বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

মোট প্রশ্ন৯,৩৩৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি

PrepBank · পাতা ৩২ / ৯৩ · ৩,১০১৩,২০০ / ৯,৩৩৪

৩,১০১.
মায়া সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. মেক্সিকো
  2. গুয়াতেমালা
  3. পেরু
  4.  বেলিজ
ব্যাখ্যা

- মায়া সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত নয়-পেরু।
- পেরু: ইনকা সভ্যতার কেন্দ্র।

মায়া সভ্যতা (Maya Civilization):
- মধ্য আমেরিকার মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চল, গুয়াতেমালা, বেলিজ এবং হন্ডুরাসের পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে এই সভ্যতা বিস্তৃত ছিল।
- এটি মূলত ক্রান্তীয় রেইনফরেস্ট বা ঘন জঙ্গল ঘেরা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল।
- মায়াদের কোনো একক কেন্দ্রীয় রাজধানী ছিল না;
- বরং তারা তিকাল (Tikal), কোপান (Copán) এবং চিচেন ইৎজার (Chichen Itza) মতো অসংখ্য শক্তিশালী ও স্বাধীন নগর রাষ্ট্র গড়ে তুলেছিল।

• জ্যোতির্বিজ্ঞান ও ক্যালেন্ডার: 
- মায়ারা জ্যোতির্বিজ্ঞানে অত্যন্ত উন্নত ছিল। তারা গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে অত্যন্ত নির্ভুল 'মায়া ক্যালেন্ডার' তৈরি করেছিল।
- তাদের সৌর ক্যালেন্ডার (Haab) ৩৬৫ দিনের ছিল।

• লিখন পদ্ধতি (Hieroglyphs): মায়ারা পাথরের স্তম্ভ (Stelae), মৃৎপাত্র এবং গাছের ছাল দিয়ে তৈরি কাগজে (Codex) তাদের ইতিহাস লিখে রাখত।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১০২.
সরু দেশ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. চিলি
  2. পেরু
  3. বলিভিয়া
  4. নাউরু
ব্যাখ্যা
চিলি:
- চিলি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের একটি দেশ।
- আয়তন: ২৯১,৯৩০ বর্গ মাইল (৭৫৬,০৯৬ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: সান্তিয়াগো।
- ভাষা: স্প্যানিশ (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: খ্রিস্টান ধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক, এছাড়াও প্রোটেস্ট্যান্ট, অন্যান্য খ্রিস্টান)।
- মুদ্রা: চিলি পেসো।
- চিলি সরু দেশ হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,১০৩.
'মহাবীর' কোন ধর্মের প্রচারক ছিলেন?
  1. বৈদিক 
  2. সনাতন 
  3. শিখ 
  4. জৈন
ব্যাখ্যা

জৈন ধর্ম:
- জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
-  প্রথম তীর্থঙ্করের নাম ঋষভনাথ এবং সর্বশেষ তীর্থঙ্করের নাম মহাবীর (২৪তম)।
- খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে জৈনধর্মের সর্বাধিক প্রভাবশালী প্রচারক ছিলেন মহাবীর।

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৬ষ্ঠ শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১০৪.
চেকোস্লোভাকিয়ায় অহিংস সমাজতন্ত্র বিরােধী বিপ্লব এর নাম-
  1. ক) Jasmine Revolution
  2. খ) Velvet Revolution
  3. গ) Orange Revolution
  4. ঘ) Tulip Revolution
ব্যাখ্যা
Velvet Revolution স্থানীয়ভাবে Gentle Revolution নামে পরিচিত।
- এটি ছিল চেকোস্লোভাকিয়ায় অহিংস সমাজতন্ত্র বিরােধী বিপ্লব।
- চেকোস্লোভাকিয়া কমিউনিস্ট পার্টির একদলীয় সরকার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী এবং প্রবীণদের নেতৃত্বে ১৭ নভেম্বর থেকে ২৯ শে ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সালে এই বিক্ষোভটি হয়েছিল।
- এর ফলে চেকোস্লোভাকিয়ায় ৪১ বছরের একদলীয় শাসনের সমাপ্তি ঘটে।
উৎসঃ worldatlas.com
৩,১০৫.
ব্রিটেনের রাজা নিচের কোন দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান নন?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ফিজি
  3. বাহামা
  4. পাপুয়া নিউ গিনি
ব্যাখ্যা
ব্রিটেনের রাজা:
- রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর সাথে সাথেই সিংহাসনের অধিকারী হয়েছেন চার্লস।
- তিনি পরিচিত রাজা তৃতীয় চার্লস নামে।
- চার্লস ৫৬টি স্বাধীন রাষ্ট্র ও ২৫০ কোটি মানুষের সংগঠন কমনওয়েলথের প্রধান।
- এর মধ্যে যুক্তরাজ্যসহ ১৪টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাজা।
- এসব দেশগুলো হলো অস্ট্রেলিয়া, অ্যান্টিগা ও বারবুডা, বাহামা, বেলিজ, কানাডা, গ্রেনাডা, জ্যামাইকা, পাপুয়া নিউ গিনি, সেন্ট ক্রিস্টোফার অ্যান্ড নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রেনাডাইনস, নিউজিল্যান্ড, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ এবং টুভালু।

উৎস: i) ১৪ নভেম্বর ২০২৩, বিবিসি। [link]
        ii) The Royal Family. [link]
৩,১০৬.
'ওয়াটার লু' যুদ্ধে পরাজিত হয়ে নেপোলিয়ন কোথায় নির্বাসিত হয়?
  1. ক) রোবেন দ্বীপে
  2. খ) সেন্ট হেলেনা দ্বীপে
  3. গ) গ্যালাপোগাস দ্বীপে
  4. ঘ) সেন্ট এলবা দ্বীপে
ব্যাখ্যা
ওয়াটার লু যুদ্ধ:

- 'ওয়াটার লু' যুদ্ধে পরাজিত হয়ে নেপোলিয়ন সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসিত হয়।
- ১৮১৫ সালের ১৫ জুন বিখ্যাত ওয়াটার লু যুদ্ধ সংগঠিত হয়।
- ওয়াটার লু যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট
- এই যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতি হলেন আর্থার ওয়েলেসলি

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,১০৭.
সেনেগাল দেশটি আফ্রিকার কোন অঞ্চলের?
  1. পূর্ব আফ্রিকার
  2. পশ্চিম আফ্রিকার
  3. মধ্য আফ্রিকার
  4. উত্তর আফ্রিকার
ব্যাখ্যা
সেনেগাল:
- সেনেগাল পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- এটি  ১৯৬০ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের উপনিবেশ ছিল।
- এর রাজধানী- ডাকার।
-সেনেগালের ভাষা ফরাসি
- ধর্ম: ইসলাম, এছাড়াও খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী রয়েছে।
- সেনেগালের মুদ্রা: ফ্রাঙ্ক।
- আইনসভা এককক্ষ বিশিষ্ট।
-  এটি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য,
- পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশ:-
- ঘানা, গিনি , গিনি-বিসাউ , আইভরি কোস্ট ,  সেনেগাল , সিয়েরালিয়ন , বুরকিনা ফাসো , গাম্বিয়া , লাইবেরিয়া , মালি , মৌরিতানিয়া , নাইজার , নাইজেরিয়া।

উৎস: Britannica.
৩,১০৮.
প্লেটোর যে গ্রন্থে সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায়-
  1. ক) Symposium
  2. খ) Protagoras
  3. গ) The Republic
  4. ঘ) Euthydemus
ব্যাখ্যা

- সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক।
- সুশাসন অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
- সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায় প্লেটোর 'The Republic' গ্রন্থে।

৩,১০৯.
ইউরোপ মহাদেশে কয়টি দেশ অবস্থিত?
  1. ৪৪টি
  2. ৪৬টি
  3. ৪৮টি
  4. ৫২টি
ব্যাখ্যা
ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ আয়তনে বিশ্বে ষষ্ঠ।
- এর আয়তন ১০,১৮০,০০০ বর্গ কিমি।
- ইউরোপ মহাদেশের উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- ইউরোপ মহাদেশ ৪৪টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশে রাশিয়ার অবস্থান হলেও এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী ভলগা।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৩,১১০.
সিনহাই বিপ্লবের (Xinhai Revolution) মাধ্যমে যে রাজবংশের পতন ঘটে -
  1. হান রাজবংশের
  2. কিং রাজবংশের
  3. হ্যান রাজবংশের
  4. মিং রাজবংশের
ব্যাখ্যা
সিনহাই বিপ্লব:
- সিনহাই বিপ্লব যা চীনে 'Xinhai Revolution' হিসেবে পরিচিত।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল যা কিং রাজবংশের (Qing Dynasty) এর পতন ঘটিয়ে চীনে প্রথম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।
- এই বিপ্লবের ফলে চীনে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালের ১০ অক্টোবর এই বিপ্লব শুরু হয় যা ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংঘটিত হয়।

⇒ ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।

⇒ চিং রাজবংশ ছিল চীনের শেষ সামন্ততান্ত্রিক রাজবংশ যা ১৬৪৪ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিল।
- জনগণের মধ্যে রাজবংশের শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল।
- চিং রাজবংশের শেষ সম্রাট পু ই স্বীকার করেন যে রাজবংশের শাসন অব্যাহত রাখার কোনও সম্ভাবনা নেই।
- এর ফলে, চীনের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে সান ইয়েৎ-সেন নির্বাচিত হন।
- চিং রাজবংশের পতনের সাথে সাথে চীনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্য কমে আসে।

উৎস: Britannica.
৩,১১১.
'The Republic' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) সক্রেটিস
  3. গ) আলেকজেন্ডার
  4. ঘ) প্লেটো
ব্যাখ্যা
প্লেটো (খ্রিস্টপূর্ব ৪২৭-খ্রিস্টপূর্ব ৩৪৭)
- প্রাচীন গ্রীক দার্শনিক
- তার শিক্ষক ছিলেন- সক্রেটিস
- প্লেটোর গ্রন্থ 'The Republic' 

তাঁর লেখা অন্যান্য উল্লেখযোগ্য বইসমূহ-
- Symposium
- Apologia Socrates
- Allegory of the Cave
- The Laws (348 BCE)
- Plato: Complete Works ইত্যাদি।

তার বিখ্যাত উক্তি--
“মূর্খতার চেয়ে বড় পাপ আর নাই”
“জ্ঞানীরা কিছু বলার থাকলে কথা বলে আর নির্বোধরা কিছু বলার জন্য বলে”
“মানুষ হচ্ছে তিন শ্রেনীর- জ্ঞানের অনুরাগী, সম্মানের অনুরাগী এবং লাভবান
হওয়ার অনুরাগী”
‘মন যখন চিন্তা করে তখন নিজের সাথে কথা বলে।’
“অজ্ঞ থাকার চেয়ে না জন্মানোই ভালো কারণ অজ্ঞতা সব দূর্ভাগ্যের প্রধান
কারণ”

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৩,১১২.
কোন ঘটনাকে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. নেপোলিয়ন এর ক্ষমতা লাভ
  2. চতুর্দশ লুই এর সিংহাসনে আরোহণ
  3. ষোড়শ লুই এর সিংহাসনে আরোহণ
  4. বাস্তিল দূর্গের পতন
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- আধুনিক ইউরোপের রাজনৈতিক, সামাজিক ও চিন্তার জগতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে।
- চতুর্দশ লুইয়ের শাসনামলে (১৬৫১-১৭১৫ খ্রি.) ফ্রান্স একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- তবে তার সাম্রাজ্যবাদী নীতি দেশকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়।
- তার পুত্র পঞ্চদশ লুই (১৭১৫-১৭৭৪ খি.) এর অমিতব্যায়িতা জন্য এই দুর্বলতা আরও বৃদ্ধি পায়।
- ষোড়শ লুই ১৭৭৪ সালে সিংহাসনে বসে ক্রমশ এক অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন।
- আর্থ সামাজিক বৈষম্য রাজনৈতিক দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ১৭৮৯ সলে এক বিষ্ফোরক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
- ঐতিহাসিক আলফ্রেড কোবান (Alfred Cobban) এই অবস্থাকে অনেক ছোট বড় খরস্রোতা নদীর সংমিশ্রণে হঠাৎ ফুলে ফেঁপে ওঠা বিধ্বংসী বন্যার সঙ্গে তুলনা করেছেন। 
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল কারাদুর্গ আক্রমণ ও এর পতনের মধ্য দিয়ে সূচিত হয় বিশ্ব ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায় যা বিখ্যাত হয়েছে ফরাসি বিপ্লব নামে।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১৩.
নিচের কোনটি প্রথম ভার্সাই চুক্তির ফলাফল হিসেবে ধরা হয়?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান
  2. জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ
  3. আমেরিকার স্বাধীনতা লাভ
  4. ভারতবর্ষের স্বাধীনতা লাভ
ব্যাখ্যা
প্রথম ভার্সাই চুক্তি: 
- ১৭৮৩ সালে প্যারিসে বিবাদমান পক্ষগুলোর মধ্যে চারটি পৃথক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- প্রথম ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৮৩ সালে।
- প্রথম ভার্সাই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ব্রিটেন ও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রথম ভার্সাই চুক্তির ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটে।
- অর্থাৎ প্রথম ভার্সাই চুক্তির ফলাফল হিসেবে আমেরিকার স্বাধীনতা লাভ।

