতীতের ঘটনাবলীতে সন্ধান করতে হবে।
- জার্মানি-ফ্রান্সের পারস্পরিক সন্দেহ ও ঈর্ষা, অস্ট্রিয়া ও রাশিয়ার তীব্র সংঘর্ষ, বলকান অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধিতে অস্ট্রিয়ার ক্ষোভ, ইউরোপের প্রধান প্রধান - শক্তিবর্গের দুটি বিবাদমান শিবিরে বিভক্ত হয়ে যাওয়া, ইঙ্গ-জার্মান নৌ প্রতিযোগিতার জন্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদি বহু কারণের সম্মিলিত ফল হল বিশ্বযুদ্ধ।
উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস -২, এসএসইএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
মিসরীয় সভ্যতা:
- সভ্যতার ইতিহাসে মিসরীয়দের অন্যতম প্রধান অবদান লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার।
- নগরসভ্যতা গড়ে তোলার সাথে মিসরীয়রা প্রথম লিখন ও লিপি পদ্ধতি আবিষ্কার করে।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল হায়ারোগ্লিফিক (Hieroglyphic) বা চিত্র লিখন পদ্ধতি।
- এটি গ্রীকদের দেয়া নাম। যার অর্থ দাঁড়ায় ‘পবিত্র লিপি'।
- এ লিখন পদ্ধতি তার চারিত্রিক বিন্যাসের দিক থেকে তিনটি রূপ পায়। যেমন- চিত্রভিত্তিক, অক্ষরভিত্তিক ও বর্ণভিত্তিক।
- খোদাই কাজ করা বা চিত্রে প্রদর্শন করা এই পদ্ধতির ২৫টি বর্ণ ছিল এবং প্রতিটি বর্ণ একটি বিশেষ চিহ্ন বা অর্থ প্রকাশ করতো।
- মিসরেই প্রথম মানব জাতি ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবনে সক্ষম হয়।
- প্যাপিরাস নামক নলখাগড়া দিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে উন্নতমানের কাগজের আবিষ্কার মিসরীয়দেরই অবদান।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বন্ডি সমুদ্রসৈকত (Bondi Beach):
- বন্ডি সমুদ্রসৈকত (Bondi Beach) অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত সমুদ্রসৈকত।
- সিডনির স্বচ্ছন্দ ও আরামদায়ক সৈকতজীবনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই সৈকতটি বিশ্বের প্রাচীনতম সার্ফ লাইফসেভিং ক্লাবগুলোর একটি এবং অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম পুরোনো সাঁতার ক্লাব Bondi Icebergs-এর আবাসস্থল।
- শহরের কেন্দ্র থেকে গণপরিবহন ব্যবহার করে সহজেই এই আইকনিক সমুদ্রসৈকতে পৌঁছানো যায়।
- সাদা বালুকাময় এই সমুদ্রসৈকতে সাঁতার কাটা, সার্ফিং করা, রোদ পোহানো থেকে শুরু করে মনোরম উপকূলীয় পদচারণা পর্যন্ত নানা ধরনের কার্যক্রম উপভোগ করা যায়।
- এখানে সৈকতভিত্তিক পিকনিক বেশ জনপ্রিয় এবং আশপাশে অবস্থিত ক্যাফে ও রেস্তোরাঁগুলো থেকে সমুদ্রসৈকত ও ঝকঝকে নীল সমুদ্রের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
প্রসঙ্গত,
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সমুদ্র সৈকতে ব্যাপক গুলিবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।
- রয়টার্স জানিয়েছে, রোববার (১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫) এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অন্তত ৮ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং দু'জনকে আটক করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: সিডনি ট্যুরিজম ওয়েবসাইট ও রয়টার্স। (Link)
• আধুনিক মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস:
- প্রাচীন চীনে সরকারী চাকুরি বা আধুনিক মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিসের সূচনা।
- তখন চীনে সরকারী চাকুরে রাজ্যের বিভিন্ন বিষয়ে সম্রাটকে অবহিত করতেন।
- সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলা হতো মন্ত্রিদেরকে, যারা সরাসরি প্রাসাদের কাজ করতেন।
- তারা সরকারের ক্ষমতাশালী ব্যাক্তিবর্গ হিসাবে পরিচিত ছিলেন।
