বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৩৪ / ৯৩ · ৩,৩০১৩,৪০০ / ৯,৩৩৪

৩,৩০১.
ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় ঐতিহাসিক অসলো চুক্তির মধ্যস্থতা করেন কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট?
  1. ক) বিল ক্লিনটন
  2. খ) জর্জ ডব্লিউ বুশ
  3. গ) বারাক ওবামা
  4. ঘ) ডোনাল্ড ট্রাম্প
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৩ সালের  ১৩ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের মধ্যস্থতায় একটি চুক্তিতে সই করেন ফিলিস্তিনের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাত ও সেই সময়ের ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন।
- চুক্তির নেপথ্যে তিন ব্যক্তি ইয়াসির আরাফাত, আইজ্যাক রবিন ও ইসরায়েলের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিমন পেরেজ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

[উৎস: দৈনিক প্রথমআলো]
৩,৩০২.
মহাকাশ ‘চন্দ্রযান-থ্রি’ চাঁদের বুকে অবতরণে ভারত বিশ্বের কত তম দেশ হিসেবে গৌরব অর্জন করেছে?
  1. সপ্তম
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. নবম
ব্যাখ্যা
• চন্দ্রযান-৩: 
- ভারত বিশ্বের ৪র্থ দেশ হিসেবে চাঁদে সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করেছে। 
- চন্দ্রযান-৩ চাঁদে যাত্রা শুরু করে ১৪ জুলাই, ২০২৩।
- চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে চন্দ্রযান-৩ অবতরণ করে - ২৩ আগস্ট, ২০২৩।  
- ভারতের মহাকাশগবেষণা সংস্থার নাম - ইসরো। 
- চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডারের - ‘বিক্রম’।
- চন্দ্রযান-৩-এর রোভারের নাম ‘প্রজ্ঞান’।
- চন্দ্রযান-৩-এর পুরো অভিযান পরিচালনায় ভারতের মোট ব্যয় - ৬১৫ কোটি রুপি।
- ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশকেন্দ্র থেকে ‘চন্দ্ৰযান-৩' উৎক্ষেপণ করা হয়।

সূত্র: বিবিসি নিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৩০৩.
‘আরব পিস ইনিশিয়েটিভ’ কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) সন্ত্রাস বিরোধী জোট
  2. খ) ফিলিস্তিন সংকট
  3. গ) কুর্দি সংকট সমাধান
  4. ঘ) আরব বসন্ত
ব্যাখ্যা
আরব পিস ইনিশিয়েটিভ হলো মধ্যপ্রাচ্যে ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাত বন্ধ করে শান্তি স্থাপনে আরব দেশসমূহের মধ্যে গৃহিত একটি চুক্তি।
২০০২ সালের মার্চে লেবাননের বৈরুতে অনুষ্ঠিত আরব লীগের সামিটে সৌদি আরবের উদ্যোগে এটি গৃহিত হয়।
এতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের পূর্বের সীমানা অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিনিময়ে আরবদেশগুলো কর্তৃক ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কথা বলা হয়।
(সূত্রঃ দ্য গার্ডিয়ান)
৩,৩০৪.
“সারায়েভো হত্যাকান্ড” (Sarajevo Killing) নিচের কোন ঘটনার সাথে সম্পর্কিত?
  1. বসনিয়া সংকট
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
  3. আর্মেনিয়া সংকট
  4. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারন সংক্ষিপ্ত আকারে উল্লেখ করা হল:
♦ ১৮৬৭ সালে অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি যৌথ সাম্রাজ্য (Austro-Hungarian Empire) গড়ে তুলে। ১৮৭৮ সালে বসনিয়া হার্জেগোভিনায় এই সাম্রাজ্যের কঠোর মিলিটারি শাসনের অধিভুক্ত হয় এবং দেশটির নাগরিকগণ প্রচন্ড নিগ্রহের শিকার হন।
- ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় যৌথ সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্চডিউক ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ড ও তাঁর স্ত্রী সোফিয়া বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভোতে সার্বিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে নিহত হন। এই হত্যাকান্ড “সারায়েভো হত্যাকান্ড” (Sarajevo Killing) নামে ইতিহাস খ্যাত হয়ে আছে।

♦ ফ্রাঞ্জ ফার্ডিনান্ড ও তাঁর স্ত্রী সোফিয়ার হত্যাকারীর নাম - গ্যাব্রিলো প্রিন্সিপ (Gavrilo Princip)। এই ঘটনার জের ধরে অস্ট্রিয়া ও হাঙ্গেরি ক্ষিপ্ত হয়ে ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই সার্বিয়া আক্রমণ করে। আর এভাবেই শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।
- সার্বিয়া আক্রমনের এক সপ্তাহের মধ্যেই ইউরোপের প্রধান প্রধান দেশগুলো দুটি শিবিরে বিভক্ত হয়ে যায় এবং পরস্পরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়।

♦ ১৮৮২ সালে জার্মান চ্যান্সেলর বিসমার্কের উদ্যোগে জার্মানি, ইতালি ও অস্ট্রিয়া-হাঙেরীর মধ্যে সামরিক সহায়তা বিষয়ক “Triple Alliance” চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই প্রতিরক্ষা চুক্তির ফলে ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া সহ অন্যান্য দেশ নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে সঙ্কিত হয় যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র তৈরি করে।

♦ জার্মানি - ফ্রান্সের পারস্পরিক সন্দেহ ও ঈর্ষা, অস্ট্রিয়া ও রাশিয়ার তীব্র সংঘর্ষ, বলকান অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধিতে অস্ট্রিয়ার ক্ষোভ, ইউরোপের প্রধান প্রধান শক্তিবর্গের দুটি বিবাদমান শিবিরে বিভক্ত হয়ে যাওয়া, ইঙ্গ - জার্মান নৌপ্রতিযোগিতার জন্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদি বহু কারণের সম্মিলিত ফল হল বিশ্বযুদ্ধ।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম

৩,৩০৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপ্তি ছিল-
  1. ১৯১০-১৯১৪
  2. ১৯১২-১৯১৮
  3. ১৯১৪-১৯১৮
  4. ১৯১৬-১৯২০
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল ১৯১৪ সালে এবং এর পরিমাপ্তি হয় ১৯১৮ সালে।
- ইউরোপের কয়েকটি ক্ষুদ্র ও দুর্বল রাষ্ট্র ব্যতীত প্রায় সকল রাষ্ট্রই এ যুদ্ধে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল ইউরোপের বাইরেও এর বিস্তার ঘটেছিল। 
- এই ব্যাপকতার জন্য এবং এই যুদ্ধের নাশকতার জন্য একে মহাযুদ্ধ বা বিশ্বযুদ্ধ বলা হয়। 
- ১৯১৪ সালে বসনিয়ার রাজধানী সারায়েভা শহরে অস্ট্রিয়ার যুবরাজ ফ্রান্সিস ফার্ডিনান্ডের হত্যাকান্ডকে বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ বা আশু কারণ বলে মনে করা হয়। 
- তবে এই যুদ্ধের প্রকৃত কারণ অতীতের ঘটনাবলীতে সন্ধান করতে হবে। 
- জার্মানি-ফ্রান্সের পারস্পরিক সন্দেহ ও ঈর্ষা, অস্ট্রিয়া ও রাশিয়ার তীব্র সংঘর্ষ, বলকান অঞ্চলে রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধিতে অস্ট্রিয়ার ক্ষোভ, ইউরোপের প্রধান প্রধান - শক্তিবর্গের দুটি বিবাদমান শিবিরে বিভক্ত হয়ে যাওয়া, ইঙ্গ-জার্মান নৌ প্রতিযোগিতার জন্য উত্তেজনা বৃদ্ধি, উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং অর্থনৈতিক সাম্রাজ্যবাদ ইত্যাদি বহু কারণের সম্মিলিত ফল হল বিশ্বযুদ্ধ।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস -২, এসএসইএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৩০৬.
'হায়ারোগ্লিফিক' লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করে কোন সভ্যতা?
  1. রোমানীয় সভ্যতা
  2. সুমেরীয় সভ্যতা
  3. গ্রিক সভ্যতা
  4. মিশরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

মিসরীয় সভ্যতা:
- সভ্যতার ইতিহাসে মিসরীয়দের অন্যতম প্রধান অবদান লিখন পদ্ধতির আবিষ্কার। 
- নগরসভ্যতা গড়ে তোলার সাথে মিসরীয়রা প্রথম লিখন ও লিপি পদ্ধতি আবিষ্কার করে। 
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল হায়ারোগ্লিফিক (Hieroglyphic) বা চিত্র লিখন পদ্ধতি।
- এটি গ্রীকদের দেয়া নাম। যার অর্থ দাঁড়ায় ‘পবিত্র লিপি'। 
- এ লিখন পদ্ধতি তার চারিত্রিক বিন্যাসের দিক থেকে তিনটি রূপ পায়। যেমন- চিত্রভিত্তিক, অক্ষরভিত্তিক ও বর্ণভিত্তিক। 
- খোদাই কাজ করা বা চিত্রে প্রদর্শন করা এই পদ্ধতির ২৫টি বর্ণ ছিল এবং প্রতিটি বর্ণ একটি বিশেষ চিহ্ন বা অর্থ প্রকাশ করতো। 
- মিসরেই প্রথম মানব জাতি ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে লিখন পদ্ধতির উদ্ভাবনে সক্ষম হয়। 
- প্যাপিরাস নামক নলখাগড়া দিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে উন্নতমানের কাগজের আবিষ্কার মিসরীয়দেরই অবদান। 
 
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩০৭.
'কিয়েভ' কোন দেশের রাজধানী?
  1. রুমানিয়া
  2. পোল্যান্ড
  3. ইউক্রেন
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
• ইউক্রেন বা উক্রাইনা পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র।
• রাশিয়ার পরে এটি ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র।
• কিয়েভ ইউক্রেনের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,৩০৮.
The civilian Airport of highest altitude is in -
  1. ক) Tibet
  2. খ) China
  3. গ) Nepal
  4. ঘ) India
ব্যাখ্যা
উচ্চতায় বিশ্বের সর্বোচ্চ বেসামরিক বিমানবন্দর অবস্থিত - চীনে।

চীন:
- Daocheng Yading Airport এটি হচ্ছে চীনের সর্বোচ্চ বেসামরিক বিমানবন্দর।
- দাওচেং ইয়াডিং বিমানবন্দর চীনের সিচুয়ান প্রদেশের গার্জে তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত এলাকাতে সেবা দেয়।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪,৪১১ মিটার উপরে অবস্থিত এবং এর একটি রানওয়ে রয়েছে যার মোট দৈর্ঘ্য ৪,২০০ মিটার।
- উচ্চতার বিচারে এটি বিশ্বের সর্বোচ্চ বিমানবন্দর।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৩০৯.
রাশিয়ার সাথে বিশ্বের কয়টি দেশের সীমান্ত রয়েছে?
  1. ক) ১০ টি
  2. খ) ১২ টি
  3. গ) ১৪ টি
  4. ঘ) ১৬ টি
ব্যাখ্যা
- আয়তনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়া।
- রাশিয়া এবং চীন উভয় দেশের সাথে বিশ্বের ১৪টি করে দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- যে দেশগুলির সাথে রাশিয়া তার স্থল সীমানা ভাগ করে তাদের মধ্যে রয়েছে উত্তর কোরিয়া, চীন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, ইউক্রেন, কাজাখস্তান, পোল্যান্ড, জর্জিয়া, মঙ্গোলিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, আজারবাইজান, বেলারুশ এবং লিথুয়ানিয়া।
- উল্লেখ্য, আবখাজিয়া এবং দক্ষিণ ওসেটিয়া এই দুটি দেশের সার্বভৌমত্ব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়, তারাও রাশিয়ার সাথে একটি স্থল সীমানা ভাগ করেছে।

উৎস: World Atlas.
৩,৩১০.
বিশ্বখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ ‘বন্ডি সমুদ্রসৈকত’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কানাডা
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. ইন্দোনেশিয়া 
  4. আয়ারল্যান্ড 
ব্যাখ্যা

• বন্ডি সমুদ্রসৈকত (Bondi Beach): 
- বন্ডি সমুদ্রসৈকত (Bondi Beach) অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত সমুদ্রসৈকত।
 - সিডনির স্বচ্ছন্দ ও আরামদায়ক সৈকতজীবনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এই সৈকতটি বিশ্বের প্রাচীনতম সার্ফ লাইফসেভিং ক্লাবগুলোর একটি এবং অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম পুরোনো সাঁতার ক্লাব Bondi Icebergs-এর আবাসস্থল।
 - শহরের কেন্দ্র থেকে গণপরিবহন ব্যবহার করে সহজেই এই আইকনিক সমুদ্রসৈকতে পৌঁছানো যায়।

- সাদা বালুকাময় এই সমুদ্রসৈকতে সাঁতার কাটা, সার্ফিং করা, রোদ পোহানো থেকে শুরু করে মনোরম উপকূলীয় পদচারণা পর্যন্ত নানা ধরনের কার্যক্রম উপভোগ করা যায়।
 - এখানে সৈকতভিত্তিক পিকনিক বেশ জনপ্রিয় এবং আশপাশে অবস্থিত ক্যাফে ও রেস্তোরাঁগুলো থেকে সমুদ্রসৈকত ও ঝকঝকে নীল সমুদ্রের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

প্রসঙ্গত,
  - অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বন্ডি সমুদ্র সৈকতে ব্যাপক গুলিবর্ষণের খবর পাওয়া গেছে।
 - রয়টার্স জানিয়েছে, রোববার (১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫) এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অন্তত ৮ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং দু'জনকে আটক করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: সিডনি ট্যুরিজম ওয়েবসাইট ও রয়টার্স। (Link) 

৩,৩১১.
মেধাভিত্তিক আধুনিক সিভিল সার্ভিস ব্যবস্থার সূচনা হয় কোন দেশে?
  1. যুক্তরাজ্যে
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. চীনে
  4. ভারতে
ব্যাখ্যা

• আধুনিক মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিস:
- প্রাচীন চীনে সরকারী চাকুরি বা আধুনিক মেধাভিত্তিক সিভিল সার্ভিসের সূচনা।
- তখন চীনে সরকারী চাকুরে রাজ্যের বিভিন্ন বিষয়ে সম্রাটকে অবহিত করতেন।
- সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলা হতো মন্ত্রিদেরকে, যারা সরাসরি প্রাসাদের কাজ করতেন।
- তারা সরকারের ক্ষমতাশালী ব্যাক্তিবর্গ হিসাবে পরিচিত ছিলেন।

⇒ ২০৬ খ্রিস্টপূর্বে হ্যান শাসনামলে সম্রাট উডির শাসনামলে সর্বপ্রথম সিভিল সার্ভিস বা সরকারী চাকরির সূচনা হয়।
- সম্রাট জানতেন চীনের মতো এতো বড় সাম্রাজ্য তিনি একা চালাতে পারবেন না।
- তিনি উচ্চশিক্ষিত মন্ত্রী এবং প্রশাসকদের সরকারের সাথে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
- এভাবেই ২০০০ বছর ধরে চীনা সাম্রাজ্য সিভিল সার্ভিস দ্বারা পরিচালিত হতো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সংক্ষিপ্ত রুপ বিসিএস নামে সর্বাধিক পরিচিতি) হল বাংলাদেশ সরকারের সিভিল সার্ভিস।
- এটি প্রাক্তন সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিস অব পাকিস্তান থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যা উপনিবেশিক শাসনামলের ব্রিটিশ সম্রাজ্ঞী নিয়ন্ত্রিত ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের উত্তরসূরি ছিল।
- স্বাধীনতার পর থেকে এটি সিভিল সার্ভিস অধ্যাদেশের দ্বারা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস হিসাবে পরিচিতি হয়।
- এর মূলনীতি ও পরিচালনা পরিষদ বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত হয়।
- বিসিএস এর ক্যাডার সংখ্যা হল ২৬টি।

তথ্যসূত্র: Britannica.