উল্লেখ্য,
- ১৭৭৮ সাল থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সাথে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস-এর প্রতিনিধিরা শান্তি আলোচনা শুরু করে।
- এই প্রতিনিধি দলের সদস্য ছিলেন জন এডামস, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন জে, থমাস জেফারসন ও হেনরি লরেন্স।
- ১৭৮২ সালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান এবং চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৭৮৩ সাল।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা: ৪টি।
- যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন, জন এডামস ও জন জে এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী লর্ড শেলবর্ন চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

  চুক্তির পক্ষসমূহ:
- প্রথম পক্ষ: যুক্তরাজ্য,
- দ্বিতীয় পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন, নেদারল্যান্ডথা
- 'প্রথম ভার্সাই চুক্তি'টি মূলত প্যারিস চুক্তিরই অতিরিক্ত অংশ। 
- ৪টি চুক্তির ২টি প্যারিসে এবং দুইটি ভার্সাইতে স্বাক্ষরিত হয়।

অন্যদিকে
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২৮ জুন ১৯১৯ সালে।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে।
- দ্বিতীয় ভার্সাই চুক্তির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল জার্মানিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট ও History.com.
৩,১১৪.
ভারতের কোন রাজ্যের সঙ্গে কাজী লেন্দুপ দর্জির নাম জড়িত? 
  1. অরুণাচল
  2. সিকিম
  3. মেঘালয়
  4. আসাম
ব্যাখ্যা

- ভারতের সিকিমের সঙ্গে কাজী লেন্দুপ দর্জির নাম জড়িত। 

সিকিম: 

- সিকিম ভারতের পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার পাদদেশে অবস্থিত।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থান করে এবং মাত্র ৭,০৯৬ বর্গ কিলোমিটারের বিস্তৃতিতে একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত।
- সিকিমের রাজধানীর নাম গ্যাংটক।
- প্রথমে এটি একটি স্বাধীন অঞ্চল হিসেবে থেকে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনার কারণে ১৯৭৫ সালে ভারতের প্রজাতন্ত্রের অংশ হয়ে যায়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭৩ সালে সিকিমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলে অসন্তুষ্ট হয়ে ভোট কারচুপির অভিযোগ আনে লেন্দুপ দর্জির নেতৃত্বাধীন সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেস দল। এর ফলে ১৯৭৪ সালে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং তাতে লেন্দুপ দর্জি অত্যন্ত ব্যবধানে বিজয় লাভ করেন। ওই নির্বাচনে ৩২টি আসনের মধ্যে তার দল ৩১টি আসনে জয়লাভ করে।

- এরপর তিনি সিকিমের প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৭৫ সালের ২৭ মার্চ লেন্দুপ দর্জি কেবিনেট মিটিংয়ে রাজতন্ত্র বিলোপের প্রশ্নে একটি সাজানো গণভোটের আয়োজন করেন, এর ফলাফলস্বরূপ চোগিয়াল রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।
- এর পর ২৬ এপ্রিল ১৯৭৫ সিকিম ভারতের ২২তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

৩,১১৫.
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল অঙ্গরাজ্য- 
  1. ওয়াইমিং
  2. ক্যালিফোর্নিয়া 
  3. হাওয়াই 
  4. আলস্কা
ব্যাখ্যা

• যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়া।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:

- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প।
• যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনবহুল অঙ্গরাজ্য ক্যালিফোর্নিয়া।
- ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ইলেক্টোরাল ভোটারের সংখ্যা: ৫৫টি।
- ২য় অবস্থানে রয়েছে টেক্সাস।
৩য় অবস্থানে রয়েছে ফ্লোরিডা।

অন্যদিকে,
- জনসংখ্যা সবচেয়ে কম ওয়াইমিং অঙ্গরাজ্যে।

উৎস: Britannica.

৩,১১৬.
The value of gold is determined in
  1. ক) Rome
  2. খ) Washington
  3. গ) Russia
  4. ঘ) London
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাজ্যের লন্ডনে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
- ICE বেঞ্চমার্ক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (IBA) দিনে দুবার মার্কিন ডলারে LBMA সোনার দাম প্রকাশ করে।
- এটি বিশ্বব্যাপী সোনার উৎপাদক, বিনিয়োগকারী, ভোক্তা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির জন্য একটি বেঞ্চমার্ক মূল্য হিসাবে কাজ করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,১১৭.
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপিত হয়-
  1. ক) ২০০৯ সালে
  2. খ) ২০১৩ সালে
  3. গ) ২০১৮ সাল
  4. ঘ) ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপিত হয় ১ এপ্রিল, ২০১৩ সালে জার্মানিতে।

- চতুর্থ শিল্প বিপ্লব পরিচিত 'Industry 4.0' নামে।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩,১১৮.
নিচের কোন দেশটির মুদ্রার নাম দিনার?
  1. বাহরাইন
  2. সিরিয়া
  3. ইরান
  4. কাতার
ব্যাখ্যা
রিয়াল যেসব দেশের মুদ্রা:
- সৌদি আরব,
- ওমান,
- ইয়েমেন,
- কাতার,
- ইরান।

দিনার যেসব দেশের মুদ্রা:
- ইরাক,
- কুয়েত,
- জর্ডান,
- বাহরাইন,
- আলজেরিয়া,
- তিউনেশিয়া।

দিরহাম যেসব দেশের মুদ্রা:
- সংযুক্ত আরব আমিরাত,
- মরক্কো।

পাউন্ড যেসব দেশের মুদ্রা:
- মিশর,
- সিরিয়া,
- লেবানন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,১১৯.
চিলির বর্তমান প্রেসিডেন্টের নাম কী?(জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. জ্যানেট জারা
  2. হোসে অ্যান্তোনিও কাস্ত
  3. গ্যাব্রিয়েল বোরিচ
  4. অগাস্তো পিনোশে
ব্যাখ্যা

• চিলির ৩৮তম প্রেসিডেন্ট:
- দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলির ৩৮তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দ্বিতীয় দফার ভোটে কট্টর ডানপন্থী প্রার্থী হোসে অ্যান্তোনিও কাস্ত জয়ী হয়েছেন।
- তিনি বর্তমানে ক্ষমতায় থাকা মধ্য বামপন্থী সরকারকে পরাজিত করেছেন।

- ১২ নভেম্বর ২০২৫ প্রায় সব ভোট গণনা শেষ হওয়ার পর দেখা যায়, কাস্ত ৫৮ শতাংশের মতো ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
- তিনি সাবেক শ্রমমন্ত্রী জ্যানেট জারাকে পরাজিত করেছেন।
- জারা কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতিক এবং ক্ষমতাসীন মধ্য বাম জোটের প্রার্থী ছিলেন।
- ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই জারা ও তাঁর জোট ‘ইউনিটি ফর চিলি’ পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৩,১২০.
The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. অমর্ত্য সেন
  2. গুনার মিরডাল
  3. মাইকেল লিফটন
  4. উইলয়াম রস্টো
ব্যাখ্যা

The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা গুনার মিরডাল।

গুনার মিরডাল:
- গুনার মিরডাল (Gunnar Myrdal) ছিলেন একজন সুইডিশ অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ.
- উন্নয়নমূলক অর্থনীতিতে তার অবদান যথেষ্ট।
- তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার চিন্তাভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রতিফলিত হয় তার বেশ কিছু লেখা ও প্রকাশিত পুস্তকে।
- 'Economic Theory and Underdeveloped Regions' মিরডাল লিখিত এরূপ একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
- উন্নয়নের হাত ধরে যে চক্রাকার ও ক্রমযৌগিক (Circular and cumulative) কার্যকারণ সম্পর্ক রচিত হয় তা প্রতিফলিত হয়েছে তার বর্তমান তত্ত্বে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে তিনি "অর্থনৈতিক ও সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ঘটনাগুলির পারস্পরিক নির্ভরতার তাত্পর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য অর্থ ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের তত্ত্ব এবং তাদের তাত্পর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য" ফ্রেডরিখ হায়েকের সাথে যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।

অন্যদিকে,
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।

উৎস: Britannica.

৩,১২১.
কোন দেশটি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. ক) মরক্কো
  2. খ) সিঙ্গাপুর
  3. গ) সিয়েরা লিওন
  4. ঘ) লাইবেরিয়া
  5. ঙ) পানামা
ব্যাখ্যা
মুক্তভূমি নামে পরিচিত লাইবেরিয়া আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের উপনিবেশ থেকে ১৮৬২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী স্বাধীনতা লাভ করে। মার্কিন গৃহযুদ্ধের পর আফ্রিকান ক্রীতদাসদের লাইবেরিয়ায় মুক্তভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেই সূত্রে লাইবেরিয়াকে মুক্তভূমি বলা হয়। মরক্কো, সিঙ্গাপুর, সিয়েরা লিওন ও পানামা যথাক্রমে ফ্রান্স, ব্রিটেন ও কলম্বিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। (সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৩,১২২.
সিন্ধু সভ্যতা কী নামে পরিচিত?
  1. বৌদ্ধ সভ্যতা
  2. বৈদিক সভ্যতা
  3. মেসোপটেমিয়া সভ্যতা
  4. হরপ্পা সভ্যতা
ব্যাখ্যা

সিন্ধু সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারোতে এবং দয়ারাম সাহানীর চেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগোমারী জেলার হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।
- উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা হলেও এর বিস্তৃতি ছিল বিশাল এলাকা জুড়ে।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পাতে এই সভ্যতার নিদর্শন সবচেয়ে বেশি আবিষ্কৃত হয়েছে।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ, ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাটের বিভিন্ন অংশে এই সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১২৩.
জর্ডানের সমুদ্র বন্দর -
  1. আকিয়াব
  2. বসরা
  3. হাইফা
  4. আকাবা
ব্যাখ্যা
আকাবা:
- জর্ডানের সমুদ্র বন্দর হলো আকাবা।
- আকাবা বন্দর কন্টেইনার পরিবনের জন্য লাল সাগরের দ্বিতীয় ব্যস্ততম বন্দর।
- এটি জর্ডানের বাজারের প্রাথমিক প্রবেশ দ্বার।
- এই অঞ্চলের দেশগুলির মধ্যে চলমান পণ্য সরবরাহের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট।

অন্যদিকে -
- আকিয়াব মিয়ানমারের একটি সমুদ্রবন্দর।
- হাইফা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত: ইসরায়েল।
- ইরাকের সমুদ্র বন্দর: বসরা।

উৎস: Britannica.
৩,১২৪.
ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সচিবালয় অবস্থিত-
  1. ক) রিয়াদ
  2. খ) জেদ্দা
  3. গ) দামেস্ক
  4. ঘ) মক্কা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়।
- ওআইসি সদস্য দেশ ৫৭ টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে।
- ওআইসির অফিসিয়াল ভাষা ৩টি। যথা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উৎসঃ ওআইসি ওয়েবসাইট।
৩,১২৫.
পূর্ব ইউরোপের দেশ কোনটি?
  1. হাঙ্গেরি
  2. নরওয়ে
  3. সুইডেন
  4. লিথুয়ানিয়া
ব্যাখ্যা
পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ:
• বেলারুশ
• বুলগেরিয়া
• চেক প্রজাতন্ত্র
• হাঙ্গেরি
• পোল্যান্ড
• মলদোভা
• রোমানিয়া
• রাশিয়া
• স্লোভাকিয়া
• ইউক্রেন

উত্তর ইউরোপের দেশসমূহ:
• নরওয়ে
• সুইডেন
• ডেনমার্ক
• ফিনল্যান্ড
• আইসল্যান্ড
• যুক্তরাজ্য
• আয়ারল্যান্ড
• লিথুয়ানিয়া
• লাটভিয়া
• এস্তোনিয়া

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৩,১২৬.
নিচের কোন দেশটিতে ইউরো মুদ্রার প্রচলন নেই?
  1. ডেনমার্ক
  2. সাইপ্রাস
  3. এস্তোনিয়া
  4. আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে ইউরো (€) হল ২৭টি ইইউ সদস্য দেশের মধ্যে ২০টির সরকারী মুদ্রা, যা একসাথে ইউরোজোন গঠন করে, যাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরো অঞ্চল বলা হয়।
- ইউরো বিশ্বের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রা।
- ইউরো এবং মার্কিন ডলারে আন্তর্জাতিক অর্থপ্রদানের অনুপাত প্রায় সমান এবং ঋণ দেওয়া, ঋণ নেওয়া এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের জন্য ইউরো বিশ্বের দ্বিতীয় প্রিয় মুদ্রা।
- ইউরো হল ইউরোপীয় একীকরণের সবচেয়ে বাস্তব প্রমাণ: প্রতিদিন প্রায় ৩৪১ মিলিয়ন মানুষ এটি ব্যবহার করে, যা এটিকে বিশ্বব্যাপী দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত মুদ্রায় পরিণত করে।
- ইইউ'র সদস্য হওয়ার পরও ডেনমার্ক তার পূর্বের মুদ্রা বজায় রেখেছে।

ইউরো অঞ্চলের সদস্য দেশগুলি: 
- অস্ট্রিয়া
- বেলজিয়াম
- ক্রোয়েশিয়া
- সাইপ্রাস
- এস্তোনিয়া
- ফিনল্যান্ড
- ফ্রান্স
- জার্মানি
- গ্রীস
- আয়ারল্যান্ড
- ইতালি
- লাটভিয়া
- লিথুয়ানিয়া
- লুক্সেমবার্গ
- মাল্টা
- নেদারল্যান্ডস
- পর্তুগাল
- স্লোভাকিয়া
- স্লোভেনিয়া
- স্পেন