⇒ ২০৬ খ্রিস্টপূর্বে হ্যান শাসনামলে সম্রাট উডির শাসনামলে সর্বপ্রথম সিভিল সার্ভিস বা সরকারী চাকরির সূচনা হয়।
- সম্রাট জানতেন চীনের মতো এতো বড় সাম্রাজ্য তিনি একা চালাতে পারবেন না।
- তিনি উচ্চশিক্ষিত মন্ত্রী এবং প্রশাসকদের সরকারের সাথে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
- এভাবেই ২০০০ বছর ধরে চীনা সাম্রাজ্য সিভিল সার্ভিস দ্বারা পরিচালিত হতো।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সংক্ষিপ্ত রুপ বিসিএস নামে সর্বাধিক পরিচিতি) হল বাংলাদেশ সরকারের সিভিল সার্ভিস।
- এটি প্রাক্তন সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিস অব পাকিস্তান থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যা উপনিবেশিক শাসনামলের ব্রিটিশ সম্রাজ্ঞী নিয়ন্ত্রিত ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের উত্তরসূরি ছিল।
- স্বাধীনতার পর থেকে এটি সিভিল সার্ভিস অধ্যাদেশের দ্বারা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস হিসাবে পরিচিতি হয়।
- এর মূলনীতি ও পরিচালনা পরিষদ বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত হয়।
- বিসিএস এর ক্যাডার সংখ্যা হল ২৬টি।
তথ্যসূত্র: Britannica.
গ্রিক সভ্যতা:
- প্রাচীন গ্রিক সভ্যতা, মাইসেনিয়ান সভ্যতার পরের সময়কাল।
- প্রাচীন গ্রিস তার উচ্চতায় এশিয়া মাইনর, দক্ষিণ ইতালি, সিসিলি এবং গ্রীক দ্বীপপুঞ্জের বসতি নিয়ে গঠিত।
- এটি শহর-রাজ্যে বিভক্ত ছিল-এথেন্স এবং স্পার্টা।
- গ্রিক সংস্কৃতি হেলেনীয় সংস্কৃতি নামে বেশি পরিচিত।
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানব সমাজের মূল্যবান সম্পদ।
- হোমারের মহাকাব্য 'ইলিয়ড' এবং ‘ওডিসি' মহাকাব্যের অপূর্ব নিদর্শন।
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্ৰ গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।
বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।
তথ্যসূত্র - worldatlas.com
খন্দকের যুদ্ধ:
সংঘটন কাল - ৬২৭ খিস্টাব্দ (৫ম হিজরী)
প্রতিপক্ষ - মুসলমান এবং কুরাইশদের নেতৃত্বে বেদুঈন-ইহুদীদের সম্মিলিত বাহিনী।
ফলাফল - মুসলমানদের বিজয়। মদিনার চারদিকে পরিখা খনন করে প্রায় ১০ হাজার সৈন্যের আক্রমণ ঠেকিয়ে দেয় মুসলিমরা।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস বোর্ড বই ও Live MCQ content (Upcoming)
- চাল উৎপাদনে পৃথিবীতে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন ও ভারত।
- দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বে চাল উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল চতুর্থ। তৃতীয় স্থানে ছিল ইন্দোনেশিয়া।
১২ মে ২০২০ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কৃষিবিষয়ক সংস্থা মার্কিন কৃষি বিভাগ (United States Department of Agriculture-USDA) থেকে প্রকাশিত ‘বৈশ্বিক খাদ্যশস্য প্রতিবেদন ২০২০’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়াকে পেছনে ফেলে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ চাল উৎপাদনকারী দেশ হয় বাংলাদেশ।
Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার – জুলাই ২০২০
পেরুতে এক সপ্তাহে ৩ প্রেসিডেন্ট:
৯ নভেম্বর ২০২০ তারিখে পেরুর বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণাধীন কংগ্রেসে দুর্নীতির অভিযোগে অভিশংসিত হন প্রেসিডেন্ট মার্কিন ভিসকারা।