৩,৩১২.
"ম্যানহাটন প্রজেক্ট" কোন যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ১ম বিশ্বযুদ্ধ
  2. ২য় বিশ্বযুদ্ধ
  3. কোরীয় যুদ্ধ
  4. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ম্যানহাটান প্রজেক্ট:
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল।
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- পারমাণবিক বোমার জনক রবার্ট ওপেনহেইমার ছিলেন ম্যানহাটান প্রজেক্টের প্রধান।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: Britannica.
৩,৩১৩.
‘দ্য ভেজেটারিয়ান’ বইয়ের জন্য কে ম্যান বুকার পুরস্কার লাভ করেছিলেন?
  1. অ্যানি আর্নো
  2. হান কাং
  3. লুইস গ্লুক
  4. ওলগা তোকারচুক
  5. এলিস মুনরো
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার:
- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার লেখক হান কাং। 
- অবদান: নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

⇒ নোবেল পুরস্কার কমিটি ১৯০১ সাল থেকে সাহিত্যে পুরস্কার দিয়ে আসছে।
- হান কাংকে নিয়ে ১৮তম বারের মতো একজন নারী পুরস্কারটি পেলেন।
- প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ান হিসেবেও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন হান কাং। 

উল্লেখ্য,
- ‘দ্য ভেজেটারিয়ান’ হান কাং-এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বইয়ের একটি। 
- ২০০৭ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের জন্য ২০১৬ সালে ম্যান বুকার পুরস্কার পেয়েছিলেন হান কাং।
- এ উপন্যাসে হান কাং মানুষের নিষ্ঠুরতায় আতঙ্কিত এক তরুণীর ‘বৃক্ষের মতো’ বেঁচে থাকার লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন।
- হান কাংয়ের উপন্যাস ‘দ্য ভেজেটারিয়ান’ ২০১৫ সালে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ডেবোরাহ স্মিথ। 

⇒ তাঁর অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে 'দ্য হোয়াইট বুক', 'হিউম্যান অ্যাক্টস' ও 'গ্রিক লেসনস'।
- হান কাংয়ের উল্লেখযোগ্য আরেকটি উপন্যাস ‘ইউর কোল্ড হ্যান্ডস’।

উৎস: i) Nobel Prize ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। 
৩,৩১৪.
তাহরির স্কয়ার কোন বিপ্লবের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ফরাসি বিপ্লব
  2. মিশরীয় বিপ্লব
  3. রুশ বিপ্লব
  4. চীনা বিপ্লব
ব্যাখ্যা
তাহরির স্কয়ার:
- তাহরির স্কয়ার মিশরের কায়রোতে অবস্থিত।
- তাহরির স্কয়ার মিশরীয় বিপ্লবের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ মিশরের বিপ্লব: তাহরির স্কোয়ারে ১৮ দিন
- মিশরের তাহরির স্কোয়ারে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি বিপ্লব শুরু হয়।
- মিশরে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ক্ষমতাসীন ছিলেন হোসনি মুবারক, যিনি একদিকে দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দাবি করলেও, তার শাসনামলে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির অভিযোগ বেড়ে যায়।
- ২০১১ সালে, সিরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া ও অন্যান্য আরব দেশগুলিতে ঘটে যাওয়া বিদ্রোহের প্রেক্ষিতে, মিশরের জনগণও প্রতিবাদে নেমে আসে।
- ২৫ জানুয়ারি, ২০১১, মিশরের পুলিশ দিবসে, বিরোধী আন্দোলনকারীরা তীব্র প্রতিবাদ শুরু করে।
- তাদের দাবী ছিল মুবারকের সরকারের পতন এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার।
- এই প্রতিবাদ মিশরের রাজধানী কায়রোর তাহরির স্কোয়ারে কেন্দ্রীভূত হয়ে ওঠে, যা বিপ্লবের প্রধান স্থান হয়ে ওঠে।
- ১৮ দিনের মধ্যে, লাখ লাখ মানুষ সেখানে জড়ো হয়, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে।
- তারা মুবারকের সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়, এবং দ্রুতই আন্দোলনটি এক গণতান্ত্রিক সংগ্রামে পরিণত হয়।
- ১৮ দিনের প্রতিরোধ এবং চাপের পর, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১-এ হোসনি মুবারক পদত্যাগ করেন।

উৎস: BBC.
৩,৩১৫.
অভিন্ন ইউরোপ গঠনের লক্ষ্যে ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি অনুমোদনের জন্য কোন দেশ দুবার গণভোটের আয়োজন করেছিল?
  1. ক) লুক্সেমবার্গ
  2. খ) আয়ারল্যান্ড
  3. গ) গ্রীস
  4. ঘ) ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
In 1992, the Danes rejected the Maastricht Treaty by 50.7 per cent to 49.3 per cent. The outcome was marked by jubilant celebrations in Copenhagen and grim warnings elsewhere about its effect on integration.

After lengthy debate in Denmark and within the European Commission, the Danish government secured opt-outs on sensitive issues, including the single currency, joint defence policies, common policing and joint citizenship rules. Supported by almost the entire Danish political establishment, the treaty was approved in a second referendum in 1993, by 56.7 per cent to 44.3 per cent.

Source: Irish Times
৩,৩১৬.
নিচের কোন সভ্যতা পতনের পর প্রাচীন গ্রীক সভ্যতার সূচনা হয়?
  1. মিনোয়ান সভ্যতা
  2. মাইসেনিয়ান সভ্যতা
  3. সামারিয়ান সভ্যতা
  4. নিওলিথিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা

গ্রিক সভ্যতা:
- প্রাচীন গ্রিক সভ্যতা, মাইসেনিয়ান সভ্যতার পরের সময়কাল।
- প্রাচীন গ্রিস তার উচ্চতায় এশিয়া মাইনর, দক্ষিণ ইতালি, সিসিলি এবং গ্রীক দ্বীপপুঞ্জের বসতি নিয়ে গঠিত।
- এটি শহর-রাজ্যে বিভক্ত ছিল-এথেন্স এবং স্পার্টা।
- গ্রিক সংস্কৃতি হেলেনীয় সংস্কৃতি নামে বেশি পরিচিত।
- সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন গ্রিসের সৃষ্টি আজও মানব সমাজের মূল্যবান সম্পদ।
- হোমারের মহাকাব্য 'ইলিয়ড' এবং ‘ওডিসি' মহাকাব্যের অপূর্ব নিদর্শন।
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্ৰ গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩১৭.
সবচেয়ে বেশি দেশ অবস্থিত -
  1. এশিয়া মহাদেশে
  2. ইউরোপ মহাদেশে
  3. আফ্রিকা মহাদেশে
  4. উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।

তথ্যসূত্র - worldatlas.com

৩,৩১৮.
কোন সভ্যতা পুরোপুরি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় নাই?
  1. ক) মিশরীয়
  2. খ) গ্রিক
  3. গ) সিন্ধু
  4. ঘ) চৈনিক
ব্যাখ্যা
চৈনিক সভ্যতা (Chinese Civilization):
- চৈনিক সভ্যতা পৃথিবীতে বিরাজমান সবচেয়ে পুরাতন সভ্যতা।
- খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ থেকে আজ পর্যন্ত চীন তার সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। এটিই একমাত্র সভ্যতা যা কোনো সময় পুরোপুরি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়নি।

- চীন পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র। খ্রিস্টপূর্ব ১,৫০০ অব্দে চৈনিক সভ্যতা তার চরম শিখরে অবস্থান করেছিল।
- প্রায় ৪০০০ বছর পূর্বে অর্থ্যাৎ খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে চীনের হোয়াংহো ও ইয়াংসিকিং নদীর তীরে প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল বলে ধারনা করা হয়।
- দেশটির তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। এর মধ্যে একটি হোয়াংহো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে, তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে।
- নদীগুলোর প্রভাবে প্রাচীন চীনে কৃষিভিত্তিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

- চৈনিক সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছিল- শাং রাজবংশ (Shang Dynasty), জোও রাজবংশ (Zhou Dynasty) আমলে।
- এছাড়াও চৈনিক সভ্যতার উত্তরাধিকারী হিসাবে আরো বেশ কয়েকটি রাজবংশ যেমন - জিয়া রাজবংশ (Xia Dynasty), কিন রাজবংশ (Qin Dynasty), মিং রাজবংশ (Ming Dynasty) ইত্যাদি চীন শাসন করে।

উৎস: হিস্টরি.কম
৩,৩১৯.
গুয়ানতানামো বে কারাগার কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
গুয়ানতানামো বে কারাগার: 
- গুয়ানতানামো বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগার।
- ১৯০৩ সালে হাভানা চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার কাছ থেকে গুয়ানতানামো বে ইজারা নেয়।
- গুয়ানতানামো বে কারাগারটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কিউবার দক্ষিণ-পূর্বে ক্যারিবীয় সাগরে অবস্থিত।
- এটি বন্দীদের উপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত।
- ক্যাম্প সেভেন ছিল সিআইএর গোপন শিবির, যেখানে ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা আটক ছিলেন।
- এখানে বিভিন্ন মুসলিম দেশ থেকে ধরে আনা বন্দীদের আটক করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিভাগ এই ক্যাম্পটি বন্ধের ঘোষণা দেয়।
- কারাগারটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ১১ জন ইয়েমেনি বন্দীকে মুক্তি দিয়ে ওমানে পাঠানো হয়েছে। [জানুয়ারি,২০২৫]
- এর আগে তিউনিসিয়ার এক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়, যিনি ২০০২ সাল থেকে অভিযোগ ছাড়াই বন্দী ছিলেন।
- বর্তমানে গুয়ানতানামো কারাগারে মাত্র ১৫ জন বন্দী রয়েছেন।
- তাঁদের মধ্যে ‘নাইন–ইলেভেন ফাইভ’খ্যাত পাঁচজনও রয়েছেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক] এবং প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
৩,৩২০.
'লয়া জিরগা' হলো-
  1. ক) মুসলমানদের একটি পবিত্র স্থান
  2. খ) ইহুদিদের একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  3. গ) আফগানিস্তানের শাসনকার্য পরিচালনার জন্য বয়োজ্যেষ্ঠদের পরিষদ
  4. ঘ) তিব্বতের আধ্যাতিক নেতা
ব্যাখ্যা
• 'লয়া জিরগা':
- আফগানিস্তানের শাসনকার্য পরিচালনার জন্য বয়োজ্যেষ্ঠদের পরিষদ হচ্ছে
- 'লয়া জিরগা'।
- লয়া জিরগা আইনসভা পশতুন জনগণের আইনের ঐতিহ্যগত রীতি।
- এটি মূলত আকস্মিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে নতুন রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচন, একটি নতুন সংবিধান গ্রহণ বা যুদ্ধের মতো জাতীয় বা আঞ্চলিক সমস্যা সমাধানের জন্য সংগঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,৩২১.
খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়-
  1. ক) দ্বিতীয় হিজরীতে
  2. খ) পঞ্চম হিজরীতে
  3. গ) তৃতীয় হিজরীতে
  4. ঘ) চতুর্থ হিজরীতে
ব্যাখ্যা

খন্দকের যুদ্ধ:
সংঘটন কাল - ৬২৭ খিস্টাব্দ (৫ম হিজরী)
প্রতিপক্ষ - মুসলমান এবং কুরাইশদের নেতৃত্বে বেদুঈন-ইহুদীদের সম্মিলিত বাহিনী।
ফলাফল - মুসলমানদের বিজয়। মদিনার চারদিকে পরিখা খনন করে প্রায় ১০ হাজার সৈন্যের আক্রমণ ঠেকিয়ে দেয় মুসলিমরা।
উৎস: ইসলামের ইতিহাস বোর্ড বই ও Live MCQ content (Upcoming)

৩,৩২২.
নিচের কোন দেশটি শতবর্ষী যুদ্ধে পরাজিত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইতালি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
শতবর্ষ যুদ্ধ:
- যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ হয়েছিল।
- এই যুদ্ধ শুরু হয় - ১৩৩৭ সালে।
- 'জোয়ান অব আর্ক' ছিল ফ্রান্সের সেনাপতি।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড এই যুদ্ধ শুরু করেন ফ্রান্সের সিংহাসনের দাবিতে।
- এই যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স।
- পরাজিত হয় যুক্তরাজ্য।
- ১৪৫৩ সালে এই যুদ্ধ সমাপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৩২৩.
সিডনিতে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম-
  1. দি লজ
  2. অপেরা হাউস
  3. কিরিবিলি হাউস
  4. দ্য আর্গ
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহ‌ৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- বিখ্যাত জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।