ইউরো অঞ্চলের সদস্য নয় এমন দেশগুলি: 
- এই দেশগুলিতে এখনও ইউরো গৃহীত হয়নি, কিন্তু প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করার পরে কারা যোগদান করবে। 
 বুলগেরিয়া
- চেকিয়া
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া
- সুইডেন

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।
৩,১২৭.
চীন প্রথম বৈদেশিক নৌঘাঁটি নির্মাণ করে কোন দেশে?
  1. ক) গিনি
  2. খ) পানামা
  3. গ) হাইতি
  4. ঘ) জিবুতি
ব্যাখ্যা
• চীনের প্রথম বৈদেশিক নৌঘাটি:
- ২০১৫ সালে আফ্রিকার দেশগুলোর এক সম্মেলনে আফ্রিকার উন্নয়নে ছয় হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেয় চীন।
- চীনের প্রথম বৈদেশিক নৌঘাঁটি স্থাপনে করেছে-  জিবুতিতে।
- জিবুতিকে বেছে নেওয়ার কারণ হলো কৌশলগতভাবে দেশটির অবস্থান।
- এটি লোহিত সাগর হয়ে সুয়েজ খালে প্রবেশদ্বারের কাছেই।
- এই ঘাঁটির মধ্য দিয়ে আফ্রিকা ও বিশ্বে শান্তি আনতে ‘নতুন ও বড় অবদান’ রাখতে পারবে চীন।
-  জিবুতিতে অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও ফ্রান্সের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৩,১২৮.
যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ ভবনের নাম কি?
  1. Capital Hill
  2. White Hill
  3. Westminster abbey
  4. Capitol Hill
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের সংসদ ভবনের নাম - ক্যাপিটল হিল (Capitol Hill)।
- ভবনটিতে সংসদের উচ্চকক্ষ - সিনেট ও নিম্নকক্ষ - হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ অবস্থিত।
- গত ৬ জানুয়ারি নজিরবিহীন হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে মার্কিন কংগ্রেস ভবনে। বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা হামলা চালায় মার্কিন কংগ্রেস ভবন ‘ক্যাপিটল হিল’ ভবন - এ।
উল্লেখ্য,
- যুক্তরাজ্যের সংসদ ভবনের নাম - ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে।

উৎস: নিউইয়র্ক টাইমস্‌ রিপোর্ট।
৩,১২৯.
ব্রাজিল কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
  1. স্পেন
  2. পর্তুগাল
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

→ ব্রাজিল পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।
- ১৮২২ সালে ব্রাজিল পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

ব্রাজিল:
- ব্রাজিল আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ।
- আয়তন: ৩,২৮২,৯০৭ বর্গ মাইল (৮,৫০২,৭২৮ বর্গ কিমি)।
- রাজধানী: ব্রাসিলিয়া।
- ভাষা: পর্তুগিজ (অফিসিয়াল)।
- ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (প্রধানত রোমান ক্যাথলিক; এছাড়াও প্রোটেস্ট্যান্ট), এছাড়াও ঐতিহ্যগত বিশ্বাস।
- মুদ্রা: ব্রাজিলিয়ান রিয়েল।
- এটি একটি বহুদলীয় ফেডারেল প্রজাতন্ত্র যেখানে দুটি আইনসভা রয়েছে।
- এর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৩,১৩০.
'নীল ড্রাগনের দেশ' হিসেবে পরিচিত কোন দেশ?
  1. স্পেন
  2. মঙ্গোলিয়া
  3. ভিয়েতনাম
  4. লাওস
ব্যাখ্যা

- 'নীল ড্রাগনের দেশ' হিসেবে পরিচিত : ভিয়েতনাম।

- ভিয়েতনাম এশিয়ার একটি দেশ , যা হা লং উপসাগর এবং প্রাচীন বাণিজ্যিক বন্দরের জন্য পরিচিত। 
- এর জনসংখ্যা ১০২ মিলিয়নেরও বেশি, যা এটিকে বিশ্বের ১৬তম বৃহত্তম দেশ করে তুলেছে।
- এর রাজধানী হ্যানয়।
- ভিয়েতনামের একটি রপ্তানিমুখী অর্থনীতি রয়েছে এবং এর উৎপাদন খাত শক্তিশালী।

উৎস: world population review.

৩,১৩১.
স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তি কোন দুটি দেশ ছিল?
  1.  যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
ব্যাখ্যা

স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War):
- স্নায়ুযুদ্ধ বলতে সরাসরি প্রথাগত যুদ্ধে অবতীর্ণ না হয়ে একে অপরকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক কিংবা ভিন্ন আঙ্গিকে পরাজিত করার কৌশলকে ইঙ্গিত করা হয়।
- ১৯৪৭ - ১৯৯১ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ওয়াল্টার লিপম্যান সংবাদপত্রে প্রথম cold war শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধ অবসান হয়েছিলো ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে।
- সোভিয়েত ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শেষ পর্যন্ত রাশিয়া শক্ত অবস্থান নিয়েই টিকে আছে আলাদা রাষ্ট্র হিসেবে।

⇒ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তিতে পরিণত হয়।
- এ সময়ে মার্শাল প্ল্যানের (১৯৪৭) মাধ্যমে ইউরোপ পুনর্গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাধ্যমে দুটো বিপরীত বৈশ্বিক শক্তি ও আদর্শের বিকাশ ঘটে।
- পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিম ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট।
- একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট।
- পুরো স্নায়ুযুদ্ধের কালজুড়ে মধ্য ইউরোপের উভয় পক্ষের দেশগুলো পরস্পরের দিকে তাক করে রেখেছিল পারমাণবিক শক্তিসম্পন্ন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৩,১৩২.
‘কলোসিয়াম' নামে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নাট্যশালা তৈরি হয়েছিল প্রাচীন -
  1. ক) গ্রিসে
  2. খ) রোমে
  3. গ) এথেন্সে
  4. ঘ) পারস্যে
ব্যাখ্যা
• স্থাপত্যের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল ভূমিকা ছিল রোমের।
- এখানে ইট আর কংক্রিট দিয়ে দালানকোঠা তৈরি করা হতো।
- দালানের চার কোণায় ব্যবহার করা হতো পাথর।
- সম্রাট হাড্রিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যনথিয়ন রোমের একটি বড় স্থাপত্য নিদর্শন।
- রোমে ‘কলোসিয়াম' নামে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নাট্যশালা তৈরি হয়েছিল।
- এখানে একসাথে ৫,৬০০ জন দর্শক বসতে পারত।
- ভাস্কর্যের নিদর্শন হিসেবে রোমে পাওয়া গেছে অনেক মূর্তি।
- এগুলো ছিল সম্রাট, কর্মকর্তা ও দেবতাদের মূর্তি।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৩৩.
কার নাম অনুসারে আইফেল টাওয়ারের নামকরণ করা হয়?
  1. স্টেফানো আইফেল
  2. রক ডি ফেলার
  3. গুস্তাভ আইফেল
  4. টাওয়ার হ্যামলেট
ব্যাখ্যা
আইফেল টাওয়ার:
- আইফেল টাওয়ার ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।
- গুস্তাভ আইফেলের নাম অনুসারে আইফেল টাওয়ারের নামকরণ করা হয়।
- আইফেল টাওয়ারের নির্মাণকাজ ১৮৮৭ এবং ১৮৮৯ সালের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছিল।
- টাওয়ারটি ১৮৮৯ থেকে ১৯৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু কাঠামোর রেকর্ডটি দখল করেছিল কিন্তু বহু দশক ধরে ফ্রান্সের সবচেয়ে উঁচু কাঠামো হিসেবে রয়ে গেছে।
- টাওয়ারটি প্যারিসে অনুষ্ঠিত ১৮৮৯ সালের প্রদর্শনীর কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে নির্মিত হয়েছিল।
- টাওয়ারের শীর্ষে রেডিও এরিয়ালটি যোগ করা হয়েছে ১৯৫৭ সালে।
- ১৯২৫ সালে টাওয়ারে আলোকিত সিট্রোয়েন সাইনেজ স্থাপন করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৩,১৩৪.
সম্প্রতি কোন দেশটি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত থেকে পদত্যাগ করেছে?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) বেলজিয়াম
  3. গ) পর্তুগাল
  4. ঘ) ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা
International Criminal Court (ICC) বা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদা‌লত নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে অবস্থিত।
এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২৩টি।
১৯৯৮ সালের ১৭ জুলাই স্বাক্ষরিত রোম চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে ২০০২ সালের ১ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।

ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রডরিগো দুতার্তে আন্তর্জাতিক আদালতের সদস্য রাষ্ট্র হওয়ার চুক্তি থেকে নিজেদেরকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

(সূত্রঃ ICC ওয়েবসাইট)
৩,১৩৫.
"কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্র্যের মূল কারন"-অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন কোন গ্রন্থে এই যুক্তি তুলে ধরেন?
  1. Development as Freedom
  2. Women and Human Development
  3. Development through Disposition 
  4. Development, Environment and Power
ব্যাখ্যা

♦ "কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্র্যের মূল কারন"- অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন 'Development as Freedom' গ্রন্থে এই যুক্তি তুলে ধরেন।

অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান অমর্ত্য সেন।

⇒ ১৯৫১ সালে আইএসসি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তিনি ভর্তি হন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে এবং তারপর অর্থনীতি নিয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন ইংল্যাণ্ডে কেম্ব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে। এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন। এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- "কেবল আয়ের অভাব নয়, বরং সামর্থ্যের অভাবই দারিদ্র্যের মূল কারণ" - এই উক্তিটি অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন-এর। তিনি তার "Development as Freedom" গ্রন্থে এই যুক্তি তুলে ধরেন। এখানে 'সামর্থ্যের অভাব' বলতে শুধু আর্থিক সংগতিই নয়, বরং মানুষের সক্ষমতার অভাবকেও বোঝানো হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সুযোগ এবং স্বাধীনতা লাভের অভাব। 
 
এছাড়াও,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন। বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।
 
উৎস: i) Britannica.
ii) Development as Freedom- Amartya Sen.

৩,১৩৬.
'সাবিনা ওয়ার্ল্ড এয়ারলাইন্স' কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. রাশিয়া
  2. বেলজিয়াম
  3. গ্রিস
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
কয়েকটি বিখ্যাত এয়ারলাইন্স:

যুক্তরাষ্ট্র -- কন্টিনেন্টাল এয়ারলাইন্স, ডেল্টা এয়ারলাইন্স, ট্রান্স ওয়ার্ল্ড এয়ারলাইন্স।
রাশিয়া -- এরোফ্লোট (Aeroflot),
ফিনল্যান্ড -- ফিন এয়ার (Finnair)
বেলজিয়াম -- সাবিনা ওয়ার্ল্ড এয়ারলাইন্স
গ্রিস -- অলিম্পিক এয়ারওয়েজ

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট
৩,১৩৭.
বিখ্যাত ব্যাটেল ফিল্ড 'ওয়াটার লু' কোথায় অবস্থিত?
  1. বেলজিয়াম
  2. ফ্রান্স
  3. ইংল্যান্ড
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

• ওয়াটারলু যুদ্ধ:
- বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৮১৫ সালে।
- এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট।
- পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছে।
- তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)।

উৎস: Britannica.

৩,১৩৮.
রাশিয়ায় 'এক দেশ ভিত্তিক সমাজতন্ত্র' নীতিমালা গ্রহণ করেন কে?
  1. গর্বাচেভ
  2. লিওন ট্রটস্কি
  3. ভ্লাদিমির লেনিন
  4. স্ট্যালিন
ব্যাখ্যা
রাশিয়া: 
- আয়তনে বিশ্বের বিশ্বের বৃহত্তম দেশ - রাশিয়া।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট - ভ্লাদিমির পুতিন।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম - ইউনাইটেড রাশিয়া।
- রাশিয়ার সাথে ১৪ টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- রাশিয়ার সম্রাটদের বলা হয় - জার।
- রাশিয়ায় রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে - ১৯১৭ সালে।
- বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র - সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন  - ক্রেমলিন।
- ১৯২৮ সাল থেকে স্ট্যালিন 'এক দেশ ভিত্তিক সমাজতন্ত্র' নীতিমালা গ্রহণ করেন।
- এ সময় মার্কসীয় ধারার বিশ্ব সাম্যবাদী বিপ্লবের পরিবর্তে শুধুমাত্র সোভিয়েত ইউনিয়নে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হন তিনি।
- স্ট্যালিন উদ্ভাবিত সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এই কর্মসূচী ছিল লেনিন ও ট্রটস্কি প্রচলিত 'স্থায়ী বিপ্লব' নীতির পরিপন্থী।  