এরপর ১০ নভেম্বর ২০২০ তারিখে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন কংগ্রেসের স্পিকার ম্যানুয়েল মেরিনো। ভিসকারার ক্ষমতারচ্যুতিকে কেন্দ্র করে পেরু জুড়ে শুরু হয় ব্যাপক বিক্ষোভ। অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট মেরিনো এ বিক্ষোভ দমনে পুলিশি শক্তি প্রয়োগ করলে পরিস্থিতি উল্টে যায়। পুলিশি নিষ্ঠুরতার প্রতিবাদে মেরিনোর নবগঠিত মন্ত্রিসভার ১২ সদস্য পদত্যাগ করলে চাপে পড়ে যান তিনি। এমন পরিস্থিতিতে সংকট মোকাবিলায় তার গৃহীত পন্থা নিয়ে আইন প্রণেতাদের অসন্তোষ ও চাপে ১৫ নভেম্বর ২০২০ তারিখে পদ ছাড়তে বাধ্য হন ম্যানুয়েল মেরিনো।
এরপর ১৭ নভেম্বর ২০২০ নতুন করে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ৭৬ বয়সী কংগ্রেস সদস্য ফ্রান্সিস্কো সাগাস্তি। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে তিনি দেশটির তৃতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ২০২১ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্যন্ত দেশটির নেতৃত্ব দেবেন।
উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
রোজ বিপ্লব:
- রোজ বিপ্লবের মূল কারণ ছিল দুর্নীতি এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের অভাব।
- এটি অহিংস প্রতিরোধের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হয়।
- জর্জিয়ায় ২০০৩ সালের ২ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনে সরকার-সমর্থিত প্রার্থীর জয় দাবি করা হয়, কিন্তু বিরোধীরা কিন্তু বিরোধীরা এটিকে জালিয়াতি বলে প্রতিবাদ শুরু করে।
- ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে নতুন নির্বাচন হয়, যাতে সাকাশভিলির জয় হয়। এটি জর্জিয়ার ইউরোপীয়-আন্তর্জাতিক একীকরণের পথ খোলে।
- রোজ বিপ্লব সংঘটিত হয় জর্জিয়ায়।
• বিভিন্ন বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ার রুশ/অক্টোবর/বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনামে আগস্ট বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ২০০৫ সালে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয় কিরগিজস্তানে।
- ২০১১ সালে জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায়।
- ২০০৩ সালে রোজ বিপ্লব সংঘটিত হয় জর্জিয়ায়।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অরেঞ্জ বা কমলা বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায়।
উৎস: ব্রিটানিয়া।
- CBI (Central Bureau of Investigation) হচ্ছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA (Central Intelligence Agency) এবং FBI (Federal Bureau of Investigation) হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- FSB এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti. এটি রাশিয়ার একটি গোয়েন্দা সংস্থার নাম।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।
ভ্যাটিকান সিটি:
- ভ্যাটিকান সিটি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র।
- আয়তনে ও জনসংখ্যায় পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম এই দেশটি রোমান ক্যাথলিক চার্চের কেন্দ্র হিসেবে সমাদৃত।
- টাইবার নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত এই দেশটি রোম দ্বারা বেষ্টিত একটি স্থলবেষ্টিত ছিটমহল।
- ১৯২৯ সালে ইতালির সঙ্গে স্বাক্ষরিত লাতেরান চুক্তি অনুযায়ী এই পোপীয় রাষ্ট্র গঠিত হয়।
- এটি ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান।
- এই দেশটি সেনজেন অঞ্চলভুক্ত একটি দেশ।
- ২০০৪ সাল থেকে ভ্যাটিকান সিটি ইউরোকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করছে।
- এই দেশটির সরকারি ভাষা হলো লাতিন।
- সীমিত ভূখণ্ডের কারণে ভ্যাটিকান সিটিতে হাসপাতাল নির্মাণ করা সম্ভব নয়।
- তাই এখানকার মানুষ চিকিৎসার জন্য পুরোপুরি ইতালির রোম শহরের আধুনিক হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল।
উৎস: Britannica.
• আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।
» বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।
তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
◉ হাইফা হলো ইসরায়েলের প্রধান বন্দরনগরী, যা ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত। এটি ইসরায়েলের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দরগুলোর একটি।
ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- হাইফা ইসরায়েলের প্রধান বন্দরনগরী।
সূত্র: Britannica ও Al Jazeera.
মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।
⇒ প্রশাসনিকভাবে, মিয়ানমার সাতটি রাজ্য, সাতটি অঞ্চল এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত (Nay Pyi Taw)। রাজ্যগুলো হল:
১. কাচিন রাজ্য- (রাজধানী: কাচিন)।
২. কায়াহ রাজ্য- (রাজধানী: লোপেইয়া)।
৩. কিন্টা রাজ্য- (রাজধানী: হেপি)।
৪. চিন রাজ্য- (রাজধানী: হাক্কা)।
৫. মোন রাজ্য- (রাজধানী: মারগু)।
৬. রাখাইন রাজ্য- (রাজধানী: সিতওয়ে)।
৭. শান রাজ্য- (রাজধানী: তালিঙ্গি)।
উৎস: Britannica.
পেলোপনেসিয়ার যুদ্ধ:
- জ্ঞান-বিজ্ঞান, দর্শন, সাহিত্য ও রাজনীতি সর্বক্ষেত্রে বিশ্বসভ্যতায় অবিস্মরণীয় অবদান রাখা নগররাষ্ট্র এথেন্সের পতন হয় সামরিক নগররাষ্ট্র স্পার্টার কাছে।
- এথেন্স ও স্পার্টা উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়, তা ইতিহাসে পেলোপনেসিয়ার যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ৪৬০ থেকে ৪০৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত মোট তিনবার এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে দুই রাষ্ট্র পরস্পরের মিত্রদের নিয়ে জোট গঠন করে।
- এথেন্সের মিত্র রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত জোটের নাম ছিল 'ডেলিয়ান লীগ'।
- অপরদিকে স্পার্টা তার মিত্রদের নিয়ে যে জোট গঠন করে, তার নাম ছিল 'পেলোপনেসীয় লীগ'।
- এই মরণপণ যুদ্ধে এথেন্সের মান-মর্যাদা ও স্বাধীনতা বিলীন হয়ে যায়।
- ৩৬৯ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে এথেন্স চলে যায় স্পার্টার অধীনে।
- ৩৩৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মেসিডোনের (গ্রিস) রাজা ফিলিপ থিরাস দখল করে নিলে এথেন্স মেসিডোনের অধীনে চলে যায়।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) মেসিডোনিয়ান যুদ্ধ:
রোম ও মেসিডোনিয়ার মধ্যে খ্রিস্টপূর্ব ৩য় ও ২য় শতকে সংঘটিত যুদ্ধ, যা রোমান প্রভাব গ্রীসে বিস্তারে সহায়তা করে।
গ) ট্রান্স আলপাইন যুদ্ধ:
রোমানরা আলপস পার হয়ে গল (বর্তমান ফ্রান্স) অঞ্চলে যে সামরিক অভিযান চালায় তাকে ট্রান্স-আলপাইন যুদ্ধ বলা হয়।
ঘ) দ্বিতীয় পিউনিক যুদ্ধ:
রোম ও কার্থেজের মধ্যে খ্রিস্টপূর্ব ২১৮–২০১ সালের যুদ্ধ, যেখানে কার্থেজের সেনাপতি হ্যানিবল আলপস পার হয়ে রোম আক্রমণ করেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
• হংকং:
- হংকং চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল।
- এটি দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে অবস্থিত।
- ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশরা হংকং দ্বীপটি চীন থেকে অধিকার করে নেয়। এটি ছিল দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ এর ফলস্বরূপ।
- ১৯৯৭ সালে, "এক দেশ, দুই ব্যবস্থা" নীতির আওতায় হংকং চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয়।
⇒ ১৯৯৭ সালে, হংকং চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল (SAR) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মানে হল যে, হংকং চীনের অংশ হলেও এটি স্বায়ত্তশাসিত এবং এতে নিজস্ব আইন এবং প্রশাসন রয়েছে।
উল্লেখ্য,
- হংকং কে কেন্দ্র করে চীনে 'এক দেশ দুই নীতি' চালু হয় ১৯৯৭ সালে এবং এই নীতি চালু থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
তথ্যসূত্র: Britannica.
• চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (Cultural Revolution):
- ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং- এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- এটি ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয়।
- এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- সমগ্র চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই
বিপ্লব শুরু হয়।
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।
উৎস: Britannica.com
- যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
- ২০২৪ সালে যুক্তরাজ্যে জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমারকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছেন ব্রিটেনের রাষ্ট্রপ্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- নির্বাচনে ৪১২টি আসনে জয় পেয়েছে লেবার পার্টি।
- কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১২১টি আসন।
- সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য কোনো দলের প্রয়োজন হয় ৩২৬ আসন।
- এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্যে টানা ১৪ বছর পর ক্ষমতা থেকে সরে গেল কনজারভেটিভ পার্টি।
উৎস: বিবিসি এবং প্রথম আলো।
জিব্রাল্টার:
- জিব্রাল্টার হলো যুক্তরাজ্যের (United Kingdom) বা ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি।
- এটি ভূমধ্যসাগরের প্রবেশপথে আইবেরিয়ান উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত।
- এর উত্তরে স্পেনের আন্দালুসিয়ার সাথে সীমান্ত রয়েছে।
⇒ জিব্রাল্টার নামটি নেওয়া হয়েছে আরবি জবাল তারিক বা তারিকের পাহাড় থেকে।
- ১৭০৪ সালে স্পেনের কাছ থেকে জ্রিব্রাল্টার দখল করে ব্রিটিশরা।
- এর পর থেকেই অঞ্চলটি ব্রিটিশদের দখলে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি রয়েল নেভির গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল।
⇒ ওভারসিজ টেরিটরি:
- ওভারসিজ টেরিটরি (Overseas Territory) হলো এমন একটি ভৌগোলিক অঞ্চল যা একটি সার্বভৌম দেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এবং সেই দেশের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও এখতিয়ারের অধীনে থাকে, কিন্তু মূল ভূখণ্ডের অংশ নয়।
- এগুলোর নিজস্ব সরকার ও স্বায়ত্তশাসন থাকতে পারে, তবে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি সাধারণত নিয়ন্ত্রণকারী দেশের হাতে থাকে।
- ১৪টি ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরিগুলো হলো: অ্যাঙ্গুইলা, বারমুডা, ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক টেরিটরি, ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ, কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, জিব্রাল্টার, মন্টসেরাট, পিটকেয়ার্ন দ্বীপপুঞ্জ, সেন্ট হেলেনা, অ্যাসেনশন ও ট্রিস্তান দা কুনহা, দক্ষিণ জর্জিয়া ও দক্ষিণ স্যান্ডউইচ দ্বীপপুঞ্জ, আক্রোটিরি ও ধেকেলিয়া সার্বভৌম সামরিক ঘাঁটি, এবং টার্কস অ্যান্ড কাইকোস দ্বীপপুঞ্জ।
উৎস: Britannica.