উল্লেখ্য,
- প্রধানমন্ত্রীর দুটি সরকারি বাসভবন রয়েছে।
- ক্যানবেরার লজ এবং সিডনির কিরিবিলি হাউস।

ছবির উৎস: ব্রিটানিকা 
উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩,৩২৪.
নরওয়ের আইনসভার নাম কী?
  1. কংগ্রেস
  2. ডুমা
  3. স্টোরটিং
  4. ফোকেটিং
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের আইনসভা:

- ইসরায়েলের আইনসভা : নেসেট।
- নরওয়ের আইনসভা : স্টোরটিং।
- সুইডেনের আইনসভা : রিক্সড্যাগ।
- ডেনমার্কের আইনসভা : ফোকেটিং।
- ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে এবং ইসরায়েলের আইনসভা এককক্ষ বিশিষ্ট।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট দেশগুলাের আইনসভা এবং ব্রিটানিকা।
৩,৩২৫.
যুক্তরাষ্ট্র কার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাজ্য
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
-  সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য -  হাওয়াই।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য - ক্যালিফোর্নিয়া।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম  - আব্রাহাম লিংকন।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- এদেশের পতাকায় ৫০টি তারকা রয়েছে যা ৫০টি রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং ১৩টি সমান্তরাল রেখা (লাল ও সাদা রংয়ের) রয়েছে যা দেশটির প্রতিষ্ঠাকালীন ১৩টি উপনিবেশকে নির্দেশ করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি।
- প্রসিদ্ধ স্থানসমূহের মধ্যে অন্যতম ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, বোস্টন, শিকাগো, লস এন্সেলস, সানফ্রান্সিসকো প্রভৃতি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৩২৬.
ফকল্যান্ড দ্বীপ কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ইউরোপ
ব্যাখ্যা
 দক্ষিণ আমেরিকা (South America):
- আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা।
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির ।
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া ।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ ১৪টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম ব্রাজিল এবং ক্ষুদ্রতম সুরিনাম।
- ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত।
- এই দ্বীপ নিয়ে বিরোধের জেরে আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী আমাজান।
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে 'চির বসন্তের দেশ বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা দেশটির উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।

উৎস: Britannica. Com
৩,৩২৭.
ইসরাইল কবে গোলান মালভূমি দখল করে নেয়?
  1. ক) ১৯৪৯ সালে
  2. খ) ১৯৫৬ সালে
  3. গ) ১৯৬৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ইসরাইল অধিকৃত সিরিয়ার একটি মালভূমি। এটি ১৯৬৭ সালে তৃতীয় আরব ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল দখল করে নেয়।
এর আয়তন প্রায় ১২০০ বর্গ কিলোমিটার। ১৯৮১ সালে ইসরাইল এটিকে নিজেদের ভূখন্ড হিসেবে একীভূত করার ঘোষণা দেয়। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে তা স্বীকৃতি পায়নি।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৩,৩২৮.
বিশ্বের সর্বোচ্চ চাল উৎপাদনকারী দেশ হলো-
  1. ক) চীন
  2. খ) ভারত
  3. গ) নেপাল
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

- চাল উৎপাদনে পৃথিবীতে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন ও ভারত।
- দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বে চাল উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল চতুর্থ। তৃতীয় স্থানে ছিল ইন্দোনেশিয়া।
১২ মে ২০২০ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কৃষিবিষয়ক সংস্থা মার্কিন কৃষি বিভাগ (United States Department of Agriculture-USDA) থেকে প্রকাশিত ‘বৈশ্বিক খাদ্যশস্য প্রতিবেদন ২০২০’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়াকে পেছনে ফেলে বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ চাল উৎপাদনকারী দেশ হয় বাংলাদেশ।
Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার – জুলাই ২০২০

৩,৩২৯.
পেরুর নতুন প্রেসিডেন্ট (২০২০) কে?
  1. ক) ম্যানুয়েল মেরিনো
  2. খ) মার্টিন ভিজকারা
  3. গ) ফ্রান্সিস্কো সাগাস্তি
  4. ঘ) ওয়াল্টার মার্তোস
ব্যাখ্যা

পেরুতে এক সপ্তাহে ৩ প্রেসিডেন্ট:

৯ নভেম্বর ২০২০ তারিখে পেরুর বিরোধী দলের নিয়ন্ত্রণাধীন কংগ্রেসে দুর্নীতির অভিযোগে অভিশংসিত হন প্রেসিডেন্ট মার্কিন ভিসকারা।
এরপর ১০ নভেম্বর ২০২০ তারিখে দেশটির অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন কংগ্রেসের স্পিকার ম্যানুয়েল মেরিনো। ভিসকারার ক্ষমতারচ্যুতিকে কেন্দ্র করে পেরু জুড়ে শুরু হয় ব্যাপক বিক্ষোভ। অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট মেরিনো এ বিক্ষোভ দমনে পুলিশি শক্তি প্রয়োগ করলে পরিস্থিতি উল্টে যায়। পুলিশি নিষ্ঠুরতার প্রতিবাদে মেরিনোর নবগঠিত মন্ত্রিসভার ১২ সদস্য পদত্যাগ করলে চাপে পড়ে যান তিনি। এমন পরিস্থিতিতে সংকট মোকাবিলায় তার গৃহীত পন্থা নিয়ে আইন প্রণেতাদের অসন্তোষ ও চাপে ১৫ নভেম্বর ২০২০ তারিখে পদ ছাড়তে বাধ্য হন ম্যানুয়েল মেরিনো।
এরপর ১৭ নভেম্বর ২০২০ নতুন করে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ৭৬ বয়সী কংগ্রেস সদস্য ফ্রান্সিস্কো সাগাস্তি। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে তিনি দেশটির তৃতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ২০২১ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্যন্ত দেশটির নেতৃত্ব দেবেন।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা।

৩,৩৩০.
ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন কে?
  1. সপ্তদশ লুই
  2. পঞ্চদশ লুই
  3. ষোড়শ লুই
  4. চতুর্দশ লুই
ব্যাখ্যা
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।

• ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের পেছনে ফ্রান্সের রাজনৈতিক অনিয়ম ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসন অনেকাংশে দায়ী ছিলো।
- চতুর্দশ লুইয়ের শাসনামলে ফ্রান্স একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- তবে তার সাম্রাজ্যবাদী নীতি দেশকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়। তার পুত্র পঞ্চদশ লুই এর অমিতব্যায়িতা জন্য এই দুর্বলতা আরও বৃদ্ধি পায়।
- ষোড়শ লুই ১৭৭৪ সালে সিংহাসনে বসে ক্রমশ এক অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন।
- আর্থ সামাজিক বৈষম্য রাজনৈতিক দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ১৭৮৯ সলে এক বিস্ফোরক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
- “স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী” - ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
 
সূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
৩,৩৩১.
মায়া সভ্যতার সাথে সম্পর্কিত স্থান কোনটি?
  1. গুয়েতমালা
  2. এল সালভাদের
  3. বেলিজ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:
- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ যেমন গুয়েতমালা, বেলিজ, এল সালভাদের, হন্ডরাস প্রভৃতি দেশে মায়া সভ্যতা লোকজনের বসবাস ছিল।
- তারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে এসকল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল মেক্সিকোর অন্যতম প্রদেশ ইয়াকাতানে অবস্থিত চেচেন ইৎজা (Chichen Itza) শহর।
- মায়া সভ্যতাকে দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. প্রাচীন মায়া সভ্যতা (খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০-২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) এবং
২. ক্ল্যাসিক মায়া সভ্যতা (২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত)।

⇒ মায়ারা দুটি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল:
• হাব (Haab): ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার।
• টজলকিন (Tzolk’in): ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার।

তথ্যসূত্র - Britannica & history.com
৩,৩৩২.
বাষ্পীয় ইঞ্জিনের সাথে কোন শিল্প বিপ্লবের সাথে সম্পর্ক আছে?
  1. ১ম শিল্প বিপ্লব
  2. ২য় শিল্প বিপ্লব
  3. ৩য় শিল্প বিপ্লব
  4. ৪র্থ শিল্প বিপ্লব
ব্যাখ্যা
শিল্প বিপ্লব:
- বর্তমান বিশ্ব টিকে আছে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির ওপর।
- বিশ্ব অর্থনীতির সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে শিল্পবিপ্লবের ফলে।
- এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট তিনটি শিল্পবিপ্লব ঘটেছে।

⇒ ১ম শিল্প বিপ্লব:
- ১৭৮৪ সালে পানি ও বাষ্পীয় ইঞ্জিনের নানামুখী ব্যবহারের কৌশল আবিষ্কারের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম শিল্পবিপ্লব।
- প্রথম শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৭৬০ সাল।
- ১৭৬০ সাল থেকে ইউরোপের দেশ ইংল্যান্ডে প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়।
- তাই ইংল্যান্ডকে শিল্প বিপ্লবের জন্মস্থান বলা হয়।

⇒ ২য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লব সংঘটন কাল: ১৮৭০ সাল।
- দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় প্রযুক্তিগত উন্নতি সাধিত হয়।
- এই সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা উন্নতকরণ, টেলিগ্রাফ, রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা, পানিসরবরাহ ইত্যাদির আবিষ্কার হয়।
- এসবের ফলে দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন ও জীবনযাপন এর মান বৃদ্ধি পায়।
- বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র আবিষ্কার হতে থাকে যা সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সাহায্য করে।

⇒ ৩য় শিল্প বিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবের ঠিক ১০০ বছরের মাথায় ১৯৬৯ সালে আবিষ্কৃত হয় ইন্টারনেট।
- শুরু হয় ইন্টারনেটভিত্তিক তৃতীয় শিল্পবিপ্লব।
- তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সময় তথ্যপ্রযুক্তির সহজ ও দ্রুত বিনিময় শুরু হলে সারা বিশ্বের গতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
- ম্যানুয়াল জগৎ ছেড়ে যাত্রা শুরু হয় ভার্চুয়াল জগতের।

⇒ ৪র্থ শিল্প বিপ্লব:
- প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বিপ্লবকেই বলা হচ্ছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব।
- যেখানে মানুষের আয়ত্তে আসছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইন্টারনেট অব থিংস বা যন্ত্রের ইন্টারনেট, যা সম্পূর্ণ রূপেই মানবসম্পদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

উৎস: Britannica.
৩,৩৩৩.
ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লব সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৫৮৩
  2. খ) ১৬৮৯
  3. গ) ১৭৬০
  4. ঘ) ১৮০২
  5. ঙ) ১৯১১
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক নেফ মেন করেন, ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের সূচনাকাল ১৫৪০ থেকে ১৬৪০ সাল পর্যন্ত। ঐতিহাসিক আর্নল্ড টয়েনবির মতে, ১৭৪০-১৭৮০ সাল পর্যন্ত এবং বেশিরভাগ ঐতিহাসিক ১৭৬০-১৭৮০ সাল পর্যন্ত শিল্প বিপ্লবের সূচনাকাল মনে করেন।সূত্রঃ অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা আধুনিক বিশ্বের ইতিহাস।
৩,৩৩৪.
নিম্নের কে ইনকা সম্রাট হিসেবে বিবেচিত?
  1. মানকো কাপেন
  2. দারিয়ুস
  3. রোমিউলাস
  4. থুকিডাইডিস
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা:
- ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো ইনকা সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় মাচু পিচুতে।
- সভ্যতার উত্থান-পতনকাল হচ্ছে ১৪০০-১৫৭২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
- ইনকা সভ্যতার স্থপতি মানকো কাপেন।

উল্লেখ্য,
- মানকো কাপাক ছিলেন ইনকা সভ্যতার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্রাট। 

উৎস: Britannica.
৩,৩৩৫.
নিচের কোন দেশটির মুদ্রার নাম দিরহাম?
  1. ওমান
  2. বাহরাইন
  3. সিরিয়া
  4. মরক্কো
ব্যাখ্যা
রিয়াল যেসব দেশের মুদ্রা:
- সৌদি আরব,
- ওমান,
- ইয়েমেন,
- কাতার,
- ইরান।

দিনার যেসব দেশের মুদ্রা:
- ইরাক,
- কুয়েত,
- জর্ডান,
- বাহরাইন,
- আলজেরিয়া,
- তিউনেশিয়া।

দিরহাম যেসব দেশের মুদ্রা:
- সংযুক্ত আরব আমিরাত,
- মরক্কো।

পাউন্ড যেসব দেশের মুদ্রা:
- মিশর,
- সিরিয়া,
- লেবানন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৩৩৬.
নিচের কোনটি বাল্টিক রাষ্ট্র?
  1. পোল্যান্ড
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. লাতভিয়া
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
বাল্টিক রাষ্ট্র:
- উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক সাগরের পূর্বতীরে অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ বাল্টিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।
- এই অঞ্চলে তিনটি দেশ রয়েছে;
• এস্তোনিয়া,
• লাতভিয়া এবং
• লিথুয়ানিয়া।
- বাল্টিক রাষ্ট্রসমূহ বর্তমানে ন্যাটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & WorldAtlas.com
৩,৩৩৭.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. গ) ইথিওপিয়া
  4. ঘ) নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বর্তমান মহাপরিচালক হলেন তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস। তিনি ইথিওপিয়ার নাগরিক।
২০১৭ সালের ১ জুলাই তিনি পাঁচ বছরের জন্যে মহাপরিচালক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি।
(সূত্রঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)
৩,৩৩৮.
নিচের কোন দেশটি সমুদ্রপথে সরাসরি বাণিজ্য করতে পারে?
  1. ভুটান
  2. কাজাখস্থান
  3. লাওস
  4. তানজিনিয়া
ব্যাখ্যা
• তানজিনিয়া স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র না হওয়ায় দেশটি সমুদ্রপথে সরাসরি বাণিজ্য করতে পারে।
- তানজিনিয়ার বৃহত্তম পোর্ট  Port of Dar es Salaam।