উৎস: Britannica ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান - ২ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (লিঙ্ক)।
৩,১৩৯.
'ফারাও' কাদের বলা হতো?
  1. প্রাচীন মিশরের সম্রাটদের
  2. প্রাচীন গ্রিকের সম্রাটদের
  3. প্রাচীন রোমান সম্রাটদের
  4. প্রাচীন চৈনিক সম্রাটদের
ব্যাখ্যা
ফারাও
- প্রাচীন মিশরের সম্রাটদের 'ফারাও' বলা হতো।
- বিশাল প্রাসাদে বসবাসকারী ফারাওদের মনে করা হতো ঈশ্বরের সন্তান।
- তাঁরা একই সঙ্গে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।
- মিশরের 'ফারাও' বা সম্রাটের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন রাজা মেনেস, প্রথমত আহমোজ, রাজা তুথমোস, সম্রাট ইখনাটন এবং প্রথম ও দ্বিতীয় র‍্যামেসিস।
- পরাক্রমশালী তৃতীয় র‍্যামেসিসের মৃত্যুর পর ফারাওদের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪০.
'গ্লোবাল সফট পাওয়ার ইন্ডেক্স' - ২০২৩ অনুসারে শীর্ষ দেশ -
  1. ক) জাপান
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল সফট পাওয়ার ইন্ডেক্স:
- ২০২৩ সালের গ্লোবাল সফট পাওয়ার ইন্ডেক্স অনুসারে শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র
- যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ড মূল্য ৩০ হাজার ৩০৯ বিলিয়ন বা ৩০ লাখ ৩০ হাজার ৯০০ কোটি ডলার।
- ১০০-এর মধ্যে তাদের অর্জিত মান ৭৪ দশমিক ৮।

এছাড়াও,
• দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে  যুক্তরাজ্য।
- ১০০-এর মধ্যে তাদের অর্জিত মান হচ্ছে ৬৭ দশমিক ৩।
• তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জার্মানি।
- ১০০-এর মধ্যে তাদের অর্জিত মান হচ্ছে  ৬৫ দশমিক ৮ ।
• চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে জাপান।
- ১০০-এর মধ্যে তাদের অর্জিত মান হচ্ছে ৬৫ দশমিক ২।
• ৯৭তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ।
- ১০০-এর মধ্যে তাদের অর্জিত মান হচ্ছে ৩৫.১।

উৎস: গ্লোবাল সফট পাওয়ার ইন্ডেক্স-২০২৩।
৩,১৪১.
মায়া সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?
  1. মেক্সিকো
  2. বেলিজ
  3. গুয়েতেমালা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা:
- মায়া সভ্যতা মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালা, বেলিজ, ও মেক্সিকোর কিছু অংশে খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে গড়ে উঠেছিলো।
- ২৫০ অবদি থেকে ৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মায়ার সভ্যতার ক্লাসিক যুগ ছিল।
- ৯০০ খ্রিস্টাব্দে মায়া সভ্যতার পতন ঘটে।
- মায়া সভ্যতা পাথুরে স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত ছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১৪২.
মিশরীয় সভ্যতায় 'মেটেরিয়া মেডিকা’ কী?
  1. একটি চিকিৎসক সম্প্রদায়
  2. ওষুধের তালিকা
  3. একটি হাসপাতাল
  4. রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

মেটেরিয়া মেডিকা: 
- মিশরীয় সভ্যতায় ‘মেটেরিয়া মেডিকা’ হলো ঔষধের একটি তালিকা।
- এটি ছিল চিকিৎসাশাস্ত্রে ব্যবহৃত বিভিন্ন ওষুধ ও তাদের গুণাগুণের বর্ণনা সম্বলিত একটি গ্রন্থ।
- মিশরীয়রা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেও রোগ সারাতো এবং হাড় জোড়া লাগানো, হৃদপিণ্ডের গতি নির্ণয় করত।
- ‘মেটেরিয়া মেডিকা’ তাদের চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতির প্রমাণ।  

মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ থেকে ৫২৫ অব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল এবং এটি নীলনদের অববাহিকায় গড়ে ওঠা এক প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সভ্যতা। খ্রিস্টপূর্ব ৩২০০ অব্দে নারমার বা মেনেস উচ্চ ও নিম্ন মিশরকে একত্রিত করে প্রথম ফারাও হন এবং ঐক্যবদ্ধ মিশরের সূচনা করেন।  

উল্লেখ্য, 
- লিখনপদ্ধতি ও কাগজ আবিষ্কার ছিল মিশরীয় সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ দিক।
- তারা প্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা তৈরি করে।
- মিশরীয়রা শুরুতে চিত্রের মাধ্যমে ভাব প্রকাশ করত, যা ‘হায়ারোগ্লিফিক’ নামে পরিচিত।
- তারা ‘প্যাপিরাস’ নামে এক ধরনের কাগজ তৈরি করে তার উপর লেখা শুরু করে। 

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৪৩.
দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক- 
  1. গ্যারি জে ব্যাস
  2. রিচার্ড সেশন
  3. মার্কাস গ্রান্ডা
  4. টনি ব্লেয়ার 
ব্যাখ্যা

গ্যারি জে ব্যাস:
- দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থটির লেখক গ্যারি জে ব্যাস।

- দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম (The Blood Telegram) গ্রন্থ:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকান অধ্যাপক গ্যারি জে বাসের রচিত বইটির মূল নাম 'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, নিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড'।
- তবে 'ব্লাড টেলিগ্রাম' হলো আর্চার কেন্ট ব্লাডের একটি তারবার্তা।
-১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কেন্ট ব্লাড যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে তৎকালীন চলমান নৃশংসতা বন্ধে ব্যর্থ হওয়ায় কঠোর ভাষায় একটি টেলিগ্রাম করেন, যা ইতিহাসে 'ব্লাড টেলিগ্রাম' নামে পরিচিতি পায়।
- এটি ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়।

 উৎস: i) Amazon.com
ii) মার্চ ২৬, ২০২২, বণিক বার্তা।

৩,১৪৪.
মহাদেশগুলোকে ঘিরে থাকা বিশাল জলভাগের আদি-অকৃত্রিম রূপ -
  1. ক) গন্ডোয়ানাল্যান্ড
  2. খ) প্যানক্রিজ
  3. গ) প্যানথালাসা
  4. ঘ) পেরেশিয়া
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো -প্যানথালাসা

• বিভিন্ন জলভাগের নাম:
 - বিজ্ঞানী ওয়েগনারের মতে, ইন্ডিয়া, সাউথ আমেরিকা, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও অ্যান্টার্কটিকা একসঙ্গে জড়ো হয়ে গন্ডোয়ানাল্যান্ড গঠন করে।
- অন্যদিকে, নর্দান আমেরিকা, ইউরোপ, নর্থ ও মিড এশিয়া লরেশিয়ার অন্তর্ভুক্ত।
- এই দুই ভূখণ্ড গন্ডোয়ানাল্যান্ড ও লরেশিয়া মিলে যে সুবিশাল স্থলভাগ গঠন করেছিল সেটির নামই প্যানজিয়া।
- এই প্যানজিয়াই হলো বর্তমানকালের দৃশ্যমান মহাদেশগুলোর আদি-অকৃত্রিম রূপ।
- আলফ্রেড ওয়েগনার এই প্যানজিয়াকে ঘিরে থাকা বিশাল জলভাগের নামকরণ করেছিলেন প্যানথালাসা।

তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফি  ।
৩,১৪৫.
'দ্বিতীয় ইন্দোচীন' যুদ্ধ নামে পরিচিত যুদ্ধ কোনটি?
  1. কোরিয়া যুদ্ধ
  2. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  3. আফিম যুদ্ধ
  4. উপসাগরীয় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

• ভিয়েতনাম যুদ্ধ:
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত যা প্রায় ২০ বছর (১৯৫৪-৭৫) ধরে চলে।
- এটি ছিল উত্তর ভিয়েতনাম (সমাজতান্ত্রিক) ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের (মার্কিন-সমর্থিত) মধ্যে সংঘটিত একটি গৃহযুদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারে উত্তর ভিয়েতনাম ও আমেরিকার মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৩০ এপ্রিল উত্তর ভিয়েতনাম জয়লাভ করে এবং দক্ষিণ ভিয়েতনাম দখল করে নেয়।
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামে সমাজতান্ত্রিক শাসনে একীভূত হয়।

তথ্যসূত্র: History.com

৩,১৪৬.
নিউজিল্যান্ডে বসবাসকারী আদিবাসী গোষ্ঠী কোনটি?
  1. তাতার
  2. কুর্দি
  3. জুলু
  4. মাউরি
ব্যাখ্যা
মাউরি:
- নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় মাউরি।

অন্যদিকে,
- কুর্দি জাতি পশ্চিম এশিয়ার কুর্দিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় একটি ইরানি জাতিগোষ্ঠী, যারা দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক, উত্তর-পশ্চিম ইরান, উত্তর ইরাক এবং উত্তর সিরিয়ায় বাস করে।
- জুলু উপজাতি বাস করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
- তাতার জাতি হল তুর্কি জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতি, যারা প্রধানত ইউরোপ ও এশিয়ায় বসবাস করে।
- আমেরিকান অধিবাসীদের বলা হয় রেড ইন্ডিয়ান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩,১৪৭.
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মঙ্গল অভিযানের নাম কী?
  1. সাদিক
  2. আমাল
  3. নাহর
  4. সাহরা
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের প্রথম মুসলিম ও আরব দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত গত ২০ জুলাই ২০২০ জাপানের তানেগামিশা উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে মঙ্গলগ্রহের উদ্দেশ্যে মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করে।
- গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রেরিত ‘আমাল’ বা ‘হোপ মিশন’ নামের মহাকাশযান মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।
- ১০ ফেব্রুয়ারি মহাকাশযানটি মঙ্গলগ্রহের প্রথম ছবি প্রেরণ করে।
- সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসেবে মঙ্গলগ্রহের কক্ষপথে মহাকাশযান প্রবেশ করাতে সক্ষম হয়।
- আমাল মিশনের উদ্দেশ্য মঙ্গলগ্রহের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ে গবেষণা করা। মহাকাশযানটির ওজন ১.৩ টন।
- সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই মঙ্গলগ্রহ অভিযানের বৈজ্ঞানিক দলের প্রধান হলেন সারাহ আল আমিরি। এই প্রকল্পে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।
(তথ্যসূত্রঃ সিএনএন, ডয়েচভেলে এবং স্পেস ডটকম)
৩,১৪৮.
এশিয়া মাইনরে কারা প্রথম লৌহের ব্যবহার শুরু করে?
  1. আরবীয়রা
  2. নিয়ানডারথালরা
  3. আসরীয়রা
  4. হিট্টাইটরা
ব্যাখ্যা
লৌহযুগ:
- লোহার আবিষ্কার ও ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে ব্রোঞ্জযুগের একচেটিয়া অধিকার ও কর্তৃত্ব হ্রাস পেয়েছিল।
- ব্রোঞ্জ ছিল দুষ্প্রাপ্য ও মূল্যবান ধাতু।
- এর ব্যবহার মূলত অভিজাত শ্রেণির হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল।
- সহজলভ্য ও দামে সস্তা হওয়ায় লোহার ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।
- সাধারণ মানুষও তাদের দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে লৌহ নির্মিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে শুরু করে।
- এভাবেই লৌহযুগ নামে নতুন এক সভ্যতার বিকাশ লাভ ঘটে।

⇒ এশিয়া মাইনরে হিট্টাইটরা (Hittites) প্রথম লোহার আবিষ্কার ও এর ব্যবহার শুরু করে।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দে মধ্যপ্রাচ্যে লোহার ব্যবহার শুরু হয়।
- লৌহযুগে বর্ণমালাভিত্তিক লিখন পদ্ধতির প্রচলন শুরু হয়।
- ব্যবসাবাণিজ্য ও মুদ্রা-অর্থনীতি ব্যাপকতা লাভ করে।
- জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে শুরু হওয়ার ফলে যাতায়াতব্যবস্থা সহজ হয়।
- এর ফলে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের মানুষের মধ্যে আর্থ- সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লেনদেন ও ভাবের আদান-প্রদান বৃদ্ধি পায়।
- গৃহনির্মাণ, বিভিন্ন ধরনের গৃহসামগ্রী, আসবাবপত্র, রাস্তাঘাট, ব্রিজ, কুঠার, লাঙলের ফলা, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে লোহার ব্যবহারের মাধ্যমে সভ্যতার দ্রুত উত্থান ঘটে।
- উৎপাদন ব্যবস্থায় যন্ত্রশক্তির প্রয়োগ আরও সহজ হয়।
- ফলে শিল্পবিপ্লব ত্বরান্বিত হয়।
- লৌহযুগে শিল্প, বাণিজ্য, নগরায়ন প্রভৃতিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পেশাভিত্তিক সামাজিক শ্রেণির উদ্ভব ঘটে।
- লৌহযুগে গ্রিসে এক উন্নত গণতান্ত্রিক নগরসভ্যতার বিকাশ ঘটে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪৯.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশ?
  1. সুইডেন
  2. ডেনমার্ক
  3. নরওয়ে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্ক্যান্ডিনেভিয়া:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া উত্তর ইউরোপের একটি অঞ্চল।
- এটি ৩টি দেশ নিয়ে গঠিত, ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং সুইডেন।
- "নর্ডিক দেশ" শব্দটিতে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশগুলির পাশাপাশি ফিনল্যান্ড এবং আইসল্যান্ডও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- তিনটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশই সাংবিধানিক রাজতন্ত্র এবং সংসদীয় গণতন্ত্র।
- যুক্তরাজ্যের উত্তরে অবস্থিত ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ এবং উত্তর কানাডার পূর্বে অবস্থিত গ্রিনল্যান্ডকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ উভয় অঞ্চলই ডেনমার্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

উৎস: World Atlas.
৩,১৫০.
নীল নদ কয়টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১১
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৩
ব্যাখ্যা
Nile River System: The Nile is a north-flowing river considered the longest river in the world at 6,650 km (4,130 mi) long. It is shared by and benefits eleven countries. The White Nile and Blue Nile are its major tributaries. The White Nile is longer and rises in the Great Lakes region of central Africa, flowing north from Tanzania to South Sudan. The Blue Nile is the source of most of the water and both rivers join near Khartoum, Sudan The northern section of the river flows almost entirely through desert, from Sudan into Egypt. The Nile ends in a large delta that empties into the Mediterranean Sea.
Source: Worldatlas.com
৩,১৫১.
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কী?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা

• যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম হলো- আব্রাহাম লিংকন।

• আব্রাহাম লিংকন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তার রাজনৈতিক দল ছিল রিপাবলিকান পার্টি।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

⇒ আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আধুনিকীকরণে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন।
- এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’ প্রজাতন্ত্রবাদ, সমঅধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন গেটিসবার্গ ভাষণে। তিন মিনিটের কম সময়ের সেই ভাষণকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি। তার বিখ্যাত উক্তি - '‘Government by the people, for the people, of the people’।

উৎস: History Channel.