গ্রীক সভ্যতা (Greek Civilization):
- গ্রিসের প্রধান সভ্যতাটি মূলত এজিয়ান সাগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল বলে একে 'এজিয়ান সভ্যতা'ও বলা হয়।
- এর দুটি প্রধান ধারা ছিল মিনোয়ান (ক্রিট দ্বীপ) এবং মাইসিনীয় (মূল ভূখণ্ড)।
• হোমারের মহাকাব্য: বিখ্যাত কবি হোমারের 'ইলিয়াড' ও 'ওডিসি' মহাকাব্য দুটিতে এই প্রাচীন গ্রীক বীরত্ব, ট্রোজান যুদ্ধ এবং সভ্যতার কাহিনী বর্ণিত আছে।
• নগর রাষ্ট্র (City States): গ্রিস অসংখ্য পাহাড় ও উপত্যকায় বিভক্ত থাকায় সেখানে কোনো একক সাম্রাজ্যের পরিবর্তে ছোট ছোট 'নগর রাষ্ট্র' বা 'পলিস' গড়ে উঠেছিল। এথেন্স ও স্পার্টা ছিল এদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রতিদ্বন্দ্বী।
• এথেন্সকে বিশ্বের 'গণতন্ত্রের সূতিকাগার' বলা হয়।
- এথেন্সের বিপরীতে স্পার্টা ছিল একটি কঠোর সামরিক রাষ্ট্র। তাদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মূল লক্ষ্যই ছিল দক্ষ সৈনিক তৈরি করা।
- গ্রীকরা স্থাপত্যে অসামান্য দক্ষতা দেখিয়েছিল। এথেন্সের অ্যাক্রোপলিসে অবস্থিত 'পার্থেনন' মন্দিরটি তাদের স্থাপত্যকলার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
এছাড়াও,
• গ্রীকরা আধুনিক দর্শনের ভিত্তি স্থাপন করে। সক্রেটিস, প্লেটো এবং অ্যারিস্টটলের দর্শন আজও বিশ্বজুড়ে পঠিত। এছাড়া পীথাগোরাস (গণিত) এবং হিপোক্রেটিসকে (চিকিৎসা বিজ্ঞান) তাদের শ্রেষ্ঠ অবদানের জন্য স্মরণ করা হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৭৬ অব্দে অলিম্পিয়া নামক স্থানে দেবতাদের রাজা 'জিউস'-এর সম্মানে প্রথম অলিম্পিক গেমস শুরু হয়।
- গ্রীকরা বহু ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিল। প্রধান দেবতাদের মধ্যে ছিলেন জিউস (আকাশ ও বিদ্যুৎ), অ্যাপোলো (সূর্য), অ্যাথেনা (প্রজ্ঞা) এবং পসাইডন (সমুদ্র)।
• পেরিক্লিসের স্বর্ণযুগ: পেরিক্লিসের শাসনকালকে গ্রীক ইতিহাসের 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়। এই সময়েই সাহিত্য, শিল্পকলা এবং বিজ্ঞানের চরম বিকাশ ঘটে।
- মহাবীর আলেকজান্ডারের দিগ্বিজয়ের ফলে গ্রীক সংস্কৃতি প্রাচ্যের (মিশর ও পারস্য) সংস্কৃতির সাথে মিশে যায়, যা 'হেলেনিস্টিক সংস্কৃতি' নামে পরিচিত।
উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
⇒ যুদ্ধে অক্ষ শক্তিজোট:
- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
⇒ মিত্রশক্তি জোট:
- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
⇒ যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com
এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
• ইরান: মজলিস/ অ্যাসেম্বলি,
• ইরাক: মজলিস আল-নওয়াব আল-ইরাকি,
• সৌদি আরব: মজলিস-এ-শূরা,
• ফিনল্যান্ড: এসডুস্কুন্টা,
• ডেনমার্ক: ফোকেটিং,
• সুইডেন: রিকসড্যাগ,
- চীন: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।
• বাংলাদেশ: জাতীয় সংসদ,
• মালদ্বীপ: মজলিস/ পার্লামেন্ট,
• ইসরাইল: নেসেট/ অ্যাসেম্বলি,
• ইউক্রেন: ভারখোরনা রাডা,
⇒ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
• পাকিস্তান: মজলিস-এ- শূরা (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
• ভুটান: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল কাউন্সিল, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
• মিয়ানমার: ইউনিয়ন অ্যাসেম্বলি (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, নিম্ন কক্ষ: পিপলস অ্যাসেম্বলি)।
উৎস: Britannica.
নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন খ্যাতনামা সামরিক নেতা।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্টের উপাধি: 'লিটল করপোরাল'।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন এবং ফ্রান্সকে শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে নেপোলিয়ন ডিউক অফ ওয়েলিংটনের কাছে পরাজিত হন।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।
উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম ওয়েবসাইট।
মাওরি:
- মাওরি হল নিউজিল্যান্ডের একটি পলিনেশীয় জনগোষ্ঠী (আদিবাসী)।
- ১৭৬৯–৭০ সালে, ক্যাপ্টেন জেমস কুক নিউজিল্যান্ডের দুটি প্রধান দ্বীপ পরিভ্রমণ করেন এবং নিউজিল্যান্ডে উপনিবেশ স্থাপনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।
- প্রাথমিকভাবে তিমি শিকারি, সিল শিকারি এবং অন্যান্য ইউরোপীয় ব্যবসায়ীদের মাওরিরা স্বাগত জানায়।
- মাসকেট, রোগ, পশ্চিমা কৃষি পদ্ধতি, এবং মিশনারিদের আগমনে মাওরি সংস্কৃতি ও সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়তে শুরু করে।
- ১৮৩০-এর দশকের শেষের দিকে নিউজিল্যান্ড ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং ইউরোপীয় উপনিবেশবাদীদের আগমন ব্যাপকভাবে বাড়ে।
- মাওরি জনগণের ইতিহাস নিউজিল্যান্ডের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
উপজাতি:
→ উইঘুর—চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম সম্প্রদায়।
→ কারেন – স্বাধীনতাকামী মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী উপজাতি।
→ গুর্খা – নেপালের যোদ্ধা জাতি।
→ টোডা - বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের।
→ পশতুন – আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
→ এক্সিমো – সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস। কুকুর চালিত স্লেজ গাড়ি - ব্যবহার করে।
→ পিগমি – পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার উপজাতি।
→ জুলু – দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
→ রেড ইন্ডিয়ান - আমেরিকার আদিবাসী।
উৎস: Britannica.
• ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- এর অপর নাম ইসলাস মালভিনাস।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি ব্রিটিশ–শাসিত দ্বীপপুঞ্জ।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ৪৮০ কিমি দূরে।
- রাজধানী হল স্ট্যানলি।
উল্লেখ্য,
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৮২ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল: যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আটলান্টিক সাগরে অবস্থিত বিরোধপূর্ণ ফকল্যান্ড দ্বীপকে আর্জেন্টিনার সমুদ্রসীমার অংশ বলে রায় দিয়েছে জাতিসংঘের মহিসোপানের সীমা নির্ধারণবিষয়ক কমিশন।
তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) BBC.