• স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র:
- যেসব দেশের চার পাশে সমুদ্র নেই সেসব দেশ মূলত স্থলবেষ্টিত বা ল্যান্ডলক দেশ হিসেবে পরিচিত।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি বহুল স্বীকৃত স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র রয়েছে।
- দুটি রাষ্ট্র দ্বি-স্থলবেষ্টিত (উজবেকিস্তান ও লিশটেনস্টাইন)।
- কাজাখস্তান বিশ্বের বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
- ইথিওপিয়া বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।

- এশিয়ার স্থলবেষ্টিত দেশ:
- নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান।

- আফ্রিকার স্থলবেষ্টিত দেশ:
মালি, নাইজার, উগান্ডা, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, মালাউই, জাম্বিয়া, ইথিওপিয়া, চাদ, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, লেসোথো, বুর্কিনা ফাসো, ইসোয়াতিনি, দক্ষিণ সুদান।

- ইউরোপের স্থলবেষ্টিত দেশ:
অস্ট্রিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, সুইজারল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র, কসোভো, মলদোভা, বেলারুশ, স্লোভাকিয়া, সার্বিয়া, ভ্যাটিকান সিটি, অ্যান্ডোরা, উত্তর ম্যাসিডোনিয়া, সান মারিনো, লিশটেনস্টাইন, লুক্সেমবার্গ, হাঙ্গেরি (ইউরোপের বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত দেশ।)

- দক্ষিণ আমেরিকার স্থলবেষ্টিত দেশ:
বলিভিয়া ও প্যারাগুয়ে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩,৩৩৯.
’রোজ বিপ্লব’ সংঘটিত হয় কোন দেশে?
  1. রাশিয়া
  2. ইউক্রেন
  3. কিরগিজস্তান
  4. জর্জিয়া
ব্যাখ্যা

রোজ বিপ্লব:
-
রোজ বিপ্লবের মূল কারণ ছিল দুর্নীতি এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের অভাব।
- এটি অহিংস প্রতিরোধের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হয়।
- জর্জিয়ায় ২০০৩ সালের ২ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচনে সরকার-সমর্থিত প্রার্থীর জয় দাবি করা হয়, কিন্তু বিরোধীরা কিন্তু বিরোধীরা এটিকে জালিয়াতি বলে প্রতিবাদ শুরু করে।
- ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে নতুন নির্বাচন হয়, যাতে সাকাশভিলির জয় হয়। এটি জর্জিয়ার ইউরোপীয়-আন্তর্জাতিক একীকরণের পথ খোলে।
- রোজ বিপ্লব সংঘটিত হয় জর্জিয়ায়।

• বিভিন্ন বিপ্লব:

- ১৯১৭ সালে রাশিয়ার রুশ/অক্টোবর/বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনামে আগস্ট বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- ২০০৫ সালে টিউলিপ বিপ্লব সংঘটিত হয় কিরগিজস্তানে।
- ২০১১ সালে জেসমিন বিপ্লব সংঘটিত হয় তিউনিসিয়ায়।
- ২০০৩ সালে রোজ বিপ্লব সংঘটিত হয় জর্জিয়ায়।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অরেঞ্জ বা কমলা বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- আরব বসন্তের সূচনা হয় তিউনিসিয়ায়।

উৎস: ব্রিটানিয়া।

৩,৩৪০.
Where is 'Ground Zero'?
  1. ক) Greenwich
  2. খ) Indira Point
  3. গ) New York
  4. ঘ) Shriharikota
ব্যাখ্যা
• গ্রাউন্ড জিরো:
- ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক সিটির ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার জঙ্গীগোষ্ঠী আল-কায়দার বোমা হামলায়  ধ্বংস হয়ে যায়।
- পরে  ধ্বংস হওয়া স্থানটি বিশ্বব্যাপী 'গ্রাউন্ড জিরো' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- আল-কায়দার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলার প্রেক্ষিতে ইরাক ও আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৩৪১.
'দুশানবে' কোন দেশের রাজধানী?
  1. বেলারুশ
  2. তাজিকিস্তান
  3. কাজাখস্তান
  4. উজবেকিস্তান
ব্যাখ্যা
এশিয়া মহাদেশ:
- পৃথিবীর সর্ব বৃহৎ ও সবচেয়ে জনবহুল মহাদেশ।
- পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশ জুড়ে আছে এই মহাদেশ।
- ৪৮ টি দেশ নিয়ে গঠিত।

এই মহাদেশকে ৫ টি প্রধান অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। যথা ;
১. মধ্য এশিয়া - (তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, কিরগিজস্তান)।
২. পূর্ব এশিয়া - (চীন, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, হংকং, তাইওয়ান, ম্যাকাও)।
৩. দক্ষিণ এশিয়া - (শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, ভারত, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, ইরান)।
৪. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া - (ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, তিমুর লেস্টে, ভিয়েতনাম)।
৫. পশ্চিম এশিয়া - (জর্জিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, তুরস্ক, সাইপ্রাস, সিরিয়া, লেবানন, ইসরাইল, ফিলিস্তিন, জর্ডান, ইরাক, ওমান, ইয়েমেন, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সৌদি আরব)।

- তাজিকিস্তান এর রাজধানী দুশানবে।
- উজবেকিস্তান এর রাজধানী তাসখন্দ। 
- কাজাখস্তান এর রাজধানী আস্তানা।
- তুর্কমেনিস্তান এর রাজধানী আশখাবাদ। 
- কিরগিজস্তান এর রাজধানী বিশকেক। 

উৎস: Britannica.
৩,৩৪২.
স্ট্যাচু অব পিস কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. সিঙ্গাপুর
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
 স্ট্যাচু অব পিস:
- এটি দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটি সিউলে জাপানি দূতাবাসের সামনে অবস্থিত।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানি সৈন্যদের দ্বারা কোরীয় নারীদের নির্যাতিত হওয়ার জন্য জাপানকে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা এবং ঐ দুঃসহ স্মৃতিকে স্মরণে রাখতে স্থাপন করা হয়েছিল।

অপরদিকে,
-  জাপানের নাগাসাকির 'Peace park' এ "পিস স্ট্যাচু” অবস্থিত।

উৎস: বর্ডারস অফ মেমোরি।
৩,৩৪৩.
নিচের কোনটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র?
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. বেলারুশ
  3. মরক্কো
  4. ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা
অপশন সমূহের মধ্যে বেলারুশ একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।
অন্যদিকে,
- উত্তর কোরিয়া, মরক্কো ও ভেনেজুয়েলার সমুদ্রতট রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৩,৩৪৪.
বাংলাদেশের কোন নেতা কলকাতা করপোরেশনের মেয়র ছিলেন?
  1. ক) মাওলানা আব্দুল হামিন খান ভাসানী
  2. খ) শেরে-এ-বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) উনাদের কেউ না
ব্যাখ্যা
শেরে এ-বাংলা এ.কে ফজলুল হক:

- শেরে এ-বাংলা এ.কে ফজলুল হক কলকাতা করপোরেশনের মেয়র ছিলেন
- ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ শেষে ১৮৯০ সালে ফজলুল হক বরিশাল জিলা স্কুল থেকে এন্ট্রান্স, ১৮৯২ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে এফ.এ এবং ১৮৯৪ সালে বি.এ পরীক্ষায় (রসায়ন, গণিত ও পদার্থবিদ্যা তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ) উত্তীর্ণ হন। 
- ১৮৯৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি গণিত শাস্ত্রে এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন
- ১৯১৩ সালে তিনি তাঁর শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী রায়বাহাদুর কুমার মহেন্দ্রনাথ মিত্রকে পরাজিত করে ঢাকা বিভাগ থেকে বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন
- ১৯১৬ থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত হক ছিলেন সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভাপতি। 
- ১৯১৯ সালে হক খিলাফত আন্দোলনে যোগদান করেন।
- বাংলায় দ্বৈতশাসনামলে ১৯২৪ সালে প্রায় ছয়মাসের জন্য হক শিক্ষামন্ত্রী হয়েছিলেন।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৪৫.
'সবুজ বিপ্লব' - এর সাথে সম্পর্কিত নিচের কোনটি?
  1. First Agricultural Revolution
  2. Second Agricultural Revolution
  3. Third Agricultural Revolution
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
সবুজ বিপ্লব (Green Revolution)
সবুজ বিপ্লব (Green Revolution)  বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে উচ্চ ফলনশীল বীজ, সার এবং সেচের পানি ব্যবহারের মাধ্যমে গম, ধান, ভুট্টা প্রভৃতির উৎপাদনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অতি দ্রুত যে বিরাট সাফল্য অর্জিত হয়েছে তাকে ‘সবুজ বিপ­ব’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এখানে বিপ্লব শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে - দ্রুত পরিবর্তন অর্থে।
⤇ এ পরিবর্তন এসেছে প্রচলিত (Conventional) পদ্ধতির চাষাবাদ থেকে অধিক উৎপাদনক্ষম নতুন প্রযুক্তির চাষাবাদে রূপান্তরের মাধ্যমে। এই পরিবর্তন সাধিত হয়েছে নিরবে-নিভৃতে, বিশ্বের অসংখ্য মানুষের ক্ষুধা নিবারণের জন্যে।
⤇  ১৯৫০ ও ৬০ - এর দশকে এই বিপ্লব সংঘটিত হয়। এটি “Third Agricultural Revolution” নামেও অভিহিত করা হয়।
⤇ মার্কিন কৃষিবিদ অধ্যাপক নরম্যান আর্নেস্ট বোরলগকে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয়। তিনি ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
⤇ ১৯৪০ এর দশকে নরম্যান বোরলগ কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের গমের ব্যাপক ফলনের মাধ্যমে এ বিপ্লবের সূচনা হয়। পরবর্তীতে এতে আরও নানা অনুষঙ্গ যুক্ত হয় যার ফলে কয়েক দশকের মধ্যেই বিশ্বে খাদ্য উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।
৩,৩৪৬.
‘Central Bureau of Investigation’ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ভারত
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) সিঙ্গাপুর
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

- CBI (Central Bureau of Investigation) হচ্ছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা।
- CIA (Central Intelligence Agency) এবং FBI (Federal Bureau of Investigation) হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা।
- FSB এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Federalnaya Sluzhba Bezopasnosti. এটি রাশিয়ার একটি গোয়েন্দা সংস্থার নাম।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।

৩,৩৪৭.
পিথাগোরাস একজন
  1. ক) দার্শনিক ও গণিতবিদ
  2. খ) পদার্থবিদ
  3. গ) রসায়নবিদ
  4. ঘ) অর্থনীতিবিদ
ব্যাখ্যা
- বিখ্যাত দার্শনিক ও অঙ্কশাস্ত্রবিদ পিথাগোরাস খ্রিস্টপূর্ব ৫৭০ অব্দে পূর্ব এজিয়ান সাগরে গ্রিক দ্বীপ সামোসে জন্মগ্রহণ করেন।
- বর্তমান গ্রিস রাষ্ট্রেই তাঁর জন্ম হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩,৩৪৮.
'রিয়েল' কোন দেশের মুদ্রার নাম?
  1. ক) লুক্সেমবার্গ
  2. খ) ব্রাজিল
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) মঙ্গোলিয়া
ব্যাখ্যা
সুক্রে - ইকুয়েডরের মুদ্রা 
রিয়েল - ব্রাজিলের মুদ্রা
রিঙ্গিত - মালয়েশিয়ার মুদ্রা
কিয়াট- মিয়ানমারের মুদ্রা
লিরা- তুরস্কের মুদ্রা।

[উৎস: ব্রিটানিকা]
৩,৩৪৯.
আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ কোনটি?  
  1. ফিজি
  2. পালাউ
  3. নাউরু 
  4. ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যা

ভ্যাটিকান সিটি:
- ভ্যাটিকান সিটি  হলো পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র।
- আয়তনে ও জনসংখ্যায় পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম এই দেশটি রোমান ক্যাথলিক চার্চের কেন্দ্র হিসেবে সমাদৃত।
- টাইবার নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত এই দেশটি রোম দ্বারা বেষ্টিত একটি স্থলবেষ্টিত ছিটমহল।
- ১৯২৯ সালে ইতালির সঙ্গে স্বাক্ষরিত লাতেরান চুক্তি অনুযায়ী এই পোপীয় রাষ্ট্র গঠিত হয়।
- এটি ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান।
- এই দেশটি সেনজেন অঞ্চলভুক্ত একটি দেশ। 
- ২০০৪ সাল থেকে ভ্যাটিকান সিটি ইউরোকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করছে। 
- এই দেশটির সরকারি ভাষা হলো লাতিন। 
- সীমিত ভূখণ্ডের কারণে ভ্যাটিকান সিটিতে হাসপাতাল নির্মাণ করা সম্ভব নয়।
- তাই এখানকার মানুষ চিকিৎসার জন্য পুরোপুরি ইতালির রোম শহরের আধুনিক হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: Britannica. 

৩,৩৫০.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ‘কন্টিনজেন্ট ইলেকশন’ প্রক্রিয়ায় ভোট প্রদান করে -
  1. হাউজ অব লর্ডস
  2. হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ
  3. হাউস অব কমনস
  4. হাউজ অব অ্যাসেম্বলি
  5. ফেডারেল অ্যাসেম্বলি
ব্যাখ্যা
ইলেকটোরাল কলেজ:
- ইলেকটোরাল কলেজ হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজের মোট ভোটসংখ্যা ৫৩৮।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে একজন প্রার্থীকে ২৭০টি ইলেকটোরাল কলেজের ভোট পেতে হয়।
- প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জন্য নির্দিষ্টসংখ্যক ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে।
- বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বেশ কিছু রাজনৈতিক দল থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচন ব্যবস্থা দ্বিদলীয়।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচনী প্রতীক গাধা ও রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী প্রতীক হাতি।

উল্লেখ্য,
- নির্বাচনে কোনো প্রার্থীই যদি স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পান, অর্থাৎ প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী ২৬৯-২৬৯ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পান কিংবা তৃতীয় কোনো প্রার্থী ইলেকটোরাল ভোট জেতেন, সে ক্ষেত্রে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি পরিষদ বা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ’ ভোট দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবে।
- এটি ‘কন্টিনজেন্ট ইলেকশন’ নামে পরিচিত।

⇒ কন্টিনজেন্ট ইলেকশন এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে বিজয়ী প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে নির্ধারণ করবে প্রতিনিধি পরিষদ বা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ।
- এ পরিষদে প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিদের থাকবে একটি করে ভোট।
- জয়ী প্রার্থীকে অবশ্যই সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধির ভোট পেতে হবে।
- এর পর কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট ভাইস প্রেসিডেন্টকে নির্বাচিত করবে।
- প্রত্যেক সিনেটরের থাকবে একটি ভোট।
- ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে জিততে প্রার্থীকে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (৫১ ভোট) পেতে হবে।

উৎস: Britannica.
৩,৩৫১.
কোন মহাদেশে দেশের সংখ্যা সর্বাধিক?
  1. এশিয়া
  2. ইউরোপ
  3. আফ্রিকা
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

• আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

» বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩,৩৫২.
হাইফা কোন দেশের প্রধান বন্দরনগরী?
  1. মিশর 
  2. জর্ডান
  3. লেবানন 
  4. ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

◉ হাইফা হলো ইসরায়েলের প্রধান বন্দরনগরী, যা ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত। এটি ইসরায়েলের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দরগুলোর একটি।

ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- হাইফা ইসরায়েলের প্রধান বন্দরনগরী।

সূত্র: Britannica ও Al Jazeera.