৩,১৫২.
সিরিয়ার কোন শহর ‘বিপ্লবের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত?
  1. গাজা
  2. হোমস
  3. দামেস্ক
  4. আলেপ্পো
ব্যাখ্যা
বিপ্লবের রাজধানী:
- সিরিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম শহর হোমস, দেশটির প্রধান প্রধান শহর ও বন্দরের যোগাযোগের কেন্দ্রস্থল।
-  এটি সিরিয়ার অন্যতম শিল্পকেন্দ্র।
- ২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদবিরোধী যুদ্ধের অন্যতম ক্ষেত্র হয়ে ওঠে এই হোমস। 
- এ কারণে শহরটিকে বলা হয় ‘বিপ্লবের রাজধানী (capital of the revolution)’.
- ২০১১ সালের মার্চের মাঝামাঝি সিরিয়ায় বাশার সরকার উৎখাতের ডাক দেওয়া হয়।
- সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে হোমসে।
- সরকারি বাহিনীর অভিযানে সেখানে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য,
- সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, হোমসের অবরোধ দুই বছর স্থায়ী হয় এবং এতে প্রায় ২ হাজার ২০০ জনকে হত্যা করা হয়।
- এখানে ২০১২ সালে মার্কিন সাংবাদিক ম্যারি কলভিন এবং ফরাসি সাংবাদিক রেমি ওচলিক বোমা হামলায় নিহত হন।
- সম্প্রতি, আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে বাস্তুচ্যুত মানুষরা তাদের নিজেদের এলাকায় ফিরে যেতে শুরু করেছে।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
৩,১৫৩.
'ইস্তানা নেগারা' কোন দেশের রাজপ্রাসাদ?
  1. মালয়েশিয়া
  2. রাশিয়া
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
রাজপ্রাসাদ:
- 'ইস্তানা নেগারা' মালয়েশিয়ার  রাজপ্রাসাদ।
- সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ব্যবস্থায় দেশের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার নেতা রাজা।
- ১১.৩৪ হেক্টর জমিতে অবস্থিত।

এছাড়া,
- ক্রেমলিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন।
- ব্লু হাউজ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন।
- পিংক হাউজ আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নাম।

উৎস: ইস্তানা নেগারা ওয়েবসাইট [লিঙ্ক] ও ব্রিটানিকা ও বিডিনিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,১৫৪.
চাঁদের কক্ষপথে 'দানুরি' নামক অরবিটার উৎক্ষেপণ করে কোন দেশ?
  1. ক) চীন
  2. খ) উত্তর কোরিয়া
  3. গ) দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
▪ দক্ষিণ কোরিয়া চাঁদের কক্ষপথে যে অরবিটার উৎক্ষেপণ করে - দানুরি (Danuri)
▪ দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্পেসএক্সের ফ্যালকন নাইন রকেট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে চাঁদের কক্ষপথের উদ্দেশে রওনা দেয় নভোযান 'দানুরি'।
▪ 'দানুরি' অর্থ ‌‌‌‌‌‌‌‌‍‍‍‍‍‍‌‌চাঁদ উপভোগ করুন।
▪ আগামী ডিসেম্বরেই কক্ষপথে প্রবেশ করতে সক্ষম হবে 'দানুরি'। এতে করে বিশ্বে সপ্তম দেশ হিসেবে স্পেসএক্সের আর্টেমিস মুন মিশন প্রকল্পের আওতায় ঢুকে গেল দক্ষিণ কোরিয়া। 

তথ্যসূত্র:- ইনকিলাব এবং যুগান্তর।
৩,১৫৫.
মিশরীয়রা ব্যঞ্জনবর্ণের কয়টি বর্ণ আবিষ্কার করে?
  1. ১১ টি
  2. ২৩ টি
  3. ২৪ টি
  4. ৩৯ টি
ব্যাখ্যা
• মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।

- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক ’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের কাণ্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- সেই কাগজের ওপর তারা লিখত। গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’।
- এই শব্দ থেকে ইংরেজি পেপার শব্দের উৎপত্তি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৫৬.
বাগদাদ কোন দেশের রাজধানী?
  1. ক) ইরান
  2. খ) ইরাক
  3. গ) ইসরায়েল
  4. ঘ) ওমান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের রাজধানী: 
আফগানিস্তান - কাবুল
মঙ্গোলিয়া - উলানবাটুর
আজারবাইজান - বাকু
ইয়েমেন - সানা
ইন্দোনেশিয়া - জাকার্তা
ইরান - তেহরান
ইরাক - বাগদাদ
ইসরায়েল - জেরুজালেম
উত্তর কোরিয়া - পিয়ংইয়ং
উজবেকিস্তান - তাশখন্দ
ওমান - মাস্কাট
কাজাখস্তান - আস্তানা
কিরগিজস্তান - বিশকেক

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১৫৭.
সুয়েজ খাল জাতীয়করণকে কেন্দ্র করে নিম্নের কোন দেশ মিসর আক্রমণ করে?
  1. ক) ফ্রান্স
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) ইসরায়েল
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের সুয়েজ খাল সংকট
যুদ্ধ সংঘটনকাল :অক্টোবর, ১৯৫৬ - মার্চ, ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত৷
বিবাদমান পক্ষসমূহ: মিশর এবং ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
ফলাফল: মিশর পরাজিত। 

১৯৫৬ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের সুয়েজখাল জাতীয়করণের ঘোষণা দিলে ইসরায়েল ১৯৫৬ সালের ২৯ অক্টোবর মিশর আক্রমণ করে। তারা সিনাই উপদ্বীপ, গাজা উপত্যকা সহ সুয়েজখালের পূর্বদিকের অনেক অঞ্চল দখল করে নেয়। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স ইউরোপ ও এশিয়ার সংযোগকারী জলপথটির নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিল। তাদের ভয় ছিলো যে মিশর এই খালের মাধ্যমে ইউরোপে পেট্রোলিয়ামবাহী জাহাজ আটকে দিতে পারে। ফলেও তারাও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং ইসরায়েলকে পূর্ণ সমর্থন দেয়।
ইসরায়েল সুয়েজ খালসহ সিনাই উপদ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র মিশরে সোভিয়েত উপস্থিতি ও প্রভাব বৃদ্ধি পাবে – এই আশঙ্কা - থেকে মিশরকে সমর্থন করে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১৯৫৬ সালের ডিসেম্বরে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য সৈন্য প্রত্যাহার করে। কিন্তু ইসরায়েল তাদের দখলদারিত্ব বজায় রাখে। পরবর্তী ১৯৫৭ সালের মার্চে সৈন্য প্রত্যাহার করে।
জাতিসংঘ এই সংকটকে কেন্দ্র করে সিনাই উপদ্বীপে শান্তিরক্ষী মিশন প্রেরণ করে। ১৯৫৭ সালের মার্চে ইসরায়েল ও মিশরের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
 
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
৩,১৫৮.
প্রতিবছর কত তারিখে ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস’ পালিত হয়?
  1. ১৭ নভেম্বর
  2. ২৯ নভেম্বর
  3. ২০ সেপ্টেম্বর
  4. ৭ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস:
- প্রতিবছর ২৯ নভেম্বর ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস’ পালিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২৯ নভেম্বরকে ফিলিস্তিনি জনগণের সাথে সংহতি প্রকাশ করতে আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস হিসেবে গ্রহণ করে। এর ঠিক ১০ বছর পরে ১৯৮৭ সালের ২৯ নভেম্বর ‘ইউনাইটেড নেশনস পার্টিশন প্ল্যান ফর প্যালেস্টাইন’ প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এরপর থেকেই মুলত এ দিনটি ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিনি সংহতি দিবস’ হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে।

⇒ জাতিসংঘের রেজ্যুলেশন ১৮১ (UN Resolution 181):
- জাতিসংঘের রেজ্যুলেশন ১৮১ "Partition Plan for Palestine" নামে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রেজুলেশন-১৮১ এর আওতায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে ভাগ করে একটি ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েল ও একটি আরব রাষ্ট্র ফিলিস্তিন করার প্রস্তাব করা হয়। 
- গৃহীত হয়: ২৯ নভেম্বর, ১৯৪৭। 

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট। 
ii) Britannica.

৩,১৫৯.
পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সময় হস্তান্তর করা হয়?
  1. জিমি কার্টার
  2. রোনাল্ড রিগ্যান
  3. জেরাাল্ড ফোর্ড
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়ে।
- ১৯৭৭ সালে তৎকালীন পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার একটি চুক্তি সই করেন, এটা "তোরিজোস-কার্টার চুক্তি" নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী, পানামা খাল ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে।
- পানামার কাছে হস্তান্তরের আগে খালটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল এবং
- তারা সেখানে "ক্যানাল জোন" নামে একটি বিশেষ অঞ্চল পরিচালনা করত।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর বিষয়টি পানামার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল, যা এই চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
- খালটি বর্তমানে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।
৩,১৬০.
রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায় কোনটি?
  1. ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  2. জুলাই বিপ্লব
  3. সেপ্টেম্বর বিপ্লব
  4. অক্টোবর বিপ্লব
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com

৩,১৬১.
'মেলানেশিয়া' অঞ্চলের দেশ নয় কোনটি?
  1. ফিজি
  2. পালাউ
  3. পাপুয়া নিউগিনি
  4. ভানুয়াতু
ব্যাখ্যা
মেলানেশিয়া:
- 'মেলানেশিয়া' শব্দটি গ্রীক থেকে এসেছে এবং এর অর্থ 'কালো দ্বীপ'।
- মেলানেশিয়া দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি অঞ্চল।
- এটি প্রায় ২,০০০ দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এই অঞ্চলের দেশগুলো হলো: পাপুয়া নিউগিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ভানুয়াতু এবং ফিজি।

অন্যদিকে -
- মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চল ফিলিপাইনের পূর্বে এবং নিউগিনি দ্বীপের উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- এ অঞ্চলে পালাউ, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, কিরিবাতি ও নাউরু এ পাঁচটি স্বাধীন দেশ রয়েছে।

উৎস: World Atlas.
৩,১৬২.
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) ফিলিপাইন
  2. খ) শ্রীলংকা
  3. গ) ভিয়েতনাম
  4. ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্র (International Rice Research Institute (IRRI)) হল একটি স্বশাসিত, অলাভজনক, কৃষিবিষয়ক বিশ্লেষণ এবং প্রশিক্ষণ সংস্থা।
সংস্থাটির সদর দপ্তর ফিলিপাইন এর ম্যানিলাতে অবস্থিত।
উৎসঃ IRRI website.