iii) প্রথম আলো
এশিয়া মহাদেশ:
- বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ।
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট এভারেস্ট (৮,৮৪৮.৮৬ মিটার)। এটি নেপাল ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: মৃত সাগর (Dead Sea)। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৩০ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: এশিয়ার নিজস্ব সীমানায় চীন বৃহত্তম।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: মালদ্বীপ (আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকে)।
- বৃহত্তম হ্রদ: কাস্পিয়ান সাগর (এটি লোনা পানির হ্রদ)।
- গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ (রাশিয়া), এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মিষ্টি পানির আধার।
- দীর্ঘতম নদী: ইয়াংসি নদী (চীন), দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিমি।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: ভারত (বর্তমানে চীনকে অতিক্রম করেছে)।
- জনবহুল শহর: টোকিও, জাপান (বিশ্বের বৃহত্তম মেট্রোপলিটন এলাকা)।
- শীতলতম স্থান: উত্তর এশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের ওময়াকন (Oymyakon) পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম জনবসতি।
এছাড়াও,
- গ্রেট ওয়াল অফ চায়না (চীন): মানুষের তৈরি বিশ্বের দীর্ঘতম প্রতিরক্ষা প্রাচীর।
- তাজমহল (ভারত): মোঘল স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন এবং বিশ্বের অন্যতম বিস্ময়।
- পেত্রা (জর্ডান): প্রাচীন পাথরে খোদাই করা শহর।
- আঙ্কোর ওয়াট (কম্বোডিয়া): বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় মন্দির এলাকা।
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
⇒ ফিলিস্তিনিরা ১৫ মে নাকবা দিবস পালন করেন।
নাকবা দিবস:
- ১৯১৭ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিন ছিল ব্রিটেনের অধীনে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ বাহিনী তুরস্কের কাছ থেকে জেরুজালেম দখল করে নেয়।
- ১৯১৭ সালে ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড আর্থার বেলফোর এক চিঠির মাধ্যমে ইহুদী নেতা ব্যারন রথচাইল্ডকে জানান—ব্রিটেন ফিলিস্তিনে একটি ইহুদী রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা করবে।
- এই চিঠিই ইতিহাসে ‘বেলফোর ঘোষণা’ নামে পরিচিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ ম্যানডেট বা শাসন শেষ হলে বেন গুরিয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষণা করেন।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান সঙ্গে সঙ্গে একে স্বীকৃতি দেন। আর আল নাকবা বা মহাবিপর্যয় নেমে আসে ফিলিস্তিনিদের ওপর।
- প্রায় সাড়ে সাত লাখ ফিলিস্তিনি জর্ডান, লেবানন ও সিরিয়ায় গিয়ে উদ্বাস্তু হিসেবে আশ্রয় নেন।
- সেই বিপর্যয় স্মরণে প্রতিবছর ১৫ মে পালিত হয় আল-নাকবা বা মহাবিপর্যয় দিবস।
উল্লেখ্য,
- ১৯৯৮ সালে ফিলিস্তিনিদের কিংবদন্তি নেতা ও ফিলিস্তিনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবসের পরের দিনটিকে নাকবা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন।
- সেই থেকে নাকবা পালিত হয়ে আসছে।
- জাতিসংঘ ২০২৩ সাল থেকে দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন শুরু করে।
তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [Link]
জিম্বাবুয়ে:
- জিম্বাবুয়ের পূর্ব নাম - দক্ষিণ রোডেশিয়া।
- জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার স্থলবেষ্টিত দেশ।
- রাজধানী হলহারারে (পূর্বে স্যালিসবারি নামে পরিচিত)।
- জিম্বাবুয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,০০০ ফুট (৩০০ মিটার) উপরে অবস্থিত।
• বিভিন্ন দেশের পূর্ব বা পুরাতন নাম:
- ইরানের পুরাতন নাম - পারস্য।
- ইরাকের পুরাতন নাম - মেসোপটেমিয়া/ পার্সিয়া।
- ইস্তাম্বুলের পুরাতন নাম - কনস্ট্যান্টিনোপল।
- ইয়াঙ্গুনের পুরাতন নাম - রেঙ্গুন।
- জাপানের পুরাতন নাম - নিপ্পন।
- জাম্বিয়ার পুরাতন নাম- উত্তর রোডেশিয়া।
- থাইল্যান্ড এর পুরাতন নাম- শ্যামদেশ।
- নেদারল্যান্ডের পুরাতন নাম - হল্যান্ড।
সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।