৩,৩৫৩.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্র শক্তি ছিল না কোন দেশ?
  1. ব্রিটেন
  2. জাপান
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫): 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে সংঘটিত একটি বৈশ্বিক সংঘাত।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের পর সমস্যাগুলোর সমাধান না হওয়ায় এই সংঘাত শুরু হয়।
- এই যুদ্ধে ৪ থেকে ৫ কোটি মানুষের মৃত্যু হয় যা ইতিহাসের রক্তক্ষয়ী ও বৃহত্তম যুদ্ধ হিসেবে পরিগণিত।

প্রধান পক্ষসমূহ:
- অক্ষ শক্তি: জার্মানি, ইতালি, জাপান।
- মিত্র শক্তি: ফ্রান্স, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং কিছুটা চীন।

উৎস: Britannica. 
৩,৩৫৪.
যুদ্ধে 'দাহিয়া ডকট্রিন' প্রয়োগ করে কোন দেশ?
  1. রাশিয়া
  2. আমেরিকা
  3. লেবানন
  4. ইসরাইল
  5. ইরান
ব্যাখ্যা
দাহিয়া ডকট্রিন: 
- যুদ্ধে 'দাহিয়া ডকট্রিন' প্রয়োগ করে ইসরাইল। 

- ‘দাহিয়া ডকট্রিনের’ প্রবর্তক ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তৎকালীন নর্দান কমান্ডের প্রধান জেনারেল গাদি আইজেনকট।
- অবসরে যাওয়ার আগে তিনি ২০১৯ সালে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হয়েছিলেন।
- বেসামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞ নতুন কিছু নয়।
- বরং নিজেদের যুদ্ধনীতির অংশ হিসেবেই ইহুদি রাষ্ট্রটি এমন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে থাকে।
- তাদের এই যুদ্ধনীতি ‘দাহিয়া (দাহিয়েহ) ডকট্রিন’ হিসেবে পরিচিত।
- এই যুদ্ধনীতি ইসরায়েল প্রথম গাজায় প্রয়োগ করেনি।
- এই যুদ্ধনীতি প্রথম প্রয়োগ করা হয়েছিল লেবাননে,
- দাহিয়া শব্দটি এসেছে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠের দাহিয়া এলাকার নাম থেকে।
- এলাকাটি দাহিয়েহ নামেও পরিচিত।
- দাহিয়াতে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সদর দপ্তর।
- ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ২০০৬ সালের যুদ্ধে দাহিয়াকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়।
- ২০২৪ সালের অক্টোবরের শুরু থেকে সেই লেবাননে আবার কুখ্যাত এই যুদ্ধনীতি প্রয়োগ শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
- ইতিমধ্যে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল এবং দেশটির রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠের বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইসরায়েল।

উৎস: প্রথম আলো (১৫ নভেম্বর ২০২৪)
৩,৩৫৫.
Who was the proponent of the 'Honest Neighborhood Policy'?
  1. ক) Bill Clinton
  2. খ) Theodore Roosevelt
  3. গ) John F. Kennedy
  4. ঘ) Franklin D. Roosevelt
ব্যাখ্যা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতির প্রবক্তা।

• ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট (১৮৮২-১৯৪৫):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৩২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।

- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতির প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই হবু সংগঠনের নাম প্রথমবারের মতো “জাতিসংঘ (United Nations)” এই নামটি ব্যবহার করা হয় এবং ফ্রাঙ্কলিন ডি - রুজভেল্ট এই নামকরণ করেন।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৩,৩৫৬.
পবিত্রভূমি বলা হয় কোনটিকে?
  1. মক্কা
  2. জেরুজালেম
  3. জেদ্দা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জেরুজালেম:
- ফিলিস্তিনের জেরুজালেম মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঐতিহাসিক শহর।
- এটি মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি।
- এখানেই আছে তিন ধর্মের পবিত্র স্থাপনা, যেমন: ওয়েস্টার্ন ওয়াল, চার্চ অব দি হলি সেপালচার, দি ডোম অব দি রক, আল আকসা মসজিদ।
- ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন উভয়ই জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে।
- ফলে জেরুজালেম এখন দুই রাষ্ট্র তথা মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

⇒ হযরত ঈসা (আ) এর জন্মভূমি: জেরুজালেমের বেথেলহামে হযরত ঈসা (আ) জন্মগ্রহণ করেন। যার জন্য জেরুজালেম খ্রিষ্টানদের নিকট অধিক পছন্দনীয়। আর এজন্যই জেরুজালেম নগরী খ্রিষ্টানদের নিকট পবিত্র হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ জেরুজালেম বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর স্মৃতি বিজড়িত স্থান ছিল। মহানবী (স) মিরাজের রাতে মসজিদুল হারাম থেকে আল আকসা মসজিদে এসেছিলেন এবং এখান থেকে তিনি মিরাজে গমন করেন। এজন্য মুসলমানদের নিকট জেরুজালেম এত পবিত্র। জেরুজালেমে মুসলমানদের পবিত্র আল আকসা মসজিদ অবস্থিত যা মুসলমানদের স্মৃতি বিজড়িত স্থান। মসজিদুল আকসা (আল আকসা মসজিদ) বা বাইতুল মুকাদ্দাস ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। এই মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের প্রথম কিবলা ছিল। 

⇒ জেরুজালেম ইহুদিদের মুসা (আ) ও দাউদ (আ) এর স্মৃতি বিজড়িত স্থান। এখানে ইহুদিদের পবিত্র স্থান টেম্পল মাউন্ট অবস্থিত। মূলত ইহুদিদের কাছে হারাম আল শরিফ এলাকাটির নাম টেম্পল মাউন্ট এবং এটিই তাদের ধর্মে সবচাইতে পবিত্র স্থান। এখানেই ইহুদিদের প্রথম ও দ্বিতীয় পবিত্র মন্দির অবস্থিত ছিল বলে বিশ্বাস করা হয় যা ৭০ খ্রিষ্টাব্দে রোমানদের জেরুজালেম অবরোধের সময় ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।

তাই জেরুজালেমকে পবিত্র ভূমি বলা হয়।

উৎস: Britannica.
৩,৩৫৭.
ব্রিটেনের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ নিচের কোন দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান?
  1. ক) দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) আয়ারল্যান্ড
  4. ঘ) মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
অস্ট্র্রেলিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান হলেন ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।
বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নিউজিল্যান্ড সহ বিশ্বের ১৬টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ।
(সূত্র: অস্ট্রেলিয়া ও ব্রিটেনের সরকারি ওয়েবসাইট)
৩,৩৫৮.
২০০৪ সালে ইউক্রেনে সংঘটিত বিপ্লব কী নামে পরিচিত?
  1. ক) টিউলিপ বিপ্লব
  2. খ) জেসমিন বিপ্লব
  3. গ) রোজ বিপ্লব
  4. ঘ) অরেঞ্জ বিপ্লব
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ বিপ্লব – ইউক্রেন (২০০৪)
জেসমিন বিপ্লব – তিউনেশিয়া (২০১১)
রোজ বিপ্লব – জর্জিয়া (২০০৩)
টিউলিপ বিপ্লব – কিরগিজস্তান (২০০৫)।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৩,৩৫৯.
'কান্টাস এয়ারলাইন' কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. জার্মানি
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
- কান্টাস এয়ারলাইন, অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিমান সংস্থা।

বিমান সংস্থা:
- 'লুফথানসা' জার্মান ভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিমান সংস্থা।
- এয়ার ফ্রান্স, ফ্রান্স ভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিমান সংস্থা।
- এরোফ্লট রাশিয়া ভিত্তিক বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিমান সংস্থা।

উৎস: World Atlas.
৩,৩৬০.
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রাজধানীর নাম -
  1. মংডু
  2. গওয়া
  3. সিতওয়ে
  4. আন
ব্যাখ্যা

মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত।
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- মিয়ানমারের জাতীয় সংসদ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট।

⇒ প্রশাসনিকভাবে, মিয়ানমার সাতটি রাজ্য, সাতটি অঞ্চল এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত (Nay Pyi Taw)। রাজ্যগুলো হল:
১. কাচিন রাজ্য- (রাজধানী: কাচিন)।
২. কায়াহ রাজ্য- (রাজধানী: লোপেইয়া)।
৩. কিন্টা রাজ্য- (রাজধানী: হেপি)।
৪. চিন রাজ্য- (রাজধানী: হাক্কা)।
৫. মোন রাজ্য- (রাজধানী: মারগু)।
৬. রাখাইন রাজ্য- (রাজধানী: সিতওয়ে)।
৭. শান রাজ্য- (রাজধানী: তালিঙ্গি)।

উৎস: Britannica.

৩,৩৬১.
মিশরের বর্তমান রাজধানীর নাম কী?
  1. আন্তানা
  2. কায়রো
  3. ব্রাসেলস
  4. টরেন্টো
ব্যাখ্যা
মিশর:
- এটি উত্তর-পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ।
- আয়তন: ৩৮৪,৭৮৮ বর্গ মাইল (৯৯৬,৬০৩ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: কায়রো।
- ভাষা: আরবি (সরকারি)।
- ধর্ম: ইসলাম (সরকারি; প্রধানত সুন্নি) ও এছাড়াও খ্রিস্টধর্ম।
- মুদ্রা: মিশরীয় পাউন্ড।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৩৬২.
আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে ছোট দেশ কোনটি?
  1. চিলি
  2. সুরিনাম
  3. পেরু
  4. বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
সুরিনাম:
- সুরিনাম আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে ছোট দেশ।
- আয়তন: ৬৩,২৫১ বর্গ মাইল (১৬৩,৮২০ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: পারমারিবো।
- ভাষা: ডাচ (অফিসিয়াল), ইংরেজি, স্রানান (একটি ক্রেওল ভাষা), জাভানিজ, সারনামি (হিন্দি এবং উর্দু থেকে উদ্ভূত)।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (বেশিরভাগই রোমান ক্যাথলিক এবং মোরাভিয়ান), হিন্দু ধর্ম, ইসলাম, ঐতিহ্যগত বিশ্বাস।
- মুদ্রা: সুরিনাম ডলার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৩৬৩.
এথেন্স ও স্পার্টার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়, তা ইতিহাসে কী নামে পরিচিত?
  1. মেসিডোনিয়ান যুদ্ধ
  2. পেলোপনেসিয়ার যুদ্ধ
  3. ট্রান্স আলপাইন যুদ্ধ 
  4. দ্বিতীয় পিউনিক যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

পেলোপনেসিয়ার যুদ্ধ: 
- জ্ঞান-বিজ্ঞান, দর্শন, সাহিত্য ও রাজনীতি সর্বক্ষেত্রে বিশ্বসভ্যতায় অবিস্মরণীয় অবদান রাখা নগররাষ্ট্র এথেন্সের পতন হয় সামরিক নগররাষ্ট্র স্পার্টার কাছে।
- এথেন্স ও স্পার্টা উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়, তা ইতিহাসে পেলোপনেসিয়ার যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ৪৬০ থেকে ৪০৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত মোট তিনবার এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে দুই রাষ্ট্র পরস্পরের মিত্রদের নিয়ে জোট গঠন করে।
- এথেন্সের মিত্র রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত জোটের নাম ছিল 'ডেলিয়ান লীগ'।
- অপরদিকে স্পার্টা তার মিত্রদের নিয়ে যে জোট গঠন করে, তার নাম ছিল 'পেলোপনেসীয় লীগ'।
- এই মরণপণ যুদ্ধে এথেন্সের মান-মর্যাদা ও স্বাধীনতা বিলীন হয়ে যায়।
- ৩৬৯ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে এথেন্স চলে যায় স্পার্টার অধীনে। 
- ৩৩৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মেসিডোনের (গ্রিস) রাজা ফিলিপ থিরাস দখল করে নিলে এথেন্স মেসিডোনের অধীনে চলে যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) মেসিডোনিয়ান যুদ্ধ:
রোম ও মেসিডোনিয়ার মধ্যে খ্রিস্টপূর্ব ৩য় ও ২য় শতকে সংঘটিত যুদ্ধ, যা রোমান প্রভাব গ্রীসে বিস্তারে সহায়তা করে।

গ) ট্রান্স আলপাইন যুদ্ধ:
রোমানরা আলপস পার হয়ে গল (বর্তমান ফ্রান্স) অঞ্চলে যে সামরিক অভিযান চালায় তাকে ট্রান্স-আলপাইন যুদ্ধ বলা হয়।

ঘ) দ্বিতীয় পিউনিক যুদ্ধ:
রোম ও কার্থেজের মধ্যে খ্রিস্টপূর্ব ২১৮–২০১ সালের যুদ্ধ, যেখানে কার্থেজের সেনাপতি হ্যানিবল আলপস পার হয়ে রোম আক্রমণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৩,৩৬৪.
হংকং কত সালে চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

• হংকং:
- হংকং চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল।
- এটি দক্ষিণ চীন সাগরের তীরে অবস্থিত।
- ১৮৪২ সালে নানকিং চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটিশরা হংকং দ্বীপটি চীন থেকে অধিকার করে নেয়। এটি ছিল দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ এর ফলস্বরূপ।
- ১৯৯৭ সালে, "এক দেশ, দুই ব্যবস্থা" নীতির আওতায় হংকং চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয়। 

⇒ ১৯৯৭ সালে, হংকং চীনের বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল (SAR) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মানে হল যে, হংকং চীনের অংশ হলেও এটি স্বায়ত্তশাসিত এবং এতে নিজস্ব আইন এবং প্রশাসন রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- হংকং কে কেন্দ্র করে চীনে 'এক দেশ দুই নীতি' চালু হয় ১৯৯৭ সালে এবং এই নীতি চালু থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।

তথ্যসূত্র: Britannica.