৩,১৬৩.
লালবাহাদুর শাস্ত্রী ভারতের কততম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৪র্থ
  3. গ) ৫ম
  4. ঘ) ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী (ভারপ্রাপ্ত) গুলজারি লাল নন্দ, তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী, চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী (ভারপ্রাপ্ত) গুলজারি লাল নন্দ এবং পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
উৎসঃ ভারত সরকারের ওয়েবসাইট (https://knowindia.gov.in/)।
৩,১৬৪.
‘বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে’-এই সত্য প্রথম আবিষ্কার করেন কারা?
  1. ক) রোমানরা
  2. খ) গ্রিকরা
  3. গ) ফিনিশীয়রা
  4. ঘ) হিব্রুরা
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে গ্রিকরা। পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানীরা। তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়। গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন। চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে। এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।
[সূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৩,১৬৫.
ইন্দোনেশিয়ার পর্যটনকেন্দ্র বালি দ্বীপে কোন তারিখে শক্তিশালী বোমা হামলায় ব্যাপক প্রাণহানিসহ একটি নাইট ক্লাব ধ্বংস হয়ে গেছে?
  1. ১০ অক্টোবর, ২০০২
  2. ১২ অক্টোবর, ২০০২
  3. ১০ নভেম্বর, ২০০২
  4. ১২ নভেম্বর, ২০০২
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়ার পর্যটনকেন্দ্র বালি দ্বীপে ১২ অক্টোবর, ২০০২ তারিখে শক্তিশালী বোমা হামলায় ব্যাপক প্রাণহানিসহ একটি নাইট ক্লাব ধ্বংস হয়ে গেছে।

২০০২ বালি বোমা হামলা:

- জনপ্রিয় পর্যটন দ্বীপ ইন্দোনেশিয়ার বালি। 
- বালির বার ও নাইটক্লাবে ২০০২ সালের ১২ই অক্টোবর চালানো হয় দুটি বোমা হামলা।
- বোমা হামলার পেছনে ছিল ইন্দোনেশিয়ার আল-কায়েদা অনুপ্রাণিত সংগঠন জেমা ইসলামিয়া।
- হামলায় ২১টি দেশের নাগরিকেরা নিহত হন।
- ইন্দোনেশিয়ার ইতিহাসে এটিই ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা।

উল্লেখ্য,
- বালি বোমা হামলার সময় জেমা ইসলামিয়া (জেআই) নামের জঙ্গী সংগঠনের কম্যাণ্ডার ছিলেন আবু বাকার বা'আসির।
- বালি বোমা হামলার ষড়যন্ত্রের জন্যও মি. বা'আসিরের কারাদণ্ড হয়েছিল।

ইন্দোনেশিয়া:
- এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের মাঝখানে অবস্থিত দ্বীপ রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়া।
- বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাষ্ট্রীয় নাম: রিপাবলিক অব ইন্দোনেশিয়া।
- রাজধানী: জাকার্তা।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- প্রধান ভাষা: বাহাসা ইন্দোনেশিয়া। 
- সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ৮ জানুয়ারি ২০২১, বিবিসি।
৩,১৬৬.
পলিনেশিয়ার দেশ নয় কোনটি?
  1. ক) টোঙ্গা
  2. খ) টুভ্যালু
  3. গ) সামোয়া
  4. ঘ) ফিজি
ব্যাখ্যা

পলিনেশিয়া শব্দের অর্থ বহু দ্বীপ। মধ্য ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপগুলো এর অন্তর্গত। পলিনেশিয়া এর দেশসমূহ- টোঙ্গা, টুভ্যালু এবং সামোয়া।
ফিজি মেলোনেশিয়ার দেশ। ফিজির রাজধানী সুভা।
সূত্র: worldatlas.com

৩,১৬৭.
'Economics is the science of wealth'- উক্তিটি কার?
  1. অগাস্ট ক্যোঁৎ
  2. অ্যাডাম স্মিথ
  3. সিগমুড ফ্রয়েড
  4. থেলিস
ব্যাখ্যা
Economics is the science of wealth:
- অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতির জনক হিসাবে পরিচিত।
- তাঁর লেখা 'Wealth of nations' বইটি তাঁকে আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত করেছে।
- এই বইয়ে তিনি অর্থনীতির মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ‘অর্থনীতি এমন একটি বিজ্ঞান, যা জাতিসমূহের সম্পদের ধরন ও কারণ অনুসন্ধান করে’ উক্তিটি অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথের।
- 'Economics is the science of wealth'- উক্তিটি অ্যাডাম স্মিথের।

উৎস: i) Investopedia ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৩,১৬৮.
আগুন আবিস্কৃত হয় কোন যুগে?
  1. ক) নব্য প্রস্তর যুগ
  2. খ) মধ্য প্রস্তর যুগ
  3. গ) প্রাচীন প্রস্তর যুগ
  4. ঘ) লৌহ যুগ
ব্যাখ্যা
আগুনের আবিষ্কার হয় প্রাচীন প্রস্তর যুগে। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১ লক্ষ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০ হাজার অব্দ পর্যন্ত সময়কে প্রাচীন প্রস্তর যুগ ধরা হয়।
নব্য প্রস্তর যুগের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো চাকা এবং কৃষিকাজ।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক সমাজবিজ্ঞান ২য়পত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,১৬৯.
চট্টগ্রাম ও স্বন্দীপ থেকে পর্তুগীজদের উচ্ছেদ করেন বাংলার কোন শাসক?
  1. ক) ইসলাম খান
  2. খ) শাহ সুজা
  3. গ) কাসেম খান জুয়েনী
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
  5. ঙ) মীর জুমলা
ব্যাখ্যা
পর্তুগীজরা আরও নানা প্রকার অপরাধমূলক কাজ করত। তাঁরা জোর করে এদেশেরই অসহায় বালক-বালিকাদের খ্রিস্টান বানাত। এদেশের মানুষকে ধরে নিয়ে দাস দাসীরূপে বিক্রি করতো বিদেশের বাজারে। পর্তুগীজ সৈন্যরা জোর করে এদেশের মেয়ে বিয়ে করত। তাদের এ অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেলে সম্রাট শাহজাহান পর্তুগীজদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করেন। সম্রাটের নির্দেশে কাসিম খান তাদের হুগলী কুঠি থেকে বিতাড়িত করেন। সর্বশেষ বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও স›দ্বীপ ঘাঁটি দখল করে চিরতরে এ দেশ থেকে উচ্ছেদ করেন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৩,১৭০.
Where is the headquater of Al-Jazeera Television?
  1. Doha
  2. Dubai
  3. Cairo
  4. New York
ব্যাখ্যা
আল জাজিরা:
- আল জাজিরা হলো কাতারভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেল।
- এটি ১৯৯৬ সালের ১ নভেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্প্রচার শুরু করে।
- সদর দপ্তর: দোহা, কাতার।
- আল জাজিরা আরবি ও ইংরেজি ভাষায় সম্প্রচার করে থাকে।
- এটি আরববিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী গণমাধ্যম হিসেবে বিবেচিত।

তথ্যসূত্র - আল জাজিরা ওয়েবসাইট।
৩,১৭১.
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের নাম-
  1. ক) এয়ারফোর্স ওয়ান
  2. খ) ওভাল অফিস
  3. গ) ১১ নং ডাউন স্ট্রিট
  4. ঘ) এলিসি প্রাসাদ
ব্যাখ্যা

- ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের নাম এলিসি প্রাসাদ।
- ১৮৭৪ সাল থেকে এলিসি প্রাসাদ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের বাসভবন হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়।
- ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের মেয়াদকাল পাঁচ বছর।
উৎসঃ ফ্রান্সের সরকারি ওয়েবসাইট।

৩,১৭২.
সুমেরীয় ধর্ম মন্দিরকে কী বলা হত?
  1. মেহেরাব
  2. ইশতান
  3. জিগুরাত
  4. মেনেস
ব্যাখ্যা
- সুমেরীয় ধর্ম মন্দিরকে জিগুরাত বলা হত। 

সুমেরীয় সভ্যতা: 

- সুমেরীয় সভ্যতা মেসোপটেমিয়ায় গড়ে উঠেছিল।
- ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বে সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠি এবং মধ্য এশিয়া থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে।
- লিখন পদ্ধতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, আইন কানুন প্রণয়ন, ধর্মীয় অনুশাসন ইত্যাদি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
- সুমেরীয়দের পরবর্তী বিখ্যাত শাসক ছিলেন সম্রাট 'ডুঙি'।
- সম্রাট ডুঙির নেতৃত্বে সুমেরীয়গণ খ্রিস্টপূর্ব ২১০০ অব্দে একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন।
- ডুঙি সুমের জাতির জন্য সর্বপ্রথম একটি বিধিবদ্ধ আইন (Code) প্রচলন করেন।
- সুমেরীয় সমাজে শিল্প ও ব্যবসা পরিচালনায় নারীদের অধিকার দেওয়া হয়েছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিকাশ এবং নিত্য নতুন আবিষ্কারের মূলে সুমেরীয়দের অবদানই অধিক ছিল।
- সুমেরীয় শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি ‘জিগুরাত' নামক ধর্মমন্দির।

সূত্র - ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭৩.
সম্প্রতি 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালিত হয় কবে?
  1. ১১ জুন, ২০২৫
  2. ১৩ জুন, ২০২৫
  3. ১৫ জুন, ২০২৫
  4. ১৬ জুন, ২০২৫
ব্যাখ্যা
‘অপারেশন রাইজিং লায়ন':
- ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানটির নাম 'অপারেশন রাইজিং লায়ন'।
- 'রাইজিং লায়ন' নামটি বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদে সিংহের প্রতীকী পরাক্রমকে তুলে ধরে, ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
- ১৩ জুন, ২০২৫-এর ভোরে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ যৌথভাবে 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালনা করে।
- ইসরায়েল প্রথমে 'ড্রোন' দ্বারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা, এরপর প্রধান পারমাণবিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা করে।

উল্লেখ্য:
- এই হামলার জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়।
- এই হামলার নাম দেয়া হয় 'অপারেশন টু প্রমিজ থ্রি’।
- ইরান পাল্টা জবাবে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।
৩,১৭৪.
আলমাআতা কোন দেশের রাজধানী ছিল?
  1. কাজাখস্তান
  2. আজারবাইজান
  3. ইরান 
  4. তুর্কমেনিস্তান
ব্যাখ্যা

আলমাআতা:
- আলমাআতা ছিল কাজাখস্তানের রাজধানী।
- ১৯৬১ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত কাজাখস্তানের রাজধানী ছিল আলমাআতা।
- এরপর নূর-সুলতান (বর্তমানে আস্তানা) নতুন রাজধানী হয়। 
- দেশটির একেবারে দক্ষিণ-পূবের ছোট্ট এই আলমাটি শহর অবস্থিত তিয়েনশান পর্বতের পাদদেশে। এই শহরটি এখনও কাজাখস্তানের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

⇒ কাজাখস্তান:
- কাজাখস্তান মধ্য এশিয়ার একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থলবেষ্টিত দেশ। 
- এটি বিশ্বের নবম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- দেশটির উত্তরে রাশিয়া, পূর্বে চীন, দক্ষিণে কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান এবং পশ্চিমে ক্যাস্পিয়ান সাগর ও রাশিয়া।
- কাজাখস্তান প্রায় সম্পূর্ণভাবে এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- তবে দেশটির কিয়দংশ উরাল নদীর পশ্চিমে ইউরোপ মহাদেশে পড়েছে। 
- রাজধানী: আস্তানা (Astana)। এটি পূর্বে নূর-সুলতান নামে পরিচিত ছিল।
- মুদ্রার নাম: টেঙ্গি।

উৎস: Worldatlas.

৩,১৭৫.
গৌরবময় বিপ্লব কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. ইংল্যান্ড
  3. রাশিয়া
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
গৌরবময় বিপ্লব (Glorious Revolution): 
- গৌরবময় বিপ্লব (১৬৮৮-৮৯) ইংল্যান্ডের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এতে রাজা জেমস II-কে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় এবং তার মেয়ে মেরি II ও জামাতা উইলিয়াম III রাজসিংহাসনে আরোহণ করেন।
- জেমস II ১৬৮৫ সালে সিংহাসনে বসেন।
- তার রোমান ক্যাথলিক নীতি জনসাধারণের বিরাগ সৃষ্টি করে।
- ১৬৮৭ সালে তিনি ডিক্লারেশন অব ইন্ডালজেন্স জারি করেন, যা ধর্মীয় শাস্তি স্থগিত করে।
- ১৬৮৮ সালে তার ক্যাথলিক স্ত্রী একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন, যা তার নীতির দীর্ঘস্থায়ীতার ইঙ্গিত দেয়।
- এই ঘটনার ফলে অসন্তোষ চরমে পৌঁছায়।
- উইলিয়াম III-কে ইংল্যান্ডে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়।
- তিনি তার সৈন্য নিয়ে ৫ নভেম্বর, ১৬৮৮ ব্রিক্সহ্যামে অবতরণ করেন।
- রাজা জেমস II-এর সমর্থন দ্রুত কমে যায়।
- তার মেয়ে অ্যান এবং সেরা জেনারেল জন চার্চিল উইলিয়ামের শিবিরে যোগ দেন।
- জেমস II ফ্রান্সে পালিয়ে যান।
- ১৬৮৯ সালের জানুয়ারিতে কনভেনশন পার্লামেন্ট বসে।
- পার্লামেন্ট জেমস II-এর পলায়নকে সিংহাসন ত্যাগ হিসেবে ঘোষণা করে।
- উইলিয়াম এবং মেরিকে রাজমুকুট প্রদান করা হয়।
- তাদের সঙ্গে ডিক্লারেশন অব রাইটস চুক্তি হয়।
- এই বিপ্লব পার্লামেন্টকে ইংল্যান্ডের শাসন ক্ষমতার কেন্দ্রস্থলে স্থাপন করে।
- এটি জন লকের সামাজিক চুক্তি তত্ত্বকে সমর্থন করে, যেখানে রাজা ও জনগণের মধ্যে একটি চুক্তি থাকে।
- গৌরবময় বিপ্লব গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে এক বিশাল পদক্ষেপ।

উৎস: Britannica.
৩,১৭৬.
নেলসন ম্যান্ডেলার ডাক নাম কী ছিল?
  1. ওরিস
  2. পিরু
  3. মাদিবা
  4. হ্যারিস
ব্যাখ্যা
• নেলসন ম্যান্ডেলা:
- নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক দলের নাম আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত কৃষ্ণাঙ্গনেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) পার্টির নেতা ছিলেন।
- ১৯৪৪ সালে তিনি ANC তে যোগ দেন।
- ১৯৯১-১৯৯৭ সময়ে তিনি ANC এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে তিনি ১৯৬৩-১৯৯০ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর রোবেন দ্বীপে কারান্তরীণ ছিলেন।
- ১৯৯৪ সালের ১০ মে ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিক ভাবে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৯৩ সালে ম্যান্ডেলা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ম্যান্ডেলা মারা যান।
- তার ডাকনাম ছিলো মাদিবা।