৩,৩৬৫.
প্রথম আরব ইসরায়েল যুদ্ধ সংঘটিত হয় -
  1. ১৯৪৬ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
  5. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:

১ম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- ইসরায়েল এবং আরব রাষ্ট্রসমূহ ও ফিলিস্তিনি আরব বাহিনীর গুলোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনী মধ্যে সংঘটিত হয়।

২য় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এই যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৫৬ সালে।

৩য় আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- ১৯৬৭ সালে ইসরাইল পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ৬ দিন।

৪র্থ আরব ইসরাইল যুদ্ধ:
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- Yom Kippur War নামে পরিচিত ৪র্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধ।
- ইহুদিদের পবিত্র দিন ইয়োম কিপুরের সময় ইসরায়েল-অধিকৃত অঞ্চলে আরব জোটের অতর্কিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধ শুরু হয়।

উৎস: Worldatlas.com
৩,৩৬৬.
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা

• চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (Cultural Revolution):
- ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং- এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- এটি ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয়।
- এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- সমগ্র চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই
বিপ্লব শুরু হয়।
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

উৎস: Britannica.com

৩,৩৬৭.
সম্প্রতি জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে দেওয়া স্বীকৃতি ফিরিয়ে নিয়েছে কোন দেশ?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে দেওয়া স্বীকৃতি ফিরিয়ে নিয়েছে।
▪ সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের সরকারের নেওয়া ২০১৮ সালের ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে দেশটি।
▪ অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং বলেন, সরকার অস্ট্রেলিয়ার পূর্ববর্তী ও দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান পুনরায় নিশ্চিত করছে যে
▪ জেরুজালেমের স্ট্যাটাস (কার নিয়ন্ত্রণে থাকবে) কী হবে, সেটি একটি চূড়ান্ত ইস্যু। এটি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি জনগণের মধ্যে যেকোনো শান্তি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ এবং প্রথম আলো।
৩,৩৬৮.
কোপেন হেগেন কোন দেশের রাজধানী?
  1. ডেনমার্ক
  2. বেলজিয়াম
  3. ভিয়েতনাম
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
ডেনমার্ক:
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমের দেশ ডেনমার্ক।
- ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে ডেনমার্ক স্ক্যান্ডিনেভীয়র একটি অংশ।
- দেশটির রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর কোপেনহেগেন।
- এছাড়া আরাফাস, আলব্রোগা দেশটির বৃহত্তম শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- ডেনমার্কের আয়তন ৪২,৯২৪ বর্গকিলোমিটার।
- ডেনমার্কের রাষ্ট্র ভাষা 'ডেনীয়'।
- ডেনমার্কের বর্তমান জাতীয় পতাকা ১২১৯ সাল থেকে প্রচলিত।

অন্যদিকে -
- বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলস।
- ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়।
- আর্মেনিয়ার রাজধানী ইয়েরেভান।
- সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে।

উৎস: Britannica.
৩,৩৬৯.
যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. বরিস জনসন
  2. লিজ ট্রাস
  3. ঋষি সুনাক 
  4. কিয়ার স্টারমার
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
- ২০২৪ সালে যুক্তরাজ্যে জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমারকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছেন ব্রিটেনের রাষ্ট্রপ্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস। 
-  নির্বাচনে ৪১২টি আসনে জয় পেয়েছে লেবার পার্টি।
- কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১২১টি আসন।
- সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য কোনো দলের প্রয়োজন হয় ৩২৬ আসন।
- এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্যে টানা ১৪ বছর পর ক্ষমতা থেকে সরে গেল কনজারভেটিভ পার্টি।

উৎস: বিবিসি এবং প্রথম আলো।

৩,৩৭০.
'Liberty, Equality and Fraternity' কোন বিপ্লবের স্লোগান ছিল?
  1. ক) ফরাসি বিপ্লব
  2. খ) রুশ বিপ্লব
  3. গ) ভেলভেট বিপ্লব
  4. ঘ) চীনের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব
ব্যাখ্যা
⇨ ১৭৮৯ সালে পৃথিবী কাঁপানো ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
⇨ এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ফ্রান্সের শত বছরের পুরনো রাজতন্ত্র ও সামন্তব্যবস্থা ভেঙে জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
⇨ ১৪ জুলাই ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দূর্গে আক্রমণের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ঘটে। বাস্তিল দূর্গ ছিলো একটি রাজকীয় কারাগার।
⇨ ফরাসি বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সের তৎকালীন রাজা ষোড়শ লুইস - এর পতন ঘটে।
⇨ ফরাসি বিপ্লবের শ্লোগান ছিলো স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব (Liberty, Equality, Fraternity)।
⇨ নেপোলিয়ান বোনাপার্টকে ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয়।

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।
৩,৩৭১.
Which country is also known as 'Land of Midnight Sun'?
  1. Canada
  2. Denmark
  3. Finland
  4. Norway
  5. Sweden
ব্যাখ্যা
নিশীথ সূর্যের দেশ:
- নিশীথ সূর্যের দেশ: নরওয়ে।

অন্যদিকে,
⇒  পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম -
- বজ্রপাতের দেশ: ভুটান।
- সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
- নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
- শান্ত দেশ: কোরিয়া।
- সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
- সোনালী প্যাডোডার দেশ: মিয়ানমার।
- ধীবরের দেশ: নরওয়ে।
- হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
- নীল নদের দেশ: মিশর।
- মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
- চীর সবুজের দেশ: নাটাল (দ: অাফ্রিকা)।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- মেডিটেরিয়ানের দেশ: জিব্রাল্টার।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- বহ্মদেশ: মিয়ানমার।
- দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন: নিউজিল্যান্ড।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
- ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) Britannica.
৩,৩৭২.
Babri Mosque of India was destroyed in the year-
  1. ক) 1992
  2. খ) 1990
  3. গ) 1993
  4. ঘ) 1994
ব্যাখ্যা
বাবরি মসজিদ:

- ১৫২৮-২৯ খ্রিষ্টাব্দে মুঘল সম্রাট জহিরউদ্দিন মুহম্মদ বাবর বাবরি মসজিদ নির্মান করেন।
- এটি ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যা নগরীতে অবস্থিত ছিল।
- ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর উগ্রবাদী হিন্দুগোষ্ঠী ঐতিহাসিক এ মসজিদটি ভেঙ্গে ফেলে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৩৭৩.
ভিয়েতনামকে বলা হয় -
  1. Sugar Bowl of the World
  2. Land of proteas
  3. Country of copper
  4. The Tiger of Bicycle
ব্যাখ্যা
The Tiger of Bicycle:
- 'The Tiger of Bicycle' বলা হয় ভিয়েতনামকে।

⇒ ভিয়েতনাম:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ ভিয়েতনাম।
- দেশটিতে একদলীয় সমাজতান্ত্রিক শাসন বিদ্যমান।
- ১৯৭৫ সালে দক্ষিণ ভিয়েতনাম দখল করে সমাজতান্ত্রিক উত্তর ভিয়েতনাম।
- এর মাধ্যমে একক সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ দেশটি।
- রাষ্ট্রীয় নাম: সোশালিস্ট রিপাবলিক অব ভিয়েতনাম।
- রাজধানী: হ্যানয়।
- বৃহত্তম নগরী: হো চি মিন শহর।
- ভাষা: ভিয়েতনামিজ।
- মুদ্রা: ভিয়েতনামি ডং।

অন্যদিকে,
- Sugar Bowl of the World: কিউবা।
- Land of proteas: দক্ষিণ আফ্রিকা।
- Country of copper: জাম্বিয়া।

উৎস: Britannica.
৩,৩৭৪.
জিব্রাল্টার কোন দেশের ওভারসিজ টেরিটরি?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. মরক্কো
  3. যুক্তরাজ্য
  4. পর্তুগাল
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার:
- জিব্রাল্টার হলো যুক্তরাজ্যের (United Kingdom) বা ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি।
- এটি ভূমধ্যসাগরের প্রবেশপথে আইবেরিয়ান উপদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত।
- এর উত্তরে স্পেনের আন্দালুসিয়ার সাথে সীমান্ত রয়েছে।

⇒ জিব্রাল্টার নামটি নেওয়া হয়েছে আরবি জবাল তারিক বা তারিকের পাহাড় থেকে। 
- ১৭০৪ সালে স্পেনের কাছ থেকে জ্রিব্রাল্টার দখল করে ব্রিটিশরা।
- এর পর থেকেই অঞ্চলটি ব্রিটিশদের দখলে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি রয়েল নেভির গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল।

⇒ ওভারসিজ টেরিটরি:
- ওভারসিজ টেরিটরি (Overseas Territory) হলো এমন একটি ভৌগোলিক অঞ্চল যা একটি সার্বভৌম দেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এবং সেই দেশের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও এখতিয়ারের অধীনে থাকে, কিন্তু মূল ভূখণ্ডের অংশ নয়।
- এগুলোর নিজস্ব সরকার ও স্বায়ত্তশাসন থাকতে পারে, তবে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি সাধারণত নিয়ন্ত্রণকারী দেশের হাতে থাকে।
- ১৪টি ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরিগুলো হলো: অ্যাঙ্গুইলা, বারমুডা, ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক টেরিটরি, ব্রিটিশ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল, ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ, কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, জিব্রাল্টার, মন্টসেরাট, পিটকেয়ার্ন দ্বীপপুঞ্জ, সেন্ট হেলেনা, অ্যাসেনশন ও ট্রিস্তান দা কুনহা, দক্ষিণ জর্জিয়া ও দক্ষিণ স্যান্ডউইচ দ্বীপপুঞ্জ, আক্রোটিরি ও ধেকেলিয়া সার্বভৌম সামরিক ঘাঁটি, এবং টার্কস অ্যান্ড কাইকোস দ্বীপপুঞ্জ।

উৎস:  Britannica.

৩,৩৭৫.
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান বর্তমান কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ইরান
  2. সিরিয়া
  3. লেবানন
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা
• ব্যাবিলনীয় সভ্যতা:
- পৃথিবীতে প্রথম লিখিত আইনের উদ্ভব হয় এই সভ্যতার সময়ে।
- ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সবচেয়ে বড় অবদান হল - আইন প্রণয়ন ও সংকলন।
- পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে ব্যাবিলনের উত্তরে গাথুর শহরে।
- এটি ছিল ভ্রমণকারীদের পথনির্দেশক মানচিত্র।
- পৃথিবীর প্রথম লিখিত আইন প্রণেতা যা - "Code of Hammurabi' নামে পরিচিত।
- এটি থেকে ধারনা করা হয় পৃথিবীর আদি মানচিত্রব্যাবিলনীয়রা অঙ্কন করেছিলো।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান বর্তমান ইরাকে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর অন্যতম সপ্তম আশ্চর্যের একটি।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭ম শতকে নব্য ব্যাবিলনীয় সভ্যতার সময় রাজা নেবুচাদনেজার তার রাণীর সন্তুষ্টির জন্যে এটি নির্মাণ করেন।
- ব্যাবিলন নগরের দেয়ালের উপর মনোরম এই বাগানটি তৈরি করা হয়।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়ন ঘটিয়ে চাঁদ পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যাবিলনীয়রা চন্দ্রপঞ্জিকা তৈরি করেছিল।
- যদিও আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ মানচিত্র গ্রীকরা প্রথম অঙ্কন করে।
- হাম্বুরাবির মৃত্যুর পর ব্যবলনীয় সভ্যতা তার প্রভাবের সাথে খুব বেশী দিন টিকতে পারে নি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৩৭৬.
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কী?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. জন এফ কেনেডি
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। এই দিনটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৫০টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে। সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য ছিল হাওয়াই। পতাকায় ৫০টি তারা রয়েছে, যা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা হচ্ছে কংগ্রেস, এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ হলো সিনেট পরিষদ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট, জো বাইডেন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন, যিনি কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় ফ্রান্স। ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন, যিনি ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করেন। আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট।

সূত্র - Britannica.com
৩,৩৭৭.
গ্রীক সভ্যতার দুটি প্রধান ধারা কোনটি?
  1. মিনোয়ান ও মাইসিনীয়
  2. রোমান ও ইজিয়ান
  3. এথেন্স ও স্পার্টা
  4. ট্রয় ও থিবস
ব্যাখ্যা

গ্রীক সভ্যতা (Greek Civilization):
- গ্রিসের প্রধান সভ্যতাটি মূলত এজিয়ান সাগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল বলে একে 'এজিয়ান সভ্যতা'ও বলা হয়।
- এর দুটি প্রধান ধারা ছিল মিনোয়ান (ক্রিট দ্বীপ) এবং মাইসিনীয় (মূল ভূখণ্ড)।
• হোমারের মহাকাব্য: বিখ্যাত  কবি হোমারের 'ইলিয়াড' ও 'ওডিসি' মহাকাব্য দুটিতে এই প্রাচীন গ্রীক বীরত্ব, ট্রোজান যুদ্ধ এবং সভ্যতার কাহিনী বর্ণিত আছে।
• নগর রাষ্ট্র (City States): গ্রিস অসংখ্য পাহাড় ও উপত্যকায় বিভক্ত থাকায় সেখানে কোনো একক সাম্রাজ্যের পরিবর্তে ছোট ছোট 'নগর রাষ্ট্র' বা 'পলিস' গড়ে উঠেছিল। এথেন্স ও স্পার্টা ছিল এদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রতিদ্বন্দ্বী।

• এথেন্সকে বিশ্বের 'গণতন্ত্রের সূতিকাগার' বলা হয়।
- এথেন্সের বিপরীতে স্পার্টা ছিল একটি কঠোর সামরিক রাষ্ট্র। তাদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মূল লক্ষ্যই ছিল দক্ষ সৈনিক তৈরি করা।
- গ্রীকরা স্থাপত্যে অসামান্য দক্ষতা দেখিয়েছিল। এথেন্সের অ্যাক্রোপলিসে অবস্থিত 'পার্থেনন' মন্দিরটি তাদের স্থাপত্যকলার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

এছাড়াও,
• গ্রীকরা আধুনিক দর্শনের ভিত্তি স্থাপন করে। সক্রেটিস, প্লেটো এবং অ্যারিস্টটলের দর্শন আজও বিশ্বজুড়ে পঠিত। এছাড়া পীথাগোরাস (গণিত) এবং হিপোক্রেটিসকে (চিকিৎসা বিজ্ঞান) তাদের শ্রেষ্ঠ অবদানের জন্য স্মরণ করা হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৭৬ অব্দে অলিম্পিয়া নামক স্থানে দেবতাদের রাজা 'জিউস'-এর সম্মানে প্রথম অলিম্পিক গেমস শুরু হয়।
- গ্রীকরা বহু ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিল। প্রধান দেবতাদের মধ্যে ছিলেন জিউস (আকাশ ও বিদ্যুৎ), অ্যাপোলো (সূর্য), অ্যাথেনা (প্রজ্ঞা) এবং পসাইডন (সমুদ্র)।

• পেরিক্লিসের স্বর্ণযুগ: পেরিক্লিসের শাসনকালকে গ্রীক ইতিহাসের 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়। এই সময়েই সাহিত্য, শিল্পকলা এবং বিজ্ঞানের চরম বিকাশ ঘটে।
- মহাবীর আলেকজান্ডারের দিগ্বিজয়ের ফলে গ্রীক সংস্কৃতি প্রাচ্যের (মিশর ও পারস্য) সংস্কৃতির সাথে মিশে যায়, যা 'হেলেনিস্টিক সংস্কৃতি' নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৩৭৮.
Which country is situated in South America?
  1. ক) Sao Tome and Principe
  2. খ) Suriname
  3. গ) Madagascar
  4. ঘ) Cape Verde
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ আমেরিকা (South America): 
- আয়তনে চতুর্থ বৃহত্তম মহাদেশ দক্ষিণ আমেরিকা। 
- এ মহাদেশ দেখতে ত্রিকোণোকৃতির । 
- এ মহাদেশের সর্বোচ্চ স্থান আকাঙ্কাগুয়া। 
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ ১৪টি দেশ নিয়ে গঠিত। 
- এর মধ্যে আয়তনে বৃহত্তম ব্রাজিল এবং ক্ষুদ্রতম সুরিনাম। 
- ফকল্যান্ড দ্বীপ এ মহাদেশে অবস্থিত। 
- দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম এবং পৃথিবীর প্রশস্ততম নদী আমাজান। 
- এ মহাদেশের অন্তর্গত ইকুয়েডরকে ‘চির বসন্তের দেশ' বলা হয়। 
- নিরক্ষরেখা দেশটির উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে। 

সূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও World Atlas।
৩,৩৭৯.
Stephen Hawking is best known for the study of?
  1. Comet
  2. Galaxy
  3. Quasars
  4. Black Holes
ব্যাখ্যা
• স্টিফেন হকিং ব্ল্যাক হোলের গবেষণার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

স্টিফেন হকিং:
- তিনি ৮ জানুয়ারী, ১৯৪২ সালে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৭ বছর বয়সে তিনি অক্সফোর্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজে ভর্তি হন। তিনি গণিত অধ্যয়ন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পদার্থবিদ্যা অধ্যয়ন অবলম্বন. তিনি পিএইচডি করেছেন।
- তিনি ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের লুকাসিয়ান অধ্যাপক হিসাবে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৭০ সালে, ডক্টর হকিং ব্ল্যাক হোলের বৈশিষ্ট্য নিয়ে কাজ শুরু করেন।
- তার গবেষণার ফলস্বরূপ, এটি ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল যে ব্ল্যাক হোল স্পেকট্রামের এক্স-রে থেকে গামা-রে পরিসরে বিকিরণ নির্গত করে।
- তিনি এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম অ্যান্ড ব্ল্যাক হোলস এবং বেবি ইউনিভার্স এবং অন্যান্য প্রবন্ধের মতো বইও লিখেছেন।

তথ্যসূত্র - নাসা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৩৮০.
১ম বিশ্বযুদ্ধে "অক্ষশক্তির" দেশ নিচের কোনটি?
  1. রাশিয়া
  2. বুলগেরিয়া
  3. বেলজিয়াম
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ:
- অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যান্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

⇒ যুদ্ধে অক্ষ শক্তিজোট:
- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া

⇒ মিত্রশক্তি জোট:
- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & History.com

৩,৩৮১.
বলশেভিক বিপ্লব কার নেতৃত্বে হয়েছিল?
  1. আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি
  2. কার্ল মার্কস
  3. ভ্লাদিমির লেনিন
  4. মিখাইল গর্ভাচেভ
ব্যাখ্যা
• বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

উল্লেখ্য,
• ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে - রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে এবং জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের নেতৃত্ব ছিলেন - আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি (Aleksandr F. Kerensky)।

উৎস: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।
৩,৩৮২.
কোন দেশটির আইনসভা এককক্ষ বিশিষ্ট?
  1. পাকিস্তান
  2. ভুটান
  3. ইরান
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
• ইরান: মজলিস/ অ্যাসেম্বলি,
• ইরাক: মজলিস আল-নওয়াব আল-ইরাকি,
​• সৌদি আরব: মজলিস-এ-শূরা,
• ফিনল্যান্ড: এসডুস্কুন্টা,
​• ডেনমার্ক: ফোকেটিং,
• সুইডেন: রিকসড্যাগ,
​- চীন: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।
​• বাংলাদেশ: জাতীয় সংসদ,
​• মালদ্বীপ: মজলিস/ পার্লামেন্ট,
• ইসরাইল: নেসেট/ অ্যাসেম্বলি,
• ইউক্রেন: ভারখোরনা রাডা,

​⇒ দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
​• পাকিস্তান: মজলিস-এ- শূরা (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
​• ভুটান: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল কাউন্সিল, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
​• মিয়ানমার: ইউনিয়ন অ্যাসেম্বলি (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, নিম্ন কক্ষ: পিপলস অ্যাসেম্বলি)।

উৎস: Britannica.

৩,৩৮৩.
ওপেন বলকান এর অন্তর্ভুক্ত দেশ নয় কোনটি?
  1. আলবেনিয়া
  2. কসোভো
  3. উত্তর মেসিডোনিয়া
  4. সার্বিয়া
ব্যাখ্যা
বলকান রাষ্ট্র:
- বলকান রাষ্ট্রগুলি হলো ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের একটি গ্রুপ, যা বলকান উপদ্বীপে অবস্থিত।
- এই অঞ্চলে একাধিক দেশের সমষ্টি রয়েছে, এবং এগুলির মধ্যে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, জাতিগত এবং ঐতিহাসিক বৈচিত্র্য রয়েছে।
- ওপেন বলকান হল বলকান অঞ্চলের তিনটি সদস্য রাষ্ট্রের একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অঞ্চল, যেগুলি হল আলবেনিয়া , উত্তর মেসিডোনিয়া এবং সার্বিয়া ।

বলকান রাষ্ট্রের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
- আলবেনিয়া
- বসনিয়া ও হেরজেগোভিনা
- বুলগেরিয়া
- ক্রোয়েশিয়া
- কসোভো
- মন্টেনেগ্রো
- উত্তর মেসিডোনিয়া
- রোমানিয়া
- সার্বিয়া
- স্লোভেনিয়া
- গ্রীস ও তুরস্ক ভৌগোলিকভাবে আংশিক বলকান অঞ্চলে অবস্থিত

উৎস: Britannica
Open Balkan ওয়েবসাইট।
৩,৩৮৪.
সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR) ভেঙে যায় কবে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়ন:
- ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের পর ১৯২২ সালে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ, তাঁর পদত্যাগের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়।

উল্লেখ্য,
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যে ১৫টি রাষ্ট্র গঠিত হয়: রাশিয়া, বেলারুশ, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, কিরগিজিস্তান,
তাজিকিস্তান, আজারবাইজান, মলদোভা, আর্মেনিয়া, লিথুনিয়া, কাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান, জর্জিয়া, ইউক্রেন ও তুর্কমেনিস্তান।

উৎস: Britannica.
৩,৩৮৫.
নিচের কোন দেশটির লিখিত কোন সংবিধান নেই?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. সৌদি আরব
  4. বর্নিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- সংবিধান হচ্ছে জাতির পবিত্রতম দলিল।
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের মৌলিক আইন।
- সংবিধান সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার বণ্টন ও পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ করে থাকে। 

- লিখিত সংবিধান: লিখিত সংবিধান বলতে সেই সংবিধানকে বুঝায় যার ধারা বা নিয়মাবলী কোন দলিলে লিপিবদ্ধ করা থাকে।
- যেমন : বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র প্রভৃতি দেশের সংবিধান লিখিত সংবিধান।

- অলিখিত সংবিধান : অলিখিত সংবিধান বলতে সেই সংবিধানকে বুঝায় যার ধারা বা নিয়মাবলী কোন দলিলে লিপিবদ্ধ থাকে না।
- যেমন : যুক্তরাজ্য, নিউজিল্যান্ড, ইসরাইল, সৌদি আরব প্রভৃতি দেশের সংবিধান অলিখিত সংবিধান।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।[link]
৩,৩৮৬.
কোনটিকে বুর্জোয়া বিপ্লব বলা হয়?
  1. বলশেভিক বিপ্লব
  2. চীনা বিপ্লব
  3. ফরাসি বিপ্লব
  4. ইরানি বিপ্লব
ব্যাখ্যা
- বু্র্জোয়া বিপ্লব হলো অভিজাত বা ধনিক শ্রেণী দ্বারা সংঘটিত বিপ্লব। ১৭৮৯ সালে ফ্রান্সে সংঘটিত ফরাসি বিপ্লব ছিলো এমনি একটি বুর্জোয়া বিপ্লব।
- এই বিপ্লবের দ্বারা ফ্রান্সের শত বছরের পুরনো রাজতন্ত্র ও সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থার পতন ঘটে জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
- ১৪ জুলাই ১৭৮৯ সালে বাস্তিল দূর্গে আক্রমণের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা ঘটে।
- ফরাসি বিপ্লবের ফলে ফ্রান্সের তৎকালীন রাজা ষোড়শ লুই এর পতন ঘটে।
- ফরাসি বিপ্লবের শ্লোগান ছিলো ‘স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব’।
- নেপোলিয়ান বোনাপার্টকে ‘ফরাসি বিপ্লবের শিশু’ বলা হয়।
অন্যদিকে,
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব এবং ১৯৪৯ সালে চীনা বিপ্লব ছিলো সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৩,৩৮৭.
লিটল কর্পোরেল কার উপাধি?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. অ্যাডলফ হিটলার
  3. মার্টিন লুথার কিং
  4. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
ব্যাখ্যা

নেপোলিয়ন বোনাপার্ট:
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন খ্যাতনামা সামরিক নেতা।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্টের উপাধি: 'লিটল করপোরাল'।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবের ক্রান্তিলগ্নে ফ্রান্সের হাল ধরেছিলেন এবং ফ্রান্সকে শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত করেন। 
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে। 
- এই যুদ্ধে নেপোলিয়ন ডিউক অফ ওয়েলিংটনের কাছে পরাজিত হন।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়। 
- যেখানে ১৮২১ সালে আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় নেপোলিয়ন মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম ওয়েবসাইট।  

৩,৩৮৮.
’মাওরি’ আদিবাসীদের আবাসস্থল কোথায়?
  1. পাকিস্তান
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. চীন
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

মাওরি: 
- মাওরি হল নিউজিল্যান্ডের একটি পলিনেশীয় জনগোষ্ঠী (আদিবাসী)।
- ১৭৬৯–৭০ সালে, ক্যাপ্টেন জেমস কুক নিউজিল্যান্ডের দুটি প্রধান দ্বীপ পরিভ্রমণ করেন এবং নিউজিল্যান্ডে উপনিবেশ স্থাপনের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন।
- প্রাথমিকভাবে তিমি শিকারি, সিল শিকারি এবং অন্যান্য ইউরোপীয় ব্যবসায়ীদের মাওরিরা স্বাগত জানায়।
- মাসকেট, রোগ, পশ্চিমা কৃষি পদ্ধতি, এবং মিশনারিদের আগমনে মাওরি সংস্কৃতি ও সামাজিক কাঠামো ভেঙে পড়তে শুরু করে।
- ১৮৩০-এর দশকের শেষের দিকে নিউজিল্যান্ড ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং ইউরোপীয় উপনিবেশবাদীদের আগমন ব্যাপকভাবে বাড়ে।
- মাওরি জনগণের ইতিহাস নিউজিল্যান্ডের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

উপজাতি:
→ উইঘুর—চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম সম্প্রদায়।
→ কারেন – স্বাধীনতাকামী মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী উপজাতি।
→ গুর্খা – নেপালের যোদ্ধা জাতি।
→ টোডা - বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের।
→ পশতুন – আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
→ এক্সিমো – সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস। কুকুর চালিত স্লেজ গাড়ি - ব্যবহার করে।
→ পিগমি – পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার উপজাতি।
→ জুলু – দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
→ রেড ইন্ডিয়ান - আমেরিকার আদিবাসী।

উৎস: Britannica. 