উৎস: নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৩,১৭৭.
Who start the great proletarian cultural revolution in China?
  1. Ho Chi Minh
  2. Joseph Stalin
  3. Sun Yat Sen
  4. Mao Zedong
  5. Chiang Kai-shek
ব্যাখ্যা
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (Cultural Revolution):
- ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং- এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- এটি ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয়।
- এই বিপ্লব প্রায় ১০ বছর স্থায়ী হয়।
- সমগ্র চীনকে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই
বিপ্লব শুরু হয়।
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১লা অক্টোবর, এক রক্তক্ষয়ী বিপ্লবের মাধ্যমে China) বা গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।

অন্যদিকে -
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- চিয়াং কাইশেক চীনের পুঁজিবাদ তন্ত্রের প্রবর্তক।
- ভিয়েতনামের স্বাধীনতা সংগ্রামেরপুরোধা ব্যক্তিত্ব হো চি মিন।

উৎস: Britannica.
৩,১৭৮.
আয়তনের দিক থেকে আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ কোনটি?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. মিশর
  3. নাইজেরিয়া
  4. আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা
• আলজেরিয়া: 
- সরকারি নাম: পিপল’স ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব আলজেরিয়া।
- রাজধানী: আলজিয়ার্স (Algiers)।
- আয়তন: প্রায় ২.৩৮ মিলিয়ন বর্গকিমি
- আফ্রিকার সর্ববৃহৎ দেশ (আয়তন অনুযায়ী)।
- ভাষা: আরবি (সরকারি), 
- মুদ্রা: আলজেরিয়ান দিনার (DZD)
- ধর্ম: ইসলাম (রাষ্ট্রধর্ম, প্রায় ৯৯% মুসলিম)
- শাসনব্যবস্থা: আধা-প্রেসিডেনশিয়াল গণতন্ত্র
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: আবদেলমাদজিদ তেবুন (Abdelmadjid Tebboune) [ জুলাই, ২০২৫]
- ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসন: ১৮৩০ সাল থেকে শুরু হয়।
- ১৯৬২ সালের ৫ জুলাই, দীর্ঘ ৮ বছরের মুক্তিযুদ্ধের পর ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতা লাভ করে
- এই যুদ্ধকে বলা হয় Algerian War of Independence (1954–1962)।
- নেতৃত্বে ছিল FLN (National Liberation Front). 

উল্লেখ্য, 
- অবস্থান: উত্তর আফ্রিকা। 
- উত্তরে: ভূমধ্যসাগর।
- সীমান্তবর্তী দেশ: মরক্কো, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, নাইজার, মালি, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।
 
উৎস: Britannica, World Atlas.
৩,১৭৯.
Which is the new capital of Indonesia?
  1. ক) Jakarta
  2. খ) Bali
  3. গ) Borneo
  4. ঘ) Nusantara
ব্যাখ্যা
ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাজধানীর:


- জাকার্তার পরিবর্তে ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাজধানীর নাম নুসানতারা।
- ইন্দোনেশিয়া ঘোষণা দিয়েছে, জাকার্তার বদলে তারা যে নতুন রাজধানী তৈরি করতে যাচ্ছে, তার নাম হবে 'নুসানতারা'।
- জাভানিজ ভাষায় নুসানতারার অর্থ দ্বীপপুঞ্জ।
- দেশটির দ্রুত ডুবন্ত শহর জাকার্তা থেকে রাজধানী সরিয়ে নেয়ার একটি প্রস্তাব পার্লামেন্ট অনুমোদনের পর এই ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
- বোর্নিও দ্বীপ থেকে ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দূরের রাজধানী তৈরি করার প্রথম প্রস্তাব করা হয়েছিল ২০১৯ সালে।
- ভিড়বহুল জাকার্তা দুষিত হয়ে পড়েছে এবং ভূ-গর্ভস্থ পানির মাত্রাতিরিক্ত উত্তোলনের ফলে আশঙ্কাজনক হারে শহরটি ডেবে যাচ্ছে। জাভা সাগরের এই বৃহত্তম দ্বীপে এক কোটির বেশি মানুষ বসবাস করে।
- ইন্দোনেশিয়া সরকারের বৃহৎ প্রকল্পের অন্যতম রাজধানী স্থানান্তরের এই পদক্ষেপে খরচ হবে প্রায় ৪৬৬ ট্রিলিয়ন রুপি বা তিন হাজার দুইশো ৪০ কোটি ডলার।
- সরকার ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা দিবসে নতুন রাজধানী উদ্বোধন করার পরিকল্পনা করেছে। তবে এটি সম্পূর্ণভাবে তৈরি হতে ২০৪৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত সময় লাগবে।
- তবে বিশ্বে ইন্দোনেশিয়াই প্রথম দেশ নয়, যারা তাদের রাজধানী স্থানান্তর করেছে। নতুন করে পরিকল্পিত ও নির্মিত শহরে এভাবে রাজধানী স্থানান্তর করেছে ব্রাজিল, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ১৯ জানুয়ারি ২০২২।
৩,১৮০.
ঐতিহাসিক 'গেটিসবার্গ' ভাষণ কে দিয়েছিলেন?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln):
- আব্রাহাম লিংকন (Abraham Lincoln) ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি 
- একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা, যিনি মূলত দাসপ্রথা বিলোপ এবং দেশের ঐক্য রক্ষায় পরিচিত।
- মার্কিন গৃহযুদ্ধ (American Civil War) চলাকালীন রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- ১৮৬৩ সালে Emancipation Proclamation জারি করে দাসপ্রথা শেষের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন।
- আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গ ভাষণের জন্যে বিখ্যাত।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
 
উৎস: হিস্টোরি ডটকম এবং নিউইয়র্ক টাইমস।

৩,১৮১.
নিচের কোনটি বাফার রাষ্ট্রের উদাহরণ?
  1. নেপাল
  2. বেলজিয়াম
  3. মঙ্গোলিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাফার রাষ্ট্র:
- দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত দেশকে বাফার স্টেট বলা হয়।
- দুটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশের মধ্যস্থলে অবস্থিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক সময় বিশেষভাবে সাহায্য করে।
- দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত বেলজিয়ামের কথা উল্লেখ করতে পারি।
- বৈশ্বিক রাজনীতি ও কুটনীতিতে দুই বা ততােধিক বিবাদমান শক্তি বা দেশসমূহের মধ্যে সংঘর্ষ ও সংঘাত এড়ানাের জন্য দুইরাষ্ট্র বা শক্তির মাঝখানে যে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র সৃষ্টি করা হয় বা বজায় রাখা হয় এবং যা অস্তিত্বশীল, সে রাষ্ট্রকে বাফার রাষ্ট্র বলা হয়।

⇒ বেলজিয়াম (জার্মানি-ফ্রান্সের মাঝে), নেপাল ও ভুটান (ভারত-চীন), লেবানন (ইসরায়েল এবং সিরিয়ার মধ্যে) এবং মঙ্গোলিয়া (চীন-রাশিয়ার মাঝে) বাফার স্টেটের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
- মঙ্গোলিয়া ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীনের মধ্যে একটি বাফার হিসাবে কাজ করেছিল।
- এটি বর্তমানে রাশিয়া এবং চীনের মধ্যে একটি বাফার হিসাবে কাজ করে। 

উৎস: WorldAtlas.
৩,১৮২.
'বুলেটের চাইতেও ব্যালট শক্তিশালী’ এটি কার বিখ্যাত উক্তি?
  1. উড্রো উইলসন
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. উইনস্টন চার্চিল
  4. রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন:
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম রিপাবলিক দলের প্রেসিডেন্ট।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দাস প্রথা বিলুপ্ত করেন এবং ক্রীতদাসদের স্বাধীন নাগরিকের মর্যাদা দেন।
- ১৯ নভেম্বর ১৮৬৩ তারিখে গেটিসবার্গের ভাষণ আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- শব্দ ছিল মাত্র ২৭২টি।
- কিন্তু তার শিহরণ লেগেছিল গোটা বিশ্বে।

উল্লেখ্য,
- তার বিখ্যাত উক্তি: ‘বুলেটের চাইতেও ব্যালট শক্তিশালী’ ও ‘Democracy is a government of the people, by the people and for the people’

অন্যদিকে -
- রিচার্ড নিক্সন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ‘ওয়াটার গেট’ কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত ছিলেন।

উৎস: History Channel.
৩,১৮৩.
বিশ্ববিখ্যাত ‘ভার্জিন অফ দ্য রকস’ চিত্রটির চিত্রকর কে?
  1. পাবলো পিকাসো
  2. লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি
  3. ভ্যান গগ
  4. মাইকেল অ্যাঞ্জেলা
ব্যাখ্যা
লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি:
- লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ইতালির চিত্রশিল্পী।
- লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ১৪৫২ সালে জন্ম গ্রহন করেন।
- তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত পেইন্টিং গুলি হল - মোনা লিসা, দ্য লাস্ট সাপার, ভার্জিন অফ দ্য রকস এবং ক্রাইস্টের ব্যাপটিজম।
- অন্যান্য পেইন্টিংগুলির মধ্যে রয়েছে ভার্জিন মেরি, ভার্জিন অ্যান্ড চাইল্ড উইথ সেন্ট অ্যান, দ্য অ্যানানসিয়েশন, ম্যাডোনা অফ দ্য কার্নেশন, জিনেভরা দে' বেঞ্চি, দ্য অ্যাডোরেশন অফ দ্য ম্যাগি (অসমাপ্ত), সেন্ট জেরোম ইন দ্য ওয়াইল্ডারনেস (অসমাপ্ত), একটি প্রতিকৃতি। মিউজিশিয়ান (অসমাপ্ত), লেডি উইথ অ্যান এর্মাইন।
- ২০১১ সালে আন্তর্জাতিক খনিজ সমিতি তার সম্মানে Davinciite খনিজ নামকরণ করে।
- ১৫১৯ সালে ৬৭ বছর বয়সে, লিওনার্দো দা ভিঞ্চি মারা যান।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
৩,১৮৪.
মদিনা সনদের ধারা কয়টি?
  1. ৪৭ টি
  2. ৪৮ টি
  3. ৪০ টি
  4. ৪৫ টি
ব্যাখ্যা
মদিনা সনদ:
-মদিনা সনদ পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম সনদ।  প্রিয় নবী (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার পর সমকালীন পরিস্থিতি বিবেচনা করে আনসার ও মুহাজিরদের মধ্যে একটি চুক্তি সম্পাদনের উদ্যোগ নেন। এই চুক্তিটিতে তিনি ইহুদিদেরও অন্তর্ভুক্ত করেন। অর্থাৎ আনসার-মুহাজির-ইহুদিসহ গোটা ইয়াসরিবের জনগণের জন্য তিনি একটি সনদ প্রণয়ন করেন। মহানবী (সা.) কর্তৃক ইয়াসরিব উপত্যকার সব মানুষের জন্য লিখিত এই সনদই ইতিহাসে 'মদিনা সনদ' নামে পরিচিত।
- মদিনা সনদকে ঐতিহাসিকরা বিশ্বের ইতিহাসে সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান বলে স্বীকৃতি প্রদান করেছেন।
- এ সনদের ধারা ছিল- ৪৭ টি।
- মদিনা সনদকে ঐতিহাসিকরা বিশ্বের ইতিহাসে সর্বপ্রথম লিখিত সংবিধান বলে স্বীকৃতি প্রদান করেছেন।
- এ চুক্তিনামা হযরত মুহাম্মদ (সা.) কুরাইশ ও মদীনার মুসলমানগণ এবং তাদের অনুসারী ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সম্পাদন করেন।

উৎস:   ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র ,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৮৫.
নেলসন মেন্ডেলা কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের পথিকৃৎ ব্যক্তিত্ব:
বিশ শতকের দিকে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন ব্যাপকতা পায়।
তখন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে জোরদার হয়ে ওঠে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন নেতা।
তাঁরা জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছেন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে।
এক্ষেত্রে ভারতের মহাত্মা গান্ধী, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা, ডেসমন্ড টুটু, আমেরিকার মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র প্রমুখের নাম বলা যেতে পারে। 

নেলসন ম্যান্ডেলা:
কিংবদন্তী রাষ্ট্রনায়ক নেলসন ম্যান্ডেলা ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, যিনি বর্ণবাদের অবসান ঘটিয়ে বহু বর্ণভিত্তিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
তাঁর আকর্ষণীয় ব্যাক্তিত্ব, প্রখর রসবোধ এবং প্রতিপক্ষের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেয়ার মত বিশাল মন বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনকে পথ দেখায়।
তিনি তাঁর এসব গুনের জোরেই বিশ্বের জনপ্রিয় এবং আকর্ষণীয় নেতা হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
বর্ণবাদের অবসানের পর ১৯৯৪ সালের ১০ই মে নতুন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
এর মাত্র এক দশক আগেও সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গ শাসিত দক্ষিণ আফ্রিকায় এই রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ছিল এক অকল্পনীয় ঘটনা। এই পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
শুধু দক্ষিণ আফ্রিকায় নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায়ও তিনি ভূমিকা রাখেন।
বিশ্বের নানা দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন সফল করার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৩ সালে তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
১৯১৮ সালে নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম।
তাঁর বাবা ছিলেন ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের থেম্বো রাজকীয় পরিবারের কাউন্সিলর।
দক্ষিণ আফ্রিকায় ম্যান্ডেলা তার গোত্রের দেয়া 'মাদিবা' নামে বিশ্বব্যাপী বেশি পরিচিত।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৮৬.
জাতিসংঘের কোন মহাসচিবের নামে শান্তি রক্ষায় সর্বোচ্চ পদক প্রদান করা হয়?
  1. ক) গ্লাডউইন জেব
  2. খ) কফি আনান
  3. গ) কুর্ট ওয়ার্ল্ডহেইম
  4. ঘ) দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
ব্যাখ্যা
- শান্তি রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য জাতিসংঘ যে পদক প্রদান করে - দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক।
- ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক লাভ করেন - ৪২টি দেশের ১১৭ জন শান্তিরক্ষী।
- ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকপ্রাপ্ত দুইজন বাংলাদেশী হলেন - লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম মাহমুদুল হাসান এবং ল্যান্স কর্পোরাল মো. রবিউল মোল্লা।


The Secretary-General established the Dag Hammarskjöld medal for posthumous award to members of peacekeeping operations who lost their lives during service with a peacekpeeping operation under the operational control and author- ity of the United Nations.