৩,৩৮৯.
ফ্রান্সের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব কে দেন?
  1. ক) জুমো কেনিয়াটা
  2. খ) আর্থার ওয়েলেসলি
  3. গ) কিনেথ কাউন্ডা
  4. ঘ) চার্লস ডি গ্যালে
ব্যাখ্যা
ফ্রান্সের স্বাধীনতা যুদ্ধ:

- ফ্রান্সের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন চার্লস ডি গ্যালে।
- জেনারেল শার্ল দ্য গোল ফরাসি (২২শে নভেম্বর, ১৮৯০ - ৯ই নভেম্বর, ১৯৭০)।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিজেকে স্বাধীন ফ্রান্সের একমাত্র নেতা হিসেবে ঘোষণা করে।
- ফ্রান্সে অবস্থানরত জার্মান নাৎসী বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সূচনা করেন।
- ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ছিলেন ৮ জানুয়ারী, ১৯৫৯ সাল থেকে ২৮ এপ্রিল, ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,৩৯০.
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. আরব সাগর
  2. বঙ্গোপসাগর
  3. পারস্য উপসাগর
  4. লোহিত সাগর
ব্যাখ্যা
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ: 
- বঙ্গোপসাগরে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত।

- আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
- যা বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- এই দ্বীপপুঞ্জটি মূলত দুটি বৃহৎ দ্বীপ-গুচ্ছ নিয়ে গঠিত:
- আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ উত্তর দিকে,
- নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ দিকে,
- এই দ্বীপ  দুটি বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের উপকূলের কাছে অবস্থান করে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩,৩৯১.
প্রাচীন গ্রিসে সফিস্ট কাদের বলা হত?
  1. যুক্তিহীন দার্শনিক
  2. নাট্যকার
  3. ইতিহাসবিদ
  4. যুক্তিবাদী দার্শনিক
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গ্রিসের দর্শন: 
- দার্শনিক চিন্তার ক্ষেত্রে গ্রিসের অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছিল।
- পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, প্রতিদিন কীভাবে এর পরিবর্তন ঘটছে এসব ভাবতে গিয়ে গ্রিসে দর্শন চর্চার সূত্রপাত।
- থালেস ছিলেন প্রথম দিককার দার্শনিক।
- তিনিই প্রথম সূর্য গ্রহণের প্রাকৃতিক কারণ ব্যাখ্যা করেন।
- গ্রিসে যুক্তিবাদী দার্শনিকের আবির্ভাব ঘটে যাদের বলা হতো সফিস্ট। 
- এরা বিশ্বাস করতেন যে চূড়ান্ত সত্য বলে কিছু নেই।
- গণতান্ত্রিক নগর রাষ্ট্র এথেন্সের রাজা পেরিক্লিস এদের অনুসারী ছিলেন।
- সক্রেটিস ছিলেন এ চিন্তার দার্শনিকদের মধ্যে সবচেয়ে খ্যাতিমান।
- তার শিক্ষার মূল দিক ছিল- আদর্শ রাষ্ট্র ও সৎ নাগরিক গড়ে তোলা।
- সক্রেটিসের শিষ্য প্লেটো গ্রিক দর্শনকে চরম উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন।
- প্লেটোর শিষ্য এরিস্টটলও একজন বড় দার্শনিক ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৩৯২.
সার্ক কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয় ?
  1. ক) ১৯৭৫
  2. খ) ১৯৮৫
  3. গ) ১৯৮৭
  4. ঘ) ১৯৯০
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC)
- পূর্ণরুপ- South Asian Association for Regional Co-operation (SAARC)
- সার্ক ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ঢাকায়।
- সার্ক ৮ টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। যথা: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা।
- সচিবালয়- কাঠমুন্ড।
- সচিবালয়- ১৭ জানুয়ারী, ১৯৮৭ সালে কাঠমুন্ডতে সচিবালয় স্থাপিত হয়।
- সবর্শেষ সদস্য- আফগানিস্তান।

তথসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (SAARC)
৩,৩৯৩.
'অরেঞ্জ রেভুলেশন' কোন দেশের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. রাশিয়া
  2. মায়ানমার
  3. ইউক্রেন
  4. শ্রীলংকা
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ বিপ্লব (Orange Revolution):
- 'অরেঞ্জ রেভুলেশন' ইউক্রেনের সাথে সম্পৃক্ত।

⇒ অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন।
- এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালের শেষের দিকে এবং ২০০৫ সালের শুরুতে।
- ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
- ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযােগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।
- মূল দাবি: ভোট পুনঃগণনা, নতুন নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন।
- এই আন্দোলনের ফলে ভিক্টর ইউশ্চেঙ্কো (Yushchenko) প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

উৎস: Britannica.
৩,৩৯৪.
'ফকল্যান্ড' দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান কোন মহাসাগরে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- এর অপর নাম ইসলাস মালভিনাস।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি ব্রিটিশ–শাসিত দ্বীপপুঞ্জ।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ৪৮০ কিমি দূরে।
- রাজধানী হল স্ট্যানলি।

উল্লেখ্য,
- ফকল্যান্ড দ্বীপ নিয়ে আর্জেন্টিনা ও ব্রিটেনের মধ্যে যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৮২ সালে।
- যুদ্ধ সংঘটরেন স্থান: ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপ ও দক্ষিণ স্যান্ডইচ দ্বীপ।
- যুদ্ধের ফলাফল: যুক্তরাজ্য বিজয়ী ও ফকল্যান্ড সহ কয়েকটি দ্বীপাঞ্চলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আটলান্টিক সাগরে অবস্থিত বিরোধপূর্ণ ফকল্যান্ড দ্বীপকে আর্জেন্টিনার সমুদ্রসীমার অংশ বলে রায় দিয়েছে জাতিসংঘের মহিসোপানের সীমা নির্ধারণবিষয়ক কমিশন।

তথ্যসূত্র: i) Britannica.
ii) BBC.
iii) প্রথম আলো

৩,৩৯৫.
'এক দেশ দুই নীতি' কোন দেশে চালু আছে?
  1. ভারতে
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. চীনে
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
‘একদেশ, দুই নীতি’:
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ পায় চীন।
- হংকং শাসনের ক্ষেত্রে যে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নীতি অনুসরণ করা হয়ে থাকে, তা বজায় থাকবে।
- হংকং ও চীনের 'এক দেশ দুই নীতি' চালু করে ১৯৯৭ সালে যা থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হংকংয়ে ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা নীতি’ বাস্তবায়ন করা হয়েছিল।
- ব্রিটেন হংকংকে ১৫৬ বছর পর চীনের কাছে হস্তান্তর করে - ১৯৯৭ সালে।

তথ্যসূত্র - চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
৩,৩৯৬.
'তেনজিন গিয়াতসো' নামে পরিচিত -
  1. ক) বুদ্ধদেব বসু 
  2. খ) অতীশ দীপঙ্কর
  3. গ) দালাই লামা
  4. ঘ) নেলসন ম্যান্ডেলা
ব্যাখ্যা
• দালাই লামা:
- তিব্বতের (১৪ তম ধর্মগুরু দালাই লামা) ১৯৩৫ সালে উত্তর-পূর্ব তিব্বতের একটি গ্রামে  জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি তেনজিন গিয়াতসো নামে বেশি পরিচিত।
- তিব্বতের ধর্মীয় গুরুকেই বলা হয় দালাই লামা।
- দালাই লামা ১৯৮৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন

সূত্র: Worldatlas.com & history.com
৩,৩৯৭.
বর্তমানে এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

এশিয়া মহাদেশ:
- বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ।
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট এভারেস্ট (৮,৮৪৮.৮৬ মিটার)। এটি নেপাল ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: মৃত সাগর (Dead Sea)। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৩০ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: এশিয়ার নিজস্ব সীমানায় চীন বৃহত্তম।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: মালদ্বীপ (আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকে)।
- বৃহত্তম হ্রদ: কাস্পিয়ান সাগর (এটি লোনা পানির হ্রদ)।
- গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ (রাশিয়া), এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মিষ্টি পানির আধার।
- দীর্ঘতম নদী: ইয়াংসি নদী (চীন), দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিমি।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: ভারত (বর্তমানে চীনকে অতিক্রম করেছে)।
- জনবহুল শহর: টোকিও, জাপান (বিশ্বের বৃহত্তম মেট্রোপলিটন এলাকা)।
- শীতলতম স্থান: উত্তর এশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের ওময়াকন (Oymyakon) পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম জনবসতি।

এছাড়াও, 
- গ্রেট ওয়াল অফ চায়না (চীন): মানুষের তৈরি বিশ্বের দীর্ঘতম প্রতিরক্ষা প্রাচীর।
- তাজমহল (ভারত): মোঘল স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন এবং বিশ্বের অন্যতম বিস্ময়।
- পেত্রা (জর্ডান): প্রাচীন পাথরে খোদাই করা শহর।
- আঙ্কোর ওয়াট (কম্বোডিয়া): বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় মন্দির এলাকা।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৩,৩৯৮.
কোন জনগোষ্ঠী নাকবা বা মহাবিপর্যয় দিবস পালন করে?
  1. ইসরায়েলি
  2. ফিলিস্তিনি
  3. ফরাসি
  4. ইংরেজ
ব্যাখ্যা

⇒  ফিলিস্তিনিরা ১৫ মে নাকবা দিবস পালন করেন।

নাকবা দিবস:
- ১৯১৭ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিন ছিল ব্রিটেনের অধীনে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ বাহিনী তুরস্কের কাছ থেকে জেরুজালেম দখল করে নেয়।
- ১৯১৭ সালে ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড আর্থার বেলফোর এক চিঠির মাধ্যমে ইহুদী নেতা ব্যারন রথচাইল্ডকে জানান—ব্রিটেন ফিলিস্তিনে একটি ইহুদী রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা করবে।
- এই চিঠিই ইতিহাসে ‘বেলফোর ঘোষণা’ নামে পরিচিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ ম্যানডেট বা শাসন শেষ হলে বেন গুরিয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষণা করেন।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান সঙ্গে সঙ্গে একে স্বীকৃতি দেন। আর আল নাকবা বা মহাবিপর্যয় নেমে আসে ফিলিস্তিনিদের ওপর।
- প্রায় সাড়ে সাত লাখ ফিলিস্তিনি জর্ডান, লেবানন ও সিরিয়ায় গিয়ে উদ্বাস্তু হিসেবে আশ্রয় নেন।
- সেই বিপর্যয় স্মরণে প্রতিবছর ১৫ মে পালিত হয় আল-নাকবা বা মহাবিপর্যয় দিবস।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৮ সালে ফিলিস্তিনিদের কিংবদন্তি নেতা ও ফিলিস্তিনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবসের পরের দিনটিকে নাকবা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন।
- সেই থেকে নাকবা পালিত হয়ে আসছে। 
- জাতিসংঘ ২০২৩ সাল থেকে দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন শুরু করে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [Link]

৩,৩৯৯.
দক্ষিণ রোডেশিয়া কোন দেশের পূর্বনাম?
  1. জাম্বিয়া
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. ইয়াঙ্গুন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

জিম্বাবুয়ে:
- জিম্বাবুয়ের পূর্ব নাম - দক্ষিণ রোডেশিয়া।

- জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার স্থলবেষ্টিত দেশ।
- রাজধানী হলহারারে (পূর্বে স্যালিসবারি নামে পরিচিত)।
- জিম্বাবুয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,০০০ ফুট (৩০০ মিটার) উপরে অবস্থিত।

• বিভিন্ন দেশের পূর্ব বা পুরাতন নাম:
- ইরানের পুরাতন নাম - পারস্য।
- ইরাকের পুরাতন নাম - মেসোপটেমিয়া/ পার্সিয়া।
- ইস্তাম্বুলের পুরাতন নাম - কনস্ট্যান্টিনোপল।
- ইয়াঙ্গুনের পুরাতন নাম - রেঙ্গুন।
- জাপানের পুরাতন নাম - নিপ্পন।
- জাম্বিয়ার পুরাতন নাম- উত্তর রোডেশিয়া।
- থাইল্যান্ড এর পুরাতন নাম- শ্যামদেশ।
- নেদারল্যান্ডের পুরাতন নাম - হল্যান্ড।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৩,৪০০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্য ন্যূনতম কয়টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়?
  1. ২৩০টি
  2. ২৪৫টি
  3. ২৫৫টি
  4. ২৭০টি
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে হলে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।

ইলেক্টোরাল কলেজ:

- 'ইলেক্টোরাল কলেজ' হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ব্যবহৃত রাষ্ট্র ও কেন্দ্রীয় আইনের একটি জটিল ব্যবস্থা, যা দেশটির সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত।
- 'ইলেকটোরাল কলেজ' হচ্ছে কর্মকর্তাদের একটি প্যানেল, যাদের 'ইলেকটরস্' বলা হয়। এরা এক কথায় নির্বাচক মণ্ডলী।
- প্রতি চার বছর পর পর এটি গঠন করা হয় এবং এরাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্টকে বাছাই করেন।
- কংগ্রেসে প্রতিনিধিত্বের অনুপাতে প্রতিটি স্টেট বা অঙ্গরাজ্যে ইলেকটরসের সংখ্যা নির্ধারিত হয়: যা নির্ধারিত হয় স্টেটে সেনেটরের সংখ্যা (প্রত্যেক স্টেটে দুইজন) এবং প্রতিনিধি পরিষদে প্রতিনিধির (যা জনসংখ্যার অনুপাতে) যোগফল মিলে।
- ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতি অনুযায়ী যেসব রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, সেসব রাজ্যে ইলেকটোরাল ভোটও বেশি।
- সবচেয়ে বড় ছয়টি স্টেট হলো ক্যালিফোর্নিয়া (৫৫), টেক্সাস (৪০), নিউইয়র্ক (২৯), ফ্লোরিডা (২৯), ইলিনয় (২০) এবং পেনসিলভেনিয়া (২০)।
- মোট ভোট সংখ্যা—৫৩৮ ইলেক্টোরাল কলেজ।
- বিজয়ী হতে প্রয়োজন—২৭০ ইলেক্টোরাল কলেজ।

⇒ যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য ৫০টি।
- সাধারণত অঙ্গরাজ্যগুলি তাদের হাতে থাকা ইলেক্টোরাল ভোট সেই প্রার্থীকেই দেয়, যিনি ওই অঙ্গরাজ্যের ভোটারদের সরাসরি ভোটে জয়ী হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৬০তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন রিপাবলিকানপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের ২০শে জানুয়ারি একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.