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২, জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩,১৮৭.
আইফেল টাওয়ার কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. প্যারিস
  3. টোকিও
  4. টরেন্টো
ব্যাখ্যা
ফ্রান্স:
- রাজধানী: প্যারিস।
- সরকার ব্যবস্থা: আধা-রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।
- ইউরোপের তৃতীয় বৃহৎ অর্থনীতি দেশ।
- বিখ্যাত স্থাপনা: আইফেল টাওয়ার, প্যারিস, ফ্রান্স।
- মুদ্রা: ইউরো (€)।
- ভাষা: ফরাসি (French)।
- সংবিধান গ্রহণ: ১৯৫৮ সালে।
- বিখ্যাত বিপ্লব: ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লব।
- জোট সদস্যপদ: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU), ন্যাটো, G7,  UN,. 

অন্যদিকে,
- লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার এলাকার সংসদ ভবনের উত্তরাংশের ক্লক টাওয়ারে অবস্থিত সুবিশাল ঘণ্টা।
- ব্র্যান্ডেনবার্গ গেট "রেইচস্টাগ" যা জার্মানির পার্লামেন্টের আসন।
- ক্রেমলিন মস্কোতে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩,১৮৮.
ISIS কোন দেশের সন্ত্রাসী সংগঠন?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) ইরাক
  3. গ) ইরাক ও সিরিয়া
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক
ব্যাখ্যা
ISIS দ্বারা বােঝায় Islamic State of Iraq and Syria, যার অন্য নাম Islamic State of Iraq and the Levant ইরাক এবং সিরিয়া ভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠন। যার বর্তমান নাম IS বা Islamic State। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৩,১৮৯.
'City of Love' হিসেবে পরিচিত-
  1. নিউইর্য়ক
  2. লস অ্যাঞ্জেলেস
  3. প্যারিস
  4. মিলান
ব্যাখ্যা
• প্যারিস :
- শহরটি ভালোবাসার শহর।
- প্যারিস শহরের রাস্তাঘাট, নদীর ধারে হাঁটার পথ, রোমান্টিক রেস্তোরাঁ, এবং ঐতিহাসিক কাঠামোগুলো একটি রোমান্টিক পরিবেশ তৈরি করে।
 - প্যারিস নিজেকে "ভালোবাসার শহর" হিসেবে আলাদা করে তুলেছে।
- প্যারিস দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিদের, যেমন লেখক এবং শিল্পীদের, আকর্ষণ করে আসছে।
- প্যারিসে ভালোবাসা সর্বত্রই পাওয়া যায়, এর আরামদায়ক ক্যাফে থেকে শুরু করে আর্টস ব্রিজ পর্যন্ত, যেখানে ২০০০-এর দশকের গোড়ার দিকে দম্পতিরা একে অপরের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শনের জন্য তালা লাগিয়েছিলেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১৯০.
কোন দেশ রােহিঙ্গা গণহত্যা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ICJ তে মামলা করে?
  1. নাইজেরিয়া
  2. গাম্বিয়া
  3. সৌদি আরব
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
১০ ডিসেম্বর ২০১৯, রােহিঙ্গা গণহত্যা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ICJ তে গাম্বিয়ার দায়েরকৃত মামলার বিচার শুরু হয়।
পরবর্তীতে, ২৩ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) রােহিঙ্গাদের সুরক্ষায় সর্বসম্মতভাবে মিয়ানমারের প্রতি চার দফা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সালতামামী
৩,১৯১.
কোন যুদ্ধের মাধ্যমে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
  2. খ) তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ
  3. গ) পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
  4. ঘ) গান্ধারের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
- ১৫২৬ সালের এপ্রিল মাসে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লোদী বংশের শাসক ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করে জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- পানিপথ ভারতের বর্তমান হরিয়ানা রাজ্যে অবস্থিত।
- ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য স্থিতিশীলতা লাভ করে সম্রাট আকবরের শাসনামলে।
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : দ্বিতীয়পত্র)
৩,১৯২.
Queen Sofia belongs to -
  1. Britain
  2. Egypt
  3. Spain
  4. France
ব্যাখ্যা
সোফিয়া:

- স্পেনের মহারাণী সোফিয়া।
- ১৯৩৮ সালের নভেম্বরে গ্রীস এবং ডেনমার্কের রাজকুমারী সোফিয়া জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৬২ সালে তৎকালীন রাজা হুয়ান কার্লোসকে তিনি বিয়ে করেন।
- ১৯৭৫ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত স্পেনের রানী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - The New York Times, Nov. 17, 2008.
৩,১৯৩.
আফগানিস্তানে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে কত সালে?
  1. ১৯৭০সালে
  2. ১৯৭৩সালে
  3. ১৯৭৬সালে
  4. ১৯৭৭সালে
ব্যাখ্যা
• আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তানের শেষ রাজা মোহাম্মদ জহির শাহ ১৯৩৩ সালে ক্ষমতা লাভ করেন।
-  ১৯৭৩ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।
- ১৯শ শতাব্দীতে দেশটি ব্রিটিশ ভারতীয় সাম্রাজ্য ও রুশ সাম্রাজ্যের মধ্যকার দ্বন্দ্বে মধ্যবর্তী ক্রীড়ানক রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- ১৯৭৩ সালে একটি সামরিক অভ্যুত্থানে সামরিক কর্মকর্তাগণ রাজার পতন ঘটান এবং প্রজাতন্ত্র গঠন করেন।
- ১৯১৯ সালে তৃতীয় ব্রিটিশ-আফগান যুদ্ধশেষে আফগানিস্তান যুক্তরাজ্য থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে আফগানিস্তানে এক দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপের অভিপ্রায়ে ১৯৭৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং সোভিয়েত- আফগান যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৮৯ সালে সোভিয়েতরা আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয় এবং এর সাথে সাথে দেশটিতে আবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,১৯৪.
গ্লাস্তনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নীতির প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত-
  1. মিখাইল গর্বাচেভ
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. আন্দ্রে ব্রেজনেভ
  4. ভি আই লেলিন
ব্যাখ্যা
• মিখাইল গর্বাচেভ:
- সেভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাস্তনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- এর মধ্যে গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি এবং পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- সোভিয়েত নাগরিকদের ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য তিনি খোলামেলা আলোচনার যে মুক্ত ব্যবস্থা চালু করেছিলেন তাই গ্লাসনস্ত নীতি হিসেবে অভিহিত।
- মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৯০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
৩,১৯৫.
জরথুস্ত্র ধর্মের আবির্ভাব ঘটে কবে?
  1. ক) খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে
  2. খ) খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে
  3. গ) খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতকে
  4. ঘ) খ্রিস্টপূর্ব নবম শতকে
ব্যাখ্যা
• পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিলো জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯৬.
সম্প্রতি কোন দেশ বিশ্বের সবচেয়ে গভীর ও বৃহত্তম পাতাল ট্রেনের স্টেশন চালু করে?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
[বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক, যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।]

বিশ্বের সবচেয়ে গভীর ও বৃহত্তম পাতাল ট্রেনের স্টেশন:
- দ্রুতগতির স্বয়ংক্রিয় পাতাল ট্রেন চালু করেছে চীন।
- যা বিশ্বের প্রথম উচ্চগতির স্বচালিত ট্রেন।
- বিশ্বের সবচেয়ে গভীর ও বৃহত্তম পাতাল ট্রেনের স্টেশন চালু করেছে চীন।
- শীতকালীন অলিম্পিককে সামনে রেখে দ্রুতগতির এই স্বয়ংক্রিয় পাতাল ট্রেন চালু করেছে চীন। 
- এর নির্মাণ শুরু হয় ২০১৬ সালে।
- ৩৩৫ ফুট মাটির নিচে ৩৬ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই রেলস্টেশন।
- এটি তিনতলা কাঠামো নিয়ে গঠিত।
- এই রেলস্টেশনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে চীনের অন্যতম দর্শনীয় স্থান গ্রেট ওয়ালের নিচে এর নির্মাণ হয়েছে।
- চীনে প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হয়েছে এই প্রযুক্তি।

উৎস: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২, দৈনিক ইত্তেফাক। [link]
৩,১৯৭.
ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন-
  1. ষোড়ষ ‍লুই
  2. সপ্তদশ লুই
  3. চতুর্দশ লুই
  4. পঞ্চদশ লুই
ব্যাখ্যা
ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিল ষোড়শ লুই।
- ফ্রান্সের রাজনৈতিক অনিয়ম ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের জন্য বিপ্লব হয়।
- সাম্রাজ্যবাদী নীতি এবং অমিতব্যয়ী নীতির কারণে দেশকে দুর্বলতা বৃদ্ধি পায়।
- ষোড়শ লুই ১৭৭৪ সালে সিংহাসনে বসেন।
- ফরাসি বিপ্লবের মূল চেতনা , স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী।
- ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যোগায় দার্শনিক ভলতেয়ার এবং রুশো লেখনীর মাধ্যমে।
- ১৯৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গ পতন হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় - নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।

উৎস: Britannica.
৩,১৯৮.
A Long Walk to Freedom বইটির লেখক কে?
  1. হোসে গুসামাও
  2. রবার্ট মুগাবে
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. অং সান সুচি
ব্যাখ্যা
A Long Walk to Freedom বইটির লেখক নেলসন ম্যান্ডেলা।

নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।
- ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে ম্যান্ডেলাকে ভিক্টর ভার্সটার কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়।
- ভিক্টর ভার্সটার কারাগার থেকে ম্যান্ডেলাকে ১৯৯০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি মুক্তি দেয়া হয়।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো ৪৬৬।
- কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- Long Walk to Freedom গ্রন্থটির রচয়িতা নেলসন ম্যান্ডেলা।

উৎস: i) Britannica.
         ii) History.com.
৩,১৯৯.
জরথুস্ত্র ধর্মগ্রন্থের নাম কী ছিল?
  1. ক) আহরিমান
  2. খ) বেদ
  3. গ) যেন্দাবেস্তা
  4. ঘ) মারডক
ব্যাখ্যা
পারসিক ধর্ম:
- জরথুস্ত্র ধর্মের আবির্ভাব খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে। 
- সম্রাট আর্দাশিরের আমলে এই ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে। 
- জরথুস্ত্র ধর্মের উপাস্য দেবতার নাম ছিল 'আহুরামাযদা'। 
- তিনি মঙ্গলের দেবতা এবং তার প্রতীক অগ্নি। 
- এই কারণে পারসিকদের অগ্নি উপাসক বলা হয়। 
- তাদের ধর্মমতে, ‘আহরিমান' হলেন অমঙ্গলের দেবতা। 
- অগ্নি উপাসক পারসিকরা পরকালে বিশ্বাসী ছিলেন। 
- জরথুস্ত্রের মৃত্যুর পর তার অনুসারীরা ধর্মগুরুর বাণী লিপিবদ্ধ করে রাখে। 
- জরথুস্ত্র ধর্মগ্রন্থের নাম ‘যেন্দাবেস্তা'। 
- যেন্দাবেস্তার মূল বিষয় ইহকাল, পরকাল, স্বর্গ-নরক, ভাল মন্দ। 
- ভারতবর্ষসহ পৃথিবীর অল্প কিছু দেশের খুব কম সংখ্যক লোক এখন এ ধর্মের অনুসারী। 
- সমকালীন বিশ্বের ধর্মাচারণে জরথুস্ত্রবাদ স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য রক্ষা করেছিল। 
- এই ধর্মের বৈশিষ্ট্য ছিল চারটি- 
ক. দ্বৈতবাদ, 
খ. চূড়ান্ত বিষয়ের উপর বিশ্বাস, 
গ. একটি নৈতিক ধর্ম এবং 
ঘ. একটি ঐশী ধর্ম।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২০০.
রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলের সর্ববৃহৎ শহর কোনটি?
  1. ক) সাইবেরিয়া
  2. খ) ভ্লাদিভস্টক
  3. গ) খায়বারভস্ক
  4. ঘ) বোখারা
ব্যাখ্যা

The Russian Far East is extraordinarily far from Russia's major population centers in Europe and is usually visited separately unless... by the Trans-Siberian Railway of course.
The largest city in the region, Vladivostok, is a full seven time zones away from Moscow, with 9,300 km of railroad between them.
The Far East is very different from popular conceptions of Russia—it is very mountainous and has an often spectacular Pacific coastline.

Source: Discovery Russia.